বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৭৪ / ১৫৫ · ৭,৩০১৭,৪০০ / ১৫,৪৭০

৭,৩০১.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে তামাদির সময় গণনা কিভাবে হয়?
  1. প্রথমবার ভঙ্গের দিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয়
  2. আদালতে মামলা দায়েরের দিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয়
  3. যখন অভিযোগকারী জানতে পারে তখন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয়
  4. প্রতিবার চুক্তিভঙ্গের সময় নতুন করে তামাদি গণনা শুরু হয়
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৭,৩০২.
'A' একটি বাড়ি উদ্যানসহ একটি সম্পত্তি 'B' কে এক লক্ষ টাকায় বিক্রির চুক্তি করে। বাড়ি উপভোগের জন্য উদ্যানটি গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তীতে দেখা যায় যে, 'A' উদ্যানটি হস্তান্তর করতে অক্ষম। এই অবস্থায়, 'A'-
  1. চুক্তি সংশোধনের রায় পাবে
  2. অবশ্যই চুক্তির বাকি অংশের বাস্তবায়নের রায় পাবে
  3. অবশ্যই সম্পূর্ণ চুক্তি বাস্তবায়নের রায় পাবে
  4. শর্তসাপেক্ষে চুক্তির বাকি অংশের বাস্তবায়নের রায় পাবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৫ অনুসারে,
যদি একটি চুক্তির একটি বড় অংশ অপূর্ণ থাকে বা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত পুরোপুরি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের রায় দিতে পারবে না। কারণ এক্ষেত্রে পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তবে আদালত যেটুকু সম্ভব, সেইটুকুর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে, যদি বাদী পক্ষ বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি না করে এবং আরো কোনো বাস্তবায়নের দাবি না করে। অর্থাৎ বাদীকে সীমিত বাস্তবায়নই গ্রহণ করতে হবে।

এই উদাহরণে দেখা যাচ্ছে যে, সম্পূর্ণ চুক্তি পালনের জন্য A যেহেতু সক্ষম নয়, সেহেতু A সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের রায় পাবে না। কারণ চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ (উদ্যান) হস্তান্তরের অক্ষমতার কারণে পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। তবে যদি B বাকী অংশগুলো (বাড়ি ও সম্পত্তি) নিতে রাজী থাকে এবং ক্ষতিপূরণের দাবি ত্যাগ করে, তাহলে আদালত A কে যেসব অংশ হস্তান্তর করতে সক্ষম, শুধু সেগুলোর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে। অর্থাৎ, এক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে চুক্তির বাকি অংশের বাস্তবায়নের রায় পাবে এবং A কে বাড়িটি হস্তান্তর করতে বলা যেতে পারে।
৭,৩০৩.
A transfers Tk. 500 to B on condition that she shall murder C. The transfer is ______.
  1. valid
  2. void
  3. voidable at option of B
  4. voidable at option of C
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫: শর্তযুক্ত হস্তান্তর (Conditional Transfer)-
যদি কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যে স্বার্থ বা অধিকার সৃষ্টি হয় তা কোনো শর্তের উপর নির্ভরশীল হয়, এবং সেই শর্তটি —
- অসম্ভব হয়, বা
- আইনের দ্বারা নিষিদ্ধ হয়, বা
- এমন প্রকৃতির হয় যে, তা অনুমোদন করলে কোনো আইনের বিধান ব্যর্থ হয়, বা
- প্রতারণাপূর্ণ (fraudulent) হয়, বা
- অন্য কারও ব্যক্তি বা সম্পত্তির ক্ষতি ঘটায়, বা
- আদালত যদি মনে করে যে শর্তটি অনৈতিক বা জননীতির (public policy) বিরুদ্ধে,

তাহলে সেই শর্ত ব্যর্থ হবে এবং সেই শর্তযুক্ত হস্তান্তর বাতিল বলে গণ্য হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A একটি খামার B-কে ইজারা দেয় এই শর্তে যে B এক ঘণ্টায় ১০০ মাইল হাঁটবে।
- এই চুক্তিটি বাতিল, কারণ শর্তটি অসম্ভব।

(খ) A, B-কে ৫০০ টাকা দেয় এই শর্তে যে B, A-এর মেয়ে C-কে বিয়ে করবে। কিন্তু হস্তান্তরের তারিখে C মৃত।
- এই হস্তান্তর বাতিল, কারণ শর্তটি অসম্ভব।

(গ) A, B-কে ৫০০ টাকা হস্তান্তর করে এই শর্তে যে B, C-কে হত্যা করবে।
- এই হস্তান্তর বাতিল (void), কারণ শর্তটি আইনবিরুদ্ধ এবং অপরাধমূলক।

(ঘ) A, তার ভাগ্নি C-কে ৫০০ টাকা দেয় এই শর্তে যে সে তার স্বামীকে ত্যাগ করবে।
- এই হস্তান্তর বাতিল, কারণ এটি জননীতির বিরুদ্ধে ও অনৈতিক।
৭,৩০৪.
নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের জন্য সর্বোচ্চ কত মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

- দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার বিধান- নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের সাজা :-
কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 171F. Punishment for undue influence or personation at an election:
Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৭,৩০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রথম রিভিশনে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত-
  1. চূড়ান্ত নয়
  2. চূড়ান্ত
  3. ২য় বার রিভিশনযোগ্য
  4. হাইকোর্টে রিভিশনযোগ্য
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. হাইকোর্ট বিভাগ,
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ।

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

Section 439A: Sessions Judge's powers of revision
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final. 
 
(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
৭,৩০৬.
তামাদি আইনের ২০ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে
  2. সম্পত্তি আদায়ের ক্ষেত্রে
  3. ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
  4. উপরের কোনো ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২০ ধারামতে কোন দেনা তামাদি হবার পূর্বেই যদি দেনাদার দেনার স্বীকৃতিস্বরূপ কোন অর্থ পাওনাদারকে দিয়ে থাকে তাহলে, সেক্ষেত্রে যে তারিখ উক্ত অর্থ প্রদান করা হয়েছিল সে তারিখ হতেই তামাদির সময়সীমা নতুনভাবে হিসাব করতে হবে।

সুতরাং ২০ ধারা অনুযায়ী-
ঋণ বা দেনার ক্ষেত্রে তামাদির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই আংশিকভাবে কোন ঋণ বা সুদ পরিশোধ করলে, উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির সময় শুরু হয়। অর্থাৎ কোন দেনা আংশিক পরিশোধ করলে পরিশোধের তারিখ হতে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। তবে এই ক্ষেত্রে দেনা পরিশোধ অবশ্যই লিখিত এবং স্বাক্ষরিত হতে হবে।

Section 20: Effect of payment on account of debt as of interest on legacy-

(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made: 
 
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
৭,৩০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ-এর অধীনে আপিল আদালত কোন বিধান অনুসরণ করবে?
  1. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে আদেশ ৪১-এর বিধান
  2. ফৌজদারি আদালতের আপিলের বিধান
  3. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ৮৯ক-এর বিধান
  4. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ১০৭ এর বিধান
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯গ- আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর আওতাধীন মধ্যস্থতাকরণের ক্ষেত্রে, ৮৯ক ধারার বিধান গুলােকে প্রয়ােজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।

Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.

(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৭,৩০৮.
তালাক-ই-আহসান (Ahsan) কখন কার্যকর হয়?
  1. তৃতীয় তুহর শেষে
  2. তৃতীয় তালাক উচ্চারণের পর
  3. ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পর
  4. তালাক দেওয়ার সাথে সাথে
ব্যাখ্যা
তালাক-উস-সুন্নাহ (অনুমোদিত তালাক):
তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] হলো হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নত বা হাদিসে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী তালাক। তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] দুই প্রকার হতে পারে;
ক. তালাক আহসান [Ahsan] (সর্বাধিক অনুমোদিত তালাক)
খ. তালাক হাসান [Hasan] (অনুমোদিত তালাক)

- তালাক-ই-আহসান (Ahsan):
স্ত্রীর তুহরে (পবিত্র সময়) একবার তালাক উচ্চারণ করা হলে এবং স্ত্রীর ইদ্দতকাল (৩টি ঋতুকাল পর্যন্ত) তার সাথে যৌন সম্পর্ক (Consummation) না রাখলে, ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার সাথে সাথে তালাক কার্যকর হবে এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হবে। এটি সর্বাপেক্ষা অনুমোদিত তালাক।

- তালাক-ই-হাসান (Hasan):
স্বামী তার স্ত্রীর পরপর ৩টি তুহরের প্রত্যেক তুহরেই ১ বার করে তালাক উচ্চারণ করবে এবং তুহর কালে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হতে বিরত থাকবে। তৃতীয় উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গেই তালাক কার্যকর হবে। এই ক্ষেত্রে তালাক অপ্রত্যাহারযোগ্য।
৭,৩০৯.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামী জখমের মাধ্যমে খুনের উদ্যোগ নিলে সর্বনিম্ন শাস্তি হতে পারে?
  1. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামী জখমের মাধ্যমে খুনের উদ্যোগ নিলে দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান মতে একমাত্র বা সর্বনিম্ন শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 307: Attempt to murder Attempts by life-convicts:
- Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
 
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৭,৩১০.
Order 1, Rule 10(4) অনুযায়ী, নতুন বিবাদী যুক্ত হলে কী করতে হবে?
  1. নতুন আরজি দাখিল করতে হবে
  2. আরজি সংশোধন করতে হবে
  3. সংশোধিত সমন জারি করতে হবে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি- বিবাদী সংযোজিত হলে আরজি সংশোধন করতে হয়:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় কোন নতুন বিবাদীকে যুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ প্রদান না করলে, আরজি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে এবং সংশোধিত সমন ও আরজির নকল নতুন বিবাদীর উপর জারি করতে হবে এবং আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে তাহলে মূল বিবাদীর উপরও জারি করতে হবে।
[Where defendant added, plaint to be amended: Where a defendant is added, the plaint shall, unless the Court otherwise directs, be amended in such manner as may be necessary, and amended copies of the summons and of the plaint shall be served on the new defendant and, if the Court thinks fit, on the original defendant.]
৭,৩১১.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে তাদের পিতার সম্পত্তি বাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। বিরোধীয় সম্পত্তির মূল্য ২৪,০০,০০০/- টাকা, তাহলে ‘ক’ কে ‘খ’ এর বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. সহকারী জজ আদালতে
  2. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
  3. যুগ্ন জেলা জজ আদালতে
  4. জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন  সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

• The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
⇒ সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge )  = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত 
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)  = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
⇒ যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)  =  ২৫ লক্ষ এর উপরে 

তাই এই মামলাটির মূল্যমান ২৪,০০,০০০/-  হওয়ায় অত্র মামলাটি সিনিঃ সহঃ জজ আদালতে দায়ের করতে হবে।
৭,৩১২.
অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত?
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৬: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

[Control and discipline of subordinate courts-
The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.]
৭,৩১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক অনুসারে ফি পরিশোধ না করলে আসামির সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. দশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ত্রিশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. তিনমাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক (Section 546A) অনুযায়ী, যদি কোনো আমল অযোগ্য অপরাধে অভিযোগ করে ফরিয়াদি এবং আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে, তাহলে আসামিকে আদেশ দেওয়া যেতে পারে:
ফরিয়াদির দেওয়া নালিশের দরখাস্ত ও সাক্ষ্য গ্রহণের ফি, সাক্ষী বা আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির ফি — এসব ফেরত দিতে।
- যদি আসামি উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আদালত আদেশ দিতে পারেন যে, অর্থ না দিলে সর্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
- অতএব, ফি পরিশোধ না করলে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি: "ত্রিশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড"।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৬ক ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদি কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ:
(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামি সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থদানের জন্য আসামিকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদির জবানবন্দির জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং
(খ) ফরিয়াদি কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।
(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
--------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 546A: Order of payment of certain fees paid by the complainant in non-cognizable cases:
(1) Whenever any complaint of a non-cognizable offence is made to a Court, the Court, if it convicts the accused, may in addition to the penalty imposed upon him, order him to pay to the complainant–
(a) the fee (if any) paid on the petition of complaint or for the examination of the complainant, and
(b) any fees paid by the complainant for serving processes on his witnesses or on the accused,
and may further order that, in default of payment, the accused shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days.
(2) An order under this section may also be made by an Appellate Court, or by the High Court Division, when exercising its powers of revision.
৭,৩১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির সংজ্ঞা অনুসারে- "Judge" means the_______ of a civil court.
  1. Officer
  2. Judge
  3. Executive Officer
  4. Presiding Officer
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-
"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.

-সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]

অর্থাৎ "বিচারক বা জজ" বলতে উল্লিখিত দেওয়ানি আদালতসমূহের প্রিজাইডিং অফিসারকে বুঝাবে।
৭,৩১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার ফলে ক্ষতি হওয়ার পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব না, তখন আদালত -
  1. চুক্তির শর্ত বাতিল করবে 
  2. মামলাটি খারিজ করবে
  3. শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিবে
  4. সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায় করতে পারে
ব্যাখ্যা

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার ফলে ক্ষতি হওয়ার পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব না, তখন আদালত- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায় করতে পারে।

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.

৭,৩১৬.
নিম্নের কোনটি হিন্দু আইনের আধুনিক উৎস হিসেবে বিবেচিত?
  1. স্মৃতি
  2. ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
  3. প্রথা
  4. আদালতের সিদ্ধান্ত বা নজির
ব্যাখ্যা
হিন্দু আইনের মূল উৎস ৪টি। যথা-

(ক) বেদ বা শ্ৰুতিঃ অতি প্রাচীনকালে দেবতাগণ প্রত্যক্ষভাবে যা বলেছিলেন ও তৎকালে মুনিগণ যা শুনেছিলেন এবং পরবর্তীকালে যা মুনিবর কৃষ্ণদ্বৈপায়ন কর্তৃক সংকলিত হয় তাই বেদ। ঋক বেদ, যজু বেদ, সাম বেদ ও অথর্ব বেদ এই চারটি বেদকে একত্রে শ্রুতি শাস্ত্র বলা হয়। বেদ হচ্ছে হিন্দু ধর্মের মূল ভিত্তি।

(খ) স্মৃতিঃ প্রাচীনকালে মানুষের পালনীয় ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি যা আর্য ঋষিগণ গুরু শিষ্য পরম্পরায় আবৃত্তি আকারে স্মরণে রেখেছিলেন, যা পরবর্তীকালে মুনিগণ গ্রন্থ আকারে সংকলিত করেন ইহাই স্মৃতি শাস্ত্ৰ বা সংহিতা নামে পরিচিত।

(গ) ব্যাখ্যা বা নিবন্ধঃ ধর্মীয় অনুশাসনে বিভিন্ন স্মৃতির মধ্যে জটিলতা দেখা দিলে ব্যাখ্যার উদ্ভব হয়। আঞ্চলিক রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে পণ্ডিতগণ নিজেদের মতামত বা ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে প্রাচীন আইনের সংশোধন করে থাকেন। ব্যাখ্যাসমূহের মধ্যে দুটি মতবাদই অনুসরণ করা হয়ে থাকে-
(১) মিতক্ষরা মতবাদ,
(২) দায়ভাগ মতবাদ।

(ঘ) প্রথাঃ ইহা এমন রীতি যা দেশ, অঞ্চল বা মহল্লায় প্রচলিত থাকাকালে আইনের যোগ্যতা অর্জন করেছে। আদালত কর্তৃক হিন্দু প্রথাকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(১) স্থানীয় প্রথা
(২) শ্রেণী প্রথা
(৩) পারিবারিক প্রথা।

হিন্দু আইনের আধুনিক উৎসসমূহ:

(ক) আদালতের সিদ্ধান্ত বা নজির,
(খ) বিধিবদ্ধ আইন,
(গ) সুবিচার, ন্যায়পরায়ণতা।
৭,৩১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি সর্বপ্রথম কবে প্রণীত হয়েছিল?
  1. ১৭৯৩ সালে
  2. ১৮৩৪ সালে
  3. ১৮৬১ সালে
  4. ১৮৯৮ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (The Code of Criminal Procedure) সর্বপ্রথম ১৮৬১ সালে প্রণীত হয়েছিল। এটি ব্রিটিশ ভারতে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি পদ্ধতিগত আইন হিসেবে প্রণয়ন করা হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল অপরাধের তদন্ত, বিচার, গ্রেপ্তার, এবং শাস্তি কার্যকর করার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো প্রদান করা।

প্রশ্নে উল্লিখিত অন্যান্য বিকল্পগুলোর বিশ্লেষণ:
১৭৯৩ সালে: এই সময়ে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার গোড়াপত্তন হয়েছিল, তবে ফৌজদারি কার্যবিধি হিসেবে কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি। এটি ছিল প্রাথমিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সময়।
১৮৩৪ সালে: এই বছরে প্রথম ভারতীয় আইন কমিশন গঠিত হয়, যার প্রধান ছিলেন লর্ড ম্যাকলে। এই কমিশন ফৌজদারি কার্যবিধির খসড়া তৈরির জন্য কাজ শুরু করে, কিন্তু আইনটি প্রণয়ন হয় ১৮৬১ সালে।
১৮৯৮ সালে: এই বছরে ফৌজদারি কার্যবিধির সর্বশেষ সংস্করণ প্রণয়ন করা হয়, যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এটি ১৮৬১ সালের আইনের পরিবর্তিত ও সংশোধিত রূপ, যেখানে পূর্ববর্তী সংশোধনীগুলো (যেমন ১৮৭২ সালের) এবং ১৬টি সংশোধনী বিবেচনা করা হয়।

৭,৩১৮.
‘B’ মিথ্যাভাবে নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যাংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৬ অনুসারে, ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা (Cheating by Personation) বলতে এমন প্রতারণাকে বোঝায় যেখানে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রচার করে, বা জেনেশুনে একজন ব্যক্তিকে অন্যের জন্য প্রতিস্থাপন করে, অথবা নিজেকে বা অন্য কাউকে এমন ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে যিনি তিনি বা সেই ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে নন। এখানে, ‘B’ মিথ্যাভাবে নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যাংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করেছে, যা ধারা ৪১৬-এর অধীনে ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা।

- ধারা ৪১৯ অনুসারে, ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণার শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। প্রশ্নে শুধুমাত্র প্রতারণার কথা উল্লেখ আছে, কিন্তু সম্পত্তি হস্তান্তরের কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। তাই ধারা ৪১৯ প্রযোজ্য।

⇒ অর্থাৎ ‘B’-এর কাজ ধারা ৪১৬-এর অধীনে ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪১৯ অনুসারে এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৭,৩১৯.
সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারার অধীনে কিসের মাধ্যমে সরকারি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যায়?
  1. মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে।
  2. মূল দলিল দাখিলের মাধ্যমে।
  3. অনুমান নির্ভর প্রমাণের মাধ্যমে।
  4. প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি উপস্থাপনের মাধ্যমে।
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, সরকারি দলিল বা এর কোনো অংশের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দলিলের প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা যেতে পারে। এই অনুলিপিগুলোই প্রমাণ হিসাবে গৃহীত হতে পারে যদি তা সংশ্লিষ্ট দলিলের যথাযথ প্রত্যয়ন করে।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আনুষ্ঠানিক বা সরকারি কাগজপত্রের নকল তৈরি করা হয়, তাহলে সেই নকল কাগজকে মূল কাগজের প্রমাণ হিসাবে আদালতে দাখিল করা যাবে।
এই ধারার মূল বিষয়বস্তু হলো:
১. একটি দলিলের অনুমোদিত/জাবেদা নকলকে সেই মূল দলিলের প্রতিনিধিত্বকারী হিসাবে গণ্য করা হয়।
২. এই নকল মূল দলিলের সম্পূর্ণ নকল হতে পারে অথবা আংশিক নকল হতে পারে।
৩. এই অনুমোদিত/জাবেদা নকল দলিলকে আদালতে মূল দলিলের বিষয়বস্তুর প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করা হবে।

সহজ কথায়, এই ধারা অনুসারে যেকোনো সরকারি বা আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানের জারি করা দলিলের অনুমোদিত/জাবেদা নকলকে মূল দলিলের প্রতিনিধি হিসাবে আদালতে গ্রহণ করা হবে। এটি আদালতের প্রক্রিয়াকে সহজতর করে।

সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা: "অনুরূপ জাবেদা নকল সরকারি যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে বুঝতে দেয়া হয়, সে দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"
------------------
⇒ The Evidence Act,1872: section- 77.Proof of documents by production of certified copies:
- Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.

৭,৩২০.
শিশু আইনে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিকল্প পন্থা গ্রহণ করবেন-
  1. শিশু আদালত
  2. প্রবেশন কর্মকর্তা
  3. শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা
  4. শিশুর আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮- বিকল্প পন্থা (diversion)

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে গ্রেফতার বা আটকের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রমের পরিবর্তে, শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, নৃতাত্ত্বিক, মনস্তাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত পটভূমি বিবেচনাপূর্বক, বিরোধীয় বিষয় মীমাংসাসহ তাহার সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকল্পে বিকল্প পন্থা (diversion) গ্রহণ করা যাইবে। 
 
(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশুর গ্রেফতারের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালত আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়ার পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে পারিবে। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিকল্প পন্থা গ্রহণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন করিতেছে কি না প্রবেশন কর্মকর্তা তাহা লক্ষ্য রাখিবেন এবং বিষয়টি, সময় সময়, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৪) শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে প্রবেশন কর্মকর্তা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত আকারে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৫) বিকল্প পন্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(৬) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধিদপ্তর বিকল্প পন্থা বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ যুগোপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।
৭,৩২১.
বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজে সংঘটিত অপরাধের বিচার সম্পর্কে বলা হয়েছে কোন ধারায়?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪-এ বাংলাদেশের আঞ্চলিক সীমার বাইরে সংঘটিত অপরাধের বিচার সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে, যেখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
→ ধারা ৪(৪) অনুযায়ী: বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোনো জাহাজ বা বিমানে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে, তা বাংলাদেশের সীমানার ভিতরে বা বাইরে যেখানেই ঘটুক না কেন।
→ এই ধারায় "অপরাধ" বলতে এমন সব কাজকে বোঝায় যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হতো।
→ যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-4: Extension of Code to extra-territorial offences:
-The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation. -In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.
৭,৩২২.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৫ ধারা অনুযায়ী খাইখালাসি বন্ধকের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত বছর?
  1. ১২
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৫ ধারার বিধান রায়তি জোতের বন্ধকের উপর সীমাবদ্ধতা জমির পরিমাণ ও সময়ের সীমাবদ্ধতা:
-কোন রায়ত তার জোত বা তার অংশ বিশেষ সম্পূর্ণ খাইখালাসী রেহেন ব্যতীত অন্য কোনরূপ রেহেন দিতে পারবে না এবং এরূপ সম্পূর্ণ খাইখালাসী রেহেনের চুক্তির মেয়াদ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ৭ বছরের বেশি হবে না।
- এরূপ খাইখালাসী রেহেন উক্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে যে কোন সময় মুক্ত করতে পারে অর্থাৎ ৭ বছর উত্তীর্ণ হওয়ার আগে কোন জমি উদ্ধার করতে চাইলে অবশিষ্ট দেনা আনুপাতিক হারে পরিশোধ করতে হবে।
-------
Section 95. Limitation on mortgage of raiyat holdings:
(1) Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a raiyat shall not enter into any form of usufructuary mortgage other than a complete usufructuary mortgage in respect of his holding or of a portion or share thereof, and every such complete usufructuary mortgage shall be subject to the same limitations as are imposed by section 90 on a transfer of the holding of a raiyat or of any share or portion thereof; and the period for which such complete usufructuary mortgage may be entered into by any raiyat shall not exceed, by any agreement express or implied, seven years: 

Provided that any such usufructuary mortgage may be redeemed at any time before the expiry of the said period, on payment of an amount which shall bear the same proportion to the total consideration money received by the mortgagor, as the unexpired period bears to the total period for which the mortgage had been entered into.
৭,৩২৩.
দণ্ডবিধি অনুসারে শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. সাত বছর কারাদণ্ড
  2. দশ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
-If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৭,৩২৪.
রেজিস্ট্রেশন আইনানুসারে নাবালক কে?
  1. যার বয়স ১৬ বছর নয়
  2. যে সাবালক নয়
  3. শিশু আইনে যে নাবলক
  4. ব্যক্তিগত আইনে যে সাবালক নয়
ব্যাখ্যা
•নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২(৮) মতে নাবালক (minor) বলতে ঐ ব্যক্তিকে বুঝায় যে ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত আইনে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়নি।

• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ২(৮) ধারায় বলা হয়েছে, নাবালক অর্থ কোন ব্যক্তি যে তার ব্যক্তিগত আইন অনুসারে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়নি। ব্যক্তিগত আইন বলতে The Majority Act, 1875 এর উল্লেখিত আইনকে বোঝানো হয়েছে এবং এই কারণে The Majority Act, 1875 এর ৩ ধারা অনুসারে, বাংলাদেশে বসবাসরত একজন ব্যক্তির সাবালকত্ব অর্জনের বয়স নির্ধারিত হতে হবে। The Majority Act, 1875 এর ৩ ধারা অনুযায়ী, বাংলাদেশে বসবাসরত যে কোনো ব্যক্তি ১৮ বৎসর বয়স পূর্ণ হলে সাবালক হয়।
৭,৩২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী সাক্ষীর প্রতি সমন জারীর করার সময় বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর জন্য আদালত কীসের ভিত্তিতে পারিশ্রমিক অনুমোদন করবে?
  1. বিশেষজ্ঞের বয়সের ওপর
  2. আদালতের ইচ্ছার ওপর
  3. সময় এবং কাজের পরিমাণে ওপর
  4. সাক্ষীর অভিজ্ঞতার ওপর
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৬ বিধি-২:
সমন জারীর জন্য আবেদন করলে সাক্ষীর খরচ জমা দিতে হবে:
(১) যে পক্ষ কোন দেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করে, সেই পক্ষকে সমন মঞ্জুর হওয়ার পূর্বে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য সমন দেয়া হবে, আদালতে তার যাওয়া এবং আসার এবং একদিনের হাজিরার ব্যয় নির্বাহের উপযুক্ত পরিমাণ টাকা আদালতে দাখিল করতে হবে।
(২) বিশেষজ্ঞ:
অত্র বিধি অনুসারে কোন বিশেষজ্ঞকে সাক্ষী হিসাবে সমন দেয়ার জন্য কত টাকা দাখিল করতে হবে তা নির্ধারণকল্পে আদালত উক্ত বিশেষজ্ঞের সাক্ষাদান ও বিশেষজ্ঞ হিসাবে অন্য কোন কার্য সম্পাদনের জন্য কি পরিমাণ সময় লাগিবে তা বিবেচনা করে সেই অনুপাতে তার সঙ্গত পরিমাণ পারিশ্রমিক মঞ্জর করতে পারেন।

(৩) খরচের হার:
যেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আদালত কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধীন, সেক্ষেত্রে উক্ত খরচের হার নির্ধারণের সময় ঐ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা বিবেচনা করতে হবে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-16 Rule-2.
Expenses of witness to be paid into Court on applying for summons:
(1) The party applying for a summons shall, before the summons is granted and within a period to be fixed, pay into Court such a sum of money as appears to the Court to be sufficient to defray the travelling and other expenses of the person summoned in passing to and from the Court in which he is required to attend, and for one day's attendance. 
 
Experts:

(2) In determining the amount payable under this rule, the Court may, in the case of any person summoned to give evidence as an expert, allow reasonable remuneration for the time occupied both in giving evidence and in performing any work of an expert character necessary for the case.

Scale of expenses:
(3) Whether the Court is subordinate to the High Court Division, regard shall be had, in fixing the scale of such expenses, to any rules made in that behalf.
৭,৩২৬.
'Power to appoint to include power to suspend or dismiss'- The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৬
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ১৮
ব্যাখ্যা
Section 16 of The General Clauses Act,1897: Power to appoint to include power to suspend or dismiss-
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.
 
ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।
 
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ১৬ ধারার প্রয়োগ প্রসঙ্গে S. Pratap Singh v State of Punjab মামলায় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট বলেন যে, একজন সরকারি কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আছে। একই নীতি অনুসরণ করে R.P. Kapur v. Union of India মামলায় ঐ আদালত আবারও মন্তব্য করেন, কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু হলে ঐ কর্মচারীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার অধিকারী।
 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ নিয়ম মোতাবেক রিসিভার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য। ফলে রিসিভার নিয়োগাদেশ বাতিল করলে উহার বিরুদ্ধে ৪৩ আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যায় না।
৭,৩২৭.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯১ অনুযায়ী, কোন দলিল বাতিল বা রদের জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
⇒ যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা
⇒ যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৭,৩২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ বিধি ১ অনুসারে, কোনো পক্ষ আদালতে হাজিরা দিতে পারে-
  1. শুধু ব্যক্তিগতভাবে
  2. শুধু আইনজীবীর মাধ্যমে
  3. শুধু ব্যক্তিগতভাবে বা স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে
  4. ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা উকিলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩ বিধি ১- উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে:
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।

৭,৩২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক অনুসারে, অপর্যাপ্ত প্রমাণ সম্বলিত অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন দাখিল করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করবেন
  2. মামলাটি খারিজ করবেন
  3. অভিযুক্তকে দোষী ঘোষণা করতে পারেন
  4. অভিযুক্তকে সাময়িক অব্যাহতি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।

(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।

(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
৭,৩৩০.
বিচারকার্যের কোন পর্যায়ে জনগণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা যেতে পারে?
  1. কেবল চার্জ গঠনের সময়
  2. কেবল বিচারের যে কোনো ধাপে
  3. কেবল রায় প্রদানের সময়
  4. অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোনো ধাপে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ

শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
৭,৩৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান অনুসারে দেওয়ানি কারাগারে আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি সঠিক নয়?
  1. অর্থ পরিশোধের মামলায় কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।
  2. কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না।
  3. কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে।
  4. সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৫৫ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তিকে যে কোন দিনে ডিক্রী জারীর জন্য সাব্যস্ত দেনাদারকে গ্রেফতার করা যাবে ও দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যাবে।
- আটক ২ প্রকার- (১) আইনী আটক (২) বেআইনী আটক।
-আইনী আটক আবার ২ প্রকার যথা- (১) নিবারন মূলক আটক (২) শাস্তি মূলক আটক।

- কোন দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য কোন বাসগৃহে সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে প্রবেশ করা যাবে না।
- উল্লেখ্য যে, অর্থ পরিশোধের মামলায় কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।।
-------------
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান গ্রেফতার ও আটক: ডিক্রি জারির জন্য কোন ডিক্রি দায়িককে যে কোন সময় এবং যে কোন দিনে গ্রেফতার করা যাবে এবং দেওয়ানি কারাগারে তাকে আটক রাখা যাবে। তবে উক্ত ব্যক্তিকে আটক করার জন্য-
- সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না;
- কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না;
- কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।

তবে শর্ত থাকে যে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রিতে ডিক্রি দায়িককে গ্রেফতার করার পর ডিক্রি দায়িক ডিক্রির টাকা ও গ্রেফতারের খরচ গ্রেফতারকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করলে উক্ত কর্মকর্তা দায়িককে অবিলম্বে মুক্তি দিবে। এছাড়া ডিক্রি দায়িক দেউলিয়া হলে তাকে মুক্তি দেয়া যাবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানি কারাগারে আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে "কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে" বিষয়টি সঠিক নয়।
অর্থাৎ কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।
৭,৩৩২.
ধারা ১২ অনুযায়ী কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক?
  1. অধিকার বা প্রথা প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক তথ্য
  2. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়ক তথ্য
  3. ঘটনা দৈবিক না ইচ্ছাকৃত নির্ধারণে সহায়ক তথ্য
  4. দেহের অবস্থা বা শারীরিক অনুভূতি প্রদর্শনকারী তথ্য
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।

অর্থাৎ, সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী,
যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.

৭,৩৩৩.
দেওয়ানি মামলার আরজিতে উত্থাপিত দাবী সমর্থনকারী দলিলাদি বাদীর দখলে না থাকলে সেগুলির বিষয়ে তার করণীয় কি?
  1. দলিলের নকল দাখিল
  2. দলিলের তালিকা দাখিল
  3. দলিলের তালিকাসহ দখলকারের নাম দাখিল
  4. কিছু করণীয় নাই
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১৪ নং বিধি অনুযায়ী বাদী যেসব দলিলের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করে, তা তাকে দাখিল করতে হবে। বাদী তার দাবীর সমর্থনে প্রমাণ হিসেবে অন্য কোন দলিলের উপর নির্ভর করলে (তা তার হস্তগত বা আওতাধীনে থাকুক বা না থাকুক), সে ক্ষেত্রে উক্ত দলিলসমূহের একটি তালিকা প্রস্তুত করবে এবং উক্ত দলিল কার দখলে বা হস্তগত তা উল্লেখ করে আরজির সাথে যুক্ত করবে।
৭,৩৩৪.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে কয়টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১০
  2. ১১
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারার বিধান: শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:
- এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :-
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ;
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা;
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত;
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা;
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা;
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি;
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতা তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি;
(জ) শিশুর অভিমত;
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।

-শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে এই ১০টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে।
৭,৩৩৫.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করার বিরুদ্ধে মামলা করার বিধান রয়েছে-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের ২ নিয়মে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৫ আদেশের ১ নিয়মে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ৩ নিয়মে
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২(৩) নিয়মে
ব্যাখ্যা
♦অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে হয় ৩৯ আদেশের ১ এবং ২ (১) বিধির অধীন। ৩৯ আদেশের ১ বা ২(১) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করলে তা যদি অমান্য করা হয় সেই ক্ষেত্রে অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে আদালত অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে বা দেওয়ানী কারাগারে অনধিক ৬ মাস আটকের আদেশ দিতে পারে ।
৭,৩৩৬.
কোন ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যায় না?
  1. মূল দলিল স্থানান্তরযোগ্য না হলে
  2. মূল দলিলের অস্তিত্ব স্বীকার করা হলে
  3. মূল দলিলটি ৭৪ ধারায় বর্ণিত সরকারি দলিল হলে
  4. মূল দলিল সাক্ষ্য প্রদানকারীর দখলে থাকলে
ব্যাখ্যা
মাধ্যমিক সাক্ষ্য প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধান শর্ত হল যতক্ষণ প্রাথমিক সাক্ষ্য পাওয়া যায়, ততক্ষণ মাধ্যমিক সাক্ষ্য গৃহীত হয়না। দলিলের বিষয়ে কখন মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেয়া যায় সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারা অনুসারে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন দলিলের বিষয়ে মাধ্যমিক সাক্ষ্য প্রদান করা যায়-
i) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা হবে আসল দলিলটি তার দখলে থাকলে বা উক্ত ব্যক্তি দলিলটির অস্তিত্ব লিখিতভাবে স্বীকার করলে অথবা দলিলটি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে হলে।
ii) ৬৬ ধারায় নোটিশ পাওয়ার পরও দলিল দাখিল না করলে।
iii) আসল দলিলটি হারিয়ে গেলে, স্থানান্তর যোগ্য না হলে অথবা সরকারি দলিল হলে।
iv) আইনে সত্যায়িত কপি ব্যবহারের বিধান থাকলে; অথবা
v) আসল দলিলে বহুসংখ্যক দলিলের বিবরণ থাকলে দলিলের বিষয়ে মাধ্যমিক সাক্ষ্য প্রদান করা যায় ।

♦ সুতরাং মূল দলিল সাক্ষ্য প্রদানকারীর দখলে থাকলে সে ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যায় না
৭,৩৩৭.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 অনুযায়ী বার কাউন্সিল কতটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে?  
  1. ১ 
  2. এক বা একাধিক
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে এবং এর সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন। যথা-
- বার কাউন্সিলের নির্বাচিত দুইজন সদস্য এবং
- তালিকাভুক্ত যে কোনো একজন আইনজীবী।
---------------
Article-33:
(1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman.

৭,৩৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট কয়টি আদেশ(Order) আছে?
  1. ৫০টি
  2. ৪১ টি
  3. ৪৮টি
  4. ৫১ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ৫১ টি আদেশ(Order) আছে। আদেশসমূহ ১ম তফসিলে উল্লেখ আছে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ২টি অংশ-
প্রথম অংশ- ধারা [Sections]- মোট ১৫৮ টি ধারা
দ্বিতীয় অংশ-তফসিল [Schedules]- মোট ৩ টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে।

• তফসিলসমূহ (Schedules)-
প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ। মোট ৫১টি আদেশ আছে।
দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল
তৃতীয় তফসিল: কালেক্টর কর্তৃক ডিক্রি জারি
চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ
পঞ্চম তফসিল: বাতিল
৭,৩৩৯.
'Control Delivery' বলতে বোঝায় ____________ ব্যক্তিদের সনাক্ত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল।
  1. মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে জড়িত
  2. মানিলন্ডারিং আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটনে জড়িত
  3. বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটনে জড়িত
  4. মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত
ব্যাখ্যা
• ‘নিয়ন্ত্রিত বিলি' বিধানটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ আইনে উল্লেখ রয়েছে।
 
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ২(১৫) ধারায় উল্লেখ আছে-
 
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।
৭,৩৪০.
বিনা জারীতে সমন ফেরত আসার কত দিনের মধ্যে বাদী পুনরায় সমন জারীর আবেদন করতে ব্যর্থ হলে মামলা খারিজ হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ২৮ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯, বিধি-৫:
(১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোনো একজনের প্রতি সমন দেওয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারির বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেওয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেওয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দেবে। তবে, যদি উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোনো কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন-

ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদী যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও সেই বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছেন; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নতুন সমন দেওয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

(২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।
৭,৩৪১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী, একটি দলিল বাতিল করা হলে, নিবন্ধন অফিসার কী করবেন?
  1. দলিলটি সম্পূর্ণ নষ্ট করে ফেলবেন
  2. দলিলের একটি নতুন কপি তৈরি করবেন
  3. দলিলের মালিককে ক্ষতিপূরণ দেবেন
  4. দলিলের রেকর্ডে বাতিলের তথ্য লিপিবদ্ধ করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো দলিল অকার্যকর (void) বা বাতিলযোগ্য (voidable) বলে ঘোষণা করা হয় এবং আদালত সেটি বাতিলের আদেশ প্রদান করেন, তাহলে—
১) আদালত সেই দলিলের বাতিল সংক্রান্ত ডিক্রির একটি কপি সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে পাঠাবেন।
২) রেজিস্ট্রেশন অফিসার তার রেকর্ডে দলিলের কপিতে এই বাতিলের তথ্য লিপিবদ্ধ করবেন।
৩) এর ফলে দলিলটি আর কার্যকর থাকবে না এবং কেউ সেটি বৈধভাবে ব্যবহার করতে পারবে না।
অর্থাৎ আদালতের আদেশ অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন অফিসার দলিলের রেকর্ডে বাতিলের তথ্য লিপিবদ্ধ করেন, যা ভবিষ্যতে দলিলটি বৈধভাবে ব্যবহার হওয়া থেকে বিরত রাখে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
-যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসংগত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
-যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলি লিপিবদ্ধ করবেন।
-------------
⇒The Specific Relief Act, 1877-Section-39: When cancellation may be ordered:
-Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
৭,৩৪২.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ৪(১) ধারার বিধান অনুসারে নিবন্ধক হিসাবে সরকার-
  1. যে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ করতে পারেন
  2. শুধু ব্রাহ্মণ ব্যক্তিকে নিয়োগ করতে পারেন
  3. শুধু হিন্দু ব্যক্তিকে নিয়োগ করতে পারেন
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ৪(১) ধারার বিধান অনুসারে,

এই আইনের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে, সরকার, সিটি কর্পোরেশন এলাকার ক্ষেত্রে তদ্কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত এলাকা, এবং সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত এলাকার ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা এলাকায় একজন ব্যক্তিকে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করিবে। 
 
৪(৩) ধারার বিধান অনুসারে,
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির যোগ্যতা, অধিক্ষেত্র, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক কর্তৃক আদায়যোগ্য ফিস এবং তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩-এর ৫ রুলটিতে প্রার্থীর যোগ্যতা সম্পর্কে বলা আছে। রুল ৫ মোতাবেক হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার যোগ্য হতে হলে প্রার্থীকে-
ক) সরকার কর্তৃক স্বীকৃত বোর্ড হতে HSC পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
খ) কমপক্ষে ২৫ এবং অনূর্ধ্ব ৫০ বছর বয়স হতে হবে।
গ) সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হতে হবে।
ঘ) হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী হতে হবে (তবে, কাব্যতীর্থ/ব্যাকরণতীর্থ'রা অগ্রাধিকার পাবে।)

উল্লেখ্য যে, আইনে শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে, সেই সাথে উল্লেখ করেছে যোগ্যতা বিধি অনুসারে নির্ধারিত হবে।তাই বিধিমালা অনুসারে, অপশন 'গ' উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।
৭,৩৪৩.
Which other sections are mentioned in Section 500(2) that do not require release for unrelated detention matters?
  1. Sections 490 and 495
  2. Sections 496 and 497
  3. Sections 498 and 501
  4. Sections 493 and 494
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারার বিধান:-হেফাজত হতে মুক্তি দান:
(১) বন্ড সম্পাদিত হওয়ার সাথে সাথে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য উহা সম্পাদন করা হল তাকে মুক্তি দিতে হবে এবং সে জেলে থাকলে জামিন মঞ্জুরকারী আদালত উক্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন এবং উক্ত অফিসার এই আদেশ পাবার পর তাকে মুক্তি দিবেন। 

(২) যে মামলায় বন্ড সম্পাদন করা হলো কোন ব্যক্তি সেই মামলা ব্যতীত অন্য কোন মামলায় আটক থাকতে বাধ্য হলে এই ধারা, ৪৯৬ ধারা বা ৪৯৭ ধারার কোন বিধানে তার মুক্তি দাবী করা যাবে মর্মে গণ্য করা যাবে না।
----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 500:- Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him.

(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
৭,৩৪৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশ অনুযায়ী অনিয়ম কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম রদের দরখাস্ত করা হয়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯০
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯১
  3. আদেশ ২১ বিধি ৮৯
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯০ এর বিধান অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:- যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিজারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ ও ৯০ নং বিধিমতে ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার আবেদন করা যায় যা নিম্নরূপ- ডিক্রি জারিতে কোন স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত নিলাম রদের জন্য ২১ আদেশের ৯০ বিধির অধীন আবেদন করতে হয়। উক্ত নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে বিক্রয় বাতিলের জন্য আবেদন করতে হবে। উক্ত বিক্রয় বাতিলের জন্য ক্রয় মূল্যের ৫% বা নিলাম ঘোষণায় উল্লেখিত অর্থের মধ্যে যা কম তা জমা দিয়ে বিক্রয় রদের আবেদন করতে হবে।
⇒  নিলাম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম (Material Irregularity) বা প্রতারণা (Fraud) অথবা আবেদনকারীকে নোটিশ প্রদানে ব্যর্থ হলেই আদালত উক্ত নিলাম রদ করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ ও ৯০ নং বিধির অধীন আদালত বিক্রয় রদের আবেদন মঞ্জুর অথবা প্রত্যাখ্যান করে কোন আদেশ দিলে (Order for setting aside a sale/refusing an application to set aside a sale), উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কেননা নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন মঞ্জুর অথবা প্রত্যাখ্যান হল আপিলযোগ্য আদেশ।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৯ এর বিধান জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন। ১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি মালিক অথবা নিলাম বিক্রয়ের পূর্বে তথায় অর্জিত কোন স্বত্বের অনুবলে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নিলাম বিক্রয় রদের জন্য-
ক) ক্রয় মূল্যের শতকরা পাঁচ ভাগের সমান অংক ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
খ) নিলাম বিক্রয়ের উক্ত ইশতেহারের তারিখ হতে ডিক্রিদার কোন পরিমাণ টাকা গৃহীত হয়ে থাকলে তা বিয়োজনপূর্বক যে পরিমাণ টাকা আদায়ের জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে বলে নিলাম বিক্রয়ের ইশতেহারে নির্দেশ দেয়া আছে, তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে।
২) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি তার স্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য ৯০ বিধির অধীনে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে সে তার আবেদন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এই বিধির অধীনে কোন আবেদন করতে কিংবা পরিচালনা করতে অধিকারী হবে না।
৩) মোকদ্দমার ব্যায়াদি এবং নিলাম বিক্রয়ের ইশতেহারে অনুল্লিখিত না হওয়া কোন খরচা এবং সুদ সম্পর্কিত কোন দায় থেকে দায়িককে এই বিধির কোন বিধানই অব্যাহতি দিবে না।
৭,৩৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি-
  1. ফেরত পাঠাবে
  2. খারিজ করবে
  3. স্থগিত রাখবে
  4. উভয় পক্ষের সম্মতি নিয়ে বিচার করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।

-দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।

⇒ আদেশ ৭ বিধি ১০-
যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

⇒ আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩নং আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
৭,৩৪৬.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট যদি দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় শাস্তি দেয়, তবে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করতে হবে?
  1. মহানগর দায়রা জজ আদালতে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে 
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা

উত্তর : হাইকোর্ট বিভাগে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:

যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।

নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

৭,৩৪৭.
স্বামী কর্তৃক দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রতিকার চেয়ে সেই পারিবারিক আদলতে মামলা দায়ের করা যাবে না, যে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে -
  1. স্ত্রী সচরাচর বসবাস করেন না
  2. মামলা দায়েরের কারণ উদ্ভব হয়েছে
  3. মামলা দায়েরের আংশিক কারণ উদ্ভব হয়েছে
  4. মামলার পক্ষগণ একত্রে বসবাস করে বা সর্বশেষ বসবাস করেছেন
ব্যাখ্যা
⇒ Section 6. Institution of suit:
(1) Every suit under this Ordinance shall be instituted by the presentation of a plaint to the Family Court within the local limits of whose jurisdiction- 
(a) the cause of action has wholly or partly arisen; or 
(b) the parties reside or last resided together: 
Provided that in suits for dissolution of marriage, dower or maintenance, the Court within the local limits of whose jurisdiction the wife ordinarily resides shall also have jurisdiction.

অর্থাৎ স্বামী কর্তৃক দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রতিকার চেয়ে সেই পারিবারিক আদলতে মামলা দায়ের করা যাবে না, যে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে স্ত্রী সচরাচর বসবাস করেন না।
৭,৩৪৮.
কত সালে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয়?
  1. ১৭৮৭
  2. ১৮৮৭
  3. ১৮৭৭
  4. ১৮৭২
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয় ১৮৭৭ সালে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ একটি তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন যাকে ইংরেজিতে বলে substantive law.
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১লা মে কার্যকর হয়।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মোট ধারা ৫৭টি।
- এটি এমন একটি আইন যা বিশেষভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত বিষয়ে বিবেচনার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
৭,৩৪৯.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কত ধারায় আদালতকে অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জব্দ করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি:
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে৷
৭,৩৫০.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি-
  1. কখনোই প্রাসঙ্গিক নয়
  2. রেকর্ড হারিয়ে গেলে প্রাসঙ্গিক হবে
  3. রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে প্রাসঙ্গিক হবে
  4. রেকর্ড ১০ বছরের পুরানো হলে প্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
• The Evidence (Amendment) Act, 2022 এর ২২ক ধারায় বলা হয়েছে-

ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
[Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].

অর্থাৎ, ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলেই মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে।
৭,৩৫১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোথায় Cross Decree এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XI, Rule 13
  2. Order XXII, Rule 15
  3. Order XXI, Rule 18
  4. Order XXI, Rule 19
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 18 তে Cross Decree এর বিধান রয়েছে।
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৮ অনুযায়ী পাল্টা ডিক্রির ক্ষেত্রে জারি (Execution in case of cross decree):
♦একই পক্ষের মধ্যে আলাদা মোকদ্দমায় দুইটি অংকের টাকা পরিশোধের জন্য পাল্টা ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে একই সময়ে ডিক্রিগুলি জারি করার যোগ্য হবে-
√ যদি দুইটি অংক সমান হয় তবে উভয় আদালত ডিক্রি মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করবে।
√ যদি দুইটি অংক অসমান হয় তবে ক্ষুদ্রতম অংক বাদ দিয়ে বৃহত্তর অংকের ডিক্রিতে যা অবশিষ্ট থাকে তারজন্য ডিক্রিটি জারির উদ্দেশ্যে নেওয়া যাবে।
♦এই বিধি প্রযোজ্য হবে না, যদি না-
√ একটি ডিক্রিদার অন্যটির দেনাদার না হয়, এবং উভয় মোকদ্দমায় প্রত্যেক পক্ষ একই বৈশিষ্ট্য পূর্ণ করে, এবং
√ ডিক্রি অনুসারে প্রাপ্য অংক সুনির্দিষ্ট না হয়।
৭,৩৫২.
The word 'ostensible owner' refers to -
  1. Owner of property by the decree of the court
  2. Owner of property by one person actually purchased by another member of the family
  3. Owner of the property being unborn person
  4. Ownership by way of feeding the grant by estoppel
ব্যাখ্যা
• Ostensible owner বা প্রতীয়মান মালিক অর্থ হলো যে প্রকৃত মালিক না। প্রতীয়মান মালিক অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যে প্রকৃত মালিক না হয়েও যার মালিকানার সকল লক্ষণ আছে। এইরুপ মালিকানার ক্ষেত্রে স্বকার্যজনিত বাধার দ্বারা অশুদ্ধ হস্তান্তর সিদ্ধ হয় [Ownership by way of feeding the grant by estoppel]। 'হস্তান্তর করার কালে স্বত্ব ছিলনা'- হস্তান্তরকারী এইরুপ দাবি করা হতে এই নীতি দ্বারা বারিত হবে।

ধারা ৪১: কৃত্রিম মালিক কর্তৃক হস্তান্তর
যেখানে কোন ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির কৃত্রিম মালিকে পরিণত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, সেখানে গ্রহীতা হস্তান্তরকারীর হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা অবলম্বন করে থাকলে এবং সৎ বিশ্বাসে কাজ করে থাকলে, হস্তান্তরকারীর হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।

Section 41: Transfer by ostensible owner
Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.
৭,৩৫৩.
বিলম্বিত দেনমোহরের অপর নাম কী?
  1. আশু দেনমোহর
  2. মুয়াজ্জল দেনমোহর
  3. মুঅজ্জল দেনমোহর
  4. জরুরি দেনমোহর
ব্যাখ্যা

দেনমোহর:
দেনমোহর হচ্ছে প্রত্যেক বিবাহিত মুসলিম নারীর আইনগত অধিকার যা পুরুষ কর্তৃক পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। অন্য ভাষায় বলা যায়, দেনমোহর হচ্ছে স্ত্রীর নিকট স্বামীর জামানতবিহীন ঋণ যা পরিশোধ করা শুধু কর্তব্যই না বরং বাধ্যতামূলক।

দেনমোহরের প্রকারভেদ:
মুসলিম শরীয়াহ আইন অনুযায়ী, দেনমোহর দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে মুয়াজ্জল বা আশু দেনমোহর যা স্ত্রী দাবী করা মাত্র স্বামী পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে। মুয়াজ্জল দেনমোহর আবার তাৎক্ষণিক দেনমোহর হিসেবেও পরিচিত।

আরেক ধরনের দেনমোহর হচ্ছে মুঅজ্জল বা বিলম্বিত দেনমোহর। এ দেনমোহর শুধুমাত্র তালাক বা স্বামীর মৃত্যুর মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে দাবী করা যায়। অন্যথায়, মুঅজ্জল দেনমোহর দাবী করা যায় না।

দেনমোহর কখন নির্ধারণ করতে হয়:
দেনমোহর বিবাহের সময়, পূর্বে বা পরে যে কোন সময় নির্ধারণ করা যায়। এক্ষেত্রে কোন ধরা বাঁধা নিয়ম নেই। তবে দেনমোহর ব্যতীত কোন বিবাহ সম্পন্ন হতে পারে না। স্ত্রী যদি স্বেচ্ছায় দেনমোহর মাফ করে দেন তবে সেটা ব্যতিক্রম বিষয়। অন্যথায়, দেনমোহরের অস্তিত্ব বাধ্যতামূলক।

৭,৩৫৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১ অনুযায়ী আরজিতে কয়টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৭ এর বিধি ১ অনুযায়ী আরজিতে ৯টি বিষয়  উল্লেখ  করতে হয়।
১। আদালতের নাম
২। বাদীর নাম, ঠিকানা,
৩। বিবাদীর নাম ঠিকানা
৪। নাবালক হলে তার বিবরণ
৫। মামলার উৎপত্তি সময় ও কারন
৬। আদালতের এখতিয়ার
৭। বাদীর দাবিকৃত প্রতিকার
৮। আর্থিক মূল্য সংক্রান্ত বিবরণ
৯। যেক্ষেত্রে বাদী তার আংশিক দাবি পারস্পরিক পরিশোধে সম্মত হয়েছে বা বর্জন করেছে সেক্ষেত্রে অনুরূপ পরিশোধ বা বর্জন।
৭,৩৫৫.
স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে বন্ধকগ্রহীতা বাস করে
  2. যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে
  3. যেখানে বন্ধকদাতা বাস করে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মোকদ্দমা, যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে  সেই স্থানের আদালতে দায়ের করতে হবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। ধারা ১৬ অনুযায়ী যেখানে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা রুজু করতে হয়— যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক অথবা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে,

ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য মোকদ্দমা;
গ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা;
ঘ) স্থাবর সম্পত্তিতে অন্য কোন প্রকার স্বত্ব বা অধিকার নির্ণয়ের জন্য মোকদ্দমা;
ঙ) স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা;
চ) আটক অথবা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা।

উপরোল্লিখিত বিষয়ে আনিত মোকদ্দমাসমূহ যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত বা, 'গ' দফায় বর্ণিত (স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে যে স্থানে মোকদ্দমার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়েছে সে সমস্ত আদালতেই দায়ের করতে হবে।
৭,৩৫৬.
সাক্ষ্য গ্রহণ করার ক্রম আইনে নির্দিষ্ট করে বলা না থাকলে, এর ক্রম আদালত কীভাবে তা নির্ধারণ করে থাকেন?
  1. বাধ্যতামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে
  2. বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে
  3. আইনি ক্ষমতা প্রয়োগ করে
  4. মামলার পক্ষগণের আবেদন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৫ ধারা: সাক্ষীদের উপস্থাপনের ও পরীক্ষা করার ক্রম:
সাক্ষীদের উপস্থাপন এবং পরীক্ষা করার যে ক্রম তা দেওয়ানী ও ফৌজদারী কার্যক্রমের জন্য প্রযোজ্য আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। যদি কোন আইন না থাকে, তবে আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করবে।

[The order in which witnesses are produced and examined shall be regulated by the law and practice for the time being relating to civil and criminal procedure respectively, and, in the absence of any such law, by the discretion of the Court.]
৭,৩৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৯ ধারা-এর অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ-৩ অনুসারে,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৯ ধারা-এর অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের (Recovery of Possession of Immovable Property) মামলা দায়েরের 
তামাদি মেয়াদ হলো ৬ মাস। এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় সম্পত্তি বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে।

৭,৩৫৮.
নির্বাচন কমিশন কীভাবে কাজ করবে?
  1. সংসদের নির্দেশে
  2. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে
  3. আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে
  4. সংবিধান ও আইনের অধীন স্বাধীনভাবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
৭,৩৫৯.
ফৌজদারি মামলায় দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অনধিক কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে?
  1. ২ হাজার
  2. ৩ হাজার
  3. ৫ হাজার
  4. ১০ হাজার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকার অর্থদণ্ড।
 
২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
 ------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 32- Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
৭,৩৬০.
একজন শিল্পী একটি গ্যালারির সাথে চুক্তি করেছিলেন তিনি একটি চিত্রকর্ম তৈরি করবেন। পরবর্তীতে তিনি অন্য গ্যালারির জন্য চিত্রকর্ম তৈরি করেন। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুসারে প্রথম চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে না
  3. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  4. শিল্পীকে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১ এর সাথে সম্পর্কিত। ধারা ২১ অনুযায়ী, কিছু চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না, বিশেষ করে যখন চুক্তিটি ব্যক্তিগত দক্ষতা বা যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল হয়।
এই ক্ষেত্রে, শিল্পী একটি গ্যালারির সাথে চুক্তি করেছিলেন একটি চিত্রকর্ম তৈরি করার জন্য। এটি একটি ব্যক্তিগত দক্ষতা বা যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল চুক্তি, কারণ শিল্পীর ব্যক্তিগত শৈল্পিক দক্ষতা এবং সৃজনশীলতা এই চুক্তির মূল উপাদান। যখন শিল্পী অন্য গ্যালারির জন্য চিত্রকর্ম তৈরি করেন, তখন এটি প্রথম চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে।
যেহেতু এই ধরনের চুক্তি ব্যক্তিগত দক্ষতা বা যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল, আদালত সাধারণত এ ধরনের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দেন না। এর পরিবর্তে, আদালত আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৭,৩৬১.
The Contract Act, 1872 এর বিধান মতে Coercion-এর মাধ্যমে সম্মতি আদায় করলে সে চুক্তি -
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. অবৈধ
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872 এর ধারা ১৫ ও ১৯ অনুসারে, Coercion (প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ) -এর মাধ্যমে কোনো চুক্তি সম্পাদিত হলে তা বাতিলযোগ্য (Voidable) হয়।
এর অর্থ হলো, যে পক্ষটির সম্মতি জবরদস্তিমূলকভাবে নেওয়া হয়েছে, সেই পক্ষ চুক্তিটি বাতিল করার অধিকারী। তবে চুক্তিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল (Void) বা অবৈধ (Illegal) নয়, যতক্ষণ না ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ তা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।

আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
ধারা ১৪ অনুযায়ী, সম্মতি তখনই মুক্ত বা স্বাধীন (free consent) বলে গণ্য হয় যখন তা বলপ্রয়োগ (coercion), অনুচিত প্রভাব (undue influence), প্রতারণা (fraud), মিথ্যা বর্ণনা (misrepresentation) বা ভুল (mistake) দ্বারা প্রভাবিত না হয়।

ধারা ১৫ অনুযায়ী, Coercion (বলপ্রয়োগ) বলতে বোঝায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিষিদ্ধ কোনো কাজ করা বা করার হুমকি দেওয়া, অথবা কোনো ব্যক্তির স্বার্থহানি করে বেআইনিভাবে কোনো সম্পত্তি আটক করা বা আটকের হুমকি দেওয়া, যার উদ্দেশ্য হলো কোনো ব্যক্তিকে চুক্তিতে আবদ্ধ হতে বাধ্য করা।

ধারা ১৯ অনুযায়ী, যখন কোনো চুক্তিতে সম্মতি বলপ্রয়োগ (Coercion), অনুচিত প্রভাব (Undue influence), প্রতারণা (Fraud) বা ভুল তথ্য পরিবেশন (Misrepresentation)-এর মাধ্যমে আদায় করা হয়, তখন সেই চুক্তিটি সেই পক্ষের ইচ্ছাধীন বাতিলযোগ্য হয়, যার সম্মতি এভাবে আদায় করা হয়েছে। অর্থাৎ, যে পক্ষের উপর বলপ্রয়োগ করা হয়েছে, তিনি চাইলে চুক্তিটি বাতিল করতে পারেন, তবে অপর পক্ষ তা বাতিল করতে পারে না।

অর্থাৎ The Contract Act, 1872 এর বিধান মতে Coercion (বলপ্রয়োগ বা জবরদস্তি)-এর মাধ্যমে সম্মতি আদায় করলে সে চুক্তি গ) বাতিলযোগ্য (Voidable) হয়। 

৭,৩৬২.
'মোকদ্দমায় বিচারকের কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকলে, এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও উক্ত বিচারক ঐ মামলার শুনানী করতে পারবেন না।'- কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ এর ৩৬ ধারায়
  2. Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারায়
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৯ ধারায়
  4. Civil Courts Act,1887 এর ৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-

কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
 
• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
 
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested. 
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
৭,৩৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারার আওতায় আদালত অনধিক কত টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করলে, দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবেন না?
  1. ৫০ টাকা
  2. ১০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে,
কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।

অন্যদিকে,
যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
৭,৩৬৪.
জেলা জজ অসুস্থতার কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে, অস্থায়ীভাবে কে দায়িত্ব গ্রহণ করেন?
  1. সহকারী জজ
  2. যুগ্ম জেলা জজ
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ
  4. জ্যেষ্ঠ যুগ্ম জেলা জজ
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১০: জেলা জজের আদালতের অস্থায়ী দায়িত্ব:
(১) জেলা জজের মৃত্যু, পদত্যাগ, অপসারণ, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষমতা, অথবা তিনি আদালত যে স্থানে বসে সেই স্থান থেকে অনুপস্থিত থাকলে, ঐ স্থানে উপস্থিত অতিরিক্ত জেলা জজ (Additional District Judge) অথবা যদি অতিরিক্ত জেলা জজ উপস্থিত না থাকেন, তবে ঐ স্থানে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ যুগ্ম জেলা জজ (Senior Joint District Judge) নিজের স্বাভাবিক দায়িত্ব ত্যাগ না করেই জেলা জজের পদে অস্থায়ীভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন এবং জেলা জজ স্বপদে ফিরে আসা বা নতুন কর্মকর্তা নিযুক্ত হওয়া পর্যন্ত সেই দায়িত্বে থাকবেন।

(২) জেলা জজের পদে অস্থায়ী দায়িত্ব পালনকালে উক্ত অতিরিক্ত জেলা জজ বা জ্যেষ্ঠ যুগ্ম জেলা জজ, যিনি দায়িত্বে আছেন, হাইকোর্ট বিভাগ এ বিষয়ে যে নিয়ম প্রণয়ন করবে তার অধীন থেকে জেলা জজের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

৭,৩৬৫.
নিম্নের কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিপালনের জন্য বাধ্য করা যাবে?
  1. যে চুক্তি বাতিলযোগ্য প্রকৃতির
  2. যখন কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করা হয়
  3. যখন ট্রাস্টি কোন সংশ্লিষ্ট ট্রাস্টের পরিপন্থি চুক্তি করে
  4. যে চুক্তি পালন না হলে সাধিত ক্ষতি অর্থ দ্বারা পূরণযোগ্য
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে;
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে;
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে;
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।

 খ.গ, এবং ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা যায়, আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হলে বা নির্ণয় করা গেলে বা পাওয়া গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার দিবেনা বরং ক্ষতিপূরণ প্রতিকার দিবে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১২ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ভিন্ন কিছু প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না, এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার এভাবে করা যায়।

যদি চুক্তির বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি যেমন জমি বিক্রয়ের চুক্তি বা জমি লিজের বা বন্ধকের চুক্তি হয়, তাহলে আদালত ধরে নিবে চুক্তি ভঙ্গের প্রতিকার পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না এবং এই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে।
৭,৩৬৬.
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীকালে যদি এ চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা অর্জন করে, তাহলে সে ঐ চুক্তি কার্যকর করতে বাধ্য থাকবে- কোন নীতির মূল কথা?
  1. Doctrine of priority
  2. Doctrine of estoppel
  3. Doctrine of Accumulation
  4. Doctrine of Marshalling
ব্যাখ্যা
Feeding the grant by estoppel নীতিটি হলো, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীকালে যদি এ চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা অর্জন করে, তাহলে সে ঐ চুক্তি কার্যকর করতে বাধ্য থাকবে। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার মত Feeding the grant by estoppel নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।

৪৩ ধারা অনুসারে, যেখানে কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে বা ভুলক্রমে প্রকাশ করে যে, সে কোনো নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য ক্ষমতাবান এবং মূল্যের বিনিময়ে তা হস্তান্তরের ঘোষণা করে, সেখানে পরবর্তীকালে এই চুক্তি বহাল থাকার সময় সে যদি ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বত্ব অর্জন করে, তাহলে হস্তান্তর গ্রহীতার ইচ্ছা অনুসারে এই হস্তান্তর তার এই পরবর্তীকালে অর্জিত স্বত্বের উপর বলবৎ হবে।

Section 43: Transfer by unauthorised person who subsequently acquires interest in property transferred-
Where a person fraudulently or erroneously represents that he is authorised to transfer certain immoveable property and professes to transfer such property for consideration, such transfer shall, at the option of the transferee, operate on any interest which the transferor may acquire in such property at any time during which the contract of transfer subsists. 
 
Nothing in this section shall impair the right of transferees in good faith for consideration without notice of the existence of the said option. 
 
Illustration 
A, a Hindu, who has separated from his father B, sales to C three fields, X, Y and Z, representing that A is authorised to transfer the same. Of these fields Z does not belong to A, it having been retained by B on the partition; but on B's dying A as heir obtains Z. C, not having rescinded the contract of sale, may require A to deliver Z to him.
৭,৩৬৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী সমন জারির ক্ষেত্রে বিবাদীর পরিবারের কার উপর সমন জারি করা যায়?
  1. পরিবারের যেকোনো সদস্য
  2. শুধু প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্য
  3. প্রাপ্ত বয়স্ক যেকোনো সদস্য
  4. বিবাদীর পিতা বা মাতার উপর
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি-১৫ এর বিধান বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যের উপর সমনজারি (Where service may be on adult member of defendants family): বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি করা না গেলে বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যের উপর সমন জারি করা যাবে।
- আদেশ ৫ বিধি-১৫ মোতাবেক বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক (Adult Member) ব্যক্তির উপর সমন জারি করা যায়।
আদেশ ৫, বিধি ১৫ অনুযায়ী, বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর সরাসরি সমন জারি করা না গেলে, তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর সমন জারি করা যেতে পারে।
- প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য: পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের (নারী বা পুরুষ) কাছে সমন দেওয়া যাবে।
- ভৃত্য নয়: ভৃত্য (Servant) পরিবারের সদস্য হিসেবে গণ্য হবে না।
- সংশোধনী (২০১২): আগে শুধু প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যের (Adult Male Member) কাছে সমন দেওয়ার বিধান ছিল। ২০১২ সালের সংশোধনের পর, পরিবারের যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের কাছে সমন দেওয়া যায়। 
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-15. Where service may be on an adult member of the defendant's family:
- Where in any suit the defendant cannot be found and has no agent empowered to accept service of the summons on his behalf, service may be made on any adult member of the family of the defendant who is residing with him.

Explanation servant is not a member of the family within the meaning of this rule.
৭,৩৬৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯খ অনুযায়ী বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌনকর্ম করলে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের অধিক বয়সের কোনো নারীর সঙ্গে যৌনকর্ম করেন এবং ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সঙ্গে নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন। সঠিক উত্তর: খ) ৭ বছর।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
- যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

৭,৩৬৯.
সমন অমান্যের জন্য আদালত অনধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ৩০০
  2. ৫০০
  3. ১০০
  4. ২০০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
৭,৩৭০.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ অনুসারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে-
  1. সরকার কর্তৃক
  2. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক
  3. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
  4. বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ  কর্তৃক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে-বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ  কর্তৃক।

⇒ The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুচ্ছেদ ৬ এ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর বিষয়ে আলোচনা করা আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
(১) বার কাউন্সিলে একজন চেয়ারম্যান এবং একজন সহ-চেয়ারম্যান (ভাইস-চেয়ারম্যান) থাকবেন।
(২) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে (ex officio) বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন।
(৩) সহ-চেয়ারম্যান বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্বাচন করে বেছে নেওয়া হবে।
(৪) চেয়ারম্যান ও সহ-চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
----------------------------------------
⇒The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article 6:
(1) There shall be a Chairman and a Vice-Chairman of the Bar Council.
(2) The Attorney-General for Bangladesh shall be the Chairman ex officio of the Bar Council.
(3) The Vice-Chairman of the Bar Council shall be elected in the prescribed manner by the members of the Council from amongst themselves.
(4) The Chairman and the Vice-Chairman of the Bar Council shall have such powers and functions as may be prescribed.

৭,৩৭১.
Specific relief granted under ___________ is called preventive relief.
  1. clause (c) of section 5
  2. clause (b) of section 5
  3. clause (e) of section 5
  4. clause (a) of section 5
ব্যাখ্যা
⇒ Section 6 of The Specific Relief Act- Preventive relief:  Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার: ধারা-৫ (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরী ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
----------
⇒ Section 5 of The Specific Relief Act- Specific relief how given:
 Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.
৭,৩৭২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৪৮ ধারা অনুযায়ী ১ম আবেদন কত বৎসরের মধ্যে করতে হবে?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রী জারীর জন্য ১ম আবেদন ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।
• তবে নতুন আবেদন ১২ বছরের মধ্যে করতে হবে। তবে ১২ বছরের পরেও আবেদন করা যায়। যদি দেনাদার প্রতারনা বা শক্তি প্রয়োগ করে ডিক্রী জারীতে বাধা দিয়ে থাকে।
• উল্লেখ্য ২ বৎসরের মধ্যে আবেদন করলে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নাই। তবে ২ বছরে পরে আবেদন করলে দায়িক কে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
৭,৩৭৩.
একজন মৃত ব্যক্তির আর্থিক বিষয়ে কোনো বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হবে, যদি উক্ত বিবৃতিটি-
  1. উক্ত ব্যক্তির স্বার্থের অনুকূলে হয়
  2. প্রতিপক্ষ উক্ত বিবৃতি অস্বীকার করলে
  3. উক্ত ব্যক্তির আর্থিক স্বার্থের পরিপন্থি হয়
  4. প্রতিপক্ষের আর্থিক স্বার্থের প্রতিকূলে হয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি।

অর্থাৎ একজন মৃত ব্যক্তির আর্থিক বিষয়ে কোনো বিবৃতি নিজ স্বার্থের পরিপন্থি হলে, উক্ত বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হবে।
৭,৩৭৪.
The Civil Courts Act, 1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের কোন ধরণের নিয়ন্ত্রণ থাকবে?
  1. বিচারিক
  2. প্রশাসনিক
  3. প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক
  4. বিচারিক ও দাপ্তরিক
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
৭,৩৭৫.
দেওয়ানি মামলায় তামাদির বিষয়টি-
  1. আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
  2. আইনের প্রশ্ন
  3. ঘটনার প্রশ্ন
  4. অধিকারের প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মোকদ্দমায় তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন। আইনে উল্লেখিত কোনো বিষয় দ্বারা যখন কোনো সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয় বা নির্দিষ্ট হয় তখন তা আইনের প্রশ্ন। আর, আইনে উল্লেখ থাকা বিষয়ের সাথে যখন কোনো প্রাসঙ্গিক ঘটনা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্ত প্রভাবিত বা নির্দিষ্ট হয় তখন তাকে ঘটনার প্রশ্ন বলে। 
যেমন, তামাদি আইনের ৩ ধারায় উল্লেখ আছে যে, নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পর মোকদ্দমা, আপিল, দরখাস্ত ইত্যাদি দায়ের করা হলে তা খারিজ হয়ে যাবে। এই খারিজ হয়ে যাবার বিষয়টি সরাসরি আইনের প্রশ্ন। কিন্তু অন্যদিকে ৫ ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পরেও আদালতে তা গৃহীত হতে পারে, যদি আপিলকারী বা দরখাস্তকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত আপিল বা দরখাস্ত দাখিল না করার যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিলো।

অর্থাৎ, আপিলকারী বা দরখাস্তকারী অসুস্থতা, ভ্রান্তি, আইনজীবীর ভুল ইত্যাদি ঘটনাগত কারণে নির্ধারিত সময়ের ভেতরে আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে না পারলে তা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদের পরেও গৃহীত হতে পারে। ফলে, এই ৫ ধারায় একটি ঘটনার প্রশ্ন। তাই বলা হয়- তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন।
৭,৩৭৬.
আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে-
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে 
  2. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  3. আপীলের আগে
  4. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮নং আদেশের ১ থেকে ৪ বিধিতে রায় ঘোষণার পূর্বে বিবাদীকে কতিপয় ক্ষেত্রে গ্রেফতার এবং আদালতে হাজিরার জন্য কেন তাকে জামানত দিতে হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে। আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে। তবে বিবাদী যদি বাদীর দাবিযোগ্য অর্থ জামানত হিসেবে আদালতে জমা দেয় তবে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না।

⇒ বিধি-১: বিবাদীকে হাজিরার জন্য জামানত প্রদান- বিবাদী আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানো বা তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রিজারি বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি-
ⅰ) আত্মগোপন বা আদালতের আঞ্চলিক সীমানা ত্যাগ করে বা এর উদ্যেগ গ্রহণ করে: অথবা
ii) তার সম্পত্তি বা এর অংশ হস্তান্তর করে বা আদালতের স্থানীয় সীমা থেকে অপসারন করে; অথবা
iii) বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করে; তাহলে এসব ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বেই আটক বা আদালতে হাজির হয়ে কেন জামানত দেয়া হবে না এই মর্মে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে পারেন। তবে পর্যাপ্ত জামানত দিতে চাইলে আদালত আটকের আদেশ দিবেন না।

⇒ বিধি-২: কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে জামানত- ১ বিধি অনুযায়ী বিবাদী উপযুক্ত কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে, আদালত বিবাদীকে প্রয়োজনীয় অর্থ বা সম্পদ জামানত হিসাবে আদালতে জমা প্রদানের নির্দেশ দিবেন।

⇒ বিধি-৩: জামিনদার দায়মুক্তির আবেদন করলে- জামিনদার রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় স্বীয় দায়মুক্তির জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন/ওয়ারেন্ট দিতে পারেন।  বিবাদী আদালতে হাজির হওয়ার পরে আদালত উক্ত জামিনদারকে জামিননামার দায় থেকে মুক্তি দিবেন এবং বিবাদীর নিকট নতুন জামানত তলব করবেন।

⇒  প্রতিকার- সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে (আদেশ ৪৩ বিধি ১)।

⇒ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-
 ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং  ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
⇒ স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।

⇒ অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
Rule-1: Where defendant may be called upon to furnish security for appearance. Where at any stage of a suit, other than a suit of the nature referred to in section 16, clauses a) to (d), the Court is satisfied, by affidavit or otherwise-
a) that the defendant, with intend to delay the plaintiff, or to avoid any process of the Court or to obstruct or delay the execution of any decree that may be passed against him-
i) has absconded or left the local limits of the jurisdiction of the Court, or
ii) is about to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
iii) has disposed of or removed from the local limits of the jurisdiction of the Court his property or any part thereof, or

b) that the defendant is about to leave Bangladesh under circumstances affording reasonable probability that the plaintiff will or may thereby be obstrusted or delayed in the execution of any decree that may be paased against the defendant in the suit,
the Court may issue a warrant to arrest the defendant and bring him before the Court to show cause why he should not furnish security for his appearance
Provided that the defendant shall not be arrested if he pays to the officer entrusted with the execution of the warrant any sum specified in the warrant as sufficient to satisfy the plaintiff's claim; and such sum shall be held in deposit of or until the further order of the Court.
৭,৩৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. ৪৮৯ ধারা
  2. ৪৯০ ধারা
  3. ৪৯১ ধারা
  4. ৪৯৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারি আপিল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারি বা বেসরকারি হেফাজতে বেআইনি অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দিকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দিকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দিকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়

৭,৩৭৮.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান অনুযায়ী গুরুতর আঘাত নয় কোনটি?
  1. পুরুষত্বহীনকরণ
  2. হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
  3. কয়েক দিনের জন্য চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
  4. যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

উল্লিখিত প্রশ্নে কয়েক দিনের জন্য চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ গুরুতর আঘাত নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 320: Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৭,৩৭৯.
Under Order 9 Rule 3, what may the court do if neither party appears at the hearing?
  1. Adjourn the suit
  2. Dismiss the suit
  3. Pass a decree in favor of the plaintiff
  4. Pass judgment based on the documents
ব্যাখ্যা
Order 9 Rule 3: Where neither party appears, suit to be dismissed:
Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.

আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।
৭,৩৮০.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২১
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২৫
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩- পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, ইত্যাদির ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার, অথবা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা] অথবা সমমানসম্পন্ন অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ল্যান্স নায়ক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কোস্ট গার্ড বাহিনীর পেটি অফিসার অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কোনো কারণ থাকে যে, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ কোনো স্থানে সংঘটিত হইয়াছে, হইতেছে অথবা হইবার আশংকা রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া লাইসেন্স প্রিমিজেস ব্যতীত, যে কোনো সময়-ঃ
 
(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি করিতে পারিবেন এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে, বাধা অপসারণের জন্য দরজা-জানালা ভাঙ্গাসহ যে-কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন;

(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য মাদকদ্রব্য অথবা বস্তু এই আইনের অধীন আটক অথবা বাজেয়াপ্তযোগ্য বস্তু এবং কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল, দস্তাবেজ অথবা জিনিসপত্র আটক করিতে পারিবেন;

(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে-কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করিতে পারিবে; এবং

(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তিকে কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ করিয়াছেন অথবা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সূর্যাস্ত হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি পরিচালনা না করিলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কীয় কোনো বস্তু নষ্ট অথবা লুপ্ত হইবার অথবা অপরাধী পালাইয়া যাইবার আশংকা রহিয়াছে বলিয়া উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত কোনো অফিসারের বিশ্বাস করিবার সংগত কারণ থাকিলে অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি উক্ত সময়ের মধ্যে উক্ত স্থানে প্রবেশ ও তল্লাশি করিতে পারিবে।
৭,৩৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ কীসের ভিত্তিতে মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে
  2. নিম্ন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগ নিজের উদ্যোগে
  4. উল্লিখিত যেকোন একটি কারণের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে।
- যার উপর ভিত্তি করে মামলা হস্তান্তরের আদেশ দিবেন-
১. নিম্ন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে, অথবা
২. মামলার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, অথবা
৩. হাইকোর্ট বিভাগ নিজের উদ্যোগে (Suo motu) এরূপ আদেশ দিতে পারবেন।
- মামলা হস্তান্তরের শর্তসমূহ-
১. অধস্তন কোন ফৌজদারি আদালতে ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
২. কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে।
৩. কোন স্থান বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হলে।
৪. এই ধারায় প্রদত্ত কোন আদেশে পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগনের সাধারণ সুবিধার দিকে নিয়ে যাবে।
৫. ন্যায় উদ্দেশ্যে বা এই কার্যবিধির কোন বিধান অনুসারে এরূপ কোন আদেশ প্রয়োজন হলে।
-----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section:- 526: High Court Division may transfer case or itself try it:
(1) Whenever it is made to appear to the High Court Division- 
(a) that a fair and impartial inquiry or trial cannot be had in any Criminal Court subordinate thereto, or 
(b) that some question of law of unusual difficulty is likely to arise, or 
(c) that a view of the place in or near which any offence has been committed may be required for the satisfactory inquiry into or trial of the same, or 
(d) that an order under this section will tend to the general convenience of the parties or witnesses, or 
(e) that such an order is expedient for the ends of justice, or is required by any provision of this Code; it may order- 
 
(i) that any offence be inquired into or tried by any Court not empowered under sections 177 to 183 (both inclusive), but in other respects competent to inquire into or try such offence; 
(ii) that any particular case or appeal, or class of cases or appeals, be transferred from a Criminal Court subordinate to its authority to any other such Criminal Court of equal or superior jurisdiction; 
(iii) that any particular case or appeal be transferred to and tried before itself; or 
(iv) that an accused person be sent for trial to itself or to a Court of Session. 
(2) When the High Court Division withdraws for trial before itself any case from any Court it shall observe in such trial the same procedure which that Court would have observed if the case had not been so withdrawn. 
(3) The High Court Division may act either on the report of the lower Court, or on the application of a party interested, or on its own initiative: 
Provided that no application shall lie to the High Court Division for transferring a case from one Criminal Court to another Criminal Court in the same sessions division, unless an application for such transfer has been made to the Sessions Judge and rejected by him. 
(4) Every application for the exercise of the power conferred by this section shall be made by motion, which shall, except when the applicant is the Attorney-General, be supported by affidavit or affirmation. 
(5) When an accused person makes an application under this section, the High Court Division may direct him to execute a bond, with or without sureties, conditioned that he will, if so ordered, pay any amount which the High Court Division may under this section award by way of compensation to the person opposing the application.
৭,৩৮২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Solatium' এর বিধান আছে?
  1. ১২
  2. ২১
  3. ২২
  4. ২৯
ব্যাখ্যা
⇒ Solatium অর্থ হলো সান্ত্বনাপ্রদ ক্ষতিপূরণ। সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তি প্রমাণিত হলেও বিক্রেতার কাষ্টলাঘবের জন্য ক্রেতাকে সান্ত্বনাপ্রদ ক্ষতিপূরণ প্রদানে চুক্তি বলবৎ অগ্রাহ্য করা যায়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং  যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা [hardship] সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
 
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২২ ধারার অধীন ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে আদালত ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে যথা:
(১) যেক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং
(২) যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলববরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না।
------------------------------------------
⇒ Section 22: Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.

⇒ The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
i. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.

ii. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
 
⇒The following is a case in which the Court may properly exercise a discretion to decree specific performance: –
iii. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
৭,৩৮৩.
বার কাউন্সিল ট্রাইবুনাল কত জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠন হবে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল:
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ থেকে ৩৮ এ বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠন, এখতিয়ার এবং কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠনকারী প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. বার কাউন্সিল ট্রাইবুনাল গঠন হবে ৩ জন সদস্যের সমন্বয়ে।
২. তিনজন সদস্যদের মধ্যে ২ জন থাকবে বার কাউন্সিলের সদস্য যারা বার কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবে।
৩. অপর একজন সদস্য হবে বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে থেকে একজন যাকে মনোনয়ন দিবে বার কাউন্সিল।
৪. তিন সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ্য হবেন তিনি হবেন ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান।
৫. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।
৭,৩৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদলতের কোন আদেশের বিরূদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হতে পারে?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে হাজির হতে আদালত যদি সমন প্রদান করে এবং উক্ত ব্যক্তি সমন অনুযায়ি হাজির হতে ব্যর্থ হয় এবং আদলত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তির ক্রোকের আদেশ প্রদান করলে বা গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি ৪৩ আদেশের ১(চ) অনুযায়ী আপীল করতে পারে।
♦অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদলতের কোন আদেশের বিরূদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হল আদেশ ৪৩ বিধি ১ এর অধীন আপীল?
৭,৩৮৫.
আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর অধীনে, একটি একতরফা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদানের পর, অপরপক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে শুনানি ও নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো একতরফাভাবে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়, তাহলে অপরপক্ষ হাজির হওয়ার পর ৭ দিনের মধ্যে আদালতকে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি শুনানি করে নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে, যদি অপরপক্ষ চায়, তাহলে আদালত সময় বাড়াতে পারে।
অতএব, সর্বোচ্চ সময়সীমা: ৭ দিন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না:
- কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।
- কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।
- যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।
- যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
----------
Order-39 Rule-5A.
(3) If any order of ad interim or temporary injunction is passed ex-parte at the instance of a private party against another private party, the Court shall hear and dispose of the matter on merit within seven days of appearance of the opposite party, unless the period is extended further at the instance of the opposite party; and any such order of ad interim or temporary injunction shall stand vacated, if the party at whose instance it was passed, prays for adjournment, or on being called upon by the Court, fails to attend hearing.
৭,৩৮৬.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার মামলায় ভিকটিমের সাধারণ _______সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
  1. তার পরিচয় মর্যাদা জানার প্রশ্ন
  2. সত্যবাদিতা পরীক্ষা করার প্রশ্ন
  3. অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ প্রশ্ন
  4. উল্লিখিত কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ১৪৬ ধারা অনুযায়ী জেরায় তিন ধরনের প্রশ্ন করা বৈধ। যে সকল প্রশ্ন যা দ্বারা সাক্ষীর
   (i)  সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়
   (ii)  তার পরিচয় মর্যাদা জানা যায়
   (iii) তার চরিত্র আঘাত করে বিশ্বাতযোগ্যতা সম্পর্কে দুর্বলতা সৃষ্টি করা যায়

-তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায় ক্লজ(৩) এর অধীন ভিকটিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-146: Questions lawful in cross-examination:
-When a witness is cross-examined, he may, in addition to the questions hereinbefore referred to, be asked any questions which tend –
(1) to test his veracity,
(2) to discover who he is and what is his position in life, or
(3) to shake his credit, by injuring his character, although the answer to such questions might tend directly or indirectly to criminate him or might expose or tend directly or indirectly to expose him to a penalty or forfeiture

Provided that in a prosecution for an offence of rape or attempt to rape, no question under clause (3) can be asked in the cross-examination as to general immoral character or previous sexual behaviour of the victim:

Provided further that such question can only be asked with the permission of the Court, if it appears to the Court necessary for the ends of justice.
৭,৩৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ক ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষ্যের অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
  2. ফরিয়াদির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
  3. আসামির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কতিপয় ক্ষেত্রে আসামির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান:
১) দুই বা ততােধিক আসামি থাকলে এই বিধির অধীনে অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণবশতঃ পরিতুষ্ট হন যে আসামিদের এক বা একাধিক জন আদালতে হাজির থাকিতে অসমর্থ, তা হলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধপূর্বক আসামির উকিল হাজির থাকলে আসামিকে উপস্থিতি হতে রেহাই দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান কিংবা বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করে যেতে পারবেন এবং কার্যক্রমের পরবর্তী কোন পর্যায়ে উক্ত আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকিবার নির্দেশ দিতে পারবেন।

২) এইরূপ কোন মামলায় আসামির উকিল না থাকলে বা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসামির ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়ােজন মনে করেন, তা হলে তিনি উপযুক্ত মনে এবং কারণ লিপিবদ্ধপূর্বক অনুসন্ধান বা বিচার মূলতবী রাখতে পারবেন, বা উক্ত আসামির মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
৭,৩৮৮.
নাবালকের পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করবে ________।
  1. পরবর্তী বন্ধু
  2. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক
  3. আইনী অভিভাবক
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩২ আদেশে নাবালক এবং বিকৃত মস্তিক সম্পন্ন ব্যক্তি কিভাবে মামলা করবে বা তার পক্ষে কিভাবে মামলা দায়ের করা যায় তা আলোচনা করা হয়েছে। নাবালক কর্তৃক প্রত্যেক মামলা তার নামে আসন্ন/পরবর্তী বন্ধু [Next friend) কর্তৃক দায়ের করতে হবে [৩২ আদেশের বিধি-১]।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-১ এর বিধান- আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়:
নাবালক বাদী কর্তৃক প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

Order-32 Rule-1. Minor to sue by next friend:
- Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.
৭,৩৮৯.
সুরতহাল তদন্তের জন্য কে নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন?
  1. মৃত ব্যক্তির আত্মীয়
  2. স্থানীয় জনপ্রতিনিধি
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. এখতিয়ারাধীন আদালতের বিচারক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ মতে, কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-

> আত্মহত্যা করেছে, অথবা
> অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা
> এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে। [ধারা ১৭৪ (১)]

তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা সুরতহাল তদন্তের জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন এবং মৃত ব্যক্তির লাশ যেখানে রয়েছে সেই স্থানে গিয়ে দুই বা ততোধিক স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত চালাবেন।

• তখন পুলিশ উক্ত মৃত ব্যক্তির দেহের জখম, অস্থিভঙ্গ বা থেতলে যাওয়া এবং অন্যান্য জখমের চিহ্ন সম্পর্কে বর্ণনা করবে এবং যে উপায়ে বা অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা উক্ত জখমের চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয় তার উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report).
৭,৩৯০.
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি কখন সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে?
  1. একই অপরাধের জন্য বিচার হলে 
  2. ভিন্ন ভিন্ন অপরাধের জন্য বিচার হলে
  3. অভিযুক্তের অনুরোধে
  4. আদালতের অনুমতিতে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: একই অপরাধের জন্য বিচার হলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হন এবং তাদের বিরুদ্ধে যৌথ বিচার পরিচালিত হয়, তবে যদি কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যদের জড়িয়ে  দোষ-স্বীকারোক্তি দিলে উক্ত দোষ-স্বীকারোক্তি আদালত অন্যান্য অভিযুক্তদেরে বিরুদ্ধে বিবেচনায় নিতে পারেন।
⇒ শর্তসমূহ:
- একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়।
- তাদের যৌথভাবে বিচার করা হয়।
- একজন অভিযুক্ত নিজের দোষ স্বীকার করে এবং তা অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ৩০: একজন অপরাধী লোকের অপরাধ স্বীকারোক্তি যখন অপর অপরাধী লোকের বিরুদ্ধে প্রমাণ করিবার জন্য ব্যবহার করা যায়: যেইক্ষেত্রে একই অপরাধে একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে বিচার হইতেছে এবং তাহাদের মধ্যে একজনের স্বীকারোক্তি, যাহা দ্বারা সে নিজেকে ও অন্যকে জড়িত করিয়াছে বলিয়া তাহা প্রমাণ করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে আদালত উক্ত স্বীকারোক্তিকারী ও অপর লোকের বিরুদ্ধে সেই স্বীকারোক্তি বিবেচনা করিতে পারেন।
-----------------
The Evidence Act, 1872,Section 30: Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence: When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.

৭,৩৯১.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, "Grievous Hurt" এর মধ্যে কোনটি ষষ্ঠ শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত?
  1. দাঁত ভেঙে যাওয়া
  2. শ্রবণশক্তি হারানো
  3. অঙ্গ বা জোড় নষ্ট হওয়া
  4. মাথা বা মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ধারা ৩২০ অনুসারে, Grievous Hurt এর ষষ্ঠ শ্রেণী হলো “Permanent disfiguration of the head or face”, অর্থাৎ মাথা বা মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত হওয়া।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
---------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৭,৩৯২.
একজন হানাফি মুসলিম ২০২১ সালে ৪ স্ত্রী ও পিতাকে রেখে মারা যান। তার সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন হিসাবটি সঠিক?
  1. পিতা ৫/৫, ৪ স্ত্রী একত্রে ১/৬
  2. পিতা ২/৩৪ স্ত্রী একত্রে ১/৩
  3. পিতা ৭/৮, ৪ স্ত্রী একত্রে ১/৮
  4. পিতা ৩/৪, ৪ স্ত্রী একত্রে ১/৪
ব্যাখ্যা
⇒ স্ত্রীর অংশ:
স্ত্রী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
ক) ১/৪ অংশ; ও খ) ১/৮ অংশ;

ক. যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে। 

খ. যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।

♦ যদি একাধিক স্ত্রী থাকে তাহলে সব স্ত্রী মিলে ১/৪ অংশ বা ক্ষেত্র বিশেষে ১/৮ অংশ সম্পত্তি পাবে যেন একজন স্ত্রী বিদ্যমান আছে।

⇒ সন্তান না থাকলে স্ত্রীর অংশ- ১/৪ অংশ, অর্থাৎ স্ত্রী ১/৪ অংশ অনুপাতে সম্পত্তি পায়।
- এখানে এই ব্যক্তির যেহেতু সন্তান নেই ৪ জন স্ত্রী একই সাথে ১/৪ অংশ হারে সম্পতি পাবে।
- বাকি (১-১/৪ অংশ) অর্থাৎ ৩/৪ অংশ পিতা- আসাবা হিসাবে পাবে।
৭,৩৯৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কত আদেশে “মামলার খরচের জন্য জামানত” আদালতে জমা দেওয়ার বিধান আছে?
  1. আদেশ ২২ ক
  2. আদেশ ৩২
  3. আদেশ ২৪
  4. আদেশ ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৫ বিধি ১ এর বিধান হলো মামলা খরচের জন্য জামানত জমা দেওয়া বা মোকদ্দমার খরচের জন্য জামানত
⇒ বাদী দেশের বাহিরে অবস্থান করলে এবং বাদীর যদি মোকদ্দমার সম্পত্তি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন স্থাবর সম্পত্তি না থাকে সেই ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীর আবেদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মোকদ্দমার দায়েরের বা ব্যয়ের যাবতীয় খরচ এবং বিবাদীর সম্ভাব্য খরচের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
৭,৩৯৪.
সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারা অনুসারে, কত বছর পুরানো ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) ৫ বছর।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার অনুসারে, পাঁচ বছর পুরনো কোন ডিজিটাল রেকর্ডের ক্ষেত্রে আদালত এটি presume করতে পারে যে, যে ডিজিটাল সিগনেচারটি রেকর্ডে রয়েছে, তা ঐ ব্যক্তির বা তার অনুমোদিত অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা সঠিকভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৭,৩৯৫.
A এর মনিব কিছু মালপত্র বিক্রি করে টাকা আনার জন্য A কে পাঠায়। A তার মনিবকে বিক্রিত মালের টাকা দেয় নাই। A কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
  2. চুরি
  3. সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪০৫ ধারা মতে বিশ্বাসভরে ভারপ্রাপ্ত হয়ে অথবা আইনগত চুক্তির মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অপরাধীর দখলে আসার পর অপরাধী উক্ত বিশ্বাস বা চুক্তির বরখেলাপ করে সম্পত্তিটি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে লাগালে তাকে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা Criminal Breach of Trust বলে।
৭,৩৯৬.
বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি অর্থ হলো-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার
  2. জনগণের নিকট দোষ স্বীকার
  3. পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার
  4. কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা

বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি অর্থ হলো- ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ এবং ৩৬৪ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর যে দোষস্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য লিপিবব্ধ করে তাই বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ২৪: প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন কিংবা প্রতিশ্রুতির দ্বারা স্বীকারোক্তি আদায় করা হইলে ফৌজদারি মোকদ্দমায় যখন তাহা অপ্রাসঙ্গিক: কোনো ফৌজদারি মোকদ্দমার আসামি তাহার বিরুদ্ধে আনীত কোনো অভিযোগ সম্পর্কে কোনো স্বীকারোক্তি করিলে আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো লোকের দ্বারা প্রলোভন, ভীতিপ্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতি দানের ফলে আসামি উক্ত স্বীকারোক্তি করিয়াছে এবং আদালত যদি মনে করেন যে, উহার ফলে আসামি মোকদ্দমায় পার্থিব কোনো সুবিধা পাইবে বা কোনো অসুবিধা এড়াইতে পারিবে বলিয়া তাহার ধারণা হইবার যথেষ্ট কারণ ঘটিয়াছিল তবে আসামির সেই স্বীকারোক্তি অপ্রাসঙ্গিক। 
----------------------------------
The Evidence Act 1872,Section 24,Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding: A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.

৭,৩৯৭.
A একজন সরকারি কর্মচারী, যিনি Z-কে ভুলভাবে বিশ্বাস করান যে, তার (A-এর) সরকারি প্রভাবের মাধ্যমে Z একটি উপাধি অর্জন করেছেন। এই বিশ্বাসের ফলে Z, A-কে এই কাজের জন্য পুরস্কার হিসেবে অর্থ প্রদান করেন। A দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে একটি অপরাধ করেছেন?
  1. ১৫১
  2. ১৬১
  3. ২৬১
  4. ২৬৩
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৬১ ধারার বিধান- সরকারি কর্মচারী অবৈধ পুরস্কার গ্রহণ:
যে ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বা তার দায়িত্ব গ্রহণের প্রত্যাশা করছেন, সে যদি কোনো ব্যক্তি থেকে, নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য, কোনো ধরনের অবৈধ পুরস্কার গ্রহণ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা গ্রহণ করার চেষ্টা করে, এবং এটি যদি কোনো সরকারি কাজ করার বা না করার জন্য, অথবা তার সরকারি কার্যক্রমে কোনো ব্যক্তির প্রতি পক্ষে বা বিপক্ষে অনুকম্পা বা বিরোধিতা প্রদর্শন করার জন্য, বা সরকার বা আইনসভা বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারীর প্রতি কোনো সেবা বা অসেবা প্রদানের জন্য হয়, তবে তাকে ৩ বছরের পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে।

ব্যাখ্যা:
"সরকারি কর্মচারী হওয়ার প্রত্যাশা": যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার প্রত্যাশা না করেও অন্যদেরকে এভাবে প্রতারণা করে যে সে শীঘ্রই সরকারি কর্মচারী হবে এবং তারপর তাদের সেবা করবে, তবে সে প্রতারণার জন্য দোষী হতে পারে, কিন্তু এই ধারা অনুযায়ী অপরাধী নয়।
"গ্র্যাটিফিকেশন": "গ্র্যাটিফিকেশন" শব্দটি শুধুমাত্র আর্থিক উপকারিতা বা এমন কোনো পুরস্কারকেই বোঝায় যা টাকায় মাপা যেতে পারে, তা নয়; এটি এমন পুরস্কারকেও বোঝায় যেগুলো টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করা যায় না।
"আইনগত পারিশ্রমিক": "আইনগত পারিশ্রমিক" শব্দটি শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীর দাবি করা পারিশ্রমিককেই বোঝায় না; এটি এমন সমস্ত পারিশ্রমিককেও অন্তর্ভুক্ত করে যা সে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গ্রহণ করতে পারে।
"কোনো কাজ করার জন্য প্রণোদনা বা পুরস্কার": যদি কোনো ব্যক্তি কোনো কাজ না করার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করে, অথবা কোনো কাজ না করার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করে যা সে আসলে করেনি, তবে তা এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ:
(গ) A একজন সরকারি কর্মচারী, যিনি Z-কে ভুলভাবে বিশ্বাস করান যে, তার (A-এর) সরকারি প্রভাবের মাধ্যমে Z একটি উপাধি অর্জন করেছেন। এই বিশ্বাসের ফলে Z, A-কে এই কাজের জন্য পুরস্কার হিসেবে অর্থ প্রদান করেন। A এই ধারার অধীনে  অপরাধ করেছেন।
৭,৩৯৮.
"Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in ________.
  1. the Code of Criminal Procedure
  2. the Penal Code
  3. the Code of Civil Procedure
  4. all of above
ব্যাখ্যা
• Section 3(26) of The General Clauses Act,1897- "Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in the Penal Code:

ধারা ৩(২৬): কারাদন্ড
"কারাদণ্ড” অর্থে দণ্ডবিধি (সনের ৪৫ নং আইন) তে সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
৭,৩৯৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন বিভাগে আবেদনের তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত?
  1. প্রথম বিভাগ
  2. দ্বিতীয় বিভাগ
  3. তৃতীয় বিভাগ
  4. প্রথম ও তৃতীয় বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের তৃতীয় বিভাগে বিভিন্ন ধরনের দরখাস্ত ও আবেদন (Applications and Petitions) দায়েরের তামাদি মেয়াদ বর্ণিত আছে।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
- মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]
- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
- আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]
- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
- বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]
- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।

৭,৪০০.
মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের অপরাধ বিচারকালে মানব পাচার প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনাল কারণ লিপিবদ্ধ করে মূল মামলার বিচার-
  1. চলমান রাখতে পারে
  2. স্থগিত করতে পারে
  3. বাতিল করতে পারে
  4. খারিজ করতে পারে
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ ধারা ১৫- মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দণ্ড:

(১) কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধন করিবার উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিলে বা আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করিলে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহা করিতে বাধ্য করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর এবং অন্যূন ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার শুরু করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, মূল মামলার বিচার স্থগিত করিতে পারিবে।