বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৭২ / ১৫৫ · ৭,১০১৭,২০০ / ১৫,৪৭০

৭,১০১.
হত্যা করার অভিপ্রায়ে মুগুর (Club] দিয়ে আঘাত করে B কে হত্যা করার অপরাধে A অভিযুক্ত হয়। বিচারকালে নিম্নলিখিত কোন কোন ঘটনা বিচার্য বিষয় হতে পারে?
  1. A, B কে মুগুর [Club) দিয়ে আঘাত করেছে কিনা?
  2. এমন আঘাত দ্বারা A, B -এর মৃত্যু ঘটিয়েছে কিনা?
  3. B-এর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় (Intention) A এর ছিল কিনা?
  4. উপরোক্ত সব ঘটনা
ব্যাখ্যা
♦বিচার্য বিষয় (Facts in Issue) - বিচার্য বিষয় হলো এমন কোন ঘটনা যাকে কোন মামলার মূল বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যভাবে বলা যায়, যে বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আদালত তার সিদ্ধান্ত প্রদান করে তাকে বিচার্য বিষয় বলে। কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় মামলার এক পক্ষ স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। যে কোন মামলার প্রকৃত বিষয় ও সত্যতা উদ্ঘাটনে বিচার্য বিষয়ের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।
♦প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant Facts) - যে ঘটনাটি অন্য কোন ঘটনার অস্তিত্ব ও অস্তিত্বহীনতা প্রমাণ করে, তাই প্রাসঙ্গিক ঘটনা বা Relevant Fact। কোন বিষয়কে প্রাসঙ্গিক হতে হলে উক্ত ঘটনাকে কোন না কোন দিক হতে বিচার্য বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে। সাক্ষ্য আইনের ৫ থেকে ৫৫ ধারায় বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevance of Facts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

♦উপরোক্ত ঘটনার বিচার্য বিষয় হলঃ
A, B কে মুগুর [Club) দিয়ে আঘাত করেছে কিনা? 
এমন আঘাত দ্বারা A, B -এর মৃত্যু ঘটিয়েছে কিনা?
B-এর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় (Intention) A এর ছিল কিনা?
♦অর্থাৎ সব গুলাই।
৭,১০২.
আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্যের কারণে ক্রোক আদেশ দিলে তা সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধে নিষেধাজ্ঞা: চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
 ⇒যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

  ⇒এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।

 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা।
- ১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
- ২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।
- ৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।
- ৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
---------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908,Order-39 Rule-2.Injunction to restrain repetition or continuance of breach:
(1) In any suit for restraining the defendant from committing a breach of contract or other injury of any kind, whether compensation is claimed in the suit or not, the plaintiff may, at any time after the commencement of the suit, and either before or after judgment, apply to the Court for a temporary injunction to restrain the defendant from committing the breach of contract or injury complained of, or any breach of contract or injury of a like kind arising out of the same contract or relating to the same property or right.
(2) The Court may by order grant such injunction, on such terms, as to the duration of the injunction, keeping an account, giving security or otherwise, as the Court thinks fit.
(3) In case of disobedience, or of breach of any such terms, the Court granting an injunction may order the property of the person guilty of such disobedience or breach to be attached, and may also order such person to be detained in the civil prison for a term not exceeding six months, unless in the meantime the Court directs his release.
(4) No attachment under this rule shall remain in force for more than one year, at the end of which time, if the disobedience or breach continues, the property attached may be sold, and out of the proceeds the Court may award such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance, if any, to the party entitled thereto.
৭,১০৩.
নির্বাচনী অধিকার বলতে বোঝায়-
  1. কোন লোক নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার বা না দাঁড়াবার অধিকার 
  2. নির্বাচনে ভোট দেওয়া বা না দেওয়ার অধিকার
  3. প্রার্থীতা প্রত্যাহার করার অধিকার
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ক এর (খ) অংশে নির্বাচনী অধিকার বলতে বোঝায়-
-(i) কোন লোকের কোন নির্বাচনে প্রার্থী দাঁড়াবার বা না দাঁড়াবার অধিকার।
-(ii) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে নাম প্রত্যাহার করার অধিকার।
-(iii) নির্বাচনে ভোট দেয়ার অথবা ভোটদান হতে বিরত থাকার অধিকারকে।

⇒ দণ্ডবিধির  ১৭১ক ধারার বিধান 'নির্বাচন প্রার্থী' 'নির্বাচনী অধিকার' কথা দুইটির সংজ্ঞা :- এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যসমূহের পরিপ্রেক্ষিতে- (ক) 'নির্বাচন প্রার্থী' বলতে কোন নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিকে বুঝাবে এবং যে ব্যক্তি কোন নির্বাচনের জল্পনা-কল্পনা চলাকালে উহাতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিভাত করেন সে ব্যক্তিকেও বুঝাবে। তবে সে ব্যক্তিকে পরে অনুরূপ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হতে হবে;

(খ) নির্বাচনী অধিকার' বলতে কোন ব্যক্তির কোন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার অথবা না দাঁড়াবার অথবা প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে নাম প্রত্যাহার করার অথবা ভোট দেওয়ার অথবা ভোটদান হতে বিরত থাকার অধিকার বুঝায়।
------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-171A- “Candidate”, “Electoral right” defined:
-For the purposes of this Chapter - 
- (a) "candidate" means a person who has been nominated as a candidate at any election and includes a person who, when an election is in contemplation, holds himself out as a prospective candidate thereat; provided that he is subsequently nominated as a candidate at such election; 
 
- (b) "electoral right" means the right of a person to stand, or not to stand as, or to withdraw from being, a candidate or to vote or refrain from voting at an election.
৭,১০৪.
যখন কোনো ঘটনা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই ঘটনা প্রমাণ করার দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত থাকে?
  1. আদালতের উপর
  2. বাদী পক্ষের উপর
  3. সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর
  4. আসামী পক্ষের উপর
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ১০৬: যে ঘটনা বিশেষভাবে কারো গোচরে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব
যখন কোনো ঘটনা বিশেষভাবে কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই ঘটনা প্রমাণ করার দায়িত্ব ওই ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত থাকে।

উদাহরণ- 
(ক) কোন ব্যক্তি যখন এমন ইচ্ছা প্রণােদিত হয়ে একটি কার্য করে, যে ইচ্ছা উক্ত কার্যের প্রকৃতি ও পরিস্থিতি হতে অনুমিত ইচ্ছা অপেক্ষা ভিন্ন, তখন ইচ্ছা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত থাকে।

(খ) যদি কোনো ব্যক্তি বিনা টিকেটে রেলগাড়ীতে ভ্রমণের দায়ে অভিযুক্ত হন, তার কাছে টিকেট ছিল তা প্রমাণের দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত।
৭,১০৫.
'A', 'B' কে ৫ দিনের জন্য অন্যায়ভাবে কারাবন্দী রাখে। 'A'-এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৩৪২
  2. ধারা ৩৪৩
  3. ধারা ৩৪৪
  4. ধারা ৩৪৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ধারা ৩৪৩ অনুযায়ী, যদি কেউ কাউকে তিন বা তার বেশি দিনের জন্য অন্যায়ভাবে আটকায়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অর্থদণ্ড বা উভয়ই প্রযোজ্য হতে পারে। 
- উল্লিখিত প্রশ্নে, 'A' 'B' কে ৫ দিনের জন্য অবৈধভাবে কারাবন্দী রেখেছে → এটি ধারা ৩৪৩-এর অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারার বিধান তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code,1860- Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
-Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৭,১০৬.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানকে ত্রুটিমুক্ত করার উদ্দেশ্যে কোন ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করেন?
  1. এন্ডো ফিলিপ
  2. জন ফেডরিক
  3. জন গাথরিক
  4. টমাস হেনরি
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ভাষাগত ভুল দূর করের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান আনিসুজ্জামান (কমিটির প্রধান), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আলী আহসান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড মাযহারুল ইসলাম-এর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

- আইনি ভাষা, কারিগরি দিক পরীক্ষার জন্য সংবিধান বিষয়ের বিশেষজ্ঞ জন গাথরি'কে ঢাকায় এনে এবং সংবিধানের ভাষাগত সংস্থান ও ব্যাকরণগত ভুলত্রুটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অধ্যাপক আনিসুজ্জমান'র নেতৃত্বে সৈয়দ আলী আহসান ও ড. মাযহারুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক- শিল্পী আব্দুর রউফ, অঙ্গসজ্জা- জয়নুল আবেদিন, হাশেম খান

- সংবিধানটি পূর্ণাঙ্গ ও উত্তম করার উদ্দেশ্যে কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন ভারত ও ইংল্যান্ড সফর করে সেখানকার পার্লামেন্টের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
৭,১০৭.
বার কাউন্সিলের প্রথম সভায় কে সভাপতিত্ব করবেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. বার কাউন্সিলের সম্পাদক
  3. সবচেয়ে সিনিয়র অ্যাডভোকেট
  4. ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য
ব্যাখ্যা

⇒ বার কাউন্সিল বিধিমালা, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুযায়ী, একটি বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়া বাধ্যতামূলক। এই সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সম্পাদক, এবং সভায় ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।
⇒  বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুসারে, বার কাউন্সিলের প্রথম সভায় ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.

৭,১০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার অধীনে পুলিশ কাকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তিকে
  2. শুধুমাত্র ভুক্তভোগীকে
  3. শুধুমাত্র অভিযোগকারীকে
  4. ঘটনার তথ্যাদি সম্পর্কে অবগত যে কোনো ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা:
(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
৭,১০৯.
পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে-
  1. মুক্তি দিবে
  2. খালাস দিবে
  3. অব্যাহতি দিবে
  4. জামিন দিবে
ব্যাখ্যা
Section 494: Effect of withdrawal from prosecution
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-

(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;

(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

অর্থাৎ ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে।
অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিবে; আর
⇒ অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিবে।
৭,১১০.
According to Article 31 of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh- 'to enjoy the protection of the law in accordance with law, is the ______ right of every citizen'.
  1. alienable
  2. inalienable
  3. personal
  4. private
ব্যাখ্যা
Article 31: Right to protection of law

To enjoy the protection of the law, and to be treated in accordance with law, and only in accordance with law, is the inalienable right of every citizen, wherever he may be, and of every other person for the time being within Bangladesh, and in particular no action detrimental to the life, liberty, body, reputation or property of any person shall be taken except in accordance with law.

অনুচ্ছেদ ৩১: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার

আইনের আশ্রয়লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইনানুযায়ী ব্যবহারলাভ যে কোন স্থানে অবস্থানরত প্রত্যেক নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং বিশেষতঃ আইনানুযায়ী ব্যতীত এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না, যাহাতে কোন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে।
৭,১১১.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রমে ব্যক্তি আত্মরক্ষার অধিকারের সীমা অতিক্রম করে হত্যা করলে তা খুন পরিগণিত হবে না?
  1. ব্যতিক্রম ১
  2. ব্যতিক্রম ২
  3. ব্যতিক্রম ৩
  4. ব্যতিক্রম ৪
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান- খুন:

⇒ ব্যতিক্রম ১: যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ-
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা: প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

ব্যতিক্রম ২: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
৭,১১২.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. আপিল আদালতের সংজ্ঞা
  2. ডিক্রি বাস্তবায়নের সময়সীমা
  3. আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণ
  4. ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা বিশেষভাবে ডিক্রি কার্যকর (Execution of Decree) প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত। এই ধারায় "ডিক্রি দানকারী আদালত"-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যা ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- এ ধারা অনুসারে যদি ডিক্রি আপিল আদালতের মাধ্যমে হয়, তবে মূল আদালতকে (first instance court) ডিক্রি দানকারী আদালত হিসেবে ধরা হবে।
- যদি সেই মূল আদালত অস্তিত্বহীন হয়ে যায় বা এখতিয়ার হারায়, তবে তখনকার বিদ্যমান যে আদালতের ঐ মামলা বিচার করার এখতিয়ার থাকত, তাকেই ডিক্রি দানকারী আদালত হিসেবে গণ্য করা হবে।

⇒দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারার বিধান: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:- “যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-
ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 37. Definition of Court which passed a decree.
- The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,-
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and 
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.
৭,১১৩.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় কোন সম্পত্তি চোরাই মাল বলে বিবেচিত হয়?
  1. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
  2. দস্যুতা দ্বারা হস্তান্তরিত সম্পত্তি
  3. অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গকৃত সম্পত্তি
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪১০ অনুসারে, "চোরাই সম্পত্তি" (Stolen Property) বলতে এমন সম্পত্তিকে বোঝায় যার দখল নিম্নলিখিত উপায়ে হস্তান্তরিত হয়েছে বা যা নিম্নলিখিত অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে:
→ চুরি (Theft): ধারা ৩৭৮-এর অধীনে সংজ্ঞায়িত, যেখানে অসৎ উদ্দেশ্যে অস্থাবর সম্পত্তি মালিকের সম্মতি ছাড়া সরিয়ে নেওয়া হয়।
→ জোরপূর্বক আদায় (Extortion): ধারা ৩৮৩-এর অধীনে, যেখানে ভয় দেখিয়ে বা জোর করে সম্পত্তি গ্রহণ করা হয়।
→ দস্যুতা (Robbery): ধারা ৩৯০-এর অধীনে, যা চুরি বা জোরপূর্বক আদায়ের সাথে সহিংসতা বা ভয়ের উপাদান জড়িত।
→ অপরাধমূলক আত্মসাৎ (Criminal Misappropriation): ধারা ৪০৩-এর অধীনে, যেখানে অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পত্তি নিজের বা অন্যের ব্যবহারে প্রয়োগ করা হয়।
→ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust): ধারা ৪০৫-এর অধীনে, যেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পত্তি অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ বা ব্যবহার করা হয়।
- এই সম্পত্তি বাংলাদেশের মধ্যে বা বাইরে এই অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত হলেও চোরাই সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে। তবে, যদি এই সম্পত্তি আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির হাতে চলে আসে, তবে তা আর চোরাই সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে না।

অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি: সঠিক, কারণ জোরপূর্বক আদায় (Extortion) দ্বারা অর্জিত সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি হিসেবে গণ্য।
খ) দস্যুতা দ্বারা হস্তান্তরিত সম্পত্তি: সঠিক, কারণ দস্যুতা (Robbery) দ্বারা হস্তান্তরিত সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তির আওতায় পড়ে।
গ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গকৃত সম্পত্তি: সঠিক, কারণ অপরাধমূলক আত্মসাৎ (ধারা ৪০৩) এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (ধারা ৪০৫) দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিও চোরাই সম্পত্তি।
ঘ) উপরের সবগুলোই: সঠিক, কারণ ধারা ৪১০-এ উল্লিখিত সকল উপায়ে (চুরি, জোরপূর্বক আদায়, দস্যুতা, অপরাধমূলক আত্মসাৎ, এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ) অর্জিত সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলোই। 

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
---------
⇒ The Penal Code, 1860,Section 410. Stolen property:
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

৭,১১৪.
'ক' নিজেকে 'খ' বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; 'খ' জনৈক মৃত ব্যক্তি। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' এর অপরাধ-
  1. Cheating with knowledge
  2. Cheating by personation
  3. Cheating by death man
  4. Cheating
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
--------------
Section-416. Cheating by personation:
A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.
Illustrations:
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
৭,১১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারায় চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ জরিমানা প্রদানে রাজি থাকলে চুক্তির ফলাফল কী হবে?
  1. বাতিল হবে
  2. বাস্তবায়িত হতে পারে
  3. বাস্তবায়িত হবে না
  4. জরিমানা মওকুফ হবে
ব্যাখ্যা
• Section 20- Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same.

যদি কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানে রাজি থাকে, তাহলেও নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার যোগ্য চুক্তিটি বাস্তবায়িত হতে পারবে।

অর্থাৎ, চুক্তির শর্তাবলী যদি সুনির্দিষ্ট এবং নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে চুক্তির ভঙ্গের ক্ষেত্রে বিকল্প জরিমানার বিধান থাকলেও চুক্তিটি বাস্তবায়িত হবে। এক্ষেত্রে ভঙ্গকারী পক্ষ যদি জরিমানা প্রদানে রাজি থাকে তাহলেও চুক্তি বাস্তবায়ন করানো যাবে।
৭,১১৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় ডিএনএ পরীক্ষার বিধান রয়েছে?
  1. ৩২ ধারায়
  2. ৩১ক ধারায়
  3. ৩৩ ধারায়
  4. ৩২ক ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২ক- অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) পরীক্ষা

এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ধারা ৩২ এর অধীন মেডিক্যাল পরীক্ষা ছাড়াও, উক্ত ব্যক্তির সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ (২০১৪ সনের ১০ নং আইন) এর বিধান অনুযায়ী ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) পরীক্ষা করিতে হইবে।
৭,১১৭.
৩৩৯গ ধারায় বিচারের উদ্দেশ্যে সময় গণনার ক্ষেত্রে অভিযুক্ত জামিনে থেকে পলাতক হলে, উক্ত সময়-
  1. আলাদাভাবে গণনা হবে
  2. বিচারকার্যের সময়ের মধ্যে গণনা হবে
  3. বিচারকার্যের সময় থেকে বাদ যাবে
  4. বিচারকার্যের সময়ের সাথে যোগ করা হবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) বিচারকার্যের সময় থেকে বাদ যাবে।

ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:

১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।


২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।


৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।

৭,১১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান মতে আপিল আদালত নিজ রায় পুনঃবিচার করতে পারেন?
  1. ১১৩ ধারার
  2. ১১৪ ধারার
  3. ১১৫ ধারার
  4. ১২০ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।
- অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। 
-  আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান মতে আপিল আদালত নিজ রায় পুনঃবিচার করতে পারেন।
৭,১১৯.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯১ ধারা অনুসারে নিম্নোক্ত কোন ব্যক্তি বন্ধকমুক্ত করার জন্য মামলা করতে পারে না?
  1. বন্ধকী সম্পত্তিতে স্বার্থ আছে এমন ব্যক্তি
  2. বন্ধকী অর্থ বা এর অংশবিশেষ পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদানকারী ব্যক্তি
  3. বন্ধকী সম্পত্তির পাশ্ববর্তী সম্পত্তিতে স্বার্থ আছে এমন ব্যক্তি
  4. বন্ধকদাতার পাওনাদার যিনি বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয় করার জন্য আদালতের ডিক্রি পেয়েছেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯১ অনুসারে, নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ বন্ধকমুক্ত করার জন্য মামলা করতে পারেন-

⇒ বন্ধকদাতা,
⇒ বন্ধকী সম্পত্তিতে স্বার্থ আছে এমন ব্যক্তি,
⇒ বন্ধকী অর্থ বা এর অংশবিশেষ পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদানকারী ব্যক্তি,
⇒ বন্ধকদাতার যে কোন পাওনাদার, যিনি বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয় করার জন্য আদালতের ডিক্রি পেয়েছেন।

Section 91: Person who may sue for redemption

Besides the mortgagor, any of the following persons may redeem, or institute a suit for redemption of, the mortgaged property, namely:- 
(a) any person (other than the mortgagee of the interest sought to be redeemed) who has any interest in, or charge upon, the property mortgaged or in or upon the right to redeem the same; 
(b) any surety for the payment of the mortgage-debt or any part thereof; or 
(c) any creditor of the mortgagor who has in a suit for the administration of his estate obtained a decree for sale of the mortgaged property.
৭,১২০.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট তফসিল কয়টি ?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে।
যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
৭,১২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আছে?
  1. ৪০৭, ৪০৮, ৪১০ ধারায়
  2. ৪০৬, ৪০৬ক ধারায়
  3. ৪১৭, ৪১৭ক ধারায়
  4. ৪০৫, ৪০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ৪০৭-
দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল করতে হবে। 

ধারা ৪০৮-
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা যুগ্ম দায়রা জজ (৫ বা ৫ বছরের কম মেয়াদে কারাদণ্ড দিলে) প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপিল করতে হবে।
তবে যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ড দিলে অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা অপরাধের শাস্তি দিলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

ধারা ৪১০-
দায়রা আদালত প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৭,১২২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৫৬ অনুযায়ী, ক্রেতা কোন সম্পত্তি থেকে বন্ধকের টাকা পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে?
  1. বিক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে
  2. বিক্রয় করা হয়নি এমন সম্পত্তি থেকে
  3. বন্ধকগ্রহীতার ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে
  4. ক্রেতার ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে
ব্যাখ্যা

• বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাস মানে- যখন দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সম্পত্তিগুলো প্রথমে একজনের নিকট বন্ধক দেয় এবং পরবর্তীতে উক্ত সম্পত্তিগুলোর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্যজনের নিকট বিক্রয় করে, এক্ষেত্রে ক্রেতা বন্ধকগ্রহীতাকে যেটা তার কাছে বিক্রি করা হয়নি এমন সম্পত্তিগুলো থেকে বন্ধকের টাকা যতটুকু সম্ভব পরিশোধ করে নেওয়ার জন্য বলতে পারে।

উদাহরণ
রফিক ক, খ, গ, ঘ, চ নামক ৫টি প্লটের মালিক। এই প্লটগুলি সে প্রথমে রহিমের নিকট বন্ধক দিলো। পরবর্তীতে ক ও খ প্লটের জমি রাকিবের নিকট বিক্রয় করলো। এখন রাকিব, রহিমকে অবশিষ্ট গ, ঘ ও চ প্লট হতে বন্ধকের টাকা পরিশোধ করে নিতে বলতে পারে। এটিই হলো বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাসের নীতি।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৫৬: পরবর্তী ক্রেতা কর্তৃক বিন্যাস:
যদি দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সকল সম্পত্তি প্রথমে একজনের নিকট বন্ধক দেয় এবং তারপর এর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্য জনের নিকট বিক্রয় করে, তাহলে ক্রেতা যে সম্পত্তি ক্রয় করে নাই, তা হতে বন্ধকের টাকা যতদূর সম্ভব, পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে। কিন্তু এরূপ দাবি বন্ধকগ্রহীতা বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি অথবা মূল্যের বিনিময়ে এই সম্পত্তির কোন একটি স্বত্ব অর্জন করেছে তেমন কোন ব্যক্তির স্বার্থ ক্ষুন্ন করবে না।

Section 56: Marshalling by subsequent purchaser:
If the owner of two or more properties mortgages them to one person and then sells one or more of the properties to another person, the buyer is in the absence of a contract to the contrary, entitled to have the mortgage-debt satisfied out of the property or properties not sold to him, so far as the same will extend, but not so as to prejudice the rights of the mortgagee or persons claiming under him or of any other person who has for consideration acquired an interest in any of the properties.

৭,১২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৯১ ধারা মতে গণ-উপদ্রব বা গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা এটর্নি জেনারেল ছাড়া আর কে করতে পারে?
  1. এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে যে কেহ
  2. এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি
  3. এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে এক বা একাধিক ব্যক্তি
  4. সংশ্লিষ্ট থানার ভূমি কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে যে, এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন ।
•বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
৭,১২৪.
মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার দরখাস্ত _________ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
  1. মোকদ্দমা দাখিলের তারিখ
  2. মৃত বাদীর মৃত্যুর তারিখ
  3. প্রথম শুনানির তারিখ
  4. বিবাদীর আবেদনের তারিখ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৭৬ এর বিধান:
মৃত বাদী অথবা আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বাদী বা আপিলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।

অন্যদিকে,
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৭ অনুযায়ী-
মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৭,১২৫.
ধারা ৩৮ অনুযায়ী, আদালত কোন পক্ষকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. চুক্তি রদকারী পক্ষকে
  2. যে পক্ষ চুক্তি কার্যকর করতে চেয়েছিল
  3. চুক্তির যেকোনো পক্ষকে
  4. যে পক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিকার প্রদান করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা: আদালত রদকারী পক্ষকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে-
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

৭,১২৬.
মানহানিকর বিষয় রয়েছে এরকম মুদ্রিত বস্তু জেনেশুনে বিক্রয় করার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. কেবল সশ্রম কারাদণ্ড
  2. কেবল ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০২ ধারা – মানহানিকর বিষয়সম্বলিত মুদ্রিত বা খোদিত বস্তু বিক্রয়:
যে ব্যক্তি জানে যে কোনো মুদ্রিত বা খোদিত বস্তুতে মানহানিকর বিষয় রয়েছে এবং সে সেই বস্তু বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, তাকে দুই বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever sells or offers for sale any printed or engraved substance containing defamatory matter, knowing that it contains such matter, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
৭,১২৭.
জমির খতিয়ানে নিচের কোন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা থাকে না?
  1. পিতা বা স্বামীর নাম
  2. কালেক্টরের নাম
  3. ইজমেন্টের অধিকার
  4. জেলার নাম
ব্যাখ্যা
- মূলত জমির মালিকানা স্বত্ব রক্ষা ও রাজস্ব আদায়ের জন্য জরিপ বিভাগ কর্তৃক প্রতিটি মৌজার জমির এক বা একাধিক মালিকের নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, ঠিকানা, দাগ নম্বর, ভূমির পরিমাণ, হিস্যা(অংশ), খাজনা ইত্যাদি বিবরণসহ যে ভূমি স্বত্ব প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।

- খতিয়ানে কি কি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে সে গুলো হলো-
১. প্রজা বা দখলদারের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা, তারা কোন শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত, তাদের অধিকৃত জমির অবস্থান শ্রেণী পরিমাণ ও সীমানা।
২. প্রজার অথবা জমির মালিকের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা।
৩. খতিয়ান প্রস্তুতের সময় খাজনা এবং ২৮, ২৯, ৩০ বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত খাজনা। যদি খাজনা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে যে সময় ও যে যে পদ্ধক্ষেপে বৃদ্ধি পায় তার বিবরণ। যে পদ্ধতিতে খাজনা ধার্য হয়েছে তার বিবরণ।
৪. গোচরণ ভূমি, বনভূমি ও মৎস্য খামারের জন্য ধারণকৃত অর্থ। কৃষি কাজের উদ্দেশ্যে প্রজা কর্তৃক পানির ব্যবহার এবং পানি সরবরাহের জন্য যন্ত্রপাতি সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত প্রজা ও জমির মালিকের বর্ণনা।
৫. নিজস্ব জমি হলে তার বিবরণ।
৬.পথ চলার অধিকার ও জমির সংলগ্ন অন্যান্য ইজমেন্টের অধিকার।
৭. খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, বাট্টা নম্বর, এরিয়া নম্বর, মৌজা নম্বর ও জে. এল নম্বর, জেলার নাম, উপজেলা/থানা/ইউনিয়ন ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

অর্থাৎ জমির খতিয়ানে কালেক্টরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা থাকে না।
৭,১২৮.
সংসদে কোরাম সংকটের কারণে অর্থাৎ ৬০ জনের কম সদস্য থাকলে স্পীকার নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. বৈঠক স্থগিত রাখলে
  2. বৈঠক মুলতবি ঘোষণা করতে পারে
  3. বৈঠক চালিয়ে যাবেন কিন্তু কোন আইন বা বিল পাস করবেন না
  4. ক কিংবা খ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
 (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।
(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
------------------
⇒ Article 75:- Rules of procedure, quorum, etc-:
 (1) Subject to this Constitution –
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President;
(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
৭,১২৯.
ভুল আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়েরের ফল কি?
  1. মামলা খারিজ
  2. আরজি ফেরৎ
  3. আরজি নাকচ
  4. সঠিক আদালতে মামলা স্থানান্তর
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫ তে বলা হয়েছে এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। আদেশ ৭ রুল-১০ অনুসারে ভুল আদালতে দায়ের করার কারণে মোকদ্দমা ফেরত দিতে হবে।
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি- ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত: (১) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা উচিত, ঐ আদালতে  আরজি পেশ করার জন্য সেটা ফেরত প্রদান করা যাবে।
♦(২) আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিঃ আরজি ফেরত দেয়ার সময় বিচারক এর উপর দাখিলের ও ফেরত দেয়ার তারিখ,দাখিলকারী পক্ষের নাম, এবং তা ফেরত দেয়ার কারণসম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করবেন।
♦এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে। 
৭,১৩০.
দণ্ডবিধির ৭৭ ধারা বিচারককে কোন ধরনের নিরাপত্তা দেয়?
  1. বিচারককে কারাদণ্ড থেকে রক্ষা করে
  2. বিচারককে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যায় করতে সহায়তা করে
  3. বিচারককে আইন লঙ্ঘনের জন্য সুরক্ষা দেয়
  4. বিচারককে আইনি ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে সহায়তা করে
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারা বিচারককে আইনি ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে সহায়তা করে।

→ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারার বিধান বিচার সংক্রান্ত কাজ সম্পাদনকালে বিচারক দ্বারা কৃতকার্য:
-বিচার কাজ পরিচালনাকালে অর্থাৎ বিচারক হিসেবে কাজ পরিচালনাকালে বিচারক দ্বারা তাকে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা বা যে ক্ষমতা তাঁকে আইনে প্রদত্ত হয়েছে তিনি সরল মনে বিশ্বাস করেন সে ক্ষমতানুসারে কৃত কোন কাজ অপরাধ হবে না।
--------------------------------
→ The Penal Code,1860- Section 77: Act of Judge when acting judicially:-
- Nothing is an offence which is done by a Judge when acting judicially in the exercise of any power which is, or which in good faith he believes to be, given to him by law.
৭,১৩১.
সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারানুযায়ী কি কি ভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে?
  1. ঘোষণা দ্বারা,
  2. কর্মের দ্বারা,
  3. কর্ম বিরতি দ্বারা,
  4. 'ক', 'খ' এবং 'গ'-এ বর্ণিত যেকোন ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর উপাদান: এস্টপেল কার্যকরী হতে হলে নিম্নলিখিত উপাদান থাকতে হবে-
ⅰ) যার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক কার্যকরী করতে চাওয়া হচ্ছে তিনি বা তার প্রতিনিধি কোন ঘোষনা বা কর্ম বিরতি করেছিলেন।
ii) কিন্তু পরে ঐ ব্যক্তি কিংবা তার প্রতিনিধি এমন কোন দাবী উত্থাপন করলেন যা তার পূর্ব বর্ণিত ঘোষনা বা কর্ম বিরতি প্রভৃতির পরিপন্থি।
iii) মূল ঘোষনা প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন।
iv) মূল ঘোষণা প্রভৃতির দ্বারা প্রতিবন্ধক উত্থাপনকারী পক্ষ কিছু করতে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
ⅳ) মূল ঘোষনা প্রভৃতি দ্বিতীয় ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধির নিকট করা হয়েছিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। 
⇒ এস্টপেল আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়। এস্টপেল সুস্পষ্ট হতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

⇒ আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

⇒ অর্থাৎ ঘোষণা টি কোন আইন সম্পর্কে হতে পারে না।
৭,১৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের বিধি ৯ অনুসারে, স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে কত সময়ের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য ।
- আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-৯ : স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন : যে-কোনো মামলায় বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা কোন পরিমাণ বা কোন অন্তবর্তীকালীন মুনাফা বা খেসারত বা বাৎসরিক খাটি মুনাফা নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে আদলত স্থানীয় তদন্ত আবশ্যক বা উপযুক্ত মনে করলে আদলত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, সেই ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরণ করে বিষয়টি সম্পর্কে অনুরূপ তদন্ত করতে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক তিন মাস সময়ের মধ্যে উহার উপর প্রতিবেদন প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারেন।তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনের আবেদনক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হয়ে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-26 Rule-9. Commissions to make local investigations:
- In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.

৭,১৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮- এর ধারা ৩৯৯ কোন বয়স‑সীমার অপরাধীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ১৮ বছরের বেশি
  2. ১৫ বছরের কম
  3. ২১ বছরের কম
  4. ১৫ বছরের বেশি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।
৭,১৩৪.
দেওয়ানি আদালত ধারা ৭৫ অনুযায়ী নিম্নের কোন কাজের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারেন?
  1. নতুন আইন প্রণয়ন
  2. স্থানীয় তদন্ত করা
  3. কোনো ব্যক্তিকে শাস্তি প্রদান
  4. পুলিশকে গ্রেফতারের আদেশ দেওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালতের কমিশন প্রেরণের চারটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য আছে। তার মধ্যে একটি হলো: "স্থানীয় তদন্ত করা"- মানে কোনো ঘটনার বা সম্পত্তির বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য আদালত কমিশন নিয়োগ করতে পারেন।
- অর্থাৎ “স্থানীয় তদন্ত করা” ধারা ৭৫ অনুসারে আদালতের কমিশন প্রেরণের একটি বৈধ ও নির্ধারিত উদ্দেশ্য।
- অন্য অপশনগুলো আদালতের কমিশনের মাধ্যমে সম্পাদনের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর: খ) স্থানীয় তদন্ত করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা: ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
- নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.
- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
৭,১৩৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধি ৩২ ধারার বিধান- হাজির না হলে দণ্ড:
- যার প্রতি ৩০ ধারা অনুসারে সমন দেয়া হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) তাকে অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ দিতে পারেন; এবং জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানী কারাগারে প্রেরণ করতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Sections- 32: Penalty for default:
-The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may- 
(a) issue a warrant for his arrest; 
(b) attach and sell his property; 
(c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
(d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.
৭,১৩৬.
"A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh". কথাটি উল্লেখ্য আছে-
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৭৯ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৮০ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৮২ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৮৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান পরোয়ানা যেখানে বলবৎ করা যাবেঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।

♦ Section 82. Where warrant may be executed: A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
৭,১৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারে?
  1. ৩৫৮ ধারার
  2. ৪৫৮ ধারার
  3. ৫৫৮ ধারার
  4. ২৫৮ ধারার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।

• ধারা ৫৫৮- আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা:
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
৭,১৩৮.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গের প্রত্যাবাসন (repatriation) এবং প্রত্যাবর্তন (return) সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৩১ ধারায়
  2. ৩৩ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩৩: ভিকটিম বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গের প্রত্যাবাসন (repatriation) এবং প্রত্যাবর্তন (return):
(১) কোন বাংলাদেশী নাগরিক অন্য কোন দেশে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত হইলে, সরকার সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশ দূতাবাসের এবং প্রয়োজনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় উক্ত ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ফেরত আনিবার প্রক্রিয়ার সূচনা করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন বিদেশী রাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস মানব পাচারের শিকার কোন বাংলাদেশী নাগরিক উক্ত দেশে আটক বা বন্দী অবস্থায় আছেন বলিয়া অবগত হইলে, উক্ত দূতাবাস ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করিবার, মুক্ত করাইবার এবং বাংলাদেশে পাঠাইবার প্রক্রিয়ার সূচনা করিবে। 
 
(৩) মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি কোন মামলার কারণে কোন বিদেশী রাষ্ট্রে থাকিতে বাধ্য হইলে বাংলাদেশ দূতাবাস উক্ত ব্যক্তিকে আইনি পরামর্শ বা সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে। 
 
(৪) যেই ক্ষেত্রে একজন বিদেশী নাগরিক বাংলাদেশে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি হিসাবে চিহ্নিত হইবেন সেইক্ষেত্রে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করিয়া উক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতঃ সরকার সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের বাংলাদেশস্থ দূতাবাসের সহযোগিতায়, যথোপযুক্ত কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে, উক্ত ব্যক্তিকে তাহার স্বদেশে ফেরত পাঠাইবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
৭,১৩৯.
“রায়” কীসের ভিত্তি হিসেবে দেওয়া হয়?
  1. মামলার আবেদনের
  2. সাক্ষ্য বা প্রমাণের
  3. ডিক্রি বা আদেশের
  4. আরজি বা লিখিত জবাবের
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ধারা ২(৯) – “Judgment”:
“রায়” বলতে সেই বিবৃতিকে বোঝায় যা বিচারক ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসেবে প্রদান করেন।
"Judgment" means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order:

৭,১৪০.
নিচের কোন ক্ষেত্রে একজন এ্যাডভোকেট তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন?
  1. কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে
  2. কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে
  3. অভিযুক্ত প্রকারে কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ২য় অধ্যায়ে বিধি-১৩ এর বিধান যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা।

অর্থাৎ মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-১৩ অনুযায়ী কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে, কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে, অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে, একজন অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করতে হয় না।
-------------------------
⇒ Rule-13. When an Advocate is a witness for his client except as to merely formal matters, such as the attestation or custody, of an instrument and the like, he should leave the trial of the case to other Advocates. Except when essential to the ends of justice, an Advocate should avoid testifying in court on behalf of his client.
৭,১৪১.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭০ অনুযায়ী, সংসদ সদস্য যদি তার দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তবে:
  1. তিনি জরিমানা গুণবেন
  2. তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে
  3. তার সংসদীয় আসন শূন্য হবে
  4. তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭০: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,

তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
৭,১৪২.
নালিশী মামলার ক্ষেত্রে কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের উক্ত নালিশ গ্রহণের এখতিয়ার না থাকলে কি করবেন?
  1. ফেরত দিবেন
  2. উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
  3. খারিজ করবেন
  4. প্রাথমিক তদন্তের জন্য পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০১ ধারায় অভিযোগ বা নালিশ ফেরতের (return of complaint) বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২০১ ধারামতে নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের অপরাধটি আমলে নেয়ার ক্ষমতা না থাকলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য নালিশটি (complaint) ফেরত পাঠাবেন। তবে উক্ত অভিযোগ যদি লিখিতভাবে করা না হয়, তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদিকে উপযুক্ত আদালতে যেতে নির্দেশ প্রদান করবেন।

তবে GR মামলা ফেরৎযোগ্য নয় ।
৭,১৪৩.
রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের অধিকার সংক্রান্ত বিধান দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৫
  3. ধারা ৫৫ক
  4. ধারা ৫৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ক (Section 55A of the Penal Code) এ রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।
- ধারা ৫৫ক বলছে:
"Nothing in section fifty-four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment."
অর্থাৎ, দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ ও ৫৫ অনুসারে সরকার দণ্ড রূপান্তর করতে পারলেও, রাষ্ট্রপতির ক্ষমা, দণ্ড মওকুফ, বিলম্ব বা স্থগিতাদেশ প্রদানের সাংবিধানিক অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকে।

সুতরাং, দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ক-এ রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের বিশেষ অধিকার সংরক্ষিত হয়েছে।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) ধারা ৫৪: শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্যান্য শাস্তিতে রূপান্তরের সরকারি ক্ষমতা।
খ) ধারা ৫৫: আজীবন কারাদণ্ডকে সীমিত মেয়াদে রূপান্তরের বিধান।
ঘ) ধারা ৫৬: বিলুপ্ত ধারা (Transportation শাস্তি সংক্রান্ত)।
৭,১৪৪.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী ০৭ বছর ধরে নিখোঁজ ব্যক্তিকে কেউ জীবিত দাবী করলে তা প্রমাণের দায় দাবি কারীর তার উপর বর্তায়?
  1. ১০৬ ধারা
  2. ১০৯ ধারা
  3. ১০৭ ধারা
  4. ১০৮ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১০৮ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি ০৭ বছর ধরে নিখোঁজ থাকলে যদি উক্ত ব্যক্তিকে কেউ জীবিত দাবী করলে প্রমাণের দায় দাবি কারীর উপর বর্তায়।
৭,১৪৫.
নিচের কোন ব্যক্তি মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে উত্তরাধিকার লাভ করতে পারবে না?
  1. বৈধ সন্তান
  2. হত্যাকারী
  3. নাবালক সন্তান
  4. তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সন্তান
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে উত্তরাধিকার লাভ করতে পারে না। এই বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো-
কেউ যেন উত্তরাধিকার পাওয়ার জন্য কাউকে হত্যা করতে প্ররোচিত না হয় (ফৌজদারি শাস্তির পাশাপাশি উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়)।
এটি একটি নৈতিক ও আইনগত নিষেধাজ্ঞা যা ইসলামি শরিয়া ও বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইনে স্বীকৃত।

⇒ যারা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে:
(১) কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিমের ওয়ারিশ হবে না এবং কোনো অমুসলিম কোনো মুসলিমের ওয়ারিশ হবে না।
(২) হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিশ হবে না। (এ বিধির উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়, কেউ তাড়াতাড়ি উত্তরাধিকার পাওয়ার জন্য যেন কাউকে হত্যা করতে উদ্যত না হয় সেজন্যই এ বিধি প্রণীত হয়েছে।)
(৩) জারজ সন্তান ওয়ারিশ হবে না।

৭,১৪৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র সরকারি সংস্থার অনুরোধে
  2. শুধুমাত্র আদালতের আদেশে
  3. শুধুমাত্র ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
  4. স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এর ধারা ১৭ – কমিশনের কার্যাবলী:
কমিশন নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
(ক) তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা; 
(খ) অনুচ্ছেদ (ক) এর অধীন অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনার ভিত্তিতে এই আইনের অধীন মামলা দায়ের ও পরিচালনা; 
(গ) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগ স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান; 
(ঘ) দুর্নীতি দমন বিষয়ে আইন দ্বারা কমিশনকে অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করা; 
(ঙ) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য কোন আইনের অধীন স্বীকৃত ব্যবস্থাদি পর্যালোচনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(চ) দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে করণীয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ছ) দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়িয়া তোলার ব্যবস্থা করা; 
(জ) কমিশনের কার্যাবলী বা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এমন সকল বিষয়ের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা; 
(ঝ) আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতির উত্স চিহ্নিত করা এবং তদ্‌নুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ঞ) দুর্নীতির অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়ের এবং উক্তরূপ অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন পদ্ধতি নির্ধারণ করা; এবং 
(ট) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় বিবেচিত অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন করা৷
৭,১৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত কোন ধরনের সাক্ষী হতে পারে?
  1. Prosecution witness
  2. Defence witness
  3. both of above
  4. None of above
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।

তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 
 
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
৭,১৪৮.
'ক' একটি জমির উপরিভাগের এবং 'খ' ভূ-গর্ভের মালিক। 'খ' উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
  2. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  3. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  4. 'খ' যেদিন মামলা দায়েরের কথা জানবে সেদিন থেকে
ব্যাখ্যা
• এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা জমি ধসে পড়ার সময় থেকে শুরু হবে।

• তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
 
Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
৭,১৪৯.
তামাদি আইন অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি বৈধ অপারগতা নয়?
  1. জড়বুদ্ধতা
  2. নাবালকত্ব
  3. বাকশক্তিহীনতা
  4. অপ্রকৃতিস্থতা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, জড়বুদ্ধতা বা নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্তু বাকশক্তিহীনতা বৈধ অপারগতা নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
৭,১৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ অনুসারে, যদি একটি নালিশি মামলার তদন্ত বা বিচার চলাকালীন পুলিশি তদন্ত চলছে বলে প্রতীয়মান হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. মামলাটি বাতিল করবেন
  2. নালিশি মামলাটি অগ্রাধিকার দেবেন
  3. পুলিশি তদন্ত বন্ধ করার নির্দেশ দেবেন
  4. তদন্ত বা বিচারকার্য স্থগিত রাখবেন এবং পুলিশ প্রতিবেদন চাইবেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ অনুযায়ী, যদি কোনো নালিশি মামলার তদন্ত বা বিচার চলাকালীন একই অপরাধের বিষয়ে পুলিশি তদন্ত চলমান থাকে, তবে ম্যাজিস্ট্রেটকে তার তদন্ত বা বিচারকার্য স্থগিত রাখতে হয় এবং পুলিশ তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদন দাবি করতে হয়। পুলিশের প্রতিবেদন পেলে, যদি সেই প্রতিবেদনে নালিশি মামলার আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ গ্রহণযোগ্য মনে হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশি মামলা এবং পুলিশি প্রতিবেদনভিত্তিক মামলাকে একসঙ্গে পরিচালনা করবেন। আর যদি পুলিশ প্রতিবেদন নালিশি মামলার আসামিদের সঙ্গে সম্পর্কিত না হয় বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অপরাধ গ্রহণ না করেন, তাহলে স্থগিত রাখা তদন্ত বা বিচার পুনরায় চালু করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫ঘ ধারার বিধান: একটি অপরাধের বিষয়ে একই সাথে নালিশি মামলা ও পুলিশি তদন্ত চলতে থাকলে অনুসরণীয় পদ্ধতি: (১) পুলিশ প্রতিবেদন ব্যতিরেকে অন্য কোন উপায়ে দায়েরকৃত মামলার (অতঃপর নালিশি মামলা মর্মে বর্ণিত হবে) তদন্ত বা বিচার চলাকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট তাঁর আদালতে তদন্ত বা বিচারাধীন অপরাধটি সম্পর্কে একটি পুলিশি তদন্ত চলতেছে মর্মে প্রতীয়মান হলে, সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর দ্বারা পরিচালিত তদন্ত বা বিচারকার্য স্থগিত রাখবেন এবং উক্ত বিষয় সম্পর্কে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত প্রতিবেদন চাবেন।
(২) যেক্ষেত্রে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা ধারা-৭৩ এর বিধানসাপেক্ষে প্রতিবেদন পেশ করেন এবং এরূপ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তি নালিশি মোকদ্দমার আসামি তার বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশি মামলা এবং পুলিশ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে দায়েরকৃত মামলার একই সাথে তদন্ত বা বিচার করতে পারবেন যাতে উভয় মামলাই পুলিশ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে দায়ের হয়েছে।
(৩) পুলিশ প্রতিবেদনে নালিশি মামলার কোন আসামি জড়িত না হলে, অথবা পুলিশ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধ আমলে গ্রহণ না করলে তিনি যে তদন্ত বা বিচার স্থগিত রেখেছিলেন এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে সেই তদন্ত বা বিচারকার্যে অগ্রসর হবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 205D. Procedure to be followed when there is a complaint case and police investigation in respect of the same offence:
(1) When in a case instituted otherwise than on a police report hereinafter referred to as a complaint case, it is made to appear to the Magistrate, during the course of the inquiry or trial held by him, that an investigation by the police is in progress in relation to the offence which is the subject-matter of the inquiry or trial held by him, the Magistrate shall stay the proceedings of such inquiry or trial and call for a report on the matter from the police-officer conducting the investigation.
(2) If a report is made by the investigating police-officer under section 173 and on such report cognizance of any offence is taken by the Magistrate against any person who is an accused in the complaint case, the Magistrate shall inquire into or try together the complaint case and the case arising out of the police report as if both the cases were instituted on a police report.
(3) If the police report does not relate to any accused in the complaint case or if the Magistrate does not take cognizance of any offence on the police report, he shall proceed with the inquiry or trial, which was stayed by him, in accordance with the provisions of this Code.
৭,১৫১.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারা অনুসারে, যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে, সে পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. Witness hearing
  2. Re-examination
  3. Examination-in-chief
  4. Cross-examination
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: জবানবন্দি গ্রহণ (Examination-in-chief).
- সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারা অনুসারে, যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন প্রথমবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জবানবন্দি গ্রহণ (Examination-in-chief) বলা হয়।
- এটি সাক্ষ্য গ্রহণের প্রথম ধাপ যেখানে সাক্ষীর কাছ থেকে তার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এখানে সাধারণত সাক্ষীর বক্তব্য বা তথ্য পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত থাকে, তবে বিরুদ্ধ পক্ষ তখনো তাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
-------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.
৭,১৫২.
বাদী ক বিবাদী খ কে নালিশী জমিতে প্রবেশ করে বাদীর দখলে বিঘ্ন ঘটানো হতে বারিত করার প্রার্থনায় দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, রুল ১/২ ও ১৫১ ধারা মোতাবেক দরখাস্ত দাখিল করেন। আদালত বিবাদী খ কে কেন বারিত করা হবে না জানতে চেয়ে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করেন এবং ততোদিন পর্যন্ত বাদীর দখলে বিঘ্ন ঘটানোর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। আদালতের উক্ত আদেশ-
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  2. অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  4. Interlocutory order
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
♦ আদালতের উক্ত আদেশটি অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
৭,১৫৩.
সার্জন ক” জানতো যে খ” কে অপারেশন করলে খ” এর মৃত্যু হতে পারে। কিন্তু খ” এর মঙ্গলের জন্য এবং সরল বিশ্বাসে ক” অপরেশনটি করে। খ” মারা যায়। ক” কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. খুন
  3. ভুলবশত খুন
  4. কোন অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৮ ধারা মতে মৃত্যু ঘটানোর জন্য অভিপ্রেত নয় এমন কাজ কোন ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থে সরলবিশ্বাসে (Good Faith) সম্মতিসহকারে সম্পাদন করলেও তা অপরাধ নয়।
৭,১৫৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান মতে ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজস্ব জ্ঞান মতে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. 190(1)(a)
  2. 190(1)(c)
  3. 190(1)(b)
  4. 190(1)(d)
ব্যাখ্যা
• আমলে নেয়া অর্থ হলো -অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।

• যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:
i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট

• ম্যাজিস্ট্রেট ৩টিউৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে (Cognizance) নিতে পারেন। যথা-
i. অভিযোগ (Complaint ) [ধারা ১৯০ (১)(ক)]
ii. পুলিশের লিখিত রিপোর্ট (Report) [ধারা ১৯০ (১)(খ)]
iii. তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান ( knowledge ) বা সন্দেহবশত (suspicion) কোন তথ্য পেলে [ধারা ১৯০ (১)(গ)]

• ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট অভিযোগ ও রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন। [ধারা ১৯০(৩)]
• ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান (knowledge) বা সন্দেহ (suspicion) এর উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন না।
• সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন। (Government may empower any Executive Magistrate to take cognizance) [ধারা ১৯০ (৪)]
৭,১৫৫.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে কী প্রয়োজন?
  1. বিবাদীর অনুমোদন
  2. আদালতের অনুমতি
  3. বাদীর ২ জন সাক্ষী
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
৭,১৫৬.
ধারা ১৪৪ অনুযায়ী, মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনী সমাবেশে যোগদান করলে কত বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে?
  1. ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত
  2. ১ বছর পর্যন্ত
  3. ২ বছর পর্যন্ত
  4. ৩ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা মতে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশের শাস্তি হিসেবে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রয়েছে।

♦ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনী সমাবেশে যোগদান করা :- কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

------------------------------------
♦ Section 144. Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:- Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৭,১৫৭.
সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বেআইনী সমাবেশে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে-
  1. কেবল অপরাধ সংঘটনকারীদের দণ্ডিত করা হবে
  2. সমাবেশের নেতাদের দণ্ডিত করা হবে
  3. সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে
  4. কেবল অপরাধ সংঘটনকারী অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে:
যদি কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনী সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনী সামবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।

Section 149- Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object:
If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.
৭,১৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৫ অনুসারে কোন তফসিলে উল্লিখিত ফর্মগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. প্রথম তফসিলে
  2. পঞ্চম তফসিলে
  3. সপ্তম তফসিল
  4. তৃতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৫ অনুযায়ী, “...the forms set forth in the fifth schedule, with such variation as the circumstances of each case require, may be used for the respective purposes therein mentioned, and if used shall be sufficient.”
অর্থাৎ, এই ধারায় বলা হয়েছে যে, পঞ্চম তফসিলে যেসব ফর্ম নির্ধারিত আছে, সেগুলো প্রয়োজন অনুসারে কিছুটা পরিবর্তন করে ব্যবহার করা যেতে পারে এবং সেগুলো ব্যবহৃত হলে তা যথেষ্ট বিবেচিত হবে। এই ধারা ধারা ৫৫৪ এবং বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৭ এর ক্ষমতা অনুসারে কার্যকর হয়।
-  এই ধারা ফৌজদারি মামলার বিভিন্ন কার্যধারা সহজতর করতে নির্ধারিত ফর্ম ব্যবহারের বৈধতা দেয়।
সুতরাং, পঞ্চম তফসিলে উল্লিখিত ফর্মগুলো ব্যবহারের কথা ধারা ৫৫৫-এ বলা হয়েছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 555. Forms:
Subject to the power conferred by section 554, and by 549[article 107 of the Constitution of the People's Republic of Bangladesh], the forms set forth in the fifth schedule, with such variation as the circumstances of each case require, may be used for the respective purposes therein mentioned, and if used shall be sufficient.
৭,১৫৯.
নিচের কোনটি পদ্ধতিগত আইন?
  1. চুক্তি আইন
  2. তামাদি আইন
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ হচ্ছে পদ্ধতিগত আইন।

⇒পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law):
তত্ত্বগত আইনগুলোতে যে অধিকার, কর্তব্য ও শাস্তিসমূহ উল্লেখ থাকে সেগুলো যে প্রক্রিয়া বা পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যে আইনসমূহে উল্লেখ থাকে তাই পদ্ধতিগত আইন। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, তামাদি আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি ইত্যাদি।

⇒তত্ত্বগত আইন (Substantive Law):
যে আইনসমূহ অধিকার ও কর্তব্যকে সজ্ঞায়িত বা সন্নিবেশিত করে বা কোন অপরাধ কে সজ্ঞায়িত করে ও তার শাস্তির পরিমান উল্লেখ করে, তাই তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন। যেমন: চুক্তি আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
৭,১৬০.
মন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য সংসদ সদস্য না হয়েও মন্ত্রীদের সর্বোচ্চ কত অংশ পর্যন্ত মনোনীত হতে পারেন?
  1. এক-দশমাংশ
  2. নয়-দশমাংশ
  3. তিন-দশমাংশ
  4. পাঁচ-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬(২) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।"
অর্থাৎ কমপক্ষে ৯০% (নয়-দশমাংশ) মন্ত্রী হতে হবে সংসদ সদস্য। বাকী সর্বোচ্চ ১০% (এক-দশমাংশ) মন্ত্রী হতে পারেন সংসদ সদস্য না হলেও, তবে তাঁদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ:
- মন্ত্রিসভার মোট সদস্য যদি ৫০ জন হয়, তাহলে, কমপক্ষে ৪৫ জনকে সংসদ সদস্য হতে হবে।
- সর্বোচ্চ ৫ জন সংসদ সদস্য না হলেও চলবে, তবে তাঁরা নির্বাচিত হবার যোগ্য হতে হবে।

তাই সঠিক উত্তর: ক) এক-দশমাংশ।
৭,১৬১.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে নিম্নলিখিত কোন পদাধিকারীর পারিশ্রমিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি?
  1. স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার
  2. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে, নিম্নলিখিত আট শ্রেণীর পদাধিকারীর পারিশ্রমিক, বিশেষ-অধিকার এবং কর্মের অন্যান্য শর্ত সংসদের আইন দ্বারা বা তার অধীনে নির্ধারিত হয়:
- রাষ্ট্রপতি
- প্রধানমন্ত্রী
- স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার
- মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
- নির্বাচন কমিশনার
- সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য
এই তালিকায় অ্যাটর্নি জেনারেল-এর পদ অন্তর্ভুক্ত নয়।
অপরদিকে, সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অ্যাটর্নি জেনারেলের পারিশ্রমিক রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত হয়, সংসদের আইন দ্বারা নয়।
- এটি স্পষ্ট করে যে অ্যাটর্নি জেনারেলের পারিশ্রমিক নির্ধারণ ১৪৭ অনুচ্ছেদের আওতায় পড়ে না।

অর্থাৎ ১৪৭ অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেলের পারিশ্রমিক অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ তাঁর পারিশ্রমিক রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত হয় (৬৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে)।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) অ্যাটর্নি জেনারেল।

৭,১৬২.
দেবোত্তর সম্পত্তি যে রক্ষণাবেক্ষণ করেন, তাকে কী বলা হয়?
  1. মাহাতো
  2. সেবায়েত
  3. দেব রক্ষক
  4. সেবক
ব্যাখ্যা
• মন্দির নির্মাণ করে তাতে দেবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পূজা-অর্চনার ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্পত্তি দান করলে তা সাধারণত 'দেবোত্তর সম্পত্তি' বলে পরিচিতি পায়। আইনের দৃষ্টিতে এ রকম বিগ্রহ বা দেবতার মূর্তি একটি বৈধ আইনি সত্তা বা জুডিশিয়াল পারসন। এ রকম সম্পত্তির আইনি মালিক ওই বিগ্রহই। কারণ তার উদ্দেশে সেটি দান করা।

মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত দেবতার নিত্য পূজা- অর্চনার কাজে যিনি নিয়োজিত থাকেন তিনিই সেবায়েত। একজন সেবায়েত দেবতা বা বিগ্রহের যাবতীয় বিষয়ের কার্যনির্বাহীও বটে। দেবতা সম্পত্তির মালিক হলেও কার্যত সম্পত্তি পরিচালনায় সম্পূর্ণ অক্ষম। সেজন্য দেবতার পক্ষে তদীয় সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একজন উপযুক্ত পরিচালকের প্রয়োজন। আর সে দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে সেবায়েতের উপর।

দেবোত্তর সম্পত্তির সেবায়েত কে হবেন আর তার উত্তরাধিকার কারা হবেন, কোন নিয়মে হবেন তা সাধারণত অর্পণনামা বা উৎসর্গপত্রে লেখা থকে। সেবায়েত দেবতার বিরুদ্ধে কাজ করলে বা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাকে প্রয়োজনে আদালত কর্তৃক অপসারণ করে অন্য সেবায়েত নিয়োগ করা যায়।
৭,১৬৩.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে মূল ডিক্রি হতে আপিলের বিধান আছে-
  1. আদেশ ৪০
  2. আদেশ ৪১
  3. আদেশ ৪৩
  4. আদেশ ৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ এ মূল ডিক্রী হতে আপিল বিষয়ক বিধান আছে।
⇒ আদেশ ৪১-৪৫ এবং ধারা ৯৬-১১২ পর্যন্ত আপিল সংক্রান্ত বিধান আছে।
 
আপিল(Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে।
- আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার।
- অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।
 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান উল্লেখ রয়েছে। নিম্নে দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপিলের বিধানসমূহ আলোচনা করা হলো-
ⅰ) মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-৯৬ থেকে ৯৯, আদেশ-৪১;
ii) আদেশের বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-১০৪ থেকে ১০৬, আদেশ-৪৩;
iii) আপীলের সাধারণ বিধানমসূহ: ধারা-১০৭ থেকে ১০৮;
iv) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল: ধারা-১০৯ থেকে ১১২; এবং
v) নিঃস্ব ব্যক্তির আপিল: আদেশ-৪৪।
৭,১৬৪.
'ক', 'খ' -এর বরাবরে প্রদত্ত একটি হেবানামায় উল্লেখ করেন যে, "আমি যতদিন বেঁচে আছি সম্পত্তি ভোগ করবো এবং বিক্রয় বা দান করবো না, আমার মৃত্যুর পর তুমি মালিক হবে" দানটি-
  1. বৈধ
  2. অবৈধ
  3. অনিয়মিত
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
শর্তসাপেক্ষে দান:
- যদি কেউ কোনো সম্পত্তি, এমন শর্তে দান করে যার মাধ্যমে দান গ্রহীতাকে সম্পত্তিটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম বাধা নিষেধ দেয়া হয়, যেমন গ্রহীতা সেটি বিক্রি করতে পারবে না, তাহলে দানটি বৈধ হবে কিন্তু শর্তটি অবৈধ হবে।
- কেউ যদি ঘটনা সাপেক্ষে কোনো দান করে তাহলে দানটি অবৈধ হবে।
- কেউ যদি ভবিষ্যৎ সম্পত্তি দান করে তাহলেও দানটি অবৈধ হবে।
 -হেবা বা দান সাধারণত The Transfer of Property Act, 1882 অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
-মুসলিম আইন অনুসারে দান বা হেবার কোনো আইন বাংলাদেশে নেই। কিন্তু মুসলিম আইনের হেবার বিধানটি The Transfer of Property Act, 1882 তে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
- The Transfer of Property Act, 1882 এর ১২৩ নং ধারায় বলা হয়েছে। অন্য কোনো আইনে যা-ই থাকুক না কেন মুসলিম আইনের দান অত্র আইনের অধীন কোনো দান বলে গণ্য হবে।
- The Registration Act, 1908 এর ১৭(১) (AA) ধারায় বলা হয়েছে- মুসলিম আইনের অধীন প্রত্যেকটি দান অবশ্যই নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে হতে হবে।

বর্ণিত দানটি ঘটনাসাপেক্ষ দান (Contingent Gift) তাই এটি অবৈধ হবে।
সম্ভাব্য কোনো ঘটনাসাপেক্ষে কিছু দান করা হলে এমন দান বৈধ হবে না। আলোচ্য প্রশ্নের দানটি দাতার মৃত্যুর পর কার্যকর হবে, অর্থাৎ ভবিষ্যতে কোনো একটি ঘটনা ঘটার শর্তে দান। ভবিষ্যতে কোনো ঘটনা ঘটা সাপেক্ষে কিছু দান করা হলে তা অবৈধ হবে। পাশাপাশি হেবার ক্ষেত্রে-সম্পত্তি তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করতে হয়।
৭,১৬৫.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করণের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তি বিশ্বাসভরে দখলে পেয়ে থাকে 
  2. উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
  3. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধের বিষয়বস্তু স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি
  4. অপরাধী সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করে 
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ। অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাঙ্করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় না।
- তাই উল্লিখিত প্রশ্নে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় তথ্যটি সঠিক নয়।
৭,১৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি ৩ অনুসারে, আদালত কখন কোনো দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. যদি দলিলটি প্রত্যয়িত কপি হয়
  2. যদি দলিলটি মোকদ্দমার শেষে উপস্থাপন করা হয়
  3. যদি দলিলটি পক্ষগণের সম্মতিতে উপস্থাপন করা হয়
  4. যদি দলিলটি অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে হয়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৩ বিধি ৩ অনুসারে, আদালত মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে কোনো দলিলকে অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে করলে তা প্রত্যাখ্যান করতে পারে এবং প্রত্যাখ্যানের কারণ রেকর্ড করবে। এটি নিশ্চিত করে যে মোকদ্দমায় শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য দলিল ব্যবহৃত হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-13 Rule-3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.

৭,১৬৭.
প্ররোচনাকারীর সংজ্ঞা রয়েছে-
  1. দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১০৮ক ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারীর (Abettor) সংজ্ঞা রয়েছে।

♦ সাধারণত যে ব্যক্তি অপরাধে প্ররোচনা প্রদান করে বা অপরাধের সহায়তা করে তাকে প্ররোচনাকারী বা Abettor বলে।

♦ দণ্ডবিধির ১০৮ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধ করতে সহায়তা করে, অথবা এমন একটি কাজে সহায়তা করে যে কাজটি সহায়তাকারীর মতো একই উদ্দেশ্য নিয়ে বা একই জ্ঞানের ভিত্তিতে যে ব্যক্তি আইনানুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে তা করতে সক্ষম সেই ব্যক্তি করলে অপরাধ হত, তাহলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অপরাধ করতে সহায়তা ও প্ররোচনা দান করেছে বলে গণ্য হবে।

♦ কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থেকে সহায়তা করা বা প্ররোচনা দান করাও একটি অপরাধ, যদিও প্ররোচনাদাতা স্বয়ং কাজটি করতে বাধ্য নয়।

♦ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় প্ররোচনার (Abetment) বিধান রয়েছে এবং দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী বা প্ররোচনা দাতার (Abettor) সংজ্ঞা রয়েছে।
৭,১৬৮.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারা অনুযায়ী breach of contract-এর জন্য compensation চাওয়া যায়?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৯
  4. ধারা ২১
ব্যাখ্যা

⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৯ এর অধীনে চুক্তি ভঙ্গের (breach of contract) জন্য ক্ষতিপূরণ (compensation) দাবি করার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। এই ধারাটি বলে যে, যদি কোনো চুক্তি ভঙ্গের ফলে একটি পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে সেই পক্ষ ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। এছাড়াও, এই ধারা অনুসারে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালনের (specific performance) পাশাপাশি বা বিকল্প হিসেবে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। আদালত এই ধারার অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এমনকি যদি সুনির্দিষ্ট পালন সম্ভব না হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
-কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 -Section-19: Power to award compensation in certain cases: 
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly. 
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly. 
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct. 
Explanation:- The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.

৭,১৬৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারার ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের করতে হয়?
  1. আপীল;
  2. রীট;
  3. রিভিউ;
  4. রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল কিংবা রিভিউ চলবে না।
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১১৫ ধারা অনুযায়ী যেখানে আপীল করা যায় না সেখানে রিভিশন করা যায়।
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারার ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষকে রিভিশন করতে হয়।
৭,১৭০.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-

(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------------------------------
♦ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

♦ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
৭,১৭১.
যদি দুই বা ততোধিক আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে কোন স্থাবর সম্পত্তি অবস্থিত কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে, তাহলে কোন আদালত মোকদ্দমাটি গ্রহণ করতে পারে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে
  4. উক্ত এখতিয়ারের যেকোনো এক আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain): স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।
→ অর্থাৎ যদি দুই বা ততোধিক আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে কোন স্থাবর সম্পত্তি অবস্থিত কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে, তাহলে উক্ত যেকোনো এক আদালত মোকদ্দমাটি গ্রহণ করতে পারে।

- আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮ ধারাতে-
১) কোন স্থাবর সম্পত্তি যখন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার অভিযোগ থাকলে এরূপ আদালতের মধ্যে যে কোন একটি আদালত যদি সন্তুষ্ট হয়ে মনে করে যে, এরূপ অনিশ্চয়তার ন্যায়সংগত কারণ রয়েছে তাহলে তদমর্মে একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে ঐ সম্পত্তির ব্যাপারে যে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে এবং এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির ঐরূপ কার্যকারিতা থাকবে, যে-রূপ এই আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারে স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত হলে কার্যকারিতা থাকত:
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও দাবির মূল্য এরূপ হতে হবে যার সম্পর্কে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

২) যেখানে (১) উপধারা অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ডকৃত করা হয়নি এবং আপিল অথবা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, যে স্থানে সম্পত্তিটি অবস্থিত, সে স্থানে কোন প্রকার ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করার এখতিয়ার আদালতের নেই, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতের এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে; তাহলে আপত্তিটি গ্রাহ্য হবে।
------------
The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 
 
(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
৭,১৭২.
একজন পরিবহনকারী তার কর্তব্যাধীন মাল নিয়ে বিশ্বাসভঙ্গ করেছে। সে দণ্ডবিধির কত ধারার আওতায় দণ্ডিত হবে?
  1. ধারা ৪০৩
  2. ধারা ৪০৫
  3. ধারা ৪০৭
  4. ধারা ৪০৮
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।

Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৭,১৭৩.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী বলপ্রয়োগের উপাদান কয়টি?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------------------------
-The Penal Code, 1860, Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৭,১৭৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ___________ধারায় আদালত সরকারী কর্মকর্তাকে আটক এবং ব্যক্তিগত হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে।
  1. ৮০ ধারায়
  2. ৮১ ধারায়
  3. ৮২ ধারায়
  4. ৮৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮১ ধারা মতে গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যহতি (Exemption from arrest and personal appearance) পদাধিকার বলে কৃত কোন কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-তাকে ডিক্রি জারি ব্যতীত গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না । আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারে।

♦ অর্থাৎ পদাধিকারবলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়ে থাকলে, বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রি জারী ব্যতীত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে।
৭,১৭৫.
রিসিভারের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. রিসিভারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  2. রিসিভারের সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।

৭,১৭৬.
Which type of court can order the sale of immovable property in execution of decrees?
  1. Only District Courts
  2. Court of Small Causes
  3. Only High Court
  4. Any Court except a Court of Small Causes
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৮২: কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে:
স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।

Rule 82: What Courts may order sales-
Sales of immovable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.
৭,১৭৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীনে মামলা গ্রহণের আগে কী বাধ্যতামূলক?
  1. আদালতের পূর্বানুমতি
  2. কমিশনের অনুমোদন
  3. সাক্ষীর জবানবন্দি
  4. কমিশনের চেয়ারম্যানের লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২: মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অনুমোদন:
১. ফৌজদারী কার্যবিধি বা অন্য কোনো আইনে কিছুই থাকুক না কেন, কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ছাড়া কোনো আদালত দুর্নীতি আইনের অধীনে কোনো অপরাধের বিচার গ্রহণ (Cognizance) করতে পারবে না।

২. যখন এই আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হবে, তখন কমিশনের (এবং প্রয়োজনে সরকারের) অনুমোদনের কপি মামলার সঙ্গে আদালতে দাখিল করতে হবে।
৭,১৭৮.
What types of injunctions can the Court grant under Section 52?
  1. Only temporary
  2. Only perpetual
  3. Temporary or perpetual
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৫২ ধারায় বিধান করা হয়েছে,
স্থায়ী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

Section 52: Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
৭,১৭৯.
According to Section 21 of the General Clauses Act, 1897, the power to make rules includes the power to:
  1. Only issue new rules
  2. Only interpret existing rules
  3. Punish for non-compliance
  4. Add to, amend, vary or rescind rules
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
৭,১৮০.
সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদানের শাস্তি কী?
  1. অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ১৮৯ ধারায় সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদানে অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
৭,১৮১.
যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদান করবে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক- আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal):
- আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না ।
- ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত সর্বনিম্ন ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
- আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে;
প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।

⇒ একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
⇒ কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।

অর্থাৎ,
যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-41 Rule-12A-Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
৭,১৮২.
দণ্ডবিধি অনুসারে মারামারির অপরাধে সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ১০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৬০ অনুসারে, মারামারির (Affray) অপরাধে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________
⇒ The Penal Code, 1860- Section 159:- Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

৭,১৮৩.
Which authority has the power to fix the local limits of jurisdiction of the civil courts mentioned in the Civil Courts Act, 1887?
  1. The Government
  2. The High Court Division
  3. The Appellate Division
  4. The High Court Division with consultation of Government
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act, 1887 Section 13: Power to fix local limits of jurisdiction of Courts-

(1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the local limits of the jurisdiction of any Civil Court under this Act. 
 
(2) If the same local jurisdiction is assigned to two or more Joint District Judges or to two or more Senior Assistant Judges or Assistant Judges, the District Judge may assign to each of them such civil business cognizable by the Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge, as the case may be, as, subject to any general or special orders of the High Court Division, he thinks fit. 
 
(3) When civil business arising in any local area is assigned by the District Judge under sub-section (2) to one of two or more Joint District Judges or to one of two or more Senior Assistant Judges or Assistant Judges, a decree or order passed by the Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge shall not be invalid by reason only of the case in which it was made having arisen wholly or in part in a place beyond the local area if that place is within the local limits fixed by the Government under sub-section (I). 
 
(4) A Judge of a Court of Small Causes appointed to be also a Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge is a Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge, as the case may be, within the meaning of this section. 
 
(5) The present local limits of the jurisdiction of every Civil Court under this Act shall be deemed to have been fixed under this section.
৭,১৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারার মামলা নিম্নোক্ত কোন আদালতের আদি এখতিয়ারভুক্ত?
  1. মুখ্য মহানগর হাকিম
  2. দায়রা জজ
  3. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ধারায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডিত হবার ক্ষেত্র ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে যেমন ভবঘুরেকে শান্তিরক্ষার মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
৭,১৮৫.
যথাযথভাবে মোকদ্দমা দায়েরের কত দিনের মধ্যে বিবাদীর প্রতি সমন ইস্যু করতে হবে?
  1. অব্যবহিত পরেই
  2. ৫ কার্যদিবস
  3. ৭ কার্যদিবস
  4. ১০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদির দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদির উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদি হাজিরা দিতে পারবে-
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদি হাজিরা দিতে পারে।
৭,১৮৬.
কোন আদালত এক তরফা অন্তবর্তীকালীন আদেশ প্রদান করবে না-
  1. বে-সরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে
  2. সরকারের বিরুদ্ধে
  3. বে-সরকারি বিবাদীর বিরুদ্ধে
  4. কারও বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক বিধান অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না:

- কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

বিধি-৫ অনুসারে কোন কর্পোরেশনের বা অফিসের উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে তা উহার কর্মকর্তাদের উপর বাধ্যতামূলক ভাবে কার্যকর হয়।
বিধি-৫ক ‘তে বলা আছে অতি জরুরি বিষয় ছাড়া সরকারের বিপক্ষে এক-তরফা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না।
----------
Order-39 Rule-5A. No order of ad interim or temporary injunction without hearing the opposite party:
(1) Court shall not, without serving reasonable notice to the Government Pleader and giving him or any Pleader authorised by him in that behalf an opportunity of being heard, pass ex parte any order of ad interim or temporary injunction under any of the aforesaid rules of this Order at the instance of a private party against the Government or any statutory public authority, if such order is likely to prejudice or interfere with any measure designed to implement any development programme, or any development work or otherwise harm public interest.

(2) The Court shall, in all cases where a private party makes an application for ad interim or temporary injunction against another private party, direct notice of the application to the opposite party, unless it appears that the object or granting the injunction would be defeated by the delay.

(3) If any order of ad interim or temporary injunction is passed ex-parte at the instance of a private party against another private party, the Court shall hear and dispose of the matter on merit within seven days of appearance of the opposite party, unless the period is extended further at the instance of the opposite party; and any such order of ad interim or temporary injunction shall stand vacated, if the party at whose instance it was passed, prays for adjournment, or on being called upon by the Court, fails to attend hearing.
৭,১৮৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারা অনুযায়ী কখন চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) দেয়া যায়?
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. যে কোন সময়ে
  3. ডিক্রির মাধ্যমে
  4. আদেশের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
 
- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-53:
- Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

- Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৭,১৮৮.
খবরের সত্যতা সম্পর্কে ইনকোয়ারী কত ধারায় করা হয়?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৭ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭১ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৪ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১১৭ ধারার বিধান: সংবাদের সত্যতা বিষয়ক তদন্ত: (১) যখন আদালতে উপস্থিত কোন ব্যক্তির নিকট ধারা-১১২ মতে প্রদত্ত আদেশ ধারা-১১৩ মতে পড়ে শুনে শুনানো হয় বা ব্যাখ্যা করে দেয়া হয় বা যখন ধারা-১১৪ মতে প্রদত্ত সমন মান্য করে বা পরোয়ানা নির্বাহে কোন ব্যক্তি কোন ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে উপস্থিত হন বা কোন ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সমক্ষে আনয়ন করা হয়, তখন, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট যে সংবাদের উপর ভিত্তি করে ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে সেই সংবাদের সত্যতা বিষয়ে তদন্তানুষ্ঠানে অগ্রসর হবেন, এবং আরও যে সাক্ষ্য নেয়া আবশ্যক বলে প্রতীয়মান হতে পারে তা নিবেন।

----------------
♦ Inquiry as to truth of information
Section 117.(1) When an order under section 112 has been read or explained under section 113 to a person present in Court, or when any person appears or is brought before a Magistrate in compliance with, or in execution of, a summons or warrant, issued under section 114, the Magistrate shall proceed to inquire into the truth of the information upon which action has been taken, and to take such further evidence as may appear necessary.
৭,১৮৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এ সংঘবদ্ধ মানব পাচার গোষ্ঠীর প্রত্যেক অপরাধ সংঘটনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৩০ বছর কারাদণ্ড
  4. ২০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড

কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৭,১৯০.
রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ দ্বারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠিত হয়?
  1. ৪৬ নং আদেশ
  2. ৩৬ নং আদেশ
  3. ৫৬ নং আদেশ
  4. ২৬ নং আদেশ
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সরকারের একটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রপতির ৪৬ নম্বর আদেশ, Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 দ্বারা বার কাউন্সিল গঠিত হয়। এই কাউন্সিল আইনজীবীদের পেশার সনদপ্রদান ও নিয়ন্ত্রণ করে, সকল আইনজীবীর কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিবেচনা করে ইত্যাদি।
৭,১৯১.
Under Rule 8 of Order 14, The maximum time allowed for fixing the date of final hearing is-
  1. 30 days
  2. 60 days
  3. 90 days
  4. 120 days
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-8. Fixing date for final hearing:
After the issues are framed, the Court shall, within one hundred and twenty days thereof, fix a date for final hearing of the suit.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৪, বিধি-৮: চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ:
ইস্যু নির্ধারণের পর, আদালত একশত বিশ (১২০) দিনের মধ্যে মামলার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবে।

৭,১৯২.
যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং কোনো এক অপরাধে দণ্ড দেয়া হয়,তখন অবশিষ্ট অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করা হলে অভিযুক্ত উক্ত অভিযোগসমূহ থেকে-
  1. খালাস বলে গণ্য হবে
  2. অব্যাহতি বলে গণ্য হবে
  3. মুক্তি বলে গণ্য হবে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-

যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়,তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে;যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়,সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।

[When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges. Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.]
৭,১৯৩.
ধারা ১৯(২) অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য কোন বিষয়ে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. স্বাক্ষরের তারিখ
  2. স্বাক্ষরকারীর পরিচয়
  3. সম্পত্তির অবস্থান 
  4. স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা-১৯: লিখিত স্বীকারোক্তির প্রভাব:
(১) কোনো সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কিত মামলার বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পূর্বে, যদি সেই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে দায় স্বীকার করে লিখিতভাবে কোনো স্বীকারোক্তি করা হয় এবং তা সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার বিরুদ্ধে দাবি করা হয়েছে, বা এমন কারো দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার মাধ্যমে সে ব্যক্তি ঐ অধিকার বা দায়িত্ব অর্জন করেছে—তাহলে, ঐ স্বীকারোক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় থেকে নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে।

(২) যদি স্বীকারোক্তিপত্রে তারিখ উল্লেখ না থাকে, তবে তা কখন স্বাক্ষরিত হয়েছে সে বিষয়ে মৌখিক সাক্ষ্য প্রদান করা যাবে; তবে সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর বিধান সাপেক্ষে, সেই স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।

ব্যাখ্যা-১: এই ধারার উদ্দেশ্যে, একটি স্বীকারোক্তি যথেষ্ট বলেই বিবেচিত হবে, যদিও তাতে সম্পত্তি বা অধিকারটির প্রকৃত প্রকৃতি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না থাকে, বা তাতে বলা হয়ে থাকে যে অর্থ প্রদান, প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের সময় এখনো আসেনি, কিংবা অর্থ প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের অনুমতি দেওয়ার অস্বীকৃতির সাথে যুক্ত থাকে, অথবা তা যদি সেট-অফ দাবির সাথে যুক্ত থাকে, এমনকি যদি তা সম্পত্তি বা অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করেও লেখা হয়।
ব্যাখ্যা-২: এই ধারার উদ্দেশ্যে "স্বাক্ষর" বলতে নিজ হাতে স্বাক্ষর বা যথাযথভাবে অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে স্বাক্ষর বোঝানো হয়।ব্যাখ্যা-৩: এই ধারার উদ্দেশ্যে, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার দরখাস্তকে একটি অধিকার সংক্রান্ত দরখাস্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।

৭,১৯৪.
সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার অধীনে কোন ধরনের ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. শুধুমাত্র ঘটনার পূর্ববর্তী ঘটনা
  2. যেসব ঘটনা প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা করে
  3. যেসব ঘটনা অপরাধের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়
  4. যেসব ঘটনা সরাসরি অপরাধ প্রমাণ করে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts):
যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
৭,১৯৫.
Section 75 of the Evidence Act, 1872 deals with:
  1. Primary evidence
  2. Secondary evidence
  3. Public document
  4. Private document
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৫ ধারায় বেসরকারি দলিল (Private Document) সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৫ ধারা অনুযায়ী,
প্রাইভেট ডকুমেন্ট (Private Document) হলো সেই সকল নথি বা দলিল যা পাবলিক ডকুমেন্টের অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ, সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা সংরক্ষিত বা প্রকাশিত নয় এমন নথি প্রাইভেট ডকুমেন্ট হিসেবে গণ্য হয়।

উদাহরণ: ব্যক্তিগত চিঠিপত্র, বিক্রয় চুক্তি, উইল, দানপত্র, কবলা দলিল ইত্যাদি।

৭,১৯৬.
আমানত গ্রহীতা থেকে অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ-
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৫

আমানত গ্রহীতা বা বন্ধক গ্রহীতার নিকট থেকে‌ আমানতী বা বন্ধকী অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা
তামাদি- ৩০ বছর
সময় গণনা শুরু- আমানত রাখা বা বন্ধক দেওয়ার তারিখ হতে।
৭,১৯৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায় Second Revision এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ১১৫(১)
  2. ১১৫(২)
  3. ১১৫(৪)
  4. ১১৫(৫)
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(৪) এ leave for revision এর বিধান আছে। এটাকে ২য় রিভিশনও বলা হয়। বিভিশন এখতিয়ার প্রয়োগকালে জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজ যে আদেশ প্রদান করে তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করা যায় ।

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ (৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত দিলে গুরুত্বপূর্ণ আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশনের অনুমতি মঞ্জুর করে সেই ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) অথবা (৩) এর অধীনে প্রদত্ত জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে দরখাস্ত করা যাবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ যেরূপ উপযুক্ত মনে করে মোকদ্দমা বা কার্য প্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
-----------------
Section 115(4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.
৭,১৯৮.
ধারা ৪৮ অনুযায়ী, কোন বিষয়ে আদালত অভিমত গ্রহণ করতে পারে?
  1. অপরাধীর শাস্তি নির্ধারণ
  2. সাধারণ আইন সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত
  3. সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব
  4. সাক্ষীর সাক্ষ্য বিশ্বাসযোগ্যতা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ-
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation. The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration-
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
৭,১৯৯.
একতরফা আদেশ সরাসরি রদ-রহিতের ক্ষেত্রে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারে?
  1. ৩০০০
  2. ৪০০০
  3. ১০০০
  4. ২০০০
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৬ বিধির ১(ক) অনুযায়ী শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বিবাদী হাজির না হলে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিতে পারে। উক্ত একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামাসহ আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।

 ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

⇒ ঐ সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
৭,২০০.
নিম্নের কোনটি অর্থবিলের বিষয় নয়?
  1. কোনো কর আরোপ
  2. সরকারের হিসাব নিরীক্ষা
  3. স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
  4. সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদের বিধান অর্থবিল: 
-(১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে:
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
 
- (২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
 
- (৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।