বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৬৬ / ১৫৫ · ৬,৫০১৬,৬০০ / ১৫,৪৭০

৬,৫০১.
The General Clauses Act,1897 এর ধারা ১৬ অনুযায়ী, নিয়োগের ক্ষমতা কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. নীতি নির্ধারণের ক্ষমতা
  2. বরখাস্তের ক্ষমতা
  3. পদবী পরিবর্তনের ক্ষমতা
  4. বেতন নির্ধারণের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

• The General Clauses Act,1897: ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।

Section 16- Power to appoint to include power to suspend or dismiss:
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.

৬,৫০২.
The Code of Criminal Procedure,1898 এ নিম্নোক্ত কোন শব্দটির প্রয়োগ নেই?
  1. Inquiry
  2. Re-investigation
  3. Investigation
  4. Further investigation
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে। [do further investigation]

• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet] দাখিল করতে পারে। তবে ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের [Re-investigation] কোন বিধান নেই
৬,৫০৩.
দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, অবৈধভাবে কাউকে বাধা দিলে কোন শাস্তি হতে পারে?
  1. ২ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩ মাস পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা: অবৈধ বাধা:

যে ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করে, তাকে এক মাস পর্যন্ত মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
[Whoever wrongfully restrains any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.]
৬,৫০৪.
রায়াতকে তার অধিকার বা জমির অংশ থেকে উচ্ছেদ করার জন্য কোন ধরনের আদেশ প্রয়োজন?
  1. সরকারের আদেশ
  2. সিভিল কোর্টের আদেশ
  3. ভূমি অফিসের আদেশ
  4. রেজিস্ট্রেশন অফিসের আদেশ
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- ধারা ৮৫ - রায়াতের উচ্ছেদের ভিত্তি:
"একটি রায়াতকে তার অধিকার বা অধিকারভুক্ত কোন অংশ থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না, সিভিল কোর্টের একটি উচ্ছেদ আদেশ ছাড়া, যা সম্পূর্ণ অধিকার বা যে কোন অংশের জন্য, যেটি সংশ্লিষ্ট আইন অনুসারে রায়াতের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ বা আইন লঙ্ঘনের কারণে দেওয়া হয়েছে।"

অর্থাৎ, একটি রায়াতকে তার জমি বা জমির অংশ থেকে উচ্ছেদ করতে হলে, সেটি কেবল সিভিল কোর্টের আদেশের মাধ্যমে হতে পারে, যেখানে রায়াত কোনো আইনি লঙ্ঘন করেছে বা এই আইনের কোনো শর্ত ভঙ্গ করেছে।
৬,৫০৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারা অনুসারে, চুক্তির একটি অংশ সম্পাদন করা সম্ভব না হলে আদালত কী করতে পারেন?
  1. চুক্তিটি সম্পূর্ণভাবে বাতিল করতে পারেন।
  2. চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
  3. চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন না।
  4. চুক্তির সম্পূর্ণ অংশ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: খ) চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার অধীনে, যখন চুক্তির একটি অংশ বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হয় এবং সেই অংশ চুক্তির বৃহত্তম অংশ হয়ে থাকে অথবা ক্ষতিপূরণ দ্বারা তা পূরণ করা সম্ভব না হয়, তখন আদালত সাধারণত চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে নির্দেশ দেবে না। তবে, যদি অন্য পক্ষ চুক্তির যে অংশটি সম্পাদিত হতে পারে, তা গ্রহণ করতে সম্মত হয় এবং বাকি অংশের জন্য কোনো ক্ষতিপূরণ দাবি না করে, তাহলে আদালত সেই অংশটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করতে নির্দেশ দিতে পারে।

অর্থাৎ, চুক্তির যে অংশটি বাস্তবায়ন সম্ভব, আদালত সেই অংশটি বাস্তবায়ন করতে নির্দেশ দিতে পারে, তবে বাদবাকি অংশের জন্য কোনো ক্ষতিপূরণ বা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হতে পারে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারা - চুক্তির একটি অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যেখানে অপ্রতিষ্ঠিত অংশ বড়:
যখন চুক্তির একটি পক্ষ তার অংশের পুরোটা পালন করতে অক্ষম থাকে, এবং যেই অংশটি পালন করা সম্ভব নয় তা চুক্তির পুরো অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ গঠন করে, অথবা যা অর্থের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণযোগ্য নয়, তখন সে পক্ষ সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য আদেশ পাওয়ার অধিকারী নয়। তবে, আদালত অন্য পক্ষের আবেদনক্রমে, ভুলের দায়ী পক্ষকে নির্দেশ দিতে পারে যে, তার যা অংশ সম্পাদন করা সম্ভব, তা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করতে হবে, যদি আবেদনকারী (প্রতিবাদী) আরও কার্যসম্পাদন বা ক্ষতিপূরণের কোনো দাবি ত্যাগ করেন এবং তাঁর ক্ষতির জন্য কোনো ক্ষতিপূরণের দাবি না করেন।

উদাহরণ:
(ক) A একটি ১০০ বিঘা জমি B-কে বিক্রি করার চুক্তি করেছে। চুক্তি করার পর জানা যায় যে, ৫০ বিঘা জমি A-র এবং বাকি ৫০ বিঘা জমি একটি অপরিচিত ব্যক্তির, যিনি জমি ছাড়তে অস্বীকার করেন। A চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদায় করতে পারবে না; তবে, যদি B সম্মত হয় agreed মূল্য পরিশোধ করতে এবং A-র ৫০ বিঘা জমি নিতে, এবং কোনো ক্ষতিপূরণের দাবি ত্যাগ করে, তাহলে B একটি আদেশ পেতে পারে যা A-কে তার ৫০ বিঘা জমি B-কে হস্তান্তর করতে বলবে, পরিশোধিত মূল্য গ্রহণের পর।

(খ) A একটি বাড়ি এবং বাগানসহ একটি এস্টেট B-কে বিক্রি করার চুক্তি করেছে ১ লাখ টাকায়। বাড়ির উপভোগের জন্য বাগান গুরুত্বপূর্ণ। জানা যায় যে, A বাগানটি হস্তান্তর করতে অক্ষম। A চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদায় করতে পারবে না; তবে, যদি B সম্মত হয় মূল্য পরিশোধ করতে এবং বাড়ি ও এস্টেট বাগানের ছাড়া নিতে, এবং কোনো ক্ষতিপূরণের দাবি ত্যাগ করে, তাহলে B একটি আদেশ পেতে পারে যা A-কে বাড়িটি B-কে হস্তান্তর করতে বলবে, পরিশোধিত মূল্য গ্রহণের পর।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-15. Specific performance of part of contract where part unperformed is large:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant. 

Illustrations:
(a) A contacts to sell to B a piece of land consisting of 100 bighas. It turns out that 50 bighas of the land belong to A, and the other 50 bighas to a stranger, who refuses to part with them. A cannot obtain a decree against B for the specific performance of the contract; but if B is willing to pay the price agreed upon, and to take the 50 bighas which belong to A, waiving all right to compensation either for the deficiency or for loss sustained by him through A's neglect or default, B is entitled to a decree directing A to convey those 50 bighas to him on payment of the purchase-money. 
 
(b) A contracts to sell to B an estate with a house and garden for a lakh of taka. The garden is important for the enjoyment of the house. It turns out that A is unable to convey the garden. A cannot obtain a decree against B for the specific performance of the contract, but if B is willing to pay the price agreed upon, and to take the estate and house without the garden, waiving all right to compensation either for the deficiency or for loss sustained by him through A's neglect or default, B is entitled to a decree directing A to convey the house to him on payment of the purchase-money.
৬,৫০৬.
তামাদি আইনের ১৩ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
  2. ডিক্রী জারির আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
  3.  আপীল বা আবেদন দাখিলের  তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
  4. উপরের সবকটি 
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১৩ ধারা প্রযোজ্য হবে-মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করতে।

⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা শুধুমাত্র সেই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে যেক্ষেত্রে বিবাদী বাংলাদেশে অনুপস্থিত থাকে। ১৩ ধারা শুধুমাত্র বিবাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং বাদীর পক্ষে ব্যবহার করা যায় না।

তামাদি আইনে ১৯০৮ এর ১৩ ধারা, বাংলাদেশ এবং অন্যান্য কয়েকটি এলাকা হইতে বিবাদীর অনুপস্থিতকালীণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে: কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে বাংলাদেশ বহির্ভূত কিন্তু বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রশাসিত এলাকা হইতে বিবাদীর অনুপস্থিত কাল বাদ দিতে হইবে।
-----------------
 The Limitation Act 1908, Section 13, Exclusion of time of defendants absence from Bangladesh and certain other territories: -In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the [Government] shall be excluded.

৬,৫০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৬ অনুযায়ী, ডিক্রি জারি সংক্রান্ত বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে-
  1. শুধুমাত্র ডিক্রির ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র আদেশের (Order) ক্ষেত্রে
  3. ডিক্রি ও আদেশ উভয়ের ক্ষেত্রে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure, 1908) এর ধারা ৩৬ অনুসারে: "The provisions of this Code relating to the execution of decrees shall, so far as they are applicable, be deemed to apply to the execution of orders."

অর্থাৎ, এই কোডের ডিক্রির জারি (execution) সংক্রান্ত বিধানগুলি, যতদূর প্রযোজ্য, আদেশ (orders)-এর জারির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে। এটি ডিক্রি এবং আদেশ উভয়কেই কভার করে, যাতে একই নিয়মাবলী অনুসরণ করা যায়।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 36. Application to orders:
The provisions of this Code relating to the execution of decrees shall, so far as they are applicable, be deemed to apply to the execution of orders.

৬,৫০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, কে দোভাষীর সেবা (services) নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. সাক্ষী নিজে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তি
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. ফৌজদারি আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, যখন কোনো ফৌজদারি আদালত মনে করেন যে সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে, তখন তিনি দোভাষীর সেবা নিতে পারেন।
- এই ধারা অনুযায়ী দোভাষীর নিয়োগ আদালতের সিদ্ধান্তে হয়, এবং দোভাষী বাধ্য থাকেন সঠিক ও সত্য ব্যাখ্যা প্রদান করতে।
→ দোভাষীর সেবা নেওয়ার সিদ্ধান্ত ফৌজদারি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) ফৌজদারি আদালত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৩ ধারার বিধান- অনুসারে দোভাষী অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন-
কোন সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখা করার জন্য যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক একজন দোভাষীর সেবা দেয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে দোভাষী উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 543- Interpreter to be bound to interpret truthfully:
When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
৬,৫০৯.
প্রদত্ত কোন শর্ত সাপেক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি ছাড়া
  2. রায় ঘোষণার পরে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. যেকোন পর্যায়ে তবে আদালতের অনুমতি অনাবশ্যক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল-

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৬,৫১০.
আপিল আদালতের ডিক্রিতে কোন তারিখ উল্লেখ থাকবে?
  1. ডিক্রি ঘোষণার দিন
  2. আপিল দাখিলের দিন
  3. রায় ঘোষণার দিন
  4. ডিক্রি প্রস্তুত করার দিন
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি ৩৫: রায়ের তারিখ ও ডিক্রির বিষয়বস্তু:
(১) আপিল আদালতের ডিক্রিটি সেই দিন-তারিখ বহন করবে যেদিন আদালত রায় ঘোষণা করেছে।

(২) ডিক্রিতে অবশ্যই থাকতে হবে- আপিলের নম্বর, আপিলকারী (appellant) ও প্রতিপক্ষ (respondent)-এর নাম ও পরিচয়, এবং কোন প্রতিকার (relief) দেওয়া হলো বা আদালত কী ধরনের সিদ্ধান্ত (adjudication) দিল তার স্পষ্ট বিবরণ।

(৩) ডিক্রিতে আরও উল্লেখ থাকবে- আপিল চলাকালে মোট কত খরচ (costs) হয়েছে, কার মাধ্যমে বা কোন সম্পত্তি থেকে এ খরচ পরিশোধ করতে হবে, এবং আপিলের খরচ ও মূল মামলার খরচ কোন অনুপাতে (proportions) প্রদান করতে হবে।

(৪) যে বিচারক বা বিচারকগণ ডিক্রি প্রদান করেছেন, তাদের দ্বারাই ডিক্রি স্বাক্ষরিত ও তারিখ-উল্লেখসহ হতে হবে।

বিচারকের ভিন্নমত সংক্রান্ত বিধান
যদি বেঞ্চে একাধিক বিচারক থাকেন এবং তাদের মধ্যে মতানৈক্য থাকে, তবে যে বিচারক আদালতের মূল রায়ের সাথে অমত পোষণ করেছেন, তার জন্য ডিক্রিতে স্বাক্ষর করা বাধ্যতামূলক নয়।

৬,৫১১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৫ অনুযায়ী, যদি আসামি দাবি করে যে তার মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর বর্তায়?
  1. পুলিশ
  2. আদালত
  3. বাদীপক্ষ
  4. আসামিপক্ষ
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১০৫ অনুযায়ী, যদি আসামি দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে প্রমাণের দায়িত্ব আসামিপক্ষের উপর বর্তায়।

⇒ আইনে স্পষ্ট বলা আছে যে, আদালত ধরে নেবে যে কোনো ব্যতিক্রম প্রযোজ্য নয়, যতক্ষণ না আসামি সেই ব্যতিক্রম প্রমাণ করতে পারে। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপক্ষ (Prosecution) কেবল অপরাধ প্রমাণের দায়িত্ব পালন করবে, কিন্তু যদি আসামি কোনো আইনি ব্যতিক্রম দাবি করে, তাহলে সেই ব্যতিক্রম প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তার নিজেরই থাকবে।

উদাহরণ:
১. আত্মরক্ষা (Right of Private Defence):
যদি কোনো আসামি দাবি করে যে সে আত্মরক্ষার জন্য কাউকে আঘাত করেছে, তাহলে শুধু দাবি করলেই হবে না। সে নিজেই প্রমাণ দিতে হবে যে সে বাস্তবে আত্মরক্ষার জন্যই কাজ করেছে।
মানসিক ভারসাম্যহীনতা (Insanity):
যদি কোনো আসামি দাবি করে যে সে অপরাধ সংঘটনের সময় মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল (IPC ৮৪), তাহলে তাকে প্রমাণ করতে হবে যে সে সত্যিই মানসিকভাবে সুস্থ ছিল না এবং সে অপরাধ করার সময় নিজের কাজ সম্পর্কে সচেতন ছিল না।

মূলনীতি:
- রাষ্ট্রপক্ষ (Prosecution) অপরাধ প্রমাণ করবে।
- কিন্তু আসামি যদি কোনো ব্যতিক্রম দাবি করে, তবে সেটি প্রমাণের দায়িত্ব তার নিজের উপর বর্তাবে।
- আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো ব্যতিক্রম মেনে নেবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ধারা ১০৫ - আসামির ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়িত্ব:
যখন কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হন, তখন দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমগুলোর আওতায় তার মামলা আসে কিনা, অথবা একই বিধির অন্য কোনো বিশেষ ব্যতিক্রম বা শর্তাধীন বিধান তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা, তা প্রমাণ করার দায়িত্ব আসামির উপর বর্তায়।
এছাড়াও, আদালত ধরে নেবে যে এমন কোনো ব্যতিক্রম প্রযোজ্য নয়, যদি না আসামি নিজে তার উপস্থিতি প্রমাণ করতে সক্ষম হয়।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.
৬,৫১২.
প্রতারণার ফলে প্রতারিত ব্যক্তির কোন ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে তা দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায় অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. দেহগত ক্ষতি
  2. সম্পত্তির ক্ষতি
  3. মানসিক ক্ষতি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৪১৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ কাউকে ছলনা করে প্রতারিত করে এবং তাকে এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করে যার ফলে তার দেহগত (bodily), মানসিক (mental), খ্যাতির (reputation), বা সম্পত্তির (property) ক্ষতি হয় অথবা ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তবে এটি "প্রতারণা (cheating)" হিসেবে গণ্য হয়।
- এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে: "...which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property..." এজন্য দেহগত ক্ষতি, সম্পত্তির ক্ষতি, এবং মানসিক ক্ষতি—এই সবকিছুই ধারা অনুযায়ী প্রতারণার আওতায় পড়ে।
অতএব, সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সবগুলো।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415: Cheating:
- Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".
Explanation:- A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৬,৫১৩.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর কত ধারায় জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৪৪ ধারায়
  3. ৩৯ ধারায়
  4. ৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা
১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে
২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে

• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। অন্যদিকে আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে।
অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।

আবার, ৩৮ ধারা অনুসারে জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়। অন্যদিকে ৪৪ক ধারায় আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।
৬,৫১৪.
Section 21A of the Specific Relief Act applies to:
  1. All types of contracts
  2. Contracts for sale of movable property
  3. Contracts for sale of immovable property
  4. Contracts for sale of both movable & immovable property
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৬,৫১৫.
'A' একজন অত্যন্ত নীতিবান এবং ধার্মিক মানুষ। 'A' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আদালতে উঠেছে। সেখানে তার আইনজীবী সাক্ষ্য শুনানীর সময় 'A' এর সচ্চরিত্রের বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইলে ক্ষেত্রে কী ঘটবে?
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া বলা যাবে না
  2. আদালত বাধা প্রদান করবে
  3. সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই আদালতে
  4. বিপক্ষ আইনজীবী তাকে বাধা প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

তবে ৫৪ ধারা অনুসারে, অভিযুক্তের পূর্বাচারের প্রমাণ গ্রহণযোগ্য নয়। অর্থাৎ তার আগের অপরাধমূলক কাজকর্ম বা খারাপ চরিত্র প্রমাণ করা যাবে না।
-অর্থাৎ, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির সচ্চরিত্র বা ভালচরিত্র তার পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে গণ্য।
-এটি আইনগতভাবে স্বীকৃত এবং সাক্ষ্য আইনে ব্যবস্থা রয়েছে।

তাই উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'A' এর আইনজীবী কর্তৃক 'A' এর সচ্চরিত্রের বিস্তারিত তুলে ধরার আইনগত অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।
--------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-53: In criminal cases, previous good character relevant:
 In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-54: Previous bad character not relevant, except in reply:
In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant. 
Explanation 1.–This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue. 
Explanation 2.–A previous conviction is relevant as evidence of bad character.
৬,৫১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা অনুসারে অভিযুক্তকে অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদি কোথায় প্রতিকার চাইতে পারেন?
  1. সুপ্রিম কোর্টে আপিল করতে পারেন
  2. দায়রা জজ আদালতে আপিল করতে পারেন
  3. দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারেন
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট যদি চার্জ গঠনের আগে অভিযোগ ভিত্তিহীন মনে করে, তাহলে অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন। তবে, যদি ফরিয়াদি (Complainant) এই আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার চান, তাহলে তিনি দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারেন।

- অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিল করার কোনো বিধান নেই।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ও ৪১৭ক ধারায় শুধু খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রয়েছে, অব্যাহতির বিরুদ্ধে নয়।
- যেহেতু আপিল করা যায় না, তাই রিভিশনের সুযোগ রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী দায়রা জজ আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং বিচারিক আদেশ পর্যালোচনা করতে পারে।

অর্থাৎ ফরিয়াদি যদি মনে করেন যে অভিযুক্তকে ভুলভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, তাহলে তিনি দায়রা জজ আদালতে রিভিশন আবেদন করতে পারেন, কিন্তু সরাসরি আপিল করতে পারবেন না। 
৬,৫১৭.
দায়রা আদালতে অভিযােগকারীর পক্ষে কে মামলা পরিচালনা করে থাকেন?
  1. এটর্নি জেনারেল
  2. পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. সরকারি উকিল
  4. পুলিশ কর্তৃক নিযুক্ত উকিল
ব্যাখ্যা
দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial)
ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
[In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.]

ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভযোেগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
[When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.]
৬,৫১৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় আটককৃত দ্রুত ক্ষয়শীল সম্পত্তি বিক্রির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫২৩
  2. ধারা ৫২৪
  3. ধারা ৫২৫
  4. ধারা ৫২৬
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট আটককৃত দ্রুত ক্ষয়শীল সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিতে পারেন, যদি সম্পত্তির মালিক অজানা বা অনুপস্থিত থাকেন, সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, মালিকের কল্যাণের জন্য বিক্রি উপযোগী হয়, অথবা সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.

৬,৫১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারার অধীনে, আদালতকে কোন ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র আপিল গ্রহণ করার ক্ষমতা
  2. মামলার স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের ক্ষমতা
  3. মামলাকে দ্রুত নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা
  4. গুরুত্বপূর্ন মামলার বিচার স্থগিত করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারা- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:
(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন স্তরে
ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা
খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
i. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
ii. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
iii. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
২) কোন মামলা (১) উপধারা অনুসারে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে পরে যে আদালতে ইহার বিচার হয়, সেই আদালত স্থানান্তরের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশ সাপেক্ষে পূর্ণ বিচার করতে পারেন, অথবা যে পর্যায় হতে উহা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।
৩) এই ধারার উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত ও সহকারী জজের আদালতকে জেলা কোর্টের অধীন বলে গণ্য করতে হবে।
৪) স্মলকজ কোর্ট হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মামলার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মামলার ব্যাপারে স্মলকজ কোর্ট বলে গণ্য করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-24. General power of transfer and withdrawal:
(1) On the application of any of the parties and after notice to the parties and after hearing such of them as desire to be heard, or of its own motion without such notice, the High Court Division or the District Court may at any stage-
(a) transfer any suit, appeal or other proceeding pending before it for trial or disposal to any Court subordinate to it and competent to try or dispose of the same, or
(b) withdraw any suit, appeal or other proceeding pending in any Court subordinate to it, and
(i) try or dispose of the same; or
(ii) transfer the same for trial or disposal to any Court subordinate to it and competent to try or dispose of the same; or
(iii) retransfer the same for trial or disposal to the Court from which it was withdrawn.
(2) Where any suit or proceeding has been transferred or withdrawn under sub-section (1), the Court which thereafter tries such suit may, subject to any special directions in the case of any order of transfer, either retry it or proceed from the point at which it was transferred or withdrawn.
(3) For the purposes of this section, Courts of Additional and Assistant Judges shall be deemed to be subordinate to the District Court.
(4) The Court trying any suit transferred or withdrawn under this section from a Court of Small Causes shall, for the purposes of such suit, be deemed to be a Court of Small Causes.
৬,৫২০.
The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর কত ধারায় হোল্ডিং-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২(১২) ধারায়
  2. ২(১৩) ধারায়
  3. ২(১৪) ধারায়
  4. ২(১৫) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৩) ধারায় হোল্ডিং-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- ধারা ২(১৩)- জোত [Holding]:
'হোল্ডিং বা জোত' অর্থ ভূমির একটি খণ্ড অথবা খণ্ডসমূহ বা তার একটি অবিভক্ত অংশ যা কোনো রায়ত বা অধীনস্থ রায়ত কর্তৃক অধিকৃত এবং যা কোনো পৃথক প্রজাস্বত্বের বিষয়বস্তু;
একটি খতিয়ানে একটি দাগ থাকতে পারে, আবার একাধিক দাগও থাকতে পারে। এ রকম একটি খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ভূমিকে হোল্ডিং বা জোত-জমা বলা হয়।
-----------------------------
⇒The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-Section-2(13) “holding” means a parcel or parcels of land or an undivided share thereof, held by a raiyat or an under-raiyat and forming the subject of a separate tenancy;
৬,৫২১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'জজ' এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে?
  1. ১৯ ধারা
  2. ২০ ধারা
  3. ২১ ধারা
  4. ২২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১৯ ধারার বিধান বিচারক/জজ: বিচারক শব্দের অর্থ শুধুমাত্র  সরকারীভাবে বিচারক /জজ বলে আখ্যায়িত বা নিযুক্ত  ব্যাক্তিদেরকে বুঝায় না, বরং নিম্নোক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকেও বুঝায়-
যিনি কোন দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনগত কার্যক্রমে আইনত চূড়ান্ত রায় প্রদান করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত; কিংবা যদি আপিল না হয় তার রায় চূড়ান্ত হবে এমন রায় প্রদান করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত; কিংবা তার রায় অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বহাল হলে চূড়ান্ত হবে এমন কোন রায় প্রদান করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত; বা যিনি এমন কোন ব্যক্তিসমষ্টির অন্যতম, যে ব্যক্তিসমষ্টি  অনুরূপ কোন রায় প্রদান করার জন্য আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
৬,৫২২.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারা অনুসারে, কখন অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জনের কারণে নতুন বিচারের দাবি করা যাবে না?
  1. যদি আদালত সাক্ষ্য গ্রহণে বিলম্ব করে
  2. যদি আপত্তিকৃত সাক্ষ্যটি মামলার একমাত্র প্রমাণ হয়
  3. যদি কোনো সাক্ষ্যই আদালতে উপস্থাপন না করা হয়
  4. যদি আপত্তিকৃত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্তের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৬৭ এর মূল কথা হলো: কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোনো সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে—এই যুক্তিতে মামলার রায় বাতিল বা নতুন বিচার (new trial) দাবি যথেষ্ট নয়, যদি: - আপত্তিকৃত সাক্ষ্য বাদ দিয়েও আদালতের রায় যথাযথ প্রমাণের ভিত্তিতে সমর্থিত হয়, অথবা প্রত্যাখ্যান করা সাক্ষ্য রায়ে কোনো বাস্তব পরিবর্তন আনত না।
- আদালতের মূল লক্ষ্য হলো সত্য উদ্ঘাটন এবং ন্যায্য বিচার। তাই সাক্ষ্যগ্রহণে ত্রুটি হলেও যদি ন্যায়বিচার হয়, তবে মামলার ফলাফলে তা প্রভাব ফেলে না।

⇒ তাই সঠিক উত্তর: "ঘ) যদি আপত্তিকৃত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্তের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ থাকে" — তখন কেবলমাত্র সেই সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জনের অজুহাতে নতুন বিচার চাওয়া যাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
- আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
----
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
৬,৫২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় অসুস্থতার অযুহাতে মুক্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৫৮ ধারা
  2. ৬০ ধারা
  3. ৫৯ ধারা
  4. ৬৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে। 
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি:
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
-------------
⇒ Section 59. Release on ground of illness.
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness. 
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison. 
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom- 
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or 
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness. 
 
(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
৬,৫২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১৮ অনুযায়ী শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা দিতে আদিষ্ট ব্যক্তি আপিল করতে পারে-
  1. হাইকোর্টে
  2. দায়রা আদালতে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪০৬- শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ধারা-১১৮ অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে-
শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারেন যে, প্রজ্ঞাপনে বর্ণিত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট,যেখানে যা প্রযোজ্য, আপিল চলবে; দায়রা আদালতে নয়।

আরও শর্ত থাকে যে,
যাদের বিরুদ্ধে ধারা-১২৩ এর উপ-ধারা (২) বা (৩ক) এর বিধানানুসারে দায়রা জজ বরাবর মামলা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এই ধারার কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।
৬,৫২৫.
যদি বাদী আদালত ফি বা ডাক খরচ না দেয় এবং এর ফলে সমন জারি না হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি খারিজ করতে পারে
  2. মামলাটি স্থগিত করতে পারে
  3. মামলাটি গ্রহণ করতে পারে
  4. বিবাদীর পক্ষে রায় দিতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) মামলাটি খারিজ করতে পারে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ-IX, বিধি-২ অনুসারে, যদি বাদী সমন জারির জন্য প্রয়োজনীয় আদালত ফি বা ডাক খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হন এবং এর ফলে বিবাদীর প্রতি সমন জারি না হয়, তাহলে আদালত সেই কারণে মামলাটি খারিজ করতে পারে।
তবে একটি প্রভিশো (ব্যতিক্রম) রয়েছে, যদি সমন জারি না হওয়া সত্ত্বেও বিবাদী নির্ধারিত দিনে ব্যক্তিগতভাবে বা এজেন্টের মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত হন, তাহলে মামলাটি খারিজ করা যাবে না।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-9 Rule-2. Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs:
- Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
৬,৫২৬.
'পরোক্ষ দোবারা দোষ' (Constructive Res Judicata) নীতি দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১-এর কত নং ব্যাখ্যায় আলোচিত হয়েছে?
  1. Explanation II
  2. Explanation III
  3. Explanation IV
  4. Explanation VI
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১ Res Judicata (দোবারা দোষ) নীতি বর্ণনা করে, যা নিশ্চিত করে যে পূর্বে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত বিষয় পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই ধারার ব্যাখ্যা IV (Explanation IV) এ পরোক্ষ দোবারা দোষ (Constructive Res Judicata) নীতি আলোচিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা IV বলে: "Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit."
- অর্থাৎ, পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন (defence) বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের (attack) জন্য উত্থাপন করা যেতে পারতো বা উচিত ছিল, তা উক্ত মামলায় প্রত্যক্ষ ও মৌলিকভাবে বিষয় হিসেবে গণ্য হবে। ফলে, পরবর্তী মামলায় সেই বিষয় উত্থাপন করলে তা পরোক্ষ দোবারা দোষে দুষ্ট হবে এবং বিচারযোগ্য হবে না।

৬,৫২৭.
'ক' এর দোকানে 'খ' ক্যাশ কাউন্টারের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকাবস্থায় ৫০,০০০ টাকা সরিয়ে ফেলে 'খ' পেনাল কোড- এর কোন ধারার অপরাধ করেছে?
  1. ৪০৭ ধারা
  2. ৪০৯ ধারা
  3. ৪২০ ধারা
  4. ৪০৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- কেরানী বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:

কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 408- Criminal breach of trust by clerk or servant:

Whoever, a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৬,৫২৮.
এজাহারকারীকে এজাহার বিষয়ে জেরা করা যায় সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে?
  1. ১৪১
  2. ১৪২
  3. ১৪৪
  4. ১৪৫
ব্যাখ্যা
১৪৫ ধারা অনুসারে কোনো ব্যক্তি মামলার বিচার্য  বিষয় সম্পর্কে পূর্বে কোনো বক্তব্য দিলে তার বিষয়ে জেরা করা সুযোগ আছে এবং এই বিষয়ে তাঁর বক্তব্যর মধ্যে বৈপরীত্ব আছে মর্মে দেখাতে চাইলে তাঁকে উক্ত পূর্বোক্ত বক্তব্য দেখাতে হবে।
৬,৫২৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাটি Judgment in personam?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩৯ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে। এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে- তাহলো:

i) Res-judicata (দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ১১)

ii) Double Jeopardy (ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৪০৩)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

-----------------
⇒ Previous judgments relevant to bar a second suit or trial:
Section 40. The existence of any judgment, order or decree which by law prevents any Court from taking cognizance of a suit or holding a trial, is a relevant fact when the question is whether such Court ought to take cognizance of such suit or to hold such trial.
৬,৫৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ কর্তৃক আরও অনুসন্ধানের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে, যদি কোন অভিযোগ ধারা ২০৩ বা ধারা ২০৪(৩) অনুসারে খারিজ বা অব্যাহতি দেওয়া হয়ে থাকে?
  1. ধারা ৪০৪
  2. ধারা ৪৩৫
  3. ধারা ৪৩৬
  4. ধারা ৪৯৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা ২০৩ বা ধারা ২০৪(৩) অনুসারে খারিজকৃত কোন অভিযোগ বা অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তির সম্পর্কে আরও তদন্ত বা অনুসন্ধানের আদেশ প্রদান করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে, এই অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়ার পূর্বে অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।
- এটি ধারা ৪৩৫ অনুযায়ী যে কোন নথিপত্র পরীক্ষা বা অন্যভাবে পর্যালোচনা করার পরও দেওয়া যেতে পারে।
→ অতএব, ধারা ৪৩৬ অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তদন্তের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারার বিধান অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা:
৪৩৫ ধারা অনুসারে অথবা অন্যভাবে পরীক্ষা করে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের দ্বারা ২০৩ ধারা বা ২০৪ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে খারিজক্ত যেকোনো নালিশ বা কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আরও তদন্ত করবেন, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ তদন্ত করতে পারবেন বা তার অধস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে এরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন।
তবে শর্ত এই যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কোন উক্তরূপ আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শানোর সুযোগ দেয়া হয়।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 436- Power to order inquiry:
On examining any record under section 435 or otherwise, the High Court Division or the Sessions Judge may direct the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate by himself or by any of the Magistrates subordinate to him to make, and the 3 Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate may himself make, or direct any Sub-ordinate Magistrate to make, further inquiry into any complaint which has been dismissed under section 203 or sub-section (3) of section 204, or into the case of any person accused of an offence who has been discharged:
Provided that no Court shall make any direction under this section for inquiry into the case of any person who has been discharged unless such person has had an opportunity of showing cause why such direction should not be made.
৬,৫৩১.
সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, উক্ত বাটোয়ারা কে সম্পন্ন করবে?
  1. ডিক্রিদার
  2. কালেক্টর
  3. সম্পত্তির দখলদার
  4. ডিক্রিদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় দেয়া আছে,
সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।

Section 54- Partition of estate or separation of share:
Where the decree is for the partition of an undivided estate assessed to the payment of revenue to the Government, or for the separate possession of a share of such an estate, the partition of the estate or the separation of the share shall be made by the Collector or any gazetted subordinate of the Collector deputed by him in this behalf, in accordance with the law (if any) for the time being in force relating to the partition, or the separate possession of shares, of such estates.

বাংলা অর্থ:
যেখানে রায়টি সরকারের কাছে রাজস্ব প্রদানের জন্য মূল্যায়িত অবিভক্ত সম্পত্তির বিভাজন বা একরূপ সম্পত্তির অংশের পৃথক দখলের জন্য হয়, সেখানে সেই সম্পত্তির বিভাজন বা অংশের পৃথক দখল কলেক্টর বা তার এ বিষয়ে নিযুক্ত কোনো রাজপত্রিত অধীনস্থ কর্মকর্তার মাধ্যমে, এরূপ সম্পত্তির বিভাজন বা অংশের পৃথক দখল সংক্রান্ত প্রচলিত আইন (যদি থাকে) অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হবে।
৬,৫৩২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কোন ধারায় নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর না করার বিষয়টি উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৪২
  2. ধারা ৫২
  3. ধারা ৫৩
  4. ধারা ৫৬
ব্যাখ্যা

⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীন নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোনো স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.

৬,৫৩৩.
'A' and 'B' are the joint owners of a horse. 'A' takes the horse of 'B's possession intending to use it However, 'A' sells the horse and appropriates the whole proceeds to his own use. Now 'A' is guilty of-
  1. Mischief
  2. Criminal Breach of Trust
  3. Dishonest Misappropriation
  4. No offence
ব্যাখ্যা
A and B are the joint owners of a horse. A takes the horse of B's possession intending to use it However, A sells the horse and appropriates the whole proceeds to his own use. Now A is guilty of- Dishonest Misappropriation.

দণ্ডবিধি ৪০৩: সম্পত্তির অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ-
যে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যের কোনো অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক)A, Z-এর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি Z-এর দখল থেকে সরিয়ে নেয়, সৎ বিশ্বাসে বিশ্বাস করে যে সেই সম্পত্তি তার নিজের। তখন এটি চুরির অপরাধ নয়। তবে, যদি A পরে তার ভুল বুঝতে পেরে অসৎ উদ্দেশ্যে সেই সম্পত্তি নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

(খ) A, Z-এর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকার কারণে, Z-এর অনুপস্থিতিতে Z-এর লাইব্রেরি থেকে একটি বই নিয়ে যায়, যা Z-এর স্পষ্ট অনুমতি ছাড়াই। যদি A মনে করে যে Z তাকে পড়ার জন্য বইটি নিতে পরোক্ষ অনুমতি দিয়েছেন, তবে এটি চুরি নয়। কিন্তু, যদি A পরে সেই বইটি বিক্রি করে এবং তার নিজের স্বার্থে অর্থ ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

(গ) A এবং B একটি ঘোড়ার যৌথ মালিক। A, ঘোড়াটি B-এর দখল থেকে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। যেহেতু A-এর ঘোড়া ব্যবহারের অধিকার আছে, এটি অসৎ আত্মসাৎ নয়। তবে, যদি A ঘোড়াটি বিক্রি করে এবং পুরো অর্থ নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।
৬,৫৩৪.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের দানের বিধান অনুযায়ী, বন্ধকী সম্পত্তিকে পুনরায় বন্ধক -
  1. দেয়া যাবে না
  2. বন্ধকগ্রহীতার মৌখিক অনুমতি সাপেক্ষে দেয়া যাবে
  3. বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে দেয়া যাবে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩ঘ: বন্ধককৃত স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে না

বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি ব্যতীত নিবন্ধনকৃত বন্ধকী সম্পত্তিকে পুনরায় বন্ধক করা যাবে না অথবা বিক্রয় করা যাবে না, এবং অন্যথায় যে কোন পুনঃবন্ধক বা বিক্রয় বাতিল হবে।

Section 53D: Immoveable Property under mortgage not to be transferred
No immoveable property under registered mortgage shall be re-mortgaged or sold without the written consent of the mortgagee, and any re-mortgage or sale made otherwise shall be void.
৬,৫৩৫.
সহকারী জজের রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপীল করা যায়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২১(২) ধারা অনুযায়ী, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে, আপিল তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদের তামাদির বিধান অনুযায়ী করতে হয়।

অনুচ্ছেদ- ১৫২:
১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে, জেলা জজের আদালতে আপিল:
তামাদি- ৩০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।
৬,৫৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অপরাধ প্রমাণের অভাবে আসামিকে মুক্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ১৫৮ ধারা
  2. ১৬৭ ধারা
  3. ১৬৯ ধারা
  4. ১৭২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৯-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, তদন্তে যদি পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাব থাকে, তাহলে পুলিশ: আসামিকে মুক্তি দিতে পারবে (যদি সে হেফাজতে থাকে), মুচলেকা (Bond) নিয়ে তাকে ছেড়ে দিতে পারবে, প্রয়োজনে পরবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হওয়ার শর্ত আরোপ করতে পারবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
- তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
- If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police station or to the police officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate,
- such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offense on a police-report and to try the accused or send him for trial.
৬,৫৩৭.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন এর ৮১ ধারা অনুযায়ী কৃষি প্রজাগণকে কয় শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. এক শ্রেণীতে
  2. দুই শ্রেণীতে
  3. তিন শ্রেণীতে
  4. কোন শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়নি
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারার বিধান: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।
--------
Section 81. Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 

Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:

Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.
৬,৫৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল দায়ের করা চলে
  2. আদেশসমূহের বিরুদ্ধে আপিলের পদ্ধতি
  3. আপিল বিভাগে আপিল করার জন্য মোকদ্দমার মূল্যমান
  4. আপিল আদালতের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৯- সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে

দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-

ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে। এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

Sec 109- When appeals lie to the Supreme Court:
Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division-

a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction;
b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and
c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
৬,৫৩৯.
নিম্নের কোনটি জুডিশিয়াল নোটিসের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ
  2. স্থল বা সমুদ্র পথে নিয়মাবলি
  3. পত্রিকার সংবাদ
  4. নোটারি পাবলিকের সিল
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী ১১ টি বিষয়ের উপর বিচারক দৃষ্টিগোচর রাখা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। যথা:-
(i) বাংলাদেশের সকল আইনসমূহ।
(ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যাবতীয় অস্ত্র ও রসদ।
(iii) আইনসভার কার্যসমূহ।
(iv) নিম্নলিখিত সীল:-
           a) বাংলাদেশ সকল আদালত সমূহের সীল।
           b) এডমিডালটি ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত সমূহের সীল।
           c) নোটারি পাবলিকের সীল।
           d) সকল সীল যেটা বাংলাদেশে বলবৎ কোন আইনের দ্বারা কোন ব্যক্তি ব্যবহারের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
(v) বাংলাদেশে কোন সরকারি পদে কাহারো যোগদানের বিষয়ে সরকারি গ্যাজেট।
(vi) সরকার কর্তৃক স্বীকৃত প্রত্যেক রাষ্ট্র বা সার্বভৌম বা রাজা বা রাণীর অস্তিত্ব, উপাধি ও জাতীয় পতাকা।
(vii) সময়ের বিভাগসমূহ, পৃথিবীর ভৌগোলিক বিভাগসমূহ এবং সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত সর্বসাধারণের উৎসব, উপবাস এবং ছুটিসমূহ।
(viii) বাংলাদেশের ভূখণ্ডসমূহ।
(ix) বাংলাদেশের সাথে অপর রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ আরম্ভ হওয়া, চলতে থাকা ও অবসান হওয়া।
(x)  আদালতের সদস্য ও কর্মকর্তাগণ এবং তাদের অধীনস্থ অফিসার এবং সহকারীগণ এবং আদালতের কার্য সম্পাদনকারী অন্যান্য কর্মকর্তাগণের এবং আইন অনুসারে আদালতে উপস্থিত হয়ে মোকাদ্দমা পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল এডভোকেট এবং অনন্য ব্যক্তিদের নাম।
(xi) স্থল বা সমুদ্র পথের নিয়মাবলী।
♦৫৭ ধারার অধীন ১১ টি বিষয়কে জুডিশিয়াল নোটিসের হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে তন্মধ্যে পত্রিকার সংবাদ নেই।
৬,৫৪০.
আদেশ ২৩ বিধি ১ অনুযায়ী, কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা -
  1. প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারবেন
  2. স্থগিত করার অনুমতি দিতে বাধ্য
  3. দায়েরের অনুমতি দিতে বাধ্য
  4. প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবে না
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা প্রত্যাহার:

আদেশ ২৩, বিধি ১ অনুযায়ী-
১. মামলা দায়ের হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে পারে বা মোকদ্দমায় দাবীর অংশ পরিত্যাগ করতে পারে; [উপবিধি-১] অথবা
২. রীতিসিদ্ধ কোন ত্রুটির কারণে মামলাটি ব্যর্থ হওয়ার কারণ আছে বা মামলার বিষয়বস্তুর জন্য বাদীকে নতুন করে মামলা করার অনুমতি প্রদানের যথেষ্ট অজুহাত আছে বলে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হলে আদালত উক্ত মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে নতুন করে মামলা করার অনুমতিসহ মামলা প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করতে পারে। [উপবিধি-২]

উপবিধি-১ অনুযায়ী বাদী মোকদ্দমার যে কোন সময় আদালতের অনুমতি ছাড়া এবং কোন কারণ ছাড়া তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে পারে বা মোকদ্দমার কোন দাবীর অংশ ত্যাগ করতে পারে। উপবিধি ২ এর অধীন বাদী আদালতের অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করা প্রয়োজন যদি বাদী উক্ত একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। যদি বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি না নিয়ে উপবিধি ২ এর অধীন মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে তাহলে সে-
১. একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না এবং
২. খরচ প্রদানের জন্য দায়ী হবে।

তাছাড়া, কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবে না [আদেশ ২৩ বিধি ১(৪)]।
৬,৫৪১.
সর্বপ্রথম কখন সিভিল কোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়?
  1. ১৮৭৭ সালে
  2. ১৮৪৯ সালে
  3. ১৮৫৯ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৮৫৯ সালে প্রথম সিভিলকোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়।

১৮৫৯ সালের পূর্বে দেওয়ানি আইন ছিল না, এই সালেই সর্বপ্রথম দেওয়ানি আইন প্রণয়ন/ বিধিবদ্ধ/Codified করা হয়। এই আইনের ধারা ছিল- ৩৮৮টি।
পরবর্তীতে আরো দুই বার দেওয়ানি সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা হয়। সর্বশেষ দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ প্রণয়ন করা হয় করা হয়, যা বর্তমানে বলবৎ আছে।

দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮:

পূর্বে প্রণীত দেওয়ানি সম্পর্কিত আইনগুলোকে একত্রীকরণ, সংশোধন ও পরিবর্তন করে চূড়ান্তভাবে ২১ মার্চ ১৯০৮ তারিখে (Act No. V) প্রণয়ন করা হয়; যা ১ জানুয়ারি ১৯০৯ হতে কার্যকর করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ধারা ১৫৮টি এবং মোট অর্ডার বা আদেশ রয়েছে ৫১টি।
৬,৫৪২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৩৭ অনুসারে যদি judgment-debtor নোটিশ পাওয়ার পরও নির্ধারিত দিনে উপস্থিত না হয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. আদালত নতুন নোটিশ পাঠায়।
  2. আদালত নোটিশ বাতিল করে।
  3. আদালত judgment-debtor কে জরিমানা করে।
  4. আদালত judgment-debtor এর গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করে।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৩৭ এর ১ম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি কোনো judgment-debtor এর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের জন্য গ্রেপ্তার ও সিভিল কারাগারে বন্দী করার আবেদন করা হয়, আদালত সাধারণত সরাসরি গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি না করে তাকে নোটিশ পাঠায় যাতে নির্ধারিত দিনে আদালতে উপস্থিত হয়ে কারণ দেখাতে পারে কেন তাকে কারাগারে আটকানো হবে না।
তবে, যদি judgment-debtor ওই নোটিশ পাওয়ার পরেও আদালতে নির্ধারিত দিনে উপস্থিত না হয়, তাহলে বিধির ২য় অনুচ্ছেদ অনুসারে, আদালত decree-holder এর অনুরোধে judgment-debtor এর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করতে পারে।
অর্থাৎ, নোটিশ পাওয়ার পরেও উপস্থিত না হওয়া judgment-debtor এর বিরুদ্ধে সরাসরি গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করাই বিধির উদ্দেশ্য এবং প্রক্রিয়া। এ ছাড়া, বিধিতে নতুন নোটিশ পাঠানোর বা জরিমানা করার কথা বলা হয়নি, এবং নোটিশ বাতিল করারও কোনও ধারাবাহিক বিধান নেই।
সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) আদালত judgment-debtor এর গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করে।

Arrest and Detention in the Civil Prison:
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-37. Discretionary power to permit judgment-debtor to show cause against detention in prison.
(1) Notwithstanding anything in these rules, where an application is for the execution of a decree for the payment of money by arrest and detention in the civil prison of a judgment-debtor who is liable to be arrested in pursuance of the application, the Court shall, instead of issuing a warrant for his arrest, issue a notice calling upon him to appear before the Court on a day to be specified in the notice and show cause why he should not be committed to the civil prison: Provided that such notice shall not be necessary if the Court is satisfied, by affidavit, or otherwise, that, with the object or effect of delaying the execution of the decree, the judgment-debtor is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court.
(2) Where appearance is not made in obedience to the notice, the Court shall, if the decree-holder so requires, issue a warrant for the arrest of the judgment-debtor.
৬,৫৪৩.
আদেশ ১৫ বিধি ৪ অনুযায়ী, কোন পক্ষ সাক্ষ্য দানে ব্যর্থ হলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি বাতিল করতে পারে
  2. সাক্ষ্য ছাড়াই তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. মামলাটি নতুনভাবে শুরু করতে পারে
  4. শুধুমাত্র বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.
৬,৫৪৪.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় "স্বীকারোক্তি" (Admission) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ১৭ ধারায়
  2. ১৯ ধারায়
  3. ২১ ধারায়
  4. ২৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় "স্বীকারোক্তি" (Admission) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এটি একটি মৌখিক বা দলিলমূলক (লিখিত) বক্তব্য যা কোনো বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে এবং যা উক্ত বিষয়ে বা ঘটনার সম্পর্কিত সত্যতা বা উপসংহার প্রমাণে সহায়ক হতে পারে।

→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ধারার বিধান ১৭- স্বীকারোক্তি সংজ্ঞায়িত:
একটি স্বীকারোক্তি হল একটি বক্তব্য, মৌখিক বা দলিলমূলক বা ডিজিটাল রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত, যা কোনো বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কে কোনো উপসংহার বা ধারণা প্রদান করে, এবং যা যে কোনো ব্যক্তির দ্বারা এবং নিম্নোক্ত বর্ণিত পরিস্থিতিতে করা হয়।
------------ 
→The Evidence Act, 1872: Section- 17. Admission defined
An admission is a statement, oral or documentary or contained in the digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.
৬,৫৪৫.
সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য । 
- আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
-------------
CPC Order-26 Rule-9.Commissions to make local investigations: 
- In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
৬,৫৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী গ্রাম প্রধান নিয়োগ দিতে পারে-
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ
  3. জেলা জজ
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৫(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী এই ধারার উদ্দেশ্যে কতিপয় ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রাম প্রধান নিয়োগঃ সরকার কর্তৃক এতদ উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধিমালার অধীনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্য কোন আইনের বিধান অনুসারে কোন গ্রামের জন্য গ্রাম প্রধান নিযুক্ত হোক বা না হোক, সময়ে সময়ে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে তার বা তাদের সম্মতি নিয়ে এই ধারার বিধান অনুসারে উক্ত গ্রামে গ্রাম প্রধানের কর্তব্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে নিযুক্ত করতে পারবেন।
৬,৫৪৭.
যে ব্যক্তি বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেন তার জন্য কি শর্তাবলী রয়েছে?
  1. তিনি একজন নাগরিক হতে হবে
  2. তার বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে
  3. তিনি অবশ্যই আইন গ্র্যাজুয়েট হতে হবে
  4. উক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর ধারা ২৭ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির নিম্নলিখিত শর্তাবলী পূরণ করতে হবে:
১. তিনি একজন নাগরিক হতে হবে:
- বাংলাদেশের নাগরিকত্ব থাকা আবশ্যক।
২. তার বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে:
- বার কাউন্সিলের সদস্য হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২১ বছর।
৩. তিনি অবশ্যই আইন গ্র্যাজুয়েট হতে হবে:
- বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
- অথবা পাকিস্তান বা ভারতের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে (নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে)।
- অথবা বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত কোনো বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
এই শর্তাবলী ছাড়াও বার কাউন্সিলের সদস্য হওয়ার জন্য প্রার্থীকে নির্দিষ্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং বার কাউন্সিলের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) তিনি একজন নাগরিক হতে হবে: এটি সঠিক, তবে এটি একমাত্র শর্ত নয়।
খ) তার বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে: এটি সঠিক, তবে এটি একমাত্র শর্ত নয়।
গ) তিনি অবশ্যই আইন গ্র্যাজুয়েট হতে হবে: এটি সঠিক, তবে এটি একমাত্র শর্ত নয়।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো ঘ) উক্ত সবগুলো।
৬,৫৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় "Trial in absentia" এর বিধান রয়েছে?
  1. ৩৩৯(ক)
  2. ৩৩৯(খ)
  3. ৩৩৯(গ)
  4. ৩৩৯(ঘ)
ব্যাখ্যা
⇒ ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার।গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়,তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ  ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামীকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।

(২) আসামীকে হাজির করার পর কিংবা আসামী হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামী পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশী অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
 
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৬,৫৪৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-১১ অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য লিখিত আবেদনপত্রে নিচের কোন বিষয়টি অন্তভুক্ত করার বিধান নেই?
  1. পক্ষদের নাম
  2. ডিক্রিটি হতে কোন আপিল হয়েছে কিনা
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নাম
  4. ডিক্রি জারির জন্য পূর্বে কোন আবেদন করা হয়েছে কিনা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-১১ অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য লিখিত আবেদনপত্রে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নাম অন্তভুক্ত করার বিধান নেই।
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১
মৌখিক আবেদন। ১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।

২) লিখিত আবেদনঃ উপরোক্ত (১) উপ-বিধিতে বর্ণিত ভিন্নরূপ কোন বিধান ব্যতিরেকে ডিক্রিজারির প্রত্যেক আবেদন আবেদনকারী কর্তৃক বা আদালতের পরিতৃষ্টি মোতাবেক মোকদ্দমার ঘটনার সাথে পরিচিত বলে প্রমাণিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে, এবং সারণীবদ্ধভাবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে, যথা-

ক) মোকদ্দমার নম্বর:
খ) পক্ষদের নাম:
গ) ডিক্রির তারিখ:
ঘ) ডিক্রিটি হতে কোন আপিল দায়ের করা হয়েছে কিনা;
ঙ) ডিক্রির পরবর্তীতে পক্ষদের ভিতর বিতর্কিত বিষয়ে কোন পরিশোধ বা অন্যরূপ সমন্বয় সাধন হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) হয়ে থাকে তবে এর পরিমাণ;
চ) ডিক্রি জারির জন্য পূর্বে কোন আবেদন করা হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) করা হয়ে থাকে কিরূপ আবেদন করা হয়েছে ঐরূপ আবেদনের তারিখ ও ফলাফল;
ছ) ডিক্রির উপর প্রাপ্য সুদসহ (যদি কোন) টাকার পরিমাণ বা এটির দ্বারা মঞ্জুরীকৃত অন্য কোন প্রতিকার, জারি হওয়ার জন্য প্রার্থিত ডিক্রির তারিখের পূর্বে বা পরে কোন পাল্টা ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে তার বিবরণ;
জ) মঞ্জুরীকৃত ব্যায়াদি (যদি কোন) পরিমাণ;
ঝ) যার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি প্রার্থনা করা হয় তার নাম; এবং
ঞ) নিম্নোক্ত যে পদ্ধতিতে আদালতে সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তা-

১. সুস্পষ্টভাবে ডিক্রিপ্রাপ্ত কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা,
২. কোন সম্পত্তির ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা বা ক্রোক ব্যতীত নিলাম বিক্রয় দ্বারা, ৩. কোন ব্যক্তির গ্রেফতার এবং জেলে আটক,
৪. তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্তির দ্বারা,
৫. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকারের ধরণে প্রয়োজন হতে পারে এ রকম অন্য কোনভাবে হতে পারে।

৩) উপরোক্ত (২) উপ-বিধির অধীনে যে আদালতে আবেদন করা হবে, ঐ আদালত আবেদনকারীকে ডিক্রির একটি প্রত্যায়িত নকল দাখিল করতে তলব করতে পারে।
৬,৫৫০.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী সাক্ষীর প্রতি সমন জারীর করার সময় সাক্ষীর খরচ বা ব্যয় আদালতে জমা দেওয়া বিধান কোথায় উল্লেখ রয়েছে?
  1. আদেশ-১৬ বিধি-১
  2. আদেশ-১৬ বিধি-২
  3. আদেশ-১৬ বিধি-৫
  4. আদেশ-১৬ বিধি-৪
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৬ বিধি-২: সমন জারীর জন্য আবেদন করলে সাক্ষীর খরচ জমা দিতে হবে:
(১) যে পক্ষ কোন দেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করে, সেই পক্ষকে সমন মঞ্জুর হওয়ার পূর্বে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য সমন দেয়া হবে, আদালতে তার যাওয়া এবং আসার এবং একদিনের হাজিরার ব্যয় নির্বাহের উপযুক্ত পরিমাণ টাকা আদালতে দাখিল করতে হবে।
(২) বিশেষজ্ঞ: অত্র বিধি অনুসারে কোন বিশেষজ্ঞকে সাক্ষী হিসাবে সমন দেয়ার জন্য কত টাকা দাখিল করতে হবে তা নির্ধারণকল্পে আদালত উক্ত বিশেষজ্ঞের সাক্ষাদান ও বিশেষজ্ঞ হিসাবে অন্য কোন কার্য সম্পাদনের জন্য কি পরিমাণ সময় লাগিবে তা বিবেচনা করে সেই অনুপাতে তার সঙ্গত পরিমাণ পারিশ্রমিক মঞ্জর করতে পারেন।
(৩) খরচের হার: যেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আদালত কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধীন, সেক্ষেত্রে উক্ত খরচের হার নির্ধারণের সময় ঐ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা বিবেচনা করতে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-16 Rule-2.Expenses of witness to be paid into Court on applying for summons:
(1) The party applying for a summons shall, before the summons is granted and within a period to be fixed, pay into Court such a sum of money as appears to the Court to be sufficient to defray the travelling and other expenses of the person summoned in passing to and from the Court in which he is required to attend, and for one day's attendance. 
Experts:
(2) In determining the amount payable under this rule, the Court may, in the case of any person summoned to give evidence as an expert, allow reasonable remuneration for the time occupied both in giving evidence and in performing any work of an expert character necessary for the case.
Scale of expenses:
(3) Whether the Court is subordinate to the High Court Division, regard shall be had, in fixing the scale of such expenses, to any rules made in that behalf.
৬,৫৫১.
'নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সরকারী চাকরি নয়' বিধানটি মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ এর কোন বিধিতে বলা আছে?
  1. ১৭
  2. ১৮
  3. ১৯
  4. ২০
ব্যাখ্যা
⇒ Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 (Act No. LII of 1974) এর Section 14 এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ২০০৯ সালে 'মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ নামে' বিধিমালা প্রণয়ন করেন।

- মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ এর ১৯ বিধিতে 'নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সরকারী চাকরি নহে।' এই শিরোনামে বলা হয়েছে যে 'নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সরকারী চাকরি হিসাবে গণ্য হইবে না।

অর্থাৎ 'নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সরকারী চাকরি নয়' বিধানটি মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ এর ১৯ বিধিতে বলা আছে।
৬,৫৫২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারায় বাদী কোন ধরনের মোকদ্দমা দায়ের করতে বারিত হয়?
  1. নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  2. ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা
  3. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  4. ফৌজদারি মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৬,৫৫৩.
দণ্ডবিধি অনুসারে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য কয়টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৩ ধারামতে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য ৪টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) দস্যুতা (Robbery)
ii) রাত্রি বেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House-breaking by night);
iii) বাসগৃহে বা কোন সম্পত্তি রাখার স্থানে অগ্নি সংযোগ (Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, used as a human dwelling); এবং
iv) গুরুতর আঘাত বা মৃত্যুর আশঙ্কাযুক্ত চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশ (Theft, mischief or house - trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension of death or grievous hurt)।
---------------------
⇒ দণ্ডবিধির ১০৩ :- যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
- সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা ঘর ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
---------------
⇒ Section-103: When the right of private defence of property extends to causing death:
The right of private defence of property extends, under the restrictions mentioned in section 99, to the voluntary causing of death or of any other harm to the wrong-doer, if the offence, the committing of which, or the attempting to commit which, occasions the exercise of the right, be an offence of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-
Firstly.-Robbery;
Secondly.-House-breaking by night;
Thirdly.-Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling or as a place for the custody of property;
Fourthly.-Theft, mischief or house-trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension that death or grievous hurt will be the consequence, if such right of private defence is not exercised;
৬,৫৫৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৯(৩) অনুসারে, মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক _______ কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১৮০
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২, ধারা ১৯: তদন্ত-
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন।
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন।
 
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নব্বই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে।
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে।
 
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে।
 
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
৬,৫৫৫.
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী কত সালে করা হয়?
  1. ২০১৭ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী (১৭তম) ২০১৮ সালে করা হয়।

সপ্তদশ সংশোধনী:
সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বৃদ্ধি করা হয়। নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনের ১০ বৎসরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৪ই জানুয়ারী শেষ হয়। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ ১১তম সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পরবর্তী ২৫ বৎসর পর্যন্ত নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ থাকবে।
৬,৫৫৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন পুলিশ কখন প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করতে পারে?
  1. যেকোন সময়
  2. এজাহার দাখিলের পর
  3. এজাহার দাখিলের পূর্বে
  4. অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৯: তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন। 

(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন। 
 
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেঃ 
 
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে। 
 
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে। 

(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
৬,৫৫৭.
যে ক্রমানুযায়ী সাক্ষী উপস্থিত করা ও তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, তা নির্ধারিত হবে-
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির প্রচলিত আইন ও রীতি অনুযায়ী
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির আইন ও রীতি অনুযায়ী
  3. কোন আইন না থাকলে আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অনুযায়ী
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦যে ক্রমানুযায়ী সাক্ষী উপস্থিত করা ও তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, তা দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধি সম্পর্কিত প্রচলিত আইন ও রীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। কোন আইন না থাকলে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা [Discretionary power] বলে তা নির্ধারিত হবে[১৩৫ ধারা]।
৬,৫৫৮.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইন শিক্ষা কমিটিতে বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য কতজন থাকে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী আইন শিক্ষা কমিটি গঠিত হয় এই কমিটির সদস্য ৯ জন।
- এই কমিটির সদস্য নয়জনের মধ্যে পাঁচজন বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য, দুইজন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষক, অপর দুজন বার কাউন্সিলের সদস্য নয় এমন যে কোন ব্যক্তি হতে পারেন।

Article-11:
(1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.

(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.
৬,৫৫৯.
দণ্ডবিধির ৩৫৪ ধারা কোন ধরনের অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. খুন সংক্রান্ত অপরাধ
  2. সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধ
  3. জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ
  4. নারীর শালীনতায় আঘাত সংক্রান্ত অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৪ ধারা বিশেষভাবে নারীর শালীনতায় আঘাত (Outrage of Modesty) সংক্রান্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো নারীর শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে বা জ্ঞানসহকারে আক্রমণ (Assault) বা অপরাধমূলক বল (Criminal Force) প্রয়োগ করলে তা এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৬,৫৬০.
চেক ডিজঅনার মামলায় আদালত কীসের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে গ্রহণ করতে পারবে?
  1. মৌখিক অভিযোগ
  2. লিখিত অভিযোগ
  3. পুলিশের মাধ্যমে জিডি করে
  4. মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881: ধারা ১৪১: অপরাধ আমলে নেওয়া (Cognizance of offences):
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের আইন নং V)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন—
(ক) ধারা ১৩৮ অনুসারে দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে, আদালত কেবলমাত্র চেকের প্রাপকের অথবা প্রয়োজনে যথাযথ অধিকারসম্পন্ন ধারকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে গ্রহণ করিতে পারিবে;

(খ) এইরূপ অভিযোগ উত্থাপন করতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর প্রভিজোর ক্লজ (চ)-এর অধীনে কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়, সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে;

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ বিচার করিবার জন্য কোন আদালত সেশন কোর্টের নিচে হইতে পারিবে না।
৬,৫৬১.
কোন পরিস্থিতিতে বিচারক দ্বারা সম্পাদিত কাজ অপরাধ হবে না?
  1. ক্ষমতা অতিক্রম করলে
  2. মৌলিক অধিকারের বিরোধী হলে
  3. আইনে প্রদত্ত ক্ষমতায় সরল বিশ্বাসে হলে
  4. আইনে প্রদত্ত ক্ষমতার বাইরে হলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭৭ ধারার বিধান- বিচার সংক্রান্ত কাজ সম্পাদনকালে বিচারক দ্বারা কৃতকার্য:
বিচার কাজ পরিচালনাকালে অর্থাৎ বিচারক হিসেবে কাজ পরিচালনাকালে বিচারক দ্বারা তাকে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা বা যে ক্ষমতা তাঁকে আইনে প্রদত্ত হয়েছে তিনি সরল মনে বিশ্বাস করেন সে ক্ষমতানুসারে কৃত কোন কাজ অপরাধ হবে না।

Section 77: Act of Judge when acting judicially:
Nothing is an offence which is done by a Judge when acting judicially in the exercise of any power which is, or which in good faith he believes to be, given to him by law.
৬,৫৬২.
নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতির জন্য দায়েরকৃত কোন আবেদন আদালত প্রত্যাখ্যান করবেন______।
  1. অভিযোগে কোন কারণ উল্লেখ না থাকলে
  2. আবেদন জমা দেওয়ার ঠিক পূর্বে ২ মাসের মধ্যে প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে
  3. আবেদনকারী নিঃস্ব ব্যক্তি না হলে
  4. পূর্বোক্ত সবকটি কারণে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXXIII, Rule 5 এর বিধান আবেদন পত্র প্রত্যাখ্যানঃ
ক) যেক্ষেত্রে ২ এবং ৩ বিধিসমূহে নির্ধারিত বিধান অনুসারে ইহা গঠন ও দাখিল করা হয়নি, বা

খ) যেক্ষেত্রে আবেদনকারী নিঃসম্বল নহে, বা

গ) যেক্ষেত্রে সে আবেদন পত্র দাখিলে অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে প্রতারণামূলকভাবে নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি লাভের জন্য আবেদন করতে সমর্থ হবার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে বা

ঘ) যেক্ষেত্রে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ দর্শায় না, বা

ঙ) যেক্ষেত্রে সে প্রস্তাবিত মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌছিয়াছে যার ফলে উক্ত বিষয় বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট হয়েছে সেই সকল ক্ষেত্রে নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি লাভের প্রার্থনা আদালত প্রত্যাখ্যান করবেন।
৬,৫৬৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কোন ধারায় দলিল সংশোধনের নীতিসমূহ উল্লেখ করা আছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩২ ধারা
  3. ৩৩  ধারা
  4. ৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৩: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
লিখিত দলিল সংশোধন করার সময়, আদালত শুধুমাত্র এ বিষয়টি অনুসন্ধান করতে সীমাবদ্ধ থাকবে না যে, দলিলের ভাষার অর্থ কী হওয়ার কথা ছিল। বরং আদালত এও অনুসন্ধান করতে পারবে যে, দলিলটির উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর আইনগত পরিণতি কী হওয়ার কথা ছিল।
----------------
Section 33- Principles of rectification:
In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.

৬,৫৬৪.
নিম্নলিখিত কোন অপরাধটির জন্য অপরাধীর অভিপ্রায় অপরিহার্য উপাদান না?
  1. মনুষ্য হরণ (Kidnapping) 
  2. দস্যুতা
  3. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ 
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম:-
যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারামতে দস্যুতার সংজ্ঞা (Robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

⇒ বলপূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When extortion is robbery)- বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী স্বয়ং ভিকটিমের নিকটে বা আশেপাশে উপস্থিত থেকে তাৎক্ষনিক ভয়ের সৃষ্টি করলে বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতা বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারায় অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের বিধান রয়েছে। অন্যের সম্পত্তিতে অন্যায়ভাবে অনুপ্রবেশের পর বিরক্তি সৃষ্টি বা ভয় দেখানো অথবা অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায় থাকলে তাকে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বা Criminal Trespass বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে নিম্নলিখিত ২টি কারণে প্রবেশ করলে তা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বলে গণ্য হবে-

ⅰ) অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায় (with intent to commit an offence); অথবা
ii) সম্পত্তির দখলকার ব্যক্তিকে ভীতিপ্রদর্শন, অপমান বা বিরক্ত করা।

অর্থাৎ মনুষ্য হরণ (Kidnapping) অপরাধটির জন্য অপরাধীর অভিপ্রায় অপরিহার্য উপাদান না।
৬,৫৬৫.
Under Rule 6 Order 47, A Review application will be rejected when:
  1. The court is equally divided
  2. The evidence is insufficient
  3. The applicant does not attend the hearing
  4. The court feels there is no merit in the application
ব্যাখ্যা
Order 47 Rule 6: Application where rejected-
1) Where the application for a review is heard by more than one Judge and the Court is equally divided, the application shall be rejected.
2) Where there is a majority, the decision shall be according to the opinion of the majority.

আদেশ ৪৭ বিধি-৬: যেক্ষেত্রে আবেদন অগ্রাহ্য করা হয়:
১) যখন একাধিক বিচারক কর্তৃক কোন রিভিউ আবেদনের শুনানি হয়, এবং আদালত সমানভাবে বিভক্ত হয়, তখন রিভিউ আবেদন অগ্রাহ্য হবে।
২) যেক্ষেত্রে গরিষ্ঠ সংখ্যক বিচারক একমত পোষন করবেন, সেক্ষেত্রে সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামত মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
৬,৫৬৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে কী করতে হয়?
  1. তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করতে হয়
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন নিতে হয়
  3. আপিল বিভাগে নথি প্রেরণ করতে হয়
  4. হাইকোর্ট বিভাগে নথি প্রেরণ করতে হয়
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ২৯: মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন:
এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল, মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র অবিলম্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪ এর বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃতুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।
৬,৫৬৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০২ ধারা নিম্নের দণ্ডবিধির কোন ধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৭৫ ধারা
  4. ৬৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০২- শাস্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা:

(১) সরকার, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই, নিম্নলিখিত যে কোনো একটি শাস্তিকে তার পরে উল্লিখিত অন্য যে কোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে:
মৃত্যুদণ্ড, নির্বাসন, কঠোর কারাদণ্ড যার মেয়াদ তার প্রাপ্য সর্বোচ্চ সময়সীমা অতিক্রম করবে না, একই মেয়াদের সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারায় উল্লিখিত কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার বিধানগুলিকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-
death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.

(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
৬,৫৬৮.
কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া স্বামী কত বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে একজন বিবাহিতা স্ত্রীলোক বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

- চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
- দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
- স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
- স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
- বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
- স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

- বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া; 
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
৬,৫৬৯.
মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে যদি কোনো নিরপরাধ মানুষের মৃত্যুদণ্ড হয় ,তাহলে উক্ত মিথ্যা সাক্ষ্যদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা:
কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।


⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:
যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।

৬,৫৭০.
কঠোর শাস্তির জন্য ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের ক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. অতিরিক্ত সাক্ষ্য তলব করতে এবং গ্রহণ করতে পারেন
  2. পক্ষসমূহের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারেন
  3. ক এবং খ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৯- যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যাপ্ত কঠোর শাস্তি দিতে পারেন না,তখনকার পদ্ধতি

(১) যেক্ষেত্রে এখতিয়ারবান দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর কোন ম্যাজিস্ট্রেট বাদী ও আসামী পক্ষের সাক্ষ্য শ্রবণের পর এ মর্মে অভিমত প্রকাশ করেন যে, আসামী দোষী, এবং তিনি যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার চেয়ে আসামীর পৃথক ধরণের বা কঠোর শাস্তি পাওয়া উচিত, অথবা ধারা-১০৬ এর অধীন বন্ড সম্পাদন করা তার উচিত, তাহলে তিনি অভিমতটি লিপিবদ্ধ করবেন এবং তিনি যে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের যিনি অধঃস্তন তার বরাবর মামলাটি দাখিল করতে এবং আসামীকে প্রেরণ করতে পারবেন।

(১এ) যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর বিচার একসাথে সম্পন্ন হয় এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাদের যেকোন একজন সম্পর্কে উপধারা-(১) এর অধীন আগানো দরকার মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে যেসব আসামীকে তিনি দোষী হিসাবে মনে করেন তাদের সকলকেই চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর প্রেরণ করবেন।

(২) যাঁর বরাবর মামলাটি দাখিল করা হলো সে ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মনে করলে পক্ষসমূহের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন এবং যারা এই মামলায় পূর্বে সাক্ষ্য প্রদান করেছে, সেসব সাক্ষীকে পুনরায় তলব দিয়ে তাদের জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং অতিরিক্ত সাক্ষ্য তলব করতে ও গ্রহণ করতে পারবেন, এবং তিনি আইন অনুসারে যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, মামলায় সেরূপ রায়, শাস্তি বা আদেশ প্রদান করবেন।

শর্ত থাকে যে, ধারা-৩২ ও ৩৩ এর অধীন তাঁর যে শাস্তি দেবার ক্ষমতা আছে তার চেয়ে কঠোর শাস্তি প্রদান করবেন না।
৬,৫৭১.
নাসির এক নারীকে অপহরণ করে এবং তার উদ্দেশ্য হল ওই নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করতে বাধ্য করা। এই অপরাধের জন্য নাসির কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬৬ ধারা- কোন নারীকে বিবাহ ইত্যাদিতে বাধ্য করার অভিপ্রায়ে অপহরণ বা হরণ বা প্রলুব্ধকরণ:

কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীকে অপহরণ করে এবং অপহরণ করার উদ্দেশ্য হয় অথবা অপহরণ করার ফলে এইরূপ হবে জানে যে, সে নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তিকে বিবাহ করতে বাধ্য করা অথবা তাকে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা অথবা তাকে জোরপূর্বক, বা ফুসলিয়ে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি তাকে অপহরণ করা হয়, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে;
এবং কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিতে বর্ণিত অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন দ্বারা অথবা ক্ষমতার অপব্যবহার দ্বারা অথবা বাধ্যতা সাধনের অপর কোন পদ্ধতি দ্বারা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে অথবা সে নারীকে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে অন্য কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তিও পূর্বোক্তরূপে দণ্ডিত হবে।

Section 366- Kidnapping or abducting or inducing woman to compel her marriage, etc.:
Whoever kidnaps or abducts any woman with intent that she may be compelled, or knowing it to be likely that she will be compelled, to marry any person against her will, or in order that she may be forced or seduced to illicit intercourse, or knowing it to be likely that she will be forced or seduced to illicit intercourse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and whoever, by means of criminal intimidation as defined in this Code or of abuse of authority or any other method of compulsion, induces any woman to go from any place with intent that she may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall also be punishable as aforesaid.
৬,৫৭২.
'A' যদি 'Z'-কে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে এবং 'Z' মারা যায়, তাহলে 'A' কী অপরাধ করেছে?
  1. Murder
  2. Attempt to Murder
  3. Culpable Homicide
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত এই ঘটনার ক্ষেত্রে 'A' ইচ্ছাকৃতভাবে 'Z'-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গুলি চালিয়েছে এবং তার ফলে 'Z'-এর মৃত্যু হয়েছে। দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ধারা ৩০০ অনুযায়ী, এটি "Murder" হিসেবে গণ্য হবে। ধারা ৩০০ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে হত্যার ইচ্ছা নিয়ে এমন কাজ করে যা মৃত্যুর কারণ হয়, তাহলে তা Murder হিসেবে বিবেচিত হয়।
উদাহরণ স্বরূপ, Penal Code এর Illustration (a) তে বলা হয়েছে: "A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder." এটি সরাসরি প্রশ্নের সাথে মিলে যায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 300: Murder:
-Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or-
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or –
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or –
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.

Illustration:
(a) A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder.
৬,৫৭৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোনো ভুল হলে আদালত তা সংশোধন করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়
  3. যে কোনো সময়
  4. জারির আগে যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
- রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders:
- Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
৬,৫৭৪.
প্রস্তাবিত প্রশ্নমালা আদালতে উপস্থাপনের কত দিনের মধ্যে, আদালত অনুমতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে?
  1. ১০ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১১ বিধি ২-
প্রশ্নমালা প্রদানের অনুমতির জন্য আবেদনের উপর প্রদান করতে প্রস্তাবিত নির্ধারিত প্রশ্নমালা আদালতে পেশ করতে হবে এবং আদালত অনুরূপ দরখাস্ত পেশ করার চৌদ্দ (১৪) দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে
এরূপ আবেদনের উপর সিদ্ধান্ত নেয়ার কালে যে পক্ষকে (অপর পক্ষ) জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ঐ পক্ষ যদি কোন বিবরণ- প্রদানের বা স্বীকার করার কিংবা মোকদ্দমার প্রশ্ন কিংবা তাদের কোন বিতর্কিত বিষয় সম্পর্কীত কোন দলিল উপস্থিত করার প্রস্তাব করতে বা তাদের যে কোন প্রস্তাব আদালত বিবেচনা করে দেখবে এবং মোকদ্দমার সুষ্ঠ বিচারের জন্য বা ব্যয় বাঁচানোর জন্য যেগুলো প্রয়োজনীয় বলে আদালত মনে করেন, শুধুমাত্র ঐ প্রশ্নগুলো দাখিল করার জন্যই আদালত অনুমতি প্রদান করবে।

Rule-2: 
On an application for leave to deliver interrogatories, the particular interrogatories proposed to be delivered shall be submitted to the Court and that Court shall decide within fourteen days form the date of filing of the said applications.
In deciding upon such application, the Court shall take into account any offer which may be made by the party sought to be interrogated to deliver particulars or to make admissions, or to produce documents relating to the matters in question or any of them and leave shall be given as to such only of the interrogatories submitted as the Court shall consider necessary either for disposing fairly of the suit or for saving costs.
৬,৫৭৫.
যদি কোনো ব্যক্তি আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধনের আবেদনে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকে, তাহলে তিনি কত বছরের জন্য আইনজীবী হতে অযোগ্য হবেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ৫ বছর।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬০(৩):
(i) কোনো আইনজীবী বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতিরেকে একসাথে চারজনের বেশি শিক্ষানবিশ নিতে পারবেন না।

(ii) আইনজীবী ও শিক্ষানবিশের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি থাকতে হবে, যা বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে সম্পাদিত হবে। এই চুক্তি সম্পাদনের ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট তা দাখিল করতে হবে, সেই সঙ্গে শিক্ষানবিশ কর্তৃক শপথপত্র দাখিল করতে হবে যাতে সে উক্ত চুক্তি সম্পাদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে। যদি তা না করা হয়, তবে পিউপিলেজ চুক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

[চুক্তির সঙ্গে ৮০০ টাকা নিবন্ধন ফি, আইন ডিগ্রির সত্যায়িত কপি এবং বার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন ফরম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (যেমন: পিউপিলেজ রেজিস্ট্রেশন ফরম, লিখিত পরীক্ষার ফরম [ফরম-A], পুনরায় অংশগ্রহণের আবেদনপত্র ইত্যাদি) দাখিল করতে হবে, যেগুলো বার কাউন্সিল অফিস থেকে নির্ধারিত ফি দিয়ে সংগ্রহ করতে হবে।]

(iii) পিউপিলেজ শুরু হবে চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে, তবে কেবল সেই সময় হিসেব করা হবে যখন আইনজীবী প্রকৃতপক্ষে বার-এ প্র্যাকটিস করছিলেন।
শর্তসাপেক্ষে, একজন শিক্ষানবিশ একাধিক আইনজীবীর কাছে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন মোট ছয় মাসের জন্য, যা যথাসম্ভব ধারাবাহিকভাবে হতে হবে।

(iv) যদি কোনো আইনজীবী উক্ত উপনিয়ম অনুযায়ী চুক্তিতে মিথ্যা তথ্য দেন বা উপ-নিয়ম (২)-এর অধীনে মিথ্যা সার্টিফিকেট দেন, তবে তিনি পেশাগত অসদাচরণে (Professional Misconduct) দোষী হবেন।

(v) যদি কোনো প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে তার অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেন, তবে তিনি ৫ (পাঁচ) বছরের জন্য তালিকাভুক্তি থেকে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

[(vi) হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য এবং অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। যদি প্রার্থী রেজিস্ট্রেশনের ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারেন, তবে তার রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।]

(vii) অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ও হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য বার কাউন্সিল কর্তৃক এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষা সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত হবে, যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ।
৬,৫৭৬.
একাধারে সর্বোচ্চ কত দিন নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১ মাস
  3. ১৫ দিন
  4. ১৪ দিন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।

-----------------
♦ Limit of solitary confinement:
Section 74. In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
৬,৫৭৭.
যদি স্বামী শপথ করেন যে তিনি চার মাস বা তারও বেশি সময় তার স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করবেন না, তবে এটি ইসলামী শরিয়তের অধীনে এক ধরনের তালাক (divorce) হিসেবে গণ্য হয়, যাকে বলা হয়-
  1. জিহার
  2. ইলা
  3. মুবারাত
  4. তাওফিজ
ব্যাখ্যা

ইলা (Ila):
যখন স্বামী শপথ করে বলেন যে তিনি চার মাস বা তার বেশি সময় স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করবেন না, তখন তাকে ইলা বলা হয়।
যদি স্বামী চার মাসের মধ্যে তার শপথ ভঙ্গ না করেন, অর্থাৎ স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন না করেন, তাহলে বিবাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন (divorce effective) হয়ে যায়।

অন্যান্য বিকল্পের অর্থ:
জিহার (Zihar):
স্বামী যদি তার স্ত্রীকে নিজের মা, বোন ইত্যাদির সঙ্গে তুলনা করেন (যেমন বলেন— “তুমি আমার মায়ের মতো”), তবে একে জিহার বলা হয়।

তাওফিজ (Tafweez):
যখন স্বামী তালাক দেওয়ার অধিকার স্ত্রীকে অর্পণ করেন, তখন তাকে তাফউইজ বলা হয়।

মুবারাআত (Mubaraat):
যখন স্বামী ও স্ত্রী পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহবিচ্ছেদে রাজি হয়, তখন সেটি মুবারাআত নামে পরিচিত।

৬,৫৭৮.
বার কাউন্সিল কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনাল হয়-
  1. ৭ ব্যক্তির সমন্বয়ে
  2. ৫ ব্যক্তির সমন্বয়ে
  3. ৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে
  4. ১ ব্যক্তির সমন্বয়ে
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972  এর ৩৩ অনুচ্ছেদ মতে  মোট ৩ জন সদস্য নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়।

♦বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে হতে বার কাউন্সিল কর্তৃক মনোনীত ২ জন সদস্য এবং অ্যাডভোকেটদের মধ্যে হতে ১ জন নিয়ে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে।
♦এই তিন জনের মধ্যে যে প্রবীণ, সেই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে।
৬,৫৭৯.
"Constitution is the way of life the state has chosen for itself." উক্তিটি কার?
  1. Plato
  2. Aristotle
  3. S.E. Finer
  4. Rousseau
ব্যাখ্যা
"The Constitution is defined as 'the way of life the State has chosen for itself'" - Aristotle (384–322 BC).

অ্যারিস্টটল (Aristotle, ৩৮৪–৩২২ খ্রিস্টপূর্ব) সংবিধানকে "রাষ্ট্র যেভাবে তার নিজের জন্য জীবনযাপনের ধরণ নির্ধারণ করে" হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, সংবিধান হলো একটি রাষ্ট্রের মূল কাঠামো এবং এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নিয়ম-কানুন ও নীতিমালা নির্ধারণ করে। এই সংজ্ঞার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা রয়েছে, যা বিশ্লেষণ করা যায়:

- সংবিধান শুধু আইনের সংকলন নয়; এটি একটি রাষ্ট্রের আদর্শ, মূল্যবোধ এবং লক্ষ্য প্রতিফলিত করে। এটি বলে দেয় যে, একটি রাষ্ট্র কীভাবে তার জনগণ, শাসক এবং আইন পরিচালিত করবে।

- অ্যারিস্টটলের মতে, সংবিধান হলো এমন একটি পদ্ধতি, যা রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কীভাবে কাজ করবে তা নির্ধারণ করে। উদাহরণস্বরূপ, গণতান্ত্রিক, একনায়কতান্ত্রিক বা রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শাসনব্যবস্থা সংবিধানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে।

- সংবিধান রাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নৈতিকতার চর্চা নিশ্চিত করার একটি মাধ্যম। এটি রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য অধিকার ও কর্তব্য নির্ধারণ করে।

- অ্যারিস্টটল সংবিধানকে স্থিতিশীল কিন্তু পরিবর্তনযোগ্য হিসেবে দেখেছেন। একটি রাষ্ট্র যখন তার লক্ষ্য বা চাহিদার পরিবর্তন করে, তখন সংবিধানের সংশোধনের প্রয়োজন হয়। তবে সংবিধান যেন রাষ্ট্রের মৌলিক লক্ষ্য অক্ষুণ্ণ রাখে, সেদিকে নজর রাখা উচিত।
৬,৫৮০.
বিচারক উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে কখন প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. মামলার যে কোন সময়
  2. বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণের সময়
  3. অভিযুক্ত পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণের সময়
  4. রায় প্রদানের সময়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
৬,৫৮১.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২০ অনুযায়ী, কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক নির্ধারিত থাকলে-
  1. কেবল ক্ষতিপূরণই দেওয়া যাবে
  2. সুনির্দিষ্ট সম্পাদন দেওয়া যাবে না
  3. সুনির্দিষ্ট সম্পাদন দেওয়া যেতে পারে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২০: ক্ষতিপূরণের অর্থ নির্ধারিত থাকলেও সুনির্দিষ্ট সম্পাদন থেকে বাধা নয়:
যদি কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ আগেই নির্ধারিত থাকে, তবুও চুক্তিটি অন্য সবদিক দিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের যোগ্য হলে, এবং চুক্তিভঙ্গকারী পক্ষ সে নির্ধারিত অর্থ দিতে রাজি থাকলেও, চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন (Specific Performance) আদালত দিতে পারে। অর্থাৎ, চুক্তিতে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করা থাকলেও তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনে বাধা নয়।

৬,৫৮২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর __________ এর বিধি-১: এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
  1. আদেশ ৩২
  2. আদেশ ৩৭
  3. আদেশ ৩৫
  4. আদেশ ৩৩
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭ এ হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি (SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS) সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

আদেশ ৩৭ বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ-
এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

Order 37 Rule-1: Application of Order-
This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.
৬,৫৮৩.
"প্রতারণা" সংজ্ঞা অনুযায়ী, নিচের কোনটি সত্য?
  1. প্রতারণা একটি শারীরিক অপরাধ
  2. প্রতারণা শুধুমাত্র অর্থনৈতিক ক্ষতি সৃষ্টি করে
  3. প্রতারণার অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো শাস্তি নির্ধারণ করা হয় না
  4. প্রতারণার ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে অন্য কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার "প্রতারণা" সংজ্ঞা অনুযায়ী "প্রতারণার ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে অন্য কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়" কথাটি সত্য।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:
যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:-
অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 415- Cheating:
Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".

Explanation: A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৬,৫৮৪.
আগাম জামিন (anticipatory bail) দিতে পারেন-
  1. হাইকোর্ট
  2. চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
  3. দায়রা কোর্ট
  4. হাইকোর্ট এবং দায়রা কোর্ট উভয়
ব্যাখ্যা
•আগাম জামিনের বিধান ৪৯৮ ধারায়। এ ধারায় আগাম জামিন দিতে পারেন হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা জজ আদালত। এ ধারার অধীনে আদালত যে কোন সময় যে কোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করতে পারেন ও জামানত হ্রাস করতে পারেন।
৬,৫৮৫.
সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ফৌজদারি আদালতের সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ডাদেশ দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়।
ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।ধারা ২৬২ এ সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি (Procedure for summary trials) দেয়া আছে। বর্ণিত ব্যতিক্রম ছাড়া বিচারের ক্ষেত্রে বিংশ অধ্যায় (ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার) নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। সেই সাথে কারাদণ্ডের সীমা উল্লেখ করা আছে।

• No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter.
অর্থ্যাৎ সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না।
৬,৫৮৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে মামলা দায়েরের সময় সমন জারির জন্য কোর্ট ফি কখন পরিশোধ করতে হয়?
  1. সমন জারির পরে
  2. আরজি দাখিলের সময়
  3. মামলা শেষ হওয়ার পর
  4. কোনো ফি পরিশোধের প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, Order IV Rule 1(1a) অনুযায়ী "The Court fees chargeable for service of summons shall be paid in the case of suits when the plaint is filed..."
​- দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর অর্ডার IV, বিধি ১(১ক) অনুসারে, মামলা দায়েরের সময় সমন জারির জন্য প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি আরজি দাখিলের সময় পরিশোধ করতে হয়। 
- তবে অর্ডার IV, বিধি ১(১খ) অনুযায়ী, অন্যান্য কার্যক্রমের (Other Proceedings) ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া আবেদনের সময় কোর্ট ফি পরিশোধ করতে হয়। 
- ​অর্থাৎ, মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে সমন জারির ফি আরজি দাখিলের সময়ই পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক।

৬,৫৮৭.
What is the common element that must be present for an act to be classified as rioting under Section 146 of The Penal Code, 1860?
  1. A formal declaration of assembly
  2. Presence of law enforcement
  3. Participation of at least ten people
  4. Use of force or violence in pursuit of a common object
ব্যাখ্যা
Section 146- Rioting:
Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.

ধারা ১৪৬- দাঙ্গা:
কখনো কোন বেআইনি সমাবেশ দ্বারা বা এর যে কোন সদস্য দ্বারা এরূপ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বল বা হিংস্র পদ্ধতি প্রয়ােগ করা হলে, এরূপ সমাবেশের প্রতিটি সদস্য দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী হবে।
৬,৫৮৮.
সরকারি কর্মচারীর সমন, বিজ্ঞপ্তি বা ঘোষণার অধীনে হাজির হতে কেউ বাধ্য থাকলেও ইচ্ছাকৃতভাবে অনুপস্থিত থাকলে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ১৫০০ টাকা
  4. ২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১৭৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মচারীর জারি করা সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট স্থানে ও সময়ে স্বয়ং অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে উপস্থিত না হয়, তবে তিনি এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা  ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
তবে, যদি আদেশটি আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়, তাহলে দণ্ড হতে পারে ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা ১০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
কিন্তু প্রশ্নে যেহেতু আদালতের বিষয় নয়, সাধারণ সরকারি কর্মচারীর আদেশ অনুযায়ী হাজির না হওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাই সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড = ৫০০ টাকা।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত: কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৬,৫৮৯.
পিতা মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. Asaba
  2. Zawil Arham
  3. Zawil Furud
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ পিতা মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud) হিসেবে বিবেচিত হন এবং কোরআনে তার অংশ নির্ধারিত রয়েছে।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে উত্তরাধিকারীরা মূলত তিন শ্রেণিতে বিভক্ত -
- নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud) → যাদের অংশ কোরআন-হাদিসে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
- অবশিষ্টাংশ ভোগী (Asaba) → যারা নির্দিষ্ট অংশের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি পায়।
- দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham) → যারা নির্দিষ্ট অংশীদার বা আসাবা না হয়ে দূর সম্পর্কের আত্মীয় হিসেবে উত্তরাধিকার পায়।

⇒ পিতা (Father) হলেন একজন প্রাথমিক উত্তরাধিকারী, এবং তার জন্য কোরআনে নির্দিষ্ট অংশ (যেমন ১/৬) বর্ণিত আছে, এজন্য তিনি Zawil Furud শ্রেণিতে পড়েন। তবে পিতা অনেক ক্ষেত্রে Asaba হিসেবেও সম্পত্তি পান (যেমন সন্তান না থাকলে অবশিষ্টাংশ পাওয়া), কিন্তু তার মূল পরিচয় Zawil Furud হিসেবে।
অতএব, পিতা মূলত নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, যদিও কিছু পরিস্থিতিতে তিনি আসাবা হিসেবেও লাভবান হন।

৬,৫৯০.
'Marriage among Muhammadans is not a sacrament, but purely a civil contract'- was said in which of the following leading cases?
  1. Abdul Kadir v. Salima
  2. Abdus Salam v. Mst. Razia Begum
  3. Anwar Hossain v. Momtaz Begum
  4. Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum
ব্যাখ্যা
Abdul Kadir v. Salima:
এই মামলাটি একটি মুসলিম দম্পতির মধ্যে ঘটে, যেখানে স্বামী তার স্ত্রীর কাছ থেকে বৈবাহিক অধিকার ফিরে পেতে আদালতে আবেদন করেন। তিন মাস একসাথে থাকার পর স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে চলে যান এবং স্বামীকে ফিরে আসতে দিতে অস্বীকার করেন। স্বামী অনেকবার স্ত্রীর বাবার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন, কিন্তু কোনো ফল মেলেনি। তাই তিনি আদালতে Restitution of Conjugal Rights (বৈবাহিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা) মামলা দায়ের করেন।

স্ত্রী আদালতে ডিভোর্সের মামলা এবং মোহর প্রদান না করার অভিযোগ করেন। আদালত প্রথম দুটি অভিযোগ খারিজ করে দিলেও মোহর নিয়ে গুরুত্ব দেয়। এরপর স্বামী আদালতে মোহরের টাকা পরিশোধ করেন এবং আদালত শর্ত সাপেক্ষে রায় দেয়, যার মধ্যে বলা হয় মোহর পরিশোধের পরই বৈবাহিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে।

উভয় পক্ষই এই রায় নিয়ে আপিল করলেও, আপিল কোর্ট বলে যে, স্বামী Restitution of Conjugal Rights মামলা দাওয়ার পরিশোধ না করেই দাখিল করেছেন, তাই তিনি আইনগত সেবা পাওয়ার অধিকারী নন। পরে এই বিষয়টি আল্লাহাবাদ হাই কোর্ট এ পাঠানো হয়।

এলাহাবাদ হাই পর্যবেক্ষণ করে যে, মুসলিম বিবাহ একটি আইনি চুক্তি, যা কোনো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নয়। কোর্ট মুনশী বজলুর রহীম বনাম শামসুন-নিসা বেগম (১৮৬৭) মামলার রায়ের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত দেয়, যেখানে বলা হয়েছিল যে স্ত্রীর মোহর পরিশোধ না হলে, তিনি স্বামীর সাথে বসবাস করতে বা যৌন সম্পর্ক করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন। তবে, যদি একত্রে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হয় এবং সেসময় পরিপূর্ণ সম্মতি থাকে, তাহলে শর্তসাপেক্ষে Restitution of Conjugal Rights মামলার রায় কার্যকর হতে পারে, যেটি মোহরের দ্রুত পরিশোধের ওপর নির্ভরশীল।
৬,৫৯১.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বিশেষজ্ঞের মতামত (Expert Opinion) এর বিধান আছে?
  1. ৪২ ধারা
  2. ৪৫ ধারা
  3. ৫২ ধারা
  4. ৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act, Section- 45. Opinion of Experts:
- When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts.
Such persons are called experts.
৬,৫৯২.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীনেএখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা কত?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৪৫ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ৩০ কার্যদিবস।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা
৫৩- আপিল:
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে, রায় প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে, আপিল করা যাইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, রায়ের জাবেদা নকল পাওয়ার জন্য যে সময় অতিবাহিত হইবে উহা উক্ত সময় হইতে কর্তন করিতে হইবে।

৬,৫৯৩.
The Waqfs Ordinance, 1962 অনুসারে Administrator of Waqfs-এর মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ The Waqfs Ordinance, 1962-এর ধারা ৭(৩) অনুসারে, ওয়াকফ প্রশাসক (Administrator of Waqfs) সাধারণত ৫ বছরের জন্য নিযুক্ত হন এবং তার মেয়াদ শেষে পুনর্নিযুক্তির যোগ্যতা রাখেন। এই অধ্যাদেশটি বাংলাদেশে ওয়াকফ সম্পত্তির প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে, এবং প্রশাসকের নিয়োগ সরকার করে। মেয়াদের এই নির্ধারণটি প্রশাসকের স্থায়িত্ব এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য করা হয়েছে।

অর্থাৎ The Waqfs Ordinance, 1962-এর ধারা ৭(৩) স্পষ্টভাবে ৫ বছরের মেয়াদ নির্ধারণ করেছে, যা ওয়াকফ সম্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে।
----------
⇒ The Waqfs Ordinance, 1962 Section-7. Appointment of the Administrator:
(1) The Government shall appoint an Administrator of Waqfs for Bangladesh.
(2) No person shall be appointed as Administrator unless he is a Muslim and possesses such qualifications as may be prescribed by the rules. 
(3) The Administrator shall ordinarily be appointed for five years, and shall be eligible for re appointment.

৬,৫৯৪.
একটি দেওয়ানি মামলার অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন হবে কোন আদালতে?
  1. জেলা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
- ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
- দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে।
-  ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।

- অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করতে হবে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৬,৫৯৫.
একজন হিন্দু লোক রাম মারা গেলেন। তিনি রেখে গেলেন ৪ কন্যা এবং মাতা। কন্যাদের মধ্যে একজন অবিবাহিতা, একজন বিবাহিতা ও পুত্রবতী, একজন বন্ধ্যা, একজন বিধবা, যার ২ কন্যাসন্তান আছে। এই ক্ষেত্রে কার সম্পত্তির দাবী সবার আগে থাকবে?
  1. মাতা
  2. বিধবা কন্যা
  3. অবিবাহিতা কন্যা 
  4. বিবাহিতা ও পুত্রবতী কন্যা
ব্যাখ্যা

⇒ এই ক্ষেত্রে অবিবাহিতা কন্যার দাবী সর্বাগ্রে, সুতরাং অবিবাহিতা কন্যা রামের সকল সম্পত্তি জীবনস্বত্বে পাইবে। অন্যান্য কন্যাগণ কোন অংশ পাবে না। মাতাও কিছু পাবে না। কারণ কন্যাদের স্থান ৫নং এবং মাতার স্থান ৮নং।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সপিণ্ডদের ক্রমিকানুসারে তালিকা:

১-৩ পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র তাহারা স্থলবর্তী নিয়ম অনুসারে সর্বাগ্রে এবং এক সঙ্গে উত্তরাধিকারিত্বের দাবীদার। এই বিষয়ে একই নিয়ম মিতাক্ষরা আইনেও প্রযোজ্য।
সকল মতপন্থীদের মতেই ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় এবং বৈশ্য পিতার অবৈধ সন্তান অর্থাৎ রক্ষিতার সন্তান কোন উত্তরাধিকারিত্ব দাবী করিতে পারে না। তবে সেইসব অবৈধ সন্তান পিতার ত্যাজ্যবিত্ত হইতে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী। শুদ্রের বেলায় দাসী অথবা রক্ষিতার অবৈধ পুত্র বৈধ পুত্রের ভাগ পাওয়ার অধিকারী। অর্থাৎ অবৈধ পুত্র বৈধ হইলে যে অংশ পাইত তাহার অর্ধেক পাইবে।

৪। বিধবা:
১৯৩৭ সালে সম্পত্তিতে হিন্দু নারীর অধিকার সংক্রান্ত আইন পাশ হওয়ার পর হইতে বিধবা একের অধিক হইলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান অংশ জীবন স্বত্বে পাইবে। ১-৩ নং এর মধ্যে কেহ না থাকিলে স্বামীর ত্যাজ্যবিত্তে বিধবার জীবনস্বত্ব হইবে।

৫। কন্যা:
কন্যাদের মধ্যে অবিবাহিতা কন্যার দাবী প্রথম। পরে পুত্রবতী অথবা পুত্রসম্ভবা কন্যাদের দাবী। বন্ধ্যা কন্যা, পুত্র সন্তান হীনা বিধবা কন্যা এবং যে সব কন্যাদের কেবলমাত্র কন্যা সন্তান আছে তাহারা উত্তরাধিকার হইতে বঞ্চিত হইবে।

৬। দৌহিত্র: কন্যার পর কন্যার পুত্র সন্তানের দাবী।
৭। পিতা;
৮। মাতা;
৯। ভ্রাতা;
১০। ভ্রাতুষ্পুত্র।

৬,৫৯৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৭৪ অনুযায়ী, যদি নিলামে সঠিক মূল্য প্রস্তাবিত না হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. বিক্রি বাতিল করতে পারে
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে
  3. নিলাম স্থগিত রেখে পরবর্তী দিনে পরিচালনা করতে পারে
  4. বাধ্যতামূলকভাবে সর্বনিম্ন দরদাতাকে সম্পত্তি দিতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) নিলাম স্থগিত রেখে পরবর্তী দিনে পরিচালনা করতে পারে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-২১, বিধি-৭৪(২) অনুসারে, কৃষিজাত দ্রব্যের নিলামে যদি ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত না হয়, তবে আদালত নিম্নলিখিত ব্যবস্থা নিতে পারে:
(ক) নিলামকারী কর্মকর্তার মতে ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত না হলে, এবং
(খ) মালিক বা তার আইনানুগ প্রতিনিধি পরবর্তী দিন বা হাটবার পর্যন্ত নিলাম স্থগিতের আবেদন করলে,
আদালত নিলাম স্থগিত করে নির্ধারিত দিনে পুনরায় নিলাম পরিচালনা করবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-২১, বিধি-৭৪(২) এ বলা হয়েছে: 
(২) যখন ফসল বিক্রয়ের জন্য তোলা হবে, তখন−
(ক) যদি বিক্রির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি মনে করেন যে ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত হয়নি, এবং
(খ) মালিক বা তার প্রতিনিধির অনুরোধে বিক্রয় পরবর্তী দিন বা বাজারের দিনে স্থগিত করার আবেদন করা হয়,
তাহলে বিক্রয় স্থগিত থাকবে এবং পরবর্তী নির্ধারিত দিনে যে মূল্যই হোক, তা অনুসারে বিক্রয় সম্পন্ন হবে।

⇒Order-21,Rule-74 (2) Where, on the produce being put up for sale,−
(a) a fair price, in the estimation of the person holding the sale, is not offered for it, and
(b) the owner of the produce or a person authorized to act in his behalf applies to have the sale postponed till the next day or, if a market is held at the place of sale, the next market-day,
the sale shall be postponed accordingly and shall be then completed, whatever price may be offered for the produce.
৬,৫৯৭.
অর্থ দন্ডের বিরুদ্ধে আনীত আপীল চলাকালে আসামী মারা গেলে আপীলটি-
  1. এবেট হবে
  2. এবেট হবে না
  3. খারিজ হবে
  4. আদালত মাফ করে দিবেন
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপীলকারী মারা গেলেও আপীল বতিল হবেনা তখন আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে। 
•আসামী  সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।
৬,৫৯৮.
In a gift under the Transfer of Property Act, 1882, "If the donee dies before acceptance, ____________."
  1. the gift is voidable
  2. the gift is void
  3. the gift is valid
  4. both A and B
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882 Section 122.“Gift” defined:
 “Gift” is the transfer of certain existing moveable or immoveable property made voluntarily and without consideration, by one person, called the donor, to another, called the donee, and accepted by or on behalf of the donee.
Acceptance when to be made:
Such acceptance must be made during the lifetime of the donor and while he is still capable of giving. 
If the donee dies before acceptance, the gift is void.
--------------
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২২ ধারার বিধান: দান (Gift) এর সংজ্ঞা:
- এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এবং প্রতিদান ছাড়া নির্দিষ্ট বিদ্যমান কোন অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করলে এবং সে ব্যক্তি বা তার পক্ষ হতে এই হস্তান্তর গ্রহণ করলে তাকে দান বলা হয়।
- যে ব্যক্তি এভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে তাকে দাতা এবং যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করে তাকে দানগ্রহীতা বলা হয়।

দান কখন গ্রহণ করতে হয় (Acceptance when to be made)
-দাতার জীবনকালে এবং দাতা দান করতে সম্পূর্ণ সক্ষম অবস্থায় উক্ত দান অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।
- দান গ্রহণের পূর্বে যদি দানগ্রহীতা মারা যায় তাহলে দান বাতিল হবে।
৬,৫৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারার বিধানসমূহ কোন ধারা অনুযায়ী অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না?
  1. ধারা ১৬৪
  2. ধারা ২৬১
  3. ধারা ২৬৩
  4. ধারা ৩৬৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪-এ অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার নিয়ম বর্ণিত হলেও, এই ধারা ধারা ২৬৩ অনুযায়ী অভিযুক্তের পরীক্ষায় প্রযোজ্য হবে না।
ধারা ২৬৩ অনুযায়ী, যেখানে আপিলযোগ্য নয় এমন মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীদের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে ধারা ৩৬৪-এর বিধান প্রয়োগ হয় না।
অর্থাৎ, ধারা ২৬৩-এ যা নির্ধারিত হয়েছে, সেটি ধারা ৩৬৪-এর বিধানের থেকে পৃথক এবং স্বতন্ত্র। তাই ধারা ৩৬৪-এর নিয়ম ধারা ২৬৩ অনুযায়ী অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:-
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত, অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাঙ্গরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে যে ভাষায় সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখ্যা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।
(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।
(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজির সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরি করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জর্জ যদি উক্ত স্মারক তৈরি করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 364. Examination of accused how recorded:
(1) Whenever the accused is examined by any Magistrate, or by any Court other than High Court Division the whole of such examination, including every question put to him and every answer given by him, shall be recorded in full, in the language in which he is examined, or, if that is not practicable, in the language of the Court or in English: and such record shall be shown or read to him, or, if he does not understand the language in which it is written, shall be interpreted to him in a language which he understands, and he shall be at liberty to explain or add to his answers.
(2) When the whole is made conformable to what he declares is the truth, the record shall be signed by the accused and the Magistrate or Judge of such Court, and such Magistrate or Judge shall certify under his own hand that the examination was taken in his presence and hearing and that the record contains a full and true account of the statement made by the accused.
(3) In cases in which the examination of the accused is not recorded by the Magistrate or Judge himself, he shall be bound, as the examination proceeds, to make a memorandum thereof in the language of the Court, or in English, if he is sufficiently acquainted with the latter language; and such memorandum shall be written and signed by the Magistrate or Judge with his own hand, and shall be annexed to the record. If the Magistrate or Judge is unable to make a memorandum as above required, he shall record the reason of such inability.
(4) Nothing in this section shall be deemed to apply to the examination of an accused person under section 263.
৬,৬০০.
স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকগ্রহীতার বিরূদ্ধে রেহেনমুক্ত বা দখলমুক্ত করার মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১২ বছর
  2. ৬০ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৮ অনুযায়ী, বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের (redeem) জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করার তামাদির মেয়াদ হল ৬০ বছর।
- এটি প্রযোজ্য যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয়।