বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৭৩ / ১৫৫ · ৭,২০১৭,৩০০ / ১৫,৪৭০

৭,২০১.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশের অধীনে আদালত বিচার্য বিষয় না থাকলে প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. আদেশ ১৪
  2. আদেশ ১৫
  3. আদেশ ১৬
  4. আদেশ ১৭
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
৭,২০২.
নিচের কোন বিষয়টি Shall presume এর অন্তর্ভূক্ত?
  1. Presumption as to physical or forensic evidence.
  2. Presumption as to digital communication.
  3. Presumption as to Gazettes in digital forms.
  4. Presumption as to telegraphic messages.
ব্যাখ্যা
⇒ Section 81A Presumption as to Gazettes in digital forms.- The Court shall presume the genuineness of every digital record purporting to be the Official Gazette, or purporting to be digital record directed by any law to be kept by any person, if such digital record is kept substantially in the form required by law and is produced from proper custody.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.

⇒ Section 89A. Presumption as to physical or forensic evidence.- The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.

⇒ Section 88 Presumption as to telegraphic messages: The Court may presume that a message, forwarded from a telegraph office to the person to whom such message purports to be addressed, corresponds with a message delivered for transmission at the office from which the message purports to be sent; but the Court shall not make any presumption as to the person by whom such message was delivered for transmission.

⇒ Section 88A. Presumption as to digital communication.- The Court may presume that a digital communication forwarded by the originator through a digital communication or message server to the addressee to whom the message purports to be addressed corresponds with the message as fed into his computer or fed into other forms of digital device for transmission; but the Court shall not make any presumption as to the persons by whom such message was sent.

Explanation.- For the purposes of this section, the expressions “addressee” and “originator” shall have the same meanings respectively assigned to them in clauses (22) and (24) of section 2 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৭,২০৩.
একটি সমনের কপি আদালতের ভবন এবং বিবাদীর শেষ বাসস্থানে টাঙানো হয়েছে, কিন্তু বিবাদী দাবি করছে যে সে কখনো দেখেনি। আইন অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধির Order 5 Rule 20(2) এর অধীনে এই সমন-
  1. অবৈধ
  2. আংশিক কার্যকর
  3. ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া সমনের মত কার্যকর
  4. শুধুমাত্র পরামর্শমূলক
ব্যাখ্যা

Order 5 Rule 20(2) অনুযায়ী- আদালতের আদেশে বিকল্পভাবে দাখিল করা সমন ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি দেওয়া সমনের সমান কার্যকর। যদিও বিবাদী সমন দেখেনি, তবুও আইন অনুযায়ী সে লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার সমান গণ্য হবে।

• আদেশ ৫, বিধি ২০- বিকল্প/প্রতিস্থাপিত সমন দাখিল:
(১) বিকল্প সমনের কারণ ও পদ্ধতি: যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় যে- বিবাদী সমন এড়ানোর উদ্দেশ্যে অনুপস্থিত আছে, অথবা অন্য কোনো কারণে সাধারণ পদ্ধতিতে সমন পৌঁছানো সম্ভব নয়, তাহলে আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে- সমনের একটি কপি আদালতের প্রধান ভবনের (Court-house) কোনো স্পষ্ট স্থানে টাঙানো হবে, এবং সমনের একটি কপি সেই বাড়ির কোনো স্পষ্ট স্থানে (যেখানে বিবাদী শেষবার বসবাস করেছিল, ব্যবসা করেছিল বা নিজের উপার্জনের কাজ করেছিল) টাঙানো হবে, অথবা যে কোনো অন্য উপায়ে, যা আদালত যথাযথ মনে করে, সমন প্রদান করা হবে।
 
(১ক) সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া: যদি আদালত উপ-ধারা (1)–এর মাধ্যমে সমন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় - সংবাদপত্রটি অবশ্যই দৈনিক হতে হবে, এবং সেই এলাকার মধ্যে প্রকাশিত হতে হবে যেখানে বিবাদী শেষবার বাস্তবে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করেছিল, ব্যবসা করেছিল বা কাজ করেছিল।
 
(২) বিকল্প সমনের কার্যকারিতা: আদালতের আদেশ অনুযায়ী বিকল্পভাবে দাখিল করা সমন, ব্যক্তিগতভাবে বিবাদীর কাছে পৌঁছানো সমনের সমান কার্যকর হবে।
 
(৩) উপস্থিতির সময় নির্ধারণ: আদালতের আদেশ অনুযায়ী যদি সমন বিকল্পভাবে দাখিল করা হয়, আদালত বিবাদীর উপস্থিতির সময় নির্ধারণ করবে, যা মামলার প্রকৃতি অনুযায়ী যথোপযুক্ত হবে।

৭,২০৪.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে পিতা কোন শ্রেণির উত্তরাধিকারী?
  1. দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham)
  2. নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud)
  3. অবশিষ্টাংশ ভোগী (Asaba)
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ পিতা মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud) হিসেবে বিবেচিত হন এবং কোরআনে তার অংশ নির্ধারিত রয়েছে।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে উত্তরাধিকারীরা মূলত তিন শ্রেণিতে বিভক্ত -
- নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud) → যাদের অংশ কোরআন-হাদিসে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
- অবশিষ্টাংশ ভোগী (Asaba) → যারা নির্দিষ্ট অংশের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি পায়।
- দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham) → যারা নির্দিষ্ট অংশীদার বা আসাবা না হয়ে দূর সম্পর্কের আত্মীয় হিসেবে উত্তরাধিকার পায়।

⇒ পিতা (Father) হলেন একজন প্রাথমিক উত্তরাধিকারী, এবং তার জন্য কোরআনে নির্দিষ্ট অংশ (যেমন ১/৬) বর্ণিত আছে, এজন্য তিনি Zawil Furud শ্রেণিতে পড়েন।
তবে পিতা অনেক ক্ষেত্রে Asaba হিসেবেও সম্পত্তি পান (যেমন সন্তান না থাকলে অবশিষ্টাংশ পাওয়া), কিন্তু তার মূল পরিচয় Zawil Furud হিসেবে।
অতএব, পিতা মূলত নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, যদিও কিছু পরিস্থিতিতে তিনি আসাবা হিসেবেও লাভবান হন।

৭,২০৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ অনুযায়ী, রিসিভারকে নিম্নলিখিত কোন ক্ষমতা দেওয়া যেতে পারে?
  1. মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ
  2. সম্পত্তি উদ্ধার, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন
  3. ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ ও প্রয়োগ
  4. উপরোক্ত সকল ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ (Order XL)-এর অধীনে রিসিভার (Receiver) নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- আদেশ ৪০-এর বিধি অনুযায়ী, আদালত রিসিভারকে সম্পত্তি সংরক্ষণ, উন্নয়ন, মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ এবং সেগুলো ব্যবহারের মতো সমস্ত প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করতে পারে, যা মালিক নিজে করতে পারতেন বা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে। তাই উপরোক্ত সব ক্ষমতা রিসিভারকে দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ রিসিভার নিয়োগ:
১(১) যদি আদালতের নিকট এটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা—
(ক) যে কোনো সম্পত্তির (ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে) রিসিভার নিয়োগ করতে পারে;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে ঐ সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করতে পারে;
(গ) উক্ত সম্পত্তি রিসিভারের দখল, হেফাজত বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে; এবং
(ঘ) রিসিভারকে এমন সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ, সম্পত্তি উদ্ধার, ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ, সেগুলোর প্রয়োগ ও ব্যয়, এবং দলিল সম্পাদন—যেমন মালিক নিজে করতে পারতেন, অথবা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে সেই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।
১(২) এই বিধানের কিছুই আদালতকে কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করার ক্ষমতা প্রদান করে না, যদি না মামলার কোনো পক্ষ সেই ব্যক্তিকে বর্তমানে অপসারণ করার অধিকার রাখে।
২ পারিশ্রমিক: রিসিভারের সেবার জন্য আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারে।
--------------
The Code of Civil Procedure, 1908, Order XL – Appointment of Receivers:
1. Appointment of Receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order—
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property;
(c) commit the same to the possession, custody, or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation, and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.

2. Remuneration of Receiver:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
৭,২০৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান কী?
  1. Warrant directed to police-officer
  2. Where warrant may be executed
  3. Notification of substance of warrant
  4. Person arrested to be brought before Court without delay
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান পরোয়ানা যেখানে বলবৎ করা যাবে: গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।
⇒ CrPC Section 82: Where warrant may be executed: A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.

-CrPC Section 79: Warrant directed to police-officer:
 A warrant directed to any police-officer may also be executed by any other police-officer whose name is endorsed upon the warrant by the officer to whom it is directed or endorsed.
-CrPC Section 80: Notification of substance of warrant:
 The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall notify the substance thereof to the person to be arrested, and, if so require, shall show him the warrant.
-CrPC Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay:
The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
৭,২০৭.
রাতের বেলায় আরিফ তার বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল তখন সে দেখতে পায় যে, কিছু লোক তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করছে। আরিফ সম্পত্তি রক্ষা করতে বাধ্য হয়ে আক্রমণকারীদের বাঁধা দেয় এবং এতে তাদের মৃত্যু হয়। এই ঘটনা দণ্ডবিধির ১০৩ ধারার বিধান অনুযায়ী-
  1. বৈধ
  2. বেআইনি
  3. শাস্তিযোগ্য
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১০৩ : যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা ঘর ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করা;
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।

Section-103: When the right of private defence of property extends to causing death:
The right of private defence of property extends, under the restrictions mentioned in section 99, to the voluntary causing of death or of any other harm to the wrong-doer, if the offence, the committing of which, or the attempting to commit which, occasions the exercise of the right, be an offence of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-
Firstly.-Robbery;
Secondly.-House-breaking by night;
Thirdly.-Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling or as a place for the custody of property;
Fourthly.-Theft, mischief or house-trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension that death or grievous hurt will be the consequence, if such right of private defence is not exercised;
৭,২০৮.
ফৌজদারি মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল কী?
  1. অভিযুক্তকে মুক্তি
  2. অভিযুক্তকে অব্যাহতি
  3. অভিযুক্তকে খালাস
  4. অভিযোগকারীকে শাস্তি
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস [Acquittal] দিবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

⇒ অপরদিকে,ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি  (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
৭,২০৯.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায় কয় শ্রেণীর লোককে সাক্ষী রূপে আহ্বান করা যায় না তবুও তাদের সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ২ শ্রেণীর
  2. ৩ শ্রেণীর
  3. ৪ শ্রেণীর
  4. ৫ শ্রেণীর
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী ৪ শ্রেণীর ব্যক্তির (মৃত ব্যক্তি, নিখোঁজ ব্যক্তি, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম, যে অযৌক্তিক বিলম্ব দ্বারা আদালতে হাজির হয় না) ৮ ধরনের সাক্ষী সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক হবে।
৭,২১০.
ক্রোকী সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন কোথায় করতে হবে?
  1. আদেশ প্রদানকারী আদালত অপেক্ষা উচ্চ আদালতে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. যে আদালত সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিয়েছিল, সেই আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারঃ যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এমর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
৭,২১১.
গণ-উপদ্রবের পুনরাবৃত্তি রোধের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৪২ ধারায়
  2. ১৪৩ ধারায়
  3. ১৪১ ধারায়
  4. ১৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৩ ধারার বিধান ম্যাজিস্ট্রেট গণ-উপদ্রব পুনরাবৃত্তি করা বা অব্যাহত রাখা নিষিদ্ধ করতে পারবেন:
- কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রাপ্ত ক্ষমতায় ক্ষমতাবলে অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তির প্রতি দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনে উল্লিখিত গণ-উপদ্রবের পুনরাবৃত্তি না করার বা উহা অব্যাহত না রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
--------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 143. Magistrate may prohibit repetition or continuance of public nuisance:
- A District Magistrate or any other Executive Magistrate empowered by the Government or the District Magistrate on this behalf may order any person not to repeat or continue a public nuisance, as defined in the Penal Code or any special law.
৭,২১২.
ফৌজদারি দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কৃত আপিল নিষ্পত্তিতে আদালত-
  1. অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারে
  2. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারে
  3. শাস্তি বহাল রাখতে পারে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারি আপিল নিষ্পত্তিতে আপিল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপিল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১.  আপিল খারিজ করতে পারে যদি  আপিলের কোন কারণ না থাকে, বা

২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে-
⇒ খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
⇒ অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
⇒ অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শাস্তি দিতে পারে।

৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে-
⇒ শাস্তি বাতিল করতে পারে,
অভিযুক্তকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে, 
⇒ পুনরায় অভিযুক্তকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে, 
⇒ শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা কমাতে পারে ইত্যাদি।

৪. দণ্ড বৃদ্ধির আপিলের ক্ষেত্রে-
⇒ শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে,
⇒ অভিযুক্তকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে,
⇒ তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে,
শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে। 

৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
৭,২১৩.
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারা অনুসারে, মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করার শাস্তি কী হবে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  3. প্রতারণার জন্য যে শাস্তি নির্ধারিত, তাই প্রযোজ্য
  4. মিথ্যা সাক্ষ্যদানের জন্য যে শাস্তি নির্ধারিত, তাই প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারা- মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।

Section 197: Issuing or signing false certificate:
Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
৭,২১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ক অনুযায়ী, প্রাথমিক সাক্ষ্য (Examination-in-chief) কিভাবে গ্রহণ করা হয়?
  1. হলফনামার মাধ্যমে
  2. লিখিত জবাবের মাধ্যমে
  3. আদালতের প্রশ্নের মাধ্যমে
  4. মৌখিকভাবে উন্মুক্ত আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ৪ক (4A), যা দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে, অনুসারে, বাদী বা বিবাদীর জবানবন্ধি গ্রহণ (Examination-in-chief) হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। এরপর তাকে জেরা (Cross-examination) এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা যাবে। এই বিধানে আরও উল্লেখ আছে যে:
- হলফনামার কপি আদালতে জমা দেওয়ার আগে অন্য পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে।
- হলফনামার সাথে দাখিলকৃত দলিলের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশের অধীন হবে।
-------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-4A. Examination-inchief on affidavit and admissibility of documents:
Notwithstanding anything contained in this Code or the Evidence Act, 1872 (Act No. 1 of 1872), the facts stated in the plaint or written statement shall not be required to be orally stated or denied by the plaintiff or the defendant, as the case may be, and in every case, the examination-in-chief of the plaintiff or the defendant, as the case may be, shall be on affidavit and he may then be cross-examined and, if necessary, re-examined:
Provided that a copy of such affidavit shall be supplied to the other party before being furnished to the Court:
Provided further that where documents are filed along with the affidavit and the parties rely upon such documents, the proof and admissibility of those documents shall be subject to the orders of the Court.

৭,২১৫.
"স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫২৭
  2. ধারা ৫২২
  3. ধারা ৫২৯
  4. ধারা ৫২৩
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২২- স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরুপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমুলক ভীতি প্রদর্শন কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখল করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানকালে বা উক্ত দণ্ডের তারিখ হতে ১ (এক) মাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেবার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে উক্ত আদেশ কর্তৃক তাহা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ।
(৩) যেকোন আপীল, সাজা অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই উপধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 522- Power to restore possession of immovable property
(1) Whenever a person is convicted of an offence attended by criminal force or show of force or by criminal intimidation and it appears to the Court that by such force or show of force or by criminal intimidation any person has been dispossessed of immovable property, the Court may, if it thinks fit, when convicting such person or at any time within one month from the date of the conviction order any the person dispossessed to be restored to the possession of the same.
(2) No such order shall prejudice any right or interest to or in such immovable property which any person may be able to establish in a civil suit.
(3) An order under this section may be made by any Court of appeal, confirmation, reference or revision.
৭,২১৬.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৫৩গ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করার পূর্বশর্ত কী?
  1. সম্পত্তির দখল থাকা
  2. নিবন্ধন দলিল থাকা
  3. খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত থাকা
  4. মৌখিক সাক্ষীর উপস্থিত থাকা
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না:
কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবেন না যদি না তার নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হন, অথবা তার নাম বা তার পূর্বসূরির নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হন, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীনে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ানে সেই সম্পত্তির সম্পর্কে উল্লেখিত থাকে, এবং অন্যথায় কৃত যেকোন বিক্রয় বাতিল হবে।

Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold:
No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.
৭,২১৭.
শাস্তি হিসেবে কেবলমাত্র জরিমানা করা হলে এবং তা অনাদায়ে কেউ দণ্ডিত হলে, আাদশের তারিখ হতে আদালত সাধারণত সর্বোচ্চ কতদিনের ভেতরে তা পরিশোধের নির্দেশ দেবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৮: কারাদণ্ড কার্যকর স্থগিতকরণ (Suspension of execution of sentence of imprisonment):
(১) যদি কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কেবল জরিমানার দণ্ডে দণ্ডিত হন এবং জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তার পরিবর্তে কারাদণ্ড নির্ধারিত থাকে, তাহলে নিম্নবর্ণিত নির্দেশ আদালত দিতে পারে:
(ক) আদালত আদেশ দিতে পারে যে, জরিমানার পুরো অর্থ:
- আদেশের তারিখ হতে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণরূপে পরিশোধ করতে হবে, অথবা
- ২ বা ৩ কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে, যার প্রথম কিস্তি ৩০ দিনের মধ্যে এবং পরবর্তী কিস্তিগুলো ৩০ দিনের ব্যবধানে দিতে হবে।

(খ) আদালত কারাদণ্ড স্থগিত রাখতে পারে, এবং দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারে, যদি সে একটি মুচলেকা দেয় (যথাসম্ভব জামিনদার সহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে) – যাতে উল্লেখ থাকবে সে নির্ধারিত দিন বা কিস্তির তারিখ অনুযায়ী আদালতে হাজির হবে এবং অর্থ পরিশোধ করবে। যদি জরিমানার পুরো অর্থ বা কোনো কিস্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না হয়, তাহলে আদালত কারাদণ্ড তৎক্ষণাৎ কার্যকর করার নির্দেশ দিতে পারে।

(২) উপরের উপ-ধারা (১)–এর বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে এমন অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে যেখানে অর্থ প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং পরিশোধ না হলে কারাদণ্ড হতে পারে। এবং যদি আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি আদালতের চাওয়ার পরও মুচলেকা দিতে অস্বীকার করেন, তাহলে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারবে।
৭,২১৮.
রিয়াদ তার স্ত্রীর জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করেন, যার ফলে তিনি দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হন। রিয়াদকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা- স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা:
কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে

ব্যতিক্রম:
অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
৭,২১৯.
আবেদনকারীর অনুপস্থিতির কারণে খারিজ হওয়া রিভিউ দরখাস্ত পুনর্বহাল করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908–এর প্রথম তফসিলের তৃতীয় বিভাগ, অনুচ্ছেদ ১৬০:
যদি কোনো রিভিউ (review) দরখাস্ত শুনানির সময় আবেদনকারীর অনুপস্থিতির কারণে খারিজ (rejected) হয়ে যায়, তাহলে সেই খারিজকৃত রিভিউ দরখাস্ত পুনর্বহাল (restore) করার জন্য আবেদনকারীকে খারিজের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে দরখাস্ত করতে হবে।

৭,২২০.
পুলিশ হেফাজতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১৭২ ধারায়
  2. ১৭৪ ধারায়
  3. ১৭৬ ধারায়
  4. ১৭৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
৭,২২১.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে আদালতে একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে। উক্ত মোকদ্দমা একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য। এক্ষেত্রে, দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীনে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারবে-
  1. 'ক'
  2. 'খ'
  3. মোকদ্দমা দায়েরকৃত আদালত
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
- এক্ষেত্রে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন শুধুমাত্র বিবাদী 'খ' করতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।
৭,২২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৩(১) অনুযায়ী, স্থানীয় এখতিয়ারের বাইরে পরোয়ানা কার্যকর করার জন্য কাকে পাঠানো যায়?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে 
  2. জেলা পুলিশ সুপারকে 
  3. মহানগর এলাকায় পুলিশ কমিশনারকে
  4. উল্লিখিত সবাইকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (The Code of Criminal Procedure, 1898) ধারা ৮৩(১) অনুযায়ী, যখন কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিকারী আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের বাইরে কার্যকর করার প্রয়োজন হয়, তখন আদালত পরোয়ানাটি সরাসরি পুলিশ কর্মকর্তার কাছে না পাঠিয়ে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের কাছে ডাকযোগে বা অন্য কোনো উপায়ে পাঠাতে পারে:
- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,
- জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট, অথবা
- মহানগর এলাকায় পুলিশ কমিশনার।
এই তিনটি কর্তৃপক্ষের যেকোনো একজনের কাছে পরোয়ানা পাঠানো যায়, যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে পরোয়ানাটি কার্যকর করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ৮৩ ধারার বিধান- অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরী করবার উদ্দেশ্যে পরোয়ানা প্রেরণ:
(১) যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা জারীকারী আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে উক্ত পরোয়ানা কার্যকর করা প্রয়োজন দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত পরোয়ানাটি কোন পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত না করে যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা যে জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট অথবা পুলিশ কমিশনার (মহানগরী এলাকা হলে) এর এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে তা কার্যকরী করতে হবে, তাঁর বরাবরে ডাক মারফত অথবা অন্য কোনভাবে তা পাঠাতে পারেন।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট বা পুলিশ কমিশনার বরাবর উক্তরূপে প্রেরণকৃত পরোয়ানার উপর তিনি তার নাম সহি করবেন এবং সম্ভব হলে ইতিপূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে নিজের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে তা কার্যকরী করার ব্যবস্থা নিবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-83. Warrant forwarded for execution outside jurisdiction:
(1) When a warrant is to be executed outside the local limits of the jurisdiction of the Court issuing the same, such Court may, instead of directing such warrant to a police-officer, forward the same by post or otherwise to any Executive Magistrate or District Superintendent of police or, the Police Commissioner in a Metropolitan Area within the local limits of whose jurisdiction it is to be executed.
(2) The Magistrate or District Superintendent or Police Commissioner to whom such warrant is so forwarded shall endorse his name thereon and, if practicable, cause it to be executed in manner hereinbefore provided within the local limits of his jurisdiction.

৭,২২৩.
'ক' তার প্রতিবেশী 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছিল। মামলার শুরুতেই আদালত 'খ' এর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরবর্তীতে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, অপর্যাপ্ত কারণে এই মামলা করা হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে 'খ', আবেদন সাপেক্ষে 'ক' এর বিরুদ্ধে অনধিক কত টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৫ ধারা মতে, অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে খেসারত (Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds):

(১) যেখানে কোনো মামলায় গ্রেফতার বা আটক করা হয়েছে অথবা পূর্ববর্তী ধারা অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে-

(ক) যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে এরূপ গ্রেফতার, আটক বা নিষেধাজ্ঞা অপর্যাপ্ত কারণে আবেদন করা হয়েছিল, অথবা

(খ) বাদীর মামলা বিফল হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে মামলা দায়ের করার কোনো যুক্তিসংগত বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না, তাহলে বিবাদী আদালতে আবেদন করতে পারবেন এবং আদালত এরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে তাঁর ব্যয় বা ক্ষতির জন্য যুক্তিসংগত প্রতিকর হিসেবে বাদীর বিরুদ্ধে তার আদেশে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আদালত তার আর্থিক আধিকারের সীমা অতিক্রম না করে ক্ষতিপূরণ আদায় করবে।

(২) এরূপ কোনো আবেদন নিষ্পত্তি করে আদেশ করলে সেই আদেশ উক্ত গ্রেফতারী, আটক বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের কোনো মামলা বাধা দিবে।
৭,২২৪.
Section 25 of the Evidence Act, 1872, deals with confessions made to:
  1. Lawyer
  2. Magistrate
  3. Police officer
  4. Friend
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
- No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী -
কেউ যদি পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার করে তাহলে তা গ্রহনযোগ্য হবে না।
৭,২২৫.
যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসর বা তার অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে উক্ত অকৃষি ভূমিতে সে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-
  1. যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ করতে
  2. পুকুর খনন করতে
  3. মসজিদ, মন্দির বা অন্য যেকোন উপাসানালয়ের স্থান নির্মাণ করতে
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯: ধারা ৬- অকৃষি ভূমি ব্যবহারের পদ্ধতি:
 
যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসর বা তার অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে সেই ক্ষেত্রে উক্ত অকৃষি ভূমিতে সে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-

ক. পাকা অবকাঠামোসহ যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ করতে;
খ. মসজিদ, মন্দির বা অন্য যেকোন উপাসানালয়ের স্থান নির্মাণ করতে;
গ. যেকোন পুকুর খনন করতে; এবং
ঘ. এমন ভূমিতে গাছ রোপণ, উক্ত বৃক্ষের ফুল, ফল এবং অন্যান্য পণ্য ভোগ করতে এবং উক্ত বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে;

অন্যদিকে, যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসরের কম কিন্তু ১ বৎসরের অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে সেই ক্ষেত্রে সে উক্ত অকৃষি ভূমিতে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-

ক. পাকা অবকাঠামো ব্যতীত যেকোন অবকাঠামো নির্মাণে;
খ. যেকোন বৃক্ষ রোপন করতে, এবং এমন বৃক্ষের ফুল, ফল এবং অন্যান্য পণ্য ভোগ করতে।
গ. উক্ত বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে।
৭,২২৬.
যে সকল ঘটনা বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম, সে গুলো প্রাসঙ্গিক হবে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৭
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ১৮
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় নিম্নলিখিত ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। যথা-

*যে সকল ঘটনা (Fact), বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের উপলক্ষ্য (Occasion) বা কারণ (Cause)

*যে সকল ঘটনা (Fact), বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের প্রভাব (Effect)

*যে অবস্থার প্রেক্ষাপটে কোন বিষয় ঘটেছে সেই অবস্থা গঠন করে এমন বিষয়

*কোন কার্য ঘটতে যে বিষয় সুযোগ করে দিয়েছে, সেই সকল বিষয় [সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭]
৭,২২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারা কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষ্য সংগ্রহের পদ্ধতি
  2. আপিল দায়েরের বিধান
  3. আদালতের বিচারিক এখতিয়ার
  4. মামলার কার্যধারায় ত্রুটি সংশোধনের সাধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারা-সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা:
আদালত যে কোনো সময়, এবং তার উপযুক্ত মনে হলে খরচ বা অন্য কোনো শর্ত আরোপ সাপেক্ষে, কোনো মামলার কার্যধারায় যে কোনো ত্রুটি বা ভুল সংশোধন করতে পারে; এবং মামলার কার্যধারার উপর নির্ভরশীল বা উত্থাপিত প্রকৃত প্রশ্ন বা বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে সকল প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
৭,২২৮.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, অভিযোগ গঠনের পর ট্রাইব্যুনালের বিচারকার্য সম্পন্ন করার সময়সীমা কত?
  1. ৯০ কার্যদিবস
  2. ১২০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ২৪০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন,২০১২ এর ধারা ২৪(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গঠনের পর ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে। সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন না হলে ট্রাইব্যুনালকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ ব্যাখ্যাসহ হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করতে হবে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।

৭,২২৯.
তামাদি আইনের ১৫(২) ধারা অনুযায়ী, তামাদি মেয়াদ গণনায় কোন সময় বাদ দেওয়া হয়?
  1. নোটিশের সময়কাল
  2. মামলার শুনানির সময়
  3. আদালতের বিবেচনার সময়
  4. ডিক্রি নকল সংগ্রহের সময়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮–এর ধারা ১৫(২) (Section 15(2), Limitation Act, 1908) অনুযায়ী "যেখানে কোনো আইনে (law) কোনো মামলার পূর্বে কোনো নোটিশ দেওয়ার বা কোনো অনুমতি বা সম্মতি (sanction or consent) গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এবং বাদী বা আবেদনকারী সেই বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে পালন করে, তখন সেই নোটিশ প্রদানের জন্য নির্ধারিত সময় বা অনুমতি/সন্মতি গ্রহণের জন্য অতিবাহিত সময় তামাদি মেয়াদ গণনায় বাদ যাবে।"

⇒ তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে:
(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন তা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেই দিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেই দিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।
(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।
--------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-15: Exclusion of time during which proceedings are suspended:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded.
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.
৭,২৩০.
মুন্সেফ 'ক', ব্যাংকার 'খ'-এর পক্ষে একটি মোকদ্দমার সিদ্ধান্ত করার জন্য 'ক'-এর প্রতি পুরস্কারস্বরূপ 'ক'-এর ভাইয়ের জন্য 'খ'-এর ব্যাংকে একটি চাকুরী সংগ্রহ করে। 'ক' দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ১৬১ ধারায়
  2. ১৬৩ ধারা
  3. ১৬২ ধারায়
  4. ১৬৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৬১ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী হইয়া বা হওয়ার আশা করিয়া কোন সরকারী কার্যের জন্য ঘুষ লওয়া:

- কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারী হবে বলে আশা করে কোন সরকারী কাজ করার অথবা করা হতে বিরত থাকার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারী দায়িত্ব সম্পাদনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করার জন্য বা করা হতে বিরত থাকার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা কোন ব্যক্তির উপকার বা অপকার করার জন্য বা তা করার চেষ্টায় নিজের অথবা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে আইনসম্মত পারিশ্রমিক ছাড়াই অপর যে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে বা লাভ বা গ্রহণ করতে সম্মত হয় বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation):-
- সরকারি কর্মচারী হবে বলে আশা করে কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হবে বলে আশা না করে কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে সরকারী কর্মচারী হবে এবং তখন কার্য করে দিবে এইরূপ ভ্রান্ত বিশ্বাস জন্মাইয়া কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি প্রতারণার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে, কিন্তু এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে না।

♦ পারিতোষিক(Gratificaion):- এই ধারায় পারিতোষিক বলতে শুধু আর্থিক পারিতোষিক অথবা অর্থের হিসেবে নির্ণেয় পারিতোষিক বুঝায় না।

♦ আইনসংগত পারিশ্রমিক (Legal remuneration):-
- এই ধারায় আইনসংগত পারিশ্রমিক বলতে কোন সরকারী কর্মচারী আইনসংগতভাবে যে পারিশ্রমিক দাবি করতে পারেন, কেবল তা বুঝায় না, যে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তিনি নিযুক্ত হয়েছেন সে কর্তৃপক্ষ তার যেসব পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে অনুমতি দিয়েছেন সেসব পারিশ্রমিকও বুঝায়।

♦ করার উদ্দেশ্যে অথবা পুরস্কার হিসাবে (A motive or reward for doing):-
- যে ব্যক্তি সে যা করতে ইচ্ছক নয় তা করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে যা করে নাই তা করার পুরস্কার হিসেবে পারিতোষিক গ্রহণ করে সে ব্যক্তিও এই কথাগুলির আওতায় আসবে।

উদাহরণসমূহ - Illustrations
(ক) ক একজন মুন্সেফ। চ জনৈক ব্যাংকার। ক একটি বিষয় চ-এর অনুকূলে নিস্পত্তি করে দেওয়ার পুরস্কারস্বরূপ চ-এর ব্যাংক তার (ক-এর) ভাইয়ের জন্য একটি চাকরি সংগ্রহ করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।
৭,২৩১.
নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি প্রমাণের প্রয়োজন নেই?
  1. আসামীর পরিচয়
  2. বাংলাদেশের সীমা রেখা
  3. উকিলের বক্তব্য
  4. পুলিশের নিকট আসামীর দোষস্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]

⇒ কিন্তু আসামীর পরিচয়, উকিলের বক্তব্য ও পলিশের নিকট আসামীর দোষস্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণের প্রয়োজন হয়।
৭,২৩২.
সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোনো ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত জরিমানার সাজা প্রদান করলে, দণ্ডিত ব্যক্তির আপিলের অধিকার থাকবে না?
  1. ২০০
  2. ১০০০
  3. ২০০০
  4. ৫০০০
ব্যাখ্যা

ধারা ৪১৪: নির্দিষ্ট সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডপ্রাপ্তের আপিল নিষিদ্ধ:
কোনো ব্যক্তিকে যদি ম্যাজিস্ট্রেট (ধারা ২৬০ অনুযায়ী ক্ষমতাসম্পন্ন) সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ড দেয়, এবং সেই দণ্ড মাত্র ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হয়, তবে সেই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না।

[Notwithstanding anything herein before contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding five thousand taka only.]

৭,২৩৩.
'When instrument may be rectified'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৩০ ধারার
  2. ৩১ ধারার
  3. ৩৫ ধারার
  4. ৩৮ ধারার
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:
যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

Section 31-  
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৭,২৩৪.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় (Joinder of Parties) বলতে কি বোঝায়?
  1. Joinder of Plaintiffs
  2. Joinder of defendants
  3. Joinder of Plaintiffs or defendants
  4. Joinder of legal representatives of parties
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ
২. বিবাদী পক্ষ 

আদেশ ১ বিধি ১-৩ [মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)]-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

উদহারণ-
'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে। এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
৭,২৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২১ অনুসারে, আদালত একই সাথে ব্যক্তি ও সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করতে-
  1. বাধ্য
  2. অস্বীকার করতে পারে
  3. বাদীকে নির্দেশ দিবে
  4. জারীকারক কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিবে
ব্যাখ্যা
আদেশ-২১ বিধি-২১ এর বিধান- যুগপৎ জারি:
 আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর ডিক্রি জারি করতে অস্বীকার করতে পারে

⇒ Order-21 Rule-21- Simultaneous execution: 
The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment debtor. 
৭,২৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫(গ) ধারার আওতায়, মামলার স্থানান্তরের সময় ম্যাজিস্ট্রেট কাকে নোটিশ দেবেন?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটরকে
  2. আসামির আইনজীবীকে
  3. তদন্তকারী অফিসারকে
  4. উল্লিখিত সকলকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫(গ) তে যে মামলাসমূহ একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য, সেই সকল মামলার স্থানান্তর সম্পর্কে বলা হয়েছে। অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে যদি ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তাহলে তিনি-
 
⇒ মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
⇒ জামিন সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানসমূহের শর্ত সাপেক্ষে আসামিকে হেফাজতে রাখার জন্য প্রেরণ করবেন;
⇒ সাক্ষ্যের জন্য উপস্থাপন করতে হবে এরূপ দলিলাদি এবং জিনিসপত্র (যদি থাকে) তা সহ আদালতে প্রেরণ করবেন;
⇒ পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ দিবেন।
৭,২৩৭.
পূর্বে দণ্ডিত অপরাধী যদি পুনরায় কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট তাকে তার ঠিকানা জানানোর আদেশ দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬৫: পূর্বে কোন অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের ঠিকানা জানানোর আদেশ (Order for notifying address of previously convicted offender)
কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের কোন আদালত কর্তৃক দন্ডবিধির ২১৫, ৪৮৯ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯গ বা ৪৮৯ঘ ধারা অথবা দ্বাদশ অধ্যায় বা সপ্তদশ অধ্যায়ের অধীনে তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের জন্য সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের জন্য দণ্ডিত হওয়ার পর, উক্ত ব্যক্তি পুনরায় যদি হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উপর্যুক্ত ধারাসমূহ বা অধ্যায়গুলির যে কোনো একটির অধীন তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত হয়,

তাহলে উক্ত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অন্য কোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার সময় আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, এই দণ্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ হতে অনধিক পাঁচ বৎসর পর্যন্ত নির্ধারিত পদ্ধতিতে তার বাসস্থান ও বাসস্থানের পরিবর্তন বা বাসস্থান হতে অনুপস্থিতি বিজ্ঞাপিত করতে হবে। তবে আপিলে বা অন্য কোন ভাবে উক্ত দণ্ড নাকচ হলে উক্ত আদেশও বাতিল হয়ে যাবে।
৭,২৩৮.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে একটি দেওয়ানি আদালত উহার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  2. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
  3. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  4. দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

একটি দেওয়ানি আদালত অগ্রক্রয় (Pre-emption) সংক্রান্ত মোকদ্দমায় বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না, কারণ এটি একটি আইনগত অধিকারভিত্তিক মামলা, যেখানে আদালতের ভূমিকা আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত প্রদান করা।
৭,২৩৯.
‘A’ ‘B’ কে একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা পরিচালনা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে তার ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ‘A’ কর্তৃক কী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. অত্যাচার
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. অপরাধমূলক আত্মসাৎ
  4. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি ( injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।

♦ এখানে ‘A' দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করেছে।

♦ দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৭,২৪০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৬৭(৫)-এর অধীন কত দিনের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত না হলে আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ২৪০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৬৭(৫)-এর অধীন, অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা তদন্তের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত না হলে আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে। এটি অপরাধের প্রকারভেদ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত কর্তৃক করা হয়, এবং জামিন না দেওয়া হলে কারণ লিপিবদ্ধ করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধান:
(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,
ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং
খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আসামিকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন
আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-167:
(5) If the investigation is not concluded within one hundred and twenty days from the date of receipt of the information relating to the commission of the offence or the order of the Magistrate for such investigation- 
(a) the Magistrate empowered to take cognizance of such offence or making the order for investigation may, if the offence to which the investigation relates is not punishable with death, imprisonment for life or imprisonment exceeding ten years, release the accused on bail to the satisfaction of such Magistrate; and 
(b) the Court of Session may, if the offence to which the investigation relates is punishable with death, imprisonment for life or imprisonment exceeding ten years, release the accused on bail to the satisfaction of such Court: 
Provided that if an accused is not released on bail under this subsection, the Magistrate or, as the case may be, the Court of Session shall record the reasons for it: 
Provided further that in cases in which sanction of appropriate authority is required to be obtained under the provisions of the relevant law for pthe rosecution of the accused, the time taken for obtaining such sanction shall be excluded from the period specified in this sub-section.

৭,২৪১.
দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান কী?
  1. Cheating
  2. Mischief
  3. Criminal trespass
  4. Cheating by personation
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:-
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
--------------------------
⇒ The Penal Code,1860, Section 425: Mischief:
-Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation 1.-It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation 2.-Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
৭,২৪২.
চুরির শর্ত নয় কোনটি?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. অনুমতি ব্যতীত সম্পত্তি সরানো
  3. সম্পত্তির দখল
  4. স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:

(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা।

(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।

(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।

(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।

(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।

♦ অর্থাৎ চুরির শর্ত মতে স্থাবর সম্পত্তি চুরি করা যায় না।
৭,২৪৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৭ অনুযায়ী অনুরোধপত্র ব্যবস্থাটি কিসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. মামলা প্রত্যাহারের
  2. কমিশন জারি করার
  3. সাক্ষ্য গোপন রাখার
  4. সাক্ষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৭৭ অনুযায়ী, বিদেশে অবস্থানরত সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কমিশন ইস্যু করার পরিবর্তে, আদালত অনুরোধপত্র (Letter of Request) পাঠাতে পারে। এটি একটি বিকল্প ব্যবস্থা, যা তখন ব্যবহার করা হয় যখন সাক্ষী বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করেন এবং কমিশনের মাধ্যমে তাঁকে পরীক্ষা করা সম্ভব বা সুবিধাজনক নয়।
- ধারা ৭৭ স্পষ্টভাবে বলে: "In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request..."
- অর্থাৎ, "কমিশন ইস্যু করার বিকল্প হিসেবে অনুরোধপত্র ব্যবস্থাটি প্রযোজ্য।"

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৭ ধারা- অনুরোধপত্র:
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, এরূপ যে কোন দেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার নিমিত্তে আদালত কমিশন প্রেরণ করার বিপরীতে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 77: Letter of request:
In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.

৭,২৪৪.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন করা-
  1. বাধ্যতামূলক
  2. ঐচ্ছিক
  3. আবশ্যক
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন করা ঐচ্ছিক।

• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩ এ দেয়া আছে-

(১) অন্য কোন আইন, প্রথা ও রীতি-নীতিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, হিন্দু বিবাহের দালিলিক প্রমাণ সুরক্ষার উদ্দেশ্যে হিন্দু বিবাহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নিবন্ধন করা যাইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন হিন্দু বিবাহ এই আইনের অধীন নিবন্ধিত না হইলেও উহার কারণে কোন হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী সম্পন্ন বিবাহের বৈধতা ক্ষুণ্ণ হইবে না।
৭,২৪৫.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ পাওয়ার পর শুনানীর পূর্বে কতদিন সময় দিয়ে একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন?
  1. ১৪ দিন
  2. ২১ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ৪৫ বিধিতে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল হতে মামলাটি পাওয়ার পর ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান অভিযোগ শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন এবং উহা বার কাউন্সিল হতে মামলাটি পাওয়ার দিন হতে ২১ দিনের কম হবে না।
- মামলা শুনানীর কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মামলার নোটিশ ও কাগজপত্রের কপি সংশ্লিষ্ট এডভোকেট এবং বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের নিকট প্রেরণ করতে হবে।
------------------------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972: Rule-45: On receipt of reference from the Bar Council, the Chairman of the Tribunal shall fix a date for the hearing of the case not earlier than twenty one days from such receipt and a notice of the fixed date shall be served on the advocate concerned as well as the Attorney-General, along with copies of the record that has been forwarded to the Tribunal, so as to reach the advocate as well as the Attorney-General not less than seven days before the date fixed.

-Notice of the date shall also be served on the complainant in case the complaint is not by a court or by a public officer acting in his official capacity. Notice of the date should also be put up on the notice board of the Bar Council.
৭,২৪৬.
কোন বিলে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সম্মতি দেবার সময়সীমা কতদিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৪০ দিন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদে আইন প্রণয়ন পদ্ধতি সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

এই অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদে আনীত প্রস্তাব বা আইনের খসড়া বিল নামে পরিচিত। সংসদ কর্তৃক বিলটি গৃহীত হলে তা রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরের জন্যে প্রেরণ করা হয়। রাষ্ট্রপতিকে ১৫ দিনের মধ্যে বিলে স্বাক্ষর করতে হয় কিংবা এটি পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করতে হয়। এই সময়সীমার মধ্যে রাষ্ট্রপতি তা করতে ব্যর্থ হলে তিনি বিলে সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতি কোন বিল পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করলে তা পুনরায় রাষ্ট্রপতির নিকট সম্মতির জন্যে প্রেরিত হলে তাতে রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়। অন্যথায় তিনি স্বাক্ষর বা সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর উক্ত বিল আইনে পরিণত হয়।

অনুচ্ছেদ ৮০- আইন প্রণয়ন পদ্ধতি:

(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনের দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতি দান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
৭,২৪৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সর্বাধিক কত দিন সময় দেওয়া যায়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া (mediation) সম্পন্ন করার জন্য সর্বাধিক ৬০ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
- তবে, যদি পক্ষগণ একমত হন বা আদালত মনে করে যে মধ্যস্থতার প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য আরও কিছু সময় প্রয়োজন, তাহলে আদালত এই সময়সীমা আরও ৩০ দিন বাড়াতে পারবে।
- এর মানে হলো, সর্বাধিক ৯০ দিন পর্যন্ত সময় দেওয়া যেতে পারে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য।
- এখানে, ৯০ দিনের সময়সীমা উল্লিখিত হতে পারে প্রাথমিক ৬০ দিন এর পর, ৩০ দিন বাড়ানোর বিধান অনুযায়ী।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮৯ক(৪) অনুযায়ী: “...mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days... unless the Court... extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.”
- অর্থাৎ, প্রাথমিকভাবে ৬০ দিন সময় দেওয়া হয় মধ্যস্থতা শেষ করার জন্য।  প্রয়োজনে আদালত আরও ৩০ দিন সময় বাড়াতে পারে।
- অতএব, সর্বাধিক সময় = ৬০ + ৩০ = ৯০ দিন।
 তাই সঠিক উত্তর: গ) ৯০ দিন।
৭,২৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ
  2. সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ
  3. জামিনদারের অব্যাহতি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারা জামিনদারের অব্যাহতির বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। এই ধারার মাধ্যমে জামিনদার যে মুচলেকা দিয়েছে, সে মুচলেকা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বাতিল করার জন্য জামিনদার ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে পারে। আবেদন পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট জামিনপ্রাপ্ত আসামিকে হাজির করার জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবেন এবং জামিনদারকে অব্যাহতি প্রদান করবেন। এরপর আসামি হাজির হলে তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। যদি আসামি নতুন জামিনদার না দিতে পারে, তবে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.

৭,২৪৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় আপিল abatement এর বিধান আছে?
  1. ৩০২ ধারায়
  2. ৩৪২ ধারায়
  3. ৪৩১ ধারায়
  4. ৪৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ আপিলকারীর মৃত্যু হলে আপিলের পরিণতি সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় বলা হয়েছে।
i) আপিলকারীর মৃত্যু হলে (জরিমানার ক্ষেত্রে আপিল ব্যতীত) আপিলটি অ্যাবেট বা বাতিল হয়ে যাবে। তবে জরিমানা বা অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপিলে আপিলকারীর মৃত্যু হলেও আপিলটি অ্যাবেট হবে না।
ii) মৃত্যুদন্ড বা কারাদন্ডের বিরুদ্ধে আপিলে আসামী মারা গেলে সাধারণত আপিলটি বাতিল হবে। কিন্তু জরিমানা ও অর্থদন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আসামী ও আপিলকারী মারা গেলেও আপিলটি বাতিল হবেনা।
iii) অপর্যাপ্ত কারাদন্ড ও খালাসের আপিলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিলটি বাতিল হবে না, কিন্তু আসামি মারা গেলে আপিলটি বাতিল হবে।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল অ্যাবেট বা পন্ড হওয়ার বিধান রয়েছে।
৭,২৫০.
কাদের জন্য 'হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২' প্রযোজ্য?
  1. বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য
  2. বাংলাদেশের সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বী নাগরিকের জন্য
  3. বাংলাদেশের বাইরে অবস্থানকারী সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ১ এ দেয়া আছে-
(১) এই আইন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে। 
(২) ইহা নাগরিকত্ব নির্বিশেষে বাংলাদেশে বসবাসরত সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীর জন্য প্রযোজ্য হইবে। 
(৩) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে ইহা কার্যকর হইবে।
৭,২৫১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের কত নম্বর আইন?
  1. ২নং আইন
  2. ৩নং আইন
  3. ১নং আইন
  4. ৫নং আইন
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:
⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭; (১নং আইন)
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ তফলিস: নেই;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।

৭,২৫২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী, আদালত মামলার পক্ষ বা কোনো পক্ষের সাক্ষী ব্যতীত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে?
  1. আদেশ-১৬, বিধি-৬
  2. আদেশ-১৬, বিধি-১৩
  3. আদেশ-১৬, বিধি-১১
  4. আদেশ-১৬, বিধি-১৪
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১৬ বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে

বলা আছে- হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

Order 16 Rule 14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-

Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document]

• অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল
৭,২৫৩.
প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্টসমূহ প্রথমে কার নিকট পেশ করা হবে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. অর্থ মন্ত্রনালয়ের
  4. সংসদের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩২: সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন

প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্টসমূহ রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেন।

Article 132: Reports of Auditor General to be laid before Parliament
The reports of the Auditor General relating to the public accounts of the Republic shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament.
৭,২৫৪.
দন্ডবিধি অনুযায়ী বেআইনী সমাবেশ (Unlawful Assembly) গঠনের জন্য কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনী সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।
♦ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
৭,২৫৫.
'A' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবি করে। 'A' মামলা করতে পারে-
  1. বণ্টনের
  2. ঘোষণার
  3. অগ্রক্রয়ের
  4. ক্ষতিপূরণের
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
- শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
 
- ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
 
- অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
 
-যেহেতু 'A' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবি করে জমিতে 'A' এর বৈধ দখলকে অস্বীকার করছে। এই ক্ষেত্রে উক্ত জমিতে 'A' এর যে বৈধ অধিকার আছে তার ঘোষণা চেয়ে 'A' দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৭,২৫৬.
হাইকোট বিভাগ কোন মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল করে কোন আদেশ দিলে বা অন্য কোন আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের কপি (নকল) পাঠাতে হবে-
  1. জেলা জজের নিকট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  3. দায়রা জজের নিকট
  4. কারা কর্তৃপক্ষের নিকট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ধারা ৩৭৯ ধারা মতে হাইকোট বিভাগের নিকট কোন মৃত্যুদণ্ডের আদেশ অনুমোদনের জন্য মামলার কার্যক্রম ৩৭৪ ধারায় দাখিল করা হলে, হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত বিষয়ে ৩৭৬ ধারায় মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন/ অন্য কোন আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের কর্মকর্তা উক্ত আদেশের কপি কোন বিলম্ব ছাড়া দায়রা আদালতের নিকট পাঠাবে।
৭,২৫৭.
আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার করার জন্য কমপক্ষে কয়টি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হতে হবে?
  1. ৫টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ১টি
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার অধীন পলাতক বা ফেরারী আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের পদ্ধতি বলা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালনের পর অর্থাৎ হুলিয়া জারি ও সম্পত্তি ক্রোকের পর যদি আদালত মনে করে যে, আসামী গ্রেফতার ও বিচার এড়ানোর জন্য পলায়ন করেছে, আত্মগোপান করেছে এবং আসামীকে গ্রেফতার করার কোনো আশু সম্ভাবনা নাই, তাহলে মামলা আমল গ্রহণকারী আদালত কমপক্ষে ২টি বহুল প্রচারিত বাংলা দৈনিক জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আসামীকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ অনুসারে আদালতে হাজির হতে ব্যর্থ হলে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার অনুষ্ঠিত হবে। তবে ৩৩৯-খ এর ২ উপধারা অনুযায়ী, আসামী কোন ভাবে আদালতে একবার হাজির হওয়ার পর বা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলায়ন করলে বা হাজির হতে ব্যর্থ হলে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন না করেই তার অনুপস্থিতিতেই আদালত বিচারকার্য পরিচালনা করবেন।
৭,২৫৮.
মামলা বাদী / বিবাদীর নতুন পক্ষভুক্ত করার ফলাফল বিষয়ে তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ২০ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ২২ ধারায়
  4. ২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ২২ ধারা মতে নতুন বাদী/ বিবাদী মামলা পক্ষভুক্ত হলে তার জন্য সেই দিন থেকে মামলা করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
♦ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৬ অনুযায়ী মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি পক্ষভুক্ত করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
৭,২৫৯.
ফৌজদারি মামলা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে দায়রা আদালতের ক্ষমতা দেয়া আছে-
  1. ৫২৫ক ধারায়
  2. ৫২৬ ধারায়
  3. ৫২৬খ ধারায়
  4. ৫২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলা এক ফৌজদারি আদালত হতে অন্য ফৌজদারি আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারি আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারি মামলা বা আপিল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারি মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-

১. আপিল বিভাগের (ধারা- ৫২৫ক),
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা- ৫২৬),
৩. দায়রা জজের (ধারা- ৫২৬খ)।
৭,২৬০.
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে চোরাচালানের সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাবাস
  3. ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাবাস
  4. ১০ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাবাস
ব্যাখ্যা
চোরাচালান

১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ ধারায় চোরাচালান একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ (১) ধারায় বলা হয়েছে, বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা বা আইনের অধীন অরোপিত বাধানিষেধ লঙ্ঘন করে বা বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের অধীন আদায়যোগ্য কোন শুল্ক বা কর ফাঁকি দিয়ে-
ক. বাংলাদেশী পাট, স্বর্ণ বা রুপা, স্বর্ণ বা সিলভার প্রস্তুতির দ্রব্যাদি, মুদ্রা, খাদ্যপণ্য, ঔষধসমূহ, আমদানিকৃত পণ্য বা অন্যকোন পণ্যসমূহ বাংলাদেশের বাইরে নিয়ে যায়;
খ. যেকোন পণ্য বাংলাদেশে নিয়ে আসে তাহলে সেটা চোরাচালান বলে গণ্য হবে।

শাস্তি
২৫খ (১) ধারায় চোরাচালানের (Smuggling) শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাবাস বা ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাবাস কিন্তু ২ বৎসরের কম না এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
অন্যদিকে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এর ২৫খ (২) ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কোন পণ্য বিক্রি করে বা বিক্রির প্রস্তাব দেয় বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে বা নিজ নিয়ন্ত্রণে বা দখলে রাখে তাহলে সে ২৫খ(২) ধারায় উল্লেখিত চোরাচালানের জন্য দণ্ডিত হবে এবং ২৫খ (২) ধারায় উল্লেখিত শাস্তি অর্থাৎ ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১ বৎসরের নিচে নয় এমন দণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
৭,২৬১.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এ সংঘবদ্ধ মানব পাচার গোষ্ঠীর প্রত্যেক অপরাধ সংঘটনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
 
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্তুগত বা অবস্তুগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে, উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৭,২৬২.
মুসলিম আইনের অধীন কোনো বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে, পারিবারিক আদালত কত দিনের মধ্যে চেয়ারম্যানকে ডিক্রির প্রতিলিপি প্রেরণ করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: ধারা ২৬: মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানকে প্রভাবিত না করা:
(১) এই আইনের কোনো কিছুই মুসলিম পরিবারিক আইন অথবা তদধীন প্রণীত বিধিমালার কোনো বিধানকে প্রভাবিত করিবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো পারিবারিক আদালত মুসলিম আইনের অধীন সংঘটিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে আদালত ডিক্রি প্রদানের ৭(সাত) দিনের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের ধারা ৭ এ উল্লিখিত সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে উক্ত ডিক্রির প্রত্যয়িত প্রতিলিপি প্রেরণ করিবে এবং, চেয়ারম্যান উক্ত প্রতিলিপি প্রাপ্ত হইবার পর, এইরূপ কার্যক্রম গ্রহণ করিবেন যেন তিনি উক্ত আইনের অধীন কোনো তালাকের সংবাদ প্রাপ্ত হইয়াছেন।

(৩) মুসলিম আইন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পারিবারিক আদালত কোনো ডিক্রি প্রদান করিলে যে তারিখে চেয়ারম্যান উপধারা (২) এর অধীন উহার প্রতিলিপি গ্রহণ করিয়াছেন সেই তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর হইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সময়ের মধ্যে পক্ষগণের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান অনুসারে কোনো আপোষ মীমাংসা কার্যকর হইলে উক্ত ডিক্রির কোনো কার্যকারিতা থাকিবে না।
৭,২৬৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য?
  1. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  2. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
  3. সংবিধান ও আইন মান্য করা
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:

(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷

Article 21. Duties of citizens and of public servants:

(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
৭,২৬৪.
একজন ব্যক্তি জেনে-শুনে চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে সহায়তা করলে দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে দোষী হবে?
  1. ৪১০ ধারা
  2. ৪১১ ধারা
  3. ৪১৩ ধারা
  4. ৪১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে কোনো সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি, এবং সেই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে, বিলিব্যবস্থা করতে, বা সরিয়ে ফেলতে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তি এই ধারার অধীনে দোষী বলে গণ্য হবে।
- এই অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

অন্যান্য অপশন গুলোর মধ্য:
→ ৪১০ ধারা: চোরাই সম্পত্তির সংজ্ঞা দেয়, শাস্তি নির্ধারণ করে না।
→ ৪১১ ধারা: চোরাই মাল গ্রহণ বা রক্ষা করার শাস্তি নির্ধারণ করে।
→ ৪১৩ ধারা: অভ্যাসগতভাবে চোরাই মাল বেচাকেনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
অতএব, প্রশ্নে বর্ণিত কর্মকাণ্ডের জন্য সঠিক ধারা হলো ৪১৪, যা চোরাই মাল লুকাতে সহায়তা করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।


⇒ দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারা- চোরাইমাল গোপন করিবার ব্যাপারে সহায়তাকরণ:
কোনো ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 414: Assisting in concealment of stolen property:
Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৭,২৬৫.
Fill in the blanks with appropriate prepositions:
He pleaded ____ the judge ____ a more lenient sentence.
  1. with, for
  2. to, with
  3. for, with
  4. to, for
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: He pleaded with the judge for a more lenient sentence.

Plead (with somebody) (for something/to do something)
Bangla Meaning - অনুনয়-বিনয়/কাকুতি-মিনতি করা। 

Rule: যার কাছে মিনতি করা হয় তার পূর্বে 'with' এবং যার জন্য মিনতি করা হয় তার পূর্বে 'for' ব্যবহৃত হয়। 
Ex: Masum pleaded for money with his father. 

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৭,২৬৬.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোনটি বাংলাদেশী মুদ্রার অন্তর্ভূক্ত?
  1. কড়িসমূহ
  2. পদক
  3. স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখন্ড
  4. “ফারুখাবাদ" টাকা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।

বাংলাদেশী মুদ্রা:- বাংলাদেশী মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশী মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।

উদাহরণসমূহ:

(ক) কড়িগুলো মুদ্রা নয়।

(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখণ্ড অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়ে থাকলেও মুদ্রা নয়।

(গ) পদকগুলো মুদ্রা নয়, যেহেতু উহা অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য নির্মিত হয় নাই।

(ঘ) কোম্পানির টাকা বলে অঙ্কিত মুদ্রা রানীর মুদ্রা বলে পরিগণিত হবে।

(ঙ) "ফারুখাবাদ" টাকা যা পূর্বে ভারত সরকারের ক্ষমতাধীনে অর্থরুপে ব্যবহৃত হত-তবুও বাংলাদেশী মুদ্রা, যদিও এটা আজও অনুরূপভাবে ব্যবহৃত হয় না।

---------------------
♦ “Coin” defined Bangladesh coin:
Section 230. Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used. 
 
Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money. 
 
Illustrations:
 
(a) Cowries are not coin. 
 
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin. 
 
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money. 
 
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin. 
 
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৭,২৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬ অনুসারে, বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে ক্ষমতা প্রয়োগ করেন এবং যা তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত, সেগুলো কী নামে পরিচিত?
  1. বিশেষ ক্ষমতা
  2. অতিরিক্ত ক্ষমতা
  3. সাধারণ ক্ষমতা
  4. অসাধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৬-এর শিরোনামই হচ্ছে "ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা" (Ordinary powers of Magistrates)। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, সকল বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Executive Magistrate)-এর ওপর যথাক্রমে যে ক্ষমতা অর্পিত হয়েছে এবং যা তৃতীয় তফসিলে (Third Schedule) বর্ণিত রয়েছে, সেগুলো তাদের "সাধারণ ক্ষমতা" (Ordinary powers) নামে পরিচিত।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা- ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা:
সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।
--------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 36- Ordinary powers of Magistrates:
-All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".

৭,২৬৮.
Which of the following is an essential element of the offense of rioting under Section 146?
  1. Unlawful assembly
  2. Use of force or violence
  3. Common objective of the assembly
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
Section 146- Rioting:
Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.

ধারা ১৪৬- দাঙ্গা:
কখনো কোন বেআইনি সমাবেশ দ্বারা বা এর যে কোন সদস্য দ্বারা এরূপ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বল বা হিংস্র পদ্ধতি প্রয়ােগ করা হলে, এরূপ সমাবেশের প্রতিটি সদস্য দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী হবে।
৭,২৬৯.
'X' মৃত্যু হবে জেনেও 'Y' এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে গুলি ছোঁড়েন। কিন্তু ঐ গুলিতে 'Z' এর মৃত্যু হয়। 'X' এক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 এর অধীনে কোন ধরণের অপরাধ করেছেন?
  1. খুন
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা
  3. খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।

⇒ অর্থাৎ 'X' মৃত্যু হবে জেনেও 'Y' এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে গুলি ছোঁড়েন। কিন্তু ঐ গুলিতে 'Z' এর মৃত্যু হয়। 'X' এক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 এর ৩০১ ধারার অধীনে খুনের অপরাধ করেছেন।

---------------
⇒ Section 301. Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৭,২৭০.
কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী সময় কোন বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে?
  1. অপরাধের ধরন
  2. শালীনতা
  3. শাস্তির মেয়াদ
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচিতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী-
কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

Section 52- Mode of searching women:
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৭,২৭১.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে মূল দলিলের সাথে মিলিয়ে দেখা নকল কী ধরনের সাক্ষ্য?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  3. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য
  4. অপ্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৩ অনুযায়ী, মূল দলিলের সাথে মিলিয়ে দেখা অনুলিপি বা নকল হলো মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence)।
- এই ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিতগুলো মাধ্যমিক সাক্ষ্যর অন্তর্ভুক্ত হয়: মূল দলিল থেকে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত অনুলিপি, মূল দলিলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা কপি, সত্যায়িত অনুলিপি ইত্যাদি।

উদাহরণ:
- ধরা যাক, একটি জমির বিক্রয় চুক্তিপত্রের মূল কপি না পাওয়া গেলেও তার স্ক্যান করা ফটোকপি যদি মূল কপির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয় এবং তার নির্ভুলতা প্রমাণিত হয়— তবে সেটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে গৃহীত হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্য- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(১) বর্ণিত বিধানবলি অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section - 63. Secondary evidence:
Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.
৭,২৭২.
দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতে কী দাখিল করতে হয়?
  1. লিখিত বর্ণনা/written statement
  2. আরজি / plaint
  3. দরখাস্ত/petition
  4. উপরের যে কোনোটি।
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারায় বলা হয়েছে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজির বা plaint মাধ্যমে দায়ের করতে হবে।
৭,২৭৩.
যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানের ব্যর্থতার কারণে আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে না
  2. আপিল করা যাবে
  3. রিবিউ করা যাবে
  4. দণ্ড মওকুফের আবেদন করা যাবে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপীল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যকোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
♦অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত দণ্ড আরোপ করে উক্ত দণ্ডাদেশের  বিরুদ্ধে আপীল করা যাবেনা।
♦ধারা ৪১৪ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেই। যেমনঃ ২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
৭,২৭৪.
তামাদি আইনে ৩ বছরের মেয়াদে কোন মামলা দায়ের করা যেতে পারে?
  1. বিক্রয় রদের মামলা
  2. দলিল বাতিলের মামলা
  3. সুনির্দিষ্ট চুক্তির প্রবল মামলা
  4. দখল পুনরুদ্ধারের মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনে বিভিন্ন ধরনের মামলার জন্য আলাদা আলাদা তামাদি মেয়াদ রয়েছে।
- উল্লিখিত প্রশ্নের মধ্যে দলিল বাতিলের মামলা ৩ বছরের তামাদি মেয়াদের মধ্যে দায়ের করতে হয়।


- দলিল বাতিলের মামলা (খ): তামাদি আইনের ৯১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দলিল বাতিলের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
- এই মেয়াদ দলিল বাতিলের কারণ জানার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।

অন্যদিকে, 
- বিক্রয় রদের মামলা (ক): এই মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
- সুনির্দিষ্ট চুক্তির প্রবল মামলা (গ): এই মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
- দখল পুনরুদ্ধারের মামলা (ঘ): এই মামলার তামাদি মেয়াদ ৬ মাস (স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে)।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) দলিল বাতিলের মামলা।
৭,২৭৫.
"Attempt to commit suicide" এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫০০ টাকা অর্থ দণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারার বিধান আত্মহত্যা করার চেষ্টা:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ Section 309. Attempt to commit suicide:- Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৭,২৭৬.
'জনসাধারণের কল্যাণে চিরন্তন হস্তান্তরের বিধি-নিষেধ প্রযোজ্য হবে না।'- সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ১৭ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চিরন্তন হস্তান্তর বিরুদ্ধ নীতি এমনভাবে হস্তান্তর করা যাবে না যা হস্তান্তরের তারিখে এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং জীবনকালের পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে। The Transfer of Property Act, 1882 এর ১৪ ধারায় এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
 
ধারা ১৮: জনসাধারণের কল্যাণে চিরন্তন হস্তান্তর-
ধর্ম, জ্ঞান, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা মানব জাতির কল্যাণকর কাজের অগ্রগতির জন্য জনস্বার্থে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করলে ১৪, ১৬ ও ১৭ ধারার বিধি- নিষেধ প্রযোজ্য হবে না।
 
Section 18: Transfer in perpetuity for benefit of public-
The restrictions in sections 14, 16 and 17 shall not apply in the case of a transfer of property for the benefit of the public in the advancement of religion, knowledge, commerce, health, safety, or any other object beneficial to mankind.
৭,২৭৭.
নিম্নের কোন কাজটি দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার অধীনে অপরাধে সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. অপরাধের খবর দেয়া
  2. অপরাধে প্ররোচিত করা
  3. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করা
  4. ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে, আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।

দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে 'প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা' অপরাধ হতে পারে-
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation);
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement  in any conspiracy);
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)

Section 107. Abetment of a thing:
A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or 
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or 
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing. 
 
Explanation 1.- A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing. 
 
Illustration 
A, a public officer, is authorized by a warrant from a Court of Justice to apprehend Z. B, knowing that fact and also that C is not Z, wilfully represents to A that C is Z, and thereby intentionally causes A to apprehend C. Here B abets by instigation the apprehension of C. 
 
Explanation 2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
৭,২৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সাধারণ অনুসন্ধান বা পরিদর্শনের জন্য পরোয়ানা জারি করা যায়?
  1. ৯৬ ধারা
  2. ৯৭ ধারা
  3. ৯৮ ধারা
  4. ৯৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৬ অনুযায়ী, আদালত সাধারণ অনুসন্ধান বা পরিদর্শন (search) করার জন্য পরোয়ানা (search warrant) জারি করতে পারে। এটি তখন জারি করা হয় যখন আদালত বিশ্বাস করে যে কোনো ব্যক্তি আদেশ বা সমন অনুসারে নির্দিষ্ট দলিল বা জিনিস প্রদান করবে না, অথবা ওই দলিল বা জিনিস কোনো ব্যক্তির কাছে নেই। এই পরোয়ানা অনুসারে নির্দিষ্ট স্থান বা ব্যক্তি থেকে অনুসন্ধান করা হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান:
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-96: When search-warrant may be issued:
-(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition,
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person,
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection,
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.

(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৭,২৭৯.
কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে?
  1. ২ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ আইনের ৫ ধারায় উল্লেখ আছে, কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে ৪ ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হবে। অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের জন্য প্রদত্ত শাস্তিই পাবে।

ধারা ৪ অনুযায়ী, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের শাস্তি হিসেবে দেয়া আছে-
 
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷ 

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷

ধারা ৫- অপরাধ সংঘটনের সহায়তার শাস্তি
 কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিলে তিনি ধারা ৪-এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

অর্থাৎ কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
৭,২৮০.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় নালিশ (Complaint) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৪(খ)
  2. ধারা ৪(গ)
  3. ধারা ৪(ছ)
  4. ধারা ৪(জ)
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪(জ): নালিশ (Complaint)-

"নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে। অর্থাৎ অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে।

⇒ পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট নালিশ বলে গণ্য হবে না।
 
Section- 4(h)-
"complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
৭,২৮১.
ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ১১৮ ধারার অধীন শান্তিরক্ষার বা সদাচরনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০৬ ধারা অনুযায়ী কোন ম্যাজিষ্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ১১৮ ধারা অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দিবার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপীল দায়ের করতে পারবে। তবে শর্ত এই যে, সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দিয়া নির্দেশ দিতে পারেন যে, প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট যেখানে যা প্রযোজ্য আপীল চলবে, দায়রা আদালতে নহে। আরও শর্ত এই যে, যাদের বিরুদ্ধে ১২৩ ধারার (২) ধারা বা (৩ক) এই ধারার বিধানানুসারে দায়রা জজের নিকট মামলা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এই ধারার কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।
♦অর্থাৎ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১১৮ ধারা অনুযায়ী শান্তিরক্ষার বা সদাচরণের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারেন। এ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হয় দায়রা জজের আদালতে
৭,২৮২.
যদি মূল দলিলটি একটি সরকারি দলিল হয়, তবে কোন ধরনের গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য?
  1. মৌখিক বিবরণ
  2. প্রত্যয়িত অনুলিপি
  3. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তৈরি অনুলিপি
  4. মূলের সাথে তুলনা না করা অনুলিপি
ব্যাখ্যা
⇒ যখন মূল দলিলটি একটি সরকারি দলিল (public document) হয়, তখন প্রত্যয়িত অনুলিপি (certified copy) একটি গ্রহণযোগ্য গৌণ সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
- এটা ধারা 65 এর বিধান অনুযায়ী, যেখানে বলা হয়েছে যে, যখন কোনো দলিল একটি সরকারি দলিল হয়, তখন সেই দলিলের প্রত্যয়িত (certified) কপি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে। সরকারি দলিলের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ধরনের গৌণ সাক্ষ্য, যেমন মৌখিক বিবরণ, যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তৈরি কপি বা মূলের সাথে তুলনা না করা অনুলিপি গ্রহণযোগ্য নয়।

- সরকারি দলিলের ক্ষেত্রেও ফটোকপি বা যান্ত্রিক কপি যদি প্রত্যয়িত না হয়, তবে তা আইনত প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা 65(e) অনুযায়ী, গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত দেওয়া আছে। এর মধ্যে একটি শর্ত হলো:
- "When the original is a public document within the meaning of section 74."
এবং এর পরে উল্লেখ আছে:
- "In case (e) or (f), a certified copy of the document, but no other kind of secondary evidence, is admissible."

⇒ অর্থাৎ, যদি মূল দলিলটি একটি সরকারি দলিল (public document) হয়, যেমন ধারা 74-এ সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, তবে শুধুমাত্র প্রত্যয়িত অনুলিপি (certified copy) গৌণ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। অন্য কোনো ধরনের গৌণ সাক্ষ্য (যেমন মৌখিক বিবরণ বা অন্যান্য অনুলিপি) এই ক্ষেত্রে গ্রহণ করা যাবে না।
৭,২৮৩.
‘B’ Z-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়, কিন্তু Z খাবার না খাওয়ায় হত্যা সংঘটিত হয় না। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুসারে 'B' এর কাজটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ১১৮ ধারা
  2. ১২০ক ধারা
  3. ৫০৭ ধারা
  4. ৫১১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫১১ অনুসারে, যে কেউ এমন কোনো অপরাধ করার চেষ্টা করে, যা দণ্ডবিধিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য, এবং সেই চেষ্টায় অপরাধ সংঘটনের দিকে কোনো কাজ করে, তবে তা শাস্তিযোগ্য। এই ধারা অনুসারে, যদি অপরাধের চেষ্টার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে, তবে শাস্তি হবে মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘B’ Z-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়, যা হত্যার চেষ্টা (Attempt to Murder) হিসেবে গণ্য। হত্যা (ধারা ৩০২) এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, হত্যার চেষ্টার জন্য ধারা ৩০৭ অনুসারে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। যেহেতু এটি চেষ্টার অপরাধ এবং ধারা ৫১১ এর আওতায় পড়ে, তাই এটি ধারা ৫১১ এর অধীনেও বিবেচিত হয়।

অর্থাৎ ‘B’-এর কাজ, অর্থাৎ Z-কে হত্যার উদ্দেশ্যে বিষ মেশানো, ধারা ৫১১ (এবং ধারা ৩০৭) অনুসারে হত্যার চেষ্টা হিসেবে শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৫১১ ধারা।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

৭,২৮৪.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে দলিল বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে না-
  1. বিনিময় দলিল
  2. নালিশযোগ্য দাবীর দলিল
  3. উইল
  4. বন্ধক দলিল
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে দলিল বলতে উইল ব্যতীত অন্য যেকোন দলিল অন্তর্ভুক্ত হবে।

Section 3:
“instrument” means a non-testamentary instrument:
৭,২৮৫.
"Special provisions as to evidence relating to digital record" এই বিধানটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৭৩খ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা মতে ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের জন্য বিশেষ বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬৫খ এর বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে।

------------
⇒ Special provisions as to evidence relating to digital record:
Section 65A.  The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B. 

⇒  Section 65B- Admissibility of Digital Records: (1) Notwithstanding anything contained in this Act, any information contained in a digital record which is printed on a paper, stored, recorded or copied in optical or magnetic media produced by a computer (hereinafter referred to as the computer output) shall be deemed to be also a document, if the conditions mentioned in this section are satisfied in relation to the information and computer in question and shall be admissible in any proceedings, without further proof or production of the original, as evidence of any contents of the original or of any fact stated therein of which direct evidence would be admissible.
(2) The conditions referred to in sub-section (1) in respect of a computer output shall be the following, namely :¾
(a) the computer output containing the information was produced by the computer during the period over which the computer was used regularly to store or process information for the purposes or any activities regularly carried on over that period by the person having lawful control over the use of the computer;
(b) during the said period, information of the kind contained in the digital record or of the kind from which the information so contained is derived was regularly fed into the computer in the ordinary course of the said activities;
(c) throughout the material part of the said period, the computer was operating properly or, if not, then in respect of any period in which it was not operating properly or was out of operation during that part of the period, was not such as to affect the digital record or the accuracy of its contents; and
(d) the information contained in digital record reproduces or is derived from such information fed into the computer in the ordinary course of the said activities.
(3) Where over any period, the function of storing or processing information for the purposes of any activities regularly carried on over that period as mentioned in clause (a) of sub-section(2) was regularly performed by computers, whether-
(a) by a combination of computers operating over that period; or
(b) by different computers operating in succession over that period; or
(c) by different combinations of computers operating in succession over that period; or
(d) in any other manner involving the successive operation over that period, in whatever order, of one or more computers and one or more combinations of computers,
all the computers used for that purpose during that period shall be treated for the purposes of that section as constituting a single computer; and references in this section to a computer shall be construed accordingly.

(4) In any proceedings where it is desired to give a statement in evidence by virtue of this section, a certificate containing any of the following things, that is to say,-
(a) identifying the digital record containing the statement and describing the manner in which it was produced;
(b) giving such particulars of any device involved in production of that digital record as may be appropriate for the purpose of showing that the digital record was produced by a computer;
(c) dealing with any of the matters to which the conditions mentioned in sub-section (2) relate,
and purporting to be signed by a person occupying a responsible official position in relation to the operation of the relevant device or the management of the relevant activities (whichever is appropriate) shall be evidence of any matter stated in the certificate; and for the purposes of this sub-section it shall be sufficient for a matter to be stated to the best of the knowledge and belief of the person stating it.

(5) For the purposes of this section,-
(a) information shall be taken to be supplied to a computer if it is supplied thereto in any appropriate form and whether it is so supplied directly or (with or without human intervention) by means of any appropriate equipment;
(b) whether in the course of activities carried on by any official, information is supplied with a view to its being stored or processed for the purposes of those activities by a computer operated otherwise than in the course of those activities, that information, if duly supplied to the computer, shall be taken to be supplied to it in the course of those activities;
(c) a computer output shall be taken to have been produced by a computer whether it was produced by it directly or (with or without human intervention) by means of any appropriate equipment.

Explanation:-For the purposes of this section any reference to information being derived from other information shall be a reference to its being derived therefrom by calculation, comparison or any other process.]
৭,২৮৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৬ অনুযায়ী কয়টি বিষয়ে কমিশন নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৬ অনুযায়ী ৪টি বিষয় তদন্ত করার জন্য কমিশন নিয়োগ দেওয়া হয়।
১) কোন ব্যক্তি জবানবন্দি গ্রহণ।
২) স্থানীয় তদন্তের জন্য।
৩) হিসাব পরীক্ষ...
৪) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
⇒ কমিশনের সামাজিক মর্যাদা উপর নির্ভর করে আদালত খরচের টাকা নির্ধারন করবেন (ধারা-৭৫)
৭,২৮৭.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪(৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল কোন পরিস্থিতিতে তার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশে
  2. শুধুমাত্র আইনজীবী সমিতির নির্দেশ
  3. শুধুমাত্র বার কাউন্সিলের আবেদন পেলে
  4. ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে।

→ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪(৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (রিভিউ), পরিবর্তন (vary) বা বাতিল (rescind) করতে পারে নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে। এর মানে হল যে, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল নির্দিষ্ট কোনো পক্ষের প্রয়োজন না হলেও তার সিদ্ধান্ত পুনরায় পর্যালোচনা করার ক্ষমতা রাখে, অথবা যদি কেউ আবেদন করে, তখনও সে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বা বাতিল করা সম্ভব।

অতএব, এটি আদালত বা আইনজীবী সমিতির নির্দেশনার উপর নির্ভরশীল নয়, বরং ট্রাইব্যুনাল নিজেই এই পদক্ষেপ নিতে পারে।
৭,২৮৮.
Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা 46C অনুযায়ী, কোন তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে?
  1. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম এবং ঠিকানা
  2. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অপরাধের প্রকৃতি
  3. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
  4. উভয় ক ও খ
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা 46C: গ্রেফতারকৃতদের তথ্য সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য নির্ধারিত পুলিশ কর্মকর্তা:
প্রতি জেলায় জেলা পুলিশ সুপার বা প্রতি মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার (যা প্রযোজ্য) একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্ধারণ করবেন।
- সেই কর্মকর্তা সহকারী উপ-পরিদর্শক (Assistant Sub-Inspector) বা তার উচ্চতর র‍্যাঙ্কের হতে হবে।

তিনি প্রতিটি জেলা বা মহানগর সদর দফতর এবং প্রতিটি থানায় নিম্নলিখিত কাজ করবেন:
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা সংরক্ষণ।
- সেই ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে তার তথ্য সংরক্ষণ।
- এই তথ্য প্রত্যেক থানা এবং জেলা বা মহানগর সদর দফতরে স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে, সর্বোত্তম হলে ডিজিটাল আকারে।

৭,২৮৯.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৮ক ধারায় ভূমির খাজনা নির্ধারণের ক্ষেত্রে রায়ত বা অকৃষি প্রজাকে সর্বনিম্ন কতদিনের নোটিশ দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৮ক ধারায় ডেপুটি কমিশনার ভূমির খাজনা নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ করতে পারবে।

নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে ডেপুটি কমিশনার কোন ভূমির খাজনা নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ করতে পারে-

ক. যেক্ষেত্রে রায়ত অথবা অকৃষি প্রজা কর্তৃক অধিকৃত ভূমির খাজনা ৪র্থ অধ্যায়ে অথবা ১৪৪ ধারা মোতাবেক নির্ধারণ করা হয় নাই অথবা উক্ত ভূমির খাজনা ১০৭ ধারা মোতাবেক নির্ধারণ করা হয় নাই; বা

খ. যে ক্ষেত্রে কোন ভূমির খাজনা ক ক্লজে উল্লেখিত কোন বিধান মোতাবেক কৃষি ভূমি হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে অকৃষি ভূমি হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

⇒ এই ধারায় কোন ভূমির খাজনা নির্ধারণ করতে উক্ত ভূমির রায়ত বা অকৃষি প্রজাকে সর্বনিম্ন ১৫ দিনের নোটিশ দিতে হবে। অন্যথায়, খাজনা নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ করা যাবে না (ধারা ৯৮ক (২))।
৭,২৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা স্থগিত করা
  2. ডিক্রি পুনরায় জারি করা
  3. পক্ষগণকে ক্ষতিপূরণ দেয়া
  4. পক্ষগণকে পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
৭,২৯১.
Inculpatory Confessional Statement কী ধরনের বিবৃতি?
  1. যেখানে অভিযুক্ত তার নিজের বিরুদ্ধে অপরাধ স্বীকার করে
  2. যেখানে অভিযুক্ত কোনো অপরাধী নয় বলে দাবি করে
  3. যেখানে অভিযুক্ত অন্য কাউকে অপরাধে জড়িত বলে স্বীকার করে
  4. যেখানে অভিযুক্ত কোনো অপরাধ স্বীকারই করে না
ব্যাখ্যা
• কোন ফৌজদারী মামলার অভিযুক্ত তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে স্বীকারোক্তি বা Confession বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
i) Inculpatory Confessional Statement; ও
ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ Inculpatory Confessional Statement এর অর্থ হল এমন একটি স্বীকারোক্তি বা বিবৃতি যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্পষ্টভাবে তার নিজের বিরুদ্ধে অপরাধের স্বীকারোক্তি করেন।
এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ:
১/ স্বীকারোক্তির মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার নিজের বিরুদ্ধেই অপরাধের কথা স্বীকার করেন।
২/ এটি একটি আত্ম-অপরাধমূলক (self-incriminatory) বিবৃতি যা অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করতে সহায়তা করে।
৩/ Inculpatory Confessional Statement কে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করা হয় যদি এটি যথাযথভাবে এবং আইনগতভাবে গৃহীত হয়।

⇒ আর অভিযুক্ত নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে, অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।
৭,২৯২.
ভুল আদালতে মামলা দায়ের করলে বিলম্ব মওকুফের জন্য কত ধারায় আবেদন করতে হবে?
  1. ৫ ধারায়
  2. ১৪ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১৪ ধারা অনুযায়ী ভুল আদালতে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের ফলে বাদীর যে সময় নষ্ট হয় তামাদি মেয়াদ হতে সে সময় বাদ যাবে। উল্লেখ্য ১৪ ধারা প্রযোজ্য হয় শুধুমাত্র মূল মামলা ও দরখাস্ত দায়েরের ক্ষেত্রে।
৭,২৯৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় 'Rule of Marshalling' আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৬
  3. ৫৫
  4. ৫৮
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৬ ধারার বিধান পরবর্তী ক্রেতা কর্তৃক বিন্যাস (Marshalling by subsequent purchaser):
যদি দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সকল সম্পত্তি প্রথমে একজনের নিকট রেহেন দেয় এবং তারপর এর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্য জনের নিকট বিক্রয় করে, তাহলে ক্রেতা যে সম্পত্তি ক্রয় করে নাই, তা হতে রেহেনের টাকা যতদূর সম্ভব, পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে; কিন্তু এরূপ দাবি রেহেনগ্রহীতা বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি অথবা মূল্যের বিনিময়ে এই সম্পত্তির কোন একটি স্বত্ব অর্জন করেছে তেমন কোন ব্যক্তির স্বার্থ ক্ষুন্ন করবে না।

অর্থাৎ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৬ ধারা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাসের নীতি (The Rule of Marshalling) আলোচনা করা হয়েছে।
--------------------
The Transfer of Property Act, 1882 Section 56. Marshalling by subsequent purchaser:
- If the owner of two or more properties mortgages them to one person and then sells one or more of the properties to another person, the buyer is in the absence of a contract to the contrary, entitled to have the mortgage-debt satisfied out of the property or properties not sold to him, so far as the same will extend, but not so as to prejudice the rights of the mortgagee or persons claiming under him or of any other person who has for consideration acquired an interest in any of the properties.
৭,২৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে সরকার মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দেন?
  1. ১৮
  2. ২০
  3. ২২
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৫ ধারায় জাস্টিসেস অব দি পিসের বিধান রয়েছে যা নিম্নরূপ-
-ধারা-২২: মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস (Justice of the peace for the mafassal)- সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের দ্বারা বাংলাদেশের যে কোন উপযুক্ত নাগরিককে কোন স্থানীয় এলাকার জন্য জাস্টিস অব দি পিস হিসাবে নিয়োগ দিতে পারে।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারা অনুসারে সরকার মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দেন।
- ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস (Ex-officio Justices of the Peace)- ২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 

- সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ সারা বাংলাদেশের যে কোন স্থানে বিচার গ্রহণ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আদেশ দিতে পারেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 22. Justice of the peace for the mafassal:
The Government] may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-25: Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
৭,২৯৫.
“মানবদেহের বিরুদ্ধে অপরাধ” দণ্ডবিধির কোন অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে?
  1. অধ্যায় XV
  2. অধ্যায় XVI
  3. অধ্যায় XVII
  4. অধ্যায় XVIII
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর অধ্যায় XVI: মানবদেহের বিরুদ্ধে অপরাধ:

জীবনের বিরুদ্ধে অপরাধ-
ধারা ২৯৯: অপরাধমূলক নরহত্যা;
ধারা ৩০০: খুন;
ধারা ৩০১: ভুল ব্যক্তিকে হত্যা করলে অপরাধমূলক নরহত্যা;
ধারা ৩০২: খুনের শাস্তি;
ধারা ৩০৩: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কর্তৃক খুনের শাস্তি;
ধারা ৩০৪: খুনে পরিণত না হওয়া অপরাধমূলক নরহত্যার শাস্তি;
ধারা ৩০৪A: অবহেলার ফলে মৃত্যুর কারণ হওয়া;
ধারা ৩০৪B: বেপরোয়া চালানোর ফলে মৃত্যুর কারণ হওয়া;
ধারা ৩০৫-৩০৬: আত্মহত্যায় প্ররোচনা;
ধারা ৩০৭-৩০৯: খুন বা আত্মহত্যার চেষ্টা;
ধারা ৩১০-৩১১: ঠগ ও তার শাস্তি।

গর্ভপাত, ভ্রূণের মৃত্যু, সদ্যজাতকে ফেলে দেওয়া, জন্ম গোপন ইত্যাদি সম্পর্কিত অপরাধ-
ধারা ৩১২-৩১৪: গর্ভপাত ঘটানো, নারীর সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত, গর্ভপাতের ফলে মৃত্যু;
ধারা ৩১৫-৩১৬: জন্ম প্রতিরোধ বা জীবিত সন্তানকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া;
ধারা ৩১৭-৩১৮: শিশু ফেলে যাওয়া, মৃতদেহ গোপনে নিষ্পত্তি।

ধারা ৩১৯-৩৩৮ক: আঘাত সংক্রান্ত অপরাধ;
ধারা ৩৩৯-৩৪৮: অন্যায়ভাবে আটক ও অবরুদ্ধকরণ;
ধারা ৩৪৯-৩৫৮: অপরাধজনিত বলপ্রয়োগ ও আক্রমণ;
ধারা ৩৫৯-৩৭৪: অপহরণ, গুম, দাসত্ব ও জোরপূর্বক শ্রম;
ধারা ৩৭৫: ধর্ষণ; ধারা ৩৭৬: ধর্ষণের শাস্তি;
ধারা ৩৭৭: প্রাকৃতিক নিয়মবিরুদ্ধ যৌন অপরাধ।
৭,২৯৬.
ফৌজদারী কার্যবিধি এর কোন ধারার তল্লাশি পরোয়ানা বাতিলের জন্য রিভিশন করা যায়?
  1. ৯৬ ও ৯৭
  2. ৯৭ ও ৯৯
  3. ৯৮ ও ১০০
  4. ৯৬ ও ১০০
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৯৬ ধারা মোতাবেক আদালত মূলত দলিল বা অন্যান্য দ্রব্যাদি হাজির করার জন্য 
- ধারা ১০০ তে বেআইনিভাবে আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশি পরোয়ানা জারি করে থাকেন।
[ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ৯৬ ও ১০০]
৭,২৯৭.
'ক' একজন হানাফী মুসলিম। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী 'খ' কে একমাত্র উত্তরাধিকারী রেখে যায়। এক্ষেত্রে 'খ' এর সম্পত্তির সঠিক বণ্টণ কীভাবে হবে?
  1. শুধু ওয়ারিশ হিসেবে 'খ' সকল সম্পত্তি পাবে
  2. 'খ' ১/২ অংশ পাবে এবং বাকি সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে ন্যস্ত হবে
  3. 'খ' ১/৪ অংশ পাবে এবং বাকি সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে ন্যস্ত হবে
  4. ওয়ারিশ হিসেবে এবং রদের নীতি অনুযায়ী 'খ' সমুদয় সম্পত্তি পাবে
ব্যাখ্যা

উল্লিখিত প্রশ্নে স্ত্রী একমাত্র উত্তরাধিকারী। তাই, প্রথমে অংশীদার হিসেবে ১/৪ অংশ পাবে (যেহেতু সন্তান নেই, সন্তান থাকলে ১/৮ অংশ)। এখন স্ত্রীকে ১/৪ অংশ দেওয়ার পরও, ৩/৪ অংশ সম্পত্তি অবশিষ্ট থেকে যাচ্ছে। তাই রদের নীতি প্রযোজ্য হবে।

সাধারণ নীতি অনুসারে, স্ত্রী রদে ফেরত সম্পত্তি না পেলেও যেহেতু এখানে স্ত্রী একমাত্র উত্তরাধিকারী, সেহেতু (রদে ফেরত) বাকি ৩/৪ অংশ সম্পত্তি স্ত্রী পাবে। 

রদ বা প্রত্যর্পণ নীতি-
মুসলিম সুন্নি আইনের বিধানমতে, অংশীদারগণের নির্ধারিত অংশ বা দাবি পূরণ করার পর ক্ষেত্র বিশেষে যদি সম্পত্তির কোনো অংশ অবশির থাকে তবে উক্ত অবশিষ্ট সম্পত্তি ঐ সব অংশীদারদের মধ্যে আনুপাতিক হারে পুনঃবণ্টন করা হবে, অর্থাৎ সমস্ত সম্পতি অংশীদারদের প্রাপ্য আংশ হারে বণ্টন করার পর বন্টিত অংশের সমষ্টি সব অপেক্ষা হর বেশি হলে অবশিষ্ট অংশ অংশীদারদের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করে দেয়া হয় যার ফলে অংশীদারদের পূর্ব প্রাপ্ত অংশ বৃদ্ধি পায়, এই নীতিকে রদ বা প্রত্যর্পণ নীতি বলে।

• রদের নীতি-
⇒ সম্পদের অবশিষ্ট অংশ অংশীদারগণের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করা হবে। অর্থাৎ প্রত্যেক অংশীদারের অংশ আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাবে।
⇒ স্বামী এবং স্ত্রী রদের মাধ্যমে কোনো সম্পদ পাবে না। কিন্তু স্বামী বা স্ত্রী যদি একমাত্র অংশীদার হয়। তাহলে সে রদের মাধ্যমে সম্পত্তি পেতে পারে।

৭,২৯৮.
আদালত কোনো আগন্তুককে (মোকদ্দমার পক্ষ বা কোন পক্ষের সাক্ষী নয়) সাক্ষ্য বা দলিল দাখিলের জন্য সমন দিতে পারে-
  1. ঐচ্ছিক ক্ষমতায়
  2. বাদীর আবেদনক্রমে
  3. কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬ বিধি ১৪ এর অধীন আদালত মামলার পক্ষ বা কোন পক্ষের সাক্ষী ব্যতীত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে সাক্ষ্য বা দলিল দাখিলের জন্য সমন দিতে পারে।

• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশের বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে।

আদেশ ১৬ বিধি ১৪-
হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল 

Order 16 Rule 14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document
৭,২৯৯.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার অধীন প্রদত্ত বিবৃতি কয়টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী-
-কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
-When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
৭,৩০০.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায় কোন বিষয় বর্ণিত আছে?
  1. অ্যাডভোকেটের নিকট স্বীকারোক্তি
  2. স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার হলে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণীয়
  3. জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)
  4. মৃত্যুকালিন ঘোষণা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান:  আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।

⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
---------------
How much of information received from accused may be proved:
Section 27. Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.