বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা / ১৫৫ · ৬০১৭০০ / ১৫,৪৭০

৬০১.
"Res integra" বলতে কী বোঝায়?
  1. A matter already judicially decided
  2. All things done in the Course of a transaction
  3. A matter not yet decided
  4. A thing that has no owner
ব্যাখ্যা
"Res Integra"

Res Integra: A matter not yet decided বা, প্রক্রিয়াধীন বিচার।

'Res Integra' means-
An entire thing; an entirely new or untouched matter This term is applied to those points of law which have not been decided, which are 'untouched by dictum or decision'.
৬০২.
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা অনুসারে, যদি কেউ সরকারি কর্মচারীকে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
  4. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও সরকারি কর্মচারীকে (তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই) মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, এবং সে তথ্য যে মিথ্যা তা যদি সে জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে, তাহলে তাকে ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

তবে, যদি মিথ্যা তথ্য প্রদান কোনো অপরাধ সংঘটনের বিষয় সম্পর্কিত হয়, অথবা অপরাধ প্রতিরোধ বা অপরাধীর গ্রেফতারের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তাহলে শাস্তির মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ড হতে পারে।

⇒ তাই, শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীকে মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানাই সর্বোচ্চ শাস্তি হবে, যা অপশন (খ)-এর সাথে মিলে যায়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 177- Furnishing false information:
Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both;
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৬০৩.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারা অনুসারে চেক ডিজঅনার মামলায় আপিল করার পূর্বে চেকের অর্থের ৫০% কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. জেলা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. শাস্তি প্রদানকারী আদালতে
  4. আপিল দায়েরকারী আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ক (NI Act, 1881, Section 138A) চেক ডিজঅনার (Check Dishonour) মামলায় শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার পূর্বে, চেকে উল্লিখিত অর্থের অন্তত ৫০% টাকা শাস্তি প্রদানকারী আদালতে (যে আদালত শাস্তি দিয়েছে) জমা দিতে হবে। এটি আপিল দায়েরের একটি বাধ্যতামূলক পূর্বশর্ত। যদি এই টাকা জমা না দেওয়া হয়,তাহলে আপিল দায়েরই হবে না।
⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।
⇒ আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
--------------------
⇒  NI Act Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

৬০৪.
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত (Court of Small Causes) নিম্নোক্ত কোন আদালতের অধীন?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশন
  2. জেলা আদালত
  3. হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত (Court of Small Causes) ২টি আদালতের অধীনস্তঃ-হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত।

• ধারা-৩ঃ আদালতের অধস্তনতা-
এই আইনের উদ্দেশ্য জেলা আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন এর অধীন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ভুক্ত প্রত্যেক দেওয়ানি আদালত ও ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন ও জেলা আদালতের অধীন।

Sec-3: Subordination of Courts-
For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.
৬০৫.
শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ কত বছরের জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ৩ বছরের
  2. ৫ বছরের
  3. ৭ বছরের
  4. ১০ বছরের
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:
-শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
৬০৬.
আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের পূর্ব শর্ত কোনটি?
  1. ক্রোক (৮৮ ধারা)
  2. জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি
  3. হুলিয়া (৮৭ ধারা)
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী- যে ক্ষেত্রে আসামী পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং কখনই আদালতে উপস্থিত হয় নাই সে ক্ষেত্রে তার অনুপস্থিতি বিচার শুরু করার আগে- প্রথমে কমপক্ষে ৩০ দিনের সময় দিয়ে হুলিয়া জারি করতে হবে, অতপর ম্যাজিস্ট্রেট তার সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিবেন এবং সর্বশেষে বহুল প্রচারিত ২ টি বাংলা পত্রিকায় হাজির হওয়ার নির্দেশ দিবেন

♦ উল্লেখ্য, যে ক্ষেত্রে আসামী হাজির হওয়ার পর বা জামিন নেওয়ার পর পলায়ন করে বা হাজির হতে ব্যর্থ হয়- সেক্ষেত্রে উপরোক্ত বিধান প্রযোজ্য নয়।
৬০৭.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুসারে কার দ্বারা প্রদত্ত বিবৃতিকে ‘Admission’ হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. শুধুমাত্র বিচারক
  2. পুলিশ অফিসার
  3. মামলার পক্ষ বা তার এজেন্ট
  4. তৃতীয় পক্ষ যারা মামলার সাথে সম্পর্কিত নয়
ব্যাখ্যা
⇒ Evidence Act, 1872-এর Section 17 ও 18 অনুযায়ী, Admission বলতে বোঝানো হয় মামলার পক্ষ বা তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুমোদিত এজেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্য, যা মামলার প্রাসঙ্গিক তথ্যের ওপর প্রভাব ফেলে।
- শুধুমাত্র মামলার পক্ষ বা তার অনুমোদিত এজেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্যই আইনিভাবে "Admission" হিসেবে গণ্য হয়।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৮ অনুসারে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের বিবৃতিকে Admission হিসেবে গণ্য করা হয়:
- মামলার কোনো পক্ষ (Plaintiff বা Defendant), পক্ষের এজেন্ট (Agent), যদি আদালত মনে করে যে এজেন্ট ঐ পক্ষের পক্ষে বিবৃতি দিতে স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
- Admission মৌখিক, লিখিত বা ডিজিটাল হতে পারে (ধারা ১৭)।
- প্রতিনিধিত্বমূলক ক্ষমতায় দেওয়া বিবৃতিও Admission হয়, যদি তা সেই চরিত্রে দেওয়া হয় (ধারা ১৮-এর দ্বিতীয় অংশ)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) মামলার পক্ষ বা তার এজেন্ট।
-----------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারামতে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে। যথা-
ⅰ)) মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধির স্বীকৃতি;
ii) প্রতিনিধিত্বমূলক মামলার ক্ষেত্রে মামলার বাদী বা বিবাদীর প্রতিনিধি হিসেবে প্রদত্ত স্বীকৃতি;
iii) মামলার বিষয় বস্তুতে মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য অথবা তাদের নিকট থেকে স্বার্থ প্রাপ্ত ব্যক্তিতে বক্তব্য অর্থাৎ মামলার বিষয়বস্তুতে কোনভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বীকৃতি; অথবা
iv) মামলার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে যার অবস্থান বা দায় রয়েছে তেমন ব্যক্তির স্বীকৃতি বা বক্তব্য।

⇒The Evidence Act, 1872, Section-18:
- Admission -by party to proceeding or his agent-
Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.
- by suit or in representative character-
Statements made by parties to suits suing or sued in a representative character, are not admissions, unless they were made while the party making them held that character.
- by party interested in subject-matter;Statements made by–
(1) persons who have any proprietary or pecuniary interest in the subject-matter of the proceeding, and who make the statement in their character of persons so interested, or
- by person from whom interest derived-
(2) persons from whom the parties to the suit have derived their interest in the subject-matter of the suit, are admissions, if they are made during the continuance of the interest of the persons making the statements.
৬০৮.
দেওয়ানি আদালত কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট,১৮৮৭ এ বর্ণনা করা হয়েছে।
অর্থাৎ The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
⇒ The Civil Courts Act,1887 এর ৩ ধারায় ৫ প্রকার দেওয়ানি আদালতের কথা উল্লেখ আছে।
- সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেওয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
৬০৯.
The Evidence Act, 1872 এর ৩০ ধারা অনুযায়ী একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির দোষ স্বীকারোক্তি অন্যান্য সহ-অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ______
  1. গ্রহণযোগ্য হবে
  2. গ্রহণযোগ্য হবে না
  3. আংশিক গ্রহনযোগ্য হবে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩০- যখন দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের [co-accused) বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে ব্যবহার করা যায়:

সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে অন্যকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম।

সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

শর্তসমূহ:
১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে:
২. উক্ত একই অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Tried jointly) করা হবে:
৩. উক্ত অভিযুক্তদের মধ্যে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকেসহ অন্যান্য অভিযুক্তকে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করবে;
৪. এমন দোষ স্বীকারোক্তি প্রমাণিত হলে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসাবে আমলে নিতে পারে।
৬১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় "প্রত্যেক মোকদ্দমা সর্বনিম্ন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে হবে" এই নীতি বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ২০
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫-এ স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে যে, প্রত্যেক মোকদ্দমা এমন সর্বনিম্ন গ্রেডের আদালতে দায়ের করতে হবে যা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

⇒The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
- সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge ) = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ এর উপরে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-6 :Pecuniary Jurisdiction:
-Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-15.Court in which suits to be instituted:
-Every suit shall be instituted in the Court of the lowest grade competent to try it.

৬১১.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ১৬৩ ধারা অনুযায়ী, জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভ কার অধিকারভুক্ত?
  1. জিম্মাদারের
  2. জিম্মাদাতার
  3. ক এবং খ উভয় পক্ষের
  4. কোনো পক্ষের নয়
ব্যাখ্যা

• চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারা- জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:
জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।

উদাহরণ-
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।

৬১২.
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ কমিশনার সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বন্ধ করতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৯: মাদকদ্রব্যের দোকান অথবা পানশালা (Bar) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করিবার ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালকের অনুমোদন ব্যতীত লাইসেন্স প্রাপ্ত কোনো মদের দোকান অথবা পানশালা বন্ধ করা যাইবে না: 

তবে শর্ত থাকে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ কমিশনার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে তাঁহার অধীন কোনো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বা পানশালা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের জন্য উক্ত দোকান বা পানশালা বন্ধ করিতে পারিবেন। 

(২) বিশেষ জরুরি অবস্থায় মহাপরিচালকের পূর্বানুমোদনক্রমে এই মেয়াদ আরও ৩০ (ত্রিশ) দিন পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবেন। 

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন জারিকৃত কোনো আদেশের অনুলিপি অবিলম্বে মহাপরিচালকের নিকট তাঁহার অবগতির জন্য প্রেরণ করিতে হইবে।
৬১৩.
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত, সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে কয়জন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না?
  1. ২ জন
  2. ১ জন
  3. ৩ জন
  4. নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
 
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
 
Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৬১৪.
According to The Code of Civil Procedure, 1908, "Pleading" shall mean:
  1. plaint
  2. written statement. 
  3. plaint or written statement. 
  4. plaint and written statement. 
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-1. Pleading "Pleading" shall mean plaint or written statement. 
- প্লিডিংস বলতে আরজি (Plaint) বা লিখিত জবাব (Written Statement) বোঝায়।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের বিধানসমূহ রয়েছে।
- প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]।
- বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে।
- এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।
৬১৫.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান অনুসারে কোন ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. ফরেনসিক সাক্ষ্য 
  2. টাইপ রাইটিং
  3. বিদেশী আইন
  4. বিক্রয় দলিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ অনুযায়ী বিশারদের (Expert) মতামত শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ১৩টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। এর মধ্যে রয়েছে: বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, ফরেনসিক সাক্ষ্য, ডিজিটাল রেকর্ড, হস্তলিপি, আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ট্রেড বা টেকনিকাল শব্দের, ব্যবহার, ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় ইত্যাদি।
কিন্তু বিক্রয় দলিল (Sale Deed) এর সত্যতা, বৈধতা বা বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য বিশারদের মতামতের প্রয়োজন হয় না। এটি একটি প্রাথমিক দলিল (Primary Document) এবং এর বিষয়বস্তু ধারা ৬১-৬৬ অনুযায়ী প্রাথমিক বা গৌণ সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়, বিশারদের মতামত দিয়ে নয়।
- সুতরাং, প্রশ্নের চারটি অপশনের মধ্যে যেটি ধারা ৪৫-এর আওতায় পড়ে না তা হলো: ঘ) বিক্রয় দলিল।

⇒The Evidence Act, 1872- Section- 45. Opinion of Experts:
  When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts. Such persons are called experts.

৬১৬.
‘ক’, ‘খ’-এর কাছে একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে ‘ক’-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর কাছে লুকিয়ে রাখল। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক' চুক্তি রদ করে নেবার অধিকারী
  2. 'খ' চুক্তি রদ করে নেবার অধিকারী
  3. 'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবী করতে পারে
  4. 'খ' চুক্তি রদ করার অধিকারী নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫- যখন বিচারপূর্বক রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি তা রদের লক্ষ্যে মােকদ্দমা রুজু করতে পারে এবং আদালত নিম্নে বর্ণিত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন-
ক) যেক্ষেত্রে চুক্তি বাতিলযােগ্য বা বাদীর মাধ্যমে সমাপনীয়;
খ) যেক্ষেত্রে আপাততঃ দৃশ্যমান নয় এমন কোন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর তুলনায় প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
গ) যেক্ষেত্রে একটি বিক্রয় চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশােধে অক্ষম হয়েছে, যা আদালত তাকে পরিশােধের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন, সেখানে আদালত তাকে, তেমন দখলকারী হিসেবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন। একই ক্ষেত্রে আদালত সে মােকদ্দমায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমােতাবেক কাজ করা হয় নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মােকদ্দমার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা অনুসারে রদ করে দিতে পারেন।

উপধারা-ক এর-
‘ক’, ‘খ’-এর কাছে একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে ‘ক’-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে খ-এর কাছে লুকিয়ে রাখল। 'খ' চুক্তি রদ করে নেবার অধিকারী।

উপধারা-খ এর-
একজন এটর্নি ক তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা খ-কে খ-এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তরে প্ররােচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং খ হস্তান্তরের দলিল রদ করে নেওয়ার অধিকারী।
৬১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারার অধীন পুলিশের নিকট প্রদত্ত সাক্ষ্য কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. যেকোনো অনুসন্ধানে
  2. যেকোনো অনুসন্ধানে বা বিচারে
  3. উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য
  4. কোনো ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ তে দেয়া আছে-

(১) তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা যদি লিপিবদ্ধকৃত হয়, তাহলে বিবৃতিদাতা তাতে স্বাক্ষর করবেন না; এরূপ কোন বিবৃতি যে অপরাধের তদন্তের সময় দেয়া হয়েছিল, সেই অপরাধের কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না:
তবে শর্ত এই যে, যে ব্যক্তির বিবৃতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, তাকে সরকার পক্ষের সাক্ষী হিসাবে তলব করা হলে উক্ত লিখিত বিবৃতি ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। প্রদত্ত ধারা অনুসারে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

• পুলিশ সাক্ষীর যে জবানবন্দি ১৬১ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে, তা বিচার বা অনুসন্ধানে নিম্নলিখিত ২ টি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়-

i. জবানবন্দিটি যদি মৃত্যুকালীন ঘোষণা হয়। [সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা]
ii. জবানবন্দিটির উপর ভিত্তি করে পুলিশ কোন বিষয় উদঘাটন করলে। [সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা]
৬১৮.
"ক" ১০০ মণ গম "খ"  এর নিকট বিক্রয় করার চুক্তি করে। "ক" উক্ত গম সরবরাহ করে নাই। "খ" এর প্রতিকার কি?
  1. "খ" সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারে
  2. চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে
  3. "খ" ক্ষতিপূরণ মামলা করতে পারবে
  4. চুক্তিটি প্রকৃতিগত ভাবে প্রত্যাহারযোগ্য
ব্যাখ্যা
♦ চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ২ ধরনের প্রতিকার পাওয়া যায়। যথা- ক) ক্ষতিপূরণ এবং খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন।
♦ তবে উভয় ধরনের প্রতিকার থাকলেও চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ক্ষতিপূরণের প্রতিকার প্রদান করা হয়। কিন্তু যেক্ষেত্রে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না অথবা যেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয় না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের প্রতিকার প্রদান করে থাকে।  
♦ আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯, ৩৮ এবং ৪১ ধারায় ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে।
♦ চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী কিছু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে অথবা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মোকদ্দমা দায়েরের সময় চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত বা বিকল্প হিসেবে ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারে।
♦ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলায় ক) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ও ক্ষতিপূরণ উভয়, অথবা খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে কেবল ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারবে।
♦ অর্থাৎ এখানে "খ" চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে কেবল ক্ষতিপূরণ দাবী করেতে পারবে। তাই উত্তর হবে "খ" ক্ষতিপূরণ মামলা করতে পারবে।
৬১৯.
বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে কেউ অপরাধ করলে, তা বাংলাদেশে বিচারযোগ্য—এই বিধান কোথায় রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৪ ধারা
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারা
  4. খ + গ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে কেউ অপরাধ করলে, তা বাংলাদেশে বিচারযোগ্য তা দণ্ডবিধির ৪ ধারা এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারাতে রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণ:
- নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক;
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
- ব্যাখ্যা:- এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার 'অপরাধ' কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়:
যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২ ধারার বিধান বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত অপরাধ এর সাজা:
- বাংলাদেশের মধ্যে এই বিধির আওতায় প্রণীত বিধানের পরিপন্থি কোন কার্য করলে অথবা বিধানের নির্দেশ অনুযায়ী কোন কার্য না করলে প্রত্যেক ব্যক্তি এই বিধির আওতায় সাজার জন্য দায়ী হবেন এবং অপর কোনভাবে নয়।
৬২০.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কোন ধরনের সংস্থা-
  1. বেসরকারী সংস্থা
  2. সরকারী নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থা
  3. সাংবিধানিক সংস্থা
  4. স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ ৩ : বিবিসি অর্ডারঃ ৩(২) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট বলা আছে যে, The Bar Council shall be a Body Corporate অর্থাৎ বার কাউন্সিল হবে আইনসৃষ্ট সংস্থা। আবার, বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইট বলা আছে- The Bangladesh Bar Council is a Statutory Autonomus Body [সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা] of the Government.' বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে আরও উল্লেখ আছে যে- Bangladesh Bar council is a licensing and Regulatory Body [নিয়ন্ত্রক সংস্থা] constituted under the Bangladesh Legal Practianers and Bar Council Order, 1972. এছাড়া আমরা জানি যে, আইনসভা তথা সংসদ কর্তৃক আইন সৃষ্ট/ প্রণীত হয়, এরূপ প্রণীত আইনকে সংবিধিবদ্ধ আইন বা বিধিবদ্ধ আইন বলা হয়। বার কাউন্সিল যেহেতু বিধিবদ্ধ আইন দ্বারা গঠিত, সেহেতু এটি একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা; যা স্বাধীন।
৬২১.
ধারা ৩২৬ক ধারা বিশেষত কোন প্রকার পদার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. আগুন
  2. ধারালো অস্ত্র
  3. এসিড জাতীয় পদার্থ
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারা: স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুইটি চোখ উপড়ে বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুইটির দৃষ্টি নষ্টকরণ বা মুখমণ্ডল বা মস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ:
যে ব্যক্তি ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়া স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত উপায়ে-
(ক) ৩২০ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা অথবা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ কর্তৃক, কিংবা
(খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে কোন এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

Section 326A- Voluntarily causing grievous hurt in respect of both eyes, head or face by means of corrosive substance, etc:
Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt of the kind mentioned in-
(a) clause secondly of section 320 in respect of both the eyes either by gouging out the same or by means of any corrosive substance; or
(b) clause sixthly of section 320 by means of any corrosive substance, shall be punished with death, or imprisonment for life and shall also be liable to fine.
৬২২.
মানব পাচার অপরাধে তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য সাধারণ সময়সীমা কত দিন?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১২০ কার্যদিবস
  4. ১৫০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ১৯(৩) অনুযায়ী, মানব পাচার অপরাধের তদন্ত সাধারণত ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এটিই সাধারণ সময়সীমা হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, ধারা ১৯(৪)-এ উল্লেখ আছে যে, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তদন্ত কর্মকর্তা সময়সীমা শেষ হওয়ার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে লিখিতভাবে আবেদন করে অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস সময় বৃদ্ধির জন্য অনুমোদন পেতে পারেন। এই অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে সর্বোচ্চ সময়সীমা হতে পারে ১২০ কার্যদিবস। কিন্তু প্রশ্নে সাধারণ সময়সীমা জানতে চাওয়া হয়েছে, যা ৯০ কার্যদিবস।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ১৯-তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন।
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন।
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে।
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে।
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।

৬২৩.
The Civil Courts Act,1887 এর কত ধারায় দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া আছে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৫
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৯
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

• The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ  দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
৬২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুসারে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ঘরের বাইরে অন্য কোথাও থেকে গ্রেপ্তার করলে কত ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের জানাতে হবে?
  1. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
→ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নতুন ধারা ৪৬ক (Section 46A) সন্নিবেশিত হয়েছে। এই ধারার উপ-ধারা ঘ(d) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজ বাসস্থানের বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে যত শীঘ্র সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা তার মনোনীত বন্ধুকে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;

(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;

(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;

(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

৬২৫.
অভিযোগ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতিতে কোনো মামলা প্রত্যাহার করলে আসামীকে ________ দিতে হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. অব্যাহতি
  4. নিষ্কৃতি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারামতে পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষনার পূর্বে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।

♦ অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি অব্যাহতি পাবে, তবে অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি খালাস পাবে।
৬২৬.
In Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh 41 DLR (AD) the Supreme Court established the -
  1. doctrine of basic structure of the Constitution
  2. separation of Judiciary
  3. illegality of Martial Law
  4. secularism in the Constitution
ব্যাখ্যা
Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh Case:

Anwar Hossain Chowdhury মামলার রায় ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ তথা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো [Basic Structure]-কে ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান-বহির্ভূত (Ultra Vires of the Constitution) বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

৮ম সংশোধনী মামলা:

মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: '৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.
রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মামলার বিচারক: এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।
Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।
Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
৬২৭.
আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনাবশত কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে বা কোন সন্দেহজনক মৃত্যু হলে বা পুলিশ হেফাজতে কোন ব্যক্তির মৃত্যুর হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুসারে সুরতহাল পরিচালনা করতে পারে?
  1. ১৭৫ ধারা
  2. ১৭৪ ধারা
  3. ১৭৩ ধারা
  4. ১৭৬ ধারা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭৪(৫) ধারা অনুসারে নিম্নলিখিত ম্যাজিষ্ট্রেটগণ সুরতহাল তদন্ত পরিচালনা করতে ক্ষমতাবান যথা চীফ মেট্রোপলিটনম্যাজিষ্ট্রেট, যে কোন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এবং সরকার, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক এই বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট।
♦ অর্থাৎ ধারা ১৭৪(৫) অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল করতে ক্ষমতাবান।
♦ Section 174 sub-section(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Govern- ment or the District Magistrate.

(Sub-section (5) was substituted by The Code of Criminal Procedure (Amendment) Act 2009)
৬২৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী গাঁজা গাছ চাষের ক্ষেত্রে কতটি গাছের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড?
  1. ৫০টির বেশি
  2. ১০০টির বেশি
  3. ৫০০টির বেশি
  4. ১০০০টির বেশি
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(১) এবং সংশ্লিষ্ট সারণির ক্রমিক নং ১৮ অনুসারে, গাঁজা গাছ চাষের ক্ষেত্রে শাস্তি গাছের সংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়:
→ ৫০টির বেশি কিন্তু ৫০০টির কম গাছ: অন্যূন ৫ বছর, অনূর্ধ্ব ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
→ ৫০০টির বেশি গাছ: অন্যূন ৭ বছর, অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সারণিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"(গ) গাছের সংখ্যা ৫০০টির ঊর্ধ্বে হইলে অন্যূন ৭ বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।"
সুতরাং, ৫০০টির বেশি গাঁজা গাছ চাষের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড।
--------- 
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(১) এবং সংশ্লিষ্ট সারণির ক্রমিক নং ১৮ অনুসারে, প্রথম তপশিলের ‘খ’ শ্রেণির ১ নং ক্রমিকভুক্ত  গাঁজা অথবা ভাং গাছ সম্পর্কে ধারা ৯ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর লঙ্ঘন।
(ক) গাছের সংখ্যা অনূর্ধ্ব ৫০টি হইলে অন্যূন ১ বৎসর অনূর্ধ্ব  ৫ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড;
(খ) গাছের সংখ্যা ৫০টির ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ৫০০টি হইলে অন্যূন ৫ বৎসর, অনূর্ধ্ব ৭ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড;
(গ) গাছের সংখ্যা ৫০০টির ঊর্ধ্বে হইলে অন্যূন ৭ বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

৬২৯.
মানহানির জন্য সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা-৫০০ অনুযায়ী মানহানির শাস্তি হলো অনধিক ২ বছর 'বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।
• দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় মানহানির অপরাধের শাস্তি হিসেবে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হলে তা সম্পূর্ণরূপে বেআইনী হবে।
৬৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধি কোন সালে সর্বপ্রথম বিধিবদ্ধ (Codified) হয়?
  1. ১৮৫৭ সালে 
  2. ১৮৫৯ সালে 
  3. ১৮৭৮ সালে
  4. ১৮৮২ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (The Code of Civil Procedure) প্রথমবারের মতো বিধিবদ্ধ (Codified) হয় ১৮৫৯ সালে।
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশে দেওয়ানি বিচারিক পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত প্রথম আইন।
- এরপর এই আইনটি বিভিন্ন সময়ে সংশোধন ও পুনঃপ্রণয়ন করা হয়েছে, যেমন:
- ১৮৭৮ সালে: দ্বিতীয়বার প্রণয়ন।
- ১৮৮২ সালে: তৃতীয়বার প্রণয়ন, যেখানে মোট ৬৫৩টি ধারা ছিল।
- ১৯০৮ সালে: বর্তমান দেওয়ানি কার্যবিধি প্রণীত হয়, যা ১৯০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধি সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে বিধিবদ্ধ হয়েছিল। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ১৮৫৯ সালে।

৬৩১.
আপিলের দরখাস্তের সাথে কি দাখিল করতে হবে?
  1. আপিলকৃত রায় বা আদেশের কপি
  2. আপিলকৃত মামলার আরজির কপি
  3. সাক্ষ্যের বিবরণ
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৯- আপিলে দায়েরের পদ্ধতি

প্রত্যেকটি আপিল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপিলের পিটিশন আপিলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে তার কপি আপিলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।

Section 419: Petition of Appeal
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.
৬৩২.
A, B-কে ৫,০০০ টাকা হস্তান্তর করেন এই শর্তে যে B, C, D এবং E-এর সম্মতিতে বিয়ে করবে। পরে E মারা যায়। B, C এবং D-এর সম্মতিতে বিয়ে করে। এক্ষেত্রে ধরে নেওয়া হবে যে-
  1. শর্তটি বাতিল
  2. B শর্তটি পূরণ করে নাই
  3. B শর্তটি পূরণ করেছে
  4. বিয়ের ক্ষেত্রে শর্তটি উপযুক্ত নয়
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882 (ধারা ২৬):
যদি সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্ত অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি কেবলমাত্র নির্দিষ্ট একটি শর্ত পূরণ করার পরই সম্পত্তির মালিকানা লাভ করতে পারেন, তবে শর্তটি যদি মোটামুটি বা মূলত পূরণ করা হয়, তবে তা পূর্ণাঙ্গভাবে পূরণ হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ:
(ক) A, B-কে ৫,০০০ টাকা হস্তান্তর করেন এই শর্তে যে B, C, D এবং E-এর সম্মতিতে বিয়ে করবে। পরে E মারা যায়। B, C এবং D-এর সম্মতিতে বিয়ে করে। এ ক্ষেত্রে ধরে নেওয়া হবে যে B শর্তটি পূরণ করেছে।
৬৩৩.
বিবাদী যদি সরকারী কর্মচারী হয়ে থাকে, তবে সমনটি জারির জন্য কার নিকট পাঠানো হবে?
  1. বিবাদীর প্রতিনিধিকে
  2. বিবাদীর অফিসের প্রধান কে
  3. বিবাদীর পরিবারের সদস্যকে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশে, ২১ নং আদেশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বিধিতে এবং ১৬ নং আদেশের ৮ নম্বর বিধিতে সমন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ৫নং আদেশে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে সমন জারির বিশেষ পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে।যেমনঃ

(বিধি ২১)
যেক্ষেত্রে বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করে সেই ক্ষেত্রে বিবাদী যে এলাকায় বসবাস করে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন যেকোন সমন জারিকারী আদালত সমনটি পাঠাতে পারে এবং উক্ত আদালত তখন সমন জারি করবে।

(বিধি ২৪)
যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট সমন পাঠাতে হবে।

(বিধি ২৫,২৬)
যেক্ষেত্রে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোন এজেন্ট নেই, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী দেশের বাইরে যেখানে বসবাস করে সেখানে পাঠাতে হবে। এই ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা এমন সমন জারির জন্য প্রতিষ্ঠিত কোন আদালত কর্তৃক সমনটি জারি করা যেতে পারে। 

(বিধি ২৭)
সরকারী কর্মকর্তা বা রেলওয়ে বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার প্রতি সমন জারির জন্য উক্ত অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে।

(বিধি ২৮)
যেক্ষেত্রে বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক, বা বৈমানিক, সেই ক্ষেত্রে সমন জারি করতে উক্ত বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারের নিকট সমন পাঠাতে হবে।
৬৩৪.
‘A’ একটি সম্পত্তির মালিক এবং ‘B’ তার নিচের মাটির মালিক। ‘B’ কয়লা খনন করে, যার ফলে কোনো তাৎক্ষণিক ক্ষতি হয় না, কিন্তু পরে মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়। এই ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তামাদি সময় কখন থেকে গণনা করা হবে?
  1. যখন ‘B’ কয়লা বিক্রি করে।
  2. যখন মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়।
  3. যখন কয়লা খনন শুরু হয়।
  4. যখন ‘A’ মামলা দায়ের করে।
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৪ অনুসারে, যদি কোনো কাজের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো কারণে মামলার কারণ (cause of action) সৃষ্টি না হয় এবং নির্দিষ্ট ক্ষতি প্রকাশ পাওয়ার পরই মামলার কারণ সৃষ্টি হয়, তবে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে যখন সেই ক্ষতি প্রকাশ পায়। প্রশ্নে বলা হয়েছে, ‘B’-এর কয়লা খননের ফলে তাৎক্ষণিক কোনো ক্ষতি হয়নি, কিন্তু পরে মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়। সুতরাং, তামাদি সময় গণনা শুরু হবে যখন মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়, কারণ এই সময়েই ক্ষতি প্রকাশ পায় এবং মামলার কারণ সৃষ্টি হয়।

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।
-----------
⇒ The limitation Act-1908, Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage:-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.

৬৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারার (৪) উপধারায় সরকার কাকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
ব্যাখ্যা
• আমলে নেয়া অর্থ হলো- অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে। যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:

i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট;
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট।

• ১৯০ ধারার উপধারা (৪) এ দেয়া আছে-
সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন।

Section 190(4)-
Notwithstanding anything contained to the contrary in this section or elsewhere in this Code, the Government may, by an order specifying the reasons and period stated therein, empower any Executive Magistrate to take cognizance under clause (a), (b) or (c) or sub-section (1), of offences and the Executive Magistrate shall send it for trial to the court of competent jurisdiction.
৬৩৬.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
  3. ডিজিটাল সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
  4. ফরেনসিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলী রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে:

"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."

অর্থাৎ এই ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে যেমন:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
৬৩৭.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় সরকার নিম্নলিখিত কোন অপরাধটি যেকোন দণ্ডে হ্রাস করতে পারে-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের অধিক কারাবাস
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন। 
----------------------------
⇒The Penal Code, 1860-Section  54: Commutation of sentence of death:
- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
৬৩৮.
দেওয়ানি আইন, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ এ ________ প্রতি সমন জারি এবং হাজিরা নিশ্চিত করার বিধি-বিধান রয়েছে।
  1. সাক্ষীদের
  2. পক্ষদ্বয়ের
  3. বিবাদীর
  4. পক্ষদ্বয়ের প্রতিনিধির
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি আইন, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ এ সাক্ষীদের সমন জারি এবং হাজিরা নিশ্চিত করার বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশে বিস্তারিত নিম্নরূপ বিষয়গুলি আলোচিত হয়েছেঃ

১. সমন জারি করার প্রক্রিয়া (Summoning witnesses)
⇒ যে কোনো পক্ষ আদালতকে অনুরোধ করে সাক্ষীদের সমন জারি করতে পারবে।
⇒ সমনে সাক্ষীর নাম, ঠিকানা এবং হাজিরা দেওয়ার তারিখ ও সময় উল্লেখ থাকবে।

২. সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু (Form and contents of summons)
⇒ সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু আইনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত আছে।
⇒ সাক্ষীকে সমনের বিষয়বস্তু বুঝিয়ে দিতে হবে।

৩. সমন প্রেরণ ও তামিল (Serving and sending summons)
⇒ সমন প্রেরণ করার সঠিক পদ্ধতি আইনে বর্ণিত আছে।
⇒ প্রেরণ না করলে বা অনিয়মিতভাবে প্রেরণ করলে সমনের বৈধতা নেই।

৪. সাক্ষী উপস্থিত না হওয়া (Non-attendance of witnesses)
⇒ যদি সাক্ষী যথাযথভাবে সমন প্রাপ্ত হয়েও উপস্থিত না হয়, তাহলে তাকে শাস্তি হতে পারে।
⇒ তবে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে আদালত ক্ষমা করতে পারে।

৫. সাক্ষীদের ভাতা (Expenses of witnesses)
⇒ সাক্ষীরা প্রাপ্য ভাতা/খরচা আদালত থেকে পাবে।
⇒ এর নিয়ম আইনে নির্ধারিত করা আছে।
৬৩৯.
What is the minimum fraction of Parliament members’ votes required to pass a constitutional amendment Bill?
  1. Half of the total members
  2. Two-thirds of the members present
  3. Three-fourths of the total members
  4. Two-thirds of the total members
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪২- সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৬৪০.
স্থাবর সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. নিবন্ধিত হতে হবে
  2. গ্রহীতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
  3. সর্বনিম্ন ২ জন সাক্ষী কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে
  4. দাতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৩: যেভাবে হস্তান্তর কার্যকর হতে পারে

স্থাবর সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে হস্তান্তর কার্যকর হতে পারে অর্থাৎ প্রত্যেকটি দান অবশ্যই-
ক. নিবন্ধিত হতে হবে,
খ. দাতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে,
গ. সর্বনিম্ন ২ জন সাক্ষী কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।

Section 123: Transfer how effected
For the purpose of making a gift of immoveable property, the transfer must be effected by a registered instrument signed by or on behalf of the donor, and attested by at least two witnesses. 
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a heba under Muhammadan law shall be deemed to be a gift of immoveable property for the aforesaid purpose.
 
For the purpose of making a gift of moveable property, the transfer may be effected either by a registered instrument signed as aforesaid or by delivery. 
Such delivery may be made in the same way as goods sold may be delivered
৬৪১.
In which section of the Code of Criminal Procedure is it stated that 'Separate charges for distinct offences'?
  1. 233
  2. 234
  3. 235
  4. 236
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের (Separate charges for distinct offences) বিধান রয়েছে।
উক্ত ধারা অনুসারে- ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে, প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।
-------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-233: Separate charges for distinct offences:
- For every distinct offence of which any person is accused there shall be a separate charge, and every such charge shall be tried separately, except in the cases mentioned in sections 234, 235, 236 and 239. 
Illustration 
A is accused of a theft on one occasion, and of causing grievous hurt on another occasion. A must be separately charged and separately tried for the theft and causing grievous hurt.
৬৪২.
‘E’ একজন পরিবহনকারী হিসেবে ‘Z’-এর মাল (সম্পত্তি) পরিবহন করার জন্য নিযুক্ত হয়, কিন্তু 'E' সেই মাল (সম্পত্তি) অসাধুভাবে আত্মসাৎ করে। দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী, এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৫ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যিনি সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের জন্য অর্পিত হয়েছেন, সেই সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তর করলে তা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) হিসেবে গণ্য।
- এখানে, ‘E’ একজন পরিবহনকারী হিসেবে ‘Z’-এর সম্পত্তি বহনের জন্য অর্পিত ছিলেন এবং তা 'E' অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেছেন, যা ধারা ৪০৫-এর অধীনে অপরাধ। ধারা ৪০৭ অনুসারে, পরিবহনকারী হিসেবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
সুতরাং, ‘E’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৭ অনুসারে অপরাধের নাম অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।
---------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৬৪৩.
The General Clauses Act অনুযায়ী "Act" শব্দের সংজ্ঞা কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২ (৮)
  2. ধারা ৩ (২)
  3. ধারা ৩ (৪)
  4. ধারা ৩ (৯)
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ৩(২)-এ "act" (যা আইনি প্রসঙ্গে "Act" শব্দের সংজ্ঞা হিসেবে ব্যবহৃত হয়) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, অপরাধ বা সিভিল রং-এর সাথে সম্পর্কিত "act" বলতে একাধিক কাজের সিরিজ অন্তর্ভুক্ত, এবং কাজের উল্লেখে অবৈধ বাদ (illegal omissions) কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই সংজ্ঞা আইনের ব্যাখ্যায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

অর্থাৎ "Act" শব্দের সংজ্ঞা ধারা ৩ (২)-এ দেওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৩ (২)।
-------- 
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section 3- Definitions:
(2) "act", used with reference to an offence or a civil wrong, shall include a series of acts, and words which refer to acts done extend also to illegal omissions:

৬৪৪.
কখন অপরাপধমূলক নরহত্যা খুন বলে গণ্য হবে?
  1. মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় নিয়ে মৃত্যু ঘটালে
  2. কোন দৈহিক জখম যা মৃত্যু ঘটাতে পারে জেনেও এমন দৈহিক জখমে মৃত্যু ঘটালে
  3. যে কার্য দ্বারা সম্ভাব্য মৃত্য ঘটবে সেই কার্য দ্বারা মৃত্য ঘটালে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ৩০০ ধারা মতে ৪ ভাবে মৃত্যু ঘটালে অপরাধমূলক নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে।
(i) মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় নিয়ে মৃত্যু ঘটালে
(ii) কোন দৈহিক জখম যা মৃত্যু ঘটাতে পারে জেনেও এমন দৈহিক জখমে মৃত্যু ঘটালে
(iii) এমন কোন আঘাত যা স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু ঘটায় তা করা যদিও তাতে হত্যা করার উদ্দেশ্য থাকে না
(iv) যে কার্য দ্বারা সম্ভাব্য মৃত্য ঘটবে সেই কার্য দ্বারা মৃত্য ঘটালে
৬৪৫.
দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা আমলে নেওয়ার বিধান The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায় উল্লেখ রয়েছে?
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯ এর বিধান  বারিত না হলে আদালত সকল দেওয়ানী মামলার বিচার করবেন: 

আদালতের (এখানে বর্ণিত বিধানাবলী সাপেক্ষে) সকল দেওয়ানী প্রকৃতির মামলা বিচার করার এখতিয়ার থাকবে, কেবল সে সকল মামলা ব্যতিত যেগুলির বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) প্ৰত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বারিত হয়েছে।

♦ ব্যাখ্যা: যে মামলায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সে মামলা দেওয়ানী প্রকৃতির, যদিও অধিকার সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় আচার বা উৎসব সম্পর্কীত প্রশ্নের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় বলা হয়েছে, বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকার দেওয়ানী মামলার বিচার করবে। যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা। এখানে দেওয়ানী আদালতের সাধারণ এখতিয়ার বলতে দেওয়ানী আদালতসমূহের দেওয়ানী মামলার বিচার করার এখতিয়ার কে বোঝানো হয়েছে।
৬৪৬.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে, গুরুতর আঘাতের ধরন কতগুলি?
  1. ছয়টি
  2. সাতটি
  3. আটটি
  4. নয়টি
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে গুরুতর আঘাত (Grievous Hurt)-এর সংজ্ঞায় মোট আটটি ধরন উল্লেখ করা হয়েছে:
১. প্রথমত – পুরুষত্বহীন করণ (Emasculation)
২. দ্বিতীয়ত – চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা
৩. তৃতীয়ত – কানের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা
৪. চতুর্থত – কোনো অঙ্গ বা গ্রন্থির বঞ্চনা
৫. পঞ্চমত – কোনো অঙ্গ বা গ্রন্থির শক্তি ধ্বংস বা স্থায়ীভাবে খর্ব করা
৬. ষষ্ঠত – মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করা
৭. সপ্তম – হাড় বা দাঁত ভাঙা বা স্থানচ্যুত করা
৮. অষ্টম – জীবনসংশয়কারী আঘাত বা বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা বা সাধারণ কাজ করতে অপারগতা

সুতরাং, গুরুতর আঘাতের মোট আটটি ধরন রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৬৪৭.
কোন সাল হতে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির অরেজিস্ট্রিকৃত চুক্তিনামা বলবৎ যোগ্য নয়?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৪
  3. ২০০৫
  4. ২০০৬
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারায় বিক্রয় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিধান রয়েছে। ২১ক ধারামতে স্থাবর সম্পত্তির অরেজিস্ট্রিকৃত বা অনিবন্ধিত বিক্রয় চুক্তি (unregistered contract for sale) সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি (contract for sale) সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়-

i) চুক্তিটি লিখিত ও রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীনে রেজিষ্ট্রিকৃত বা নিবন্ধিত হতে হবে; এবং
ii) মামলা দায়েরের সময় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারাটি ২০০৪ সালের সংশোধনী দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে যা ১লা জুলাই ২০০৫ থেকে কার্যকর রয়েছে অর্থাৎ ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পূর্বে সম্পাদিত স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি অরেজিস্ট্রিকৃত বা অনিবন্ধিত হলেও সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেত, কিন্তু ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পর ২১ক ধারার শর্তাবলি পূরণ করতে হবে।

উল্লেখ্য যে, ২১ক ধারাটি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির জন্য প্রযোজ্য কিন্তু স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক, লিজ বা দান ইত্যাদি চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ বন্ধক, লিজ বা দান ইত্যাদি চুক্তি লিখিত এবং রেজিষ্ট্রিকৃত বা নিবন্ধিত না হলেও তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে; কিন্তু স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি (contract for sale) অবশ্যই লিখিত এবং নিবন্ধিত হতে হবে অন্যথায় তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।
৬৪৮.
'চ' একজন সরকারি কর্মচারী, তিনি 'ছ'-এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির অভিযোগ দায়ের করেন। হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'ছ' হাজির থাকলেও, 'চ' অনুপস্থিত থাকে। এক্ষেত্রে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. 'ছ' কে খালাস দিবে
  2. 'ছ' কে অব্যাহতি দিবে
  3. মামলা স্থগিত রাখবে
  4. মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
ব্যাখ্যা
উক্ত ক্ষেত্রে আদালত মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে, নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন; তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন। তবে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন; ও
⇒ মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

Section 247: Non-appearance of complainant-
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
৬৪৯.
দেওয়ানি আপিলের মেমোতে কোন একটি হেতু উল্লেখ না করলে, শুনানীকালে তাহা উত্থাপন করা যাবে শুধুমাত্র-
  1. বিচারিক আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. সরকারি কৌসুলির অনুমতি সাপেক্ষে
  3. আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. হাইকোর্টের আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-২ এর বিধান  আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে: আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি এমন কোন বিষয় আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উত্থাপন করা যাবে।
- আদেশ ৪১ বিধি-২ হল আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবেঃ
আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি, আপত্তির এরূপ কারণের সমর্থনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত আপীলকারীর বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বা তাকে শ্রবণ করা যাবে না;
কিন্তু আপীল আদালত আপীল নিষ্পত্তিকালে আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশিত আপত্তির সঙ্গত কারণসমূহ বা অত্র বিধির অধীনে আদালতের অনুমতি ক্রমে গৃহীত কারণসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন না,
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোন কারণের উপর ইহার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন না, যদি না, যে পক্ষ উহা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই পক্ষ উক্ত কারণের উপর মামলায় প্রতিদ্বন্দিতা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়ে থাকে।

- আপীলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপীলকারী তার বক্তব্য আদালতের অনুমতি ব্যতীত পেশ করবেনা। অর্থাৎ একমাত্র আপীল আদালতের অনুমতি নিয়ে আপীলকারী এমন হেতুসমূহ [grounds] শুনানীকালে উত্থাপন করা যেতে পারে।
--------------
⇒ CPC Order-41 Rule-2. Grounds which may be taken in appeal:
- The appellant shall not, except by leave of the Court, urge or be heard in support of any ground of objection not set forth in the memorandum of appeal; but the Appellate Court, in deciding the appeal, shall not be confined to the grounds of objection set forth in the memorandum of appeal or taken by leave of the Court under this rule: 

- Provided that the Court shall not rest its decision on any other ground unless the party who may be affected thereby has had a sufficient opportunity of contesting the case on that ground.
৬৫০.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে, বিদ্যমান বিবাহ বহাল থাকাকালীন একজন পুরুষ আরেকটি বিবাহ করতে চাইলে কী করতে হবে?
  1. সরাসরি বিয়ে করতে পারবে
  2. সালিশি পরিষদের লিখিত অনুমতি নিতে হবে
  3. স্থানীয় মসজিদের ইমামের অনুমতি নিতে হবে
  4. পারিবারিক আদালতের অনুমতি নিতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে, বিদ্যমান বিবাহ বহাল থাকাকালীন একজন পুরুষ যদি আরেকটি বিবাহ করতে চান, তবে তাকে সালিশি পরিষদের লিখিত অনুমতি নিতে হবে।
অর্থাৎ, উত্তর হবে খ) সালিশি পরিষদের লিখিত অনুমতি নিতে হবে।

- ধারা ৬ (১) অনুযায়ী, একজন পুরুষ যদি বিদ্যমান বিবাহের চলাকালীন আরেকটি বিবাহ করতে চান, তবে তাকে আরবিট্রেশন কাউন্সিল বা সালিশি পরিষদের পূর্বানুমতি লিপিবদ্ধভাবে নিতে হবে। যদি অনুমতি ছাড়া বিবাহ করা হয়, তবে তা নিবন্ধিত হবে না এবং পুরুষকে শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে।

তবে, স্থানীয় মসজিদের ইমামের অনুমতি বা পারিবারিক আদালতের অনুমতি এই বিষয়ে প্রযোজ্য নয়।
৬৫১.
'Succession per capita' অর্থ কি?
  1. প্রতিনিধিত্ব মতবাদ
  2. অংশপিছু উত্তরাধিকার
  3. মাথাপিছু উত্তরাধিকার
  4. প্রতিনিধিত্ব উত্তরাধিকার
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ মতবাদ নিম্নোক্ত নীতিগুলিকে স্বীকৃতি দেয়ঃ

(ক) প্রতিনিধিত্ব মতবাদ (Doctrine of representation): প্রতিনিধিত্ব মতবাদ অনুসারে পুত্র, পৌত্র যার পিতা মারা গিয়েছে, তারা সকলেই পিতৃপক্ষীয় সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে, কারণ পৌত্র তার পিতার এবং প্রপৌত্র তার পিতা ও পিতামহ উভয়েরই প্রতিনিধিত্ব করে।

খ) অংশপিছু উত্তরাধিকার (Sucssession per stripes): যেখানে প্রতিনিধিত্ব মতবাদ প্রয়োগ করা হয় এবংউত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরুপে অংশপ্রাপ্ত হন সেখানে এরুপে স্থলবর্তীরুপে অংশ পাওয়াকে অংশপিছু উত্তরাধিকার বলে।

(গ) মাথাপিছু উত্তরাধিকার (Succession per capita): মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারগণের সমান অংশ সম্পত্তি প্রাপ্ত হওয়াকে মাথাপিছু উত্তরাধিকার বলে।
৬৫২.
আপিল আদালতে পাল্টা আপত্তি (Cross-objection) দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২২ এর বিধান: শুনানিকালে উত্তরদায়ক তৎকর্তৃক ডিক্রীতে আপত্তি দিতে পারে, যেন সে স্বাতন্ত্র্য আপিল দায়ের কয়েছে। 
১) কোন উত্তরদায়ক যদিও কোন ডিক্রীর অংশ হতে আপিল করেনি, তথাপি সে শুধুমাত্র নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তকৃত ডিক্রীর কোন সঙ্গত কারণ শুধু সমর্থন করেনি, বরং সে আপিলক্রমে যেভাবে পারত ঠিক সেভাবে উক্ত ডিক্রীর পাল্টা আপত্তি উত্থাপন করতে পারবে এ শর্তে যে, আপিল শুনানির জন্য নির্ধারিত দিন সম্পর্কে তার উপর বা তার উকিলের উপর নোটিশ জারির তারিখ হতে সে আপিল আদালতে এক মাসের মধ্যে কিংবা আপিল আদালত মঞ্জুর করতে উপযুক্ত মনে করে এরূপ মঞ্জুরীকৃত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে অনুরূপ পাল্টা আপত্তি দাখিল করেছে।

২) আপত্তির ফরম এবং তাতে প্রযোজ্য বিধানসমূহ: 
অনুরূপ পাল্টা আপত্তি স্মারকের আকারে হতে হবে এবং আপিলের স্মারকের ফরম এবং বিষয়বস্তু সঙ্গে যতদূর সম্পর্কিত হয়, ততদূর ১ বিধির বিধানাবলী তাতে প্রযোজ্য হবে।

৩) আপত্তির নকল গ্রহণ সম্পর্কে ঐ আপত্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের বা তার উকিল কর্তৃক এটির নকল গ্রহণের লিখিত স্বীকৃতিপত্র উত্তরদায়ক আপত্তির সঙ্গে দাখিল না করলে আপিল আদালত এটির একটি নকল আপত্তি দাখিল হওয়ার পর যথা সম্ভব শীঘ্র উত্তরদায়কের খরচে উক্ত পক্ষের বা তার উকিলের প্রতি এটির নকল প্রদান করাবে।

৪) যে কোন ক্ষেত্রে এই বিধির অধীনে উত্তরদায়ক আপত্তির স্মারক দাখিল করে থাকলে যেক্ষেত্রে মূল আপিলটি প্রত্যাহৃত বা তদ্বিরের অভাবে খারিজ হলেও উপরোক্ত মতে দাখিলকৃত আপত্তির, অন্য পক্ষকে উপযুক্ত নোটিশ দেয়ার পর শুনানি এবং সিদ্ধান্ত করা যাবে।

৫) নিঃস্ব আপিল সম্পর্কিত বিধানসমূহ যতদূর সম্ভব এ বিধির অধীনে আপত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
৬৫৩.
রায় একবার স্বাক্ষরিত হলে, পরবর্তীতে তা কখন সংশোধন করা যাবে?
  1. পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
  2. পক্ষগণের সম্মতির ভিত্তিতে
  3. মামলাকারীর অনুমতি পেলে
  4. কখনোই সংশোধন করা যাবে না
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে। এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

৬৫৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে ______ বিচার লাভের অধিকারী হবেন।
  1. দ্রুত
  2. প্রকাশ্য
  3. দ্রুত ও প্রকাশ্য
  4. দ্রুত আইনানুযায়ী
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
-(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না।

- (২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
- (৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
- (৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
- (৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
- (৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।
-------------
Article 35. Protection in respect of trial and punishment:
(1) No person shall be convicted of any offence except for violation of a law in force at the time of the commission of the act charged as an offence, nor be subjected to a penalty greater than, or different from, that which might have been inflicted under the law in force at the time of the commission of the offence. 
(2) No person shall be prosecuted and punished for the same offence more than once. 
(3) Every person accused of a criminal offence shall have the right to a speedy and public trial by an independent and impartial Court or tribunal established by law. 
(4) No person accused of any offence shall be compelled to be a witness against himself. 
(5) No person shall be subjected to torture or to cruel, inhuman, or degrading punishment or treatment. 
(6) Nothing in clause (3) or clause (5) shall affect the operation of any existing law which prescribes any punishment or procedure for trial.
৬৫৫.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগী সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
  1. দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দিতে অযোগ্য
  2. দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন
  3. দুষ্কর্মের সহযোগী শুধুমাত্র নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন
  4. দুষ্কর্মের সহযোগী কোনভাবেই সাক্ষ্য দিতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগী সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন এবং এর উপর ভিত্তি করে যদি আসামিকে সাজা দেওয়া হয়, তবে তা বেআইনি হবে না।
- এটির মানে হল, দুষ্কর্মের সহযোগীকে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে, এবং তার সাক্ষ্য শুধুমাত্র সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে নয়, বরং অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার জন্য যথাযথ প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য। তবে, তার সাক্ষ্য যদি একমাত্র প্রমাণ হিসেবে নেওয়া হয়, তাহলে আসামিকে সাজা দেওয়া হতে পারে।
অতএব, সঠিক উত্তর: খ) দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

- এটি সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, দুষ্কর্মের সহযোগী একজন যোগ্য সাক্ষী হতে পারেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান দুষ্কর্মে সহযোগী: দুষ্কর্মের সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলিয়া গণ্য হইবেন। দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেওয়া হইলে কেবল সেই কারণেই উক্ত সাজা বেআইনি হইবে না।

⇒ ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনি হবে না।
-------------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person, and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৬৫৬.
নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক অনুসারে কোর্ট-ফি কোথা থেকে আদায় করা হবে?
  1. মৃত বিবাদীর সম্পত্তি
  2. মৃত বাদীর সম্পত্তি
  3. আদালতের তহবিল
  4. মৃত বাদীর উত্তরাধিকারীদের থেকে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যে কোনো মোকদ্দমা বাদীর বা সহ-বাদী হিসাবে যুক্ত কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণে বিলুপ্ত হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত আদেশ দিবে যে, যদি বাদীকে নিঃস্ব (pauper) হিসেবে মামলা করার অনুমতি না দেওয়া হতো, তখন যে পরিমাণ কোর্ট-ফি প্রদান করতে হতো, তা মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে সরকারের পক্ষ থেকে আদায়যোগ্য হবে।

৬৫৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫১ অনুযায়ী, নিম্নের কোনটি ডিক্রি কার্যকর করার একটি বৈধ পদ্ধতি নয়?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. ফৌজদারি মামলা দায়ের করে
  3. নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে
  4. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলামের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫১ অনুযায়ী, আদালত ডিক্রি কার্যকর করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতিতে আদেশ দিতে পারে। এসব পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে:
১. নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে (Clause a)
২. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম/বিক্রয়ের মাধ্যমে (Clause b)
৩. দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটক করার মাধ্যমে (Clause c)
৪. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে (Clause d)
৫. প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্যান্য উপায়ে (Clause e)
- তবে ‘ফৌজদারি মামলা দায়ের করা’ দেওয়ানী ডিক্রি কার্যকরের কোনো বৈধ বা নির্ধারিত উপায় নয়। ফৌজদারি প্রক্রিয়া ভিন্ন আইন দ্বারা পরিচালিত হয় (যেমন দণ্ডবিধি বা ফৌজদারি কার্যবিধি), এবং তা দেওয়ানী ডিক্রির enforcement-এর জন্য প্রযোজ্য নয়।
- অতএব, ফৌজদারি মামলা দায়ের করে ডিক্রি কার্যকর করা ধারা ৫১-এর আওতায় আবশ্যক বা বৈধ পদ্ধতি নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১: ডিক্রিজারি কার্যকর করার জন্যে আদালতের ক্ষমতা:
নির্ধারিত শর্ত এবং নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে নিম্নবর্ণিত যে কোনো উপায়ে ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারেন-
ক) ডিক্রিতে আদিষ্ট কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা;
খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় দ্বারা বা ক্রোকবিহীন নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা;
গ) দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের দ্বারা;
ঘ) রিসিভার নিয়োগ দ্বারা; বা
ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতির প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন পন্থায় ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ পূর্বে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য উপযুক্ত সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং তৎপর আদালত যদি নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, লিখিতভাবে তা উল্লেখ করে অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন:
ক) দেনাদার ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান বা তা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ত্যাগ করতেপারে; বা
২. ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এরূপ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর তার সম্পত্তির কোন অংশ তার দ্বারা অসদুপায়ে স্থানান্তরিত, বিনষ্ট বা অপসারণ করা হয়েছে, বা তার সম্পত্তি নিয়ে যে কোন অবিশ্বস্ততার কাজ করেছে; বা
খ) ডিক্রির তারিখ থেকে ডিক্রির টাকা অথবা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অংশ পরিশোধের সংগতি রায়সিদ্ধ দেনাদারের আছে বা ছিল, অথচ দেনাদার তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা জ্ঞাপন করেছে বা করেছে; বা
গ) যে টাকার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, তজ্জন্য রায় সিদ্ধ দেনাদারের দায়িত্বও পরোক্ষ ছিল।
ব্যাখ্যা- খ) দফায় বর্ণিত দেনাদারের সাঙাতি নির্ধারণকল্পে, দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অন্য কোন রীতি অনুসারে ডিক্রি জারির দরুনক্রোক থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য, তা হিসাবে ধরা চলবে না।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section -51. Powers of Court to enforce execution.
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, on the application of the decree-holder, order execution of the decree-
(a) by delivery of any property specifically decreed;
(b) by attachment and sale or by sale without attachment of any property;
(c) by arrest and detention in prison;
(d) by appointing a receiver; or
(e) in such other manner as may be provided hereinafter in the Code or as the nature of the relief granted may require:
Provided that, where the decree is for the payment of money, execution by detention in prison shall not be ordered unless, after giving the judgment-debtor an opportunity of showing cause why he should not be committed to prison, the Court, for reasons recorded in writing, is satisfied-
(a) that the judgment-debtor, with the object or effect of obstructing or delaying the execution of the decree,-
(i) is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
(ii) has, after the institution of the suit in which the decree was passed, dishonestly transferred, concealed, or removed any part of his property, or committed any other act of bad faith in relation to his property; or
(b) that the judgment-debtor has, or has had since the date of the decree, the means to pay the amount of the decree or some substantial part thereof and refuses or neglects or has refused or neglected to pay the same, or
(c) that the decree is for a sum for which the judgment-debtor was bound in a fiduciary capacity to account.
Explanation: -In the calculation of the means of the judgment-debtor for the purposes of clause (b), there shall be left out of account any property which, by or under any law or custom having the force of law for the time being in force, is exempt from attachment in execution of the decree.
৬৫৮.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ১২
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ এজাহারে অনেক সময় আসামির নাম উল্লেখ না করে অভিযোগকারী আসামিকে দেখলে চিনবেন এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন। তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা এই আসামি সনাক্তকরণ মহড়ার জন্য আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেন।

⇒ P.R.B-282 অনুযায়ী TI Parade বলতে বুঝায় যে, “কোন সন্দেহভাজন আটককৃত অপরাধের সাথে জড়িত অভিযুক্ত আসামিকে জেলখানার  ভিতরে বাদী এবং সাক্ষী কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে  নির্ধারিত দিন ও তারিখে সনাক্তকরণের জন্য যে মহড়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয় তাহাকেই টি আই প্যারেড বা টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন প্যারেড বা সনাক্তকরণ মহড়া বলে।”

⇒ নির্ধারিত তারিখে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারীকে হাজির করার এবং সেই সাথে যারা সন্দেহজনক ভাবে অভিযুক্ত (একাধিক ব্যক্তি) তাদের হাজির করার নির্দেশ দেন আদালত। তখন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জেলহাজতে রাখার আদেশ প্রদান পূর্বক সনাক্তকরণ মহড়ার তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করে আদেশ দেন। লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এখানে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারী যেন টিআই প্যারেড এরপূর্বে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কে কোনক্রমে দেখার সুযোগ না পায়। শুধুমাত্র এই টি আই প্যারেড চলাকালীন সময়ে তাদেরকে দেখবেন। তারপর সাক্ষী বা ভিকটিম বা অভিযোগকারী শনাক্ত করবেন আসল অপরাধী কে? এই মহড়াকে টি আই প্যারেড বলে।
৬৫৯.
সংসদের বৈঠক চলাকালে কোরাম কত জনের কম হলে বৈঠক স্থগিত বা মুলতবী করা যাবে?
  1. ৬০ জন
  2. ৭০ জন
  3. ৮০ জন
  4. ৯০ জন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;

(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;

(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
৬৬০.
কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান?
  1. আইন কমিশন
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন
ব্যাখ্যা
সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান:
⇨ যেসব প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।

এরূপ চারটি প্রতিষ্ঠান হল -
- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ( অনুচ্ছেদ ১১৮);
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়;
- জাতীয় সংসদ;
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় প্রভৃতি।
৬৬১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে আক্রমণ বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৫২
  2. ধারা ৩৫৩
  3. ধারা ৩৫৪
  4. ধারা ৩৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৫৪–এ নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে আক্রমণ বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগের শাস্তির বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যদি কোনো ব্যক্তি কোনো নারীর শালীনতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা সে জানে যে তার কাজের ফলে নারীর শালীনতা নষ্ট হতে পারে, তখন সে নারীর প্রতি আক্রমণ করে বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তবে সে অপরাধী হবে। এর শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ধারা ৩৫৪।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ মতে- 
যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে বা সে তৎকর্তৃক তার শালীনতা নষ্ট করতে পারে জেনে তাকে আক্রশ করে বা তৎপ্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে—যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354- Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৬৬২.
'ক' ব্যক্তির বিরুদ্ধে চুরি, চোরাইমাল গ্রহন, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ সহ একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার শেষে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং অবশিষ্ট অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করা হয়। তাহলে 'ক' উক্ত অভিযোগসমূহ থেকে-
  1. অব্যাহতি পাবে
  2. খালাস পাবে
  3. মুক্তি পাবে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং কোনো এক অপরাধে দণ্ড দেয়া হয়, তখন অবশিষ্ট অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করা হলে অভিযুক্ত উক্ত অভিযোগসমূহ থেকে খালাস বলে গণ্য হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-

যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়, তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে; যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।

Section 240: Withdrawal of remaining charges on conviction on one of several charges-
When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges. Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.
৬৬৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান অনুযায়ী একজন সাধারণ ব্যক্তি কেউ non- bailable ও cognizable অপরাধ করে তখন তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ৫৪
  2. ৫৬
  3. ৫৮
  4. ৫৯
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-

ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender]।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

৬৬৪.
বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হবে বাঙালী জাতির -
  1. সংহতি ও বিপ্লব
  2. ঐক্য ও সংহতি
  3. ঐক্য ও সংকল্প
  4. সংহতি ও সংকল্প
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ

ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

Article 9: Nationalism
The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.
৬৬৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৭ কোন বিষয়ের উপর প্রযোজ্য?
  1. সাধারণ মামলার কার্যপ্রণালী
  2. সম্পত্তি হস্তান্তরের কার্যপ্রণালী
  3. পারিবারিক বিরোধ সংক্রান্ত মামলার কার্যপ্রণালী
  4. হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৭ (Order XXXVII of the Code of Civil Procedure, 1908) একটি সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি (summary procedure) যা শুধু নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক দলিল সম্পর্কিত মামলার জন্য প্রযোজ্য। এটি মূলত— বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bill of Exchange), হুন্ডি (Hundi), প্রমিসরি নোট (Promissory Note) —এই ধরণের হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments)-এর ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রবর্তিত হয়েছে।
- এই আদেশের মাধ্যমে বাদী (Plaintiff) চাইলে একটি নির্ধারিত ফরমে মামলা করতে পারেন এবং বিবাদীকে আদালতের অনুমতি ছাড়া আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয় না। যদি বিবাদী সেই অনুমতি না পান, তাহলে মামলার অভিযোগ প্রমাণিত ধরে ডিক্রি প্রদান করা হয়।
অর্থাৎ, আদেশ ৩৭ সাধারণ দেওয়ানি মামলা নয়, বরং বিশেষ ধরনের আর্থিক মামলার জন্য সংক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS
Rule-1: Application of Order. This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.
৬৬৬.
The Penal Code, 1860 এ প্রদত্ত বর্ণনানুযায়ী কোনটি সাধারন আঘাত?
  1. হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
  2. কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
  3. মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ;
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ;
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ;
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন;
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ;
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি;
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা;
(viii) এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
৬৬৭.
দ্রুত বিচার আইনে আদালত অভিযোগপত্র প্রাপ্তির কত কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করবেন?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ১০- বিচার পদ্ধতি:

(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে।
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
৬৬৮.
ফৌজদারি আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. দায়রা জজের নিকট আপীল
  2. দায়রা জজের নিকট রিভিশন
  3. হাইকোটের নিকট রিভিশন
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৯৪ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে পারে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন জারির বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারামতে আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করতে পারেন।
৬৬৯.
দণ্ডবিধির ধারা ২৭৩ এর অধীনে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৭৩ অনুসারে, ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়ের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাস (যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড: সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা ১,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, বা উভয়।

⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 273. Sale of noxious food or drink:- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৬৭০.
'ক' একজন ফরিয়াদি,'খ'-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযুক্ত হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'খ' হাজির থাকলেও 'ক' হাজির হননি।উক্ত মামলার ফলাফল হতে পারে-
  1. ফরিয়াদীকে পরের দিন উপস্থিত হতে বলবেন
  2. অভিযুক্ত অব্যাহতি পাবেন
  3. অভিযুক্ত খালাস পাবেন
  4. মামলা যথারীতি চলবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে,নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে(শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।

• তবে,যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে,অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।
৬৭১.
কোন চুক্তি, আইন বা প্রথার অবর্তমানে কৃষির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত স্থাবর সম্পত্তির ইজারার মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ইজারা গ্রহীতার ইচ্ছামাফিক
  3. ১ বছর
  4. ইজারা দাতার ইচ্ছামাফিক
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারার বিধান লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
- কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
- অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।
- এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।

- The Transfer of Property Act, 1882 -এর ধারা ১০৬ মোতাবেক লিখিত চুক্তি, আঞ্চলিক আইন বা প্রথার অবর্তমানে কৃষির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত স্থাবর সম্পত্তির মেয়াদ হবে বার্ষিক ইজারা বা বাৎসরিক প্রজাস্বত্ব [From year to year] অর্থাৎ ১ বছর।
---------
- The Transfer of Property Act, 1882 Section 106. Duration of certain leases in absence of written contract or local usage:
- In the absence of a contract or local law or usage to the contrary, a lease of immoveable property for agricultural or manufacturing purposes shall be deemed to be a lease from year to year, terminable, on the part of either lessor or lessee, by six months' notice expiring with the end of a year of the tenancy; and a lease of immoveable property for any other purpose shall be deemed to be a lease from month to month, terminable, on the part of either lessor or lessee, by fifteen days' notice expiring with the end of a month of the tenancy. 
 
- Every notice under this section must be in writing signed by or on behalf of the person giving it, and either be sent by post to the party who is intended to be bound by it or be tendered or delivered personally to such party, or to one of his family or servants at his residence, or (if such tender or delivery is not practicable) affixed to a conspicuous part of the property.
৬৭২.
কমিশন প্রেরণের পূর্বে আদালত কাকে কমিশনের খরচ জমা দিতে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. সাক্ষীকে
  2. যার অনুরোধে কমিশন প্রেরিত হবে
  3. যার বিরুদ্ধে কমিশন প্রেরিত হবে
  4. আদালতের কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১৫: কমিশনের খরচ আদালতে জমা দিতে হবে:
এই আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরণের পূর্বে যে পক্ষের অনুরোধ বা যে পক্ষের হিতার্থে কমিশন প্রেরিত হবে আদালত সে পক্ষকে তার বিবেচনা মত যুক্তিযুক্ত মনের করা হয় এরূপ অংক (যদি কোন) কমিশনের খরচা বাবদ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে জমা দিতে নির্দেশ প্রদান করতে পারে।

Rule.-15: Expenses of Commission to be paid into Court:
Before issuing any commission under this Order, the Court may order such sum (if any) as it thinks reasonable for the expenses of the commission to be, within a time to be fixed, paid into Court by the party at whose instance or for whose benefit the commission is issued.
৬৭৩.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি গুরুতর আঘাতের উদাহরণ নয়?
  1. দাঁত ভাঙা
  2. হাড় ভাঙা
  3. সামান্য কাটা ছেঁড়া
  4. চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী, "গুরুতর আঘাত" (Grievous hurt) হিসেবে কয়েকটি নির্দিষ্ট আঘাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে দাঁত ভাঙা, হাড় ভাঙা এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়া গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হয়।
- তবে, সামান্য কাটা ছেঁড়া সাধারণত গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হয় না, এটি সাধারণ আঘাত হিসেবে পরিগণিত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৬৭৪.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের পদের মেয়াদ কত বৎসর বয়স পর্যন্ত?
  1. ৬৫ বৎসর
  2. ৬৬ বৎসর
  3. ৬৭ বৎসর
  4. নির্দিষ্ট কোন বয়স সীমা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারকদের পদের মেয়াদ:

(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।

(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
--------------
⇒ Article 96. Tenure of office of Judges:
(1) Subject to the other provisions of this article, a Judge shall hold office until he attains the age of sixty-seven years. 

(2) A Judge shall not be removed from his office except by an order of the President passed pursuant to a resolution of Parliament supported by a majority of not less than two-thirds of the total number of members of Parliament, on the ground of proved misbehaviour or incapacity. 
(3) Parliament may by law regulate the procedure in relation to a resolution under clause (2) and for investigation and proof of the misbehaviour or incapacity of a Judge. 
(4) A Judge may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
৬৭৫.
দেওয়ানী মামলায় Peremptory hearing- এর পূর্ব পর্যন্ত cost ছাড়া কতটি মুলতবি আদেশ দেয়া যায়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে। আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। ১৭নং আদেশ অনুযায়ী মুলতবির কিছু সাধারন বিধান-

⇒ আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
⇒ চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে।
⇒ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করে না।
⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৬৭৬.
সরকারী কর্ম কমিশন কার নিকট বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করবেন?
  1. সরকারের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. প্রধানমন্ত্রীর
  4. সংসদের
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১ এর বিধান বার্ষিক রিপোর্ট:
(১) প্রত্যেক কমিশন প্রতি বৎসর মার্চ মাসের প্রথম দিবসে বা তাহার পূর্বে পূর্ববর্তী একত্রিশে ডিসেম্বরে সমাপ্ত এক বৎসরে স্বীয় কার্যাবলী সম্বন্ধে রিপোর্ট প্রস্তুত করিবেন এবং তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবেন। 
 
(২) রিপোর্টের সহিত একটি স্মারকলিপি থাকিবে, যাহাতে 
(ক) কোন ক্ষেত্রে কমিশনের কোন পরামর্শ গৃহীত না হইয়া থাকিলে সেই ক্ষেত্র এবং পরামর্শ গৃহীত না হইবার কারণ; এবং 
(খ) যে সকল ক্ষেত্রে কমিশনের সহিত পরামর্শ করা উচিত ছিল অথচ পরামর্শ করা হয় নাই, সেই সকল ক্ষেত্র এবং পরামর্শ না করিবার কারণ;  সম্বন্ধে কমিশন যতদূর অবগত, ততদূর লিপিবদ্ধ করিবেন। 
 
(৩) যে বৎসর রিপোর্ট পেশ করা হইয়াছে, সেই বৎসর একত্রিশে মার্চের পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতি উক্ত রিপোর্ট ও স্মারকলিপি সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন।

অর্থাৎ সংবিধানের নবম ভাগের ২য় পরিচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারী কর্ম কমিশন ঘটিত হয়।
- যারা সংবিধানের ১৪১ অনুচ্ছেদের বিধান মতে রাষ্ট্রপতির নিকট বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করিবেন।
৬৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে "Sentence of death" সম্পর্কিত ধারা কোনটি?
  1. ধারা ৩৬৭
  2. ধারা ৩৬৮
  3. ধারা ৩৬৯
  4. ধারা ৩৭০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৮: মৃত্যুদণ্ড ও নির্বাসন সংক্রান্ত বিধান:
(১) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ: যখন কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন সেই দণ্ডাদেশে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে যে তাকে “গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হবে”।
(২) নির্বাসন (Transportation) এর আদেশ: নির্বাসনের আদেশে যে স্থানে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে প্রেরণ করা হবে, তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 368. Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
- Sentence of transportation:
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
৬৭৮.
যদি একক হস্তান্তরের মাধ্যমে একাধিক বস্তু দান করা হয়, যার মধ্যে একটি দায়যুক্ত এবং অন্যগুলো নয়, তবে দানগ্রহীতা কিভাবে তা গ্রহণ করতে পারবে?
  1. শুধু দায়মুক্ত বস্তু গ্রহণ করতে পারবে
  2. শুধুমাত্র দায়যুক্ত বস্তু গ্রহণ করতে পারবে
  3. যেকোনো একটি বেছে নিতে পারবে
  4. দান পুরোপুরি গ্রহণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৭- দায়যুক্ত দান (Onerous Gifts):

১ম অংশ:
যখন কোনো দান একই ব্যক্তিকে একক হস্তান্তরের মাধ্যমে একাধিক বস্তু দান করা হয়, যার মধ্যে একটি বোঝাযুক্ত (অর্থাৎ কোনো দায় বা কর্তব্যের সাথে যুক্ত) এবং অন্যগুলো বোঝামুক্ত, তখন দাতা সেই দান গ্রহণ করতে পারবে না যদি না সে পুরো দানটি গ্রহণ করে।
অর্থাৎ—একাংশ গ্রহণ করে, অন্য অংশ বর্জন করা যাবে না।

২য় অংশ:
যদি দানটি দুই বা ততোধিক পৃথক ও স্বাধীন হস্তান্তর হয়, যেখানে একাধিক বস্তু একই ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে, তবে দানগ্রহীতা ইচ্ছেমতো কোনো একটি গ্রহণ এবং অন্যগুলো প্রত্যাখ্যান করতে পারে, এমনকি যদি একটি লাভজনক হয় আর অন্যটি দায়বদ্ধ হয়।
৬৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে মানসিকভাবে অসুস্থ আসামিকে কার দ্বারা পরীক্ষা করানো হবে?
  1. পুলিশ সার্জন
  2. সিভিল সার্জন
  3. সরকার নির্ধারিত মেডিকেল অফিসার
  4. 'খ' অথবা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অস্বাভাবিক (উন্মাদ/unsound mind) এবং সে কারণে আত্মপক্ষ সমর্থনে অক্ষম, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই তদন্ত শুরু করবেন অভিযুক্তের মানসিক অবস্থার বিষয়ে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আসামির বিরুদ্ধে বিচার চলাকালে আদালতের মনে হয় যে সে মানসিকভাবে অসুস্থ ও বিচার মোকাবিলা করার মত অবস্থায় নেই, তাহলে বিচারক আসামিকে একজন সিভিল সার্জন অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোনো মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিতে পারেন।
- তাই সঠিক উত্তর: 'খ' অথবা 'গ' — অর্থাৎ সিভিল সার্জন অথবা সরকার নির্ধারিত মেডিকেল অফিসার।

⇒ কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে অর্থাৎ উক্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ থেকে ৪৭৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামী মানসিকভাবে অসুস্থ বা উন্মাদ(পাগল) হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করবেন। যথা-
ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন এবং মানসিকভাবে অসুস্থ আসামীকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন এবং
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 464- Procedure in case of accused being lunatic:
(1) When a Magistrate holding an inquiry or a trial has reason to believe that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defense, the Magistrate shall inquire into the fact of such unsoundness, and shall cause such person to be examined by the Civil Surgeon of the district or such other medical officer as the Government directs, and thereupon shall examine such Surgeon or other officer as a witness, and shall reduce the examination to writing.
(1A) Pending such examination and inquiry the Magistrate may deal with the accused in accordance with the provisions of section 466.
(2) If such Magistrate is of opinion that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defence, he shall record a finding to that effect and shall postpone further proceedings in the case.
৬৮০.
কোন অপরাধের বিচারের এখতিয়ার দায়রা আদালতের নাই?
  1. ডাকাতি
  2. হত্যা
  3. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
  4. শিশু পাচার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,
দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

উল্লেখিত অপরাধগুলোর মধ্যে শিশু অপরাধের বিচার আমলে নেয়ার এখতিয়ার শুধু 'মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল' এর আছে, বাকি গুলো দায়রা আদালত নিতে পারে।
৬৮১.
তামাদি আইনের কোন ধারায় তঞ্চকতা বা প্রতারণার কথা বলা আছে?
  1. ২০ ধারায়
  2. ১৮ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল 
 
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-

১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।

Section 18: Effect of fraud
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application- 
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,  

shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
৬৮২.
সরকারের বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিক্রি জারি নিষ্পত্তি না হলে, সেক্ষেত্রে আদালত সরকারকে রিপোর্ট করবে। উক্ত রিপোর্ট করার কত দিন পরও ডিক্রি জারি নিষ্পত্তি করা না হলে, এরূপ ডিক্রি জারি করা যাবে না?
  1. ৩ মাস
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮২ ধারার বিধান: ডিক্রি জারি: সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না। 

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধর ৮২ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে। আদালত কোন মোকদ্দমায় সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারী অফিসারের বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করলে উক্ত ডিক্রি জারি করা যায়-
- সরকার কত সময়ের মধ্যে ডিক্রিটি নিষ্পত্তি করবে তা আদালত ডিক্রিতে নির্দিষ্ট করে দিবে, সরকার যদি আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিক্রিটি নিষ্পত্তি না করে, সেক্ষেত্রে আদালত সরকারকে রিপোর্ট করবে।
- আদালত সরকারকে রিপোর্ট করার ৩ মাস পরও ডিক্রিটি নিষ্পত্তি করা না হলে, এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।
-----------
CPC Section 82. Execution of decree:
(1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.
(2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
৬৮৩.
জরুরী-অবস্থা ঘোষণার বৈধতার জন্য কার প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. সংসদের স্পিকার
  4. সেনাবাহিনীর প্রধান
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১ক- জরুরী-অবস্থা ঘোষণা:
(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।

(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা-
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না।
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।
৬৮৪.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৪৫ অনুসারে “গৃহভঙ্গ” (House-breaking) সংঘটিত হয় কতগুলি নির্দিষ্ট উপায়ের মাধ্যমে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৫ অনুসারে, "House-breaking" বা "গৃহভঙ্গ" সংঘটিত হয় যখন কেউ house-trespass commits করে নিম্নলিখিত ৬টি নির্দিষ্ট উপায়ের যে কোনো একটিতে প্রবেশ বা প্রস্থান করার মাধ্যমে:
প্রথমত: নিজে বা অপরাধের সহায়ক দ্বারা তৈরি করা passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
দ্বিতীয়ত: কোনো এমন passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা মানুষের প্রবেশের জন্য উদ্দেশ্য নয় (যেমন: ছাদ, চিমনি) বা দেয়াল টপকে প্রবেশ করা।
তৃতীয়ত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser বা তার সহায়ক দ্বারা খোলা হয়েছে এবং যা গৃহowner দ্বারা খোলার উদ্দেশ্য ছিল না (যেমন: জানালা ভাঙা)।
চতুর্থত: তালা ভেঙে বা খুলে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
পঞ্চমত: criminal force বা assault ব্যবহার করে বা assault-এর threat দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
ষষ্ঠত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser জানে যে বন্ধ ছিল এবং সে বা তার সহায়ক এটি খুলেছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ৬টি উপায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
------
⇒ The Penal Code,1860-Section: 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.

৬৮৫.
যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হবেন এবং অনাদায়ের কারণে কারাদণ্ড ভোগ করেন, তাহলে আদালত-
  1. অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের পরোয়ানা জারি করবে
  2. দেওয়ানি পদ্ধতি মোতাবেক জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিবে
  3. স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানি পদ্ধতি মোতাবেক পরোয়ানা জারি করবে
  4. উপরের কোনো আদেশ দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারামতে, 

(১) যে ক্ষেত্রে কোনো আসামিকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়, তখন শাস্তি দানকারী আদালত দুটি বা উভয় উপায় মোতাবেক জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন—

(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা

(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানি পদ্ধতি মোতাবেক পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের ক্ষমতা দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন। 

তবে শর্ত থাকে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হবেন এবং যদি অনাদায়ের কারণে কারাদণ্ড ভোগ করেন, তাহলে কোনো আদালত (ক) ও (খ)-এ উল্লেখিত পরোয়ানা দেবেন না। তবে বিশেষ কোনো কারণবশত আবশ্যক মনে করলে আদালত ওই কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দেবেন।

(২) সরকার (১) উপধারার (ক) অনুচ্ছেদ পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ছাড়া ওই পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অপর কোনো ব্যক্তির কোনো দাবি থাকলে সেটি নির্ধারণের ব্যবস্থা করার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবে সরকার।

(৩) আদালত যখন (১) উপধারার (খ) অনুচ্ছেদ মোতাবেক কালেক্টরকে পরোয়ানা দেন তখন ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, ওই পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার বলে গণ্য করতে হবে। নিকটতম যে দেওয়ানি আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন, ওই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে ওই ডিক্রিদাতা আদালত বলে গণ্য করতে হবে। ডিক্রি জারির ব্যাপারে কার্যবিধির বিধানগুলোও একই ভাবে প্রযোজ্য হবে।

তবে শর্ত থাকে যে, অপরাধীকে গ্রেপ্তার বা কারাগারে আটক রেখে এমন কোনো পরোয়ানা বলবৎ করা যাবে না। 
৬৮৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বিশেষজ্ঞদের মতামত সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ২৫ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৪৫ ধারায়
  4. ৬০ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):

যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

⇒ উল্লেখ্য যে পরবর্তীতে সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারাইয় বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
৬৮৭.
The Maxim 'Ignorantia juris non excusat' means-
  1. Ignorance of the law is a excuse
  2. Ignorance of the law is no excuse
  3. Ignorance of fact is an excuse
  4. Ignorance of fact is no excuse
ব্যাখ্যা
Ignorantia juris non excusat: "ignorance of the law is no excuse." 
অর্থ: আইন জানলে না, তা অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারে না।

ব্যাখ্যা: আইনগত ভুল (Mistake of Law) মানে হল যে কোনো ব্যক্তি আইন সম্পর্কিত ভুল ধারণা বা ভুল জানার কারণে অপরাধ করেছে। তবে এটি কোন অজুহাত হিসেবে গণ্য হবে না। আইন জানার ভুল বা অজ্ঞতা অপরাধের দায় থেকে মুক্তি দেয় না।

উদাহরণ: যদি কেউ আইন জানে না বা ভুলভাবে ধারণা করে এবং সেই অনুযায়ী কোনো অপরাধ করে, তাকে আইন অনুযায়ী শাস্তি দিতে হবে। যেমন, যদি কেউ মাদক গ্রহণের বিষয়ে আইন জানে না এবং সে তা গ্রহণ করে, তবে তার অজ্ঞতা দোষমুক্তির কারণ হবে না।
৬৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীকে সমন দিলে, সমন তার কর্মস্থলে পাঠাতে হবে -
  1. তার অফিস বরাবর
  2. তার মন্ত্রণালয় বরাবর
  3. তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
  4. সেই কর্মচারীকে ব্যক্তিগতভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে।
- যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেথা
-অর্থাৎ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর উপর সমন জারির ক্ষেত্রে, সমন জারি করতে হবে, সে যে অফিসে চাকরী করে-তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-72. Service on servant of Republic:
(1) Where the person summoned is in the active service of the Republic, the Court issuing the summons shall ordinarily send it in duplicate to the head of the office in which such person is employed; and such head shall thereupon cause the summons to be served in manner provided by section 69, and shall return it to the Court under his signature with the endorsement required by that section. 
(2) Such signature shall be evidence of due service.
৬৮৯.
‘ক’ অজ্ঞাত মালিকের একটি সোনার আংটি পায়। মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা না করেই ‘ক’ তা বিক্রি করে। 'ক' যে অপরাধ দোষী হবে?
  1. চুরি
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. অসাধুভাবে আত্মসাৎ
  4. দস্যুতা
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ধারা ৪০৩ মতে- এখানে 'ক’ আংটি ঘটনাক্রমে পেয়েছে। 'ক'সেটার মালিককে আবিষ্কার না করে আংটি বিক্রয় করেছে অর্থাৎ সে অসাধুভাবে আংটিটি নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে। তাই 'ক' অসাধুভাবে আংটিটি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে। ‘ক’ 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের জন্য দোষী হতো যদি সে আংটি অন্যকোন ব্যক্তির নিকট হতে বিশ্বাসভরে গ্রহণ করতো এবং উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া বিক্রি করে দিতো।
৬৯০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার অধীন আদালত কয়টি ক্ষেত্রে প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি (Person entitled to immediate possession) কোন অস্থাবর সম্পত্তির দখলকারী কিন্তু মালিক নন এমন ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তি প্রদানে বাধ্য করতে পারে। ১১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে আদালত বাদীকে প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে। যথা-
ⅰ) যদি বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসাবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে;
ii) অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হলে;
iii) অস্থাবর সম্পত্তির প্রকৃত ক্ষতি নিরূপণ করা কঠিন হলে;
iv) যেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর অস্থাবর সম্পত্তিটি বেআইনিভাবে দখল করে।
---------------------
Section 11 Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৬৯১.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী। তার সরকারি কর্তব্যপালনে বাধা দেবার উদ্দেশ্যে 'খ' তাকে আক্রমণ করে। 'খ' এর সর্বোচ্চ শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে,
সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারা: সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক:

কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty:
Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৬৯২.
মৃত্যুকালীন বিবৃতি (Dying Declaration) কার নিকট করা যায়?
  1. শুধু পুলিশ
  2. যেকোনো ব্যক্তি
  3. শুধু ডাক্তার
  4. শুধু ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়।
- ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 
- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।
 
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;
৬৯৩.
যখন একই অপরাধের জন্য অভিযোগের ভিত্তিতে সি.আর কেস এবং পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে অন্য একটি মামলা চলমান থাকে, সেই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্তটি সঠিক?
  1. পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলাটি চলমান থাকবে
  2. একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রে অনুসন্ধান এবং বিচার করা যাবে 
  3. উভয় মামলার বিচার এবং অনুসন্ধান স্থগিত থাকবে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ এ একই অপরাধ বিষয়ে নালিশী মামলা ও পুলিশ তদন্ত চলতে থাকলে তখন যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তা উল্লেখ করা হয়েছে-

নালিশের ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধান বা বিচারকালীন সময়ে যদি এটা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করা হয় যে- ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধের বিচার বা অনুসন্ধান শুরু করেছেন উক্ত অপরাধের বিষয়ে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত চলমান আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তার অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম স্থগিত করবেন এবং তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট হতে রিপোর্ট তলব করবেন।

এই ক্ষেত্রে একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রিত করণ এবং বিচার করা যাবে যেন উভয় মোকদ্দমা পুলিশ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে [ধারা ২০৫(ঘ)(২)]
৬৯৪.
কোন অপরাধের প্রস্তুতির জন্য শাস্তি প্রদানের বিধান আছে?
  1. দস্যুতা
  2. ডাকাতি
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. ধর্ষণ
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ৩৯৯ ধারায় ডাকাতির প্রস্তুতিকেও শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে। সাধারণত অপরাধ সংঘটন, এর সংঘটনে সহযোগিতা বা অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টা কে শাস্তিযোগ্য করা হয়। কিন্তু ৩৯৯ ধারায় ডাকাতির প্রস্তুতিকেও শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে।
৬৯৫.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন অগ্রক্রয়ের আবেদন করাকালে সংশ্লিস্ট দলিলে উল্লিখিত বিক্রয়মূল্যের উপর শতকরা কত ভাগ ক্ষতিপূরণ জমা দিতে হয়?
  1. ২০
  2. ২৫
  3. ৪০
  4. ৩০
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৬ (৩) ধারার বিধান অগ্রক্রয়ের জন্য দায়েরকৃত আবেদন খারিজ হইবে যদি আবেদনকারী অথবা আবেদনকারীগণ উহা দায়ের করিবার সময় আদালতে নিম্নরূপ অর্থ জমা প্রদান না করেন, যথা:-
(ক) ধারা ৮৯ এর অধীন নোটিশে অথবা হস্তান্তর দলিলে, ক্ষেত্রমত, বর্ণিত বিক্রিত জোত অথবা অংশ-বিশেষ বা শেয়ারের বিনিময় মূল্য;
(খ) দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণ অর্থের শতকরা পঁচিশ ভাগ ক্ষতিপূরণ; এবং
(গ) বিক্রয় দলিল সম্পাদনের তারিখ হইতে অগ্রক্রয়ের আবেদন দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের জন্য দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণের উপর শতকরা বার্ষিক আট ভাগ হারে সরল সুদের হিসাবকৃত অর্থ।
--------------
Section 96 Right of pre-emption (3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption.
৬৯৬.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের উদাহরণ হিসেবে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মৌখিক বিবরণ
  2. মূল দলিলের অনুলিপি
  3. মূল দলিলের ফটোগ্রাফ
  4. মূল দলিলের উপস্থিতি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায়, মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে মৌখিক বিবরণ, মূল দলিলের অনুলিপি, এবং মূল দলিলের ফটোগ্রাফ অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে মূল দলিলের উপস্থিতি কখনোই মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে না।
মাধ্যমিক সাক্ষ্য এমন সাক্ষ্য যা মূল দলিল বা মূল প্রমাণের অনুলিপি বা বিকল্প উপায়ে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু, মূল দলিলের উপস্থিতি তখনই প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয় যখন সেটা মূল দলিল হিসাবে আদালতে সরাসরি উপস্থাপন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্য- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(১) বর্ণিত বিধানবলি অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌক্ষিক বিবরণ।

উদাহরণ:
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
---------
The Evidence Act, 1872: Section- 63. Secondary evidence:
Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.

Illustrations:
(a) A photograph of an original is secondary evidence of its contents, though the two have not been compared, if it is proved that the thing photographed was the original.
৬৯৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, সাক্ষ্য গ্রহণের সঠিক ক্রম কী?
  1. জেরা → জবানবন্দি → পুনঃজবানবন্দি
  2. জবানবন্দি → জেরা → পুনঃজবানবন্দি
  3. পুনঃজবানবন্দি → জবানবন্দি → জেরা
  4. জেরা → পুনঃজবানবন্দি → জবানবন্দি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) জবানবন্দি → জেরা → পুনঃজবানবন্দি। 
→ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, সাক্ষ্য গ্রহণের সঠিক ক্রম হলো:
- জবানবন্দি: প্রথমে, যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করেছে, সে পক্ষ সাক্ষীকে প্রশ্ন করে (Examination-in-chief)।
- জেরা: তারপর, বিরোধী পক্ষ (যদি চায়) সাক্ষীকে জেরা করতে পারে (Cross-examination)।
- পুনঃজবানবন্দি: শেষে, যদি সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ চায়, তবে তাকে পুনরায় প্রশ্ন করা হয় (Re-examination)।
এই ক্রমটি সাক্ষ্য গ্রহণের নিয়মিত প্রক্রিয়া এবং আইনি প্রক্রিয়ায় সাক্ষীর বক্তব্য এবং তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

⇒ The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৬৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক কোনো সংবাদপত্র বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য, কত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে?
  1. ২ মাসের
  2. ১ মাসের
  3. ৬ মাসের
  4. ৩ মাসের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য ২ মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারা:
৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।

Section 99B: Application to High Court Division to set aside order of forfeiture-
Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.
৬৯৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় Cross Claims এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XXII, Rule 15
  2. Order XXI, Rule 18
  3. Order XXI, Rule 19
  4. Order XI, Rule 13
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 19 তে Cross Claims এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৯ এর বিধান একই ডিক্রির অধীন পাল্টা দাবির ক্ষেত্রে জারি (Execution in case of cross-claims under same decree): যেক্ষেত্রে পরস্পরের নিকট হতে অর্থ আদায়ের জন্য দুই পক্ষ একটি ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে-
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান হলে, ডিক্রিতে উভয় পক্ষের প্রাপ্য টাকার পরিশোধ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান না হলে, বৃহত্তম অঙ্কের অধিকারী পক্ষ কর্তৃক এই ক্ষুদ্রতম অঙ্ক বাদ দেওয়ার পর যা থাকে তার জন্য জারি কার্য পরিচালিত হতে পারে, এবং ক্ষুদ্রতম অঙ্কের মিটানো সম্পর্কে ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ হবে।

⇒ পাল্টা দাবী (Cross claims)- ২১ নং আদেশের ১৯ নং বিধি অনুযায়ী, যে ডিক্রি অনুসারে দুইপক্ষ পরষ্পরের নিকট টাকা আদায়ের অধিকার লাভ করে, সেই ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করা হলে, তখন-
ⅰ)যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে উভয়টির পরিতুষ্টি ডিক্রির উপর লিখতে হবে; এবং
ii) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে যে পক্ষ বৃহত্তর পরিমাণ অংকের অধিকারী, ঐ পক্ষ ক্ষুদ্রতর অংশ বাদে শুধু অবশিষ্ট অংকের টাকার জন্য ডিক্রি জারি করাতে পারবে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের জন্য ডিক্রিতে পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করতে হবে।

⇒ পাল্টা ডিক্রি (Cross decrees)- ২১ নং আদেশের ১৮ নং বিধি অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে একই পক্ষসমূহের মধ্যে পৃথক মোকদ্দমায় টাকার দুটি অংশ পরিশোধের নিমিত্তে ইতোপূর্বে দেয়া পাল্টা ডিক্রিসমূহ জারির নিমিত্তে আদালতে আবেদন পেশ করা হয়। এবং তা উক্ত আদালতের মাধ্যমে একই সময়ে জারিযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে-
i ) যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে মিটানোর ব্যাপারে উভয় ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ থাকবে; এবং
ⅱ) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে শুধু বৃহৎ অংকের ডিক্রিদার, ক্ষুদ্রতর অংক বিয়োজন করার পর ডিক্রিতে যা বাকী থাকে, তার নিমিত্তে ডিক্রি জারি করতে পারে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের সন্তুষ্টির ব্যাপারটি বৃহৎ অংকের ডিক্রিতে এবং ক্ষুদ্রতম অংকের ডিক্রিতেও লিপিবদ্ধ থাকতে হবে।

⇒ পাল্টা ডিক্রির (Cross Decrees) ক্ষেত্রে প্রথম দুটি মামলায় দুইটি ডিক্রি একসাথে জারি করা হয়। অন্যদিকে পাল্টা দাবীর (Cross Claims) ক্ষেত্রে একই মামলায় বাদী-বিবাদীর পাল্টা দাবির ডিক্রি জারি করা হয়।
৭০০.
নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. অনুচ্ছেদ ৭৫
  2. অনুচ্ছেদ  ৭৬
  3. অনুচ্ছেদ ৭৪
  4. অনুচ্ছেদ  ৭৩
ব্যাখ্যা
⇒ অনুচ্ছেদ ৭৫:- কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করবেন না কিন্তু সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন।
অন্যদিকে, 
• অনুচ্ছেদ  ৭৬:- সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
• অনুচ্ছেদ ৭৭ : ন্যায়পাল।
• অনুচ্ছেদ  ৭৮ : সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।   

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
 (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।
(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
------------
⇒ Article 75 Rules of procedure, quorum, etc-:
 (1) Subject to this Constitution – 
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President; 
(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.