বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৭৮ / ১৫৫ · ৭,৭০১৭,৮০০ / ১৫,৪৭০

৭,৭০১.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি কখন অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন?
  1. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে
  2. সংসদের অধিবেশন চলাকালীন
  3. সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষে
  4. সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা অধিবেশন ব্যতীত অন্য সময়ে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা সংসদের অধিবেশন চলাকালীন ব্যতীত অন্য সময়ে। এই ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য নিম্নলিখিত শর্তাবলী পূরণ করতে হবে:
১. আশু ব্যবস্থাগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা:
- রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকতে হবে। অর্থাৎ, এমন একটি জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হতে হবে যেখানে দ্রুত আইন প্রণয়নের প্রয়োজন হয়।
২. সংসদের অধিবেশন না চলা:
- এই ক্ষমতা শুধুমাত্র তখনই প্রয়োগ করা যাবে যখন সংসদের অধিবেশন চলছে না বা সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সংসদের অধিবেশন চলাকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন না।
৩. অধ্যাদেশের বৈধতা:
- অধ্যাদেশ প্রণয়নের পর তা সংসদের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করতে হবে। সংসদ যদি অধ্যাদেশটি অননুমোদন করে, তাহলে তা বাতিল হয়ে যাবে।
৪. সংবিধানের সীমাবদ্ধতা:
- রাষ্ট্রপতি এমন কোনো অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারবেন না, যা সংবিধানের বিধান লঙ্ঘন করে বা সংসদের আইন প্রণয়নের ক্ষমতার বাইরে যায়।

সুতরাং, রাষ্ট্রপতি সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা সংসদের অধিবেশন ব্যতীত অন্য সময়ে অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা অধিবেশন ব্যতীত অন্য সময়ে।


⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ- অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১)সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,
(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।
(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।
(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
৭,৭০২.
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর কত বিধিতে আইনজীবীর শপথ সংক্রান্ত বিধান করা হয়েছে?
  1. ৬০ বিধি
  2. ৬০ক বিধি
  3. ৬২ বিধি
  4. ৬৪ বিধি
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬২:
(১) যেখানে বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটি আবেদন গ্রহণ করে, সেখানে বার কাউন্সিল ফর্ম বি অনুযায়ী একটি এন্ট্রোলমেন্ট সনদ প্রস্তুত করবে এবং আবেদনকারীর প্র্যাকটিসের জায়গার স্বীকৃত বার অ্যাসোসিয়েশনে তার এন্ট্রোলমেন্টের খবর পাঠানো হবে।

(২) সনদ আবেদনকারী বার অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে বার কাউন্সিল থেকে আবেদন করার পর এবং বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে যোগদানের পর নির্ধারিত নিয়ম ও শর্ত পূরণের ভিত্তিতে দেওয়া হবে। এরপর তিনি নিম্নলিখিত শপথ গ্রহণ করবেন:

অ্যাডভোকেটের শপথ:
আমি, _____, শপথ নিয়ে প্রতিজ্ঞা করছি যে আমি সর্বদা আমার পেশার মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করব, আমার ব্যক্তিগত সন্মান ও সততা বজায় রাখব এবং পেশাগত আচরণবিধি মেনে চলব। আমি বাংলাদেশের সংবিধান রক্ষা, সুপ্রিমেসি বজায় রাখা এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় সর্বদা সতর্ক থাকব। আমি কোনো সংবিধান বিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করব না এবং একটি এমন সমাজ নির্মাণে কাজ করব যেখানে আইন শাসন, মৌলিক মানবাধিকার, স্বাধীনতা, সমতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত থাকবে।

(৩) কোনো অ্যাডভোকেট তার পূর্বের বার অ্যাসোসিয়েশন বদলে বা অন্য কোনো বার অ্যাসোসিয়েশনে যোগ দিতে পারবে না বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া। এমন অনুমতির জন্য আবেদন জমা দিতে হবে এবং সঙ্গে ১,০০০ টাকা জমা দিতে হবে।

(৪) কোনো বার অ্যাসোসিয়েশন অন্য কোনো বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যকে তার সদস্য হিসেবে গ্রহণ করবে না বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া। অনুমতি ছাড়া বার পরিবর্তন স্বীকৃত হবে না।

(৫) বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেটের এন্ট্রোলমেন্ট স্থগিত বা বাতিল করতে পারে এবং সনদ প্রত্যাহার করতে পারে যদি প্রমাণিত হয় যে এন্ট্রোলমেন্টের সময় জমাকৃত শিক্ষাগত সনদ জালিয়াতিপূর্ণ বা মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বার কাউন্সিল অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে।
৭,৭০৩.
'Law as to summonses, commissions and witnesses' বিধানটি রেজিস্ট্রেশন আইনের কত ধারায় বর্ণিত রয়েছে?
  1. ধারা ৪০
  2. ধারা ৪১
  3. ধারা ৩৯
  4. ধারা ৩৮
ব্যাখ্যা
• Section 39. Law as to summonses, commissions and witnesses:
The law in force for the time being as to summonses, commissions and compelling the attendance of witnesses, and for their remuneration in suits before Civil Courts, shall, save as aforesaid and mutatis mutandis, apply to any summons or commission issued and any person summoned to appear under the provisions of this Act.
৭,৭০৪.
দেওয়ানি কারাগারে আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি সঠিক নয়?
  1. সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না।
  2. কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।
  3. কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না।
  4. কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে।
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৫৫ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তিকে যে কোন দিনে ডিক্রী জারীর জন্য সাব্যস্ত দেনাদারকে গ্রেফতার করা যাবে ও দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যাবে।
• আটক ২ প্রকার- (১) আইনী আটক (২) বেআইনী আটক।
•আইনী আটক আবার ২ প্রকার যথা- (১) নিবারন মূলক আটক (২) শাস্তি মূলক আটক।

• কোন দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য কোন বাসগৃহে সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে প্রবেশ করা যাবে না।
• উল্লেখ্য যে, কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।
-------------
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান গ্রেফতার ও আটক: ডিক্রি জারির জন্য কোন ডিক্রি দায়িককে যে কোন সময় এবং যে কোন দিনে গ্রেফতার করা যাবে এবং দেওয়ানি কারাগারে তাকে আটক রাখা যাবে। তবে উক্ত ব্যক্তিকে আটক করার জন্য-
- সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না;
- কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না;
- কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।

তবে শর্ত থাকে যে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রিতে ডিক্রি দায়িককে গ্রেফতার করার পর ডিক্রি দায়িক ডিক্রির টাকা ও গ্রেফতারের খরচ গ্রেফতারকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করলে উক্ত কর্মকর্তা দায়িককে অবিলম্বে মুক্তি দিবে। এছাড়া ডিক্রি দায়িক দেউলিয়া হলে তাকে মুক্তি দেয়া যাবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানি কারাগারে আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে "কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে" বিষয়টি সঠিক নয়।
অর্থাৎ কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।
৭,৭০৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার বিধান প্রয়োগের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ৮ ও ৯
  2. ১২ ও ২২
  3. ৩১ ও ৩৯
  4. ৪২ ও ৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩);
৯. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ (ধারা ২২)।

⇒ আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
৭,৭০৬.
মোট সম্পত্তির কত অংশের বেশি উইল করা যাবে না?
  1. ২/৩ অংশ
  2. ১/৪ অংশ
  3. ১/৩ অংশ
  4. ১/২ অংশ
ব্যাখ্যা
• কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।

• আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চুড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

• যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে খবমধঃবব বা উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

- একজন মুসলমান তার দাফন-কাফনের ব্যয়ভার এবং ঋণ পরিযোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির ১/৩ অংশের অধিক উইলের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারে না। যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না।

- উইল করার ক্ষমতা অসীম নয়। কোনো উইল এর মাধ্যমে এক-তৃতীয়াংশের বেশি সম্পত্তি উইল করা যাবে না। কোনো মুসলিম তার মৃত্যুর পর কাফন-দাফন সংক্রান্ত খরচাদি এবং ঋণ পরিশোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করতে পারবে না।

- কোনো ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশের অধিক উইল করলে তা কার্যকর হবে না। তবে তার উত্তরাধিকারীগণ উক্ত উইলো সম্মতি দিলে তা কার্যকর হবে।
৭,৭০৭.
"বিদেশি সমন জারি" এর বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৩২ ধারা
  2. ৩১ ধারা
  3. ২৯ ধারা
  4. ২৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৯ ধারায় "বিদেশি সমন জারি" বা "Service of foreign summonses" উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত আদালতের সমন কোন পদ্ধতিতে দেশের ভেতর জারি করা হবে, সেই পদ্ধতি দেয়া হয়েছে। এ পদ্ধতি শুধুমাত্র দেওয়ানি সমনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৯ ধারা বিদেশি সমন জারি:
বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোন দেওয়ানী অথবা রাজস্ব আদালতের সমন এবং অন্যান্য ওয়ারেন্ট বাংলাদেশের আদালতসমূহে প্রেরণ করা যেতে পারে এবং
উক্ত সমন অনুরূপ আদালত মারফত প্রদত্ত সমন হিসাবে জারি করা যেতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে অনুরূপ আদালত সমূহে এই ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে ঘোষণা করবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 29: Service of foreign summons:
- Summons and other processes issued by any Civil or Revenue Court situated outside Bangladesh may be sent to the Courts in Bangladesh and served as if they were summonses issued by such Courts:
Provided that the Government has by notification in the official Gazette declared the provisions of this section to apply to such Courts.
৭,৭০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৫, বিধি-২ অনুযায়ী, ইন্টারপ্লিডার মামলায় দাবিকৃত বস্তু কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. ব্যাংক লকারে
  2. পুলিশ কাস্টডিতে
  3. আদালতের হেফাজতে
  4. স্থানীয় প্রশাসনের কাছে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXXV, Rule 2 অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দেওয়া বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, তখন বাদীকে কোনো আদেশ পাওয়ার পূর্বে তা আদালতের হেফাজতে জমা দিতে বলা যেতে পারে। এভাবে নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি নিরাপদ ও নিরপেক্ষভাবে আদালতের হেফাজতে থাকে, যাতে দুই পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৫, বিধি-২: দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দেয়া:
যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তুটি আদালতে জমা দিবার বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে উহা অনুরূপভাবে জমা দিতে বা স্থাপন করতে নির্দেশ দেয়া যাবে।
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-35 Rule-2. Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.
৭,৭০৯.
নিম্নের কোন দলিলটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. মূল বিক্রয় দলিল
  2. মূল বন্ধকী দলিল
  3. মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
  4. মূল বিক্রয় দলিলের খসড়া
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভূক্ত হয়ঃ
(১) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিসয় বস্তু সম্পর্কে মৌক্ষিক বিবরণ।

উদাহরণঃ
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

♦ অর্থাৎ মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
৭,৭১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারা কী নিয়ে আলোচনা করে?
  1. সাক্ষীর জবানবন্দি
  2. বিকল্প রায় প্রদান
  3. মৃত্যুদণ্ডের আপিল
  4. পুলিশ তদন্ত ত্বরান্বিত করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) বিকল্প রায় প্রদান:
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় আলোচনা করা হয়েছে বিকল্প রায় প্রদান সম্পর্কিত। এই ধারার অধীনে, যদি আদালত কোনও অপরাধের ক্ষেত্রে সন্দেহ করে যে, দণ্ডবিধির কোন দুটি ধারা বা একই ধারার দুটি অংশের মধ্যে কোনটি অভিযুক্ত অপরাধের সাথে প্রযোজ্য, তাহলে আদালত বিকল্প রায় প্রদান করবে। অর্থাৎ, আদালত এই সন্দেহের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করবে এবং বিকল্পভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। এটি অপরাধের ধরন এবং সঠিক দণ্ড নিশ্চিত করতে সহায়ক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৭(৩)- বিকল্প রায়:
- দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 367(3)- Judgment in alternative:
- When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
৭,৭১১.
প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির বিবাহে বাধা প্রদানকারী চুক্তি—
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. শর্তসাপেক্ষ বৈধ
  4. আদালতের অনুমোদনক্রমে বৈধ
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৬ অনুযায়ী— "Every agreement in restraint of the marriage of any person, other than a minor, is void."
অর্থাৎ, নাবালক (minor) ছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক কারও বিবাহে বাধা দেয়ার জন্য কোনো চুক্তি করা হলে, সেটি Void (বাতিল) বলে গণ্য হবে।
 
উদাহরণ: যদি A এবং B এর মধ্যে চুক্তি হয় যে, "B কোনোদিন বিয়ে করবে না", তবে এই চুক্তি বাতিল।

⇒ The Contract Act, 1872 Section 26: Agreement in restraint of marriage void: Every agreement in restrain of the marriage of any person, other than a minor, is void.

৭,৭১২.
What is the primary duty of a police officer under Section 149?
  1. To arrest criminals only
  2. To Assist the court in trials
  3. To prevent the commission of any cognizable offence
  4. To investigate crimes after they have been committed
ব্যাখ্যা
Section 149- Police to prevent cognizable offences:
Every police-officer may interpose for the purpose of preventing, and shall, to the best of his ability, prevent, the commission of any cognizable offence.
 
ধারা ১৪৯: পুলিশ কর্তৃক আমলযোগ্য অপরাধ প্রতিরোধ:
প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা যে কোনো আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) সংঘটিত হওয়ার প্রতিরোধে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন এবং তাঁর সর্বোচ্চ ক্ষমতা অনুযায়ী, সেই অপরাধের সংঘটন প্রতিরোধ করবেন।
৭,৭১৩.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১২৬ ধারায় কাদের মধ্যকার তথ্য আদান-প্রদানের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. স্বামী এবং স্ত্রীর
  2. আইনজীবী এবং তার মক্কেলের
  3. বিচারক এবং আইনজীবীর
  4. আইন উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১২৬ ধারায় আইনজীবী এবং তার মক্কেলের মধ্যকার তথ্য আদান-প্রদানের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এই ধারা অনুযায়ী, একজন আইনজীবী তার মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত নিম্নলিখিত তথ্যগুলি প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না:
১. তার নিযুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে মক্কেল বা মক্কেলের প্রতিনিধি থেকে প্রাপ্ত যে কোনো তথ্য বা যোগাযোগ।
২. তার নিযুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে যে কোনো দলিলের বিষয়বস্তু বা অবস্থা যার সাথে তিনি পরিচিত হয়েছেন।
৩. তার নিযুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি যে কোনো পরামর্শ তার মক্কেলকে দিয়েছেন।

এই ধারার উদ্দেশ্য হলো- আইনজীবী ও মক্কেলের মধ্যে বিশ্বাস ও গোপনীয়তা রক্ষা করা যাতে মক্কেল নিঃসংকোচে তথ্য প্রদান করতে পারেন।
৭,৭১৪.
কেউ নিজের সম্পত্তি প্রতারণামূলকভাবে গোপন করলে, দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারার অধীনে কী ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. নিজের সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever dishonestly or fraudulently conceals or removes any property of himself or any other person, or dishonestly or fraudulently assists in the concealment or removal thereof, or dishonestly releases any demand or claim to which he is entitled, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
৭,৭১৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪৯ ধারার বিধান মতে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে মামলাটি __________ করবেন।
  1. মুলতুবি
  2. স্থগিত
  3. বন্ধ
  4. খারিজ
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর  ২৪৯ ধারামতে নালিশি মামলা (CR Case) ব্যতীত অন্য কোনভাবে দায়েরকৃত মামলাতে ফরিয়াদি না থাকলে, মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা প্রথম শ্রেনীর ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুমতিক্রমে যেকোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালাস বা দন্ডের রায় প্রদান না করে মামলার কার্যক্রম বন্ধ রেখে আসামিকে মুক্তি (Release) দিতে পারেন।

♦ নালিশি মামলা বা CR Case-এর ক্ষেত্রে ২৪৯ ধারা প্রযোজ্য নয়।
৭,৭১৬.
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারায় হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত _________।
  1. প্রাসঙ্গিক
  2. অপ্রাসঙ্গিক
  3. অনুমিত
  4. চূড়ান্ত প্রমাণ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারা- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক:
একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যা- এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।

⇒ উক্ত ধারামতে, একজন ব্যক্তির অভিমত অন্য ব্যক্তির হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে তখন প্রাসঙ্গিক হবে, যখন কোন ব্যক্তি-
- অপর ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে;
- অপর ব্যক্তির লিখিত কোন দলিল পেয়েছে;
- স্বাভাবিক কাজকর্ম হিসেবে যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত হয়েছে।
৭,৭১৭.
ডাকাত ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি ডাকাতির মাল রাখলে বা গ্রহণ করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন
  4. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪১২ ধারা মতে ডাকাত ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি ডাকাতির মাল রাখলে বা গ্রহণ করলে শাস্তি হবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
৭,৭১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আপিলে মধ্যস্থতা
  2. আপিলে সাক্ষ্যগ্রহণ
  3. আপিলে ডিক্রির সংশোধন
  4. উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ (Section 89C) আপিল আদালতে মধ্যস্থতার (mediation in appeal) বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আদেশ ৪১ এর অধীন কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হয় এবং তা মূল পক্ষগণ বা তাদের স্থলাভিষিক্তদের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা অন্য কারো মাধ্যমে মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে।
- এ ধারায় সাক্ষ্যগ্রহণ বা ডিক্রির সংশোধন সংক্রান্ত কোনো বিধান নেই।
- অতএব, একমাত্র সঠিক উত্তর হলো — ক) আপিলে মধ্যস্থতা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৭,৭১৯.
কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত আদালতের এখতিয়ার নিয়ে আপত্তি আপিল আদালত কোন বিবেচনায় মঞ্জুর করতে পারে?
  1. বাদীর কোনো ভুলের কারণে
  2. ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার কারণে
  3. এখতিয়ারের অনিশ্চয়তা নিয়ে বিবৃতি লিপিবদ্ধ না করার কারণে
  4. বিবাদীর আবেদনের কারণে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ ধারার বিধান: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

৭,৭২০.
কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার ক্ষেত্রে কোন বিধান মানা বাধ্যতামূলক?
  1. নারী পুলিশ সদস্য দ্বারা করতে হবে
  2. শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে
  3. পরিবারের সদস্যের উপস্থিতিতে করতে হবে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী-

কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।
 
Section 52: Mode of searching women-
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৭,৭২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী তদন্ত রিপোর্ট (interim report) কে চাইতে পারেন?
  1. পুলিশ কমিশনার 
  2. জেলা পুলিশ সুপার
  3. সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট
  4. 'ক' অথবা 'খ' 
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা ১৭৩A (১) অনুসারে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার বা সমতুল্য পদমর্যাদার অন্য কোনো কর্মকর্তা যিনি তদন্ত তদারকি করছেন, তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।
- সুতরাং, পুলিশ কমিশনার (ক) এবং জেলা পুলিশ সুপার (খ) উভয়েই এই অন্তর্বর্তী রিপোর্ট চাইতে পারেন। তাই সঠিক উত্তর হল ঘ) 'ক' অথবা 'খ'। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।
(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।
(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
---------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, 173A. Interim investigation report, etc.- 
(1) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) of section 173, before completion of an investigation of any case under this Chapter, the Police Commissioner or the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may require the Investigating Officer to submit an interim investigation report as to the progress of the investigation of the case.
(2) If the interim investigation report, as required, discloses that there is insufficient evidence against any accused, the Police Commissioner, the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may direct the Investigating Officer to submit the report to the Magistrate and upon receipt of such report, the Magistrate or the Tribunal, as the case may be, may, if satisfied, order to discharge such accused subject to sub-section (3), without prejudice to the continuation of investigation against the remaining accused persons.
(3) Notwithstanding the discharge of any accused under sub-section (2), if, upon completion of the investigation, it appears on the basis of sufficient and substantive evidence that such person is involved in the commission of the alleged offence, the Investigating Officer shall not be precluded from including his name in the police report under section 173.

৭,৭২২.
কোনো হিন্দু ব্যক্তি কর্তৃক খোরপোষ লাভের অধিকার ঘোষণার মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২৯

খোরপোষ লাভের অধিকার ঘোষণার [For a declaration of his righ to maintenance] জন্য হিন্দু কর্তৃক মামলা
তামাদি - ১২ বছর
সময় গণনা শুরু- যখন থেকে অধিকার অগ্রাহ্য হয়।
৭,৭২৩.
কোন ব্যক্তির মৃত্যুকালীন ঘোষণা Dying declaration তার কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য?
  1. মৃত্যুর কারণ
  2. সম্পত্তি দান
  3. পরিচয়
  4. বিবাহ
ব্যাখ্যা
♦ Evidence Act  এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা [Dying Declaration); কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পূর্বে তার  মৃত্যুর কারণ,  মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা যে সকল ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা/বিবৃতি প্রদান করে, তাকেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলে। 
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয়ক্ষেত্রেই
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
৭,৭২৪.
ভাটার ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার করলে শাস্তি -
  1. অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা ৩ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা ৩ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ইটভাটা স্থাপন ও ইট প্রস্তুত আইন, ২০১৩ এর ধারা ৬ এ বলা হয়েছে-

কোনো ব্যক্তি ইটভাটায় ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি হিসাবে কোনো জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করতে পারবেন না। যদি কোনো ব্যক্তি ধারা ৬ লঙ্ঘন কর ইটভাটায় ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করেন, তাহলে ওই ব্যক্তিকে তিন বছর কারাদণ্ড অথবা তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৭,৭২৫.
"পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষ সমর্থন বা বিপক্ষে যুক্তি খন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারত বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ ও মূল বিবেচ্য-বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে”- এই বক্তব্য কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখ্যা
  2. ১১ ধারার ৩ নং ব্যাখ্যা
  3. ১১ ধারার ২ নং ব্যাখ্যা
  4. ১১ ধারার ১ নং ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।

• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখ্যায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive/Indirect res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে,
পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।
[Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].

অর্থাৎ, পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।

৭,৭২৬.
A ও B অংশীদারি ব্যবসা করেন। A অবৈধভাবে অংশীদারিত্বের বই নিজের কাছে রেখেছেন এবং B কে এতে প্রবেশাধিকার দিতে অস্বীকার করেছেন। B এর বিরুদ্ধে A নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন যাতে B অংশীদারি দেনা ও সম্পদ গ্রহণ করতে না পারেন। এক্ষেত্রে আদালত কি করবেন?
  1. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন
  2. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না
  3. বিষয়টি অন্য আদালতে পাঠাবেন
  4. উভয় পক্ষকে ব্যবসা বন্ধ করতে নির্দেশ দেবেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না।
⇒ এই প্রশ্নটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারার উদাহরণ (a) এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এখানে A এবং B অংশীদারি ব্যবসায় জড়িত। A অংশীদারিত্বের বহি (বই) অবৈধভাবে নিজের কাছে রেখেছেন এবং B কে এতে প্রবেশাধিকার দিতে অস্বীকার করেছেন। এরপর A, B এর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন যাতে B অংশীদারি দেনা ও সম্পদ গ্রহণ করতে না পারেন।

→ এই ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না, কারণ A এর আচরণ অসদাচরণের পর্যায়ে পড়ে। A ইতিমধ্যেই অংশীদারিত্বের বই অবৈধভাবে আটকে রেখেছেন এবং B কে এতে প্রবেশাধিকার দিতে অস্বীকার করেছেন। এই ধরনের আচরণের কারণে A আদালতের সাহায্য পাওয়ার অধিকার হারান। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না যদি আবেদনকারীর আচরণ এমন হয় যে তা তাকে আদালতের সাহায্য থেকে বঞ্চিত করে।

→ সুতরাং, আদালত A এর আবেদন প্রত্যাখ্যান করবেন এবং নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না।
----------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 56. Injunction when refused:
Illustrations:
(a) A seeks an injunction to restrain his partner, B, from receiving the partner-ship-debts and effects. It appears that A had improperly possessed himself of the books of the firm and refused B access to them. The Court will refuse the injunction.
৭,৭২৭.
দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা অনুসারে, ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে করা কাজ কী বলে গণ্য হয়?
  1. অপরাধ
  2. অপরাধ নয়
  3. সামান্য অপরাধ
  4. শাস্তিযোগ্য অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: খ) অপরাধ নয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি তার বা অন্যের শরীর বা সম্পত্তি রক্ষার জন্য ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে, তাহলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

- অর্থাৎ, যখন একজন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের আত্মরক্ষা বা সম্পত্তি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করে, তখন এটি অপরাধের মধ্যে পড়বে না। এটি আইনের অধীনে স্বীকৃত একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 96. Things done in private defence:
Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence.
৭,৭২৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীনে গঠিত আদালতের নাম কী?
  1. দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল
  2. সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. দ্রুত বিচার আদালত
ব্যাখ্যা
⇒আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা২(গ) এর মাঝে বলা আছে “আদালত” অর্থ এই আইনের অধীন গঠিত দ্রুত বিচার আদালত।

এই আইনের ৮ ধারার বিধান: দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷
(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।
৭,৭২৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রায়ে সন্তুষ্ট না হলে আপীল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ "নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন" এর ধারা ২৮ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডে সংক্ষুব্ধ পক্ষকে উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল দায়ের করতে হবে
- এটি আইনের স্পষ্ট বিধান,  প্রাসঙ্গিক অংশ:
"ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।"

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ ধারা ২৮ আপীল:
- ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।
৭,৭৩০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীন মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের শাস্তি অনধিক কত বছর কারাদণ্ড?
  1. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি-
 
(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (১) এর অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।
 
Section 17: Punishment for filing any false case, complaint etc.
 
i. If any person files or causes to be filed any case or complaint against a person under this Act for the purpose of causing injury to that person, although he knows that he had not any proper or; legal ground to do so, the person filing or causing to be filed that case or complain shall be punished with rigorous imprisonment for either description which may extend to seven years and also with fine.
 
ii. The Tribunal can take cognizance and adjudicate any offence under subsection (і), on a written application by any person.
৭,৭৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক অনুযায়ী  অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য আদালতকে কী করতে হয়?
  1. সাক্ষীদের পুনরায় ডাকা হয়
  2. পুলিশকে অনুমতি নিতে হয়
  3. উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হয়
  4. অভিযুক্তের পরিবারকে জানাতে হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক(১) অনুসারে, যদি একাধিক অভিযুক্তের মধ্যে কোনো একজন আদালতে উপস্থিত থাকতে অক্ষম হন, এবং তিনি আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব হন, তবে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যেতে পারে, শর্ত থাকে যে আদালতকে এই সিদ্ধান্তের উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হবে। এছাড়া, আদালত প্রয়োজনে পরে ওই অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির করার নির্দেশও দিতে পারে।
অর্থাৎ আদালত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যেতে পারেন শুধুমাত্র তখনই, যদি তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করেন এবং আদালত উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করে।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক - কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান:
(১) দুই বা ততোধিক আসামি হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের কোন পর্যাপ্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশত: সন্তুষ্ট হন, আসামিদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে আসামীর কৌঁসুলি হাজির থাকলে আসামিকে হাজির হতে রেহাই দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন, এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) এরূপ কোন মামলায় আসামীর কৌঁসুলি না থাকলে অথবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসামীর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, অথবা উক্ত আসামীর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, -Section 540A. Provision for inquiries and trial being held in the absence of accused in certain cases
(1) At any stage of an inquiry or trial under this Code, where two or more accused are before the Court, if the Judge or Magistrate is satisfied, for reasons to be recorded, that any one or more of such accused is or are incapable of remaining before the Court, he may, if such accused is represented by an advocate, dispense with his attendance and proceed with such inquiry or trial in his absence, and may, at any subsequent stage of the proceedings, direct the personal attendance of such accused. 
(2) If the accused in any such case is not represented by an advocate, or if the Judge or Magistrate considers his personal attendance necessary, he may, if he thinks fit, and for reasons to be recorded by him, either adjourn such inquiry or trial, or order that the case of such accused be taken up or tried separately.
৭,৭৩২.
রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল(Certified copies) দেয়া হবে-
  1. পক্ষগণের আবেদনক্রমে
  2. আদালতের খরচে
  3. পক্ষগণের খরচে
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে। কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করা হয়।

• আদেশ ২০ বিধি-২০ঃ
আদালতে পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচায় রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল সরবরাহ করা হবে।

Order 20 Rule 20: Certified copies of judgment and decree to be furnished-
Certified copies of the judgment and decree shall be furnished to the parties on application to the Court and at their expense.
৭,৭৩৩.
সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্দ করার পর জব্দকারী পুলিশ অফিসারের প্রাথমিক দায়িত্ব কী?
  1. জব্দকৃত মাল আদালতে নিয়ে যাওয়া
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানানো
  3. আসল মালিক খুঁজে বের করা
  4. জব্দকৃত মাল ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫০- সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্ধ করার ব্যাপারে পুলিশের ক্ষমতা
চোরাই মর্মে কথিত বা সন্দেহযুক্ত কিংবা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত কোন সম্পত্তি কোন পুলিশ কর্মকর্তা আটক করতে পারবেন। এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধঃস্তন হলে, তিনি সাথে সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জব্দ করার ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

Section 550- Powers to police to seize property suspected to be stolen
Any police- officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.
৭,৭৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ১৯ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ১৯(১) এর সরাসরি বিধান অনুযায়ী, মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পর ১২০ দিনের (একশত বিশ দিন) মধ্যে আদালতকে মোকদ্দমার শুনানি সম্পন্ন করতে হবে। এই সময় গণনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কার্য দিবস (কাজের দিন) গণনা করা হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি-১৯: শুনানি সমাপ্ত করার সময়:
১) চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ণীত হওয়ার একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
২) এই বিধি অনুযায়ী সময় নির্দিষ্টকরণের নিমিত্তে শুধুমাত্র কার্য দিবসগুলো গণনায় করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 18 Rule 19: Time for completion of hearing:
1) The Court shall complete the hearing of a suit within one hundred and twenty days from the date fixed for its final hearing.
2) In this rule, in determining the time, only the workings days shall be counted.

৭,৭৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান-অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
-কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 480: Procedure in certain cases of contempt: 
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
৭,৭৩৬.
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক সর্বপ্রথম কত সালে ফৌজদারি কার্যবিধি পাশ হয়?
  1. ১৮৬১ সালে
  2. ১৮৬৩ সালে
  3. ১৮৬৬ সালে
  4. ১৮৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি পাশ করা হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
৭,৭৩৭.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৩ অনুসারে কোন ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বেআইনি গণ্য হবে?
  1. প্রতারণাপূর্ণ হলে
  2. আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হলে
  3. আইনের বিধান ব্যর্থ করলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৩-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বেআইনি হবে যদি তা:
- আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয় (forbidden by law); অথবা
- আইনের বিধান ব্যর্থ করে (defeat the provisions of any law); অথবা
- প্রতারণাপূর্ণ হয় (fraudulent); অথবা
- অন্য ব্যক্তি বা সম্পত্তির ক্ষতির সাথে জড়িত হয় (injury to person or property); অথবা
- আদালত কর্তৃক অনৈতিক বা জননীতির পরিপন্থী বিবেচিত হয় (immoral or opposed to public policy)।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে প্রতারণাপূর্ণ, আইন দ্বারা নিষিদ্ধ এবং আইনের বিধান ব্যর্থ করলে — এই তিনটি ক্ষেত্রই ধারা ২৩-এর অধীনে বেআইনি প্রতিদান বা উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য হবে।
সুতরাং, উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বেআইনি হবে।

⇒ চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।
এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।
-----------------
⇒ The Contract Act, 1872 Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

৭,৭৩৮.
'আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে বাধ্য হবে।'- The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়েছে?
  1. ১৫২ ধারায়
  2. ১৬২ ধারায়
  3. ১৬১ ধারায়
  4. ১৬৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• যদি সাক্ষীকে দলিল দাখিলের জন্য সমন দেওয়া হয় এবং সেই দলিল সাক্ষীর দখলে থাকে, তাহলে সেই সাক্ষী দলিলটি আদালতে হাজির করতে বাধ্য থাকবেন।

The Evidence Act, 1872 এর ১৬২ ধারা এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়। এই ধারা অনুসারে,
আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে হবে। দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে তা পরবর্তীতে বিবেচনা করা হবে।

যদি কোনো সাক্ষী আদালতের সমনকে অমান্য করেন এবং দলিল হাজির না করেন, তাহলে তিনি আদালতের অবমাননার দায়ে দণ্ডিত হতে পারেন। সুতরাং, দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে যেকোনো আপত্তি থাকলেও, সাক্ষীকে আদালতের সমন অনুসারে দলিল হাজির করতে হবে।
৭,৭৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৮ অনুসারে, যদি কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারক আপিলকৃত ডিক্রি পরিবর্তন বা বাতিলের পক্ষে মত না দেন, তবে:
  1. ডিক্রি বাতিল হবে
  2. ডিক্রি সংশোধন হবে
  3. ডিক্রি বহাল থাকবে
  4. পুনরায় বিচার হবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৮– দুই বা ততোধিক বিচারকের দ্বারা আপিল শুনানি হলে সিদ্ধান্ত:
(১) যখন কোনও আপিল দুই বা ততোধিক বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ কর্তৃক শোনা হয়, তখন সে আপিল সেই সকল বিচারকের মতামত অনুসারে অথবা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত অনুসারে নিষ্পত্তি করা হবে।

(২) যদি এমন কোনও সংখ্যাগরিষ্ঠ না থাকে যারা আপিলকৃত ডিক্রিকে পরিবর্তন বা বাতিল করার বিষয়ে একমত হন, তাহলে সেই ডিক্রি বহাল থাকবে (অর্থাৎ, পরিবর্তন হবে না)।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি আপিল শুনানিকালীন বেঞ্চ দুইজন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং আদালতটি দুইজনের অধিক বিচারক বিশিষ্ট হয়, এবং উক্ত দুইজন বিচারক কোনও আইনি বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন, তাহলে তারা যেই আইনগত বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করছেন তা নির্ধারণ করে উল্লেখ করতে পারেন। তখন সেই বিশেষ আইনি বিষয়ে আপিল শুনানি হবে আদালতের অন্য এক বা একাধিক বিচারকের মাধ্যমে।
এই পয়েন্টটি যে সকল বিচারক শুনেছেন, প্রথমে যারা শুনেছেন তাদের সহিত পরবর্তী বিচারকদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

(৩) এই ধারার কোনও কিছুই হাইকোর্ট বিভাগের লেটারস পেটেন্টের বিধানাবলিকে পরিবর্তন বা প্রভাবিত করবে না।
৭,৭৪০.
স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে নিম্নের কোন বিষয় উল্লেখ থাকার প্রয়োজন নেই?
  1. নির্ধারণের বিষয়সমূহ
  2. সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  3. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ২০ বিধি ৪ অনুসারে,
স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে নির্ধারণের বিষয়সমূহ এবং উহার উপর সিদ্ধান্ত থাকবে এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ, নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ, ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত এবং অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে।

অর্থাৎ স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে থাকবে-
⇒ নির্ধারণের বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
⇒ উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।

এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-
⇒ মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case];
⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination];
⇒ ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]; এবং
⇒ অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].
৭,৭৪১.
মৃত্যুর কারণ উদঘাটন এর জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭৪
  2. ১৭৬(২)
  3. ১৭৬
  4. ১৭৫(২)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৬(২) মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট যদি মৃত্যুর কারণ উদঘাটন এর জন্য লাশ পরীক্ষা করে দেখার প্রয়োজন মনে করেন তা হলে তিনি লাশটি কবর থেকে তোলার এবং তা পরীক্ষা করে দেখার ব্যবস্থা করতে পারেন।
৭,৭৪২.
'A' makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under _________ of The Penal Code, 1860.
  1. Section 107
  2. Section 378
  3. Section 506
  4. Section 511
ব্যাখ্যা
Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both. 
 
Illustration-
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 

(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
৭,৭৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে?
  1. ধারা ২২১
  2. ধারা ২২৮
  3. ধারা ২২৭
  4. ধারা ২২৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ২২৭-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
৭,৭৪৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় বিধি প্রণয়নে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ১২০ ধারা
  2. ১২১ ধারা
  3. ১২২ ধারা
  4. ১২৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১২২ ধারা অনুযায়ী, সুপ্রীম কোর্টে মাঝে মাঝে সুপ্রীম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগ বা নিয়ন্ত্রনাধীন দেওয়ানী আদালতের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রনকালে পূর্বের প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন।
৭,৭৪৫.
'গ' কে একটি মূর্তির উদ্দেশ্যে বলি দেওয়া হতে পারে জানা সত্ত্বেও 'ক' যদি বাংলাদেশ থেকে 'গ' কে অপহরণ করে, তাহলে 'ক' সর্বোচ্চ-
  1. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  2. যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  3. শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৪: হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ বা গোপনীয়ভাবে নেওয়া:
যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে বা হত্যার সম্ভাবনায় তাকে এমনভাবে অপহরণ বা গোপনভাবে নিয়ে যায় যে তার মৃত্যুর সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:
(ক) ক যদি বাংলাদেশ থেকে গ কে অপহরণ করে এবং জানা বা বিশ্বাস করে যে গ কে একটি মূর্তির উদ্দেশ্যে বলি দেওয়া হতে পারে, তবে এ এই ধারার অধীনে অপরাধ করেছে।
(খ) ক যদি গ কে তার বাড়ি থেকে জোর করে বা লোভ দেখিয়ে নিয়ে যায় যাতে গ কে হত্যা করা হতে পারে, তবে এ এই ধারার অধীনে অপরাধ করেছে।

Section 364- Kidnapping or abducting in order to murder:
Whoever kidnaps or abducts any person in order that such person may be murdered or may be so disposed of as to be put in danger of being murdered, shall be punished with imprisonment for life or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. 
 
Illustrations-
(a) A kidnaps Z from Bangladesh, intending or knowing it to be likely that Z may be sacrificed to an idol. A has committed the offence defined in this section. 
(b) A forcibly carries or entices B away from his home in order that B may be murdered. A has committed the offence defined in this section.
৭,৭৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্নের কোনটি “ডিক্রি (Decree)” হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
  2. ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
  3. ১৪৪ ধারার অধীনে কোন প্রশ্ন নির্ধারণ
  4. মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
- আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
- ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
- যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
- কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে "ডিক্রি (Decree)" এর সংজ্ঞা ও এর অন্তর্ভুক্তি-বহির্ভূত বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়েছে:
ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে:
ক) আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ (অর্ডার ৭, বিধি ১১ অনুসারে) → ডিক্রি।
গ) ১৪৪ ধারার অধীনে কোনো প্রশ্ন নির্ধারণ → ডিক্রি।
ঘ) মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত → ডিক্রি।
ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে না:
খ) ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ (Order of dismissal for default) → ডিক্রি নয়। এটি দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২)-এর দ্বিতীয় ব্যতিক্রম (proviso) অনুযায়ী ডিক্রির সংজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে।
কারণ: "ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ" (যেমন: উপস্থিত না হওয়া, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়া ইত্যাদির কারণে মামলা খারিজ) মামলার মেরিট (বিতর্কিত বিষয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত) সম্পর্কিত নয়, বরং পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে দেওয়া হয়। তাই এটি ডিক্রি নয়।

সুতরাং, প্রদত্ত অপশগুলোর মধ্যে "ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ" ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে না।

৭,৭৪৭.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারা দুষ্কর্মে সহযোগীর সাক্ষ্য সম্পর্কিত?
  1. ধারা ১৩১
  2. ধারা ১৩২
  3. ধারা ১৩৩
  4. ধারা ১৩৪
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ (Section 133)-এ স্পষ্টভাবে বিধান করা হয়েছে যে, দুষ্কর্মের সহযোগী (accomplice) একজন আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য উপযুক্ত সাক্ষী (competent witness) বলে গণ্য হবে। এছাড়া, তার অসমর্থিত (uncorroborated) সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেওয়া হলেও কেবলমাত্র এই কারণে সাজা বেআইনি হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান দুষ্কর্মে সহযোগী: দুষ্কর্মের সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলিয়া গণ্য হইবেন। দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেওয়া হইলে কেবল সেই কারণেই উক্ত সাজা বেআইনি হইবে না।

⇒ ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনি হবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person, and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

৭,৭৪৮.
বার কাউন্সিলের নির্বাচনে অংশগ্রহনের জন্য মনোনয়নপত্র কার কাছে দাখিল করতে হবে?
  1. চেয়ারম্যান
  2. সেক্রেটারি
  3. এনরোলমেন্ট কমিটি
  4. নির্বাচন কমিশন ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৫:
বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচনের জন্য প্রতিটি প্রার্থীকে তিনজন ভোটার দ্বারা মনোনীত হতে হবে, যা বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে প্রদান করতে হবে। মনোনয়নপত্র নির্ধারিত তারিখের মধ্যে সেক্রেটারির কাছে জমা দিতে হবে। মনোনয়নপত্রের সাথে নমিনেশন ফি হিসাবে ১,০০০ টাকা জমা দিতে হবে।

একটি মনোনয়নপত্র শুধুমাত্র একজন প্রার্থীর জন্য হবে এবং যদি একাধিক প্রার্থীর জন্য হয়, তবে সেটি অবৈধ হবে। সেক্রেটারি প্রতিটি মনোনয়নপত্র প্রাপ্তির সময় তারিখ, সময় এবং ধারাবাহিক নম্বরসহ স্বাক্ষর করবেন।

শর্ত:
একজন ভোটার সাধারণ আসনের জন্য সর্বোচ্চ সাতটি প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করতে পারবেন এবং প্রতিটি গ্রুপ আসনের জন্য একজন প্রার্থীর মনোনয়ন করতে পারবেন। যদি কেউ এর বেশি মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করেন, তাহলে তার স্বাক্ষর শুধুমাত্র প্রথম সাতটি সাধারণ আসন এবং প্রতিটি গ্রুপ আসনের জন্য দেওয়া মনোনয়নপত্রের জন্যই বৈধ গণ্য হবে।
৭,৭৪৯.
প্রতারণার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞতা রাখা হলে তামাদির মেয়াদ গণনা কবে থেকে শুরু হবে?
  1. প্রতারকের মৃত্যুর পর
  2. মামলা দায়েরের সময় থেকে
  3. অধিকার সৃষ্টির সময় থেকে
  4. প্রতারণা আবিষ্কারের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৮ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে প্রতারণার মাধ্যমে তার কোনো অধিকার বা দাবি সম্পর্কে অজ্ঞ রাখা হয়, অথবা কোনো প্রয়োজনীয় দলিল জোরপূর্বক গোপন করা হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে যে সময়ে প্রতারণাটি প্রথমবারের মতো আবিষ্কৃত হয় সেই তারিখ থেকে।
ধারা ১৮-এর মূল বিধান:
- প্রতারণার মাধ্যমে অধিকার বা দাবি সম্পর্কে অজ্ঞ রাখা হলে।
- অথবা প্রয়োজনীয় দলিল গোপন করা হলে।
তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে: প্রতারণা প্রথমবারের মতো জানতে পারার তারিখ থেকে।
অথবা (গোপনকৃত দলিলের ক্ষেত্রে) যখন প্রথমবার সেই দলিলটি উপস্থাপন করার বা আদায় করার সুযোগ হয়।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

৭,৭৫০.
'Obiter Dictum' means-
  1. The decision
  2. Precedents
  3. Legal Principles
  4. A thing said by the way
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Obiter Dictum-
"A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।

Ratio decidendi-
সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।
৭,৭৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XXI, Rule-16 অনুসারে, ডিক্রির হস্তান্তর গ্রহীতা (transferee) ডিক্রি জারির জন্য কোথায় আবেদন করতে পারবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত
  3. যে আদালতে ডিক্রি জারি হচ্ছে
  4. যে আদালত ডিক্রি পাস করেছে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XXI, Rule 16-এর অনুযায়ী, যদি কোনো ডিক্রি লিখিত Assignment-এর মাধ্যমে বা Law-এর Operation-এর দ্বারা হস্তান্তরিত হয়, তাহলে হস্তান্তর গ্রহীতা (Transferee) ডিক্রি জারির জন্য সরাসরি সেই আদালতে আবেদন করতে পারবেন যেই আদালত মূল ডিক্রিটি পাস করেছিল।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হল – ঘ) যে আদালত ডিক্রি পাস করেছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21, Rule-16. Application for execution by transferee of decree:
- Where a decree or, if a decree has been passed jointly in favour of two or more persons, the interest of any decree-holder in the decree is transferred by assignment in writing or by operation of law, the transferee may apply for execution of the decree to the Court which passed it; and the decree may be executed in the same manner and subject to the . same conditions as if the application were made by such decreeholder:
Provided that, where the decree, or such interest as aforesaid, has been transferred by assignment, notice of such application shall be given to the transferor and the judgmentdebtor, and the decree shall not be executed until the Court has heard their objections (if any) to its execution:
Provided also that, where a decree for the payment of money against two or more persons has been transferred to one of them, it shall not be executed against the others. 

৭,৭৫২.
সাক্ষ্য আইনের ৮৯ক ধারা অনুযায়ী আদালত কোন পরিস্থিতিতে শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণকে সেই ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত বলে অনুমান করতে পারে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে?
  1. যখন উভয় পক্ষ একমত হয়
  2. প্রতিকূল প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত
  3. যখন উক্ত প্রমাণ লিখিত আকারে থাকে
  4. আদালত প্রমাণটি প্রত্যাখ্যান না করা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৯ক ধারার বিধান : শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:
- আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।

- অর্থাৎ আদালত প্রতিকূল প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত অনুমান করতে পারে যে শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সেই ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত, অথবা সেই ব্যক্তির দ্বারা সৃষ্টি, যাঁর কাছ থেকে উক্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

সাক্ষ্য আইনের ৮৯ক ধারায় বলছে, যদি কোনো শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয় এবং দাবি করা হয় যে এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তাহলে আদালত সেই প্রমাণটি ওই ব্যক্তির বলে ধরে নেবে, যতক্ষণ না তার বিপরীত কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। অর্থাৎ, আদালত প্রাথমিকভাবে প্রমাণটির সত্যতা স্বীকার করবে, তবে যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে এটি ভুল বা ভিন্ন, তখন সেই তথ্য গ্রহণ করা হবে।
------------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-89A: Presumption as to physical or forensic evidence:
-The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.
৭,৭৫৩.
ক” নাবালক থাকাকালে একটি নৌকার ভাড়া আদায়ের জন্য মামলা করার অধিকার লাভ করে। ক এর মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ শুরু হবে-
  1. নাবালক থাকা অবস্থা থেকে
  2. ক সাবালক হওয়ার পর থেকে
  3. ক এর নাবালকত্বের অবসান হওয়ার পর
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৬ অনুযায় কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে। ক সাবালক হওয়ার তারিখ থেকে আইনে উল্লেখিত সময় (এই ক্ষেত্রে তিন বৎসরের) মধ্যে যে কোন সময় সে উক্ত মামলা দায়ের করতে পারবে।
৭,৭৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৩ অনুযায়ী, দণ্ডিত আসামী নিজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিল আদালতের কোন ক্ষমতা নেই?
  1. শাস্তি বাতিল করা
  2. শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা
  3. আসামীকে খালাস দেওয়া
  4. পুনরায় বিচারের আদেশ দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৩ অনুযায়ী, আপিল আদালত বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নানাবিধ আদেশ দিতে পারে। তবে যদি শুধু দণ্ডিত আসামী নিজেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে, সেক্ষেত্রে আপিল আদালত নিম্নোক্ত ক্ষমতাসমূহ প্রয়োগ করতে পারে, শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস দিতে পারে, পুনরায় বিচার করার নির্দেশ দিতে পারে, শাস্তি হ্রাস করতে পারে।
কিন্তু শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা যাবে না, যদি একজন আসামী নিজেই তার দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে, তবে আদালত সেই আপিল শুনে তার শাস্তির পরিমাণ আরও বাড়াতে পারে না, কারণ এতে তার অবস্থা আরও খারাপ হয়, যা ন্যায়পরিপন্থী। এটি একটি সুপ্রতিষ্ঠিত বিচারিক নীতি।
- তবে যদি সরকার বা ফরিয়াদী দণ্ডের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল করে (ধারা ৪১৭ক অনুযায়ী), তাহলে আদালত শাস্তি বাড়াতে পারে, কিন্তু তখনও আসামীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপীল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. আপীল খারিজ করতে পারে যদি আপীলের কোন কারণ না থাকে বা
২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে-
- খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
- অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
- অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শান্তি দিতে পারে।
৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা পুনরায় আসামীকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তি কমাতে পারে ইত্যাদি
৪. দণ্ডবৃদ্ধির আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে বা আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে।
৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section- 423. Powers of Appellate Court in disposing of appeal:
(1) The Appellate Court shall then send for the record of the case, if such record is not already in Court. After perusing such record, and hearing the appellant or his pleader, if he appears, and the Public Prosecutor, if he appears, and, in case of Public Prosecutor, if he appears, and, in case of an appeal under 435[* * *] section 417, the accused, if he appears, the Court may, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, dismiss the appeal, or may-
(a) in an appeal from an order of acquittal, reverse such order and direct that further inquiry be made, or that the accused be retired or sent for trial, as the case may be, or find him guilty and pass sentence on him according to law ;
(b) in an appeal from a conviction, (1) reverse the finding and sentence, and acquit or discharge the accused, or order him to be retried by a Court of competent jurisdiction subordinate to such Appellate Court or sent for trial, or (2) alter the finding, maintaining the sentence, or, with or without altering the finding, reduce the sentence or, (3) with or without such reduction and with or without altering the finding, alter the nature of the sentence, but, subject to the provisions of section 106, sub-section (3), not so as to enhance the same; 
(bb) in an appeal for enhancement of sentence, (1) reverse the finding and sentence and acquit or discharge the accused or order him to be retired by a Court competent to try the offence, or (2) alter the finding maintaining the sentence, or (3) with or without altering the finding, alter the nature or the extent, or the nature and extent, or the sentence, so as to enhance or reduce the same;
(c) in an appeal from any other order, alter or reverse such order;
(d) make any amendment or any consequential or incidental order that may be just or proper: 
Provided that the sentence shall not be enhanced unless the accused has had an opportunity of showing cause against such enhancement: 
Provided further that the Appellate Court shall not inflict greater punishment for the offence which in its opinion the accused has committed than might have been inflicted for that offence by the Court passing the order or sentence under appeal.

৭,৭৫৫.
'চ', 'ম' কে ৩ দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে। এক্ষেত্রে 'চ' কত বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৭,৭৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা স্থাবর সম্পত্তির দখল সংক্রান্ত বিরোধ ও শান্তিভঙ্গের আশংকা নিষ্পত্তির বিধান করে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪৫
  3. ধারা ১৪৪
  4. ধারা ১৪৬
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায় এবং প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।

⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা:
(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 145: Procedure where dispute concerning land, etc., is likely to cause breach of peace.
(1) Whenever a District Magistrate, or an Executive Magistrate specially empowered by the Government in this behalf] is satisfied from a police-report or other information that a dispute likely to cause a breach of the peace exists concerning any land or water of the boundaries thereof, within the local limits of his jurisdiction, he shall make an order in writing, stating the grounds of his being so satisfied, and requiring the parties concerned in such dispute to attend his Court in person or by pleader, within a time to be fixed by such Magistrate, and to put in written statements of their respective claims as respects the fact of actual possession of the subject of dispute.

৭,৭৫৭.
সম্পাদনের তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে একটি বিক্রয়-চুক্তি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে?
  1. ১৫দিন
  2. ৩০দিন
  3. ৪৫দিন
  4. ৬০দিন
ব্যাখ্যা
রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৭ক ধারার বিধান: বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন
 (১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
----
Section 17A. Registration of contract for sale, etc.
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 
 
(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.
৭,৭৫৮.
মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনার ন্যূনতম কারাদণ্ড কত?
  1. ৭ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা

• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮- অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিয়া, ষড়যন্ত্র করিয়া এবং প্রচেষ্টা চালাইয়া অথবা সজ্ঞানে কোন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন বা সংঘটিত করিবার সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিয়া অথবা কোন দলিল-দস্তাবেজ গ্রহণ, বাতিল, গোপন, অপসারণ, ধ্বংস বা তাহার স্বত্ত্ব গ্রহণ করিয়া নিজেকে উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত করিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) হইলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ধার্যকৃত দণ্ডের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৭,৭৫৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে "Trustee" বলে অন্তর্ভুক্ত হবে কোন ধরনের ব্যক্তি?
  1. শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কিত ব্যক্তি
  2. শুধুমাত্র ব্যবসায়িক সম্পর্কিত ব্যক্তি
  3. আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র ধারণকারী ব্যক্তি
  4. শুধুমাত্র ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারা অনুসারে "ট্রাস্টি" শব্দটি প্রত্যেক ব্যক্তিকে বুঝায় যারা স্পষ্টভাবে, গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে বা কাঠামোগতভাবে আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র বহন করে।
----------------
The Specific Relief Act,1877, Section 3, Interpretation clause: "trustee" includes every person holding, expressly, by implication, or constructively, a fiduciary character.

৭,৭৬০.
মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ডের (malicious prosecution/false imprisonment) জন্য ক্ষতিপূরণ মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী, মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১ বছর। এই মেয়াদ কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।

অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৯ এর বিধান অনুযায়ী, মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ হলো ১ (এক) বছর।

গুরুত্বপূর্ণ দিক:
- এই ১ বছর সময় গণনা শুরু হয় কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে।
- অর্থাৎ, কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১ বছরের মধ্যে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে হবে।
- যদি এই সময়সীমার মধ্যে মামলা দায়ের না করা হয়, তবে মামলা তামাদির কারণে বাতিল হয়ে যাবে।

৭,৭৬১.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় স্বার্থ বিহীন মামলার বিধান আছে?
  1. ৭৫
  2. ৮৬
  3. ৮৬ক
  4. ৮৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

⇒ অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৮ ধারায় স্বার্থ বিহীন মামলার বিধান আছে। 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

⇒ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১। ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আরজি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-৫। প্রতিনিধি বা প্রজাগণ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
৭,৭৬২.
মিথ্যা দলিল প্রস্তুতকরণের কয়টি উপায়ের কথা The Penal Code, 1860 এ বলা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
জালিয়াতি অথবা জালিয়াতি করে অপরকে ঠকানোর লক্ষ্যে মিথ্যা ও জাল দলিল সৃষ্টি মূলত একই ধরনের অপরাধ; তবে শুধুমাত্র দলিলটি লিখলে বা মুদ্রণ করলেই হবে না, দলিলটি অবশ্যই সই, স্বাক্ষরিত ও সম্পাদিত হতে হবে। দন্ডবিধির ৪৬৪ ধারামতে নিম্নলিখিত ৩টি উপায়ে মিথ্যা বা জাল দলিল প্রস্তুত করা যায়। যথা-

• প্রথমত: সঠিক সময়ে সঠিক ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মানোর উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে উক্ত দলিল বা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বোঝানোর জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে জাল দলিল প্রস্তুত করা যায়; অথবা

• দ্বিতীয়ত: কোন দলিল সঠিকভাবে সম্পাদিত হওয়ার পরে উক্ত দলিল অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলকভাবে বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অন্য কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে জাল দলিল প্রস্তুত করা যায়; অথবা

• তৃতীয়ত: যদি কোন লোক অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত, সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে লোক মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে; এভাবে মিথ্যা বা জাল দলিল প্রস্তুত করা যায়।
৭,৭৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দ্রুত ক্ষয়শীল চোরাই মাল বিক্রির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫২৩
  2. ধারা ৫২৪
  3. ধারা ৫২৫
  4. ধারা ৫২৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫-এ দ্রুত ক্ষয়শীল বা ধ্বংসশীল চোরাই মাল বিক্রির বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি মালিক অনুপস্থিত বা অপরিচিত থাকে এবং মাল দ্রুত ক্ষয়শীল হয় অথবা মাল বিক্রি করলে মালিকের জন্য কল্যাণকর হয়, ম্যাজিস্ট্রেট যে কোনো সময় সেই মাল বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৭,৭৬৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি ৩০ এর মাধ্যমে কোন প্রকার ডিক্রি কার্যকর করা হয়?
  1. অন্তর্বর্তীকালীন ডিক্রি
  2. ঘোষণামূলক ডিক্রি
  3. অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি
  4. নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৩০: টাকা পরিশোধের ডিক্রি:
অন্য কোন প্রতিকারের বিকল্প হিসাবে টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রিসহ পরিশোধের প্রত্যেক ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি জেলে আটক করে কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করে কিংবা উভয় প্রকারে জারি হতে পারে।

Rule.-30: Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
৭,৭৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৬ ধারার অধীন অধীন এক দেওয়ানি আদালত কর্তৃক অন্য আদালতে 'Precept' পাঠানোর উদ্দেশ্য কী?
  1. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করা
  2. মোকদ্দমা পুনরায় শুরু করা
  3. ডিক্রি বাতিল করার অনুরোধ করা
  4. ডিক্রি কার্যকর করার জন্য অনুরোধ করা
ব্যাখ্যা
বিচারকের আদেশপত্র বা অনুরোধলিপি [Precept]:
Precept অর্থ হলো বিচারকের আদেশপত্র বা নির্দেশাজ্ঞা বা অনুরোধলিপি। দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় Precept সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে, অন্য কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রিটি জারি করার অনুরোধ করতে পারে এবং এইরুপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে। যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে সম্পত্তি ক্রোক করবে।

ডিক্রি প্রদানকারী আদালত সময় বাড়িয়ে না দিলে, অথবা যে-আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সেই আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর না করা হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে বিচারকের আদেশপত্র বা অনুরোধলিপি-অনুসারে কোনো ক্রোক ২ (দুই) মাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।
৭,৭৬৬.
নিচের কোনটি প্লিডিংসের সত্যতা প্রতিপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় নয়?
  1. সত্যতা প্রতিপাদনকারীর স্বাক্ষর
  2. আদালতের সার্টিফিকেশন
  3. সত্যতা প্রতিপাদনের তারিখ ও স্থান
  4. ব্যক্তিগত জ্ঞান ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে প্রতিপাদিত অনুচ্ছেদগুলির উল্লেখ
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- অনুযায়ী প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদনের ক্ষেত্রে "আদালতের সার্টিফিকেশন" প্রয়োজনীয় নেই। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings]-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে। যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোনো আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতীত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখপূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.
৭,৭৬৭.
আদালত কর্তৃক বিক্রয়ের ঘোষণা আদালত প্রাঙ্গনে লটকিয়ে দেওয়ার সর্বনিম্ন কত দিনের মধ্যে দায়িকের অনুমতি ছাড়া অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময় (Time of sale): বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে-  স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান: বিক্রয়ের সময়। ৪৩ বিধির শর্তে বর্ণিতরূপ সম্পত্তির ক্ষেত্র ব্যতীত নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল সংযুক্ত দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ত্রিশ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে পনের দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতিরেকে এ আইনের অধীনে কোন নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
--------
⇒ Order 21 Rule.-68: Time of sale. --Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of moveable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
৭,৭৬৮.
'Power to award compensation in certain cases' এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১৮ ধারা
  2. ১৯ ধারা
  3. ২০ ধারা
  4. ২১ ধারা
ব্যাখ্যা
SR Act Section-19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
 
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
--------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান: কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
- কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
-যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
 
- ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
৭,৭৬৯.
বোবা ব্যক্তি আদালতে কীভাবে সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. লিখে
  2. ইশারায়
  3. সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য হবেন
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সাক্ষী বধির বা বোবা হন এবং সে লিখতে বা ইশারা করতে পারেন, তাহলে তাকে লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে দেওয়া যেতে পারে।
সুতরাং, একজন বোবা সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:

লিখিত সাক্ষ্য:
বোবা ব্যক্তি তার সাক্ষ্য লিখিতভাবে দিতে পারবেন। তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর লিখবেন এবং সেই লিখিত উত্তরগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।

ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য:
বোবা ব্যক্তি ইশারা করে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন। একজন দোভাষী তার ইশারাগুলি অনুবাদ করবেন এবং সেই অনুবাদগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
৭,৭৭০.
দেওয়ানি মামলায় কোনটি রক্ষনীয়?
  1. বিবাদী বাদীর দত্তক নয় মর্মে ঘোষণা
  2. বাদী বিবাদীর দত্তক পুত্র মর্মে ঘোষণা
  3. বাদী বিবাদীর পালক পিতা মর্মে ঘোষণা
  4. উপরের সবগুলো ঘোষণা
ব্যাখ্যা
♦সব গুলা অপশন এর মূলত বিষয়টি হলো আইনগত পরিচয়ের ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের। এই কারণে প্রশ্নে উল্লেখিত সকল ঘোষণামূলক মামলাটি রক্ষণীয়।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

♦ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

♦ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে । অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree )বলে।

♦আইনানুগ পরিচয় অথবা কোন সম্পত্তির স্বত্ত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি এমন যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে যে, তেমন মর্যাদা বা অধিকারের ব্যাপারে তার স্বত্ব অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করেছে বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করতে পারেন যে, তার তেমন অধিকার রয়েছে এবং তেমন মামলায় আরও কোন প্রতিকার দাবি করা বাদীর জন্য আবশ্যক নয়।
৭,৭৭১.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর কোন ধারা অনুযায়ী বিদেশে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করা যায়?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪ অনুযায়ী, বিদেশে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করা যেতে পারে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশী নাগরিক বা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যিনি বাংলাদেশে বিচারের আওতায় আনা যেতে পারেন, তার বিরুদ্ধে বিদেশে সংঘটিত কোনো অপরাধে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে যদি সেই অপরাধ বাংলাদেশে দণ্ডনীয় হয় বা যদি অপরাধী বাংলাদেশের কোনো জাহাজ বা বিমানে অবস্থান করে।

- এটি বিদেশে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার প্রক্রিয়া বাংলাদেশের আইন অনুসারে পরিচালনার অধিকার প্রদান করে।
৭,৭৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪১৯
  2. ধারা ৪২০
  3. ধারা ৪২১
  4. ধারা ৪২২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা-তে "আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ" (Summary Dismissal of Appeal) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারার মূল বিষয়বস্তু:
- আপিল আদালত ধারা ৪১৯ বা ৪২০ অনুযায়ী দাখিলকৃত আপিলপত্র এবং তার অনুলিপি পর্যালোচনা করার পর যদি মনে করেন যে, আপিলে হস্তক্ষেপ করার মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারেন।
- তবে, ধারা ৪১৯-এর অধীনে দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে শুনানির সুযোগ দিতে হবে।
- আদালত চাইলে মামলার নথি তলব করতে পারেন, কিন্তু এটি বাধ্যতামূলক নয়।
⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা স্পষ্টভাবে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করার বিধান উল্লেখ করে।
৭,৭৭৩.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৬(২) এর বিধান অনুসারে, বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি প্রদানের পর আদালত কত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে প্রতিলিপি প্রেরণ করবে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৬(২) এর বিধান অনুসারে, মুসলিম পারিবারিক আইনের অধীন সংঘটিত বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি প্রদানের পর ৭ দিনের মধ্যে আদালত সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা পৌরসভার/সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে ডিক্রির প্রত্যায়িত প্রতিলিপি প্রেরণ করতে বাধ্য। 

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: ধারা ২৬: মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানকে প্রভাবিত না করা:
(১) এই আইনের কোনো কিছুই মুসলিম পরিবারিক আইন অথবা তদধীন প্রণীত বিধিমালার কোনো বিধানকে প্রভাবিত করিবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো পারিবারিক আদালত মুসলিম আইনের অধীন সংঘটিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে আদালত ডিক্রি প্রদানের ৭(সাত) দিনের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের ধারা ৭ এ উল্লিখিত সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে উক্ত ডিক্রির প্রত্যয়িত প্রতিলিপি প্রেরণ করিবে এবং, চেয়ারম্যান উক্ত প্রতিলিপি প্রাপ্ত হইবার পর, এইরূপ কার্যক্রম গ্রহণ করিবেন যেন তিনি উক্ত আইনের অধীন কোনো তালাকের সংবাদ প্রাপ্ত হইয়াছেন।
(৩) মুসলিম আইন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পারিবারিক আদালত কোনো ডিক্রি প্রদান করিলে যে তারিখে চেয়ারম্যান উপধারা (২) এর অধীন উহার প্রতিলিপি গ্রহণ করিয়াছেন সেই তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সময়ের মধ্যে পক্ষগণের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান অনুসারে কোনো আপোষ মীমাংসা কার্যকর হইলে উক্ত ডিক্রির কোনো কার্যকারিতা থাকিবে না।

৭,৭৭৪.
বেনামি চিঠি বা যোগাযোগের [anonymous communication] মাধ্যমে কোনো অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত রয়েছে?
  1. ৫০৩ ধারায়
  2. ৫০৫ ধারায়
  3. ৫০৭ ধারায়
  4. ৫০৮ ধারায়
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ধারা ৫০৭- অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
যে ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে, বা যে ব্যক্তি হুমকি প্রদানের জন্য যার নাম বা অবস্থান গোপন রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছরের পর্যন্ত যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এছাড়া, এই অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী ধারায় প্রদত্ত শাস্তিও তাকে প্রদান করা হবে।

Criminal intimidation by an anonymous communication:
Whoever commits the offence of criminal intimidation by an anonymous communication, or having taken precaution to conceal the name or abode of the person from whom the threat comes, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, in addition to the punishment provided for the offence by the last preceding section.

৭,৭৭৫.
A রাস্তায় কিছু টাকা পেল। A জানতো না যে কে ঐ টাকার মালিক। প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা না করেই A উক্ত টাকা নিজে খরচ করে ফেললো। A এর উক্ত কাজটি-
  1. অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
  2. অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
  3. চুরি
  4. লোভ
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে। 

♦ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না;
কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

♦ যেহেতু A টাকা নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে, তাই সে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে। তাই সে ৪০৩ ধারায় দণ্ডিত হবে।
৭,৭৭৬.
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রির ক্ষেত্রে দায়িক ডিক্রি মান্য না করলে কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বা ক্রোকের কতদিন বলবৎ থাকার পর ডিক্রিদারের আবেদনে সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩১ এর বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি: ডিক্রিটি কোন সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির জন্য প্রদত্ত হলে, উক্ত অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে এবং যে পক্ষের অনুকূলে রায় দেয়া হয়েছে সেই পক্ষকে অর্পণ করে অথবা ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা উভয় প্রকারেই এটি জারি করা যাবে।
- যেক্ষেত্রে কোন ক্রোক ৬ মাস বলবৎ রয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রি দায়িক যদি ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার যদি ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং উক্ত বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে ডিক্রিদারকে দেওয়ার জন্য আদেশ দিতে পারেন।
-------
⇒ Order-21 Rule-31. Decree for specific movable property:
(1) Where the decree is for any specific movable, or for any share in a specific movable, it may be executed by the seizure, if practicable, of the moveable or share, and by the delivery thereof to the party to whom it has been adjudged, or to such person as he appoints to receive delivery on his behalf, or by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment of his property, or by both.

(2) Where any attachment under sub-rule (1) has remained in force for six months, if the judgment-debtor has not obeyed the decree and the decree-holder has applied to have the attached property sold, such property may be sold, and out of the proceeds the Court may award to the decreeholder, in cases where any amount has been fixed by the decree to be paid as an alternative to delivery of movable property, such amount, and, in other cases, such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance (if any) to the judgment-debtor on his application.  

(3) Where the judgment-debtor has obeyed the decree and paid all costs of executing the same which he is bound to pay, or where, at the end of six months from the date of the attachment, no application to have the property sold has been made, or, if made, has been refused, the attachment shall cease.
৭,৭৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে দলিলাদি দাখিলের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৭, বিধি ২
  2. আদেশ ৮, বিধি ৬
  3. আদেশ ১১, বিধি ১৪
  4. আদেশ ১০, বিধি ১২
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১, বিধি ১৪-এ দলিলাদি দাখিলের বিধান বর্ণিত আছে। এই বিধি অনুযায়ী, মামলা বিচারাধীন থাকাকালে যেকোনো সময় আদালত মামলার যেকোনো পক্ষকে তাদের আয়ত্তাধীন এবং মামলার বিতর্কিত বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত দলিলাদি শপথমূলে দাখিল করার আদেশ দিতে পারে। আদালত এই দলিলগুলো ন্যায়সঙ্গত প্রক্রিয়ায় বিবেচনা করতে পারে।

- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১ বিধি ১৪ দলিলাদি দাখিল —
-কোন মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকাকালে যেকোনো সময় কোন পক্ষ কর্তৃক আদালত যথোপযুক্ত মনে করবে এরূপ উক্ত মোকদ্দমায় কোন বিতর্কিত বিষয় সম্পর্কিত তার আয়ত্তাধীন দলিলসমূহ, শপথমূলে দাখিল করার আদেশ প্রদান করা আদালতের পক্ষে আইনসঙ্গত হবে; এবং
দাখিল করা হলে ন্যায়সঙ্গত হবে এরূপ প্রক্রিয়ায় আদালত উক্ত দলিলসমূহ সম্পর্কে বিবেচনা করতে পারে।

- It shall be lawful for the Court at time during the pendency of any suit to order the production by any party any thereto, upon oath of such of the documents in his possession or power relating to any matter in question in such suit, as the Court shall think right; and the Court may deal with such documents when produced in such manner as shall appear just.]

৭,৭৭৮.
বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে নিলে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে যদি-
  1. বিবাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি দেয় 
  2. বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
  3. আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
  4. বিবাদীর অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে অথবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবেন না।
⇒ যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ কোন মোকদ্দমায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে। কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে আদালত মামলাটির দাবী প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারে- অন্য বাদীদের সম্মতিতে।

⇒ বাদী আদালতের অনুমতি না নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে সে একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না, এবং খরচ প্রদানের জন্য দায়ী হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-২ এর বিধান প্রথম মোকদ্দমা দ্বারা তামাদি আইন প্রভাবিত হয় না:- পূর্ববর্তী বিধির অধীনে আদালতের অনুমতিক্রমে যদি নূতনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করা হয়, তবে প্রথম মোকদ্দমাটি রুজু করা না হলে বাদি তামাদি আইন দ্বারা যেরূপ বাধ্য হত, ঠিক একই পদ্ধতিতে বাধ্য হবে।

⇒ Order 23 Rule.-2: Limitation law not affected by first suit:- In any fresh suit instituted on permission granted under the last preceding rule, the plaintiff shall be bound by the law of limitation in the same manner as if the first suit had not been instituted.
৭,৭৭৯.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুসারে আদালত আক্রমণাত্মক প্রশ্ন করতে নিষিদ্ধ করবে?
  1. ১৫০ ধারা
  2. ১৫১ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত এমন কোনো প্রশ্ন করতে নিষেধ করবে, যা তার দৃষ্টিতে কাউকে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, অথবা যা প্রশ্ন হিসাবে যথাযথ হলেও, তার ভাষা বা উপস্থাপন অপ্রয়োজনীয়ভাবে আক্রমণাত্মক বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
৭,৭৮০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাবলে একজন স্বাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা যেতে পারে?
  1. ১৫২ধারা
  2. ১৫৪ ধারা
  3. ১৫৬ ধারা
  4. ১৬১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

- The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা অনুযায়ী বৈরী বা প্রতিকূল সাক্ষী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে এ রকম সাক্ষীকে সে সকল প্রশ্ন করতে পারবে যে সকল প্রশ্ন বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় করতে পারে।

যেমনঃ মামলার অভিযোগকারী পক্ষ A -কে সাক্ষী হিসাবে তলব করলো। সাধারণত A অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিবে। কিন্তু A ইচ্ছাকৃতভাবে অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করলো। এই ক্ষেত্রে A -কে বৈরী সাক্ষ্য হিসাবে ঘোষণা করা যেতে পারে।

- অর্থাৎ The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা বৈরী সাক্ষী সম্পর্কিত বিধান আছে।
৭,৭৮১.
দণ্ডবিধি অনুসারে জাল ব্যাংক নোট খাঁটি হিসাবে ব্যবহার করণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৮৯-খ ধারার বিধান জাল বা মেকি মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট খাঁটি হিসাবে ব্যবহার করণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন পত্রমুদ্রা বা ব্যাংক নোট নকল বা মেকি বলে জানা সত্ত্বেও বা উহা তদ্রূপ বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, কোন নকল বা মেকি পত্রমুদ্রা বা ব্যাংক নোট অপর কোন ব্যক্তির কাছে বিক্রয় করে বা অপর কোন ব্যক্তির নিকট থেকে ক্রয় বা গ্রহণ করে কিংবা অপর কোনোভাবে উহাকে খাটি বলে ব্যবহার করে বা লেনদেন করে, তবে-উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-----------------
Section-489B: Using as genuine a forged document: Whoever sells to, or buys or receives from, any other person, or otherwise traffics in or uses as genuine, any forged or counterfeit currency-note or bank-note, knowing or having reason to believe the same to be forged or counterfeit, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall be liable to fine.
৭,৭৮২.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগে
  2. শুধুমাত্র জেলা জজ আদালতে
  3. অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায়
  4. উল্লিখিত কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৬: কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে:
যখন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেয়া হয়, তখন যে মোকদ্দমায় অনুরূপ আদেশ প্রদত্ত হয়েছে, অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায় এরূপ আদালতে এর শুনানি হবে, কিংবা যখন হাইকোর্ট বিভাগ নয় আপিল এতিয়ার প্রয়োগকারী এরূপ আদালত কর্তৃক অনুরূপ আদেশ প্রদান করা হয়, তখন হাইকোর্ট বিভাগে এর শুনানি হবে।

Sec.-106: What Courts to hear appeals:
Where an appeal from any order is allowed it shall lie to the Court to which an appeal would lie from the decree in the suit in which such other order was made, or where such order is made by a Court (not being the High Court Division) in the exercise of appellate jurisdiction, then to the High Court Division.
৭,৭৮৩.
জারিকারক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরে ফৌজদারি সমন কার মাধ্যমে জারী করা হবে?
  1. হাইকোর্ট
  2. এখতিয়ারধীন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. উক্ত এলাকার পুলিশ কমিশনার
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৩ ধারার বিধান- স্থানীয় সীমার বাহিরে সমন জারী:
যেক্ষেত্রে কোন আদালত উক্ত আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সমন উক্ত আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরের কোন স্থানে জারী করতে চান, সেক্ষেত্রে সমনকৃত ব্যক্তি যে ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকে বা বাস করে, উক্ত আদালত সাধারণ অবস্থায় দুই কপি সমন সেই ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাবেন এবং সেখানে উক্ত সমন জারী হবে।

Section: 73: Service of summons outside local limits:
When a Court desires that a summons issued by it shall be served at any place outside the local limits of its jurisdiction, it shall ordinarily send such summons in duplicate to a Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the person summoned resides or is, to be there served.
৭,৭৮৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা

সপ্তদশ সংশোধনী, ২০১৮:
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। ৮ জুলাই, ২০১৮ সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের বিধি আরও ২৫ বছর বহাল রাখার প্রস্তাব সংবলিত সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। সংসদের ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৯৮-০ ভোটে বিলটি পাস হয়। সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ২৯ জুলাই, ২০১৮ এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।

উল্লেখ্য,
নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনের ১০ বৎসরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৪ই জানুয়ারী শেষ হয়। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ ১১তম সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পরবর্তী ২৫ বৎসর পর্যন্ত নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ থাকবে।

৭,৭৮৫.
'ক' দখল পুনরুদ্ধারের একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলা দায়ের সময় ছিল ৬ মাস। 'ক' ১২ মাস পর মামলা দায়ের করেছে। বিবাদী পক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করেনি। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন ধরণের সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. বিবাদী আপত্তি না করায় মামলা গ্রহণ করে বিচার শুরু করবে
  2. বিবাদীর শর্তসাপেক্ষে মামলা বিচারে নিবে
  3. মামলা খারিজ করবে
  4. বিবাদীর আপত্তি না করায় তামাদি মওকুফ করে আদালত মামলা আমলে নিবে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর মামলা, আপীল বা দরখাস্ত দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদী পক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে তবুও উক্ত মামলা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।
৭,৭৮৬.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত _________বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না।
  1. অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  2. অনধিক ৫,০০ টাকা অর্থ দণ্ডের
  3. অনধিক ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  4. অনধিক ৫,০০০ টাকা অর্থ দণ্ডের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারার বিধান সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেইঃ এই কার্যবিধিতে ইতোপূর্বে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, সংক্ষিপ্তভাবে বিচারকৃত কোন মোকদ্দমায় ধারা-২৬০ অনুসারে কাজ করতে ক্ষমতাবান কোন ম্যাজিষ্ট্রেট শুধুমাত্র সর্বোচ্চ ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোন আপীল করতে পারবে না।

- সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি বিচারের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। কিন্তু অর্থদন্ড ২০০ টাকার বেশি না হলে আপীল করা যাবে না। অর্থ দণ্ডের পরিমাণ ২০০ টাকার বেশি হলে আপীল করা যাবে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।
-ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

-ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

-ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty:
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate] or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only. 
Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 414.No appeal from certain summary convictions:
 Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding two hundred Taka only.
৭,৭৮৭.
পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ কাদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য
  2. বাংলাদেশের মুসলিম নাগরিকদের জন্য
  3. ধর্ম নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের জন্য
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ বলবৎ হওয়ার পর একটি বিতর্ক দেখা দেয়। বলা হয় যে, পারিবারিক আদালত কি মুসলমানদের জন্য একটি আদালত। অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা এখানে মামলা করতে পারবে না।

সর্বপ্রথম Krishnapada Talukdar V Geetasree Talukdar 14 (1994) BLD 415 নামক মামলায় এরকম প্রশ্ন দেখা দেয়। এই মামলায় প্রশ্ন উঠে একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী মহিলা তার স্বামীর বিরুদ্ধে ভরণপোষণের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারবে কিনা। এই মামলার রায়ে বলা হয়- এই আইনের বিধান শুধু মুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য। এই সংকটটি ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।

Pochon Rikssi Das Vs Khuku Rani Dasi and others 50 (1998) DLR(HCD) 47 মামলায় এই সংকটটি চূড়ান্ত ভাবে দূর করা হয়। তিন জন বিচারকের সমন্বয় গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ বেঞ্চ এটা বহাল রাখে যে, পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ ধর্ম নির্বিশেষে সকল নাগরিকদের জন্য।

এই আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ প্রনীত হয়। তাছাড়া, এই আইনে শুধুমাত্র 'পারিবারিক' কথাটি উল্লেখ রয়েছে এবং ধারা ১ এ বলা হয়েছে-  ইহা রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশে প্রয়োগ হইবে। অর্থাৎ এই পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ ধর্ম নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য হবে।
৭,৭৮৮.
সংবিধানের কোন ভাগে 'মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. সপ্তম ভাগে
  2. অষ্টম ভাগে
  3. নবম ভাগে
  4. দশম ভাগে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• নবম-ক ভাগ - জরুরী বিধানাবলী।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।
৭,৭৮৯.
পেনাল কোডে বর্ণিত অপরাধগুলির মধ্যে সর্বনিম্ন সাজা-
  1. ২৪ ঘণ্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা
  2. ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
  3. ১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
  4. ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারায় দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
৭,৭৯০.
'A', a police-officer, tortures 'Z' in order to induce 'Z' to confess that he committed a crime. 'A' is guilty of an offence under section ________ of The Penal Code, 1860.
  1. 326
  2. 330
  3. 335
  4. 338
ব্যাখ্যা
Section 330- Voluntarily causing hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
Whoever voluntarily causes hurt, for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer, any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand, or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Illustrations:
(a) A, a police-officer, tortures Z in order to induce Z to confess that he committed a crime. A is guilty of an offence under this section.
(a) A, a police-officer, tortures B to induce him to point out where certain stolen property is deposited. A is guilty of an offence under this section.
(b) A, a revenue officer, tortures Z in order to compel him to pay certain arrears of revenue due from Z. A is guilty of an offence under this section.
(c) A, a zamindar, tortures a raiyat in order to compel him to pay his rent. A is guilty of an offence under this section.

দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারার বিধান: ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করার জন্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করা:
যে ব্যক্তি, কোন ব্যক্তির বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণ সম্পর্কে সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি বা জামানত প্রত্যর্পণ করতে বা প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করে দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, অথবা কোন দাবী পূরণে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা যে তথ্য দানের ফলে কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত পুনরুদ্ধার হতে পারে সে তথ্যদানে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে উক্ত ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, তবে উক্ত আঘাতকারী সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(অ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। সে চ-কে কোন অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করার জন্য পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 
(আ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখা হয়েছে সে তথ্যদানে বাধ্য করার জন্য সে চ-কে পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
৭,৭৯১.
A warehouse-keeper entrusted with goods sells them without the owner's consent. He is liable under ___________ of The Penal Code, 1860.
  1. Section 403
  2. Section 405
  3. Section 407
  4. Section 420
ব্যাখ্যা
Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।
৭,৭৯২.
'ক' একজন মুদি দোকানদার। তার দোকানের পাশেই 'খ' এর গুদামঘর আছে। উক্ত গুদামে 'খ' নিয়মিত চোরাইমালের ব্যবসা করে বলে 'ক' জানতে পারে। সে 'খ' কে আটক করে এবং পরবর্তীতে পুলিশে সোপর্দ করে। ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা 'ক' এর এই কাজকে সমর্থন করে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৬
  3. ধারা ৫৯
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী-
যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

উল্লেখিত ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিল অনুযায়ী
'খ' জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত, যার দরুণ 'ক' ৫৯ ধারা অনুযায়ী 'খ' কে আটক করতে পারে।

• ধারা ৫৯ -

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৭,৭৯৩.
কোন অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের পরিমাণ বেশি?
  1. স্বেচ্ছাকৃত আঘাত
  2. অনিষ্ট
  3. অবৈধ বাধাদান
  4. বেআইনী সমাবেশ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২৩ - স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি:
যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ৩৪১ - অবৈধ বাধাদানের শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ১৪৩ - বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

ধারা ৪২৬ - অনিষ্টের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিনমাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৭,৭৯৪.
পুলিশের নিকট প্রদত্ত কোন বিবৃতি লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করা হলে তা সাক্ষীর কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. জেরায়
  2. জবানবন্দি
  3. পুনঃজবানবন্দি
  4. ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦১৬১ ধারায় পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর লিপিবদ্ধকৃত বক্তব্য সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় জেরায় [Cross examination] এবং পুনঃজবানবন্দিতে [re-examination] ব্যবহার করা যেতে পারে। শর্ত হলো ১৬১ ধারায় লিপিবিদ্ধকৃত বক্তব্যটি যথাযথভাবে প্রমাণিত হতে হবে।
৭,৭৯৫.
‘ক’ একটি জমির মালিক। ‘খ’ উক্ত জমির কিছু গাছের মালিক। 'খ' জমির কোন ক্ষতি না করে কিছু গাছ কেটে নেয়। কিন্তু পরে গাছ কাটার কারণে জমির কিছু অংশ ধ্বসে পড়ে। এক্ষেত্রে ‘ক’ কতৃর্ক ‘খ’- এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ শুরু হবে -
  1. ‘খ’-যেদিন গাছ কাটতে শুরু করেছে সেই দিন থেকে
  2. যেদিন জমি ধ্বসে পড়েছে সেই দিন থেকে
  3. ‘খ’-যেদিন ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করেছে সেই দিন থেকে
  4. যেদিন আদালতে অভিযোগ দাখিল হয়েছে সেই দিন থেকে
ব্যাখ্যা

এই ক্ষেত্রে, ‘ক’ কতৃর্ক ‘খ’- এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ শুরু হবে - যেদিন জমি ধ্বসে পড়েছে সেই দিন থেকে।

তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, 
যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।


Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
 
Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.

৭,৭৯৬.
যদি ডিক্রি কার্যকর করার সময় দেনাদার বা তার পক্ষ থেকে সম্পত্তি দখলের ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করা হয়, তাহলে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য তাকে কারাগারে রাখতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ধারা ৭৪ অনুযায়ী, যদি কোনো দেনাদার বা তার পক্ষ থেকে ডিক্রি কার্যকর করার সময় স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয় এবং সেই বাধা ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া হয়, তখন আদালত আবেদনকারী ডিক্রিধারীর (বা ক্রেতার) অনুরোধে সেই দেনাদার বা বাধাদানকারী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেল-এ আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারে। পাশাপাশি, আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে, ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তির দখল প্রদান করতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হোক।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান: স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান: ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 74: Resistance to execution:
Where the Court is satisfied that the holder of a decree for the possession of immovable property or that the purchaser of immovable property sold in execution of a decree has been registered or obstructed in obtaining possession of the property by the judgment-debtor or some person on his behalf and that such resistance or obstruction was without any just cause, the Court may, at the instance of the decree-holder or purchaser, order the judgment-debtor or such other person to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days and may further direct that the decree-holder or purchaser be put into possession of the property.
৭,৭৯৭.
Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুসারে, বিচারকের সাথে অ্যাডভোকেটের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত?
  1. বিচারকের ব্যক্তিগত কাজে সহায়তা করা
  2. মামলার বিষয়ে গোপনে আলোচনা করা
  3. পেশাদার দূরত্ব বজায় রেখে সম্মানজনক আচরণ
  4. ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক বজায় রেখে মামলার সুবিধা আদায়
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, অধ্যায়-৩, বিধি-৪ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের উচিত বিচারকের সাথে পেশাদার দূরত্ব বজায় রেখে সম্মানজনক আচরণ করা। বিচারকের সাথে গোপন আলোচনা বা ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করা উচিত নয়। আদালত এবং বিচারকের মর্যাদা রক্ষায় অ্যাডভোকেটের আচরণ হওয়া উচিত শ্রদ্ধাশীল এবং পেশাদার।

এছাড়া, বিচারকের ব্যক্তিগত কাজে সহায়তা (ক), মামলার বিষয়ে গোপনে আলোচনা (খ), এবং ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক বজায় রেখে মামলা আদায় (ঘ) — এসব অ্যাডভোকেটের পেশাদারিত্বের পরিপন্থী এবং অনুমোদিত নয়।

4. Marked attention and unusual hospitality on the part of an Advocate to a judge or judicial officer not called for by the personal relations of the parties, subject both the judge and the Advocate to misconstructions of motive and should be avoided. An Advocate should not communicate or argue privately with the judge as to the merits of a pending cause and he deserves rebuke and denunciation for any device or attempt to gain from a judge special consideration or favour. A self-respecting independence in the discharge of professional duty, without denial or diminution of courtesy and respect due to the Judge's station, is the only proper foundation for cordial personal and official relations between the Bench and the Bar.
৭,৭৯৮.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুসারে কত বছর যাবৎ স্বামী স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করতে পারবে?
  1. চার বছর
  2. তিন বছর
  3. দুই বছর
  4. এক বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর ধারা ২(১)(ii)অনুযায়ী, যদি স্বামী দুই বছর যাবত স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হন বা অবহেলা করেন, তবে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করতে পারবেন।
- সঠিক উত্তর: গ) দুই বছর।

⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলমান বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারার বিধান: বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রির হেতুবাদ:
নিম্নলিখিত যে কোন এক বা একাধিক হেতুবাদে মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহিতা কোন মহিলা তাহার বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি লাভের অধিকারিণী হইবেন, যথা:

i) চার বছর যাবত্‍ স্বামী নিরুদ্দেশ হইলে;
ii) স্বামী দুই বছর যাবত স্ত্রীর ভরণ-পোষণ দানে অবহেলা প্রদর্শন করিলে অথবা ব্যর্থ হইলে;
ii-ক) স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ব্যবস্থা লঙ্ঘন করিরা অতিরিক্ত স্ত্রী গ্রহণ করলে;
iii) স্বামী সাত বছর বা তদূর্ধ্ব সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইলে;
iv) স্বামী কোন যুক্তসঙ্গত কারণ ব্যতীত তিন বছর যাবত্‍ তাহার দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হইলে;
v) বিবাহকালে স্বামীর পুরুষত্বহীনতা থাকিলে এবং উহা বর্তমানেও চলিতে থাকলে;
vi) দুই বছর  যাবত্‍ স্বামী পাগল হইয়া থাকিলে অথবা কুষ্ঠ ব্যাধিতে কিংবা ভয়ানক ধরণের উপদংশ রোগে ভুগিতে থাকলে;
vii) আঠার বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বেতাহাকে তাহার পিতা অথবা অন্য অভিভাবক বিবাহ করাইয়া থাকিলে এবং উণিশ বছর বয়স পূর্ণ হইবার পূর্বেই সে উক্ত বিবাহ অস্বীকার করিয়া থাকিলে; তবে, অবশ্য ঐসময়ের মধ্যে যদি দাম্পত্য মিলন অনুষ্ঠিত না হইয়া থাকে;
viii) স্বামী তাহার (স্ত্রীর) সহিত নিষ্ঠুর আচরণ করিলে, অর্থাৎ
ক) অভ্যাসগতভাবে তাহাকে আঘাত করিলে বানিষ্ঠুর আচরণ দ্বারা, উক্ত আচরণ দৈহিক পীড়নের পর্যায়ে না পড়িলও, তাহার জীবনশোচনীয় করিয়া তুলিয়াছে এমন হইলে;.
খ) স্বামীর দূর্নাম রহিয়াছে বা কলঙ্কিত জীবন যাপন করে এমন স্ত্রীলোকদের সহিত মেলামেশা করিলে, অথবা
গ) তাহাকে দূর্ণীত জীবন যাপনে বাধ্য করিবার চেষ্টা করিলে, অথবা
ঘ) তাহার সম্পত্তি হস্তান্তর করিলে অথবা উহার উপর তাহার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান করিলে, অথবা
ঙ) তাহার ধর্মীয় কর্তব্য পালনে বাধা সৃষ্টি করিলে, অথবা
চ) একাধিক স্ত্রী থাকিলে, সে কোরানের নির্দেশ অনুযায়ী ন্যায়পরায়ণতার সহিত তাহার সঙ্গে আচরণ না করিলে;
ix) মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য বৈধ হেতু হিসাবে স্বীকৃত অন্য যে কোন কারণেঃ
তবে অবশ্য-
ক) কারাদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত ৩ নং হেতু বাদে কোন ডিক্রি প্রদান করা যাইবে না,
খ) ১ নং হেতুবাদে প্রদত্ত ডিক্রিটি উহারপ্রদানের তারিখ হইতে ৬ মাস পর্যন্ত কার্যকরী হইবে না এবং স্বামী উক্ত সময়ের মধ্যে স্বয়ং অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কো এজেন্টের মাধ্যমে উপস্থিত হইয়া এইমর্মে যদি আদালতকে খুশী করিতে পারে যে, দাম্পত্য কর্তব্য পালনে প্রস্তুতরহিয়াছে, তাহা হইলে আদালত ডিক্রিটি রদ করিবেন; এবং
গ) ৫ নং হেতুবাদে ডিক্রি প্রদানের পূর্বে, স্বামীর আবেদনক্রমে আদালতের আদেশের এক বছরের মধ্যে যে পুরুষত্বহীনতাহইতে মুক্তি লাভ করিয়াছে বা তাহার পুরুষত্বহীনতার অবসান ঘটিয়াছে এই মর্মেআদালতকে সন্তুষ্ট করিবার জন্য আদালত তাহাকে আদেশ দান করিতে পারেন এবং যদিসে উক্ত সময়ের মধ্যে আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করিতে পারে, তাহা হইলে উক্তহেতুবাদে কোন ডিক্রি প্রদান করা যাইবে না।

৭,৭৯৯.
চেক ডিজঅনার মামলা কোন আদালতে দায়ের করতে হয়?
  1. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
চেক ডিজঅনারের মামলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করতে হয়। মেট্রোপলিটন এরিয়াতে চেক ডিজঅনারের মামলা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। আর অন্য এলাকাতে এই মামলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। তারপর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন। হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারা অনুযায়ী চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করা হয়।

একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন, চেক ডিজঅনারের মামলা কখনো চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কিংবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিচার করতে পারবে না। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী নালিশকারীকে পরীক্ষা করবেন। পরীক্ষা করার পর যদি ম্যাজিস্ট্রেট দেখেন নালিশের Prima facie ভিত্তি আছে তাহলে তিনি মামলা আমলে নিয়ে মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন। তারপর মামলাটি উক্ত আদালত কর্তৃক বিচার করা হবে। চেক ডিজঅনারের মামলা সবসময় সি.আর মামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। কারণ এই সকল মামলা সরাসরি এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে।
৭,৮০০.
ক ৩০,০০,০০০/- টাকা দিয়ে একটি জমি খরিদ করার পর দলিলে ত্রুটি ধরা পড়ায় দলিল সংশোধনের জন্য সিনিয়র সহকারী জজ-এর আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে? এই ক্ষেত্রে নিম্নের কোন আদেশটি আইনগত ভাবে সঠিক?
  1. আরজি ফেরত
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান
  3. মোকদ্দমা স্থানান্তর
  4. আরজি খারিজ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫ তে বলা হয়েছে এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। কথিত দলিলের মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা হওয়ায় এই মোকদ্দমা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে বিচার্য। কিন্তু এটি সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে দায়ের করায় আদেশ ৭ রুল-১০ অনুসারে তা উপযুক্ত আদালতে অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দায়ের করার জন্য ফেরত দিতে হবে। ভুল আদালতে দায়ের করার কারণে মোকদ্দমা খারিজ বা আরজি প্রত্যাখ্যানের সুযোগ নেই। আর মোকদ্দমা স্থানান্তরের ক্ষমতা শুধু জেলা জজ-এর আছে।
♦The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
• সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge )  = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত 
• সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)  = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
• যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)  =  ২৫ লক্ষ এর উপরে