বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৩৬ / ১৫৫ · ৩,৫০১৩,৬০০ / ১৫,৪৭০

৩,৫০১.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল কোন অ্যাডভোকেটকে অসদাচরণের জন্য নিবন্ধন বাতিলের আদেশ দিলে, অ্যাডভোকেট কী পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. শুধু আপিল করতে পারে
  2. শুধু রিভিউ করতে পারে
  3. শুধু রিভিশন করতে পারে
  4. আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদের অধীন বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ করা যেতে পারে বা ৩৬ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারে।

অর্থাৎ বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল কোন অ্যাডভোকেটকে অসদাচরণের জন্য নিবন্ধন বাতিলের আদেশ দিলে, অ্যাডভোকেট আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারেন। 
------------------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-34:
(8) The Tribunal may, of its own motion or on application made to it in this behalf, review any order passed under clause (4) or (6) and maintain, vary or rescind the same, as it thinks fit.
(9) When any advocate is reprimanded or suspended under this Order, a record of the punishment shall be entered against his name in the roll and when an advocate is removed from practice his name shall forthwith be struck off the roll; and the certificate of any advocate so suspended or removed shall be re-called.
 
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 Article-36:
(1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৩,৫০২.
বর্তমান সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা কত?
  1. ৩০টি
  2. ৪৫ টি
  3. ৫০ টি
  4. ৬৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী, ২০১১ এর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ এর পরিবর্তে ৫০ টি করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদ-প্রতিষ্ঠা: (১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।]

 (৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
৩,৫০৩.
চুক্তি বাতিল (Rescission) করার মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা (For recession of a contract) দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪ অনুযায়ী,
চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার‌ প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।
৩,৫০৪.
‘ক’, ‘খ’-কে একটি দেওয়ানি মামলা পরিচালনা হতে বিরত করার উদ্দেশ্যে ‘খ'-এর ঘর পুড়িয়ে দেওয়ায় ভয় দেখায়। ‘ক’এর অপরাধ কি
  1. ঘরে আগুন দেয়া
  2. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  3. অনিষ্ট সাধন
  4. ভয় দেখানো
ব্যাখ্যা
দন্ডবিধির ৫০৩ ধারা অনুযায়ী দেহের, সম্পত্তির বা সুনামের ক্ষতি কিংবাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য কোন ব্যক্তিরদেহের বা সুনামের ক্ষতির ভয় দেখালে তা অরাধজনক ভীতি প্রদর্শন হিসাবে পরিগণিত হবে। 

♦এখানে 'A' দন্ডবিধির ৫০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করেছে

♦ দন্ডবিধির ৫০৬
ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে যা অনধিক ২ বছর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
৩,৫০৫.
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক এর অধীনে আপিল কতবার পুনঃশুনানি করা যাবে?
  1. এক বার
  2. দুই বার
  3. পক্ষের অনুরোধে যত বার প্রয়োজন
  4. আদালতের বিবেচনায় যত বার প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিলে পুনঃশুনানি:

১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন। বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে কা পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
৩,৫০৬.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৯ অনুযায়ী দত্তক গ্রহণ বৈধ হয়েছে এই মর্মে ঘোষণার মামলার তামাদি কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৯ ধারা অনুযায়ী দত্তক গ্রহণ বৈধ হয়েছে এই মর্মে ঘোষণার মামলার তামাদি ৬ বছর।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৯ অনুযায়ী: পোষ্য বা দত্তক গ্রহণ( adoption) গ্রহণ বৈধ হয়েছে এই মর্মে ঘোষণার মামলা করতে হবে ৬ বছরের মধ্যে। এই সময় গণনা শুরু হবে দত্তক পুত্ররূপে দত্তক পুত্রের অধিকার যখন হস্তক্ষেপ করা হয়।

⇒ According to Article 119 of the Limitation Act,1908, The period of Limitation  to obtain a declaration that an adoption is valid is 6 years. The period begins when the rights of the adopted son, as such, are interfered with.

৩,৫০৭.
Obiter Dictum means-
  1. the reason for a decision
  2. action speaks louder than words
  3. the fact which cannot be altered
  4. a thing said by the way
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Ratio decidendi-
The meaning of ratio decidendi is Latin for “the reason,” or “the foundation for” a decision. For example, ratio decidendi in the field of law refers to the moment or principle in a case that ultimately determines its outcome. Ratio decidendi is a legal rule regarding the legal reasoning behind the judgment of the judge or jury.

অর্থাৎ সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

Obiter Dictum-
"A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।
৩,৫০৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রায় বা আদেশে ক্ষুব্ধ পক্ষ আপীল করতে পারেন-
  1. আপীল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. বিশেষ আপীল ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৮: আপীল:
ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।
৩,৫০৯.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারা অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের আবেদন করা কালে সংশ্লিষ্ট দলিলে উল্লিখিত বিক্রয়মূল্যের উপর শতকরা কত হারে সুদ জমা দিতে হয়?
  1. ৫%
  2. ৪%
  3. ৮%
  4. ২৫%
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার বিধান: অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of pre-emption)
১) আবেদন দাখিল:
- জোতের সহ-শরীক প্রজা নন এমন কোন ব্যক্তির নিকট জোতের খন্ড বা অংশ বিক্রয় করা হলে সেক্ষেত্রে-
- ৮৯ ধারা অনুযায়ী নোটিশ প্রদানের ২ মাসের মধ্যে; বা
 - নোটিশ জারি না হয়ে থাকলে বিক্রয়ের বিষয়ে অবগত হওয়ার ২ মাসের মধ্যে উক্ত খন্ড বা অংশ তার বা তাদের নিকট বিক্রয় করার জন্য আদালতে আবেদন পেশ করতে পারবেন। তবে:-
i) উত্তরাধিকারসূত্রে সহ-শরীক প্রজা না হলে এবং
ii) বিক্রয়ের দলিল নিবন্ধন করার ৩ বছর পর এই ধারা অনুযায়ী কোন আবেদন করা যাবে না,
iii) ৯০ ধারার অধীনে ইতিমধ্যে ৩৭৫ বিঘার বেশি ভূমি ধারণ করলে সেক্ষেত্রে আবেদন করা যাবে না।

২) পক্ষভুক্তি:
- এরূপ আবেদনের ক্ষেত্রে জোতের উত্তরাধিকারীসূত্রে অন্যান্য সহ-শরীকগণ এবং ক্রেতাকে পক্ষভুক্ত করতে হবে।

৩) ক্ষতিপূরন ও সুদ:
আবেদনকারী আবেদন দাখিলের সময় নিম্ন বর্ণিত অর্থ জমা না দিলে আবেদন খারিজ করা হবে- 
- ধারা ৮৯ এর নোটিশ বা বিক্রয় দলিলে উল্লিখিত হোল্ডিং বা জোতের মোট মূল্য;
- উল্লিখিত মোট মূল্যের ২৫% ক্ষতিপূরণ;
- বিক্রয় চুক্তি বা দলিল সম্পাদনের তারিখে থেকে অগ্রক্রয়ের আবেদন করার সময়কালের জন্য মোট মূল্যের উপর বার্ষিক ৮% সুদ প্রদান করতে হবে।
---------------------
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 96.Right of pre-emption:
(1) If a portion or share of a holding of a raiyat is sold to a person who is not a co-sharer tenant in the holding, one or more co-sharer tenants of the holding may, within two months of the service of the notice given under section 89, or, if no notice has been served under section 89, within two months of the date of the knowledge of the sale, apply to the Court for the said portion or share to be sold to himself or themselves: 

Provided that no application under this section shall lie unless the applicant is- 
(a) a co-sharer tenant in the holding by inheritance; and 
(b) a person to whom sale of the holding or the portion or share thereof, as the case may be, can be made under section 90: 
Provided further that no application under this section shall lie after expiry of three years from the date of registration of the sale deed. 

(2) In an application under sub-section (1), all other co-sharer tenants by inheritance of the holding and the purchaser shall be made parties. 
(3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption. 
(4) On receipt of such application accompanied by such deposits, the Court shall give notice to the purchaser and to the other persons made parties thereto under sub-section (2) to appear within such period as it may fix and shall require the purchaser to state what other sums he has paid in respect of rent since the date of sale and what expenses he has incurred in annulling encumbrances on, or for making any improvement in respect of the holding, portion or share sold. 
(5) The Court shall, after giving all the parties an opportunity of being heard after holding an enquiry as to rent paid and the expenses incurred by the purchaser as referred to in sub-section (4), direct the applicant or applicants to deposit a further sum, if necessary, within such period as the Court thinks reasonable. 
(6) When an application has been made under sub-section (1), any of the remaining co-sharer tenants may, within the period referred to in sub-section (1) or within two months of the date of the service of the notice of the application under sub-section (4), whichever be earlier, apply to join in the said application; any co-sharer tenant who has not applied either under sub-section (1) or under this sub-section, shall not have any further right to purchase under this section. 
(7) On the expiry of the period within which an application may be made under sub-section (6), the Court shall determine, in accordance with the provisions of this section, which of the applications filed under sub-section (6) shall be allowed. 
(8) If the Court finds that an order allowing the applications made under sub-section (7) is to be made in favour of more than one applicant, the Court shall determine the amount to be paid by each of such applicants and, after apportioning the amount, shall order the applicant or applicants who have joined in the original application under sub-section (6) to deposit in the Court the amounts payable by him or them within such period as it thinks reasonable; and if the deposit is not made by any such applicant within such period, his application shall be dismissed. 

(9) On the expiry of the period within which a deposit, if any, is to be made under sub-section (8), the Court shall pass orders- 
(a) allowing the application or applications made by the applicant or applicants who are entitled to purchase under, and have complied with the provisions of, this section; 
(b) apportioning the holding or the portion or share of the holding among them in such manner as it deems equitable when such orders are passed in favour of more than one applicant under sub-section (8); 
(c) refunding money to any one if entitled to such refund of any money from the amount deposited by the applicant or applicants under sub-sections (3) and (5); 
(d) directing that the purchaser be paid out of the deposits made under sub-sections (3) and (5); 
(e) directing the purchaser to execute and register deed or deeds of sale within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed; and no tax, duty or fee shall be payable for such registration. 
(10) If the purchaser fails to execute and register deed or deeds of sale in pursuance of the directions under clause (e) of sub-section (9), within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed, the court shall execute and present deed or deeds of sale for registration within sixty days thereafter in favour of such person or persons whose application or applications have been allowed. 
(11) From the date of the registration of sale deed or deeds under clause (e) of sub-section (9) or under sub-section (10), the right, title and interest in the holding or portion or share thereof accruing to the purchaser from the sale shall, subject to any orders passed under sub-section (9), be deemed to have vested, free from all encumbrances which have been created after the date of sale, in the co-sharer tenant or tenants whose application or applications to purchase have been allowed under sub-section (9). 

(12) The Court on further application of such applicant or applicants may place him or them, as the case may be, in possession of the property vested in him or them. 
(13) No apportionment ordered under clause (b) of sub-section (9) shall operate as division of the holding. 
(14) An application under this section shall be made to the Court which would have jurisdiction to entertain a suit for the possession of the land in connection with which the application is brought. 
(15) An Appeal shall lie to the ordinary Civil Appellate Court from any order of the Court under this section. 
(16) Nothing in this section shall be deemed to apply to homestead land. 
(17) Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by the Mohammadan Law. 
(18) Nothing in this section shall apply to any transfer of any portion or share of a holding of a raiyat or any application under section 96 of this Act, made prior to coming into force of the State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2006.]
৩,৫১০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘Nemo est supra leges’ নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৭
  3. অনুচ্ছেদ ২৮ 
  4. অনুচ্ছেদ ৩১
ব্যাখ্যা

⇒ ‘Nemo est supra leges’ এই ল্যাটিন নীতিটির অর্থ হলো “কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়”। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭-এ “আইনের দৃষ্টিতে সমতা” (Equality before law) উল্লেখ আছে, যা এই নীতির সাংবিধানিক প্রতিফলন।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।”
এর অর্থ হলো রাষ্ট্রের সব নাগরিক—অবস্থান বা পদমর্যাদা নির্বিশেষে—আইনের কাছে সমান এবং আইন কারো জন্য বিশেষ সুবিধা বা অব্যাহতি দেয় না।
সুতরাং, ‘Nemo est supra leges’ নীতিটি সরাসরি অনুচ্ছেদ ২৭-এ প্রতিফলিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা:- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
---------------
⇒ Article 27. Equality before law:  All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

৩,৫১১.
The Penal Code, 1860 অনুযায়ী আত্মহত্যার সহায়তাকরণের অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------------------------
⇒The Penal Code, 1860: Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৩,৫১২.
'Equitable set off' এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. অনির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের ক্ষেত্রে দাবী করা যেতে পারে
  2. আইনগত অধিকার হিসাবে বিবাদী দাবী করতে পারে না
  3. নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের ক্ষেত্রে দাবী করা যেতে পারে
  4. এই প্রতিকার আদালত মঞ্জুর করতে বাধ্য না
ব্যাখ্যা
ন্যায়সঙ্গত দাবী সম্বনয় (Equitable set off]:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ৬ বিধি শুধুমাত্র legal set-off নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট শুধুমাত্র সেই ক্ষেত্রে legal set-off প্রযোজ্য। কিন্তু এমন অনেক ক্ষেত্র আছে, যেক্ষেত্রে আদালত অনির্দিষ্ট অর্থের ক্ষেত্রেও পারস্পরিক দায় শোধ মঞ্জুর করতে পারে। এটাই ন্যায়সঙ্গত দাবী সমন্বয় বা Equitable set off. ২০ আদেশের ১৯(৩) বিধিতে Equitable set-off স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

Legal set-off এবং Equitable set-off এর মধ্যে পার্থক্য:
১. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৬ বিধিতে Legal set-off নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে ২০ আদেশের ১৯(৩) বিধিতে Equitable set-off স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

২. Legal set-off নির্দিষ্ট অর্থের দাবীর ক্ষেত্রে এবং অনির্দিষ্ট অর্থের ক্ষেত্রে Equitable set-off দাবী করা যেতে পারে।

৩. Legal set-off আইনগত অধিকার হিসাবে বিবাদী দাবী করতে পারে এবং আদালত মঞ্জুর করতে বাধ্য। কিন্তু Equitable set-off আইনগত অধিকার হিসাবে বিবাদী দাবী করতে পারেনা এবং আদালত মঞ্জুর করতে বাধ্য না।

৪. Legal set-off এর ক্ষেত্রে একই লেনদেন বা কার্যধারা হতে দাবীর উদ্ভব হওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু Equitable set off মঞ্জুর করা যেতে পারে, শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে দাবী একই লেনদেন হতে উদ্ভব হয়।
৩,৫১৩.
Complaint প্রত্যাহার করা হলে আসামী-
  1. মুক্তি পাবে
  2. অব্যাহতি পাবে
  3. দন্ড পাবে
  4. খালাস পাবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৮ ধারা বিধান অভিযোগ প্রত্যাহারঃ এই অধ্যায়ের অধীন যে কোন মামলার চূড়ান্ত আদেশ প্রদানের আগে যে কোন সময় নালিশকারী (ফরিয়াদী) যদি ম্যাজিস্ট্রেটকে এমর্মে সন্তুষ্ট করেন যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ (নালিশ) প্রত্যাহার করতে অনুমতি দেয়ার যথেষ্ট কারণ বিদ্যমান আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে তা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস দিতে পারে।
৩,৫১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, আদালতের সামনে অবমাননাকর আচরণের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৮০ (Section 480 of the CrPC) অনুযায়ী, আদালতের সম্মুখে বা উপস্থিতিতে যদি কেউ দণ্ডবিধির ধারা ১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ অথবা ২২৮ অনুযায়ী আদালত অবমাননাকর অপরাধ করেন, তাহলে: আদালত তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধীকে আটক করতে পারে।
- এবং আদালত উঠার পূর্বে (same day) অপরাধটি আমলে নিয়ে সাজা দিতে পারে।
- এই সাজার মধ্যে সর্বোচ্চ: ২০০ (দুইশত) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, এবং জরিমানা অনাদায়ে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে।

→ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারা অনুযায়ী, আদালতের সামনে অবমাননাকর আচরণের জন্য সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.

৩,৫১৫.
ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে অপরাধ সংক্রান্ত কোন তথ্যটি উল্লেখের প্রয়োজন নাই ?
  1. সময়
  2. স্থান
  3. আইন
  4. শাস্তি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ২২১ এবং ২২২ অনুযায়ী অভিযোগে (চার্জে) অপরাধের বিবরণ, অপরাধের নাম, যে আইনের অধীন অপরাধ করেছে, অপরাধের স্থান, সময় ও ব্যক্তি সম্পর্কে উল্লেখ করতে হবে। কিন্তু শাস্তি কি তা উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই।
৩,৫১৬.
What is the meaning of the Latin maxim "Qui priorest tempore priorest jure"?
  1. আইনের চোখে সবাই সমান
  2. সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী, তিনি সুবিধাভোগী
  3. যে ব্যক্তি পরে মামলা করে, সে অধিক অধিকারী
  4. এক অপরাধে দুইবার শাস্তি দেওয়া যায় না
ব্যাখ্যা
• Qui priorest tempore priorest jure
- সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী হবেন আইনের দিক হতে তিনিই সুবিধা পাবেন।

- He who is prior in time is better in law.

১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর ৪৮ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। যখন কোন ব্যক্তি সম্পত্তির এমন স্বত্ত্ব বিভিন্ন সময়ে হস্তান্তর করে যা একত্র অবস্থানযোগ্য নয় তখন পরবর্তী হস্তান্তর পূর্ববর্তী হস্তান্তরের অধীন হবে। এই নীতি কেবলমাত্র তখনই প্রয়োগ করা যায় যখন হস্তান্তর সিদ্ধ ও সম্পূর্ণ হয়। দু'টি হস্তান্তরের মধ্যে যদি দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় এবং একটির আইনানুগ কার্যকারিতা নষ্ট না করে যদি অপরটি কার্যকর করা না যায় তখনই অগ্রাধিকারের এই নীতি প্রয়োগের প্রয়োজন হয়। এই প্রবচনের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে 'Doctrine of priority'-র উৎপত্তি হয়েছে।
৩,৫১৭.
রহিম একটি পুরনো সেতুর কিছু লোহার অংশ খুলে নিয়ে গেল। এর ফলে সেতুটি দুর্বল হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে রহিম :
  1. ৪৩১ ধারায় অপরাধী
  2. শুধু চুরির অপরাধে দোষী
  3. কোনো অপরাধ হয়নি
  4. শুধু জরিমানা দিতে বাধ্য
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩১:
কোনো ব্যক্তি কোনো সরকারি সড়ক, সেতু, নদী এবং খালের এমনভাবে কোনো অনিষ্ট করে, যার ফলে যোগযোগব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়, ভ্রমণ কিংবা পারাপারের জন্য কম নিরাপদ হয় বা হতে পারে, তাহলে সেটি অপরাধ। এ অপরাধের জন্য দায়ী ব্যক্তি পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম জেলসহ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

[Whoever commits mischief by doing any act which renders or which he knows to be likely to render any public road, bridge, navigable river or navigable channel, natural or artificial, impassable or less safe for traveling or conveying property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.]
৩,৫১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক অনুসারে কোন মামলায় ফরিয়াদির ফি প্রদানের আদেশ দেওয়া যায়?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. আমলযোগ্য মামলা
  3. আমল অযোগ্য মামলা
  4. পুলিশি তদন্ত মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক (Section 546A) অনুযায়ী, যদি কোনো আমল অযোগ্য (non-cognizable) অপরাধে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে, তাহলে আদালত আসামিকে আদেশ দিতে পারেন যে, তিনি ফরিয়াদির প্রদত্ত কিছু ফি পরিশোধ করবেন। এই ফিগুলো হতে পারে:
- অভিযোগপত্র বা জবানবন্দির জন্য প্রদত্ত আদালত ফি,
- সাক্ষী বা আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির জন্য প্রদত্ত ফি।
এটি দেওয়ানি মামলা নয় বরং ফৌজদারি মামলা এবং শুধুমাত্র "আমল অযোগ্য" মামলার ক্ষেত্রেই এই ধারা প্রযোজ্য। আদালত চাইলে অর্থ না পরিশোধ করলে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারেন।
- অতএব, ধারা ৫৪৬ক শুধুমাত্র "আমল অযোগ্য মামলা"র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৬ক ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদি কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ:
(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামি সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থদানের জন্য আসামিকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদির জবানবন্দির জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং
(খ) ফরিয়াদি কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।
(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
--------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 546A: Order of payment of certain fees paid by the complainant in non-cognizable cases:
(1) Whenever any complaint of a non-cognizable offence is made to a Court, the Court, if it convicts the accused, may in addition to the penalty imposed upon him, order him to pay to the complainant–
(a) the fee (if any) paid on the petition of complaint or for the examination of the complainant, and
(b) any fees paid by the complainant for serving processes on his witnesses or on the accused,
and may further order that, in default of payment, the accused shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days.
(2) An order under this section may also be made by an Appellate Court, or by the High Court Division, when exercising its powers of revision.
৩,৫১৯.
How many witnesses are required to prove a Criminal case beyond all reasonable doubts?
  1. Minimum Two
  2. Minimum Three
  3. Minimum four
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
Section 134⇒ Number of witnesses:
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।
⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।
⇒ সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল-'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।
⇒ একজনের বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য অবিশ্বাস্য দশজনের সাক্ষ্যকেও হার মানাতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর।
⇒ যেমন- ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার একক সাক্ষী অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। একইভাবে খুনের মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর বিশ্বাস করে আসামীকে দণ্ড দেয়া বিধিসম্মত হবে না।
৩,৫২০.
নাবালক কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি____
  1. Viodable
  2. Valid
  3. Void ab initio
  4. Void
ব্যাখ্যা
- নাবালকের চুক্তি বাতিল বলে গন্য করা হয়: নাবালক দ্বারা সম্পাদিত চুক্তি প্রথম থেকেই বাতিল এবং অকার্যকর। সাধারণত সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যে মানসিক ক্ষমতা থাকার প্রয়োজন তা নাবালকের থাকে না। তবে এ সাধারণ নিয়মের কতিপয় ব্যতিক্রম আছে।
- নাবালক থাকাকালীন সময়ের চুক্তি সাবালক হওয়ার পর তা অনুসমর্থন বা অনুমোদন করতে পারেন না। নাবালক দ্বারা সম্পাদিত চুক্তি হচ্ছে বাতিল চুক্তি। একটি বাতিল চুক্তি পরবর্তী পদক্ষেপের মাধ্যমে কার্যকর করা যায় না।

- নাবালক প্রতিশ্রুতিদাতা হতে পারে না কিন্তু প্রতিশ্রুতিগ্রহিতা হতে পারে। নাবালককে দায়ের জন্য বাধ্য করা যাবে না তবে তার অধিকার আদায়ের জন্য অন্য পক্ষকে বাধ্য করা যাবে। একজন নাবালক সাবালকের অনুকূলে চুক্তি করতে না পারলেও একজন সাবালক নাবালকের অনুকূলে চুক্তি করতে পারে।

Mohori Bibee vs Dharmodas Ghose (1903)  মামলায় Privy Council সিদ্ধান্ত প্রদান করে যে, 'Any sought of Contract with a minor or infant is void. Such contracts are Void ab- initio (void from begining)'। এককথায়, নাবালক কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি-শুরুতেই বাতিল। অর্থাৎ, যেহেতু নাবালকের সাথে সম্পাদিত যেকোনো চুক্তি শুরুতেই বাতিল, সাবালকত্ব অর্জনের পরে অনুসমর্থন দ্বারা সে চুক্তিকে বৈধ করা যায় না।

অর্থাৎ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা- ১১, মুহুরি বিবি বনাম ধর্মদাস ঘোষ (১৯০৩) এই মামলার সিদ্ধান্ত অনুসারে নাবালক কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি Void ab initio.
৩,৫২১.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে কোন মামলা এ্যাবেট হবার কারণ উদ্ভব হতে পারে?
  1. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের মৃত্যু
  2. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেশান্তর
  3. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেওয়ালিয়াত্ব
  4. পূর্বোক্ত সবগুলোর কারণে
ব্যাখ্যা
• এ্যাবেট অর্থ হলো বাতিল। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ নং আদেশের ৮ নং বিধিতে বলা হয়েছে বাদীর দেওলিয়াত্ব মামলাটি বাতিল হবে না এবং এই ক্ষেত্রে বাদীর স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মামলাটি চালিয়ে নিতে পারে। কিন্তু এই নিয়মটি প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের (বিবাদীর) দেওলিয়াত্বর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

অর্থাৎ বিবাদী যদি দেওলিয়া হয়ে যায়, তাহলে মামলা এ্যাবেট হতে পারে। যেমন 'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে ২০০০০০ টাকার মামলা দায়ের করেছে। 'খ' কে আদালত দেওলিয়া ঘোষণা করেছে। সুতরাং 'খ' এর বিরুদ্ধে আর মামলা চলতে পারে না। কিন্তু এই মামলায় 'খ' যদি মারা যায়, তাহলে আদালত এই মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধিদের কে বিবাদী হিসেবে যুক্ত করে মামলায় অগ্রসর হতে পারবে। (আদেশ ২২ বিধি ৪)
৩,৫২২.
অপরাধের সংজ্ঞা দেয়া আছে কত ধারায়?
  1. ৩১ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪৪ ধারায়
  4. ৪৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪০ ধারায় অপরাধের সংজ্ঞা রয়েছে,
'যে সমস্ত কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকা দেশে বলবৎ কোন আইনের শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে তাকে অপরাধ বলে  অর্থাৎ যে সকল কার্য করা বা না করা প্রচলিত আইনের শাস্তিযোগ্য তাকে অপরাধ বলে। অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ বা চেষ্টা বা সহায়তা করাও অপরাধ।'
৩,৫২৩.
একজন মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন?
  1.  ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২ (সংশোধিত): ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত সাজা:
(১) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিম্নলিখিত সাজা প্রদান করতে পারবেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড;
- দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো সাজার সমন্বয়ে একটি বৈধ সাজা প্রদান করতে পারবেন।
৩,৫২৪.
সরকারি কোনো সম্পত্তি ছাড়া অন্যকোনো সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত জমি একনাগাড়ে কত বছর ধরে ভোগ করতে হবে?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৬০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ Easement Right মানে হল সুখাধিকার। সুখাধিকার বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির সম্পত্তি অন্য ব্যক্তি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে।
- তামাদি আইনের ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জনের বিধান রয়েছে।
-২৬ ধারা অনুযায়ী কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অথবা যে কোন সুখাধিকার অব্যাহতভাবে ২০ বছর (সরকারি সম্পত্তিতে ৬০ বছর) ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে উক্ত সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

⇒ অর্থাৎ ২৬ ধারামতে কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অব্যাহতভাবে ২০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে সুখাধিকার অর্জন করা যায়।

⇒ সুখাধিকারের ক্ষেত্রে ২০ বছর বলতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববর্তী ২ বছরের মধ্যে সমাপ্ত ২০ বছরকে বুঝায় । তবে সরকারি সম্পত্তির উপর সুখাধিকার অর্জন করতে হলে ৬০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করতে হবে। ২৬ ধারায় সুখাধিকার বলতে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরনের সুখাধিকারকে বোঝায়।

⇒ ২৬ ধারা অনুযায়ী সুখাধিকার আলো, বায়ু প্রবেশ ও ব্যবহার, স্থল ও জল পথের ব্যবহার এবং পানির ব্যবহারকে অন্তর্ভুক্ত করে।

⇒ সুখাধিকার বা ব্যবহার স্বত্ব (ইজমেন্ট রাইট)- ১৮৮২ সালের ইজমেন্ট রাইট অ্যাক্ট এর ৪ ধারায় সুখাধিকারের (ইজমেন্ট রাইট) সংজ্ঞা রয়েছে। সুখাধিকার বলতে এমন এক সুবিধাভোগী স্বত্বের অধিকারকে বুঝায় যা দ্বারা কোনো জমির মালিক বা দখলকার তার জমির সুবিধাজনক ভোগের জন্য অপর কোনো ব্যক্তির জমির উপর দিয়ে কিছু করতে বা করা অব্যাহত রাখতে, কোনো কিছু নিবৃত্ত করতে বা নিবৃত্ত অব্যাহত রাখতে পারে।


⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জন [ Acquisition of right to easements) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- মালিক না হয়েও অন্যের জমি ব্যবহার করার অধিকার হলো সুখাধিকার। সুখাধিকার [Easement] এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে যেমন আলো বাতাসের অধিকার, চলাচলের অধিকার ইত্যাদি।

⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।
(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।

(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।
৩,৫২৫.
সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুসারে, আদালতের অনুমান কার্যকর হবে কখন?
  1. যখন সনদের সব তথ্য যাচাই করা হয়
  2. যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক গৃহীত হয়
  3. যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক প্রত্যাখ্যান করা হয়
  4. যখন আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনদ যাচাই করে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী, আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের তথ্য সঠিক বলে অনুমান করবে যখন সনদটি গ্রাহক (সাবস্ক্রাইবার) কর্তৃক গৃহীত হয়। অর্থাৎ, গ্রাহক যদি স্বেচ্ছায় সনদটি গ্রহণ করে, তাহলে আদালত ধরে নেবে যে সনদের উল্লিখিত তথ্য (গ্রাহকের যাচাইকৃত নয় এমন তথ্য ছাড়া) সঠিক, যতক্ষণ না বিপরীত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৮৫গ (Section 85C: Presumption as to Digital Signature Certificates) অনুযায়ী,
"The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct,
except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber."
অর্থাৎ—
- যদি গ্রাহক (subscriber) তার ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদটি গ্রহণ করে (accepted),
-  তাহলে আদালত বিপরীত কিছু প্রমাণ না আসা পর্যন্ত ধরে নেবে (presume করবে) যে সনদের তথ্য সঠিক,
- কিন্তু যেসব তথ্য গ্রাহকের এবং যাচাই করা হয়নি, সেগুলো বাদে।
৩,৫২৬.
কে সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির চেয়ে আবেদন করে?
  1. সাক্ষী নিজেই
  2. প্রতিপক্ষ
  3. সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ
  4. মোকদ্দমা সংশ্লিষ্ট যে কেউ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার সাক্ষীকে পরীক্ষা করলে তা জবানবন্দি বলে গণ্য হয়। এরপর বিরুদ্ধ পক্ষ সেই সাক্ষীকে জেরা করে। তবে ১৫৪ ধারার অধীন যদি সাক্ষী আনয়নকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেরা করা শুরু করে তখন সেই সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী বলে। বৈরী সাক্ষী যে সাক্ষ্য দেয় সেটা হল বৈরী সাক্ষ্য। সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒  যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
৩,৫২৭.
'সাইপ্রেস' (Cy-pres) শব্দটির আক্ষরিক অর্থ কী?
  1. vested interest 
  2. easement right
  3. as close as possible
  4. as soon as possible 
ব্যাখ্যা

⇒ Cy-pres শব্দটি এসেছে পুরোনো ফরাসি বাক্য “cy pres comme possible” থেকে।
এর অর্থ হলো “যতদূর সম্ভব কাছাকাছি”।
আইনগতভাবে এটি এমন একটি নীতি, যেখানে ওয়াক্ফ/দাতব্য উদ্দেশ্য ব্যর্থ হলে, সেই সম্পত্তি নিকটতম সমজাতীয় দাতব্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, যাতে দাতার সদিচ্ছা যতদূর সম্ভব বাস্তবায়িত হয়।
অর্থাৎ Cy-pres = As close as possible = যতদূর সম্ভব নিকটতম উদ্দেশ্যে ব্যবহার।

⇒ The term ‘cy pres’ comes from the old French phrase ‘cy pres comme possible’, which means “as near as possible.”
- Cy pres is French for "as close" and is short for cy pres comme possible, or "as close as possible."
The term cy pres doctrine refers to a legal concept that gives courts the power to interpret the terms of a will, gift, estate, or charitable trust. 
- In the legal sphere, the phrase refers to ensuring that a donor’s or testator’s desires are followed out as nearly as possible, whether in a will or as part of a charitable trust or estate. 

⇒ "সাইপ্রেস" অর্থ- যতদূর সম্ভব। সাইপ্রেস নীতিটি ন্যায়পরায়নতার নীতি। যার ব্যবহারিক অর্থ হচ্ছে যতদূর সম্ভব কাছাকাছি। যেখানে ওয়াফ্ফনামায় একটি সুস্পষ্ট দাতব্য মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে তা ব্যর্থ হবেনা।

 ⇒ ওয়াক্ত সৃষ্টির উদ্দেশ্য সুনির্দিষ্ট থাকতে হবে। অন্যথায় এটা অবৈধ বলে গণ্য হবে। ওয়াফ্ফনামায় দান করার সদিচ্ছা সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হলে, যে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ওয়াক্ত করা হয়েছে তা যদি কোন কারণে ব্যর্থ হয় তবে, ওয়াফ্ফের সম্পত্তি দরিদ্রের উপকারের জন্য অথবা যে উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়েছে তার নিকটতম অপর কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হবে। ওয়াফ্ফের এই নীতি কে "সাইপ্রেস (Cy-press) মতবাদ বলা হয়।

৩,৫২৮.
হানাফী আইন অনুযায়ী কত শ্রেণির ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পরেন?
  1. ২ শ্রেণির
  2. ৩ শ্রেণির
  3. ৪ শ্রেণির
  4. ৫ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:

হানাফী আইন অনুযায়ী ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে।

১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]

- শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik | হলো সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার। যেমন; 'ক' এবং 'খ' হলো 'ম' এর সন্তান। সুতরাং 'ম' এর সম্পত্তির যৌথ মালিক হলো 'ক' এবং 'খ'। যদি 'ক' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করে তাহলে 'খ' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আবার 'খ' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করলে, 'ক' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

- শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit] অর্থ হলো সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী (Participator in immunities]। এটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোন সুখাধিকার যেমন পথে চলাচলের অধিকার ইত্যাদিতে অধিকারী।

- শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar) অর্থ হলো সংলগ্ন বা পার্শবর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক (owners of adjoining immovable property)। হানাফী আইন অনুযায়ী যে ভূমি বিক্রয় হবে তার সংলগ্ন জমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
৩,৫২৯.
একই দায়রা বিভাগের এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে মামলা স্থানান্তরের আবেদন কখন হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যায়?
  1. সরাসরি
  2. অনুমতি সাপেক্ষে
  3. দায়রা আদালত এমন আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫২৬খ এবং ধারা ৫২৬ মতে- একই দায়রা বিভাগের এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে হয় সংশ্লিষ্ট দায়রা জজের নিকট। যদি দায়রা জজ এমন আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, তারপর হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে।
৩,৫৩০.
Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুসারে, অ্যাডভোকেটের জন্য কোনটি সঠিক?
  1. সরকারি মামলা গ্রহণ করতে বাধ্য
  2. সব ক্লায়েন্টকে গ্রহণ করতে বাধ্য
  3. শুধুমাত্র ধনী ক্লায়েন্টদের সেবা দিতে হবে
  4. পেশাগত দায়িত্বে ইচ্ছামতো ক্লায়েন্ট বাছাই করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট নিজের পেশাগত দায়িত্বে ক্লায়েন্ট বাছাই করতে পারেন। এই বিষয়টি Chapter IV: Conduct with Regard to the Public Generally- Rule-4 এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
"No Advocate is obliged to act either as adviser or advocate for every person who may wish to become his client. He has right to decline professional employment."
অর্থাৎ, একজন অ্যাডভোকেট পেশাগতভাবে ইচ্ছামতো ক্লায়েন্ট বাছাই করতে পারেন, এবং কোনো ক্লায়েন্ট গ্রহণ না করার জন্য তার অধিকার রয়েছে। এর মানে, অ্যাডভোকেটদের কোনো নির্দিষ্ট ক্লায়েন্টকে গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয় না।

এছাড়া, সরকারি মামলা গ্রহণ করতে বাধ্য (ক), সব ক্লায়েন্টকে গ্রহণ করতে বাধ্য (খ), এবং শুধুমাত্র ধনী ক্লায়েন্টদের সেবা দিতে হবে (গ) — এসব ঠিক নয়। অ্যাডভোকেট তাদের পেশাগত নীতিমালা অনুসরণ করে নিজের চাহিদা, ইচ্ছা এবং শর্তে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

অতএব, অ্যাডভোকেটের জন্য সঠিক হল: "পেশাগত দায়িত্বে ইচ্ছামতো ক্লায়েন্ট বাছাই করতে পারে"।
৩,৫৩১.
কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করলে অন্যূন কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. ৭ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৪ ধারার বিধান: ভিকটিম বা মামলার সাক্ষীকে হুমকি প্রদানের দণ্ড:
-কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তাহার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া এই আইনের অধীন রুজুকৃত কোন মামলার তদন্ত বা বিচারকার্যে কোনরূপ গুরুতর বিঘ্ন সৃষ্টি করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৩,৫৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটগণকে প্রধানতঃ কত প্রকারে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৪ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালতসমূহ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি” (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর বিধান দ্বারা গঠিত। ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।
♦ ৬ ধারামতে বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালতসমূহকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
i) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (Court of Magistrates); এবং
ii) দায়রা আদালত (Court of Sessions).
৩,৫৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে ADR–এর কয়টি পন্থা আছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR)–এর দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে:
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration)।

সাধারন নিয়মসমূহ-
⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

৩,৫৩৪.
নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হয়-
  1. দলিল গ্রহণের তারিখ থেকে
  2. দলিল নিবন্ধনের তারিখ থেকে
  3. দলিল সম্পাদনের তারিখ থেকে
  4. আদালতের আদেশের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৭: নিবন্ধন ও অনিবন্ধনের ফলাফল-
নিবন্ধিত দলিল যে সময় হইতে কার্যকর হয়। কোন নিবন্ধিত দলিল, যদি উহার নিবন্ধন আবশ্যক না হইত বা নিবন্ধন করা না হইত, তাহা হইলে উহা, যে সময় হইতে কার্যকর হইত সেই সময় হইতেই কার্যকর হইবে, নিবন্ধনের সময় হইতে নহে।

⇒ সাধারণত একটি দলিল উহার সম্পাদনের তারিখ হইতে কার্যকর হয়।
৩,৫৩৫.
যেদিন তামাদির মেয়াদ শেষ হয় সেদিন আদালত বন্ধ থাকলে এর ফলাফল কী?
  1. আদালত যে কয়দিন বন্ধ থাকবে আদালত খোলার ততোদিনের মধ্যে মামলা করা যাবে
  2. আদালত যেদিন খুলবে ঠিক সেদিনই মামলা করতে হবে।
  3. আদালত বন্ধ হওয়ার আগেই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে
  4. আদালত খোলার পর ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ৪ ধারার বিধান মোতাবেক কোনো মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে (সরকারি ছুটির বন্ধ) উক্ত মোকদ্দমা যেদিন আদালত খুলবে সেদিন দায়ের করতে হবে।
৩,৫৩৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুসারে, প্রতিরোধমূলক প্রতিকার কীভাবে প্রদান করা হয়?
  1. ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে
  2. সম্পত্তি দখলের মাধ্যমে
  3. ইনজাংশনের মাধ্যমে
  4. চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual." (প্রতিরোধমূলক প্রতিকার আদালতের বিবেচনায় ইনজাংশনের মাধ্যমে, যা অস্থায়ী বা স্থায়ী হতে পারে, মঞ্জুর করা হয়।)
- অর্থাৎ, প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদানের মাধ্যম হলো ইনজাংশন (Injunction)। এটি দু'প্রকার: ১) অস্থায়ী ইনজাংশন (Temporary Injunction) ২) স্থায়ী ইনজাংশন (Perpetual Injunction)।
অন্য অপশনগুলো যেমন ক্ষতিপূরণ, সম্পত্তি দখল বা চুক্তি সংশোধন এই ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হিসেবে উল্লেখিত নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুরের প্রক্রিয়া:- আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

⇒ The Specific Relief Act, 1877,- Section 52 Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

৩,৫৩৭.
হিন্দু আইন অনুসারে, অন্যের পুত্রকে নিজ পুত্ররূপে গ্রহণ করাকে কী বলে?
  1. পিণ্ড বণ্টন
  2. বংশ স্থাপন
  3. সন্তান দান
  4. দত্তক গ্রহণ
ব্যাখ্যা

⇒ অন্যের পুত্রকে হিন্দু আইনের বিধান অনুযায়ী নিজ পুত্ররূণে গ্রহণ করাকে দত্তক গ্রহণ বলা যাইতে পারে। সুপ্রাচীন রোমান আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান প্রচলিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে হিন্দু আইন ব্যতীত অন্য কোন আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান চালু নাই।
অর্থাৎ হিন্দু আইনে দত্তক গ্রহণ বলতে বোঝায় কোনো ব্যক্তির দ্বারা অন্যের পুত্রকে আইনগতভাবে নিজ পুত্ররূপে গ্রহণ করা।

দত্তক গ্রহণের উদ্দেশ্য:
- প্রধান দুইটি কারণে হিন্দু আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান প্রচলিত। একটি ধর্মীয় কারণ আর অপরটি বলা যেতে পারে পার্থিব কারণ। মুনিবর বশিষ্ট সাবধান বাণী উচ্চারণ করিয়া গিয়াছেন "পুত্রহীনদের স্বর্গে কোন স্থান নাই।" একজন মৃত ব্যক্তি তার নিম্নতন তিন পুরুষ অর্থাৎ পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র হইতে সরাসরি পিণ্ড পাওয়ার অধিকারী। যার পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র নাই মৃত্যুর পর তার আত্মা এইভাবে পিণ্ড পাওয়ার আশা করতে পারে না। এসব বিবেচনাকে ধর্মীয় কারণ হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে।
- পক্ষান্তরে প্রত্যেক মানুষই নিজ বংশের ধারাবাহিকতা চালু রাখতে চায়। প্রায় সকল মানুষই চায় যে মৃত্যুর পরও তার পুত্র পৌত্রাদির মাধ্যমে তার নাম এই পৃথিবীতে আরও কিছুদিন থাকুক। এইসব বিবেচনাকে পার্থিব কারণ হিসাবে গণ্য করা যেতে পারে।

৩,৫৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৯ অনুযায়ী, নতুন ডিক্রি-ধারী নিম্নলিখিত কোনটি দাবি করতে পারবে না?
  1. ডিক্রির অর্থ আদায়
  2. মূল ডিক্রি-ধারীর সমস্ত অধিকার
  3. আদালতে আবেদন করার অধিকার
  4. দায়ীকের বিরুদ্ধে নতুন শর্ত আরোপ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নতুন ডিক্রি-ধারী (Transferee) মূল ডিক্রি-ধারীর অধিকার ও শর্তেই ডিক্রি কার্যকর করবে। তবে, সে নতুন কোনো শর্ত আরোপ করতে পারবে না বা বিচার-দেনাদারের (দায়ীক) বিরুদ্ধে অতিরিক্ত দাবি উত্থাপন করতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী, ডিক্রি হস্তান্তর (Transfer of Decree) সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ধারার মূল বক্তব্য হলো—
যদি কোনো ডিক্রি হস্তান্তর করা হয়, তাহলে নতুন ডিক্রি-ধারী সেই ডিক্রিটি সেইসব শর্ত ও সীমাবদ্ধতার অধীনে গ্রহণ করবে, যেসব শর্ত দায়ীকের (Judgment Debtor) মূল ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করতে পারত।
অর্থাৎ, নতুন ডিক্রি-ধারী (Transferee) কোনো নতুন সুবিধা দাবি করতে পারবে না এবং পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর শর্তেই ডিক্রি কার্যকর করতে পারবে।
-----------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-49. Transferee: 
 Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.
৩,৫৩৯.
The mandatory requirement "In every plaint, facts shall be proved by affidavit" is a part of which section of the Code of Civil Procedure, 1908?
  1. Section 23
  2. Section 26
  3. Section 30
  4. Section 51
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Civil Procedure, 1908 (CPC) এর Section 26-এ বলা হয়েছে:
Sub-section (1): "Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed."
Sub-section (2): "In every plaint, facts shall be proved by affidavit."
এই বিধানটি ২০২৫ সালের সংশোধনী অধ্যাদেশ (Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025) এর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে। Section 26-এর মূল বিধানটি (Sub-section 1) ইতিমধ্যেই ছিল, যা মামলা দায়ের করার পদ্ধতি বর্ণনা করে। সংশোধনীতে Sub-section (2) যোগ করে Plaint-এর facts গুলো Affidavit (শপথনামা) এর মাধ্যমে প্রমাণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) Section 26।

৩,৫৪০.
'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩' এর কততম ধারায় হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা-১৩
  2. ধারা-১৯
  3. ধারা-৩২
  4. ধারা-৪১
ব্যাখ্যা
• ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’: 
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে। 
ধারাগুলো হলো:
- ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
- ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
- ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
- ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।

 
- সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ৩২ ধারার বিধান হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

- ব্যাখ্যা:-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ-
(ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা
(খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমেঅবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
৩,৫৪১.
ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের নালিশের ক্ষেত্রে নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করেন?
  1. শুধুমাত্র লিখিত নালিশ
  2. শুধুমাত্র মৌখিক নালিশ
  3. মৌখিক এবং লিখিত উভয় ধরনের নালিশের ক্ষেত্রেই
  4. কোন ধরনের নালিশের ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১[Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case]- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

(Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case)-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case,he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing,such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
৩,৫৪২.
সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন কে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৬০ মোতাবেক গুরুতর অপরাধ নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেইসব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করতে পারেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এর ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট এর বেঞ্চ।
৩,৫৪৩.
দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা অনুযায়ী অপরাধ সংঘটিত হয় কখন?
  1. যখন সরকারী কর্মচারী দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করে
  2. যখন কেউ সরকারী আদেশ অমান্য করে
  3. যখন আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করা হয় না
  4. যখন সরকারি কর্মচারীর কাজে বাধা প্রদান করা হয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অনুরূপ সহায়তা না করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীকে তাঁর সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মত-ভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৩,৫৪৪.
'ক' তার একটি গাভীর যত্ন নেওয়ার জন্য 'খ' এর হেফাজতে রাখেন। 'খ' এর হেফাজতে থাকাকালীন গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। উক্ত বিষয়ে ভিন্ন কোনো চুক্তি না থাকলে, সেই বাছুরটির দাবীদার কে হবে?
  1. 'খ'
  2. 'ক'
  3. 'ক' ও 'খ' উভয়ে
  4. 'খ' এর ইচ্ছানুযায়ী সিদ্ধান্ত হবে
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারা- জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:

জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।

উদাহরণ
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।

যেহেতু উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' হচ্ছে জিম্মাদাতা এবং উক্ত বিষয়ে তাদের মধ্যে ভিন্ন কোনো চুক্তি নেই, সেহেতু বাছুরটির দাবীদার একমাত্র 'ক' হবে।

Section 163: Bailor entitled to increase or profit from goods bailed
In the absence of any contract to the contrary, the bailee is bound to deliver to the bailor, or according to his directions, any increase or profit which may have accrued from the goods bailed.

Illustration 
A leaves a cow in the custody of B to be taken care of. The cow has a calf. B is bound to deliver the calf as well as the cow to A.
৩,৫৪৫.
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ কয়টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ২টি ক্ষেত্রে
  2. ৩টি ক্ষেত্রে
  3. ৪টি ক্ষেত্রে
  4. ৫টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সেই বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে।
 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
 
Section 561A- Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৩,৫৪৬.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে কয়টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারার বিধান: শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:
- এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :-
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ;
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা;
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত;
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা;
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা;
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি;
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতা তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি;
(জ) শিশুর অভিমত;
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।

-শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে এই ১০টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে।
৩,৫৪৭.
নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালন করার সময় কার অধীনে থাকবে?
  1. রাষ্ট্রপতির অধীন
  2. সুপ্রীম কোর্টের অধীন
  3. সংবিধান ও আইনের অধীন
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮(৪)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।"
- অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন এবং শুধুমাত্র সংবিধান ও আইনের প্রতি জবাবদিহি করবে। এটি কারও প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।
- সঠিক উত্তর: গ) সংবিধান ও আইনের অধীন।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।
(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।
(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।
(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

৩,৫৪৮.
অ্যাডভোকেট সনদের জন্য আবেদনকারীর Pupilage Diary তে অন্যূন কয়টি দেওয়ানি মামলার নোট থাকতে হবে-
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. ১০ টি
ব্যাখ্যা
বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
-অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
-শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
-হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
৩,৫৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুসারে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন- 
  1. অভিযুক্ত
  2. অভিযোগকারী
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষণার পূর্বে মামলার কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলার পুরো অংশ বা নির্দিষ্ট এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারেন।
- অভিযুক্ত, অভিযোগকারী বা পুলিশ কর্মকর্তা এই ধারা অনুসারে মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা রাখেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

৩,৫৫০.
কোন বিবাহিতা নারীর সাথে তার স্বামীর সম্মতি ব্যতীত যৌন সঙ্গম করলে তা কি বলে গণ্য হবে?
  1. ধর্ষণ
  2. প্রতারণা
  3. ব্যভিচার
  4. সম্মানহানি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৯৭ ধারা মতে কোন বিবাহিতা নারীর সাথে তার স্বামীর সম্মতি ব্যতীত যৌন সঙ্গম করলে তা ব্যভিচার বলে গণ্য হবে।
৩,৫৫১.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১২(২) অনুযায়ী, রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার করার জন্য আদালত কোন পরিস্থিতিতে বাধ্য?
  1. কেবল অভিযোগকারীর অনুরোধে
  2. উভয়পক্ষের অনুরোধে
  3. কেবল ভুক্তভোগীর অনুরোধে
  4. জেলা জজ আদালতের নির্দেশে
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান: রুদ্ধদ্বার কক্ষে  বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।

(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।

৩,৫৫২.
Section 55A of The Penal Code deals with-
  1. Saving for President prerogative.
  2. Commutation of sentence of death.
  3. Commutation of sentence of imprisonment for life.
  4. Fractions of terms of punishment.
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:- ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।

♦ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।

♦ দণ্ডবিধির  ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাজ্ঞা হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাজ্ঞা প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ডাজ্ঞা হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

--------------------------
♦ Section 55A. Saving for President prerogative:- Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

♦ Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.

♦ Section 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

♦ Section 57. Fractions of terms of punishment: In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.
৩,৫৫৩.
যে পক্ষকে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে বাধ্য করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারামতে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (What parties cannot be compelled to perform)- ভুল তথ্য বা ধারনা তথা প্রতারণার মাধ্যমে কোন চুক্তি হলে, প্রতারনার স্বীকার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।

⇒  যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারায়, অন্যদিকে যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৪ ধারায়।
⇒  যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৭ ধারায়, অন্যদিকে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৮ ধারায়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে নাঃ নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে নাঃ

(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;

(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;

(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।

তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।
----------------
⇒ Against whom Contracts cannot be specifically enforced:

⇒ Section 28 What parties cannot be compelled to perform: Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:- 
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff; 
(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled; 
(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced. 
 
⇒ Illustrations 
to clause (c)- 
A, one of two executors, in the erroneous belief that he had the authority of his co-executor, enters into an agreement for the sale to B of his testator's property. B cannot insist on the sale being completed. 
 
A directs an auctioneer to sell certain land. A afterwards revokes the auctioneer's authority as to 20 bighas of this land, but the auctioneer inadvertently sells the whole to B, who has not notice of the revocation. B cannot enforce specific performance of the agreement.
৩,৫৫৪.
জেলা পর্যায়ে সাধারণতঃ কয় প্রকারের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থাকে?
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৬(২) ম্যাজিস্ট্রেট দুই প্রকার,
- জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 
- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

আবার, ধারা ৬(৩) অনুযায়ী চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ

(ক) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
৩,৫৫৫.
‘D’ একজন ব্যক্তিকে ১১ দিন ধরে একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে এবং পালানোর চেষ্টা করলে হুমকি দেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৪৪ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৪ অনুসারে, কেউ যদি কাউকে অবৈধভাবে ১০ দিন বা তার বেশি আটকে রাখে, সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় শাস্তি হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

৩,৫৫৬.
"Notice to Produce" সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় আলোচিত হয়েছে?
  1. ধারা ৬৫
  2. ধারা ৬৬
  3. ধারা ৬৭
  4. ধারা ৬৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৬ "নোটিশ টু প্রোডিউস" (Notice to Produce) সম্পর্কিত নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা করে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, ধারা ৬৫(ক)-এ উল্লিখিত দলিলের বিষয়বস্তুর গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence) উপস্থাপন করতে হলে, যে পক্ষ গৌণ সাক্ষ্য দিতে চায় তাকে অবশ্যই মূল দলিলের অধিকারী পক্ষ বা তার আইনজীবীকে আইন দ্বারা নির্ধারিত নোটিশ দিতে হবে। যদি কোনো আইনে নোটিশের নির্দিষ্ট ব্যবস্থা না থাকে, তবে আদালত যে পরিমাণ সময় যুক্তিসঙ্গত মনে করে তা নোটিশ হিসেবে বিবেচিত হবে।
ধারা ৬৬-এর শর্তাংশে (Proviso) ছয়টি ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। এই ব্যতিক্রমগুলি হলো:
১) যখন দলিলটি নিজেই একটি নোটিশ।
২) যখন মামলার প্রকৃতি অনুসারে বিপক্ষীয় পক্ষ জানে যে তাকে মূল দলিল উপস্থাপন করতে হবে।
৩) যখন প্রমাণিত হয় যে বিপক্ষীয় পক্ষ জালিয়াতি বা জোরপূর্বক মূল দলিল দখল করেছে।
৪) যখন বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার এজেন্টের কাছে মূল দলিল আদালতে থাকে।
৫) যখন বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার এজেন্ট দলিলটি হারিয়ে ফেলেছে বলে স্বীকার করে।
৬) যখন দলিলের অধিকারী ব্যক্তি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে থাকে বা আদালতের প্রক্রিয়ার আওতায় নেই।

- অর্থাৎ "নোটিশ টু প্রোডিউস" সম্পর্কিত বিধান সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৬-এ আলোচিত হয়েছে। এই ধারা গৌণ সাক্ষ্য উপস্থাপনের পূর্বশর্ত হিসেবে নোটিশের প্রয়োজনীয়তা এবং এর ব্যতিক্রমগুলি স্পষ্ট করে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৬৬।
----------
⇒ The Evidence Act,1872- Section- 66. Rules as to notice to produce:
Secondary evidence of the contents of the documents referred to in section 65, clause (a), shall not be given unless the party proposing to give such secondary evidence has previously given to the party in whose possession or power the document is, or to his Advocate, such notice to produce it as is prescribed by law; and if no notice is prescribed by law, then such notice as the Court considers reasonable under the circumstances of the case: 
Provided that such notice shall not be required in order to render secondary evidence admissible in any of the following cases, or in any other case in which the Court thinks fit to dispense with it:– 
(1) when the document to be proved is itself a notice; 
(2) when, from the nature of the case, the adverse party must know that he will be required to produce it; 
(3) when it appears or is proved that the adverse party has obtained possession of the original by fraud or force; 
(4) when the adverse party or his agent has the original in Court; 
(5) when the adverse party or his agent has admitted the loss of the document; 
(6) when the person in possession of the document is out of reach of, or not subject to, the process of the Court.

৩,৫৫৭.
একটি সমুদ্রগামী জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমার মধ্যে প্রবেশ করার পর কক্সবাজার মহেশখালীর নিকট আটক করা হয় এবং চট্টগ্রাম-এ নিয়ে যাওয়া হয়। ওই জাহাজে প্রচুর চোরাচালানের মাল পাওয়া যায়। উপরোক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে মামলা দায়ের করা যাবে________।
  1. কক্সবাজারের স্পেশাল ট্রাইবুনালে।
  2. চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইবুনালে।
  3. কক্সবাজার কিংবা চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইবুনালে।
  4. কোনোটি নয়।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৮৩ ধারা মতে ভ্রমণকালে বা সমুদ্র যাত্রায় অপরাধী কর্তৃক সংঘটিত কোন অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার অপরাধী, অথবা যে ব্যক্তি বস্তুর বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে, সে অপরাধী, ব্যক্তির বা বস্তু যে আদালতের স্থানীয় এলাকার মধ্য দিয়া অতিক্রম করে সেই আদালতে হতে পারবে।
♦অর্থাৎ কক্সবাজার এলাকায় জাহাজটি আটক করা হলেও চট্টগ্রামে জাহাজ হতে চোরাচালানের মাল পাওয়া যায় এবং জব্দ করা হয়। কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম যাত্রাপথে অপরাধটি চলতে থাকে বিধায় দু’স্থানের যেকোনো একস্থানের স্পেশাল ট্রাইবুনালে মামলাটি চলবে।
৩,৫৫৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী কয়টি গ্রাউন্ডে রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান: পুনর্বিচার: উল্লিখিত শর্ত ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে কোন ব্যক্তি যদি নিম্নবর্ণিত কোন হেতুবশত অসন্তুষ্ট হয়-

ক) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই আইনমতে আপিল চলে, কিন্তু আপিল করা হয়নি, তদ্রূপ কোন ডিক্রি বা আদেশহেতু;
খ) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই আইনমতে কোন আপিল করা চলে না, তদ্রূপ কোন ডিক্রি বা আদেশহেতু; কিংবা
গ) কোন স্বল্প-এখতিয়ার আদালতের রেফারেন্স অনুযায়ী গৃহীত আদালতের প্রদত্ত সিদ্ধান্ত দ্বারা সংক্ষুব্ধ মনে করেন-

তবে, উক্ত ব্যক্তি ডিক্রি বা আদেশদানকারী আদালতের নিকট এর রায় পুনর্বিচারের জন্য আবেদন করতে পারবে এবং আদালত তৎসম্পর্কে যথোপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী এই ৩টি গ্রাউন্ডে রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করা যায়। 
--------------
CPC Section 114. Review:
- Subject as aforesaid, any person considering himself aggrieved:
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed by this Code, but from which no appeal has been preferred, 
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed by this Code, or 
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes 
may apply for a view of judgment to the Court which passed the decree or made the order, and the Court may make such order thereon as it thinks fit.
৩,৫৫৯.
'A', 'Z'-এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত করার উদ্দেশ্যে বা জানার পরেও তাকে একটি ঘুষি মারল। যদিও 'Z'-এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত হয়নি, তবে সে বিশ দিন ধরে তীব্র শারীরিক যন্ত্রণায় ভুগেছে। এক্ষেত্রে, 'A' ________ প্রদান করেছে বলে গণ্য হবে।
  1. স্বেচ্ছায় আঘাত
  2. স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত
  3. দুর্ঘটনাজনিত আঘাত
  4. স্বল্প আঘাত
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা-৩২২: স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দান:
যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় আঘাত করে, যদি সে এমন আঘাত করার ইচ্ছা পোষণ করে বা জানে যে তার আঘাতের ফলে গুরুতর আঘাত (grievous hurt) হতে পারে এবং বাস্তবে সেই আঘাত গুরুতর আঘাতের কারণ হয়, তবে তাকে "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদানকারী" বলা হয়।

ব্যাখ্যা:
কোনো ব্যক্তি তখনই "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদানকারী" হিসেবে গণ্য হবে, যদি সে একদিকে গুরুতর আঘাত প্রদান করে এবং অন্যদিকে তার সেই আঘাত প্রদান করার অভিপ্রায় থাকে বা সে জানে যে তার আঘাত গুরুতর হতে পারে। তবে, যদি কেউ এক ধরনের গুরুতর আঘাত করার উদ্দেশ্যে আঘাত করে, কিন্তু বাস্তবে অন্য ধরনের গুরুতর আঘাত ঘটে, তাহলেও তাকে "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদানকারী" বলা হবে।

উদাহরণ:
'A', 'Z'-এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত করার উদ্দেশ্যে বা জানার পরেও তাকে একটি ঘুষি মারল। যদিও 'Z'-এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত হয়নি, তবে সে বিশ দিন ধরে তীব্র শারীরিক যন্ত্রণায় ভুগেছে। সুতরাং, 'A' স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদান করেছে বলে গণ্য হবে।
৩,৫৬০.
দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারার অধীনে অপরাধ কোনটি?
  1. পরিচয় প্রকাশ করে হুমকি দেয়া
  2. মজা করে হুমকি দেয়া
  3. নিজের নাম গোপন রেখে হুমকি দেয়া
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৭- অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
যে ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে, বা যে ব্যক্তি হুমকি প্রদানের জন্য যার নাম বা অবস্থান গোপন রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছরের পর্যন্ত যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এছাড়া, এই অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী ধারায় প্রদত্ত শাস্তিও তাকে প্রদান করা হবে।

Criminal intimidation by an anonymous communication:
Whoever commits the offence of criminal intimidation by an anonymous communication, or having taken precaution to conceal the name or abode of the person from whom the threat comes, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, in addition to the punishment provided for the offence by the last preceding section.
৩,৫৬১.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী যদি বিবাদী কারাগারে বন্দী থাকে, তাহলে সমন কীভাবে প্রদান করা হবে?
  1. বিবাদীর আইনজীবীর নিকট
  2. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
  3. বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যের নিকট
  4. বিবাদীর পরিবারের প্রধান সদস্যের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি ২৪- যদি বিবাদী কারাগারে বন্দী থাকেন, তাহলে সমন কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে বিবাদীর কাছে জারির জন্য সরাসরি প্রদান বা ডাকযোগে বা বিধি ৯ এর উপবিধি (৪)-এ উল্লিখিত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে।
→ অর্থাৎ যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট সমন পাঠাতে হবে।
------------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-7 Rule- 24. Service on the defendant in prison:
Where the defendant is confined in prison, the summons shall be delivered or sent by post or through courier service as mentioned in sub-rule (4) of rule 9 or otherwise to the officer in charge of the prison for service on the defendant.

৩,৫৬২.
তামাদি আইনের ১৬ ধারা কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. ফৌজদারি মামলায়
  2. চুক্তি সম্পর্কিত মামলায়
  3. বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলায়
  4. নিলাম বিক্রয় রদ সম্পর্কিত মামলায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৬ ধারা নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-
’ডিক্রি জারির জন্য কোন সম্পত্তি বিক্রয়’ অর্থাৎ নিলাম বিক্রয় রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা হলে, মামলা যতদিন চলবে সেই সময় নিলাম গ্রহীতার বা যিনি নিলাম কিনেছেন তার উক্ত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে, তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending:
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৩,৫৬৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ রয়েছে?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৬
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১৪: সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ:
(১) এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা ছবি বা অন্যবিধ তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে 36[বা অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে] এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায় ।
 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
৩,৫৬৪.
নিম্নের কোন ধরণের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিলের সময়সীমার ব্যতিক্রম দেয়া হয়েছে-
  1. মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে
  2. নাবালকের বিরুদ্ধে
  3. সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি (১)-
৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে, তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।

ধারা ৮০ (২) তে সরকার কর্তৃক লিখিত জবাব দাখিলের সময়সীমা দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে-

৮০ ধারা অনুযায়ী সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করার পূর্বে ২ মাসের নোটিশ দিতে হয়। ২ মাসের নোটিশ দেওয়ার পর মোকদ্দমাটি দায়ের করতে হবে। যদি নোটিশ দিয়ে মোকদ্দমাটি দায়ের করা হয়, তাহলে সরকার লিখিত জবাব দাখিল করার সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবস সময় পেতে পারে। কিন্তু যেক্ষেত্রে নোটিশ না দিয়ে মোকদ্দমাটি দায়ের করা হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য আদালত সরকারকে সর্বনিম্ন ৩ মাসের সময় দিতে হবে।
৩,৫৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৯ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণ
  2. আপিলের শুনানি
  3. জামিন আবেদন
  4. পরোয়ানা কার্যকর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৯ (Section 409 of the Code of Criminal Procedure, 1898) মূলত দায়রা আদালতে আপিলের শুনানির পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে: দায়রা আদালতে (Court of Session) বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপিল শুনানির অধিকার রাখেন,
- দায়রা জজ (Sessions Judge) অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge)।
- তবে অতিরিক্ত দায়রা জজ শুধুমাত্র সরকারের সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কিংবা দায়রা জজ কর্তৃক অর্পিত আপিল শুনবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি-
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
৩,৫৬৬.
What type of evidence mistake is covered by Section 167 of The Evidence Act, 1872?
  1. Evidence that is unclear.
  2. Evidence that is unrelated to the case.
  3. Improper admission or rejection of evidence.
  4. Evidence presented after the trial ends.
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।

Section 167⇒ No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
৩,৫৬৭.
কোন ব্যক্তিকে একই অপরাধের বিচারের জন্য পুনরায় আদালতে হাজির করা যায়-
  1. খালাস প্রাপ্ত ব্যক্তি
  2. অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি
  3. দণ্ডিত ব্যক্তি
  4. কাউকে না
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৩ মতে- কোন ব্যক্তি একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত হলে একই অপরাধের জন্য তাকে পুন:বিচার করা যাবে না। তবে, আসামীকে পূর্বে অব্যাহতি দেওয়া হয়ে থাকলে নতুন সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় আদালতে হাজির করা যাবে। অর্থাৎ একই অপরাধের বিচারের জন্য পুনরায় আদালতে হাজির করা যায় না,  এই বিধান শুধু দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত আসামীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, অব্যাহতিপ্রাপ্ত আসামীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৩,৫৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী, ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করার কারণ জানাতে বাধ্য?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৪ক
  3. ধারা ৪৫ক
  4. ধারা ৪৫ঘ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুসারে, প্রত্যেক পুলিশ অফিসার ওয়ারেন্ট ছাড়া যে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলে গ্রেফতারের সময়ই তাকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার হলে পুলিশ অফিসারকে অবশ্যই তাকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করতে হবে। এটি অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার এবং বেআইনি আটক প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা।

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54A. Person arrested to be informed of reason of arrest:
- Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

৩,৫৬৯.
কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না?
  1. ২০০ টাকা
  2. ১০০ টাকা
  3. ৫০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৪১৩ মতে- দায়রা আদালত কেবলমাত্র অনধিক একমাত্র কারাদণ্ড দিলে অথবা দায়রা আদালত বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করলে দণ্ডিত ব্যক্তি কোন আপীল করতে পারবে না।
৩,৫৭০.
'ক', 'খ' কে হত্যা করেছে। এই হত্যাকাণ্ড সকলের অগোচরে হলেও, 'গ' তার অবস্থান থেকে গুলির শব্দ এবং 'খ'- এর আর্তনাদ শুনতে পেয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে 'গ' রক্তের দাগ ও বন্দুক দেখতে পেয়েছে। এক্ষেত্রে 'গ' যদি সাক্ষ্য দেয়, তবে তার সাক্ষ্য-
  1. গ্রহণযোগ্য হবে না
  2. শোনা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
  3. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
  4. অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
এখানে 'গ' যদি সাক্ষ্য দেয়, তবে তার সাক্ষ্য অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

অবস্থাগত সাক্ষ্য (Circumstantial Evidence) হল এমন প্রকার প্রমাণ বা সাক্ষ্য যা প্রত্যক্ষভাবে কোনো ঘটনাকে প্রমাণিত না করলেও পরোক্ষভাবে সেই ঘটনার অস্তিত্বকে ইঙ্গিত করে।

উদাহরণ:
আলাদা বস্তু: যেমন রক্তাক্ত কাপড়, অস্ত্র, গাড়ির ট্র্যাক মার্ক ইত্যাদি যা ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়।
আচরণগত সাক্ষ্য: অপরাধীর সন্দেহজনক আচরণ, পলাতক অবস্থা ইত্যাদি।
সাক্ষী বক্তব্য: প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা যা পরোক্ষভাবে ঘটনার সাথে জড়িত।
মোটিভ: অপরাধের কারণ বা উদ্দেশ্য যা অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসাবে কাজ করতে পারে।

অবস্থাগত সাক্ষ্য সাধারণত ফরেনসিক বা প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের সাথে যুক্ত হয়ে একটি শক্তিশালী প্রমাণের সৃষ্টি করে। তবে একক অবস্থাগত সাক্ষ্য দ্বারা কোনো রায় দেওয়া সম্ভব হয় না।
৩,৫৭১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫৩ অনুযায়ী সংশোধনের ক্ষমতা কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. আদালতকে
  2. সরকারকে
  3. আইনজীবীকে
  4. বাদীপক্ষকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫৩ অনুযায়ী, আদালতকে “সাধারণ সংশোধনের ক্ষমতা” (general power to amend) দেওয়া হয়েছে।
- এ ধারা অনুযায়ী, আদালত যেকোনো সময়, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ বা অন্য শর্ত আরোপ করে, মোকদ্দমার কার্যক্রমে যে কোনো ভুল বা ত্রুটি সংশোধন করতে পারে।
- এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হলো মামলার প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণে সহায়তা করা।
অতএব, সংশোধনের ক্ষমতা সরকার বা পক্ষসমূহের নয়, বরং শুধুমাত্র আদালতের।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।
অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
৩,৫৭২.
আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করতে বাধ্য নয়
  3. আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকতে পারবে না
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীন আপীল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে বা বিচারকারী আদালতকে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিতে পারে।

ধারা ৪২৮- আপীল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন

(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপীল বিবেচনার সময় আপীল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপীল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।

(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপীল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপীল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।

(৩) আপীল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।

(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
৩,৫৭৩.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৫২ অনুসারে ধারে বিক্রিত পণ্যের মূল্য আদায়ের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-৫২ অনুযায়ী, যদি কোনো পণ্য ধারে বিক্রি বা অর্পণ করা হয় এবং তার মূল্য পরিশোধের সময় নির্ধারিত না থাকে, তবে মূল্য আদায়ের জন্য মামলা পণ্য অর্পণের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।
- অর্থাৎ, যদি বিক্রেতা বা মালিক পণ্য বিক্রি করেন, কিন্তু ক্রেতা মূল্য পরিশোধে দেরি করেন এবং নির্দিষ্ট সময় না জানান, তাহলে ৩ বছরের মধ্যে সেই মূল্য আদায়ের জন্য মামলা করতে হবে।

উদাহরণ:
- আপনি কাউকে কোনো মালামাল বা পণ্য দেন, কিন্তু দাম দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় বলেননি। তাহলে তিনি যদি দাম না দেন, আপনি ডেলিভারির তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে পারবেন।
৩,৫৭৪.
কোন দলিলটি পাবলিক দলিল Public document?
  1. প্রকাশিত কবিতা
  2. প্রকাশিত পত্র
  3. মামলার আরজি
  4. উইল
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং ২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।
♦ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে ।
♦বাংলাদেশ সরকারের হেফাজতে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের নথিপত্র যেমন- রেজিস্ট্রি দলিলের বিবরণ, আদালতের রায়, ডিক্রি, আদেশ, মামলার আরজির জবাব, খতিয়ান, Crpc ১৬৪ ধারার confessional statement সবই সরকারী দলিল বা Public Document.
♦ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
৩,৫৭৫.
ক” একটি নির্দিষ্ট জমি বিক্রয় করতে এবং খ” তা ক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। কিন্তু বন্যা হতে উক্ত জমি রক্ষা করার জন্য উহার মালিক কর্তৃক ব্যয়বহুল বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণ করা আবশ্যক। খ” এ পরিস্থিতির কথা জানতো না এবং ক” বিষয়টি গোপন রেখেছিল। চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন-
  1. ক” এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যাখ্যাত হবে
  2. ক” এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রদত্ত হবে
  3. খ” এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যাখ্যাত হবে
  4. উপরের কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦বাঁধ রক্ষাণাবেক্ষণ করা সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ না করে বা তথ্য গোপন করে বাদী ক” বিবাদী খ” এর নিকট হতে একটি অন্যায় সুবিধা [Unfair Advantage] নিয়েছে এবং এই কারণে বাদী ক” চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আবেদন করলে তা অবশ্যই প্রত্যাখ্যান হবে।
৩,৫৭৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর _________ অনুযায়ী, সরকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চকে সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।
  1. ধারা ২৬০
  2. ধারা ২৬১
  3. ধারা ২৬২
  4. ধারা ২৬৩
ব্যাখ্যা
• সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)-
গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ২৬১ অনুযায়ী,
সরকার যে কোনো দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চকে সংক্ষিপ্তভাবে নিম্নলিখিত অপরাধসমূহ বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারে:

(ক) দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারার অধীনে অপরাধসমূহ: ধারা ২৭৭, ২৭৮, ২৭৯, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৯, ২৯০, ২৯২, ২৯৩, ২৯৪, ৩২৩, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১, ৩৫২ , ৪২৬ , ৪৪৭, এবং ৫০৪।
(খ) পৌরসভা আইনের অধীনে এবং পুলিশ আইনের স্বাস্থ্যবিধির ধারাসমূহের অধীনে অপরাধসমূহ, যা শুধুমাত্র জরিমানা বা এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (জরিমানা সহ বা ছাড়া) দ্বারা শাস্তিযোগ্য।
(গ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা প্রদান।
(ঘ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধ করার চেষ্টা, যখন সেই চেষ্টা নিজেও একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
৩,৫৭৭.
আইনানুগ অভিভাবকত্ব হইতে মনুষ্য হরণের ক্ষেত্রে হরণকৃত ব্যক্তির বয়সসীমা কত?
  1. পুরুষের ক্ষেত্রে ১৪ বৎসরের কম বয়স্ক
  2. নারীর ক্ষেত্রে ১৬ বছরের কম বয়স্ক
  3. যে কোন বয়সের অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ' এ বর্ণিত সবগুলি।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান  বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------------
⇒ Section 360. Kidnapping from Bangladesh:-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৩,৫৭৮.
তামাদি আইনের ১৫ ধারায় নির্দেশিত সময় কিভাবে গণনা করা হবে?
  1. মামলার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার দিন থেকে
  2. মামলার পিটিশন জমা দেওয়ার দিন থেকে
  3. নিষেধাজ্ঞা বা আদেশের বলবৎ থাকা সময় যোগ করে
  4. নিষেধাজ্ঞা বা আদেশের বলবৎ থাকা সময় বাদ দিয়ে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী, কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হইবে-
(১) যেই মামলা বা ডিক্রি জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন উক্ত নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেদিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেদিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।

(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।

Section 15: Exclusion of time during which proceedings are suspended-
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded. 

(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.
৩,৫৭৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৯
  2. অনুচ্ছেদ ২০
  3. অনুচ্ছেদ ২১
  4. অনুচ্ছেদ ২২
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ নিশ্চিত করবে। এই বিধানটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাতে নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ ছাড়াই বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২-এ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) অনুচ্ছেদ ২২।

৩,৫৮০.
অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি কী?
  1. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. শুধু অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৪২ ধারায় অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি হিসেবে অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে।
• কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধ এলাকার বাহিরে গমনে বাধা প্রদান করাকে অবৈধ আটক বা অবরোধ বলে।
৩,৫৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকরের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. ৩৫৯ ধারায়
  2. ৩৬১ ধারায়
  3. ৩৬৮ ধারায়
  4. ৩৭০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

Section- 368:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
৩,৫৮২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় অপরিপক্ক বা অকালীয় উদঘাটনের (premature discovery) বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-১১, বিধি-১৮
  2. আদেশ-১১, বিধি-১৯
  3. আদেশ-১১, বিধি-২০
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ২০ নং বিধিতে অপরিপক্ক বা অকালীয় উদঘাটনের (premature discovery) বিধান রয়েছে।

• আদালত যখন উদঘাটন বা আবিষ্কারের প্রশ্ন স্থগিত রেখে, আগে অন্য কোন বিচার্য বিষয় বা প্রশ্নের নিষ্পত্তি করার নির্দেশ প্রদান করে তখন তাকে অপরিপক্ষ উদঘাটন (premature discovery) বলে।

যখন উদঘাটন বা আবিষ্কারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে অন্য কোনো বিচার্য বিষয় বা প্রশ্নের নিষ্পত্তি হওয়া উচিত বলে আদালত মনে করেন, তখন উক্ত আদেশ প্রদান করবেন।
৩,৫৮৩.
নিচের কোন ক্ষেত্রে আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনগত বাধ্য?
  1. রেজিস্টার্ড দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা
  2. রেজিস্টার্ড দলিল রদ রহিতের মোকদ্দমা
  3. রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
  4. রেজিস্টার্ড দলিল বেআইনীমর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমায়
ব্যাখ্যা
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের বিধান উল্লেখ আছে। ৩৯ ধারা অনুযায়ী রেজিস্টার্ড দলিল বাতিল হলে আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে হবে। দলিল নিবন্ধন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তা বাতিলের বিষয়াবলি লিপিবদ্ধ করবেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

 
অর্থাৎ নিবন্ধিকৃত দলিল বা রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনগত বাধ্য।
উল্লিখিত প্রশ্নের অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালতকে এমন নির্দেশ দেওয়া নাই।
 
(ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।
(খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বিলুপ্তি পেতে পারে।

(গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
 
(ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
----------------------
SR Act- Section-39. When cancellation may be ordered:
Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
 
Illustrations
(a) A, the owner of a ship by fraudulently representing her to be seaworthy, induces B, an underwriter, to insure her. B may obtain the cancellation of the policy.
(b) A conveys land to B, who bequeaths it to C and dies. Thereupon D gets possession of the land and produces a forged instrument stating that the conveyance was made to B in trust for him. C may obtain the cancellation of the forged instrument.
 
(c) A, representing that the tenants on his land were all at will, sells it to B, and conveys it to him by an instrument, dated the 1st January, 1877. Soon after that day, A fraudulently grants to C a lease of part of the lands, dated the 1st October, 1876, and procures the lease to be registered under the Indian Registration Act. B may obtain the cancellation of this lease.
 
(d) A agrees to sell and deliver a ship to B, to be paid for by B's acceptances of four bills of exchange, for sums amounting to taka 30,000, to be drawn by A on B. The bills are drawn and accepted, but the ship is not delivered according to the agreement. A sues B on one of the bills. B may obtain the cancellation of all the bills.
৩,৫৮৪.
The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারার অধীনে, যদি একজন ব্যক্তি অপারগ হন, তবে তার অপারগতার অবসানের পর সর্বোচ্চ কত বছর সময় তিনি মামলা দায়ের করতে পারবেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
→ The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে যদি কোনো ব্যক্তি অপারগ (যেমন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি) অবস্থায় থাকে, তাহলে তার অপারগতা অবসানের পর (যেমন নাবালক সাবালক হলে বা উন্মাদ/জড়বুদ্ধি ব্যক্তি সুস্থ হলে) সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে।

⇒ The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি অপারগ (disability) হন, যেমন—নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি, তবে তার অপারগতার অবসানের পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৮ ধারার মূল বক্তব্য:
- তামাদি আইনের ৬ ও ৭ ধারা সাধারণত অপারগ ব্যক্তিদের জন্য সময়সীমা বাড়ানোর সুবিধা দেয়।
- কিন্তু ৮ ধারা অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম হিসেবে কাজ করে।
- এই ধারা অনুযায়ী, অপারগতার অবসানের পর সর্বোচ্চ ৩ বছর সময় পাওয়া যাবে, এর বেশি নয়।
- যদি ব্যক্তির মৃত্যু হয় এবং তার আইনানুগ প্রতিনিধি অপারগ না হয়, তবে প্রতিনিধি মৃত্যুর পর ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে।

উদাহরণ:
"ক" একজন নাবালক, যিনি অগ্রক্রয়ের অধিকার লাভ করেন।
-  সে ১১ বছর পর সাবালক হয়।
- অপারগতার অবসানের পর (অর্থাৎ সাবালক হওয়ার পর) সে সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে।

সুতরাং, The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা অনুসারে, অপারগতার অবসানের পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। এই সময়সীমা অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলায় ৬ ও ৭ ধারার প্রভাবকে সীমিত করে। ৩ বছরের বেশি সময়সীমা দেওয়া যাবে না, এমনকি ব্যক্তি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অপারগ থাকলেও।
৩,৫৮৫.
একটি দেওয়ানী আদালত প্রদত্ত রায়ের বিষয়ে কোন আদালতে রিভিউ মামলা দায়ের করা যায়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যে আদালত রায় দেয়
  4. জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়।
-যেমন সহকারী জজ ডিক্রি দিলে, সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে উক্ত সহকারী জজের নিকট রিভিউ আবেদন করতে হবে।
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
------------
CPC- Section-114: Review:
-Subject as aforesaid, any person considering himself aggrieved- 
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed by this Code, but from which no appeal has been preferred, 
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed by this Code, or 
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes 
may apply for a view of judgment to the Court which passed the decree or made the order, and the Court may make such order thereon as it thinks fit.
৩,৫৮৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ________ ধারার বিধান অনুসারে, কোনো ব্যক্তির প্রতি জারিকৃত বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।
  1. ১৪০
  2. ১৪২
  3. ১৪৪
  4. ১৪৮
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারা: আদেশ ও নোটিশ লিখিত হতে হবে:
এই আইনের বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।

Section 142: Orders and notices to be in writing:
All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.
৩,৫৮৭.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হলো-
  1. স্পেশাল জজ আদালত
  2. জেলা ও দায়রা জজ আদালত
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. 'ক' ও 'খ' তে উল্লিখিত উভয় আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হলো- স্পেশাল জজ আদালত।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৯: অপরাধের তদন্ত ও বিচার:

(১) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ ধারা ২(ঠ) তে উল্লিখিত তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তা বা এতদুদ্দেশ্যে সরকারের সহিত পরামর্শক্রমে, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক একাধিক তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠত যৌথ তদন্তকারী দল, তদন্ত করিবে।

(২) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ Criminal Law (Amendment) Act, 1958 (Act XL of 1958) এর ধারা ৩ এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার সম্পত্তি অনুসন্ধান ও সনাক্তকরণের লক্ষ্যে তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক এই আইনের পাশাপাশি অন্যান্য আইনে এতদ্‌উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ক্ষমতাও প্রয়োগ করিতে পারিবে।

(৪) তদন্তকারী সংস্থা এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে অবহিত করিবে।

উল্লেখ্য,
Criminal Law (Amendment) Act, 1958  এর ধারা ৩ – স্পেশাল জজ নিয়োগ:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি জারি করে যথেষ্ট সংখ্যক স্পেশাল জজ (Special Judges) নিয়োগ করবে, যারা তফসিলে উল্লেখিত অপরাধগুলি বিচার ও শাস্তি প্রদানের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

(২) কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না যদি না সে:
- বর্তমানে সেশন জাজ (Sessions Judge) হয় বা
- অতিরিক্ত সেশন জাজ (Additional Sessions Judge) অথবা
- সহকারী সেশন জাজ (Assistant Sessions Judge) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছে।

৩,৫৮৮.
কে ফৌজদারি আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারে?
  1. বিচারক
  2. সরকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।
 
• ধারা ৫৫৮ (আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা)-
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
 
Section 558- Power to decide language of Courts
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
৩,৫৮৯.
যদি সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার না পাওয়া যায়, তাহলে গ্রেপ্তারকৃত অসুস্থ বা আহত ব্যক্তির পরীক্ষা কে করবেন?
  1. একজন স্বাস্থ্যকর্মী
  2. একজন ফার্মাসিস্ট
  3. পুলিশের মেডিকেল ইউনিট
  4. একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৬ঙ(১) অনুসারে, সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার না পাওয়া গেলে একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার (registered medical practitioner) কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত অসুস্থ বা আহত ব্যক্তির পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬ঙ - মেডিকেল অফিসার কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরীক্ষা:
(১) যখন কোনো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে অসুস্থ মনে হয় বা তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন থাকে, তখন গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে একটি সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করতে হবে; এবং যদি এই ধরনের মেডিকেল অফিসার পাওয়া না যায়, তবে একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা তা করাতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি একজন নারী, সেখানে তার শরীরের পরীক্ষা, যদি সম্ভব হয়, একজন নারী মেডিকেল অফিসার বা একজন নারী মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা বা তাদের তত্ত্বাবধানে, অথবা ক্ষেত্রমত একজন নারী স্টাফ নার্স বা একজন নারী অ্যাটেনডেন্টের উপস্থিতিতে পরিচালিত হবে।
(২) যেখানে উপ-ধারা (১) এর অধীনে পরীক্ষা এবং চিকিৎসা করা হয়, সেখানে ক্ষেত্রমত মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার কর্তৃক এই ধরনের পরীক্ষা এবং চিকিৎসার প্রতিবেদনের সাথে একটি সার্টিফিকেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারকে, সেইসাথে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি বা তার দ্বারা মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সরবরাহ করতে হবে।
(৩) যেখানে একজন অসুস্থ বা আহত গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট তার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত বা অসুস্থ যার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন এবং শারীরিকভাবে তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা অসম্ভব হয়ে পড়ে, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেটের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত শর্তাবলী অনুযায়ী তাকে ইলেকট্রনিক ভিডিও লিংকেজের মাধ্যমে হাজির করা যেতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46E - Examination of arrested person by medical officer:
(1) When any person arrested appears to be sick or bears any mark of injury, he shall, soon after the arrest is made, be examined and provided with first aid treatment by a medical officer of a Government hospital; and if such medical officer is not available, by a registered medical practitioner:
Provided that where the arrested person is a female, the examination of her body shall, if practicable, be conducted by or under the supervision of a female medical officer or a female medical practitioner, or in the presence of a female staff nurse or a female attendant, as the case may be.
(2) Where an examination and treatment are conducted under sub-section (1), a certificate along with the report of such examination and treatment shall be furnished by the medical officer or registered medical practitioner, as the case may be, to the concerned police-officer, as well as to the arrested person or to a person nominated by him.
(3) Where an arrested person, being sick or injured, is produced before the Magistrate, the Magistrate may pass necessary orders for his medical treatment: 
Provided that where the arrested person is severely injured or sick in a manner which requires his admission into a hospital and renders his physical production before the Magistrate impracticable, he may be produced through electronic video linkage, subject to the satisfaction of the Magistrate and to such terms as the Magistrate may determine.

৩,৫৯০.
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে,ম্যাজিস্ট্রেট কাকে কারণ দর্শানোর আদেশ দিবেন?
  1. সাক্ষীকে
  2. অভিযােগকারিকে
  3. ক এবং খ উভয়কে
  4. অভিযোগ গ্রহণকারী পুলিশকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন।তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
৩,৫৯১.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে 'Facts _______ need not be proved'।
  1. asserted
  2. confessed
  3. acknowledged
  4. admitted
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:

- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:

Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
--------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
 
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন। 
৩,৫৯২.
কোন ধারায় বলা হয়েছে যে আদালতের আদেশ অনুযায়ী কৃত কাজ অপরাধ নয়?
  1. দণ্ডবিধির ৭৫ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৭৭ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৭৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা মতে আদালতের আদেশে কৃত কাজ অপরাধ নয় অর্থাৎ আদালতের রায় বা আদেশ মোতাবেক সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ নয় আদালতের আদেশ বাস্তবায়িত করার জন্য সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণ যে সমস্ত কার্য করবেন তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:- কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।
-------------------
⇒ Section 78. Act done pursuant to the judgment or order of Court:
 Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.
৩,৫৯৩.
বাংলাদেশের সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করে গ্রহণের তারিখটি বাংলা ক্যালেন্ডারে কোন তারিখ?
  1. ১৩ কার্তিক, ১৩৭৯
  2. ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯
  3. ২৬ ফাল্গুন, ১৩৭৯
  4. ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৩৭৯
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। এই তারিখটি বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৩৭৯ বঙ্গাব্দের ১৮ কার্তিক তারিখে পড়ে।

সংবিধানের ভাষ্যে স্পষ্ট উল্লেখ:
"এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।"

অতএব, বাংলাদেশের সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করে গ্রহণের তারিখ বাংলা ক্যালেন্ডারে ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯।

অন্যদিকে, বাকি অপশন গুলো:
ক) ১৩ কার্তিক, ১৩৭৯: এই তারিখটি সংবিধান গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ের, তাই এটি সঠিক নয়।
গ) ২৬ ফাল্গুন, ১৩৭৯: ফাল্গুন মাস সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চের মধ্যে পড়ে, যা সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময়ের সঙ্গে মিলছে না।
ঘ) ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৩৭৯: অগ্রহায়ণ মাস সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বরে পড়ে, তবে ৪ নভেম্বর ১৯৭২ এর বাংলা তারিখ ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯ ছিল।
৩,৫৯৪.
আসামিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হলে, তা দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত কোন উপায়ে আদায় করতে পারবে?
  1. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে
  2. অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে
  3. স্থাবর সম্পত্তিতে ফৌজদারি পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে
  4. ক এবং খ উভয় ভাবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৬- জরিমানা আদায় করার পরোয়ানা

(১) যেক্ষেত্রে কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত দু'টি বা উভয় উপায় অনুযায়ী জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা-
(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা
(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত হবে এবং সে যদি অনাদায়বশতঃ সমগ্র কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা দিবে না, যদি না বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন।

(২) সরকার উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ- (ক) এর পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উক্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির কোন দাবী সংক্ষেপে নির্ধারণের ব্যবস্থা নেবার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) আদালত যেক্ষেত্রে উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী কালেক্টরকে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫নং আইন) এর অর্থানুযায়ী উক্ত পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রীদার মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং যে নিকটতম দেওয়ানী আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন উক্ত কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে উক্ত ডিক্রি দাতা আদালত মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং ডিক্রি জারির ব্যাপারে উক্ত কার্যবিধির বিধানাদি অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।
৩,৫৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আপিল আদালত রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে?
  1. ৬০
  2. ৯০
  3. ১২০
  4. ১৮০
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
---------------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision: 
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৩,৫৯৬.
ধারা ৬৮ অনুসারে, চুক্তি করার ক্ষেত্রে অক্ষম ব্যক্তি যদি কারো দ্বারা প্রয়োজনীয় উপকরণ পান, তাহলে সরবরাহকারী অক্ষম ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে-
  1. খরচ ফেরত পেতে পারেন না
  2. খরচ ফেরত পাওয়ার অধিকারী
  3. অভিভাবকের অনুমতি সাপেক্ষে খরচ ফেরত পেতে পারে
  4. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে খরচ ফেরত পেতে পারে
ব্যাখ্যা
Claim for Necessaries Supplied to Person Incapable of Contracting (ধারা ৬৮)-
যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি আইনগতভাবে চুক্তি করতে অক্ষম, বা এমন কেউ যার ভরণপোষণের জন্য তিনি আইনের দ্বারা বাধ্য, তাদের জীবনযাত্রার মান অনুসারে উপযুক্ত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র (necessaries) অন্য কেউ সরবরাহ করেন, তাহলে সরবরাহকারী ব্যক্তি সেই অক্ষম ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে খরচ ফেরত (reimbursement) পাওয়ার অধিকারী হন।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A, B নামক একজন উন্মাদের (lunatic) জন্য তার জীবনযাত্রার মান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করেন। A, B-র সম্পত্তি থেকে খরচ ফেরত পেতে পারেন।
(খ) A, B (একজন উন্মাদ)-এর স্ত্রী ও সন্তানদের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করেন। A, B-র সম্পত্তি থেকে সেই খরচ ফেরত পেতে পারেন।
৩,৫৯৭.
Fact judicially noticeable _______________________.
  1. need be proved
  2. need not be proved
  3. must be proved
  4. should not be proved
ব্যাখ্যা
⇒ Fact judicially noticeable need not be proved.

জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)-

যে-সব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে।
- সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী- যে সকল ঘটনা আদালত কর্তৃক লক্ষণীয় তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
--------------
⇒ The Evidence Act, Section 56. Fact judicially noticeable need not be proved:
- No fact of which the Court will take judicial notice need be proved.
৩,৫৯৮.
অন্যান্য আইনজীবীদের উপর কার প্রাক-শ্রোতা অধিকার রয়েছে?
  1. সংশ্লিষ্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতির 
  2. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের 
  3. এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যানের
  4. বাংলাদেশের এটর্নী জেনারেলের
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৬:
(১) বাংলাদেশের এ্যাটর্নি জেনারেলের সকল এডভোকেটের উপর প্রাক-শ্রোতার (pre-audiance) অধিকার থাকিবে।
(২) আন্তঃজ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অন্যান্য এডভোকেটের উপর প্রাক-শ্রোতার অধিকার নির্ধারিত হইবে।
------------
26. (1) The Attorney-General for Bangladesh shall have the right of pre-audience over all other advocates.
(2) The right of pre-audience among other advocates shall be determined by seniority interse.

৩,৫৯৯.
যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি এইরুপ দাবী উত্থাপন করে যে অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থল হইতে এত দূরে অবস্থান করিয়াছিল যে তাহার পক্ষে এই অপরাধে অংশগ্রহণ সম্ভব নয়, এইরুপ আর্জিকে কী বলা হয়?
  1. Admission
  2. Plea of Alibi
  3. Plea of Credibility
  4. Plea of immunity
ব্যাখ্যা
⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে।
-নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৩,৬০০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪২ ধারার অধীন জনসাধারণের সাহায্য করার বাধ্যবাধকতা কখন প্রযোজ্য হয়?
  1. যখন শুধুমাত্র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাহায্য চান
  2. যখন শুধুমাত্র পুলিশ অফিসার সাহায্য চান
  3. যখন ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার অযৌক্তিকভাবে সাহায্য চান
  4. যখন ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চান
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২- জনসাধারণ যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশকে সাহায্য করবেন (Public when to assist):
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট (জুডিসিয়াল বা নির্বাহী) অথবা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চাইলে প্রত্যেকটি লোক তাকে সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
ক. উক্ত জুডিসিয়াল বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যে লোককে গ্রেফতার করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েছেন, সে লোককে গ্রেফতার করতে অথবা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে;
খ. শান্তিভঙ্গের আশংকা প্রতিরোধ অথবা শান্তিভঙ্গ দমন করতে অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ অথবা সম্পত্তির প্রতি ক্ষতির প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ব্যাপারে সাহায্য করতে বাধ্য।

Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.