PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি
বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি
PrepBank · পাতা ৪৪ / ১৫৫ · ৪,৩০১–৪,৪০০ / ১৫,৪৭০
ব্যাখ্যা
Section 4A. (1) In this Code, unless the context otherwise requires, any reference-
(a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate;
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারার বিধান: নির্দেশাবলীর অর্থ: এই কোড অনুসারে, প্রসঙ্গ অন্য কোন নির্দেশ না করলে, কাউকে উল্লেখ করলে তার অর্থ দাঁড়াবে নিম্নরূপ:
(ক) কোন বিশিষ্টার্থক শব্দ ছাড়া কেবল ম্যাজিস্ট্রেট বলে বর্ণিত থাকলে তা দ্বারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট-কে উল্লেখ করা হয়েছে মর্মে বুঝতে হবে;
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
- Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ম্যাজিস্ট্রেট।
ধারা ১৬৭- যখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা যায় না:
(১) যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে রাখা হয় এবং দেখা যায় যে, ধারা ৬১-তে নির্ধারিত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব নয়, তবে এবং যদি অভিযোগ বা তথ্যকে সত্য বলে মনে করার যৌক্তিক কারণ থাকে, তবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা তদন্তকারী পুলিশ অফিসার (যিনি সাব-ইন্সপেক্টরের নিচে নন) অবিলম্বে ডায়েরির প্রাসঙ্গিক অংশের কপি নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাবেন এবং একই সঙ্গে অভিযুক্তকে ঐ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করবেন।
(২) যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযুক্তকে হাজির করা হলো (তিনি মামলা বিচার করার এখতিয়ার রাখুন বা না-ই রাখুন) তিনি প্রয়োজনে অভিযুক্তকে পুলিশ বা বিচারিক হেফাজতে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে আটক রাখার আদেশ দিতে পারেন। যদি তিনি মামলা বিচার করার এখতিয়ার না রাখেন এবং মনে করেন অতিরিক্ত আটক দরকার নেই, তবে অভিযুক্তকে সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাবেন।
তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এবং দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (যদি সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হন), তাঁরা পুলিশ হেফাজতের আদেশ দিতে পারবেন না।
কোনো অবস্থাতেই পুলিশ হেফাজত সর্বমোট ১৫ দিনের বেশি দেওয়া যাবে না। ১৫ দিনের পর আটক দরকার হলে তা শুধু বিচারিক হেফাজতে হতে হবে।
বিচারিক হেফাজত বলতে বোঝানো হয়েছে—ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশে অভিযুক্তকে জেল বা অন্য কোনো পুলিশবহির্ভূত হেফাজতে রাখা।
(২ক) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ হেফাজতের অনুমতি দেন, তবে তিনি অভিযুক্তকে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার দ্বারা পরীক্ষা করার নির্দেশ দিতে পারেন। পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ শেষ হলে অভিযুক্তকে অবিলম্বে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে।
যদি শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় বা অভিযুক্ত অভিযোগ করে যে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে, তবে আবারও সরকারি ডাক্তার দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। যদি ডাক্তারি রিপোর্টে নির্যাতনের প্রমাণ মেলে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।
(৩) পুলিশ হেফাজতের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটকে কারণ লিখে উল্লেখ করতে হবে।
(৪) যদি কোনো সাধারণ ম্যাজিস্ট্রেট (প্রধান মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া) পুলিশ হেফাজতের অনুমতি দেন, তবে তাঁকে তাঁর আদেশের কপি ও কারণ প্রধান মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটকে পাঠাতে হবে।
(৪ক) যদি প্রধান মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিজে এই আদেশ দেন, তবে তাঁকে তাঁর আদেশের কপি ও কারণ প্রধান মহানগর দায়রা জজ বা দায়রা জজকে পাঠাতে হবে।
(৫) যদি তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হয়—
ক) যদি অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড না হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।
খ) যদি অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড হয়, তবে দায়রা আদালত জামিন দিতে পারে।
জামিন না দিলে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতকে এর লিখিত কারণ উল্লেখ করতে হবে। যদি মামলায় সরকারের অনুমোদন (Sanction) প্রয়োজন হয়, তবে অনুমোদন পেতে যে সময় লাগবে তা ১২০ দিনের মধ্যে গণনা করা হবে না।
৮) এই জামিন সংক্রান্ত বিধান (উপ-ধারা ৫) দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের ৪০০ ও ৪০১ ধারার অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক: থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব-
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং ক্ষেত্রমত এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।
(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০২ অনুযায়ী, আত্মরক্ষার অধিকার কেবল তখনই শুরু হয় যখন যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের সম্ভাবনা থাকে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে শরীরে আঘাতের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে শুরু হয়, যদিও অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব-
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের আশঙ্কা যুক্তিসঙ্গতভাবে সৃষ্টি হয় এবং কোনো অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে আসে, যদিও সেই অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না-ও হতে পারে; এবং এই অধিকার তখন পর্যন্ত বজায় থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 102- Commencement and continuance of the right of private defence of the body:
The right of private defence of the body commences as soon as a reasonable apprehension of danger to the body arises from an attempt or threat to commit the offence though the offence may not have been committed; and it continues as long as such, apprehension of danger to the body continues.
ব্যাখ্যা
♦অর্থাৎ খরচসহ সর্বাধিক কতবার আপীল মুলতুবির আদেশ দিতে পারে তার কোন নির্দিষ্ট সীমা এই বিধিতে নেই।
ব্যাখ্যা
বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।
The Code of Civil Procedure,1908, Order-8 Rule-9: Subsequent pleadings:
No pleading subsequent to the written statement of a defendant other than by way of defence to a set-off shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit, but the Court may at any time require a written statement or additional written statement from any of the parties and fix a time for presenting the same.
ব্যাখ্যা
⇒ প্রতিকার:
-১০ বিধির নিয়মটি শুধুমাত্র প্রযোজ্য যখন ৯ বিধির অধীন বিবাদী আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয় এবং উক্ত ব্যর্থতার কারণে আদালত রায় ঘোষণা করে আদেশ দিলে। ১০ বিধির অধীন রায় ঘোষণার আদেশ (An order pronouncing judgment) হলো (আপীলযোগ্য আদেশ) তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
ব্যাখ্যা
No suit shall be defeated by reason of the misjoinder or nonjoinder of parties, and the Court may in every suit deal with the matter in controversy so far as regards the rights and interests of the parties actually before it.
আদেশ ১ বিধি ৯: অপসংযোগ এবং অ-সংযুক্তি:
কাউকে ভ্রান্তভাবে মোকদ্দমার পক্ষ করা হলে অথবা পক্ষ থেকে বাদ দেয়া হলে তজ্জন্য মোকদ্দমার কোন ক্ষতি হবে না; এবং আদালত এটির সামনে আনিত প্রত্যেকটি মোকদ্দমায় বিরোধীয় বিষয়টি পক্ষগণের অধিকার ও স্বার্থসমূহের সঙ্গে যতটুকু সম্পর্কিত ততটুকু বিবেচনা করতে পারবে।
ব্যাখ্যা
• "রায়" বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসাবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তা বুঝায়। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, not beyond seven days, of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
ব্যাখ্যা
(১) পর পর সংঘটিত কতিপয় কার্য যদি পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কার্যগুলি একটিমাত্র কার্যের শামিল এবং একই ব্যক্তি উক্ত কার্য সম্পর্কিত বিষয়ে একাধিক অপরাধ সংঘটিত করে থাকলে এ ধরণের প্রত্যেক অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে একটিমাত্র মামলায় তার বিচার সম্পন্ন করা যেতে পারে।
(২) দুটি সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত অপরাধঃ
অভিযোগকৃত কার্যসমূহ যেক্ষেত্রে এরূপ একটি অপরাধ সৃষ্টি করে,যা বর্তমানে কার্যকর এরূপ কোন আইনের,যা দ্বারা অপরাধের সংজ্ঞা দণ্ড প্রদান করা হয় তার দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় বিচার করা যেতে পারে।
(৩) একাধিক কার্য যেক্ষেত্রে একই ধরণের অপরাধ,কিন্তু একত্রিত করা হলে ভিন্নরূপ অপরাধে পরিণত হয়ঃ
কতিপয় কার্যের মধ্যে একটি কার্য একটি কার্য এককভাবে বা একাধিক কার্য একত্রে একটি অপরাধের সৃষ্টি করলে উক্ত অপরাধসমূহে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্ত মিলিত কার্যাদির অপরাধ বা একটি কার্যের একক অপরাধ বা সংযুক্ত একাধিক কার্যের অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যেতে পারে।
(৪) এই ধারায় এরূপ কিছু নেই যা দণ্ডবিধির ধারা ৭১ এর বিধানকে প্রভাবিত করে।
ব্যাখ্যা
• এই আইন ১লা মে ১৮৭৭ সালে কার্যকর হয়।
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৮ বিধি ২০-
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।
ব্যাখ্যা
- অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না,
- যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ;
- অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনূর্ধ্ব চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং
- এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।
অর্থাৎ শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে ৫০ টাকার অধিক কিন্তু ১০০ টাকার কম, অর্থদণ্ড প্রদানে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ ৪ মাস মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে।
-----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-67: Imprisonment for non-payment of fine, when offence punishable with fine only:
-If the offence be punishable with fine only, the imprisonment which the Court imposes in default of payment of the fine shall be simple, and the term for which the Court directs the offender to be imprisoned, in default of payment of fine, shall not exceed the following scale, that is to say, for any term not exceeding two months when the amount of the fine shall not exceed fifty taka, and for any term not exceeding four months when the amount shall not exceed one hundred taka, and for any term not exceeding six months in any other case.
ব্যাখ্যা
- আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;
ব্যাখ্যা
যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার।
অন্যদিকে ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 5 Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তিসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।
(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
ব্যাখ্যা
- ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।
ব্যাখ্যা
৪৪(১) অনুচ্ছেদ:
এই অনুচ্ছেদের অধীনে, সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করানোর জন্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট মামলা দায়ের করা যায়।
৪৪(২) অনুচ্ছেদ:
সংসদ যদি চায়, তাহলে আইনের মাধ্যমে অন্য কোনো আদালতকেও নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে এই ক্ষমতা প্রয়োগের অনুমতি দিতে পারে। তবে বর্তমানে শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগই মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের মামলার এখতিয়ারভুক্ত আদালত।
→ অর্থাৎ মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের প্রতিকার পেতে সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করতে হয়।
ব্যাখ্যা
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X' ছয় মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি এক বছর থেকে ছয় মাস বাদ দিয়ে বাকি ছয় মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
-------------------------------------
⇒ CrPC Section-35A.: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
ব্যাখ্যা
When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.
ধারা ১০৭ – যিনি গত ত্রিশ বছরের মধ্যে জীবিত ছিলেন, তার মৃত্যুর প্রমাণের দায়িত্ব:
যখন কোনো ব্যক্তির জীবিত না মৃত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং দেখা যায় যে তিনি গত ত্রিশ বছরের মধ্যে জীবিত ছিলেন, তখন যিনি দাবি করেন যে ঐ ব্যক্তি মৃত, প্রমাণের দায়িত্ব তাঁর ওপর বর্তায়।
ব্যাখ্যা
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৮৭ ধারার বিধান মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে, এবং অনুরূপ সম্ভাবনাপূর্ণ বলিয়া অজ্ঞাত কার্য সম্মতি সহকারে সম্পাদন করা:
মৃত্যু ঘটাবার অথবা গুরুতর আঘাত করার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত নয়, অথবা মৃত্যু ঘটাতে পারে বা গুরুতর আঘাত করতে পারে এইরূপ না জেনে সম্পাদিত কোন কাজ করার পর উহাতে কোন ক্ষতি হওয়ার ফলে অপরাধ হবে না; অথবা ১৮ বৎসরের অধিক বয়স্ক কোন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুরূপ কাজের ফল হতে উদ্ভূত ক্ষতি স্বীকার করার সম্মতিদানের পর, তার সম্মতি নিয়ে উক্তরূপ ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না; অথবা যে ব্যক্তি কাজটি করছে, সে ব্যক্তি কাজটি করার ফলে ক্ষতি অনুষ্ঠিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারে সম্মতিক্রমে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।
------------------
⇒ Section 87. Act not intended and not known to be likely to cause death or grievous hurt, done by consent:
Nothing which is not intended to cause death, or grievous hurt, and which is not known by the doer to be likely to cause death, or grievous hurt, is an offence by reason of any harm which it may cause, or be intended by the doer to cause, to any person, above eighteen years of age, who has given consent, whether express or implied, to suffer that harm; or by reason of any harm which it may be known by the doer to be likely to cause to any such person who has consented to take the risk of that harm.
ব্যাখ্যা
(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(২) কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (১) এর অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।
Section 17: Punishment for filing any false case, complaint etc.
i. If any person files or causes to be filed any case or complaint against a person under this Act for the purpose of causing injury to that person, although he knows that he had not any proper or; legal ground to do so, the person filing or causing to be filed that case or complain shall be punished with rigorous imprisonment for either description which may extend to seven years and also with fine.
ii. The Tribunal can take cognizance and adjudicate any offence under subsection (і), on a written application by any person.
ব্যাখ্যা
The General Clauses Act,1897: ধারা ২৫: জরিমানা আদায়:
যে কোন আইন, বিধি (Regulation), নিয়ম বা উপ-নিয়ম (bye-law) অনুযায়ী আরোপিত জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে, যদি সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি বা নিয়মে এ বিষয়ে বিশেষভাবে অন্য কিছু বলা না থাকে, তবে তখন বর্তমানে প্রযোজ্য দণ্ডবিধি (Sections 63–70) এবং ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুযায়ী জারি ও কার্যকরীকরণের বিধান প্রযোজ্য হবে।
অর্থাৎ, সাধারণ নিয়মে জরিমানা আদায়ে দণ্ডবিধি ও দণ্ডবিধি কার্যবিধির বিধানগুলো প্রযোজ্য থাকবে, যতক্ষণ না কোনো আইন বা নিয়মে এর বিপরীত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকে।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, "নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি" (not being a decree granting an injunction) এর ক্ষেত্রে এই ১২ বছর সময়সীমা প্রযোজ্য।
- অর্থাৎ, নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি (Decree granting an injunction) ধারা ৪৮-এর সময়সীমার আওতাভুক্ত নয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনা মতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।
২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 48 Limit of Time for Execution:
Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from
(a) the date of the decree sought to be executed, or,
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree.
(2) Nothing in this section shall be deemed:
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.
ব্যাখ্যা
যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা-
(ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন;
(ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন;
ব্যাখ্যা
---------
⇒ আদেশ-২১ বিধি-২১ এর বিধান যুগপৎ জারি:- আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর ডিক্রি জারি করতে অস্বীকার করতে পারে।
ব্যাখ্যা
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, সাধারণত ঐ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেয়া যায় না, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনঃ যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
--------------------------
⇒ Section 14 Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
- Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
⇒ Section 15 Specific performance of part of contract where part unperformed is large:
- Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.
⇒ Section 16 Specific performance of independent part of contract:-
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.
ব্যাখ্যা
অন্য নাম: 'বেরুবাড়ী মামলা', 'Third Amendment Case'.
রায় ঘোষণা: ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪; আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেন।
রায় কার্যকর: ২৮ নভেম্বর, ১৯৭৪
Author Judge: ASM Sayem CJ.
মামলার বিচারক: এ মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি ছিলেন:
০১. ASM Sayeem CJ.
০২. Abdullah Jabir J.
০৩. AB Mahmud Hussain J.
0৪. Ahsanuddin Chowdhury J.
প্রেক্ষাপট:
১৬ মে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমানা চুক্তি/ছিটমহল বিনিময় চুক্তি দিল্লীতে স্বাক্ষরিত হলে বেরুবাড়ী ইউনিয়ন ভারতের মানচিত্রভুক্ত হয়; যা তৎকালীন সংবিধান-বহির্ভূত। ফলে বেরুবাড়ী ইউনিয়নবাসীর পক্ষে HCD-এ জনস্বার্থে আইনজীবী মোখলেছুর রহমান রিট করেন। ফলে HCD সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি বলবৎ করার আদেশ দিলে ৩য় সংশোধনী পাশ করে আর্টিকেল ২ সংশোধন করা হয় এবং চুক্তি কার্যকর করা হয়।
মামলাটির সাথে একাধিক নাম জড়িত বিধায় বেরুবাড়ী মামলা, ৩য় সংশোধনী মামলা ইত্যাদি একাধিক নামে পরিচিত।
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের খসড়া প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৮৬১ সালে ৩য় আইন কমিশন (3rd Law Commission) গঠন করা হয়।
- এই কমিশন প্রথমবারের মতো একটি খসড়া প্রস্তুত করলেও, পরবর্তীতে এতে বিভিন্ন সংশোধন ও পরিবর্তন আনা হয়।
- অবশেষে ১৮৮২ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে "Transfer of Property Act" কার্যকর হয়।
- তাই, "৩য় আইন কমিশন" গঠিত হয়েছিল ১৮৬১ সালে।
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:
- ১৮৬১: ভারতীয় উপমহাদেশে ৩য় আইন কমিশন গঠিত হয়।
- ১৮৭০: উক্ত কমিশন আইনের খসড়া তৈরি করে।
- মি. আর্থার হাউস: আইনটি নিয়ে কাজ শুরু করেন।
- হুইটলি স্টোকস: তার পদত্যাগের পর আইনটি পুনঃপরীক্ষা করেন এবং ১৮৭৭ সালে বাছাই কমিটিতে প্রেরণ করেন।
- ১৮৭৮: বাছাই কমিটি প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করে।
- ১৮৭৯: আইন কমিশনের রিপোর্ট যাচাইয়ের জন্য কমিটি গঠিত হয়, যারা পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে রিপোর্ট প্রকাশ করে এবং সংশোধিত বিলটি ভারতীয় গেজেটে প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা
যে আদালত ডিক্রি/আদেশদ দেয়, সে আদালতে (রায় প্রদানকারী আদালতে) রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা ও ৪৭ আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারা এবং আদেশ ৪৭ এর ১(১) বিধি মোতাবেক রিভিউ-এর আবেদন করা যায় নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে:
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি;
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না;
⇒ স্মল কজ কোর্টের রেফারেন্সে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।
রিভিউ করা যায় যে কারণে:
i) মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন কোনো বিষয় আবিষ্কার হলে, যা মোকদ্দমার ডিক্রিপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে নানান চেষ্টা করা সত্ত্বেও আদালতে উপস্থাপন করতে অক্ষম হয়েছিল;
ii) নথিতে আপাত কোনো ভুলের কারণে;
iii) অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণে।
আদেশ ৪৭ বিধি ৯: কতিপয় রিভিউ আবেদনের ক্ষেত্রে বাধা:
রিভিউ আবেদন সম্পর্কে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা রিভিউতে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের রিভিউ আবেদন যাবে না।
ব্যাখ্যা
যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই-
তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০৯-এর শিরোনামই হলো "When appeals lie to the Supreme Court" (সুপ্রিম কোর্টে কখন আপিল করা যায়)। এই ধারাটি সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করার ক্ষেত্র ও শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 109. When appeals lie to the Supreme Court.
- Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction;
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
ব্যাখ্যা
১। মোকদ্দমা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২। দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩। ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।
মোকদ্দমা স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যে কোন পক্ষ তার প্লিডিংসের (আরজি বা লিখিত জবাবের) মাধ্যমে বা লিখিত অন্য কোন উপায়ে অন্য পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিক অংশের সত্যতা স্বীকার করতে পারে। অথবা অপর পক্ষকে মোকদ্দমার উদ্দেশ্যে নোটিশে উল্লেখিত কোন তথ্যকে স্বীকার করার জন্য অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিয়ে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। [আদেশ ১২ বিধি ১]।
দলিল স্বীকারের নোটিশ:
নোটিশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করার জন্য মোকদ্দমার একপক্ষ অন্য পক্ষকে আহ্বান করতে পারে [আদেশ ১২ বিধি ২]
ঘটনা স্বীকারের নোটিশ:
কোন পক্ষ শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনের পূর্বের ৯ দিনের মধ্যে যে কোন সময় মোকদ্দমার উদ্দেশ্যে নোটিশে উল্লেখিত কোন তথ্যকে স্বীকার করার জন্য অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিয়ে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। [আদেশ ১২ বিধি ৪] স্বীকারোক্তির উপর ভিত্তি করে আদালত রায় বা আদেশ দিতে পারে।
ব্যাখ্যা
- যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।
-----------
⇒ CPC Order-26 Rule-13.Commissions to make partition of immovable property:
Where a preliminary decree for partition has been passed, the Court may, in any case not provided for by section 54, issue a commission to such person as it thinks fit to make the partition or separation according to the rights as declared in such decree.
ব্যাখ্যা
ওয়াকফ আলাল আওলাদ ইচ্ছে ইসলাম ধর্ম কর্তৃক স্বীকৃত বিশেষ ধরনের ওয়াকফ। এ ধরনের ওয়াকফের ক্ষেত্রে ওয়াফকারী সম্পত্তিটি তার বংশধরদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করতে পারে। তবে বংশধরদের উপকার শেষান্তে সম্পত্তিটি অবশ্যই ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে ব্যয় বা ব্যবহার হবে। এটি ওয়াকফ আলাল আওলাদ বলে। অর্থাৎ ওয়াকিফের নিজের জন্য বা তার পরিবার বর্গের জন্য কোন ওয়াকফ করা হলে তাকে ওয়াকফ-আলাল- আউলাদ বলে।
Abul Fata Mahomed Ishak Vs Russomoy Dhur Chowdry (1894) নামক বিখ্যাত মামলায় পারিবারিক ওয়াকফ বা ওয়াকফ আল-আউলাদকে অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯১৩ সালে The Mussalman Wakf validating Act, 1913 পাশের মাধ্যমে ওয়াকফ-আলাল আউলাদকে বৈধতা দেওয়া হয়। তবে শর্ত হলো এরকম ওয়াকফের চূড়ান্ত উপকার গরীব অথবা দাতব্য/ ধর্মীয় উদ্দেশ্যে হতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, ওয়াকফকারী তার বংশধরদের কল্যাণে ওয়াফের উদ্দেশ্যের স্থগিত অবস্থার কারণে ওয়াকফটি অবৈধ হবে না। তবে সেরকম সংরক্ষণ বংশের পর বংশ চলতে থাকতে পারে না। সেরকম সংরক্ষণ অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হবে।
ব্যাখ্যা
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরে বর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible:
The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.
(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
ব্যাখ্যা
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দু বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈরী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সই দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
বিদ্বেষমূলকভাবে ফৌজদারীতে সোপর্দকরণের জন্য ক্ষতিপূরণ [Compensation for a malicious prosecution]
তামাদি- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- যখন বেকসুল খালাস হয় অথবা যখন মামলার অবসান ঘটে।
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২০: ক্ষতিপূরণের অর্থ নির্ধারিত থাকলেও সুনির্দিষ্ট সম্পাদন থেকে বাধা নয়:
যদি কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ আগেই নির্ধারিত থাকে, তবুও চুক্তিটি অন্য সবদিক দিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের যোগ্য হলে, এবং চুক্তিভঙ্গকারী পক্ষ সে নির্ধারিত অর্থ দিতে রাজি থাকলেও, চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন (Specific Performance) আদালত দিতে পারে। অর্থাৎ, চুক্তিতে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করা থাকলেও তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনে বাধা নয়।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ৪৮০ অনুযায়ী আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা অর্থদণ্ড বা অর্থদণ্ড না দিলে সর্বোচ্চ ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি-
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-480: Procedure in certain cases of contempt-
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনালকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টকে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৪(৩)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।"
- এটি Right of Audience হিসেবে পরিচিত। অর্থাৎ, অ্যাটর্নি-জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে বাংলাদেশের যেকোনো আদালতে সরাসরি বক্তব্য পেশ করতে পারেন। এটি শুধুমাত্র বক্তব্য পেশের অধিকার—মামলা দায়ের করা বা রায় দেওয়ার ক্ষমতা নয়।
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
⇒ Article 64: The Attorney-General:
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল বাতিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে- ৪১৭ বা ৪১৭ক ধারার অধীন প্রত্যেকটি আপীল অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে, এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল ব্যতীত) আপীলকারীর মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে।
-ফৌজদারী মামলা বা আপিল বাতিল হবে যদি অভিযুক্ত মারা যায়। সুতরাং কে মারা গেলে আপিল বাতিল হবে, তা নির্ধারণ করতে হলে দেখতে হবে, আপিল চলাকালীন সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেছে কিনা। এটা নির্ধারণ করতে দেখতে হবে আপিলটি কে করেছে। ৪১৭ ধারার অধীন খালাসের বিরুদ্ধে আপিল এবং ৪১৭ক ধারার অধীন অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে না। কারণ খালাস এবং অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে স্বাভাবিকভাবে আপিল করবে পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী।
-অন্যদিকে ৪০৭, ৪০৮ বা ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তি।
-সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যাওয়া মানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় এবং এই কারণে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিলটি বাতিল হয়।
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 অর্থাৎ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ একটি পদ্ধতিগত (procedural/adjective) আইন যা আদালতে প্রমাণ উপস্থাপনের বিধান নির্ধারণ করে।
→ এই আইনটির গঠন বা সংগঠন (Structure)- ভাগ (Parts): ৩টি, অধ্যায় (Chapters): ১১টি, ধারা (Sections): মোট ১৬৭টি।
খণ্ড (Parts): মোট ৩টি
- Part 1: ধারা ১-৫৫ — Relevancy of facts (ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা)
- Part 2: ধারা ৫৬-১০০ — Proof of facts (ঘটনার প্রমাণ)
- Part 3: ধারা ১০১-১৬৭ — Production and effect of evidence (সাক্ষ্য উপস্থাপন ও ফলাফল)
- অধ্যায় (Chapters): মোট ১১টি
- ধারা (Sections): মোট ১৬৭টি
- আইন প্রণয়ন: ১৫ই মার্চ, ১৮৭২।
- কার্যকর: ১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২।
- প্রণেতা: স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন।
- প্রধান উদ্দেশ্য: আদালতে সত্য উদঘাটনের জন্য প্রাসঙ্গিক ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ নির্ধারণ করা।
ব্যাখ্যা
- ধারা ৩১(১)(খ) অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় হাতেনাতে ধৃত না হয়, তবে তদন্ত প্রাথমিক তথ্যপ্রাপ্তি বা তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। তবে, ধারা ৩১(২) এ উল্লেখ আছে যে, কোনো যুক্তিসংগত কারণে এই সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে, তদন্তকারী অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করে অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করবেন।
অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩১(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
যদি ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না হয়, তদন্তকারী অফিসার যুক্তিসঙ্গত কারণ লিপিবদ্ধ করে, অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের সময় পাবেন তদন্ত শেষ করার জন্য।
প্রাসঙ্গিক অংশ:
"কোনো যুক্তিসংগত কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে, তদন্তকারী অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের মধ্যে মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবেন..."
ব্যাখ্যা
Temporary Injunction (অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা): এটি এমন এক প্রকার নিষেধাজ্ঞা, যা মামলার শুনানির আগ পর্যন্ত বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে। মোকদ্দমা চলাকালীন, যদি কোনো পক্ষ মামলার বিষয়বস্তুর উপর প্রভাব ফেলতে পারে বা সম্পত্তি হস্তান্তর, পরিবর্তন বা ধ্বংস করার আশঙ্কা থাকে, তখন আদালত স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়।
অন্যদিকে,
Perpetual Injunction (চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা): এটি মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পর ডিক্রির মাধ্যমে দেওয়া হয় এবং এতে বিবাদীকে চিরতরে কোনো কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয় যা বাদীর অধিকারের পরিপন্থী।
Mandatory Injunction: এটি এক ধরনের আদেশ যা কোনো কাজ করতে বিবাদীকে নির্দেশ দেয়, যেমন সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা।
Prohibitory Injunction: এটি এমন আদেশ যেখানে কাউকে কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়, তবে এটি সাধারণভাবে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী উভয় ধরণের নিষেধাজ্ঞার একটি উপশ্রেণী হতে পারে।
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩৪ অনুসারে, Contingent Contract হলো এমন চুক্তি যা কোনো ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত ঘটনার উপর নির্ভরশীল।
এখানে শর্ত ছিল: B যদি C-কে বিয়ে করে, তবে A টাকা দেবে। কিন্তু C অন্য কাউকে বিয়ে করেছে, অর্থাৎ শর্ত পূরণ আর কখনো সম্ভব নয়।
- তাই, ধারা ৩৪ অনুযায়ী ঘটনাটি অসম্ভব (impossible) হয়ে গেছে। ফলে চুক্তি Void (বাতিল) হয়ে যাবে।
- চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩৪ অনুসারে, যদি কোন কন্টিনজেন্ট কন্ট্রাক্ট (শর্তসাপেক্ষ চুক্তি) কোন ব্যক্তির ভবিষ্যৎ আচরণের উপর নির্ভরশীল হয় এবং সেই ব্যক্তি এমন কোন কাজ করে যা দ্বারা সেই শর্ত পূরণ করা অসম্ভব হয়ে যায়, তাহলে চুক্তিটি void (বাতিল) হয়ে যায়।
এখানে, চুক্তিটি contingent upon B marrying C (B-এর C-কে বিয় করার উপর শর্তাধীন)। কিন্তু C অন্য একজনকে (D-কে) বিয়ে করে ফেলেছে। C-এর এই কাজটি B-এর C-কে বিয়ে করার সম্ভাবনাকে অসম্ভব করে দিয়েছে (কারণ বাংলাদেশে বহুবিবাহ আইনত অবৈধ)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে।
----------
⇒ The Contract Act, 1872 section-34. When event on which contract is contingent to be deemed impossible, if it is the future conduct of a living person:
If the future event on which a contract is contingent is the way in which a person will act at an unspecified time, the event shall be considered to become impossible when such person does anything which renders it impossible that he should so act within any definite time, or otherwise than under further contingencies.
Illustration:
A agrees to pay B a sum of money if B marries C.
C marries D. The marriage of B to C must now be considered impossible, although it is possible that D may die and that C may afterwards marry B.
ব্যাখ্যা
যদি কেউ কোনো নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে কথা, অঙ্গভঙ্গি বা কোনো কাজ করে, তাহলে দায়ী ব্যক্তিকে এক বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সাজা বা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।
Section 509- Word, gesture or act intended to insult the modesty of a woman:
Whoever, intending to insult the modesty of any woman, utters any word, makes any sound or gesture, or exhibits any object, intending that such word or sound shall be heard, or that such gesture or object shall be seen, by such woman, or intrudes upon the privacy of such woman, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
ব্যাখ্যা
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।
• মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। পুরুষ সপিণ্ডর সংখ্যা ৪৮ জন এবং মহিলা সপিণ্ডর সংখ্যা ৫ জন মিলে সর্বমোট ৫৩ জন সপিণ্ড হবে।
নিম্নে প্রথম ২০ জন সপিন্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ
১) পুত্র;
২) পুত্রের পুত্র;
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র;
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা);
৫) কন্যা;
৬) কন্যার পুত্র;
৭) পিতা;
8) মাতা;
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই;
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র;
১১) ভাই এর পুত্রের পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্রের পুত্র;
১২) বোনের পুত্র;
১৩) পিতার পিতা;
১৪) পিতার মাতা;
১৫) পিতার ভাই;
১৬) পিতার ভাইয়ের পুত্র;
১৭) পিতার ভাইয়ের পুত্রের পুত্র;
১৮) পিতার বোনের পুত্র;
১৯) পিতার পিতার পিতা;
২০) পিতার পিতার মাতা।
ব্যাখ্যা
- অর্থাৎ, এই অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে "Court of Record" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
"Court of Record" অর্থ এমন একটি আদালত: যার রায়, আদেশ, ও কার্যক্রম লিখিতভাবে রেকর্ড হয় এবং ভবিষ্যতে উদাহরণ বা নজির হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- যার কাছে contempt of court (আদালত অবমাননা) সংক্রান্ত মামলায় বিচার ও শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা থাকে।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
ইতোপূর্বে এই কার্যবিধিতে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, আসামী দোষ স্বীকার করলে এবং উক্ত স্বীকারোক্তির প্রেক্ষিতে দায়রা আদালত বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে শাস্তি প্রদান করলে দণ্ডের পরিমাণ বা দণ্ডাদেশের বৈধতা ব্যতীত উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আপীল দায়ের করা চলবে না।
No appeal in certain cases when accused pleads guilty:
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১ম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৮৪ অনুসারে, কোনো অ্যাডভোকেটের মামলা বা নির্দিষ্ট কাজের খরচা আদায়ের জন্য মামলার তামাদি ৩ বছরের। এই সময়কাল শুরু হয় মামলা বা কাজের সমাপ্তির তারিখ থেকে (বা অ্যাডভোকেট যদি সঠিকভাবে মামলা বা কাজ বন্ধ করে দেন, তাহলে সেই বন্ধের তারিখ থেকে)।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion)- কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের উপাদান-
স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তির ক্ষেত্রে বলপূর্বক গ্রহণ হয়; এবং অপরাধী স্বয়ং উপস্থিত না থেকেও বলপূর্বক আদায় বা গ্রহণের অপরাধ করতে পারে।
যে ব্যক্তিকে ভয় দেখানো হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি অর্পণ করার সঙ্গেই বলপূর্বক গ্রহণের অপরাধ সংঘটিত হয়। বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের ক্ষেত্রে দূরবর্তী ক্ষতির ভয় থাকলেও তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি হয়না।
যেমন- ক, গ-কে এরূপ ভয় দেখায় যে, গ তাকে টাকা না দিলে ক, গ-এর বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করবে। এভাবে ক তাকে টাকা দিতে গ-কে বাধ্য করে। এখানে ক বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করেছে বলে গণ্য হবে।
⇒ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
⇒ চুরির ক্ষেত্রে সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে ও দস্যুতার ক্ষেত্রে আঘাত দান বা তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হয় কিন্তু বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের ক্ষেত্রে দূরবর্তী ক্ষতির ভয় থাকলেও তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি হয়না।
⇒ অর্থাৎ চুরি এবং দস্যুতার এর মধ্যবর্তী একটি অপরাধ হলো বলপূর্বক গ্রহণ। যা চুরি থেকে বড় কিন্তু দস্যুতার থেকে ছোট একটি অপরাধ।
ব্যাখ্যা
অর্থাৎ, সরকারি কর্মকর্তা যদি তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো কাজ করেন, এবং সেই কাজের জন্য কেউ তার বিরুদ্ধে মামলা করতে চায় — তাহলে ধারা ৮০ অনুযায়ী আগে ২ মাসের নোটিশ প্রদান করতে হবে।
- যেসব কাজের ক্ষেত্রে ধারা ৮০ প্রযোজ্য নয়:
ক) ব্যক্তিগত কাজের জন্য – যদি কোনো কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে কিছু করে থাকেন, তা সরকারি দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না, তাই ধারা ৮০ প্রযোজ্য নয়।
খ) ঘুষ গ্রহণের কাজের জন্য – ঘুষ নেওয়া একটি অপরাধ এবং তা কখনোই অফিসিয়াল ডিউটির অংশ নয়, তাই এটি ফৌজদারি বিষয়ে পড়ে, ধারা ৮০ এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) অবসরকালীন কাজের জন্য – অবসরের পর কোনো কাজ সরকারি দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।
- প্রযোজ্য কেবল: ঘ) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্য – অর্থাৎ, যে কাজ সরকারি ক্ষমতার অধীনে, দায়িত্ব হিসেবে সম্পাদিত হয়েছে বা হয়েছে বলে দাবি করা হয়, শুধু সেই ক্ষেত্রেই ধারা ৮০ প্রযোজ্য।
- সুতরাং ধারা ৮০ কেবলমাত্র সেই কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যা সরকারি কর্মকর্তা তার পদাধিকারবলে করেছেন বা করেছেন বলে দাবি করেছেন।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ - নোটিশ:
(১) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিম্নের অফিসসমূহের লিখিত নোটিশ দেয়ার বা পাঠানোর দুইমাস অতিবাহিত হবার পরে মামলা দায়ের করা চলবে—
খ) ১. সরকারে বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলা ব্যতিত - অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের সচিব অথবা জেলা কালেক্টর এবং
২. রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ের জেনারেল ম্যাজোর এবং কোন সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে তাকে বা তার অফিসে মামলার কারণ, বাদীর নাম ও বাসস্থানের ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবী করে তা উল্লেখ করে নোটিশ দিতে হবে এবং অনুরূপ নোটিশ দেয়া হয়েছে বা পাঠানো হয়েছে বলে আরজিতে একটি বিবৃতি থাকতে হবে।
(২) যে ক্ষেত্রে উপরি-উল্লেখিত মতে নোটিশ না দিয়া বা না পাঠায়ে অথবা উল্লেখিত দুই মাস মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কোন মামলা দায়ের করা হয়, অথবা যেই ক্ষেত্রে আরজিতে উক্ত রূপ নোটিশ প্রদান বা পাঠানের বিষয়ে কোন বিবৃতি থাকে না, সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারী কর্মকর্তা বাদীর দাবী মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ নোটিশ ছাড়া কোন মামলা দায়ের করতে হলে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য আদালত সরকারকে কমপক্ষে তিন মাস সময় মঞ্জর করবেন।
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Saction 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-
(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭৩খ: তদন্ত সম্পন্ন করার বিধান:
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে প্রতিটি তদন্ত অভিযোগ পাওয়ার তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
(২) যৌক্তিক কারণে ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না হলে—তদন্ত কর্মকর্তা কেস ডায়েরিতে দেরির কারণ লিখবেন, নির্দিষ্ট কারণ ও অতিরিক্ত সময় উল্লেখ করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সময় বৃদ্ধির আবেদন করবেন, এবং সেই আবেদনটির একটি কপি তদন্তের তদারককারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন।
(৩) ম্যাজিস্ট্রেট আবেদন বিবেচনা করে যৌক্তিক মনে করলে তদন্ত সম্পন্নের জন্য অতিরিক্ত সময় অনুমোদন করতে পারবেন।
তদন্ত কর্মকর্তাকে অবশ্যই সেই বর্ধিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে।
(৪) যদি বর্ধিত সময়েও তদন্ত শেষ না হয়, তবে তদন্ত কর্মকর্তা—দেরির কারণ লিখিতভাবে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন, এবং সেই কপিটি তাঁর উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছেও পাঠাবেন।
(৫) ম্যাজিস্ট্রেট ব্যাখ্যা বিবেচনা করার পর (বা ব্যাখ্যা না দিলে)—
(a) অন্য কোনো কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্ত করানোর নির্দেশ দিতে পারবেন;
(b) বিলম্বকে তদন্ত কর্মকর্তার অযোগ্যতা বা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করতে পারবেন,
এবং তা কর্মকর্তার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (ACR) নোট আকারে লিপিবদ্ধ করবেন,
এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকে শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বলবেন।
(৬) তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের পর, আদালত যদি মনে করে যে কোনো ব্যক্তিকে অভিযুক্ত না করে সাক্ষী হিসেবে রাখা ন্যায়ের স্বার্থে উপযুক্ত, তবে আদালত আদেশ দিয়ে সেই ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে গণ্য করতে পারবেন।
(৭) বিচার শেষে যদি আদালত মনে করে যে তদন্ত কর্মকর্তা—
(i) ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছেন;
(ii) যাকে আসামি করা উচিত ছিল তাকে সাক্ষী করেছেন; অথবা
(iii) যৌক্তিক কারণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বাদ দিয়েছেন - তাহলে আদালত এ বিষয়ে রায় লিপিবদ্ধ করতে পারবেন, এবং কর্মকর্তার এই কাজকে অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিতে পারবেন।
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ১০ অনুযায়ী মামলা স্থগিত রাখাবে। এই ধারায় বলা আছে যে, কোন আদালত এমন কোন মামলার বিচার চালিয়ে যাবেন না, যার বিচার বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষভাবে এবং মূলত পূর্বে দায়েরকৃত অপর একটি মামলাও বিচার্য বিষয়, তা একই পক্ষগণের মধ্যে অথবা এমন পক্ষগণের মধ্যে যাদের অধীনে তারা বা তাদের মধ্যে কোন একজনের সূত্রে পরবর্তী মামলার পক্ষগণ বা পক্ষগণের মধ্যে কোন একজন স্বত্ব দাবি করেন, যেখানে এরূপ মামলা একই অথবা বাংলাদেশের অন্য কোন আদালতে বিচারাধীন আছে, যে আদালতের প্রার্থীত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে অথবা বাংলাদেশের বাইরে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা চলতি কোন আদালত যার এরূপ এখতিয়ার আছে, অথবা সুপ্রীমকোটে বিচারাধীন কোন মামলা।
ব্যাখ্যা: কোন বিদেশি আদালতে দায়েরকৃত মামলা যদি বাংলাদেশের কোন আদালতে দায়েরকৃত মামলার সাথে একই কারণযুক্ত হয়, তবুও ইহা বাংলাদেশের আদালতে উক্ত মামলা বিচারে বাধা হবে না।
- ১০ ধারার অধীন আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটি খারিজ করতে পারে না বরং বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে পারে।
- এই Doctrine বা নীতিটি Res-Subjudice নামে পরিচিত। এই Doctrine প্রয়োগ করার শর্তসমূহ হলো:
১- প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই বিচার্য বিষয়ে দুটি মোকদ্দমা থাকতে হবে।
২-উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হবে।
৩-পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকবে
৪- উক্ত মোকদ্দমার দাবিকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার আদালতে থাকতে হবে।
৫- উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্বের জন্য মোকদ্দমা করেছে।
- এই নীতিটি প্রয়োগ করতে আদালত বাধ্য।
- বিদেশি আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে Res-Sub judice নীতি প্রযোজ্য হবে না ।
- যে মামলাটি প্রথমে দায়ের করা হয়েছে তা চলমান থাকবে এবং দ্বিতীয় মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে। খারিজ হবে না। বা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত ১৫১ ধারা প্রয়োগ করে ১ম মামলাটি স্থগিত রাখার আদেশ দিতে পারেন।
ব্যাখ্যা
(ক) গৃহস্থালি বা আবাসিক উদ্দেশ্যে;
(খ) শিল্প বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে;
(গ) ধর্মীয় বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে।
ব্যাখ্যা
যেক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার বিধান না হলে, আদালত যে ব্যক্তিকে উপযুক্ত মনে করবেন তার নিকট উক্ত ডিক্রিতে ঘোষিত অধিকার অনুসারে বণ্টন কিংবা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে।
Order 26 Rule 13: Commission to make partition of immovable property:
Where a preliminary decree for partition has been passed, the Court may, in any case not provided for by section 54, issue a commission to such person as it thinks fit to make the partition or separation according to the rights as declared in such decree.
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।
গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭ক] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
ব্যাখ্যা
• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে যা সাতদিনের বেশি হবে না,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
[The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court either at once or on some future day, not beyond seven days of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.]
• উক্ত বিধিতে ''shall'' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। যার দরুণ এই বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১০: কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
(১) কমিশনার যেরূপ পয়োজন মনে করেন, সেরূপ স্থানীয় পরিদর্শনের পর এব তার গৃহীত প্রমাণাদিকে লিখিত রূপ দেয়ার পর উক্ত প্রমাণাদির সাথে তার স্বাক্ষরিত একটি লিখিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবেন।
(২) প্রতিবেদন এবং জবানবন্দী মামলায় প্রমাণ হিসাবে থাকবে: কমিশনারের প্রতিবেদন এবং তার গৃহীত প্রমাণাদি (কিন্তু প্রতিবেদন ব্যতিত প্রমাণ নহে) মামলার প্রমাণ এবং নথির অংশরূপে গণ্য হবে, কিন্তু আদালত বা আদলতের অনুমতি ক্রমে মামলার কোন পক্ষ কমিশনারকে প্রকাশ্য আদালতে ব্যক্তিগতভাবে তাহার নিকট অর্পণ করা হয়েছিল বা তার প্রতিবেদনে উল্লেখিত হয়েছে, এমন সব বিষয় সম্পর্কে বা তার প্রতিবেদন সম্পর্কে অথবা যে পদ্ধতিতে তিনি তদন্ত করেছেন সেই সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।
(৩) যে ক্ষেত্রে আদলত কমিশনারের কার্যক্রম সম্পর্কে কোন কারণে অসন্তষ্ট হন, সেক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
⇒ Order 26, Rule 10 – Code of Civil Procedure, 1908.
Procedure of Commissioner:
(1) The Commissioner, after such local inspection as he deems necessary and after reducing to writing the evidence taken by him, shall return such evidence, together with his report in writing signed by him to the Court.
Report and depositions to be evidence in suit:
(2) The report of the Commissioner and the evidence taken by him (but not the evidence without the report) shall be evidence in the suit and shall form part of the record; but the Court or, with the permission of the Court, any of the parties to the suit may examine the Commissioner personally in open Court touching any of the matters referred to him or mentioned in his report, or as to his report, or as to the manner in which he has made the investigation.
Commissioner may be examined in person:
(3) Where the Court is for any reason dissatisfied with the proceedings of the Commissioner, it may direct such further inquiry to be made as it think fit.
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি ৪ অনুসারে,
নিম্নোক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারেন [Persons for whose examination commission my issue]:
i) এমন ব্যক্তি যে আদালতের অধিক্ষেত্রের সীমানার বাইরে বসবাস করে;
ii) সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্ধারিত তারিখের পূর্বে সে ব্যক্তি অধিক্ষেত্রের সীমানার বাইরে চলে যাবে;
iii) প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি; যার পক্ষে আদালতে উপস্থিত হলে জনস্বার্থের ক্ষতি হতে পারে।
ব্যাখ্যা
(১) এই আইন, বা প্রচলিত অন্য কোনো আইন, কিংবা কোনো চুক্তিতে ভিন্ন কিছু থাকলেও, কোনো অকৃষি প্রজা (non-agricultural tenant) তার ভাড়া নেওয়া জমির পুরোটা বা কোনো অংশ অন্য কাউকে কোর্ফা পত্তন দিতে পারবে না- যে কোনো শর্তেই হোক না কেন।
(২) যদি কেউ এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে তার ভাড়াকৃত জমি বা তার কোনো অংশ কোর্ফা পত্তন করে, তাহলে-
- সেই প্রজার জমির ওপর অধিকার বাতিল (extinguished) হয়ে যাবে।
- এবং সেই জমি বা তার অংশ সকল দায়-দেনা মুক্তভাবে সরকার (প্রাদেশিক সরকার)-এর অধীনে চলে যাবে।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারা দণ্ড স্থগিত, মওকুফ ও রদবদল প্রসঙ্গে:
(১) কোন ব্যক্তি কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা দণ্ডিত ব্যক্তি যা মেনে নেয় সেই শর্তে তার দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখতে বা সম্পূর্ণ দণ্ড বা দণ্ডের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে পারবেন।
(২) যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হয় তখন যে আদালত উক্ত দণ্ড দিয়াছিলেন বা অনুমোদন করেছিলেন সেই আদালতের প্রিজাইডিং জজকে সরকার উক্ত আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিংবা মঞ্জুর করতে অস্বীকার করা উচিত, সে সম্পর্কে তার মতামত ও মতামতের কারণ বিবৃত করতে এবং এই বিবৃতির সাথে বিচারের নথির নকল অথবা যে নথি বর্তমানে আছে সেই নথির নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিবেন।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 401. Power to suspend or remit sentences:
(1) When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time without conditions or upon any conditions which the person sentenced accepts, suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment to which he has been sentenced.
(2) Whenever an application is made to the Government for the suspension or remission of a sentence, the Government, may require the presiding Judge of the Court before or by which the conviction was had or confirmed to state his opinion as to whether the application should be granted or refused, together with his reasons for such opinion and also to forward with the statement of such opinion a certified copy of the record of the trial or of such record thereof as exists.
ব্যাখ্যা
ⅰ) ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করেন;
ii) উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে;
iii) বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে।
অর্থাৎ The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী আসামীর প্রতি ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে নোটিশ প্রদান অনুমোদিত পদ্ধতি নয়।
----------------
Section 138-(1A) The notice required to be served under clasue (b) of sub-section (1) shall be served in the following manner-
(a) by delivering it to the person on whom it is to be served; or
(b) by sending it by registered post with acknowledgement due to that person at his usual or last known place of abode or business in Bangladesh; or
(c) by publication in a daily Bangla national newspaper having wide circulation.
ব্যাখ্যা
- ১৪৮ ধারার অধীন স্থানীয় অনুসন্ধানের রিপোর্ট মামলার সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। (The report of the person so deputed may be read as evidence in the case).
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 148. Local inquiry:
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid.
(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
ব্যাখ্যা
যেক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হন যে-
ক) তাঁর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন রাখার নিমিত্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাসমূহ পরিগ্রহণ করতেছেন এবং এরূপ বিশ্বাস করার হেতু বিদ্যমান যে তিনি কোন অপরাধ সম্পাদনের লক্ষ্যে এরূপ করতেছেন, বা
খ) উক্ত সীমার মধ্যে এরূপ কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জীবিকা নির্বাহের কোন প্রকাশ্য পন্থা নেই বা যে ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে পারে না, সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর উল্লিখিত পদ্ধতিতে, এরূপ ব্যক্তিকে, তিনি যেরূপ সমীচীন মনে করেন সেই প্রকার অনূর্ধ্ব এক বৎসর সময়সীমার জন্য, তার সদাচরণের জন্য, জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে, একটি মুচলেকা সম্পাদন করে দিবার জন্য কেন তাকে আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
ব্যাখ্যা
⇒ মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর সপ্তদশ অধ্যায় (আপীল ও রিভিশন)-এর অধীনে ধারা ১২৫-এ "বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি" (Alternative Dispute Resolution) এর বিস্তারিত বিধান প্রদান করা হয়েছে। এই ধারায় করদাতার বিকল্প উপায়ে (সমঝোতার ভিত্তিতে) বিরোধ নিষ্পত্তির আবেদন, সহায়তাকারী নিয়োগ, সময়সীমা গণনা, গোপনীয়তা, এবং জালিয়াতি বা ফৌজদারি অপরাধ জড়িত বিরোধের বর্জন ইত্যাদি বিষয়ে বিধান রয়েছে।
- অর্থাৎ মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর সপ্তদশ অধ্যায়-এ আপীল ও রিভিশন সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এই অধ্যায়েরই ধারা ১২৫-এ "বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি" (Alternative Dispute Resolution - ADR) সম্পর্কে বিশেষ বিধান সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা
Article 63: War:
(1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.
অনুচ্ছেদ ৬৩: যুদ্ধ:
(১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না।
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিলে পুনঃশুনানি:
১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন। বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে কা পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।
২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
ব্যাখ্যা
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর, তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
তবে শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না। আরও শর্ত এই যে- যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লেখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন, তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য, তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
ব্যাখ্যা
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-21 Rule-11 Oral application:
-(1) Where a decree is for the payment of money the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant if he is within the precincts of the Court.
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫-এর ব্যাখ্যায় (Explanation) অনুসারে, এই ধারা কোনো ব্যক্তিকে এমন কোনো ফ্যাক্টের সাক্ষ্য দেওয়ার অধিকার প্রদান করে না যা সে বর্তমানে কার্যকর দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের (Code of Civil Procedure) যেকোনো বিধান দ্বারা প্রমাণ করতে অযোগ্য বা নিষিদ্ধ।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:
কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।
ব্যাখ্যা: দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।
--------------
⇒The Evidence Act,1872: Section 5. Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪২ক: আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়
(১) কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
Section 442A: Time for disposal of appeals and Revision
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩২(১)(খ) অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সর্বোচ্চ জরিমানার সীমা ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা। ২০২৫ সালের সংশোধনীতে পুরোনো “পাঁচ হাজার টাকা” সীমা বাড়িয়ে এ নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে (একই সংশোধনীতে প্রথম শ্রেণির জন্য ৫ লাখ ও তৃতীয় শ্রেণির জন্য ২ লাখ নির্ধারিত হয়, এবং ‘whipping’ বিলুপ্ত করা হয়)।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩২ অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটদের দণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জরিমানার সীমা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। আইনে অনুমোদিত নির্জন কারাবাস দিতে পারেন। সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা পর্যন্ত। বেত্রদণ্ড (whipping) বিলুপ্ত।
- দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা পর্যন্ত।
নোট: যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন অনুযায়ী অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড একসাথে দিতে পারেন।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
⇒ যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।
⇒ কোন মোকদ্দমায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে। কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে আদালত মামলাটির দাবী প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারে- অন্য বাদীদের সম্মতিতে।
⇒ বাদী আদালতের অনুমতি না নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে সে একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না, এবং খরচ প্রদানের জন্য দায়ী হবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-২ এর বিধান প্রথম মোকদ্দমা দ্বারা তামাদি আইন প্রভাবিত হয় না:- পূর্ববর্তী বিধির অধীনে আদালতের অনুমতিক্রমে যদি নূতনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করা হয়, তবে প্রথম মোকদ্দমাটি রুজু করা না হলে বাদি তামাদি আইন দ্বারা যেরূপ বাধ্য হত, ঠিক একই পদ্ধতিতে বাধ্য হবে।
⇒ Order 23 Rule.-2: Limitation law not affected by first suit:- In any fresh suit instituted on permission granted under the last preceding rule, the plaintiff shall be bound by the law of limitation in the same manner as if the first suit had not been instituted.
ব্যাখ্যা
- সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
⇒ The Civil Courts Act,1887 এর ৩ ধারায় ৫ প্রকার দেওয়ানি আদালতের কথা উল্লেখ আছে।
ব্যাখ্যা
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ২৮২ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি একটি জলযানে অস্বাভাবিকভাবে বা অতিরিক্ত ভারী করে মানুষ পরিবহন করে, তার সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড হতে পারে।
ব্যাখ্যা
কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কোন বেআইনি সমাবেশ সার্বক্ষণিক শান্তি সম্ভবতঃ বিঘ্ন করবে এমন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির এমন কোন সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার হুকুম দিতে পারেন; এবং তখন জনসমাবেশ সদস্যদের কাজ হবে সেই অনুসারে ছত্রভঙ্গ হওয়া।
[Any Executive Magistrate or officer in charge of a police-station may command any unlawful assembly, or any assembly of five or more persons likely to cause a disturbance of the public peace, to disperse; and it shall thereupon be the duty of the members of such assembly to disperse accordingly.]
ব্যাখ্যা
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।
Section 531: Proceedings in wrong place-
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
ব্যাখ্যা
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।
Section 18: Effect of fraud
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ বিধি-৬: অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে বা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকে তবে যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায়সঙ্গত এবং পর্যাপ্ত কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়ে, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের উপর এর বিবেচনামত উপযুক্ত পদ্ধতি এবং শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কর্তৃক বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে।
[The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.]
ব্যাখ্যা
অর্থাৎ, শুধুমাত্র ডাকাতির জন্য মৃত্যুদণ্ড প্রযোজ্য নয় তবে অন্যান্য গুরুতর পরিস্থিতিতে, যেমন ডাকাতির সময় হত্যা করা হলে (৩৯৬ ধারা), তখন মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারার বিধান ডাকাতির সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 395. Punishment for dacoity:- Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
ব্যাখ্যা
⇒ “পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা” (Canons of Professional Conduct and Etiquette) – যা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত – এর মোট ৪টি অধ্যায় রয়েছে। এগুলো হলো:
- ১. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to other advocates)
- ২. মক্কেলদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to clients)
- ৩. আদালতের প্রতি কর্তব্য (Duty to the court)
- ৪. জনসাধারণের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to the public generally)
সুতরাং প্রশ্নের উত্তর: গ) ৪টি।
⇒ Canons of Professional conduct & Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় আছে।
যথা-
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ।
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ।
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য।
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ।
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কোন দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে;
১. কোনো ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করতে [with intent to cause damage or injury]; বা
২. কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে [to support any claim or title]; বা
৩. কোনো ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে [to cause any person to part with property]; বা
৪. কোনো লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে [to enter into any express or implied contract]; বা
৫. প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে বা প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে [with intend to commit fraud or fraud may be committed]।
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা ৮৯ক(১): মধ্যস্থতা (Mediation):
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (আইন নং ৮, ২০০৩)–এর অধীন মামলাগুলি ছাড়া, যে কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমায় লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিলের পর, যদি উভয় পক্ষ (বাদী ও বিবাদী) নিজে বা তাদের উকিলের মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত থাকে,
তাহলে আদালত শুনানি স্থগিত করে (adjourn the hearing) মামলার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা (mediation) করার ব্যবস্থা করবে।
এই মধ্যস্থতার উদ্দেশ্যে আদালত- নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে, অথবা মামলাটি পাঠাতে পারে আইনগত সহায়তা কর্মকর্তা (Legal Aid Officer)-এর নিকট, যিনি আইনগত সহায়তা আইন, ২০০০ (আইন নং ৬, ২০০০) অনুসারে নিয়োজিত, অথবা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের নিযুক্ত উকিলগণের নিকট, অথবা যেসব ক্ষেত্রে কোনো উকিল নিযুক্ত নেই, সেখানে পক্ষগণ নিজেরাই, অথবা জেলা জজ কর্তৃক প্রণীত প্যানেলভুক্ত কোনো মধ্যস্থতাকারী (mediator)–এর নিকট, মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করার জন্য রেফার করতে পারেন।
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ অনুযায়ী "Culpable homicide" বাংলায় "দোষসিদ্ধ নরহত্যা" বা "শাস্তিযোগ্য নরহত্যা" হিসেবে পরিচিত। এটি এমন একটি অপরাধ যেখানে-ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটানো হয়, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন শারীরিক আঘাত করা হয় যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে, অথবা জ্ঞানসহকারে এমন কাজ করা হয় যা থেকে মৃত্যু ঘটার সম্ভাবনা থাকে।
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
- ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
- ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
- ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 299. Culpable homicide:
Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ মতে, কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-
- আত্মহত্যা করেছে, অথবা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে।
- তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য কোনো পুলিশ কর্মকর্তা সুরতহাল তদন্তের জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন এবং মৃত ব্যক্তির লাশ যেখানে রয়েছে সেই স্থানে গিয়ে দুই বা ততোধিক স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত চালাবেন।
-তখন পুলিশ উক্ত মৃত ব্যক্তির দেহের জখম, অস্থিভঙ্গ বা থেতলে যাওয়া এবং অন্যান্য জখমের চিহ্ন সম্পর্কে বর্ণনা করবে এবং যে উপায়ে বা অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা উক্ত জখমের চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয় তার উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report).
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-174: Police to inquire and report on suicide, etc.
(1) The officer in charge of a police-station or some other police-officer specially empowered by the Government in that behalf, on receiving information that a person-
(a) has committed suicide, or
(b) has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident, or
(c) has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence,
shall immediately give intimation thereof to the 204[nearest Executive Magistrate] empowered to hold inquests, and, unless otherwise directed by any rule prescribed by the Government, or by any general or special order 205[of the District Magistrate], shall proceed to the place where the body of such deceased person is, and there, in the presence of two or more respectable inhabitants of the neighborhood, shall make an investigation, and draw up a report of the apparent cause of death, describing such wounds, fractures, bruises and other marks of injury as may be found on the body, and stating in what manner, or by what weapon or instrument (if any), such marks appear to have been inflicted:
Provided that, unless the Government otherwise directs, it shall not be necessary under this sub-section, in any case where the death or any person has been caused by enemy action, to make any investigation or to draw up any report or to send any intimation to a Magistrate empowered to hold inquests.
(2) The report shall be signed by such police-officer and other persons, or by so many of them as concur therein, and shall be forthwith forwarded to the District Magistrate.
(3) When there is any doubt regarding the cause of death, or when for any other reason the police-officer considers it expedient so to do, he shall, subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, forward the body, with a view to its being examined, to the nearest Civil Surgeon, or other qualified medical man appointed in this behalf by the Government, if the state of the weather and the distance admit of its being so forwarded without risk of such putrefaction on the road as would render such examination useless.
(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government or the District Magistrate.
ব্যাখ্যা
- যদি বিবাদী জামানত না দেয় বা কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয়: আদালত তখন তাকে দেওয়ানী কারাগারে সোপর্দ করতে পারেন।
- এই হেফাজত থাকবে: মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অথবা যদি ডিক্রি হয়, তবে ডিক্রি সম্পূর্ণ পরিতুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত।
- তবে এক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে: সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত হেফাজতে রাখা যাবে। যদি মামলার মূল্য ৫০ টাকার কম হয়, তবে সর্বোচ্চ ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত রাখা যাবে। বিবাদী যদি পরবর্তীতে আদেশ অনুযায়ী জামানত প্রদান করে, তবে তাকে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দিতে হবে।
⇒ অর্থাৎ বিবাদী যদি আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে জামানত জমা না দেন, তবে আদালতের অধিকার আছে তাকে দেওয়ানী কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়ার, কারণ এটি আদালতের রায় কার্যকর করার একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪ যেক্ষেত্রে বিবাদী জামানত প্রদানে বা নুতন জামানত দিতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে কার্য পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে বিবাদী ২ বা ৩ বিধি অনুসারে কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত মামলায় সিদ্ধান্ত প্রদান না করা পর্যন্ত বা যেক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রি পরিতুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তাকে দেওয়ানী কারাগারে সোপর্দ করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, অত্র বিধি অনুসারে কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক সময় কারাগারে আটক রাখা চলবে না, কিংবা মামলার বিষয়বস্তুর পরিমাণ বা মূল্য পঞ্চাশ টাকার অনুদ্ধ হলে, সেক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহের অধিকা সময়ের জন্য:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি উক্ত আদেশ পালন করার পর তাকে অত্র বিধির অধীনে কারাগারে আটক রাখা যাবে না।
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-38 Rule-4. Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security:
Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied:
Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months, nor for a longer period than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka:
Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
ব্যাখ্যা
- এই প্রশ্নে Y চুরির ঘটনার সময় অন্যত্র ছিল বলে দাবী করায় তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.