ব্যাখ্যা
-------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article 28. No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex.
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৫৬ / ১৫৫ · ৫,৫০১–৫,৬০০ / ১৫,৪৭০
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২)- আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সঙ্গতঃ বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যর ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিস্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।
⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ধারা ৯(১) বা ধারা ২০ এর অধীনে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যায়। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিষয়ে উল্লেখ করে।
- সুতরাং, ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনারের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949-Section 85A. Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.
The Negotiable Instruments Act, 1881: ধারা ১৪১:
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;
(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;
(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।
⇒ বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুযায়ী, ধারা ৪৪২ক (Section 442A) এ "Time for disposal of appeals and revisions" সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision:
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে। উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারার প্রদত্ত অংশে (শর্ত থাকে যে) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করতে পারবেন।"
- এটি আদালতের বিবেচনাভিত্তিক ক্ষমতা (discretionary power), যেখানে পক্ষের আবেদন বা দাবি নয়, বরং আদালতের নিজস্ব সন্তুষ্টিই একমাত্র মানদণ্ড। অন্য বিকল্পগুলো এই ধারার বিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারার বিধান:
-কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা অ্যাডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে না:
শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯(২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 440: Optional with Court to hear parties:
- No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision:
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার অধীনে মানহানির ব্যতিক্রমগুলোর মধ্যে অষ্টম ব্যতিক্রমে বলা হয়েছে যে, কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে (যেমন: পুলিশ) সৎ বিশ্বাসে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করা মানহানি হিসেবে গণ্য হবে না। অন্য বিকল্পগুলো মানহানির সংজ্ঞার আওতায় পড়ে, কারণ সেগুলো সৎ বিশ্বাসে বা জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে করা হয় না।
⇒ মানহানির সংজ্ঞা-
১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারামতে, কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য কথা বা চিহ্ন বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সেই ব্যক্তি-সম্পর্কিত কোনো নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করেন, তবে সেটি মানহানি হয়েছে বলে পরিগণিত হবে। উদ্দিষ্ট ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে জেনে বা সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, যদিও কেউ নিন্দাবাদ প্রণয়ন ও প্রকাশ করেন তাহলেও সেটি মানহানি বলে গণ্য হবে।
⇒ মানহানির শাস্তি-
দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির মানহানি করে, তবে ওই ব্যক্তি দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদে বিনা শ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।’
- তাছাড়া ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’-এর ২৯ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তাহলে ওই ব্যক্তির এমন কর্মকাণ্ড হবে একটি অপরাধ। এর জন্য তিনি অনধিক ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ আইনে মানহানির মামলায় কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়নি।
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় কোন কাজগুলো মানহানি হবে সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এই ধারায় ১০টি ব্যতিক্রমের কথাও বলা হয়েছে। অর্থাৎ এই ব্যতিক্রমগুলো আইন অনুযায়ী মানহানি বলে গণ্য হবে না:
১. জনগণের কল্যাণে কারও প্রতি সত্য দোষারোপ করলে;
২. সরকারি কর্মচারীর সরকারি আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করলে;
৩. সরকারি বিষয়-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে কোনো ব্যক্তির আচরণ নিয়ে মতপ্রকাশ করলে;
৪. আদালতের কার্যবিবরণী প্রতিবেদন প্রকাশ করা মানহানির অন্তর্ভুক্ত হবে না;
৫. যেকোনো জনসমস্যা সম্পর্কে ও কোনো ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা;
৬. আদালতে সিদ্ধান্তকৃত মামলার দোষ, গুণ বা সাক্ষীদের সম্পর্কে বা অন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে অভিমত দেওয়া;
৭. গণ-অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানাদি সম্পর্কে কোনো মতামত দেওয়া;
৮. কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে সৎ বিশ্বাসে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করা হলে সেটিও মানহানি হবে না। যেমন: পুলিশের কাছে কারও ব্যাপারে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ দেওয়া;
৯. কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তার বা অন্য কারও স্বার্থ রক্ষার্থে দোষারোপ করা;
১০. জনকল্যাণের স্বার্থে সতর্ক করার উদ্দেশ্যে কারও সম্পর্কে কিছু বলা হলে।
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৯(১) অনুযায়ী, কমিশনকে প্রতি পঞ্জিকা বছরের মার্চ মাসের মধ্যে পূর্ববর্তী বছরে সম্পাদিত কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে। এই প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতি পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করেন (ধারা ২৯(২))।
সুতরাং, কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশের সময়সীমা হলো মার্চ মাসের মধ্যে।
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৯-বার্ষিক প্রতিবেদন:
(১) প্রতি পঞ্জিকা বত্সরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বত্সরে সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে৷
(২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন৷
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যা: কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
- স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকৃতি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
- সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।
সঠিক উত্তর: হাইকোর্ট বিভাগ।
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ
রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।
(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারার বিধান- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে:
-যদি কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনী সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনী সামবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section-149. Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object:
- If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ (Section 89C) আপিল আদালতে মধ্যস্থতার (mediation in appeal) বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আদেশ ৪১ এর অধীন কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হয় এবং তা মূল পক্ষগণ বা তাদের স্থলাভিষিক্তদের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা অন্য কারো মাধ্যমে মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে।
অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৮৯গ (Section 89C) ধারায় আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী মাদকদ্রব্যগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে: 'ক', 'খ', এবং 'গ'। প্রতিটি শ্রেণির মাদকদ্রব্যের সংজ্ঞা এবং অন্তর্ভুক্ত পদার্থগুলো সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত।
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী, 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো গাঁজা গাছ, ভাং গাছ, তাদের শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল, এবং এগুলোর সাথে প্রস্তুতকৃত নেশা বা আসক্তি সৃষ্টিকারী পদার্থ।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে:
ক) কোকা গাছ ও কোকা পাতা: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ: এটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
গ) অপিয়াম পপি গাছের বীজ: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
ঘ) তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি: এটি 'গ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ।
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 410: Stolen property:
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
আদেশ ১২ বিধি ২: দলিল স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে পারে, যাতে বলা হয় যে, তারা পনেরো দিনের মধ্যে কোনো দলিল স্বীকার করবে, তবে উপযুক্ত ব্যতিক্রম ছাড়া। যদি অন্য পক্ষ তা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বা অবহেলা করে, তবে দলিল প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যেহেতু তারা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবে আদালত যদি অন্যভাবে নির্দেশ না দেয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪০, বিধি ১ (Order XL, Rule 1)-এ রিসিভার (Receiver) নিয়োগের বিধান রয়েছে।
- দেওয়ানি কার্যবিধিতে আদেশ ৪০ বিধি ১ মতে আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপর্দ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্রহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে আদেশ ৪০ বিধি ২ অনুযায়ী আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কাজের জন্য পারিশ্রমিক ধার্য করতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-40 Rule-1. Appointments of receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order−
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property;
(c) commit the same to the possession, custody or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬ এ সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার এর বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যে কোনো আইনি প্রশ্ন জনগুরুত্বপূর্ণ, তাহলে তিনি সেই প্রশ্নটি সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করতে পারেন। আপীল বিভাগ শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে তার মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬- সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫-এ সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ করে উকিলের মাধ্যমে হাজিরার অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা বর্ণিত আছে।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ধারা ২০৫(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট যখন সমন জারি করেন, তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ করে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন (Magistrate may dispense with personal attendance of accused)-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতঃপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 205. Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader.
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
Section 5- Revocation of proposals and acceptances:
A proposal may be revoked at any time before the communication of its acceptance is complete as against the proposer, but not afterwards.
An acceptance may be revoked at any time before the communication of the acceptance is complete as against the acceptor, but not afterwards.
ধারা ৫- প্রস্তাব এবং গ্রহণের প্রত্যাহার:
একটি প্রস্তাব তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর গ্রহণকারীকে প্রস্তাবের গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না। একইভাবে, একটি গ্রহণ তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর প্রস্তাবককে গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর ধারা ৮৮ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিধান বর্ণনা করে। এই ধারা অনুসারে, যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই সম্পত্তি বা অর্থের উপর মালিকানার দাবি করেন এবং যিনি এই দাবির সম্মুখীন হন (বাদী) তার মোকদ্দমার খরচ ছাড়া উক্ত সম্পত্তি বা অর্থের উপর কোনো স্বার্থ না থাকে, তবে তিনি ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন। এই মোকদ্দমার উদ্দেশ্য হলো আদালতের মাধ্যমে নির্ধারণ করা যে সম্পত্তি বা অর্থ কার কাছে অর্পণ করতে হবে এবং বাদীর ক্ষতিপূরণ (যদি থাকে) আদায় করা।
- ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে বাদী নিরপেক্ষ থাকেন এবং বিবাদীদের দাবি সম্পর্কে কোনো পক্ষপাতিত্ব বা ষড়যন্ত্রে জড়ান না। এই ধারা নিশ্চিত করে যে বাদী কেবল আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি পান এবং কোনো পক্ষের সাথে যোগসাজসে জড়ান না।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৮ ধারায় স্বার্থ বিহীন মামলার বিধান আছে।
⇒ এছাড়াও ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিস্তারিত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার ৩৫-এ বর্ণিত আছে। এই অর্ডারে বলা হয়েছে যে এই ধরনের মোকদ্দমায় কমপক্ষে দুইজন বিবাদী থাকতে হবে, এবং আরজিতে বাদীর নিরপেক্ষতা, বিবাদীদের পৃথক দাবি এবং কোনো ষড়যন্ত্রের অভাব উল্লেখ করতে হবে।
- আদেশ ৩৫ বিধি-১: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আরজি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।
- আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
⇒ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ২৩ অনুসারে, দলিল দাখিলকরণের সময়সীমা (যেমন উইল ব্যতীত দলিলের ৩ মাসের মেয়াদ) ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬-এর বিধানাবলি সাপেক্ষে নির্ধারিত।
⇒ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ২৩: দলিল দাখিলকরণের সময়:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬ এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি উহা সম্পাদনের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিল করা না হয়, তাহা হইলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি বা আদেশের নকল, ডিক্রি বা আদেশ দানের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে, বা, যেক্ষেত্রে উহা আপিলযোগ্য, সেইক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
--------
⇒ Section 23. Time for presenting documents:
Subject to the provisions contained in sections 24, 25 and 26, no document other than a will shall be accepted for registration unless presented for that purpose to the proper officer within three months from the date of its execution:
Provided that a copy of a decree or order may be presented within three months from the day on which the decree or order was made, or, where it is appealable, within three months from the day on which it becomes final.
সাক্ষ্য আইন, ধারা ৩৩ অনুযায়ী যদি কোনো সাক্ষী পূর্বে কোনো বিচারিক কার্যধারায় বা আইনের দ্বারা স্বীকৃত কোনো ব্যক্তির সামনে সাক্ষ্য প্রদান করে থাকেন, তবে সেই সাক্ষ্য পরবর্তী বিচারিক কার্যধারায় বা একই বিচারিক কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে প্রাসঙ্গিক হবে, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলোর যেকোনো একটি প্রযোজ্য হয়-
- যখন সাক্ষী মৃত্যুবরণ করে,
- যখন সাক্ষীকে খুঁজে পাওয়া না যায়,
- যখন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদানে অসমর্থ হয়ে পড়ে,
- যখন প্রতিপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়া থেকে বিরত রেখেছে,
- সাক্ষীকে হাজির করতে এত বিলম্ব বা খরচ হবে, যা আদালতের দৃষ্টিতে অযৌক্তিক।
ধারা ৩৩: কোনো সাক্ষ্যে প্রদত্ত বিবৃতির সত্যতা পরবর্তী মোকদ্দমায় প্রমাণের জন্য উক্ত সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা: কোনো সাক্ষী কোনো মোকদ্দমার বিচারে বা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো লোকের নিকট যে সাক্ষ্য দেওয়া তাহা, ঐ সাক্ষীর মৃত্যু হইলে, সন্ধান পাওয়া না গেলে, সে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হইয়া পড়িলে, বিরুদ্ধে পক্ষ তাহাকে মোকদ্দমার অবস্থা বিবেচনায় আদালত তাহা অযৌক্তিক বলিয়া মনে করিলে, ঐ সাক্ষীর পূর্বোক্ত সাক্ষ্যে বর্ণিত কোনো ঘটনার সত্যতা পরবর্তীতে কোনো মোকদ্দমায় বা একই মোকদ্দমার পরবর্তী পর্যায়ে প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক হইবে:
যদি-
পরবর্তী মোকদ্দমা একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে কিংবা তাহাদের স্বার্থসংশিষ্ট প্রতিনিধিদের মধ্যে হয়;
প্রথমোক্ত মোকদ্দমায় সাক্ষীদের যদি বিরুদ্ধ পক্ষ জেরা করিবার অধিকার ও সুযোগ লাভ করিয়া থাকে,
শেষোক্ত মোকদ্দমার বিচার্য প্রশ্ন যদি মোটামুটিভাবে প্রথমোক্ত মোকদ্দমার বিচার্য প্রশ্নের অনুরূপ হয়।
ব্যাখ্যা: কোনো ফৌজদারি মোকদ্দমার বিচার বা তদন্ত এই ধারার অর্থ অনুযায়ী আসামি ও বাদীর মধ্যে মোকদ্দমা বলিয়া বিবেচিত হইবে।
---------------------------
The Evidence Act 1872,Section 33,,Relevancy of certain evidence for proving, in subsequent proceeding, the truth of facts therein stated: Evidence given by a witness in a judicial proceeding, or before any person authorized by law to take it, is relevant for the purpose of proving, in a subsequent judicial proceeding, or in a later stage of the same judicial proceeding, the truth of the facts which it states, when the witness is dead or cannot be found, or is incapable of giving evidence, or is kept out of the way by the adverse party, or if his presence cannot be obtained without an amount of delay or expense which, under the circumstances of the case, the Court considers unreasonable:
Provided-
that the proceeding was between the same parties or their representatives in interest;
that the adverse party in the first proceeding had the right and opportunity to cross-examine;
that the questions in issue were substantially the same in the first as in the second proceeding.
Explanation.-A criminal trial or inquiry shall be deemed to be a proceeding between the prosecutor and the accused within the meaning of this section.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৯: অভিযুক্ত ও জামিনদাতার বন্ড:
(১) কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার আগে বা নিজের বন্ডে মুক্তি দেওয়ার আগে, পুলিশের কর্মকর্তা বা আদালত যথাযথ মনে করলে নির্দিষ্ট অর্থের একটি বন্ড পূরণ করতে হবে। যখন ব্যক্তি জামিনে মুক্তি পায়, তখন এক বা একাধিক যথেষ্ট যোগ্য জামিনদাতার মাধ্যমে বন্ড সম্পাদিত হবে। এই বন্ডে শর্ত থাকবে যে অভিযুক্ত নির্ধারিত সময় ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ বা আদালতের নির্দেশ না থাকা পর্যন্ত নিয়মিত হাজিরা চালিয়ে যাবে।
(২) প্রয়োজন হলে, বন্ডে আরো শর্ত থাকবে যে, জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তি হাইকোর্ট ডিভিশন, সেশন আদালত বা অন্য কোনো আদালতের ডাকে হাজির হবে এবং অভিযোগের উত্তর দেবে।
(৩) এই বন্ড অভিযুক্ত নিজে, তার আইনজীবীর মাধ্যমে, বা আদালতের অনুমোদিত অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে আদালতে জমা দিতে পারবে। তবে জামিনদাতাদের পরিচয় ও যোগ্যতা জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্য যথাযথ উপায়ে যাচাই করা আবশ্যক।
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ২(৩) অনুসারে "কালেক্টর" বলতে নিম্নোক্ত তিন প্রকার কর্মকর্তাকে বোঝায়:
১. জেলার কালেক্টর
২. ডেপুটি কমিশনার
৩. এই আইনের অধীনে কালেক্টরের সকল বা যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অন্যান্য কর্মকর্তা।
- কিন্তু সার্কেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্ড অফিসার এই আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে "কালেক্টর" হিসেবে গণ্য হবেন না।
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(৩) ধারায় কালেক্টরের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কালেক্টর বলতে জেলার কালেক্টর এবং ডেপুটি কমিশনার এবং এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কেন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত হবে।
সুতরাং, কালেক্টর বলতে-
i. জেলার কালেক্টর; এবং
ii. ডেপুটি কমিশনার; এবং
III. এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা; অন্তর্ভুক্ত হবে।