বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৫৬ / ১৫৫ · ৫,৫০১৫,৬০০ / ১৫,৪৭০

৫,৫০১.
বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন অনুচ্ছেদটি 'লিঙ্গ বৈষম্য বিরোধী'?
  1. ২৭ অনুচ্ছেদ
  2. ২৮ অনুচ্ছেদ
  3. ২৯ অনুচ্ছেদ
  4. ৩০ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর  অনুচ্ছেদ - ২৮ এর বিধান: শুধুমাত্র লিঙ্গের কারণে কোনো নারীকে আইনজীবী হিসেবে ভর্তির যোগ্যতা অর্জনের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না।
-------------
⇒  The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article 28. No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex.
৫,৫০২.
আদালত কোন পর্যায়ে মামলার পক্ষ বাদ বা যোগ করতে পারে?
  1. মামলার শুনানির আগে
  2. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের আগে
  4. রায় ঘোষণার  আগে শুধু
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর  বিধি ১০ (২)- আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সঙ্গতঃ বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যর ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিস্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

৫,৫০৩.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৫ক ধারায় কোন ধরনের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. দখলদারের বিরুদ্ধে আদেশ
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
  3. জমি বায়না সংক্রান্ত আদেশ
  4. ইজারা নির্ধারণের আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ধারা ৯(১) বা ধারা ২০ এর অধীনে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যায়। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিষয়ে উল্লেখ করে।
- সুতরাং, ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনারের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949-Section 85A.  Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

৫,৫০৪.
মীমাংসার ক্ষেত্রে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার পারেন না-
  1. মধ্যস্থতাকারী হিসাবে ভূমিকা রাখতে
  2. বিরোধ সম্পর্কিত তথ্যসংগ্রহ করতে
  3. স্ব-উদ্যোগে আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান করতে
  4. মীমাংসা সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করতে
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২১ক ধারা অনুযায়ী সরকার লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ দিয়ে থাকেন। 

• 'আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান না করা' শিরোনামে আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫-এর ১৫ বিধিতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে- 'কোনো বিরোধ আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সাথে জড়িত আইনি প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকবেন।'

অর্থাৎ- মীমাংসার ক্ষেত্রে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার স্ব-উদ্যোগে আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান করতে পারেন না। তবে, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি নিয়ে মতামত প্রদান করতে পারেন।

• উল্লেখ্য,
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫-এর বিধি ৯(১)(খ) অনুযায়ী-মীমাংসা সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করতে পারেন। বিধি ১১(গ) অনুযায়ী- বিরোধ সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।
বিধি ১১ (জ) অনুযায়ী- মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারেন।
৫,৫০৫.
একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রােগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না, এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসকের কৃত কাজটি দণ্ডবিধির কত ধারায় বিচারযোগ্য?
  1. দণ্ডবিধির ৯২ ধারার
  2. দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
  3. দণ্ডবিধির ৯৪ ধারার
  4. দণ্ডবিধির ৯৫ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

উদাহরণ:
'ক' একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। 'ক' এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।
------------------------------------
-The Penal Code, 1860, Section 93: Communication made in good faith:
- No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 

Illustration:
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
৫,৫০৬.
নিম্নের কোনটি সঠিক নয়?
  1. মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করবে
  2. মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর ভবিষ্যত কোন দিনে রায় ঘোষণা করবে
  3. পক্ষদ্বয়ের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা দশদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবে
  4. প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ,বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
[The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court either at once or on some future day, not beyond seven days of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.]
৫,৫০৭.
'A' desires a Court to give judgment that 'B' shall be punished for a crime which 'A' says 'B' has committed. Who must have to prove that 'B' has committed the crime?
  1. 'A'
  2. 'B'
  3. Police
  4. Victim
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act 1872 এর ১০১ ধারা অনুযায়ী,
প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায় যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। এই ধারা অনুযায়ী এই প্রমাণের ভার কখনও পরিবর্তন হয় না।

Section 101 of The Evidence Act 1872- Burden of proof:
Whoever desires any Court to give judgment as to any legal right or liability dependent on the existence of facts which he asserts, must prove that those facts exist. 
When a person is bound to prove the existence of any fact, it is said that the burden of proof lies on that person. 

Illustrations -
(a) 'A' desires a Court to give judgment that 'B' shall be punished for a crime which 'A' says 'B' has committed. 'A' must prove that 'B' has committed the crime. 

(b) A desires a Court to give judgment that he is entitled to certain land in the possession of B, by reason of facts which he asserts, and which B denies, to be true. A must prove the existence of those facts.
৫,৫০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩১ অনুসারে, সাক্ষীদের সমনের ক্ষেত্রে কোন কোন ধারার বিধান প্রযোজ্য?
  1. ২০, ২১, ২২ ধারা
  2. ২৫, ২৬, ২৭ ধারা
  3. ২৭, ২৮, ২৯ ধারা
  4. ৩০, ৩১, ৩২ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা- ৩১ অনুযায়ী,
সাক্ষ্য দান বা দলিল পেশ অথবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় দাখিল করার জন্য সমনের ক্ষেত্রে ২৭, ২৮ ও ২৯নং ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, বিবাদীর ক্ষেত্রে সমনের যে বিধানসমূহ প্রযোজ্য, সাক্ষীদের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হবে।

Sec-31: Summons to witness
The provisions in sections 27, 28 and 29 shall apply to summonses to give evidence or to produce documents or other material objects.
৫,৫০৯.
চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At peremtory hearing) আদালত কয়টির অধিক মামলা রাখবে না?
  1. ৫ টির
  2. ১০০ টির
  3. ১২০ টির
  4. ৭০টির
ব্যাখ্যা
কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ ৫টি এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০০টি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবেন

• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি ২০-

কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

[Court shall not fix more than five suits including two part -heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits:
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.]
৫,৫১০.
'Feeding the grant by estoppel' নীতিটি প্রযোজ্য হবে, যখন হস্তান্তরটি করা হয়-
  1. প্রতারণামূলকভাবে
  2. ভুলক্রমে
  3. মৌখিকভাবে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• "Feeding the grant by estoppel"

Feeding the grant by estoppel নীতিটি হলো, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীকালে যদি এ চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা অর্জন করে, তাহলে সে ঐ চুক্তি কার্যকর করতে বাধ্য থাকবে। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার মত Feeding the grant by estoppel নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।

৪৩ ধারা অনুসারে, যেখানে কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে বা ভুলক্রমে প্রকাশ করে যে, সে কোনো নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য ক্ষমতাবান এবং মূল্যের বিনিময়ে তা হস্তান্তরের ঘোষণা করে, সেখানে পরবর্তীকালে এই চুক্তি বহাল থাকার সময় সে যদি ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বত্ব অর্জন করে, তাহলে হস্তান্তর গ্রহীতার ইচ্ছা অনুসারে এই হস্তান্তর তার এই পরবর্তীকালে অর্জিত স্বত্বের উপর বলবৎ হবে।

Section 43: Transfer by unauthorised person who subsequently acquires interest in property transferred
Where a person fraudulently or erroneously represents that he is authorised to transfer certain immoveable property and professes to transfer such property for consideration, such transfer shall, at the option of the transferee, operate on any interest which the transferor may acquire in such property at any time during which the contract of transfer subsists. 
 
Nothing in this section shall impair the right of transferees in good faith for consideration without notice of the existence of the said option. 
 
Illustration 
A, a Hindu, who has separated from his father B, sales to C three fields, X, Y and Z, representing that A is authorised to transfer the same. Of these fields Z does not belong to A, it having been retained by B on the partition; but on B's dying A as heir obtains Z. C, not having rescinded the contract of sale, may require A to deliver Z to him.
৫,৫১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারা অনুযায়ী মধ্যস্থতা সম্পন্ন করার আদর্শ সময়সীমা কত দিন এবং আদালত কতদিন পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় বাড়াতে পারে?
  1. ৩০ দিন; অতিরিক্ত ১৫ দিন
  2. ৬০ দিন; অতিরিক্ত ৩০ দিন
  3. ৯০ দিন; অতিরিক্ত ৬০ দিন
  4. ৬০ দিন; অতিরিক্ত ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, যখন আদালত মধ্যস্থতার আদেশ প্রদান করে, তখন পক্ষদ্বয়কে ১০ দিনের মধ্যে তাদের নিয়োগকৃত মধ্যস্থতাকারীর নাম আদালতকে জানানোর জন্য বলা হয়।
- এরপর, মধ্যস্থতা সম্পন্ন করার জন্য ৬০ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদন পেলে এই সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়াতে পারে, অর্থাৎ মোট সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ দিন হতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
- সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
- দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
- মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
৫,৫১২.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৪১(খ) অনুযায়ী, লিখিত অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

The Negotiable Instruments Act, 1881: ধারা ১৪১:
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;

(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।

৫,৫১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় Time for disposal of appeals and Revision এর বিধান আছে?
  1. ৪৪১ক
  2. ৪৪২
  3. ৪৪২ক
  4. ৪৩৯ক
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুযায়ী, ধারা ৪৪২ক (Section 442A) এ "Time for disposal of appeals and revisions" সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision:
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.

৫,৫১৪.
একই ছেলেকে দুই ব্যক্তি দত্তক গ্রহণ করলে দত্তকটি হবে-
  1. বাতিলযোগ্য
  2. বৈধ
  3. অবৈধ
  4. নির্দিষ্ট চুক্তিতে বৈধ
ব্যাখ্যা
⇒ Who can be adopted
 the Hindu child can be adopted by the following conditions:
1. The child should be Hindu.
2. The child has not been adopted before.
3. The child should not be married.
4. The age of the child must be below 15 years.
 
উল্লিখিত শর্ত অনুযায়ী বলতে পারি যে একই ছেলেকে দুই ব্যক্তি দত্তক গ্রহণ করলে দত্তকটি অবৈধ হবে।
৫,৫১৫.
'চেক ডিজঅনার মামলায় সর্বোচ্চ জরিমানা করা যায় চেকে বর্ণিত টাকার_____।
  1. চার গুণ
  2. সম পরিমাণ
  3. দ্বিগুণ
  4. তিন গুণ
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
৫,৫১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৯ ধারা অনুসারে, একজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেট -
  1. খালাস আদেশ দেবেন
  2. মুক্তির আদেশ দেবেন
  3. অব্যাহতির আদেশ দেবেন
  4. জামিনের আদেশ দেবেন
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে। উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।

৫,৫১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ইন্টারপ্লিডার মামলায় বাদী কী ধরনের স্বার্থ দাবি করতে পারে?
  1. সম্পত্তির পুরো মূল্য
  2. খরচ এবং ব্যয়ের জন্য
  3. ব্যক্তিগত মালিকানার অংশ
  4. সম্পূর্ণ জমির অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure) এর অর্ডার XXXV অনুসারে, ইন্টারপ্লিডার মামলায় বাদীকে আবেদনপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয় যে, তার বিবাদের বিষয়বস্তুতে (যেমন সম্পত্তি, টাকা বা অন্য কোনো সম্পদ) কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই, শুধুমাত্র খরচ বা ব্যয় (charges or costs) ছাড়া।
- এর মানে হলো, বাদী মামলার বিষয়বস্তুর উপর মালিকানা বা অধিকার দাবি করতে পারে না; তার দাবি কেবল মামলা পরিচালনা বা সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যয়িত খরচ বা ফি-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- ইন্টারপ্লিডার মামলার উদ্দেশ্য হল একাধিক পক্ষের মধ্যে সম্পত্তি বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিরোধ।
এই ধরনের মামলায়, বাদী সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর প্রতি কোন স্বার্থ দাবি করেন না, তবে তিনি শুধুমাত্র তার খরচ এবং আইনগত ব্যয়ের জন্য দাবি করতে পারেন।
বাদী কখনোই দাবি করতে পারেন না যে তিনি সম্পত্তির মালিক বা সম্পত্তির পুরো মূল্য দাবি করেন, কারণ তিনি মামলার বিষয়ে কোনো পক্ষের স্বার্থে দাঁড়িয়ে থাকেন না, বরং তিনি শুধু মামলার ব্যাপারে নিরপেক্ষ থাকেন। আদালত তাকে কোন পক্ষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব না করে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে বলে।
- এজন্য, বাদী "খরচ এবং ব্যয়ের জন্য" দাবি করতে পারে, যেমন আদালতের ফি, আইনজীবীর খরচ ইত্যাদি।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৫ অনুসারে, ইন্টারপ্লিডার:
ইন্টারপ্লিডার মামলার আবেদনপত্রের বিষয়বস্তু
প্রতিটি ইন্টারপ্লিডার মামলায়, আবেদনপত্রে (বাদীর দাখিলকৃত আইনি দলিল) অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিবরণের সাথে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ থাকতে হবে:
(ক) বাদীর বক্তব্য যে, মামলার বিষয়বস্তুতে (বিবাদের বিষয়) তার কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই, শুধুমাত্র খরচ বা ফি ছাড়া।
(খ) প্রতিটি বিবাদীর পৃথক পৃথক দাবির বিবরণ।
(গ) বাদী এবং কোনো বিবাদীর মধ্যে কোনো গোপন চুক্তি বা ষড়যন্ত্র নেই বলে ঘোষণা।
বিবাদিত সম্পত্তি জমা বা হস্তান্তর
যদি বিবাদের বিষয়টি (যেমন, টাকা বা সম্পত্তি) আদালতে জমা দেওয়া বা আদালতের হেফাজতে রাখা সম্ভব হয়, তবে বাদীকে মামলায় কোনো আদেশ পাওয়ার আগে সেটি আদালতে জমা দিতে বা হস্তান্তর করতে হতে পারে।

⇒ Order XXXV – Interpleader
Rule 1: Contents of Plaint in Interpleader Suit
In every interpleader suit, the plaint (complaint) must state the following, along with other necessary details:
(a) That the plaintiff claims no personal interest in the subject matter of the dispute, except for charges or legal costs;
(b) That different defendants are making separate claims to the subject matter;
(c) That there is no collusion (secret agreement or fraud) between the plaintiff and any of the defendants.

Rule 2: Payment or Deposit into Court
If the disputed thing (subject matter) can be paid into the Court or kept in the custody of the Court, the Court may require the plaintiff to do so before granting any orders in the suit.
৫,৫১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৪ অনুসারে লিখিত জবাবে কার স্বাক্ষর করতে হবে??
  1. কেবল বিবাদী
  2. কেবল বিবাদীর আইনজীবী
  3. বাদী ও তার আইনজীবী
  4. বিবাদী ও তার আইনজীবী
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৪:
প্রত্যেক প্লিডিংস (আরজি এবং জবাব) সংশ্লিষ্ট পক্ষ কর্তৃক এবং তার আইনজীবী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।

অর্থাৎ, আরজিতে বাদী এবং তার আইনজীবী স্বাক্ষর করবে এবং লিখিত জবাবে বিবাদী এবং তার আইনজীবী স্বাক্ষর করবে
৫,৫১৯.
একজন নাবালক তার সম্পত্তির কত অংশ উইল দ্বারা বণ্টন করতে সক্ষম?
  1. সম্পূর্ণ অংশ
  2. ১/২ অংশ
  3. ১/৩ অংশ
  4. কোনো অংশই নয়
ব্যাখ্যা
মুসলিম আইনে উইল (Will):
উইল (testament) বা অছিয়ত হলো ভবিষ্যৎ দান। কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বা সম্পত্তির মুনাফা কিভাবে বিলি-বন্টন করা হবে তা তার মৃত্যুর পূর্বেই লিখিত বা মৌখিকভাবে নির্ধারণ করে যাওয়ার আইন সম্মত ঘোষণাই হলো উইল বা অছিয়ত। মুসলিম আইন অনুযায়ী, একজন মুসলিম ব্যক্তি সুস্থ মন (sound mind) এবং প্রাপ্ত বয়সী (major) হলে শুধুমাত্র তিনি তার সম্পত্তি উইল করার অধিকারী হন। তবে, অপ্রাপ্তবয়স্ক (minor) ব্যক্তির ক্ষেত্রে উইল করার অধিকার নেই।

অপ্রাপ্তবয়স্ক (Minor) উইল করতে সক্ষম নয়:
মুসলিম আইন অনুযায়ী, অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি উইল করতে পারেন না। ইসলামী আইন অনুযায়ী, যদি কেউ অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকে, তবে তার উইল করা অবৈধ এবং সে সম্পত্তির কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে না।

উল্লেখ্য,
একজন মুসলিম স্বাস্থ্যবান মন এবং পূর্ণবয়স্ক (major) হলে তিনি তার সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ (১/৩) অংশ উইল করতে পারেন। এর বেশি অংশ উইল করা হলে, তা উত্তরাধিকারীদের সম্মতি ছাড়া কার্যকর হবে না
৫,৫২০.
গণ-উৎপাত সংঘটনের ক্ষেত্রে মামলা করতে পারে কে?
  1. সরকারি কৌসুলী
  2. ভুক্তভোগী
  3. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  4. যে-কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ৯১ এর বিধান জনক্ষতিকর কাজ (Public nuisances): জনক্ষতিকর কাজের ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষতির কারণ না হলেও অ্যাটর্নি জেনারেল বা অ্যাটর্নি জেনারেলের লিখিত সম্মতিপ্রাপ্ত দুই বা ততোধিক ব্যক্তি ঘোষণা এবং নিষেধাজ্ঞা বা মোকদ্দমার পরিস্থিতির আলোকে অন্য কোন যথাযথ প্রতিকারে নিমিত্তে মোকদ্দমা রুজু করতে পারে।
৫,৫২১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮ অনুসারে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. অভিজ্ঞদের মতামত সর্বদা প্রাসঙ্গিক
  2. আইনজীবীর মতামত গ্রহণযোগ্য নয়
  3. আদালত মতামত সর্বদা প্রাসঙ্গিক নয়
  4. জানার সম্ভাব্যতা থাকা ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:

When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.

Explanation. The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.
৫,৫২২.
‘ক’ ঢাকায় বসবাস করে। ‘খ’ কুমিল্লা বসবাস করে। উভয়ের মধ্যে খুলনায় একটি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছে। ‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে মামলা করতে চায়। উক্ত মামলাটি কোন জেলায় দায়ের করবে?
  1. ঢাকার আদালতে
  2. কুমিল্লার আদালতে
  3. খুলনার আদালতে
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৬ ধারায় বলা হয়েছে যে, সম্পত্তি বা মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের এখতিয়ারাধীন সে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

• যেহেতু ‘ক’ ও ‘খ’ এর মধ্যে বিরোধীয় সম্পত্তিটি খুলনায় অবস্থিত তাই খুলনার এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
৫,৫২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারা অনুসারে, রিভিশন কার্যক্রমের সময় আদালত কোন শর্তে কোনো পক্ষকে শুনতে পারে?
  1. যদি পক্ষটি দাবি করে
  2. যদি হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়
  3. যদি আদালত নিজে উপযুক্ত মনে করে
  4. যদি মামলাটি গুরুতর অপরাধের সাথে জড়িত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারার প্রদত্ত অংশে (শর্ত থাকে যে) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করতে পারবেন।"
- এটি আদালতের বিবেচনাভিত্তিক ক্ষমতা (discretionary power), যেখানে পক্ষের আবেদন বা দাবি নয়, বরং আদালতের নিজস্ব সন্তুষ্টিই একমাত্র মানদণ্ড। অন্য বিকল্পগুলো এই ধারার বিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারার বিধান:
-কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা অ্যাডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে না:
শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯(২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
----------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 440: Optional with Court to hear parties:
- No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).

৫,৫২৪.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর __________ ধারার বিধান অনুযায়ী, সাইবার ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য পরিচালনায় অভিজ্ঞ ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করতে পারবে।
  1. ৪০
  2. ৪২
  3. ৪৪
  4. ৪৫
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৪: বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ, প্রশিক্ষণ, ইত্যাদি:
(১) ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল, বিচারকার্য পরিচালনাকালে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞ কোনো ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করিতে পারিবে।

(২) সরকার বা এজেন্সি এই অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে, প্রয়োজনে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করিতে পারিবে।
৫,৫২৫.
অন্যদের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিপন্নকারী কাজের জন্য The Penal Code, 1860 এর ৩৩৬ ধারার অধীন, অপরাধীর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত হতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩৬ ধারা- অন্যদের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিপন্নকারী কার্য:
যে ব্যক্তি এমন কোন কাজ করে যা অতিরিক্ত বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে করা হয় এবং এতে মানবজীবন বা অন্যদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তাকে তিন মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ দুইশত পঞ্চাশ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 336- Act endangering life or personal safety to others:
Whoever does any act so rashly or negligently as to endanger human life or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to two hundred and fifty taka, or with both.
৫,৫২৬.
"কোনো ব্যক্তির বিবাহে বাধা সৃষ্টি করে এমন যেকোনো চুক্তি বাতিল (Void) হিসেবে গণ্য হবে।"- কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ধারা ২৫
  2. ধারা ২৬
  3. ধারা ২৭
  4. ধারা ২৮
ব্যাখ্যা
ধারা ২৬: বিবাহে বাধা দেওয়ার চুক্তি বাতিল-
"অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির বিবাহে বাধা সৃষ্টি করে এমন যেকোনো চুক্তি বাতিল (Void) হিসেবে গণ্য হবে।"
[Every agreement in restrain of the marriage of any person, other than a minor, is void.]
৫,৫২৭.
A এবং B এর মধ্যে একটি দলিল সম্পাদিত হয়েছিল। পরবর্তীতে আদালত সেই দলিলটি বাতিল করে দেয়। এক্ষেত্রে-
  1. বাদীপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
  2. বিবাদীপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
  3. কোনো পক্ষই ক্ষতিপূরণ পাবে না
  4. ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী,
 আদালত নিজস্ব বিবেচনায় যে পক্ষের অনুকূলে দলিলটি বাতিল করেছে, সে পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে।

ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত কোনো দলিল বিলুপ্ত বা বাতিল করার রায় প্রদান করে, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো করতে পারবে:
১. আদালত যে পক্ষের অনুকূলে দলিল বিলুপ্ত করার রায় দিয়েছে, সে পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ন্যায্য ও  প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে।
২. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে বিচারিক ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী।

অর্থাৎ, দলিল বাতিল করার রায়ের সময়ই আদালত এক পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে। এটি করতে হবে ন্যায়বিচারের দাবী মোতাবেক। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো দলিল বাতিলের ফলে যে পক্ষের ক্ষতি হয়েছে, সে পক্ষকে প্রতিকারস্বরূপ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা।
৫,৫২৮.
নিচের কোন কাজটি দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার ব্যতিক্রম অনুযায়ী মানহানি হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ব্যক্তিগত স্বার্থে মিথ্যা প্রচার করা
  2. পুলিশের কাছে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ করা
  3. কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা
  4. কোনো ব্যক্তির খ্যাতি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তথ্য প্রকাশ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার অধীনে মানহানির ব্যতিক্রমগুলোর মধ্যে অষ্টম ব্যতিক্রমে বলা হয়েছে যে, কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে (যেমন: পুলিশ) সৎ বিশ্বাসে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করা মানহানি হিসেবে গণ্য হবে না। অন্য বিকল্পগুলো মানহানির সংজ্ঞার আওতায় পড়ে, কারণ সেগুলো সৎ বিশ্বাসে বা জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে করা হয় না।

⇒ মানহানির সংজ্ঞা-
১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারামতে, কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য কথা বা চিহ্ন বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সেই ব্যক্তি-সম্পর্কিত কোনো নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করেন, তবে সেটি মানহানি হয়েছে বলে পরিগণিত হবে। উদ্দিষ্ট ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে জেনে বা সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, যদিও কেউ নিন্দাবাদ প্রণয়ন ও প্রকাশ করেন তাহলেও সেটি মানহানি বলে গণ্য হবে।

⇒ মানহানির শাস্তি-
দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির মানহানি করে, তবে ওই ব্যক্তি দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদে বিনা শ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।’ 

- তাছাড়া ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’-এর ২৯ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তাহলে ওই ব্যক্তির এমন কর্মকাণ্ড হবে একটি অপরাধ। এর জন্য তিনি অনধিক ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ আইনে মানহানির মামলায় কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়নি।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় কোন কাজগুলো মানহানি হবে সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এই ধারায় ১০টি ব্যতিক্রমের কথাও বলা হয়েছে। অর্থাৎ এই ব্যতিক্রমগুলো আইন অনুযায়ী মানহানি বলে গণ্য হবে না:
১. জনগণের কল্যাণে কারও প্রতি সত্য দোষারোপ করলে;
২. সরকারি কর্মচারীর সরকারি আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করলে;
৩. সরকারি বিষয়-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে কোনো ব্যক্তির আচরণ নিয়ে মতপ্রকাশ করলে;
৪. আদালতের কার্যবিবরণী প্রতিবেদন প্রকাশ করা মানহানির অন্তর্ভুক্ত হবে না;
৫. যেকোনো জনসমস্যা সম্পর্কে ও কোনো ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা;
৬. আদালতে সিদ্ধান্তকৃত মামলার দোষ, গুণ বা সাক্ষীদের সম্পর্কে বা অন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে অভিমত দেওয়া;
৭. গণ-অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানাদি সম্পর্কে কোনো মতামত দেওয়া;
৮. কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে সৎ বিশ্বাসে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করা হলে সেটিও মানহানি হবে না। যেমন: পুলিশের কাছে কারও ব্যাপারে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ দেওয়া; 
৯. কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তার বা অন্য কারও স্বার্থ রক্ষার্থে দোষারোপ করা;
১০. জনকল্যাণের স্বার্থে সতর্ক করার উদ্দেশ্যে কারও সম্পর্কে কিছু বলা হলে।

৫,৫২৯.
ক্রেতা ‘ক’ বিক্রেতা 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি প্যাটেন্ট বিক্রয় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করলো। মামলার শুনানীর আগেই প্যাটেন্টটির অবসান হলো। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন আদেশটি দিতে পারে?
  1. চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের
  2. ক্ষতিপূরণ প্রদানের
  3. আরজি সংশোধনের
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 ধারা ১৯ অনুযায়ী কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জরের ক্ষমতাঃ কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কার্যসম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জর করবেন।এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যাঃ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
♦যেহেতু শুনানীর আগেই চুক্তির বিষয়বস্তু (পায়টেন্ট) অবসান হয়েছে তাই এই ক্ষেত্রে চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের সুযোগ নেই। কিন্তু যেহেতু পক্ষগণের মধ্যে একটি চুক্তি রয়েছে তাই আদাল এক্ষেত্রে ১৯ ধারায় ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে। তাছাড়া বাদী যেহেতু ক্ষতিপূরণের আবেদন করেনি, তাই আদালত আরজি সংশোধনের নির্দেশও দিতে পারে।
৫,৫৩০.
দন্ডবিধি অনুসারে কোনটি গুরুতর আঘাত?
  1. পায়ে রক্তাক্ত জখম
  2. হাতে জখম
  3. পিঠে স্থায়ী ক্ষত
  4. দাত ভেঙ্গে ফেলা
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ধারা ৩২০-এ ৮ ধরণের অপরাধের তালিকা দেওয়া হয়েছে যেগুলো মারাত্মক বা grivious hurt হিসেবে গণ্য হবে।
♦পেনাল কোডের ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে। যথাঃ
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।
৫,৫৩১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন কবে রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে?
  1. জুন মাসের মধ্যে
  2. মার্চ মাসের মধ্যে
  3. জানুয়ারি মাসের মধ্যে
  4. ডিসেম্বর মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৯(১) অনুযায়ী, কমিশনকে প্রতি পঞ্জিকা বছরের মার্চ মাসের মধ্যে পূর্ববর্তী বছরে সম্পাদিত কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে। এই প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতি পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করেন (ধারা ২৯(২))।
সুতরাং, কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশের সময়সীমা হলো মার্চ মাসের মধ্যে।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৯-বার্ষিক প্রতিবেদন:
(১) প্রতি পঞ্জিকা বত্সরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বত্সরে সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে৷
(২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন৷

৫,৫৩২.
X সদবিশ্বাসে Y এর একটি ঘড়ি তার (X) নিজের মনে করে নিয়ে যায় এবং তা ব্যবহার করতে থাকে। X এর কৃত কাজ -
  1. অপারধ নয়
  2. চুরি
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. প্রতারণা
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারার উদাহরণ-৪: ক সরল মনে গ-এর সম্পত্তি নিজের সম্পত্তি বলে বিশ্বাস করে গ-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এখানে যেহেতু ক অসাধুভাবে সম্পত্তিটি নিয়ে যায় নাই, সেহেতু সে চুরি করেছে বলে গণ্য হবে না।

অর্থাৎ X এর কৃত কাজ অপারধ নয়।
৫,৫৩৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় যদি দু’পক্ষের মধ্যে চুক্তি থাকে যে কোনো স্বীকৃতি সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া হবে না, তাহলে সেই স্বীকৃতি-
  1. যেকোনো পক্ষের ইচ্ছায় গ্রহণযোগ্য
  2. আদালতের ইচ্ছায় গ্রহণযোগ্য
  3. অপ্রাসঙ্গিক
  4. সর্বদাই প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।

ব্যাখ্যা: কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
- স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকৃতি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
- সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।

৫,৫৩৪.
বিদেশ সম্পাদিত দলিল রেজিস্ট্রেট করার জন্য কখন দাখিল করতে হবে?
  1. দলিল সম্পাদিত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে
  2. দলিল দেশে পৌছানোর ৪ মাসের মধ্যে
  3. দলিল সম্পাদিত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে
  4. দলিল দেশে পৌছানোর ৩ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
•নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত দলিলপত্র:- বাংলাদেশের বাহিরে সকল বা যে কোন পক্ষ কর্তৃক সম্পাদিত বলিয়া দাবিকৃত কোন দলিল দাখিলকরনের জন্য ইতঃপূর্বে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও যেক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা না হয়, সেইক্ষেত্রে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে,-

(ক) দলিলটি উক্তরূপে সম্পাদিত, এবং
(খ) ইহা বাংলাদেশে পৌছিবার পর চার মাস সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছে।

তাহা হইলে তিনি, উপযুক্ত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে, উক্ত দলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করিতে পারিবেন।
৫,৫৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫০ ধারা সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্ধ করার ক্ষমতা দিয়েছে-
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
  3. যেকোন পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫০: সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্ধ করার ব্যাপারে পুলিশের ক্ষমতা
চোরাই মর্মে কথিত বা সন্দেহযুক্ত কিংবা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত কোন সম্পত্তি কোন পুলিশ কর্মকর্তা আটক করতে পারবেন। এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধঃস্তন হলে তিনি সাথে সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জব্দ করার ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

Section 550: Powers to police to seize property suspected to be stolen
Any police officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.
৫,৫৩৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় 'Res Judicata' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ৩৯
  2. ৪০
  3. ৪৫
  4. ৪৭
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:

i) Res-judicata (দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ১১);

ii) Double Jeopardy (ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৪০৩)।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান:
দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৫,৫৩৭.
কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে, তাকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেয়া যাবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
  4. সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪৯: মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ-
যে কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

Section 449: House-trespass in order to commit offence punishable with death-
Whoever commits house-trespass in order to the committing of any offence punishable with death, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৫,৫৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পুলিশের নিকট FIR দায়েরের মাধ্যমে মামলা দায়ের করা যায়?
  1. ১৯০
  2. ১৫৪
  3. ২০০
  4. ২০৪
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটলে সেটা পুলিশ থানায় একটি এফআইআর (First Information Report) দায়ের করা যায়। এফআইআর হলো সেই অপরাধের প্রাথমিক তথ্য যা পুলিশকে অপরাধ তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়।

অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি নালিশ/কমপ্লেইন দায়ের করতে পারেন। এই নালিশের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশনকে তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার পুলিশের নিকট এফআইআর দায়েরের মাধ্যমে এবং ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়।
৫,৫৩৯.
কোন আদালত ধারা ৩৪৪-এর অধীনে প্রদত্ত আদেশ লিখিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পায়?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: হাইকোর্ট বিভাগ।

ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

৫,৫৪০.
'সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে'- দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ১৪৫ ধারা
  2. ১৪৭ ধারা
  3. ১৪৮ ধারা
  4. ১৪৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারার বিধান- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে:
-যদি কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনী সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনী সামবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-149. Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object:
- If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.

৫,৫৪১.
বাংলাদেশ গণপরিষদে প্রথম স্পীকার কে ছিলেন?
  1. মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ
  2. মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  3. শাহ্ আব্দুল হামিদ
  4. আব্দুল মালেক উকিল
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।

• কাজের মেয়াদ ১০ এপ্রিল ১৯৭২ – ১ মে ১৯৭২।
• ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ। 
• গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।
৫,৫৪২.
Mischief Rule কোন মামলার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. Fowler v. Padget
  2. Heydon's Case
  3. Conforce's Case
  4. Farzana Moazzem v. SEC
ব্যাখ্যা
The Mischief Rule of Interpretation of Statutes-
Mischief Rule বিধি ব্যাখ্যার একটি পদ্ধতি, যা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য নির্ধারণের উপর গুরুত্ব দেয়। এটি যুক্তরাজ্যে ১৬ শতকে উদ্ভূত এবং Heydon's Case এ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে বলা হয় যে, কোনো আইন ব্যাখ্যা করার প্রধান উদ্দেশ্য হল “অপরাধ এবং ত্রুটি” সনাক্ত করা, যেগুলি আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ সংশোধন করতে চেয়েছিল এবং একটি কার্যকরী প্রতিকার প্রদান করা। এই রুলটি মূলত এ প্রশ্নের উত্তর দেয়: পূর্ববর্তী আইন কী সমস্যা সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছিল, যার কারণে এই নতুন আইন প্রণীত হয়েছে।

Heydon's Case (1584) 3 CO REP এর মধ্যে আইন ব্যাখ্যা করার জন্য চারটি বিষয় উল্লেখ করা হয়:
- আইন প্রণীত হওয়ার পূর্বে সাধারণ আইন (Common Law) কী ছিল?
- "অপরাধ এবং ত্রুটি" কী ছিল, যা সাধারণ আইন সমাধান করেনি?
- সংসদ কী প্রতিকার প্রদান করার উদ্দেশ্যে আইন প্রণয়ন করেছিল?
- প্রতিকারটির পেছনে আসল কারণ কী ছিল?

এই রুলের ব্যবহার বিচারকদের জন্য অধিক নমনীয়তা প্রদান করে, যাতে তারা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেন, বর্ননামূলক এবং স্বর্ণিম রুলের মতো কঠোরভাবে বাধ্য না হয়ে। তবে, এই রুলের বিরুদ্ধে সমালোচনা রয়েছে, কারণ এটি আইনের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে এবং নির্বাচনহীন বিচারকদের কাছে অস্বাভাবিকভাবে অধিক ক্ষমতা দিতে পারে, যা গণতান্ত্রিকভাবে ভুল বলে মনে করা হয়। তদুপরি, এটি পুরনো বলে মনে করা হয় কারণ বর্তমানে সাধারণ আইন আর আইনের প্রধান উৎস নয়।
৫,৫৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার অধীন শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জামানত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার বিধান রয়েছে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  4. খ এবং গ উভয় আদালতের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪০৬- শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ধারা-১১৮ অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে-
আরও শর্ত থাকে যে, যাদের বিরুদ্ধে ধারা-১২৩ এর উপ-ধারা (২) বা (৩ক) এর বিধানানুসারে দায়রা জজ বরাবর মামলা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এই ধারার কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।

Section 406- Appeal from order requiring security for keeping the peace or for good behaviour:
Any person who has been ordered by a Magistrate under section 118 to give security for keeping the peace or for good behaviour may appeal against such order to the Court of Session:
Provided, that nothing in this section shall apply to persons the proceedings against whom are laid before a Sessions Judge in accordance with the provisions of sub-section (2) or sub-section (3A) of section 123.
৫,৫৪৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর _______ ধারায় আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতার বিধান আছে।
  1. 89C
  2. 89E
  3. 89D
  4. 89B
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ (Section 89C) আপিল আদালতে মধ্যস্থতার (mediation in appeal) বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আদেশ ৪১ এর অধীন কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হয় এবং তা মূল পক্ষগণ বা তাদের স্থলাভিষিক্তদের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা অন্য কারো মাধ্যমে মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে।

অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৮৯গ (Section 89C) ধারায় আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতার বিধান আছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.

৫,৫৪৫.
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তি বর্ণিত আছে?
  1. চুরি
  2. ডাকাতি
  3. দস্যুতা
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা- দস্যুতার সাজা:
কোনো ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

Section 392- Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৫,৫৪৬.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী নিচের কোনটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. কোকা গাছ ও কোকা পাতা
  2. গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ
  3. অপিয়াম পপি গাছের বীজ
  4. তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী মাদকদ্রব্যগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে: 'ক', 'খ', এবং 'গ'। প্রতিটি শ্রেণির মাদকদ্রব্যের সংজ্ঞা এবং অন্তর্ভুক্ত পদার্থগুলো সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত।
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী, 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো গাঁজা গাছ, ভাং গাছ, তাদের শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল, এবং এগুলোর সাথে প্রস্তুতকৃত নেশা বা আসক্তি সৃষ্টিকারী পদার্থ।

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে:
ক) কোকা গাছ ও কোকা পাতা: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ: এটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
গ) অপিয়াম পপি গাছের বীজ: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
ঘ) তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি: এটি 'গ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ।

৫,৫৪৭.
“Court in which suits to be instituted” বিধানটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ২২
ব্যাখ্যা
“Court in which suits to be instituted” বিধানটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৫ ধারায় উল্লেখ আছে।

• অর্থাৎ ধারা- ১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানী মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। এখানে, এখতিয়ার বলতে আর্থিক এখতিয়ার বুঝানো হয়েছে। সুতরাং কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী ।
৫,৫৪৮.
সরকার দ্বারা ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতা প্রত্যাহার করণের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৩৯ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।
অর্থাৎ ৪১ ধারার বিধান হল সরকার দ্বারা ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 41-Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.
(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
৫,৫৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, অভিযোগের সারাংশ কোথায় লিপিবদ্ধ করতে হবে?
  1. সাধারণ ডায়েরিতে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তৃক নির্ধারিত বইতে
  3. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইতে
  4. কোনো বইতে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, যে কোনও শাস্তিযোগ্য অপরাধ সম্পর্কিত অভিযোগ যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে মৌখিকভাবে জানানো হয়, তবে ওই অভিযোগটি লিখিত আকারে পরিণত করতে হবে এবং অভিযোগকারীকে তা পড়ে শোনাতে হবে। এছাড়া, অভিযোগকারীর সইও নিতে হবে।
- এছাড়া, অভিযোগের সারাংশ পুলিশ স্টেশনের কর্তৃপক্ষকে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইয়ে লিপিবদ্ধ করতে হবে। এই বইটি এমনভাবে তৈরি হবে, যা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত থাকবে এবং এর মাধ্যমে অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষিত হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার মূল বিষয়গুলো হল:
১) থানায় মৌখিক অভিযোগ করলে পুলিশ অফিসার তা লিখে নেবেন।
২) লিখিত অভিযোগটি অভিযোগকারীকে পড়ে শোনাতে হবে।
৩) অভিযোগকারীকে এতে স্বাক্ষর করতে হবে। 
৪) অভিযোগের সারাংশ সরকার নির্ধারিত বইয়ে লিখে রাখতে হবে। 
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
-Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
৫,৫৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত নং আদেশে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ২ এর ৫ বিধিতে
  2. আদেশ ২ এর ৬ বিধিতে
  3. আদেশ ২ এর ৭ বিধিতে
  4. আদেশ ১ এর ৮ বিধিতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৮  মতে একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest)।
♦ যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।
♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১ আদেশের ৮ বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ একই রকমের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে সবার পক্ষে মোকদ্দমা দাখিল করলে বা জবাব প্রদান করলে, উক্ত মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বলে।
৫,৫৫১.
দণ্ডবিধি অনুসারে কখন চোরাই মাল আর চোরাই মাল থাকে না?
  1. যখন বিক্রি করা হয়
  2. যখন পুলিশ জব্দ করে
  3. যখন আদালতে উপস্থাপন করা হয়
  4. যখন আইনানুগ মালিকের দখলে আসে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 410: Stolen property:
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

৫,৫৫২.
'C' এর বাড়িতে আগুন লাগানোর জন্য 'B' পাগল প্রকৃতির ব্যক্তি 'A' কে বলেন এবং সে মোতাবেক 'C' এর বাড়িতে 'A' আগুন লাগায় এক্ষেত্রে-
  1. A পাগল হওয়ার কারণে তার কোন অপরাধ বা শাস্তি হবে না
  2. B প্ররোচনা দিয়েছে তাই আগুন লাগানোর দোষে দোষী হবে
  3. B এর ৪৩৬ ধারার অধীনে ক্ষতিসাধনের শাস্তি হবে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-৩ অনুযায়ী যখন প্ররোচিত ব্যক্তি অপরাধী না হলেও প্ররোচনাকারী অপরাধী হয়।
• অর্থাৎ অপরাধ করতে যে ব্যক্তি আইনগত অযোগ্য যেমন: নাবালক, অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল ব্যক্তিকে দিয়ে অপরাধ করালে যিনি উক্ত অপরাধ সংঘটিত করান তিনি দোষ কর্মের সাহায্যকারী হিসেবে দোষী হবেন।
 • ধারা ৪৩৬ এ উল্লেখ আছে যে গৃহ ইত্যাদি ধ্বংস করার অভিপ্রায়ে অগ্নি বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে অনিষ্ট সাধন।
৫,৫৫৩.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, কোনটি দলিল হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. লিখিত কোন বিষয়
  2. কোন মানচিত্র বা নকশা
  3. মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত বিষয়
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩ অনুযায়ী, লিখিত কোন বিষয়, কোন মানচিত্র বা নকশা, এবং মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত বিষয় সবগুলোই দলিল হিসেবে গণ্য হবে। এ কারণে, "কোনটি নয়" সঠিক উত্তর কারণ উপরের সমস্ত উদাহরণই দলিল হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী-
- যে কোন লিখনই দলিল বলে গণ্য হয়;
- মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত যে কোন কথাও দলিল বলে গণ্য হবে (Words printed, lithographed or photographed are documents);
- কোন মানচিত্র বা নকশা, কোন ধাতু খন্ড বা প্রস্তর খন্ডের উপর খোদাইকৃত কোন বিষয় অথবা কোন ব্যঙ্গচিত্র (caricature) দলিল বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ অপশনে উল্লিখিত সবগুলো দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Evidence Act,1872 এর ধারা ৩ মতে-
'দলিল বা Document' বলতে কোন পদার্থের উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের (letters, figures or marks) সাহায্যে প্রকাশিত বা বর্ণিত কোন বিষয়কে বোঝায়।
"Document" means any matter expressed or described upon any substance by means of letters, figures or marks, or by more than one of those means, intended to be used, or which may be used, for the purpose of recording that matter.
৫,৫৫৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XVI, Rule 12 অনুসারে উপযুক্ত হেতু ছাড়াই কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে উক্ত সাক্ষীকে আদালত কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করতে পারেন?
  1. ৫০০
  2. ১০০০
  3. ১৫০০০
  4. ২০০০
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১২ বিধি অনুযায়ী আদালতের আদেশ অনুযায়ী সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে, আদালত তাকে অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে।
৫,৫৫৫.
আদেশ ১২ বিধি ২ অনুযায়ী এক পক্ষ অন্য পক্ষকে কোন বিষয়ে নোটিশ দিতে পারে?
  1. ঘটনা স্বীকার করতে
  2. দলিল স্বীকার করতে
  3. আদালতে হাজির হতে
  4. সাক্ষীর তালিকা জমা দিতে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ২: দলিল স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে পারে, যাতে বলা হয় যে, তারা পনেরো দিনের মধ্যে কোনো দলিল স্বীকার করবে, তবে উপযুক্ত ব্যতিক্রম ছাড়া। যদি অন্য পক্ষ তা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বা অবহেলা করে, তবে দলিল প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যেহেতু তারা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবে আদালত যদি অন্যভাবে নির্দেশ না দেয়।

৫,৫৫৬.
আইনগত পন্থা ব্যাতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলচ্যুত হয় তবে সে উহা পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা করতে পারেন?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
- আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে।
-৯ ধারামতে যিনি স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, তিনিই মামলা করতে পারেন। কেননা এই ধরনের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয় এবং ৯ ধারার অধীনে দখল উদ্ধারের মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন অবান্তর।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত সম্পত্তিতে দখল এবং বিগত ৬ মাসের মধ্যে বেদখল হওয়া প্রমাণ করতে হবে, তবে স্বত্ব প্রমাণ করার কোন প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য যে, ৮ ধারায় দখল প্রমাণের প্রয়োজন নেই তবে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে।
------------------- 
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
 
No suit under this section shall be brought against the Government.

No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৫,৫৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১(১) ধারার অধীনে কোন আদালত আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩১- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:

(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31- Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
৫,৫৫৮.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের শুনানীর পূর্বে কতদিন সময় দিতে হয়-
  1. ১৪ দিন
  2. ২১ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৭ দিন
ব্যাখ্যা
♦বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ৪৫ বিধি অনুযায়ী কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাপ্তির পর, ট্রাইব্যুনাল শুনানীর দিন নির্ধারণ করবে কিন্তু সেটা অভিযোগ প্রাপ্তির ২১ দিনের মধ্যে না এর পরে যে কোনো দিন। ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্ত অ্যাভোকেটকে একটি নোটিশ দিবে।
৫,৫৫৯.
'The Court may presume that judicial and official acts have been regularly performed' -বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কোন Section এ বর্ণিত আছে?
  1. 79
  2. 80
  3. 114 (e)
  4. 114 (g)
ব্যাখ্যা
Section 114: Court may presume existence of certain facts

The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case. 
Illustrations 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; 

(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 

(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 

(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 

(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 

(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 

(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; 

(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 

(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it.
৫,৫৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধি অনুসারে রিসিভার নিয়োগ করা হয়?
  1. আদেশ-৩৯, বিধি-১
  2. আদেশ-৪০, বিধি-১
  3. আদেশ-৪১, বিধি-১
  4. আদেশ-৪১, বিধি-৩
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪০, বিধি ১ (Order XL, Rule 1)-এ রিসিভার (Receiver) নিয়োগের বিধান রয়েছে।
- দেওয়ানি কার্যবিধিতে আদেশ ৪০ বিধি ১ মতে আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপর্দ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্রহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে আদেশ ৪০ বিধি ২ অনুযায়ী আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কাজের জন্য পারিশ্রমিক ধার্য করতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-40 Rule-1. Appointments of receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order−
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property; 
(c) commit the same to the possession, custody or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.

৫,৫৬১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জনগুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের উপদেষ্টামূলক মতামতের জন্য পাঠাতে পারেন?
  1. অনুচ্ছেদ ১০২
  2. অনুচ্ছেদ ১০৩
  3. অনুচ্ছেদ ১০৫
  4. অনুচ্ছেদ ১০৬ 
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬ এ সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার এর বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যে কোনো আইনি প্রশ্ন জনগুরুত্বপূর্ণ, তাহলে তিনি সেই প্রশ্নটি সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করতে পারেন। আপীল বিভাগ শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে তার মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬- সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

৫,৫৬২.
ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ করে উকিলের মাধ্যমে হাজিরার অনুমতি দিতে পারেন ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায়?
  1. ২০৪ ধারায়
  2. ২০৫ ধারায়
  3. ২০৫গ ধারায়
  4. ২০৫গগ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫-এ সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ করে উকিলের মাধ্যমে হাজিরার অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা বর্ণিত আছে।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ধারা ২০৫(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট যখন সমন জারি করেন, তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ করে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন (Magistrate may dispense with personal attendance of accused)-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতঃপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 205. Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.

৫,৫৬৩.
An acceptance may be revoked:
  1. Never
  2. At any time
  3. Before the communication of acceptance is complete
  4. After the communication of acceptance is complete
ব্যাখ্যা

Section 5- Revocation of proposals and acceptances:
A proposal may be revoked at any time before the communication of its acceptance is complete as against the proposer, but not afterwards.
An acceptance may be revoked at any time before the communication of the acceptance is complete as against the acceptor, but not afterwards.

ধারা ৫- প্রস্তাব এবং গ্রহণের প্রত্যাহার:
একটি প্রস্তাব তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর গ্রহণকারীকে প্রস্তাবের গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না। একইভাবে, একটি গ্রহণ তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর প্রস্তাবককে গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না।

৫,৫৬৪.
আদালত আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করলে তা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে পরোয়ানা দেওয়া যায় কাকে?
  1. আদালতের নাজিরকে
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
  3. জেলার কালেক্টরকে
  4. দেওয়ানী আদালতের বিচারককে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৮৬ ধারা মতে (১) যখন কোন আসামীকে জরিমানা দন্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি বা উভয় উপায় অনুসারে জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা
ক) অপরাধীর অবস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য
খ) খেলাপাকারীর স্থাবর বা অবস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুসারে পরোয়ানা কার্যকর করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়া জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন।
তবে শর্ত এই যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে, জরিমানা পরিশোধ কর না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং সে যদি অনাদায় বশতঃ সমগ্ৰ কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা প্রদান করবেন-না, তবে বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন।
৫,৫৬৫.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির জন্য নতুন আবেদন [Fresh application] করা যাবে?
  1. যদি দেনাদার প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে।
  2. যদি ডিক্রিদার যথেষ্ট কারণে ডিক্রি জারির আবেদন করতে বিলম্ব করে
  3. যদি দেনাদার আদালতের এখতিয়ারের বাইরে অবস্থান করে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দাখিল করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ১২ বৎসর। নিয়মটি হলো ডিক্রি প্রদানের পর ৩ বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত বা জারি মামলা দায়ের করতে হবে। ৩ বৎসরের মধ্যে জারি মামলা দায়ের করার পর, পরবর্তীতে ১২ বৎসর পর্যন্ত ডিক্রিদার [Decree Holder] যে কোনো সংখ্যক ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দায়ের করতে পারে। 

♦  ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির নতুন দরখাস্ত [fresh application] দায়ের করা যায় এবং আদালত ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারে যদি দেনাদার  প্রবঞ্চনা [Fraud] কিংবা শক্তি [force] প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে।

♦  অর্থাৎ যদি দেনাদার প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে ক্ষেত্রে ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির জন্য নতুন আবেদন [Fresh application] করা যাবে।
৫,৫৬৬.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় “complete usufructuary mortgage” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(৫)
  2. ধারা ২(৬)
  3. ধারা ২(১১)
  4. ধারা ২(১৪)
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০- ধারা ২(৬):
"সম্পূর্ণ খাই-খালাসি বন্ধক” অর্থ কোনো প্রজা কর্তৃক ঋণ হিসাবে গৃহীত অর্থ বা শস্য ফেরত প্রদান করিবার নিশ্চয়তাস্বরূপ কোনো ভূমির দখলাধিকার এই শর্তে হস্থান্তর করা যাহা বন্ধকের মেয়াদে উক্ত ভূমি হইতে প্রাপ্ত মুনাফার মাধ্যমে, সকল সুদসহ, ঋণটি পরিশোধ হইয়াছে মর্মে গণ্য হইবে;

Section 2(6)-
“complete usufructuary mortgage” means a transfer by a tenant of the right of possession in any land for the purpose of securing the payment of money or the return of grain advanced or to be advanced by way of loan upon the condition that the loan, with all interests thereon, shall be deemed to be extinguished by the profits arising from the land during the period of the mortgage.
৫,৫৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ ধারা অনুযায়ী, কোন মামলা সম্পত্তির অবস্থানের বাইরে অন্য আদালতে দায়ের করা যেতে পারে?
  1. স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলা
  2. স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার মামলা
  3. অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক মুক্ত করার মামলা
  4. বিবাদীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আনুগত্যের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়ার মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার অধীনে "বিবাদীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আনুগত্যের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়ার মামলা" সম্পত্তির অবস্থানের বাইরে অন্য আদালতে দায়ের করা যেতে পারে।
- তবে অপশনে উল্লিখিত অন্য মামলা গুলো সম্পত্তির অবস্থানের বাইরে অন্য আদালতে দায়ের করা যাবে না। 


⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, ভাগ বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তির বিনা সংক্রান্ত মামলা, সেই আদালতে দায়ের করাতে হবে, যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান- বিষয়বস্তু যেখানে অবস্থিত, মামলা সেখানেই দায়ের করতে হবে:
- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক বা অন্যান্য এখতিয়ার সাপেক্ষ -
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য,
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা জন্য,
গ) স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বা দায় (charge) উদ্ধারের অধিকার, হরণ, বিক্রয় বা
ঘ) স্থাবর সম্পত্তির অন্য কোনো প্রকার অধিকার বা স্বার্থ নির্ণয়ের জন্য,
ঙ) স্থাবর সম্পত্তির অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে,
চ) আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য -
আনীত মামলাগুলি যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, ‘গ’ দফায় বর্ণিত মামলার ক্ষেত্রে যে স্থানে মামলার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়, সেসব আদালতেই দায়ের করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী কর্তৃক বা তার পক্ষে দাখিলী কোন স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত প্রতিকার বা উহার অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা, প্রার্থতি প্রতিকার যদি সম্পূর্ণরূপে বিবাদির ব্যক্তিগতভাবে আনুগতভাবে আনুগত্যের ফলে লাভ করা যায়, তবে তাহলে যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা (ঙ) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রে যে স্থানে পূর্ণ বা আংশিকভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হয়েছে অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে প্রকৃত পক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বিবাদী বাস করে বা ব্যবসা-বাণিজ্য চালায় বা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কর্ম করে সেই আদালতে দায়ের করা যাবে।
------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-16. Suits to be instituted where subject-matter situate: 
Subject to the pecuniary or other limitations prescribed by any law, suits- 
(a) for the recovery of immovable property with or without rent or profits, 
(b) for the partition of immovable property, 
(c) for foreclosure, sale or redemption in the case of a mortgage of or charge upon immovable property, 
(d) for the determination of any other right to or interest in immovable property, 
(e) for compensation for wrong to immovable property, 
(f) for the recovery of movable property actually under distraint or attachment, 
shall be instituted in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen: 
Provided that a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property held by or on behalf of the defendant may, where the relief sought can be entirely obtained through his personal obedience, be instituted either in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen, or in the Court within the local limits of whose jurisdiction the defendant actually and voluntarily resides, or carries on business, or personally works for gain. 
Explanation.-In this section "property' means property situate in Bangladesh.
৫,৫৬৮.
কোনো মামলা আপস মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পন্ন হলে তা আসামির ____________ বলে গণ্য হবে।
  1. মুক্তি
  2. জামিন
  3. অব্যাহতি
  4. খালাস
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস (acquittal) পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
 
প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
৫,৫৬৯.
উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে "per stirpes" নীতি প্রয়োগের বিধান মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৪ ধারায়
  3. ৬ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ "Per stirpes" নীতি বা উত্তরাধিকারী হিসেবে একটি পরিবারের শাখার প্রতি অংশ দেওয়া, যেখানে প্রত্যেক শাখা সমানভাবে উত্তরাধিকার লাভ করে, এটি মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৪ ধারা-তে উল্লেখ করা হয়েছে।

- এটি মূলত এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী হিসাবে তার সন্তান বা সন্তানের সন্তানদের মধ্যে ভাগ বণ্টন করা হয়। এই নীতির মাধ্যমে, একটি শাখার সদস্যরা তাদের পূর্বপুরুষের সম্পত্তি অংশীদার হতে পারে, যদি তাদের বাবা বা মা মারা গিয়ে থাকেন।
অর্থাৎ এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি তার পিতামাতার জীবিত অবস্থায় মারা যায়, তবে তার সন্তানরা তার স্থানে উত্তরাধিকারী হবে।

- এছাড়াও, ৪ ধারায় মুসলিমদের উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলি আলোচনা করা হয়েছে, যেখানে এটি বলা হয়েছে যে যদি কোনো ব্যক্তি কোনো উত্তরাধিকারী রেখে যায়, তবে তার সম্পত্তি কিভাবে ভাগ করা হবে, তা নির্ধারণ করা হয়।
৫,৫৭০.
দণ্ডবিধির ২১৬ক কোন ধরনের অপরাধীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. খুনী
  2. প্রতারক
  3. ডাকাত ও দস্যু
  4. দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১৬ক ধারা (Section 216A of the Penal Code, 1860) সুনির্দিষ্টভাবে "দস্যু" (robbers) এবং "ডাকাত" (dacoits) কে আশ্রয়দান বা গোপন রাখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য প্রযোজ্য।
- এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে যে কিছু লোক ডাকাতি বা দস্যুতা করতে যাচ্ছে বা করেছে, এবং তিনি তাদের অপরাধ করতে সাহায্য করার জন্য বা শাস্তি থেকে বাঁচাতে আশ্রয় দেন, তবে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন এবং তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।

ব্যতিক্রম: এই ধারা স্বামী বা স্ত্রীর মাধ্যমে দেওয়া আশ্রয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

- তাই এই ধারা কেবলমাত্র: ডাকাত ও দস্যুদের আশ্রয়দাতার বিরুদ্ধে প্রযোজ্য।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) ডাকাত ও দস্যু।

⇒The Penal Code, 1860 – Section 216A. Penalty for harbouring robbers or dacoits:
Whoever, knowing or having reason to believe that any persons are about to commit or have recently committed robbery or dacoity, harbours them or any of them, with the intention of facilitating the commission of such robbery or dacoity, or of screening them or any of them from punishment, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
- Explanation.-For the purposes of this section it is immaterial whether the robbery or dacoity is intended to be committed, or has been committed, within or without Bangladesh. 
- Exception.–This provision does not extend to the case in which the harbour is by the husband or wife of the offender.
৫,৫৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা মতে সম্পত্তি বা দলিল বাজেয়াপ্ত করা হয়?
  1. ৫০৭ ধারা
  2. ৫১৭ ধারা
  3. ৫২৭ ধারা
  4. ৫৪৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী-
কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।
 
- ধারা ৫১৭- যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ:
(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধাজনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।
 
(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপিল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
 
(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এ মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-517: Order for disposal of property regarding which offence committed:
(1) When an inquiry or a trial in any Criminal Court is concluded, the Court may make such order as it thinks fit for the disposal by destruction, confiscation, or delivery to any person claiming to be entitled to possession thereof or otherwise of any property or document produced before it or in its custody or regarding which any offence appears to have been committed, or which has been used for the commission of any offence. 
 
(2) When High Court Division or a Court of Session makes such order and cannot through its own officers conveniently deliver the property to the person entitled thereto, such Court may direct that the order be carried into effect by the 513[Chief Metropolitan Magistrate or] District Magistrate. 
 
(3) When an order is made under this section such order shall not, except where the property is livestock or subject to speedy and natural decay, and save as provided by sub-section (4), be carried out for one month, or, when an appeal is presented, until such appeal has been disposed of. 
 
(4) Nothing in this section shall be deemed to prohibit any Court from delivering any property under the provisions of sub-section (1) to any person claiming to be entitled to the possession thereof, on his executing a bond with or without sureties to the satisfaction of the Court, engaging to restore such property to the Court if the order made under this section is modified or set aside on appeal. 

Explanation- In this section the term "property" includes in the case of property regarding which an offence appears to have been committed, not only such property as has been originally in the possession or under the control of any party, but also any property into or for which the same may have been converted or exchanged, and anything acquired by such conversion or exchange, whether immediately or otherwise.
৫,৫৭২.
সর্বনিম্ন কত দিন কোন ব্যক্তিকে আটক রাখলে আটককারী ব্যক্তি অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৪ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৫,৫৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর কোন ধারায় ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৮৫
  2. ধারা ৮৮
  3. ধারা ৮৯
  4. ধারা ৯২
ব্যাখ্যা

​⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর ধারা ৮৮ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিধান বর্ণনা করে। এই ধারা অনুসারে, যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই সম্পত্তি বা অর্থের উপর মালিকানার দাবি করেন এবং যিনি এই দাবির সম্মুখীন হন (বাদী) তার মোকদ্দমার খরচ ছাড়া উক্ত সম্পত্তি বা অর্থের উপর কোনো স্বার্থ না থাকে, তবে তিনি ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন। এই মোকদ্দমার উদ্দেশ্য হলো আদালতের মাধ্যমে নির্ধারণ করা যে সম্পত্তি বা অর্থ কার কাছে অর্পণ করতে হবে এবং বাদীর ক্ষতিপূরণ (যদি থাকে) আদায় করা।
- ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে বাদী নিরপেক্ষ থাকেন এবং বিবাদীদের দাবি সম্পর্কে কোনো পক্ষপাতিত্ব বা ষড়যন্ত্রে জড়ান না। এই ধারা নিশ্চিত করে যে বাদী কেবল আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি পান এবং কোনো পক্ষের সাথে যোগসাজসে জড়ান না।
​- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৮ ধারায় স্বার্থ বিহীন মামলার বিধান আছে।
​ 
⇒ এছাড়াও ​ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিস্তারিত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার ৩৫-এ বর্ণিত আছে। এই অর্ডারে বলা হয়েছে যে এই ধরনের মোকদ্দমায় কমপক্ষে দুইজন বিবাদী থাকতে হবে, এবং আরজিতে বাদীর নিরপেক্ষতা, বিবাদীদের পৃথক দাবি এবং কোনো ষড়যন্ত্রের অভাব উল্লেখ করতে হবে।

- আদেশ ৩৫ বিধি-১: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আরজি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।
- আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।

৫,৫৭৪.
রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ২৩ অনুসারে, দলিল দাখিলকরণের বিধান কোন ধারাগুলোর সাপেক্ষে নির্ধারিত?
  1. ধারা ২০, ২১ এবং ২২
  2. ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬
  3. ধারা ১৮, ১৯ এবং ২০
  4. ধারা ২৭, ২৮ এবং ২৯
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ২৩ অনুসারে, দলিল দাখিলকরণের সময়সীমা (যেমন উইল ব্যতীত দলিলের ৩ মাসের মেয়াদ) ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬-এর বিধানাবলি সাপেক্ষে নির্ধারিত।

⇒ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ২৩: দলিল দাখিলকরণের সময়:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬ এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি উহা সম্পাদনের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিল করা না হয়, তাহা হইলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি বা আদেশের নকল, ডিক্রি বা আদেশ দানের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে, বা, যেক্ষেত্রে উহা আপিলযোগ্য, সেইক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
--------
⇒ Section 23. Time for presenting documents:
Subject to the provisions contained in sections 24, 25 and 26, no document other than a will shall be accepted for registration unless presented for that purpose to the proper officer within three months from the date of its execution: 
Provided that a copy of a decree or order may be presented within three months from the day on which the decree or order was made, or, where it is appealable, within three months from the day on which it becomes final.

৫,৫৭৫.
দন্ডবিধি অনুযায়ী আত্মরক্ষামূলক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো যায় কোন ক্ষেত্রে?
  1. মানহানি
  2. রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ
  3. আঘাত
  4. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধি অনুযায়ী আত্মরক্ষামূলক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো যায় রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ করার ক্ষেত্রে 
♦ দন্ডবিধির ১০৩ ধারামতে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য ৪টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) দস্যুতা (Robbery)
ii) রাত্রি বেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House-breaking by night);
iii) বাসগৃহে বা কোন সম্পত্তি রাখার স্থানে অগ্নি সংযোগ (Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, used as a human dwelling); এবং
iv) গুরুতর আঘাত বা মৃত্যুর আশংকাযুক্ত চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশ (Theft, mischief or house - trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension of death or grievous hurt)।
উপরের ৪টি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ক্ষেত্র যেমন- সাধারণ চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশের ক্ষেত্রে আত্মরক্ষা অধিকার প্রয়োগকালে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগকারী নরহত্যা ব্যতীত অন্য যে কোন ক্ষতি করতে পারে । [ধারা-১০৪]
৫,৫৭৬.
দেওয়ানি মামলায় রিভিউ আবেদনের সর্বোচ্চ সময়সীমা কতদিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ অনুযায়ী রিভিউ (Review) বলতে বোঝায় আদালতের নিজস্ব ডিক্রি বা আদেশের বিচারিক পুনর্বিবেচনা। রিভিউ সংক্রান্ত সময়সীমা নির্ধারিত আছে Limitation Act, 1908-এর প্রথম তফসিলে।
- এই আইনের অধীনে রিভিউ আবেদনের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৯০ দিন, যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।

⇒ যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। 
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।

উদাহরণস্বরূপ, যদি সহকারী জজ ১ জুলাই রায় দেন, তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে পারবে। এই সময়সীমা অতিক্রম করলে আবেদন তামাদি বলে গণ্য হবে, যদি না যথাযথ কারণে বিলম্ব মাফ চাওয়া হয় (ধারা ৫ অনুযায়ী)।
 তাই, দেওয়ানি মামলায় রিভিউ আবেদনের সর্বোচ্চ সময়সীমা হলো ৯০ দিন, এবং সঠিক উত্তর: গ) ৯০ দিন।
৫,৫৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রথম রিভিশনে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত-
  1. চূড়ান্ত নয়
  2. চূড়ান্ত
  3. ২য় বার রিভিশনযোগ্য
  4. হাইকোর্টে রিভিশনযোগ্য
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

Section 439A: Sessions Judge's powers of revision
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final. 
 
(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
৫,৫৭৮.
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to ________________.
  1. "Affray"
  2. "commit an affray"
  3. "Rioting"
  4. "Unlawful assembly"
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:

যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

♦ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

___________________________________________
♦ Affray

Section 159. When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
♦ Punishment for committing affray
Section 160. Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৫,৫৭৯.
‘‘সোলে ডিক্রিতে আপিল করা যায় না’’ দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৯৬(১)
  2. ৯৬(২)
  3. ৯৬(৩)
  4. আপিল করা যায়।
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, আদালত পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে আপস বা সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
৫,৫৮০.
সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী কোন সাক্ষী কোন মামলার বিচারিক কার্যক্রমে যে সাক্ষ্য দেয় তা একই মামলার পরবর্তী  কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক হবে যদি-
  1. সাক্ষী মারা যায়
  2. সাক্ষীকে খুঁজে পাওয়া না যায়
  3. বিপক্ষ সাক্ষীকে সরিয়ে রাখে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ধারা ৩৩ অনুযায়ী যদি কোনো সাক্ষী পূর্বে কোনো বিচারিক কার্যধারায় বা আইনের দ্বারা স্বীকৃত কোনো ব্যক্তির সামনে সাক্ষ্য প্রদান করে থাকেন, তবে সেই সাক্ষ্য পরবর্তী বিচারিক কার্যধারায় বা একই বিচারিক কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে প্রাসঙ্গিক হবে, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলোর যেকোনো একটি প্রযোজ্য হয়-
- যখন সাক্ষী মৃত্যুবরণ করে,
- যখন সাক্ষীকে খুঁজে পাওয়া না যায়,
- যখন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদানে অসমর্থ হয়ে পড়ে,
- যখন প্রতিপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়া থেকে বিরত রেখেছে,
- সাক্ষীকে হাজির করতে এত বিলম্ব বা খরচ হবে, যা আদালতের দৃষ্টিতে অযৌক্তিক।

ধারা ৩৩: কোনো সাক্ষ্যে প্রদত্ত বিবৃতির সত্যতা পরবর্তী মোকদ্দমায় প্রমাণের জন্য উক্ত সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা: কোনো সাক্ষী কোনো মোকদ্দমার বিচারে বা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো লোকের নিকট যে সাক্ষ্য দেওয়া তাহা, ঐ সাক্ষীর মৃত্যু হইলে, সন্ধান পাওয়া না গেলে, সে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হইয়া পড়িলে, বিরুদ্ধে পক্ষ তাহাকে মোকদ্দমার অবস্থা বিবেচনায় আদালত তাহা অযৌক্তিক বলিয়া মনে করিলে, ঐ সাক্ষীর পূর্বোক্ত সাক্ষ্যে বর্ণিত কোনো ঘটনার সত্যতা পরবর্তীতে কোনো মোকদ্দমায় বা একই মোকদ্দমার পরবর্তী পর্যায়ে প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক হইবে:
যদি-
পরবর্তী মোকদ্দমা একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে কিংবা তাহাদের স্বার্থসংশিষ্ট প্রতিনিধিদের মধ্যে হয়;
প্রথমোক্ত মোকদ্দমায় সাক্ষীদের যদি বিরুদ্ধ পক্ষ জেরা করিবার অধিকার ও সুযোগ লাভ করিয়া থাকে,
শেষোক্ত মোকদ্দমার বিচার্য প্রশ্ন যদি মোটামুটিভাবে প্রথমোক্ত মোকদ্দমার বিচার্য প্রশ্নের অনুরূপ হয়।
ব্যাখ্যা: কোনো ফৌজদারি মোকদ্দমার বিচার বা তদন্ত এই ধারার অর্থ অনুযায়ী আসামি ও বাদীর মধ্যে মোকদ্দমা বলিয়া বিবেচিত হইবে।
---------------------------
The Evidence Act 1872,Section 33,,Relevancy of certain evidence for proving, in subsequent proceeding, the truth of facts therein stated: Evidence given by a witness in a judicial proceeding, or before any person authorized by law to take it, is relevant for the purpose of proving, in a subsequent judicial proceeding, or in a later stage of the same judicial proceeding, the truth of the facts which it states, when the witness is dead or cannot be found, or is incapable of giving evidence, or is kept out of the way by the adverse party, or if his presence cannot be obtained without an amount of delay or expense which, under the circumstances of the case, the Court considers unreasonable:
Provided-
that the proceeding was between the same parties or their representatives in interest;
that the adverse party in the first proceeding had the right and opportunity to cross-examine;
that the questions in issue were substantially the same in the first as in the second proceeding.
Explanation.-A criminal trial or inquiry shall be deemed to be a proceeding between the prosecutor and the accused within the meaning of this section.

৫,৫৮১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন কোন ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে?
  1. ১১ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০,১১ এবং ১২ ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে

• ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা।এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

• ধারা ১২-পুনরায় মোকদ্দমা করার বাধা (Bar to further suit) সম্পর্কে বিধান আছে। 
কোন বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।
অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্রে আইনগতভাবে মোকদ্দমা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে মোকদ্দম দায়ের  করা যায় না।
৫,৫৮২.
আপিল বিভাগের আদেশ যে আদালতের মাধ্যমে জারি করা হয়, সেই জারি সম্বন্ধে উক্ত আদালতের আদেশ-
  1. আপিলঅযোগ্য
  2. আপিলযোগ্য
  3. রিভিশনযোগ্য
  4. উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোন প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৫ বিধি-১৬: জারিকরণ সম্বন্ধীয় আদেশ হতে আপিল:
আপিল বিভাগের আদেশ যে আদালতের মাধ্যমে জারি করা হয়, সে জারি সম্বন্ধে উক্ত আদালতের আদেশ উক্ত আদালতের স্বীয় ডিক্রি জারি সম্পর্কিত আদেশের ন্যায় একই প্রক্রিয়ায় এবং একইরূপ বিধিমালা সাপেক্ষে আপিলযোগ্য হবে।

Rule-16: Appeal from order relating to execution:
The orders made by the Court which executes the order of the Appellate Division, relating to such execution, shall be appealable in the same manner and subject to the same rules as the orders of such Court relating to the execution of its own decrees.
৫,৫৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী বন্ড জমা দেওয়ার সময় জামিনদাতাদের যাচাই বাধ্যতামূলক?
  1. ধারা ৪৯৯(১)
  2. ধারা ৪৯৯(২)
  3. ধারা ৪৯৯(৩)
  4. ধারা ৪৯৯(৪)
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৯: অভিযুক্ত ও জামিনদাতার বন্ড:
(১) কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার আগে বা নিজের বন্ডে মুক্তি দেওয়ার আগে, পুলিশের কর্মকর্তা বা আদালত যথাযথ মনে করলে নির্দিষ্ট অর্থের একটি বন্ড পূরণ করতে হবে। যখন ব্যক্তি জামিনে মুক্তি পায়, তখন এক বা একাধিক যথেষ্ট যোগ্য জামিনদাতার মাধ্যমে বন্ড সম্পাদিত হবে। এই বন্ডে শর্ত থাকবে যে অভিযুক্ত নির্ধারিত সময় ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ বা আদালতের নির্দেশ না থাকা পর্যন্ত নিয়মিত হাজিরা চালিয়ে যাবে।

(২) প্রয়োজন হলে, বন্ডে আরো শর্ত থাকবে যে, জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তি হাইকোর্ট ডিভিশন, সেশন আদালত বা অন্য কোনো আদালতের ডাকে হাজির হবে এবং অভিযোগের উত্তর দেবে।

(৩) এই বন্ড অভিযুক্ত নিজে, তার আইনজীবীর মাধ্যমে, বা আদালতের অনুমোদিত অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে আদালতে জমা দিতে পারবে। তবে জামিনদাতাদের পরিচয় ও যোগ্যতা জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্য যথাযথ উপায়ে যাচাই করা আবশ্যক।

৫,৫৮৪.
নিচের কোন পদধারী রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(৩) ধারা অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে 'কালেক্টর' হিসেবে গণ্য হন না?
  1. জেলার কালেক্টর
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. সার্কেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্ড অফিসার
  4. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ২(৩) অনুসারে "কালেক্টর" বলতে নিম্নোক্ত তিন প্রকার কর্মকর্তাকে বোঝায়:
১. জেলার কালেক্টর 
২. ডেপুটি কমিশনার 
৩. এই আইনের অধীনে কালেক্টরের সকল বা যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অন্যান্য কর্মকর্তা। 
- কিন্তু সার্কেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্ড অফিসার এই আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে "কালেক্টর" হিসেবে গণ্য হবেন না।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(৩) ধারায় কালেক্টরের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কালেক্টর বলতে জেলার কালেক্টর এবং ডেপুটি কমিশনার এবং এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কেন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত হবে।

সুতরাং, কালেক্টর বলতে-
i. জেলার কালেক্টর; এবং
ii. ডেপুটি কমিশনার; এবং
III. এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা; অন্তর্ভুক্ত হবে।

৫,৫৮৫.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি কখন প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. পুরনো রেকর্ড হলে
  2. যথাযথ হেফাজত থেকে পাওয়া না গেলে
  3. রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই প্রাসঙ্গিক নয়
ব্যাখ্যা
• The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

২২ক ধারায় বলা হয়েছে,
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
[Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].

অর্থাৎ রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলেই মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে।
৫,৫৮৬.
X কর্তৃক Y এর সাথে উত্তরায় একটি বাড়ি এবং বনানীতে অপর আরেকটি বাড়ি বিক্রয় করার জন্য চুক্তি হয় কিন্তু পরবর্তীতে X তার উত্তরার বাড়ি বিক্রয় চুক্তি বাস্তবায়নের অপারগতা প্রকাশ করে। এক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. চুক্তির আংশিক বাস্তবায়ন হবে না যেহেতু চুক্তির প্রতিটি অংশ স্বতন্ত্র
  2. চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব যেহেতু চুক্তিটি প্রতিটি অংশ স্বতন্ত্র
  3. চুক্তির বাস্তবায়ন করতে হলে দুইটি বাড়ি হস্তান্তর করতে হবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১৬ ধারা অনুযায়ী কোন চুক্তি স্বতন্ত্র অংশের সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সম্ভব।
• যেহেতু চুক্তিটিতে দুইটি বাড়ি আলাদা এবং একটি বাড়ি হস্তান্তর করা যাবে তাই চুক্তিটি অংশ স্বতন্ত্র হওয়ায় হস্তান্তর যোগ্য অংশের চুক্তি বাস্তবায়ন করতে বাধা নেই।
৫,৫৮৭.
ধারা ৩৭০ অনুযায়ী, দাস ব্যবসার অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তির জন্য কি ধরনের দণ্ড প্রদান করা হয়?
  1. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. দণ্ডবিধিতে কোনো শাস্তি নেই
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭০: কোন ব্যক্তিকে দাস হিসেবে ক্রয় বা বিক্রয়:
যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে দাস হিসেবে আমদানি, রপ্তানি, সরানো, ক্রয়, বিক্রয় বা নিকাশ করে, অথবা কাউকে দাস হিসেবে গ্রহণ, গ্রহণ করে বা বাধ্য করে রাখে, সে ব্যক্তি সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 370- Buying or disposing of any person as a slave:
Whoever imports, exports, removes, buys, sells or disposes of any person as a slave, or accepts, receives or detains against his will any person as a slave, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৫,৫৮৮.
প্রতীয়মান মালিক (Ostensible owner) হস্তান্তর করতে পারেন যদি-
  1. আদালতের অনুমতি থাকে
  2. সে সম্পত্তির দখল নেয়
  3. স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের সম্মতি থাকে
  4. হস্তান্তর নির্ধারিত মূল্যে হয়
ব্যাখ্যা
• Ostensible owner বা প্রতীয়মান মালিক অর্থ হলো যে প্রকৃত মালিক না। প্রতীয়মান মালিক অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যে প্রকৃত মালিক না হয়েও যার মালিকানার সকল লক্ষণ আছে। এইরুপ মালিকানার ক্ষেত্রে স্বকার্যজনিত বাধার দ্বারা অশুদ্ধ হস্তান্তর সিদ্ধ হয় [Ownership by way of feeding the grant by estoppel]। 'হস্তান্তর করার কালে স্বত্ব ছিলনা'- হস্তান্তরকারী এইরুপ দাবি করা হতে এই নীতি দ্বারা বারিত হবে।

ধারা ৪১: কৃত্রিম মালিক কর্তৃক হস্তান্তর-
যেখানে কোন ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির কৃত্রিম মালিকে পরিণত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, সেখানে গ্রহীতা হস্তান্তরকারীর হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা অবলম্বন করে থাকলে এবং সৎ বিশ্বাসে কাজ করে থাকলে, হস্তান্তরকারীর হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।

Section 41: Transfer by ostensible owner-
Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.
৫,৫৮৯.
ফৌজদারি মামলার FIR কোথায় করা হয়?
  1. পুলিশ স্টেশনে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে
  3. পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে
  4. দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এজাহারের (FIR) বিধান রয়েছে। এছাড়া পুলিশ প্রবিধানের (PRB) ২৪৩ বিধিতে FIR বর্ণিত রয়েছে। FIR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে First Information Report। আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা ১৫৪ ধারানুযায়ী বিপি ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় যা FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত।
- আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভবে কিংবা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা নির্ধারিত বইতে লিপিবদ্ধ করাকে FIR বা এজাহার বলে।
- অর্থাৎ ফৌজদারি মামলার FIR থানায় বা পুলিশ স্টেশনে করা হয়।
------------------------
- A First Information Report (FIR) is officially defined the first collection of information transmitted to the police concerning commission of a major offence.
- Generally victims or witnesses of a heinous crime open criminal proceedings against alleged criminals through filing of an FIR.
৫,৫৯০.
'ক' ব্যভিচারের উদ্দেশ্যে দিনের বেলা ঘর ভাঙ্গে এবং ঘরে প্রবেশ করে 'খ' এর সাথে ব্যভিচার সংঘটন করে।এক্ষেত্রে-
  1. একটি অভিযোগপত্রে এবং একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে
  2. আলাদা আলাদা অভিযোগপত্রে এবং একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে
  3. একটি অভিযোগপত্রে এবং একাধিক মামলায় বিচার করা যাবে
  4. একাধিক অভিযোগপত্রে এবং একাধিক মামলায় বিচার করা যাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৫(১) অনুসারে একাধিক অপরাধের বিচার (Trial for more than one offence) একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে-

পর পর সংঘটিত কতকগুলো কাজ পরস্পরের সাথে এরূপ সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কাজগুলো একটিমাত্র কাজের সামিল এবং একই ব্যক্তি যদি উক্ত ব্যাপারে একাধিক অপরাধ করে থাকে তাহলে এরূপ প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।
[If, in one series of acts so connected together as to form the same transaction, more offences than one are committed by the same he person, may be charged with, and tried at one trial for, every such offence]

• প্রশ্নে উল্লেখিত,'ক' ব্যভিচারের উদ্দেশ্যে দিনের আলোয় ঘর ভাঙ্গে এবং ঘরে প্রবেশ করে 'খ' এর সাথে ব্যভিচার সংঘটন করে।'ক' এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৫৪ ও ৪৯৭ ধারার অধীন অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যাবে এবং তাকে দণ্ডিত করা যাবে।
৫,৫৯১.
কোনটি প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য?
  1. দেখার বিষয় হইলে, যিনি দেখিয়াছেন।
  2. শুনার বিষয় হইলে, যিনি শুনিয়াছেন।
  3. উপলব্ধির বিষয় হইলে, যিনি উপলব্ধি করিয়াছেন।
  4. 'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত সবগুলি।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণঃ দলিলের বিষয় বস্তু ব্যতীত সকল তথ্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যাইতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে, 
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে। 

সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি অন্য কোন ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে সে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা বা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

সাক্ষ্যে উল্লিখিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত অথবা অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

তবে শর্ত এই যে, বিশেষজ্ঞের অভিমত পোষকতার কোন গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজাবে বিক্রিয় হয়, সেইক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর উহা প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাহাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন।

ইহা ছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলেই সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।

----------------
⇒ Proof of facts by oral evidence.
Section 59. All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৫,৫৯২.
পারিবারিক আদালত বিবাদীর উপস্থিতির জন্য অনধিক কত দিন সময় দিয়ে সমন প্রদান করবেন?
  1. ৩০
  2. ৪৫
  3. ৬০
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৭ ধারার বিধান সমন ও নোটিশ জারিকরণ:
 (১) পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিল করিবার পর আদালত নিম্নরূপ উদ্যোগ গ্রহণ করিবে, যথা:-
(ক) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য সাধারণভাবে অনধিক ৩০(ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্যকরণ;
(খ) বিবাদীর প্রতি নির্ধারিত তারিখে হাজির হইবার এবং জবাব প্রদানের জন্য সমন জারি;
(গ) বিবাদীর নিকট প্রাপ্তিস্বীকারপত্র সংবলিত রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মোকদ্দমার নোটিশ প্রেরণ; এবং
(ঘ) উপরিউক্ত দফা (খ) ও (গ) এর অধীন সমন জারি ও নোটিশ প্রেরণের পাশাপাশি আদালত, বাদী কর্তৃক খরচ বহন করিবার শর্তে, আরজিতে উল্লিখিত বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাদী কর্তৃক সরবরাহকৃত বিবাদীর ইমেইল ঠিকানায় সমন জারি করিবেন, তবে ইমেইল ঠিকানার সঠিকতা সম্পর্কে আদালত সন্তুষ্ট হইলে উক্তরূপে জারীকৃত সমন বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) উপধারা (১) এর অধীন জারীকৃত প্রত্যেকটি সমন এবং প্রেরিত নোটিশের সহিত আরজির নকল এবং ধারা ৬ এর উপধারা (৫) ও (৬) এ উল্লিখিত দলিলসমূহের তালিকার অনুলিপি সংযুক্ত করিতে হইবে।

(৩) উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন জারীকৃত সমন দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ নং আদেশের বিধি ৯(১), ৯(২), ৯(৪), ৯(৫), ৯এ, ১০, ১১, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯এ, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫(১), ২৬, ২৭, ২৮ এবং ২৯ এ বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করিতে হইবে এবং উক্তরূপে জারীকৃত সমন বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) উপধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রেরিত নোটিশ বিবাদীর উপর তখনই যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে যখন বিবাদী কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রাপ্তিস্বীকারপত্র আদালত কর্তৃক গৃহীত হয় অথবা আদালত নোটিশ বহনকারী ডাকটি ডাক কর্মচারীর এই মর্মে লিখিত মন্তব্যসহ ফেরত পান যে, নোটিশ বহনকারী ডাক বিবাদীকে প্রদানে যাচনা করিবার পর তিনি উহা গ্রহণে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিয়াছেন:

তবে শর্ত থাকে যে, নোটিশ যথাযথভাবে ঠিকানাযুক্ত অগ্রিম প্রদত্ত প্রাপ্তিস্বীকারপত্রসহ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে যথাযথভাবে প্রেরিত হইয়া থাকিলে নোটিশ ডাকে দেওয়ার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিন অতিবাহিত হইবার পর যদি প্রাপ্তিস্বীকারপত্রটি হারাইয়া যায় বা ভুল ঠিকানায় চলিয়া যায় বা অন্য কোনো কারণে উক্ত সময়ের মধ্যে আদালত কর্তৃক প্রাপ্ত না হয় তাহা হইলে বিবাদীর উপর উহা যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন জারীকৃত সমন প্রেরণ সংক্রান্ত খরচ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন সমন জারির খরচের ন্যায় হইবে এবং উপধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রেরিত নোটিশের ডাক খরচ আরজি দাখিলের সময় বাদী কর্তৃক প্রদেয় হইবে।
৫,৫৯৩.
খালাস এবং মৃত্যুদণ্ডাদেশ ব্যতীত অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্যকোনো আপীল এখতিয়ার সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে আপীল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০দিন
  3. ৬০দিন
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৫৪ অনুচ্ছেদ মতে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ মোতাবেক হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালতে আপিল করতে হবে দন্ডাদেশ বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে।
♦অর্থাৎ কোন দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়রা আদালতের নিকটা ৩০ দিনের মধ্যে, অন্যদিকে হাইকোর্ট বিভাগের নিকট ৬০ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হয়।
৫,৫৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ আদালত মামলা হস্তান্তরের আদেশ প্রদান করতে পারবেন?
  1. ৫২৫ক
  2. ৫২৬
  3. ৫২৬ক
  4. ৫২৬খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী মামলা এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারী আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারী মামলা বা আপীল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
-ফৌজদারী মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-
১. আপীল বিভাগের (ধারা-৫২৫ক)
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা-৫২৬)
৩. দায়রা জজের (ধারা-৫২৬খ)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬খ ধারার বিধান: মামলা হস্তাম্ভর করতে দায়রা জজের ক্ষমতা:
(১) যখন কোন দায়রা জজের দৃষ্টি গোচর করা হয় যে ন্যায় বিচারের জন্য এই ধারার অধীন আদেশ দান করা প্রয়োজন তখন তিনি তার দায়রা বিভাগধীন এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালত কোন নির্দিষ্ট মামলা হস্তান্তরের আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) অধস্তন কোন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে অথবা নিজের উদ্যোগে দায়রা জজ কাজ করতে পারবেন।
(৩) ৫২৬ ধারার (৪) হতে (১০) উপধারা (উভয় ধারা অন্তর্ভুক্ত) বিধান মতে দায়রা জজের নিকট আবেদন করার ব্যাপারে ৫২৬ ধারার (১) উপধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগের আবেদন করার পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে।
⇒ RULINGS: ন্যায় বিচারের স্বার্থে যুক্তিযুক্ত মনে করলে দায়রা জজ এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে কেস হস্তান্তর করতে পারেন। [8 BLD 340]
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: 526B. Power of Sessions Judge to transfer cases:
(1) Whenever it is made to appear to a Sessions Judge that an order under this section is expedient for the ends of justice, he may order that any particular case be transferred from one Criminal Court to another Criminal Court in his sessions division.
(2) The Sessions Judge may act either on the report of the lower Court, or on the Application of a party interested, or on his own initiative.
(3) The provisions of sub-sections (4) to (10) (both inclusive) of section 526 shall apply in relation to an application to the Sessions Judge for an order under sub-section (1) as they apply in relation to an application to the High Court Division for an order sub-section (1) of section 526.
৫,৫৯৫.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. পুলিশকে সহায়তা করা
  2. আদালতকে সাহায্য করা
  3. যেকোনো পক্ষের হয়ে সাক্ষ্য দেওয়া
  4. শুধুমাত্র বাদীপক্ষের স্বপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক (৪৫A) ধারা অনুযায়ী, একজন ফরেনসিক বা শারীরিক প্রমাণ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞের প্রধান দায়িত্ব হলো আদালতকে সহায়তা করা। তার প্রতিবেদন আদালতের উদ্দেশ্যে প্রণীত হবে, কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের জন্য নয়।
একজন বিশেষজ্ঞের উদ্দেশ্য নিরপেক্ষভাবে তথ্য ও বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা, যাতে আদালত সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে। তিনি কোনো পক্ষের হয়ে স্বার্থান্বেষী সাক্ষ্য দিতে পারবেন না। এজন্য, তার প্রতিবেদন মামলার সকল পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৫,৫৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কার নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. দায়রা আদলত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. এটর্নী জেনারেল
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
৫,৫৯৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ-
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়নি।
- তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১২০ বলা হয়েছে তামাদির মেয়াদ সম্পর্কে এই তফসিলে কোন বিধান নাই সেই মামলার তামাদির মেয়াদ ৬ বছর - মামলা করার অধিকার যখন উদ্ভাব হয় তখন থেকে।

⇒ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বৎসর।
৫,৫৯৮.
পেশাগত আচরণ এবং শিষ্টাচারের বিধি অনুযায়ী 'মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব' কোন কর্তব্যের অন্তর্গত?
  1. মক্কেলদের প্রতি কর্তব্য
  2. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  3. জনসাধারণের প্রতি কর্তব্য
  4. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি কর্তব্য
ব্যাখ্যা
পেশাগত আচরণ এবং শিষ্টাচারের বিধি অনুযায়ী, "মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব" আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের অন্তর্গত। এর মাধ্যমে আইনজীবী আদালতের মর্যাদা রক্ষা ও বিচার প্রক্রিয়ায় সঠিক ভূমিকা পালন করতে দায়িত্ববান হন।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:
১. মর্যাদা ও সুরক্ষা: - আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।
- বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
২. সাক্ষীর পরিচয়: - মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।
৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুতি: - বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।
- বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
৪. বিচারকের সাথে আচরণ: - বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব: - আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব।
- সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।
৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা: - বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়।
- মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।
৭. বিচারক নিয়োগ: - রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।
- বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।
৮. মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি: - আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।
- উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।
৯. মতামত প্রদান: - নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়।
- প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।
৫,৫৯৯.
মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ব্যতিরেকেই উক্ত দণ্ডকে সরকার
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রুপান্তর করতে পারে
  2. যেকোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
  3. ২০ বৎসর কারাদণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
  4. মৃত্যুদণ্ড মওকূফ করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৫৪ ধারায় সরকারকে মৃত্যুদণ্ড মওকূফ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়নি বরং মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে অন্যকোন দণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যেমন মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাবাস দিতে পারে।
৫,৬০০.
আদালতের হেফাজতে রক্ষতি অপরাধ সংক্রান্ত কোনো সম্পতি ফেরৎ পাওয়ার জন্য আদালতে কী দাখিল করা আবশ্যক?
  1. জামানত
  2. মুচলেকা
  3. চুক্তিপত্র
  4. নিশ্চয়তাপত্র
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারাঃ ৫১৭ মতেঃ (১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন অনুসন্ধান বা বিচার সমাপ্ত হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ করা হয়েছেবা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, তা ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ আদেশ দিতে পারবেন।

(২) যখন হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ প্রদান করেন এবং সুবধিাজনকভাবে নিজস্ব অফিসারের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত আদেশ কার্যকর করবেন।

(৩) এই ধারার অধীন আদেশ দেয়া হলে তা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং

(৪) উপধারায় বর্ণিত বিধান মতে না হলে একমাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না। অথবা যে ক্ষেত্রে আপীল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপলের নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।

৫) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তির দখলের অধিকারী বলে দাবী করে সেই ব্যক্তি যদি আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে জামিনদারসহ বা ব্যতিত এই মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে। তাহলে এই ধারার কোন বিধান (১) উপধারা অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি প্রদানের ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে বলে মনে করা যাবে না।ব্যাখ্যাঃ যেক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, সেক্ষেত্রে এই ধারার অধীন সম্পত্তি বলতে সেই সম্পত্তিই বুঝায় না যা মূলতঃ কোন পক্ষের দখলে বা নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। বরং উক্ত সম্পত্তি যাতে রূপান্তরিত বা বিনিময়ের ফলে সঙ্গে সঙ্গে বা অন্য কোনভাবে যা সংগৃহিত হয়েছে তাও বুঝায়।