বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৫৯ / ১৫৫ · ৫,৮০১৫,৯০০ / ১৫,৪৭০

৫,৮০১.
চুরি করতে গিয়ে আসামী যদি স্বেচ্ছাক্রমে আঘাত দেয়, তবে অপরাধটি হবে-
  1. গুরুতর চুরি
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. বলপূর্বক আদায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান- দস্যুতা: প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
৫,৮০২.
ঢাকায় একটি বেআইনি সমাবেশ দাঙ্গায় রূপ নেয়। দাঙ্গা দমনে গেলে কয়েকজন ব্যক্তি এক পুলিশ সদস্যকে মারাত্মকভাবে আঘাত করে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, আঘাতকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ১৫২ অনুযায়ী, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা বা দাঙ্গা দমন করার সময় আক্রমণের শিকার হন, তাকে আক্রমণের হুমকি দেওয়া হয়, বাধা দেওয়া হয় বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা হয়, তবে অপরাধীকে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। এই কারাদণ্ড সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে। এছাড়া অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তিও দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারী কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারী কর্মচারী অনুরূপ সরকারী কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both. 

৫,৮০৩.
বাদীর দরখাস্তের ভিত্তিতে বিবাদীর বরাবরে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় যে, বাদী অপর্যাপ্ত কারণে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করেছেন। এমতাবস্থায় আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (compensatory cost) প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৫: অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক বা নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে ক্ষতিপূরণ:

১) কোন মোকদ্দমায় পূর্ববর্তী ধারা অনুসারে গ্রেফতার, ক্রোক কিংবা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে সেক্ষেত্রে-

ক) যদি আদালতের নিকট বোধগম্য হয় যে, অনুরূপ গ্রেফতার, ক্রোক অথবা নিষেধাজ্ঞা অপর্যাপ্ত কারণে প্রয়োগ করা হয়েছে; অথবা

খ) যদি বাদিপক্ষ মোকদ্দমায় ব্যর্থ হয়, এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, মোকদ্দমা দায়ের করার কোন যুক্তিসঙ্গত বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না- তবে বিবাদি আদালতের নিকট আবেদন করতে পারে এবং আদালত ঐরূপ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিবাদির ব্যয় ও ক্ষতিপূরণের জন্য বাদির বিরুদ্ধে অনধিক (দশ হাজার] টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেনঃ
তবে শর্ত এই যে, এই ধারানুযায়ী আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের অধিক পরিমাণের টাকা প্রদানের নির্দেশ দিবে না।

২) অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে কোন আদেশ প্রদান করা হলে তা এরূপ গ্রেফতার, ক্রোক বা ইনজাংশনের দরুন ক্ষতিপূরণের জন্য আর কোন মোকদ্দমা চলবে না।
৫,৮০৪.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী বেআইনিভাবে টাকশাল হতে মুদ্রা তৈরির যন্ত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বাধিক শাস্তির মেয়াদ কত বছর?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৪৫ ধারার বিধান - টাকশাল হইতে মুদ্রা প্রস্তুত করার কোন যন্ত্র বেআইনীভাবে লইয়া যাওয়া:
:কোন ব্যক্তি যদি আইনানুগভাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের কোন টাকশাল হতে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা ছাড়া কোন মুদ্রা তৈরী করার হাতিয়ার বা যন্ত্র নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-245: Unlawfully taking coining instrument from mint:
-Whoever, without lawful authority, takes out of any mint, lawfully established in Bangladesh, any coining tool or instrument, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৫,৮০৫.
ধারা ১১৬ অনুযায়ী, ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel কীভাবে প্রযোজ্য?
  1. ভাড়াটিয়া চুক্তি অস্বীকার করতে পারবে
  2. মালিক চুক্তি বাতিল করতে পারবে না
  3. ভাড়াটিয়া পূর্বে স্বীকারকৃত চুক্তি অস্বীকার করতে পারবে না
  4. ভাড়াটিয়া নতুন কোনো চুক্তি করতে পারবে না
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২ টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।

৫,৮০৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০ অনুযায়ী, আরজি ফেরত দেওয়ার সময় আদালত কোন তথ্য অবশ্যই উল্লেখ করবে?
  1. আরজির সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  2. মামলার সংক্ষিপ্ত ফলাফল ও উক্ত আদালতে নাম
  3. মামলার এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের নাম
  4. আরজি ফেরত দেওয়ার কারণ, দাখিলকারীর নাম, এবং তারিখ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১০ অনুযায়ী, আরজি ফেরত দেওয়ার সময় আদালত আরজি ফেরত দেওয়ার কারণ, দাখিলকারীর নাম, এবং তারিখ অবশ্যই উল্লেখ করে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিখবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০ অনুযায়ী, এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
- আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।

⇒দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০- যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।
(২) যখন আরজি ফেরত দেওয়া হয়, বিচারক তার ওপর আরজির দাখিলের এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারী পক্ষের নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিখবেন।

- আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩নং আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-7, Rule-10. Return of plaint:
(1) The plaint shall at any stage of the suit be returned to be presented to the Court in which the suit should have been instituted.
-(2) Procedure on returning plaint: On returning a plaint the Judge shall endorse thereon the date of its presentation and return, the name of the party presenting it, and a brief statement of the reasons for returning it.
৫,৮০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির First Schedule-এর নিয়মাবলী পরিবর্তন, বাতিল বা সংযোজন করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. সরকারের
  2. জেলা জজের
  3. সুপ্রিম কোর্টের
  4. আইন মন্ত্রণালয়ের
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১২২ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টকে সময় সময়ে পূর্বকালীন প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, যা সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগ এবং এর নিয়ন্ত্রণাধীন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে। এই বিধির মাধ্যমে প্রথম তফশীলের সকল বা যে-কোনো বিধি বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করা যায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারা- বিধি প্রণয়নে সুপ্রীমকোর্টের ক্ষমতা:
- সুপ্রীমকোর্ট সময় সময়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের ও ইহার নিয়ন্ত্রণাধীন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ কালে পূর্বকালীন প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন এবং এরূপ প্রণীত বিধি দ্বারা প্রথম তফশীলের সকল বা যে কোন বিধি বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারবেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 122. Power of the Supreme Court to make rules.
- The Supreme Court may, from time to time after previous publication, make rules regulating the procedure of each Division of the Supreme Court and the procedure of Civil Courts subject to its Superintendence and may by such rules annul, alter or add to all or any of the rules in the First Schedule.

৫,৮০৮.
আদেশ ৪০ বিধি-৩ অনুযায়ী রিসিভারকে কখন হিসাবাদি দাখিল করতে হবে?
  1. মোকদ্দমার শেষে
  2. মোকদ্দমার পক্ষগণের চাহিদামাত্র
  3. সম্পত্তির মালিকের আবেদনসাপেক্ষে
  4. আদালতের নির্দেশিত মেয়াদে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি-৩: রিসিভারের দায়িত্ব:
অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক রিসিভার-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত কর্তৃক উপযুক্তবিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করবে;
গ) আদালতের নির্দেশ মত তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুন সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হলে তজ্জন্য দায়ী হবে।

Rule 3: Duties.
Every receiver so appointed shall-
a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
c) pay the amount due from him as the Court directs; and
d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.

৫,৮০৯.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুযায়ী, নিচের কোনটি "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অস্থিভঙ্গ বা স্থানচ্যুতি
  2. মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  3. কানের অস্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস
  4. চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুসারে, "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt) হিসেবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচিত হয়:
- পুরুষত্বহরণ (Emasculation)
- যেকোনো চোখের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি হ্রাস
- যেকোনো কানের স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস
- কোনো অঙ্গ বা জয়েন্টের হ্রাস
- কোনো অঙ্গ বা জয়েন্টের ক্ষমতার স্থায়ী ক্ষতি
- মাথা বা মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
- অস্থিভঙ্গ বা স্থানচ্যুতি
- এমন আঘাত যা জীবনের জন্য বিপদজনক বা ২০ দিনের জন্য তীব্র শারীরিক ব্যথা সৃষ্টি করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অক্ষম করে।

গ) অপশনে উল্লিখিত "কানের অস্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস" এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ ধারা ৩২০-এ কেবল স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাসকেই গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অন্য তিনটি বিকল্প (ক, খ, ঘ) এই ধারার অধীনে গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-

প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৫,৮১০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মামলায় হেরে গেলে বাদী পরবর্তীতে কী আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারে
  2. ৮ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
  3. পুনরায় ৯ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
  4. কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবে না
ব্যাখ্যা

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৯ ধারা: স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত বিধান:
→ দখলচ্যুতি ও মামলা করার অধিকার: যদি কোনো ব্যক্তি তার সম্মতি ছাড়া জোরপূর্বক স্থাবর সম্পত্তি (যেমন জমি বা বাড়ি) থেকে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত হয়, তবে সে বা তার পক্ষে অন্য কেউ আদালতে মামলা করতে পারে।
এই মামলার মূল উদ্দেশ্য হলো দখল পুনরুদ্ধার করা, তাই এতে সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে কোনো বিতর্ক উঠানো যাবে না।
→ স্বত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথক মামলা দায়েরের সুযোগ: ৯ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইনের কোনো বিধান ব্যক্তির সম্পত্তির মালিকানা বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা দায়েরের পথে বাধা হবে না। 
→ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না: এই ধারার অধীনে সরকারকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করা সম্ভব নয়।
→ আপিল ও পুনর্বিবেচনার সুযোগ নেই: ৯ ধারার অধীনে আদালত যে রায় দেবে, তার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না। এমনকি, সেই রায় পুনর্বিবেচনার (Review) জন্যও আবেদন করা যাবে না।
→ Res-Judicata (একই বিষয়ে পুনরায় মামলা করার নিষেধাজ্ঞা): যদি ৯ ধারার অধীনে করা মামলায় বাদী পরাজিত হয়, তাহলে সে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার অধীনে নতুন করে স্বত্ব ঘোষণার মাধ্যমে দখল উদ্ধারের মামলা করতে পারবে।
তবে, একবার ৯ ধারার অধীনে মামলা হেরে গেলে, আবার ৯ ধারার অধীনে নতুন করে মামলা করা যাবে না, কারণ তা Res-Judicata (একই বিষয়ে পুনরায় মামলা নিষিদ্ধ) হিসেবে গণ্য হবে।----------------
⇒The Specific Relief Act, 1877 -Section- 9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৫,৮১১.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারা অনুযায়ী, সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য কোন ধরনের প্রমাণ ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. সাক্ষীর পরিচয় প্রমাণ করা
  2. সাক্ষীর শারীরিক অবস্থা প্রমাণ করা
  3. সাক্ষীর আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য প্রদান
  4. সাক্ষীকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা প্রলোভন দেয়া হয়েছে তা প্রমাণ করা
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) সাক্ষীকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা প্রলোভন দেয়া হয়েছে তা প্রমাণ করা।

- সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারা অনুযায়ী, সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য তিনটি পদ্ধতি রয়েছে:
১) সাক্ষী যে বিশ্বাসযোগ্য নয়, তা প্রমাণ করার জন্য অন্য ব্যক্তিদের সাক্ষ্য ব্যবহার করা।
২) সাক্ষীকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা সে কোনো দুর্নীতিমূলক প্রলোভন গ্রহণ করেছে, তা প্রমাণ করা।
৩) সাক্ষীর পূর্বের বক্তব্য এবং বর্তমান সাক্ষ্যের মধ্যে অমিল প্রমাণ করা।
- এই ধারায় (ঘ) সঠিক উত্তর কারণ এটি সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। যদি কোন সাক্ষীকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা সে প্রলোভন গ্রহণ করেছে, তা প্রমাণ করা গেলে, তার সাক্ষ্য সন্দেহজনক হয়ে যাবে এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারার সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়।
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে।
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 155. Impeaching credit of witness
 The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;

⇒ Explanation.–A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
৫,৮১২.
According to Order 5, Rule 2 of the Code of Civil Procedure, Every summons shall be accompanied by a copy of the ______ .
  1. Plaint
  2. Application
  3. Affidavit
  4. Certificate
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫-এর বিধি ২ অনুযায়ী,
যখন আদালত কোনো সমন (summons) ইস্যু করে, তখন সেই সমনের সাথে মামলার অভিযোগপত্র বা plaint-এর একটি কপি যুক্ত করে পাঠাতে হয়। অথবা,  যদি আদালত অনুমতি দেয়, তখন এটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি সহেও পাঠানো যেতে পারে।

Order 5, Rule 2-
Every summons shall be accompanied by a copy of the plaint or, if so permitted, by a concise statement.
৫,৮১৩.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ২৭ অনুচ্ছেদে অনুসারে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির সর্বনিম্ন বয়স কত?
  1. ২১
  2. ২২
  3. ২৩
  4. ২৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ২৭ অনুচ্ছেদে অনুসারে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির সর্বনিম্ন বয়স ২১ বছর।

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য যোগ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত শর্তপূরণ করে। যথা:
ক) তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
খ) তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
গ) সে
(i) বাংলাদেশের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে বা 
ii) ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছে বা 
(iii) ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছে বা
(iv) বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত বাংলাদেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছে বা
(v) তিনি ব্যারিস্টার হয়ে থাকলে;
ঘ। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং 
ঙ) পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেছে এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত প্রতিপালন করেছে।
--------------------------------------------------------------------
⇒The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972, Article 27. (1) Subject to provisions of this Order and the rules made thereunder, a person shall be qualified to be admitted as an advocate if he fulfils the following conditions, namely:
(a) he is a citizen of Bangladesh;
(b) he has completed the age of twenty-one years;
(c) he had obtained-
(i) a degree in law from any university situated within the territory which forms part of Bangladesh; or
(ii) before the 26th day of March, 1971, a degree in law from any university in Pakistan 21 or 
(iii) before the 14th day of August, 1947, a degree in law from any university in any area which was comprised before that date within India as defined by the Government of India Act, 1935; or
(iv) a bachelor's degree in law from any university outside Bangladesh recognised by the Bar Council or
 (v) he is a barrister;
(d) he has passed such examination as may be prescribed by the Bar Council and
(e) he has paid such enrolment fee and fulfils such other conditions as may be specified in the rules made by the Bar Council.

৫,৮১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা অনুযায়ী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কে নিয়োগ পেতে পারেন না?
  1. আইনজীবী
  2. অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
  3. সরকারি চাকুরিজীবী
  4. প্রশিক্ষিত মধ্যস্থতাকারী
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা অনুযায়ী, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গ) সরকারি চাকুরিজীবী নিয়োগ পেতে পারেন না।

- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি যিনি রাষ্ট্রের চাকরিতে আছেন বা রাষ্ট্রের জন্য লাভজনক কোনো অফিসে কর্মরত, তিনি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত হতে পারবেন না। এর মূল উদ্দেশ্য হল, মধ্যস্থতার প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হবে, এবং সরকারি চাকুরিজীবীদের মধ্যে পক্ষপাতিত্বের আশঙ্কা হতে পারে।

- অন্যদিকে, আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, বা প্রশিক্ষিত মধ্যস্থতাকারী যথাযথ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকলে তারা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারার উপধারা (২)-এর দ্বিতীয় প্রভিজো (Proviso) অনুযায়ী, "a person holding an office of profit in the service of the Republic shall not be eligible for appointment as mediator" অর্থাৎ "প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগের অযোগ্য"।

অন্যদিকে:
ক) আইনজীবী (প্লিডার) নিয়োগযোগ্য [৮৯ক(১) ও (২) অনুযায়ী]।
খ) অবসরপ্রাপ্ত বিচারক নিয়োগযোগ্য [৮৯ক(২) ও (১০) অনুযায়ী]।
ঘ) প্রশিক্ষিত মধ্যস্থতাকারী (ডিস্ট্রিক্ট জজ কর্তৃক প্রস্তুত প্যানেলভুক্ত) নিয়োগযোগ্য [৮৯ক(১০) অনুযায়ী]।
সুতরাং, সরকারি চাকুরিজীবী একমাত্র অপশন যারা মধ্যস্থতাকারী হতে পারেন না।
৫,৮১৫.
'A' থানায় অভিযোগ করে যে, তার ভাই 'B' একটি সাদা কাগজে তাদের পিতার সই নকল করেছে, দণ্ডবিধি অনুসারে 'B' কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. জালিয়াতি
  2. প্রতারণা
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. অপরাধ জনক বিশ্বাস ভঙ্গ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৬৩-এর অধীন, জালিয়াতি (Forgery) হলো কোনো ব্যক্তির দ্বারা মিথ্যা দলিল বা তার অংশ প্রণয়ন করা, যার উদ্দেশ্য জনসাধারণ বা ব্যক্তির ক্ষতি, দাবি প্রতিষ্ঠা, সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করা, চুক্তি সম্পাদন বা প্রতারণা সংঘটিত করা। এখানে 'B' পিতার সই নকল করে সাদা কাগজে মিথ্যা দলিল তৈরি করেছে, যা জালিয়াতির সংজ্ঞার অন্তর্গত। 

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 463- Forgery: Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.

৫,৮১৬.
ধারা ৮১ অনুসারে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে কখন আদালতে হাজির করতে হবে?
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
  4. কোনো বিলম্ব ছাড়া যত দ্রুত সম্ভব
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী,
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security)without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
৫,৮১৭.
আদালত কখন অভিযুক্তকে মামলা সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্ন করতে পারে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পরে
  2. শুধুমাত্র জেরার সময়
  3. রায় ঘোষণার পর
  4. বিচার চলাকালীন যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

Section 342- Power to examine the accused:
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence.

(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just.

(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed.

(4) No oath shall be administered to the accused.

উল্লেখ্য,
এই ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
৫,৮১৮.
অপরাধ সংঘটনে জনসাধারণ বা দশজনের অধিক ব্যক্তির দ্বারা প্ররোচনা প্রদানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১১৭ ধারা: জনসাধারণ বা দশজনের অধিক ব্যক্তির দ্বারা অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান:
যদি কোনো ব্যক্তি জনসাধারণ বা দশজনের অধিক কোনো শ্রেণীর বা দলের সদস্যদের দ্বারা কোনো অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করেন, তবে তাকে তিন বছরের পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।​

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কোনো ব্যক্তি জনসমক্ষে একটি পোস্টার স্থাপন করেন যাতে দশজনের অধিক সদস্যবিশিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে নির্দিষ্ট সময়ে ও স্থানে সমবেত হয়ে প্রতিপক্ষ গোষ্ঠীর সদস্যদের উপর আক্রমণ করার জন্য উত্সাহিত করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি দণ্ডবিধির ১১৭ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন।
৫,৮১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, আপিল শুনানিতে কতবার স্থগিতাদেশ (Adjournment) দেওয়া যায়?
  1. যতবার ইচ্ছা
  2. সর্বোচ্চ একবার
  3. সর্বোচ্চ তিনবার
  4. সর্বোচ্চ ছয়বার
ব্যাখ্যা

​⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর Order XLI, Rule 12A(1) অনুসারে, আপিল শুনানির সময় যেকোনো পক্ষের আবেদনে সর্বোচ্চ তিনবার স্থগিতাদেশ (Adjournment) দেওয়া যায়। তিনবারের বেশি স্থগিতাদেশ চাইলে আদালত কস্ট (খরচ) আরোপ করতে পারে (ন্যূনতম ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা)।
যদি আবেদনকারী কস্ট পরিশোধ না করেন, তাহলে আপিলকারীর ক্ষেত্রে আপিল খারিজ (Dismissed) হতে পারে।
রেসপন্ডেন্টের ক্ষেত্রে একতরফা (Ex parte) রায় দেওয়া হতে পারে।

- অর্থাৎ ​দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার XLI, রুল 12A অনুযায়ী, আপিল শুনানিতে কোনো পক্ষের অনুরোধে সর্বোচ্চ তিনবার স্থগিতাদেশ (Adjournment) দেওয়া যায়। তিনবারের বেশি স্থগিতাদেশ দেওয়া হলে, আদালত নির্দিষ্ট শর্তে (যেমন খরচ প্রদান) এগিয়ে যেতে পারে, এবং অ-সম্মতি হলে আপিল খারিজ বা এক্স-পার্টে নিষ্পত্তি হতে পারে।
​-----------
​⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-12A.Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.
(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.
(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.

৫,৮২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ধারার বিধান অনুযায়ী অবিলম্বে বা তাৎক্ষনিক কার্যকরের প্রয়োজন হলে কে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে পারে?
  1. যে কোন ব্যক্তি
  2. পুলিশ অফিসারের নির্দেশে যে কোন ব্যক্তি
  3. আদালতের নির্দেশে যে কোন ব্যক্তি
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রটের নির্দেশে যে কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ধারার বিধান: পরোয়ানা যার কাছে প্রেরণ করতে হবে:
(১) গ্রেফতারী পরোয়ানা সাধারণতঃ এক বা একাধিক পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত হবে এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারীকৃত পরোয়ানা সর্বদাই তদ্রূপ নির্দেশিত হবে, তবে যেক্ষেত্রে পরোয়ানা অবিলম্বে কার্যকরী করা আবশ্যক হয় এবং অবিলম্বে কোন পুলিশ অফিসার পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে এরূপ পরোয়ানা জারীকারী আদালত অন্য এক বা একাধিক ব্যক্তি বরাবর তা নির্দেশিত করতে পারবেন এবং এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি তা কার্যকরী করবেন।

(২) একাধিক ব্যক্তির কাছে প্রেরিত পরোয়ানাঃ যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা একাধিক অফিসার বা ব্যক্তি বরাবর নির্দেশিত হয়, সেক্ষেত্রে তাদের সকলে বা যে কোন এক বা একাধিক জন তা কার্যকরী করতে পারবেন।
---------------------
The Code of Criminal Procedure, Section 77. Warrants to whom directed:
(1) A warrant of arrest shall ordinarily be directed to one or more police-officers, and, when issued by a Metropolitan Magistrate, shall always be so directed; but any other Court issuing such a warrant may, if its immediate execution is necessary and no police-officer is immediately available, direct it to any other person or persons; and such person or persons shall execute the same.

Warrants to several persons:
(2) When a warrant is directed to more officers or persons than one, it may be executed by all, or by any one or more, of them.
৫,৮২১.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় ভূমি অপরাধের ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিধান আছে?
  1. ১৮
  2. ২০
  3. ২১
  4. ২২
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারার বিধান মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য:
-  এই আইনের ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে, মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হইবে।
৫,৮২২.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২২, বিধি-৬ অনুসারে, শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর যদি কোনো পক্ষের মৃত্যু ঘটে তাহলে কী হয়?
  1. রায় ঘোষণা হয়।
  2. মামলা স্থগিত হয়।
  3. মামলা বাতিল হয়।
  4. নতুন পক্ষ যুক্ত হয়।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) রায় ঘোষণা হয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২২, বিধি-৬ অনুযায়ী, যদি কোনো পক্ষের মৃত্যু শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পরে কিন্তু রায় ঘোষণার আগে ঘটে, তাহলে মামলাটি অবসানপ্রাপ্ত (abatement) হয় না। বরং, আদালত সেই পরিস্থিতিতে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং উক্ত রায়ের কার্যকারিতা এমনই বিবেচিত হবে যেন তা পক্ষের জীবিত থাকা অবস্থায়ই ঘোষণা করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২, বিধি-৬: শুনানি শেষ হওয়ার পর কোনো পক্ষের মৃত্যুজনিত কারণে মামলার অবসান নয়:
- পূর্ববর্তী বিধিসমূহে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কারণ-সংক্রান্ত অধিকার বজায় থাকুক বা না থাকুক, যদি কোনো পক্ষের মৃত্যু শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর এবং রায় প্রদান করার পূর্বে ঘটে, তাহা হইলে কেবলমাত্র উক্ত মৃত্যুর কারণে মামলার অবসান হইবে না; বরং উক্ত অবস্থায়ও রায় প্রদান করা যাইবে এবং রায়টি এমনভাবে কার্যকর হইবে যাহা মৃত্যুর পূর্বেই প্রদান করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ Order XXII, Rule 6 of the Code of Civil Procedure, 1908: No abatement by reason of death after hearing:
- Notwithstanding anything contained in the foregoing rules, whether the cause of action survives or not, there shall be no abatement by reason of the death of either party between the conclusion of the hearing and the pronouncing of the judgment, but judgment may in such case be pronounced notwithstanding the death and shall have the same force and effect as if it had been pronounced before the death took place.
৫,৮২৩.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায়  “উইল (will)” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২৭ ধারায়
  2. ২৯ ধারায়
  3. ৩১ ধারায়
  4. ৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860- ধারা ৩১: “উইল”:
"উইল" শব্দটি দ্বারা কোনো টেস্টামেন্টারি ডকুমেন্ট বোঝানো হয়।
Section- 31: “A will” The words "a will" denote any testamentary document.

এই ধারার অধীনে,
“উইল” বলতে এমন কোনো লিখিত দলিলকে বোঝায় যা একজন ব্যক্তি তার মৃত্যুর পর সম্পত্তি কাকে কিভাবে দেওয়া হবে—এই মর্মে করে যান। এটা একটি বৈধ ইচ্ছাপত্র।
৫,৮২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা অনুসারে, সমন কীভাবে প্রদান করতে হবে?
  1. লিখিতভাবে এবং এক কপিতে
  2. লিখিতভাবে এবং দুই কপিতে
  3. লিখিতভাবে এবং তিন কপিতে
  4. মৌখিকভাবে এবং এক কপিতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৮(১) এ বলা হয়েছে: “কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি অনুযায়ী নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হতে হবে।”
- অর্থাৎ, সমন একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ যেটি, লিখিতভাবে হতে হবে, দুই কপিতে প্রস্তুত করতে হবে (একটি কপি রেকর্ডে, অপরটি প্রাপকের জন্য), এবং সেটি অবশ্যই বিচারক বা অনুমোদিত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সীল থাকতে হবে। মৌখিকভাবে বা এক কপিতে সমন প্রদান আইন অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়।
→ সুতরাং, ধারা ৬৮ অনুযায়ী, সমনের বৈধতা নিশ্চিত করতে হলে তা “লিখিত ও দুই কপিতে” হতে হবে, তাই সঠিক উত্তর "খ"।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারার বিধান সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
(২) সমন জারিকারক : এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section- 68. Form of summons:
1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.
Summons by whom served:
2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.

৫,৮২৫.
সাক্ষ্য আইনের ৭২ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মৌখিক সাক্ষ্যের প্রমাণ
  2. ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রমাণ
  3. মৃত্যুকালীন ঘোষণার প্রাসঙ্গিকতা
  4. প্রত্যয়ন আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭২ অনুযায়ী, যে দলিল আইনের দ্বারা প্রত্যয়ন (attestation) আবশ্যক নয়, সেটি যদি প্রত্যয়িতও হয়, তাহলে সেটিকে এমনভাবে প্রমাণ করা যাবে যেন সেটি অপ্রত্যয়িত দলিল।
অর্থাৎ, আইন অনুযায়ী প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক নয় এমন দলিলের ক্ষেত্রে, প্রত্যয়নের অস্তিত্ব বা সাক্ষী উপস্থিতি ছাড়াও তা প্রমাণযোগ্য।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 72. Proof of document not required by law to be attested:
An attested document not required by law to be attested may be proved as if it was unattested.
---------- 
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭২: আইনের দ্বারা প্রত্যয়ন (attestation) আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ:
যে দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যয়ন আবশ্যক নয়, তা প্রত্যায়িত হলেও, সেটিকে এমনভাবে প্রমাণ করা যাবে যেন সেটি অপ্রত্যায়িত দলিল।
৫,৮২৬.
'A will may at any time be presented for registration or deposited in manner hereinafter provided' বিধানটি The Registration Act, 1908 এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ২৩ক
  2. ২৪
  3. ২৬
  4. ২৭
ব্যাখ্যা
⇒ The Registration Act, 1908, Section-27. Wills may be presented or deposited at any time:
-A will may at any time be presented for registration or deposited in manner hereinafter provided.
-------------------
নিবন্ধন আইনের ২৭ ধারা মতে উইল যে কোন সময় দাখিল করা বা জমা দেওয়া যাবে: উইল- যে কোন সময় নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাবে, অথবা অতপর বর্ণিত পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাবে।
 
- উইল হল একমাত্র দলিল যার দাখিলের জন্য কোন সময়সীমা নাই।
৫,৮২৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সদস্যদের মধ্য হতে সদস্য নিয়ে কয়টি স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করবার বিধান আছে?
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ: 
(১) সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সদস্য লইয়া সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবেন:
(ক) সরকারি হিসাব কমিটি;
(খ) বিশেষ-অধিকার কমিটি; এবং
(গ) সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।
(২) সংসদ এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত কমিটিসমূহের অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করিবেন এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত কোন কমিটি এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে
(ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করিতে পারিবেন;
(খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করিতে পারিবেন;
(গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলিয়া সংসদ কোন বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিলে সেই বিষয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের কার্য বা প্রশাসন সম্বন্ধে অনুসন্ধান বা তদন্ত করিতে পারিবেন এবং কোন মন্ত্রণালয়ের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহের এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তর লাভের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;
(ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।
(৩) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের অধীন নিযুক্ত কমিটিসমূহকে
(ক) সাক্ষীদের হাজিরা বলবৎ করিবার এবং শপথ, ঘোষণা বা অন্য কোন উপায়ের অধীন করিয়া তাঁহাদের সাক্ষ্যগ্রহণের,
(খ) দলিলপত্র দাখিল করিতে বাধ্য করিবার 
ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।
৫,৮২৮.
তামদি আইনের ৯২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রেজিস্ট্রিকৃত দলিল জাল বলে ঘোষণার জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর 
  3. ২ বছর 
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

তামদি আইনের ৯২ অনুচ্ছেদ  অনুযায়ী রেজিস্ট্রিকৃত দলিল জাল বলে ঘোষণার জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা-৩ বছর।

⇒ তামদি আইনের ৯২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ইস্যুকৃত বা রেজিস্ট্রিকৃত দলিল জাল বলে ঘোষণার জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা-৩ বছর।
এ সময় গণনা শুরু হয় দলিলটির ইস্যুকরণ বা রেজিস্ট্রিকরণ যখন বাদীর গোচরীভূত হয়।

⇒ The Limitation Act 1908, Article 92: The period of limitation to institute a suit to declare the forgery of an instrument issued or registered is- 3 years. The period begins when the issue or registration becomes known to the plaintiff.

৫,৮২৯.
'ক' একজন ফরাসি নাগরিক। সে আমেরিকার জলসীমানায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি নিবন্ধিত জাহাজে একজন আমেরিকানকে হত্যা করে। কোন শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন আদালত 'ক' এর বিচার করতে পারে?
  1. যদি জাহাজ বাংলাদেশে ফিরে আসে
  2. যদি 'ক' কে বাংলাদেশে পাওয়া যায়
  3. 'ক' এর দেশের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. আমেরিকার অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
ধারা-৪: রাষ্ট্রীয় সীমানার বাইরের অপরাধের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ব্যাপ্তি (Extension of Code to extraterritorial offences):

দণ্ডবিধির ৪ ধারা ২টি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়-
১. বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে বাংলাদেশী নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত কোন অপরাধের বিচার;
২. বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে যেকোন ব্যক্তি সে বাংলাদেশী হোক বা বিদেশী হোক কর্তৃক সংঘটিত কোন অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার বাংলাদেশের ফৌজদারী আদালতের থাকবে, যখন উক্ত অপরাধীকে বাংলাদেশে পাওয়া যাবে।

উদাহরণ:
'ক' একজন ফরাসি নাগরিক। সে বাংলাদেশের একটি নিবন্ধিত জাহাজ যেটা আমেরিকার জলসীমানায় অবস্থিত, সেটাতে একজন আমেরিকানকে হত্যা করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর বিচার বাংলাদেশে করা যাবে, যদি 'ক' অপরাধীকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়। ৪ (১) ধারা শুধুমাত্র বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য, যেখানে ৪(২) ধারা বাংলাদেশী এবং বিদেশী উভয়ের জন্য প্রযোজ্য।
৫,৮৩০.
"Definition of Court which passed a decree" এটি দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারার বিধান?
  1. ৩৬
  2. ৩৭
  3. ৩৮
  4. ৩৯
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারার বিধান: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:- “যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-

ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।
----------------
Section 37. Definition of Court which passed a decree.
- The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,- 
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and 
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.
৫,৮৩১.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতিকে নিম্নলিখিত কোন বিশেষ অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা যাবে না
  2. যেকোন কাজের জন্য আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না
  3. কোন প্রকার দেওয়ানি কার্যধারা দায়ের করা হলে তা স্থগিত থাকবে
  4. উল্লিখিত সকল অধিকার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫১: রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি

(১) এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।

(২) রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।

Article 51: President's immunity

(1) Without prejudice to the provisions of article 52, the President shall not be answerable in any court for anything done or omitted by him in the exercise or purported exercise of the functions of his office, but this clause shall not prejudice the right of any person to take proceedings against the Government. 

(2) During his term of office no criminal proceedings whatsoever shall be instituted or continued against the President in, and no process for his arrest or imprisonment shall issue from, any court.
৫,৮৩২.
সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ কত বৎসর বাড়ানো হয়েছে?
  1. ১৫ বৎসর
  2. ৩০ বৎসর
  3. ২০ বৎসর
  4. ২৫ বৎসর
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনের ১০ বৎসরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৪ই জানুয়ারী শেষ হবে। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ ১১তম সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পরবর্তী ২৫ বৎসর পর্যন্ত নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ থাকবে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী, ২০১১ এর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ এর পরিবর্তে ৫০ টি করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদ-প্রতিষ্ঠা: (১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।]

 (৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
৫,৮৩৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী দ্বিতীয়বার মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য দণ্ডিত ব্যক্তি পুনরায় অপরাধ করলে ধারা ৩৬(৩) অনুযায়ী উক্ত অপরাধের দণ্ড মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড না হলে কী দণ্ড প্রযোজ্য?
  1. সর্বোচ্চ দণ্ডের দ্বিগুণ
  2. অন্তত ২০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ৫-১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(৩) অনুসারে: "(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য দ্বিতীয়বার দণ্ডিত হইয়া দণ্ড ভোগ করিবার পর যদি কোনো ব্যক্তি পুনরায় কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ করেন তাহা হইলে উক্ত অপরাধের দন্ড মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড না হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অন্যূন ২০ (বিশ) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।"
- এখানে "অন্যূন ২০ বৎসর" বলতে কমপক্ষে ২০ বছর বোঝায়। অর্থাৎ তৃতীয়বার মাদক অপরাধের জন্য শাস্তি হবে অন্তত ২০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড (যেখানে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অন্তর্ভুক্ত না হলে)।
→ অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৬(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি দ্বিতীয়বার মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে দণ্ড ভোগ করার পর পুনরায় মাদকদ্রব্য অপরাধ করেন, তাহলে উক্ত অপরাধের দণ্ড মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড না হলে তিনি অন্তত ২০ (বিশ) বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৫,৮৩৪.
সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা কোন প্রকার মামলার জন্য প্রাসঙ্গিক?
  1. ফৌজদারি মামলা
  2. ক্ষতিপূরণ মামলা
  3. পারিবারিক মামলা
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।

অর্থাৎ, সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী,
যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.
৫,৮৩৫.
আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না মঞ্জুর করে আদালত কোন আদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি ?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১১ বিধির অধীন মোকদ্দমার বিবাদীর আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না মঞ্জুরের আবেদন হল আপীলআযোগ্য আদেশ। তাই এই ক্ষেত্রে আপীল করা যাবে না বরং রিভিশন করতে হবে। 
♦অর্থাৎ আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না-মঞ্জুর করলে রিভিশন করতে হবে।
৫,৮৩৬.
বাদীর দেউলিয়াত্বের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়ানি মোকদ্দমা-
  1. স্থগিত হয়ে যাবে
  2. অ্যাবেট হবে
  3. অ্যাবেট হবে না
  4. বিবাদীর পক্ষে পরিচালিত হবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ : বিধি ৮, দেওয়ানি কার্যবিধি:
কোনো মামলায় যদি বাদী দেউলিয়া হয়ে যায়, এবং সেই মামলাটি তার ক্রেডিটরদের সুবিধার জন্য কোনো অ্যাসাইনী (assignee) বা রিসিভার (receiver) পরিচালনা করতে পারে, তাহলে- বাদীর দেউলিয়াপনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলাকে বন্ধ (abate) করবে না,

যদি না সেই অ্যাসাইনী বা রিসিভার মামলাটি চালিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকে, অথবা যদি না আদালত বিশেষ কোনো কারণে অন্য নির্দেশনা দেয়, এবং অ্যাসাইনী বা রিসিভার আদালত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে খরচের নিরাপত্তা (security for costs) প্রদান করে না।

৫,৮৩৭.
নিজেকে কোনো মৃত ব্যক্তি বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করলে কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৪১৪ ধারা
  2. ৪১৬ ধারা
  3. ৪১৭ ধারা
  4. ৪২০ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা- অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা: যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

৫,৮৩৮.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোনো পণ্য কোনো বিশেষ ব্যক্তির উৎপাদিত বলে বুঝাবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন _______ বলে অভিহিত।
  1. trade mark
  2. patents and property mark
  3. property mark
  4. patents
ব্যাখ্যা
ধারা-৪৭৮; পণ্য-প্রতীক (Trade mark): কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য-প্রতীক বলে। অর্থাৎ কোন পণ্যদ্রব্যের মালিকানা নির্দেশক চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য- প্রতীক বা Trade mark বলে।

পণ্য-প্রতীক কথাটির দ্বারা ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইন অনুযায়ী রক্ষিত পণ্য-প্রতীক রেজিষ্টারে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন পণ্য-প্রতীককে বুঝাবে ।

ধারা-৪৭৯: সম্পত্তি চিহ্ন (Property mark)- কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে।
অর্থাৎ কোন অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা নির্দেশক চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বা Property mark বলে।
৫,৮৩৯.
নিম্নলিখিত কোন আইনের ক্ষেত্রে The Evidence Act, 1872 প্রযোজ্য নয়?
  1. The Penal Code, 1860
  2. The Army Act, 1952
  3. The Code of Criminal Procedure, 1898
  4. The Code of Civil Procedure, 1908
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army Act, 1952 অথবা The Naval Discipline Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act, 1953 এর ক্ষেত্রে;
ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;
iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে।

Section 1 ⇒ Extent:
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953 but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator.
৫,৮৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীনে গর্ভবতী স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার জন্য কোন আদালত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. জেলা আদালত
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা অনুযায়ী, গর্ভবতী স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার জন্য শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ কর্তব্যপ্রণালী প্রয়োগ করতে পারে। এর আওতায়, হাইকোর্ট বিভাগ যদি দেখতে পায় যে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো মহিলা গর্ভবতী, তবে হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যেতে পারে এবং প্রয়োজনবোধে তা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত করা যেতে পারে।

- এটি স্পষ্টভাবে ৩৮২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, হাইকোর্ট বিভাগ এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। তাই উত্তর হবে ক) হাইকোর্ট বিভাগ।

অন্য আদালত (যেমন দায়রা আদালত বা জেলা আদালত) এই ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা রাখে না, কারণ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারায় শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
৫,৮৪১.
দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী সামান্য ক্ষতিকারক কার্য (Act causing slight harm) কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না?
  1. দণ্ডবিধির ৯২ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৯৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৯৪ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৯৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা মতে সামান্য ক্ষতিকারক কার্য:- সামান্য ক্ষতিকারক যে কার্যে সাধারণ বোধ ও মেজাজ সম্পন্ন কোন ব্যক্তি ক্ষতির অভিযোগ করবে না, এমন কোন কাজ অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না- যদিও কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতিসাধিত হয় বা কাজটি অনুরূপ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হয়, অথবা কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতি হতে পারে বলে উহার সম্পন্নকারীর জানা থাকে।

------------
♦ Section 95. Act causing slight harm:- Nothing is an offence by reason that it causes, or that it is intended to cause, or that it is known to be likely to cause, any harm, if that harm is so slight that no person of ordinary sense and temper would complain of such harm.
৫,৮৪২.
"প্রচলিত আইন" অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানায় বা উহার অংশবিশেষে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সক্রিয় থাকুক বা না থাকুক, এমন যে কোন আইন- এই সংজ্ঞা কোথায় দেয়া আছে?
  1. The General Clauses Act, 1897
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
  4. The Civil Courts Act, 1887
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-

"প্রচলিত আইন" অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানায় বা উহার অংশবিশেষে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সক্রিয় থাকুক বা না থাকুক, এমন যে কোন আইন;
৫,৮৪৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশে (Order) Reference সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধান প্রদান করা হয়েছে?
  1. আদেশ-৪৭
  2. আদেশ-৪৬
  3. আদেশ-৪৫
  4. আদেশ-৪০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪৬ (Order XLVI)-এ Reference সংক্রান্ত বিস্তারিত বিধান রয়েছে।
- এই আদেশে বলা হয়েছে, যদি কোনো মামলা বা আপিলের শুনানির সময় বা ডিক্রি কার্যকর করার সময় আইনগত কোনো প্রশ্ন বা usage having the force of law বিষয়ে সংশয় দেখা দেয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট আদালত তা স্বতঃপ্রবৃত্তভাবে বা পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশনে রেফারেন্স পাঠাতে পারে।

এছাড়া আদেশ ৪৬-এ আরও বলা হয়েছে: 
- হাইকোর্ট রেফারেন্সকৃত মামলার আইনি প্রশ্নে সিদ্ধান্ত দেবে।
- রায় বা আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে।
- ক্ষুদ্র বিষয়ে এখতিয়ার নিয়ে সন্দেহ হলে হাইকোর্টে পাঠানো যাবে।
৫,৮৪৪.
বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতিরেকে কোনো আইনজীবী সর্বোচ্চ কতজন শিক্ষানবিশ একসাথে রাখতে পারবেন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬০(৩):
(i) কোনো আইনজীবী বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতিরেকে একসাথে চারজনের বেশি শিক্ষানবিশ নিতে পারবেন না।

(ii) আইনজীবী ও শিক্ষানবিশের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি থাকতে হবে, যা বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে সম্পাদিত হবে। এই চুক্তি সম্পাদনের ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট তা দাখিল করতে হবে, সেই সঙ্গে শিক্ষানবিশ কর্তৃক শপথপত্র দাখিল করতে হবে যাতে সে উক্ত চুক্তি সম্পাদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে। যদি তা না করা হয়, তবে পিউপিলেজ চুক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

[চুক্তির সঙ্গে ৮০০ টাকা নিবন্ধন ফি, আইন ডিগ্রির সত্যায়িত কপি এবং বার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন ফরম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (যেমন: পিউপিলেজ রেজিস্ট্রেশন ফরম, লিখিত পরীক্ষার ফরম [ফরম-A], পুনরায় অংশগ্রহণের আবেদনপত্র ইত্যাদি) দাখিল করতে হবে, যেগুলো বার কাউন্সিল অফিস থেকে নির্ধারিত ফি দিয়ে সংগ্রহ করতে হবে।]

(iii) পিউপিলেজ শুরু হবে চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে, তবে কেবল সেই সময় হিসেব করা হবে যখন আইনজীবী প্রকৃতপক্ষে বার-এ প্র্যাকটিস করছিলেন।
শর্তসাপেক্ষে, একজন শিক্ষানবিশ একাধিক আইনজীবীর কাছে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন মোট ছয় মাসের জন্য, যা যথাসম্ভব ধারাবাহিকভাবে হতে হবে।

(iv) যদি কোনো আইনজীবী উক্ত উপনিয়ম অনুযায়ী চুক্তিতে মিথ্যা তথ্য দেন বা উপ-নিয়ম (২)-এর অধীনে মিথ্যা সার্টিফিকেট দেন, তবে তিনি পেশাগত অসদাচরণে (Professional Misconduct) দোষী হবেন।

(v) যদি কোনো প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে তার অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেন, তবে তিনি ৫ (পাঁচ) বছরের জন্য তালিকাভুক্তি থেকে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

[(vi) হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য এবং অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। যদি প্রার্থী রেজিস্ট্রেশনের ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারেন, তবে তার রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।]

(vii) অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ও হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য বার কাউন্সিল কর্তৃক এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষা সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত হবে, যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ।
৫,৮৪৫.
কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নের কোন পদক্ষেপ গ্রহন করবেন?
  1. দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন
  2. কমান্ডিং অফিসারের নিকট অর্পণ করবেন
  3. জবানবন্দী গ্রহণ করবেন
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৯ অনুসারে,

কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা হলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের একটি বিবরণসহ অভিযুক্তকে কোর্ট মার্শালে বিচারের উদ্দেশ্যে বাহিনী, কোর, জাহাজ বা উপদলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট অথবা নিকটতম স্থল, নৌ বা বিমান বাহিনী কমান্ডিং অফিসারের নিকট অর্পণ করবেন।

কোন সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর প্রত্যেকটি ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও হাজির করার জন্য সর্বাধিক চেষ্টা করবেন।
৫,৮৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে দায়রা আদালতে অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্বে কে থাকেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অফিসার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী, দায়রা আদালতে মামলা পরিচালনা করবেন পাবলিক প্রসিকিউটর। তিনি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বর্ণনা দিয়ে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করবেন।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
⇒ কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial)
-ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
- ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভিযোগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265A.Trial to be conducted by Public Prosecutor:
-In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265B.Opening case for prosecution:
-When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.
৫,৮৪৭.
X এর মনে তার স্ত্রী Y’র সঙ্গে Z এর অবৈধ সম্পর্ক থাকার বিষয়ে সন্দেহ হয় এবং রাত তিনটার সময় X Z’কে তার স্ত্রীর (Y) ঘরে দেখতে পেয়ে তাকে হত্যা করে। X, The Penal Code, 1860 এর কোন ধারার অপরাধ সংঘঠন করে?
  1. ৩০০
  2. ৩০১
  3. ৩০৩
  4. ৩০৪
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 অনুযায়ী স্ত্রী’র (Y) সাথে নিহত ব্যক্তিকে (Z) গভীর রাতে একঘরে দেখা অবশ্যই একটি গুরুতর উসকানিমূলক কাজ ছিল যা ৩০০ ধারার ১ নং ব্যতিক্রমের অন্তর্ভুক্ত সুতরাং অপরাধটি ৩০৪ ধারার প্রথমাংশের অপরাধ গণ্য হবে এবং এ জন্য আসামীর (X) যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে।
অর্থাৎ এখানে X শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বা নিন্দনীয় নরহত্যার অপরাধ করেছে।
৫,৮৪৮.
Who has the power to determine the boundaries of Bangladesh’s territory, territorial waters, and continental shelf?
  1. Parliament
  2. Supreme Court
  3. The President
  4. The Prime Minister
ব্যাখ্যা

Article 143 of the Constitution of Bangladesh: Property of the Republic:
(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested –
(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh; 
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and 
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner. 
 
(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.

অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি:
(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

৫,৮৪৯.
A, B-কে একটি জাহাজ কেনার জন্য প্রতিনিধি নিযুক্ত করে। B, একজন ভাল খ্যাতির জাহাজ পরিদর্শক নিয়োগ করে। পরিদর্শক অবহেলার সাথে জাহাজ নির্বাচন করে এবং জাহাজটি সমুদ্রযাত্রার অনুপযোগী (unseaworthy) হয়ে ডুবে যায়। B-এর দায়িত্ব কী?
  1. B দায়ী
  2. B দায়ী নয়
  3. B আংশিক দায়ী
  4. ক অথবা গ 
ব্যাখ্যা

⇒  চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৯৫ এবং এর Illustration (a) অনুসারে, একজন এজেন্ট (B) যখন তার নিযুক্তকর্তা (A) এর জন্য another agent (জাহাজ পরিদর্শক) নির্বাচন করেন, তখন তিনি একজন সাধারণ বিচক্ষণ ব্যক্তি (a man of ordinary prudence) নিজের কাজের ক্ষেত্রে যে রকম সতর্কতা ও discretion অবলম্বন করেন, সেই একই level-এর সতর্কতা অবলম্বন করতে বাধ্য থাকেন।  

- যদি B এই standard অনুযায়ী সতর্কতা অবলম্বন করে (যেমন, ভাল খ্যাতির একজন জাহাজ পরিদর্শক নিয়োগ করে) এবং তারপরও নির্বাচিত agent (পরিদর্শক) তার কাজে negligence (অবহেলা) করে, মূল এজেন্ট (B) সেই negligence-এর জন্য নিযুক্তকর্তা (A) এর কাছে দায়ী হবেন না। দায়ী হবেন নির্বাচিত agent (জাহাজ পরিদর্শক) নিজে।  

- চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৯৫ অনুযায়ী, একজন এজেন্ট যদি তার জন্য অন্য একজনকে কাজের জন্য বেছে নেয়, তবে তাকে এমনভাবে বেছে নিতে হবে যেভাবে একজন সাধারণ সতর্ক ও বিচক্ষণ মানুষ নিজের কাজের জন্য কাউকে বেছে নিত। যদি সে সতর্কভাবে একজন সুনামধারী ব্যক্তিকে নির্বাচন করে এবং সেই নির্বাচিত ব্যক্তি অবহেলা করে, তাহলে মূল এজেন্ট (যিনি নির্বাচন করেছিলেন) দায়ী হবেন না। দায়ী হবেন সেই নির্বাচিত ব্যক্তি নিজেই। তাই এখানে B সঠিকভাবে একজন ভালো খ্যাতির জাহাজ পরিদর্শক নিয়োগ করায় তার দায় নেই, দায় হবে কেবল পরিদর্শকের।

এক্ষেত্রে, B একজন ভাল খ্যাতির জাহাজ পরিদর্শক নিয়োগ করেছে, যা একজন সাধারণ বিচক্ষণ ব্যক্তির মতোই কাজ। তাই পরিদর্শকের নিজের negligence-এর জন্য B দায়ী নয়।  
সঠিক উত্তর হল: খ) B দায়ী নয়। 
------------
⇒ The Contract Act, 1872 section- 195. Agent's duty in naming such person:
In selecting such agent for his principal, an agent is bound to exercise the same amount of discretion as a man of ordinary prudence would exercise in his own case; and, if he does this, he is not responsible to the principal for the acts or negligence of the agent so selected. 

Illustrations 
(a) A instructs B, a merchant, to buy a ship for him. B employs a ship surveyor of good reputation to choose a ship for A. The surveyor makes the choice negligently and the ship turns out to be unseaworthy and is lost. B is not, but the surveyor is, responsible to A. 

(b) A consigns goods to B, a merchant, for sale. B in due course, employs an auctioneer in good credit to sell the goods of A, and allows the auctioneer to receive the proceeds of the sale. The auctioneer afterwards becomes insolvent without having accounted for the proceeds. B is not responsible to A for the proceeds.

৫,৮৫০.
যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তাহলে ডিক্রি-ধারক ডিক্রি কার্যকরের জন্য কোন আদালতে আবেদন করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. যেকোন দেওয়ানি আদালতে
  3. জেলা আদালতে
  4. যে আদালতে ডিক্রি জারি হয়েছিল
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা ৫০:

(১) যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার আদালতে আবেদন করতে পারেন যা ডিক্রি জারি করেছিল, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর (legal representative) বিরুদ্ধে সেই ডিক্রি কার্যকর করার জন্য।
Where a judgment-debtor dies before the decree has been fully satisfied, the holder of the decree may apply to the Court which passed it to execute the same against the legal representative of the deceased.

(২) যখন ডিক্রি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা হয়, তখন তিনি শুধুমাত্র সেই সম্পত্তির পরিমাণে দায়বদ্ধ থাকবেন যা মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে তার হাতে এসেছে এবং যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করা হয়নি; এবং, এই দায় নির্ধারণের জন্য, ডিক্রি কার্যকরকারী আদালত, নিজ উদ্যোগে বা ডিক্রি ধারকের আবেদনের ভিত্তিতে, ওই উত্তরাধিকারীকে এমন হিসাবপত্র পেশ করার জন্য বাধ্য করতে পারে যা আদালত উপযুক্ত মনে করে।
Where the decree is executed against such legal representative, he shall be liable only to the extent of the property of the deceased which has come to his hands and has not been duly disposed of; and, for the purpose of ascertaining such liability, the Court executing the decree may, of its own motion or on the application of the decree-holder, compel such legal representative to produce such accounts as it thinks fit.
৫,৮৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order VII Rule 13 এ বাদীকে কী অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. আরজি সংশোধনের
  2. আরজির সাথে দলিল দাখিলের
  3. নতুন আরজি দায়েরের
  4. মোকদ্দমার মূল্যমান সংশোধনের
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) নতুন আরজি দায়েরের।

Order VII Rule 13 – Where rejection of plaint does not preclude presentation of fresh plaint:
যদি কোনো আরজি পূর্বোক্ত কারণগুলির (যেমন: ত্রুটি, ভুল মূল্যায়ন, স্ট্যাম্প না থাকা ইত্যাদি) কারণে আদালত দ্বারা খারিজ (rejected) হয়, তবে শুধুমাত্র সেই কারণে বাদী (plaintiff) একই cause of action (মোকদ্দমার মূল কারণ)-এর ভিত্তিতে নতুন করে আরজি দায়ের করতে বাধা প্রাপ্ত হবেন না।

৫,৮৫২.
The Limitation Act 1908- এর কোন ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল ব্যয়িত সময় তামাদির মেয়াদ গণনা হতে বাদ যাবে?
  1. ১১
  2. ১২
  3. ১৩
  4. ১৪
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১২ ধারা মোতাবেক আইনানুগ কার্যধারায় যে সময় গণনা থেকে বাদ দিতে হয়-
• মামলা করার কারণ যেদিন উদ্ভব হবে সেই দিন, রায় ও ডিক্রি যেদিন প্রদান করা হয় সে দিনটি, রায় ও ডিক্রির জাবেদা নকল সংগ্রহ করার জন্য যতদিন লাগে ততদিন।
• সুতরাং বলা যায় যে, তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল সংগ্রহের সময়টুকু তামাদির মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
৫,৮৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৩ ধারা কোন আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. হাইকোর্ট
  2. দায়রা আদালত
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. পারিবারিক আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ শিরোনাম: "Court of Session to send copy of finding and sentence to District Magistrate"
- এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে,  "In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and the District Magistrate..."
⇒ অর্থাৎ, এই ধারা "দায়রা আদালতের" (Court of Session) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
যখন দায়রা আদালত কোনো মামলা বিচার করে রায় ও দণ্ড প্রদান করে, তখন তার একটি অনুলিপি:
মহানগর এলাকায় হলে → চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
অন্য এলাকায় হলে →  চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রেরণ করতে হবে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ- দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন। অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
৫,৮৫৪.
চোরাই মাল কখন চোরাই মাল বলে গণ্য হবেনা? 
  1. যদি উক্ত চোরাই মাল দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট চলে আসে
  2. যদি উক্ত চোরাই মাল পুলিশ গ্রহণ করে
  3. যদি উক্ত চোরাই মাল বিক্রি করা হয়
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই  মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা মতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণা হবে তা হল-

(i) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
(ii) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
(iii) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি এবং 
(iv) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ ধারা ৪১০ মতে চোরাই সম্পত্তি :- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ‘চোরাই সম্পত্তি' বলে । কিন্তু উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
---------
⇒ Stolen property:
Section 410. Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৫,৮৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ এর কোন বিধিতে "mutatis mutandis" শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. বিধি-১
  2. বিধি-২
  3. বিধি-৩
  4. বিধি-৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ (Order XLVII) এর বিধি-৩ (Rule 3)-এ নিম্নোক্তভাবে বলা হয়েছে:
→ Form of applications for review: "The provisions as to the form of preferring appeals shall apply, mutatis mutandis, to applications for review."
- এখানে "mutatis mutandis" শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয়েছে— যার অর্থ হলো, "প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ প্রয়োগযোগ্য"।
- এই বিধি অনুযায়ী, আপিলের যেভাবে আবেদন করা হয়, রিভিউ আবেদনেও একইরকম নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
- তবে, যেহেতু রিভিউ আবেদন ও আপিলের মধ্যে কিছু কাঠামোগত পার্থক্য আছে, তাই প্রাসঙ্গিক পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) নিয়ম প্রয়োগ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ এর বিধি-৩: পুনর্বিবেচনার আবেদনের ফর্ম:
- আপিল করার যেভাবে ফর্মাল আবেদন (Form of Appeal) করা হয়, সেরকমভাবেই রিভিউ আবেদনের ক্ষেত্রেও একই ফর্ম বা নিয়ম প্রযোজ্য হবে, যতটা প্রাসঙ্গিকভাবে মানিয়ে নেওয়া যায় (mutatis mutandis)।
-------------
The Code of Civil Procedure, 1908, Order-XLVII, Rule-3 Form of applications for review:
- The provisions as to the form of preferring appeals shall apply, mutatis mutandis, to applications for review.
৫,৮৫৬.
মামলায় পক্ষের অপসংযোগ বা অসংযোগ দোষে মামলা -
  1. খারিজ হবে
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান করা যায়
  3. আরজি ফেরত দেয়া যায়
  4. ব্যর্থ হবে না।
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১ আদেশের ৯ বিধিতে বলা হয়েছে, কোন মোকদ্দমায় পক্ষসমূহের অ- সংযুক্ত এবং অপসংযোগ এর কারণে কোন মোকদ্দমা ব্যর্থ হবেনা [No suit shall be defeated by reason of the misjoinder or non-joinder of parties]
৫,৮৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা কোন ধরনের সম্পত্তির দখল সংক্রান্ত মামলা প্রযোজ্য?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন কোনো ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তখন সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার মামলা দায়ের করে সেই দখল পুনরুদ্ধার করতে পারেন।
এখানে স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা স্থায়ী সম্পত্তি নিয়ে কথা বলা হচ্ছে।
অন্যদিকে, অস্থাবর সম্পত্তি (যেমন- movable property) সম্পর্কিত দখল সংক্রান্ত বিরোধের জন্য এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
এভাবে, ৯ ধারা স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দখল পুনরুদ্ধারের মামলা প্রযোজ্য।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
-আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৫,৮৫৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে খালাসের আদেশের বিরূদ্ধে আপীলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৬ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act,1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।
- খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

⇒ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
- The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।

অর্থাৎ খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৬ মাস, তামাদি আইনের ১৫৭ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।
৫,৮৫৯.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ- ১৯৬১ এর ৯ ধারায় প্রদত্ত সার্টিফিকেট পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবেন কে?
  1. শুধুমাত্র স্বামী
  2. শুধুমাত্র স্ত্রী
  3. সালিশী কাউন্সিল
  4. স্বামী অথবা স্ত্রী
ব্যাখ্যা

• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ- ১৯৬১ এর ধারা ৯- ভরণপোষণ:
১) যেক্ষেত্রে কোন স্বামী তাহার স্ত্রীকে পর্যাপ্তভাবে ভরণপোষণ দিতে অসমর্থ হয় অথবা একাধিক স্ত্রী থাকিলে  তাহাদিগকে সমভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সকলে অথবা স্ত্রীগণের যে কোন জন অপর কোন আইনসঙ্গত প্রতিকার প্রার্থনা ব্যতীতও চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করিতে পারে। চেয়ারম্যান একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করিবেন ও উক্ত কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করিয়া সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবেন।

২) একজন স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পন্থায় নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্ধারিত ফিস প্রদানপূর্বক উক্ত সার্টিফিকেট পুর্নবিবেচনার নিমিত্ত সহকারী জজের নিকট আবেদন পেশ করিতে পারেন। তাঁহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাইবে না।

৩) ১নং অথবা ২নং উপধারা অনুযায়ী দেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করিলে বকেয়া ভূমিরাজস্বরুপ আদায়যোগ্য হইবে।

৫,৮৬০.
"No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact" সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ২৪
  2. ৩৪
  3. ১৩৪
  4. ১৩৩
ব্যাখ্যা
⇒Section 134: Number of witnesses:- No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।
⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।
⇒ সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল-'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।
⇒ একজনের বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য অবিশ্বাস্য দশজনের সাক্ষ্যকেও হার মানাতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর।
⇒ যেমন- ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার একক সাক্ষী অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। একইভাবে খুনের মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর বিশ্বাস করে আসামীকে দণ্ড দেয়া বিধিসম্মত হবে না।
৫,৮৬১.
চেক ডিজঅনারের ক্ষেত্রে মামলা কোন আইনের বিধানে করা যেতে পারে?
  1. হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১
  2. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
  3. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  4. উল্লিখিত সকল আইনে
ব্যাখ্যা
• চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা দেওয়ানী এবং কিছুটা ফৌজদারী প্রকৃতির। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী আদালতেও মামলা দায়ের করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১-৭ বিধিতে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে এরকম বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে। অন্যান্য দেওয়ানী মামলার ন্যায় সাধারণ পদ্ধতিতে মামলা পরিচালিত হলে অনেক সময়ের অপচয় হবে। তাই চেক ডিজঅনারের মামলা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মামলা পরিচালনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, বিবাদীকে এক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করতে হয় না।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে, হস্তান্তরযোগ্য দলিল বিষয়ে মামলা কেবলমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজ আদালতে দায়ের করা যাবে। আমরা জানি “চেক (cheque)” একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা করা যায়।

এছাড়া, ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারার শুরুতে ” Notwithstanding anything contained in” শব্দগুলোর অনুপস্থিতি প্রমাণ করে উক্ত ধারায় কোনো “Non-obstante clause” নেই। তাই ১৩৮ ধারার অপরাধের কারণে বাদী শুধুমাত্র হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের অধীনেই মামলা করতে পারবে-এই কথাটা ঠিক নয়। দণ্ডবিধি ৪০৬/৪২০ ধারার অধীনে আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রেও বাদীর কোন বাধা নেই।

নুরুল ইসলাম বনাম রাষ্ট্র এবং অন্যান্য [49 DLR(HCD) 464] মামলায় উপরোক্ত বিষয়ে আলোচনা করে হাইকোর্ট বিভাগ মতামত দেন যে, বাদীপক্ষ ১৮৬০ সালের দন্ডবিধির ৪২০ ধারায় আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারবে।
৫,৮৬২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের উপর বাধ্যকর হবে না?
  1. মোকদ্দমার পক্ষগণ
  2. পক্ষগণের দাবীদার
  3. পক্ষগণের জিম্মাদার
  4. পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান ঘোষণার ফলাফল:
- এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে এবং পক্ষগণের জিম্মাদারের উপরও বাধ্যকর হবে।
- কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ পক্ষগণ ছাড়া কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবেনা।
-------------
⇒ Specific Relief Act- Section 43 -Effect of declaration:- A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
- A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.
৫,৮৬৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ বিধি-২ অনুযায়ী, আদালত মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণের সময় কী করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র উকিলের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে
  2. শুধুমাত্র সাক্ষীর নিজস্ব প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে
  3. পক্ষগণের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে
  4. কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০, বিধি ২ অনুযায়ী, আদালত প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোনো শুনানিতে যদি কোনো পক্ষ বা তার সাথে থাকা ব্যক্তি মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হন, তবে আদালত তাকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
- এছাড়া, আদালত চাইলে পক্ষগণের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে। তবে এটি আদালতের নিজস্ব বিবেচনার ওপর নির্ভর করবে—অর্থাৎ আদালত বাধ্য নয় যে, পক্ষগণ যা সুপারিশ করবে তা অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।

⇒ Order 10 Rule 2 (Oral examination or party of companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
৫,৮৬৪.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ১০০ ধারায় উল্লিখিত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের শর্ত নয়? 
  1. অপহরণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ
  2. সম্পত্তি ধ্বংসের অভিপ্রায়ে আক্রমণ
  3. অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায়ে আক্রমণ
  4. গুরুতর আঘাতের আশঙ্কাজনক আক্রমণ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০০-এ দেহের আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত প্রযোজ্য হওয়ার জন্য ছয়টি সুনির্দিষ্ট শর্ত/ক্ষেত্র উল্লেখ আছে:
১. মৃত্যুর যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কাজনক আক্রমণ। 
২. গুরুতর আঘাতের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কাজনক আক্রমণ। 
৩. ধর্ষণের অভিপ্রায়ে আক্রমণ। 
৪. অপকৃত কাম লালসার (প্রকৃতিবিরুদ্ধ যৌন ইচ্ছা) অভিপ্রায়ে আক্রমণ। 
৫. অপহরণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ। 
৬. অবৈধভাবে আটক রেখে আইনি সাহায্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত করার অভিপ্রায়ে আক্রমণ।
- "সম্পত্তি ধ্বংসের অভিপ্রায়ে আক্রমণ" ধারা ১০০-এর তালিকাভুক্ত নয়।
- সম্পত্তি রক্ষার জন্য মৃত্যু পর্যন্ত আত্মরক্ষার বিধান ধারা ১০৩-এ আলাদাভাবে দেওয়া আছে, সেটিও শুধু বিশেষ অপরাধের (ডাকাতি, রাত্রিবেলা গৃহভঙ্গ, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- সাধারণ সম্পত্তি ধ্বংসের অভিপ্রায়ে আক্রমণের ক্ষেত্রে দেহের আত্মরক্ষায় মৃত্যু পর্যন্ত অধিকার প্রযোজ্য নয়।
-------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 100. When the right of private defence of the body extends to causing death:
-The right of private defence of the body extends, under the restrictions mentioned in the last preceding section, to the voluntary causing of death or of any other harm to the assailant, if the offence which occasions the exercise of the right be of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:- 
Firstly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that death will otherwise be the consequence of such assault; 
Secondly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that grievous hurt will otherwise be the consequence of such assault; 
Thirdly.-An assault with the intention of committing rape; 
Fourthly.-An assault with the intention of gratifying unnatural lust; 
Fifthly.-An assault with the intention of kidnapping or abducting; 
Sixthly.-An assault with the intention of wrongfully confining a person, under circumstances which may reasonably cause him to apprehend that he will be unable to have recourse to the public authorities for his release.

৫,৮৬৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order-XXI rule 92 অনুসারে প্রদত্ত "Setting aside or refusing to set aside a sale" আদেশটি-
  1. রিভিশনযোগ্য
  2. আপিলযোগ্য
  3. ১৫১ ধারার বিধান মতে রদ ও রহিতযোগ্য
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আপিলযোগ্য আদেশ:
 সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

Order 43, Rule 1(J) অনুসারে:
২১ অর্ডারের ৭২ অথবা ৯২ রুল-এর অধীন ডিক্রি জারিতে বিক্রয় বাতিল করার আদেশ বা বিক্রয় বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করার আদেশ (setting aside or refusing to set aside)- একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
৫,৮৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেটের কোন তথ্য সঠিক বলে অনুমান করে?
  1. সমস্ত তথ্য সঠিক বলে ধরে নেয়।
  2. যাচাই করা হয়নি এমন সমস্ত তথ্য।
  3. যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য।
  4. তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন হয় না।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:
বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
⇒ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেটের "যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য" সঠিক বলে অনুমান করে।
- গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
 ---------------
⇒ The Evidence Act, Section 85C- Presumption as to Digital Signature Certificates.-
The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the subscriber accepted the certificate.
৫,৮৬৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ সালের কত নং আইন?
  1. ৯ নং
  2. ১১ নং
  3. ১৩ নং
  4. ১৫ নং
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ স্পষ্টভাবে এর প্রারম্ভিক বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি ২০০২ সনের ১১ নং আইন। এই আইনটি ১০ এপ্রিল, ২০০২ তারিখে কার্যকর হয় এবং আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কতিপয় অপরাধের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে। আইনের সংক্ষিপ্ত শিরোনামা ও প্রবর্তন সংক্রান্ত ধারা ১(১)-এ এটি সুস্পষ্টভাবে বলা আছে।

অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ হলো ১১ নং আইন, যা সঠিক উত্তর।

৫,৮৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ ধারা অনুযায়ী, রেকর্ড এবং রায় কীভাবে লেখা হবে?
  1. ইংরেজি ভাষায়
  2. আদালতের ভাষায়
  3. আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিচারকের মাতৃভাষায়
  4. উল্লিখিত সবগুলো উপায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ ধারা অনুযায়ী, রেকর্ড এবং রায় ইংরেজি ভাষায়, আদালতের ভাষায়, অথবা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত হলে বিচারকের মাতৃভাষায় লেখা হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫ ধারা অনুযায়ী:
(১) ধারা ২৬৩ অনুসারে যে সমস্ত রেকর্ড তৈরি করা হয় এবং ধারা ২৬৪ অনুসারে যে সমস্ত রায় রেকর্ড করা হয়, তা সঞ্চালনকারী বিচারক ইংরেজি ভাষায় অথবা আদালতের ভাষায় লিখবেন, অথবা যদি ওই বিচারক যেই আদালতে তদ্বীজীভূত হন, সেই আদালত নির্দেশ দেন, তবে বিচারকের মাতৃভাষায় লিখতে হবে।
(২) সরকার যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চকে যে বেঞ্চগুলি সাফভাবে অপরাধ বিচার করতে সক্ষম, তাদেরকে ওই রেকর্ড বা রায় প্রস্তুত করতে নির্ধারিত কর্মকর্তাকে নিয়োগ করতে অনুমতি দিতে পারে, এবং ওই রেকর্ড বা রায় প্রস্তুত হওয়ার পর তা ওই বেঞ্চের প্রতিটি সদস্য দ্বারা সই করা হবে, যারা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন।
(৩) যদি এমন কোনো অনুমোদন না দেওয়া হয়, তবে বেঞ্চের কোনো সদস্য দ্বারা প্রস্তুত করা রেকর্ড এবং উক্ত সদস্য দ্বারা সই করা রেকর্ডই সঠিক রেকর্ড হিসেবে গণ্য হবে।
(৪) যদি বেঞ্চের সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ থাকে, তবে যে সদস্যের বিপরীত মতামত থাকবে, তিনি একটি আলাদা রায় লিখতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 265. Language of record and judgment:
(1) Records made under section 263 and judgments recorded under section 264 shall be written by the presiding officer, either in English or in the language of the Court, or, if the Court to which such presiding officer is immediately sub-ordinate so directs, in such officer's mother-tongue.
Bench may be authorised to employ clerk
(2) The Government may authorize any Bench of Magistrates empowered to try offences summarily to prepare the aforesaid record or judgment by means of an officer appointed in this behalf by the Court to which such Bench is immediately subordinate, and the record or judgment so prepared shall be signed by each member of such Bench present taking part in the proceedings. 
(3) If no such authorization be given, the record prepared by a member of the Bench and signed as aforesaid shall be the proper record. 
(4) If the Bench differ in opinion, any dissentient member may write a separate judgment.
৫,৮৬৯.
The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ৩৭ অনুযায়ী কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় হিন্দু ও মুসলিমদের ধর্মীয় ব্যক্তিগত আইন প্রয়োগ করতে হবে?
  1. উত্তরাধিকার
  2. বিবাহ, জাতি
  3. ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ৩৭(১) অনুসারে, কোনো মামলা বা কার্যক্রমে যদি উত্তরাধিকার (Succession), বিবাহ (Marriage), জাতি (Caste), বা ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান (Religious Usage or Institution) সংক্রান্ত কোনো প্রশ্নের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে পক্ষগুলোর ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আইন প্রয়োগ করা হয়। বিশেষ করে:
- যদি পক্ষগুলো মুসলিম হয়, তবে মুসলিম আইন প্রয়োগ করা হবে।
- যদি পক্ষগুলো হিন্দু হয়, তবে হিন্দু আইন প্রয়োগ করা হবে।

অর্থাৎ, নিম্নলিখিত সবগুলো বিষয়ে হিন্দু ও মুসলিমদের ধর্মীয় ব্যক্তিগত আইন প্রয়োগ করতে হবে: ধারা ৩৭(১) এর আওতাভুক্ত বিষয়সমূহ:
ক) উত্তরাধিকার (Succession, Inheritance)
খ) বিবাহ (Marriage), জাতি (Caste)
গ) ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান (Religious Usage or Institution)
- অতএব, প্রশ্নে উল্লিখিত সবগুলো বিষয়ই ধারা ৩৭(১) এর আওতাভুক্ত।

ব্যতিক্রম: শুধুমাত্র যখন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এই ধর্মীয় আইনগুলো পরিবর্তন বা বাতিল করা হয়েছে, তখন সেই বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Civil Courts Act,1887, Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.

৫,৮৭০.
নিচের কোন বিধানের অধীনে প্রদত্ত আদেশ টি আপিলযোগ্য নয়?
  1. আদেশ ১০ রুল ৭
  2. আদেশ ৮, রুল ১০
  3. আদেশ ১৬, রুল ২০
  4. আদেশ ৩৯, রুল ২
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ নং ৪৩ এ আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়া হয়েছে। ক  নং অপশনটি বা আদেশ ১০ রুল ৭ উক্ত তালিকায় নাই। আদেশ ৭ রুল ১০ আপিলযোগ্য আদেশ। আদেশ ৪৩-এ মোট ২৫ টি আদেশকে আপিলযোগ্য আদেশ মর্মে বলা হয়েছে।  এই ২৫ প্রকারের আদশ ব্যতীত দেওয়ানী আদালতের অপরাপর আদেশ-এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই, সেখানে রিভিশন করার বিধান আছে।
৫,৮৭১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪ অনুযায়ী মূল্যমান ৫০ টাকার কম হলে, রায়ের পূর্বে দায়িককে কতদিন দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে?
  1. ২১ দিন
  2. ১ মাস
  3. ৬ সপ্তাহ
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক:- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-

- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং
- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে। 
স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।
-অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

- শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
⇒ CPC Order-38 Rule-4.Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security: 
- Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied:

Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months, nor for a longer period than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka: 
Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
৫,৮৭২.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪৩ অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. এক বছর কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. তিন বছর কারাদণ্ড
  4. ছয় মাস কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒  দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি বেআইনি সমাবেশের সদস্য হয়, তাকে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-143: Punishment: Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৫,৮৭৩.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে হাইকোর্ট ভিন্ন যে কোন আদালতে আপিলের তামাদি মেয়াদ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ১৫২
  2. অনুচ্ছেদ- ১৫৪
  3. অনুচ্ছেদ- ১৫৫
  4. অনুচ্ছেদ- ১৫৬
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৫৪: ১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে হাইকোর্ট ভিন্ন যে কোন আদালতে আপিল -
তামাদি- ৩০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।

৫,৮৭৪.
"Advocate" সংজ্ঞাটি The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় সংজ্ঞায়িত হয়েছে?
  1. ধারা ৩(১ক)
  2. ধারা ৩(২ক)
  3. ধারা ৩(কক)
  4. ধারা ৩(৪ক)
ব্যাখ্যা
ধারা ৩(২ক): (The General Clauses Act, 1897)
"অ্যাডভোকেট" অর্থ এমন ব্যক্তি, যিনি বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অধীন অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত (enrolled) হয়েছেন।
"Advocate" means a person enrolled as such under the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972.
৫,৮৭৫.
ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা ছাড়া সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারামতে-
  1. সাধারণ অপরাধ বলে পরিগণিত হবে
  2. সরকার বিরোধী অপরাধ বলে গণ্য হবে
  3. শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে গণ্য হবে
  4. অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান- রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না। 
৫,৮৭৬.
আদালতে কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য?
  1. ঘটনার প্রশ্নে
  2. আইনের প্রশ্নে
  3. সাক্ষ্যের প্রশ্নে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য

ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।

Section 418- Appeals on what matters admissible

An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation-The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
৫,৮৭৭.
মুসলিম আইনে 'মুশাহ' অর্থ-
  1. দান
  2. অগ্রক্রয়
  3. অবিভক্ত অংশ
  4. বিক্রয়
ব্যাখ্যা
মুশাহর ( Musha) অর্থ হলো কোনো সম্পত্তিতে অবিভাজ্য বা অবিভক্ত অংশ।

কোন একটা সম্পত্তির কোন অংশ যদি হেবা করা হয় সেটা যদি বিভক্ত করার যোগ্য হয়, তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত না সেটা বিভক্ত করা হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত দান বৈধ হবে না। তবে ইসলামে অবিভাজ্য প্রকৃতির সম্পত্তি দান করা সম্পূর্ণ বৈধ। The gift of indivisible thing is absolutely valid in Muslim law. মুসলিম ল তে মুশাহ্ অবিভাজ্য প্রকৃতির সম্পত্তিকে নির্দেশ করে।
৫,৮৭৮.
What is the primary nature of marriage under Hindu law?
  1. A civil contract
  2. A temporary union
  3. A social agreement
  4. A sacred sacrament
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইন ও ঐতিহ্য অনুসারে, বিবাহকে প্রধানত একটি ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক বন্ধন হিসেবে গণ্য করা হয়, কোনো সাধারণ দেওয়ানী চুক্তি নয়। নিচের দিকগুলি লক্ষণীয়:
১. ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান:
হিন্দু বিবাহে সপ্তপদী (সাত পাক), হোমযজ্ঞ, মন্ত্রোচ্চারণ ইত্যাদি ধর্মীয় রীতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এটি শুধু আইনি নিবন্ধন নয়, বরং একটি পবিত্র ধর্মীয় কর্তব্য (ধর্ম)।
২. জন্মজন্মান্তরের বন্ধন:
হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, বিবাহের বন্ধন শুধু এই জন্মের জন্য সীমিত নয়, বরং এটি পূর্বজন্ম ও পরজন্মেও বিস্তৃত। এজন্যই একে "অবিচ্ছেদ্য" বলা হয়।
৩. কর্তব্য ও ধর্মের অংশ:
হিন্দু শাস্ত্রে বিবাহকে একটি ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, বিশেষ করে গ্রিহস্থাশ্রম (গৃহস্থ জীবন) পালনের জন্য। এটি পারিবারিক ও সামাজিক দায়িত্ব পূরণের পথ।
৪. চুক্তি নয়:
অন্যান্য কিছু ব্যক্তিগত আইন (যেমন মুসলিম আইনে বিবাহ একটি দেওয়ানী চুক্তি) এর বিপরীতে, হিন্দু বিবাহ চুক্তির বৈশিষ্ট্য বহন করে না। তাই এটি ক) দেওয়ানী চুক্তি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
৫. তালাকের অনুপস্থিতি:
ঐতিহ্যগত হিন্দু আইনে তালাকের কোনও স্থান নেই, যা প্রমাণ করে এটি কোনো অস্থায়ী বা সামাজিক চুক্তি নয়। বাংলাদেশে হিন্দু বিবাহ এখনো আইনত অবিচ্ছেদ্য হিসেবে স্বীকৃত।

অর্থাৎ হিন্দু বিবাহের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর পবিত্র, ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক প্রকৃতি, যা একে "পবিত্র বন্ধন" বা Sacrament করে তোলে। এজনই সঠিক উত্তর ঘ) A sacred sacrament।

৫,৮৭৯.
Complainant তার Complaint প্রত্যাহার করলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খালাস (acquit) দিবেন
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (release) দিবেন
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি (discharge) দিবেন
  4. Complaint খারিজ (dismiss) করবেন
ব্যাখ্যা
চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal) দিবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিবে।

[If a complainant,at any time before a final order is passed in any case under this Chapter,satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same,and shall thereupon acquit the accused.]

• অপরদিকে, ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিতে পারে।
৫,৮৮০.
সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিবাহ করায় একজন মুসলিম 'ক' কোন শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ
  2. অনধিক ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:
১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।

২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।

৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।

৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রী গণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৫,৮৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারায় কী বলা হয়েছে?
  1. দণ্ডমূলক আইনের প্রয়োগে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া বাধ্যতামূলক
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার শুধুমাত্র দণ্ডমূলক আইনের প্রয়োগে দেয়া যাবে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কেবল আদালত কর্তৃক প্রণীত আইনের জন্য প্রযোজ্য
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কোনো দণ্ডমূলক আইনের কার্যকর করার জন্য প্রদান করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ঘ) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কোনো দণ্ডমূলক আইনের কার্যকর করার জন্য প্রদান করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, কোনো দণ্ডমূলক আইন (Penal Law) কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না। অর্থাৎ, যখন কোনো আইনে শাস্তি বা দণ্ড প্রদান করার কথা বলা হয়, তখন সেই শাস্তি বা দণ্ড বাস্তবায়ন করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আবেদন করা যাবে না। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের উদ্দেশ্য হলো সুনির্দিষ্ট কাজের আদায় বা নিষেধাজ্ঞা প্রদান, কিন্তু দণ্ডমূলক আইনে শাস্তি কার্যকর করার জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।
এই ধারা অনুসারে, দণ্ডমূলক আইন বাস্তবায়ন বা শাস্তি আরোপের জন্য অপরাধের প্রেক্ষিতে ফৌজদারি আইন অনুসরণ করতে হবে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে নয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৭ ধারা মতে: দণ্ডমূলক আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রয়োগ (Relief not granted to enforce penal law)-
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দণ্ড বা Penal কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
---------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section-7. Relief not granted to enforce penal law:
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.
৫,৮৮২.
সাক্ষ্য আইনের ১৫২ ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. অশালীন বা কুৎসাজনক প্রশ্ন প্রসঙ্গে
  2. অপমান বা উত্যক্ত করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন প্রসঙ্গে
  3. যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করা হলে আদালতের কর্মপদ্ধতি
  4. সত্যবাদিতা পরীক্ষার জন্য প্রশ্ন করা হলে উত্তরের বিরোধিতায় সাক্ষ্য বর্জন
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো প্রশ্ন সাক্ষীকে অপমানিত বা উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে আদালত সেই প্রশ্নকে অগ্রাহ্য করতে পারে। অর্থাৎ এরকম প্রশ্নের প্রয়োজন নেই এবং আদালত এই ধরনের প্রশ্ন প্রসঙ্গে বর্জন করতে পারে।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
৫,৮৮৩.
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন উত্থাপনের নির্ধারিত পদ্ধতি কী?
  1. আদালতে সরাসরি মামলা দায়ের
  2. সুপ্রিম কোর্টে আবেদন
  3. নির্ধারিত নির্বাচন সংক্রান্ত দরখাস্ত
  4. সংসদে প্রশ্ন উত্থাপন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১২৫- নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা:
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) এই সংবিধানের ১২৪ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বা প্রণীত বলিয়া বিবেচিত নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ, কিংবা অনুরূপ নির্বাচনী এলাকার জন্য আসন-বণ্টন সম্পর্কিত যে কোন আইনের বৈধতা সম্পর্কে আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না;

(খ) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনের দ্বারা বা অধীন বিধান-অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের নিকট এবং অনুরূপভাবে নির্ধারিত প্রণালীতে নির্বাচনী দরখাস্ত ব্যতীত রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন বা সংসদের কোন নির্বাচন সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

(গ) কোন আদালত, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হইয়াছে এইরূপ কোন নির্বাচনের বিষয়ে, নির্বাচন কমিশনকে যুক্তিসংগত নোটিশ ও শুনানির সুযোগ প্রদান না করিয়া, অন্তর্বর্তী বা অন্য কোনরূপে কোন আদেশ বা নির্দেশ প্রদান করিবেন না।
৫,৮৮৪.
স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত
  2. যেখানে বিবাদী বসবাস করে
  3. যেখানে অনিষ্ট সংঘটিত হয়েছে
  4. যেখানে বাদী বসবাস করে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৬ অনুযায়ী- যেখানে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা রুজু করতে হয়। উক্ত ধারায় দেয়া আছে- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক অথবা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে,
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য মোকদ্দমা;
গ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা;
ঘ) হাবর সম্পত্তিতে অন্য কোন প্রকার স্বত্ব বা অধিকার নির্ণয়ের জন্য মোকদ্দমা;
ঙ) স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা;
চ) আটক অথবা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;

উপরোল্লিখিত বিষয়ে আনিত মোকদ্দমাসমূহ যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত বা, 'গ' দফায় বর্ণিত (স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে যে স্থানে মোকদ্দমার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়েছে সে সমস্ত আদালতেই রুজু করতে হবে।
৫,৮৮৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় 'Small Cause Court not to attach immovable property' এই বিধান বলা আছে?
  1. Order-XXI, Rule-89
  2. Order-XXII, Rule-32
  3. Order-XXXVIII, Rule-13
  4. Order-XXXVIII, Rule-5
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩ (Order-XXXVIII, Rule-13) এর বিধান: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করবেন না। 
- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই স্মল কজ আদালতকে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য আদেশ প্রদানের কোন ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
-------------
CPC Order-38 Rule-13: Small Cause Court not to attach immovable property:
- Nothing in this Order shall be deemed to empower any Court of Small Causes to make an order for the attachment of immovable property.
৫,৮৮৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৫ ধারায় কোন বিষয় সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. অভিযোগ তৈরি করার প্রক্রিয়া
  2. অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল
  3. অভিযোগ বাতিল করার নিয়ম
  4. অভিযোগ সংশোধন করার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৫- অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল:
(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপিল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরি না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge:
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby.

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৫,৮৮৭.
আদেশ ২১ বিধি ৯৮ এর অধীন আদালত কখন দায়িককে জেলে আটকের আদেশ দিতে পারে?
  1. আদালতে উপস্থিত না হলে
  2. ডিক্রিদারকে সম্পত্তি ফেরত না দিলে
  3. ডিক্রিদারকে সম্পত্তি দখলে বাধা দিলে
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি ৯৮- দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান:
যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট এটা সন্তোষজনক হয় যে, যে দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি কোন ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করেছিল, সেক্ষেত্রে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তির দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং যেক্ষেত্রে আবেদনকারীকে এতদসত্ত্বেও দখল লাভের প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করেছিল, সেক্ষেত্রে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তির দখলে রাখার আদেশ প্রদান করবে এবং যেক্ষেত্রে আবেদনকারীকে এতসত্ত্বেও দখল লাভের প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত আবেদনকারীর অনুরোধে দায়িককে বা তার প্ররোচনায় কার্যকরী ব্যক্তিকে ত্রিশ দিন পর্যন্ত মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটকের আদেশও দিতে পারে।

Rule 98: Resistance or obstruction by Judgment-debtor:
Where the Court is satisfied that the resistance or obstruction was occasioned without any just cause by the judgment-debtor or by some other person at his instigation, it shall direct that the applicant be put into possession of the property, and where the applicant is still resisted or obstructed in obtaining possession, the Court may also, at the instance of the applicant, order the judgment-debtor, or any person acting at his instigation, to be datained in the civil prison for a term which may extend to thirty days.
৫,৮৮৮.
কোন একটা সম্পত্তি কামাল সাহেবের দখলে আছে কিন্তু কামাল সাহেব তার প্রকৃত মালিক না। তিনি প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিতে চায় কিন্তু রফিক ও সফিক নামের দুইজন ব্যক্তি ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে। এই ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য হবে-
  1. কামাল সাহেব স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits দায়ের করবেন
  2. রফিক বা সফিক স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits দায়ের করবেন
  3. কামাল সাহেব সম্পত্তি পলিশের কাছে জমা দিবেন
  4. কামাল সাহেব সম্পত্তি আদালতে জমা দিবেন
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
♦  তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
♦ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

♦উল্লেখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে কামাল সাহেব স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits করে প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিবেন।  এই মামলায় শুধু মাত্র মামলার খরচ ব্যতীত অন্য কোনো স্বার্থ থাকে না কামাল সাহেবের।
৫,৮৮৯.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২১ অনুযায়ী “আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা” কী অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. শুধু বাতিল করার ক্ষমতা
  2. শুধু সংশোধনের ক্ষমতা
  3. শুধুমাত্র সংসদীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা
  4. প্রণয়ন, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের সকল ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।

৫,৮৯০.
'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায়- 
  1. জাল দলিল বাতিলের আদেশ পেতে পারে
  2. জাল দলিল সংশোধনের আদেশ পেতে পারে
  3. জাল দলিল কার্যকরের আদেশ পেতে পারে
  4. কোনো প্রতিকার পাবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৯: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

(ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।

(খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বাতিলের আদেশ পেতে পারে।

(গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
 
(ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
৫,৮৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৩ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি প্রাইভেট প্লিডার নিযুক্ত করে মামলা পরিচালনা করতে চান, তাহলে কে সেই মামলার তত্ত্বাবধান করবেন?
  1. আদালত
  2. পুলিশ অফিসার
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৩ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে (প্রাইভেটলি) একজন আইনজীবী (Pleader) নিযুক্ত করে কোনো ফৌজদারি মামলার প্রসিকিউশন পরিচালনা করতে চান, তাহলে সেই আইনজীবীকে অবশ্যই পাবলিক প্রসিকিউটরের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কাজ করতে হবে।
অর্থাৎ, মামলার মূল নিয়ন্ত্রণ থাকবে পাবলিক প্রসিকিউটরের হাতে। ব্যক্তিগতভাবে নিযুক্ত আইনজীবী শুধুমাত্র সহায়ক হিসেবে কাজ করবেন, কিন্তু স্বতন্ত্রভাবে পরিচালনা করতে পারবেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৯৩ অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোন বেসরকারি ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন অ্যাডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 493-Public Prosecutor may plead in all Court in cases under his charge Pleaders privately instructed to be under his direction:
The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
৫,৮৯২.
উভয় পক্ষের শুনানির পর রায় বা ডিক্রির মাধ্যমে আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করিবেন?
  1. Prohibitory Injunction,
  2. Mandatory Injunction,
  3. Temporary Injunction,
  4. Perpetual Injunction,
ব্যাখ্যা
⇒ কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা আদালতে স্বাভাবিক মামলার মতোই পরিচালিত হয়। বাদীর অধিকারের বিপরীত কোনো কাজ থেকে বিবাদীকে চিরকালের জন্য বিরত থাকার নির্দেশ। এ নিষেধাজ্ঞা মামলার শুনানির পর প্রদত্ত ডিক্রির মাধ্যমে মঞ্জুর করা হয়। তবে এর আগে আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করতে হবে যে আবেদনকারী পক্ষের অধিকার লঙ্ঘনের ফলে বাস্তব ক্ষতি বা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোনো মানদ- নেই অথবা যেখানে আর্থিক প্রতিকার পর্যাপ্ত নয়। এ নিষেধাজ্ঞা পেতে হলে বাদীকে অবশ্যই সম্পত্তির দখলে থাকতে হবে।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ নং ধারার ২য় বা শেষ অংশে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার (Perpetual injunction) বিষয়ে বলা হয়েছে যে, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র মামলার শুনানীর পর মামলার গুনাগুণের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি জারির মাধ্যমে মঞ্জুর করা হয়। অর্থাৎ মামলার সমস্ত সাক্ষ্য প্রমানাদির পর চূড়ান্ত ডিক্রির মাধ্যমে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীর পক্ষে কোন বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা, যা ভঙ্গ করাকে প্রতিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হতে পারে। চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমায় স্বত্বের প্রশ্নটি বড় নয়, দখলের প্রশ্নটি বড়। বাদী যদি দীর্ঘদিন দখলে থাকে, তাহলে আদালত তার অনুকূলে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারবে।  নিষেধাজ্ঞা চিরস্থায়ী করার অর্থ ইহা নয় যে, উক্ত নিষেধাজ্ঞা চিরকালের জন্য চলতে থাকবে এবং উক্ত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন কিছু করা যাবে না। কোন উপর্যুক্ত আদালত যতদিন পর্যন্ত স্বত্বের মীমাংসা না করেন এবং এই নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি রদ না করেন ততদিন পর্যন্ত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
---------------
Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication. 
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act. 
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):- 
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff; 
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion; 
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief; 
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion; 
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings. 

Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.
৫,৮৯৩.
ধারা ৩৫খ অনুযায়ী, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দরখাস্ত বা আপত্তি পেশ না করা হয়, তাহলে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচা প্রদান করতে হতে পারে?
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৩,০০০ টাকা
  4. ৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা-৩৫খ: অন্তর্বর্তী বিষয়গুলো সম্পর্কে আনীত দরখাস্ত, প্রভৃতিতে বিলম্বের নিমিত্তে খরচা:
১) কোন মোকদ্দমা বা কার্যপ্রক্রিয়ার যে কোন স্তরে আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত কিংবা লিখিতভাবে কোন আপত্তি যদি পেশ করা না হয়, তাহলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত উক্ত পক্ষ অন্য পক্ষকে খরচা প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা লিখিত আপত্তি শুনানির নিমিত্তে গ্রহণকৃত হবে না।

২) লিখিত জবাব পেশের পর মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি এমন কোন বিষয়ে দরখাস্ত পেশ করেন, যা আদালতের মতানুযায়ী পূর্বেই পেশ করতে পারতেন বা পেশ করা সমীচীন ছিল এবং তাতে মূল মোকদ্দমার কার্যক্রমে দেরী হওয়ার সম্ভাবনা আছে তদকারণে আদালত দরখাস্ত নিবে কিন্তু তা শুনানি এবং নিষ্পত্তি করবে না, যদি না ঐ পক্ষ আদালত যেরূপে নির্দিষ্ট এবং নির্দেশ করবে এবং সেরূপে অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচা দিবে এবং উক্ত খরচা দিতে না পারলে দরখাস্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
৫,৮৯৪.
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা অনুযায়ী অপহরণ কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section-359. Kidnapping:
 Kidnapping is of two kinds: kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship. 

⇒ The Penal Code, 1860 Section-360. Kidnapping from Bangladesh, etc:

 Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ The Penal Code, 1860 Section-361. Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৫,৮৯৫.
'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধ সংঘটনের জন্য কোনটি যথেষ্ট?
  1. প্রবেশকারীর প্রবেশ করার ইচ্ছা
  2. প্রবেশকারীর সম্পূর্ণ শরীরের প্রবেশ
  3. প্রবেশকারীর দেহের কোনো অংশের প্রবেশ
  4. প্রবেশকারীর অবস্থান করার ইচ্ছা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা- অনধিকার গৃহে প্রবেশ:
কোনো ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোনো গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোনো গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা: অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোনো অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।

Section 442- House-trespass:
Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".

Explanation: The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
৫,৮৯৬.
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত নিম্নের কোনটি 'নালিশ' এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. নারাজি দরখাস্ত
  2. লিখিত অভিযোগ
  3. পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট
  4. মৌখিক অভিযোগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১)(জ) ধারায় নালিশ বা অভিযোগের সংজ্ঞা রয়েছে। আমলযোগ্য বা আমল অযোগ্য কোন অপরাধের বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ করাকে নালিশ বা অভিযোগ বা Complaint বলে ।

নালিশে পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট অন্তর্ভূক্ত হবে না, তবে ম্যাজিস্ট্রেট নারাজি পিটিশনকে নালিশ (complaint) হিসেবে গণ্য করতে পারেন।
৫,৮৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭(৩) ধারা অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তির সঠিক নাম বা বাসস্থান জানা না যায়, তাহলে তাকে কোথায় পাঠানো হবে?
  1. থানায়
  2. আদালতে
  3. নির্বাহী যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারা- নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।

(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
৫,৮৯৮.
বিলম্বিত দেনমোহরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা করা হয়-
  1. যখন স্বামীর মৃত্যু হয়
  2. যখন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়
  3. যখন থেকে অধিকার জন্মায়
  4. ক অথবা খ
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১০৪: বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য (deferred dower) একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ - ৩ বছর
সময় গণনা শুরু- মৃত্যু অথবা তালাক দ্বারা যখন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

৫,৮৯৯.
'Evidence may be given of facts in issue and relevant facts' এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:
⇒ কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।
⇒ ব্যাখ্যা: দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।
--------------
⇒The Evidence Act,1872: Section 5. Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others. 
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
৫,৯০০.
একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রােগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না, এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসকের অপরাধ কী?
  1. খুন
  2. খুনে সহযোগিতা
  3. পেশাগত দায়িত্বে অবহেলা
  4. কোন অপরাধ করেন নি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
-কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

 উদাহরণ:
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। কএর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।
------------------------------------
⇒The Penal Code, 1860-Section 93: Communication made in good faith:
 -No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 
 
Illustration:
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.