বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৩২ / ১৫৫ · ৩,১০১৩,২০০ / ১৫,৪৭০

৩,১০১.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের(Set off) বিধান রয়েছে?
  1. ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে
  2. ৯ নং আদেশের ৪ নং বিধিতে
  3. ৮ নং আদেশের ৫ নং বিধিতে
  4. ৯ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে
ব্যাখ্যা
• সেট অফ অর্থ হল- কোন দাবীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আরেকটি দাবী দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

• ৮ নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়। প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পর Set off এর দাবি করা যায়।

• কোন দেওয়ানী মামলায় বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায় তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-

i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করেচাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
৩,১০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান কোন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. বেআইনীভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের
  2. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  3. দেওয়ানি আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  4. যেকোন আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট পিটিশন দায়ের করা যায়। হাজির রিটের ক্ষেত্রে আদালত বেআইনীভাবে আটককৃত কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে তার নিজের সন্তুষ্টির জন্য যে উক্ত ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। 

ধারা ৪৯১- হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা

(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-

(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 

(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৩,১০৩.
সহকারী জজ আদালত কোনো আপীলঅযোগ্য আদেশ প্রদান করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে:
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজের নিকট
  3. যুগ্ম জেলা জজের নিকট
  4. অতিরিক্ত জেলা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
আপীলঅযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ (দুই) ধরণের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে-
১. হাইকোর্ট বিভাগের;
২. জেলা জজ আদালতের।

উক্ত ধারা অনুযায়ী, আপীলঅযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যেতে পারে হাইকোর্ট বিভাগে বা জেলা জজের নিকট। এখন হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করবেন নাকি জেলা জজের নিকট রিভিশন করবেন, তা নির্ধারিত হবে কোন আদালত আপীলঅযোগ্য আদেশটি দিয়েছে, সেটার উপর ভিত্তি করে। যেমন- সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আপীলঅযোগ্য আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে সর্বদা জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে এবং জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ আপীলঅযোগ্য আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
৩,১০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৫ অনুসারে, কোন ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত আবেদন নাকচ হলে আপীল করা যায়?
  1. ধারা ৮১
  2. ধারা ৮৯
  3. ধারা ১২০
  4. ধারা ১৭৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৫ অনুযায়ী বলা হয়েছে—
- যদি কোন ব্যক্তি ধারা ৮৯ অনুযায়ী জব্দকৃত সম্পত্তি বা উহার বিক্রয়লব্ধ অর্থ ফেরতের জন্য আদালতে আবেদন করেন এবং তা নাকচ হয়ে যায়, তাহলে তিনি সেই আদালতে আপীল করতে পারেন, যেখানে সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সাধারণত আপীল হয়।

→ অর্থাৎ, ধারা ৮৯-এর অধীনে সম্পত্তি ফেরতের আবেদন নাকচ হলে ধারা ৪০৫ অনুযায়ী উচ্চতর আদালতে আপীল করা যায়।

→ ধারা ৮৯ সম্পর্কিত:
- এই ধারায় বলা হয়েছে, অপরাধমূলক মামলায় কোনো ব্যক্তির জব্দকৃত সম্পত্তি বা তার বিক্রয়লব্ধ অর্থ ফেরতের জন্য আবেদন করার বিধান।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 405. Appeal from order rejecting application for restoration of attached property:
-Any person whose application under section 89 for the delivery of property or the proceeds of the sale thereof has been rejected by any Court may appeal to the Court to which appeals ordinarily lie from the sentences of the former Court.
৩,১০৫.
বার কাউন্সিল কাদের কল্যাণের জন্য দাতব্য তহবিল গঠন করতে পারে?
  1. জনসাধারনের
  2. এডভোকেটদের
  3. বিচারাধীন অভিযুক্তদের
  4. বিচার বিভাগে নিযুক্ত সকল কর্মচারীদের
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪:
(১) বার কাউন্সিল এডভোকেট ও তাদের পরিবার এবং নির্ভরশীলদের কল্যাণের জন্য গ্রুপ বীমা স্কিম এবং দাতব্য তহবিল গঠন করতে পারে।
(২) যদি এই ধরনের কোনো তহবিল গঠন করা হয়, তাহলে রোলভুক্ত প্রতিটি এডভোকেট তহবিলে দান হিসেবে বা প্রিমিয়াম হিসেবে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে বাধ্য থাকবে, এবং সেই পরিমাণ অর্থ ও প্রদানের পদ্ধতি নির্ধারিত হবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীনে গঠিত তহবিল নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত, প্রশাসিত ও ব্যবহার করা হবে।

Article 14:
(1) The Bar Council may constitute, for the benefit of the advocates and their families and dependents, group insurance schemes and benevolent funds.
(2) Where any such fund is constituted, every advocate on the roll shall be liable to pay to the fund as contribution or, as the case may be, as premium such sum of money, and in such manner, as may be prescribed.
(3) A fund constituted under clause (1) shall be managed, administered and utilised in such manner as may be prescribed.
৩,১০৬.
ধর্মনিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য কোনটি বিলোপ করা হবে?
  1. ধর্মীয় শিক্ষা
  2. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
  3. সাম্প্রদায়িকতা
  4. ধর্মীয় স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
⇒ ধর্মনিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য সাম্প্রদায়িকতা বিলোপ করা হবে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২-এ বর্ণিত।
- ধর্মনিরপেক্ষতা নীতির উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রের সকল কার্যক্রমে কোনো ধর্মীয় পক্ষপাতিত্ব না থাকা এবং প্রতিটি ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা।

- এখানে সাম্প্রদায়িকতা বিলোপ করার মাধ্যমে রাষ্ট্র ধর্মীয় বৈষম্য, শত্রুতা বা সহিংসতা বন্ধ করার চেষ্টা করবে, যাতে সব ধর্মের অনুসারীরা সমান মর্যাদা পায় এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারে।

- অন্যদিকে, ধর্মীয় শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা বাস্তবায়নে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে এসব বিষয় রাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপের বাইরে থাকবে।
--------------- 
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২ ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা:
 ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য 
(ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা, 
(খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান, 
(গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার, 
(ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন, 
বিলোপ করা হইবে।
৩,১০৭.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার অধীনে ডাকাতির শর্ত হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. দস্যুতা সংঘটনকারী পাঁচজনের কম হলে
  2. শুধু একজন ব্যক্তি দস্যুতা সংঘটন করলে
  3. দস্যুতা সংঘটনে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যুক্ত থাকলে
  4. যখন কেউ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে সহায়তা করে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
------------------------ 
⇒ The Penal Code, 1860-Section: 391: Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
৩,১০৮.
দণ্ডবিধির ১০০ ধারায়, কোন পরিস্থিতিতে আক্রমণকারীর মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে?
  1. বিনা কারণে আক্রমণ করলে
  2. কোন অপরাধমূলক কাজের জন্য
  3. অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ করলে
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:  
(i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
(ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
(iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
(vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
৩,১০৯.
একটি মেয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে 'ক' মেয়েটিকে ইভটিজিং করেছে। Penal code এর কোন ধারায় ‘ক’ শাস্তি পাবে?
  1. ৫০৮ ধারায়
  2. ৫০৯ ধারায়
  3. ৫১০ ধারায়
  4. ৫১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫০৯ ধারা অনুযায়ী কোন নারীর শ্লীলতাহানী বা অমর্যাদা করার উদ্দেশ্যে কোন কথা, অঙ্গভঙ্গি, বস্তু প্রদর্শন বা কোন কাজ করার শাস্তি হলো অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।
• ইভ-টিজিং করার শাস্তি ৫০৯ ধারায় প্রদান করা হয়।
৩,১১০.
The provisions of section 3 of Limitation Act are-
  1. Directory
  2. Optional
  3. Mandatory
  4. Discretionary
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণত মূল মামলায় তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয় Cause of action বা মামলার কারণ উদ্ভবের সময় থেকে এবং তামাদি মেয়াদ গণনা করা হয় বাদীর বিরুদ্ধে।
- তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।
অর্থাৎ তামাদি আইনের ৩ ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
-------------
Section-3: Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation:
-Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence.

Explanation.-A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.
৩,১১১.
কখন ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির আবেদন করা যায়?
  1. ডিক্রিদার মারা গেলে
  2. দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
  3. আদালত ডিক্রি জারির আবেদন গ্রহণ না করলে
  4. আদালত ডিক্রি জারি করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হলে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮ এ কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারী বারিত করা হয়েছে-
(১) নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতিত অন্য কোন ডিক্রি জারীর জন্য আবেদন না করা হয়ে থাকলে সেই একই ডিক্রি জারীর জন্য

ক) যে ডিক্রি জারীর আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ, অথবা

খ) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশ দ্বারা কোন নির্ধারিত তারিখে বা আবর্তক মেয়াদে টাকা পরিশোধ বা কোন সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এরূপ পরিশোধ বা প্রদানের তারিখ হতে যে ডিক্রি জারীর প্রার্থনা করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে ১২ বৎসর অতিবাহিত হয়ে গেলে কোন নতুন আবেদনের উপর জারীর আদেশ প্রদান করা যাবে না ।

(২) এই ধারার কোন বিধান-

ক) আবেদনের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারীর ব্যাপারে রায়ের দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারী ব্যাহত করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর দাখিলকৃত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারীর আদেশ দানে আদালতকে বারণ করবে বলে গণ্য হবে না; অথবা

খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকরতা সীমাবদ্ধ বা অন্য কোনরূপ প্রভাবিত করবে না।
৩,১১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট কয়টি উপায়ে অপরাধ গ্রহণ করতে পারেন?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট ৩টি উপায়ে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।
-কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুযায়ী,ম্যাজিস্ট্রেটগণ ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে নিতে পারেন-
- অভিযোগ [ (ধারা ১৯০(১)(ক) ]
- পুলিশের লিখিত রিপোর্ট [ ধারা ১৯০(১)(খ) ]
- তথ্য,নিজস্ব জ্ঞান বা সন্দেহবশত কোনো তথ্য পেলে [ ধারা ১৯০(১)(গ) ] ।
তবে এই উৎসের উপর ভিত্তি করে ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারবেন না।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-190: Cognizance of offences by Magistrates:
(1) Except as hereinafter provided, any Chief Metropolitan Magistrate, Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Magistrate of the first class, and any other Magistrate specially empowered in this behalf under sub-section (2) or (3)], may take cognizance of any offence-
(a) upon receiving a complaint of facts which constitute such offence;
(b) upon a report in writing of such facts made by any police-officer;
(c) upon information received from any person other than a police-officer, or upon his own knowledge or suspicion, that such offence has been committed.
৩,১১৩.
"গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন" এটি বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ২৩
  2. ১৭
  3. ১৮
  4. ২১
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের বিধান: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
৩,১১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬২ অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতিতে কত মেয়াদের কারাদণ্ডের বেশি শাস্তি দেওয়া যাবে না?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬২ অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতিতে যে কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডাদেশ দেওয়া হলে, তার মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হতে পারে। অর্থাৎ, সংক্ষিপ্ত বিচারের আওতায় আসা অপরাধের জন্য কারাদণ্ডের মেয়াদ দুই বছরের বেশি দেওয়া যাবে না।
- এটি মূলত লঘু শাস্তির অপরাধের দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে গুরুতর অপরাধ যেমন হত্যা বা ধর্ষণ অন্তর্ভুক্ত হয় না, কারণ সেগুলোর জন্য বিস্তারিত বিচারের প্রক্রিয়া প্রয়োজন।

- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২৬২(২) অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচারের (Summary Trial) মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে দুই বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া যাবে না।
ধারা ২৬২(২)-এর বিধান:
"No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter."
অর্থাৎ,  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬২-এ স্পষ্ট বলা আছে যে, সংক্ষিপ্ত বিচারে ২ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া যায় না।
- তাই সঠিক উত্তর খ) দুই বছর।
৩,১১৫.
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের কত নং আইন?
  1. ১ নং আইন
  2. ৫ নং আইন
  3. ১০ নং আইন
  4. ৪৫ নং আইন
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর প্রাথমিক তথ্য:
আইন নং: ১৮৭২ সালের ১নং আইন।
প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ১৮৭২।
কার্যকর : ১ লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২।
ধারা : ১৬৭ টি।
অধ্যায়: ১১টি।

খন্ড : ৩টি
১ম খন্ড : ১ - ৫৫ ধারা - ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা,
২য় খন্ড : ৫৬ - ১০০ ধারা - ঘটনার প্রমাণ,
৩য় খন্ড : ১০১ - ১৬৭ ধারা - সাক্ষ্য উপস্থাপন ও ইহার ফলাফল।

⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।
৩,১১৬.
তামাদি আইনের ২২ ধারায় কাকে পক্ষভুক্ত করার ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. আইনগত প্রতিনিধিকে
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ২২ এ নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে।

যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয় বা কারও স্থলাভিষিক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির জন্য পক্ষভুক্তির তারিখেই মামলাটি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party. 
 
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৩,১১৭.
একজন হিন্দু ব্যক্তি 'ক' তার স্ত্রী এবং দুই পুত্র রেখে মারা গেল। তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি -
  1. সমান তিন অংশে ভাগ হবে এবং এক অংশ বিধবা স্ত্রী পাবে ও বাকী অংশ দুই পুত্র তুল্যাংশে পাবে
  2. সমান দুই অংশে ভাগ হবে এবং দুই পুত্র এক অংশ করে পাবে
  3. সমান তিন অংশে ভাগ হবে এবং দুই অংশ বিধবা স্ত্রী পাবে ও বাকী এক অংশ দুই পুত্র তুল্যাংশে পাবে
  4. সমুদয় সম্পত্তি বিধবা স্ত্রী পাবে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকারীদের অধিকারের স্বাভাবিকভাবে পুত্রই পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী হয়। পুত্র একাধিক হলে তারা সকলে মিলে পিতার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার পায়। যে পুত্র মৃত তার পুত্র অর্থাত্‍ পৌত্র উত্তরাধিকার পায়। পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র যেহেতু সমভাবে পিন্ড দেবার অধিকারী তাই তারা উত্তরাধিকারী হয়। কিন্তু পুত্র জীবিত থাকলে তার পুত্র অর্থাত্‍ পৌত্র পিন্ড দিতে পারে না। এবং সে কারণে পুত্রের জীবমানে পৌত্র উত্তরাধিকার পায়না। প্রপৌত্রের ক্ষেত্রেও একই কথা।

বিধবাদের কথা বলা যায় যে, আগে পুত্র, পৌত্র প্রভৃতি থাকলে বিধবা আর কোন উত্তরাধিকার পেত না। বর্তমানে অর্থাত্‍‍ ১৯৩৭ সনের সম্পত্তির উপর হিন্দু নারীর অধিকার আইন পাস হবার পর বিধবাবৃন্দ জীবন স্বত্ব উত্তরাধিকার পায়। এ আইন পাস হবার পর, বিধবা এক পুত্রের সমান অংশ জীবন স্বত্ব পায়। পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র কেউ না থাকলে মৃত স্বামীর সমস্ত সম্পত্তি তার বিধবা জীবন স্বত্বে পায়। বৈধ প্রয়োজনে বিধবার সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে। মৃতের বিধবা যেভাবে সম্পত্তি পায় মৃতের পুত্রের বিধবা বা তার পৌত্রের বিধবা বা প্রপৌত্রের বিধবা একইভাবে সম্পত্তি পায়।

অর্থাৎ 'ক' এর সম্পত্তি সমান তিন অংশে ভাগ হবে ৷ বিধবা স্ত্রী পাবে এক অংশ এবং বাকী অংশ দুই পুত্র তুল্যাংশে পাবে।
৩,১১৮.
একটি দলিল সংশোধিত হতে পারে শুধুমাত্র
  1. পক্ষগণ দ্বারা
  2. সম্পাদনকারীগণ দ্বারা
  3. সত্যায়নকারী স্বাক্ষী দ্বারা
  4. আদালত দ্বারা
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে।-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুণ কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
♦অর্থাৎ আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ মঞ্জুর করে থাকেন তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে।
৩,১১৯.
Which is defined under Section 391 of the Penal Code?
  1. Extortion
  2. Robbery
  3. Dacoity
  4. Theft
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-391: Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
৩,১২০.
যেক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি, সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারে-
  1. দায়রা আদালত
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• সরকারপক্ষে দায়রা আদালতে যে মামলা পরিচালনা করে তাকে পাবলিক প্রসিকিউটর বলা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯২ এর অধীন সরকার বা ক্ষেত্রমতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়ে থাকে।

ধারা ৪৯২: পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা-

(১) সরকার বা কোন স্থানীয় এলাকায় সাধারণভাবে, বা কোন মামলায়, বা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নামক এক বা একাধিক অফিসার নিয়োগ দান করতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ব্যতিত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।

Section 492: Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
৩,১২১.
আদি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশকে সাধারণত আইনের প্রশ্নে চ্যালেঞ্জ করা যায়
  1. রিভিশনে
  2. আপিলে
  3. রিভিউ-এ
  4. রেফারেন্স
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী, কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে যদি আদেশ বা ডিক্রিটি আপীলঅযোগ্য হয় বা ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান না থাকে এবং নিম্ন আদালত আইনগত ভুল করার কারণে ডিক্রি বা আদেশে ভুল হয়েছে এবং উক্ত ভুলের কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হলে [Occasioning failure of Justice]। শুধুমাত্র আইনত ভুলের ক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। যদি আইনগত ভুলটি ন্যায় বিচার বিঘ্ন করে, শুধুমাত্র আদালত তখনই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
৩,১২২.
দেওয়ানি আপিলে মধ্যস্থতা করার বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ৮৯গ ধারায়
  3. ৮৯খ ধারায়
  4. ৮৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal):
- যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
-----------
CPC Section 89C. Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.

(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৩,১২৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমা কীভাবে দায়ের করতে হবে?
  1. শুধুমাত্র নোটিশ পাঠানোর মাধ্যমে
  2. মৌখিকভাবে আদালতে জানিয়ে
  3. লিখিত আরজি দাখিলের মাধ্যমে
  4. এফআইআর দাখিলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:

১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
৩,১২৪.
ফৌজদারি মামলার চার্জে গুরুতর ভুলের কারনে দণ্ডিত ব্যক্তি আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হলে আদালত কী আদেশ দিবেন?
  1. আপিলের
  2. চার্জ সংশোধনের
  3. নতুন বিচারের
  4. মামলা বাতিলের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ এ চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তা হলে উক্ত আদালত যেইরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।
২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলী এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলীর ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।

উদাহরণ-
-দণ্ডবিধির ১৯৬ ধারার অপরাধের দায়ে ক-কে এমন একটি অভিযােগের ভিত্তিতে দণ্ডিত করা হলাে।যাতে উল্লেখ করা হয় নাই যে, যে সাক্ষ্য সে অসৎ ভাবে সত্য বা প্রকৃত বলে ব্যবহার করেছে বা ব্যবহারের চেষ্টা করেছে,তাকে সে মিথ্যা বা বানােয়াট বলে জানিত।আদালত যদি মনে করেন যে,ক-এর অনুরূপ জ্ঞান থাকা সম্ভব ছিল এবং অভিযােগে তার অনুরূপ জ্ঞান সম্পর্কিত বিবৃতি থাকায় সে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বিভ্রান্ত হয়েছে তা হলে সংশােধিত অভিযােগের ভিত্তিতে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন;কিন্তু কার্যক্রম হতে যদি প্রতীয়মান হয় যে,ক-এর অনুরূপ জ্ঞান থাকা সম্ভব ছিল না,তা হলে আদালতে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।
----------------------
⇒ CrPC- Section-232:-Effect of material error:
(1) If any Appellate Court, or the High Court Division in the exercise of its powers of revision or of its powers under Chapter XXVII, is of opinion that any person convicted of an offence was misled in his defence by the absence of a charge or by an error in the charge, it shall direct a new trial to be had upon a charge framed in whatever manner it thinks fit. 
(2) If the Court is of opinion that the facts of the case are such that no valid charge could be preferred against the accused in respect of the facts proved, it shall quash the conviction. 
Illustration:
A is convicted of an offence, under section 196 of the Penal Code, upon a charge which omits to state that he knew the evidence, which he corruptly used or attempted to use as true or genuine, was false or fabricated. If the Court thinks it probable that A had such knowledge, and that he was misled in his defence by the omission from the charge of the statement that he had it, it shall direct a new trial upon an amended charge; but, if it appears probable from the proceedings that A had no such knowledge, it shall quash the conviction.
৩,১২৫.
দেওয়ানী মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের করতে হবে রায়ের তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে?
  1. ২০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৩ অনুযায়ী দেওয়ানী মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
৩,১২৬.
একটি অপরাধ সংঘটিত করার জন্য 'A' কে সন্দেহ করা হচ্ছে। যার জন্য পুলিশ তাকে যেকোন সময় গ্রেফতার করতে পারবে। 'A' আদালতে জামিন আবেদন করে এবং জামিন মঞ্জুর করা হয়। 'A' কে কোন ধরনের জামিন মঞ্জুর করা হয়?
  1. আগাম জামিন
  2. জামিনযোগ্য অপরাধের জন্য জামিন
  3. মুচলেকা রেখে জামিন
  4. জামিন অযোগ্য অপরাধের জন্য জামিন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতাঃ (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান অনুসারে আগাম জামিন বা Anticipatory Bail এর দরখাস্ত বিবেচনা করা যায়। এই ধারায় in any case শব্দমালাকে ব্যাখ্যা করে আগাম জামিন দেওয়া হয়।

♦ জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।

♦ যেহেতু 'A' কে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং পুলিশ তাকে যেকোন সময় গ্রেফতারের আশংকা আছে। 'A' আদালতে জামিন আবেদন করে এবং জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। তাই বলা যায় A' কে আগাম জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।
৩,১২৭.
দেওয়ানী আদালতের রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরাখাস্ত করতে হবে-
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৭৩ অনুচ্ছেদটি দেওয়ানী আদালতের অর্থাৎ সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ বা জেলা জজের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন উল্লেখ করেছে।
৩,১২৮.
দণ্ডবিধির ধারা ২৭৩ অনুযায়ী, ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়ের সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ২,০০০ টাকা
  4. ৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

→ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় করে যা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর, তার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড ১,০০০ টাকা হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 273. Sale of noxious food or drink:- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৩,১২৯.
ঘোষণামূলক মামলা কোন ক্ষেত্রে দায়ের করা যায়?
  1. কেবল চুক্তি বাতিলের জন্য
  2. কেবল ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য
  3. শুধুমাত্র সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত
  4. সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার অস্বীকার হলে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

৩,১৩০.
গণ-উপদ্রব এর বিধান ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা সমূহে বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. ১৩২ থেকে ১৪৩
  2. ১৩২ থেকে ১৪২
  3. ১৩২ ক থেকে ১৪৩
  4. ১৩২ ক থেকে ১৪২
ব্যাখ্যা
• গণ-উপদ্রব এর বিধান ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১৩২ক থেকে ১৪৩ পর্যন্ত ধারাসমূহে বর্ণনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই ধারার বিধানসমূহ মহানগর এলাকার জন্য প্রযোজ্য নয়।
৩,১৩১.
কোন জব্দকৃত সম্পত্তির দাবীদার __________ এর মধ্যে তা দাবী না করলে সেটি সরকারের হেফাজতে চলে যাবে।
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. মামলা নিষ্পত্তি হওয়া পুর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898, এর ৫২৪ ধারার বিধান ছয় মাসের ভিতরে দাবীদার হাজির না হলে তখনকার পদ্ধতিঃ (১) উক্ত সময়ের মধ্যে যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তিতে তার দাবী প্রতিষ্ঠা না করে এবং যে ব্যক্তির দখলে তা পাওয়া গিয়েছিল সে যদি তা আইনসংগতভাবে সংগ্রহ করেছে মর্মে দেখাতে না পারে, সেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি সরকারের হেফাজতে চলে যাবে এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক এতদদ্দশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশক্রমে তা বিক্রয় হতে পারে
(২) এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশের ক্ষেত্রে সে আদালতে আপীল করা যাবে যে আদালতে উক্ত আদেশ দানকারী আদালতের দণ্ডাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
৩,১৩২.
কোন সাক্ষীর পুনঃজবানবন্দি[re-examination] গ্রহণ করা যেতে পারে-
  1. জবানবন্দিতে যে সকল বিষয় বাদ পড়েছে সেগুলো ব্যাখ্যা করতে
  2. জেরায় যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো ব্যাখ্যা করতে
  3. জবানবন্দিতে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো পুনরায় ব্যাখ্যা করতে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦১৩৮ ধারায় বলা হয়েছে, জেরায় সাক্ষী যে সকল বিষয় উল্লেখ করেছে, পুনঃজবানবন্দিতে সেই সকল বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইতে হবে। পুনঃজবানবন্দির সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে যদি কোন নতুন বিষয়ের সূচনা করা হয়, তবে সেই সকল বিষয়ে বিরুদ্ধ পক্ষ অধিকতর জেরা করতে পারে।
৩,১৩৩.
বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালনা বা অশ্ব চালনার ফলে কারো মৃত্যু ঘটিলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৬ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪খ ধারার বিধান বেপরোয়াভাবে যান চালনা বা অশ্বরোহণের কর্তৃক মৃত্যু ঘটানো:- কোন ব্যক্তি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলকভাবে জনপথে যান চালিয়ে বা অশ্বারোহণের কর্তৃক নিন্দনীয় নরহত্যা নয় এমন মৃত্যু ঘটাইলে, সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থ দণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------
⇒ Causing death by rash driving or riding on a public way:
Section 304B.
Whoever causes the death of any person by rash or negligent driving of any vehicle or riding on any public way not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৩,১৩৪.
Pleadings (প্লিডিংস) সংশোধন সম্পর্কে কোথায় বলা হয়েছে?
  1. আদেশ ৬ বিধি ১৭
  2. আদেশ ৬ বিধি ২০
  3. আদেশ ৫ বিধি ১২
  4. আদেশ ৫ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৬ বিধি ১৭ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস বা আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে-

   (i) যদি সংশোধনটি পক্ষগণের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হয়।

   (ii) যদি সংশোধনটি অপর পক্ষের জন্য অবিচার না হয়।
৩,১৩৫.
ধারা ২৯(৩) অনুযায়ী তামাদি আইন কোন ধরনের মামলায় প্রযোজ্য নয়?
  1. চুক্তি আইনের ২৫ ধারার মামলা
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে মামলা
  3. বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলা
  4. ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতাধীন মামলা
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন

বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

৩,১৩৬.
"A Judge should be sans per et sanse reproche" উক্তিটি কার?
  1. Lord Denning
  2. Charles Dickens
  3. Lord Diplock
  4. Lord Edmund Davies
ব্যাখ্যা
Sans peur et sans reproche
- একটি French Phrase.
- যার বাংলা অর্থ হচ্ছে- Without fear and without reproach বা সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করা।

বিশিষ্ট আইনজ্ঞ Lord Denning এর মতে-
A judge should be sans peur et sans reproche. অর্থাৎ- একজন বিচারককে সকল তিরস্কার/নিন্দা/ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।
৩,১৩৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪ তে কোন ধরনের সম্পত্তি ক্রোকের বিধান রয়েছে?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. উভয় ধরনের
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪: স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক:
(১) যখন সম্পত্তি অস্থাবর হয়, তখন ক্রোক করার আদেশটি এমন একটি আদেশ দ্বারা করা হবে যা ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করার যে কোন উপায় থেকে নিষিদ্ধ করবে এবং সকল ব্যক্তিকে সেই স্থানান্তর বা চার্জ থেকে কোন সুবিধা গ্রহণ করতে নিষেধ করবে।

(২) আদেশটি ঐ সম্পত্তিতে বা সম্পত্তির সংলগ্ন কোন স্থানে ঢোল পেটানো বা অন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে ঘোষণা করতে হবে, এবং আদেশটির একটি অনুলিপি সম্পত্তির সুস্পষ্ট অংশে এবং আদালত ভবনের সুস্পষ্ট অংশে টানিয়ে দিতে হবে, এবং যদি সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি হয়, তবে সেই জমি যে জেলার কালেক্টরের কার্যালয়ে অবস্থিত সেখানে ও আদেশটির একটি অনুলিপি টানিয়ে দিতে হবে।
৩,১৩৮.
তামাদি আইনের ধারা ১৮ অনুসারে, জালিয়াতির মাধ্যমে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয়ার কারণে তামাদি সময়সীমা গণনা কখন শুরু হয়?
  1. আদালতের রায়ের সময় থেকে
  2. মামলা দায়েরের সময় থেকে
  3. জালিয়াতি আবিষ্কারের সময় থেকে
  4. জালিয়াতি সংঘটনের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৮ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি জালিয়াতির (Fraud) মাধ্যমে তার অধিকার বা শিরোনাম প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয় বা প্রয়োজনীয় দলিল গোপন করে, তাহলে সময়সীমা গণনা শুরু হবে যেদিন জালিয়াতিটি প্রথম আবিষ্কৃত হয় (বা গোপনকৃত দলিলটি উদ্ধার বা প্রাপ্তির উপায় হয়) সেই দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

৩,১৩৯.
Which of the following is the punishment under Section 303 for a life convict committing murder?
  1. Fine
  2. Death penalty
  3. Imprisonment for life
  4. Suspension of sentence
ব্যাখ্যা
Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.

ধারা ৩০৩- যাবজ্জীবন কারাবাসে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৩,১৪০.
কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য মাদকদ্রব্য আইনে নির্দিষ্ট কোনো শাস্তির ব্যবস্থা না থাকলে, তাহলে সেই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৩,১৪১.
সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় কয়টি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় ৩টি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-(i) অভিপ্রায় (Motive) (ii) প্রস্তুতি (Preparation) (iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct).

⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।

⇒ এই প্রশ্নের ঘটনাটি ৮ ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ের পরবর্তী আচরণ ও বিচার্য ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত।

----------------
Motive, preparation and previous or subsequent conduct:
Section 8. Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
 
The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.
৩,১৪২.
He was appointed as a justice in the Supreme Court. Here, "justice" is a/an -
  1. Proper noun
  2. Common noun 
  3. Abstract noun
  4. Collective noun
ব্যাখ্যা

The correct answer is - খ) Common noun.

- এখানে "justice" শব্দটি একজন বিচারক বা আদালতের বিচারকের পদবীকে বোঝাচ্ছে।
- এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নয়, বরং সাধারণ একটি পদ বা শ্রেণি নির্দেশ করছে।
- তাই এটি Common noun।

• Common noun:
- যে সব noun দ্বারা নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম না বুঝিয়ে একজাতীয় সবাইকেই বোঝায় তাদেরকে Common noun বলে।
- অর্থাৎ, Common noun হলো একটি সাধারণ শ্রেণি বা জাতের নাম, যা সাধারণভাবে কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা ধারণাকে নির্দেশ করে।
- কিছু common noun হলো:
- Flower, Poet, Planet, Dress, Village, City, Sheep, Children, Infant, River, Book, Boy, Girl, etc.

অন্যদিকে,
- Justice শব্দটি দ্বারা যখন ন্যায়পরায়ণতা বিচারব্যবস্থা ইত্যাদি বোঝায় তখন Abstract noun হয়।
- যেমন: Justice must be served in every case.

Source: A Passage To The English Language. S. M. Zakir Hussain.

৩,১৪৩.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর কোন ধারার অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করা যায়?
  1. ধারা ১৪৫গ
  2. ধারা ১৪৫ঙ
  3. ধারা ১৪৫ছ 
  4. ধারা ১৪৫ঝ 
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ১৪৫ছ (Section 145G) অনুযায়ী সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ধারা ১৪৫ক এবং ১৪৫খ-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারে।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৫ছ ধারার বিধান: ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্তির ক্ষমতা, ইত্যাদি: সরকার, যেকোনো সময় সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ধারা ১৪৫ক এর অধীন প্রতিষ্ঠিত যেকোনো ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল এবং ১৪৫খ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত যেকোনো ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করিতে পারিবে, এবং উক্তরূপ বিলুপ্তির সময়, সরকার একই বিজ্ঞপ্তিতে কোনো আদালতকে নির্দিষ্ট করিয়া দিবে যেখানে বিলুপ্তির সময় উক্ত ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলা, আপিল এবং অন্যান্য কার্যক্রম স্থানান্তর ও নিষ্পত্তি হইতে পারিবে।
-------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-Section 145G. Power to abolish Tribunals, etc.
- The Government may, by notification in the official Gazette, at any time, abolish any Land Survey Tribunal established under section 145A and any Land Survey Appellate Tribunal established under section 145B, and while so abolishing, the Government shall, in the same notification, specify the courts where the suits, appeals and other proceedings pending in such Tribunals at the time of such abolition shall be transferred to and be disposed of.

৩,১৪৪.
'ক' দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার অধীনে একজনকে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় ও উক্ত ব্যক্তি সেই ধারানুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি পায়। পরবর্তীতে 'ক' এর মিথ্যা সাক্ষ্য প্রমাণিত হয়। এক্ষেত্রে 'ক' সর্বোচ্চ শাস্তি কী পেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান- খুনসহকারে ডাকাতি:
যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা:
(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii)  মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ এক্ষেত্রে 'ক' এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।

৩,১৪৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে খতিয়ানে নাম থাকা আবশ্যক?
  1. ধারা ৫৩
  2. ধারা ৫৩গ
  3. ধারা ৫৩ক
  4. ধারা ৫৩খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩গ অনুযায়ী,
⇒ কোন ব্যক্তি কোন স্থাবর সম্পত্তি খতিয়ান না থাকলে বিক্রয় করতে পারবে না, বিক্রয় করলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে খতিয়ানে থাকা নাম থাকা আবশ্যক।
⇒ তবে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে তার নাম অথবা তার পূর্বসূরির নাম থাকলে বিক্রি করা যাবে।
⇒ SAT Act, 1950 এর অধীনে প্রস্তুতকৃত খতিয়ানে নাম না থাকলে পারবে না।

Section 53C: Immoveable Property without Khatian not to be sold
No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.
৩,১৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩০ ধারার অধীনে জারিকৃত সমনের অবমাননা করলে আদালত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে না?
  1. গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা
  2. সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রি করা
  3. পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা
  4. মামলা স্বতঃসিদ্ধভাবে খারিজ করে দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ধারা ৩০-এর অধীনে জারিকৃত সমনের অবমাননা করলে আদালত নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে পারবে:
(ক) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা। (ধারা ৩২(ক) অনুসারে)
(খ) সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রি করা। (ধারা ৩২(খ) অনুসারে)
(গ) পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা। (ধারা ৩২(গ) অনুসারে)
জামানত দিতে বাধ্য করা এবং জামানত না দিতে পারলে কারাদণ্ড দেওয়া। (ধারা ৩২(ঘ) অনুসারে)
তবে মামলা স্বতঃসিদ্ধভাবে খারিজ করে দেওয়া ধারা ৩২-এর কোনো উপধারায় উল্লেখ নেই। সমন অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আদালত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারলেও, শুধুমাত্র সমন অমান্যের কারণে সম্পূর্ণ মামলা খারিজ করে দেওয়ার কোনো বিধান এই ধারায় নেই।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ৩২ ধারার বিষয়বস্তু হলো ৩০ ধারা অনুযায়ী সমন দেওয়া হলে হাজির না হলে দণ্ড।
যদি সমন দেওয়ার পরও হাজির না হলে ৪ ধরনের দণ্ড দেওয়া যায়।
- গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
- সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়
- অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা
- হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Section 32. Penalty for default.
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
(a) issue a warrant for his arrest;
(b) attach and sell his property;
(c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
(d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.

৩,১৪৭.
A 'Property Mark' is mainly used for identifying-
  1. Government property only
  2. Immovable property
  3. Movable property
  4. Both Movable and Immovable property
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860, Section-479- Property mark:
A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.

⇒ দণ্ডবিধির ধারা-৪৭৯: প্রোপার্টি মার্ক:
যে চিহ্নটি অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রোপার্টি মার্ক বলা হয়।

৩,১৪৮.
Bengal Tenancy Act, 1885-এর অধীনে কোন খতিয়ান প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. এস. এ খতিয়ান
  2. বি. এস খতিয়ান
  3. সি. এস খতিয়ান
  4. আর. এস খতিয়ান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার খতিয়ান:
১. সি.এস (CS) খতিয়ান:
- সি.এস খতিয়ান Bengal Tenancy Act, 1885 এর অধীনে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
- এটি Cadastral Survey (ক্যাডাস্ট্রাল জরিপ) নামে পরিচিত।
- এই জরিপ শুরু হয়েছিল ১৮৮৮ সালে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলা থেকে এবং শেষ হয়েছিল ১৯৪০ সালে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ও প্রাথমিক খতিয়ান হিসেবে বিবেচিত।

২. আর.এস (RS) খতিয়ান:
- সি.এস জরিপের প্রায় ৫০ বছর পর একটি নতুন জরিপ চালু হয়, যেটিকে বলা হয় Revisional Survey (পুনঃজরিপ)।
- এই জরিপের মাধ্যমে যেসব খতিয়ান তৈরি হয়, সেগুলোকে বলা হয় আর.এস খতিয়ান।
- এই জরিপের উদ্দেশ্য ছিল: জমির পরিমাণ হালনাগাদ করা, মালিকের নাম সংশোধন, দখলদারের নাম অন্তর্ভুক্ত করা।
- এটি সি.এস খতিয়ানের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য বলে গণ্য করা হয়।

৩. এস.এ (SA) খতিয়ান:
- এই খতিয়ান State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর অধীনে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
- এটি বাস্তব/মাঠ জরিপের ভিত্তিতে তৈরি নয়, বরং জমিদার বা মালিকের দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল।
- SA খতিয়ান বলতে বোঝায় State Acquisition খতিয়ান, অথবা Settlement Attestation খতিয়ান।
- এটি অনেক সময় PS খতিয়ান বা Pakistan Survey খতিয়ান নামেও পরিচিত।
- এই খতিয়ান খুব একটা নির্ভরযোগ্য নয়।

৪. বি.এস (BS) খতিয়ান:
- বি.এস খতিয়ান হলো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও আধুনিক খতিয়ান।
- এটি ১৯৭০ সালে শুরু হওয়া একটি জরিপ (Bangladesh Survey) এর ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয় এবং এখনো পর্যন্ত চলছে।
- এই জরিপের মাধ্যমে তৈরি খতিয়ানকে বলা হয়: বি.এস বা Bangladesh Survey খতিয়ান
- এটি জমির মালিকানা নির্ধারণে সবচেয়ে বেশি স্বীকৃত এবং নির্ভরযোগ্য দলিল।
৩,১৪৯.
স্থাবর সম্পত্তি থেকে কার দ্বারা বেদখল হলে আদেশ ২১ বিধি-১০০ এর অধীন আবেদন করা যায়?
  1. শুধুমাত্র দায়িক
  2. শুধুমাত্র ক্রেতা
  3. ডিক্রিদার বা নিলাম বিক্রির ক্রেতা
  4. দায়িক ব্যতীত কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-১০০: ডিক্রিদার বা ক্রেতা কর্তৃক বেদখল-
১) যেক্ষেত্রে দায়িক ব্যতীত কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রাপ্ত ডিক্রির মালিক কর্তৃক কিংবা যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি ডিক্রি জারিতে নিলামে বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে উহার খরিদ্দার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ বেদখলের অভিযোগ করে আদালতে একটি আবেদন করতে পারে।

২) আদালত বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দিন ধার্য করবে এবং যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে, সে পক্ষকে হাজির হওয়ার এবং উত্তর দেয়ার জন্য সমন প্রদান করবে।

Rule-100: Dispossession by decree-holder or purchaser.-
1) Where person other than the judgment-debtor is disposed of immovable property by the holder of a decree for the possession of such property or, where such property has been sold in execution of a decree, by the purchaser thereof, he may make an application to the Court complaining of such dispossession.

2) The Court shall fix a day for investigating the matter and shall summon the party against whom the application is made to appear and answer the same.
৩,১৫০.
সুপ্রীম কোর্ট কার অনুমোদন সাপেক্ষে বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৭- সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

(৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।
৩,১৫১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৮ অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার কীভাবে করতে হয়?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের নিয়মে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে
  4. রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮-এ স্থাবর সম্পত্তির স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করার বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি তার স্থাবর সম্পত্তি (জমি, বাড়ি ইত্যাদি) থেকে বেদখল হয়, তাহলে সে দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আদালতে মামলা করে তার স্বত্ব ও দখল উভয়ই পুনরুদ্ধার করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, শুধু মালিকই নয়, যে কেউ যার স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ব ও দখলের অধিকার রয়েছে, সে আদালতে মামলা করতে পারে। অর্থাৎ, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে তার সম্পত্তিতে স্বত্ব রয়েছে—তা চুক্তি, উত্তরাধিকার বা দখল সূত্রে হোক—তাহলে সে এই ধারায় মামলা করতে পারবে।
এই ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা করা যায়। তবে, দখল উদ্ধারের নিয়ম-কানুন The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ২১-এ উল্লেখ করা আছে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.

৩,১৫২.
স্ত্রী কখন তালাক-ই-তাওফিজ প্রয়োগ করতে পারে?
  1. যখন স্বামী অত্যাচারী হবে
  2. যখন স্বামী স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া পুনরায় বিয়ে করে
  3. যখন স্বামী কাবিননামায় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অধিকার দেয়
  4. ক+খ
ব্যাখ্যা
• 'Talak e Tafwid' বা 'তালাক-ই-তাওফিজ':
সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা কোন স্ত্রী-এর নেই। কোন স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারে, যদি স্বামী তাকে এমন ক্ষমতা অর্পন করে। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন স্বামীকে তালাক দেয়, তখন সেটাকে Talak e Tafwid 'তালাক-ই-তাওফিজ' বলে। আমাদের দেশে নিকাহনামায় বা বিবাহের চুক্তিপত্রের ১৮ নং অনুচ্ছেদে এই সংক্রান্ত বিধান আছে। অর্থাৎ নিকহানামার ১৮ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী- স্ত্রী, স্বামীর নিকট হতে তালাক প্রদানের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে স্বামীকে তালাক দিতে পারে যা Talak e Tafwid নামে পরিচিত।

উদাহরণ:
বিবাহের কাবিননামায় শর্ত দেওয়া হলো যে- কাবিননামায় উল্লেখিত তাৎক্ষণিক দেনমোহর [Prompt Dower] স্বামী দিতে ব্যর্থ হলে, স্ত্রী বিবাহ বাতিল করতে পারবে। কিন্তু স্ত্রী উক্ত দেনমোহর চাইলেও স্বামী তা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে। এইক্ষেত্রে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে।
৩,১৫৩.
চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় কোন ধারার অধীনে?
  1. ৯ ধারা
  2. ২৫ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. ২১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
 
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী ১২ ধারার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য: 
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
 
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
SR Act: Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
 
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৩,১৫৪.
ক একটি বিনিময় বিলে এই উদ্দেশ্যে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করে যে, এটি একই নামের অন্য কোনো ব্যক্তি ড্র করেছে বলে বিশ্বাস করা হয়। ক এর অপরাধ -
  1. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।
♦কোন ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে। নিজের নামে স্বাক্ষর করলেই জালিয়াতি হবে বিষয়টা এমন নয়। বরং নিজের নাম স্বাক্ষর জালিয়াতি হতে পারে যদি স্বাক্ষরটা দ্বারা কোন মিথ্যা দলিল। তৈরী করা হয় কোন অধিকার দাবী করতে, কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি করতে বা প্রতারণা করতে ইত্যাদি। যেহেতু A একটি বিনিময় বিলে এই উদ্দেশ্যে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করে যে, এটি একই নামের অন্য কোনো ব্যক্তি ড্র (Draw) করেছে বলে বিশ্বাস করা হয়, সেহেতু জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে। [দণ্ডবিধি, ধারা ৪৬৪ এর ব্যাখ্যা ১ এর মাঝে তা উল্লেখ আছে।]
৩,১৫৫.
সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা সংঘটিত হলে এর সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. ১২ বছর কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
- ধারা-৩৯২ অনুযায়ী দস্যুতার শাস্তি হলো  অনধিক ১০ বছর 'সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড ।
- তবে দস্যুতার অপরাধ সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় সংঘটিত হলে দস্যুতার শাস্তি ১৪ বছর পর্যন্ত 'সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে।
৩,১৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারার অধীনে স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করার সময় কোন বিষয়টি বিশেষভাবে অনুসরণ করতে হবে?
  1. গোপনীয়তা রক্ষা করা
  2. দ্রুততার সাথে তল্লাশি করা
  3. শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখা
  4. পরিবারের সদস্যের সামনে তল্লাশি করা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী-
কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।
 
Section 52: Mode of searching women-
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৩,১৫৭.
খালস এবং মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হয় কত দিনের মধ্যে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৫৪ অনুচ্ছেদ মতে- খালস এবং মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হয় ৬০ দিনের মধ্যে।
৩,১৫৮.
এক ব্যক্তি তার প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য সেই প্রতিবেশীকে হত্যা করে। 'জমি দখল করার' এই অভিপ্রায় সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৭ ধারায়
  3. ৮ ধারায়
  4. ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।
৩,১৫৯.
'ক' একজন সাধারণ নাগরিক, কিন্তু সে নিজেকে একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেয় এবং একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ভয় দেখায়। এই ক্ষেত্রে, 'ক' কোন ধারার অপরাধ করেছে?
  1. ১৬০ ধারা
  2. ১৬৩ ধারা
  3. ১৭০ ধারা
  4. ১৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 170- Personating a public servant:
Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৩,১৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধি ORDER-XIV এর Rule-1(6) অনুসারে, যদি বিবাদী বাদীর সমস্ত দাবি স্বীকার করে নেয়, তাহলে:
  1. নতুন সাক্ষী তলব করতে হবে
  2. মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হয়ে যাবে
  3. আদালতকে অবশ্যই বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে হবে
  4. আদালতের জন্য বিচার্য বিষয় প্রণয়নের প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ORDER-XIV এর Rule-1(6) অনুযায়ী, যদি বিবাদী বাদীর সমস্ত দাবি স্বীকার করে নেয়, তবে আদালতকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে হবে না।
- কারণ, যখন বিবাদী সমস্ত দাবি স্বীকার করে নেয়, তখন মামলাটি সহজতর হয় এবং আদালত কোন বিরোধী বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত নেবে না, কারণ কোনো বিরোধ আর অবশিষ্ট থাকে না। এটি আদালতের সময় এবং শক্তি সাশ্রয় করে, তাই বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করার প্রয়োজন পড়ে না।

⇒ ORDER-XIV, Rule-1(6) Nothing in this rule requires the Court to frame and record issues where the defendant at the first hearing of the suit makes no defence.
৩,১৬১.
'ক', 'চ'-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে 'ক' খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। এক্ষেত্রে 'ক' দণ্ডবিধির কত ধারা বলে দণ্ডিত হবে?
  1. ৩০৪ ধারা
  2. ৩০৫ ধারা
  3. ৩০৬ ধারা
  4. ৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩০৭ ধারা:
“কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উল্লেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।''

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ :
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

উদাহরণসমূহ :
'ক', 'চ'-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে ক খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 'ক' এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে।

⇒ 'ক' একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

⇒ 'ক', 'চ' কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত 'ক' অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। 'ক', 'চ'-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে 'চ'-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ 'ক', 'চ'-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি 'ক'-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। 'ক' বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি 'চ' এর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা 'চ'-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য 'চ'-এর চাকরকে প্রদান করে । 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
৩,১৬২.
The Evidence Act, 1872 কে প্রণয়ন করে?
  1. Lord Steven
  2. Lord Macaulay
  3. James Stephen
  4. G.W. Anderson
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ জেমস স্টিফেন কর্তৃক প্রণীত হয়।
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর প্রাথমিক তথ্য:
আইন নং: ১৮৭২ সালের ১নং আইন।
প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ১৮৭২।
কার্যকর : ১ লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২।
ধারা : ১৬৭ টি।
 
খণ্ড : ৩টি
১ম খণ্ড : ১ - ৫৫ ধারা - ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা,
২য় খণ্ড : ৫৬ - ১০০ ধারা - ঘটনার প্রমাণ,
৩য় খণ্ড : ১০১ - ১৬৭ ধারা - সাক্ষ্য উপস্থাপন ও ইহার ফলাফল।
৩,১৬৩.
শুফার অধিকার সম্পর্কিত প্রথম দাবীকে কী বলা হয়?
  1. তলব-ই-ইশাদ
  2. তলব-ই-তমলিক
  3. তলব-ই-মৌসিবত
  4. তলব-ই-তকরির
ব্যাখ্যা

শুফা:
কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি শরীক বা প্রতিবেশী হওয়ার কারনে উক্ত সম্পত্তি সর্বাগ্রে ক্রয়ের অধিকারী হয় কিন্তু তাকে বাদ দিয়ে দূরবর্তী কারো নিকট বিক্রয় করলে উক্ত শরীক বা প্রতিবেশী অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করে উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করতে পারেন। মুসলিম আইনে উক্তরূপ ক্রয় অধিকারকে শুফার অধিকার বলে।

নিম্নরূপ ৩ শ্রেনীর ব্যক্তি শুফার অধিকার দাবি করিতে পারে-
১। শাফী ই শরিক বা বিক্রিত ভূমির একজন সহ-শরীক।
২। শাফী ই খালিত বা বিক্রিত ভূমির মাধ্যমে পথ ব্যবহার বা পানি নিষ্কাশনের অধিকারী ব্যক্তি।
৩। শাফী ই জার বা বিক্রিত ভূমির সংলগ্ন ভূমির মালিক।

উপরোক্ত ৩ শ্রেনীর মধ্যে প্রথম শ্রেনী সর্ব প্রথম শুফার অধিকার দাবি করিতে পারিবেন এবং প্রথম শ্রেনী দাবী না করিলে দ্বিতীয় শ্রেনী শুফার অধিকার দাবি করতে পারিবেন। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেনীর মধ্যে কেউ দাবি না করলে তৃতীয় শ্রেনী শুফার অধিকার দাবি করিতে পারবেন। তবে একি শ্রেনী ভুক্ত একাধিক ব্যক্তি দাবি করিলে প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করিতে পারবেন।

• অগ্রক্রয়ের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালন করা। যদি এই সকল আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে এবং উপযুক্ত সময়ে পালন করা না হয়, তবে কোন ব্যক্তিই অগ্রক্রয়ের অধিকারী নয়। এই সকল আনুষ্ঠানিকতাগুলো হচ্ছে-

(ক) প্রথম দাবী (তলব-ই-মৌসিবত):
শব্দগত অর্থে তলব-ই-মৌসিবত হলো লাফ দিয়ে দাবী করা। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি তা নয়। অগ্রক্রয়কারী ব্যক্তিকে বিক্রয় সম্পূর্ণ হওয়ার সংবাদ পাবার সাথে সাথে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের ব্যাপারে নিজের অভিপ্রায় ঘোষণা করতে হবে। এটা মৌখিকভাবে ও করা যেতে পারে আবার লিখিতভাবে ও করা যেতে পারে। প্রথম দাবীর জন্য কোন সাক্ষীর উপস্হিতি অপরিহার্য নয়। সাক্ষীর অনুপস্হিতির কারণে তলব-ই-মৌসিবত অবৈধ হবে না। তবে তলব-ই-মৌসিবত যে যথাযথভাবে এবং যথাসময়ে করা হয়েছিল এই বিষয়ে কিছু প্রমাণ থাকতে হবে।

(খ) দ্বিতীয় দাবী (তলব-ই-ইশাদ):
তলব-ই-ইশাদ অর্থ হলো সাক্ষীর সম্মুখে দাবী করা। তলব-ই-মৌসিবত উত্থাপনের পর এটা দ্বিতীয় পদক্ষেপ এবং এটা প্রথম দাবীরই পুনরাবৃত্তি। তবে দ্বিতীয় দাবী কমপক্ষে দুইজন সাক্ষীর সামনে হতে হবে। এজন্য একে ‘তলব-ই-তকরির’ ও বলা হয়। এটি বিক্রেতা বা ক্রেতাকে সম্বোধন করে প্রকাশ করতে হবে। তবে তাদের কাউকে পাওয়া না গেলে দ্বিতীয় দাবীটি বিক্রিত সম্পত্তিটিকে সম্বোধন করে করতে হবে।

(গ) তৃতীয় দাবী (তলব-ই-তমলিক):
তলব-ই-তমলিক প্রথম দুটি দাবীর পরে তৃতীয় দাবী। প্রথম দুটি দাবীর পর যদি ক্রেতা মেনে নেয় এবং তার নিকট সম্পত্তিটি বিক্রয় করে দেয় তাহলে অগ্রক্রয়ের দাবী বাস্তবায়িত হয়। সেক্ষেত্রে আর কোনো অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই এবং ক্রেতার স্হলে অগ্রক্রয়কারী প্রতিস্হাপিত হয়। কিন্তু যদি প্রথম দুটি দাবীর পর অগ্রক্রয়কারী বিক্রীত সম্পত্তিটি পুনরায় ক্রয় করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার শরনাপন্ন হতে হবে অর্থাৎ আদালতে কোন মামলা দায়ের করতে হবে।

৩,১৬৪.
'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৬ ধারা
  4. ৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
 
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
 
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ: 
(ক) 'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' মামলা দায়ের করতে পারে।

৩,১৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীন নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে কে অনুসন্ধান বা তদন্ত করতে পারেন?
  1. ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
  2. ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীন নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন,অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লেখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন। 
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
৩,১৬৬.
A, B এর ক্ষতি করার জন্য B এর মালের গোডাউনে আগুন লাগিয়ে মাল পুড়িয়ে দিল। A দণ্ডবিধির অধীন কোন অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে?
  1. আক্রমণ
  2. অনিষ্টসাধন
  3. দস্যুতা
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
অনিষ্টসাধন [Mischief]:
অনিষ্টসাধন বা ক্ষতিসাধন সম্পত্তি সম্পর্কিত একটি অপরাধ। সাধারণ অর্থে অনিষ্ট সাধন বা ক্ষতিসাধন অর্থ হলো অবৈধ ক্ষতি করার জন্য কোন ব্যক্তির সম্পত্তি বিনষ্ট করা। কোন ব্যক্তি অনিষ্ট সাধন করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে অন্য কোন ব্যক্তির বা জনসাধারণের অবৈধ ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে বা ক্ষতি হতে পারে জেনে নিম্নলিখিত কোন কাজ করে-
১. কোন সম্পত্তি নষ্ট করে,
২. কোন সম্পত্তি এমনভাবে পরিবর্তন করে যে উক্ত সম্পত্তির উপযোগিতা নষ্ট হয় বা তার মূল্য হ্রাস পায়, বা
৩. উক্ত সম্পত্তি ক্ষতিকারকভাবে আক্রান্ত হয়।

উদাহরণ: A, B এর ক্ষতি করার জন্য B এর মালের গোডাউনে আগুন লাগিয়ে মাল পুড়িয়ে দিল। A অনিষ্টসাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

অনিষ্ঠসাধনের শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারা অনুযায়ী- অনিষ্টের শাস্তি যে কোন বর্ণনার কারাবাস যা ৩ মাস পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডসহ বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৪২৭ ধারা অনুযায়ী- ৫০ টাকা বা ততোধিক টাকার ক্ষতি করে অনিষ্ঠ সাধনের শাস্তি যেকোনো বর্ণনার কারাবাস যা ২ বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৩,১৬৭.
Which of the following statements is true regarding Order 32 Rule-1?
  1. The next friend must be a legal guardian
  2. The next friend is appointed by the court
  3. The suit must be in the name of the minor
  4. The minor must appoint the next friend personally
ব্যাখ্যা
• Order 32 Rule-1: Minor to sue by next friend:
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.

আদেশ ৩২, বিধি ১: আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়:
নাবালককে বাদী করে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।
৩,১৬৮.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় 'ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যকার স্বকার্যজনিত বাধা'- নীতি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১১৪ ধারায়
  2. ১১৫ ধারায়
  3. ১১৬ ধারায়
  4. ১১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২ টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন, বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।
------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-116. Estoppel of tenant; and of licensee of person in possession:
No tenant of immovable property, or person claiming through such tenant, shall, during the continuance of the tenancy, be permitted to deny that the landlord of such tenant had, at the beginning of the tenancy, a title to such immovable property; and no person who came upon any immovable property by the license of the person in possession thereof shall be permitted to deny that such person had a title to such possession at the time when such license was given.
৩,১৬৯.
হিন্দু আইনে দত্তক নেয়ার বিধান সাধারণত কোন কারণে প্রচলিত?
  1. ধর্মীয় কারণ
  2. পার্থিব কারণ
  3. আইনগত কারণ
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• অন্যের পুত্রকে হিন্দু আইনের বিধান অনুযায়ী নিজ পুত্ররূণে গ্রহণ করাকে দত্তক গ্রহণ বলা যাইতে পারে। সুপ্রাচীন রোমান আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান প্রচলিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে হিন্দু আইন ব্যতীত অন্য কোন আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান চালু নাই।

দত্তক গ্রহণের উদ্দেশ্য:
প্রধান দুইটি কারণে হিন্দু আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান প্রচলিত। একটি ধর্মীয় কারণ আর অপরটি বলা যেতে পারে পার্থিব কারণ। মুনিবর বশিষ্ট সাবধান বাণী উচ্চারণ করিয়া গিয়াছেন "পুত্রহীনদের স্বর্গে কোন স্থান নাই।" একজন মৃত ব্যক্তি তার নিম্নতন তিন পুরুষ অর্থাৎ পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র হইতে সরাসরি পিণ্ড পাওয়ার অধিকারী। যার পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র নাই মৃত্যুর পর তার আত্মা এইভাবে পিণ্ড পাওয়ার আশা করতে পারে না। এসব বিবেচনাকে ধর্মীয় কারণ হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে।

পক্ষান্তরে প্রত্যেক মানুষই নিজ বংশের ধারাবাহিকতা চালু রাখতে চায়। প্রায় সকল মানুষই চায় যে মৃত্যুর পরও তার পুত্র পৌত্রাদির মাধ্যমে তার নাম এই পৃথিবীতে আরও কিছুদিন থাকুক। এইসব বিবেচনাকে পার্থিব কারণ হিসাবে গণ্য করা যেতে পারে।
৩,১৭০.
What will be the maximum punishment for a person who gives false evidence with the intent of getting an accused sentenced to death, even if the accused is later acquitted?
  1. Only a fine
  2. Rigorous imprisonment for up to 7 years
  3. Rigorous imprisonment for up to 10 years
  4. Life imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
____________________________
The Penal Code, 1860- Section-194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
-Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
-and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
৩,১৭১.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী রায় ও ডিক্রির সত্যায়িত নকল কে পেতে পারেন?
  1. শুধু বাদী
  2. শুধু বিবাদী
  3. শুধু আদালত
  4. যে কোন পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার ২০, বিধি ২০ অনুযায়ী: যে কোন পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতের কাছে আবেদন করে রায় ও ডিক্রির সত্যায়িত নকল পেতে পারেন।
 এই নকল পাওয়ার জন্য অবশ্যই:
- পক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করতে হবে
- নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে
 "সত্যায়িত নকল" বলতে আদালত কর্তৃক প্রমাণিত ও স্বীকৃত একটি অনুলিপি বোঝায়, যা মূল দলিলের সমতুল্য বিবেচিত হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার XX, রুল ২০ অনুযায়ী, আদালতে পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে রায় ও ডিক্রির সত্যায়িত নকল সরবরাহ করা হবে।
অর্থাৎ, মামলার যে কোনো পক্ষ—বাদী বা বিবাদী—আদালতে আবেদন করে রায় ও ডিক্রির সত্যায়িত কপি পেতে পারেন।
- এই বিধান পক্ষগণের ন্যায়বিচারের অধিকার সংরক্ষণ করে এবং তাদেরকে আপিল বা অন্যান্য আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেয়।
৩,১৭২.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী অনুমান (Presumption) কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৫ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৭ প্রকার
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারা মতে- অনুমান (Presumption) ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume);
২) অনুমান করবে (Shall presume);
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof)।

অনুমান করতে পারে (May presume):
যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

অনুমান করবে (Shall presume):
যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৩,১৭৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় পণ্য প্রতীক (Trade mark) এর সংজ্ঞা আছে?
  1. ১৪৫
  2. ৩৮৯
  3. ৪৭৮
  4. ৪৭৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৭৮ ধারার বিধান: পণ্য-প্রতীক (Trade mark): কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য-প্রতীক বলে।
- অর্থাৎ কোন পণ্যদ্রব্যের মালিকানা নির্দেশক চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য- প্রতীক বা Trade mark বলে।
------------------------ 
⇒ The Penal Code, 1860, Section-478. Trade mark: A mark used for denoting that goods are the manufacture or merchandise of a particular person is called a trade mark, and for the purposes of this Code the expression "trade mark" includes any trade mark which is registered in the register of trade marks kept under the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, and any trade mark which, either with or without registration, is protected by law in any British possession or Foreign State to which the provisions of the one hundred and third section of the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, are, under Order-in-Council, for the time being applicable.

⇒ The Penal Code, 1860, Section-479: Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.
৩,১৭৪.
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the ________of the minor.
  1. guardian
  2. attorney
  3. next friend
  4. legal representative
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-১: নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক নাবালকের মোকদ্দমা দায়ের:
নাবালক কর্তৃক প্রত্যেক মোকদ্দমা তার নামে সে ব্যক্তি কর্তৃক দায়ের করতে হবে যাকে অনুরূপ মোকদ্দমায় নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ড বলে ডাকা হবে।

Rule-1: Minor to sue by next friend:
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.
৩,১৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০৬–এর উদ্দেশ্য কী?
  1. আপিলের মেয়াদ নির্ধারণ
  2. আদালতের এখতিয়ার বাড়ানো
  3. ডিক্রি বাতিল বা রদবদল করা
  4. কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে তা নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা

ধারা-১০৬: কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে:
যখন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেয়া হয়, তখন যে মোকদ্দমায় অনুরূপ আদেশ প্রদত্ত হয়েছে, অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায় এরূপ আদালতে এর শুনানি হবে, কিংবা যখন হাইকোর্ট বিভাগ নয় আপিল এতিয়ার প্রয়োগকারী এরূপ আদালত কর্তৃক অনুরূপ আদেশ প্রদান করা হয়, তখন হাইকোর্ট বিভাগে এর শুনানি হবে।

Sec.-106: What Courts to hear appeals:
Where an appeal from any order is allowed it shall lie to the Court to which an appeal would lie from the decree in the suit in which such other order was made, or where such order is made by a Court (not being the High Court Division) in the exercise of appellate jurisdiction, then to the High Court Division.

৩,১৭৬.
আদালত প্রদত্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাদেশ অমান্যের ক্ষেত্রে অমান্যকারী পক্ষকে দেওয়ানি কয়েদে আটক রাখা যায় অনুর্ধ্ব-
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৩৯ বিধি ২ মতে চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

♦যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

♦এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।
৩,১৭৭.
নিচে বর্ণিত কোন ক্ষেত্রে রিভিউ করা যায় না?
  1.  আপিলযোগ্য নয় এমন ডিক্রির বিরুদ্ধে
  2. আপিলযোগ্য কিন্তু আপিল করা হয়নি এমন ডিক্রির বিরুদ্ধে
  3. স্মল কজেজ আদালত এর রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে রিভিউ করা যায়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান ধারা ১১৪ এবং আদেশ ৪৭-এ উল্লেখিত আছে।
- ধারা ১১৪: রিভিউ করার অধিকার সম্পর্কে সাধারণ বিধান দেয়।
- অর্ডার ৪৭: রিভিউ পিটিশনের প্রক্রিয়া, শর্তাবলী এবং প্রয়োগের বিস্তারিত নিয়ম উল্লেখ করে।

⇒ ধারা ১১৪: এই ধারায় উল্লেখ আছে, আদালত নিজেই তার ডিক্রি বা আদেশ পুনঃপর্যালোচনা করতে পারে, যদি—
i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

৩,১৭৮.
যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. বাদীদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে
  2. পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারে
  3. বিবাদীদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
⇒ মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
⇒ মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে।

• তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন। সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে-
যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদীদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।

এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো-
একাধিক বাদী থাকলে যাতে মামলার বিচার জটিল না হয় বা বিলম্বিত না হয়, সেই লক্ষ্যে আদালতকে কিছু বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। আদালত যদি মনে করে যে একাধিক বাদী থাকায় মামলার বিচার জটিল হতে পারে বা বিলম্বিত হতে পারে, তাহলে আদালত নিম্নোক্ত পদক্ষেপ নিতে পারবে:
⇒ বাদীদের তাদের পছন্দ করার সুযোগ দেওয়া, অর্থাৎ তাদের বলা হবে কে বাদী থাকবে আর কে থাকবে না।
⇒ আলাদা আলাদা বিচারের নির্দেশ দেওয়া, অর্থাৎ বাদীদের আলাদা আলাদা মামলা করতে বলা।
⇒ প্রয়োজনীয় অন্য যে কোনো আদেশ প্রদান করা যাতে মামলার বিচার সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে।
৩,১৭৯.
সাক্ষ্য আইনের অনুসারে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) বলতে বুঝায় -
  1. যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে
  2. যে প্রশ্নের উত্তর বলা থাকে না
  3. যে প্রশ্নের পূর্বে উত্তর বলা থাকে
  4. যে প্রশ্নের উত্তর উকিল নিজেই দেন
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒  যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
⇒  অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
⇒  সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading question) বিধান রয়েছে।
⇒  যেমন- প্রশ্ন: আপনার নাম কি সালমান?
উত্তর: হ্যা, আমার নাম সালমান। এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত (সালমান) রয়েছে। এটাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question.

৩,১৮০.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩১(১) (ক) ধারা অনুযায়ী অপরাধের তদন্তের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৬০
  2. ৩০
  3. ১৫
  4. ৪৫
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩১ ধারার বিধান মাদকদ্রব্য অপরাধ তদন্তের সময়সীমা:
 (১) ফৌজদারি কার্যবিধিতে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ তদন্ত-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে অথবা এই আইনের অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের নিকট সোপর্দ হইলে, তাহার ধৃত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে;
(খ) অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় হাতেনাতে ধৃত না হইলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্যপ্রাপ্তি বা, ক্ষেত্রমত, মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার বা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে পরবর্তী ৬০ (ষাট) কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে; এবং
(গ) একই মামলায় গ্রেফতার ও পলাতক ব্যক্তি থাকিলে উক্ত মামলার তদন্ত উপ-ধারা (১) (খ) অনুযায়ী সম্পন্ন হইবে।
৩,১৮১.
"Free consent" is defined under Section _______ of the Contract Act, 1872.
  1. 13
  2. 14
  3. 15
  4. 16
ব্যাখ্যা
⇒ The Contract Act, 1872 Section 14. "Free consent" defined:
Consent is said to be free when it is not caused by-  
(1) coercion, as defined in section 15, or 
(2) undue influence, as defined in section 16,or 
(3) fraud, as defined in section 17, or 
(4) misrepresentation, as defined in section 18, or 
(5) mistake, subject to the provisions of sections 20, 21 and 22. 
Consent is said to be so caused when it would not have been given but for the existence of such coercion, undue influence, fraud, misrepresentation or mistake.
৩,১৮২.
দেওয়ানি আদালত কোন ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. দলিল সংশোধন মোকদ্দমা
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন মোকদ্দমা
  3. ঘোষণামূলক প্রতিকার সংক্রান্ত মোকদ্দমা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না: 
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুতরাং বলা যায় যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারা ছাড়া সকল ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৩,১৮৩.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কোনটি ইলেকট্রনিক রেকর্ড নয়?
  1. ড্রোন ডাটা
  2. সিসিটিভি ফুটেজ
  3. আঙ্গুলের ছাপ
  4. কম্পিউটার মেমোরি
ব্যাখ্যা
⇒ ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড বলতে সেই সমস্ত তথ্য বা ডেটা বোঝায় যা চৌম্বকীয়, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক, কম্পিউটার মেমোরি, সিসিটিভি, ড্রোন ডেটা, মোবাইল ফোন বা অন্য ডিজিটাল ডিভাইসে তৈরি, পাঠানো, সংরক্ষণ বা গ্রহণ করা হয়। এটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত।

- অন্যদিকে, "যে উপাদান বা বস্তু, যেমন রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ বা অঙ্গ, যা অপরাধ সংঘটিত হওয়ার প্রমাণ দেয় বা অপরাধী ও ভুক্তভোগীর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে, সেগুলো শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।"

→ উল্লিখিত প্রশ্নে আঙ্গুলের ছাপ ইলেকট্রনিক রেকর্ড নয় এটি শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
 ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি); সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।

- রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের সমস্ত উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ), আঙ্গুলের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরূপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু, শরীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদান বা বস্তুসমূহ-

- প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এবং কোন ঘটনা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত করতে পারে।
----------------
“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)];
"Evidence" means and includes-
(1) all statements which the Court permits or requires to be made before it by witnesses, in relation to matters of fact under inquiry:
such statements are called oral evidence;
(2) all documents produced for the inspection of the Court
such documents are called documentary evidence.
(3) all materials or objects relating to blood, semen, hair, all body material, organ or part of organ, Deoxyribo Nucleic Acid (DNA), finger impression, palm impression, iris impression and foot print or any other similar material or object which may-
(i) establish that an offence has been committed or establish a link or relation between an offence and its victim or an offence and its offender; and
(ii) prove or disprove a fact:
such materials or objects are called physical or forensic evidence.
৩,১৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা 'বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর' করার বিধান দেয়?
  1. ধারা ৫০
  2. ধারা ৫১
  3. ধারা ৫২
  4. ধারা ৫৩
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫২-এর শিরোনামই হল "Enforcement of decree against legal representative" বা "বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা"।
এই ধারা অনুসারে:
- মৃত ব্যক্তির বৈধ প্রতিনিধির (legal representative) বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করার বিধান রয়েছে।
- ডিক্রিটি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য হলে, সেই সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা যাবে।
- যদি প্রতিনিধি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি যথাযথভাবে ব্যবহারের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে ডিক্রিটি তার ব্যক্তিগত দায় হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান: বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা: (Enforcement of decree against legal representative)
কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য যদি উক্ত মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি দেয়া হয়, তাহলে অনুরূপ কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের দ্বারা উক্ত ডিক্রি জারি করা যেতে পারে।
 যখন ডিক্রি দায়িকের দখলে এরূপ কোন সম্পত্তি না থাকে এবং মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার দখলে এসেছে বলে প্রমাণ থাকে এবং তার যথাযথ ব্যবহার করেছে বলে যদি আদালতকে সন্তষ্ট করতে ব্যর্থ হয়, তখন সম্পত্তির যে পরিমাণের ব্যাপারে সে আদালতকে সন্তষ্ট করাতে ব্যর্থ হয়েছে সেই পরিমাণ সম্পত্তির জন্য ডিক্রি দায়িকের বিরুদ্ধে ডিক্রিটি জারি করা যাবে, যেন ডিক্রিটি ব্যক্তিগতভাবে তারই উপর প্রদত্ত হয়েছিল।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 52. Enforcement of decree against legal representative.
(1) Where a decree is passed against a party as the legal representative of a deceased person, and the decree is for the payment of money out of the property of the deceased, it may be executed by the attachment and sale of any such property. 

(2) Where no such property remains in the possession of the judgment-debtor and he fails to satisfy the Court that he has duly applied such property of the deceased as is proved to have come into his possession, the decree may be executed against the judgment-debtor to the extent of the property in respect of which he has failed so to satisfy the Court in the same manner as if the decree had been against him personally.

৩,১৮৫.
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায় নিম্মলিখিত কোন বিষয়টি সংক্রান্ত এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়নি?
  1. প্রবেট
  2. অ্যাডমিরালটি
  3. দেউলিয়াত্ব
  4. রাজস্ব
ব্যাখ্যা
♦৪১ ধারায় প্রবেট, ম্যাট্রিমোনিয়াল, অ্যাডমিরালটি এবং দেউলিয়াত্ব এখতিয়ার প্রয়োগকারী ক্ষমতাসম্পন্ন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রিকে কতিপয় ক্ষেত্রে চূড়ান্ত প্রমাণ [Conclusive proof] হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৩,১৮৬.
গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত ডিক্রি জারির নিলাম বিক্রয় রদের জন্য, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি _______ এর অধীন আদালতে আবেদন করতে পারে।
  1. ৯২
  2. ৯০
  3. ৯৭
  4. ৯৪
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ৯০- অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:
 
যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি জারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারে-
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Order XXI Rule 90-
 
Where any immovable property has been sold in Execution of a decree, the decree - holder, or any person entitled to share in a rateable distribution of assets, or whose interests are affected by the sale, may apply to the court to set aside the sale on the ground of a material irregularity or fraud in publishing or conducting it.
৩,১৮৭.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৬ অনুযায়ী, ভেঙ্গে যাওয়া অংশীদারী প্রতিষ্ঠানের হিসাব নিকাশের মামলার তামাদি কাল কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৬ অনুযায়ী, ভেঙ্গে যাওয়া অংশীদারী প্রতিষ্ঠানের হিসাব নিকাশ ও লভ্যাংশের জন্য মামলা করার তামাদি কাল ৩ (তিন) বছর।
- এই সময়সীমা গণনা শুরু হয়: প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে যাওয়ার তারিখ থেকে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ৩ বছর।
৩,১৮৮.
মৃত বাদী বা আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার আবেদন কত দিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৭৬ অনুসারে, মৃত বাদী বা আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে (Legal representative) মামলার পক্ষভুক্ত করার জন্য আবেদন করতে হবে মৃত্যুর তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৭৬:
দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure) মৃত বাদী অথবা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার
করার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন আবেদন করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন। এমন সময় গণনার শুরু হয় যেদিন বিবাদী বা আপিলকারী মারা যান, সেদিন থেকে।
---------------
⇒ The Limitation Act 1908, Article 176: Under the same Code to have the legal representative of a deceased plaintiff or of a deceased appellant made a party the period of limitation is 90 days. The period begins from the date of the death of the deceased plaintiff or appellant.

৩,১৮৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিল কতটি বিভাগে বিভক্ত?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908)-এর প্রথম তফসিল (First Schedule) তিনটি মূল বিভাগে বিভক্ত।
- প্রতিটি বিভাগে নির্দিষ্ট ধরনের মামলা, আপীল, অথবা দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ (limitation period) নির্ধারিত রয়েছে।
→ প্রথম বিভাগ (First Division):
বিষয়: মোকদ্দমা (Suit) দায়েরের তামাদি সময়সীমা।
ধারা: অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি সময়সীমা।
ধারা: অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
বিষয়: দরখাস্ত (Application) দাখিলের তামাদি সময়সীমা।
ধারা: অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে মোট তিনটি বিভাগ রয়েছে।
- প্রতিটি বিভাগে পৃথকভাবে Suit, Appeal এবং Application সংক্রান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: খ) তিনটি।
৩,১৯০.
The Constitution Drafting Committee of Bangladesh formed in 1972 had -
  1. 35 members
  2. 33 members
  3. 34 members
  4. 38 members
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:

- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। 
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ছিল 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৪-১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
৩,১৯১.
কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭০ ধারা
  2. ১৭২ ধারা
  3. ১৭৪ ধারা
  4. ১৭৬(২) ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ (২) ধারায় কবর থেকে লাশ তোলার বিধান রয়েছে। কবর থেকে লাশ তোলার এবং তা পরীক্ষা করার ক্ষমতা ম্যাজিস্ট্রেটের। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ (২) ধারামতে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনের জন্য মৃতদেহ কবর থেকে তুলতে পারেন।

♦ ধারা-১৭৬(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতাঃ যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতোপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
৩,১৯২.
"অভিযোগ" (Complaint) এর সংজ্ঞায় কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট
  2. অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক অভিযোগ
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(h) অনুযায়ী “অভিযোগ” (Complaint) বলতে বোঝায়— ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক বা লিখিতভাবে দাখিলকৃত অভিযোগ, যার মাধ্যমে অভিযোগকারী জানায় যে কোনো ব্যক্তি (চেনা বা অচেনা) অপরাধ করেছে এবং উদ্দেশ্য থাকে ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে উদ্বুদ্ধ করা। তবে এই সংজ্ঞার মধ্যে পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ, অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, মৌখিক অভিযোগ কিংবা লিখিত অভিযোগ সবই “অভিযোগ”-এর মধ্যে পড়ে, কিন্তু পুলিশ রিপোর্ট কখনোই “অভিযোগ” হিসেবে গণ্য হয় না।
- তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে – ক) পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(১)(h) অনুযায়ী:
"অভিযোগ (Complaint)" বলতে বোঝায় এমন একটি মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ, যা কোনো ব্যক্তি আদালতের (ম্যাজিস্ট্রেটের) কাছে করে এই উদ্দেশ্যে যে, আদালত যেন সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নেয়।
- তবে এটি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, "অভিযোগ" বলতে পুলিশের রিপোর্ট বোঝানো হয় না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-4 (1)(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer.

৩,১৯৩.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ কোন ধরনের আইনের উপর প্রভাব ফেলে না?
  1. বিশেষ আইন
  2. স্থানীয় আইন
  3. সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ সংক্রান্ত আইন
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫ স্পষ্টভাবে বলছে,  এ আইন দ্বারা সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ (mutiny & desertion) সংক্রান্ত আইন, এবং যে কোনো বিশেষ আইন বা স্থানীয় আইন, কোনোভাবেই বাতিল, পরিবর্তিত বা স্থগিত হবে না।
- অর্থাৎ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫ অনুসারে, এই আইন কোনো বিশেষ আইন, স্থানীয় আইন বা সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ সংক্রান্ত আইনের বিধানকে বাতিল, পরিবর্তন, স্থগিত বা প্রভাবিত করার উদ্দেশ্য রাখে না। তাই সঠিক উত্তর হলো "উল্লিখিত সবগুলো"।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 5. Certain laws not to be affected by this Act:
- Nothing in this Act is intended to repeal, vary, suspend, or affect any of the provisions of any Act for punishing mutiny and desertion of officers, soldiers, sailors or airmen in the service of the Republic, or of any special or local law.

৩,১৯৪.
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি কর্তৃক সম্পত্তির কোন উন্নয়নের ফলে যে লাভ হয়, তা কি মধ্যবর্তী মুনাফার মধ্যে গণ্য হবে?
  1. হ্যাঁ
  2. না
  3. ব্যক্তি চাইলে লাভ হিসেবে গণ্য হবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা(Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম:
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে,উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from, together with interest on such profits,
but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.
৩,১৯৫.
বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের রেকর্ড হলো-
  1. ব্যক্তিগত নথি
  2. সরকারী দলিল
  3. বেসরকারী দলিল
  4. সরকারী এবং বেসরকারী উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
----------------
⇒ Section 74: Public documents:
 The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৩,১৯৬.
The Special Powers Act, 1974 এর অধীন উপদেষ্টা বোর্ড কয় জন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত হবে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ৯: উপদেষ্টা বোর্ড গঠন:
১। সরকার, যখন প্রয়োজন মনে করিবে, তখন এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য একটি উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করিবে।

২। উপদেষ্টা বোর্ড তিনজন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যাহাদের মধ্যে দুইজন হইবেন এমন ব্যক্তি, যাঁহারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, করেছেন অথবা যাঁহারা উক্ত পদে নিয়োগের যোগ্য; এবং অপর একজন হইবেন প্রজাতন্ত্রের সেবায় কর্মরত একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এই ব্যক্তিগণকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ দেওয়া হইবে।

৩। সরকার বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে যিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, করেছেন অথবা যিনি উক্ত পদে নিয়োগের যোগ্য, তাঁহার মধ্যে একজনকে বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করিবে।
৩,১৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার অধীনে পুলিশ অফিসার কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. যেকোন অপরাধে সংশিষ্ট অপরাধী
  2. জামিনঅযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রে জড়িত ব্যক্তি
  3. আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রে জড়িত ব্যক্তি
  4. যে ব্যক্তি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান- আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতার:
কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

Section 151- Arrest to prevent such offences:
A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.
৩,১৯৮.
Which one of the following sections of the Criminal Procedure Code,1898 provides that "no Judge or Magistrate shall try any case in which he is personally interested"?
  1. Section 554
  2. Section 556
  3. Section 558
  4. Section 561A
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৫৬-এ বলা হয়েছে: কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো মামলায় নিজে পক্ষ হন বা ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত থাকে, তবে তিনি সেই মামলার বিচার করতে পারবেন না। অর্থাৎ "no Judge or Magistrate shall try any case in which he is personally interested"
তবে, যদি তার আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ক্ষমতাসম্পন্ন আদালত অনুমতি দেয়, তখন তিনি বিচার করতে পারেন।
একইভাবে, কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজের দেওয়া রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারবেন না।
 
Principle of Natural Justice:
এটি “nemo judex in causa sua” নীতির প্রতিফলন।
অর্থাৎ কেউ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হতে পারে না।

ব্যতিক্রম (Explanation):
ধারা ৫৫৬ অনুযায়ী, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ জড়িত বলা হবে না যদি:
- তিনি কেবলমাত্র পৌর কমিশনার বা সরকারি দায়িত্বে মামলার সাথে যুক্ত থাকেন।
- তিনি অপরাধ সংঘটিত স্থল বা সংশ্লিষ্ট স্থান পরিদর্শন করেছেন এবং তদন্ত করেছেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, sections 556. Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
- No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself. 

Explanation:–
- A Judge or Magistrate shall not be deemed a party, or personally interested, within the meaning of this section, to or in any case by reason only that he is a Municipal Commissioner or otherwise concerned therein in a public capacity, or by reason only that he has viewed the place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place in which any other transaction material to the case is alleged to have occurred, and made an inquiry in connection with the case.
Illustration:
A, as Collector, upon consideration of information furnished to him, directs the prosecution of B or a breach of the excise Laws. A is disqualified from trying this case as a Magistrate.
------------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৫৬: বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত থাকার ক্ষেত্রে বিধান:
কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট, যার আদালত থেকে আপিল করা যায় এমন আদালতের অনুমতি ছাড়া, এমন কোনো মামলার বিচার বা শুনানি পরিচালনা করতে পারবেন না যেখানে তিনি নিজে পক্ষ বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ জড়িত রয়েছেন। এছাড়া কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে প্রদত্ত কোনো রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনবেন না।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে, কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটকে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত কারণে পক্ষ বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ জড়িত বলে গণ্য করা হবে না:
১. তিনি একজন পৌর কমিশনার বা অন্য কোনো সরকারি পদে রয়েছেন এবং সেই সূত্রে মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন।
২. তিনি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার স্থান বা মামলার সাথে সম্পর্কিত অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেছেন এবং মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট তদন্ত করেছেন।

উদাহরণ: A একজন কালেক্টর হিসেবে B-কে এক্সাইজ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত করার নির্দেশ দেন। এই মামলায় A ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বিচার পরিচালনা করতে অযোগ্য হবেন, কারণ তিনি ব্যক্তিগতভাবে মামলার সাথে জড়িত।

৩,১৯৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১৭ অনুযায়ী আদালত সাধারনত মূলতবী কয়টি পর্যায়ে করে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১৭ বিধি ১ অনুযায়ী সাধারনত ২টি পর্যয়ে আদালত মূলতবী হয় ।
(১) চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে। 
(২) চূড়ান্ত শুনানীর পর্যায়ে।
⇒ আদালত চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে প্রত্যেক পক্ষকে খরচ বাদে ৬ বার মূলতবী মঞ্জুর করবে এবং খরচসহ ৩ বার মূলতবী করবে।
⇒তবে চূড়ান্ত শুনানীর পর্যায়ে খরচবাদে কোন সময় মঞ্জুর করবে না, তবে খরচ সহ প্রত্যেক পক্ষগণকে ৩ বার মূলতবীর আবেদন মঞ্জুর করবে।
⇒ তবে যে পক্ষ আবেদন করবে তাকে সর্বনিম্ন খরচ ২০০ টকা এবং সর্বোচ্চ খরচ ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
৩,২০০.
কোন মামলায় যে কোন পক্ষে একের অধিক এ্যাডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, মামলা পরিচালনার অধিকার থাকবে-
  1. এ্যাডভোকেট যিনি সর্বপ্রথম নিযুক্ত
  2. এ্যাডভোকেট যিনি পক্ষ কর্তৃক মনোনীত
  3. নিযুক্তিয় এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
  4. নিযুক্তিয় এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যে কোন একজন
ব্যাখ্যা
♦ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তীতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette]  ১ম অধ্যায় আইনজীবীদের পারস্পরিক আচরণ[Conduct with regard to other Advocates] বিধি ১১ এর বিধান যদি কোন মামলায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে অধিকার বলে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উক্ত মামলা পরিচালনা করবে এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী তাকে সহযোগিতা করবে।

♦ অর্থাৎ কোন মামলায় একপক্ষে একাধিক আইনজীবী নিয়োজিত হলে, সেই ক্ষেত্রে জৈাষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবে।