বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা / ১৫৫ · ২০১৩০০ / ১৫,৪৭০

২০১.
প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] এর বিধান আছে-
  1. Order-6 Rule-5
  2. Order-6 Rule-15
  3. Order-7 Rule 6
  4. Order 6 Rule 13
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে।
 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে:-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে,তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে,অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে,সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন,যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।
---------------------------
CPC Order 6 Rule 15: Verification of pleadings:-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.]
২০২.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ক) অনুসারে, আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. শুধুমাত্র দায়েরকৃত মামলায়
  2. শুধুমাত্র বিচারাধীন মামলায়
  3. শুধুমাত্র দায়েরযোগ্য মামলায়
  4. দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন সকল মামলায়
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান:
“আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান;

২০৩.
দণ্ডবিধি ৭০ ধারার বিধান অনুসারে, কোন ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা ৬ বছরেরও বেশি হতে পারে?
  1. কারাদণ্ড ৩ বছরের বেশি হলে
  2. কারাদণ্ড ২ বছরের কম হলে
  3. কারাদণ্ড ৬ বছরের বেশি হলে
  4. আসামির সম্পত্তি না থাকলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে-
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য:
মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
২০৪.
নিম্নলিখিত কোনটি Res Judicata প্রযোজ্য হওয়ার শর্ত নয়?
  1. উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন
  2. পূর্ববর্তী মামলা আপিলাধীন রয়েছে 
  3. পূর্ববর্তী মামলা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে নিষ্পত্তি হয়েছে
  4. পরবর্তী মামলার পক্ষ ও বিষয় এক
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ. পূর্ববর্তী মামলা আপিলাধীন রয়েছে।

Res Judicata (ধারা ১১, দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮) নীতি প্রযোজ্য হতে হলে- পূর্ববর্তী মামলাটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি (finally decided) হতে হবে। কিন্তু যদি পূর্ববর্তী মামলা এখনও আপিলাধীন (pending in appeal) থাকে, তবে সেটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হয় না, এবং সেই কারণে Res Judicata নীতি প্রযোজ্য হবে না।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়। ১১ ধারার নিয়ম অনুসরণ করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।

শর্তসমূহ:
⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় একই;
⇒ পরবর্তী মোকদ্দমাটি যারা দায়ের করেছে, পূর্ববর্তী চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমাটি সেই একই পক্ষগণের মধ্যে ছিল বা সেই পক্ষগণের মধ্যে ছিল যাদের মাধ্যমে তারা বা তাদের কোন একজন প্রতিকার দাবী করে;
⇒ উক্ত পক্ষগণ পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় একই বিষয়বস্তু নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করেছে;
⇒ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করেছে।

২০৫.
মালিকি মতবাদের মূল উৎস কী?
  1. কিয়াস
  2. কুরআন ও হাদিস
  3. স্থানীয় প্রথা ও রীতিনীতি
  4. কেবল ইজমা
ব্যাখ্যা

মুসলিম আইনের চার প্রধান মতবাদ (Schools of Islamic Law):
মুসলিম আইনকে চারটি প্রধান সুন্নি মতবাদে বিভক্ত করা হয়েছে। এই মতবাদগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইসলামের প্রাথমিক যুগে, এবং প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট ইমামের অনুসৃত পদ্ধতি ও ব্যাখ্যার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে।

হানাফি মতবাদ (Hanafi School)
- প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম আবু হানিফা (৭০২–৭৭২ খ্রিস্টাব্দ)।
- কুরআন ও হাদিসের পাশাপাশি ইজতিহাদ (ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ) এবং রায় ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেয়।
- হানাফি মতবাদ মুসলিম আইনের সবচেয়ে উদার ও সহনশীল।
- স্থানীয় প্রথা ও রীতিনীতি গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।

মালিকি মতবাদ (Maliki School)
- প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম মালিক ইবনে আনাস (৭১১–৭৯৫ খ্রিস্টাব্দ)।
- মদিনার মানুষের প্রথা এবং প্রাথমিক মুসলিম সমাজের রীতিনীতিকে আইনের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- কুরআন ও হাদিস প্রধান উৎস, তবে মদিনার ঐতিহ্য এবং ইজমাও বিবেচ্য।

শাফেয়ি মতবাদ (Shafi'i School)
- ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আশ-শাফেয়ি (৭৬৭–৮২০ খ্রিস্টাব্দ)।
- কুরআন ও হাদিসকে প্রধান উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- ইজমা (মুসলিম সমাজের ঐক্যমত) এবং কিয়াস (যুক্তিগত বিশ্লেষণ) ব্যবহারের উপর জোর দেয়।

হাম্বলি মতবাদ (Hanbali School)
- ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (৭৮০–৮৫৫ খ্রিস্টাব্দ)।
- এটি সবচেয়ে রক্ষণশীল সুন্নি মতবাদ।
- কুরআন ও হাদিস ছাড়া অন্য কোনো উৎসকে খুব কম গ্রহণ করে।

২০৬.
মুদ্রা জালকরণ (Counterfeiting coin) সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ২৩১ ধারা
  2. ২৩৩ ধারা
  3. ২৩২ ধারা
  4. ২৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারার বিধান: মুদ্রা জাল করণ- কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

- ব্যাখ্যা:- কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।

-------------------------------
♦ Counterfeiting coin:

Section 231. Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
- Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
২০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির Res Judicata নীতির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলার নিষ্পত্তি বিলম্বিত করা
  2. আদালতের একই বিষয়ে পুনরায় বিচার নিষিদ্ধ করা
  3. পক্ষগণকে পুনরায় মামলা করার অধিকার দেওয়া
  4. একাধিক আদালতে একই মামলা দায়েরের অনুমতি দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Res Judicata নীতির মূল উদ্দেশ্য আদালতের একই বিষয়ে পুনরায় বিচার নিষিদ্ধ করা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।
→ Res Judicata নীতি আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক, এটি মানা আদালতের দায়িত্ব।

Res Judicata (দোবারা দোষ) কার্যকর হওয়ার শর্তসমূহ:
→ দুইটি মামলা থাকতে হবে:
একটি মামলা আগে নিষ্পত্তি হয়ে থাকতে হবে।
অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত হতে হবে।
→ উভয় মামলার বিষয়বস্তু একই হতে হবে:
আগের মামলায় যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, নতুন মামলাতেও সেই একই বিষয় থাকতে হবে।
→ পক্ষগণ একই হতে হবে:
পরবর্তী মামলা যারা করেছে, তারা আগের মামলার পক্ষ হতে হবে।
অথবা তারা তাদের পক্ষের হয়ে মামলা করেছে।
→একই বিষয়ে পূর্বেও মামলা করা হয়েছে:
পূর্ববর্তী মামলার পক্ষগণ একই বিষয় নিয়ে মামলা করেছিল।
→ আগের মামলাটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত নিষ্পত্তি করেছে:
যে আদালত আগের মামলা নিষ্পত্তি করেছে, তার বিচার করার ক্ষমতা (এখতিয়ার) থাকতে হবে।

২০৮.
ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে-
  1. যে আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় কার্য সম্পাদন হয়েছে
  2. যে আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বাদী বাস করে
  3. যে আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বিবাদী বাস করে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। তবে ধারা ১৯ এ ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের ক্ষেত্রে  ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে তা বলা হয়েছে-

ধারা ১৯-
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

উদাহরণঃ
ক) 'এ'-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে 'বি'-কে ঢাকায় মারধর করে। 'বি' ঢাকায় বা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।
খ) চট্টগ্রামে বসবাসকারী 'এ' ঢাকায় 'বি' সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। 'বি' ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।
২০৯.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় বিচারিক কার্যধারায় নিযুক্ত কোনো সরকারি কর্মচারিকে ইচ্ছাকৃত অবজ্ঞা বা বাধাগ্রস্থ করার শাস্তির বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ২২৭ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২২৫ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২২৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২২৮ ধারার বিধান হল বিচার বিষয়ক কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়ার শাস্তি: কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------
♦ Intentional insult or interruption to public servant sitting in judicial proceeding:
- Section 228. Whoever intentionally offers any insult, or causes any interruption to any public servant, while such public servant is sitting in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
২১০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর কোন ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি/মধ্যস্থতা (Mediation) এর বিধান রয়েছে?
  1. ৮৮ ধারা
  2. ৭৭ ধারা
  3. ৭৯ (ক) ধারা
  4. ৮৯ (ক) ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৯ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে / আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয় তাহলে আদালত শুনানী মুলতবী রেখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
•মধ্যস্থতার ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হইলে আদালত পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করিবেন।
• মধ্যস্থতার সময় হবে ৬০ দিন তবে সর্বাধিক ৯০ দিনের বেশি নয়।
২১১.
দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারায় _________________ গুরুতর আঘাত প্রদান করার অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে।
  1. প্ররোচনা দেয়ার ফলে
  2. এসিড বা দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে
  3. মারাত্মক অস্ত্র ব্যবহার করে
  4. বেপরোয়াভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারা: জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করা:
যে ব্যক্তি বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে কোন ব্যক্তিকে এমন গুরুতর আঘাত করে যাতে মনুষ্যজীবন ও অন্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 338A- Causing grievous hurt by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes grievous hurt to any person by driving any vehicle, or riding on any public way so rashly or negligently as to endanger human life, or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২১২.
Which of the following provision is not correct?
  1. Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced. 
  2. such alteration or addition shall be read and explained to the accused & complainant
  3. such alteration or addition shall be read and explained to the accused
  4. none of them
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে। ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ২২৭-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।

Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced. 
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
২১৩.
পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি-
  1. নিলামে বিক্রি হবে
  2. সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে
  3. কেউ দাবী করলে তাকে দেয়া হবে
  4. রিসিভার নিয়োগ করবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৭) ধারা মতে ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রি- পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে এবং আদালত উপযুক্ত মনে করলে যে কোন সময় ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦ তবে হুলিয়া জারির ৬ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত এবং কোন আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দেয়া হয় না। কিন্তু ক্রোকের সম্পত্তি প্রাণী সম্পদ অথবা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত তা অবিলম্বে বিক্রির আদেশ দিবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারা মতে পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না; তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
২১৪.
'A' কর্তৃক 'B' তার বাড়ি থেকে জোরপূর্বক বেদখল হয়। 'B' কত দিনের মধ্যে 'A' এর বিরুদ্ধে স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ 'B' ১২ বছরের মধ্যে স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।

-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮ অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে। 

এক্ষেত্রে,
⇒ বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে;
⇒ বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে;
⇒ সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে। (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮: অনুচ্ছেদ ১৪২-
যখন বাদী স্থাবর সম্পত্তির দখলে, তখন বাদী বেদখল হলে অথবা বাদী তার দখল ত্যাগ করলে, সেই সম্পত্তির দখল লাভের জন্য দখলের তারিখ হতে ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়।
২১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় কোন অবস্থায় আদালত চুক্তি রদের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. চুক্তি রেজিস্ট্রিকৃত না হলে
  2. চুক্তি সম্পাদনে জন্য বাধ্য করতে
  3. উভয় পক্ষ অসম্মত হলে
  4. সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের আদেশ দেওয়া সম্ভব না হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
২১৬.
A ও B আলাদাভাবে ও বিভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে C কে খুন করার জন্য একমত হয়। A ও B, C কে খুন করার লক্ষ্যে চুক্তি মোতাবেক বিষ প্রয়োগ করলে C এর মৃত্যু হয়। A ও B এর দায় সম্পর্কে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. A খুনের জন্য এবং B খুনে সহায়তার জন্য দায়ী হবে
  2. A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
  3. A ও B প্রত্যেকে খুনে সহায়তার জন্য দোষী হবে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা (Co-operation by doing one of several acts constituting an offence)-
♦ দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা অনুযায়ী যখন কতিপয় কার্যের মাধ্যমে অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, তখন কেউ কতিপয় কাজের মধ্যে একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা করলে উক্ত সহযোগীতাকারী ব্যক্তি অন্য অপরাধীদের সাথে যৌথভাবে সমান দায়ী হবে। অর্থাৎ একই অভিপ্রায় বিদ্যমান না থাকলেও একজন অপরাধীর কাজ যদি অপর অপরাধীর কাজের সহায়ক বা সমর্থনমূলক হয়, তাহলে উভয়ই দায়ী হবে।

♦ যেমন- ক ও খ পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে ফ-কে খুন করার জন্য একমত হয়। ক ও খ, ফ- কে খুন করার উদ্দেশ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। ফ-এর প্রতি অনুরূপভাবে প্রযুক্ত কতিপয় মাত্রা বিষ প্রয়োগের ফলে ফ-এর মৃত্যু হয়। এখানে ক ও খ ইচ্ছাপূর্বকভাবে খুন সংঘটনে সহযোগিতা করে এবং তারা প্রত্যেকেই এইরূপ একটি কার্য সম্পাদন করে যা দ্বারা মৃত্যু সংঘটিত হয়। সুতরাং যদিও ক ও খ এর কার্যসমূহ স্বতন্ত্র তবুও উভয়েই ফ-কে খুনের অপরাধে দায়ী।
২১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪(১) অনুসারে পুলিশ warrant ছাড়া মোট কত প্রকার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে? 
  1. ৯ প্রকার
  2. ১০ প্রকার
  3. ১১ প্রকার
  4. ১২ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪(১) অনুযায়ী পুলিশ warrant ছাড়া মোট ১১ প্রকার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪(১)-এ পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করার ১১টি ক্ষেত্র "প্রথমত" (firstly) থেকে "একাদশত" (eleventhly) পর্যন্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ১১টি বিভাগ বা শ্রেণি নিম্নরূপ:
প্রথমত: পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে অধিগ্রহণযোগ্য (cognizable) অপরাধ সংঘটনকারী।
দ্বিতীয়ত: যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ/সূত্র আছে যে সে ৭ বছর বা তার কম মেয়াদের সাজাযোগ্য অপরাধ করেছে (কিছু শর্তসাপেক্ষে)।
তৃতীয়ত: যার বিরুদ্ধে বিশ্বস্ত সূত্রে প্রমাণিত যে সে ৭ বছরের বেশি সাজা বা মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করেছে।
চতুর্থত: বেআইনিভাবে গৃহভঙ্গির সরঞ্জাম বহনকারী।
পঞ্চমত: এই সংহিতা বা সরকারি আদেশে অপরাধী হিসেবে ঘোষিত ব্যক্তি।
ষষ্ঠত: চোরাই মাল বহনকারী বলে সন্দেহভাজন ব্যক্তি।
সপ্তমত: পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধাদানকারী বা আইনানুগ হেফাজত থেকে পলাতক ব্যক্তি।
অষ্টমত: বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলাতক বলে সন্দেহভাজন ব্যক্তি।
নবমত: বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধে জড়িত ব্যক্তি (যা বাংলাদেশে হলে অপরাধ হতো)।
দশমত: ধারা ৫৬৫(৩) এর নিয়ম ভঙ্গকারী মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি।
একাদশত: অন্য পুলিশ অফিসারের Requisition (অনুরোধ) প্রাপ্ত ব্যক্তি।
সুতরাং, ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারের ১১টি আলাদাভাবে শ্রেণিবদ্ধ ক্ষেত্র ধারা ৫৪(১)-এ বর্ণিত আছে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section- 54.  When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without warrant, arrest-
firstly, any person who commits, in the presence of a police-officer, a cognizable offence;
secondly, any person against whom a reasonable complaint has been made, or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may be less than seven years or which may extend to seven years, whether with or without fine, if the following conditions are satisfied, namely:-
    (i) the police-officer has reason to believe, on the basis of such complaint, information, or suspicion that such person has committed the said offence; and
    (ii) the police-officer is satisfied that such arrest is necessary-
        (a) to prevent such person from committing any further offence; or
        (b) for proper investigation of the offence; or
        (c) to prevent such person from causing the evidence of the offence to disappear or tampering with such evidence in any manner; or
        (d) to prevent such person from making any inducement, threat or promise to any person acquainted with the facts of the case so as to dissuade him from disclosing such facts to the Court or to the police-officer; or
        (e) as unless such person is arrested, his presence in the Court whenever required cannot be ensured;
            and the police-officer shall record while making such arrest, his reasons in writing:
            Provided that a police-officer shall, in all cases where the arrest of a person is not required under the provisions of this sub-section, record the reasons in writing for not making the arrest;
thirdly, any person against whom credible information has been received that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may extend to more than seven years whether with or without fine, or with death sentence and the police-officer has reason to believe, on the basis of that information, that such person has committed the said offence;
fourthly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
fifthly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
sixthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
seventhly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
eighthly, any person who is reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
ninthly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
tenthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
eleventhly, any person for whose arrest a requisition, has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.

(2) No police-officer shall arrest a person under this section for the purpose of detaining him under any law providing for preventive detention.

২১৮.
আদেশ ৩২ বিধি-১৪ অনুযায়ী, নাবালক বাদী যদি সাবালক হয়ে যায়, তাহলে কী করতে পারে?
  1. মামলাটি মুলতবি করতে পারে
  2. মামলার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারে
  3. মামলার খারিজ চেয়ে আবেদন করতে পারে
  4. মামলার পুনঃশুনানি চেয়ে আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ১৪ (Order 32, Rule 14 of the Code of Civil Procedure, 1908) অনুযায়ী, যখন নাবালক বাদী সাবালক হয়ে যায়, তখন যদি সে মনে করে যে, তার নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক দায়ের করা মামলা অযৌক্তিক বা অসংগত ছিল, তাহলে সে মামলাটি খারিজ চেয়ে আদালতে আবেদন করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-১৪: অযৌক্তিক বা অনুচিত মোকদ্দমা:
১) কোন নাবালক একমাত্র বাদি হলে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়ে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, তার নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক তার নামে রুজুকৃত মোকদ্দমা অযৌক্তিক বা অসংগত হওয়ার কারণে খারিজ হবে।
২) সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের উপর আবেদনের নোটিশ জারি করতে হবে এবং উক্ত অসংগত কারণ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হয়ে আদালত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে এবং আবেদনপত্র ও মোকদ্দমার ব্যাপারে কোন কিছু সম্পর্কে সকল পক্ষ বরাবর খরচাদি পরিশোধের জন্য নেক্সট ফ্রেন্ডকে আদেশ দিতে পারে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে অন্য কোন উপযুক্ত নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-32 Rule-14:
(1)A minor, upon attaining majority, may, if he is the sole plaintiff, apply for the dismissal of a suit instituted in his name by his next friend on the grounds that it was unreasonable or improper.
(2)Notice of the application shall be served on all the parties concerned. Upon being satisfied of the unreasonableness or impropriety of the suit, the Court may grant the application and order the next friend to pay the costs of all parties regarding the application and anything done in the suit, or make such other order as it deems appropriate.
২১৯.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কোনটি সরকারি দলিল নয়?
  1. আরজি
  2. উইল
  3. জন্ম সনদ
  4. সংসদের আইন
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে সাক্ষ্য আইনের অনুযায়ী উইল সরকারি দলিল নয়। অন্যদিকে আরজি, জন্ম সনদ, সংসদের আইন সরকারি দলিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং ২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document).

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে।
- অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

- সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

- সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের ডিক্রি, আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
২২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীনে দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস 
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের ৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে হয় ছয় মাসের মধ্যে, এবং এই ছয় মাসের সময়সীমা শুরু হয় যেদিন দখলচ্যুতি (dispossession) ঘটে, সেদিন থেকে।

⇒ যে কেউ যদি বেআইনিভাবে কাউকে স্থাবর সম্পত্তি (যেমন: জমি-বাড়ি) থেকে দখলচ্যুত করে, তাহলে দখলচ্যুত ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে আদালতে গিয়ে দখল ফেরত চেয়ে মামলা করতে পারবেন।

২২১.
"Cheating by Personation" এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৪১৫ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪১৭ ধারায়
  4. ৪১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-416. Cheating by personation:
A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.

২২২.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী "Affray" সংঘটিত হওয়ার জন্য কোন শর্তটি অপরিহার্য?
  1. ব্যক্তিগত স্থানে সংঘর্ষ হওয়া
  2. সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া
  3. জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া
  4. নির্দিষ্ট কোনো সম্পত্তির ক্ষতি হওয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া।

- "Affray" বা সড়ক মারামারি সংঘটিত হওয়ার জন্য জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া অপরিহার্য। এটি দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায় উল্লেখিত যে, দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করলে জনশান্তি বিঘ্নিত হয় এবং এটি "Affray" হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-159. Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ The Penal Code, 1860- Section-160. Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
২২৩.
ফৌজৈদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার জবানবন্দী গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক, যদি অভিযোগটি ________ হয়।
  1. মৌখিক
  2. থানায় পাঠানো
  3. অপর আদালত কর্তৃক প্রদত্ত
  4. লিখিত
ব্যাখ্যা
♦ফৌজৈদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা মতে মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই তাৎক্ষণিকভাবে শপথপূর্বক নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য
♦যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০(ক))। আমলযোগ্য অপরাধ বিষয়ে নালিশী দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট ২০০ ধারার অধীন আমলে গ্রহণ না করে নালিশী দরখাস্তটি পুলিশের নিকট পাঠাতে পারে প্রাথমিক তথ্য বিবরণীভুক্ত করার জন্য এবং এই ক্ষেত্রে নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ প্রয়োজনীয় না।
♦লিখিত নালিশের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য না যদি লিখিত নালিশটি ২০০ ধারার (ক), (কক) বা (গ) ধারায় উল্লেখিত শর্তসমূহ পূরণ করে।
♦মৌখিক অভিযোগ হলে:
১. ম্যাজিস্ট্রেট শপথপূর্বক লিখিত আকারে জবানবন্দি গ্রহণ করে লিপিবদ্ধ করবে।
২. ম্যাজিস্ট্রেট জবানবন্দির সারাংশ লিপিবদ্ধ করবে।
৩. অভিযোগকারী, সাক্ষীর [উপস্থিত থাকলে] স্বাক্ষর নেবে। [স্বাক্ষর নেওয়া বাধ্যতামূলক)
8. ম্যাজিস্ট্রেট নিজে স্বাক্ষর করবে। [স্বাক্ষর করা বাধ্যতামূলক]
লিখিত অভিযোগ হলে: অভিযোগকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে [ম্যাজিস্ট্রেট স্বাক্ষর আছে কিনা যাচাই করে নিবে]।
♦অভিযোগ/নালিশী দরখাস্ত গ্রহণকালে মামলাকারীকে পরীক্ষা করা ম্যাজিস্ট্রেটেরজন্য বাধ্যতামূলক।
♦২০০ ধারা অনুসারেই একজন ফরিয়াদি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ করে এবং অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করা বা জবানবন্দি নেওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে সত্য-মিথ্যা, অহেতুক, বিচারযোগ্য কি না তা যাচাই করে দেখা। মিথ্যা অভিযোগ করলে ২৫০ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
২২৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারা “Oath” (শপথ) শব্দটির আইনগত অর্থ সংজ্ঞায়িত করেছে?
  1. ধারা ৪৯
  2. ধারা ৫০
  3. ধারা ৫১
  4. ধারা ৫২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫১ অনুসারে, “শপথ” (Oath) শব্দটির আইনগত অর্থ সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, “শপথ” বলতে শপথের পরিবর্তে আইন দ্বারা গৃহীত গুরুতর ঘোষণা (solemn affirmation), এবং আইন দ্বারা কোনো সরকারি কর্মচারীর সামনে বা প্রমাণের উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত বা প্রয়োজনীয় যেকোনো ঘোষণা বোঝায়, যা বিচারালয়ে বা অন্যত্র ব্যবহৃত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১ ধারার বিধান শপথ/ হলফ:
- আইনের বিধানমতে শপথের পরিবর্তে গ্রহণীয় দৃঢ়, প্রতিজ্ঞান্তিক অনুমোদন, এবং কোন আদালতেই হোক অথবা আদালতের বাইরে অন্যত্রই হোক, যে ঘোষণা কোন সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে অথবা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রদান করার জন্য আইনবলে নির্দেশ করা হয় বা ক্ষমতা দেওয়া হয়, তার ‘শপথ’ কথাটির অন্তর্ভুক্ত।
----------
⇒ The Penal Code,1860. Section-51. “Oath”
The word "oath" includes a solemn affirmation substituted by law for an oath, and any declaration required or authorized by law to be made before a public servant or to be used for the purpose of proof, whether in a Court of Justice or not.

২২৫.
নিম্ম লিখিত কোনভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে?
  1. কাউকে প্ররোচিত করে
  2. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
  3. কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে
২২৬.
নেক্সট ফ্রেন্ড যদি তার কর্তব্য সম্পাদন না করেন, তবে আদেশ ৩২ বিধি-৯ এর অধীন তার অপসারণের আবেদন করতে পারে-
  1. আদালত
  2. বিবাদি
  3. নাবালক
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৯: নেক্সট ফ্রেন্ডের অপসারণ:
(১) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ডের স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী হয় কিংবা যেক্ষেত্রে সে এমন বিবাদির সাথে এমনভাবে জড়িত যে যার স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী যদরুন তার দ্বারা উক্ত নাবালকের স্বার্থ সঠিক সংরক্ষণ অসম্ভব বা যেক্ষেত্রে সে তার কর্তব্য সম্পাদন করে না বা মোকদ্দমার বিচার চলাকালে বাংলাদেশে বসবাস করা হতে বিরত থাকে অথবা অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে নাবালকের তরফ হতে বা বিবাদি কর্তৃক তার অপসারণের জন্য আবেদন করা যাবে এবং আদালত যদি প্রদর্শিত কারণের যথার্থতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, তবে নেক্সট ফ্রেন্ডকে তদানুসারে অপসারণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন এবং খরচাদি সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক এতদুদ্দেশ্যে কোন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত বা ঘোষিত হয়নি এবং অনুরূপ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক নেক্সট ফ্রেন্ডের স্থলে স্বয়ং নিযুক্ত হতে ইচ্ছা পোষণ করে আবেদন লিপিবদ্ধ করে মনে করেন যে, উক্ত অভিভাবককে নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ডরূপে নিযুক্ত করা উচিত নয় এবং আবেদনকারীকে তার স্থলে আদালতের বিবেচনা মত মোকদ্দমায় ব্যয়িত যেরূপ খরচাদি হয়েছে তৎসম্পর্কে শর্তাবলী সাপেক্ষে নেক্সট ফ্রেন্ডরূপে নিযুক্ত করবে।
২২৭.
রাষ্ট্রপতি কত বছর মেয়াদের জন্য অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ করতে পারেন?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৮-এ বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের কোনো বিভাগের বিচারক-সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধির প্রয়োজন মনে করলে, যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে অনধিক দুই বছরের জন্য অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন। এছাড়াও, হাইকোর্ট বিভাগের কোনো বিচারককে আপীল বিভাগে অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করতে পারেন।
অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে অনধিক দুই বছরের জন্য নিয়োগ দিতে পারেন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) দুই বছর।

২২৮.
In the case of a continuing breach, when does the period of limitation begin to run?
  1. From the date of first breach only
  2. From the date of filing the suit
  3. From the date of court’s order
  4. At every moment during which the breach continues
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- d) At every moment during which the breach continues.

• The Limitation Act, 1908- Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

২৩ ধারার বিধান- অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

২২৯.
Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times __________.
  1. to serve the country.
  2. to serve the government.
  3. to serve the people.
  4. to serve the citizens.
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-21: Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
২৩০.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপিল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজের নিকট
  3. ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে
  4. ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারা- আপিল:

১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশে ক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্ত আদেশের তারিখ হইতে ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত এলাকার এখতিয়ারবান জেলা জজের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত আপিলে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে ।

Section 14- Appeal:
Any person who is aggrieved by an order of the Collector under sub-section (2) of section 11 or under sub-section (2) of section 13, may prefer an appeal to the District Judge having jurisdiction over the area within thirty days from the date of such order; and the decision of the District Judge having jurisdiction over the area, on such appeal, shall be final.
২৩১.
শিশু আইন অনুসারে শিশুর বয়স নির্ধারণের প্রাসঙ্গিক তারিখ কোনটা হবে?
  1. আদালতে উপস্থিত হওয়ার তারিখ
  2. অপরাধ সংঘটনের তারিখ
  3. গ্রেপ্তার করার তারিখ
  4. বিচারকার্য শুরু হওয়ার তারিখ
ব্যাখ্যা
ধারা ২০- শিশুর বয়স নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তারিখ:

আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন, আদালতের রায় বা আদেশে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অপরাধ সংঘটনের তারিখই হইবে শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক তারিখ।
২৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১৪৪
  2. ধারা ১৪৫
  3. ধারা ১৪৬
  4. ধারা ১৪৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৬-এ বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতার বিধান দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, যখন ম্যাজিস্ট্রেট দেখতে পান যে কোন বিরোধীয় সম্পত্তির দখল কারো কাছে স্পষ্ট নয় অথবা কেউই তখন সেটির দখলকারী নয়, তখন তিনি সেই সম্পত্তি ক্রোক (অর্থাৎ আটক) করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিস্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাওয়ার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবে
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 146. Power to attach subject of dispute:
(1) If the Magistrate decides that none of the parties was then in such possession, or is unable to satisfy himself as to which of them was then in such possession of the subject of dispute, he may attach it until a competent Court has determined the rights of the parties thereto, or the person entitled to possession thereof: 
Provided that such Magistrate]may withdraw the attachment at any time if he is satisfied that there is no longer any likelihood of a breach of the peace in regard to the subject of dispute.
(2) When the Magistrate attaches the subject of dispute, he may, if he thinks fit and if no receiver of the property, the subject of dispute, has been appointed by any Civil Court appoint a receiver thereof, who, subject to the control of the Magistrate, shall have all the powers of a receiver appointed under the Code of Civil Procedure, 1908: 
Provided that, in the event of a receiver of the property, the subject of dispute, being subsequently appointed by any Civil Court, possession shall be made over to him by the receiver appointed by the Magistrate, who shall thereupon be discharged.
২৩৩.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৫০ ধারার অধীনে রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট পর্যালোচনার আবেদন কত দিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১৫০: রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা পর্যালোচনা (Review by Revenue-officer):
(১) কোনো স্বার্থসম্পন্ন পক্ষের আবেদনক্রমে অথবা নিজ উদ্যোগে, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা নিজে বা তাঁর পূর্বসূরিদের দ্বারা এই অংশের অধীনে গৃহীত কোনো আদেশ পর্যালোচনা করতে পারেন এবং সেই পর্যালোচনার মাধ্যমে উক্ত আদেশ সংশোধন, বাতিল বা অনুমোদন করতে পারেন:

তবে শর্ত থাকে যে—
(ক) কোনো আদেশের পর্যালোচনার আবেদন সেই আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে না করা হলে তা গৃহীত হবে না, তবে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আবেদন করা হলে, আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করার যথার্থ কারণ ছিল।
(খ) কোনো আদেশের বিরুদ্ধে যদি আপিল করা হয়ে থাকে বা কোনো উচ্চতর রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করা হয়ে থাকে, তবে সেই আদেশ পর্যালোচনা করা যাবে না।
(গ) কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে সংশোধন বা বাতিল করার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ প্রদান করতে হবে যেন তারা উপস্থিত হয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে পারে।

(২) পর্যালোচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান বা পূর্বের কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে অনুমোদন করার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

২৩৪.
আদেশ ৯ বিধি-১৩ক এর অধীন একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হলে, আদালত কাকে নোটিশ প্রদান করবে?
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. সাক্ষীদের
  4. ক ও খ উভয় পক্ষকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল:
(১) বিধি-১৩ বা অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানোর এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে বিবাদীকে বিধি-১৩ অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি ডিক্রি রদ করতে পারবে, তবে আদালত বিবাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে:
শর্ত থাকে যে, আদালত এই বিধির অধীনে ডিক্রি রদ করবে না, যদি না বিবাদী, যিনি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করেছেন, ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ডিক্রি রদের জন্য একটি আবেদনপত্র, অফিডেভিট সহ, আদালতে জমা দেন।
আরও শর্ত থাকে যে, একই বিবাদীর পক্ষ থেকে এই বিধির অধীনে একাধিকবার ডিক্রি রদ করা যাবে না।

(২) উপ-বিধি (১) অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হওয়ার সাথে সাথে আদালত বাদীকে এ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করবে, এবং এর খরচ বিবাদী বহন করবে।
২৩৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯ম ভাগে কোন বিষয় সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  2. সংবিধান সশোধন
  3. বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
  4. জরুরী বিধানাবলী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে-

প্রথম ভাগ- প্রজাতন্ত্র,
দ্বিতীয় ভাগ- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
তৃতীয় ভাগ- মৌলিক অধিকার,
চতুর্থ ভাগ- নির্বাহী বিভাগ,
পঞ্চম ভাগ- আইনসভা,
ষষ্ঠ ভাগ- বিচার বিভাগ,
সপ্তম ভাগ- নির্বাচন,
অষ্টম ভাগ- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
নবম ভাগ- বাংলাদেশের কর্মবিভাগ, নবম-ক ভাগ- জরুরী বিধানাবলী,
দশম ভাগ- সংবিধান সশোধন, এবং
একাদশ ভাগ- বিবিধ।
২৩৬.
কোন পাবলিক প্রসিকিউটর কোন আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রত্যাহার করতে পারে-
  1. আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মতিতে
  2. সরকারের সম্মতিতে
  3. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মতিতে
  4. আদালতের সম্মতিতে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারামতে পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষনার পূর্বে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।
♦অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি অব্যাহতি পাবে, তবে অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি খালাস পাবে।
♦অর্থাৎ রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।
২৩৭.
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারায় ব্যভিচারের জন্য স্ত্রীলোকটি-
  1. দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসাবে দণ্ডিত হবে না
  2. ব্যভিচারের জন্য দণ্ডিত হবে
  3. প্রধান আসামী হিসাবে দণ্ডিত হবে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচারঃ কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

♦ অর্থাৎ ৪৯৭ ধারায় ব্যভিচারের ক্ষেত্রে স্ত্রীলোটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী [Abettor] হিসাবেও দণ্ডিত হবে না।
২৩৮.
তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে তামাদির মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান নেই নিচের কোন কার্যক্রমের?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. দরখাস্ত
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশনের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই। 
-  তামাদি আইনের ১ম তফসিলে মোকদ্দমা, আপীল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তামাদি আইনের ১ম তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে।
-তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
২৩৯.
চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণ মামলার তামাদির ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. চুক্তি লিখিত এবং অনিবন্ধিত হলে ১ বছর
  2. চুক্তি লিখিত এবং নিবন্ধিত না হলে ৩ বছর
  3. চুক্তি লিখিত এবং নিবন্ধিত হলে ৩ বছর
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত না হলে, চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর এবং

অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হলে, উক্ত চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৬ বছর হবে।

অপরদিকে,
অনুচ্ছেদ ১১৩ এবং ১১৪ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মামলা এবং চুক্তি প্রত্যাহার/রদের মামলা তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
২৪০.
Under Section 391 of The Penal Code,1860, "Dacoity" is committed when five or more persons do which of the following?
  1. Plan to commit robbery
  2. Steal property from a public place
  3. Perform any act of theft individually
  4. Commit or attempt to commit a robbery conjointly
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 391- Dacoity:
When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
২৪১.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা অনুসারে, যদি শুধুমাত্র দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামীকে দণ্ড দেওয়া হয়, তাহলে ঐ দণ্ড-
  1. বেআইনী হবে
  2. বাতিলযোগ্য হবে
  3. আপিলযোগ্য হবে না
  4. বেআইনী হবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

⇒ একজন সহ-অভিযুক্ত ব্যক্তি যখন সাক্ষ্য দেয়, তখন তা সাধারণত বিচারকদের কাছে সন্দেহের চোখে দেখা হয়। সাক্ষীর বক্তব্য এককভাবে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারে না, যতক্ষণ না তা অন্যান্য সাক্ষ্য ও প্রমাণের সঙ্গে মিল রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশেষত, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৭ এবং সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩ অনুসারে, একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি একই মামলায় অপর আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারেন। তবে, তার বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকলে সেটিকে অতিরিক্ত সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হয়।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ধারা ১৫-এর অধীনে এই বিধানটি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখিত। ট্রাইব্যুনালের আইনের আলোকে, এপ্রুভার বা রাজসাক্ষী হতে হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই নিজের অপরাধ স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্পর্কে নিরপেক্ষ ও প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রদান করতে হয়। এর বিনিময়ে তার বিরুদ্ধে চলমান মামলায় শাস্তি লঘু করা বা কিছু ক্ষেত্রে দণ্ড মওকুফের সুযোগ থাকতে পারে।
২৪২.
দেওয়ানি আদালতের ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্তের/আবেদনের তামাদির মেয়াদ কত দিন?
  1. ০১ বছর
  2. ০২ বছর
  3. ০৩ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ডিক্রি জারির জন্য প্রথম দরখাস্ত/আবেদন ৩ বছরের মধ্যে করতে হয়। ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
⇒ তামাদি আইনের ১৮২ অনুচ্ছেদমতে যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি সংশোধন করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে উক্ত সংশোধিত ডিক্রি জারির দরখাস্ত সংশোধনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
⇒ তামাদি আইনের ১৮২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রেজিস্ট্রিকৃত/নিবন্ধিত ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে জারি বা কার্যকর করার জন্য আবেদনের সময়সীমা ৬ বছর।

⇒ সাধারনত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্যান্য ডিক্রির ক্ষেত্রে জারির জন্য আবেদনের সময়সীমা সর্বোচ্চ ১২ বছর। তবে প্রতারণা, প্রবঞ্চনা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হলে ১২ বছরের পরও ডিক্রি জারির আবেদন করা যায়।

⇒ তামাদি আইনের ১৮৩ অনুচ্ছেদমতে হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক সাধারণ আদি দেওয়ানী এখতিয়ার বলে প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ অথবা সুপ্রীম কোর্টের কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য ১২ বছরের মধ্যে দরখাস্ত/আবেদন দাখিল করতে হবে।
⇒ তামাদি আইনের ১৮৩ অনুচ্ছেদে এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারায় কোন বিধান না থাকলে সে সকল ডিক্রি জারির জন্য আবেদনের সময়সীমা ৩ বছর।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908  ধারা- ৪৮ এর বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত (Execution barred in certain cases): নিম্নলিখিত তারিখ থেকে ১২ বছর পর কোন ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে উক্ত ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ, অথবা
খ) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশ দ্বারা কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ বা কোন সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এরূপ পরিশোধ বা প্রদানের তারিখ হতে যে ডিক্রি জারির প্রার্থনা করা হয়েছে।
দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে জারির আবেদনে বাধা দিলে ১২ বছরের পরেও জারির আবেদন করা যায়।
২৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কত ধারায় পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
  1. ৫০৩ ধারায়
  2. ৫০১ ধারায়
  3. ৫০৪ ধারায়
  4. ৫০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৫০৫ ধারায় পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে।

ধারা ৫০৫: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন-

(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।

(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী জেরা ও পুনঃ জবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 505: Parties may examine witnesses-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories. 
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.
২৪৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'প্রত্যেক নাগরিকের বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করার অধিকার থাকবে?'
  1. ৩২ অনুচ্ছেদ
  2. ৩৬ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৮ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান চলাফেরার স্বাধীনতা:
জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ- সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।

Article 36. Freedom of movement:
Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the public interest, every citizen shall have the right to move freely throughout Bangladesh, to reside and settle in any place therein and to leave and re-enter Bangladesh.
২৪৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৭৯ ধারা অনুযায়ী সরকার বাদী/বিবাদী হলে কোন কর্তৃত্বের ব্যবহার হবে?
  1. রাষ্ট্র্র
  2. বাংলাদেশ
  3. সরকার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, সরকার বাদী বা বিবাদী হলে কর্তৃত্ব হিসাবে নাম হবে বাংলাদেশ।

•তবে ফৌজদারী মোকদ্দমায় কর্তৃত্ব হিসাবে নাম হবে রাষ্ট্র।
২৪৬.
তামাদি আইন ১৯০৮-এর Section 20 অনুযায়ী, কোন কার্যক্রম বা বক্তব্য স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে? 
  1. ঋণের সুদ পরিশোধ
  2. মৌখিক প্রতিশ্রুতি
  3. ভবিষ্যতে পরিশোধের আশ্বাস
  4. উল্লিখিত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২০(১) অনুযায়ী:
- ঋণ বা লিগ্যাসির সুদের অর্থপ্রদান যদি তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে করা হয়, তাহলে তা একটি বৈধ স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে।
- এই অর্থপ্রদানের ফলে তামাদি মেয়াদ পুনরায় গণনা শুরু হবে (Payment refreshes the limitation period)।

- ধারা ২০ তে বলা হয়েছে, যদি কোনো ঋণগ্রহীতা তার ঋণের সুদ পরিশোধ করে, তবে এটি ঋণ সম্পর্কিত দায় স্বীকার করার সমতুল্য এবং এর ফলে তামাদি মেয়াদ পুনরায় শুরু হতে পারে। অর্থাৎ, ঋণের সুদ পরিশোধে ঋণগ্রহীতা তার দায় স্বীকার করেছে এবং তামাদি আইনের অধীনে এই পদক্ষেপকে স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

অর্থাৎ, তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২০(১) অনুসারে, ঋণের সুদ পরিশোধ একটি স্পষ্ট ও স্বীকৃত কার্যক্রম যা একটি বৈধ স্বীকৃতি (Acknowledgment) হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made:
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.

২৪৭.
দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী কত বছরের মধ্যে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য?
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৭০ ধারামতে সাধারনত অর্থদন্ড প্রদানের ৬ বছরের মধ্যে অর্থদন্ড আদায় করতে হবে, কিন্তু যদি অপরাধী ৬ বৎসরের বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত হয়, তাহলে উক্ত দন্ডের মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পূর্বে যে কোন সময়ে অর্থদন্ড আদায়যোগ্য হবে। অপরাধীর মৃত্যু হলে তার সম্পত্তি থেকে অর্থদন্ড আদায় করা যাবে।

♦ কারাদন্ডের আদেশ হওয়ার ৬ বছরের মধ্যে জরিমানার টাকা আদায় করা না হলে, উক্ত টাকা আর কখনও আদায় করা যাবে না। উহা তামাদি দোষে বারিত হবে।
২৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬১ মূলত কী বিষয় নিয়ে প্রযোজ্য?
  1. জামিনের শর্ত
  2. আদালতের রায় প্রদান
  3. পুলিশের সাক্ষী জিজ্ঞাসাবাদ
  4. মামলার নথি সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬১ মূলত তদন্তের সময় পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীদের মৌখিক জিজ্ঞাসাবাদ-এর সাথে সম্পর্কিত। এই ধারার মূল বিধানগুলো হলো:
১. তদন্তকারী পুলিশ অফিসার মামলার তথ্য-পরিস্থিতি সম্পর্কে জ্ঞাত বলে ধারণা করা হয় এমন কোনো ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন।
২. সাক্ষীকে মামলা সম্পর্কিত সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা যায়, তবে শুধুমাত্র সেইসব প্রশ্ন বাদে যার উত্তর তাকে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ, জরিমানা বা বাজেয়াপ্তির মুখোমুখি করতে পারে।
৩. পুলিশ অফিসার এই জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রাপ্ত বিবরণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে পারেন এবং যদি রেকর্ড করেন, তবে প্রত্যেক সাক্ষীর জন্য আলাদা রেকর্ড তৈরি করতে হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮, ১৬১ ধারা: পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণ:
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্তকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা অথবা সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্ধারিত পদমর্যাদার নিচে নহেন এমন কোন পুলিশ কর্মকর্তা, যদি তিনি উক্তরূপ তদন্তকারী কর্মকর্তার অনুরোধক্রমে কাজ করেন, তবে তিনি মামলার ঘটনা ও পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত আছেন বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা (জবানবন্দী গ্রহণ) করতে পারেন।
(২) এইরূপ ব্যক্তি উক্ত কর্মকর্তার নিকট মামলার প্রাসঙ্গিক সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য থাকিবেন, তবে যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাহাকে অপরাধমূলক অভিযোগ বা দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির সম্মুখীন করিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে তিনি বাধ্য থাকিবেন না।
(৩) পুলিশ কর্মকর্তা এই ধারার অধীনে পরীক্ষার সময় তাহার নিকট প্রদত্ত যে কোন জবানবন্দী লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করিতে পারেন; এবং যদি তিনি তাহা করেন, তবে তিনি যে প্রত্যেক ব্যক্তির জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করিতেছেন, তাহার জন্য একটি পৃথক রেকর্ড তৈরি করিবেন।
--------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case.
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture.
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.

২৪৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ৯ অনুসারে আদালত কখন অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি দাখিলের আদেশ দিতে পারে?
  1. যে কোনো সময়
  2. মোকদ্দমার শুরুতে
  3. শুধুমাত্র বাদীর অনুরোধে
  4. বিচার্য বিষয় (বা ইস্যু) গঠনের আগে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ৯ অনুসারে, আদালত যে কোনো সময় (at any time) প্রয়োজন মনে করলে যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি (written statement or additional written statement) পেশের আদেশ দিতে পারেন এবং তার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিতে পারেন। আদালতের এই ক্ষমতা মামলার যেকোনো পর্যায়ে প্রযোজ্য, শুধুমাত্র শুরুতে বা বিচার্য বিষয় গঠনের আগে সীমাবদ্ধ নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী- আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment] করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):
বিবাদির লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-8 Rule-9: Subsequent pleadings:
No pleading subsequent to the written statement of a defendant other than by way of defence to a set-off shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit, but the Court may at any time require a written statement or additional written statement from any of the parties and fix a time for presenting the same.

২৫০.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৭ অনুযায়ী, খুনের উদ্দেশ্যে যদি কারো উপর আঘাত করা হয়, তবে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৭ (খুনের উদ্যোগ) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন উদ্দেশ্যে বা জ্ঞানে এমন কাজ করে, যা দ্বারা মৃত্যু ঘটলে সেটি খুন (murder) হতো, তবে
- সাধারণভাবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।
- কিন্তু যদি সেই কাজের দ্বারা কাউকে আঘাত (hurt) করা হয়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে "যাবজ্জীবন কারাদণ্ড"।
- আর যদি সেই ব্যক্তি আগে থেকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে থাকে এবং আঘাত করে, তবে মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে।
সুতরাং এই প্রশ্নে সঠিক উত্তর: গ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 307. Attempt to murder Attempts by life-convicts
 Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
- When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
২৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশে নিচে বর্ণিত কোন তালিকা দেওয়া আছে?
  1. আপিলযোগ্য ডিক্রির তালিকা
  2. আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা
  3. আপিলঅযোগ্য আদেশের তালিকা
  4. আপিলঅযোগ্য ডিক্রির তালিকা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।
২৫২.
যদি কোনো চুক্তি সম্পাদনের পর কাজটি অসম্ভব হয়ে যায়, তবে-
  1. চুক্তি অব্যাহত থাকে
  2. সময় বৃদ্ধি করা হয়
  3. চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়
  4. পক্ষগুলো নতুন চুক্তি করবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬: অসম্ভব কাজ করার চুক্তি-
(১) স্বাভাবিকভাবে অসম্ভব কাজের জন্য চুক্তি — বাতিল
যে চুক্তি এমন একটি কাজ করার উদ্দেশ্যে করা হয় যা নিজেই অসম্ভব, সেই চুক্তি বাতিল (void)।

(২) চুক্তির পরে কাজটি অসম্ভব বা অবৈধ হলে — চুক্তি বাতিল
যদি কোনো কাজ, চুক্তি সম্পাদনের পরে, এমন কোনো ঘটনার কারণে (যা প্রতিশ্রুতিদাতা রোধ করতে পারেননি) অসম্ভব বা অবৈধ হয়ে পড়ে, তবে চুক্তিটি সেই মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায়।

(৩) অসম্ভব বা অবৈধ কাজ জানার পরও চুক্তি করলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে
যদি কোনো ব্যক্তি এমন কিছু করার প্রতিশ্রুতি দেন, যা তিনি জানতেন বা যৌক্তিকভাবে জানার কথা ছিল যে সেটি অসম্ভব বা অবৈধ, এবং প্রতিশ্রুতিপ্রাপক তা না জানেন, তাহলে প্রতিশ্রুতিদাতাকে প্রতিশ্রুতি না রাখার ফলে হওয়া ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A ও B-এর মধ্যে একটি চুক্তি হয় যেখানে A যাদুবলে গুপ্তধন আবিষ্কার করবে। — চুক্তিটি বাতিল।
(খ) A ও B একে অপরকে বিয়ে করার চুক্তি করে, কিন্তু বিয়ের সময় আসার আগে A পাগল হয়ে যায় — চুক্তিটি বাতিল।
(গ) A, B-কে বিয়ে করার চুক্তি করে, যদিও সে ইতিমধ্যে C-র সাথে বিবাহিত এবং বহুবিবাহ তার আইনে নিষিদ্ধ — B-এর ক্ষতির জন্য A ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য।
(ঘ) A, B-এর জন্য বিদেশি বন্দরে মাল তোলার চুক্তি করে। পরবর্তীতে সেই দেশের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করে A-এর সরকার — চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়।
(ঙ) A ৬ মাসের জন্য থিয়েটারে অভিনয়ের চুক্তি করে, কিন্তু কিছুদিন অসুস্থ থাকায় অভিনয় করতে পারে না — সেই দিনগুলোর জন্য চুক্তি বাতিল।
২৫৩.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৪২ ধারায় কোন আইনের প্রযোজ্যতার বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭৩
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  4. উল্লিখিত সকল আইন
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪২: ফৌজদারি কার্যবিধি, Evidence Act ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের প্রয়োগ:
(১) এই অধ্যাদেশে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, উহার অধীন কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, Evidence Act, 1872 এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

(২) ট্রাইব্যুনাল ফৌজদারি কার্যবিধি এর অধীন আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে।
২৫৪.
নিম্নের কোন ফৌজদারি কার্যক্রমে কোনো পক্ষের ব্যক্তিগতভাবে বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে না?
  1. আপিলের ক্ষেত্রে
  2. রিভিশনের ক্ষেত্রে
  3. ২য় আপিলের ক্ষেত্রে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
 
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
 
Section 440: Optional with Court to hear parties-
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).
২৫৫.
নিম্ম আদালত কোনো বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে রেফারেন্স পাঠাতে পারে কত ধারা অনুযায়ী?
  1. ১১৩
  2. ১১৪
  3. ১১৫
  4. ১৫৩
ব্যাখ্যা
♦হাইকোর্ট বিভাগে রেফারেন্স: অধস্তন কোন আদালত মোকদ্দমার বিষয়ে মতামতের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করে অভিমত চাইলে তাকে রেফারেন্স (Reference) বলে।
♦আদেশ ৪৬ এবং ধারা ১১৩ রেফারেন্স (Reference) সম্পর্কিত বিধান উল্লেখ আছে।

♦ ১১৩ ধারার বিধান হাইকোর্ট বিভাগে অভিমতের জন্য প্রেরণ: নির্ধারিত শর্ত ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে কোন আদালত কারণ উল্লেখপূর্বক কোন মোকদ্দমা হাইকোর্ট বিভাগের মতামত চেয়ে প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মোকদ্দমা সম্পর্কে যথোপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।
২৫৬.
ফৌজদারি মামলায় কোন ক্ষেত্রে আপিল করা যায়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধিতে বিধান থাকলে
  2. বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন ফৌজদারি আইনে বিধান থাকলে
  3. যেকোনো ফৌজদারি মামলায়
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• মামলার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে তাকে আপিল বলে। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারা হতে ৪৩১ ধারা পর্যন্ত আপিলের বিধি-বিধান বর্ণিত হয়েছে।

ধারা ৪০৪: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না

উক্ত কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।

Section 404: Unless otherwise provided, no appeal to lie
No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.
২৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা "প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা" সম্পর্কে বিধান করে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২৪-এর শিরোনামই হলো "প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা" (Personal bars to the relief)। ধারা ২৪ অনুসারে যেসব ব্যক্তির পক্ষে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যাবে না:
- যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না
- যে নিজে চুক্তির কোনো প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করেছে
- যে ইতোমধ্যে অন্য প্রতিকার বেছে নিয়ে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে
- যে চুক্তি সম্পাদনের আগেই বিষয়বস্তুর বিলিবন্দোবস্ত সম্পর্কে জানত
অতএব, সঠিক উত্তর গ) ধারা ২৪।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান: প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 24- Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favor of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.

২৫৮.
"Document" means any matter expressed or described upon any substance by means of letters, figures or marks, or by more than one of those means, intended to be used, or which may be used, for the purpose of recording that matter.- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
ব্যাখ্যা
The Evidence Act,1872 এর ধারা ৩ মতে-
"Document" means any matter expressed or described upon any substance by means of letters, figures or marks, or by more than one of those means, intended to be used, or which may be used, for the purpose of recording that matter.

'দলিল বা Document' বলতে কোন পদার্থের উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের (letters, figures or marks) সাহায্যে প্রকাশিত বা বর্ণিত কোন বিষয়কে বোঝায়।

সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী দলিল বলে গণ্য হয়-
⇒ যে কোনো লিখন;
⇒ মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত শব্দ;
⇒ কোন মানচিত্র বা নকশা, কোন ধাতু খন্ড বা প্রস্তর খন্ডের উপর খোদাইকৃত কোন বিষয় অথবা কোন ব্যঙ্গচিত্র (caricature)।
২৫৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আটককৃতদের গ্রেফতারের কারণ পর্যালোচনার জন্য সরকার ৯ ধারার অধীন কয় সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করবেন?
  1. ৫ সদস্যবিশিষ্ট
  2. ৩ সদস্যবিশিষ্ট
  3. ৭ সদস্যবিশিষ্ট
  4. ৬ সদস্যবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
উপদেষ্টা পর্ষদঃ

বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আটককৃতদের গ্রেফতারের কারণ পর্যালোচনার জন্য সরকার ৯ ধারার অধীন তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করবেন।

সদস্যগণ:
⇒ ২জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন/আছেন/হওয়ার যোগ্য এমন হতে হবে, এবং এই দুজনের মধ্যে একজন চেয়ারম্যান হবেন।
⇒ বাকী ১জন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা থেকে হবে।
 
১০ ধারার অধীন সরকার কাউকে আটকের ১২০দিনের মধ্যে গ্রেফতারের কারণ সম্বলিত একটি রিপোর্ট উপদেষ্টা পর্ষদের নিকট প্রেরণ করবে এবং ১১ ধারার অধীন উপদেষ্টা পর্ষদ আটকের সর্বোচ্চ ১৭০ দিনের মধ্যে সরকারকে প্রতিবেদন পাঠাবে।
 
⇒ আটকটি বাতিল না হলে, প্রতি ৬ মাসে তা একবার করে পর্ষদ কর্তৃক রিভিউ করতে হবে (ধারা ১২)।

⇒ তবে, সরকার চাইলে যেকোন সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবে (ধারা ১৩)।
২৬০.
যদি মূল দলিলটি কোনো ব্যক্তির দখলে থাকে যিনি আদালতের নোটিশ সত্ত্বেও তা উপস্থাপন করেন না, তবে কী করা যেতে পারে?
  1. কোনো সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে না
  2. গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে
  3. মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে
  4. শুধুমাত্র প্রাথমিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৫(ক) অনুসারে:
-"যখন মূল দলিলটি এমন ব্যক্তির দখলে থাকে যিনি:
(i) যার বিরুদ্ধে দলিলটি প্রমাণ করা হচ্ছে, বা
(ii) আদালতের এখতিয়ারের বাইরে, বা
(iii) দলিলটি উপস্থাপনের জন্য আইনগতভাবে বাধ্য,
এবং ধারা ৬৬ অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পরও তিনি দলিলটি উপস্থাপন করেন না, তখন গৌণ সাক্ষ্য দেওয়া যাবে।"

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৫(ক) অনুযায়ী, গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত দেওয়া আছে। এর মধ্যে একটি শর্ত হলো:
"When the original is shown or appears to be in the possession or power of the person against whom the document is sought to be proved, or of any person out of reach of, or not subject to, the process of the Court, or of any person legally bound to produce it, and when, after the notice mentioned in section 66, such person does not produce it."

- অর্থাৎ, যদি মূল দলিলটি এমন কোনো ব্যক্তির দখলে থাকে যার বিরুদ্ধে দলিলটি প্রমাণ করতে হবে, অথবা যিনি আইনত এটি উপস্থাপন করতে বাধ্য, এবং ধারা 66-এ উল্লেখিত নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও তিনি তা উপস্থাপন না করেন, তবে আদালত গৌণ সাক্ষ্য (secondary evidence) গ্রহণ করতে পারে।
২৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০, বিধি-২ কী সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষী তলব
  2. দলিল উপস্থাপন
  3. লিখিত জবাব দাখিল
  4. মৌখিক জিজ্ঞাসাবাদ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি সংহিতা (CPC) ১৯০৮-এর আদেশ ১০, বিধি ২-এ পক্ষ বা তার সঙ্গী ব্যক্তির মৌখিক জিজ্ঞাসাবাদের (Oral examination of party or companion of party) বিধান রয়েছে। এই বিধি অনুসারে, প্রথম শুনানি বা পরবর্তী শুনানিতে আদালত মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর পেতে পক্ষ বা তার সঙ্গীকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে, এবং চাইলে পক্ষের সুপারিশকৃত প্রশ্নও জিজ্ঞাসা করতে পারে (আদালতের বিবেচনাধীন)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০, বিধি ২ অনুযায়ী, আদালত প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোনো শুনানিতে যদি কোনো পক্ষ বা তার সাথে থাকা ব্যক্তি মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হন, তবে আদালত তাকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Order-10 Rule-2: Oral examination or party of companion of party:-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.

২৬২.
ফৌজদারী কার্যবিধি কত তারিখে কার্যকর করা হয়?
  1. ১লা জানুয়ারি ১৮৯৮
  2. ১লা জুলাই ১৮৯৮
  3. ২২ মার্চ ১৯৯৮
  4. ১লা মার্চ ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের আইন। ফৌজদারী কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন। কারণ এই আইনে ফৌজদারী আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, মামলার তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়। পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারী কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়। ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।

- অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধিটি প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) ১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ এবং কার্যকর হয় ১৮৯৮ সালের ১ জুলাই।
২৬৩.
যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদান করবে?
  1. ২০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক- আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal):

⇒ আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না ।
⇒ ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত সর্বনিম্ন ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
⇒ আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে;
প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।

⇒ একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
⇒ কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।

অর্থাৎ,
যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
২৬৪.
A, B এবং C-কে মধ্যরাতে একটি বাসযোগ্য বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতে প্ররোচিত করে এবং এই উদ্দেশ্যে তাদের অস্ত্র সরবরাহ করে। B এবং C বাড়িতে প্রবেশ করে, এবং বাড়ির একজন বাসিন্দা Z বাধা দিলে তাকে হত্যা করে। এখানে-
  1. A কোনো ভাবেই হত্যার জন্য দায়ী হবে না
  2. A শুধু ডাকাতির প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
  3. ক এবং খ
  4. প্ররোচনার স্বাভাবিক ফল হিসেবে হত্যাটি হলে, A হত্যার জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১১- যখন একটি কাজ প্ররোচিত করা হয় এবং একটি ভিন্ন কাজ সংঘটিত হয়, তখন প্ররোচনাকারীর দায়িত্ব:
যখন কোনো একটি কাজ প্ররোচিত করা হয় এবং একটি ভিন্ন কাজ সংঘটিত হয়, তখন প্ররোচনাকারী সেই সংঘটিত কাজের জন্য ঠিক সেইভাবেই দায়ী থাকবে, যেমনটি সে সরাসরি সেই কাজটি প্ররোচিত করলে হতো।

শর্ত: যদি সংঘটিত কাজটি প্ররোচনার একটি সম্ভাব্য ফলাফল হয় এবং তা প্ররোচনার প্রভাবে, বা প্ররোচনার অংশ হিসেবে সম্পাদিত হয়, অথবা কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সংঘটিত হয় যা প্ররোচনার অংশ ছিল।

উদাহরণ:
A, B এবং C-কে মধ্যরাতে একটি বাসযোগ্য বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতে প্ররোচিত করে এবং এই উদ্দেশ্যে তাদের অস্ত্র সরবরাহ করে। B এবং C বাড়িতে প্রবেশ করে, এবং বাড়ির একজন বাসিন্দা Z বাধা দিলে তাকে হত্যা করে। এখানে, যদি ওই হত্যা A-এর প্ররোচনার স্বাভাবিক ফল হিসেবে ঘটে, তবে A হত্যার জন্য নির্ধারিত শাস্তির জন্য দায়ী থাকবে।
২৬৫.
ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না যদি-
  1. সকল পক্ষ সম্মতি দেয়
  2. কোনো পক্ষ মামলা করতে অস্বীকার করে
  3. সম্পত্তির বাজার মূল্য বৃদ্ধি পায়
  4. সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির বিষয়ে অন্য কোনো মামলা বিচারাধীন থাকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কখন রুজু করা যেতে পারে:
যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয়, উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি- দাওয়া না থাকে এবং যদি তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে ঐ সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ঐরূপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সকল পক্ষের অধিকার যা দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে, এমন কোন মোকদ্দমা যদি বিচারাধীন থাকে তাহলে, ঐরূপ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

Sec.-88: Where interpleader suit may be instituted:
Where two or more persons claim adversely to one another the same debt, sum of money or other property, movable or immovable, from another person, who claims no interest therein other than for charges or costs and who is ready to pay or deliver it to the rightful claimant, such other person may institute a suit of interpleader against all the claimants for the purpose of obtaining a decision as to the person to whom the payment or delivery shall be made and of obtaining indemnity for himself:

Provided that where any suit is pending in which the rights of all parties can properly be decided, no such suit of interpleader shall be instituted.
২৬৬.
নিম্নের কোন ধরনের মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক আনীত
  2. ইন্টারপ্লিডার
  3. ফোরক্লোজার
  4. হস্তান্তরযোগ্য দলিল সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।

⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবাদি থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১। ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আর্জি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবি করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজশ বা ষড়যন্ত্র নেই।

⇒আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান- যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে। 

অর্থাৎ  ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দিতে হবে।
--------------------------------
⇒CPC Order-35 Rule-1: Plaint in interpleader suits:
 In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
(a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs; 
(b) the claims made by the defendants severally; and
(c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants. 

⇒ CPC Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
 Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit. 
২৬৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২৭ অনুসারে জারি স্থগিত হলেও কী করা যায়?
  1. ডিক্রি বাতিল করা
  2. মামলা পুনরায় শুরু করা
  3. দায়িকের সম্পত্তি পুনরায় ক্রোক করা
  4. দায়িকের সম্পত্তি ফেরত দেওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২৭ অনুযায়ী, যদি কার্যকরী আদেশ (execution) স্থগিত করা হয় এবং তাতে দায়িকের ব্যক্তি বা সম্পত্তি মুক্ত করে দেওয়া হয় (restitution/discharge), তবুও যদি পরে কার্যকরী আবার শুরু হয়, তাহলে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার বা তার সম্পত্তি পুনরায় ক্রোক করা যাবে।
“No order of restitution or discharge under rule 26 shall prevent the property or person of a judgment-debtor from being retaken in execution of the decree sent for execution.”
অর্থাৎ, স্থগিতাদেশ সাময়িক, কিন্তু ডিক্রির কার্যকরিতা সম্পূর্ণভাবে নাকচ হয় না। পরবর্তীতে প্রয়োজনে পুনরায় কার্যকর করা যেতে পারে।

Stay of Execution

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-26.When Court may stay execution:
(1) The Court to which a decree has been sent for execution shall, upon sufficient cause being shown, stay the execution of such decree for a reasonable time, to enable the judgment-debtor to apply to the Court by which the decree was passed, or to any Court having appellate jurisdiction in respect of the decree or the execution thereof, for an order to stay execution, or for any other order relating to the decree or execution which might have been made by such Court of first instance or appellate Court if execution had been issued thereby, or if application for execution had been made thereto.
(2) Where the property or person of the judgment-debtor has been seized under an execution the Court which issued the execution may order the restitution of such property or the discharge of such person pending the result of the application.
- Power to require security from, or impose conditions upon, judgment-debtor
(3) Before making an order to stay execution or for the restitution of property or the discharge of the judgment-debtor, the Court may require such security from, or impose such conditions upon, the judgment-debtor as it thinks fit.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-27. Liability of judgment-debtor discharged:
 No order of restitution or discharge under rule 26 shall prevent the property or person of a judgment-debtor from being retaken in execution of the decree sent for execution.
২৬৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৪ অনুযায়ী, কে নিষেধাজ্ঞার আদেশ বাতিল বা পরিবর্তনের আবেদন করতে পারে?
  1. যেকোন পক্ষ
  2. আদালত নিজে
  3. শুধুমাত্র বাদী
  4. যেই পক্ষ আদেশে অসন্তুষ্ট
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৪: নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত, পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে:
নিষেধাজ্ঞার কোন আদেশ অনুরূপ আদেশে কোন পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে সে পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত কর্তৃক উক্ত নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত বা পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে।

Rule.-4: Order for injunction may be discharged, varied or set aside:
Any order for an injunction may be discharged, or varied, or set aside by the Court, on application made thereto by any party dissatisfied with such order.
২৬৯.
The Registration Act, 1908 এর ২৪ ধারার বিধান অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে কতিপয় ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত দলিল কত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন এবং পুনঃনিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৪ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিভিন্ন সময়ে কতিপয় ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত দলিল: যেখানে বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে কোন দলিল সম্পাদন করে, সেখানে উক্ত দলিল নিবন্ধন এবং পুনঃনিবন্ধনের জন্য প্রত্যেক সম্পাদনের তারিখ হতে ৪ মাসের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
-------------------------
The Registration Act, 1908 Section 24. Documents executed by several persons at different times:
Where there are several persons executing a document at different times, such document may be presented for registration and re-registration within four months from the date of each execution.
২৭০.
সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় নিচের কোন সংজ্ঞাটি রয়েছে?
  1. Admission
  2. Confession
  3. Res Gestae
  4. Presumption
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারার বিধান: স্বীকৃতির সংজ্ঞা: স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা ঐ দালিলিক বিবৃতি অথবা ডিজিটাল রেকর্ড যা বিচার্য বিষয় - বা প্রাসঙ্গিক ঘটনা প্রসঙ্গে কোনো অনুমানের ইঙ্গিত দেয়, এবং যা এ আইনের পরবর্তীতে বর্ণিত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যে কেউ কর্তৃক প্রদত্ত হয়।
---------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section 17: Admission defined:
- An admission is a statement, oral or documentary or contained in digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.
২৭১.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর বিধি ৯১ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের কোন সদস্যের আসন শূন্য হবে না?
  1. যিনি সচিবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দেন
  2. যিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান
  3. যিনি আইনজীবী তালিকা থেকে স্থায়ীভাবে অপসারিত হন
  4. যিনি চেয়ারম্যানের অনুমতি নিয়ে ৩টি মিটিং মিস করেন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) যিনি চেয়ারম্যানের অনুমতি নিয়ে ৩টি মিটিং মিস করেন।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর বিধি ৯১(১)(c) অনুযায়ী, যদি কোনো সদস্য পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকেন, এবং প্রথম ও শেষ সভার মধ্যে কমপক্ষে চার মাস ব্যবধান থাকে, তাহলে তার আসন শূন্য হয়ে যায়।
তবে, একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রয়েছে— যদি চেয়ারম্যানের পূর্বানুমতি নিয়ে তিনি ঐ সভাগুলোতে অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে সেই অনুপস্থিতিকে 'অনুপস্থিতি' হিসাবে ধরা হবে না।
- "Provided that a meeting for the absence from which the member has taken permission of the Chairman shall not be regarded as a meeting from which he is absent."
 অর্থাৎ,
পদত্যাগপত্র জমা দিলে (ক),
আইনজীবী তালিকা থেকে স্থায়ীভাবে অপসারিত হলে (গ),
সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসেবে পদোন্নতি হলে (খ)
— এই সবক্ষেত্রে সদস্যের আসন শূন্য হয়ে যায়।

 কিন্তু, যদি তিনি চেয়ারম্যানের অনুমতি নিয়ে তিনটি মিটিং মিস করেন — তাহলে তার আসন শূন্য হবে না।

বিধি ৯১: সদস্যপদ শূন্য হওয়া
(১) বার কাউন্সিলের কোনো সদস্যের আসন শূন্য হবে, যদি—
(ক) তিনি বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে পদত্যাগ করেন (উক্ত পদত্যাগপত্র দাখিলের সময় থেকে তা কার্যকর হবে); অথবা
(খ) তিনি আইনজীবীদের তালিকা থেকে অপসারিত হন; অথবা
(গ) তিনি বার কাউন্সিলের তিনটি ধারাবাহিক সভায় অনুপস্থিত থাকেন, তবে শর্ত থাকে যে প্রথম ও শেষ সভার মধ্যে কমপক্ষে চার মাসের ব্যবধান থাকতে হবে;
তবে যদি কোনো সভায় অনুপস্থিত থাকার পূর্বে সদস্য চেয়ারম্যানের অনুমতি গ্রহণ করেন, তাহলে সেই সভায় অনুপস্থিতিকে অনুপস্থিতি হিসেবে গণ্য করা হবে না;
(ঘ) তিনি যদি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হন।
(২) কোনো সদস্য যদি আইনজীবী হিসেবে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হন, তবে বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে কাজ করতে পারবেন না;
তবে তিনি কেবল তখনই আসন হারাবেন যদি বরখাস্তকাল এক বছরের সমান বা তার বেশি হয় অথবা বরখাস্তের মেয়াদ তার বাকি মেয়াদকে সম্পূর্ণরূপে আবৃত করে ফেলে।

Rule-91. (1) A member of the Bar Council shall vacate his seat if - (a) he resigns his seat by delivery of his resignation to the Secretary (the resignation being effective from the time it is so delivered); or
(b) he is removed from the roll; or
(c) he is absent for three consecutive meetings of the Bar Council, the interval between the first and the last meeting being of not less than four months;
Provided that a meeting for the absence from which the member has taken permission of the Chairman shall not be regarded as a meeting from which he is absent.
(d) he is elevated as a Judge of the Supreme Court.
(2) A member of the Bar Council who is suspended as a Advocate shall not act as a member during the period o his suspension but shall vacate his seat only if hi suspension is for a year or more or covers the whole c his remaining terms as a member.

২৭২.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারানুযায়ী একজন সাক্ষী নিজের লিখিত দেখে তথ্য আদালতে জবানবন্দী দিতে পারবেন?
  1. ১৫৬
  2. ১৫৭
  3. ১৫৮
  4. ১৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলিল দেখে উত্তর দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সাক্ষী তার নিজের লেখা, অন্যের লেখা বা দলিলের নকল দেখেও উত্তর দিতে পারেন। এটাই হল Refreshing memory। সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করন বা Refreshing memory এর বিধান রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ থেকে ১৬১ ধারায় এ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-

i) সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কেস ডায়েরী দেখতে পারবেন। এভাবে ১৫৯ ধারার অধীন একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখিয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

ii) সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার তার মামলা তদন্তকালে কেস ডায়েরীতে লিপিবদ্ধকৃত বিষয়াবলী সম্পর্কে আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

iii) সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় বিবাদী পক্ষ জেরা করতে পারবেন। অর্থাৎ স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোন সাক্ষী কর্তৃক যে লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করা হয়েছে, বিরোধী পক্ষ উক্ত লিখিত বিবৃতি দেখতে চাইতে পারে, উক্ত সাক্ষীকে জেরা করতে পারে বা উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
২৭৩.
পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির উপর মৃত্যুদণ্ড সাজা ঘোষণা করা হলে তা কখন কার্যকর হবে?
  1. অবিলম্বে
  2. পুনরায় হাজির হওয়ার পরে
  3. আদালতের আদেশ সাপেক্ষে
  4. অবশিষ্ট সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৯৬- পলাতক দণ্ডপ্রাপ্তদের দণ্ড কার্যকর করা:
(১) যখন এই কোডের অধীনে কোনো পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির উপর সাজা ঘোষণা করা হয়, তখন উক্ত সাজা, যদি মৃত্যুদণ্ড বা জরিমানা হয়, পূর্বে উল্লিখিত বিধানাবলীর সাপেক্ষে, অবিলম্বে কার্যকর হবে। আর যদি সাজা কারাদণ্ড বা পরিবহন (ট্রান্সপোর্টেশন) হয়, তবে নিম্নলিখিত নিয়ম অনুসারে কার্যকর হবে, যথা:

(২) যদি নতুন সাজা তার ধরনে পূর্বের সাজার তুলনায় কঠোর হয়, যে সাজা দণ্ডিত ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার সময় ভোগ করছিল, তবে নতুন সাজা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

(৩) যদি নতুন সাজা তার ধরনে পূর্বের সাজার তুলনায় কঠোর না হয়, যে সাজা দণ্ডিত ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার সময় ভোগ করছিল, তবে নতুন সাজা কার্যকর হবে তার পরে, যখন সে আরও একটি সময়ের জন্য কারাদণ্ড বা পরিবহন, যে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ভোগ করবে। এই সময়টি তার পূর্বের সাজার অবশিষ্ট মেয়াদের সমান হবে, যা পালানোর সময় অপূর্ণ ছিল।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে—

(ক) পরিবহনের সাজা কারাদণ্ডের সাজার চেয়ে কঠোর বলে গণ্য হবে; (খ) নির্জন কারাবাস সহ কারাদণ্ডের সাজা একই ধরনের কারাদণ্ডের তুলনায় কঠোর বলে গণ্য হবে, যেখানে নির্জন কারাবাস নেই; (গ) কঠোর কারাদণ্ডের সাজা সাধারণ কারাদণ্ডের সাজার চেয়ে কঠোর বলে গণ্য হবে, যেখানে নির্জন কারাবাস থাকুক বা না থাকুক।

২৭৪.
বিবাহ স্থির থাকাকালে কিংবা বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনে সন্তানের জন্মই উহার বৈধতা চূড়ান্ত প্রমাণ'- ইহা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ১১১ ধারা
  2. ১১২ ধারা
  3. ১১০ ধারা
  4. ১১৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা অনুযায়ী সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার ছড়ান্ত প্রমাণঃ কোন ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অভিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।

-----------------
⇒ Birth during marriage conclusive proof of legitimacy:
Section 112. The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.
২৭৫.
আপিল বিভাগ কর্তৃক ফৌজদারি মামলা ও আপিল স্থানান্তরের উদ্দেশ্য কী?
  1. ন্যায়বিচার
  2. পক্ষগণের সুবিধা
  3. সাক্ষীদের সুবিধা
  4. 'ক' বা 'খ' বা 'গ'
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২৫ক- মামলা ও আপিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:

(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারী আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপীল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলতঃ সেখানেই উক্ত মামলা বা আপিল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।

Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.

(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
২৭৬.
একটি আদালত খরচার উপর সুদ প্রদান করতে পারে বার্ষিক অনধিক-
  1. ৬%
  2. ১০%
  3. ১২%
  4. ১৩%
ব্যাখ্যা
 ♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান মোকদ্দমার খরচ (Cost ); মোকদ্দমার খরচ ও আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি আদালতের সুবিবেচনার উপর নির্ভর করবে। মোকদ্দমার খরচ কে দিবে, কিভাবে এবং কার থেকে নেওয়া হবে এগুলো আদালত বলে দিবে। খরচ এবং খরচের উপর সর্বোচ্চ ৬% হারে বার্ষিক সুদ প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে।
২৭৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা পরিবর্তন করার ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. আপিল বিভাগ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
আইন প্রণয়নের একমাত্র ক্ষমতা সংসদের:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(১) ধারা অনুসারে, আইন প্রণয়নের ক্ষমতা কেবল জাতীয় সংসদের রয়েছে।
- দেওয়ানী কার্যবিধি একটি প্রক্রিয়াগত আইন (Procedural Law) যা সংসদ কর্তৃক প্রণীত ও সংশোধিত হয়।
- হাইকোর্ট বিভাগ বা আপিল বিভাগ আইন সংশোধন করতে পারেন না; তারা কেবল আইনটির ব্যাখ্যা দিতে পারেন (সংবিধানের ১০২ ও ১০৩ ধারা)। তাদের কাজ হচ্ছে আইন প্রয়োগ এবং ব্যাখ্যা করা, কিন্তু আইন পরিবর্তন করার ক্ষমতা তাদের নেই।
- আদালত শুধুমাত্র নিয়ম (Rules) প্রণয়ন করতে পারেন (যেমন: CPC-এর First Schedule-এর আদেশসমূহ), তবে মূল ধারা সংশোধন বা পরিবর্তন করার ক্ষমতা তাদের নেই।
-দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১২২ ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়নসহ বিধিসমূহ বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে।
- ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হলেও, সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি। কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন।
- জাতীয় সংসদ যে দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদেশ ও বিধিসমূহ সংশোধন করতে পারে তার বড় উদাহরণ হলো ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির সংশোধন।
২৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় প্রদত্ত তল্লাশি পরোয়ানার বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির বিধান রয়েছে।

♦ ১০০ ধারা অনুযায়ী বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

♦  ১০০ ধারার অধীন জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারার বিধান
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।
২৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত consecutive sentences-এর সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. অনধিক ১৪ বছর
  2. কেবল একটি অপরাধের সাজা
  3. তার স্বাভাবিক ক্ষমতার সমান
  4. তার স্বাভাবিক ক্ষমতার দ্বিগুণ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫(২)(খ) অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত consecutive sentences (ধারাবাহিক কারাদণ্ড)-এর সর্বোচ্চ সীমা হবে তার স্বাভাবিক ক্ষমতার দ্বিগুণ।
- ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাভাবিক ক্ষমতা বলতে ধারা ৩২-এ বর্ণিত দণ্ডের সীমা বোঝায় (যেমন: প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড)।
- একাধিক অপরাধের ক্ষেত্রে সমষ্টিগত সাজার এই দ্বিগুণ সীমা প্রযোজ্য হয় (ধারা ৩৫(২)(খ))।
- তবে সর্বোচ্চ ১৪ বছর সীমাটি (ধারা ৩৫(২)(ক)) দায়রা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ম্যাজিস্ট্রেটের নয়।

উদাহরণ:
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাভাবিক ক্ষমতা ৫ বছর কারাদণ্ড। একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৫ × ২ = ১০ বছর কারাদণ্ড দিতে পারবেন (১৪ বছর নয়)।

অতএব, সঠিক উত্তর ঘ) তার স্বাভাবিক ক্ষমতার দ্বিগুণ।

- Section 35(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate , the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
২৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর অতিরিক্ত ক্ষমতা আরোপের বিধান কোন তফসিলে রয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) চতুর্থ তফসিল। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল থাকে, যার মধ্যে প্রথম তফসিল বাতিল।
→ দ্বিতীয় তফসিলে অপরাধসমূহের শ্রেণীবিভাগ এবং বিচারযোগ্যতা উল্লেখ থাকে।
→ তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতার বর্ণনা আছে।
→ চতুর্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা নির্ধারিত হয়েছে।
→ পঞ্চম তফসিলে বিভিন্ন ফরমের বিষয় থাকে।
→ অতএব, ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা আরোপের বিধান চতুর্থ তফসিলে রয়েছে।
২৮১.
তামাদি আইনের ৫ ধারার বিলম্ব মওকুফের জন্য দরখাস্তে কী দাবি/উল্লেখ করতে হয়?
  1. বিলম্বের কারণ
  2. মামলার গুরুত্ব
  3. বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপিলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপিল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
⇒ অর্থাৎ ৫ ধারায় দরখাস্তকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে যথাসময়ে আদালতে আপিল বা দরখাস্ত দাখিল করতে না পারার পেছনে যথোপযুক্ত কারণ (sufficient cause) ছিল।
তামাদি আইনের ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
- অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
- তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবল আপিল এবং রিভিউ ,রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
২৮২.
নিচের কোনটি পাবলিক দলিল (Public document)?
  1. কবিতা
  2. দানপত্র
  3. কবলা দলিল
  4. আদালতের রায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। 
⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ। 
--------------
Section-74. Public documents:

The following documents are public documents:–
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

Section-75.Private documents: All other documents are private.
২৮৩.
জাহাঙ্গীর এর বিরুদ্ধে আগের চার্জ পরিবর্তন করে নতুন চার্জ গঠন করা হয়। এরূপ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীর এর আইনজীবী হিসেবে তার পক্ষে আপনার করণীয় কী?
  1. আপীল দায়ের।
  2. রিভিশন দায়ের।
  3. রিভিউ দায়ের।
  4. খ অথবা গ।
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ২২৭(১) মোতাবেক রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।
- তবে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি রিভিশন দায়ের করতে পারে।
২৮৪.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এ কয় ধরনের কার্যকে "ক্ষতিকর কার্য (prejudicial act)" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫ ধরনের
  2. ৬ ধরনের
  3. ৭ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ৮ ধরনের।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২(চ):

"ক্ষতিকর কার্য (prejudicial act)"  অর্থ নিম্নবর্ণিত অভিপ্রায় বা সম্ভাবনা রহিয়াছে এইরূপ কোনো কার্য করা, যথা:-
১. রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত করা;
২. বাংলাদেশ এবং বিদেশি রাষ্ট্রের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট বা বিঘ্নিত করা;
৩. দেশের সুরক্ষা, জননিরাপত্তা বা সাধারণ শৃঙ্খলা হ্রাস বা ভঙ্গ করা;
৪. বিভিন্ন সম্প্রদায়, শ্রেণি বা অংশ, বা জনগণের মধ্যে বৈরিতা বা বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়া;
৫. আইনের রক্ষণাবেক্ষণ বা আইনশৃঙ্খলা ব্যাহত করা, বা তা উসকে দেওয়া;
৬. জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় সরবরাহ ও সেবায় বাধা সৃষ্টি করা;
৭. জনগণের মাঝে ভয় বা আতঙ্ক সৃষ্টি করা;
৮. রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক ও আর্থিক স্বার্থ ক্ষুন্ন বা ক্ষতিগ্রস্ত করা।

Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;
২৮৫.
আদালত আরজি সংশোধনের আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে কি নিশ্চিত করবে?
  1. মামলা খুব জটিল কিনা
  2. আদালতের সময়সীমা
  3. পক্ষগণের মধ্যে সমস্যা আছে কিনা
  4. সংশোধনী অপরিহার্য কিনা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ১৭ বিধি অনুসারে,
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস সংশোধন করার আবেদন করা যায়। অর্থাৎ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে বাদী তার আরজি বা বিবাদী তার লিখিত জবাব সংশোধনের আবেদন করতে পারে। বিচার কার্য শুরুর পর আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের জন্য দাখিলকৃত কোন আবেদন আদালত অনুমোদন করবে না যদি না আদালত অভিমত পোষণ করে যে, 'যথাযথ নিষ্ঠার’ সত্ত্বেও পক্ষগণ বিচারকার্য শুরুর পূর্বে সংশোধনের আবেদন করতে পারেনি। সুতরাং, বিচার কার্য শুরুর পরও আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আবেদন করা যায়।

আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আবেদন মঞ্জুরের কারণ:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ১৭ বিধি অনুসারে- আদালত মোকদ্দমার উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার উদ্দেশ্যে আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আবেদন মঞ্জুর করতে পারে। আরজি সংশোধনের আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবে যে, মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার বিরোধীয় প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার উদ্দেশ্যে এমন সংশোধনী অপরিহার্য।
২৮৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৫ অনুযায়ী একই জেলায় অবস্থিত আদালতের মধ্যে ডিক্রি স্থানান্তর করতে হলে কীভাবে পাঠানো হয়?
  1. রেজিস্ট্রি ডাকের মাধ্যমে
  2. সরাসরি সংশ্লিষ্ট আদালতে
  3. জেলা আদালতের মাধ্যমে
  4. হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৫ (Order-XXI, Rule-5) অনুযায়ী "ডিক্রি জারির জন্য এক আদালত থেকে অন্য আদালতে পাঠানোর নিয়ম (Mode of Transfer)" নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই বিধির অধীনে বলা হয়েছে: যদি ডিক্রি জারির জন্য যেই আদালতে পাঠানো হবে, সেই আদালত ডিক্রি প্রদানের আদালতের সঙ্গে একই জেলায় অবস্থিত হয়, তাহলে ডিক্রি সরাসরি সেই আদালতে পাঠানো যাবে। এতে কোনো মধ্যবর্তী আদালত (যেমন জেলা জজ আদালত বা হাইকোর্ট) যুক্ত থাকে না।
- অর্থাৎ Order XXI, Rule 5 অনুযায়ী, একই জেলায় অবস্থিত আদালতের মধ্যে ডিক্রি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে, "সরাসরি সংশ্লিষ্ট আদালতে" ডিক্রি পাঠানো যাবে।
তাই সঠিক উত্তর: খ) সরাসরি সংশ্লিষ্ট আদালতে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-৫: স্থানান্তরের পদ্ধতি (Mode of transfer): ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Order-21 Rule-5.(Mode of transfer):  Where the Court to which a decree is to be sent for execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district in which the decree is to be executed.
২৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৭, বিধি-১(৩) অনুসারে, মোকদ্দমার একটি পক্ষ সর্বোচ্চ কতবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবি করতে পারে?
  1. ৩ বার
  2. ৬ বার
  3. ২ বার
  4. ৪ বার
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XVII, Rule 1-এর sub-rule (3) অনুসারে, ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে একটি পক্ষ সর্বোচ্চ চারবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবির আবেদন করতে পারে। 

- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XVII, Rule 1 এর সংশোধন অনুসারে, যা Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর মাধ্যমে সংশোধিত হয়েছে, স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, sub-rule (3)-তে "six" শব্দটির পরিবর্তে "four" শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ হলো, কোনো পক্ষ একটি মোকদ্দমা সর্বোচ্চ চারবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবি করতে পারে।

- এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হলো মোকদ্দমার প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করা এবং অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব রোধ করা। পূর্বে এই বিধানে একটি পক্ষ সর্বোচ্চ ছয়বার মুলতবির আবেদন করতে পারত, কিন্তু ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে এই সংখ্যা কমিয়ে চারবার করা হয়েছে।

২৮৮.
আদেশ ৩৫ বিধি-২ অনুসারে, আদালত কখন বাদীকে দাবীকৃত বস্তু জমা দিতে বা হেফাজতে রাখতে বলতে পারে?
  1. বাদী মামলায় হেরে গেলে
  2. মামলা শেষ হওয়ার পর
  3. বাদী মামলা নাকচ করলে
  4. দাবীকৃত বস্তু আদালতে বা হেফাজতে রাখার যোগ্য হলে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৫ বিধি-২: দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা প্রদান:
যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দেওয়া বা বাদীর হেফাজতে রাখার যোগ্য, সেক্ষেত্রে কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে সেই বস্তু আদালতে জমা দিতে বা হেফাজতে রাখতে বলা যেতে পারে।

Rule.-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.

২৮৯.
কোন ধরণের বিবৃতি সর্বদা বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে যায়?
  1. Dying Declaration
  2. Confession
  3. Admission
  4. Dying Deposition
ব্যাখ্যা
Confession (স্বীকারোক্তি):
বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে সরাসরি প্রভাব ফেলে এমন বিবৃতিকে Confession (স্বীকারোক্তি) বলা হয়। এটি এমন একটি বিবৃতি যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই স্বীকার করেন যে তিনি অপরাধ সংঘটিত করেছেন।

অন্যদিকে:

Dying Declaration (মরণোত্তর ঘোষণা):
এটি একটি বিবৃতি যা মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি দেন, যেখানে তিনি তার মৃত্যুর কারণ বা মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তির সম্পর্কে বলেন। এটি সবসময় বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে যায় না, বরং অপরাধীর বিরুদ্ধে যেতে পারে।

Admission (অঙ্গীকার বা স্বীকারোক্তি):
Admission মানে আংশিক বা পরোক্ষ স্বীকারোক্তি, যা সবসময় বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে যায় না। এটি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রাসঙ্গিক তথ্য বা ঘটনা স্বীকার করাকে বোঝায়, তবে এটি সরাসরি অপরাধ স্বীকার করে না।

Dying Deposition (মৃত্যুর পূর্বের জবানবন্দি):
Dying Deposition এবং Dying Declaration প্রায় একই ধরনের, তবে Dying Deposition বিচারকের সামনে শপথের ভিত্তিতে লিপিবদ্ধ করা হয় এবং এটি অধিকতর গ্রহণযোগ্য। এটি সবসময় বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে যায় না।
২৯০.
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আরজিতে-
  1. অমিমাংসীত অর্থের ক্ষেত্রে আনুমানিক অর্থ (approximate) লিখতে হবে
  2. মিমাংসীত অর্থের ক্ষেত্রে আনুমানিক অর্থ (approximate) লিখতে হবে
  3. অর্থের পরিমাণ না লিখলেও চলে
  4. অমিমাংসীত অর্থের ক্ষেত্রে যথাযথ পরিমান (precise amount) লিখতে হবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আরজিতে যে যে বিষয়গুলো সাধারণত উল্লেখ থাকে-

> যে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার নাম
> বাদী ও বিবাদীর নাম, পরিচয়, বাসস্থান
> বাদী বা বিবাদী নাবালক অথবা মানসিক বিকারগ্রস্ত হলে, সেই মর্মে বিবৃতি
> মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হবে
> কারণ (Cause of action) এবং কারণ উদ্ভবের সময়।
> প্রার্থিত প্রতিকার (relief claimed) ও দাবির কোন অংশ বর্জন করা হলে সেই মর্মে বিবৃতি ইত্যাদি।

• বিধি-২: অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে-
৭ নং আদেশের ২ নং বিধিমতে অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আরজিতে দাবিকৃত অর্থের যথাযথ পরিমান (precise amount) কিন্তু অমিমাংসীত অর্থের ক্ষেত্রে আনুমানিক অর্থ (approximate) লিখতে হবে।

[In money suits-Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed: But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.]
২৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৭ক অনুযায়ী, যদি আদালত দেখে যে গ্রেফতার সংক্রান্ত কোন বিধান লঙ্ঘন করা হয়েছে, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে—
  1. সংবিধান অনুযায়ী
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
  3. সার্ভিস রুল অনুযায়ী
  4. দণ্ডবিধি অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৭ক (Section 67A, CrPC) অনুযায়ী, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের সামনে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে হাজির করা হলে আদালত পরীক্ষা করবে গ্রেফতারের বিধানগুলো সঠিকভাবে মানা হয়েছে কি না। যদি দেখা যায় যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অবহেলার কারণে বিধান লঙ্ঘন করেছেন, তবে আদালত লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে প্রযোজ্য সার্ভিস রুল অনুযায়ী সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: সার্ভিস রুল অনুযায়ী (গ)।
----------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-67A. Procedure in case of non-compliance with provisions relating to arrest
The Magistrate or Court, as the case may be, before whom the arrested person is produced, shall examine whether the provisions of this Code relating to arrest have been duly complied with by the officer making the arrest; and if the Magistrate or Court finds that any such provision or provisions have been negligently violated or not complied with, he or it may, for reasons to be recorded in writing, direct appropriate action to be taken against the concerned officer in accordance with the applicable service rules.

২৯২.
নিম্নের কোনটি বলপ্রয়োগ নয়?
  1. একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে ধাক্কা দিলে
  2. একজন লোক বল ছুঁড়ে অন্য কাউকে আঘাত করলে
  3. কোন দুর্ঘটনায় অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রাপ্ত আঘাত
  4. কেউ একটি কুকুরকে চালিত করে অন্য কাউকে আক্রমণ করালে
ব্যাখ্যা
• বলপ্রয়োগের সংজ্ঞা (Force)-
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায় বলপ্রয়োগের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তি বা বস্তুকে গতিশীল করানো, গতি পরিবর্তন, গতিরোধ করানো অথবা অপর কোন ব্যক্তির দেহে বা পরিহিত পোশাক স্পর্শ করে তার অনুভূতিকে প্রভাবিত করা অর্থাৎ একজনের শক্তি অন্যের উপর প্রয়োগ করাকে বলপ্রয়োগ বা Force বলা হয়।

দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারামতে বলপ্রয়োগ ৩ ভাবে হতে পারে। যথা-
ⅰ) দৈহিক শক্তি প্রয়োগ করার মাধ্যমে (by bodily power);
ii) বস্তুর গতি পরিবর্তন করার মাধ্যমে (by disposing any substance that the motion or change or cessation of motion takes place); এবং
iii) কোন পশু বা জন্তুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন করার মাধ্যমে (by inducing any animal to move, to change its motion or to cease to move)।

যদি কোন ব্যক্তি সচেতনভাবে অন্য কারো গতি পরিবর্তন বা স্তব্ধ করার উদ্দেশ্য না থাকে এবং তাতে অনিচ্ছাকৃতভাবে আঘাত বা ক্ষতির কারণ হয়ে  থাকে, তাহলে তা বলপ্রয়োগের অন্তর্ভুক্ত হবে না। তাই কোন দুর্ঘটনায় যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে আঘাত লাগে, তবে তা বলপ্রয়োগ হবে না।

Section 349: Force:
A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling: Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:

Firstly, By his own bodily power.
Secondly, By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly, By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
২৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৫খ অনুসারে, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিল না করা হয়, তবে শুনানির জন্য কত টাকা পর্যন্ত বিলম্ব ফি দিতে হতে পারে?
  1. ৩,০০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ১,০০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫খ (Cost for delay in making applications, etc., in respect of interlocutory matters) ধারায় বলা হয়েছে—
→ যদি কোনো পক্ষ আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কোনো আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে
- উক্ত আবেদন বা লিখিত আপত্তি শুনানির জন্য গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না সংশ্লিষ্ট পক্ষ অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরণ বাবদ সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা প্রদান করে।
→ এই বিধানটি মূলত আদালতের কার্যক্রমে দেরি রোধ করার জন্য প্রণীত হয়েছে, যাতে পক্ষগণ সময়মতো তাদের আবেদন বা আপত্তি দাখিল করে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো (খ) ২,০০০ টাকা।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 35B. Cost for delay in making applications, etc., in respect of interlocutory matters.
(1) If at any stage of a suit or proceeding, an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be, shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka.
(2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which, in the opinion of the Court, could and ought to have been made earlier, and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit, but shall not hear and dispose of the application, without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.
২৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারার অধীন কয়টি ক্ষেত্রে জনসাধারণ ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা করতে বাধ্য?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
 
১: গ্রেফতার বা পলায়ন প্রতিরোধ-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২(ক) মোতাবেক পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

২: অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষা-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২(খ) তে বলা আছে যে, কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের  চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
 
Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
২৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪ ধারা অনুসারে রিমান্ড দেওয়ার যৌক্তিক কারণ কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. পুলিশের অনুরোধে
  2. আদালতের সুবিধার জন্য
  3. আসামীকে শাস্তি দেওয়ার জন্য
  4. আরও সাক্ষ্য সংগ্রহের সম্ভাবনা থাকলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) আরও সাক্ষ্য সংগ্রহের সম্ভাবনা থাকলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৪ অনুসারে, কোনো বিচার বা অনুসন্ধান স্থগিত করে ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসামিকে হাজির রাখার আদেশ দেন (রিমান্ড), তাহলে তার অবশ্যই লিখিতভাবে যৌক্তিক কারণ দেখাতে হবে।
এই "যৌক্তিক কারণ" হিসেবে যে বিষয়টি প্রধান বিবেচ্য হয় তা হলো: "যদি আদালত মনে করে যে তদন্তের স্বার্থে আরও সাক্ষ্য বা প্রমাণ সংগ্রহের সম্ভাবনা আছে।"
- রিমান্ড দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য তদন্ত বা বিচার কার্যক্রমে সহায়ক তথ্য সংগ্রহ করা। এটি কোনোভাবেই শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়।
- আদালত কেবল তখনই রিমান্ড মঞ্জুর করবেন, যদি তাঁর কাছে যৌক্তিক কারণ থাকে যে আরও তথ্য বা সাক্ষ্য বের হতে পারে, যা মামলার নিষ্পত্তিতে সহায়ক হবে।
অর্থাৎ ধারা ৩৪৪ অনুসারে, “আরও সাক্ষ্য বা তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা থাকলে” সেটিই হচ্ছে রিমান্ড দেওয়ার বৈধ ও যৌক্তিক কারণ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামি হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেন:
রিমান্ড: শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামিকে একসঙ্গে ১৫ (পনেরো) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।
(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যা: আসামি অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামিকে রিমান্ডে দেওয়ার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 344: Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:
Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.
(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
২৯৬.
নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা ফৌজদারী কার্যবিধি কত ধারায় আছে ?
  1. ৪৩৫
  2. ৪৬৩
  3. ৪০৬
  4. ৪০৪
ব্যাখ্যা
•৪৩৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশনের ক্ষমতা বা নিন্ম আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা আছে হাইকোর্ট বিভাগের ও দায়রা জজ আদালতের (অতিরিক্ত দায়রা জজ)।
•হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন করেন ৪৩৯ ধারায় এবং দায়রা জজ কোর্ট রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন ৪৩৯(ক) ধারায়।
২৯৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায় বাদী কী প্রমাণ করতে হবে না?
  1. সম্পত্তিটি বাদীর দখলে ছিল
  2. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলা করেছে
  3. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  4. বিবাদী কর্তৃক বাদীকে বেদখল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার করতে হলে বাদীকে প্রমাণ করতে হবে নালিশি সম্পত্তি তার দখলে ছিল এবং উক্ত সম্পত্তি হতে তাকে গত ৬ মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে বেদখল করা হয়েছে।
-এই ধারায় ( স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায়) স্বত্ব প্রমাণ বা স্বত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করার প্রয়োজন নেই, তথাপিও পক্ষ চাইলে উত্থাপন করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার (স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধার/মামলা করার সময়সীমা ৬ মাস)।
-------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
 
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
২৯৮.
সমন জারির জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ধারা ৬৬
  2. ধারা ৬৮
  3. ধার ৭৬
  4. ধার ৭৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৮-এ সমন জারির প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, আদালত যখন কাউকে সমন জারি করবে, তখন তা লিখিত আকারে, আদালতের বিচারক বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সীলমোহর ও স্বাক্ষরযুক্ত হবে
- এছাড়া, সমন পরিবেশন করার জন্য এটি পুলিশ কর্মকর্তা, আদালতের কর্মকর্তা, বা সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক পরিবেশন করা যেতে পারে, এবং ব্যক্তিগতভাবে বা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে তা পরিবেশন করা হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারার বিধান সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
(২) সমন জারিকারক : এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 68. Form of summons:
1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the 78[Supreme Court] may, from time to time, by rule, direct.

Summons by whom served:
2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.
২৯৯.
একটি Complaint Case এ ম্যাজিস্ট্রেট যদি দেখেন যে তার অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই তখন The Code of Criminal Procedure, 1898 এর নিম্নের ধারা অনুযায়ী মামলাটি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন?
  1. ২০০
  2. ২০১
  3. ২০২
  4. ২০৩
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০১ ধারায় অভিযোগ বা নালিশ ফেরতের (return of complaint) বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২০১ ধারামতে নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের অপরাধটি আমলে নেয়ার ক্ষমতা না থাকলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য নালিশটি (complaint) ফেরত পাঠাবেন। তবে উক্ত অভিযোগ যদি লিখিতভাবে করা না হয়, তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদিকে উপযুক্ত আদালতে যেতে নির্দেশ প্রদান করবেন।

♦অর্থাৎ একটি Complaint Case বা সি আর মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট যদি দেখেন যে তার কগনিজেন্স নেওয়ার এখতিয়ার নেই তখন The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২০১ ধারা অনুযায়ী মামলাটি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন।
৩০০.
Which maxim means "Youth is very liable to err"?
  1. Factum infectum fieri aequit
  2. Facilis est lapsus juventutis
  3. Fraus et just nunquam cohabitant
  4. Factum unuis alteri noceri non debet
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Facilis est lapsus juventutis.
⇒ ল্যাটিন ম্যাক্সিম "Facilis est lapsus juventutis" এর অর্থ হলো "Youth is very liable to err," অর্থাৎ যুবকরা সহজেই ভুল করে।
- এটি ইঙ্গিত করে যে যৌবনকালে ভুল করা স্বাভাবিক এবং সহজ। 

অন্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন:
ক) Factum infectum fieri aequit: "What is done cannot be undone" (যা করা হয়েছে তা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় না)।
গ) Fraus et just nunquam cohabitant: "Fraud and justice never dwell together" (প্রতারণা এবং ন্যায়বিচার কখনো একসঙ্গে থাকে না)।
ঘ) Factum unuis alteri noceri non debet: "The deed of one should not hurt another" (একজনের কাজ অন্যের ক্ষতি করবে না)।