বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৪৮ / ১৫৫ · ৪,৭০১৪,৮০০ / ১৫,৪৭০

৪,৭০১.
দণ্ডবিধির ধারা ১৮৮ কোন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. সরকারি সম্পত্তি ক্ষতি করা
  2. সরকারি নথি জাল করা
  3. সরকারি কর্মচারীর আদেশ অমান্য করা
  4. সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়া
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধি ১৮৮ ধারা: সরকারি কর্মচারীর বিধিসম্মত ঘোষিত আদেশ অমান্য করা-
যে কেউ, যদি জানে যে কোনো সরকারি কর্মচারী, যিনি আইনানুযায়ী কোনো আদেশ ঘোষণার ক্ষমতা রাখেন, তাকে (অর্থাৎ ওই ব্যক্তিকে) কোনো বিশেষ কাজ থেকে বিরত থাকতে বা তার দখলে বা তত্ত্বাবধানে থাকা কোনো সম্পত্তির বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন, এবং সে ব্যক্তি সেই আদেশ লঙ্ঘন করে—

তাহলে: যদি তার এই অবাধ্যতা কোনো বৈধভাবে নিযুক্ত ব্যক্তির জন্য বাধা, বিরক্তি, ক্ষতি বা তার সম্ভাবনা সৃষ্টি করে, তাহলে:
- সর্বোচ্চ এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা
- ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা
- উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

আর যদি এই অবাধ্যতা মানবজীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার জন্য বিপদ সৃষ্টি করে বা এর সম্ভাবনা থাকে, অথবা দাঙ্গা বা সংঘর্ষের কারণ হয় বা তার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে:
- সর্বোচ্চ ছয় মাসের যে কোনো ধরণের (সাধারণ বা সশ্রম) কারাদণ্ড, বা
- ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা
- উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

৪,৭০২.
কখন ডিক্রি জারির আবেদন ১২ বছর পরও করা যায়?
  1. কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করলে
  2. আদালত ডিক্রি জারির আবেদন গ্রহণ না করলে
  3. ডিক্রির দেনাদার মারা গেলে
  4. দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দাখিল করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ১২ বৎসর। নিয়মটি হলো ডিক্রি প্রদানের পর ৩ বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত বা জারি মামলা দায়ের করতে হবে। ৩ বৎসরের মধ্যে জারি মামলা দায়ের করার পর, পরবর্তীতে ১২ বৎসর পর্যন্ত ডিক্রিদার [Decree Holder] যে কোনো সংখ্যক ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দায়ের করতে পারে। 

⇒  ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির নতুন দরখাস্ত [fresh application] দায়ের করা যায় এবং আদালত ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারে যদি দেনাদার  প্রবঞ্চনা [Fraud] কিংবা শক্তি [force] প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে।

⇒  অর্থাৎ যদি দেনাদার প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে ক্ষেত্রে ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির জন্য নতুন আবেদন [Fresh application] করা যাবে।
------------------
Section 48. Execution barred in certain cases:
(1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from:
(a) the date of the decree sought to be executed, or, 
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree. 
 
(2) Nothing in this section shall be deemed:
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or 
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.
৪,৭০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ক্ষেত্রে রিসিভার নিয়োগ করতে পারে?
  1. বিরোধীয় সম্পত্তি কারো দখলে না থাকলে
  2. বিরোধীয় সম্পত্তির প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হলে
  3. বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা না থাকলে
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন। অর্থাৎ কারো দখলে না থাকলে আদালত সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা:

(১) ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।

Section 146: Power to attach subject of dispute-
(1) If the Magistrate decides that none of the parties was then in such possession, or is unable to satisfy himself as to which of them was then in such possession of the subject of dispute, he may attach it until a competent Court has determined the rights of the parties thereto, or the person entitled to possession thereof: 
Provided that such Magistrate may withdraw the attachment at any time if he is satisfied that there is no longer any likelihood of a breach of the peace in regard to the subject of dispute. 
 
(2) When the Magistrate attaches the subject of dispute, he may, if he thinks fit and if no receiver of the property, the subject of dispute, has been appointed by any Civil Court appoint a receiver thereof, who, subject to the control of the Magistrate, shall have all the powers of a receiver appointed under the Code of Civil Procedure, 1908: 
Provided that, in the event of a receiver of the property, the subject of dispute, being subsequently appointed by any Civil Court, possession shall be made over to him by the receiver appointed by the Magistrate, who shall thereupon be discharged.
৪,৭০৪.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে প্রতারণামূলক ডিক্রি রদের জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৮৫
  2. অনুচ্ছেদ ৯১
  3. অনুচ্ছেদ ৯৫
  4. অনুচ্ছেদ ১০২
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) অনুচ্ছেদ ৯৫।
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯৫ অনুযায়ী, যদি কোনো ডিক্রি প্রতারণামূলকভাবে (fraudulently) নেওয়া হয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ডিক্রিটি বাতিল করার জন্য মামলা করতে পারেন। তবে এই মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৩ বছর, যা গণনা শুরু হবে যে দিন ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ প্রতারণার বিষয়ে অবগত হন, সেদিন থেকে।

- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত ডিক্রির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ দেওয়া, তবে এটি অনির্দিষ্টকাল ধরে আদালতের বিচারাধীন না থাকে সেজন্য ৩ বছরের তামাদি সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৪,৭০৫.
সুমন একটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চরিত্র সম্পর্কে এমন একটি বিবৃতি দিয়েছেন যা তিনি জানেন মিথ্যা এবং এতে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত হতে পারে। সুমনের শাস্তি কী হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭১ছ: নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত মিথ্যা বিবৃতি:

যে কেউ, নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে, কোনো বিবৃতি যা প্রকৃতপক্ষে সত্য নয় এবং যা সে জানে বা বিশ্বাস করে যে মিথ্যা, অথবা যা সত্য বলে বিশ্বাস করে না, এমন কোনো বিবৃতি প্রকাশ করে বা প্রকাশের উদ্যোগ নেয় যা কোনো প্রার্থীর ব্যক্তিগত চরিত্র বা আচরণের সাথে সম্পর্কিত, তাকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 171G- False statement in connection with an election:
Whoever with intent to affect the result of an election makes or publishes any statement purporting to be a statement of fact which is false and which he either knows or believes to be or does not believe to be true, in relation to the personal character or conduct of any candidate shall be punished with fine.
৪,৭০৬.
আদেশ ১০ বিধি ২ এ পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীদের কোন ধরনের জবানবন্দি নেয়ার বিধান রয়েছে?
  1. লিখিত জবানবন্দি
  2. মৌখিক জবানবন্দি
  3. কমিশনের মাধ্যমে জবানবন্দি
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ১০ বিধি ২ (পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি)-
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে, এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে, আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Order 10 Rule 2 (Oral examination of party or companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
৪,৭০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী লিখিত জবাবে নতুন তথ্য যোগ করতে চাইলে কী করতে হবে?
  1. বাদীকে জানালেই চলবে
  2. বাদীর উকিলের স্বাক্ষর প্রয়োজন
  3. আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  4. শুনানির সময় মৌখিকভাবে উল্লেখ করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order VIII, Rule 9 অনুসারে:
- লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি বিবাদী নতুন কোনো তথ্য বা যুক্তি যোগ করতে চায়, তাহলে তাকে আদালতের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে।
- আদালত যথাযথ কারণ দেখলে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার শর্তে এ অনুমতি দিতে পারেন।
প্রক্রিয়া:
- বিবাদীকে আবেদন করে কারণ দর্শাতে হবে।
- আদালত প্রয়োজনে বিপক্ষ পক্ষকে জবাব দানের সুযোগ দিতে পারেন।
- অনুমতি পেলে সংশোধিত লিখিত জবাব দাখিল করতে হবে।

দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী লিখিত জবাবে নতুন তথ্য যোগ করতে চাইলে আদালতের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন। অর্থাৎ, যদি বিবাদী লিখিত জবাবে নতুন কোনো তথ্য বা দাবি যোগ করতে চান, তবে তাকে আদালতের অনুমতি নিতে হবে।
৪,৭০৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী সহকারী জজের বর্তমান আর্থিক এখতিয়ার কত পর্যন্ত?
  1. ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত
  2. ১৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত
  3. ২৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত
  4. সীমাহীন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি (Code of Civil Procedure), ১৯০৮-এর ধারা ৬ অনুযায়ী বলা হয়েছে যে, কোনো দেওয়ানী আদালত তার নির্ধারিত আর্থিক এখতিয়ারের বাইরে কোনো মামলা গ্রহণ বা বিচার করতে পারবে না – যদি না অন্য কোথাও ভিন্নভাবে নির্দিষ্ট করা থাকে।
- তবে এই আর্থিক এখতিয়ার নির্ধারিত হয় “Civil Courts Act, 1887”-এর অধীন, বিশেষতঃ ধারা ১৯ অনুযায়ী।
১। সহকারী জজ আদালত (Assistant Judge):
- আর্থিক এখতিয়ার – ১৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত
- সংশ্লিষ্ট আইন – Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৯
২। সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (Senior Assistant Judge):
- আর্থিক এখতিয়ার – ১৫,০০,০০১ টাকা থেকে ২৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত
- সংশ্লিষ্ট আইন – Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৯
৩। যুগ্ম জেলা জজ আদালত (Joint District Judge):
- আর্থিক এখতিয়ার – ২৫,০০,০০১ টাকা এবং তদূর্ধ্ব (সীমাহীন)
- সংশ্লিষ্ট আইন – Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৮

→ সহকারী জজ → ১৫ লক্ষ পর্যন্ত
→ সিনিয়র সহকারী জজ → ১৫ লক্ষের পরে থেকে ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
→ যুগ্ম জেলা জজ → ২৫ লক্ষের পরে (সীমাহীন)
৪,৭০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী, যদি অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মচারী হন এবং তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজন না হয়, তাহলে—
  1. মামলাটি বাতিল হবে
  2. মামলাটি স্থগিত করা হবে
  3. মামলাটি হাইকোর্টে যাবে
  4. মামলার কার্যক্রম চলমান থাকতে পারে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ – অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকলে:
যদি কোনো মামলায় সমন ইস্যু করা হয়ে থাকে অভিযোগের ভিত্তিতে, এবং যেদিন অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজিরার দিন নির্ধারিত হয় অথবা যেকোনো পরবর্তী দিন যেদিন মামলার শুনানি মুলতবি করা হয়েছে, সেইদিন অভিযোগকারী উপস্থিত না থাকলে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খালাস দিয়ে দেবেন, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে মনে করেন যে, মামলার শুনানি অন্য কোনো দিনে স্থগিত করা উচিত।

তবে শর্ত থাকে যে: যদি অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মচারী হন, এবং তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজন না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতি অব্যাহতি দিতে পারেন, এবং মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-247. Non-appearance of complainant:
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day:
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
৪,৭১০.
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার _________ তারিখ নির্ধারণ করবে।
  1. প্রথম শুনানির
  2. চূড়ান্ত শুনানির
  3. প্রাথমিক শুনানির
  4. ডিক্রি শুনানীর
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। বিচার্য বিষয় দুই প্রকার। যথা-
- ঘটনা বা তথ্য সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of fact); এবং
- আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of law)

কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে,তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

• আদেশ ১৪ বিধি ৮ অনুযায়ী-
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ স্থিরীকৃত করবে।
- After the issues are framed,the Court shall within one hundred and twenty days thereof,fix a date for final hearing of the suit.
৪,৭১১.
সর্বপ্রথম কত সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ফৌজদারি কার্যবিধি পাশ হয়?
  1. ১৮৫৯ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৬৩ সালে
  4. ১৮৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি পাস করা হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
৪,৭১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Mandatory Injunctions' এর বিধান আছে?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৫ ধারা
  4. ৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার বিধান: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা: যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
---------------
The specific relief Act Section-55.Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.

৪,৭১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারায় কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. ২য় এবং ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ
  3. যুগ্ম দায়রা জজ এবং ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সকল শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 

(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৪,৭১৪.
পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্তের তামাদির বিধান The Limitation Act, 1908 এর কত অনুচ্ছেদে দেওয়া আছে?
  1. ১৭২
  2. ১৭৩
  3. ১৭৫
  4. ১৭৮
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা: 
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে। 
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
৪,৭১৫.
কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড থেকে প্রাপ্ত কোনো প্রকার সাক্ষ্য প্রদান করতে পারবে, যদি ________ তার অনুমতি প্রদান করেন।
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা
  4. সরকার এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা উভয়ে
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৩: রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির বিষয়ে সাক্ষ্য
কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড থেকে প্রাপ্ত কোনো প্রকার সাক্ষ্য প্রদান করতে পারবে না, যদি না সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা তার অনুমতি প্রদান করেন। এই অনুমতি দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে ঐ কর্মকর্তার বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল; তিনি উপযুক্ত মনে করলে অনুমতি দেবেন, বা  withheld (প্রতিবন্ধকতা) করতে পারবেন।

[No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.]
৪,৭১৬.
দাঙ্গার ক্ষেত্রে কারা দোষী বলে গণ্য হবে?
  1. শুধু অবৈধ সমাবেশের নেতা
  2. শুধু অস্ত্রধারীরা
  3. শুধু সহিংসতায় অংশগ্রহণকারীরা
  4. অবৈধ সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান: দাঙ্গা:
- যখন কোনো অবৈধ সমাবেশ বা তার কোনো সদস্য দ্বারা বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা ব্যবহার করা হয়, এবং তা সেই সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য করা হয়, তখন সেই সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার অপরাধে দোষী বলে গণ্য হবে।

৪,৭১৭.
কুরআনে নির্ধারিত দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণ কত?
  1. ১০ দিরহাম
  2. ৩ দিরহাম
  3. ৮ দিরহাম
  4. নির্ধারণ করা হয়নি
ব্যাখ্যা
• বিবাহ বন্ধনের বিনিময়ে স্ত্রী স্বামীর নিকট শরিয়ত সম্মতভাবে যে অর্থ-সম্পদ লাভের অধিকারী হয় সে অর্থ সম্পদকে দেনমোহর বলে। দেনমোহরের পরিমাণ বিবাহের পূর্বে বা বিবাহের সময় কিংবা বিবাহের পর নির্দিষ্ট করা যায়। বিবাহের পর দেনমোহরের পরিমাণ বৃদ্ধি করা যায়।

⇒ দেনমোহর প্রথমত দুই প্রকার, যথা- নির্ধারিত দেনমোহর এবং যথার্থ দেনমোহর।
⇒  Fixed dower বা নির্ধারিত দেনমোহরের ক্ষেত্রে দেনমোহর নির্ধারিত থাকে। অন্য দিকে proper dower বা যথার্থ দেনমোহরের ক্ষেত্রে দেনমোহর নির্ধারিত থাকে না।
কুরআনে দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি। দেনমোহরের পরিমাণ কত হবে তা নিয়ে বিভিন্ন মাযহাবে মতানৈক্য রয়েছে।
⇒ হানাফি আইন অনুসারে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমান ১০ দিরহাম বা সাত মিসকাল পরিমাণ রৌপ্য।
⇒ মালিকি মতবাদ অনুসারে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণ ৩ দিরহাম।
⇒ শাফেয়ি এবং শিয়া আইনে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণের উল্লেখ নেই। তবে কোনো মাযহাবে। দেনমোহরের সর্বোচ্চ পরিমাণ নিয়ে কিছু বলা নেই।
৪,৭১৮.
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারায় "তলব করা" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. দলিলের একটি কপি সরবরাহ করা
  2. দলিলের সত্যতা যাচাই করা
  3. আদালতে সাক্ষীকে হাজির করতে বলা
  4. দলিলটি রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
 
Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৪,৭১৯.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি প্রযোজ্য নয়?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. মূল মামলা
  4. রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত বিলম্ব মওকুফের বিষয়টির আইনগত মূল্য অপরিসীম। এই ধারা মতে কোন আপিলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপিল, রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
- তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবল আপিল এবং রিভিউ ,রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
- মূল মামলার ক্ষেত্রে এ তামাদি আইনের ৫ ধারাটি প্রযোজ্য হবে না। কারণ অধিকাংশ দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর হতে ১২ বৎসর পর্যন্ত সম্প্রসারিত কিন্তু এই ধারার বিধান মতে আপিল এবং আবেদনের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন হতে ৬ মাস। যেহেতু আপিলের সময়সীমা কম সেহেতু যুক্তিসংগত কারণে আপিল দায়ের করতে কিংবা রিভিশন সহ অন্যান্য দরখাস্ত দাখিল করতে বিলম্ব হলে এই ধারামতে উপযুক্ত কারণ সাপেক্ষে সেই বিলম্ব মওকুফ করা যাইতে পারে। তাই মূল মামলায় অনেক সময় পাওয়া যায় বিধায় মূল মামলা ৫ ধারা ব্যবহার যোগ্য নহে।

⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
৪,৭২০.
ফৌজদারী কার্যবিধিতে বন্ড সম্পাদনের পর আসামীর মুক্তির বিধান কোন ধারায়?
  1. ৪৯৯(২)
  2. ৫০০(১)
  3. ৫০১(১)
  4. ৫০২(১)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুসারে, ধারা ৫০০(১)-এ বন্ড সম্পাদনের পর আসামীর মুক্তির বিধান বর্ণিত আছে। এই ধারায় বলা হয়েছে: "যত তাড়াতাড়ি বন্ড সম্পাদিত হবে, যার উপস্থিতির জন্য বন্ডটি সম্পাদিত হয়েছে সেই ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হবে; এবং, যদি তিনি জেলে থাকেন, তবে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার জন্য আদালত জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে মুক্তির আদেশ জারি করবে, এবং এই আদেশ প্রাপ্তির পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দেবেন।"
এই ধারাটি স্পষ্টভাবে বন্ড সম্পাদনের পর আসামীর মুক্তির প্রক্রিয়া বর্ণনা করে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.

৪,৭২১.
What does the term "Doli Capax" mean in a legal context?
  1. Incapable of wrong
  2. Capable of wrong
  3. Among other things
  4. Presumption of innocence
ব্যাখ্যা
→ The correct answer is: খ) Capable of wrong.
- "Doli Capax" (ডলি ক্যাপাক্স) is a Latin legal term meaning "capable of wrong" or capable of forming criminal intent.
- It is used to determine whether a child (usually above a certain age, such as 9 years under the Penal Code Section 82) can be held criminally liable for their actions.
- The opposite term, "Doli Incapax", means incapable of wrong and applies to very young children (typically under 9) who are presumed unable to understand the consequences of their actions.

Other options:
ক) Incapable of wrong → Doli Incapax
গ) Among other things → Inter Alia
ঘ) Presumption of innocence → Not related to Doli Capax

- Thus, the correct choice is খ) Capable of wrong.

→ Doli Capax একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হলো "অপরাধ করার সক্ষমতা রয়েছে"। আইনগত প্রেক্ষাপটে এটি এমন শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যাদের বয়স এমন স্তরে পৌঁছেছে যেখানে ধরে নেওয়া যায় তারা অপরাধ এবং তার প্রকৃতি বুঝতে সক্ষম।
- উদাহরণস্বরূপ,দণ্ডবিধির ধারা ৮৩ অনুযায়ী, ৯ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুরা Doli Capax হতে পারে, যদি প্রমাণ হয় যে তারা অপরাধের প্রকৃতি বুঝতে সক্ষম ছিল।
৪,৭২২.
আদেশ ২৬, বিধি ১৭ অনুসারে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কাকে দেওয়ানি আদালত হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. জেলা জজ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. কমিশনার
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের উপস্থিতি ও জবানবন্দি প্রদান:
১) সমন, হাজিরা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর আরোপিত জরিমানাদি সংক্রান্ত এই আইনের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক না কেন উক্ত কমিশন কর্তৃক এ আদেশের অধীনে সাক্ষ্য প্রদান করার নিমিত্তে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানি আদালত বলে বিবেচিত হবে

২) যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোন সাক্ষী বসবাস করে তিনি প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলে সে সাক্ষী বরাবর বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট ডিভিশন নয়) কমিশনার আবেদন করতে পারেন এবং উক্ত আদালতের ঐচ্ছিক ক্ষমতায় যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে।

Rule.-17: Attendance and examinationof witnesses before Commissioner-
1) The provisions of this Code relating to the summoning, attendance and examination of witnesses, and to the remuneration of, and penalties to be imposed upon, witness, shall apply to persons required to give evidence or to produce documents under this order whether the commission in execution of which they are so required has been issued by a Court situate within or by a Court situate beyond the limits of Bangladesh, and for the purposes of this rule the commissioner shall be deemed to be a Civil Court.

2) A Commissioner may apply to any Court (not being the High Court Division) within the local limits of whose jurisdiction a witness resides for the issue of any process which he may find it necessary to issue to or against such witness, and such Court may, in its discretion, issue such process as it considers reasonable and proper.
৪,৭২৩.
১৮ বছরের কম বয়সী একটি বালিকাকে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে যৌন সম্পর্ক করতে বাধ্য করা হলে, সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৬৬ক ধারা- অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকা সংগ্রহ করণ:
কোন ব্যক্তি যদি যে কোন প্রকারেই হোক আঠারো বৎসরের কম বয়সী কোন অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকাকে কোন স্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদনে বাধ্য করে এবং যদি তা করার উদ্দেশ্য হয়, বালিকাটিকে অপর কোন ব্যক্তির সাথে যৌন- অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা, অথবা তাকে অন্যভাবে অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ যৌন-সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোনস্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদন বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 366A- Procuration of minor girl:
Whoever, by any means whatsoever, induces any minor girl under the age of eighteen years to go from any place or to do any act with intent that such girl may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall be punishable with imprisonment which may extend to ten years and shall also be liable to fine.
৪,৭২৪.
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত ভূমি বা জমির মালিক সরকারকে রাজস্ব প্রদানে অবহেলা করলে এবং এই কারনে ভূমি বিক্রয়ের আদেশ দেয়া হলে, তাহলে কোন পক্ষকে অবিলম্বে দখল দেয়া যেতে পারে?
  1. সরকারকে
  2. আদালতের ইচ্ছানুসারে
  3. ভূমির মালিককে
  4. বিক্রয়ের পূর্বে রাজস্ব বা খাজনা পরিশোধকারী পক্ষকে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-৯: মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত ভূমিতে কখন পক্ষকে অবিলম্বে দখলে রাখা যাবে:
যেক্ষেত্রে সরকারকে রাজস্ব প্রদানকারী কোন ভূমি বা বিক্রয়ের জন্য দায়ী কোন মধ্যস্বত্ব মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হলে অনুরূপ ভূমি বা বিক্রয়ের জন্য দায়ী কোন মধ্যস্বত্ব দখলকারী পক্ষ যদি সরকারকে রাজস্ব প্রদানে বা মধ্যস্বত্বের মালিকের প্রাপ্য খাজনা পরিশোধে অবহেলা করে এবং ফলে উক্ত ভূমি বা বিক্রয়ের জন্য দায়ী কোন মধ্যস্বত্ব বিক্রয়ের আদেশ দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ভূমি বা বিক্রয়ের জন্য দায়ী কোন মধ্যস্বত্ব স্বার্থের দাবীদার উক্ত মোকদ্দমার অন্য কোন পক্ষ বিক্রয়ের পূর্বে প্রাপ্য রাজস্ব বা খাজনা পরিশোধ করলে (আদালতের ইচ্ছা অনুসারে জামানতসহ বা ব্যতীত) অবিলম্বে তাকে উক্ত ভূমি বা বিক্রয়ের জন্য দায়ী কোন মধ্যস্বত্বের দখলে রাখা হবে; এবং আদালত এটির ডিক্রিতে অনুরূপে পরিশোধিত টাকা উপযুক্ত হারে সুদসহ অথবা উক্ত পরিশোধিত টাকা আদালতের নির্দেশিত হারে সুদসহ অনুরূপ প্রদত্ত টাকা খেলাপকারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় প্রদত্ত ডিক্রির নির্দেশ মোতাবেক হিসাবের সমন্বয়নে প্রদান করার আদেশ দিতে পারে।

এই বিধিটি সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করলে যা বোঝায় তা হলো:
যদি কোনো ভূমি বা জমির মালিক সরকারকে প্রদেয় রাজস্ব বা ভূমির খাজনা পরিশোধ না করে এবং সেই কারণে সরকার ভূমি বা জমি বিক্রি করার আদেশ দেয়, তখন সেই ভূমি বা জমির অন্য কোনো পক্ষ (যে পক্ষ মামলার সঙ্গে যুক্ত) বিক্রয়ের আগে প্রাপ্য রাজস্ব বা খাজনা পরিশোধ করলে, আদালত তাদেরকে অবিলম্বে সেই ভূমির দখল দিতে পারে।

এছাড়াও, আদালত এই ক্ষেত্রে সেই পরিশোধিত টাকা সুদসহ ফেরত দেয়ার আদেশ দিতে পারে, যদি সেই টাকা খেলাপকারী পক্ষের বিরুদ্ধে করা মামলার ডিক্রি অনুযায়ী হয়। এক কথায়, জমির মালিক যদি সরকারের পাওনা টাকা না দেয়, তবে অন্য কেউ সেটা দিয়ে সেই জমির দখল নিতে পারে।
৪,৭২৫.
তামাদি আইনের কোন ধারায় জবরদখলের মাধ্যমে স্বত্ব বিলুপ্তির কথা বলা হয়েছে?
  1. ধারা-২৬
  2. ধারা-২৫
  3. ধারা-২৮
  4. ধারা-২৯
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ (Section 28 of the Limitation Act, 1908) অনুযায়ী বলা হয়েছে “যে কোন সম্পত্তি সম্পর্কে দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করার নির্দিষ্ট সময়সীমা যদি পেরিয়ে যায়, তাহলে সেই দাবির অধিকার সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।”
অর্থাৎ, প্রতিপক্ষ যদি কোনো সম্পত্তিতে জবরদখলের মাধ্যমে ১২ বছর (স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে) বা নির্ধারিত সময়কাল দখলে রাখে এবং প্রকৃত মালিক সে সময়ের মধ্যে আদালতে মামলা না করে, তাহলে প্রকৃত মালিকের স্বত্ব বা মালিকানা বিলুপ্ত হয়ে যায়, এবং জবরদখলকারীর আইনগত স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়।
 
⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৪,৭২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে আপিল দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. আসামীর মৃত্যুর পর
  2. আসামীর খালাসের পর
  3. আসামীর অভিযুক্ত হওয়ার পর
  4. আসামীর সাজা বাড়ানোর পর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭ অনুযায়ী, সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে আসামীর খালাসের পর আপিল দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-১- হাইকোর্ট বিভাগে ২- দায়রা জজের নিকট।
- খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে।
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে- ১. পাবলিক প্রসিকিউটর ২. অভিযোগকারী। 
৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
- পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে।
- অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417- Appeal in case of acquittal:
(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal-
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session;
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal-
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session;
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal.
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
৪,৭২৭.
লিখিত জবাব দাখিলের ক্ষেত্রে আদালত সর্বোচ্চ কত দিন অতিরিক্ত বাড়াতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৭ দিন
ব্যাখ্যা
• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে।দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ৮ বিধি(১)-
৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদী তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তিসংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।
অর্থাৎ আদালত অতিরিক্ত ৩০ দিন সময় বাড়াতে পারে।

আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদী উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।
৪,৭২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২১ অনুযায়ী, আপিল আদালত কখন আপিল সংক্ষিপ্তভাবে (summary) খারিজ করতে পারে?
  1. যখন রাষ্ট্রপক্ষ আপিলের বিরোধিতা করে
  2. যখন হস্তক্ষেপের মতো পর্যাপ্ত কারণ না থাকে
  3. যখন আপিলকারী আদালতে অনুপস্থিত থাকে
  4. যখন আপিল দায়েরের সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২১ অনুযায়ী, যদি আপিল আদালত মনে করে যে আপিলে হস্তক্ষেপ করার মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তবে সে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে (summarily) খারিজ করতে পারে। তবে, ধারা ৪১৯ এর অধীনে দাখিলকৃত আপিলে আপিলকারী বা তার উকিলকে শুনানির যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে খারিজ করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারামতে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাওয়ার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।
(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-421: Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily:
-Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.
(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
৪,৭২৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা অনুযায়ী অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়?
  1. ধারা-৮
  2. ধারা-৯
  3. ধারা-১০
  4. ধারা-১১
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১০ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়। এই ধারা বলছে যে, যার নির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি ভোগদখলের অধিকার রয়েছে, সে দেওয়ানি কার্যবিধির মাধ্যমে তা ফেরত পাওয়ার মামলা করতে পারে।
সুতরাং ধারা ১০ অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের নির্দিষ্ট বিধান।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যাখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-10. Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed bythe Code of Civil Procedure.
Explanation-1: A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation-2: A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৪,৭৩০.
“Equity sees that as done which ought to be done” – maxim টি The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. Section 8
  2. Section 9
  3. Section 12
  4. Section 19
ব্যাখ্যা

⇒ “Equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমটি Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১২ এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। এই ম্যাক্সিমটি ইক্যুইটি বা ন্যায়বিচারের একটি মূলনীতি, যা নির্দেশ করে যে আদালত এমনভাবে বিবেচনা করে যে যা করা উচিত তা ইতোমধ্যে করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা ধারা ১২ এর প্রধান বিষয়।
⇒ ধারা ১২ চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) নিয়ে আলোচনা করে। এই ধারা অনুসারে, যদি একটি পক্ষ চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ আদালতের মাধ্যমে সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন দাবি করতে পারে। এই ম্যাক্সিমটি ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত কারণ আদালত ধরে নেয় যে চুক্তির পক্ষগুলো তাদের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে বাধ্য এবং যা করা উচিত তা পূরণ করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো বিক্রেতা সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করে কিন্তু তা পূরণ করতে অস্বীকার করে, তবে ক্রেতা ধারা ১২ এর অধীনে সুনির্দিষ্ট পালনের জন্য মামলা করতে পারে। আদালত এই ক্ষেত্রে এই ম্যাক্সিম অনুসরণ করে চুক্তিটি পূরণ করা উচিত বলে বিবেচনা করে এবং বিক্রেতাকে তা পালনে বাধ্য করে।
ধারা ১২ এর উপ-ধারাগুলো (১২(বি), ১২(সি), ১২(ডি)) এই ম্যাক্সিমের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চুক্তির আংশিক পালন বা ব্যতিক্রমের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে, যেখানে “equity looks to the substance of the contract” এর নীতি প্রযোজ্য।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) ধারা ৮: এই ধারাটি স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আলোচনা করে, যেখানে কোনো ব্যক্তি অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ হলে দখল ফিরিয়ে পেতে পারে। এটি সুনির্দিষ্ট পালন বা এই ম্যাক্সিমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
খ) ধারা ৯: এই ধারাটি বলে যে সরকারের বিরুদ্ধে স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করা যাবে না। এটি ম্যাক্সিমের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে না।
ঘ) ধারা ১৯: এই ধারাটি চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবির বিষয়ে আলোচনা করে। যদিও এটি ন্যায়বিচারের নীতির সাথে সম্পর্কিত, তবে এটি “equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, কারণ এটি ক্ষতিপূরণের উপর ফোকাস করে, সুনির্দিষ্ট পালনের উপর নয়।

⇒ বাংলাদেশে, ধারা ১২ এর অধীনে এই ম্যাক্সিমটি বিশেষ করে স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়, ইজারা চুক্তি, বা অন্যান্য চুক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়, যেখানে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার নয়।
অর্থাৎ “Equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমটি ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত, কারণ এটি চুক্তির নির্দিষ্ট পালন নিশ্চিত করার জন্য ন্যায়বিচারের নীতি প্রয়োগ করে। এই ধারাটি বাংলাদেশের আদালতে চুক্তি সম্পর্কিত বিরোধে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৪,৭৩১.
দস্যু বা ডাকাতদের আশ্রয়দানের সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ২১৬ক ধারামতে দস্যু বা ডাকাতদের আশ্রয়দানের শাস্তি হলো অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
৪,৭৩২.
বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া কত পৃষ্ঠা?
  1. ৯১ পৃষ্ঠা
  2. ৯৩ পৃষ্ঠা
  3. ১০৭ পৃষ্ঠা
  4. ১০৯ পৃষ্ঠা
ব্যাখ্যা
⇒ ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।


⇒ বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান প্রথমে স্বাক্ষর ছাড়াই ছিল ৯৩ পৃষ্ঠা।
স্বাক্ষরের পর এটি মোট ১০৯ পৃষ্ঠায় পরিণত হয়।
- হস্তলিখিত সংবিধান তৈরি করা হয়েছিল ১৯৭২ সালে এবং এতে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
→ স্বাক্ষর ছাড়া: ৯৩ পৃষ্ঠা। 
→ স্বাক্ষর সহ: ১০৯ পৃষ্ঠা।

সুতরাং, হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
৪,৭৩৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের কি প্রতিকার আছে-
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রেফ্যারেন্স
  4. রিভিশন
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:

যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে,
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

⇒ এ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ধারার অধীন কোন পক্ষ ডিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি তার প্রতিকার চেয়ে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মামলা করতে পারেন কিংবা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে হাইকোর্ট পুনর্বিচারের প্রার্থনা করতে পারেন।
যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
৪,৭৩৪.
বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী কত জন বা তার বেশি ব্যক্তির সমাবেশকে "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যদি একটি নির্দিষ্ট অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে সেটিকে "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে গণ্য করা হবে।
অতএব, সঠিক উত্তর: গ) ৫ জন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৪,৭৩৫.
Which of the following is false about Section 34 of the Penal Code?
  1. it does not create a distinct offence
  2. it is only a rule of evidence
  3. it is a penal provision
  4. lays down principle of liability
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায়ের (Common Intention) বিধান রয়েছে।

♦ According to Section 34
- সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি। এটির মাধ্যমে যৌথ দায় বা Joint Liability নির্ধারন হয়। 

♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান একই উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক কৃত কার্যাবলী:- যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।

♦ সাধারণ অভিপ্রায়/অভিন্ন অভিপ্রায় (Common intention) - আদালত যৌথ দায় নির্ধারণের জন্য সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় বিবেচনা করেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে উক্ত ব্যক্তিগণের অপরাধ করার সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention ছিল বলে মনে করতে হবে।
সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি।

♦ ৩৪ ধারা অধীন সাধারণ উদ্দেশ্য (Common Intention) এর জন্য কোন ব্যক্তিকে যৌথভাবে দায়ী করতে হলে অপরাধটি অবশ্যই সংগঠিত হতে হবে এবং সেখানে সর্বনিম্ন ২ জন ব্যক্তি থাকতে হবে। কারণ দুইয়ের অধিক না থাকলে সাধারণ অভিপ্রায়ে (Common Intention) গঠিত হয় না।

♦ যৌথ দায় (Joint Liability)- একাধিক ব্যক্তি যখন কোন অপরাধ করে তখন তাদের মধ্যে কে কতটুকু ভূমিকা পালন করেছে তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নয় বরং সমস্ত অপরাধের জন্য তারা প্রত্যেকে সমানভাবে দোষী হবেন। দণ্ডবিধির ৩৪, ৩৫, ৩৭ এবং ৩৮ ধারায় যৌথ দায় বা Joint Liability সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
৪,৭৩৬.
মুসলিম নারীর বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য মামলা দায়েরের সময় গণনা শুরু হয় কখন?
  1. বিবাহের তারিখ থেকে
  2. দেনমোহর নির্ধারণের তারিখ থেকে
  3. স্বামীর মৃত্যু বা তালাকের দিন থেকে
  4. আদালতে নোটিশ পাঠানোর দিন থেকে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১০৪:
বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য (deferred dower) একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কাল
তামাদি- ৩ বছর;
সময় গণনা শুরু- মৃত্যু অথবা তালাক দ্বারা যখন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।
৪,৭৩৭.
আমলঅযোগ্য অপরাধের তথ্য সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে-
  1. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. ফরিয়াদি
  3. বিচারিক আদালত
  4. অপরাধের তদন্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার আমলঅযোগ্য অপরাধের তথ্য সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধের (Cognizable offence) ক্ষেত্রে FIR করা হয়,অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য (Non-Cognizable) অপরাধের ক্ষেত্রে GD হিসেবে এন্ট্রি করা হয়। 

ধারা-১৫৫: আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ (Information in non-cognizable cases)-
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারামতে থানায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে,থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিষয়টিকে থানায় রক্ষিত ফরম নং ৬৫-তে জি.ডি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করে সংবাদদাতাকে বা অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।অর্থাৎ আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অপরাধের সংবাদটি জিডি এন্ট্রি বা সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
[When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.]
৪,৭৩৮.
'Rioting' এর সংজ্ঞা পেনাল কোডের কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ১৪১ ধারা
  2. ১৪৬ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
The Penal Code, 1860: ধারা ১৪৬- দাঙ্গা:
কখনো কোন বেআইনি সমাবেশ দ্বারা বা এর যে কোন সদস্য দ্বারা এরূপ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বল বা হিংস্র পদ্ধতি প্রয়ােগ করা হলে, এরূপ সমাবেশের প্রতিটি সদস্য দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী হবে।

Section 146- Rioting:
Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting

- দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায়,
যদি কোনো অবৈধ সমাবেশ বা সমাবেশের কোনো সদস্য সহিংসতা বা বল প্রয়োগ করে, এবং সেটি সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য (common object) বাস্তবায়নের জন্য হয়, তাহলে সেটি "Rioting" হিসেবে গণ্য হবে।
৪,৭৩৯.
Which of the following can be the subject matter of theft according to the Penal Code?
  1. Immovable property
  2. Intellectual property
  3. Movable property
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার চুরির বিধান থেকে আমরা বলতে পারি যে শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে। মেধা সম্পত্তি চুরির বিষয়ে দণ্ডবিধিতে কোন বিধান নেই।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৪,৭৪০.
মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য ৫০ টাকার নিচে হলে, আদেশ ৩৮ বিধি ৪ অনুযায়ী বিবাদীকে সর্বোচ্চ কতদিন জেলে রাখা যেতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১ মাস
  4. ৬ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি ৪: যেক্ষেত্রে বিবাদী জামানত দিতে বা নতুন জামানত দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে বিবাদী ২ বা ৩ বিধির অধীনে কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমায় সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বা যেক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে,সেক্ষেত্রে ডিক্রি না মিটানো অবধি তাকে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করতে পারেঃ 
তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীনে কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক মেয়াদের জন্য জেলে আটক রাখা চলবে না, অথবা মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য পঞ্চাশ টাকার অনূর্ধ্ব হলে সেক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহের অধিক মেয়াদের জন্যঃ তবে আরো শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি অনুরূপ আদেশ পালন করার পর তাকে এই বিধির অধীনে জেলে আটক রাখা যাবে না।
৪,৭৪১.
ডিক্রি জারির মামলায় Compromise এর আবেদন করা যায় না এটি দেওয়ানী কার্যবিধির _____________ এর বিধান।
  1. আদেশ-২৩ বিধি-১
  2. আদেশ-২৩ বিধি-২
  3. আদেশ-২৩ বিধি-৩
  4. আদেশ-২৩ বিধি-৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ নং আদেশে দেওয়ানী মোকদ্দমা প্রত্যাহার এবং সোলেনামা অর্থাৎ আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে মোকদ্দমার নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে।
২৩ নং আদেশের ১নং বিধির ২ ও ৩নং উপবিধিতে মোকদ্দমা প্রত্যাহার এবং ৩নং বিধিতে সোলেনামার বিধান রয়েছে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ আদেশের ৪ নং বিধি অনুযায়ী ডিক্রি জারির মামলায় Compromise এর আবেদন করা যায় না।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-৪ এর বিধান:  ডিক্রিজারির কার্যক্রম প্রভাবিত হয় না:  ডিক্রি বা আদেশ জারির কোন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এই বিধির কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।
--------------
⇒ CPC Order-23 Rule-4: Proceedings in execution of decrees not affected. Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.
৪,৭৪২.
ইসলামী শরীয়তে আউল নীতি কোন উৎসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. কুরআন
  2. হাদীস
  3. ইজমা
  4. কিয়াস
ব্যাখ্যা

⇒ ইসলামী শরীয়তে আউল নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ইজমা (ইসলামী আলেমদের ঐকমত্য) এর মাধ্যমে। যদিও কুরআন ও হাদীসে এ নীতির সরাসরি উল্লেখ নেই, তবে ইসলামী ফিকহশাস্ত্রে গাণিতিক সমাধান হিসেবে এটি চার খলিফার যুগ থেকে ইজমার ভিত্তিতে গ্রহণযোগ্য হয়ে আসছে।

আউল নীতি:
‘আউল’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ‘বৃদ্ধি হওয়া’। শরীয়তের নিয়মানুযায়ী, যাবিল ফুরুজ বা অংশীদারদের অংশ প্রদানের পর তাদের অংশাবলীর যোগফল যদি মূল সম্পদ হতে বেড়ে যায় বা ১ এর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে যে নিয়মে তা সমাধান করা হয়, সেটাই আউল। কুরআনে অংশীদারদের যে তালিকা রয়েছে, তাদের বিভিন্ন বিন্যাস ও সমাবেশে কখনো কখনো তা ১ এর চেয়ে বেশি হওয়া গাণিতিকভাবে এবং অনুপাতভিত্তিক বন্টনে একটি স্বাভাবিক ঘটনা হলেও, এ বিন্যাস খুব সহজলভ্য নয়। তাই হাদীসে এর কোনো উদাহরণ নেই, তবে চার খলিফার আমলে এটি আলোচিত হয় এবং পরবর্তীতে শরীয়তের তৃতীয় উৎস ইজমার মাধ্যমে ইসলামী আইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অর্থাৎ, আউল নীতি ইসলামী আইনশাস্ত্রে ইজমার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইজমা হলো ইসলামী ঐকমত্য বা আলেমদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত, যা শর্ত পূর্ণ হলে শরীয়তের তৃতীয় উৎস হিসেবে কাজ করে।

৪,৭৪৩.
কোনটি মূল দালিলীক সাক্ষ্য Primary evidence ?
  1. ফটোস্ট্যাট কপি
  2. দৈনিক পত্রিকা
  3. কোন বাস্তব ফটোগ্রাফ
  4. সত্যায়িত কপি
ব্যাখ্যা
♦১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬২ শুরু হয়েছে প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞায়নের মাধ্যমে। ‘Primary Evidence means the document itself produced for the inspection of the court.
 ♦ প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বোঝায়, এমন মূল দলিল; যা পরিদর্শনের [inspection) জন্য আদালতের নিকট উপস্থাপন করা হয়েছে।" একবাক্যে বললে: স্বয়ং মূল দলিলই হচ্ছে প্রাথমিক সাক্ষ্য। অর্থাৎ 'মূল দলিল আদালতের নিকট উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে। ৬২ ধারার ব্যতিক্রম ৬৫ ধারা অর্থাৎ- ৭ ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারাও দলিল প্রমাণ করা যায়।
৪,৭৪৪.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী নিম্নের কোন ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে?
  1. বিচার্য ঘটনা
  2. প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  3. সম্ভাব্য ঘটনা
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:
⇒ কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।ঃ
⇒ ব্যাখ্যা: দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।
--------------
⇒The Evidence Act,1872: Section 5. Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others. 
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
৪,৭৪৫.
No immoveable property under registered mortgage shall be re-mortgaged or sold without the _________.
  1. Oral consent of the mortgagor
  2. written consent of the mortgagee
  3. Oral or written consent of the mortgagee
  4. written consent of the mortgagor
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩ঘ: বন্ধককৃত স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে না-
 
বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি ব্যতীত নিবন্ধনকৃত বন্ধকী সম্পত্তিকে পুনরায় বন্ধক করা যাবে না অথবা বিক্রয় করা যাবে না, এবং অন্যথায় যে কোন পুনঃবন্ধক বা বিক্রয় বাতিল হবে।
 
Section 53D: Immoveable Property under mortgage not to be transferred-
No immoveable property under registered mortgage shall be re-mortgaged or sold without the written consent of the mortgagee, and any re-mortgage or sale made otherwise shall be void.
৪,৭৪৬.
কোন পক্ষ কর্তৃক Set-off দাবী করা যেতে পারে-
  1. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
  2. স্বত্বের মামলায়
  3. অর্থের মামলায়
  4. বন্টনের মামলায়
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৮ বিধি-৬ এর বিধান লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে:
(১) টাকা পরিশোধের দাবিতে দায়েরকৃত কোন মামলায় যদি বাদীর নিকট হতে আইনত বিবাদীর প্রাপ্য টাকা দিয়ে তার বিরুদ্ধে বাদীর দাবি পরিশোধ করতে চায়। এবং প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের উর্ধ্বে না হয়, এবং বাদীর মামলার ন্যায় বিবাদীর দাবির ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই পর্যায়ে পড়ে, তবে মামলার প্রথম শুনানির তারিখেই বিবাদী তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে। কিন্তু প্রথম শুনানির পর আদালতের অনুমতি ব্যতীত অনুরূপ বিবৃতি দাখিল করতে পারবে না।

(২) দাবি সমন্বয়ের ফলাফল
: উক্ত লিখিত বিবৃতিটি পাল্টা মামলার আরজির ন্যায় গণ্য হবে এবং বিচারক মূল মামলা ও পাল্টা দাবির মামলা সম্পর্কে একই রায় দান করতে পারবেন; কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর খরচ বাবদ কোন উকিলের দাবি থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।

(৩) বিবাদী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কিত বিধিসমূহ পারস্পরিক দায় পরিশোধের দাবিতে প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

♦ যখন বাদী বিবাদীর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা করে তখন প্রথম শুনানির দিন বাদীর দাবিকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবিকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী লিখিত আবেদন করতে পারেন। মোকদ্দমায় শুধুমাত্র বাদীর বিবাদীর কাছে টাকা পাওনা থাকে না, বিবাদীও বাদীর নিকট টাকা পাওনা থাকে। তবে এইক্ষেত্রে বিবাদীর দাবী, বাদীর দাবির সমান বা কম হতে হবে।

♦ Set off অর্থ হলো পারস্পরিক দায়শোধ। Set-Off এর জন্য নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হবে-

১) মোকদ্দমাটি অবশ্যই অর্থ পুনরুদ্ধারের সংক্রান্ত হতে হবে,
২) আইনগতভাবে আদায়যোগ্য,
৩) দাবীকৃত টাকার পরিমাণ অবশ্যই নির্দিষ্ট হতে হবে,
৪) আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার মধ্যে থাকতে হবে।
৫) একাধিক বিবাদী থাকলে সকল বিবাদীর প্রাপ্য বাদী বা সকল বাদীর বিরুদ্ধে আদায়যোগ্য হতে হবে।

♦ অর্থাৎ Set off বা পারস্পরিক দায়শোধ এর মূল কথা হলো যে কোন পরিমান অর্থ যেটা বিবাদী বাদীর নিকট পাবে, সেই অর্থ Set off বা পারস্পরিক দায়শোধ করা যেতে পারে বাদী বিবাদীর নিকট যে অর্থ পাবে তার দ্বারা। শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় Set off দাবী করা যায়।
৪,৭৪৭.
বার কাউন্সিলে কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে তা কীভাবে পূরণ করা হবে?
  1. আদালতের মাধ্যমে নিয়োগ দিয়ে
  2. সর্বাধিক ভোট পাওয়া পরবর্তী ব্যক্তি দ্বারা
  3. সরকারের অনুমোদনের মাধ্যমে
  4. আইন মন্ত্রনালয়ের বিশেষ নির্দেশে নির্ধারিত হবে
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১২: বার কাউন্সিলের সাময়িক শূন্যতা নিম্নে বর্ণিত নির্দেশ মোতাবেক পূরণ করা হইবে-
যেক্ষেত্রে সদস্য পদ শূন্য হয় সেক্ষেত্রে একই নির্বাচনে ঐ ব্যক্তির পরবর্তী যে ব্যক্তি সর্বাধিক ভোট পাইয়াছিল সে ব্যক্তি দ্বারা ঐ শূন্য পদ পূরণ করা হইবে এবং যদি সেইরূপ কোন ব্যক্তি না পাওয়া যায় তাহা হইলে অত্র আদেশের অধীনে বার কাউন্সিলের নির্বাচন করার যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে বার কাউন্সিল সমন্বয়ের মাধ্যমে উক্ত শূন্যতা পূরণ করিতে পারিবে; এবং

যেক্ষেত্রে ভাইস-চেয়ারম্যান/সহ-সভাপতির পদ শূন্য হয়, সেক্ষেত্রে সদস্যবৃন্দের মধ্য হইতে তাদের দ্বারা নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে নির্বাচিত ব্যক্তির মাধ্যমে উক্ত শূন্য পদ পূরণ করা হইবে।

৪,৭৪৮.
আদেশ ৩৯ বিধি ৭ অনুযায়ী নিম্নের কোনটি আদালত আদেশ দিতে পারে?
  1. ক্রোকাদেশ বাতিলের আদেশ
  2. সম্পত্তি আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ
  3. সম্পূর্ণ মোকদ্দমা খারিজের আদেশ
  4. ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ
ব্যাখ্যা

• আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি :
১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত-
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।

৪,৭৪৯.
সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা অনুসারে, একজন উকিল কোন বিষয়ে গোপনীয়তা বজায় রাখতে বাধ্য নন?
  1. বেআইনি উদ্দেশ্যে প্রদত্ত বার্তা
  2. মক্কেলের দেওয়া ব্যক্তিগত পরামর্শ
  3. মক্কেলের দেওয়া আইনি পরামর্শ
  4. পেশাগত কার্যকালে পরিচিত দলিলের বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৬ অনুযায়ী,
একজন ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল তাঁর মক্কেলের পক্ষ থেকে বা মক্কেলের উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত পেশাগত যোগাযোগের তথ্য গোপন রাখতে বাধ্য, তবে এর দুইটি ব্যতিক্রম রয়েছে:
১. যদি মক্কেলের সঙ্গে যোগাযোগ বেআইনি উদ্দেশ্যে করা হয়।
২. যদি আইনজীবী তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এমন কিছু লক্ষ করেন, যা প্রমাণ করে যে নিযুক্তির পরে কোনো অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদনকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহতি দিবেন না।
(১) বেআইনি উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 126 Professional communications:
- No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment:

Provided that nothing in this section shall protect from disclosure–
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose:
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment.
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client.

Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.

৪,৭৫০.
দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা অনুসারে ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার কিসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র নিজের শরীর রক্ষার ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র নিজের সম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্রে
  3. শুধুমাত্র নিজের শরীর এবং ম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্রে
  4. নিজের বা অন্যের শরীর ও সম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৯৭ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার শরীর ও সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। এই ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় দুটি ক্ষেত্রে-
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে;
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।

Section 97: Right of private defence of the body and of property:
Every person has a right, subject to the restrictions contained in section 99, to defend
Firstly.- His own body, and the body of any other person against any offence affecting the human body;
Secondly.- The property, whether moveable or immovable, of himself or of any other person, against any act which is an offence falling under the definition of theft, robbery, mischief or criminal trespass, or which is an attempt to commit theft, robbery, mischief or criminal trespass.
৪,৭৫১.
'দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধসমূহ কোন আদালতে বিচারযোগ্য' - তা ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ২৮
  4. ধারা ২৯
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৮: দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধসমূহ:
এই বিধির অন্যান্য বিধানের অধীন থেকে, দণ্ডবিধির অধীনে কোনো অপরাধ বিচারযোগ্য হবে—
(ক) হাইকোর্ট বিভাগ দ্বারা, বা
(খ) দায়রা আদালত দ্বারা, বা
(গ) দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে উল্লিখিত যেকোনো অন্য আদালত দ্বারা, যেখানে উক্ত অপরাধ বিচারযোগ্য বলে উল্লেখ রয়েছে।

উদাহরণ:
কোনো ব্যক্তি (ক) যদি দায়রা আদালতে অপরাধমূলক হত্যার অভিযোগে বিচারাধীন থাকে, তবে সে স্বেচ্ছায় আঘাত করার অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে, যা একজন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য অপরাধ।
৪,৭৫২.
পেনাল কোডে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি বর্ণিত হয়েছে-
  1. ১৯১ ধারায়
  2. ১৯২ ধারায়
  3. ১৯৩ ধারায়
  4. ১৯৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ১৯১ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্যের সংজ্ঞা, ১৯২ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্য সাজানোর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

♦ পেনাল কোডে্র ১৯৩ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি (Punishment for false evidence ) দেওয়া আছে : মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করার শাস্তিঃ

১) অন্য কোন ক্ষেত্রে হলে-৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদন

২) বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম হলে- ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড

ব্যাখ্যা ১:- সামরিক আদালত সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম

ব্যাখ্যা ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগী কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
৪,৭৫৩.
অ্যাডভোকেট হওয়ার সব যোগ্যতা থাকার পরও একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হতে পারবে না, যদি সে-
  1. সরকারী চাকরী হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হতে
  2. নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে কোন অপরাধে দন্ডিত হলে
  3. বাইরের দেশ থেকে আইনে ডিক্রি থাকলে
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারী চাকরী হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে এবং নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে এবং ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
৪,৭৫৪.
একটি মামলায় প্রতারণামূলক দলিল সৃজনের অভিযোগ করা হলে মামলায় তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদীর-
  1. অধিকার সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে
  2. প্রতারণা বিষয়ে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে
  3. দলিল সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে
  4. মামলা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-

(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা

(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

♦ অর্থাৎ যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
৪,৭৫৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৯ অনুযায়ী কোন বিষয় মৌখিক সাক্ষ্যে প্রমাণ করা যায় না?
  1. দৃশ্যমান ঘটনা
  2. শ্রবণযোগ্য ঘটনা
  3. দলিলের বিষয়বস্তু
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।


⇒ দলিলের বিষয়বস্তু দলিল দ্বারাই প্রমাণ করতে হবে, মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা নয়। দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সমস্ত বিষয় বা ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 59- Proof of facts by oral evidence: 
All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.

৪,৭৫৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ________ ধারার মোকদ্দমাকে 'ঘোষণামূলক মোকদ্দমা' বলা হয়।
  1. ১২
  2. ৪২
  3. ২২
  4. ৫২
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২- ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):

মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায় যেকোন ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।

⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।
৪,৭৫৭.
দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারামতে, কোন ব্যক্তি ___________ অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
  1. দাঙ্গার
  2. মারামারির
  3. সাধারন আঘাতের
  4. বেআইনি সমাবেশের
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারার- দাঙ্গা করার সাজা:
কোন ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

Section 147: Punishment for rioting:
Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৪,৭৫৮.
The Penal Code, 1860 এর ________ ধারায় খুনসহ ডাকাতি (Dacoity with murder) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
  1. ৩৯৪
  2. ৩৯৫
  3. ৩৯৭
  4. ৩৯৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯৬ তে খুনসহ ডাকাতি (Dacoity with murder) এর সংজ্ঞা রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একসঙ্গে ডাকাতি করতে গিয়ে কাউকে হত্যা করে, তবে প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং সাথে অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতি:- যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 396. Dacoity with murder:- If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৪,৭৫৯.
'ক’ একটি কুঠার নিয়ে কাজ করছে। হঠাত কুঠারটির মাথা উঠে গিয়ে কাছে দণ্ডায়মান এক ব্যক্তিকে আঘাত করে ও তিনি নিহত হন। এক্ষেত্রে যদি ‘ক’ এর পক্ষে যথাযথ সতর্কতার অভাব না থেকে থাকে, তাহলে দণ্ডবিধির কত ধারা অনুসারে 'ক' এর কাজটি অপরাধ হবে না?
  1. ধারা ৯০
  2. ধারা ৮৭
  3. ধারা ৮৫
  4. ধারা ৮০
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮০ ধারা- আইনানুগ কাজ সম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা:
কোন আইনানুগ কাজ আইনানুগ পদ্ধতিতে আইনানুগ উপায়ে যথোপযুক্ত সতর্কতা ও যত্নসহকারে সম্পাদন করাকালে কোন অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা অবগতি ছাড়া দুর্ঘটনা বা দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠিত কোন কিছুই অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

উদাহরণ:
‘ক’ একটি কুঠার নিয়ে কাজ করছে, হঠাৎ তা কুঠারের মাথাটি খুলে গিয়ে উড়ে যায় এবং সন্নিকটে দণ্ডায়মান এক ব্যক্তিকে নিহত করে। এক্ষেত্রে যদি ‘ক’ এর পক্ষে যথাযথ সতর্কতার অভাব না থেকে থাকে, তাহলে তার কাজ মার্জনীয় হবে এবং অপরাধ হবে না।

Section 80- Accident in doing a lawful act:
Nothing is an offence which is done by accident or misfortune, and without any criminal intention or knowledge in the doing of a lawful act in a lawful manner by lawful means and with proper care and caution.

Illustration:
A is at work with a hatchet; the head flies off and kills a man who is standing by. Here if there was no want of proper caution on the part of A, his act is excusable and not an offence.
৪,৭৬০.
কোন ব্যক্তি যদি ________ কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ________ কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে গেলে, তা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
  1. ১০ বছর, ১২ বছর
  2. ১৫ বছর, ১৬ বছর
  3. ১৪ বছর, ১৬ বছর
  4. ১৮ বছর, ২১ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার। যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান- বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
৪,৭৬১.
নিম্নের কোনটি সঠিক-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় res sub judice শব্দটি ব্যবহৃত হয় নাই
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় res judicata শব্দটি ব্যবহৃত হয় নাই
  3. ক এবং খ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ এবং ১১ ধারায় দেওয়ানী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি নীতি ব্যাখা করা হয়েছে-

ক. বিচারাধীন মোকদ্দমা/ মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (Res sub judice) (ধারা- ১০)
খ. দোবারা দোষ বা বিচারিত বিষয় (Res Judicata) (ধারা-১১)

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় [Res sub judice] আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারায় Res sub judice এর পরিবর্তে  (stay of suit) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারার শিরোনামেই Res Judicata শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা।
৪,৭৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৫-এর টেবিলের তৃতীয় কলামে কী উল্লেখ থাকে?
  1. শাস্তির পরিমাণ
  2. অপরাধের নাম
  3. দণ্ডবিধির ধারা নম্বর
  4. আপস করার অধিকারী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা অনুযায়ী, আপসযোগ্য (compoundable) অপরাধসমূহের তালিকা একটি টেবিল আকারে দেওয়া হয়েছে।
এই টেবিলের—
প্রথম কলামে: অপরাধের নাম বা প্রকৃতি 
দ্বিতীয় কলামে: দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধ
তৃতীয় কলামে: কোন ব্যক্তি সেই অপরাধ আপস করতে পারেন— তা উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।
- ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
- দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
⇒ প্রতিকার- যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।

৪,৭৬৩.
When does the period of limitation begin in the case where a minor (X) dies before attaining majority and is succeeded by another minor (Y)?
  1. From the date of X's death
  2. From the date Y is born
  3. From the date Y attains majority
  4. From the date the right to sue accrued to X
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

(২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

(৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।

(৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।

⇒ যখন একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক (X)-এর দায়িত্বে থাকা মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই মারা যায়, এবং তার স্থলাভিষিক্ত হয় আরেকজন অপ্রাপ্তবয়স্ক (Y), তখন মেয়াদ গণনা (limitation period) কখন থেকে শুরু হবে- Y প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে।

তামাদি আইন অনুসারে,
যদি কোনো ব্যক্তি যখন মামলা করার অধিকার লাভ করে তখন সে অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকে, এবং সে মৃত্যুবরণ করে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই- তাহলে তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া যদি সেই ব্যক্তিও অপ্রাপ্তবয়স্ক হয়, তাহলে মেয়াদ গণনার সময় শুরু হবে Y-এর প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে।
৪,৭৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. মোকদ্দমার সমন জারি
  3. লিখিত জবাব দাখিল
  4. স্বীকারোক্তির উপর রায়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬-এর শিরোনামই হলো "Judgment on admissions" বা "স্বীকারোক্তির উপর রায়"।
- এই বিধি অনুযায়ী, যখন মামলার কোন পক্ষ আদালতের কাছে কোন স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন স্বীকারোক্তি করে (যা লিখিত জবাব, দলিল বা অন্য উপায়ে হতে পারে), তখন অপর পক্ষ মামলার অন্যান্য বিষয়ের নিষ্পত্তি না হয়েও শুধুমাত্র সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রায় বা আদেশ চাইতে পারে। আদালত প্রাসঙ্গিক হলে সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন।

- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.

৪,৭৬৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898, এর ২০৩ ধারা মতে নালিশ খারিজ করলে এ বিরুদ্ধে চলবে________
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898,  এর ২০৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজের আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়।
♦যেক্ষেত্রে ২০৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ খারিজ করে, সেই ক্ষেত্রে দায়রা জজ বা হাইকোর্ট বিভাগ ৪৩৬ এবং ৪৩৯ ধারায় অধিকতর অনুসন্ধানের [further inquiry] নির্দেশ দিতে পারে।
৪,৭৬৬.
ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় কোন আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে?
  1. আপিল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. মহানগর দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে।

• একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সেই বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।

Section 561A- Saving of inherent power of High Court Division
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৪,৭৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি ৪ অনুসারে, ইস্যু গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে আদালত ইস্যু গঠন সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য স্থগিত করতে পারে?
  1. ২১ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-১৪ বিধি-৪ অনুসারে, যদি আদালত মনে করে যে কোনো ব্যক্তির পরীক্ষা বা কোনো দলিলের পরিদর্শন ছাড়া ইস্যু সঠিকভাবে গঠন করা সম্ভব নয়, তবে আদালত ইস্যু গঠন ১৫ দিনের বেশি স্থগিত করতে পারবে না। এই সময়সীমার মধ্যে আদালত প্রয়োজনীয় ব্যক্তির উপস্থিতি বা দলিল উৎপাদনের জন্য সমন বা অন্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারে। 
------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-4.Court may examine witness or documents before framing issues:
Where the Court is of opinion that the issues cannot be correctly framed without the examination of some person not before the Court or without the inspection of some document not produced in the suit, it may adjourn the framing of the issues to a day not later than fifteen days, and may (subject to any law for the time being in force) compel the attendance of any person or the production of any document by the person in whose possession or power it is by summons or other process.

৪,৭৬৮.
কোন ধরনের মোকদ্দমায় বিবাদী মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে তার বিবেচনামতো দাবির সম্পূর্ণ অংশটি মেটানোর জন্য অনুরূপ অর্থ আদালতে জমা দিতে পারে?
  1. বন্ধকী সম্পত্তি পুনরদ্ধারের মোকদ্দমায়
  2. অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমায়
  3. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমায়
  4. ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৪ : আদালতে পরিশোধ [Payment into court]

বিধি ১ : দাবি পরিতুষ্টির টাকা বিবাদী কর্তৃক আদালতের জমা দেওয়া [Deposit by defendant of amount in satisfaction of claim] :
ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে তার বিবেচনামতো দাবির সম্পূর্ণ অংশটি মেটানোর জন্য অনুরূপ অর্থ আদালতে জমা দিতে পারে।
[The defendant in any suit to recover a debt or damages may, at any stage of the suit, deposit in Court such sum of money as he considers a satisfaction in full of the claim.]
৪,৭৬৯.
দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার মতে, যদি কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমার বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে সেটি কী অপরাধ বলে গণ্য হবে?
  1. ডাকাতি
  2. অপহরণ
  3. মানব পাচার
  4. হত্যার চেষ্টা
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজের সম্মতি ছাড়া, অথবা তার পক্ষ থেকে সম্মতি দেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশের সীমার বাইরে পাঠানো বা নিয়ে যাওয়া হয়, তবে এটি “বাংলাদেশ থেকে অপহরণ” (Kidnapping from Bangladesh) বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্য হরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্য হরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 359.Kidnapping:
Kidnapping is of two kinds: kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 360. Kidnapping from Bangladesh, etc:
Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 361. Kidnapping from lawful guardianship
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৪,৭৭০.
রায় ঘোষনাকারী বিচারক ডিক্রি স্বাক্ষর না করে অফিস পরিত্যাগ করলে,সেক্ষেত্রে তৈরীকৃত ডিক্রি কে স্বাক্ষর করতে পারেন?
  1. আদালতের প্রধান কেরানী
  2. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবী
  3. পরবর্তী বিচারক
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এর ৮নং বিধি অনুযায়ী-

যেক্ষেত্রে রায় ঘোষণা করার পর কিন্তু ডিক্রি স্বাক্ষর না করে কোন বিচারক অফিস পরিত্যাগ করেছেন, সেক্ষেত্রে এরূপ রায় অনুযায়ী তৈরীকৃত ডিক্রি তার পরবর্তী বিচারক স্বাক্ষর করতে পারেন
উক্ত আদালত যদি অস্তিত্ববিহীন হয়, সেক্ষেত্রে ঐ আদালত যে আদালতের অধঃস্তন ছিল ঐ আদালতের বিচারক কর্তৃক তা স্বাক্ষরিত হতে পারে।

[Where a Judge has vacated office after pronouncing judgment but without signing the decree, a decree drawn up in accordance with such judgment may be signed by his successor or if the Court has ceased to exist, by the Judge of any Court to which such Court was subordinate.]
৪,৭৭১.
পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগের ক্ষেত্রে আদালত কখন নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন ?
  1. যেক্ষেত্রে সরকার পক্ষের ক্ষতি হতে পারে
  2. যেক্ষেত্রে আসামি পক্ষের ক্ষতি হতে পারে
  3. ক বা খ
  4. সরকার বা আসামি পক্ষ আবেদন করলে
ব্যাখ্যা
• নতুন, পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগ এরূপ হয় যে, আদালতের মতে বিচার  শুরু করার ফলে আসামি বা সরকার পক্ষের ক্ষতি হতে পারে, তাহলে আদালত নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন।

• অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে। সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।ধারাঃ ২২৯ অনুসারে-

যদি নতুন, পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগ এরূপ হয় যে, আদালতের মতে বিচার  শুরু করার ফলে আসামি বা সরকার পক্ষের ক্ষতি হতে পারে, তাহলে আদালত নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন অথবা প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন।
[If the new or altered or added charge is such that proceeding immediately with the trial is likely, in the opinion of the Court, to prejudice the accused or the prosecutor as aforesaid, the Court may either direct a new trial or adjourn the trial for such period as may be necessary.]
৪,৭৭২.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অর্থদণ্ড কত বছরের মধ্যে যে কোন সময় আদায় করা যায়?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

- দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:-
- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশ বলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-70: Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
-The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.
৪,৭৭৩.
অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সাথে বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া গেলে, প্রাপ্ত বৈধ মাদকদ্রব্য-
  1. ফেরত দেওয়া হবে
  2. বিক্রি করে দেয়া হবে
  3. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
  4. আদালতে পেশ করতে হবে
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৬: বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্য, বস্তু, ইত্যাদি:
(১) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হইলে মাদকদ্রব্য, মাদকদ্রব্যের সহিত জব্দকৃত অর্থ, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন অথবা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে অথবা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সহিত যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা জব্দযোগ্য হইবে এবং মামলা রুজুকারী অফিসার সরকারি কার্যের স্বার্থে উক্ত যানবাহন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের জিম্মায় প্রদান করিতে পারিবেন, তবে বিষয়টি এজাহারে উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আদেশক্রমে উহা ধ্বংস করিতে হইবে।
৪,৭৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা অনুসারে, অধস্তন আদালতের ভাষা কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের পরামর্শে
  2. হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশ অনুযায়ী
  3. আদালতের বিচারকের পছন্দ অনুযায়ী
  4. সরকার কর্তৃক ঘোষিত বা পূর্বের প্রচলিত ভাষা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা অনুযায়ী, যেসব অধস্তন আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধীন, সেগুলোর ভাষা আইন কার্যকর হওয়ার সময় যেটি প্রচলিত ছিল, সেটাই বহাল থাকবে — যতক্ষণ না সরকার ভিন্নভাবে কোনো নির্দেশ দেয়। অর্থাৎ, আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে রয়েছে। এছাড়া সরকার আদালতের আবেদনপত্র এবং কার্যধারার রীতিনীতিও নির্ধারণ করতে পারে।
- সুতরাং, অধস্তন আদালতের ভাষা সরকারি ঘোষণা বা পূর্বের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।
২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।
৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজিতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজির সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজির অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যে-রূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, Section: 137- Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs.
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written.
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.

৪,৭৭৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৮ অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা আদালত কী করতে পারে?
  1. তা প্রত্যাখ্যান করতে পারে
  2. ইচ্ছাধীন ক্ষমতায় তা প্রমাণ চেয়ে নিতে পারে
  3. সেই ঘটনায় নতুন সাক্ষ্য আহ্বান করতে পারে না
  4. সেই ঘটনা বাদ দিয়ে মামলার নিষ্পত্তি করতে হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫৮ অনুযায়ী, যে ঘটনা পক্ষগণ স্বীকার করেছে, তা সাধারণভাবে প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। তবে আদালত তার ইচ্ছাধীন (discretionary) ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই স্বীকৃত ঘটনার অতিরিক্ত প্রমাণ চাইতে পারেন।
- ধারা ৫৮ বলছে: “...Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.”
অর্থাৎ: স্বীকৃত ঘটনা সাধারণত প্রমাণ করতে হয় না। কিন্তু আদালত চাইলে, এমনকি স্বীকার করার পরেও, সেই বিষয়ে প্রমাণ চেয়ে নিতে পারেন। এটি আদালতের স্বাধীন বিচারিক ক্ষমতা বা inherent discretion এর অংশ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:
- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:
Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
৪,৭৭৬.
The Transfer of Property Act, 1882 এর বিধানে সোলে ডিক্রীর ক্ষেত্রে Lis pendens নীতি-
  1. প্রয়োগযোগ্য হবে
  2. প্রয়োগযোগ্য হবে না
  3. আদালত অনুমতি দিলে প্রয়োগযোগ্য হবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ Transfer of Property Act, 1882-এর Section 52 অনুযায়ী, Lis pendens নীতি শুধুমাত্র মামলা বিচারাধীন থাকাকালীন সময়ের জন্য প্রযোজ্য। এই নীতি অনুসারে, কোনো স্থাবর সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কে যদি কোনো মামলা বিচারাধীন থাকে, তবে সেই সম্পত্তি মামলার কোনো পক্ষ দ্বারা স্থানান্তর করা যাবে না, যা মামলার অন্য কোনো পক্ষের অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে, যদি না আদালতের অনুমতি থাকে।

- "সোলে ডিক্রী" (Sole Decree) বলতে বোঝায় যখন মামলার রায় (ডিক্রি) পাস হয়ে গেছে এবং মামলা আর বিচারাধীন নেই। ডিক্রি পাস হওয়ার পরে, মামলা শেষ হয়ে যায়, তাই Lis pendens নীতি আর প্রযোজ্য হয় না।

- কারণ: Lis pendens নীতির মূল উদ্দেশ্য হল মামলা চলাকালীন সম্পত্তি স্থানান্তর রোধ করা, যাতে মামলার ফলাফল প্রভাবিত না হয়। ডিক্রি পাস হওয়ার পরে, মামলা আর বিচারাধীন থাকে না, তাই এই নীতির প্রয়োজনীয়তা থাকে না।

- Section 52-এর বিধান: এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এটি শুধুমাত্র "মামলা বিচারাধীন থাকাকালীন" (during the pendency of any suit or proceeding) সময়ের জন্য প্রযোজ্য। ডিক্রি পাস হওয়ার পরে, এই শর্ত পূরণ হয় না।
সুতরাং, সোলে ডিক্রীর ক্ষেত্রে Lis pendens নীতি প্রয়োগযোগ্য হবে না। সঠিক উত্তর: খ) প্রয়োগযোগ্য হবে না। 

⇒ Transfer of Property Act, 1882-Section 52. Transfer of property pending suit relating thereto:
 During the pendency in any Court [in Bangladesh], of any suit or proceeding which is not collusive and in which any right to immoveable property is directly and specifically in question, the property cannot be transferred or otherwise dealt with by any party to the suit or proceeding so as to affect the rights of any other party thereto under any decree or order which may be made therein, except under the authority of the Court and on such terms as it may impose. 
 
Explanation.-For the purposes of this section, the pendency of a suit or proceeding shall be deemed to commence from the date of the presentation of the plaint or the institution of the proceeding in a Court of competent jurisdiction, and to continue until the suit or proceeding has been disposed of by a final decree or order and complete satisfaction or discharge of such decree or order has been obtained, or has become unobtainable by reason of the expiration of any period of limitation prescribed for the execution thereof by any law for the time being in force.

৪,৭৭৭.
আদেশ ৪৬ বিধি ২ অনুযায়ী, আদালত কিসের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করতে পারে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের
  2. পক্ষগণের বক্তব্য শুনে
  3. হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
  4. পক্ষগণের আবেদন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি ২- আদালত হাইকোর্ট ডিভিশনের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন:
অনুরূপ রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও আদালত কর্মক্রম স্থগিত রাখিতে পারে বা মামলা অগ্রসর হতে পারেন, এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত বিষয় সম্বন্ধে সিদ্ধান্তের আলােকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন; কিন্তু রেফারেন্সে প্রেরিত বিষয়ের উপর রায়ের নকল না পাওয়া পর্যন্ত যে মামলায় অনুরূপ বিষয় প্রেরিত হয় সে মামলায় কোন ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাবে না।
৪,৭৭৮.
ঘোষণামূলক প্রতিকারের বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৩১
  2. ধারা ৩৬
  3. ধারা ৪২
  4. ধারা ৪৪
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪২ (Declaratory Decree) ঘোষণামূলক প্রতিকার প্রদানের বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী: "যেকোনো ব্যক্তি যদি তার কোনো আইনি অধিকার বা সম্পত্তিতে তার অধিকার সম্পর্কে সন্দেহ বা বিতর্কের সম্মুখীন হয়, তবে সে আদালতে মামলা দায়ের করে তার অধিকার ঘোষণা করার জন্য ডিক্রি চাইতে পারে।"

- অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।

⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।

⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
--------------
⇒ The Specific Relief Act,1877- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.

৪,৭৭৯.
সমন অমান্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব কোন পদ্ধতিতে বিচার করবেন?
  1. দায়রা আদালতের বিচার পদ্ধতি
  2. সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতি
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার পদ্ধতি
  4. উল্লিখিত যেকোনো একটি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।

Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons

(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty. 
 
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
৪,৭৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত হতে পারবেন না?
  1. ADR প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি
  2. অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ
  3. বার কাউন্সিলভুক্ত আইনজীবী
  4. সরকারী চাকরিতে নিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(২) ও (১০) অনুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিযুক্তির ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত শর্তাবলী প্রযোজ্য:
অযোগ্য ব্যক্তি:
- প্রজাতন্ত্রের সেবায় লাভের অফিসে নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত হতে পারবেন না।
- অর্থাৎ, সরকারি চাকরিজীবী (যেমন: বিচার বিভাগ/প্রশাসন/পুলিশ ইত্যাদিতে কর্মরত) মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন না (ধারা ৮৯ক(২) এর দ্বিতীয় শর্ত)।
যোগ্য ব্যক্তি:
- ADR (Alternative Dispute Resolution) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি (ধারা ৮৯ক(১০))
- অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ (ধারা ৮৯ক(২) ও (১০))
- বার কাউন্সিলভুক্ত আইনজীবী (ধারা ৮৯ক(১০))
সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) সরকারী চাকরিতে নিযুক্ত ব্যক্তি, কারণ ধারা ৮৯ক(২) এ এদের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- (2) When the reference under sub-section (1) is made through the pleaders, the pleaders shall, by their mutual agreement in consultation with their respective clients, appoint another pleader, not engaged by the parties in the suit, or a retired judge, or a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), or any other person whom they may seem to be suitable, to act as a mediator for settlement: Provided that, nothing in this sub-section shall be deemed to prohibit appointment of more than one person to act as mediator:
Provided further that, a person holding an office of profit in the service of the Republic shall not be eligible for appointment as mediator.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.
৪,৭৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুসারে কয়টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-
ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে।
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে।
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে।
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়; 
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
 
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
------------------
⇒ CHAPTER II  THE SPECIFIC PERFORMANCE OF CONTRACTS: (a) Contracts which may be specifically enforce:
 
⇒ Section 12 Cases in which specific performance enforceable: Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced- 
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust; 
(b) when 4[there] exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done; 
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or 
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

⇒ Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৪,৭৮২.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী মারামারির (Affray) সর্বোচ্চ অর্থ দণ্ডের পরিমাণ কত?
  1. ৫০ টাকা
  2. ১০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
- যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
- কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
⇒ The Penal Code, 1860, Section-159:- Affray:
- When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ The Penal Code, 1860, Section-160: Punishment for committing affray:
- Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with a fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৪,৭৮৩.
যুদ্ধ চলাকালীন সংসদের মেয়াদ কত দিন পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ১ বছর।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের অধিবেশন:

(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।

(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহবান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।

৪,৭৮৪.
টাকার ডিক্রি জারি মামলায় কোন ধরনের দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে না?
  1. নিঃষ্ব ব্যক্তি
  2. কোনো স্ত্রীলোক
  3. ষাটোর্ধ্ব পুরুষ
  4. বিকলাঙ্গ পুরুষ
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারাঃ ৫৬ হল- অর্থের ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
- আদালত অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেফতার বা আটক রাখার কোন আদেশ প্রদান করবেন না।
----------
⇒ Section 56. Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
 Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
৪,৭৮৫.
চুক্তিসংক্রান্ত অধ্যায় ও ধারাগুলো কোন আইনের অংশ হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. নিবন্ধন আইন, ১৯০৮
  2. ফৌজদারি দণ্ডবিধি, ১৮৯৮
  3. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
ব্যাখ্যা
ধারা ৪- চুক্তিসংক্রান্ত বিধানসমূহকে চুক্তি আইনের অংশ হিসেবে গণ্য করা:
এই আইনের যেসব অধ্যায় ও ধারা চুক্তিসংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত, সেগুলোকে চুক্তি আইন, ১৮৭২ (Contract Act, 1872)-এর অংশ হিসেবে গণ্য করা হবে।
এছাড়াও, ৫৪ ধারার ২য় ও ৩য় অনুচ্ছেদ, ৫৯, ১০৭ ও ১২৩ ধারাকে নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ (Registration Act, 1908)-এর পরিপূরক (supplement) হিসেবে পড়তে হবে।

Section 4: Enactments relating to contracts to be taken as part of contract Act-
The chapters and sections of this Act which relate to contracts shall be taken as part of the Contract Act, 1872.  And sections 54, paragraphs 2 and 3, 59, 107 and 123 shall be read as supplement to the Registration Act, 1908.
৪,৭৮৬.
B, A কে বলপূর্বক দখলচ্যুত করার পরিকল্পনা করে। A,B এর বিরুদ্দে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা দায়ের করেছে এই প্রার্থনা করে যে, B আইনগত পন্থা ব্যতীত জোরপূর্বক A কে দখলচ্যুত করবেনা।মোকদ্দমাটি বিচারাধীন থাকাবস্থায় B,A কে বলপূর্বক দখলচ্যুত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। A স্থায়ী নিষেধেজ্ঞার অন্য আর একটি মোকদ্দমা দায়ের করেছে। এই ক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি-
  1. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে
  2. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস সাবজুডিস দ্বারা বারিত হবে না
  3. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস সাবজুডিস দ্বারা বারিত হবে
  4. উপরের কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦এখানে রেস সাবজুডিস নীতি প্রযোজ্য হবে কারণ একই বিষয় নিয়ে পূর্ববর্তী চিরস্থায়ী নিষেধেজ্ঞার মোকদ্দমাটি এখনও বিচারাধীন আছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতির বিধান আছে, রেস সাবজুডিস বা মামলা স্থগিত রাখাঃ কোন আদালত এমন কোন মামলার বিচার চালায়ে যাবেন না, যার বিচার বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষভাবে এবং মূলত পূর্বে দায়েরকৃত অপর একটি মামলাও বিচার্য বিষয়, তা একই পক্ষগণের মধ্যে অথবা এমন পক্ষগণের মধ্যে যাদের অধীনে তারা বা তাদের মধ্যে কোন একজনের সূত্রে পরবর্তী মামলার পক্ষগণ বা পক্ষগণের মধ্যে কোন একজন স্বত্ব দাবী করেন, যেখানে এরূপ মামলা একই অথবা বাংলাদেশের অন্য কোন আদালতে বিচারাধীন আছে, যে আদালতের প্রার্থীত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে অথবা বাংলাদেশের বাইরে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা চলতি কোন আদালত যার এরূপ এখতিয়ার আছে, অথবা সুপ্রীমকোটে বিচারাধীন কোন মামলা।
ব্যাখ্যাঃ কোন বিদেশী আদালতে দায়েরকৃত মামলা যদি বাংলাদেশের কোন আদালতে দায়েরকৃত মামলার সাথে একই কারণযুক্ত হয়, তবুও ইহা বাংলাদেশের আদালতে উক্ত মামলা বিচারে বাধা হবে না।
৪,৭৮৭.
The Penal Code, 1860 এর ৪২৬ ধারা অনুসারে অনিষ্ট সাধনের জন্য শাস্তি হতে পারে
  1. ২ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ২ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর  ৪২৫ ধারার বিধান হল অনিষ্টঃ কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বাহ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি ক্ষতি সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
♦The Penal Code, 1860 এর ৪২৬ ধারা মতে  অনিষ্টের শাস্তিঃ কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিনমাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৪,৭৮৮.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, প্ররোচনা (Abetment) কোন উপায়ে হতে পারে?
  1. প্ররোচনা
  2. ষড়যন্ত্র
  3. ইচ্ছাকৃত সহায়তা
  4. উল্লিখিত সব উপায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, প্ররোচনা (Abetment) তিনটি উপায়ে হতে পারে:
১) প্ররোচনা (Instigation)
২) ষড়যন্ত্র (Conspiracy)
৩) ইচ্ছাকৃত সহায়তা (Intentional Aid)
- সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সব উপায়ে।

⇒ অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
-  যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: 
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.

৪,৭৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ________ ধারার অধীন ফরিয়াদি না থাকলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর পূর্বানুমতিক্রমে অন্য কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কার্যক্রম বন্ধ করতে পারেন এবং আসামীকে মুক্তি দিতে পারেন।
  1. ২৪৬
  2. ২৪৭
  3. ২৪৮
  4. ২৪৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৪৯ (ফরিয়াদী না থাকলে বিচার বন্ধ করার ক্ষমতা) মোতাবেক নালিশ ব্যতিত অন্য কোন উপায়ে রজু মামলায় কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট  কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা পুর্বানুমতিক্রমে অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট, কারণ লিপিবদ্ধ করে মামলার যেকোন পর্যায়ে খালাস অথবা দণ্ডের রায় প্রকাশ না করেই কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবেন এবং অতঃপর আসামীকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
৪,৭৯০.
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার ভিত্তিতে, একজন ব্যক্তির কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না যদি _______ কারণে সে তার কার্যক্রমের অপরাধমূলক প্রকৃতি বুঝতে না পারে।
  1. দায়িত্বহীনতার
  2. সচেতনতার
  3. মানসিক অসুস্থতার
  4. মনোযোগহীনতার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান: অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্য:
এমন কোন ব্যক্তির কোন কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় তার মনে অসুস্থতা বশত কাজটি যে অন্যায় অথবা আইনবিরুদ্ধ, তা বুঝতে অসমর্থ ছিল।

Section 84: Act of a person of unsound mind:
Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
৪,৭৯১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৪০ অনুযায়ী, গ্রন্থস্বত্ব বা অন্য কোনো বিশেষ সুবিধা লঙ্ঘনের ক্ষতিপূরণের মামলা কতদিনের মধ্যে দায়ের করা যাবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒  তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৪০ অনুযায়ী, গ্রন্থস্বত্ব (Copyright) বা অন্য কোনো বিশেষ সুবিধা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ৩ বছর। এই মেয়াদ লঙ্ঘনের তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
• গ্রন্থস্বত্ব লঙ্ঘন বলতে কোনো লেখা, সংগীত, শিল্পকর্ম বা অন্যান্য মৌলিক সৃষ্টির স্বত্ব (Copyright) লঙ্ঘনকে বোঝায়।
• বিশেষ সুবিধা লঙ্ঘন বলতে পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক বা অন্য কোনো আইনগত অধিকার লঙ্ঘনকে বোঝায়।
- এই মামলা দায়ের করার জন্য লঙ্ঘনের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
- যদি এই সময়সীমার মধ্যে মামলা দায়ের না করা হয়, তবে মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না।
৪,৭৯২.
কেবল অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ডের পরিমাণ ১০০ টাকা হলে, উহা অনাদায়ে সর্বোচ্চ কত মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ২ মাস
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৬৭ ধারায় বলা হয়েছে,
যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে আসামীকে যে কারাদণ্ড প্রদান করা হয় বিনাশ্রম হবে এবং নিম্নলিখিত হারে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে:

এক্ষেত্রে,
⇒ অর্থদণ্ড ৫০ টাকার অধিক না হলে, ২ মাসের কারাদণ্ড;
⇒ অর্থদণ্ড ১০০ টাকার অধিক না হলে, ৪ মাসের কারাদণ্ড;
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বা অর্থদণ্ডের পরিমাণ ১০০ টাকার বেশি হলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

The Penal Code, 1860- Section-67: Imprisonment for non-payment of fine, when offence punishable with fine only:
If the offence be punishable with fine only, the imprisonment which the Court imposes in default of payment of the fine shall be simple, and the term for which the Court directs the offender to be imprisoned, in default of payment of fine, shall not exceed the following scale, that is to say, for any term not exceeding two months when the amount of the fine shall not exceed fifty taka, and for any term not exceeding four months when the amount shall not exceed one hundred taka, and for any term not exceeding six months in any other case.
৪,৭৯৩.
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা হলে, তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৪৮ অনুচ্ছেদের অধীন কে ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়েরের অধিকারী?
  1. পুলিশ
  2. আদালত
  3. যেকোনো ব্যক্তি
  4. সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৪৮:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি যা হারিয়ে গিয়েছে বা বা চুরির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে অথবা অসাধুভাবে আত্মসাৎ (dishonest misappropriation) করা হয়েছে বা পরিবর্তন করা হয়েছে বা তা অন্যায়ভাবে নেওয়া বা আটক রাখার ফলে ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি:
- ৩ বৎসর;
- এমন সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি যখন প্রথম জানতে পারে যে, ওই সম্পত্তি কার নিকট আছে।
৪,৭৯৪.
দণ্ডবিধি কত ধারায় সদবিশ্বাসের (Good faith) সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ৪৫
  2. ৫১
  3. ৫২
  4. ৫২ক
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
----------------
→ The Penal Code,1860- Section 52: “Good faith”: Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.
৪,৭৯৫.
কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা রাজনৈতিক মামলা যতোই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, কোনো আইনজীবী সেই মামলা-
  1. গ্রহণ করতে বাধ্য
  2. প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন না
  3. দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবেন
  4. প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ এবং আইন পেশার গুণগত মান অক্ষুণ্ন রাখার জন্য বেশ কিছু নীতিমালা তৈরী করা হয়েছে। এই নীতিমালা Bangladesh Bar Council Canons of Professional Conduct and Etiquette নামে পরিচিত। এর ৪টি অধ্যায়ের শিরোনাম যথাক্রমে-
১. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ;
২. মক্কেলদের প্রতি আচরণ;
৩. আদালতের প্রতি কর্তব্য;
৪. জনসাধারণের প্রতি আচরণ।

জনগণের প্রতি দায়িত্ব:
১. কোনো মামলা বিলম্বিত করা বা কাউকে বিরক্ত করা ও হয়রানি করার জন্য কোনো আইনজীবী কোনো মামলা গ্রহণ করবে না।
২. বিরুদ্ধ পক্ষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবেন।
৩. কাউকে হয়রানি বা ক্ষতি করার জন্য কোনো দেওয়ানি মামলা দায়ের বা প্রতিবন্ধকতা তৈরী করবে না।
৪. কোনো আইনজীবী কোনো মামলার জন্য নিযুক্তি হতে বাধ্য নয়। তবে নিযুক্তি গ্রহণ করলে দায়িত্বের সঙ্গে তা গ্রহণ করতে হবে।
৫. কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা রাজনৈতিক মামলা যতোই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, তিনি তা প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।
৬. কোনো পাবলিক অফিসার বোর্ড, কমিটি বা সংস্থার সামনে উপস্থিত হলে তিনি তার পরিচয় এবং যার পক্ষে উপস্থিত হয়েছে তার পরিচয় প্রকাশ করবে।
৭. কোনো বিষয়ে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে সে বিষয়ে আইনজীবী হিসেবে নিযুক্তি গ্রহণ করবে না।
৮. একজন আইনজীবী অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা বা বেতনভুক্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কোনো ব্যবসা বা পেশার সাথে যুক্ত হবেন না।
৪,৭৯৬.
আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, তবে নিম্নের কিরূপ আদেশ দেয়া যাবে?
  1. পুনরায় কারাদণ্ডের আদেশ
  2. অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ
  3. আইন দ্বারা নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে অর্থদণ্ড আদায়ের আদেশ
  4. আদালতের উপরের কোন ক্ষেত্রে আদেশ দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
ধারাঃ ৩৮৬- জরিমানা আদায়ের পরোয়ানা (Warrant for levy of fine):

কোন আসামিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হলে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি উপায়ে জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-

১. অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয়;

২. স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে পরোয়ানা কার্যকর করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন। আদালত কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করলে উক্ত ওয়ারেন্ট ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার বলে গণ্য করা হয়।

জরিমানা আদায়ের জন্য অপরাধীর স্থাবর অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করে টাকা আদায়ের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে জরিমানা পরিশোধ করা না হলে, অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং আসামী আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে সেই ক্ষেত্রে পুনরায় কারাদণ্ডের আদেশ বা অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ বা পুনরায় আদায়ের আদেশ দিতে পারবেন না। অপরাধীকে গ্রেফতার বা কারাগারে আটক রেখেও এরূপ কোন পরোয়ানা কার্যকর করা যাবে না।

অর্থাৎ আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, এক্ষেত্রে আদালত উল্লিখিত কোনো আদেশ দিতে পারে না।
৪,৭৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে দায়রা আদালতে মামলা প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া আছে?
  1. ১২০
  2. ১৮০
  3. ৩৬০
  4. ৩৬৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

⇒ মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-339C: Time for disposal of cases:
(1) A Magistrate shall conclude the trial of a case within one hundred and eighty days from the date on which the case is received by him for trial. 
(2) A Sessions Judge, an Additional Sessions Judge or an Assistant Sessions Judge shall conclude the trial of a case within three hundred and sixty days from the date on which the case is received by him for trial. 
(2A) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) or sub-section (2), where a person is accused in several cases and such cases are brought for trial before a Magistrate or a Court of Session, the time limit specified in sub-section (1) or sub-section (2) for the trial of such cases shall run consecutively.
(2B) Notwithstanding the transfer of a case from one Court to another Court, the time specified in sub-section (1) or sub-section (2) shall be the time for concluding the trial of a case.
(4) If a trial cannot be concluded within the specified time, the accused in the case, if he is accused of a non-bailable offence, may be released on bail to the satisfaction of the Court, unless for reasons to be recorded in writing, the Court otherwise directs.
(5) Nothing in this section shall apply to the trial of a case under section 400 or 401 of the Penal Code (Act XLV of 1860), or to the trial of case to which the provisions of Chapter XXXIV apply.
(6) In this section, in determining the time for the purpose of a trial,- 
(b) the days spent on account of the absconsion of an accused after his release on bail, if any, shall not be counted.
৪,৭৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ৫৪ এর অধীন যখন সম্পত্তি স্থাবর হয়, তখন ক্রোকের আদেশ কীভাবে করা হয়?
  1. সম্পত্তির দখল দিয়ে
  2. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করে
  3. ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করতে অনুমতি দিয়ে
  4. ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করতে নিষিদ্ধ করে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪- স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক:

(১) যখন সম্পত্তি অস্থাবর হয়, তখন ক্রোক করার আদেশটি এমন একটি আদেশ দ্বারা করা হবে যা ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করার যে কোন উপায় থেকে নিষিদ্ধ করবে এবং সকল ব্যক্তিকে সেই স্থানান্তর বা চার্জ থেকে কোন সুবিধা গ্রহণ করতে নিষেধ করবে।

(২) আদেশটি ঐ সম্পত্তিতে বা সম্পত্তির সংলগ্ন কোন স্থানে ঢোল পেটানো বা অন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে ঘোষণা করতে হবে, এবং আদেশটির একটি অনুলিপি সম্পত্তির সুস্পষ্ট অংশে এবং আদালত ভবনের সুস্পষ্ট অংশে টানিয়ে দিতে হবে, এবং যদি সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি হয়, তবে সেই জমি যে জেলার কালেক্টরের কার্যালয়ে অবস্থিত সেখানে ও আদেশটির একটি অনুলিপি টানিয়ে দিতে হবে।

Order 21 Rule 54: Attachment of immovable property:
(1) Where the property is immovable, the attachment shall be made by an order prohibiting the judgment-debtor from transferring or charging the property in any way, and all persons from taking any benefit from such transfer or charge.

(2) The order shall be proclaimed at some place on or adjacent to such property by beat of drum or other customary mode, and a copy of the order shall be affixed on a conspicuous part of the property and then upon a conspicuous part of the court-house, and also, where the property is land paying revenue to the Government, in the office of the Collector of the district in which the land is situate.
৪,৭৯৯.
এ্যাডভোকেট কর্তৃক কোন ধরনের তথ্য প্রকাশ করতে মক্কেলের অনুমতি লাগবে না?
  1. বেআইনী উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন তথ্য
  2. এমন তথ্য যা অপরাধ বা প্রতারণার জন্য
  3. মক্কেলের এবং অ্যাডভোকেটের মধ্যে পেশাগত তথ্য
  4. ক+খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
------------
Section 126 Professional communications: No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment: 
 
Provided that nothing in this section shall protect from disclosure– 
 
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose: 
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment. 
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client. 

Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.
৪,৮০০.
The word “person” includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not. এটি দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ১২ ধারার
  2. ১১ ধারার
  3. ১৭ ধারার
  4. ১৪ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২য় অধ্যায়ের ৬ থেকে ৫২ক ধারার সাধারণ ব্যাখ্যা (General Explanation) অংশে দণ্ডবিধিতে ব্যবহৃত কতিপয় শব্দের সংজ্ঞা রয়েছে।

♦ ব্যক্তি (Person)- দণ্ডবিধির ১১ ধারায় ব্যক্তির সংজ্ঞা রয়েছে। ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যক্তি বা Person বলতে যে কোন কোম্পানী বা সমিতি (Association) অথবা ব্যক্তি সমষ্টিকে (সমিতিভুক্ত হোক বা না হোক) বুঝাবে।
-----------------------------------
♦ “Person” Section 11. The word “person” includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not.