ব্যাখ্যা
→ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বাংলাদেশের গণপরিষদের সদস্য ছিলেন এবং সংবিধান প্রণয়নের সময় তিনি বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।
- তবে তিনি বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি, এবং তার এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক কারণে বিরোধিতা ছিল।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৪৫ / ১৫৫ · ৪,৪০১–৪,৫০০ / ১৫,৪৭০
আদেশ ১৭ বিধি ১(৩):
উপ-বিধি (১) ও (২)-এ যা বলা হয়েছে, তা থাকলেও, আদালত কোনো পক্ষকে Peremptory hearing এর আগে এক মামলার জন্য চারটির বেশি মুলতবি আদেশ দিতে পারবে না।
যদি কোনো পক্ষকে উল্লিখিত সীমার পরও মুলতবি আদেশ প্রদান করা হয়, তবে সেই পক্ষকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অন্য পক্ষকে খরচ হিসেবে ন্যূনতম দুইশত টাকা এবং সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা দিতে হবে।
যদি এই খরচ প্রদানের নিয়ম পালন না করা হয়:
- বাদী যদি তা না দেয়, তাহলে মামলাটি বাতিল হতে পারে।
- বিবাদী যদি তা না দেয়, তাহলে মামলাটি একতরফা রায়ে নিষ্পত্তি করা যেতে পারে।
এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো পক্ষকে খরচ সহ হলেও সর্বোচ্চ তিনটি মুলতবি আদেশই দেওয়া যাবে।
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৬- মোকদ্দমা দায়ের:
(১) এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমা সেই পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করিতে হইবে যাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে-
(ক) মোকদ্দমার কারণ সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হইয়াছে; অথবা
(খ) পক্ষগণ একত্রে বসবাস করেন বা সর্বশেষ বসবাস করিয়াছিলেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর বা ভরণপোষণের মোকদ্দমায় সেই আদালতেরও এখতিয়ার থাকিবে, যাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী সাধারণত বসবাস করেন।
সঠিক উত্তর: খ) যেকোনো বয়সের নারী।
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১০ (Section 10) অনুযায়ী—
“Man denotes a male human being of any age; the word woman denotes a female human being of any age.”
অর্থাৎ, "woman" শব্দটি এমন একজন নারী মানবসন্তান বোঝায়, যার বয়স যেকোনো হতে পারে — তা শিশু, কিশোরী, প্রাপ্তবয়স্ক কিংবা বৃদ্ধা—সবাই এই সংজ্ঞার আওতাভুক্ত।
- এখানে বিবাহিত, কর্মজীবী, না-বিবাহিত, অপ্রাপ্তবয়স্ক ইত্যাদি কোনো নির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করা হয়নি।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৭(২)-তে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তদন্ত বা অন্য কোনো কারণে তাকে হেফাজতে রাখার প্রয়োজন না থাকে, তবে তার নাম-ঠিকানা নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ চাইলে তাকে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দিতে পারবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান,নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
(২) এধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।
(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 57: Refusal to give name and residence:
(1) When any person who in the presence of a police-officer has committed or has been accused of committing a non-cognizable offence refuses, on demand of such officer, to give his name and residence or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he may be arrested by such officer in order that his name or residence may be ascertained.
(2) When the true name and residence of such person have been ascertained, he shall be released on his executing a bond, with or without sureties, to appear before a Magistrate if so required:
Provided that, if such person is not resident in Bangladesh, the bond shall be secured by a surety or sureties resident in Bangladesh.
(3) Should the true name and residence of such person not be ascertained within twenty-four hours from the time of arrest or should he fail to execute the bond, or, if so required, to furnish sufficient sureties, he shall forthwith be forwarded to the nearest Magistrate having jurisdiction.
সঠিক উত্তর: খ) ২৪ ঘন্টার মধ্যে।
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৫: বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার:
(১) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে সাইবার হামলা কিংবা কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ডিজিটাল ডিভাইস, ইত্যাদিতে বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর মাধ্যমে মুছিয়া ফেলা, পরিবর্তন, নষ্ট হওয়া, সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানো বা অন্য কোনো উপায়ে দুষ্প্রাপ্য হইবার বা করিবার সম্ভাবনা থাকে, তাহা হইলে পুলিশ অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন, যথা:-
(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা অন্যান্য সরঞ্জামাদি এবং অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল জব্দকরণ;
(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি;
(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো অপরাধ করিয়াছেন বা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশি সম্পন্ন করিবার পর পুলিশ অফিসার তল্লাশি পরিচালনার প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের নিকট অনতিবিলম্বে দাখিল করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করিবার পর পুলিশ অফিসার সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উক্ত ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে বা যাতায়াতের সময় ব্যতীত অনধিক ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবেন।
ধারা ১০৪: কোন আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে:
(১) নিম্নলিখিত আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে, এবং যদি এই কোডের মূল অংশে বা বর্তমানে কার্যকর কোনো আইনে অন্যথায় স্পষ্টভাবে প্রদান না করা হয়, তবে অন্য কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না:
(চচ) ধারা ৩৫ক এর অধীনে একটি আদেশ;
(ছ) ধারা ৯৫ এর অধীনে একটি আদেশ;
(জ) এই কোডের কোনো ধারা অনুযায়ী একটি আদেশ যা কোনো ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান বা দেওয়ানি কারাগারে আটক বা আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে এমন আটক বা আটককরণ যদি কোনো ডিক্রির কার্যকরীকরণের জন্য না হয়;
(ঝ) নিয়মের অধীনে করা কোনো আদেশ যা থেকে নিয়ম অনুযায়ী আপিল স্পষ্টভাবে অনুমোদিত হয়:
তবে শর্ত থাকে যে ধারা (চচ) এ উল্লিখিত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদি না এই ভিত্তিতে যে কোনো আদেশ, বা কম পরিমাণ প্রদানের জন্য আদেশ করা উচিত ছিল না।
(২) এই ধারার অধীনে আপিলে দেয়া কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৫৯ অনুযায়ী, দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করলে তা “মারামারি” হিসেবে গণ্য হয়। ধারা ১৬০ অনুযায়ী, দোষী ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় হতে পারে।
- প্রশ্নের ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ১৬০-এর অধীনে পড়ে, যা “মারামারি” (Affray) সম্পর্কিত।
সুতরাং, 'X' এবং 'Y'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে ৩ টি স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে।
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ১১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি নিয়ে গঠিত হবে:
১. নির্বাহী কমিটি।
২. আর্থিক কমিটি।
৩. আইন শিক্ষা কমিটি।
---------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.
(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ (ORDER XXIII) মূলত নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর জন্য প্রযোজ্য:
১) মামলা প্রত্যাহার – বাদী নিজে মামলা তুলে নিতে পারে।
২) দাবির আংশিক পরিত্যাগ – বাদী তার দাবির কিছু অংশ বাদ দিতে পারে।
৩) আদালতের অনুমতি নিয়ে নতুন মামলা দায়ের – নির্দিষ্ট শর্তে অনুমতি নিয়ে।
৪) মামলার আপস মীমাংসা – আইনগত আপস হলে আদালত সেটি রেকর্ড করে ডিক্রি দেয়।
- সুতরাং ORDER XXIII মূলত মামলার প্রত্যাহার, আংশিক দাবির পরিত্যাগ এবং আপস মীমাংসার জন্য প্রযোজ্য। কিন্তু একবার ডিক্রি জারি হয়ে গেলে তার কার্যকর (execution) প্রক্রিয়ায় এই আদেশ প্রযোজ্য নয়। এজন্য Rule 4 স্পষ্টভাবে বলে, “Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.”
-------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-4. Proceedings in execution of decrees not affected:
Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.
Negotiable Instruments Act, 1881: Section 138A- Restriction in respect of appeal-
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান- আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:
১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
⇒তামাদি আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎ এর মামলা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ- ১ বছর।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১০-এ অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) বলবৎ করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১ বছর নির্ধারিত। এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় :
- যখন ক্রেতা বিক্রিত সম্পত্তির প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে; অথবা যদি সম্পত্তির প্রত্যক্ষ দখল স্বীকার না করে, তবে যখন বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হয়।
- অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১০-এ অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎ করার জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর নির্ধারিত, যা ক্রেতার দখল গ্রহণ বা বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রির সময় থেকে গণনা করা হয়।
---------------------
⇒ According to Article 10 of The Limitation Act 1908- To enforce a right of pre-emption whether the right is founded on law, or general usage, or on special contract is one year. The period begins:
- When the purchaser takes, under the sale sought to be impeached, physical possession of the whole of the property sold, or, where the subject of the sale does not admit of the physical possession, when the instrument of sale is registered.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬১ অনুযায়ী, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখতে পারবেন না।
- এই সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে।
- তবে, যদি ধারা ১৬৭ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ আদেশ দেন, তখন সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে।
- যাতায়াতের সময় (গ্রেপ্তারের স্থান থেকে আদালতে পৌঁছাতে যে সময় লাগে) এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গণনা করা হবে না।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা-গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 61- Person arrested not to be detained more than twenty-four hours:
No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
⇒ তামাদি আইনের তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে সর্বনিম্ন তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে। যা হচ্ছে মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে ৭ দিন মেয়াদ থাকবে।
- অনুচ্ছেদ ১৫০- দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৫০ অনুসারে, দায়রা আদালত কর্তৃক বা হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- আপিলের ধরন: মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল।
- তামাদি মেয়াদ: ৭ দিন।
- সময় গণনার শুরু: দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে।
এটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লিখিত সর্বনিম্ন তামাদি মেয়াদগুলোর মধ্যে একটি। মৃত্যুদণ্ড একটি গুরুতর বিষয় হওয়ায় এর বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য খুব সীমিত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগ দান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
The Constitution of the People’s Republic of Bangladesh - Article 64. The Attorney-General:
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২০ বিধি ৩ এর বিধান অনুযায়ী, বিচারককে রায় ঘোষণার সময়ই খোলা আদালতে তারিখসহ রায়ের উপর স্বাক্ষর করতে হয়। এটি একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া। একবার স্বাক্ষরিত হওয়ার পর শুধুমাত্র ধারা ১৫২ (সংশোধনীয় ভুল) বা পুনরীক্ষণ (রিভিউ) এর মাধ্যমেই এতে পরিবর্তন করা যায়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-৩ এর বিধান: রায় স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে:
-রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order 20 Rule 3: Judgment to be signed:
The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and, when once signed, shall not afterwards be altered or added to, save as provided by section 152 or on review.
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৫ অনুসারে, প্রতারণার মাধ্যমে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বা সম্পত্তি ধরে রাখার সম্মতি দিতে প্ররোচিত করা, অথবা এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করা যা প্রতারিত না হলে সে করত না বা বাদ দিত না, এবং যা শারীরিক, মানসিক, খ্যাতি বা সম্পত্তির ক্ষতি করে, তা প্রতারণা (Cheating) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘D’ জেনে যে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা নেই, একটি অচল চেক দিয়ে ‘Z’-এর কাছ থেকে পণ্য কিনেছে, পরিশোধের ইচ্ছা না রেখে। এটি ধারা ৪১৫-এর উদাহরণ (d)-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে বলা হয়েছে যে অচল চেক দিয়ে সম্পত্তি হস্তান্তর করানো প্রতারণা।
- যেহেতু এই প্রতারণার ফলে পণ্য (সম্পত্তি) হস্তান্তর হয়েছে, তাই ধারা ৪২০ প্রযোজ্য। ধারা ৪২০ অনুসারে, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করানো বা মূল্যবান দলিল নষ্ট করার শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
- ‘D’-এর কাজ ধারা ৪১৫-এর অধীনে প্রতারণা হিসেবে গণ্য, এবং যেহেতু এটি সম্পত্তি হস্তান্তরের সাথে জড়িত, ধারা ৪২০ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ৭ বছরের কারাদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২০ অনুযায়ী,
যদি কেউ প্রতারণা করে এবং এর ফলে প্রতারিত ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করে, অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোনো মূল্যবান দলিল (যেমন চেক, চুক্তি ইত্যাদি) তৈরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে প্ররোচিত করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং এর পাশাপাশি তাকে অর্থদণ্ডও দেয়া যেতে পারে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section-420: Cheating and dishonestly inducing deliver of property:
- Whoever cheats and thereby dishonestly induces the person deceived to deliver any property to any person, or to make, alter or destroy the whole or any part of a valuable security, or anything which is signed or sealed, and which is capable to being converted into a valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৪২- ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Suit' বা 'Suit for Declaration' বলে।
তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই, সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। এক্ষেত্রে ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২০৭ এবং এর Illustration অনুসারে, এজেন্টের কর্তৃত্ব প্রত্যাহার (Revocation of Authority) প্রকাশ্য (Expressed) বা নিহিত (Implied) হতে পারে। Principal-এর conduct (আচরণ) থেকে যদি implied revocation বোঝা যায়, তা বৈধ।
এখানে, A (প্রিন্সিপাল) প্রথমে B (এজেন্ট) কে তার বাড়ি ভাড়া দেওয়ার authority দিয়েছেন। পরে A নিজেই বাড়িটি ভাড়া দিলেন। A-এর এই conduct (আচরণ) থেকে বোঝা যায় যে তিনি B-এর authority আর কার্যকর থাকতে দিচ্ছেন না। এটি B-এর authority-এর একটি নিহিত প্রত্যাহার (Implied Revocation)।
ধারা ২০৭-এর Illustrationটি এই scenario-টি সরাসরি কভার করে: "A empowers B to let A's house. Afterwards A lets it himself. This is an implied revocation of B's authority."
অতএব, A-এর কাজটি B-এর ক্ষমতার নিহিত প্রত্যাহার।
---------
⇒ The Contract Act, 1872 section- 207. Revocation and renunciation may be expressed or implied:
Revocation and renunciation may be expressed or may be implied in the conduct of the principal or agent respectively.
Illustration:
A empowers B to let A's house. Afterwards A lets it himself. This is an implied revocation of B's authority.
Article 19: Equality of opportunity:
(1) The State shall endeavour to ensure equality of opportunity to all citizens.
(2) The State shall adopt effective measures to remove social and economic inequality between man and man and to ensure the equitable distribution of wealth among citizens, and of opportunities in order to attain a uniform level of economic development throughout the Republic.
(3) The State Shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life.
অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা:
(১) সকল নাগরিকের অন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে।
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
(৩) জাতীয় জীবনের সর্স্তররে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।।
সঠিক উত্তর: ক) প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হতে হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধে প্ররোচনা (Abetment) দেয় এবং সেই প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হয়, তবে প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে। এই ধারাটি তখন প্রযোজ্য হয় যখন দণ্ডবিধিতে প্ররোচনার জন্য আলাদা বা স্পষ্ট শাস্তির বিধান নেই।
উদাহরণ:
যদি A, B কে কোনো অপরাধ করতে প্ররোচনা দেয় এবং B সেই অপরাধটি করে, তবে A কেও B এর মতো একই শাস্তি দেওয়া হবে, যদি দণ্ডবিধিতে প্ররোচনার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে।
ধারা ১০৯-এর মূল ভিত্তি হলো- প্ররোচনা + সেই প্ররোচনার ফলে অপরাধ সংঘটন।
সঠিক উত্তর: (গ) নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ (injunction)।
প্রশ্নে, A একটি ইতিবাচক চুক্তি করেছে যে সে B-এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং একই সঙ্গে একটি নেতিবাচক চুক্তি করেছে যে সে অন্য কোথাও গান গাইবে না।
আদালত A-কে জোর করে গান গাইতে বাধ্য করতে পারে না, কারণ এটি ব্যক্তিগত দক্ষতার (personal skill) কাজ — কিন্তু আদালত A-কে অন্য কোনো জনসমক্ষে গান গাওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে, অর্থাৎ নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ (injunction) দিতে পারে।
ধারা ৫৭. নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement):
ধারা ৫৬-এর উপধারা (f) সত্ত্বেও, যেখানে কোনো চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ইতিবাচক (affirmative) চুক্তির পাশাপাশি একটি নেতিবাচক (negative) চুক্তিও থাকে — স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে — অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট কাজ না করার অঙ্গীকার থাকে, সেখানে আদালত যদি সেই ইতিবাচক চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) করাতে সক্ষম না হয়, তাহলেও আদালত সেই নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) জারি করতে পারে;
তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী এখন পর্যন্ত তার চুক্তির বাধ্যবাধক অংশ সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হননি।
উদাহরণসমূহ-
(ক) A, B-এর কাছে ১,০০০ টাকায় একটি ব্যবসার সুনাম (goodwill) বিক্রি করতে সম্মত হয়, এবং আরও অঙ্গীকার করে যে সে চট্টগ্রামে ওই ব্যবসা আর করবে না। B টাকা পরিশোধ করে, কিন্তু A চট্টগ্রামে আবার সেই ব্যবসা শুরু করে। আদালত A-কে বাধ্য করতে পারবে না যেন সে তার গ্রাহকদের B-এর কাছে পাঠায়, কিন্তু B আদালতের কাছে আবেদন করে নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে যাতে A-কে চট্টগ্রামে সেই ব্যবসা চালানো থেকে বিরত রাখা যায়।
(খ) A, B-এর কাছে কোনো ব্যবসার সুনাম বিক্রি করে। পরে A, B-এর দোকানের কাছেই অনুরূপ ব্যবসা শুরু করে এবং তার পুরনো গ্রাহকদের আহ্বান করে যাতে তারা তার কাছেই আসে। এটি তার চুক্তির পরোক্ষ শর্ত ভঙ্গের সমতুল্য। ফলে, B আদালতের মাধ্যমে A-কে নিষিদ্ধ করতে পারে যাতে সে তার গ্রাহকদের আহ্বান না করে এবং এমন কোনো কাজ না করে যাতে ব্যবসার সুনাম B-এর কাছ থেকে সরে যায়।
(গ) A, B-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে B-এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং অন্য কোথাও জনসমক্ষে গান গাইবে না। B আদালতের মাধ্যমে A-কে গান গাইতে বাধ্য করতে পারবে না, কিন্তু A-কে অন্য কোনো জনসম্মুখে গান গাওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
(ঘ) B, A-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে বিশ্বস্তভাবে A-এর ক্লার্ক হিসেবে কাজ করবে। A আদালতের মাধ্যমে B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না, কিন্তু A, B-কে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানে ক্লার্ক হিসেবে কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
(ঙ) A, B-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে, B নির্ধারিত দিনে তাকে ১,০০০ টাকা প্রদান করলে, সে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে কোনো ব্যবসা শুরু করবে না। কিন্তু B টাকা দিতে ব্যর্থ হয়। সেক্ষেত্রে, A-কে সেই নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে ব্যবসা শুরু করা থেকে বিরত রাখার কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যাবে না।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা:
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।
Article 112. Action in aid of Supreme Court:
All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.