বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৭৬ / ১৫৫ · ৭,৫০১৭,৬০০ / ১৫,৪৭০

৭,৫০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার অধীনে পরোয়ানা জারি করার জন্য কর্তৃপক্ষ কে?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. যেকোন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার করেছেন
  4. যে বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শাস্তি প্রদান করেছেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যেই বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শাস্তি প্রদান করেছেন, বা তার স্থলাভিষিক্ত কোনো ব্যক্তি, তিনি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি শাস্তি প্রদান করেছেন, তারই অধিকার আছে সেই শাস্তি কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারি করার।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার বিধান- কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
- যে জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড দিয়াছেন তিনি বা তার স্থলাভিষিক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা ইসু করতে পারবেন।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 389: Who may issue warrant:
- Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.
৭,৫০২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. আদালতে
  2. সরকারি ব্যাংকে
  3. ক্রেতার কাছে
  4. বিক্রেতার কাছে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক (Section 21A) স্পষ্টভাবে বলে:
“...no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless—
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908,
and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.”
অর্থাৎ, যদি কেউ কোনো স্থাবর সম্পত্তি (যেমন জমি, ঘর ইত্যাদি) বিক্রয়ের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করতে চান, তাহলে:
- চুক্তিটি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে, এবং
- চুক্তির যেটুকু মূল্য বাকি আছে, মামলা দায়েরের সময় তা আদালতে জমা দিতে হবে।
 অতএব, চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা না দিলে এই ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়া যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৭,৫০৩.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি প্রযোজ্য নয়?
  1. মূল মোকদ্দমা
  2. আপিল
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত বিলম্ব মওকুফের বিষয়টির আইনগত মূল্য অপরিসীম। এই ধারা মতে কোন আপিলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপিল, রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
- তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবল আপিল এবং রিভিউ ,রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
- মূল মামলার ক্ষেত্রে এ তামাদি আইনের ৫ ধারাটি প্রযোজ্য হবে না। কারণ অধিকাংশ দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর হতে ১২ বৎসর পর্যন্ত সম্প্রসারিত কিন্তু এই ধারার বিধান মতে আপিল এবং আবেদনের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন হতে ৬ মাস। যেহেতু আপিলের সময়সীমা কম সেহেতু যুক্তিসংগত কারণে আপিল দায়ের করতে কিংবা রিভিশন সহ অন্যান্য দরখাস্ত দাখিল করতে বিলম্ব হলে এই ধারামতে উপযুক্ত কারণ সাপেক্ষে সেই বিলম্ব মওকুফ করা যাইতে পারে। তাই মূল মামলায় অনেক সময় পাওয়া যায় বিধায় মূল মামলা ৫ ধারা ব্যবহার যোগ্য নহে।

⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
৭,৫০৪.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের কত ধারায় "সম্পূর্ণ খাইখালাসি বন্ধক” এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ২(৩)
  2. ২(৭)
  3. ২(৯)
  4. ২(৬)
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ২(৬) ধারার বিধান "সম্পূর্ণ খাই-খালাসি বন্ধক” অর্থ কোনো প্রজা কর্তৃক ঋণ হিসাবে গৃহীত অর্থ বা শস্য ফেরত প্রদান করিবার নিশ্চয়তাস্বরূপ কোনো ভূমির দখলাধিকার এই শর্তে হস্থান্তর করা যাহা বন্ধকের মেয়াদে উক্ত ভূমি হইতে প্রাপ্ত মুনাফার মাধ্যমে, সকল সুদসহ, ঋণটি পরিশোধ হইয়াছে মর্মে গণ্য হইবে;
-------------- 
- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950, Section 2(6) “complete usufructuary mortgage” means a transfer by a tenant of the right of possession in any land for the purpose of securing the payment of money or the return of grain advanced or to be advanced by way of loan upon the condition that the loan, with all interests thereon, shall be deemed to be extinguished by the profits arising from the land during the period of the mortgage.
৭,৫০৫.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান মতে, কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের -
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ
  2. চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
  3. অপরিবর্তনীয় নথি
  4. একমাত্র সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
 
Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৭,৫০৬.
ফরিয়াদী 'A' মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। আদালত 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক কত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, আদালত এক্ষেত্রে 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক অনধিক ১০০০ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
৭,৫০৭.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, কোনো সমাবেশকে বেআইনি হিসেবে গণ্য করার মূল ভিত্তি কী?
  1. সমাবেশের স্থান
  2. সমাবেশের সময়
  3. সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা
  4. সমাবেশকারীদের সাধারণ উদ্দেশ্য
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ তখনই বেআইনি বলে গণ্য হবে, যদি উক্ত সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের সাধারণ উদ্দেশ্য নিম্নে উল্লিখিত যেকোনো একটির সঙ্গে সম্পর্কিত হয়:
১. সরকার বা জনসেবককে ভীতি প্রদর্শন
২. আইন বা আইনি প্রক্রিয়ার বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া
৩. দুষ্কর্ম বা অপরাধ সংঘটন
৪. বলপ্রয়োগ করে সম্পত্তি দখল বা অধিকার হরণ
৫. বলপ্রয়োগ করে কোনো ব্যক্তিকে তার আইনি দায়িত্ব না করতে বা অধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত রাখা

সুতরাং, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সাধারণ উদ্দেশ্য। শুধু পাঁচজনের বেশি লোক একত্রিত হলেই (যা একটি প্রাথমিক শর্ত) তা বেআইনি হয় না; তাদের সাধারণ উদ্দেশ্যই চূড়ান্ত নির্ধারক।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৭,৫০৮.
কোন ধরনের রিটের আবেদন যেকোনো ব্যক্তি করতে পারে?
  1. নিষেধাজ্ঞামূলক রিট
  2. উৎপ্রেষণ রীট
  3. হুকুম জারী রিট
  4. কারণ দর্শাও রিট
ব্যাখ্যা
রিট [Writ]

আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 

রিটের প্রকারভেদ:
বাংলাদেশ সংবিধান প্রণেতারা বিশেষভাবে রাজকীয় রিট (prerogrative writs) সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং বাংলাদেশের আদালতের মাধ্যমে এটা ব্যাপক এবং যথাযথভাবে বিকাশিত হয়েছে। সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

⇒ কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]

কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদ দাবী করতে পারে না যদি না উক্ত পদে তার কোন আইনগত দাবী থাকে। কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদে আসীন থাকলে বা আছে বলে মনে হলে, সেই ক্ষেত্রে কোন কর্তৃত্ববলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত পদ দাবী করছে তা জানের চেয়ে হাইকার্ট বিভাগ কারণ দর্শানোর রিট জারী করতে পারে।

অনুচ্ছেদ-১০২ (২): হাইেকার্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তা হলে-

(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-

(আ) কোন সরকারী পদে আসীন বা আসীন বলে বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন কর্তৃত্ববলে অনুরুপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করছে, তা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করে উক্ত বিভাগ (হাইকার্ট বিভাগ) আদেশদান করতে পারবে।

এই রিটের মাধ্যমে উচ্চতর আদালত উক্ত পদের দাবীর বিষয়ে অনুসন্ধান করতে পারে এবং যদি উক্ত অনুসন্ধানে এটা প্রমাণিত হয় যে, উক্ত পদ গ্রহণে পদের দাবীদারের কোন বৈধ অধিকার নেই, তাহলে কারণ দর্শাও রিট তাকে উক্ত পদ থেকে পদচ্যুত করতে পারে।
৭,৫০৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী নিম্নের কোন বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ারভুক্ত নয়?
  1. কৃষি জমির ভাড়া
  2. স্বত্বের বিরোধ
  3. কৃষি জমির খাজনা
  4. কৃষি জমির মুনাফা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।

উল্লিখিত প্রশ্নের ‘স্বত্বের বিরোধ’ বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ার ভুক্ত নয়।
-----------------------
CPC-Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
৭,৫১০.
একজন আইনজীবী নিম্নে বর্ণিত কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. যে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বাস করেন
  2. যে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইন ব্যবসা করেন
  3. সকল আদালতে পারবেন
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না

যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district, shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.
৭,৫১১.
সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আরজিতে কী উল্লেখ করা প্রয়োজন?
  1. বিবাদীর পূর্ণ ঠিকানা
  2. বাদীর স্বাক্ষর
  3. ৭৯ ধারায় বর্ণিত সঠিক নাম
  4. বাদী বা বিবাদীর পরিচয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৭ বিধি-৩: সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় আরজি:
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমার আরজিতে বাদি বা বিবাদির নাম, পরিচয় ও ঠিকানা সন্নিবেশ করার পরিবর্তে ৭৯ ধারায় বর্ণিত সঠিক নাম সন্নিবেশ করাই যথেষ্ট হবে।

Rule.-3: Plaints in suits by or against Government.
In suits by or against the Government, instead of inserting in the plaint the name and description and place of residence of the plaintiff or defendant, it shall be sufficient to insert the appropriate name as provided in section 79.

উল্লেখ্য,
দেওয়ানি কার্যবিধি ৭৯ ধারার বিধান - সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে বাংলাদেশ।
৭,৫১২.
সরকারি কর্মচারীকে সরকারি কাজে বাধা প্রদান করার জন্য কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. অনধিক ৩ মাস
  2. অনধিক ৬ মাস
  3. অনধিক ১ বছর
  4. অনধিক ৫ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৮৬ ধারা মতে সরকারি কর্মচারীকে সরকারি কাজে বাধা প্রদান করার জন্য অনধিক ৩ মাস কারদণ্ড বা অনধিক ৫০০ অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের শাস্তির বিধান আছে।
৭,৫১৩.
'ক', তার গ্রামের মহাজন 'খ' এর নিকট ঋণগ্রস্ত অবস্থায় নতুন ঋণের জন্য এমন শর্তে চুক্তি করেন, যা অযৌক্তিক বলে প্রতীয়মান হয়। এই চুক্তি অনুচিত প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হয় নাই, তা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. 'ক'
  2. 'খ'
  3. আদালত
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ের
ব্যাখ্যা
Contract Act, 1872, ধারা ১৬- "অনুচিত প্রভাব" এর সংজ্ঞা-
(১) কোনো চুক্তি অনুচিত প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হইয়াছে যেক্ষেত্রে চুক্তির পক্ষগণের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক এইরূপ হয় যে, একপক্ষ অপর পক্ষের ইচ্ছার প্রভাব বিস্তার করিবার অবস্থায় থাকেন, এবং সেই অবস্থা ব্যবহার করিয়া অপর পক্ষের নিকট হইতে অনুচিত সুবিধা গ্রহণ করেন।

(২) বিশেষ করিয়া এবং পূর্ববর্তী নীতির সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ণ না করিয়া, কোনো ব্যক্তি অপর ব্যক্তির ইচ্ছার উপর প্রভাব বিস্তার করিতে পারিবেন বলিয়া গণ্য হইবে-
(ক) যেক্ষেত্রে অপর ব্যক্তির উপর তিনি প্রকৃত বা দৃশ্যত কর্তৃত্বের অধিকারী হন অথবা যেক্ষেত্রে তিনি অন্যের সহিত বিশ্বাসমূলক সম্পর্কে অবস্থান করেন; বা
(খ) যেক্ষেত্রে তিনি এমন ব্যক্তির সহিত চুক্তি করেন যাহার মানসিক সক্ষমতা সাময়িকভাবে বা স্থায়ীভাবে বার্ধক্য, ব্যাধি অথবা মানসিক বা শারীরিক দুর্দশাজনিত কারণে নষ্ট হইয়াছে।

(৩) যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি অপর ব্যক্তির ইচ্ছার উপর প্রভাব বিস্তার করিবার অবস্থানে থাকেন এবং তাহার সহিত চুক্তিতে আবদ্ধ হন, এবং লেনদেনটি আপাতদৃষ্টিতে বা উত্থাপিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অযৌক্তিক বলিয়া মনে হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত চুক্তিটি অনুচিত প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হয় নাই উহা প্রমাণের ভার যিনি অপর ব্যক্তির ইচ্ছার উপর প্রভাব বিস্তার করিবার অবস্থানে রহিয়াছেন তাহার উপর বর্তাইবে

উদাহরণ:
'ক' তাহার গ্রামের মহাজন 'খ' এর নিকট ঋণগ্রস্ত অবস্থায় নতুন ঋণের জন্য এমন শর্তে চুক্তি করেন যাহা অযৌক্তিক বলিয়া প্রতীয়মান হয়। ইহা অনুচিত প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হয় নাই উহা প্রমাণের দায়িত্ব 'খ' এর উপর বর্তাইবে।

⇒ এই উপ-ধারার কোনো কিছুই সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১১ এর বিধানাবলিকে প্রভাবিত করিবে না।
৭,৫১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় আদালত কয়টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা:
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
৭,৫১৫.
The Transfer of Property Act, 1882 এর ১০৯ ধারায় কার অধিকারের বিধান উল্লেখ আছে?
  1. লিজগ্রহীতার
  2. লিজদাতার
  3. লিজগ্রহীতার হস্তান্তরগ্রহীতার অধিকার
  4. লিজদাতার হস্তান্তরগ্রহীতার অধিকার
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৯: লিজদাতার হস্তান্তরগ্রহীতার অধিকার (Rights of lessor’s transferee):
যদি লিজদাতা (lessor) লীজকৃত সম্পত্তি বা তার কোনো অংশ, অথবা তার স্বার্থের কোনো অংশ হস্তান্তর করেন, তাহলে যদি বিপরীত কোনো চুক্তি না থাকে, হস্তান্তরগ্রহীতা (transferee) উক্ত সম্পত্তি বা অংশের বর্তমান মালিক থাকা পর্যন্ত, লিজদাতার সকল অধিকার ভোগ করবেন এবং লিজগ্রহীতা (lessee) যদি ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তবে তিনি হস্তান্তরগ্রহীতাকে লিজদাতার দায়িত্ব পালনে বাধ্য করতে পারবেন।

তবে, কেবল হস্তান্তরের কারণে লিজদাতা তার লীজ অনুযায়ী আরোপিত কোনো দায়িত্ব থেকে মুক্ত হবেন না, যদি না লিজগ্রহীতা হস্তান্তরগ্রহীতাকে দায়বদ্ধ ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করতে সম্মত হন।

শর্ত হলো:
- হস্তান্তরগ্রহীতা হস্তান্তরের পূর্বে যে ভাড়ার বকেয়া ছিল, তার জন্য অধিকারী হবেন না।
- যদি লিজগ্রহীতা এই হস্তান্তর সম্পর্কে অজ্ঞ থাকেন এবং আগের মতো লিজদাতাকেই ভাড়া প্রদান করেন, তাহলে তাকে হস্তান্তরগ্রহীতাকে পুনরায় ভাড়া দিতে হবে না।

লিজদাতা, হস্তান্তরগ্রহীতা এবং লিজগ্রহীতা সম্মত হলে, হস্তান্তরিত অংশের জন্য লীজে নির্ধারিত প্রিমিয়াম বা ভাড়ার কত অংশ প্রযোজ্য হবে, তা নির্ধারণ করতে পারেন। যদি তারা একমত না হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির অধিকারে মামলা করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোনো আদালত তা নির্ধারণ করতে পারে।
৭,৫১৬.
আদেশ ৪১ বিধি ৩৩ এর অধীনে আপিল আদালত কাদের অনুকূলে আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আপিলকারী পক্ষের অনুকূলে
  2. আপিলকারী বা তার পক্ষগণ যারা আপত্তি জানিয়েছে
  3. যে কোনো পক্ষ, এমনকি যারা আপিল বা আপত্তি দায়ের করেনি
  4. শুধুমাত্র নিম্ন আদালতের আদেশ যারা চ্যালেঞ্জ করেছে তাদের জন্য
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি ৩৩: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
যে কোন ডিক্রি বা আদেশ যা প্রদান করা উচিত বা প্রয়োজনে অতিরিক্ত কোন ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আপিল আদালতের থাকবে এবং আপিল ডিক্রির অংশ বিশেষ সম্পর্কিত হওয়া সত্ত্বেও এ ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে এবং পক্ষদের সকলের বা যে কোন একজন উত্তরদায়ক বা পক্ষ আপিল বা আপত্তি দায়ের করে না থাকে, তবে আপিল আদালত উত্তরদায়ক বা পক্ষদের সকলের অনুকূলে ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের হয়েছে সে আদালত কোন আপত্তির উপর অনুরূপ আদেশ দিতে বাদ দিলে বা দিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে, সে সম্পর্কে আপিল আদালত এ আইনের ৩৫ক ধারার অধীনে কোন আদেশ প্রদান করবেন না।

উদাহরণঃ 'X', 'Y' বা 'Z'- এর নিকট কিছু টাকা পাবে বলে দাবী করে এবং উভয়ের বিরুদ্ধে রুজুকৃত মোকদ্দমায় 'Y'- এর বিরুদ্ধে ডিক্রি লাভ করে। 'Y', আপিল করে এবং 'X' ও 'Z' উত্তরদায়ক থাকে। আপিল আদালত 'Y'-এর অনুকূলে মোকদ্দমা নিস্পত্তি করে। এক্ষেত্রে 'Z'-এর বিরুদ্ধে ডিক্রি দেয়ার ক্ষমতা আপিল আদালতের আছে।

মূল বিধান:
আদেশ ৪১ বিধি ৩৩ এর অধীনে আপিল আদালত যেকোনো ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন, বাতিল বা প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারে। এমনকি যদি আপিল ডিক্রির কিছু অংশ সম্পর্কিত হয়, তবে পুরো মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আপিল আদালত সকল পক্ষের জন্য ন্যায্য ও সঠিক আদেশ প্রদান করার ক্ষমতা রাখে। পক্ষদের কেউ আপিল না করলেও বা আপত্তি না জানালেও আদালত তার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৭,৫১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে, যদি কোনো অভিযোগ মিথ্যা বা তুচ্ছ হয়, তবে আদালত অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কী পরিমাণ অর্থদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে মিথ্যা বা তুচ্ছ অভিযোগের জন্য আদালত অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে- কারো বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযোগকারীকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়া হবে না।
ফরিয়াদি/সংবাদদাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন,অভিযােগটি মিথ্যা,তুচ্ছ ও বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(৫) ধারা অনুসারে- এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়াও,ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 (5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.
৭,৫১৮.
পরোয়ানায় লিখিত নির্দেশে কোন বিষয়টির উল্লেখ থাকবে না?
  1. অপরাধের শাস্তির পরিমাণ
  2. আদালতে হাজির হওয়ার তারিখ
  3. জামিনদারের সংখ্যা
  4. জামিনদারের আর্থিক দায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৭৬ ধারার বিধান আদালত জামানত গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
 (১) কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে পরোয়ানা প্রদানকালে কোন আদালত উহার বিবেচনামূলক ক্ষমতায় পরোয়ানার উপর লিখিতভাবে এমর্মে নির্দেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত ব্যক্তি আদালত হতে অন্যরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট সময়ে ও তৎপরে আদালতে হাজির হবে বলে যদি পর্যাপ্ত জামিনদারসহ একটি মুচলেকা সম্পাদন করতে পারে, সেক্ষেত্রে পরোয়ানা প্রয়োগকারী কর্মকর্তা উক্ত জামিন গ্রহণ করবেন এবং উক্ত ব্যক্তিকে হেফাজত হতে মুক্তি দিবেন।

(২) পরোয়ানায় নিম্নে বর্ণিত বিষয়সমূহ উল্লেখ থাকতে হবে, -

(ক) জামিনদারের সংখ্যা;
(খ) যে পরিমাণ অর্থের জন্য জামিনদারগণ এবং যে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা দেয়া হয়েছে সেই ব্যক্তি যথাক্রমে দায়ী থাকবে; এবং
(গ) যে সময় তাকে আদালতে হাজির হতে হবে।

(৩) মুচলেকা প্রেরণ করতে হবেঃ এই ধারার বিধান অনুসারে যেক্ষেত্রে জামানত গ্রহণ করা হবে, সেক্ষেত্রে যে অফিসার বরাবর পরোয়ানা প্রয়োগকারী অফিসার মুচলেকাটি আদালতে প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ, পরোয়ানায় লিখিত নির্দেশে অপরাধের শাস্তির পরিমাণ উল্লেখ থাকবে না।
৭,৫১৯.
কোন মামলার ক্ষেত্রে আপিল আদালতের জজগণ তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হলে, মামলাটি-
  1. উচ্চতর আদালতে পেশ করতে হবে
  2. একই আদালতের অন্য একজন জজ বরাবর পেশ করতে হবে
  3. আপিল স্থগিত রাখতে হবে
  4. আপিলকারীর ইচ্ছানুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২৯- আপিল আদালতের জজগণ সম-সংখ্যায় বিভক্ত হলে তখনকার পদ্ধতি

আপিল আদালতের জজগণ যেক্ষেত্রে তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, সেক্ষেত্রে তাদের অভিমতসহ মামলাটি একই আদালতের অন্য একজন জজ বরাবর পেশ করতে হবে এবং তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শুনানীর পর (যদি থাকে) তার আদেশ প্রদান করবেন এবং রায় বা অভিমত তার অভিমত অনুসারে প্রদত্ত হবে।

Section 429- Procedure where Judges of Court of Appeal are equally divided

When the Judges composing the Court of Appeal are equally devided in opinion, the case, with their opinions thereon, shall be laid before another Judge of the same Court, and such Judge, after such hearing (if any) as he thinks fit, shall deliver his opinion, and the judgment or order shall follow such opinion.
৭,৫২০.
পেনাল কোডের ২৯৯ ধারায় Culpable Homicide –এর কয়টি ব্যাখ্যা (explanation) দেওয়া হয়েছে?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ২৯৯ ধারায় Culpable Homicide এর ৩ টি explanation দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ৩০০ ধারায় খুনের অপরাধের ৫ টি ব্যতিক্রম দেওয়া হয়েছে যেগুলোর উপস্থিতিতে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না।
♦ দন্ডবিধির ২৯৯ ধারায় নিন্দনীয় নরহত্যার সংজ্ঞা (Culpable homicide)- কোন ব্যক্তিকে প্রত্যক্ষভাবে হত্যা না করে এমন কাজ করা যা তার মৃত্যু ঘটায় তাই হলো নিন্দনীয় নরহত্যা বা Culpable homicide।
♦ দন্ডবিধির ২৯৯ ধারামতে নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে কোন কাজ নিন্দনীয় নরহত্যা বলে গণ্য হবে। যথা-
i) মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্য (with the intention of causing death); অথবা
ii) দৈহিক জখমের উদ্দেশ্যে( with the intention of causing such bodily injury); অথবা
iii) মৃত্যু ঘটতে পারে এরকম জ্ঞান নিয়ে (with the knowledge that he is likely by such act to cause death) কোন কাজ করার ফলে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বা Culpable homicide বলে গণ্য হবে।
♦পেনাল কোডের ২৯৯ ধারায় Culpable Homicide এর ৩ টি explanation হলঃ
ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
৭,৫২১.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর কোন ধারা জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত বিধান করে?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০ 
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৯ অনুযায়ী, জেলা জজ তার অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখেন। তবে, এটি হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে থাকবে।
অর্থাৎ, হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজ তার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখবেন।

⇒ The Civil Courts Act,1887- Section 9: Administrative control of Courts:-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.

৭,৫২২.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুসারে 'Estoppel' নীতি কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ঘটনাভিত্তিক প্রশ্নে
  2. আইনগত প্রশ্নে
  3. দেওয়ানি মামলায়
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৫ এর অধীনে Estoppel (স্বকার্যজনিত প্রতিবন্ধকতা) শুধুমাত্র ঘটনাভিত্তিক প্রশ্নে (question of fact) প্রযোজ্য। এটি আইনগত প্রশ্নে (question of law) কখনোই প্রযোজ্য হয় না।
- অর্থাৎ Estoppel কেবল ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য; আইনগত অধিকার বা বিধান বিষয়ে এটি প্রযোজ্য নয়।

- Estoppel (স্বকার্যজনিত প্রতিবন্ধকতা) হলো এমন একটি নীতি, যা কাউকে তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির পরিপন্থী কথা বলার বা দাবি করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যদি সেই পূর্ববর্তী আচরণ বা কথার ভিত্তিতে অন্য ব্যক্তি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।

⇒ তবে এই নীতির প্রযোজ্যতা কিছু নির্দিষ্ট সীমারেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ:
- ঘটনাভিত্তিক প্রশ্নে (Questions of fact): যেমন, কে কী বলেছিল, কে কী কাজ করেছিল, কোনো জমি কার দখলে ছিল ইত্যাদি।
- দেওয়ানি মামলায় (Civil cases): বিশেষত অধিকার ও মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে।

⇒ আইনগত প্রশ্নে (Questions of law):
- যদি কোনো ব্যক্তি কোনো আইনগত অধিকার সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দেয় বা স্বীকার করে, তবুও Estoppel এর মাধ্যমে সে তার প্রকৃত আইনি অধিকার হারাবে না।
- অর্থাৎ আইন বিষয়ে ভুল বক্তব্য বা বিশ্বাস কাউকে তার আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে না।

উদাহরণ:
যদি কেউ ভুল করে বলে যে তার কোনো জমির উপর মালিকানা নেই, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সে আইন অনুযায়ী মালিক হয়, তাহলে পরে সে তার মালিকানা দাবি করলেও Estoppel তার বিরুদ্ধে কার্যকর হবে না — কারণ এটি আইনের প্রশ্ন।

৭,৫২৩.
বেসরকারী সম্পত্তিতে Easement Right প্রতিষ্ঠিত করতে হলে একনাগাড়ে ভোগ করতে হয় -
  1. ১২ বছর
  2. ৬০ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
♠ তামাদি আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী বেসরকারী কোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত সম্পত্তি একনাগাড়ে ২০ বছর ভোগ করতে হয়।
৭,৫২৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৯ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি একটি দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার সমঝোতা প্রদর্শন করতে পারে?
  1. আইনজীবী
  2. শুধুমাত্র দলিলের পক্ষ
  3. দলিলের কোন পক্ষের প্রতিনিধিগণ
  4. তৃতীয় পক্ষ যারা দলিলের শর্তকে প্রভাবিত করে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৯ দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার সমঝোতা প্রদর্শন কারী:
- যেসব ব্যক্তি একটি দলিলের পক্ষ নন, অথবা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিরা, তারা কোনো সমসাময়িক সমঝোতার প্রমাণ দিতে পারেন যা দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৯ অনুযায়ী, দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার কোনো সমঝোতা প্রদর্শন করতে পারে এমন ব্যক্তি হলো তৃতীয় পক্ষ, যারা দলিলের শর্তকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তাদের স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ব্যক্তি দলিলের পক্ষ না, কিংবা তাদের প্রতিনিধিরা, তারা সেই দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার সমঝোতা প্রদর্শন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো সমঝোতা দুটি পক্ষের মধ্যে হয় এবং এটি অন্য কোনো পক্ষের স্বার্থকে প্রভাবিত করে, তবে সে তৃতীয় পক্ষও এটি প্রমাণ করতে পারে।

⇒ উদাহরণ: যদি A এবং B কোনো লিখিত চুক্তি করেন এবং তাদের মধ্যে মৌখিকভাবে কিছু শর্ত পরিবর্তিত হয়, তবে C, যদি তার স্বার্থ প্রভাবিত হয়, সে এই পরিবর্তনের প্রমাণ দিতে পারে।
------------- 
⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 99. Who may give evidence of agreement varying terms of document:
Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.

Illustration:
A and B make a contract in writing that B shall sell A certain cotton, to be paid for on delivery. At the same time they make an oral agreement that three months' credit shall be given to A. This could not be shown as between A and B, but it might be shown by C, if it affected his interests.
৭,৫২৫.
মূল মামলার মূল্যমান কত হলে যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে?
  1. ৫ লক্ষ টাকার অধিক হলে
  2. ৫ কোটি টাকার কম হলে
  3. ৫০ লক্ষ টাকার অধিক হলে
  4. ৫ কোটি টাকার অধিক হলে
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২১(১) ধারা অনুযায়ী-
যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫ কোটি টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫ কোটি টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১ ধারার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিম্নরূপ:
⇒ যুগ্ম জেলা বিচারকের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে যদি মূল মামলার মূল্য 5 কোটি টাকার কম হয়, তবে জেলা বিচারকের কাছে আপিল করতে হবে।
⇒ অন্য সব ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের কাছে আপিল করতে হবে।
⇒ কোন আপিল বা কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে থাকলে, জেলা বিচারকের আর্থিক আইন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলেও সেগুলো জেলা বিচারকের কাছে স্থানান্তরিত হবে না।
⇒ সিনিয়র সহকারী বা সহকারী বিচারকের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে জেলা বিচারকের কাছেই আপিল করতে হবে।
⇒ যদি (1) বা (2) উপ-ধারা অনুযায়ী জেলা বিচারকের কাছে আপিল করার কাজটি অতিরিক্ত জেলা বিচারককে দেওয়া হয়, তাহলে সেখানেই আপিল করতে হবে।
⇒ সরকারের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে, হাইকোর্ট বিভাগ সরকারী গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নির্দেশ দিতে পারবে যে, সিনিয়র সহকারী বা সহকারী বিচারকদের কোন রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল যৌথ জেলা বিচারকের কাছেই করতে হবে। সেক্ষেত্রে সেভাবেই আপিল করতে হবে।
৭,৫২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারামতে আদালত কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণের নির্দেশ দিতে পারবেন?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৯ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি- কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।

♦ অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
৭,৫২৭.
The Registration Act, 1908 এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, কোন দলিল নিবন্ধনের জন্য কত সময়ের মধ্যে উপস্থাপন করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, উইল ব্যতীত অন্য কোনো দলিল নিবন্ধনের জন্য যথাযথ কর্মকর্তার কাছে তার সম্পাদনের তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে উপস্থাপন করতে হবে। এই সময়সীমা ধারা ২৪, ২৫, এবং ২৬-এর বিধান সাপেক্ষে প্রযোজ্য। তবে, কিছু ব্যতিক্রমের ক্ষেত্রে (যেমন, জরুরি প্রয়োজন বা অনিবার্য দুর্ঘটনার কারণে) ধারা ২৫ অনুযায়ী জরিমানা দিয়ে এই সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে, কিন্তু সাধারণ নিয়ম হিসেবে তিন মাসের মধ্যে দলিল উপস্থাপন করতে হয়। উইলের ক্ষেত্রে ধারা ২৭ অনুযায়ী যে কোনো সময়ে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা যায়।

• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৩: দলিল দাখিলকরণের সময়:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬ এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি উহা সম্পাদনের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিল করা না হয়, তাহা হইলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি বা আদেশের নকল, ডিক্রি বা আদেশ দানের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে, বা, যেক্ষেত্রে উহা আপিলযোগ্য, সেক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
--------
•The Registration Act, 1908, Section 23. Time for presenting documents:
Subject to the provisions contained in sections 24, 25 and 26, no document other than a will shall be accepted for registration unless presented for that purpose to the proper officer within 19[three months] from the date of its execution: 
Provided that a copy of a decree or order may be presented within three months from the day on which the decree or order was made, or, where it is appealable, within three months from the day on which it becomes final.

৭,৫২৮.
'পক্ষগণ একমত হয়েও তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারেন না' বক্তব্যটি The Limitation Act, 1908 এর কোন ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক?
  1. ১২
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908, ধারা ৩ অনুযায়ি প্রথম তফসিলে বর্ণিত মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত প্রত্যেকটি মোকদ্দমা, আপীল বা আবেদন খারিজ করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। এই কারণে এ ধারার বাইরে যেয়ে আদালত পক্ষগণের সম্মতিতে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারনা।
৭,৫২৯.
মুহাম্মদ হেফজুর রহমান বনাম শামসুন নাহার বেগম (১৯৯৫) মামলার রায় অনুযায়ী, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর ভরণপোষণ কতদিন পর্যন্ত চলবে?
  1. আজীবন
  2. স্বামীর ইচ্ছা অনুযায়ী
  3. শুধুমাত্র ইদ্দতকাল পর্যন্ত
  4. ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পরও যতক্ষণ না পুনরায় বিয়ে হয়
ব্যাখ্যা

'Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum 47 DLR (1995) 34':
মুহাম্মদ হেফজুর রহমান বনাম শামসুন নাহার বেগম মামলাটি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় যা ১৫ বিডিএল(৩৪) রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অধীনে রয়েছে। এই মামলার মূল বিষয় ছিল তালাকপ্রাপ্ত মহিলার Post-divorce Maintenance এর অধিকার সম্পর্কিত।

মামলার পটভূমি:
শামসুন নাহার বেগম তার স্বামী মুহাম্মদ হেফজুর রহমানের বিরুদ্ধে Maintenance-এর দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তালাক দেওয়ার পরও তাকে Maintenance প্রদান করা হচ্ছে না।

আইনি প্রশ্ন:
মামলার মূল আইনি প্রশ্ন ছিল, তালাকের পর একজন মহিলার Maintenance দেওয়ার অধিকার কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বিশেষভাবে, ইদ্দতকাল (তালাকের পর নির্দিষ্ট সময়কাল) ছাড়াও কি Maintenance প্রদান করা হবে?

আদালতের সিদ্ধান্ত:
হাই কোর্ট ডিভিশন রায় দিয়েছে যে, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর Maintenance ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পরও চলমান থাকবে, যতক্ষণ না তিনি পুনরায় বিয়ে করেন এবং তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।
আদালত বলেছে, “একজন পুরুষ তার স্ত্রীর তালাক দেওয়ার পর তাকে ইদ্দতকাল পেরিয়ে একটি যুক্তিসঙ্গত পরিমাণে Maintenance প্রদান করতে বাধ্য। এই Maintenance প্রদান অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না স্ত্রী পুনরায় বিয়ে করে তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।”

৭,৫৩০.
যদি কোনো মামলা দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য হয়, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেট তা দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন?
  1. ২০৫খ ধারা
  2. ২০৫গ ধারা
  3. ২০৫ঘ ধারা
  4. ২০৫ ধারা
ব্যাখ্যা

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ তে যে মামলাসমূহ একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য,সেই সকল মামলার স্থানান্তর সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে যদি ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তাহলে তিনি-
- মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
- জামিন সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানসমূহের শর্ত সাপেক্ষে আসামিকে হেফাজতে রাখার জন্য প্রেরণ করবেন;
- সাক্ষ্যের জন্য উপস্থাপন করতে হবে এরূপ দলিলাদি এবং জিনিসপত্র(যদি থাকে) তা সহ আদালতে প্রেরণ করবেন;
- পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ দিবেন।
-------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 205C. Transfer of case of Court of Session when offence is trial exclusively by it:
When in a case instituted on a police report or otherwise, the accused appears or is brought before the Magistrate and it appears to the Magistrate that the offence is triable exclusively by the Court of Session, he shall- 
(a) send the case to the Court of Session; 
(b) subject to the provisions of this Code relating to bail, remand the accused to custody during, and until the conclusion of, the trial; 
(c) send to that Court the record of the case and the documents and articles, if any, which are to be produced in evidence; 
(d) notify the Public Prosecutor of the transfer of the case to the Court of Session. 

৭,৫৩১.
'সরকারি পদাধিকারবলে কৃত কোনো কাজের জন্য মোকদ্দমায় উক্ত কর্মকর্তার গ্রেফতার ও হাজিরা থেকে অব্যাহতি'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৫৩ ধারা
  2. ৭৭ ধারা
  3. ৮১ ধারা
  4. ৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা-৮১: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:
পদাধিকারবলে কৃত কার্যের দরুন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-
ক) ডিক্রি জারি ব্যতীত বিবাদিকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না; এবং
খ) যদি আদালত মনে করেন যে, উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন।

Sec 81: Exemption from arrest and personal appearance:
In a suit instituted against ta public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity-
a) the defendant shall not be liable to arrest not his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and,
b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
৭,৫৩২.
“Pleading” shall mean-
  1. Plaint
  2. Written Statement
  3. Plaint and Written statement
  4. Plaint or written statement
ব্যাখ্যা
আদেশ ৬, বিধি ১-এ বলা হয়েছে “Pleading” shall mean Plaint or written statement .
৭,৫৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট কখন শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন?
  1. যখন তিনি অপরাধের নালিশ গ্রহণ করেন
  2. যখন তিনি উপযুক্ত মনে করেন
  3. যখন মামলা দায়রা আদালতে বিচার্য হয়
  4. যখন পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার ২ক উপধারায় বলা হয়েছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন যখন তিনি উপযুক্ত মনে করেন।
এটি বিশেষভাবে নির্দেশ করে যে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, তদন্ত বা অনুসন্ধান প্রয়োজন এবং এই অনুসন্ধানে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তবে তিনি সেই সাক্ষীদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন।
এছাড়া, ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে, যে অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতে বিচার্য, তাহলে তিনি ফরিয়াদী বা অভিযুক্তের সাক্ষীদের হাজির করতে এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন।
তবে, নালিশ গ্রহণ বা পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল হলে, ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী গ্রহণের জন্য শপথ করানোর বিধান নেই, যদি না তিনি এটি উপযুক্ত মনে করেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।
আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 202.Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: 
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant. 
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath: 
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
৭,৫৩৪.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী বিবাহবিচ্ছেদের পর সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে জন্মানো সন্তানকে বৈধ ধরা যেতে পারে?
  1. ১৮০ দিন
  2. ২৮০ দিন
  3. ৩৮০ দিন
  4. ৪৮০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১২- বিবাহকালে জন্ম শিশুর বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ:
যে কোনো ব্যক্তি তার মাতার বৈধ বিবাহ চলাকালীন জন্মগ্রহণ করেছে, অথবা বিবাহবিচ্ছেদের ২৮০ দিনের (প্রায় দুইশত আশি দিন) মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছে, এবং মাতা এই সময়ের মধ্যে বিবাহিত ছিলেন না, সেই ব্যক্তিকে সেই বিবাহিত পিতার বৈধ সন্তান হিসেবে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত ধরা হবে, যদি কেউ প্রমাণ করতে না পারে যে, সন্তান জন্ম নেওয়ার সময় পিতামাতার মধ্যে কোনো মিলনের সুযোগ ছিল না, অর্থাৎ সন্তানটি জন্মগ্রহণের সময় মাতার পিতার সাথে কোনো শারীরিক সংস্পর্শ সম্ভব হয়নি।

সহজভাবে বলতে গেলে:
বৈধ বিবাহ চলাকালীন জন্ম → সন্তান স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈধ।
বিবাহবিচ্ছেদের পর ২৮০ দিনের মধ্যে জন্ম → সন্তানও বৈধ, যদি মাতা নতুন কোনো বিবাহ না করেছে।

৭,৫৩৫.
A, একটি গুরুতর এবং আকস্মিক উত্তেজনার কারণে, Z কে পিস্তল দিয়ে গুলি করে, এমন পরিস্থিতিতে যে, যদি তার গুলির কারণে Z এর মৃত্যু ঘটে, তবে তা অপরাধমূলক হত্যার চেষ্টা হিসেবে গণ্য হবে। এই পরিস্থিতিতে A দণ্ডবিধির _______ এর অধীনে অপরাধ করেছে।
  1. ধারা ৩০৪
  2. ধারা ৩০৭
  3. ধারা ৩০৮
  4. ধারা ৩০৯
ব্যাখ্যা
ধারা ৩০৮ - অপরাধমূলক নরহত্যার উদ্যোগ:
যে ব্যক্তি এমন কোনো কাজ করে যার মধ্যে এমন উদ্দেশ্য বা জ্ঞান থাকে এবং এমন পরিস্থিতি থাকে যে, যদি সে তার সেই কাজ দ্বারা মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম হয়, তবে তাকে হত্যার অপরাধ না হলেও অপরাধের গম্ভীরতা অনুযায়ী দায়ী করা হবে, তাকে অপরাধমূলক হত্যার চেষ্টা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সাজা হবে: তিন বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে এবং, যদি কোনো ব্যক্তিকে আঘাত করা হয় এমন কাজ দ্বারা, তবে সাজা হবে: সাত বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে।

উদাহরণ
A, একটি গুরুতর এবং আকস্মিক উত্তেজনার কারণে, Z কে পিস্তল দিয়ে গুলি করে, এমন পরিস্থিতিতে যে, যদি তার গুলির কারণে মৃত্যু ঘটে, তবে তা অপরাধমূলক হত্যা হবে, তবে এটি খুনের অপরাধ না হয়ে অপরাধমূলক হত্যার চেষ্টা হিসেবে গণ্য হবে। এই পরিস্থিতিতে A ধারা ৩০৮ এর অধীনে অপরাধ করেছে।
৭,৫৩৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুসারে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রতিকার কত উপায়ে দেওয়া যায়?
  1. ১ প্রকারে
  2. ৩ প্রকারে
  3. ৪ প্রকারে
  4. ৫ প্রকারে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়। যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার। ৫এর গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

৫। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কিভাবে প্রদান করা হয়: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়-
(ক) নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণপূর্বক উহা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোনো পক্ষকে কোনো কাজ করিতে বাধ্য করিবার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে যাহা তিনি করিতে বাধ্য;
(গ) কোনো পক্ষকে কোনো কাজ করা হইতে বিরত রাখিবার মাধ্যমে যাহা তিনি করিতে বাধ্য নহেন;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রায় প্রদান ব্যতীত অন্যভাবে পক্ষগণের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------------
Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.

৭,৫৩৭.
তামাদি আইনের ধারা ২১(২) অনুসারে, একাধিক যৌথ চুক্তিকারী/ঋণগ্রহীতার মধ্যে একজন কর্তৃক দায় স্বীকারোক্তি অন্যদের জন্য –
  1. বাধ্যতামূলক নয়
  2. মামলা বাতিল করে
  3. স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাধ্যতামূলক
  4. আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২১(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, একাধিক যৌথ চুক্তিকারী, অংশীদার, নির্বাহক বা বন্ধকগ্রহীতার মধ্যে মাত্র একজন কর্তৃক স্বাক্ষরিত দায় স্বীকারোক্তি (Acknowledgement) বা প্রদত্ত অর্থ পরিশোধ শুধুমাত্র সেই কাজের জন্য প্রযোজ্য হবে। এটি অন্যদের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাধ্যতামূলক নয়।
অর্থাৎ, যৌথ চুক্তিকারী, পার্টনার, এক্সিকিউটর বা ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে একজনের লিখিত দায় স্বীকারোক্তি (acknowledgement) বা পেমেন্ট অন্যদেরকে দায়ী (chargeable) করে না। এটি শুধুমাত্র সেই ব্যক্তিকে প্রভাবিত করে যিনি স্বীকৃতি দিয়েছেন বা পেমেন্ট করেছেন, অন্যদের জন্য এটি বাধ্যতামূলক নয়। এর ফলে লিমিটেশনের সময় শুধুমাত্র সেই ব্যক্তির জন্য নতুন করে গণনা হয়, অন্যদের জন্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ২১ ধারার বিধান: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি:
(১) “তাঁহার পক্ষ থেকে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট” শব্দবন্ধটি, ধারাঃ ১৯ ও ২০-এর ক্ষেত্রে, একজন অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে, তাঁর আইনগত অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপক, অথবা এমন একজন এজেন্টকে অন্তর্ভুক্ত করবে যিনি এই অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপকের দ্বারা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান স্বাক্ষরের জন্য যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
(২) উল্লিখিত ধারাগুলোর অধীনে একাধিক যৌথ চুক্তিকারক, অংশীদার, নির্বাহী বা বন্ধকী কর্তাকে শুধুমাত্র অন্য একজন বা তাঁদের এজেন্টের দ্বারা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদানের কারণে দায়বদ্ধ করবে না।
(৩) উল্লিখিত ধারাগুলোর উদ্দেশ্যে-
(a) একজন বিধবা বা অন্য সীমিত মালিকের দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি স্বীকৃতি, অথবা কোনো দায়ের জন্য অর্থ প্রদান, অথবা যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা, যিনি হিন্দু আইন দ্বারা পরিচালিত, তা সংশ্লিষ্ট পুনঃসূত্রের বিরুদ্ধে একটি বৈধ স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান হিসেবে গণ্য হবে;
(b) যখন একটি হিন্দু অখণ্ড পরিবারের পক্ষে কোনো দায়ভার সৃষ্টি করা হয়, তখন বর্তমান ব্যবস্থাপক বা তাঁর যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা করা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান সম্পূর্ণ পরিবারের পক্ষে করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
-------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-21. Agent of persons under disability:
(1) The expression “agent duly authorised in his behalf,” in sections 19 and 20, shall, in the case of a person under disability, include his lawful guardian, committee or manager, or an agent duly authorised by such guardian, committee or manager to sign the acknowledgement or make the payment.
(2) Nothing in the said sections renders one of several joint contractors, partners, executors or mortgagees chargeable by reason only of a written acknowledgment signed or of a payment made by, or by the agent of, any other or others of them.
(3) For the purposes of the said sections-
(a) an acknowledgment signed, or a payment made, in respect of any liability, by, or by the duly authorised agent of, any widow or other limited owner of property who is governed by the Hindu law, shall be a valid acknowledgment or payment, as the case may be, as against a reversioner succeeding to such liability; and
(b) where a liability has been incurred by, or on behalf of, a Hindu undivided family as such, an acknowledgment or payment made by, or by the duly authorised agent of, the manager of the family for the time being shall be deemed to have been made on behalf of the whole family.

৭,৫৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সরকার Special Executive Magistrate নিযুক্ত করতে পারে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১২ অনুযায়ী, সরকার যখন প্রয়োজন মনে করে তখন Special Executive Magistrate নিয়োগ করতে পারে। এরা সাধারণত নির্দিষ্ট কাজ বা সীমিত সময়ের জন্য নিযুক্ত হন এবং তাদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব সরকার নির্ধারণ করে দেয়। অর্থাৎ, ধারা ১২ এর মাধ্যমে সরকার বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের আইনগত ক্ষমতা পায়।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-12: Special Magistrate:
(1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.

৭,৫৩৯.
Set-off এর দাবী কিসের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হয়?
  1. অতিরিক্ত জবাব
  2. লিখিত জবাব
  3. লিখিত দরখাস্ত
  4. নতুন আরজি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ৬ মোতাবেক- বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা হলে বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল করেন; এসময় বিবাদী তার পাওনা টাকার জন্য Set-off এর দাবী ও উত্থাপন করতে পারেন। দাবী সমন্বয়ের দাবীসহ বিবাদীর লিখিত জবাব বিবেচিত হয় পাল্টা মামলার আরজির ন্যায়। এ ক্ষেত্রে বিবাদী কোর্ট ফি দিতে বাধ্য।
৭,৫৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন দুটি ধারার শর্ত পূরণ করা হলে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়?
  1. ৮৭ এবং ৮৮
  2. ৩৩৭ এবং ৩৩৮
  3. ৪০২ এবং ৪০৩
  4. ৫০২ এবং ৫০৩
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে। উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
- আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

- অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো-
অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে। একে বলা হয় ''Trial in absentia'' বা অনুপস্থিতিতে বিচার।
৭,৫৪১.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আপিল করতে পারে-
  1. আপিল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. বার কাউন্সিল আপিল বোর্ডে
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী-
ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে। এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।

Article-36: 
(1)Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.

(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৭,৫৪২.
Where no details about the mode of payment of dower are specified in the nikah nama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be _________.
  1. not payable
  2. payable on demand
  3. payable after specified time
  4. None of above
ব্যাখ্যা
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961: Section 10- Dower:
Where no details about the mode of payment of dower are specified in the nikah nama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be payable on demand.

ধারা ১০- দেনমোহর:
যেক্ষেত্রে দেনমোহরের টাকা পরিশোধের পন্থা কাবিননামায় অথবা বিবাহের চুক্তিতে বিস্তারিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে দেনমোহরের মোট পরিমানই চাহিবামাত্র পরিশোধযোগ্য বলে ধরে নেয়া হবে।
৭,৫৪৩.
মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তার ফলে যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ, অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলে:
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।

সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে: এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
৭,৫৪৪.
নিচের কোনটি আইনগত সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান
  2. মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদান
  3. আইনগত পরামর্শ প্রদান
  4. সবগুলো আইনগত সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান:
“আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান;

৭,৫৪৫.
প্রাথমিক সাক্ষের বিধান সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৫৩ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৬২ ধারায়
  4. ৫৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬২ শুরু হয়েছে প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞায়নের মাধ্যমে। ‘Primary Evidence means the document itself produced for the inspection of the court.
♦ প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বোঝায়, এমন মূল দলিল; যা পরিদর্শনের [inspection) জন্য আদালতের নিকট উপস্থাপন করা হয়েছে।" একবাক্যে বললে: স্বয়ং মূল দলিলই হচ্ছে প্রাথমিক সাক্ষ্য। অর্থাৎ 'মূল দলিল আদালতের নিকট উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে।
৭,৫৪৬.
'কমিশনারের কার্যপদ্ধতি' সম্পর্কে আদেশ ২৬ এর কত বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. বিধি-১৩
  2. বিধি-১৪
  3. বিধি-১৭
  4. বিধি-১১
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি এর আদেশ ২৬ বিধি-১৪- কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত রে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনূর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।

Order 26 Rule 14- Procedure of Commissioner:
(1) The Commissioner shall, after such inquiry as may be necessary, divide the property into as many shares as may be directed by the order under which the commission was issued, and shall allot such shares to the parties, and may, if authorized thereto by the said order, award sums to be paid for the purpose of equalizing the value of the shares.

(2) The Commissioner shall then prepare and sign a report or the Commissioners (where the commission was issued to more than one person and they cannot agree) shall prepare and sign separate reports appointing the share of each party and distinguishing each share (if so directed by the said order) by metes and bounds. Such report or reports shall be annexed to the commission and transmitted to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court; and the Court, after hearing any objections which the parties may make to the report or reports, shall confirm, vary or set aside the same:
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.

(3) Where the Court confirms or varies the report or reports it shall pass a decree in accordance with the same as confirmed or varied; but where the Court sets aside the report or reports it shall either issue a new commission or make such other order as it shall think fit.
৭,৫৪৭.
ধারা ২৫ এর অধীনে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া কী পরিস্থিতিতে চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যকরকরণ করতে অক্ষম হবেন?
  1. যখন তিনি সম্পত্তির মালিক হন
  2. যখন তিনি সম্পত্তির দখল নিশ্চিত করেন
  3. যখন তিনি মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই অধিকার সমর্পণ করেন
  4. যখন তিনি সম্পত্তির মূল্যের উপর ভিত্তি করে চুক্তি করেন
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫- একজন বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে না যদি-
(ক) জেনে-শুনে নিজের অধিকারহীন এমন সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকেন;

(খ) চুক্তি করার সময় যদিও বিশ্বাস করতেন যে তিনি সেই সম্পত্তির উপর সুনির্দিষ্ট অধিকার রাখেন, কিন্তু পক্ষদ্বয়ের বা আদালতের নির্ধারিত সময়ে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে যৌক্তিক সন্দেহাতীতভাবে স্বত্বাধিকার প্রদান করতে অক্ষম হন;

(গ) চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার সমর্পণ করে থাকেন।
৭,৫৪৮.
Inter vivos অর্থ কী?
  1. Between dead persons
  2. Between artificial persons
  3. Between corporate persons
  4. Between living persons
ব্যাখ্যা
⇒ Inter vivos অর্থ between living persons,
⇒  especially : from one living person to another.
inter vivos gifts 
property transferred inter vivos.

- সম্পত্তি হস্তান্তর বলতে বুঝায় যা দ্বারা কোন জীবিত ব্যক্তি বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কোন সম্পত্তি অন্য এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে (Inter vivos) বা নিজেকে এবং এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করা বলতে এরূপ কাজ সম্পন্ন করাকে বুঝায়।
- এটি Doctrine of Inter vivos (between two or more living persons) নামে পরিচিত।

⇒ inter vivos
(in-tur veye-vohs) adj. Latin for "among the living," usually referring to the transfer of property by agreement between living persons and not by a gift through a will. It can also refer to a trust (inter vivos trust) which commences during the lifetime of the person (trustor or settlor) creating the trust as distinguished from a trust created by a will (testamentary trust), which comes into existence upon the death of the writer of the will.

⇒ inter vivos transfer.
An inter vivos transfer is a transfer of property made during a person’s lifetime. It can be contrasted with a testamentary transfer, which is a transfer made in a will after death. A revocable trust is considered an inter vivos transfer even though the benefit of the trust is not enjoyed by the beneficiary until after the death of the donor because legal title is transferred at the time the trust is created.
৭,৫৪৯.
'A' agrees to sell to 'B' "a hundred tons of oil". There is nothing whatever to show what kind of oil was intended. The agreement is ______.
  1. valid
  2. void
  3. voidable
  4. voidable at option of 'A'
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'A', 'B'-এর নিকট ১০০ টন তেল বিক্রয় করতে সম্মত হয়। কিন্তু কোন ধরণের তেল বিক্রয় করার অভিপ্রায় ছিলো, সেটা উল্লেখ ছিলো না। অনিশ্চয়তার কারণে সম্মতিটি বাতিল (void)। কিন্তু সম্মতিতে যদি তেলের সুনির্দিষ্ট বর্ণনা উল্লেখ থাকতো, তাহলে সেটা বাতিল হতো না।
 
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৯:
যে সম্মতির অর্থ অনিশ্চিত বা সুনিশ্চিত করা সম্ভব নয় এমন সম্মতি বাতিল।
[Agreements, the meaning of which is not certain, or capable of being made certain, are void.]

অর্থাৎ ২৯ ধারার অধীন যেক্ষেত্রে সম্মতির অর্থ বা ভাষা অস্পষ্ট বা অনিশ্চিত এবং যেগুলো সুনির্দিষ্ট করা যায় না, সেক্ষেত্রে সম্মতি বাতিল হবে।
 
উদাহরণ-
৫০০ টাকায় বা ১০০০ টাকায় ক তার সাদা ঘোড়া বিক্রয় করার জন্য খ এর সাথে সম্মত হয়। কিন্তু দুইটি মূল্যের মধ্যে কোন মূল্য পরিশোধ করতে হবে সেটার কোন উল্লেখ না থাকায় অনিশ্চয়তার কারণে চুক্তিটি বাতিল।
৭,৫৫০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার শর্তানুযায়ী, অনুরোধপত্রের (precept) ভিত্তিতে ক্রোক কতদিন পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৪৬ (২) অনুসারে বলা হয়েছে: “তবে শর্ত থাকে যে, অনুরোধপত্রের (precept) ভিত্তিতে সম্পত্তি ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না, যদি না ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বাড়ায়, অথবা ক্রোক কার্যকরকারী আদালতের কাছে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয় এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন করেন।”
- অর্থাৎ, স্বাভাবিকভাবে অনুরোধপত্রে ভিত্তি করে সম্পত্তি ক্রোক সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে।
- এই সময়সীমা শুধু তখনই বাড়ানো যেতে পারে, যদি উপরোক্ত দুটি শর্ত পূরণ হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান ডিক্রি জারির অনুরোধ:-
১) ডিক্রিদারের আবেদন অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করলে অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন।
২) যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সে আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিপ্রদানকারী আদালত ক্রোকের সময় বৃদ্ধি না করা পর্যন্ত অথবা এরূপ ক্রোক নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে যে আদালত কর্তৃক ক্রোক করা হয়েছে, ঐ আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর করা না হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে অনুরোধলিপি অনুসারে কোন ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 46. Precepts:
(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept. 
(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree: 
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.
৭,৫৫১.
বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রাপ্ত সমস্ত এনরোলমেন্ট ফি, অনুদান, দান বা সাবস্ক্রিপশন কীসের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. সরকারি তহবিল
  2. বার কাউন্সিল ফান্ড
  3. বিচার বিভাগীয় তহবিল
  4. অ্যাডভোকেট ওয়েলফেয়ার ফান্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) বার কাউন্সিল ফান্ড।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রাপ্ত সমস্ত এনরোলমেন্ট ফি, অনুদান, দান বা সাবস্ক্রিপশন বার কাউন্সিল ফান্ডের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই তহবিলটি বার কাউন্সিলের ব্যবস্থাপনায় থাকবে এবং এটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হবে যে কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য পূরণের জন্য, যা বার কাউন্সিলের দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে।

According to Article 13 of the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972,
- All sums received by the Bar Council as enrolment fees or as grants, donations or subscriptions shall form part of the Bar Council and that fund shall be managed, administered and utilized in such manner as may be prescribed. 
Explanation - In this Article, the expression, “enrolment fees” includes fees and their families and dependents, group insurance schemes and benevolent funds.

৭,৫৫২.
'ক' একটি সম্পদ ভর্তি বাক্স বহনকারী ষাঁড় দেখতে পায়; সে ষাঁড়টিকে একটি বিশেষ দিকে তাড়িয়ে দিতে থাকে যাতে সে অসাধুভাবে বাক্সটি হস্তগত করতে পারে। 'ক' নিচের কোন অপরাধটি করতে যাচ্ছে?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. অসাধুভাবে আত্মসাৎ
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান- চুরি:
কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ:
(ক) A, Z-এর জমিতে থাকা একটি গাছ কেটে ফেলে, উদ্দেশ্য হলো গাছটি Z-এর সম্মতি ছাড়াই নিজের কবজায় নেওয়া। এখানে, যখনই A গাছটি কাটে এই উদ্দেশ্যে, সে চুরি করেছে।

(খ) A তার পকেটে কুকুরের খাবার রাখে এবং সেই খাবারের গন্ধে Z-এর কুকুর তাকে অনুসরণ করতে থাকে। যদি A-এর উদ্দেশ্য হয় Z-এর কুকুরটিকে Z-এর দখল থেকে সম্মতি ছাড়া সরিয়ে নেওয়া, তাহলে যেই মুহূর্তে কুকুরটি তাকে অনুসরণ শুরু করে, তখনই A চুরি করেছে।

(গ) A একটি ষাঁড়ের সামনে পড়ে, যে একটি গুপ্তধনের বাক্স বহন করছিল। A ষাঁড়টিকে একটি নির্দিষ্ট দিকে চালিয়ে দেয় যাতে সে গুপ্তধনটি অসৎ উদ্দেশ্যে নিতে পারে। ষাঁড়টি যখনই হাঁটা শুরু করে, তখনই A চুরি করেছে।

ব্যাখ্যা ৪:
যদি কেউ কোনো জীবন্ত বা অজীব বস্তুকে এমনভাবে প্রভাবিত করে যাতে সে অন্যের দখল থেকে সম্পদ সরিয়ে নিতে পারে, তাহলে চুরি তখনই সম্পন্ন হয় যখন সেই সম্পদ নড়তে শুরু করে।
৭,৫৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, বাদীর অভিযোগ (Plaint) এর মাঝে নিম্নের কোনটি উল্লেখ্য নয়?
  1. আদালতের নাম
  2. বিবাদীর মাসিক আয়
  3. বাদী-বিবাদীর নাম ও ঠিকানা
  4. মামলার কারণ গঠনকারী ঘটনাবলি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-৭, বিধি-১ অনুসারে, বাদীর অভিযোগ (Plaint)-এ নিম্নলিখিত তথ্য অবশ্যই উল্লেখ্য করতে হবে:, যেমন—
- আদালতের নাম
- বাদী ও বিবাদীর নাম, বিবরণ ও ঠিকানা
- মামলার কারণ গঠনকারী ঘটনাবলি এবং কখন তা সংঘটিত হয়েছে
- আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত তথ্য
- বাদীর দাবি ও চাওয়া প্রতিকার
তবে, "বিবাদীর মাসিক আয়" দেওয়ানি মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক নয়, কারণ এটি মামলার বিচারিক এখতিয়ার বা মূল দাবির সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয়। তাই এটি বাদীর অভিযোগের আবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে গণ্য হয় না।

সুতরাং, আদেশ-৭, বিধি-১ অনুযায়ী বিবাদীর আয়ের উল্লেখ বাদী লিখনে আবশ্যক নয়।
৭,৫৫৪.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫ অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়স্ক ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা প্রদানকারীকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেওয়া হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছরের কারাদণ্ড
  4. সাত বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
-If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

৭,৫৫৫.
ভুল আদালতে/এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে বাদী কি করবেন?
  1. আরজি খারিজের আবেদন
  2. আরজি ফেরতের আবেদন
  3. আরজি প্রত্যাহারের আবেদন
  4. আরজি সংশোধনের আবেদন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের বিধি ১০ এ আরজি ফেরত সম্পর্কে বলা হয়েছে-
(i)  মামলার যে কোনো পর্যায়ে প্রকৃতপক্ষে যে আদালতে মামলা দায়ের করা উচিত সেই আদালতে আরজি দাখিল করার জন্য উহা ফেরত দেওয়া যাইবে
(ii) আরজি ফেরত দেওয়ার সময় বিচারক উহার উপর আরজি দাখিল ও ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারক পক্ষের নাম এবং উহা ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করিবেন।
♦অর্থাৎ ভুল আদালতে/এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে বাদীআরজি ফেরতের আবেদন করবেন।
৭,৫৫৬.
If the President is not kept informed about domestic and foreign policy decisions by the Prime Minister, which Article of Bangladesh constitution is being disregarded?
  1. Article 48(3)
  2. Article 56(2)
  3. Article 48(5)
  4. Article 56(3)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না। 
 
(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 
 
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

Article 48: The President-
(1) There shall be a President of Bangladesh who shall be elected by members of Parliament in accordance with law. 

(2) The President shall, as Head of State, take precedence over all other persons in the State, and shall exercise the powers and perform the duties conferred and imposed on him by this Constitution and by any other law. 

(3) In the exercise of all his functions, save only that of appointing the Prime Minister pursuant to clause (3) of article 56 and the Chief Justice pursuant to clause (1) of article 95, the President shall act in accordance with the advice of the Prime Minister: 
Provided that the question whether any, and if so what, advice has been tendered by the Prime Minister to the President shall not be enquired into in any court. 
 
(4) A person shall not be qualified for election as President if he – 
(a) is less than thirty five years of age; or  
(b) is not qualified for election as a member of Parliament; or 
(c) has been removed from the office of President by impeachment under this Constitution. 

(5) The Prime Minister shall keep the President informed on matters of domestic and foreign policy, and submit for the consideration of the Cabinet any matter which the President may request him to refer to it.

৭,৫৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কিত বিধান কোন সনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
  1. ১৮৯৮ সনে
  2. ১৯৯৯ সনে
  3. ২০০৭ সনে
  4. ২০০৮ সনে
ব্যাখ্যা
 ♦ মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে ২০০৭ সালের ১ম নভেম্বর বিচার বিভাগকে নিবাহী বিভাগ হতে পৃথক করা হলে ম্যাজিস্ট্রেটদের ২ ভাগে ভাগ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ২০০৯ সালে ফৌজদারী কার্যবিধিকে সংশোধন করে ম্যাজিস্ট্রেটদের ২ ভাগে যথা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটে ভাগ করা হয়। তবে এটাকে retrospective effect দিয়ে ২০০৭ সালের ১ম নভেম্বর হতে কার্যকর করা হয়। তাই বলা হয়, ২০০৭ সাল হতে ফৌজদারী কার্যবিধিতে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কিত বিধান যুক্ত করা হয় ।
৭,৫৫৮.
বাংলাদেশ সংবিধানে “প্রচলিত আইনের হেফাজত” (Saving for existing laws) এর বিধান কোন অনুচ্ছেদে আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫২
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৭
  3. অনুচ্ছেদ ১৫১
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৯
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৯-এ "প্রচলিত আইনের হেফাজত" (Saving for existing laws) এর বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকারিতা অব্যাহত থাকবে, তবে সেগুলো সংবিধানের অধীন প্রণীত আইন দ্বারা সংশোধিত বা রহিত করা যাবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান: প্রচলিত আইনের হেফাজত:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকরতা অব্যাহত থাকিবে, তবে অনুরূপ আইন এই সংবিধানের অধীন প্রণীত আইনের দ্বারা সংশোধিত বা রহিত হইতে পারিবে।
-----------
⇒ Article 149. Saving for existing laws:
Subject to the provisions of this Constitution all existing laws shall continue to have effect but may be amended or repealed by law made under this Constitution.

৭,৫৫৯.
কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে, সর্বোচ্চ কত সময় অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে রাখা যেতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারা- নির্জন কারাবাস:
যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে:
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
৭,৫৬০.
আদেশ ৬ বিধি ১৬ অনুযায়ী আদালত কোন কারণে আর্জি জবাবে কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন না?
  1. অপ্রয়োজনীয় বিষয়
  2. বিভ্রান্তিকর বিষয়
  3. কুৎসাজনক বিষয়
  4. মামলার মূল দাবির সঠিক ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৬ অনুযায়ী, আদালত আরজির সেইসব অংশ কর্তনের আদেশ দিতে পারেন, যেগুলো-
- অপ্রয়োজনীয় (unnecessary), অথবা
- কুৎসাজনক (scandalous), অথবা
- বিচার প্রক্রিয়ায় বিভ্রান্তি, অস্বস্তি বা বিলম্ব ঘটাতে পারে।
 কিন্তু মামলার মূল দাবির সঠিক ব্যাখ্যা যদি আরজিতে থাকে, তা আদালত কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন না, কারণ তা মামলার মূল বিষয়বস্তুর অন্তর্গত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি  আদেশ-৬ বিধি-১৬ আর্জি জবাবে কর্তন: মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আর্জি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা তাকিলে আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন। 
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-16. Striking out pleadings: 
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
৭,৫৬১.
দায়রা আদালতে কার আপিলের শুনানীর এখতিয়ার আছে?
  1. দায়রা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি

দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
৭,৫৬২.
'Transfer for benefit of unborn person'- বিধান সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৪
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩: জন্ম না নেওয়া ব্যক্তির উপকারার্থে হস্তান্তর:
যখন কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এমন একজন ব্যক্তির জন্য স্বার্থ সৃষ্টি করা হয়, যিনি হস্তান্তরের সময় জীবিত ছিলেন না, এবং সেই স্বার্থটি পূর্বে সৃষ্টি করা অন্য এক স্বার্থের অধীন হয়-
তখন, ঐ অনাগত (unborn) ব্যক্তির জন্য সৃষ্টি করা স্বার্থ কার্যকর হবে না, যদি না তা হস্তান্তরকারীর অবশিষ্ট স্বার্থ পুরোটাই অন্তর্ভুক্ত করে।

Section 13: Transfer for benefit of unborn person-
Where, on a transfer of property, an interest therein is created for the benefit of a person not in existence at the date of the transfer, subject to a prior interest created by the same transfer, the interest created for the benefit of such person shall not take effect, unless it extends to the whole of the remaining interest of the transferor in the property.
৭,৫৬৩.
What is the subject of Rule 2, Order 40 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. Powers of a receiver
  2. Appointment of a receiver
  3. Removal of a receiver
  4. Remuneration of a receiver
ব্যাখ্যা
Order 40 Rule-2: Remuneration:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.

আদেশ ৪০ বিধি-২: পারিশ্রমিক:
আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কার্যের জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারবে।
৭,৫৬৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৬ অনুসারে, আদালত কী পরিস্থিতিতে সাক্ষীকে অন্যান্য পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারে?
  1. যখন তা অপ্রাসঙ্গিক
  2. যখন সাক্ষী উপস্থিত থাকে
  3. যখন সাক্ষী অস্বীকার করে
  4. যখন তা সমর্থনমূলক হতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫৬ অনুযায়ী, যদি কোনো সাক্ষী গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ের বিষয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন, তবে তার সাক্ষ্যকে সমর্থন করার জন্য তাকে সেই সময় বা স্থান সংক্রান্ত অন্যান্য পর্যবেক্ষণ সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে— শর্ত হলো, আদালতের মত অনুযায়ী, এই অতিরিক্ত পর্যবেক্ষণ যদি প্রমাণ করা হয়, তাহলে তা সাক্ষীর মূল সাক্ষ্যকে সমর্থন করে।
- মূল বিষয়: ধারা ১৫৬ সাক্ষীর সাক্ষ্যকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ করার উপায় হিসেবে অনুসঙ্গ তথ্য প্রমাণের সুযোগ দেয়।

⇒অর্থাৎ ধারা ১৫৬ অনুযায়ী:  আদালত সাক্ষীকে এমন কোনো বিষয় সম্পর্কেও প্রশ্ন করতে পারে— যা সাক্ষীর মূল সাক্ষ্যকে সমর্থন করে, যদিও সেটি ঘটনার মূল বিষয়ের বাইরে।
- তাই সঠিক উত্তর: ঘ) যখন তা সমর্থনমূলক হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৬ – প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাক্ষ্য সমর্থনের জন্য প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের অনুমোদন:
- যখন কোনো সাক্ষী, যার সাক্ষ্য সমর্থন করার উদ্দেশ্য রয়েছে, কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ের বিষয়ে সাক্ষ্য প্রদান করে, তখন আদালতের মতে যদি মনে হয় যে, সে সময় বা স্থানের আশপাশে সে যে অন্যান্য পরিস্থিতি লক্ষ্য করেছে তা প্রমাণিত হলে তার প্রদত্ত সাক্ষ্যকে সমর্থন করবে, তাহলে তাকে সেই অন্যান্য পরিস্থিতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে।

⇒ The Evidence Act, 1872 Section-156. Questions tending to corroborate evidence of relevant fact admissible:
 When a witness whom it is intended to corroborate gives evidence of any relevant fact, he may be questioned as to any other circumstances which he observed at or near to the time or place at which such relevant fact occurred, if the Court is of opinion that such circumstances, if proved, would corroborate the testimony of the witness as to the relevant fact which he testifies. 
Illustration:
A, an accomplice, gives an account of a robbery in which he took part. He describes various incidents unconnected with the robbery which occurred on his way to and from the place where it was committed. 
Independent evidence of these facts may be given in order to corroborate his evidence as to the robbery itself.

৭,৫৬৫.
কোন মামলায় "একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেওয়া বৈধ" বলে রায় দেওয়া হয়?
  1. শ্রীবালুসু বনাম শ্রীবালুসু
  2. ভূবনময়ী বনাম রামকিশোর
  3. ঠাকুর বনাম ঠাকুর
  4. কালেক্টর মাদুরা বনাম মুট্টোরাম
ব্যাখ্যা
শ্রীবালুসু বনাম শ্রীবালুসু (1899) 22 Mad-308, 26 IA 113
এই মামলার বিবাদী মাদ্রাজ উপমতপন্থী হিন্দু আইনের আওতাভুক্ত কোন এক পিতার একমাত্র পুত্র ছিল। সেই অঞ্চলের এক বিধবা তাহার স্বামীর নিকটবর্তী সপিগুদের অনুমতি নিয়া উক্ত পিতার একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেন। বিধবার মৃত স্বামীর ভাবী উত্তরাধিকারী এই মামলার বাদী উক্ত দত্তকের বৈধতা সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করিয়া মামলা দায়ের করেন।

বিচার্য বিষয়:
১। স্বামীর অনুমতি ব্যতীত তাহার নিকটবর্তী সপিণ্ডদের সম্মতি নিয়া কোন বিধবা আইনত দত্তক নিতে পারে কিনা।
২। একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেওয়া যায় কিনা।

রায়:
⇒ বিজ্ঞ প্রিভিকাউন্সিল সুপ্রাচীন ধর্মশাস্ত্রগুলি পর্যালোচনা করিয়া এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, মাদ্রাজ উপমতপন্থী অনুযায়ী স্বামীর মৃত্যুর পর নিকটবর্তী সপিগুদের অনুমতি স্বামীর অনুমতির ন্যায় গণ্য হইবে। অতএব প্রথম বিচার্য বিষয়টি বাদীর বিপক্ষে যাইবে।

⇒ বিজ্ঞ প্রিভি কাউন্সিল আরও সাব্যস্ত করেন যে, কোন কোন প্রাচীন মুনিঋষি একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেওয়া বা নেওয়া সমর্থন করেন নাই সত্য, কিন্তু তাহাদের মতামত পড়িয়া বিজ্ঞ প্রিভি কাউন্সিলের এই ধারণাই জন্মে যে, বশিষ্ট সৌণক প্রমুখ মুনিগণ এই বিষয়ে যে মত দিয়েছেন তাহা নির্দেশক (recommendatory) ছিল, কোন অবস্থাতেই আদেশমূলক (mandatory) ছিল না। অতএব কেহ যদি সেই নির্দেশ উপেক্ষা করিয়া দত্তক নিয়া থাকে, তবে (Factum valet) নীতি অনুযায়ী ইহা বৈধ বিবেচিত হইবে।

⇒ নিম্ন আদালতে একমাত্র পুত্রকে দত্তক বৈধ সাব্যস্ত হয়। মাদ্রাজ হাইকোর্টে আপীলে নিম্ন আদালতের রায় বহাল থাকে। বাদী এই রায়ের অসম্মতিতে প্রিভিকাউন্সিলে আপীল দায়ের করে। প্রিভি কাউন্সিলে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে।
৭,৫৬৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর কত বিধিতে অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে?
  1. বিধি ১৯
  2. বিধি ২১
  3. বিধি ২৩
  4. বিধি ২৬
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ বিধি ১৯- অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি:
(১) কমিশনের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী আইন ও এই বিধিমালার আওতায় ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন দুর্নীতি বা অনিয়মের আশ্রয় গ্রহণ করিতেছেন কিনা কিংবা কোন ব্যক্তিকে অযথা হয়রানি করিতেছেন কিনা অথবা আইন ও এই বিধিমালার আওতায় কোন অপরাধ করিয়াছেন কিনা তাহা সার্বক্ষণিক পরিবীক্ষণ, নজরদারী, অভিযোগ দায়ের, অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়েরের ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বা সুপারিশ প্রদানের লক্ষ্যে, যে ক্ষেত্রে যাহা প্রযোজ্য, অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি নামে একটি কমিটি থাকিবে।

(২) কমিশনের চেয়ারম্যান উপ-বিধি (১) এর অধীন গঠিত কমিটির চেয়ারম্যান হইবেন এবং কমিশনের সচিব এবং আইন ও প্রসিকিউশন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক উহার সদস্য হইবেন।
(৩) কমিশনের সচিব বা আইন ও প্রসিকিউশন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক এর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ উত্থাপিত হইলে উহা কমিশনের চেয়ারম্যান নিজে বা তৎকর্তৃক মনোনীত কোন কমিশনার দ্বারা তদন্ত করিতে হইবে।

(৪) উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কমিশন প্রয়োজন মনে করিলে কমিশন বহির্ভূত অন্য তদন্তকারী সংস্থা যথাঃ-ডিজিএফআই, র‍্যাব, সিআইডি, ডিবি, এনএসআই ইত্যাদি সংস্থাকেও এইরূপ তদন্ত সম্পন্নের অনুরোধ করিতে পারিবে।

(৫) উপ-বিধি (৪) এর অধীন অনুরোধ করা হইলে উক্ত তদন্তকারী সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেবল সংশ্লিষ্ট অপরাধ তদন্তের বিষয়ে আইনের অধীন কমিশন কর্মকর্তা হিসাবে গণ্য হইবেন এবং আইন অনুযায়ী তদন্ত সম্পন্ন করিয়া অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন।

(৬) উপ-বিধি (৫) এর অধীনে সম্পাদিত তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হইলে অভিযোগনামার সহিত কমিশনের অনুমোদনসহ মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।

(৭) এই বিধির অধীন অনুসন্ধান ও তদন্তকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে আইন ও এই বিধিমালার বিধানাবলী অনুসরণ করিতে হইবে।
৭,৫৬৭.
প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশোভন আচরণ কত ধারার অপরাধ?
  1. দণ্ডবিধির ৫০৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড। ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:- কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------------------------------------------------------------------- 
⇒ Section 510. Misconduct in public by a drunken person:- Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
৭,৫৬৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩-এ 'আদালত' বলতে কাকে বোঝায়?
  1. বিচারক
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সবগুলো।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩-এ 'আদালত' শব্দের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, "আদালত" বলতে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য ব্যক্তি যারা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা রাখেন, তাদেরকে বোঝায়। এর মধ্যে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি সকলেই অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়া, সালিস (Arbitrator) আদালতের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই, সঠিক উত্তর হচ্ছে ঘ) উল্লিখিত সবগুলো, কারণ আদালত বলতে শুধু বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটই নয়, সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য যে কেউ, তারাও আদালতের অন্তর্ভুক্ত।

- Section 3, Interpretation clause- "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.

৭,৫৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেয়?
  1. ১৪৬ ধারায়
  2. ১৪৮ ধারায়
  3. ১৪৫ ধারায়
  4. ১৪৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিস্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাওয়ার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবে
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 146. Power to attach subject of dispute:
(1) If the Magistrate decides that none of the parties was then in such possession, or is unable to satisfy himself as to which of them was then in such possession of the subject of dispute, he may attach it until a competent Court has determined the rights of the parties thereto, or the person entitled to possession thereof: 
Provided that such Magistrate]may withdraw the attachment at any time if he is satisfied that there is no longer any likelihood of a breach of the peace in regard to the subject of dispute.
(2) When the Magistrate attaches the subject of dispute, he may, if he thinks fit and if no receiver of the property, the subject of dispute, has been appointed by any Civil Court appoint a receiver thereof, who, subject to the control of the Magistrate, shall have all the powers of a receiver appointed under the Code of Civil Procedure, 1908: 
Provided that, in the event of a receiver of the property, the subject of dispute, being subsequently appointed by any Civil Court, possession shall be made over to him by the receiver appointed by the Magistrate, who shall thereupon be discharged.
৭,৫৭০.
Rape এর শাস্তি কোন ধারায়?
  1. ৩৭৫
  2. ৩৭৬
  3. ৩৭৭
  4. ৩০২
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭৬ ধারায় ধর্ষণের শাস্তি রয়েছে। ৩৭৬ ধারার বিধান অনুযায়ী ধর্ষণকারী যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক ১০ বৎসর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ডে দন্ডিত হবে।
♦ তবে ধর্ষিতা নারী যদি ধর্ষকের স্ত্রী হয় এবং স্ত্রীর বয়স ১২ বছরের কম না হয় তাহলে ধর্ষক অনধিক ২ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ডে দন্ডিত হবে।
৭,৫৭১.
দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল সংক্রান্ত তামাদির বিধান The Limitation Act,1908 এর কত Article এ বর্ণিত আছে?
  1. 150
  2. 170
  3. 173
  4. 181
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ১৫০-
দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দন্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৭,৫৭২.
মোহরানা বা দেনমোহরের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বৎসর
  2. ২ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৪ বৎসর
ব্যাখ্যা
- The Limitation Act, 1908 এর ১০৩ অনুচ্ছেদে তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য (Promt/মু’অজ্জল) মোহরানা আদায়ের জন্য আর  ১০৪ অনুচ্ছেদে বিলম্বিত (Differed/মু’আজ্জল) মোহরানা আদায়ে জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে। উভয়ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
৭,৫৭৩.
দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারায় এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর জখম করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারায় এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর জখম করার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৭,৫৭৪.
ক, গ এর পকেটে হাত ঢুকিয়ে গ এর পকেট মারার চেষ্টা করে। গ এর পকেটে কিছু না থাকায় ক এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ক দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধী হবে?
  1. ৫১০ ধারা
  2. ৫০৯ ধারা
  3. ৫১১ ধারা
  4. ৫০৮ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৫১১ এর উদাহরণ ( খ) অনুযায়ী ক অপরাধ সংঘটনের  উদ্যোগ করেন এই জন্য সে অপরাধী হবে।

♦ দণ্ডবিধির ধারা ৫১১ তে বলা আছে কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদন্ডে অথবা কারাদন্ডে দান্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য দণ্ডবিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৭,৫৭৫.
৯ ধারার অধীনে দায়েরকৃত মামলার কোন আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না?
  1. কেবল আপিল
  2. কেবল পুনর্বিবেচনা
  3. পুনর্বিবেচনা অথবা আপিল
  4. আপিল এবং রিভিশন
ব্যাখ্যা
৯ ধারা- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

Section 9- Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৭,৫৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ১ অনুসারে, স্বীকারের নোটিশ প্রদানের জন্য নিচের কোনটি গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. আরজির মাধ্যমে
  2. জবাবের মাধ্যমে
  3. লিখিত চিঠির মাধ্যমে
  4. মৌখিক বক্তব্যের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ১ অনুসারে, কোনো পক্ষ আরজি (লিখিত বক্তব্য), জবাব (লিখিত জবাব) অথবা অন্য কোনো লিখিত উপায়ে (যেমন চিঠি, নোটিশ ইত্যাদি) অন্য পক্ষের মোকদ্দমার সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে।
- মৌখিক বক্তব্য এই বিধির অধীনে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ বিধিতে স্পষ্টভাবে "লিখিত" (in writing) উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ-
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.

৭,৫৭৭.
Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to __________.
  1. Hurt
  2. Cause hurt
  3. Grievous hurt
  4. Voluntarily causing hurt
ব্যাখ্যা
⇒ Section 319. Hurt:- Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
--------
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারার বিধান: আঘাত:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।
৭,৫৭৮.
সংগোপনে অনাধিকার গৃহপ্রবেশের সংজ্ঞা রয়েছে কত ধারায়?
  1. ৪৪১ ধারায়
  2. ৪৪২ ধারায়
  3. ৪৪৩ ধারায়
  4. ৪৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা-৪৪৩ অনুযায়ী  সংগোপনে অনধিকার গৃহপ্রবেশ (Lurking house trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহ, তাবু প্রভৃতিতে গোপনে অর্থাৎ গৃহের প্রকৃত মালিকের অজ্ঞাতে বা অজান্তে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা সংগোপনে অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
৭,৫৭৯.
রায়ের পূর্বে ক্রোক আদেশ দেওয়া হলে, আদেশ-৩৮, বিধি-৯ অনুসারে তা কখন প্রত্যাহার করা যায়?
  1. শুধুমাত্র আদালত চাইলে
  2. শুধুমাত্র বাদীর অনুমতিতে
  3. বিবাদী জামানত দিলে
  4. চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পরে
ব্যাখ্যা
আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
৭,৫৮০.
Section 47A of The Evidence Act, 1872 is primarily concerned with:
  1. Opinion as to Handwriting
  2. Opinion as to Existence of right or custom
  3. Opinion as to Digital Signature
  4. Opinion as to physical or forensic evidence
ব্যাখ্যা

Section- 47A of The Evidence Act, 1872- Opinion as to digital signature where relevant:
When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪৭ক: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক-
যখন আদালতের কোন ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন করা প্রয়োজন হয়, তখন যেই ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রস্তুতকারী কর্তৃপক্ষ উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ ইস্যু করেছে, তার মতামত প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে।

৭,৫৮১.
Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, বিচারক নিয়োগে অ্যাডভোকেটের ভূমিকা কী?
  1. রাজনৈতিক বিবেচনায় সমর্থন দেওয়া
  2. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত পরিচিতদের সমর্থন করা
  3. যোগ্যতা ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করা
  4. নিজের আত্মীয়স্বজনকে নিয়োগের সুপারিশ করা
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, অধ্যায়-৩, বিধি-৭ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হচ্ছে বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, বরং যোগ্যতা এবং নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া। অ্যাডভোকেটদের উচিত শুধুমাত্র যোগ্য ও নৈতিকভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য সমর্থন করা। তারা অবশ্যই চেষ্টা করবেন এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে যারা বিচারকদের দায়িত্ব পালনে মুক্ত এবং নিরপেক্ষ থাকবেন, এবং যারা রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক চাপ থেকে মুক্ত।

অতএব, বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সমর্থন (ক), ব্যক্তিগত পরিচিতদের সমর্থন (খ), অথবা আত্মীয়স্বজনের সুপারিশ (ঘ) করা আদর্শ আচরণ নয় এবং আইনিভাবে একে সমর্থন করা হয় না।

7. It is the duty of Advocates to endeavour to prevent political considerations from outweighing judicial fitness in the appointment and selection of Judges. They should protest earnestly and actively against the appointment or selection of persons who are unsuitable for the Bench and thus should strive to have elevated thereto only those willing to forego other employments whether of a business, political or other character, which may embarrass their free and fair consideration of questions before them for decision. The aspiration of Advocates for judicial position should be governed by an impartial estimate of their ability to add honour to the office and not by a desire for the distinction the position may bring to themselves.
৭,৫৮২.
হানাফী আইন অনুযায়ী মোট কত শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে?
  1. ২ শ্রেণি
  2. ৩ শ্রেণি
  3. ৪ শ্রেণি
  4. ৫ শ্রেণি
ব্যাখ্যা

⇒ হানাফী আইন অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) প্রয়োগের অধিকার মোট ৩ শ্রেণির ব্যক্তির আছে। এরা হলো: (১) শাফি-ই-শরিক (সহ-অংশীদার বা যৌথ মালিক), (২) শাফি-ই-খালিত (সুবিধাসমূহের অংশগ্রহণকারী, যেমন পথ চলাচলের অধিকারী), এবং (৩) শাফি-ই-জার (সংলগ্ন বা পার্শ্বর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক)। এই শ্রেণিগুলো অগ্রক্রয়ের অধিকারের ক্রমানুসারে প্রয়োগ হয়।

⇒ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
হানাফী আইন অনুযায়ী ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে।
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]

- শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik | হলো সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার। যেমন; 'ক' এবং 'খ' হলো 'ম' এর সন্তান। সুতরাং 'ম' এর সম্পত্তির যৌথ মালিক হলো 'ক' এবং 'খ'। যদি 'ক' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করে তাহলে 'খ' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আবার 'খ' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করলে, 'ক' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

- শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit] অর্থ হলো সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী (Participator in immunities]। এটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোন সুখাধিকার যেমন পথে চলাচলের অধিকার ইত্যাদিতে অধিকারী।

- শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar) অর্থ হলো সংলগ্ন বা পার্শবর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক (owners of adjoining immovable property)। হানাফী আইন অনুযায়ী যে ভূমি বিক্রয় হবে তার সংলগ্ন জমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

৭,৫৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ORDER XLIV এর মূল বিষয় কী?
  1. Appeals from Orders
  2. Pauper Appeals
  3. Review of Judgments
  4. Appeals from Original Decrees
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-XLIV (Order 44) এ দরিদ্র ব্যক্তির আপিল (Pauper Appeals)–এর বিধানাবলী উল্লেখ আছে।
​- এই আদেশ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি আপিল করার অধিকার রাখেন কিন্তু আবশ্যকীয় কোর্ট ফি প্রদান করতে অক্ষম, তিনি দরখাস্তের মাধ্যমে pauper হিসেবে আপিল করতে পারেন।
​- এ ক্ষেত্রে, আদেশ-৪৪ বলেছে যে আদেশ-৩৩ (Order XXXIII) এর দরিদ্র বাদীর মামলা সংক্রান্ত বিধানাবলীও প্রযোজ্য হবে।

→ ​অর্থাৎ ​দেওয়ানী কার্যবিধির Order XLIV মূলত দারিদ্র্যর কারণে ফি দিতে অক্ষম ব্যক্তিদের (pauper) আপিল সংক্রান্ত বিধান নিয়ন্ত্রণ করে। এতে বলা আছে কে pauper হিসেবে আপিল করতে পারবে, কীভাবে আবেদন করতে হবে, এবং pauper হওয়ার তদন্ত কিভাবে করা হবে।
​​- অতএব, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-XLIV (Order 44) = Pauper Appeals এর করার বিধান রয়েছে।

৭,৫৮৪.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩১ অনুচ্ছেদ অনুসারে একজন অ্যাডভোকেট কী করতে পারেন?
  1. তার প্র্যাকটিস বন্ধ করতে পারেন
  2. তার লাইসেন্স বাতিল করতে পারেন
  3. তার প্র্যাকটিস স্থগিত করতে পারেন
  4. তার প্র্যাকটিস স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর-৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী তার আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস (চর্চা) সাময়িকভাবে স্থগিত করতে পারেন।
- এটি কোনো স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়।
- এটি কেবল বার কাউন্সিলের বিধি অনুযায়ী একটি সাময়িক বিরতি।
- প্র্যাকটিস স্থগিত করা মানে হচ্ছে—তিনি কিছু সময়ের জন্য মামলা পরিচালনা করবেন না বা আদালতে হাজির হবেন না।
- এই ধারা অ্যাডভোকেটদের স্বেচ্ছায় কিছু সময়ের জন্য পেশাগত দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার সুযোগ দেয়, যেমন: ব্যক্তিগত, স্বাস্থ্যগত বা পেশাগত কারণে।
----------- 
→ The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 (President's Order), Article-31:
- An advocate may suspend his practice in such manner as may be prescribed.
৭,৫৮৫.
মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কর্মদিবস কোনটি?
  1. ৩১ মে
  2. ৩০ জুন
  3. ৩১ জুন
  4. ১ লা জুলাই
ব্যাখ্যা
♦ নির্বাচিত কমিটির মেয়াদকাল হবে ৩ বছর। মেয়াদ শেষ হবার বছরে ৩১ শে মে অথবা তার পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য বার কাউন্সিল গঠিত হবে।

♦ অর্থাৎ মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কার্য দিবস হচ্ছে ৩০ জুন
৭,৫৮৬.
মোকদ্দমায় এক বা একাধিক ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা যায় যদি-
  1. পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে
  2. তথ্য সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হলে
  3. পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে
  4. একই বিবাদীর বিরুদ্ধে হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ
২. বিবাদী পক্ষ 

• [বিধি ১ থেকে ৩] মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)-

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে।একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

উদাহরণ-'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে । এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
৭,৫৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯, বিধি-৬ কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. সম্পত্তির ক্রোক
  2. ডিক্রি জারির আদেশ
  3. অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ
  4. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale):
- কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒ আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-39 Rule-6. Power to order interim sale:
- The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.

৭,৫৮৮.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী একটি দলিলকে 'প্রত্যয়িত' (Attested) হওয়ার জন্য ন্যূনতম কতজন সাক্ষীর প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. চারজন
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, একটি দলিলকে 'প্রত্যয়িত' (Attested) হিসেবে গণ্য করার জন্য ন্যূনতম দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতি প্রয়োজন।
প্রত্যয়িত দলিলে সাক্ষীরা নিশ্চিত করে যে:
১. দলিলটি সম্পাদনকারী ব্যক্তিকে স্বাক্ষর করতে বা চিহ্ন দিতে দেখেছে, অথবা
২. তাদের উপস্থিতিতে ও নির্দেশে অন্য কারো স্বাক্ষর দেখেছে, অথবা
৩. সম্পাদনকারীর স্বাক্ষর সম্পর্কে ব্যক্তিগত স্বীকৃতি লাভ করেছে।
সাক্ষীরা তারপর নিজেদের স্বাক্ষর করে দলিলকে প্রত্যয়িত করে।
উল্লেখযোগ্য: একাধিক সাক্ষীর একই সময় উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক নয়।
দলিলের পক্ষ কখনোই প্রত্যায়নকারী সাক্ষী হতে পারে না।
সুতরাং, ন্যূনতম দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতি আবশ্যক।

৭,৫৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক অনুসারে কে মামলা বা আপিল স্থানান্তরের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. সরকার
  2. জেলা জজ
  3. দায়রা আদালত
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক(১)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, আপিল বিভাগ (Supreme Court of Bangladesh-এর Appellate Division) ন্যায়বিচার বা পক্ষগণ ও সাক্ষীদের সুবিধার স্বার্থে যে কোনো মামলা বা আপিল:
১) হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে অন্য বেঞ্চে, অথবা
২) এক স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারভুক্ত ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য বেঞ্চের এখতিয়ারভুক্ত সমতুল্য বা উচ্চতর আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারার বিধান:- মামলা ও আপিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারি আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তরিত আপিল, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলত সেখানেই উক্ত মামলা বা আপিল আপিল করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.
(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
৭,৫৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় দায়রা আদালত অব্যাহতির আদেশ দিতে পারেন?
  1. ২৪১গ
  2. ২৬৫ক
  3. ২৬৫গ
  4. ২৪১ক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।

আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
৭,৫৯১.
স্মল ক্লজ আদালত (Small Cause Courts) এর রায়ে থাকবে-
  1. রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
  2. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  3. সিদ্ধান্ত এবং অনুরুপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  4. ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
আদেশ ২০ বিধি ৪০-

১) স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে থাকবে-

⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
⇒ উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।

২) অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-

⇒ মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case]
⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination]
⇒ ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon] এবং
⇒ অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].
৭,৫৯২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে হাতেনাতে ধৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, আদালত কত দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করবে?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
৭,৫৯৩.
একজন লোক H এর জমির ধান কেটে চুরি করলে তাদের বিরুদ্ধে The penal code, 1860 এর কোন ধারায় চার্জ হবে?
  1. ৩৭৯
  2. ৩৭৯ ও ৪৪৭
  3. ৪৪৭
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦জমির ধান কেটে চুরি করার জন্য ৩৭৯ ধারার অধীন চার্জ গঠনের সাথে ৪৪৭ ধারার অধীন যৌথভাবে চার্জ গঠন করার কোন সুযোগ নেই কারণ জমি হতে দণ্ডায়মান ধান কাটা এবং নিয়ে যাওয়ার জন্য উক্ত জমিতে প্রবেশ করতে হয়। সুতরাং ৪৪৭ ধারার অধীন জমিতে প্রবেশের জন্য চার্জ গঠনের প্রয়োজন নেই ।
♦অর্থাৎ জমির ধান কেটে চুরি করার জন্য ৩৭৯ ধারার অধীন চার্জ গঠন করা হবে।
৭,৫৯৪.
আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে-
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে 
  2. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
  3. যে কোন পর্যায়ে
  4. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮নং আদেশের ১ থেকে ৪ বিধিতে রায় ঘোষণার পূর্বে বিবাদীকে কতিপয় ক্ষেত্রে গ্রেফতার এবং আদালতে হাজিরার জন্য কেন তাকে জামানত দিতে হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে।
আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে। তবে বিবাদী যদি বাদীর দাবিযোগ্য অর্থ জামানত হিসেবে আদালতে জমা দেয় তবে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না।

⇒ বিধি-১: বিবাদীকে হাজিরার জন্য জামানত প্রদান-
- বিবাদী আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানো বা তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রিজারি বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি-
ⅰ) আত্মগোপন বা আদালতের আঞ্চলিক সীমানা ত্যাগ করে বা এর উদ্যেগ গ্রহণ করে: অথবা
ii) তার সম্পত্তি বা এর অংশ হস্তান্তর করে বা আদালতের স্থানীয় সীমা থেকে অপসারন করে; অথবা
iii) বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করে; তাহলে এসব ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বেই আটক বা আদালতে হাজির হয়ে কেন জামানত দেয়া হবে না এই মর্মে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে পারেন। তবে পর্যাপ্ত জামানত দিতে চাইলে আদালত আটকের আদেশ দিবেন না।

⇒ বিধি-২: কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে জামানত- ১ বিধি অনুযায়ী বিবাদী উপযুক্ত কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে, আদালত বিবাদীকে প্রয়োজনীয় অর্থ বা সম্পদ জামানত হিসাবে আদালতে জমা প্রদানের নির্দেশ দিবেন।

⇒ বিধি-৩: জামিনদার দায়মুক্তির আবেদন করলে- জামিনদার রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় স্বীয় দায়মুক্তির জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন/ওয়ারেন্ট দিতে পারেন।  বিবাদী আদালতে হাজির হওয়ার পরে আদালত উক্ত জামিনদারকে জামিননামার দায় থেকে মুক্তি দিবেন এবং বিবাদীর নিকট নতুন জামানত তলব করবেন।

⇒  প্রতিকার- সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে (আদেশ ৪৩ বিধি ১)।

⇒ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-
 ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং  ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
⇒ স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।

⇒ অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
CPC Order-38 Rule-1:Where defendant may be called upon to furnish security for appearance.
- Where at any stage of a suit, other than a suit of the nature referred to in section 16, clauses a) to (d), the Court is satisfied, by affidavit or otherwise-
a) that the defendant, with intend to delay the plaintiff, or to avoid any process of the Court or to obstruct or delay the execution of any decree that may be passed against him-
i) has absconded or left the local limits of the jurisdiction of the Court, or
ii) is about to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
iii) has disposed of or removed from the local limits of the jurisdiction of the Court his property or any part thereof, or

b) that the defendant is about to leave Bangladesh under circumstances affording reasonable probability that the plaintiff will or may thereby be obstrusted or delayed in the execution of any decree that may be paased against the defendant in the suit,
the Court may issue a warrant to arrest the defendant and bring him before the Court to show cause why he should not furnish security for his appearance
Provided that the defendant shall not be arrested if he pays to the officer entrusted with the execution of the warrant any sum specified in the warrant as sufficient to satisfy the plaintiff's claim; and such sum shall be held in deposit of or until the further order of the Court.
৭,৫৯৫.
“Facts admitted need not be proved” বিধানটি the Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫৬
  2. ধারা ৫৭
  3. ধারা ৫৮
  4. ধারা ৫৯
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
♦৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
♦সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
৭,৫৯৬.
'গ্রেফতার করার পর কোন শিশুকে হাতকড়া লাগানো যাবে না।'- শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩৩ ধারায়
  2. ৪৪ ধারায়
  3. ৫৪ ধারায়
  4. ৬৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩: ধারা ৪৪- গ্রেফতার, ইত্যাদি:
(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না। 
 
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না। 
 
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্তু, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে। 
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
৭,৫৯৭.
প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বুঝায় এমন দলিল যাহা পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে-
  1. আইনজীবীর নিকট
  2. সরকারি কর্মকর্তার নিকট
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট
  4. আদালতের নিকট
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে মূল দলিল সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বা Primary evidence বলে। এছাড়া নিম্নলিখিত সাক্ষ্যগুলোও প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে-

i) সাক্ষ্য আইনের ৬২ ও ৯১ ধারা অনুযায়ী লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে খোদ দলিলটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ii) একটি দলিল কয়েক খন্ডে সম্পাদিত হলে, প্রত্যেক খন্ডই একে অন্যের প্রাথমিক সাক্ষ্য।

iii) যখন কোন দলিল প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয় (executed in counterpart), তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

iv) যেক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে একই পদ্ধতিতে হয়, সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি অন্যগুলির প্রাথমিক সাক্ষ্য। কিন্তু মূল দলিলের নকল হলে, তা মূল দলিলের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য হবেনা যেমন- এক ব্যক্তির দখলে এমন কতগুলি প্রচার পত্র (placards) আছে বলে দেখান হল, যার সবগুলি একটি মূল দলিল হতে একই সময়ে মুদ্রিত হয়েছে। প্রচার পত্রগুলির যে কোন একটি অপর একটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য, কিন্তু সেগুলির একটিও মূল প্রচার পত্রের বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য নয়।

⇒ মৌখিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য- সাক্ষী নিজে দেখে-শুনে বা অনুভব করে যে সাক্ষ্য দেয় তা প্রাথমিক সাক্ষ্য। তার নিকট থেকে অন্য জন শুনে সাক্ষ্য দিলে তা হয় মাধ্যমিক (Secondary) বা পরোক্ষ তথা জনশ্রুতি সাক্ষ্য।
৭,৫৯৮.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় অপ্রকৃতিস্থ বা উম্মাদ ব্যক্তির কার্য অপরাধ বলে গণ্য হবেনা?
  1. ধারা ৮২
  2. ধারা ৮৩
  3. ধারা ৮৪
  4. ধারা ৮৫
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৮৪ ধারা মতে যে অপকৃতিস্থ বা উম্মাদ ব্যক্তি অপকৃতিস্থ/উম্মাদ থাকাবস্থায় তার কার্যের প্রকৃতি বুঝতে অক্ষম কিংবা তার কার্যটি যে বেআইনি বা আইনের পরিপন্থী তা বুঝতে অক্ষম ছিল সে সময়ে তার কার্যটি অপরাধ গণ্য হবে না।
৭,৫৯৯.
The rights, powers duties and liabilities of receivers are regulated by:
  1. The Court’s discretion
  2. The Code of Civil Procedure
  3. The parties involved
  4. The local administration
ব্যাখ্যা
Section 44- Appointment of receivers discretionary, Reference to Code of Civil Procedure:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
৭,৬০০.
১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী, স্বামী একাধারে কয় বছর নিরুদ্দেশ থাকলে স্ত্রী বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারবে?
  1. ৪ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা

১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।