বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৬০ / ১৫৫ · ৫,৯০১৬,০০০ / ১৫,৪৭০

৫,৯০১.
'Presumption as to digital records five years old' সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৮৯ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৮৯ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ Section 90A Presumption as to digital records five years old (May Presume) পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান) (May Presume)

⇒ Presumption as to digital records five years old:
Section 90A. Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

⇒ Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৫,৯০২.
কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতি নয়?
  1. ঘোষনামূলক ডিক্রি
  2. সম্পত্তি প্রত্যার্পন
  3. রিসিভার নিয়োগ
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১ নং আইন। এটি একটি প্রতিকারমূলক বা তত্ত্বগত আইন। এই আইনে মোট ৫৭ টি ধারা আছে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার:
কোন প্রার্থীকে প্রতিকার প্রদান করাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের লক্ষ্য। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হলো একধরনের আইনগত প্রতিকার যা বাদী দেওয়ানী আদালতে প্রার্থনা করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় কিভাবে প্রতিকার প্রদান করতে হবে তা আলোচনা করা হয়েছে:
১) সম্পত্তি প্রত্যার্পনের মাধ্যমে;
২) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৩) নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৪) ঘোষনামূলক ডিক্রির মাধ্যমে;
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

অর্থাৎ আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতি নয়।
৫,৯০৩.
Provisions relating to 'Discharge of sureties' is provided in-
  1. Section 501
  2. Section 502
  3. Section 505
  4. Section 507
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

 - জামিনদারের অধিকার:
জামিনদার যে কোন সময় জামিননামা থেকে মুক্তি চাইতে পারেন, এই মুক্তি পূর্ণ বা আংশিক উভয়ই হতে পারে, এজন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে হবে।
-ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তব্য:
জামিনদারের আবেদন পেলে তিনি তিনটি কাজ করবেন: ক) মুচলেকা বাতিল করবেন খ) আসামীকে হাজির করার জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন গ) জামিনদারকে দায়মুক্তি দেবেন।
- আসামীর ক্ষেত্রে পরবর্তী প্রক্রিয়া:
আসামী দুইভাবে আদালতে আসতে পারে: ক) নিজে হাজির হয়ে খ) গ্রেফতার হয়ে
- আদালতের পদক্ষেপ:
আসামীকে নতুন জামিনদার খুঁজতে নির্দেশ দেবেন, দুটি সম্ভাব্য ফলাফল: ক) নতুন জামিনদার পেলে: জামিনে মুক্তি খ) জামিনদার না পেলে: কারাগারে প্রেরণ
----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৫,৯০৪.
আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুযায়ী, কোন অবস্থায় আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করার আদেশ দিবে?
  1. বাদী আপত্তি করলে
  2. সাক্ষী হাজির না হলে
  3. মামলার শুনানি শেষ হলে
  4. বিবাদী জামানত প্রদান করলে
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা-
ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং
খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
৫,৯০৫.
ধারা ২৬৯-এর অপরাধটি মূলত কোন বিষয়ের বিরুদ্ধে?
  1. ব্যক্তিগত অধিকার
  2. রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা
  3. সম্পত্তির অধিকার
  4. জনস্বাস্থ্য ও মানবজীবনের নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) জনস্বাস্থ্য ও মানবজীবনের নিরাপত্তা।

দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারা এমন অবহেলামূলক কার্যকে দণ্ডনীয় করে, যার ফলে জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। তাই এই অপরাধটি মূলত জনস্বাস্থ্য ও মানবজীবনের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারার বিধান: জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তার করতে পারে এবং অবহেলামূলক কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি বেআইনিভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোন কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোন রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে-সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৫,৯০৬.
"আল-হেদায়া" (Al-Hedayah) গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ইমাম মালিক
  2. ইমাম আবু হানিফা
  3. ইবনে রুশদ
  4. বুরহান আল-দীন
ব্যাখ্যা
আল-হেদায়া: হলো বুরহান আল-দীন কর্তৃক লিখিত দ্বাদশ শতাব্দীর আইনি ম্যানুয়াল, যা হানাফি আইনশাস্ত্রের (ফিকহ) অন্যতম প্রভাবশালী গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ফিকাহ্ শাস্ত্রের জগতে, বিশেষতঃ হানাফি ফিকাহ্র পরিমণ্ডলে আল-হিদায়া একটি মৌলিক ও বুনিয়াদি গ্রন্থ।
এক কথায় এ মহাগ্রন্থকে হানাফী ফিকাহ্ শাস্ত্রের বিশ্বকোষ বলা যায়। বস্তুতঃ সুদীর্ঘ অষ্টম শতাব্দী পর্যন্ত অব্যাহতভাবে এ মহাগ্রন্থ ইসলামী ফিকাহ্ শাস্ত্রের হানাফী মাজহাবের প্রতিনিধিত্ব করে আসছে। এমন কি পাক-ভারত উপমহাদেশের ঔপনিবেশিক শাসনকালেও বিচার বিভাগে আল-হিদায়াকে সিদ্ধান্তমূলক গ্রন্থের মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে।
পৃথিবীর বহু প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে আল-হিদায়ার ইংরেজি অনুবাদ অতি গুরুত্বের সাথে পড়ানো হয়ে থাকে। এ গ্রন্থ প্রকাশিত হবার পর থেকে আজ পর্যন্ত ফিকাহ্ শাস্ত্রের বিদ্যাঙ্গনে আল-হিদায়া আবশ্য-পাঠ্য গ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
এ মহাগ্রন্থকে কেন্দ্র করে ফিকাহ্ শাস্ত্রের উপর এ পর্যন্ত যত গবেষণা কর্ম সম্পন্ন হয়েছে এবং যত ব্যাখ্যা, ভাষ্য, টীকা ও পর্যালোচনা গ্রন্থ রচিত হয়েছে তা অন্য কোন ফিকাহ্ গ্রন্থের ক্ষেত্রে হয় নি। 
 এই সুবিশাল গ্রন্থ বর্তমানে যদিও বিলুপ্ত কিন্তু তাঁর সম-সাময়িক যুগশ্রেষ্ঠ ফকীহগণ অতি উচ্ছ্বাসিত ভাষায় এর আশি খণ্ডের এই সুবিশাল গ্রন্থের মহাসমুদ্রের নির্যাস নিয়ে সঙ্কখিপ্ত কলেবরে চার খণ্ডের এ গ্রন্থখানি সঙ্কলিত করেছেন যা সর্বমোট ২১২৬ পৃষ্ঠায় সমাপ্ত।
৫,৯০৭.
দণ্ড কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. যেকোন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার করেছে
  4. শাস্তি প্রদানকারী বিচারক বা তাদের স্থলাভিষিক্ত বিচারক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার বিধান- কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
- যে জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড দিয়াছেন তিনি বা তার স্থলাভিষিক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন।

Section 389: Who may issue warrant:
Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.
৫,৯০৮.
জামাল একটি মামলার তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই তার বিপরীত পক্ষকে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকার দিয়ে দেন। নতুন তামাদির মেয়াদ গণনা কবে থেকে শুরু হবে?
  1. মামলার দায়ের তারিখ থেকে
  2. লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের তারিখ থেকে
  3. প্রাপ্তি স্বীকার দাখিলের পরদিন থেকে
  4. তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয়, সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
⇒ লিখিত হতে হবে,
⇒ উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে,
⇒ অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে,
⇒ উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।
৫,৯০৯.
মোকদ্দমায় নতুন বিবাদী যুক্ত করা হলে, দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি অনুযায়ী কী সংশোধন করতে হবে?
  1. আরজি
  2. লিখিত জবাব
  3. লিখিত জবাবের নকল
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ১০ (২) অনুযায়ী, যদি সরল বিশ্বাসে ভুলের মাধ্যমে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয় বা মোকদ্দমার বিরোধের বিষয় নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন হয়, তাহলে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত অন্যায়ভাবে যুক্ত যে কোন পক্ষের নাম কাটতে পারবে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম যুক্ত করা উচিত অথবা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি- বিবাদী সংযোজিত হলে আরজি সংশোধন করতে হয়:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় কোন নতুন বিবাদীকে যুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ প্রদান না করলে, আরজি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে এবং সংশোধিত সমন ও আরজির নকল নতুন বিবাদীর উপর জারি করতে হবে এবং আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে তাহলে মূল বিবাদীর উপরও জারি করতে হবে।

[Where defendant added, plaint to be amended:
Where a defendant is added, the plaint shall, unless the Court otherwise directs, be amended in such manner as may be necessary, and amended copies of the summons and of the plaint shall be served on the new defendant and, if the Court thinks fit, on the original defendant.]
৫,৯১০.
'A', 'B'-এর পকেটে এই উদ্দেশ্যে কিছু অলংকার রাখে যে উক্ত অলংকার 'B'এর পকেটে পাওয়া যেতে পারে এবং এই ঘটনার জন্য 'B' চুরির অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে। 'A' এর অপরাধ?
  1. মিথ্যা সাক্ষ্যদান
  2. মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন
  3. প্রতারণা
  4. চুরি করতে সহযোগীতা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।

--------------
⇒  Fabricating false evidence:
Section 192. Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations 
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. 
 
(b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence. 
 
(c) A, with the intention of causing Z to be convicted of a criminal conspiracy, writes a letter in imitation of Z's handwriting purporting to be addressed to an accomplice in such criminal conspiracy, and puts the letter in a place which he knows that the officers of the Police are likely to search. A has fabricated false evidence.
৫,৯১১.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখিত মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার সময় আদালতের জন্য-
  1. mandatory
  2. Directory
  3. Obligatory
  4. Imperative
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
৫,৯১২.
আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে কোন শর্তটি পূরণ করা প্রয়োজন নেই?
  1. বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে
  2. ২১বছর বয়সী হতে হবে
  3. অবিবাহিত হতে হবে
  4. আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অনূন্য বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।

♦ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলী পূরণ করতে হবেঃ
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যরিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।

অর্থাৎ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে অবিবাহিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
৫,৯১৩.
'নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কাজ অপরাধ নহে'- এই সম্পর্কিত দন্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৭৯ ধারা
  2. ৮১ ধারা
  3. ৮২ ধারা
  4. ৮৩ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৮২ ধারার বিধান নয় বৎসরের কম বয়সের শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।

♦ Section 82. Act of a child under nine years of age:- Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.

♦ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
৫,৯১৪.
প্লিডিংস সংশোধনের আদেশে যদি কোনো নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ না থাকে, তাহলে সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে সংশোধন না করলে পরে আর সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে:
কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।

Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.
৫,৯১৫.
সাধারণত গ্রেফতারী পরওয়ানা কার বরাবরে নির্দেশ করা হয়?
  1. পুলিশ
  2. আনসার
  3. র‍্যাব
  4. উপরের সকলের বরাবরে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধি ৭৭ ধারা মতে সাধারণত পুলিশের বরাবরে গ্রেফতারী পরওয়ানা নির্দেশ করা হয়। ক্ষেত্রবিশেষে আদালত যে কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট বা পরওয়ানা নির্দেশ করতে পারেন।
৫,৯১৬.
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারায় কী ধরনের অপরাধের শাস্তি রয়েছে?
  1. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
  2. জাল নথি তৈরি করা
  3. মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু বা স্বাক্ষর
  4. সরকারি সম্পত্তি চুরি করা
ব্যাখ্যা

→ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারায় মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু বা স্বাক্ষর করার শাস্তি রয়েছে। যদি কেউ জানে বা বিশ্বাস করে যে, তার ইস্যু করা সার্টিফিকেট মিথ্যা, তবে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্যদান এর মতো শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
- Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

৫,৯১৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'মুদ্রা' ও 'বাংলাদেশী মুদ্রা' এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২৩০ ধারায়
  2. ২৩১ ধারায়
  3. ২৩২ ধারায়
  4. ২৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
বাংলাদেশী মুদ্রা:- বাংলাদেশী মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশী মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 230- “Coin” defined Bangladesh coin:
- Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used. 
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money. 
 
Illustrations:
(a) Cowries are not coin. 
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin. 
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money. 
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin. 
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৫,৯১৮.
In which section of the Code of Criminal Procedure is the provision for framing a written charge by the Sessions Court?
  1. 265C
  2. 265D
  3. 265E
  4. 265F
ব্যাখ্যা
ম্যাজিস্ট্রেট এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

-ধারা ২৬৫(ঘ) তে অভিযোগ গঠন সম্পর্কে বলা আছে-
বিবেচনা ও শুনানির পর যদি আদালত অভিমত ব্যক্ত করেন যে, অভিযুক্ত একটা অপরাধ করেছে বা এরূপ মনে করার কারণ আছে,তাহলে আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ (চার্জ) গঠন করবেন।
যেক্ষেত্রে আদালত অভিযোগ গঠন করেন,সেক্ষেত্রে অভিযোগ অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে ও ব্যাখা করতে হবে এবং অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে,সে দোষ স্বীকার করে কিংবা বিচার প্রার্থনা করে কিনা।
-----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-265D: Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.
৫,৯১৯.
কোন উদ্দেশ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে ১৪, ১৬ ও ১৭ ধারার বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হয় না?
  1. পারিবারিক সম্পত্তি ভাগ করার জন্য
  2. সম্পত্তি বিক্রির মাধ্যমে লাভ অর্জনের জন্য
  3. ধর্ম, জ্ঞান, স্বাস্থ্য, বা মানব জাতির কল্যাণে
  4. ব্যক্তিগত ব্যবসার সম্প্রসারণের জন্য
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮: জনসাধারণের কল্যাণে চিরন্তন হস্তান্তর-
ধর্ম, জ্ঞান, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা মানব জাতির কল্যাণকর কাজের অগ্রগতির জন্য জনস্বার্থে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করলে ১৪, ১৬ ও ১৭ ধারার বিধি- নিষেধ প্রযোজ্য হবে না।
 
Section 18: Transfer in perpetuity for benefit of public-
The restrictions in sections 14, 16 and 17 shall not apply in the case of a transfer of property for the benefit of the public in the advancement of religion, knowledge, commerce, health, safety, or any other object beneficial to mankind.
৫,৯২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন-
  1. জেলা জজ
  2. সরকার
  3. দায়রা আদালত
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৮- ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দানের ক্ষমতা:
রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় যে দায়রা আদালত মােকদ্দমার বিচার করছেন সেই আদালত বিচারকালে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে জড়িত বা সেই সম্পর্কে গােপন তথ্যের অধিকারি বলে অনুমতি কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে এই শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারবেন বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ Section 338- Power to direct tender of pardon:
At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
৫,৯২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারামতে কি বাজেয়াপ্ত করা হয়?
  1. যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে
  2. অভিযুক্তের কাছে থাকা দলিল
  3. অভিযুক্তের সম্পত্তি
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।

• ধারা ৫১৭ (যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ)-

(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধা- জনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।

(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপীল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপীলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।

(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এমর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
৫,৯২২.
নিম্নের কোনটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রযোজ্য পরিস্থিতি নয়?
  1. বিবাদী বাদীর জন্য সম্পত্তির ট্রাস্টি হলে
  2. বহুগুণ মামলা এড়ানোর জন্য প্রয়োজন হলে
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া গেলে
  4. ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের মানদণ্ড না থাকলে
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে,
যখন প্রতিবাদী (defendant) বাদীর সম্পত্তি বা তার ব্যবহার/আনন্দের অধিকার লঙ্ঘন বা লঙ্ঘনের হুমকি দেয়, তখন আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে:

ট্রাস্টি থাকলে: প্রতিবাদী যদি সম্পত্তির ট্রাস্টি হয় (অর্থাৎ বাদীর উপকারের জন্য সম্পত্তি সংরক্ষণ করার দায়িত্ব থাকে)।

ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়: লঙ্ঘনের কারণে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ ঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায় না।

অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়: লঙ্ঘনের ধরণ এমন যে শুধু টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যথেষ্ট হবে না। যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া যায়, তবে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন নেই।

ক্ষতিপূরণ পাওয়া কঠিন: সম্ভাবনা আছে যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

বহু মামলা এড়ানো: একাধিক মামলা হওয়া এড়াতে injunction প্রয়োজন।

৫,৯২৩.
আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ পাওয়ার ভিত্তিতে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার-
  1. তা FIR হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করবে
  2. তা GD হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করবে
  3. সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধের (Cognizable offence) ক্ষেত্রে FIR করা হয়,অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য (Non-Cognizable) অপরাধের ক্ষেত্রে GD হিসেবে এন্ট্রি করা হয়। 

ধারা ১৫৫: আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ (Information in non-cognizable cases)-
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারামতে থানায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে,থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিষয়টিকে থানায় রক্ষিত ফরম নং ৬৫-তে জি.ডি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করে সংবাদদাতাকে বা অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।অর্থাৎ আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অপরাধের সংবাদটি জিডি এন্ট্রি বা সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 155: Information in non-cognizable cases-
(1) When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.
Investigation into non-cognizable cases
(2) No police-officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or send the same for trial. 
 
(3) Any police-officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police-station may exercise in a cognizable case.
৫,৯২৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩ অনুযায়ী 'সাক্ষ্য'(Evidence) বলতে কী বোঝায়?
  1. Oral Evidence
  2. Documentary Evidence
  3. Forensic Evidence
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী "Evidence" বলতে বোঝানো হয়েছে তিনটি বিষয়কে (1) Oral Evidence (2) Documentary Evidence (3) Forensic/Physical Evidence. 
অতএব, সবকিছু মিলিয়ে সঠিক উত্তর: All of the above.

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩ অনুযায়ী, “Evidence” বলতে বোঝায়, 
১. মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence):
আদালতে সাক্ষীরা যে বক্তব্য প্রদান করেন, যা বিচারক গ্রহণ করেন—তা মৌখিক সাক্ষ্য।
২. লিখিত সাক্ষ্য বা নথিপত্র (Documentary Evidence):
যেকোনো কাগজপত্র, দলিল বা রেকর্ড যা আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।
৩) ফরেনসিক উপাদান (Physical/Forensic Evidence): সংশোধনের মাধ্যমে যুক্ত হওয়া এই অংশে বলা হয়েছে: DNA, রক্ত, চুল, বীর্য, আঙুলের ছাপ, চোখের মণির ছাপ, পায়ের ছাপ ইত্যাদি যা অপরাধ ও অভিযুক্তের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন বা অপরাধ প্রমাণে সহায়ক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩ অনুযায়ী: "Evidence includes—
(1) all oral statements which the Court permits as testimony (oral evidence),
(2) all documents produced for inspection (documentary evidence), and
(3) forensic materials like DNA, fingerprints, etc."
৫,৯২৫.
“The General Clauses Act” কবে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৮৯৭ সালে
  3. ১৮৭৯ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ১৮৯৭ সালে
⇒ The General Clauses Act, 1897 হল একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যামূলক আইন (interpretation law), যা বিভিন্ন আইন, অধ্যাদেশ, বিধিমালা ও নির্দেশনার ব্যাখ্যা ও প্রয়োগে সহায়তা করে।
- এই আইনটি ১১ই মার্চ, ১৮৯৭ তারিখে প্রণীত হয় এবং কার্যকর হয় ১১ই মার্চ, ১৮৯৮ তারিখ থেকে।
- এটি ব্রিটিশ ভারতীয় শাসনামলে গৃহীত হয়েছিল, এবং ভারত ও বাংলাদেশে এই আইন এখনও প্রযোজ্য।
- আইনটির মূল উদ্দেশ্য হলো: একাধিক আইন ও নথিপত্রে ব্যবহৃত সাধারণ শব্দ ও অভিব্যক্তির একটি অভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করা।
৫,৯২৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিধান করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৯
  2. অনুচ্ছেদ ১৮(২)
  3. অনুচ্ছেদ ১৮ক
  4. অনুচ্ছেদ ১৮(১)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৮ক: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।

Article 18A: Protection and improvement of environment and biodiversity
The State shall endeavour to protect and improve the environment and to preserve and safeguard the natural resources, bio-diversity, wetlands, forests and wild life for the present and future citizens.
৫,৯২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে দায়রা আদালতকে কত দিনের মধ্যে বিচার নিষ্পত্তি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে?
  1. ১৮০ দিনের মধ্যে
  2. ২৭০ দিনের মধ্যে
  3. ৩৬০ দিনের মধ্যে
  4. ৩৮০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-
 
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।
 
• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
৫,৯২৮.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোনো ব্যক্তিকে কোনো স্থান থেকে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করলে তাকে ________ বলে।
  1. মনুষ্যহরণ
  2. অপহরণ
  3. অবৈধ বাধাদান
  4. বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬২ - অপহরণ:
যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

ধারা ৩৬৩ - মনুষ্য হরণের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
৫,৯২৯.
According to which section of the Code of Criminal Procedure does the Sessions Court acquit the accused?
  1. 265G
  2. 265H
  3. 265J
  4. 265K
ব্যাখ্যা
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265H: Acquittal:
-If, after taking the evidence for the prosecution, examining the accused and hearing the prosecution and the defence on the point, the Court considers that there is no evidence that the accused committed the offence, the Court shall record an order of acquittal.
-------------------
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫জ ধারার বিধান-খালাস:
-বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ এবং বাদীপক্ষ ও আসামীপক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করার পর আদালত যদি মনে করেন যে, আসামী অপরাধ করেছে এরূপ কোন সাক্ষ্য নাই তাহলে আদালত আসামীকে খালাস দিবার আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন।
৫,৯৩০.
আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে কোন আদেশের নিয়মগুলো প্রযোজ্য হবে?
  1. Order XLI
  2. Order XLIII
  3. Order XLVI
  4.  Order XLIV
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৩ বিধি ২:
অর্ডার XLI– (আদেশ ৪১) এর নিয়মগুলো আদেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য হবে।
[The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from orders.]

অর্থাৎ, যে নিয়মে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শোনা হয়, প্রায় একই নিয়মে Order থেকে আপিল পরিচালিত হবে।

৫,৯৩১.
'Opinion as to digital signature where relevant'- এটি কোন ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
⇒ ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে।

-----------
⇒ Opinion as to digital signature where relevant
Section 47A.  When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
৫,৯৩২.
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় কোনটি প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. বিচার্য বিষয়ের পরিণাম (effect)
  2. বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion)
  3. বিচার্য বিষয়ের কারণ (cause)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারার বিধান: বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম (Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue)-
⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion), কারণ (cause) বা পরিণাম (effect); সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। এছাড়া যে অবস্থার প্রেক্ষাপটে কোন বিষয় ঘটেছে সেই অবস্থা গঠন করে এমন বিষয় বা কোন কার্য ঘটতে যে বিষয় সুযোগ করে দিয়েছে, সেই সকল বিষয়ও সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক।

যেমন- রহিম করিমকে খুন করার জন্য অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলে ধস্তাধস্তির চিহ্ন প্রাসঙ্গিক ঘটনা। কারণ তা বিবেচ্য ঘটনার ফল বুঝাচ্ছে।
-----------------
⇒ Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
Section 7. Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.
৫,৯৩৩.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান অনুসারে, কখন থেকে বকেয়া খাজনা আদায়ের তামাদি গণনা শুরু হয়?
  1. যে বছরের খাজনা বকেয়া সেই বছরের প্রথম দিন থেকে
  2. যে বছরের খাজনা বকেয়া সেই বছরের শেষ দিন থেকে
  3. খাজনা পরিশোধের নির্ধারিত তারিখ থেকে
  4. যে বছরের খাজনা বকেয়া তার পরবর্তী বছরের প্রথম দিন থেকে
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।

Section 142. Limitation:
The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.

৫,৯৩৪.
ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮-এর তফসিলে অন্তর্ভুক্ত অপরাধের মধ্যে নেই কোনটি?
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অপরাধ
  2. মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অপরাধ
  3. দণ্ডবিধির ধারা ১৬১-১৬৯ এর অপরাধ
  4. দণ্ডবিধির ধারা ৩০২  এর অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮-এর তফসিল: বিচার্য অপরাধ:
- এই আইনের অধীনে বিচার্য অপরাধগুলো হলো:
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- দণ্ডবিধির ধারা ১৬১-১৬৯, ২১৭, ২১৮, ৪০৮, ৪০৯ এবং ৪৭৭এ-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- দণ্ডবিধির ধারা ১০৯ (সাহায্য), ১২০বি (ষড়যন্ত্র) এবং ৫১১ (চেষ্টা) এর অধীনে উপরোক্ত অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত অপরাধ।
তবে দণ্ডবিধির ধারা ৩০২ যা "খুন" এর অপরাধ হিসেবে পরিচিত, তা এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়। ধারা ৩০২ সাধারণ ফৌজদারী আদালতে বিচার্য হয়, স্পেশাল জজের এখতিয়ারভুক্ত অপরাধ নয়।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ৩০২ (হত্যার অপরাধ) এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়।


৫,৯৩৫.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুসারে কখন বিয়ে নিবন্ধন করা যাবে না?
  1. বিবাহের পক্ষগণ যদি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়
  2. বর ও কনে উভয়ের বয়স ১৮ বছরের কম হলে
  3. বর ও কনের বয়স যথাক্রমে ২১ ও ১৮ বছরের কম হলে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫- হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ

অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ২১ (একুশ) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু পুরুষ বা ১৮ (আঠার) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু নারী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইলে উহা এই আইনের অধীন নিবন্ধনযোগ্য হইবে না।
৫,৯৩৬.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কত নম্বর অনুচ্ছেদে খুনের জন্য মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় আবশ্যক না (Intention of causing death is not essential)?
  1. ১ম অনুচ্ছেদে
  2. ২য় অনুচ্ছেদ
  3. ৩য় অনুচ্ছেদে
  4. ৪র্থ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ অর্থাৎ যে কার্য সকল সম্ভাব্য ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটাবে, সেই কার্যের দ্বারা মৃত্যু ঘটানো হলে তা খুন বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে খুনের জন্য মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় থাকা আবশ্যক না।

যেমন- ক কোন অজুহাত ছাড়াই একটি গুলি ভর্তি কামান হতে জনতার প্রতি গুলিবর্ষণ করে এবং জনতার একজনকে হত্যা করে। এখানে ক খুনের দায়ে অপরাধী হবে, যদিও কোন বিশেষ লোককে নিহত করার জন্য ক-এর কোনরূপ পূর্বকল্পিত অভিপ্রায় ছিল না। কেননা কোন আসন্ন বিপদজনক কার্য যা সকল সম্ভাব্য ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটাবে, সে ধরনের কার্যের দ্বারা মৃত্যু ঘটানো হলে তা খুন বলে গণ্য হবে।
৫,৯৩৭.
Land Survey Tribunal চূড়ান্ত শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৬০
  2. ৯০
  3. ১২০
  4. ১৮০
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ধারার ১৪৫ক  উপধারা (৭ক) এর বিধান চূড়ান্ত শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
-------------
- (7) A suit may be admitted within next one year after the expiry of the period specified in sub-section (6), if the Land Survey Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the plaintiff.

- (7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing.
৫,৯৩৮.
অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে অনুসন্ধান বা বিচারের স্থান কোন আইনের কত ধারায়?
  1. ধারা ১৬0
  2. ধারা ১৭৭
  3. ধারা ১৮১
  4. ধারা ১৮২
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধিতে ১৭৭ ধারার বিধান মোতাবেক সাধারণত অপরাধ সংঘটন যে স্থানে হবে সেই স্থানের আদালতেই তার অনুসন্ধান ও বিচার হবে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৯ ধারার  বিধান মোতাবেক অপরাধ সংঘটন একস্থানে এবং অপরাধের পরিণাম অন্যস্থানে হয় তাইলে ২ স্থানের যেকোন একটিতে বিচার করা যাবে। 
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারার বিধান মোতাবেক অপরাধ সংঘটন স্থান অনিশ্চিত হলে যে কোন আদালতে বিচার বা অনুসন্ধান করতে পারবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারার বিধান যখন ইহা অনিশ্চিত থাকে যে, কয়েকটি স্থানীয় এলাকার কোনটিতে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যে ক্ষেত্রে কোন অপরাধ আংশিকভাবে একটি স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অন্য একটি স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়,অথবা যেক্ষেত্রে কোন অপরাধ চলছে এমন হয়, এবং একাধিক স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হতে থাকে,অথবা যেক্ষেত্রে বিভিন্ন এলাকায় কৃত কতিপয় কার্যের সমষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে এরূপ স্থানীয় এলাকায় যে কোন একটিতে এখতিয়ারবান আদালতে উহার অনুসন্ধান ও বিচার চলবে।
৫,৯৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-VII,Rule-1 অনুযায়ী, প্লেইন্টে (plaint) মোট কতটি বিষয় (particulars) অন্তর্ভুক্ত করতে হয়?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order VII, Rule 1 অনুসারে একটি প্লেইন্টে নিম্নলিখিত ৯টি বিষয় (particulars) অন্তর্ভুক্ত করতে হয়:
১. (a) যে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার নাম। 
২. (b) বাদীর নাম, বিবরণ ও বসবাসের স্থান (ফোন/মোবাইল নম্বর, এনআইডি ও ইমেইল সহ)। 
৩. (c) বিবাদীর নাম, বিবরণ ও বসবাসের স্থান (ফোন/মোবাইল নম্বর, এনআইডি ও ইমেইল সহ)। 
৪. (d) বাদী বা বিবাদী নাবালক বা অপ্রকৃতস্থ হলে তার বিবৃতি। 
৫. (e) কারণ সৃষ্টিকারী ঘটনা (cause of action) ও কখন তা সৃষ্টি হয়েছে। 
৬. (f) আদালতের এখতিয়ার রয়েছে এমন ঘটনাবলি। 
৭. (g) বাদী কীরূপ প্রতিকার (relief) চান। 
৮. (h) বাদী যদি দাবির一 যা ছেড়ে দেন বা সমন্বয় করেন তার পরিমাণ। 
৯. (i) এখতিয়ার ও কোর্ট ফি নির্ধারণের জন্য মামলার বিষয়বস্তুর মূল্য। 

সুতরাং, Order VII, Rule 1 এ মোট ৯টি উপধারা (a থেকে i) রয়েছে, যেখানে প্লেইন্টে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এমন বিষয়গুলি উল্লেখ করা হয়েছে।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-VII, Rule-1 Particulars to be contained in plaint: 
- The plaint shall contain the following particulars:
(a) the name of the Court in which the suit is brought; 
(b) the name, description and place of residence (including phone or mobile number, national identification number (NID) and email address, if any, of the plaintiff;
(c) the name, description and place of residence (including phone or mobile number, national identification number (NID) and email address, if any, of the defendant so far as they can be ascertained;
(d) where the plaintiff or the defendant is a minor or a person of unsound mind, a statement to that effect;
(e) the facts constituting the cause of action and when it arose;
(f) the facts showing that the Court has jurisdiction;
(g) the relief which the plaintiff claims;
(h) where the plaintiff has allowed a set-off or relinquished a portion of his claim, the amount so allowed or relinquished; and
(i) a statement of the value of the subject-matter of the suit for the purposes of jurisdiction and of court-fees, so far as the case admits.

৫,৯৪০.
কোন পক্ষ নিজ স্বাক্ষীকে একবার পরীক্ষার পর কোন কারণে পুনঃ পরীক্ষা (Re-examination) করতে পারে?
  1. পূর্বের বক্তব্যে ভূল শোধরানো
  2. পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ
  3. কোন কিছু মিথ্যা প্রমান
  4. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
ব্যাখ্যা
♦ পুনঃজবানবন্দীর সংজ্ঞা (Re-Examination)- জেরার পরে জবানবন্দী গ্রহণকারী পক্ষ পুনরায় যখন জবানবন্দী নেন তখন তাকে পুনঃজবানবন্দী বলে। অর্থাৎ জেরার পর আহবানকারী পক্ষ আবার নিজের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করলে তাকে বলা হয় পুনঃজবানবন্দি বা Re-Examination.
♦পুনঃজবানবন্দীর মূল উদ্দেশ্য হবে জেরার উল্লেখিত সাক্ষ্যের ব্যাখ্যা। অর্থাৎ জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করে, পুনঃজবানবন্দীতে সেগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে।
♦আদালত অনুমতি দিলে পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয়ে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা যায়।
♦পুনঃ জবানবন্দীর সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে নতুন কোন বিষয়ের অবতারণা করে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা হলে, বিরুদ্ধ পক্ষ অধিকতর জেরা বা Further cross-examination করতে পারে।
♦সুতরাং আমরা বলতে পারি, কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করলে তাকে বলা হয় জবানবন্দী, বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে বলা হয় জেরা; অন্যদিকে নিজের সাক্ষীর পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণ করাকে পুনঃজবানবন্দী বলে।
♦জবানবন্দী ও জেরা অবশ্যই প্রাসঙ্গিক বিষয় সংশ্লিষ্ট হবে, তবে জেরা শুধু জবানবন্দীতে সাক্ষীর প্রদত্ত সাক্ষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে তা নয়। অর্থাৎ সাক্ষী তার জবানবন্দিতে যে সকল ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছে, সেই সকল বিষয় ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে জেরা করা যাবে।
♦অর্থাৎ আহবানকারী পক্ষ নিজ স্বাক্ষীকে একবার পরীক্ষার পর পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ করতে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করতে পারে।
৫,৯৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সরেজমিনে পরিদর্শন (Local inspection) এর বিধান আছে?
  1. ৫৩৯ ধারায়
  2. ৫৩৯ক ধারায়
  3. ৫৩৯খ ধারায়
  4. ৫৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 ------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
 
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
৫,৯৪২.
যদি কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৬ বিধি ১২অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৬ বিধি-১২: সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যক্তি হাজির না হয় বা হাজির হয়  কিন্তু আদালতকে ঐরূপ সন্তুষ্ট করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত তার জীবন যাপনের অবস্থা এবং মোকদ্দমায় যাবতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার উপর আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করে এরূপ অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং তার সম্পত্তি কিংবা উহার যে কোন অংশ ক্রোক করার ও নিলাম বিক্রয় করার জন্য, অথবা যদি ১০ বিধি অনুসারে ইতোপূর্বে ক্রোকাবদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তা উক্ত জরিমানার অংকসহ, যদি কোন, অনুরূপ ক্রোকের ব্যয় মিটানোর উদ্দেশ্যে নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, ঐ ব্যক্তি উপরোক্ত খরচাদি এবং জরিমানা আদালতে পরিশোধ করলে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকমুক্ত হতে আদেশ দিবে।
৫,৯৪৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় যদি সহকারী জজ কোন ডিক্রি প্রদান করে, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধিতে উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে কী প্রতিকার দেয়া হয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে
  2. জেলা জজ আদালতে আপিল করতে হবে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করতে হবে
  4. জেলা জজ আদালতে রিভিউ করতে হবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুসারে,
যে আদালতই ডিক্রি প্রদান করুক না কেন, আপীলঅযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে সর্বদা রিভিশন দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। যেমন সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ, বা জেলা জজের সকলের আপীলঅযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। এই ক্ষেত্রে কোন আদালত আপীলঅযোগ্য ডিক্রিটি দিয়েছে বা মোকদ্দমার মূল্যমান কত তা গুরুত্বপূর্ণ না।

উদাহরণ: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় যদি সহকারী জজ কোন ডিক্রি প্রদান করে, তাহলে উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন করতে হবে। কারণ ৯ ধারার ডিক্রীটি আপীলঅযোগ্য কিন্তু এর বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায়। এই ক্ষেত্রে কিন্তু কোন আদালত ডিক্রি দিয়েছে বা মোকদ্দমার মূল্যমান বিবেচনা করা হয়নি বরং আপীলঅযোগ্য ডিক্রি হওয়ার কারণে রিভিশনটি হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।
৫,৯৪৪.
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ করা না থাকলে, তাহলে আদালত কী পদক্ষেপ নিবে?
  1. আরজি গ্রহণ করবে
  2. আরজি খারিজ বা নাকচ করবে
  3. আরজি সংশোধনের নির্দেশ দিবে
  4. উক্ত বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিবে না
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর ১১ নং বিধি অনুসারে আদালত নিম্নে বর্ণিত চারটি কারণে একটি আরজি খারিজ বা নাকচ করতে পারেন। কারণগুলো নিম্নরূপ:

প্রথমত,
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে আদালত উক্ত আরজি নাকচ বা খারিজ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে:
একটি মোকদ্দমা দায়ের করার পেছনে অবশ্যই কোন কারণ থাকে, যাকে আমরা ইংরেজিতে বলি Cause of Action (কজ অফ একশন)। কিন্তু আরজিতে ওই কজ অফ একশন/মামলার কারণ উল্লেখ না করা হলে, তাহলে আদালত মামলা করার কারণ সম্বন্ধে বোধগম্য হবে না। তাই আদালত উক্ত আরজিটি খারিজ বা নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করে দিবেন।

দ্বিতীয়ত,
আরজিতে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য কম উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশ দেওয়ার পরও বাদী যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সঠিক মূল্য লিখতে ব্যর্থ হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত উক্ত আরজিটি খারিজ বা নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করে দিতে পারে।

তৃতীয়ত,
আদালতে একটি আরজি দাখিল করার সময় প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প যুক্ত কাগজে আরজি লিখতে হয়। কিন্তু কেউ যদি প্রয়োজনের তুলনায় কম মূল্যের স্ট্যাম্প যুক্ত কাগজে আরজি লিখে, সেই ক্ষেত্রে আদালত ২১ দিনের সময় দিবে। ২১ দিন সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে হবে। কিন্তু যদি ২১ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপারে সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়, সেই ক্ষেত্রে আরজিটি আদালত খারিজ বা প্রত্যাখ্যান করে দিবে।

চতুর্থত,
আপনি যে বিষয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে আরজি দাখিল করেছেন সেই বিষয়টি যদি আইন অনুসারে নিষিদ্ধ বা বারিত হয়, তাহলে সেই আরজিটি আদালত খারিজ করে দিবেন। যেমন ধরুন, দেনমোহর আদায় করার জন্য যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তার তামাদি মেয়াদ হচ্ছে তিন বছর। এখন আপনি যদি বিলম্বিত দেনমোহর আদায়ের জন্য আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেন বিবাহ বিচ্ছেদের তিন বছরের পরে যেখানে কিনা ইতিমধ্যে তামাদি মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে আদালত আপনার উক্ত আরজিটি খারিজ বা প্রত্যাখ্যান করে দিবেন।
৫,৯৪৫.
মুসলিম আইনে কোন প্রকার শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া তালাকের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে স্ত্রী-
  1. যদি দেনমোহর অনির্ধারিত থাকে তাহলে উপযুক্ত দেনমোহর
  2. সমস্ত নির্ধারিত দেনমোহর পাবে
  3. কোন দেনমোহর পাবে না
  4. নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক পাবে
ব্যাখ্যা
- বিবাহ যদি শারীরিক সম্পর্কের কারণে আইনসিদ্ধ না হয় এবং পক্ষদ্বয়ের কার্য দ্বারা বিচ্ছেদ ঘটে:
- নিয়মিত বা বৈধ বিবাহের ক্ষেত্রে:
ক. যখন স্বামী কর্তৃক তালাকপ্রাপ্ত হয় - নির্দিষ্ট দেনমোহরের অর্ধেক (১/২) অংশ পাবে।
খ. যখন স্ত্রী কর্তৃক তালাকপ্রাপ্ত হয় - কোন দেনমোহর পাবে না।
৫,৯৪৬.
What must be returned to the Court after a commission issued under Section 503 or Section 506 has been executed?
  1. Only the commission
  2. The deposition only
  3. The witness only
  4. Both commission and deposition
ব্যাখ্যা
Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record. 
 
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court. 

ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:

(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হবার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।
 
(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।
৫,৯৪৭.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'খ' দাবী করে যে 'খ' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি খ-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এক্ষেত্রে 'ক' কখন ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. ৬ বছরের মধ্যে
  3. ২ বছরের মধ্যে
  4. ১২ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Sui't বা 'Suit for Declaration' বলে।

তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।
৫,৯৪৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় অতিরাষ্ট্রিক অপরাধ (Extra-territorial offence) এর বিচারের বিধান করা হয়েছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪-এ অতিরাষ্ট্রিক অপরাধের (Extra-territorial offences) বিচারের বিধান করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ, যা বাংলাদেশে শাস্তিযোগ্য হতো, তা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির আওতায় বিচারযোগ্য:
- বাংলাদেশের নাগরিক কর্তৃক বাংলাদেশের বাইরে যেকোনো স্থানে সংঘটিত অপরাধ।
- বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে যেকোনো ব্যক্তি (নাগরিকতা নির্বিশেষে) কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ, জাহাজ বা বিমান যেখানেই থাকুক না কেন।

⇒দণ্ডবিধির অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
----------
⇒The penal Code Section-4. Extension of Code to extra-territorial offences:
- The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.

৫,৯৪৯.
কোন ধারা অনুযায়ী অধিকতর তদন্ত (Further Investigation) করা হয়?
  1. ১৭২(২খ)
  2. ১৭৩(৩ক)
  3. ১৭৩(৩খ)
  4. ১৭২ (৩ক)
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation) এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)

• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

• তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

• ১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
৫,৯৫০.
The Limitation Act, 1908 এর 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান কোন মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. স্বত্ব প্রচার
  2. অগ্রক্রয়
  3. বাটোয়ারা
  4. দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ধারা ৮ এ এই বিষয়ে উল্লেখ আছে।
৫,৯৫১.
অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার অপরাধ কোন আদালত বা ট্রাইবুনালের বিচার্য?
  1. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল
  4. স্পেশাল ট্রাইবুনাল
ব্যাখ্যা
• অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার বিচার ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(ক) ধারা অনুযায়ী হয়, যা বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর আওতাধীন। বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী এই আইনে উল্লেখিত ও এই আইনের সিডিউলে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার এই আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত বিশেষ ট্রাইবুনালে অনুষ্ঠিত হবে।

• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ (২) ধারা অনুসারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের তফসিলে উল্লেখিত নির্দিষ্ট অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তফসিলে উল্লেখিত নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বা নিম্নলিখিত আইনে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে-

১. ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন বর্ণিত অপরাধসমূহ;
২. the Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৩. the Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৪. the Emergency Powers Act, 1975 এর অধীন অপরাধসমূহ;
৫. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ [Formalin Control Act, 2015] এর অধীন অপরাধসমূহ;
৬. Any attempt or conspiracy to commit, or any abetment of, or any preparation for commission of, any of the above offences.

অর্থাৎ অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার অপরাধ স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচার্য বিষয়।
৫,৯৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী আপিল আদালত আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন?
  1. ধারা ৪১৯
  2. ধারা ৪২০
  3. ধারা ৪২১
  4. ধারা ৪২২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪২১ অনুসারে, আপিল আদালত ধারা ৪১৯ বা ৪২০-এর অধীনে দরখাস্ত ও নকল পাওয়ার পর আপিল পর্যালোচনা করে যদি মনে করে যে হস্তক্ষেপের মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তাহলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারে। তবে, ধারা ৪১৯-এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলে আপীলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশের যৌক্তিক সুযোগ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২১- আপিল খারিজের সারবস্তু:-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।
(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-421: Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily:
-Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.
(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.

৫,৯৫৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে মামলার কোন পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে?
  1. ধারা ১১০
  2. ধারা ১৩৫
  3. ধারা ১৩৭
  4. ধারা ১৫৪
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।
♦The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা অনুযায়ী বৈরী বা প্রতিকূল সাক্ষী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে এ রকম সাক্ষীকে সে সকল প্রশ্ন করতে পারবে যে সকল প্রশ্ন বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় করতে পারে।

♦অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারামতে মামলার কোন পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে।
৫,৯৫৪.
আউল নীতি ইসলামী আইনে কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. কুরআনের মাধ্যমে
  2. হাদীসের মাধ্যমে
  3. ইজমার মাধ্যমে
  4. কিয়াসের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
আউল নীতি:
‘আউল’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ‘বৃদ্ধি হওয়া’। শরীয়তের নিয়মানুযায়ী, যাবিল ফুরুজ বা অংশীদারদের অংশ প্রদানের পর তাদের অংশাবলীর যোগফল যদি মূল সম্পদ হতে বেড়ে যায় বা ১ এর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে যে নিয়মে তা সমাধান করা হয়, সেটাই আউল। কুরআনে অংশীদারদের যে তালিকা রয়েছে, তাদের বিভিন্ন বিন্যাস ও সমাবেশে কখনো কখনো তা ১ এর চেয়ে বেশি হওয়া গাণিতিকভাবে এবং অনুপাতভিত্তিক বন্টনে একটি স্বাভাবিক ঘটনা হলেও, এ বিন্যাস খুব সহজলভ্য নয়। তাই হাদীসে এর কোনো উদাহরণ নেই, তবে চার খলিফার আমলে এটি আলোচিত হয় এবং পরবর্তীতে শরীয়তের তৃতীয় উৎস ইজমার মাধ্যমে ইসলামী আইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
অর্থাৎ, 
- আউল নীতি ইসলামী আইনশাস্ত্রে ইজমার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইজমা হলো ইসলামী ঐকমত্য বা আলেমদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত, যা শর্ত পূর্ণ হলে শরীয়তের তৃতীয় উৎস হিসেবে কাজ করে।
- যদিও কুরআন এবং হাদীসে আউল নীতির সরাসরি উল্লেখ নেই, তবে ইসলামী ঐকমত্য বা ইজমা দ্বারা চার খলিফার আমলে এই নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে এটি ইসলামী সম্পত্তি বণ্টন আইন হিসেবে স্বীকৃত হয়। ইজমা দ্বারা এই নীতি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কারণ হলো, এটি তখনকার সময়ের আলেমদের মধ্যে একটি ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত ছিল, যা শরীয়তের প্রাকৃতিক বা গাণিতিক জটিলতা কাটানোর জন্য গৃহীত হয়েছিল।
৫,৯৫৫.
“Examination of arrested person by medical officer” শিরোনামে কোন ধারা সংযোজিত হয়েছে?
  1. ধারা 46A
  2. ধারা 46B
  3. ধারা 46E
  4. ধারা 46D
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এ "Examination of arrested person by medical officer" শিরোনামটি ধারা 46E-তে সংযোজিত হয়েছে। এই ধারায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির মেডিকেল পরীক্ষা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত বিধান রয়েছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬ঙ - মেডিকেল অফিসার কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরীক্ষা:
(১) যখন কোনো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে অসুস্থ মনে হয় বা তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন থাকে, তখন গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে একটি সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করতে হবে; এবং যদি এই ধরনের মেডিকেল অফিসার পাওয়া না যায়, তবে একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা তা করাতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি একজন নারী, সেখানে তার শরীরের পরীক্ষা, যদি সম্ভব হয়, একজন নারী মেডিকেল অফিসার বা একজন নারী মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা বা তাদের তত্ত্বাবধানে, অথবা ক্ষেত্রমত একজন নারী স্টাফ নার্স বা একজন নারী অ্যাটেনডেন্টের উপস্থিতিতে পরিচালিত হবে।
(২) যেখানে উপ-ধারা (১) এর অধীনে পরীক্ষা এবং চিকিৎসা করা হয়, সেখানে ক্ষেত্রমত মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার কর্তৃক এই ধরনের পরীক্ষা এবং চিকিৎসার প্রতিবেদনের সাথে একটি সার্টিফিকেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারকে, সেইসাথে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি বা তার দ্বারা মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সরবরাহ করতে হবে।
(৩) যেখানে একজন অসুস্থ বা আহত গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট তার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত বা অসুস্থ যার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন এবং শারীরিকভাবে তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা অসম্ভব হয়ে পড়ে, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেটের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত শর্তাবলী অনুযায়ী তাকে ইলেকট্রনিক ভিডিও লিংকেজের মাধ্যমে হাজির করা যেতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46E - Examination of arrested person by medical officer:
(1) When any person arrested appears to be sick or bears any mark of injury, he shall, soon after the arrest is made, be examined and provided with first aid treatment by a medical officer of a Government hospital; and if such medical officer is not available, by a registered medical practitioner:
Provided that where the arrested person is a female, the examination of her body shall, if practicable, be conducted by or under the supervision of a female medical officer or a female medical practitioner, or in the presence of a female staff nurse or a female attendant, as the case may be.
(2) Where an examination and treatment are conducted under sub-section (1), a certificate along with the report of such examination and treatment shall be furnished by the medical officer or registered medical practitioner, as the case may be, to the concerned police-officer, as well as to the arrested person or to a person nominated by him.
(3) Where an arrested person, being sick or injured, is produced before the Magistrate, the Magistrate may pass necessary orders for his medical treatment: 
Provided that where the arrested person is severely injured or sick in a manner which requires his admission into a hospital and renders his physical production before the Magistrate impracticable, he may be produced through electronic video linkage, subject to the satisfaction of the Magistrate and to such terms as the Magistrate may determine.

৫,৯৫৬.
‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর দিকে একটি পাথর নিক্ষেপ করে, জেনে যে এটি ‘Z’-এর শরীর বা পোশাকে লাগতে পারে এবং তাকে ভয় দেখাতে পারে। ‘Z’ এর সম্মতি ছাড়াই এটি করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘A’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৪৯
  2. ধারা ৩৫০
  3. ধারা ৩৫১
  4. ধারা ৩৫২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করা, যদি এটি অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে বা আঘাত, ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টির জন্য হয়, তবে তা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর দিকে পাথর নিক্ষেপ করে, জেনে যে এটি ‘Z’-এর শরীর বা পোশাকে লাগতে পারে এবং তাকে ভয় দেখাতে পারে। এটি ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।
- সুতরাং, ‘A’ ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
 
Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 

৫,৯৫৭.
আদেশ ১৭ এর অধীন মুলতবির পর নির্ধারিত তারিখে পক্ষগণ হাজির না হলে, আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশ অনুযায়ী বিচার কার্য চালিয়ে যেতে পারবে?
  1. ১০নং আদেশ
  2. ৯নং আদেশ
  3. ১৫নং আদেশ
  4. ১১নং আদেশ
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৭, বিধি ২: মুলতবির পর নির্ধারিত তারিখে পক্ষগণ হাজির না হওয়ার ফলাফল-

যে তারিখ পর্যন্ত শুনানী মূলতবি রাখা হয়েছিল সেই তারিখে পক্ষগণ বা কোন এক পক্ষ আদালতে হাজির না হলে আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশ অনুযায়ী যে কোন পন্থায় বিচার কার্য চালিয়ে যেতে পারবেন।
[Where on any day to which the hearing of the suit is adjourned, the parties or any of them fail to appear,the Court may proceed to dispose of the suit in one of the modes directed in that behalf by Order IX or make such other order as it thinks fit.]

অর্থাৎ শুনানী মুলতবি রাখার পর নির্ধারিত তারিখে বাদী হাজির না হলে মামলা খারিজ, বিবাদী হাজির না হলে একতরফা ডিক্রি অথবা বাদী ও বিবাদী উভয় হাজির না হলে মামলা খারিজ হবে।
৫,৯৫৮.
সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা কার নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. মন্ত্রিসভা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫(৪) অনুযায়ী, সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে।
→ যদিও সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫(২) অনুযায়ী, নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রয়োগ করা হয়, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির নামেই সরকারি নির্বাহী আদেশ ও কার্যক্রম প্রকাশ করা হয়।
- এটি মূলত একটি সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা, কারণ বাস্তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা সরকার পরিচালনা করে। তবে, রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন রাষ্ট্রের প্রধান, তাই সকল নির্বাহী আদেশ তার নামেই প্রকাশিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদ- মন্ত্রিসভা:
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।
৫,৯৫৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক অনুযায়ী, একটি অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত কী করতে পারে?
  1. সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করতে পারে না
  2. সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করতে পারে
  3. ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে
  4. চুক্তিটি বাতিল করতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করতে পারে না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ২১ক অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুসারে নিবন্ধিত নয় এমন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়।
চুক্তিটি লিখিত ও নিবন্ধিত না হলে, এবং চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলার সময় আদালতে জমা না দিলে আদালত সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের আদেশ দিতে পারে না।
- এই বিধান শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৫,৯৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ক্ষেত্রে বিরোধীয় সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে?
  1. কারো দখলে না থাকলে
  2. বিরোধীয় সম্পত্তির ধ্বংসের বা ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে
  3. শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা না থাকলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন। অর্থাৎ, কারো দখলে না থাকলে আদালত সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা:
 
(১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।
 
(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
 
Section 146: Power to attach subject of dispute-
(1) If the Magistrate decides that none of the parties was then in such possession, or is unable to satisfy himself as to which of them was then in such possession of the subject of dispute, he may attach it until a competent Court has determined the rights of the parties thereto, or the person entitled to possession thereof: 
Provided that such Magistrate may withdraw the attachment at any time if he is satisfied that there is no longer any likelihood of a breach of the peace in regard to the subject of dispute. 
 
(2) When the Magistrate attaches the subject of dispute, he may, if he thinks fit and if no receiver of the property, the subject of dispute, has been appointed by any Civil Court appoint a receiver thereof, who, subject to the control of the Magistrate, shall have all the powers of a receiver appointed under the Code of Civil Procedure, 1908: 
Provided that, in the event of a receiver of the property, the subject of dispute, being subsequently appointed by any Civil Court, possession shall be made over to him by the receiver appointed by the Magistrate, who shall thereupon be discharged.
৫,৯৬১.
চার্জ গঠনের শুনানীর দিন দায়রা আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে অভিযোগের সত্যতা না পেলে, নিম্নের কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. অভিযুক্তকে খালাস দিবে
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর
  3. বিচার কার্যক্রম বাতিল করতে পারে
  4. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
 
• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।
আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
৫,৯৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. আর্থিক এখতিয়ার
  2. স্থানীয় এখতিয়ার
  3. বিষয়ভিত্তিক এখতিয়ার
  4. আপিল সংক্রান্ত এখতিয়ার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান- আর্থিক এখতিয়ার:
- অন্যত্র সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত না থাকলে এই কোর্ডের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমানার (যদি থাকে) অধিক মূল্য সম্পন্ন বিষয়বস্তুর মামলা বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।
⇒ The Civil Courts (Amendment) Act, 2021 – দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার বৃদ্ধি:
সহকারী বিচারক (Assistant Judge): সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।
সিনিয়র সহকারী বিচারক (Senior Assistant Judge): সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।

আপিল সংক্রান্ত পরিবর্তন:
যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge) এর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল—যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে যাবে।
যদি ৫ কোটির বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে।
----------------
The Code of Civil Procedure, 1908 Section-6. Pecuniary Jurisdiction:
- Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.

৫,৯৬৩.
নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল হিসেবে ধারা ৭৪-এর অধীনে গণ্য হবে না?
  1. আদালতের রায়
  2. সরকারের আদেশ
  3. বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র
  4. ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হয় সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের কার্যাবলি বা রেকর্ড, সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলি, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কর্মকর্তাদের রেকর্ড, সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের রেকর্ড।
- অন্যদিকে, বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র হলো দুই ব্যক্তির মধ্যে স্বেচ্ছায় সম্পাদিত একটি ব্যক্তিগত দলিল, এবং তা সরকারিভাবে সংরক্ষিত না থাকলে এটি সরকারি দলিল নয়।
তাই সঠিক উত্তর: গ) বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র। 

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

৫,৯৬৪.
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন _________ দ্বারা তা বন্ধ হবে না।
  1. অপারগতা
  2. অক্ষমতা
  3. কার্যক্রম
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯- সময়ের অবিরাম চলন
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা বা অক্ষমতা দ্বারা তা বন্ধ হবে না।

ব্যতিক্রম
যেক্ষেত্রে পাওনাদারের (Creditor) সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের (Debtor) উপর পরিচালনার পত্ৰনামার (Letters of Administration) মাধ্যমে অর্পন করেছে, সেইক্ষেত্রে যতদিন উক্ত দায়িত্ব ন্যাস্ত থাকবে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৫,৯৬৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রে Joint Liability (যৌথ দায়) হবে?
  1. কতিপয় কার্যের একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধে সহযোগিতা করলে
  2. সাধারণ অভিপ্রায় থাকলে
  3. অপরাধমূলক জ্ঞান এবং অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা-৩৪ থেকে ৩৮: যৌথ দায় (Joint Liability)- একাধিক ব্যক্তি যখন কোন অপরাধ করে তখন তাদের মধ্যে কে কতটুকু ভূমিকা পালন করেছে তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নয় বরং সমস্ত অপরাধের জন্য তারা প্রত্যেকে সমানভাবে দোষী হবেন। দন্ডবিধির ৩৪, ৩৫, ৩৭ এবং ৩৮ ধারায় যৌথ দায় বা Joint Liability সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

♦ যে ক্ষেত্রে অপরাধীকে যৌথভাবে দায়ী করা যায়ঃ
১) দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা মতে অভিন্ন বা সাধারণ অভিপ্রায় পূরণকল্পে অপরাধমূলক কার্য।
২)দণ্ডবিধির ৩৫ ধারা মতে অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায় নিয়ে অপরাধমূলক কার্য।
৩)দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা মতে যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা ।
৪) দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা মতে একই অপরাধ সংঘটন করলেও ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে দোষী।

♦ দন্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায়ের (Common Intention) বিধান রয়েছে।

♦ সাধারণ অভিপ্রায়/অভিন্ন অভিপ্রায় (Common intention) - আদালত যৌথ দায় নির্ধারণের জন্য সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় বিবেচনা করেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে উক্ত ব্যক্তিগণের অপরাধ করার সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention ছিল বলে মনে করতে হবে। সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি।
৫,৯৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৩ অনুযায়ী, যদি কোনো দলিলের ভাষা নিজেই অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তাহলে–
  1. মৌখিক সাক্ষ্যে সংশোধন করা যাবে
  2. আদালত নিজে অর্থ নির্ধারণ করবে
  3. কেবল নোটারি স্বাক্ষর থাকলেই প্রমাণযোগ্য
  4. কোনো প্রমাণ দ্বারা অর্থ বা ঘাটতি পূরণ করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৩ অনুযায়ী, যখন কোনো দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তখন তার অর্থ বা ঘাটতি পূরণ করার জন্য বাহ্যিক কোনো প্রমাণ গ্রহণ করা যাবে না। অর্থাৎ, যে দলিলের ভাষা নিজেই অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ, সেই দলিলের অর্থ ব্যাখ্যা করার জন্য বাহ্যিক তথ্য বা প্রমাণ ব্যবহার করা অনুমোদিত নয়। দলিলের ভাষায় কোনো ঘাটতি বা অস্পষ্টতা থাকলে, তা সংশোধন করার জন্য আদালত কোনো বাহ্যিক প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে না।
এটি দলিলের স্বতন্ত্রতা রক্ষা করে, যাতে দলিলের অন্তর্নিহিত ভাষার সাথে কোনো বাইরের তথ্যকে মিলিয়ে অর্থ নির্ধারণ না করা হয়।
 
→ অর্থাৎ ধারা ৯৩ অনুযায়ী, যখন দলিলের ভাষা নিজের মধ্যেই অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তখন বাহ্যিক কোনো তথ্য দিয়ে অর্থ ব্যাখ্যা বা ঘাটতি পূরণ করা যাবে না।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 93. Exclusion of evidence to explain or amend ambiguous document:
- When the language used in a document is, on its face, ambiguous or defective, evidence may not be given of facts which would show its meaning or supply its defects.
Illustrations:
(a) A agrees, in writing, to sell a horse to B for Taka 1,000 or Taka 1,500. Evidence cannot be given to show which price was to be given.
(b) A deed contains blanks. Evidence cannot be given of facts which would show how they were meant to be filled.
৫,৯৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হলে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা যাবে?
  1. Section 46A
  2. Section 46C
  3. Section 46E
  4. Section 54A
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮-এর (Act No. V of 1898) দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর অধীনে ধারা ৪৬ঙ (Section 46E)-এর উপ-ধারা (৩)-এর প্রভিশন (Proviso) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গুরুতরভাবে অসুস্থ বা আহত হয় এবং শারীরিকভাবে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থাপন করা অসম্ভব হয়, তবে তাকে ইলেকট্রনিক ভিডিও লিংকের মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা যাবে। এই প্রক্রিয়া ম্যাজিস্ট্রেটের সন্তুষ্টি এবং তার নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে সম্পন্ন হবে। এই বিধান গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এবং বিচার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদানের জন্য সন্নিবেশিত হয়েছে।

- অর্থাৎ ধারা ৪৬ঙ (Section 46E)-এর উপ-ধারা (৩)-এর প্রভিশন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ বা আহত হলে এবং শারীরিকভাবে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজিরা অসম্ভব হলে, তাকে ইলেকট্রনিক ভিডিও লিংকের মাধ্যমে হাজির করা যাবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 46E. Examination of arrested person by medical officer.-
(1) When any person arrested appears to be sick or bears any mark of injury, he shall, soon after the arrest is made, be examined and provided with first aid treatment by a medical officer of a Government hospital; and if such medical officer is not available, by a registered medical practitioner:

Provided that where the arrested person is a female, the examination of her body shall, if practicable, be conducted by or under the supervision of a female medical officer or a female medical practitioner, or in the presence of a female staff nurse or a female attendant, as the case may be.

(2) Where an examination and treatment are conducted under sub-section (1), a certificate along with the report of such examination and treatment shall be furnished by the medical officer or registered medical practitioner, as the case may be, to the concerned police-officer, as well as to the arrested person or to a person nominated by him.

(3) Where an arrested person, being sick or injured, is produced before the Magistrate, the Magistrate may pass necessary orders for his medical treatment:
Provided that where the arrested person is severely injured or sick in a manner which requires his admission into a hospital and renders his physical production before the Magistrate impracticable, he may be produced through electronic video linkage, subject to the satisfaction of the Magistrate and to such terms as the Magistrate may determine.”

৫,৯৬৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৫খ(২) অনুযায়ী বিলম্বিত আবেদনের খরচ প্রদান না করলে আবেদনের কী অবস্থা হবে?
  1. আবেদন গৃহীত হবে
  2. আবেদন স্থগিত থাকবে
  3. আবেদন খারিজ হয়ে যাবে
  4. উচ্চ আদালতে আপিল করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫খ(২) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো পক্ষ লিখিত বিবৃতি দাখিলের পর বিলম্বিত আবেদন করে, এবং আদালত মনে করে যে আবেদনটি আগে করা উচিত ছিল এবং তা মামলার মূল কার্যধারা বিলম্বিত করতে পারে, তাহলে আদালত আবেদনটি গ্রহণ করতে পারে শুধু যদি আবেদনকারী পক্ষ অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করে।
- যদি ক্ষতিপূরণ না প্রদান করা হয়, তাহলে আবেদনটি খারিজ হয়ে যাবে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো (গ) আবেদন খারিজ হয়ে যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 35B. Cost for delay in making applications, etc., in respect of interlocutory matters.
(1) If at any stage of a suit or proceeding, an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be, shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka.
(2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which, in the opinion of the Court, could and ought to have been made earlier, and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit, but shall not hear and dispose of the application, without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.
৫,৯৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮ অনুসারে প্রবেশের অনুমতি না পেলে গ্রেফতারকারী কী করতে পারবেন?
  1. স্থানটি জব্দ করতে পারবেন
  2. স্থানটি তালাবদ্ধ করে দিতে পারবেন
  3. দরজা-জানালা ভেঙে প্রবেশ করতে পারবেন
  4. শুধুমাত্র দিনের বেলায় অভিযান চালাতে পারবেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮ অনুসারে, যদি গ্রেফতারকারী ব্যক্তি প্রবেশের জন্য অনুমতি না পায়, তাহলে তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে দরজা বা জানালা ভেঙে প্রবেশ করতে পারবেন, তবে এই কাজটি করার আগে তাকে তার কর্তৃপক্ষ এবং উদ্দেশ্য জানিয়ে অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮ অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকারী কর্মকর্তা:
- নিজের কর্তৃত্ব ও উদ্দেশ্য জানানোর পরও প্রবেশের অনুমতি না পান,
- ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করার জরুরি প্রয়োজন দেখা দেয় (যাতে অভিযুক্ত পলায়নের সুযোগ না পায়),
তাহলে তিনি বাহিরের বা ভিতরের দরজা-জানালা ভেঙে প্রবেশ করতে পারবেন।

মহিলাদের ব্যক্তিগত স্থানের ক্ষেত্রে:
মহিলাকে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে (প্রভিশো ধারা ৪৮)।
শুধুমাত্র গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে এই ক্ষমতা প্রযোজ্য, অন্য কোনো কাজের জন্য নয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 48. Procedure where ingress not obtainable:
If ingress to such place cannot be obtained under section 47 it shall be lawful in any case for a person acting under a warrant and in any case in which a warrant may issue, but cannot be obtained without affording the person to be arrested an opportunity of escape, for a police-officer to enter such place and search therein, and in order to effect an entrance into such place, to break open any outer or inner door or window of any house or place, whether that of the person to be arrested or of any other person, if after notification of his authority and purpose, and demand of admittance duly made, he cannot otherwise obtain admittance:

Breaking open zanana: 
Provided that, if any such place is an apartment in the actual occupancy of a woman (not being the person to be arrested) who, according to custom, does not appear in public such person or police-officer shall, before entering such apartment, give notice to such woman that she is at liberty to withdraw and shall afford her every reasonable facility for withdrawing, and may then break open the apartment and enter it.
৫,৯৭০.
অভিযুক্তের বাড়ি ব্যতীত অন্য কোথাও গ্রেপ্তার হলে, কত ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়কে অবহিত করতে হবে?
  1. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. অবিলম্বে না করলেও চলে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
→ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নতুন ধারা ৪৬ক (Section 46A) সন্নিবেশিত হয়েছে। এই ধারার উপ-ধারা ঘ(d) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজ বাসস্থানের বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে যত শীঘ্র সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা তার মনোনীত বন্ধুকে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক- গ্রেপ্তার পদ্ধতি এবং গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য: কোনো গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ অফিসার বা অন্য গ্রেপ্তারকারী ব্যক্তি—
(ক) তার নামের একটি সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচিতি বহন করবেন যা সহজে শনাক্তকরণে সহায়তা করবে;
(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করবেন এবং যদি দাবি করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি এবং গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে তার পরিচয়পত্র দেখাবেন;
(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারকলিপি (memorandum) প্রস্তুত করবেন যা—
(i) কমপক্ষে একজন সাক্ষী দ্বারা সত্যায়িত হবে, যিনি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা যে এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেখানকার একজন গণ্যমান্য বাসিন্দা এবং যদি এই ধরনের কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকলিপিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
(ii) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি অসম্মতি না জানান, তবে তার দ্বারা প্রতিস্বাক্ষরিত বা টিপসইযুক্ত হবে;
(ঘ) যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থান এবং হেফাজতের স্থান জানিয়ে, যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় থেকে বারো ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত একজন পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে অবহিত করবেন;
(ঙ) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে ৪৬ঙ ধারা অনুযায়ী ক্ষেত্রমত একজন মেডিকেল অফিসার বা একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা ওই ব্যক্তির পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করবেন; উপস্থিত মেডিকেল অফিসার বা প্র্যাকটিশনারের কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন; এবং এই ধরনের আঘাতের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন;
(চ) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে, যদি তিনি ইচ্ছা পোষণ করেন, তার পছন্দের একজন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে বা তার নিকটতম কোনো আত্মীয়ের সাথে দেখা করার সুযোগ দেবেন, preferably (সম্ভবত) গ্রেপ্তারের বারো ঘণ্টার মধ্যে।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
- In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;
(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;
(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;
(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

৫,৯৭১.
মুসলিম আইনে বিবাহ কী ধরনের চুক্তি?
  1. ধর্মীয় চুক্তি
  2. সামাজিক চুক্তি
  3. দেওয়ানি চুক্তি
  4. ফৌজদারি চুক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনে বিবাহকে একটি দেওয়ানি চুক্তি (Civil Contract) হিসেবে গণ্য করা হয়, যদিও এতে ধর্মীয় ও সামাজিক দিকও জড়িত।
নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
১. দেওয়ানি চুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- দুই পক্ষের সম্মতি: যেমন—প্রস্তাব (ইজাব) ও গ্রহণ (কবুল)।
- শর্ত পূরণ: বয়স, সাক্ষী, দেনমোহর ইত্যাদি।
- আইনগত ফলাফল: স্বামী-স্ত্রীর অধিকার ও দায়িত্ব সৃষ্টি (যেমন—ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার)।
২. ধর্মীয় ও সামাজিক দিক:
- যদিও এটি ইসলামী রীতিনীতি মেনে সম্পাদিত হয়, তবুও এর আইনগত কাঠামো দেওয়ানি চুক্তির মতো।
- কোরআন ও হাদিসে বিবাহের শর্তাবলি উল্লেখ থাকলেও এটি রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত (যেমন: মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১)।

অর্থাৎ মুসলিম আইনে বিয়ে একটি দেওয়ানি চুক্তি, যেখানে দু’টি পক্ষ সম্মতি দিয়ে বিয়ের প্রস্তাব ও গ্রহণ করে।
৫,৯৭২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৭ অনুযায়ী, সরকারী কর্মকর্তা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার জন্য সমন কোথায় পাঠাতে হবে?
  1. সরকারি মন্ত্রীর কাছে
  2. সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বাসায়
  3. সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের কাছে
  4. আদালতের কেরানীর কাছে
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষেত্রে সমন জারির পদ্ধতি:
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২১: বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করলে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন কোনো সমন জারিকারী আদালত সমন পাঠাবে এবং সেই আদালত সমন জারি করবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৪: বিবাদী কারাগারে বন্দী থাকলে, তার কাছে সমন জারির জন্য কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সমন পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৫: বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করলে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোনো এজেন্ট না থাকলে, সমন বিবাদীর বিদেশস্থ ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৬: বিদেশে থাকা বিবাদীর ক্ষেত্রে, প্রয়োজনে সমন রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জারি করা যেতে পারে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৭: সরকারী কর্মকর্তা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার জন্য, সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৮: বিবাদী যদি সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারের কাছে সমন পাঠাতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-5 Rule-27.Service on civil public officer or on servant of railway company or local authority:
Where the defendant is a public officer (not belonging to the armed forces of Bangladesh, or is the servant of the railway or local authority, the Court may, if it appears to it that the summons may be most conveniently so served, send it for service on the defendant to the head of the office in which he is employed, together with a copy to be retained by the defendant.
৫,৯৭৩.
দণ্ডবিধির ৭৪ ধারা অনুসারে একাধারে সর্বোচ্চ কত দিন নির্জন কারাবাসে রাখা যায়?
  1. ৩ মাস
  2. ১ মাস
  3. ১৪ দিন
  4. ৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:-
-নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
--------------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 74: Limit of solitary confinement:
-In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
৫,৯৭৪.
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ অনুযায়ী পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত ?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩:
- সন্তান কর্তৃক পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইনের ৩ ধারায় প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার ভরণ পোষণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
- ৪ ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক সন্তান তার পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে; এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে ধারা ৩ এ বর্ণিত ভরণ-পোষণ প্রদানে বাধ্য থাকবে এবং এই ভরণ পোষণ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ হিসাবে গণ্য হবে।

- পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, এর ৫ ধারা অনুযায়ী পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করার দণ্ড:
- কোন সন্তান কর্তৃক ধারা ৩ এর যে কোন উপ-ধারার বিধান কিংবা ধারা ৪ এর বিধান লংঘন অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং
- উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে; বা
- উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৫,৯৭৫.
যে দলিল দাখিল করার জন্য কোন পক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এমন দলিল প্রথমে দাখিল করতে অস্বীকার করলে পরবর্তীতে উক্ত দলিল -
  1. সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করতে পারে
  2. আদালতের সম্মতি ছাড়া ব্যবহার করতে পারবে
  3. অন্য পক্ষের সম্মতি ছাড়া ব্যবহার করতে পারবে
  4. অন্য পক্ষের সম্মতি/আদালতের আদেশ ব্যতিত ব্যবহার করতে পারবে না।
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না।
৫,৯৭৬.
যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় সেই ক্ষেত্রে আসামীকে প্রদত্ত কারাবাস-
  1. শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে
  2. শুধুমাত্র সশ্রম হতে পারে
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে
  4. বেত্রাঘাত হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী, অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:-

♦ অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না,

⇒ যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; 
⇒ অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং
⇒ এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।
৫,৯৭৭.
আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিবলে নিষেধাজ্ঞার আদেশ বাতিল, পরিবর্তন ও রদ করতে পারে?
  1. আদেশ ৩৮ বিধি-৪
  2. আদেশ ৩৮ বিধি-৬
  3. আদেশ ৩৯ বিধি-৪
  4. আদেশ ৩৯ বিধি-৬
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-৪: নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত, পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে:
নিষেধাজ্ঞার কোন আদেশ অনুরূপ আদেশে কোন পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে সে পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত কর্তৃক উক্ত নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত বা পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে।

Rule.-4: Order for injunction may be discharged, varied or set aside:
Any order for an injunction may be discharged, or varied, or set aside by the Court, on application made thereto by any party dissatisfied with such order.
৫,৯৭৮.
"ক্যাননস অফ প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড এটিকেট"-এর কোন অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর মক্কেলের সম্পত্তির প্রতি আচরণ সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. অধ্যায় ১
  2. অধ্যায় ২
  3. অধ্যায় ৩
  4. অধ্যায় ৪
ব্যাখ্যা

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette (বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত) এর অধ্যায়-২-এর শিরোনাম হলো “মক্কেলগণের প্রতি আচরণ”। এই অধ্যায়ের বিধি-১-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, কোনো আইনজীবী তাঁর মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলায় জড়িত সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত হইবেন না।
- এটি পেশাগত সততা ও স্বার্থবিরোধের (conflict of interest) নীতির পরিপন্থী। আইনজীবীর দায়িত্ব কেবলমাত্র আইনগত সহায়তা প্রদান, ব্যক্তিগত লাভের চিন্তা নয়।

⇒ CANONS OF PROFESSIONAL CONDUCT AND ETIQUETTEE- অধ্যায়- ২ [মক্কেলগণের প্রতি আচরণ]:
বিধি-১. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলায় জড়িত সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত হইবেন না।

৫,৯৭৯.
According to Section 38 of The Penal Code, 1860, if several persons are involved in a criminal act, they may be guilty of:
  1. No offence
  2. The same offence
  3. Different offences
  4. Only one person will be guilty
ব্যাখ্যা
Section 38- Persons concerned in criminal act may be guilty of different offences:
Where several persons are engaged or concerned in the commission of a criminal act, they may be guilty of different offences by means of that act. 
 
Illustration-
A attacks Z under such circumstances of grave provocation that his killing of Z would be only culpable homicide not amounting to murder. B having ill-will towards Z and intending to kill him, and not having been subject to the provocation, assists A in killing Z. Here, though A and B are both engaged in causing Z's death, B is guilty of murder, and A is guilty only of culpable homicide.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
 কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।

উদাহরণ-
ক এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে চ-কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমণে চ নিহত হলে তা কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশ হবে, যা খুন বলে পরিগণিত হবে না। চ-এর প্রতি খ-এর বিদ্বেষ থাকায় এবং চ-কে হত্যা করার জন্য খ-এর অভিপ্রায় থাকায়, খ বিনা প্ররোচনায় চ-কে হত্যার কার্যে ক কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে ক ও খ উভয়েই চ-কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, খ খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে এবং ক শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
৫,৯৮০.
কোন রাস্তায় বা জলপ্রবাহের পথে বাধা সৃষ্টির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ?
  1. ২ বৎসর
  2. ৩ বৎসর
  3. ১ বৎসর
  4. ৬ বৎসর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৭

কোন রাস্তায় বা জলপ্রবাহের পথে বাধা সৃষ্টির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা 
তামাদি- ৩ বৎসর
সময় গণনা শুরু- বাধা সৃষ্টির তারিখ হতে।
৫,৯৮১.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী নিচের কোন ক্ষেত্রে বৈপিত্রেয় ভাই-বোনরা উত্তরাধিকার পাবে না?
  1. মৃত ব্যক্তির পুত্র থাকলে
  2. মৃত ব্যক্তির পিতা থাকলে
  3. মৃত ব্যক্তির পিতামহ থাকলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, বৈপিত্রেয় ভাই-বোনরা (একই মায়ের কিন্তু ভিন্ন পিতার সন্তান) তখনই উত্তরাধিকার পান যখন মৃত ব্যক্তি ‘কালালা’ হন, অর্থাৎ তার কোনো পিতা, পিতামহ, পুত্র বা পৌত্র না থাকে। যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র, পিতা বা পিতামহ থাকে, তবে বৈপিত্রেয় ভাই-বোনরা উত্তরাধিকার পাবেন না। 
- সুতরাং, উপরের সবগুলো ক্ষেত্রে তারা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন।

অর্থাৎ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী বৈপিত্রেয় ভাই-বোনরা তখনই উত্তরাধিকার পায় যখন মৃত ব্যক্তি কালালা হয় (অর্থাৎ কোনো পিতা, মাতা, পুত্র বা পৌত্র না থাকে)। পিতা, পুত্র বা পিতামহ থাকলে তারা পাবে না।

৫,৯৮২.
একজন আইনজীবী পরপর সর্বোচ্চ কয় মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য থাকতে পারবেন?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. ৫ বার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৫ক :
(১): কোনো আইনজীবী দুইটি পরপর মেয়াদের বেশি সময় বার কাউন্সিলের সদস্য পদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন না।
(1) No Advocate shall hold office of member of the Bar Council for more than two consecutive terms.

(২): যে আইনজীবী এই অনুচ্ছেদ বলবৎ হওয়ার ঠিক পূর্বে পরপর দুই মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, তিনি পরবর্তী মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচনের জন্য যোগ্য হবেন না।
(2) An Advocate who has been elected for two consecutive terms as a member of the Bar Council immediately before this Article comes into force shall not be eligible to be elected as a member of the Bar Council for the next term.
৫,৯৮৩.
Z-কে একটি বাঘ টেনে নিয়ে যাচ্ছে। A বাঘটিকে গুলি করে, যদিও সে জানে যে গুলিটি Z-কে আঘাত করতে পারে তবুও সৎ বিশ্বাসে Z-এর উপকারের জন্য গুলি ছোড়ে। কিন্তু গুলিটি Z-কে মারাত্মকভাবে আঘাত করে এবং Z মারা যায়। এক্ষেত্রে A কী অপরাধ করেছে?
  1. মারাত্মক আঘাত
  2. অবহেলাজনিত খুন
  3. সাধারণ আঘাত
  4. কোনো অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে A কোনো অপরাধ করেনি, কারণ সে সৎ বিশ্বাসে Z-এর উপকারের উদ্দেশ্যে কাজ করেছে।

ধারা ৯২: কোনো ব্যক্তির উপকারে, সৎ বিশ্বাসে, তার সম্মতি ছাড়াই কাজ করলে তা অপরাধ নয়-
যদি কোনো কাজ সৎ বিশ্বাসে এমন একজন ব্যক্তির উপকারে করা হয় এবং এতে তার কিছু ক্ষতি হলেও, তা অপরাধ হবে না—
যদি ঐ ব্যক্তির পক্ষে সম্মতি দেওয়া সম্ভব না হয়, অথবা সে সম্মতি দিতে অক্ষম হয়, এবং এমন কোনো অভিভাবক বা আইনগত দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি না থাকে যার কাছ থেকে সময়মতো সম্মতি নেওয়া সম্ভব।

তবে নিম্নলিখিত শর্তগুলোতে এই ব্যতিক্রম প্রযোজ্য নয়ঃ
১ম শর্ত: ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটানো বা মৃত্যুর চেষ্টা করা হলে, এই ধারার সুবিধা পাওয়া যাবে না।
২য় শর্ত: যদি কেউ এমন কিছু করে যা সে জানে মৃত্যু ঘটাতে পারে, এবং উদ্দেশ্য যদি মৃত্যু রোধ বা গুরুতর আঘাত প্রতিরোধ বা গুরুতর রোগ সারানো না হয়—তবে এটাও এই ধারার আওতায় পড়বে না।
৩য় শর্ত: ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা বা আঘাতের চেষ্টা করা হলে, এবং উদ্দেশ্য যদি শুধু মৃত্যু বা আঘাত প্রতিরোধ না হয়—তবে সেটিও এই ধারার আওতায় পড়বে না।
৪র্থ শর্ত: যে অপরাধে এই ধারা প্রযোজ্য নয়, সে অপরাধে সহায়তা (abetment) করলে, এই ধারার ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে না।
৫,৯৮৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৫ অনুসারে, ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য প্রেরিত আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয়, তবে ডিক্রি কীভাবে প্রেরণ করা হবে?
  1. সরাসরি শেষোক্ত আদালতে
  2. জেলা আদালতের মাধ্যমে
  3. সরকারি কর্মকর্তার মাধ্যমে
  4. ডিক্রি প্রেরণের প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৫ অনুযায়ী, যখন ডিক্রি নিষ্পত্তির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে সেটি ডিক্রি জারি করা আদালতের একই জেলার মধ্যে অবস্থিত হয়, তখন ডিক্রি সরাসরি সেই শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করা হবে। অর্থাৎ, মধ্যবর্তী কোনো আদালত বা অন্য কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রেরণের প্রয়োজন নেই।
- তবে, যদি ডিক্রি প্রেরিত আদালত ভিন্ন জেলার মধ্যে থাকে, তখন ডিক্রি প্রথমে সেই জেলার জেলা আদালতে পাঠানো হবে। এই নিয়ম ডিক্রি প্রেরণ প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল এবং দ্রুততর করে তোলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-৫: স্থানান্তরের পদ্ধতি (Mode of transfer): ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।
-----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908 Order-21 Rule-5.(Mode of transfer):  Where the Court to which a decree is to be sent for execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district in which the decree is to be executed.

৫,৯৮৫.
পশু সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অবহেলা প্রদর্শন করলে এর শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. দণ্ডবিধির ২৮৯ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২৮৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৮৯ ধারার বিধান: প্রাণী সম্পর্কে অবহেলামূলক আচরণ করা:- কোন ব্যক্তি যদি তার দখলভুক্ত কোন প্রাণী সম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে অন্যথা করে, যে ব্যবস্থা উক্ত প্রাণী হতে মানুষের জীবনের প্রতি সম্ভাব্য বিপদের বিরুদ্ধে অথবা নিশ্চয়তা বিধানের জন্য পর্যাপ্ত, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------
♦ Section 289. Negligent conduct with respect to animal:- Whoever knowingly or negligently omits to take such order with any animal in his possession as is sufficient to guard against any probable danger to human life, or any probable danger of grievous hurt from such animal, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৫,৯৮৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ অনুযায়ী ডিক্রির টাকা পরিশোধের বৈধ পদ্ধতি কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-১ অনুযায়ী, ডিক্রির টাকা তিনটি বৈধ পদ্ধতিতে পরিশোধ করা যেতে পারে।
→ বিধি-১(১) এ বলা হয়েছে:
 “All money payable under a decree shall be paid as follows, namely:—
(a) into the Court whose duty it is to execute the decree;
(b) out of Court to the decree-holder;
(c) otherwise as the Court which made the decree directs.”
অর্থাৎ, ডিক্রির অর্থ নিম্নলিখিত ৩টি উপায়ে পরিশোধ করা যায়:
→ আদালতে জমা দিয়ে – ডিক্রি কার্যকর করার দায়িত্ব যার উপর, সেই আদালতে টাকা জমা দেওয়া।
→ আদালতের বাইরে ডিক্রিদারকে টাকা প্রদান করে – সরাসরি ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান।
→ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে – যেমন: কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমায় কিস্তিতে পরিশোধ, বা আদালতের নির্ধারিত পদ্ধতিতে।
→ অতএব, বৈধ পদ্ধতির সংখ্যা = ৩টি।
৫,৯৮৭.
বিচারের লক্ষ্যে কোন মামলা আদালতে উত্থাপিত হলে উক্ত মামলার আইনজীবীর অবশ্যই আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে।এ বিধানটি "Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর কোন অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. মক্কেলদের প্রতি কর্তব্য
  2. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  3. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
  4. জনসাধারণের প্রতি কর্তব্য
ব্যাখ্যা

উত্তর: Canons of Professional Conduct and Etiquette  এর ৩য় অধ্যায় আদালতের প্রতি কর্তব্য এর অন্তর্ভুক্ত।

Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:

১. মর্যাদা ও সুরক্ষা: আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

২. সাক্ষীর পরিচয়: মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।

৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুটী:  বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

৪. বিচারকের সাথে আচরণ: বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত। বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।

৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব: আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব। সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।

৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা: বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়। মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।

৭. বিচারক নিয়োগ: রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত। বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।

৮.মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি: আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব। উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।

৯. মতামত প্রদান: নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়। প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।

৫,৯৮৮.
দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারার বিধান কী?
  1. দাঙ্গা সংঘটনের জন্য কারাদণ্ড।
  2. বেআইনি সমাবেশে অস্ত্রসহ যোগদান।
  3. স্বার্থে দাঙ্গা হলে প্রতিরোধে ব্যর্থ ব্যক্তির অর্থদণ্ড।
  4. দাঙ্গার সময় পুলিশকে সহায়তার আইনি সুরক্ষা।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো দাঙ্গা (riot) এমন কোনো ব্যক্তির স্বার্থে সংঘটিত হয়, যিনি সংশ্লিষ্ট ভূমির মালিক, দখলদার, স্বত্বের দাবিদার বা ওই দাঙ্গা থেকে উপকৃত হয়েছেন, তবে তার কিছু দায়িত্ব থাকে।
যদি তিনি, তার প্রতিনিধি বা ম্যানেজার জানতেন বা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল যে, দাঙ্গা সংঘটিত হতে পারে বা বেআইনি সমাবেশ গঠিত হতে পারে, তাহলে তাদের অবশ্যই সেটি প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
যদি তারা আইনসম্মত সব উপায় অবলম্বন না করেন এবং দাঙ্গা প্রতিরোধ বা দমন করতে ব্যর্থ হন, তবে তারা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
অর্থাৎ, এই ধারার মাধ্যমে ভূমির মালিক বা স্বত্বের দাবিদারের দায়বদ্ধতা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে তারা দাঙ্গা প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারা- যে ব্যক্তির স্বার্থে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয় তার দায়দায়িত্ব:
যে ভূমি সম্পর্কে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয়েছে, দাঙ্গাটি যদি ভূমির মালিক বা দখলদারের অথবা উক্ত স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির অথবা যে বিরোধীয় বিষয়টি নিয়ে দাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছে উহাতে কোন স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির স্বার্থে বা স্বপক্ষে অথবা যে ব্যক্তি উহা হতে কোনভাবে উপকৃত হয়েছে তার স্বার্থে বা স্বপক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, তবে অনুরূপ ব্যক্তি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে-যদি উক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি বা তার ম্যানেজার অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হতে পারে অথবা যে বেআইনি সমাবেশ দ্বারা অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হবে তা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে তার বা তাদের বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অনুরূপ দাঙ্গা বা সমাবেশ নিরোধ করার এবং উহা দমন ও ছত্রভঙ্গ করার জন্য যথাক্রমে তার বা তাদের আয়ত্তাধীন সকল আইনসম্মত উপায় অবলম্বন না করে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 155- Liability of person for whose benefit riot is committed:
Whenever a riot is committed for the benefit or on behalf of any person who is the owner or occupier of any land respecting which such riot takes place or who claims any interest in such land, or in the subject of any dispute which gave rise to the riot, or who has accepted or derived any benefit therefrom, such person shall be punishable with fine, if he or his agent or manager, having reason to believe that such riot was likely to be committed or that the unlawful assembly by which such riot was committed was likely to be held, shall not respectively use all lawful means in his or their power to prevent such assembly or riot from taking place, and for suppressing and dispersing the same.
৫,৯৮৯.
‘ক’, ‘খ’-কে বিষ প্রয়োগ করেছে কি না এর বিচারে, বিষক্রিয়ার লক্ষণ প্রকাশের পূর্বে 'খ'-এর স্বাস্থ্যের অবস্থা এবং 'খ' এর অভ্যাস 'ক'-এর জানা ছিল। এই জ্ঞান এই বিচারের সাক্ষ্য হিসেবে কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৮
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুসারে এই ধরনের জ্ঞান যে বিষক্রিয়া ঘটনার মূল বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত এবং কারণ বা পরিণতির ধারাবাহিকতা তৈরি করতে সহায়ক, সেটি ধারা ৭ এর আওতায় প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারা অনুসারে যে সকল ঘটনা মূল বিষয়ের উপলক্ষ, কারণ বা পরিণতি, তাৎক্ষণিক হোক বা না হোক, অথবা যা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিত তৈরি করে কিংবা ঘটনার সংঘটনের সুযোগ সৃষ্টি করে, সেগুলো প্রাসঙ্গিক (relevant) বলে বিবেচিত হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭ এর বিধান: যে সকল ঘটনা মূল বিষয়ের উপলক্ষ, কারণ বা পরিণতি:
যে সকল ঘটনা মূল বিষয়ের উপলক্ষ, কারণ বা পরিণতি, তাৎক্ষণিক বা অন্যথায়, প্রাসঙ্গিক ঘটনা বা মূল বিষয় ঘটনার জন্য, অথবা যেগুলো ঘটনার পরিপ্রেক্ষিত তৈরি করে, বা ঘটনার সংঘটনের সুযোগ সৃষ্টি করে, সেগুলো প্রাসঙ্গিক হবে।

উদাহরণ:
(ক) প্রশ্ন উঠেছে, A কি B-কে ডাকাতি করেছে?
যদি দেখা যায় যে, ডাকাতির ঠিক আগে B একটি মেলায় গিয়েছিল এবং তার কাছে টাকা ছিল, এমনকি সে তা অন্যদের দেখিয়েছিল বা বলেছিল—তাহলে এই বিষয়গুলো প্রাসঙ্গিক।
(খ) প্রশ্ন উঠেছে, A কি B-কে হত্যা করেছে?
যদি খুনের স্থান বা তার আশেপাশে ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে এটি একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য।
(গ) প্রশ্ন উঠেছে, A কি B-কে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করেছে?
যদি B-এর স্বাস্থ্যের অবস্থা বিষক্রিয়ার লক্ষণ প্রকাশের আগেও খারাপ ছিল, অথবা A জানত যে B-এর কিছু নির্দিষ্ট অভ্যাস তাকে বিষ প্রয়োগের জন্য সহজ লক্ষ্য বানাতে পারে, তবে এই বিষয়গুলোও প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত হবে।

⇒ The Evidence Act, Sections-7. Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.

Illustrations:
(a) The question is, whether A robbed B.
The facts that, shortly before the robbery, B went to a fair with money in his possession, and that he showed it or mentioned the fact that he had it, to third persons, are relevant.
(b) The question is, whether A murdered B.
Marks on the ground, produced by a struggle at or near the place where the murder was committed, are relevant facts.
(c) The question is, whether A poisoned B.
The state of B's health before the symptoms ascribed to poison, and habits of B, known to A, which afforded an opportunity for the administration of poison, are relevant facts.

৫,৯৯০.
অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য মোহরের জন্য তামাদি মেয়াদ শুরু হয় কখন থেকে?
  1. মোহর তলব করার তারিখ থেকে
  2. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  3. পরিশোধ অস্বীকার করার তারিখ থেকে
  4. পরিশোধ করার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৩:
- অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য [Exigible dower] মুজ্জ্বল মোহরের জন্য মুসলমান মহিলা কর্তৃক‌ মামলা
- ৩ বছর;
- মোহর তলব করা হলে যখন পরিশোধ অস্বীকার করা হয়, অথবা যখন মৃত্যু বা তালাক দ্বারা বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১০৪:
- বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য (deferred dower) একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদকাল
- ৩ বছর;
- মৃত্যু অথবা তালাক দ্বারা যখন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।
৫,৯৯১.
'Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty'- অপরাধটির শাস্তি দণ্ডবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৩৫৪
  2. ধারা ৩৫৬
  3. ধারা ৩৫৮
  4. ধারা ৩৫৯
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪- Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ মতে- 
যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে বা সে তৎকর্তৃক তার শালীনতা নষ্ট করতে পারে জেনে তাকে আক্রশ করে বা তৎপ্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে—যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৫,৯৯২.
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপ-মন্ত্রীদের মধ্যে কত শতাংশ সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ করতে হবে?
  1. অন্যূন এক-দশমাংশ
  2. অন্যূন নয়-দশমাংশ
  3. অনধিক নয়-দশমাংশ
  4. অনধিক এক-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৫৬ মন্ত্রিগণ:
(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 

(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন। 

(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 

(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
৫,৯৯৩.
১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী, স্বামী একাধারে কয় বছর স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে স্ত্রী বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারবে?
  1. ৪ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-

(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
৫,৯৯৪.
ফৌজদারি মামলায় দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অনধিক _________ অর্থদণ্ড দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে।
  1. ২ হাজার
  2. ৫ হাজার
  3. ১০ হাজার
  4. ৩ হাজার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-
 
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকার অর্থদণ্ড।
 
২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
 
Section 32- Sentences which Magistrates may pass:
 
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 
(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
৫,৯৯৫.
স্থাবর সম্পত্তি হতে জোরপূর্বক বেদখল হলে প্রতিকারের জন্য মোকদ্দমা করতে হবে ?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা মতে
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মতে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারা মতে
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৩ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
- আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে।
-৯ ধারামতে যিনি স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, তিনিই মামলা করতে পারেন। কেননা এই ধরনের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয় এবং ৯ ধারার অধীনে দখল উদ্ধারের মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন অবান্তর।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত সম্পত্তিতে দখল এবং বিগত ৬ মাসের মধ্যে বেদখল হওয়া প্রমাণ করতে হবে, তবে স্বত্ব প্রমাণ করার কোন প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য যে, ৮ ধারায় দখল প্রমাণের প্রয়োজন নেই তবে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে।
------------------- 
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
 
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৫,৯৯৬.
'A' একটি জমির উপরিভাগের এবং 'B' ভূ-গর্ভের মালিক। 'B' উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোনো ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে 'A' কর্তৃক 'B' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
  2. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  3. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  4. 'খ' যেদিন মামলা দায়েরের কথা জানবে সেদিন থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নের এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা জমি ধসে পড়ার সময় থেকে শুরু হবে।

- তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুন ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা (suit for compensation for act not actionable without special damage):
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।
------------------------
⇒ The limitation Act-1908, Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage:-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
৫,৯৯৭.
কোন কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালত কমিশন (Commission) প্রেরণ করতে পারেন?
  1. জবানবন্দী গ্রহণের জন্য (To examine any person),
  2. স্থানীয় তদন্তের জন্য (To make a local investigation),
  3. বাটোয়ারার ক্ষেত্রে (To make a partition),
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাঃ ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:  নির্ধারিত শর্তাবলী ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত  উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-

ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
--------------------------------
⇒  Section-75: Power of Court to issue commissions. Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
৫,৯৯৮.
আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে কত দিনের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন মুলতুবি (Adjourn) রাখতে পারেন?
  1. অনধিক ১০ দিনের
  2. অনধিক ২০ দিনের
  3. অনধিক ১৫ দিনের
  4. অনধিক ১ মাস
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ১৪ বিধি ৩ অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলির বা তাদের কতকগুলি হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন:

ক) পক্ষগণ কর্তৃক বা তাদের পক্ষে উপস্থিতি কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা সেই পক্ষদের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে রচিত অভিযোগসমূহ

খ) আরজি জবাবের বা মামলায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তররের মধ্যে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ

গ) কোন পক্ষ কর্তৃক উপস্থাপিত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু।

♦ আদেশ ১৪ বিধি-৪ বিধান আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন:
আদালত কোন ব্যক্তির জবানবন্দি বা কোন দলিল পেশ করার প্রয়োজন মনে করলে অনধিক ১৫ দিনের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন মুলতুবি (Adjourn) করে উক্ত ব্যক্তি বা দলিল হাজির করার জন্য সমন জারি করতে পারেন।
৫,৯৯৯.
তামাদি আইন শুধু প্রতিকারে বাধা প্রদান করে এবং এটা কোন অধিকার বিলুপ্ত করে না। এই নিয়মের ব্যতিক্রম বলা হয়েছে তামাদি আইনের কোন ধারায়?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ২৮
  4. ধারা ২৯
ব্যাখ্যা

ধারা ২৮,সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি: কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
----------
Section 28, Extinguishment of right to property: At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.

৬,০০০.
দস্যুতার উপাদান নয় কোনটি?
  1. আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
  2. অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল
  3. দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে
  4. ৫ জনের বেশি লোক যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা মতে দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান থাকে-

i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;

ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;

iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; 

iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦এখানে ৫ জনের বেশি লোক যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করলে তা ডাকাতি বলে গণ্য হবে তবে দস্যুতার জন্য ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে থাকে।