বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৪২ / ১৫৫ · ৪,১০১৪,২০০ / ১৫,৪৭০

৪,১০১.
"Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court." This provision relates to-
  1. Section 157
  2. Section 150
  3. Section 151
  4. Section 152
ব্যাখ্যা
Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
৪,১০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায়, কোন ব্যক্তির জন্য খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা ৬০ দিন?
  1. আসামি
  2. আদালত
  3. অভিযোগকারী
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে;
২- দায়রা জজের নিকট।

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর;
২. অভিযোগকারী।

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, 
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
৪,১০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৫ বিধি ১ অনুসারে, প্রথম শুনানিতে যদি দেখা যায় যে পক্ষগুলি কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধে নেই, তবে আদালত কী করতে পারেন?
  1. তখনই রায় দিতে পারেন
  2. মামলা স্থানান্তর করতে পারেন
  3. মামলা খারিজ করতে পারেন
  4. আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ স্থগিত করতে পারেন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৫ বিধি ১ অনুসারে, মোকদ্দমার প্রাথমিক শুনানিতে যদি দেখা যায় যে পক্ষগণের মধ্যে কোনো তথ্যগত বা আইনগত প্রশ্নে বিতর্ক বা বিরোধ নেই, তবে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারে। এটি মোকদ্দমার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করে এবং সময় ও সম্পদ সাশ্রয় করে, যেহেতু কোনো বিতর্কিত ইস্যু না থাকলে আরও শুনানির প্রয়োজন হয় না।
------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-15, Rule-1.- Parties not at issue:
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.

৪,১০৪.
চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সমন্বয়িত হলে, আদালত আদেশ ২৩ বিধি-৩ এর অধীন-
  1. আপসের বিষয়টি বাদির কাছে পাঠাবে
  2. আপসের বিষয়টি পুনরায় বিচার করবে
  3. আপসের বিষয়টি নতুনভাবে শুনানির জন্য উপস্থাপন করবে
  4. আপসের বিষয়টি লিপিবদ্ধ করবে এবং ডিক্রি প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৩ বিধি-৩: মোকদ্দমার আপস:
যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসঙ্গত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।

Rule-3: Compromise of suit-
Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the the plantiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
৪,১০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালত খালাস প্রদান করেন?
  1. ২৬৫চ ধারা
  2. ২৬৫জ ধারা
  3. ২৬৫ট ধারা
  4. ২৬৫ঘ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫জ ধারার বিধান-খালাস:
- বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং বাদীপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করার পর আদালত যদি মনে করেন যে, আসামি অপরাধ করেছে এরূপ কোন সাক্ষ্য নাই তাহলে আদালত আসামিকে খালাস দেওয়ার আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন। 
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265H: Acquittal:
- If, after taking the evidence for the prosecution, examining the accused and hearing the prosecution and the defence on the point, the Court considers that there is no evidence that the accused committed the offence, the Court shall record an order of acquittal.
৪,১০৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারায় কোন আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. The Contract Act, 1872
  2. The Limitation Act, 1908
  3. The Registration Act, 1908
  4. The Transfer of Property Act, 1882
ব্যাখ্যা
• Section 4- Savings: Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.

• এই অনুচ্ছেদটি এই আইনের প্রয়োগসীমা নির্ধারণ করছে। এর প্রধান বিষয়গুলি হল:
(a) এই আইন যে সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে, চুক্তি ব্যতীত অন্য কোনো সমঝোতা/আইনিদৃষ্টিতে বাধ্যবাধকতা না থাকলে তার বিষয়ে কোনো প্রতিকারের অধিকার প্রদান করবে না।
(b) এই আইন কাউকে নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ব্যতীত অন্য কোনো চুক্তিজনিত প্রতিকারের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে না।
(c) এই আইন 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন এবং নথিপত্রের উপর তার প্রভাব রাখবে না।

সংক্ষেপে, এই আইন শুধুমাত্র চুক্তিভিত্তিক বিষয়গুলিতে প্রযোজ্য হবে এবং অন্যান্য চুক্তিগত প্রতিকারের অধিকারগুলি অক্ষুণ্ন থাকবে। তবে নথিপত্রের রেজিস্ট্রেশনের বিষয়ে 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইনই কার্যকর থাকবে।
৪,১০৭.
বার কাউন্সিল অর্ডার এর অনুচ্ছেদ ২১(১)(a) অনুসারে, হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করার জন্য অ্যাডভোকেটকে নিম্ন আদালতে কত বছরের প্র্যাকটিস অভিজ্ঞতা থাকতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ২১ নং আর্টিকেলে বলা আছে যে নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার অনুমতি পাবে না।
- অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার জন্য নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
-------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-21. (1) No advocate other than an advocate permitted to practise before the High Court immediately before the commencement of this Order shall be permitted to practise before the High Court unless-
(a) he has practised as an advocate before subordinate courts in Bangladesh for a period of two years;
(b) he is a law graduate and has practised as an advocate before any High Court outside Bangladesh notified by the Government in the official Gazette;
(c) he has, for reason of his legal training or experience, been exempted by the Bar Council from the foregoing requirements of this clause on the basis of the prescribed criteria.
(2) Permission to practise before the High Court shall be given in the form prescribed by the Bar Council on proof that the fee prescribed under Article 22 has been paid and that the relevant condition laid down in clause (1) are duly satisfied.

৪,১০৮.
‘চ’এর যে রাস্তায় চলাচলের অধিকার আছে সে পথে ‘ক’ বিঘ্ন সৃষ্টি করে। এতে ‘চ’ এর চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় ‘ক'এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. অন্যায় আটক
  2. অন্যায় অর্পণ
  3. অবৈধ বাধা
  4. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৩৯ ধারায় বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তির যেদিকে যাওয়ার অধিকার আছে তাকে সেইদিকে যেতে ইচ্ছাকৃত ভাবে বাঁধা দেওয়া হলে তাকে অন্যায়ভাবে বাঁধা বা অবৈধ বাঁধা (Wrongful restraint) প্রদান করা হয়েছে বলা হবে।
৪,১০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
  1. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  3. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত কর্তৃক অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  4. ক এবং খ ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। যদি স্মল কজ কোর্ট বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ও বিধি ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতে প্রযোজ্য হবে না তা ৭ ধারায় বলা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
⇒ ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমা;
⇒ এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রি জারি; এবং
⇒ স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারি

তবে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা; ৯১ ও ৯২ ধারা; ২৪ ও ৯৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইনজাংশন, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান এবং ৯৬ থেকে ১১২ ও ১১৫ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
৪,১১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারা কোন বিষয়ে সম্পর্কিত?
  1. জেলা আদালতের বিচার ক্ষমতা
  2. বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ ও ক্ষমতা
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ ও ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারা- নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।

(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।

(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।

(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।

(৫) সরকার সমীচীন প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।

(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
৪,১১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কী ধরনের প্রতিকার?
  1. এটি একটি ফৌজদারি প্রতিকার
  2. এটি সাধারণ ক্ষতিপূরণের প্রতিকার
  3. এটি শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণের প্রতিকার
  4. এটি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ দেওয়ানী প্রতিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বা Specific Relief বলতে ঐ সকল প্রতিকারকে বোঝায়, যা কোন ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিধান অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে পাওয়ার অধিকারী। 
⇒ আর্থিক ক্ষতিপূরণ অনেক ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত ও অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিকার হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে। এক্ষেত্রে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে যে প্রতিকার মঞ্জুর করে তাকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলে।
⇒ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলতে একটি বিশেষ ধরনের আইনগত প্রতিকারকে (Legal redress) বুঝায় যা অন্যান্য প্রতিকার থেকে ভিন্ন।
-এই জন্য বলতে পারি যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলতে আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ ধরনের প্রতিকারকে বুঝায়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের  মাধ্যমে।
-----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 5 Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
৪,১১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলটি বাতিল?
  1. ৪র্থ
  2. ৩য়
  3. ২য়
  4. ১ম
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:

১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল।

২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।

৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

৪,১১৩.
দণ্ডবিধির ২৮০ ধারার ক্ষেত্রে কোনটি অপরিহার্য নয়?
  1. নৌযান চালানো
  2. মানুষের মৃত্যু
  3. অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণ
  4. জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) মানুষের মৃত্যু।

দণ্ডবিধির ২৮০ ধারায় অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য মানুষের মৃত্যু হওয়া অপরিহার্য নয়। বরং নৌযান বেপরোয়াভাবে বা অবহেলায় চালানোর ফলে মানুষের জীবন বিপন্ন হওয়া বা আঘাতের আশঙ্কা সৃষ্টি হওয়াই যথেষ্ট।

দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা- বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা:
কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবহেলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 280. Rash navigation of vessel:
Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৪,১১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৫(১) অনুযায়ী নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৫(১) অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়েই তাদের বিচারিক এখতিয়ারাধীন অধীনস্থ কোনো ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম বা রায়, দণ্ড, আদেশের বৈধতা ও সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য নথি তলব করতে পারেন। তবে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষমতা রাখেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারি আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:-
-(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.
৪,১১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, মধ্যস্থতার ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত কোন আদেশ অনুসরণ করে?
  1. আদেশ ২০
  2. আদেশ ২১
  3. আদেশ ২৩
  4. আদেশ ৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, যদি আদালতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপোষ-মীমাংসা হয়, তাহলে আদালত Order XXIII (আদেশ ২৩) অনুসারে আপোষ-ডিক্রি প্রদান করে।
এছাড়াও, ধারা ৮৯ক(১২) অনুযায়ী, এইরূপ ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা রিভিশন গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার বিধান মতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা।
- ধারা-৮৯ক(৫): মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
- আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 89A(12): No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of a settlement between the parties under this section.
(13) Nothing in this section shall be deemed to otherwise limit the option of the parties regarding withdrawal, adjustment and compromise of the suit under Order XXIII of the Code. 

Explanation-(1) "Mediation" under this section shall mean flexible, informal, non-binding, confidential, non-adversarial and consensual dispute resolution process in which the mediator shall facilitate compromise of disputes in the suit between the parties without directing or dictating the terms of such compromise. 
(2) "Compromise" under this section shall include also compromise in part of the disputes in the suit.
৪,১১৬.
বিকাশকে আদালত কর্তৃক দেওয়ানি কার্যবিধির ৩০ ধারায় সমন প্রদান করা হয়েছে। আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে কী ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানার আদেশ
  2. গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করার আদেশ
  3. তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করার আদেশ
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে-
সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
৪,১১৭.
M, P-কে একটি ছবি আঁকার প্রতিশ্রুতি দেয়। এই প্রতিশ্রুতি কে সম্পাদন করতে পারবে?
  1. যে কেউ
  2. M নিজে
  3. M-র প্রতিনিধি
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০: প্রতিশ্রুতি কে সম্পাদন করবে-
যদি কোনো চুক্তির প্রকৃতি দেখে বোঝা যায় যে চুক্তির প্রতিশ্রুতি প্রস্তাবকারী (promisor) নিজেই সেই প্রতিশ্রুতি সম্পাদন করবেন, তাহলে তিনি নিজেই তা সম্পাদন করতে বাধ্য।
তবে, যদি এমন ইচ্ছা না থাকে, তাহলে প্রস্তাবকারী বা তার প্রতিনিধি, যোগ্য কোনো ব্যক্তি নিয়োগ করে প্রতিশ্রুতি সম্পাদন করাতে পারেন।

উদাহরণ (Illustrations):
(a) A, B-কে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। A চাইলে নিজে অথবা অন্য কাউকে দিয়ে B-কে টাকা দিতে পারেন। যদি A মারা যায়, তবে তার প্রতিনিধি ঐ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য।
(b) A, B-র জন্য একটি ছবি আঁকার প্রতিশ্রুতি দেয়। এক্ষেত্রে A নিজেই প্রতিশ্রুতি সম্পাদন করতে হবে — অন্য কেউ পারবে না।
৪,১১৮.
The Penal Code, 1860 কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৮৬০ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৬২ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
• ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরূপ:-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকলে।
ii) সদস্য- মি: ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মি: এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মি: মিলার।

- ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে থেকে কার্যকর হয়।
- যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।

⇒ অর্থাৎ ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয়, যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ‘Indian Penal Code’ নামে কার্যকর হয়।
৪,১১৯.
The Limitation Act, 1908-এর ২৪ ধারা অনুসারে, বিশেষ ক্ষতি ছাড়া কোনো কার্য যা মামলার কারণ সৃষ্টি করে না, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা করা হয় কখন থেকে?
  1. কার্য সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে
  2. ক্ষতি সৃষ্টি হওয়ার দিন থেকে
  3. আদালতের নির্দেশ অনুসারে
  4. মামলা দায়ের করার দিন থেকে
ব্যাখ্যা
উত্তর: (খ) ক্ষতি সৃষ্টি হওয়ার দিন থেকে। 
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ২৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো কার্য কেবল তখনই মামলার কারণ সৃষ্টি করে যখন তা থেকে প্রকৃত ক্ষতি হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ সেই ক্ষতি সংঘটিত হওয়ার সময় থেকে গণনা করা হবে।

উদাহরণ:
- একজন ব্যক্তি জমির উপরের স্তরের মালিক, আর অন্যজন নিচের স্তরের মালিক। নিচের স্তরের মালিক মাটির নিচ থেকে কয়লা উত্তোলন করলেন, কিন্তু এতে জমির উপরিভাগে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষতি হলো না। পরে একদিন, জমির উপরিভাগ ধসে পড়ল।
- এই ক্ষেত্রে, জমির মালিক যখনই ধসের কারণে প্রকৃত ক্ষতির সম্মুখীন হলেন, তখন থেকেই তামাদির মেয়াদ শুরু হবে।

→ অর্থাৎ কোনো কার্য তাৎক্ষণিকভাবে মামলার কারণ সৃষ্টি না করলে, বরং পরে ক্ষতি হলে, তখন তামাদির গণনা সেই ক্ষতির সময় থেকে শুরু হয়।
৪,১২০.
পুলিশ অফিসার সাক্ষিদের মৌখিক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন কত ধারায়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৫ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় পুলিশ অফিসার কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষার বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনাকারী কোন পুলিশ অফিসার মামলার সাথে পরিচিত যে কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে বা জবানবন্দী রেকর্ড করতে পারে।
৪,১২১.
দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করে, তাহলে তার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা ২০০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়।

→ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জানে যে সে যে যন্ত্রটি ব্যবহার করছে তা মিথ্যা, এবং সে এই যন্ত্রটি প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহার করে, তবে তাকে ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি দেওয়া হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা- ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা:
কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 264- Fraudulent use of false instrument for weighing:
Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৪,১২২.
নিম্নে বর্ণিত তামাদি আইনের কোন ধারা বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ৪ ধারা
  2. ৫ ধারা
  3. ১৮ ধারা
  4. ২২ ধারা
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-

(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন

বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
৪,১২৩.
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী, যদি বিবাদীর বিরুদ্ধে সমন যথাযথভাবে জারি না হয়, তাহলে আদালত -
  1. মামলাটি খারিজ করবে
  2. একতরফা ডিক্রি প্রদান করবে
  3. পুনরায় সমন জারির আদেশ দেবে
  4. বাদীকে ক্ষতিপূরণ দিতে বলবে
ব্যাখ্যা
একতরফা ডিক্রি:
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী বিবাদীর অনুপস্থিতিতে যে ডিক্রি প্রদান করা হয় তাহলো এক তরফা ডিক্রি। যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী হাজির হয় কিন্তু বিবাদী হাজির হয়না, সেই ক্ষেত্রে যদি এটা প্রমাণ করা যায় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথাযথভাবে জারি করা হয়েছিল, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা বিচার করতে পারবে বা আদালত একতরফা ডিক্রি দিতে পারবে। আর যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথারীতি জারি করা হয়নি, তাহলে আদালত বিবাদী বরাবর দ্বিতীয় বার সমন জারির আদেশ দিতে পারে।

আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী, বিবাদীর হাজির না হওয়ার কারণে, আদালত একতরফা ডিক্রি দিলে, বিবাদী নিম্ন লিখিত প্রতিকার পেতে পারে-
১. বিধি ১৩ এর অধীন একতরফা ডিক্রি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
২. বিধি ১৩ক এর অধীন এবতরফা ডিক্রি সরাসরি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
৩. যেহেতু একতরফা ডিক্রি একটি ডিক্রি তাই ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল করা যেতে পারে;
৪. ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারে।
৪,১২৪.
সম্পদটি চোরাই জেনেও তা অসাধুভাবে দখলে রাখার অপরাধ বিষয়ে The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৪১০
  2. ৪১১
  3. ৩৮০
  4. ৩৭৯
ব্যাখ্যা
♦ The Penal Code, 1860 এর ৪১১ ধারার বিধান অসাধুভাবে চোরাইমাল গ্রহণ করা:  কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানা সত্ত্বেও, বা উহা চোরাই সম্পত্তি বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অসাধুভাবে অনুরূপ চোরাই সম্পত্তি গ্রহণ করে বা রেখে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৪,১২৫.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে বলবৎ কোন আইন অনুসারে কথিত কোন কাজ করা বা করা থেকে বিরত থাকার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ২ অনুসারে বলা হয়েছে:
- "For compensation for doing or for omitting to do an act alleged to be in pursuance of any enactment in force for the time being in Bangladesh —
- Limitation Period: 90 days
- Time starts from: When the act or omission takes place."
অর্থাৎ, যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের অধীনে কোনো কাজ করেন বা করতে ব্যর্থ হন এবং এর ফলে ক্ষতির অভিযোগ আসে, তাহলে ঐ কাজ বা অবহেলা সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে মামলা করতে হবে।

অর্থাৎ, যদি দেশের কোনো প্রচলিত আইনের অধীনে করা কোনো কাজ (act) বা না করা (omission) কাজের ফলে কারো ক্ষতি হয়, এবং কেউ ক্ষতিপূরণের দাবি করে—তাহলে মামলা করার জন্য সময়সীমা মাত্র ৯০ দিন।

৪,১২৬.
দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ বর্ণিত হয়েছে-
  1. The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৬ ধারায়
  2. The Civil Courts Act,1887 এর ৩ ধারায়
  3. The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৫ ধারায়
  4. The Specific Relief Act, 1877 এর ৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন, এখতিয়ার সম্পর্কে সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট,১৮৮৭ এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge];
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge];
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge];
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge];
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]।
৪,১২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুসারে, গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা কাকে গ্রেফতারের কারণ জানাবেন?
  1. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারকে
  2. থানার অফিসার-ইন-চার্জকে
  3. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে
  4. ওয়ারেন্ট জারিকারী আদালতকে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: C. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক-  গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানানো:
যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করলে, তাকে গ্রেফতার করার সময় গ্রেফতারের কারণ সেই ব্যক্তিকে জানাতে হবে।

Section 54A- Person arrested to be informed of reason of arrest: 
Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

৪,১২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় কোনো পক্ষ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসেবে কী প্রতিকার চাইতে পারে?
  1. চুক্তি রদ
  2. চুক্তি সংশোধন
  3. চুক্তি পরিবর্তন
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

এই ধারায় বলা হয়েছে,
একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা দায়েরকারী বাদী বিকল্প প্রার্থনা জানাতে পারে যে, চুক্তিটি যদি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না যায়, তাহলে তা বাতিল করা হোক। আদালত যদি চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে অস্বীকার করেন, তাহলে তা রদ করার এবং সেই অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।
৪,১২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় তল্লাশি কার্যক্রমে সাক্ষী উপস্থিতির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১০১
  2. ধারা ১০২
  3. ধারা ১০৩
  4. ধারা ১০৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩-এ তল্লাশি কার্যক্রম চালানোর সময় স্থানীয় দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত রাখার বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশি কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশি করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশি করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশির সাক্ষী হওয়ার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশি করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশি করার সময় যে-সব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যে-সব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈরি করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশি দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
৪,১৩০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৮ এর অধীন আদালত রায়ের পূর্বে কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. Arrest
  2. Attachment
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৩৮ অনুযায়ী আদালত ২ ধরনের আদেশ দিতে পারে-
১. রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment);
২. রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment).      .

রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment):
এই আদেশে বিবাদী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী ব্যক্তি মামলার রায় পাওয়ার পর দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বা তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন এবং বাদীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্য রাখেন, তাহলে আদালত বিবাদীকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারে। এই আদেশের লক্ষ্য হল বিবাদী ব্যক্তিকে আদালতের আওতায় রাখা যাতে রায়ের পরে তিনি পালিয়ে যেতে না পারেন।

রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment):
এই আদেশে বিবাদীর সম্পত্তি আটক বা জব্দ করা হয়। যদি আদালত এমন সন্দেহ করে যে, বিবাদী তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন বা নষ্ট করতে পারেন যাতে বাদী রায় পেলেও ক্ষতিপূরণ পাওয়া না যায়, তাহলে আদালত বিবাদীর সম্পত্তি আটক করার আদেশ দিতে পারে। এর উদ্দেশ্য হল বিবাদীকে তার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা না যাতে বাদী রায় পেলে সেখান থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভব হয়।
৪,১৩১.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১০ ধারায় আটককৃত ব্যক্তির আটকের কারণ কার নিকট পেশ করার বিধান রয়েছে?
  1. সরকারের
  2. হাইকোর্ট বিভাগের
  3. উপদেষ্টা বোর্ডের
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৯ ধারায় সরকার উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করতে পারে। উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন। ২ জন এমন ব্যক্তি হবে যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিল বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এবং অপর ব্যক্তি হবে বাংলাদেশ সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা। যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এমন ব্যক্তিকে সরকার উক্ত বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন।
 
ধারা ১০ অনুযায়ী,
আটকের তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে সরকার আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে। ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখতে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন সরকার কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১২০ দিন আটক রাখতে পারে। ১২০ দিনের অতিরিক্ত আটক রাখতে হলে উপদেষ্টা বোর্ডের মতামত অনুযায়ী রাখতে হবে। আটকের তারিখ হতে ১৭০ দিনের মধ্যে উপদেষ্টা বোর্ড ইহার রিপোর্ট সরকারের নিকট দাখিল করবে।
৪,১৩২.
অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুসারে, বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধান করা হয়—
  1. শুধুমাত্র সুপ্রীম কোর্টের মাধ্যমে
  2. জাতীয় সংসদ কর্তৃক সরাসরি
  3. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক, প্রধান বিচারপতির পরামর্শে
  4. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক, সুপ্রীম কোর্টের পরামর্শে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৬: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

[Control and discipline of subordinate courts-
The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.]
৪,১৩৩.
জেলা জজের আপিল এখতিয়ারবলে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?
  1. আপিল
  2. রেফারেন্স
  3. রিভিশন
  4. রিভিউ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
♦আপিল (Appeal)-
মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে। আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন। 

♦রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। 

দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের শর্ত- 
♦কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।

♦কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে একবার আপিল করা হলে উক্ত আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিশন করা যায়, কেননা দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২য় আপিলের বিধান নেই।

♦সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদি (মূল) এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত ( সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, এবং যুগ্ম জেলা জজ) প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল শ্রবণের জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত আদালতে ( জেলা জজ বা হাইকোর্টে) আপীল দায়ের করা যাবে। আপীলে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যায়না। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের কোন বিধান নেই।

♦যেহেতু জেলা জজ আপীল এখতিয়ারবলে ডিক্রি দিয়েছে অর্থাৎ মূল মোকদ্দমায় ডিক্রি দেয়নি, তাই এই ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যাবে না। কিন্তু দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী মূল মোকদ্দমায় বা আপীলে প্রদত্ত যে সকল আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না, সেই সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়। জেলা জজের আপীল এখতিয়ারবলে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করা যাবে
৪,১৩৪.
তামাদি আইনের কত ধারায় নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ১২ ধারায়
  2. ১৩ ধারায়
  3. ১৪ ধারায়
  4. ১৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৬ ধারায় নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-
’ডিক্রি জারির জন্য কোন সম্পত্তি বিক্রয়’ অর্থাৎ নিলাম বিক্রয় রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা হলে, মামলা যতদিন চলবে সেই সময় নিলাম গ্রহীতার বা যিনি নিলাম কিনেছেন তার উক্ত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে, তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
-----------------------------
⇒The Limitation Act, 1908 Section-16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending:
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৪,১৩৫.
যুদ্ধের কারণে কোন চুক্তি পালন অসম্ভব হয়ে পড়া- নিচের কোন নীতিটি নির্দেশ করে?
  1. Doctrine of election
  2. Doctrine of priority
  3. Doctrine of Lispendens
  4. Doctrine of frustration
ব্যাখ্যা
⇒ ব্যর্থতা তত্ত্ব (The Doctrime of Frustration): যখন একটি চুক্তির উদ্দেশ্য আর কোনভাবেই সম্পাদন বা বাস্তবায়ন করা যায় না, তখন আদালত চুক্তির পরিসমাপ্তি হয়েছে বলে ঘোষণা দিতে পারে, এরূপ ঘোষণাকে ব্যর্থতার তত্ত্ব বলা হয়।
- এ্যানসন (Anson) সকল আইন ব্যবস্থাতেই চুক্তি পালনের নিয়মের পাশা-পাশি চুক্তি অবসানের বিধানও থাকে, যদি অবস্থা বিশেষের পরিবর্তনের ফলে চুক্তির পালন আইনত কিংবা বাস্তবে অসম্ভব হয়।

ব্যর্থতার তত্ত্ব সম্পর্কে বৃটেনের আইন: ১৮৬৩ সালের পূর্বে বৃটিশ Common Law অনুযায়ী চুক্তিতে বিপরীত মর্মে কোন শর্ত না থাকলে চুক্তির সংশিষ্ট পক্ষসমূহ চুক্তি পালনের অসম্ভাব্যতাকে চুক্তির পরিসমাপ্তির কারণ বলে আত্মপক্ষ সমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারতো না। অর্থাৎ সকল চুক্তি আক্ষরিক অর্থে প্রযোজ্য হতো এবং সকল পক্ষই চুক্তি সম্পাদন করতে সর্বোতভাবে বাধ্য থাকতো।

- ১৮৬৩ সালের পর ব্যর্থতা তত্ত্বের প্রচলন শুরু হয় এবং এই তত্ত্বানুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে আদালত ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে রেহাই দেয়। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বৃটেনের আদালত চুক্তি নষ্ট হয়েছে বলে রায় দিতে পারে:-

ক) চুক্তির অপরিহার্য বস্তুর বিনাশ হলে;
খ) কোন উদ্দেশ্য অর্জন অসম্ভব হলে;
গ) আইনের পরিবর্তন হলে;
ঘ) পূর্বশর্ত পালনে ব্যর্থ হলে:
ঙ) মৃত্যু বা ব্যক্তিগত ক্ষমতা বিনষ্ট হলে; এবং
চ) যুদ্ধ ঘোষিত হলে।

- ব্যর্থতা তত্ত্বের ভিত্তি (Basis of the Doctrine of Furstration): বৃটেনের আইন অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যর্থতা তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তির নির্দেশ দিয়েছেন:-
১. ধারণামূলক শর্ত: কোন কোন ক্ষেত্রে এই ধারণা করা হয় যে, প্রত্যেক চুক্তি পালিত না হওয়া পর্যন্ত একটি বিশেষ বস্তু বা অবস্থার উপস্থিতি বিদ্যমান থাকা আবশ্যিক বলে মনে করা হয়, ঐ অবস্থার অস্তিত্ব থাকলেই চুক্তি সম্পাদনযোগ্য অন্যথায় নয়। সুতরাং চুক্তি পালনের জন্য উক্ত বস্তু বা অবস্থা বিদ্যমান থাকা অপরিহার্য।
২. চুক্তির ভিত্তি ধ্বংস: যদি চুক্তিভুক্ত পক্ষসমূহের বিনা দোষে যে বস্তু বা অবস্থার উপর ভিত্তি করে চুক্তি সম্পাদন হয়েছিল, সই ভিত্তি বস্তু বা অবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তা ব্যর্থতা তত্ত্বের আওতায় আসবে।
৩. ন্যায়সঙ্গত সমাধান: চুক্তির গঠন এবং ব্যাখ্যার প্রকৃতি দ্বারা অর্থাৎ চুক্তিতে যদি এমন শর্ত বা অবস্থার উলে-খ থাকে যা ঘটলে চুক্তি বাতিল হবে, সেক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত অর্থ দ্বারাই ন্যায়সঙ্গত সমাধান হবে অর্থাৎ চুক্তি বাতিল হবে।
৪. শর্তের পরিবর্তন: যে ক্ষেত্রে আদালত দেখতে পায় যেসব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটি চুক্তি পালনীয় হবে যেসব অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে এবং এই পরিবর্তনের জন্য কোন পক্ষই দায়ী ছিল না। সেক্ষেত্রে চুক্তি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৪,১৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে জেলা পর্যায়ে কয় ধরণের বিচারিক আদালতের কথা বলা আছে?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগ: (১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:

(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ (i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ

(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;

(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;

(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট:

(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।

-------------------------------------------------
♦ Classes of Criminal Courts
Section 6.(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
 
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
৪,১৩৭.
কোন ব্যক্তিকে তার যে দিকে গমনের অধিকার রয়েছে, তাকে সেই দিকে গমনে স্বেচ্ছাকৃত বাধা দেওয়া হলে, তাকে কি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে?
  1. অবৈধ বাধাদান
  2. অবৈধ আটক
  3. তার বিরুদ্ধে বল প্রয়োগ
  4. উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒ Wrongful restraint:
Section 339. Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
⇒ Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
⇒ Illustration 
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৪,১৩৮.
According to the Interpretation clause of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh, The State doesn't include-
  1. the President
  2. the Government
  3. the Parliament
  4. statutory public authorities
ব্যাখ্যা
Article 152: Interpretation clause
“the State” includes Parliament, the Government and statutory public authorities;

অনুচ্ছেদ ১৫২:
"রাষ্ট্র" বলিতে সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ অন্তর্ভুক্ত;
৪,১৩৯.
ম্যাজিস্ট্রেট কখন ১৪৪ ধারার অধীনে প্রদত্ত আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন?
  1. স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে
  3. শুধুমাত্র উচ্চ আদালতের আদেশে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ (৪) ধারামতে,
যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 144 (4)-
Any Magistrate may, either on his own motion or on the application of any person aggrieved, rescind or alter any order made under this section by himself or any Magistrate subordinate to him, or by his predecessor in office.
৪,১৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারায় আদালত কোন ক্ষেত্রে পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান করবে?
  1. মৌখিক চুক্তি বাতিলের ক্ষেত্রে
  2. লিখিত চুক্তি বাতিলের ক্ষেত্রে
  3. লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে
  4. মৌখিক চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।

Section 32- Presumption as to intent of parties:
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
৪,১৪১.
'ক', 'খ' -এর নিকট একশ টন তেল বিক্রি করতে সম্মত হন, কিন্তু কোন ধরণের তেল তা উল্লেখ নেই। এই সম্মতি চুক্তি আইনের কত ধারা অনুযায়ী বাতিল?
  1. ধারা ২৩
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৭
  4. ধারা ২৯
ব্যাখ্যা
Contract Act, 1872- ধারা ২৯: অনিশ্চয়তার জন্য সম্মতি বাতিল-
যে সকল সম্মতির অর্থ সুনির্দিষ্ট নয়, বা সুনির্দিষ্ট করা সম্ভব নয় সেই সকল সম্মতি বাতিল।

উদাহরণ-
(ক) ক, খ এর নিকট "একশত টন তৈল" বিক্রয় করিতে সম্মত হন। ইহাতে কোন্ ধরনের তৈল বিক্রয়ের ইচ্ছা করা হইয়াছিল সেই বিষয়টি দেখানো হয় নাই। সম্মতিটি অনির্দিষ্টতার জন্য বাতিল।
৪,১৪২.
মামলার বিবাদী নাবালক হলে আদালত-
  1. মামলা স্থগিত করবেন
  2. মামলা খারিজ করবেন
  3. একতরফা ডিক্রি দিবেন
  4. উপযুক্ত ব্যক্তিকে নাবালকের পক্ষে অভিভাবক নিযুক্ত করবেন
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২ বিধি-৩ এর বিধান: নাবালক বিবাদীর জন্য আদালত কর্তৃক মোকদ্দমায় অভিভাবক নিযুক্ত হবে
যেক্ষেত্রে বিবাদী একজন নাবালক হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত নাবালকের মোকদ্দমার জন্য একজন উপযুক্ত ব্যক্তিকে অভিভাবক নিযুক্ত করবেন।
- প্রস্তাবিত অভিভাবকের মোকদ্দমার বিরোধীয় বিষয়ে নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে কোন স্বার্থ থাকবে না। 

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ আদেশের ৩ বিধি অনুসারে- বিবাদী নাবালক হলে (১৮ বছরের কম বয়স্ক) তার পক্ষে আদালত একজন অভিভাবক নিযুক্ত করবেন।
- নাবালক বিবাদীর পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অভিভাবক নিযুক্ত করেন আদালত।
৪,১৪৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র জাতীয় ভাষা, সাহিত্য ও শিল্পকলাসমূহের উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩ক
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৩
  4. অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি

রাষ্ট্র জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার রক্ষণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন এবং জাতীয় ভাষা, সাহিত্য ও শিল্পকলাসমূহের এমন পরিপোষণ ও উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন, যাহাতে সর্বস্তরের জনগণ জাতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধিতে অবদান রাখিবার ও অংশগ্রহণ করিবার সুযোগ লাভ করিতে পারেন৷

Article 23: National Culture
The State shall adopt measures to conserve the cultural traditions and heritage of the people, and so to foster and improve the national language, literature and the arts that all sections of the people are afforded the opportunity to contribute towards and to participate in the enrichment of the national culture.
৪,১৪৪.
নিম্নলিখিত কোনটি পাবলিক ডকুমেন্ট না?
  1. খতিয়ান
  2. আদালতের রায়
  3. উইল
  4. গ্রেফতারী পরোয়ানা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,

(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং

(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল।

⇒কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒ খতিয়ান, গেজেট নোটিফিকেশন বা গ্রেফতারী পরোয়ানা ও আদালতের আদেশ ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ এগুলো সরকারের বিভিন্ন অঙ্গের কাজের অংশ। উইল পাবলিক দলিল নয়।

⇒ ৭৪(২) ধারা অনুসারে বেসরকারী যে সকল দলিল সরকার নিজের কাছে সংরক্ষণ রাখে সেগুলোও সরকারী দলিল।
৪,১৪৫.
Who bears the burden of proving that the case falls within any of the general or special exceptions according to Section 105 of The Evidence Act, 1872?
  1. The judge
  2. The accused
  3. The prosecutor
  4. The investigating officer
ব্যাখ্যা
Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আসামী দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে আসামী পক্ষের। বলা আছে-
"দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম যে সমস্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেই সমস্ত ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যতিক্রম প্রযোজ্য এই দাবি করাই যথেষ্ট নয়, বরং এই ব্যতিক্রমের উপস্থিতি প্রমাণ করতে হবে।"

অর্থাৎ, যদি আসামীপক্ষ দাবি করে যে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে শুধু দাবি করা যথেষ্ট নয়, বরং তাদেরকে সেই দাবি প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে আসামীপক্ষের।
৪,১৪৬.
আদালতে কোন ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত তৈরির ক্ষেত্রে কার মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. বিশেষজ্ঞের
  2. সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
  3. যার ডিজিটাল স্বাক্ষর সেই ব্যক্তির
  4. বাদী ও বিবাদির আইনজীবীর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারামতে ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
--------------
“Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant.- When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact."
৪,১৪৭.
একটি মামলার প্রমাণের জন্য আদালতে কি নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষী বাধ্যতামূলক?
  1. হ্যাঁ, কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী প্রয়োজন
  2. শুধুমাত্র একজন প্রয়োজন
  3. না, নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
  4. কমপক্ষে ৩ জন সাক্ষী প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

Section 134: Number of witnesses
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৪,১৪৮.
সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী, আদালত কখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের তথ্য সঠিক বলে অনুমান করবে?
  1. যখন বিপরীত প্রমাণ উপস্থাপন না করা হয়
  2. যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক গৃহীত হয়
  3. যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক প্রত্যাখ্যান করা হয়
  4. যখন আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনদ যাচাই করে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫(গ) ধারা, আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান: আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের তথ্য সঠিক বলে অনুমান করবে যখন সনদটি গ্রাহক (সাবস্ক্রাইবার) কর্তৃক গৃহীত হয়। অর্থাৎ, গ্রাহক যদি স্বেচ্ছায় সনদটি গ্রহণ করে, তাহলে আদালত ধরে নেবে যে সনদের উল্লিখিত তথ্য (গ্রাহকের যাচাইকৃত নয় এমন তথ্য ছাড়া) সঠিক, যতক্ষণ না বিপরীত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।
--------------------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 85C: Presumption as to Digital Signature Certificates: "The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber."

৪,১৪৯.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল ব্যয়িত সময় তামাদির মেয়াদ গণনা হতে বাদ যাবে?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৪ ধারা
  3. ১৭ ধারা
  4. ২১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা মোতাবেক আইনানুগ কার্যধারায় যে সময় গণনা থেকে বাদ দিতে হয়-
- মামলা করার কারণ যেদিন উদ্ভব হবে সেই দিন, রায় ও ডিক্রি যেদিন প্রদান করা হয় সে দিনটি, রায় ও ডিক্রির জাবেদা নকল সংগ্রহ করার জন্য যতদিন লাগে ততদিন।
- সুতরাং বলা যায় যে, তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল সংগ্রহের সময়টুকু তামাদির মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারার বিধান আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায়। পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।

(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।
-----------------------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-12: Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded.
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded.
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded.
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৪,১৫০.
স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ অভিযোগে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মামলা আমলে নেবে?
  1. দায়রা জজ
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ ধারা: স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।
৪,১৫১.
দণ্ডবিধির ৬৬ ধারা অনুসারে, অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হয়?
  1. অর্থদণ্ডের পরিমাণ
  2. দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির আচরণ
  3. অপরাধীর আর্থিক অবস্থা 
  4. অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৬৬ ধারা অনুসারে, অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড নির্ধারণের ক্ষেত্রে অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন বিবেচনা করা হয়। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড সেই ধরনের হবে, যে ধরনের কারাদণ্ডে অপরাধীকে অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা যেত।
- সঠিক উত্তর: ঘ) অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন।

⇒ দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।
-------
⇒ The Penal Code,1860-Section 66- Description of imprisonment for non-payment of fine:
The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.

৪,১৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৩৪(১) অনুযায়ী, আদেশটি প্রথমে কীভাবে জারি করা হবে?
  1. পুলিশের মাধ্যমে মৌখিকভাবে
  2. সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে
  3. আদালতের নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে
  4. সমন জারির পদ্ধতিতে ব্যক্তিগতভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৩৪(১) অনুসারে, আদেশটি প্রথমে প্রয়োজনে সমন জারির পদ্ধতিতে (in manner herein provided for service of a summons) সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জারি করতে হবে। অর্থাৎ, আদেশটি সমন দেওয়ার বিধান অনুসারে তার কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে। এটি আদেশ জারির প্রাথমিক পদ্ধতি।
যদি এভাবে পরিবেশন করা সম্ভব না হয়, তাহলে ধারা ১৩৪(২) অনুসারে প্রচারের মাধ্যমে (proclamation) এবং উপযুক্ত স্থানে কপি টাঙিয়ে জানানো হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 134. Service or notification of order:
(1) The order shall, if practicable, be served on the person against whom it is made, in manner herein provided for service of a summons. 
(2) If such order cannot be so served, it shall be notified by proclamation, published in such manner as the Government may by rule direct, and a copy thereof shall be stuck up at such place or places as may be fittest for conveying the information to such person.

৪,১৫৩.
"Canons of Professional Conduct and Etiquette"-এ মোট কতটি অধ্যায় ও বিধি রয়েছে?
  1. ৩টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি
  2. ৪টি অধ্যায়ে ৪০টি বিধি
  3. ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি
  4. ৫টি অধ্যায়ে ৪৫টি বিধি
ব্যাখ্যা

⇒ "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to other advocates) 
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to clients) 
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য (Duty to the court) 
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to the public generally)

৪,১৫৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় বেআইনি সমাবেশের সংজ্ঞা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১৪১ ধারায়
  2. ১৪২ ধারায়
  3. ১৪৩ ধারায়
  4. ১৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
→ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনি সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

→ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনি সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
---------------------
⇒ The Penal Code Section-141.Unlawful assembly:
- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First: -To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second: To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third: To commit any mischief or criminal trespass, or other offence ; or 
Fourth.- By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do. 
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৪,১৫৫.
একটি নিলাম বিক্রয় বাতিল মামলা চলে ৮ মাস। পরে নিলাম নিশ্চিত হয় এবং ক্রেতা দখল চায়। তামাদি সময়ের ওপর এই ৮ মাসের প্রভাব কী?
  1. তামাদি সময় কমবে
  2. তামাদি সময় একই থাকবে
  3. তামাদি সময় থেকে ৮ মাস বাদ যাবে
  4. নতুন তামাদি সময় শুরু হবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ. তামাদি সময় থেকে ৮ মাস বাদ যাবে।

তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ১৬- ডিক্রি জারিকৃত বিক্রয় বাতিলের কার্যক্রম চলাকালে সময় বাদ দেওয়া:
যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ডিক্রি জারির ভিত্তিতে নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতা হয়ে দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের করে, সেই ক্ষেত্রে তামাদি সময় গণনার সময় বিক্রয় বাতিল করার জন্য যে সময়কাল মামলা বা কার্যক্রম চালানো হয়েছে, তা তামাদি সময় থেকে বাদ দেওয়া হবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending-
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.

৪,১৫৬.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারা অনুসারে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মেয়াদ-
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
ব্যাখ্যা
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে।
- এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
-----------------------------------------------------
- Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc. 
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 

(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
৪,১৫৭.
আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পারে না
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় প্রয়োগ করতে পারে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় প্রয়োগ করতে পারে না
  4. দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারে না
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
৪,১৫৮.
আসন্ন বন্ধু ছাড়া নাবালকের মোকদ্দমা দায়ের করা হলে, বিবাদী কোন বিষয়ে আবেদন করতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিতের
  2. দো-তরফা ডিক্রি প্রাপ্তির
  3. আরজি সংশোধনের
  4. আরজি নথি হতে অপসারণের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২, বিধি ১:
আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়: নাবালক বাদী করে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

আদেশ ৩২, বিধি ২:
আসন্ন বন্ধু ছাড়া মোকদ্দমা দায়ের করা হলে আরজি নথি হতে অপসারণ করার জন্য বিবাদী আবেদন করতে পারবে।

Rule-1: Minor to sue by next friend:
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.

Rule-2: Where suit is instituted without next friend, plaint to be taken off the file:
(1) Where a suit is instituted by or on behalf of a minor without a next friend, the defendant may apply to have the plaint taken off the file, with costs to be paid by the pleader or other person by whom it was presented.

(2) Notice of such application shall be given to such person, and the Court, after hearing his objections (if any), may make such order in the matter as it thinks fit.
৪,১৫৯.
দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে ১৫ ধারায় আদালতের বিবেচ্য বিষয় কী?
  1. মোকদ্দমার গুরুত্ব
  2. আদালতের আর্থিক এখতিয়ার
  3. আদালতের অবস্থান
  4. আদালতের বিচার কার্যক্রমের গতি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা- ১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ, প্রত্যেকটি দেওয়ানী মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। এখানে, এখতিয়ার বলতে আর্থিক এখতিয়ার বুঝানো হয়েছে। সুতরাং, কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
৪,১৬০.
“ডিক্রিদার” বলতে কী বোঝায়?
  1. যে ব্যক্তি মামলা করেছে
  2. যার অনুকূলে ডিক্রি দেয়া হয়েছে
  3. যে ব্যক্তি ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করেছে
  4. যার বিরুদ্ধে ডিক্রি দেয়া হয়েছে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৩) অনুযায়ী, ডিক্রিদার বলতে-
 এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার অনুকূলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে অথবা জারিযোগ্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে।
(Decree-holder means any person in whose favour decree has been passed or an order capable of execution has been made)

৪,১৬১.
“Motive, preparation and previous or subsequent conduct” এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় আলোচনা রয়েছে?
ব্যাখ্যা
♦৮ ধারা অনুযায়ী যেকোন বিষয় যা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের জন্য অভিপ্রায় বা প্রস্তুতি বা আচরণ দেখায় বা গঠন করে তা প্রাসঙ্গিক। 
♦ধারা ৮ মতে উদ্দেশ্য;; প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণঃ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সংঘটনে অভিপ্রায় বা উদ্যোগ যে বিষয়ের দ্বারা সৃষ্টি হয় বা যে বিষয় হইতে দৃষ্ট হয়, তাহা প্রাসঙ্গিক বিষয়।কোন মামলা বা বিচার কার্যক্রম সম্পর্কে অথবা উহাতে বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক কোন বিষয় সম্পর্কে উক্ত মামলা বিচার যা কার্যক্রমের কোন পক্ষ বা কোন পক্ষের প্রতিনিধির আচরণ এবং যে ব্যাক্তির বিরুদ্ধে সংঘটিত কোন অপরাধ কোন ফৌজদারী কার্যক্রমের বিষয়বস্তু, তাহার আচরণ যদি কোন বিচাৰ্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে প্রভাবিত করে বা তদ্দারা প্রভাবিত হয় তরে সেই আচরণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পূর্ববর্তী হউক বা পরবর্তীই হউক, তাহা প্রাসঙ্গিক।
৪,১৬২.
Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. দেওয়ানি
  2. ফৌজদারি
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ‘যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র দ্বারা ইচ্ছাকৃত ভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করায় এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করতে বলে, তখন উক্ত ২ পক্ষের মধ্যে কোন মামলায় ১ম পক্ষ তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না।’- একে ‘Estoppel' বা 'স্বকার্যজনিত বাধা’ নীতি বলা হয়।

সাক্ষ্য আইনের এই নীতি শুধুমাত্র দেওয়ানী কার্যক্রমে প্রয়োগ করা হয়। ফৌজদারি কার্যক্রমে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার কোন ব্যবহার নেই।
৪,১৬৩.
'জবানবন্দি গ্রহণ' বলা হয়-
  1. বিরোধী পক্ষের সাক্ষীকে প্রশ্ন করাকে
  2. সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করাকে
  3. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করাকে
  4. বিচারকের নির্দেশে সাক্ষীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করাকে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]-
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]-
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]-
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।

সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
৪,১৬৪.
Which of the following actions is punishable under Section 399?
  1. Committing dacoity
  2. Conspiring to commit a minor theft
  3. Preparing to commit dacoity
  4. Assisting someone after they have committed dacoity
ব্যাখ্যা
Section 399- Making preparation to commit dacoity:
Whoever makes any preparation for committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারা: ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি:

যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যা দশ বছর পর্যন্ত মেয়াদ হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।
৪,১৬৫.
'ক' একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি 'খ' এর দখলে আছে 'ক' দাবি করে যে, 'খ'-এর পিতা 'গ'-উইল করে ঐ জমি 'ক'-কে দিয়ে গেছে। এখানে প্রমানের দাযয়িত্ব-
  1. ক-এর উপর
  2. খ-এর উপর
  3. গ-এর উপর
  4. কারও উপর নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে: মামলায় বা কার্যক্রমে কোন পক্ষ হইতেই সাক্ষ্য দেওয়া না হইলে যেপক্ষ মামলার ঠকিবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত।
 
⇒ উদাহরণঃ

(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে।
এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে।

⇒ সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।
৪,১৬৬.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী একজন শিশু স্বাক্ষীর যোগ্যতা নির্ভর করে তার-
  1. বোধশক্তির উপর
  2. লিঙ্গের উপর
  3. ধর্মের উপর
  4. জাতীয়তার উপর
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষীর যোগ্যতা: সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা আছে ১১৮- ১৩১ ও ১৩৩ ধারায়। ১১৮ ধারা অনুযায়ী- প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে সক্ষম সকল ব্যক্তি যোগ্য সাক্ষী। যেমন- বোধশক্তিসম্পন্ন শিশু, অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক, প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম বিকৃতমস্তিস্কের ব্যক্তি; বোবা, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম ব্যক্তি। এমন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি, যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তরদানে সক্ষম।
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারার বিধান যে সাক্ষ্য দিতে পারেঃ সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

♦ব্যাখ্যাঃ কোন বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

Md. Abdul Haque Vs. The State মামলায় আপিল বিভাগ বলেছে যে, প্রশ্ন বুঝতে পারে এবং প্রাসঙ্গিক ও যৌক্তিক উত্তর দিতে পারে এমন শিশুর সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য। আদালত উক্ত শিশুর সাক্ষ্য সতর্কতার সাথে বিবেচনা করবে।
৪,১৬৭.
কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা হলে, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন আদেশের বিধান মোতাবেক বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে জরিমানা করতে পারে?
  1. ৩৪(৩)
  2. ৩৪(৬)
  3. ৩৪(৪)
  4. ৩৪(৮)
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) আদেশ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
-----------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Order-34: 
(6) The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.

(7) Every order of the Tribunal as to costs or deterrent costs shall be executable as an order of the High Court.
৪,১৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার ব্যাখ্যায় 'Reasonable cause for remand' এর বিধান রয়েছে?
  1. ১৬৭
  2. ২০০
  3. ৩৪৪
  4. ৩৬৪
ব্যাখ্যা
Section 344- Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.

Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.

ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৪,১৬৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুসারে কোনো অভিযোগ অনুসন্ধান বা তদন্তের জন্য বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ক্ষমতা প্রয়োগে কোনো ব্যক্তি বাধাপ্রদান করার অপরাধের জন্য শাস্তি-
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা

(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়।
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন।
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
৪,১৭০.
প্রতিপক্ষ কর্তৃক জেরাকৃত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য একই বিষয় এবং পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পরবর্তী যে কোন বিচারিক কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক হবে, যখন উক্ত সাক্ষী হন-
  1. সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য
  2. মৃত ব্যক্তি
  3. সরকারী কর্মচারী
  4. জীবিত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারার বিধান কখন পূর্ববর্তী সাক্ষ্যে প্রদত্ত বিবৃতি পরবর্তীতে মামলা প্রমানের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারেঃ- কোন মামলার সাক্ষী মামলার কোন পর্যায়ে সাক্ষ্য দেয়ার পর যদি মারা যায়, নিখোঁজ হয়, সাক্ষ্য প্রদানে অসমর্থ হয়, প্রতিপক্ষ দ্বারা আটক হয় অথবা উক্ত সাক্ষীর হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে; এই ধরনের সাক্ষীর পূর্বে দেওয়া সাক্ষ্য পরবর্তী কোন মামলায় বা ঐ একই মামলার পরবর্তী পর্যায়ে কোন ঘটনার সত্যতা প্রমানের জন্য নিম্নলিখিত কিছু শর্ত সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক হবে।
শর্তগুলো হল- ১. পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলা একই বিচার্য বিষয়ে এবং একই পক্ষদ্বয়ের বা প্রতিনিধিদের মধ্যে হবে; এবং
২. পূর্ববর্তী মামলার সাক্ষ্যে জেরার (cross-examination) সুযোগ বিদ্যমান ছিল।
৪,১৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীন নিম্নলিখিত কোনটি স্থানান্তরের আবেদন করা যায়?
  1. মোকদ্দমা
  2. আপিল
  3. অন্যকোন কার্যক্রম
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।

• Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made, after considering the objections the other parties (if any), shall determine which of the several 31 Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
৪,১৭২.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আপিল বা রিভিউ আবেদন করার সময়সীমা গণনার ক্ষেত্রে রায়ের কপি সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দেওয়া হবে?
  1. ১২(১) ধারা
  2. ১২(২) ধারা
  3. ১২(৩) ধারা
  4. ১২(৪) ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) এর ধারা ১২(২) অনুযায়ী: “কোনো ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে, সেই সময় বাদ যাবে যা উক্ত ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের অনুলিপি (certified copy) সংগ্রহের জন্য প্রয়োজন হয়।”
- অর্থাৎ, যেহেতু আপীল করার জন্য প্রয়োজনীয় নকল সংগ্রহ করা না গেলে আপীল দায়ের সম্ভব নয়, তাই নকল সংগ্রহের সময় তামাদির মেয়াদ গণনার বাইরে রাখা হয়। ফলে তামাদির মেয়াদ শুরু হয় তখন যখন রায়ের নকল পাওয়া যায়, কারণ সেটিই আপীল দায়েরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত।
⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা (২)উপধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, আপিল বা পুনঃবিবেচনার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণার দিন এবং আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় ডিক্রি, আদেশ বা দণ্ডাদেশের নকল সংগ্রহে লেগে যাওয়া সময় বাদ দেওয়া হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা আইনগত কার্যধারায় সময় বাদ দেওয়া:
(১) কোনো মোকদ্দমা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত সীমাবদ্ধতার সময় গণনার ক্ষেত্রে যেদিন থেকে সময় গণনা শুরু হওয়ার কথা, সেই দিনটি বাদ দেওয়া হবে।
(২) কোনো আপিল, আপিল করার অনুমতির জন্য আবেদন, কিংবা রায়ের পুনর্বিবেচনার (review) আবেদনের জন্য নির্ধারিত সময় গণনার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণার দিন এবং ডিক্রি, দণ্ডাদেশ বা আদেশ (যার বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউ চাওয়া হয়েছে) এর কপি সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ যাবে।
(৩) যদি কোনো ডিক্রি আপিলযোগ্য হয় বা রিভিউয়ের জন্য চ্যালেঞ্জ করা হয়, তবে যে রায়ের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে, সেই রায়ের কপি সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ও বাদ যাবে।
(৪) কোনো পুরস্কার (award) বাতিল করার জন্য আবেদনের সময় গণনার ক্ষেত্রে, পুরস্কারের কপি সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দেওয়া হবে।

⇒ The Limitation Act: Section 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৪,১৭৩.
প্রতারণামূলকভাবে বা বল প্রয়োগ করে কোন ব্যক্তিকে একস্থান থেকে অন্যস্থানে গমনে বাধ্য করলে তাকে বলে-
  1. অবৈধ অবরোধ
  2. Abduction
  3. মনুষ্যহরণ
  4. Kidnap
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ধারা ৩৬২ অনুযায়ী:
"যে কোন ব্যক্তি কোনো ব্যক্তি বা পুরুষকে প্রতারণা বা বল প্রয়োগের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিতে বাধ্য করে, তাকে অপহরণ বা ইংরেজিতে Abduction বলা হয়।"

The Penal Code, Section- 362. Abduction:
- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.

৪,১৭৪.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর অধীন অগ্রক্রয়ের মামলার ক্ষেত্রে নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর কত হারে ক্ষতিপূরণ আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৫%
  2. ২৫%
  3. ৬.২৫%
  4. ৮%
ব্যাখ্যা
• The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে:

- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]; 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ;
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
৪,১৭৫.
নিম্নের কোন বিষয়টি 'Shall Presume' এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Presumption as to documents thirty years old
  2. Presumption as to digital records five years old
  3. Presumption as to physical or forensic evidence
  4. Presumption as to due execution, etc., of documents not produced
ব্যাখ্যা
⇒ Section 89 Presumption as to due execution, etc., of documents not produced (উপস্থাপিত হয়নি এরূপ দলিলের যথাযথ সম্পাদন ইত্যাদি সম্পর্কে অনুমান) (Shall Presume)
⇒ Section 89A Presumption as to physical or forensic evidence (শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ হিসাবে অনুমান) (May Presume)

⇒ Section 90 Presumption as to documents thirty years old (৩০ বছরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান) (May Presume)

⇒ Section 90A Presumption as to digital records five years old (May Presume) পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান) (May Presume)

-----------
⇒ Presumption as to due execution, etc., of documents not produced:

Section 89. The Court shall presume that every document, called for and not produced after notice to produce, was attested, stamped and executed in the manner required by law.
⇒ Presumption as to physical or forensic evidence:
Section 89A. The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.
⇒ Presumption as to documents thirty years old:
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 This explanation applies also to section 81. 
 
⇒ Presumption as to digital records five years old:
Section 90A. Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

⇒ Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৪,১৭৬.
‘ক’ একটি কুঠার নিয়ে কাজ করছে। হঠাৎ কুঠারের মাথাটি খুলে গিয়ে উড়ে যায় এবং সন্নিকটে দণ্ডায়মান এক ব্যক্তিকে আঘাত করে এবং লোকটি মারা যায়। এক্ষেত্রে যদি ‘ক’ এর পক্ষে যথাযথ সতর্কতার অভাব না থেকে থাকে, তাহলে দণ্ডবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী তার কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ৮০ ধারা
  2. ৮৮ ধারা
  3. ৯০ ধারা
  4. ৯২ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮০ ধারার বিধান- আইনানুগ কাজ সম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা:
কোন আইনানুগ কাজ আইনানুগ পদ্ধতিতে আইনানুগ উপায়ে যথোপযুক্ত সতর্কতা ও যত্নসহকারে সম্পাদন করাকালে কোন অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা অবগতি ছাড়া দুর্ঘটনা বা দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠিত কোন কিছুই অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

উদাহরণ: ‘ক’ একটি কুঠার নিয়ে কাজ করছে, হঠাৎ তা কুঠারের মাথাটি খুলে গিয়ে উড়ে যায় এবং সন্নিকটে দণ্ডায়মান এক ব্যক্তিকে নিহত করে। এক্ষেত্রে যদি ‘ক’ এর পক্ষে যথাযথ সতর্কতার অভাব না থেকে থাকে, তাহলে তার কাজ মার্জনীয় হবে এবং অপরাধ হবে না।

Section 80- Accident in doing a lawful act:
Nothing is an offence which is done by accident or misfortune, and without any criminal intention or knowledge in the doing of a lawful act in a lawful manner by lawful means and with proper care and caution.

Illustration: A is at work with a hatchet; the head flies off and kills a man who is standing by. Here if there was no want of proper caution on the part of A, his act is excusable and not an offence.
৪,১৭৭.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ কাদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য
  2. বাংলাদেশের সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বী নাগরিকের জন্য
  3. বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের বাইরে অবস্থানকারী সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাংলাদেশী নাগরিকের জন্য
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ১ এ দেয়া আছে-

(১) এই আইন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে। 
(২) ইহা নাগরিকত্ব নির্বিশেষে বাংলাদেশে বসবাসরত সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীর জন্য প্রযোজ্য হইবে। 
(৩) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে ইহা কার্যকর হইবে।
৪,১৭৮.
কোন অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ চুরি বলে গণ্য হবে যদি সম্পত্তিটি যেকোন ব্যক্তির দখল হতে-
  1. প্রতারণামূলকভাবে (Fraudulently) গ্রহণ করা হয়
  2. অসাধুভাবে (Dishonestly) গ্রহণ করা হয়
  3. জোরপূর্বক (Extortion) গ্রহণ করা হয়
  4. ভয় দেখিয়ে গ্রহণ করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
Theft:
Section 378. Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৪,১৭৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মোট কয়টি ধারা রয়েছে?
  1. ৫৫টি
  2. ৫৬টি
  3. ৫৭টি
  4. ৫৮টি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:

⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭ (১নং আইন);
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।
৪,১৮০.
'The Prime Minister shall keep the President informed on matters of domestic and foreign policy.' - বিধানটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে দেয়া আছে?
  1. ৫৬ অনুচ্ছেদে
  2. ৫৫ অনুচ্ছেদে
  3. ৪৮ অনুচ্ছেদে
  4. ৫৮ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
Article 48: The President-

(1) There shall be a President of Bangladesh who shall be elected by members of Parliament in accordance with law. 

(2) The President shall, as Head of State, take precedence over all other persons in the State, and shall exercise the powers and perform the duties conferred and imposed on him by this Constitution and by any other law. 

(3) In the exercise of all his functions, save only that of appointing the Prime Minister pursuant to clause (3) of article 56 and the Chief Justice pursuant to clause (1) of article 95, the President shall act in accordance with the advice of the Prime Minister: 
Provided that the question whether any, and if so what, advice has been tendered by the Prime Minister to the President shall not be enquired into in any court. 
 
(4) A person shall not be qualified for election as President if he – 
(a) is less than thirty five years of age; or  
(b) is not qualified for election as a member of Parliament; or 
(c) has been removed from the office of President by impeachment under this Constitution. 

(5) The Prime Minister shall keep the President informed on matters of domestic and foreign policy, and submit for the consideration of the Cabinet any matter which the President may request him to refer to it.

অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি-

(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না। 
 
(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 
 
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।
৪,১৮১.
দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারা অনুসারে, কোন কাজ এই ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. প্রকাশ্যে কাউকে অপরাধমূলক হুমকি দেওয়া
  2. অজ্ঞাত পরিচয়ে অপরাধমূলক হুমকি দেওয়া
  3. বন্ধুকে মজা করে হুমকি দেওয়া
  4. আইনি প্রক্রিয়ায় হুমকি দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারা অনুসারে, অজ্ঞাত পরিচয়ে বা নাম-ঠিকানা গোপন করে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা এই ধারার অধীনে অপরাধ। প্রকাশ্য হুমকি বা মজার ছলে হুমকি এই ধারার আওতায় পড়ে না।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫০৭- অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
যে ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে, বা যে ব্যক্তি হুমকি প্রদানের জন্য যার নাম বা অবস্থান গোপন রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছরের পর্যন্ত যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এছাড়া, এই অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী ধারায় প্রদত্ত শাস্তিও তাকে প্রদান করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section - 507: Criminal intimidation by an anonymous communication:
Whoever commits the offence of criminal intimidation by an anonymous communication, or having taken precaution to conceal the name or abode of the person from whom the threat comes, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, in addition to the punishment provided for the offence by the last preceding section.

৪,১৮২.
দুষ্কর্মের সহযোগীর বিবৃতি যদি প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সহ সমর্থিত না হয়, সেক্ষেত্রে আদালত বিবৃতিটি সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৪ অনুযায়ী কী অনুমান করতে পারে?
  1. বিশ্বাসের যোগ্য
  2. বিশ্বাসের যোগ্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে
  3. বিশ্বাসের অযোগ্য 
  4. আদালতের বিচক্ষণতার উপর নির্ভর করে যেমনটা অনুমান করতে পারে।
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কতিপয় বিষয়ের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে:
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারা অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত ৯ টি ক্ষেত্রে ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে -

(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;
(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;
(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।

৪,১৮৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারার বলা হয়েছে যে বাংলাদেশে সংঘটিত প্রতি কাজ বা অবহেলার জন্য ব্যক্তি এই কোড অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ১
  2. ধারা ২
  3. ধারা ৩
  4. ধারা ৪
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা ২ -এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "বাংলাদেশের ভিতরে দণ্ডবিধির বিধানবিরূদ্ধ যে কোন কাজ বা অবহেলার জন্য প্রত্যেক ব্যক্তি এই কোড অনুযায়ী শাস্তিপ্রাপ্ত হবে এবং অন্যভাবে নয়।"
সুতরাং, বাংলাদেশের ভেতরে সংঘটিত দণ্ডবিধিবিরোধী কোনো কাজ বা অবহেলার (act or omission) জন্য ব্যক্তিকে এই কোডের অধীনেই শাস্তি দেওয়া হবে – এই মৌলিক সূত্রটি ধারা ২-এ উল্লেখিত হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২ অনুসারে, বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত প্রত্যেক কাজ বা অবহেলা (যা এই কোডের বিধানের বিপরীত), তার জন্য ব্যক্তি এই কোড অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হবে এবং অন্য কোনো উপায়ে নয়।

⇒ The Penal Code, 1860, Section-2: Punishment of offences committed within Bangladesh:
- Every person shall be liable to punishment under this Code and not otherwise for every act or omission contrary to the provisions thereof, of which he shall be guilty within Bangladesh.

৪,১৮৪.
দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার অধীনে, যদি কেউ সরকারি কর্মচারী নয় জেনেও সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি নিজেকে সরকারি কর্মচারী বলে পরিচয় দেয়, অথচ সে প্রকৃতপক্ষে সরকারি কর্মচারী নয়, এবং সেই ছদ্মবেশে কোনো কাজ করার চেষ্টা করে বা করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 170. Personating a public servant:
- Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৪,১৮৫.
What action can the Court take if it is found that insufficient sureties have been accepted?
  1. Fine the person released on bail
  2. Cancel the bail without issuing any warrant
  3. Ignore the matter and proceed with the case
  4. Issue a warrant of arrest for the person released on bail
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-501: Power to order sufficient bail when that first taken is insufficient: 
-If, through mistake, fraud or otherwise, insufficient sureties have been accepted, or if they afterwards become insufficient, the Court may issue a warrant of arrest directing that the person released on bail be brought before it and may order him to find sufficient sureties, and, on his failing so to do, may commit him to jail.
--------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০১ ধারার বিধান:- প্রথম জামিনদার অপর্যাপ্ত হলে পর্যাপ্ত জামিনদার গ্রহণের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
- ভুল বশত, প্রবঞ্চনাবশতঃ বা অন্য কোনভাবে অপর্যাপ্ত জামিনদার গ্রহণ করা হলে, বা তারা পরে অপর্যাপ্ত হয়ে পড়লে জামিনে মুক্ত ব্যক্তিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে আদালত গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারবেন এবং পর্যাপ্ত জামিনদার সংগ্রহের আদেশ প্রদান করতে এবং সংগ্রহ করতে না পারলে তাকে হাজতে প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন। 
৪,১৮৬.
Fill in the blank with appropriate preposition:
We protested ______ his tyranny.
  1. on
  2. over
  3. against
  4. at
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: We protested against his tyranny.
অর্থ: আমরা তার জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলাম। 

 • Protest against- প্রতিবাদ করা। 
 - কোন কিছুর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা অর্থে Protest এর পর 'against' preposition টি appropriately বসে। 

Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.
৪,১৮৭.
'An accomplice shall be a competent witness against an accused person' The Evidence Act, 1872 এর কত ধারার বিধান?
  1. ১৩২ ধারায়
  2. ১৩৩ ধারায়
  3. ১৩৪ ধারায়
  4. ১৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 133. Accomplice:
- An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান:
- দুষ্কর্মের সহযোগীঃ-আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামিকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধু সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।
৪,১৮৮.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫- এ তদন্তের স্বার্থে কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের নির্দেশ দিতে পারেন কে?
  1. ট্রাইব্যুনাল
  2. তথ্য কমিশনার
  3. মহাপরিচালক
  4. তদন্তকারী অফিসার
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) মহাপরিচালক।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৬: তথ্য সংরক্ষণ:
(১) তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বা তদন্তকারী অফিসারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, যদি মহাপরিচালকের নিকট এইরূপে প্রতীয়মান হয় যে, কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত কোনো তথ্য-উপাত্ত এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের স্বার্থে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং এইরূপ তথ্য-উপাত্ত নষ্ট, ধ্বংস, পরিবর্তন অথবা দুষ্প্রাপ্য করিয়া দেওয়ার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ তথ্য-উপাত্ত ৯০ (নব্বই) দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(২) ট্রাইব্যুনাল, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের মেয়াদ বর্ধিত করিতে পারিবে, তবে তাহা সর্বমোট ১৮০ (একশত আশি) দিনের অধিক হইবে না।
৪,১৮৯.
Under Section 310, when is a person recognized as a thug?
  1. If they are involved in occasional theft
  2. If they commit fraud multiple times
  3. If they are caught in possession of stolen goods
  4. If they habitually commit robbery or child-stealing with murder
ব্যাখ্যা
Section 310- Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.

⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারা- ঠগ:
কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরে কোন সময় খুনের মাধ্যমে বা খুন সহ দস্যুতা সাধন বা শিশু অপহরণের জন্য অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির সাথে অভ্যাসগতভাবে সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি একজন ঠগ।
৪,১৯০.
তামাদি আইনের ধারা ২৯(১) অনুসারে, তামাদি আইন কোন আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করে না?
  1. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
  2. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  3. নিবন্ধন আইন, ১৯০৮
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯(১) স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে: "এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।"
- তামাদি আইনের ধারা ২৯(১) এর মাধ্যমে এই নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে যে, চুক্তি আইনের এই বিশেষ বিধানটি তামাদি আইনের কোনো বিধান দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত বা অকার্যকর হবে না।

⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা সংরক্ষণ:
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Limitation Act:- Section- 29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) The provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) The remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.

৪,১৯১.
আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রের নীতির কথা বলা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৫
  4. অনুচ্ছেদ ২৬
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন সংক্রান্ত রাষ্ট্রের নীতি অনুচ্ছেদ ২৫-এ উল্লেখ করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ সমাধান, শক্তিপ্রয়োগ পরিহার, এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে। এতে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম শান্তি এবং সমতার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন:
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র 
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন; 
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং 
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷
৪,১৯২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় কোন ব্যক্তির নিয়োগের বিধান রয়েছে?
  1. রিসিভার
  2. নাবালকের অভিভাবক
  3. বাদীর আইনগত প্রতিনিধি
  4. অপ্রকৃস্থ ব্যক্তির আইনগত অভিভাবক
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary, Reference to Code of Civil Procedure:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৪,১৯৩.
A এর বিরুদ্ধে চোরাই মাল রাখার অভিযোগ করা হয়েছে এবং প্রমাণিত হয়েছে যে, সে একটি নির্দিষ্ট চোরাই জিনিসের দখলে ছিল। একই সময়ে তার কাছে আরো অনেক চোরাই মাল পাওয়া যায়। এই বিষয়টি কী প্রমাণ করে?
  1. A জানত যে, তার দখলের সব মাল চোরাই
  2. A চোরাই মাল পাওয়ার বিষয়ে অবগত ছিল না
  3. A চোরাই মালকে আসল মাল বলে বিশ্বাস করত
  4. উল্লিখিত কোনো কিছু প্রমাণ করে না
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারা: মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক উপলব্ধির অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রদর্শন করে:
ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা হঠকারিতা, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্বেষ অথবা কল্যাণ কামনার মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রকাশ করে অথবা কোন শারীরিক অবস্থা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব প্রকাশ করে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসকি অথবা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়।

ব্যাখ্যা-১: কোন প্রাসঙ্গিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার নিমিত্তে যে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়, তাকে সংশ্লিষ্ট মানসিক অবস্থাটি সাধারণভাবে নয়, নির্ধারিতকোন বিচার্য বিষয় প্রসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে এরূপ প্রকাশ করতে হবে।

ব্যাখ্যা-২: তবে যখন কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচারকালে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পূর্বে- কৃত কোন অপরাধ এ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, তখন উক্ত ব্যক্তির পূর্বে দণ্ডিত হওয়াও প্রাসঙ্গিক বিষয়।

উদহারন:
A-কে চোরাই মাল রাখার অভিযোগ করা হয়েছে, এবং প্রমাণ হয়েছে যে সে একটি নির্দিষ্ট চোরাই জিনিসের দখলে ছিল। এখন, এই সময়ে তার কাছে আরও অনেক চোরাই মাল পাওয়া গেছে—এই বিষয়টি প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি ইঙ্গিত করে যে, সে যে সব জিনিসের দখলে ছিল, প্রতিটিরই চোরাই হওয়ার ব্যাপারে সে জানত। অর্থাৎ, একাধিক চোরাই মাল পাওয়া গেলে তার প্রতিটি জিনিস সম্পর্কে জ্ঞাত থাকা ধারণা করা যেতে পারে।
৪,১৯৪.
তল্লাশী পরওয়ানা কোন ধারার বিধান অনুসারে ইস্যু করা হয়?
  1. ১০৩
  2. ৯৫
  3. ৯৬
  4. ৯৭
ব্যাখ্যা
♦ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করা হয় ফৌজদারি কার্যবিধি-এর ৯৬ ধারা মোতাবেক। ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত মূলত দলিল বা অন্যান দ্রবাদি হাজির করার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা জারি করে থাকেন ।

♦ আদালত ৩ টি কারণে তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন । যথা-

১. কোন ব্যক্তি কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও উক্ত দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করবে না বলে আদালত বিশ্বাস করলে;

২. উক্ত দলিল বা বস্তু কার দখলে আছে তা আদালতের জানা না থাকলে; এবং

৩. অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্যে।
৪,১৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ১৩নং বিধির অধীনে ডিক্রি রদের পর মোকদ্দমা পুনর্বহাল করা হলে, মোকদ্দমাটি কোন পর্যায় থেকে চালু হবে?
  1. একবারে প্রথম থেকে
  2. নতুন ডিক্রি অনুযায়ী
  3. ডিক্রি দেয়ার পরবর্তী পর্যায়
  4. ডিক্রি দেয়ার পূর্ববর্তী পর্যায়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ১৫:
যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমার খারিজ সংক্রান্ত বিধি ৪ কিংবা ৯নং বিধির অধীনে কিংবা ১৩নং বিধির অধীনে কোন ডিক্রি রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করার পরিপ্রেক্ষিতে, খারিজ করার আদেশ দান কিংবা ডিক্রি দেয়ার অব্যবহিত পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থায় ছিল, উক্ত পর্যায় হতে মোকদ্দমাটি চালু করা হবে।

[Where the dismissal of a suit is set aside under rule 4 or rule 9, or a decree is set aside under rule 13, the suit shall, on restoration, proceed from the stage where it was immediately before the making of the order of dismissal or passing of the decree.]
৪,১৯৬.
'X' একটি মুরগী হত্যা ও চুরি করার উদ্দেশ্যে মুরগিটির প্রতি গুলি ছোঁড়ে, কিন্তু ঝোপের অপর পাশে থাকা ‘Y' গুলি বর্ষণের ফলে মারা যায়, যা 'X' জানত না। 'X' এর অপরাধটি হলো?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. হত্যা
  3. খুন
  4. উপরোক্ত কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
♦এক্ষেত্রে 'X' এর কাজটি একটি বেআইনী কাজ হলেও, 'X' নিন্দনীয়/দন্ডনীয় নরহত্যার অপরাধে দায়ী হবে না, কারণ সে 'Y' কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গুলি ছোড়েনি বা এমন কোন কাজ মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় করেনি, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে মর্মে তার জানা ছিল। কেননা দন্ডবিধির ২৯৯ ধারায় উল্লেখিত “মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায়ে বা মৃত্যু ঘটায়” শব্দগুলো দ্বারা বুঝা যায় নিন্দনীয় নরহত্যা হওয়ার জন্য হত্যা করার ইচ্ছা থাকা জরুরী। কিন্তু X এর ইচ্ছা ছিল না এবং সে জানতোও না যে Y ঝোপের আড়ালে আছে। দন্ডবিধির ২৯৯ ধারার উদাহরণ গ  অনুসারে X এই কাজটি  নিন্দনীয়/দন্ডনীয় নরহত্যার অপরাধ নয় এবং হত্যা আর খুনও হয়নি।
৪,১৯৭.
'ঘ' একটি নৌকায় বসা 'ঙ' এর নৌকার দড়ি খুলে দেয়, যার ফলে নৌকাটি ভেসে যায়। দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে 'ঘ' এর এই কাজটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ধারা ৩৩৬
  2. ধারা ৩৪১
  3. ধারা ৩৫০
  4. ধারা ৪২৬
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ (অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা Criminal force) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি সম্মতি ছাড়া অন্যের উপর ইচ্ছাকৃতভাবে বল প্রয়োগ করে অপরাধের উদ্দেশ্যে বা জখম/ভয়/বিরক্তির উদ্দেশ্যে, তাহলে তা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ। এখানে ‘ঘ’-এর কাজ (নৌকার দড়ি খুলে ভাসিয়ে দেওয়া) ধারা ৩৫০-এর উদাহরণ (ক)-এর মতোই: নৌকায় বসা ব্যক্তির গতি ইচ্ছাকৃতভাবে সঞ্চারিত করে ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 

(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 

৪,১৯৮.
একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না, যখন-
  1. চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য
  2. চুক্তিটির প্রকৃত ক্ষতি নিরুপণের কোন মাপকাঠি থাকে না
  3. চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
  4. চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-

১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে

৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪)চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে 

৫)চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬)বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি

৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮)যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
৪,১৯৯.
The Penal Code, 1860 কোন প্রকারের আইন?
  1. Private Law
  2. Procedural Law
  3. Adjective Law
  4. Substantive Law
ব্যাখ্যা

তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law]:
যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে।
যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন। কিন্তু এই অপরাধের বিচার পদ্ধতি দণ্ডবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের বিচার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধিতে। এই কারণে ফৌজদারী কার্যবিধি হলো পদ্ধতিগত আইন।

অন্যদিকে,
যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে।
যেমন- ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
- Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।

- ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির সম্পর্ক রক্ষা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য Private Law প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয়। যেমন- চুক্তি ও দলিল সংক্রান্ত আইন।

৪,২০০.
ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. এটি নতুন অধিকার সৃষ্টি করে
  2. এটি ক্ষতিপূরণ প্রদান করে
  3. এটি শুধুমাত্র বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে
  4. এটি কোনো পক্ষকে বাধ্যতামূলক আদেশ প্রদান করে
ব্যাখ্যা
ঘোষণামূলক মামলা ও ডিক্রির সংজ্ঞা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। আদালত ঘোষণামূলক মামলায় যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে "ঘোষণামূলক ডিক্রি" (Declaratory Decree) বলে। এই ডিক্রির মাধ্যমে বাদীর আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার ঘোষণা করা হয়।

ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:
i) নতুন অধিকার সৃষ্টি হয় না:
- কেবল বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করা হয়।
- মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে।

ii) কোন আদেশ দেওয়া হয় না:
- বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করা হয়।
- কোনো পক্ষকে কিছু করতে বা না করতে আদেশ দেয়া হয় না।

iii) আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা:
- ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের উপর নির্ভরশীল।

ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি:
i) বাদীকে আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হতে হবে।
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে- চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট পরিচয় এখানে প্রযোজ্য নয়।
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হতে হবে বা অস্বীকারের উদ্যোগ নিতে হবে।

মোকদ্দমা দায়েরের যোগ্যতা:
১. যিনি আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. যিনি সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী, কিন্তু তার অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে।
৩. যাঁর পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।