বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৭৯ / ১৫৫ · ৭,৮০১৭,৯০০ / ১৫,৪৭০

৭,৮০১.
কোনো ব্যক্তির একটি জমি যদি দুটি ভিন্ন আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় অবস্থিত হয়, তাহলে সেই জমির বিরুদ্ধে যেকোনো মামলা -
  1. হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে
  2. বিবাদীর বাসস্থানের কাছাকাছি আদালতে দায়ের করতে হবে
  3. যে এলাকা বড় সেই এলাকার আদালতে দায়ের করতে হবে
  4. উক্ত দুটি আদালতের যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.

সুতরাং দেখা যাচ্ছে,
স্থাবর সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারাধীন হয়, তাহলে তার সম্পর্কিত মামলা কোনো একটি আদালতে করা যেতে পারে।
৭,৮০২.
According to Evidence Act 1872,Evidence may be given of-
  1. any fact
  2. relevant fact
  3. facts in issue
  4. Both B and C
ব্যাখ্যা

According to Section 5 of the  Evidence Act 1872,Evidence may be given of-facts in issue and relevant fact.

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৫: বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে : কোনো দেওয়ানি মামলা বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক ঘটনার এবং এই আইনে অতঃপর যেই সকল ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক বলিয়া গণ্য করা হইয়াছে তাহার অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে, এবং ইহা ভিন্ন অন্য কোনো ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।
উদাহরণসমূহ:
(ক) খ-এর মৃত্যু ঘটাইবার ইচ্ছা লইয়া লাঠি দ্বারা পিটাইয়া তাহাকে হত্যা করিবার অপরাধে ক অভিযুক্ত হইল।
ক-কর্তৃক খ-কে লাঠি দ্বারা প্রহার;
উক্তরূপ প্রহারের ফলে ক কর্তৃক খ-এর মৃত্যু ঘটানো;
ক কর্তৃক খ-এর মৃত্যু ঘটাইবার ইচ্ছা।
(খ) দেওয়ানি মামলার বাদী যে মুচলেকার উপর নির্ভর করে, তাহা সে সঙ্গে লইয়া আসে নাই, তবে মামলার প্রথম শুনানিতে উহা উপস্থাপন করিবার জন্য তাহার নিকট প্রস্তুতি রাখিয়াছে। উহা উপস্থাপন করা সম্পর্কে দেওয়ানি কার্যবিধিতে যেইরূপ বিধান আছে, তাহা ভিন্ন অন্য কোনো পন্থায় সেই মামলার পরবর্তী কোনো পর্যায়ে উক্ত মুচলেকা উপস্থাপন বা উহাতে উল্লিখিত বিষয় প্রমাণ করিতে পারিবে না।
------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 5,Evidence may be given of facts in issue and relevant fact: Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
Illustrations
(a) A is tried for the murder of B by beating him with a club with the intention of causing his death.
At A's trial the following facts are in issue:-
A's beating B with the club;
A's causing B's death by such beating;
A's intention to cause B's death.
(b) A suitor does not bring with him, and have in readiness for production at the first hearing of the case, a bond on which he relies. This section does not enable him to produce the bond or prove its contents at a subsequent stage of the proceedings, otherwise than in accordance with the conditions prescribed by the Code of Civil Procedure.

৭,৮০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায় আদালত কাকে ক্ষতিপূরণের সুবিধা প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. ৩য় পক্ষকে
  4. ক ও খ উভয়পক্ষকে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারা- কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন। এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।

ব্যাখ্যাঃ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।

⇒ এই ধারা অনুসারে,
যখন একটি চুক্তিভঙ্গের ঘটনায় বাদী সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের দাবি আদায় করেন এবং আদালত তা মঞ্জুর করে, তখন আদালতের বিবেচনায় চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রয়োজনীয়তা থাকতে পারে। এক্ষেত্রে আদালত নিজস্ব বিচারবুদ্ধি অনুযায়ী যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করতে পারবে।
এই নিয়মটির প্রধান উদ্দেশ্য হল চুক্তিবদ্ধ পক্ষকে চুক্তিভঙ্গের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে তার প্রতিকার দেওয়া। কারণ কেবল সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ দিলে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি অনুসন্ধিত থাকবে। তাই আদালত উভয় দাবিই বিবেচনা করে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেবে।
৭,৮০৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় সরকারি কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ১৬৯ ধারা
  2. ১৭০ ধারা
  3. ১৭১ ধারা
  4. ১৭২ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭০ ধারা- সরকারী কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 170- Personating a public servant:
Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৭,৮০৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুযায়ী, কোন বিচারক কত বছর বয়স পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকতে পারেন?
  1. ৬০ বছর
  2. ৬৫ বছর
  3. ৬৭ বছর
  4. ৬৮ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারকদের পদের মেয়াদ:
(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।

(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
৭,৮০৬.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২(ঝ) ধারায় কোনটির সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ডিজিটাল ডিভাইস
  2. গ্লোবাল থ্রেট ইন্টেলিজেন্স
  3. গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো
  4. জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২(ঝ): “গ্লোবাল থ্রেট ইন্টেলিজেন্স” অর্থ-
এমন একটি কর্ম-প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যাহার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবকাঠামোর সাইবার সুরক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার খাতে বৈশ্বিক হুমকি এবং ঝুঁকির তথ্য ও লগ সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং রিপোর্ট করা হয় যাহার উদ্দেশ্য হইল সঠিক এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য রিপোর্ট করা, সাইবার ডিফেন্স ও কৌশল সমাধান প্রস্তাব করা যাহা কোনো ব্যক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট, প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রকে এইরূপ হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে সহায়তা করে।

অন্যদিকে,
ধারা ২(জ)- “গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (Critical Information Infrastructure-CII)” অর্থ সরকার কর্তৃক ঘোষিত এইরূপ কোনো বাহ্যিক বা ভার্চুয়াল তথ্য পরিকাঠামো যাহা কোনো তথ্য-উপাত্ত বা কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক তথ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চারণ বা সংরক্ষণ করে এবং যাহা ক্ষতিগ্রস্ত বা সংকটাপন্ন হইলে-
(অ) জননিরাপত্তা, বা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, বা জনস্বাস্থ্য, এবং
(আ) জাতীয় নিরাপত্তা বা রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা বা সার্বভৌমত্ব, এর উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়িতে পারে।

ধারা ২ (ঞ)- “জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (National Cyber Emergency Response Team-NCERT)” অর্থ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একটি সত্তা যাহা সাইবার আক্রমণ এবং সাইবার সুরক্ষা সংক্রান্ত ঘটনাসমূহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ফোরকাস্ট ও পর্যালোচনা, সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োগের কারিগরি জ্ঞান নির্মাণ ও বিস্তারে সহায়তা এবং সাইবার অপরাধের আইনি তদন্তের জন্য সকল ধরনের প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করে।

ধারা ২ (ণ)- “ডিজিটাল ডিভাইস” অর্থ কোনো ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্র বা সিস্টেম, যাহা ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক বা অপটিক্যাল ইমপালস ব্যবহার করিয়া যৌক্তিক, গাণিতিক এবং স্মৃতি কার্যক্রম সম্পন্ন করে এবং কোনো ডিজিটাল বা কম্পিউটার ডিভাইস সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সহিত সংযুক্ত এবং সকল ইনপুট, আউটপুট, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চিতি, ডিজিটাল ডিভাইস সফটওয়্যার বা যোগাযোগ সুবিধাদিও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে যাহাতে সফটওয়্যার, এপিআই, কোডিং, সফটওয়্যার এপ্লিকেশন, এ্যালগরিদম, ডাটা ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কাজ করে, বা যাহাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার টুল কাজ করে, যাহাতে ওয়েবসাইট বা পোর্টাল চলে, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ব্লকচেইন কম্পিউটিং, মেশিন লার্নিং, গেইমিং, কম্পিউটার এইডেড ম্যানুফ্যাকচারিং, মেশিন ভিশন, ব্লক চেইন, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল, ক্লাউড কম্পিউটিং, ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি) সহ এতদ্‌সংশ্লিষ্ট আধুনিক কম্পিউটিং বা সফটওয়্যার বা অ্যাপস কাজ করে।
৭,৮০৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে তার নিজস্ব কার্যসম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. ধারা ১২০
  2. ধারা ১২১
  3. ধারা ১১৮
  4. ধারা ১২৫
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১২১ ধারা অনুযায়ী, জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে তাদের নিজস্ব বিচারিক কার্য সম্পর্কে বা বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আদালতে জানা কোনো তথ্য সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যায় না, যদি না আদালতের বিশেষ আদেশ থাকে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২১ ধারার বিধান: জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ [Judges and Magistrates]:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেট যোগ্য সাক্ষী এবং তারা ইচ্ছা করলে সাক্ষ্য দিতে পারে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট এবং জজ হিসাবে সম্পাদন করেছে এমন কোন কার্যসম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে তাদের বাধ্য করা যাবে না। কারণ ১২১ ধারায় জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

⇒ ১২১ ধারা অনুযায়ী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে আদালতের অধীন, সেই আদালতের বিশেষ আদেশ ব্যতীত নিম্নলিখিত ২টি বিষয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে তাকে বাধ্য করা যাবে নাঃ
১. জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে উক্ত আদালতে তার নিজস্ব কোনো কার্য সম্পর্কে; বা
২. যে কোনো কিছু যা বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে সে আদালতে জানতে পারে।

⇒ যে ক্ষেত্রে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যায়:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে আদালতে তার নিজস্ব কার্য ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা যেতে পারে বা উক্ত পদের কর্তব্য পালনের সময় যে সব ঘটনা তার উপস্থিতিতে ঘটেছে, সেই গুলি সম্পর্কে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে। যেমন আদালতে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে খুন সংঘটিত হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত খুন সম্পর্কে যেকোন প্রশ্নের উত্তর দিতে উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যেতে পারে।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-121. Judges and Magistrates:
No Judge or Magistrate shall, except upon the special order of some Court to which he is subordinate, be compelled to answer any questions as to his own conduct in Court as such Judge and Magistrate, or as to anything which came to his knowledge in Court as such Judge or Magistrate: but he may be examined as to other matters which occurred in his presence whilst he was so acting.

Illustrations:
(a) A, on his trial before the Court of Session, says that a deposition was improperly taken by B, the Magistrate. B cannot be compelled to answer questions as to this, except upon the special order of a superior Court.
(b) A is accused before the Court of Session of having given false evidence before B, a Magistrate. B cannot be asked what A said, except upon the special order of the superior Court.
(c) A is accused before the Court of Session of attempting to murder a police-officer whilst on his trail before B, a Sessions Judge. B may be examined as to what occurred.

৭,৮০৮.
তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান অনুসারে, কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে তামাদি আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে ___________________।
  1. বিবাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
  2. বাদীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে
  3. বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
  4. বাদীর অধিকার বহাল থাকবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮ (সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি)-
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে

Section 28: Extinguishment of right to property-
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৭,৮০৯.
কোন ব্যক্তি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে মুক্তিলাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হলে সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হবেন না?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা: 
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইলে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি
(ক) কোন উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;
(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন;
(গ) তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;
(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইয়া থাকেন;
(চ) আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করিতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা]
(ছ) তিনি কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন।
 
(২ক) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (গ) উপ-দফা তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হইয়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিলে এবং পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তি-
(ক) দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে, বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করিলে; কিংবা
(খ) অন্য ক্ষেত্রে, পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করিলে-
এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তিনি বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন না।
(৩) এই অনুচেছদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন ব্যক্তি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী হইবার কারণে প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।]
(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না কিংবা এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।
(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।
৭,৮১০.
দণ্ডবিধি অনুসারে 'Adulteration of drugs' অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ২৭৪ - ওষুধের ভেজাল [Adulteration of drugs]:
যে ব্যক্তি কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা প্রস্তুতিকে এমনভাবে ভেজাল দেয়, যাতে সেই ওষুধ বা চিকিৎসা প্রস্তুতির কার্যকারিতা কমে যায় অথবা তার কার্যক্রম পরিবর্তিত হয়, বা এটি ক্ষতিকর হয়, এবং যদি তার উদ্দেশ্য থাকে যে এটি বিক্রি বা ব্যবহার করা হবে অথবা জানে যে এটি বিক্রি বা ব্যবহার করা হবে, এমনভাবে যে এটি মনে হবে যে এটি ভেজাল মুক্ত, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ড অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেয়া হবে।

[Whoever adulterates any drug or medical preparation in such a manner as to lessen the efficacy or change the operation of such drug or medical preparation, or to make it noxious, intending that it shall be sold or used for, or knowing it to be likely that it will be sold or used for, any medicinal purpose, as if it had not undergone such adulteration, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.]
৭,৮১১.
The Evidence Act 1872 এর ১৩৭ ধারা অনুযায়ী কোনটি প্রথমে হয়?
  1. জেরা
  2. পূনঃ জবানবন্দী
  3. জবানবন্দী
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৩৭ ধারা অনুযায়ী জবানবন্দী, জেরা, পূনঃ জবানবন্দী এই ক্রম অনুসারে হয়।
- যে পক্ষ সাক্ষী হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে তখন তা জবানবন্দী হিসেবে গণ্য হয়, বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তা জেরা হিসেবে গণ্য হয়।
- কোন সাক্ষীকে জেরা করার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যখন নিজের সাক্ষীকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করে তখন তা পূনঃ জবানবন্দী হিসেবে গণ্য হয়।
৭,৮১২.
'ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫-এ "চরিত্র" বলতে খ্যাতি (reputation) ও স্বভাব (disposition) উভয়কেই বোঝায়'- এই সংজ্ঞা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার ব্যাখ্যায় দেওয়া আছে?
  1. ৫০ ধারায়
  2. ৫২ ধারায়
  3. ৫৪ ধারায়
  4. ৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৫: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে চরিত্রের প্রাসঙ্গিকতা:
দেওয়ানি মামলায়, কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন হতে পারে যা তার প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে, এবং এ সংক্রান্ত বিষয়টি প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যা: ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫-এ "চরিত্র" বলতে খ্যাতি (reputation) ও স্বভাব (disposition) উভয়কেই বোঝায়। তবে, ৫৪ ধারায় নির্দিষ্ট যে ব্যতিক্রম রয়েছে তা ছাড়া, শুধুমাত্র সাধারণ খ্যাতি ও সাধারণ স্বভাব সম্পর্কিত সাক্ষ্য দেওয়া যাবে, বিশেষ কোনো কার্য বা আচরণের মাধ্যমে প্রমাণিত খ্যাতি বা স্বভাবের সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
৭,৮১৩.
Which of the following is the examination of a witness by the adverse party?
  1. Cross-examination
  2. Re-examination
  3. Examination-in-chief
  4. Preliminary examination
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
→ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
⇒জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
→ পুন: জবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ ধারা ১৩৮: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
-------------------------
The Evidence Act, 1872 section 137:
→ Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
→ Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
→ Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined. 
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৭,৮১৪.
স্বামী কর্তৃক স্ত্রী ধর্ষণের অপরাধ তদন্ত করার ক্ষেত্রে-
  1. আদালত কর্তৃক আদেশপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তি তদন্ত করতে পারবে
  2. পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না
  3. পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর তদন্ত করতে পারবে
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কর্তৃক আদেশপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তি তদন্ত করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান

(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট -
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

Section 561- Special provisions with respect to offence of rape by a husband

(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall-
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or
(b) send the man for trial for the offence.

(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
৭,৮১৫.
বাদী সরকার হলে সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মামলা করার তামাদি ________ বছর।
  1. ১২
  2. ২০
  3. ৩০
  4. ৬০
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাদী সরকার হলে সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মামলা করার তামাদি মেয়াদ ৬০ বছর
৭,৮১৬.
হাইকোর্ট কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৬২ এর বিধান: হাইকোর্ট কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশের তারিখ হতে ২০ দিন।
৭,৮১৭.
দণ্ডবিধির ধারা ৩১৭ অনুসারে, কোনো পিতা-মাতা বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি ১২ বছরের কম বয়সী শিশুকে পরিত্যাগের উদ্দেশ্যে ফেলে রেখে যায়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩১৭ অনুসারে, যদি কোনো পিতা-মাতা বা কোনো ব্যক্তি যার কাছে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুর দায়িত্ব রয়েছে, সে শিশুটিকে সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করার উদ্দেশ্যে কোনো স্থানে রেখে আসে বা প্রকাশ্যে ফেলে যায়, তবে অপরাধীটি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। এছাড়াও তাকে জরিমানাও দেওয়া হতে পারে।

এই ধারাটির উদ্দেশ্য হল নিষ্পাপ শিশুদের পরিত্যাগ ও অবহেলার হাত থেকে রক্ষা করা। তবে উল্লেখ্য, যদি এই পরিত্যাগের ফলে শিশুটির মৃত্যু ঘটে, তবে অপরাধীকে খুন (Murder) বা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable Homicide) এর মামলায়ও বিচার করা যেতে পারে (ধারা ৩১৭ এর Explanation অনুযায়ী)।
 ⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩১৭ - ১২ বছরের নিচে শিশু সন্তানকে ফেলে যাওয়া বা পরিত্যাগ করা : যে ব্যক্তি, ১২ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুর পিতা বা মাতা, অথবা ওই শিশুর দেখাশোনার দায়িত্বে নিয়োজিত, সে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে পুরোপুরিভাবে শিশুটিকে পরিত্যাগ করার উদ্দেশ্যে ওই শিশুকে কোনো স্থানে রেখে দেয় বা ফেলে দেয়, তাহলে সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ সাত বছর মেয়াদে কারাদণ্ড, অথবা - অর্থদণ্ড, অথবা - উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒The Penal Code, 1860-Section 317. Exposure and abandonment of child under twelve years by parent or person having care of it.
Whoever being the father or mother of a child under the age of twelve years, or having the care of such child, shall expose or leave such child in any place with the intention of wholly abandoning such child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both. 
 
Explanation: This section is not intended to prevent the trial of the offender for murder or culpable homicide, as the case may be, if the child die in consequence of the exposure.

৭,৮১৮.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামী জখমের মাধ্যমে খুনের উদ্যোগ নিলে ৩০৭ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
---------------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section- 307: Attempt to murder Attempts by life-convicts:
-Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
 
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৭,৮১৯.
'ক' একজন ১৪ বছরের কিশোর। চুরি করতে গিয়ে 'ক' ধরা পড়ে এবং আদালত তাকে দণ্ডাদেশ দেয়। এক্ষেত্রে 'ক' কে আদালত-
  1. ফৌজদারি কারাগারে বন্দি করার আদেশ দিবেন
  2. তার এলাকার কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
  3. সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
  4. দণ্ডাদেশ এর বদলে জরিমানার আদেশ দিবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৯৯: 

কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স ১৫ বছরের কম হলে আদালত তাকে ফৌজদারি কারাগারে বন্দী না করে, সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখবার নির্দেশ দিতে পারেন।


Section 399- Confinement of youthful offenders in reformatories

(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein. 
 
(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
৭,৮২০.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে, মধ্যস্থতার আদেশ পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয়কে আদালতকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের বিষয়ে জানাতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারি করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারি করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
⇒মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.

৭,৮২১.
‘ক’ দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারার অধীন গুরুতর আঘাত করার অপরাধে অভিযুক্ত হলো। 'ক' আদালতে প্রমাণ করলো যে, সে মারাত্মক ও আকস্মিক উস্কানিতে উক্ত আঘাত করেছিল। এক্ষেত্রে তাকে দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে দণ্ডিত করা যেতে পারে?
  1. ৩৩৪ ধারা 
  2. ৩৩৫ ধারা
  3. ৩৩৬ ধারা
  4. উত্তেজনাবশত হওয়ায় তাকে দণ্ডিত করা যাবে না
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ৩৩৫ ধারা। 

দণ্ডবিধির
ধারা ৩৩৫: উসকানির কারণে স্বেচ্ছায় দেওয়া গুরুতর আঘাত-
যে ব্যক্তি গুরুতর এবং আকস্মিক উসকানির কারণে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদান করবে, যদি সে এই আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্য না থাকে বা তার জানা না থাকে যে, সে অন্য কোনো ব্যক্তিকে আঘাত করতে পারে, যিনি উসকানি দিয়েছেন, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ চার বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়ই দণ্ড দেওয়া হতে পারে।

৭,৮২২.
The Penal Code, 1860 এর ৫১১ ধারায় কোন ধরনের অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা দেয়া হয়?
  1. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ
  3. কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:

কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থদণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both. 
 
Illustration
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 

(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.
৭,৮২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৯(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো অপরাধ সংঘটনের যথেষ্ট কারণ না থাকে, তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কী হবে?
  1. তাকে জরিমানা করা হবে
  2. তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে
  3. তাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হবে
  4. তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৯(৩) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
- "If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released."
- অর্থাৎ, যদি কোনো বেসরকারি ব্যক্তি কাউকে গ্রেপ্তার করে এবং পরে তদন্তে দেখা যায় যে তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ সংঘটনের যথেষ্ট কারণ নেই, তবে পুলিশ সেই ব্যক্তিকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station.
(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him.
(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.
৭,৮২৪.
প্রাথমিক ডিক্রি প্রাপ্তির পর কোন পক্ষ চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে-
  1. ০৩ বছরের মধ্যে
  2. ০৬ বছরের মধ্যে
  3. ১২ বছরের মধ্যে
  4. যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
♦প্রাথমিক ডিক্রি প্রাপ্তির পর কোন পক্ষ চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে- যে কোন সময়।
৭,৮২৫.
ফৌজদারী কার্যবিধি আনুসারে কোন আদালত রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. আতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
- রিভিশনের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ সকলের রয়েছে । কিন্তু ফৌজদারী কার্যবিধি আনুসারে যুগ্ম দায়রা জজের  রিভিশনের ক্ষমতা নেই। 

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক(৩) ধারায় অতিরিক্তি দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা রয়েছে। দায়রা জজ সাধারন বা বিশেষ আদেশ বলে তার নিকট দায়েরকৃত কোন রিভিশন অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করতে পারে; এক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।  
- রিভিশনে প্রদত্ত দায়রা জজের আদেশই চূড়ান্ত কেননা, ফৌজদারি কার্যবিধিতে ২য় ব্রিভিশনের বিধান নাই।
- অর্থাৎ দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবেনা।
৭,৮২৬.
Ratio decidendi-এর বৈশিষ্ট্য কী?
  1. তা বাধ্যতামূলক নয়
  2. তা শুধুমাত্র প্রসঙ্গক্রমে বলা হয়
  3. তা binding precedent হিসেবে কাজ করে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা

• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Obiter Dictum-
"A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।

Ratio decidendi-
সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

৭,৮২৭.
'Plea of alibi' প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. ফরিয়াদির
  2. পুলিশের
  3. সাক্ষীর
  4. আসামির
ব্যাখ্যা
যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল এবং সুতরাং অপরাধে জড়িত থাকতে পারে না। 'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়। সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কাউকে খুনের অভিযোগ আনা হয়, তাহলে সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে খুনের সময় অন্য কোথাও ছিল এবং তার অনুপস্থিতির প্রমাণ দেখাতে পারে। এটি তাকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।

সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ, অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৭,৮২৮.
প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বুঝায় এমন দলিল যাহা পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে-
  1. সরকারি কর্মকর্তার নিকট
  2. আইনজীবীর নিকট
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট
  4. আদালতের নিকট
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে মূল দলিল সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বা Primary evidence বলে। এছাড়া নিম্নলিখিত সাক্ষ্যগুলোও প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে-

i) সাক্ষ্য আইনের ৬২ ও ৯১ ধারা অনুযায়ী লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে খোদ দলিলটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ii) একটি দলিল কয়েক খন্ডে সম্পাদিত হলে, প্রত্যেক খন্ডই একে অন্যের প্রাথমিক সাক্ষ্য ।

iii) যখন কোন দলিল প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয় (executed in counterpart), তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

iv) যেক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে একই পদ্ধতিতে হয়, সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি অন্যগুলির প্রাথমিক সাক্ষ্য। কিন্তু মূল দলিলের নকল হলে, তা মূল দলিলের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য হবেনা যেমন- এক ব্যক্তির দখলে এমন কতগুলি প্রচার পত্র (placards) আছে বলে দেখান হল, যার সবগুলি একটি মূল দলিল হতে একই সময়ে মুদ্রিত হয়েছে। প্রচার পত্রগুলির যে কোন একটি অপর একটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য, কিন্তু সেগুলির একটিও মূল প্রচার পত্রের বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য নয়।

♦ মৌখিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য- সাক্ষী নিজে দেখে-শুনে বা অনুভব করে যে সাক্ষ্য দেয় তা প্রাথমিক সাক্ষ্য। তার নিকট থেকে অন্য জন শুনে সাক্ষ্য দিলে তা হয় মাধ্যমিক (Secondary) বা পরোক্ষ তথা জনশ্রুতি সাক্ষ্য ।
৭,৮২৯.
ক ও খ আনন্দ করার জন্য পরস্পর অসি খেলার জন্য একমত হয়। অসি খেলা চলাকালে ক এর কারনে খ আঘাত পায় এবং খ এর পা ভেঙ্গে যায়। ক এর অপরাধ?
  1. কোন অপরাধ করেনি
  2. গুরুতর জখমের চেষ্টা
  3. গুরুতর জখম
  4. সাধারণ জখম
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৮৭ এর উদাহরণ অনুযায়ী- মৃত্যু ঘটাবার অথবা গুরুতর আঘাত করার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত নয়, অথবা মৃত্যু ঘটাতে পারে বা গুরুতর আঘাত করতে পারে এইরূপ না জেনে সম্পাদিত কোন কাজ করার পর এতে কোন ক্ষতি হওয়ার ফলে অপরাধ হবে না; অথবা ১৮ বৎসরের অধিক বয়স্ক কোন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুরূপ কাজের ফল হতে উদ্ভূত ক্ষতি স্বীকার করার সম্মতিদানের পর তার সম্মতি নিয়ে উক্তরূপ ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না; অথবা যে ব্যক্তি কাজটি করছে, সে ব্যক্তি কাজটি করার ফলে ক্ষতি অনুষ্ঠিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারে সম্মতিক্রমে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।
৭,৮৩০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় যদি বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরতার জন্য মোকদ্দমা করেন এবং চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর না হয়, তাহলে বাদী কি করতে পারেন?
  1. চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারেন
  2. চুক্তির পুনঃনিরীক্ষণ করতে পারেন
  3. চুক্তির মূল্য বৃদ্ধি করার দাবি করতে পারেন
  4. চুক্তি রদ করার আবেদন করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৭,৮৩১.
আপোষ মূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার পাওয়া যায়-
  1. আপীলে
  2. রিভিউ-এ।
  3. রিভিশনে
  4. রেফারেন্সে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, আদালত পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে আপোষমূলক বা সোলে ডিক্রি [Compromise Decree] দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
♦ অন্যদিকে ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে মূল মোকদ্দমায় বা আপীলে প্রদত্ত যে সকল আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না, সেই সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়। যেহেতু আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করা যায় না তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারায় রিভিশন দায়ের করা যায় ।
৭,৮৩২.
দেওয়ানী মামলায় তামাদির বিষয়টি-
  1. আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
  2. আইনের প্রশ্ন
  3. ঘটনার প্রশ্ন
  4. অধিকারের প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
• আদালতে বিচারাধীন প্রত্যেকটি মামলা বিচারকালে দু’ধরনের প্রশ্ন জড়িত থাকে। এগুলি হচ্ছে আইনগত প্রশ্ন ও তথ্যঘটিত প্রশ্ন। যে সকল বিষয় এককভাবে আইন দ্বারা নির্ধারণ করা যায় সেগুলিকে আইনগত প্রশ্ন বলে এবং যে সকল বিষয় ঘটনা বা তথ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট সেগুলিকে তথ্যগত প্রশ্ন বলা হয়।

কোনো ঘটনা নিরঙ্কুশ আইনের সংজ্ঞাধীন হলে তা আইনের প্রশ্ন বলে বিবেচিত হয়। আপিল, রিভিউ, রিভিশন, দরখাস্ত, নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে পরেও আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে/যুক্তিসংগত কারণ দেখাতে পারলে যাওয়ার তা গৃহীত হতে পারে। এই গৃহীত হওয়ার বিষয়টি হলো ঘটনার প্রশ্ন (ধারা ৫)।

তামাদি আইনের ধারা-৩ এ বলা হয়েছে তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মোকদ্দমা, আপীল বা আবেদন রুজু, দায়ের বা দাখিল করা হয়, তাহলে বিবাদী পক্ষ তামাদির প্রশ্ন উপস্থাপন না করলেও উক্ত মোকদ্দমা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ মর্মে পরিগণিত হবে। এই খারিজ হওয়ার বিষয়টি হলো আইনগত প্রশ্ন।

তাই বলা হয়, দেওয়ানী মামলায় তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন।
৭,৮৩৩.
'অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন।'- দণ্ডবিধির কোন ধারার সাথে উক্ত বিধান সাদৃশ্যপূর্ণ?
  1. ধারা ৩৬
  2. ধারা ৩৮
  3. ধারা ৩৫
  4. ধারা ৩৯
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮: অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন:
যেক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কার্য সংঘটনে নিয়োজিত কিংবা জড়িত হন, সেক্ষেত্রে তারা উক্ত কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন।

উদাহরণ:
‘ক’ এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ‘চ’ কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমনে ‘চ’ নিহত হইলে তাহা শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশ হইবে, যাহা খুন বলিয়া গণ্য হইবে না।

'চ' এর প্রতি 'খ' এর বিদ্বেষ থাকায় এবং 'চ' কে হত্যা করিবার জন্য 'খ' এর অভিপ্রায় থাকায়, 'খ' বিনা প্ররোচনায় 'চ' কে হত্যার কার্যে 'ক' কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে 'ক' ও 'খ' উভয়েই 'চ' কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, 'খ' খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে কারন অভিপ্রয় ছিল এবং 'ক' কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
৭,৮৩৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে কোন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. আপীলের
  2. রিভিশনের
  3. মামলা স্থানান্তর করার
  4. কোনটাই নয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ কে মামলা স্থানান্তর এর ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৬ ধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগ মামলা স্থানান্তর করতে পারবেন বা স্বয়ং এর বিচার করতে পারবেন (High Cour Division may transfer case or itself try it)

♦ হাইকোর্ট কোন মামলা বা আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন ফৌজদারী স্বয়ং হাইকোর্ট বা দায়রা আদালতে হস্থান্তর বা প্রেরণের নির্দেশ দিতে পারে।[ধারা- ৫২৬(১)]

♦ নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ এরূপ আদেশ দিতে পারে; যথা-

১) ন্যায়সংগত ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধান বা বিচার পাওয়া যাবে না, অথবা
২) কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা আছে, অথবা
৩) যে স্থানে বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হতে পারে। 
৪) পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগণের সাধারণভাবে সুবিধা হবে।
৫) ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যে [ধারা- ৫২৬(১)]
৭,৮৩৫.
তামাদি আইনের ধারা ২৬ অনুযায়ী, বেসরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জনের জন্য কত বছর উক্ত সম্পত্তি বাধা-বিপত্তীহীন ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করতে হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ৬০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৬ অনুযায়ী, বেসরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জনের জন্য ২০ বছর সম্পত্তির মাঝে বাধা-বিপত্তীহীন ও  শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করতে।
- তবে সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই সময়সসীমা ৬০ বছর।


⇒ ধারা-২৬। সুখাধিকারসমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
উপধারা-(১) যেক্ষেত্রে কোনো দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বছর যাবৎ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হয়েছে এবং যেইক্ষেত্রে কোনো পথ বা জলস্রোত অথবা কোনো পানির ব্যবহার অথবা অন্য যেই কোনো সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাহাই হোক না কেন) কোনো ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বছর যাবৎ শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করেছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোনো সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে। যদি কোনো মামলায় উক্তরূপ কোনো অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বছর বলতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহতি পূর্ববর্তী দুই বছরের মধ্যে সমাপ্ত বছর বুঝাবে।
উপধারা-(২) যেই সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তা যদি সরকারের সম্পত্তি হয়, তবে উক্ত উপধারায় 'বিশ বছর' কথাগুলির স্থলে 'ষাট বছর' কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোনো কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোনো লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগ প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বড় অতিবাহিত হয়।
---------------------
⇒ The Limitation Act 1908, Section 26, Acquisition of Ownership By Possession:(1) Where the access and use of light or air to and for any building have been peaceably enjoyed therewith as an easement, and as of right, without interruption, and for twenty years,
and where any way or watercourse, or the use of any water, or any other easement (whether affirmative or negative) has been peaceably and openly enjoyed by any person claiming title thereto as an easement and as of right without interruption, and for twenty years,
the right to such access and use of light or air, way, water-course, use of water, or other easement shall be absolute and indefeasible.
Each of the said periods of twenty years shall be taken to be a period ending within two years next before the institution of the suit wherein the claim to which such period relates is contested.
(2) Where the property over which a right is claimed under sub-section (1) belongs to the Government, that sub-section shall be read as if for the words "twenty years" the words "sixty years" were substituted.
Explanation - Nothing is an interruption within the meaning of this section, unless where there is an actual discontinuance of the possession or enjoyment by reason of an obstruction by the act of some person other than the claimant, and unless such obstruction is submitted to or acquiesced in for one year after the claimant has notice thereof and of the person making or authorising the same to be made.
Illustrations:
(a) A suit is brought in 1911 for obstructing a right of way. The defendant admits the obstruction, but denies the right of way. The plaintiff proves that the right was peaceably and openly enjoyed by him, claiming title thereto as an easement and as of right, without interruption from 1st January, 1890 to 1st January, 1910. The plaintiff is entitled to judgment.
(b) In a like suit the plaintiff shows that the right was peaceably and openly enjoyed by him for twenty years. The defendant proves that the plaintiff, on one occasion during the twenty years, had asked his leave to enjoy the right. The suit shall be dismissed.

৭,৮৩৬.
সহায়ক হিসেবে কোন ক্ষেত্রে পুলিশ ডায়েরি তলব করা যায়?
  1. আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানে
  2. আদালত কর্তৃক তদন্তে
  3. আদালত কর্তৃক বিচারের ক্ষেত্রে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
•  পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী । ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

• পুলিশ ডায়েরীতে পুলিশ যে সকল বিষয় লিপিবদ্ধ করে [ধারা ১৭২(১)]:

ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারায় বলা হয়েছে, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবে এবং কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন,কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

• কখন কিভাবে পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার করা হয়? [ধারা ১৭২(২)]

যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।

• এখানে উল্লেখ্য যে, আসামী বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
৭,৮৩৭.
একজন পরিবহনকারী (carrier) তার কাছে গ্রাহকের জমা দেওয়া মালামাল বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করলে। তার বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা দায়ের করা যেতে পারে?
  1. দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒  পরিবহনকারী (carrier), গুদামদার (warehouse-keeper) বা ঘাটের মালিক (wharfinger) হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি তার কাছে জমা দেওয়া মালামাল/সম্পত্তি আত্মসাৎ বা অপব্যবহার করে, তবে তা দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭-এর অধীন বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ (Criminal breach of trust by carrier, etc.) হিসেবে গণ্য হবে।
সুতরাং, পরিবহনকারীর এই কাজের জন্য দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭-এ মামলা দায়ের করা যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।

⇒ The Penal Code- Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৭,৮৩৮.
বিবাদী কত দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন করতে পারবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

৭,৮৩৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় আদালতের বিবেচনাধীন ক্ষমতা (discretion) সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ৩৬
  4. ধারা ১৮
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানে এখতিয়ার হচ্ছে বিবেচনামূলক এবং কেবলমাত্র তা করা আইনসম্মত, এ কারণেই আদালত এমন প্রতিকার মঞ্জুর করতে বাধ্য না। আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন হবেনা বরং নিখুঁত এবং যুক্তিযুক্ত, বিচার বিভাগীয় নীতি দ্বারা নিযন্ত্রিত এবং আপিল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে হবে। ২২ ধারায় ২টি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। ১টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি দিতে যথাযথভাবে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
i. বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে;
যেখানে এমন পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে যে, তা বাদীকে বিবাদির উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করছে, যদিও সেখানে বাদীর পক্ষ হতে কোন জালিয়াতি বা ভুল বিবরণ নাও থাকতে পারে।
ii. বিবাদির প্রতি কঠোরতা;
যেখানে চুক্তির কাজ সম্পাদন বিবাদীকে কোন কঠোরতায় বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলবে যা বিবাদী বুঝতে পারেনা, অপরদিকে উহা না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না। এই দুটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 22. Discretion as to decreeing specific performance:
The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.

৭,৮৪০.
বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভূক্তির ফি কত?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ১৫০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬৮: অ্যাডভোকেটদের প্রদেয় ফি:

একজন অ্যাডভোকেটকে নিচের ফি প্রদান করতে হবে:
(ক) এন্ট্রোলমেন্ট ফি: ১,৫০০.০০ টাকা।
(খ) বার্ষিক ফি: ২০০.০০ টাকা, যা এন্ট্রোলমেন্টের আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রথম বছর বা আংশিক বছরের জন্য প্রদান করতে হবে, পরবর্তীতে প্রতি বছরের ফি আগের বছরের ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে জমা দিতে হবে।

শর্ত: যদি কোনো অ্যাডভোকেট নির্ধারিত সময় (৩১ ডিসেম্বর) এর মধ্যে বার্ষিক ফি দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি বিনা বিলম্ব ফি-তে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ফি প্রদান করতে পারবেন (Rule 69 অনুযায়ী)।
আরও শর্ত: যদি পরবর্তী ধারায় বর্ণিত হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য ফি প্রদান করা হয়ে থাকে, তাহলে বার্ষিক ফি আর দিতে হবে না।

(গ) হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের জন্য অনুমতির ফি: ৫,০০০.০০ টাকা (যা Article 21 অনুযায়ী প্রযোজ্য)

সনদ ও রসিদ প্রদান:
অ্যাডভোকেট হিসেবে যে কেউ নিম্ন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের সামনে প্র্যাকটিসের জন্য এন্ট্রোলমেন্ট করলে তাকে Form B অনুযায়ী একটি সনদপত্র দেওয়া হবে।
যেসব অ্যাডভোকেট হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতি পান, তাদেরকে Form D অনুযায়ী সনদ দেওয়া হবে।
বার্ষিক ফি বা অন্য কোনো ফি প্রদান করলে Form C অনুযায়ী রসিদ প্রদান করা হবে।
৭,৮৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬(২) অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কী করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. মৃত্যুর কারণ গোপন রাখতে
  2. মৃতদেহ দাফন করতে বাধা দিতে
  3. পুলিশের তদন্ত বাতিল করতে
  4. সমাধি থেকে মৃতদেহ উত্তোলন করতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬(২) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "যখন এইরূপ কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিবেচনায় কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য ইতিমধ্যে দাফনকৃত মৃতদেহ পরীক্ষা করা প্রয়োজনীয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত দেহ সমাধি থেকে উত্তোলন (disinter) ও পরীক্ষা করার আদেশ দিতে পারবেন।"
- সুতরাং, মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেট দাফনকৃত মৃতদেহ উত্তোলনের (exhume) আইনগত ক্ষমতা রাখেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকোয়ারি:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses: Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.

৭,৮৪২.
কোন অপরাধ সংঘটনে সহায়তা [Abetment of an offence] করা
  1. সর্বদা একটি অপরাধ
  2. প্রেক্ষাপটের উপর ভিত্তি করে অপরাধ হতে পারে কিন্তু সর্বদা অপরাধ না
  3. কোন অপরাধ না
  4. প্ররোচিত অপরাধটি সংঘটিত হলে শুধুমাত্র তখন অপরাধ হবে
ব্যাখ্যা
♦যে অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে, তা সংঘটিত হোক বা না হোক, প্ররোচনা [Abetment] প্রমাণিত হলে, সেটা একটি অপরাধ হবে এবং দুষ্কর্মের সহয়তাকারী দোষী হয়।
৭,৮৪৩.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রজোয্য হবে না?
  1. Complaint এর মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে
  2. এজাহার দাখিলের ক্ষেত্রে
  3. FIR এর মাধ্যমে থানায় মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তবে ফৌজদারী আপিল, রিভিশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- মৃত্যুদন্ডের বিরুদ্ধে আর্পিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।
৭,৮৪৪.
নিচের কোন ক্ষেত্রে চুরি হয়েছে বলে গণ্য হবে?
  1. স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রী দান করল
  2. কেউ রাস্তায় পড়ে থাকা রিং তুলে নিল
  3. বই ফেরত দেওয়ার উদ্দেশ্যে বন্ধুর লাইব্রেরি থেকে বই ধার নিল
  4. কেউ গাছ কেটে মালিকের অনুমতি ছাড়া তা নিয়ে গেল
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী, চুরি সংঘটিত হওয়ার জন্য তিনটি মূল উপাদান থাকতে হয়:
অস্থাবর সম্পত্তি (movable property) হতে হবে,
তা কারো দখলে থাকতে হবে,
এবং সেই দখলদারের সম্মতি ব্যতীত অসাধুভাবে গ্রহণ বা স্থানান্তর করতে হবে।

এখন অপশনগুলো বিশ্লেষণ করি:
ক) স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রী দান করল:
→ এটি চুরি নয়। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দান করার ক্ষেত্রে যদি স্ত্রী বিশ্বাস করে যে তিনি অনুমতিসম্পন্ন, তবে এটি চুরি হবে না। এখানে dishonest intention বা অসাধু মনোভাব স্পষ্ট নয়।

খ) কেউ রাস্তায় পড়ে থাকা রিং তুলে নিল:
→ এটা চুরি নয় কারণ রাস্তায় পড়ে থাকা বস্তু কারো দখলে নেই। তবে যদি ব্যক্তি তা আত্মসাৎ করে নেয়, তাহলে criminal misappropriation হতে পারে।

গ) বই ফেরত দেওয়ার উদ্দেশ্যে বন্ধুর লাইব্রেরি থেকে বই ধার নিল:
→ এখানে যদি ব্যক্তি বিশ্বাস করে যে বন্ধুর পরোক্ষ সম্মতি রয়েছে, তাহলে এটা চুরি নয়। Explanation 5 অনুযায়ী, পরোক্ষ সম্মতির ভিত্তিতে তা বৈধ হতে পারে।

ঘ) কেউ গাছ কেটে মালিকের অনুমতি ছাড়া তা নিয়ে গেল:
→ এখানেই চুরি হয়েছে।
Explanation 1 ও 2 অনুসারে, গাছ যতক্ষণ মাটির সাথে যুক্ত থাকে ততক্ষণ তা চুরির বস্তু নয়। কিন্তু যখনই তা কেটে মাটি থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং dishonestly নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তা চুরি হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৭,৮৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার আদেশে ম্যাজিস্ট্রেট কোন বিষয়টি বিবেচনা করেন না?
  1. শান্তি রক্ষা
  2. প্রকৃত দখলকারী
  3. মালিকানা নির্ধারণ
  4. দখলের বৈধতা
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
⇒ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

• ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা-
(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

Section 145: Procedure where dispute concerning land, etc., is likely to cause breach of peace-
(1) Whenever a District Magistrate, or an Executive Magistrate specially empowered by the Government in this behalf] is satisfied from a police-report or other information that a dispute likely to cause a breach of the peace exists concerning any land or water of the boundaries thereof, within the local limits of his jurisdiction, he shall make an order in writing, stating the grounds of his being so satisfied, and requiring the parties concerned in such dispute to attend his Court in person or by pleader, within a time to be fixed by such Magistrate, and to put in written statements of their respective claims as respects the fact of actual possession of the subject of dispute. 
৭,৮৪৬.
কোনো সংসদ-সদস্য পদত্যাগ করতে চাইলে কাকে লিখিতভাবে জানাতে হবে?
  1. রাষ্ট্রপতিকে
  2. প্রধানমন্ত্রীকে
  3. স্পীকারকে
  4. নির্বাচন কমিশনকে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদের বিধান: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি,
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।

৭,৮৪৭.
সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রী কী করবেন?
  1. নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করবেন
  2. পদত্যাগ করবেন
  3. সংসদ ভেংগে দিবেন
  4. সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজনের কাছে ক্ষমতা অর্পণ করবেন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৭- প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ:
(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি- 
(ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা 
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন। 

(২) সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারাইলে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিবেন কিংবা সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শদান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নহেন এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন। 

(৩) প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।

৭,৮৪৮.
কোন রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তির কর্তৃত্ববলে সীলমোহরকৃত ও ইস্যুকৃত ধাতু, যাহা অর্থ হিসাবে ব্যবহৃত-তাহাকে বলা হয়-
  1. বাংলাদেশী মুদ্রা (Bangladesh coin)
  2. মুদ্রা (Coin)
  3. টাকা
  4. বাংলাদেশী নোট
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।

- বাংলাদেশী মুদ্রা:- বাংলাদেশী মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশী মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।

---------------------
♦ “Coin” defined Bangladesh coin:
- Section 230. Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used. 
 
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money. 
 
Illustrations 
 
(a) Cowries are not coin. 
 
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin. 
 
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money. 
 
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin. 
 
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৭,৮৪৯.
সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কার পরামর্শ গ্রহণ করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. সংসদ
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৫- বিচারক-নিয়োগ:
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং 
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা 
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না। 
 
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৭,৮৫০.
একজন বাড়িওয়ালাকে তার পাওনা ভাড়া আদায়ে The Small Cause Courts Act, 1887 এর 27A ধারার বিধানমতে কত দিনের মধ্যে Small causes Court এর আবেদন করতে হবে?
  1. ০৩ মাস
  2. ১২ মাস
  3. ০৬ মাস
  4. ০৩ বছর
ব্যাখ্যা
• The Small Cause Courts Act, 1887 এর ২৭ ধারার অধীনে যেকোনো ব্যক্তি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Distress warrant) - এর জন্য আবেদন করতে পারে। ২৭(ক) ধারায় বলা হয়েছে-

একজন বাড়িওয়ালা তার পাওনা ভাড়া আদায়ের জন্য ১২ মাসের বা ১ বছরের মধ্যে Small Causes Court এ আবেদন করতে হবে।
৭,৮৫১.
‘Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended’ – বিষয়টি সম্পর্কে দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩০০
  2. ধারা ৩০১
  3. ধারা ৩০৪
  4. ধারা ২৯৯
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৩০১।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারা-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি একজনের মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে কিন্তু ভুলবশত অন্য কারো মৃত্যু ঘটায়, তাহলে অপরাধীকে সেই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর মতোই শাস্তি দেওয়া হবে যার মৃত্যু ঘটানোর ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য ছিল।
- এই ধারাটি 'Doctrine of Transfer of Malice' বা 'দুষ্ট অভিপ্রায়ের হস্তান্তর' নীতিকে প্রতিষ্ঠা করে। অর্থাৎ, অপরাধীর দুষ্ট অভিপ্রায় আসল লক্ষ্য থেকে ভুল লক্ষ্যে স্থানান্তরিত হলেও অপরাধের দায় একই থাকে।

উদাহরণ: যদি কেউ 'ক' কে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে কিন্তু 'খ' মারা যায়, তাহলে অপরাধীকে 'ক' কে হত্যার চেষ্টার মতোই শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৭,৮৫২.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, স্বামী কত বছর অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ চাইতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর ধারা ২(৬) অনুসারে, যদি স্বামী অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল হয়ে যায় অথবা কুষ্ঠরোগ বা মারাত্মক যৌন রোগে আক্রান্ত হয় এবং এই অবস্থা ২ বছর ধরে চলতে থাকে, তাহলে স্ত্রী আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি চাইতে পারেন।

⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যে-সব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
- চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
- দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
- স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
- স্বামী কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
- বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
- স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
- বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;
- স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
- স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।

৭,৮৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুযায়ী ১৫ বছরের কম বয়সী আসামির অপরাধ (মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন ছাড়া) বিচার করতে পারেন-
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরোক্ত সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী হন এবং তার অপরাধটি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে তার বিচার করতে পারেন:
১) চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM)
২) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM)
৩) অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ম্যাজিস্ট্রেট
- তাই সঠিক উত্তর ঘ)উপরোক্ত সবাই । 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুসারে, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ (যদি তা মৃত্যুদণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ (Section 29B, CrPC) অনুযায়ী বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী, এবং তিনি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোনো অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তার বিচার করতে পারেন, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM), চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM), অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি শিশু অপরাধ সংক্রান্ত আইনের অধীনে বিচার করার ক্ষমতা রাখেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 29B. Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate] or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law] providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.

৭,৮৫৪.
এস্টোপেলের বা Estoppel নীতি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় আছে?
  1. ১১০
  2. ১১১
  3. ১১৫
  4. ১২০
ব্যাখ্যা
এস্টোপেল বিষয়ে ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরস্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি

সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।
৭,৮৫৫.
'ক'-এর বিরুদ্ধে প্রতারণামূলে ২০,০০০ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আনা হয়। উহা কোন আদালতে বিচার্য?
  1. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. গ্রাম্য আদালত
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বিচার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে গ্রাম আদালত। 

গ্রাম আদালত গঠন- 
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উভয়পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন করিয়া মোট পাঁচজন সদস্য লইয়া গ্রাম আদালত গঠিত হয়। তবে প্রত্যেক পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন সদস্যের মধ্যে একজন সদস্যকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হইতে হয়।

এখতিয়ার-
গ্রাম আদালত ‘গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬’ এর তফসিলের প্রথম অংশে বর্ণিত ফৌজদারী অপরাধসমূহের বিচার করতে পারে।
১। দন্ডবিধির ধারা ৩২৩ বা ৪২৬ বা ৪৪৭ মোতাবেক কোন অপরাধ সংঘটন করা, বে-আইনী জনসমাবেশ সাধারন উদ্দেশ্যে হইলে এবং উক্ত বে - আইনী জনসমাবেশে জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা দশের অধিক না হইলে দন্ডবিধির ১৪৩ ও ১৪৭ ধারা, ১৪১ ধারা এর তৃতীয় বা চতুর্থ দফার সহিত পঠিতব্য;
২। দন্ডবিধির ধারা ১৬০, ৩৩৪, ৩৪১, ৩৪২, ৩৫২, ৩৫৮, ৫০৪, ৫০৬ (প্রথম অংশ) ৫০৮, ৫০৯ এবং ৫১০;
৩। দন্ডবিধির ধারা ৩৭৯, ৩৮০ ও ৩৮১ যখন সংঘটিত অপরাধটি গবাধিপশু সংক্রান্ত হয় এবং গবাদিপশুর মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৪। দন্ডবিধির ধারা ৩৭৯, ৩৮০ ও ৩৮১ যখন সংঘটিত অপরাধটি গবাদিপশু ছাড়া অন্য কোন সম্পত্তি সংক্রান্ত হয় এবং উক্ত সম্পত্তির মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৫। দন্ডবিধির ধারা ৪০৩, ৪০৬, ৪১৭ ও ৪২০ যখন অপরাধ সংশ্লিষ্টি অর্থের পরিমান অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৬। দন্ডবিধির ধারা ৪২৭, যখন সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৭। দন্ডবিধির ধারা  ৪২৮ ও ৪২৯ যখন গবাদিপশুর মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৮। Cattle-Trespass Act, 1871 (Act I of 1871) এর  section 24, 26, 27;
৯। উপরিউক্ত যে কোন অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা বা উহা সংঘটনের সহায়তা প্রদান।

প্রশ্নে উল্লিখিত মামলা দন্ডবিধির ধারা ৪১৭ এর অধীন এবং মূল্যমান ২০,০০০ টাকা হওয়ায়, উক্ত মামলা গ্রাম্য আদালতে বিচার্য।
৭,৮৫৬.
বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করার তামাদির মেয়াদ কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৬
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৮
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৯
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৫
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৮

বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের [redeem] জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বৎসর
৭,৮৫৭.
'ক' মৃত্যু হবে জেনেও 'খ' এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে গুলি ছোঁড়েন কিন্তু ঐ গুলিতে 'গ' এর মৃত্যু হয়। 'ক' এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছেন?
  1. ২৯৯
  2. ৩০০
  3. ৩০১
  4. ৩০২
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।

⇒ অর্থাৎ 'ক' মৃত্যু হবে জেনেও 'খ' এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে গুলি ছোঁড়েন কিন্তু ঐ গুলিতে 'গ' এর মৃত্যু হয়। 'ক' এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার অধীনে খুনের অপরাধ করেছেন।
---------------
⇒ Section 301. Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:-
- If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৭,৮৫৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক চুক্তি কেবল সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করার বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৩
  2. ১৪৫
  3. ১৪৪
  4. ১৪৫ক
ব্যাখ্যা
 ⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪৫ক অনুচ্ছেদের বিধান: আন্তর্জাতিক চুক্তি:
-বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে, এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেন;

তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সহিত সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হইবে।
৭,৮৫৯.
দণ্ডবিধির ৫৩ ধারার অধীনে নিম্নের কোনটি শাস্তির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. অর্থদণ্ড
  3. নির্বাসন
  4. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৩ ধারার অধীনে নির্বাসন (Exile) শাস্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।

দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড (Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
(v) অর্থদণ্ড (fine)

ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
৭,৮৬০.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের ক্যাননস অনুসারে জুনিয়র অ্যাডভোকেটদের প্রতি সিনিয়র অ্যাডভোকেটদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত?
  1. কেবলমাত্র নির্দেশমূলক
  2. ব্যক্তিগত সমালোচনামূলক
  3. সৌজন্যমূলক এবং সহায়ক
  4. উদাসীন এবং প্রতিযোগিতামূলক
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের ক্যাননস, ১৯৬৯-এর অধ্যায় ১-এর ধারা ১০-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"Junior and younger members should always be respectful to senior and older members. The latter are expected to be not only courteous but also helpful to their junior and younger brethren at the Bar."
(জুনিয়র ও কম বয়সী সদস্যদের সর্বদা সিনিয়র ও বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। সিনিয়রদের কাছ থেকে আশা করা হয় যে তারা শুধুমাত্র শিষ্টাচারপূর্ণই নন, বরং বারেতে তাদের জুনিয়র ও কম বয়সী সহকর্মীদের প্রতি সহায়তামূলকও হবেন।)

⇒এই ধারা অনুযায়ী, সিনিয়র অ্যাডভোকেটদের দায়িত্ব হলো:
- জুনিয়র অ্যাডভোকেটদের সাথে সৌজন্যপূর্ণ (courteous) আচরণ করা।
- তাদের পেশাগত বিকাশে সহায়ক (helpful) ভূমিকা পালন করা।
- জুনিয়রদেরকে নির্দেশনা, পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে উৎসাহিত করা।
সুতরাং, সিনিয়র অ্যাডভোকেটদের সৌজন্যমূলক এবং সহায়ক আচরণই ক্যাননসসম্মত।

৭,৮৬১.
দণ্ডবিধির ধারা ২-এর অধীনে বিচারযোগ্য ব্যক্তি হতে পারেন:
  1. শুধুমাত্র বাংলাদেশি নাগরিক
  2. শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তা
  3. শুধুমাত্র বিদেশি নাগরিক
  4. বাংলাদেশি এবং বিদেশি নাগরিক উভয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভিতরে সংঘটিত অপরাধসমূহের শাস্তি (ধারা ২):
দণ্ডবিধির ২ ধারায় দণ্ডবিধির Intraterritorial Application বা রাষ্ট্রের ভিতরে প্রয়োগ এর স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ২ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের ভিতরে দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত যেকোন অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার বাংলাদেশের ফৌজদারী আদালতের আছে।

২ ধারা অনুযায়ী,
বাংলাদেশের ভিতরে যেকোন ব্যক্তি সে বাংলাদেশী হোক বা বিদেশী হোক বা অন্য যে কোন দেশের নাগরিক হোক না কেন, সে যদি দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত কোন অপরাধ করে, তাহলে তার ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে এবং তার বিচার ও শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ার বাংলাদেশের ফৌজদারী আদালতের থাকবে।

Section 2: Punishment of offences committed within Bangladesh:
Every person shall be liable to punishment under this Code and not otherwise for every act or omission contrary to the provisions thereof, of which he shall be guilty within Bangladesh.
৭,৮৬২.
To be liable under Section 143, a person must-
  1. Use force in the assembly
  2. Commit an offence during the assembly
  3. Be a member of an unlawful assembly
  4. Organize the unlawful assembly
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: C. Be a member of an unlawful assembly

দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে শাস্তিযোগ্য হতে হলে তার অপরাধটি শুধু একটি—সে যেন বেআইনি সমাবেশের সদস্য হয়। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো:
- ব্যক্তিকে বলপ্রয়োগ করতে হবে না;
- তাকে অপরাধ সংঘটন করতেই হবে না;
- সমাবেশটি সে আয়োজন করেছে কিনা, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ শুধুমাত্র বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়াই এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি:
কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশের সদস্য হয়, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ Section 143- Punishment:
Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.

৭,৮৬৩.
'ক' নামক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে রকিব আহত হয় এবং 'খ' নামক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে মারা যায়। রকিবের নিন্দনীয় নরহত্যা অপরাধের বিচার করতে পারে?
  1. 'খ' নামক আদলতে
  2. 'ক' নামক আদালতে
  3. 'ক' এবং 'খ' নামক আদালতে
  4. 'ক' বা 'খ' নামক আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ অপরাধ যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয় সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অপরাধের পরিণাম দেখা দিয়েছে সেই সেই আদালতে উক্ত অপরাধের বিচার করা যাবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ এবং ১৮৫ ধারার অপরাধের স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের এখতিয়ারে অপরাধটি সংঘটিত হলে কোথায় বিচার করতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের অধিক্ষেত্রে অপরাধটি সংঘটিত হলে যেকোন একটি আদালতে বিচার করা যাবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৫ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তার ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

♦ অর্থাৎ রকিবের নিন্দনীয় নরহত্যা অপরাধের বিচার করতে পারে 'ক' বা 'খ' নামক আদালতে।
৭,৮৬৪.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩৫ ধারায় সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক হবে না?
  1. জমির খতিয়ান
  2. ব্যক্তিগত ডায়েরি
  3. জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেকর্ড
  4. জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য
ব্যাখ্যা
সরকারি বা ডিজিটাল রেকর্ডে সংরক্ষিত তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা (সাক্ষ্য আইন, ধারা ৩৫):
যেকোনো সরকারি বা অন্যান্য অফিসিয়াল বই, রেজিস্টার, রেকর্ড বা ডিজিটাল রেকর্ডে সংরক্ষিত তথ্য, যা সরকারি কর্মচারী তার দায়িত্ব পালনকালে অথবা আইন দ্বারা নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ব্যক্তি লিপিবদ্ধ করেছেন, তা প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে।

সহজ ভাষায়:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী, সরকারি বা ডিজিটাল রেকর্ড তখনই সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে যখন তা কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক তাঁর দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়।

প্রাসঙ্গিক রেকর্ড:
- জমির খতিয়ান (সরকারি রেকর্ড)।
- জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেকর্ড (সরকারি রেকর্ড)।
- জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য (সরকারি সংরক্ষিত তথ্য)।

অপ্রাসঙ্গিক:
ব্যক্তিগত ডায়েরি (এটি ব্যক্তিগত নথি এবং কোনো সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ নয়, তাই এটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য নয়)।
৭,৮৬৫.
'Improvements to mortgaged property' সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ৬৪ ধারায়
  2. ৬৩ক ধারায়
  3. ৬৫ ধারায়
  4. ৬৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৩ক: রেহেনী সম্পত্তির উন্নয়ন

রেহেন কার্যকর অবস্থায় রেহেনী সম্পত্তি রেহেনগ্রহীতার দখলে থাকার সময় উন্নয়ন (Improvement) করা হলে রেহেন মুক্তির সময় রেহেনদাতা এই উন্নতির স্বত্ব লাভের অধিকারী হবেন এবং নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত এর ব্যয় তাকে পরিশোধ করতে হবে না। অর্থাৎ শুধুমাত্র নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে তাকে ব্যয় পরিশোধ করতে হবে-

⇒ এরূপ উন্নয়ন রেহেনগ্রহীতার ব্যয়ে হলে,
⇒ রেহেনী সম্পত্তির ধ্বংস বা ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য হলে,
⇒ জামানতের পরিমাণ হ্রাস প্রতিরোধের জন্য হলে,
⇒ কোন সরকারী কর্মকর্তা বা সরকারী কর্তৃপক্ষের আইনসঙ্গত আদেশক্রমে করা হলে,

উপর্যুক্ত ক্ষেত্রে রেহেনদাতাকে মূল রেহেনী অর্থ ছাড়াও উন্নয়নের ব্যয় পরিশোধ করতে হবে। সুদের কোন হার নির্ধারিত না থাকলে বার্ষিক ৯% হারে সুদ দিতে হবে এবং উন্নয়নের ফলে কোন লাভ হয়ে থাকলে তা রেহেনদাতাকে প্রদান করতে হবে।

Section 63A: Improvements to mortgaged property
(1) Where mortgaged property in possession of the mortgagee has, during the continuance of the mortgage, been improved, the mortgagor, upon redemption, shall, in the absenceof a contract to the contrary, be entitled to the improvement; and the mortgagor shall not, save only in cases provided for in sub-section (2), be liable to pay the cost thereof. 
 
(2) Where any such improvement was effected at the cost of the mortgagee and was necessary to preserve the property from destruction or deterioration or was necessary to prevent the security from becoming insufficient, or was made in compliance with the lawful order of any public servant or public authority, the mortgagor shall, in the absence of a contract to the contrary, be liable to pay the proper cost thereof as an addition to the principal money with interest at the same rate as is payable on the principal, or, where no such rate is fixed, at the rate of nine per cent. per annum, and the profits if any, accruing by reason of the improvement shall be credited to the mortgagor.
৭,৮৬৬.
যদি একটি দলিলে একটি জমির মালিকানা ও ঋণের চুক্তি একসাথে লিপিবদ্ধ থাকে এবং আদালত প্রমাণ পায় যে ঋণের চুক্তি জালিয়াতি করা হয়েছে, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারায় কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. দলিল পুরোপুরি বাতিল করে দিবেন
  2. ঋণের চুক্তি এবং জমির মালিকানা উভয় বহাল রাখবেন
  3. ঋণের চুক্তি এবং জমির মালিকানা উভয় অবৈধ ঘোষনা করবেন
  4. ঋণের চুক্তির অংশটি বিলুপ্ত করে, মালিকানার অংশটি বহাল রাখতে পারেন
ব্যাখ্যা
• যদি একটি দলিলে একটি জমির মালিকানা ও ঋণের চুক্তি একসাথে লিপিবদ্ধ থাকে এবং আদালত প্রমাণ পায় যে ঋণের চুক্তি জালিয়াতি করা হয়েছে, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার অধীন ঋণের চুক্তির অংশটি বিলুপ্ত করে জমির মালিকানার অংশটি বহাল রাখতে পারেন।

• ধারা ৪০: যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য-
যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।

উদাহরণঃ
'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী।

Section 40- What instruments may be partially cancelled: 
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue. 

Illustration:
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.
৭,৮৬৭.
নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ২০২ ধারার অধীন কে অনুসন্ধান বা তদন্ত করতে পারেন?
  1. আমলে নেয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
  3. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ব্যক্তি
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন,অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন ।

• ধারা ২০২:পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-

১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লেখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন। 
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
৭,৮৬৮.
অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পেলে ওসি প্রথমে কী করবেন?
  1. ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত করবেন
  2. ইনকোয়েস্ট করবেন
  3. ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন
  4. মৃতদেহ হাসপাতালে পাঠাবেন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৪: আত্মহত্যা ইত্যাদি সম্পর্কে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত ও প্রতিবেদন:
১. যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো পুলিশ অফিসার জানতে পারেন যে কোনো ব্যক্তি-
(ক) আত্মহত্যা করেছে, অথবা
(খ) অপর কোনো ব্যক্তি, পশু, যন্ত্রপাতি বা দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত হয়েছে, অথবা
(গ) এমন পরিস্থিতিতে মারা গেছে যা থেকে সন্দেহ হয় যে কেউ অপরাধ করেছে,
তাহলে তিনি অবিলম্বে নিকটবর্তী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন, যিনি ইনকোয়েস্ট (মৃতদেহ পরীক্ষার তদন্ত) পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

২. এরপর, যদি সরকারের কোনো নির্দেশ বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কোনো সাধারণ/বিশেষ আদেশ না থাকে, তাহলে তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন এবং এলাকার অন্তত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত করবেন এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। রিপোর্টে শরীরে থাকা আঘাত, ক্ষত বা অন্য কোনো চিহ্নের বর্ণনা এবং এগুলো কীভাবে বা কী অস্ত্র দ্বারা সৃষ্ট হয়েছে তা উল্লেখ করা হবে।
বিশেষ নির্দেশ: যদি মৃত্যুর কারণ শত্রুপক্ষের আক্রমণ হয়, তাহলে সরকারের নির্দেশ ছাড়া এই ধরনের তদন্ত ও প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক নয়।

৩. প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার এবং অন্যান্য সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হবে (যারা একমত), এবং তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠানো হবে।

৪. যদি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, বা পুলিশ অফিসার মনে করেন যে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন, তবে তিনি নিকটস্থ সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত যোগ্য চিকিৎসকের কাছে মৃতদেহ পাঠাবেন, যদি আবহাওয়া ও দূরত্বজনিত কারণে মৃতদেহ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে।

৫. ইনকোয়েস্ট করার ক্ষমতা রাখেন:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট;
- বা সরকার/জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

৭,৮৬৯.
বাংলাদেশের বাইরে অপরাধ করেও কোন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে বিচারের আওতায় আনা যাবে?
  1. যদি সে বাংলাদেশি নাগরিক হয়
  2. যদি বাংলাদেশের কোনো জাহাজ বা বিমানে অপরাধ হয়
  3. যদি বাংলাদেশি আইনে সেই অপরাধের বিচারের বিধান থাকে
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা ৩ ও ৪ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বাংলাদেশে বিচার করা যায়:
ক) বাংলাদেশের নাগরিক দ্বারা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে (ধারা ৪(১))।
খ) বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোনো জাহাজ বা বিমানে, সেটি পৃথিবীর যেখানেই থাকুক না কেন, সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে (ধারা ৪(৪))।
গ) বাংলাদেশি কোনো আইনে যদি বিধান থাকে যে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত কোন অপরাধ বাংলাদেশে বিচার্য হবে (ধারা ৩)।
সুতরাং, উল্লিখিত সবগুলো শর্তই সঠিক।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ধারা-৩: বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত কিন্তু আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের মধ্যে বিচারযোগ্য অপরাধের শাস্তি:
যে কোনো ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের কোনো আইন অনুসারে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত কোনো অপরাধের জন্য বিচারের সম্মুখীন হওয়ার দায়ে দায়বদ্ধ হন, তাহলে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত সেই কাজের জন্য এই দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী তার সাথে এমনভাবে আচরণ করা হবে যেন সেই কাজটি বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান রাষ্ট্রের সীমানার বাহিরে সংঘটিত অপরাধ সমূহের ক্ষেত্রে প্রতিবিধির আওতা সম্প্রসারণ:
নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক,
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
ব্যাখ্যা: এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার অপরাধ কথাটির আওতাভুক্ত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-2: Punishment of offences committed within Bangladesh:
-Every person shall be liable to punishment under this Code and not otherwise for every act or omission contrary to the provisions thereof, of which he shall be guilty within Bangladesh.
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 3: Punishment of offences committed beyond, but which by law may be tried within Bangladesh:
- Any person liable, by any Bangladesh Law, to be tried for an offence committed beyond Bangladesh shall be dealt with according to the provisions of this Code for any act committed beyond Bangladesh in the same manner as if such act had been committed within Bangladesh.
⇒ The Penal Code, 1860, Section-4: Extension of Code to extra-territorial offences:
-The provisions of this Code apply also to any offence committed by- 
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh; 
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be. 
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.

Illustrations:
(a) A, a Bangladesh subject, commits a murder in Uganda. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found. 

৭,৮৭০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী সাধারণ জখমের সর্বোচ্চ শাস্তি কত বৎসর?
  1. ১২
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১১ ধারার বিধান যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
- যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৭,৮৭১.
ধারা ২৭৪ কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. খাদ্যে ভেজাল দেয়া
  2. ওষুধে ভেজাল দেয়া
  3. ক্ষতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা
  4. জাল দলিল সৃষ্টি করা
ব্যাখ্যা

ধারা ২৭৪ – ওষুধ ভেজালকরণ:
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা-প্রস্তুতিতে এমনভাবে ভেজাল মেশান যাতে ওই ওষুধের কার্যকারিতা কমে যায়, তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা পরিবর্তিত হয়, কিংবা সেটি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বা বিষাক্ত হয়ে ওঠে, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের ভেজাল মেশানোর উদ্দেশ্য থাকতে পারে—ওষুধটি যেন ভেজালযুক্ত না বলে ধরে নিয়ে বিক্রি হয় বা চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত হয়; কিংবা ভেজাল থাকার পরও সেটি চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনা ব্যক্তি জানেন। অর্থাৎ, ভেজাল যুক্ত থাকা সত্ত্বেও ওষুধকে বিশুদ্ধ পণ্য হিসেবে ব্যবহার বা বিক্রির অভিপ্রায় থাকলে এই ধারা প্রযোজ্য হয়।

এই অপরাধে দোষী হলে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ড আরোপ করা যেতে পারে। ধারা ২৭৪ মূলত জনস্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তা সুরক্ষার উদ্দেশ্যে প্রণীত, কারণ ওষুধে ভেজাল মেশানো মানুষের জীবন ও চিকিৎসার উপর গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

৭,৮৭২.
হিন্দু দায়ভাগ মতে, সকুল্যের ঊর্ধ্বতন ____________ পুরুষ সমানোদক নামে অভিহিত।
  1. তিন
  2. পাঁচ
  3. সাত
  4. আট
ব্যাখ্যা

দায়ভাগ আইনে তিন শ্রেণীর উত্তরাধিকার নির্ধারিত আছে, যথা: সপিণ্ড, সাকুল্য এবং সমানোদক।

সপিণ্ড:
একজন মারা গেলে সে অর্থাৎ তার আত্মা যাদের নিকট হতে পিণ্ড পাওয়ার অধিকারী তাহারা সকলেই মৃত ব্যক্তির সপিণ্ড। সপিণ্ড সর্বমোট ৫৩ জন।

সকুল্য:
প্রপিতামহের উর্ধ্বতন তিন পুরুষ সকুল্য নামে অভিহিত। শ্রাদ্ধের সময় সপিণ্ডদের পিণ্ডদানের পর যা অবশিষ্ট থাকে সেই পিণ্ডলেপ সকুল্যদের উদ্দেশ্যে নিবেদন করা হয়।

সমানোদক:
সকুল্যের ঊর্ধ্বতন সাত পুরুষ সমানোদক নামে অভিহিত। শ্রাদ্ধের সময় তাদের উদ্দেশ্যে শুধুমাত্র জল নিবেদন করা হয়। সংস্কৃতে উদক শব্দের অর্থ জল।

উত্তরাধিকারিত্বে সপিণ্ডদের দাবী অগ্রগণ্য অর্থাৎ তাহারা প্রথম শ্রেণীর উত্তরাধিকারী। সপিণ্ডদের পর সকুল্যদের দাবী এবং সর্বশেষ সমানোদকের দাবী।

৭,৮৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ অনুযায়ী, আদালত কোন কোন ক্ষেত্রে বাদীর অভিযোগ (Plaint) ফেরত দিতে বা খারিজ করতে পারে?
  1. যদি মামলাটি ভুল আদালতে দায়ের করা হয়
  2. যদি অভিযোগে মামলা দায়েরের কারণ বা কারণ গঠনকারী ঘটনা উল্লেখ না থাকে
  3. যদি বাদী আদালতের নির্দেশিত সময়সীমার মধ্যে যথাযথ ফি বা স্ট্যাম্প জমা না দেয়
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908) এর আদেশ ৭ (Order VII) অনুসারে, বাদীর দায়ের করা অভিযোগ বা Plaint ফেরত (Return) বা খারিজ (Rejection) করার বিভিন্ন পরিস্থিতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিচে প্রতিটি অপশন ব্যাখ্যা করা হলো: 
ক) যদি মামলাটি ভুল আদালতে দায়ের করা হয়:
→ আদেশ ৭, বিধি ১০ অনুযায়ী, যদি Plaint এমন আদালতে দায়ের করা হয় যার বিচারিক ক্ষমতা (jurisdiction) নেই, তাহলে আদালত Plaint ফেরত (Return) দিতে পারে যেন বাদী তা সঠিক আদালতে পুনরায় দায়ের করতে পারে। এটি খারিজ নয়, বরং ফেরত দেওয়া।
 খ) যদি অভিযোগে মামলা দায়েরের কারণ বা কারণ গঠনকারী ঘটনা (Cause of Action) উল্লেখ না থাকে:
→ আদেশ ৭, বিধি ১১(ক) অনুযায়ী, যদি Plaint-এ মামলা দায়েরের কারণ (cause of action) স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকে, তাহলে আদালত Plaint খারিজ (Reject) করতে পারে।
গ) যদি বাদী আদালতের নির্দেশিত সময়সীমার মধ্যে যথাযথ ফি বা স্ট্যাম্প জমা না দেয়:
→ আদেশ ৭, বিধি ১১(গ) অনুযায়ী, যদি Plaint অপর্যাপ্ত আদালত ফি বা স্ট্যাম্পে লেখা হয় এবং আদালত নির্দেশিত সময় (সাধারণত ২১ দিন) এর মধ্যে তা পরিশোধ করা না হয়, তাহলে Plaint খারিজ (Reject) করা হবে।

উল্লেখ্য, 
→ ফেরত (Return): এটি মূলত তখন হয় যখন বিচারিক এখতিয়ার নেই বা স্থান ভুল।
→ খারিজ (Rejection): এটি তখন হয় যখন Plaint-এর ভিতরেই গুরুতর ত্রুটি থাকে।

অর্থাৎ প্রশ্নে বর্ণিত তিনটি পরিস্থিতিই সঠিক। Plaint ফেরত বা খারিজ—উভয় ক্ষেত্রেই আদেশ ৭ প্রযোজ্য হয়।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে।
৭,৮৭৪.
According to The Code of Civil Procedure,1908, The Court of Small Causes is subordinate to which of the following courts?
  1. Supreme Court and District Court
  2. High Court Division and Civil Court
  3. High Court Division and District Court
  4. District Court only
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 Section-3: Subordination of Courts:
- For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩ ধারার বিধান- আদালতের পর্যায়ক্রমা:
-এই কোড-এর উদ্দেশ্যে জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধঃস্তন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ের সকল দেওয়ানী আদালত এবং সকল স্মল কজ কোট হাইকোর্ট বিভাগ ও জেলা আদালতের অধঃস্তন।
৭,৮৭৫.
একই কার্যের অংশ হিসেবে থাকা ঘটনাসমূহের প্রাসঙ্গিকতা সংক্রান্ত বিধান The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬-এ "একই কার্যক্রমের অংশ" (part of same transaction) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, যে সব ঘটনা সরাসরি বিচার্য বিষয় নয়, কিন্তু এগুলি বিচার্য বিষয়ের সাথে এমনভাবে জড়িত, যে দুটি ঘটনাই একত্রে একই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গণ্য হতে পারে, সেগুলি প্রাসঙ্গিক হবে।
অর্থাৎ, যদি দুটি ঘটনা একে অপরের সাথে সম্পর্কিত হয় এবং একে অপরের ধারাবাহিকতা বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা হিসেবে ঘটিত হয়, তবে সেগুলি Res Gestae নীতির আওতায় প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে। এটি ঘটতে পারে একই সময়ে বা বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন স্থানে, তবুও সেগুলি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত থাকে।
- এই ধারা Res Gestae বা 'একই কার্যক্রমের অংশ' নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং আইনের অনুসারে, এসব সম্পর্কিত ঘটনা প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৬ অনুযায়ী, যে সমস্ত ঘটনা মূল ঘটনার অংশ হিসেবে ঘটেছে, তবে সেগুলো সরাসরি মামলা বা বিতর্কের বিষয় না হলেও, সেগুলো প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি এমন ঘটনা যা একটি বৃহত্তর ঘটনার অংশ, এবং এটি মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হতে পারে, যদিও সেই ঘটনা তৎকালীন বিতর্কের প্রধান বিষয় নয়।
------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 6. Relevancy of facts forming part of same transaction:
Facts which, though not in issue, are so connected with a fact in issue as to form part of the same transaction, are relevant, whether they occurred at the same time and place or at different times and places.
৭,৮৭৬.
তামাদি আইনের ধারা ১৪(১) অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে তামাদি সময় বাদ দেওয়া হবে?
  1. বাদীর অসুস্থতার সময়
  2. মামলা স্থগিত থাকাকালীন সময়
  3. আদালতের সাধারণ ছুটির সময়
  4. ভুল এখতিয়ারের আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে মামলা পরিচালনার সময়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৪(১) অনুযায়ী, যদি কোনো বাদী ভুলবশত এমন একটি আদালতে মামলা করেন যার এখতিয়ার নেই, এবং তিনি যদি সৎ উদ্দেশ্যে (good faith) ও যথাযথ যত্নসহকারে (due diligence) মামলা পরিচালনা করেন, তাহলে তিনি যে সময়টুকু ঐ আদালতে মামলাটি পরিচালনা করেছেন তা তামাদির গণনা থেকে বাদ যাবে।
 এই ধারা শুধুমাত্র তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন—
- মামলাটি একই কারণে প্রতিষ্ঠিত হয় (same cause of action)
- সৎ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়
- আদালত এখতিয়ারের অভাবে মামলা গ্রহণে অক্ষম হয়

⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৪: এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে কার্যক্রমের সময় বাদ দেওয়া:
(১) যেকোনো মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ গণনা করতে গেলে, বাদী যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যক্রমে যথাযথ যত্নসহকারে অন্য একজন বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে থাকেন—এটি প্রথম আদালতে হোক বা আপিল আদালতে—তাহলে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে, যদি উক্ত কার্যক্রমটি একই কারণে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এবং সৎ উদ্দেশ্যে সেই আদালতে পরিচালিত হয়ে থাকে, যা এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ অন্য কারণে মামলা গ্রহণ করতে অক্ষম।

(২) কোনো আবেদনটির জন্য নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ গণনা করতে গেলে, আবেদনকারী যদি একই পক্ষের বিরুদ্ধে একই ক্ষতিপূরণের জন্য অন্য একটি দেওয়ানি কার্যক্রমে যথাযথ যত্নসহকারে মামলা চালিয়ে থাকেন—এটি প্রথম আদালতে হোক বা আপিল আদালতে—তাহলে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে, যদি উক্ত কার্যক্রমটি সৎ উদ্দেশ্যে এমন একটি আদালতে পরিচালিত হয়ে থাকে, যা এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ অন্য কারণে মামলা গ্রহণ করতে অক্ষম।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section-14: Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.

(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.

Explanation I - In excluding the time during which a former suit or application was pending, the day on which that suit or application was instituted or made, and the day on which the proceedings therein ended, shall both be counted.
Explanation II - For the purposes of this section, a plaintiff or an applicant resisting an appeal shall be deemed to be prosecuting a proceeding.
Explanation III - For the purposes of this section misjoinder of parties or of causes of action shall be deemed to be a cause of a like nature with defect of jurisdiction.
৭,৮৭৭.
'ক', 'খ'-এর নিকট ১০ শতক ভূমি বিক্রির দলিল সম্পাদন করে। উক্ত ১০ শতকের মধ্যে ৭ শতক সাভার, ২ শতক ধামরাই এবং ১ শতক কেরাণীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। উক্ত দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য কোথায় উপস্থাপন করতে হবে?
  1. সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
  2. টাঙ্গাইল সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
  3. কেরানীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
  4. ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
ব্যাখ্যা
রেজিস্ট্রেশন আইন: ১৯০৮ এর ২৮ ধারায় বলা হয়েছে,

যে জমি হস্তান্তর করার জন্য দলিল রেজিস্ট্রি করা হবে, সেই জমির সম্পূর্ণ বা বেশি অংশ যে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অধীন অবস্থিত সেই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য উপস্থাপন করতে হবে।

উক্ত সম্পত্তির বৃহত্তর অংশ একই উপজেলায় অবস্থিত না হলে যে সাব-রেজিস্ট্রারের এলাকায় এইরুপ সম্পত্তির কোন অংশ বিশেষ অবস্থিত সেই সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাবে।

'ক', 'খ'-এর নিকট ১০ শতক ভূমি বিক্রির দলিল সম্পাদন করে। উক্ত ১০ শতকের মধ্যে বেশি অংশ (৭ শতক) সাভারে অবস্থিত হওয়ায়, দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে উপস্থাপন করতে হবে।
৭,৮৭৮.
'A' স্নেহ ও ভালোবাসার কারণে তার ভাই ও তাদের সন্তানদের নির্দিষ্ট কিছু সম্পত্তি হস্তান্তর করেন, তবে পরবর্তীতে তিনি সেই সম্পত্তি ৩য় পক্ষের সঙ্গে বিক্রয়ের চুক্তিতে আবদ্ধ হন। এক্ষেত্রে বিক্রয় চুক্তি-
  1. প্রথম হস্তান্তর বাতিলের শর্তে বাস্তবায়নযোগ্য
  2. আদালতের সিদ্ধান্তে বাস্তবায়নযোগ্য হবে
  3. 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য
  4. 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য না
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ২৫ (The Specific Relief Act, 1877) অনুযায়ী, একজন বিক্রেতার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না, যদি—
- তিনি জেনে-শুনে এমন একটি সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি করেন, যার উপর তার কোনো অধিকার নেই।
- চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে তিনি মূল্যবান প্রতিফল ছাড়া চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার অন্যদের কাছে সমর্পণ করে থাকেন।
এই ক্ষেত্রে, 'A' স্নেহ ও ভালোবাসার কারণে তার ভাই ও তাদের সন্তানদের কাছে সম্পত্তি হস্তান্তর করেছেন, যা একটি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হস্তান্তর (voluntary settlement)। এরপর, তিনি একই সম্পত্তি ৩য় পক্ষের কাছে বিক্রির চুক্তিতে আবদ্ধ হন।
- ধারা ২৫(গ) অনুসারে, যদি বিক্রেতা চুক্তির পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়া সম্পত্তি হস্তান্তর করে থাকেন, তবে তিনি সেই সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যকারিতা দাবি করতে পারবেন না। কারণ—
- পূর্ববর্তী হস্তান্তর স্বেচ্ছায় করা হয়েছে এবং এটি আইনত বৈধ।
- যদি নতুন চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যকারিতা অনুমোদন করা হয়, তাহলে আগের হস্তান্তর বাতিল হয়ে যাবে, যা পূর্ববর্তী হস্তান্তারিত ব্যক্তিদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করবে।
প্রাসঙ্গিক উদাহরণ (Illustration from the Act):
⇒ একই পরিস্থিতি The Specific Relief Act, 1877-এর Illustration (d) এ উল্লেখ আছে—
"A, out of natural love and affection, makes a settlement of certain property on his brothers and their issue, and afterwards enters into a contract to sell property to a stranger. A cannot enforce specific performance of this contract so as to override the settlement, and thus prejudice the interest of the persons claiming under it."
এটি স্পষ্টভাবে দেখায় যে, 'A' পূর্বে স্নেহ ও ভালোবাসার কারণে সম্পত্তি হস্তান্তর করেছেন, যা একটি আইনি সমর্পণ। সুতরাং, পরবর্তীতে সেই সম্পত্তি ৩য় পক্ষের কাছে বিক্রয় চুক্তি করলে, সেটি 'A' কর্তৃক নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না।

ধারা ২৫- একজন বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে না যদি-
(ক) জেনে-শুনে নিজের অধিকারহীন এমন সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকেন;
(খ) চুক্তি করার সময় যদিও বিশ্বাস করতেন যে তিনি সেই সম্পত্তির উপর সুনির্দিষ্ট অধিকার রাখেন, কিন্তু পক্ষদ্বয়ের বা আদালতের নির্ধারিত সময়ে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে যৌক্তিক সন্দেহাতীতভাবে স্বত্বাধিকার প্রদান করতে অক্ষম হন;
(গ) চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার সমর্পণ করে থাকেন।

⇒ (গ) এর শর্তমতে, এই চুক্তিটি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না। কারণ তা হলে তার পূর্বতন সমর্পণটি বাতিল হয়ে যাবে এবং যাদের উপর সেই সম্পত্তি সমর্পিত হয়েছিল তাদের স্বার্থগুলি ক্ষুণ্ণ হবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে A নিজের পূর্বতন কৃত কাজকে বাতিল করে, নতুন চুক্তিটিকে নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections- 25. Contracts to sell property by one who has no title, or who is a voluntary settler:
A contracts for the sale or letting of property, whether moveable or immoveable, cannot be specifically enforced in favour of a vendor or lessor- 
(a) who, knowing himself not to have any title to the property, has contracted to sell or let the same; 
(b) who, though he entered into the contract believing that he had a good title to the property, cannot, at the time fixed by the parties or by the Court for the completion of the sale or letting, give the purchaser or lessee a title free from reasonable doubt; 
(c) who, previous to entering into the contract, has made a settlement (though not founded on any valuable consideration) of the subject-matter of the contract. 

Illustrations:
(a) A, without C's authority, contracts to sell to B an estate which A knows to belong to C. A cannot enforce specific performance of this contract, even though C is willing to confirm it. 
(b) A bequeaths his land to trustees, declaring that they may sell it with the consent in writing of B. B gives a general prospective assent in writing to any sale which the trustees may make. The trustees then enter into a contract with C to sell him the land. C refuses to carry out the contract. The trustees cannot specifically enforce this contract, as, in the absence of B's consent to the particular sale to C, the title which they can give C is, as the law stands not free from reasonable doubt. 
(c) A, being in possession of certain land, contracts to sell it to Z. On inquiry it turns out that A claims the land as heir of B, who left the country several years before, and is generally believed to be dead, but of whose death there is no sufficient proof. A cannot compel Z specifically to perform the contract. 

(d) A, out of natural love and affection, makes a settlement of certain property on his brothers and their issue, and afterwards enters into a contract to sell property to a stranger. A cannot enforce specific performance of this contract so as to override the settlement, and thus prejudice the interest of the persons claiming under it.
৭,৮৭৯.
দলিল রেজিস্ট্রেশনের প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধি করা
  2. জালিয়াতি ও প্রতারণা রোধ করা
  3. দলিলের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা
  4. সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে দলিলের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা, জালিয়াতি ও প্রতারণা রোধ করা এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে সাহায্য করা অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধি করা এই আইনের উদ্দেশ্য নয়।

⇒ দলিল রেজিস্ট্রেশনের প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- দলিলের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা
- জালিয়াতি ও প্রতারণা রোধ করা
- সম্পত্তির হস্তান্তর প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করা
- সরকারি রেকর্ডে তথ্য সংরক্ষণ
- আদালতে দলিল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার নিশ্চিত করা
- সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে সাহায্য করা
তবে সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধি করা এই উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে নেই।

৭,৮৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলের বিষয়বস্তু কী?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত ক্ষমতা
  2. ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
  3. দায়রা আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
  4. ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
 
১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা।
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
৭,৮৮১.
দেনাদার কয়টি উপায়ে ডিক্রীর অর্থ পরিশোধ করতে পারে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ২১ বিধি ১ অনুযায়ী ৩টি উপায়ে দেনাদার ডিক্রীর অর্থ পরিশোধ করতে পারে ।
১) ডিক্রী জারিকারী আদালতে অর্থ জমা দিয়ে,
২) আদালতের বাহিরে ডিক্রীদারকে পাওনা টাকা প্রদানের মাধ্যমে,
৩) আদালতের নির্দেশিত অন্য কোন উপায়ে।
৭,৮৮২.
'Succession per stripes' অর্থ কি?
  1. প্রতিনিধিত্ব মতবাদ
  2. প্রতিনিধিত্ব উত্তরাধিকার
  3. মাথাপিছু উত্তরাধিকার
  4. অংশপিছু উত্তরাধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ দায়ভাগ মতবাদ নিম্নোক্ত নীতিগুলিকে স্বীকৃতি দেয়:
 
(ক) প্রতিনিধিত্ব মতবাদ (Doctrine of representation): প্রতিনিধিত্ব মতবাদ অনুসারে পুত্র, পৌত্র যার পিতা মারা গিয়েছে, তারা সকলেই পিতৃপক্ষীয় সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে, কারণ পৌত্র তার পিতার এবং প্রপৌত্র তার পিতা ও পিতামহ উভয়েরই প্রতিনিধিত্ব করে।
 
খ) অংশপিছু উত্তরাধিকার (Succession per stirpes): যেখানে প্রতিনিধিত্ব মতবাদ প্রয়োগ করা হয় এবংউত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরুপে অংশপ্রাপ্ত হন সেখানে এরুপে স্থলবর্তীরুপে অংশ পাওয়াকে অংশপিছু উত্তরাধিকার বলে।
 
(গ) মাথাপিছু উত্তরাধিকার (Succession per capita): মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারগণের সমান অংশ সম্পত্তি প্রাপ্ত হওয়াকে মাথাপিছু উত্তরাধিকার বলে।
৭,৮৮৩.
রশিদ তার ৬ জন সঙ্গী নিয়ে একটি বাস থামিয়ে যাত্রীদের সর্বস্ব লুট করে। এই অপরাধের দায়ে রশিদ সর্বোচ্চ কোন শাস্তির সম্মুখীন হতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা- ডাকাতি:
যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারা- ডাকাতির সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে। 
--------
রশিদ এবং তার সঙ্গীরা একটি বাস থামিয়ে যাত্রীদের সর্বস্ব লুট করে যা দণ্ডবিধির অধীনে একটি ডাকাতির অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ডাকাতির অপরাধে দোষী ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে। যেহেতু রশিদ এবং তার সঙ্গীরা এই ধরনের অপরাধ করেছে, তাই তারা সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তির সম্মুখীন হতে পারে।
৭,৮৮৪.
মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় ডাকাতি করার উদ্যোগ গ্রহণের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯৮: মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় দস্যুতা বা ডাকাতি করার উদ্যোগ:

ডাকাতি বা দস্যুতার চেষ্টা করার সময় অপরাধী যদি কোনো মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা সজ্জিত থাকে, তাহলে তাকে যে কারাদণ্ড প্রদান করা হবে তা সাত বছরের কম হবে না
[If, at the time of attempting to commit robbery or dacoity, the offender is armed with any deadly weapon, the imprisonment with which such offender shall be punished shall not be less than seven years.]
৭,৮৮৫.
কোনটি মধ্যবর্তী মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. অপর ব্যক্তির বাড়ি অবৈধ দখল করে ভাড়া নিলে
  2. অন্যের জমি অবৈধ দখল করে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
  3. অপর ব্যক্তির সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অন্যের জমি অবৈধ দখল করে এতে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে- তা মধ্যবর্তী মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে না।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো,সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা(Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে,উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits,
but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.
৭,৮৮৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ ধারার উদ্দেশ্যে জেলা জজ কার সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীর প্যানেল প্রস্তুত করেন?
  1. অতিরিক্ত জেলা জজের
  2. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবীদের
  3. মধ্যস্থতাকারী পক্ষদ্বয়ের
  4. জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির
ব্যাখ্যা

ধারা ৮৯(১০):
এই ধারার উদ্দেশ্যে, জেলা জজ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সঙ্গে পরামর্শ করে একটি মধ্যস্থতাকারীর (Mediator) তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় তা হালনাগাদ করা হবে)।

এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকবেন- আইনজীবীগণ, অবসরপ্রাপ্ত বিচারকগণ, বিবাদ নিষ্পত্তি (dispute resolution) বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ, এবং এমন অন্যান্য ব্যক্তি— যাদেরকে এই উদ্দেশ্যে উপযুক্ত মনে করা হয়; তবে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি এই তালিকায় থাকতে পারবেন না।

জেলা জজ তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এ তালিকা সম্পর্কে অবহিত করবেন।

শর্ত:
এই উপ-ধারার অধীনে তালিকাভুক্ত কোনো মধ্যস্থতাকারী কোনো মামলায় মধ্যস্থতা করতে পারবেন না, যদি তিনি পূর্বে ওই মামলার কোনো পক্ষের আইনজীবী হিসেবে কোনো আদালতে নিযুক্ত হয়ে থাকেন।

৭,৮৮৭.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান কী হবে?
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:- বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
⇒ গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
------------------------
⇒ Section 85C Presumption as to Digital Signature Certificates.- The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.
৭,৮৮৮.
কোন মোকদ্দমায় আদালত ডিক্রীর কপি রেজিষ্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনগত বাধ্য?
  1. নিবন্ধিত দলিল সংশোধনের মোকদ্দমায়
  2. নিবন্ধিত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায়
  3. নিবন্ধিত দলিল রদ রহিতের মোকদ্দমায়
  4. নিবন্ধিত দলিল বেআইনীমর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমায়
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

অর্থাৎ দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন।
--------------------
According to section 39 of the Specific Relief act, When cancellation may be ordered: Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or voidable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.

If the instrument has been registered under the [Registration Act, 1908], the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.

৭,৮৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন?
  1. ২০৫ ধারায়
  2. ২০৫ক ধারায়
  3. ২০৫খ ধারায়
  4. ২০৫ঘ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫- ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন:
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।

Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused-
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 

(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
৭,৮৯০.
ক” একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে জনতার উপর গুলি চালায়। এতে করে ৫ জন ব্যক্তি গুরুতরভাবে জখম হয়। ক” কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. গুরুতর জখম
  2. কোন অপরাধ করেনি
  3. সাধারণ জখম
  4. গুরুতর জখমের চেষ্টা
ব্যাখ্যা
♦এখানে ক” কোন অপরাধ করেনি কারণ সে নিজেকে আইনগতভাবে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশ মানতে বাধ্য বলে মনে করে সরল বিশ্বাসে গুলি করেছে। দণ্ডবিধির ৭৬ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি নিজেকে কোন কাজ করতে আইনগতভাবে বাধ্য মনে করে সরল বিশ্বাসে (Good faith) কোন কাজ করলে তার উক্ত কাজ অপরাধ হবে না।
৭,৮৯১.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারা ২৬-এর অধীনে কে বিদেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বা বহু-পাক্ষিক চুক্তি করতে পারে? 
  1. সরকার
  2. BFIU
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারা ২৬(১) এ স্পষ্ট ভাষায় বলা আছে: এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার দ্বি-পাক্ষিক বা বহু-পাক্ষিক চুক্তি, কনভেনশন বা আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত অন্য কোনভাবে কোন বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি করিতে পারিবে।
অর্থাৎ সরকার (Government) সরাসরি বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে চুক্তি করার ক্ষমতা রাখে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ধারা ২৬(৩) অনুযায়ী বিদেশী সংস্থার সাথে সমঝোতা স্মারক (Memorandum of Understanding - MoU) স্বাক্ষর করতে পারে, যা সরাসরি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির সমতুল্য নয়।
- তাই সঠিক উত্তর ক) সরকার।

⇒ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ধারা-২৬: বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার দ্বি-পাক্ষিক বা বহু পাক্ষিক চুক্তি, কনভেনশন বা আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত অন্য কোনভাবে কোন বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি করিতে পারিবে। 
(২) এই ধারার অধীন সরকার কোন বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তিবদ্ধ হইলে মানিলন্ডারিং অপরাধ প্রতিরোধে সরকার— 
(ক) উক্ত বিদেশী রাষ্ট্র বা সংস্থার নিকট প্রয়োজনীয় তথ্যাদি চাহিতে পারিবে; এবং 
(খ) উক্ত বিদেশী রাষ্ট্র এবং সংস্থা কর্তৃক যাচিত তথ্যাদি, জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি না হইলে, সরবরাহ করিবে। 
(৩) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) বিদেশী ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট অথবা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করিতে পারিবে এবং স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় বিএফআইইউ— 
(ক) উক্ত বিদেশী ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট বা সংস্থার নিকট প্রয়োজনীয় তথ্যাদি চাহিতে পারিবে; এবং 
(খ) উক্ত বিদেশী ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট এবং সংস্থা কর্তৃক যাচিত তথ্যাদি, জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি না হইলে, সরবরাহ করিবে। 
(৪) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোন চুক্তির অধীন কোন বিদেশী রাষ্ট্রের আদালতের কোন আদেশ কার্যকর করিবার জন্য বাংলাদেশে অবস্থিত কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করিবার বা ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন হইলে এটর্নী জেনারেলের অফিসের আবেদনক্রমে আদালত যেইরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ আদেশ প্রদান করিতে পারিবে; একইভাবে বাংলাদেশে আদালতের বাজেয়াপ্তকরণ আদেশ বা উক্ত সম্পত্তি ফেরত আনয়নের আদেশ বাস্তবায়নের জন্য চুক্তি বা সমঝোতা স্মারকের অধীনস্থ রাষ্ট্রকে এটর্নী জেনারেলের অফিস অনুরোধ করিতে পারিবে। 
(৫) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতার আওতায় কোন বিদেশী রাষ্ট্রের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে প্রাপ্ত দলিলাদি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণীয় হইবে।

৭,৮৯২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কত ধারায় আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের বিধান আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
  4. ১৪
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ১১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
 যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 

তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
৭,৮৯৩.
নিচের কোন ধারার ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ বিবেচনামূলক ক্ষমতা বা Discretionary power বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে কোন আদেশ প্রদান করতে আদালত বাধ্য নয়; অর্থাৎ আদালত সন্তুষ্ট হলে কোন আদেশ প্রদান করতে পারে আবার নাও পারে। বিচারকের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই আইন ও ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজের অধিকারের সীমার মধ্যে থেকে প্রয়োগ করতে হবে। বিবেচনামূলক ক্ষমতা যথেচ্ছা বা খুশিমত ব্যবহার করা যায় না।
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (ধারা-১২);
ii) দলিল সংশোধন, বাতিল, এবং রদ (ধারা ৩১-৩৯);
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি বা ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২-৪৩);
iv) রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (ধারা-৪৪);
v) প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা-৫২); এবং
vi) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা-৫৩ থেকে ৫৫)
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। যথা-
i) সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা-৮); এবং
ii) স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা-৯)।
 
⇒ যেহেতুে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
⇒ উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্র ব্যতীত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় অন্যান্য প্রতিকারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৭,৮৯৪.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধনের অযোগ্যতাসমূহ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৫
  3. অনুচ্ছেদ ২৬
  4. অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭(৩) অনুচ্ছেদ: কোনো ব্যক্তি আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি -

(ক) তিনি নৈতিক অধঃপতনজনিত কোনো অপরাধের অভিযোগে সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার চাকরি থেকে বরখাস্ত হন এবং তার বরখাস্তের তারিখ হতে দুই বছর অতিবাহিত না হয়; অথবা

(খ) তিনি নৈতিক অধঃপতনজনিত কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন এবং দণ্ডাদেশ কার্যকর হওয়ার তারিখ হতে পাঁচ বছর বা সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত এরূপ সময়কাল অতিবাহিত না হয়।

⇒ এই ধারাটি দুইভাবে কোনো ব্যক্তিকে আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধনের জন্য অযোগ্য করে:

১. সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মচারী যদি নৈতিক অধঃপতনজনিত অপরাধের অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত হন, তাহলে তার বরখাস্তের তারিখ থেকে দুই বছর না হলে তিনি আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধনের যোগ্য হবেন না।

২. কোনো ব্যক্তি যদি নৈতিক অধঃপতনজনিত অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন, তাহলে তার দণ্ডাদেশ কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে পাঁচ বছর বা সরকার নির্ধারিত সময় অতিবাহিত না হলে তিনি আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধনের যোগ্য হবেন না।
৭,৮৯৫.
তামাদি আইনের ১ম তফসিলের কত অনুচ্ছেদে অগ্রক্রয়ের অধিকার [Right to pre-emption] বলবৎ এর মামলার তামাদি দেয়া আছে?
  1. ৬ অনুচ্ছেদে
  2. ১০ অনুচ্ছেদে
  3. ৩ অনুচ্ছেদে
  4. ১২ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০- অগ্রক্রয়ের অধিকার [Right to pre-emtion] বলবৎ এর মামলা

তামাদি- ১ বছর।

সময় গণনা শুরু- যখন ক্রেতা যে বিক্রয়ের‌ বিরুদ্ধে মামলা করা হবে সেই বিক্রিত সমস্ত সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে বা যে ক্ষেত্রে বিক্রয়ের বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ দখল স্বীকার করে না, সেক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল যখন রেজিস্ট্রিকৃত হয়।
৭,৮৯৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন কোন অভিযোগের অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে কী কী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. সরকার বা সরকারের অধীনস্থ কোন কর্তৃপক্ষ হতে যে কোন প্রতিবেদন বা তথ্য চাওয়ার
  2. সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ, অভিজ্ঞ ও পারদর্শী (Expert) এর সহায়তা চাওয়ার
  3. সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন ছাড়া স্বীয় উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের অনুসন্ধান
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪

ধারা ২৩- অভিযোগের তদন্ত:


(১) কমিশন দুর্নীতি বিষয়ক কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্ত চলাকালে, তদ্‌কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, সরকার বা সরকারের অধীনস্থ কোন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা হইতে যে কোন প্রতিবেদন বা তথ্য চাহিতে পারিবে বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ, অভিজ্ঞ ও পারদর্শী (Expert) এক বা একাধিক কর্মকর্তার বিশেষজ্ঞ সহায়তা চাহিতে পারিবে এবং যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে চাহিত প্রতিবেদন বা তথ্য পাওয়া না যায়, তাহা হইলে কমিশন স্বীয় উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্ত সম্পন্ন করিতে পারিবে।
 
(২) কমিশন কর্তৃক স্বউদ্যোগে দুর্নীতি বিষয়ক কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্ত করিবার সময় সরকার বা সরকারের অধীনস্থ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কমিশন কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনকে সহযোগিতা করিতে বাধ্য থাকিবে৷ 

(৩) উপ-ধারা (২) এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান না করিলে বা স্বীয় উদ্যোগে বা বিবেচনায় তথ্যাদি সরবরাহ করিতে ব্যর্থ হইলে, কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, সরকার উক্ত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।
৭,৮৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক অনুসারে গ্রেফতারের সময় পুলিশ অফিসারের কী থাকতে হবে?
  1. গ্রেফতারি পরোয়ানা
  2. সরকারি গাড়ি
  3. সাদা পোশাক পরা
  4. পরিষ্কার ও দৃশ্যমান নাম পরিচয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক (ক) অনুসারে, গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ কর্মকর্তার সঠিক, দৃশ্যমান এবং পরিষ্কার নাম পরিচয় থাকতে হবে, যা সহজে শনাক্তকরণের সুবিধা প্রদান করে।
সঠিক উত্তর: ঘ) পরিষ্কার ও দৃশ্যমান নাম পরিচয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক: গ্রেফতারের পদ্ধতি এবং গ্রেফতারকারী অফিসারের কর্তব্য:
গ্রেফতার করার সময়, পুলিশ অফিসার বা অন্য যে ব্যক্তি গ্রেফতার করে, তাকে নিম্নলিখিত কাজগুলো করতে হবে—
১. (ক) তার নাম স্পষ্ট, পরিচিতিযোগ্য এবং সহজে বোঝার মতোভাবে ধারণ করতে হবে, যাতে পরিচয় সহজ হয়।
২. (খ) নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং চাহিদা হলে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে এবং গ্রেফতারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের তার পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।
৩. (গ) গ্রেফতারের একটি স্মারকলিপি তৈরি করতে হবে, যা—
(i) অন্তত একজন সাক্ষীর সাক্ষরিত থাকবে; ওই সাক্ষী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য অথবা সংশ্লিষ্ট এলাকার সম্মানিত নাগরিক হতে হবে। যদি এমন কেউ না থাকে, তবে তার কারণ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করতে হবে।
(ii) গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা অঙ্গুলিমুদ্রা থাকবে, যদি সে প্রত্যাখ্যান না করে।
৪. (ঘ) যদি গ্রেফতার স্থান তার বাসার বাইরে হয়, তবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবার, আত্মীয় বা তার নিজ নির্বাচিত বন্ধুকে যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের জায়গার খবর দিতে হবে।
৫. (ঙ) যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে তাকে মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত চিকিৎসকের কাছে পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা করাতে হবে, মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে এবং আঘাতের কারণ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করতে হবে।
৬. (চ) গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি চাইলে, গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে নিজের পছন্দের আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করার অথবা পরিবারের কাছাকাছি কারো সাথে দেখা করার সুযোগ দিতে হবে।

৭,৮৯৮.
ধারা ৪০২ অনুসারে, কোন শাস্তির পরিবর্তন সরকার দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া করতে পারবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. নির্বাসন
  3. সশ্রম কারাদণ্ড
  4. উল্লেখিত সকল শাস্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০২- শাস্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা:
(১) সরকার, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই, নিম্নলিখিত যে কোনো একটি শাস্তিকে তার পরে উল্লিখিত অন্য যে কোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে:
মৃত্যুদণ্ড, নির্বাসন, সশ্রম কারাদণ্ড যার মেয়াদ তার প্রাপ্য সর্বোচ্চ সময়সীমা অতিক্রম করবে না, একই মেয়াদের সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারায় উল্লিখিত কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার বিধানগুলিকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:
death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.

(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
৭,৮৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুসারে জব্দকৃত সম্পত্তির মালিক অজ্ঞাত হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারিকৃত ঘোষণার পর কত সময়ের মধ্যে দাবিদারকে হাজির হয়ে তার দাবি প্রতিষ্ঠা করতে হয়?
  1. ১৫ দিনের মধ্যে
  2. এক মাসের মধ্যে
  3. তিন মাসের মধ্যে
  4. ছয় মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫২৩(২)-এর অনুযায়ী, যদি জব্দকৃত সম্পত্তির মালিক অজ্ঞাত হয়, ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ একটি ঘোষণা (Proclamation) জারি করবেন। সেই ঘোষণার তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে যে কেউ দাবিদার হিসাবে হাজির হয়ে তার দাবি প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.

৭,৯০০.
যে ব্যক্তির সুবিধার্থে দাঙ্গা সংঘটিত হয় তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৫৪ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৫৬ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৫৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারার বিধান যে ব্যক্তির স্বার্থে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয় তার দায়দায়িত্ব:- যে ভূমি সম্পর্কে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয়েছে, দাঙ্গাটি যদি ভূমির মালিক বা দখলদারের অথবা উক্ত স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির অথবা যে বিরোধীয় বিষয়টি নিয়ে দাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছে উহাতে কোন স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির স্বার্থে বা স্বপক্ষে অথবা যে ব্যক্তি উহা হতে কোনভাবে উপকৃত হয়েছে তার স্বার্থে বা স্বপক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, তবে অনুরূপ ব্যক্তি অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে-যদি উক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি বা তার ম্যানেজার অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হতে পারে অথবা যে বেআইনী সমাবেশ দ্বারা অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হবে তা 'অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে তার বা তাদের বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অনুরূপ দাঙ্গা বা সমাবেশ নিরোধ করার এবং উহা দমন ও ছত্রভঙ্গ করার জন্য যথাক্রমে তার বা তাদের আয়ত্তাধীন সকল আইনসম্মত উপায় অবলম্বন না করে।

--------------
♦ Liability of person for whose benefit riot is committed
Section 155. Whenever a riot is committed for the benefit or on behalf of any person who is the owner or occupier of any land respecting which such riot takes place or who claims any interest in such land, or in the subject of any dispute which gave rise to the riot, or who has accepted or derived any benefit therefrom, such person shall be punishable with fine, if he or his agent or manager, having reason to believe that such riot was likely to be committed or that the unlawful assembly by which such riot was committed was likely to be held, shall not respectively use all lawful means in his or their power to prevent such assembly or riot from taking place, and for suppressing and dispersing the same.