বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৫২ / ১৫৫ · ৫,১০১৫,২০০ / ১৫,৪৭০

৫,১০১.
দণ্ডবিধির ৩৭ ধারার অধীনে কোন বিধানটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র প্রধান অপরাধীই দায়ী হবে
  2. যিনি অপরাধে অংশগ্রহণ করেননি তিনি দায়ী হবেন না
  3. অপরাধে সহযোগীতাকারী ব্যক্তিও দায়ী হবে
  4. শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা- যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা:

যখন কতিপয় কার্যের মাধ্যমে অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, তখন কেউ কতিপয় কাজের মধ্যে একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা করলে উক্ত সহযোগীতাকারী ব্যক্তি অন্য অপরাধীদের সাথে যৌথভাবে সমান দায়ী হবে। অর্থাৎ, একই অভিপ্রায় বিদ্যমান না থাকলেও একজন অপরাধীর কাজ যদি অপর অপরাধীর কাজের সহায়ক বা সমর্থনমূলক হয়, তাহলে উভয়ই দায়ী হবে।
[When an offence is committed by means of several acts, whoever intentionally co-operates in the commission of that offence by doing any one of those acts, either singly or jointly with any other person, commits that offence.]

যেমন- ক ও খ পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে ফ-কে খুন করার জন্য একমত হয়। ক ও খ, ফ- কে খুন করার উদ্দেশ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। ফ-এর প্রতি অনুরূপভাবে প্রযুক্ত কতিপয় মাত্রা বিষ প্রয়োগের ফলে ফ-এর মৃত্যু হয়। এখানে ক ও খ ইচ্ছাপূর্বকভাবে খুন সংঘটনে সহযোগিতা করে এবং তারা প্রত্যেকেই এইরূপ একটি কার্য সম্পাদন করে যা দ্বারা মৃত্যু সংঘটিত হয়। সুতরাং যদিও ক ও খ এর কার্যসমূহ স্বতন্ত্র তবুও উভয়েই ফ-কে খুনের অপরাধে দায়ী।
৫,১০২.
অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হবার অযোগ্য হবে-
  1. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
  3. প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি
  4. পক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত নন এমন একজন আইনজীবী
ব্যাখ্যা
অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হবার অযোগ্য হবে।

• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা
১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে
২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে

• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। অন্যদিকে আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে।
অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।
আবার ৩৮ ধারা অনুসারে জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়। অন্যদিকে ৪৪ক ধারায় আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।

ধারা ২২ এর অধীন মধ্যস্থতার কিছু সাধারন নিয়ম-

⇒ অর্থ ঋণ আদালতে আইনের অধীন দায়েরকৃত মামলায় বিবাদী কর্তৃক লিখিত জবাব দাখিলের পর, আদালত মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে, মামলাটি নিযুক্ত আইনজীবীগণ কিংবা আইনজীবী নিযুক্ত না হয়ে থাকলে পক্ষগণের নিকট প্রেরণ করবে।

⇒ মামলায় নিযুক্ত আইনজীবীগণ মামলার পক্ষগণের সাথে পরামর্শক্রমে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নিম্নলিখিত যেকোন একজনকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিতে পারে-

ক. কোন পক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত নন এমন একজন আইনজীবীকে, বা
খ. কোন অবসরপ্রাপ্ত বিচারককে, বা
গ. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে, অথবা
ঘ. অন্য যে কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে
তবে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি এই ধারার অধীন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হবার অযোগ্য হবে।
৫,১০৩.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন কোন কর্তৃপক্ষ ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. সরকার
  3. রাজস্ব বোর্ড
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ১৪৫গ: ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি বিলুপ্ত করার ক্ষমতা:
সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা যে কোনো সময় ধারা ১৪৫ক এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল এবং ধারা ১৪৫খ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারবে এবং বিলুপ্তকরণের সময় সরকার একই প্রজ্ঞাপনে উক্ত ট্রাইব্যুনালসমূহে বিলুপ্তকালের সময়ে মুলতুবি থাকা মামলা, আপিল ও অন্যান্য কার্যক্রম কোন আদালতে স্থানান্তরিত ও নিষ্পত্তি করা হবে তা নির্দিষ্ট করবে।

৫,১০৪.
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে কার অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে?
  1. বাদীর
  2. বিবাদীর
  3. উভয়ের
  4. ৩য় কোনো পক্ষের
ব্যাখ্যা
কোন সম্পত্তিতে দখল লাভের জন্য মামলা করার বিষয়ে এই আইনে যে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে, তা অতিবাহিত হবার পর উক্ত সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

• তামাদি আইনে ২৬-২৮ ধারায় মালিকানা অর্জনের ২টি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে-
১) সুখাধিকার (Easement) 
২) প্রেসক্রিপশন (Law of Prescription)

• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮ (সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি)-
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৫,১০৫.
'All fees for the registration of documents under this Act shall payable on the presentation of such documents.'- কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৭৫
  2. ধারা ৮০
  3. ধারা ৮৫
  4. ধারা ৯০
ব্যাখ্যা
Section 80- Fees payable on presentation:
All fees for the registration of documents under this Act shall payable on the presentation of such documents.

ধারা ৮০- দলিল দাখিলের সময় ফিস প্রদেয়:
এই আইনের অধীন দলিল নিবন্ধনের সকল ফিস দলিল দাখিলের সময় প্রদেয়।
৫,১০৬.
অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য একজন প্রার্থী কত নম্বরের ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে?
  1. ১০০
  2. ৫০
  3. ২৫
  4. ২০০
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules-60B. Every applicant who has qualified in the written examination under these rules shall appear at a viva-voce examination held under the direction and supervision of the Enrolment Committee of the Bar Council. The viva- voce examination shall be of 50 marks.

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules-60C. A candidate for enrolment as Advocate shall have to obtain at least 50 marks in written examination and 25 marks in viva-voce examination.
৫,১০৭.
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় কয়টি অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে,
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

এই ধারায় মূলত ৩টি ভিন্ন ভিন্ন কার্যকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে:
১. যুদ্ধ ঘোষণা করা (Waging war);
২. যুদ্ধ ঘোষণার চেষ্টা করা (Attempting to wage war);
3. যুদ্ধ ঘোষণা করতে সহায়তা করা বা প্ররোচিত করা (Abetting the waging of war)।
৫,১০৮.
Section 16 of The Specific Relief Act,1877 states provisions regarding specific performance of ________ part of contract.
  1. small
  2. large
  3. important
  4. independent
ব্যাখ্যা
• Section 16- Specific performance of independent part of contract:
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে,
কোনো চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
৫,১০৯.
অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রয়ের কথা শোনা মাত্রই যে দাবী প্রকাশ করা হয় তা হলো-
  1. তলব-ই-খুশমাত
  2. তলব-ই-তমলিক
  3. তলব-ই-ইসাদ
  4. তলব-ই-মুয়াসিবাত
ব্যাখ্যা
⇒  First demand: Immediate demand (Talab-i-mowasibat):
⇒ Talab-i-mowasibat শব্দের অর্থ The demand of jumping বা লাফ প্রদান করে দাবি।
-অর্থাৎ বিক্রয়ের কথা শুনার সাথে সাথে তার ক্রয়ের ইচ্ছা বিক্রেতাকে জানাতে হবে।
-এরূপ দাবি করার সময় কোনো সাক্ষীর দরকার নেই।
৫,১১০.
মুসলিম আইনে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে কখনো বঞ্চিত হয় না-
  1. স্ত্রী
  2. কন্যা
  3. পিতা
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনে সম্পদ বণ্টন একমাত্র মৃত্যুর পরেই কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারীগণের অধিকার সৃষ্টি হয়, মৃত্যুর পূর্বে নয়। একজন সুন্নি মুসলমানের বৈধ ওয়ারিশগন মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:
১) প্রধান শ্রেণি (Principal Hairs);
২) অপ্রধান শ্রেণি (Secondary Hairs)।

⇒ প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নিম্নে বর্ণিত ব্যক্তিরা কখনো উত্তরাধিকার বঞ্চিত হয় না:
১/ স্বামী;
২/ স্ত্রী;
৩/ পিতা;
৪/ মাতা;
৫/ পুত্র ও
৬/ কন্যা।
৫,১১১.
হিন্দু আইন অনুসারে নিচের কোনটি প্রাচীনতম ও সর্বাধিক প্রভাবশালী স্মৃতি?
  1. মনুস্মৃতি
  2. নারদ স্মৃতি
  3. পরাশর স্মৃতি
  4. যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি
ব্যাখ্যা

⇒ স্মৃতি হলো হিন্দু আইনের দ্বিতীয় প্রধান উৎস (শ্রুতির পরে), যা মূলত মানবজাতির ঐশ্বরিক নির্দেশাবলীর প্রতিফলন।
- হিন্দু আইন অনুসারে, বিভিন্ন স্মৃতি শাস্ত্র বিদ্যমান, যেমন: মনুস্মৃতি, নারদ স্মৃতি, পরাশর স্মৃতি, যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি। 

মনুস্মৃতি:
- প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী স্মৃতি হিসেবে বিবেচিত।
- সমাজ, ধর্ম, আইন ও নৈতিকতার বিভিন্ন নিয়ম এতে সংকলিত।
- এটি হিন্দু সমাজে আইনি, সামাজিক ও পারিবারিক আচরণের মূল নির্দেশিকা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- অন্যান্য স্মৃতিগুলোও গুরুত্বপূর্ণ, তবে মানুষের জীবন ও পারিবারিক আইন সম্পর্কিত বিধানগুলোতে মনুস্মৃতি সর্বাধিক প্রভাবশালী।
- অর্থাৎ মনুস্মৃতি হিন্দু আইনের প্রাচীনতম ও সর্বাধিক প্রভাবশালী স্মৃতি শাস্ত্র।

৫,১১২.
একজন বিকৃত মস্তিষ্কের ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ থেকে নিয়ে গেলে দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে অপরাধ সংঘটিত হবে?
  1. ধারা ৩৫৯
  2. ধারা ৩৬০
  3. ধারা ৩৬১
  4. ধারা ৩৬২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, কোনো ব্যক্তি যদি "বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে" তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ থেকে নিয়ে যায়, তবে তা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব থেকে মনুষ্যহরণ বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

৫,১১৩.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমান হলো-
  1. ঘটনা সম্পর্কিত অনুমান
  2. অখণ্ডননযোগ্য আইনগত অনুমান
  3. খণ্ডনযোগ্য আইনগত অনুমান
  4. আইন ও ঘটনার মিশ্র অনুমান
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারার অনুমান হলো চূড়ান্ত প্রমাণ। ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমান চূড়ান্ত প্রমাণ হলেও এটা খণ্ডনযোগ্য আইনসম্পর্কিত অনুমান। যেমন কোন সন্তানের পিতা ও মাতার মধ্যে বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন সময়ে উক্ত সন্তান জন্মগ্রহণ করে থাকলে ১১২ ধারার অধীন আইনসম্পর্কিত অনুমান হলো উক্ত সন্তানটি বৈধ এবং এই অনুমান হলো চূড়ান্ত প্রমাণ কিন্তু খণ্ডনযোগ্য।
৫,১১৪.
বাংলাদেশ হইতে মনুষ্য হরণকৃত ব্যক্তির বয়সসীমা কত?
  1. পুরুষ ও নারী উভয় ১৮ বছর
  2. পুরুষ ১৪ বছর এবং নারী ১৬ বছর
  3. পুরুষ ২১ বছর এবং নারী ১৮ বছর
  4. কোন বয়স সীমা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারার বিধান  মনুষ্যহরণ:- মনুষ্যহরণ দুই প্রকারের:- বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণ এবং আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ Section 359. Kidnapping:-Kidnapping is of two kinds; kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান  বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ অর্থাৎ বাংলাদেশ হইতে মনুষ্য হরণকৃত ব্যক্তির কোন বয়স সীমা নেই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------------
⇒ Section 360. Kidnapping from Bangladesh:-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.

Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৫,১১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ ৩৯, বিধি ৭ কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. মোকদ্দমার ফি নির্ধারণ
  2. মোকদ্দমার বিষয়বস্তু আটক
  3. মোকদ্দমার ডিক্রি বাস্তবায়ন
  4. মোকদ্দমায় নিষেধাজ্ঞা জারি
ব্যাখ্যা

• আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি :
১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত-
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।

৫,১১৬.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে সরকারি ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড কী ধরনের দলিল?
  1. গোপন দলিল
  2. সরকারি দলিল
  3. অস্থায়ী দলিল
  4. ব্যক্তিগত দলিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪(১)(ii) অনুসারে, সরকারি ট্রাইব্যুনালের (official bodies and tribunals) কার্যাবলির রেকর্ড সরকারি দলিল (public documents) হিসেবে গণ্য হয়। এই দলিলগুলো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা বা অফিসিয়াল বডিজের অ্যাক্টস বা রেকর্ডসের অংশ, যা প্রমাণ হিসেবে সহজে গ্রহণযোগ্য এবং সেকেন্ডারি এভিডেন্সের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

৫,১১৭.
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যক্তি ও তার আইনজীবীর মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
  2. ব্যক্তি ও তার আইন উপদেষ্টার মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
  3. ব্যক্তি ও তার স্বামী/স্ত্রীর মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
  4. ব্যক্তি ও তদন্তকারী কর্মকর্তার মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:
কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সে ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান-প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।

Section 129: Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.
৫,১১৮.
'ক' এর ২ শতক জমি মাগুরায় ও ১ শতক জমি যশোরে অবস্থিত। উক্ত ৩ শতক জমির মালিকানা বিষয়ে 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে যশোর সহকারি জজ আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে, 'খ' উক্ত মোকদ্দমা মাগুরা সহকারি জজ আদালতে স্থানান্তর করতে চায়। এক্ষেত্রে 'খ' আবেদন করবে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. মাগুরা জেলা জজ আদালতে
  3. যশোর জেলা জজ আদালতে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয়, তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

Sec.-23: To what Court application lies-
1) Where the several Courts having jurisdiction are subordinate to the same Appellate Court, an application under section 22 shall be made to the Appellate Court.
2) Where such Courts are subordinate to different Appellate Courts the application shall be made to the High Court Division.

প্রশ্নে উল্লিখিত যশোর সহকারি জজ আদালতের আপিল আদালত হবে যশোর জেলা জজ আদালত এবং মাগুরা সহকারি জজ আদালতের আপিল আদালত হচ্ছে মাগুরা জেলা জজ আদালত। আদালতসমূহ ভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীন বিধায় হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থানান্তরের আবেদন পেশ করতে হবে।
৫,১১৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় চোরদের দলে থাকার সাজার বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৪০০ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৪০১ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৪০২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০১ ধারার বিধান: চোরদের দলে থাকার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরবর্তী কোন সময়ে এমন কোন ভ্রাম্যমান বা অপর কোনরূপ দলে থাকে, যে দলের ব্যক্তিরা বরাবর চুরি বা দস্যুতা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে পরস্পর সংঘবদ্ধ এবং যদি উহা ঠগদের বা ডাকাতদের দল না হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ Section 401. Punishment for belonging to gang of thieves:- Whoever, at any time after the passing of this Act, shall belong to any wandering or other gang of person, associated for the purpose of habitually committing theft or robbery, and not being a gang of thugs or dacoits, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
৫,১২০.
'ক' একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ বাবদ ৫০০ টাকার জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করে। ‘খ, 'ক'-এর বিরুদ্ধে তার পূর্বেই ৫০০ টাকার ডিক্রি লাভ করেছিল। এখানে কে,কার বিরুদ্ধে সেট অফ দাবি করতে পারবে?
  1. 'খ','ক' এর বিরুদ্ধে
  2. 'ক','খ' এর বিরুদ্ধে
  3. পারস্পরিক অপরিশোধযোগ্য
  4. আদালত উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার হলে সেই মোকদ্দমায় সেট-অফের দাবি যাবে।এক্ষেত্রে বিবাদী,বাদীর বিরুদ্ধে সেট অফ দাবি করতে পারে। উল্লেখিত প্রশ্নে 'ক' বাদী এবং 'খ' বিবাদী। এক্ষেত্রে 'খ','ক' এর বিরুদ্ধে সেট অফ দাবি করতে পারবে

• অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী, কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়। প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পর Set off এর দাবি করা যায়।

• কোন দেওয়ানী মামলায় বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায়, তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-

i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে;

ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে;

iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না;

iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না; 

v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
৫,১২১.
কোনো ব্যক্তি যদি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হন, তাহলে তার তদন্ত সম্পন্ন করতে কত কার্যদিবস সময়সীমা নির্ধারিত?
  1. ২০ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৪৫ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্তের সময়সীমা সম্পর্কিত ধারা ৩১, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর অধীনে নিম্নলিখিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য:

১. তদন্তের সময়সীমা-
হাতেনাতে ধৃত হলে: অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হন, তবে তার ধৃত হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।
হাতেনাতে ধৃত না হলে: অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি হাতেনাতে ধৃত না হন, তবে প্রাথমিক তথ্যপ্রাপ্তির তারিখ থেকে পরবর্তী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।
গ্রেফতার ও পলাতক: যদি একই মামলায় গ্রেফতার ও পলাতক ব্যক্তি থাকে, তবে উক্ত মামলার তদন্ত উপরের নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

২. অতিরিক্ত সময়সীমা-
যুক্তিসংগত কারণে: যদি কোনো যুক্তিসংগত কারণে উপরের সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তবে তদন্তকারী অফিসার কারণ উল্লেখপূর্বক অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করবেন।
অতিরিক্ত সময়ের পর: যদি অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যেও তদন্ত সম্পন্ন না হয়, তবে তদন্তকারী অফিসার উক্ত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করবেন।

৩. তদন্তভার হস্তান্তর-
নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের সিদ্ধান্ত: যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হয় এবং তদন্তকারী অফিসার দায়ী হন, তবে নিয়ন্ত্রণকারী অফিসার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্তভার অন্য কোনো অফিসারের নিকট হস্তান্তর করতে পারেন।
নতুন সময়সীমা: নতুন তদন্তকারী অফিসারকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে, যা সাধারণত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে।

৪. অদক্ষতা ও শাস্তি-
যদি কোনো তদন্তকারী অফিসার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হন এবং তাকে দায়ী করা হয়, তবে তার অদক্ষতা তার বাৎসরিক গোপনীয় প্রতিবেদনে লিপিবদ্ধ করা হবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকরি বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই নিয়মাবলী মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্তে স্বচ্ছতা ও দ্রুততা নিশ্চিত করতে সহায়ক।
৫,১২২.
সমন জারির খরচ না দেওয়ার ফলে খারিজ হওয়া মামলার আদেশ বাতিল করতে কত দিনের মধ্যে দরখাস্ত দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮: অনুচ্ছেদ-১৬৩:
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।
৫,১২৩.
'ক', 'খ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, 'খ' ১০০০ টাকা প্রদান করলে সে 'খ' এর ছবি আঁকবে । পরে ছবি আঁকে দেয়নি, এই ক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. বাদীকে চুক্তি পালনে বাধ্য করা যাবে
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবেনা।
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act,1877 Section 21- Contracts not Specifically Enforceable - যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়' শিরোনামে ২১ ধারায় বর্ণিত আছে যে, আদালতের মাধ্যমে চুক্তি বলবৎ করা যায় না- ৮টি ক্ষেত্রে। তার মধ্যে ১টি হলো ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল চুক্তি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয়।

♦২১ ধারা অনুযায়ী- ৮ ক্ষেত্রে চুক্তি কার্যকর/বলবৎ করা যায় না:
১). যে চুক্তি সম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়।
২). যে চুক্তি সুক্ষ্ম ও জটিল শর্ত দ্বারা গঠিত বা ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল [যেমন: গল্প-উপন্যাস রচনা, অভিনয়, ব্যক্তিগত সেবা দেওয়া, বিবাহ করা সংক্রান্ত চুক্তি।]। 
৩). যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগতভাবে নির্ণয় করতে পারে না।
৪). যে চুক্তি তার প্রকৃতির (Nature) কারণেই বাতিলযোগ্য [Revocable বা যে চুক্তি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যহারযোগ্য]।
৫). জিম্মাদার/ট্রাস্টি কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৬). কোম্পানির পক্ষে বা কর্মকর্তা কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৭). যে চুক্তি পালনে শুরু করার তারিখ হতে ৩ বছরের বেশি সময় লাগে। 
৮) যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই বিষয়বস্তু বিলুপ্ত হয়েছে। মনে রাখুন, চুক্তিতে Arbitration Clause থাকলে চুক্তি কার্যকর করা যাবে না।

♦যেহেতু চুক্তি সম্পাদন ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভর করছে, তাই ২১ ধারা অনুযায়ী এটা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য না।
৫,১২৪.
Chapter V of The Penal Code deals with-
  1. CRIMINAL CONSPIRACY
  2. PUNISHMENTS
  3. ABETMENT
  4. GENERAL EXCEPTIONS
ব্যাখ্যা
 ⇒ Chapter V of The Penal Code deals with-ABETMENT.

 ⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

  ⇒ গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:

দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,(GENERAL EXPLANATIONS)

তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,(PUNISHMENTS)

চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,(GENERAL EXCEPTIONS)

পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,(ABETMENT)

পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,(CRIMINAL CONSPIRACY)

ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, (OFFENCES AGAINST THE STATE)

নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS)

নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES RELATING TO ELECTIONS)

ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY)

সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  (OFFENCES AGAINST PROPERTY)

বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE)

একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, ( DEFAMATION)

ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ। (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)
৫,১২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহারের জন্য কার অনুমতি নিতে হবে?
  1. সরকার
  2. আদালত
  3. পুলিশ সুপার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (Public Prosecutor) যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করতে চান, তাহলে তিনি আদালতের অনুমতি নিতে বাধ্য।
 ধারা ৪৯৪ এর ভাষ্য অনুযায়ী: "Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution..."
অর্থাৎ, রায় ঘোষণার পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে যেকোনো এক বা একাধিক অভিযোগের ক্ষেত্রে বা সম্পূর্ণভাবে মামলা থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৫,১২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে?
  1. ৭৯
  2. ৮০
  3. ৮১
  4. ৮২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮২ ধারার বিধান: ডিক্রি জারি: সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮২ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে।
-----------
CPC Section 82. Execution of decree:
(1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.
(2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
৫,১২৭.
বার কাউন্সিল আদেশের ৩৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কতদিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে?
  1. ২১ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৫,১২৮.
পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ হলে নাম পরিবর্তন, কর্তন বা যুক্তকরণের আবেদন করতে হয়ে-
  1. ১ আদেশের ১০ বিধিতে
  2. ১ আদেশের ১২ বিধিতে
  3. ১ আদেশের ১১ বিধিতে
  4. ১ আদেশের ৯ বিধিতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১ আদেশের ১০ বিধি মতে- আদালত মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা আদালত নিজেই কোন বাদী বাবিবাদীর নাম পরিবর্তন, কর্তন বা সংযোজন করতে পারেন। উল্লেখ্য পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগের ফলে কোন মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না।
৫,১২৯.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৮০ অনুযায়ী, যদি কেউ মানুষের বাসযোগ্য ঘরে চুরি করে, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৮০ (Theft in dwelling-house, etc.) অনুযায়ী, যদি কেউ মানুষ বসবাসের উপযোগী ভবন, তাঁবু বা নৌযানে চুরি করে, অথবা সেই স্থানে যেটি সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাহলে:
“সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ডে (সশ্রম বা বিনাশ্রম) দণ্ডিত হতে পারে এবং সেই সঙ্গে জরিমানার মুখোমুখি হবে।”
- চুরির স্থান: ভবন, তাঁবু, বা নৌযান—যা মানুষ বাস করে বা সম্পত্তি রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- শাস্তির পরিমাণ: সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড + জরিমানা
- তাই সঠিক উত্তর: গ) ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 380.Theft in dwelling-house, etc.
 Whoever commits theft in any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling, or use for the custody of property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৫,১৩০.
“De minimis non curat lex” নীতির প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. আদালতের সময় সাশ্রয় করা
  2. অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া
  3. সকল ধরনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা
  4. নাগরিকের সম্পত্তি রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
De minimis non curat lex
অর্থ: আইন ক্ষুদ্র বা তুচ্ছ বিষয়ে বিবেচনা করে না।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এই লাতিন প্রবাদটি মূলত আদালতের সময় ও সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। “De minimis” অর্থ হলো খুব ক্ষুদ্র বা অতি নগণ্য, যা আইনগতভাবে গুরুতর নয়। আদালত এমন মামলায় হস্তক্ষেপ করে না যা বাস্তবে ক্ষতি বা বিরূপ প্রভাব তৈরি করে না বা যা প্রায় নগণ্য।

উদাহরণ: যদি কেউ খুব সামান্য মাত্রার সম্পত্তি লঙ্ঘন করে এবং সেই কারণে গুরুতর ক্ষতি হয় না, আদালত সেই বিষয়ে বিচার করবে না।
- এই নীতি মূলত আইনের কার্যকারিতা এবং সংস্থান সংরক্ষণের দিকটি নিশ্চিত করে।
- এটি “triviality rule” বা “trivial cases” নীতির সমতুল্য।
৫,১৩১.
"Testes ponderantur, non numerantur" এই নীতি সাক্ষ্য আইনের নিম্নের কোন ধারার বিষয়বস্তুর সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ২৫ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ১১০ ধারা
  4. ১৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

Section 134: Number of witnesses-
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

অপরদিকে,
"Testes ponderantur, non numerantur" একটি ল্যাটিন বাক্যাংশ যার বাংলা অর্থ হল: "সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়।"
এই বাক্যাংশটি প্রাচীন রোমান আইনের একটি নীতি থেকে উদ্ভূত। এটি সাক্ষীদের গুণগত মূল্যায়নের গুরুত্বকে তুলে ধরে। এর তাৎপর্য হল, একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সময় সাক্ষীদের গুণগত মান এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই বিবেচনা করা উচিত, তাদের সংখ্যাকে নয়। অর্থাৎ, আদালতে শুধুমাত্র অনেকগুলো সাক্ষীকে উপস্থিত করলেই চলবে না, বরং প্রত্যেক সাক্ষীর সাক্ষ্যের গুরুত্ব, যথার্থতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই গুরুত্ব দিতে হবে। একজন সত্যবাদী এবং বিশ্বস্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য অনেক সাক্ষীর থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই বলা যায়, "Testes ponderantur, non numerantur" এই নীতি সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট।
৫,১৩২.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ১০ লাখ টাকা
  2. ৫ লাখ টাকা
  3. ৩ লাখ টাকা
  4. ২ লাখ টাকা
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেট আদালত যে শাস্তি দিতে পারে:

(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
সশ্রম কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৫ বছর।
অর্থদণ্ড: সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
সশ্রম কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৩ বছর, এর মধ্যে আইন অনুযায়ী একাকী বন্দি করা অন্তর্ভুক্ত।
অর্থদণ্ড: সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা।

(গ) তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
সশ্রম কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ২ বছর।
অর্থদণ্ড: সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা।

৫,১৩৩.
'A' একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করলেন, কিন্তু উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের মামলাটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই। এক্ষেত্রে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. 'A' কে লিখিত নালিশ দিতে বলবেন
  2. নালিশের বিষয়ে তদন্ত শুরু করবেন
  3. 'A' কে উপযুক্ত আদালতে পাঠাবেন
  4. নালিশটি দাখিলের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
৫,১৩৪.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, সর্বনিম্ন কতজন ব্যক্তির সমাবেশকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হয়?
  1. তিন জন
  2. পাঁচ জন
  3. সাত জন
  4. দশ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is 
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৫,১৩৫.
'without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate' - এই সংজ্ঞাটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৪ক ধারায়
  3. ৬ ধারায়
  4. ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা আছে যে-

'Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.'

অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
৫,১৩৬.
Talak-e-Tafwid বা তালাক-ই-তাওফিজ বলতে কী বোঝায়?
  1. স্বামীর স্বেচ্ছায় তালাক
  2. স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দেওয়া তালাকের ক্ষমতা
  3. আদালতের মাধ্যমে তালাক
  4. স্বামী-স্ত্রী উভয়ের সম্মতিমূলক তালাক
ব্যাখ্যা

• 'Talak e Tafwid' বা 'তালাক-ই-তাওফিজ':
সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা কোন স্ত্রী-এর নেই। কোন স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারে, যদি স্বামী তাকে এমন ক্ষমতা অর্পন করে। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন স্বামীকে তালাক দেয়, তখন সেটাকে Talak e Tafwid 'তালাক-ই-তাওফিজ' বলে।

ইসলামিক বিবাহ নিবন্ধনের সময়, নিকাহনামার ১৮ নম্বর কলামে তালাকের ক্ষমতা অর্পণের বিষয়টি উল্লেখ করার সুযোগ থাকে। যদি স্বামী এই কলামে স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করেন, তবে স্ত্রী নির্দিষ্ট শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে নিজেই তালাক নিতে পারেন। অতএব, তালাক-ই-তাফফিজের ক্ষমতা কার্যকর করার জন্য এই ধারাটিতে শর্তগুলি স্পষ্টভাবে লেখা থাকা জরুরি। 

৫,১৩৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারাগুলো চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করে?
  1. ধারা ৮-১১
  2. ধারা ১২-৩০
  3. ধারা ৩৫-৩৮
  4. ধারা ৫২-৫৭
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ থেকে ৩০ পর্যন্ত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (Specific Performance of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- এই ধারাগুলোতে চুক্তির শর্তাবলী কার্যকর করার জন্য আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার প্রদানের বিধান বর্ণিত রয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন বলতে বোঝায় যখন আদালত কোনো পক্ষকে চুক্তির শর্ত পালন করতে বাধ্য করে, যেমন কোনো সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি বাস্তবায়ন বা অন্য কোনো বাধ্যবাধকতা পূরণ।
- এই ধারাগুলোতে কখন এবং কীভাবে সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের আদেশ দেওয়া যায়, সেই বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া আছে।

অন্যদিকে, 
ক) ধারা ৮-১১: এই ধারাগুলো স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Recovery of Possession of Property) নিয়ে আলোচনা করে।
গ) ধারা ৩৫-৩৮: এই ধারাগুলো চুক্তি বাতিল (Rescission of Contracts) সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করে। এটি চুক্তি বাতিল করার প্রক্রিয়া এবং শর্তাবলী নিয়ে কাজ করে।
ঘ) ধারা ৫২-৫৭: এই ধারাগুলো নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Injunctions) নিয়ে আলোচনা করে। এগুলো বেআইনি কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য আদেশ প্রদানের বিষয়ে কাজ করে।
৫,১৩৮.
দেওয়ানি আদালতের নির্দেশে কোনো আটককৃত দলিল কার হেফাজতে রাখা হয়?
  1. পুলিশের
  2. বাদী পক্ষের
  3. আদালতের কোন অফিসারের
  4. শুধুমাত্র বিচারকের নিজ হেফাজতে রাখা যায়
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৩ বিধি-৮ এর বিধান: আদালত কোন দলিল আটক করার আদেশ দিতে পারে:
এই আদেশের ৫ কিংবা ৭ বিধি অথবা ৭ম আদেশের ১৭ বিধিতে কোন বিধান নিহিত থাকা সত্ত্বেও আদালত যদি পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে বলে মনে করেন, তবে আদালত যথার্থ মনে করে এরূপ সময়ের জন্য এবং শর্ত সাপেক্ষে মোকদ্দমায় ইহার সম্মুখে পেশকৃত কোন দলিল বা বহি আটক করার এবং আদালতের কোন অফিসারের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারে।

Rule.-8: Court may order any document to be impounded- 
Notwithstanding anything contained in rule 5 or rule 7 of this Order or in rule 17 of Order VII, the Court may, if it sees sufficient cause, direct any document or book produced before it in any suit to be impounded and kept in the custody of an officer of the Court, for such period and subject to such conditions as the Court thinks fit.
৫,১৩৯.
ব্যাংকে গ্রাহকের আমানত বা জমাকৃত অর্থ আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ-
  1. ২ বৎসর
  2. ১ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৬ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৫১ থেকে ৬৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত, ৯৭ থেকে ১১১ অনুচ্ছেদে বিভিন্ন ধরনের অর্থ আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থ আদায়ের জন্য [for money] মামলা দায়েরের জন্য তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর।
৫,১৪০.
'Value judgement' means-
  1. valuable judgement
  2. judgement about price
  3. famous judgement
  4. judgement based on personal views
ব্যাখ্যা
'Value Judgement' এর অর্থ হলো- Judgement based on personal views.

অর্থাৎ, তথ্য-উপাত্তের উপর ভিত্তি না করে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে যে রায় দেওয়া হয়, তাকেই 'Value Judgement' বলা হয়।
৫,১৪১.
প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সর্বোচ্চ ফৌজদারি আদালত কোনটি?
  1. দায়রা আদালত
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মহানগর দায়রা আদালত
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত হলো দায়রা আদালত এবং দায়রা আদালতের বিচারক হলো দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ। অন্যদিকে, মহানগর এলাকায় মহানগর দায়রা আদালত হলো সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত এবং মহানগর দায়রা জজ হলো বিচারক।
 
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধানঃ নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণঃ

(১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন ।

(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।

(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।

(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।
৫,১৪২.
অবিবাহিত পুরুষ 'ক', একজন বিবাহিত নারীর সঙ্গে তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এই পরিস্থিতিতে কার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে
  2. শুধুমাত্র বিবাহিত নারীর বিরুদ্ধে
  3. উভয়ের বিরুদ্ধে
  4. কোনো অভিযোগ আনা যাবে না
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান- ব্যভিচার:
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

অর্থাৎ, ব্যাভিচারের জন্য শুধু পুরুষ ব্যক্তিটিকে অভিযুক্ত করা যায়। শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যাবে।

Section 497- Adultery:
Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.

৫,১৪৩.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৬ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি তদন্ত সম্পর্কিত তথ্য অসৎ উদ্দেশ্যে প্রকাশ করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৬(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে তদন্ত সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেন, তাহলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৬-এর উপ-ধারা (৩) বলছে: "কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লংঘন করিলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।"

এখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হবে ২ বছর।
৫,১৪৪.
অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলার জবাবের সত্যাখ্যান Verification অংশে কার দস্তখত থাকবে?
  1. এ্যাডভোকেট
  2. এ্যাডভোকেটের মোহরির
  3. যে কোন ব্যক্তি
  4. জবাব বিষয়ে ওয়াকেফহাল ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৫ নং বিধিতে প্লিডিংস সত্যাখ্যানের (Verification of pleadings) বিধান রয়েছে। ১৫ নং বিধিমতে প্রত্যেক Pleadigns-এর শেষে সংশ্লিষ্ট পক্ষ অর্থাৎ আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী সত্যপাঠে স্বাক্ষর করবে, যাকে প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন (Verification of pleadigns) বলে। অর্থাৎ আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখান বা সত্যতা প্রতিপাদন করবে।
♦ আদেশ ৬, বিধি ১৫ তে এই বিষয়ে বলা আছে। …every pleading shall be verified at the foot by the party or one of the parties….”
♦ আরজির সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি তাতে একেবারে শেষে স্বাক্ষর দিবেন এবং স্বাক্ষরে তারিখ ও স্থান উল্লেখ করবেন ।
৫,১৪৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩ মূলত কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. অপরাধের উদ্দেশ্য প্রমাণ
  2. অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব প্রমাণ
  3. সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ধারণ
  4. দণ্ডযোগ্য অপরাধের স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩ বলছে: “Where the question is as to the existence of any right or custom, the following facts are relevant…”
অর্থাৎ, যদি কোনো মামলায় অধিকার (right) বা প্রথা (custom)-এর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে যেসব ঘটনা ওই অধিকার বা প্রথার সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তন, স্বীকৃতি, প্রয়োগ বা বিরোধিতার সঙ্গে সম্পর্কিত—সেসব ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক (relevant) বিবেচনা করা হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩-এ অধিকার বা প্রথা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় বিধান রয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যেসকল ক্ষেত্রে কোনো অধিকার বা প্রথা সংক্রান্ত বিষয় প্রমাণিত হওয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ প্রাসঙ্গিক হবে:
১) যেকোনো লেনদেন বা কার্যক্রম যা ওই অধিকার বা প্রথার সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তন, স্বীকৃতি বা বিরোধিতা করার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক হবে।
২) কোনো অধিকার বা প্রথার প্রয়োগ বা বিরোধিতা সংক্রান্ত বিশেষ ঘটনা, যা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, সেটিও প্রাসঙ্গিক।
এটি মূলত অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব বা তার প্রয়োগের ইতিহাস প্রমাণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
এবং ধারা ১০, ধারা ৭, বা ধারা ১২ এসবের মধ্যে কোনোটি অধিকার বা প্রথার প্রমাণের জন্য প্রযোজ্য নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section-13. Facts relevant when right or custom is in question:
Where the question is as to the existence of any right of custom, the following facts are relevant:–
(a) any transaction by which the right or custom in question was created, claimed, modified, recognized, asserted or denied, or which was inconsistent with its existence;
(b) particular instances in which the right or custom was claimed, recognized or exercised, or in which its exercise was disputed, asserted or departed from.
৫,১৪৬.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর কত ধারায় 'হোল্ডিং বা জোত'-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২(১১) ধারায়
  2. ২(১২) ধারায়
  3. ২(১৩) ধারায়
  4. ২(১৪) ধারায়
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৩) ধারায় হোল্ডিং-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

ধারা ২(১৩)- জোত [Holding]:
'হোল্ডিং বা জোত' অর্থ ভূমির একটি খণ্ড অথবা খণ্ডসমূহ বা তার একটি অবিভক্ত অংশ যা কোনো রায়ত বা অধীনস্থ রায়ত কর্তৃক অধিকৃত এবং যা কোনো পৃথক প্রজাস্বত্বের বিষয়বস্তু; একটি খতিয়ানে একটি দাগ থাকতে পারে, আবার একাধিক দাগও থাকতে পারে। এ রকম একটি খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ভূমিকে হোল্ডিং বা জোত-জমা বলা হয়।

⇒The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-Section-2(13):
“holding” means a parcel or parcels of land or an undivided share thereof, held by a raiyat or an under-raiyat and forming the subject of a separate tenancy;
৫,১৪৭.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক অনুসারে, যদি আদালত নিজে মধ্যস্থতা করে এবং তা ব্যর্থ হয়, তবে কী হবে?
  1. পক্ষগণকে জরিমানা দিতে হবে
  2. মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হয়ে যাবে
  3. একই বিচারক মামলার শুনানি চালিয়ে যাবেন
  4. মামলাটি অন্য একটি যোগ্য আদালতে শুনানির জন্য পাঠানো হবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯এ(৯) অনুসারে, যদি আদালত নিজে মধ্যস্থতা (Mediation) করে এবং তা ব্যর্থ হয়, তবে একই বিচারক, যিনি মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছিলেন, মামলার শুনানি চালিয়ে যেতে পারবেন না। এই ক্ষেত্রে, মামলাটি অন্য একটি যোগ্য আদালতে (Competent Jurisdiction) শুনানির জন্য পাঠানো হবে। এটি নিশ্চিত করে যে মামলার শুনানি নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হয় এবং মধ্যস্থতার প্রক্রিয়ার গোপনীয়তা রক্ষা পায়।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-89A: Mediation: 
(9) When a mediation initiative led by the Court itself fails to resolve the dispute or disputes in the suit, the same court shall not hear the suit, if the Court continues to be presided by the same judge who led the mediation initiative; and in that instance, the suit shall be heard by another court of competent jurisdiction.

৫,১৪৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় 'Enforcement of decree against legal representative' এর বিধান আছে?
  1. ৫১
  2. ৫২
  3. ৫৩
  4. ৫৪
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান: বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা: (Enforcement of decree against legal representative)
কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য যদি উক্ত মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি দেয়া হয়, তাহলে অনুরূপ কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের দ্বারা উক্ত ডিক্রি জারি করা যেতে পারে।
 যখন ডিক্রি দায়িকের দখলে এরূপ কোন সম্পত্তি না থাকে এবং মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার দখলে এসেছে বলে প্রমাণ থাকে এবং তার যথাযথ ব্যবহার করেছে বলে যদি আদালতকে সন্তষ্ট করতে ব্যর্থ হয়, তখন সম্পত্তির যে পরিমাণের ব্যাপারে সে আদালতকে সন্তষ্ট করাতে ব্যর্থ হয়েছে সেই পরিমাণ সম্পত্তির জন্য ডিক্রি দায়িকের বিরুদ্ধে ডিক্রিটি জারি করা যাবে, যেন ডিক্রিটি ব্যক্তিগতভাবে তারই উপর প্রদত্ত হয়েছিল।
-------------------
- Section 52. Enforcement of decree against legal representative.

(1) Where a decree is passed against a party as the legal representative of a deceased person, and the decree is for the payment of money out of the property of the deceased, it may be executed by the attachment and sale of any such property. 
 
(2) Where no such property remains in the possession of the judgment-debtor and he fails to satisfy the Court that he has duly applied such property of the deceased as is proved to have come into his possession, the decree may be executed against the judgment-debtor to the extent of the property in respect of which he has failed so to satisfy the Court in the same manner as if the decree had been against him personally.
৫,১৪৯.
একজন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি একটি পার্কে গিয়ে চিৎকার করছে এবং অশ্লীল আচরণ করছে, যার কারণে অন্যান্য লোকজন বিরক্ত হচ্ছে। উক্ত কাজ দণ্ডবিধির কত ধারার অধীন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ৫০৯ ধারা
  2. ৫১০ ধারা
  3. ৫০০ ধারা
  4. ৫০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা- নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510⇒ Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
৫,১৫০.
আদেশ ৩৯ বিধি ৬ এর অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের বিধান কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. শুধুমাত্র সরকারি সম্পত্তি
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৯ বিধি-৬: অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে বা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকে তবে যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায়সঙ্গত এবং পর্যাপ্ত কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়ে, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের উপর এর বিবেচনামত উপযুক্ত পদ্ধতি এবং শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কর্তৃক বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে।

Rule 6: Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movbale property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.

৫,১৫১.
অজামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারাবলে আসামির কোন অবস্থাটি বিবেচনায় আদালত জামিন দিতে পারে?
  1. আর্থিক অভাব
  2. শিক্ষাগত যোগ্যতা
  3. নিকটাত্মীয়ের অসুস্থতা
  4. শারীরিক অক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারায় জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান রয়েছে। জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান সমূহ নিম্নরূপ-
♦ জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামী ১৬ বৎসরের নিম্ন বয়স্ক বা স্ত্রীলোক বা পীড়িত বা অক্ষম হলে অথবা আদালত উপযুক্ত মনে করলে জামিন দিতে পারেন (May be released on bail)। এক্ষেত্রে জামিন দেওয়া আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)।
♦অভিযুক্ত আসামি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে দোষী হতে পারে বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারন থাকলে, আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করবেনা।
♦ অর্থাৎ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে জামিনে মুক্তি পেতে পারে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি i) ১৬ বছরের কম (any person under the age of sixteen years), ii) স্ত্রীলোক (any woman) অথবা, iii) অসুস্থ বা অক্ষম (any sick or infirm person ) হয়
৫,১৫২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(গ) উপধারার অধীনে মঞ্জুরকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে কোন ধরনের প্রতিকার হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. আদেশাত্মক প্রতিকার
  2. বাধ্যতামূলক প্রতিকার
  3. নিরোধক প্রতিকার
  4. অস্থায়ী প্রতিকার
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।

ধারা ৬: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।

Section 6- Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.

৫,১৫৩.
সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলার রায় দেয়া হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৭
  3. ১৯৯৮
  4. ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা:
 
সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত 'নির্বাহী বিভাগ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ' সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়েছে Secretary, Ministry of Finance vs Md Masdar Hossain and others মামলায় যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা বা মাসদার হোসেন মামলা নামে পরিচিত। এই রিট দায়ের করে ২২৩ জন যারা ছিল জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ বা অধস্তন বিচারক বা নিম্ন আদালতের অন্যান্য বিচারক। ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে রীটটি দায়ের করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে। সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করলে, সর্বোচ্চ আদালত আপীল বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।
 
এই রায়ের প্রধান অংশ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল/ কর্তৃক লিখিত এবং পঠিত হয়েছিল। এবং এই কারণে তাকে এই মামলার Author Judge বলা হয়। ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হতে পৃথক হয়।
৫,১৫৪.
Promises which form the consideration or part of the consideration for each other are called ________.
  1. mutual contracts
  2. conditional offers
  3. express agreements
  4. reciprocal promises
ব্যাখ্যা
ধারা ২(চ):
"যেসব প্রতিশ্রুতি একে অপরের প্রতিদান বা প্রতিদানের অংশ হিসাবে গৃহীত হয়, সেগুলোকে পরস্পর প্রতিশ্রুতি (reciprocal promises) বলা হয়।"

2(f)- Promises which form the consideration or part of the consideration for each other are called reciprocal promises:
৫,১৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারায় কোন ধরনের ডিক্রির কথা উল্লেখ আছে?
  1. প্রাথমিক ডিক্রি
  2. চূড়ান্ত ডিক্রি
  3. আংশিক প্রাথমিক বা চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারার বিধানমতে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক রীতিসিদ্ধভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মামলার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই ডিক্রি" প্রাথমিক বা চুড়ান্তও হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে, তবে নিম্নলিখিত বিষয় ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে না
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের মত আপীল করা যায়; অথবা
খ) কোন ক্রটির জন্য খারিজের আদেশ।

ব্যাখ্যা: ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে, মামলা যখন চূড়ান্তরূপে নিস্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারাতে ৩ ধরনের ডিক্রির কথা বলা হয়েছে:
১। প্রাথমিক ডিক্রি;
২। চূড়ান্ত ডিক্রি;
৩। আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি।
৫,১৫৬.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির মাসিক ইজারা হলে ইজারা দাতা বা ইজারা গ্রহীতা কত দিন পূর্বে নোটিশে ইজারার সমাপ্তি ঘটাতে পারে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ১০৬: লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
 
এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।
 
⇒ কোন চুক্তি বা প্রচলিত আইনের অবর্তমানে কৃষিকাজ ব্য শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেয়া হলে তা বার্ষিক ইজারা বলে গণ্য হবে।
⇒ কৃষিকাজ বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হলে তা মাসিক ইজারা বলে গন্য হবে।
------------------------
- Section 106: Duration of certain leases in absence of written contract or local usage:
In the absence of a contract or local law or usage to the contrary, a lease of immoveable property for agricultural or manufacturing purposes shall be deemed to be a lease from year to year, terminable, on the part of either lessor or lessee, by six months' notice expiring with the end of a year of the tenancy; and a lease of immoveable property for any other purpose shall be deemed to be a lease from month to month, terminable, on the part of either lessor or lessee, by fifteen days' notice expiring with the end of a month of the tenancy. 
 
- Every notice under this section must be in writing signed by or on behalf of the person giving it, and either be sent by post to the party who is intended to be bound by it or be tendered or delivered personally to such party, or to one of his family or servants at his residence, or (if such tender or delivery is not practicable) affixed to a conspicuous part of the property.
৫,১৫৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি ১০ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে আদালত পার্ট-ফাইল ব্যবহার করে ডিক্রি কার্যকর করতে পারে?
  1. যখন পুলিশ তদন্তে ব্যর্থ হয়
  2. যখন মামলা থানায় দায়ের করা হয়
  3. যখন রেকর্ড আপিল আদালত দ্বারা চাওয়া হয়
  4. যখন রেকর্ড পক্ষদ্বয় দ্বারা চাওয়া হয়
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: আদেশ ২১ বিধি ১০৪: সরাসরি ডিক্রি কার্যকর করা:
(১) এই কোড বা অন্য কোনো চলমান আইন যা-ই বলবৎ থাকুক না কেন, আদালত, তামাদি আইনের সীমার মধ্যে, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণ করতে পারবে:
- সেই মামলার রেকর্ডে, যেখানে ডিক্রি (decree) দেওয়া হয়েছে, ডিক্রি কার্যকর করার জন্য আবেদন; অথবা,
- যদি রেকর্ড আপিল বা রিভিশন আদালত দ্বারা চাওয়া হয়, তবে এই উদ্দেশ্যে প্রস্তুত পার্ট-ফাইলে আবেদন করা যেতে পারে।
আদালত তখন তৎক্ষণাৎ ডিক্রি কার্যকর করার আদেশ দিতে পারে।

(২) যেখানে ডিক্রিধারী (decree-holder) বা ডিক্রি অনুযায়ী বিক্রি হওয়া সম্পত্তির ক্রেতা সম্পত্তির দখল নিতে গেলে মুল মামলার পক্ষ বা অন্য কোনো ব্যক্তি বাধা বা প্রতিরোধ সৃষ্টি করে, এবং আদালত এ বিষয়ে সন্তুষ্ট হয়, তাহলে ডিক্রিধারী বা ক্রেতার আবেদন অনুযায়ী আদালত যে কোনও ব্যক্তিকে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য দায়িত্ব দেবে এবং প্রয়োজনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবহার করে ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তির দখল প্রদান নিশ্চিত করতে পারে।

৫,১৫৮.
কয় প্রকার দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যায়?
  1. তিন প্রকার
  2. দুই প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যা
দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary evidence)- আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দলিলের বিষয়বস্তু দুই প্রকার দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় -
১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং
২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
 
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 61⇒ Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
৫,১৫৯.
X এর মনিব কিছু মালপত্র বিক্রি করে টাকা আনার জন্য X কে পাঠায়। X তার মনিবকে বিক্রিত মালের টাকা দেয় নাই। X কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. প্রতারণা
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
  3. সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. চুরি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪০৫ ধারা মতে বিশ্বাসভরে ভারপ্রাপ্ত হয়ে অথবা আইনগত চুক্তির মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অপরাধীর দখলে আসার পর অপরাধী উক্ত বিশ্বাস বা চুক্তির বরখেলাপ করে সম্পত্তিটি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে লাগালে তাকে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা Criminal Breach of Trust বলে।

♦ দণ্ডবিধি ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি ‘অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

♦অর্থাৎ  X এর মনিব কিছু মালপত্র বিক্রি করে টাকা আনার জন্য X কে পাঠায়। X তার মনিবকে বিক্রিত মালের টাকা দেয় নাই। এই ক্ষেত্রে  X অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
৫,১৬০.
তামাদি আইনের কোন ধারাটি 'সংরক্ষণ' (Savings) শিরোনামে পরিচিত?
  1. ধারা ২৭
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ২৯
  4. ধারা ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ধারা ২৯-এর শিরোনামই হলো "সংরক্ষণ" (Savings)। এই ধারাটি তামাদি আইনের কিছু বিশেষ ব্যতিক্রম ও সুরক্ষা বিধান উল্লেখ করে।

⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা সংরক্ষণ:
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Limitation Act:- Section- 29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) The provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) The remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.

৫,১৬১.
ফৌজদারি আদালত সাক্ষী বা অভিযোগকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার আদেশ দিতে পারে-
  1. কেবল আবেদনের ভিত্তিতে
  2. কেবল হাইকোর্টের নির্দেশে
  3. কেবল স্বপ্রণোদিত হয়ে
  4. স্বপ্রণোদিত হয়ে বা আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪৪: "অভিযোগকারী, সাক্ষী এবং ভুক্তভোগীদের ব্যয় এবং সুরক্ষা" (Expenses and protection of complainants, witnesses and victims):
(১) সরকার কর্তৃক প্রণীত যে কোনো আদেশ সাপেক্ষে, যে কোনো ফৌজদারি আদালত, যদি উপযুক্ত মনে করে, এই কোডের অধীনে তার সামনে কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্যান্য কার্যধারার উদ্দেশ্যে উপস্থিত কোনো অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত ব্যয় সরকার কর্তৃক পরিশোধ করার আদেশ দিতে পারে।

(২) যে কোনো আদালত, সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে বা স্বপ্রণোদিত হয়ে, একটি ফৌজদারি কার্যধারার যে কোনো পর্যায়ে, কোনো তথ্য প্রদানকারী, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে বা পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।

৫,১৬২.
The Code of Criminal Procedure,1898 এর কোন ধারায় নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন?
  1. ২০৩
  2. ২০৪
  3. ২০১
  4. ২০০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা। ২০০ বিধান অনুযায়ী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি নিতে বাধা ।

• ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে-

১. নালিশকারীকে বা
২. উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবে এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন।নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।

• যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-

ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই;

খ. যে মামলায় আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে;

গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।
৫,১৬৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ৩০২ ধারার
  2. ৩০৩ ধারার
  3. ৩০৬ ধারার
  4. ৩০৭ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।
------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 303: Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of 95[imprisonment] for life, commits murder, shall be punished with death.
৫,১৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে চিকিৎসককে সাক্ষী হিসেবে তলব না করেই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. যখন চিকিৎসক সাক্ষ্য দিতে অক্ষম
  2. যখন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক মারা গেছেন
  3. যখন চিকিৎসক বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছেন
  4. উপরিউক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুযায়ী নিম্নলিখিত যেকোনো পরিস্থিতিতে চিকিৎসককে সাক্ষ্য দিতে তলব না করেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে—
- ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক মারা গেলে, অথবা
- তিনি সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হলে, অথবা
- তিনি বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করলে, এবং
- তাকে হাজির করা অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা সৃষ্টি করলে।
যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত প্রতিটি শর্তই (ক, খ ও গ) ধারা ৫০৯ক-এ উল্লিখিত শর্তের অন্তর্ভুক্ত, এবং শর্তগুলো যেকোনো একটি পৃথকভাবে প্রযোজ্য হতে পারে, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরিউক্ত সবগুলো।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.

৫,১৬৫.
কোন আদালতে মূল মামলা দায়ের করা হয় না?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী আদালতসমূহ:

ক) জেলা  জজ আদালত;
খ) অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত;
গ) যুগ্ম জেলা জজ আদালত;
ঘ) সিনিয়র সহকারী জজ আদালত;
ঙ) সহকারী জজ আদালত।

দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার:

ক) জেলা জজ আদালত- রিভিশন এখতিয়ার, দেওয়ানী বিষয়বস্তুর আপীল যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পাচ কোটি  টাকা , প্রবেট সংক্রান্ত বিষয়াদি ইত্যাদি।

খ) অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত সকল মামলাসমূহের বিচার অত্র আদালত কর্তৃক সম্পন্ন হয়ে থাকে।


গ) যুগ্ম জেলা জজ-  
১) সকল প্রকার দেওয়ানী মামলা যার মূল্যমান পঁচিশ লক্ষ টাকা থেকে  অসীম,
২) উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়াদি,
৩) রিভিশন- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত মামলাসমূহ,
৪) আপীল- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত মামলাসমূহ,

ঘ) সিনিয়র সহকারী জজ- দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার যার মূল্যমান পনের লক্ষ টাকা থেকে পঁচিশ  লক্ষ টাকা পর্যন্ত,   
ঙ) সহকারী জজ- দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পনের লক্ষ টাকা।

অর্থাৎ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে মূল মামলা দায়ের করা হয় না, শুধুমাত্র জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত সকল মামলাসমূহের বিচার হয়ে থাকে।
৫,১৬৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন আদেশ বলে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত হওয়া যায়?
  1. Order 1
  2. Order 2
  3. Order 5
  4. Order 10
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১ বিধি-৮ একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest ): যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।
♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
৫,১৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ৫ অনুযায়ী, আরজিতে কী দেখাতে হবে?
  1. বাদীর স্বার্থ ও দাবি
  2. আদালতের এখতিয়ার
  3. বিবাদীর স্বার্থ ও দাবি
  4. বাদীর দাবীর উত্তর দিতে বিবাদী বাধ্য না
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি ৫: বিবাদীর স্বার্থ ও দায়িত্ব দেখাতে হবে:
আরজিতে দেখাতে হবে যে, মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিবাদী অনুরূপ স্বার্থ দাবী করে এবং আরও দেখাতে হবে যে, বাদীর দাবীর উত্তর দিতে বিবাদী বাধ্য।

[Defendant's interest and liability to be shown:
The plaint shall show that the defendant is or claims to be interested in the subject-matter, and that he is liable to be called upon to answer the plaintiff's demand.]
৫,১৬৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২ কোন বিষয়ে বিধান প্রদান করে?
  1. ডিক্রি কার্যকরকরণ
  2. গ্রেফতার ও কারাবাস
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ
  4. পক্ষের মৃত্যু, বিবাহ এবং দেউলিয়াত্ব
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২ (Order XXII) “Death, Marriage and Insolvency of Parties” বিষয়ক বিধানসমূহ নির্ধারণ করে।
অর্থাৎ মৃত্যু: মামলার চলাকালীন বাদী বা বিবাদী মারা গেলে, যদি মামলা চালিয়ে যাওয়ার অধিকার (right to sue) থাকে, তবে তার আইনগত প্রতিনিধি মামলায় যুক্ত হয়ে মামলা চালাতে পারেন।
বিবাহ: কোনো নারী পক্ষ বিবাহিত হলে মামলার অবস্থা বদলায় না; মামলা চলতে থাকে।
দেউলিয়াত্ব: কোনো পক্ষ দেউলিয়া হলে, তার পক্ষে receiver বা assignee মামলা চালাতে পারে।
- এই আদেশ মামলার ধারাবাহিকতা রক্ষা করে, যাতে পক্ষের ব্যক্তিগত পরিবর্তনের কারণে মামলা বাতিল না হয়।
- তাই, আদেশ-২২ মূলত মৃত্যু, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব জনিত পরিস্থিতিতে মামলা কিভাবে পরিচালিত হবে তা নির্ধারণ করে।

⇒দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২ (Order XXII) এ দেওয়ানি মামলার চলাকালীন সময় কোনো পক্ষ (plaintiff বা defendant) যদি মৃত্যুবরণ করেন, বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন (বিশেষত মহিলা পক্ষের ক্ষেত্রে), কিংবা দেউলিয়া (insolvent) হয়ে পড়েন, সে ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম কিভাবে পরিচালিত হবে তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এর আদেশ-২২ (Order XXII) এ "Death, Marriage and Insolvency of Parties" সংক্রান্ত বিধানসমূহ অন্তর্ভুক্ত আছে।
৫,১৬৯.
নিচের কোনটি আদালত জুডিসিয়াল নোটিশে নিতে পারে না?
  1. বাংলাদেশের আইন
  2. বাংলাদেশের সীমানা
  3. আদালতের সীল
  4. বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় যে সকল বিষয়ে আদালত প্রমাণ ছাড়াই নিজ নোটিশে নিবেন তাঁর তালিকা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতি এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫,১৭০.
জীবনস্বত্বে একটি জমির অধিকারী ব্যক্তি A উক্ত জমি B বরাবর হস্তান্তর করে ভাবী উত্তরাধিকারী হিসেবে C, A ও B এর বিরূদ্ধে কোন মামলা করবে?
  1. নিষেধাজ্ঞা
  2. দলিল সংশোধন
  3. ঘোষণামূলক
  4. দখল পুনরূদ্ধার
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ঘোষণামূলক।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ঘোষণামূলক ডিক্রি সংক্রান্ত ৪২ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি (এ ক্ষেত্রে A) জীবনস্বত্বে অধিকারী হয়ে জমি অন্য কাউকে (B) হস্তান্তর করে, যা ভাবী উত্তরাধিকারী (C) এর অধিকারের বিরুদ্ধে যায়, তবে C এই হস্তান্তরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করতে পারে। উদাহরণ (d) অনুযায়ী, C, A এবং B এর বিরুদ্ধে একটি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করে আদালতের কাছে ঘোষণা চাইতে পারে যে তিনি (C) উক্ত জমির প্রকৃত উত্তরাধিকারী হিসেবে অধিকারী। এই ধরনের মামলায় আদালত ঘোষণা দিতে পারে যে C এর অধিকার বৈধ এবং হস্তান্তর অবৈধ।

অর্থাৎ Specific Relief Act-এর ধারা ৪২ অনুযায়ী, ভাবী উত্তরাধিকারী (reversioner) C, A (জীবনস্বত্বাধিকারী) ও B (হস্তান্তরগ্রহীতা)-এর বিরুদ্ধে ঘোষণামূলক ডিক্রির মামলা করতে পারবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মামলায় আদালত আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব ঘোষণা করেন। যদি কোনো ব্যক্তি তার আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার অস্বীকার করা হয়, আদালত সে সম্পর্কে একটি ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করতে পারে, যার মাধ্যমে ওই ব্যক্তির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
আরো পরিষ্কারভাবে Section 42 এর Illustration (d) এ বলা হয়েছে:
Illustration (d):
"A alienates to B property in which A has merely a life interest. The alienation is invalid as against C, who is entitled as reversioner. The Court may in a suit by C against A and B declare that C is so entitled."
(ঘ) 'ক' এমন সম্পত্তির স্বত্ব 'খ'-এর হস্তান্তর করল যাতে 'ক'-এর শুধুমাত্র জীবিত থাকা পর্যন্ত স্বার্থ রয়েছে। এই স্বত্ব হস্তান্তর 'গ-'এর বিরুদ্ধে অবৈধ, কারণ সে ভাবী উত্তরাধিকারী হিসেবে উক্ত সম্পত্তির স্বত্বাধিকারী। আদালত 'গ' কর্তৃক 'ক' ও 'খ'-এর বিরুদ্ধে আনীত মামলায় ঘোষণা করতে পারেন যে, 'গ'-এর তেমন অধিকার রয়েছে।
৫,১৭১.
চূড়ান্ত ডিক্রি প্রচারের পর সংক্ষুব্ধ পক্ষ নিম্নের কোন পদক্ষেপ নিতে পারবে?
  1. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
  2. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন
  3. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিউ
  4. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৭ ধারানুযায়ী, প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান:
প্রাথমিক ডিক্রিতে যে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হলে তখন উক্ত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রির যথার্থতা/বৈধতা অস্বীকার করা যাবে না।
- অর্থাৎ প্রাথমিক ডিক্রি দেওয়া হলে, প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে- যখন চূড়ান্ত ডিক্রি দেওয়া হবে তখন প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না অথবা চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হলেও প্রাথমিক ডিক্রির বৈধতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

- এ ধারার সারমর্ম হচ্ছে-
প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রি উভয় ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
---------------
⇒ CPC Section-97. Appeal from final decree where no appeal from preliminary decree:
 - Where any party aggrieved by a preliminary decree passed after the commencement of this Code does not appeal from such decree, he shall be precluded from disputing its correctness in any appeal which may be preferred from the final decree.
৫,১৭২.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারা মতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশি আটক রাখা যায় না?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৬৭ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৬২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারামতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যাওয়ার সময় বাদ দিয়ে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না।
♦ তদন্তকার্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন করা না গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অগ্রবর্তী বা প্রেরণ করতে হবে।

♦ বিনা গ্রেফতারী  পরোয়ানা (Arrest Without Warrant)আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।

---------------------------------------
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না: কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়া ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।

♦ Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
৫,১৭৩.
কোন মামলায় আদালত রায়ের গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে?
  1. বাটোয়ারার মামলায়
  2. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
  3. ফোরক্লোজারের মামলায়
  4. অর্থ মামলায়
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ আদেশ অনুযায়ী বিবাদীকে রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ কোন স্থাবর সম্পত্তি বা ভূমি সংক্রান্ত মোকদ্দমায় যেমন বাটোয়ারা, নিষেধাজ্ঞার মামলা, ফোরক্লোজার বা বন্ধকী সম্পত্তির জামানত ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে মঞ্জুর করা যায় না। কিন্তু অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ আদালত মঞ্জুর করতে পারে।
৫,১৭৪.
যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না, সেসব কার্যক্রমের উল্লেখ ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ধারা ৫৩১
  2. ধারা ৫৩০
  3. ধারা ৫২৯
  4. ধারা ৫৩৫
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৯- যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না: যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা-

(ক) ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন;
(খ) কোন অপরাধের তদন্ত করার জন্য ধারা-১৫৫ এর অধীন পুলিশকে আদেশ দেন;
(গ) ধারা-১৭৬ এর অধীন ইনকোয়ারী করেন;
(ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন;
(ঙ) ধারা-১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অনুচ্ছেদ-(ক) এর অধীন কোন অপরাধ আমলে নেন;
(চ) ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করেন;
(ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন;
(জ) ধারা-৫২৪ কিংবা ধারা-৫২৫ এর অধীন সম্পত্তি বিক্রয় করেন; কিংবা
(ঝ) ধারা-৫২৮ এর অধীন কোন মামলা তুলে নিজে উহার বিচার করেন,

তাহলে তিনি উক্তরুপে ক্ষমতাবান নয়, শুধু এ কারণে তাঁর কার্যক্রম বাতিল করা যাবে না।
৫,১৭৫.
ব্রিটিশ আমলে Evidence সম্পর্কিত আইন সংকলনের প্রথম প্রচেষ্টা কবে হয়?
  1. ১৮৩৫ সালে
  2. ১৮৫৭ সালে
  3. ১৮৬৮ সালে
  4. ১৮৩৩ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ ব্রিটিশ আমলে ভারতে সাক্ষ্য আইনের (Law of Evidence) কোডিফিকেশনের প্রথম উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা হিসেবে ১৮৩৫ সালে একটি আইন পাস করা হয়েছিল। এই আইনটি ছিল সাক্ষ্য আইনের নিয়মাবলীকে সুসংগঠিত করার প্রাথমিক প্রয়াস। তবে, এই আইন এবং পরবর্তী সময়ে ১৮৩৫ থেকে ১৮৫৩ সালের মধ্যে প্রণীত প্রায় এগারোটি আইন অপর্যাপ্ত এবং ভারতীয় প্রেক্ষাপটের জন্য উপযুক্ত নয় বলে বিবেচিত হয়েছিল।

- ব্রিটিশ ভারতে প্রেসিডেন্সি আদালতগুলো (বোম্বাই, মাদ্রাস এবং কলকাতায়) ইংরেজি সাক্ষ্য আইনের নিয়ম অনুসরণ করত, কিন্তু মফস্সিল আদালতগুলোতে (প্রেসিডেন্সি শহরের বাইরের আদালত) সাক্ষ্য আইনের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না। এর ফলে মফস্সিল আদালতগুলোতে সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে অবাধ স্বাধীনতা ছিল, যা বিচার প্রক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল। এই বিশৃঙ্খলা দূর করার জন্য সাক্ষ্য আইনের কোডিফিকেশনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

- ১৮৩৫ সালের আইনটি ছিল এই দিকে প্রথম পদক্ষেপ। তবে, এটি ভারতীয় প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ কার্যকর ছিল না। পরবর্তীতে, ১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি মেনের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়, যার খসড়াও ভারতীয় পরিস্থিতির জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়নি। অবশেষে, ১৮৭০ সালে স্যার জেমস ফিটজ জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের কোডিফিকেশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি একটি খসড়া তৈরি করেন, যা হাইকোর্ট, বারের সদস্য এবং সিলেক্ট কমিটির মতামতের ভিত্তিতে পরিমার্জন করা হয়। এই খসড়ার ভিত্তিতেই ১৮৭২ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সাক্ষ্য আইন (Indian Evidence Act, 1872) কার্যকর হয়।

অর্থাৎ ১৮৩৫ সালে সাক্ষ্য আইনটি ছিল ব্রিটিশ আমলে সাক্ষ্য আইনের প্রথম কোডিফিকেশন প্রয়াস, যদিও এটি পরবর্তীতে অপর্যাপ্ত প্রমাণিত হয়। এটি শেষ পর্যন্ত ১৮৭২ সালে ভারতীয় সাক্ষ্য আইনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ এবং কার্যকর কোডিফিকেশনে পরিণত হয়।

There was a dire necessity for the codification of the rules of law. In 1835 the first attempt was made to codify the rules of evidence by passing the Act, 1835. Between 1835 and 1853 about eleven enactments were passed dealing with the law of evidence. But all these enactments were found inadequate.



তথ্যসূত্র: HISTORICAL BACKGROUND OF THE INDIAN EVIDENCE ACT, 1872 by Vepa P. Sarathi. [লিঙ্ক]

৫,১৭৬.
যদি কোনো অযোগ্য ব্যক্তি (যেমন: অপ্রাপ্তবয়স্ক) দায়যুক্ত সম্পত্তি দান হিসেবে গ্রহণ করে, তবে-
  1. তিনি দান গ্রহণ করতে পারবেন না
  2. তিনি দান গ্রহণ করলে তা অবৈধ হবে
  3. তিনি দায়ভার বহন করতে বাধ্য নন
  4. তিনি দায়ভার বহনে বাধ্য থাকবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৭- দায়যুক্ত (Onerous) দান এবং অযোগ্য ব্যক্তিকে দায়যুক্ত দান:
যখন কোনো ব্যক্তি এককভাবে একই ব্যক্তিকে একাধিক বস্তু দান করেন, যার মধ্যে একটি বা একাধিক বস্তু দায় বা বোঝা যুক্ত (onerous) এবং অন্যগুলো নয়, তখন দানগ্রহীতা যদি এই দান সম্পূর্ণরূপে গ্রহণ না করেন, তাহলে তিনি কোনো কিছুই গ্রহণ করতে পারবেন না।

তবে, যদি দানটি একাধিক আলাদা এবং স্বাধীন হস্তান্তরের মাধ্যমে হয়ে থাকে- অর্থাৎ প্রতিটি বস্তু আলাদা আলাদাভাবে দান করা হয়- তাহলে দানগ্রহীতা তার সুবিধাজনক বস্তু গ্রহণ করে এবং বোঝাযুক্ত দান প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।

দায়যুক্ত দান (Onerous Gift) অযোগ্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে-
যদি কোনো দানগ্রহীতা চুক্তি করার যোগ্য না হন এবং কোনো দায়যুক্ত সম্পত্তি গ্রহণ করেন, তবে তিনি ঐ দায় মেনে নিতে বাধ্য নন। তবে যদি তিনি পরবর্তীতে চুক্তি করার যোগ্য হন এবং দানের সাথে যুক্ত দায় সম্পর্কে জ্ঞাত থাকেন, এবং এরপরও যদি তিনি উক্ত সম্পত্তি ধরে রাখেন, তবে তিনি সেই দায়ভার বহন করতে বাধ্য হবেন।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A এর কাছে X কোম্পানির কিছু লাভজনক শেয়ার এবং Y কোম্পানির কিছু শেয়ার রয়েছে, যেটি আর্থিক সংকটে রয়েছে এবং যার ওপর বড় অঙ্কের অর্থ দাবির সম্ভাবনা রয়েছে। A তার সমস্ত কোম্পানির শেয়ার B-কে দান করেন। B, Y কোম্পানির শেয়ার গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়। সেক্ষেত্রে সে X কোম্পানির শেয়ারও গ্রহণ করতে পারবে না।
৫,১৭৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা অনুযায়ী আদালত ক্ষতিপূরণ কোন অংশের জন্য নির্দেশ দিতে পারে?
  1. বৃহত্তর অংশ
  2. ক্ষুদ্রতর অংশ
  3. সম্পূর্ণ চুক্তি
  4. কোনো অংশ নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনও চুক্তির একটি অংশ অপর পক্ষ সম্পাদন করতে না পারে, এবং সেই অসম্পাদিত অংশটি মোট চুক্তির তুলনায় অনুপাতিকভাবে ছোট (ক্ষুদ্রতর) হয় এবং তা অর্থমূল্যে প্রতিকারযোগ্য হয়, তাহলে—
→ আদালত ওই চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে, এবং
→ চুক্তির ক্ষুদ্রতর, অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।

 সুতরাং, ধারা ১৪ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ চুক্তির ক্ষুদ্রতর অংশের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।
৫,১৭৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৬৭ক অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত করার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. চার্জশিট তৈরির নির্দেশ দেয়া
  2. মামলা দায়েরের নির্দেশ দেয়া
  3. গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির জবানবন্দী পরীক্ষা করা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৬৭ক – গ্রেপ্তারের বিধান লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া:
যে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের সামনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করা হয়, তার কর্তব্য হলো যাচাই করা যে গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তা গ্রেপ্তারের বিধানগুলি সঠিকভাবে অনুসরণ করেছেন কি না।

যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত দেখতে পান যে কোনো বিধান অবহেলাজনিতভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে বা পালন করা হয়নি, তাহলে তিনি/এটি লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রযোজ্য সেবা বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।

৫,১৭৯.
Under Section 152 of the CrPC, who has the authority to prevent injury to public property?
  1. Any citizen
  2. A Police-officer
  3. A Magistrate
  4. Session court
ব্যাখ্যা
Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
৫,১৮০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী দলিল সংশোধনের সময় আদালত কেবলমাত্র কীসে সীমাবদ্ধ থাকবে না?
  1. দলিলের অভিপ্রায়
  2. দলিলের ভাষা কী ছিল
  3. দলিলের আইনি ফলাফল
  4. দলিলটি কার দ্বারা রচিত হয়েছিল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) দলিলের ভাষা কী ছিল।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী, আদালত দলিল সংশোধনের সময় কেবলমাত্র দলিলের ভাষার ওপর সীমাবদ্ধ থাকবেন না।
বরং তিনি খতিয়ে দেখতে পারেন—
১) দলিলের প্রকৃত উদ্দেশ্য (Intended Meaning)
২)  দলিলের আইনি ফলাফল (Legal Consequences)
- আদালতের অনুসন্ধান শুধুমাত্র দলিলের লেখনীর ভাষাগত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দলিলের প্রকৃত অর্থ ও চুক্তির উদ্দেশ্য বোঝার জন্য ব্যাপক অনুসন্ধান করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র দলিলের ভাষা কী ছিল সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
- In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
৫,১৮১.
আদেশ ৭ বিধি ৫ অনুযায়ী, আরজিতে বাদীকে কী দেখাতে হবে?
  1. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর কোনো স্বার্থ নেই
  2. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে শুধুমাত্র বাদীর স্বার্থ আছে
  3. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থ আছে
  4. মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত বিবাদীর দাবীর উত্তর দিতে বাদী বাধ্য না
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি ৫: বিবাদীর স্বার্থ ও দায়িত্ব দেখাতে হবে:
আরজিতে দেখাতে হবে যে, মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিবাদী অনুরূপ স্বার্থ দাবী করে এবং আরও দেখাতে হবে যে, বিবাদীর দাবীর উত্তর দিতে বাদী বাধ্য।

[Defendant's interest and liability to be shown:
The plaint shall show that the defendant is or claims to be interested in the subject-matter,and that he is liable to be called upon to answer the plaintiff's demand.]
৫,১৮২.
আইনে যদি কোন দলিল প্রত্যয়ন (Attested) করার বিধান থাকে, তবে উহা প্রমাণে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসরণ করতে হবে?
  1. ৬৮
  2. ৬৯
  3. ৭০
  4. ৭১
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:

যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৫,১৮৩.
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে কি হবে?
  1. আরজি ফেরৎ
  2. আরজি নাকচ
  3. মামলার খারিজ
  4. মামলা চলবে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ অনুযায়ী- আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে আদালত আরিজ নাকচ করবেন। ভুল আদালতে আরজি পেশ করলে আদালত আরজি ফেরত দেয়। আরজি খারিজ ও মামলা খারিজ একই বিষয় নয়। উল্লেখ্য যে, আরজি খারিজ বা নাকচ হলেও নির্দিষ্ট ত্রুটি সংশোধন করে পুনরায় আরজি পেশ করা যায়। শুনানীর দিন পক্ষগণের অনুপস্থিতির কারণে বা সমন জারি না হওয়ার কারণে মামলা খারিজ হতে পারে।
♦ আরজিতে প্রার্থিত প্রতিকারের মূল্যমান কম করা হলে বা প্রয়োজনের তুলনায় কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হলে, আদালত উক্ত ক্ষেত্রে সরাসরি আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ দিবে না বরং প্রার্থিত প্রতিকারের মূল্যমান সংশোধন করতে এবং আরজি প্রয়োজনীয় কার্টিজ পেপারে উপস্থাপন করার জন্য ২১ দিন সময় দিবে। যদি উক্ত ২১ দিনের মধ্যে বাদী এমন আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত আরজি প্রত্যাখ্যান করবে। অন্যদিকে আরজির সাথে প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সমন ও আরজির কপি না দিলে', প্রয়োজনীয় সমন ও আরজির কপি সরবরাহ করার জন্য আদালত বাদীকে ২১ দিন সময় দিবে। বাদী ব্যর্থ হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখ্যান করবে। কিন্তু আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে, আদালত আরজি সংশোধনের সুযোগ না দিয়ে সরাসরি আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
৫,১৮৪.
সরকারী কর্মকর্তা কোন ব্যক্তিকে শাস্তি থেকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তির বাজেয়াপ্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে আইনের নির্দেশনা অমান্য করলে তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২১৬ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ২২৫ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২১৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ২১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২১৭ ধারার বিধান কোন ব্যক্তিকে সাজা হতে বাঁচাবার বা কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হওয়া হতে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে সরকারী কর্মচারী দ্বারা আইনের নির্দেশ লংঘন করা:- কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হওয়ায় তাঁর আচরণ সম্পর্কে যেরূপ আইনের নির্দেশ রয়েছে, তা জ্ঞাতসারে অমান্য করে এবং অমান্য করার উদ্দেশ্য হয় কোন ব্যক্তিকে সাজা হতে রক্ষা করা বা সে সাজা হতে যাতে রক্ষা পেতে পারে, জ্ঞাতসারে এইরূপ কাজ করা বা সে যে দণ্ডে দণ্ডনীয় তা অপেক্ষা লঘুদণ্ডে তাকে দণ্ডিত করা, অথবা কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে কিংবা আইনানুসারে কোন দায় হতে রক্ষা করা বা উহা যাতে রক্ষা পেতে পারে জ্ঞাতসারে এইরূপ কাজ করা, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

------------------
♦ Public servant disobeying direction of law with intent to save person from punishment or property from forfeiture:
Section 217. Whoever, being a public servant, knowingly disobeys any direction of the law as to the way in which he is to conduct himself as such public servant, intending thereby to save, or knowing it to be likely that he will thereby save, any person from legal punishment, or subject him to a less punishment than that to which he is liable or with intent to save, or knowing that he is likely thereby to save, any property from forfeiture or any charge to which it is liable by law, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৫,১৮৫.
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a ­­_____ law under The Specific Relief Act, 1877.
  1. Civil
  2. Penal
  3. Personal
  4. Tort law
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারা মতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না।
 
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৭ ধারা মতে: দণ্ডমূলক আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রয়োগ (Relief not granted to enforce penal law)-
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দণ্ড বা Penal  কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
---------------------
The Specific Relief Act, 1877 Section-7. Relief not granted to enforce penal law:
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.
৫,১৮৬.
একজন সংসদ সদস্য স্পিকারের অনুমতি ছাড়া কত দিনের বেশি সংসদের বাইরে থাকতে পারবেন না?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদের বিধান: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:

(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি,
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
----------
⇒ Article 67. Vacation of seats of members:
(1) A member of Parliament shall vacate his seat – 
(a) if fails, within the period of ninety days from the date of the first meeting of Parliament after his election, to make and subscribe 42[* * *] the oath or affirmation prescribed for a member of Parliament in the Third Schedule: 
Provided that the Speaker may, before the expiration of that period, for good cause extend it; 

(b) if he is absent from Parliament, without the leave of Parliament, for ninety consecutive sitting days; 
(c) upon a dissolution of Parliament; 
(d) if he has incurred a disqualification under clause (2) of article 66; or 
(e) in the circumstances specified in article 70. 

(2) A member of Parliament may resign his seat by writing under his hand addressed to the Speaker, and the seat shall become vacant when the writing is received by the Speaker or, if the office of Speaker is vacant or the Speaker is for any reason unable to perform his functions, by the Deputy Speaker.
৫,১৮৭.
The Evidence Act, 1872 এর ৬৪ ধারার বিধান অনুসারে-
  1. দলিলসমূহ অবশ্যই গৌণ সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
  2. দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
  3. দলিলসমূহ অবশ্যই মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
  4. দলিলসমূহ অবশ্যই পরোক্ষ সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৪ ধারা- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ: 
এই আইনে অতঃপর যে সকল ব্যতিক্রমের উল্লেখ করা হইয়াছে উহা ভিন্ন অন্য সকল ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করিতে হইবে।

Section 64- Proof of documents by primary evidence:
Documents must be proved by primary evidence except in the cases hereinafter mentioned.
৫,১৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায়, কোন অবস্থায় পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে
  2. পলাতক আসামি আদালতে উপস্থিত হলে
  3. যিনি সন্দেহভাজন যেকোনো অপরাধের সাথে জড়িত
  4. যিনি মুক্তি পেয়েছেন এবং আদালত তার বিরুদ্ধে নতুন মামলা চালু করেছে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ ৯টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-
 ⇒ কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে;
⇒ ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে;
⇒ অপরাধী ঘোষিত হলে;
⇒ চোরাই মাল পাওয়া গেলে;
⇒ পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে;
⇒ সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে;
 ⇒ বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে;
⇒ মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে;
⇒ যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে।
৫,১৮৯.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল আদেশ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে আপিল কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. বার কাউন্সিলে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: খ) হাইকোর্ট বিভাগে।

→ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, ওই অ্যাডভোকেট বা ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। এই আপিল ৯০ দিনের মধ্যে করতে হবে এবং তা ডিভিশন বেঞ্চ দ্বারা শ্রবণ করা হবে, যার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
-------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
- (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৫,১৯০.
সাক্ষ্য আইনের ধারাসমূহের মধ্যে সাক্ষ্য এবং সাক্ষীর ক্রম কোনটি?
  1. যথাক্রমে ১৩৮ ও ১৩৫
  2. যথাক্রমে ১৩৭ ও ১৩৫
  3. যথাক্রমে ১৩৮ ও ১৩৬
  4. যথাক্রমে ১৩৭ ও ১৩৪
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা সমূহের মধ্যে ১৩৫ ধারায় সাক্ষীর ক্রম ও ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্যের ক্রম সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
৫,১৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কে গ্রাম প্রধান নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. সরকার
  2. দায়রা জজ
  3. জেলা জজ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধি ৪৫ ধারার বিধান: গ্রাম প্রধান, হিসাব রক্ষক, জোতদার এবং অপরাপর ব্যক্তিগণ কতিপয় বিষয়ে খবর প্রদানে বাধ্য।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ৪৫(৩) ধারা মতে এই ধারার উদ্দেশ্যে কতিপয় ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রাম প্রধান নিয়োগ: সরকার কর্তৃক এতদ উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধিমালার অধীনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্য কোন আইনের বিধান অনুসারে কোন গ্রামের জন্য গ্রাম প্রধান নিযুক্ত হোক বা না হোক, সময়ে সময়ে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে তার বা তাদের সম্মতি নিয়ে এই ধারার বিধান অনুসারে উক্ত গ্রামে গ্রাম প্রধানের কর্তব্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে নিযুক্ত করতে পারবেন।

-----------------------
♦ Section 45(3) Appointment of village-headman by District Magistrate in certain cases for purposes of this section: Subject to rules in this behalf to be made by the Government, the District Magistrate may from time to time appoint one or more persons with his or their consent to perform the duties of a village- headman under this section whether a village-headman has or has not been appointed for that village under any other law.
৫,১৯২.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জরুরী অবস্থা ঘোষণার সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ৩৬৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জরুরী অবস্থা ঘোষণার সর্বোচ্চ সময়সীমা ১২০ দিন।
- এটি সংবিধানের ১৪১(ক) ধারা অনুযায়ী উল্লেখিত, যেখানে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি জরুরী অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন অনধিক একশত কুড়ি (১২০) দিনের জন্য। এই সময়সীমার মধ্যে সংসদে প্রস্তাব পেশ করা এবং সংসদ অনুমোদন লাভ করা জরুরি, অন্যথায় সেই ঘোষণা কার্যকর থাকবে না।
- অতএব, সঠিক উত্তর হবে: খ) ১২০ দিন।
৫,১৯৩.
চুক্তি রদের মোকদ্দমায় বাদীকে অবশ্যই -
  1. চুক্তির পক্ষ হতে হবে
  2. একজন সাক্ষী হতে হবে
  3. চুক্তিতে স্বার্থ না থাকলেও হবে
  4. পক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই চুক্তিতে স্বার্থ থাকলেই চলবে
ব্যাখ্যা

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫  ধারার বিধান,বিচারপূর্বক রদ: লিখিত চুক্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যে কোনো ব্যক্তি উহা বাতিল করিবার জন্য মামলা দায়ের করিতে পারিবেন এবং আদালত নিম্নবর্ণিত যে কোনো ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করিতে পারিবে:-
(ক) যেক্ষেত্রে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য বা বাদি কর্তৃক পরিসমাপ্তিযোগ্য;
(খ) যেক্ষেত্রে আপাতত দৃশ্যমান নহে এমন কোনো কারণে চুক্তি অবৈধ, এবং বাদির তুলনায় বিবাদি বেশী দোষী;
(গ) যেক্ষেত্রে একটি বিক্রয় চুক্তি, অথবা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হইয়াছে এবং ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা আদালতের নির্দেশিত ক্রয়মূল্য বা অর্থ পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হইয়াছেন।
যখন ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা চুক্তির বিষয়বস্তুর দখলে থাকেন, এবং আদালত যদি মনে করে যে, এইরূপ দখল অন্যায়, তাহা হইলে আদালত তাহাকে, এইরূপ দখলের কারণে অর্জিত ভাড়া বা মুনাফা, যদি থাকে, বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে ফেরত প্রদানের নির্দেশও প্রদান করিতে পারিবে।
এইক্ষেত্রে, আদালত, যে মামলায় ডিক্রি প্রদান করিয়াছিল, কিন্তু উহা প্রতিপালন করা হয় নাই, সেই মামলায় আদেশ দ্বারা, কর্তব্যে অবহেলাকারী পক্ষের কারণে, অথবা সম্পূর্ণভাবে মামলার ন্যায় বিচারের স্বার্থে, চুক্তি রদ করিতে পারিবে
----------------------------------------
The Specific Relief Act, 1877-Section, 35: When rescission may be adjudged: Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:-
(a) where the contract is voidable or terminable by the plaintiff;
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff;
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay.
When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor.
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require.

৫,১৯৪.
A, B এর নিকট একটি বাড়ী সুনির্দিষ্ট শর্ত এবং ভাড়ায় ভাড়া দিতে চুক্তি বদ্ধ হয়। B চুক্তির কাজ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানায়। A এর পর B এর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরন আদায় করার জন্য মামলা করে ও ক্ষতিপূরন লাভ করে সেই ক্ষেত্রে……
  1. A সুনির্দিষ্ট ভাবে চুক্তি বলবৎ করতে পারবে
  2. A পুনরায় ক্ষতিপূরন লাভ করতে পারবে
  3. A সুনির্দিষ্ট ভাবে চুক্তি বলবৎ করতে পারবে না
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
- A চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরন আদায় করার জন্য মামলা করে ও ক্ষতিপূরন লাভ করে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী A পূর্বেই ক্ষতিপূরন পাওয়ার কারনে সুনির্দিষ্ট ভাবে B-এর সাথে চুক্তি বলবৎ করতে পারবে না।
৫,১৯৫.
According to Section 82, what is the legal status of an act done by a child under nine years of age?
  1. It is not considered an offence.
  2. It is considered an offence unless proven otherwise.
  3. It is considered an offence if it harms someone.
  4. It can be an offence, but only under extreme circumstances.
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮২ ধারা- নয় বৎসরের কম বয়সের শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:
নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।

Section 82- Act of a child under nine years of age:
Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.

এছাড়া, দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায় বলা আছে-
নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
৫,১৯৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১০ এর নীতি কী নামে পরিচিত?
  1. Res Judicata
  2. Res Sub Judice
  3. Res Nullius
  4. Res Gestae
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১০ মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (Stay of Suit) সম্পর্কিত বিধান বর্ণনা করে। এই ধারার নীতি Res Sub Judice নামে পরিচিত। এই নীতি অনুসারে, যদি একই বিষয় এবং একই পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত একটি মামলা বিচারাধীন থাকে, তবে পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলার বিচার স্থগিত রাখা হবে, যতক্ষণ না পূর্ববর্তী মামলার নিষ্পত্তি হয়। এর উদ্দেশ্য হলো একই বিষয়ে একাধিক মামলার বিচারের ফলে বিচারিক দ্বন্দ্ব বা অসঙ্গতি রোধ করা।

অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০-এর নীতি Res Sub Judice নামে পরিচিত, যা মোকদ্দমা স্থগিতকরণের বিষয়ে বর্ণনা করে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Res Sub Judice.

৫,১৯৭.
'Specific performance of part of contract where part unperformed is large'- এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার শিরোনাম?
  1. ১৩ ধারা
  2. ১৪ ধারা
  3. ১৫ ধারা
  4. ১৬ ধারা
ব্যাখ্যা
Section-15. Specific performance of part of contract where part unperformed is large:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারা - চুক্তির একটি অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যেখানে অপ্রতিষ্ঠিত অংশ বড়:
যখন চুক্তির একটি পক্ষ তার অংশের পুরোটা পালন করতে অক্ষম থাকে, এবং যেই অংশটি পালন করা সম্ভব নয় তা চুক্তির পুরো অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ গঠন করে, অথবা যা অর্থের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণযোগ্য নয়, তখন সে পক্ষ সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য আদেশ পাওয়ার অধিকারী নয়। তবে, আদালত অন্য পক্ষের আবেদনক্রমে, ভুলের দায়ী পক্ষকে নির্দেশ দিতে পারে যে, তার যা অংশ সম্পাদন করা সম্ভব, তা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করতে হবে, যদি আবেদনকারী (প্রতিবাদী) আরও কার্যসম্পাদন বা ক্ষতিপূরণের কোনো দাবি ত্যাগ করেন এবং তাঁর ক্ষতির জন্য কোনো ক্ষতিপূরণের দাবি না করেন।
৫,১৯৮.
অনধিক ৫০ টাকার ডিক্রি জারিতে একজন ব্যক্তিকে আটক রাখা যাবে-
  1. ২ সপ্তাহ
  2. ৩ সপ্তাহ
  3. ৫ সপ্তাহ
  4. ৬ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার বিধান আটক ও মুক্তি (Detention and release);

♦৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৬ মাসের বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না; এবং ৫০ টাকার কম হলে সে ক্ষেত্রে ৬ সপ্তাহের বেশি আটক রাখা যাবে না।

♦যে ডিক্রি জারিতে ডিক্রি দায়িক আটক থেকে মুক্তি পেয়েছেন, সেই বিষয়ে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।
৫,১৯৯.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে 'জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা' নিশ্চিতের বিধান রয়েছে?
  1. ১৯(৩) অনুচ্ছেদে
  2. ২৮(২) অনুচ্ছেদে
  3. ১৯(১) অনুচ্ছেদে
  4. ২৮(৪) অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৯ (৩) অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা [equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life] নিশ্চিতের বিধান করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা

(১) সকল নাগরিকের অন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে।
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে ধুলের সানী বেন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
(৩) জাতীয় জীবনের সর্স্তররে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।

Article 19: Equality of opportunity

(1) The State shall endeavour to ensure equality of opportunity to all citizens. 
(2) The State shall adopt effective measures to remove social and economic inequality between man and man and to ensure the equitable distribution of wealth among citizens, and of opportunities in order to attain a uniform level of economic development throughout the Republic. 
(3) The State Shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life.

• অপরদিকে, সংবিধানের ২৮ (২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার এবং ২৮ (৪) অনুচ্ছেদে নারী, শিশু এবং নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান নিশ্চিত হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য

(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না। 
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না। 
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

Article 28: Discrimination on grounds of religion, etc.

(1) The State shall not discriminate against any citizen on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth. 
(2) Women shall have equal rights with men in all spheres of the State and of public life. 
(3) No citizen shall, on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth be subjected to any disability, liability, restriction or condition with regard to access to any place of public entertainment or resort, or admission to any educational institution. 
(4) Nothing in this article shall prevent the State from making special provision in favour of women or children or for the advancement of any backward section of citizens.
৫,২০০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ অনুসারে, যদি ডিক্রি-দায়িক ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া বাধা দেয়, আদালত কী করবে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. নতুন ডিক্রি জারি করবে
  3. আবেদনকারীকে সম্পত্তির দখলে রাখার নির্দেশ দিবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮- দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান:
ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।