বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৮৮ / ১৫৫ · ৮,৭০১৮,৮০০ / ১৫,৪৭০

৮,৭০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা অনুযায়ী কিশোর অপরাধীর বিচার করার ক্ষেত্রে কিশোরের বয়স কত বছরের নীচে হতে হবে?
  1. ১৪
  2. ১৫
  3. ১৮
  4. ১৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ২৯খ ধারার বিধান কিশোরদের বেলায় এখতিয়ার:
-কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।
-----------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-29B. Jurisdiction in the case of juveniles:
- Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
৮,৭০২.
দণ্ডবিধি ৪৪৭ ধারা মতে- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের ক্ষেত্রে অনধিক কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যাবে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৪৭ ধারা মতে-
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি হলো অনধিক ৩ মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

Section 447- Punishment for criminal trespass:
Whoever commits criminal trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৮,৭০৩.
একজন আইনজীবী 'ক' তার মক্কেল, একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এক্ষেত্রে 'খ' এর প্রতিকার কী?
  1. ক্ষতিপূরণ পাবে
  2. হস্তান্তরের দলিল সংশোধনের
  3. হস্তান্তরের দলিল বাতিলের
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• এই উদাহরণটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৫(খ) এর প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো চুক্তি অবৈধ হয় এবং বিবাদীর দোষ বাদীর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে বাদী পক্ষ চুক্তি বাতিলের দাবি করতে পারবে। এই উদাহরণে 'ক' হলো প্রধান দোষী। সুতরাং, এক্ষেত্রে 'খ' ওই সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিলের দাবি করতে পারবেন।

 ৩৫ ধারা: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

⇒ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।

উপধারা-খ এর-
একজন অ্যাটর্নি 'ক' তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং 'খ' হস্তান্তরের দলিল রদ করিয়ে নেয়ার অধিকারী।
৮,৭০৪.
নিম্নের কোনটি তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্ত নয়?
  1. স্বীকৃতি অবশ্যই লিখিত হতে হবে
  2. স্বীকৃতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বাক্ষর থাকতে হবে
  3. স্বীকৃতি মৌখিক বা লিখিত যেকোনো মাধ্যমে হতে পারে
  4. স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হতে হবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয়, সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
⇒ লিখিত হতে হবে;
⇒ উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে;
⇒ অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে;
⇒ উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।
৮,৭০৫.
“বিশেষ আইনগুলির কোনো ক্ষমতাকে The Code of Civil Procedure,1908 সীমাবদ্ধ করবে না” বিধানটি বর্ণিত হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির-
  1. ৩ ধারায়
  2. ৬ ধারায়
  3. ৫ ধারায়
  4. ৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৪ ধারা অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধি বিশেষ আইনগুলির কোনো ক্ষমতাকে  সীমাবদ্ধ করবে না।

• ধারা ৪ঃ সংরক্ষণ

১) বিপরীত কোন সুস্পষ্ট বিধান না থাকলে, বর্তমানে চলমান কোন বিশেষ আইন বা ন্যস্তকৃত কোন বিশেষ এখতিয়ার ক্ষমতা, অথবা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে নির্ধারিত কোন বিশেষ ফরম বা পদ্ধতিকে এই আইনের কোন বিধান দ্বারা সীমাবদ্ধ বা অন্য কোনভাবে প্রভাবিত করবে না।

২) বিশেষত, এবং (১) উপধারায় বর্ণিত সাধারণ নীতিকে ক্ষুণ্ণ না করে সমকালীন চলমান কোন আইনের অধীন চাষের জমির জন্য উক্ত জমির ফসল হতে খাজনা আদায়ের ব্যাপারে কোন জমিদারের কোন প্রতিকার থাকলে এই আইনের কোন বিধান তা সীমাবদ্ধ বা প্রভাবিত করবে না।

Sec 4: Savings-
1) In the absence of any specific provision to the contrary, nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special law now in force or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force.

2) In particular and without prejudice to the generality of the proposition contained in sub-section (1), nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any remedy which a land-holder or landlord may have under any law for the time being in force for the recovery of rent of agricultural land from the produce of such land.
৮,৭০৬.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, যদি মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকে, তবে মৃত ব্যক্তির দাদা কত অংশ সম্পত্তি পাবেন?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. কিছুই পাবেন না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) কিছুই পাবেন না। 
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) অনুসারে, দাদা শুধুমাত্র তখনই সম্পত্তি পাবেন যখন মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকবেন না। অর্থাৎ:
→ যদি মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকে, তাহলে দাদা কোনো অংশ পাবেন না।
→ যদি মৃত ব্যক্তির পিতা মারা গিয়ে থাকেন, তাহলে দাদা পিতার স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং পিতার মতোই ১/৬ অংশ পাবেন (যদি মৃতের সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে)।

প্রশ্নের শর্ত:
প্রশ্নে বলা হয়েছে, "মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত আছে", তাই দাদা কোনো অংশ পাবেন না।

অর্থাৎ যখন মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকে, তখন মৃত ব্যক্তির দাদা কোন সম্পত্তি পাবেন না। শুধুমাত্র মৃত ব্যক্তির পিতা সম্পত্তি পাবেন।
৮,৭০৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৮ অনুযায়ী আদালত কত বছর খোঁজখবর না পাওয়ার পর ব্যক্তিকে মৃত বলে অনুমান করতে বাধ্য?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১০৮-এর প্রভিশন অনুসারে, যখন কোনো ব্যক্তি জীবিত কিনা মৃত কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন থাকে এবং প্রমাণিত হয় যে সে ৭ (সাত) বছর ধরে যাদের কাছে স্বাভাবিকভাবে খবর পাওয়া যেত তাদের কাছ থেকে কোনো খবর পাওয়া যায়নি, তখন ব্যক্তিটিকে মৃত বলে অনুমান করা হয়। এই অনুমানের ফলে জীবিত বলে দাবি করলে প্রমাণের বোঝা (burden of proof) সেই দাবিকারীর উপর স্থানান্তরিত হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 108: Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.

৮,৭০৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, যুদ্ধকালীন সংসদের মেয়াদ সর্বোচ্চ কত বাড়ানো যায়?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী—
→ সাধারণভাবে, সংসদের মেয়াদ প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৫ বছর। তবে রাষ্ট্রপতি ভাঙার আগে না দিলে, ৫ বছর শেষ হলে সংসদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেঙে যাবে।
→ যদি দেশ যুদ্ধকালীন অবস্থায় থাকে, তাহলে সংসদের মেয়াদ আইন দ্বারা এককালীন সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
→ যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর, বর্ধিত মেয়াদ ৬ মাসের বেশি হতে পারবে না।
৮,৭০৯.
আদেশ ৪০ এর অধীনে আদালত কোন ধরনের সম্পত্তির জন্য রিসিভার নিয়োগ করতে পারে?
  1. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে কেবল অস্থাবর সম্পত্তির জন্য
  2. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে কেবল স্থাবর সম্পত্তির জন্য
  3. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে কেবল স্থাবর সম্পত্তির জন্য
  4. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে যেকোনো সম্পত্তির জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ১: রিসিভার নিয়োগ:
(১) যদি আদালতের নিকট এটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা—
(ক) যে কোনো সম্পত্তির (ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে) রিসিভার নিয়োগ করতে পারে;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে ঐ সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করতে পারে;
(গ) উক্ত সম্পত্তি রিসিভারের দখল, হেফাজত বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে; এবং
(ঘ) রিসিভারকে এমন সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ, সম্পত্তি উদ্ধার, ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ, সেগুলোর প্রয়োগ ও ব্যয়, এবং দলিল সম্পাদন—যেমন মালিক নিজে করতে পারতেন, অথবা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে সেই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।

(২) এই বিধানের কিছুই আদালতকে কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করার ক্ষমতা প্রদান করে না, যদি না মামলার কোনো পক্ষ সেই ব্যক্তিকে বর্তমানে অপসারণ করার অধিকার রাখে।

৮,৭১০.
যে দলিলসমূহ আংশিকভাবে বিলুপ্ত করা যেতে পারে কত ধারার বিধান
  1. ৪০
  2. ৩৯
  3. ২১
  4. ৪১
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার বিধান যে দলিলসমূহ আংশিকভাবে বিলুপ্ত করা যেতে পারেঃ
যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্ত করতে পারেন এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।
৮,৭১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য কোন বিষয়টি প্রধানত বিবেচনা করা হয়?
  1. চুক্তির বৈধতা
  2. দখলের প্রমাণ
  3. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ
  4. স্বত্বের প্রমাণ
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধানত দখলের প্রমাণ (Proof of Possession) বিবেচনা করা হয়। এই ধারা অনুসারে, আদালত সাধারণত বাদীর সম্পত্তির উপর দখলের অবস্থা পরীক্ষা করে, স্বত্ব (Title) নিয়ে জটিল বিষয়ে না গিয়ে। যদি বাদী প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি সম্পত্তির উপর বৈধভাবে দখলে আছেন, তবে তিনি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারেন, এমনকি তার স্বত্ব(Title) বিতর্কিত হলেও।

- ধারা ৫৪ এর বিধান: ধারা ৫৪ এ বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে যখন কোনো ব্যক্তি সম্পত্তির উপর বাদীর অধিকারে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে বা হুমকি দেয়। এই ক্ষেত্রে, আদালত প্রধানত বাদীর দখলের অবস্থা বিবেচনা করে।
Manindra Nath Sen Sarma Vs. Bangladesh (4 BLD (AD) 285) এবং Md. Abdul Gafur and others Vs. Nazimuddin and others (4 BLD (HCD) 127) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য স্বত্ব প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই, যদি বাদী দীর্ঘ সময় ধরে দখলে থাকেন এবং তা প্রমাণ করতে পারেন। এমনকি একজন অবৈধ দখলদারও (Trespasser) দীর্ঘ দখলের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন।

কেন দখলের প্রমাণ প্রধান বিবেচনা?
- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো বাদীর বর্তমান দখলকে সুরক্ষিত করা, যাতে বিবাদী বা অন্য কেউ তাকে বেআইনিভাবে উচ্ছেদ করতে না পারে।
- Ansar Ali and others Vs. Sundar Ali and others (4 BLD (HCD) 140) মামলায় বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় আদালত স্বত্ব বা শিরোনামের জটিল প্রশ্নে প্রবেশ করে না, বরং কে স্পষ্টভাবে দখলে আছে তা বিবেচনা করে।
- দীর্ঘ দখল (Long Possession) এমনকি সত্যিকারের মালিকের বিরুদ্ধেও সুরক্ষিত হতে পারে, যদি না তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্ছেদ করা হয় (Md. Abdul Gafur and others Vs. Nazimuddin and others)।

অন্য অপশনগুলি সঠিক নয়:
ক) চুক্তির বৈধতা: চুক্তির বৈধতা সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মামলায় (ধারা ১২, ১৬, ২২) বিবেচনা করা হয়, কিন্তু স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে এটি প্রধান বিষয় নয়। ধারা ৫৪ প্রধানত দখলের উপর ফোকাস করে।
গ) ক্ষতিপূরণের পরিমাণ: ক্ষতিপূরণ স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে বিকল্প প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে (Begum Sufia Khatoon and others Vs. Abdul Hakim Khan and another, 7 BLD (AD) 190), কিন্তু এটি ধারা ৫৪ এর প্রধান বিবেচনা নয়।
ঘ) স্বত্বের প্রমাণ: এটি সঠিক নয়, কারণ দখলের প্রমাণ স্পষ্টভাবে ধারা ৫৪ এর প্রধান বিষয়। 
- Pasharuddin Mir Vs. Ismail Mir and others (6 BLD (HCD) 155) মামলায় বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় স্বত্বের জটিল প্রশ্নের পরিবর্তে কে বাস্তবে এবং একচেটিয়াভাবে দখলে আছে তা বিবেচনা করা যথেষ্ট।
- Sheikh Ahmed and others Vs. Abdul Alim (9 BLD (HCD) 368) মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সহ-শেয়ারার (Co-sharer) ক্ষেত্রেও, যদি বাদী একচেটিয়া দখলে থাকেন, তবে তিনি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারেন।
 
অর্থাৎ ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আদালত প্রধানত বাদীর দখলের প্রমাণ বিবেচনা করে, স্বত্বের প্রমাণ বা চুক্তির বৈধতার উপর নয়। এটি নিশ্চিত করে যে বাদীর শান্তিপূর্ণ দখল বেআইনি হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত থাকে।

৮,৭১২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীন অপরাধসমূহ ____________ হবে।
  1. আমলযোগ্য
  2. আমলঅযোগ্য
  3. জামিনঅযোগ্য
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ ধারা ১২- ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি:
(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের বা প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ, তদন্ত, বিচার পূর্ববর্তী কার্যক্রম, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷ 
 
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদালত একটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালতের আপীল আদালত হইবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত৷ 
 
(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে৷
৮,৭১৩.
নিম্নের কোন অপরাধের ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতি প্রযোজ্য?
  1. গুরুতর আঘাত
  2. দণ্ডনীয় নরহত্যা
  3. বেপরোয়া যান চালানোর দ্বারা মৃত্যু
  4. সাধারণ আঘাত
ব্যাখ্যা
♦ গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

♦ নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়। যথা-
i) মৃত্যুদন্ড, যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ২ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধ অর্থাৎ ২ বছর বা এর কম মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধের বিচার।
ii) দন্ডবিধির ২৬৪, ২৬৫, ২৬৬ ধারামতে ওজন ও পরিমান সম্পর্কিত অপরাধ, ৩২৩ ধারামতে আঘাত, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চুরি, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি অসৎভাবে আত্মসাৎ, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চোরাইমাল গ্রহণ, গোপন ও হস্তান্তর;
iii) দন্ডবিধির ২৭৭,২৭৯,২৮৫, ২৮৯, ২৯০-২৯৪, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১,৩৫২ ধারার অপরাধ ।
iv) ক্ষতি (Mischief), দন্ডবিধির ৪৪৭ ধারামতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ, ৪৪১, ৪৫৩, ৪৫৪, ৪৫৬ ও ৪৫৭ ধারামতে কৃত অপরাধ, অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন, ৫০৯ ও ৫১০ ধারামতে ইভটিজিং বা মাতলামি;
v) পূর্বে বর্ণিত অপরাধ সমূহে সহায়তা ও অপরাধসমূহ করার চেষ্টা (abetment and attempt to commit the foregoing offences); এবং any of
vi) ১৮৭১ সালের গবাদি পশুর অনধিকার প্রবেশ আইনের ২০ ধারার অধীন অপরাধের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়।
এছাড়াও মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এর অধীনে সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়।
মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমান আদালত সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে বিচার পরিচালনা করে থাকে।

♦অর্থাৎ যেগুলো জরিমানাযোগ্য, জরিমানাসহ বা ব্যতীত অনধিক ১ মাস মেয়াদের কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।

♦অপশনে সাধারণ আঘাতের  ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে।
৮,৭১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৮ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডাদেশে কী নির্দেশ থাকতে হবে?
  1. গুলি করে হত্যা করার নির্দেশ
  2. গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুর নির্দেশ
  3. বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে মৃত্যুর নির্দেশ
  4. দণ্ডপ্রাপ্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তর করার নির্দেশ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুর নির্দেশ।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৮(১) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়, তখন দণ্ডাদেশে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে যে "সে গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত ঝুলন্ত অবস্থায় রাখা হবে।" এটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্ধারিত পদ্ধতি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৮: মৃত্যুদণ্ড ও নির্বাসন সংক্রান্ত বিধান:
(১) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ: যখন কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন সেই দণ্ডাদেশে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে যে তাকে “গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হবে”।
(২) নির্বাসন (Transportation) এর আদেশ: নির্বাসনের আদেশে যে স্থানে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে প্রেরণ করা হবে, তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 368. Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
- Sentence of transportation:
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
৮,৭১৫.
Under which section is the summary dismissal of an appeal mentioned?
  1. Section 427
  2. Section 425
  3. Section 423
  4. Section 421
ব্যাখ্যা
Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.

• ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:

(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
৮,৭১৬.
When can the court amend or frame additional issues according to the provided statement?
  1. Only at first hearing
  2. Before passing the decree
  3. Only during the final hearing
  4. After passing the decree
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ আদেশের ৫ বিধির অধীন আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন বা কর্তন করতে পারে। মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার বিরোধ নির্ধারণের জন্য ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে। তাছাড়া, ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময়, বিচার্য বিষয় কর্তন করতে পারবে যদি আদালত মনে করে বিচার্য বিষয়টি-
১. ভ্রান্তভাবে বা ভুলভাবে গঠিত হয়েছে; বা
২. ভুলভাবে প্রবর্তিত হয়েছে।

• আদেশ ১৪ বিধি ৫: বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা (Power to amend and strike out issues):
১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে। 
[The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.]

২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।
[The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.]
৮,৭১৭.
'Sentence of death to be submitted by Court of Session' — এই বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩৭০
  2. ৩৭২
  3. ৩৭৪
  4. ৩৭৫
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৪: দায়রা আদালত কর্তৃক দাখিলকৃত মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত বিধান:
যখন দায়রা আদালত (Court of Session) মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, তখন মামলার কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে উপস্থাপন করতে হবে, এবং হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন ছাড়া সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না।

Section 374- Sentence of death to be submitted by Court of Session:
When the Court of Session passes sentence of death, the proceedings shall be submitted to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
৮,৭১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধি অনুযায়ী আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন [Amend] বা কর্তন [Strike out] করতে পারে?
  1. আদেশ ১৪, বিধি ৫
  2. আদেশ ১৩, বিধি ৫
  3. আদেশ ১৪, বিধি ৬
  4. আদেশ ১৫, বিধি ৩
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি ৫ঃ বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা (Power to amend and strike out issues)-

১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে। 
[The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.]

২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।
[The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.]
৮,৭১৯.
'Dying Declaration' (মৃত্যুকালীন বিবৃতি) করা যায় ____ এর নিকট-
  1. শুধু ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধু পুলিশ
  3. শুধু ডাক্তার
  4. যে-কারও
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 
- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।

⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;
৮,৭২০.
বিরোধীয় জমি দুটি জেলায় অবস্থিত হলে তৎসম্পর্কে কোন জেলার আদালতে মামলা করতে হবে ?
  1. যে জেলায় বাদী বাস করে
  2. যে জেলায় বিবাদী বাস করে
  3. তৃতীয় জেলায়
  4. দুটি জেলার যে কোনটিতে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পপত্তি সম্পর্কিত মামলাঃ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত বা উহাতে অনিষ্টের কারণে আনীত মামলার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে উক্ত সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ার অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যেতেপারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, মামলার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবীটিই এরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারেন।
৮,৭২১.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী, ধারা ১৬৬ কোন বিষয়ে সম্পর্কিত?
  1. জুরি বা অ্যাসেসরের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
  2. আদালতের সাক্ষ্য রেকর্ড করার পদ্ধতি
  3. আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন
  4. সাক্ষী সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) জুরি বা অ্যাসেসরের প্রশ্ন করার ক্ষমতা।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬৬ বলছে, যখন কোনো মামলা জুরি (jury) বা অ্যাসেসরদের (assessors) উপস্থিতিতে বিচারাধীন থাকে, তখন তারা সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে পারে।
তবে এই প্রশ্নগুলো করতে হবে—
- বিচারকের মাধ্যমে বা তাঁর অনুমতি নিয়ে (through or by leave of the Judge),
- প্রশ্ন হতে হবে এমন, যা বিচারক নিজেও করতে পারতেন, এবং
- বিচারক যদি মনে করেন প্রশ্নটি উপযুক্ত, তখনই তা করা যাবে।

 উদাহরণস্বরূপ:
একটি ফৌজদারি মামলায় যদি জুরি বোর্ড থাকে এবং কোনো সাক্ষীর জবানবন্দিতে দ্ব্যর্থতা থাকে, তাহলে জুরি সদস্যরা বিচারকের অনুমতি নিয়ে সেই বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারেন।

মূল উদ্দেশ্য: এই ধারা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়ক, কারণ এতে জুরি বা অ্যাসেসরদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় এবং তারা বিচার প্রক্রিয়ার সত্য উদঘাটনে ভূমিকা রাখতে পারেন।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 166. Power of jury or assessors to put questions:
- In cases tried by jury or with assessors, the jury or assessors may put any questions to the witnesses, through or by leave of the Judge, which the Judge himself might put and which he considers proper.

৮,৭২২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৫খ অনুসারে কোন ক্ষেত্রে আদালতের মনে হতে পারে যে, দলিলে সংযুক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি স্বাক্ষরকারীর ইচ্ছাকৃত ছিল?
  1. অস্বাক্ষরিত দলিল
  2. অজানা উৎসের দলিল
  3. সাধারণ ডিজিটাল স্বাক্ষর
  4. সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৮৫B(২)(ক) অনুযায়ী, যদি কোনো Secure Digital Signature (সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর) কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে যুক্ত থাকে, তাহলে: "The Court shall presume, unless the contrary is proved, that (a) the secure digital signature is affixed by the subscriber with the intention of signing or approving the digital record."
অর্থাৎ, আদালত ধারণা (Presume) করবে যে: স্বাক্ষরকারী নিজেই ইচ্ছাকৃতভাবে স্বাক্ষর করেছেন বা অনুমোদন দিয়েছেন।
- অর্থাৎ ধারা ৮৫খ (2)(a) অনুসারে, যদি এটি সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর হয়, তবে আদালত ধরে নেবে যে স্বাক্ষরকারী তা নিজের ইচ্ছায় যুক্ত করেছে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৮৫খ : ডিজিটাল রেকর্ড এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কিত অনুমান:
(১) কোনো কার্যক্রমে যদি একটি সুরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ড জড়িত থাকে, তবে আদালত, বিপরীত প্রমাণিত না হলে, অনুমান করবে যে সুরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ডটি যে সময় থেকে সুরক্ষিত অবস্থায় ছিল, তারপর থেকে তাতে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
(২) কোনো কার্যক্রমে যদি সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর জড়িত থাকে, তবে আদালত, বিপরীত প্রমাণিত না হলে, নিম্নলিখিতগুলি অনুমান করবে যে:
(ক) ডিজিটাল রেকর্ডে স্বাক্ষরকারী (subscriber) কর্তৃক স্বাক্ষরের বা অনুমোদনের অভিপ্রায়ে সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত করা হয়েছে;
(খ) একটি সুরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ড বা সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতীত, এই ধারার কোনো কিছুই ডিজিটাল রেকর্ড বা কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা এবং অখণ্ডতা সম্পর্কিত কোনো অনুমান তৈরি করবে না।
--------
⇒ The Evidence Act,1872: Section- 85B. Presumption as to digital record and digital signatures:
(1) In any proceedings involving a secure digital record, the Court shall presume unless contrary is proved, that the secure digital record has not been altered since the point of time to which the secure status relates.
(2) In any proceedings, involving secure digital signature, the Court shall presume unless the contrary is proved that-
(a) the secure digital signature is affixed by subscriber with the intention of signing or approving the digital record;
(b) except in the case of a secure digital record or a secure digital signature, nothing in this section shall create any presumption relating to authenticity and integrity of the digital record or any digital signature.

৮,৭২৩.
কোনো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে লিখিত আদেশ দ্বারা কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বা পানশালা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে পারে-
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- মাদকদ্রব্যের দোকান অথবা পানশালা (Bar) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করিবার ক্ষমতা

(১) মহাপরিচালকের অনুমোদন ব্যতীত লাইসেন্স প্রাপ্ত কোনো মদের দোকান অথবা পানশালা বন্ধ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ কমিশনার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে তাহার অধীন কোনো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বা পানশালা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের জন্য উক্ত দোকান বা পানশালা বন্ধ করিতে পারিবেন। 

(২) বিশেষ জরুরি অবস্থায় মহাপরিচালকের পূর্বানুমোদনক্রমে এই মেয়াদ আরও ৩০ (ত্রিশ) দিন পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবেন। 

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন জারিকৃত কোনো আদেশের অনুলিপি অবিলম্বে মহাপরিচালকের নিকট তাহার অবগতির জন্য প্রেরণ করিতে হইবে।
৮,৭২৪.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযােজ্য হবে?
  1. ফৌজদারি মামলার এফ,আই,আর দায়েরের ক্ষেত্রে
  2. ফৌজদারি মামলার নালিশ দায়েরের ক্ষেত্রে
  3. ফৌজদারি মামলার আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে
  4. ফৌজদারি মূল মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।
-তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারী মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তবে ফৌজদারি আপিল, রিভিশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।

তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়।
৮,৭২৫.
কোনো ব্যক্তি যদি মিথ্যা দলিল তৈরি করে কাউকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করে, তবে এটি দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় তা কোন অপরাধের অন্তর্ভুক্ত?
  1. চুরি
  2. দুর্নীতি
  3. প্রতারণা
  4. জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান- জালিয়াতি:
 কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-----------
Section 463- Forgery: 
Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.
৮,৭২৬.
''Small Cause Courts'' এর রায়ে কোন কোন বিষয় উল্লেখ থাকবে?
  1. সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  2. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  3. রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
  4. ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
• আদেশ ২০ বিধি ৪ অনুসারে, স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে নির্ধারণের বিষয়সমূহ এবং উহার উপর সিদ্ধান্ত থাকবে এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ, নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ, ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত এবং অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে।

অর্থাৎ স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে থাকবে-
⇒ নির্ধারণের বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
⇒ উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।

এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-
⇒ মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case]
⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination]
⇒ ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon] এবং
⇒ অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].
৮,৭২৭.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ৯৬(৩)(গ) অনুযায়ী সুদ হিসাবের হার কত?
  1. ৫% বার্ষিক সরল সুদ
  2. ৮% বার্ষিক সরল সুদ
  3. ১০% বার্ষিক সরল সুদ
  4. ১২% বার্ষিক সরল সুদ
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ৯৬(৩)(গ) অনুযায়ী, অগ্রক্রয়ের আবেদনের সময় আবেদনকারীকে বিক্রয় দলিল সম্পাদনের তারিখ থেকে আবেদন দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের জন্য বিক্রিত জোতের বিনিময় মূল্যের উপর শতকরা ৮ ভাগ (৮%) বার্ষিক সরল সুদ হিসাব করে অর্থ জমা দিতে হবে।

- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ (৩) অগ্রক্রয়ের জন্য দায়েরকৃত আবেদন খারিজ হইবে যদি আবেদনকারী অথবা আবেদনকারীগণ উহা দায়ের করিবার সময় আদালতে নিম্নরূপ অর্থ জমা প্রদান না করেন, যথা:-
(ক) ধারা ৮৯ এর অধীন নোটিশে অথবা হস্তান্তর দলিলে, ক্ষেত্রমত, বর্ণিত বিক্রিত জোত অথবা অংশ-বিশেষ বা শেয়ারের বিনিময় মূল্য;
(খ) দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণ অর্থের শতকরা পঁচিশ ভাগ ক্ষতিপূরণ; এবং
(গ) বিক্রয় দলিল সম্পাদনের তারিখ হইতে অগ্রক্রয়ের আবেদন দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের জন্য দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণের উপর শতকরা বার্ষিক আট ভাগ হারে সরল সুদের হিসাবকৃত অর্থ।
--------------
Section 96 Right of pre-emption (3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption. 

৮,৭২৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তার বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১২৪
  2. অনুচ্ছেদ ১২৫
  3. অনুচ্ছেদ ১২৬
  4. অনুচ্ছেদ ১২৭
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের বিধান: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান: 
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।

Article 126. Executive authorities to assist Election Commission:
It shall be the duty of all executive authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions. 

৮,৭২৯.
সাক্ষ্য হিসেবে স্বীকৃতি কোন অর্থে ব্যবহার করা যায়?
  1. Estoppel
  2. Evidence
  3. Confession
  4. Conclusive Proof
ব্যাখ্যা
• স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।
 
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
 
Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৮,৭৩০.
দণ্ডবিধি আনুসারে ঠগ (Thug) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে।  খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে দুষ্টু মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। সমস্ত ঠগই দস্যু এবং ডাকাত কিন্তু সমস্ত দস্যু বা ডাকাত ঠগ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান ঠগের শাস্তি:-কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------
⇒ Section 310: Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
⇒ Section  311:Punishment:
- Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৮,৭৩১.
'ক' গুরতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং তার চিকিৎসকে জানায় এই আঘাত 'খ' দিয়েছে। ৩ দিন পর 'ক' মারা যায়। এক্ষেত্রে 'ক' এর বিবৃতি মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে-
  1. গ্রহণযোগ্য হবে
  2. গ্রহণযোগ্য নয়
  3. পুলিশের কাছে দিলে গ্রহণযোগ্য হতো
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 

- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।
 
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

অর্থাৎ উল্লেখিত প্রশ্নে 'ক' এর বক্তব্য ৩২ ধারায় বর্ণিত শর্ত অনুসারে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।
৮,৭৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীনে পুলিশ কোন ধরনের রিপোর্ট দাখিল করতে পারে?
  1. First Investigation Report
  2. Further Investigation Report
  3. Final Investigation Report
  4. Complete Investigation Report
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৭৩ (৩খ) ধারা অনুসারে, পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট (১৭৩(১) ধারার অধীনে দাখিলকৃত) জমা দেওয়ার পরও অপরাধের বিষয়ে অধিকতর তদন্ত (Further Investigation) করতে পারে। এই অধিকতর তদন্তের সময় যদি পুলিশ নতুন মৌখিক বা দালিলিক সাক্ষ্য পায়, তবে তারা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet) দাখিল করতে পারে। এই রিপোর্টটি "Further Investigation Report" নামে পরিচিত, কারণ এটি প্রাথমিক তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে সংগৃহীত অতিরিক্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।
- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

- তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

-১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173: Report of police-officer:
-(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
৮,৭৩৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীনে অপরাধসমূহের আমলযোগ্যতা এবং জামিনযোগ্যতার ক্ষেত্রে কোন আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. Penal Code, 1860
  2. Bangladesh Constitution
  3. Code of Criminal Procedure, 1898
  4. Code of Civil Procedure, 1908
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮ক- অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিন অযোগ্যতা:
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের আমলযোগ্যতা (cognizable) ও জামিনযোগ্যতার (whether bailable or not) ক্ষেত্রে Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এর Schedule II এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
৮,৭৩৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে না?
  1. ৩০২ ধারা
  2. ৩০৩ ধারা
  3. ৩০৪ ধারা
  4. ৩৯৬ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের জন্য, ৩০৩ ধারায় যাবজ্জীবন দণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত খুনের জন্য এবং ৩৯৬ ধারায় ডাকাতির সময় খুনের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
♦ কিন্তু ৩০৪ ধারায় খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড । অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে না।
৮,৭৩৫.
The Evidence Act, 1872 এর ৫১ ধারা অনুযায়ী নিচের কোনটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণযোগ্য
  2. সাধারণ সাক্ষীদের মতামত আদালতে গৃহীত হবে
  3. শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তার মতামত গ্রহণযোগ্য
  4. বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তি বা কারণও আদালতে প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৫১ ধারা- মতামতের ভিত্তি, কখন প্রাসঙ্গিক:
যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়, তখন সেই মতামতের ভিত্তি বা কারণও প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হবে।

উদাহরণ:
একজন বিশেষজ্ঞ (Expert) তার মতামত গঠনের জন্য যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন, তা আদালতে ব্যাখ্যা করতে পারেন।
৮,৭৩৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী যাকে অনুচিতভাবে বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে তাকে আদালত বাদ দিতে পারে?
  1. আদেশ-১, বিধি-৩
  2. আদেশ-১, বিধি-৮
  3. আদেশ-১, বিধি-১০
  4. আদেশ-১, বিধি-১২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১, বিধি ১০ অনুযায়ী—
- মামলার যেকোন পর্যায়ে আদালত, পক্ষসমূহের আবেদনে বা স্বপ্রণোদিতভাবে, এমন কোন পক্ষকে বাদ দিতে পারেন যাকে অনুচিতভাবে বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।
- একইসাথে, যদি আদালত মনে করে যে, কোন ব্যক্তির উপস্থিতি মামলার কার্যকর ও পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজন, তাহলে তাকেও যুক্ত করতে পারেন।

বিধি ১০(২) স্পষ্টভাবে বলে:
"...the Court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out..."

→ যাকে অনুচিতভাবে বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, তাকে বাদ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে আদেশ ১, বিধি ১০ অনুযায়ী।
৮,৭৩৭.
নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল (Public Document) হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ব্যক্তিগত ডায়েরি
  2. পারিবারিক চিঠিপত্র
  3. দুই বন্ধুর মধ্যে চুক্তিপত্র
  4. আদালতের ডিক্রি বা আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী, আদালতের আদেশ বা ডিক্রি সরকারি দলিলের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এগুলো বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের অংশ এবং সরকারি রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

৮,৭৩৮.
'Doctrine of alternative danger' দণ্ডবিধির কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ৮১ ধারা
  2. ৮৭ ধারা
  3. ৯১ ধারা
  4. ৯৬ ধারা
ব্যাখ্যা
Doctrine of Alternative Danger অর্থ হলো- বৃহত্তর ক্ষতি এড়ানোর জন্য ক্ষুদ্রতর ক্ষতি মেনে নেওয়া। 'Doctrine of alternative danger' দণ্ডবিধির ৮১ ধারার সাথে সম্পর্কিত।
দণ্ডবিধির ধারা ৮১ অনুসারে, বৃহত্তর ক্ষতি এড়ানোর জন্য ক্ষুদ্রতর ক্ষতি মেনে নেওয়া বৈধ হতে পারে। যদি কোনো সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কাজ সৎ উদ্দেশ্যে, শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য করা হয়, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।

উদাহরণ:
ধরা যাক, একটি জ্বলন্ত বাড়ির পাশে আরেকটি বাড়িতে বিস্ফোরক পদার্থ রয়েছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল বাহিনী যদি পাশের বাড়ির কিছু অংশ ভেঙে ফেলে, তবে তা ধারা ৮১-এর অধীনে বৈধ বলে গণ্য হবে, কারণ এটি বৃহত্তর ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য করা হয়েছে।

দণ্ডবিধির  ৮১ ধারা- সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া এবং অন্যবিধ ক্ষতিরোধের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত:
 কোন কাজ শুধু ক্ষতিসাধন করতে পারে এইরূপ জানা সত্ত্বেও উহা করার ফলেই অপরাধ বলে বিবেচনা করা হবে না যদি কাজটি ক্ষতিসাধন করার জন্য কোনরূপ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সম্পাদিত না হয়ে থাকে এবং উহা শরীরের বা সম্পত্তির অপর কোনরূপ ক্ষতি নিবারণ বা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে সম্পাদিত হয়ে থাকে।

ব্যাখ্যা: যে ক্ষতিটি নিবারণ বা প্রতিরোধ করতে হবে, উহা এতই আসন্ন বা প্রকট ছিল কিনা এবং উহা এমন প্রকৃতির ছিল কিনা যার ফলে, সম্পাদিত কাজটি ক্ষতি করতে পারে জানা সত্ত্বেও উহা করা বা করার মাধ্যমে ঝুঁকি গ্রহণ মার্জনীয় হবে, বাস্তব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই প্রশ্নটির মীমাংসা করতে হবে।

Section 81- Act likely to cause harm, but done without criminal intent and to prevent other harm:
Nothing is an offence merely by reason of its being done with the knowledge that it is likely to cause harm, if it be done without any criminal intention to cause harm, and in good faith for the purpose of preventing or avoiding other harm to person or property. 
 
Explanation.-It is a question of fact in such a case whether the harm to be prevented or avoided was of such a nature and so imminent as to justify or excuse the risk of doing the act with the knowledge that it was likely to cause harm.
৮,৭৩৯.
আদালতের অনুমতি ব্যতীত এক পক্ষ অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ কত সেট প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারে?
  1. ৩ সেট
  2. ২ সেট
  3. ১ সেট
  4. সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।

বিধি ১: প্রশ্নাবলী দ্বারা আবিষ্কার-
কোন মোকদ্দমায় বাদি কিংবা বিবাদিপক্ষ অপর পক্ষসমূহকে অথবা তাদের মধ্যে একজন বা একাধিক জনকে পরীক্ষা করার জন্য আদালতের অনুমতিক্রমে, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে লিখিতরূপে প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারে এবং অনুরূপ প্রশ্নমালা প্রদান করা হলে এর মধ্যে কোন কোন প্রশ্নের উত্তর অনুরূপ ব্যক্তির কাউকে প্রদান করতে হবে তা প্রশ্নমালার পাদটিকায় লিখিত থাকবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন পক্ষ অপর পক্ষকে আদালতের আদেশ ব্যতিরেকে এক প্রস্থের অধিক প্রশ্নমালা প্রদান করবে নাঃ তবে আরও শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার সাথে কোনভাবেই সম্পর্কীত নয়, এরূপ প্রশ্নমালা সাক্ষীর মৌখিক জেরায় জিজ্ঞাসা করা চললেও এক্ষেত্রে তা অবান্তর বলে গণ্য হবে।
৮,৭৪০.
According to Section 410 of the Penal Code, 1860, Stolen property includes property that has been transferred by:
  1. Donation or charity
  2. Inheritance or gift
  3. Misrepresentation or error
  4. Theft, extortion, or robbery
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে।
-দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
---------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860-Section-410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৮,৭৪১.
'A' একজন সৈনিক হিসেবে সুপিরিয়র অফিসারের আদেশে জনতার উপর গুলি চালায়। আইন অনুসরণে করা এই কাজটি অপরাধ নয়। এটি দণ্ডবিধির কত নং ধারার উদাহরণ?
  1. ধারা ৭৬
  2. ধারা ৭৭
  3. ধারা ৭৮
  4. ধারা ৭৯
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধির ৭৬ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইন দ্বারা বাধ্য হয়, অথবা সদুদ্দেশ্যে তথ্যের ভুলের কারণে নিজেকে আইন দ্বারা বাধ্য বলে বিশ্বাস করে কোনো কাজ করে, তবে তা অপ্রাধ নয়।
- উল্লিখিত উদাহরণে, 'A' একজন সৈনিক হিসেবে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে এবং আইনানুসমর্থনে কাজ করেছে। এটি ধারা ৭৬ এর একটি সরাসরি উদাহরণ, যা "আইন দ্বারা বাধ্য" হওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

⇒  দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত: বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনত: বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।
উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।
(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
---------
⇒The Penal Code, 1860-Section 76: Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.
Illustrations:
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence.
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.

৮,৭৪২.
একজন ১ম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় অভিযুক্ত আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন কালে আসামী guilty plead করায় ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের হলে নিম্নের কোনটি হতে পারে?
  1. আপিলটি শুনানীর জন্য গ্রহণ করা হবে
  2. আপিলটি দায়রা জজ আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া হবে
  3. আপিলযোগ্য নয় বিধায় আপিলটি না-মঞ্জুর হবে
  4. রিভিশশন দায়েরের জন্য ফেরত দেয়া হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]

অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 

২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে আসামী দোষ স্বীকার করেছে এবং সেই সাথে এক মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে। ধারা ৪১২ এবং ৪১৩ এর অধীন দণ্ডাদেশ আপীলযোগ্য নয়, তাই আপীলটি না-মঞ্জুর হবে।
৮,৭৪৩.
যদি আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশমতো বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে কী হবে?
  1. বাদীকে জরিমানা করা হবে
  2. আদালত আরজি ফেরত দিবে
  3. বিবাদীকে প্রতিকার নির্ধারণের সুযোগ দেওয়া হবে
  4. আদালত আরজিটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৭ বিধি- ১১: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-
ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;
খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে;
গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে;
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়।

তবে শর্ত থাকে যে,
মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
৮,৭৪৪.
Section 409 of the Code of Criminal Procedure, 1898 deals with the appeal hearing procedure of which court?
  1. Court of Session
  2. Appellate Division
  3. High Court Division
  4. Chief Judicial Magistrate
ব্যাখ্যা

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge: Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.

ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি-
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

৮,৭৪৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৪১ অনুযায়ী, প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য কার সম্মতি প্রয়োজনীয়?
  1. সরকারের
  2. হস্তান্তরগ্রহীতার
  3. প্রতীয়মান মালিকের
  4. সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৪১ অনুসারে, যখন কোনো ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে ঐ সম্পত্তির "প্রতীয়মান মালিক" হিসেবে পরিগণিত হন এবং সেই সম্পত্তি মূল্যের বিনিময়ে হস্তান্তর করেন, তখন হস্তান্তরটি বাতিলযোগ্য হবে না। এখানে প্রয়োজনীয় শর্ত হলো—স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ তাদের সম্মতি দিয়েছেন বলে প্রতীয়মান হতে হবে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো—সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
----------------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
- Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.

৮,৭৪৬.
The Penal Code,1860 অনুসারে কোন ব্যক্তিকে তার ইচ্ছানুসারে নির্দিষ্ট কোন পথ গমনের ক্ষেত্রে বাধা দিলে কী অপরাধ হবে?
  1. Kidnapping
  2. Criminal force
  3. Wrongful restraint
  4. Wrongful confinement
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম:- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।
⇒ উদাহরণ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
Wrongful restraint:
Section 339. Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 

Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৮,৭৪৭.
'ক' একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ বাবদ ১০০০ টাকার জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করে। ‘খ, 'ক'-এর বিরুদ্ধে তার পূর্বেই ১০০০ টাকার ডিক্রি লাভ করেছিল। এক্ষেত্রে 'খ','ক' এর বিরুদ্ধে কোন বিধির অধীন সেট অফ দাবি করতে পারবে?
  1. আদেশ ৯, বিধি ৬
  2. আদেশ ৮, বিধি ৬
  3. আদেশ ৭, বিধি ৬
  4. আদেশ ৬, বিধি ৬
ব্যাখ্যা
• অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী, কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়। প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পর Set off এর দাবি করা যায়।

• কোন দেওয়ানী মামলায় বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায়, তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে;
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে;
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না;
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না;
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
৮,৭৪৮.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় জুরি বা এসেসগণ কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার ক্ষমতা সর্ম্পকে বলা হয়েছে?
  1. ১৬৫ ধারা
  2. ১৬৭ ধারা
  3. ১৬৮ ধারা
  4. ১৬৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৬ ধারায় জুরি বা এসেসর সম্পর্কে বলা আছে। ১৬৬ ধারার অধীন জুরি কোনো সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে পারে।

⇒ বর্তমানে জুরি বা এসেসর সিস্টেম বিলুপ্ত।
-------------------
⇒ Power of jury or assessors to put questions
Section 166. In cases tried by jury or with assessors, the jury or assessors may put any questions to the witnesses, through or by leave of the Judge, which the Judge himself might put and which he considers proper.
৮,৭৪৯.
Affray এর বিধান রয়েছে কত ধারায়?
  1. ১৫৩ ধারায়
  2. ১৫৯ ধারায়
  3. ১৫৫ ধারায়
  4. ১৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায় মারামারির (Affray) সংজ্ঞা রয়েছে। দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে (public place) ঝগড়া করে গণশান্তি (public peace) ভঙ্গ করলে তা মারামারি বা affray বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, ২ বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে কলহ বা ঝগড়া করার ফলে গণশাস্তি বিঘ্নিত হলে তারা মারামারি করেছে বলে গণ্য হবে।
♦ প্রকাশ্য স্থান (public place) বলতে পথ-ঘাট, হাট বাজার অর্থাৎ যেখানে জনসাধারণ সচরাচর যাতায়াত করতে পারে।
৮,৭৫০.
নিম্নের কোনটি তিন তালাক নামে পরিচিত?
  1. তালাক আহসান (ahsan)
  2. তালাক হাসান (hasan)
  3. তালাক-উল-বিদাত (talak al-bid'a)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ তালাক-উল-বিদাত ‘তিন তালাক’ নামে পরিচিত।

তালাক আরবি শব্দ। যার আভিধানিক অর্থ বিচ্ছিন্ন হওয়া বা ত্যাগ করা। ইসলাম ধর্মে তালাক বলতে স্বামী ও স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক হইতে বিচ্ছিন্ন হওয়াকে বুঝায়। তালাক প্রধানত দুই ধরনের:

১। তালাক-উস-সুন্নাহ (অনুমোদিত তালাক): 
তালাক-উস-সুন্নাহ হলো হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নত বা হাদিসে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী তালাক। তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] দুই প্রকার হতে পারে; 

- তালাক-ই-আহসান (Ahsan): স্ত্রীর তুহরে (পবিত্র সময়) একবার তালাক উচ্চারণ করা হলে এবং স্ত্রীর ইদ্দতকাল (৩টি ঋতুকাল পর্যন্ত) তার সাথে যৌন সম্পর্ক (Consummation) না রাখলে, ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার সাথে সাথে তালাক কার্যকর হবে এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হবে। এটি সর্বাপেক্ষা অনুমোদিত তালাক। 

 - তালাক-ই-হাসান (Hasan): স্বামী তার স্ত্রীর পরপর ৩টি তুহরের প্রত্যেক তুহরেই ১ বার করে তালাক উচ্চারণ করবে এবং তুহর কালে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হতে বিরত থাকবে। তৃতীয় উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গেই তালাক কার্যকর হবে। এই ক্ষেত্রে তালাক অপ্রত্যাহারযোগ্য।

২। তালাক-উল-বিদাত বা অননুমোদিত তালাক:
তালাক-ই-আহসান ও তালাক-ই-হাসান পদ্ধতি ছাড়া অন্য সকল পদ্ধতির তালাককে তালাক-উল-বিদাত বলা হয়। স্বামী পর পর তিন তালাক উচ্চারণ করে অথবা এক বাক্যে তিন তালাক উচ্চারণ করে স্ত্রীর পবিত্র অবস্থায় অথবা অপবিত্র অবস্থায় এই তালাক প্রদান করা হয়।
যেমন- স্ত্রীর পবিত্র বা অপবিত্র অবস্থায় স্বামী স্ত্রীকে বলে, "আমি তোমাকে তালাক দিলাম, তালাক দিলাম, তালাক দিলাম" অথবা "আমি তোমাকে তিন তালাক দিলাম" অথবা "আমি তোমাকে বাইন তালাক দিলাম" ইত্যাদি। এই ধরনের তালাক প্রত্যাহার করা যায় না। 

৮,৭৫১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারা অনুযায়ী জেলা জজ এক আদালত হতে অন্য আদালতে দেওয়ানী মামলা স্থানান্তর করেন?
  1. ১৭
  2. ২৪
  3. ৯৪
  4. ১৫১
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:

(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন স্তরে -

ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা

খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
৮,৭৫২.
বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যকার যোগাযোগ কোন ক্ষেত্রে প্রকাশ করা যেতে পারে?
  1. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
  2. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দেওয়ানি মামলায়
  3. একজনের বিরুদ্ধে অপরজনের ফৌজদারি মামলায়
  4. খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোনো ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

Section 122⇒ Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৮,৭৫৩.
দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার অধীনে নিম্নের কোনটি জালিয়াতির উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচিত হবে না?
  1. অবৈধ সুবিধা লাভের জন্য দলিল তৈরি করা
  2. কাউকে প্রতারণার উদ্দেশ্যে দলিল তৈরি করা
  3. জনসাধারণের ক্ষতি করার জন্য দলিল তৈরি করা
  4. আইনগত প্রমাণ হিসেবে সঠিক দলিল তৈরি করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।

কিন্তু আইনগত প্রমাণ হিসেবে সঠিক দলিল তৈরি করা জালিয়াতির উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচিত হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery: Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.
৮,৭৫৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুসারে আদালত ব্যয়ের উপর কত শতাংশ পর্যন্ত সুদ নির্ধারণ করতে পারে?
  1. ৫%
  2. ৬%
  3. ৭%
  4. ৮%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure, 1908) ধারা ৩৫(৩) অনুযায়ী, আদালত ব্যয়ের উপর সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হার পর্যন্ত সুদ নির্ধারণ করতে পারে।

- ধারা ৩৫(৩) এর মূল বক্তব্য:
"The Court may give interest on costs at any rate not exceeding six per cent. per annum, and such interest shall be added to the costs and shall be recoverable as such."
অর্থাৎ, আদালত যদি ব্যয়ের উপর সুদ নির্ধারণ করে, তবে তা সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হারে হতে পারে এবং উক্ত সুদ ব্যয়ের অংশ হিসেবে আদায়যোগ্য হবে।
৮,৭৫৫.
প্রতিনিধিত্ব সৃষ্টিতে প্রতিদানের অনাবশ্যকতার মূলনীতি চুক্তি আইনের কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৮৪
  2. ধারা ১৮৫
  3. ধারা ১৮৬
  4. ধারা ১৮৭
ব্যাখ্যা

- চুক্তি আইনের ধারা ১৮৫ স্পষ্টভাবে বলে, "No consideration is necessary to create an agency."

- চুক্তি আইনের ধারা ১৮৫: প্রতিদান অনাবশ্যক: প্রতিনিধিত্ব সৃষ্টির জন্য প্রতিদান আবশ্যক নহে।

- Section 185 of the Contract Act, 1872: Consideration not necessary:
"No consideration is necessary to create an agency."

৮,৭৫৬.
শিশু আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু আদালত নিম্নবর্ণিত কোন বিষয় বিবেচনা করবে না?
  1. শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা
  2. শিশু ও তার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি
  3. শিশুর অভিভাবকের অভিমত
  4. শিশুর অভিমত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩০- শিশু আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:

এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :- 
 
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ; 
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা; 
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন্ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত; 
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা; 
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা; 
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি; 
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতার তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি; 
(জ) শিশুর অভিমত;
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং 
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।
৮,৭৫৭.
সাব-রেজিস্ট্রার অনুপস্থিত থাকলে কে দায়িত্ব পালন করবেন?
  1. রেজিস্ট্রার নিজে
  2. রেজিস্ট্রার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
  3. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১২- সাব-রেজিস্ট্রারের অনুপস্থিতি বা তাহার পদে শূন্যতা:
যেক্ষেত্রে কোন সাব-রেজিস্ট্রার তাহার কার্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন বা তাহার পদ সাময়িকভাবে শূন্য হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্তরূপ অনুপস্থিতিকালে, বা শূন্যপদ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত, তদস্থলে রেজিস্ট্রার কর্তৃক নিযুক্ত যে কোন ব্যক্তি সাব-রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে থাকিবেন।

[When any Sub-Registrar is absent, or when his office is temporarily vacant, any person whom the Registrar of the district appoints in this behalf shall be Sub-Registrar during such absence, or until the vacancy is filled up.]
৮,৭৫৮.
'Nulla poena sine lege' এর বাংলা অর্থ কী?
  1. আইন ছাড়া শাস্তি নেই
  2. আইন ছাড়া কোনো অধিকার নেই
  3. আইন ছাড়া কোনো স্বাধীনতা নেই
  4. আইন ছাড়া চুক্তি নেই
ব্যাখ্যা
Latin Maxim: Nulla poena sine lege
English Meaning: “No punishment without law.”
বাংলা অর্থ: আইন ছাড়া কোনো শাস্তি নেই।

মূলনীতি:
এই প্রবচনের মূল অর্থ হলো, কেউ আইন দ্বারা নির্ধারিত অপরাধ না করেই শাস্তি পেতে পারবে না। অর্থাৎ, অপরাধ এবং শাস্তি উভয়ই আইন দ্বারা পূর্বনির্ধারিত হতে হবে। যে কোনো শাস্তি প্রয়োগ করার আগে, সংশ্লিষ্ট আইন বা বিধান দ্বারা সেই কার্যকে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া থাকতে হবে। আইনকে অনুসরণ না করে ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া অবৈধ এবং সংবিধানের পরিপন্থী। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে “Nulla poena sine lege” নীতি মূলনীতি হিসেবে স্বীকৃত।
৮,৭৫৯.
দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ৫ কোন পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য?
  1.  ভিকটিম যদি অপ্রাপ্তবয়স্ক হয়
  2. ভিকটিম স্বেচ্ছায় মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করলে
  3. ভিকটিম বাধ্য হয়ে আত্মরক্ষা করলে
  4. হত্যাকারীর ভুলবশত মৃত্যু ঘটালে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: B. ভিকটিম স্বেচ্ছায় মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করলে।

দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান- খুন:

⇒ ব্যতিক্রম ১:
যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না-
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

৮,৭৬০.
ডিজিটাল স্বাক্ষর আদালত কীভাবে যাচাই করতে পারেন?
  1. নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  2. সেই ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  3. অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে আদেশের প্রদানের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৮,৭৬১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১২ অনুযায়ী স্বীকারোক্তী কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১২ অনুযায়ী স্বীকারোক্তী ৩ প্রকার
১) আরজি/জবাবের মাধ্যমে স্বীকারোক্তী।
২) দলিল স্বীকারের নোটিশ ।
৩) ঘটনা স্বীকার করতে নোটিশ।
আদেশ ১২ বিধি ২ অনুযায়ী দলিল স্বীকারের জন্য নোটিশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করার জন্য আহবান করা যায়।
⇒ আর বিধি ৪ অনুযায়ী শুনানীর ৯ দিন পূর্বে ঘটনার স্বীকারের নোটিশ দিবেন।
৮,৭৬২.
আদালত একবার রায়ে স্বাক্ষর করার পর ৩৬৯ ধারার অধীন কখন তা পরিবর্তন করতে পারবে?
  1. আপিলের জন্য
  2. নতুন সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য
  3. পুরানো রায় পুনরায় পর্যালোচনার জন্য
  4. শুধুমাত্র করণিক ভুল সংশোধনের জন্য
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৯ অনুসারে,
আদালত একবার রায়ে স্বাক্ষর করলে পরিবর্তন বা রিভিউ করতে পারবে না কিন্তু করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে।

Section 369: Court not to alter judgment-
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force,no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
৮,৭৬৩.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. দলিল বাতিল মোকদ্দমা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  3. দলিল সংশোধন মোকদ্দমা
  4. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
৮,৭৬৪.
'The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court.'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানে উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ১৫ বিধি ১
  2. আদেশ ২০ বিধি ১
  3. আদেশ ২০ বিধি ৩
  4. আদেশ ২০ বিধি ৪
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ১-
[The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court either at once or on some future day, not beyond seven days of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.]

⇒ মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে যা সাতদিনের বেশি হবে না, পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
৮,৭৬৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমতের প্রাসঙ্গিকতা বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪৫
  2. ধারা ৪৮
  3. ধারা ৫০
  4. ধারা ৫২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যা: "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।
উদাহরণ: কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation- The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.
Illustration: The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section. 

৮,৭৬৬.
প্রাচীন ভারতের বিচার ও প্রশাসনব্যবস্থায় ধননন্দের সময়ে (খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে) আদালতের ভাষা কী ছিল?
  1. পালি
  2. প্রাকৃত
  3. সংস্কৃত
  4. অপভ্রংশ
ব্যাখ্যা

⇒ ধননন্দের সময়ে (খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে) প্রাচীন ভারতের বিচারব্যবস্থায় আদালতের প্রধান ভাষা ছিল সংস্কৃত। এই সময়ে সংস্কৃত ছিল শাস্ত্রীয় ও প্রশাসনিক কাজের জন্য প্রধান ভাষা, এবং আদালতের রায় ঘোষণা ও আনুষ্ঠানিক বিচারকার্য সংস্কৃতে পরিচালিত হতো। তবে, প্রমাণ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সংস্কৃতের পাশাপাশি প্রাকৃত ভাষাও ব্যবহৃত হতো, কারণ প্রাকৃত ছিল সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রচলিত ভাষা। বিচারকগণ বহুভাষী ছিলেন এবং সংস্কৃত, প্রাকৃত ও জনভাষায় পারদর্শী ছিলেন, যা তাদের বিচার প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ভাষায় উপস্থাপিত প্রমাণ বুঝতে সহায়তা করত।

অন্যান্য অপশনের ব্যাখ্যা:
ক) পালি: পালি প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ ও তৎসংক্রান্ত সাহিত্যে ব্যবহৃত হতো। ধননন্দের সময়ে এটি আদালতের প্রধান ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হতো না। পালির প্রভাব পরবর্তীকালে, বিশেষ করে অশোকের সময়ে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসারের সাথে বৃদ্ধি পায়।
খ) প্রাকৃত: প্রাকৃত ছিল জনসাধারণের মুখের ভাষা এবং প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য আদালতে ব্যবহৃত হতো। তবে, আদালতের আনুষ্ঠানিক ভাষা হিসেবে সংস্কৃতই প্রাধান্য পেত।
ঘ) অপভ্রংশ: অপভ্রংশ পরবর্তীকালে (প্রায় খ্রিস্টীয় ৬ষ্ঠ শতাব্দীর পর) ভারতীয় উপমহাদেশে সাহিত্য ও স্থানীয় ভাষা হিসেবে বিকশিত হয়। ধননন্দের সময়ে এটি আদালতের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হতো না।

প্রেক্ষাপট: ধননন্দের সময়ে বিচারব্যবস্থা ধর্মশাস্ত্র, স্মৃতি এবং সদাচারের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হতো। বিচারকগণ শাস্ত্রজ্ঞ এবং বহুভাষী হওয়ায় তারা সংস্কৃতের পাশাপাশি প্রাকৃত ভাষায় উপস্থাপিত প্রমাণ বুঝতে পারতেন। আদালতের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম, যেমন রায় ঘোষণা এবং রাজকীয় আদেশ (যা ভূর্জপত্র বা তালপত্রে লিখিত হতো), সংস্কৃত ভাষায় সম্পন্ন হতো। এই সময়ে বিচার প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল সত্য উদঘাটন, এবং সংস্কৃত ছিল এই প্রক্রিয়ার মর্যাদাপূর্ণ ও আনুষ্ঠানিক ভাষা।

অর্থাৎ ধননন্দের সময়ে আদালতের প্রধান ভাষা ছিল সংস্কৃত, যা বিচারকার্যের আনুষ্ঠানিকতা ও শাস্ত্রীয় মর্যাদা বজায় রাখত। প্রাকৃত ভাষা প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হলেও, সংস্কৃতই ছিল আদালতের মূল ভাষা।

তথ্যসূত্র: ভারতীয় বিচারব্যবস্থা ৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ, “সাহিত্য সম্রাট জার্নাল”।(লিঙ্ক)

৮,৭৬৭.
ভরণপোষণ এবং দেনমোহর সংক্রান্ত মামলার বিচার কোন আদালতে করা হয়?
  1. দেওয়ানি আদালতে
  2. পারিবারিক আদালতে
  3. ফৌজদারি আদালতে
  4. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান: পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা:-
(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।
৮,৭৬৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী কোন ধরণের দলিল সংশোধন করা যায়?
  1. লিখিত চুক্তি 
  2. লিখিত দলিল
  3. মৌখিক চুক্তি
  4. ক এবং খ 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
-------------------
According to section 31 of the Specific Relief act, When instrument may be rectified-
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

৮,৭৬৯.
যদি একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত হয়, তবে কোনটি প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. শুধুমাত্র প্রথম অংশ
  2. শুধুমাত্র শেষ অংশ
  3. প্রতিটি অংশ
  4. কোনো অংশই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ যদি একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত হয়, তবে প্রত্যেকটি অংশই প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। এর কারণ, প্রমাণের ক্ষেত্রে প্রতিটি অংশ নিজস্বভাবে সেই দলিলের একটি মূল অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬২ (ব্যাখ্যা ১) অনুসারে:
"যখন একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত হয়, প্রতিটি অংশই দলিলটির প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।"

- এটি সাধারণত সেইসব দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে একই দলিলের একাধিক কপি বিভিন্ন পক্ষের কাছে রাখার জন্য তৈরি করা হয় (যেমন: লিজ ডিড, চুক্তিপত্র)।
- প্রতিটি কপিই মূলের সমতুল্য এবং স্বতন্ত্রভাবে প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬২-এ প্রাথমিক সাক্ষ্য (primary evidence) সম্পর্কে বলা আছে:
"Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court."
এরপরে "Explanation 1" এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document."

- অর্থাৎ, যদি একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত (executed) হয়, তবে প্রতিটি অংশ সেই দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। এর কারণ হলো, প্রতিটি অংশই দলিলের একটি অংশ হিসেবে সমানভাবে বৈধ এবং মূল দলিলের প্রতিনিধিত্ব করে।
৮,৭৭০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ অনুসারে একজন বোবা সাক্ষী কীভাবে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন?
  1. কেবল অন্যের মাধ্যমে
  2. লিখে বা ইশারার মাধ্যমে
  3. ভিডিও কলের মাধ্যমে
  4. তার আইনগত প্রতিনিধির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১৯ অনুযায়ী- যদি কোনো সাক্ষী কথা বলতে অক্ষম হন (যেমন বোবা ব্যক্তি), তাহলে তিনি সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন এমন কোনো পদ্ধতিতে যাতে তার বক্তব্য বোধ্য হয়।
- এই পদ্ধতিগুলো হতে পারে:  লেখার মাধ্যমে, অথবা  ইশারা বা সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে।
তবে শর্ত হলো, এই লিখিত বা ইঙ্গিতভিত্তিক সাক্ষ্য অবশ্যই আদালতের উন্মুক্ত কক্ষে (Open Court) প্রদর্শিত হতে হবে, যেন বিচারক এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ তা বুঝতে পারেন।
- এই ধরণের সাক্ষ্যকে “মৌখিক সাক্ষ্য” (Oral Evidence) হিসেবেই গণ্য করা হয়, যদিও সাক্ষী কথায় তা প্রকাশ করতে অক্ষম।

উদাহরণ:
যদি একজন বোবা ব্যক্তি আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে ইশারায় বা লিখে জানান যে তিনি কী দেখেছেন বা জানেন — তা তখন সম্পূর্ণ বৈধ ও গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

অর্থা ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৮,৭৭১.
দণ্ডবিধির ধারা ১০২ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার কখন থেকে শুরু হয়?
  1. প্রকৃত শারীরিক আঘাত ঘটলে
  2. অপরাধ সম্পূর্ণ সংঘটিত হলে
  3. পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে
  4. যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের আশঙ্কা দেখা দিলে
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ১০২ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা দেখা দেয়। অর্থাৎ, অপরাধ সম্পূর্ণ সংঘটিত হওয়ার আগেই যদি কোনো ব্যক্তি যুক্তিসঙ্গতভাবে মনে করেন যে তার শরীরে আঘাত আসন্ন, তখন থেকেই তিনি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। এই অধিকার ততক্ষণ পর্যন্ত বহাল থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের আশঙ্কা দেখা দিলে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব-
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের আশঙ্কা যুক্তিসঙ্গতভাবে সৃষ্টি হয় এবং কোনো অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে আসে, যদিও সেই অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না-ও হতে পারে; এবং এই অধিকার তখন পর্যন্ত বজায় থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 102- Commencement and continuance of the right of private defence of the body:
The right of private defence of the body commences as soon as a reasonable apprehension of danger to the body arises from an attempt or threat to commit the offence though the offence may not have been committed; and it continues as long as such, apprehension of danger to the body continues.

৮,৭৭২.
তামাদি আইনের ৮ ধারা কোন ধারা দুটির ব্যতিক্রম?
  1. ধারা ৩ ও ৪
  2. ধারা ৪ ও ৫
  3. ধারা ৫ ও ৬
  4. ধারা ৬ ও ৭
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রম-
৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

Section 8- Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
৮,৭৭৩.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী মজুতদারি বা কালোবাজারির সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৫ এ মজুতদারি বা কালোবাজারির জন্য শাস্তির বিধান দেওয়া আছে।
- ধারা ২৫(১) অনুসারে: "মজুতদারি বা কালোবাজারির অপরাধে শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা ১৪ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড এবং জরিমানা।"
- এখানে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড উভয়ই উল্লেখ আছে।
- তবে বিশেষ ক্ষেত্রে: ধারা ২৫(২) অনুসারে, যদি মজুতদারি আর্থিক বা অন্য কোনো সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে না হয়, তবে শাস্তি সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে।
- কিন্তু সাধারণভাবে মজুতদারি/কালোবাজারির জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

৮,৭৭৪.
মারামারি (Affray) সংঘটনের জন্য সর্বনিম্ন কতজনের অংশগ্রহণ আবশ্যক?
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১৫৯ ধারায় মারামারির বিধান রয়েছে। যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা “মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

♦দন্ডবিধির ১৬০ ধারায় মারামারির শাস্তি বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ মারামারি (Affray) সংঘটনের জন্য সর্বনিম্ন দুইজনের অংশগ্রহণ আবশ্যক।
৮,৭৭৫.
Adverse Possession (বিরুদ্ধ দখল) বিষয়ে তামাদি আইনের কোথায় বলা আছে?
  1. ২৬ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ২৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♣♣  
• তামাদি আইনের ২৮ ধারা মতে বিবাদী যদি ১২ বছর যাবত স্থাবর সম্পত্তিতে নীরবচ্ছিন্ন ও বাধাহীনভাবে দখলে থাকে;
• এবং বাদী ১২ বছরের মধ্যে দখল উদ্ধারের কোন আইনগত কার্যক্রম না করে;
• তখন উক্ত সম্পত্তিতে বিবাদীর Adverse Possession হয়। 
৮,৭৭৬.
খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজীবন কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা- খুন বলিয়া গণ্য নহে এইরূপ অপরাধজনক নরহত্যার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি খুন নয় এমন শাস্তি যোগ্য নরহত্যা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে, ,যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, অথবা এমন দৈহিক জখম করার উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, যে দৈহিক জখমের দরুণ মৃত্যু ঘটতে পারে,
অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি সম্পাদনের দরুণ মৃত্যু অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা থাকে, অথচ কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্যে করা হয় নাই যে দৈহিক জখম করার কারণে মৃত্যু ঘটতে পারে।
৮,৭৭৭.
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি বেঁচে গেলে ঐ ঘোষণা কী হবে?
  1. সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে
  2. সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হবে
  3. জীবিতকালীন ঘোষণা বলে গণ্য হবে
  4. আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ধারা ৩২(১) এর অধীন মৃত্যুকালীন ঘোষনা দেয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে।

⇒ Evidence Act  এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ মৃত্যুকালীন ঘোষণা [Dying Declaration); কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পূর্বে তার  মৃত্যুর কারণ,  মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা যে সকল ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা/বিবৃতি প্রদান করে, তাকেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলে।

⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয়ক্ষেত্রেই।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। 
৮,৭৭৮.
যদি কোন অ্যাডভোকেট শিক্ষানবীশ চুক্তিপত্রে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করলে বা মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান করলে উক্ত আইনজীবী
  1. ১ বৎসরের জন্য দণ্ডিত হবে
  2. অসদাচরণের জন্য দোষী হবে
  3. ২ বৎসরের জন্য দণ্ডিত হবে
  4. ৫ বৎসরের দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
♦বিধি ৬০(৩) অনুযায়ী কোন প্রার্থী তার তালিকাভুক্তির দরখাস্তে ইচ্ছেকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে  ৫ বছরের জন্য অ্যাডভোকেট হিসেবে নিবন্ধিত হবার অযোগ্য হবে।
♦অর্থাৎ যদি কোন অ্যাডভোকেট শিক্ষানবীশ চুক্তিপত্রে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করলে বা মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান করলে উক্ত আইনজীবী ৫ বৎসরের জন্য দণ্ডিত হবে।
৮,৭৭৯.
আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিলে, তা গ্রহণের কারণ কে লিপিবদ্ধ করবে?
  1. আদালত
  2. আপিলকারীর আইনজীবী
  3. মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়
  4. লিপিবদ্ধ করার বিধান নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা
খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করা অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।
৮,৭৮০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 20 Rule 6 অনুযায়ী, কোনটির সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে?
  1. আরজি
  2. রায়
  3. সমন
  4. লিখিত জবাব
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
৮,৭৮১.
বাংলাদেশে বলবৎ দণ্ডবিধি প্রণয়নের মূল দায়িত্বে কোন কমিশন ছিল?
  1. সাইমন কমিশন
  2. ম্যাকুলে কমিশন
  3. রাওলাট কমিশন
  4. লিনলিথগো কমিশন
ব্যাখ্যা

⇒ ১৮৩৩ সালে ব্রিটিশ ভারতের শাসনভার গ্রহণের পর প্রথম আইন কমিশন গঠিত হয়, যার সভাপতি ছিলেন লর্ড থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে। এই কমিশনের মূল দায়িত্ব ছিল ভারতবর্ষের জন্য একটি সুসংগঠিত দণ্ডবিধি প্রণয়ন করা। তারা ১৮৩৭ সালে দণ্ডবিধির খসড়া প্রস্তুত করে পেশ করে, যা পরবর্তীতে সংশোধন-নিরীক্ষণের মাধ্যমে ১৮৬০ সালে আইন হিসেবে প্রণয়িত হয় (আইন নং ৪৫)। এটি বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে বর্তমান দণ্ডবিধির ভিত্তি।
অর্থাৎ বাংলাদেশে বলবৎ দণ্ডবিধি প্রণয়নের মূল দায়িত্বে ছিল লর্ড ম্যাকুলে-এর নেতৃত্বাধীন আইন কমিশন, যা ইতিহাসে "ম্যাকুলে কমিশন" নামে পরিচিত। এই কমিশন ১৮৩৭ সালের ১৪ অক্টোবর দণ্ডবিধির প্রথম খসড়া প্রণয়ন করে এবং তা তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করে।
- ম্যাকুলে কমিশন-এর গঠন ও সদস্য:
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মিঃ ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মিঃ এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মিঃ মিলার।

৮,৭৮২.
আদালত কখন আদেশ ১০ বিধি ২ অনুযায়ী পক্ষগণের সহযোগীর কোন ধরনের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
  1. লিখিত জবানবন্দি
  2. মৌখিক জবানবন্দি
  3. মৌখিক এবং লিখিত উভয় জবানবন্দি
  4. সাক্ষীর ইচ্ছানুযায়ী নির্ধারন হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১০ বিধি ২- পক্ষ বা পক্ষগণের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Order 10 Rule 2: Oral examination of party or companion of party-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
৮,৭৮৩.
সংবিধানে কত ধরনের মালিকানা-ব্যবস্থার কথা বলা আছে?
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদের বিধান: মালিকানার নীতি:
-উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:

(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷

অর্থাৎ সংবিধানে এই তিন ধরনের মালিকানা-ব্যবস্থার কথা বলা আছে।
৮,৭৮৪.
'A' বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। উক্ত কাজের জন্য 'A' দণ্ডবিধির কোন ধারায় দণ্ডিত হবেন?
  1. ১৭৩ ধারায়
  2. ১৭৪ ধারায়
  3. ১৭৫ ধারায়
  4. ১৭৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

Illustrations:
(a) A, being legally bound to appear before the Supreme Court of Bangladesh in obedience to a subpoena issuing from that Court, intentionally omits to appear. A has committed the offence defined in this section.
(b) A, being legally bound to appear before a Zila Judge, as a witness, in obedience to a summons issued by that Zila Judge, intentionally omits to appear. A has committed the offence defined in this section.
৮,৭৮৫.
'A', গুরুতর ও হঠাৎ উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে 'Z'-এর দিকে পিস্তল থেকে গুলি চালায়, কিন্তু 'Z' মারা যায় না। এই পরিস্থিতিতে 'A'-এর অপরাধ দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হবে?
  1. ৩০৭ ধারা
  2. ৩০৮ ধারা
  3. ৩০৪ ধারা
  4. ৩০০ ধারা 
ব্যাখ্যা

⇒ প্রশ্নে বর্ণিত ঘটনাটি সরাসরি দণ্ডবিধির ৩০৮ ধারার উদাহরণ (Illustration)-এর সাথে মিলে যায়। ঘটনায় উল্লেখ রয়েছে:
১. 'A' গুরুতর ও হঠাৎ উত্তেজনার (grave and sudden provocation) বশবর্তী হয়েছে।
২. সে 'Z'-এর দিকে পিস্তল দিয়ে গুলি চালিয়েছে।
৩. গুলি লাগলেও 'Z' মারা যায়নি (অর্থাৎ, মৃত্যু ঘটেনি, কিন্তু কাজটি ছিল মৃত্যু ঘটাবার সম্ভাবনাযুক্ত)।
৪. উল্লিখিত পরিস্থিতিতে, যদি মৃত্যু ঘটত, তাহলে 'A' খুন (murder)-এর দায়ে দোষী হত না; বরং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (culpable homicide not amounting to murder) হত। কারণ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার প্রথম ব্যতিক্রম (Exception 1) অনুযায়ী, গুরুতর ও হঠাৎ উত্তেজনার ফলে আত্মনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মৃত্যু ঘটালে তা খুন নয়, বরং শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হয়।

- যেহেতু এখানে মৃত্যু ঘটেনি, কিন্তু মৃত্যু ঘটানোর মতো কাজ (Act) করা হয়েছে, তাই এটি "শাস্তিযোগ্য নরহত্যার চেষ্টা (Attempt to commit culpable homicide)"-এর আওতায় পড়ে। আর এই অপরাধটিই ধারা ৩০৮ দ্বারা বিচার্য।

অন্যান্য অপশনগুলি এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়:
ক) ৩০৭ ধারা: এটি খুনের চেষ্টা (Attempt to murder)-এর জন্য প্রযোজ্য। এখানে পরিস্থিতি খুনের নয়, বরং শাস্তিযোগ্য নরহত্যার (ব্যতিক্রমের কারণে)।
গ) ৩০৪ ধারা: এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide not amounting to murder)-এর জন্য প্রযোজ্য, যখন প্রকৃতপক্ষে মৃত্যু ঘটে। এখানে মৃত্যু ঘটেনি।
ঘ) ৩০০ ধারা: এটি খুন (Murder)-এর সংজ্ঞা ও শর্ত বর্ণনা করে। এখানে অপরাধটি খুনের আওতায় পড়ে না।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ৩০৮ ধারা।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ধারা-৩০৮: শাস্তিযোগ্য নরহত্যার চেষ্টা (Attempt to commit culpable homicide):
যে ব্যক্তি এমন অভিপ্রায় বা জ্ঞান সহকারে এবং এমন পরিস্থিতিতে কোন কাজ করে যে, যদি সে সেই কাজ দ্বারা মৃত্যু ঘটাত, তাহলে সে খুন নয় বরং শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধে দোষী হতো, তাহলে তাকে যেকোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে; এবং, যদি এই কাজ দ্বারা কোন ব্যক্তির আঘাত (hurt) সৃষ্টি হয়, তাহলে অপরাধীকে যেকোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যার মেয়াদ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। 
উদাহরণ:
'A', গুরুতর ও হঠাৎ উত্তেজনায় (grave and sudden provocation), 'Z' এর দিকে একটি পিস্তল দিয়ে গুলি করে, এমন পরিস্থিতিতে যে, যদি সে এর দ্বারা মৃত্যু ঘটাত, তাহলে সে খুন নয় বরং শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধে দোষী হতো। 'A' এই ধারায় সংজ্ঞায়িত অপরাধটি করেছে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, section-308. Attempt to commit culpable homicide
Whoever does any act with such intention or knowledge and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of culpable homicide not amounting to murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both; and, if hurt is caused to any person by such act, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both.
Illustration:
A, on grave and sudden provocation, fires a pistol at Z, under such circumstances that if he thereby caused death he would be guilty of culpable homicide not amounting to murder. A has committed the offence defined in this section.

৮,৭৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. অনধিক এক বছর
  2. অনধিক দুই বছর
  3. অনধিক তিন বছর
  4. অনধিক পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না।

⇒  গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং লঘু শাস্তির অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ২৬২-এ সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি বর্ণিত। সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের সর্বোচ্চ সীমা দুই বছর কারাদণ্ড।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 262. Procedure for summary trials: 
(1) In trials under this Chapter, the procedure prescribed in Chapter XX shall be followed except as hereinafter mentioned.
→ Limit of imprisonment:
(2) No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter.
৮,৭৮৭.
আদেশ ৩৫ বিধি-১ অনুযায়ী, 'Interpleader-suit' এর আরজিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. বাদীর ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্য
  2. মোকদ্দমার খরচের বিবরণ
  3. বাদী এবং বিবাদীগণের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই
  4. বাদীর ও বিবাদীগণের মধ্যে বিরোধের অস্তিত্ব
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:
স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।

Rule-1: Plaint in interpleader-suits-
In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs;
b) the claims made by the defendants severally; and
c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants.
৮,৭৮৮.
আদালত কোন পরিস্থিতিতে পক্ষগণকে অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. বাদী চাইলে
  2. বিবাদী চাইলে
  3. পক্ষগণ পারস্পরিক চুক্তি করলে
  4. আদালত যদি প্রয়োজন মনে করেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):
বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-8 Rule-9: Subsequent pleadings:
No pleading subsequent to the written statement of a defendant other than by way of defence to a set-off shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit, but the Court may at any time require a written statement or additional written statement from any of the parties and fix a time for presenting the same.
৮,৭৮৯.
'ক' ও 'খ' কর্তৃক দায়েরকৃত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের মামলায় পরবর্তীতে 'গ' কে পক্ষভুক্ত করা হলে 'গ' এর তামাদির মেয়াদ কখন শুরু হবে?
  1. 'ক' যখন আরজি দাখিল করেছিল তখন থেকে
  2. 'গ' কে যখন পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
  3. বিচার্য বিষয় গঠনের সময় থেকে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের পর থেকে
ব্যাখ্যা
• ধারাঃ ২২ (নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল)-

(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবী থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।

Section-22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant-
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.

(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৮,৭৯০.
The Army Act, 1952 এর অধীন বিচার-প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য কিনা?
  1. প্রযোজ্য
  2. প্রযোজ্য নয়
  3. আংশিক প্রযোজ্য
  4. শুধুমাত্র বিশেষ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
• ধারা ১: সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army Act, 1952 অথবা The Naval Discipline Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act, 1953 এর ক্ষেত্রে;
ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;
iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে।

Section 1 ⇒ Extent:
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953 but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator.
৮,৭৯১.
নিচের কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন?
  1. স্বীকৃত বিষয়
  2. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  3. অনুমিত বিষয়
  4. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।

⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে, অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
৮,৭৯২.
Under Section 32, if the Court is not satisfied with the intent of the parties, what can happen?
  1. The contract is automatically void
  2. The contract cannot be rectified
  3. The contract can still be enforced
  4. The contract must be renegotiated
ব্যাখ্যা
Section 32- Presumption as to intent of parties:
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
৮,৭৯৩.
আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর অধীন আরোপিত সম্পত্তি ক্রোক সর্বোচ্চ কতদিন বলবৎ থাকবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-
১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

৮,৭৯৪.
In executing a decree transferred to the Collector under ___________ the Collector and his subordinates shall be deemed to be acting judicially.
  1. section 65
  2. section 68
  3. section 72
  4. section 71
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৭১ ধারার বিধান কালেক্টরের বিচারক হিসাবে কার্য: উপরিল্লিখিত ৬৮ ধারা অধীনে কালেক্টরের নিকট হস্তান্তরিত ডিক্রি জারি করার প্রাক্কালে কালেক্টর এবং তার অধঃস্তনগণ বিচারক হিসাবে কার্য করতেছে বলে মনে করতে হবে।
-------------------
CPC Section 71: Collector deemed to be acting judicially: In executing a decree transferred to the Collector under section 68 the Collector and his subordinates shall be deemed to be acting judicially.
৮,৭৯৫.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুসারে তদন্তকারী সংস্থা নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
  2. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
  3. পরিবেশ অধিদপ্তর
  4. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯  এর তফশিল-১ এর মাঝে তদন্তকারী ২৭টি সংস্থার তালিকা দেওয়া আছে। 
এখানে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এর কথা উল্লেখ নাই।
অর্থাৎ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুসারে 'বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট' তদন্তকারী সংস্থা নয়।

তফশিলের তালিকাটি নিচে দেওয়া হল:



সূত্র:
মানি লন্ডারিং বিধিমালা ২০১৯
৮,৭৯৬.
Public nuisance এর বিধান রয়েছে কত ধারায়?
  1. ২৫৮ ধারায়
  2. ২৬০ ধারায়
  3. ২৬৮ ধারায়
  4. ২৭৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।
৮,৭৯৭.
বাদীর মোকদ্দমাটি ব্যর্থ হলে এবং মোকদ্দমাটির যুক্তিসঙ্গত কারণ না থাকলে, বিবাদী দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারামতে ক্ষতিপূরণের দাবি করে আদালতে আবেদন করতে পারে?
  1. ৯২ ধারা
  2. ৯৩ ধারা
  3. ৯৪ ধারা
  4. ৯৫ ধারা
ব্যাখ্যা

ধারা ৯৫: অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক বা নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্তির জন্য ক্ষতিপূরণ:
(১): যে কোনো মোকদ্দমায় যেখানে পূর্ববর্তী ধারার অধীনে গ্রেফতার বা ক্রোক কার্যকর করা হয়েছে বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়েছে,-
(ক) আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে এরূপ গ্রেফতার, ক্রোক বা নিষেধাজ্ঞা অপর্যাপ্ত কারণে আবেদন করা হয়েছিল, অথবা
(খ) বাদীর মোকদ্দমা ব্যর্থ হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে মোকদ্দমা দায়ের করার কোনো যুক্তিসংগত বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না,
তাহলে বিবাদী আদালতের নিকট আবেদন করতে পারে, এবং আদালত উক্ত আবেদনের ভিত্তিতে তার আদেশ দ্বারা বাদীর বিরুদ্ধে এমন পরিমাণ অর্থ, যা দশ হাজার টাকার অধিক হবে না, বিবাদীর ব্যয় বা ক্ষতির জন্য যুক্তিসংগত ক্ষতিপূরণ হিসেবে মঞ্জুর করতে পারে:
শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করে এমন কোনো পরিমাণ মঞ্জুর করবে না।

(২): এরূপ কোনো আবেদন নিষ্পত্তিকারী আদেশ উক্ত গ্রেফতার, সংযুক্তি বা নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত ক্ষতিপূরণের জন্য কোনো মোকদ্দমা বারিত করবে।

৮,৭৯৮.
'A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.' ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৮৫ ধারার
  2. ৮০ ধারার
  3. ৮৮ ধারার
  4. ৮২ ধারার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারা- গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।
 
Section 82- Where warrant may be executed:
A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
৮,৭৯৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৯ এর অধীনে মামলার জন্য কোন দুটি বিষয় প্রমাণ করতে হবে?
  1. স্বত্ব এবং সম্মতি
  2. দখল এবং বেদখল
  3. মালিকানা এবং দখল
  4. সম্মতি এবং আইনি পন্থা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৯ অনুসারে মামলার ক্ষেত্রে বাদীকে কেবলমাত্র দুইটি বিষয় প্রমাণ করতে হয়:
১. তিনি ওই স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, এবং
২. তাকে আইনগত পন্থা ছাড়া ও তার সম্মতি ব্যতীত উচ্ছেদ (বেদখল) করা হয়েছে।

- স্বত্ব (ownership) এই মামলার জন্য অপ্রাসঙ্গিক। ধারা ৯-এর মূল উদ্দেশ্য হলো— আইনবহির্ভূতভাবে কাউকে তার দখল থেকে উচ্ছেদ করা হলে তাকে দ্রুত প্রতিকার দেওয়া।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
-আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৮,৮০০.
অজাত ব্যক্তি (জন্মগ্রহণ করে নাই) বরাবর কোন ধরনের শর্ত সাপেক্ষে সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়?
  1. একই দলিলে একই সঙ্গে এক বা একাধিক বাক্তি বরাবর জীবনস্বত্ব/ট্রাস্ট সৃষ্টি করতে হবে
  2. জীবনস্বত্বের পরিসমাপ্তের পূর্বেই অজাত ব্যক্তিকে জন্মগ্রহণ করতে হবে
  3. অজাত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ/ চূড়ান্ত স্বত্ব দান করতে হবে
  4. উল্লিখিত সকল শর্তে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩: অজাত ব্যক্তির সুবিধার জন্য হস্তান্তর

যেক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তির একই হস্তান্তর দ্বারা পূর্ববর্তী কোনো স্বত্ব সৃষ্টি সাপেক্ষে এরূপ কোনো ব্যক্তির সুবিধার জন্য স্বত্ব সৃষ্টি করা হয়, যে ব্যক্তি হস্তান্তরের তারিখ পর্যন্ত জন্ম গ্রহণ করে নাই, সেক্ষেত্রে সম্পত্তিতে দাতার অবশিষ্ট স্বত্ব অন্তর্ভুক্ত না হলে অজাত ব্যক্তি বরাবর স্বত্ব কার্যকর হবে না।

নোটঃ
১৩ ধারা অনুসারে কোন অজাত ব্যক্তি বরাবর সরাসরি সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না। তবে নিম্নোক্ত শর্ত সাপেক্ষে জন্মগ্রহণ করে নাই এমন অজাত ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর করা যায়-
ক) একই দলিলে একই সঙ্গে এক বা একাধিক বাক্তি বরাবর জীবনস্বত্ব/ট্রাস্ট সৃষ্টি করতে হবে।
খ) জীবন স্বত্বের পর অজাত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ/ চূড়ান্ত স্বত্ব দান করতে হবে।
গ) শেষ জীবনস্বত্বের পরিসমাপ্তের পূর্বেই অজাত ব্যক্তিকে জন্মগ্রহণ করতে হবে।
ঘ) শেষ জীবনস্বত্বের পরিসমাপ্তিকাল হতে নাবালক ১৮/২১ বৎসরের মধ্যে সাবালক হতে হবে।

Section 13: Transfer for benefit of unborn person
Where, on a transfer of property, an interest therein is created for the benefit of a person not in existence at the date of the transfer, subject to a prior interest created by the same transfer, the interest created for the benefit of such person shall not take effect, unless it extends to the whole of the remaining interest of the transferor in the property. 
 
Illustration 
A transfers property of which he is the owner to B in trust for A and his intended wife successively for their lives, and, after the death of the survivor, for the eldest son of the intended marriage for life, and after his death for A's second son. The interest so created for the benefit of the eldest son does not take effect, because it does not extend to the whole of A's remaining interest in the property.