বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা / ১৫৫ · ৭০১৮০০ / ১৫,৪৭০

৭০১.
রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক কত সময়ের জন্য হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১০৮: রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণের জন্য মুচলেকা প্রদান-
যখনই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত, জানতে পারেন যে তাঁর এখতিয়ারের মধ্যে এমন কোনো ব্যক্তি আছেন, যিনি ওই এখতিয়ারের ভেতরে বা বাইরে ইচ্ছাকৃতভাবে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক বিষয় প্রচার করেন বা প্রচারের চেষ্টা করেন, অথবা প্রচারে সহায়তা করেন-**
(ক) এমন কোনো বিষয়, যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ধারা ১২৩ক বা ১২৪ক অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য;
(খ) এমন কোনো বিষয়, যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ধারা ১৫৩ক অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য;
(গ) বিচারক সম্পর্কিত এমন কোনো বিষয়, যা দণ্ডবিধি অনুযায়ী অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শন বা মানহানির সামিল;

তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যদি তাঁর মতামত অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ থাকে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে একটি বন্ডে স্বাক্ষর করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যা ভালো আচরণ নিশ্চিত করার জন্য, সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য হতে পারে।

তবে, কোনো নিবন্ধিত প্রকাশনা, যা "মুদ্রণ যন্ত্র ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৩" অনুযায়ী সম্পাদিত, মুদ্রিত এবং প্রকাশিত হয়েছে, তার সম্পাদক, প্রকাশক, মুদ্রক বা মালিকের বিরুদ্ধে এই ধারার অধীনে কোনো কার্যক্রম নেওয়া যাবে না, যদি না সরকার বা সরকারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার নির্দেশ বা অনুমোদন থাকে।
৭০২.
কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার অধীনে একই বিচারে একাধিক অপরাধের শাস্তি প্রদান করেন, তবে মোট শাস্তির পরিমাণ-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ এখতিয়ারের দ্বিগুণের বেশী হবে না
  2. ২০ বছরের অধিক কারাদণ্ড হবে না
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ এখতিয়ারের তিন গুণের বেশী হবে না
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:

(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
 
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
 
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
 
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
৭০৩.
সর্বনিম্ন কত বছর বয়সী শিশু আদালতে সাক্ষী হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারে?
  1. ১২
  2. ১৬
  3. ১৮
  4. কোনো বয়সসীমা নেই
ব্যাখ্যা
♦ আদালতের বিচার কার্যক্রমে কারা সাক্ষ্য দিতে পারবে সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।

♦ সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না; তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা ।
৭০৪.
'মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে' এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৫৯ ধারা
  2. ৬০ ধারার
  3. ৬১ ধারার
  4. ৬২ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী-মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে অর্থাৎ সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে হবে বা শুনতে হবে বা উপলব্ধি করতে হবে। অন্যের মারফত শোনা ঘটনা এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অথাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
-------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৭০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঙ ধারা অনুসারে আসামির দোষ স্বীকারের প্রেক্ষিতে দণ্ডিত করার ক্ষমতা কোন আদালতের রয়েছে?
  1. দায়রা আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. 'ক' অথবা 'খ' উভয়ই 
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঙ বিশেষভাবে দায়রা আদালত (Court of Session)-এর জন্য প্রযোজ্য। এটি অধ্যায় XXIIA-এর অধীন একটি বিশেষ বিধান যা শুধুমাত্র দায়রা আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট।
- ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ পর্যন্ত বিধানগুলো দায়রা আদালতের বিচার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে। 
অন্যদিকে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার পদ্ধতি অধ্যায় XX (ধারা ২৪১-২৫০)-এ বর্ণিত হয়েছে। 
- ধারা ২৬৫ঙ-তে  "দায়রা আদালতে দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে দণ্ড" নির্দেশ করে। 
সুতরাং, শুধুমাত্র দায়রা আদালতই ধারা ২৬৫ঙ-এর অধীন আসামির দোষ স্বীকারের প্রেক্ষিতে তাকে দণ্ডিত করার ক্ষমতা রাখে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে, দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা অপরাধ স্বীকার করেন বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত হয় না, তাহলে আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু (সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265E. Conviction of plea of guilty:
- If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.

৭০৬.
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যদি কোনো বিতর্ক দেখা দেয়, তবে তা নিষ্পত্তির জন্য কার নিকট প্রেরিত হবে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পিকার
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:

(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না কিংবা এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।

৭০৭.
দণ্ডবিধি ২৯৫ ধারার অধীনে অপরাধ সংঘটিত হয় যদি —
  1. কোনো ব্যক্তিকে অপমান করা হল্র
  2. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হলে
  3. ধর্মীয় উপাসনালয়কে ক্ষতিগ্রস্ত বা অপবিত্র করা হলে
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা- কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপব্রিত করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 295⇒ Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:
Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৭০৮.
অ্যাডভোকেট ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি যদি আইন ব্যবসা করেন, তাহলে তাকে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে-
  1. ৬ মাস পর্যন্ত
  2. ৪ মাস পর্যন্ত
  3. ৩ মাস পর্যন্ত
  4. ২ মাস পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦একজন ব্যক্তি আইনজীবী না হয়ে আইন চর্চা/প্র্যাকটিস করতে পারবে না । যদি আইনজীবী না হয়ে আইন পেশা প্র্যাকটিস করে তার শাস্তি: ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড। আইনজীবী না হয়ে আইন চর্চা করে তারা 'টাউট' নামে অধিক পরিচিত।
৭০৯.
অ্যাডভোকেট না হয়েও আইন পেশা চর্চাকারীর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নেই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৪১:
“যে কোনো ব্যক্তি, যে একজন অ্যাডভোকেট নয় এবং আইন পেশা চর্চা করে, অথবা যে ব্যক্তি এই আদেশ অনুযায়ী হাইকোর্টে আইন চর্চার অধিকারী নয়, অথচ সে হাইকোর্টে আইন চর্চা করে- তাকে অনধিক ছয় মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।”
৭১০.
The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 কার্যকর হওয়ার তারিখ কোনটি?
  1. ৮ জুন, ২০২৫
  2. ৮ মে, ২০২৫ 
  3. ৮ জুলাই, ২০২৫
  4. ৮ এপ্রিল, ২০২৫
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন বিষয়ক ধারা ১(১) এবং ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি অধ্যাদেশের প্রকাশনার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে প্রণীত ও জারি করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, প্রশ্নটি The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance কার্যকর হওয়ার তারিখ সম্পর্কে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ১(২) তে বলা হয়েছে যে এটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।
- এই অধ্যাদেশটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে সংশোধনী এনেছে, যার মাধ্যমে মোকদ্দমার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

৭১১.
ধারা ১০৮ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তিকে মৃত বলে অনুমান করতে হলে, তাকে কত বছর নিখোঁজ থাকতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-
আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।

Section 108 ⇒ Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৭১২.
হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৮৩:
হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ অথবা আপিল বিভাগ [Appellate Division] কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলা:

তামাদি মেয়াদ: ১২ বছর।

সময় গণনার শুরু:
যেদিন সেই ব্যক্তি, যিনি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করতে পারেন, প্রথমবারের মতো তা কার্যকর করার অধিকার লাভ করেন, সেদিন থেকে।

৭১৩.
The Transfer of Property Act, 1882 এর কত ধারায় 'চুক্তির আংশিক সম্পাদন নীতি' বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৫৩
  2. ৫৩ক
  3. ৫৩খ
  4. ৫৩গ
ব্যাখ্যা
- The Transfer of Property Act, 1882 এর ৫৩ক ধারায় The Doctrine of Part performance সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে অর্থাৎ চুক্তি অনুযায়ী আংশিক কার্য সম্পাদন।

- The Transfer of Property Act, 1882 এর ৫৩ক ধারার বিধান চুক্তির আংশিক সম্পাদন: 
 যেখানে কোন ব্যক্তি লিখিত ও তার দ্বারা স্বাক্ষরিত বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত দলিল দ্বারা মূল্যের বিনিময়ে কোন স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য চুক্তি সম্পাদন করে যা হতে হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলি যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ধারণ করা যেতে পারে এবং হস্তান্তর গ্রহীতা চুক্তির আংশিক প্রতিপালনের জন্য সম্পত্তি বা এর অংশবিশেষের দখল গ্রহণ অথবা পূর্বে দখলে থাকলে দখল বজায় রেখে চুক্তিটি আংশিক ভাবে পালন করে এবং চুক্তি অনুসারে আরও কোন কাজ করে, এবং হস্তান্তরগ্রহীতা চুক্তিতে তার অংশ পালন করে বা করতে ইচ্ছুক থাকে।

 সেখানে হস্তান্তরের দলিল থাকলে হস্তান্তর তৎকালীন আইন অনুসারে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ করা না হলেও হস্তান্তরকারী বা তার কোন ওয়ারিশ চুক্তিপত্রে সুস্পষ্টরূপে উল্লিখিত অধিকার ছাড়া সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির ব্যাপারে অন্য কোন অধিকার হস্তান্তরগ্রহীতা বা তার ওয়ারিশগণের উপর প্রয়োগ করতে পারবে না।

 তবে এই ধারার কোন বিধান মূল্যের বিনিময়ে এবং এই চুক্তি বা এর আংশিক পালন সম্পর্কে অনবহিত হস্তান্তর গ্রহীতার কোন অধিকারকে প্রভাবিত করবে না।
-----------
- The Transfer of Property Act, 1882 Section 53A. Part performance:
 Where any person contracts to transfer for consideration any immoveable property by writing signed by him or on his behalf from which the terms necessary to constitute the transfer can be ascertained with reasonable certainty, 
and the transferee has, in part performance of the contract, taken possession of the property or any part thereof, or the transferee, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract and has done some act in furtherance of the contract, and the transferee has performed or is willing to perform his part of the contract, 
 
then, where there is an instrument of transfer, that the transfer has not been completed in the manner prescribed therefore by the law for the time being in force, the transferor or any person claiming under him shall be debarred from enforcing against the transferee and persons claiming under him any right in respect of the property of which the transferee has taken or continued in possession, other than a right expressly provided by the terms of the contract: 
 
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
৭১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় 'Application for execution by joint decree-holder' এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XXII, Rule 22
  2. Order XXI, Rule 15
  3. Order XXI, Rule 16
  4. Order XXI, Rule 18
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 15 তে 'Application for execution by joint decree-holder' এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৫: যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির আবেদন (Application for execution by joint decree holder): একাধিক ব্যক্তির অনুকূলে যৌথভাবে কোন ডিক্রি প্রদান করা হলে, একজন বা একাধিক ব্যক্তি তাদের সকলের উপকারার্থে সমগ্র ডিক্রি জারি করার জন্য আবেদন করতে পারে।
------------
⇒ Order-21 Rule-15. Application for execution by joint decree-holder:
(1) Where a decree has been passed jointly in favour of more persons than one, any one or more of such persons may, unless the decree imposes any condition to the contrary, apply for the execution of the whole decree for the benefit of them all, or, where any of them has died, for the benefit of the survivors and the legal representatives of the deceased.
(2) Where the Court sees sufficient cause for allowing the decree to be executed on an application made under this rule, it shall make such order as it deems necessary for protecting the interests of the persons who have not joined in the application.
৭১৫.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর নিচের কোন ধারাগুলোর অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হবে?
  1. ১৭, ১৯, ২৮ ও ৩২
  2. ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২
  3. ২৯, ৩০, ৩১ ও ৪৬
  4. ২১, ২২, ২৩ ও ২৪
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ৫২ ধারার বিধান অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা:
এই আইনের-
(ক) ধারা ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে;

(খ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ), ধারা ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১ ও ৪৬ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য হইবে; এবং

(গ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক)-তে উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে আপোষযোগ্য হইবে।
৭১৬.
'বিচারাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে খবরের কাগজে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা।'- একজন আইনজীবীর কোন দায়িত্বের মধ্যে পড়ে?
  1. মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
  2. জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব
  3. আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
  4. আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
ব্যাখ্যা

• "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে। অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য;
২য় অধ্যায়- মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব।

আদালতের প্রতি কর্তব্য-
১. আদালতে ভদ্রতার সাথে উপস্থিত হতে হবে।
২. মামলার বিরুদ্ধে উপদেশ দিবেন না।
৩. কখনো কোনো ভুল তথ্য বা অপব্যাখ্যা দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করবেন না।
৪. বিচারকের খাস কামরায় মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব ন্যায় বিচারের সহায়তা করা, অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া নয়। তাই সরকারি আইনজীবী সাক্ষ্য গোপন বা চাপিয়ে রাখবেন না।
৬. বিচারাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে খবরের কাগজে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা।
৭. বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে যাতে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করা না হয় সেই দিকে আইনজীবীদের চেষ্টা বা তা প্রতিহত করা উচিত।
৮. আইনজীবীর সময়মতো আদালতে উপস্থিত হওয়া উচিত।
৯. আদালত আহ্বান করলে নিরপেক্ষ আইনগত মতামত উপস্থাপন করা।

৭১৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৬৩ অনুযায়ী, দলিল প্রদর্শন ও পরিদর্শনের পরে দলিলকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়-
  1. যদি দলিলটি সরকারি হয়
  2. যদি উভয় পক্ষ সম্মত হয়
  3. যদি আদালত আদেশ দেয়
  4. যদি দলিল প্রদানকারী পক্ষ চায়
ব্যাখ্যা
Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৬৩- নোটিশে তলব করা ও প্রদত্ত দলিলকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার:
যখন কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে কোনো দলিল তলব করে, এবং সেই দলিল প্রদর্শন করা হয় ও তলবকারী পক্ষ তা পরিদর্শন করে, তখন যদি দলিল প্রদানকারী পক্ষ চায়, তাহলে তলবকারী পক্ষ বাধ্য থাকবে সেই দলিলকে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে।

"When a party calls for a document which he has given the other party notice to produce, and such document is produced and inspected by the party calling for its production, he is bound to give it as evidence if the party producing it requires him to do so."
৭১৮.
আদালতের স্থানীয় সীমার বাইরে সমন জারি করতে হবে আসামী যার এখতিয়ারভুক্ত সেই-
  1. পুলিশ সুপার বরাবর
  2. ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  4. সরাসরি ঐ ব্যক্তি বরাবর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭৩ অনুযায়ী- আদালতের স্থানীয় সীমার বাইরে সমন জারি করতে হবে সমনকৃত ব্যক্তির স্থানীয় সীমার দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট সমনের ২টি কপি পাঠিয়ে। উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সমনকৃত ব্যক্তির উপর সমন জারি করবেন।
৭১৯.
কোন ধরনের অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯(খ) অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না?
  1. জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত অভিযুক্ত
  2. আদালতে হাজির হওয়ার পর অভিযুক্ত পলাতক হলে
  3. পরোয়ানা জারির পর স্বেচ্ছায় হাজির না হওয়া অভিযুক্ত
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে; অর্থাৎ পলাতক বা আত্মগোপন করেছে এমন অভিযুক্তকে সর্বনিম্ন ৩০ দিনের সময় দিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে এবং লিখিত হুলিয়া জারি করেছে। তবে উক্ত লিখিত হুলিয়া জারির পরও অভিযুক্ত হাজির হয়নি এবং এই কারণে ৮৮ ধারা অনুসারে আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিয়েছে।

২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

• অনুপস্থিতিতে বিচারের পদ্ধতি:
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।

জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার:
পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান নিম্ন লিখিত ক্ষেত্রে অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না। ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, যেক্ষেত্রে-
i. অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার পর বা
ii. অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করার পর বা

জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি পলাতক হয় বা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে এমন পলাতক ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করতে তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার প্রয়োজন নেই।
৭২০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার অধীনে কোন ধরনের মোকদ্দমা দায়ের করা হয়?
  1. স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
  2. অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
  3. ফৌজদারি অপরাধ সম্পর্কিত
  4. প্রশাসনিক বিষয় সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

সুতরাং দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার অধীনে স্থাবর সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারাধীন হয়, তাহলে তার সম্পর্কিত মামলা কোনো একটি আদালতে করা যেতে পারে।
-----------
→ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.
৭২১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৩৩ ধারার অধীনে, কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউটর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত কে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. কমিশনের চেয়ারম্যান
  3. অনুমোদিত আইনজীবী
  4. অনুমোদিত বিশেষ প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
"দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪"-এর ধারা ৩৩: কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট:
(১) এই আইনের অধীন কমিশন কর্তৃক তদন্তকৃত এবং স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য মামলাসমূহ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রসিকিউটর এর সমন্বয়ে কমিশনের অধীন উহার নিজস্ব একটি স্থায়ী প্রসিকিউশন ইউনিট থাকিবে৷

(২) উক্ত প্রসিকিউটরগণের নিয়োগ ও চাকুরীর শর্তাবলী বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

(৩) এই ধারার অধীন কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউটর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত, কমিশন কর্তৃক অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত বা অনুমোদিত আইনজীবীগণ এই আইনের অধীন মামলাসমূহ পরিচালনা করিবে৷

(৪) এই ধারার অধীন নিযুক্ত প্রসিকিউটরগণ পাবলিক প্রসিকিউটর বলিয়া গণ্য হইবেন৷

(৫) দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় অথবা দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক গৃহীত যে কোন কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে কোন আদালতে কেহ কোন প্রতিকার প্রার্থনা করিলে দুর্নীতি দমন কমিশনকে পক্ষভুক্ত করিতে হইবে এবং দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত কোন মামলায় বা কার্যক্রমে কোন ব্যক্তি জামিন কিংবা অন্য কোন প্রকার প্রতিকার প্রার্থনা করিলে কমিশনকে শুনানীর জন্য যুক্তিসংগত সময় প্রদান না করিয়া শুনানি গ্রহণ করা যাইবে না।
৭২২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৫৩গ অনুসারে, প্রস্তুতকৃত খতিয়ান কোন আইনের অধীনে তৈরি করা হয়?
  1. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৯৮২
  2. রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০
  3. অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯
  4. সিভিল প্রসিডিউর কোড, ১৯০৮
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না:
কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবেন না যদি না তার নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হন, অথবা তার নাম বা তার পূর্বসূরির নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হন, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীনে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ানে সেই সম্পত্তির সম্পর্কে উল্লেখিত থাকে, এবং অন্যথায় কৃত যেকোন বিক্রয় বাতিল হবে।

Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold:
No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.
৭২৩.
According to the rule given under Section 135, what regulates the order of witnesses being produced and examined?
  1. The discretion of the witnesses
  2. The preference of the plaintiff
  3. The availability of the witnesses
  4. The law and practice relating to civil and criminal procedure
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৫ ধারা: সাক্ষীদের উপস্থাপনের ও পরীক্ষা করার ক্রম:
সাক্ষীদের উপস্থাপন এবং পরীক্ষা করার যে ক্রম তা দেওয়ানী ও ফৌজদারী কার্যক্রমের জন্য প্রযোজ্য আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। যদি কোন আইন না থাকে, তবে আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করবে।

[The order in which witnesses are produced and examined shall be regulated by the law and practice for the time being relating to civil and criminal procedure respectively, and, in the absence of any such law, by the discretion of the Court.]
৭২৪.
‘A’ একজন সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা দেয়, যাতে তিনি তার কাজে বাধা পান। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫৩ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারার বিধান:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, এমনকি উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty:
Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৭২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার অধীনে কে দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. পুলিশ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আদালত
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৪০১ ধারা মতে সরকার দণ্ড হ্রাস, মওকুফ ও পরিবর্তন করতে পারেন।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার বিধান দণ্ড স্থগিত অথবা মওকুফ করার ক্ষমতা (Power to suspend or remit sentences): সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা শর্তসাপেক্ষে দণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখতে পারেন বা সম্পূর্ণ দত্ত বা দণ্ডের অংশবিশেষ মওকুফ করতে পারেন।
- যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হলে, সরকার আদালতের প্রিজাইডিং জজকে আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিনা, সে সম্পর্কে মতামত জানাতে বলতে পারে এবং বিচারের নথি নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিতে পারে।
- যে সকল শর্তে দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করা হয়েছে তার কোনটি পালন করা হয়নি বলে মনে করলে সরকার স্থগিত বা মওকুফের আদেশ বাতিল করতে পারেন। উক্ত ব্যক্তি তখন মুক্ত থাকলে পুলিশ তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবে।
- রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, দণ্ড স্থগিত রাখা বা কার্যকরে বিলম্ব ঘটানো বা মওকুফ করার অধিকার অক্ষুন্ন থাকবে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-401.Power to suspend or remit sentences:
(1) When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time without conditions or upon any conditions which the person sentenced accepts, suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment to which he has been sentenced.
৭২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী মোকদ্দমা দায়েরের এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি কখন উত্থাপন করতে হবে?
  1. প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে
  2. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময়
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত আপত্তি উত্থাপন করা যায়।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ ধারার বিধান: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।
------------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
৭২৭.
The Evidence Act 1872 এর কত ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ১৩১ ধারায়
  2. ১৩২ ধারায়
  3. ১৩৩ ধারায়
  4. ১৩৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৩৩ ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য অর্থাৎ একই অপরাধে অভিযুক্ত একাধিক ব্যক্তির মধ্যে কেউ যদি নিজেকে এবং অন্য অভিযুক্তদের জড়িয়ে দোষ স্বীকার করে সে বিষয়ে বলা হয়েছে।
⇒  ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনী হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান: দুষ্কর্মের সহযোগীঃ-আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।

-------------------
Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৭২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৯৭৭-এর ধারা ৩৫ অনুযায়ী, চুক্তি রদের মামলা দায়ের করার সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩৫ এবং তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১১৪ অনুসারে চুক্তি রদের (rescission of contract) মামলা দায়ের করার সর্বোচ্চ সময়সীমা ১ বছর।

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪ অনুযায়ী, চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার‌ প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।

৭২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুসারে, ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের কাস্টডিতে থাকা জিনিসের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিতে পারেন কে?
  1. যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যেকোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৯৬(২) স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করেছে যে, ডাক বিভাগ বা টেলিগ্রাফ বিভাগের কাস্টডিতে থাকা কোনো দলিল, পার্সেল বা বস্তু সম্পর্কে তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করার ক্ষমতা কেবলমাত্র তিন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেটের আছে:
১) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
২) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM)
৩) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM)
- এই ক্ষমতা সাধারণ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান:
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-96: When search-warrant may be issued:
-(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition,
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person,
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection,
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৭৩০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের দণ্ড-
  1. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড
  2. ২ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৪ ধারার বিধান অপরাধের শাস্তি: 
 
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷
৭৩১.
দেওয়ানি মামলায় কোন পক্ষের অনুরোধে বিনা খরচে সর্বোচ্চ কতবার আপিল শুনানি মুলতুবি আদেশ দেয়া যায়?
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   •আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   •প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
-কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
- কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
- অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
--------------------
⇒ CPC Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or  disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
৭৩২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা বর্ণিত আছে? 
  1. অনুচ্ছেদ ৮০ 
  2. অনুচ্ছেদ ৯৬
  3. অনুচ্ছেদ ৯২
  4. অনুচ্ছেদ ৯৩
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ (অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা) শিরোনামেই স্পষ্টভাবে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা বর্ণিত আছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদটি রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা (Ordinance-making power), এর শর্তাবলী, সীমাবদ্ধতা এবং সংসদে উপস্থাপনের প্রক্রিয়া বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করে।

- সুতরাং, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা বর্ণিত আছে অনুচ্ছেদ ৯৩-এ।

৭৩৩.
"trustee" includes every person holding, expressly, by implication, or constructively, a fiduciary character.- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় এই সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Section 3- Interpretation-clause:
"trustee" includes every person holding, expressly, by implication, or constructively, a fiduciary character:

এর অর্থ হল:
"ট্রাস্টি" শব্দটি শুধুমাত্র সরাসরি নিযুক্ত ট্রাস্টিদেরই নয়, পরোক্ষভাবে বা প্রকৃতপক্ষে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য এমন সকল ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করে যারা আস্থাভাজন চরিত্র বহন করে। এখানে "আস্থাভাজন চরিত্র" বলতে বোঝায় অন্য কারও স্বার্থ বা মঙ্গল রক্ষা করার দায়িত্ব। যেমন - অভিভাবক, এগজিকিউটর, এডমিনিস্ট্রেটর ইত্যাদি।
অর্থাৎ, ট্রাস্টি শুধু সে নয় যাকে সরাসরি এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, বরং যারা পরোক্ষভাবে বা প্রকৃতপক্ষে অন্যের স্বার্থ বা মঙ্গল রক্ষার দায়িত্বে আছে তারাও ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য হবে।
৭৩৪.
A, Z কে হুমকি দেয় যে, তাকে টাকা না দিলে Z সম্পর্কে সে মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করবে। A যে অপরাধ করেছে তা -
  1. মানহানি
  2. অনিষ্টসাধন
  3. বলপূর্বক আদায়
  4. বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে ‘সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

♦দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়ের সাজা (Punishment for extortion):- কোন ব্যক্তি যদি বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায় করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৭৩৫.
কত বছর বয়সের শিশু কোন অপরাধ করলে তা অপরাধ গণ্য হয় না?
  1. ১০
  2. ১২
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮২ ধারা অনুযায়ী-
৯ বছরের কম বয়স্ক কোন শিশুর কার্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হয় না।

এবং ৮৩ ধারা অনুযায়ী-
৯ বছরের বেশী কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিনত বোধ সম্পন্ন শিশুর কোন কার্যই অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

অর্থাৎ ৭ বছর বয়সী শিশু কোন অপরাধ করলে তা অপরাধ গণ্য হয় না।
৭৩৬.
'কোনো দেওয়ানি আদালত তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করবে না।'- উক্ত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৩
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারায় (আর্থিক এখতিয়ার) সম্পর্কে বলা আছে-
অন্যত্র বর্ণিত সুস্পষ্ট বিধানসমূহ ছাড়া এই আইনের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার (যদি থাকে) বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।

Section 6: Pecuniary Jurisdiction-
Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.
৭৩৭.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে তামাদি (limitation) কখন শুরু হয়?
  1. প্রথমবার চুক্তিভঙ্গ হলে
  2. চুক্তি সম্পাদনের দিন থেকে
  3. চুক্তিভঙ্গ চলমান থাকলে প্রতি মুহূর্তে নতুন করে
  4. চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে
ব্যাখ্যা

 The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

৭৩৮.
Doctrine of 'ejusdena generis' নীতির আলোকে আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে-
  1. আইনের সাধারণ শব্দ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
  2. আইনের নির্দিষ্ট শব্দ সাধারণ শব্দকে অনুসরণ করে
  3. আইনের সাদৃশ্য শব্দসমূহ সাধারণ শব্দকে অনুসরণ করে
  4. আইনের সাদৃশ্য শব্দসমূহ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
ব্যাখ্যা
Doctrine of 'ejusdem generis' নীতি:
-'Ejupdem Generis' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো- 'একই প্রকার ও প্রকৃতির।

- এই নীতিতে
(ⅰ) আইনে কিছু নির্দিষ্ট শব্দ থাকবে এবং কিছু সাধারণ শব্দ থাকবে।
(ii) যখন কোনো আইনে সাধারণ শব্দসমূহ নির্দিষ্ট শব্দসমূহকে অনুসরণ করে,
- তখন সাধারণ শব্দসমূহকে নির্দিষ্ট শব্দসমূহের আলোকে ব্যাখ্যা করতে হবে।
----------
Ejusdem generis (ee-joose-dem gen-ris) is a Latin phrase that means “of the same kind.” The statutory and constitutional construction principle of “ejusdem generis” states that where general words or phrases follow a number of specific words or phrases, the general words are specifically construed as limited and apply only to persons or things of the same kind or class as those expressly mentioned.
৭৩৯.
বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কোন কার্যক্রমের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন?
  1. রিভিউ
  2. আপিল
  3. দণ্ড কার্যকর
  4. রিভিশন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুসারে, বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন। অর্থাৎ কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে তা জানাবেন।

• তামাদি আইন,১৯০৮ সালের ১ম তফসিলের বিধি ১৫০ অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মৃত্যুদণ্ড আদেশের বিরুদ্ধে রায়ের ৭ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে।

Section 371- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application. Case of person sentenced to death

 ⇒ On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a case under Chapter XX, be given free of cost. 

⇒ When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
৭৪০.
দেওয়ানি মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের রায়ের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, যেকোনো দেওয়ানী আদালতের নিকট দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
রিভিউ: কোনো আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনক্রমে সেই আদালত কর্তৃক পুনরায় বিবেচনা করাকে রিভিউ বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ আদেশে এ সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে।সকল রায় বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ করা যায় না। তবে-
(ক) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে কিন্তু আপিল করা হয়নি,
(খ) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না, এবং
(গ) স্বল্প এখতিয়ার আদালতের রেফারেন্স অনুযায়ী গৃহীত সিদ্ধান্ত এর বিরুদ্ধে রিভিউ এর আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা:
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।

উল্লিখিত প্রশ্নে যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে ঐ আদালতে রায়ের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
৭৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ অনুসারে, তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের নিকট বিবৃতি দিলে তা লিপিবদ্ধ করা হলে বিবৃতিদাতা কী করবেন?
  1. বিবৃতিতে স্বাক্ষর করবেন
  2. বিবৃতিটি সংশোধন করবেন
  3. বিবৃতিটি প্রত্যাখ্যান করবেন
  4. বিবৃতিতে স্বাক্ষর করবেন না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ তে দেয়া আছে-
(১) তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা যদি লিপিবদ্ধকৃত হয়, তাহলে বিবৃতিদাতা তাতে স্বাক্ষর করবেন না;
-এরূপ কোন বিবৃতি যে অপরাধের তদন্তের সময় দেয়া হয়েছিল, সেই অপরাধের কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না:
তবে শর্ত এই যে, যে ব্যক্তির বিবৃতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, তাকে সরকার পক্ষের সাক্ষী হিসাবে তলব করা হলে উক্ত লিখিত বিবৃতি ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ১৬২: পুলিশকে প্রদত্ত বিবৃতি স্বাক্ষরিত হবে না; ওই বিবৃতির ব্যবহার প্রমাণে:
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্তের সময় পুলিশের কাছে কোনো ব্যক্তি যে বিবৃতি প্রদান করবে, সেটি যদি লিখিত আকারে নথিবদ্ধ করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি তা স্বাক্ষর করবেন না; এবং এমন কোনো বিবৃতি বা তার কোনো অংশ, যা পুলিশ-ডায়েরি বা অন্য কোন নথিতে লেখা রয়েছে, তা কোনো তদন্ত বা বিচারে (এখানে প্রদত্ত কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া) কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
প্রকৃতপক্ষে, যদি কোনো সাক্ষী যে বিবৃতি দিয়েছে এবং যার বিবৃতি লিখিত আকারে নেওয়া হয়েছে, তাকে অভিযুক্ত পক্ষের দ্বারা উক্ত বিচারে বা অনুসন্ধানে উপস্থিত করা হয়, তবে আদালত অভিযুক্তের অনুরোধে ওই লিখিত বিবৃতি পর্যালোচনা করবে এবং সেই বিবৃতির একটি কপি অভিযুক্তকে প্রদান করবে, যাতে কোনো অংশ যদি যথাযথভাবে প্রমাণিত হয় তবে তা সেই সাক্ষীকে পরিপন্থীভাবে প্রশ্ন করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে, যেমন প্রমাণ আইন, ১৮৭২, ধারা ১৪৫ অনুযায়ী। যখন সেই বিবৃতির কোনো অংশ ব্যবহৃত হয়, তখন সেই অংশের একটি অংশ আবার সাক্ষীর পুনঃপরীক্ষণেও ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র তার পাল্টা-প্রশ্নে উল্লিখিত বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করার জন্য:
এছাড়া, আদালত যদি মনে করেন যে, বিবৃতির কোনো অংশ তদন্ত বা বিচারের বিষয়ে প্রাসঙ্গিক নয় বা অভিযুক্তের প্রতি তার প্রকাশ অপ্রয়োজনীয় এবং জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাহলে আদালত সে সম্পর্কে তার মতামত রেকর্ড করবে (কিন্তু এর জন্য কোনো কারণ প্রকাশ করবে না) এবং সে অংশকে অভিযুক্তকে প্রদত্ত বিবৃতির কপি থেকে বাদ দেবে।

(২) এই ধারার কোনো কিছু ১৮৭২ সালের প্রমাণ আইন, ধারা ৩২, উপধারা (১) বা ১৮৭২ সালের প্রমাণ আইন, ধারা ২৭-এ উল্লিখিত বিবৃতির ওপর প্রযোজ্য হবে না।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-162: Statements to police not to be signed; use of such statements in evidence:
(1) No statement made by any person to a police officer in the course of an investigation under this Chapter shall, if reduced into writing, be signed by the person making it; nor shall any such statement or any record thereof, whether in a police-diary or otherwise, or any part of such statement or record, be used for any purpose (save as hereinafter provided) at any inquiry or trial in respect of any offence under investigation at the time when such statement was made:

Provided that, when any witness is called for the prosecution in such inquiry or trial whose statement has been reduced into writing as aforesaid, the Court shall on the request of the accused, refer to such writing and direct that the accused be furnished with a copy thereof, in order that any part of such statement, if duly proved, may be used to contradict such witness in the manner provided by section 145 of the Evidence Act, 1872. When any part of such statement is so used, any part thereof may also be used in the re-examination of such witness, but for the purpose only of explaining any matter referred to in his cross-examination:

Provided, further that, if the Court is of the opinion that any part of any such statement is not relevant to the subject matter of the inquiry or trial or that its disclosure to the accused is not essential in the interests of justice and is inexpedient in the public interests, it shall record such opinion (but not the reasons therefor) and shall exclude such part from the copy of the statement furnished to the accused.

(2) Nothing in this section shall be deemed to apply to any statement falling within the provisions of section 32, clause (1), of the Evidence Act, 1872 or to affect the provisions of section 27 of that Act.
৭৪২.
বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ কোন শর্তে বাংলাদেশে বিচারযোগ্য?
  1. যদি অপরাধ গুরুতর হয়
  2. যদি তা আন্তর্জাতিক আদালতে যায়
  3. যদি অপরাধী বাংলাদেশি নাগরিক হয়
  4. যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৪ ধারা এবং ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৮ ধারার অনুযায়ী, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ বাংলাদেশে বিচারযোগ্য হয় যদি:
- অপরাধ বাংলাদেশী নাগরিকের দ্বারা সংঘটিত হয়, অথবা
- বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে যেকোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটন করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণ:
- নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক;
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
- ব্যাখ্যা:- এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার 'অপরাধ' কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়:
যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

৭৪৩.
নিম্নলিখিত কোনটি বিনা প্রতিদানে (Consideration) করা চুক্তি হিসেবে বাতিল হবে?
  1. সময়োত্তীর্ণ ঋণের জন্য স্বাক্ষরিত প্রতিশ্রুতি
  2. স্বেচ্ছায় সাহায্যকারী ব্যক্তিকে পুরস্কার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
  3. ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের মধ্যে ভালোবাসার ভিত্তিতে লিখিত ও রেজিস্টারকৃত চুক্তি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫: বিনা প্রতিদানে (Consideration) করা চুক্তি বাতিল, তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে-
একটি চুক্তি যদি কোনো প্রতিদান (consideration) ছাড়া করা হয়, তাহলে সেটি বাতিল (void) বলে গণ্য হবে। তবে নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে বিনা প্রতিদানে চুক্তি বৈধ হতে পারে:

(১) যদি চুক্তিটি লিখিত আকারে ও রেজিস্টারকৃত হয়, এবং স্বাভাবিক ভালোবাসা ও স্নেহ (natural love and affection) থেকে করা হয়, এবং উভয় পক্ষ ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তার সম্পর্কে থাকে, তাহলে সেই চুক্তি বৈধ হবে।

(২) যদি এটি এমন কোনো ব্যক্তিকে পুরস্কৃত বা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি হয়, যিনি স্বেচ্ছায় প্রতিশ্রুতিদাতার (promisor) জন্য কিছু করেছেন, অথবা এমন কিছু করেছেন যা আইনত করতে বাধ্য ছিলেন, তাহলেও সেটি বৈধ হতে পারে।

(৩) যদি এটি লিখিত ও স্বাক্ষরিত চুক্তি হয়, এবং এটি এমন একটি ঋণ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি হয়, যা সময়ের কারণে (Limitation Law অনুযায়ী) আদায়যোগ্য না হলেও তবুও সে প্রতিশ্রুতি দেয় পুরো বা আংশিক অর্থ ফেরতের- তাহলেও সেটি বৈধ চুক্তি হবে।
৭৪৪.
আদেশ ৪০ বিধি ১ এর অধীন আদালত কোন শর্তে রিসিভার নিয়োগ করতে পারে?
  1. সরকারের অনুমতিতে
  2. ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক মনে হলে
  3. মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের আবেদন সাপেক্ষে
  4. আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল থাকলে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি ১- রিসিভার নিয়োগ:
(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া-
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরূপ ভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।

৭৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে?
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. তৃতীয় তফসিল
  3. দ্বিতীয় তফসিল
  4. প্রথম তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) ১৮৯৮ সালের আইনে মোট পাঁচটি তফসিল ছিল, যার মধ্যে প্রথম তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে।
- বর্তমানে কার্যকর রয়েছে চারটি তফসিল।
- প্রথম তফসিলটি বাতিল হওয়ার ফলে বর্তমানে ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট চারটি তফসিল রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিলসমূহ:
→ প্রথম তফসিল: বর্তমানে বাতিল। 
→ দ্বিতীয় তফসিল: আমলযোগ্য/অযোগ্য অপরাধ ও জামিন সংক্রান্ত বিধান।
→ তৃতীয় তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা।
→ চতুর্থ তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা।
→ পঞ্চম তফসিল: বিভিন্ন ফরমের ফরম্যাট।

সুতরাং, প্রথম তফসিলটি বাতিল হওয়ায় বর্তমানে ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট চারটি তফসিল রয়েছে।
৭৪৬.
দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুসারে, অবৈধ অবরোধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারায় উল্লেখ আছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে, তাহলে তাকে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে তিন বছর পর্যন্ত দণ্ডিত করা যাবে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 344- Wrongful confinement for ten or more days:
 Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

৭৪৭.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে সাক্ষী উত্তর প্রদানে বাধ্য?
  1. মামলা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশ্ন করলে
  2. সাক্ষীর পরিচয় আবিষ্কার করার উদ্দেশ্যে উপস্থাপিত প্রশ্ন
  3. সাক্ষীকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করতে পারে এমন মামলা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ১৪৬ ধারায় উল্লেখিত জেরায় যে সকল প্রশ্ন করা আইনসম্মত হয়, উক্তরূপ কোন প্রশ্ন যদি এমন বিষয় সম্পর্কিত হয়, যা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমা বা কার্যক্রমের সাথে প্রাসঙ্গিক, তবে সেক্ষেত্রে ১৩২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে।

⇒ কারণ ১৩২ ধারায় বিধান করা হয়েছে, জেরায় যে সকল প্রশ্ন করা আইনসম্মত এরূপ প্রশ্নের উত্তর সাক্ষীকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করবে এই অজুহাতে উত্তর দান করা হতে সাক্ষীকে অব্যাহতি দেওয়া যায় না। অর্থাৎ তিনি উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে।
৭৪৮.
একজন হানাফি মুসলিম স্ত্রী, মা ও পিতাকে রেখে মারা যায়। পিতার অংশ কত?
  1. ১/৬
  2. ১/৪
  3. ১/৮
  4. ১/২
ব্যাখ্যা
• উমারিয়াতান নীতি প্রয়োগ করে,

স্ত্রী= ১/৪ অংশ,
মাতা= অবশিষ্ট ৩/৪ অংশের ১/৩ অংশ, = ১/৪ অংশ,
পিতা= অবশিষ্টাংশভোগী= ১/২ অংশ পাবে।
৭৪৯.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলার ক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত না থাকলে, কবে থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে?
  1. চুক্তি কার্যকরের তারিখ হতে
  2. চুক্তি সম্পাদনের তারিখ হতে
  3. অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে
  4. চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের কোন মামলায় যেক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত নেই, সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে শুরু হবে।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৩:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা দায়েরর তামাদির মেয়াদ ১১৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে- ১ বছর - যেক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত নেই, সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে শুরু হবে।
৭৫০.
“Nemo est supra leges” নীতিটি বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ২২ অনুচ্ছেদে
  2. ২৭ অনুচ্ছেদে
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদে
  4. ৩৩ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

⇒ "Nemo est supra leges" লাতিন বাক্যাংশটির অর্থ "কেহই আইনের ঊর্ধ্বে নয়"। এই নীতিটি বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭-এ স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে, যা "আইনের দৃষ্টিতে সমতা" প্রতিষ্ঠা করে।
 - সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত এই নীতিটি এটাই প্রমাণ করে যে, কোন ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে নয়। 'No man is above the law.'
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা:- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
---------------
⇒ The Constitution of Bangladesh, Article 27. Equality before law:
 All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

৭৫১.
'ক' ও 'খ' কর্তৃক দায়েরকৃত  চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলার  'গ' কে পক্ষভুক্ত করা হলে 'গ' এর তামাদির মেয়াদ কখন শুরু হবে?
  1. ক যখন মামলা দায়ের করেছিল তখন থেকে
  2. ক যখন আরজি দাখিল করেছিল তখন থেকে
  3. গ কে যখন পক্ষভুক্ত করা হয়েছিল তখন থেকে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২২ ধারা অনুসারে মামলা দায়েরের পর যদি কোনো নতুন বাদী বা বিবাদী যুক্ত বা প্রতিস্থাপিত হয়, তবে তাদের ক্ষেত্রে মামলাটি সেই তারিখ থেকে দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে যখন তারা পক্ষ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।

তামাদি আইন ১৯০৮,ধারা ২২,নূতন বাদী বা বিবাদীকে কাহারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করিবার ফলাফল:
উপধারা-(১) যেইক্ষেত্রে মামলা দায়ের করিবার পর নূতন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কাহারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেইক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হইয়াছে, তাহার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
উপধারা-(২) যেইক্ষেত্রে মামলা মুলতবী থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাহাকেও পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেইক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেইক্ষেত্রে ১ উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।
------------------
⇒ The Limitation Act 1908, Section 22, Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.

৭৫২.
'Character as affecting damages' এর বিধান আছে কত ধারায়?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৫২ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে (Character as affecting damages)- সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারামতে দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ Character as affecting damages:
Section 55. In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
 
⇒ Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
৭৫৩.
An individual who is qualified to exercise ijtihad in the evaluation of Islamic law is called-
  1. Imam
  2. Muslim
  3. Mujtahid
  4. Mujahideen
ব্যাখ্যা
⇒ An individual who is qualified to exercise ijtihad in the evaluation of Islamic law is called mujtahid (Arabic: مُجْتَهِد, "diligent"). an authoritative interpreter of the religious law of Islame specially : a living religious teacher that is recognized by the Shiʽa as competent to exercise private judgment in formulating authoritative answers to legal questions.

⇒ There are some specific criteria that must be satisfied for a person to be eligible to make an ijtihad. The person who can make an ijtihad is known as 'Mujtahid' who must have, inter alia, an in depth knowledge and understanding of Islam.

⇒ Ijtihad is one of the dependent sources of Islamic law. If a matter not resolved expressly in a Quran, Sunnah and by way of Ijma the jurist must not leave the matter unresolved rather he should strive hard to find out the solution under the light of Quran and Sunnah.

⇒ In Islamic law the use of individual reasoning in general is called Ijtihad or Ijtihad al-ra'y, and Mujtahid is the qualified lawyer who uses it. "Exertion" is the literal meaning of Ijtihad. In general usage, this Arabic word denotes the utmost effort, physical or mental, expended in a particular activity. In its Islamic and technical legal connotation, it denotes the thorough exertion of the jurist's mental faculty in finding a solution for a case of law. Ijtihad therefore is 'the logical deduction on a legal or theological question by a Mujtahid or learned and enlightened doctor, as distinguished from Ijma, which is the collective opinion of a council of divines.'
৭৫৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত শতাংশ সুদ মামলার খরচের উপর আদালত দিতে পারে?
  1. ৬%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২০%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Civil Procedure Code, 1908) এর ধারা ৩৫(৩) অনুযায়ী "আদালত মামলার খরচের উপর সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হারে সুদ দিতে পারবে, এবং এই সুদ খরচের অংশ হিসাবে আদায়যোগ্য হবে।"
- সুতরাং, সঠিক উত্তর ক) ৬%।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ ধারা- মোকদ্দমার খরচ:
১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।
২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে, মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।
৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 35. Costs:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, and to the provisions of any law for the time being in force, the costs of and incident to all suits shall be in the discretion of the Court, and the Court shall have full power to determine by whom or out of what property and to what extent such costs are to be paid, and to give all necessary directions for the purposes aforesaid. The fact that the Court has no jurisdiction to try the suit shall be no bar to the exercise of such powers.
(2) Where the Court directs that any costs shall not follow the event, the Court shall state its reasons in writing.
(3) The Court may give interest on costs at any rate not exceeding six per cent. per annum, and such interest shall be added to the costs and shall be recoverable as such.
৭৫৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৭ অনুযায়ী, চুক্তি রদ করার আর্জি কে করতে পারেন?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. আদালত
  4. চুক্তির স্বার্থ সংশ্লিষ্ট তৃতীয় ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) বাদী।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা অনুযায়ী, বাদী (Plaintiff) যিনি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা করেছেন, তিনি বিকল্পভাবে আদালতের কাছে চুক্তি রদের জন্য আবেদন করতে পারেন।
- এই ধারা অনুসারে, বাদী যদি দেখতে পান যে চুক্তি কার্যকর করা সম্ভব নয়, তাহলে তিনি বিকল্পভাবে চুক্তি রদের জন্য প্রার্থনা করতে পারেন।
এছাড়া, যদি আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকর করতে অস্বীকার করে, তাহলে আদালত চুক্তিটি রদের আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------  
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৭৫৬.
যদি কোন শিশুর দেহের অংশ মাতৃগর্ভ থেকে নিষ্ক্রান্ত হওয়ার পর হত্যা করা হয়, তবে সেটি কী ধরনের অপরাধ হবে?
  1. সাধারণ হত্যা
  2. দুর্ঘটনা
  3. শাস্তিবিহীন নরহত্যা
  4. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সেই কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ১:
যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ২:
যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:
মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
৭৫৭.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৪ ধারায় কোন দলিলসমূহকে “সরকারি দলিল” বলা হয়েছে?
  1. ব্যক্তিগত দলিল
  2. ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
  3. বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নথি
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান- সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৭৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা অনুসারে, চুক্তির বৃহত্তর অংশটির জন্য আদালত কী ধরনের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. চুক্তি বাতিল
  2. সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  4. নতুন চুক্তি সম্পাদন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান: কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

The Specific Relief Act, 1877, Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
৭৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় কোন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচারিক কর্মকর্তাকে দেওয়ানী প্রক্রিয়ায় গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৩২ ধারায়
  2. ১৩৫ক ধারায়
  3. ১৩৫ ধারায়
  4. ১৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৫ ধারার বিধান: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:-
১) কোন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।
------------
⇒ CPC Section: 135. Exemption from arrest under civil process:
(1) No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court. 
 
(2) Where any matter is pending before a tribunal having jurisdiction therein, or believing in good faith that it has such jurisdiction, the parties thereto, their pleaders, mukhtars, revenue-agents and recognised agents, and their witnesses acting in obedience to a summons, shall be exempt from arrest under civil process other than process issued by such tribunal for contempt of Court while going to or attending such tribunal for the purpose of such matter, and while returning from such tribunal. 
 
(3) Nothing in sub-section (2) shall enable a judgment-debtor to claim exemption from arrest under an order for immediate execution or where such judgment-debtor attends to show cause why he should not be committed to prison in execution of a decree.
৭৬০.
সংসদ গঠনের জন্য কতজন সদস্য প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন?
  1. ২৫০
  2. ২৭৫
  3. ৩০০
  4. ৩৫০
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
৬৫(১) - জাতীয় সংসদ গঠনের ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
৬৫(২) - ৩০০ সদস্য প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন একক আঞ্চলিক এলাকাসমূহ থেকে।
৬৫(৩) - পঞ্চাশটি মহিলা আসন সংরক্ষণের বিধান।
৬৫(৩ক) - পঞ্চদশ সংশোধন অনুযায়ী তৎকালীন সংসদের জন্য সংরক্ষিত মহিলা আসনের অন্তর্ভুক্তি।
৬৫(৪) - সংসদের আসন রাজধানীতে থাকবে।

সংবিধনের ৬৫ অনুচ্ছেদ- সংসদ-প্রতিষ্ঠা:
(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

 (৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।

(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
৭৬১.
আসামীকে রিমান্ডে পাঠানোর সর্বোচ্চ মেয়াদ কতদিন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

• ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

৭৬২.
দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জালিয়াতি
  2. বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ
  3. অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. গর্ভপাত সংঘটন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৫ ধারা "Criminal Breach of Trust" বা "অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ"-এর সংজ্ঞা প্রদান করে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি কারো সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পায়, এবং সেই দায়িত্বপূর্ণ সম্পত্তি অসাধুভাবে (dishonestly) আত্মসাৎ করে, অথবা আইনের নির্দেশ বা কোনো চুক্তির বিরুদ্ধে গিয়ে তা ব্যবহার বা বিতরণ করে, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কাউকে সে কাজ করতে দেয় তাহলে সে ব্যক্তি "অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের" অপরাধে দোষী বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনোভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 405- Criminal breach of trust:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
৭৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় কোন পদ্ধতিতে মামলা দায়ের করা যায়?
  1. FIR এর মাধ্যমে
  2. আদালতে হাজির হওয়ার মাধ্যমে
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে
  4. অভিযুক্ত সহ হাজির হওয়ার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটলে সেটা পুলিশ থানায় একটি এফআইআর (First Information Report) দায়ের করা যায়। এফআইআর হলো সেই অপরাধের প্রাথমিক তথ্য যা পুলিশকে অপরাধ তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়।

অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি নালিশ/কমপ্লেইন দায়ের করতে পারেন। এই নালিশের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশনকে তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় পুলিশের নিকট এফআইআর মাধ্যমে এবং ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়।
৭৬৪.
সুখাধিকার ভোগের গণনার ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী কত বছরের মধ্যে সমাপ্ত ২০ বছর বিবেচনা করা হবে?
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।

(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

৭৬৫.
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal conspiracy) সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে দণ্ডবিধির কত নং ধারায়?
  1. ধারা ১২০
  2. ধারা ১২০ক
  3. ধারা ১২০খ
  4. ধারা ১২১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে [criminal conspiracy] কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে [to do a legal act by illegal means] সম্মত হয়, তখন উক্ত ব্যক্তিরা 'অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র' করেছে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:
যখন দুইজন বা তার বেশি ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন কাজ করতে বা করানোর জন্য একমত হন:
- একটি অবৈধ কাজ করা, অথবা
- এমন কোনো কাজ করা যা আইনত অবৈধ নয় কিন্তু অবৈধ উপায়ে করা হয়, তবে এই ধরনের একমত হওয়াকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলা হয়।

শর্ত: যে কোনো একমত হওয়া শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে হলে তা অপরাধী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে, তবে এর জন্য এই চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক বা একাধিক পক্ষের দ্বারা এমন কিছু কার্যক্রম সম্পাদিত হতে হবে, যা এই চুক্তির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য করা হয়।

ব্যাখ্যা: এটি গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ওই অবৈধ কাজটি চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, অথবা তা চুক্তির উদ্দেশ্য থেকে এক প্রকার অনুষঙ্গী ছিল।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

৭৬৬.
মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে একজন নারীকে আটক করলে অর্থদণ্ডসহ সাজা কি হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ১৪ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০

ধারা-৮ মুক্তিপণ আদায়ের শাস্তি


যদি কোন ব্যক্তি মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৭৬৭.
দেনমোহর প্রদান বা পরিশোধের পদ্ধতি সম্পর্কে কাবিননামাতে উল্লেখ না থাকলে-
  1. স্বামীর মৃত্যুর পর পরিশোধ করতে হবে
  2. স্ত্রী চাহিবামাত্র তা পরিশোধ করতে হবে
  3. বিচ্ছেদের সময় তা পরিশোধ করতে হবে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• দেনমোহর [Dower]

বিবাহ বন্ধনের বিনিময়ে স্ত্রী স্বামীর নিকট শরিয়ত সম্মতভাবে যে অর্থ-সম্পদ লাভের অধিকারী হয় সে অর্থ সম্পদকে দেনমোহর বলে। দেনমোহরের পরিমাণ বিবাহের পূর্বে বা বিবাহের সময় কিংবা বিবাহের পর নির্দিষ্ট করা যায়। বিবাহের পর দেনমোহরের পরিমাণ বৃদ্ধি করা যায়।

দেনমোহর প্রথমত দুই প্রকার, যথা-

নির্ধারিত দেনমোহর (fixed/specified dower):

বিবাহের সময় বা বিবাহের পর স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের মধ্যে অথবা তাদের পক্ষে যে দেনমোহর হণ করা হয় তাকে মোহরে মুসাম্মা বা fixed/specified dower বলে।

যথার্থ দেনমোহর (Proper dower):
বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহরের পরিমাণ উল্লেখ করা না হলে শরিয়ত অনুযায়ী তা নিরূপিত বলে। গণ্য হবে এবং স্বামীর উপর মোহরে মিসল বা Proper dower বা উপযুক্ত মোহর ওয়াজিব হবে।

পরিশোধের সময়ের উপর ভিত্তি করে Fixed dower বা নির্ধারিত দেনমোহরকে আবার দুভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

ক. তাৎক্ষণিক দেনমোহর (Prompt dower):
যে দেনমোহর স্ত্রী কর্তৃক দাবি করা মাত্রই স্বামী তা দিতে বাধ্য থাকে তা Prompt dower বা তাৎক্ষণিক দেনমোহর বলে। তাৎক্ষণিক দেনমোহরের ক্ষেত্রে স্ত্রী যেকোনো সময় দেনমোহর দাবি করতে পারে, সেক্ষেত্রে স্ত্রীর দাবি অনুসারে স্বামী দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য।

খ. বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred dower):
যে দেনমোহর বিবাহবিচ্ছেদের সময় বা কোনো নির্দিষ্ট তারিখে বা ঘটনা সাপেক্ষে পরিশোযোগ্য তাকে বিলম্বিত দেনমোহর বা Deferred dower বলে।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ১০ ধারাতে বলা হয়েছে, “where no details the mode of payment of dower are specified in the nikahnama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be payable on demand”

অর্থ্যাৎ দেনমোহর প্রদান বা পরিশোধের পদ্ধতি সম্পর্কে কাবিননামা বা বৈবাহিক চুক্তিতে উল্লেখ না থাকলেও, স্ত্রী চাহিবামাত্র তা পরিশোধ করতে হবে। এমনকি দেনমোহর ধার্য করা না থাকলেও।
৭৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানমতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন মুচলেকা বাতিল করতে পারেন?
  1. ১২২ ধারা
  2. ১২৩ ধারা
  3. ১২৫ ধারা
  4. ১২৬ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারার বিধান: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁহার নিজ জেলায় তাঁর আদালতের উচ্চ নহে এরূপ আদালতের আদেশ কর্তৃক এই অধ্যায়ের বিধানমতে সম্পাদিত শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের কোন মুচলেকা যথেষ্ট পরিমাণ হেতু থাকলে তা লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ে অকার্যকর করতে পারবেন।

-------------
♦ Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
Section 125. The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.
৭৬৯.
ফৌজদারি মামলায় কোন স্বীকারোক্তি (Confession) গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. কর্তৃপক্ষের প্রভাব থাকলে
  2. সুবিধা বা ক্ষতি এড়ানোর আশায় হলে
  3. ভয়, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে হলে
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, একটি স্বীকারোক্তি (Confession) অগ্রহণযোগ্য হবে যদি—
- কর্তৃপক্ষের ব্যক্তি (Person in authority) দ্বারা প্রভাবিত হয় (যেমন: পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট),
- কোনো সুবিধা পাওয়া বা শাস্তি এড়ানোর লোভ/ভয় (Temporal advantage/evil) থাকে,
- প্রলোভন, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি (Inducement, threat, promise)-এর ভিত্তিতে দেওয়া হয়।
উপরের তিনটি কারণই স্বীকারোক্তিকে অগ্রহণযোগ্য করে তোলে। তাই সঠিক উত্তর "ঘ) উপরের সবগুলোই"।

সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা - প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট স্বীকারোক্তি, যখন ফৌজদারি কার্যবিধিতে অপ্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো আসামী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন এবং আদালত মনে করেন যে, এই স্বীকারোক্তি কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আসামীকে লাভ বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানোর জন্য প্রদান করা হয়েছে, তবে সেই স্বীকারোক্তি ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রাসঙ্গিক হবে না।
----------
⇒The Evidence Act, 1872, Section- 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding: 
- A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.
৭৭০.
হানাফী মুসলিম A এর ২ পুত্র B ও C ছিল। ২ পুত্র রেখে B, ১৯৫৫ সালে মারা যায়। A, ১৯৬২ সালে মারা যায়। A এর সম্পত্তি কীভাবে বণ্টন হবে?
  1. C পুরো সম্পত্তি পাবে
  2. B-এর সন্তানরা কোনো অংশ পাবে না
  3. B-এর অংশ তার দুই পুত্র সমানভাবে এবং C বাকি অংশ পাবে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা

• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (MFLO, 1961) এর ধারা ৪ অনুসারে:
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে যাহার সম্পত্তি বণ্টিত হবে তার মৃত্যুর পূর্বে যদি তার পুত্র বা কন্যার মৃত্যু ঘটে এবং উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের সময় ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তান যদি কেউ থাকে, তবে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা জীবিত থাকলে যে পরিমাণ সম্পত্তি পেত, তার সমান অংশ ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তানরা অংশ অনুপাতে [per-stripes] পাবে। এ নিয়মকেই 'Doctrine of Representation' বলা হয়।

এখানে, ধারা ৪ অনুযায়ী 'B মারা গেলে তার সন্তানরা B এর অধিকার প্রাপ্ত হবেন। C বাকি অংশ পাবে।

যেহেতু, MFLO, 1961 আইনটি ১৯৬১ সালের ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে, সেহেতু, 'A', ১৯৬২ সালে মৃত্যুবরণ করার পরই উত্তরাধিকার সৃষ্টি হয়েছে। 'B'-এর ১৯৫৫ সালে মৃত্যুবরণ করা এখানে বিবেচ্য নয়।

৭৭১.
যদি কোন সন্তান না থাকে তাহলে স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৮ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. ১/৪ অংশ
ব্যাখ্যা
- স্ত্রী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।

i) ১/৪ অংশ।

ii)  ১/৮ অংশ।

ক) যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে।

খ) যদি মৃত ব্যাক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।
৭৭২.
যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত ৫ বছরের অধিক কারাদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল হবে ________।
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. আপীল বিভাগে
  4. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
৭৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কত বছরের কম বয়সের কোনো শিশুর অপরাধ (মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করতে পারেন?
  1. ১২ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ১৬ বছর
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন।

৭৭৪.
"Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, ________________."
  1. temporary and perpetual
  2. mandatory or perpetual
  3. mandatory and temporary
  4. temporary or perpetual
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 52. Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. 
-----------
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) হলো সর্বত্তোম পন্থা।
৭৭৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর অধীন বেদখল হওয়া সম্পত্তি থেকে দখলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য, দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ২০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৬৫

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর অধীন বেদখল হওয়া সম্পত্তি থেকে দখলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য দরখাস্ত বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে - ৩০ দিন এর মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৭৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৭ অনুযায়ী, পুলিশ হেফাজতে সর্বোচ্চ কত দিন আসামিকে রাখা যেতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৭(২) অনুযায়ী, যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে সময় সময় হেফাজতে রাখার আদেশ দিতে পারেন, তবে পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের বেশি হতে পারবে না
অর্থাৎ, যেকোনো পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে রাখা যাবে সর্বোচ্চ ১৫ দিন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮–এর ধারা ১৬৭(২) অনুযায়ী কোনো আসামিকে পুলিশ হেফাজতে সর্বমোট ১৫ দিনের বেশি রাখা যাবে না।
- এই ১৫ দিন একবারে নাও হতে পারে; তা ভেঙে ভেঙে দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু সব মিলিয়ে ১৫ দিনের সীমা অতিক্রম করা যাবে না।
- ১৫ দিনের পর যদি আরও আটক রাখার প্রয়োজন হয়, তখন পুলিশ হেফাজত নয়, বিচারিক হেফাজত (জেল কাস্টডি) দেওয়া হবে।

৭৭৭.
এক মোকদ্দমায় আদালত ঘোষণামূলক রায় প্রদান করেছে। এই ঘোষণামূলক রায় কার উপর বাধ্যকর হবে?
  1. শুধুমাত্র মামলার পক্ষদের উপর
  2. শুধুমাত্র পক্ষদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর
  3. মামলার পক্ষ এবং পক্ষদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর
  4. ঘোষণামূলক রায় কারো উপর বাধ্যকর নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

এই ধারায় বলা হয়েছে যে,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);

অর্থাৎ, ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।
৭৭৮.
পেনাল কোডের কোন অধ্যায়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)। গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম: দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ, তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি, চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ, পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা, পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র, ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ, ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ, সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
♦পেনাল কোডের ষষ্ঠ অধ্যায় অধ্যায়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
৭৭৯.
“Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it” – এই বিধান কোন ধারার?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯-এর মূল বিধানই হলো: “Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it.”
- অর্থাৎ একবার তামাদির মেয়াদ শুরু হয়ে গেলে পরবর্তীতে কোনো অক্ষমতা (যেমন: নাবালক হওয়া, পাগল হওয়া, দেশের বাইরে থাকা ইত্যাদি) দিয়ে সেই মেয়াদ আর বন্ধ বা স্থগিত হবে না।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তী কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
--------
⇒ The Limitation Act, 1908- Section 9:- Continuous running of time:
-Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:

Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

৭৮০.
তদন্তের সময় তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে তা ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুসারে করা হয়?
  1. ধারা ১৬৫
  2. ধারা ৯৯
  3. ধারা ১০০
  4. ধারা ১৬১
ব্যাখ্যা
• তদন্তের সময় তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৫ অনুযায়ী কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের সময় যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করেন যে-
অপরাধ সম্পর্কে তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় কোন জিনিস কোন স্থানে পাওয়া যাবে এবং অহেতুক বিলম্ব ব্যতীত অন্য কোনভাবে উক্ত জিনিস সংগ্রহ করা যাবে না,তখন উক্ত কর্মকর্তা তার এরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করে উক্ত থানার সীমানার মধ্যে অবস্থিত যে কোন স্থানে সেই জিনিসের জন্য তল্লাশি করবেন বা করাবেন।

• তিনি যদি নিজে তল্লাশি,পরিচালনা করতে অসমর্থ হন তাহলে তার অধস্তন কোন কর্মকর্তাকে তল্লাশি করতে বলবেন।
• ১০২ ও ১০৩ ধারায় বর্ণিত তল্লাশি সম্পর্কিত সাধারণ বিধানসমূহ যথাসম্ভব এই ধারানুসারে পরিচালিত তল্লাশির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
৭৮১.
কোনো সম্পত্তির ________ জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে তামাদি আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
  1. স্বত্ত্ব প্রাপ্তির
  2. দখল প্রাপ্তির
  3. বিক্রয়ের
  4. মালিকানার
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৭৮২.
Which Article of The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 governs the term of the Bar Council?
  1. Article 3
  2. Article 4
  3. Article 5
  4. Article 6
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 4:
Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.

অনুচ্ছেদ ৪ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে,
বার কাউন্সিলের মেয়াদকাল হবে তিন বছর যা বার কাউন্সিলের নির্বাচনের পরবর্তী জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে গণনা করা হবে; এবং প্রতিটি মেয়াদের শেষে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ তাদের পদ হারাবেন।
৭৮৩.
প্রথম তফসিলের ১৫৪ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত
  2. জেলা জজ আদালতে দেওয়ানি আপিলের সাধারণ সময়সীমা সংক্রান্ত
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত
  4. হাইকোর্ট ভিন্ন অন্য যেকোনো ফৌজদারি আপিল আদালতে আপিল সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৫৪

১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে হাইকোর্ট ভিন্ন যে কোন আদালতে আপিল 
তামাদি- ৩০ দিন
সময় গণনা শুরু- যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।
৭৮৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  2. ঘোষণামূলক প্রতিকার
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা 
  4. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা

বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে প্রতিকার প্রদানে আদালত আইনত বাধ্য নয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা  প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারায় পাওয়া প্রতিকারগুলো পক্ষগণের অধিকার।তাই ৮ ও ৯ ধারার অধীনে স্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।

৭৮৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(৩) ধারা অনুযায়ী, Rule Committee-এর সদস্যদের কে নিয়োগ করেন?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(৩) ধারা অনুযায়ী, রুল কমিটির সদস্যদের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন এবং তিনি কমিটির একজন সদস্যকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করেন।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১২৩(৩) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে: "The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice"
- অর্থাৎ, রুল কমিটির সদস্যগণ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।এছাড়াও প্রধান বিচারপতি কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে সভাপতিও নিয়োগ করেন।

রুল কমিটির (Rule Committees) গঠন:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারা অনুসারে, রুল কমিটি গঠিত হয়—
- ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, যাদের মধ্যে অন্তত একজন ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করেছেন।
- ২ জন আইনজীবী, যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।
- ১ জন দেওয়ানি আদালতের বিচারক, যিনি উচ্চ আদালতের অধীনস্থ।
এই সমস্ত সদস্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি নিজেও চাইলে কমিটির সদস্য হতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তিনি কমিটির সভাপতি হবেন।
- সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুসারে রুল কমিটির সদস্যদের নিয়োগের দায়িত্ব একমাত্র প্রধান বিচারপতির।

→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 123. Constitution of Rule Committees.
(1) A Committee, to be called the Rule Committee, shall be constituted for the purpose referred to in section 122. 
(2) Such Committee shall consist of the following persons, namely:- 
(a) three Judges of the Supreme Court, one of whom at least has served as a District Judge for three years; 
(b) two advocates parctising in that Court; and 
(c) a Judge of a Civil Court subordinate to the High Court Division.
(3) The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice, who shall also nominate one of their number to be president: 
Provided that, if the Chief Justice elects to be himself a member of the Committee, the number of other Judges appointed to be members shall be two, and the Chief Justice shall be the President of the Committee.
(4) Each member of such committee shall hold office for such period as may be prescribed by the Chief Justice in this behalf; and whenever any member retires, resigns, dies or becomes incapable of acting as a member of the Committee, the said Chief Justice may appoint another person to be a member in his stead. 
(5) There shall be a Secretary to such Committee, who shall be appointed by the Chief Justice and shall receive such remuneration as may be provided in this behalf by the Government.

৭৮৬.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোন অপরাধের ক্ষেত্রে পাঁচ জনের কম সদস্য থাকে?
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. বেআইনি সমাবেশ
  4. দাঙ্গা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।
⇒ দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
-দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে সঠিক উত্তর (খ)। দস্যুতার ক্ষেত্রে ৫ জনের কম সদস্য থাকে।
৭৮৭.
ধারা ১৪ এর অধীন কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত-
  1. চুক্তির অসম্পাদিত অংশ পুনরায় যাচাই করবে
  2. সম্পূর্ণরূপে পুনঃচুক্তি করবে
  3. চুক্তির সামগ্রিক মূল্য পুনঃনির্ধারণ করবে
  4. অসম্পাদিত অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে-
কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।

১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
৭৮৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১০ অনুযায়ী, কে সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারে?
  1. সম্পত্তির দাবীদার যেঁ কেউ
  2. দখলদার নয় এমন তৃতীয় পক্ষ
  3. কেবলমাত্র প্রকৃত মালিক
  4. দখলের অধিকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

৭৮৯.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০(৪) অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল কীভাবে অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করবে?
  1. স্বপ্রণোদিতভাবে
  2. অভিযোগকারীর নালিশের ভিত্তিতে
  3. পুলিশ অফিসারের লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশমতে
ব্যাখ্যা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০: মামলা দায়ের ও অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি:
(১) কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যতীত কেহ এই অধ্যাদেশের অধীন মামলা দায়ের করিতে পারিবে না।

(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি থানায় কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণের অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে হলফনামা সহকারে ট্রাইব্যুনালের নিকট লিখিত নালিশ দাখিল করিলে, ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলে অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশ অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করিবে, তবে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট না হইলে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করিবে।

(৩) ট্রাইব্যুনাল তাহার এখতিয়ারের মধ্যে এই অধ্যাদেশের কোনো অপরাধ সংঘটনের কোনো তথ্য প্রাপ্ত হইলে তাহা অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং পুলিশ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।

(৪) ফৌজদারি কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পুলিশ অফিসারের বা, ক্ষেত্রমত, যৌথ তদন্ত দলের লিখিত প্রতিবেদন ব্যতীত ট্রাইব্যুনাল কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করিবে না।

(৫) ট্রাইব্যুনাল এই অধ্যাদেশের অধীন অপরাধের বিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২৩ এ বর্ণিত পদ্ধতি, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, অনুসরণ করিবে।

৭৯০.
‘B’ একজন রাজস্ব কর্মকর্তা, যিনি সরকারি টাকা সংরক্ষণের জন্য অর্পিত। তিনি সেই টাকা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে নিয়ে নেন। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৫ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যিনি সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের জন্য অর্পিত হয়েছেন, সেই সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তর করলে তা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘B’ একজন রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি টাকা সংরক্ষণের জন্য অর্পিত ছিলেন এবং তা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে নিয়েছেন, যা ধারা ৪০৫-এর অধীনে অপরাধ। ধারা ৪০৯ অনুসারে, সরকারি কর্মচারী হিসেবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘B’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৯ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা অনুযায়ী,
‘যে ব্যক্তি তার সরকারি কর্মচারীজনিত ক্ষমতার বা একজন ব্যাংকার, বণিক, আড়তদার, দালাল, অ্যাটর্নি বা প্রতিভূ হিসাবে তাহার ব্যবসায় ব্যাপদেশে যে কোনও প্রকারে কোনও সম্পত্তি বা কোনও সম্পত্তির ওপর আধিপত্যের ভারপ্রাপ্ত হইয়া সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেন, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।’
------- 
⇒The Penal Code, 1860- Section 409- Criminal breach of trust by public servant, or by banker, merchant or agent:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property in his capacity of a public servant or in the way of his business as a banker, merchant, factor, broker, attorney or agent, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৭৯১.
মহানগর এলাকায় সান্ধ্য আইন (Curfew) জারি করতে পারে কে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৪- সান্ধ্য আইন:
(১) কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরী এলাকায় পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, নির্দেশ প্রদান করিতে পারেন যে, আদেশে উল্লিখিত অব্যাহতি সাপেক্ষে, আদেশে উল্লেখিত এলাকা বা এলাকাসমূহে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি, আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত লিখিত অনুমতি ব্যতীত, ঘরের বাহির হইবে না।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসরের কারাদন্ডে, বা অর্থদন্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ২৪ অনুযায়ী-
⇒ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার (সরকার নিয়ন্ত্রণে) সান্ধ্য আইন জারি করতে পারেন,
⇒ লঙ্ঘন করলে–সর্বোচ্চ ১ বছরের জেল এবং/অথবা অর্থদণ্ড হতে পারে।
৭৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮০-এর অধীনে অর্থদণ্ড না দিলে সর্বোচ্চ কতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ৪৮০ অনুযায়ী আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা অর্থদণ্ড বা অর্থদণ্ড না দিলে সর্বোচ্চ ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি-
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
 -------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-480: Procedure in certain cases of contempt-
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid. 

৭৯৩.
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় করে যা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর, তার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ২,০০০ টাকা
  4. ৩,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় করে যা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর, তার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড ১,০০০ টাকা হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 273. Sale of noxious food or drink:- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৭৯৪.
"এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় ব্যয়িত সময় গণনা থেকে বাদ দিতে হবে" এটি তামাদি আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১১
  4. ধারা ১৩
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ১৪ ধারার বিধান এখতিয়ারবিহীন আদালতে সমুদ্দেশ্যমূলক কার্যধারায় যেই সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হবে:
(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, বাদী কোনো আদিম বা আপিল আদালতে বিবাদির বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানী কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাইতে থাকে। তবে সেক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যেই আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করিবার ক্ষমতা সম্পন্ন নহে, সেই আদালতে যদি সদবিশ্বাসে উহা দায়ের করা হইয়া থাকে, তবে শেষোক্ত কার্যক্রমে যেই সময় ব্যয়িত হয়, প্রথমোক্ত মামলার মেয়াদ গণনা হইতে তাহা বাদ দিতে হইবে।
যথাযথ সতর্কতা ও সচেষ্ট প্রয়োগ সত্ত্বেও একজন যুক্তিবান ও পরিণামদর্শী মানুষের পক্ষে যেইধরনের ভুল হওয়া স্বাভাবিক, শুধুমাত্র ঐ ধরনের ভুলের ব্যাপারে জড়িত মামলার ক্ষেত্রেই এইধারার বিধান অনুসারে সুবিধাদান করা যাইতে পারে। নিম্নতর আপিল আদালত যেইক্ষেত্রে যথাযথভাবে অত্র ধারার আওতায় উহার স্ববিচার ক্ষমতা প্রয়োগ করে, সেক্ষেত্রে হাইকোর্ট উহাতে হস্তক্ষেপ করিয়া থাকে না।
আপিলের জন্য সময় গণনাকালে অত্র ধারাটি প্রয়োগ ঘটে না। তবে ইহার যুক্তিযুক্ত মূলনীতি এবং এই ধারায় ভাবিত পরিস্থিতি যথাসময়ে আপিল উপস্থাপন করিবার জন্য ৫ ধারার অর্থ অনুসারে পর্যাপ্ত কারণ হিসাবে সাধারণত গ্রাহ্য হইতে পারে।
-----------------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-14: Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.
(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.

Explanation I - In excluding the time during which a former suit or application was pending, the day on which that suit or application was instituted or made, and the day on which the proceedings therein ended, shall both be counted.
Explanation II - For the purposes of this section, a plaintiff or an applicant resisting an appeal shall be deemed to be prosecuting a proceeding.
Explanation III - For the purposes of this section misjoinder of parties or of causes of action shall be deemed to be a cause of a like nature with defect of jurisdiction.
৭৯৫.
'A' leaves a cow in the custody of 'B' to be taken care of. The cow has a calf. In this situation, who owns the cow and the calf?
  1. A
  2. B
  3. A and B jointly
  4. The calf has no specific owner
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারা- জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:
জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।

উদাহরণ-
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।

Section 163- Bailor entitled to increase or profit from goods bailed:
In the absence of any contract to the contrary, the bailee is bound to deliver to the bailor, or according to his directions, any increase or profit which may have accrued from the goods bailed.

Illustration-
A leaves a cow in the custody of B to be taken care of. The cow has a calf. B is bound to deliver the calf as well as the cow to A.
৭৯৬.
একজন সরকারি কর্মচারী আইনত ব্যবসায় জড়িত না থাকার বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও যদি তিনি ব্যবসায় জড়িত হন, তবে এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধের আওতায় পড়ে?
  1. ১৬৭ ধারা
  2. ১৬৮ ধারা
  3. ১৬৯ ধারা
  4. ১৭০ ধারা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১৬৮ ধারা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী যদি আইনত ব্যবসায় জড়িত না থাকার বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও ব্যবসা পরিচালনা করেন, তাহলে এটি একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
এই অপরাধের শাস্তি হলো:
- সর্বোচ্চ ১ বছর মেয়াদে সাধারণ কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

অন্য অপশনগুলো:
- ১৬৭ ধারা: সরকারি কর্মচারীর দ্বারা বেআইনি রিপোর্ট প্রদান সংক্রান্ত।
- ১৬৯ ধারা: সরকারি কর্মচারীর বেআইনি সম্পত্তি ক্রয় সংক্রান্ত।
- ১৭০ ধারা: সরকারি কর্মচারী হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দেওয়ার অপরাধ সংক্রান্ত।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-168. Public servant unlawfully engaging in trade: 
Whoever, being a public servant, and being legally bound as such public servant not to engage in trade, engages in trade, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৭৯৭.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে কোন বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. আপীল দায়ের
  2. মোকদ্দমা দায়ের
  3. দরখাস্ত দায়ের
  4. রিভিশন দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিল তিনটি বিভাগে বিভক্ত, যেখানে প্রতিটি বিভাগ বিভিন্ন ধরনের আইনি কার্যক্রমের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বা তামাদির মেয়াদ (limitation period) নির্ধারণ করেছে।
- প্রথম বিভাগ (First Division):
এখানে উল্লেখ আছে "Limitation for Filing Suits" — অর্থাৎ মোকদ্দমা দায়েরের সময়সীমা। এই বিভাগে অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত মোকদ্দমা দায়েরের বিভিন্ন বিষয় যেমন: চুক্তি, জমি সংক্রান্ত মামলা, পাওনা আদায়, মালিকানা দাবি ইত্যাদি ক্ষেত্রে তামাদির সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তাই, প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগ সরাসরি মোকদ্দমা দায়ের-এর সময়সীমা বা তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করে।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৩টি বিভাগ:
১) প্রথম বিভাগ (First Division):
→ মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Suits)
- এই বিভাগের অধীনে ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
২) দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
→ আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Appeals)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত বিভিন্ন আপীলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
৩) তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
→ বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Applications and Petitions)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিভিন্ন দরখাস্ত বা পিটিশনের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
৭৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৩ অনুসারে, বাদী ও বিবাদী উভয় অনুপস্থিত থাকলে কী হবে?
  1. নতুন সমন জারি হবে
  2. মামলা খারিজ হবে
  3. মামলা মুলতবি থাকবে
  4. আদালত একতরফা রায় দিবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৩ (Order IX, Rule 3): Where neither party appears, suit to be dismissed:
"Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed."
অর্থাৎ, শুনানির জন্য মামলা ডাকা হলে যদি বাদী ও বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে আদালত মামলা খারিজ (dismissed) করার আদেশ দিতে পারেন।

৭৯৯.
"প্রাথমিক সাক্ষ্য হল মূল দলিল বা নথি যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়"— এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬২ ধারা
  3. ৬৪ ধারা
  4. ৬৬ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৬২ ধারা অনুযায়ী প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) হল মূল দলিল বা নথি যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

৬২ ধারার সংজ্ঞা:
"Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court."
অর্থাৎ, যে কোনো মূল দলিল বা নথি যদি সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তবে সেটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
প্রাথমিক সাক্ষ্যের কিছু বৈশিষ্ট্য:
- এটি মূল দলিল বা নথির সরাসরি উপস্থাপনা।
- এটি দলিল বা নথির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ।
- যখন কোনো দলিল একাধিক খণ্ডে থাকে, তখন প্রত্যেক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
- যদি কোনো দলিলের একাধিক প্রতিলিপি (Copy) থাকে এবং তা একাধিক পক্ষের মধ্যে সম্পাদিত হয়, তবে প্রতিটি প্রতিলিপি সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 62. Primary evidence:
Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court.
Explanation 1.-Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document.
Where a document is executed in counterpart, each counterpart being executed by one or some of the parties only, each counterpart is primary evidence as against the parties executing it.
Explanation 2.-Where a number of documents are all made by one uniform process, as in the case of printing, lithography or photography, each is primary evidence of the contents of the rest; but, where they are all copies of a common original, they are not primary evidence of the contents of the original.

Illustration
A person is shown to have been in possession of a number of placards, all printed at one time prove one original. Any one of the placards is primary evidence of the contents of any other, but no one of them is primary evidence of the contents of the original.
৮০০.
হিন্দু আইনে কয় ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে?
  1. এক
  2. দুই
  3. তিন
  4. চার
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইন হিন্দুদের ধর্মীয় এবং ব্যক্তিগত আইন। এ আইন যারা জন্মসূত্রে হিন্দু, হিন্দু ধর্মে দীক্ষিত, হিন্দু পিতা মাতার অবৈধ সন্তান এবং যে ক্ষেত্রে পিতা খ্রীষ্টান এবং মাতা হিন্দু সেই ক্ষেত্রে অবৈধ সন্তান যদি মায়ের কাছে হিন্দু আচার অনুযায়ী লালিত পালিত হয়, তবে এসব ক্ষেত্রে হিন্দু আইন প্রযোজ্য।
 
বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা-
১- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং
২- মিতাক্ষরা পদ্ধতি।
 
দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে। যদিও বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দায়ভাগ মতবাদ প্রযোজ্য, কিন্তু যে সকল ক্ষেত্রে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরার মধ্যে কোন বিরোধ নেই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই অঞ্চলেও মিতাক্ষর মতবাদ প্রয়োগ করা হয়।