বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৩৫ / ১৫৫ · ৩,৪০১৩,৫০০ / ১৫,৪৭০

৩,৪০১.
একজন সাংবাদিক একটি ম্যাগাজিনে ‘প’-এর সম্পর্কে একটি মিথ্যা খবর ছাপায়, যা তার সামাজিক ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করে। যদি ‘প’ মানহানির ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করতে চায়, তবে তাকে খবর ছাপানোর কতদিনের মধ্যে মামলা করতে হবে?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ২ বছরের মধ্যে
  4. ৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮: অনুচ্ছেদ ২৪:
লিখিত কুৎসা (Libel) দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা;
তামাদি মেয়াদ - ১ বছর;
গণনা শুরু - মানহানিকর বিষয় যখন প্রকাশিত হয় তখন থেকে।
৩,৪০২.
আদেশ ৪১ বিধি ২৩ এর অধীন আপিল আদালত মোকদ্দমার কোন বিষয়ে আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা বাতিলের
  2. মোকদ্দমা স্থগিত করার
  3. মোকদ্দমা উচ্চ আদালতে পাঠানোর
  4. মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩- বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:

যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রী রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রী হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

Order 41 Rule 23- Remand of case by Appellate Court:
Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand.
৩,৪০৩.
অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে, অনুসন্ধান বা বিচারের স্থান ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে?
  1. ধারা ১৮০
  2. ধারা ১৮১
  3. ধারা ১৮২
  4. ধারা ১৮৪
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮২ – অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত বা একাধিক স্থানে হওয়া / অপরাধ চলমান বা বিভিন্ন কাজ নিয়ে গঠিত হলে বিচারস্থল:

যখন নির্দিষ্ট নয় যে কোন স্থানীয় এলাকায় কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যখন কোনো অপরাধ আংশিকভাবে এক স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অন্য এলাকায় সংঘটিত হয়, অথবা যখন কোনো অপরাধ চলমান এবং একাধিক স্থানীয় এলাকায় ক্রমাগত সংঘটিত হচ্ছে, অথবা যখন অপরাধটি বিভিন্ন স্থানীয় এলাকায় করা কতিপয় কাজের সমষ্টি নিয়ে গঠিত, তাহলে সেই ধরনের অপরাধ যে কোনো একটিতে এখতিয়ার থাকা আদালতে অনুসন্ধান বা বিচার করা যেতে পারে।

Section 182: Place of inquiry or trial where scene of offence is uncertain or not in one district only or where offence is continuing or consists of several acts-
When it is uncertain in which of several local areas an offence was committed, or where an offence is committed partly in one local area and partly in another, or where an offence is a continuing one, and continues to be committed in more local areas than one, or where it consists of several acts done in different local areas, it may be inquired into or tried by a Court having jurisdiction over any of such local areas.

৩,৪০৪.
X, Y এর নিকট ১টি গরু বিক্রয়ের চুক্তি করেন যা পালনে X অস্বীকার করলে Y মামলা করেন। Y এর উপযুক্ত প্রতিকার _________।
  1. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন
  2. ঘোষণা
  3. আংশিক কার্যসম্পাদন
  4. ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১৯ ধারায় আদালত কতিপয় ক্ষেত্রে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রতিকার দিতে পারে। চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ২ ধরনের প্রতিকার পাওয়া যায়। যথা- ক) ক্ষতিপূরণ এবং খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন।

♦ তবে উভয় ধরনের প্রতিকার থাকলেও চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ক্ষতিপূরণের প্রতিকার প্রদান করা হয়। কিন্তু যেক্ষেত্রে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না অথবা যেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয় না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের প্রতিকার প্রদান করে থাকে । আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯, ৩৮ এবং ৪১ ধারায় ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে।

♦ চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী কিছু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে অথবা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মোকদ্দমা দায়েরের সময় চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত বা বিকল্প হিসেবে ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারে।

♦ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলায় ক) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ও ক্ষতিপূরণ উভয়, অথবা খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে কেবল ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালত ২ ধরণের প্রতিকার দিতে পারে-

i) ন্যায়বিচার স্বার্থে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ও ক্ষতিপূরণ উভয় ধরনের প্রতিকার প্রদান করতে পারে। 
ii) বাদী ও বিবাদীর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য বিবাদী দায়ী হলে, এবং আদালত চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন যথাযথ নয় বলে বিবেচনা করলে আদালত বাদীকে কেবল ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবাদীকে বাধ্য করতে পারবে।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।

♦ যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট সেহেতু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারা ও ২১ ধারা অনুযায়ী Y এর উপযুক্ত প্রতিকার হবে ক্ষতিপূরণ
৩,৪০৫.
একজন আইনজীবী তার মক্কেলের সম্পত্তি সম্পর্কে কী ধরনের আচরণ করবেন?
  1. সম্পত্তিতে আগ্রহ দেখাবেন
  2. সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করবেন
  3. সম্পত্তির প্রতি আসক্ত হবেন না
  4. সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নেবেন
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে বিধি-১ এ বলা হয়েছে, একজন আইনজীবী তার মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলার সঙ্গে জড়িত কোনো সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত বা আগ্রহী হতে পারেন না।
- এটি পেশাগত সততা ও স্বার্থবিরোধের (conflict of interest) নীতির পরিপন্থী। আইনজীবীর দায়িত্ব কেবলমাত্র আইনগত সহায়তা প্রদান, ব্যক্তিগত লাভের চিন্তা নয়।

⇒ CANONS OF PROFESSIONAL CONDUCT AND ETIQUETTEE- অধ্যায়- ২ [মক্কেলগণের প্রতি আচরণ]:
বিধি-১. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলায় জড়িত সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত হইবেন না।
৩,৪০৬.
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু _________ হলে আদালতের অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা থাকে।
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল
  4. মাদক বা চোরাইমাল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale):
- কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।

তাই উল্লিখিত প্রশ্নে 'দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল' অপশনটি অধিক গ্রহণযোগ্য।
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908,Order-39 Rule-6. Power to order interim sale:
- The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
৩,৪০৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় 'Doctrine of Transfer of Malice' নীতির প্রতিফল হয়েছে?
  1. ২৯৯ ধারা
  2. ৩০০ ধারা
  3. ৩০১ ধারা
  4. ৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা

'Doctrine of Transfer of Malice' নীতি দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কাজ করে যা মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে বা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জেনে করা হয়, কিন্তু তার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে (যার মৃত্যু উদ্দেশ্য বা জ্ঞাত ছিল না), তবে অপরাধী শাস্তিযোগ্য নরহত্যার জন্য দায়ী হবে। এই নীতি মূলত উদ্দেশ্য বা মনোভাবের স্থানান্তর (Transfer of Malice) বোঝায়, যেখানে অপরাধীর দুরভিসন্ধি এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

৩,৪০৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জামিন
  2. সাক্ষ্যগ্রহণ
  3. মামলা প্রত্যাহার
  4. দণ্ডাদেশ স্থগিত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা পাবলিক প্রসিকিউটর কর্তৃক মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষণার পূর্বে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা এক বা একাধিক অপরাধের জন্য প্রত্যাহার করতে পারেন। প্রত্যাহারের ফলে অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে অব্যাহতি এবং পরে খালাস দেওয়া হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

৩,৪০৯.
নিম্নের কোনটি দণ্ডনীয় নরহত্যা নয়?
  1. দৈহিক জখমের ফলে মৃত্যু
  2. মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায়ে কৃত কাজ
  3. মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে জেনেও কৃত কাজ
  4. মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা ৩ অনুযায়ী-
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু (death of a child in the mother's womb)- মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না।

তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর (if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born) জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
৩,৪১০.
সেলিনা বিদেশ থেকে জেনেশুনে বাংলাদেশের জাল মুদ্রা দেশে নিয়ে এসেছে। এক্ষেত্রে সেলিনাকে সর্বোচ্চ কী ধরনের শাস্তি দেয়া যেতে পারে?
  1. ১ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ২ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারা- জাল বাংলাদেশের মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানি করা:
কোন জাল মুদ্রা বাংলাদেশের মুদ্রার জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা বাংলাদেশের মুদ্রার জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহা রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 238- Import or export of counterfeits of Bangladesh coin:
Whoever imports into Bangladesh, or exports therefrom, any counterfeit coin which he knows or has reason to believe to be a counterfeit of Bangladesh coin, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৩,৪১১.
ডিক্রি জারীর জন্য প্রথম দরখাস্ত কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
The Limitation Act, 1908 এর ১৮২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-

ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত বা আবেদন করার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর। তবে উক্ত ডিক্রি বা আদেশের সইমোহুরি নকল (Certified Copy) যদি রেজিস্টার্ড হয় সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৬ বছর।

সাধারনত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্যান্য ডিক্রির ক্ষেত্রে জারির জন্য আবেদনের সময়সীমা সর্বোচ্চ ১২ বছর। তবে প্রতারণা, প্রবঞ্চনা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হলে ১২ বছরের পরও ডিক্রি জারির আবেদন করা যায়।
৩,৪১২.
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয় না কোন ধারা মতে?
  1. তামাদি আইনের ৪ ধারা মতে
  2. তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে
  3. তামাদি আইনের ৩ ধারা মতে
  4. তামাদি আইনের ৬ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়েরের নির্ধারিত সময়ের শেষ দিন অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার দিন যদি আদালত বন্ধ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত যেদিন পুনরায় খুলবে সেদিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত/আবেদন দায়ের বা রুজু করা যাবে।
৩,৪১৩.
কত দিন পূর্বে প্রতারণামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করলে নিঃসম্বল ব্যক্তির আবেদন পত্র প্রত্যাখ্যান হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারন থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে।
⇒ তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতারনামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৩ বিধি-৫ এর বিধান: আবেদন পত্র প্রত্যাখ্যান (Rejection of application): নিম্নোক্ত কারণে নিঃস্ব ব্যক্তির আবেদনপত্র প্রত্যাখ্যান করা যায়-
- নির্ধারিত বিধান অনুসারে আবেদনপত্র গঠন ও দাখিল করা হয়নি; বা  আবেদনকারী নিঃস্ব নয়; বা

-সে আবেদনপত্র দাখিলে অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে প্রতারণামূলকভাবে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি লাভের জন্য আবেদন করতে সমর্থ হওয়ার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে; বা 

-সে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ উল্লেখ না করে, বা
- সে প্রস্তাবিত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌঁছেছে যার ফলে উক্ত বিষয় বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তির স্বার্থ সৃষ্ট হয়েছে।
৩,৪১৪.
যদি কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত বা অপরাধ সংঘটন নিরোধ সংক্রান্ত বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করা সংক্রান্ত কোন সংবাদ দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও মিথ্যা সংবাদ দেয়, তবে সেই ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কি হইবে?
  1. ১ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারার বিধান মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

-অথবা উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 

------------------
♦ Furnishing false information
Section 177. Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both; 
 
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৩,৪১৫.
Contract of Guarantee-এ যে ব্যক্তি প্রধান দায়ীর দায় নিবারণের জন্য দায়ী হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. Creditor
  2. Surety
  3. Indemnifier
  4. Principal debtor
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইনের ধারা ১২৬ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি প্রধান দায়ীর দায় নিবারণের জন্য প্রতিশ্রুতি দেয় তাকে “Surety” বলা হয়।

• চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।

এই ধরনের চুক্তিতে ৩টি পক্ষ থাকে। যথা:-
i) জামিনদার
ii) প্রধান দেনাদার
iii) পাওনাদার
- এই ধরনের চুক্তিতে চুক্তির পক্ষদ্বয় ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি (৩য় ব্যক্তি কর্তৃক) অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের কথা ব্যক্ত আছে।
-----------
⇒ The Contract Act, 1872 Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default. The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.

৩,৪১৬.
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন পদের পুলিশ কর্মকর্তাগণ কোন ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. উক্ত এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
  2. উক্ত এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তার থেকে কম
  3. উক্ত এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫১- ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের ক্ষমতা

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাঁর থানার এলাকার মধ্যে যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন পদের পুলিশ কর্মকর্তাগণও তারা যে স্থানীয় এলাকায় নিযুক্ত সেই এলাকার সর্বত্র সেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

Section 551- Power of superior officers of police
Police officers superior in rank to an officer in charge of a police-station may exercise the same powers, throughout the local area to which they are appointed, as may be exercised by such officer within the limits of his station.
৩,৪১৭.
দেওয়ানী মামলায় যুগ্ম জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা
  3. সর্বোচ্চ ৪ লক্ষ টাকা
  4. সীমাহীন
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে।
৩,৪১৮.
চারজন স্ত্রী থাকা অবস্থায় কোন ব্যক্তি যদি পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ করে বিবাহটি-
  1. বাতিল
  2. অবৈধ
  3. অনিয়মিত
  4. বৈধ
ব্যাখ্যা

⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
-যে বিবাহ মূলত বেআইনি নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ।

- অন্যভাবে বলা যায় যে, অনিয়মিত বিবাহ অর্থ হলো যে বিবাহের কিছু আইনগত ত্রুটি থাকে এবং যেখানে সংশোধনের মাধ্যমে বিবাহের বৈধতা দেওয়া যায়। অনিয়মিত বিবাহ হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং অবৈধ না কিন্তু অন্যকোনো কারণে অবৈধ এবং যেখানে নিষিদ্ধ কারণগুলো অস্থায়ী বা যেক্ষেত্রে অবৈধতা কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট যেমন সাক্ষীর অনুপস্থিতি। যে কারণে বিবাহটি অবৈধ বা অনিয়মিত উক্ত কারণ অপসারণ করার মাধ্যমে বিবাহটি বৈধ করা যায়।

⇒ একজন মুসলিম একই সময়ে সর্বোচ্চ চারজন স্ত্রী রাখতে পারে। চারজন স্ত্রী থাকা অবস্থায় ঐ ব্যক্তি যদি পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ করে বিবাহটি বাতিল বা অবৈধ নয়। তা অনিয়মিত বিবাহ মাত্র।
-ইদ্দতের সময়কাল পূর্ণ হবার পূর্বে বিবাহ হলে তা অবৈধ হবে না বরং অনিয়মিত হবে।
- এছাড়াও সাক্ষী ছাড়া বিবাহ এবং স্ত্রীর বোন বিবাহ করা অনিয়মিত হবে।

৩,৪১৯.
দেওয়ানি আদালত মোকদ্দমার খরচার ওপর সুদ প্রদান করতে পারে অনধিক-
  1. মাসিক ৬%
  2. বার্ষিক ৬%
  3. মাসিক ১২%
  4. বার্ষিক ১২%
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ ধারা- মোকদ্দমার খরচ:
১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলী ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।

২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে, মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।

৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
৩,৪২০.
যে সাক্ষী যাহার পক্ষে আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করিতে আসে এ সাক্ষ্য প্রদানের সময় যদি তাহার বিপক্ষে চলিয়া যায়, তবে সেই ক্ষেত্রে সাক্ষীকে কী বলা হয়?
  1. ইঙ্গিতবাহী সাক্ষী (Leading witness)
  2. অসমর্থনসূচক সাক্ষী (Uncorroborated witness)
  3. অপরাধের সহচর (Accomplice)
  4. বৈরি সাক্ষী (Hostile witness)
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

⇒ ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
৩,৪২১.
কোনো দলিলের জাবেদা নকল কী ধরনের সাক্ষ্য?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য 
  3. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য
  4. অগ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(১) বর্ণিত বিধানবলি অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।

৩,৪২২.
বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালনা বা অশ্ব চালনার ফলে কারো মৃত্যু ঘটিলে দণ্ডবিধির কত ধারা অনুসারে তার শাস্তি হবে?
  1. ৩০০
  2. ৩০৪
  3. ৩০৪ক
  4. ৩০৪খ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪খ ধারার বিধান বেপরোয়াভাবে যান চালনা বা অশ্বরোহণের কর্তৃক মৃত্যু ঘটানো:- কোন ব্যক্তি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলকভাবে জনপথে যান চালিয়ে বা অশ্বারোহণের কর্তৃক নিন্দনীয় নরহত্যা নয় এমন মৃত্যু ঘটাইলে, সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থ দণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------
⇒ Section 304B: Causing death by rash driving or riding on a public way:
-Whoever causes the death of any person by rash or negligent driving of any vehicle or riding on any public way not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৩,৪২৩.
দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা অনুযায়ী 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ' বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. জোরপূর্বক কারো সম্পত্তি বিক্রি করা
  2. সম্পত্তি আত্মসাৎ করা বা অসাধুভাবে ব্যবহার করা
  3. কোনো সম্পত্তি ব্যবহারের জন্য আইনত অনুমতি প্রাপ্ত হওয়া
  4. কোনো ব্যক্তির প্রতি বিশ্বাস রেখে তার কাছ থেকে ভুল পরামর্শ গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:-
-কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
৩,৪২৪.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীন পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত বিষয় কোনটি?
  1. দেনমোহর
  2. ভরণপোষণ
  3. বিবাহ নিবন্ধন
  4. শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান: পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা:-

(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

• বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:

⇒ মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।
⇒ বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি হলো- অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ড।
⇒ এ আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আমলযোগ্য।
৩,৪২৫.
Which of the following is true as per Section 96 of the Penal Code?
  1. Exercising the right of private defence is a crime
  2. Exercising the right of private defence is against the law
  3. The right of private defence applies only in specific situations
  4. An act done in the exercise of the right of private defence is not an offence
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা আছে,

ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।
"Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence."
৩,৪২৬.
“Doctrine of Pleasure” নীতিটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরাসরি উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৫
  2. অনুচ্ছেদ ১৩৭
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৪
  4. অনুচ্ছেদ ১৩৫
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৪–এ বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী (during the pleasure of the President) পদে থাকবেন—এটিই Doctrine of Pleasure–এর সরাসরি প্রতিফলন।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ-
এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article 134: Tenure of office-
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

৩,৪২৭.
যে মামলার তামাদির মেয়াদ সম্পর্কে তামাদি আইনের তফসিলে কোন বিধান নেই সে মামলার তামাদির সময়সীমা কত?
  1. ২ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৮ বছর
ব্যাখ্যা

যে মামলার তামাদির মেয়াদ সম্পর্কে তামাদি আইনের তফসিলে কোন বিধান নেই সে মামলার তামাদির সময়সীমা-৬ বছর।

তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।
----------------------------
Article 120-
Suit for which no period of limitation is provided elsewhere in this schedule  is -6 years from the time when the right to sue accrues.

৩,৪২৮.
'কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়' এইটি কিসের মূলনীতি?
  1. Double Jeopardy
  2. Res Gestae
  3. Estoppel
  4. Joint liability
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত।

⇒মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না"।

⇒ প্রতিবন্ধঃ- যেক্ষেত্রে এক ঘোষণা, কার্য বা কার্যবিররিত দ্বারা স্বেচ্ছায় অপর ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন অতবা বিশ্বাস করতে দিয়েছেন এবং সে বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করতে দিয়েছেন, সেক্ষেত্রে এদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মোকদ্দমায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি উক্ত প্রসঙ্গের সত্যতা অস্বীকার করতে পারবেন না।

Section-115. Estoppel: When one person has, by his declaration, act or omission, intentionally caused or permitted another person to believe a thing to be true and to act upon such belief, neither he nor his representative shall be allowed, in any suit or proceeding between himself and such person or his representative, to deny the truth of that thing.
৩,৪২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. মামলার তদন্ত
  3. গ্রেফতারের পদ্ধতি
  4. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারা অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে কেবল নিজের মুচলেকা, জামিন, বা ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশে অব্যাহতি দেওয়া যায়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি:-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.
৩,৪৩০.
বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার কী ধরনের স্বার্থ থাকে?
  1. কোন স্বার্থ থাকে না
  2. একচ্ছত্র মালিকানা
  3. জীবন-স্বত্ব বা সীমিত স্বার্থ
  4. সম্পূর্ণ হস্তান্তরের অধিকার
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) জীবন-স্বত্ব বা সীমিত স্বার্থ

⇒ বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার জীবন-স্বত্ব বা সীমিত স্বার্থ থাকে।
- অর্থাৎ, তিনি সম্পত্তির একচ্ছত্র মালিকানা লাভ করেন না, বরং তার উপর একটি সীমিত অধিকার থাকে।
- এটি হলো জীবনকালীন অধিকার, যার মাধ্যমে তিনি সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারেন, তবে সম্পত্তি বিক্রি বা সম্পূর্ণভাবে হস্তান্তর করতে পারেন না।
- এই অধিকারটি শুধুমাত্র তার জীবনের জন্য এবং সম্পত্তি শেষ হওয়ার পর তা অন্য উত্তরাধিকারীদের কাছে চলে যায়।

অন্যদিকে, একচ্ছত্র মালিকানা বা সম্পূর্ণ হস্তান্তরের অধিকার বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার থাকে না, কারণ তিনি শুধু জীবনকালীন ব্যবহার করতে পারেন, সম্পূর্ণ মালিকানা বা হস্তান্তরের অধিকার তার নেই।
৩,৪৩১.
সহকারী জজের বিচারিক এখতিয়ার কত টাকার পর্যন্ত মামলা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ?
  1. ১০ লাখ টাকা
  2. ১৫ লাখ টাকা
  3. ২৫ লাখ টাকা
  4. ৫০ লাখ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সিভিল কোর্টস (সংশোধন) আইন, ২০২১ অনুযায়ী, সহকারী জজ (Assistant Judge) সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারেন।
- অন্যদিকে, সিনিয়র সহকারী জজ (Senior Assistant Judge) ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মামলার বিচার করতে পারেন।
- এই সীমাবদ্ধতা বর্তমান কার্যকর আইনের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়েছে, যা পূর্ববর্তী সীমার তুলনায় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
৩,৪৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৫নং বিধির মূল বক্তব্য কী?
  1. সকল বিবাদীর স্বার্থ সব প্রতিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে হবে
  2. সকল প্রতিকার সব বিবাদীর বিরুদ্ধে দাবি করতে হবে
  3. সকল বিবাদীর স্বার্থ সব প্রতিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়া প্রয়োজন নেই
  4. মামলা দায়েরের জন্য সকল বিবাদীর সম্মতি থাকতে হবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৫নং বিধি অনুযায়ী-

"বিবাদীগণের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় যেসকল প্রতিকার দাবী করা হয়, তন্মধ্যে সবগুলোই প্রত্যেক বিবাদির স্বার্থসম্পর্কিত হওয়ার দরকার নেই।"
It shall not be necessary that every defendant shall be interested as to all the relief claimed in any suit against him.
৩,৪৩৩.
আদালত কর্তৃক অনুমোদিত হলে ধারা ৪৯৯(৩) অনুযায়ী মুচলেকা দেয়া যেতে পারে-
  1. শুধুমাত্র কাগজে
  2. মৌখিকভাবে
  3. ফোনে জানিয়ে
  4.  অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে 
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৯৯: অভিযুক্ত এবং জামিনদারদের মুচলেকা:
(১) কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দেওয়ার আগে, ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত যে পরিমাণ অর্থ যথেষ্ট মনে করেন, সেই পরিমাণ অর্থের জন্য ওই ব্যক্তি কর্তৃক একটি মুচলেকা সম্পাদিত হবে, এবং যখন তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, তখন এক বা একাধিক যথেষ্ট জামিনদার কর্তৃক এই শর্তে মুচলেকা সম্পাদিত হবে যে, ওই ব্যক্তি মুলেকায় উল্লিখিত সময় এবং স্থানে উপস্থিত থাকবেন, এবং ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত কর্তৃক অন্য কোনো নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকতে থাকবেন।

(২) যদি মামলার প্রয়োজন হয়, তবে মুচলেকাটি জামিনে মুক্ত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত বা অন্য কোনো আদালতে অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য যখনই ডাকা হবে তখনই হাজির হওয়ার জন্যও বাধ্য করবে।

(৩) এই ধারায় উল্লিখিত মুচলেকাটি অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে, বা তার উকিলের মাধ্যমে, অথবা আদালত কর্তৃক অনুমোদিত হলে অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্য কোনো উপযুক্ত মাধ্যমে জামিনদারদের পরিচয় এবং যোগ্যতা যাচাই সাপেক্ষে, আদালতে জমা দিতে পারেন।

৩,৪৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার অধীন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কার কাছে কমিশনের দায়িত্ব অর্পণ করতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. হাইকোর্টের বিচারক
  3. যেকোনো পুলিশ অফিসার
  4. তার অধীনস্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার উপ-ধারা (২) অনুসারে, যদি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-কে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রদান করা হয়, তাহলে তিনি নিজে এই কাজ করতে পারেন অথবা কমিশনের অধীনে থাকা ক্ষমতা ও দায়িত্ব তার অধীনস্থ যেকোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে অর্পণ করতে পারেন।
অর্থাৎ, এই দায়িত্ব অন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া যাবে, তবে সেটি হতে হবে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট—অন্য কোন পর্যায়ের কর্মকর্তা বা আদালতকে নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার বিধান: মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন:
(১) সাক্ষী যদি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থান করে, সেক্ষেত্রে কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন করতে নির্দেশ দিবেন এবং তিনি এরূপভাবে সাক্ষীকে হাজির করে তার সাক্ষ্য এমনভাবে গ্রহণ করবেন যাতে তার নিজের কাছেই মামলাটি পেন্ডিং আছে।
(২) এই ধারার অধীন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন দেয়া হলে তিনি কমিশনে প্রদত্ত যাবতীয় ক্ষমতা ও কর্তব্য তার অধীনস্ত কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর ন্যস্ত করতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-504: Commission in case of witness being within a Metropolitan Area:
(1) If the witness is within the local limits of the jurisdiction of any Metropolitan Magistrate, the Magistrate or Court issuing the commission may direct the same to such Metropolitan Magistrate, who thereupon may compel the attendance of, and examine, such witness as if he were a witness in a case pending before himself.
(2) When a commission is issued under this section to the Chief Metropolitan Magistrate, he may delegate his powers and duties under the commission to any Metropolitan Magistrate subordinate to him.
৩,৪৩৫.
সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ কত বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. ৫ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৬৭ বছর বয়সকাল পর্যন্ত
  4. ৬৫ বছর বয়সকাল পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৮- সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ:
সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের বিধানাবলী সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতির নিকট সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের বিচারক-সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি করা উচিত বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসরের জন্য অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবেন, কিংবা তিনি উপযুক্ত বিবেচনা করিলে হাইকোর্ট বিভাগের কোন বিচারককে যে কোন অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আপীল বিভাগের আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের অধীন বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে কিংবা বর্তমান অনুচ্ছেদের অধীন আরও এক মেয়াদের জন্য অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে বর্তমান অনুচ্ছেদের কোন কিছুই নিবৃত্ত করিবে না।
৩,৪৩৬.
কত বিধি অনুযায়ী আপিল আদালত আপিলকারীর নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত করতে পারে?
  1. আদেশ ৩৩ বিধি-২
  2. আদেশ ৪১ বিধি-২
  3. আদেশ ৪৪ বিধি-২
  4. আদেশ ৪৫ বিধি-২
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।
৩,৪৩৭.
তামাদি আইনের ধারা ২৬ অনুযায়ী, সুখাধিকার অর্জনের জন্য সরকারি সম্পত্তিতে কত বছর শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করতে হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৬০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৬ অনুযায়ী সাধারণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে সুখাধিকার (Easement) অর্জনের জন্য ২০ বছর শান্তিপূর্ণ, অবিরাম ও বিরোধপূর্ণভাবে ভোগ করতে হয়।
সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই সময়সীমা ৬০ বছর।
অতএব, সরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জনের জন্য সঠিক উত্তর ৬০ বছর।

⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: অধিকার অর্জন (ইজমেন্ট):
(১) যদি কোনো ভবনের সাথে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার শান্তিপূর্ণভাবে ইজমেন্ট হিসেবে এবং আইনগত অধিকারের মাধ্যমে কোনো বিরতি ছাড়াই বিশ বছর ধরে উপভোগ করা হয়, তাহলে সেই ভবনের জন্য আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার একটি পরম ও চূড়ান্ত অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
এছাড়াও, যদি কোনো রাস্তা, জলাধার, পানির ব্যবহার বা অন্য কোনো ইজমেন্ট (ইতিবাচক বা নেতিবাচক) শান্তিপূর্ণভাবে এবং প্রকাশ্যে, দাবি করা অধিকার হিসেবে এবং কোনো বিরতি ছাড়াই বিশ বছর ধরে উপভোগ করা হয়, তাহলে সেই রাস্তায় যাতায়াতের অধিকার, জলাধার বা পানির ব্যবহারের অধিকার, বা অন্য ইজমেন্টও চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয় অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
এই বিশ বছরের প্রতিটি সময়কালটি সেই মামলার দুই বছরের মধ্যে শেষ হতে হবে, যার মাধ্যমে এই অধিকারটি আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।
(২) যদি যে সম্পত্তির উপর অধিকার দাবি করা হয়, সেটি সরকারের মালিকানাধীন হয়, তবে বিশ বছরের স্থলে ষাট বছর বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা: এই ধারা অনুযায়ী, কোনো বাধা তখনই "বিরতি" হিসেবে গণ্য হবে, যখন আসল ব্যবহার বা ভোগ বন্ধ হয়ে যাবে এবং বাধাটি কোনো ব্যক্তির দ্বারা সৃষ্ট হবে যিনি দাবি করা অধিকারী নন। তাছাড়া, এই বাধাটি দাবি করা ব্যক্তির নজরে আসার এক বছরের মধ্যে সেই ব্যক্তি তা মেনে নিলে, সেটিকে বাধা হিসেবে গণ্য করা হবে।
---------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-26. Acquisition of right to easements:
(1) Where the access and use of light or air to and for any building have been peaceably enjoyed therewith as an easement, and as of right, without interruption, and for twenty years,
and where any way or watercourse, or the use of any water, or any other easement (whether affirmative or negative) has been peaceably and openly enjoyed by any person claiming title thereto as an easement and as of right without interruption, and for twenty years,
the right to such access and use of light or air, way, water-course, use of water, or other easement shall be absolute and indefeasible.
Each of the said periods of twenty years shall be taken to be a period ending within two years next before the institution of the suit wherein the claim to which such period relates is contested.
(2) Where the property over which a right is claimed under sub-section (1) belongs to the Government, that sub-section shall be read as if for the words “twenty years” the words “sixty years” were substituted.
Explanation: Nothing is an interruption within the meaning of this section, unless where there is an actual discontinuance of the possession or enjoyment by reason of an obstruction by the act of some person other than the claimant, and unless such obstruction is submitted to or acquiesced in for one year after the claimant has notice thereof and of the person making or authorising the same to be made.
৩,৪৩৮.
সকল দেওয়ানি কার্যক্রম কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী গণ্য হবে
  1. যোগ্য স্বাক্ষী
  2. অযোগ্য স্বাক্ষী
  3. সংশ্লিষ্ট স্বাক্ষী
  4. নিশ্চিত স্বাক্ষী
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রীঃ সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হইবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

♦ Section 120 of Evidence Act: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
 In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৩,৪৩৯.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোন পর্যায়ে কোনো সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে প্রশ্নের উদ্ভব হলে, আদালত তা পরিদর্শন করতে পারে?
  1. যেকোনো পর্যায়ে
  2. তদন্তকালীন পর্যায়ে
  3. সমন জারিকালীন
  4. বিচারকালীন সময়ে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।
-------------
Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
৩,৪৪০.
রিসিভার নিয়োগের বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ৩৬
  3. ধারা ৪২
  4. ধারা ৪৪
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৪৪-এ রিসিভার নিয়োগের বিধান রয়েছে। আদালতের এই ক্ষমতা একটি discretionary power বা বিচারাধীন ক্ষমতা, যা ন্যায়বিচার ও প্রাসঙ্গিক পরিস্থিতির প্রয়োজনে প্রয়োগ করা হয়।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.

৩,৪৪১.
আইনগত দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ছাড়া উচ্ছেদ করা হলে, উচ্ছেদকারী ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর অধীনে সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩- ধারা ৭: অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও দণ্ড:
(১) State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (Act No. XXVIII of 1951) এর section 143 বা 144 এর অধীন প্রণীত হালনাগাদকৃত বলবৎ সর্বশেষ খতিয়ান মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তর বা দখলের উদ্দেশ্যে আইনানুগভাবে সম্পাদিত দলিল বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকার প্রাপ্ত না হইলে, কোনো ব্যক্তি উক্ত ভূমি স্বীয় দখলে রাখিতে পারিবেন না।

(২) আইনানুগভাবে দখলের অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত তাহার দখলীয় ভূমি হইতে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা যাইবে না এবং তাহাকে উক্ত ভূমির দখল বা উহাতে প্রবেশে বাধা প্রদান করা যাইবে না।
 
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) বা (২) এর বিধান লংঘন করেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানাপ্রাপ্ত ভূমির দখলদার ব্যক্তি রেকর্ড সংশোধন বা স্বীয় স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে মামলা বা অন্য কোনো কার্যধারা দায়ের করিয়া থাকিলে তাহার উক্ত কার্য এই ধারার অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না।
৩,৪৪২.
আদালতের কর্ম সময়ের পর যে কোন জরুরি বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে একজন নিযুক্তির এডভোকেটের যোগাযোগ করার উপযুক্ত পন্থা হলো-
  1. বিচারকের সরকারি খাস কামরায় দেখা করা
  2. এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
  3. প্রতিপক্ষের অ্যাডভোকেটের সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা
  4. স্থানীয় বারের সভাপতিকে সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ৩ অধ্যায়ে ‘আদালতের প্রতি দায়িত্ব' শিরোনামে ৯টি বিধি আছে।
-৪নং বিধির বিধান- একজন আইনজীবী ব্যক্তিগত সম্পর্ক ব্যতিরেকে কোন বিচারক কিংবা কোন বিচারিক কর্মকর্তার প্রতি লক্ষণীয় আগ্রহ ও আতিথেয়তা পরিহার করবে অন্যথায় উক্ত আগ্রহ ও আতিথেয়তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে।
-কোন বিচারাধীন মামলার বিষয়ে কোন আইনজীবী বিচারকের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ কিংবা মামলার গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে যুক্তি প্রদর্শন করতে পারবেনা। উক্তরূপ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোন বিচারকের বিশেষ অনুগ্রহ পাওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত আইনজীবী ভর্ৎসনা ও ঘৃণা লাভের যোগ্য।
-বিচারকের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্ব নিজের স্বীয় মর্যাদা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই আইনজীবী ও বিচারকের মধ্যে ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুসম্পর্ক যথাযথভাবে স্থাপন করা যেতে পারে।
 
- ৪নং বিধিতে যা বলা হয়েছে যে, তার সারসংক্ষেপ হলো: আদালতের কর্ম-সময়ের পর যেকোনো জরুরি বিরোধীর বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে সংশ্লিষ্ট মামলার অ্যাডভোকেট যোগাযোগ করা থেকে বিরত থাকবে।
--------------------
CHAPTER -III
DUTY TO THE COURT:
Rule-4. Marked attention and unusual hospitality on the part of an Advocate to a judge or judicial officer not called for by the personal relations of the parties, subject both the judge and the Advocate to misconstructions of motive and should be avoided. An Advocate should not communicate or argue privately with the judge as to the merits of a pending cause and he deserves rebuke and denunciation for any device or attempt to gain from a judge special consideration or favour. A self-respecting independence in the discharge of professional duty, without denial or diminution of courtesy and respect due to the Judge's station, is the only proper foundation for cordial personal and official relations between the Bench and the Bar.
৩,৪৪৩.
বোবা ব্যক্তি আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য কোন পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র লিখিত সাক্ষ্য
  2. শুধুমাত্র ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য
  3. লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য
  4. বোবা ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে উপযুক্ত নয়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৩,৪৪৪.
দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারা অনুসারে চুরি হওয়া সম্পত্তি লুকানোতে সহায়তা করার অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর:গ) ৩ বছরের কারাদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী, "যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কোনো সম্পত্তি গোপন করা, অপসারণ বা ধ্বংস করার কাজে সহায়তা করে, যার ব্যাপারে সে জানে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে যে তা চুরি করা হয়েছে—সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।"

- দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে (voluntarily), চুরিকৃত সম্পত্তি লুকানো, অপসারণ বা বিক্রয়ে সহায়তা করে, এ সময় জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে সম্পত্তিটি চুরিকৃত, তাহলে তার শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সাধারণ বা কঠোর) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি।

⇒The Penal Code, 1860 – Section 414. Assisting in concealment of stolen property:
- Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৩,৪৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে তা কে নির্ধারন করে?
  1. সরকার
  2. ফরিয়াদি
  3. বিচারিক আদালত
  4. কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিজে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪১- কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা-

(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দেওয়ানি কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানি কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানি জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-

(ক) ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানি জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারি জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
৩,৪৪৬.
স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করলে দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারায় সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা: ৩২৩ - স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি:
যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Punishment for voluntarily causing hurt-
Whoever, except in the case provided for by section 334, voluntarily causes hurt, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৩,৪৪৭.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী সর্বনিম্ন কতজনের অংশগ্রহণে বেআইনি সমাবেশ সংঘটিত হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
- দণ্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনি সমাবেশ বলে গণ্য হবে। যথা-
i) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান।
ii) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
iii) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
iv) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত।
v) কোনো ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।
 
- বেআইনি সমাবেশ হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন ৫ জন ব্যক্তি এবং ১৪১ ধারায় উল্লিখিত ৫ ধরনের সাধারণ উদ্দেশ্যের (common object) যে কোন একটি উদ্দেশ্য অবশ্যই থাকতে হবে।
-------------------
The Penal Code- Section141: Unlawful assembly:
-An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
 
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
 
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৩,৪৪৮.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭ অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. ঘটনার স্থান সম্পর্কিত পরিবেশ
  2. ঘটনার সুযোগ সৃষ্টি করে এমন অবস্থা
  3. ঘটনার আগে বা পরে ঘটিত কারণ বা ফলাফল
  4. ঘটনার পূর্ববর্তী বিবৃতি সম্পর্কিত তথ্য
ব্যাখ্যা

ধারা ৭- যে সমস্ত ঘটনা মূল ঘটনা বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার কারণ, উপলক্ষ, বা ফলাফল, সেগুলি প্রাসঙ্গিক:
যে সমস্ত ঘটনা মূলত বিতর্কিত ঘটনা (facts in issue) বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার উপলক্ষ, কারণ বা ফলাফল, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, অথবা যে সমস্ত ঘটনা সেই অবস্থার অংশ যেখানে মূল ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, বা যা সেই ঘটনার সংঘটনের সুযোগ বা পরিবেশ সৃষ্টি করেছে, সেগুলো প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ কিন্তু “ঘটনার পূর্ববর্তী বিবৃতি সম্পর্কিত তথ্য” ধারা ৭-এর অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি সাধারণত ধারা ৬ (res gestae) বা ধারা ৮ (conduct, motive, preparation)–এর অধীনে আসতে পারে, তবে ধারা ৭ নয়।

উদাহরণসমূহ:
(ক) প্রশ্ন হলো -“A কি B-কে ডাকাতি করেছে?”
এক্ষেত্রে, এই বিষয়গুলি প্রাসঙ্গিক -
ডাকাতির কিছুক্ষণ আগে B যে টাকাপয়সা নিয়ে মেলায় গিয়েছিল, এবং সে যে বিষয়টি অন্য লোকদের সামনে বলেছিল বা দেখিয়েছিল- এই তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক।

(খ) প্রশ্ন হলো- “A কি B-কে হত্যা করেছে?”
ঘটনাস্থল বা তার কাছাকাছি জায়গায় মাটিতে যে দাগ বা চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা কোনো রকম লড়াই বা সংঘর্ষের ইঙ্গিত দেয়- তা প্রাসঙ্গিক তথ্য।

(গ) প্রশ্ন হলো- “A কি B-কে বিষ দিয়েছে?”
B-এর স্বাস্থ্য, বিষক্রিয়ার উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগের সময়ের স্বাস্থ্যাবস্থা, এবং B-এর যে অভ্যাসগুলো A জানত- যা A-কে বিষ প্রয়োগের সুযোগ দিয়েছে- সেগুলোও প্রাসঙ্গিক তথ্য।

৩,৪৪৯.
'ক', 'খ'-র কোনো অনুমতি ছাড়া, 'খ'-র টাকা 'গ'-কে ধার দেন। পরে 'খ' ঐ ধার দেয়া টাকার ওপর 'গ' থেকে সুদ গ্রহণ করেন। এক্ষেত্রে কোনটি বোঝায়?
  1. ঋণ বাতিল হবে
  2. 'ক' সুদ প্রাপ্য
  3. 'খ' ঋণ অনুমোদন করে নাই
  4. 'খ' ঋণ অনুমোদন করেছে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯৬: অনুমতি ছাড়া করা কাজ — অনুমোদনের প্রভাব-
যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কারো পক্ষে, কিন্তু তার জ্ঞান বা অনুমতি ছাড়া, কোনো কাজ করেন, তখন যার পক্ষে কাজটি করা হয়েছে, তিনি ঐ কাজ অনুমোদন (ratify) বা অস্বীকার (disown) করতে পারেন।
যদি তিনি তা অনুমোদন করেন, তবে এটি তেমনই প্রভাব ফেলবে যেমনটি যদি কাজটি তার কর্তৃত্বে করা হতো।

ধারা ১৯৭: অনুমোদন ব্যক্ত বা ইঙ্গিতপূর্ণ হতে পারে-
অনুমোদন (Ratification) স্পষ্টভাবে (expressed) হতে পারে, অথবা যার পক্ষে কাজ করা হয়েছে তার আচরণের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে (implied) প্রকাশ পেতে পারে।

উদাহরণসমূহ
(ক) A, কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়া, B-র জন্য কিছু পণ্য কেনে। পরে B সেই পণ্যগুলো নিজ নামে C-কে বিক্রি করে দেন। B-র এই আচরণ নির্দেশ করে যে, A-র করা কেনাকাটাটি তিনি অনুমোদন করেছেন।

(খ) A, B-র কোনো অনুমতি ছাড়া, B-র টাকা C-কে ধার দেন। পরে B ঐ ধার দেয়া টাকার ওপর C থেকে সুদ গ্রহণ করেন। B-র এই আচরণ দেখায় যে, তিনি ঐ ঋণ অনুমোদন করেছেন।
৩,৪৫০.
নতুনভাবে পক্ষভুক্ত বিবাদীর জন্য কোন তারিখে মামলার দায়ের হয়েছে বলে গণ্য করতে হবে?
  1. যেদিন মূল মামলাটি দায়ের করা হয়েছিলো
  2. যেদিন বিবাদী স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলো
  3. যেদিন মূল মামলার প্রথম শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো
  4. যেদিন স্থলাভিষিক্তের জন্য আবেদন করা হয়েছিলো
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ২২ এ নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে।

যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয় বা কারও স্থলাভিষিক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির জন্য পক্ষভুক্তির তারিখেই মামলাটি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

তবে, যেক্ষেত্রে মামলা স্থগিত থাকার সময় স্বত্বাপণ কিংবা কোন স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত কিংবা স্থলাভিষিক্ত করা হয় বা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদীতে কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয় সেক্ষেত্রে ১ উপধারার কোন কিছুই প্রয়োগযোগ্য হবে না।

Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party. 
 
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৩,৪৫১.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কখন অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে?
  1. রায় কার্যকরের পূর্ব পর্যন্ত
  2. অপরাধের বিচারের যেকোন পর্যায়ে
  3. অপরাধের তদন্ত বা অনুসন্ধানের যেকোন পর্যায়ে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ও ৩৩৮ ধারায় সত্য সাক্ষ্যদানের শর্তসাপেক্ষে দুষ্কর্মের সহযোগীকে ক্ষমা করার বিধান করা হয়েছে। দুষ্কর্মের সহযোগী বা রাজসাক্ষীর বিচারের পদ্ধতি ৩৩৯ক ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অপরাধের সহযোগীকে বা দুষ্কর্মের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করা হয় যে, সে অপরাধ সম্পর্কে তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।

৩৩৭ ধারায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট; বা
২. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

৩৩৭ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের তদন্ত বা অনুসন্ধানের বা বিচারের যেকোন পর্যায়ে সাক্ষ্য প্রমাণ প্রাপ্তির জন্য অপরাধের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করতে পারে যে, উক্ত সহযোগী অপরাধ সম্পর্কিত তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।
৩,৪৫২.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় আপীল মেমো সংশোধনের সময়-
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২১ দিন
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule-3: Rejection or amendment of memorandum:-
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
৩,৪৫৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় মধ্যস্থতা (Mediation) এর বিধান রয়েছে?
  1. ৭৯ক ধারা
  2. ৮৯ক ধারা
  3. ৮৯খ ধারা
  4. ৮৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ Mediation, যার বাংলা হচ্ছে মধ্যস্থতা। কোন একটি দেওয়ানী মামলার বিচারকার্য আদালতে উপস্থাপন করা হলে আদালত উভয় পক্ষের প্লিডিংস দেখার পর শুনানিতে যাওয়ার আগেই উভয় পক্ষকে উক্ত মামলাটি আদালত ব্যতীত বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি করতে বলবেন। এটা ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ সংশোধনের মাধ্যমে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৯ক ধারায় বলা হয়েছে যে, লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে / আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয় তাহলে আদালত শুনানী মুলতবী রেখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
- মধ্যস্থতার ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হইলে আদালত পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করিবেন।
- মধ্যস্থতার সময় হবে ৬০ দিন তবে সর্বাধিক ৯০ দিনের বেশি নয়।
৩,৪৫৪.
'প্রলোভন, ভীতি ও প্রতিশ্রুতিজনিত ধারণা অপসারণের পর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক'- এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ২৪ ধারা
  2. ২৬ ধারা
  3. ২৭ ধারা
  4. ২৮ ধারা
ব্যাখ্যা

The Evidence Act, 1872 এর ২৮ ধারা অনুযায়ী,
"যদি ২৪ ধারায় উল্লিখিত এমন কোনো স্বীকারোক্তি, যেকোনো প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির ফলে সৃষ্ট প্রভাব, আদালতের মতে, সম্পূর্ণরূপে দূরীভূত হওয়ার পর করা হয়, তবে তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য হবে।"

⇒ যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রথমে প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে কোনো ধারণা দেওয়া হয়, কিন্তু পরবর্তীতে সেই ধারণা আদালতের মতে পূর্ণরূপে অপসারিত হয়ে গেলে এবং তার পরে অভিযুক্ত স্বেচ্ছায় কোনো স্বীকারোক্তি করেন, তাহলে সেই স্বীকারোক্তিটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে।

Section 28- Confession made after removal of impression caused by inducement, threat or promise, relevant:
If such a confession as is referred to in section 24 is made after the impression caused by any such inducement, threat or promise has, in the opinion of the Court, been fully removed, it is relevant.

৩,৪৫৫.
নন-জি-আর মামলা কী?
  1. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশি মামলা
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এর নিকট দখল সংক্রান্ত মামলা
  3. পুলিশের নিকট আমলযোগ্য অপরাধের মামলা
  4. পুলিশের নিকট আমল অযোগ্য অপরাধের মামলা
ব্যাখ্যা
♦ নন-জি-আর মামলা হলো ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৫৫ এর অধীনে কোন সংবাদদাতা কর্তৃক পুলিশের নিকট আমলঅযোগ্য অপরাধ সম্পর্কে কোন সংবাদ দেওয়া। পুলিশ তখন উক্ত সংবাদ জিডি আকারে লিপিবদ্ধ করে ও সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করে। এটিই নন-জি-আর মামলা নামে পরিচিত। ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট করা মামলাকে সি.আর মামলা বলা হয়। পুলিশের নিকট আমলযোগ্য অপরাধের মামলাকে জি.আর মামলা বলা হয়।
৩,৪৫৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০০ অনুসারে, মৃত্যু ঘটাবার কাজ খুন হবে যদি—
  1. কাজটি দুর্ঘটনাবশত হয়
  2. ব্যক্তি আত্মরক্ষার্থে কাজ করে
  3. আঘাতের অভিসন্ধি মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট হয়
  4. সরকারী কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০০ (তৃতীয়ত) অনুসারে, খুন হবে যদি কোন ব্যক্তি: দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, এবং সেই আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটানোর পক্ষে যথেষ্ট হয়।
অর্থাৎ, অপরাধীর আভিসন্ধি (intention) এমন একটি আঘাত দেওয়ার ছিল, যা স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু ঘটানোর জন্য পর্যাপ্ত। এটি খুনের একটি স্পষ্ট সংজ্ঞা।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হল গ) আঘাতের অভিসন্ধি মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট হয়, যা ধারা ৩০০ এর "তৃতীয়ত" এর সরাসরি প্রতিফলন।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

৩,৪৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ কতটি প্রধান ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898)-এর ধারা ৫৬১ক (Section 561A) হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত (inherent) ক্ষমতার কথা উল্লেখ করে।
- এই ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ তিনটি প্রধান উদ্দেশ্যে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১. To give effect to any order under this Code.
অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশ কার্যকর করা।
২. To prevent abuse of the process of any Court.
অর্থাৎ, কোনো আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা।
৩. To secure the ends of justice.
অর্থাৎ, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
- এগুলো হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার প্রয়োগের তিনটি মূল ভিত্তি।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
-Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৩,৪৫৮.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে বোবা সাক্ষীর দ্বারা লিখে বা ইশারার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্য কী ধরনের সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. লিখিত সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. গোপন সাক্ষ্য
  4. অনুমানভিত্তিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১৯ অনুযায়ী, যদি কোনো সাক্ষী (যেমন বোবা ব্যক্তি) কথা বলতে অক্ষম হন, তবে তিনি লিখে বা ইশারার মাধ্যমে তাঁর সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন —
- তবে শর্ত হলো, এই লেখা বা ইশারা আদালতে উন্মুক্তভাবে (Open Court) হতে হবে।
- এইভাবে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে “মৌখিক সাক্ষ্য” (Oral Evidence) হিসেবেই গণ্য করা হয়, যদিও সেটা মুখে উচ্চারণ না করে অন্যভাবে প্রকাশিত।
অর্থাৎ যদিও মুখে বলা সম্ভব না, তবুও আদালতের কাছে বোঝাতে সক্ষম যেকোনো মাধ্যম (যেমন ইশারা বা লেখা) মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবেই গণ্য হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৩,৪৫৯.
দণ্ডবিধিতে বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি:
কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশের সদস্য হয়, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ Section 143- Punishment:
Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৩,৪৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ অনুসারে, কোন সাক্ষীর জবানবন্দি সরাসরি তাকে আদালতে হাজির না করেও প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
  1. সরকারি কর্মকর্তা
  2. সিভিল সার্জন
  3. অন্য কোনো চিকিৎসক সাক্ষী
  4. খ অথবা গ 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারার (১) উপধারা অনুসারে, সিভিল সার্জন বা অন্য কোনো চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি, যদি আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত হয় বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত হয়, তবে তাকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে হাজির না করেও ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।
(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.
Power to summon medical witness
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.

৩,৪৬১.
মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান করার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা- মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান করা:
কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 144- Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:
Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৩,৪৬২.
বাংলাদেশের সাংবিধানিক নামের ইংরেজি পাঠ কী?
  1. People's Republic of Bangladesh
  2. Bangladesh People's Republic
  3. The Republic of Bangladesh
  4. The People's Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সাংবিধানিক নামের ইংরেজি পাঠ- 'The People's Republic of Bangladesh.'

বাংলাদেশ সংবিধানের ১ অনুচ্ছেদে আছে,
বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

Article 1: The Republic-
Bangladesh is a unitary, independent, sovereign Republic to be known as 'the People's Republic of Bangladesh.'
৩,৪৬৩.
সময়ের দিক থেকে যিনি প্রথম হবেন, আইনের দিক থেকে তিনিই সুবিধা পাবেন- The Transfer of Property Act, 1882 এর কোন ধারায় বিধানটি উল্লেখ আছে?
  1. 53A
  2. 56
  3. 48
  4. 34
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer):
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

নোটঃ
• রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অরেজিস্ট্রিকৃত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
• একই তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত দুটি দলিলের মধ্যে যার নম্বর আগে সেটি অগ্রাধিকার পাবে।

Section 48: Priority of rights created by transfer:
Where a person purports to create by transfer at different times rights in or over the same immoveable property, and such rights cannot all exist or be exercised to their full extent together, each later created right shall, in the absence of a special contract or reservation binding the earlier transferees, be subject to the rights previously created. 
৩,৪৬৪.
বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির কোন পন্থায় ৩য় পক্ষ উপস্থিত থাকে না?
  1. Mediation
  2. Arbitration
  3. Negotiation
  4. None of above
ব্যাখ্যা
• আদালত বা সাধারণ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আইনসিদ্ধ পদ্ধতি মেনে ও সহমত পোষণ করে বিকল্পভাবে পক্ষগণের বিরোধ বা সমস্যার নিষ্পত্তিকরণই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, যাকে ইংরেজিতে Alternative Dispute Resolution (ADR) বলা হয়।

• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
আলাপ-আলোচনা (Negotiation);
মধ্যস্থতা (Mediation);
সালিশী (Arbitration)।

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-
এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে। আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-
এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়। সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।
৩,৪৬৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো দলিল বাতিল ঘোষণা করে এবং সেটি নিবন্ধিত হয়, তাহলে আদালতের কী করা উচিত?
  1. শুধুমাত্র পক্ষগুলিকে নোটিশ দেওয়া
  2. দলিলটি ধ্বংস করার আদেশ দেওয়া
  3. দলিলটি সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া
  4. রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে ডিক্রির একটি কপি পাঠানো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩৯ অনুসারে, যদি কোনো লিখিত দলিল অবৈধ (void) বা বাতিলযোগ্য (voidable) হয় এবং এমন আশঙ্কা থাকে যে তা নিষ্পন্ন (outstanding) অবস্থায় থাকলে কারও গুরুতর ক্ষতি হতে পারে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আদালতে মামলা করে সেই দলিলটি বাতিল ঘোষণা করাতে পারেন।
- যদি ঐ দলিলটি নিবন্ধনকৃত হয় (i.e., registered under the Registration Act, 1908), তবে আইন স্পষ্টভাবে বলে—
“The Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.”
- অর্থাৎ দলিল বাতিল ঘোষণা করা হলে, আদালত বাধ্যতামূলকভাবে ডিক্রির একটি কপি রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে পাঠাবে, যাতে রেজিস্ট্রার অফিসে রাখা দলিলের কপিতে "বাতিল" বলে নথিভুক্ত করা হয়।
৩,৪৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭০(২) অনুযায়ী, অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানোর সময় পুলিশ কর্মকর্তা কী পাঠাবেন?
  1. অভিযোগপত্র
  2. সাক্ষীর তালিকা
  3. আদালতের আদেশ
  4. অস্ত্র বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বস্তু
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭০(২) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই ধারা অনুযায়ী কোন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করেন অথবা তার উপস্থিতির জন্য জামানত গ্রহণ করেন, তিনি উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যে কোন অস্ত্র বা অন্য কোন নিবন্ধ প্রেরণ করিবেন যাহা তাহার নিকট উপস্থাপনের প্রয়োজন হইতে পারে"

সুতরাং, পুলিশ কর্মকর্তা অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানোর সময় অস্ত্র বা অন্য কোন প্রাসঙ্গিক বস্তু (যেমন: চোরাই মাল, অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি প্রমাণ হিসেবে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-170.Case to be sent to Magistrate when evidence is sufficient:
(1) If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer-in-charge of the police-station that there is sufficient evidence or reasonable ground as aforesaid, such officer shall forward the accused under custody to a Magistrate empowered to take cognizance of the offence upon a police-report and to try the accused or send him for trial or, if the offence is bailable and the accused is able to give security, shall take security from him for his appearance before such Magistrate on a day fixed and for his attendance from day to day before such Magistrate until otherwise directed. 
(2) When the officer-in-charge of a police-station forwards an accused person to a Magistrate or takes security for his appearance before such Magistrate under this section , he shall send to such Magistrate any weapon or other article which it may be necessary to produce before him, and shall require the complainant (if any) and so many of the persons who appear to such officer to be acquainted with the circumstances of the case as he may think necessary, to execute a bond to appear before the Magistrate as thereby directed and prosecute or give evidence (as the case may be ) in the matter of the charge against the accused. 
(3) If the Court of the Chief Metropolitan Magistrate, or the Chief Judicial Magistrate is mentioned in the bond, such Court shall be held to include any Court to which such Magistrate may refer the case for inquiry or trial, provided reasonable notice of such reference is given to such complainant or persons.
(5) The officer in whose presence the bond is executed shall deliver a copy thereof to one of the persons who executed it, and shall then send to the Magistrate the original with his report.

৩,৪৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XXI, Rule-1(1)  অনুযায়ী, ডিক্রি অনুযায়ী টাকা পরিশোধের কয়টি পদ্ধতি রয়েছে?
  1. একটি 
  2. দুইটি
  3. তিনটি 
  4. চারটি
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XXI, Rule 1(1) অনুসারে ডিক্রি অনুযায়ী প্রদেয় অর্থ পরিশোধের তিনটি পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো:
(a) ডিক্রি জারির দায়িত্বে নিয়োজিত আদালতে টাকা জমা দেওয়া;
(b) আদালতের বাইরে সরাসরি ডিক্রিধারীকে (decree-holder) টাকা পরিশোধ করা; অথবা
(c) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোনও পদ্ধতি নির্দেশ করলে সেভাবে পরিশোধ করা।
সুতরাং, ডিক্রি অনুযায়ী টাকা পরিশোধের মোট তিনটি পদ্ধতি রয়েছে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21, Rule-1: Modes of paying money under decree:
(1) All money payable under a decree shall be paid as follows, namely:
(a) into the Court whose duty it is to execute the decree; or
(b) out of Court to the decree-holder; or
(c) otherwise as the Court which made the decree directs.

(2) where any payment is made under clause (a) of subrule (1), notice of such payment shall be given to the decreeholder.

৩,৪৬৮.
'No consideration is necessary to create an agency.'- এই বিধানটি The Contract Act, 1872 এর কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ১৮৩ ধারায়
  2. ১৮৫ ধারায়
  3. ২০১ ধারায়
  4. ১৮৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
Section 185- Consideration not necessary
No consideration is necessary to create an agency.

ধারা ১৮৫- প্রতিদানের প্রয়োজন নেই:
এজেন্সি সৃষ্টির জন্য কোন প্রতিদানের প্রয়োজন নেই।
৩,৪৬৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুসারে কোন ধারার অধীন কমিশন জারি হলে অনুসন্ধান মুলতবি করা যায়?
  1. ৪৯৪ ধারা বা ৪৯৫ ধারা
  2. ৫০৩ ধারা বা ৫০৬ ধারা
  3. ৫০৭ ধারা বা ৫০৯ ধারা
  4. ৫০১ ধারা বা ৫০২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০৮ অনুযায়ী, ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীনে কমিশন জারি হলে সেই কমিশন কার্যকরীকরণ এবং ফেরত দেওয়ার জন্য অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য মুলতবি রাখা যেতে পারে।
- অন্যান্য ধারার ক্ষেত্রে ধারা ৫০৮-এর মুলতবিকরণের বিধান প্রযোজ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

৩,৪৭০.
সংবিধানের কততম সংশোধনী দ্বারা নতুন ৩টি তফসিল সন্নিবেশিত করা হয়?
  1. দ্বাদশ
  2. পঞ্চদশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. সপ্তদশ
ব্যাখ্যা
• সংবিধান পঞ্চদশ সংশোধন আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানের শেষে তিনটি নতুন তফসিল সন্নিবেশিত করা হয় যা হল-

৫ম তফসিল- শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ,
৬ষ্ঠ তফসিল- ২৫ মার্চ ১৯৭১ মধ্যরাতে শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা, এবং
৭ম তফসিল- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।

এছাড়া নিম্নে উল্লিখিত বিধানসমূহ সংযুক্ত করা হয়-

⇒ ১৯৭২ সালের সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার চারটি মূল মৌলিক রাষ্ট্রীয় নীতি পুর্নবহাল করা হয়।
⇒ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা বর্তমান ৪৫ থেকে ৫০টিতে উন্নীত করা হয়।
⇒ অনুচ্ছেদ ৭-এর মধ্যে সংবিধান বহির্ভূত উপায়ে ক্ষমতা দখল শেষ করার জন্য ৭(ক) এবং ৭(খ) অনুচ্ছেদ সন্নিবেশিত কর।
ধারা ৭(খ) অনুযায়ী, সংবিধানের মৌলিক বিধানগুলিকে "অসংশোধনযোগ্য" ঘোষণা করা। অসাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকারীদের রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত করার এবং শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়।
⇒ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও উন্নতির জন্য অতিরিক্ত বিধান।
⇒ উপজাতি, নৃতাত্ত্বিক সম্প্রদায় এবং ছোট জাতিদের সংস্কৃতি রক্ষার জন্য বিধান যুক্ত করা হয়।
⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে যা ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বাতিল করা হয়েছিল।
⇒ শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান।
⇒ সংবিধান থেকে গণভোট ব্যবস্থা বাতিল।
⇒ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্তদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
⇒ জরুরি অবস্থা ১২০ দিনের বেশি চলতে পারে না।
৩,৪৭১.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা এর Explanation-1 অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দেওয়ার মাধ্যমে কাউকে অপরাধ করতে উৎসাহিত করলে তাকে কী বলে?
  1. সহায়তা (Aid)
  2. ষড়যন্ত্র (Conspiracy)
  3. প্ররোচনা (Instigation)
  4. উদ্বুদ্ধকরণ (Incitement)
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার Explanation-1 এ স্পষ্ট বলা হয়েছে:
"ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রদান (wilful misrepresentation) অথবা গোপন করা বাধ্যতামূলক কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (wilful concealment) দ্বারা কাউকে অপরাধ করতে প্ররোচিত করলে তা Instigation বা প্ররোচনা হিসেবে গণ্য হবে।"
এখানে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা হয়েছে, যা প্ররোচনার (Instigation) সংজ্ঞার সাথে মিলে যায়।

Explanation-1 অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দেওয়া বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা, যা ফলে অপরাধ সংঘটিত হয়, সেটিকে প্ররোচনা (Instigation) বলা হবে। এখানে, কোনো ব্যক্তি অন্যকে অপরাধ করতে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে ভুল তথ্য প্রদান বা গোপন তথ্য প্রকাশ না করা—এটি প্ররোচনার অংশ হিসেবে ধরা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার বিধান: কোন ব্যাপারে সহায়তা প্রদান:
কোন ব্যক্তি কোন ব্যাপারে সহায়তা দান করেছে বলে পরিগণিত হয়, যদি সে ব্যক্তি-
প্রথমত :- কোন ব্যক্তিকে উক্ত ব্যাপারে প্ররোচনা দেয়;
দ্বিতীয়ত :- উক্ত কাজটি করার জন্য কোন ব্যক্তির বা ব্যক্তিদের সাথে কোন চক্রান্তে লিপ্ত হয়, যার ফলে চক্রান্ত অনুযায়ী কোন কাজ করা হয় অথবা কোন কাজ করা হতে বেআইনিভাবে বিরত থাকা হয় এবং উক্ত কাজ করার জন্য তা করা হয়;
তৃতীয়ত :- কোন কাজ করে অথবা বেআইনিভাবে কোন কাজ করা হতে বিরত থেকে উপযুক্ত কার্যে ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক কোন বাস্তব গুরুত্বসম্পন্ন ঘটনার, যা প্রকাশ করতে সে বাধ্য-ভ্রান্ত বিবরণ প্রকাশ করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক উহা গোপন করে কোন কাজ করে বা করায় অথবা কোন কাজ করার বা করানোর চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সংঘটনে প্ররোচনা দেয় বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদনের সময় বা তার পূর্বে উক্ত কাজ সম্পাদন সুগমকল্পে কোন কিছু করে, এবং তদ্বারা উহার সম্পাদন সুগম করে, সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সম্পাদনের সহায়তা করে বলে অভিহিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.

Explanation 2.-Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.

৩,৪৭২.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে কোনটি পৃথকীকরণ নিশ্চিত করা হবে?
  1. আইন বিভাগ
  2. সামরিক বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. প্রশাসনিক বিভাগ
ব্যাখ্যা
→বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ নিশ্চিত করা হবে।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২ অনুযায়ী, রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গ (যেমন: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীবর্গ) থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করার মাধ্যমে তাদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা করা যাতে কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপ বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে।
- এই পৃথকীকরণের ফলে বিচারকরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবেন এবং কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্বের শিকার হবেন না, যা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি এবং জনগণের জন্য ন্যায়ের অধিকার নিশ্চিত করে।
-------
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২ নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ: 
 রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন৷
৩,৪৭৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৯ক অনুযায়ী আদালত কী অনুমান করতে পারে?
  1. শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য সর্বদা সত্য
  2. শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য অগ্রহণযোগ্য
  3. শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য সর্বদা গ্রহণযোগ্য
  4. শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ যার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার অন্তর্গত বা তৈরি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৮৯ক: শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:

আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।
[The court may presume, unless the contrary is proved, that the physical or forensic evidence was contained in or made by the person from whom it was obtained.]

অর্থাৎ, শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য যার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে।
৩,৪৭৪.
হাইকোর্ট বিভাগ ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ১০৬ ধারা
  2. ১০৭ ধারা
  3. ১০৮ ধারা
  4. ৪২৬ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দণ্ড প্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দন্ড প্রদানের সময় দন্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারনত রিভিশন ক্ষমতাবলে ১০৬ ধারামতে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

♦ যে দন্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দত্ত বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে । আদালত যে কোন পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারন করতে হবে তবে কোনভাবেই অত্যধিক হবে না।
৩,৪৭৫.
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় মামলা প্রত্যাহার করতে পারে-
  1. আদালতের সম্মতিতে অভিযুক্ত
  2. আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. আদালতের অনুমতি ছাড়া পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৩,৪৭৬.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য কে বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. সালিশি পরিষদ
  4. স্থানীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ১১ অনুযায়ী, সরকার এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য বিধি (নিয়ম) প্রণয়ন করতে পারে। এই বিধি প্রণয়ন করার পর, তা সরকারী গেজেটে প্রকাশিত হবে এবং আইন হিসেবে কার্যকর হবে। আদালত, সালিশি পরিষদ, বা স্থানীয় প্রশাসন এই বিধি প্রণয়ন করার ক্ষমতা রাখে না।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ১১ এর বিধান নিয়ম তৈরি করার ক্ষমতা:
(১) সরকার এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য নিয়ম তৈরি করতে পারে।
(২) এই সেকশনের অধীনে নিয়ম তৈরি করার সময়, সরকার তা নির্ধারণ করতে পারে যে, কোনো নিয়মের লঙ্ঘন করলে সাধারণ কারাদণ্ড, যা এক মাস পর্যন্ত হতে পারে, অথবা জরিমানা, যা পাঁচশো টাকা পর্যন্ত হতে পারে, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
(৩) এই সেকশনের অধীনে তৈরি করা নিয়মগুলো সরকারী গেজেটে প্রকাশিত হবে এবং সেগুলো তখন থেকে এই অধ্যাদেশে আইন হিসেবে কার্যকর হবে।
-------------
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 Section- 11. Power to make rules
(1) The Government may make rules to carry into effect the purposes of this Ordinance.
(2) In making rules under this section, the Government may provide that a breach of any of the rules shall be punishable with simple imprisonment which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both. 
(3) Rules made under this section shall be published in the official Gazette, and shall thereupon have effect as if enacted in this Ordinance.
৩,৪৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৩ ধারার অধীনে কোন ধরনের মামলার নথি লিপিবদ্ধ করার বিধান রয়েছে?
  1. আপিলযোগ্য
  2. আপিলঅযোগ্য
  3. জামিনঅযোগ্য
  4. জামিনযোগ্য
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-২৬৩: আপিল অযোগ্য মামলার নথি-

আপিল অযোগ্য মামলার সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ (Record) ও চার্জ গঠনের প্রয়োজন নেই। তবে নিম্নলিখিত তথ্য লিপিবদ্ধ করতে হবে-
ক) ক্রমিক সংখ্যা, অপরাধ সংঘটনের তারিখ, এজাহার বা নালিশের তারিখ, ফরিয়াদীর (যদি থাকে) নাম: ও ঠিকানা, নালিশী অপরাধ এবং প্রমাণিত অপরাধ (যদি থাকে);
খ) আসামীর নাম, পিতার নাম, ঠিকানা;
গ) আসামীর বক্তব্য এবং তার জবানবন্দি (যদি থাকে), অভিমত এবং দন্ডের ক্ষেত্রে তার কারণ সমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ;
ঘ) শান্তি অথবা অন্য চূড়ান্ত আদেশ এবং কার্যক্রম শেষ হওয়ার তারিখ।

৩,৪৭৮.
তামাদি আইনের ধারা ৮ অনুযায়ী কোন মামলায় ধারা ৬ ও ৭–এর সুবিধা প্রযোজ্য নয়?
  1. ঘোষণামূলক মামলা
  2. ক্ষতিপূরণ মামলা
  3. দখল পুনরুদ্ধার মামলা
  4. অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎকরণের মামলা
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মামলা খারিজ হবে।

৩,৪৭৯.
মৃত্যুকালীন ঘোষণার সময় নিম্নের কোন বিষয় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না?
  1. মৃত্যুর কারণ
  2. সম্পত্তি দান
  3. বৈবাহিক সম্পর্ক
  4. পিতৃত্বের দাবি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি।

অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সম্পত্তি দান বিষয় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না।
৩,৪৮০.
হিন্দু আইনে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে কন্যাদের মধ্যে অগ্রাধিকার পাবে-
  1. বিধবা কন্যা
  2. পুত্রবর্তী কন্যা
  3. সন্তানহীন কন্যা
  4. অবিবাহিত কন্যা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকার সম্পর্কিত কিছু সাধারণ নিয়ম-

(১) পুত্র পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী;
(২) পুত্র একাধিক হলে সমান হারে সম্পত্তি পাবে; 
(৩) পুত্র মারা গিয়ে থাকলে পৌত্র উত্তরাধিকারী হবে (পিতার অংশ পাবে);
(৪) বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ ‘জীবন স্বত্ব পাবে। (সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের অধিকার আইনের ৩(১) ধারা);
(৫) একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে;
(৬) মৃতের বিধবা পুত্রবধূ/প্রপৌত্রবধূ থাকলে সে এক পুত্রের সমান ‘জীবন স্বত্ত্ব’ পাবে;
(৭) কন্যার পূর্বের কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে কন্যা পিতার সম্পত্তি পাবে;
(৮) কন্যাদের মধ্যে ‘কুমারী কন্যার’ দাবি প্রথম এবং সে-ই সব সম্পত্তি পাবে;
(৯) কুমারী কন্যা না থাকলে পুত্রবর্তী কন্যা উত্তরাধিকারী হবে;
(১০) বন্ধ্যাকন্যা, বিধবা কন্যা, সন্তানহীন কন্যা এবং যে সব কন্যার শুধু কন্যা সন্তান আছে তারা উত্তরাধিকারী হবে না। তবে এরূপ কন্যাদের মধ্যে যে, কোন দত্তকপুত্র গ্রহণ করেছে সে বঞ্চিত হবে না।
৩,৪৮১.
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে কত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করবেন?
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  3. যাতায়াত সময় বাদে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবেঃ
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
৩,৪৮২.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর কত ধারায় কমিশনের নিরপেক্ষতার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১
  2. ধারা ২
  3. ধারা ৩
  4. ধারা ৪
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৩: কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি-
(১) এই আইন, বলবত্ হইবার পর, যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে৷

(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে।

(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
৩,৪৮৩.
একজন হিন্দু ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার উত্তরাধিকারী হিসেবে একজন পুত্র, একজন কন্যা এবং একজন মৃত পুত্রের পুত্র রয়েছে। কন্যা কত অংশ পাবে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ২/৩ অংশ
  4. কোন অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা
এখানে প্রতিনিধিত্বের নীতি (Doctrine of Representation) অনুসারে,
মৃত পুত্রের পুত্র (পৌত্র) তার পিতার অংশের প্রতিনিধিত্ব করবে। অর্থাৎ, মৃত পুত্রের পুত্র তার পিতার উত্তরাধিকারী হয়ে, পিতার অংশটি গ্রহণ করবে। এ ক্ষেত্রে, জীবিত পুত্র এবং মৃত পুত্রের পুত্রের (পৌত্র) অংশ সমানভাবে ভাগ হবে। তাই, জীবিত পুত্র এবং মৃত পুত্রের পুত্রের মধ্যে ১/২ অংশ করে ভাগ হবে। কন্যা কোন অংশ পাবে না।

উল্লেখ্য, হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে-
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র এবং বিধবা স্ত্রী না থাকলে, কন্যারা উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাবে। তবে সম্পত্তি পেলেও উক্ত সম্পত্তির শুধুমাত্র জীবনস্বত্ব (Life Interest) ভোগ করতে পারবে। মৃত্যুর পর উক্ত সম্পত্তি ছেলে উত্তরাধিকারীর নিকট চলে যাবে।
৩,৪৮৪.
The Registration Act, 1908 এর কোন ধারায় মূল্যমান কম দেখানো দলিলের ক্ষেত্রে যথার্থ ফি আদায়ের বিধান উল্লেখ আছে?
  1. 63A
  2. 63
  3. 62
  4. 61
ব্যাখ্যা
⇒ The Registration Act, 1908 এর ৬৩ক ধারায় মূল্যমান কম দেখানো দলিলের ক্ষেত্রে যথার্থ ফি আদায়ের বিধান উল্লেখ আছে।
৬৩ক ধারায় বলা হয়েছে:
"যদি রেজিস্ট্রার মনে করেন যে, কোনো দলিলে উল্লিখিত মূল্য বা প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অনেক কম, তিনি দলিলটির প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করতে পারবেন এবং দলিলের প্রকৃত মূল্যের উপর রেজিস্ট্রেশন ফি আদায় করতে পারবেন।"
এই ধারা অনুসারে, যদি রেজিস্ট্রার মনে করেন যে কোনো দলিলে মূল্য অত্যন্ত কম দেখানো হয়েছে, তাহলে তিনি দলিলের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করে সেই মূল্যের উপর যথাযথ রেজিস্ট্রেশন ফি আদায় করতে পারবেন। এর মাধ্যমে মূল্য কম দেখানোর সুযোগ রোধ করা হয়েছে এবং সরকারকে প্রাপ্য রাজস্ব আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে।
----------------
 Section 63A- Procedure where documents not properly valued:
(1) Notwithstanding anything contained in this Act or in any other law for the time being in force, where it appears to the registering officer that the value of any document presented for registration is less than the market value determined in the policy made under section 69, the registering officer shall, for the purpose of realising proper duties and other fees, require the presentant to submit the duties and fees so required and after realising such duties and fees, he shall register the said document.
 (2) Where it is found upon inspection or otherwise that by non-compliance of the provision of sub-section (1), a document has been registered by a registering officer with improper duties and fees, such non-compliance of the said registering officer shall be deemed to be misconduct and the unpaid amount of duties and fees shall be realised from the concerned registering officer.
৩,৪৮৫.
Before dismissing an appeal under Section 421, the Appellate Court:
  1. Must call for the record of the case
  2. Is prohibited from calling for the record
  3. May call for the record but is not bound to do so
  4. Must hear all prosecution witnesses again
ব্যাখ্যা

Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.

ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:
(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।

৩,৪৮৬.
রায় স্বাক্ষর করার পর আদালতের রায়ে কোন ধরনের পরিবর্তন করা যায়?
  1. সম্পূর্ণ রায় পরিবর্তন
  2. রায়ে প্রকাশিত দণ্ডের পরিবর্তন
  3. চার্জ সংক্রান্ত তথ্য পরিমার্জন
  4. শুধু করণিক ভুল সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার বিধান- আদালত রায় পরিবর্তন করবেন না:
এই কার্যবিধি বা বর্তমানে কার্যকর অপর কোন আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ব্যতীত তা পরিবর্তন বা রিভিউ করবেন না।

Section-369: Court not to alter judgment: 
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force, no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
৩,৪৮৭.
‘আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু’ বলতে কী বোঝায়?
  1. যে শিশু আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে
  2. যে শিশু অন্য শিশুদের সহিত সংঘাতে লিপ্ত
  3. যে শিশু বিচারাধীন মামলায় সাক্ষী দেয়
  4. যে শিশু অপরাধে অভিযুক্ত অথবা দোষী সাব্যস্ত
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩ ধারা ২(৩) ‘আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু (Children in Conflict with the Law)’ অর্থ-
এমন কোন শিশু যে, দণ্ডবিধির ধারা ৮২ ও ৮৩ এ বিধান সাপেক্ষে, বিদ্যমান কোন আইনের অধীন কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত অথবা বিচারে দোষী সাব্যস্ত;

৩,৪৮৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারায় আদালত কয় ভাবে 'Preventive relief' মঞ্জুর করতে পারে?
  1. দুই ভাবে
  2. চার ভাবে
  3. তিন ভাবে
  4. পাঁচ ভাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:

আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
 
⇒ Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. 
৩,৪৮৯.
দণ্ডবিধিতে বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ৩ মাস কারাদণ্ড
  3. ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনী সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ Section 142. Being member of unlawful assembly:

 Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.
⇒ Section 143. Punishment:
Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.

৩,৪৯০.
অনুচ্ছেদ ৩৯ এর অধীনে কিসের ভিত্তিতে বাকস্বাধীনতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. বিচারকদের বিবেচনার উপর ভিত্তি করে
  2. নাগরিকদের ব্যক্তি স্বাধীনতার ভিত্তিতে
  3. সম্পূর্ণ অবাধ স্বাধীনতার ভিত্তিতে
  4. যুক্তিসঙ্গত আইনগত বাধানিষেধের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech:
(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed. 

(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, are guaranteed.
৩,৪৯১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারা অনুসারে দেওয়ানী মোকদ্দমায় মধ্যস্থতা করতে পারে
  1. আদালত নিজে
  2. জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা
  3. অবসরপ্রাপ্ত কোন বিচারক
  4. উপরোক্ত সবাই
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী মোকদ্দমায় মধ্যস্থতা করতে পারে
ক. আদালত নিজে;
খ. লিগ্যাল এইড অফিসার;
গ. পক্ষগণ কর্তৃক নিযুক্ত উকিলদের [Pleaders] মাধ্যমে নিযুক্ত অন্য কোন উকিল যে উক্ত মোকদ্দমায় কোন পক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত হয়নি;
ঘ. অবসরপ্রাপ্ত কোন বিচারক;
ঙ. জেলা জজ কর্তৃক তৈরীকৃত প্যানেল থেকে কোন একজন মধ্যস্থতাকারী;
চ. জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা;
ছ. অন্যকোন ব্যক্তি যাকে তারা মধ্যস্থতাকারী হিসাবে উপযুক্ত মনে করে।
৩,৪৯২.
স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রদত্ত রায় পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৬১ এর বিধান: [Court of Small Causes] স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের রায় অথবা স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হিসাবে বিচার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন আদালত কর্তৃক অনুরূপ এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায় পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ ১৫ দিন

সময় গণনা শুরু- ডিক্রি বা আদেশের প্রদানের তারিখ হতে।
৩,৪৯৩.
Who is considered a “citizen” under Article 152 of the Constitution?
  1. Any resident of Bangladesh
  2. Anyone born in Bangladesh
  3. A voter in national elections
  4. A person recognized as a citizen by citizenship law
ব্যাখ্যা
Article 152:
“citizen” means a person who is a citizen of Bangladesh according to the law relating to citizenship;

"নাগরিক" অর্থ নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইনানুযায়ী যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক।
৩,৪৯৪.
একজন মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট একটি নালিশ মামলায় কারাদণ্ড প্রদান করেন। উক্ত দণ্ডাদেশ বৃদ্ধির জন্য অভিযোগকারী নিচের কোন আদালতে আপিল দায়ের করবে?
  1. মহানগর দায়রা জজ আদালত
  2. হাইকোট বিভাগ
  3. চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট
  4. দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ৪০৭-
দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল করতে হবে। 

ধারা ৪০৮-
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা যুগ্ম দায়রা জজ (৫ বা ৫ বছরের কম মেয়াদে কারাদণ্ড দিলে) প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ক্ষেত্রবিশেষে, দায়রা জজ বা মহানগর দায়রা জজ আদালতের নিকট আপিল করতে হবে।

তবে যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ড দিলে অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা অপরাধের শাস্তি দিলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

ধারা ৪১০-
দায়রা আদালত প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৩,৪৯৫.
আরজি ফেরতের আদেশ-
  1. চূড়ান্ত আদেশ
  2. আপিলঅযোগ্য আদেশ
  3. আপিলযোগ্য আদেশ
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি-১০: আরজি ফেরত (Return of plaint)-
⇒ বাদী যদি এখতিয়ারহীন আদালতে আরতি দায়ের করে, তাহলে আদালত উক্ত আরজি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে পেশ করার জন্য বাদীকে ফেরত প্রদান করবে।
⇒ আরজি ফেরত প্রদানের সময় বিচারক আরজি পেশ করার এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, আরজি দাখিলকারির নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সংক্ষেপে লিখবেন।

প্রতিকার:
আরজি ফেরতের আদেশটি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order)। [বিধি-১, আদেশ ৪৩] ।
৩,৪৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ কোথায় প্রযোজ্য নয়?
  1. জেলা শহরে
  2. গ্রামীণ এলাকায়
  3. মহানগর এলাকায়
  4. উপজেলা শহরে
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  

⇒ ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌

⇒ ১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌

⇒ এই ধারার বিধানসমূহ মহানগর এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
৩,৪৯৭.
ডিক্রির অন্তর্ভূক্ত মর্মে গণ্য হবে
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  2. আরজি ফেরতের আদেশ
  3. আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
  4. আরজি গ্রহণের আদেশ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারার বিধান: ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও এর অন্তর্ভুক্ত হবে, তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-

ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

♦ব্যাখ্যাঃ ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে; মোকদ্দমা যখন চূড়ান্তরূপে নিষ্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

♦অর্থাৎ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত হলো আপীলযোগ্য আদেশ। কিন্তু ২(২) ধারা অনুযায়ী আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ হলো একটি ডিক্রি।
৩,৪৯৮.
Arbitration Council এর গঠন প্রণালি কোন আইনে আছে?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধি আইন, ১৯০৮
  2. The Family Court Ordinance, 1985
  3. The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
  4. সালিশ আইন, ২০০১
ব্যাখ্যা
সালিশি পরিষদের গঠন প্রণালী The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ২ ধারায় বর্ণিত আছে।

Arbitration Council (সালিশি পরিষদ) গঠন: 
সালিশি পরিষদ গঠিত হবে= ৩ জন নিয়ে।
চেয়ারম্যান= ১ জন।
প্রত্যেক পক্ষের ১ জন করে প্রতিনিধি = ২ জন।

⇒ কোনো পক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিনিধি মনোনয়ন করতে ব্যর্থ হলে সে পক্ষের প্রতিনিধি ছাড়া সালিশি পরিষদ গঠিত হবে।

⇒ চেয়ারম্যান বলতে বোঝাবে:
১. ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারম্যান,
২. পৌরসভার মেয়র,
৩. সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।

⇒ চেয়ারম্যান একজন অমুসলিম হলে বা অসুস্থ বা অন্য কোনো কারণে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে, উক্ত পরিষদের একজন মুসলমান সদস্যকে চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন।

Arbitration Council  ৩ ক্ষেত্রে এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে:
১. বহু বিবাহ (Polygamy);
২. তালাক (Talaq);
৩. ভরণপোষণ (Maintenance)।
৩,৪৯৯.
No confession made to ____________ shall be proved as against a person accused of any offence.
  1. a police-officer
  2. a Magistrate
  3. Ordinary people
  4. None of them
ব্যাখ্যা
⇒ Confession to police-officer not to be proved
Section 25. No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

⇒ ধারাঃ-২৫। পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদান করা স্বীকারোক্তি প্রমাণ করা হবে নাঃ- পুলিশ কর্মকর্তার নিকট অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি দেয় স্বীকার করে থাকলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।

⇒ পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি- সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারামতে পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) অগ্রহনযোগ্য হবে, তবে সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারামতে পুলিশের নিকট আসামীর প্রদত্ত confession বা তথ্যের ভিত্তিতে কোন আলামত উদ্ধার হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ যেমন- আসামীর দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করলে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

⇒ পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত Confession প্রাসঙ্গিক হবে, যাকে Judicial confession বলে।
৩,৫০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় সাক্ষীকে কিসের জন্য বাধ্য করা যাবে না?
  1. মামলার ঘটনার বিবরণ দেওয়ার জন্য
  2. সাক্ষী হিসেবে লিখিত বিবৃতি দেওয়ার জন্য
  3. তদন্ত কর্মকর্তার সামনে উপস্থিত হওয়ার জন্য
  4. নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণযোগ্য উত্তর দেওয়ার জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুসারে, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং সাক্ষী মামলার বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য। তবে, যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদান সাক্ষীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ, দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা সৃষ্টি করে, তাহলে সাক্ষী সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়- তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ের সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তার নিকট জিজ্ঞাসিত মামলা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে কিন্তু যে প্রশ্নের জবাব উক্ত সাক্ষীকে ফৌজদারি অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী বাধ্য নয়।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case.
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture.
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.