বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৫০ / ১৫৫ · ৪,৯০১৫,০০০ / ১৫,৪৭০

৪,৯০১.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ নিম্নের কোন অনুচ্ছেদে দেয়া আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৭
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৮
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৯
  4. উল্লিখিত সবগুলোয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ হলো ৬০ বছর এবং সর্বনিম্ন তামাদির মেয়াদ হলো ৭ দিন। সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ ১৪৭ থেকে ১৪৯ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ১৪৭-
রেহেন উদ্ধারের অধিকার নাশ [Foreclosure] বা বিক্রয়ের [Sale] জন্য রেহেন গ্রহীতা কর্তৃক মামলা দায়েরের সময়সীমা, রেহেন ঋণ যখন পরিশোধযোগ্য হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বছর।

অনুচ্ছেদ ১৪৮-
বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের [redeem] জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সময়সীমা, যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বছর।

অনুচ্ছেদ ১৪৯-
সুপ্রীম কোর্টের মূল এখতিয়ারাধীন মামলা ব্যতীত সরকার কর্তৃক সরকারের পক্ষে দায়েরকৃত কোন মামলার তামাদি- ৬০ বছর।
৪,৯০২.
According to Section 3 of the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974-
  1. Only marriages performed by an imam are subject to registration
  2. Registration of marriage is optional but recommended
  3. Every Muslim marriage must be registered in accordance with the law
  4. Muslim marriages only need to be registered if the parties desire it
ব্যাখ্যা
মুসলিম আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। Abdul Kadir Vs. Salima মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহকে দেওয়ানি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে। অপর পক্ষে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট Khurshid Bibi মামলায় বলেন- বিবাহ যদিও দেওয়ানি চুক্তির ন্যায় একটি চুক্তি, এটি পুরোপুরি দেওয়নি চুক্তি নয়। কিন্তু Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।

• বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:
⇒ মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আইন অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন এখন বাধ্যতামূলক।
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।

ধারা ৩- বিবাহ রেজিষ্ট্রীকরণ:
অন্য যে কোন আইন, প্রথা বা রীতিতেযে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও মুসলিম আইনঅনুযায়ী অনুষ্ঠিত প্রত্যেক বিবাহ এই আইনের বিধানাবলী অনুযায়ী রেজিষ্ট্রীকরতে হবে।

Section 3- Registration of marriages
Notwithstanding anything contained in any law, custom or usage, every marriage solemnized under Muslim law shall be registered in accordance with the provisions of this Act.
৪,৯০৩.
According to The Code of Criminal Procedure,1898 ________ includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.
  1. charge
  2. inquiry
  3. judicial proceeding
  4. investigation
ব্যাখ্যা
• Section 4(k) of The Code of Criminal Procedure,1898:

"inquiry" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.

ফৌজদারি প্রক্রিয়ায়, "বিচার" ব্যতীত অন্যান্য কাজগুলি ইনকোয়ারি বা তদন্তের অন্তর্ভুক্ত হয়। "বিচার" হল আদালতের মূল কার্যক্রম যেখানে বিচারক সরাসরি জড়িত থাকেন এবং পক্ষদ্বয়ের যুক্তি শুনে ও প্রমাণ বিচার করে রায় দেন। 
৪,৯০৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় _________ আদেশাত্মক প্রতিকার এবং _______ নিষেধাত্মকমূলক প্রতিকার দেয়া হয়েছে।
  1. ১টি, ৪টি
  2. ৩টি, ১টি
  3. ৪টি, ১টি
  4. ৫টি, ১টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়। যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

• ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

Section 5- Specific relief how given: Specific relief is given
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.
৪,৯০৫.
দেওয়ানি আদালত যদি পক্ষগণের সম্মতিতে ডিক্রি দেন, তাহলে উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে-
  1. আপিল চলবে না
  2. হাইকোর্টে সরাসরি আপিল করা যাবে
  3. শুধুমাত্র জেলা জজ আদালতে আপিল করা যাবে
  4. শুধু আর্থিক ক্ষতির ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধারা- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।

(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।

(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

৪,৯০৬.
লিজগ্রহীতা (Lessee) কী বুঝায়?
  1. যিনি সম্পত্তি বিক্রি করেন
  2. যিনি সম্পত্তির উপর ঋণ নেন
  3. যিনি সম্পত্তির মালিকানা গ্রহণ করেন
  4. যিনি সম্পত্তির ভোগের অধিকার গ্রহণ করেন
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act,1882 এর ধারা ১০৫: “লিজ” বা ইজারার সংজ্ঞা:
একটি স্থাবর সম্পত্তির “লিজ” হলো- উক্ত সম্পত্তি ভোগ করার অধিকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (স্পষ্ট বা আপেক্ষিকভাবে নির্ধারিত) অথবা চিরস্থায়ীভাবে হস্তান্তরের একটি প্রক্রিয়া, যা কিছু মূল্য প্রদান বা প্রদানের প্রতিশ্রুতি, ফসলের অংশ, সেবা অথবা অন্য কোনো মূল্যবান উপকরণের বিনিময়ে সম্পাদিত হয়। এসব প্রদেয় বস্তু নির্দিষ্ট সময় অন্তর বা নির্দিষ্ট কোনো উপলক্ষে হস্তান্তরকারীর (লিজদাতা) কাছে হস্তান্তর করা হয় হস্তান্তরপ্রাপ্ত (লিজগ্রহীতা) ব্যক্তি দ্বারা, যিনি নির্দিষ্ট শর্তে উক্ত হস্তান্তর গ্রহণ করেন।

সংজ্ঞাসমূহ:
লিজদাতা (Lessor): যিনি সম্পত্তির অধিকার হস্তান্তর করেন।
লিজগ্রহীতা (Lessee): যিনি সম্পত্তির অধিকার গ্রহণ করেন।
পূর্বপ্রদানমূল্য (Premium): লিজ বাবদ এককালীন প্রদত্ত মূল্য।
ভাড়া (Rent): অর্থ, ফসলের অংশ, সেবা বা অন্যান্য বস্তু যা নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রদান করতে হয়।
৪,৯০৭.
Leading questions may be asked in _____________.
  1. Examination-in-chief.
  2. Cross-examination.
  3. Re-examination.
  4. Further-Cross-examination.
ব্যাখ্যা
⇒ When they may be asked
Section 143. Leading questions may be asked in cross-examination.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান উত্তরূপে প্রশ্ন যখন করা যাইতে পারে:- জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।

--------------

⇒ ধারাঃ ১৪১। ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ- প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তাহার ইঙ্গিত দেওয়া হইতে তাহাকে ইঙ্গিত বাহী প্রশ্ন বলা হয়।

⇒ ধারাঃ ১৪২। উত্তরূপে প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাইবে নাঃ- বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ঐতিহ্যবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।

⇒ যেসকল বিষয় ভুমিকামূলক অথবা অবিসংবাদিত অথবা পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হইয়াছে বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই সকল বিষয় সম্পর্কে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করিবার অনুমতি আদালত অবশ্যই দিবেন।
৪,৯০৮.
পুনঃজবানবন্দি কখন করা হয়?
  1. জেরার পরে
  2. সাক্ষী হাজির করার আগে
  3. মামলার রায় ঘোষণার পরে
  4. জবানবন্দি গ্রহণের আগে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]:
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]:
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]:
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে
৪,৯০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৯৯ অনুযায়ী কাদেরকে সংশোধনাগারে আটক রাখার বিধান রয়েছে? 
  1. ১২ বছরের কম বয়সী অপরাধী
  2. ১৫ বছরের কম বয়সী অপরাধী
  3. ১৮ বছরের কম বয়সী অপরাধী
  4. ২১ বছরের কম বয়সী অপরাধী
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারার বিধান: কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স ১৫ বছরের কম হলে আদালত তাকে ফৌজদারি কারাগারে বন্দী না করে, সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখবার নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারার বিধান- তরুণ অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারি আদালত পনেরো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃঙ্খলা ও কোন দরকারি শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃঙ্খলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।
(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 399: Confinement of youthful offenders in reformatories:
(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein. 
(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
৪,৯১০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর কোন ধারায় জজ, ম্যাজিষ্ট্রেট বা বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে মোকদ্দমা পরিচালনার সময় বা আদালত থেকে ফেরার সময় দেওয়া পরোয়ানার অধীন গ্রেফতার করা যায় না?
  1. ১৩৫ ধারা
  2. ১৩৫ (খ) ধারা
  3. ১৩২ ধারা
  4. ১৩৩ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, জজ, ম্যাজিষ্ট্রেট বা বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে মোকদ্দমা পরিচালনার সময় বা আদালত থেকে ফেরার সময় দেওয়া পরোয়ানার অধীন গ্রেফতার করা যাবে না।
৪,৯১১.
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের ক্ষেত্রে অনধিক কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ৩০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৪৭ ধারা মতে-
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি হলো অনধিক ৩ মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

Section 447- Punishment for criminal trespass:
Whoever commits criminal trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৪,৯১২.
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলা খারিজ হলে বাদীর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. পুনরায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের মামলা করতে পারবে
  2. ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবে
  3. ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবে না
  4. নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-এর ২৯ ধারা অনুযায়ী, যদি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে যায়, তাহলে বাদী পরে একই চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবে না।
- এটি স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালন বা কার্য সম্পাদনের মামলাটি যদি খারিজ হয়ে যায়, তাহলে পরবর্তীতে সে চুক্তির বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি করা যাবে না।  এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মামলার খারিজের পর ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের অধিকারকে বন্ধ করে দেয়।

⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৪,৯১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী, প্লিডিংস সংশোধনের অনুমতি দেয়া হয়:
  1. মামলার শুরুতেই
  2. শুধুমাত্র শুনানির সময়
  3. মামলার যে কোন পর্যায়ে
  4. শুধুমাত্র রায় ঘোষণার পর
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৬ বিধি ১৭: প্লিডিংস সংশোধন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে আরজি বা জবাবের ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন।
⇒ বাদী বা বিবাদী উভয় পক্ষের বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় সংশোধন করা যাবে।
⇒ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর আরজি জবাব সংশোধনের আদেশ নির্ভর করে।
⇒ প্লিডিংস সংশোধনের দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচারিক আদালতে।
⇒ প্লিডিংস মামলার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।

Order 6 Rule 17: Amendment of pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings allow either party to alter or amend his pleadings in such manner and on such terms as may be just, and all such amendments shall be made as may be necessary for the purpose of determining the real questions in controversy between the parties:
Provided that no application for amendment shall be allowed after the trial has commenced, unless the Court is of opinion that in spite of due diligence, the party could not have raised the matter before the commencement of trial:
Provided further that if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as it thinks fit. 
৪,৯১৪.
'জমির সীমানা নির্ণয়ের লক্ষ্যে আদালত কর্তৃক প্রেরিত অফিসার বা কর্মচারীর তদন্তে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান'- The Penal Code,1860 এর কত ধারার অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে?
  1. ধারা ৭৭
  2. ধারা ১৯৩
  3. ধারা ২০১
  4. ধারা ১৯০
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান- মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

ব্যাখ্যা ১: সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
ব্যাখ্যা ২: কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩: কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায়; যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

উদাহরণ:
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।

⇒ জমির সীমানা নির্ণয়ের লক্ষ্যে যখন কোনো আদালত একজন কর্মচারী বা অফিসারকে পাঠায়, তখন সেই কর্মচারী বা অফিসারের সামনে যদি কেউ মিথ্যা বিবৃতি দেয়, তাহলে তা মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। কারণ জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য আদালত কর্তৃক প্রেরিত অফিসার বা কর্মচারীর সামনে পরিচালিত তদন্তকে বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি অংশ বলে গণ্য করা হয়। এই তদন্তে যদি কেউ মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করে, তাহলে সেটা মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান হিসেবে বিবেচিত হবে। সুতরাং, জমির সীমানা নির্ণয় সংক্রান্ত আদালতের তদন্তে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে।
৪,৯১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ(১) অনুযায়ী মামলা প্রত্যাহারের পর বিরোধ নিষ্পত্তি কোন আইনের অধীনে সম্পন্ন হবে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. সালিশি আইন, ১৯৪০
  3. সালিশ আইন, ২০০১
  4. অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

- তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃদাখিল করতে পারবেন।
-----------------
⇒ Section 89B- Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:

Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section. 

(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).

৪,৯১৬.
মোহরানা বা দেনমোহরের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
- The Limitation Act, 1908 এর ১০৩ অনুচ্ছেদে তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য (Promt/মু’অজ্জল) মোহরানা আদায়ের জন্য আর ১০৪ অনুচ্ছেদে বিলম্বিত (Differed/মু’আজ্জল) মোহরানা আদায়ে জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে।
- উভয়ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
৪,৯১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুসারে, কখন রায়ের পূর্বে ক্রোক বাতিল করা হয়?
  1. বাদী সম্মতি দিলে
  2. মামলা খারিজের পর
  3. বিবাদী জামিন দিলে
  4. 'খ' বা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুযায়ী, রায়ের পূর্বে ক্রোক বাতিল করার জন্য দুটি প্রধান শর্ত আছে,
১. বিবাদী যখন আদেশিত নিরাপত্তা (জামিন) প্রদান করে।
২. মামলা যদি খারিজ হয়ে যায়।
-এই দুই শর্তের যে কোনও একটির পূরণে আদালত ক্রোক প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো ‘খ’ বা ‘গ’ উভয়ই। বাদীর সম্মতি বা অনুমতি এখানে বাধ্যতামূলক নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order 38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
৪,৯১৮.
According to Section 494 of The Code of Criminal Procedure, 1898, Withdrawal from prosecution can only be done with the consent of-
  1. Court
  2. Police
  3. Accused
  4. Complainant
ব্যাখ্যা
Section 494: Effect of withdrawal from prosecution-
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে।
⇒ অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিবে; আর
⇒ অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিবে।
৪,৯১৯.
নিম্নের কোন ম্যাজিস্ট্রেট ২০২ ধারার অধীনে অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন না?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২(১) ধারার ভাষ্য অনুযায়ী: “...তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।”
অর্থাৎ, তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন না। শুধুমাত্র তৃতীয় শ্রেণির ঊর্ধ্বতন ম্যাজিস্ট্রেটগণ (যেমন প্রথম শ্রেণির, দ্বিতীয় শ্রেণির, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 202. Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint:
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant.
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath:
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
৪,৯২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০(৫) অনুসারে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানা কত টাকা?
  1. ২৫,০০০ টাকা
  2. ৫০,০০০ টাকা
  3. ১,০০,০০০ টাকা
  4. ৩,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৫০ এর কয়েকটি উপ-ধারায় সংশোধনী আনা হয়েছে, যা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (frivolous or vexatious) অভিযোগের জন্য জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। নিচে সংশোধনীগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (১): সংশোধনীর মাধ্যমে এই উপ-ধারায় "false and either frivolous or vexatious" শব্দগুলির পর "may" শব্দটির পরিবর্তে "shall" শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ প্রমাণিত হলে ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য জরিমানা আরোপ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (২): এই উপ-ধারায় জরিমানার পরিমাণ সংশোধন করা হয়েছে। পূর্বে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য জরিমানা ছিল সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা, যা সংশোধনীর মাধ্যমে বাড়িয়ে ৫০,০০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া, যদি অভিযোগকারী কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানার পরিবর্তে ২৫,০০০ টাকা জরিমানা করা যাবে।
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (৫): এই উপ-ধারায় উল্লেখিত জরিমানার পরিমাণ পূর্বে ৩,০০০ টাকা ছিল, যা সংশোধনীর মাধ্যমে বাড়িয়ে ১,০০,০০০ টাকা (এক লাখ টাকা) করা হয়েছে। এটিই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ।
 
অর্থাৎ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (৫) অনুসারে, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ১,০০,০০০ টাকা। এটি সংশোধনীর মাধ্যমে পূর্বের ৩,০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো (৫,০০০ টাকা, ২৫,০০০ টাকা, ৫০,০০০ টাকা) ধারা ২৫০ এর বিভিন্ন উপ-ধারায় উল্লিখিত জরিমানার সাথে সম্পর্কিত হলেও, প্রশ্নটি সর্বোচ্চ জরিমানা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে, তাই উপ-ধারা (৫) এর ১,০০,০০০ টাকাই সঠিক উত্তর।

 ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 False, frivolous or vexatious accusations:
(5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding one lac taka.

৪,৯২১.
নিম্নের তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. ১৫৭ অনুচ্ছেদ
  2. ১৫৫ অনুচ্ছেদ
  3. ১৫৬ অনুচ্ছেদ
  4. ১৫৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে আপিল তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদের তামাদির বিধান অনুযায়ী করতে হয়।

অনুচ্ছেদ- ১৫২
১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপিল-
তামাদি- ৩০ দিন,
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।

অনুচ্ছেদ- ১৫৬
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন, ১৫১ ও ১৫৩ অনুচ্ছেদে যে সকল মোকদ্দমা সম্পর্কে বিধান আছে সেগুলি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল-
তামাদি- ৯০ দিন,
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে।
৪,৯২২.
সংসদের গৃহীত হওয়ার পর 'সংবিধানের বিধান সংশোধনের বিল' রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত করার পর কত দিনের মধ্যে সম্মতিদানে অসমর্থ উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে?
  1. ১৫
  2. ১০
  3. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের বিধান:  সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা: 
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ণ শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;
(খ) উপরিউক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৪,৯২৩.
আগাম জামিন বলতে নিম্নের কোনটিকে বুঝায়?
  1. যুক্তিতর্ক শুনানি পূর্ব জামিন
  2. চার্জ গঠন পূর্ব জামিন
  3. গ্রেফতার পূর্ব জামিন
  4. বিচারপূর্ব জামিন
ব্যাখ্যা
• আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮)-
আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা আদালত

তাছাড়া এই ধারার অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।
৪,৯২৪.
আদালত কর্ম সময়ের পর যে কোন জরুরী বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে একজন নিযুক্তিয় এডভোকেটের যোগাযোগ করার উপযুক্ত পন্থা হলো-
  1. বিচারকের সরকারি খাস কামরায় দেখা করা
  2. প্রতিপক্ষের অ্যাডভোকেটের সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা
  3. স্থানীয় বারের সভাপতিকে সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা
  4. এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
ব্যাখ্যা
♦ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তীতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ৩ অধ্যায়ে ‘আদালতের প্রতি দায়িত্ব' শিরোনামে ৯টি বিধি আছে। ৪নং বিধির বিধান- একজন আইনজীবী ব্যক্তিগত সম্পর্ক ব্যতিরেকে কোন বিচারক কিংবা কোন বিচারিক কর্মকর্তার প্রতি লক্ষণীয় আগ্রহ ও আতিথেয়তা পরিহার করবে অন্যথায় উক্ত আগ্রহ ও আতিথেয়তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে। কোন বিচারাধীন মামলার বিষয়ে কোন আইনজীবী বিচারকের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ কিংবা মামলার গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে যুক্তি প্রদর্শন করতে পারবেনা। উক্তরুপ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোন বিচারকের বিশেষ অনুগ্রহ পাওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত আইনজীবী ভর্ৎসনা ও ঘৃণা লাভের যোগ্য। বিচারকের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক নিজের স্বীয় মর্যাদা ও স্বাতান্ত্র্য বজায় রেখে পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই আইনজীবী ও বিচারকের মধ্যে ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুসম্পর্ক যথাযথভাবে স্থাপন করা যেতে পারে।

♦ ৪নং বিধিতে যা বলা হয়েছে যে, তার সার-সংক্ষেপ হলো: আদালতের কর্ম-সময়ের পর যেকোনো জরুরি বিরোধীর বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে সংশ্লিষ্ট মামলার অ্যাডভোকেট যোগাযোগ করা থেকে বিরত থাকবে।
৪,৯২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুসারে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয় কিভাবে?
  1. ডিক্রীর বা আদেশের মাধ্যমে
  2. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  3. শুনানী শেষে মোকদ্দমার গুনাগুনের ভিত্তিতে
  4. শুনানী শেষে মোকদ্দমার গুনাগুনের ভিত্তিতে ডিক্রী আকারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৩ ধারায় স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে মোকদ্দমার শুনানী পর মোকদ্দমার গুনাগুনের উপর ভিত্তি করে প্রদত্ত ডিক্রী মঞ্জুর করা হয়।
• এটি আরজি দাখিলের মাধ্যমে শুরু হয় এবং ডিক্রী মাধ্যেমে মামলা সমাপ্তি হয়, সারাজীবনের জন্য দেওয়া হয় এবং এর ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
৪,৯২৬.
নিম্নের কোন আদালত একটি ডিক্রি জারি করতে পারে?
  1. আপিল আদালত
  2. রিভিশন আদালত
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  4. একই শ্রেণীর অন্য যে কোন আদালত
ব্যাখ্যা
♦জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।

♦ ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

♦ আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

♦ ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।

♦ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
৪,৯২৭.
তামাদি আইনের ধারা ২৮ অনুযায়ী, সম্পত্তির দখলের জন্য মামলা করার তামাদি সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে কী হয়?
  1. সম্পত্তির অধিকার স্থায়ী হয়ে যায়
  2. সম্পত্তি আদালত দ্বারা বিক্রি হয়
  3. সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
  4. সম্পত্তি সরকারের কাছে চলে যায়
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের না করেন, তবে তার সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়। এটি প্রতিকূল দখল (Adverse Possession) এর ধারণার সাথে সম্পর্কিত, যেখানে কোনো ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে এবং বিনা বাধায় সম্পত্তি দখল করে থাকলে, মূল মালিকের অধিকার বিলুপ্ত হয়ে দখলকারী ব্যক্তি আইনি মালিকানা অর্জন করতে পারেন।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
-------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.

৪,৯২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ১৮৭১
  2. ১৮৭৭
  3. ১৮৭০
  4. ১৮৮৭
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয় ১৮৭৭ সালে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ একটি তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন যাকে ইংরেজিতে বলে substantive law. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১লা মে কার্যকর হয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মোট ধারা ৫৭টি। এটি এমন একটি আইন যা বিশেষভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত বিষয়ে বিবেচনার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
৪,৯২৯.
আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ পাওয়ার ভিত্তিতে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার-
  1. তা GD হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করবে
  2. সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন
  3. তা FIR হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করবে
  4. 'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধের (Cognizable offence) ক্ষেত্রে FIR করা হয়,
-অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য (Non-Cognizable) অপরাধের ক্ষেত্রে GD হিসেবে এন্ট্রি করা হয়। 

ধারা ১৫৫: আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ (Information in non-cognizable cases)-
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারামতে থানায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে,থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিষয়টিকে থানায় রক্ষিত ফরম নং ৬৫-তে জি.ডি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করে সংবাদদাতাকে বা অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।

অর্থাৎ আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অপরাধের সংবাদটি জিডি এন্ট্রি বা সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
------------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-155: Information in non-cognizable cases-
(1) When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.
-Investigation into non-cognizable cases
(2) No police-officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or send the same for trial. 
(3) Any police-officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police-station may exercise in a cognizable case.
৪,৯৩০.
মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধিকে স্থলাভিষিক্ত করার আবেদন এর ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭৬:
মৃত বাদী বা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত;
তামাদি- ৯০ দিন;
সময় গণনা শুরু- মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে।
৪,৯৩১.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী সর্বনিম্ন কতজন ব্যক্তি একত্রিত হলে তাদের সমাবেশকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যদি একটি নির্দিষ্ট অবৈধ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে সেটিকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৪,৯৩২.
The Code of Criminal Procedure, 1898, এর কোন ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করার ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ৪৯১
  2. ৫৬১(এ)
  3. ৪৯৪
  4. ৫১৭
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করতে পারে। যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাব আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট ( writ of habeas corpus] পিটিশন দায়ের করা যায়। যে কোন ব্যক্তি বন্দী হাজির রিট দায়ের করতে পারবে। বন্দী হাজির অর্থ হলো বন্দীকে আদালতে হাজির করা।
৪,৯৩৩.
‘P’ বেআইনীভাবে ‘Q’-এর জমি দখল করে এবং সেখানে চাষ করে মুনাফা অর্জন করে। ‘Q’ এই মুনাফার দাবি করে। The Code of Civil Procedure, 1908-এর কোন ধারায় ‘Q’ এর দাবির বিষয়টি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা 2(8)
  2. ধারা 2(10)
  3. ধারা 2(12)
  4. ধারা 2(15)
ব্যাখ্যা

⇒The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা 2(12)-এ "মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits)" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তি থেকে যে মুনাফা অর্জিত হয় বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারতো, সুদসহ তা মধ্যবর্তী মুনাফা হিসেবে গণ্য হয়। তবে, বেআইনী দখলদারের উন্নয়নের ফলে অর্জিত মুনাফা এর অন্তর্ভুক্ত হয় না।
- এই ক্ষেত্রে, ‘P’ বেআইনীভাবে ‘Q’-এর জমি দখল করে চাষ করে মুনাফা অর্জন করেছে, তাই ‘Q’ ধারা 2(12)  তে সংজ্ঞায়িত মধ্যবর্তী মুনাফার (Mesne Profits) দাবি করতে পারে।

 ⇒The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম:-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.

৪,৯৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. ২৩২ ধারা
  2. ২৩৩ ধারা
  3. ২৩৪ ধারা
  4. ২৩৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের (Separate charges for distinct offences) বিধান রয়েছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারা অনুসারে- ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে, প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

উদাহরণ- "ক" একটি ক্ষেত্রে ব্যভিচার এবং অন্য একটি ক্ষেত্রে মানহানির অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে। ব্যভিচার ও মানহানি করার জন্য "ক" এর বিরুদ্ধে অবশ্যই পৃথকভাবে অভিযোগ গঠন করতে হবে এবং তার বিচার পৃথকভাবে করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 233. Separate charges for distinct offences:
For every distinct offence of which any person is accused there shall be a separate charge, and every such charge shall be tried separately, except in the cases mentioned in sections 234, 235, 236 and 239.

Illustration: A is accused of a theft on one occasion, and of causing grievous hurt on another occasion. A must be separately charged and separately tried for the theft and causing grievous hurt.
৪,৯৩৫.
'Proof of documents by primary evidence' সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৬০ ধারার
  2. ৬৪ ধারার
  3. ৬৫ ধারার
  4. ৭০ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৪ ধারার বিধান প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ: এই আইনে অতঃপর যে সকল ব্যতিক্রমের উল্লেখ করা হইয়াছে উহা ভিন্ন অন্য সকল ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই মুখ্য সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করিতে হইবে।

-----------------------------
 ⇒ Proof of documents by primary evidence
Section 64. Documents must be proved by primary evidence except in the cases hereinafter mentioned.

 ⇒ প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence)
প্রাথমিক সাক্ষ্য হল এমন সাক্ষ্য যা কোনও ঘটনা বা বিষয়ের প্রত্যক্ষদর্শীর কাছ থেকে প্রাপ্ত। প্রাথমিক সাক্ষ্য এক প্রকারের মৌল সাক্ষ্য। কোন বিচার্য বিষয়ে প্রাথমিক সাক্ষ্যের অস্তিত্ব থাকলে সেটাই প্রমাণ করতে হয়। এই ধরনের সাক্ষ্য সাধারণত মৌখিক বা দালিলিক আকারে থাকে।
৪,৯৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান নিম্নের কোন ধারাসমূহকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ১০৬(৫) ও ১০৯(৪)
  2. ১০৭(৪) ও ১১৭(৩)
  3. ১৪৫(২) ও ১৪৮(৩)
  4. ১৬৪(১) ও ১৬৪(২)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:
যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।

তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।

এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

৪,৯৩৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ৯ অনুযায়ী, যদি আরজির সাথে কোনো দলিল থাকে, তবে বাদীকে কী করতে হবে?
  1. দলিলগুলো নিজের কাছে রাখতে হবে
  2. দলিলগুলো উকিলকে সরবরাহ করবে
  3. দলিলগুলির কপি আদালতের কর্মচারীকে দেবে
  4. দলিলগুলির একটি তালিকা আরজির সাথে সংযুক্ত করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ৯ অনুযায়ী, যদি আরজির সাথে কোনো দলিল থাকে, তবে বাদী দলিলগুলির একটি তালিকা আরজির সাথে সংযুক্ত করবে।

⇒ দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে প্রথমে যে দলিল প্রস্তুত করতে হয়, সেটা হলো আরজি। আরজি দাখিলের মধ্য দিয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭নং আদেশের ১ থেকে ১৮নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ নং বিধিতে আরজিতে কি কি বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে তা বলা হয়েছে। এই বিধি অনুসারে আরজিতে ৯টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়।
এছাড়া আদালতের এখতিয়ার ও কোর্ট ফি নির্ধারণের জন্য আরজিতে মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হয়। অর্থের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, আরজিতে দাবিকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ [Precise Amount] উল্লেখ হবে।স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সম্পত্তি সনাক্ত করার জন্য সম্পত্তির বর্ণনা, সীমানা, বা সেটেলমেন্ট পর্যায় উল্লিখিত নম্বর উল্লেখ করতে হবে।বাদী তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করে, সেক্ষেত্রে আরজিতে বাদী তামাদি হতে অব্যাহতির কারণ [Grounds for exemption] উল্লেখ করবে। [বিধি ২-৬]

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ৯ আরজি গ্রহণের পদ্ধতি-
যেসকল দলিল বাদী আরজির সাথে পেশ করে (যদি থাকে), আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে। আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল পেশ করবে। বাদী আরজির সাথে যে তালিকা, সংক্ষিপ্ত বিবৃতি, নকল দাখিল করে তা আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষাপূর্বক সেগুলো সঠিক থাকলে সেইগুলোতে স্বাক্ষর করবে।
----------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 Order-7 Rule 9: Procedure of admitting plaint: 
(1) The plaintiff shall endorse on the plaint, or annex thereto, a list of the documents (if any) which he has produced along with it; and, if the plaint is admitted, shall present as many copies on plain paper of the plaint as there are defendants, unless the Court by reason of the length of the plaint or the number of the defendants, or for any other sufficient reason, permits him to present a like number of concise statements of the nature of the claim made, or of the relief claimed in the suit, in which case he shall present such statements.
Concise statements-
(2) Where the plaintiff sues, or the defendant or any of the defendants is sued, in a representative capacity, such statements shall show in what capacity the plaintiff or defendant sues or is sued.
(3) The plaintiff may, by leave of the Court, amend such statements so as to make them correspond with the plaint.
(4) The chief ministerial officer of the Court shall sign such list and copies or statements if, on examination, he finds them to be correct.
৪,৯৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩২ অনুসারে দায়িক ডিক্রি মান্য না করলে কোন ক্রোক কতদিন বলবৎ থাকার পর ডিক্রিদারের আবেদনে সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে।
- কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
------------
Order-21 Rule- 32. Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.

 (2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.

(3) Where any attachment under sub-rule (1) or sub-rule (2) has remained in force for one year, if the judgment-debtor has not obeyed the decree and the decree-holder has applied to have the attached property sold, such property may be sold; and out of the proceeds the Court may award to the decree-holder such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance (if any) to the judgment-debtor on his application.
৪,৯৩৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫২ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত
  2. জেলা জজ আদালতে দেওয়ানি আপিলের সাধারণ সময়সীমা সংক্রান্ত
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত
  4. মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার সময়সীমা সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৫২

১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপিল - ৩০ দিন - যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।
৪,৯৪০.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত কোন কাজ “বলপ্রয়োগ” হিসেবে গণ্য হবে?
  1. কারো সম্পত্তি চুরি করা
  2. কাউকে চিঠির মাধ্যমে হুমকি দেওয়া
  3. কাউকে মৌখিকভাবে গালিগালাজ করা
  4. কাউকে ধাক্কা দিয়ে তার গতি পরিবর্তন করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী, “বলপ্রয়োগ” বলতে বোঝায়, “যখন কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধ করেন বা কোনো বস্তুকে এমনভাবে নাড়ান যাতে তা ঐ ব্যক্তির শরীর, তার পরিহিত বা বহনকৃত দ্রব্যের সংস্পর্শে আসে।”
- তাই কাউকে ধাক্কা দিয়ে তার গতি পরিবর্তন করা স্পষ্টভাবে “বলপ্রয়োগ” এর সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.

৪,৯৪১.
'Charity begins at home and Justice begins next door' is quoted by -
  1. Mark Twain
  2. Henry James
  3. Karl Marx
  4. Charles Dickens
ব্যাখ্যা
'Charity begins at home and Justice begins next door' is quoted by - Charles Dickens.
- Chrales Dickens রচিত 'Great Expectation' novel এর একটি বিখ্যাত উক্তি এটি।

Great Expectations:
- 'Great Expectation' is a novel written by - Charles Dickens.
- ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাস টি Dickens এর অন্যতম সেরা উপন্যাস।
- গল্প শুরু হয়েছে Kent শহর থেকে।
- ১৮ শতকের গোড়ার কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে উপন্যাসে - এমন একটি সময় যখন, ইংল্যান্ড অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তারপরও কিছু মানুষ থাকছে সমাজে, যারা নানা কারণে অসুখী। সমাজে বিদ্যমান  শ্রেণী বৈষম্যর বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।

প্রধান চরিত্রসমূহ: 
- Pip,
- Joe Gargery,
- Abel Magwitch,
- Estella,
- Miss Havisham ইত্যাদি। 

Charles Dickens's other famous novels - 
- A Tale of Two Cities
- David Copperfield
- Bleak House
- Great Expectations

Source: Britannica and Enotes.com.
৪,৯৪২.
ধারা ৩৮২ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কোন আদালত নিতে পারেন?
  1. সেশন জজ
  2. হাইকোর্ট
  3. বিচারিক আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা-গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life. 

৪,৯৪৩.
ক্রোকী সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার জন্য প্রমাণ করতে হবে-
  1. অপুরনীয় ক্ষতি
  2. পলাতক ছিলো না
  3. আত্মগোপন করে নাই
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৮৯ ধারা মতে ক্রোকী সম্পত্তি ফেরৎ পাওয়ার জন্য ৮৮(৭) ধারা অনুযায়ী হুলিয়াধীন ব্যক্তি যদি ২ বৎসরের মধ্যে হাজির হয়ে প্রমাণ করতে পারেন যে, তিনি পলাতক ছিলেন না বা আত্মগোপন করেন নাই বা হুলিয়ার নোটিশ পান নাই, তাহলে আদালত ক্রোক সম্পর্কিত খরচ কেটে রেখে বাকি সম্পত্তি অবমুক্ত করতে পারেন।
৪,৯৪৪.
হিন্দু দায়ভাগ আইনানুযায়ী সপিণ্ড হিসাবে অগ্রগণ্য কে?
  1. বোনের পুত্র
  2. ভাইয়ের পুত্র
  3. কন্যার পুত্র
  4. ভাই
ব্যাখ্যা
হিন্দু আইনে মৃতের সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ে দুই ধরনের উত্তরাধীকার পদ্ধতি চালু আছে:

(ক) মিতক্ষরা পদ্ধতি
(খ) দায়ভাগ পদ্ধতি।

বাংলাদেশে বসবাসরত হিন্দু ধর্মীয় লোকজন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসরণ করেন। দায়ভাগ মূলত জীমূতবাহন রচিত হিন্দু ধর্মীয় সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ক আইন গ্রন্থ। এ আইনগ্রন্থ অনুযায়ী, যারা মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যানের জন্য পিণ্ডদানের অধিকারী, কেবলমাত্র তারাই মৃত ব্যক্তির সপিণ্ড এবং যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পেয়ে থাকেন। মিতক্ষরা পদ্ধতি অনুসারে জন্ম হওয়ামাত্রই যেমন একজন পুত্র সন্তান পূর্ব পুরুষের সম্পত্তিতে পিতার সমান অংশীদারী হন, দায়ভাগ আইনে তেমনটা হয় না।

নিম্নে মোট ৫৩ জন সপিন্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ

১) পুত্র
২) পুত্রের পুত্র
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা)
৫) কন্যা
৬) কন্যার পুত্র
৭) পিতা
8) মাতাদ
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই।
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র।
১১) ভাই এর পুত্রের পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্রের পুত্র।
১২) বোনের পুত্র
১৩) পিতার পিতা
১৪) পিতার মাতা
১৫) পিতার ভাই
১৬) পিতার ভাইয়ের পুত্র
১৭)পিতার ভাইয়ের পুত্রের পুত্র
১৮) পিতার বোনের পুত্র
১৯) পিতার পিতার পিতা
২০) পিতার পিতার মাতা
২১) পিতার পিতার ভাই
২২) পিতার পিতার ভাইয়ের পুত্র
২৩) পিতার পিতার ভাইয়ের পুত্রের পুত্র
২৪) পিতার পিসির পুত্র
২৫) পুত্রের কন্যার পুত্র

উল্লিখিত প্রশ্নে  হিন্দু দায়ভাগ আইনানুযায়ী সপিণ্ড হিসাবে অগ্রগণ্য হলেন কন্যার পুত্র। 
৪,৯৪৫.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর কত ধারায় মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ১৯ ধারায়
  2. ২০ ধারায়
  3. ২২ ধারায়
  4. ২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি:
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ সালের ৫ম অধ্যায়ে বৈঠক ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিবাদী উপস্থিত হলে মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এই আইনের ২২ ধারায়।

উক্ত আইনের ২২ ধারায় বলা আছে যে,
মামলায় বিবাদী পক্ষ লিখিত বক্তব্য পেশ করার পর আদালত ধারা ২৪-এর বিধানসাপেক্ষে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে, মামলাটি, নিযুক্ত আইনজীবীগণ কিংবা আইনজীবী নিযুক্ত না হয়ে থাকে তাহলে পক্ষগণের নিকট প্রেরণ করবেন।উক্ত প্রেরিত মামলায় নিযুক্ত আইনজীবীগণ মামলার পক্ষগণের সহিত পরামর্শক্রমে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে অপর একজন আইনজীবী, যিনি কোন পক্ষ কর্তৃক নিয়োজিত নয় অথবা কোন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, অথবা অন্য যে কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে নিযুক্ত করতে পারবে; তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি এই ধারার অধীন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হবার অযোগ্য হবে। মধ্যস্থতার কার্যক্রম গোপনে অনুষ্ঠিত হবে। মধ্যস্থতার পর মধ্যস্থতাকারী মধ্যস্থতার বিবরণ সম্বলিত একটি রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে।

আদালত, যে তারিখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদেশ প্রদান করবে, সেই তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিবসের মধ্যে মধ্যস্থতা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে, যদি না আদালত উভয় পক্ষ কতৃর্ক লিখিত দরখাস্ত দ্বারা অনুরুদ্ধ হয়, অথবা কারণ উল্লেখপূর্বক স্বীয় উদ্যোগে, উক্ত সময়সীমা অনধিক আরো ৩০ (ত্রিশ) দিবস বর্ধিত করবে।

এ ধরনের কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে কোনো সমঝোতা বা মধ্যস্থতা হয়ে থাকে তাহলে বিরোধ নিষ্পত্তির শর্তাবলি অন্তর্ভূক্ত করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে এবং মধ্যস্থতাকারী ও আইনজীবীদের তা সত্যায়িত করতে হবে। ঐ সমঝোতা বা মধ্যস্থতার চুক্তির ভিত্তিতে আদালত একটি আদেশ বা ডিক্রী জারী করবেন। এই ধারার অধীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন মামলার নিষ্পত্তির আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপীল বা রিভিশন দায়ের করা যাবে না। এই ধারার অধীন কোন মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়, তাহলে আদালত কালেক্টরের নিকট হতে আরজির উপর প্রদত্ত সমুদয় কোর্ট ফি ফেরত প্রদানের লক্ষ্যে বাদীর অনুকূলে একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করবে এবং ইহার ভিত্তিতে বাদী প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত পাবার অধিকারী হবে।
৪,৯৪৬.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করতে হবে, তা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ৪(১)
  2. ৪ক
  3. ৪(২)
  4. ৪(৩)
ব্যাখ্যা
• পূর্বে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পীকারের কার্যালয় এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক ছিল। পরবর্তীতে সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানের ৪ক অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়। ফলে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি বাধ্যতামূলক প্রদর্শন বাতিল হয়।

অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি; রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সকল সরকারী ও আধা-সরকারী অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের প্রধান ও শাখা কার্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করিতে হইবে।

Article 4A: Portrait of the Father of the Nation
The Portrait of the Father of the Nation, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman shall be preserved and displayed at the offices of the President, the Prime Minister, the Speaker and the Chief Justice and in head and branch offices of all government and semi-government offices, autonomous bodies, statutory public authorities, government and non-government educational institutions, embassies and missions of Bangladesh abroad.
৪,৯৪৭.
নিম্নলিখিত কোন কাজটি ধারা ৫০৫ক এর আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে?
  1. দেশের উন্নয়ন সম্পর্কে সত্য তথ্য প্রকাশ করা
  2. সরকারি নীতির সমালোচনা করা
  3. জনকল্যাণমূলক কাজের প্রচার করা
  4. বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৫ক- শব্দ ইত্যাদির মাধ্যমে ক্ষতিকর কাজ:

যে কেউ-
(ক) মৌখিক বা লিখিত শব্দের মাধ্যমে, বা সংকেতের মাধ্যমে, বা দৃশ্যমান প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে বা অন্য কোনভাবে কিছু করে, অথবা
(খ) এমন কোনো বিবৃতি, গুজব বা প্রতিবেদন তৈরি করে, প্রকাশ করে বা প্রচার করে,
যা বাংলাদেশের নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার স্বার্থের পক্ষে, অথবা বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে, অথবা সমাজের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সরবরাহ ও সেবা বজায় রাখার ক্ষেত্রে ক্ষতিকর বা ক্ষতিকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৪,৯৪৮.
"Punishment for Rape" দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৩৭৪ ধারা
  2. ৩৭৫ ধারা
  3. ৩৭৬ ধারা
  4. ৩৭৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ Section 376. Punishment for rape:- Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৪,৯৪৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধানানুযায়ী একজন পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত তদন্ত কাজ করতে পারেন?
  1. ১৫৬
  2. ১৫৭
  3. ১৫৮
  4. ১৫৯
ব্যাখ্যা
- পুলিশ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার আমলযোগ্য অপরাধ আমল নিয়ে (প্রাথমিক তথ্য বিবরনীভুক্ত করে)। ১৫৬ (১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত অপরাধের তদন্ত করতে পারে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ ধারামতে আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শুরু করতে পারেন।
৪,৯৫০.
সাক্ষী ছাড়া বিবাহ করলে মুসলিম আইনে তা ___________ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. অবৈধ বিবাহ
  2. নিয়মিত বিবাহ
  3. অনিয়মিত বিবাহ
  4. বাতিল বিবাহ
ব্যাখ্যা
⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ।

যেমন: সাক্ষী ছাড়া বিবাহ, ইদ্দতের মধ্যে বিবাহ, স্ত্রীর বোন বিবাহ করা ইত্যাদি।
৪,৯৫১.
ধারা ৪৮০ অনুযায়ী অপরাধীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করা যেতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ১৫০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

৪,৯৫২.
কোনো চিঠি পাঠানো হয়েছে কিনা তা প্রমাণের জন্য নিম্নলিখিত কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক?
  1. চিঠির বিষয়বস্তু
  2. চিঠি লেখকের নাম
  3. চিঠি লেখার তারিখ
  4. চিঠিটি ডাকবাক্সে রাখা হয়েছিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬ অনুসারে, কোনো নির্দিষ্ট কাজ (যেমন চিঠি পাঠানো) করা হয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে, সেই কাজটি স্বাভাবিকভাবে করার ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ার (course of business) অস্তিত্ব প্রাসঙ্গিক হয়। সাক্ষ্য আইনের ১৬ ধারার ইলাস্ট্রেশন (illustration) (a)-এ উল্লেখ আছে যে, নির্দিষ্ট চিঠি পাঠানো হয়েছে কিনা তা প্রমাণের জন্য, সেই স্থানে চিঠি রাখার সাধারণ ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া এবং সেই চিঠিটি সেই স্থানে রাখা হয়েছে কিনা—এই তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক।

এখানে "চিঠিটি ডাকবাক্সে রাখা হয়েছিল" তথ্যটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চিঠি পাঠানোর প্রমাণে সাহায্য করে, কারণ ডাকবাক্সে রাখা মানে স্বাভাবিকভাবে এটি ডাকঘরে যাবে এবং পাঠানো হবে। অন্য অপশনগুলো (চিঠির বিষয়বস্তু, লেখকের নাম বা লেখার তারিখ) চিঠির পাঠানোর অস্তিত্ব প্রমাণ করে না, বরং এগুলো চিঠির সত্যতা বা বিষয়বস্তুর সাথে যুক্ত হতে পারে, কিন্তু ধারা ১৬-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section-16.  Existence of course of business when relevant:
When there is a question whether a particular act was done, the existence of any course of business, according to which it naturally would have been done, is a relevant fact.

Illustrations: 
(a) The question is, whether a particular letter was dispatched.
The facts that it was the ordinary course of business for all letters put in a certain place to be carried to the post, and that that particular letter was put in that place are relevant.
(b) The question is, whether particular letter reached A.
The facts that it was posted in due course, and was not returned through the Dead Letter office, are relevant.

৪,৯৫৩.
Which one is correct?
  1. decree shall follow judgment
  2. judgment shall follow decree
  3. both of above
  4. none of above
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রি এবং ২(৮) ধারায় রায়ের সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে। "রায়" বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসাবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তা বুঝায়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। রায় হল ডিক্রির ভিত্তি তাই রায় আগে প্রদান করা হয় এবং ডিক্রি পরে দেয়া হয়।

• ধারা ৩৩ঃ রায় ও ডিক্রি-
মোকদ্দমার শুনানির পর আদালত রায় ঘোষণা করবে এবং এরূপ রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদত্ত হবে।

Section 33: Judgment and decree-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment, and on such judgment a decree shall follow.
৪,৯৫৪.
দণ্ডবিধির ৪৯৮ ধারায় ____________ নারীদের অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে প্রলুব্ধ করা বা নিয়ে যাওয়া বা আটকে রাখা অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে।
  1. বিবাহিতা
  2. অবিবাহিতা
  3. বিধবা
  4. সকল ধরনের
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৮- বিবাহিতা নারীকে অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে প্রলুব্ধ করা বা নিয়ে যাওয়া বা আটকে রাখা:

যে কেউ কোনো নারীকে, যিনি অন্য কোনো পুরুষের স্ত্রী এবং যাকে সে জানে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে যে তিনি অন্য কোনো পুরুষের স্ত্রী, সেই পুরুষ থেকে বা সেই পুরুষের পক্ষে তার দেখাশোনা করছে এমন কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে নিয়ে যায় বা প্রলুব্ধ করে, যাতে সেই নারী কোনো ব্যক্তির সাথে অবৈধ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে, অথবা এই উদ্দেশ্যে এমন কোনো নারীকে লুকিয়ে রাখে বা আটকে রাখে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৪,৯৫৫.
আদেশ ৩৮ বিধি-৭ এর অধীন ক্রোক করার পদ্ধতি কীভাবে সম্পন্ন হবে?
  1. বিবাদির নির্দেশ অনুযায়ী
  2. নোটিশ জারি করার মাধ্যমে
  3. আদালতের বিশেষ আদেশ অনুযায়ী
  4. ডিক্রি জারির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-৭: ক্রোক করার পদ্ধতি:
অন্যরূপ স্পষ্ট বিধান ব্যতিরেকে, ডিক্রি জারির দরুন সম্পত্তি ক্রোকের পদ্ধতিতে উক্ত ক্রোক করা যাবে।

Rule.-7: Mode of making attachment:
Save as otherwise expresslyprovided, the attachment shall be made in the manner provided for the attachment of property in execution of a decree.
৪,৯৫৬.
'Freedom of press' কোন সাংবিধানিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত?
  1. Freedom of thought & conscience
  2. Freedom of profession
  3. Right to democratic culture
  4. Right to information
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের বিধান চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার,
নিশ্চয়তা দান করা হইল।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 39. Freedom of thought and conscience, and of speech:
(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed. 
(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and 
(b) freedom of the press, 
are guaranteed.
৪,৯৫৭.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ১৬ অনুসারে, যদি কোনো কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা প্রদান করা হয়, তবে-
  1. সে কেবল নিয়োগ দিতে পারবে
  2. সে কোনোভাবেই বরখাস্ত করতে পারবে না
  3. সে সাময়িক বরখাস্ত ও বরখাস্ত—উভয়ই করতে পারবে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।
 
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ১৬ ধারার প্রয়োগ প্রসঙ্গে S. Pratap Singh v State of Punjab মামলায় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট বলেন যে, একজন সরকারি কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আছে। একই নীতি অনুসরণ করে R.P. Kapur v. Union of India মামলায় ঐ আদালত আবারও মন্তব্য করেন, কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু হলে ঐ কর্মচারীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার অধিকারী।
 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ নিয়ম মোতাবেক রিসিভার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য। ফলে রিসিভার নিয়োগাদেশ বাতিল করলে উহার বিরুদ্ধে ৪৩ আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যায় না।
৪,৯৫৮.
কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কাউকে গালিগালাজ করে এবং তার কথা ও আচরণে উদ্ধত অঙ্গভঙ্গি দেখায়, যাতে অন্য ব্যক্তি শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করে তাহলে তা দণ্ডবিধির অধীন কোন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. বলপ্রয়োগ
  2. আঘাতের চেষ্টা
  3. আক্রমণ
  4. ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা- আক্রমণ:
কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা: কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

• উক্ত ধারার মূল বিষয়বস্তু হলো:
⇒ কোনো ব্যক্তি যদি এমন অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করে যাতে অন্য কোনো ব্যক্তির মনে এই ভয় জাগে যে, সে তার উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করবে, তাহলে এটা আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ শুধুমাত্র কথা বলা আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে না। তবে কোনো ব্যক্তির কথার ভাষা এমন হতে পারে যে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতিকে আক্রমণাত্মক অর্থ দিতে পারে। তাহলে সেটা আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

অর্থাৎ ৩৫১ ধারার বিধান অনুসারে,
কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কাউকে গালিগালাজ করে এবং তার কথা ও আচরণে উদ্ধত অঙ্গভঙ্গি দেখায়, যাতে অন্য ব্যক্তি শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করে তাহলে তা আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।

আরো কিছু উদাহরণ-
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে।

(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।

(গ) ক একটি লাঠি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, "তোমাকে পিটুনি দেব।" এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতূল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
৪,৯৫৯.
'Legislative procedure' বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে দেওয়া আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
 (১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

 (৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
-------------------
⇒ Article 80. Legislative procedure:
 (1) Every proposal in Parliament for making a law shall be made in the form of a Bill.

(2) When a Bill is passed by Parliament it shall be presented to the President for assent.

(3) The President within fifteen days after a Bill is presented to him, shall assent to the Bill or, in the case of a Bill other than a Money Bill, may return it to Parliament with a message requesting that the Bill or any particular provisions thereof be reconsidered, and that any amendments specified by him in the message be considered ; and if he fails so to do he shall be deemed to have assented to the Bill at the expiration of that period.

(4) If the President so returns the Bill Parliament shall consider it together with the President's message, and if the Bill is again passed by Parliament with or without amendments, it shall be presented to the President for his assent, whereupon the President shall assent to the Bill within the period of seven days after it has been presented to him, and if he fails to do so he shall be deemed to have assented to the Bill on the expiration of that period.

(5) When the President has assented or is deemed to have assented to a Bill passed by Parliament it shall become law and shall be called an Act of Parliament.
৪,৯৬০.
প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির কী বিবেচনা করা বাধ্যতামূলক?
  1. জনগণের ভোট
  2. মন্ত্রিসভার সম্মতি
  3. সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশ
  4. সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান হবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন।
- অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল ভিত্তি হলো সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন।

সুতরাং রাষ্ট্রপতির প্রধান বিবেচ্য বিষয় হলো সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা, যা প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের জন্য সংবিধানে বাধ্যতামূলকভাবে নির্ধারিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ- মন্ত্রিগণ:
(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 
(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।
(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 
(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
৪,৯৬১.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীনে শিশু আদালতের বিচার কত দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে?
  1. ১২০ দিন
  2. ১৮০ দিন
  3. ২৭০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২: বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে।
(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত 15[ যতদূর সম্ভব,] একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

৪,৯৬২.
A disputed handwriting can be proved:
  1. by examining a person acquainted with the handwriting of the writer of the questioned.
  2. by comparison of the two-admitted & disputed handwritings.
  3. by calling an expert.
  4. All the above.
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারার বিধান: হস্তলিপি সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক (Opinion as to handwriting, when relevant): হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে যে ব্যক্তির দ্বারা দলিল লিখিত হয়েছে সে ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ ৪৭ ধারা হাতের লেখা বা হস্তলিপির সাথে পরিচিতি কোন লোকের মতামত প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য করেছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারায় একজন ব্যক্তির অভিমত অন্য ব্যক্তির হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে তখন প্রাসঙ্গিক হবে যখন কোন ব্যক্তি-
- অপর ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে
- অপর ব্যক্তির লিখিত কোন দলিল পেয়েছে।
- স্বাভাবিক কাজকর্ম হিসেবে যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত হয়েছে।

------------------
⇒ Opinion as to handwriting, when relevant

Section 47. When the Court has to form an opinion as to the person by whom any document was written or signed, the opinion of any person acquainted with the handwriting of the person by whom it is supposed to be written or signed that it was or was not written or signed by that person, is a relevant fact. 
 
Explanation.–A person is said to be acquainted with the handwriting of another person when he has seen that person write, or when he has received documents purporting to be written by that person in answer to documents written by himself or under his authority and addressed to that person, or when, in the ordinary course of business, documents purporting to be written by that person have been habitually submitted to him.
৪,৯৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দোভাষীর দায়িত্ব সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৪১
  2. ধারা ৫৪২
  3. ধারা ৫৪৩
  4. ধারা ৫৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩-এ দোভাষীর (Interpreter) দায়িত্ব সম্পর্কে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী: দোভাষীকে অবশ্যই সাক্ষ্য বা বক্তব্য সঠিকভাবে এবং নির্ভুলভাবে অনুবাদ করতে হবে।
- কোনোরূপ বিকৃতি বা পরিবর্তন ছাড়াই অনুবাদ প্রদান করতে হবে।
- দোভাষীকে সত্যনিষ্ঠ হতে হবে এবং সঠিক অনুবাদ দেওয়ার জন্য বাধ্য থাকতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, যখন কোনো ক্রিমিনাল কোর্টে দোভাষী (Interpreter) প্রয়োজন হয়, তার প্রধান দায়িত্ব হল সঠিকভাবে সাক্ষ্য বা বক্তব্যের অনুবাদ প্রদান করা, এবং এই অনুবাদটি সত্যানুগ হতে হবে। দোভাষীকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, তিনি যে কোনো সাক্ষ্য বা বিবৃতি সঠিকভাবে, এবং কোনোরূপ বিকৃতি বা পরিবর্তন ছাড়াই অনুবাদ করবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 543. Interpreter to be bound to interpret truthfully:
 When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
৪,৯৬৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯ এর অধীনে কোন ক্ষেত্রে একটি দলিল বাতিল করার জন্য মামলা করা যায়?
  1. যদি দলিলটি সম্পূর্ণ বৈধ হয়
  2. যদি দলিলটি সরকারের হেফাজতে থাকে
  3. যদি দলিলটি মৌখিকভাবে সম্পাদিত হয়
  4. যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৯ এর অধীনে, কোনো দলিল বাতিল করার জন্য মামলা করা যায় যদি সেই দলিলটি প্রতারণা, ভুল উপস্থাপনা (Misrepresentation), অযাচিত প্রভাব (Undue Influence), বা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে সম্পাদিত হয়। ধারা ৩৯ এর উদ্দেশ্য হলো এমন দলিল বাতিল করা যা আইনত অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য (Void or Voidable) এবং যা বাদীর অধিকারের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে।

ধারা ৩৯ এর বিধান:
- ধারা ৩৯ এ বলা হয়েছে যে, যদি কোনো দলিল প্রতারণা, ভুল উপস্থাপনা, অযাচিত প্রভাব, বা অন্য কোনো অবৈধ কারণে সম্পাদিত হয় এবং তা বাদীর আইনি অধিকারের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, তবে আদালত সেই দলিল বাতিল করার নির্দেশ দিতে পারে।

- Mominuddin Howladar and others Vs. Nutu Bibi (1 BLD (HCD) 396) মামলায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো দলিল প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়, তবে বাদী সেই দলিলের অকার্যকরতা ঘোষণার জন্য এবং বাতিল করার জন্য মামলা করতে পারেন। তবে, বাদী যদি দলিলের পক্ষভুক্ত হন, তবে তাকে বাতিলের জন্য অতিরিক্ত প্রতিকার (Cancellation) দাবি করতে হবে।

- Sufia Khanam Chowdhury Vs. Faizun Nessa Chowdhury (7 BLD (AD) 55) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, যদি দলিল প্রাথমিকভাবে অকার্যকর (Void) হয়, তবে বাতিল করার প্রয়োজন নাও হতে পারে; কিন্তু যদি দলিল বাতিলযোগ্য (Voidable) হয় (যেমন, প্রতারণার কারণে), তবে বাতিলের জন্য মামলা করা যায়।

- প্রতারণা (Fraud) একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ যার ভিত্তিতে ধারা ৩৯ এর অধীনে দলিল বাতিল করা যায়। প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত দলিল বাতিলযোগ্য হয়, কারণ এটি স্বাভাবিক সম্মতির ভিত্তিতে সম্পাদিত হয়নি। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে অন্যের সম্পত্তির দলিল তৈরি করে, তবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ধারা ৩৯ এর অধীনে মামলা দায়ের করে দলিলটি বাতিল করতে পারে।
- এই ধারার অধীনে, বাদীকে প্রমাণ করতে হবে যে দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়েছে এবং এটি তার আইনি অধিকারের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলছে।

কেন অন্য অপশনগুলি সঠিক নয়?
ক) যদি দলিলটি সম্পূর্ণ বৈধ হয়: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৩৯ শুধুমাত্র অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যদি দলিলটি সম্পূর্ণ বৈধ হয়, তবে তা বাতিল করার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
খ) যদি দলিলটি সরকারের হেফাজতে থাকে: এটি সঠিক নয়, কারণ দলিল সরকারের হেফাজতে থাকা ধারা ৩৯ এর অধীনে বাতিলের জন্য কোনো শর্ত নয়। বাতিলের জন্য প্রতারণা বা অন্যান্য অবৈধ কারণ প্রমাণ করতে হবে।
গ) যদি দলিলটি মৌখিকভাবে সম্পাদিত হয়: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৩৯ লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মৌখিক চুক্তি বা দলিল এই ধারার আওতায় পড়ে না, কারণ এটি সাধারণত নিবন্ধিত বা লিখিত দলিলের বাতিলের জন্য প্রযোজ্য।

- অর্থাৎ ধারা ৩৯ এর অধীনে, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত দলিল বাতিল করার জন্য মামলা করা যায়, কারণ এটি বাতিলযোগ্য হয় এবং বাদীর আইনি অধিকারের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে। অন্য বিকল্পগুলি (সম্পূর্ণ বৈধ দলিল, সরকারের হেফাজতে থাকা, বা মৌখিক দলিল) এই ধারার আওতায় পড়ে না। তাই, সঠিক উত্তর হলো ঘ) যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।

৪,৯৬৫.
চুরির অপরাধের বিচার চলাকালে 'ক' ৮ মাস জেল হাজতে থাকে। বিচারের পর 'ক' এর ৪ মাসের কারাদণ্ড এবং ২০০০ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। এক্ষেত্রে 'ক' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৪ মাস ভোগ করতে হবে
  2. কোনো সাজা ভোগ করবে না
  3. অর্থদণ্ড মওকুফ হবে
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:

• ধারা-৩৫ক
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদেণ্ডর  মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদেণ্ডর মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।

Section 35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody-
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৪,৯৬৬.
বাংলাদেশের আইনে কীভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিধান রয়েছে?
  1. পাথর ছুড়ে
  2. ফাঁসি দিয়ে
  3. গুলি করে
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকিবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। তবে ২০১০ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আদালত ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছিল। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের (Special Powers Act, 1974) ৩৪ক ধারামতে ২ ভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে। যথা- i) ফাঁসি দিয়ে; অথবা ii) গুলি করে।
৪,৯৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১০৭ অনুযায়ী, আপীল আদালতকে নিম্নের কোন ক্ষমতা প্রদান করা হয়নি?
  1. নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা
  2. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করার ক্ষমতা
  3. মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা
  4. মোকদ্দমা পুনর্বিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০৭ অনুযায়ী, আপীল আদালতকে চারটি প্রধান ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে:
- মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা (Clause a)
- মোকদ্দমা পুনঃবিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করার ক্ষমতা (Clause b)
- বিচার্য বিষয় গঠন ও সেগুলো বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা (Clause c)
- অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা এমন সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করার ক্ষমতা (Clause d)
 উপরোক্ত চারটি ক্ষমতার কোনো একটিও "নতুন মামলা গ্রহণ" করার ক্ষমতা নয়।
 "নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা" (Institution of suit) শুধু আদি আদালতের (Court of original jurisdiction) থাকে, আপীল আদালতের নয়।

→ অর্থাৎ আপীল আদালত পূর্বে দায়েরকৃত মামলার বিষয়ে বিচার ও পর্যালোচনার ক্ষমতা রাখে, কিন্তু নতুন মামলা গ্রহণ করার এখতিয়ার রাখে না।
তাই সঠিক উত্তর: ক) নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা।

 ⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার বিধান: আপিল আদালতের ক্ষমতা:-
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার; 
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
-------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 107. Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
৪,৯৬৮.
বাংলাদেশ শ্রম আইন,২০০৬ এর অধীন মধ্যস্থতাকারী কর্তৃক নির্ধারিত কোন রোয়েদাদ বৈধ থাকবে-
  1. অনধিক ১ বৎসর পর্যন্ত
  2. অনধিক ৩ বৎসর পর্যন্ত
  3. অনধিক ২ বৎসর পর্যন্ত
  4. অনধিক ৬ বৎসর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ শ্রম আইন,২০০৬ এর ধারা ২১০(১৭) অনুযায়ী, মধ্যস্থতাকারী (Arbitrator) কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক দুই বৎসর পর্যন্ত কোন রোয়েদাদ বৈধ থাকবে।

• শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২০৯ থেকে ২১২ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর অধীন শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ৩টি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি রয়েছে-

১) আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে [Negotiation]
২) সালিস [Conciliation]
৩) মধ্যস্থতা [Arbitration]

শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির প্রথম ধাপ হলো আলাপ আলোচনার মাধ্যমে চুক্তিতে উপনীত হওয়া। আলাপ-আলোচনার জন্য কোন চুক্তিতে উপনীত না হলে, বিরোধটি সালিসে প্রেরণ করতে হবে এবং সালিসের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির অনুরোধ করবে। সালিস কর্তৃক বিরোধ নিষ্পত্তির অনুরোধ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে বিরোধটি নিষ্পত্তি না হলে, সালিসটি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য হবে। সালিসে কোন বিরোধ নিষ্পত্তি না হলে, বিরোধটি নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে। মধ্যস্থতাকারী মধ্যস্থতার অনুরোধ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে অথবা পক্ষগণ কর্তৃক লিখিতভাবে স্বীকৃত কোন বর্ধিত সময়ের মধ্যে তার রোয়েদাদ প্রদান করবে।
৪,৯৬৯.
A temporary injunction continues until-
  1. The judgment is delivered
  2. The appeal is filed
  3. The plaintiff withdraws the case
  4. A fixed time or further order of the Court
ব্যাখ্যা
Section-53. Temporary injunctions, Perpetual injunctions:

Temporary injunctions:
Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
৪,৯৭০.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণের জন্য কোন বিধি প্রযোজ্য?
  1. আদেশ-৪০, বিধি-১
  2. আদেশ-৪০, বিধি-২
  3. আদেশ-৩৯, বিধি-১
  4. আদেশ-৪০, বিধি-৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০-এর অধীনে রিসিভারের নিয়োগ ও কর্তব্য নিয়ন্ত্রিত হয়।
- আদেশ ৪০-এর বিধি ১-এ রিসিভার নিয়োগ এবং তার ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- আর রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণের বিষয়ে স্পষ্ট বিধান আছে আদেশ ৪০-এর বিধি ২-এ।
- এই বিধি অনুসারে, আদালত রিসিভারের সেবার জন্য পারিশ্রমিক সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে পারে।
- অন্য কোনো বিধিতে রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো আদেশ-৪০, বিধি-২।

- আদেশ ৪০ বিধি-২: পারিশ্রমিক: আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কার্যের জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারবে।
- Order 40 Rule-2: Remuneration: The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
৪,৯৭১.
সপিণ্ডের মধ্যে নারী সপিণ্ডের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয় কে?
  1. বিধবা স্ত্রী
  2. পিতার মাতা
  3. পিতার বোন
  4. পিতার পিতার মাতা
ব্যাখ্যা
⇒ নারী সপিণ্ডের তালিকায় পিতার বোন অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ নারী সপিণ্ডের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু সম্পর্কের ব্যক্তিরাই অন্তর্ভুক্ত হন।
সপিণ্ড বলতে সেই ব্যক্তিদের বোঝানো হয় যারা মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধ এবং শেষকৃত্য প্রক্রিয়ায় পিণ্ডদান করতে সক্ষম।
- নারী সপিণ্ডের মধ্যে ৫টি সম্পর্ক রয়েছে, যেমন:
১) বিধবা স্ত্রী
২) কন্যা
৩) মাতা
৪) পিতার মাতা
৫) পিতার পিতার মাতা
→ পিতার বোন এই তালিকায় নেই, কারণ পিতার বোন পিণ্ডদানকারী হিসেবে বিবেচিত হন না।
- এটি মূলত ঐতিহ্যগত হিন্দু আইনে প্রথাগত নির্ধারণ।
৪,৯৭২.
যদি একটি স্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২৫ লক্ষ টাকা হয়, তবে বণ্টননামা দলিল নিবন্ধনের ফি কত হবে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৭০০ টাকা
  3. ১,২০০ টাকা
  4. ১,৮০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইনের ধারা ৭৮খ এর বিধান বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:- ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:
(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা:
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা:
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা:
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।
-----------------------------------------------------
⇒ Section-78B. Registration fee for instrument of partition:
-Notwithstanding anything contained in section 78 or any other law for the time being in force, fee payable for registration of an instrument of partition of immovable property shall be-
(i) five hundred taka, where valuation of the property is not more than three lakh taka;
(ii) seven hundred taka, where valuation of the property is above three lakh taka and not more than ten lakh taka;
(iii) twelve hundred taka, where valuation of the property is above ten lakh taka and not more than thirty lakh taka;
(iv) eighteen hundred taka, where valuation of the property is above thirty lakh taka and not more than fifty lakh taka;
(v) two thousand taka, where valuation of the property is above fifty lakh taka.

৪,৯৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুসারে কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া যায়?
  1. ১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
  2. ৫০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
  3. ১০০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
  4. ৫০০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন আটককৃত সম্পত্তি, দ্রুত বা স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, অথবা মালিক অজানা বা অনুপস্থিত হন, অথবা ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন মালিকের কল্যাণের জন্য বিক্রি উত্তম, এবং সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোনো সময় ঐ সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।

এজন্য, ধারা ৫২৫ অনুযায়ী বিক্রির অনুমতি পাওয়া সম্পত্তির মূল্যসীমা নির্ধারিত আছে ১০ টাকা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৪,৯৭৪.
কোন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মোকদ্দমায় দ্বিতীয় রিভিশন করা যায়?
  1. জেলা জজ।
  2. যুগ্ন জেলা জজ।
  3. সিনিয়র সহকারি জজ।
  4. সহকারি জজ।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, ধারা ১১৫(৪) আনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি সাপেক্ষে জেলা জজ কিংবা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত রিভিশনে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়।
৪,৯৭৫.
প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. আরজিতে সত্যাখ্যান করবে মোকদ্দমার বাদী
  2. লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করবে মোকদ্দমার বিবাদী
  3. আদালত প্লিডিংস সত্যাখ্যান করবে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে,তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে,অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে,সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন,যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

Order 6 Rule 15: Verification of pleadings-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.]
৪,৯৭৬.
নিম্নলিখিত কোনটি বিচার বহিভূর্ত দোষ স্বীকারোক্তি [Extra-judicial Confession]?
  1. আদালতের নিকট দোষ স্বীকার
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  3. আদালতের বাহিরে ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  4. ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার:
-কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।


⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
i) Inculpatory Confessional Statement; ও
ii) Ex-culpatory Confessional Statement.
⇒ আসামি নিজেকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Inculpatory Confessional Statement বলা হয়।
⇒ আর আসামী নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বীকারোক্তিকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়, যথা-
i) বিচারিক (Judicial) স্বীকারোক্তি;
ii) বিচার বহির্ভূত (Extra-judicial) স্বীকারোক্তি; ও
iii) প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।

⇒ আসামী তার দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি যদি কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করে, তবে তাকে বলা হয় বিচারিক স্বীকারোক্তি।
⇒ আর তা যদি অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রদান করা হয়, তবে তাকে বলা হয় বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি।
⇒ এছাড়া দেখা যায়, আসামী প্রথমে বিচারিক বা বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি করার পর পরবর্তীতে তার ঐ পূর্বের স্বীকারোক্তি আদালতে অস্বীকার করছে। এটাকে বলা হয় প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।
৪,৯৭৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার মামলার ক্ষেত্রে প্রমাণ করতে হবে-
  1. শুধু দখল
  2. শুধু স্বত্ব
  3. দখল এবং স্বত্ব
  4. সম্পত্তি হতে আইনগত পন্থা ছাড়া বেদখল
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে।

৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।

Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
৪,৯৭৮.
অভিযোগ তৈরি না করার ফলে উক্ত মামলায় প্রদত্ত কোন দণ্ডাদেশ-
  1. অবশ্যই অবৈধ হবে
  2. ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে অবৈধ হবে
  3. অভিযুক্ত আবেদন করলে অবৈধ হবে
  4. ফরিয়াদি আবেদন করলে বৈধ হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৫- অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল

(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপিল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরি না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge

(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৪,৯৭৯.
দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলাকালীন সময়ে-
  1. আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
  2. আসামী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
  3. আপিলকারী বা আসামী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যাওয়া মানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় এবং আপিলকারী মারা গেলে আপিলটি বাতিল হয়।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল বাতিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে- ৪১৭ বা ৪১৭ক ধারার অধীন প্রত্যেকটি আপীল অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে, এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল ব্যতীত) আপীলকারীর মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে।

ফৌজদারী মামলা বা আপিল বাতিল হবে যদি অভিযুক্ত মারা যায়। সুতরাং কে মারা গেলে আপিল বাতিল হবে, তা নির্ধারণ করতে হলে দেখতে হবে, আপিল চলাকালীন সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেছে কিনা। এটা নির্ধারণ করতে দেখতে হবে আপিলটি কে করেছে। ৪১৭ ধারার অধীন খালাসের বিরুদ্ধে আপিল এবং ৪১৭ক ধারার অধীন অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে না। কারণ খালাস এবং অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে স্বাভাবিকভাবে আপিল করবে পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী।

অন্যদিকে ৪০৭, ৪০৮ বা ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যাওয়া মানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় এবং এই কারণে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিলটি বাতিল হয়।
৪,৯৮০.
What is the time limit for filing a complaint under Section 138, as per Section 141 of the Negotiable Instruments Act, 1881?
  1. Within 15 days of dishonour
  2. Within three months of cheque issuance
  3. Within one month of the cause of action
  4. Within six months of dishonour
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881: Section 141: Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- 
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque; 
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138; 
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.

ধারা ১৪১: ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;

(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।
৪,৯৮১.
দণ্ডবিধি প্রণয়নকারী কমিশনের প্রধান কে ছিলেন?
  1. মি. ম্যাকলিউড
  2. লর্ড ম্যাকুলে
  3. স্যার বার্নেস পিকক
  4. লর্ড আ্যাকল্যান্ড
ব্যাখ্যা
→ ১৮০৭ সাল থেকে দণ্ডবিধি বলবৎ (১৮৬১) হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজ এ তিনটি প্রেসিডেন্সি শহরে ইংল্যান্ডের দণ্ডবিধি অনুসৃত হতো। অবশিষ্ট মফস্বল এলাকায় ইসলামি ফৌজদারি আইন মোতাবেক নিজামত/সার্কিট জজ/ম্যাজিস্ট্রেট বিচার ও দণ্ডবিধান করতেন।
→ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানি হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন।
যা নিম্নরূপ :-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মি. ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মিঃ এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মিঃ মিলার।
→ এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিল)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরি করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ তারিখ আইন, দণ্ডবিধি।
→ ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর ভারতে দণ্ডবিধি নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় ইন্ডিয়ান পেনাল কোর্ড (আইপিসি) পাকিস্তান নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় পেনাল কোড (পিপিসি) ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ অভূদ্যয়ের পর প্রেসিডেন্ট আদেশ নং-৮ তারিখ ৩০/০৬/১৯৭৩ মূলে পাকিস্তান দণ্ডবিধি নামের পাকিস্তান শব্দটি তুলে নিয়ে এই আইনের পুনঃ নামকরণ হয় দণ্ডবিধি। এতে আছে মোট ২৩টি অধ্যায় ৫১১টি ধারা আছে।
৪,৯৮২.
শিশু আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে আপিল করতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. আপিল বিভাগে
  4. কোনো আপিল চলবে না
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪১ ধারার বিধান- আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৪,৯৮৩.
বর্তমানে বলবৎ তামাদি আইন ________ সালের ৯নং আইন।
  1. ১৯০৩
  2. ১৯০৮
  3. ১৯০৯
  4. ১৯১১
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯নং আইন।
⇒ আইনটি ১৯০৮ সালের ৭ ই আগস্ট প্রণীত হয়।
⇒ এটি কার্যকর হয় ১৯০৯ সালের ১ লা জানুয়ারী।
⇒ এটি একটি পদ্ধতিগত আইন।
⇒ তামাদি আইনের মোট ধারা ৩২ টি , ৩ টি ধারা বাতিল করা হয়েছে এবং বর্তমানে বলবৎ রয়েছে ২৯ টি ধারা।
⇒ মোট তফসিল ৩ টি (২য় ও ৩য় তফসিল বাতিল করা হয়েছে)। বর্তমানে বলবৎ আছে ১টি তফসিল।
⇒ তামাদি আইনের ১ম তফসিলে মোট অনুচ্ছেদ রয়েছে ১৮৩ টি।
৪,৯৮৪.
"দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে" সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে (Character as affecting damages)- সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারামতে দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ Character as affecting damages:
Section 55. In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
 
Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
৪,৯৮৫.
বার কাউন্সিলের মেয়াদকাল কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 4:
Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.

[অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে, বার কাউন্সিলের মেয়াদকাল হবে তিন বছর যা বার কাউন্সিলের নির্বাচনের পরবর্তী জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে গণনা করা হবে; এবং প্রতিটি মেয়াদের শেষে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ তাদের পদ হারাবেন।]
৪,৯৮৬.
দেহ বা শরীর সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত প্রয়োগ করা যায় কয়টি ক্ষেত্রে?
  1. চারটি ক্ষেত্রে
  2. ছয়টি ক্ষেত্রে
  3. আটটি ক্ষেত্রে
  4. পাঁচটি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০০ অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়।
যথা:
(i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
(ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
(iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
(vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
৪,৯৮৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায় বাদীর নিচের কোনটি প্রমাণ করতে হবে না?
  1. সম্পত্তিটি দখলে ছিল
  2. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  3. বিবাদী তাকে বেদখল করেছে
  4. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলা করেছে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার করতে হলে বাদীকে প্রমাণ করতে হবে নালিশি সম্পত্তি তার দখলে ছিল এবং উক্ত সম্পত্তি হতে তাকে গত ৬ মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে বেদখল করা হয়েছে।
-এই ৯ ধারায় ( স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায়) স্বত্ব প্রমাণ বা স্বত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করার প্রয়োজন নেই, তথাপিও পক্ষ চাইলে উত্থাপন করতে পারেন।
ধারাঃ ৯- স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার  স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধার/মামলা করার সময়সীমা ৬ মাস।
-------------------------
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
 
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৪,৯৮৮.
‘A’ একটি দ্রব্যে নকল চিহ্ন লাগিয়ে ‘Z’-কে বিখ্যাত প্রস্তুতকারক কোম্পানির দ্রব্যে বলে বিশ্বাস করিয়ে ফাঁকি দেওয়ায় এবং ক্রয়ে প্ররোচিত করে, ‘A’ দণ্ডবিধির কত ধারায় সংজ্ঞায়িত অপরাধ করেছে?
  1. ৪০৫
  2. ৪১৫
  3. ৪১৬
  4. ৪০৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

-  ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
------------------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415.Cheating:
Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৪,৯৮৯.
দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে কোন নারীর সাথে যৌন সহবাস করলে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে?
  1. সম্মতি ব্যতিত
  2. ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায়
  3. ইচ্ছার বিরুদ্ধে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারামতে ৫টি ক্ষেত্রে কোন নারীর সাথে যৌন সহবাস করলে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে।
যথা
(i) ইচ্ছার বিরুদ্ধে
(ii) সম্মতি ব্যতীত
(iii) মৃত্যু বা আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা হলে
(iv) প্রতারণামূলকভাবে সম্মতিক্রমে (যখন নারীটি পুরুষটিকে নিজের স্বামী বলে বিশ্বাস করে) অথবা
(v) সম্মতিসহ বা ছাড়া ১৪ বছরের কম বয়স্ক নারীর সাথে (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী ১৬ বছর) অর্থাৎ ১৪ বছরের কম বয়স্ক মেয়ের সাথে যৌন সহবাস করলেই তা ধর্ষণ হবে এ ক্ষেত্রে মেয়েটির সম্মতি থাকা না থাকা অপ্রাসঙ্গিক। ধারা-৩৭৫, ব্যাখ্যা (Explanation)- ধর্ষণের অপরাধের জন্য প্রয়োজনীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবেশ করাই যথেষ্ট বলে বিবেচিত হবে।
৪,৯৯০.
মৃত্যুর কারন সংবলিত মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক হবে তা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায়?
  1. ৩২(২) ধারায়
  2. ৩১(২) ধারায়
  3. ৩১(৩) ধারায়
  4. ৩২(১) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);

ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);

iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);

vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা

viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

-------------------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা: যে ব্যক্তি মৃত অথবা যাকে খুঁজে পাওয়া যায় না অথবা যে সাক্ষ্য দেওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়েছে অথবা যাকে হাজির করা এরূপ সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ যে, সংশ্লিষ্ট মামলার অবস্থা বিবেচনায় আদালতের মতে তা অযৌক্তিক; সেইরূপ ব্যক্তির প্রাসঙ্গিক বিষয়ে লিখিত বা মৌখিক বিবৃতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নিজেরাই প্রাসঙ্গিক বিষয়:

(১) যখন এটি মৃত্যুর কারণের সাথে সংশ্লিষ্ট (When it relates to cause of death): যখন মামলায় কোন মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন উঠে, তখন সেই মামলায় ঐ ব্যক্তি কর্তৃক তার মৃত্যু সম্পর্কে অথবা যে পরিস্থিতিতে তার মৃত্যু ঘটেছে তার কোন একটি সম্পর্কে দেওয়া বিবৃতি; এরূপ বিবৃতি দেওয়ার সময় ঐ ব্যক্তি মৃত্যুর আশঙ্কা করুক বা না করুক এবং যে কার্যক্রমে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন উঠে তার প্রকৃতি যাই হোক না কেন উক্ত বিবৃতি প্রাসঙ্গিক।

(২) সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনার সময় প্রদত্ত (Made in course of business) : যখন বিবৃতিটি ঐ ব্যক্তি কর্তৃক কাজের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় (in the ordinary course of business) দেয়া হয়, এবং বিশেষভাবে যখন তা কাজের স্বাভাবিক রীতিতে, বা পেশাগত দায়িত্ব পালনে রক্ষিত বইয়ে ঐ ব্যক্তি কর্তৃক প্রস্তুত কোনো লিখন (entry) বা স্মারকের (memorandum) অন্তর্ভূক্ত হয়; অথবা যখন তা অর্থ, মালামাল, জামানত বা যে কোনো সম্পত্তি গ্রহণের প্রক্রিয়ায় ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত বা স্বাক্ষরিত স্বীকারোক্তি (acknowledgment) হয়; অথবা যখন তা ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত বা স্বাক্ষরিত কোন ব্যবসায়িক ব্যবহৃত দলিলে লেখা হয়; অথবা তা সাধারণভাবে ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত বা তারিখ প্রদত্ত চিঠি বা অন্য দলিলের তারিখ প্রসঙ্গে লেখা হয়।
৪,৯৯১.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হন?
  1. জনগণের সরাসরি ভোটে 
  2. সংসদ-সদস্যদের দ্বারা
  3. প্রধান বিচারপতির দ্বারা
  4. মন্ত্রিসভার সদস্যদের দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে:“বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।”
অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সদস্যদের (সংসদ সদস্য) দ্বারা নির্বাচিত হন। এটি একটি পরোক্ষ নির্বাচন (indirect election) প্রক্রিয়া।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ রাষ্ট্রপতি: 
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

৪,৯৯২.
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ রাজপথে সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময়ে দস্যুতা করে, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  2. ১২ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা অনুযায়ী সাধারণভাবে দস্যুতার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
- কিন্তু যদি দস্যুতা রাজপথে এবং সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মাঝখানে সংঘটিত হয়, তাহলে এই শাস্তির মেয়াদ চৌদ্দ (১৪) বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
- এ কারণে সঠিক উত্তর গ) ১৪ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860: Section 392. Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৪,৯৯৩.
৪ ধারা অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না?
  1. চুক্তির অধীনে প্রতিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে
  2. চুক্তি নয় এমন অঙ্গীকারের ব্যাপারে
  3. চুক্তি অনুযায়ী সম্পত্তির দখল হস্তান্তরে
  4. চুক্তি অনুযায়ী সম্পত্তির দখল পাওয়ার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:

যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে-
(ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়;
(খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা
(গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।
৪,৯৯৪.
নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে
  2. দেওয়ানী মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবে
  3. দেওয়ানী মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে না
  4. কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা- দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী:
সকল দেওয়ানী মামলায় পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষী হবে। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে।

⇒ Section 120 of Evidence Act: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৪,৯৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১১, বিধি-১ অনুসারে, প্রশ্নমালা (Interrogatories) প্রদানের সময়সীমা গণনা শুরু হয় কোন তারিখ থেকে?
  1. প্রথম শুনানির তারিখ থেকে
  2. ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে
  3. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  4. উত্তর দাখিলের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতের অনুমতি নিয়ে, ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিপক্ষের কাছে লিখিত প্রশ্নমালা (Interrogatories) পাঠাতে পারে।
- এর উদ্দেশ্য হলো, পক্ষগুলো পরস্পরকে প্রাসঙ্গিক তথ্য জানতে বাধ্য করতে পারে এবং মামলার বিচার কার্যক্রম সহজতর হয়।

প্রয়োগের মূল শর্ত:
- ১০ দিনের সময়সীমা গণনা শুরু হবে ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে।
- আদালতের অনুমতি ছাড়া কেউ একাধিকবার প্রশ্নমালা পাঠাতে পারবে না।
- প্রশ্নমালা মামলার প্রাসঙ্গিক বিষয়ের মধ্যে থাকতে হবে, তা না হলে তা অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-1: Discovery by Interrogatories:
- In any suit, the plaintiff or defendant, by leave of the Court, may, [within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories, when delivered, shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer:
Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose:
Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.
৪,৯৯৬.
Which legal doctrine is closely related to "Vis Major"?
  1. Strict Liability
  2. Force Majeure
  3. Res Ipsa Loquitur
  4. Habeas Corpus
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: খ) Force Majeure.
⇒ "Vis Major" (Act of God) এবং "Force Majeure" দুটি আইনি ধারণা যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনিয়ন্ত্রণযোগ্য ঘটনাবলির কারণে দায়মুক্তির সাথে সম্পর্কিত। এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে:
১. Vis Major (Act of God): 
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন: বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, বজ্রপাত ইত্যাদি।
- মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনা।
- দায়মুক্তির শর্ত: ঘটনাটি অনিবার্য এবং যেকোনো রকম সতর্কতা অবলম্বন করলেও এড়ানো সম্ভব ছিল না।
২. Force Majeure:
- Vis Major-এর চেয়ে বিস্তৃত ধারণা।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ (Vis Major) + মানবসৃষ্ট দুর্যোগ যেমন: যুদ্ধ, দাঙ্গা, সরকারি নিষেধাজ্ঞা, শ্রমিক ধর্মঘট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয় (যেমন: "Force Majeure Clause")।
৩. সম্পর্ক: Vis Major, Force Majeure-এর একটি উপসেট। সব Act of God, Force Majeure-এর অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সব Force Majeure ঘটনা Act of God নয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) Strict Liability: নিরপেক্ষ দায় (যেমন: বিপজ্জনক বস্তুর সংরক্ষণ), যেখানে অভিযুক্ত কোনো প্রমাণ ছাড়াই দায়ী। এমন একটি আইনি নীতি যা কোনো অবহেলা বা দোষ ছাড়াই একটি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতির জন্য দায়ী করে।
গ) Res Ipsa Loquitur: "ঘটনাই কথা বলে"—যে কিছু ঘটনার জন্য অবহেলা প্রমাণ করতে হয় না কারণ ঘটনা নিজেই তা প্রমাণ করে।
ঘ) Habeas Corpus: "দেহ উপস্থাপনের আদেশ"—আটক ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থাপনের জন্য রিট। একটি আইনি আদেশ যা অবৈধ আটক বা গ্রেপ্তার প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

- অর্থাৎ Vis Major এবং Force Majeure উভয়ই অপ্রত্যাশিত বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যুদ্ধের পরিস্থিতিকে বোঝায় যা কোনো পক্ষের জন্য চুক্তির শর্ত পূরণ করতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
৪,৯৯৭.
তামাদি আইনের কোন ধার‍ায় 'Condonation of delay' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৪ ধারায়
  3. ৫ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫ টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। এটিকে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে। 

⇒তামাদি আইনের ৫ ধার‍ায় 'Condonation of delay' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।

- তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য -
i) আপিল (Appeal);
ii) আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত (Leave to appeal)
iii) রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত (Revision)
iv) রায়ের পুনঃনিরীক্ষণের দরখাস্ত (Review)
v) অন্য কোনো দরখাস্তে ( Any other application)

-এছাড়া অন্যকোনো ক্ষেত্রে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের সুযোগ নেয়া যাবে না।

-১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়-
i. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে।
ii. মূল মামলার ক্ষেত্রে। যেমন- স্বত্ব ঘোষণা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি।

- ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার প্রদত্ত ব্যাখ্যা অনুযায়ী আপিলকারী বা দরখাস্তকারী হাইকোর্ট বিভাগের কোন আদেশ, প্রথা বা রায় দ্বারা তামাদির মেয়াদ গণনা বা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হলে তা পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে। এছাড়া উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে- মারাত্মক অসুস্থতা, কারাবাস, সরল বিশ্বাসে ভুল, আইনজীবী বা উকিলের ভুল ইত্যাদি।

- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
- ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপিলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপিল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
৪,৯৯৮.
ফরিয়াদী কর্তৃক আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর ফি প্রদান করা না হলে, আদালত সর্বোচ্চ কী শাস্তি দিতে পারে?
  1. ৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩০ দিন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ মাস সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৬ক ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদী কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ: 
(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামী সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থ দানের জন্য আসামীকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদীর জবানবন্দীর জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং 
(খ) ফরিয়াদী কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।
(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপীল আদালত বা হইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
------------------
CrPC-Section-546A: Order of payment of certain fees paid by complainant in non-cognizable cases:
(1) Whenever any complaint of a non-cognizable offence is made to a Court, the Court, if it convicts the accused, may in addition to the penalty imposed upon him, order him to pay to the complainant– 
(a) the fee (if any) paid on the petition of compliant or for the examination of the complainant, and 
(b) any fees paid by the complainant for serving processes on his witnesses or on the accused, 
and may further order that, in default of payment, the accused shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days. 
(2) An order under this section may also be made by an Appellate Court, or by the High Court Division, when exercising its powers of revision.
৪,৯৯৯.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. আপিল
  2. ডিক্রি জারি
  3. মোকদ্দমা দায়ের
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা শুধু মোকদ্দমা, কার্যক্রম কিংবা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫,০০০.
একজন অ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় কার নিকট?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. আপিল বিভাগ
  3. আইনমন্ত্রী
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ অনুচ্ছেদ-৩৬: অনুচ্ছেদ ৩৪ এর অধীন কোন আদেশ দেয়া হলে উক্ত আদেশের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
♦ অর্থাৎ একজন এ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিস্কার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়  ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে।