বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৮৩ / ১৫৫ · ৮,২০১৮,৩০০ / ১৫,৪৭০

৮,২০১.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৬৪ অনুযায়ী, কোন কাজ ‘উন্নয়ন’-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পথ বা রাস্তা নির্মাণ
  2. কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি
  3. পানি সরবরাহের সুবিধা প্রদান
  4. বায়ুচলাচলের জন্য খোলা জায়গা প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯-এর ধারা ৬৪ অনুযায়ী, ‘উন্নয়ন’ (Improvement) বলতে অকৃষি জমির মূল্য বৃদ্ধি করে এমন কাজকে বোঝায়, যা জমির ব্যবহারের উদ্দেশ্যের (ধারা ৪-এ উল্লিখিত) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং জমির সরাসরি উপকারের জন্য বা উপকারী হিসেবে সম্পাদিত হয়। এই ধারায় নিম্নলিখিত কাজগুলো ‘উন্নয়ন’-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
(ক) পথ বা রাস্তা নির্মাণ
(খ) বায়ুচলাচলের জন্য খোলা জায়গা প্রদান
(গ) পানি সরবরাহের সুবিধা প্রদান
(ঘ) নিকাশি সংযোগ স্থাপন
তবে, ধারা ৬৪-এ আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, অকৃষি প্রজা কর্তৃক সম্পাদিত কোনো কাজ যদি জমির মালিকের সম্পত্তির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে, তবে তা ‘উন্নয়ন’-এর অন্তর্ভুক্ত হবে না।
- কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি এই তালিকায় সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই এবং এটি অকৃষি জমির উদ্দেশ্যের (ধারা ৪-এ উল্লিখিত) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, কারণ এই আইন অকৃষি জমির প্রজাস্বত্বের জন্য প্রযোজ্য। কৃষি কাজে জমির ব্যবহার অকৃষি জমির প্রকৃতি ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থী হতে পারে এবং এটি জমির মালিকের সম্পত্তির মূল্য হ্রাস করতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি।

৮,২০২.
স্থানীয় তদন্তের কমিশন প্রাপ্ত ব্যক্তি রিপোর্ট দাখিলের জন্য সময় পাবে ________।
  1. ২ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ১ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
আদেশ-২৬ বিধি-৯: স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন:
যেকোনো মামলায় বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা কোন পরিমাণ বা কোন অন্তবর্তীকালীন মুনাফা বা খেসারত বা বাৎসরিক খাটি মুনাফা নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে আদলত স্থানীয় তদন্ত আবশ্যক বা উপযুক্ত মনে করলে আদলত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, সেই ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরণ করে বিষয়টি সম্পর্কে অনুরূপ তদন্ত করতে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক তিন মাস সময়ের মধ্যে উহার উপর প্রতিবেদন প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনের আবেদনক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হয়ে সময় বর্ধিত করতে পারেন।

Order-26 Rule-9.Commissions to make local investigations:

In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
৮,২০৩.
অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য কার নির্দেশে বিক্রি করা যাবে?
  1. জব্দকারি পুলিশ কর্মকর্তার
  2. যে এলাকায় পাওয়া গেছে, উক্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
  3. যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে
  4. যে এলাকায় পাওয়া গেছে, উক্ত এলাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 525
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৮,২০৪.
একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে, বাদী কী করতে পারবে?
  1. শুধু একটি প্রতিকার দাবী করতে পারবে
  2. সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করতে পারবে 
  3. সর্বোচ্চ দুইটি প্রতিকার দাবী করতে পারবে
  4. কোনো প্রতিকার দাবী করতে পারবে না
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২ এর বিধি ২ অনুসারে,
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে, পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

• আদেশ ২ বিধি ২- 
১) সমগ্র দাবী মোকদ্দমার অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ 
যেকোন মোকদ্দমার সারবস্তু সম্বন্ধে বাদি যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। অবশ্য মোকদ্দমাটি কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার দাবী আংশিকভাবে বর্জন করার যদি দরকার হয় তাহলে তা করতে পারবে।

২) দাবীর অংশ পরিত্যাগঃ
 বাদী যদি তার দাবীর কোন অংশ উল্লেখ না করে মোকদ্দমা করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাবী আংশিক বর্জন করে, তবে পরে ঐ দাবী বা দাবীর সে অংশের জন্য মোকদ্দমা করা চলবে না।

৩) একাধিক প্রতিকারের মধ্যে কোন একটির জন্য মোকদ্দমা করতে বর্জনঃ
কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

ব্যাখা- উক্ত বিধির উদ্দেশ্যে কোন বাধ্যবাধকতা এবং তা সম্পাদন করার নিমিত্তে প্রদত্ত আনুষঙ্গিক জামানত এবং উক্ত বাধ্যবাধকতা হতে উদ্ভূত আনুক্রমিক দাবীসমূহ ক্রমান্বয়ে একটি মোকদ্দমার কারণই সৃষ্টি করবে।

৮,২০৫.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৪ অনুযায়ী, বিলম্বিত দেনমোহরের (Deferred Dower) জন্য মুসলিম মহিলার মামলার তামাদি শুরু হয় কখন?
  1. বিবাহের তারিখ থেকে
  2. স্বামীর মৃত্যু তারিখ থেকে
  3. তালাক দ্বারা বিবাহ বিচ্ছেদের তারিখ থেকে
  4. 'খ' অথবা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৪ অনুযায়ী, বিলম্বিত দেনমোহরের (Deferred Dower) জন্য একজন মুসলিম মহিলার মামলা করার তামাদি কাল ৩ বছর।
- এই সময়সীমা গণনা শুরু হয়: স্বামীর মৃত্যুর তারিখ থেকে (খ), অথবা তালাক দ্বারা বিবাহ বিচ্ছেদের তারিখ থেকে (গ)।
- অর্থাৎ বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred Dower) সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদ বা স্বামীর মৃত্যুর পর প্রদেয় হয়।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) 'খ' অথবা 'গ' (যেকোনো একটি ঘটনা থেকে তামাদি শুরু হয়)।
৮,২০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ দেওয়ার পর অভিযোগকারীর কী করতে হবে?
  1. শুধু মৌখিকভাবে বললেই যথেষ্ট
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যেতে হবে
  3. লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করতে হবে
  4. পুলিশ অফিসারকে ঘটনা স্থলে নিয়ে যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, যখন আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ পুলিশ স্টেশন অফিসারকে প্রদান করা হয়, তখন অভিযোগকারীকে অভিযোগের লিখিত কপি পড়ে শোনানো হবে এবং তাকে সই করতে হবে। অভিযোগটি পুলিশ স্টেশন কর্তৃপক্ষের কাছে নথিভুক্ত হতে হবে, এবং এর সারাংশ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইয়ে লিখে রাখতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার মূল বিষয়গুলো হল:
১) থানায় মৌখিক অভিযোগ করলে পুলিশ অফিসার তা লিখে নেবেন।
২) লিখিত অভিযোগটি অভিযোগকারীকে পড়ে শোনাতে হবে।
৩) অভিযোগকারীকে এতে স্বাক্ষর করতে হবে। 
৪) অভিযোগের সারাংশ সরকার নির্ধারিত বইয়ে লিখে রাখতে হবে। 
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
-Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
৮,২০৭.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, একজন মুসলিম মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদ চাইতে পারেন যদি স্বামীর অবস্থান অজানা থাকে:
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর ধারা ২(১) অনুযায়ী, একজন মুসলিম মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদ চাইতে পারেন যদি তার স্বামীর অবস্থান ৪ বছর ধরে অজানা থাকে। অর্থাৎ, যদি স্বামী ৪ বছর বা তার বেশি সময় ধরে নিখোঁজ থাকেন এবং তার কোনো খোঁজ না পাওয়া যায়, তাহলে মহিলা আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করতে পারেন।

- এই বিধানটি এমন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় যখন স্বামী দীর্ঘ সময় ধরে অনুপস্থিত থাকেন এবং তার কোনো সংবাদ বা অবস্থান জানা যায় না।
- এই সময়সীমা (৪ বছর) আইনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা মহিলাকে আইনি সুরক্ষা প্রদান করে যাতে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে না থাকেন।
- এই ভিত্তিতে ডিক্রি পাস হওয়ার পর, যদি স্বামী ৬ মাসের মধ্যে আদালতে উপস্থিত হয়ে তার বৈবাহিক দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত হন, তাহলে আদালত ডিক্রি বাতিল করতে পারেন।
৮,২০৮.
আদেশ ৩৫ বিধি-৫ অনুসারে, কে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে না?
  1. আদালত
  2. প্রতিনিধিগণ
  3. নাবালক
  4. সরকারী কর্মচারীগণ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই প্রতিনিধিগণকে তাদের প্রধান ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে কিংবা প্রজাগণকে তাদের ভূস্বামীর বিরুদ্ধে উক্ত প্রধান ব্যক্তি বা ভূ-স্বামীগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণ ব্যতীত অন্য কারো সাথে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে সমর্থ করতে বিবেচিত হবে না।

উদাহরণ:
ক) 'ক'-তার প্রতিনিধির 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ'- অভিযোগ করে যে 'ক'-তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ'-এর নিকট থেকে তা দাবী করে। 'খ', 'ক' এবং 'গ'-এর বিরুদ্ধে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না।

৮,২০৯.
তামাদি আইন অনুসারে, যদি কেউ একাধিক অপারগতায় পতিত হয়, তবে সে কখন মামলা দায়ের করতে পারবে?
  1. আদালতের নির্দেশে
  2. যখনই তার প্রতিনিধি চায়
  3. প্রথম অপারগতা শেষ হওয়ার পর
  4. সব অপারগতার অবসান হওয়ার পর
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ৬(২) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি একাধিক অপারগতায় পতিত হয় (যেমন, প্রথমে নাবালক থাকে এবং পরে উন্মাদ হয়ে যায়), তবে সে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করতে পারবে তখনই, যখন তার সব অপারগতার অবসান ঘটে এবং সে আইনত সক্ষম হয়।
অর্থাৎ, যদি তামাদি গণনার শুরুর সময় ব্যক্তি নাবালক থাকে এবং এরপর উন্মাদনায় আক্রান্ত হয়, তবে সে তখনই মামলা দায়ের করতে পারবে, যখন সে উভয় অপারগতা থেকে মুক্ত হবে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি নাবালক এবং উন্মাদ উভয় অবস্থায় থাকে, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা তখনই শুরু হবে যখন সে নাবালকতা এবং উন্মাদনা উভয় অপারগতা থেকে মুক্ত হবে।

সুতরাং, একাধিক অপারগতার ক্ষেত্রে, মামলা দায়েরের সময় গণনার জন্য সব অপারগতার অবসান হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। এজন্য ৬(২) ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে ব্যক্তি তখনই মামলা করতে পারবে, যখন তার সব অপারগতা দূর হবে এবং সে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
৮,২১০.
দ্রুত বিচার আদালত গঠন করা হয় মূলত কোথায়?
  1. বিভাগীয় শহরে
  2. থানা পর্যায়ে
  3. মেট্রোপলিটন ও জেলা পর্যায়ে
  4. উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮- দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷ 

(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।
৮,২১১.
Section 55A of the Penal Code preserves the President’s power to:
  1. Impose new punishments
  2. Increase punishments
  3. Overrule court judgments
  4. Grant pardons, reprieves, or remissions
ব্যাখ্যা

Answer: c) Grant pardons, reprieves, or remissions.
⇒ The Penal Code, 1860- Section, 55A. Saving for President’s prerogative:
 - Nothing in section fifty-four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

ধারা ৫৫ক: রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সংরক্ষণ (Saving for President’s prerogative)
"Nothing in section fifty-four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment."

- এই ধারাটি নির্দেশ করে যে, ধারা ৫৪ এবং ধারা ৫৫-এ যেসব বিধান রয়েছে, তা রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমতা, যেমন মুক্তি, দয়া, দণ্ড মওকুফ, বা দণ্ডে ছাড় দেওয়ার অধিকারকে প্রভাবিত বা খর্ব করতে পারবে না।
 
- রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা: রাষ্ট্রপতি দেশের শীর্ষনেতা হিসেবে আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমার (pardon) বা দণ্ড মওকুফ (reprieve) করার অধিকার রাখেন। এই ক্ষমতা তার নিজস্ব প্রিভিলেজ বা prerogative হিসেবে পরিচিত।
- ধারা ৫৪ এবং ৫৫-এ, বিশেষত, দণ্ডপ্রাপ্তদের মুক্তি, দণ্ডের পর্যালোচনা বা দণ্ডের মওকুফ সম্পর্কিত কিছু বিধান রয়েছে। তবে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা এই সকল বিধান থেকে স্বাধীন, এবং তার ক্ষমতা কোনোভাবেই কমানো যাবে না।

৮,২১২.
"Wrongful gain" in The Penal Code, 1860, is:
  1. Lawful gain
  2. Loss of entitled property
  3. Retaining legal property
  4. Unlawful gain of unentitled property
ব্যাখ্যা
"Wrongful gain" refers to acquiring property through unlawful means, where the person gaining the property is not legally entitled to it. According to Section 23 of The Penal Code, 1860:

- Wrongful gain is gain made through unlawful means of property that the person gaining has no legal right to possess or control.
In simpler terms, if someone gains property or an asset in a way that is against the law, or without any legal entitlement, it is termed as wrongful gain. This could include actions like theft, fraud, or cheating, where the property acquired was never rightfully theirs, and they had no legal claim to it.

- For example, if a person steals money from another person, the money gained by the thief is considered wrongful gain because they are not entitled to that money legally.
৮,২১৩.
কোনটি রায়ের বিষয়বস্তু নয়?
  1. বিচার্য বিষয়সমূহ
  2. আসামী যে ধারায় ও অপরাধে দণ্ডিত
  3. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ
  4. প্রতিটি সাক্ষীর বক্তব্য
ব্যাখ্যা
• বিচার সমাপ্ত হবার অব্যাহত পর অথবা নোটিশ দিয়ে নির্ধারিত দিনে প্রকাশ্য আদালতে বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়। ভিন্নরুপ বিধান না থাকলে প্রত্যেকটি রায় আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক লিখিত হবে বা তার দ্রুত লিখন হতে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় লিখিত হবে।

ধারা ৩৬৭ঃ রায়ে যে সকল বিষয় উল্লেখ করতে হবে
-

১. বিচার্য বিষয়সমূহ [points for determination]
২. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ [the decision and reasons for the decision]
৩. আসামী যে অপরাধে (যদি থাকে) দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় শাস্তি পেল [section]
৪. শাস্তি [punishment]

• সাক্ষীর বক্তব্য রায়ের বিষয়বস্তু নয়।
৮,২১৪.
কোর্ট ফি নির্ধারিত না থাকলে নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির সর্বোচ্চ কত টাকার সম্পত্তি থাকতে পারে?
  1. ২,০০০ টাকা
  2. ৫,০০০ টাকা
  3. ১০,০০০ টাকা
  4. ২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এর আদেশ ৩৩ (Order XXXIII) নিঃস্ব ব্যক্তির (pauper) পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করার সংক্রান্ত বিধান প্রদান করে।
আদেশ ৩৩, বিধি ১ অনুযায়ী “কোন ব্যক্তি যদি মামলার জন্য নির্ধারিত কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হন, অথবা কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত না থাকলে তার পরিধেয় বস্ত্র ও মামলার বিষয়বস্তু ব্যতীত অন্য কোন সম্পত্তি যদি ৫০০০ টাকার বেশি না থাকে, তবে সেই ব্যক্তি 'নিঃস্ব' (pauper) হিসেবে গণ্য হবেন এবং আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তিনি নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করতে পারবেন।”

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান মতে, নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
-------------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33 Rule-1. Suits may be instituted in forma pauperis:
Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation- person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth five thousand Taka other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.

৮,২১৫.
ফৌজদারি সমন জারি করতে পারে-
  1. পুলিশ অফিসার
  2. সরকারী কর্মচারী
  3. আদালতের অফিসার
  4. উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা- সমনের ফরম: 
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
 
(২) সমন জারিকারক: এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।

The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 68- Form of summons:
(1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.

Summons by whom served:
(2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.
৮,২১৬.
'ক' এর পুত্র 'খ' ১৯৬০ সনে মারা যান। ১৯৬২ সনে 'ক' ১ পুত্র এবং মৃত পুত্রের ১ পুত্র রেখে মারা যান। The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুযায়ী মৃত পুত্র 'খ' এর পুত্রের অংশ হবে-
  1. ১/৩ অংশ
  2. ১/২ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১৯৬১ সনের অধ্যাদেশ জারীর আগে 'খ' এর মৃত্যু হওয়ায় তার পুত্র সম্পত্তি পাবে না।
ব্যাখ্যা
Doctrine of Representation: MFLO, 1961 এর 4 ধারা মোতাবেক:

উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের পূর্বে যাহার সম্পত্তি বণ্টিত হবে তার মৃত্যুর পূর্বে যদি তার পুত্র বা কন্যার মৃত্যু ঘটে এবং উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের সময় ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তান যদি কেউ থাকে, তবে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা জীবিত থাকলে যে পরিমাণ সম্পত্তি পেত, তার সমান অংশ ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তানরা অংশ অনুপাতে [per-stripes] পাবে। এ নিয়মকেই 'Doctrine of Representation' বলা হয়।

এখানে, Section 4 অনুযায়ী 'খ' বেঁচে থাকলে যে অংশ পেত, 'খ' এর পুত্র তা পাবে। সুতরাং, মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ 'ক' এর জীবিত পুত্র এবং বাকি ১/২ অংশ 'খ' - এর পুত্র পাবে।

উল্লেখ্য:
যেহেতু MFLO, 1961 আইনটি ১৯৬১ সালের ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে, সেহেতু, 'ক' ১৯৬২ সালে মৃত্যুবরণ করার পরই উত্তরাধিকার সৃষ্টি হয়েছে। 'খ'-এর ১৯৬০ সালে মৃত্যুবরণ করা এখানে বিবেচ্য নয়।
৮,২১৭.
মুসলিম আইনানুযায়ী কোনটি ওয়াকফ্ এর বৈধ উদ্দেশ্য নয়?
  1. মসজিদে আলোর ব্যবস্থা করা
  2. পয়ঃপ্রণালি নির্মাণ
  3. ভিক্ষুককে অর্থ দান
  4. ২০ বছরের জন্য ঈদগাহে দান
ব্যাখ্যা
ওয়াকফ:
- মালিকানার দাবি না রেখে ধর্মীয় বা দাতব্য কাজের জন্য স্থায়ীভাবে কোন সম্পত্তি উৎসর্গ করাকে ওয়াকফ বলা হয়৷ ওয়াকফ অধ্যাদেশ, ১৯৬২ অনুসারে কোন মুসলমান দ্বারা ধর্মীয় , পবিত্র বা দাতব্য কাজের উদ্দেশ্যে তার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা কে ওয়াকফ বলা হয়। যিনি ওয়াকফ করে তাকে ওয়াকিফ বলে।
-১৯৬২ সালের ওয়াকফ অধ্যাদেশ এর ২ ধারায় বলা হয়েছে যে:
কোনো মুসলমান কর্তৃক ধর্মীয়, পবিত্র বা দাতব্য কাজের উদ্দেশ্যে তার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি স্থায়ী ভাবে উৎসর্গ করাকে বুঝায়।

ওয়াকফ দুই প্রকারঃ-
১- ওয়াকফ লিল্লাহ (ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করা) এবং 
২- ওয়াকফ আল-আওলাদ ( সম্পত্তি ওয়াকফ করে তার আয় হতে নিজের সন্তান সন্ততি বা তার বংশধর বা নিজের ভারণ পোষণের ব্যবস্থা করা। তবে বংশধরদের মৃত্যুর পরে ওয়াকফ সম্পত্তির আয় দাতব্য বা ধর্মীয় কাজে ব্যয়িত হবে।

প্রদত্ত সংজ্ঞানুযায়ী, ওয়াকফ চিরস্থায়ী হতে এবং চিরতরে স্থায়ী উদ্দেশ্যে করা হয়। অর্থাৎ উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে ‘২০ বছরের জন্য ঈদগাহে দান’ যা চিরস্থায়ী নয়, তা ওয়াকফ্ এর বৈধ উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য হবে না।
৮,২১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার ব্যাখ্যা অনুসারে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন অসম্ভব হলে আদালত কী করতে পারেন?
  1. আদালত চুক্তি বাতিল করতে পারেন।
  2. আদালত চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারেন।
  3. আদালত বাদীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।
  4. আদালত প্রতিপক্ষকে কারাদণ্ড দিতে পারেন।
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: গ) আদালত বাদীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সম্ভব না হয়, তবে আদালত বাদীকে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারেন। অর্থাৎ, চুক্তি কার্যকর না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারী।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
৮,২১৯.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারাটি জেরায় ‘আইনসঙ্গত প্রশ্ন’ সম্পর্কিত?
  1. ১৩৯
  2. ১৪১
  3. ১৪৫
  4. ১৪৬
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা-১৪৬ তে জেরার আইনসঙ্গত প্রশ্নের নিধান আছে- সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে নিম্নলিখিত উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
আসামীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। 
সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা: এবং
সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খন্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪৬ঃ জেরায় আইনসঙ্গত প্ৰশ্ন বিধান হল
যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লিখিত প্রশ্নসমূহ ব্যতীতও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাইতে পারে, যদ্বারাঃ
তাহার সত্যবাদীতা পরীক্ষা করা যায় ।
তাহার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা
তাহার চরিত্রের প্রতি আঘাত করিয়া তাহার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়,
♦ যদিও প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সহিত জড়িত হইতে পারেন অথবা তিনি দন্ড লাভের যোগ্য সাব্যস্ত হইতে পারেন কিংবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তাহার দন্ড লাভের যোগ্য সাব্যস্ত হইবার সম্ভাবনা থাকে।
৮,২২০.
দেওয়ানী মামলায় সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা যায় কোন আইনের কত ধারা অনুযায়ী?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৪৮ এবং আদেশ ১৪ বিধি ১
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৪ ধারা
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ বিধি ১৪
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ এর বিধি ১ অনুয়ায়ী আদালত সময় মঞ্জুর করিতে এবং শুনানি মুলতবি রাখিতে পারে।

♦ আদালত পক্ষসমূহের আবেদনক্রমে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) পক্ষগণের সময় আবেদন মঞ্জুর করতে পারেন এবং শুনানি মুলতুবি রাখতে পারেন।
৮,২২১.
Judicial Notice প্রমাণের প্রয়োজন হয় না সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ৫৫
  2. ৫৬
  3. ৫৭
  4. ৫৮
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৫৬ অনুসারে- কিছু বিষয় আদালত প্রমাণিত বিবেচনা করেন এগুলো প্রমাণের প্রয়োজন নেই, এই বিষয়গুলিকে বিচারিক অবগতি বা Judicial Notice বলে।

♦অর্থাৎ আদালত যে ঘটনা বিচারিক অবগতিতে নিবেন তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
৮,২২২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করতে মামলা দায়েরের অধিকার নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৪ (২)
  2. অনুচ্ছেদ ৪২
  3. অনুচ্ছেদ ৪৪ (১)
  4. অনুচ্ছেদ ৪৫
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে,

যখন কোন ব্যক্তির মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়, বা লঙ্ঘিত হওয়ার হুমকি থাকে, সে তার উক্ত মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা দায়ের করতে পারে। অন্যদিকে, উক্ত মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা, আদেশ বা রিট জারি করার ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ-কে ১০২ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে। সুতরাং ৪৪ অনুচ্ছেদ মূলত একটি তত্ত্বগত বিধান যেখানে মৌলিক অধিকার বলবৎকরণের অধিকার দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ১০২ অনুচ্ছেদ মূলত একটি পদ্ধতিগত বিষয়, যেখানে মৌলিক অধিকার বলবৎকরণে হাইকোর্ট বিভাগের বিভিন্ন নির্দেশনা, রিট বা আদেশ প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
(১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল। 
(২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।

Article 44: Enforcement of fundamental rights
(1) The right to move the High Court Division in accordance with clause (1) of article 102, for the enforcement of the rights conferred by this Part is guaranteed. 
(2) Without prejudice to the powers of the High Court Division under article 102, Parliament may by law empower any other court, within the local limits of its jurisdiction, to exercise all or any of those powers.
৮,২২৩.
আদি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার হতে পারে-
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।
- আপিল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে। আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদি (মূল) এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত ( সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, এবং যুগ্ম জেলা জজ) প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল শ্রবণের জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত আদালতে ( জেলা জজ বা হাইকোর্টে) আপীল দায়ের করা যাবে। আপীলে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যায়না। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের কোন বিধান নেই।
⇒  দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
--------------
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
------------
⇒ CPC Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
৮,২২৪.
'No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court.'- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৩০ ধারা
  2. ১৩২ ধারা
  3. ১৩৩ ধারা
  4. ১৩৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:
১) কোনো জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।

Section 135: Exemption from arrest under civil process:
(1) No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court.

(2) Where any matter is pending before a tribunal having jurisdiction therein, or believing in good faith that it has such jurisdiction, the parties thereto, their pleaders, mukhtars, revenue-agents and recognised agents, and their witnesses acting in obedience to a summons, shall be exempt from arrest under civil process other than process issued by such tribunal for contempt of Court while going to or attending such tribunal for the purpose of such matter, and while returning from such tribunal.

(3) Nothing in sub-section (2) shall enable a judgment-debtor to claim exemption from arrest under an order for immediate execution or where such judgment-debtor attends to show cause why he should not be committed to prison in execution of a decree.
৮,২২৫.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের কোনো পর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি কী?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৯৩ অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের কোনো পর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা এমন মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে যাতে তা ওই কার্যক্রমে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
 দণ্ডবিধির ধারা ১৯৩ অনুযায়ী,
-যদি কোনো ব্যক্তি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের কোনো পর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করে, তাহলে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপ করা যেতে পারে।
- অন্যদিকে, বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম ছাড়া অন্য কোনো ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া যায়।

এখানে প্রশ্নে "বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের পর্যায়ে" মিথ্যা সাক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর ঘ) ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
৮,২২৬.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর কোন অনুচ্ছেদে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতা বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২১
  2. অনুচ্ছেদ ২৫
  3. অনুচ্ছেদ ২৭
  4. অনুচ্ছেদ ৩০
ব্যাখ্যা

⇒  বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ২৭-এ অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতা বর্ণিত আছে। এই অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারবেন যদি তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন, ২১ বছর বয়স পূর্ণ করেন, নির্দিষ্ট আইনি ডিগ্রি অর্জন করেন, বার কাউন্সিলের নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং নির্ধারিত ফি প্রদান করেন। (অর্ডারের আর্টিকল ২৭(১))

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অন্যূন বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।
⇒ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করতে হবে:
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যারিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
-----------------
⇒ -According to article 27 of The Bangladesh Legal Practitioner’s and Bar Council Order, 1972,
Qualifications to become a lawyer of the Subordinate Court: a person shall be qualified to be admitted as an advocate if he fulfills the following conditions, namely:-
-The Person must be a citizen of Bangladesh;
- He must complete the age of twenty-one years;
- (i) He had obtained a degree in law from any university situated within the territory which forms part of Bangladesh; or
[Note: 4-years LL. B (Hon’s) or 2 years LL.B pass the course (must have completed before 2018 because now these 2 years pass the course is not allowed anymore) from any approved university of Bangladesh]
- (ii) Any similar foreign course can be accepted with the clear permission given by the Bangladesh Bar Council; or
- (iii) A bachelor’s degree in law from any university outside Bangladesh recognized by the Bar Council;
-The applicant has to undergo pupilage for a period of 6 (six) months under a practicing Advocate of at least 10 years standing in the profession;
- He has passed such examination as may be prescribed by the Bar Council;
- He has paid such enrolment fee and fulfills such other conditions as may be specified in the rules made by the bar council.

৮,২২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. অপরাধী পলাতক থাকলে
  2. অপরাধে অভিযোগকারীর সম্পৃক্ততা থাকলে
  3. অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে
  4. বাংলাদেশের বাইরে অপরাধ সংঘটিত হলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারার বিধান অনুযায়ী, অপরাধ সংঘটন স্থান অনিশ্চিত হলে যে কোন আদালতে বিচার বা অনুসন্ধান করতে পারবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা-
যখন ইহা অনিশ্চিত থাকে যে, কয়েকটি স্থানীয় এলাকার কোনটিতে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যে ক্ষেত্রে কোন অপরাধ আংশিকভাবে একটি স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অন্য একটি স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়, অথবা যেক্ষেত্রে কোন অপরাধ চলছে এমন হয়, এবং একাধিক স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হতে থাকে, অথবা যেক্ষেত্রে বিভিন্ন এলাকায় কৃত কতিপয় কার্যের সমষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে এরূপ স্থানীয় এলাকায় যে কোন একটিতে এখতিয়ারবান আদালতে উহার অনুসন্ধান ও বিচার চলবে।

Section 182: Place of inquiry or trial where scene of offence is uncertain or not in one district only or where offence is continuing or consists of several acts-
When it is uncertain in which of several local areas an offence was committed, or where an offence is committed partly in one local area and partly in another, or where an offence is a continuing one, and continues to be committed in more local areas than one, or where it consists of several acts done in different local areas, it may be inquired into or tried by a Court having jurisdiction over any of such local areas.
৮,২২৮.
The Evidence Act, 1872 কোন ধরনের আইন?
  1. Adjective law
  2. Procedural Law
  3. Substantive Law
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন একটি পদ্ধতিগত আইন বা ইংরেজিতে Procedural Law বা Adjective law. এই আইনের মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, আদালত মামলার বিচার্য বিষয় প্রমাণের জন্য মামলার কোন পক্ষ কোন কোন বিষয়ের উপর সাক্ষ্য দিতে পারবে, কোনটিতে দিতে পারবে না, কোন সাক্ষ্যগুলো প্রাসঙ্গিক, কোনগুলো অপ্রাসঙ্গিক, গ্রহণযোগ্যতা, সাক্ষ্য সম্পর্কে আদালতের অনুমান, কে প্রমাণ করবে অর্থাৎ প্রমাণের ভার ইত্যাদি। 

⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
⇒ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
৮,২২৯.
হিন্দু আইনের উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে দায়ভাগ মতবাদ নিম্নোক্ত কোন নীতিকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ইস্টোপেল নীতি
  2. প্রতিনিধিত্ব নীতি
  3. উভয়
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দায়ভাগ মতবাদ নিম্নোক্ত নীতিগুলিকে স্বীকৃতি দেয়-

(ক) প্রতিনিধিত্ব মতবাদ (Doctrine of representation):
প্রতিনিধিত্ব মতবাদ অনুসারে পুত্র, পৌত্র যার পিতা মারা গিয়েছে, তারা সকলেই পিতৃপক্ষীয় সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে, কারণ পৌত্র তার পিতার এবং প্রপৌত্র তার পিতা ও পিতামহ উভয়েরই প্রতিনিধিত্ব করে।

(খ) অংশপিছু উত্তরাধিকার (Succssession per stripes):
যেখানে প্রতিনিধিত্ব মতবাদ প্রয়োগ করা হয় এবং উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরুপে অংশ প্রাপ্ত হন সেখানে এরুপে স্থলবর্তীরুপে অংশ পাওয়াকে অংশপিছু উত্তরাধিকার বলে।

(গ) মাথাপিছু উত্তরাধিকার (Succession per capita):
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারগণের সমান অংশ সম্পত্তি প্রাপ্ত হওয়াকে মাথাপিছু উত্তরাধিকার বলে।
৮,২৩০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম কোর্টকে "কোর্ট অব রেকর্ড" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ১০৬ অনুচ্ছেদ
  2. ১০৮ অনুচ্ছেদ
  3. ১১০ অনুচ্ছেদ
  4. ১১১ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট (হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগসহ) একটি "কোর্ট অব রেকর্ড" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মানে হল যে, সুপ্রিম কোর্টের সকল কার্যক্রম রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে এবং ওই রেকর্ডগুলি আদালতের কার্যক্রমের আইনগত মূল্য ও গুরুত্ব বহন করবে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৮-এ সুপ্রীম কোর্টকে "কোর্ট অব রেকর্ড" (Court of Record) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান রয়েছে:
১. কোর্ট অব রেকর্ডের মর্যাদা:
- সুপ্রীম কোর্টের সকল রায়, আদেশ ও কার্যক্রম রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত হয় এবং এগুলো আইনগত প্রমাণ হিসেবে গৃহীত হয়।
- ভবিষ্যতে কোনো মামলায় এই রেকর্ডগুলি রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
২. অবমাননার ক্ষমতা:
- কোর্ট অব রেকর্ড হিসেবে সুপ্রীম কোর্টের নিজস্ব মর্যাদা রক্ষার অধিকার রয়েছে।
- আদালতের অবমাননা (Contempt of Court) করলে সুপ্রীম কোর্ট তদন্ত করে শাস্তি দিতে পারে (জরিমানা বা কারাদণ্ড)।
৮,২৩১.
According to Section 341 of The Code of Criminal Procedure, which Court has the authority to issue the final order in cases where the accused does not understand the proceedings but is not insane?
  1. Trial court
  2. Sessions Court
  3. District Court
  4. High Court Division
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 341: Procedure When Accused Does Not Understand Proceedings:
-If the accused is not insane but still cannot understand the proceedings, the Court may continue with the inquiry or trial. However, if a conviction occurs in any Court other than the High Court Division, the case proceedings, along with a report of the circumstances, must be forwarded to the High Court Division. The High Court Division will then issue an appropriate order based on the case details.
------------------
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪১ ধারার বিধান আসামী কার্যক্রম না বুঝিলে তখনকার পদ্ধতি:
আসামী মাতাল না হওয়া সত্ত্বেও যদি তাকে মামলার কথা বুঝানো না যায় তাহলে আদালত অনুসন্ধান বা বিচার চালায়ে যেতে পারেন; এবং হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিত অন্য কোন আদালতের ক্ষেত্রে যদি মামলার ফল দণ্ডজ্ঞা হয় তা হলে, ঘটনার অবস্থাসহ মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করতে হবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ সে সম্পর্কে যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-341. Procedure where accused does not understand proceedings:
-If the accused, though not insane, cannot be made to understand the proceedings, the Court may proceedwith the inquiry or trial; and, in the case of a Court other than High Court Division, if such proceedings result in a conviction, the proceedings shall be forwarded to the High Court Division with a report of the circumstances of the case, and the High Court Division shall pass thereon such order as it thinks fit.
৮,২৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ কত প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৭ প্রকার
  3. ৯ প্রকার
  4. ১১ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯টি পরিস্থিতিতে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহ থাকলে (Cognizable Offence)
২. ঘর ভাঙার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking)
৩. অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করা হলে (Proclaimed offender)
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property)
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে বা পলায়ন চেষ্টা করলে (Obstructs)
৬. সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে অপরাধ করলে (Out of BD act committed)
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict)
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে (Requisition of arrest)

এই ৯ প্রকার ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-54. When police may arrest without warrant: 

(1) Any police officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest- 
firstly, any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned; 
secondly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of housebreaking; 
thirdly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government; 
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing; 
fifthly, any person who obstructs a police officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody; 
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh ; 
seventhly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh; 
eighthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3); 
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.
৮,২৩৩.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর কত অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন?
  1. ২০
  2. ২৩
  3. ২৪
  4. ৩২
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর ২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন।
--------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 23. (1) Entries in the roll shall be made in the order of seniority and such seniority shall be determined as follows, namely:-
(a) all such persons as are referred to in clause (a) of Article 20 shall be entered first in the order in which they were respectively entitled to seniority immediately before the commencement of this Order; and
(b) the seniority of any other person admitted to be an advocate under this Order after the commencement of this Order shall be determined by the date of his admission.
(2) Where the date of seniority of two or more persons is the same, the one senior in age shall rank as senior to the other.

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 24. The Bar Council shall issue a certificate of enrolment in the prescribed form to every person enrolled under Article 23.
৮,২৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়া হলে, এর ফলাফল কী হয়?
  1. মামলাটি স্থগিত থেকে যায়
  2. অভিযোগকারীকে জরিমানা করা হয়
  3. অভিযুক্তকে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়
  4. ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস দিবেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: যদি কোন অভিযোগকারী তার অভিযোগ প্রত্যাহার করে, ম্যাজিস্ট্রেট তাকে তা প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারেন, এবং তখনই তিনি অভিযুক্তকে খালাস দিবেন।
- সুতরাং, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়া হলে এর সরাসরি এবং বাধ্যতামূলক ফলাফল হল অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দেওয়া।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.

৮,২৩৫.
দায়রা মামলা বিচারের কোন পর্যায় পর্যন্ত চার্জ পরিবর্তন করা যায়?
  1. রায় প্রচারের পূর্ব তারিখ পর্যন্ত
  2. আসামীকে ৩৪২ ধারায় পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত
  3. যুক্তিতর্ক শ্রবণের পূর্ব পর্যন্ত
  4. রায় প্রস্তুতের সময় পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন করতে পারবেন।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়।অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন,সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়,চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।

Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced. 
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
৮,২৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারার অধীনে, একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আলাদা অপরাধের জন্য কী করা হয়?
  1. অভিযোগ একসাথে গঠন করা হয়
  2. কোন অভিযোগ গঠন করা হয় না
  3. প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয়
  4. একটি অভিযোগের মাধ্যমে সব অপরাধ বিচারের জন্য নেওয়া হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারায় বলা হয়েছে, যখন একজন ব্যক্তি একাধিক আলাদা অপরাধে অভিযুক্ত হন, তখন প্রতিটি অপরাধের জন্য আলাদা আলাদা অভিযোগ গঠন করা হয় এবং প্রতিটি অভিযোগের বিচার আলাদাভাবে হবে।
এই ধারার উদ্দেশ্য হল, প্রতিটি অপরাধের বিচারের জন্য সুনির্দিষ্ট এবং পৃথক অভিযোগ নিশ্চিত করা, যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনা পৃথক অপরাধের সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে জানাতে পারেন এবং তার জন্য আলাদা বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হয়।
অতএব, প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয় (অর্থাৎ, প্রতিটি আলাদা অপরাধের জন্য পৃথকভাবে অভিযোগ তৈরি হয়)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের (Separate charges for distinct offences) বিধান রয়েছে।
উক্ত ধারা অনুসারে- ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে, প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-233: Separate charges for distinct offences:
- For every distinct offence of which any person is accused there shall be a separate charge, and every such charge shall be tried separately, except in the cases mentioned in sections 234, 235, 236 and 239.
Illustration
A is accused of a theft on one occasion, and of causing grievous hurt on another occasion. A must be separately charged and separately tried for the theft and causing grievous hurt.
৮,২৩৭.
ধারা ৩৯৯ অনুযায়ী কোন বয়সের ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দেওয়া হলে, তাকে জেলে না পাঠিয়ে সংশোধনাগারে পাঠানো হবে?
  1. ২১ বছরের কম
  2. ১৮ বছরের কম
  3. ১৬ বছরের কম
  4. ১৫ বছরের কম
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

৮,২৩৮.
নিবন্ধন আইনের ধারা ২৩ অনুযায়ী উইল ব্যতীত অন্য দলিল কতদিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করতে হবে?
  1. ১ মাস 
  2. ৩ মাস 
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, উইল ব্যতীত অন্য কোনো দলিল নিবন্ধনের জন্য যথাযথ কর্মকর্তার কাছে তার সম্পাদনের তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে উপস্থাপন করতে হবে। এই সময়সীমা ধারা ২৪, ২৫, এবং ২৬-এর বিধান সাপেক্ষে প্রযোজ্য। তবে, কিছু ব্যতিক্রমের ক্ষেত্রে (যেমন, জরুরি প্রয়োজন বা অনিবার্য দুর্ঘটনার কারণে) ধারা ২৫ অনুযায়ী জরিমানা দিয়ে এই সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে, কিন্তু সাধারণ নিয়ম হিসেবে তিন মাসের মধ্যে দলিল উপস্থাপন করতে হয়। উইলের ক্ষেত্রে ধারা ২৭ অনুযায়ী যে কোনো সময়ে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা যায়।

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৩: দলিল দাখিলকরণের সময়:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬ এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি উহা সম্পাদনের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিল করা না হয়, তাহা হইলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি বা আদেশের নকল, ডিক্রি বা আদেশ দানের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে, বা, যেক্ষেত্রে উহা আপিলযোগ্য, সেক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
--------
⇒ The Registration Act, 1908, Section 23. Time for presenting documents:
Subject to the provisions contained in sections 24, 25 and 26, no document other than a will shall be accepted for registration unless presented for that purpose to the proper officer within [three months] from the date of its execution: 
Provided that a copy of a decree or order may be presented within three months from the day on which the decree or order was made, or, where it is appealable, within three months from the day on which it becomes final.

৮,২৩৯.
নিচের কে মধ্যস্থতাকারীর তালিকা প্রণয়ন করবেন?
  1. দায়রা জজ
  2. জেলা জজ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জেলা বার এসোসিয়েশনের সভাপতি
ব্যাখ্যা
⇒ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।
⇒ মধ্যস্থতাকারীর যোগ্যতা-
i) জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্যানেল সদস্য; বা
ii) অবসরপ্রাপ্ত জজ; অথবা
iii) সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার পক্ষগণ নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্য যে কোন উকিল মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন।

⇒ তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে (Office of Profit) নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না।
৮,২৪০.
The Penal Code এর কোন অধ্যায়ে মানহানি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ২১ তম
  2. ১১ তম
  3. ২০ তম
  4. ২২ তত
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং মোট ধারা ৫১১ টি। গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়: দ্বিতীয় অধ্যায় সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ, তৃতীয় অধ্যায় শাস্তি, চতুর্থ অধ্যায় সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ, পঞ্চম অধ্যায়ী অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা, পঞ্চম (ক) অধ্যায়ে অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র, ষষ্ঠ অধ্যায়ের রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, নবম অধ্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, নবম (ক) অধ্যায় নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ, ১৬ তম অধ্যায়ে মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ, ১৭ তম অধ্যায়ে সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ, ২০ তম অধ্যায়ে বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, ২১তম অধ্যায়ে মানহানি, ২২তম অধ্যায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন, অপমান ও বিরক্তিকরণ, ২৩ তম অধ্যায় অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
৮,২৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ৩৯০ ধারায়
  2. ৩৯২ ধারায়
  3. ৩৯৪ ধারায়
  4. ৩৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯৬: পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ড কার্যকর-
(১) এই কোড অনুযায়ী যদি কোনো পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ড প্রদান করা হয়, তবে -
যদি দণ্ড মৃত্যুদণ্ড, অর্থদণ্ড বা বেত্রাঘাত (whipping) হয়, তবে পূর্ববর্তী বিধানের অধীন না থাকলে অবিলম্বে কার্যকর হবে;
আর যদি দণ্ড কারাদণ্ড বা নির্বাসনের দণ্ড হয়, তবে নিচের নিয়ম অনুযায়ী কার্যকর হবে:(২) যদি নতুন দণ্ড পূর্ববর্তী দণ্ডের তুলনায় প্রকৃতিতে অধিক কঠোর হয়, তবে নতুন দণ্ড অবিলম্বে কার্যকর হবে।

(৩) যদি নতুন দণ্ড পূর্ববর্তী দণ্ডের তুলনায় প্রকৃতিতে অধিক কঠোর না হয়, তবে নতুন দণ্ড কার্যকর হবে তখন, যখন পলাতক ব্যক্তি তার পলায়নের সময় পূর্ববর্তী দণ্ডের যে অবশিষ্ট সময় ছিল, তা পুনরায় ভোগ করবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে—
(ক) নির্বাসনের দণ্ড (transportation) কারাদণ্ডের তুলনায় অধিক কঠোর বলে গণ্য হবে।
(খ) নির্জন কারাদণ্ড (solitary confinement) সহ কারাদণ্ড, নির্জন কারাদণ্ড ব্যতীত কারাদণ্ডের তুলনায় অধিক কঠোর বলে গণ্য হবে।
(গ) সশ্রম কারাদণ্ড (rigorous imprisonment) বিনাশ্রম কারাদণ্ডের (simple imprisonment) তুলনায় অধিক কঠোর বলে গণ্য হবে, নির্জন কারাদণ্ড থাকুক বা না থাকুক।
৮,২৪২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারায় মোকদ্দমার কোন পক্ষের নিকট হতে আদালতকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. যেকোনো পক্ষ থেকে
  2. যে পক্ষকে প্রতিকার প্রদান করা হয়েছে
  3. যে পক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিকার প্রদান করা হয়েছে
  4. যে পক্ষের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা: যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 41- Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
৮,২৪৩.
তামাদি আইনের ধারা ২৫ কোন ধরনের দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. সকল দলিল
  2. কেবল রেজিস্টার্ড দলিল
  3. শুধুমাত্র চুক্তিপত্র
  4. কেবল সরকারি দলিল
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় সকল দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
--------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 25. Computation of time mentioned in instruments:
- All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.

৮,২৪৪.
অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার আগে একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে নিয়মিত কমপক্ষে কত দিন শিক্ষানবিশ থাকতে হবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।

-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
-অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
-শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
-হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
৮,২৪৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় বাদীকে প্রমাণ করতে হবে যে, সে অস্থাবর সম্পত্তির তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো অস্থাবর সম্পত্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণ করে এবং সেই ব্যক্তি মালিক না হয়, তবে তাকে ওই সম্পত্তি সেই ব্যক্তির কাছে ফেরত দেওয়ার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যিনি তার তাৎক্ষণিক দখলে থাকার অধিকারী।
তবে, এ ধরনের নির্দেশ দেওয়া যাবে শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট শর্তের অধীনে:
১. যখন দখলকারী ব্যক্তি দাবি করা সম্পত্তি তার দাবিকারীর এজেন্ট বা ট্রাস্টি হিসেবে দখল করে রেখেছে।
২. যখন টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মাধ্যমে দাবি করা সম্পত্তি ফেরত পাওয়া সম্ভব নয়।
৩. যখন সম্পত্তির ক্ষতি বা হারানোর পরিমাণ নির্ধারণ করা কঠিন।
৪. যখন দাবি করা সম্পত্তি অবৈধভাবে দাবিকারীর কাছ থেকে অন্য কোথাও চলে গেছে।
এছাড়া, ১১ ধারার অধীনে মামলা করা হলে, বাদীকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে তিনি সেই সম্পত্তির তাৎক্ষণিক দখল রাখার অধিকারী।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ১১: অধিকারী না হওয়া সত্ত্বেও দখলে থাকা ব্যক্তির দায়:
যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো নির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণ রাখে, তবে সে যদি তার মালিক না হয়, তাকে সুনির্দিষ্টভাবে ওই সম্পত্তি তার দখলে থাকা ব্যক্তি থেকে উদ্ধার করতে বাধ্য করা যেতে পারে, তবে নিম্নলিখিত যে কোনো ক্ষেত্রে:-
(ক) যখন প্রতিপক্ষ ওই সম্পত্তি বাদী হিসেবে এজেন্ট বা ট্রাস্টি হিসেবে দখলে রাখে;
(খ) যখন মুদ্রায় ক্ষতিপূরণ বাদীকে ওই সম্পত্তি হারানোর জন্য যথেষ্ট প্রতিকার প্রদান করতে সক্ষম নয়;
(গ) যখন ওই সম্পত্তি হারানোর ফলে সৃষ্ট প্রকৃত ক্ষতি নির্ধারণ করা অত্যন্ত কঠিন হবে;
(ঘ) যখন ওই সম্পত্তির দখল অসৎভাবে বাদীর কাছ থেকে প্রতিপক্ষের কাছে স্থানান্তরিত হয়েছে।
----------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession: 
Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:- 
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant; 
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed; 
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss; 
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৮,২৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে "Complaint" এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে
  2. অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে
  3. নালিশ হিসেবে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে
  4. জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে সম্পর্কিত হতে হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”
"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:

• উপাদান:
- অভিযোগটি [Allegation] অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে;
- জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে;
- অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে।

⇒ নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে। সুতরাং নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

⇒ নালিশ (Complaint) বলতে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৮,২৪৭.
যদি কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য করা হয়, তাহলে এটি-
  1. মানহানি হবে
  2. মানহানি হবে না
  3. শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে শাস্তিযোগ্য হবে
  4. শুধুমাত্র কারাদণ্ডে শাস্তিযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না।

⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না।
৮,২৪৮.
ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ (Digital Signature Certificate) সম্পর্কে অনুমানের বিধান কোন ধারায় আছে? 
  1. ৮৫ক ধারায়
  2. ৮৫খ ধারায়
  3. ৮৫গ ধারায়
  4. ৮৫ঘ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৮৫গ (Section 85C)-ই শুধুমাত্র ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ (Digital Signature Certificate) সম্পর্কে অনুমানের বিধান দেয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:- বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
⇒ গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
----------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 85C Presumption as to Digital Signature Certificates.- The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.

৮,২৪৯.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিম্নের কোনটি গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্টসাধন
  2. দুই কর্ণের যে কোনটির শ্রবণশক্তি রহিতকরণ
  3. দুই চক্ষুর যে কোনটিতে দৃষ্টিশক্তি রহিতকরণ
  4. আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দশ দিন মেয়াদের জন্য তীব্র যন্ত্রণা দান করে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দশ দিন মেয়াদের জন্য তীব্র যন্ত্রণা দান করে এমন আঘাত দণ্ডবিধি অনুসারে গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে না।
-----------
⇒Section 320. Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৮,২৫০.
বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকারের দেওয়ানী মোকদ্দমার বিচার করতে পারবে। The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারায় বলা হয়েছে।
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১০
  4. ধারা ১১
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯ এর বিধান  বারিত না হলে আদালত সকল দেওয়ানী মামলার বিচার করবেনঃ
আদালতের (এখানে বর্ণিত বিধানাবলী সাপেক্ষে) সকল দেওয়ানী প্রকৃতির মামলা বিচার করার এখতিয়ার থাকবে, কেবল সে সকল মামলা ব্যতিত যেগুলির বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) প্ৰত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বারিত হয়েছে।
♦ব্যাখ্যাঃ যে মামলায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সে মামলা দেওয়ানী প্রকৃতির, যদিও অধিকার সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় আচার বা উৎসব সম্পর্কীত প্রশ্নের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে।
৮,২৫১.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় 'Application for restitution' এর বিধান আছে?
  1. ১৪০
  2. ১৪১
  3. ১৪৪
  4. ৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত: 
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা - করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
-----------------------
⇒ CPC Section: 144. Application for restitution.
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal. 
(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
৮,২৫২.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ কোন তারিখে কার্যকর হয়েছে?
  1. ১ জানুয়ারি ২০১২
  2. ২৭ জানুয়ারি ২০১৩
  3. ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১২
  4. ১৫ আগস্ট ২০১৩
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর প্রেক্ষাপট:
- আইন পাসের তারিখ: আইনটি প্রণীত হয় ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১২ (ধারা ১(৩) অনুযায়ী)।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: সরকারি গেজেট নোটিফিকেশন (এস.আর.ও নং ৩০-আইন/২০১৩) দ্বারা ২৭ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে এটি কার্যকর হয়।

⇒ অর্থাৎ আইনের ধারা ১(৩) এ বলা হয়েছে, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকার কার্যকর তারিখ নির্ধারণ করবে।
- প্রকৃতপক্ষে, ২৭ জানুয়ারি ২০১৩ (১৪ মাঘ ১৪১৯ বঙ্গাব্দ) থেকে এটি কার্যকর হয়।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ২৭ জানুয়ারি ২০১৩।

৮,২৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার ক্ষমতাবলে গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোনো জায়গায় কার্যকরী হবে?
  1. ৮০ ধারা
  2. ৮২ ধারা
  3. ৮৩ ধারা
  4. ৮৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার ক্ষমতাবলে গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোনো জায়গায় কার্যকরী হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান পরোয়ানা যেখানে বলবৎ করা যাবে: গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 82. Where warrant may be executed: A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
৮,২৫৪.
ডিজিটাল কমিউনিকেশন এর ক্ষেত্রে কোন ধরনের অনুমান করা হবে?
  1. May
  2. Shall
  3. Conclusive proof
  4. কোন অনুমান করতে হবে না
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ৮৮(ক) ধারা মতে, আদালত অনুমান করতে পারে, যে প্রেরক ডিজিটাল যোগাযোগ বা বার্তা সার্ভারের মাধ্যমে যে প্রাপকের কাছে বার্তাটি সম্বোধন করতে চান তার কম্পিউটারে দেওয়া বার্তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ একটি ডিজিটাল যোগাযোগ সংক্রমণের জন্য ডিজিটাল ডিভাইসের অন্যান্য ফর্মের মধ্যে দেয়া; কিন্তু আদালতে এই ধরনের বার্তা প্রেরিত ব্যক্তিদের হিসাবে কোন অনুমান করবে না।

♦সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ৮৮(ক) ধারা (Presumption as to digital communication section 88A . The Court may presume that a digital communication forwarded by the originator through a digital communication or message server to the addressee to whom the message purports to be addressed corresponds with the message as fed into his computer or fed into other forms of digital device for transmission; but the Court shall not make any presumption as to the persons by whom such message was sent.)
৮,২৫৫.
আইনজীবী কর্তৃক পেশা সম্পর্কিত পত্রালাপ বা যোগাযোগ প্রকাশ করা হতে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
  1. ধারা ১২৬
  2. ধারা ১২৯
  3. ধারা ১২৫
  4. ধারা ১২৭
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: 
ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
৮,২৫৬.
প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে পুলিশি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. Final Report
  2. Complaint
  3. Charge Sheet
  4. Investigation Report
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে। সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
ক) Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

খ) Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।

৮,২৫৭.
দেওয়ানী আদালত কোন ক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ন্যায়বিচার নিশ্চিতের ক্ষেত্রে
  2. তামাদির বাধা অতিক্রম করতে
  3. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধের ক্ষেত্রে
  4. আদালতের কার্যক্রমে কোনো পক্ষকে অন্যায় সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত রাখতে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালত তামাদির বাধা অতিক্রম করাতে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। 
- ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

⇒  ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
⇒  ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ CPC Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
৮,২৫৮.
তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুসারে Pauper Suit দাখিল হয়েছে বলে গণ্য হবে-
  1. যখন নিঃস্ব ব্যক্তি আদালতে আরজি দাখিল করেন।
  2. যখন উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিঃস্ব হিসাবে মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়ে দরখাস্ত দাখিল করবেন।
  3. যখন আদালত নিঃস্ব ব্যক্তির আবেদন গ্রহণ করেন।
  4. ক অথবা খ
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩ অনুসারে Pauper Suit দাখিল হয়েছে বলে গণ্য হবে- যখন উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিঃস্ব হিসাবে মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়ে দরখাস্ত দাখিল করবেন
৮,২৫৯.
সাক্ষী আদালতে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য নোট ব্যবহার করলে প্রতিপক্ষ চাইলে-
  1. শুধু নোট দেখতে পারে
  2. নোট দেখতে ও সাক্ষীকে জেরা করতে পারবে
  3. সাক্ষীর তথ্য বাতিল করতে পারবে
  4. শুধু সাক্ষীকে জেরা করতে পারে
ব্যাখ্যা

ধারা ১৬১: স্মৃতি পুনরুজ্জীবিতের জন্য ব্যবহৃত লেখার বিষয়ে প্রতিপক্ষের অধিকার-
যে লেখাগুলোর উল্লেখ পূর্ববর্তী দুই ধারার অধীনে করা হয়েছে (অর্থাৎ ধারা ১৫৯ ও ১৬০), তা যদি কোনো সাক্ষী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহার করেন, তাহলে প্রতিপক্ষ পক্ষ (adverse party) চাইলে সেই লেখা উত্থাপন ও প্রদর্শন করতে হবে। প্রতিপক্ষ চাইলে উক্ত লেখার বিষয়ে সাক্ষীকে জেরা (cross-examine) করতে পারবে।

৮,২৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক অনুযায়ী, ক্ষতিপূরণমূলক খরচের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. ৫,০০০ টাকা
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ১৫,০০০ টাকা
  4. ২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক অনুযায়ী, যদি কোনো পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয় এবং পরে দেখা যায় যে এর ফলে অপর পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে আদালত ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে তার ব্যয়িত খরচ ছাড়াও অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদান করতে পারে।

- এই বিধান অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার অপব্যবহার রোধের জন্য যুক্ত করা হয়েছে, যাতে কোনো পক্ষ ভিত্তিহীন বা অনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আদেশ আদায় করতে না পারে।

- অর্থাৎ ক্ষতিপূরণমূলক খরচের সর্বোচ্চ সীমা ১০,০০০ টাকা। এই ক্ষতিপূরণ কেবল তখনই দেওয়া হবে, যখন দেখা যাবে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার কারণে অন্য পক্ষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
৮,২৬১.
"Injuria sine damno" means:
  1. Injury with damage
  2. Injury without damage
  3. Damage without injury
  4. No injury, no remedy
ব্যাখ্যা

⇒ ল্যাটিন আইনি ম্যাক্সিম "Injuria sine damno" এর অর্থ হলো "Injury without damage" বা ক্ষতি ছাড়া আঘাত। এই ম্যাক্সিমটি আইনের ক্ষেত্রে বোঝায় যে, কোনো ব্যক্তির আইনি অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে (অর্থাৎ, একটি "আঘাত" বা "injury" সংঘটিত হয়েছে), কিন্তু সেই লঙ্ঘনের ফলে কোনো বাস্তব ক্ষতি (damage) হয়নি। এমন ক্ষেত্রেও আইনি প্রতিকার (remedy) পাওয়া যেতে পারে, কারণ আইনি অধিকার লঙ্ঘনই প্রতিকারের জন্য যথেষ্ট।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ অনুমতি ছাড়া অন্যের সম্পত্তিতে প্রবেশ করে (trespass), তবে সম্পত্তির মালিক কোনো বাস্তব ক্ষতি না হলেও মামলা করতে পারেন, কারণ তাঁর অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। এই নীতিটি আইনের ক্ষেত্রে অধিকার রক্ষার গুরুত্বকে জোর দেয়।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) Injury with damage: এটি ভুল, কারণ ম্যাক্সিমটি ক্ষতি ছাড়া আঘাতের কথা বলে, ক্ষতিসহ আঘাতের কথা নয়।
গ) Damage without injury: এটি উল্টো ধারণা। এটি বোঝায় ক্ষতি হয়েছে কিন্তু আইনি অধিকার লঙ্ঘিত হয়নি, যা "Damnum sine injuria" নামে পরিচিত।
ঘ) No injury, no remedy: এটি ভুল, কারণ এই ম্যাক্সিমটি বলে যে আঘাত (injury) থাকলেই প্রতিকার পাওয়া যায়, এমনকি ক্ষতি না হলেও।

৮,২৬২.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী এবং 'খ' তার স্ত্রী। স্বামীকে প্রভাবিত করে চাকুরির সংস্থান করে দেয়ার উদ্দেশ্যে 'খ' এক লোকের নিকট হতে একটি উপহার গ্রহণ করেন এবং 'ক' তার স্ত্রীর কার্যে সহায়তা করেন। দণ্ডবিধি অনুসারে 'খ' এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হবে-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৬৩ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগের জন্য পারিতোষিক গ্রহণ:- কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারীর উপর তার ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগ করে উক্ত সরকারী কর্মচারীকে দিয়ে কোন সরকারী কাজ করানোর বা করা হতে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারী দায়িত্ব পালনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করানোর বা করা হতে বিরত রাখার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা কিংবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা কোন উপকার বা অপকার করানোর জন্য বা তা করানোর চেষ্টায় নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে, বা লাভ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে  দণ্ডবিধি অনুসারে 'খ' এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হবে ১ বছর।


⇒ দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী দ্বারা ১৬২ বা ১৬৩ ধারায় বর্ণিত অপরাধগুলো সংঘটনে সহায়তা করার সাজা:- যে সরকারী কর্মচারীকে জড়িত করে উপরে উল্লেখিত সর্বশেষ দুইটি ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের কোনটি অনুষ্ঠিত হয়, সে সরকারী কর্মচারী যদি সে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেন, তবে তিনি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

⇒ অর্থাৎ ১৬৩ ধারায় সরকারী কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগকারী ব্যক্তি এবং ১৬৪ ধারায় সরকারী কর্মচারী দণ্ডিত হবেন।
৮,২৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৯ক-এর অধীন আদালতের অনুমান কোন সময় বাতিল হয়?
  1. বিচারের শুরুতে
  2. বিপরীত প্রমাণিত হলে
  3. সাক্ষ্য উপস্থাপনের পর
  4. যখন উভয় পক্ষ একমত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৯ক-এর অধীন, শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্যের অনুমান (presumption) প্রাথমিকভাবে সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা বলে গ্রহণ করা হয় যার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এই অনুমান বাতিল হয় যখন বিপরীত প্রমাণ (contrary proof) উপস্থাপিত হয়, যেমন সাক্ষ্যটি অন্য কারো বলে প্রমাণিত হলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৯ক ধারার বিধান : শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:
- আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।

- অর্থাৎ আদালত প্রতিকূল প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত অনুমান করতে পারে যে শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সেই ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত, অথবা সেই ব্যক্তির দ্বারা সৃষ্টি, যাঁর কাছ থেকে উক্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-89A: Presumption as to physical or forensic evidence:
-The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.

৮,২৬৪.
চুরির মামলায় বিচার চলাকালে তিন মাস জেলে থাকার পর "X" বিচার শেষে ছয় মাসের দণ্ড পেলে কতদিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৬ মাস ভোগ করতে হবে
  2. ৩ মাস ভোগ করতে হবে
  3. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  4. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন সাজা ভোগ করতে হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
→ ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
→ ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।

→ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X'  তিন মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি ৬ মাস থেকে ৩ মাস বাদ দিয়ে বাকি ৩ মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 35A.Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৮,২৬৫.
দেওয়ানি আদালত কোন ক্ষেত্রে তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. বাতিল বা দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে
  2. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
  3. রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ বিবেচনামূলক ক্ষমতা বা Discretionary power বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে কোন আদেশ প্রদান করতে আদালত বাধ্য নয়; অর্থাৎ আদালত সন্তুষ্ট হলে কোন আদেশ প্রদান করতে পারে আবার নাও পারে। বিচারকের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই আইন ও ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজের অধিকারের সীমার মধ্যে থেকে প্রয়োগ করতে হবে। বিবেচনামূলক ক্ষমতা যথেচ্ছা বা খুশিমত ব্যবহার করা যায় না।
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (ধারা-১২);
ii) দলিল সংশোধন, বাতিল, এবং রদ (ধারা ৩১-৩৯);
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি বা ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২-৪৩);
iv) রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (ধারা-৪৪);
v) প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা-৫২); এবং
vi) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা-৫৩ থেকে ৫৫)
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। যথা-
i) সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা-৮); এবং
ii) স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা-৯)।
 
⇒ যেহেতুে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।

⇒ উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্র ব্যতীত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় অন্যান্য প্রতিকারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৮,২৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৭ অনুযায়ী, জেরা (Cross-examination) কী?
  1. সাক্ষী কর্তৃক নিজেকে প্রশ্ন করা
  2. আদালত কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা
  3. বিরুদ্ধ পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা
  4. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) বিরুদ্ধ পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা।

→ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৭ অনুযায়ী, জেরা (Cross-examination) হলো সেই প্রক্রিয়া, যেখানে বিরোধী পক্ষ (যে পক্ষ মামলায় সাক্ষীর বক্তব্যের বিরোধিতা করছে) সাক্ষীকে প্রশ্ন করে। এটি মূলত সাক্ষীর বক্তব্যের সঠিকতা বা বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়। জেরার মাধ্যমে বিরোধী পক্ষ সাক্ষীর দৃষ্টিভঙ্গির অসঙ্গতি বা ভুল ধরতে পারে, যাতে আদালত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের আগে তা মূল্যায়ন করতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

⇒ The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৮,২৬৭.
The Specific Relief Act,1877 এর ২৯ ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের মামলা খারিজের ফলাফল কী?
  1. বিবাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে
  2. বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে
  3. বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৮,২৬৮.
একটি সশস্ত্র অভুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য A অভিযুক্ত। উক্ত অভ্যুত্থানের সময় X নামক স্থানে জনগণের সম্পত্তি বিনষ্ট করা হয়,Y নামক স্থানে নিরাপত্তা রক্ষীদের এবং অন্যান্য সেনাবাহিনীকে আক্রমণ করা হয় এবং Z নামক স্থানে সংশোধনাগার ভেঙ্গে অনেক বন্দিকে মুক্ত করার চেষ্টা করা হয়। A শুধুমাত্র X স্থানে উপস্থিত ছিল কিন্তু Y এবং Z নামক স্থানে উপস্থিত ছিলনা। A এর বিচারের ক্ষেত্রে A এর বিরুদ্ধে-
  1. Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে না
  2. X নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে কিন্তু Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে না।
  3. X,Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে না কারণ A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
  4. X,Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে, যদিও সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় এর বিধান আছে। যেহেতু সশস্ত্র অভ্যুত্থানের অংশ হিসাবে X,Y এবং Z নামক স্থানে বিভিন্ন ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তাই A এর বিচারের ক্ষেত্রে A এর বিরুদ্ধে উক্ত সকল ঘটনা একই কার্যের অংশ হিসাবে বা Resgestae নীতি অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে। উক্ত সকল ঘটনার ক্ষেত্রে A উপস্থিত ছিল কিনা বা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিল কিনা তা বিবেচ্য বিষয় না বা উক্ত ঘটনাসমূহ একই স্থানে এবং একই সময়ে সংঘটিত হয়েছে কিনা তা বিবেচ্য বিষয় না।  
৮,২৬৯.
দাঁতের বিচ্যুতি (Dislocation) একটি ________।
  1. গুরুতর আঘাত
  2. সাধারণ আঘাত
  3. মারাত্মক অস্ত্রের মাধ্যমে আঘাত
  4. আক্রমণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt) বলতে নির্দিষ্ট কিছু আঘাতকে বোঝানো হয়। এর মধ্যে দাঁতের বিচ্যুতি (dislocation of a tooth) অন্তর্ভুক্ত।
- এটি গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হয় কারণ এটি শক্তিসমূহ ধ্বংস বা অঙ্গের স্থানচ্যুতি নির্দেশ করে, যা দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Section 320.Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৮,২৭০.
বাদীর অনুপস্থিতির জন্য আদালত মোকদ্দমা খারিজের সিদ্ধান্ত দেয়া হলে, তা ______ বলে গণ্য হবে?
  1. ডিক্রি
  2. আদেশ
  3. আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হিসেবে ডিক্রি
  4. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
কোন ত্রুটির জন্য মোকদ্দমা খারিজের সিদ্ধান্ত দেয়া হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত আদেশ বলে গণ্য হবে।

• ধারাঃ ২(২) এ ডিক্রির সংজ্ঞা হিসেবে দেয়া আছে:
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144, but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default. 
৮,২৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(১) ধারায় কাকে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. অভিযুক্ত
  2. অভিযোগকারী
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. সহ-অভিযুক্ত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে;
২- দায়রা জজের নিকট।

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর;
২. অভিযোগকারী।

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।

Section 417- Appeal in case of acquittal:
(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
 
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
 
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal. 
 
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
৮,২৭২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারা লঙ্ঘন করে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা হলে, সেই বিক্রয়ের ফলাফল কী হবে?
  1. বিক্রয়টি বাতিল হবে
  2. বিক্রয়টি স্থগিতাদেশ যোগ্য হবে
  3. বিক্রেতাকে জরিমানা করা হবে
  4. বিক্রয়টি বৈধ হবে, কিন্তু রেজিস্ট্রেশন করতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ৫৩গ স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, যদি বিক্রেতার নাম (বা উত্তরাধিকারসূত্রে মালিক হলে তাঁর পূর্বসূরির নাম) রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এর অধীনে প্রস্তুত সর্বশেষ খতিয়ানে উল্লেখ না থাকে, তবে সেই স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বাতিল (Void) হবে।
অতএব, বিক্রয়টি আইনত অবৈধ এবং বাতিল বলে গণ্য হবে।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না:
কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবেন না যদি না তার নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হন, অথবা তার নাম বা তার পূর্বসূরির নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হন, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীনে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ানে সেই সম্পত্তির সম্পর্কে উল্লেখিত থাকে, এবং অন্যথায় কৃত যেকোন বিক্রয় বাতিল হবে।
------------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882, Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold:
No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.

৮,২৭৩.
বিবাহ বিচ্ছেদের পর বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য একজন মুসলিম স্ত্রী কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উল্লেখিত আছে?
  1. ১০১ অনুচ্ছদে
  2. ১০২ অনুচ্ছদে
  3. ১০৩ অনুচ্ছদে
  4. ১০৪ অনুচ্ছদে
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ১০৩ অনুচ্ছেদে তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য (Promt/মু’অজ্জল) মোহরানা আদায়ের জন্য আর  ১০৪ অনুচ্ছেদে বিলম্বিত (Differed/মু’আজ্জল) মোহরানা আদায়ে জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে। উভয়ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
৮,২৭৪.
নিচের কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য?
  1. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে দেখেনি।
  2. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে শোনেনি।
  3. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে বিশ্বস্ত মাধ্যম মারফত জানতে পেরেছে।
  4. কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬০ অনুযায়ী- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে অর্থাৎ সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে হবে বা শুনতে হবে বা উপলব্ধি করতে হবে। অন্যের মারফত শোনা ঘটনা এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না।
৮,২৭৫.
'A', 'B' কে একটি মামলা থেকে বিরত থাকতে প্ররোচিত করার জন্য তার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়, তাহলে 'A' কী অপরাধে দোষী হবে?
  1. দস্যুতা
  2. অনিষ্টসাধন
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার বিধান অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।
ব্যাখ্যা:- ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে। 

⇒ উদাহরণ:
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।
------------------------------- 
⇒ The Penal Code,1860- Section 503. Criminal Intimidation:
- Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.

⇒ Illustration:
A, for the purpose of inducing B to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn B's house. A is guilty of criminal intimidation.
৮,২৭৬.
'ক' মিথ্যা কুৎসা রটানোর ভয় দেখিয়ে 'খ' কে ২ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য করে। 'খ' নিচের কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. দস্যুতা
  2. ডাকাতি
  3. চুরি
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৩৮৩ ধারা মতে কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে বা অন্য কোনো চাপ সৃষ্টি করে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
৮,২৭৭.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান কী?
  1. মানহানির অভিযোগে সাজা প্রদান
  2. সরকারী কাজে বাধার জন্য সাজা প্রদান
  3. রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাজা প্রদান
  4. সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য সাজা প্রদান
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাজা প্রদান।

⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতা:

- কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা-১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা-২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা-৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code Section 124A. Sedition:
- Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.
 
Explanation 1.-The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity. 
Explanation 2.-Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section. 
Explanation 3.-Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.
৮,২৭৮.
আদালতে উপস্থিতির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ বিধি ১ অনুসারে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মামলার পক্ষ নিজে উপস্থিত হতে সব সময় বাধ্য
  2. মামলার পক্ষ উকিল বা স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হতে পারে
  3. কেবলমাত্র বাদী উকিলের মাধ্যমে উপস্থিত হতে পারে
  4. কেবলমাত্র বিবাদী উকিলের মাধ্যমে হাজির হতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩ বিধি ১: উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে:
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারে-

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।
৮,২৭৯.
নিচের কোন ক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা মর্মে গণ্য হবে?
  1. যখন পাঁচবা ততোধিক ব্যক্তি দ্বারা সংঘটিত হয়
  2. যখন একই সাথে বলপ্রয়োগ করা হয়
  3. যখন তাৎক্ষনিক মৃত্যুর ভয় থাকে
  4. যখন দুই বা ততোধিক তবে পাঁচ জনের কম ব্যক্তি দ্বারা ঘটে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যখন তাৎক্ষনিক মৃত্যুর ভয় থাকে।
⇒  দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান অনুযায়ী দস্যুতা সংঘটিত হয় যখন চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী কোনো ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে সম্পত্তি আদায় করে। এর মধ্যে চুরি এবং বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় উভয়ই "দস্যুতা" হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
⇒ Explanation.-The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
৮,২৮০.
ফৌজদারি মামলার রিভিশনের কার্যক্রম কত দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. নির্ধারিত সময় উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

৮,২৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ৪১২ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

• আপিল চলমান থাকলে দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। 

৪২৬ ধারা অনুযায়ী-
আপিল চলমান থাকাকালে আপিল আদালতে যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেই দণ্ডাদেশ বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে এবং আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। বিচারিক আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি অনধিক ১ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান থাকলে এবং বিচারিক আদালত যদি মনে করে যে, উক্ত ব্যক্তি আপিল দায়ের করতে পারে তাহলে বিচারিক আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

হাইকোর্ট বিভাগ যদি সন্তুষ্ট হয় যে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে আপিল [leave to appeal] করার বিশেষ অনুমতি দেয়া হয়েছে, তখন হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ড দিয়েছে আপিল চলাকালীন সময় উক্ত দণ্ড স্থগিত বা আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

৮,২৮২.
সাক্ষ্য (সংশোধন) আইন, ২০২২ অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞায় কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. ড্রোন ডেটা
  2. হস্তলিখিত দলিল
  3. কাঠের তৈরি ফলক
  4. পাথরে খোদাই করা লেখা
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩-এ "ডিজিটাল রেকর্ড" বা "ইলেকট্রিক রেকর্ড"-এর নতুন সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে।
এই সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বলতে বোঝায়—
 ডিজিটাল, ইলেকট্রনিক, বা কম্পিউটার-ভিত্তিক যে কোনো মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ, উৎপাদন, প্রেরণ বা গ্রহণ করা হয়েছে এমন তথ্য বা রেকর্ড।
এতে অন্তর্ভুক্ত:
- ম্যাগনেটিক/ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক/অপটিক্যাল/কম্পিউটার মেমরি
- অডিও, ভিডিও, সিডি/ডিভিডি, মাইক্রোফিল্ম
- সিসিটিভি, মোবাইল ফোনে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও
- ড্রোন ডেটা
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুসারে সংজ্ঞায়িত ডিভাইস থেকে সংগৃহীত তথ্য
- ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি।

⇒ সাক্ষ্য (সংশোধন) আইন, ২০২২ এর ধারা ৩ অনুযায়ী ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত: ড্রোন ডেটা, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোন/কম্পিউটারে সংরক্ষিত ডাটা, ডিজিটাল ডিভাইস (ডিভিডি, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি)

অন্যদিকে, খ) হস্তলিখিত দলিল, গ) কাঠের তৈরি ফলক,  ঘ) পাথরে খোদাই করা লেখা →  এগুলো ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
৮,২৮৩.
অচল মুদ্রা বলে জানা সত্ত্বেও প্রতারণামূলকভাবে অন্যকে তা অর্পণের দায়ে ‘ক’- অভিযুক্ত হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা মতে ইতিপূর্বে ‘ক’-এর এইরূপ অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার ঘটনা বর্তমান বিচারের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৪ ধারা
  3. ১৫ ধারা
  4. ১৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারার বিধান: মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক উপলব্ধির অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রদর্শন করেঃ
ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা হঠকারিতা, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্বেষ অথবা কল্যাণ কামনার মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রকাশ করে অথবা কোন শারীরিক অবস্থা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব প্রকাশ করে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসকি অথবা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়।

ব্যাখ্যা-১: কোন প্রাসঙ্গিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার নিমিত্তে যে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়, তাকে সংশ্লিষ্ট মানসিক অবস্থাটি সাধারণভাবে নয়, নির্ধারিতকোন বিচার্য বিষয় প্রসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে এরূপ প্রকাশ করতে হবে।

ব্যাখ্যা-২: তবে যখন কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচারকালে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পূর্বে- কৃত কোন অপরাধ এ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, তখন উক্ত ব্যক্তির পূর্বে দণ্ডিত হওয়াও প্রাসঙ্গিক বিষয়।
৮,২৮৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারার বিধান মতে হাইকোর্ট বিভাগ অধস্তন আদালত থেকে যে-কোনো মামলা বদলী করতে পারেন?
  1. ২১
  2. ২২
  3. ২৩
  4. ২৪
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২৪ ধারা মতেঃ স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা (General power of transfer and withdrawal ): মোকদ্দমার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকল পক্ষকে নোটিশ দিয়ে এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন সময়-
‌তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা
♦ তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম-

১) প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং

২) তা বিচার বা নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা

৩) অধীনস্ত কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তর করতে পারেন; অথবা ৪) যেই আদালত হতে তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।  

♦কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে যে পর্যায়ে তা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।

♦স্বল্প এখতিয়ার আদালত হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মোকদ্দমার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মোকদ্দমার ব্যাপারে স্বল্প এখতিয়ার আদালত বলে গণ্য করতে হবে।
৮,২৮৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদের কোন দফা প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত বিধানের প্রয়োগকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ৪ ও ৫ দফা
  2. ২ ও ৪ দফা
  3. ১ ও ৪ দফা
  4. ৩ ও ৫ দফা
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ৩৫: বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ

(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

Article 35: Protection in respect of trial and punishment

(1) No person shall be convicted of any offence except for violation of a law in force at the time of the commission of the act charged as an offence, nor be subjected to a penalty greater than, or different from, that which might have been inflicted under the law in force at the time of the commission of the offence. 
(2) No person shall be prosecuted and punished for the same offence more than once. 
(3) Every person accused of a criminal offence shall have the right to a speedy and public trial by an independent and impartial Court or tribunal established by law. 
(4) No person accused of any offence shall be compelled to be a witness against himself. 
(5) No person shall be subjected to torture or to cruel, inhuman, or degrading punishment or treatment. 
(6) Nothing in clause (3) or clause (5) shall affect the operation of any existing law which prescribes any punishment or procedure for trial.
৮,২৮৬.
কেবল অপর পক্ষকে হয়রানীর লক্ষ্যে কোন পক্ষ একটি দেওয়ানি মামলা করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে একজন এ্যাডভোকেট-
  1. আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলাটি গ্রহণ করবেন
  2. বিরুদ্ধ পক্ষের এ্যাডভোকেটকে সাহায্য করবেন
  3. মামলাটি পরিচালনায় করতে অস্বীকার করবেন
  4. নিযুক্তিয় এ্যাডভোকেট হিসাবে মামলাটি পরিচালনা করবেন
ব্যাখ্যা

⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তীতা: ৪ অধ্যায়ে বিধি ৩ এর বিধান একজন আইনজীবীর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে কোন একটি দেওয়ানী মামলা বিবাদমান পক্ষ একে অপরকে হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্থ করার উদ্দেশ্যে মামলায় লিপ্ত হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে তিনি বাদী কিংবা বিবাদী পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহনে অবশ্যই অস্বীকার করবে। উক্ত ব্যতিক্রম ব্যতীত একজন আইনজীবী যে কোন মামলা পরিচালনা করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
⇒ এডভোকেটের জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব সম্পকৃত ৩ নং বিধিতে বলা হয়েছে, কাউকে হয়রানি বা ক্ষতি করার জন্য কোন দেওয়ানী মামলা দায়ের করা হলে তা পরিচালনা করতে একজন আইনজীবী অবশ্যই অস্বীকার করবে।

৮,২৮৭.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৩ কার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র বাদী
  2. শুধুমাত্র বিবাদী
  3. শুধুমাত্র সরকারি বাদী
  4. বাদী এবং বিবাদী উভয়ের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) শুধুমাত্র বিবাদী।

তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন 
যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদের গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

৮,২৮৮.
'A' is wounded within the local limits of the jurisdictions of Court 'X', and dies within the local limits of the jurisdiction of Court 'Z'. The offence of the culpable homicide of 'A' may be tried by-
  1. Court 'Z'
  2. Court 'X'
  3. Court 'X' or 'Z'
  4. Both 'X' and 'Z'
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭৯: যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয় বা ফলস্বরূপ হয় সেখানে অভিযুক্তের বিচার:
যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ থাকে যা তার দ্বারা করা কিছু কাজের কারণে এবং এর ফলস্বরূপ ঘটে, তখন এই অপরাধটি সেই আদালতে তদন্ত করা যেতে পারে বা বিচার করা যেতে পারে, যার স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত কাজটি করা হয়েছে বা যার স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত ফলস্বরূপ ঘটেছে।

উদাহরণ:
(ক) যদি A-এর উপর আক্রমণ করা হয় এবং সে আদালত X-এর স্থানীয় সীমার মধ্যে আহত হয় এবং পরে আদালত Z-এর স্থানীয় সীমার মধ্যে মারা যায়, তাহলে A-এর হত্যা সম্পর্কিত অপরাধটি আদালত X বা Z-এর দ্বারা তদন্ত করা যেতে পারে বা বিচার করা যেতে পারে।
৮,২৮৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে-
  1. চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকারে
  2. দণ্ডমূলক আইনের অধীন প্রতিকারে
  3. নিষেধাত্মক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকারে
  4. ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন প্রতিকারে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারামতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
i) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকারে, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন প্রতিকারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

 ⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

 ⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)
 ⇒ অর্থাৎ নিষেধাত্মক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে।

 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ঘ) ধারার বিধান অনুযায়ী আদলত ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্য কোনভাবে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ এবং ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দিতে পারে। অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেনা। সুতরাং আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

 ⇒  সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার। অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
৮,২৯০.
কাউকে হয়রানির বা আক্রোশের বশবর্তী হয়ে কোনো পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে একটি মামলা করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে একজন অ্যাডভোকেট-
  1. মামলাটি পরিচালনা করবেন
  2. মামলাটি পরিচালনা করতে নিয়োজিত হবেন না
  3. আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলাটি গ্রহণ করবেন
  4. বিরুদ্ধ পক্ষের অ্যাডভোকেটকে সাহায্য করবেন
ব্যাখ্যা

উত্তর: মামলাটি পরিচালনা করতে নিয়োজিত হবেন না।

"Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর অধ্যায় ৪- জনসাধারণের প্রতি আইনজীবীদের আচরণ

বিধি ১: কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে আক্রোশের বশবর্তী হইয়া কিংবা মামলার কার্যক্রম বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে বাদী কিংবা আসামী পক্ষে কোন মামলা পরিচালনা করার জন্য একজন আইনজীবী নিয়োজিত হইবেন না। এমনকি অনুরূপ উদ্দেশ্যে কোন আপিল দায়েরের দায়িত্ব ও নিবেন না।
--------------------------------------
Rule 1: An Advocate shall not accept employment to prosecute or defend a case out of spite or for the purposing of harassing anyone or delaying any matter nor shall he take or prosecute an appeal willfully motivated to harass any one or delay any matter.

৮,২৯১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীনে কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য গঠিত বাছাই কমিটির অন্যুন কত জন সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম গঠিত হবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৭ ধারার বিধান বাছাই কমিটি: 
 (১) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হইবে, যথা:- 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের একজন বিচারক; 
(খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের একজন বিচারক; 
(গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক; 
(ঘ) সরকারী কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান; এবং 
(ঙ) অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অব্যবহিত পূর্বের অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
আরও শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ কোন অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে বর্তমানে কর্মরত মন্ত্রিপরিষদ সচিব৷ 

(২) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক বাছাই কমিটির সভাপতি হইবেন৷
(৩) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে৷ 
(৪) বাছাই কমিটি, কমিশনার নিয়োগে সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে, উপস্থিত সদস্যদের অন্যুন ৩ (তিন) জনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুই জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করিয়া ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করিবে৷
(৫) অন্যুন ৪ (চার) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে৷
৮,২৯২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান বা স্বাক্ষর করলে তার শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ১৯৩ ধারায়
  2. ১৯১ ধারায়
  3. ১৯৭ ধারায়
  4. ১৯৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
----------------------------------
Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
৮,২৯৩.
In criminal proceedings the fact that the person accused is of a ________ is relevant.
  1. Bad character
  2. Criminal character
  3. Good character
  4. Good or bad character
ব্যাখ্যা
♦Criminal Proceeding –এ আসামীর ভালো চরিত্র প্রাসঙ্গিক, খারাপ চরিত্র সাধারণত প্রাসঙ্গিক নয়। তবে যদি ভালো চরিত্র দাবি করা হয় তখন তাঁর চরিত্র ভালো না এই বিষয়ও প্রাসঙ্গিক হয়ে যায়।
♦ ধারা ৫৩ ধারা- In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
৮,২৯৪.
সংক্ষিপ্ত বিচারে অনধিক ২০০/- টাকা অর্থদন্ড হলে, ঐ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
  1. রিভিশন
  2. আপিল
  3. রেফারেন্স
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারায় বলা হয়েছে, ২৬০ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে ঐ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন যে সকল ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না, সে সব ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা যায়। এজন্য ঐ আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে
৮,২৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারার অধীন পুলিশের নিকট প্রদত্ত সাক্ষ্য কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণে
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে
  3. কোনো ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে না
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ তে দেয়া আছে-
(১) তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা যদি লিপিবদ্ধকৃত হয়, তাহলে বিবৃতিদাতা তাতে স্বাক্ষর করবেন না;
-এরূপ কোন বিবৃতি যে অপরাধের তদন্তের সময় দেয়া হয়েছিল, সেই অপরাধের কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না:
তবে শর্ত এই যে, যে ব্যক্তির বিবৃতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, তাকে সরকার পক্ষের সাক্ষী হিসাবে তলব করা হলে উক্ত লিখিত বিবৃতি ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারা অনুসারে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

⇒ পুলিশ সাক্ষীর যে জবানবন্দি ১৬১ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে, তা বিচার বা অনুসন্ধানে নিম্নলিখিত ২ টি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়-
i. জবানবন্দিটি যদি মৃত্যুকালীন ঘোষণা হয়। [সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা]
ii. জবানবন্দিটির উপর ভিত্তি করে পুলিশ কোন বিষয় উদঘাটন করলে। [সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা]
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-162: Statements to police not to be signed; use of such statements in evidence:
(1) No statement made by any person to a police officer in the course of an investigation under this Chapter shall, if reduced into writing, be signed by the person making it; nor shall any such statement or any record thereof, whether in a police-diary or otherwise, or any part of such statement or record, be used for any purpose (save as hereinafter provided) at any inquiry or trial in respect of any offence under investigation at the time when such statement was made: 
 
Provided that, when any witness is called for the prosecution in such inquiry or trial whose statement has been reduced into writing as aforesaid, the Court shall on the request of the accused, refer to such writing and direct that the accused be furnished with a copy thereof, in order that any part of such statement, if duly proved, may be used to contradict such witness in the manner provided by section 145 of the Evidence Act, 1872. When any part of such statement is so used, any part thereof may also be used in the re-examination of such witness, but for the purpose only of explaining any matter referred to in his cross-examination: 
 
Provided, further that, if the Court is of the opinion that any part of any such statement is not relevant to the subject matter of the inquiry or trial or that its disclosure to the accused is not essential in the interests of justice and is inexpedient in the public interests, it shall record such opinion (but not the reasons therefor) and shall exclude such part from the copy of the statement furnished to the accused. 
 
(2) Nothing in this section shall be deemed to apply to any statement falling within the provisions of section 32, clause (1), of the Evidence Act, 1872 or to affect the provisions of section 27 of that Act.
৮,২৯৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান কী?
  1. প্রত্যর্পণের দরখাস্ত
  2. নিলাম বিক্রির দরখাস্ত
  3. কমিশন নিয়োগের দরখাস্ত
  4. রায় সংশোধনের দরখাস্ত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

Section: 144. Application for restitution-
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.

(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
৮,২৯৭.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫২ ধারায় কোন প্রকার প্রতিকারের বিধান রয়েছে?
  1. বাধ্যতামূলক
  2. বিধিবদ্ধ
  3. নিরোধমূলক
  4. নেতিবাচক
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫২ ধারায় বিধান করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা, স্থায়ী বা অস্থায়ী যারা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে নিরোধমূলক প্রতিকার মাঞ্জুর করা হয়। [Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual]
৮,২৯৮.
Mis-joinder এবং Non-joinder এর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ- ১
  2. আদেশ- ২
  3. আদেশ- ৩
  4. আদেশ- ৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ- ১ এ অপসংযোগ ও অসংযোগ (Mis-joinder, Non-joinder) বিষয়ে বিধান আছে।

• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)- 
মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে।  ভুল ব্যক্তির নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ অথবা স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে দিতে পারে।

⇒ কোন মামলায় পক্ষ সমূহের অপসংযোগ ও অসংযোগ এর কারনে আদালাত মামলা খারিজ করবেন না।
৮,২৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২(১১) ধারায় কীসের সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. Court
  2. Judge
  3. Judgement
  4. Legal Representative
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১১) এ আইনানুগ প্রতিনিধি (Legal Representative) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

• ধারা ২(১১) অনুসারে আইনানুগ প্রতিনিধি হলো সেই ব্যক্তি-
⇒ যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করে;
⇒ যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করে; এবং
⇒ যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি হিসেবে মোকদ্দমা করতে পারে বা যার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায়।

Section 2(11)-
"legal representative" means a person who in law represents the estate of a deceased person, and includes any person who intermeddles with the estate of the deceased and where a party sues or is sued in a representative character the person on whom the estate devolves on the death of the party so suing or sued.
৮,৩০০.
কোন ফৌজদারী মামলার অভিযুক্ত তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে ______ বলা হয়।
  1. Admision
  2. Confession
  3. Primary Evidence
  4. Secondary Evidence
ব্যাখ্যা
কোন ফৌজদারী মামলার অভিযুক্ত তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে স্বীকারোক্তি বা Confession বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
i) Inculpatory Confessional Statement; ও
ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ Inculpatory Confessional Statement এর অর্থ হল এমন একটি স্বীকারোক্তি বা বিবৃতি যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্পষ্টভাবে তার নিজের বিরুদ্ধে অপরাধের স্বীকারোক্তি করেন।
⇒ আর অভিযুক্ত নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে, অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।