বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৭০ / ১৫৫ · ৬,৯০১৭,০০০ / ১৫,৪৭০

৬,৯০১.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৪(১) অনুযায়ী, এই আইনের অধীন অপরাধের জন্য কারাদণ্ডের সর্বনিম্ন মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৪(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এই আইনের অধীন অপরাধের জন্য দণ্ড হল "ন্যূনতম দুই বৎসর এবং সর্বোচ্চ সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড"।
সুতরাং, এই অপরাধের জন্য কারাদণ্ডের সর্বনিম্ন মেয়াদ হলো ২ বছর।

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৪- অপরাধের শাস্তি:
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে।

৬,৯০২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৯৯ ধারার বিধান মতে কতো বছর বয়সের নাবালক অপরাধীদের সংশোধনাগারে রাখার বিধান রয়েছে?
  1. ১২ বছরের কম এমন শিশু।
  2. ১৪ বছরের কম এমন শিশু।
  3. ১৫ বছরের কম এমন শিশু।
  4. ১৮ বছরের কম এমন শিশু।
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা অনুযায়ী কোন কারাদন্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর বয়স ১৫ বছরের কম হলে তাকে ফৌজদারী আদালত জেলে আটকের পরিবর্তে সরকারী কোন সংশোধনাগারে আটক রাখার আদেশ দিতে পারেন
৬,৯০৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'Wrongful restraint' এর বিধান আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩২৯ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒ Section 339. Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
⇒ Illustration 
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৬,৯০৪.
The Penal Code, 1860 অনুসারে রাষ্ট্রদ্রোহ হলো _________।
  1. রাষ্ট্রপতির প্রতি অবজ্ঞা
  2. সরকারের প্রতি বিদ্বেষ
  3. রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
  4. রাষ্ট্রের প্রতি অবজ্ঞা
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৪ক রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।

ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
৬,৯০৫.
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারায় একই অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ-
  1. একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবে
  2. বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারে না
  3. বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮: অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন:
যেক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কার্য সংঘটনে নিয়োজিত কিংবা জড়িত হন, সেক্ষেত্রে তারা উক্ত কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন।

উদাহরণ:
- ‘ক’ এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ‘চ’ কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমনে ‘চ’ নিহত হইলে তাহা শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশ হইবে, যাহা খুন বলিয়া গণ্য হইবে না।

- 'চ' এর প্রতি 'খ' এর বিদ্বেষ থাকায় এবং 'চ' কে হত্যা করিবার জন্য 'খ' এর অভিপ্রায় থাকায়, 'খ' বিনা প্ররোচনায় 'চ' কে হত্যার কার্যে 'ক' কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে 'ক' ও 'খ' উভয়েই 'চ' কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, 'খ' খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে কারন অভিপ্রায় ছিল এবং 'ক' কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
৬,৯০৬.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীনে মোকদ্দমার শুনানি কখন রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত হতে পারে?
  1. সর্বদা
  2. শুধুমাত্র বাদীর অনুরোধে
  3. শুধুমাত্র বিবাদীর অনুরোধে
  4. আদালত উপযুক্ত মনে করলে
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১২(১) অনুসারে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত যখন উপযুক্ত মনে করবে, তখন মোকদ্দমার শুনানি রুদ্ধদ্বার কক্ষে (In Camera) অনুষ্ঠিত করতে পারবে।
- এছাড়াও, যদি উভয় পক্ষ (বাদী ও বিবাদী) রুদ্ধদ্বার কক্ষে শুনানির জন্য অনুরোধ করেন, তাহলে আদালত সেটি মেনে নিতে পারে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো পারিবারিক বিরোধের গোপনীয়তা রক্ষা করা এবং পক্ষগণের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক গোপনীয়তা বজায় রাখা।
এটি বিশেষ করে সংবেদনশীল পারিবারিক বিষয়ে প্রযোজ্য, যেমন বিবাহ বিচ্ছেদ, ভরণপোষণ বা শিশু সন্তানের অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত মামলা।
--------- 
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান: রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।
৬,৯০৭.
জারীর দরখাস্ত ডিক্রির কতদিন পর দায়ের করা হলে দায়ীকের উপর অবশ্যই নোটিশ জারী করতে হবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• ডিক্রি জারির জন্য প্রথম দরখাস্ত/আবেদন ৩ বছরের মধ্যে করতে হয়। ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।

• The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases):

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i)  ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।

তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
৬,৯০৮.
The Penal Code, 1860 এর সংজ্ঞানুসারে, একজন ব্যক্তিকে কখন "আইনত বাধ্য" বলা হয়?
  1. যখন সে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কাজ করে
  2. যখন সে তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে
  3. যখন সে আইন মেনে চলে
  4. যখন কোনো কাজ না করা তার জন্য অবৈধ বলে গণ্য হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩ অনুযায়ী,
"অবৈধ" শব্দটি এমন সবকিছুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা অপরাধ, আইন দ্বারা নিষিদ্ধ, অথবা যা কোনো দেওয়ানি কার্যক্রমের ভিত্তি তৈরি করে।
এবং একজন ব্যক্তিকে তখনই "আইনত বাধ্য" বলা হয় যখন কোনো কাজ না করা তার জন্য অবৈধ বলে বিবেচিত হয়

Section 43- “Illegal” and “Legally bound to do”
The word “illegal” is applicable to everything which is an offence or which is prohibited by law, or which furnishes ground for a civil action: and a person is said to be "legally bound to do" whatever it is illegal in him to omit.
৬,৯০৯.
কখন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বিষয়বস্তু ক্রোক (attach subject of dispute) করিবেন?
  1. বিরোধীয় বিষয়বস্তুতে পক্ষসমূহের কেহই দখলে না থাকলে,
  2. বিরোধীয় বিষয়বস্তুতে কে দখলে ছিলেন সে সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে সন্তুষ্ট হইতে অসমর্থ হইলে
  3. বিরোধীয় বিষয়বস্তুতে পক্ষসমূহের কেউ অবৈধ ক্ষমতাবলে দখলে থাকলে,
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
৬,৯১০.
তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. মামলা করার ক্ষেত্রে
  2. ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  3. আইনগত প্রতিনিধির ক্ষেত্রে
  4. আপীল, রিভিউ বা রিভিশন এর ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৬,৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে। যেখানে বলা আছে, যে ক্ষেত্রে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।

যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি আক্রান্ত হন তবে দুটি শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এর মাঝে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধির উপর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। তার আইনগত প্রতিনিধি যদি বৈধ অপারগতায় আক্রান্ত থাকেন তবে প্রতিনিধির আইনগত অপারগতা অবসান হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।

তামাদি আইনের ৬ ধারার এই বিধান আপীল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বৈধ অপারগতার বিধান শুধুমাত্র বাদী’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিবাদী’র জন্য তামাদি আইনে বৈধ অপারগতার বিধান গ্রহণযোগ্য না।
৬,৯১১.
'ক' কে গুরুতর জখম করার অপরাধে 'খ' এর সাজা হলো। এর কিছুদন পর ভিকটিম 'ক' মারা যায়। এ প্রসঙ্গে নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. খ' এর পুনঃ বিচার করা যাবে না।
  2. 'ক' কে হত্যার জন্য 'খ' এর পুনঃবিচার হবে।
  3. 'ক' কে হত্যার জন্য 'খ' এ ফাঁসির আদেশ হবে।
  4. 'খ' এর যাবজ্জীবন সাজা হবে।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে হবে;
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে;
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়; বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়; বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।

যেহেতু 'খ'-কে গুরুতর আঘাতের জন্য 'ক' এর একবার বিচার হয়েছে, তাই একই অপরাধে 'ক' কে পুনরায় গুরুতর আঘাতের অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না কারণ এই ক্ষেত্রে Double Jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে। তবে অন্য অপরাধে বিচার করা যাবে। এক্ষেত্রে আদালত 'খ' এর হত্যার অপরাধে 'ক' এর বিচার করতে পারে।
৬,৯১২.
‘খ’ দাবি করে যে, ৩০ বছর ধরে নিখোঁজ থাকা ‘ক’ জীবিত আছে। ‘ক’ যে জীবিত আছে, এটা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. ‘ক’ এর
  2. ‘খ’ এর
  3. আদালতের
  4. ‘ক’ এর আত্মীয়দের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তির গত ৭ বছরের মধ্যে কোনো খোঁজ না পাওয়া যায় এবং স্বাভাবিক অবস্থায় যারা তার খবর পাওয়ার কথা তারা যদি কোনো খবর না পায়, তবে আদালত সেই ব্যক্তিকে মৃত বলে অনুমান করতে পারে। তবে, যদি কেউ সেই ব্যক্তিকে জীবিত বলে দাবি করে, তাহলে তার প্রমাণের দায়িত্ব দাবিদারের ওপর বর্তাবে।

এক্ষেত্রে, ‘খ’ এর এই দাবির প্রমাণের ভার ‘খ’-এর ওপরই বর্তায়।

Section- 108: Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৬,৯১৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী দস্যুদের বা ডাকাতদের আশ্রয়দানকারীকে শাস্তি দেওয়া হয়?
  1. ধারা ২১৪
  2. ধারা ২১৬ক
  3. ধারা ২১৬
  4. ধারা ২১২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২১৬ক বিশেষভাবে ডাকাত/দস্যুদের আশ্রয়দানের শাস্তি সম্পর্কে বিধান করে। 
- দণ্ডবিধির ধারা ২১৬ক (Penal Code, 1860 – Section 216A) অনুযায়ী:
- যদি কেউ জানে বা বিশ্বাস করার যথাযথ কারণ থাকে যে কিছু ব্যক্তি ডাকাতি (robbery) অথবা দস্যুতা (dacoity) করতে যাচ্ছে বা সম্প্রতি করেছে, এবং সে ব্যক্তি তাদেরকে আশ্রয় দেয় এই উদ্দেশ্যে যে তারা যেন অপরাধ সংঘটিত করতে পারে অথবা শাস্তি থেকে বাঁচতে পারে, তবে: সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ (সাত) বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারেন।
- Exception (ব্যতিক্রম): যদি স্বামী বা স্ত্রী অপরাধীকে আশ্রয় দেন, তাহলে এই ধারা তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

- অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ২১৬ক বিশেষভাবে দস্যু (robber) ও ডাকাত (dacoit)-দের আশ্রয়দানের শাস্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒The Penal Code, 1860 – Section 216A. Penalty for harbouring robbers or dacoits:
Whoever, knowing or having reason to believe that any persons are about to commit or have recently committed robbery or dacoity, harbours them or any of them, with the intention of facilitating the commission of such robbery or dacoity, or of screening them or any of them from punishment, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
- Explanation.-For the purposes of this section it is immaterial whether the robbery or dacoity is intended to be committed, or has been committed, within or without Bangladesh. 
- Exception.–This provision does not extend to the case in which the harbour is by the husband or wife of the offender.

৬,৯১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৪ অনুযায়ী, আপিল আদালতের রায় ঘোষণার সময় আসামিকে আদালতে হাজির করা -
  1. বাধ্যতামূলক
  2. বিবেচনামূলক
  3. আসামির ইচ্ছাধীন
  4. আবশ্যক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৪ অনুযায়ী,
আপিল আদালত যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে আসামিকে আদালতে হাজির করতে পারে। তবে, এটি বাধ্যতামূলক নয়, বরং আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।

ধারা ৪২৪- অধস্তন আপিল আদালতের রায়:
অপরাধমূলক কার্যবিধির অধ্যায় XXVI-তে যে সকল নিয়ম অপরাধ সংক্রান্ত মূল বিচারকার্যের আদালতের রায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তা যথাসম্ভব উচ্চ আদালত বিভাগ ব্যতীত অন্য কোনো আপিল আদালতের রায়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

তবে, যদি আপিল আদালত ভিন্ন কোনো নির্দেশ না দেয়, তাহলে আসামিকে আদালতে হাজির করা বা রায় শোনার জন্য উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই।
৬,৯১৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে _____ বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১৩ ধারার বিধান লাইসেন্স, ইত্যাদি: 
 (১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে। 
(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।
৬,৯১৬.
দণ্ডবিধির অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি কি?
  1. যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. যে কোন বর্ণনার ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. যে কোন বর্ণনার ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. যে কোন বর্ণনার ৬ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।
♦দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৬,৯১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত আদালতে হাজির না হয় এবং তার বিরুদ্ধে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান অনুসরণ করা হয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না
  2. তাকে আজীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
  3. তার বিরুদ্ধে অনুপস্থিতিতে বিচার চালাতে পারে
  4. তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্দোষ ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: গ) তার বিরুদ্ধে অনুপস্থিতিতে বিচার চালাতে পারে
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ(১) ধারা অনুসারে, যদি কোনো অভিযুক্ত আদালতে হাজির না হয় এবং তার বিরুদ্ধে ৮৭ (পলাতক ঘোষণার আদেশ) ও ৮৮ (সম্পত্তি ক্রোক) ধারার বিধান অনুসরণ করা হয়, তবে আদালত কমপক্ষে দুইটি বহুল প্রচারিত বাংলা দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে অভিযুক্তকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারে।
যদি অভিযুক্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির না হয়, তাহলে আদালত তার অনুপস্থিতিতেই বিচার চালাতে পারে, যা "Trial in absentia" বা "অনুপস্থিতিতে বিচার" নামে পরিচিত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশি অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.

(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৬,৯১৮.
ফৌজদারী কার্যবিধিতে আদালত অবমাননার মামলা বা ৪৮৫ ও ৪৮৫ক ধারায় শাস্তির ক্ষেত্রে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ধারা ৪৮৬ আদালত অবমাননার মোকদ্দমায় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল বিধান রয়েছে। কোন আদালত কর্তৃক ধারা ৪৮০, ৪৮৫ বা ৪৮৫ক এর অধীন দণ্ডিত কোন ব্যক্তি, ইতোপূর্বে যাই বিহিত থাকুক না কেন, সেই আদালতে আপিল করতে পারবে, যে আদালতে উক্ত আদালতের ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে সাধারণত আপিল করা যায়।
৬,৯১৯.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মা কোন শ্রেণির উত্তরাধিকারী?
  1. দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham)
  2. নির্দিষ্ট অংশীদার (Zawil Furud)
  3. অবশিষ্টাংশ ভোগী (Asaba)
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মা নির্দিষ্ট অংশীদার (Zawil Furud) হিসেবে বিবেচিত হন এবং সন্তান থাকলে ১/৬ এবং সন্তান না থাকলে ১/৩ অংশ পান।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে উত্তরাধিকারীরা তিন শ্রেণিতে বিভক্ত:
১) নির্দিষ্ট অংশীদার (Zawil Furud) – যাদের নির্দিষ্ট অংশ কোরআনে নির্ধারিত রয়েছে।
২) অবশিষ্টাংশ ভোগী (Asaba) – যারা অংশীদারদের পরে অবশিষ্ট সম্পত্তি পায়।
৩) দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham) – যারা অংশীদার বা আসাবা নয়, কিন্তু মৃতের আত্মীয়।

৬,৯২০.
ভূমির মালিকের স্বার্থে উক্ত ভূমি নিয়ে দাঙ্গা হলে এবং ভূমির মালিক যদি তা রোধ করার চেষ্টা না করে, তাহলে তার শাস্তি কী হবে?
  1. কারাদণ্ড
  2. অর্থদণ্ড
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে
  4. কোনো শাস্তি নেই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারা- যে ব্যক্তির স্বার্থে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয় তার দায়দায়িত্ব:
যে ভূমি সম্পর্কে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয়েছে, দাঙ্গাটি যদি ভূমির মালিক বা দখলদারের অথবা উক্ত স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির অথবা যে বিরোধীয় বিষয়টি নিয়ে দাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছে উহাতে কোন স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির স্বার্থে বা স্বপক্ষে অথবা যে ব্যক্তি উহা হতে কোনভাবে উপকৃত হয়েছে তার স্বার্থে বা স্বপক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, তবে অনুরূপ ব্যক্তি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে-যদি উক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি বা তার ম্যানেজার অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হতে পারে অথবা যে বেআইনী সমাবেশ দ্বারা অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হবে তা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে তার বা তাদের বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অনুরূপ দাঙ্গা বা সমাবেশ নিরোধ করার এবং উহা দমন ও ছত্রভঙ্গ করার জন্য যথাক্রমে তার বা তাদের আয়ত্তাধীন সকল আইনসম্মত উপায় অবলম্বন না করে।

Section 155- Liability of person for whose benefit riot is committed:
Whenever a riot is committed for the benefit or on behalf of any person who is the owner or occupier of any land respecting which such riot takes place or who claims any interest in such land, or in the subject of any dispute which gave rise to the riot, or who has accepted or derived any benefit therefrom, such person shall be punishable with fine, if he or his agent or manager, having reason to believe that such riot was likely to be committed or that the unlawful assembly by which such riot was committed was likely to be held, shall not respectively use all lawful means in his or their power to prevent such assembly or riot from taking place, and for suppressing and dispersing the same.
৬,৯২১.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, জজমেন্ট-ডেবটরকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে কোনো বাসস্থানে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন সময়ের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে? 
  1. সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত
  2. সূর্যাস্তের পর থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত
  3. সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
  4. শুধুমাত্র সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৫(১)-এর প্রথম প্রভিশন (Provided, firstly) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: for the purpose of making an arrest under this section, no dwelling-house shall be entered after sunset and before sunrise.
- অর্থাৎ, জজমেন্ট-ডেবটরকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে কোনো বাসগৃহে (dwelling-house) সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের আগে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) সূর্যাস্তের পর থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত (অর্থাৎ রাতের বেলা প্রবেশ নিষেধ)।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-55.- Arrest and detention:
(1) A judgment-debtor may be arrested in execution of a decree at any hour and on any day, and shall, as soon as practicable, be brought before the Court, and his detention may be in the civil prison of the district in which the Court ordering the detention is situate, or, where such civil prison does not afford suitable accommodation, in any other place which the Government may appoint for the detention of persons ordered by the Courts of such district to be detained:

Provided, firstly, that, for the purpose of making an arrest under this section, no dwelling-house shall be entered after sunset and before sunrise:

Provided, secondly, that no outer door of a dwelling-house shall be broken open unless such dwelling-house is in the occupancy of the judgment-debtor and he refuses or in any way prevents access thereto, but when the officer authorised to make the arrest has duly gained access to any dwelling-house, he may break open the door of any room in which he has reason to believe the judgment-debtor is to be found:
Provided, thirdly, that, if the room is in the actual occupancy of a woman who is not the judgement-debtor and who according to the customs of the country does not appear in public, the officer authorised to make the arrest shall give notice to her that she is at liberty to withdraw, and, after allowing a reasonable time for her to withdraw and giving her reasonable facility for withdrawing, may enter the room for the purpose of making the arrest:

Provided, fourthly, that, where the decree in execution of which a judgment-debtor is arrested, is a decree for the payment of money and the judgment-debtor pays the amount of the decree and the costs of the arrest to the officer arresting him, such officer shall at once release him.

(2) The Government may, by notification in the official Gazette, declare that any person or class of persons whose arrest might be attended with danger or inconvenience to the public shall not be liable to arrest in execution of a decree otherwise than in accordance with such procedure as may be prescribed by the Government in this behalf.
(3) Where a judgment-debtor is arrested in execution of a decree for the payment of money and brought before the Court, the Court shall inform him that he may apply to be declared an insolvent, and that he may be discharged if he has not committed any act of bad faith regarding the subject of the application and if he complies with the provisions of the law of insolvency for the time being in force.
(4) Where a judgment-debtor expresses his intention to apply to be declared an insolvent and furnishes security, to the satisfaction of the Court, that he will within one month so apply, and that he will appear, when called upon, in any proceeding upon the application or upon the decree in execution of which he was arrested, the Court may release him from arrest, and, if he fails so to apply and to appear, the Court may either direct the security to be realized or commit him to the civil prison in execution of the decree.

৬,৯২২.
নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক নাবালকের নামে রুজুকৃত মোকদ্দমা অযৌক্তিক হলে এবং উক্ত মোকদ্দমা আবেদনক্রমে খারিজ হলে, আদালত কী নির্দেশ দিতে পারে?
  1. নতুন নেক্সট ফ্রেন্ড নিয়োগ করবে
  2. মোকদ্দমার খরচ মওকুফ করবে
  3. মোকদ্দমার খরচ পরিশোধের জন্য নাবালককে আদেশ দিবে
  4. মোকদ্দমার খরচ পরিশোধের জন্য নেক্সট ফ্রেন্ডকে আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-১৪: অযৌক্তিক বা অনুচিত মোকদ্দমা:
১) কোন নাবালক একমাত্র বাদি হলে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়ে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, তার নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক তার নামে রুজুকৃত মোকদ্দমা অযৌক্তিক বা অসঙ্গত হওয়ার কারণে খারিজ হবে।

২) সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের উপর আবেদনের নোটিশ জারি করতে হবে এবং উক্ত অসঙ্গত কারণ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হয়ে আদালত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে এবং আবেদনপত্র ও মোকদ্দমার ব্যাপারে কোন কিছু সম্পর্কে সকল পক্ষ বরাবর খরচাদি পরিশোধের জন্য নেক্সট ফ্রেন্ডকে আদেশ দিতে পারে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে অন্য কোন উপযুক্ত নির্দেশ দিতে পারে।
৬,৯২৩.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার রায় রিভিউ করতে পারে-
  1. নিজের ইচ্ছায়
  2. সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
  3. নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
  4. সরকারের আবেদনে
ব্যাখ্যা
♦বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার নিজস্ব উদ্যোগে বা কোন আবেদনের প্রেক্ষাপটে তার সিদ্ধান্ত রিভিউ করতে পারে বা পরিবর্তন করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।
৬,৯২৪.
যদি কোন আসামী চার্জ গঠনকালে স্বীকার করে যে সে অভিযুক্ত অপরাধটি সংঘটন করেছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন আসামীর-
  1. অব্যাহতির
  2. মুক্তির
  3. খালাসের
  4. সাজার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪২ ধারা বিধান অভিযোগ গঠন করতে হবেঃ ঐরূপ বিবেচনা, পরীক্ষা কিছু করা হলে তা এবং শুনানী অন্তে ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে, এরূপ প্রাকপ্রত্যয় করার হেতু আছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিচারযোগ্য অপরাধ সম্পাদন করেছে, যে অপরাধের বিচার ঐরূপ ম্যাজিস্ট্রেট করতে যোগ্যতাসম্পন্ন এবং তাঁর মতে তিনি যার জন্য যথোপযুক্ত শাস্তিবিধান করতে সক্ষম, তাহলে তিনি উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে লিখিতভাবে অভিযোগ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, যে অপরাধে তাকে চার্জভুক্ত করা হয়েছে ঐ অপরাধে সে অপরাধ স্বীকার করে কি-না।
 
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৩ ধারা বিধান অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের প্রেক্ষিতে দণ্ডঃ আসামী যদি স্বীকার করে যে, যে অপরাধে সে অভিযুক্ত হয়েছে তা সে করেছে, তাহলে যথাসম্ভব তার ব্যবহৃত শব্দে তার স্বীকৃতি নথিবদ্ধ করতে হবে এবং কি কারণে সে দণ্ডিত হবে না, সেই বিষয়ে সে যদি যথেষ্ট কারণ না দর্শায়, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দণ্ড দান করতে পারবেন।

♦ অর্থাৎ যদি কোন আসামী চার্জ গঠনকালে স্বীকার করে যে সে অভিযুক্ত অপরাধটি সংঘটন করেছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট স্বীকারোক্তির উপর ভিত্তি করে আসামীর দণ্ডের (Conviction) আদেশ দিতে পারে।
৬,৯২৫.
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দায়রা আদালতের বিচারক হিসেবে নিয়োগের ভিত্তি কী?
  1. সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদ
  2. সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ
  3. সংবিধানের ১৩২ অনুচ্ছেদ
  4. সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯(৩এ) ধারায় বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে দায়রা আদালতের বিচারক, যেমন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিয়োগ করা হবে। এই নিয়োগ সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী করা হয়।
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ বিচার বিভাগের কাঠামো এবং বিচারকদের নিয়োগের নিয়মাবলী নির্ধারণ করে, যার অধীনে সেশনস জজ, অতিরিক্ত সেশনস জজ এবং যুগ্ম সেশনস জজের নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়।

⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore.
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.

৬,৯২৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হয়?
  1. এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বোচ্চ আদালতে
  2. এখতিয়ারসম্পন্ন যেকোনো আদালতে
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
  4. উপরের যেকোনো একটিতে
ব্যাখ্যা
ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-

"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it."

অর্থাৎ, প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
৬,৯২৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৫ অনুযায়ী, যখন দলিলের ভাষা স্পষ্ট হলেও তা বাস্তব পরিস্থিতির সাথে মানানসই না হয়, তখন–
  1. দলিল অবৈধ
  2. মৌখিক সাক্ষ্য অগ্রহণযোগ্য
  3. দলিল বাতিল বলে গণ্য হবে
  4. সাক্ষ্য দ্বারা বিশেষ অর্থে ব্যবহার প্রমাণ করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৫ অনুসারে, ভাষা স্পষ্ট হলেও যদি বাস্তবতার সাথে মিল না খায়, তখন ভাষাটি কোনো "বিশেষ অর্থে" ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৫ – বিদ্যমান বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দলিলের ভাষা অর্থহীন হলে প্রমাণ:
যখন কোনো দলিলে ব্যবহৃত ভাষা আপাতদৃষ্টিতে পরিষ্কার ও নির্ভুল হলেও বিদ্যমান বাস্তবতার সাথে তা অর্থবোধক না হয়, তখন এটি প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য প্রদান করা যেতে পারে যে ভাষাটি বিশেষ কোনো অর্থে ব্যবহার করা হয়েছিল।
উদাহরণ:
- ক ‘খ’-কে একটি দলিলের মাধ্যমে বলে “আমার ঢাকা শহরের বাড়ি খ’-কে বিক্রি করলাম”।
- কিন্তু ক-এর ঢাকায় কোনো বাড়ি নেই, তবে দেখা যায় যে তার নারায়ণগঞ্জে একটি বাড়ি ছিল, এবং খ দলিল সম্পাদনের পর থেকে সেই বাড়ির দখলে ছিল।
- এসব বিষয় প্রমাণ করা যেতে পারে, যেন বোঝা যায় দলিলটি মূলত নারায়ণগঞ্জের বাড়ির জন্য প্রযোজ্য।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 95. Evidence as to document unmeaning in reference to existing facts:
When language used in a document is plain in itself, but is unmeaning in reference to existing facts, evidence may be given to show that it was used in a peculiar sense.

Illustrations:
- A sells to B, by deed "my house in [Dhaka]".
- A had no house in [Dhaka], but it appears that he had a house at [Narayanganj], of which B had been in possession since the execution of the deed.
- These facts may be proved to show that the deed related to the house at [Narayanganj].
৬,৯২৮.
মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে অর্থদণ্ড হবে অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির _____ মূল্যের
  1. সমান
  2. দ্বিগুণ
  3. তিন গুণ
  4. চার গুণ
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার বিধান: মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:
-(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
-(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
-(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। 
-(৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদন্ডে দন্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
-(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
৬,৯২৯.
বিবাদী যদি সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করে বা অন্য কারণে সাধারণভাবে সমন জারি করা সম্ভব না হয়, তবে আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির ৫নং আদেশের ২০ নং বিধির অধীনে কী আদেশ দিতে পারে?
  1. সমন জারি স্থগিত করার
  2. বিবাদীর সম্পত্তি আটক করার
  3. বিকল্পরূপে সমন জারি করার
  4. বিবাদীর বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে।

২০ নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেছে অথবা অন্য কোন কারণে সাধারনভাবে সমন জারি করা যায়না, সেক্ষেত্রে বিবাদীর গৃহের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে জারি করার জন্য আদালত আদেশ দিবেন অথবা বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশ দিবে যা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি Substituted Service নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ব্যক্তিগতভাবে সমন জারির মতই কার্যকর হবে।

Order 5 Rule 20: Substituted service-
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit.

(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.

Effect of substituted service-
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.

Where service substituted, time for appearance to be fixed-
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require.
৬,৯৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারায় অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন কে?
  1. বিচারিক আদালত
  2. শুধু হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আপিল আদালত
  4. রিভিশন আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।

(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।

(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।

(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।

৬,৯৩১.
ক তার বাড়ি মাসিক ১০০০০ টাকা ভাড়ার ভিত্তিতে খ কে ভাড়া দেয়। খ ১৫ মাসের ভাড়া বকেয়া রেখে দেওয়ায় ক আদালতে খ এর বিরুদ্ধে ১২ মাসের ভাড়া আদায়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে ডিক্রি লাভ করে। পরবর্তীতে ক বাকি ৩ মাসের ভাড়ার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে।
  1. পরবর্তী মোকদ্দমা তামাদিতে বারিত হবে
  2. পূর্বে সকল পাওনা মোকদ্দমায় আনয়ন না করায় পরবর্তী মোকদ্দমা করা হতে বারিত হবে।
  3. পরবর্তী মোকদ্দমা গৃহীত হবে।
  4. কোনোটি নয়।
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ২, বিধি ২(৩) বিধান দাবির আংশিক পরিত্যাগ (Relinquishment of part of claim) : বাদী যদি তার দাবির কোন অংশ বাদ বা ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিয়ে মোকদ্দমা করে, তাহলে পরে দাবির সেই অংশের জন্য মামলা করতে পারবে না। যখন বাদী একাধিক প্রতিকার দাবি করে মোকদ্দমা করতে অধিকারী, তখন আদালতের অনুমতি ব্যতীত উত্তরূপ প্রতিকারগুলির মধ্যে কোন একটি দাবি করা না হলে পরে সেই প্রতিকারটি দাবি করা যাবে না।
♦আদেশ ২, বিধি ২(৩) এ এই বিষয়ে বলা আছে। একই transaction হতে উদ্ভূত সকল প্রতিকার না চাইলে এবং কোনো প্রতিকার আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে বাদ দিলে তা নিয়ে পরবর্তীতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না। পরবর্তী মোকদ্দমা দায়ের করার সুযোগ দিলে একই বিষয় নিয়ে একাধিক মোকদ্দমার সুযোগ থাকবে। যেমন- কেউ ১ লক্ষ টাকার জন্য ১০ টা মোকদ্দমাও দায়ের করতে পারবে যেখানে প্রতি মোকদ্দমায় ১০ হাজার টাকা করে দাবি করা হবে। এই কারণে একই লেনদেন হতে উদ্ভূত সকল পাওনা বা প্রতিকার এক মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
৬,৯৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কয়টি তফসিল বর্তমানে কার্যকর আছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, কিন্তু ১ম তফসিল বাতিল হওয়ায় বর্তমানে ৪টি বলবৎ আছে-

১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল,

২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে,

৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে,

৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে,

৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
৬,৯৩৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রাথমিক সময়সীমা এবং বর্ধিত সময় মিলিয়ে সর্বোচ্চ কতদিনে তদন্ত শেষ করতে হবে?
  1. ১৫০ কর্মদিবস
  2. ১৬০ কর্মদিবস
  3. ১৮০ কর্মদিবস
  4. ২০০ কর্মদিবস
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ১৮০ কর্মদিবস।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২০ক – “তদন্তের সময়সীমা”:
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে। 
 
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,- 
 (ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং 
 (খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।
৬,৯৩৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৪১ এর _______ অনুসারে সরাসরি আপিল পুনঃশুনানি করা যাবে।
  1. বিধি ১১ক
  2. বিধি ১৯
  3. বিধি ২১ক
  4. বিধি ২৩
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিল পুনঃশুনানি:
১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন।
বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
৬,৯৩৫.
ডিক্রি জারি মূলে কোন সম্পত্তির নিলাম বিক্রি হলে, বিক্রির কত দিনের মধ্যে ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় :
- ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
-----------
CPC: Order-21 Rule-85: Time for payment in full of purchase-money:
The full amount of purchase-money payable shall be paid by the purchaser into Court before the Court closes on the fifteenth day from the sale of the property:
Provided that, in calculating the amount to be so paid into Court, the purchaser shall have the advantage of any setoff to which he may be entitled under rule 72.
৬,৯৩৬.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৬২ অনুসারে হাইকোর্টের রায়ের পুনরীক্ষণের জন্য দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-১৬২ এ বলা হয়েছে: যখন হাইকোর্ট তার আদি এখতিয়ার (Original Jurisdiction) প্রয়োগ করে কোনো রায় বা আদেশ প্রদান করে, তখন সেই রায়ের পুনরীক্ষণের জন্য দরখাস্ত (Review Petition) দাখিল করতে হবে ডিক্রি বা আদেশের তারিখ থেকে ২০ দিনের মধ্যে।
- এই সময়সীমা মূলত উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন নিয়ন্ত্রণ করে।

 উদাহরণস্বরূপ:
- যদি হাইকোর্ট কোনো দেওয়ানি মামলায় সরাসরি (আদি এখতিয়ারে) রায় প্রদান করে, এবং কেউ তা রিভিউ করতে চায়, তাহলে তাকে ২০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হবে।
৬,৯৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৮ ধারা অনুযায়ী, আদালত কোন শর্তে স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা গ্রহণ করতে পারে?
  1. যদি সম্পত্তি একাধিক আদালতের এখতিয়ারে থাকে
  2. যদি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে
  3. যদি আদালত মামলা পরিচালনার জন্য সক্ষম হয়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain):
- স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।

- আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮ ধারাতে-
১) কোন স্থাবর সম্পত্তি যখন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার অভিযোগ থাকলে এরূপ আদালতের মধ্যে যে কোন একটি আদালত যদি সন্তুষ্ট হয়ে মনে করে যে, এরূপ অনিশ্চয়তার ন্যায়সংগত কারণ রয়েছে তাহলে তদমর্মে একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে ঐ সম্পত্তির ব্যাপারে যে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে এবং এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির ঐরূপ কার্যকারিতা থাকবে, যে-রূপ এই আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারে স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত হলে কার্যকারিতা থাকত:
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও দাবির মূল্য এরূপ হতে হবে যার সম্পর্কে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

২) যেখানে (১) উপধারা অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ডকৃত করা হয়নি এবং আপিল অথবা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, যে স্থানে সম্পত্তিটি অবস্থিত, সে স্থানে কোন প্রকার ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করার এখতিয়ার আদালতের নেই, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতের এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে; তাহলে আপত্তিটি গ্রাহ্য হবে।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 
 
(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
৬,৯৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ অনুসারে আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার অন্ততপক্ষে কত দিন পর স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময়: বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
-----------
⇒ Order-21 Rule-68. Time of sale: Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
৬,৯৩৯.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৭) ধারায় কীসের সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. “rent-receiver”
  2. “khas land”
  3. “homestead”
  4. “non-agricultural tenant”
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৭) ধারায় 'অকৃষি প্রজা' এর সংজ্ঞা রয়েছে।

ধারা ২ উপধারা-(১৭) 'অকৃষি প্রজা' অর্থ একজন প্রজা যে কৃষি চাষ বা ফলচাষের সাথে সম্পর্কিত নয় এরূপ ভূমির অধিকারী থাকে; তবে যে ব্যক্তি চিরস্থায়ী ইজারা ব্যতীত অন্য কোনো প্রকার ইজারাসূত্রে ভূমি ও তার উপর নির্মিত দালান ও প্রয়োজনীয় সংলগ্ন জায়গা অধিকারে রাখে সে তার অন্তর্ভুক্ত হইবে না;
----------
Section 2 (17) “non-agricultural tenant” means a tenant who holds land for purposes not connected with agriculture or horticulture, but does not include a person holding land together with any building standing thereon any necessary adjuncts thereto under a lease other than a lease in perpetuity;
৬,৯৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসারে কার অভিযোগের ভিত্তিতে বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে?
  1. শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির 
  2. যেকোন ব্যক্তির
  3. আদালতের
  4. সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৯৬ ধারা অনুযায়ী- রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে।

• ১৯৭ ধারা অনুযায়ী- বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবেনা।

• ১৯৮ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।

• ১৯৯ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার অধীন ব্যভিচার [Adultery] বা ৪৯৮ ধারায় অপরাধজনক উদ্দেশ্যে বিবাহিত নারীকে প্ররোচিত করে নিয়ে যাওয়া অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীর স্বামী কর্তৃক বা স্বামীর অনুপস্থিতিতে উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় যে সকল লোকজন উক্ত মহিলাকে দেখাশোনা করতো, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমলে নেয়া যাবে।
৬,৯৪১.
সিনিয়র সহকারী বিচারক (Senior Assistant Judge) সর্বোচ্চ কত টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন?
  1. ১৫ লাখ
  2. ২০ লাখ
  3. ২৫ লাখ
  4. ৩০ লাখ
ব্যাখ্যা

⇒ কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
- The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
- সহকারী বিচারক (Assistant Judge): সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।
- সিনিয়র সহকারী বিচারক (Senior Assistant Judge): সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।
- যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

আপিল সংক্রান্ত পরিবর্তন:
- যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge) এর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল—যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে যাবে।
- যদি ৫ কোটির বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে।

৬,৯৪২.
'ক' একজন মৃত ব্যক্তির উইলের এক্সিকিউটর। উইলে যেভাবে সম্পত্তি বণ্টন করার জন্য আইনের যে নির্দেশ আছে তা অসঙ্গতভাবে ভঙ্গ করে সে ঐ সম্পত্তি নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর অপরাধ কি?
  1. বিশ্বাসভঙ্গ
  2. অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাৎ 
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. প্রতারণা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------
Section 405 Criminal breach of trust: Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".

Illustrations:
(a) A, being executor to the will of a deceased person, dishonestly disobeys the law which directs him to divide the effects according to the will, and appropriates them to his own use. A has committed criminal breach of trust.
৬,৯৪৩.
স্থাবর সম্পত্তির দান কমপক্ষে কয় জন সাক্ষী দ্বারা প্রত্যায়িত হবে?
  1. তিন জন
  2. দুই জন
  3. এক জন
  4. কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা
ধারা-১২৩: দান হস্তান্তর পদ্ধতি

স্থাবর সম্পত্তির দান অবশ্যই দাতা কর্তৃক বা তার পক্ষে স্বাক্ষরিত, কমপক্ষে দুই জন সাক্ষী দ্বারা প্রত্যায়িত এবং নিবন্ধন করতে হবে। মুসলিম আইনের অধীন হেবা স্থাবর সম্পত্তির দান বলে গণ্য হবে এবং নিবন্ধন করতে হবে। অস্থাবর সম্পত্তির দান নিবন্ধন অথবা শুধু দখল অর্পনের মাধ্যমে কার্যকর করা যায়।

Section 123: Transfer how effected
For the purpose of making a gift of immoveable property, the transfer must be effected by a registered instrument signed by or on behalf of the donor, and attested by at least two witnesses.
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a heba under Muhammadan law shall be deemed to be a gift of immoveable property for the aforesaid purpose.For the purpose of making a gift of moveable property, the transfer may be effected either by a registered instrument signed as aforesaid or by delivery. Such delivery may be made in the same way as goods sold may be delivered
৬,৯৪৪.
"শুধুমাত্র বিচার্য ঘটনা এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কিত সাক্ষ্য দেওয়া যাবে"- এই বিধানটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লিখিত?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৫ ধারায়
  3. ৭ ধারায়
  4. ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
-কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।
ব্যাখ্যা: দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারায় উল্লিখিত "শুধুমাত্র বিচার্য ঘটনা এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কিত সাক্ষ্য দেওয়া যাবে"।
--------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 5. Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation: This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
৬,৯৪৫.
তামাদি আইনের ৪ ধারা কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. মামলার ক্ষেত্রে
  2. আপিলের ক্ষেত্রে
  3. দরখাস্ত দায়েরের ক্ষেত্রে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়েরের নির্ধারিত সময়ের শেষ দিন অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার দিন যদি আদালত বন্ধ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত যেদিন পুনরায় খুলবে সেদিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত/আবেদন দায়ের বা রুজু করা যাবে।

Section 4: Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
৬,৯৪৬.
'A', 'B' এর পায়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করে, যার ফলে 'B' ২৫ দিন তীব্র যন্ত্রণায় ভোগে এবং হাঁটতে পারে না। 'A' এর কৃত অপরাধ হলো?
  1. হত্যার চেষ্টা
  2. গুরুতর জখম
  3. সাধারণ জখম
  4. ইচ্ছাকৃত আঘাত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) গুরুতর জখম।
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুযায়ী, “গুরুতর জখম” (Grievous hurt) বলতে ৮ ধরনের আঘাতকে বোঝানো হয়। এর মধ্যে অষ্টম শ্রেণির গুরুতর আঘাত হলো:
"যে আঘাতে ভুক্তভোগী বিশ (২০) দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণায় থাকে বা সাধারণ কার্যকলাপ করতে অক্ষম হয়" — এটি গুরুতর জখম।
→ উল্লিখিত ঘটনার প্রেক্ষিতে: 'B' ২৫ দিন তীব্র যন্ত্রণায় ভুগেছে , হাঁটতে পারেনি, অর্থাৎ সাধারণ কাজকর্মে অক্ষম ছিল, তাই এটি ধারা ৩২০ এর অধীন গুরুতর জখম হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৬,৯৪৭.
"ফ্যাক্ট প্রমাণিত" (Fact Proved) হওয়ার অর্থ কী?
  1. আদালত বিশ্বাস করে যে এটি সত্য
  2. আদালত মনে করে এটি সত্য হওয়া সম্ভব
  3. কোনো যুক্তিসঙ্গত ব্যক্তি এটিকে সত্য বলে মেনে নিতে পারে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।
→ সাক্ষ্য আইন অনুসারে, "ফ্যাক্ট প্রমাণিত" (Fact Proved) হওয়ার মানে হলো, আদালত যখন যেসব প্রমাণ এবং তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে সেগুলি পর্যালোচনা করে বিশ্বাস করে যে, ঐ ঘটনা বা বিষয়টি সত্য। এই প্রক্রিয়ায় আদালত মনে করতে পারে যে এটি সত্য হওয়া সম্ভব এবং একটি যুক্তিসঙ্গত ব্যক্তি বিশেষ পরিস্থিতিতে তা সত্য বলে মেনে নিতে পারে।
তাহলে, এই তিনটি বিষয়ই ফ্যাক্ট প্রমাণিত হওয়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:
১) আদালত বিশ্বাস করে যে এটি সত্য।
২) এটি সত্য হওয়ার সম্ভাবনা আদালতের কাছে গ্রহণযোগ্য।
৩) একটি যুক্তিসঙ্গত ব্যক্তি এটি সত্য বলে মেনে নিতে পারে।

→ একটি ঘটনা প্রমাণিত বলা হয় যখন, তা নিয়ে যেসব বিষয় আদালতের সামনে উপস্থাপিত হয়, সেগুলি পর্যালোচনা করার পর আদালত বিশ্বাস করে যে তা অস্তিত্বে রয়েছে, অথবা তার অস্তিত্ব এতটা সম্ভাব্য মনে হয় যে, একটি সুবিবেচক ব্যক্তি বিশেষ পরিস্থিতিতে এটি অস্তিত্বে রয়েছে বলে ধারণা করে তার উপর ভিত্তি করে কাজ করবে।
-------
→ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.
৬,৯৪৮.
আদালত নাবালক ব্যক্তিকে জামিননামা সম্পাদনের আদেশ দিলে, সেক্ষেত্রে-
  1. নাবালক ব্যক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে জামিননামা সম্পাদন করতে হবে
  2. শুধু জামিনদার কর্তৃক সম্পাদিত জামিননামা গ্রহণ করা যাবে
  3. জামিননামা সম্পাদনের প্রয়োজন নেই
  4. ক এবং খ উভয় লাগবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫১৪খ- নাবালকের কাছ থেকে জামিননামা

কোন আদালত বা অফিসার যে ব্যক্তিকে জামিননামা সম্পাদনের আদেশ দেন, সে ব্যক্তি নাবালক হলে উক্ত আদালত বা অফিসার উক্ত জামিননামার পরিবর্তে শুধু এক বা একাধিক জামিনদার কর্তৃক সম্পাদিত জামিননামা গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 514B- Bond required from a minor
When the person required by any Court or officer to execute a bond is a minor, such Court or officer may accept, in lieu thereof, a bond executed by a surety or sureties only.
৬,৯৪৯.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, নিচের কোন ব্যক্তি উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে?
  1. জারজ সন্তান
  2. নাবালক বৈধ সন্তান
  3. তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর গর্ভজাত সন্তান
  4. উল্লিখিত সকলেই
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হন:
(১) কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিমের ওয়ারিশ হবে না এবং কোনো অমুসলিম কোনো মুসলিমের ওয়ারিশ হবে না।
(২) হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিশ হবে না। (এ বিধির উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়, কেউ তাড়াতাড়ি উত্তরাধিকার পাওয়ার জন্য যেন কাউকে হত্যা করতে উদ্যত না হয় সেজন্যই এ বিধি প্রণীত হয়েছে।) 
(৩) জারজ সন্তান ওয়ারিশ হবে না।
- অর্থাৎ জারজ সন্তান - এটি সঠিক উত্তর। অবৈধ সম্পর্কে জন্মগ্রহণকারী সন্তান তার পিতা-মাতা কারো কাছ থেকেই উত্তরাধিকার লাভ করতে পারে না।
অন্যদিকে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হন না:
- নাবালক বৈধ সন্তান - বৈধ বিবাহে জন্মগ্রহণকারী নাবালক সন্তান পূর্ণ উত্তরাধিকারের অধিকারী। শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তার সম্পত্তি অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে থাকে।
- তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর গর্ভজাত সন্তান - তালাকের পর গর্ভজাত সন্তানও বৈধ সন্তান হিসেবে গণ্য হয় এবং পিতার সম্পত্তিতে পূর্ণ উত্তরাধিকার লাভ করে।

৬,৯৫০.
তামাদি আইনের ৩ ধারা প্রযোজ্য -
  1. আপিলের ক্ষেত্রে
  2. মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  3. দরখাস্তের ক্ষেত্রে
  4. বর্ণিত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা-৩: তামাদি মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত মামলা ইত্যাদি খারিজ -
এই আইনের ৪ হইতে ২৫ ধারা (উভয় ধারাসহ) সাপেক্ষে- প্রথম তফসিলে বর্ণিত নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ পার হওয়ার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু বা দাখিল করা হলে, বিবাদীপক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে, তবুও উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

ব্যাখ্যা: সাধারণত উপযুক্ত কর্মচারির নিকট আরজি উপস্থিত করলে, নিঃস্ব হলে নিঃস্বভাবে মামলা করার অনুমতির জন্য দরখাস্ত করলে এবং আদালত যেখানে কোম্পানি বন্ধ করে ফেলছে; সেখানে কোম্পানির বিরুদ্ধে দাবির ক্ষেত্রে দাবিদার সরকারী অবসায়কের নিকট দাবি প্রেরণ করলে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে বিবেচনা করা হয়।

• ধারা ৩ অনুযায়ী,
নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হবার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত করা হলে মামলা খারিজ হবে। এক্ষেত্রে বিবাদী পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন না করলেও আদালত তা খারিজ করে দেবেন। তামাদি আইনের ৩ ধারা ৩টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে-
- মূল মামলা (Original suit);
- আপিল (Appeal);
- দরখাস্ত/আবেদনপত্র (Application)

• ৩ ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। তাই পক্ষগণ একমত হয়েও তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবে না। আদালত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার ফলে কোন মোকদ্দমা খারিজ করলে পরবর্তী ঐ মামলার একই পক্ষ একই বিষয়বস্তু নিয়ে কোন মোকদ্দমা করলে উক্ত মোকদ্দমা Res-Judicata দ্বারা বারিত হবে।
৬,৯৫১.
সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের কোন দায়িত্বকে “প্রাথমিক কর্তব্য” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. শিল্পায়ন
  2. শিক্ষা বিস্তার
  3. কৃষি উন্নয়ন
  4. জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের বিধান: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
৬,৯৫২.
'A', একজন গর্ভবতী নারীকে আঘাত করে, যা যদি তার মৃত্যু ঘটাত তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হতো। ঐ নারী বেঁচে যান কিন্তু তার গর্ভে থাকা জীবিত (quick) অনাগত সন্তানের মৃত্যু হয়। 'A'-এর অপরাধ দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হবে?
  1. ৩১২ ধারা
  2. ৩১৪ ধারা
  3. ৩১৫ ধারা
  4. ৩১৬ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত প্রশ্নের বর্ণনাটি দণ্ডবিধির ধারা ৩১৬-এর উদাহরণ (Illustration)-এর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। এখানে, A একটি কাজ করে যা যদি গর্ভবতী নারীর মৃত্যু ঘটাত তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (culpable homicide) হতো। নারী বেঁচে গেলেও তার গর্ভের জীবিত (quick) অনাগত সন্তানের মৃত্যু হয়।
- অতএব, A-এর অপরাধ ধারা ৩১৬ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হবে। সঠিক উত্তর: ঘ) ৩১৬ ধারা।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ধারা-৩১৬। দণ্ডনীয় নরহত্যার পর্যায়ে পড়ে এমন কাজের দ্বারা জীবিত অনাগত সন্তানের মৃত্যু ঘটানো:
যে কেউ এমন পরিস্থিতিতে কোনো কাজ করে যে, যদি সে এর দ্বারা মৃত্যু ঘটায় তাহলে সে দণ্ডনীয় নরহত্যার জন্য দোষী হবে, এবং এই ধরনের কাজের দ্বারা একটি জীবিত অনাগত সন্তানের মৃত্যু ঘটায়, তাহলে তাকে উভয় প্রকার কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে যার মেয়াদ দশ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং সে জরিমানার জন্যও দায়ী থাকবে।

উদাহরণ:
'ক', জেনেশুনে যে সে একজন গর্ভবতী মহিলার মৃত্যু ঘটাতে পারে, এমন একটি কাজ করে যা, যদি মহিলার মৃত্যু ঘটাত, তাহলে দণ্ডনীয় নরহত্যার পর্যায়ে পড়ত। মহিলা আহত হয় কিন্তু মারা যায় না; কিন্তু এর দ্বারা তার গর্ভে থাকা একটি অনাগত জীবিত সন্তানের মৃত্যু ঘটে। 'ক' এই ধারায় সংজ্ঞায়িত অপরাধের জন্য দোষী।

⇒ The Penal Code, 1860, section- 316. Causing death of quick unborn child by act amounting to culpable homicide:
Whoever does any act under such circumstances, that if he thereby caused death he would be guilty of culpable homicide, and does by such act cause the death of a quick unborn child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. 
Illustration:
A, knowing that he is likely to cause the death of a pregnant woman, does an act which, if it caused the death of the woman, would amount to culpable homicide. The woman is injured but does not die; but the death of an unborn quick child with which she is pregnant thereby caused. A is guilty of the offence defined in this section.

৬,৯৫৩.
দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার অধীনে, মারামারির শাস্তি কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. এক মাস
  2. তিন মাস
  3. ছয় মাস
  4. এক বছর
ব্যাখ্যা
ধারা: ১৬০- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৬,৯৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫ক কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অর্থদণ্ডযোগ্য অপরাধ
  2. কিশোর অপরাধ
  3. মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫ক(১)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এই ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
অর্থাৎ: প্রযোজ্য ক্ষেত্র:
- সাধারণ কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ
- অর্থদণ্ডযোগ্য অপরাধ
- কিশোর অপরাধ (জুভেনাইল কেস)

এই ধারা অনুযায়ী, আদালত অভিযুক্তের হেফাজতে কাটানো সময় কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে কর্তন করবে।
যদি হেফাজতের মেয়াদ প্রদত্ত সাজা থেকে বেশি হয়, তবে অভিযুক্তকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে (অন্যান্য অপরাধে আটক না থাকলে)।
অতএব, সঠিক উত্তর গ) মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 35A. Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৬,৯৫৫.
The appointments of persons to offices in the judicial service mentioned in Article 115 of Constitution of Bangladesh must be made according to:
  1. laws made by Parliament
  2. rules made by President
  3. rules made by Supreme Court
  4. rules made by Parliament
ব্যাখ্যা

Article 115. Appointments to subordinate courts:
Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:
বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।

৬,৯৫৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১২১
  2. অনুচ্ছেদ ১২২
  3. অনুচ্ছেদ ১২৩
  4. অনুচ্ছেদ ১২৪
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার (adult franchise) এর বিধান রয়েছে। অনুচ্ছেদের (১) তে বলা হয়েছে যে, সংসদের নির্বাচন প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হইবে, এবং অনুচ্ছেদের (২) তে ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা (যেমন: ১৮ বছর বয়স, নাগরিকত্ব ইত্যাদি) নির্ধারিত। এটি গণতন্ত্রের সমতা নীতির উপর ভিত্তি করে জাত, ধর্ম, লিঙ্গ বা বর্ণভেদ ছাড়াই সকল প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ভোটের অধিকার দেয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
(১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি-
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

Article 122: Qualifications for registration as voter:
(1) The elections to Parliament shall be on the basis of adult franchise.
(2) A person shall be entitled to be enrolled on the electoral roll for a constituency delimited for the purpose of election to the Parliament, if he-
(a) is a citizen of Bangladesh; 
(b) is not less than eighteen years of age; 
(c) does not stand declared by a competent court to be of unsound mind ; 
(d) is or is deemed by law to be a resident of that constituency ; and 
(e) has not been convicted of any offence under the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.

৬,৯৫৭.
উভয়পক্ষের আবেদনে আদালত মুলতবি অনুমোদন করলে খরচের টাকা কাকে দিতে হবে?
  1. কোনো খরচ দিতে হবে না
  2. বাদীকে
  3. বিবাদীকে
  4. রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে [Adjournment] বা মূলতবির বিধানসমূহ রয়েছে।আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

• আদেশ ১৭ বিধি ১(৫)-
যেক্ষেত্রে উভয় পক্ষ কর্তৃক মুলতবির দরখাস্ত দাখিল করা হয় এবং ব্যয়াদির খরচসহ আদেশসমূহ অনুমোদন করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত প্রতিটি পক্ষকে রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে অনুরূপ খরচাদি জমা প্রদান করার আদেশ দিবে।
[Where applications are made by both the parties for any adjournment the applications are allowed with costs, the court shall direct each party to pay such cost as revenue to the state.]
৬,৯৫৮.
বোবা সাক্ষী [Dumb Witness] লিখে বা ইশারায় যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা_________সাক্ষ্য নামে পরিচিত?
  1. বোবা সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. লিখিত সাক্ষ্য
  4. দালিলিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা মতে বোবা সাক্ষী লেখা বা ইশারায় দ্বারা সাক্ষী দিতে পারে এবং এমন লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে হতে হবে। বোবা সাক্ষী এইরূপ ভাবে যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। 
৬,৯৫৯.
খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নর হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩০৪ ধারা মতে খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নর হত্যার ২ ধরনের শাস্তি 
ক) মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় নিয়ে এমন নরহত্যা ঘটালে তার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন। আর
খ) মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় নেই কিন্তু অপরাধী জানে যে তার কার্যটি সম্ভবত মৃত্যু ঘটাবে কিংবা এমন শারীরিক জখম ঘটাবে যা সম্ভবত মৃত্যু ঘটাবে তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ১০ বছর পর্যন্ত।
৬,৯৬০.
বিচারিক কার্যক্রম বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কী বোঝানো হয়?
  1. পুলিশের তদন্ত কাজ
  2. আদালতের ইনকোয়ারি
  3. শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণ করা
  4. বর্ণিত সবগুলোকেই
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী,
বিচারিক কার্যক্রম বলতে শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণ করা-কে বোঝানো হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ ধারায় বিচারিক কার্যক্রমের সংজ্ঞা দিয়েছে। এই সংজ্ঞা অনুসারে, বিচারিক কার্যক্রম হলো সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণের একটি বিধি।

অন্যদিকে,
পুলিশের তদন্ত কাজ এবং আদালতের ইনকোয়ারি বিচারিক কার্যক্রমের আওতাভুক্ত নয়। কারণ পুলিশের তদন্ত বিচারিক কার্যক্রম নয়, এটি তথ্য সংগ্রহ এবং অপরাধ সনাক্তকরণের একটি পদ্ধতি। ইনকোয়ারি হলো আদালতের দ্বারা নির্দেশিত একটি অনুসন্ধান প্রক্রিয়া, যেখানে শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজন হয় না।
৬,৯৬১.
দণ্ডবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধের প্ররোচনা দেওয়ার পর যদি সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে প্ররোচনাদাতার শাস্তি কী?
  1. সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১১৫ অনুযায়ী, যদি কেউ মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধে প্ররোচনা (abetment) দেয়, কিন্তু সেই অপরাধ সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না হয়, তখন প্ররোচনাদাতা সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড-এর আওতায় শাস্তি ভোগ করবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেওয়া - যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়; যদি ক্ষতি সৃষ্টিকারী কার্য সম্পাদিত হয়:
যে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু উস্কানির ফলে ওই অপরাধ সংঘটিত না হয় এবং এই দণ্ডবিধিতে উস্কানির শাস্তির জন্য কোনো বিশেষ বিধান না থাকে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে;
এবং যদি কোনো এমন কার্য, যার জন্য উস্কানিদাতা দণ্ডনীয়, এবং যার কারণে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সংঘটিত হয়, তাহলে উস্কানিদাতা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 115.  Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or [imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
-and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine. 

Illustration
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or [imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.

৬,৯৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারায় জামিনদার জামিন বাতিলের জন্য কখন আবেদন করতে পারবেন?
  1. যেকোনো সময়
  2. জামিন গ্রহনের পর ১৫ দিন মধ্যে
  3. মামলার রায় ঘোষণার পর
  4. শুধুমাত্র আদালত নির্দেশ দিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody. 
৬,৯৬৩.
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার অধীনে খুনসহ ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছরের কারাদণ্ড
  4. সাত বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতি:- যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
-------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 396. Dacoity with murder:- If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৬,৯৬৪.
হাইকোর্ট কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৬২ এর বিধান:
হাইকোর্ট কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশের তারিখ হতে ২০ দিন
৬,৯৬৫.
সর্বনিম্ন কত দিন কোন ব্যক্তিকে আটক রাখলে আটককারী ব্যক্তি অনধিক ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ২ দিন
  2. ৩ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারার বিধান তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------------- 
⇒The Penal Code, 1860- Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
-Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬,৯৬৬.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন অনুসারে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের তত্ত্বাবধানের জন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষ দায়িত্বপ্রাপ্ত?
  1. জেলা প্রশাসন
  2. জেলা রেজিস্ট্রার
  3. পারিবারিক আদালত
  4. বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান (HBK) কল্যাণ ট্রাস্ট
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৩(১) অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের উপর জেলা রেজিস্ট্রার তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রণ করবে। জেলা রেজিস্ট্রার তার দপ্তরের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের দায়িত্ব এবং কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

⇒  হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ ধারা ১৩ তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি:
(১) প্রত্যেক হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা রেজিস্ট্রারের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে থাকিয়া তাহার দাপ্তরিক ও অর্পিত দায়িত্ব সম্পন্ন করিবেন। 
(২) হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকগণের উপর মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন এর সাধারণ তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকিবে। 
(৩) জেলা রেজিস্ট্রার তাহার স্থানীয় অধিক্ষেত্র এলাকায় যে কোন সময় যে কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের কার্যালয় পরিদর্শন করিতে পারিবেন। 

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “মহাপরিদর্শক” অর্থ Registration Act, 1908 এর অধীন নিযুক্ত মহাপরিদর্শক নিবন্ধন, বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা।

৬,৯৬৭.
মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কত দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়:

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হইলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হইতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হইয়াছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার পর নব্বই দিনের মধ্যে, তাহা পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নববই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নববই দিনের মধ্যে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করিবেন না।

(৪) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোন দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

৬,৯৬৮.
Notice to admit facts কে দিতে পারে?
  1. শুধু বাদী
  2. শুধু বিবাদী
  3. মামলার যেকোনো পক্ষ
  4. কেবল আদালত
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ৪:
মামলার শুনানির তারিখের কমপক্ষে নয় দিন আগে, মামলার যেকোনো পক্ষ লিখিত নোটিশের মাধ্যমে অন্য পক্ষকে অনুরোধ করতে পারে যেন সে মামলার স্বার্থে নোটিশে উল্লেখ করা যে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য স্বীকার করে। নোটিশ দেওয়ার পর ছয় দিনের মধ্যে, অথবা আদালত যে অতিরিক্ত সময় দেবে, তার মধ্যে যদি অপর পক্ষ সেই তথ্য স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা উপেক্ষা করে, তাহলে—
 সেই তথ্য প্রমাণ করতে যে খরচ হবে, মামলার ফলাফল যাই হোক না কেন, অস্বীকারকারী পক্ষকেই সেই খরচ বহন করতে হবে, যদি না আদালত ভিন্ন কোনো নির্দেশ দেয়।

এছাড়া নোটিশের ভিত্তিতে যে কোনো স্বীকারোক্তি করা হবে, তা শুধুমাত্র এই মামলার উদ্দেশ্যে কার্যকর হবে। অন্য কোনো মামলায় বা অন্য কারও পক্ষে এটি ব্যবহার করা যাবে না।

আদালত প্রয়োজন হলে ন্যায্য শর্তে যে কোনো সময় পক্ষকে তার করা স্বীকারোক্তি পরিমার্জন বা প্রত্যাহার করার অনুমতিও দিতে পারে।

৬,৯৬৯.
অপরাধীর বয়স কত হলে তাকে জেলে আটকের পরিবর্তে সংশোধনাগারে আটক রাখার আদেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. ১৩ বছরের কম
  2. ১৫ বছরের কম
  3. ১৮ বছরের কম
  4. ২১ বছরের কম
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৯৯: 

কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স ১৫ বছরের কম হলে আদালত তাকে ফৌজদারি কারাগারে বন্দী না করে, সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখবার নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 399: Confinement of youthful offenders in reformatories

(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein. 
 
(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
৬,৯৭০.
"Courts to be open"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ধারা ৩৫২
  2. ধারা ৩৬১
  3. ধারা ৩৬৬
  4. ধারা ৩৭১
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫২ (আদালত উন্মুক্ত থাকবে)-

কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

Section 352 (Courts to be open)-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
৬,৯৭১.
হিন্দু আইন অনুযায়ী দত্তক এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. যে-কেউ দত্তক দিতে পারে
  2. অবিবাহিত পুরুষ দত্তক নিতে পারে না
  3. অবিবাহিত মহিলা দত্তক নিতে পারে
  4. একজন বোবাকে দত্তক নেওয়া যায় না
ব্যাখ্যা
- হিন্দু আইন অনুযায়ী দত্তক এর ক্ষেত্রে বোবা (Dumb) ও বধির (Deaf) হলে দত্তক নেওয়া যায় না।
-[Surendra Narayan Sarbbadhikari vs. Bhola Nath Ray Chaudhuri (1994)

নিষিদ্ধ গোত্রভুক্ত হলে দত্তক নেওয়া যায় না।

⇒ Who can be adopted
 the Hindu child can be adopted by the following conditions:
1. The child should be Hindu.
2. The child has not been adopted before.
3. The child should not be married.
4. The age of the child must be below 15 years.
৬,৯৭২.
বাদী সমনের জন্য খরচ প্রদান না করায় খারিজ আদেশ হলে, তা রদ করার জন্য তামাদির মেয়াদ কত দিনের?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ-১৬৩
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন
সময় গণনা শুরু - খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।
৬,৯৭৩.
হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ______ দিন।
  1. ৬০
  2. ১৫
  3. ৩০
  4. ২০
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদের বিধান:
হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ২০ দিন।

অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ২০ দিন।
৬,৯৭৪.
সংক্ষিপ্ত বিচারে অনধিক ২০০ টাকা অর্থদন্ড হলে, ঐ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
  1. রিভিশন
  2. আপীল
  3. রেফারেন্স
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সংক্ষিপ্ত বিচারে অনধিক ২০০ টাকা অর্থদন্ড হলে তার বিরুদ্ধে আপীল চলে না। অতএব ঐ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো রিভিশন।
৬,৯৭৫.
'ক' 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' জমিটি 'গ' এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পরে 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এই মর্মে একটি জাল দলিল পেশ করে এই মর্মে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবে 'খ' কে উক্ত জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিল বাতিলের জন্য আদালতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ৩১ ধারায়
  2. ৩৩ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী,
আদালত নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারে-
১. কোন লিখিত দলিল বাতিল [Void] বা বাতিলযোগ্য [Voidable] হলে;
২. যদি বাদীর যুক্তিসঙ্গত আশংকা থাকে যে, এরুপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' জমিটি 'গ' এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পরে 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এই মর্মে একটি জাল দলিল পেশ করে এই মর্মে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবে 'খ' কে উক্ত জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিল বাতিলের জন্য আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৬,৯৭৬.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৮৫ক অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে কার নিকট?
  1. ভূমি আপীল বোর্ডের নিকট
  2. হাইকোর্ট বিভাগের নিকট 
  3. জেলা জজের নিকট
  4. সাব-ডিভিশনাল অফিসারের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯-এর ধারা ৮৫ক অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে জেলা জজের নিকট।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949, Section 85A- Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

৬,৯৭৭.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কয়টি উপায়ে 'House-breaking' এর অপরাধ সংঘটিত হতে পারে?
  1. 3
  2. 4
  3. 5
  4. 6
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);

iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);

v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
৬,৯৭৮.
মুসলিম আইনে বিবাহ কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনে বিবাহ তিন প্রকার:
১) বৈধ (Valid or Sahih)
২) বাতিল (Void or Batil )
৩)  অনিয়মিত (Irregular or fasid)

বৈধ (Valid or Sahih)-
মুসলিম আইনের সকল নিয়ম মেনে যে বিবাহ সেটা বৈধ বিবাহ। একজন মুসলিম পুরুষ শুধুমাত্র একজন মুসলিম নারী ছাড়াও একজন কিতাবীয়া যেমন জিউস বা খ্রিষ্টান নারীর সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারে। কোন মুসলিম নারী শুধুমাত্র মুসলিম পুরুষ ছাড়া অন্যকোন পুরুষের সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারেনা। একটি বৈধ বিবাহ কোন মুসলিম নারীকে দেনমোহরের অধিকার, ভরণপোষণের অধিকার প্রদান করে এবং একই সাথে স্বামীর প্রতি বিশ্বাসী থাকার, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে এবং ইদ্দত পালনের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। এটা উত্তরাধিকারের পারস্পরিক অধিকার সৃষ্টি করে।

বাতিল (Void or Batil)-
যে বিবাহটি বৈধ না সেটা বাতিল বা অনিয়মিত হতে পারে। বাতিল হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং রক্তের সম্পর্কে, বৈবাহিক সম্পর্কে বা প্রতিপালনের সম্পর্কের কারণে স্থায়ী এবং চূড়ান্তভাবে অবৈধ। এমন বিবাহ আইনের চোখে কোন বিবাহ না এবং এমন বিবাহের কোন আইনগত ফলাফল নেই। এই বিবাহ পক্ষগণের মধ্যে কোন পারস্পরিক আইনগত অধিকার বা দায়-দায়িত্ব সৃষ্টি করে না এবং এমন বিবাহের ফলে জন্মগ্রহণ করেছে এমন সন্তান অবৈধ। যেমন Blood relationship, Consanguinity or affinity এর কারণে নিষিদ্ধ বিবাহ হলো বাতিল বিবাহ। বাতিল বিবাহের ক্ষেত্রে কারণগুলো স্থায়ী প্রকৃতির এবং এমন কারণ অপসারিত করে বিবাহ বৈধ করার কোন সুযোগ নেই।

অনিয়মিত বিবাহ (Irregular or fasid)-
অনিয়মিত বিবাহ অর্থ হলো যে বিবাহের কিছু আইনগত ত্রুটি থাকে এবং যেখানে সংশোধনের মাধ্যমে বিবাহের বৈধতা দেওয়া যায়। অনিয়মিত বিবাহ হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং অবৈধ না কিন্তু অন্যকোন কারণে অবৈধ এবং যেখানে নিষিদ্ধ কারণগুলো অস্থায়ী বা যেক্ষেত্রে অবৈধতা কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট যেমন সাক্ষীর অনুপস্থিতি। যে কারণে বিবাহটি অবৈধ বা অনিয়মিত উক্ত কারণ অপসারণ করার মাধ্যমে বিবাহটি বৈধ করা যায়।
৬,৯৭৯.
হিন্দু আইন অনুযায়ী, কোন ধরনের বিবাহে বর কন্যার পিতাকে স্বেচ্ছায় উপঢৌকন প্রদান করে?
  1. ব্রাহ্ম বিবাহ
  2. দৈব বিবাহ
  3. আর্য বিবাহ
  4. প্রজাপত্য বিবাহ
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
৬,৯৮০.
ক একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ময়লার ডাস্টবিনে রেখে আসে। ভাগ্যক্রমে শিশুটি পথচারীদের নজরে আসে এবং বেঁচে যায়। পরে সিসি টিভি ফুটেজ দেখে ক কে আটক করা হয়। ক এর শাস্তি হবে-
  1. ৩০৫ ধারায়
  2. ৩০৬ ধারায়
  3. ৩০৭ ধারায়
  4. ৩০২ ধারায়
ব্যাখ্যা
- খুনের উদ্যোগ বা প্রচেষ্টা যা attempt to murder নামে মানুষের কাছে বহুল আলোচিত দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায় রয়েছে।
- ৩০৭ ধারামতে খুনের উদ্যোগের শান্তি অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
- তবে উক্ত কার্যের ফলে কোন ব্যক্তি আহত হলে অপরাধকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবে।
- অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি খুনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে এবং উক্ত কার্যের ফলে কোন বাক্তি আহত হলে অপরাধী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৬,৯৮১.
Under Section 468, which of the following actions is punishable?
  1. Accidental forgery
  2. Forgery with the intent to cheat
  3. Forgery for personal records
  4. Forgery for artistic purposes
ব্যাখ্যা
Section 468- Forgery for purpose of cheating:
Whoever commits forgery, intending that the document forged shall be used for the purpose of cheating, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be to liable to fine.

ধারা ৪৬৮- প্রতারণার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি:

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার উদ্দেশ্যে কোনো নথি বা দলিল জাল করে, তবে তাকে সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৬,৯৮২.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার অধীনে সরকার কোন শাস্তি হ্রাস করার ক্ষমতা রাখে?
  1. অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
→ সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে ।
- দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় বলা হয়েছে, ৫৪ ও ৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফের অধিকার ক্ষতিগ্রস্থ করবে না।
অর্থাৎ, 
- ৫৪ ধারা: সরকার মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য হালকা শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
- ৫৫ ধারা: সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
- ৫৫ক ধারা: ৫৪ ও ৫৫ ধারা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা বা শাস্তি কমানোর ক্ষমতায় বাধা দেয় না।
৬,৯৮৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৯ অনুযায়ী কোন হস্তান্তর মৌখিকভাবে করা যায়?
  1. নালিশযোগ্য দাবি
  2. স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়
  3. এক বছরের কম মেয়াদের ইজারা
  4. ১০০ টাকার বেশি মূল্যমানের বন্ধক
ব্যাখ্যা

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৯ অনুযায়ী, কিছু হস্তান্তর লিখিত দলিলের মাধ্যমে করা বাধ্যতামূলক, যেমন:
- স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়
- ১০০ টাকা বা তার বেশি মূল্যমানের বন্ধক
- এক বছরের বেশি মেয়াদের বা বার্ষিক ঋণ সংরক্ষণের ইজারা
- স্থাবর সম্পত্তির দান, বিনিময়, নালিশযোগ্য দাবি

তবে কিছু হস্তান্তর মৌখিকভাবে করা যায়, যেমন:
- পার্টিশন (Partition)
- সারেন্ডার (Surrender)
- রিলিজ (Release)
- মাসিক বা এক বছরের কম মেয়াদের ইজারা
- ১০০ টাকার কম মূল্যমানের বন্ধক
সুতরাং, এক বছরের কম মেয়াদের ইজারা মৌখিক হস্তান্তরের মধ্যে পড়ে।

সঠিক উত্তর: গ) এক বছরের কম মেয়াদের ইজারা।

৬,৯৮৪.
বর্তমানে বলবৎ ফৌজদারি কার্যবিধি কত তারিখ হতে কার্যকর করা হয়?
  1. ১৮৬১ সালের ১লা মার্চ
  2. ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই
  3. ১৮৮৯ সালের ১লা জুলাই
  4. ১৮৯৮ সালের ১লা মার্চ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
৬,৯৮৫.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে কোন অধ্যায় নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কিত বিধি রয়েছে?
  1. প্রথম অধ্যায়
  2. পঞ্চম অধ্যায়
  3. নবম অধ্যায়
  4. নবম (ক) অধ্যায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
- দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
- তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
- চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
- পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
- পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
- ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
- নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
- নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
- ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
- সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  
- বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
- একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
৬,৯৮৬.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায় বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রে কয়টি উপায়ের কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করার কথা বলা আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ১টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------------------------
Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৬,৯৮৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা অনুসারে, যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিবে
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি দিবে
  3. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিবে
  4. কোনো আদেশ দিবে না
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভুত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

৬,৯৮৮.
সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে যে সময়ের জন্য___________বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করে, মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করার ক্ষেত্রে উক্ত সময় বাদ যাবে।
  1. বিবাদী
  2. বাদী
  3. আপীলকারী
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী বাদীর যখন মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয় উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে যে সময়ের জন্য বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করে, মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করার ক্ষেত্রে উক্ত সময় বাদ যাবে।
৬,৯৮৯.
যদি মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তাহলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
 সঠিক উত্তর: ঘ) মৃত্যুদণ্ড।
- দণ্ডবিধির ধারা ১৯৪ অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় এবং এর ফলে একজন নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তবে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।
⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine;
and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
৬,৯৯০.
কোনো স্থানে তল্লাশি করতে হলে, কমপক্ষে কতজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশিটি করতে হবে?
  1. ৩ জন
  2. ১ জন
  3. ২ জন
  4. নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী-
কোনো স্থানে তল্লাশি করার ক্ষেত্রে কমপক্ষে দুইজন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাক্ষীর উপস্থিতি থাকতে হবে।

এই দুইজন সাক্ষী হতে হবে সেই এলাকার প্রতিষ্ঠিত ও সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি। তাদের উপস্থিতিতে তল্লাশি অভিযান পরিচালিত হবে এবং তল্লাশি চলাকালীন ঘটনাবলী সম্পর্কে তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে।
যদি দুইজন স্বাধীন সাক্ষী উপলব্ধ না থাকে, তাহলে সে ক্ষেত্রে তল্লাশিকারী কর্মকর্তাকে পরবর্তীতে কারণ জানাতে হবে যে কেন দুইজন সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন না।

এই সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার মূল উদ্দেশ্য হল তল্লাশি অভিযানকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করা এবং অনাবশ্যক বিতর্ক এড়ানো।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবেঃ
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
 
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈরী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
৬,৯৯১.
'Leave for revision' সংক্রান্ত বিধান The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১১২
  2. ১১৪
  3. ১১৩
  4. ১১৫
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(৪) এ leave for revision এর বিধান আছে। এটাকে ২য় রিভিশনও বলা হয়। বিভিশন এখতিয়ার প্রয়োগকালে জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজ যে আদেশ প্রদান করে তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করা যায় ।

(৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত দিলে গুরুত্বপূর্ণ আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশনের অনুমতি মঞ্জুর করে সেই ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) অথবা (৩) এর অধীনে প্রদত্ত জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে দরখাস্ত করা যাবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ যেরূপ উপযুক্ত মনে করে মোকদ্দমা বা কার্য প্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
-----------------
(4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.
৬,৯৯২.
দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান কী?
  1. Voluntarily
  2. Common object
  3. Common Intention
  4. Good Faith
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলী:

যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।

♦দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় (Common Intention) এর বিধান রয়েছে:
(i) সাবধান অভিপ্রায় প্রমাণের ক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে 
(ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা থাকবে উক্ত অপরাধ সংঘটিত করতে।
(iii) অপরাধটি সফল করার জন্য তারা অপরাধে  অংশগ্রহণ করবে।
৬,৯৯৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়-
  1. এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  2. দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  3. উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
  4. মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
- (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

- (২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
৬,৯৯৪.
চূড়ান্ত নিষ্পত্তির নির্ধারিত দিনে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য কারণ ছাড়া দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত-
  1. দো-তরফা ডিক্রি দিতে পারে
  2. রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
  4. একতরফা ডিক্রি দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন দেওয়া হয়েছে এবং কোন পক্ষ যে সকল সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে সেটা দাখিল করতে কোন কারণ ছাড়া উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়েছে, সেইক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে

আদেশ ১৫ বিধি ৪ মতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন বা আদালত সঙ্গত মনে করলে- উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে, এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

[Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment or may if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.]
৬,৯৯৫.
সাধারণ ব্যতিক্রম সম্পর্কে দণ্ডবিধির কোথায় বলা আছে
  1. ৫৪ ধারা থেকে ৬৬ ধারায়
  2. ১৫ ধারা থেকে ৮৫ ধারায়
  3. ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারায়
  4. ২০ ধারা থেকে ১০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর চতুর্থ অধ্যায় ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারা পর্যন্ত সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ বা General exceptions নিয়ে আলোচনা করা হয়।
• সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা মতে দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ যেকোনো ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়িত্ব আসামির।
৬,৯৯৬.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার মতে স্বীকৃতি ______ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
  1. Estoppel
  2. Confession
  3. Conclusive Proof
  4. Secondary evidence
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩১ অনুসারে, স্বীকৃতি (Admissions) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) নয়, কিন্তু সেগুলি প্রতিবন্ধক (Estoppel) হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
--------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.

৬,৯৯৭.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার অধীনে স্বীকৃতি কীভাবে কার্যকর হতে পারে?
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে
  2. মৌখিক প্রমাণ হিসেবে
  3. প্রতিবন্ধক হিসেবে
  4. সন্দেহাতীত সাক্ষ্য হিসেবে
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী, কোনো স্বীকৃতি (Admission) চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, তবে এটি প্রতিবন্ধক (Estoppel) হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যা পরবর্তী সময়ে উক্ত স্বীকৃতি প্রদানকারী ব্যক্তিকে বিপরীত বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে।

⇒ স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।
- সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে:
কোনো বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
-------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৬,৯৯৮.
সংবিধান অনুযায়ী জেলা বিচারক বলতে-
  1. অতিরিক্ত দায়রা জজ অন্তর্ভুক্ত হবেন
  2. অতিরিক্ত জেলা বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবেন
  3. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত হবেন
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত হবেন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের একাদশ ভাগের ১৫২ নং অনুচ্ছেদে বিভিন্ন বিষয় যেমন- অধিবেশন, অনুচ্ছেদ, অর্থ-বৎসর, আইন, আদালত ইতাদির অর্থ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে যে-
'জেলা - বিচারক বলিতে অতিরিক্ত জেলা - বিচারক অন্তর্ভুক্ত হইবেন';
৬,৯৯৯.
অধস্তন আদালতের ভাষা ও দরখাস্তের রীতি নির্ধারণের ক্ষমতা কার?
  1. হাইকোর্টের
  2. সরকারের
  3. জেলা জজের
  4. উক্ত আদালতের বিচারকের
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারার বিধান: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

৭,০০০.
সাক্ষ্য আইনের ৮১ক ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল গেজেট যথাযথ হেফাজত থেকে দাখিল করা হলে আদালত তা কী হিসেবে গ্রহণ করবে?
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. None of them
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-81A. Presumption as to Gazettes in digital forms:
 - The Court shall presume the genuineness of every digital record purporting to be the Official Gazette, or purporting to be digital record directed by any law to be kept by any person, if such digital record is kept substantially in the form required by law and is produced from proper custody.

Explanation.-Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
-------------------
সাক্ষ্য আইনের ৮১ক ধারার বিধান: ডিজিটাল আকারে গেজেট হিসাবে অনুমান:
আদালত সরকারী গেজেট বলে অভিহিত প্রতিটি ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা অনুমান করবে, বা কোনও ব্যক্তির দ্বারা রাখা হবে এমন কোনও আইন দ্বারা নির্দেশিত ডিজিটাল‌ রেকর্ডও হতে পারে, সত্যতা অনুমান করবে যদি এই জাতীয় ডিজিটাল রেকর্ড যথেষ্ট পরিমানে রাখা হয় আইন দ্বারা প্রয়োজনীয় কোন ফর্মে এবং যথাযথ হেফাজত থেকে দাখিল হয়।

ব্যাখ্যা: ডিজিটাল রেকর্ডগুলিকে যথাযথ হেফাজতে বলা হবে যদি সেগুলি সেই জায়গায় থাকে যেখানে এবং যার সাথে সেগুলি স্বাভাবিকভাবেই থাকে, তবে কোন হেফাজত অনুপযুক্ত নয় যদি প্রমাণিত হয় যে এটির বৈধ উৎস ছিল বা বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি এমন যে এমন একটি উৎপত্তি সম্ভাব্যতা প্রদান করা।

অর্থাৎ ডিজিটাল গেজেট যথাযথ হেফাজত থেকে দাখিল করা হলে আদালত তা অবশ্যই সঠিক হিসেবে অনুমান করবে। ডিজিটাল আকারে গেজেট হিসেবে আদালত 'shall presume' ধরে নিবেন।