বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৫৭ / ১৫৫ · ৫,৬০১৫,৭০০ / ১৫,৪৭০

৫,৬০১.
তামাদি আইনের ধারা ১২(১) অনুযায়ী, তামাদির মেয়াদ গণনায় কোন দিন বাদ দিতে হয়?
  1. মামলার নিষ্পত্তির দিন
  2. রায়ের কপি সংগ্রহের দিন
  3. আপীলের শুনানির দিন
  4. যেই দিন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১২(১) বলছে:
“কোন মামলা, আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই দিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।”
অর্থাৎ, যখন তামাদির সময়সীমা গণনা করা হবে, তখন যে দিন থেকে গণনা শুরু হওয়ার কথা—সেই প্রথম দিনটি গণনায় ধরবে না, সেটি বাদ দেওয়া হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৫,৬০২.
প্লিডিংস-এ চুক্তির প্রতি অস্বীকার জ্ঞাপন করলে, তা দ্বারা কি অস্বীকার করা বুঝাবে না?
  1. প্রকাশ্য চুক্তিটির ঘটনা
  2. যে সকল ঘটনা হতে চুক্তিটি অনুমিত হতে পারে, সেসব ঘটনা
  3. আইনের বৈধতা বা পর্যাপ্ততা
  4. ক,খ,গ সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে।গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের যাবতীয় বিধান আলোচনা করা হয়েছে। আদেশ ৬ বিধি ৮ তে প্লিডিংসে চুক্তি অস্বীকৃতি নিয়ে বলা আছে-

যেক্ষেত্রে দরখাস্তে কোন চুক্তির বিষয় বর্ণিত থাকে, সেক্ষেত্রে বিপরীত পক্ষ শুধুমাত্র চুক্তিটির প্রতি অস্বীকার জ্ঞাপন করলে তদ্বারা শুধুমাত্র প্রকাশ্য চুক্তিটির ঘটনা অথবা যে সকল ঘটনা হতে চুক্তিটি অনুমিত হতে পারে, তা অস্বীকার করা বুঝাবে; অনুরূপ চুক্তির আইনের বৈধতা বা পর্যাপ্ততাকে অস্বীকার করা বুঝাবে না।

Order 6 Rule 8: Denial of contract-
Where a contract is alleged in any pleading. a bare denial of the same by the opposite party shall be construed only as a denial in fact of the express contract or of the matters of fact from which the same may be implied, and not as a denial of the legality or sufficiency in law of such contract.
৫,৬০৩.
আদেশ ১৫ বিধি–২ অনুযায়ী কোন বিবাদীর ক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় দিতে পারে?
  1.  যার বিরুদ্ধে বাদীর স্পষ্ট প্রমাণ আছে
  2. যার সঙ্গে বাদীর কোনো বিরোধ নেই
  3. যে বিবাদী সাক্ষী হাজির করে না
  4. যে বিবাদী অনুপস্থিত থাকে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৫ বিধি-২: বহু বিবাদীর মধ্যে কোন একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকলে:
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে এবং আইন কিংবা ঘটনার কোন প্রশ্নে বিবাদীদের কোন একজনের সাথে বাদীর সঙ্গে কোন বিরোধ না থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত তখনই ঐ বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং মোকদ্দমা শুধু অন্যান্য বিবাদীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হবে।

Order 15 Rule-2: One of several defendants not at issue:
Where there are more defendants than one, and any one of the defendants is not at issue with the plaintiff on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment for or against such defendant and the suit shall proceed only against the other defendants.

৫,৬০৪.
দণ্ডবিধির ১৬০ ধারামতে মারামারির জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে?
  1. ৫০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
♦ Punishment for committing affray:

Section 160. Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৫,৬০৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারায় দলিল সংশোধন করার জন্য কিসের প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. কোনো পক্ষের পক্ষ থেকে মৌখিক আবেদন
  3. প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুল প্রমাণিত হওয়া
  4. সংশোধনের জন্য তৃতীয় পক্ষের সম্মতি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো চুক্তি বা অন্য কোনো লিখিত দলিল পক্ষগণের সত্যিকারের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে প্রকাশ না করে, এবং এটি প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের কারণে ঘটে, তাহলে সংশ্লিষ্ট পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি আদালতে দলিল সংশোধনের জন্য মামলা দায়ের করতে পারেন।
- আদালত যদি নিশ্চিত হন যে প্রতারণা বা পারস্পরিক ভুলের কারণে দলিলে ত্রুটি ঘটেছে, এবং এটি সংশোধন করলে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ পাবে, তাহলে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে দলিল সংশোধনের নির্দেশ দিতে পারেন। তবে, আদালত দলিল সংশোধন করতে পারবেন কেবল তখনই যখন তা তৃতীয় পক্ষের সরল বিশ্বাসে অর্জিত অধিকারের ক্ষতি না করে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে:
-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

অর্থাৎ দলিল সংশোধন করা যাবে কেবল তখনই, যদি প্রতারণা বা পারস্পরিক ভুলের মাধ্যমে দলিলটি প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ না করে। এটি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা এবং আদালত সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেবেন, তবে তৃতীয় পক্ষের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে হবে।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৫,৬০৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৯ ধারা কোন নীতিকে প্রতিফলিত করে?
  1. Ownership overrides possession
  2. A man is presumed to know the law
  3. Possession can be protected only with proving title
  4. Possession must be protected even without proving title
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) Possession must be protected even without proving title

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭–এর ধারা ৯-এর মূল নীতি হলো-
“মালিকানা প্রমাণ না করলেও দখলকে আইন রক্ষা করে।”

অর্থাৎ কেউ যদি বেআইনিভাবে ও তার অসম্মতিতে দখলচ্যুত হয়, তবে সে শুধু দখলের ভিত্তিতে মামলা করে আবার দখল ফিরে পেতে পারে। এখানে মালিকানা (title) প্রশ্ন বিবেচনায় নেওয়া হয় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
- সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
- আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।

৫,৬০৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটি কোন ধরনের আইন?
  1. Penal Law
  2. Punitive Law
  3. Procedural Law
  4. Substantive Law
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ একটি Substantive Law (মৌলিক আইন) কারণ এটি ব্যক্তির অধিকার এবং প্রতিকারের ব্যবস্থা নির্ধারণ করে।
- Substantive Law হল এমন আইন যা ব্যক্তির অধিকার, কর্তব্য এবং দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করে। এটি বলে দেয় যে, কোন পরিস্থিতিতে কোন প্রতিকার পাওয়া যাবে বা যাবে না।

- অপরদিকে, Procedural Law (প্রক্রিয়াগত আইন) নির্ধারণ করে কীভাবে অধিকার বা প্রতিকার বাস্তবায়ন করা হবে, অর্থাৎ মামলার পরিচালনা পদ্ধতি। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোনও প্রক্রিয়াগত নিয়ম নির্ধারণ করে না, বরং কোন কোন পরিস্থিতিতে প্রতিকার পাওয়া যাবে তা নির্ধারণ করে।
- Penal Law (দণ্ডবিধি) বা Punitive Law (শাস্তিমূলক আইন) মূলত অপরাধ ও তার শাস্তি সম্পর্কিত আইন, যা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

উদাহরণ:
- যদি কোনও ব্যক্তি বেআইনিভাবে সম্পত্তি থেকে অপসারিত হয়, তাহলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন তার জন্য পুনরুদ্ধারের প্রতিকার (Relief) নির্ধারণ করে। এটি অপরাধমূলক শাস্তি দেয় না, বরং বৈধ অধিকার প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করে।

সুতরাং, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন একটি Substantive Law, কারণ এটি নাগরিক অধিকার ও প্রতিকার নির্ধারণ করে, অপরাধের শাস্তি নয়।
৫,৬০৮.
কোন পরিস্থিতিতে সাক্ষী বৈরী হিসেবে ঘোষণা হতে পারে?
  1. যখন সাক্ষী মামলা থেকে পলায়ন করে
  2. যখন সাক্ষী কোনো তথ্য প্রদান করতে অস্বীকার করে
  3. যখন সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
  4. যখন সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় ভুল তথ্য দেয়
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী, যাকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতে তার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আনে, কিন্তু সাক্ষী আদালতে এসে তার সাক্ষ্য বিপরীত দিক নির্দেশ করে বা নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়। এমন অবস্থায়, আদালতের অনুমতি নিয়ে সেই সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দেওয়া হয় এবং তখন তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে। এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
৫,৬০৯.
দণ্ডবিধির ১৪৮ ধারা অনুযায়ী, যদি কাউকে মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে "Rioting" করতে দেখা যায়, তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. দুই বছরের কারাদণ্ড
  2. তিন বছরের কারাদণ্ড
  3. সাত বছরের কারাদণ্ড
  4. দশ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১৪৮ অনুযায়ী: "যে কেউ প্রাণঘাতী অস্ত্র বা এমন কিছু সঙ্গে নিয়ে দাঙ্গার অপরাধ করে, যা আক্রমণের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে মৃত্যু ঘটাতে পারে, সে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।"
- সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।

⇒The Penal Code, 1860- Section- 148. Rioting, armed with deadly weapon:
- Whoever is guilty of rioting, being armed with a deadly weapon or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৫,৬১০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২৪ আদেশের বিধান কি?
  1. মামলা প্রত্যাহার
  2. মিমাংসা
  3. মামলার দাবি পরিতোষটির টাকা আদালতে জমা দেওয়া
  4. জামানত জমা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২৪ আদেশ অনুযায়ী মামলার খরচের টাকা আদালতে জমা দেওয়ার বিধান আছে।
⇒ আদেশ ২৪ বিধি ১ অনুযায়ী ঋণ বা ক্ষতিপূরনের মামলায় বিবাদী মামলার যে কোন পর্যায়ে বাদীর দাবীকৃত সম্পূর্ন অর্থ আদালতে জমা দিলে দায় মুক্ত হতে পারবে।
⇒ শুধুমাত্র ঋণ বা ক্ষতিপূরনের মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য।
৫,৬১১.
হিন্দু আইনে অনুমোদিত বিবাহ কত প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ২ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:

ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:

অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
৫,৬১২.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ডিক্রি জারি পর্যন্ত
  2. আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত
  3. পক্ষদ্বয়ের রদের আবেদন না করা পর্যন্ত
  4. আপিল কার্যক্রমের আগ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারায় অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞাকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এমন নিষেধাজ্ঞা যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে।
⇒ এটা মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে মঞ্জুর করা যেতে পারে।
⇒ তবে এটা কিভাবে মঞ্জুর করা হবে, তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বিরোধীয় বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থিতি অবস্থা বজায় রাখা।
৫,৬১৩.
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কে সন্দেহ হলে, মোকদ্দমা রজুকৃত আদালত কী করতে পারে?
  1. সরাসরি রায় প্রদান করতে পারে
  2. মোকদ্দমা বাতিল করতে পারে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে নথি প্রেরণ করতে পারে
  4. জেলা জজ আদালতে নথি নথি প্রেরণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-৬: ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার ক্ষমতা:
১) যেক্ষেত্রে রায় প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় যে আদালতে মোকদ্দমা রুজু হয়েছে, সে আদালত, মোকদ্দমা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সন্দেহ করে, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে

২) হাইকোর্ট বিভাগ নথি এবং বিবৃতি গ্রহণ করার পর উক্ত আদালতকে মোকদ্দমায় অগ্রসর হতে অথবা উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণের উপযুক্ত ঘোষিত কোন আদালতে উহার আদেশ মতে পেশ করার জন্য আরজি ফেরত পাঠানোর আদেশ দিতে পারে।
৫,৬১৪.
'ক' একখণ্ড জমি 'খ'-কে উইল করলো। পরবর্তীতে 'ক' উক্ত জমিতে বাড়ি নির্মাণ করলো। উইলটি.....
  1. প্রত্যাহারযোগ্য
  2. প্রত্যাহৃত
  3. বৈধ
  4. অনিয়মিত
ব্যাখ্যা
উইল রদ করণ:
উইল বা অছিয়ত নামা রদ করা যায়।উইলকারী তার জীবদ্দশায় উইল রদ বা বাতিল করতে পারে।বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে উইলকারী তার উইল পত্ররদ করতে পারে।পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ-
১. উইলকারী তার কৃত উইল লিখিত বা মৌখিক ঘোষণার মাধ্যমে রদ বা প্রত্যাহার করতে পারে
২.যদি উইলকারী উইলকৃত সম্পত্তিতে এমন কোনো কাজ করে, যার ফলে উক্ত সম্পত্তির পরিবর্তন সাধিত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট উইলটি রদ হবে।
৩.উইল কৃত সম্পত্তিতে যদি উইল কারীর স্বত্বের অবসান ঘটে, তাহলে সংশ্লিষ্ট উইলটি স্বাভাবিক ভাবেই রদ হয়ে যাবে।
৪.উইল-গ্রহীতার উদ্দেশ্যে যে সম্পত্তি উইল করা হয়, তা যদি উইলকারী উইল করার পর অন্যের কাছে দান বা বিক্রি করে দেয় তা হলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উইলটি রদ বা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
৫. উইলকারী আদালতের মাধ্যমেও তার কৃত উইলরদ বা প্রত্যাহার করতে পারবে।

- উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক' একখণ্ড জমি 'খ'-কে উইল করলো। পরবর্তীতে 'ক' উক্ত জমিতে বাড়ি নির্মাণ করলো। এই ক্ষেত্রে "ক" উইলটা পরোক্ষভাবে প্রত্যাহৃত হয়েছে গণ্য হবে। 
- পরোক্ষভাবে প্রত্যহারের মূলনীতিটা হলো- উইল পরোক্ষভাবে প্রত্যহার হয়েছে গণ্য হবে কেবল তখনই যখন উইলের বিষয়বস্তুতে নতুন কিছু সংযুক্তি ঘটে কোনো কাজের মাধ্যমে বা উক্ত সম্পত্তিতে উইলকারীর মালিকানা স্বত্ব বিলুপ্ত হয়।
৫,৬১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে কী তথ্য থাকে?
  1. অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি
  2. অপরাধটি জামিনযোগ্য কিনা
  3. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  4. যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে উল্লেখ করা হয় যে কোন অপরাধের বিচার কোন আদালত করবে। এই কলামটি নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারিক কর্তৃপক্ষ বা আদালতের (যেমন, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সেশন আদালত, বা অন্য কোনো আদালত) তথ্য প্রদান করে। এটি ফৌজদারি মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।

৫,৬১৬.
মোকদ্দমা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজে উক্ত মোকদ্দমা বিচার করতে চাইলে, পক্ষদের কোথায় হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিবেন ?
  1. নিজ আদালতে
  2. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে
  3. ক বা খ
  4. উভয় আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪(ক)-

১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred. 
 
(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.
৫,৬১৭.
‘D’ ‘Z’-এর উইলে ‘B’-এর নাম মুছে ফেলে, যাতে সম্পত্তি শুধু নিজে এবং ‘C’-এর মধ্যে ভাগ হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. প্রতারণা
  2. জালিয়াতি
  3. ক্ষতিসাধন
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে, ক্ষতি করার, সম্পত্তি হস্তান্তর করানোর, বা কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থনের উদ্দেশ্যে মিথ্যা দলিল তৈরি বা পরিবর্তন করে, তবে তা জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য। ধারা ৪৬৪ অনুসারে, কোনো দলিলে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করা জালিয়াতির সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এখানে, ‘D’ ‘Z’-এর উইলে ‘B’-এর নাম মুছে ফেলে প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তির ভাগ পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছে, যা ধারা ৪৬৪-এর দ্বিতীয় উপায়ে (দলিলে পরিবর্তন) জালিয়াতি।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) প্রতারণা: প্রতারণা (ধারা ৪১৫) হলো প্রতারণামূলকভাবে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর বা কাজ করতে প্ররোচিত করা। এখানে ‘D’-এর কাজ প্রাথমিকভাবে মিথ্যা দলিল তৈরি বা পরিবর্তন, তাই এটি জালিয়াতি।
গ) ক্ষতিসাধন: ক্ষতিসাধন (ধারা ৪২৫) হলো সম্পত্তির ক্ষতি বা ধ্বংস করার অপরাধ। এখানে ‘D’ সম্পত্তি ধ্বংস করেনি, বরং দলিল পরিবর্তন করেছে।
ঘ) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ: অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (ধারা ৪০৫) হলো দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পত্তির অসাধু ব্যবহার। এখানে ‘D’ কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পত্তি নিয়ে কাজ করেনি।
অর্থাৎ ‘D’-এর কাজ ধারা ৪৬৩ এবং ৪৬৪-এর অধীনে জালিয়াতি হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) জালিয়াতি।
---------
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারার বিধান মিথ্যা দলিল তৈয়ার করা:- নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈয়ার করেছে বলে পরিগণিত হয়-প্রথমত:- যদি কোন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দ্বারা যার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কোন দলিল কিংবা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বা যে সময়ে উক্ত দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে সে জানে, অথবা সে দলিলটি বা উহার অংশবিশেষ সে ব্যক্তি দ্বারা বা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতা বলে কিংবা সে সময়ে প্রণীত স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাইবার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ দলিল বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বুঝাবার জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে; অথবা
দ্বিতীয়ত:- কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হওয়ার পরে কোনরূপ আইনসম্মত ছাড়াই অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলক ভাবে, বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অপর কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে; দলিলটি যদি অপরাধী দ্বারা সম্পাদিত না হয়ে অপর কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তবে এইরূপ পরিবর্তনের সময়ে সে ব্যক্তি জীবিত থাকুক অথবা পরলোকগত হোক তাতে অপরাধের কোনরূপ তারতম্য হবে না; অথবা
তৃতীয়ত:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা কিংবা প্রমত্ততার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন অথবা কোন মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় সম্পাদিত করেছিল বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে সে মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন জালিয়াতি বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ
(ক) ক চ-কে দিয়ে খ-এর প্রতিপক্ষে ১০,০০০ টাকার জন্য একটি লেটার অব ক্রেডিট লিখে নিয়ে পরে ক খ-কে ঠকাবার উদ্দেশ্যে, ১০,০০০-টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে উহাকে ১,০০,০০০ টাকা করে নেয়, এই অভিপ্রায়ে যে, খ বিশ্বাস করবে যে, চ ঐরূপ লিখেছে। ক জালিয়াতি করেছে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery:
- Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.

⇒ The Penal Code, 1860-Section 464. Making a false document:
 A person is said to make a false document:
Firstly.-Who dishonesty or fraudulently makes, signs, seals or executes a document or part of a document, or makes any mark denoting the execution of a document, with the intention of causing it to be believed that such document or part of a document was made, signed, sealed or executed by or by the authority of a person by whom or by whose authority he knows that it was not made, signed, sealed or executed, or at a time at which he knows that it was not made, signed, sealed or executed; or 
Secondly.-Who, without lawful authority, dishonestly or fraudulently, by cancellation or otherwise, alters a document in any material part thereof, after it has been made or executed either by himself or by any other person, whether such person be living or dead at the time of such alteration; or 
Thirdly.-Who dishonestly or fraudulently causes any person to sign, seal, execute or alter a document, knowing that such person by reason of unsoundness of mind or intoxication cannot, or that by reason of deception practiced upon him he does not know the contents of the document or the nature of the alteration.
Explanation 1.-A man's signature of his own name may amount to forgery.
Explanation 2.- The making of a false document in the name of a fictitious person, intending it to be believed that the document was made by a real person, or in the name of a deceased person, intending it to be believed that the document was made by the person in his lifetime, may amount to forgery.

৫,৬১৮.
তামাদি আইনে যেসব দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই, সেগুলোর তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
→ তামাদি আইনে যেসব দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই, সেগুলোর তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ বিধান: তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অন্য কোথাও বা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে কোন বিধান নাই সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে ৩ বছর।
৫,৬১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, কে ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তার অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে?
  1. সরকার
  2. দায়রা আদালত
  3. সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ
  4. সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে।

• ধারা ৪১: ক্ষমতাদি প্রত্যাহরকরণ-
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

Section 41: Withdrawal of powers-
(1) The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
৫,৬২০.
দণ্ডবিধির ১৮৪ ধারা অনুযায়ী যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করবে, তাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে?
  1. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  2. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  3. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৮৪ (Obstructing sale of property offered for sale by authority of public servant) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রয় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে, তাহলে তাকে ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
- এই ধারা কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আয়োজিত সম্পত্তির বিক্রয় বা নিলাম প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যক্তি বাধা দিলে তাকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে। এর লক্ষ্য হল সরকারি কর্মচারী কর্তৃক পরিচালিত আইনি কার্যক্রমের চলমানতা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ হস্তক্ষেপ রোধ করা।
তবে, এই শাস্তির মেয়াদ ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৪ ধারার বিধান: সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রয় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করা:
যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রয় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করবে, তাকে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি দেওয়া হতে পারে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-184. Obstructing sale of property offered for sale by authority of public servant:
Whoever intentionally obstructs any sale of property offered for sale by the lawful authority of any public servant, as such, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৫,৬২১.
According to Section 52 Preventive relief is not granted at the discretion of the Court by____________.
  1. Temporary injunction.
  2. Perpetual injunction.
  3. Mandatory Injunction
  4. A & B Both
ব্যাখ্যা
⇒ Section 52 Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুরের প্রক্রিয়া:- আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

 ⇒  সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
 ⇒ অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

 ⇒ উল্লেখিত প্রশ্নে যেহেতু 'Preventive relief is not granted বা নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় না' কথাটি বলা আছে তাই সঠিক উত্তর হবে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction)।
৫,৬২২.
দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে অবৈধভাবে ১০ দিন বা তার বেশি সময় আটক রাখে, তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে ১০ দিন বা তার অধিক সময় আটকে রাখে, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ৩ বছর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৫,৬২৩.
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি রেজিষ্ট্রিকৃত না হলে আদালত চুক্তির কার্য সম্পাদনের-
  1. আদেশ দিবেন না
  2. প্রতিকার দিতে পারেন
  3. আদেশ দিতে পারেন
  4. আদালতের ইচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারায়, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তির কার্যকরতার জন্য দুটি পূর্বশর্ত বিধি করেছে:

১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে:
(ক) চুক্তিটি লিখিত হতে হবে;
(খ) চুক্তিটি 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।

২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান করতে হবে:
(ক) চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করার জন্য;
(খ) মোকদ্দমা রুজুর সময় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে।

তাই এই আইন অনুসারে,
যদি কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি এই দুটি শর্ত পূরণ না করে, তাহলে সেই চুক্তি অন্য কোন আইনের বিপরীত বিধান থাকা সত্ত্বেও কার্যকর হবে না। লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হওয়া এবং চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান এই দুটি শর্ত পূরণই স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তিকে কার্যকর করার জন্য অপরিহার্য।
৫,৬২৪.
যদি মূল দলিল আদালতের বাইরে থাকে এবং আইনত উপস্থাপন করার জন্য নোটিশ দেওয়া হয় কিন্তু দেওয়া হয়নি, তখন-
  1. দলিল অকার্যকর হবে
  2. সাক্ষ্য হিসেবে কেবল মূল দলিল গ্রহণযোগ্য হবে
  3. মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া তা গ্রহণযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।

৫,৬২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিষয়বস্তু স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন?
  1. Mandatory Injunction
  2. Perpetual Injunction
  3. Temporary Injunction
  4. Prohibitory Injunction
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।
⇒  নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) বলে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে –
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই (Prima facie case) প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable loss) হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত (The balance of convenience and inconvenience of the Parties) বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ (Public interest) বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-53: Temporary injunctions:
-Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions:
-A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৫,৬২৬.
আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের পূর্বে প্রসিকিউশন কোন মামলা প্রত্যাহার করলে ফলাফল হবে-
  1. আসামি খালাস
  2. আসামির মুক্তি
  3. আসামির অব্যাহতি
  4. উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল-

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-

(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং

(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৫,৬২৭.
ধারা ৩১ অনুযায়ী, নিবন্ধন কর্মকর্তা আবাসস্থলে গিয়ে কী করতে পারেন?
  1. সম্পত্তি পরিদর্শন
  2. দলিল গ্রহণ
  3. জরিমানা আদায়
  4. দলিল বাতিল
ব্যাখ্যা
ধারা ৩১- ব্যক্তিগত আবাসস্থলে নিবন্ধন বা জমাকরণের জন্য দলিল গ্রহণ:
এই আইনের অধীন দলিলপত্র দাখিলকরণ, নিবন্ধন ও জমাকরণ সাধারণত উক্ত দলিল নিবন্ধীকরণ বা জমা গ্রহণের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কার্যালয়ে সম্পন্ন হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, বিশেষ কারণ দর্শাইতে পারিলে উক্ত কর্মকর্তা নিবন্ধনের জন্য কোন দলিল দাখিল করিতে বা উইল জমা করিতে ইচ্ছুক কোন ব্যক্তির আবাসস্থলে গমন করিতে পারিবেন এবং নিবন্ধন বা জমাকরণের জন্য উক্তরূপ দলিল বা উইল গ্রহণ করিতে পারিবেন।
৫,৬২৮.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হতে কতদিনের মধ্যে সমাপ্ত করতে হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৯- অপরাধের বিচার:

(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ, আমলযোগ্য (cognizable), ধারা ৪ ও ৫ এ বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য (non-bailable), অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধ জামিনযোগ্য এবং আপোষযোগ্য (compoundable) হইবে।

(২) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে সমাপ্ত করিতে হইবে।

(৪) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার ও আপিলের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
৫,৬২৯.
কোন ক্ষেত্রে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে?
  1. দল থেকে পদত্যাগ করলে
  2. দলের বিপক্ষে ভোট দিলে
  3. উভয় ক্ষেত্রেই আসন শূন্য হবে
  4. উল্লিখিত কোনোটিতেই আসন শূন্য হবে না
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭০- রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
৫,৬৩০.
দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে কমিশন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাকে তথ্য সরবরাহ করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে?
  1. যে কোন ব্যক্তিকে
  2. সাক্ষীকে
  3. অভিযুক্তকে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯: অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
 
(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়।
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন।
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
৫,৬৩১.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ অনুযায়ী হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে প্রার্থীর বয়সসীমা কত?
  1. ২০ থেকে ৪৫ বছর
  2. ২৫ থেকে ৫০ বছর
  3. ১৮ থেকে ৫৫ বছর
  4. ২১ থেকে ৬০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি- ৫(১) অনুযায়ী, প্রার্থীর HSC পাস হতে হবে, বয়স ২৫–৫০ বছরের মধ্যে হতে হবে, সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হতে হবে, এবং হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী হতে হবে। সবগুলো শর্ত পূরণ না করলে তিনি যোগ্য হবেন না।

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ৪(১) ধারার বিধান অনুসারে,
এই আইনের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে, সরকার, সিটি কর্পোরেশন এলাকার ক্ষেত্রে তৎকর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত এলাকা, এবং সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত এলাকার ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা এলাকায় একজন ব্যক্তিকে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করিবে।
⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ধারা ৪(৩) ধারার বিধান অনুসারে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির যোগ্যতা, অধিক্ষেত্র, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক কর্তৃক আদায়যোগ্য ফিস এবং তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি-৫ প্রার্থীদের যোগ্যতা, ইত্যাদি- (১) কোনো ব্যক্তি হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে নিয়োগ পাইবার
যোগ্য হইবেন না, যদি-
- তিনি সরকার কর্তৃক স্বীকৃত কোনো বোর্ড হইতে এইচ, এস, সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হন;
- তাহার বয়স কমপক্ষে পঁচিশ এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ বৎসর না হয়;
- তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা না হন;
- তিনি হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী না হন।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক নিয়োগের ক্ষেত্রে কাব্যতীর্থ বা ব্যাকরণতীর্থদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হইবে।

উল্লেখ্য যে, আইনে শুধু একজন ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে, সেই সাথে উল্লেখ করেছে যোগ্যতা বিধি অনুসারে নির্ধারিত হবে।তাই বিধিমালা অনুসারে, অপশন 'গ' উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।

৫,৬৩২.
কোন ধরনের মানসিক অবস্থার ব্যক্তির আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিলে দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা প্রযোজ্য হবে না?
  1. উন্মাদ ব্যক্তি
  2. নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি
  3. নির্বোধ ব্যক্তি
  4. মানসিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৫,৬৩৩.
দায়রা আদালতে সরকারের পক্ষে কে মামলা পরিচালনা করেন?
  1. অভিযোগকারী
  2. পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. আসামি পক্ষ
  4. বার এসোসিয়েশন
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার কার্যে সরকারি আইনজীবী বা পাবলিক প্রসিকিউটর সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন। ২৬৫খ ধারা মতে আসামিকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযাগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভিযোগ প্রমান করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
৫,৬৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মধ্যস্থতা
  2. সালিশ
  3. আপিলে মধ্যস্থতা
  4. মধ্যস্থতার বিশেষ বিধান
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯গ- আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর আওতাধীন মধ্যস্থতাকরণের ক্ষেত্রে, ৮৯ক ধারার বিধান গুলােকে প্রয়ােজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।

Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.

(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৫,৬৩৫.
Malicious prosecution এর কারণে ক্ষতিসাধনের মামলার তামাদি কত?
  1. ৬ বছর
  2. ১ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ২৩ এর বিধান বিদ্বেষমূলকভাবে ফৌজদারীতে সোপর্দকরণের জন্য ক্ষতিপূরণ [Compensation for malicious prosecution] এর মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর। যখন বেকসুল খালাস হয় অথবা যখন মামলার অবসান ঘটে তখন থেকে।
৫,৬৩৬.
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading question) উত্তর সাধারণত কীভাবে দেওয়া হয়?
  1. হ্যাঁ বা না
  2. বিস্তারিত ব্যাখ্যা
  3. আদালতের নির্দেশনা
  4. সাক্ষীর ব্যক্তিগত মতামত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) হ্যাঁ বা না।
- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading question) এমন প্রশ্ন যা প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত প্রদান করে থাকে। সাধারণত, এই ধরনের প্রশ্নে সাক্ষী হ্যাঁ বা না উত্তর দেয়। উদাহরণস্বরূপ, "আপনার নাম কি সালমান?"—এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত রয়েছে (সালমান), তাই সাক্ষী সাধারণত "হ্যাঁ" বা "না" বলে উত্তর দেয়।
এই ধরনের প্রশ্ন আদালত, বিশেষত সাক্ষীকে জেরা করার সময়, বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি সাক্ষীর উত্তরকে নিয়ন্ত্রণ বা দিশা প্রদান করতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যাঁ অথবা না ব্যাজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
৫,৬৩৭.
The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় কোন বিষয়ে বিধান আছে?
  1. জেলা বা যুগ্ম জেলা জজের আদি এখতিয়ার
  2. হাইকোর্ট বিভাগের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
  3. জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
  4. দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা কর্মকর্তাদের উপর হস্তান্তর করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২: জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা:
(১) কোনো জেলা জজ তাঁর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যেকোনো যুগ্ম জেলা জজকে (Joint District Judge) হস্তান্তর করতে পারবেন, যেসব আপিল তাঁর কাছে সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে চলমান আছে।

(২) জেলা জজ যেকোনো হস্তান্তরিত আপিল প্রত্যাহার (withdraw) করতে পারবেন, এবং নিজে শুনানি করে নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা তাঁর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোনো সক্ষম আদালতে হস্তান্তর করতে পারেন যা সেই আপিল নিষ্পত্তি করার যোগ্য।

(৩) এই ধারা অনুযায়ী হস্তান্তরিত আপিলগুলি সেই নিয়ম অনুযায়ী নিষ্পত্তি হবে যা জেলা জজ কর্তৃক সাধারণ আপিল নিষ্পত্তিতে প্রযোজ্য।

৫,৬৩৮.
'ক' বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। 'ক' The Penal Code,1860 এর কোন ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে?
  1. ১৭২ ধারা
  2. ১৭৪ ধারা
  3. ১৭৬ ধারা
  4. ১৭৭ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান- সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া-
কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত: কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

৫,৬৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে?
  1. ৪২ ধারায়
  2. ৫২ ধারায়
  3. ৬২ ধারায়
  4. ৭২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

Section 52- Mode of searching women:
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৫,৬৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯(৫) অনুসারে, সমন প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে তা প্রেরণ করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯ (জারির জন্য সমন অর্জন অথবা প্রেরণ) -
(১) যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে, বিবাদী সেটির এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাস করে বা সমন গ্রহণ করার ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি বিবাদীর পক্ষে যদি এরূপ এলাকার ভিতর বসবাস করে, তবে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ না দিলে হয় উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট স্বয়ং জারি করার লক্ষ্যে বা তাদের অধঃস্তন কোন ব্যক্তি দ্বারা অথবা উপ-ধারা(৪) এর বিধান অনুযায়ী জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভুক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সমন অর্পিত বা প্রেরিত হবে।

(২) উপযুক্ত কর্মকর্তা যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে সেখানকার না হয়ে অন্য কোন আদালতের কর্মকর্তাও হতে পারেন, এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তার নিকট ডাকযোগে বা আদালত যেভাবে নির্দেশ দিতে পারে অনুরূপ অন্য যে কোন উপায়ে প্রেরণ করা যাবে।

(৩) আদালত উপ-বিধি (১) তে বর্ণিত বিধানের অতিরিক্ত হিসেবে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারে এবং একইসঙ্গে ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে বা ইলেক্ট্রনিক মেইল সার্ভিস এর মাধ্যমে নিজ খরচে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিবেন।

(৪) জেলা জজ উপ-বিধি(১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কুরিয়ার সার্ভিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় হালনাগাদসহ) এবং তার প্রশাসনিক অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতসমূহকে তা অবহিত করবেন।

(৫) যখন সমন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস এর নিকট প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত সমন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সার্ভিস বা প্রেরণ করবেন এবং আদালতকে এতদবিষয়ে অবহিত করবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যদি উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং কুরিয়ারের ক্ষেত্রে,জেলা জজ প্রস্তুতকৃত তালিকা হতে তা বাদ দিবেন।
৫,৬৪১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XLI, Rule 12A অনুযায়ী আপীল পুনজ্জীবিত করার আদেশ প্রত্যেক পক্ষের অনুকুলে সর্বোচ্চ কয়টি মঞ্জুর করা হয়?
  1. ১টি;
  2. ২টি;
  3. ৩টি;
  4. ৬টি;
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   •আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   •প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
♦একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি। কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন ।
♦কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
♦অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
৫,৬৪২.
‘ক’, একজন ম্যাজিস্ট্রেট, সরল বিশ্বাসে খ-এর বিরুদ্ধে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে মানহানিকর অভিযোগ দায়ের করে, যা জনসাধারণের কল্যাণের জন্য। দণ্ডবিধি অনুসারে এটি-
  1. মানহানি
  2. মিথ্যা ষড়যন্ত্র
  3. ক্ষমতার অপব্যবহার
  4. কোনো অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৯ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে মুখে, লিখিতভাবে, চিহ্নের মাধ্যমে, বা দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে অভিযোগ করা মানহানি হিসেবে গণ্য। তবে, ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রম (Ninth Exception) অনুসারে, সরল বিশ্বাসে (good faith) নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষার জন্য বা জনসাধারণের কল্যাণের জন্য কোনো অভিযোগ করা মানহানি নয়। এখানে, ‘ক’, একজন ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে, সরল বিশ্বাসে এবং জনসাধারণের কল্যাণের জন্য তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে খ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। এটি ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে, তাই এটি কোনো অপরাধ নয়।
- অর্থাৎ ‘ক’-এর কাজ ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে, তাই এটি কোনো অপরাধ নয়। সঠিক উত্তর হলো ঘ) কোনো অপরাধ নয়।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 499-Defamation:
Imputation made in good faith by person for protection of his or other’s interests
Ninth Exception.-It is not defamation to make an imputation on the character of another, provided that the imputation be made in good faith for the protection of the interest of the person making it, or of any other person, or for the public good.
Illustrations:
(a) A, a shopkeeper, says to B, who manages his business-"Sell nothing to Z unless he pays you ready money, for I have no opinion of his honesty.” A is within the exception, if he has made this imputation on Z in good faith for the protection of his own interests. 
(b) A, a Magistrate, in making a report to his own superior officer, casts an imputation on the character of Z. Here, if the imputation is made in good faith, and for the public good, A is within the exception.

৫,৬৪৩.
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা অনুযায়ী, অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিগণ কীভাবে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র একজনই দোষী হবেন
  2. সবাই একই অপরাধে দোষী হবেন
  3. বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন
  4. কোনো অপরাধে দোষী হবেন না
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
 কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।

উদাহরণ-
ক এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে চ-কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমণে চ নিহত হলে তা কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশ হবে, যা খুন বলে পরিগণিত হবে না। চ-এর প্রতি খ-এর বিদ্বেষ থাকায় এবং চ-কে হত্যা করার জন্য খ-এর অভিপ্রায় থাকায়, খ বিনা প্ররোচনায় চ-কে হত্যার কার্যে ক কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে ক ও খ উভয়েই চ-কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, খ খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে এবং ক শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।

Section 38- Persons concerned in criminal act may be guilty of different offences:
Where several persons are engaged or concerned in the commission of a criminal act, they may be guilty of different offences by means of that act. 
 
Illustration-
A attacks Z under such circumstances of grave provocation that his killing of Z would be only culpable homicide not amounting to murder. B having ill-will towards Z and intending to kill him, and not having been subject to the provocation, assists A in killing Z. Here, though A and B are both engaged in causing Z's death, B is guilty of murder, and A is guilty only of culpable homicide.
৫,৬৪৪.
Transfer of Property Act, 1882-এর ১০ ধারা কোন ধরনের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. বিক্রয়
  2. দান
  3. লিজ
  4. বিনিময়
ব্যাখ্যা

Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ১০ – হস্তান্তরে বাধা আরোপ সম্পর্কিত শর্ত (Condition restraining alienation):
যদি কোনো সম্পত্তি এমন শর্তে হস্তান্তর করা হয় যে- গ্রহীতা (transferee) বা তার অধিকারভুক্ত কোনো ব্যক্তি সেই সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বা বিক্রি করতে পারবে না, তাহলে সেই শর্ত বা সীমাবদ্ধতা অবৈধ (void) বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ, সম্পত্তির মালিকানা দেওয়া হলে, তাকে পুরো অধিকার দেওয়া হবে- তার সম্পত্তি বিক্রি, দান, বিনিময় ইত্যাদি করার অধিকার কেউ সম্পূর্ণভাবে আটকাতে পারে না।

তবে ব্যতিক্রম (Exception):
এই নিয়ম lease (ভাড়া বা ইজারা)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যদি সেই শর্তটি lessor (মালিক)-এর স্বার্থ রক্ষার জন্য করা হয়। অর্থাৎ, ভাড়ার চুক্তিতে বলা থাকলে যে “ভাড়াটিয়া মালিকের অনুমতি ছাড়া সম্পত্তি অন্যকে দিতে পারবে না,” তাহলে সেই শর্ত বৈধ।

বিশেষ শর্ত (Proviso):
যদি কোনো সম্পত্তি এমনভাবে হস্তান্তর করা হয় যাতে কোনো নারী (যিনি হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ নন) তার বিবাহকালীন সময়ে সেই সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধক রাখতে না পারেন, তাহলে এই ধরণের শর্ত বৈধ (valid)।

৫,৬৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়'- সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৪০
  2. ধারা ৫৪৪
  3. ধারা ৫৪০
  4. ধারা ৩৪২
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৪ (ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়)-

সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।

Section 544- Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
৫,৬৪৬.
According to Section 205(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898, at what point can a Magistrate direct the personal attendance of the accused?
  1. Only at the beginning of the trial
  2. At any stage of the proceedings
  3. Only if the accused requests it
  4. After the case has been decided
ব্যাখ্যা
Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
৫,৬৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে ক্ষমা প্রদানের শর্ত কী?
  1. অপরাধীকে আদালতে দোষ স্বীকার করতে হবে
  2. অপরাধীকে তার সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে
  3. অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে
  4. অপরাধীকে অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানাতে হবে
ব্যাখ্যা

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে ক্ষমা প্রদানের শর্ত অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৩৭: সহযোগীকে ক্ষমা প্রদানের বিধান:
(১) যে কোনো অপরাধ যা শুধুমাত্র দায়রা আদালত দ্বারা বিচারযোগ্য, বা যে অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, বা দণ্ডবিধির ২১১ ধারার অধীনে যে অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, বা দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারাগুলোর অধীনে যে কোনো অপরাধ (যেমন, ধারা ২১৬ক, ৩৬৯, ৪০১, ৪৩৫ এবং ৪৭৭ক), সেক্ষেত্রে একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, অপরাধের তদন্ত বা জিজ্ঞাসাবাদের যে কোনো পর্যায়ে বা বিচারের সময়, অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা অপরাধের কথা জানা থাকতে পারে এমন কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য পাওয়ার উদ্দেশ্যে, উক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমা প্রদান করতে পারেন। তবে এই ক্ষমা প্রদানের শর্ত হবে যে, উক্ত ব্যক্তিকে অপরাধ সম্পর্কিত তার জানা সমস্ত পরিস্থিতি এবং অপরাধ সংঘটনে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির (প্রধান অপরাধী বা সহযোগী) সম্পর্কে সম্পূর্ণ ও সত্য বিবৃতি দিতে হবে।
শর্তসাপেক্ষে: যদি অপরাধটি তদন্ত বা বিচারের অধীনে থাকে, তাহলে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত) এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না, যদি না তিনি উক্ত তদন্ত বা বিচারকার্য পরিচালনা করছেন। আর যদি অপরাধটি তদন্তাধীন থাকে, তাহলে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না, যদি না তিনি এমন এলাকার ম্যাজিস্ট্রেট হন যেখানে অপরাধের তদন্ত বা বিচার হতে পারে এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।
(১ক) উপধারা (১) অনুযায়ী ক্ষমা প্রদানকারী প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেটকে তার সিদ্ধান্তের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং অভিযুক্তের আবেদন করলে, তাকে এই রেকর্ডের একটি কপি সরবরাহ করতে হবে।
শর্তসাপেক্ষে: অভিযুক্তকে এই কপির জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ কোনো কারণে বিনামূল্যে কপি সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেন।
(২) এই ধারার অধীনে ক্ষমা গ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাক্ষী হিসাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং পরবর্তী বিচারেও (যদি থাকে) সাক্ষ্য দিতে হবে।
(২ক) যদি কোনো ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করে এবং উপধারা (২) অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন যে অভিযুক্ত অপরাধের দোষী হওয়ার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে, তাহলে তিনি অভিযুক্তকে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য প্রেরণ করবেন।
(৩) এই ধরনের ব্যক্তি, যদি ইতিমধ্যে জামিনে না থাকে, তাহলে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে রাখা হবে।

অর্থাৎ
- ধারা ৩৩৭ অনুযায়ী, সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করা যেতে পারে যদি সে অপরাধ সম্পর্কিত সম্পূর্ণ ও সত্য বিবৃতি দেয়।
- ক্ষমা প্রদানের সিদ্ধান্তের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং অভিযুক্তের আবেদনে কপি সরবরাহ করতে হবে।
- ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং বিচারের জন্য প্রেরণ করা হবে।
- ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে রাখা হবে (যদি জামিনে না থাকে)।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 337.Tender of pardon to accomplice:
(1) In the case of any offence triable exclusively by the Court of Session, or any offence punishable with imprisonment which may extend to ten years, or any offence punishable under section 211 of the Penal Code, with imprisonment which may extend to seven years, or any offence under any of the following sections of the Penal Code, namely, sections 216A, 369, 401, 435 and 477A, a Metropolitan Magistrate or any Magistrate of the first class may, at any state of the investigation or inquiry into, or the trial of the offence, with a view to obtaining the evidence of any person supposed to have directly or indirectly concerned in or privy to the offence, tender a pardon to such person on condition of his making a full and true disclosure of the whole of the circumstances within his knowledge relative to the offence and to every other person concerned, whether as principal or abettor, in the commission thereof: 
Provided that, where the offence is under inquiry or trial, no Magistrate of the first class other than the Chief Judicial Magistrate shall exercise the power hereby conferred unless he is the Magistrate making the inquiry or holding the trial, and, where the offence is under investigation, no such Magistrate shall exercise the said power unless he is a Magistrate having jurisdiction in a place where the offence might be inquired into or tried and the sanction of the Chief Judicial Magistrate has been obtained to the exercise thereof. 
(1A) Every Magistrate who tenders a pardon under sub-section (1) shall record his reasons for so doing, and shall, on application made by the accused, furnish him with a copy of such record: 
Provided that the accused shall pay for the same unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost. 
(2) Every person accepting a tender under this section shall be examined as a witness in the Court of the Magistrate taking cognizance of the offence and in the subsequent trial, if any. 
(2A) In every case where a person has accepted a tender of pardon and has been examined under sub-section (2), the Magistrate before whom the proceedings are pending shall, if he is satisfied that there are reasonable grounds for believing that the accused is guilty of an offence, [send] him for trial to the Court of Session . 
(3) Such persons, unless he is already on bail, shall be detained in custody until the termination of the trial.

৫,৬৪৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার অধীনে চুক্তি বলবৎ এর মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়:
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী ১২ ধারার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৫,৬৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারা অনুযায়ী, মামলার পক্ষসমূহ সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য কী করতে পারেন?
  1. নতুন সাক্ষী নিযুক্ত করতে পারেন
  2. মামলার রায় পরিবর্তন করতে পারেন
  3. মামলার বিচারক পরিবর্তন করতে পারেন
  4. সাক্ষীর জবানবন্দির বিষয়ে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৫ অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তাহলে মামলার পক্ষসমূহ (যথা, অভিযুক্ত ও রাষ্ট্রপক্ষ) সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে জমা দিতে পারে।
সেই প্রশ্নমালা যদি আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট প্রাসঙ্গিক মনে করেন, তবে তা অনুসারে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও, মামলার পক্ষসমূহ এডভোকেটের মাধ্যমে বা ব্যক্তি হিসেবে (যদি হেফাজতে না থাকেন) উপস্থিত থেকে সাক্ষীকে জেরা (cross-examine) ও পুনঃজেরা (re-examine) করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার বিধান: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন:-
(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী, জেরা ও পুনঃজবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 505: Parties may examine witnesses:-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.
৫,৬৫০.
সংসদ কোন আইনের দ্বারা আপীল বিভাগের এখতিয়ার অন্যান্য আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করতে পারে— এটা বলা হয়েছে সংবিধানের:
  1. ১০১ অনুচ্ছেদে
  2. ১০২(২) অনুচ্ছেদে
  3. ১০৩(৪) অনুচ্ছেদে
  4. ১০৪ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৩: আপীল বিভাগের এখতিয়ার:
(১) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানীর ও তাহা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের থাকিবে। 
 
(২) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগের নিকট সেই ক্ষেত্রে অধিকারবলে আপীল করা যাইবে, যে ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ-
(ক) এই মর্মে সার্টিফিকেট দান করিবেন যে, মামলাটির সহিত এই সংবিধান-ব্যাখ্যার বিষয়ে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত রহিয়াছে; অথবা 
(খ) কোন মৃত্যুদণ্ড বহাল করিয়াছেন কিংবা কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিয়াছেন ; অথবা] 
(গ) উক্ত বিভাগের অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডদান করিয়াছেন; এবং সংসদে আইন-দ্বারা যেরূপ বিধান করা হইবে, সেইরূপ অন্যান্য ক্ষেত্রে। 
 
(৩) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে যে মামলায় এই অনুচ্ছেদের (২) দফা প্রযোজ্য নহে, কেবল আপীল বিভাগ আপীলের অনুমতিদান করিলে সেই মামলায় আপীল চলিবে। 
 
(৪) সংসদ আইনের দ্বারা ঘোষণা করিতে পারিবেন যে, এই অনুচ্ছেদের বিধানসমূহ হাইকোর্ট বিভাগের প্রসঙ্গে যেরূপ প্রযোজ্য, অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও তাহা সেইরূপ প্রযোজ্য হইবে।
৫,৬৫১.
ঢাকা জেলার একটি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি চট্টগ্রাম জেলায় কার্যকর করার জন্য প্রেরণ করা হলে, ডিক্রিটি কোথায় পাঠাতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে পাঠাতে হবে।
  2. চট্টগ্রাম জেলা আদালতে পাঠাতে হবে।
  3. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে পাঠাতে হবে।
  4. চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট জারিকারী আদালতে সরাসরি পাঠাতে হবে।
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৫ অনুসারে, যখন ডিক্রি কার্যকর করার জন্য ভিন্ন জেলার আদালতে প্রেরণ করতে হয় (যেমন: ঢাকা জেলা থেকে চট্টগ্রাম জেলায়), তখন ডিক্রিদানকারী আদালত (ঢাকা) ডিক্রিটি সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা আদালতে (চট্টগ্রাম জেলা আদালত) প্রেরণ করবে।
বিধিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে:
- একই জেলায় অবস্থিত হলে → সরাসরি কার্যকরকারী আদালতে প্রেরণ। 
- ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে → সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতের মাধ্যমে প্রেরণ। 
অতএব, চট্টগ্রাম জেলার নির্দিষ্ট কার্যকরকারী আদালতে সরাসরি পাঠানো হবে না; বরং চট্টগ্রাম জেলা আদালতের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৫: স্থানান্তরের পদ্ধতি (Mode of transfer): ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-21 Rule-5.-Mode of transfer:
- Where the Court to which a decree is to be sent for execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district in which the decree is to be executed. 

৫,৬৫২.
‘E’ একটি মামলায় ‘F’-এর বিরুদ্ধে দাবি করে যে একটি গাড়ি বিক্রির সময় ত্রুটিপূর্ণ ছিল। ‘E’ বলে, “এই বিষয়ে ‘G’-এর কাছে জিজ্ঞাসা করো, তিনি সব জানেন।” ‘G’ বলেন, “গাড়িটি বিক্রির সময় ত্রুটিপূর্ণ ছিল।” সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে ‘G’-এর বক্তব্য স্বীকারোক্তি হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ১৯
  3. ধারা ২০
  4. ধারা ২২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২০ অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ যদি কোনো ব্যক্তির কাছে স্পষ্টভাবে তথ্যের জন্য উল্লেখ করে, তবে সেই ব্যক্তির বক্তব্য স্বীকারোক্তি (Admission) হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এখানে ‘E’ স্পষ্টভাবে বলেছে, “এই বিষয়ে ‘G’-এর কাছে জিজ্ঞাসা করো, তিনি সব জানেন।” তাই ‘G’-এর বক্তব্য, “গাড়িটি বিক্রির সময় ত্রুটিপূর্ণ ছিল,” ধারা ২০-এর অধীনে স্বীকারোক্তি হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
--------- 
⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 20. Admissions by persons expressly referred to by party to suit:
- Statements made by persons to whom a party to the suit has expressly referred for information in reference to a matter in dispute are admissions.
Illustrations:
- The question is whether a horse sold by A to B is sound.
- A says to B–"Go and ask C; C knows all about it." C's statement is an admission.

৫,৬৫৩.
ডাকাতির সাথে খুনের অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা কি?
  1. মৃত্যুদন্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদন্ড
  3. ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  4. কোন অপরাধ হয় নাই
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারার বিধান ডাকাতির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতি:

যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে, অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

♦দণ্ডবিধির ৩৯৭ ধারার বিধান মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত সংঘটনের উদ্যোগ সহকারে দস্যুতা বা ডাকাতি:

যদি দস্যুত বা ডাকাতি সংঘটনকালে অপরাধকারী কোন মারাত্মক অস্ত্র ব্যবহার করে, অথবা কাউকে গুরুতর আঘাত করার উদ্যোগ করে, তবে যে কারাদণ্ডে অনুরূপ অপরাধকারীকে দণ্ডিত করা হবে তার মেয়াদ সাত বৎসরের কম হবে না।

♦দণ্ডবিধির ৩৯৮ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় দস্যুতা বা ডাকাতি করিবার উগ্যোগ:

যদি দস্যুত বা ডাকাতি অনুষ্ঠানের উদ্যোগকালে অপরাধকারী কোন মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত থাকে, তবে অনুরূপ অপরাধকারী যে দণ্ডে দণ্ডিত হবে, তার মেয়াদ সাত বৎসরের কম হবে না।
৫,৬৫৪.
Doctrine of Transfer of Malice নীতিটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ২৯৯ ধারা
  2. ৩০০ ধারা
  3. ৩০১ ধারা
  4. ৩০২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ 'Doctrine of Transfer of Malice' নীতি দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কাজ করে যা মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে বা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জেনে করা হয়, কিন্তু তার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে (যার মৃত্যু উদ্দেশ্য বা জ্ঞাত ছিল না), তবে অপরাধী শাস্তিযোগ্য নরহত্যার জন্য দায়ী হবে। এই নীতি মূলত উদ্দেশ্য বা মনোভাবের স্থানান্তর (Transfer of Malice) বোঝায়, যেখানে অপরাধীর দুরভিসন্ধি এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

৫,৬৫৫.
মানব পাচারের জন্য অপরাধীকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেয়া যেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫: মানব পাচার নিষিদ্ধকরণ ও দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি ধারা ৩ এ উল্লিখিত কোন কার্য করিলে উহা মানব পচার অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
 
(২) মানব পাচার অপরাধ সংঘটনকারী কোন ব্যক্তি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫,৬৫৬.
'চ' আইনসম্মতভাবে 'ক'-কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ফলে 'ক' হঠাৎ ও আকস্মিকভাবে উত্তেজিত হয়ে 'চ'-কে হত্যা করে। এই কাজ-
  1. খুন
  2. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  3. কোনো অপরাধ নয়
  4. প্ররোচনামূলক নরহত্যা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারা- খুন:
ব্যতিক্রম ১: যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

উদাহরণ:
'চ' আইনসম্মতভাবে 'ক'-কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ফলে 'ক' হঠাৎ ও আকস্মিকভাবে উত্তেজিত হয়ে 'চ'-কে হত্যা করে। এটা খুন, কেননা এটা উস্কানির ফলে একজন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক তার ক্ষমতা প্রয়োগক্রমে কৃত একটি কাজ।
৫,৬৫৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৪৩ অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত যথাযথ কারণ না দেখায় কেন দোষী সাব্যস্ত হওয়া উচিত নয়, তখন-
  1. মামলাটি স্থগিত হবে
  2. অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না
  3. অভিযুক্তকে শুধু জরিমানা করা হবে
  4. অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৩- অভিযোগের সত্যতা স্বীকারে দোষী সাব্যস্তকরণ:
যদি অভিযুক্ত স্বীকার করে যে তিনি যে অপরাধে অভিযুক্ত, তা তিনি করেছেন, তাহলে অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি যতটা সম্ভব তার নিজস্ব শব্দে রেকর্ড করা হবে।
যদি অভিযুক্ত প্রযোজ্য কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন কেন তাকে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত নয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে সেই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করতে পারবেন।

৫,৬৫৮.
হিন্দু বিবাহ অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আচার বা রীতি হিসাবে কোনটি বিবেচিত হয়?
  1. মালা বদল
  2. সপ্তপদী
  3. অঞ্জলি
  4. কন্যা সম্প্রদান
ব্যাখ্যা
সপ্তপদী: 
একটি হিন্দু বিবাহ অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আচার বা রীতি হিসাবে বিবেচিত হয়। এটি বাঙালি সমাজে সাতপাক নামে পরিচিত। যা নব-দম্পতি যজ্ঞকুন্ডের অগ্নিকে সাক্ষী রেখে সাতপাক একসাথে প্রদিক্ষণ করার মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয়। সপ্তম পদক্ষেপ নেওয়ার পরে দম্পতির বিবাহ অপ্রতিরোধ্য বলে বিবেচিত হয়।

সপ্তপদী একটি প্রাচীন আচার যা বৈদিক যুগের । আগুনের পবিত্র বেদীর প্রদক্ষিণ একটি আচার যা দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্নভাবে সম্পাদিত হয় । কিছু অঞ্চলে, দম্পতি সাতবার বেদির চারপাশে ঘুরে বেড়ায়। অন্যান্য অঞ্চলে, দম্পতি একটি একক প্রদক্ষিণ সম্পূর্ণ করতে সাতটি পদক্ষেপ নেয়। প্রতিটি ধাপে দম্পতি বিভিন্ন শপথও নিতে পারে, যার বিষয়বস্তু অঞ্চলভেদে ভিন্ন হয়।

এছাড়া-
মালা বদল: কন্যা ও বর মালাবদল করেন। এই রীতির অর্থ হচ্ছে দুজন একে অন্যকে জীবনসঙ্গী হিসাবে মেনে নিলেন।
সম্প্রদান: কন্যার পিতা কন্যাকে জামাতার হাতে সম্প্রদান করেন বেদমন্ত্রে। বরও জানান যে তিনি কন্যার ভরণপোষণের দায়িত্ব নিলেন।
অঞ্জলি: কন্যা ও বর খৈ অগ্নাহুতি দেন। প্রচলিত বাংলায় একে বলে খৈ পোড়া। বৈদিক যুগে মানুষ নানা ধরনের শক্তির উপাসনা করতেন। অগ্নিও তাদের মধ্যে অন্যতম।
৫,৬৫৯.
প্রজাতন্ত্রে মোট যতো সংখ্যক মন্ত্রিগণ থাকবে তার মধ্যে __________ সংসদ-সদস্যেগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবে।
  1. অন্যূন ১/১০ অংশ
  2. ন্যূন ৯/১০ অংশ
  3. অন্যূন ৯/১০ অংশ
  4. ন্যূন ১/৯ অংশ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ

(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 
(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।
(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 
(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

• ৫৬ অনুচ্ছেদে মন্ত্রিগণ বলতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী বোঝানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীসহ অন্যান্য সকল মন্ত্রীর সমন্বয়ে মন্ত্রিপরিষদ (Council of Ministers) গঠিত হয় এবং মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের নিয়ে মন্ত্রিসভা [Cabinet] গঠিত হয়। ৫৬(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করবে, সেইরুপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকবে। ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীগণকে নিয়োগ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, তাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবে এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হতে মনোনীত হতে পারবে।।

অর্থাৎ মন্ত্রীগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবে এবং মন্ত্রীর সংখ্যা কত হবে তা প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণ করবে। মোট যত সংখ্যক মন্ত্রিগণ থাকবে তার মধ্যে সর্বনিম্ন (অন্যূন) নয়-দশমাংশ (৯/১০) সংসদ-সদস্যেগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবে এবং অনধিক ১/১০ অংশ (এক-দশমাংশ) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য হতে মনোনীত হতে পারবে। সংসদ সদস্যেদের বাইরে থেকে অন্য কোন ব্যক্তি যে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য তাকে মন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দেয়া হলে, তিনি [Technocrat] মন্ত্রী বলে পরিচিত।

Article 56: Ministers

(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister. 
(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President: 
Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament. 
 
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament. 
 
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.
৫,৬৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক কোন ধরনের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ওয়ারেন্টসহ গ্রেফতার
  2. ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
  3. আদালতের আদেশে আটক
  4. নির্বাহী আদেশে আটক
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক-  গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানানো:
যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করলে, তাকে গ্রেফতার করার সময় গ্রেফতারের কারণ সেই ব্যক্তিকে জানাতে হবে।

Section 54A- Person arrested to be informed of reason of arrest: 
Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

৫,৬৬১.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার ক্ষেত্রে আদালত কোন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিলে বা আদেশ অমান্যকারীকে দেওয়ানী কারাগারে আটকের আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার-
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. আদেশ বাতিলের আবেদন
ব্যাখ্যা
♦৩৯ আদেশের ১ এবং ২ বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান করে প্রদত্ত কোন আদেশ হলো আপীলযোগ্য আদেশ। তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

♦৩৯ আদেশের ২(৪) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করা হতে বিরত রাখার জন্য আদালত সম্পত্তি ক্রোকের কোন আদেশ দিলে বা অমান্যকারীকে দেওয়ানী কারাগারে আটক আদেশ দিলে, তাহলো আপীলযোগ্য আদেশ। তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।

♦৩৯ আদেশের ৪ বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ পরিবর্তন বা বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে।

♦৩৯ আদেশের ১০ বিধির অধীন অর্থ জমাদানের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
৫,৬৬২.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৬-এ কোন বিষয়ে মামলার তামাদির মেয়াদ ১ বছর নির্ধারিত হয়েছে?
  1. আবাসিক ভাড়া
  2. গৃহ-ভৃত্যের মজুরী
  3. স্থাবর সম্পত্তির উদ্ধার
  4. দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ-৬-এ নিম্নলিখিত বিষয়ে মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে:
সংবিধি, আইন, প্রবিধান বা উপ-আইন (Bye-law) অনুসারে দণ্ড (Penalty) বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ (Forfeiture)-এর জন্য দায়েরকৃত মামলা।
তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় যখন দণ্ড ভোগ করা হয় বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) আবাসিক ভাড়া: অনুচ্ছেদ-৯-এ উল্লেখিত (১ বছর)।
খ) গৃহ-ভৃত্যের মজুরী: অনুচ্ছেদ-৭-এ উল্লেখিত (১ বছর)।
গ) স্থাবর সম্পত্তির উদ্ধার: অনুচ্ছেদ-৩-এ উল্লেখিত (৬ মাস)।

সুতরাং, অনুচ্ছেদ-৬-এ দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ সংক্রান্ত মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর নির্ধারিত হয়েছে।
৫,৬৬৩.
দণ্ডবিধির অনুসারে প্রোপার্টি মার্ক কী ধরনের সম্পত্তির সাথে সম্পর্কিত?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. বুদ্ধিভিত্তিক সম্পত্তি
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৭৯ অনুসারে, প্রোপার্টি মার্ক (Property Mark) বলতে এমন চিহ্নকে বোঝায় যা চলন্ত (movable) সম্পত্তির মালিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। চলন্ত সম্পত্তি অর্থাৎ অস্থাবর সম্পত্তি (যেমন: জিনিসপত্র, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), যা স্থাবর (immovable) সম্পত্তির (যেমন: জমি, বাড়ি) বিপরীত।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা-৪৭৯: প্রোপার্টি মার্ক: যে চিহ্নটি অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রোপার্টি মার্ক বলা হয়।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-479:
- Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.

৫,৬৬৪.
আপিলকারী কারাগারে থাকলে, কার নিকট আপিলের দরখাস্ত দাখিল করা যেতে পারে?
  1. সরাসরি আপিল আদালতে
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
  3. আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট
  4. জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২০ অনুসারে,
 
যদি আপিলকারী জেলে থাকে, তাহলে সে তার আপিলের পিটিশন এবং পিটিশনের সাথে দাখিলকৃত রায় ও আদেশের কপি জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে পারে এবং উক্ত কর্মকর্তা পিটিশনটি সঠিক আপিল আদালতে পাঠাবে।
 
Section 420- Procedure when appellant in jail
If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
৫,৬৬৫.
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোন ভুল হলে আদালত তা সংশোধন করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  2. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
  3. ডিক্রি জারির পূর্বে
  4. যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
৫,৬৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ অনুযায়ী, অ্যাফিডেভিট গ্রহণের জন্য কে নিযুক্ত হতে পারেন?
  1. পুলিশ সার্কেল অফিসার
  2. স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান
  3. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা
  4. হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৩৯ অনুযায়ী, যে অ্যাফিডেভিট বা হলফনামা হাইকোর্ট ডিভিশনে বা এর কোনো অফিসারের সামনে ব্যবহৃত হবে, তা শপথ সহকারে ঘোষণা করা যায়,
- হাইকোর্ট ডিভিশনের সামনে,
- হাইকোর্ট ডিভিশনের অফিসারের সামনে,
- রাষ্ট্রের করণিকের (Clerk of the State) সামনে,
- হাইকোর্ট কর্তৃক এই উদ্দেশ্যে নিযুক্ত কোনো কমিশনার বা অন্য কোনো ব্যক্তির সামনে,
- কোনো জজের সামনে,
- বাংলাদেশের Court of Record-এ অ্যাফিডেভিট গ্রহণকারী কমিশনারের সামনে।
→ এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, হাইকোর্ট ডিভিশন নিজে কোনো কমিশনার বা অন্য কোনো ব্যক্তি (যেমন—আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ইত্যাদি) নিযুক্ত করতে পারে এই উদ্দেশ্যে।
- অন্যদিকে, পুলিশ সার্কেল অফিসার, স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা  এরা ধারা ৫৩৯-এর আওতায় অ্যাফিডেভিট গ্রহণ করার জন্য নিযুক্ত ব্যক্তিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
⇒ সুতরাং, "ঘ) হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার" হল সঠিক উত্তর, কারণ একমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশনই ধারা ৫৩৯ অনুযায়ী কাউকে এই দায়িত্ব পালনের জন্য নিযুক্ত করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯- যে-সব আদালত ও ব্যক্তির সম্মুখে হলফনামা করা যায়:
হাইকোর্ট ডিভিশন বা হাইকোর্ট ডিভিশনের কোন অফিসারের নিকট ব্যবহার্য অ্যাফিডেভিট ও প্রতিজ্ঞা সম্পর্কে উক্ত হাইকোর্ট বিভাগে বা রাষ্ট্রের করণিকের সামনে কিংবা উক্ত আদালতের দ্বারা এ উদ্দেশ্যে নিযুক্ত কোন কমিশনার বা অন্য কোন ব্যক্তির সামনে কিংবা কোন জজের সামনে বা বাংলাদেশে কোন কোর্ট অব রেকর্ডে অ্যাফিডেভিট গ্রহণকারী কোন কমিশনারের সামনে শপথ করা যাবে এবং এর সত্যতা ঘোষণা করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 539- Courts and persons before whom affidavits may be sworn:
Affidavits and affirmations to be used before High Court Division or any officer of such Court may be swom and affirmed before such Court or the Clerk of the State or any Commissioner or other person appointed by such Court for that purpose, or any Judge, or any Commissioner for taking affidavits in any Court of Record in Bangladesh.
৫,৬৬৭.
কোন পরিস্থিতিতে তৃতীয় পক্ষ Subrogation-এর অধিকার লাভ করতে পারে?
  1. সম্পূর্ণ বন্ধক টাকা পরিশোধ করে
  2. বন্ধকদাতা মৌখিকভাবে সম্মতি দিলে
  3. বন্ধকের অর্ধেক টাকা পরিশোধ করে
  4. বন্ধকদাতার উত্তরাধিকারী হলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৯২: উত্তরণাধিকার (Subrogation):
ধারা ৯১-এ উল্লেখিত (বন্ধকদাতা ব্যতীত) যেকোনো ব্যক্তি এবং যেকোনো সহ-বন্ধকদাতা যখন বন্ধকের আওতাভুক্ত সম্পত্তি মুক্ত করেন, তখন তিনি বন্ধক মুক্তকরণ, অর্পণ (foreclosure) বা বিক্রয়ের বিষয়ে সেই একই অধিকার লাভ করেন, যা ঐ বন্ধকগ্রহীতা যাঁর বন্ধক তিনি পরিশোধ করেছেন, বন্ধকদাতা বা অন্য কোনো বন্ধকগ্রহীতার বিরুদ্ধে রাখতেন।

এই ধারায় যেই অধিকার প্রদান করা হয়েছে তাকে উত্তরণাধিকার (right of subrogation) বলা হয় এবং যিনি এই অধিকার অর্জন করেন, তিনি সেই বন্ধকগ্রহীতার অধিকারভুক্ত বলে গণ্য হন, যার বন্ধক তিনি পরিশোধ করেছেন।

যে ব্যক্তি বন্ধকদাতাকে অর্থ প্রদান করেন, যার মাধ্যমে বন্ধক সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ হয়, এবং যদি বন্ধকদাতা একটি রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে সম্মতি প্রদান করেন যে উক্ত ব্যক্তি উত্তরণাধিকার লাভ করবেন, তাহলে ঐ ব্যক্তি বন্ধকগ্রহীতার অধিকারে উত্তরণ প্রাপ্ত বলে বিবেচিত হবেন।

তবে, এই ধারার কোনো কিছু দ্বারা কোনো ব্যক্তি উত্তরণাধিকার লাভ করবেন না যদি সেই বন্ধক (যার উপর ভিত্তি করে অধিকার দাবি করা হয়) সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ না হয়ে থাকে।
৫,৬৬৮.
"Remand For Fresh Trial" এর জন্য ফৌজদারী কার্যবিধির কতো ধারা আনুযায়ী Appeal Court নির্দেশ দিতে পারে ?
  1. ৪২৬ ধারায়
  2. ৪২৭ ধারায়
  3. ৪২৮ ধারায়
  4. ৪২৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২৮ অনুসারে আপিল আদালত আতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারে। 
•এছড়াও ৪২৮ ধারামতে আপিল আদালত মামলাটি "Remand for fresh trial" বা নতুনভাবে শুনানীর জন্য ফেরত পাঠাতে পরবে । 
৫,৬৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা
  2. ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতি
  3. ক্ষমতা প্রত্যাহারের পদ্ধতি
  4. ক্ষমতা অর্পণের নিয়মাবলী
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারা- ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোনো ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করে করতে হয়, সেক্ষেত্রে এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যাহৃত হতে পারবে।

Section 41- Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
৫,৬৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫চ ধারা অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার না করে, তখন আদালত কী করবে?
  1. অভিযুক্তকে শাস্তি দেবে
  2. মামলা খারিজ করবে
  3. অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেবে
  4. চার্জ গঠন করে সাক্ষী পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করবে
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
- দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫চ ধারা-
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।

Section 265F: Date for prosecution evidence
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.

৫,৬৭১.
কোন বিষয়টি প্রমাণের প্রয়োজন নেই?
  1. বাংলাদেশের আইনসমূহ
  2. আইন সভার কার্যসমূহ
  3. আদালত সমূহের সীল মোহর
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
৫,৬৭২.
কোনো অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের সাথে কত টাকা ফি জমা দিতে হবে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিলে কোনো অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে অভিযোগপত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে-
i) আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণ।
ii) অভিযোগপত্রের সাথে ১০০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।
iii) অ্যাফিডেভিটসহ প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে। কিন্তু অভিযোগ আদালত বা সরকারি কর্মকর্তার অফিসিয়াল দায়িত্বের বিরুদ্ধে হলে অ্যাফিডেভিট জমা দিতে হবে না।
-------------
⇒ Disciplinary Proceedings:
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules 1972:-41. A complaint against an advocate shall contain clear charge or charges against such advocate, and sha accompanied by all documents, or copies of documen are available to the complainant and in a case whe complaint is not by a court or by public officer acting official capacity, shall also be supported by an affidavi facts;
- Provided that the Bar Council may, dispense with the of an affidavit.
 
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules 1972:-41A. The petition of complaint against an Advocate shall be filed with the Bar Council along with payment of a fee of Tk.1,000.
৫,৬৭৩.
আদালত কখন বিচার্য বিষয় সংশোধন করতে পারে?
  1. মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পর
  2. মামলার আপিল চলাকালীন
  3. বাদী ও বিবাদীর সম্মতির ভিত্তিতে
  4. ডিক্রি প্রদান করার পূর্বে যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৫: বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা:
১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে।

২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।
৫,৬৭৪.
What is the maximum sentence that a Magistrate specially empowered under Section 29C can pass?
  1. Death sentence
  2. Life imprisonment
  3. Seven years imprisonment
  4. Ten years imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে,
২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 33A⇒  Higher powers of certain Magistrates:
The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
৫,৬৭৫.
বিবাদি তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে-
  1. মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয়
  2. বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য
  3. ক বা খ
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি ২-
বিবাদি তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে, মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয় অথবা বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ঐ সমস্ত হেতু উত্থাপন করবেন, যা উত্থাপন না করলে অপর পক্ষ বিস্মিত হত কিংবা আরজিতে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ বিষয়াবলী উপস্থাপন করবেন যথা- তক্ষকতা, তামাদি, মুক্তি, পরিশোধ, কার্য সম্পাদন কিংবা আইনবিরুদ্ধ প্রমাণকারী তথ্যসমূহ।

[The defendant must raise by his pleading all matters which show the suit not to be maintainable or that transaction is either void for voidable in point of law and all such grounds of defence as if not raised, would be likely to take the opposite party by surprise or would raise issues of fact not arising out of the plaint as for instance, fraud, limitation, release, payment, performance, or facts showing illegality.]
৫,৬৭৬.
উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে দায়ভাগ মতবাদ কোন নীতিকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. Doctrine of representation
  2. Succession per stripes
  3. Succession per capita
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দায়ভাগ মতবাদ নিম্নোক্ত নীতিগুলিকে স্বীকৃতি দেয়ঃ

(ক) প্রতিনিধিত্ব মতবাদ (Doctrine of representation):
প্রতিনিধিত্ব মতবাদ অনুসারে পুত্র, পৌত্র যার পিতা মারা গিয়েছে, তারা সকলেই পিতৃপক্ষীয় সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে, কারণ পৌত্র তার পিতার এবং প্রপৌত্র তার পিতা ও পিতামহ উভয়েরই প্রতিনিধিত্ব করে।

(খ) অংশপিছু উত্তরাধিকার (Succssession per stripes):
যেখানে প্রতিনিধিত্ব মতবাদ প্রয়োগ করা হয় এবং উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরুপে অংশ প্রাপ্ত হন সেখানে এরুপে স্থলবর্তীরুপে অংশ পাওয়াকে অংশপিছু উত্তরাধিকার বলে।

(গ) মাথাপিছু উত্তরাধিকার (Succession per capita):
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারগণের সমান অংশ সম্পত্তি প্রাপ্ত হওয়াকে মাথাপিছু উত্তরাধিকার বলে।
৫,৬৭৭.
মাধ্যমিক সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতার কোন ধরনের পরিস্থিতি ধারা ৬৫-তে উল্লেখ নেই?
  1. মূল দলিল নষ্ট হয়ে গেলে
  2. দলিলটি স্থানান্তরযোগ্য না হলে
  3. দলিলটি মৌখিক স্বীকৃত হলে
  4. দলিলটি আদালতের সমনের আওতার বাইরে হলে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন ধারা ৬৪- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ:
এ আইনে অত:পর যে সমস্ত ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি ব্যতীত অপর সমস্ত ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।

তবে কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়, তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপ:
ক. দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে তার আয়ত্তে আছে বা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা সেই ব্যক্তির দখলে আছে যে ব্যক্তি দলিলটি পেশ করতে বাধ্য কিন্তু নোটিশ পাওয়া সত্ত্বেও দাখিল করছে না;
খ. দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে, সে ব্যক্তি দলিলটির অস্তিত্ব লিখিত ভাবে স্বীকার করে নিয়েছে;
গ. মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে বা নষ্ট হয়ে গেছে;
ঘ. দলিলটি সহজে স্থানান্তরযোগ্য না হলে;
ঙ. মূল দলিলটি সরকারী দলিল হলে;
চ. দলিলটির জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের নিয়ম থাকলে;
ছ. মূল দলিলের পরীক্ষা আদালতের জন্য সুবিধাজনক না হলে।

'দলিলটি মৌখিক স্বীকৃত হলে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে'- এই বিধান ৬৫ ধারায় উল্লেখ নেই।
৫,৬৭৮.
কোন ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না?
  1. জেরা কালে
  2. জবানবন্দী গ্রহণকালে
  3. পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
 
১৪২ ধারার বিধান-
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
 
১৪৩ ধারার বিধান-
জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।
৫,৬৭৯.
A এবং B একত্রে Z কে বিষ প্রয়োগে হত্যা করার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ঐ ষড়যন্ত্র অনুযায়ী A বিষ সংগ্রহের জন্য B কে প্রয়োজনীয় অর্থ দেয়। B বিষ সংগ্রহ করে A এর অনুপস্থিতিতে B ঐ বিষ Z কে পান করিয়ে তার মৃত্যু ঘটায়। এক্ষেত্রে -
  1. A কোনো অপরাধে দায়ী হবে না
  2. শুধুমাত্র B ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
  3. A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে, আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে। দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে-
 
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation);
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement);
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)।
 
দণ্ডবিধির ১০৯ থেকে ১২০ ধারা পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকার প্ররোচনার শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। ১০৯ ধারা অনুযায়ী প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হলে শাস্তি কিভাবে নির্ধারণ করতে হবে, তা ১০৯ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে-
 
⇒ আইনের সাধারণ নীতি হলো প্ররোচনাকারী এবং কার্য সংগঠনকারী একই শাস্তি পাবে।

⇒ কোন অপরাধের সহায়তা করার জন্য শাস্তি নির্ধারিত থাকলে অপরাধের সহায়তাকারী উক্ত শাস্তিতে দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ: A, B নামক একজন উন্মাদ ব্যক্তিকে বিষ পান করে আত্মহত্যা করতে প্ররোচনা করে। উন্মাদ ব্যক্তি বিষ পান করে আত্মহত্যা করে। শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা দানের জন্য শাস্তি দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে এবং এই ক্ষেত্রে A মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অনধিক দশ বৎসর মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
 
⇒ কোন অপরাধে সহায়তা করার জন্য শাস্তি নির্ধারিত না থাকলে, অপরাধে সহায়তাকারি মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তিতে দণ্ডিত হবে।

এখানে, B খুনের জন্য দায়ী হবে এবং খুনের জন্য নির্ধারিত ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে। অন্যদিকে, A খুনে সহায়তা করার জন্য দায়ী হবে। কিন্তু খুনে সহায়তা করার জন্য নির্ধারিত কোন শাস্তির বিধান দণ্ডবিধিতে উল্লেখ নেই। এক্ষেত্রে, A মূল অপরাধের দণ্ডধারা ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে। অর্থাৎ A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে।
৫,৬৮০.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে কার লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. অ্যাটর্নি জেনারেলের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৯১ ধারা: গণ-উৎপাত:

অ্যাটর্নি জেনারেল বা অ্যাটর্নি জেনারেলের দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন। বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

Section: 91- Public nuisances:
(1) In the case of a public nuisance the Attorney General, or two or more persons having obtained the consent in writing of the Attorney General, may institute a suit, though no special damage has been caused, for a declaration and injunction or for such other relief as may be appropriate to the circumstances of the case.

(2) Nothing in this section shall be deemed to limit or otherwise affect any right of suit which may exist independently of its provisions.
৫,৬৮১.
রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের প্রস্তাবের নোটিশ সংসদ অধিবেশনে কখন আলোচিত হবে?
  1. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ৭ দিনের মধ্যে
  2. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ৭-১০ দিনের মধ্যে
  3. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ১৪-৩০ দিনের মধ্যে
  4. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারে ২টি কারণে-
ক) সংবিধান লংঘনের জন্য [For Violating Constitution]
খ) গুরুতর অসদারচরণের জন্য [Of grave misconduct] 

অভিশংসনের পদ্ধতি:

রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুক্ষণ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে। স্পীকারের নিকট অনুরুপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ (১৪) দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে না এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহ্বান করবে। অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকার এবং প্রতিনিধি প্রেরণের অধিকার থাকবে। অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলে ঘোষণা করে সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে, প্রস্তাব গ্রহণ হওয়ার তারিখ হতে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।

অনুচ্ছেদ ৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন-

(১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন।

(৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।

(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।

(৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।

Article 52: Impeachment of the President-
(1) The President may be impeached on a charge of violating this Constitution or of grave misconduct, preferred by a notice of motion signed by a majority of the total number of members of Parliament and delivered to the Speaker, setting out the particulars of the charge, and the motion shall not be debated earlier than fourteen nor later than thirty days after the notice is so delivered; and the Speaker shall forthwith summon Parliament if it is not in session. 

(2) The conduct of the President may be referred by Parliament to any court, tribunal or body appointed or designated by Parliament for the investigation of charge under this article. 
 
(3) The President shall have the right to appear and to be represented during the consideration of the charge. 
 
(4) If after the consideration of the charge a resolution is passed by Parliament by the votes of not less than two thirds of the total number of members declaring that the charge has been substantiated, the President shall vacate his office on the date on which the resolution is passed. 
 
(5) Where the Speaker is exercising the functions of the President under article 54 the provisions of this article shall apply subject to the modifications that the reference to the Speaker in clause (1) shall be construed as a reference to the Deputy Speaker, and that the reference in clause (4) to the vacation by the President of his office shall be construed as a reference to the vacation by the Speaker of his office as Speaker; and on the passing of a resolution such as is referred to in clause (4) the Speaker shall cease to exercise the functions of President.
৫,৬৮২.
ধারা ৮৮ এর অধীন কোন ধরনের কাজের ক্ষেত্রে সম্মতি থাকা প্রয়োজন?
  1. অপরাধমূলক কাজ
  2. ব্যক্তিগত লাভের জন্য করা কাজ
  3. অন্যের উপকারের জন্য করা কাজ
  4. অন্যের অপকারের জন্য করা কাজ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৮ ধারা- মৃত্যু ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে এমন কার্য ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থ সদবিশ্বাসে সম্মতি সহকারে সম্পাদন:

যে ব্যক্তির উপকার হবে বলে আন্তরিক সদিচ্ছা বা সরল বিশ্বাস হতে কোন কাজ উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত কার্যভূত ক্ষতি স্বীকার বা ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারমূলক সম্মতিক্রমে, মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছাড়া উক্ত ব্যক্তির উপকারার্থে সম্পন্ন হয়-কার্যটি সম্পাদনের পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি সাধিত হওয়ার ফলে অথবা যিনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, তিনি উহাতে যে ক্ষতি করার ইচ্ছা করেছিলেন, যে ক্ষতি হওয়ার ফলে অথবা যিনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, উহাতে সম্ভবত সে ক্ষতি হতে পারে বলে জানতেন, তা হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।

সহজ ভাষায়,
যদি কেউ আন্তরিকভাবে কারো উপকারের জন্য তার সম্মতি নিয়ে কোনো কাজ করে এবং সেই কাজের ফলে কোনো ক্ষতি হয়, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি কাজটি করার উদ্দেশ্য মৃত্যু ঘটানো না হয়। অর্থাৎ, যদি কারো ভালোর জন্য, তার সম্মতি নিয়ে, কোনো কাজ করা হয় এবং সেই কাজের ফলে দুর্ঘটনাক্রমে কোনো ক্ষতি হয়, তাহলে সেটিকে অপরাধ হিসেবে ধরা হবে না।

Section 88- Act not intended to cause death, done by consent in good faith for person’s benefit:
Nothing, which is not intended to cause death, is an offence by reason of any harm which it may cause, or be intended by the doer to cause, or be known by the doer to be likely to cause, to any person for whose benefit it is done in good faith, and who has given a consent, whether express or implied, to suffer that harm, or to take the risk of that harm.
৫,৬৮৩.
According to Article 115, who appoints magistrates with judicial functions in subordinate courts?
  1. President
  2. Chief Justice
  3. Law Ministry
  4. Speaker of the Parliament
ব্যাখ্যা
Article 115. Appointments to subordinate courts:
Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:
বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।
৫,৬৮৪.
কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদের মতো মামলা আমলে নেবার ক্ষমতা দিতে পারেন?
  1. সরকার 
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা জজ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।

• আমলে নেয়া অর্থ হলো -অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে।

• যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:

i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট

• ম্যাজিস্ট্রেট ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে (Cognizance) নিতে পারেন। যথা-

i. অভিযোগ (Complaint ) [ধারা ১৯০ (১)(ক)]
ii. পুলিশের লিখিত রিপোর্ট (Report) [ধারা ১৯০ (১)(খ)]
iii. তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান ( knowledge ) বা সন্দেহবশত (suspicion) কোন তথ্য পেলে [ধারা ১৯০ (১)(গ)]

• ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট অভিযোগ ও রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন। [ধারা ১৯০(৩)]

• ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান (knowledge) বা সন্দেহ (suspicion) এর উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন না।

• সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন। (Government may empower any Executive Magistrate to take cognizance) [ধারা ১৯০ (৪)]
৫,৬৮৫.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৭ কোন ধরনের কার্যধারায় প্রযোজ্য?
  1. কেবল মোকদ্দমা
  2. কেবল দরখাস্ত
  3. কেবল আপিল
  4. মোকদ্দমা ও দরখাস্ত উভয় ক্ষেত্রেই
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারার বিধান- অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:-
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

এই ধারার ব্যতিক্রম হলো- অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।

৫,৬৮৬.
কোন অভিপ্রায় থাকলে দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ১৬৬ এর দায় সৃষ্টি হয়?
  1. নিজের সুবিধা লাভের উদ্দেশ্য
  2. রাষ্ট্রের ক্ষতি করার উদ্দেশ্য
  3. অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হওয়ার জ্ঞান বা ধারণা থাকা
  4. অন্য কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভের উদ্দেশ্য
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ১৬৬: আইন লঙ্ঘনকারী সরকারি কর্মচারী, যার উদ্দেশ্য অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি করা:
যে ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী হিসেবে, আইন অনুযায়ী যে ভাবে তার কর্তব্য পালন করতে হবে তা জানার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে আইন লঙ্ঘন করে, এবং জানে বা ধারণা করে যে তার এই অমান্যতার ফলে কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তি এক বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়ই হতে পারে।

উদাহরণ:
ক, একজন কর্মকর্তা, আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি কার্যকর করতে নির্দেশপ্রাপ্ত, যাতে খ এর পক্ষে আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চূড়ান্ত নিষ্পত্তি ঘটাতে পারে, যদি সে সচেতনভাবে সেই নির্দেশ অমান্য করে এবং জানে যে এর ফলে খ এর ক্ষতি হতে পারে, তাহলে এ ব্যক্তি উক্ত ধারায় অপরাধ করেছেন।

৫,৬৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৮ ধারা অনুযায়ী, যদি মোকদ্দমার সময় আদালতের এখতিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে এবং এতে ন্যায় বিচার ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত কোন পক্ষ আপত্তি উত্থাপন করলে কী করতে পারে?
  1. মামলা বাতিল করতে পারে
  2. আপত্তি মঞ্জুর করতে পারে
  3. মামলাটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে
  4. নতুন আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain): স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।
→ আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।

→ আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে, মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮ ধারাতে-
১) কোন স্থাবর সম্পত্তি যখন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার অভিযোগ থাকলে এরূপ আদালতের মধ্যে যে কোন একটি আদালত যদি সন্তুষ্ট হয়ে মনে করে যে, এরূপ অনিশ্চয়তার ন্যায়সংগত কারণ রয়েছে তাহলে তদমর্মে একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে ঐ সম্পত্তির ব্যাপারে যে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে এবং এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির ঐরূপ কার্যকারিতা থাকবে, যে-রূপ এই আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারে স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত হলে কার্যকারিতা থাকত:
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও দাবির মূল্য এরূপ হতে হবে যার সম্পর্কে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

২) যেখানে (১) উপধারা অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ডকৃত করা হয়নি এবং আপিল অথবা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, যে স্থানে সম্পত্তিটি অবস্থিত, সে স্থানে কোন প্রকার ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করার এখতিয়ার আদালতের নেই, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতের এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে; তাহলে আপত্তিটি গ্রাহ্য হবে।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 

(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
৫,৬৮৮.
মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ৭ দিনের বিধান আছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ১৫০ এর বিধান-দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৫,৬৮৯.
'Binding effect of Supreme Court judgments' সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১১১ অনুচ্ছেদের
  2. ১১২ অনুচ্ছেদের
  3. ১১৩ অনুচ্ছেদের
  4. ১১৪ অনুচ্ছেদের
ব্যাখ্যা
⇒ Article 111. Binding effect of Supreme Court judgments:
 The law declared by the Appellate Division shall be binding on the High Court Division and the law declared by either division of the Supreme Court shall be binding on all courts subordinate to it.

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা:
 আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।
৫,৬৯০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী, মোকদ্দমার কোন পক্ষ স্বীকারোক্তি (Admission) দিতে পারে?
  1. শুধু বাদী পক্ষ
  2. শুধু বিবাদী পক্ষ
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ
  4. মোকদ্দমার বাদী পক্ষের সাক্ষী
ব্যাখ্যা
উত্তর: মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি (Admission) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি অপর পক্ষের দাবির সত্যতা সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে স্বীকার করেন, তবে এটি আদালতকে ৩ ভাবে জানানো যেতে পারে।
এই তিনটি উপায় হলো:
১) আরজি বা লিখিত জবাবের মাধ্যমে লিখিত স্বীকৃতি প্রদান করা।
২) সম্মতি দ্বারা স্বীকৃতির মাধ্যমে।
৩) নোটিশ দ্বারা স্বীকৃতি প্রদান করা।
 
⇒ আদেশ ১২, বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে অথবা অন্য লিখিত উপায়ে অপর পক্ষের দাবির সামগ্রিক বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করে নোটিশ প্রদান করতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.
৫,৬৯১.
কোন ধারা অনুযায়ী অধিকতর তদন্ত (Further Investigation) করা হয়?
  1. ১৭২(২খ)
  2. ১৭৩(৩ক)
  3. ১৭২(৩ক)
  4. ১৭৩(৩খ)
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

• তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

• ১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
৫,৬৯২.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারার অধীন সংযুক্তীকরনের শর্ত কী?
  1. একাধিক ভূখণ্ড একই গ্রামের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে
  2. দুই বা ততোধিক গ্রামের মধ্যে অবস্থিত একই রায়তের জমি হতে হবে
  3. একাধিক ভূখণ্ড একাধিক গ্রামের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে
  4. পার্শ্ববর্তী সংলগ্ন গ্রামে জমি ভোগকারী দুই বা ততোধিক রায়তের জোত-জমা হতে হবে
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:

একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
৫,৬৯৩.
Which of the following is not included in the methods of granting specific relief under Section 5 of The Specific Relief Act, 1877?
  1. Delivery of possession of property
  2. Declaration of rights
  3. Appointment of a receiver
  4. Award of compensation
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: d) Award of compensation (ক্ষতিপূরণ প্রদান)।

⇒ The Specific Relief Act, 1877–এর ধারা ৫ অনুযায়ী specific relief বলতে এমন প্রতিকারকে বোঝায় যেখানে আদালত নির্দিষ্ট কাজ করাতে বা নির্দিষ্ট কাজ থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দেন। এখানে ক্ষতিপূরণ (compensation) প্রদানই মূল উদ্দেশ্য নয়।

ধারা ৫–এ যেসব উপায়ে নির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া হয়, সেগুলো হলো-
- নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল নিয়ে দাবিদারকে প্রদান করা (Delivery of possession);
- কোনো পক্ষকে তার আইনগত দায়বদ্ধ কাজটি করতে আদেশ দেওয়া (by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do);
- কোনো পক্ষকে নিষিদ্ধ কাজ করা থেকে বিরত রাখা (by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do);
- ক্ষতিপূরণ না দিয়ে পক্ষগুলোর অধিকার ঘোষণা করা (Declaration of rights);
- রিসিভার নিয়োগ করা (Appointment of a receiver)।

কিন্তু ক্ষতিপূরণ প্রদান (Award of compensation) হলো দেওয়ানী ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার, যা সাধারণত Contract Act বা Civil Procedure–এর আওতায় পড়ে; এটি Specific Relief Act-এর ধারা ৫–এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

৫,৬৯৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে মৌখিক আবেদনের মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. যেকোনো ধরনের ডিক্রি ক্ষেত্রে
  2. সম্পত্তি বিক্রয়ের ডিক্রি ক্ষেত্রে
  3. রিসিভার নিয়োগের ডিক্রি ক্ষেত্রে
  4. অর্থ প্রদানের ডিক্রি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২১, বিধি-১১ (১) (Order XXI, Rule 11(1)) অনুযায়ী, যদি ডিক্রিটি অর্থ প্রদানের জন্য হয়ে থাকে এবং ডিক্রি ঘোষণার সময় দায়িক (judgment-debtor) আদালতের চত্বরে উপস্থিত থাকে, তাহলে ডিক্রিদার মৌখিকভাবে আদালতের নিকট আবেদন করতে পারেন, যেন তৎক্ষণাৎ দায়িককে গ্রেফতার করে ডিক্রি কার্যকর করা হয়, এমনকি ওয়ারেন্ট প্রস্তুত হবার আগেই।
- এটি শুধুমাত্র "অর্থ প্রদানের ডিক্রি" ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

⇒ অর্থাৎ, অর্থ প্রদানের ডিক্রির ক্ষেত্রেই কেবল মৌখিক আবেদনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক কার্যকর করার সুযোগ রয়েছে, অন্য কোনো ধরনের ডিক্রির ক্ষেত্রে নয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-11. Oral application:
(1) Where a decree is for the payment of money the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant if he is within the precincts of the Court.
৫,৬৯৫.
'সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন'- বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৪
  2. অনুচ্ছেদ ৯৫
  3. অনুচ্ছেদ ১১৫
  4. অনুচ্ছেদ ১১৬
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৪- সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা:
(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে।

(২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হইবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হইবে।

(৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করিবেন।

(৪) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
৫,৬৯৬.
The jurisdiction of a Senior Assistant Judge and an Assistant Judge shall extend to all suits of which the value does not exceed _______ lac Taka and ________ lac Taka respectively.
  1. 20 , 5
  2. 25 , 15
  3. 20 , 10
  4. 25 , 5
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act,1887: Section 19-Extent of jurisdiction of Senior Assistant Judge, etc:
(1) Save as otherwise provided by any enactment for the time being in force, the jurisdiction of a Senior Assistant Judge and an Assistant Judge shall extend to all suits of which the value does not exceed 25 (twenty five) lac Taka and 15 (fifteen) lac Taka respectively.

(2) The District Judge shall transfer the suit or proceeding pending before the Joint District Judge Court or the Senior Assistant Judge Court to the competent court within 90 (ninety) days from the date of enforcement of the Civil Courts (Amendment) Act, 2021.

(3) If any suit or proceeding is transferred under sub-section (2), the suit or proceeding shall start from the stage at which it was transferred.

• The Civil Courts Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালত সমূহের আর্থিক এখতিয়ার-
⇒ সহকারী জজ আদালত (The Court of Assistant Judge) = ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
⇒ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
⇒ যুগ্ম জেলা জজ আদালত (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ টাকার উপরে।
৫,৬৯৭.
নিচের কোনটি চোরাই মাল (Stolen Property)?
  1. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  2. বিশ্বাসভঙ্গ মূলে গৃহীত সম্পত্তি
  3. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-

ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
---------------------- 
⇒  Stolen property:
Section 410. Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৫,৬৯৮.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর কত ধারায় কালেক্টরকে খতিয়ানের 'clerical mistakes' সংশোধনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৪৩
  2. ১৪৩খ
  3. ১৪৩গ
  4. ১৪৪
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ ধারার বিধান খতিয়ান সংরক্ষণ: কালেক্টর অত্র আইনের ৪র্থ খণ্ড অথবা এই খণ্ড অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত অথবা পুনঃপরীক্ষিত খতিয়ান নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিবেন, প্রকৃত ভুল শুদ্ধ করিয়া ও উহাতে নিম্নলিখিত হেতুতে পরিবর্তনগুলি অন্তর্ভুক্ত করিবেন-

ক) হস্তান্তর অথবা উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নামজারী।
খ) জোত ক্ষুদ্রতর অংশ ভাগকরণ, একত্রীকরণ বা সংযুক্তকরণ,
গ) সরকার কর্তৃক ক্রয় করা ভূমি অথবা জোতের নূতন বন্দোবস্ত: এবং
ঘ) ভূমি পরিত্যাগ অথবা সিকস্তি অথবা অধিগ্রহণজনিত কারণে খাজনা মওকুফ। 
----------- 
Section 143. Maintenance of the record-of-rights:
- The Collector shall maintain up-to-date, in the prescribed manner, the record-of-rights prepared or revised under Part IV or under this Part by correcting clerical mistakes and by incorporating therein the changes on account of- 
(a) the mutation of names as a result of transfer or inheritance; 
(b) the subdivision, amalgamation or consolidation of holdings; 
(c) the new settlement of lands or of holdings purchased by the Government; and 
(d) the abatement of rent on account of abandonment or diluvion or acquisition of land.
৫,৬৯৯.
‘ইজতিহাদ’ (Ijtihad) শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?
  1. সহজে ফতোয়া দেওয়া 
  2. পূর্ণ চেষ্টা ও শ্রম করা
  3. কিতাব অনুসরণ করা
  4. নিজের মত প্রকাশ করা
ব্যাখ্যা

⇒ ‘ইজতিহাদ’ শব্দটি আরবি মূল ‘জাহাদা’ (جَهَدَ) থেকে এসেছে। এই মূলের আভিধানিক অর্থ হলো “সর্বোচ্চ শক্তি, সাধ্য ও চেষ্টা প্রয়োগ করা”।
- লিসানুল আরব, তাজুল উরূস, আল-কামূসুল মুহীতের মতো প্রধান আরবি অভিধানগুলোতে ‘জুহদ’ ও ‘ইজতিহাদ’ বলতে বোঝানো হয়েছে “পূর্ণ শক্তি দিয়ে কোনো কাজে লেগে থাকা”। শরিয়তের পরিভাষায় এই ‘পূর্ণ শ্রম’ যখন কুরআন-সুন্নাহ থেকে শরয়ী হুকুম বের করার জন্য প্রয়োগ করা হয়, তখন তাকে বলা হয় ইজতিহাদ। 
- সুতরাং আভিধানিক অর্থই হলো “পূর্ণ চেষ্টা ও শ্রম করা” – এটি কোনোভাবেই “সহজে ফতোয়া দেওয়া” বা “নিজের মত প্রকাশ করা” নয়। বরং এর বিপরীত: এটি অত্যন্ত কঠিন, শ্রমসাধ্য ও দায়িত্বপূর্ণ কাজ।
- আল্লামা আব্দুল আলীম সিদ্দিকী (রহ.) তাঁর “Ijtihad and Mujtahid” বইয়েও স্পষ্ট লিখেছেন: “The word 'Ijtihad' has been derived from the root JHD, and literally means ‘striving with full exertion.’”

অন্য অপশনগুলো:
ক) সহজে ফতোয়া দেওয়া → সম্পূর্ণ উল্টো। ইজতিহাদ সবচেয়ে কঠিন কাজ।
গ) কিতাব অনুসরণ করা → এটা তাকলীদের অর্থ।
ঘ) নিজের মত প্রকাশ করা → এটা ব্যক্তিগত রায়, কিন্তু ইজতিহাদ কুরআন-সুন্নাহর কঠোর নিয়মে আবদ্ধ।
সুতরাং একমাত্র সঠিক উত্তর: খ) পূর্ণ চেষ্টা ও শ্রম করা।

[The word 'Ijtihad' has been derived from the root JHD, and literally means "striving with full exertion." In Islamic legal terminology, it denotes an attempt to choose, in the light of the Qur'an and the Sunnah, between two or more differing legal interpretations and to deduce, from the Qur'an and the Sunnah, any new rulings in order to address new legal situations. One who performs "Ijtihad" is called "Mujtahid"]

তথ্যসূত্র: IJTIHAD AND MUJTAHID by Allama Abdul Aleem Siddiqui. [লিংক]

৫,৭০০.
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে শাস্তিযোগ্য অপরাধে সহায়তাকরণের ফলে অপরাধ সংঘটিত না হলেও তার শাস্তি হলো-
  1. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ, অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলে:

- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে:- এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

----------------
♦ Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Section 115. Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
 
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.