বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৪৫ / ১৫৫ · ৪,৪০১৪,৫০০ / ১৫,৪৭০

৪,৪০১.
হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি এমন একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য কে ছিলেন?
  1. আব্দুর রউফ
  2. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  3. শাহ আজিজুর রহমান
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানে একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য যিনি স্বাক্ষর করেননি, তিনি হলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

→ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বাংলাদেশের গণপরিষদের সদস্য ছিলেন এবং সংবিধান প্রণয়নের সময় তিনি বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।
- তবে তিনি বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি, এবং তার এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক কারণে বিরোধিতা ছিল।
৪,৪০২.
'যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি শুধুমাত্র তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে, অন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে না'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম?
  1. ২৭ ধারা
  2. ২৪ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
•ধারা ৩০- যখন দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের [co-accused) বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে ব্যবহার করা যায়:

সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো- যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে অন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম।

সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

শর্তসমূহ:
১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে:
২. উক্ত একই অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Tried jointly) করা হবে:
৩. উক্ত অভিযুক্তদের মধ্যে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকেসহ অন্যান্য অভিযুক্তকে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করবে;
৪. এমন দোষ স্বীকারোক্তি প্রমাণিত হলে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসাবে আমলে নিতে পারে।
৪,৪০৩.
যদি একজন ব্যক্তি অন্যের স্ত্রীর সাথে সম্মতি ছাড়া যৌন সঙ্গম করে, তবে স্ত্রীর সম্পর্কে কি ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে?
  1. কোনো শাস্তি হবে না
  2. অভিযোগ দায়ের করা হবে
  3. সহযোগিতার জন্য দণ্ড প্রদান করা হবে
  4. স্ত্রীর সম্মতি যাচাই করা হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা- ব্যভিচার:
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

Section 497- Adultery:
Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.
৪,৪০৪.
নিচের কোনটি বেআইনি সমাবেশের 'সাধারণ উদ্দেশ্য' হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. আইনগত প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া
  2. শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসংস্থানের দাবি জানানো
  3. কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক অবৈধ কাজ করানো
  4. সরকারকে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ভীতিপ্রদর্শন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার মতে, বেআইনি সমাবেশের 'সাধারণ উদ্দেশ্য' হতে হবে অপরাধমূলক বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। কিন্তু শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসংস্থানের দাবি জানানো কোনো অপরাধমূলক বা বেআইনি উদ্দেশ্য নয়। তাই এটি বেআইনি সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৪,৪০৫.
কোন ক্ষেত্রে রায় প্রদানের দিন আসামির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়?
  1. আসামি হাজতে থাকলে
  2. আসামিকে খালাস দিলে
  3. আসামিকে ২ মাসের কারাদণ্ড দিলে
  4. আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৬: রায় প্রদানের পদ্ধতি
১। মূল বিচারিক আদালতের প্রতিটি মামলার রায় ঘোষণা করতে হবে, অথবা রায়ের মূল সারাংশ ব্যাখ্যা করতে হবে—
(ক) খোলা আদালতে, হয় মামলার অবসানের সাথে সাথে অথবা পরে নির্ধারিত কোনো সময়ে, যার বিষয়ে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদের পূর্বে নোটিশ দিতে হবে; এবং
(খ) আদালতের ভাষায়, অথবা এমন ভাষায় যা আসামি বা তার আইনজীবী বুঝতে পারেন।

তবে যদি প্রসিকিউশন বা ডিফেন্স পক্ষের অনুরোধ থাকে, তাহলে সম্পূর্ণ রায় বিচারক নিজে পড়ে শোনাবেন।

২। যদি আসামি হেফাজতে থাকে, তাহলে তাকে আদালতে হাজির করে রায় শোনানো হবে। যদি হেফাজতে না থাকে, তবে আদালত তাকে রায় শুনতে আসার নির্দেশ দিবে, তবে যদি আসামির ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করা হয় এবং রায় শুধুমাত্র জরিমানার বা খালাসের হয়, সেক্ষেত্রে রায় তার আইনজীবীর উপস্থিতিতে ঘোষণা করা যেতে পারে।

৩। রায় ঘোষণার দিনে যদি কোনো পক্ষ বা তাদের আইনজীবী অনুপস্থিত থাকেন, বা তাদের নোটিশ প্রদানে কোনো ত্রুটি বা ত্রুটিপূর্ণ সেবা হয়,
তবুও শুধু এই কারণেই রায় বাতিল হবে না।

৪। এই ধারার কোনো কিছুই ধারা ৫৩৭-এর ক্ষমতা বা প্রভাব সীমিত করে না।
৪,৪০৬.
The Non-Agricultural Tenancy Act 1949 অনুসারে অকৃষি প্রজা ও মালিকের মধ্যে উন্নয়ন বিষয়ক কোনো প্রশ্নের সমাধান করতে পারেন কে?
  1. দেওয়ানী আদালত
  2. সহকারী কমিশনার
  3. ডেপুটি কমিশনার
  4. স্থানীয় সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act 1949 এর ধারা ৬৬ মতে উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না,
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।
 ২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
 অর্থাৎ উন্নয়ন করার অধিকার আছে কিনা বা কোন নির্দিষ্ট কাজ উন্নয়নমূলক কিনা সেই বিষয়ে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে সেই প্রশ্ন ডেপুটি কমিশনার নির্ধারণ করবেন।
-------------------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act 1949 Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc.
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord-
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question.
(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
৪,৪০৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০২ ধারা অনুযায়ী, জামিনদারগণ কার কাছে জামিনের দায়মুক্তির আবেদন করতে পারেন?
  1. পুলিশের কাছে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  3. হাইকোর্টের কাছে
  4. উল্লিখিত সকলের কাছে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে। 
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০২ অনুযায়ী, জামিনদার যদি মনে করেন যে জামিনে থাকা ব্যক্তি জামিনের শর্ত লঙ্ঘন করতে পারেন বা আদালতে হাজির না হতে পারেন, তবে জামিনদার ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করে নিজেকে জামিনের দায় থেকে অব্যাহতির জন্য অনুরোধ করতে পারেন। আদালত সে ক্ষেত্রে জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুনরায় জামিনের শর্ত নির্ধারণ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৪,৪০৮.
Peremptory hearing এর আগে খরচ ছাড়া কোনো পক্ষকে সর্বোচ্চ কতটি মুলতবি আদেশ দেওয়া যেতে পারে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৭ বিধি ১(৩):
উপ-বিধি (১) ও (২)-এ যা বলা হয়েছে, তা থাকলেও, আদালত কোনো পক্ষকে Peremptory hearing এর আগে এক মামলার জন্য চারটির বেশি মুলতবি আদেশ দিতে পারবে না।

যদি কোনো পক্ষকে উল্লিখিত সীমার পরও মুলতবি আদেশ প্রদান করা হয়, তবে সেই পক্ষকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অন্য পক্ষকে খরচ হিসেবে ন্যূনতম দুইশত টাকা এবং সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা দিতে হবে।

যদি এই খরচ প্রদানের নিয়ম পালন না করা হয়:
- বাদী যদি তা না দেয়, তাহলে মামলাটি বাতিল হতে পারে।
- বিবাদী যদি তা না দেয়, তাহলে মামলাটি একতরফা রায়ে নিষ্পত্তি করা যেতে পারে।

এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো পক্ষকে খরচ সহ হলেও সর্বোচ্চ তিনটি মুলতবি আদেশই দেওয়া যাবে।

৪,৪০৯.
আদালত কখন অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন?
  1. কোন কারণ বশতঃ অভিযুক্ত আদালতে হাজির হইতে অসমর্থ, এই মর্মে আদালত সন্তুষ্ট হইলে
  2. অভিযুক্তর কৌসুলী হাজির থাকিলে
  3. ক এবং খ
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান

(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
৪,৪১০.
নিম্নের কোন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একত্রে চার্জ গঠন করা যাবে?
  1. অভিযুক্ত এবং তার সহযোগীদের
  2. একই স্থানে যারা অপরাধ করেন
  3. একই দিনে,একই স্থানে যেকোনো অপরাধ করলে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৯ অনুযায়ী-নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের একত্রে অভিযুক্ত ও বিচার করা যাবেঃ

> একই ব্যাপারে কৃত একই অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ:
> কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং উক্ত অপরাধে সহায়তা দেয়া বা উক্ত অপরাধ করার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত
> বারো মাস সময়ের মধ্যে ২৩৪ ধারার অর্থানুসারে যৌথভাবে একই ধরণের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ
> একই ব্যাপারে কৃত বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ

> চুরি,বলপূর্বক পূর্ব সম্পত্তি আদায় বা অপরাধজনক আত্মসাৎ সম্পর্কিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং এরূপ সম্পত্তি গ্রহণ বা রাখা বা গোপন করা বা হস্তান্তর করার সহায়তার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ।যে সম্পত্তির দখল প্রথমোক্ত ব্যক্তিগণ উক্ত অপরাধ দ্বারা হস্তান্তর করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে অথবা শেষোক্ত কোন অপরাধ করার জন্য সহায়তা দিয়েছে বা অপরাধের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

> দণ্ডবিধির ৪১১ ও ৪১৪ ধারার অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ অথবা এমন চোরাইমাল সম্পর্কে উক্ত ধারা দুইটির যেকোন একটি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ যে চোরাই মালের দখল একটি অপরাধ দ্বারা হস্তান্তরিত হয়েছে; এবং জাল মুদ্রা সম্পর্কে দ্বাদশ অধ্যায়ের কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং উক্ত মুদ্রা সম্পর্কে উক্ত অধ্যায়ের অন্য কোন অপরাধ বা অপরাধের সহায়তা বা অপরাধের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ।
৪,৪১১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৩ ধারায়, মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত অবৈধ সম্পদ ও অর্থ যাচাইয়ের জন্য কোন আইনের আওতায় ব্যবস্থা নিতে হবে?
  1. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  2. আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪
  3. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২
  4. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৩: ব্যাংক হিসাব, ইত্যাদি নিরীক্ষা ও নিষ্ক্রিয়করণ:
(১) যদি মহাপরিচালক অথবা তদন্তকারী অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে যে, কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের সহিত জড়িত থাকিয়া অবৈধ অর্থ ও সম্পদ সংগ্রহে লিপ্ত রহিয়াছেন এবং উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের বিধান অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত তাহার ব্যাংক হিসাব অথবা আয়কর অথবা সম্পদের কর সম্পর্কীয় রেকর্ডপত্র পরীক্ষা করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(২) তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ২ এর উপ-ধারা (শ) এ উল্লিখিত সম্পৃক্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ (অবৈধ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা) নিয়ন্ত্রণের জন্য তদন্তকারী অফিসার হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তিনি অবৈধ মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ অথবা সম্পদ সম্পর্কে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী তদন্তসহ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবেন।

(৩) প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত হিসাব অথবা রেকর্ডপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করা কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব নিষ্ক্রিয়করণ (Freezing) করা কিংবা সম্পদ যাচাই-বাছাইয়ের (Scrutinizing) অনুমতি প্রদানের জন্য 23[এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে] আবেদন করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন পেশকৃত আবেদন পর্যালোচনা করিয়া এবং আবেদনকারীকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া 24[এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] আবেদনটি নিষ্পত্তি করিবে এবং যদি তিনি প্রার্থিত অনুমতি যুক্তিসংগত বলিয়া মনে করেন, তাহা হইলে অনুমতি প্রদান করিবেন এবং উহার একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, কর অফিসার অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবে।

(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন অনুমতিপ্রাপ্ত অফিসার তাহার পরীক্ষা-নিরীক্ষার অগ্রগতি ও ফলাফল সম্পর্কে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে নির্ধারিত সময়ে অবহিত করিবে।
৪,৪১২.
ফৌজদারি মামলায় একজন দোভাষী কী সঠিক ভাবে ব্যাখা করতে বাধ্য?
  1. সাক্ষ্য
  2. বিবৃতি
  3. ক বা খ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪৩ অনুসারে দোভাষী অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন-

কোন সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখা করার জন্য যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক একজন দোভাষীর সেবা দেয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে দোভাষী উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন।

Section 543- Interpreter to be bound to interpret truthfully
When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
৪,৪১৩.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর বা ভরণপোষণের মোকদ্দমায় কোন আদালতের বিশেষ এখতিয়ার থাকবে?
  1. যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সালিশী কাউন্সিল গঠিত হয়েছে
  2. যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্বামী বসবাস করেন
  3. যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী বসবাস করেন
  4. যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৬- মোকদ্দমা দায়ের:
(১) এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমা সেই পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করিতে হইবে যাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে-
(ক) মোকদ্দমার কারণ সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হইয়াছে; অথবা
(খ) পক্ষগণ একত্রে বসবাস করেন বা সর্বশেষ বসবাস করিয়াছিলেন:

তবে শর্ত থাকে যে, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর বা ভরণপোষণের মোকদ্দমায় সেই আদালতেরও এখতিয়ার থাকিবে, যাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী সাধারণত বসবাস করেন।

৪,৪১৪.
কোনো আরজি ত্রুটিযুক্ত হবার কারণে নাকচ হয়ে গেলে, নতুনভাবে আরজি দাখিলে কোনো বাধা নেই - এটি দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশের কোন বিধিতে বলা আছে?
  1. আদেশ ৭ বিধি ১০
  2. আদেশ ৭ বিধি ১১
  3. আদেশ ৭ বিধি ১২
  4. আদেশ ৭ বিধি ১৩
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি ১৩:
যে কোনো পূর্ববর্তী কারণে মোকদ্দমার আবেদন (plaint) প্রত্যাখ্যাত হলে, তা বাদীকে একই কারণ বা ঘটনার জন্য নতুন আবেদন দাখিল করতে বাধা সৃষ্টি করবে না। যদি আদালত কোনো কারণে মোকদ্দমার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে, তবে তা বাদীকে নতুন আবেদন দাখিল করার অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে না। অর্থাৎ, বাদী একই কারণে নতুন আবেদন করতে পারবেন।

[The rejection of the plaint on any of the grounds herein before mentioned shall not of its own force preclude the plaintiff from presenting a fresh plaint in respect of the same cause of action.]
৪,৪১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১ অনুসারে আপীল কীভাবে দাখিল করতে হবে?
  1. মৌখিকভাবে আদালতে উপস্থাপন করে
  2. একটি স্বাক্ষরিত স্মারকলিপির আকারে
  3. সরাসরি বিচারকের কাছে জমা দিয়ে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১ অনুযায়ী, আপীল একটি স্মারকলিপির আকারে (memorandum of appeal) দাখিল করতে হয়, যা আপীলকারী বা তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং নির্ধারিত আদালত বা আদালতের নিযুক্ত কর্মচারীর কাছে পেশ করতে হয়। এটি মৌখিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
- স্মারকলিপির সঙ্গে অবশ্যই ডিক্রির নকল এবং প্রয়োজন হলে রায়ের নকলও দিতে হবে।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
-(১) প্রত্যেকটি আপীল আপীলকারী বা তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি স্বারকলিপির আকারে পেশকরতে হবে এবং আদালত বা এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মচারীর নিকট দাখিল করতে হবে। যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে এবং (যদি না আপীল আদালত ইহার প্রয়োজনীয়তা শেষ করেন) যে রায়ের উপর উহা প্রতিষ্ঠিত, তার একটি নাকল স্বারকলিপির সঙ্গে প্রদান করতে হবে।
(২) স্মারকলিপির সারমর্ম: যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে, সেই ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির সঙ্গত কারণগুলি সংক্ষেপে এবং স্পষ্ট শিরোনামে স্বারকলিপিতে কোন তর্ক বা ধারাবাহিক বর্ণনা ব্যতিত ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং এরূপ সঙ্গত কারণগুলি ধারাবাহিক নম্বর যুক্ত হতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-1.Form of appeal. What to accompany memorandum:
(1) Every appeal shall be preferred in the form of a memorandum signed by the appellant or his pleader and presented to the Court or to such officer as it appoints in this behalf. The memorandum shall be accompanied by a copy of the decree appealed from and (unless the Appellate Court dispenses therewith) of the Judgment on which it is founded. 
-Contents of memorandum:
(2) The memorandum shall set forth, concisely and under distinct heads, the grounds of objection to the decree appealed from without any argument or narrative; and such grounds shall be numbered consecutively.
৪,৪১৬.
'X' তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সুনাম ১০০০০০ টাকায় বিক্রয়ের জন্য 'Y'-এর সাথে চুক্তি করে এবং এই শর্তে রাজি হয় যে, 'X' উক্ত ব্যবসা চট্টগ্রামে পরিচালনা করবেনা। 'Y' ১০০০০০ টাকা 'X'-কে পরিশোধ করে কিন্তু 'X' চট্টগ্রামে উক্ত ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকে। এই ক্ষেত্রে 'Y'__________আদেশ পেতে পারে।
  1. 'X' কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'Y' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
  2. 'X' কে তার কাস্টমারদের 'Y' এর নিকট পাঠাতে বাধ্য করতে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
  3. 'X' এর নিকট হতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পেতে পারে।
  4. 'X' এর ব্যবসার উপর চুক্তি বলবৎকরণের আদেশ পেতে পারে।
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারার বিধান হল নেতিবাচক চুক্তি পালন করার জন্যে ইনজাংশনঃ ৫৬ ধারার (চ) অনুচ্ছেদ 'যে চুক্তির কার্য সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না, তেমন চুক্তি নিরোধের উদ্দেশ্যে'- বিধান থাকা সত্ত্বেও যেখানে একটি চুক্তি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করার সম্মতির সমন্বয় যেখানে হ্যা সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কার্যসম্পাদনের ব্যাপারে ইনজাংশন মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না। তবে শর্ত হচ্ছে বাদী দার উপর যতটুকু অবশ্য পালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালন করতে ব্যর্থ হয়নি।
অর্থাৎ 'X' কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'Y' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
৪,৪১৭.
"Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof"। বিধানটি The Specific Relief Act, 1877 এর কোথায় আছে?
  1. ৮ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ১০ ধারা
  4. ১১ ধারা
ব্যাখ্যা
"Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof"। বিধানটি The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারায়  আছে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৯ ধারায়
দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমায় বাদী পরাজিত হলেও, উক্ত সম্পত্তিতে স্বত্ত্ব প্রমাণ করে ৮ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে ৯ ধারা বারিত করবে না
৪,৪১৮.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ধারা ১০ অনুযায়ী 'woman' শব্দের সংজ্ঞা?
  1. বিবাহিত নারী
  2. কর্মজীবী নারী
  3. কেবল প্রাপ্তবয়স্ক নারী
  4. যেকোনো বয়সের নারী
ব্যাখ্যা

 সঠিক উত্তর: খ) যেকোনো বয়সের নারী।

⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১০ (Section 10) অনুযায়ী—
“Man denotes a male human being of any age; the word woman denotes a female human being of any age.”
অর্থাৎ, "woman" শব্দটি এমন একজন নারী মানবসন্তান বোঝায়, যার বয়স যেকোনো হতে পারে — তা শিশু, কিশোরী, প্রাপ্তবয়স্ক কিংবা বৃদ্ধা—সবাই এই সংজ্ঞার আওতাভুক্ত।
-  এখানে বিবাহিত, কর্মজীবী, না-বিবাহিত, অপ্রাপ্তবয়স্ক ইত্যাদি কোনো নির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করা হয়নি।

৪,৪১৯.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি একটি লাঠি তুলে বলে, "আমি তোমাকে মারব", তবে এটি কী বলে গণ্য হয়?
  1. অপরাধ নয়
  2. আক্রমণ
  3. বলপ্রয়োগ
  4. শুধুমাত্র মৌখিক হুমকি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি একটি লাঠি তুলে বলে, "আমি তোমাকে মারব", তবে এটি আক্রমণ (assault) হিসেবে গণ্য হবে। কারণ, এই অবস্থায় ব্যক্তি নিজের আচরণের মাধ্যমে ভীতি সৃষ্টি করেছে এবং আক্রমণের প্রচেষ্টা করেছে, যদিও শারীরিক আঘাত বাস্তবে ঘটেনি।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুসারে, আক্রমণ বলতে এমন কোন আচরণকে বোঝানো হয় যা অন্য ব্যক্তিকে শারীরিক আঘাতের আশঙ্কা সৃষ্টি করে। এই ক্ষেত্রে, ব্যক্তি একটি লাঠি তুলে ধরে এবং হুমকি দেয়, যা আক্রমণ হিসেবে পরিগণিত হয়। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
উদাহরণ:
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 351: Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.
Illustrations
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z.
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
৪,৪২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৭(২) অনুযায়ী, নাম-ঠিকানা নিশ্চিত হওয়ার পর গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে কীভাবে মুক্তি দেওয়া যায়?
  1. কোনো শর্ত ছাড়াই মুক্তি দেওয়া যায়
  2. মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া যায়
  3. পুলিশ স্টেশনে রেকর্ড করে মুক্তি দেওয়া যায়
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ ছাড়া মুক্তি দেওয়া যায় না
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৭(২)-তে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তদন্ত বা অন্য কোনো কারণে তাকে হেফাজতে রাখার প্রয়োজন না থাকে, তবে তার নাম-ঠিকানা নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ চাইলে তাকে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দিতে পারবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান,নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
(২) এধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।
(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 57: Refusal to give name and residence:
(1) When any person who in the presence of a police-officer has committed or has been accused of committing a non-cognizable offence refuses, on demand of such officer, to give his name and residence or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he may be arrested by such officer in order that his name or residence may be ascertained. 
(2) When the true name and residence of such person have been ascertained, he shall be released on his executing a bond, with or without sureties, to appear before a Magistrate if so required: 
Provided that, if such person is not resident in Bangladesh, the bond shall be secured by a surety or sureties resident in Bangladesh. 
(3) Should the true name and residence of such person not be ascertained within twenty-four hours from the time of arrest or should he fail to execute the bond, or, if so required, to furnish sufficient sureties, he shall forthwith be forwarded to the nearest Magistrate having jurisdiction.

৪,৪২১.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩৫(১) ধারায় গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে কত ঘন্টার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে হবে?
  1. ১২ ঘন্টা
  2. ২৪ ঘন্টা
  3. ৪৮ ঘন্টা
  4. ৭২ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ২৪ ঘন্টার মধ্যে।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৫: বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার:

(১) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে সাইবার হামলা কিংবা কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ডিজিটাল ডিভাইস, ইত্যাদিতে বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর মাধ্যমে মুছিয়া ফেলা, পরিবর্তন, নষ্ট হওয়া, সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানো বা অন্য কোনো উপায়ে দুষ্প্রাপ্য হইবার বা করিবার সম্ভাবনা থাকে, তাহা হইলে পুলিশ অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন, যথা:-

(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা অন্যান্য সরঞ্জামাদি এবং অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল জব্দকরণ;

(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি;

(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো অপরাধ করিয়াছেন বা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশি সম্পন্ন করিবার পর পুলিশ অফিসার তল্লাশি পরিচালনার প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের নিকট অনতিবিলম্বে দাখিল করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করিবার পর পুলিশ অফিসার সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উক্ত ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে বা যাতায়াতের সময় ব্যতীত অনধিক ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবেন।

৪,৪২২.
“অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ” (Criminal Trespass) এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হতে পারে-
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৪৪৭ ধারা: অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি-
যে কেউ অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করে, সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা সর্বোচ্চ পাঁচ শত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

Section 447- Punishment for criminal trespass:
Whoever commits criminal trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৪,৪২৩.
'কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে প্রদত্ত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলবে না' - এই বিধানটি দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ৯৬ ধারায়
  2. ১০৪ ধারায়
  3. আদেশ ৪৩ বিধি ১ এ
  4. আদেশ ৪৩ বিধি ২ এ
ব্যাখ্যা

ধারা ১০৪: কোন আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে:
(১) নিম্নলিখিত আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে, এবং যদি এই কোডের মূল অংশে বা বর্তমানে কার্যকর কোনো আইনে অন্যথায় স্পষ্টভাবে প্রদান না করা হয়, তবে অন্য কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না:
(চচ) ধারা ৩৫ক এর অধীনে একটি আদেশ;
(ছ) ধারা ৯৫ এর অধীনে একটি আদেশ;
(জ) এই কোডের কোনো ধারা অনুযায়ী একটি আদেশ যা কোনো ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান বা দেওয়ানি কারাগারে আটক বা আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে এমন আটক বা আটককরণ যদি কোনো ডিক্রির কার্যকরীকরণের জন্য না হয়;
(ঝ) নিয়মের অধীনে করা কোনো আদেশ যা থেকে নিয়ম অনুযায়ী আপিল স্পষ্টভাবে অনুমোদিত হয়:
তবে শর্ত থাকে যে ধারা (চচ) এ উল্লিখিত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদি না এই ভিত্তিতে যে কোনো আদেশ, বা কম পরিমাণ প্রদানের জন্য আদেশ করা উচিত ছিল না।

(২) এই ধারার অধীনে আপিলে দেয়া কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না।

৪,৪২৪.
'X' এবং 'Y' প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে সাধারণ জনশান্তি বিঘ্নিত করে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১৫ দিন পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৫৯ অনুযায়ী, দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করলে তা “মারামারি” হিসেবে গণ্য হয়। ধারা ১৬০ অনুযায়ী, দোষী ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় হতে পারে।
- প্রশ্নের ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ১৬০-এর অধীনে পড়ে, যা “মারামারি” (Affray) সম্পর্কিত।
সুতরাং, 'X' এবং 'Y'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

৪,৪২৫.
"স্থাবর সম্পত্তি" এর উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. পথের অধিকার
  2. গাছে থাকা ফল
  3. মাছ ধরার অধিকার
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908 ধারা ২(৬)- "স্থাবর সম্পত্তি" (immoveable property) বলতে বোঝায়-
ভূমি, ভবন, ভূমি থেকে উৎপন্ন সুবিধাসমূহ এবং ভূমির সঙ্গে সংযুক্ত বা ভূমির সঙ্গে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত যেকোনো বস্তু, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ভাতা, পথ, আলো, ফেরিঘাট ও মাছ ধরার অধিকারের মতো বিষয়সমূহকে।

তবে এর অন্তর্ভুক্ত নয়-
(ক) দাঁড়ানো কাঠ, জন্মানো ফসল বা ঘাস, তাৎক্ষণিক কাটা হবে কি না সেটা বিবেচ্য নয়;
(খ) গাছে থাকা ফল বা রস—তা বর্তমানে থাকুক বা ভবিষ্যতে উৎপন্ন হোক;
(গ) ভূমির সঙ্গে সংযুক্ত বা মাটিতে স্থাপনকৃত যন্ত্রপাতি, যদি তা জমির অংশ হিসেবে বিবেচিত না হয়ে পৃথকভাবে বিবেচিত হয়।
৪,৪২৬.
কোন আদালত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে না?
  1. সহকারী জজ আদালত
  2. জেলা জজ আদালত
  3. আপিল বিভাগ
  4. স্মল কজ কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮২ মতে কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে: স্মল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।
- সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।
-------------------
⇒ Order-21 Rule-82. What Courts may order sales:
- Sales of immovable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.
৪,৪২৭.
Condonation of delay নীতি তামাদি আইনের কোন ধার‍ার-
  1. ৪ ধারায়
  2. ৫ ধারায়
  3. ৬ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫ টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। এটিকে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে।

♦ Condonation of delay, sufficient cause (বিলম্ব মওকুফ, যথেষ্ট কারণ) এসব শব্দাবলি ৫ ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট।


♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য -
i) আপিল (Appeal);
ii) আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত (Leave to appeal)
iii) রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত (Revision)
iv) রায়ের পুনরীক্ষণের দরখাস্ত (Review)
v) অন্য কোন দরখাস্তে ( Any other application)

♦ এছাড়া অন্যকোন ক্ষেত্রে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের সুযোগ নেয়া যাবে না।

♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়-
১. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে।
২. মূল মামলার ক্ষেত্রে। যেমন- স্বত্ব ঘোষণা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি।

♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার প্রদত্ত ব্যাখ্যা অনুযায়ী আপিলকারী বা দরখাস্তকারী হাইকোর্ট বিভাগের কোন আদেশ, প্রথা বা রায় দ্বারা তামাদির মেয়াদ গণনা বা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হলে তা পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে। এছাড়া উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে- মারাত্মক অসুস্থতা, কারাবাস, সরল বিশ্বাসে ভুল, আইনজীবী বা উকিলের ভুল ইত্যাদি।
 
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকৃষ্ণের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।

♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপীলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমান করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপীল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তোষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।

♦অর্থাৎ ৫ ধারায় দরখাস্তকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে যথাসময়ে আদালতে আপিল বা দরখাস্ত দাখিল করতে না পারার পেছনে যথোপযুক্ত কারণ (sufficient cause) ছিলো।
৪,৪২৮.
খুন বলে গণ্য হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যা এবং খুন বলে গন্য না হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যার মধ্যে মূখ্য পার্থক্যকারী উপাদান কোনটি?
  1. খুনের অভিপ্রায়
  2. আঘাতের গুরুতর প্রকৃতি
  3. ব্যবহৃত অস্ত্রের গুরুতর প্রকৃতি
  4. যে পরিস্থিতিতে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
♦খুন বলে গন্য হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যা এবং খুন বলে গন্য না হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যার মধ্যে মূখ্য পার্থক্যকারী উপাদান হলো ৩০০ ধারায় উল্লেখিত ৫টি ব্যতিক্রম পরিস্থিতি।
♦দণ্ডবিধি এর ৩০০ ধারায় উল্লিখিত খুনের সংজ্ঞায় ৫ টি ব্যতিক্রম আছে। যথা -
১. মারাত্মক বা আকস্মিক প্ররোচনায় সংযম হারাইয়া প্ররোচনাকারীকে বা ভুলক্রমে বা দূর্ঘটনাক্রমে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
২. অপরাধী সরলমনে আত্মরক্ষার বা সম্পত্তি রক্ষায় কোনোরূপ পরিকল্পনা ব্যতীত মৃত্যু ঘটায়।
৩. অপরাধকারী সরকারি কর্মচারী হিসেবে বা কর্মচারীর সাহায্যকারী হিসেবে দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে আইনানুগ বলিয়া সরল মনে কর্তব্য পালন করতে যেয়ে মৃত্যু ঘটালে।
৪. পরিকল্পনা ব্যতীত আকস্মিক বিবাদের সময় উত্তেজনায় মৃত্যু ঘটলে।
৫. ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে স্বীয় সম্মতিতে মৃত্যু ঘটলে।
♦অর্থাৎ খুন বলে গণ্য হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যা এবং খুন বলে গন্য না হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যার মধ্যে মূখ্য পার্থক্যকারী উপাদান হল যে পরিস্থিতিতে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
৪,৪২৯.
তামাদি আইন অনুযায়ী তামাদি মওকুফ মানে কী?
  1. মামলা বাতিল করা
  2. অভিযোগ পুনরায় করা
  3. সময়সীমা বৃদ্ধির অনুমতি
  4. অভিযোগ প্রত্যাহার করা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি মওকুফ: তামাদি আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা, আপিল বা দরখাস্ত পেশ করতে না পারলে বিলম্বের যথাযথ কারণ দেখিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন করা যায়। আদালত যদি সন্তুষ্ট হয় যে, যথেষ্ট কারণবশত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে আসা সম্ভব ছিল না, তাহলে মওকুফের আদেশ দিতে পারে।
- অর্থাৎ তামাদি আইন অনুযায়ী তামাদি মওকুফ মানে সময়সীমা বৃদ্ধির অনুমতি।

⇒ বিলম্ব মওকুফের কারণ: আদালত সাধারণত অসুস্থতা, কারাবাস, সরল বিশ্বাসে ভুল, দারিদ্রতা, কৌসুলীর ভুল, আইনের অজ্ঞতা, বা ভুল আদালতে মামলা দায়ের ইত্যাদিকে যথেষ্ট কারণ হিসেবে গণ্য করে।

-বিলম্ব মওকুফের শর্তসমূহ:
যথেষ্ট কারণের প্রমাণ দিতে হবে।
অবহেলা বা গাফলতির প্রমাণ থাকা যাবে না।
  
⇒ একজন দরখাস্তকারী বা প্রার্থীকে মওকুফের জন্য সাধারণত আদালতকে যা দেখাতে হয়:
(১) তিনি যথেষ্ট এবং যথোপযুক্ত কারণে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে আপীল বা দরখাস্ত দাখিল করতে পারে নাই।
(২) তার কোনরূপ অবহেলা বা গাফলতি ছিল না
(৩) তার তেমন কোন গুরতর ত্রুটি ছিল না এবং
(৪) অবহেলাবশ:ত উক্ত ত্রুটি করেন নাই।
------------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 5: Extension of period in certain cases:
- Any appeal or application for a revision or a review of judgment or for leave to appeal or any other application to which this section may be made applicable by or under any enactment for the time being in force may be admitted after the period of limitation prescribed therefor, when the appellant or applicant satisfies the Court that he had sufficient cause for not preferring the appeal or making the application within such period. 
 
- Explanation - The fact that the appellant or applicant was misled by any order, practice or judgment of the High Court Division in ascertaining or computing the prescribed period of limitation may be sufficient cause within the meaning of this section.
৪,৪৩০.
'ওয়াকফ আলাল আওলাদ' বলতে কী বোঝায়?
  1. জনগণের কল্যাণে করা ওয়াকফ
  2. বংশধরদের ভরণপোষণ বা উপকারার্থে করা ওয়াকফ
  3. সমাজের কল্যাণে করা ওয়াকফ
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
ওয়াকফ আলাল আওলাদ:

ওয়াকফ আলাল আওলাদ ইচ্ছে ইসলাম ধর্ম কর্তৃক স্বীকৃত বিশেষ ধরনের ওয়াকফ। এ ধরনের ওয়াকফের ক্ষেত্রে ওয়াফকারী সম্পত্তিটি তার বংশধরদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করতে পারে। তবে বংশধরদের উপকার শেষান্তে সম্পত্তিটি অবশ্যই ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে ব্যয় বা ব্যবহার হবে। এটি ওয়াকফ আলাল আওলাদ বলে। অর্থাৎ ওয়াকিফের নিজের জন্য বা তার পরিবার বর্গের জন্য কোন ওয়াকফ করা হলে তাকে ওয়াকফ-আলাল- আউলাদ বলে।

Abul Fata Mahomed Ishak Vs Russomoy Dhur Chowdry (1894) নামক বিখ্যাত মামলায় পারিবারিক ওয়াকফ বা ওয়াকফ আল-আউলাদকে অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯১৩ সালে The Mussalman Wakf validating Act, 1913 পাশের মাধ্যমে ওয়াকফ-আলাল আউলাদকে বৈধতা দেওয়া হয়। তবে শর্ত হলো এরকম ওয়াকফের চূড়ান্ত উপকার গরীব অথবা দাতব্য/ ধর্মীয় উদ্দেশ্যে হতে হবে।

সুতরাং বলা যায়, ওয়াকফকারী তার বংশধরদের কল্যাণে ওয়াফের উদ্দেশ্যের স্থগিত অবস্থার কারণে ওয়াকফটি অবৈধ হবে না। তবে সেরকম সংরক্ষণ বংশের পর বংশ চলতে থাকতে পারে না। সেরকম সংরক্ষণ অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হবে।
৪,৪৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারায় কমিশন প্রেরণ করে কার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যায়?
  1. অভিযুক্তের
  2. সাক্ষীর
  3. ফরিয়াদির
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৩- সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগ

ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহন করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,

উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
৪,৪৩২.
'স্বীকৃত বিষয় প্রমাণের আবশ্যকতা নেই' এই বিধান সাক্ষ্য আইনের কোথায় আছে?
  1. ৫৬ ধারায়
  2. ৫৪ ধারায়
  3. ৫৮ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
৪,৪৩৩.
অ্যাডভোকেট ব্যতিত অন্য কোন ব্যক্তি যদি আইন ব্যবসা করেন, তাহলে তাকে কি শাস্তি দিতে পারে?
  1. ২ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৪ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৪১ অনুযায়ী অ্যাডভোকেট না হয়ে কোন ব্যক্তি আইন ব্যবসা করলে তার ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
৪,৪৩৪.
X একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায়ে তাকে একটি মরূভূমিতে রেখে আসলেও শিশুটির মৃত্যু হয়নি। X কোন অপরাধ করেছে?
  1. শিশুর আত্মহত্যায় সহায়তাকরণ
  2. দণ্ডনীয় নরহত্যার চেষ্টা
  3. অবহেলার মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা
  4. খুনের চেষ্টা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং
যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
উদাহরণ:
(অ) ক চ-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে ক খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। ক এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে।
(আ) ক একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(ই) ক, চ কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত ক অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক চ-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে চ-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ঈ) ক চ-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি ক-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি চএর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা চ-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য চ-এর চাকরকে প্রদান করে । ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
--------
⇒Section 307: Attempt to murder, Attempts by life-convicts:
Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned.
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
Illustration
(a) A shoots at Z with intention to kill him, under such circumstances that, if death ensued, A would be guilty of murder. A is liable to punishment under this section.
(b) A with the intention of causing the death of a child of tender years exposes it in a desert place. A has committed the offence defined by this section, though the death of the child does not ensue.
(c) A, intending to murder Z, buys a gun and loads it. A has not yet committed the offence. A fires the gun at Z. He has committed the offence defined in this section, and, if by such firing he wounds, he is liable to the punishment provided by the latter part of the first paragraph of this section.
(d) A, intending to murder Z, by poison, purchases poison and mixes the same with food which remains in A's keeping; A has not yet committed the offence in this section. A places the food on Z's table or delivers it to Z's servants to place it on Z's table. A has committed the offence defined in this section.
৪,৪৩৫.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে নিম্নের কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ১৪ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২০ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. দণ্ডিত ব্যক্তির অবশিষ্ট জীবন ব্যাপী কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
যাবজ্জীবন সাজা অর্থ ৩০ বছরের কারাদণ্ড, তবে কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল বা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড উল্লেখ করলে তখন ওই আসামির আমৃত্যু কারাবাস হবে।
 
২০১৭ সালে সাভারের একজন ব্যবসায়ী জামান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে আপিল বিভাগ বলেছিলো যাবজ্জীবন মানে ত্রিশ বছর নয়, আমৃত্যু কারাবাস।
 
কিন্তু পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হলে এ বিষয়ক একটি রিভিউ আবেদন হয় এবং ওই আবেদনের চূড়ান্ত রায়ে আপিল বিভাগ বলেছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে ৩০ বছরের কারাদণ্ড।
 
আপিল বিভাগ শর্ট অর্ডারে বলেছেন- বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী যাবজ্জীবন সাজার অর্থ হবে ত্রিশ বছর কারাদণ্ড। তবে কোনো নির্দিষ্ট আদালত বা ট্রাইব্যুনাল যদি কোনো ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাগারের আদেশ দিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির জন্য কোনো রেয়াত বা বেনিফিট প্রযোজ্য হবেনা। তাকে আমৃত্যুই কারাগারে থাকতে হবে। তবে সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ হবে ত্রিশ বছর।
৪,৪৩৬.
বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১-এ কতগুলো স্থায়ী কমিটির উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে ৩ টি স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে।
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ১১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি নিয়ে গঠিত হবে:
১. নির্বাহী কমিটি।
২. আর্থিক কমিটি।
৩. আইন শিক্ষা কমিটি। 
---------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.
(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.

৪,৪৩৭.
স্থাবর সম্পত্তির ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটে-
  1. বাজেয়াপ্তির মাধ্যমে
  2. নির্ধারিত সময় শেষ হলে
  3. আত্মসমর্পণের মাধ্যমে
  4. উল্লিখিত সকল ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ১১১ অনুযায়ী নিম্নলিখিতভাবে স্থাবর সম্পত্তির ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটে-
(ক) নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার মাধ্যমে;
(খ) লিজের মেয়াদ কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার ওপর নির্ভরশীল থাকলে, সেই ঘটনা ঘটার মাধ্যমে;
(গ) লিজদাতার সম্পত্তিতে স্বার্থ শেষ হয়ে গেলে, অথবা তার হস্তান্তরের ক্ষমতা কোনো ঘটনার ওপর নির্ভর করলে, সেই ঘটনা ঘটার মাধ্যমে;
(ঘ) সম্পত্তির সম্পূর্ণ স্বার্থ একই ব্যক্তি ও একই অধিকারভুক্ত হয়ে গেলে;
(ঙ) স্পষ্ট আত্মসমর্পণের মাধ্যমে—অর্থাৎ, উভয় পক্ষের সম্মতিতে লিজগ্রহীতার নিজস্ব অধিকার লিজদাতাকে ফিরিয়ে দেওয়া;
(চ) ইঙ্গিতপূর্ণ আত্মসমর্পণের মাধ্যমে;

(ছ) বাজেয়াপ্তির (forfeiture) মাধ্যমে—যেমনঃ
১. লিজগ্রহীতা এমন কোনো শর্ত ভঙ্গ করেন যাতে লিজদাতা পুনরায় দখল নিতে পারেন,
২. লিজগ্রহীতা নিজেকে লিজগ্রহীতা না বলে অন্য কারো পক্ষে মালিকানা দাবি করেন বা নিজে মালিকানা দাবি করেন,
৩. লিজগ্রহীতা দেউলিয়া ঘোষিত হন এবং লিজে উল্লিখিত থাকে যে এ অবস্থায় লিজদাতা পুনরায় দখল নিতে পারবেন—এবং এই যে কোনো ক্ষেত্রে, লিজদাতা বা তার স্থানাভিষিক্ত ব্যক্তি লিজগ্রহীতাকে লিখিতভাবে লিজ শেষ করার ইচ্ছা জানালে;

(জ) লিজ শেষ করার বা ছাড়ার বা ছাড়ার ইচ্ছার নোটিশের মেয়াদ শেষ হলে, যদি এটি পক্ষগুলোর একপক্ষ অপর পক্ষকে নিয়ম মেনে প্রদান করে।
৪,৪৩৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের বিধান রয়েছে?
  1. ৫৩ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৫ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ সালের ৫৪ ধারা অনুযায়ী, ৯টি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই এবং পরোয়ানা ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে।
- এই ধারা মূলত "arrest without warrant" বা “বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার” সংক্রান্ত বিধান প্রদান করে।
⇒ পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54.When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest-
firstly , any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned;
secondly , any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
thirdly , any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
fifthly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
seventhly , any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
eighthly , any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.
৪,৪৩৯.
দেওয়ানি আদালতের জারি মামলার দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ বর্ণিত আছে কোন আর্টিকেলে?
  1. ১৮০
  2. ১৮২
  3. ১৮৩
  4. ১৮১
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের সিডিউলের ১৮২ নং আর্টিকেলের বিধান অনুসারে দেওয়ানী মামলার ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয় ৩ বছরের মধ্যে এবং ডিক্রি রেজিস্টার্ড হলে ৬ বছরের মধ্যে।
৪,৪৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ এর বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না?
  1. বাদীর দাবী পরিত্যাগ
  2. ডিক্রি জারির কার্যক্রম
  3. মামলার আপস মীমাংসা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ (ORDER XXIII) মূলত নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর জন্য প্রযোজ্য:
১) মামলা প্রত্যাহার – বাদী নিজে মামলা তুলে নিতে পারে।
২) দাবির আংশিক পরিত্যাগ – বাদী তার দাবির কিছু অংশ বাদ দিতে পারে।
৩) আদালতের অনুমতি নিয়ে নতুন মামলা দায়ের – নির্দিষ্ট শর্তে অনুমতি নিয়ে।
৪) মামলার আপস মীমাংসা – আইনগত আপস হলে আদালত সেটি রেকর্ড করে ডিক্রি দেয়।

- সুতরাং ORDER XXIII মূলত মামলার প্রত্যাহার, আংশিক দাবির পরিত্যাগ এবং আপস মীমাংসার জন্য প্রযোজ্য। কিন্তু একবার ডিক্রি জারি হয়ে গেলে তার কার্যকর (execution) প্রক্রিয়ায় এই আদেশ প্রযোজ্য নয়। এজন্য Rule 4 স্পষ্টভাবে বলে, “Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.”
------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-4. Proceedings in execution of decrees not affected:
Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.

৪,৪৪১.
Section 138A of Negotiable Instruments Act, 1881 states that an appeal will not lie unless-
  1. The appellant files a written explanation
  2. 50% of the dishonoured cheque amount is deposited
  3. 25% of the dishonoured cheque amount is deposited
  4. Both A & B
ব্যাখ্যা

Negotiable Instruments Act, 1881: Section 138A- Restriction in respect of appeal-
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান- আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:
১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের 
৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

৪,৪৪২.
দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারায় আলোচ্য বিষয় কি?
  1. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  2. প্রতারণা
  3. অনিষ্ট
  4. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
---------
⇒ Mischief:
Section 425. Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".

Explanation 1.-It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.

Explanation 2.-Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
৪,৪৪৩.
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় প্রদানকৃত মিথ্যা তথ্য যদি কোনো অপরাধের সংঘটন বা অপরাধী গ্রেফতারের সাথে সম্পর্কিত হয়, সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড 
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৪,৪৪৪.
কায়েমি স্বার্থের ক্ষেত্রে যে ঘটনার উপর স্বার্থটি নির্ভর করে, তা-
  1. সংঘটিত হতে পারে
  2. সংঘটিত নাও হতে পারে
  3. অবশ্যই সংঘটিত হবে
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯: কায়েমি স্বার্থ
যেক্ষেত্রে কার্যকর হওয়ার সময় নির্ধারণ না করে সম্পত্তি হস্তান্তর দ্বারা কোন ব্যক্তির অনুকূলে স্বার্থ সৃষ্টি করা হয়, অথবা হস্তান্তরে এরূপ শর্ত থাকে যে, তা অবিলম্বে বলবৎ হবে, অথবা এরূপ একটি ঘটনার পর বলবৎ হবে, যা অবশ্যই ঘটবে, সেক্ষেত্রে হস্তান্তরের শর্তাবলি হতে বিপরীত উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে এরূপ স্বার্থ কায়েমি বলে গণ্য হবে।
দখল পাওয়ার পূর্বে হস্তান্তরগ্রহীতার মৃত্যু হলে ন্যস্ত স্বার্থ বা কায়েমি স্বার্থ ব্যর্থ হবে না।

Section 19: Vested interest
Where, on a transfer of property, an interest therein is created in favour of a person without specifying the time when it is to take effect, or in terms specifying that it is to take effect forthwith or on the happening of an event which must happen, such interest is vested, unless a contrary intention appears from the terms of the transfer. 
A vested interest is not defeated by the death of the transferee before he obtains possession.
৪,৪৪৫.
According to Section 382 of the Code of Criminal Procedure, 1898, which court is authorized for postponing the capital sentence of a pregnant woman?
  1. The High Court Division
  2. The Magistrate Court
  3. The Sessions Court
  4. All of above
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life. 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীন গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়। মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
৪,৪৪৬.
নিম্নের কোন কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করা যাবে?
  1. মানসিক অসামর্থ্যের কারণে
  2. গুরুতর অসদাচারণের অভিযোগে
  3. শারিরীকভাবে অক্ষম হলে
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের বিধান রাষ্ট্রপতির অভিশংসন:

(১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।
(২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন।
(৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।
(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।
(৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।
৪,৪৪৭.
কত দিন অতিবাহিত না হলে সরকারি চাকরি হতে নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্তকৃত একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারি চাকরি হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে।
-নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
-------------------------------------------
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.
৪,৪৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারার বিধান-
  1. Bar of certain appeals
  2. Value of subject-matter
  3. Appeal from original decree
  4. Reference of High Court Division
ব্যাখ্যা
Section-110. Value of subject-matter:
 In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the 81[Appellate Division] must be the same sum or upwards, 
or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value, 
and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substantial question of law.
--------------
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারার বিধান বিষয়বস্তুর মূল্য:
-১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে;

অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে;

এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।
৪,৪৪৯.
তামাদি আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎ এর মামলা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ-
  1. ২ বছর 
  2. ১ বছর 
  3. ৩ বছর 
  4. ৬ বছর 
ব্যাখ্যা

⇒তামাদি আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎ এর মামলা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ- ১ বছর।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১০-এ অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) বলবৎ করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১ বছর নির্ধারিত। এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় :
- যখন ক্রেতা বিক্রিত সম্পত্তির প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে; অথবা যদি সম্পত্তির প্রত্যক্ষ দখল স্বীকার না করে, তবে যখন বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হয়।
- অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১০-এ অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎ করার জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর নির্ধারিত, যা ক্রেতার দখল গ্রহণ বা বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রির সময় থেকে গণনা করা হয়।
---------------------

⇒ According to Article 10 of The Limitation Act 1908- To enforce a right of pre-emption whether the right is founded on law, or general usage, or on special contract is one year. The period begins:
- When the purchaser takes, under the sale sought to be impeached, physical possession of the whole of the property sold, or, where the subject of the sale does not admit of the physical possession, when the instrument of sale is registered.

৪,৪৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬১ অনুসারে, পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে যাতায়াতের সময় বাদে সর্বোচ্চ কত ঘণ্টা আটক রাখা যায়?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ২৪ ঘণ্টা
  3. ৪৮ ঘণ্টা
  4. ৭২ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬১ অনুযায়ী, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখতে পারবেন না।
- এই সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে।
- তবে, যদি ধারা ১৬৭ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ আদেশ দেন, তখন সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে।
- যাতায়াতের সময় (গ্রেপ্তারের স্থান থেকে আদালতে পৌঁছাতে যে সময় লাগে) এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গণনা করা হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা-গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 61- Person arrested not to be detained more than twenty-four hours:
No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.

৪,৪৫১.
রবি একটি মামলায় দোষ স্বীকার করেছে এবং তার ভিত্তিতে আদালত তাকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। এই অবস্থায়, রবি কোন বিষয়ে আপিল করতে পারবে?
  1. আপিল করতে পারবে না
  2. দণ্ডের বৈধতা নিয়ে
  3. দোষ স্বীকার করার প্রক্রিয়া নিয়ে
  4. মামলার পুনর্বিচার নিয়ে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]:
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন- দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।
৪,৪৫২.
‘A’ ‘B’-কে একটি দলিল সম্পর্কে বলে, “যাও ‘C’-কে জিজ্ঞাসা করো, সে সব জানে।” এই পরিস্থিতিতে ‘C’-এর বিবৃতি কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. Evidence
  2. Admission
  3. Confession
  4. Hearsay Evidence
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২০ অনুযায়ী, যখন কোনো পক্ষ অন্য কাউকে একটি বিষয়ে তথ্য জানার জন্য স্পষ্টভাবে রেফার করে, তাহলে ওই ব্যক্তির বিবৃতিটি Admission হিসেবে গণ্য হবে।
এখানে ‘A’ ‘B’-কে ‘C’কে রেফার করছে, ফলে ‘C’-এর বক্তব্য Admission হিসেবে গণ্য হবে।
- সঠিক উত্তর: খ) স্বীকারোক্তি (Admission)

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২০ (Section 20) এই পরিস্থিতির জন্য প্রযোজ্য। ধারা ২০-তে বলা হয়েছে: "Statements made by persons to whom a party to the suit has expressly referred for information in reference to a matter in dispute are admissions."
অর্থাৎ, যদি মামলার কোনো পক্ষ (এখানে ‘A’) কোনো বিষয়ে তথ্যের জন্য স্পষ্টভাবে অন্য কোনো ব্যক্তিকে (‘C’) রেফার করে, তবে সেই ব্যক্তির (‘C’) বিবৃতি একটি Admission হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 20. Admissions by persons expressly referred to by party to suit:
- Statements made by persons to whom a party to the suit has expressly referred for information in reference to a matter in dispute are admissions.
Illustrations:
- The question is whether a horse sold by A to B is sound.
- A says to B–"Go and ask C; C knows all about it." C's statement is an admission.
৪,৪৫৩.
৩ মাসের অধিক নির্জন কারাদণ্ডে (solitary confinement) দণ্ডিত আসামির ক্ষেত্রে মাসে কয়দিন নির্জন কারাবাস প্রদান করতে হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ২ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৫ দিন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৭৪ মতে- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
৪,৪৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা অনুযায়ী, যে দলিল সত্যায়নের প্রয়োজন, তা প্রমাণ করতে সাধারণত কী করতে হয়?
  1. দলিল রেজিস্ট্রি করতে হয়
  2. দলিলটি আদালতে জমা দিতে হয়
  3. কমপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করতে হয়
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি- রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
৪,৪৫৫.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫০ অনুসারে, মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৭ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে সর্বনিম্ন তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে। যা হচ্ছে মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে ৭ দিন মেয়াদ থাকবে।
- অনুচ্ছেদ ১৫০- দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৫০ অনুসারে, দায়রা আদালত কর্তৃক বা হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- আপিলের ধরন: মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল। 
- তামাদি মেয়াদ: ৭ দিন। 
- সময় গণনার শুরু: দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে। 
এটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লিখিত সর্বনিম্ন তামাদি মেয়াদগুলোর মধ্যে একটি। মৃত্যুদণ্ড একটি গুরুতর বিষয় হওয়ায় এর বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য খুব সীমিত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

৪,৪৫৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার কত দিনের মধ্যে পলাতক আসামিকে হাজির করার জন্য বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২১ (আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার):
ফৌজদারী কার্যবিধির Section 87, 88 ও 339B এ ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন এবং তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র গৃহীত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী বিশ দিনের মধ্যে উক্ত অনুপস্থিত বা পলাতক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হাজির করিবার নিমিত্ত তথ্যপ্রযুক্তির যে কোন উপযুক্ত মাধ্যমে বা একটি বাংলা দৈনিক জাতীয় খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা বা অন্যবিধ যুক্তিসংগত যে কোন উপায়ে উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নোটিশ জারি করিয়া হাজির হইবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির না হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উল্লিখিত বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।]
৪,৪৫৭.
কোন ক্ষেত্রটি "অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র" হিসাবে গণ্য করা হবে?
  1. যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি সম্মত হয় একটি বৈধ কাজ করার জন্য
  2. যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি সম্মত হয় একটি বেআইনি কাজ করার জন্য
  3. যখন একজন ব্যক্তি একা একটি বেআইনি কাজ করার পরিকল্পনা করে
  4. যখন একটি বেআইনি কাজ করা হয়, কিন্তু কোনো সম্মতি ছাড়া
ব্যাখ্যা
ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:

যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি সম্মত হয়, অথবা সম্মতি দেয়-
(১) একটি বেআইনি কাজ করার জন্য, অথবা
(২) একটি কাজ যা বেআইনি নয়, কিন্তু বেআইনি উপায়ে তা করার জন্য, তখন সেই সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসাবে গণ্য করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, শুধুমাত্র কোনো অপরাধ করার উদ্দেশ্যে সম্মতি দেওয়াকেই অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হবে, যদি না ওই সম্মতির পাশাপাশি ঐ সম্মতির পক্ষে একটি বা একাধিক পক্ষ দ্বারা কিছু কাজ করা হয়।

ব্যাখ্যা: বেআইনি কাজটি ওই সম্মতির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য কিনা, বা কেবলমাত্র সেই উদ্দেশ্যের সাথে সম্পর্কিত একটি ঘটনা কিনা, তা কোনো ব্যাপার নয়।
৪,৪৫৮.
আরিফ পার্কে প্রবেশ করতে চাইলে, রানা তাকে বাধা দেয়, যদিও আরিফের প্রবেশের অধিকার আছে। রানার কাজটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় সংজ্ঞিত অপরাধ?
  1. ৩৩৯ ধারায়
  2. ৩৪০ ধারায়
  3. ৩৪১ ধারায়
  4. ৩৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যতিক্রম:- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশত উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।
⇒ উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 339. Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person.
Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৪,৪৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির Order-XXI rule 92 অনুসারে প্রদত্ত "Setting aside or refusing to set aside a sale" আদেশটি-
  1. রিভিশনযোগ্য
  2. আপিলযোগ্য
  3. ১৫১ ধারার বিধান মতে রদ ও রহিতযোগ্য
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
 সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

-Order 43, Rule 1(J) অনুসারে:
২১ অর্ডারের ৭২ অথবা ৯২ রুল-এর অধীন ডিক্রি জারিতে বিক্রয় বাতিল করার আদেশ বা বিক্রয় বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করার আদেশ (setting aside or refusing to set aside)- একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
৪,৪৬০.
অ্যাটর্নি-জেনারেল কার কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করেন?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগ দান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন। 

The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh - Article 64. The Attorney-General:
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.

৪,৪৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান অনুসারে রায় ঘোষণার সময় তারিখসহ বিচারকের স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক?
  1. আদেশ-২০ বিধি-১
  2. আদেশ-২০ বিধি-৩
  3. আদেশ-২০ বিধি-৫ক
  4. আদেশ-২০ বিধি-৬
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২০ বিধি ৩ এর বিধান অনুযায়ী, বিচারককে রায় ঘোষণার সময়ই খোলা আদালতে তারিখসহ রায়ের উপর স্বাক্ষর করতে হয়। এটি একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া। একবার স্বাক্ষরিত হওয়ার পর শুধুমাত্র ধারা ১৫২ (সংশোধনীয় ভুল) বা পুনরীক্ষণ (রিভিউ) এর মাধ্যমেই এতে পরিবর্তন করা যায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-৩ এর বিধান: রায় স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে:
-রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order 20 Rule 3: Judgment to be signed: 
The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and, when once signed, shall not afterwards be altered or added to, save as provided by section 152 or on review.

৪,৪৬২.
"One Thing a judge must never do. He must never lose his temper. However sorely tried" উক্তিটি কার?
  1. Lord Diplock
  2. Lord Denning
  3. Lord Kenyon
  4. Thomas Fuller
ব্যাখ্যা
• Baron Alfred Tom Denning, OM, PC, DL (23 January 1899 – 5 March 1999) was a British barrister and judge.

- Lord Denning always emphasised that a Judge must be cool, quiet and sober.

- He stated: "One thing a Judge must never do. He must never lose his temper."
৪,৪৬৩.
আইনানুগ কার্যধারায় যে সময় তামাদির গণনা থেকে বাদ দিতে হয় - এটি তামাদি আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১১ ধারা
  2. ১২ ধারা
  3. ২৯ ধারা
  4. ২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
আইনানুগ কার্যধারায় যে সময় তামাদির গণনা থেকে বাদ দিতে হয় - এটি তামাদি আইনের ১২ ধারার বিষয়বস্তু।

 তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
⇒ মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন,
⇒ রায় ঘোষণার দিন,
⇒ রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়,
⇒ রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।

Section 12: Exclusion of time in legal proceedings

(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 

(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৪,৪৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারায় তল্লাশির সময় সর্বনিম্ন কতজন স্থানীয় ও গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকতে হবে?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ২ জন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:

(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.

(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
৪,৪৬৫.
‘D’ জানে যে, তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা নেই। তবুও একটি অচল চেক দিয়ে ‘Z’-এর কাছ থেকে পণ্য কিনে, পরিশোধের ইচ্ছা না রেখে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৫ অনুসারে, প্রতারণার মাধ্যমে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বা সম্পত্তি ধরে রাখার সম্মতি দিতে প্ররোচিত করা, অথবা এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করা যা প্রতারিত না হলে সে করত না বা বাদ দিত না, এবং যা শারীরিক, মানসিক, খ্যাতি বা সম্পত্তির ক্ষতি করে, তা প্রতারণা (Cheating) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘D’ জেনে যে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা নেই, একটি অচল চেক দিয়ে ‘Z’-এর কাছ থেকে পণ্য কিনেছে, পরিশোধের ইচ্ছা না রেখে। এটি ধারা ৪১৫-এর উদাহরণ (d)-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে বলা হয়েছে যে অচল চেক দিয়ে সম্পত্তি হস্তান্তর করানো প্রতারণা।

- যেহেতু এই প্রতারণার ফলে পণ্য (সম্পত্তি) হস্তান্তর হয়েছে, তাই ধারা ৪২০ প্রযোজ্য। ধারা ৪২০ অনুসারে, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করানো বা মূল্যবান দলিল নষ্ট করার শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

- ‘D’-এর কাজ ধারা ৪১৫-এর অধীনে প্রতারণা হিসেবে গণ্য, এবং যেহেতু এটি সম্পত্তি হস্তান্তরের সাথে জড়িত, ধারা ৪২০ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ৭ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২০ অনুযায়ী,
যদি কেউ প্রতারণা করে এবং এর ফলে প্রতারিত ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করে, অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোনো মূল্যবান দলিল (যেমন চেক, চুক্তি ইত্যাদি) তৈরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে প্ররোচিত করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং এর পাশাপাশি তাকে অর্থদণ্ডও দেয়া যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-420: Cheating and dishonestly inducing deliver of property:
- Whoever cheats and thereby dishonestly induces the person deceived to deliver any property to any person, or to make, alter or destroy the whole or any part of a valuable security, or anything which is signed or sealed, and which is capable to being converted into a valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৪,৪৬৬.
নিম্নের কোনটি পাবলিক দলিল (Public documents)?
  1. চিঠি
  2. রায়
  3. কবলা
  4. উইল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,

(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং

(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। 

⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ। 
৪,৪৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৭ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে প্রথম বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান সংযোজন করা হয় এবং ধারা ৮৯ ক, ৮৯খ,৮৯গ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্বে এটা ঐচ্ছিক ছিল কিন্তু ২০১২ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমানে আদালত বিকল্প পদ্ধতিতে মধ্যস্থতার জন্য বিরোধীয় বিষয়টি মধ্যস্থতাকারীর কাছে পাঠাতে বাধ্য।

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে। মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
৪,৪৬৮.
'ক' তার পৈতৃক বাড়ির মালিকানার জন্য 'Declaratory Suit' দায়ের করতে চান। কত দিনের মধ্যে এই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে?
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. ৬ বছরের মধ্যে
  3. ১২ বছরের মধ্যে
  4. নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৪২- ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Suit' বা 'Suit for Declaration' বলে।

তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই, সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। এক্ষেত্রে ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।

৪,৪৬৯.
A, B-কে তার বাড়ি ভাড়া দেওয়ার ক্ষমতা দেন। পরে A নিজেই সেই বাড়ি ভাড়া দেন। A-এর এই কাজটি কী?
  1. B-এর বিরুদ্ধে অবহেলা
  2. B-এর সাথে নতুন চুক্তি
  3. B-এর ক্ষমতার নিহিত প্রত্যাহার
  4. B-এর ক্ষমতার স্পষ্ট প্রত্যাহার
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২০৭ এবং এর Illustration অনুসারে, এজেন্টের কর্তৃত্ব প্রত্যাহার (Revocation of Authority) প্রকাশ্য (Expressed) বা নিহিত (Implied) হতে পারে। Principal-এর conduct (আচরণ) থেকে যদি implied revocation বোঝা যায়, তা বৈধ।

এখানে, A (প্রিন্সিপাল) প্রথমে B (এজেন্ট) কে তার বাড়ি ভাড়া দেওয়ার authority দিয়েছেন। পরে A নিজেই বাড়িটি ভাড়া দিলেন। A-এর এই conduct (আচরণ) থেকে বোঝা যায় যে তিনি B-এর authority আর কার্যকর থাকতে দিচ্ছেন না। এটি B-এর authority-এর একটি নিহিত প্রত্যাহার (Implied Revocation)।

ধারা ২০৭-এর Illustrationটি এই scenario-টি সরাসরি কভার করে: "A empowers B to let A's house. Afterwards A lets it himself. This is an implied revocation of B's authority."

অতএব, A-এর কাজটি B-এর ক্ষমতার নিহিত প্রত্যাহার।
---------
⇒ The Contract Act, 1872 section- 207. Revocation and renunciation may be expressed or implied:
Revocation and renunciation may be expressed or may be implied in the conduct of the principal or agent respectively. 
Illustration:
A empowers B to let A's house. Afterwards A lets it himself. This is an implied revocation of B's authority.

৪,৪৭০.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় "Preparation of record-of-rights" এর বিধান আছে?
  1. ১৭
  2. ১৮
  3. ১৯
  4. ২০
ব্যাখ্যা
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৭ ধারার বিধান স্বত্বলিপি প্রস্তুতকরণ (Preparation of record-of-rights):
- সরকার অধিগ্রহণ ও অধিগ্রহণকৃত স্বার্থের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের জন্য- খতিয়ান তৈরির ঘোষণা দিতে পারেন, সর্বশেষ প্রস্তুতকৃত ও চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত স্বত্বলিপি বা খতিয়ান রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক রিভিশন বা পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
-----------
- Section 17. Preparation of record-of-rights:
(1) The Government may, with a view to acquisition under the provisions of this Act of the interests of all rent-receivers within any district, part of a district or local area and of such other interests in land therein as are liable to be acquired under the provisions of this Act, and with a view to the assessment of compensation payable for all such interests including the interests which have already been acquired under Chapter II, make an order directing- 
(a) that a record-of-rights be prepared in respect of such district, part of a district or local area, or 
(b) that the record-of-rights, last prepared and finally published under Chapter X of the Bengal Tenancy Act, 1885, in respect of such district, part of a district or local area, be revised, by a Revenue-officer in accordance with the provisions of this Chapter and with such rules as may be made in this behalf by the Government. 
(2) If any order has been made under section 101 of the Bengal Tenancy Act, 1885, or under section 117 of the Sylhet Tenancy Act, 1936, for the preparation of a record-of-rights in respect of any district, part of a district or local area, but the preparation of such record-of-rights has not been completed or such record-of-rights has not been finally published at the time when an order is made under sub-section (1) for the preparation or revision of a record-of-rights in respect of such district, part or area, then on the making of an order under the said sub-section, all further proceedings relating to the preparation of the record-of-rights under the said Act shall be stayed; and such record-of-rights shall be prepared in accordance with the provisions of this Chapter and with such rules as may be made in this behalf by the Government: 

Provided that any proceedings in respect of the preparation of such record-of-rights commenced under Chapter X of the Bengal Tenancy Act, 1885, or under Chapter IX of the Sylhet Tenancy Act, 1936, and undertaken prior to the publication of the draft of such record-of-rights under section 103A of the Bengal Tenancy Act, 1885, or under section 119 of the Sylhet Tenancy Act, 1936, as the case may be, shall, for the purposes of the preparation of such record-of-rights under this Chapter, be deemed to have been commenced and undertaken under this Chapter. 
(3) A notification in the official Gazette of an order under sub-section (1) shall be conclusive evidence that the order has been duly made.
৪,৪৭১.
যদি কোন সন্তান থাকে তাহলে স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ২/৫ অংশ
  2. ১/৮ অংশ
  3. ১/১২ অংশ
  4. ১/৪ অংশ
ব্যাখ্যা
⇒ স্ত্রী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।

i) ১/৪ অংশ।

ii)  ১/৮ অংশ।

ক) যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে।

খ) যদি মৃত ব্যাক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।
৪,৪৭২.
কোন ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত একটি ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে পারে যদি সম্পত্তিতে তার-
  1. দখল না থাকে
  2. আংশিক দখল থাকে
  3. একচ্ছত্র দখল থাকে
  4. প্রতীকী দখল থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
 
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
--------------
⇒ SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
৪,৪৭৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুযায়ী কোন উপায়ে প্রতিকার প্রদান করা হয় না?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. মানহানি মামলায় সাজা দিয়ে
  3. সম্পত্তির দখল ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে
  4. পক্ষসমূহের অধিকার ঘোষণা করার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৫ ধারায় প্রতিকার প্রদানের ৫টি উপায় নির্ধারণ করা হয়েছে, যা মূলত দেওয়ানি স্বত্ব/দাবি রক্ষায় ব্যবহৃত হয়। এগুলোর মধ্যে সাজা দেওয়া অন্তর্ভুক্ত নয়। "মানহানি মামলায় সাজা" ফৌজদারি (criminal) আইনের বিষয়, যা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতাধীন নয়।
অন্য অপশনগুলো যেমন: রিসিভার নিয়োগ, সম্পত্তির দখল ফেরত দেওয়া, অধিকার ঘোষণা — সবই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন বৈধ প্রতিকার।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
- Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
৪,৪৭৪.
"No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex."- এই বিধান The Bangladesh Legal practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. Article 27
  2. Article 28
  3. Article 29
  4. Article 30
ব্যাখ্যা
Article 28 of The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972:

"No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex."
"কোনো নারী তার লিঙ্গের কারণে অ্যাডভোকেট হিসেবে গৃহীত হওয়ার অযোগ্য হবে না।"
৪,৪৭৫.
'A' একজন মহিলার কান হতে একটি কানের রিং টান দিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছিল। এর ফলে মহিলা কানে আঘাত প্রাপ্ত হয় এবং কান হতে রক্ত পড়ে এই ক্ষেত্রে 'A' এর অপরাধটি হবে-
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান: দস্যুতার সংজ্ঞা (Robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তাদস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When extortion is robbery)- বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী স্বয়ং ভিকটিমের নিকটে বা আশেপাশে উপস্থিত থেকে তাৎক্ষনিক ভয়ের সৃষ্টি করলে বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতা বলে গণ্য হবে।
⇒ চুরি কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When theft is robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা চুরি করার সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা অবৈধ আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন চুরি দস্যুতা বলে গণ্য হবে।

⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারা মতে প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

⇒ যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।

⇒ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে  দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ অর্থাৎ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
৪,৪৭৬.
Previous judgments relevant to bar a second suit or trial- সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার এই বিধানের ব্যতিক্রম কী?
  1. পূর্বোক্ত মোকদ্দমার ডিক্রি প্রতারণা ও যোগসাজসীভাবে নেওয়া
  2. পূর্বোক্ত মোকদ্দমায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করা
  3. পূর্বোক্ত মোকদ্দমার ফলাফল সম্পর্কে না জানা
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ একই বিষয়ে পূর্বে কোনো ডিক্রি থাকলে ঐ বিষয়ে নতুন মামলা করার ক্ষেত্রে পূর্বোক্ত মামলার ডিক্রি প্রাসঙ্গিক হবে এবং নতুন মামলাটি করতে দেওয়া হবে না। তবে যদি দাবি করা হয় যে fraud or collusion এর মাধ্যমে পূর্বের ডিক্রি হাসিল করা হয়েছে তবে সেই বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার সুযোগ থাকবে, অর্থাৎ মোকদ্দমা দায়ের বারিত নয়।
৪,৪৭৭.
বিচার চলাকালীন সময় আসামি হাজতে থাকলে এবং বিচারে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে তার উক্ত হাজতবাসের মেয়াদ বাদ দেওয়া হবে না যদি সে-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়
  2. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়
  3. ১২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
♦ ধারা-৩৫ক(১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
♦ ধারা-৩৫ক(২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
৪,৪৭৮.
আদেশ ৩৩ বিধি-৪ এর অধীন আদালত কোন পরিস্থিতিতে নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা রুজুর আবেদনকারীর কমিশন দ্বারা জবানবন্দি গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. আবেদনকারী অসুস্থ হলে
  2. আবেদনকারী সঠিক তথ্য না দিলে
  3. আবেদনকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা হলে
  4. আবেদনকারীর প্রতিনিধি দ্বারা আবেদনপত্র উপস্থাপিত হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৪: আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ:
১) যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র সঠিকভাবে এবং যথারীতি উপস্থাপন করা হয়েছে সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে আবেদনকারীর বা প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনকারীকে হাজিরার অনুমতি দেয়া হলে, তার প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনকারীকে হাজিরার অনুমতি দেয়া হলে, তার প্রতিনিধির দাবীর গুণগত বৈশিষ্ট্যের গুণাগুণ এবং আবেদনকারীর সম্পত্তি সম্পর্কে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে।

২) প্রতিনিধি কর্তৃক উপস্থাপন করা হলে আদালত কমিশন দ্বারা আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে আদেশ দিতে পারেঃ যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র প্রতিনিধি দ্বারা উপস্থাপিত হয় সেক্ষেত্রে আদালত, যদি সঙ্গত মনে করেন, তবে অনুপস্থিত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের মতই কমিশন কর্তৃক আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে।
৪,৪৭৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৫ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা-তে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা তখন প্রদান করা যায় যখন আদালত সন্তুষ্ট হয় যে আবেদনকারী পক্ষের অধিকার লঙ্ঘন হওয়ার ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত নয় এবং বিরোধী পক্ষের কাজ বা আচরণ প্রমাণিতভাবে বাদীর অধিকারের বিপরীত। এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র মামলার শুনানির পর মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি দ্বারা মঞ্জুর করা হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীর পক্ষে কোন বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা, যা ভঙ্গ করাকে প্রতিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হতে পারে। চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমায় স্বত্বের প্রশ্নটি বড় নয়, দখলের প্রশ্নটি বড়। বাদী যদি দীর্ঘদিন দখলে থাকে, তাহলে আদালত তার অনুকূলে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারবে। নিষেধাজ্ঞা চিরস্থায়ী করার অর্থ ইহা নয় যে, উক্ত নিষেধাজ্ঞা চিরকালের জন্য চলতে থাকবে এবং উক্ত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন কিছু করা যাবে না। কোন উপর্যুক্ত আদালত যতদিন পর্যন্ত স্বত্বের মীমাংসা না করেন এবং এই নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি রদ না করেন ততদিন পর্যন্ত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 53. Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 54 Perpetual injunctions when granted:
Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.

Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.
৪,৪৮০.
What does Article 19(2) of constitution require the State to remove?
  1. Political differences
  2. Religious differences
  3. Foreign influences
  4. Social and economic inequality
ব্যাখ্যা

Article 19: Equality of opportunity:
(1) The State shall endeavour to ensure equality of opportunity to all citizens.

​(2) The State shall adopt effective measures to remove social and economic inequality between man and man and to ensure the equitable distribution of wealth among citizens, and of opportunities in order to attain a uniform level of economic development throughout the Republic.

​(3) The State Shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life.

​অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা:
(১) সকল নাগরিকের অন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে।
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
(৩) জাতীয় জীবনের সর্স্তররে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।।

৪,৪৮১.
একটি দলিল বাতিল করার জন্য মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার দায়েরের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৪ এবং দলিলের বাতিলের কারণ উদ্ভব হয় ১৫ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে। এক্ষেত্রে-
  1. মামলা গ্রহণ করা হবে, কারণ তামাদি মেয়াদ অতিক্রান্ত হয় নি
  2. মামলা খারিজ হবে, কারণ তামাদি মেয়াদ অতিবাহিত হয়েছে
  3. মামলা স্থগিত হবে, কারণ তামাদি মেয়াদ অতিবাহিত হয়েছে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল বা দলিল রদ এর মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর।

অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্য কোন বিধান নেই;
তামাদি- ৩ বছর;
সময় গণনা শুরু- যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে, সেগুলি যখন বাদী অবগত হয়।

তামাদি মেয়াদ গণনা:
তামাদি মেয়াদ শুরু হয় দলের বাতিলের কারণ উদ্ভব হওয়ার তারিখ থেকে। এই ক্ষেত্রে, দলিলের বাতিলের কারণ উদ্ভব হয় ১৫ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে। মামলা দায়ের করা হয়েছে ১০ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে। তামাদি মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বলে আদালত মামলাটি খারিজ করবে।
৪,৪৮২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার অধীন ফরিয়াদি বা সাক্ষীর হাজিরা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কার?
  1. আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অভিযোগকারী
  4. পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:

(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।

- ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না:
অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।

- অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে:
শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।
 
(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।

Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,

- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:

- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
৪,৪৮৩.
'A' একজন জল্লাদ যে আদালতের আদেশ অনুযায়ী এক কয়েদীকে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। এই ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি অনুসারে 'A' এর কাজটি-
  1. খুন
  2. নরহত্যার
  3. অপরাধমূলক নরহত্যার
  4. কোন অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা মতে আদালতের আদেশে কৃত কাজ অপরাধ নয় অর্থাৎ আদালতের রায় বা আদেশ মোতাবেক সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ নয় আদালতের আদেশ বাস্তবায়িত করার জন্য সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণ যে সমস্ত কার্য করবেন তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
- দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:- কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।
-------------------
Section 78: Act done pursuant to the judgment or order of Court:
 Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.
৪,৪৮৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে প্রাথমিক তদন্তকারী কর্মকর্তা বর্ধিত সময়সীমার মধ্যেও তদন্ত কার্য সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে, নূতনভাবে তদন্ত ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন কর্মকর্তা কত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করতে হবে?
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১২০
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২০ক ধারার বিধান তদন্তের সময়সীমা: 
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে। 
 
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,- 
(ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং 
 
(খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে। 
৪,৪৮৫.
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারবেন না?
  1. উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা
  2. কোন ব্যক্তির আত্মহত্যার আশংকা
  3. দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা
  4. মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা
ব্যাখ্যা
♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা,

ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;

iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা ;

iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা ; এবং

v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে 

অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আত্মহত্যার আশংকা থাকলে  ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়না।

১৪৪ ধারার আদেশ ম্যাজিস্ট্রেটের স্বেচ্ছাধীন/বিবেচনামূলক (Discretionary) ক্ষমতা।


♦ ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলী অনুসরণ করা হয় । যথা-

i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরী পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।

♦ ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।

♦ ১৪৪ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যাবে।
৪,৪৮৬.
দণ্ডবিধির ধারা ১০৯ প্রযোজ্য হতে হলে কোন শর্তটি থাকতে হবে?
  1.  প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হতে হবে
  2.  প্ররোচনাকারী ঘটনাস্থলে থাকতে হবে
  3. প্ররোচনাকারীর স্বীকারোক্তি প্রয়োজন
  4. অপরাধ পুলিশের সামনে ঘটতে হবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হতে হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধে প্ররোচনা (Abetment) দেয় এবং সেই প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হয়, তবে প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে। এই ধারাটি তখন প্রযোজ্য হয় যখন দণ্ডবিধিতে প্ররোচনার জন্য আলাদা বা স্পষ্ট শাস্তির বিধান নেই।

উদাহরণ:
যদি A, B কে কোনো অপরাধ করতে প্ররোচনা দেয় এবং B সেই অপরাধটি করে, তবে A কেও B এর মতো একই শাস্তি দেওয়া হবে, যদি দণ্ডবিধিতে প্ররোচনার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে।

ধারা ১০৯-এর মূল ভিত্তি হলো- প্ররোচনা + সেই প্ররোচনার ফলে অপরাধ সংঘটন।

৪,৪৮৭.
নিম্নে সাক্ষ্য গ্রহণের কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. জেরা, জবানবন্দি, পুনঃজবানবন্দি
  2. জবানবন্দি, পুনঃজবানবন্দি, জেরা
  3. জেরা, পুনঃজবানবন্দি, জবানবন্দি
  4. জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ মতে- প্রথমে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হবে। তারপর (বিরুদ্ধপক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করবে, তারপর (সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করাতে পারবে। সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক সম্পর্কে হতে হবে। কিন্তু সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে সকল বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন, কেবল সেই সকল বিষয়েই জেরা করা চলবে, এমন নয়। জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দীতে সেইগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে, পুনঃজবানবন্দী গ্রহণের সময় যদি আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন নতুন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে বিরুদ্ধপক্ষ সেই সকল বিষয়ে আরও জেরা করতে পারবে।

অর্থাৎ জবানবন্দী- জেরা- পুনঃজবানবন্দি।
৪,৪৮৮.
Under the provision of Code of Criminal Procedure, the Court of a Magistrate of the first class may pass a sentence of imprisonment for a term not exceeding five years, or of fine not exceeding _________ tk or both.
  1. Five thousand
  2. Ten thousand
  3. Seven thousand
  4. Fifteen thousand
ব্যাখ্যা
• Under the section 32 of Code of Criminal Procedure,1898 the Court of a Magistrate of the first class may pass a sentence of imprisonment for a term not exceeding five years, or of fine not exceeding ten thousand tk or both.

Section 32: Sentences which Magistrates may pass- (1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 

(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class:
Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law;
Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping.

(b) Courts of Magistrates of the second class:
Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law;
Fine not exceeding five thousand taka.

 (c) Courts of Magistrates of the third class:
Imprisonment for a term not exceeding two year; 
Fine not exceeding two thousand taka.

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.


ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধানঃ (১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ

ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
৪,৪৮৯.
A, B-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে, সে বারো মাস ধরে B-এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং অন্য কোথাও জনসমক্ষে গান গাইবে না। এক্ষেত্রে, আদালত আদালত কী ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণের আদেশ
  2. নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ
  3. নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ
  4. চুক্তি বাতিলের আদেশ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (গ) নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ (injunction)।

প্রশ্নে, A একটি ইতিবাচক চুক্তি করেছে যে সে B-এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং একই সঙ্গে একটি নেতিবাচক চুক্তি করেছে যে সে অন্য কোথাও গান গাইবে না।

আদালত A-কে জোর করে গান গাইতে বাধ্য করতে পারে না, কারণ এটি ব্যক্তিগত দক্ষতার (personal skill) কাজ — কিন্তু আদালত A-কে অন্য কোনো জনসমক্ষে গান গাওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে, অর্থাৎ নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ (injunction) দিতে পারে।

ধারা ৫৭. নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement):
ধারা ৫৬-এর উপধারা (f) সত্ত্বেও, যেখানে কোনো চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ইতিবাচক (affirmative) চুক্তির পাশাপাশি একটি নেতিবাচক (negative) চুক্তিও থাকে — স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে — অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট কাজ না করার অঙ্গীকার থাকে, সেখানে আদালত যদি সেই ইতিবাচক চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) করাতে সক্ষম না হয়, তাহলেও আদালত সেই নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) জারি করতে পারে;

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী এখন পর্যন্ত তার চুক্তির বাধ্যবাধক অংশ সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হননি।

উদাহরণসমূহ-
(ক) A, B-এর কাছে ১,০০০ টাকায় একটি ব্যবসার সুনাম (goodwill) বিক্রি করতে সম্মত হয়, এবং আরও অঙ্গীকার করে যে সে চট্টগ্রামে ওই ব্যবসা আর করবে না। B টাকা পরিশোধ করে, কিন্তু A চট্টগ্রামে আবার সেই ব্যবসা শুরু করে। আদালত A-কে বাধ্য করতে পারবে না যেন সে তার গ্রাহকদের B-এর কাছে পাঠায়, কিন্তু B আদালতের কাছে আবেদন করে নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে যাতে A-কে চট্টগ্রামে সেই ব্যবসা চালানো থেকে বিরত রাখা যায়।

(খ) A, B-এর কাছে কোনো ব্যবসার সুনাম বিক্রি করে। পরে A, B-এর দোকানের কাছেই অনুরূপ ব্যবসা শুরু করে এবং তার পুরনো গ্রাহকদের আহ্বান করে যাতে তারা তার কাছেই আসে। এটি তার চুক্তির পরোক্ষ শর্ত ভঙ্গের সমতুল্য। ফলে, B আদালতের মাধ্যমে A-কে নিষিদ্ধ করতে পারে যাতে সে তার গ্রাহকদের আহ্বান না করে এবং এমন কোনো কাজ না করে যাতে ব্যবসার সুনাম B-এর কাছ থেকে সরে যায়।

(গ) A, B-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে B-এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং অন্য কোথাও জনসমক্ষে গান গাইবে না। B আদালতের মাধ্যমে A-কে গান গাইতে বাধ্য করতে পারবে না, কিন্তু A-কে অন্য কোনো জনসম্মুখে গান গাওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।

(ঘ) B, A-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে বিশ্বস্তভাবে A-এর ক্লার্ক হিসেবে কাজ করবে। A আদালতের মাধ্যমে B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না, কিন্তু A, B-কে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানে ক্লার্ক হিসেবে কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।

(ঙ) A, B-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে, B নির্ধারিত দিনে তাকে ১,০০০ টাকা প্রদান করলে, সে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে কোনো ব্যবসা শুরু করবে না। কিন্তু B টাকা দিতে ব্যর্থ হয়। সেক্ষেত্রে, A-কে সেই নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে ব্যবসা শুরু করা থেকে বিরত রাখার কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যাবে না।

৪,৪৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা যাবে?
  1. ৬০ দিনের মধ্যে
  2. ৯০ দিনের মধ্যে
  3. ১২০ দিনের মধ্যে
  4. ১৮০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা যাবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation) 
২- সালিশী (Arbitration)

সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

Section: 89A(4)-

Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
৪,৪৯১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কোন ধারা অনুসারে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৩ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৪ ধারা অনুসারে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়।
• এই নিষেধাজ্ঞা চিরদিনের জন্য দেওয়া হয়।
• যদি কেউ বাদীর আইনগত অধিকার লঙ্ঘন/হস্তক্ষেপের জন্য হুমকি প্রদান করে তখন আদালত স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে।
• এক্ষেত্র বাদীকে একচেটিয়া সম্পত্তিতে দখল থাকবে হবে।
৪,৪৯২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৩৭ অনুচ্ছেদে
  2. ১৩৮ অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৯ অনুচ্ছেদে
  4. ১৪০ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

সংবিধানের -
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
-  ১৪১ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৩৯- পদের মেয়াদ:

(১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য তাঁহার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর বা তাঁহার পয়ষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে যাহা অগ্রে ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্টের কোন বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য অপসারিত হইবেন না।

(৩) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

(৪) কর্মাবসানের পর কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য প্রজাতন্ত্রের কর্মে পুনরায় নিযুক্ত হইবার যোগ্য থাকিবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদের (১) দফা-সাপেক্ষে
(ক) কর্মাবসানের পর কোন সভাপতি এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন; এবং
(খ) কর্মাবসানের পর কোন সদস্য (সভাপতি ব্যতীত) এক মেয়াদের জন্য কিংবা কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতিরূপে নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন।
৪,৪৯৩.
দণ্ডবিধির কোন অধ্যায়ে 'মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ' আলোচনা করা হয়েছে?
  1. চতুর্থ অধ্যায়
  2. ষষ্ঠ অধ্যায়
  3. ষোড়শ অধ্যায়
  4. বিংশ অধ্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

- গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
৪,৪৯৪.
'ক' উন্মাদ থাকাকালীন অবস্থায় ২০১৬ সালে অগ্রক্রয়ের মামলা করার অধিকার অর্জন করে এবং ৩ বছর পর ২০১৯ সালে 'ক' সুস্থ হয়। 'ক' কখন মামলা দায়ের করতে পারবে?
  1. সুস্থ হওয়ার পর যেকোন সময়
  2. ২০২২ সালের মধ্যে
  3. ২০১৭ সালের মধ্যে
  4. ২০২৫ সালের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৬, ৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। যে ব্যক্তির মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয়েছে সে যদি উক্ত সময় মামলা করতে আইনগতভাবে অপারগ থাকে, তাহলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে তা ৬ থেকে ৯ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। 

তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority]
২. উন্মাদ [Insanity]
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]

• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

• ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মামলা খারিজ হবে।

যেহেতু উল্লিখিত মামলা অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার সম্পর্কিত, সেক্ষেত্রে 'ক' তামাদির মেয়াদ থেকে অব্যাহতি পাবে না। তামাদি আইন,১৯০৮ এর ১ম শিডিউলের অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী, অগ্রক্রয়ের মামলা দায়েরের অধিকার অর্জনের ১ বছরের মধ্যে তা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ 'ক' কে ২০১৭ সালের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৪,৪৯৫.
আবেদনপত্রে বাদীর নাম বা ঠিকানা ভুল উল্লেখ থাকলে এবং মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দেয়া হলে, উক্ত খারিজ আদেশ-
  1. ডিক্রি হিসাবে গণ্য হয় এবং আপিল করা যায়
  2. ডিক্রি হিসাবে গণ্য হয় না কিন্তু আপিল করা যায়
  3. ডিক্রি হিসাবে গণ্য হয় না এবং আপিল করা যায় না
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(২) এ ডিক্রির সংজ্ঞা হিসেবে দেয়া আছে:

ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় → সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

এসব ক্ষেত্রে আদালত প্রক্রিয়াগত সমস্যাগুলি সংশোধন বা সঠিকীকরণের সুযোগ দেয়। সুতরাং এগুলোকে চূড়ান্ত রায় বা ডিক্রি হিসাবে গণ্য করা হয় না। মূলত এগুলো মামলা চালিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াগত পদক্ষেপ মাত্র। সুতরাং প্রক্রিয়াগত বা আনুষ্ঠানিক ত্রুটির জন্য খারিজ ডিক্রি হিসাবে গণ্য হয় না এবং এতে আপিলও করা যায় না।
৪,৪৯৬.
'All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.' - বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে এই বিধান আছে?
  1. ১১০ অনুচ্ছেদে
  2. ১১১ অনুচ্ছেদে
  3. ১১২ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৪ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা:
 প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।

Article 112. Action in aid of Supreme Court:
All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.

৪,৪৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ধর্ষণের অপরাধ কে আমলে গ্রহণ করতে পারে না?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ ধারার বিধান:- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।
(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।
-----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 561- Special provisions with respect to offence of rape by a husband
(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall-
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or
(b) send the man for trial for the offence.
(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
৪,৪৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারায় অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন কবে করা যেতে পারে?
  1. সাজা ঘোষণা হওয়ার পর
  2. অভিযোগ গঠনের পর
  3. অভিযোগ খারিজ করার পর
  4. রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে। রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার অনুযায়ী, আদালত যেকোনো সময় রায় ঘোষণার পূর্বে অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ সংযোজন করতে পারেন। এর উদ্দেশ্য হল যদি অভিযোগে কোন ভুল বা অবহেলা থেকে থাকে বা কিছু বাদ পড়ে যায়, তাহলে তা সংশোধন করার সুযোগ দেওয়া। তবে এই পরিবর্তন বা সংযোজনের পর, আদালত তা অভিযুক্তকে পড়তে এবং বুঝিয়ে শোনাতে বাধ্য। এর ফলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রকৃতি এবং বিস্তারিত জানার অধিকারী হন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
৪,৪৯৯.
মেট্রোরেলে বিনা টিকিটে ভ্রমণের দায়ে X অভিযুক্ত হল। তার নিকট টিকিট ছিল তা প্রমাণের দায়িত্ব _______ ।
  1. অভিযুক্তের
  2. মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের
  3. কর্তব্যরত আনসারের
  4. কর্তব্যরত পুলিশের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি এমন কোনো কাজ করেন যা তার উদ্দেশ্য বা কার্যকলাপের প্রকৃতি এবং পরিস্থিতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, তখন তার উপর সেই উদ্দেশ্য বা ইচ্ছা প্রমাণের দায় থাকে। তাই অভিযুক্তকে প্রমাণ করতে হবে যে তার কাছে টিকিট ছিল।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১০৬ অনুসারে:
"যখন কোনো সত্য বিশেষভাবে কোনো ব্যক্তির জ্ঞানের মধ্যে থাকে, তখন সেই সত্য প্রমাণের দায়িত্ব তার উপর বর্তায়।"
প্রযোজ্য উদাহরণ (Illustration b to Section 106):
"A কে রেলওয়েতে বিনা টিকিটে ভ্রমণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। A-এর উপরই প্রমাণ করতে হবে যে তার কাছে টিকিট ছিল।"

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge
When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.
Illustrations-
(a) When a person does an act with some intention other than that which the character and circumstances of the act suggest, the burden of proving that intention is upon him.
(b) A is charged with traveling on a railway without a ticket. The burden of proving that he had a ticket is on him.
৪,৫০০.
সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী আদালতের অনুমান কার্যকর হওয়ার জন্য দলিলটির বয়স কত হতে হবে?
  1. কমপক্ষে ১০ বছর
  2. কমপক্ষে ২০ বছর
  3. কমপক্ষে ৩০ বছর
  4. ৫০ বছর বা তার বেশি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ (Section 90: Presumption as to documents thirty years old) স্পষ্টভাবে বলে—
"Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume..."
অর্থাৎ: দলিলটি কমপক্ষে ৩০ বছর পুরনো হতে হবে, এবং তা সঠিক হেফাজত (proper custody) থেকে আদালতে উপস্থাপিত হতে হবে।
→ তাহলেই আদালত অনুমান করতে পারে যে—
- দলিলের স্বাক্ষর যে ব্যক্তির নামে আছে, সেটি তাঁরই হস্তাক্ষর।
- দলিলটি যথাযথভাবে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারার বিধান ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান:
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।
ব্যাখ্যা: দলিল যেস্থানে ও যে ব্যক্তির হেফাজতে থাকা স্বাভাবিক, যদি উহা সেই স্থানে এবং সেই ব্যক্তির হেফাজতে থাকে, তবে উহা উপযুক্ত হেফাজতে আছে বলিয়া বুঝাইবে। কিন্তু দলিলটি যে হেফাজতে আছে, সেখানে থাকিবার আইন সঙ্গত কারণ আছে বলিয়া যদি প্রমাণিত হয় অথবা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে অনুরূপ কারণ থাকা সম্ভব বলিয়া যদি বিবেচিত হয়, তবে সেই হেফাজত অনুপযুক্ত বলিয়া গণ্য হইবে না।
এই ব্যাখ্যা ৮১ ধারার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
-------------------
⇒ The Evidence Act 1872, Section 90. Presumption as to documents thirty years old:
Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested.

- Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
- This explanation applies also to section 81.