বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৬৪ / ১৫৫ · ৬,৩০১৬,৪০০ / ১৫,৪৭০

৬,৩০১.
The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর কত বিধি অনুযায়ী বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন?
  1. ২৭
  2. ২৩
  3. ৩০
  4. ২৮
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules 1972: Rule-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convene such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.
৬,৩০২.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধসমূহ সংঘটনের উদ্যোগের শাস্তি দণ্ডবিধির কত ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ উদাহরণ:
(ক) ক একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) ক চ-এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। চ-এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ক এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
-----------------
⇒ Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:. Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both. 
 
⇒ Illustration
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.
৬,৩০৩.
সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে কী নিশ্চিত করা হবে?
  1. আইনের প্রয়োগ
  2. জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ
  3. মৌলিক মানবাধিকার
  4. ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজলাভ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে

৬,৩০৪.
আদেশ ৭ বিধি ৬ অনুযায়ী, তামাদি আইনের অধীন অব্যাহতি দাবি করার সময় কী প্রয়োজন?
  1. নোটিশ জারি করতে হবে
  2. বাদীকে আদালতে হাজির হতে হবে
  3. আরজিতে অব্যাহতির কারণ লিখতে হবে
  4. মৌখিকভাবে শুনানিতে কারণ বলতে হবে
ব্যাখ্যা

• আদেশ ৭ বিধি-৬ (তামাদি আইন হতে অব্যাহতি লাভের কারণসমূহ) 
"যদি তামাদি আইনে বিধৃত সময়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মোকদ্দমা দাখিল করা হয়, তাহলে উক্ত তামাদী আইনের বিধান হতে যে কারণে অব্যাহতি দাবী করা হয়, তা আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।"

Grounds of exemption from limitation law-
Where the suit is instituted after the expiration of the period prescribed by the law of limitation, the plaint shall show the ground upon which exemption from such law is claimed.

৬,৩০৫.
নিচের কোনটি দেওয়ানী মামলায় রিভিশন আদালতের বিবেচ্য বিষয়?
  1. তথ্যগত ভুল
  2. আইনগত ভুল
  3. একপক্ষীয় ভুল
  4. দ্বিপক্ষীয় ভুল
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের শর্ত- ২০০৩ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি পরিবর্তনের মাধ্যমে দেওয়ানী রিভিশনের বিধানে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করা হয়। বর্তমানে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে রিভিশন করা যায়-
⇒ সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।
⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে একবার আপিল করা হলে উক্ত আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিশন করা যায়, কেননা দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২য় আপিলের বিধান নেই।
⇒ ১১৫ ধারার বর্তমান বিধান অনুযায়ী কেবলমাত্র ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ যে কোন পক্ষ রিভিশন দায়ের করতে পারে, কিন্তু আগের মত আদালত কর্তৃক স্বেচ্ছাপ্রণোদিত (suo moto) হওয়ার বিধান নেই।
⇒ রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না।  আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন।

-১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।

-২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।

-৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।

-৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।

-৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।
৬,৩০৬.
কবরস্থানে অনধিকার প্রবেশ করে কারো অনুভূতিতে আঘাত করলে বা ধর্ম অবমাননা করলে দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী শাস্তি হবে?
  1. ২৯৫ ধারা
  2. ২৯৬ ধারা
  3. ২৯৭ ধারা
  4. ২৯৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৭ অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত করতে বা কারো অনুভূতিতে আঘাত করার জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও কবরস্থান বা মৃতদেহের জন্য নির্ধারিত স্থান-এ অনধিকার প্রবেশ (trespass) করে, অথবা কোনো মানব মৃতদেহের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করে, অথবা কোনো অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া বা ধর্মীয় দাফন অনুষ্ঠানে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, section 297. Trespassing on burial places, etc.
- Whoever, with the intention of wounding the feelings of any person, or of insulting the religion of any person, or with the knowledge that the feelings of any person are likely to be wounded, or that the religion of any person is likely to be insulted thereby, commits any trespass in any place of worship or on any place of sepulture, or any place set apart for the performance of funeral rites or as a depository for the remains of the dead, or offers any indignity to any human corpse, or causes disturbance to any persons assembled for the performance of funeral ceremonies, 
shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৬,৩০৭.
সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. আইনগত প্রশ্নে
  2. ঘটনাভিত্তিক প্রশ্নে
  3. দেওয়ানি মামলায়
  4. ব্যক্তি ও তার প্রতিনিধির মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒  Estoppel কেবল ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য; আইনগত অধিকার বা বিধান বিষয়ে এটি প্রযোজ্য নয়।

- Estoppel (স্বকার্যজনিত প্রতিবন্ধকতা) হলো এমন একটি নীতি, যা কাউকে তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির পরিপন্থী কথা বলার বা দাবি করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যদি সেই পূর্ববর্তী আচরণ বা কথার ভিত্তিতে অন্য ব্যক্তি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।

⇒ তবে এই নীতির প্রযোজ্যতা কিছু নির্দিষ্ট সীমারেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ:
- ঘটনাভিত্তিক প্রশ্নে (Questions of fact): যেমন, কে কী বলেছিল, কে কী কাজ করেছিল, কোনো জমি কার দখলে ছিল ইত্যাদি।
- দেওয়ানি মামলায় (Civil cases): বিশেষত অধিকার ও মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে।

আইনগত প্রশ্নে (Questions of law):
- যদি কোনো ব্যক্তি কোনো আইনগত অধিকার সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দেয় বা স্বীকার করে, তবুও Estoppel এর মাধ্যমে সে তার প্রকৃত আইনি অধিকার হারাবে না।
- অর্থাৎ আইন বিষয়ে ভুল বক্তব্য বা বিশ্বাস কাউকে তার আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে না।

উদাহরণ:
যদি কেউ ভুল করে বলে যে তার কোনো জমির উপর মালিকানা নেই, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সে আইন অনুযায়ী মালিক হয়, তাহলে পরে সে তার মালিকানা দাবি করলেও Estoppel তার বিরুদ্ধে কার্যকর হবে না — কারণ এটি আইনের প্রশ্ন।

সঠিক উত্তর: ক) আইনগত প্রশ্নে।
৬,৩০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ১৪৪
  2. ধারা ১৪৫
  3. ধারা ১৪৬
  4. ধারা ১৪৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ধারা ১৪৬-এ সুনির্দিষ্টভাবে ম্যাজিস্ট্রেটের বিরোধীয় বিষয় ক্রোক (Attachment of subject of dispute) করার ক্ষমতা এবং তার শর্তাবলী বর্ণিত আছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিস্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাওয়ার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবে
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 146. Power to attach subject of dispute:
(1) If the Magistrate decides that none of the parties was then in such possession, or is unable to satisfy himself as to which of them was then in such possession of the subject of dispute, he may attach it until a competent Court has determined the rights of the parties thereto, or the person entitled to possession thereof: 
Provided that such Magistrate]may withdraw the attachment at any time if he is satisfied that there is no longer any likelihood of a breach of the peace in regard to the subject of dispute.
(2) When the Magistrate attaches the subject of dispute, he may, if he thinks fit and if no receiver of the property, the subject of dispute, has been appointed by any Civil Court appoint a receiver thereof, who, subject to the control of the Magistrate, shall have all the powers of a receiver appointed under the Code of Civil Procedure, 1908: 
Provided that, in the event of a receiver of the property, the subject of dispute, being subsequently appointed by any Civil Court, possession shall be made over to him by the receiver appointed by the Magistrate, who shall thereupon be discharged.

৬,৩০৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কত ধারায় দলিল আংশিক বাতিলের বিধান আছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৭ ধারা
  4. ৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪০ ধারা অনুযায়ী কোন দলিল যদি বিভিন্ন অধিকার/বাধ্যবাধকতার সাক্ষী হয় তাহলে আদালত সংশ্লিষ্ট মামলায় তা আংশিক ভাবে বিলোপ করতে পারেন এবং বাকী অংশ বহাল রাখতে পারেন।
---------------------------------
⇒ SR Act Section-40. What instruments may be partially cancelled:
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.
Illustration:
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.
৬,৩১০.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির Order 38, Rule 9 এর অধীনে ক্রোক (attachment) প্রত্যাহারের আদেশ দেবে?
  1. বাদী আদালতে অনুপস্থিত থাকলে
  2. বিবাদী আদালতে অনুপস্থিত থাকলে
  3. বাদী প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করলে
  4. বিবাদী প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) বিবাদী প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদী ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.

৬,৩১১.
অভিযোগ প্রত্যাহারের পর আদালত কর্তৃক দণ্ডাদেশ রদ করা না হলে, তাহলে আদালত ধারা ২৪০ এর অধীনে-
  1. অভিযুক্তকে সরাসরি গ্রেফতার করতে পারে
  2. অভিযোগ পুনরায় দায়ের করতে পারে
  3. নতুন মামলার প্রস্তাব করতে পারে
  4. অভিযোগ সম্পর্কে পুনরায় অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-

যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়, তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে; যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।

Section 240: Withdrawal of remaining charges on conviction on one of several charges-
When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges. Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.
৬,৩১২.
প্রতিটি মামলা দাখিল করতে হবে-
  1. সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
  2. সর্বোচ্চ স্তরের আদালতে
  3. সমমান স্তরের আদালতে
  4. আদি স্তরের আদালতে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারার বিধান যে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবেঃ

প্রত্যেকটি মামলা উহা বিচার করার যোগ্যতাসম্পন্ন সর্বনিম্ন পর্যায়ের আদালতে দায়ের করতে হবে।
৬,৩১৩.
যদি কোনো ব্যক্তি সরকারের কোনো কাজের প্রতি ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা করা ছাড়া অসমর্থন প্রকাশ করে, তবে তা কী ধরনের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
  2. সাধারণ অপরাধ
  3. গুরুতর অপরাধ
  4. অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৪ক- রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।

ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

Section 124A- Sedition:
Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.

Explanation 1.- The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity.

Explanation 2.- Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.

Explanation 3.- Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.
৬,৩১৪.
শিশু আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যায়-
  1. দায়রা জজ আদালতে
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪১ ধারার বিধান আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
- (১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

- (২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

- (৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৬,৩১৫.
'Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty' অপরাধের শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়ই
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. কোনটিই সঠিক নয়
ব্যাখ্যা
• Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty

Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারার বিধান:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, এমনকি উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৬,৩১৬.
তামাদি আইনের উদ্দেশ্য কী?
  1. দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা
  2. অনাবশ্যক বিলম্ব দূর করা
  3. বিবাদীর বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• তামাদি এক ধরনের আইনি অবস্থা বা সময়সীমা যা আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য নির্ধারিত থাকে। এটি ফরাসি শব্দ "limitation" থেকে এসেছে। আইনগত অর্থে, তামাদি মানে সেই সময়সীমা বা মেয়াদ যার মধ্যে কোনো বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। প্রত্যেক মামলার ধরন অনুযায়ী তামাদি সময়সীমা আলাদা থাকে। যদি

কোনো মামলা এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দায়ের না করা হয়, তাহলে সাধারণত সেই মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না। তামাদি আইন মানে সেই আইন যা বিভিন্ন ধরনের মামলার জন্য তামাদি বা সময়সীমা নির্ধারণ করে থাকে। এর উদ্দেশ্য হলো যাতে অনাবশ্যক বিলম্ব না হয় এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। বিবাদীর বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা এই আইনের উদ্দেশ্য নয়, শুধু এই আইন না কোনো আইনের উদ্দেশ্যই নয়। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে যেকোনো আইনের প্রধান উদ্দেশ্য।
৬,৩১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে?
  1. ধারা ২৬৫ঠ
  2. ধারা ২৬৫চ
  3. ধারা ২৬৫ট
  4. ধারা ২৬৫গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঠ ধারায় পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে।

ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঠ অনুসারে,যে মামলায় ২২১ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ করা হয় এবং অভিযুক্ত দোষারোপিত পূর্ব দণ্ডাদেশ স্বীকার না করে, সেক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্তকে ২৬৫ঙ অথবা ২৬৫ট ধারা অনুসারে দণ্ড দানের পর পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং সে সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত এরূপ কোন অভিযোগ পাঠ করবেন না অথবা অভিযুক্তকে সে সম্পর্কে দোষ স্বীকার করতে বলা হবে না অথবা সরকার পক্ষের বা সাক্ষ্যে পূর্ব দণ্ডাদেশের কথা উল্লেখ করা হবে না,যদি না এবং যতক্ষণ না অভিযুক্ত ২৬৫ঙ বা ২৬৫ট ধারা অনুসারে দণ্ড প্রাপ্ত হয়।
৬,৩১৮.
'ক' একটি কূপের মুখে আড়াআড়িভাবে বাঁশের কঞ্চি পেতে তার উপর ঘাস পাতা বিছিয়ে দেয়- এই উদ্দেশ্যে যে, তাতে মৃত্যু ঘটতে পারে অথবা তাতে যে মৃত্যু ঘটতে পারে তা জানা সত্ত্বেও তা করে। 'চ' শক্ত মাটি মনে করে উহার উপর দিয়ে চলতে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে যায় এবং নিহত হয়। 'ক' কী অপরাধ করেছে?
  1. খুন
  2. গুরুতর জখম
  3. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  4. হত্যার চেষ্টা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক' একটি কূপের মুখে আড়াআড়িভাবে বাঁশের কঞ্চি পেতে তার উপর ঘাস পাতা বিছিয়ে দেয়- এই উদ্দেশ্যে যে, তাতে মৃত্যু ঘটতে পারে অথবা তাতে যে মৃত্যু ঘটতে পারে তা জানা সত্ত্বেও তা করে। 'চ' শক্ত মাটি মনে করে উহার উপর দিয়ে চলতে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে যায় এবং নিহত হয়। 'ক' শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(খ) একটি ঝোপের একপাশে 'ক' ও 'খ' রয়েছে এবং অন্য পাশে 'চ' রয়েছে 'ক' জানে যে, 'চ' অন্য পাশে রয়েছে, কিন্তু 'খ' তা জানে না। ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করলে যাতে 'চ'-এর মৃত্যু হয় সে। উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ গুলিবর্ষণ করলে 'চ'-এর মৃত্যু হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও 'ক' ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করার জন্য 'খ'-কে অনুরোধ করে। 'খ' অনুরোধ রক্ষা করে গুলিবর্ষণ করে এবং তার গুলিবর্ষণের ফলে 'চ' এর মৃত্যু হয়। এইক্ষেত্রে 'খ' কোন দোষে দোষী না হতে পারে, কিন্তু 'ক' শাস্তি যোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(গ) 'ক' একটি মুরগি হত্যা করে উহা চুরি করার উদ্দেশ্যে উহার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, কিন্তু গুলিবর্ষণের ফলে ঝোপের অন্য পাশে 'খ'-এর মৃত্যু হয়। 'ক' জানত না যে, 'খ' সেখানে ছিল। এই ক্ষেত্রে 'ক' যদিও একটি বেআইনী কাজই করতেছিল, তথাপি সে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী নয়, কেননা সে 'খ'-কে হত্যা করতে চায় নাই, অথবা যে কার্য মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, জ্ঞাতসারে সে কার্য করে সে মৃত্যু ঘটায় নাই।
৬,৩১৯.
আদেশে ৪৭ বিধি ৪ এর অধীন কোন রিভিউ দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রেফারেন্স;
  3. রিভিউ;
  4. রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুযায়ী ৪৭ আদেশের ৪ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫টি আদেশ রয়েছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
৬,৩২০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আসামীর নিকট যে প্রশ্ন করে, তা উত্তর দিতে অস্বীকার করলে-
  1. তাকে শাস্তি দেয়া হবে
  2. জরিমানা করা হবে
  3. মূল কারাদণ্ড বৃদ্ধি করা হবে
  4. কোনো শাস্তি দেয়া হবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে।

পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীর নিকট যে প্রশ্ন করে, আসামী এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342 (Power to examine the accused)-
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused.
৬,৩২১.
আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে ৪৮০ ধারা অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ শাস্তি কোনটি?
  1. ২০০ টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে ১ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
  2. ২০০০ টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
  3. ৩০০ টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে ১ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
  4. ৫০০ টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮০- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি

কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

Section 480- Procedure in certain cases of contempt:
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
৬,৩২২.
'ভুলের জন্য চুক্তি রদ'- কোন শর্তের ওপর নির্ভরশীল?
  1. যদি ভুলটি পারস্পরিক হয়ে থাকে
  2. ভুলটি প্রতারণার মাধ্যমে করা হয়ে থাকলে
  3. পক্ষগণ চুক্তির পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬: ভুলবশত চুক্তি বাতিল (Rescission for mistake)-
কোন চুক্তি কেবলমাত্র "ভুল" (mistake)-এর কারণে বাতিল (rescission) ঘোষণা করা যাবে না, যদি না যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিলের আদেশ দেয়া হচ্ছে, তাকে এমন অবস্থায় পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়—যেন উক্ত চুক্তিটি আদৌ সম্পাদিত হয়নি।

The Specific Relief Act, 1877: Section-36- Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
৬,৩২৩.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় ‘প্রতারণা’ এর সংজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৪১৫
  2. ৪০৬
  3. ৪১৭
  4. ৪২০
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪১৫ ধারায় প্রতারণার বিধান রয়েছে। প্রতারণা বলতে ফাঁকি দিয়ে বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা কাউকে এমনভাবে প্রভাবিত করা যে, প্রতারিত ব্যক্তি যেন প্রতারণাকারীর ইচ্ছামাফিক কোন কাজ করে যা প্রতারিত ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি করে (damage or harm to that person in body,mind,reputation or property) অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা না করতে বা সম্পত্তি অর্পনে বাধ্য করে।

♦ যে ব্যক্তি প্রতারণা করেন তাকে প্রতারণাকারী বলে, অন্যদিকে যে ব্যক্তি প্রতারণার শিকার হন তাকে প্রতারিত বলে ।

♦ উদাহরণ-: কোন পণ্যের উপর কোন নকল মার্কা দিয়ে ক, প্রবঞ্চনামূলকভাবে চ-কে বিশ্বাস করায় যে, পণ্যটি কোন প্রসিদ্ধ কোম্পানির তৈরি। এর দ্বারা ক, চ-কে সেই পণ্যটি ক্রয় করতে ও মূল্য প্রদান করতে প্ররোচিত করে। এখানে ক, চ-এর সাথে প্রতারণা করেছে।
৬,৩২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ এর বিধান আছে?
  1. ৩১
  2. ৩২
  3. ৩৩
  4. ৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারার বিধান: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
- লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে করা যেতে পারে।
 
উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।
----------------
SR Act:- Section-34. Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.
 
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
৬,৩২৫.
আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা নীতিটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৫
  4. অনুচ্ছেদ ২৬
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫ (শিরোনাম: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন)–এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
“জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা—এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি…”
- এই অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সেখানে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতি হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন: 
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র 
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন; 
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং 
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷
৬,৩২৬.
Order 7 Rule 6 অনুযায়ী, তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মামলার দায়ের করা হলে -
  1. মামলাটি অগ্রাহ্য করা হবে
  2. আদালত দায়ী পক্ষকে জরিমানা করবে
  3. অব্যাহতির কারণ আরজিতে উল্লেখ করতে হবে
  4. মামলার জন্য নতুন সময় নির্ধারণ করা হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৭ বিধি-৬ (তামাদি আইন হতে অব্যাহতি লাভের কারণসমূহ) 
"যদি তামাদি আইনে বিধৃত সময়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মোকদ্দমা দাখিল করা হয়, তাহলে উক্ত তামাদী আইনের বিধান হতে যে কারণে অব্যাহতি দাবী করা হয়, তা আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।"

Grounds of exemption from limitation law-
Where the suit is instituted after the expiration of the period prescribed by the law of limitation, the plaint shall show the ground upon which exemption from such law is claimed.
৬,৩২৭.
What does "onus probandi" mean in legal terms?
  1. Right to appeal
  2. Burden of proof
  3. Prima facie evidence
  4. Presumption of innocence
ব্যাখ্যা
⇒ "Onus Probandi" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ "প্রমাণের ভার" বা "Burden of Proof"। এটি আইনের একটি মৌলিক নীতি যা নির্ধারণ করে কোন পক্ষকে আদালতে তার দাবি বা অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে।
অর্থাৎ "Onus probandi" একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ "burden of proof" বা বাংলায় "প্রমাণের ভার"।  আইনি পরিভাষায় এটি বোঝায় যে একটি দাবি বা অভিযোগ প্রমাণ করার দায়িত্ব কার উপর বর্তায়। যিনি কোনো বিষয়ে দাবি করেন, সাধারণত তার উপরই প্রমাণের ভার থাকে।

সঠিক উত্তর: খ) Burden of proof.
৬,৩২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৭ কোন বিশেষ ধরনের মামলার সাথে সম্পর্কিত?
  1. নাবালকের মামলা
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. হস্তান্তরযোগ্য দলিল
  4. স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৭ (Order XXXVII of the Code of Civil Procedure, 1908) শুধুমাত্র হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments) সংক্রান্ত মামলার জন্য প্রযোজ্য। এটি সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি (summary procedure) প্রবর্তন করে, যার মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য ও নির্দিষ্ট আর্থিক দাবিসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির সুযোগ থাকে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৭-এর আওতাভুক্ত হস্তান্তরযোগ্য দলিল:
- হুন্ডি (Hundi)
- চেক (Cheque)
- প্রমিসরি নোট (Promissory Note)
এই মামলাগুলিতে বিবাদী সাধারণভাবে সরাসরি প্রতিরক্ষা দিতে পারে না; প্রতিরক্ষার জন্য আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়।

অন্যদিকে:
ক) নাবালকের মামলা – আদেশ ৩২ (Order XXXII)-এর অধীনে।
খ) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা – আদেশ ৩৯ (Order XXXIX)-এর অধীনে।
ঘ) স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা (Interpleader Suit) – আদেশ ৩৫ (Order XXXV)-এর অধীনে।
৬,৩২৯.
একটি অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের রয়েছে, এই তথ্যটি ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোথায় পাওয়া যাবে?
  1. ৩য় কলামে
  2. ৬ষ্ঠ কলামে 
  3. ৭ম কলামে
  4. ৮ম কলামে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮ম (শেষ) কলামে specifically উল্লেখ থাকে যে সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের রয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফশিলে বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একটি সারণীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে মোট ৮টি কলাম রয়েছে। এই কলামগুলো বিচার প্রক্রিয়া, পুলিশি ক্ষমতা, জামিন, শাস্তি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়।
- ১ম কলামে উল্লেখ থাকে দণ্ডবিধির (Penal Code) কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধটি হয়েছে।
- ২য় কলামে লেখা থাকে সেই ধারার অধীনে অপরাধটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
- ৩য় কলামে বলা হয়, পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না, অর্থাৎ এটি আমলযোগ্য (Cognizable) না আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)।
- ৪র্থ কলামে বলা থাকে, প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে না ওয়ারেন্ট, তা নির্ধারণ করা হয়।
- ৫ম কলামে উল্লেখ থাকে অপরাধটি জামিনযোগ্য (Bailable) না জামিন-অযোগ্য (Non-bailable)।
- ৬ষ্ঠ কলামে বলা হয় অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কি না — অর্থাৎ ভুক্তভোগী চাইলেই কি সেটি মিটমাট করে নিতে পারে।
- ৭ম কলামে উল্লেখ থাকে সংশ্লিষ্ট ধারায় নির্ধারিত শাস্তির পরিমাণ।
- ৮ম তথা শেষ কলামে বলা হয়, সেই অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের আছে।

৬,৩৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৭ অনুসারে, বিদেশী শাসকের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে কিভাবে করা উচিত?
  1. রাষ্ট্রদূতের নামে
  2. রাষ্ট্রপতির নামে
  3. সংশ্লিষ্ট সচিবের নামে
  4. সংশ্লিষ্ট বিদেশী রাষ্ট্রের নামে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৭ অনুযায়ী, “কোন বিদেশী রাষ্ট্রের শাসনকর্তা কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হলে, সেই রাষ্ট্রের নামে মামলাটি করতে হবে।”
- এটি করা হয় যাতে আন্তর্জাতিক শিষ্টাচার এবং কূটনৈতিক মর্যাদা বজায় থাকে। তবে, সরকার যদি পূর্ববর্তী ধারা অনুযায়ী (ধারা ৮৬) সম্মতি দেয়, তাহলে সরকার নির্দেশ দিতে পারে যে, সেই শাসকের বিরুদ্ধে মামলা তার কোনো প্রতিনিধি বা অন্য কারো নামে করা যাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৭-মামলার পক্ষ হিসেবে শাসনকর্তার উপাধি:
- কোন বিদেশী রাষ্ট্রের শাসনকর্তা কর্তৃক এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দয়ের করতে হলে তার রাষ্ট্রের নামে মামলা করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, পুর্ববতী ধারায় উল্লেখিত সম্মতি প্রদানকালে সরকার এরূপ নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মামলা কোন প্রতিনিধি বা অপর কারো নামে দায়ের করা যাবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 87. Style of Rulers as parties to suits.
The Ruler of a foreign State may sue, and shall be sued, in the name of his State:
Provided that in giving the consent referred to in the foregoing section the Government, or the Government, as the case may be, may direct that any such Ruler shall be sued in the name of an agent or in any other name.
৬,৩৩১.
মাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহন করলে অভিযোগকারী নারাজি পিটিশন দায়ের করে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট নারাজি পিটিশনও প্রত্যাখ্যান করলে সেই ক্ষেত্রে প্রতিকার কি ?
  1. হাইকোর্টে আপিল
  2. দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের
  3. দায়রা কোর্ট মামলার নথি তলব করে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে।
  4. ম্যাজিস্ট্রেটর নিকট রিভিউ আবেদন করা যাবে।
ব্যাখ্যা
♦ নারাজি পিটিশন (Naraji Petition)- নারাজি অর্থ আমি মানি না। তদন্ত করার পর তদন্ত কর্মকর্তা বা পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ফাইনাল রিপোর্ট প্রদান করলে অভিযোগকারী বা ফরিয়াদী পক্ষ নারাজি পিটিশন দায়ের করতে পারে। ম্যাজিস্ট্রেট নারাজি পিটিশনকে নালিশ (complaint) হিসেবে গ্রহণ করে ১৯০খ ধারায় মামলাটি আমলে নিতে পারেন।
♦ নারাজি পিটিশন পাওয়ার পরে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদী বা অভিযোগকারীকে ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা মোতাবেক পরীক্ষা করে সরাসরি ১৯০(১) ধারা মোতাবেক অভিযোগটি আমলে নিতে পারেন অথবা তিনি অধিকতর তদন্তের জন্য নতুন তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করতে পারেন অথবা বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
♦ এক্ষেত্রে বাদী বা অভিযোগকারী একাধিকবার নারাজি পিটিশন দাখিল করতে পারেন।
♦ ম্যাজিষ্ট্রেট নারাজি পিটিশন প্রত্যাখান বা নামঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রিভিশন বা নতুন অভিযোগ (Fresh complaint) দায়ের করতে পারে।
♦ অন্যদিকে ম্যাজিষ্ট্রেট নারাজি পিটিশন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রিভিশন দায়ের করতে পারে।
৬,৩৩২.
'A' পুলিশের সদস্য না হয়েও নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে 'B' এর কাছ থেকে জামিনের টাকা হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী 'A' এর কৃতকাজটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ৪১৫
  2. ৪১৬
  3. ৪০৫
  4. ৪২৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারায় অপরের রূপধারণ পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে।
- প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে। যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা: কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation):-
যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-416. Cheating by personation:
A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is. 
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person. 

Illustrations:
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation. 
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
৬,৩৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৪ অনুযায়ী আদেশের সর্বোচ্চ কার্যকাল কত?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure, 1898) ১৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী, এই ধারার অধীনে জারি করা কোনো আদেশের সর্বোচ্চ কার্যকাল দুই মাস। এটি ধারার উপ-ধারা (৬)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্য কোনো নির্দেশ না দিলে এই সময়সীমা বহাল থাকে।

- ১৪৪ ধারার উপ-ধারা (৬)-এ বলা হয়েছে: “মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কার ক্ষেত্রে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোনো আদেশ দুই মাসের অধিক কাল বলবৎ থাকবে না।”
- এর অর্থ হলো, সাধারণ পরিস্থিতিতে ১৪৪ ধারার আদেশ সর্বোচ্চ ২ মাস কার্যকর থাকতে পারে। তবে, সরকার বিশেষ ক্ষেত্রে এই সময়সীমা বাড়াতে পারে, যদি তারা প্রজ্ঞাপন জারি করে। এছাড়া, এই ধারার আদেশ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য নয় (উপ-ধারা ৭)।
সুতরাং, ১৪৪ ধারার আদেশের সর্বোচ্চ কার্যকাল হলো দুই মাস, যদি না সরকার অন্যথায় নির্দেশ দেয়।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 144 Power to issue order:
-(6) No order under this section shall remain in force for more than two months from the making thereof; unless, in cases of danger to human life, health or safety, or a likelihood of a riot or an affray, the Government, by notification in the official Gazette, otherwise directs. 
-(7) The provisions of this section shall not apply to a Metropolitan Area.

৬,৩৩৪.
Under Section 319, causing which of the following can be considered as "hurt"?
  1. Disease
  2. Infirmity
  3. Physical pain
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
Section 319- Hurt:
Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.

দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারা: আঘাত:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।
৬,৩৩৫.
‘A’ এক গর্ভবতী নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটায়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে সে অপরাধী হবে?
  1. ৩১২ ধারা
  2. ৩১৩ ধারা
  3. ৩১৪ ধারা
  4. ৩১৬ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩১৩ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি গর্ভবতী নারীর সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত ঘটায়, তবে সে অপরাধী হবে। শাস্তি হিসেবে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে। এই ক্ষেত্রে, ‘A’ জোরপূর্বক ওষুধ খাইয়ে গর্ভবতী নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গর্ভপাত ঘটিয়েছে, যা ধারা ৩১৩-এর অধীনে অপরাধ।
- সুতরাং, এই ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো ধারা ৩১৩।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:-
-কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 313. Causing miscarriage without women's consent:
- Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৬,৩৩৬.
ফৌজদারি মামলার FIR সাধারণত কোথায় দায়ের করা হয়?
  1. স্থানীয় থানা পুলিশের নিকট
  2. ব্যক্তিগত আইনজীবী নিকট
  3. স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট নিকট
  4. বিচারকারী আদালত নিকট
ব্যাখ্যা
 ⇒ ফৌজদারি মামলার FIR থানায় বা পুলিশ স্টেশনে করা হয়।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (FIR) এর বিধান রয়েছে।
- পুলিশ প্রবিধানের (PRB) ২৪৩ বিধিতেও FIR সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে।
- FIR-এর পূর্ণরূপ হলো First Information Report।
- আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিত বা মৌখিকভাবে জানালে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তা গ্রহণ করেন।
- ১৫৪ ধারানুসারে ওসি বিপি ২৭ নং ফরমে এ তথ্য লিপিবদ্ধ করেন।
- এই নথিভুক্ত প্রতিবেদনকেই FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বলা হয়।
- সংক্ষেপে, আমলযোগ্য অপরাধের বিষয়ে অভিযোগ লিপিবদ্ধ করাকেই FIR বা এজাহার বলে।
→ অর্থাৎ  ফৌজদারি মামলার FIR সাধারণত স্থানীয় থানা পুলিশের নিকট দায়ের করা হয়।
৬,৩৩৭.
২০২৫ সালের Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance কোন তারিখে জারি হয়?
  1. ৮ মে ২০২৫
  2. ১০ জুন ২০২৫
  3. ১৫ জুলাই ২০২৫
  4. ২২ জুলাই ২০২৫
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন বিষয়ক ধারা ১(১) এবং ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি অধ্যাদেশের প্রকাশনার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে প্রণীত ও জারি করা হয়েছে।

- অর্থাৎ Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে, যা ধারা ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখিত। এই অধ্যাদেশটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে সংশোধনী এনেছে, যার মাধ্যমে মোকদ্দমার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

৬,৩৩৮.
রায়তের দখলে থাকা চা বাগানের খাস জমি কার লিখিত অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা যাবে না?
  1. ভূমি সংস্কার বোর্ড
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. জেলা ভূমি অফিসার
  4. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: রায়াতদের হোল্ডিং-এর হস্তান্তরযোগ্যতা:
রায়তের হোল্ডিং বা তার অংশ বা হিস্যা, এই আইন অনুযায়ী, অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির মতোই রায়তের দ্বারা হস্তান্তর করা যাবে।

তবে,
- চা বাগানের খাস জমি (যা ধারা ২০(২) অনুযায়ী রায়তের দখলে থাকে) বা তার অংশ, ডেপুটি কমিশনারের লিখিত অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা যাবে না, এবং এই হস্তান্তর চা বাগানের পূর্ণতা বা চা চাষের কার্যক্রমে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না।

অর্থাৎ The State Acquisition and Tenancy Act এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী, রায়তের দখলে থাকা চা বাগানের খাস জমি বা তার অংশ ডেপুটি কমিশনারের লিখিত অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা যাবে না। এছাড়া, হস্তান্তর চা বাগানের পূর্ণতা বা চা চাষের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না। 
৬,৩৩৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৩৯ অনুসারে স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ (trespass) এর ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ কতদিন?
  1. ১ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, যদি কেউ স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ (trespass) করে, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারেন।
- তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর
- সময় গণনা শুরু হবে: অনধিকার প্রবেশের তারিখ থেকে।
 সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) ৩ বছর।
৬,৩৪০.
আদালতের এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি সম্পর্কিত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ৯৬
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২১-এ "Objections to jurisdiction" সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এই ধারায় আদালতের আঞ্চলিক (territorial) এবং আর্থিক (pecuniary) এখতিয়ার সম্পর্কে আপত্তি তোলার নিয়ম নির্ধারিত হয়েছে। এটি নির্দেশ করে যে, এমন আপত্তি প্রথম আদালতে সর্বপ্রথম সুযোগে উত্থাপন করতে হবে, অন্যথায় আপিল বা রিভিশন আদালতে সাধারণত গ্রহণ করা যাবে না, যদি না ন্যায় বিচারের ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটে থাকে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section-21: Objections to jurisdiction:-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.

৬,৩৪১.
'Fraud vitiates everything'- নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৪২
  2. ৪৩
  3. ৪৪
  4. ৪১
ব্যাখ্যা
⇒ 'Fraud vitiates everything' নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৪৪ তে প্রতিফলিত হয়েছে।
- ধারা ৪৪ অনুযায়ী, যেকোনো পক্ষ যে কোনো মামলা বা প্রক্রিয়ায় এটি প্রমাণ করতে পারে যে, যেকোনো "judgment, order, or decree" যা ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর আওতাধীন এবং যে পক্ষ দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে, তা প্রতারণা বা একত্রিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অথবা অযোগ্য আদালত দ্বারা দেওয়া হয়েছিল।
- এখানে প্রতারণা বা collusion প্রমাণ করলে, সেই আদালতের সিদ্ধান্ত বৈধতা হারাবে এবং সেই সিদ্ধান্তটির প্রভাব সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে। এটি সেই নীতির প্রতিফলন, যেখানে বলা হয়, প্রতারণা বা ষড়যন্ত্র দ্বারা কোনও কিছু অর্জন করলে, তা আইনত অসিদ্ধ হয়ে পড়ে, অর্থাৎ 'Fraud vitiates everything'।
- অতএব, এই নীতি অনুযায়ী, কোনো আদালতের দ্বারা প্রদত্ত সিদ্ধান্ত যদি প্রতারণা বা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নেওয়া হয়, তবে সেটি প্রমাণিত হলে তা বিচারযোগ্য হবে না এবং সেটি বাতিল করা হবে।

⇒ The Evidence Act, 1872 , Section-44. Fraud or collusion in obtaining judgment, or in-competency of Court, may be proved:
Any party to a suit or other proceeding may show that any judgment, order or decree which is relevant under section 40, 41 or 42, and which has been proved by the adverse party, was delivered by a Court not competent to deliver it, or was obtained by fraud or collusion.
৬,৩৪২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৫৪ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৫৬ ধারা
  4. ৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) সম্পর্কে বলা হয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যখন কোনো ব্যক্তির উপর একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ না করার জন্য এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করার জন্য আদালত নিষেধাজ্ঞা দিতে চায়, তখন আদালত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।
- এটি এমন এক নিষেধাজ্ঞা, যা একজন ব্যক্তিকে আইনগতভাবে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করে, বিশেষ করে যখন সেই কাজটি করা না হলে সেই বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘিত হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যে ক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে এবং এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সে ক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযােগ করা হয়েছে তা রােধ করা এবং সে সঙ্গে‌ প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 55- Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
৬,৩৪৩.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুসারে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করে প্রতারণার শাস্তি অনধিক কত বৎসর কারাদণ্ড?
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২৪ ধারার বিধান পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোনো ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করিয়া- 
(ক) প্রতারণা করিবার বা ঠকাইবার উদ্দেশ্যে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া প্রদর্শন করেন, বা 
(খ) উদ্দেশ্যমূলকভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির ব্যক্তিসত্তা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যে নিজের বলিয়া ধারণ করেন,- 
(অ) নিজের বা অপর কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভ করা বা করাইয়া দেওয়া, 
(আ) কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির স্বার্থ প্রাপ্তি, 
(ই) অপর কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার রূপ ধারণ করিয়া কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার ক্ষতিসাধন, 
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ। 

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫(পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয়বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৬,৩৪৪.
সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি কোন বিষয়ে প্রযোজ্য হয়?
  1. ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে
  2. আইন বিষয়ক প্রশ্নে
  3. চুক্তি বিষয়ক প্রশ্নে
  4. সাক্ষ্য প্রদানের প্রক্রিয়ায়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি (প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা) হলো এমন একটি আইনি নীতি, যা কোনো ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির বিপরীতে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বাধা দেয়, যদি সেই ঘোষণা বা কাজের উপর ভিত্তি করে অন্য কোনো ব্যক্তি তার অবস্থান পরিবর্তন করে থাকে। এই নীতি সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৫ এর অধীনে বর্ণিত হয়েছে।
- Estoppel নীতি প্রযোজ্য হয় ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে (factual matters), অর্থাৎ যেসব ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি তার ইচ্ছাকৃত ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির মাধ্যমে অন্য কাউকে কোনো বিষয় সত্য বলে বিশ্বাস করিয়ে তাকে কোনো কাজ করতে প্ররোচিত করে। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে কোনো ব্যক্তি তার পূর্বের বক্তব্য বা আচরণের বিপরীতে গিয়ে অন্যের ক্ষতি করতে পারবে না।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি অন্যকে বলে যে একটি সম্পত্তি তার মালিকানাধীন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে অন্য ব্যক্তি সেই সম্পত্তি ক্রয় করে, তবে প্রথম ব্যক্তি পরবর্তীতে তার মালিকানা অস্বীকার করতে পারবে না।

অর্থাৎ Estoppel নীতি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য, কারণ এটি ব্যক্তির ঘোষণা বা কাজের উপর ভিত্তি করে কার্যকর হয়, আইনি অধিকার বা প্রক্রিয়াগত বিষয়ের উপর নয়।

৬,৩৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ অনুযায়ী, মামলার কোন পর্যায়ে পক্ষগণ সালিশের উদ্দেশ্যে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারে?
  1. যেকোনো পর্যায়ে
  2. রায় ঘোষণার পর
  3. কেবল শুনানির শুরুতে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের পর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ(১) অনুযায়ী বলা হয়েছে "যদি কোন মামলার পক্ষগণ কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে আদালতের নিকট এই ভিত্তিতে মামলা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করে যে তারা মামলার বিরোধ বা বিরোধগুলি সালিশের নিকট প্রেরণ করবে..."
- এর মানে হলো, পক্ষগণ মামলার যেকোনো পর্যায়ে সালিশে যাওয়ার জন্য আদালতের অনুমতি চাইতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা-৮৯খ: সালিশী:
১) মোকদ্দমার বিরোধ অথবা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশের নিকট প্রেরণ করবেন এই কারণে মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কার্যপদ্ধতির যে কোন পর্যায়ে মোকদ্দমাটি তুলে নেয়ার জন্য আদালতের সমীপে আবেদন করলে আদালত আবেদন অনুমোদন করবে এবং মোকদ্দমা তুলে নেয়ার অনুমতি প্রদান করবে এবং তৎপরবর্তীতে যতদূর প্রযোজ্য, সালিশী আইন,২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) অনুযায়ী বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি হবে,
তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে কার্য প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিসের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে এই উপ-ধারার অধীন তুলে নেয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত মোকদ্দমার পক্ষসমূহ পুনঃ দাখিলের অধিকার অর্জন করবে।
২) ১নং উপ-ধারানুযায়ী পেশকৃত আবেদন সালিসী আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) এর ধারা নং ৯ এর অধীনে সালিসের সম্মতি বলে ধরে নিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section 89B. Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:
Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section.
(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).
৬,৩৪৬.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৬৯ ধারায় আদালতের হস্তক্ষেপ ব্যতীত কোন ধরণের সম্পত্তি বিক্রয় করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. ইজারাধীন সম্পত্তি
  2. বিচারাধীন সম্পত্তি
  3. বেদখলকৃত সম্পত্তি
  4. বন্ধকী সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
[ধারা ৬৯] আদালতের হস্তক্ষেপ ব্যতীত বিক্রয়-
 
আদালতের হস্তক্ষেপ ব্যতীত বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয় করতে বন্ধকগ্রহীতাকে ৬৯ ধারায় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বন্ধকের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়ম হলো- ৬৭ ধারায় বন্ধকগ্রহীতা ফোরক্লোসার বা আদালতের মাধ্যমে বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করবে। এমনকি ৬৮ ধারায় বন্ধকি-অর্থের জন্য বন্ধকগ্রহীতা মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে। কিন্তু কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে, ৬৯ ধারা-বন্ধকগ্রহীতাকে বন্ধকী-সম্পত্তি আদালতের আশ্রয় গ্রহণ ছাড়াই বিক্রয় করার অধিকার দিয়েছে।
যেমন:

ক. যেক্ষেত্রে বন্ধকটি হলো ইংলিশ বন্ধক এবং কোন পক্ষই হিন্দু, মোহাম্মাদান বা বৌদ্ধ বা সরকারী গেজেটে প্রকাশিত কোন বংশ, বা শ্রেণীর না;
খ. যেক্ষেত্রে বন্ধকগ্রহীতা এবং বন্ধকী দলিল সরকারকে বিক্রয়ে ব্যক্তভাবে ক্ষমতা দিয়েছে;
গ. যেক্ষেত্রে বন্ধকী দলিল বিক্রয়ের ব্যক্ত ক্ষমতা দিয়েছে এবং বন্ধকটি ঢাকা বা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত কোন শহরে সম্পাদন করা হয়েছে।
৬,৩৪৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৩ অনুসারে কত শ্রেনীর ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে?
  1. ৪ শ্রেনীর
  2. ৫ শ্রেনীর
  3. ৭ শ্রেনীর
  4. ৮ শ্রেনীর
ব্যাখ্যা

ধারা ২৩- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে: এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে নিম্নোক্ত ৮ শ্রেনীর ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোন পক্ষ;
খ) চুক্তির যেকোন পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, স্বচ্ছলতা বা
কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযোগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়োগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।
গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপোষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোন ব্যক্তি;
ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;
ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকারীর সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভউত্তরাধিকারী পাবার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভোগের উত্তরাধিকারী;
চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভোগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;
ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নূতন কোম্পানি;
জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়োজনবশতঃ চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলীতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।

৬,৩৪৮.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮১ক এর আওতায় পড়ে না?
  1. ডিজিটাল অফিসিয়াল গেজেট
  2. ব্যক্তিগত ডায়েরির স্ক্যান কপি
  3. সরকারি ডিজিটাল নোটিফিকেশন
  4. আইন দ্বারা সংরক্ষণযোগ্য ডিজিটাল রেকর্ড
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮১ক অনুযায়ী, ডিজিটাল অফিসিয়াল গেজেট, সরকারি ডিজিটাল নোটিফিকেশন, এবং আইন দ্বারা সংরক্ষণযোগ্য ডিজিটাল রেকর্ড আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে যথার্থ বলে ধরে নিতে পারে, যদি এগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয় ও সঠিক হেফাজত থেকে আসে।

তবে, ব্যক্তিগত ডায়েরির স্ক্যান কপি কোনো সরকারি নথি বা আইন দ্বারা সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতার আওতায় পড়ে না, তাই এটি ধারা ৮১ক-এর অনুমানের সুবিধা পাবে না। এটি আদালতে গ্রহণযোগ্য করতে হলে স্বতন্ত্র প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮১ক (81A) মূলত দুই ধরনের ডিজিটাল রেকর্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সত্য বলে ধরে নেয়:
- অফিসিয়াল গেজেটের ডিজিটাল কপি
- আইন দ্বারা সংরক্ষণযোগ্য ডিজিটাল রেকর্ড
তবে সরকারি ডিজিটাল নোটিফিকেশন, ভূমি রেকর্ড, আদালতের আদেশ ইত্যাদি এর অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে ব্যক্তিগত ডায়েরির স্ক্যান কপি, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, ব্যক্তিগত চিঠি বা ছবি—এসব স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রহণযোগ্য নয়, অতিরিক্ত প্রমাণ লাগবে।
-------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-81A. Presumption as to Gazettes in digital forms:
 The Court shall presume the genuineness of every digital record purporting to be the Official Gazette, or purporting to be digital record directed by any law to be kept by any person, if such digital record is kept substantially in the form required by law and is produced from proper custody.

Explanation.-Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.]
৬,৩৪৯.
মরজ-উল-মউত এর সময় উত্তরাধিকারী নয় এমন ব্যক্তির বরাবর প্রদত্ত দান উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি ব্যতীত-
  1. সম্পূর্ণ বাতিল
  2. এক তৃতীয়াংশ কার্যকর
  3. সম্পূর্ণ কার্যকর
  4. এক চতুর্থাংশ কার্যকর
ব্যাখ্যা
মরজ-উল-মউত বা মৃত্যুশয্যায় দান:
- মরজ শব্দের অর্থ- রোগ, মউত শব্দের অর্থ- মৃত্যু। মরজ-উল-মউত'র অর্থ মৃত্যুরোগ (Death Sickness) বা যে রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে।
- অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যু আশঙ্কায় থেকে তথা মৃত্যু শয্যায় থেকে দান করাকে মরজ-উল-মউত বলে। এরূপ দানের পর দাতার মৃত্যু হলে তা উইলের ন্যায় কার্যকর হবে অর্থাৎ তখন উইলের সীমাবদ্ধতা, বিধান ইত্যাদি প্রযোজ্য হবে। 
অর্থাৎ যখন কোনো ব্যক্তি এমন অসুস্থতায়/রোগে ভোগে, যার ফলে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে বলে মনে হয়, এমতাবস্থায় কোনো দান (Gift/Hiba) করলে, দানটিকে মৃত্যুশয্যায় দান (Marz-ul-Maut) বলে।

- এমন দান উইল (Wasiyyat) বলে গণ্য হবে এবং উইলের বিধান প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, এমন দানের ক্ষেত্রে উইলের ২টি শর্ত পূরণ করতে হয়-
১. সম্পত্তির ১/৩ এর বেশি দান (Gift/Hiba) করা যাবে না।
২. উত্তরাধিকারী বরাবর দান করা যাবে না।

⇒ কোনো ব্যক্তি মরজ-উল-মউতের সময় উত্তরাধিকারী নয় এমন ব্যক্তি বরাবর তার সম্পত্তির সর্বোচ্চ ১/৩ অংশ সম্পত্তি দান (Gift/Hiba) করতে পারেন।
৬,৩৫০.
The ordinary powers of Magistrates in The Code of Criminal Procedure are mentioned in-
  1. 2nd Schedule
  2. 3rd Schedule
  3. 4th Schedule
  4. 5th Schedule
ব্যাখ্যা
⇒The Third Schedule of the Criminal Procedure Code (CrPC) contains the comprehensive list of ordinary powers granted to different classes of Magistrates.
-This schedule outlines which Magistrates can try what types of cases and what powers they can exercise under various sections of the Code.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- Section 36. Ordinary powers of Magistrates: All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".
---------------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারার বিধান ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা: সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।
৬,৩৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা দায়ের সম্পর্কে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নোটিশ প্রদানের খরচ কে বহন করে?
  1. বাদী
  2. সরকার
  3. বিবাদী
  4. আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১, বিধি ৮ (১) অনুযায়ী, যদি একই স্বার্থে একাধিক ব্যক্তি মামলা করেন বা মামলা পরিচালনা করেন, তবে আদালত বাদীর খরচে নোটিশ প্রদান করবেন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে — হয় ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে, অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে।
তাই, নোটিশ প্রদানের ব্যয়ভার বহন করে বাদী।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।
(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in the same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plaintiff's expense, notice of the institution of the suit to all such personnel either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct
2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
৬,৩৫২.
দেওয়ানী কার্যবিধির __________________ অনুসারে রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে।
  1. আদেশ-২০ বিধি-১
  2. আদেশ-২০ বিধি-৩
  3. আদেশ-২০ বিধি-৫ক
  4. আদেশ-২০ বিধি-৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-৩ এর বিধান: রায় স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে:
-রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।
-----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order 20 Rule 3: Judgment to be signed: 
The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and, when once signed, shall not afterwards be altered or added to, save as provided by section 152 or on review.
৬,৩৫৩.
দলিল সংশোধনের মামলা কত বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়?
  1. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
-The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।

- প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে।
- দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power)
- চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
-  দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।
৬,৩৫৪.
তামাদি আইনের ধারা ৯ অনুসারে, তামাদির মেয়াদ গণনা কখন বন্ধ হবে না?
  1. আদালতে বাদীর আবেদনে
  2. পাওনাদারের মৃত্যুর কারণে
  3. দেনাদারের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে
  4. পরবর্তী অক্ষমতা বা অপারগতার কারণে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯ অনুযায়ী, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরে যার নাম “সময়সীমার অবিরাম চলন” (Continuous Running of Time)। এই ধারার মূল কথা হল: "Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue shall stop it."
- অর্থাৎ, একবার যদি তামাদির সময় গণনা শুরু হয়ে যায়, তাহলে পরবর্তীকালে বাদীর ওপর কোনো অপারগতা (disability) বা অক্ষমতা (inability) দেখা দিলেও তামাদির সময় গণনা থামবে না। সময় আগের মতই চলতে থাকবে।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯ অনুযায়ী, যদি তামাদির সময় গণনা একবার শুরু হয়ে যায়, তাহলে বাদীর ওপর পরবর্তী কোনো অপারগতা বা অক্ষমতা থাকলেও তা তামাদির সময়কে বন্ধ করতে পারবে না।

⇒ তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তী কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
---------
⇒ The Limitation Act, 1908- Section 9:- Continuous running of time:
- Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৬,৩৫৫.
'ক' একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসেবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় কী প্রতিকার চাইতে পারে?
  1. চুক্তি পরিবর্তন
  2. চুক্তি সংশোধন
  3. চুক্তি রদ বা বাতিল
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলায় বিকল্প হিসেবে বাতিলের প্রার্থনা চাইতে পারে।

এই ধারায় বলা হয়েছে, একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা দায়েরকারী বাদী বিকল্প প্রার্থনা জানাতে পারে যে, চুক্তিটি যদি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না যায়, তাহলে তা বাতিল করা হোক। আদালত যদি চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে অস্বীকার করেন, তাহলে তা রদ করার এবং সেই অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।

ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৬,৩৫৬.
একটি দেওয়ানি আদালত প্রদত্ত রায়ের বিষয়ে রিভিউ মামলা দায়ের করা যায় কোন আদালতে ?
  1. একই আদালত
  2. সমপর্যায়ের অন্য আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আপিল আদালত
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১১৪ ধারায় বলা হয়েছে “….may apply for a review of judgment  to the court which passed the decree or order”. অর্থাৎ যে আদালত রায় বা আদেশ দিয়েছে রিভিউ-এর আবেদন সেই আদালতেই করতে হবে।
♦ অর্থাৎ আদালতের কোন রায়কে একই আদালতে পুনঃবিবেচনার আবেদন কে রিভিউ বলে।
♦ দেওয়ানি মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের করতে হবে রায়ের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে। (তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৭৩)
৬,৩৫৭.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোনটি গুরুতর আঘাত নয়?
  1. কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ
  2. যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্টসাধন
  3. মাথা বা মুখমণ্ডল ক্ষণস্থায়ী ভাবে ক্ষত করণ
  4. দুই কর্ণের যে কোন কোনটির শ্রবণশক্তি রহিতকরণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।

উল্লিখিত প্রশ্নে 'মাথা বা মুখমণ্ডল ক্ষণস্থায়ী ভাবে ক্ষত করণ' গুরুতর আঘাত নয়। কারণ মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ হচ্ছে গুরুতর আঘাত।
----------------------------
⇒ Grievous hurt:
Section 320. The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৬,৩৫৮.
“পাবলিক প্রসিকিউটর” কে নিয়োগ করেন?
  1. পুলিশ
  2. সরকার
  3. হাইকোর্ট
  4. ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯২ অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা সরকারের (Government) রয়েছে। - ধারা ৪(t)-তে "পাবলিক প্রসিকিউটর" এর সংজ্ঞায়ও এটি স্পষ্ট করা হয়েছে। পাবলিক প্রসিকিউটর ফৌজদারি মামলায় রাষ্ট্রের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন এবং সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার, সাধারণভাবে বা কোনো নির্দিষ্ট মামলা, বা মামলার কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির জন্য, এবং কোনো নির্দিষ্ট স্থানীয় এলাকার জন্য, “পাবলিক প্রসিকিউটর” নামে একজন বা একাধিক কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, অথবা যেখানে কোনো পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করা হয়নি, সেখানে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সরকারের নির্ধারিত পদমর্যাদার নিচের কোনো পুলিশ অফিসার না হন — এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492: Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.

৬,৩৫৯.
The Code of Criminal Procedure 1898- একটি-
  1. Substantive law
  2. Procedural Law
  3. Penal Law
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি ( CrPC ) একটি পদ্ধতিগত আইন। এটি পেনাল কোডসহ অন্যান্য আইনের অপরাধের বিচারের প্রক্রিয়া বর্ণনা করে বলে একে procedural law বলে। অন্য দিকে যে আইন অধিকার ও দায়িত্বকে সংজ্ঞায়ন করে এবং প্রতিকার প্রদান করে তাঁকে মৌলিক আইন বা substantive law বলে।
৬,৩৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দেয়া হয়?
  1. ৪৯০ ধারা
  2. ৪৯২ ধারা 
  3. ৪৯৪ ধারা
  4. ৫০২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:
(১) সরকার, সাধারণভাবে বা কোনো নির্দিষ্ট মামলা, বা মামলার কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণীর জন্য, এবং কোনো নির্দিষ্ট স্থানীয় এলাকার জন্য, “পাবলিক প্রসিকিউটর” নামে একজন বা একাধিক কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে পারবেন।

(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, অথবা যেখানে কোনো পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করা হয়নি, সেখানে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সরকারের নির্ধারিত পদমর্যাদার নিচের কোনো পুলিশ অফিসার না হন — এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন।

৬,৩৬১.
Who is NOT an Ex-officio Justice of the Peace?
  1. Sessions Judges
  2. District Magistrates
  3. Metropolitan Magistrates
  4. Supreme Court Judges
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।
- সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারক পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস।
- দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস।

- অর্থাৎ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে (Ex-officio) জাস্টিস অফ দি পিস নয়।

-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 22: Justice of the peace for the mafassal:
The Government may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.
Repealed
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 25: Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
৬,৩৬২.
শুনানি সমাপ্তি ও রায় ঘোষণার মধ্যবর্তী সময়ে কোন পক্ষের মৃত্যু ঘটলে, মোকদ্দমার ফলাফল কী??
  1. মোকদ্দমা অ্যাবেট হবেনা
  2. মৃত্যু সত্ত্বে রায় ঘোষণা হবে
  3. মৃত্যুর কারণের মোকদ্দমা অ্যাবেট হয়ে যাবে
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২২ বিধি-৬ এর বিধান শুনানির পর মৃত্যুর কারণে কোনরূপ বাতিল হবে না: 
- পূর্ববর্তী বিধিসমূহে কোন বিধান থাকা সত্ত্বে মোকদ্দমার কারণ উদ্ভব হোক বা না হোক শুনানি সমাপ্তি এবং রায় ঘোষণার মধ্যবর্তী সময়ে কোন পক্ষের মৃত্যুর কারণে কোন মোকদ্দমা বাতিল হবে না, কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে মৃত্যু সত্ত্বেও রায় ঘোষণা করা যাবে এবং উক্ত মৃত্যু হওয়ার পূর্বে রায় প্রকাশিত হলেও যেরূপ শক্তি ও কার্যকারীতা থাকত এটিরও সেটাই থাকবে।
----------------
⇒ Order-22 Rule.-6: No abatement by reason of death after hearing:-
- Notwithstanding anything contained in the foregoing rules, whether the cause of action survives or not, there shall be no abatement by reason of the death of either party between the conclusion of the hearing and the pronouncing of the judgment, but judgment may in such case be pronounced notwithstanding the death and shall have the same force and effect as if it had been pronounced before the death took place.
৬,৩৬৩.
"Constructive Res Judicata" দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১-এর কোন Explanation-এ আছে? 
  1. Explanation III
  2. Explanation VIII
  3. Explanation IV
  4. Explanation VI
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১-এর Explanation IV-এ কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা (Constructive Res Judicata) বা পরোক্ষ দোবারা দোষ নীতিটি বর্ণিত আছে।
- "Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit."

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা];
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা];
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ];
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ];
৫ম ব্যাখ্যা: Any relief not granted shall be deemed to have been refused [প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে];
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights [সার্বজনীন বা সাধারণ অধিকার বা বাস্তব সুবিধার জন্য মামলা]
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-11. Res Judicata:
- No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 

Explanation I.-The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II.-For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III.-The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV.-Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V.-Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.

৬,৩৬৪.
ক' 'খ' এর নিকট একটিবাড়ী ১০০০ টাকায় বিক্রি করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' ক্রয়মূল্য প্রদান করলেও 'ক' বাড়ী বিক্রয় করতে অস্বীকার করে। 'খ' এর প্রতিকার কী?
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  3. চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১২ অনুচ্ছেদ (গ) অনুযায়ী- আমরা জানি স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে কোন চুক্তি করা হলে উক্ত চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য। ক এবং খ এর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির বিষয়বস্তু হলো স্থাবর সম্পত্তি, বাড়ী। তাই চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য। কারণ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না
৬,৩৬৫.
'ক' মজুতদারি ও কালোবাজারি কারবারের জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। এক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ‘ক’ যদি মজুতদারি ও কালোবাজারি (hoarding বা black‑market dealing)–এর জন্য দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৫: মজুতদারি ও কালোবাজারি কারবারের শাস্তি-
(১) যদি কোনো ব্যক্তি মজুতদারি ও কালোবাজারি কারবারের জন্য দোষী সাব্যস্ত হন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসরের সশ্রম কারাদন্ডে, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, মজুতদারি অপরাধের ক্ষেত্রে, এইরূপ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি প্রমাণ করিতে পারেন যে, তিনি আর্থিক বা অন্যকোনো লাভ করিবার উদ্দেশ্য ব্যতীত মজুত করিয়াছিলেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক তিন মাসের কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

(২) আদালত মজুতদারি বা কালোবাজারি কারবারের অপরাধে দণ্ড দানের সময় অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত সবকিছু সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিবে।

‘ক’ কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ মজুতদারি বা কালোবাজারি-এই ধারার অন্তর্ভুক্ত—সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে 'মৃত্যুদণ্ড' প্রযোজ্য হয়।
৬,৩৬৬.
মৃত্যুকালীন ঘোষণার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কারো নিকট মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়া যায় না
  2. পুলিশের কাছে মৃত্যুকালীন ঘোষণা দিলে তা গ্রহণযোগ্য নয়
  3. মৃত্যুকালীন ঘোষণা কেবল ডাক্তার এর সামনে দেওয়া যাবে
  4. মৃত্যুকালীন ঘোষণা যে কোনো ব্যক্তির সামনে দেওয়া যাবে
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act  এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)-
সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
৬,৩৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক অনুসারে, গ্রেপ্তারের স্মারক প্রস্তুতের জন্য অন্তত কতজন সাক্ষীর সত্যায়ন প্রয়োজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. সাক্ষীর প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক: গ্রেপ্তার পদ্ধতি ও গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব- 
গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্যান্য যে ব্যক্তি গ্রেপ্তার করছেন, তাকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো পালন করতে হবে-
(ক) তার নামের সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচয় বহন করতে হবে, যাতে সহজে শনাক্ত করা যায়;

(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং প্রয়োজনে অভিযুক্ত ও গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের তার পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে;

(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারক প্রস্তুত করতে হবে, যা—
(i) অন্তত একজন সাক্ষী দ্বারা সাক্ষ্য সত্যায়িত হতে হবে, যিনি গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তের পরিবারের সদস্য বা সংশ্লিষ্ট এলাকার সুনামধন্য ব্যক্তি হবেন, এবং যদি এমন কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকে উল্লেখ করতে হবে;
(ii) অভিযুক্ত যদি অস্বীকার না করে, তবে স্মারকে অভিযুক্তের স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ থাকবে;

(ঘ) যেখানে অভিযুক্তকে তার বাসা থেকে অন্য স্থানে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে অভিযুক্তের দ্বারা মনোনীত পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে যত দ্রুত সম্ভব, কিন্তু গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং কন্ট্রোলের স্থানের তথ্য জানাতে হবে;

(ঙ) যদি গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে তাকে মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, শংসাপত্র সংগ্রহ করতে হবে এবং আঘাতের কারণ নথিভুক্ত করতে হবে;

(চ) অভিযুক্ত চাইলে তাকে নিজের পছন্দের উকিলের সঙ্গে পরামর্শ করার বা নিকটতম আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দিতে হবে, সম্ভব হলে গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে।

৬,৩৬৮.
'ক' আদালতের কাছে বলছে যে, 'খ' এই অপরাধটি করেছে এবং তার জন্য তাকে শাস্তি দেওয়া হোক। এক্ষেত্রে-
  1. আদালত শাস্তি দিবে
  2. 'খ' কে প্রমাণ করতে হবে সে নির্দোষ
  3. 'ক' কে প্রমাণ করতে হবে 'খ' অপরাধী
  4. আদালতকে প্রমাণ করতে হবে 'খ' অপরাধী
ব্যাখ্যা
•The Evidence Act, 1872 এর ১০১ ধারা অনুযায়ী প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায়- যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। অর্থাৎ, যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো আইনগত অধিকার বা দায়িত্বের বিষয়ে আদালতের রায় চান, যা তার দাবীকৃত কিছু ঘটনার উপর নির্ভরশীল, তাহলে তাকেই সেই ঘটনাগুলির অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হবে।

Section 101- Burden of proof:
Whoever desires any Court to give judgment as to any legal right or liability dependent on the existence of facts which he asserts, must prove that those facts exist. When a person is bound to prove the existence of any fact, it is said that the burden of proof lies on that person.

Illustrations
(a) A desires a Court to give judgment that B shall be punished for a crime which A says B has committed. A must prove that B has committed the crime.

এই ধারা অনুযায়ী,
যে ব্যক্তি অভিযোগ করেছে, তারই দায়িত্ব সেই অভিযোগের প্রমাণ পেশ করা। অর্থাৎ 'ক' যদি বলে যে 'খ' অপরাধী, তাহলে তা 'ক' এর দায়িত্ব প্রমাণ করার যে 'খ' সত্যিই ওই অপরাধটি করেছে। তাহলেই আদালত 'খ'-কে সেই অপরাধের জন্য শাস্তি দিতে পারবে।
৬,৩৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ অনুসারে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকা (bond) প্রদানের আদেশ দিলে এর সর্বোচ্চ মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ মাস 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন যা: শান্তিভঙ্গ বা তা উসকে দেওয়া সংক্রান্ত, অথবা আসামি দ্বারা হুমকি প্রদর্শন (criminal intimidation) সংক্রান্ত, এবং আদালত মনে করেন যে, তাকে ভবিষ্যতে শান্তি বজায় রাখতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত মুচলেকা (bond) প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
-এই মুচলেকার মেয়াদ সর্বোচ্চ হতে পারে ৩ (তিন) বছর।
- এই আদেশ দিতে পারেন: হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
- যদি দণ্ডটি আপিলে বাতিল হয়, তাহলে মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে।
 অতএব, ধারা ১০৬ অনুসারে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার সর্বোচ্চ সময়কাল ৩ বছর।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-106: Security for keeping the peach on conviction:
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix.
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void.
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.

৬,৩৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে 'সেটেলমেন্ট' বলতে নিচের কোনটি বোঝাবে না?
  1. চুক্তি
  2. উইল
  3. দলিল
  4. সবগুলো বোঝাবে
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 ধারা ৩: "Settlement" বলতে এমন কোনো লিখিত চুক্তি বা দলিল বোঝায়, যা উইল বা কোডিসিল ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে স্থাবর (জমি, বাড়ি) বা অস্থাবর (টাকা, গহনা) সম্পত্তির মালিকানা বা উত্তরাধিকার কাকে যাবে, তা নির্ধারণ বা হস্তান্তরের জন্য করা হয়।

"settlement" means any instrument (other than a will or codicil as defined by the Succession Act, 1925 whereby the destination or devolution of successive interests in moveable or immoveable property is disposed of or is agreed to be disposed of.
৬,৩৭১.
নিচের কোন শাস্তিটি দণ্ডবিধি অনুযায়ী বৈধ নয়?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. নির্জন কারাবাস
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
(v) অর্থদণ্ড (fine)
- ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
- দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও বিনাশ্রম।
- Section-53 Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.

- অর্থাৎ দণ্ডবিধি অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম বৈধ শাস্তি নয়।
৬,৩৭২.
The Specific Relief Act, ১1877 অনুযায়ী নিম্নের কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার দাবি করা যেতে পারে?
  1. বিবাদী কর্তৃক ক্রমাগত এমন লংঘন রোধ করার জন্য যেক্ষেত্রে বাদীর মৌন সম্মতি আছে
  2. যেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর পক্ষে সম্পত্তির জিম্মাদার এবং বাদীকে সম্পত্তি ভোগে বাধা দেয়
  3. কোন ফৌজদারিকার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য
  4. সুনির্দিষ্ট কার্যকর করা যায়না এমন কোন চুক্তির শর্তভঙ্গ বন্ধ করার জন্য
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
♦৫৬ ধারামতে আদালত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ (viii) অনুসারে একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন রোগ করার জন্য সেক্ষে বাদীর মৌন সম্মতি আছে ৫৬(v) অনুসারে কোন ফৌজদারী কার্যধারা স্থগিত করার জন্য এবং ৫৬ (vi) অনুসারে, যে চুক্তির কার্য সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না, এরুপ কোন চুক্তিভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
♦অন্যদিকে ৫৪ (ক) ধারা অনুসারে, যেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর পক্ষে সম্পত্তির জিম্মাদার, সেই ক্ষেত্রে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে।
৬,৩৭৩.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন দণ্ড কে বাতিল করার অধিকারী?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সরকার
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩০ক ধারায় সরকার বিশেষ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন দণ্ড যেকোন সময় হ্রাস, বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে।

Section 30A: Power of Government to remit, suspend or commute any sentence
Without prejudice to the provisions of Chapter XXIX of the Code, the Government may at any time remit, suspend or commute any sentence passed by Special Tribunal under this Act.
৬,৩৭৪.
The Evidence Act,1872 is categorized under which type of law?
  1. Objective Law
  2. Procedural Law
  3. Substantive Law
  4. None of them
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন একটি পদ্ধতিগত আইন বা ইংরেজিতে Procedural Law বা Adjective law. এই আইনের মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, আদালত মামলার বিচার্য বিষয় প্রমাণের জন্য মামলার কোন পক্ষ কোন কোন বিষয়ের উপর সাক্ষ্য দিতে পারবে, কোনটিতে দিতে পারবে না, কোন সাক্ষ্যগুলো প্রাসঙ্গিক, কোনগুলো অপ্রাসঙ্গিক, গ্রহণযোগ্যতা, সাক্ষ্য সম্পর্কে আদালতের অনুমান, কে প্রমাণ করবে অর্থাৎ প্রমাণের ভার ইত্যাদি। 

⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
⇒ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
৬,৩৭৫.
যে আদালত নিজে ডিক্রি দিয়েছে, কিন্তু অন্য আদালতের মাধ্যমে তা কার্যকর করাতে চায়, সেক্ষেত্রে সে কী করবে?
  1. ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু করবে
  2. পুনরায় মামলা দায়ের করবে
  3. প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ডিক্রিটি পাঠাবে
  4. অন্য আদালতে আবেদন করবে নতুন করে শুনানির জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৬ (Rule 6 of Order XXI) অনুযায়ী, যদি কোনো আদালত নিজে ডিক্রি প্রদান করে কিন্তু অন্য কোনো আদালতের মাধ্যমে ডিক্রিটি কার্যকর করাতে চায়, তাহলে তাকে সেই আদালতে নিম্নলিখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ডিক্রিটি পাঠাতে হবে:
- ডিক্রির একটি প্রত্যয়িত কপি
- একটি সার্টিফিকেট – যাতে উল্লেখ থাকবে যে, ডিক্রির কোনো অংশ সন্তোষজনকভাবে পরিশোধ হয়নি, বা আংশিক পরিশোধ হয়েছে – কতটুকু হয়েছে এবং কতটুকু বাকি রয়েছে
- ডিক্রি কার্যকরের আদেশের কপি, অথবা যদি আদেশ না থাকে, তার একটি সার্টিফিকেট
এগুলো ছাড়া অন্য কোনো কার্যক্রম (যেমন: পুনরায় মামলা, ফৌজদারি পদক্ষেপ বা শুনানির আবেদন) করার বিধান নেই।

⇒ অর্থাৎ আদালত নিজে ডিক্রি কার্যকর না করে অন্য আদালতে পাঠাতে চাইলে — সেটি শুধুমাত্র বিধি-৬ মোতাবেক প্রয়োজনীয় দলিলসহ পাঠিয়ে দেয়, যা সম্পূর্ণ দেওয়ানী কার্যবিধির কাঠামোর মধ্যেই পড়ে।
৬,৩৭৬.
ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।

♦ প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে।
♦  দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power)
♦  চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
♦  দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।
৬,৩৭৭.
পূর্ববর্তী দণ্ড সম্পর্কে চার্জে উল্লেখ করা প্রয়োজন হলে তা যদি উল্লেখ করা না হয়, তাহলে উক্ত পূর্ববর্তী দণ্ড সম্পর্কে কোন বক্তব্য চার্জে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে-
  1. আদালতের নিজের ইচ্ছায়
  2. ফরিয়াদীর আবেদন অনুসারে
  3. রাষ্ট্র পক্ষের প্রসিকিউটরের আবেদনে
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২২১(৭) মতে আসামী পূর্বে কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হওয়ার পরে পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ডে বা ভিন্ন প্রকৃতির দণ্ডে দন্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার প্রয়োজন হলে পরবর্তী অভিযোগে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা, তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে। এরূপ উল্লেখ করা না হয়ে থাকলে আদালত দণ্ডদানের পূর্বে যে কোন সময় তা যোগ করতে পারবেন।
৬,৩৭৮.
গুদামরক্ষক 'A'-এর দায়িত্ব ছিল 'Z'-এর নিকট কিছু মাল অর্পন করা যা 'A'-এর দখল থেকে 'B' নিয়ে গেছে। এখানে 'A', 'B'-এর বিরুদ্ধে কী মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণের
  2. স্বত্ব ঘোষণার
  3. সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের
  4. মালামাল পুনরুদ্ধারের
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
ব্যখ্যা-১ঃ এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
 
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
 
উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। 'খ', 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
(খ) 'ক' কিছু ঋণের জন্য 'খ'-এর নিকট কিছু অলংকার বন্ধক রাখে। 'খ' সেগুলি বিক্রয় করার অধিকারী হওয়ার আগেই বিক্রয় করে। 'ক' ঋণের অর্থ পরিশোধ না করেই অলঙ্কারাদির দখলের জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলা অবশ্যই খারিজ হবে। কারণ 'ক' সেগুলির দখলের অধিকারী নয়, তার যতটুকু অধিকার তা হচ্ছে অলঙ্কারসমূহের নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।
(গ) 'ক', 'খ' কর্তৃক তার নিকট লিখিত একটি চিঠি পেল। 'খ', 'ক'-এর সম্মতি ছাড়াই উক্ত চিঠি ফিরিয়ে দিল। উক্ত চিঠিতে 'ক'-এর এমন এক স্বত্ব রয়েছে, যা তাকে 'খ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করার অধিকারী করে।
(ঘ) 'ক', 'খ'-এর নিকট নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য বই এবং কাগজপত্র জমা রাখে। 'খ' সেগুলি হারিয়ে ফেলল এবং 'গ' সেগুলি পেল, কিন্তু 'খ' যখন আইনের ১৬৮ ধারা অনুসারে 'গ'-এর যদি কোন অধিকার জন্মে থাকে তবে তৎসাপেক্ষে 'গ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করতে পারে।
(ঙ) গুদামরক্ষক 'ক'-এর দায়িত্ব ছিল 'খ'-এর নিকট কিছু মাল অর্পণ করায় যা 'ক'- এর দখল হতে 'খ' নিয়ে গেছে। 'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত মালামালের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
 
Explanation 1 - A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2 - A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
 
Illustrations:
(a) A bequeaths land to B for his life, with remainder to C. A dies. B enters on the land, but C, without B's consent, obtained possession of the title-deeds. B may recover them from C.
(b) A pledges certain jewels to B to secure a loan. B disposes of them before he is entitled to do so. A, without having paid or tendered the amount of the loan, sues B for possession of the jewels. The suit should be dismissed, as A is not entitled to their possession, whatever right he may have to secure their safe custody.
(c) A receives a letter addressed to him by B. B gets back the letter without A's consent. A has such a property therein as entitles him to recover it from B.
(d) A deposits books and papers for safe custody with B. B losses them, and C finds them but refuses to deliver them to B when demanded. B may recover them from C, subject to C's right, if any, under section 168 of the Contract Act, 1872.
(e) A, warehouse-keeper, is charged with the delivery of certain goods to Z, which B takes out of A's possession. A may sue B for the goods.
৬,৩৭৯.
দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ চুরির পূর্বে কারো মৃত্যু ঘটানোর বা আঘাত করার প্রস্তুতি নিয়ে চুরি করে, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ চুরির পূর্বে বা চুরির সময় বা চুরির পর পালানোর উদ্দেশ্যে মৃত্যু ঘটানোর, আঘাত করার, আটক রাখার, অথবা ভয় সৃষ্টি করার প্রস্তুতি নেয়, এবং এরপর চুরি সম্পন্ন করে, তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারার বিধান চুরির উদ্দেশ্যে মৃত্যু ঘটানো, আঘাত করা বা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি:-
কোন ব্যক্তি যদি চুরি করার পূর্বে চুরি করার জন্য, অথবা চুরি করে পলায়নের জন্য অথবা অনুরূপ চুরি কর্তৃক লব্ধ সম্পত্তি রক্ষণের জন্য মৃত্যু ঘটানোর, অথবা আঘাত করার, অথবা আটকানোর অথবা মৃত্যুর ভয় সৃষ্টি করার, অথবা আঘাত করার, ভয় সৃষ্টি করার অথবা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদেণ্ডও দণ্ডিত হবে।

⇒ উদাহরণসমূহ:
(ক) ক, গ এর দখলভুক্ত সম্পত্তি চুরি করে। চুরি করার সময় সে পোশাকের নিচে একটি গুলি ভর্তি পিস্তল লুকিয়ে রাখে। গ বাধা দিলে তাকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ক গুলি ভর্তি পিস্তলটি রাখে। 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছেন বলে পরিগণিত হবে।
(খ) ক গ-এর পকেট মারে। পকেট মারার পূর্বে সে তার কয়েকটি সঙ্গীকে আশেপাশে মোতায়েন করে। গ যদি টের পায় যে, তার পকেট মারা হচ্ছে এবং টের পেয়ে যদি সে তা রোধ করতে চায় অথবা যদি সেককে আটক করার চেষ্টা করে, তবে তাকে রাখার উদ্দেশ্যে ক তার সঙ্গীদের মোতায়েন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 382. Theft after preparation made for causing death, hurt or restraint, in order to the committing of the theft:
Whoever commits theft, having made preparation for causing death, or hurt, or restraint, or fear of death, or of hurt, or of restraint, to any person, in order to the committing of such theft, or in order to the effecting of his escape after the committing of such theft, or in order to the retaining of property taken by such theft, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

⇒ Illustrations:
(a) A commits theft on property in Z's possession; and, while committing this theft, he has a loaded pistol under his garment having provided this pistol for the purpose of hunting Z in case Z should resist. A has committed the offence defined in this section.
(b) A picks Z's pocket, having posted several of his companions near him, in order that they may restrain Z, if Z should perceive what is passing and should resist, or should attempt to apprehend A. A has committed the offence defined in this section.
৬,৩৮০.
যদি কোনো স্বীকারোক্তি অন্যথায় প্রাসঙ্গিক হয়, তাহলে সাক্ষ্য আইনের ২৯ ধারার মতে কোন পরিস্থিতিতে উক্ত স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. অভিযুক্তকে প্রতারণার মাধ্যমে স্বীকারোক্তি গ্রহণ করা হলে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষ স্বীকার করার সময় নেশাগ্রস্ত থাকলে
  3. স্বীকারোক্তি এমন প্রশ্নের উত্তরে দেওয়া হলে, যার উত্তর দেওয়ার জন্য সে বাধ্য ছিল না
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯: দোষ স্বীকারোক্তি গোপনীয়তার প্রতিশ্রুতি ইত্যাদির কারণে অপ্রাসঙ্গিক হবে না-

যদি কোনো স্বীকারোক্তি অন্যথায় প্রাসঙ্গিক হয়, তবে এটি নিম্নলিখিত কারণগুলোর জন্য অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে না—
- এটি গোপন রাখার প্রতিশ্রুতির অধীনে করা হয়েছে।
- এটি অভিযুক্ত ব্যক্তির সাথে প্রতারণা করে গ্রহণ করা হয়েছে।
- এটি অভিযুক্ত ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় দিয়েছে।
- এটি এমন প্রশ্নের উত্তরে দেওয়া হয়েছে, যার উত্তর দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি বাধ্য ছিল না।
- প্রশ্নগুলোর কাঠামো যাই হোক না কেন, স্বীকারোক্তিটি প্রাসঙ্গিক থাকবে।
- অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সতর্ক করা হয়নি যে, সে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নয় এবং এটি তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।

অর্থাৎ, উপরোক্ত কোনো কারণের জন্য দোষ স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য বা অপ্রাসঙ্গিক হবে না, যদি তা আইনের দৃষ্টিতে প্রাসঙ্গিক হয়।
৬,৩৮১.
বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান কীভাবে নির্বাচিত হন?
  1. বার অ্যাসোসিয়েশন মনোনীত করে
  2. বার কাউন্সিল সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচন হয়
  3. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন
  4. এটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেন
ব্যাখ্যা

The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুচ্ছেদ ৬- বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর বিষয়ে আলোচনা করা আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
১- বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন।
২- বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে ভাইস চেয়ারম্যন নির্বাচিত হবেন।
৩- চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর কাজ ও ক্ষমতা এই বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে।

৬,৩৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক অনুযায়ী, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা পুলিশ সুপার
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক (১) অনুসারে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার বা সমতুল্য পদমর্যাদার অন্য কোনো কর্মকর্তা যিনি তদন্ত তদারকি করছেন, তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন। সুতরাং, এই ক্ষেত্রে জেলা পুলিশ সুপার সঠিক উত্তর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।
(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।
(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
---------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 173A. Interim investigation report, etc.- 
(1) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) of section 173, before completion of an investigation of any case under this Chapter, the Police Commissioner or the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may require the Investigating Officer to submit an interim investigation report as to the progress of the investigation of the case.
(2) If the interim investigation report, as required, discloses that there is insufficient evidence against any accused, the Police Commissioner, the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may direct the Investigating Officer to submit the report to the Magistrate and upon receipt of such report, the Magistrate or the Tribunal, as the case may be, may, if satisfied, order to discharge such accused subject to sub-section (3), without prejudice to the continuation of investigation against the remaining accused persons.
(3) Notwithstanding the discharge of any accused under sub-section (2), if, upon completion of the investigation, it appears on the basis of sufficient and substantive evidence that such person is involved in the commission of the alleged offence, the Investigating Officer shall not be precluded from including his name in the police report under section 173.

৬,৩৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি কার্যকর করার জন্য নিম্নের কোনটি আদালতের একটি ক্ষমতা নয়?
  1. রিসিভার নিয়োগ
  2. ডিক্রি-হোল্ডারকে গ্রেপ্তার
  3. নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের আদেশ
  4. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলামের মাধ্যমে আদায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারা অনুযায়ী, আদালত "ডিক্রি কার্যকর করার জন্য" নিম্নলিখিত উপায়ে আদেশ দিতে পারে:
১) নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তর করা (Clause a)
২) সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম/নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে (Clause b)
৩) ডিক্রি-দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও কারাবন্দি করা (Clause c)
৪) রিসিভার নিয়োগ করা (Clause d)
৫) প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য পন্থা অবলম্বন করা (Clause e)
- এখানে লক্ষ্যণীয় যে, গ্রেপ্তারের ক্ষমতা আদালতের থাকে "ডিক্রি-দেনাদার" এর বিরুদ্ধে, ডিক্রি-হোল্ডার (যিনি মামলা জিতেছেন) এর বিরুদ্ধে নয়।
অতএব, ডিক্রি-হোল্ডারকে গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা আদালতের নেই, কারণ তিনি আদালতের আদেশ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১: ডিক্রিজারি কার্যকর করার জন্যে আদালতের ক্ষমতা:
নির্ধারিত শর্ত এবং নিয়ন্ত্রণসাপেক্ষে আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে নিম্নবর্ণিত যে কোন উপায়ে ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারেন-
ক) ডিক্রিতে আদিষ্ট কোন সম্পত্তি অপর্ণের দ্বারা;
খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় দ্বারা বা ক্রোকবিহীন নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা;
গ) দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের দ্বারা;
ঘ) রিসিভার নিয়োগ দ্বারা; বা
ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতির প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন পন্থায় ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ পূর্বে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য উপযুক্ত সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং তৎপর আদালত যদি নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, লিখিতভাবে তা উল্লেখ করে অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন:
ক) দেনাদার ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান বা তা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ত্যাগ করতেপারে; বা
২. ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এরূপ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর তার সম্পত্তির কোন অংশ তার দ্বারা অসদুপায়ে স্থানান্তরিত, বিনষ্ট বা অপসারণ করা হয়েছে, বা তার সম্পত্তি নিয়ে যে কোন অবিশ্বস্ততার কাজ করেছে; বা
খ) ডিক্রির তারিখ থেকে ডিক্রির টাকা অথবা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অংশ পরিশোধের সংগতি রায়সিদ্ধ দেনাদারের আছে বা ছিল, অথচ দেনাদার তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা জ্ঞাপন করেছে বা করেছে; বা
গ) যে টাকার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, তজ্জন্য রায়সিদ্ধ দেনাদারের দায়িত্বও পরোক্ষ ছিল।
ব্যাখ্যা- খ) দফায় বর্ণিত দেনাদারের সংগতি নির্ধারণকল্পে, দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অন্য কোন রীতি অনুসারে ডিক্রি জারির দরুনক্রোক থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য, তা হিসাবে ধরা চলবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, 51. Powers of Court to enforce execution:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, on the application of the decree-holder, order execution of the decree-
(a) by delivery of any property specifically decreed;
(b) by attachment and sale or by sale without attachment of any property;
(c) by arrest and detention in prison;
(d) by appointing a receiver; or
(e) in such other manner 36[as may be provided hereinafter in the Code or] as the nature of the relief granted may require:
Provided that, where the decree is for the payment of money, execution by detention in prison shall not be ordered unless, after giving the judgment-debtor an opportunity of showing cause why he should not be committed to prison, the Court, for reasons recorded in writing, is satisfied-
(a) that the judgment-debtor, with the object or effect of obstructing or delaying the execution of the decree,-
(i) is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
(ii) has, after the institution of the suit in which the decree was passed, dishonestly transferred, concealed, or removed any part of his property, or committed any other act of bad faith in relation to his property; or
(b) that the judgment-debtor has, or has had since the date of the decree, the means to pay the amount of the decree or some substantial part thereof and refuses or neglects or has refused or neglected to pay the same, or
(c) that the decree is for a sum for which the judgment-debtor was bound in a fiduciary capacity to account.
Explanation.-In the calculation of the means of the judgment-debtor for the purposes of clause (b), there shall be left out of account any property which, by or under any law or custom having the force of law for the time being in force, is exempt from attachment in execution of the decree.
৬,৩৮৪.
কোন ক্ষেত্রে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও, স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে?
  1. স্বামী ধর্মান্তর হলে
  2. স্বামী পুনরায় বিবাহ করলে
  3. স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইনটি ১৯৪৬ সালের। এই আইনে বিবাহিতা হিন্দু নারী বিচ্ছেদ ছাড়াও, স্বামী হতে পৃথক থাকতে পারে। উক্ত আইনে উল্লেখিত ক্ষেত্রসমূহে স্ত্রী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে। ক্ষেত্রগুলো হলো-

⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
if he (husband) is suffering from any loathsome disease not contracted from her;

⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
if he is gulity of such cruelty towards her as renders it unsafe or undesirable for her to live with him;

⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
if he keeps a concubine in the house or habitually resides with a concubine;

⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
if he ceases to be a Hindu by conversion to another religion;

⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
if he is guilty of desertion, that is to say, of abandoning her without her consent or against her wish;

⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে;
if he marries again; এবং

⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
for any other justifiable cause
৬,৩৮৫.
নিচের কোন বিধানের অধীনে প্রদত্ত আদেশটি আপিলযোগ্য নয়?
  1. আদেশ-৮ বিধি-১০
  2. আদেশ-১০ বিধি-৭
  3. আদেশ-১৬ বিধি-২০
  4. আদেশ-৩৯ বিধি-২
ব্যাখ্যা
⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ নং ৪৩ এ আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়া হয়েছে, আদেশ ১০ বিধি-৭ উক্ত তালিকায় নাই। কিন্তু আদেশ-৮ বিধি-১০, আদেশ-১৬ বিধি-২০, আদেশ-৩৯ বিধি-২উক্ত তালিকায় আছে।
- আদেশ ৪৩-এ মোট ২৫ টি আদেশকে আপিলযোগ্য আদেশ মর্মে বলা হয়েছে। এই ২৫ প্রকারের আদেশ ব্যতীত দেওয়ানী আদালতের অপরাপর আদেশ-এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই, সেখানে রিভিশন করার বিধান আছে।
৬,৩৮৬.
কয় পদ্ধতিতে অপরাধের সহায়তা (abetment) করা যায়?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. অসংখ্য ভাবে
ব্যাখ্যা
♦ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে। 
     ♦ ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে

      (i) কাউকে প্ররোচিত করে  (instigation)

      (ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে  (engagement)

      (iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে  (aiding)
৬,৩৮৭.
The Penal Code এর বিধান অনুসারে “Person” শব্দের মানে কী?
  1. শুধুমাত্র নারী ব্যক্তি
  2. শুধুমাত্র পুরুষ ব্যক্তি
  3. শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি
  4. ব্যক্তি, কোম্পানি বা কোন প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২য় অধ্যায়ের ৬ থেকে ৫২ক ধারার সাধারণ ব্যাখ্যা (General Explanation) অংশে দণ্ডবিধিতে ব্যবহৃত কতিপয় শব্দের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ১১ ধারায় ব্যক্তি (Person) সংজ্ঞা রয়েছে।
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১১ অনুযায়ী: “Person” বলতে বোঝায় – যে কোনো ব্যক্তি, কোম্পানি, সমিতি (Association), বা যেকোনো ব্যক্তি-সমষ্টি, সেটা নিবন্ধিত/কর্পোরেট হোক বা না হোক।
অর্থাৎ Person = Individual + Company + Association + Body of Persons.
-------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 11: “Person”:
- The word “person” includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not.

৬,৩৮৮.
তামাদি আইনের ১৩ ধারায়, যদি বিবাদী বিদেশে থাকে, তবে কী ঘটবে?
  1. তামাদি গণনা শুরু হবে
  2. তামাদি চলতে থাকে
  3. তামাদি বাতিল হয়ে যায়
  4. তামাদির মেয়াদ স্থগিত থাকবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৬,৩৮৯.
তামাদি আইন অনুসারে দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ১৫০ এর বিধান-দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৬,৩৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন?
  1. ৫৩৪
  2. ৫৪৩
  3. ৫৪৪
  4. ৫৪৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার বিধান ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়:-
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
৬,৩৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় আদালতকে কোন ধরনের দলিল বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. পক্ষদ্বয়ের কাছে অসুরক্ষিত
  2. আদালতে পেশকৃত
  3. বিবাদির নিকট রক্ষিত
  4. বাদির নিকট রক্ষিত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারা- পেশকৃত দলিলসমূহ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাঃ
যে কোন আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করলে, এই কোড অনুসারে ইহার সমক্ষে পেশ করা যে কোন দলিল বা বস্তু বাজেয়াপ্ত করতে পারেন।
 
Section 104- Power to impound document, etc, produced:
Any Court may, if it thinks fit, impound any document or thing produced before it under this Code.
৬,৩৯২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)?
  1. আদেশ ১৫
  2. আদেশ ১৯
  3. আদেশ ১৭
  4. আদেশ ১৩
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে,তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)।উক্ত আদেশের ১নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে,পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
৬,৩৯৩.
মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে কে পুলিশকে আমলঅযোগ্য অপরাধের তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালত
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির  ১৫৫ (২) ধারা অনুযায়ী আমলঅযোগ্য অপরাধের [Non-cognizable offences] বিচার করার এখতিয়ার আছে এমন প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ ব্যতীত কোন পুলিশ কর্মকর্তা আমলঅযোগ্য অপরাধের তদন্ত করবে না।

• অর্থাৎ আমলঅযোগ্য অপরাধের তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারে উক্ত অপরাধটির বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন বা মামলাটি বিচারের জন্য পাঠাতে পারে এমন এখতিয়ারসম্পন্ন-
- মহানগর এলাকার বাইরে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা
-
মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট।
৬,৩৯৪.
জাতীয় সংসদের স্পীকার কার সাথে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মচারীদের নিয়োগ কর্মের শর্তসমূহ নির্ধারণ করবেন?
  1. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  2. সরকারী কর্ম কমিশন
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৯ অনুচ্ছেদের বিধান সংসদ-সচিবালয়:
(১) সংসদের নিজস্ব সচিবালয় থাকিবে। 
(২) সংসদের সচিবালয়ে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তসমূহ সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন। 
(৩) সংসদ কর্তৃক বিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত স্পীকারের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সংসদের সচিবালয়ে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তসমূহ নির্ধারণ করিয়া বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবেন এবং অনুরূপভাবে প্রণীত বিধিসমূহ যে কোন আইনের বিধান-সাপেক্ষে কার্যকর হইবে।
৬,৩৯৫.
বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে নিলে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে যদি-
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
  2. বিবাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি দেয় 
  3. বিবাদীর অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে
  4. বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
ব্যাখ্যা

⇒ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে অথবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবেন না।
⇒ যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ কোন মোকদ্দমায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে। কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে আদালত মামলাটির দাবী প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারে- অন্য বাদীদের সম্মতিতে।

⇒ বাদী আদালতের অনুমতি না নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে সে একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না, এবং খরচ প্রদানের জন্য দায়ী হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-২ এর বিধান প্রথম মোকদ্দমা দ্বারা তামাদি আইন প্রভাবিত হয় না:- পূর্ববর্তী বিধির অধীনে আদালতের অনুমতিক্রমে যদি নূতনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করা হয়, তবে প্রথম মোকদ্দমাটি রুজু করা না হলে বাদি তামাদি আইন দ্বারা যেরূপ বাধ্য হত, ঠিক একই পদ্ধতিতে বাধ্য হবে।

⇒ Order 23 Rule.-2: Limitation law not affected by first suit:- In any fresh suit instituted on permission granted under the last preceding rule, the plaintiff shall be bound by the law of limitation in the same manner as if the first suit had not been instituted.
৬,৩৯৬.
বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. ভাইস চেয়ারম্যান
  3. সচিব
  4. চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
♠ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী হিসাবে বিবেচিত হবেন। 
৬,৩৯৭.
দণ্ডবিধির ধারা ২৯৫ক অনুযায়ী, কোনো শ্রেণীর নাগরিকদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে কোনো লিখিত বা কথিত শব্দের মাধ্যমে তাদের ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাস অবমাননা করলে সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৫ক অনুযায়ী যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত এবং কু-উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে (deliberate and malicious intention) বাংলাদেশের কোনো শ্রেণির নাগরিকদের ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত করতে, কথা বলে (spoken words),  লিখে (written words), দৃশ্যরূপে কোনো উপস্থাপনা (visible representation) করে, বা ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসের অবমাননা করে বা অবমাননার চেষ্টা করে, তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড প্রদান করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, section 295A-Deliberate and malicious acts intended to outrage religious feelings of any class by insulting its religion or religious beliefs:
- Whoever, with deliberate and malicious intention of outraging the religious feelings of any class of the citizens of Bangladesh, by words, either spoken or written, or by visible representations insults or attempts to insult the religion or the religious beliefs of that class, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৬,৩৯৮.
তামাদি আইন অনুযায়ী স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রদত্ত রায় পুনঃনিরীক্ষণের জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ-
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের  ১৬১ অনুচ্ছেদের বিধান: [Court of Small Causes] স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের রায় অথবা স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হিসাবে বিচার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন আদালত কর্তৃক অনুরূপ এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায় পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশের প্রদানের তারিখ হতে ১৫ দিন।

অর্থাৎ, যদি কেউ স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত বা Small Causes Court এর রায় বা আদেশের পুনঃবিবেচনা (Review) চায়, তাহলে তাকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
৬,৩৯৯.
বিবাদীপক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যের প্রাথমিক উদ্দেশ্য কী?
  1. বাদীর দাবীকে প্রমাণ করা
  2. বিবাদীর দাবীকে প্রমাণ করা
  3. অভিযুক্তকে শাস্তি দেয়া
  4. মামলার কার্যক্রম দ্রুত শেষ করা
ব্যাখ্যা
বিবাদীপক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল বিবাদীর দাবীকে প্রমাণ করা।

বিবাদীর আহ্বানে যারা সাক্ষী দিতে আসে, তাদেরকে "প্রতিপক্ষ সাক্ষী" (Adverse Witness) বা "বিরোধী পক্ষের সাক্ষী" (Witness of the Opposite Party) বলা হয়। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৪৫ ধারায় এই ধরনের সাক্ষীদের সম্পর্কে বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে:
"A witness shall be subject to cross-examination by the adverse party as to any relevant matter..."
অর্থাৎ, প্রতিপক্ষের কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ে একজন সাক্ষীকে বিরোধী পক্ষ দ্বারা জেরা করা যেতে পারে।

বিবাদীর আহ্বানে আসা প্রতিপক্ষ সাক্ষীদের কিছু বৈশিষ্ট্য হলো:
১. তারা সাক্ষ্য দেয় বিবাদীর পক্ষে।
২. তাদের বিরোধী পক্ষ জেরা করতে পারে।
৩. তাদের সাক্ষ্যকে মূল প্রমাণ হিসাবে গণ্য করা হয় না।
৪. তারা বিবাদীর সাক্ষ্যকে সমর্থন বা বাতিল করতে পারেন।
৫. তাদের সাক্ষ্য মূলত বিবাদীর দাবী প্রমাণের জন্য গ্রহণযোগ্য।

সুতরাং, বিবাদীর আহ্বানে যে সাক্ষীরা আসেন, তারা প্রতিপক্ষ সাক্ষী বা বিরোধী পক্ষের সাক্ষী নামে অভিহিত হন। তাদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিবাদীর দাবী প্রমাণিত করা হয়।
৬,৪০০.
কোন ক্ষেত্রে দলিল সংশোধনের ডিক্রি দেওয়া হয়?
  1. পক্ষদের অভিপ্রায় প্রকাশ না পেলে
  2. দলিলে পণমূল্য উল্লেখ না থাকলে
  3. দলিলটি নিবন্ধিত হলে
  4. দলিলটি অবৈধ না হলে
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান; যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।