বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৮২ / ১৫৫ · ৮,১০১৮,২০০ / ১৫,৪৭০

৮,১০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে কে ঘোষণামূলক মামলা করতে পারে না?
  1. আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তি
  2. কোন সম্পত্তিতে অধিকার আছে এমন ব্যক্তি
  3. মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে অধিকারী ব্যক্তি
  4. যার পদের অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে এমন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে 'মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে অধিকারী ব্যক্তি' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে ঘোষণামূলক মামলা করতে পারে না।

⇒ ঘোষনামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষনামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষনা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষনামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষনামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষনা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।

⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।

⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৮,১০২.
সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সময় তাকে আক্রমণ করলে, আক্রমণকারী সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ৬ মাস
  3. ৩ মাস
  4. নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারা: সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার জন্য আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
যে ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনকালে তাকে আক্রমণ করে বা তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে, অথবা তাকে তার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে এমন কাজ করে, অথবা সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার দায়িত্ব পালনের সময় কোনো বৈধ কার্য সম্পাদন করতে গিয়ে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে, সেই ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারার অধীনে,
সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের জন্য যে শাস্তির বিধান রয়েছে, তাতে কারাদণ্ডের জন্য কোনও নির্দিষ্ট সর্বনিম্ন মেয়াদ উল্লেখ নেই। এর অর্থ হলো আদালত অপরাধের গুরুত্ব এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করে শাস্তির মেয়াদ নির্ধারণ করতে পারে, যা সর্বোচ্চ ৩ বছর হতে পারে বা শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। তাই, "ঘ) কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই" উত্তরটি সঠিক।

Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty:
Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৮,১০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মোট কয়টি ধারা আছে?
  1. ৫৬টি
  2. ৫৭টি
  3. ৫৯টি
  4. ৬০টি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:

⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭ (১নং আইন);
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।
৮,১০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে, Proclamation-এর ফলে জব্দকৃত সম্পত্তির ওপর যদি অন্য কেউ স্বার্থ দাবি করে, তাহলে কত দিনের মধ্যে দাবি বা আপত্তি জানাতে হবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৯ মাস
  4. ১২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৮৮(৬ক) স্পষ্টভাবে বলছে: যদি কোনো সম্পত্তি ধারা ৮৮ অনুযায়ী জব্দ (attachment) করা হয়, এবং কোনো ব্যক্তি (যিনি ঘোষিত পলাতক আসামি নন) দাবি করেন যে ঐ সম্পত্তিতে তার আইনগত স্বার্থ (interest/ownership) আছে, এবং তার এই স্বার্থ আইন অনুযায়ী জব্দযোগ্য নয়, তবে তাকে অবশ্যই জব্দের তারিখ থেকে ছয় (৬) মাসের মধ্যে আদালতে দাবি বা আপত্তি উত্থাপন করতে হবে।
এরপর আদালত সেই দাবি তদন্ত (inquiry) করবে এবং দাবি সঠিক প্রমাণিত হলে সম্পত্তি ফেরত দিতে পারে, অন্যথায় তা বাতিল (disallow) করে দেবে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) এর ধারা ৮৮(৬ক) অনুসারে, যদি কোনো তৃতীয় পক্ষ (পলাতক ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ) জব্দকৃত সম্পত্তির উপর স্বার্থ দাবি করে বা আপত্তি উত্থাপন করে, তবে তাকে জব্দের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে সেই দাবি বা আপত্তি আদালতে উপস্থাপন করতে হবে। এই দাবি বা আপত্তি সম্পত্তির উপর তাদের অধিকার বা স্বার্থ প্রমাণ করার জন্য করা হয়, এবং আদালত এই দাবির বিষয়ে তদন্ত করে তা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করতে পারে।
-------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-88(6A) If any claim is preferred to, or objection made to the attachment of, any property attached under this section within six months from the date of such attachment, by any person other than the proclaimed person, on the ground that the claimant or objector has an interest in such property, and that such interest is not liable to attachment under this section, the claim or objection shall be inquired into, and may be allowed or disallowed in whole or in part:
Provided that any claim preferred or objection made within the period allowed by this sub-section may, in the event of the death of the claimant or objector, be continued by his legal representative.

৮,১০৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৪(১) অনুচ্ছেদে কী নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. শিশুশ্রম
  2. নারীশ্রম
  3. জবরদস্তি-শ্রম
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৪ অনুচ্ছেদের বিধান: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ:
(১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনোভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারি অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনত দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে। 

৮,১০৬.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে কোনো কিছু করলে কাজটি ___________ করেছে বলে গণ্য হবে।
  1. অণ্যায়ভাবে
  2. বেআইনীভাবে
  3. অসাধুভাবে
  4. অবৈধভাবে
ব্যাখ্যা
♦ The Penal Code, 1860  এর ধারা-২৪ অনুসারে: অসাধুভাবে (Dishonestly)- কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির প্রতি অবৈধ লাভ বা অবৈধ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে কোন কিছু করলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত কাজটি অসাধুভাবে করেছে বলে গণ্য হবে।
৮,১০৭.
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারায় আদালত নিম্মলিখিত কোন ধরনের অনুমান করতে পারে
  1. জীবিত এর অনুমান
  2. মৃত অনুমান
  3. বৈধতার অনুমান
  4. সম্পর্কের অনুমান
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারায় আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।
৮,১০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪১ ধারা অনুসারে, কার্যকরকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্রে (Certificate) কী থাকতে পারে না?
  1. ডিক্রি সফলভাবে কার্যকর করা হয়েছে এমন তথ্য।
  2. ডিক্রি কার্যকর করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি এমন তথ্য।
  3. ডিক্রি কার্যকর করতে ব্যর্থ হওয়ার নির্দিষ্ট কারণ।
  4. ডিক্রির বৈধতা সম্পর্কে কার্যকরকারী আদালতের মতামত।
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪১ শুধুমাত্র কার্যকর প্রক্রিয়ার বাস্তব ফলাফল প্রত্যয়ন করার জন্য বাধ্যতামূলক করে।
- প্রত্যয়নপত্রে নিম্নলিখিত দুটি বিষয়ের যেকোনো একটি থাকবে:
ক) ডিক্রি সফলভাবে কার্যকর হয়েছে - এই তথ্য (বা)
খ) ডিক্রি কার্যকর করতে ব্যর্থতা - এবং এর পরিস্থিতি ও কারণ। 
- তবে ডিক্রির বৈধতা বা আইনগত সঠিকতা সম্পর্কে মতামত প্রদান এই ধারার আওতায় পড়ে না। কার্যকরকারী আদালত কেবল প্রক্রিয়ার ফলাফল জানায়, ডিক্রির আইনগত ভিত্তি নিয়ে বিচার করে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৪১: কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন:
যে আদালতে কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য পাঠানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রিটি কার্যকর করার পর বা যদি কার্যকর করতে ব্যর্থ হয় তবে সেই ব্যর্থতার কারণসমূহ উল্লেখ করে যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে তাকে সে বিষয়ে প্রত্যয়ন (সার্টিফিকেট) প্রদান করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-41: Result of execution proceedings to be certified.
- The Court to which a decree is sent for execution shall certify to the Court which passed it the fact of such execution, or where the former Court fails to execute the same the circumstances attending such failure.

৮,১০৯.
নিম্নোক্ত সম্পত্তির মধ্যে কোনটি ক্রোকযোগ্য?
  1. কৃষকের দখলে আছে এমন কৃষিপণ্য।
  2. পরিধেয় বস্ত্র।
  3. স্বর্ণালংকার।
  4. সরকারি পেনশনভোগীদের প্রাপ্য মঞ্জুরিকৃত বৃত্তি।
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৬০ ধারায় বলা হয়েছে যে,ডিক্রী জারী করার জন্য দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে।
♦ডিক্রি জারির জন্য যে সকল সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে-
জমি, বাসগৃহ অথবা অন্যান্য দালান কোঠা, মালপত্র, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ, হুন্ডি, প্রমিসরি নোট, সরকারি সিকিউরিটি বণ্ড বা অর্থের অন্য কোন প্রকার সিকিউরিটিস, দেনা, কর্পোরেশনের শেয়ার এবং দেনাদারের সকল বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি।
♦যে সকল সম্পত্তি ক্রোক বা বিক্রয় করা যাবে না-
ডিক্রি দায়িকের, তার স্ত্রী এবং সন্তানগণের প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র, রান্নার বাসন-পত্রাদি, বিছানাপত্র, গহনাপত্র যা ধর্মীয় বিধান অনুসারে কোন মহিলার পক্ষে খুলে ফেলা উচিৎ নয়, দেনাদার কারিগর হলে কারিগরের যন্ত্রপাতি বা কৃষক হলে কৃষকের বা চাষির বাসগৃহ ও অন্যান্য গৃহ (তার সরঞ্জামসহ অবস্থান, তার সাথে সম্পর্কযুক্ত অন্য ভূমি) চাষের যন্ত্রপাতি, গো-মহিষাদি, বীজ ও হিসাবের খাতা-পত্র, ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার, ব্যক্তিগত সেবার অধিকার, সরকারি পেনশনভোগীদের বৃত্তি, এককালীন সাহায্য ইত্যাদি ।
৮,১১০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮, বিধি ৭-এর অধীনে সম্পত্তি ক্রোক করার কোন বিধান দেয়া আছে? 
  1. সম্পত্তির মালিকের অনুমতি নিয়ে ক্রোক করা যাবে 
  2. কেবলমাত্র ঋণগ্রহীতার অনুরোধে সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে 
  3. সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য যাচাই করার পর ক্রোক করা যাবে 
  4. ডিক্রি জারির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে ক্রোক করা যাবে 
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-৭: ক্রোক করার পদ্ধতি: 
অন্যরূপ স্পষ্ট বিধান ব্যতিরেকে, ডিক্রি জারির দরুন সম্পত্তি ক্রোকের পদ্ধতিতে উক্ত ক্রোক করা যাবে। 

Rule.-7: Mode of making attachment: 
Save as otherwise expressly provided, the attachment shall be made in the manner provided for the attachment of property in execution of a decree. 
৮,১১১.
A, একজন সরকারি কর্মকর্তা, যাকে আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি সে ইচ্ছাকৃতভাবে সেই নির্দেশ না মানে এবং জানে যে এর ফলে Z এর ক্ষতি হবে, তাহলে A দণ্ডবিধির ______ধারার অধীনে অপরাধ করেছে এবং শাস্তি পাবে।
  1. ১৬৬
  2. ১৬৮
  3. ১৭০
  4. ১৭২
ব্যাখ্যা
আইন লঙ্ঘনকারী সরকারি কর্মচারী, যার উদ্দেশ্য অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি করা (দণ্ডবিধির- ধারা ১৬৬)
যে ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী হিসেবে, আইন অনুযায়ী যে ভাবে তার কর্তব্য পালন করতে হবে তা জানার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে আইন লঙ্ঘন করে, এবং জানে বা ধারণা করে যে তার এই অমান্যতার ফলে কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তি এক বছরের জন্য সাধারণ কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়ই হতে পারে।

উদাহরণ:
ক, একজন কর্মকর্তা, আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি কার্যকর করতে নির্দেশপ্রাপ্ত, যাতে খ এর পক্ষে আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চূড়ান্ত নিষ্পত্তি ঘটাতে পারে, যদি সে সচেতনভাবে সেই নির্দেশ অমান্য করে এবং জানে যে এর ফলে খ এর ক্ষতি হতে পারে, তাহলে এ ব্যক্তি উক্ত ধারায় অপরাধ করেছেন।
৮,১১২.
তামাদি আইনের ১৩ ধারায় মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করতে নিম্নলিখিত কোন সময় বাদ যাবে?
  1. বাদীর বাংলাদেশের বাইরের অবস্থানের সময়
  2. বিবাদীর বাংলাদেশের বাইরের অবস্থানের সময়
  3. বিবাদীকে সমন জারির সময়
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী-
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদের গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৮,১১৩.
An individual who is qualified to exercise ijtihad in the evaluation of Islamic law is called-
  1. Imam
  2. Mujtahid
  3. Mujahideen
  4. Muslim
ব্যাখ্যা
⇒ An individual who is qualified to exercise ijtihad in the evaluation of Islamic law is called mujtahid (Arabic: مُجْتَهِد, "diligent"). an authoritative interpreter of the religious law of Islame specially : a living religious teacher that is recognized by the Shiʽa as competent to exercise private judgment in formulating authoritative answers to legal questions.

⇒ There are some specific criteria that must be satisfied for a person to be eligible to make an ijtihad. The person who can make an ijtihad is known as 'Mujtahid' who must have, inter alia, an in depth knowledge and understanding of Islam.

⇒ Ijtihad is one of the dependent sources of Islamic law. If a matter not resolved expressly in a Quran, Sunnah and by way of Ijma the jurist must not leave the matter unresolved rather he should strive hard to find out the solution under the light of Quran and Sunnah.

⇒ In Islamic law the use of individual reasoning in general is called Ijtihad or Ijtihad al-ra'y, and Mujtahid is the qualified lawyer who uses it. "Exertion" is the literal meaning of Ijtihad. In general usage, this Arabic word denotes the utmost effort, physical or mental, expended in a particular activity. In its Islamic and technical legal connotation, it denotes the thorough exertion of the jurist's mental faculty in finding a solution for a case of law. Ijtihad therefore is 'the logical deduction on a legal or theological question by a Mujtahid or learned and enlightened doctor, as distinguished from Ijma, which is the collective opinion of a council of divines.'
৮,১১৪.
জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির জামিন প্রাপ্তির সুবিধা-
  1. নাগরিক অধিকার
  2. আইনগত অধিকার
  3. মৌলিক অধিকার
  4. সাংবিধানিক অধিকার
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪৯৬ ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধে কাউকে আটক করা হলে কিংবা বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে আটক করা হলে জামিন দেওয়া হবে (Shall be released on bail)। এখানে Shall শব্দটি ব্যবহার করায় এই ধারার অধীন জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার হিসেবে গণ্য।
♦অর্থাৎ জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির জামিন প্রাপ্তির সুবিধা হল আইনগত অধিকার।
৮,১১৫.
আইন দ্বারা কার্যকরীকরণযোগ্য প্রতিটি কর্তব্যকে বলে -
  1. যোগ্যতা
  2. অনুশাসন
  3. বাধ্যবাধকতা
  4. অধিকার
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩- ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদ:

'বাধ্যবাধকতা’ বলতে আইন দ্বারা কার্যকরীকরণযোগ্য প্রতিটি কর্তব্য অন্তর্ভুক্ত হবে।

"obligation" includes every duty enforceable by law.
৮,১১৬.
দণ্ডবিধির ৫১ ধারার বিধান কী?
  1. “Oath”
  2. “Death”
  3. “Injury”
  4. “Good faith”
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫১ ধারার বিধান শপথ/ হলফ:
- আইনের বিধানমতে শপথের পরিবর্তে গ্রহণীয় দৃঢ়, প্রতিজ্ঞান্তিক অনুমোদন, এবং কোন আদালতেই হোক অথবা আদালতের বাইরে অন্যত্রই হোক, যে ঘোষণা কোন সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে অথবা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রদান করার জন্য আইনবলে নির্দেশ করা হয় বা ক্ষমতা দেওয়া হয়, তার ‘শপথ’ কথাটির অন্তর্ভুক্ত।
----------
⇒ The Penal Code,1860. Section-51. “Oath”
The word "oath" includes a solemn affirmation substituted by law for an oath, and any declaration required or authorized by law to be made before a public servant or to be used for the purpose of proof, whether in a Court of Justice or not.
৮,১১৭.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে "বেআইনি সমাবেশ" গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার মতে, বেআইনি সমাবেশ গঠনের জন্য ন্যূনতম পাঁচজন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন।
যে কোনো সমাবেশ, যেখানে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে সমবেত হয়, তাকে বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য করা হবে।
- ধারা ১৪১:
"পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী যে কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।"
- এর মানে হল যে, পাঁচজন বা তার অধিক ব্যক্তির সমাবেশ, যদি কোনও বেআইনি কার্যকলাপের উদ্দেশ্যে হয় (যেমন: সরকারের বিরুদ্ধে হুমকি, আইনের কার্যকরীকরণে বাধা ইত্যাদি), তবে সেটি বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হবে।
৮,১১৮.
৩০ বছরের পুরাতন দলিলের সম্পাদন সঠিক ধরে নেওয়া যেতে পারে যদি তা উপস্থিত হয়
  1. একজন আইনজীবীর নিকট হতে
  2. যে কোন হেফাজত হতে
  3. উপযুক্ত হেফাজত হতে
  4. একজন বিচারকের নিকট হতে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারার বিধান ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমানঃ
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।

ব্যাখ্যাঃ দলিল যেস্থানে ও যে ব্যক্তির হেফাজতে থাকা স্বাভাবিক, যদি উহা সেই স্থানে এবং সেই ব্যক্তির হেফাজতে থাকে, তবে উহা উপযুক্ত হেফাজতে আছে বলিয়া বুঝাইবে। কিন্তু দলিলটি যে হেফাজতে আছে, সেখানে থাকিবার আইন সঙ্গত কারণ আছে বলিয়া যদি প্রমাণিত হয় অথবা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে অনুরূপ কারণ থাকা সম্ভব বলিয়া যদি বিবেচিত হয়, তবে সেই হেফাজত অনুপযুক্ত বলিয়া গণ্য হইবে না।
এই ব্যাখ্যা ৮১ ধারার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

♦অর্থাৎ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।
৮,১১৯.
হলফনামার শপথ কার দ্বারা পরিচালিত হবে এই বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ১৩৯
  2. ১৪০
  3. ১৪২
  4. ১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন ব্যক্তি বা অফিসার বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি হলফনামা শপথ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান হলফনামার শপথ যার দ্বারা পরিচালিত হবে: এই আইন মোতাবেক কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে-
ক) যে কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
খ) যে কোন অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রিমকোর্ট এতদুদ্দেশ্যে নিয়োগ করতে পারেন; অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন আদালতে যে ব্যক্তিকে এই কার্যের জন্য নিযুক্ত করতে পারেন, তিনি শপথ গ্রহণকারীর প্রতি শপথ পরিচালনা করতে পারবেন।
------------
⇒ CPC Section: 139. Oath on affidavit by whom to be administered: In the case of any affidavit under this Code-
(a) any Court or Magistrate, or
(b) any officer or other person whom 107[the Supreme Court] may appoint in this behalf, or
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf,
may administer the oath to the deponent.
৮,১২০.
চুক্তির একটি অংশ অন্য অংশ থেকে স্বাধীন ও পৃথক হলে উক্ত স্বাধীন ও পৃথক অংশের ফলাফল কি?
  1. স্বাধীন ও পৃথক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন যোগ্য
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন যোগ্য নয়
  3. চুক্তির সমস্ত অংশ কার্যসম্পাদন যোগ্য
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ১৬ অনুসারে, যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে,
তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
৮,১২১.
একজন আসামির বিরুদ্ধে একটি অপরাধের তদন্ত চলছে, যা পাঁচ বছরের কারাদণ্ডযোগ্য। তদন্তকারী পুলিশ ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে ব্যর্থ হয়। এমন পরিস্থিতিতে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৬৭ ধারায়-
  1. আসামিকে অব্যাহতি দিতে হবে
  2. তদন্ত যতদিন চলবে, আসামিকে হাজতে রাখতে হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে আসামিকে জামিন দিতে পারেন
  4. দায়রা জজ বাধ্যতামূলকভাবে জামিন দেবেন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধান:
(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,
ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং

খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ হয়, তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,

তবে শর্ত এই যে, আসামিকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।
৮,১২২.
এক বাড়িতে আগুন লেগেছে। আগুন থামাতে প্রতিবেশীর বাড়ির দেওয়াল ভেঙে দিতে হয়েছে, যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে। এক্ষেত্রে প্রতিবেশীর সম্পত্তির ক্ষতি হলেও কোন নীতি অনুসারে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. Doctrine of Double Offence
  2. Doctrine of Double Danger
  3. Doctrine of Alternative Danger
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
'Doctrine of Alternative Danger' অর্থ হলো- বৃহত্তর ক্ষতি এড়ানোর জন্য ক্ষুদ্রতর ক্ষতি মেনে নেওয়া। দণ্ডবিধির ৮১ ধারা অনুযায়ী, সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কোন কার্য যদি শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য সৎ উদ্দেশ্যে করা হয় তাহলে তা অপরাধ নয়।

এই নীতি অনুসারে,
কোনো ব্যক্তি যদি সত্য উদ্দেশ্যে এবং বিবেচনাসম্মতভাবে কোনো কাজ করে থাকেন যা শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য করা হয়েছে, তাহলে সেই কাজটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। অর্থাৎ, দুটি ক্ষতির মধ্যে যদি একটি ছোট ক্ষতি মেনে নিতে হয় বড় ক্ষতি এড়ানোর জন্য, তাহলে তা অপরাধ নয়। যেমন, কোনো বন্যা দুর্গত এলাকায় মানুষ উদ্ধার করতে গিয়ে যদি অন্যের সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্থ হয়, তাহলে সেটা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না কারণ বড় বিপদ এড়ানোর জন্য ছোট ক্ষতি মেনে নেওয়া হয়েছে।

"Doctrine of Alternative Danger" বা বৈকল্পিক বিপদ তত্ত্বের কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:

⇒ এক বাড়ির আগুন লেগেছে। আগুন থামাতে প্রতিবেশীর বাড়ির দেওয়াল ভেঙে দিতে হয়েছে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে। এক্ষেত্রে প্রতিবেশীর সম্পত্তির ক্ষতি হলেও তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না কারণ বড় আগুন থামানোর জন্য ছোট ক্ষতি মেনে নেওয়া হয়েছে।


⇒ এক জায়গায় বন্যা হয়েছে। উদ্ধারকারীদের মানুষ বাঁচাতে গিয়ে কারো বাড়ি/সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটা অপরাধ নয়, কারণ মানুষ বাঁচানোই বড় বিষয়।

⇒ রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে এক ব্যক্তির পা ভেঙে গেছে। চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে নিতে অন্য একটি গাড়ি ভাঙার অনুমতি দিলে সেটা অপরাধ নয়, কারণ রোগীর জীবন বাঁচানোই বড় বিষয়।

⇒ হঠাৎ করে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সেই জায়গার বাসিন্দাদের বাঁচাতে প্রশাসন বাঁধ ভেঙে দিতে পারে। এক্ষেত্রে বাঁধ ভাঙার জন্য তারা অপরাধী হবেন না।
৮,১২৩.
কোন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮
  3. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  4. তামাদি আইন, ১৯০৮
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারার বিধান কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোনো অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections- 4. Savings:
Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.

৮,১২৪.
১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির কয় নং আদেশের মাধ্যমে 'বাংলাদেশ বার কাউন্সিল' প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৪৫ নং
  2. ৪৭ নং
  3. ৪৬ নং
  4. ৪৮ নং
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বার কাউন্সিল হলো দেশের আইনজীবীদের একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদিত সংগঠন। এটির প্রতিষ্ঠা ও কাঠামোগত বিষয়গুলো নিম্নরূপ:

স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ এটি সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একমাত্র কেন্দ্রীয় সংস্থা যা দেশের সকল আইনজীবী এবং আইন শিক্ষার্থীদের তালিকাভুক্তি, নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বভার পালন করে।

⇒ বার কাউন্সিলের নিজস্ব একটি আইন আছে যা Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 নামে পরিচিত। এই আইনে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধন, শৃংখলা বিধি ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।

⇒ কাউন্সিলটি একটি চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নির্বাচিত এক প্যানেল দ্বারা পরিচালিত হয়। সদস্যরা দেশের বিভিন্ন বার সোসাইটি দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাচন করে।

⇒ বার কাউন্সিলের অন্যান্য দায়িত্বগুলোর মধ্যে আইনজীবী শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
৮,১২৫.
একজন ব্যক্তি যদি অবহেলার কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটায় এবং অপরাধটি নরহত্যা হিসেবে বিবেচিত হয় না, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে:
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড 
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৫ বছরের কারাদণ্ড।

দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা- অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:

কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 304A: Causing death by negligence:
 Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.

৮,১২৬.
কেরানী বা চাকর কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের শাস্তি রয়েছে-
  1. ৪০৬ ধারায়
  2. ৪০৭ক ধারায়
  3. ৪০৭ ধারায়
  4. ৪০৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪০৮ ধারা  অনুযায়ী কেরানী বা চাকর (Clerk or servant) কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের শান্তি হলো  অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
• দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারা মতে কেবলমাত্র কেরানী এবং চাকর দণ্ডিত হতে পারে। উক্ত কেরানী বা চাকর সরকারি বা ব্যক্তিগত যে চাকুরিতেই নিয়োজিত থাকুক না কেন তাতে কিছুই যায় আসে না।
৮,১২৭.
The Transfer of Property Act, 1882 এর বিধান অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির মাসিক ইজারা হলে ইজারা দাতা বা ইজারা গ্রহীতা কত দিনের নোটিশে ইজারার সমাপ্তি ঘটাতে পারে?
  1. ৭ দিন পূর্বে
  2. ১০ দিন পূর্বে
  3. ১৫ দিন পূর্বে
  4. ১৪ দিন পূর্বে
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৬: লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ

কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।

এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।

⇒ কোন চুক্তি বা প্রচলিত আইনের অবর্তমানে কৃষিকাজ ব্য শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেয়া হলে তা বার্ষিক ইজারা বলে গণ্য হবে।
⇒ কৃষিকাজ বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হলে তা মাসিক ইজারা বলে গন্য হবে।

Section 106: Duration of certain leases in absence of written contract or local usage
In the absence of a contract or local law or usage to the contrary, a lease of immoveable property for agricultural or manufacturing purposes shall be deemed to be a lease from year to year, terminable, on the part of either lessor or lessee, by six months' notice expiring with the end of a year of the tenancy; and a lease of immoveable property for any other purpose shall be deemed to be a lease from month to month, terminable, on the part of either lessor or lessee, by fifteen days' notice expiring with the end of a month of the tenancy. 
 
Every notice under this section must be in writing signed by or on behalf of the person giving it, and either be sent by post to the party who is intended to be bound by it or be tendered or delivered personally to such party, or to one of his family or servants at his residence, or (if such tender or delivery is not practicable) affixed to a conspicuous part of the property.
৮,১২৮.
'Oral evidence must, in all cases whatever, be direct' বিধানটি সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৫৯ ধারা
  2. ৬০ ধারা
  3. ৬১ ধারা
  4. ৬২ ধারা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ৬০ ধারায় উল্লেখ আছে "Oral evidence must, in all cases whatever, be direct".

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৬০: মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে: মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে, অর্থাৎ-
সাক্ষ্যে উল্লিখিত ঘটনা যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাকেই সাক্ষ্য দিতে হইবে;
সাক্ষ্যে বর্ণিত ঘটনা যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাকেই সাক্ষ্য দিতে হইবে;
সাক্ষ্যে বর্ণিত ঘটনা যদি অন্য কোনো ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোনো উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাকেই সাক্ষ্য দিতে হইবে,
সাক্ষ্যে বর্ণিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত কিংবা অভিমতের ভিত্তিতে হয়, তবে যে লোক সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে;
তবে, বিশেষজ্ঞের অভিমত সম্বলিত গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজারে বিক্রয় হয়, সেইক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়;
কিংবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাঁহাকে সাক্ষী হিসেবে হাজির করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন;
ইহা ব্যতীত, মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তুর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলে সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য হাজির করিবার নির্দেশ দিতে পারেন।
------------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 60, Oral evidence must be direct: Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say-
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it;
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner;
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds:
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable:
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.

৮,১২৯.
দায়িকের কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় তার খোরপোষের হার কে নির্ধারন করবে?
  1. সরকার
  2. ডিক্রিদার
  3. জেল কর্তৃপক্ষ
  4. বিচারিক আদালত
ব্যাখ্যা
• খোরপোষ হলো কাউকে দেওয়ানী জেলে আটক রাখলে তার ব্যয়ভার।

দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৭ ধারা- খোরপোষ ভাতা:
সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।

Section 57: Subsistence allowance-
The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
৮,১৩০.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী ‘Stolen property’ বলতে কোন অপরাধের মাধ্যমে হস্তান্তরিত সম্পত্তিকে বোঝানো হয়েছে?
  1. চুরি
  2. বলপূর্বক আদায়
  3. দস্যুতা ও বিশ্বাসভঙ্গ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১০ ধারা অনুযায়ী “চোরাই সম্পত্তি (Stolen Property)” বলতে বোঝায় এমন সম্পত্তি:
১) চুরি (Theft) এর মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে।
২) বলপূর্বক আদায় (Extortion) এর মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে।
৩) দস্যুতার (Robbery) দ্বারা হস্তান্তরিত।
৪) অপরাধমূলক আত্মসাৎ (Criminal misappropriation) করা হয়েছে।
৫) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust) এর মাধ্যমে বিশ্বাস ভঙ্গ করে দখল নেওয়া হয়েছে।
- উপরোক্ত যেকোনো প্রক্রিয়ায় অর্জিত সম্পত্তি চোরাই মাল হিসেবে গণ্য হয় — সেটা বাংলাদেশের ভিতরে বা বাইরে সংঘটিত হলেও।
- তবে, যদি ওই সম্পত্তি পরবর্তীতে আইনানুগভাবে অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির দখলে আসে, তাহলে তা আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
- এই ধারা বিভিন্ন ধরণের অপরাধমূলক কার্যকলাপের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তিকে একইভাবে “চোরাই সম্পত্তি” হিসেবে বিবেচনা করে — ফলে উত্তর “ঘ) উপরের সবগুলো” একমাত্র সঠিক উত্তর।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

৮,১৩১.
‘A’ নিজের জীবন শেষ করতে ইচ্ছাকৃতভাবে বিষ পান করে, কিন্তু প্রতিবেশীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে বাঁচিয়ে ফেলে। দণ্ডবিধি ১৮৬০ অনুসারে A কোন ধারায় দোষী হবে?
  1. ৩০৮ ধারা
  2. ৩০৯ ধারা
  3. ৩১০ ধারা
  4. ৩০৫ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৯ অনুসারে, আত্মহত্যার চেষ্টা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 'A' বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে, তাই সে এই ধারায় দোষী হবে। শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:

কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৮,১৩২.
জামিনদার জামিননামা বাতিলের আবেদন করলে, উক্ত আদালত-
  1. মুচলেকা বাতিল করবেন
  2. গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন
  3. জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০২: জামিনদারের অব্যাহতি

জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৮,১৩৩.
যদি বাদী আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দলিল উপস্থাপন না করে, তাহলে আদালত আদেশ-১১, বিধি-২১ অনুসারে-
  1. মোকদ্দমা খারিজ হতে পারে
  2. বাদীর জন্য জরিমানা নির্ধারণ করবে
  3. বাদীকে নতুন মামলা দায়েরের সুযোগ দেবে
  4. মামলার শুনানি স্থগিত করবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৮,১৩৪.
ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় না হলে ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের মামলায়, দফা ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না। বিধানটি The Evidence Act,1872 এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৪৬ (১) ধারায় 
  2. ১৪৬ (২) ধারায় 
  3. ১৪৬ (৩) ধারায় 
  4. ১৫৫ (৪) ধারায় 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারার বিধান জেরায় আইনসঙ্গত প্রশ্ন: যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লেখিত প্রশ্নসমূহ ছাড়াও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যা দ্বারা:
১) তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়।
২) তার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা
৩) তার চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়, যদিও এরূপ প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সাথে জড়িত হতে পারে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায়, দফা (৩) এর অধীনে ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।
---------------------------------------------------------
⇒ The Evidence Act 1872, Section146, Questions lawful in cross-examination: When a witness is cross-examined, he may, in addition to the questions hereinbefore referred to, be asked any questions which tend -
(1) to test his veracity,
(2) to discover who he is and what is his position in life, or
(3) to shake his credit, by injuring his character, although the answer to such questions might tend directly or indirectly to criminate him or might expose or tend directly or indirectly to expose him to a penalty or forfeiture
Provided that in a prosecution for an offence of rape or attempt to rape, no question under clause (3) can be asked in the cross-examination as to general immoral character or previous sexual behaviour of the victim:
Provided further that such question can only be asked with the permission of the Court, if it appears to the Court necessary for the ends of justice.

৮,১৩৫.
ভোটার-তালিকা প্রস্তুতের ক্ষমতা কার উপর অর্পিত?
  1. আইন কমিশন
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. স্থানীয় সরকার বিভাগ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১১৯: নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব:
(১) রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণের তত্ত্বাবধান, নির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং নির্বাচন কমিশন এই সংবিধান ও আইনানুযায়ী-

(ক) রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন;
(খ) সংসদ-সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন;
(গ) সংসদে নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ করিবেন; এবং
(ঘ) রাষ্ট্রপতির পদের এবং সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুত করিবেন।

(২) উপরি-উক্ত দফাসমূহে নির্ধারিত দায়িত্বসমূহের অতিরিক্ত যেরূপ দায়িত্ব এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে, নির্বাচন কমিশন সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন।

৮,১৩৬.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ২৪ অনুযায়ী মানহানির মামলা করতে হয় -
  1. ২ বছরের মধ্যে
  2. ৬ মাসের মধ্যে
  3. ১ বছরের মধ্যে
  4. যে কোন সময়ে
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ২৪ অনুযায়ী ১ বছরের মধ্যে মানহানির মামলা করতে হয়
৮,১৩৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারার অধীনে কৃত মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
⇒ যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা
⇒ যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।

দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করা, আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৮,১৩৮.
কোন ধরনের বিবৃতি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২(৩) এর অধীনে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়?
  1. যা বিবৃতিকারীর স্বার্থের পরিপন্থী
  2. সর্বসাধারণের অধিকার সংক্রান্ত মতামত
  3. পারিবারিক দলিল বা উইল সম্পর্কিত বিবৃতি
  4. কয়েকজনের প্রদত্ত অনুভূতি প্রকাশক বিবৃতি
ব্যাখ্যা
উত্তর: ক) বিবৃতি যা বিবৃতিকারীর স্বার্থের পরিপন্থী।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হয়, তখন তার কিছু নির্দিষ্ট বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। এই ধারায় নিম্নলিখিত ৮টি পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত:
১) মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration) — যখন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পূর্বে কোনো ঘটনার সম্পর্কে মন্তব্য করেন।
২) ব্যবসার কার্যক্রমে বিবৃতি (statement made in course of business) — যখন কোনো ব্যক্তি তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বিবৃতি দেন।
৩) স্বার্থবিরোধী বিবৃতি (statement against interest) — যে বিবৃতি ব্যক্তির নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে।
৪) জনস্বার্থ বা প্রথা সংক্রান্ত বিবৃতি (opinion as to public right or custom) — যখন কোনো ব্যক্তি সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা সম্পর্কিত বিবৃতি দেন।
৫) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (relates to existence of relationship) — আত্মীয়তার অস্তিত্বের ব্যাপারে বিবৃতি।
৬) পারিবারিক দলিল বা উইলে করা বিবৃতি (statement made in will or deed relating to family affairs) — উইল বা পারিবারিক দলিলে করা বিবৃতি।
৭) লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি- "transaction mentioned in section 13, clause (a)"ধারা ১৩-এর (ক) অংশে উল্লেখিত লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি।
৮) কিছু ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি (statement made by several persons) — যখন একাধিক ব্যক্তি একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একই মতামত দেন।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
৮,১৩৯.
According to Section 52 Preventive relief is not granted at the discretion of the Court by____________.
  1. Perpetual injunction
  2. Temporary injunction
  3. Mandatory injunction
  4. temporary or perpetual injunction
ব্যাখ্যা
⇒ Section 52 Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুরের প্রক্রিয়া:- আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
 
 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।
 
 ⇒  সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
 ⇒ অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
 
 ⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে যেহেতু 'Preventive relief is not granted বা নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় না' কথাটি বলা আছে তাই সঠিক উত্তর হবে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction)।
৮,১৪০.
Which of the following is grounds for striking out pleadings under Order 6, Rule 16 of the Code of Civil Procedure?
  1. The matter is unnecessary
  2. The matter is scandalous
  3. The matter tends to delay a fair trial
  4. All of them
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের বিধানসমূহ রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে।লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

⇒ আদেশ-৬,বিধি-১৬: প্লিডিংস কর্তন (Strike out of pleadings)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৬ নং বিধিতে প্লিডিংস কর্তনের(Strike out) বিধান রয়েছে। ১৬ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য আদালত যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস-এ উল্লেখিত কতিপয় বিষয় কর্তন করার (Strike out) আদেশ নিতে পারেন।
আদালত প্লিডিংস কর্তন করাতে পারে যদি প্লিডিংস এ উল্লেখিত কোন বিষয়-
- অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary matter) বা
- কুৎসাজনক (Scandalous) হলে অথবা
- বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice,embarrass or delay fair trial of the suit)।
৮,১৪১.
বাংলাদেশ সরকারের কর্তৃত্ববলে সীলমোহরকৃত ও ইস্যুকৃত ধাতু, যাহা অর্থ হিসাবে ব্যবহৃত-তাহাকে বলা হয়-
  1. মুদ্রা
  2. বাংলাদেশী মুদ্রা
  3. বাংলাদেশী টাকা
  4. বাংলাদেশী নোট
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।

বাংলাদেশী মুদ্রা:- বাংলাদেশী মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশী মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।

---------------------
♦ “Coin” defined Bangladesh coin:

- Section 230. Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used. 
 
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money. 
 
Illustrations 
 
(a) Cowries are not coin. 
 
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin. 
 
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money. 
 
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin. 
 
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৮,১৪২.
আকরাম ৪০ বছর বয়সে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেল। রেখে গেল বাবা, স্ত্রী রেহানা, দুই ভাই ও এক মেয়ে মিতা। এক্ষেত্রে তার সম্পত্তিতে বাবা কত অংশ পাবে?
  1. ১২/২৪ অংশ
  2. ৪/২৪ অংশ
  3. ৯/২৪ অংশ
  4. ৩/২৪ অংশ
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনে উত্তরাধিকার:

স্ত্রী: বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রী রেখে মারা গেলে তার স্ত্রী নির্ধারিত হারে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে তবে স্ত্রী পাবেন (১/৮) এক অষ্টমাংশ। আর সন্তান না থাকলে স্ত্রী পাবেন (১/৪) এক চতুর্থাংশ। একাধিক স্ত্রী থাকলেও এ অংশ বাড়বে না বরং স্ত্রীরা সবাই মিলে তাদের অংশ সমভাবে ভাগ করে নেবেন।

কন্যা: যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির (১/২) অর্ধেক পাবে। আর যদি একাধিক কন্যা থাকে তবে সবাই মিলে (২/৩) দুই তৃতীয়াংশ পাবে।

বাবার অংশ: বাবা তাঁর মৃত সন্তানের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী ৩ ভাবে হয়ে থাকে। যদি মৃত সন্তানের পুত্র, পুত্রের পুত্র বা পুত্রের পুত্রের পুত্র এভাবে যতই নিচের হোক না কেন যদি থাকে, তবে মৃত সন্তানের পিতা পাবেন সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ।

যদি মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান বা তাঁর পুত্রের কন্যা সন্তান থাকলে তবে পিতা সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ পাবেন। এই ক্ষেত্রে কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর অবশিষ্ট যে সম্পত্তি থাকবে তাও পিতা পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোন পুত্র-কন্যা বা পুত্রের সন্তান কিছুই না থাকে তাবে বাকী অংশীদারদের তাঁদের অংশ অনুযায়ী দেয়ার পর অবশিষ্ট যা থাকবে তার সবটুকুই বাবা পাবেন।

• উল্লিখিত প্রশ্নে,

⇒ স্ত্রী রেহেনা পাবে সম্পত্তির ১/৮ বা ৩/২৪ অংশ [যেহেতু সন্তান আছে];
⇒ মিতা পাবে সম্পত্তির ১/২ বা ১২/২৪ অংশ [যেহেতু একমাত্র কন্যা] এবং
⇒ বাবা অংশীদার হিসেবে ১/৬ বা ৪/২৪ অংশ [ যেহেতু মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান আছে];

মোট= ১/৮ + ১/২ + ১/৬ অংশ
= ১৯/২৪ অংশ।

অবশিষ্ট= ১ - ১৯/২৪ অংশ
= ৫/২৪ অংশ।

অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে বাবা বাকি ৫/২৪ অংশ পাবে।
অর্থাৎ বাবা মোট পায়= ৯/২৪ অংশ।

উল্লেখ্য, বাবা জীবিত থাকায় এক্ষেত্রে ভাইয়েরা কোন সম্পত্তি পাবে না।
৮,১৪৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে একাধিক ব্যক্তি সাধারণ উদ্দেশ্যে অপরাধ করলে প্রত্যেকে এককভাবে দায়ী হবেন?
  1. ধারা ৩৪
  2. ধারা ৩৫
  3. ধারা ৩৬
  4. ধারা ৩৭
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৪ অনুসারে, যখন একটি অপরাধ একাধিক ব্যক্তি দ্বারা সাধারণ উদ্দেশ্যে (common intention) সংঘটিত হয়, তখন প্রত্যেক ব্যক্তি এমনভাবে দায়ী হবেন যেন তিনি একাই সেই অপরাধটি করেছেন। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে বলে যে, অপরাধটি যদি সকলের সাধারণ উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়, তবে প্রত্যেকে সমানভাবে দায়ী।

- দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।
- উক্ত ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।

- দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।
--------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 34: Acts done by several persons in furtherance of common intention:
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.

৮,১৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ অনুসারে, কার্যক্রম বন্ধ করার পর ম্যাজিস্ট্রেট কী করতে পারেন?
  1. মামলা বাতিল করতে পারেন
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন
  3. অভিযুক্তকে শাস্তি দিতে পারেন
  4. নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
উত্তর: অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোনো পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
উল্লেখ আছে, নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-249: Power to stop proceedings when no complainant:
-In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
৮,১৪৫.
“মধ্যবর্তী মুনাফা”র সংজ্ঞায় নিম্নের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সুদসহ প্রাপ্য মুনাফা
  2. সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যা করা সম্ভব ছিল সেই মুনাফা
  3. বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তির স্বাভাবিক মুনাফা
  4. বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তির উন্নয়ন করে অর্জিত অতিরিক্ত মুনাফা
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো,সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা(Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে,উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits,
but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.

৮,১৪৬.
কোন স্বামী বা স্ত্রীকে দ্বিগামিতা বা বহুবিবাহের অপরাধের জন্য ৪৯৪ ধারায় দোষী করা যাবে না, যদি দ্বিতীয় বিবাহের সময় তার পূর্ববর্তী স্বামী বা স্ত্রী ক্রমাগতভাবে __________ ধরে অনুপস্থিত থাকে বা সে জীবিত আছে বলে শোনা যায় না।
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
দ্বিগামিতা [Bigamy]:
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী একসঙ্গে দুই স্ত্রী বা স্বামী নিয়ে বসবাস বা একই সঙ্গে দুই বিয়ের জন্য দোষী হলো দ্বিবিবাহ বা দ্বিগামিতা [Bigamy]। দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দ্বিগামিতা বা Bigamy শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দ্বিবিবাহ বা দ্বিগামিতার জন্য কোন ব্যক্তি দণ্ডিত হবে যদি-
১. স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও বিবাহ করে এবং
২. স্বামী বা স্ত্রী জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করার কারণে বিবাহটি বাতিল হলে।

যে যে ক্ষেত্রে দ্বিগামিতা বা বহুবিবাহের অপরাধ সংক্রান্ত ৪৯৪ ধারা প্রযোজ্য হবে না:
১. যেহেতু ইসলামে পুরুষরা বহুবিবাহ (একসঙ্গে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ) করতে পারে, তাই এই ধারা মুসলিম পুরুষদের জন্য প্রযোজ্য না।
২. যে ব্যক্তির বিবাহ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ সেই ব্যক্তি পুনরায় বিবাহ করলে সে ৪৯৪ ধারায় দণ্ডিত হবে না।
৩. কোন স্বামী বা স্ত্রীকে দ্বিগামিতা বা বহুবিবাহের অপরাধের জন্য ৪৯৪ ধারায় দোষী করা যাবে না যদি দ্বিতীয় বিবাহের সময় তার পূর্ববর্তী স্বামী বা স্ত্রী ক্রমাগতভাবে ৭ বৎসর ধরে অনুপস্থিত থাকে বা সে জীবিত আছে বলে শোনা যায় না

• Section 494- Marrying again during life-time of husband or wife:
Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void by reason of its taking place during the life of such husband or wife, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

Exception:
This section does not extend to any person whose marriage with such husband or wife has been declared void by a Court of competent jurisdiction, nor to any person who contracts a marriage during the life of a former husband or wife, if such husband or wife, at the time of the subsequent marriage, shall have been continually absent from such person for the space of seven years, and shall not have been heard of by such person as being alive within that time provided the person contracting such subsequent marriage shall, before such marriage takes place, inform the person with whom such marriage is contracted of the real state of facts so far as the same are within his or her knowledge.
৮,১৪৭.
The Civil Courts Act, 1887 এর Section 18 অনুযায়ী District Judge বা Subordinate Judge এর আদি এখতিয়ার কীসের অধীন?
  1. Civil Procedure Code এর Section 5
  2. Civil Procedure Code এর Section 10
  3. Civil Procedure Code এর Section 15
  4. Civil Procedure Code এর Section 21
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর ধারা ১৮ অনুসারে, District Judge বা Subordinate Judge-এর আদি এখতিয়ার (original jurisdiction) সিভিল কোর্টে বিচারযোগ্য সকল মূল মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি সিভিল প্রসিডিউর কোড (CPC)-এর ধারা ১৫-এর বিধানের অধীন। ধারা ১৫-এ উল্লেখ আছে যে, প্রতিটি মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যে আদালত স্থানীয় এখতিয়ার এবং মামলার মূল্যের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন গ্রেডের আদালত হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি নিশ্চিত করে যে মামলাগুলো যথাযথ আদালতে বিচারের জন্য দায়ের করা হয়, এবং District Judge বা Subordinate Judge-এর এখতিয়ার এই বিধানের আলোকে নির্ধারিত হয়।

- Sonali Bank vs Abidur Rahman 42 DLR 311, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ধারা ১৮ অনুসারে District Judge বা Subordinate Judge-এর আদি এখতিয়ার সিভিল প্রসিডিউর কোডের ধারা ১৫-এর বিধানের অধীন।

তাই, সঠিক উত্তর হলো গ) Civil Procedure Code এর Section 15।
--------- 
⇒ The Civil Courts Act, 1887, Section-18: Extent of original jurisdiction of District or Joint District Judge:
- Save as otherwise provided by any enactment for the time being in force, the jurisdiction of a District Judge or Joint District Judge extends, subject to the provisions of section 15 of the Code of Civil Procedure, 1908 to all original suits for the time being cognizable by Civil Courts.

৮,১৪৮.
ডিক্রির তারিখ থেকে কত সময়ের মধ্যে ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করলে দায়িকের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে না?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-২২ তে ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান রয়েছে- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথ‍্যেছ
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়। 
♦এছাড়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করলে নোটিশ দিতে হয়।
৮,১৪৯.
সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে আদালত The Evidence Act, 1872 এর ১৫২ ধারায় কোন ধরনের প্রশ্ন করতে নিষেধ করতে পারেন?
  1. বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
  2. উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
  3. অপমানিত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত যে কোনো প্রশ্ন নিষিদ্ধ করবে যা তার কাছে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে মনে হয়, অথবা যা, নিজে যথাযথ হলেও, আদালতের কাছে অনাবশ্যকভাবে আপত্তিকর রূপে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
৮,১৫০.
'ক','খ' ও 'গ' একটি ফার্মের অংশীদার এবং 'ঘ' উক্ত ফার্মের নিকট ঋণগ্রস্থ হয়। 'খ' উন্মাদ এবং 'গ' নাবালক। 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে। এক্ষেত্রে-
  1. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  2. 'খ' এবং 'গ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না
  3. 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
  4. 'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৭ (একাধিক বাদী অথবা দরখাস্তকারীর মধ্যে একজনের অপারগতা)-
যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার অধিকারী হয় বা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয় এবং তাদের সকলেই আইনগত অক্ষম হলে তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদি অতিবাহিত হবে না। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাদের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম কিন্তু বাকিরা আইনগতভাবে সক্ষম বা সুস্থ, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ সকলের বিরুদ্ধে অতিবাহিত হবে। কি হবে না তা নিম্নলিখিত ভাবে নির্ধারণ করতে হবে-

⇒ যে সকল ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ তাদের সম্মতি ছাড়া যে ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ না, সে যদি দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে পারে তাহলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে।

অর্থাৎ, এক্ষেত্রে 'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে।

কিন্তু আইনগতভাবে সক্ষম ব্যক্তি আইনগত অপারগ ব্যক্তিদের সম্মতি ছাড়া দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে, তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।

Section 7: Disability of one of several plaintiffs or applicants-
Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all: but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.

Illustrations-
(a) A incurs a debt to a firm of which B, C and D are partners. B is insane, and C is a minor. D can give a discharge of the debt without the concurrence of B and C. Time runs against B, C and D.
(b) A incurs a debt to a firm of which E, F and G are partners. E and F are insane, and G is a minor. Time will not run against any of them until either E or F becomes sane, or G attains majority.
৮,১৫১.
যদি অধীনস্ত প্রজার লিখিত চুক্তি থাকে কিন্তু তাতে কোনো মেয়াদ নির্ধারিত না থাকে, তবে তাকে উচ্ছেদ করার জন্য প্রয়োজন-
  1. মৌখিক নোটিশ
  2. আদালতের আদেশ
  3. দুই মাসের লিখিত নোটিশ
  4. ছয় মাসের লিখিত নোটিশ
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 ধারা ২০: অধীন-প্রজাকে উচ্ছেদ (Ejectment of an under-tenant):

বর্তমানে কার্যকর কোনো আইন বা চুক্তিতে ভিন্ন কিছু থাকলেও, এই আইনের বিধান অনুযায়ী একজন অধীন-প্রজা (under-tenant) কেবল নিচের যে কোনো একটি বা একাধিক কারণে উচ্ছেদের জন্য দায়ী হবেন; অন্য কোনো কারণে নয়:
(ক) যদি তিনি তার অধীনে থাকা অকৃষি জমিকে এমনভাবে ব্যবহার করেন, যাতে তা ধারা ৪-এ উল্লিখিত উদ্দেশ্যগুলোর জন্য ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
(খ) যদি তিনি লিখিত চুক্তির (written lease) অধীনে জমি ধারণ করে থাকেন এবং চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।

তবে,
যদি কোনো অধীন-প্রজা লিখিত চুক্তি ছাড়া বা এমন লিখিত চুক্তির অধীনে থাকেন যেখানে মেয়াদ নির্দিষ্ট নেই, তাহলে মালিক তাকে এক বছরের শেষে কার্যকর ছয় মাসের লিখিত নোটিশ প্রদান করে এবং ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে উচ্ছেদ করতে পারেন।
৮,১৫২.
দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারার অধীনে কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তা না করলে সর্বোচ্চ কতদিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অনুরূপ সহায়তা না করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীকে তাঁর সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মত-ভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৮,১৫৩.
সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত _________বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না-
  1. অনধিক ১৫০ টাকা অর্থদণ্ডের
  2. অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  3. অনধিক ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  4. অনধিক ৫,০০০ টাকা অর্থ দণ্ডের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারার বিধান সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেইঃ এই কার্যবিধিতে ইতোপূর্বে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, সংক্ষিপ্তভাবে বিচারকৃত কোন মোকদ্দমায় ধারা-২৬০ অনুসারে কাজ করতে ক্ষমতাবান কোন ম্যাজিষ্ট্রেট শুধুমাত্র সর্বোচ্চ ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোন আপীল করতে পারবে না।

♦ সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি বিচারের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। কিন্তু অর্থদন্ড ২০০ টাকার বেশি না হলে আপীল করা যাবে না। অর্থ দণ্ডের পরিমাণ ২০০ টাকার বেশি হলে আপীল করা যাবে।
৮,১৫৪.
ডাকাতির মাধ্যমে লব্ধ চোরাই সম্পত্তি কেউ জেনে-বুঝে তার কাছে রাখলে সর্বোচ্চ শাস্তি নিচের কোনটি?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

ডাকাতির মাধ্যমে চুরি করা সম্পত্তি অসাধু উপায়ে গ্রহণ করা ( দণ্ডবিধির ধারা ৪১২)

যে কেউ অসাধু উপায়ে চুরি করা কোনো সম্পত্তি গ্রহণ বা সংরক্ষণ করবে, যার অধিকার সে জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ আছে যে তা ডাকাতির মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়েছে, অথবা যে কেউ এমন কোনো ব্যক্তি থেকে অসাধু উপায়ে সম্পত্তি গ্রহণ করবে, যাকে সে ডাকাত দলের সদস্য হিসেবে চেনে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে, এবং জানে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে যে সম্পত্তিটি চুরি করা হয়েছে,

তাহলে তার শাস্তি হবে:
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা
- সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড, এবং
- অর্থদণ্ডও প্রযোজ্য হবে।

৮,১৫৫.
নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত কোন ধরনের প্রতিকার প্রদান করতে পারে?
  1. বিকল্প
  2. প্রতিরোধ
  3. প্রতিকার
  4. ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
• আইনে নিষেধাজ্ঞাকে একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসাবে গণ্য করা হয়। নিষেধাজ্ঞা আদালতের একটি বিশেষ আদেশ যা কোনো পক্ষকে কোনো কাজ করতে বা না করতে নির্দেশ দেয়। এটি নিম্নরূপ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বিবেচিত:
১. কর্মসাধক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) - একটি বিশেষ কাজ সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, চুক্তি বাস্তবায়ন বা সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করা।
২. নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞা (Prohibitory Injunction) - কোনো কাজ করতে নিষেধ করা হয়। যেমন, সম্পত্তি দখল বা বিক্রি করতে নিষেধাজ্ঞা।
৩. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary/Interim Injunction) - মূল মামলার বিচারকালীন সময়ে একটি অবস্থা বজায় রাখার জন্য।
৪. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) - মূল মামলা নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত নিষেধাজ্ঞা যা স্থায়ীভাবে বহাল থাকে।

নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত প্রকৃতপক্ষে "প্রতিরোধ" বা "নিষেধ" প্রদান করে, "প্রতিকার" নয়। সুতরাং, নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য হল প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, প্রতিকার প্রদান নয়।
৮,১৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান কত সালে প্রথম সংযোজন করা হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure, 1908)-এ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (Alternative Dispute Resolution - ADR) বিধান প্রথম ২০০৩ সালে সংযোজন করা হয়। এটি Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2003 এবং পরবর্তীকালে Act No. XXXVI of 2003 দিয়ে কার্যকর হয়। এই সংশোধনের মাধ্যমে ধারা ৮৯ক (Section 89A - Mediation), ৮৯খ (Section 89B - Arbitration) এবং ৮৯গ (Section 89C - Application and commencement) যোগ করা হয়, যা সিভিল মামলায় মধ্যস্থতা (Mediation) এবং সালিশী (Arbitration)-এর মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করে। প্রথমে এটি ঐচ্ছিক ছিল, কিন্তু ২০১২ সালের সংশোধনী (Code of Civil Procedure (Amendment) Act, 2012) দিয়ে মধ্যস্থতাকে বাধ্যতামূলক করা হয় ('may' শব্দটির পরিবর্তে 'shall' ব্যবহার করে)।

৮,১৫৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ______ অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য নয়?
  1. Order 7 rule 10
  2. Order 8 rule 10
  3. Order 10 rule 4
  4. Order 26 rule 4
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণত আদালতের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না তবে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর মাঝে ২৫ টি আদেশের তালিকা দেওয়া আছে যেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।

অর্থাৎ আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলে, মূল অথবা আপিল এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না; কিন্তু ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।

- উল্লিখিত প্রশ্নের অপশন (ক)-Order 7 rule 10 , (খ) Order 8 rule 10 এবং (গ) Order 10 rule 4 আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর আপিল যোগ্য আদেশের তালিকায় রয়েছে। কিন্তু অপশন (ঘ) Order 26 rule 4 অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশটি আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর তালিকায় নেই। 

- এজন্য বলতে পারি যে The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 26 rule 4 অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য নয়।
৮,১৫৮.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুসারে সম্পত্তির ওপর আইনি অধিকার চিরতরে বিলুপ্ত হয়?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৮
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা না করলে সম্পত্তির ওপর আইনি অধিকার চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুসারে, যখন কোনো মামলা বা দরখাস্ত দায়েরের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা (তামাদি মেয়াদ) অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তখন শুধুমাত্র মামলা দায়েরের সুযোগই হারায় না, বরং বাদীর সেই সম্পত্তির উপর আইনগত অধিকারও (right itself) বিলুপ্ত হয়ে যায়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.

৮,১৫৯.
ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একজন রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে দণ্ডিত হলে, তিনি তার দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ কোর্টে
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ কোর্টে
  4. মহানগর দায়রা জজ কোর্টে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: হাইকোর্ট বিভাগে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান -যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।

নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় (রাষ্ট্রদ্রোহিতা) উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

The Code of Criminal Procedure, 1898 -Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge:

Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division;

(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৮,১৬০.
১০৬ থেকে ১০৮ ধারার অধীন মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে তার সাজা কী?
  1. অনধিক এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
  2. অনধিক তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
  3. অনধিক এক বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
  4. অনধিক তিন বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১০৬ ধারার (দণ্ডিত হওয়ার পর শান্তি রক্ষার মুচলেকা), ১০৭ ধারার (অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার মুচলেকা), ১০৮ ধারার (রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তিদের নিকট থেকে সদাচরণ এর জন্য)  মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে তার সাজা অনধিক ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড [ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১২৩]
৮,১৬১.
২৯ গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক কত বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে। তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।♦অর্থাৎ ৩৩ক ধারা অনুযায়ী ২৯ গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক ৭ বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে।
৮,১৬২.
ওয়াকফের উদ্দেশ্য হতে হবে-
  1. ধর্মীয়
  2. দাতব্য
  3. ব্যক্তিগত
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ওয়াকফ:
ওয়াকফ আরবি শব্দ, এর অর্থ ব্যক্তিগত মালিকানা থেকে মুক্ত কোনো সম্পত্তির হেফাজত করা। ১৯১৩ সালের ওয়াকফ বৈধকরণ আইনের ২ ধারায় বলা হয়েছে, 
“ওয়াকফ” বলতে বোঝায়:
- একজন মুসলমান ব্যক্তি কর্তৃক
- যেকোনো সম্পত্তিকে
- স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা,
- এমন উদ্দেশ্যে যা মুসলিম আইনে ধর্মীয়, পুণ্য বা দাতব্য হিসেবে স্বীকৃত।

ওয়াকফ সৃষ্টি করার মুসলমানের ক্ষমতা (ধারা ৩)
যে ব্যক্তি মুসলমান ধর্মে বিশ্বাসী, তিনি মুসলিম আইনের বিধান অনুযায়ী ওয়াকফ তৈরি করতে পারেন এবং তা নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যসহ অন্যান্য বৈধ উদ্দেশ্যের জন্য হতে পারে:
(ক) সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে নিজের পরিবার, সন্তান বা উত্তরসূরিদের ভরণপোষণ ও সহায়তার জন্য।
(খ) যদি ওয়াকফকারী ব্যক্তি হানাফি মুসলমান হন, তাহলে তিনি ওয়াকফের সম্পত্তি থেকে পাওয়া ভাড়া ও মুনাফা থেকে— নিজের জীবদ্দশায় ভরণপোষণের জন্য, অথবা নিজের দেনা পরিশোধের জন্য ওয়াকফ করতে পারেন।

তবে শর্ত হচ্ছে: এই ক্ষেত্রে ওয়াকফে যেসব সুবিধা রাখা হবে, তার চূড়ান্ত উপকারভোগী হতে হবে গরিবরা, অথবা ইসলামী আইনে ধর্মীয়, পুণ্য বা দাতব্য স্থায়ী উদ্দেশ্যে যেসব বিষয় স্বীকৃত, সেসব উদ্দেশ্যে তা ব্যয়যোগ্য হতে হবে।
৮,১৬৩.
শুধু দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়েরে তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ মাস
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে।
♦আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে। ৯ ধারামতে যিনি স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, তিনিই মামলা করতে পারেন। কেননা এই ধরনের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয় এবং ৯ ধারার অধীনে দখল উদ্ধারের মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন অবান্তর।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত সম্পত্তিতে দখল এবং বিগত ৬ মাসের মধ্যে বেদখল হওয়া প্রমাণ করতে হবে, তবে স্বত্ব প্রমাণ করার কোন প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য যে, ৮ ধারায় দখল প্রমাণের প্রয়োজন নেই তবে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
৮,১৬৪.
রায়ে কোন বিষয়টি অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. সিদ্ধান্ত
  2. নির্ধারণীয় বিষয়
  3. সিদ্ধান্তের কারণ
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৬৭: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু-
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

(৩) যদি দণ্ডাদেশ দণ্ডবিধির (Penal Code) অধীন হয় এবং এ বিষয়ে সন্দেহ থাকে যে অপরাধটি ঐ বিধির দুটি ধারার মধ্যে কোনটিতে অথবা একই ধারার দুটি অংশের মধ্যে কোনটিতে অন্তর্ভুক্ত, তাহলে আদালতকে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং বিকল্প রূপে রায় প্রদান করতে হবে।

(৪) যদি এটি খালাসের রায় হয়, তাহলে রায়ে উল্লেখ করতে হবে যে আসামিকে কোন অপরাধে খালাস দেওয়া হলো এবং নির্দেশ দিতে হবে যে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক।

(৫) যদি আসামি এমন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয় যার জন্য মৃত্যুদণ্ড অথবা বিকল্পভাবে আজীবন কারাদণ্ড বা কয়েক বছরের সাজার বিধান রয়েছে, তাহলে আদালতকে রায়ে দণ্ড দেওয়ার কারণ উল্লেখ করতে হবে।

(৬) এই ধারার উদ্দেশ্যে, ধারা ১১৮ অথবা ধারা ১২৩-এর উপধারা (৩) অনুযায়ী দেওয়া কোনো আদেশকেও রায় বলে গণ্য করা হবে।
৮,১৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশে 'Production, Impounding and Return of Documents' সম্পর্কিত বিধি-বিধান আছে?
  1. আদেশ ১১
  2. আদেশ ১২
  3. আদেশ ১৩
  4. আদেশ ১৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এ দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে।
 
- বিধি ৩- দলিল প্রত্যাখ্যান: মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যকোনভাবে অগ্রহনযোগ্য, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।
 
- বিধি-৪ অনুসারে, দলিল দাখিলের সময় প্রমান হিসেবে গৃহিত উল্টাপৃষ্ঠে নিম্নলিখিত বিষয় গুলো পৃষ্ঠাঙ্কন করতে হবে-
১. মোকদ্দমার নম্বর ও শিরোনাম
২. দলিল দাখিলকারীর নাম
৩. দলিল দাখিলের তারিখ
৪. দলিল গৃহিত হওয়ার মর্মে একটি বিবৃতি।
 
- বিধি ৭(২)- দলিল ফেরত: যে সকল দলিল প্রমান হিসেবে গৃহিত হয় নাই সেগুলো মোকদ্দমার নথিপত্রের অংশ হিসেবে গন্য হবে না। এরূপ দলিল সমূহ দাখিলকারী ব্যক্তিগনের নিকট ফেরত দিতে হবে।
 
- বিধি ৮- দলিল আটক: আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন তবে এর সম্মুখে কোন মোকদ্দমায় দাখিলকৃত কোন দলিল বা বই আটক করার এবং উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আদালতের কোন কর্মচারীর হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারবেন।
৮,১৬৬.
প্রধান বিচারপতি ব্যতীত সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কার পরামর্শ গ্রহণ করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রীর
  2. জাতীয় সংসদের
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫(১): বিচারক-নিয়োগ:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। অন্যান্য বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির পরামর্শ গ্রহণ করেন

৯৫(২): বিচারক হতে হলে –
- বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে।
- সুপ্রিম কোর্টে অন্তত ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে প্র্যাকটিস করতে হবে, অথবা
- বিচার বিভাগে অন্তত ১০ বছর পদে অধিষ্ঠান করতে হবে।

৯৫(৩):
"সুপ্রিম কোর্ট" বলতে সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমায় হাইকোর্ট হিসেবে কাজ করা কোনো আদালতও অন্তর্ভুক্ত হবে।

৮,১৬৭.
করিম সাহেব ব্যথার কষ্ট নিয়ে একজন চিকিৎসকের নিকট গেলেন। চিকিৎসকের অস্ত্রোপচারের ফলে করিম সাহেবের মৃত্যু হতে পারে এটা জেনেও করিম সাহেবের মৃত্যু ঘটানোর কোন অভিপ্রায় ছাড়াই সরল বিশ্বাসে করিম সাহেবের মঙ্গলার্থে চিকিৎসক অস্ত্রোপচারটি করেন। উক্ত অস্ত্রোপচারের পর করিম সাহেব মারা যান। করিম সাহেবের মৃত্যুতে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
  1. কোন অপরাধ হয়নি
  2. খুন হয়েছে
  3. অপরাধমূলক নরহত্যা হয়েছে
  4. দুই ও তিন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৮৮ ধারা মতে মৃত্যু ঘটানের অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতি নিয়ে ঐ ব্যক্তির মঙ্গলের জন্য কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়।
 • চিকিৎসক মৃত্যু ঘটানোর কোন অভিপ্রায় ছাড়াই সরল বিশ্বাসে রোগীর মঙ্গলনার্থে অস্ত্রোপচার করেন তাই এটি কোন অপরাধ নয়।
৮,১৬৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-১১ অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য লিখিত আবেদনপত্রে নিচের কোন বিষয়টি অন্তভুক্ত করার বিধান নেই?
  1. পক্ষদের নাম
  2. মোকদ্দমার নম্বর
  3. ডিক্রিটি হতে কোন আপিল হয়েছে কিনা
  4. মোকদ্দমা পরিচালনাকারী বিচারকের নাম
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-১১ অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য লিখিত আবেদনপত্রে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নাম অন্তভুক্ত করার বিধান নেই।
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন।
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।

২) লিখিত আবেদনঃ উপরোক্ত (১) উপ-বিধিতে বর্ণিত ভিন্নরূপ কোন বিধান ব্যতিরেকে ডিক্রিজারির প্রত্যেক আবেদন আবেদনকারী কর্তৃক বা আদালতের পরিতৃষ্টি মোতাবেক মোকদ্দমার ঘটনার সাথে পরিচিত বলে প্রমাণিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে, এবং সারণীবদ্ধভাবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে, যথা-
ক) মোকদ্দমার নম্বর:
খ) পক্ষদের নাম:
গ) ডিক্রির তারিখ:
ঘ) ডিক্রিটি হতে কোন আপিল দায়ের করা হয়েছে কিনা;
ঙ) ডিক্রির পরবর্তীতে পক্ষদের ভিতর বিতর্কিত বিষয়ে কোন পরিশোধ বা অন্যরূপ সমন্বয় সাধন হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) হয়ে থাকে তবে এর পরিমাণ;
চ) ডিক্রি জারির জন্য পূর্বে কোন আবেদন করা হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) করা হয়ে থাকে কিরূপ আবেদন করা হয়েছে ঐরূপ আবেদনের তারিখ ও ফলাফল;
ছ) ডিক্রির উপর প্রাপ্য সুদসহ (যদি কোন) টাকার পরিমাণ বা এটির দ্বারা মঞ্জুরীকৃত অন্য কোন প্রতিকার, জারি হওয়ার জন্য প্রার্থিত ডিক্রির তারিখের পূর্বে বা পরে কোন পাল্টা ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে তার বিবরণ;
জ) মঞ্জুরীকৃত ব্যায়াদি (যদি কোন) পরিমাণ;
ঝ) যার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি প্রার্থনা করা হয় তার নাম; এবং
ঞ) নিম্নোক্ত যে পদ্ধতিতে আদালতে সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তা-

১. সুস্পষ্টভাবে ডিক্রিপ্রাপ্ত কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা,
২. কোন সম্পত্তির ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা বা ক্রোক ব্যতীত নিলাম বিক্রয় দ্বারা, ৩. কোন ব্যক্তির গ্রেফতার এবং জেলে আটক,
৪. তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্তির দ্বারা,
৫. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকারের ধরণে প্রয়োজন হতে পারে এ রকম অন্য কোনভাবে হতে পারে।

৩) উপরোক্ত (২) উপ-বিধির অধীনে যে আদালতে আবেদন করা হবে, ঐ আদালত আবেদনকারীকে ডিক্রির একটি প্রত্যায়িত নকল দাখিল করতে তলব করতে পারে।
অর্থাৎ মোকদ্দমা পরিচালনাকারী বিচারকের নাম অন্তভুক্ত করার বিধান নেই।
৮,১৬৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ধরনের আইন?
  1. তত্ত্বগত আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. প্রশাসনিক আইন
  4. শাস্তিমূলক আইন
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) হলো তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)।
- তত্ত্বগত আইন এমন আইন, যা কোনো ব্যক্তির অধিকার, কর্তব্য বা দায়িত্ব নির্ধারণ করে এবং শাস্তির বিধান দেয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে দেওয়ানি মামলায় বিশেষ ধরণের প্রতিকার (যেমন: সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া, চুক্তি বাস্তবায়ন) প্রদানের জন্য বিধান রয়েছে, যা ব্যক্তির অধিকার সংরক্ষণ করে।

অন্যদিকে, পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law) হলো আইন, যা মামলার বিচারপ্রক্রিয়া বা পদ্ধতি নির্ধারণ করে (যেমন: দেওয়ানী কার্যবিধি বা ফৌজদারি কার্যবিধি)।

অতএব, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন হলো তত্ত্বগত আইন, কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে এবং প্রতিকার দেয়।
৮,১৭০.
According to the Constitution of Bangladesh, The people of Bangladesh as a nation are known as -
  1. Bangladeshis
  2. Bengalis
  3. Bangalees
  4. Bangabanshis
ব্যাখ্যা

Article 6 of the Constitution of Bangladesh: Citizenship-
(1) The citizenship of Bangladesh shall be determined and regulated by law. 
(2) The people of Bangladesh shall be known as Bangalees as a nation and the citizens of Bangladesh shall be known as Bangladeshies.

অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব-
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে। 
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশি বলিয়া পরিচিত হইবেন।

৮,১৭১.
Shayara Bano Vs. Union of India (2017) case is related with-
  1. Mahr
  2. Divorce
  3. Triple Talaq
  4. Muta marriage
ব্যাখ্যা

তিন তালাক মামলা (Shayara Bano v. Union of India, 2017):
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট এক ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে ঘোষণা করে যে, তিন তালাক (Triple Talaq বা Talaq-e-Biddat) অসাংবিধানিক ও স্বেচ্ছাচারী। 

ঘটনাপ্রবাহ (Facts of the Case):
আবেদনকারী শায়ারা বানু (Shayara Bano) ও তার স্বামী রিজওয়ান আহমদ (Rizwan Ahmad)-এর বিবাহ ১১ এপ্রিল ২০০১ সালে শরিয়ত মোতাবেক সম্পন্ন হয়। তাদের এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। ১০ অক্টোবর ২০১৫ সালে রিজওয়ান আহমদ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তিনবার “তালাক, তালাক, তালাক” উচ্চারণ করে ত্রিপল তালাকের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘোষণা করেন। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শায়ারা বানু সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন এবং তিন তালাকের সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন।

সিদ্ধান্ত (Conclusion):
- আদালত ঘোষণা করে, তিন তালাক অসাংবিধানিক ও অবৈধ।
- আদালত সরকারকে নির্দেশ দেয়, যেন মুসলিম বিবাহ ও তালাক সংক্রান্ত প্রথা আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

৮,১৭২.
According to Section 143 of The Evidence Act, 1872, when may leading questions be asked?
  1. During re-examination
  2. During examination-in-chief
  3. During cross-examination
  4. In all stages of examination
ব্যাখ্যা
⇒ Answer: During cross-examination.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তাহার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাহাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয় ৷

- সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাইবে নাঃ বিরুদ্ধপক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দি ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
যে-সকল বিষয় ভুমিকামূলক অথবা অবিসংবাদিত অথবা পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হইয়াছে বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই সকল বিষয় সম্পর্কে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করিবার অনুমতি আদালত অবশ্যই দিবেন।
- সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন যখন করা যাইতে পারে: জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।
--------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 141. Leading questions:
Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
⇒ The Evidence Act,1872, Section 142. When they must not be asked:
Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 
The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
⇒ The Evidence Act,1872, Section 143. When they may be asked:
 Leading questions may be asked in cross-examination.
৮,১৭৩.
একটি বিক্রয়-চুক্তি সম্পাদনের তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে?
  1. ৭দিন
  2. ১৫দিন
  3. ৩০দিন
  4. ৬০দিন
ব্যাখ্যা

• ধারা ১৭কঃ বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন
 (১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
----
Section 17A. Registration of contract for sale, etc.
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 
 
(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

৮,১৭৪.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞা প্রদানের বিধান আছে?
  1. 52
  2. 57
  3. 56
  4. 42
ব্যাখ্যা

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫৭-এ নেতিবাচক চুক্তি (Negative Agreement) পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রদানের বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি একটি চুক্তিতে হাঁ-সূচক (Affirmative) এবং নেতিবাচক (Negative) উভয় ধরনের সম্মতি থাকে, তবে আদালত হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বাধ্য করতে অক্ষম হলেও নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে, শর্ত থাকে যে বাদী তার অংশে চুক্তি পালনে ব্যর্থ হয়নি।

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারার বিধান হল নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞা : ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।

- নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-57. Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

Illustrations:
(a) A contracts to sell to B for taka 1,000 the good-will of a certain business unconnected with business-premises, and further agrees not to carry on that business in Chittagong. B pays A the taka 1,000 but A carries on the business in Chittagong. The Court cannot compel A to send his customers to B, but B may obtain an injunction restraining A from carrying on the business in Chittagong.
(b) A contracts to sell to B the good-will of a business. A then sets up similar business close by B's shop and solicits his old-customers to deal with him. This is contrary to his implied contract, and B may obtain an injunction to restrain A from soliciting the customers, and from doing any act whereby their good-will may be withdrawn from B.

(c) A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

(d) B contracts with A that he will serve him faithfully for twelve months as a clerk. A is not entitled to a decree for specific performance of the contract. But he is entitled to an injunction restraining B from serving a rival house as clerk.
(e) A contracts with B that, in consideration of taka 1,000 to be paid to him by B on a day fixed, he will not set up a certain business within a specified distance. B fails to pay the money. A cannot be restrained from carrying on the business within the specified distance.

৮,১৭৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর কোন বিধি অনুসারে আপিল আদালত নতুন ইস্যু নির্ধারণ করে বিচারিক আদালতে পাঠাতে পারে?
  1. বিধি-২৩
  2. বিধি-২৪
  3. বিধি-২৫
  4. বিধি-২৬
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ২৫ অনুযায়ী, যদি আপিল আদালত মনে করে যে মূল আদালত কোনো প্রয়োজনীয় ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার করতে ব্যর্থ হয়েছে, এবং সে ইস্যুটি মামলার মেরিট বিচার করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাহলে আপিল আদালত নিজেই নতুন ইস্যু নির্ধারণ করতে পারে এবং সেই ইস্যুগুলোর বিচার করার জন্য মামলাটি আবার মূল আদালতে পাঠাতে পারে।
- এই বিধির আওতায় আপিল আদালত ইস্যু নির্ধারণ করে; সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিচার করার জন্য আদেশ দেয়; বিচার শেষে সেই আদালত তার মতামত সহ প্রমাণাদি আপিল আদালতে ফেরত পাঠায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫ অনুযায়ী যদি সেই আদালত, যার রায় থেকে আপিল করা হয়েছে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার না করে থাকে যা মামলার মূল বিবেচনার জন্য অপরিহার্য, তাহলে আপিল আদালত সেই ইস্যুগুলো নির্ধারণ করে মামলা ফের সেই আদালতে বিচারার্থে পাঠাতে পারে।
এই ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
বিচারিক আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করে তার রায় ও কারণসহ আপিল আদালতে ফেরত পাঠাবে।
অতএব, নতুন ইস্যু নির্ধারণ ও মামলাকে ফেরত পাঠানোর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫-এ রয়েছে।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) বিধি-২৫।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-25. Where Appellate Court may frame issues and refer them for trial to Court whose decree appealed from:
Where the Court from whose decree the appeal is preferred has omitted to frame or try any issue, or to determine any question of fact, which appears to the Appellate Court essential to the right decision of the suit upon the merits, the Appellate Court may, if necessary, frame issues, and refer the same for trial to the Court from whose decree the appeal is preferred,
and in such case shall direct such Court to take the additional evidence required; and such Court shall proceed to try such issues, and shall return the evidence to the Appellate Court together with its findings thereon and the reasons therefor.
৮,১৭৬.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, আরজি খারিজ হওয়ার কারণ কোনটি হতে পারে?
  1. আরজির সাথে তপশিল ও দলিলের তালিকা সংযুক্ত না থাকলে
  2. সমন জারির খরচ বা নোটিশের ডাক খরচ পরিশোধ না হলে
  3. ধারা ২৫ অনুযায়ী ফি পরিশোধ না হলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৬(৮) অনুযায়ী, আরজি নিম্নলিখিত যেকোনো কারণে খারিজ হতে পারে-
(ক) আরজির সাথে তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকা সংযুক্ত না থাকলে,
(খ) সমন জারির খরচ ও নোটিশের ডাক খরচ পরিশোধ করা না হলে,
(গ) ধারা ২৫ অনুযায়ী নির্ধারিত ফি পরিশোধ করা না হলে।
- এই তিনটি শর্ত পূরণ না হলে আদালত আরজি গ্রহণ করবে না বা তা খারিজ করে দিতে পারে।
- তাই সঠিক উত্তর “উপরে সকল কারণ” অর্থাৎ ঘ)।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৬(৮) নিম্নলিখিত যেকোনো কারণে আরজি খারিজ হইবে, যথা:-
(ক) উপধারা (৭) এর অধীন আবশ্যকতা অনুসারে তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ আরজির অবিকল নকলসমূহ উহার সহিত সংযুক্ত না থাকে;
(খ) ধারা ৭ এর উপধারা (৫) অনুযায়ী সমন জারির খরচ এবং নোটিশের জন্য ডাক খরচ পরিশোধিত না হয়;
(গ) আরজি উপস্থাপনের সময় ধারা ২৫ অনুযায়ী প্রদেয় ফি পরিশোধ করা না হয়।

৮,১৭৭.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় বেআইনী সমাবেশ এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ১৪৬
  2. ১৪১
  3. ১৪৭
  4. ৪৪৭
ব্যাখ্যা
দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।

♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনী সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

♦ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
৮,১৭৮.
একজন আইনজীবী অপমান করার উদ্দেশ্যে সাক্ষীকে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন করে যা মামলার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। এই প্রশ্নটি সাক্ষ্য আইনের ১৫২ ধারা অনুসারে-
  1. গ্রহণযোগ্য
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নিষিদ্ধযোগ্য
  4. রেকর্ডে নেওয়া হবে না কিন্তু প্রশ্ন করা যাবে
ব্যাখ্যা
 • সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত যে কোনো প্রশ্ন নিষিদ্ধ করবে যা তার কাছে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে মনে হয়, অথবা যা, নিজে যথাযথ হলেও, আদালতের কাছে অনাবশ্যকভাবে আপত্তিকর রূপে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
৮,১৭৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা কোন ধরণের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. সাময়িক আদেশ
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৪ ধারা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) সংক্রান্ত।
- এই ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তির একটি আইনি অধিকার লঙ্ঘন বা লঙ্ঘনের হুমকি দেওয়া হয় এবং সেই লঙ্ঘনের ফলে এমন ক্ষতি হতে পারে, যার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার নয়; অথবা যার ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায় না; অথবা যেখানে বিচারিক কার্যধারার জটিলতা রোধ করতে হয়, তখন আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন। এটি সাধারণত চূড়ান্ত রায় ঘোষণার সময় কার্যকর হয় এবং ভবিষ্যতে অধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ করে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.
Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.

৮,১৮০.
অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর নিম্নোক্ত কোন ধারায় শর্ত আরোপ করা হয়েছে?
  1. ১৯২
  2. ১৯৩
  3. ১৯৫
  4. ১৯৪
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা ১৯৫ এমন কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে শর্ত আরোপ করে, যাতে আদালত নিজে থেকে (suo moto) বা সাধারণ অভিযোগের ভিত্তিতে সেই অপরাধ আমলে নিতে না পারে যতক্ষণ না নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করে।

ধারা ১৯৫- সরকারী কর্মচারীর আইন সংগত কর্তৃত্ব অবমাননার অভিযোগ:
(১) কোন আদালত আমলে আনবেন না-
ক) সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মচারী অথবা তিনি যার অধীনস্ত তার লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ১৭২ ধারা হতে ১৮৮ ধারার অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ; জনসাধারণের ন্যায় বিচার বিরোধী কতিপয় অপরাধের অভিযোগঃ

খ) অপরাধটি কোন আদালতের কার্যক্রমে বা কোন কার্যক্রম সম্পর্কে করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হলে উক্ত আদালত বা উহা যে আদালতের অধস্তন সেই আদালতের লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ১৯৩, ১৯৪, ১৯৫, ১৯৬, ১৯৯, ২০০, ২০৫, ২০৬, ২০৭, ২০৮, ২০৯, ২১০, ২১১ বা ২২৮ ধারার অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ অথবা, সাক্ষ্যে প্রদত্ত দলিলাদি সম্পর্কিত কতিপয় অপরাধের অভিযোগঃ

গ) অপরাধটি কোন আদালতের কোন কার্যক্রমে পেশকৃত বা সাক্ষ্যে গৃহীত কোন দলিল সম্পর্কে উক্ত কার্যক্রমের কোন পক্ষ কর্তৃক সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হলে উক্ত আদালত বা উহা যে আদালতের অধস্তন সেই আদালতের লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় বর্ণিত বা ৪৭১, ৪৭৫ বা ৪৭৬ ধারার অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ ।

(২) উপধারা (১)-এর (খ) (গ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত আদালত বলতে দেওয়ানী রাজস্ব বা ফৌজদারী আদালত বুঝায়, কিন্তু ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন কোন রেজিষ্টার বা সাব রেজিষ্ট্রারকে বুঝায় না।

(৩) এই ধারার উদ্দেশ্যে কোন আদালতকে সেই আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করা হবে যে আদালতে পূর্বতন আদালতের আপীলযোগ্য ডিক্রি বা দণ্ডের বিরুদ্ধে সাধারণতঃ আপীল করা যায় অথবা দেওয়ানী আদালতের ক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে সাধারণতঃ সাধারণ মূল এখতিয়ার সম্পন্ন প্রধান আদালতে আপীল চলে না সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত দেওয়ানী আদালত অবস্থিতঃতবে শর্ত এই যে—ক) যখন কোন নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক আদালত আপীল চলে, তখন উক্ত আদালতকে নিম্ন মানের এখতিয়ারবান আপীল আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করতে হবে, এবং
খ) যখন দেওয়ানী আদালতে আপীল চলে এবং রাজস্ব আদালতেও আপীল চলে, তখন যে মামলা বা কার্যক্রম সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে, সেই মামলা বা কার্যক্রমের প্রকৃতি অনুসারে উক্ত আদালতকে দেওয়ানী বা রাজস্ব আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করতে হবে।

(৪) (১) উপ-ধারায় উল্লেখিত অপরাধসমূহের ক্ষেত্রে উক্ত (১) উপধারার বিধানাবলী অপরাধ করার ষড়যন্ত্র, সহায়তা এবং চেষ্টার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

(৫) কোন সরকারী কর্মচারী (১) উপধারার (ক) অনুচ্ছেদের অধীন অভিযোগ করলে তিনি যে কর্তৃপক্ষের অধস্তন সেই কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারেন এবং এরূপ করা হলে উক্ত কর্তৃপক্ষ উক্ত আদেশের একটি নকল আদালতে প্রেরণ করবেন এবং আদালত উহা পাবার পর উক্ত অভিযোগ সম্পর্কে আর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।
৮,১৮১.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় 'ক' রাষ্ট্রদোহিতা অপরাধে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে তাকে আপিল করতে হবে-
  1. দায়রা জজ বরাবর
  2. হাইকোর্ট বিভাগ বরাবর
  3. ক বা খ
  4. 'ক' যে আদালতে আপিল দায়ের করতে চায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল

যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে। নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-

(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class

Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-

(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৮,১৮২.
ঠগের সংজ্ঞা ছেয়ে কোথায়?
  1. ৩০১ ধারায়
  2. ৩১০ ধারায়
  3. ৩১১ ধারায়
  4. ৩০০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে।  খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে দুষ্টু মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। সমস্ত ঠগই দস্যু এবং ডাকাত কিন্তু সমস্ত দস্যু বা ডাকাত ঠগ নয়।
৮,১৮৩.
নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ বা ভবিষ্যত কোন দিনে রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. মোকদ্দমার শুনানির পর পক্ষগণ বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. ক বা খ
  4. পক্ষদ্বয়ের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর দশদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবে
ব্যাখ্যা
• "রায়" বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসাবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তা বুঝায়। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ,বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
৮,১৮৪.
For the recession of a contract - এটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু?
  1. ১১৫ অনুচ্ছেদ
  2. ১৪১ অনুচ্ছেদ
  3. ১১৪ অনুচ্ছেদ
  4. ১১৩ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
For the recession of a contract - এটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১১৪ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা (For recession of a contract) দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে। চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার‌ প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।
৮,১৮৫.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর Section 138(1) এর বিধান অনুসারে ব্যাংকের হিসাবে অপর্যাপ্ত অর্থ আছে জানা সত্ত্বেও চেক প্রদানের ফলে তা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার মামলায়, অভিযুক্ত ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি হিসাবে-
  1. তিনগুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড প্রদান করা যায়
  2. এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড প্রদান করা যায়
  3. কারাদণ্ডসহ তিনগুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড প্রদান করা যায়
  4. উপরের সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
৮,১৮৬.
কয়টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করা হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করা হয়েছে।
♦মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যাবে যদি-
ক. দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে তার আয়ত্তে আছে বা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা সেই ব্যক্তির দখলে আছে যে ব্যক্তি দলিলটি পেশ করতে বাধ্য কিন্তু নোটিশ পাওয়া সত্ত্বেও দাখিল করছে না।
খ. দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে সে ব্যক্তি দলিলটির অস্তিত্ব লিখিত ভাবে স্বীকার করে নিয়েছে।
গ. মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে বা নষ্ট হয়ে গেছে।
ঘ. দলিলটি সহজে স্থানান্তরযোগ্য না হলে ।
ঙ. মূল দলিলটি সরকারী দলিল হলে।
চ. দলিলটির জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের নিয়ম থাকলে
ছ. মূল দলিলের পরীক্ষা আদালতের জন্য সুবিধাজনক না হলে।
৮,১৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম বাতিল ঘোষনা করতে পারে?
  1. ৫৬৫ ধারা
  2. ৫৬২ ধারা
  3. ৫৬১ক ধারা
  4. ৫৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
• উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের বা আধা-বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কোন কার্যধারা, আদেশ বা রায় বাতিল করার প্রক্রিয়াই 'Quashment' নামে পরিচিত।
অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা করাকে Quashment of the proceeding বলে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় ‘Quashment' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগ তার অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বলে ন্যায়বিচারের স্বার্থে কোন ফৌজদারি মামলা বা মামলার যে কোন কার্যধারা বাতিল ঘোষণা করতে পারেন। যেমন- বিনা কারণে মামলার বিচার বিলম্বিত হলে বা কোন মোকদ্দমার বিচার আরম্ভ বিলম্ব হলে উক্ত মোকদ্দমার বিচার বা proceeding quash হবে।
৮,১৮৮.
দেওয়ানি আদালত কর্তৃক স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি প্রচারের ক্ষমতা-
  1. বিবেচনামূলক
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. নিরোধমূলক
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

♦ The Specific Relief Act,1877-Section 52. Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

♦ প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা

২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার । দেওয়ানী আদালত কর্তৃক নিরোধমূলক প্রতিকার যেমন স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি প্রচারের ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন বা বিবেচনামূলক অথাবা ইচ্ছাধীন।
৮,১৮৯.
যদি কেউ কারো নাকে ঘুষি মারে এবং নাক ভেঙে মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করে, তাহলে এটি কী ধরনের অপরাধ?
  1. হত্যার চেষ্টা
  2. সাধারণ জখম
  3. গুরুতর জখম
  4. অপরাধই নয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) গুরুতর জখম।
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩২০ অনুসারে, "গুরুতর জখম" (Grievous hurt) বলতে এমন কিছু নির্দিষ্ট আঘাতকে বোঝানো হয় যা শারীরিকভাবে স্থায়ী ক্ষতি বা বিকৃতি সৃষ্টি করে।
- উক্ত ধারার ষষ্ঠ অংশে বলা হয়েছে: “মাথা বা মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি” — এটি গুরুতর জখম হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ অর্থাৎ যদি কেউ ঘুষি মেরে অপরের নাক ভেঙে দেয় এবং ফলে মুখমণ্ডলের গঠন স্থায়ীভাবে বিকৃত হয়ে যায়, তবে এটি ধারা ৩২০ এর ষষ্ঠ দফা অনুযায়ী গুরুতর জখম।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৮,১৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১১, বিধি-১ অনুযায়ী, পক্ষরা কোন সময়সীমার মধ্যে আদালতের অনুমতি নিয়ে লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১১, বিধি-১ অনুযায়ী, পক্ষরা আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলার ইস্যু নির্ধারণের দিন থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারবে। এই প্রশ্নমালাগুলো আদালতের অনুমতির পরে এক বা একাধিক পক্ষের বিরুদ্ধে দেয়া যেতে পারে এবং প্রশ্নমালার শেষে তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে কোন পক্ষকে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
- অর্থাৎ আদেশ-১১ বিধি-১ অনুযায়ী, প্রশ্নমালা প্রদানের জন্য ১০ দিন সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-1: Discovery by Interrogatories:
- In any suit, the plaintiff or defendant, by leave of the Court, may, [within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories, when delivered, shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer:
Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose:
Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.
৮,১৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারায় যদি আসামী দণ্ডপ্রাপ্ত হয় এবং তার জেল হাজতে থাকা সময় দণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ দেয়া হয়, তবে এটি কোন শর্তে প্রযোজ্য হবে না?
  1. যারা শুধুমাত্র অর্থদণ্ড প্রাপ্ত
  2. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে
  3. যে সকল আসামি জামিনে মুক্ত থাকে
  4. যারা পাঁচ বছরের কম সময় জেলে ছিল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি আসামী দণ্ডপ্রাপ্ত হন এবং তার জেল হাজতে থাকা সময় দণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ দেয়া হয়, তবে এটি মৃত্যুদণ্ড (death penalty) প্রাপ্ত আসামীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে তার জেল হাজতে থাকা সময় কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৮,১৯২.
"Power to award compensation in certain cases" সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতাঃ কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।

যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।

এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।

ব্যাখ্যাঃ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।

-----------------------
Section 19 Power to award compensation in certain cases:
 Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly. 
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly. 
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct. 
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
৮,১৯৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন মৃত আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার দরখাস্ত কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৭৬

মৃত বাদী অথবা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।

অন্যদিকে, তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৭ অনুযায়ী-
মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৮,১৯৪.
অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের নালিশ দায়ের করতে হয়-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  2. বার কাউন্সিলে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. বিচারকের কাছে
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ-৩২ অনুযায়ী একজন এ্যাডভোকেটের অসদাচরনের জন্য তার বিরুদ্ধে আদালত বা কোন ব্যক্তি প্রথমে বার কাউন্সিলের নিকট অভিযোগ দিতে পারেন, কেননা অসদাচরনের জন্য সরাসরি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করা যায় না। অভিযোগ পাওয়ার পর বার কাউন্সিল অভিযোগের যৌক্তিক কারণ থাকলে, অভিযোগটি অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী গঠিত বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালে পাঠাবেন। এছাড়া বার কাউন্সিল নিজ উদ্যোগেও কোন আইনজীবীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ পাঠাতে পারে।
♦সুতরাং কোন আইনজীবীর পেশাগত অসদাচরনের বিরুদ্ধে ৩ জন অভিযোগ করতে পারে- i) আদালত, ii) বার কাউন্সিল অথবা iii) অন্য যে কোন ব্যক্তি।
৮,১৯৫.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারায় তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখার বিধান নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ২৮ ধারায়
  2. ২৮গ ধারায়
  3. ২৮খ ধারায়
  4. ২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮খ- তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা

(১) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত কোন অপরাধের বিষয়ে কোন ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত কোন তথ্য (information) কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী আদালতে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করা যাইবে না, বা কোন সাক্ষীকে অভিযোগকারীর নাম, ঠিকানা বা পরিচয় প্রকাশ করিতে দেওয়া বা প্রকাশ করিতে বাধ্য করা যাইবে না, বা এমন কোন তথ্য উপস্থাপন বা প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে না যাহাতে তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশিত হয় বা হইতে পারে। 
 
(২) কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলার সাক্ষ্য প্রমাণের অন্তর্ভুক্ত কোন বহি, দলিল বা কাগজপত্রে যদি এমন কিছু থাকে, যাহাতে তথ্য প্রদানকারীর নাম, ঠিকানা বা পরিচয় অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাহা হইলে আদালত কোন ব্যক্তিকে উক্ত বহি, দলিল বা কাগজপত্রের যে অংশে উক্তরূপ পরিচয় লিপিবদ্ধ থাকে সেই অংশ পরিদর্শনের অনুমতি প্রদান করিবে না। 
 
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন ও উহার তফসিলে বর্ণিত কোন অপরাধের অভিযোগ পূর্ণ তদন্তের পর আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, তথ্য প্রদানকারী ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করিয়াছেন অথবা তথ্য প্রদানকারীর প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ ব্যতীত মামলার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, তাহা হইলে আদালত তথ্য প্রদানকারীর পূর্ণ পরিচয় প্রকাশ করিতে পারিবে।
৮,১৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারা সম্পর্কিত নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ১৪৫ ধারার ক্ষমতা হল বাধ্যতামূলক
  2. ১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে
  3. ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা মালিকানা নির্ধারণ হয় না
  4. ১৪৫ ধারার আদেশের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
- ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
- ১৪৫(৪) ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট দখল সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে গিয়ে পক্ষসমূহ ও সাক্ষীদের বক্তব্য শ্রবন ও সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।

-সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা বৃদ্ধি না করলে ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; কিন্তু ১৪৫ ধারার আদেশের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই।
-যেহেতু ১৪৫ ধারায়  he, shall শব্দাবলী ব্যবহার করা হয়েছে তাই ১৪৫ ধারার ক্ষমতা বাধ্যতামূলক।

- প্রশ্নেমতে ১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে তথ্যটি সঠিক নয়।
৮,১৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারাটি স্ত্রীলোক সম্পর্কিত?
  1. ৪৭
  2. ৫১
  3. ৫২
  4. ৫৩
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৫২ তে স্ত্রীলোকের দেহতল্লাশী এর পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে।
• কোন নারীর দেহ তল্লাশীর প্রয়োজন হলে অন্যকোন নারী দ্বারা কঠোরভাবে শালীনতা বজায় রেখে তল্লাশী করতে হবে।
৮,১৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুযায়ী, কোন অবস্থায় তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আসামিকে মুক্তি দিতে পারেন? 
  1. আসামি দোষী সাব্যস্ত না হলে
  2. তদন্তে প্রমাণের অভাব হলে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে
  4. সাক্ষীরা অনুপস্থিত থাকলে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুযায়ী, তদন্তের পর যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ বা যুক্তিসংগত সন্দেহের ভিত্তি নেই, তাহলে তিনি আসামিকে (হেফাজতে থাকলে) একটি মুচলেকা (bond) সম্পাদন করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
- তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
- If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police station or to the police officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate,
- such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offense on a police-report and to try the accused or send him for trial.

৮,১৯৯.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী নিম্নের কোন যোগাযোগ বা পত্রালাপ প্রকাশে বাধ্য করা যাবে না?
  1. পুলিশ ও আসামির যোগাযোগ বিষয়বস্তু
  2. স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু
  3. উকিল ও মক্কেলের বার্তার বিষয়বস্তু
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারার বিধান: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা: কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে। 
--------------
⇒ Communications during marriage: Section 122. No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৮,২০০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৪ অনুযায়ী দলিল সংশোধনের পর সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য বাদীকে কী করতে হবে?
  1. আপিল দায়ের করতে হবে
  2. একটি নতুন মামলা দায়ের করতে হবে
  3. আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে
  4. শুধুমাত্র মৌখিক অনুরোধ করলেই চলবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা অনুসারে, কোনো চুক্তি সংশোধনের পর সেটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন চাওয়ার জন্য বাদীকে অবশ্যই মামলার আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে। অর্থাৎ, বাদী যদি মনে করেন যে সংশোধনের পর চুক্তিটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা উচিত, তবে তিনি মামলার শুরুতেই তার আবেদনপত্রে (plaint) সংশোধন ও বাস্তবায়নের জন্য প্রার্থনা করতে পারেন।

ধারা ৩৪-এর মূল কথা:
- প্রথমে চুক্তি সংশোধনের জন্য মামলা করা যেতে পারে।
- আদালত যদি সংশোধন অনুমোদন করেন, তবে সংশোধিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য প্রার্থনা করতে হবে।
- এই প্রার্থনা মামলার আরজিতে (plaint) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
- আদালত যদি মনে করেন যে সংশোধনের পর চুক্তিটি বাস্তবায়ন করা যেতে পারে, তবে তিনি সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা অনুসারে, সংশোধনের পর সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য বাদীকে অবশ্যই মামলার আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে। এটি আদালতের বিবেচনার ভিত্তিতে মঞ্জুর হতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section- 34. Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced. 
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.