বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৯০ / ১৫৫ · ৮,৯০১৯,০০০ / ১৫,৪৭০

৮,৯০১.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারা মতে চেক ডিসঅনারের মামলায় আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ অর্থদণ্ড প্রদান করলে তার কী পরিমাণ অভিযোগকারী পাবেন?
  1. চেকের দ্বিগুণ টাকা
  2. চেকের তিনগুণ টাকা
  3. অথদণ্ডের অর্ধেক টাকা
  4. চেকের সমপরিমাণ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১-এর ধারা ১৩৮(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে:
- “Where any fine is realized under sub-section (1), any amount up to the face value of the cheque as far as is covered by the fine realized shall be paid to the holder.”
- “উপ-ধারা (১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদণ্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদণ্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদূর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদণ্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে।”

অর্থাৎ আদালত চেকের অর্থের তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করতে পারলেও (ধারা ১৩৮(১)), আদায়কৃত জরিমানা থেকে অভিযোগকারী বা চেকের ধারক চেকে বর্ণিত মূল অর্থের (face value) সমপরিমাণ টাকা পর্যন্তই পাবেন। বাকি অর্থ (যদি থাকে) রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।

৮,৯০২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VIII rule ________ এ Legal Set-off এর বিধান আছে?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির Set-off দুই প্রকার যথা:
ক) Legal Set-off [Order VIII, Rule 6],
খ) Equitable Set-off [Order XX, Rule 19(3)]

- যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট, সেক্ষেত্রে Legal Set-off দাবি করা যায়। কিন্তু, যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট সেক্ষেত্রে Equitable Set-off মঞ্জুর করা যেতে পারে (আদালতের Discretion-এর উপর)।

- Counter Claim: বাদীর দাবির চেয়ে বিবাদীর দাবি বেশি হলে দাবিটি Counter Claim (পাল্টা দাবি) হবে। এর জন্য আলাদা মোকদ্দমা না করে, তা লিখিত জবাবে উল্লেখ করে চাইতে হয়।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ৬ মোতাবেক- বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা হলে বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল করেন; এসময় বিবাদী তার পাওনা টাকার জন্য Set-off এর দাবী ও উত্থাপন করতে পারেন। দাবী সমন্বয়ের দাবীসহ বিবাদীর লিখিত জবাব বিবেচিত হয় পাল্টা মামলার আরজির ন্যায়। এ ক্ষেত্রে বিবাদী কোর্ট ফি দিতে বাধ্য।

- আদেশ-৮, বিধি-৬ এর বিধান পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ (Set off)- সহজ ভাষায়, সেট অফ অর্থ হল কোন দাবীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আরেকটি দাবী।
৮,৯০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে আদালত রায় দানের পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারেন?
  1. ধারা ২২১
  2. ধারা ২২৫
  3. ধারা ২২৭
  4. ধারা ২৩০
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২২৭ অনুসারে, যেকোনো আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে। এই পরিবর্তনগুলো অভিযুক্তকে পড়ে শোনাতে এবং বুঝাতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

৮,৯০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারায় কে প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারে? 
  1. পুলিশ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ফরিয়াদী
  4. জেলা জজ
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৮ – অভিযোগ প্রত্যাহার (Withdrawal of Complaint):
যদি কোনো ফরিয়াদী যে কোনো সময় মামলার চূড়ান্ত রায় দেওয়ার আগে ম্যাজিস্ট্রেটকে সন্তুষ্ট করে যে তার অভিযোগ প্রত্যাহার করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে অভিযোগ প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন, এবং সেই অনুযায়ী অভিযুক্তকে খালাস (Acquit) দিতে হবে।

[If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.]

৮,৯০৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার অধীনে, বাদী বিকল্পভাবে কী প্রার্থনা করতে পারেন?
  1. চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করা
  2. চুক্তি রদ করা ও বিলুপ্ত করা
  3. চুক্তির সম্পূর্ণ শর্ত পরিবর্তন করা
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া চুক্তি বাতিল করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) চুক্তি রদ করা ও বিলুপ্ত করা।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা করে, তবে তিনি বিকল্পভাবে আদালতের কাছে চুক্তি রদের (Rescission) আবেদন করতে পারেন।
এটি মূলত একটি বিকল্প প্রার্থনা (Alternative Prayer), যেখানে বাদী আদালতকে জানাতে পারেন যে—
- যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর না করা যায়, তবে
- চুক্তিটি রদ (Rescind) করা হোক ও তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হোক।
ধারা ৩৭-এর কার্যকারিতা:
যদি আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে আদালত চুক্তিটি রদ ও বিলুপ্ত করার নির্দেশ দিতে পারে।
এই ধারা বিশেষত লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, মৌখিক চুক্তির জন্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------  
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৮,৯০৬.
No non-agricultural tenant shall be ejected from the tenancy which he holds except in execution of ______________.
  1. collector's order
  2. landlord’s written notice
  3. a decree of a competent Civil Court
  4. a order of land administration board
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 ধারা ৭০: 
No non-agricultural tenant shall be ejected from the tenancy or from any non-agricultural land which he holds except in execution of a decree of a competent Civil Court.
কোনো অকৃষি ভাড়াটিয়াকে তার ভাড়া নেওয়া জমি বা অকৃষি জমি থেকে উচ্ছেদ (eject) করা যাবে না, যদি না তা কোনো উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতের ডিক্রির (decree) মাধ্যমে কার্যকর করা হয়।

অর্থাৎ,
ভাড়াটিয়াকে সরিয়ে দিতে হলে-
- অবশ্যই আদালতের ডিক্রি থাকতে হবে;
- এবং সেটি কার্যকর করতে হবে আইনগতভাবে।
৮,৯০৭.
দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ধারণে কোন নীতি অনুসরণ করা হয়?
  1. ধর্মীয় শুদ্ধি নীতি
  2. আত্মিক বন্ধন নীতি
  3. পারিবারিক সমতা নীতি
  4. আধ্যাত্মিক কল্যাণ নীতি
ব্যাখ্যা
হিন্দু উত্তরাধিকার আইন:
বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন: ১. বিধবা স্ত্রী; ২. কন্যা; ৩. মাতা; ৪. পিতার মাতা ও ৫. পিতার পিতার মাতা। পিতৃকুলের সপিণ্ডরা জীবিত থাকলে মাতৃকুলের সপিণ্ডরা সম্পত্তি পান না।
৮,৯০৮.
কোনো দেওয়ানি আদালত অপরিশোধিত কোর্ট ফি অনিবার্য কারণের জন্য পরবর্তীতে পরিশোধ করার অনুমতি দিতে পারেন - এটি দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১৩৩ ধারায়
  2. ১৪৩ ধারায়
  3. ১৪৯ ধারায়
  4. ১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৯ ধারায় একটি দেওয়ানি আদালতকে অপরিশোধিত কোর্ট ফি পরবর্তীতে পরিশোধ করার অনুমতি প্রদানের বিধান রয়েছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৯ ধারায় বলা হয়েছে:
"যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, অপরিশোধিত কোর্ট ফি যৌক্তিক বা অনিবার্য অসুবিধাজনক কারণগুলির জন্য পরিশোধ করা যায়নি, তাহলে সে (আদালত) এমন শর্তে যা তারা যুক্তিযুক্ত মনে করে, তা পরিশোধ করার অনুমতি দিতে পারবে।"

অর্থাৎ, যদি কোনো দলীল বা আদেশের জন্য প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি সময়মত অপরিশোধ থাকে এবং আদালত মনে করে যে এর জন্য যৌক্তিক বা অনিবার্য কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত তাদের বিবেচনায় নির্ধারিত শর্তে সেই অপরিশোধিত ফি পরবর্তীতে পরিশোধের অনুমতি দিতে পারবে।
তবে এক্ষেত্রে যৌক্তিকতা বা অনিবার্যতার যথাযথ কারণ প্রদর্শন করতে হবে এবং আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে। আদালত তাদের বিবেচনা অনুযায়ী শর্তাদি আরোপ করে এই অনুমতি প্রদান করতে পারেন।
৮,৯০৯.
‘ঘ’ আইনানুসারে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট দান করে, যা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে মিথ্যা লিখে। ‘ঘ’ The Penal Code, 1860-এর কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ১৯১
  2. ১৯৫
  3. ১৯৭
  4. ১৯৮
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি আইনত প্রয়োজনীয় বা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা দান করে, এবং তিনি জানেন বা বিশ্বাস করেন যে সার্টিফিকেটটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা, তবে তিনি এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য হবেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

৮,৯১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. যা কেবল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারযোগ্য
  2. যা এককভাবে দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য
  3. যা পুলিশ তদন্ত ছাড়া বিচারযোগ্য নয়
  4. যা কেবল হাইকোর্টে বিচারযোগ্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ:
যখন কোনো মামলার সূত্রপাত পুলিশ প্রতিবেদন বা অন্য কোনো উপায়ে হয়, এবং আসামি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয় বা আনা হয়, তখন যদি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মনে হয় যে উক্ত অপরাধটি এককভাবে দায়রা আদালতে (Court of Session) বিচারযোগ্য, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নোক্ত কাজসমূহ করবেন:
(ক) মামলাটি দায়রা আদালতে পাঠাবেন;
(খ) এই বিধি অনুযায়ী জামিন বা রিমান্ড সংক্রান্ত বিধানসমূহ অনুসারে, আসামিকে বিচার চলাকালীন ও বিচারের সমাপ্তি পর্যন্ত হেফাজতে (custody) রাখার আদেশ দিতে পারবেন;
(গ) মামলার নথিপত্র, এবং প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য যেসব দলিল ও বস্তু রয়েছে, তা দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
(ঘ) মামলাটি দায়রা আদালতে স্থানান্তরের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিকে (Public Prosecutor) অবহিত করবেন।

৮,৯১১.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী কেউ যদি নিজেকে অন্য ব্যক্তি বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, তবে তা "personation by cheating" হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৪১৪
  2. ধারা ৪১৫
  3. ধারা ৪১৬
  4. ধারা ৪১৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪১৬ ধারায় বলা হয়েছে: "যদি কেউ নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে, বা জ্ঞাতসারে অন্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে প্রতারণা করে, তবে সেটি ‘Cheating by personation’ বা রূপ ধারণ করে প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে।"
- অতএব, দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা অনুযায়ী এটি "personation by cheating" বা "অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা"।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা:- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা :- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 416. Cheating by personation:
 A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation.- The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations:
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
৮,৯১২.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৮ অনুযায়ী, বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করার তামাদির মেয়াদ কত? 
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন অনুসারে বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের (redeem) জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করার তামাদির মেয়াদ- ৬০ বছর।

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৮ অনুযায়ী,বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের (redeem) জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করার তামাদির মেয়াদ-৬০ বছর। এ মেয়াদ গণনা শুরু হবে সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের অধিকার উদ্ভব হয়।
-----------------------
⇒ The Limitation Act 1908, Article-148: The period of limitation against a mortgagee to redeem or to recover possession of immoveable property mortgaged is- 60 years. The period begins when the right to redeem or to recover possession accrues. 

৮,৯১৩.
কোনো ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ছাড়া অন্য কোথাও থেকে গ্রেফতার করা হলে, তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা মনোনীত বন্ধুকে অবহিত করার সময়সীমা কত?
  1. গ্রেফতারের ৬ ঘণ্টার মধ্যে।
  2. গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে।
  3. গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে।
  4. গ্রেফতারের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুসারে কোনো ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ছাড়া অন্য কোথাও থেকে গ্রেফতার করা হলে, তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা মনোনীত বন্ধুকে অবহিত করতে হবে গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;

(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;

(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;

(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

৮,৯১৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৬ অনুযায়ী কোনটি সঠিক?
  1. দলিল ছাড়া আদালত কোনো প্রমাণ গ্রহণ করবে না
  2. আদালতে সকল প্রমাণ উপস্থাপন করা আবশ্যক
  3. সাক্ষীর বক্তব্য ছাড়া আদালত প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে না
  4. কিছু ঘটনা প্রমাণের প্রয়োজন নেই, কারণ আদালত তা নিজেই জানে
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)-
যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী- যে সকল ঘটনা আদালত কর্তৃক লক্ষণীয় তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
--------------
⇒ The Evidence Act, Section 56. Fact judicially noticeable need not be proved: No fact of which the Court will take judicial notice need be proved.
৮,৯১৫.
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার ষড়যন্ত্রের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে,
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 121- Waging or attempting to wage war, or abeting waging of war, against Bangladesh:
Whoever wages war against Bangladesh, or attempts to wage such war, or abets the waging of such war, shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.

সেই সাথে,
১২১(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ১২১ ধারায় দণ্ডিত অপরাধ সংগঠনের ষড়যন্ত্র করলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 121A- Conspiracy to commit offences punishable by section 121:
Whoever within or without Bangladesh conspires to commit any of the offences punishable by section 121, or to deprive Bangladesh of the sovereignty of her territories or of any part thereof, or conspires to overawe, by means of criminal force or the show of criminal force, the Government, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৮,৯১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা কোন সালের সংশোধনীর মাধ্যমে সংযোজিত হয়েছিল?
  1. ১৯৯৭ সালের
  2. ২০০১ সালের
  3. ২০০৪ সালের
  4. ২০০৭ সালের
ব্যাখ্যা
Specific Relief (Amendment) Act-2004 দ্বারা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা সংযুক্ত করা হয়। Specific Relief (Amendment) Act-2004, কার্যকর বা বলবৎ হয়েছিল ০১.০৭.২০০৫ তারিখ হতে।

এই ধারা অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের অনিবন্ধিত চুক্তিপত্র সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। সুতরাং ২০০৫ সাল হতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা অনুযায়ী, এই আইনে অথবা অন্য কোন আইনে বিপরীত যা কিছু কার্যকর থাকুক না কেন, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যেতে পারে যদি চুক্তিটি লিখিত হয় এবং The Registration Act, 1908 এর অধীনে নিবন্ধিত হয়।

এই ক্ষেত্রে হস্তান্তরগ্রহীতা বিক্রিত সম্পত্তির আংশিক বা পুরোপুরি দখল নিয়েছে কিনা তা প্রাসঙ্গিক না। এবং চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মোকদ্দমা দায়েরকালীন সময়ে চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে দাখিল করা হলে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যেতে পারে।
৮,৯১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০৯ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কীসের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করা যায়?
  1. শুধু রায়ের বিরুদ্ধে
  2. শুধু ডিক্রির বিরুদ্ধে
  3. শুধু অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের বিরুদ্ধে
  4. রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

৮,৯১৮.
শুনানীর কমপক্ষে কত দিন পূর্বে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন?
  1. ৩ দিন
  2. ৫৭ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে-
অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব দিতে পারবেন এবং উহার ২ কপি শুনানীর সময়ের কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন। সচিব শুনানীর কমপক্ষে দুই দিন পূর্বে তা অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরবরাহ করবেন।

The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules, 1972. Rule- 46:
The advocate concerned shall be entitled to file a reply to the allegations against him whether or not he has already filed a reply before the Bar Council.
He shall deliver such reply along with two copies to the Secretary at least seven days before the date of hearing fixed by the Tribunal and the Secretary shall deliver the copies to the Attorney General and the complainant at least two days before such d hearing.
৮,৯১৯.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৬ কার স্বার্থ রক্ষা করে?
  1. ডিক্রি জারিকারীর
  2. বিবাদীর
  3. নিলাম ক্রেতার
  4. ডিক্রিদারের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো- (গ) নিলাম ক্রেতার।

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৬ মূলত সেই ব্যক্তির স্বার্থ রক্ষা করে, যিনি আদালতের ডিক্রির ভিত্তিতে নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে সম্পত্তি ক্রয় করেছেন (auction purchaser)।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ১৬- ডিক্রি জারিকৃত বিক্রয় বাতিলের কার্যক্রম চলাকালে সময় বাদ দেওয়া:
যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ডিক্রি জারির ভিত্তিতে নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতা হয়ে দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের করে, সেই ক্ষেত্রে তামাদি সময় গণনার সময় বিক্রয় বাতিল করার জন্য যে সময়কাল মামলা বা কার্যক্রম চালানো হয়েছে, তা তামাদি সময় থেকে বাদ দেওয়া হবে।

⇒ যখন বিক্রয়টি বাতিল করার জন্য মামলা বা কার্যক্রম চলে, তখন এই সময়কাল তামাদি সময়ের হিসাব থেকে বাদ দেওয়া হয় - অর্থাৎ, ক্রেতা যেন বিক্রয় বাতিল মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে তার দখল পুনরুদ্ধারের অধিকার হারিয়ে না ফেলে, সেই উদ্দেশ্যেই এই ধারা প্রণীত হয়েছে।

৮,৯২০.
দায়রা আদালত কখন অপরাধ আমলে নিতে পারে?
  1. পুলিশ প্রতিবেদন দিলে
  2. সরাসরি আমলে নিতে পারে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মামলা প্রেরিত হলে
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারা- দায়রা আদালত কর্তৃক অপরাধসমূহ আমলে নেয়া:
(১) এই কার্যবিধি অথবা সমকালে কার্যকর থাকা অন্য কোন আইন দ্বারা ব্যক্তভাবে ভিন্নরূপ কোন বিধান দেওয়া থাকিলে তা ব্যতিরেকে, কোন দায়রা আদালত আদি অধিক্ষেত্রের আদালতরূপে কোন অপরাধকে আমলে নিবেন না, যদি না, এই কার্যবিধি মতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিষয়টি উহার নিকট প্রেরিত না হয়।

(২) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক যেসব মামলা বিচারের নির্দেশ দিবেন অথবা কোন দায়রা বিভাগের জজ সাধারণ বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক যেসব মামলা বিচারের জন্য হস্তান্তর করবেন, অতিরিক্ত ও যুগ্ম দায়রা জজগণ শুধুমাত্র সেসব মামলার বিচার করবেন।
৮,৯২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় যে-সব চুক্তি সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয় তা উল্লেখ আছে?
  1. ১২ ধারায়
  2. ২৮ ধারায়
  3. ২১ ধারায়
  4. ২২ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা; 
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।
----------------------------------------
⇒ Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:– 
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৮,৯২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারা অনুসারে কোন আদালত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করতে পারে না?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫০৩ অনুসারে, সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন জারির ক্ষমতা নিম্নলিখিত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটদের রয়েছে:
- মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
- চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
- দায়রা আদালত (Court of Session)
- হাইকোর্ট বিভাগ
এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উপরোক্ত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটরা যদি মনে করেন যে সাক্ষীর পরীক্ষা ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজন এবং সাক্ষীর উপস্থিতি অযৌক্তিক বিলম্ব, খরচ বা অসুবিধার কারণ হবে, তবে তারা সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া কমিশন জারি করতে পারেন।
কিন্তু দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট (Second Class Magistrate) এর নাম এই ধারায় কমিশন জারির ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষ হিসেবে উল্লেখ নেই। তবে, ধারা ৫০৬ অনুসারে, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সহ অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেটরা (যারা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ) কমিশন জারির জন্য তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) কাছে আবেদন করতে পারেন, কিন্তু তারা নিজে সরাসরি কমিশন জারি করতে পারেন না।
অতএব, ধারা ৫০৩ অনুসারে দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরাসরি কমিশন জারি করতে পারেন না।
------- 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ-
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোনো কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহণ করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to a Metropolitan Magistrate, a Chief Judicial Magistrate, a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate, within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness.
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette.
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, he, or any other Magistrate as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.

৮,৯২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৩ ধারা অনুযায়ী ঘোষনা মূলক ডিক্রীর ফলাফল কারা মানতে বাধ্য?
  1. পক্ষগণ/প্রতিনিধি
  2. রাষ্ট্রের সকলে
  3. সরকারী কর্মচারীরা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৩ ধারা অনুযায়ী ঘোষনা মূলক ডিক্রী মামলার ফলাফল পক্ষগণ/প্রতিনিধিগণ মানতে বাধ্য। কিন্তু তৃতীয় কোন ব্যক্তি /পক্ষ ঘোষনামূলক ডিক্রীর ফলাফল মানতে বাধ্য নয়।
৮,৯২৪.
স্বামী সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ড প্রাপ্ত হলে, স্ত্রী মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর অধীন বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা

• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্বামী যদি ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করতে পারেন।

তবে, এই ডিক্রি পাস করার আগে আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে রায় চূড়ান্ত হয়েছে। অর্থাৎ, রায়ের বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা পুনর্বিচারের আবেদন থাকলে, যতক্ষণ না তা নিষ্পত্তি হয়, ততক্ষণ ডিক্রি পাস করা যাবে না।

৮,৯২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী বিচার সমাপ্তির পর রায় উন্মুক্ত আদালতে ঘোষণা করতে হবে?
  1. ধারা ৩৬৪
  2. ধারা ৩৬৫
  3. ধারা ৩৬৬
  4. ধারা ৩৬৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) এর অধ্যায় XXVI-এর ধারা ৩৬৬-এর অধীনে রায় ঘোষণার পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধান দেওয়া আছে। এই ধারার উপ-ধারা (১) অনুযায়ী, প্রত্যেক ফৌজদারি আদালতের মূল এখতিয়ারে বিচারের রায় উন্মুক্ত আদালতে ঘোষণা করতে হবে। রায়টি হয় বিচার শেষ হওয়ার সাথে সাথে ঘোষণা করা হবে, অথবা পরবর্তী কোনো নির্দিষ্ট সময়ে, যার নোটিশ পক্ষগুলো বা তাদের উকিলদের দেওয়া হবে। এছাড়াও, রায়টি আদালতের ভাষায় বা আসামি বা তার উকিলের বোধগম্য ভাষায় ঘোষণা করতে হবে।

অর্থাৎ ধারা ৩৬৬-এর অধীনে আরও উল্লেখ আছে যে, যদি প্রসিকিউশন বা ডিফেন্সের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়, তবে পুরো রায়টি প্রিসাইডিং জজের দ্বারা পড়ে শোনাতে হবে। এছাড়াও, আসামির উপস্থিতি সাধারণত বাধ্যতামূলক, তবে কিছু ক্ষেত্রে (যেমন, শুধুমাত্র জরিমানার শাস্তি বা খালাসের ক্ষেত্রে) তার উকিলের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৬: রায় প্রদানের পদ্ধতি:
১। মূল বিচারিক আদালতের প্রতিটি মামলার রায় ঘোষণা করতে হবে, অথবা রায়ের মূল সারাংশ ব্যাখ্যা করতে হবে—
(ক) খোলা আদালতে, হয় মামলার অবসানের সাথে সাথে অথবা পরে নির্ধারিত কোনো সময়ে, যার বিষয়ে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদের পূর্বে নোটিশ দিতে হবে; এবং
(খ) আদালতের ভাষায়, অথবা এমন ভাষায় যা আসামি বা তার আইনজীবী বুঝতে পারেন। তবে যদি প্রসিকিউশন বা ডিফেন্স পক্ষের অনুরোধ থাকে, তাহলে সম্পূর্ণ রায় বিচারক নিজে পড়ে শোনাবেন।
২। যদি আসামি হেফাজতে থাকে, তাহলে তাকে আদালতে হাজির করে রায় শোনানো হবে। যদি হেফাজতে না থাকে, তবে আদালত তাকে রায় শুনতে আসার নির্দেশ দিবে, তবে যদি আসামির ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করা হয় এবং রায় শুধুমাত্র জরিমানার বা খালাসের হয়, সেক্ষেত্রে রায় তার আইনজীবীর উপস্থিতিতে ঘোষণা করা যেতে পারে।
৩। রায় ঘোষণার দিনে যদি কোনো পক্ষ বা তাদের আইনজীবী অনুপস্থিত থাকেন, বা তাদের নোটিশ প্রদানে কোনো ত্রুটি বা ত্রুটিপূর্ণ সেবা হয়,
তবুও শুধু এই কারণেই রায় বাতিল হবে না।
৪। এই ধারার কোনো কিছুই ধারা ৫৩৭-এর ক্ষমতা বা প্রভাব সীমিত করে না।
----------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-366. Mode of delivering judgment:
(1) The judgment in every trial in any Criminal Court of original jurisdiction shall be pronounced, or the substance of such judgment shall be explained- 
(a) in open Court either immediately after the termination of the trial or at some subsequent time of which notice shall be given to the parties or their pleaders, and 
(b) in the language of the Court, or in some other language which the accused or his pleader understands: 
Provided that the whole judgment shall be read out by the presiding Judge, if he is requested so to do either by the prosecution or the defence. 
(2) The accused shall, if in custody, be brought up, or, if not in custody, be required by the Court to attend, to hear judgment delivered, except where his personal attendance during the trial has been dispensed with and the sentence is one of fine only or he is acquitted, in either of which cases it may be delivered in the presence of his pleader.
(3) No judgment delivered by any Criminal Court shall be deemed to be invalid by reason only of the absence of any party or his pleader on the day or from the place notified for the delivery thereof, or of any omission to serve, or defect in serving, on the parties of their pleaders, or any of them, the notice of such day and place.
(4) Nothing in this section shall be construed to limit in any way the extent of the provisions of section 537.

৮,৯২৬.
পক্ষগণের জবানবন্দী গ্রহণ (Examination of parties) সম্পর্কিত দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ কত?
  1. আদেশ ১০
  2. আদেশ ১১
  3. আদেশ ১৬
  4. আদেশ ১৮
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

• আদেশ ১০ বিধি ৪(১,২) অনুসারে, যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কোন পক্ষ নিজে না এসে কোন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত হাজিরা দেয়, সেই ক্ষেত্রে আইনজীবী কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে অক্ষম হলে বা উত্তর দিতে অস্বীকার করলে, আদালত মোকদ্দমার শুনানী মুলতুবি রেখে উক্ত পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে পারে। উক্ত নির্ধারিত দিনে এমন পক্ষ হাজির হতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে।

• উল্লেখ্য যে, আদেশ ১০ এর ৪ বিধির অধীন কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার আদেশ হলো একটি আপীলযোগ্য আদেশ।
৮,৯২৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় চুক্তির পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩২ ধারা 
  2. ৩৩ ধারা 
  3. ৩৪ ধারা 
  4. ৩৫ ধারা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা,পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান: লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
------------
Section 32- Presumption as to intent of parties: For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

৮,৯২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা অনুসারে তল্লাশি পরোয়ানা কখন জারি করা হয়?
  1. যখন কোনো সম্পত্তি চুরি হয়
  2. যখন কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে আটক থাকেন
  3. যখন কোনো বাড়িতে অবৈধ বস্তু পাওয়া যায়
  4. যখন কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যার হুমকি দেয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা (সার্চ ওয়ারেন্ট) জারির বিধান রয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা-
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।

Section 100- Search for persons wrongfully confined:
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
৮,৯২৯.
যদি কেউ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেয় কিন্তু সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তাহলে দণ্ডবিধি অনুসারে উস্কানিদাতার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. কোন শাস্তি হবে না কারণ অপরাধ সংঘটিত হয়নি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধের উস্কানি দেয়, কিন্তু সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে উস্কানিদাতা সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
এছাড়া, যদি উস্কানির ফলে কোনো শারীরিক ক্ষতি বা আঘাত হয়, তবে শাস্তি আরো কঠোর হতে পারে এবং তা ১৪ বছরের কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেওয়া - যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়; যদি ক্ষতি সৃষ্টিকারী কার্য সম্পাদিত হয়:
যে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু উস্কানির ফলে ওই অপরাধ সংঘটিত না হয় এবং এই দণ্ডবিধিতে উস্কানির শাস্তির জন্য কোনো বিশেষ বিধান না থাকে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে;

এবং যদি কোনো এমন কার্য, যার জন্য উস্কানিদাতা দণ্ডনীয়, এবং যার কারণে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সংঘটিত হয়, তাহলে উস্কানিদাতা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 115.  Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
 
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine. 
 
Illustration
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 32[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.
৮,৯৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ৫ অনুযায়ী আরজিতে কী দেখানো আবশ্যক?
  1. বাদীর স্বার্থ
  2. বিবাদীর স্বার্থ
  3. সমন জারির প্রয়োজনীয়তা
  4. মোকদ্দমা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির বিবরণ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৭ বিধি ৫: বিবাদীর স্বার্থ ও দায়িত্ব দেখাতে হবে:
আরজিতে (প্লেইন্টে) প্রদর্শন করতে হবে যে, বিবাদী মামলার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসম্পন্ন বা মামলার বিষয়বস্তুতে স্বার্থ দাবি করছেন, এবং তিনি বাদীর দাবীর উত্তর দিতে বাধ্য।

[Defendant's interest and liability to be shown:
The plaint shall show that the defendant is or claims to be interested in the subject-matter,and that he is liable to be called upon to answer the plaintiff's demand.]

৮,৯৩১.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্র 'অপহরণ' হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. জোরপূর্বক বাধ্য করে একস্থান থেকে অন্যস্থানে নিয়ে গেলে
  2. প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে একস্থান থেকে অন্যস্থানে নিয়ে গেলে
  3. ক বা খ উভয়
  4. ক বা খ কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারা- অপহরণ:
যদি কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

অর্থাৎ কোনো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সম্মতিসহ চলে গেলে তা অপহরণ হিসেবে গণ্য হবে না।

Section 362- Abduction:
Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
৮,৯৩২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার অধীনে কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সরকারি সংস্থা
  2. কেবলমাত্র চুক্তির মূল পক্ষ
  3. চুক্তির পক্ষ বা তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি
  4. কেবলমাত্র আদালতের নির্দেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) চুক্তির পক্ষ বা তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার অধীনে, সাধারণত চুক্তির মূল পক্ষই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য মামলা করতে পারেন। তবে এই ধারা অনুসারে, কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে চুক্তির স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা উত্তরাধিকারীগণও এই অধিকার ভোগ করতে পারেন।
- অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী, চুক্তির পক্ষ বা তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য আবেদন করতে পারে, নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে:
এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
খ) চুক্তির যেকোনো পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, সচ্ছলতা বা কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযােগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়ােগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতঃপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।
গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপােষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোনো ব্যক্তি;
ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়ােগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;
ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকার সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভ উত্তরাধিকারী পাওয়ার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভােগের উত্তরাধিকারী;
চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভােগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;
ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নূতন কোম্পানি;
জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়োজনবশত: চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলিতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 23. Who may obtain specific performance:
Except as otherwise provided by this Chapter, the specific performance of a contract may be obtained by-
(a) any party thereto;
(b) the representative in interest, or the principal, of any party thereto: provided that, where the learning, skill, solvency or any personal quality of such party is a material ingredient in the contract, or where the contract provides that his interest shall not be assigned, his representative in interest or his principal shall not be entitled to specific performance of the contract, unless where his part thereof has already been performed;
(c) where the contract is a settlement on marriage, or a compromise of doubtful rights between members of the same family, any person beneficially entitled thereunder;
(d) where the contract has been entered into by a tenant for life in due exercise of a power, the remainderman;
(e) a reversioner in possession, where the agreement is a covenant entered into with his predecessor in title and the reversioner is entitled to the benefit of such covenant;
(f) a reversioner in remainder, where the agreement is such a covenant, and the reversioner is entitled to the benefit thereof and will sustain material injury by reason of its breach;
(g) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
(h) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract for the purposes of the company, and such contract is warranted by the terms of the incorporation, the company.
৮,৯৩৩.
Order 11, Rule 1 অনুযায়ী interrogatories দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  2. ইস্যু নির্ধারণের ৭ দিনের মধ্যে
  3. ইস্যু নির্ধারণের ১০ দিনের মধ্যে
  4. ইস্যু নির্ধারণের ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

(Order 11, Rule 1 – জিজ্ঞাসাবাদ দ্বারা অনুসন্ধান):
যেকোনো মামলায়, বাদী বা বিবাদী আদালতের অনুমতি নিয়ে ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে প্রতিপক্ষ বা প্রতিপক্ষের মধ্যে একজন বা একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লিখিত প্রশ্নাবলি (interrogatories) দিতে পারে।
এই প্রশ্নাবলি দাখিল করার সময় এর নিচের অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে- কোন প্রশ্নগুলোর উত্তর কোন ব্যক্তি/ব্যক্তিদের দিতে হবে।

প্রথম শর্ত:
একই পক্ষকে উদ্দেশ্য করে কোনো পক্ষ একাধিক সেট interrogatories (প্রশ্নাবলি) দিতে পারবে না, যদি না এ বিষয়ে আদালত বিশেষ আদেশ প্রদান করে।

দ্বিতীয় শর্ত:
যেসব interrogatories মামলার বিরোধপূর্ণ বিষয়ে (matters in question) সম্পর্কিত নয়, সেগুলো অপ্রাসঙ্গিক (irrelevant) বলে গণ্য হবে—যদিও সাক্ষীর মৌখিক জিজ্ঞাসাবাদের সময় এগুলো গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

৮,৯৩৪.
Gregorian/ ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সময় গণনা শুরু হবে কোন ধারা অনুযায়ী?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৬
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী সকল দলিলের/মামলার গণনা শুরু হবে ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী। 
৮,৯৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(ঠ) অনুসারে, তদন্তের উদ্দেশ্য কী?
  1. আদালতে মামলা দাখিল করা
  2. সাক্ষ্য সংগ্রহ করা
  3. মামলার রায় প্রদান
  4. অভিযোগ গঠন করা
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪(ঠ) তে বলা আছে-
Investigation (তদন্ত) অর্থ হলো সাক্ষ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত পুলিশ অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত তার কর্তৃক পরিচালিত কোন কার্যক্রম।
৮,৯৩৬.
মাদকদ্রব্য অপরাধ সংক্রান্ত কোনো ঘটনার ভিডিও বা স্থিরচিত্র আদালতে কীভাবে ব্যবহারযোগ্য?
  1. শুধুমাত্র তদন্তের কাজে
  2. বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসেবে
  3. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে
  4. ব্যবহারযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৫৬: ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা, ইত্যাদির সাক্ষ্য মূল্য:
Evidence Act, 1872 (Act No.I of 1872) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি বা তদন্তকারী সংস্থার কোনো সদস্য বা অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ বা ক্ষতি সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোনো ঘটনার ভিডিও বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোনো কথাবার্তা বা আলাপ-আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত ভিডিও, স্থিরচিত্র, টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধ বা ক্ষতি সংশ্লিষ্ট মামলা বিচারের সময় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।

৮,৯৩৭.
কোন ব্যক্তি আদালতের নথি বা সরকারের সরকারি রেজিস্টারের নথি জাল করিলে সর্বোচ্চ কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৬ অনুসারে, যে কেউ আদালতের রেকর্ড বা কার্যধারা, জন্ম, বিবাহ, মৃত্যু বা দাফনের রেজিস্টার, সরকারি কর্মচারী কর্তৃক রক্ষিত রেজিস্টার, বা সরকারি কর্মচারীর দায়িত্বে তৈরি দলিল, মামলা দায়ের বা প্রতিরক্ষার অনুমতি, বা পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি জাল করলে, তার শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হলো ৭ বছর।

- অর্থাৎ ধারা ৪৬৬ অনুসারে, আদালতের নথি বা সরকারি রেজিস্টারের নথি জাল করার সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) সাত বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা আদালতের নথিপত্র বা সরকারী রেজিস্টার ইত্যাদি জালকরণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এমন একটি দলিল জাল করে যা কোন বিচারালয়ের নথি অথবা প্রসিডিং কিংবা কোন বিচারালয়ে উত্থাপিত নথি বা প্রসিডিং বলে অথবা কোন জন্ম, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বিবাহ কিংবা সমাধিকরণের রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তক সরকারী কর্মচারী হিসেবে রক্ষিত রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা তার সরকারী পদ মর্যাদা বলে কৃত সার্টিফিকেট বা দলিল বলে, অথবা কোন মামলা দায়ের করার বা উহাতে পক্ষ সমর্থনের কিংবা উহাতে কোন কার্যক্রম গ্রহণের রায় মানার কিংবা পাওয়ার অব এটনী বলে প্রতিভাত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 466. Forgery of record of Court or of public register, etc:
Whoever forges a document, purporting to be a record or proceeding of or in a Court of Justice, or a register of birth, baptism, marriage or burial, or a register kept by a public servant as such, or a certificate or document purporting to be made by a public servant in his official capacity, or an authority to institute or defend a suit, or to take any proceedings therein, or to confess judgment, or a power of attorney, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৮,৯৩৮.
ডিক্রির তারিখ হতে ________ পর ডিক্রি জারি করলে জারিকারক আদালত দেনাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন।
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো:

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i)  ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।

তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
৮,৯৩৯.
পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগের ফলে-
  1. মোকদ্দমা খারিজ হবে
  2. মোকদ্দমা স্থগিত হবে
  3. মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না
  4. মোকদ্দমা পুনঃরায় দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগ পক্ষসমূহ [Non-joinder and mis-joinder of parties]:
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৯ অনুযায়ী মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষকে মোকদ্দমায় পক্ষ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত না করলে, তাকে পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত [Non-joinder] বলে। প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্যকোন ব্যক্তি যার প্রয়োজন নেই তাকে পক্ষভুক্ত করলে, সেটাকে পক্ষসমূহের অপসংযোগ [Mis joinder] বলে।

কোন মোকদ্দমায় পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগ এর কারণে কোন মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না [আদেশ ১, বিধি ৯]।
৮,৯৪০.
সকল দেওয়ানী কার্যক্রমে কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী গণ্য হবে-
  1. অযোগ্য সাক্ষী
  2. যোগ্য সাক্ষী
  3. সাক্ষী সংশ্লিষ্ট
  4. বৈরী সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী: সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।
------------------------------------------
⇒ Section 120 of Evidence Act: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
 In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৮,৯৪১.
কোনো শিশু যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য নয় এমন অপরাধে দোষী হয়, তবে শিশু-আদালত সর্বাধিক কত বছর মেয়াদে আটকাদেশ প্রদান করবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩৪- শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আটকাদেশ, ইত্যাদি:
(১) কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দোষী প্রমাণিত হইলে শিশু-আদালত তাহাকে অনুর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে আটকাদেশ প্রদান করিয়া শিশুউন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় নয় এমন কোন অপরাধে দোষী প্রমাণিত হইলে শিশু-আদালত তাহাকে অনধিক ৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে আটকাদেশ প্রদান করিয়া শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
 
(২) শিশু-আদালতের আদেশে অথবা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আটকাদেশপ্রাপ্ত শিশুর আচরণ, চারিত্রিক ও ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক ও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটিলে এবং হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত না হইলে, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের বা প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ শিশুর বয়স ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইবার সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট শিশুকে মুক্তি প্রদানের লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য, ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইবার অন্যূন ৩ (তিন) মাস পূর্বে, সরকারের নিকট সুপারিশ প্রেরণ করিতে পারিবে।
 
(৩) হত্যা, ধর্ষণ, ডাকাতি, দস্যুতা বা মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত শিশুর বয়স ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইলে এবং মামলাটি আদালতে বিচারাধীন থাকিলে অথবা উল্লিখিত অপরাধের মামলায় আদালতের আদেশ অনুযায়ী আটকাদেশপ্রাপ্ত শিশুর বয়স ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইলে, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের বা প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ, শিশু-আদালতের অনুমতি গ্রহণ সাপেক্ষে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে কেন্দ্রীয় বা জেলা কারাগারে প্রেরণ করিবে।
 
(৪) কারাগার কর্তৃপক্ষ উপ-ধারা (৩) এর অধীন প্রেরিত ব্যক্তিকে, কারাগারে অবস্থানরত অন্য কোন আইনের অধীনে দণ্ডপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন আসামীদের হইতে পৃথক করিয়া ভিন্ন ওয়ার্ডে রাখিবার ব্যবস্থা করিবে, যেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাহার আটকাদেশের মেয়াদ বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, আটকাদেশের অবশিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত অবস্থান করিবেন।
 
(৫) কোন শিশুর বিচার প্রক্রিয়া ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইবার পর সমাপ্ত হইলে এবং বিচার সমাপ্তির পর তাহাকে আটকাদেশ প্রদান করা হইলে উক্ত শিশুকে শিশু-আদালত সরাসরি কেন্দ্রীয় বা জেলা কারাগারে প্রেরণ করিবে।
 
(৬) এই ধারায় ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন শিশুকে উপ-ধারা (১) এর অধীন শিশুউন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার পরিবর্তে যথাযথ সতর্কীকরণের পর খালাস প্রদানের অথবা সদাচারণের জন্য প্রবেশনে মুক্তি দানের জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
 
(৭) কোন শিশুকে, উপ-ধারা (৬) এর অধীন, প্রবেশনে মুক্তির ক্ষেত্রে শিশু-আদালত সংশ্লিষ্ট শিশুকে প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে অথবা তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য অথবা অন্য কোন উপযুক্ত ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে সোপর্দ করিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিশুকে তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্যের অনুকূলে সোপর্দ করা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে উক্ত শিশুর, অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কাল, সদাচরণের জন্য দায়ী থাকিবেন মর্মে জামিনসহ বা বিনা জামিনে অথবা আদালত যেইরূপ নির্দেশ প্রদান করিবে সেইরূপ মুচলেকা প্রদান করিতে হইবে।
 
(৮) প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট হইতে রিপোর্ট প্রাপ্তি অথবা অন্য কোনভাবে যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, প্রবেশনে মুক্ত শিশু তাহার প্রবেশনকালে সদাচরণ করে নাই, তাহা হইলে আদালত, যেইরূপ উপযুক্ত বিবেচনা করিবে সেইরূপ তদন্ত করিবার পর, সংশ্লিষ্ট শিশুকে প্রবেশনের অসমাপ্ত সময়ের জন্য প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে আটক রাখিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

৮,৯৪২.
অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ২৪ অনুসারে, ভূমি হস্তান্তরের পর কোনো দালান, স্থাপনা বা উন্নয়নের জন্য ব্যয়ের উপর কত শতাংশ হারে বার্ষিক সুদ প্রদান করতে হবে?
  1. ৫%
  2. ৬.২৫%
  3. ৭.৫%
  4. ৮%
ব্যাখ্যা

⇒ অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ২৪(৩) অনুযায়ী, ভূমি হস্তান্তরের পর কোনো দালান, স্থাপনা বা উন্নয়নের জন্য ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান করতে হবে। এই সুদ হস্তান্তরের তারিখ থেকে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখ পর্যন্ত প্রযোজ্য।

⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় যে সকল বিষয় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে তার বিধান আছে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]। 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ।
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
-----------
⇒The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 Section 24. Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
- (1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be.

- (2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.

-(3) If such deposit is made, the Court shall give notice to the transferee to appear within such period as it may fix and to state what other sums he has paid in respect of rent for the period after the date of transfer or in annulling encumbrances on the property and also what other amounts, if any, have been spent by him, between the date of the transfer and the date of service of the notice of the application, in erecting any building or structure or in making any other improvement in the portion or share of the property transferred. The Court shall then direct the applicant, including any person whose application under sub-section (4) is granted, to deposit within such period as the Court thinks reasonable such amount as the transferee has paid or spent on these accounts together with interest at the rate of six and a quarter per centum per annum with effect from the date on which the transferee made such payments or spent such amounts.

৮,৯৪৩.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে ৫০,০০০/- টাকার দাবীতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। উক্ত মোকদ্দমায় ‘খ’ লিখিত জবাব দিয়ে জবাবে দাবী উত্থাপন করে যে, ‘খ’ ‘ক’ এর নিকট ৪০,০০০/- টাকা পাওনা আছে। ‘খ’ এর এই দাবিটি হলো?
  1. মধ্যস্থতা
  2. পাল্টা দাবী (Counter claim)
  3. পারাস্পরিক দায় শোধ (Set off)
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি  আদেশ ৮ এর বিধি ৬ অনুযায়ী পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ (Set off) হলো বিবাদীর বিরুদ্ধে বাদী যখন অর্থ আদায়ের মামলা করে তখন বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার দাবী/আবেদন। সহজ ভাষায়, সেট অফ অর্থ হল কোন দাবীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আরেকটি দাবী।
⇒ অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
⇒সেট অফের আবেদনের সময়- ৮ নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়।
⇒ প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পরও Set off এর দাবি করা যায়।
সেট অফের আবেদনের শর্ত- 
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে।
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে।
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না।
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না।
⇒ সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
⇒ যদি বাদীর দাবীর চেয়ে বিবাদী দাবী বেশি হয় তাহলে এটি Counter claim ।
৮,৯৪৪.
কোন মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে?
  1. বাটোয়ারা মামলায়
  2. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
  3. ফোর ক্লোজারের মামলায়
  4. অর্থ মামলায়
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ আদেশের ১ হতে ৪ বিধিতে রায়ের পূর্বে গ্রেপ্তারের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন।

♦ রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ কোন স্থাবর সম্পত্তি বা ভূমি সংক্রান্ত মোকদ্দমায়, যেমন- বাটোয়ারা, নিষেধাজ্ঞার মামলা, ফোর ক্লোজার বা বন্ধকী সম্পত্তির জামানত ফেরত পাওয়ার মামলায় মঞ্জুর করা যায় না।
৮,৯৪৫.
একটি আইনের দুইটি ধারা পরস্পর সাংঘর্ষিক হলে, আইনটি কিভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে?
  1. অবস্থাভেদে একটি ধারা কার্যকর হবে
  2. পূর্বের ধারাটি কার্যকর হবে,পরের ধারাটি বাতিল হবে
  3. পূর্বের ধারাটি বাতিল হবে, পরের ধারাটি কার্যকর হবে
  4. এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়
ব্যাখ্যা
একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায় এবং এতে বিদ্যমান পরস্পর বৈরিতা প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব হয়। আইন ব্যাখ্যার এই নীতিই 'Rule of Harmonious Construction' (আইন ব্যাখ্যার বৈরিতামুক্ত নীতি/সামঞ্জস্যমূলক নীতি) নামে পরিচিত।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট Rule of Harmonious Construction নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:

(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।

(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
৮,৯৪৬.
অর্থদণ্ড ব্যতীত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
অর্থাৎ অর্থদণ্ড ব্যতীত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় সর্বনিম্ন শাস্তি - যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
-----------------
⇒ The Penal Code,1860-Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৮,৯৪৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগী (Accomplice) সাক্ষীর বিধান আছে?
  1. ১১৪
  2. ১৩১
  3. ১৩৩
  4. ১৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice: 
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৮,৯৪৮.
রহিম ইচ্ছাকৃতভাবে সোহেলের ব্যাগে মাদকদ্রব্য রাখে, যাতে পুলিশ সেটি পায় এবং সোহেল মাদক মামলায় ফেঁসে যায়। রহিমের কাজ কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. মিথ্যা প্রমাণ তৈরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) মিথ্যা প্রমাণ তৈরি।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:

কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণসমূহ (Illustrations):
(ক) A, Z–এর বাক্সে রত্নপাথর রাখে, যাতে এগুলো ওই বাক্সে পাওয়া যায় এবং এই পরিস্থিতির কারণে Z চুরির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়। A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে।

(খ) A, আদালতে সমর্থক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে নিজের দোকানের হিসাবপত্রে (Shop-book) মিথ্যা নথি লিখে। A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে।

(গ) A, Z–কে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে দোষী প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে Z–এর লেখা নকল করে একটি চিঠি লিখে, যা সে জানে পুলিশ পরিদর্শন করবে এমন স্থানে রাখে। A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে।

৮,৯৪৯.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে মামলা দাখিলে নোটিশে উল্লিখিত মূল্যের উপর শতকরা কতভাগ হারে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ৬.২৫%
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় যে সকল বিষয় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে তার বিধান আছে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]। 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ।
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
-----------
⇒ Section 24. Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
- (1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be.

- (2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.

-(3) If such deposit is made, the Court shall give notice to the transferee to appear within such period as it may fix and to state what other sums he has paid in respect of rent for the period after the date of transfer or in annulling encumbrances on the property and also what other amounts, if any, have been spent by him, between the date of the transfer and the date of service of the notice of the application, in erecting any building or structure or in making any other improvement in the portion or share of the property transferred. The Court shall then direct the applicant, including any person whose application under sub-section (4) is granted, to deposit within such period as the Court thinks reasonable such amount as the transferee has paid or spent on these accounts together with interest at the rate of six and a quarter per centum per annum with effect from the date on which the transferee made such payments or spent such amounts.

Provided that if the correctness of any amount claimed to have been paid or spent by the transferee on any such account is disputed by any applicant the Court shall enquire into such dispute and, after giving the transferee an opportunity of being heard, determine the amount actually paid or spent by the transferee on any such account and shall then direct the applicant to deposit the amount so determined with interest at the rate of six and quarter per centum per annum as aforesaid within such period as the Court thinks reasonable. 
 
(4) (a) When an application has been made by one or more co-sharer tenants under sub-section (1) any of the remaining co-sharer tenants including the transferee, if one of them, may within the period of four months referred to in the said sub-section or within one month of the service of notice of the application, whichever is later, apply to join in the said application, and any co-sharer tenant who has not applied under sub-section (1) or has not applied to join under this sub-section, shall not have any further right to purchase under this section. 
 
(b) Such application to join as a co-applicant shall be dismissed unless within such period as the Court may fix, the applicant deposits in Court for payment to the applicant under sub-section (1), such sum, as the Court shall determine as the share to be paid by him for the purposes of sub-section (2). 
 
(c) If such deposit is made, the Court shall grant the application to join and thereafter such applicant shall be deemed to be an applicant under sub-section (1). 
 
(5) If the deposits required under sub-section (2) or clause (b) of sub-section (4), as the case may be, and under sub-section (3) are made, the Court shall make an order allowing the application and directing that the deposits made under sub-sections (2) and (3) shall be paid to the transferee or to such persons as the Court thinks fit. 
 
(6) Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force the Court shall, if the applicant under sub-section (1) or any person whose application under sub-section (4) is granted disputes the correctness of the amount of the consideration money as stated in the notice issued under section 23, inquire into such dispute before making an order under sub-section (5) and after giving the transferee an opportunity of being heard determine for the purposes of this section the amount of the consideration money which the transferee has actually paid for the transfer of the portion or share of the property and the amount so determined shall be deemed to be the consideration money referred to in sub-section (2) and where the amount of the consideration money has been so determined the deposit made under that sub-section shall for the purposes of sub-section (5) be the amount so determined together with the compensation at the rate of five per centum of such amount. 
 
(7) In making an order under sub-section (5) in favour of more than one co-sharer tenant, the Court may apportion the property comprised in the portion or share transferred among the applicants in such manner as it deems equitable after taking existing possession into consideration; the Court shall so apportion the said property or portion thereof on the request of any applicant and, in this case, may require the applicant who makes such request to deposit, within such period as the Court may fix, such further sums as the Court considers necessary for equitable distribution among the remaining applicants: 
Provided that no apportionment order under this sub-section shall operate as a division of the tenancy. 
 
(8) From the date of making of the order under sub-section (5)- 
(i) the right, title and interest in the share or portion of the non-agricultural land accruing to the transferee from the transfer shall, subject to any order passed under sub-section (7), vest free from all encumbrances, which have been created after the date of transfer, in the co-sharer tenant whose application to purchase has been allowed under sub-section (5), 
(ii) the liability of the transferee for the rent due from him on account of the transfer shall cease, and 
(iii) the Court, on further application of such applicant, may place him in possession of the property vested in him. 
 
(9) An appeal from any order of a Court under this section shall lie to the Civil Appellate Court having jurisdiction to entertain such appeals. 
(10) Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by Muhammadan Law. 

(11) Nothing in this section shall apply to- 
(a) a transfer to a co-sharer in the tenancy whose existing interest has accrued otherwise than by purchase, or 
(b) a transfer by exchange, or partition, or 
(c) a transfer by bequest or gift (including heba but excluding heba-bil-ewaz for any pecuniary consideration) in favour of the husband or wife of the testator or the donor or of any relation by consanguinity within three degrees of the testator or donor, or 
(d) a wakf in accordance with the provisions of the Muhammadan Law, or 
(e) a debottor or any other dedication for religious or charitable purposes without any reservation of pecuniary benefit for any individual. 

Explanation.- A relation by consanguinity shall for the purposes of this sub-section, include a son adopted under the Hindu Law.
৮,৯৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী, কোন আদালত ১ মাসের কম কারাদণ্ড দিলে আপীল করা যাবে না?
  1. দায়রা আদালত
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৩ (Section 413) অনুসারে বলা হয়েছে:
"যেসব মামলায় দায়রা আদালত (Court of Session) অনধিক ১ (এক) মাস কারাদণ্ড প্রদান করে, সেইসব ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তি আপীল করতে পারবে না।"
এছাড়াও যদি প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকা জরিমানা করে, তাহলেও আপীল করা যাবে না।

- এই বিধান শুধুমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- অর্থদণ্ড সংক্রান্ত সীমা আলাদা (৫০ টাকা) এবং অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য প্রযোজ্য।
- এই ধারা অভিযুক্তের আপীলের অধিকার সীমিত করে, যাতে তুচ্ছ মামলায় আদালতের উপর অযথা চাপ না পড়ে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
- Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate] or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only.
- Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
৮,৯৫১.
দেওয়ানি আদালত কয়টি ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
 অর্থাৎ দেওয়ানি আদালত ৪টি বিষয়ে কমিশন নিয়োগ দিতে পারেন।
-----------
⇒ Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
৮,৯৫২.
চার্জের ক্ষেত্রে কোন বন্ধকের বিধান প্রযোজ্য হয়?
  1. ইংলিশ রেহেন
  2. সাধারণ বন্ধক
  3. খাই খালাসী রেহেন
  4. দলিল জমা দেওয়ার রেহেন
ব্যাখ্যা
ধারা ১০০: চার্জ (Charges)-
যখন কোনো ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি কোনো পক্ষের কার্যকলাপ বা আইনের প্রভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট অর্থ পরিশোধের জামানত হিসেবে স্থাপন করা হয়, এবং উক্ত লেনদেন বন্ধক (mortgage) হিসেবে গণ্য না হয়, তখন দ্বিতীয় ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির উপর একটি "চার্জ" (charge) প্রাপ্ত হন; এবং এই আইনের পূর্ববর্তী ধারাসমূহে সাধারণ বন্ধকের (simple mortgage) যেসব বিধান প্রযোজ্য তা এই চার্জের ক্ষেত্রেও যতটুকু সম্ভব ততটুকু প্রযোজ্য হবে।

তবে, এই ধারা নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়:
কোন ট্রাস্টি কর্তৃক ট্রাস্ট-সম্পত্তির উপর তার খরচের জন্য যে চার্জ তৈরি হয়, তা এই ধারার আওতায় পড়ে না, যদি না উক্ত খরচ সঠিকভাবে ট্রাস্টের দায়িত্ব পালনের জন্য করা হয়ে থাকে।
এবং, যদি প্রচলিত কোনো আইনে ভিন্নরূপে নির্ধারিত না থাকে, তাহলে কোন ব্যক্তি যদি বিনিময়ে ও চার্জ সম্পর্কে না জেনে কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে গ্রহণ করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে উক্ত চার্জ বলবৎ করা যাবে না।
৮,৯৫৩.
দুর্নীতি দমন কমিশনের নির্দেশানুযায়ী দাখিলকৃত বিবৃতি মিথ্যা হলে, দাখিলাকারীকে-
  1. অর্থদণ্ড দেয়া যাবে
  2. কারাদণ্ড দেয়া যাবে
  3. সংশোধনের আদেশ দিবে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৬- সহায় সম্পত্তির ঘোষণা:

কমিশন কোন তথ্যের ভিত্তিতে এবং উহার বিবেচনায় প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান পরিচালনার পর যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন ব্যক্তি বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তি, বৈধ উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির দখলে রয়েছে বা মালিকানা অর্জন করেছে, তাহলে কমিশন, লিখিত আদেশ দ্বারা, উক্ত ব্যক্তিকে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়-দায়িত্বের বিবরণ দাখিলসহ উক্ত আদেশে নির্ধারিত অন্য যে কোন তথ্য দাখিলের নির্দেশ দিতে পারবে।

যদি দাখিলকৃত বিবৃতি কমিশন মিথ্যা বা ভিত্তিহীন মনে করে, তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডনীয় হবে।
৮,৯৫৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবন (Refreshing Memory) সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ১৪৯
  2. ধারা ১৫৯
  3. ধারা ১৪৬
  4. ধারা ১৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৯ এ স্মৃতি পুনরুজ্জীবন (Refreshing Memory) সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত আছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, একজন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদানের সময় তার স্মৃতি সতেজ করার জন্য নির্দিষ্ট লিখিত দলিল বা উপকরণ দেখতে পারেন। এই বিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
নিজের লেখা দলিল: সাক্ষী তার নিজের লিখিত দলিল দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন, যদি দলিলটি ঘটনার সময় বা তার অল্প সময় পরে লেখা হয় এবং আদালত মনে করে যে ঘটনাটি তখন সাক্ষীর স্মৃতিতে সতেজ ছিল।
অন্যের লেখা দলিল: সাক্ষী অন্য কোনো ব্যক্তির লিখিত দলিল দেখে স্মৃতি সতেজ করতে পারেন, যদি তিনি সেই দলিল পড়ার সময় তা সঠিক বলে জানতেন এবং ঘটনার সময় বা অল্প সময় পরে তা পড়েছিলেন।
দলিলের নকল: আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, যদি মূল দলিল উপস্থাপনের যথেষ্ট কারণ না থাকে (যেমন, মূল দলিল হারিয়ে গেছে), তবে সাক্ষী দলিলের নকল দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন।
বিশেষজ্ঞের ক্ষেত্রে: একজন বিশেষজ্ঞ (যেমন, তদন্তকারী পুলিশ অফিসার) তার পেশাগত পুস্তক, রেফারেন্স উপকরণ, বা কেস ডায়েরি দেখে স্মৃতি সতেজ করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, একজন পুলিশ অফিসার কেস ডায়েরি দেখে তার সাক্ষ্যের বিষয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন।
⇒ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৯ স্মৃতি পুনরুজ্জীবন সম্পর্কিত বিধান প্রদান করে, যা সাক্ষীকে দলিল বা উপকরণের সাহায্যে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্য প্রদানে সহায়তা করে। অন্যান্য ধারাগুলো (১৪৯, ১৪৬, ১৫৫) এই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৫৯ ধারার বিধান মতে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা বলতে বুঝায় সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রদান কালে তাহার নিজের লেখা দেখে স্মৃতি মনে করা। তবে সাক্ষী অন্যের লেখা কিছু দেখেও স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারবে যদি তিনি পূর্বে উক্ত লেখা পড়ে/পড়ার সময় সত্য বলে জেনে থাকেন।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৫৯ ধারার মতে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা (Refreshing memory). সাক্ষ্য প্রদানের সময় কোন সাক্ষী কোন লেখা দ্বারা তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। মূল লেখা দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা যায়। আদালত অনুমতি দিলে সাক্ষী দলিলের নকল দেখেও স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক/বই দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে করতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act 1872, Section 159 Refreshing memory: A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory.
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.

৮,৯৫৫.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ অনুযায়ী, “আইন” শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. প্রবিধান
  2. বিজ্ঞপ্তি
  3. আইনগত দলিল
  4. প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত।

• সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে-
"আইন" অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি;

⇒ “প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত” কেবল সরকারি নীতি বা প্রশাসনিক নির্দেশনা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার আইনি বল বা আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকে না, যতক্ষণ না তা কোনো আইন বা বিধির অধীনে প্রণীত হয়। তাই, এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ অনুযায়ী “আইন” শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়।

Article 152:
“law” means any Act, ordinance, order, rule, regulation, bye law, notification or other legal instrument, and any custom or usage, having the force of law in Bangladesh;

৮,৯৫৬.
কোন কাজটি ধারা ১৮৯-এর অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. সরকারী কর্মচারীর ব্যক্তিগত কাজে ক্ষতি করলে
  2. সরকারী কর্মচারীকে তার ব্যক্তিগত কাজে সহায়তা করতে হুমকি দিলে
  3. সরকারী কর্মচারীকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনকালে আঘাত প্রদান করলে
  4. সরকারী কর্মচারীকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনে বিরত রাখার জন্য হুমকি দিলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৮,৯৫৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারা কমিশনকে আর্থিক স্বাধীনতা দিয়েছে?
  1. ধারা ২৭
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৫
  4. ধারা ২৯
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫- কমিশনের আর্থিক স্বাধীনতা

(১) সরকার প্রতি অর্থ-বত্সরে কমিশনের ব্যয়ের জন্য উহার অনুকূলে নির্দিষ্টকৃত অর্থ বরাদ্দ করিবে; এবং অনুমোদিত ও নির্ধারিত খাতে উক্ত বরাদ্দকৃত অর্থ হইতে ব্যয় করার ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করা কমিশনের জন্য আবশ্যক হইবে না৷ 

(২) এই ধারার বিধান দ্বারা সংবিধানের ১২৮ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হইয়াছে বলিয়া ব্যাখ্যা করা যাইবে না৷
৮,৯৫৮.
পুলিশ কর্তৃক জব্দকৃত সম্পত্তির দাবীদার যদি অজানা ব্যক্তি হয়, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. এমন সম্পত্তি আটক রাখবে
  2. ক্রোকের আদেশ দিবে
  3. কোন দাবীদার থাকলে তাকে ১ মাসের মধ্যে হাজির হয়ে তার দাবী প্রতিষ্ঠার জন্য আদেশ দিবে
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৩- অনুসারে সম্পত্তি জব্দ করার পর পুলিশ যে পদ্ধতি অনুসরণ করবে

৫১ ধারা অনুসারে পুলিশ কর্তৃক জব্দকৃত সম্পত্তি বা চোরাইমাল বলে সন্দেহযুক্ত সম্পত্তি বা কোন সম্পত্তি এমন অবস্থায় পাওয়া গেছে যা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টি করে, সেই সম্পত্তির বিষয়ে পুলিশ বিষয়টি ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করবে। এমন সম্পত্তির দাবীদার যদি পরিচিত হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি তাকে অর্পণের জন্য নির্দেশ দিবে।
যদি দাবীদার ব্যক্তি অজানা হয়, ম্যাজিস্ট্রেট এমন সম্পত্তি আটক রাখবে এবং ক্রোকের আদেশ দিবে এবং যে ব্যক্তি এমন সম্পত্তির দাবীদার তাকে উক্ত সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে হাজির হয়ে তার দাবী প্রতিষ্ঠার জন্য আদেশ দিবে (ধারা ৫২৩ (২))।

Section 523- Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

Procedure where owner of property seized unknown
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within 516[one month] from the date of such proclamation.
৮,৯৫৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে কত দিনের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারায় জাল দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করা হয়:
⇒ ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন- যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে। দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করা- আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।

৮,৯৬০.
যেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে-
  1. আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে
  2. তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
  3. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
  4. "ক" অথবা "খ" অথবা "গ"
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule.-3: Rejection or amendment of memorandum.-
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
৮,৯৬১.
আদেশ ২০ বিধি ৬ অনুযায়ী ডিক্রির মধ্যে নিম্নের কোন তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে না?
  1. মোকদ্দমার নম্বর
  2. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ
  3. গ্রহণকৃত সাক্ষ্যের বিস্তারিত
  4. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।

'সাক্ষ্যসমূহের বিস্তারিত'- ডিক্রির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে না।

Order 20 Rule 6: Contents of decree:
1) The decree shall agree with the judgment; it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.
2) The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.
3) The Court may direct that the costs payable to one party by the other set-off against any sum which is admitted or found to be due from the shall be set-off former to the latter.
৮,৯৬২.
যেক্ষেত্রে বিরোধীয় মোকদ্দমা আপোষের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়, সেক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত-
  1. মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  2. পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করবে
  3. সমস্ত পক্ষের পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণ করবে
  4. আপোষ চুক্তির ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১১ অনুযায়ী,
আদালতে লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে। বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে এবং আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।

ধারা ১৪ অনুযায়ী-
পারিবারিক আদালত, সকল পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হইবার পর পুনরায় উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠার জন্য পুনরায় প্রচেষ্টা চালাইবে।

ধারা ১৫- আপোষ ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে বিরোধীয় মোকদ্দমা আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত উক্ত আপোষ বা মীমাংসা চুক্তির ভিত্তিতে মোকদ্দমার ডিক্রি বা সিদ্ধান্ত প্রদান করিবে।
৮,৯৬৩.
Within how many days must the Government place the detention order’s grounds before the Advisory Board under The Special Powers Act, 1974?
  1. 30 days
  2. 60 days
  3. 90 days
  4. 120 days
ব্যাখ্যা
Section 10 of The Special Powers Act, 1974: Reference to Advisory Board:
In every case where a detention order has been made under this Act, the Government shall, within one hundred and twenty days from the date of detention under the order, place before the Advisory Board constituted under section 9 the grounds on which the order has been made and the representation, if any, made by the person affected by the order.

উপদেষ্টা বোর্ডের কাছে রেফারেন্স (ধারা ১০):
যে কোনো ক্ষেত্রে, যেখানে এই আইনের অধীনে কোনো আটকাদেশ জারি করা হয়েছে, সরকারকে আটকাদেশের তারিখ থেকে একশো বিশ (১২০) দিনের মধ্যে ধারা ৯ অনুযায়ী গঠিত উপদেষ্টা বোর্ডের সামনে সেই আটকাদেশ জারির কারণ এবং সেই আটকাদেশে প্রভাবিত ব্যক্তির পক্ষ থেকে যদি কোনো আপত্তি বা দাবি থাকে তা উপস্থাপন করতে হবে।
৮,৯৬৪.
বাংলাদেশে স্বাভাবিক পুত্র জন্মালে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার ত্যাজ্যবিত্তের কত ভাগ পায়?
  1. তিন ভাগের এক ভাগ
  2. পাঁচ ভাগের দুই ভাগ
  3. চার ভাগের এক ভাগ
  4. পাঁচ ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে হিন্দু আইন অনুযায়ী, যদি দত্তকী পুত্রের দত্তক গ্রহণকারী পিতার নিজস্ব (স্বাভাবিক) পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তাহলে দত্তকী পুত্র তার দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) পায়।
তবে, যদি দত্তকী পুত্র ছাড়া দত্তকী পিতার কোনো স্বাভাবিক পুত্র না থাকে, তাহলে দত্তকী পুত্রই সম্পত্তির পূর্ণ উত্তরাধিকারী হয়।

⇒ বাংলাদেশে দত্তকী পুত্রের উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধান হিন্দু আইনের বিভিন্ন মতপন্থার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। সাধারণত, দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার স্বাভাবিক পুত্রের মতো অধিকারের দাবিদার হলেও কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে।
- দত্তকী পুত্র যদি শুদ্র শ্রেণির হয়, তাহলে সে দত্তকী পিতার সম্পত্তির সমান অংশ পায়। কিন্তু অন্যান্য বর্ণের ক্ষেত্রে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার ত্যাজ্যবিত্তের তিন ভাগের এক ভাগ অংশ পায়। এই নিয়মটি বাংলাদেশের প্রচলিত দত্তক আইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
যদিও বিভিন্ন মতপন্থায় ভিন্ন ভিন্ন হিসাব দেখা যায়, যেমন—
- বেনারস মতপন্থী মতে, দত্তকী পুত্র চার ভাগের এক ভাগ পায়।
- বোম্বে ও মাদ্রাজ মতপন্থী মতে, সে পাঁচ ভাগের এক ভাগ পায়।
কিন্তু বাংলাদেশের প্রচলিত দত্তক আইন অনুসারে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে।
৮,৯৬৫.
রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে, তা দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ব্যতীত সংশোধন করা যাবে না?
  1. ১৫৩ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৮ ধারা
  4. ১৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-

রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-

> করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
> আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

• উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
৮,৯৬৬.
অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে পাবলিক প্রসিকিউটর কোথায় আপিল দায়ের করতে পারেন?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. যেকোনো আপিল আদালতে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৭ক- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল

(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Section 417A- Appeal against inadequacy of sentence
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
৮,৯৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারা মূলত কোন বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনা করে?
  1. অভিযোগপত্র দাখিলের পদ্ধতি
  2. অভিযোগপত্রে ভুল বা অসম্পূর্ণতার প্রভাব
  3. অভিযোগপত্রে সাক্ষীদের নাম উল্লেখ করা
  4. অভিযোগপত্রে অপরাধের সঠিক বর্ণনা দেওয়ার গুরুত্ব
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারা অভিযোগপত্রে ভুল বা অসম্পূর্ণতা থাকলে তার প্রভাব কী হবে তা নিয়ন্ত্রণ করে। এতে বলা হয়েছে, অভিযোগপত্রে কোনো ভুল বা অপরাধের বিস্তারিত উল্লেখ করতে ব্যর্থতা যদি হয়, তবে সেটি তখনই গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে যখন অভিযুক্ত ব্যক্তি এ ভুল বা অসম্পূর্ণতার কারণে বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারার বিধান: ভুলের প্রভাব:
 - অভিযোগপত্রে অপরাধ বা অপরাধের বিবরণ উল্লেখ করার ক্ষেত্রে কোনো ভুল বা কোনো তথ্য উল্লেখ করতে অসমর্থতা, মামলার যে কোনো পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য হবে না, যদি না এই ভুল বা অসম্পূর্ণতার কারণে অভিযুক্ত প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে।
-------------
→ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 225. Effect of errors: 
- No error in stating either the offence or the particulars required to be stated in the charge, and no omission to state the offence or those particulars, shall be regarded at any stage of the case as material, unless the accused was in fact misled by such error or omission, and it has occasioned a failure of justice.
৮,৯৬৮.
রাজন একটি আপিল করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং আপিলের তামাদি মেয়াদ ১০ মার্চ, ২০২৪ তারিখে শেষ হয়। আদালত ১০ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ছিল। তামাদি আইনের ধারা ৪ অনুযায়ী, রাজন কবে আপিল করতে পারবেন?
  1. ১০ মার্চ, ২০২৪ তারিখে করতে হবে
  2. ১০- ১৫ মার্চ, ২০২৪ তারিখে করতে হবে
  3. ১৬ মার্চ, ২০২৪ তারিখে করতে পারবে
  4. এক্ষেত্রে আর আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৪ ধারা: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়:
যেইক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয় সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ৪ অনুসারে,
যদি কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদি মেয়াদ এমন দিনে শেষ হয় যখন আদালত বন্ধ থাকে, তাহলে সেই মামলা, আপিল বা দরখাস্ত আদালত পুনরায় খুলে যাওয়ার দিন দায়ের করা যাবে।
রাজনের আপিলের তামাদি মেয়াদ ১০ মার্চ ২০২৪ তারিখে শেষ হয়। কিন্তু আদালত ১০ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ছিল। তাই, তামাদি মেয়াদ ১০ মার্চ ২০২৪ তারিখে শেষ হওয়ার পর আদালত বন্ধ থাকার কারণে, রাজন আপিলটি ১৬ মার্চ ২০২৪ তারিখে আদালতের পুনরায় খোলার দিন দায়ের করতে পারবেন।
৮,৯৬৯.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের কোন মামলায় যেক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত নেই, সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে কিভাবে?
  1. চুক্তি সম্পাদনের তারিখ হতে
  2. অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে
  3. চুক্তি কার্যকরের তারিখ হতে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের কোন মামলায় যেক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত নেই, সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে শুরু হবে।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৩

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা দায়েরর তামাদির মেয়াদ ১১৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে- ১ বছর - যেক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত নেই, সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে শুরু হবে।
৮,৯৭০.
নিম্নের কোনটি 'Judicial Notice' এর বিষয় নয়?
  1. রোহিঙ্গা বিষয়ে বাংলাদেশ-মায়ানমার বিরোধ
  2. বাংলাদেশের সীমানা
  3. সনদপ্রাপ্ত সকল আইনজীবীর নাম
  4. ইসরাইলের জাতীয় প্রতাকা
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।
[বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিক স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
♦ব্যাখ্যা : বাংলাদেশের সাথে অপর রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ আরম্ভ হওয়া, চলতে থাকা ও অবসান হওয়া আদালত বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিতে বাধ্য। যেহেতু রোহিঙ্গা নিয়ে বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের বিরোধ শুরু হয়েছে এবং চলমান আছে সেহেতু এটা বিচারিক দৃষ্টিগোচরের বিষয়। বাংলাদেশের সীমানা এবং আইন অনুসারে আদালতে উপস্থিত হয়ে মোকদ্দমা পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল অ্যাডভোকেটের নামও বিচারিক দৃষ্টিগোচরের বিষয়। সুতরাং ক, খ এবং গ উত্তর হবে না কারণ প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি বিচারিক দৃষ্টিগোচরের বিষয় না। সরকার কর্তৃক স্বীকৃত প্রত্যেক রাষ্ট্র বা সার্বভৌম বা রাজা বা রাণীর অস্তিত্ব, উপাধি ও জাতীয় পতাকা আদালত বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিবে। যেহেতু ইসরাইলকে বাংলাদেশ স্বীকৃতি দেয়নি এবং ইসরাইলের পতাকাও বাংলাদেশ স্বীকৃতি দেয়নি, সেহেতু এটা বিচারিক দৃষ্টিগোচরের বিষয় না। সুতরাং সঠিক উত্তর (ঘ)।
৮,৯৭১.
'বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাস নীতি'- The Transfer of Property Act, 1882 এর কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫
  2. ধারা ৫৬
  3. ধারা ৫৮
  4. ধারা ৫৯
ব্যাখ্যা
• বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাস মানে- যখন দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সম্পত্তিগুলো প্রথমে একজনের নিকট বন্ধক দেয় এবং পরবর্তীতে উক্ত সম্পত্তিগুলোর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্যজনের নিকট বিক্রয় করে, এক্ষেত্রে ক্রেতা বন্ধকগ্রহীতাকে যেটা তার কাছে বিক্রি করা হয়নি এমন সম্পত্তিগুলো থেকে বন্ধকের টাকা যতটুকু সম্ভব পরিশোধ (Realize) করে নেওয়ার জন্য বলতে পারে।

উদাহরণ
রফিক ক, খ, গ, ঘ, চ নামক ৫টি প্লটের মালিক। এই প্লটগুলি সে প্রথমে রহিমের নিকট বন্ধক দিলো। পরবর্তীতে ক ও খ প্লটের জমি রাকিবের নিকট বিক্রয় করলো। এখন রাকিব, রহিমকে অবশিষ্ট গ, ঘ ও চ প্লট হতে বন্ধকের টাকা পরিশোধ করে নিতে বলতে পারে। এটিই হলো বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাসের নীতি।

ধারা ৫৬: পরবর্তী ক্রেতা কর্তৃক বিন্যাস
 

যদি দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সকল সম্পত্তি প্রথমে একজনের নিকট বন্ধক দেয় এবং তারপর এর মধ্য হতে এক এ একাধিক সম্পত্তি অন্য জনের নিকট বিক্রয় করে, তাহলে ক্রেতা যে সম্পত্তি ক্রয় করে নাই, তা হতে বন্ধকের টাকা যতদূর সম্ভব, পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে। কিন্তু এরূপ দাবি বন্ধকগ্রহীতা বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি অথবা মূল্যের বিনিময়ে এই সম্পত্তির কোন একটি স্বত্ব অর্জন করেছে তেমন কোন ব্যক্তির স্বার্থ ক্ষুন্ন করবে না।

Section 56: Marshalling by subsequent purchaser
If the owner of two or more properties mortgages them to one person and then sells one or more of the properties to another person, the buyer is in the absence of a contract to the contrary, entitled to have the mortgage-debt satisfied out of the property or properties not sold to him, so far as the same will extend, but not so as to prejudice the rights of the mortgagee or persons claiming under him or of any other person who has for consideration acquired an interest in any of the properties.
৮,৯৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেট কী ভিত্তিতে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেন?
  1. পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে
  2. অভিযোগের ভিত্তিহীনতা
  3. অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি
  4. তদন্ত কর্মকর্তার মতামত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীনে, ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেন যদি তিনি অভিযোগকে ভিত্তিহীন মনে করেন।
- এটি নির্ধারণ করতে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার রেকর্ড, দাখিলকৃত কাগজপত্র, তদন্তের ফলাফল, এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য পর্যালোচনা করেন। ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগের ভিত্তি এবং প্রমাণের ঘাটতি বা মিথ্যাপ্রতিপাদন খতিয়ে দেখেন, এবং যদি তিনি মনে করেন যে অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই, তাহলে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
অতএব, সঠিক উত্তর হবে: খ) অভিযোগের ভিত্তিহীনতা।

- এখানে পুলিশ রিপোর্ট, তদন্ত কর্মকর্তা বা অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি কোনওভাবেই ম্যাজিস্ট্রেটের অব্যাহতির সিদ্ধান্তের একমাত্র ভিত্তি নয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট সব প্রমাণ এবং তথ্য পর্যালোচনা করে অভিযোগের ভিত্তিহীনতা নির্ধারণ করেন।

-ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার বিধান: ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate): আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে।অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে।পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট,পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট,তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি।
আর নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ,বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।

উল্লেখ্য, যদি ম্যাজিস্ট্রেট ২৪১(ক) ধারায় অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেন, তাহলে ফরিয়াদি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন আবেদন করতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 241A. When accused shall be discharged:
When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.

৮,৯৭৩.
বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে পারে মোকদ্দমা দায়েরের পর-
  1. চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  3. রায় ঘোষণার পূর্বে
  4. যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
-----------
⇒ Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim. 
৮,৯৭৪.
'খ' কে গুরুতর আঘাতের অভিযোগে দায়রা আদালত 'ক' কে দণ্ড প্রদান করে। কিছুদিন পর 'খ' মারা যায়। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. নরহত্যার অপরাধে 'ক' কে ফাঁসি দিবে
  2. গুরুতর আঘাতের অপরাধে পুনরায় 'ক' এর বিচার করবে
  3. নরহত্যার অপরাধে 'ক' এর বিচার করতে পারে
  4. আর কোনো অপরাধে 'ক' এর বিচার করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে হবে;
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে;
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়; বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়; বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।

যেহেতু 'খ'-কে গুরুতর আঘাতের জন্য 'ক' এর একবার বিচার হয়েছে, তাই একই অপরাধে 'ক' কে পুনরায় গুরুতর আঘাতের অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না কারণ এই ক্ষেত্রে Double Jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে। তবে অন্য অপরাধে বিচার করা যাবে। এক্ষেত্রে আদালত 'খ' এর নরহত্যার অপরাধে 'ক' এর বিচার করতে পারে।
৮,৯৭৫.
'A' বাংলাদেশের নাগরিক আমেরিকা থাকা অবস্থায় একজন আফ্রিকান নাগরিক 'B' কে হত্য করে। তার পর সে বাংলাদেশে চলে আসেন। এই ক্ষেত্রে 'A' এর বিচার-
  1. বাংলাদেশে বিচার করা যাবে না।
  2. বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে।
  3. আমেরিকায় নিয়ে বিচার করা যাবে।
  4. কোন বিচার হবে না।
ব্যাখ্যা
⇒ পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে বা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
৮,৯৭৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৯ অনুসারে কোন নিলাম বিক্রয় কত দিনের বেশি মেয়াদের জন্য মুলতুবি রাখা হলে নতুন করে ইশতেহার প্রচার করতে হবে?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ৩০
  4. ৬০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৯ এর বিধান মতে নিলাম বিক্রয় মুলতুবি অথবা বন্ধ করা: কোন নিলাম বিক্রয় ৩০ দিনের বেশি মেয়াদের জন্য মুলতুবি রাখা হলে নতুন করে ইশতেহার প্রচার করতে হবে, যদি না দায়িক এটি বর্জন করে। 
 আদালত ইচ্ছা করলে কোন নিলাম বিক্রয় নির্দিষ্ট দিন বা সময় পর্যন্ত মুলতুবি রাখতে পারেন।
-----------------
⇒ Order-21 Rule-69. Adjournment or stoppage of sale:
(1) The Court may, in its discretion, adjourn any sale hereunder to a specified day and hour, and the officer conducting any such sale may in his discretion adjourn the sale, recording his reasons for such adjournment:
Provided that, where the sale is made in, or within the precincts of, the court-house, no such adjournment shall be made without the leave of the Court.

(2) Where a sale is adjourned under sub-rule (1) for a longer period than [thirty] days, a fresh proclamation under rule 67 shall be made, unless the judgment-debtor consents to waive it.
(3) Every sale shall be stopped if, before the lot is knocked down, the debt and costs (including the costs of the sale) are tendered to the officer conducting the sale, or proof is given to his satisfaction that the amount of such debt and costs has been paid into Court which ordered the sale.
৮,৯৭৭.
When does the court intervene under Section 41 of The Specific Relief Act, 1877?
  1. Only when a fraud is committed
  2. When the parties fail to reach an agreement
  3. When the rectification of an instrument is adjudged
  4. When the cancellation of an instrument is adjudged
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

The Specific Relief Act, 1877- Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
৮,৯৭৮.
আদেশ ৬ এর বিধি ১৪ অনুযায়ী, আরজিতে স্বাক্ষর করবে-
  1. শুধু বাদী
  2. আদালত
  3. শুধু বাদীর উকিল
  4. বাদী এবং তার উকিল উভয়ে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৪:
প্রত্যেক প্লিডিংস (আরজি এবং জবাব) সংশ্লিষ্ট পক্ষ কর্তৃক এবং তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।

অর্থাৎ, আরজিতে বাদী এবং তার উকিল স্বাক্ষর করবে এবং লিখিত জবাবে বিবাদী এবং তার উকিল স্বাক্ষর করবে।
৮,৯৭৯.
কোন ধরনের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ প্রযোজ্য হবে?
  1. উইল বা উত্তরাধিকারের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে
  2. জীবিত ব্যক্তি কর্তৃক হস্তান্তকৃত সম্পত্তি যেটা তার মৃত্যুর পর কার্যকর হয়
  3. জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন শুধুমাত্র জীবিত ব্যক্তিদের [Between living persons or inter- vivos] মধ্যে সম্পাদিত কোন সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়ে প্রযোজ্য। যেমন বিক্রয়, দান, বন্ধক ইত্যাদি। কিন্তু হস্তান্তর যেটা কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর কার্যকর হয়, সেই ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন প্রযোজ্য না যেমন উইল এবং উত্তরাধিকার।

ধারা ৫- "সম্পত্তি হস্তান্তর" সংজ্ঞায়িত

পরবর্তী ধারাসমূহে "সম্পত্তি হস্তান্তর" বলতে একটি কাজকে বুঝায়, যা দ্বারা কোন জীবিত ব্যক্তি বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কোন সম্পত্তি অন্য এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে বা নিজেকে, বা নিজেকে এবং এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করা বলতে এরূপ কাজ সম্পন্ন করাকে বুঝায়।

এই ধারায় "জীবিত ব্যক্তি" বলতে বিধিবদ্ধ বা বিধিবদ্ধ নয় এরূপ কোম্পানি, সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টিকে বুঝাবে, কিন্তু এই আইনের কোন বিধান কোম্পানি, সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টি দ্বারা বা তাদের নিকট সম্পত্তি হস্তান্তর সম্পর্কে বর্তমান বলবৎ অন্য কোন আইনকে প্রভাবিত করবে না।

Section 5: "Transfer of property" defined

In the following sections "transfer of property" means an act by which a living person conveys property, in present or in future, to one or more other living persons, or to himself, or to himself and one or more other living persons; and "to transfer property" is to perform such act.

In this section "living person" includes a company or associations or body of individuals, whether incorporated or not, but nothing herein contained shall affect any law for the time being in force relating to transfer of property to or by companies, associations or bodies of individuals.
৮,৯৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় রেফারেন্স (Reference) এখতিয়ার আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৯৬
  2. ১১৫
  3. ১১৩
  4. ১১৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ নং আদেশে রেফারেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
- ৪৬ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী আপিল-অযোগ্য ডিক্রির মামলার বিচার পর্যায়ে বা আপিলে অথবা উক্ত ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত প্রশ্নের সৃষ্টি হলে, উক্ত মামলার বিচারকারী আদালত বা আপিল আদালত অথবা ডিক্রি জারিকারক আদালত, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করতে পারে।

- রেফারেন্স প্রেরণকারী আদালত রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রমে অগ্রসর হতে পারে কিংবা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

- ৪৬ নং আদেশের ৫ নং বিধি অনুযায়ী অধীনস্ত যে আদালত হাইকোর্টে রেফারেন্সের জন্য কোন বিষয় পাঠাবে, সেই বিষয়ে উক্ত আদালত কর্তৃক দেওয়া ডিক্রি/আদেশ হাইকোর্ট বিভাগ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে অথবা যে কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।
- অর্থাৎ Reference কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে।

- ৪৬ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার বিধান রয়েছে। ৬ নং বিধি অনুযায়ী যেক্ষেত্রে মামলা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে।
৮,৯৮১.
জামাল এর মৃত্যু ঘটানোর ইচ্ছা নিয়ে লাঠি দ্বারা আঘাত করে তাকে খুন করার অপরাধে রাহাত অভিযুক্ত হলো। বিচারকালে কোন বিষয়টি বিচার্য বিষয় হবে না?
  1. রাহাত কর্তৃক জামালকে লাঠি দ্বারা আঘাত।
  2. উক্ত আঘাতের ফলে রাহাত কর্তৃক জামালের মৃত্যু ঘটানো।
  3. রাহাত কর্তৃক জামাল এর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায়।
  4. রাহাত এর বন্ধু ও বন্ধুর বড় ভাইয়ের মধ্যকার বিদ্বেষ।
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৫ মোতাবেক কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলে ঘোষিত হয়েছে তাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয়া যেতে পারে। ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয়া যাবে না।

♦ এখানে রাহাত এর বন্ধু ও বন্ধুর বড় ভাইয়ের মধ্যকার বিদ্বেষ এর বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিক তাই এটি বিচার্য বিষয় নয়।
৮,৯৮২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪ এর বিধান হলো?
  1. মামলা দায়ের
  2. আইনজীবী নিয়োগ
  3. সমন
  4. মামলা গঠন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪ এর বিধান হলো আরজি দাখিলের মাধ্যমে মামলা দায়ের
⇒ আদালত কর্তৃক উপযুক্ত বা নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট আরজি উপস্থাপন করতে হয় এবং যতজন বিবাদী থাকবে ততগুলো আরজির নকল দিতে হবে।
⇒ মামলা দায়ের করার পর (আদেশ ৪ বিধি ২ অনুযায়ী নিবন্ধন বই লিপিবদ্ধ ও মামলার ক্রমিক নং দেওয়া হয়)
⇒ ধারা-২৬ তে আরজি পেশ করে মামলা দায়ের করার কথা বলা আছে। 
৮,৯৮৩.
Widow's Right to Retention কী বোঝায়?
  1. স্বামীর সম্পত্তি নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যবহার করা
  2. স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানদের অংশ নিতে বাধ্য করা
  3. দেনমোহর পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত স্বামীর সম্পত্তিতে দখল রাখা
  4. স্বামীর সম্পত্তি কেবল উত্তরাধিকারীদের জন্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দেনমোহর হলো স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীর নিকট অনিরাপদ ঋণ [Unsecured debt]। তালাকের পরবর্তী সময়ে যদি স্বামীর মৃত্যু হয় তবে স্বামীর রেখে যাও প্রাপ্ত সম্পত্তি থেকে দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটানোর সুযোগ নেই। স্ত্রী বেঁচে থাকা অবস্থায়, তার মৃত স্বামীর সম্পত্তি হতে নিজে ঋণ পুনরুদ্ধার করতে পারে। স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তিতে দখল বহাল রাখতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত না তার দেনমোহর পরিশোধ হয়। এটাকে স্ত্রীর The Widow's Right to Retention বলে।

উল্লেখ্য,
দেনমোহর হচ্ছে প্রত্যেক বিবাহিত মুসলিম নারীর আইনগত অধিকার যা পুরুষ কর্তৃক পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। মুসলিম শরীয়াহ আইন অনুযায়ী, দেনমোহর দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে মুয়াজ্জল বা আশু দেনমোহর যা স্ত্রী দাবী করা মাত্র স্বামী পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে। মুয়াজ্জল দেনমোহর আবার তাৎক্ষণিক দেনমোহর হিসেবেও পরিচিত।

আরেক ধরনের দেনমোহর হচ্ছে মুঅজ্জল বা বিলম্বিত দেনমোহর। এ দেনমোহর শুধুমাত্র তালাক বা স্বামীর মৃত্যুর মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে দাবী করা যায়।

৮,৯৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারা অনুযায়ী প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা বেআইনি সমাবেশ ভাঙার সময় কার নির্দেশে দায়িত্ব পালন করবেন?
  1. পুলিশ কমিশনারের
  2. দায়রা আদালতের
  3. হাইকোর্ট বিভাগের
  4. সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারা মতে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত বা নন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।
--------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 130.Duty of officer commanding troops required by Magistrate to disperse assembly:
(1) When an Executive Magistrate or the Police Commissioner determines to disperse any such assembly by military force, he may require any commissioned or non-commissioned officer in command of any soldiers in the Bangladesh Army to disperse such assembly by military forced, and to arrest and confine such persons forming part of it as the Magistrate or the Police Commissioner may direct, or as it may be necessary to arrest and confine in order to disperse the assembly or to have them punished according to law. 
 
(2) Every such officer shall obey such requisition in such manner as he thinks fit, but in so doing he shall use as little force, and do as little injury to person and property, as may be consistent with dispersing the assembly and arresting and detaining such persons.
৮,৯৮৫.
নিম্নের কোন আদালত স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ধর্ষণের অপরাধ কে আমলে গ্রহণ করতে পারে না?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবাই পারে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান-
 
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।
 
(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।
৮,৯৮৬.
সমন বিনা জারীতে ফেরত আসার কত দিনের মধ্যে বাদী পদক্ষেপ না নিলে মামলা খারিজ হবে?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা
যখন সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসে এবং অতঃপর এক মাস পর্যন্ত বাদী নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করে, তখন মোকদ্দমা খারিজ হয়।
 
• দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৯ বিধি-৫ঃ

১) বিবাদিকে কিংবা কতিপয় বিবাদির কোন একজনের প্রতি সমন দেয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারি বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদি যদি নতুন সমন দেয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদির বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দিবে। যদি না উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদি নিম্নলিখিত যে কোন কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদির উপর সমন জারি হয়নি, বাদি যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও ঐ বিবাদির ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা

খ) উক্ত বিবাদি পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলতেছে; অথবা

গ) সময়ের মেয়াদ বাড়াতে কোন সঙ্গত কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নূতন সমন দেয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদি (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৮,৯৮৭.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা অনুসারে রাষ্ট্রদ্রোহ বলতে কী বুঝায়?
  1. রাষ্ট্রের প্রতি অবজ্ঞা
  2. রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
  3. সরকারের প্রতি বিদ্বেষ
  4. রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের ক্ষতি করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না। 
---------------------
Section 124A. Sedition:
 Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.
 
Explanation 1.-The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity. 
Explanation 2.-Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section. 
Explanation 3.-Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.
৮,৯৮৮.
ORDER XV-এর Rule 1 অনুসারে প্রথম শুনানিতে রায় ঘোষণা করা যাবে কখন?
  1. যখন আদালত নতুন সাক্ষী তলব করে না পায়।
  2. যখন বিবাদী আদালতে অনুপস্থিত থাকে
  3. যখন বাদী অতিরিক্ত দলিল দাখিল করতে ব্যর্থ হয়
  4. যখন পক্ষগণ আইনগত বা তথ্যগত কোন প্রশ্নে বিরোধে নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER XV, Rule 1 অনুসারে, প্রথম শুনানিতে রায় ঘোষণা করা যাবে যখন পক্ষগণ কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধে নেই।
- অর্থাৎ, যদি প্রথম শুনানিতে দেখা যায় যে, পক্ষগণ তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ (dispute) উত্থাপন করেনি এবং কোনো আইনি বা প্রমাণগত বিষয় নিয়ে বিতর্ক নেই, তাহলে আদালত সরাসরি রায় ঘোষণা করতে পারেন।
- এটি মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি প্রক্রিয়া, যেখানে পক্ষগণ তাদের দাবী বা সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন না করলে বা উভয়ের মধ্যে বিরোধ না থাকলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন।

⇒ ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
৮,৯৮৯.
A কোনো পণ্যে নকল চিহ্ন লাগিয়ে Z-কে বিশ্বাস করায় যে, এটি কোনো বিখ্যাত প্রস্তুতকারকের তৈরি, এবং এইভাবে Z-কে তা কিনতে প্ররোচিত করে। এখানে A এর অপরাধ কী?
  1. প্রতারণা 
  2. জালিয়াতি
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. মিথ্যা দলিল প্রণয়ন
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪১৫ – প্রতারণা (Cheating):
যে ব্যক্তি কাউকে প্রতারণা করে (deceiving any person)- এবং অসৎভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে (fraudulently or dishonestly) সেই প্রতারিত ব্যক্তিকে প্ররোচিত করে যেন সে কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করে (deliver any property), অথবা কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তি ধরে রাখতে সম্মতি দেয় (consent to retain property), অথবা এমন কিছু করে বা করা থেকে বিরত থাকে, যা সে প্রতারণা না হলে করত না বা বাদ দিত না, এবং এই কাজ বা অবহেলার ফলে যদি ঐ ব্যক্তির শরীর, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি হয় বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে বলা হয় যে, সে “প্রতারণা (Cheating)” করেছে।

ব্যাখ্যা (Explanation): যদি কেউ অসৎভাবে কোনো সত্য গোপন করে (dishonest concealment of facts) — তাহলেও সেটি “প্রতারণা” হিসেবে গণ্য হবে।

উদাহরণসমূহ (Illustrations):
(a) A মিথ্যা দাবি করে যে সে সরকারি চাকরিজীবী, এবং এই মিথ্যা পরিচয়ে Z-এর কাছ থেকে বাকিতে পণ্য নেয়, যদিও A-এর পরিশোধের কোনো ইচ্ছা নেই।
- A প্রতারণা করেছে।

(b) A কোনো পণ্যে নকল চিহ্ন লাগিয়ে Z-কে বিশ্বাস করায় যে এটি কোনো বিখ্যাত প্রস্তুতকারকের তৈরি, এবং এইভাবে Z-কে তা কিনতে প্ররোচিত করে।
- A প্রতারণা করেছে।

(c) A মিথ্যা নমুনা (sample) দেখিয়ে Z-কে বিশ্বাস করায় যে আসল পণ্যও একই মানের, এবং Z সেই পণ্য ক্রয় করে।
-  A প্রতারণা করেছে।

৮,৯৯০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২-এর ৯ক বিধির আওতায়, মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ সরাসরি বাতিলের আবেদনে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদানের আদেশ করতে পারে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ৪০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ (Directly setting aside abatement or dismissal): বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal:
- Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
৮,৯৯১.
Mens-rea বলতে বুঝায়?
  1. ভাল মন
  2. দোষযুক্ত মন
  3. সরল মন
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
♦ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]

♦ “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind)।

♦  অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
৮,৯৯২.
ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিতের জন্য আদালত কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে?
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, 56:-Injunction when refused:
 -An injunction cannot be granted- 
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings; 
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; 
(c) to restraint persons from applying to any legislative body; 
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government; 
(e) to stay proceedings in any criminal matter; 
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced; 
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; 
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; 
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust; 
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; 
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
৮,৯৯৩.
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর কত ধারায় 'বিচারের স্থান' সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১১ক
  4. ধারা ১২
ব্যাখ্যা

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ১১ক- বিচারের স্থান:
সাময়িকভাবে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও এই অধ্যাদেশের অধীনে সংঘটিত কোন অপরাধ ঐ আদালত কর্তৃকই বিচার্য হইবে যাহার স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে-
ক) অপরাধটি সংঘটিত হইয়াছিল,
খ) অভিযোগকারী বা আসামী বাস করে বা সর্বশেষ বাস করিয়াছিল।

Section 11A- Place of trial:
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, an offence under this Ordinance shall be tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction- 
(a) the offence was committed; or 
(b) the complainant or the accused resides or last resided.

৮,৯৯৪.
According to Section 31, admissions can be used in what capacity?
  1. As conclusive evidence
  2. To operate as estoppels
  3. As preliminary evidence only
  4. To determine guilt in criminal cases
ব্যাখ্যা
Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
 
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
৮,৯৯৫.
আদেশ ৬, বিধি ২ অনুযায়ী আরজি বা লিখিত জবাবে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. কেবল সাক্ষ্য
  2. কেবল মূল তথ্য
  3. আদালতের নোটিশ
  4. আইনের ধারা
ব্যাখ্যা

আদেশ ৬, বিধি ২ – আরজি বা জবাবে মূল তথ্য উল্লেখ করতে হবে, সাক্ষ্য নয়:
প্রত্যেক আরজি বা জবাবে কেবল সেই মূল তথ্য বা বিষয়বস্তু (material facts) সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে, যার উপর আরজি বা জবাব দানকারী পক্ষ তার দাবী বা আত্মপক্ষ সমর্থন নির্ভর করছে। তবে যে সাক্ষ্যর মাধ্যমে ওই তথ্য প্রমাণিত হবে, তা আরজিতে লিখতে হবে না।

প্রয়োজন হলে আরজি বা জবাব প্যারাগ্রাফে ভাগ করতে হবে এবং প্রতিটি প্যারাগ্রাফ ক্রমিকভাবে নম্বরযুক্ত রাখতে হবে। এছাড়া তারিখ, অর্থের পরিমাণ এবং সংখ্যা সবসময় সংখ্যার আকারে (figures) প্রদর্শন করতে হবে।

৮,৯৯৬.
জমিলা খাতুনকে খুনের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার পর মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা গেলো যে সে গর্ভবতী। পরবর্তীতে হাইকোর্ট বিভাগ তার সাজা হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা এই ঘটনাকে সমর্থন করে?
  1. ৩৮২
  2. ৩৮৩
  3. ৩৮৪
  4. ৩৯৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৮২ মোতাবেক মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাসকরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
৮,৯৯৭.
আদেশ ১২ বিধি ২ এর অধীন নোটিশ দেওয়ার উদ্দেশ্য কী?
  1. সাক্ষী হাজির করানো 
  2. দলিল স্বীকার করানো
  3. ঘটনা স্বীকার করানো
  4. মোকদ্দমার খরচ প্রদান
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ২: দলিল স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে পারে, যাতে বলা হয় যে, তারা পনেরো দিনের মধ্যে কোনো দলিল স্বীকার করবে, তবে উপযুক্ত ব্যতিক্রম ছাড়া। যদি অন্য পক্ষ তা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বা অবহেলা করে, তবে দলিল প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যেহেতু তারা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবে আদালত যদি অন্যভাবে নির্দেশ না দেয়।

৮,৯৯৮.
সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নিম্নে বর্ণিত কোন শর্ত আবশ্যক নয়?
  1. চুক্তি সম্পাদনের যোগ্য ব্যক্তি কর্তৃক হস্তান্তর হতে হবে
  2. হস্তান্তরদাতা সম্পত্তির মালিক অথবা হস্তান্তর করবার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হতে হবে
  3. বিনা শর্তে হস্তান্তর করতে হবে
  4. আইনে নির্ধারিত পদ্ধতিতে হস্তান্তর করতে হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭: হস্তান্তর করার যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, চুক্তি করার যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি এবং হস্তান্তরযোগ্য সম্পত্তির মালিক অথবা হস্তান্তরের জন্য যথাযথ ভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বর্তমানে আইনে নির্ধারিত পরিমাণ এবং পদ্ধতিতে ঐ সম্পত্তি সম্পূর্ণ ভাবে অথবা আংশিক ভাবে শর্তসাপেক্ষে বা বিনা শর্তে হস্তান্তর করতে পারে।

এই ধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুসারে সম্পত্তি হস্তান্তরের যোগ্য হতে হলে নিম্নলিখিত তিনটি শর্তের মধ্যে ১নং শর্তসহ মোট দুইটি শর্ত পূরণ করতে হবে-

১) চুক্তি করার যোগ্যতা থাকতে হবে:
১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে চুক্তি করার যোগ্যতা অর্জনের জন্য কোন ব্যক্তিকে-
ক. সাবালকত্ব অর্জন করতে হবে,
খ. সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন ব্যক্তি হতে হবে,
গ. কোন আইন দ্বারা চুক্তি করার অযোগ্য ঘোষিত হবে হলে।

উপরে বর্ণিত তিনটি যোগ্যতা থাকলে কোন ব্যক্তি চুক্তি করার যোগ্য হবে এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৭ ধারা অনুসারে সম্পত্তি হস্তান্তরের ১নং শর্ত পূরণ হবে।

২) হস্তান্তরযোগ্য সম্পত্তির স্বত্বাধিকার হতে হবে:
হস্তান্তরকারী যে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে চায় সেই সম্পত্তিতে তার স্বত্ব বা মালিকানা থাকতে হবে। সম্পত্তিতে স্বত্ব না থাকলে বা হস্তান্তরের অধিকার না থাকলে কোন ব্যক্তি যদি ঐ সম্পত্তি হস্তান্তর করে, তাহলে হস্তান্তর গ্রহীতা কোন স্বত্ব, স্বার্থ বা অধিকার লাভ করবে না এবং প্রকৃতপক্ষে কোন সম্পত্তিই হস্তান্তরিত হবে না।

৩) সম্পত্তি নিজস্ব না হলে হস্তান্তরকারীর তা হস্তান্তর করার আইনগত কর্তৃত্ব থাকতে হবে:
যেমন- কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য এজেন্ট নিযুক্ত হলে অথবা এই উদ্দেশ্যে Power of Attorney লাভ করলে তিনি আইনসঙ্গত কর্তৃত্ব বলে ঐ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। এছাড়া অভিভাবক, এডমিনিষ্ট্রেটর, ট্রাস্টী এবং হিন্দু যৌথ পরিবারের ম্যানেজার আইনসঙ্গত কর্তৃত্ব বলে অপরের সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

Section 7: Persons competent to transfer
Every competent to Contract and entitled to transferable property, or authorised to dispose of transferable property not his own, is competent to transfer such property either wholly or in part, and either absolutely of conditionally, in the circumstances, to the extent and in the manner allowed and prescribed by any law for the time being in force.
৮,৯৯৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭ এর হস্তান্তরযোগ্য দলিল সংশ্লিষ্ট কার্যপদ্ধতি কোন আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. সকল দেওয়ানি আদালত
  2. শুধু হাইকোর্ট ডিভিশন
  3. হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত
  4. সকল দেওয়ানি এবং ফৌজদারি আদালত
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭ এ হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি (SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS) সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

আদেশ ৩৭ বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ-
এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

Order 37 Rule-1: Application of Order-
This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.
৯,০০০.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কোন আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. চুক্তি আইন, ১৮৭২
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।