বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ২৯ / ১৫৫ · ২,৮০১২,৯০০ / ১৫,৪৭০

২,৮০১.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এ তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি তথ্য প্রদান করলে, তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. ফৌজদারি মামলা
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৯: "তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের গোপনীয়তা":
(১) তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারী কোনো তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করিলে উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে অভিযোগ দায়ের করা যাইবে না।

(২) এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যাদির গোপনীয়তা রক্ষা করিবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে অনুরূপ লঙ্ঘন হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৪) উপ-ধারা (১) এর আওতায় তদন্তের স্বার্থে প্রকাশিত তথ্য বা উপাত্তের তালিকা উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীকে ষাণ্মাষিক ভিত্তিতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে জমা প্রদান করিতে হইবে।
২,৮০২.
সরকারের বাজেয়াপ্তির আদেশ ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ রদ করতে পারে?
  1. ৯৯ ধারা
  2. ১০০ ধারা
  3. ৯৯ঘ ধারা
  4. ৯৯ক ধারা
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৯৯-ঘ: অনুযায়ী  বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের আবেদনপত্র পাবার পর হাইকোট বিভাগের স্পেশাল বেঞ্চ যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, যে সংবাদপত্র বা পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে বাজেয়াপ্তির আদেশ রদের জন্য আবেদন করা হয়েছে, সে সকল প্রকাশনা সম্পর্কে কোন বিষয়, শব্দ বা দৃশ্যমান উপস্থাপনা নাই, তাহলে স্পেশাল বেঞ্চ বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিল করে দিবেন। স্পেশাল বেঞ্চের বিচারকগণের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতানুসারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
২,৮০৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ________ অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ দেওয়া হয়।
  1. আদেশ ৪১ বিধি (১)
  2. আদেশ ৪০ বিধি (১)
  3. আদেশ ৪৪ বিধি (১)
  4. আদেশ ৪২ বিধি (১)
ব্যাখ্যা
• তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ [ORDER - XL] এর বিধি (১) অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ দেয়া হয়-

(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়ে-

ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরোপভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।
২,৮০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা বিধান অনুযায়ী, ডিক্রির মতোই অর্ডারও একই পদ্ধতিতে কার্যকর করা হবে?
  1. ধারা ৩৬
  2. ধারা ৩৭
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৩৯
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৩৬-এর শিরোনামই হল "Application to orders" (অর্ডারে প্রযোজ্যতা)। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে বিধান দেয় যে, ডিক্রি কার্যকর করার জন্য এই কোডের যেসব বিধান প্রযোজ্য, সেগুলো, যতদূর পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক, অর্ডার কার্যকর করার ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে।
- অর্থাৎ, আদেশ (Order) কার্যকর করতে গিয়েও ডিক্রি (Decree) কার্যকর করার নিয়ম অনুসরণ করা যায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৬ ধারার ধারার বিধান আদেশের ক্ষেত্রে প্রয়োগ: 
- এই বিধিতে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য যে সকল বিধান আছে, তা যতটুকু প্রযোজ্য, আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও সেই বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে।
------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section: 36. Application to orders:
- The provisions of this Code relating to the execution of decrees shall, so far as they are applicable, be deemed to apply to the execution of orders.

২,৮০৫.
একটি নালিশী মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট যদি দেখতে পান যে উক্ত নালিশ গ্রহণের তার কোনো এখতিয়ার নেই। তখন নিম্নের কোন আদেশটি সঠিক হবে?
  1. অভিযোগটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা
  2. আসামী যদি উপস্থিত থাকে তাকে মুক্তি দেওয়া
  3. ২০৩ ধারায় অভিযোগটি খারিজ করা
  4. উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য অভিযোগটি ফেরৎ দেওয়া
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২০১ ধারা অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হলে তিনি নালিশটি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত দিবেন। আর মৌখিকভাবে নালিশ করা হলে নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
২,৮০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারা অনুযায়ী, আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন করার পর কী করতে বাধ্য?
  1. নতুন করে অভিযোগ গঠন করতে
  2. অভিযুক্তকে নতুন করে গ্রেফতার করতে
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরকে অনুমোদন নিতে
  4. অভিযুক্তকে পড়ে শোনাতে এবং ব্যাখ্যা করতে
ব্যাখ্যা
উত্তর: অভিযুক্তকে পড়ে শোনাতে এবং ব্যাখ্যা করতে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
২,৮০৭.
A, একটি জাহাজের মালিক, প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্রযাত্রার উপযোগী (seaworthy) বলে উপস্থাপন করে B-কে সেটি বিমা করতে রাজি করান। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে B উপযুক্ত কী প্রতিকার পেতে পারেন?
  1. বিমা নীতি সংশোধন করতে পারেন
  2. বিমা নীতি বাতিল করতে পারেন
  3. ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারেন
  4. আদালতের মাধ্যমে জাহাজ জব্দ করতে পারেন
ব্যাখ্যা

⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩৯ অনুযায়ী,
যদি কোনো দলিল বা চুক্তি মিথ্যা বা প্রতারণার মাধ্যমে করা হয়, এবং এতে কোনো পক্ষের গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, সেই পক্ষ আদালতে মামলা করে সেই চুক্তি বা দলিলকে বাতিল/voidable ঘোষণা করতে পারে।
এখানে, A প্রতারণা করেছে এবং B এর সম্মতিতে বিমা নীতি সম্পন্ন হয়েছে।
তাই B আদালতের মাধ্যমে বিমা নীতি বাতিল (rescind) করতে পারবেন, যাতে চুক্তিটি কার্যকর না থাকে এবং তার উপর আর কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা না থাকে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯: কখন বাতিলকরণ আদেশ করা যেতে পারে:
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো লিখিত দলিল বাতিলযোগ্য (voidable) বা অকার্যকর (void), এবং যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা আছে যে ওই দলিলটি যদি বহাল থাকে তবে তা তাকে গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে- সে ব্যক্তি আদালতে মামলা করতে পারে যাতে দলিলটিকে অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য ঘোষণা করা হয়।

আদালত তার বিবেচনায় যদি মনে করে যে দলিলটি সত্যিই অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য, তাহলে আদালত সেটিকে তেমনভাবে ঘোষণা করতে পারে এবং দলিলটি জমা দিয়ে বাতিল করার আদেশ দিতে পারে।

যদি সেই দলিলটি ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন (Registration Act, 1908) অনুসারে নিবন্ধিত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি অনুলিপি সেই নিবন্ধন অফিসারের কাছে পাঠাবে, যার অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছে। ঐ অফিসার তার রেকর্ডে সংরক্ষিত দলিলের অনুলিপিতে তার বাতিল হওয়ার বিষয়টি নোট করে রাখবে।

উদাহরণ:
(ক) A, একটি জাহাজের মালিক, প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্রযাত্রার উপযোগী (seaworthy) বলে উপস্থাপন করে B-কে (যিনি বিমাকারী) সেটি বিমা করতে রাজি করান। B এই প্রতারণামূলক বিমা নীতিটি বাতিল করাতে পারেন।

২,৮০৮.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতা নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশের নাগরিক হবে
  2. বয়স ৩৫ বছরের বেশি হতে হবে
  3. সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট হিসাবে ১০ বৎসরকাল থাকলে
  4. সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগ লাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা থাকলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতা হলো;

ক) বাংলাদেশের নাগরিক হবে
খ) সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট হিসাবে ১০ বৎসরকাল থাকলে
গ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন (সর্বনিম্ন) দশ বৎসরকাল কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান করে থাকলে; অথবা
ঘ) সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগ লাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা থাকলে' তিনি বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্য হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারক-নিয়োগ: 
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।
-----------------
⇒ Article 95. Appointment of Judges:
(1) The Chief Justice shall be appointed by the President, and the other Judges shall be appointed by the President after consultation with the Chief Justice.
(2) A person shall not be qualified for appointment as a Judge unless he is a citizen of Bangladesh and –
(a) has, for not less than ten years, been an advocate of the Supreme Court ; or
(b) has, for not less than ten years, held judicial office in the territory of Bangladesh ; or
(c) has such qualifications as may be prescribed by law for appointment as a Judge of the Supreme Court.
 
(3) In this article, “Supreme Court” includes a court which at any time before the commencement of this Constitution exercised jurisdiction as a High Court in the territory of Bangladesh.
২,৮০৯.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় _________ সম্পর্কিত বিধানাবলী রয়েছে।
  1. মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence)
  2. প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence)
  3. মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence)
  4. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct Evidence)
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলী রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে:

"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."

অর্থাৎ এই ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে যেমন:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
২,৮১০.
দায়রা আদালতের বিচারকদের নিয়োগ করা হয় কোন অনুচ্ছেদের অধীনে?
  1. সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ
  2. সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ
  3. সংবিধানের ১৩০ অনুচ্ছেদ
  4. সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯(৩এ) ধারায় বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে দায়রা আদালতের বিচারক, যেমন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিয়োগ করা হবে। এই নিয়োগ সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী করা হয়।
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ বিচার বিভাগের কাঠামো এবং বিচারকদের নিয়োগের নিয়মাবলি নির্ধারণ করে, যার অধীনে সেশনস জজ, অতিরিক্ত সেশনস জজ এবং যুগ্ম সেশনস জজের নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়।
⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরনের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore.
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
২,৮১১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বিদেশ থেকে প্রাপ্ত সমন বা পরোয়ানা বাংলাদেশে কার্যকর করার জন্য কোন ধারাটি প্রযোজ্য?
  1. ধারা ৯৩
  2. ধারা ৯৩ক 
  3. ধারা ৯৩খ 
  4. ধারা ৯৩গ 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৩গ এর অধীনে বাংলাদেশের বাইরে কোনো আদালত কর্তৃক জারি করা সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাংলাদেশে তামিল বা কার্যকর করার বিধান বর্ণিত আছে। এই ধারা অনুসারে, যদি বাংলাদেশের কোনো আদালত বিদেশে সরকারের কর্তৃত্বে প্রতিষ্ঠিত বা পরিচালিত কোনো আদালত থেকে কোনো সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা গ্রহণ করে, তবে তা বাংলাদেশের আদালত থেকে জারি করা সমন বা পরোয়ানার মতোই তামিল বা কার্যকর করা হবে। এটি বাংলাদেশের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে কার্যকর করা হয়, যেন এটি বাংলাদেশের কোনো আদালত থেকে প্রাপ্ত হয়েছে।

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী— ধারা ৯৩গ (Section 93C) বলছে: যদি বিদেশে সরকারের অধিকারভুক্ত বা প্রতিষ্ঠিত কোনো কোর্ট থেকে আসামির বিরুদ্ধে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাংলাদেশে কার্যকর করার জন্য পাঠানো হয়, তবে বাংলাদেশ আদালত সেটিকে এমনভাবে কার্যকর করবে, যেন সেটি বাংলাদেশের কোনো আদালত কর্তৃক জারি করা হয়েছে।
------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 93C. Service and execution in Bangladesh of processes received from outside Bangladesh:
(1) Where a Court has received for service or execution a summons to, or a warrant for the arrest of, an accused person issued by a Court established or continued by the authority of the Government in exercise of its foreign jurisdiction, outside Bangladesh it shall cause the same to be served or executed as if it were a summons or warrant received by it from a Court in Bangladesh for service or execution within the local limits of its jurisdiction. 
(2) Where any warrant of arrest has been so executed the person arrested shall so far as possible be dealt with in accordance with the procedure prescribed by sections 85 and 86.

২,৮১২.
অপরাধ সংজ্ঞায়িত করে এমন কোনো আইনে উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম [Special exceptions] প্রমাণের দায়ভার সর্বদা আসামীর উপর বর্তাবে। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ১০১
  2. ধারা ১০২
  3. ধারা ১০৩
  4. ধারা ১০৫
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১০৫ মতে- কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে মামলাটি যাতে দন্ডবিধিতে বর্ণিত সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহের মধ্যে পড়তে পারে, অথবা দন্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা উহার অপর কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে বা উক্ত অপরাধ সম্পর্কিত অপর কোন আইনে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এইরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর ন্যস্ত থাকে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে অবশ্যই ধরে নিবেন।
২,৮১৩.
মুসলিম আইনে নিম্নলিখিত কোন শব্দটি দেনমোহর বা Dower কে নির্দেশ করে?
  1. Hiba
  2. Mohr
  3. Farz
  4. Riza
ব্যাখ্যা
- মুসলিম আইনে দেনমোহর হলো অর্থ বা অন্য কোন সম্পত্তি যেটা বিবাহের প্রতিদান হিসাবে স্বামী স্ত্রীকে পরিশোধ করবে বা অর্পণ করবে বলে প্রতিজ্ঞা করে। বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহরের পরিমাণ উল্লেখ থাকুক বা না থাকুক দেনমোহর অবশ্যই দিতে হবে।

- মোহরকে দেনমোহর বা মোহরানাও বলা যায়। বিভিন্ন আইনবিদ দেনমোহরের বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।
- প্রখ্যাত আইনবিদ D.F. Mulla বলেন, "Mohr or dower is a sum of money or other property which the wife is entitled to receive from the husband in consideration of the marriage. "অর্থাৎ মোহর বা মোহরানা হলো কিছু টাকা বা অন্য কিছু সম্পত্তি যা বিবাহের প্রতিদানস্বরূপ স্ত্রী স্বামীর নিকট হতে পাওয়ার অধিকারী।
- Tyabji বলেন, "Mohr or dower is a sum that becomes payable by the husband to the wife on marriage being contracted."

অর্থাৎ মুসলিম আইনে 'Mohr' শব্দটি দেনমোহর বা Dower কে নির্দেশ করে।
২,৮১৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 33, rule 1 অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি Pauper গণ্য হবেন যদি মামলার সম্পত্তি ও প্রয়োজনীয় পোষাক পরিচ্ছদ ব্যতীত তার টাকা না হয়।
  1. ১৫০০০
  2. ১২০০০
  3. ১০০০০
  4. ৫০০০
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান মতেঃ  নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।

♦ কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
২,৮১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ অনুযায়ী, কোন কর্তৃপক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতি আবশ্যিক করতে পারেন?
  1. জেলা জজ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ অফিসার
  4. সরকারি আইনজীবী
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, তদন্তরত কোনো পুলিশ অফিসার লিখিত আদেশের মাধ্যমে তার নিজ থানা বা সংলগ্ন থানা এলাকার মধ্যে বসবাসরত এমন কোনো ব্যক্তিকে, যিনি মামলার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত বলে জানা যায়, তার কাছে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬০ ধারা অনুযায়ী,
তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে লিখিতভাবে তলব করতে পারে। এই ধারায় যে ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে তলব করা হয়, সে হাজির হতে বাধ্য কিন্তু পুলিশ তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে বলপ্রয়োগ করতে পারবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,-Section 160- Police-officer's power to require attendance of witnesses:
Any police-officer making an investigation under this Chapter may, by order in writing, require the attendance before himself of any person being within the limits of his own or any adjoining station who, from the information given or otherwise, appears to be acquainted with the circumstances of the case; and such person shall attend as so required.

২,৮১৬.
সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত কোন দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে?
  1. কোন ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে না
  2. অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা করলে
  3. ২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে
  4. সকল ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 

২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
অর্থাৎ ২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।

২,৮১৭.
নিম্নোক্ত কোন রায়ের বিরুদ্ধে আপিল চলবে না?
  1. দোতরফা ডিক্রি
  2. কতরফা ডিক্রি
  3. পক্ষগণের সম্মতিভিত্তিক ডিক্রি
  4. আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।
♦ অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না।
♦আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিসন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।
♦ দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
২,৮১৮.
সালিসী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত স্ত্রী থাকাকালীন পুনঃবিবাহ করলে তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড -
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ ধারা ৬ এর বিধান বহুবিবাহ:
১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবত থাকিতে সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত পূর্বানুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইতে পারিবে না বা ঐরূপ অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠিত কোন বিবাহ ১৯৭৪ সনের মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রেকরণ) আইন এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হইবে না।
২) ১নং উপধারা অনুযায়ী অনুমতির ও দরখাস্ত নির্ধারিত ফিস-সহ চেয়ারম্যানের নিকট নিদিষ্ট দফতরে দাখিল করিতে হইবে ও উহাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী অথবা স্ত্রীগণের সম্মতি লওয়া হইয়াছে কিনা উহার উল্লেখ থাকিবে।
৩) ২নং উপধারা অনুযায়ী দরখাস্ত গ্রহণ করিবার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী অথবা স্ত্রীগণের প্রত্যককে একজন করিয়া প্রতিনিধি মনোনীত করিতে বলিবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিসী কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলিয়া মনে করিলে যুক্তিযুক্ত বলিয়া মনে হইতে পারে এমন সকল শর্ত থাকিলে তৎসাপেক্ষে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করিতে পারেন।
৪) দরখাস্তের বিষয় নিস্পত্তি করিবার নিমিত্ত সালিশী কাউন্সিল নিস্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করিবেন। নিদ্দিষ্ট সময় মধ্যে যে কোন পক্ষ নিদ্দিষ্ট ফিস প্রদানক্রমে নিদ্দিষ্ট দফতরে সংশ্লিষ্ট সহকারী জজের নিকট পূর্ণবিবেচনার নিমিত্ত দরখাস্ত দাখিল করিতে পারে; তাঁহার সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত হইবে ও কোন আদালতে এই সম্নন্ধে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
৫) কোন ব্যক্তি যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত অন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী অথবা স্ত্রীগনের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষনাৎ পরিশোধ করিতে হইবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হইলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হইবে; এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এক বৎসর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় প্রকার দন্ডীয় হইবে।
২,৮১৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ধর্ষণের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৭০
  2. ধারা ৩৭৫
  3. ধারা ৩৭৬
  4. ধারা ৩৭৭
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী ধারা ৩৭৫-এ ধর্ষণের সংজ্ঞা (definition of rape) প্রদান করা হয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে, কোন পুরুষ যদি কোন নারীর সাথে নিম্নোক্ত ৫টি শর্তের যেকোনো একটির অধীনে যৌনসঙ্গম করে, তবে তা ধর্ষণ হিসেবে গণ্য হবে:
১. নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
২. নারীর সম্মতি ছাড়া।
৩. নারীর সম্মতিসহ, তবে মৃত্যু বা গুরুতর ক্ষতির ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা হলে।
৪. নারীর সম্মতিসহ, তবে যদি নারী ভুলবশত পুরুষকে স্বামী মনে করেন।
৫. নারীর সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, যদি তার বয়স ১৪ বছরের কম হয়।
ব্যতিক্রম: যদি স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীর যৌনসঙ্গম হয় এবং স্ত্রীর বয়স ১৩ বছরের বেশি হয়, তবে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারার বিধান ধর্ষণ (Rape):- কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত:- স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে।
তৃতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে।
চতুর্থত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে।
পঞ্চমত:- স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।
ব্যাখ্যা:- ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।
ব্যতিক্রম :- কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 375. Rape:
A man is said to commit "rape" who except in the case hereinafter excepted, has sexual intercourse with a woman under circumstances falling under any of the five following descriptions: 
Firstly. Against her will. 
Secondly. Without her consent. 
Thirdly. With her consent, when her consent has been obtained by putting her in fear of death, or of hurt. 
Fourthly. With her consent, when the man knows that he is not her husband, and that her consent is given because she believes that he is another man to whom she is or believes herself to be lawfully married. 
Fifthly. With or without her consent, when she is under fourteen years of age. 
Explanation. Penetration is sufficient to constitute the sexual intercourse necessary to the offence of rape. 
Exception. Sexual intercourse by a man with his own wife, the wife not being under thirteen years of age, is not rape.
২,৮২০.
পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার কত দিনের মধ্যে ক্রোক আদেশ প্রদানকারী আদালতে হাজির হয়ে সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করা যায়?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ক্রোকী সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের সময়সীমা- ৮৯ ধারামতে যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি ক্রোকের তারিখ থেকে ২ বৎসরের মধ্যে অথবা উক্ত ব্যক্তি ব্যতীত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কোন ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারে।

♦ পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না;

তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
২,৮২১.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশের (trespass) জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৮
  2. অনুচ্ছেদ ৩৯
  3. অনুচ্ছেদ ৪০
  4. অনুচ্ছেদ ৪১
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩৯-এ বলা হয়েছে—
- "For compensation for trespass upon immoveable property"
- Limitation: 3 years
- When: The date of the trespass
অর্থাৎ, যদি কেউ স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ করে (trespass), তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি অনধিকার প্রবেশের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবেন। এই ৩ বছরের সময়সীমা পার হয়ে গেলে মামলা তামাদি হয়ে যাবে।

-অতএব, স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের সময়সীমা সংক্রান্ত বিধান অনুচ্ছেদ ৩৯-এ রয়েছে।
২,৮২২.
কোন রিভিউ দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. রেফারেন্স
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XLIII, Rule 1(w) তে কোন রিভিউ দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে আপীল এর বিধান আছে।
২,৮২৩.
পেনাল কোড এ কত প্রকারের শাস্তি আছে?
  1. চার
  2. পাঁচ
  3. ছয়
  4. সাত
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

♦দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
২,৮২৪.
যদি চুক্তিতে প্রতিশ্রুতি পালনের সময় উল্লেখ না থাকে, তবে প্রতিশ্রুতি কখন পালন করতে হবে?
  1. আদালতের নির্দেশে
  2. যখন প্রতিশ্রুতিপ্রাপক চায়
  3. যৌক্তিক সময়ের মধ্যে
  4. প্রতিশ্রুতিদাতার ইচ্ছানুযায়ী
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৬: প্রতিশ্রুতি পালনের সময় - কোনো আবেদন প্রয়োজন নেই এবং সময় নির্ধারিত না থাকলে-
"যেখানে চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিশ্রুতিকারীকে (promisor) প্রতিশ্রুতি পালন করতে হবে প্রতিশ্রুতিপ্রাপক (promisee) কোনো আবেদন না করেও, এবং যদি চুক্তিতে প্রতিশ্রুতি পালনের নির্দিষ্ট কোনো সময় উল্লেখ না থাকে, তবে প্রতিশ্রুতি একটি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে (within a reasonable time) সম্পন্ন করতে হবে।"

ব্যাখ্যা: যে সময়টিকে "যৌক্তিক সময়" বলা হবে, তা প্রতিটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রকৃত পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে নির্ধারণ করা হবে।
২,৮২৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২- এ কত বছরের নিম্নের ব্যক্তিকে 'শিশু' হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৬ বছর
  4. ১৮ বছর
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২(১৪)-

“শিশু” অর্থ:
আঠারো (১৮) বছর বয়স পূর্ণ করেনি এমন কোন ব্যক্তি।
২,৮২৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারা অনুসারে কীভাবে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়?
  1. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে 
  2. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা ঘুষ গ্রহণে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে
  3. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারার সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর
বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়।
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে;
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে;
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন।
-------------------------
Section 155: Impeaching credit of witness: The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;

২,৮২৭.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫২ অনুযায়ী জেলা জজের নিকট দেওয়ানি আপিল করতে হবে -
  1. ১৫ দিনের মধ্যে
  2. ৩০ দিনের মধ্যে
  3. ১ বছরের মধ্যে
  4. যে কোন সময়ে
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫২ অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট দেওয়ানি আপিল করতে হবে।
২,৮২৮.
মুসলিম আইনে যদি স্ত্রী স্বামীকে খুলা তালাক দেয়, তাহলে স্ত্রী-
  1. সমস্ত নির্ধারিত দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী হবে।
  2. নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক পাওয়ার অধিকারী হবে।
  3. অন্য কোনোরূপ চুক্তি না থাকলে দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী হয় না।
  4. যদি দেনমোহর অনির্ধারিত থাকে তাহলে উপযুক্ত দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী হবে।
ব্যাখ্যা
- খুলা তালাকের ফলাফল (Effect of Khula) :
- অন্য কোনোরূপ চুক্তি না থাকলে খুলা তালাকের ক্ষেত্রে স্ত্রী মোহরানা পাওয়ার অধিকারী হয় না।
- তবে ইদ্দত পালনকালে স্ত্রী তার গর্ভস্থ সন্তান স্বামীর নিকট হতে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী হবে।

- খুলা শব্দের ব্যাখ্যা (Explanation of the khula): খুলা শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো পোশাক খুলে ফেলা বা ত্যাগ করা অর্থাৎ স্ত্রীর ওপর হতে কর্তৃত্ব প্রত্যাহার করা। খুলা হলো এক প্রকার তালাক। এ শ্রেণীর তালাক পক্ষদের সম্মতিক্রমে কার্যকরী হয়। খুলা তালাক প্রদানের বিনিময়ে স্বামী-স্ত্রীর ওপর যাবতীয় অধিকার ও কর্তৃত্ব ত্যাগ করে।
- অর্থাৎ যখন কোনো স্ত্রী তাকে নিযুক্ত করে দেওয়ার জন্য তার স্বামীকে কোনো প্রতিদান দেয় বা দিতে সম্মত হয় এবং স্বামী সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে তখন এ পদ্ধতির মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে তাকে খুলা বলা হয়।

- খুলা প্রক্রিয়ায় বিবাহ বিচ্ছেদ করতে হলে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর দিকে লক্ষ্য রাখা দরকার-
(ক) স্ত্রীর পক্ষ হতে প্রস্তাব উত্থাপিত হতে হবে।
(খ) স্বামী কর্তৃক প্রস্তাব গ্রহণের স্বীকৃতি জানাতে হবে অর্থাৎ স্বামী ঐ প্রস্তাব গ্রহণ করবে।

- এ প্রসঙ্গে খুরশীদ বিবি বনাম মোঃ আমিন ১৯৬৭ সালের মামলার রায়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ মামলায় মহামান্য আদালত বলেন যে, স্ত্রী যদি আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে, তাকে (স্ত্রীকে) তার স্বামীকে তালাক প্রদান করতে না দিলে তাকে জবরদস্তির সাথে বা জোরপূর্বক ঘৃণিত মিলনে বাধ্য করা হবে, তা হলে স্ত্রী তার বৈধ অধিকার প্রয়োগপূর্বক খুলা (Khula) তালাকের অধিকারিণী হবে অর্থাৎ খুলা তালাক দিতে পারবেন।
২,৮২৯.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণবিধি ও শিষ্টাচার অনুযায়ী প্রবীণনএবং নবীন আইনজীবীদের সম্পর্ক কেমন হবে?
  1. ঈর্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক
  2. শ্রদ্ধাশীলতা ও সহযোগিতামূলক
  3. আক্রোশ ও বিদ্বেষমূলক
  4. শত্রুতা বা বৈরিতাপূর্ন
ব্যাখ্যা

উত্তর:শ্রদ্ধাশীলতা ও সহযোগিতামূলক

⇒পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা,১ম অধ্যায়,বিধি ১০-জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীরা সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীন আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে। তদ্রুপ সিনিয়র আইনজীবীরা জুনিয়র আইনজীবীদের প্রতি সদয় ও সহযোগিতামূলক মনোভাব প্রদর্শণ করবেন।
---------------------------------------
⇒ Rule 10: Junior and younger members should always be respectful to senior and older members. The latter are expected to be not only courteous but also helpful to their junior and younger brethren at the Bar.

২,৮৩০.
‘Enrolment Committee' এর চেয়ারম্যানকে মনোনয়ন দেন কে?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
♦নিবন্ধন কমিটি গঠিত হবে ৫ জন সদস্য নিয়ে। নিবন্ধন কমিটির সদস্যরা হলো
   (i)  প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপীল বিভাগের ১ জন বিচারক যিনি নিবন্ধন কমিটির সভাপতি হবে।
   (ii)  প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের ২ জন বিচারক।
   (iii) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল।
   (iv) বার কাউন্সিলের সদস্যেদের মধ্যে হতে নির্বাচিত ১ জন।

অর্থাৎ ‘Enrolment Committee' এর চেয়ারম্যানকে মনোনয়ন দেন প্রধান বিচারপতি। 
২,৮৩১.
আদালত দৈনিক কার্য তালিকায় মোকদ্দমার চূড়ান্ত পর্যায়ে সর্বাধিক কয়টি মোকদ্দমা ধার্য্য করবেন?
  1. ১০০ টি
  2. ৭ টি
  3. ৭০ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুযায়ী চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনিক কার্যতালিকায় ৫টির বেশি মোকদ্দমা ধার্য্য করবেন না।
⇒ তবে আদালত দৈনিক কার্য তালিকায় মোকদ্দমার চূড়ান্ত পর্যায়ে ১০০ টির অধিক মোকদ্দমা ধার্য্য করবে না।
⇒ যদি চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা ৭০ টির নীচে আসে তাহলে আবার চূড়ান্ত পর্যায়ে আরো মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করবেন।
২,৮৩২.
কোন আঘাত সর্বনিম্ন কত দিন পর্যন্ত বেদনা দিলে মারাত্মক জখম বলে গণ্য হবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Grievous hurt:
Section 320. The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
২,৮৩৩.
Muslim sunni A has two children, B (son) and C (daughter). B dies before A, leaving two sons D and E. C survives A. At the time of succession, how will A’s property be divided?
  1. D gets everything; C gets nothing
  2. B’s portion is forfeited; C gets everything
  3. D and E share B’s portion equally; C gets her share
  4. All property is divided equally among D, E, and C
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:
A-এর দুই সন্তান আছে, B (ছেলে) এবং C (মেয়ে)। B A-এর আগে মারা যায় এবং B-এর দুই পুত্র সন্তান D ও E বেঁচে থাকে। C A-এর মৃত্যুর সময় বেঁচে থাকে। 

- এক্ষেত্রে, B-এর অংশ D ও E-এর মধ্যে সমান ভাগ হবে এবং C তার নিজস্ব অংশ পাবে।

মুসলিম পরিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৪ অনুযায়ী,
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার পূর্বে মৃত ব্যক্তির কোন পুত্র বা কন্যার মৃত্যু হলে, উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার সময় ঐ পুত্র বা কন্যার সন্তানাদি যদি জীবিত থাকে, তাহলে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা বণ্টনের সময় জীবিত থাকলে সে যে অংশ পেতো, তার সন্তানাদি সমষ্টিগতভাবে অনুরূপ অংশ পাবে। যা 'Doctrine of Representation' নীতি নামে পরিচিত।

Section 4: Succession:
In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.

২,৮৩৪.
The Evidence Act, 1872 অনুযায়ী সাক্ষী হিসাবে যোগ্যতার মানদণ্ড কী?
  1. শারিরীক সুস্থতা
  2. মোকদ্দমা সম্পর্কে জ্ঞান
  3. জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দিতে পারা
  4. প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া
ব্যাখ্যা
♦ আদালতের বিচার কার্যক্রমে কারা সাক্ষ্য দিতে পারবে সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।

♦ সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না; তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা ।
২,৮৩৫.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় একাধির ব্যক্তির অপরাধমূলক জ্ঞান [criminal knowledge] সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৬ ধারা
  4. ৩৭ ধারা
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ধারা ৩৫ – কোনো কাজ অপরাধ তখনই ধরা হবে, যদি তা অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায়সহ করা হয়:
যখন কোনো কাজ শুধুমাত্র অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায়সহ করায় তা অপরাধ হয়, এবং সেই কাজ একাধিক ব্যক্তি একত্রে করে, তখন যে প্রত্যেক ব্যক্তি ওই কাজের সাথে অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায়সহ যুক্ত হয়, সে ওই কাজের জন্য একইভাবে দায়ী হবে, যেমনটি সে নিজেই একা ঐ জ্ঞান বা অভিপ্রায়সহ কাজটি করত।

উদাহরণ:

তিনজন ব্যক্তি জানে যে তারা যে কাজটি করছে তা অবৈধ, এবং সবাই একসঙ্গে সেই কাজ সম্পন্ন করে। এ ক্ষেত্রে, তারা প্রত্যেকে সমানভাবে দায়ী হবে, যেন প্রত্যেকেই নিজে অপরাধটি করেছে।

২,৮৩৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে মধ্যস্থতাকারীদের (Mediators) তালিকা প্রস্তুত এবং হালনাগাদ করার দায়িত্ব কে রাখে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. সরকার
  3. জেলা জজ
  4. জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী, মধ্যস্থতাকারীদের (Mediators) তালিকা প্রস্তুত এবং হালনাগাদ করার দায়িত্ব জেলা জজের।
- জেলা জজ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির পরামর্শক্রমে তালিকা তৈরি করেন।
- তালিকায় থাকতে পারেন: প্যানেল সদস্য, অবসরপ্রাপ্ত জজ, এবং পক্ষগুলোর নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্যান্য যোগ্য উকিল।
- প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত কেউ মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না।

​⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।"
এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel:
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.

২,৮৩৭.
দলিল স্বীকারের নোটিশ অনুযায়ী পক্ষকে কত দিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করতে হয়?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ১২ বিধি ২: দলিল স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে পারে, যাতে বলা হয় যে, তারা পনেরো দিনের মধ্যে কোনো দলিল স্বীকার করবে, তবে উপযুক্ত ব্যতিক্রম ছাড়া। যদি অন্য পক্ষ তা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বা অবহেলা করে, তবে দলিল প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যেহেতু তারা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবে আদালত যদি অন্যভাবে নির্দেশ না দেয়।

Order-12 Rule-2: Notice to admit documents:

Either party may call upon the other party to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.
২,৮৩৮.
‘B’ একটি মামলায় অভিযুক্ত যে সে ‘C’-কে হত্যা করেছে। ‘C’ মৃত্যুর আগে তার বন্ধুকে বলেছিল, “ ‘B’ আমাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছে।” সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই বক্তব্য প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ৩২(১)
  2. ধারা ৩২(২)
  3. ধারা ৩২(৩)
  4. ধারা ৩২(৫)
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(১) অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যিনি মৃত, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম, বা যার উপস্থিতি অযৌক্তিক বিলম্ব বা খরচ ছাড়া সম্ভব নয়, তার লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য তখনই প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য, যদি বক্তব্যটি তার মৃত্যুর কারণ বা মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কিত হয় এবং মামলায় মৃত্যুর কারণ প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এই বক্তব্য প্রাসঙ্গিক থাকে, সে সময় ব্যক্তি মৃত্যুর প্রত্যাশায় ছিলেন কি না তা বিবেচ্য নয়।
→ এখানে ‘C’ মৃত্যুর আগে তার বন্ধুকে বলেছিল, “ ‘B’ আমাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছে।” এই বক্তব্য সরাসরি তার মৃত্যুর কারণ (ছুরি দিয়ে আঘাত) সম্পর্কিত এবং মামলায় ‘C’-এর মৃত্যুর কারণ প্রশ্নবিদ্ধ। তাই এই বক্তব্য ধারা ৩২(১)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
→ ধারা ৩২(২): এই ধারা প্রাসঙ্গিক যখন মৃত ব্যক্তির বক্তব্য ব্যবসায়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বা পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় লিখিত হয়, যেমন ব্যবসায়িক খাতায় এন্ট্রি বা পেশাগত নথি। এখানে ‘C’-এর বক্তব্য ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সাথে সম্পর্কিত নয়, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
→ ধারা ৩২(৩): এই ধারা প্রাসঙ্গিক যখন মৃত ব্যক্তির বক্তব্য তার আর্থিক বা সম্পত্তিগত স্বার্থের বিরুদ্ধে যায় বা তাকে ফৌজদারি মামলা বা ক্ষতিপূরণের মামলায় দায়ী করতে পারে। এখানে ‘C’-এর বক্তব্য তার স্বার্থের বিরুদ্ধে নয়, বরং তার মৃত্যুর কারণ বর্ণনা করে, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
→ ধারা ৩২(৫): এই ধারা প্রাসঙ্গিক যখন মৃত ব্যক্তির বক্তব্য রক্ত, বিবাহ বা দত্তক সম্পর্ক সম্পর্কিত হয় এবং বক্তব্যদাতার বিশেষ জ্ঞান থাকে। এখানে ‘C’-এর বক্তব্য সম্পর্ক সম্পর্কিত নয়, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
⇒ অর্থাৎ ‘C’-এর বক্তব্য তার মৃত্যুর কারণের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত এবং মামলায় মৃত্যুর কারণ প্রশ্নবিদ্ধ, তাই ধারা ৩২(১)-এর অধীনে এটি প্রাসঙ্গিক।

২,৮৩৯.
মুসলিম উত্তরাধিকারের নিয়ম অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান এবং একাধিক ভাই/বোন না থাকলে, মাতা সম্পত্তির ___________ পাবে।
  1. ১/৬ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/২ অংশ
  4. ১/৪ অংশ
ব্যাখ্যা
• শরীয়া আইন অনুযায়ী মাতা একজন কোরানিক অংশীদার। মৃত ব্যক্তির মাতা ৩ (তিন) ভাবে সম্পদ পাবেন, যথা-

১। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নেরই হউক, থাকলে অথবা যদি পূর্ণ, বৈমাত্রেয় বা বৈপিত্রেয় ভাই বা বোন থাকে তবে মাতা ছয় ভাগের এক ভাগ ( ১/৬) পাবেন।

২। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নের হউক না থাকে এবং যদি একজনের বেশি ভাই বা বোন না থাকে তবে মাতা তিন ভাগের এক ভাগ ( ১/৩) পাবেন।

৩। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নের হউক না থাকে অথবা কমপক্ষে দুইজন ভাইবোন না থাকে এবং যদি মৃত ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অংশ দেয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকবে তার তিন ভাগের এক ভাগ ( ১/৩) মাতা পাবেন।
২,৮৪০.
Section 3 of Limitation Act is not binding upon-
  1. FIR
  2. Plaint
  3. Appeal
  4. Petition
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।
-তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারী মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তবে ফৌজদারি আপিল, রিভিশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।
তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নমতে তামাদি আইনের ৩ ধারার বিধান FIR ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-------------
Section-3: Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation:
-Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence.

Explanation.-A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.
২,৮৪১.
এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য একজন প্রার্থীর ন্যূনতম বয়স কত হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972, Article 27 অনুযায়ী আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতাঃ
♦ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলী পূরণ করতে হবেঃ
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যরিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
২,৮৪২.
চুরির শর্ত নয় কোনটি?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. সম্পত্তির দখল
  3. অনুমতি ব্যতীত সম্পত্তি সরানো
  4. অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:

(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা।
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।

⇒ অর্থাৎ চুরির শর্ত মতে স্থাবর সম্পত্তি চুরি করা যায় না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
Theft:
Section 378. Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
২,৮৪৩.
মুসলিম আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রথম অধিকারী কারা হবেন?
  1. শাফি-ই-খালিত
  2. শাফি-ই-জার
  3. শাফি-ই-শরিক
  4. শাফি-ই-খালিক
ব্যাখ্যা
• Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-

১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ

এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তর কে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে।
২,৮৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫ অনুযায়ী, কে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনা করতে পারেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. সরকারি সলিসিটর
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(১) অনুযায়ী বলা হয়েছে “...but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.”
-  অর্থাৎ, নিম্নোক্ত ব্যক্তিবর্গ ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনা করতে পারেন:
১) অ্যাটর্নি জেনারেল
২) সরকারি সলিসিটর (Government Solicitor)
৩) পাবলিক প্রসিকিউটর
৪) অথবা সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো কর্মকর্তা
- তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকলে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.
২,৮৪৫.
"Veritas, a Quocunque Dictur, Deo Est" -এর দ্বারা কী বোঝায়?
  1. By to much altercarion truth is lost.
  2. Truth, by whom so ever pronounced, is from God
  3. The trodden path is the safest
  4. Violence is inimical to the laws
ব্যাখ্যা
"Veritas a Quocunque Dictur Deo Est"- এটি একটি Latin term.

Latin word "Veritas" অর্থ হলো Truth এবং "Deo Est" দ্বারা God-কে বোঝায়।
'Veritas a Quocurue Dictur Deo Est' অর্থ Truth, by whom so ever pronounced, is from God.

অর্থাৎ, সত্য কথা যেই বলুক, সেটা ঈশ্বর থেকেই আসে বা ঈশ্বরের প্রতিরূপ সত্য- তা বোঝায়।
২,৮৪৬.
সুপ্রীম কোর্ট কার অনুমোদন সাপেক্ষে অধঃস্তন আদালতের বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সংসদের
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. আপিল বিভাগের বিচারপতিদের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৭- সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

(৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।
২,৮৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, নিচের কোন আদালতের রিভিশনের ক্ষমতা নেই?
  1. দায়রা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. অতিরিক্ত দায়রা জজ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ, ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজ, এবং ৪৩৯ক(৩) ধারায় অতিরিক্ত দায়রা জজ-এর রিভিশন ক্ষমতা আছে। তবে যুগ্ম দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী, রিভিশনের ক্ষমতা নির্দিষ্ট আদালতের উপর ন্যস্ত করা হয়েছে। নিচে এই ক্ষমতা সম্পর্কিত বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
হাইকোর্ট বিভাগ (ধারা ৪৩৯): ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশনের ক্ষমতা রয়েছে। তারা নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশ পরীক্ষা করে ত্রুটি, অবৈধতা বা অন্যায় সংশোধন করতে পারে। এটি তাদের বিস্তৃত এখতিয়ারের অংশ।
দায়রা জজ (ধারা ৪৩৯ক): ধারা ৪৩৯ক অনুযায়ী, দায়রা জজেরও রিভিশনের ক্ষমতা রয়েছে। তারা তাদের অধীনস্থ আদালতের (যেমন, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত) রায় বা আদেশ পর্যালোচনা করতে পারেন। দায়রা জজের রিভিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়, এবং এর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায় না।
অতিরিক্ত দায়রা জজ (ধারা ৪৩৯ক(৩)): ধারা ৪৩৯ক(৩) অনুযায়ী, অতিরিক্ত দায়রা জজও রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, যদি দায়রা জজ সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে কোনো রিভিশন মামলা তাদের কাছে প্রেরণ করেন। এ ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত দায়রা জজ দায়রা জজের মতো একই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
যুগ্ম দায়রা জজ: ফৌজদারি কার্যবিধিতে যুগ্ম দায়রা জজের জন্য রিভিশনের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। তারা সাধারণত মূল বিচারিক কার্যক্রম (ট্রায়াল) পরিচালনা করেন, কিন্তু রিভিশন শুনানির এখতিয়ার তাদের নেই। এটি ফৌজদারি কার্যবিধির একটি স্পষ্ট বিধান।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা জজ এবং অতিরিক্ত দায়রা জজের রিভিশনের ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু যুগ্ম দায়রা জজের এই ক্ষমতা নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো যুগ্ম দায়রা জজ।

২,৮৪৮.
'ক' The Penal Code,1860 এর ৩২৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ১ (এক) বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। 'ক' উক্ত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আপিল দায়েরের শর্তে জামিনের আবেদন করেন। 'ক' এর দরখাস্তটি The Code of Criminal Procedure,1898 এর কত ধারার অধীন করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪২৮
  2. ধারা ৪২৬
  3. ধারা ৪২৭
  4. ধারা ৪২১
ব্যাখ্যা
আপিল চলমান থাকলে দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের জন্য ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। 

উক্ত ধারা অনুযায়ী আপিল চলমান থাকাকালে আপিল আদালতে যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেই দণ্ডাদেশ বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে এবং আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। বিচারিক আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি অনধিক ১ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান থাকলে এবং বিচারিক আদালত যদি মনে করে যে, উক্ত ব্যক্তি আপীল দায়ের করতে পারে তাহলে বিচারিক আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
হাইকোর্ট বিভাগ যদি সন্তুষ্ট হয় যে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে আপীল [leave to appeal] করার বিশেষ অনুমতি দেয়া হয়েছে, তখন হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ড দিয়েছে আপীল চলাকালীন সময় উক্ত দণ্ড স্থগিত বা আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
২,৮৪৯.
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে,কখন তা গুরুতর বলে গণ্য হবে না?
  1. যদি তা অভিযুক্তের বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে
  2. যদি তা ন্যায় বিচার ব্যাহত না করে
  3. পুলিশ গুরুতর মনে না করলে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কিছু বাদ পড়লে তা যদি অভিযুক্ত ব্যক্তির বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে এবং তা যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত না করে,তাহলে তা গুরুতর বলে গণ্য হবে না।

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৫ এ দেয়া আছে-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে তা যদি আসামির বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে এবং তা যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত না করে,তাহলে তা মামলার কোন পর্যায়ে গুরুতর বলে গণ্য হবে না।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ এ চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
> আদালত যদি মনে করেন যে,অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে,তা হলে নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন।
> এছাড়া কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা না গেলে,দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।
২,৮৫০.
The Registration Act, 1908 এর বিধানে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দলিল রেজিষ্ট্রির শাস্তি-
  1. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  2. অর্থদণ্ড
  3. ক ও খ উভয়েই
  4. ক অথবা খ
ব্যাখ্যা

⇒ The Registration Act, 1908 এর ধারা ৮২ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করেন বা এতে সহায়তা করেন, তাহলে তার শাস্তি হবে: সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে: গ) ক ও খ উভয়েই।

⇒ "নিবন্ধন আইন, ১৯০৮" এর ধারা ৮২ - মিথ্যা বিবৃতি দেওয়া, মিথ্যা অনুলিপি বা অনুবাদ সরবরাহ করা, মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করা এবং তাতে সহায়তা করার জন্য শাস্তি:
যদি কোনো ব্যক্তি—
(ক) এই আইনের অধীনে কোনো কার্যক্রম বা তদন্তে, এই আইন কার্যকর করার দায়িত্বে নিয়োজিত কোনো অফিসারের সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মিথ্যা বিবৃতি দেন, তা শপথের অধীনে হোক বা না হোক, এবং তা লিপিবদ্ধ করা হোক বা না হোক; অথবা
(খ) ১৯ ধারা বা ২১ ধারার অধীনে কোনো কার্যধারায় কোনো নিবন্ধনকারী অফিসারের নিকট ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো দলিলের মিথ্যা অনুলিপি বা অনুবাদ, অথবা কোনো মানচিত্র বা নকশার মিথ্যা অনুলিপি সরবরাহ করেন; অথবা
(গ) মিথ্যাভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির ছদ্মবেশ ধারণ করেন, এবং সেই ধারণকৃত চরিত্রে কোনো দলিল উপস্থাপন করেন, বা কোনো স্বীকারোক্তি বা বিবৃতি দেন, বা কোনো সমন বা কমিশন জারির কারণ হন, বা এই আইনের অধীনে কোনো কার্যক্রম বা তদন্তে অন্য কোনো কাজ করেন; অথবা
(ঘ) এই আইন দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোনো কাজে সহায়তা করেন;
তাহলে তিনি সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
---------
⇒ The Registration Act, 1908 Section 82 - Penalty for making false statements, delivering false copies or translations, false personation, and abetment:

Whoever- 
(a) intentionally makes any false statement, whether on oath or not, and whether it has been recorded or not, before any officer acting in execution of this Act, in any proceeding or enquiry under this Act; or 
(b) intentionally delivers to a registering officer, in any proceeding under section 19 or section 21, a false copy or translation of a document or a false copy of a map or plan; or 
(c) falsely personates another, and in such assumed character presents any document, or makes any admission or statement, or causes any summons or commission to be issued, or does any other act in any proceeding or enquiry under this Act; or 
(d) abets anything made punishable by this Act; 
shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years, or with fine or with both.

২,৮৫১.
জাল সরকারি স্ট্যাম্প বিক্রির শাস্তি কত ধারায় রয়েছে?
  1. ২৫৫ ধারা
  2. ২৫৭ ধারা
  3. ২৫৬ ধারা
  4. ২৫৮ ধারা
ব্যাখ্যা
• ২৫৫ ধারা- সরকারি স্ট্যাম্প জাল করার শাস্তি।
• ২৫৬ ধারা- সরকারি স্ট্যাম্প জাল করার যন্ত্রপাতি বা সামগ্রী দখলে রাখার শাস্তি।
• ২৫৭ ধারা- সরকারি স্ট্যাম্প জাল করার যন্ত্রপাতি প্রস্তুত অথবা বিক্রয় করার শাস্তি।
• ২৫৮ ধারা- জাল সরকারি স্ট্যাম্প বিক্রি করার শাস্তির বিধান উল্লেখ আছে।
২,৮৫২.
A, B-এর কাছ থেকে একটি গাড়ি ভাড়া নেন। গাড়িটি অনিরাপদ ছিল এবং B তা জানতেন না। A আহত হন। এই পরিস্থিতিতে কে দায়ী?
  1. 'A' নিজে
  2. 'B'
  3. উভয়ই
  4. কেউ না
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫০: মালামাল হস্তান্তরের ক্ষেত্রে জিম্মাদাতার দায়িত্ব-

ত্রুটির বিষয় অবহিতকরণ:
যদি জিম্মাদাতা (Bailor) জানেন যে হস্তান্তরিত পণ্যে এমন কোনো ত্রুটি আছে যা ব্যবহারকে ব্যাহত করে বা জিম্মাদারকে (Bailee) ঝুঁকির মুখে ফেলে, তবে তা তাকে জানানো বাধ্যতামূলক। তিনি যদি তা না জানান, এবং সেই কারণে বেইলির কোনো ক্ষতি হয়, তবে সেই ক্ষতির জন্য বেইলর দায়ী থাকবেন।

ভাড়ায় দেওয়া ক্ষেত্রে (For Hire):
যদি মালামাল ভাড়ায় দেওয়া হয়, তাহলে জিম্মাদাতা সেই ত্রুটির জন্য দায়ী হবেন - এমনকি তিনি যদি ত্রুটির বিষয়ে অবগত না থাকেন তবুও।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A একটি ঘোড়া B-কে ধার দেন, এবং জানেন ঘোড়াটি হিংস্র, কিন্তু বলেন না। ঘোড়াটি ছুটে যায় এবং B পড়ে গিয়ে আহত হন। A দায়ী হবেন।
(খ) A, B-এর কাছ থেকে একটি গাড়ি ভাড়া নেন। গাড়িটি অনিরাপদ, যদিও B তা জানতেন না। A আহত হন। B দায়ী হবেন।
২,৮৫৩.
শপথনামায় (affidavit) জনশ্রুতি বা বিতর্কমূলক বিষয় উল্লেখ করা হলে, আদালত ভিন্ন কোন আদেশ না দিলে তার খরচ কে বহন করবে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. আদালত
  4. যে পক্ষ তা দাখিল করেছে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৯ বিধি ৩: যেসকল বিষয়ে শপথনামা সীমাবদ্ধ থাকবে:
১) জবানবন্দিকারকের বিশ্বাস সম্পর্কিত বিবৃতি যে আবেদন পত্রের উপর গৃহীত হতে পারে উক্ত অন্তবর্তী আবেদন পত্রের ক্ষেত্র ব্যতীত জবানবন্দিকারক নিজস্ব জ্ঞানমতে প্রমাণ করতে সমর্থ হয়, এরূপ ঘটনাবলীতে শপথনামা সীমাবদ্ধ রাখতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উহার কারণসমূহ উল্লেখ করতে হবে।

২) যে শপথনামায় জনশ্রুতিমূলক বিষয় কিংবা বিতর্কমূলক কোন বিষয়, কিংবা দলিলের নকল বা অংশ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বর্ণনাকারে থাকে, উক্ত শপথনামার ব্যয় (যদি না আদালত অন্যরকম কোন আদেশ দিলে) যে পক্ষ তা দাখিল করেছে তাকেই বহন করতে হবে।

Order 19 Rule 3: Matters to which affidavits shall be confined-
1) Affidavits shall be confined to such facts as the deponent is able of his own knowledge to prove, except on interlocutory applications, on which statements of his belief may be admitted: Provided that the grounds thereof are stated.

2) The costs of every affidavit which shall unnecessarily set forth matters of hearsay or argumentative matter, or copies of or extracts from documents, shall (unless the Court otherwise directs) be paid by the party filing the same.
২,৮৫৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় সোলে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল চলে না এই বিধানটি রয়েছে?
  1. ৯৫
  2. ৯৬(২)
  3. ৯৬(৩)
  4. ৯৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।
⇒   অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না। যেহেতু আপীল চলবে না তাই রিভিশেন করা যাবে।
⇒  আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না তবে রিভিশন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না। যা ৮৯ক(১২) ধারায় উল্লেখ করা আছে।
⇒  দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
--------------
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
------------
⇒ CPC Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
২,৮৫৫.
রায়ের পূর্বে কোনো সম্পত্তি ক্রোক করা হলে, আদেশ ৩৮ বিধি ১০ অনুযায়ী কার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে না?
  1. আদালতের
  2. বিবাদীর
  3. মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের
  4. মোকদ্দমার পক্ষগণের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-১০: রায়ের পূর্বে ক্রোক আগন্তুকের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে না বা ডিক্রিদারকে বিক্রয়ের আবেদন করতে বারিত করে না:
রায়ের পূর্বে ক্রোক দ্বারা মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের ক্রোকের পূর্বে বিদ্যমান স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে না, বা ডিক্রির অধিকারী কোন ব্যক্তির বিবাদীর বিরুদ্ধে উক্ত ডিক্রি জারিতে ক্রোকের অধীন সম্পত্তি বিক্রয়ে আবেদন করতে বারিত করবে না।

Order 38 Rule 10: Attachment before judgment not to affect rights of strangers not bar decree-holder from applying for sale:
Attachment before judgment shall not affect the rights, existing prior to the attachment, of persons not parties to the suit, nor bar any person holding a decree against the defendant from applying for the sale of the property under attachment in execution of such decree.
২,৮৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৭৫ ধারায় কমিশন নিয়োগ দেয়া যায় না-
  1. স্থানীয় তদন্তের জন্য
  2. বাটোয়ারা করার জন্য
  3. স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
  4. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে-
(১) সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য;
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য;
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য;
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।

Section 75- Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts; or
(d) to make a partition.

অর্থাৎ স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য ৭৫ ধারায় কমিশন নিয়োগ দেয়ার বিধান নেই।
২,৮৫৭.
Civil Courts Act,1887 এর ৩ ধারায় কয় প্রকার দেওয়ানি আদালতের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ২ প্রকার
  4. ৪ প্রকার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট,১৮৮৭ এ বর্ণনা করা হয়েছে।অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

• সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
২,৮৫৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী, দলবদ্ধভাবে নারী বা শিশু ধর্ষণের ফলে যদি মৃত্যু ঘটে, তবে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তির কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড
  2. শুধুমাত্র যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি:

(১) যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
ব্যাখ্যা৷- যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তাহা হইলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৫) যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী ধর্ষণের শিকার] হন, তাহা হইলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষণের শিকার নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, তিনি বা তাহারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২,৮৫৯.
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় নিম্মলিখিত কে যোগ্য সাক্ষী বলে গণ্য হতে পারে
  1. শিশু
  2. অভিযুক্ত
  3. পাগল বা মানসিক রোগী [Lunatic]
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা অনুযায়ী শিশু বা পাগল বা মানসিক রোগী সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য। কোন মানসিক রোগী যোগ্য সাক্ষী হবে যদি সে এমন কোনো মানসিক অবস্থায় থাকে যখন সে তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে বা তার যুক্তি সংগত উত্তর দিতে সক্ষম, সেই ক্ষেত্রে উক্ত মানসিক রোগী যোগ্য সাক্ষী হবে। ♦অভিযুক্ত ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় আত্মসমর্থনে যোগ্য সাক্ষী।
২,৮৬০.
কোনটি অপহরণ (Abduction)?
  1. বাংলাদেশ হইতে মনুষ্য হরণ
  2. জোরপূর্বক কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হইতে গমনে বাধ্য করিলে
  3. আইনানুগ অভিভাবকত্ব হইতে মনুষ্য হরণ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ Section 362. Abduction:- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
২,৮৬১.
বাদী মুলতবির খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে মোকদ্দমার পরিণতি কী হবে?
  1. মোকদ্দমা খারিজ হবে
  2. মোকদ্দমা স্থগিত হবে
  3. মোকদ্দমা একতরফা নিষ্পত্তি হবে
  4. মোকদ্দমা পরবর্তী শুনানীর জন্য তারিখ দিবে
ব্যাখ্যা
⇒ আইনে মুলতুবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতুবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।

-দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে।আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

⇒ খরচ প্রদানে ব্যর্থতার ফলাফল:-
- ১৭ আদেশের ১নং বিধির অধীন আদালত বাদী পক্ষকে খরচ প্রদানের আদেশ দিলে এবং যদি বাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ [Dismissed the suit] করে দিতে পারে;
- আবার, বিবাদী পক্ষকে খরচ প্রদানের আদেশ দিলে এবং যদি বিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা সূত্রে নিষ্পত্তির [Disposed of ex parte] আদেশ দিতে পারে।
২,৮৬২.
দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ অনুযায়ী, সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শনের জন্য সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৯ ধারা অনুযায়ী, যে কেউ সরকারী কর্মচারীকে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে প্রভাবিত করার জন্য বা তাকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে ক্ষতিসাধনের হুমকি দেখায়, তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দ্বারা দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code-Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

২,৮৬৩.
আমমোক্তারনামার বিশুদ্ধতা সম্পর্কে আদালতের অনুমান The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারার অধীন?
  1. ৭৮
  2. ৭৯
  3. ৮০
  4. ৮৫
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ৮৫ ধারার অধীন আমমোক্তারনামার বিশুদ্ধতা সম্পর্কে আদালতের অনুমান হবে আইনগত অনুমান।
২,৮৬৪.
স্বীকৃতি (Admission) কি হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof)
  2. সাক্ষ্য (Evidence)
  3. প্রতিবন্ধকতা বা বাধা (Estoppel)
  4. কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

---------------
⇒ Section-31. Admissions not conclusive proof, but may stop: Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
২,৮৬৫.
একটি জমির মালিকানার উপর ভিত্তি করে দখল প্রাপ্তির জন্য A, B এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা হিসাবে উক্ত সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য A, B এর বিরুদ্ধে আরো একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে ২য় মোকদ্দমাটি-
  1. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে না
  2. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি পরোক্ষ রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে
  3. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস সাবজুডিস দ্বারা বারিত হবে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• মালিকানার উপর ভিত্তি করে A, B এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দিয়েছে। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা হিসাবে সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য A, B এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। এই ক্ষেত্রে ২য় মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive res judicata] দ্বারা বারিত হবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।

• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে, পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।
[Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].

অর্থাৎ পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।
২,৮৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্তের পূর্ববর্তী ভাল চরিত্র প্রাসঙ্গিক -
  1. সমস্ত প্রকার মামলায়।
  2. ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে।
  3. দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে।
  4. পারিবারিক মামলার ক্ষেত্রে।
ব্যাখ্যা
 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির পূর্ববর্তী ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।
- সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারার বিধান ফৌজদারী মোকদ্দমায় পূর্ববর্তী সচ্চরিত প্রাসঙ্গিক:- ফৌজদারী মোকদ্দমার অপরাধী ব্যক্তির চরিত্র যে উত্তম, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয়।
--------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 53: In criminal cases, previous good character relevant:
 In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
২,৮৬৭.
ফৌজদারি মামলায় নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক?
  1. পূর্ববর্তী খারাপ চরিত্র
  2. পূর্ববর্তী সৎচরিত্র
  3. ক এবং খ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

⇒ In criminal cases, previous good character relevant:

Section 53. In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
২,৮৬৮.
বিবাদী তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা তার দাবীর সমর্থনে তার দখলে থাকা যে সকল দলিলসমূহের উপর নির্ভর করে, সেই সকল দলিলসমূহ দাখিল করবে-
  1. প্রথম শুনানীর সময়
  2. লিখিত জবাব দাখিলের সময়
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের সময়
  4. যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ৮ বিধি (১)-

১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
২,৮৬৯.
কোন ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে?
  1. আসামি পলাতক এবং গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই
  2. আসামি জামিনে মুক্ত আছে
  3. আসামি আগাম জামিন নিয়েছে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫১২ (আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ)-

(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে ।

(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।

Section 512: Record of evidence in absence of accused
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown.-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.
 
২,৮৭০.
সরকার কর্তৃক কোন ব্যক্তি তার জমি হতে বেদখল হলে সে মামলা করতে পারে-
  1. দখল উদ্ধারের
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
  3. কেবল স্বত্ব ঘোষণার
  4. স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের
ব্যাখ্যা
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী সরকার কর্তৃক কোন ব্যক্তি তার জমি হতে বেদখল হলে সে কোন ভাবে সরকারের বিরুদ্ধে দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।
-কিন্তু উক্ত বেদখলকৃত ব্যক্তি ৮ এবং ৪২ ধারা অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারসহ স্বত্ব ঘোষণার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
-কারণ এই দুইটি ধারার অধীন সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরে কোন বাধা নেই।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি থেকে সরকার কর্তৃক অন্যায়ভাবে দখলচ্যুত হলে এবং দখলচ্যুত ব্যক্তি সম্পত্তির বৈধ মালিক বা দাবিদার হয়ে থাকলে: ৮ ও ৪২ ধারা অনুযায়ী স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা করতে পারবে।
২,৮৭১.
"বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেওয়ানী কার্যবিধিতে কোথায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২(৪) ধারায়
  2. ২(৬) ধারায়
  3. ২(৮) ধারায়
  4. ২(১০) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে- "বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
→ The Code of Civil Procedure, 1908 Section-2(8 )"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.
অর্থাৎ "বিচারক বা জজ" বলতে উল্লেখিত দেওয়ানি আদালতসমূহের প্রিজাইডিং অফিসারকে বুঝাবে।

উল্লেখ্য, সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
২,৮৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুযায়ী, কোন শর্তে একজন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করতে পারবেন?
  1. অপরাধের গুরুত্ব কম হলে
  2. মামলার সকল পক্ষ সম্মত হলে
  3. উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি থাকলে
  4. শুধুমাত্র সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৫৬: যে সকল মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে-
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না। কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

Section 556: Case in which Judge or Magistrate is personally interested
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। তবে উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারবে।
২,৮৭৩.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদের আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ আছে?
  1. ২৫
  2. ২৭
  3. ২৯
  4. ২৩
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৯ অনুচ্ছেদের বিধান আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- জব্দ করার তারিখ থেকে।
----------
The limitation Act-1908 Schedule-1 Article 29: For compensation for wrongful seizure of moveable property under legal process - One year from the date of Seizure.
২,৮৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৪ ধারা অনুসারে নিম্নের কোন ক্ষেত্রে সমন বা পরোয়ানা ইস্যু করা যায় না?
  1. যদি বাদীপক্ষ সাক্ষীদের তালিকা প্রদান না করে থাকে 
  2. যদি বাদীপক্ষের সকল সাক্ষী মামলা দায়েরের দিনে হাজির না থাকে
  3. যদি নালিশের সত্যতা নিয়ে কোনো সন্দেহ না থাকে
  4. বর্ণিত যেকোনো কারণই প্রযোজ্য হতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৪ অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেটের মতে,

i. মামলায় অগ্রসর হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে এবং
ii. এমন একটি মামলা বলে মনে হয়,যেক্ষেত্রে দ্বিতীয় তফসিলের চতুর্থ কলাম অনুসারে প্রথমে সমন ইস্যু করতে হবে, সেই ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হাজিরার জন্য সমন ইস্যু করবে।

কিন্তু যদি এমন একটি মামলা বলে মনে হয়, যেক্ষেত্রে চতুর্থ কলাম অনুসারে প্রথমে ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে হয়, সেই ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট-

i. ওয়ারেন্ট ইস্যু করবে বা
ii. যদি তিনি উপযুক্ত মনে করে, হাজির হওয়ার জন্য সমন ইস্যু করতে পারে।

•  অর্থাৎ সমন কেস হলে প্রথমে সমন দিবে কিন্তু ওয়ারেন্ট কেস হলে ওয়ারেন্ট দিবে। কিন্তু ওয়ারেন্ট কেসে প্রয়োজন মনে করলে সমনও দিতে পারে তবে, প্রসিকিউশন(বাদী) পক্ষের সাক্ষীর তালিকা জমা না দেওয়া পর্যন্ত কোন সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করবে না। [২০৪(১ক)]
২,৮৭৫.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি কমিউট (commute) করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. বিচারক
  3. সরকার
  4. সংসদ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি কমিউট (commute) করার ক্ষমতা সরকার এর আছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হলে, সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই এই শাস্তিকে দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অন্য যেকোনো শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.

২,৮৭৬.
ম্যাজিস্ট্রেটকে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যেতে পারে?
  1. আইন সংক্রান্ত বিষয়ে
  2. তার উপস্থিতিতে ঘটা কোনো ঘটনা সম্পর্কে
  3. আদালতের অধীনে তার নিজস্ব কার্যসম্পর্কিত
  4. আদালতের বাইরে ঘটে যাওয়া কোনো বিষয়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১২১: জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ [Judges and Magistrates]:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেট যোগ্য সাক্ষী এবং তারা ইচ্ছা করলে সাক্ষ্য দিতে পারে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট এবং জজ হিসাবে সম্পাদন করেছে এমন কোন কার্যসম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে তাদের বাধ্য করা যাবে না। কারণ ১২১ ধারায় জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

১২১ ধারা অনুযায়ী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে আদালতের অধীন, সেই আদালতের বিশেষ আদেশ ব্যতীত নিম্নলিখিত ২টি বিষয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে তাকে বাধ্য করা যাবে নাঃ
১. জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে উক্ত আদালতে তার নিজস্ব কোনো কার্য সম্পর্কে; বা
২. যে কোনো কিছু যা বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে সে আদালতে জানতে পারে।

⇒ যে ক্ষেত্রে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যায়:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে আদালতে তার নিজস্ব কার্য ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা যেতে পারে বা উক্ত পদের কর্তব্য পালনের সময় যে সব ঘটনা তার উপস্থিতিতে ঘটেছে, সেই গুলি সম্পর্কে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে। যেমন আদালতে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে খুন সংঘটিত হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত খুন সম্পর্কে যেকোন প্রশ্নের উত্তর দিতে উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যেতে পারে।
২,৮৭৭.
Under Section 85A, what is necessary for a digital agreement to be presumed valid?
  1. The presence of a physical signature.
  2. Notarization by a legal authority.
  3. The affixing of digital signatures by the parties.
  4. Submission of a hard copy in court.
ব্যাখ্যা
• Section 85A- Presumption as to agreements in digital forms:
The Court shall presume that every digital record purporting to be an agreement containing the digital signatures of the parties was so concluded by affixing the digital signature of the parties.

ধারা-৮৫ক: ডিজিটাল আকারে চুক্তির অনুমান:
আদালত অনুমান করবে, যে প্রতিটি ডিজিটাল রেকর্ড পক্ষগুলির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্বলিত একটি চুক্তি যা পক্ষগুলির ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত করে সম্পন্ন করা হয়েছিলো।
২,৮৭৮.
ধারা ৪১৩ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতি “তুচ্ছ মামলা” হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ১ মাস অথবা জরিমানা সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা হলে
  2. কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ১ মাস অথবা জরিমানা সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা হলে
  3. কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ৩ মাস অথবা জরিমানা সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা হলে
  4. কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ৬ মাস অথবা জরিমানা সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা হলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ১ মাস অথবা জরিমানা সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা হলে।

ধারা ৪১৩ – তুচ্ছ মামলায় আপিলের অধিকার নেই:
উপরের বিধানগুলো থাকা সত্ত্বেও, যে সকল ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তি তুচ्छ শাস্তি পেয়েছেন, সেখানে তিনি আপিল করতে পারবেন না।

যে ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে না:
যদি সেশন আদালত এক মাসের বেশি নয়—এমন মেয়াদের সাধারণ কারাদণ্ড (imprisonment) প্রদান করে, তবে সেই দণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

যদি সেশন আদালত, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা প্রথম শ্রেণির অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা প্রদান করেন, তবে সেই জরিমানার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।
 
ব্যাখ্যা: যদি আদালত জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে (default of payment of fine) কারাদণ্ড প্রদান করে, কিন্তু কোনো প্রকৃত (substantive) কারাদণ্ড না দেয়, তাহলে সেই ডিফল্ট কারাদণ্ডের বিরুদ্ধেও কোনো আপিল করা যাবে না।

২,৮৭৯.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে বিবাদী নিম্নলিখিত কোন যুক্তিটি আত্মপক্ষ সমর্থনের কারণ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে?
  1. কঠোরতা এবং অন্যায় সুবিধা
  2. অনিশ্চয়তা এবং ক্ষমতার অতিরিক্ত
  3. অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষমতার অতিরিক্ত
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদির প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardship সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরনের কোন কঠোরতায় জড়াবে না,
সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
--------------------------------
SR Act Section-22. Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
২,৮৮০.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর ১৮৯৮ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল করেন-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. আপীল বিভাগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল বা পরিবর্তন করে অন্য কোনো দণ্ড, এমনকি তা বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে।দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে,কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন।কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। 
অর্থাৎ,মৃতুদণ্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এর ৩৭৪ ধারার অধীন অনুমোদন নিতে হবে।৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড বিষয়ে বা তার নির্দোষিতা বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করতে পারবেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দন্ড দিতে পারেন,বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত,অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।
২,৮৮১.
যদি বিক্রেতা বিক্রয়ের পরে সম্পত্তিতে অতিরিক্ত কোনো স্বার্থ (interest) অর্জন করেন, তবে The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৮(ক) অনুসারে ক্রেতার অধিকার কী?
  1. সেই স্বার্থ বাতিল করতে পারেন
  2. চুক্তি বাতিল করতে পারবেন
  3. চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারবেন
  4. বিক্রেতাকে নতুন স্বার্থ থেকে চুক্তি পূরণে বাধ্য করতে পারেন
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৮: ত্রুটিপূর্ণ শিরোনামের বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার/ভাড়াটিয়ার অধিকার:
যে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি করলে এবং তার সেই সম্পত্তিতে কেবল ত্রুটিপূর্ণ শিরোনাম (imperfect title) থাকে, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে (যদি অন্যথা এই অধ্যায়ে বলা না হয়) নিম্নলিখিত অধিকার থাকবে:

(ক) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া বিক্রয় বা ভাড়ার পরে সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ অর্জন করেন, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়া তাকে সেই স্বার্থ থেকে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারে।

(খ) যেখানে শিরোনামের বৈধতার জন্য অন্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন এবং তারা বিক্রেতার/ভাড়াটিয়ার অনুরোধে স্থানান্তর করতে বাধ্য, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়া বিক্রেতাকে সেই সম্মতি প্রাপ্তির জন্য বাধ্য করতে পারে।

(গ) যেখানে বিক্রেতা দাবি করেন যে সম্পত্তি ঋণমুক্ত (unencumbered), কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি একটি মর্টগেজে বন্ধকী এবং সেই মর্টগেজের পরিমাণ ক্রয়মূল্যের সমান বা কম, এবং বিক্রেতার কেবল redeem করার অধিকার থাকে, ক্রেতা তাকে মর্টগেজ রিডিম করতে এবং মর্টগেজদাতার কাছ থেকে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে বাধ্য করতে পারে।

(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া চুক্তি পূরণের জন্য মামলা করেন এবং সেই মামলা তার অপরিপূর্ণ শিরোনামের কারণে খারিজ হয়ে যায়, তখন বিপক্ষের অধিকার থাকবে:
- তার জমা দেওয়া অর্থ (deposit) ফেরত পাওয়া, সুদসহ,
- মামলার খরচ ফেরত পাওয়া, এবং
- বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার সম্পত্তিতে চুক্তি অনুযায়ী তার জমা, সুদ ও খরচের উপর lien থাকা।

২,৮৮২.
The Evidence Act, 1872 এর ৬৫ ধারানুযায়ী দলিলের অস্থিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু সর্ম্পকে কয়টি ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করা হয়েছে?
  1. ৭টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে।
- সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপ:
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
-------------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section-65. Cases in which secondary evidence relating to documents may be given:
Secondary evidence may be given of the existence, condition or contents of a document in the following cases:–
(a) when the original is shown or appears to be in the possession or power-
of the person against whom the document is sought to be proved, or of any person out of reach of, or not subject to, the process of the Court, or
of any person legally bound to produce it, and when, after the notice mentioned in section 66, such person does not produce it;
(b) when the existence, condition or contents of the original have been proved to be admitted in writing by the person against whom it is proved or by his representative in interest;
(c) when the original has been destroyed or lost, or when the party offering evidence of its contents cannot, for any other reason not arising from his own default or neglect, produce it in reasonable time;
(d) when the original is of such a nature as not to be easily moveable;
(e) when the original is a public document within the meaning of section 74;
(f) when the original is a document of which a certified copy is permitted by this Act, or by any other law in force in Bangladesh to be given in evidence;
(g) when the originals consist of numerous accounts or other documents which cannot conveniently be examined in Court, and the fact to be proved is the general result of the whole collection.
২,৮৮৩.
Factum Valet নীতি প্রয়োগের জন্য কোনটি প্রয়োজন?
  1. সরকারি অনুমোদন
  2. ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন
  3. আদালতের অনুমতি
  4. সামাজিক অনুমোদন
ব্যাখ্যা
→ Factum Valet নীতি অনুযায়ী, আইন বা শাস্ত্রীয় বিধান ভঙ্গ করা হলেও, তা বৈধ হিসেবে গৃহীত হতে পারে যদি সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় বা প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানাদি যথাযথভাবে পালন করা হয়।
- Factum Valet নীতি অনুযায়ী, কিছু আইন বা বিধি যা অনুসরণ করা আবশ্যক বা নির্দেশনারূপে দেওয়া থাকে, সেগুলি যদি অমান্য করা হয়, তবে সেই কাজটি অদ্বিতীয়ভাবে অবৈধ বা বেআইনি বলে গণ্য করা হয় না। এর পরিবর্তে, কাজটি বৈধ হিসেবে গৃহীত হতে পারে, যদি এটি যথাযথ ধর্মীয় বা প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানাদি অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়।

Factum Valet নীতির মূল দৃষ্টিকোণ:
Directory Provision vs. Mandatory Provision: আইনের বিধান দুটি ভাগে বিভক্ত করা যায়—একটি হল নির্দেশাত্মক বিধান (Directory provisions) এবং অন্যটি হল অবশ্য পালনীয় বিধান (Mandatory provisions)।

নির্দেশাত্মক বিধান: এগুলি আইনের সুপারিশমূলক বিধান, যার অমান্য করলেও কাজটি বৈধ হতে পারে। Factum Valet নীতি এই বিধানেই প্রয়োগ হয়।
অবশ্য পালনীয় বিধান: এগুলি আইনের কঠোর বিধান, যার অমান্য করা হলে কাজটি বেআইনি হিসেবে গণ্য হয় এবং তা আর বৈধ করা যায় না।

ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন: Factum Valet নীতির প্রয়োগের জন্য, কাজটি বিধি অনুযায়ী অদ্বিতীয় হলেও, যদি সেই কাজটি সম্পাদন করার জন্য প্রয়োজনীয় ধর্মীয় বা আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানগুলি যথাযথভাবে পালন করা হয়, তাহলে কাজটি বৈধ বলে গণ্য করা হয়।

Factum Valet নীতির শর্ত
এই নীতি প্রয়োগের জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়:
- প্রয়োজনীয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও রীতি পালন করতে হবে।
- কৃতকার্য অবৈধ বা নিষিদ্ধ হওয়া উচিত নয়।
- নির্দেশাত্মক বিধান লঙ্ঘন করে কাজটি করা হলে তা বৈধ হবে, কিন্তু অবশ্য পালনীয় বিধান লঙ্ঘন করলে তা বৈধ হবে না।

Factum Valet নীতির উদাহরণ:
হিন্দু আইনে এই নীতির বেশ কিছু প্রয়োগ দেখা যায়:
বিবাহ সংক্রান্ত:
- হিন্দু ধর্মমতে, অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া বিবাহ হওয়া উচিত নয়। কিন্তু যদি কোনো বিবাহ অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই হয়ে যায়, তবে Factum Valet নীতি অনুযায়ী সেই বিবাহ বৈধ বলে গণ্য হয়।
দত্তক গ্রহণ সংক্রান্ত:
- হিন্দু শাস্ত্রমতে, কোনো ব্যক্তি তার একমাত্র সন্তানকে দত্তক দিতে পারেন না। কিন্তু যদি কেউ এই বিধান লঙ্ঘন করে একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেন, তবে Factum Valet নীতি অনুযায়ী সেই দত্তক বৈধ বলে গণ্য হয়।
বহু বিবাহ সংক্রান্ত:
- হিন্দু আইনে একাধিক স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও যদি কোনো ব্যক্তি পুনরায় বিবাহ করে, তবে Factum Valet নীতি অনুযায়ী সেই বিবাহ বৈধ বলে গণ্য হয়।
২,৮৮৪.
যেই মামলা একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য, সেই মামলা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কাকে নোটিশ দিতে হবে?
  1. অভিযোগকারীকে
  2. আসামী পক্ষকে
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তাকে
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫(গ) তে যে মামলাসমূহ একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য,সেই সকল মামলার স্থানান্তর সম্পর্কে বলা হয়েছে।অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে যদি ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তাহলে তিনি-

> মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
> জামিন সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানসমূহের শর্ত সাপেক্ষে আসামিকে হেফাজতে রাখার জন্য প্রেরণ করবেন;
> সাক্ষ্যের জন্য উপস্থাপন করতে হবে এরূপ দলিলাদি এবং জিনিসপত্র(যদি থাকে) তা সহ আদালতে প্রেরণ করবেন;
> পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ দিবেন
২,৮৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় কী সম্পর্কে বলা আছে ?
  1. সমন জারি
  2. গ্রেফতারের পদ্ধতি
  3. আটক ব্যক্তিদের তল্লাশী
  4. মহিলাদের দেহ তল্লাশী
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
♦ গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান গ্রেফতারের পদ্ধতি: (১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধঃ এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।

♦ ৪৬ ধারার ২ উপধারা মতে, অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য গ্রেফতারকারী ব্যক্তি তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে। এটা, গ্রেফতার কার্যকরী করার জন্য নিয়োগ প্রাপ্ত অন্য ব্যক্তিবর্গের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
২,৮৮৬.
সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মামলায় বাদী সরকার হলে মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৬০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাদী সরকার হলে সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মামলা করার তামাদি মেয়াদ ৬০ বছর।

- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৯ এর বিধান সুপ্রীম কোর্টের মূল এখতিয়ারাধীন মামলা ব্যতীত সরকার কর্তৃক সরকারের পক্ষে দায়েরকৃত কোন মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৬০ বৎসর।
২,৮৮৭.
নিম্নের কোনটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে কৃত কর্ম
  2. অবৈধ সমাবেশ গঠনে কৃত কর্ম
  3. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করা
  4. অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা করা
ব্যাখ্যা
♦  দণ্ডবিধির ৪র্থ অধ্যায়ে ফৌজদারী দায়ের সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু কার্য এবং কার্যবিরতিকে [Acts and omission] ফৌজদারী দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ সকল কার্য বা কার্যবিরতি গুলোকে ফৌজদারী দায়ের সাধারণ ব্যতিক্রম [General Exceptions) বলে।

♦ দণ্ডবিধির ৯৬ ধারার বিধান আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদিত কার্য :- আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগজনিত কোন কার্যই অপরাধ নয়।

♦Section 96. Things done in private defence :- Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence.
২,৮৮৮.
দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারা অনুসারে, পাবলিক রাস্তায় দ্রুতগতি বা অবহেলায় গাড়ি চালিয়ে গুরুতর আঘাত করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৮ক অনুসারে, পাবলিক রাস্তায় দ্রুতগতি বা অবহেলায় গাড়ি চালিয়ে বা চড়ে গুরুতর আঘাত (যেমন পায়ের অস্থিভঙ্গ) করলে শাস্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারা: জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করা:
যে ব্যক্তি বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে কোন ব্যক্তিকে এমন গুরুতর আঘাত করে যাতে মনুষ্যজীবন ও অন্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 338A- Causing grievous hurt by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes grievous hurt to any person by driving any vehicle, or riding on any public way so rashly or negligently as to endanger human life, or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

২,৮৮৯.
ধারা ২৬৪ক অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচার প্রক্রিয়া কোথায় করা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আদালতের কক্ষে
  2. শুধুমাত্র জেল হেফাজতে
  3. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. আদালতের এখতিয়ারাধীন যেকোনো স্থানে
ব্যাখ্যা

ধারা ২৬৪ক – সংক্ষিপ্ত বিচারের বিশেষ প্রক্রিয়া (Special Procedure for Summary Trials)
ধারা ২৬২-এ যা কিছু থাকুক না কেন, চার্জ তৈরি করা, প্রমাণ রেকর্ড করা, অভিযুক্তের পরীক্ষা (ধারা ৩৪২ অনুযায়ী), এবং রায় ঘোষণার কাজ যদি সম্ভব হয়, তবে একই সেশনে এবং আদালতের এখতিয়ারাধীন যে কোনো স্থানে সম্পন্ন করা যেতে পারে।

২,৮৯০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণিত হতে পারে?
  1. ৬৪ক ধারা
  2. ৬৫ক ধারা
  3. ৬৫খ ধারা
  4. ৬৬ক ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা মতে ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের জন্য বিশেষ বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬৫খ এর বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে।
------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section-65A: Special provisions as to evidence relating to digital record: -The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.

⇒ The Evidence Act,1872: Section-65B: Admissibility of Digital Records:
- (1)
Notwithstanding anything contained in this Act, any information contained in a digital record which is printed on a paper, stored, recorded or copied in optical or magnetic media produced by a computer (hereinafter referred to as the computer output) shall be deemed to be also a document, if the conditions mentioned in this section are satisfied in relation to the information and computer in question and shall be admissible in any proceedings, without further proof or production of the original, as evidence of any contents of the original or of any fact stated therein of which direct evidence would be admissible.
-(2) The conditions referred to in sub-section (1) in respect of a computer output shall be the following, namely :
(a) the computer output containing the information was produced by the computer during the period over which the computer was used regularly to store or process information for the purposes or any activities regularly carried on over that period by the person having lawful control over the use of the computer;
(b) during the said period, information of the kind contained in the digital record or of the kind from which the information so contained is derived was regularly fed into the computer in the ordinary course of the said activities;
(c) throughout the material part of the said period, the computer was operating properly or, if not, then in respect of any period in which it was not operating properly or was out of operation during that part of the period, was not such as to affect the digital record or the accuracy of its contents; and
(d) the information contained in digital record reproduces or is derived from such information fed into the computer in the ordinary course of the said activities.

-(3) Where over any period, the function of storing or processing information for the purposes of any activities regularly carried on over that period as mentioned in clause (a) of sub-section(2) was regularly performed by computers, whether-
(a) by a combination of computers operating over that period; or
(b) by different computers operating in succession over that period; or
(c) by different combinations of computers operating in succession over that period; or
(d) in any other manner involving the successive operation over that period, in whatever order, of one or more computers and one or more combinations of computers,
all the computers used for that purpose during that period shall be treated for the purposes of that section as constituting a single computer; and references in this section to a computer shall be construed accordingly.

-(4) In any proceedings where it is desired to give a statement in evidence by virtue of this section, a certificate containing any of the following things, that is to say,-
(a) identifying the digital record containing the statement and describing the manner in which it was produced;
(b) giving such particulars of any device involved in production of that digital record as may be appropriate for the purpose of showing that the digital record was produced by a computer;
(c) dealing with any of the matters to which the conditions mentioned in sub-section (2) relate,
and purporting to be signed by a person occupying a responsible official position in relation to the operation of the relevant device or the management of the relevant activities (whichever is appropriate) shall be evidence of any matter stated in the certificate; and for the purposes of this sub-section it shall be sufficient for a matter to be stated to the best of the knowledge and belief of the person stating it.

-(5) For the purposes of this section,-
(a) information shall be taken to be supplied to a computer if it is supplied thereto in any appropriate form and whether it is so supplied directly or (with or without human intervention) by means of any appropriate equipment;
(b) whether in the course of activities carried on by any official, information is supplied with a view to its being stored or processed for the purposes of those activities by a computer operated otherwise than in the course of those activities, that information, if duly supplied to the computer, shall be taken to be supplied to it in the course of those activities;
(c) a computer output shall be taken to have been produced by a computer whether it was produced by it directly or (with or without human intervention) by means of any appropriate equipment.
Explanation:-For the purposes of this section any reference to information being derived from other information shall be a reference to its being derived therefrom by calculation, comparison or any other process.
২,৮৯১.
ORDER-XIV এর Rule 8 অনুসারে বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পর শুনানির তারিখ ধার্য করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ORDER-XIV এর Rule 8 অনুসারে, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পর, আদালত ১২০ দিনের মধ্যে মামলার শুনানির তারিখ ধার্য করতে হবে।
- এর মানে, একবার বিচার্য বিষয় প্রণীত হলে, তারপর ১২০ দিনের মধ্যে মামলার শুনানি শুরু করতে হবে। এর মাধ্যমে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আদালত একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে।

→ ORDER-XIV Rule 8: Fixed Date for Final Hearing:
After the issues are framed in a suit, the court must fix a date for the final hearing of the suit within one hundred and twenty days from the date of framing the issues.
২,৮৯২.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৬৩ অনুযায়ী কোনটি 'secondary evidence' নয়?
  1. সহিমোহর নকল
  2. মূল দলিল এর প্রত্যয়িত ফটোকপি
  3. মূল দলিলের কার্বন কপি
  4. দলিলের প্রত্যক্ষদর্শীর মৌখিক বিবরণ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারার বিধান প্রাথমিক/মূখ্য সাক্ষ্য:
প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।

ব্যাখ্যা-১: কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য  কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথাঃ মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য (each is primary evidence of the contents of the rest), কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল (copies of a common original), সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।

অর্থাৎ, ৬২ ধারার ব্যাখ্যা ২ অনুযায়ী একই পদ্ধতি বা একই সমকালে প্রস্তুত মুদ্রন, লিথোগ্রাফি, ফটোগ্রাফি ইত্যাদি প্রথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
যেহেতু মূল দলিলের কার্বন কপি মূল দলিলের সাথে একই সময় একসাথে তৈরি করা হয়। সেক্ষেত্রে মূল দলিলের কার্বন কপি প্রথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

সব কিছু বিবেচনার পরে উত্তর গ (মূল দলিলের কার্বন কপি) অধিকতর গ্রহণযোগ্য হওয়ায়।  উত্তর গ গ্রহণ করা হলো।
--------------------------

♦ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(১) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।

উদাহরণ:
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
২,৮৯৩.
'ক' একজন পুলিশ অফিসার। ‘খ’ দস্যুতা সংঘটনের পরিকল্পনা করছে জেনেও অপরাধ সংঘটনের সুযোগদানের ইচ্ছায় 'ক' তথ্য গোপন করে এবং তা প্রতিরোধ করে না। এখানে 'ক' ধারার অধীনে দন্ডিত হবেন?
  1. ১১৭
  2. ১১৮
  3. ১১৯
  4. ১২০
ব্যাখ্যা
♦ অপরাধ সংঘটন নিরোধের দায়িত্বে থাকা কোন সরকারি কর্মচারী উক্ত অপরাধ নিবারণের জন্য কোন পদক্ষেপ না নিয়ে যদি বরং উক্ত অপরাধের ষড়যন্ত্র গোপন করে তাহলে তিনি দন্ডবিধির ১১৯ ধারার অধীনে দন্ডিত হবেন।

♦ দণ্ডবিধির ১১৯ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী কর্তৃক এমন অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে ষড়যন্ত্র গোপনকরণ যাহা নিবারণ করা তাহার কর্তব্যঃ
যদি এমন কোন ব্যক্তি, যিনি একজন সরকারী কর্মচারী, যে অপরাধ দমন করাই সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার কর্তব্য এমন একটি অপরাধ সংঘটনের সুবিধা বিধানের উদ্দেশ্যে, অথবা তার কার্যের কর্তৃক অনুরূপ একটি অপরাধ সংঘটনের সুবিধা বিহিত হবে জানা সত্ত্বেও কোন কার্য কর্তৃক অথবা কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব গোপন করে অথবা অনুরূপ ষড়যন্ত্র সম্পর্কে এমন কোন বিবরণ দান করে যে, ষড়যন্ত্রটি সম্পর্কে মিথ্যা বলে সে জানে ৷
অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে (If offence be committed):-
যদি অপরাধ অনুষ্ঠিত হয় তবে সে ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধের জন্য বিহিত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ড অনুরূপ অপরাধের জন্য বিহিত কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধাংশ পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের হবে, অথবা সে ব্যক্তি অর্থ দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে,
অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ হয় (If offence be punishable with death, etc):-
অথবা অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে;
অপরাধ অনুষ্ঠিত না হওয়ার ক্ষেত্রে (If offence be not committed) :-
যদি অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় তবে সে ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধের জন্য বিহিত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ড অনুরূপ অপরাধের জন্য বিহিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক- চতুর্থাংশ পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের হবে, অথবা অনুরূপ অপরাধের জন্য বিহিত অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ এক্ষেত্রে 'ক' দন্ডবিধির ১১৯ ধারার অধীনে অপরাধ করেছে। কেননা দস্যুতা সংঘটনের খবর জানার পর তার দায়িত্ব ছিল তা নিবারণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া। কিন্তু তিনি তা না করে বরং তথ্য গোপন করেছে। তাই তিনি ১১৯ ধারার অধীনে অপরাধে সহায়তার অপরাধে দোষী হবে।
২,৮৯৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা অনুসারে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ কোন অংশের জন্য দেওয়া হয়?
  1. সম্পূর্ণ চুক্তি
  2. ক্ষুদ্রতর অসম্পাদিত অংশ
  3. বৃহত্তর অসম্পাদিত অংশ
  4. কোনো অংশ নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৪ অনুযায়ী, যখন চুক্তির একটি ক্ষুদ্রতর অংশ অনিবার্য কারণে সম্পাদন করা সম্ভব হয় না, এবং সেই অংশ মূল্য হিসেবে সামান্য ও অর্থের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়, তখন আদালত চুক্তির বৃহত্তর ও সম্পাদনযোগ্য অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন, এবং বাকি ক্ষুদ্রতর অসম্পাদিত অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান: কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.

২,৮৯৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে রায়সিদ্ধ দেনাদারের গ্রেফতারের পরোয়ানা বাতিল করা যায়?
  1. দেনাদারের আবেদনের ভিত্তিতে
  2. আদালতের স্বাভাবিক বিবেচনায়
  3. দেনাদারের গুরুতর অসুস্থতার কারণে
  4. দেনাদারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির কারণে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী "At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued, the Court may cancel it on the ground of his serious illness."
অর্থাৎ, যদি কোনো রায়সিদ্ধ দেনাদার গুরুতর অসুস্থ হন, তাহলে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারের পরোয়ানা বাতিল করতে পারেন। এটি একটি মানবিক ও ন্যায়সঙ্গত বিধান, যা অসুস্থ রায়সিদ্ধ ব্যক্তিকে অযথা হয়রানি থেকে রক্ষা করে।
- অতএব, সঠিক উত্তর হলো: গ) দেনাদারের গুরুতর অসুস্থতার কারণে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে। 
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি:
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।
৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 59. Release on ground of illness.
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness. 
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison. 
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom- 
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or 
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness. 
(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
২,৮৯৬.
সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পূর্বে কত দিনের লিখিত নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ (১) অনুযায়ী, যদি কেউ সরকার বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো দেওয়ানি মামলা করতে চান, তবে তাকে মামলা দায়েরের আগে কমপক্ষে দুই মাস (৬০ দিন) পূর্বে একটি লিখিত নোটিশ দিতে হবে।
এই নোটিশে থাকতে হবে:
- মামলার কারণ (cause of action),
- বাদীর নাম, বিবরণ ও বাসস্থান,
- এবং বাদী যে প্রতিকার বা দাবি করছেন তা।

এই নোটিশটি প্রদান করতে হবে:
- সাধারণ সরকারের বিরুদ্ধে হলে: সরকারের সচিব বা জেলা কালেক্টরকে
- রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলায়: রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারকে
- সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হলে: সেই কর্মকর্তাকে বা তাঁর অফিসে
এছাড়াও, মামলার অর্জিতে (plaint) এই নোটিশ প্রদান বা পাঠানোর বিষয়ে একটি বিবৃতি থাকতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ - নোটিশ:
(১) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিম্নের অফিসসমূহের লিখিত নোটিশ দেয়ার বা পাঠানোর দুইমাস অতিবাহিত হবার পরে মামলা দায়ের করা চলবে—
খ) ১. সরকারে বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলা ব্যতিত - অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের সচিব অথবা জেলা কালেক্টর এবং
২. রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ের জেনারেল ম্যাজোর এবং কোন সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে তাকে বা তার অফিসে মামলার কারণ, বাদীর নাম ও বাসস্থানের ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবী করে তা উল্লেখ করে নোটিশ দিতে হবে এবং অনুরূপ নোটিশ দেয়া হয়েছে বা পাঠানো হয়েছে বলে আরজিতে একটি বিবৃতি থাকতে হবে।
(২) যে ক্ষেত্রে উপরি-উল্লেখিত মতে নোটিশ না দিয়া বা না পাঠায়ে অথবা উল্লেখিত দুই মাস মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কোন মামলা দায়ের করা হয়, অথবা যেই ক্ষেত্রে আরজিতে উক্ত রূপ নোটিশ প্রদান বা পাঠানের বিষয়ে কোন বিবৃতি থাকে না, সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারী কর্মকর্তা বাদীর দাবী মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ নোটিশ ছাড়া কোন মামলা দায়ের করতে হলে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য আদালত সরকারকে কমপক্ষে তিন মাস সময় মঞ্জর করবেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Saction 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-
(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
২,৮৯৭.
আপীল আদালতে আপীলের পক্ষগণ-
  1. মৌখিক সাক্ষ্য দিতে পারে
  2. দালিলিক সাক্ষ্য দিতে পারে
  3. মৌখিক এবং দালিলিক উভয় সাক্ষ্য দিতে পারে
  4. আদালত অনুমতি না দিলে মৌখিক বা দালিলিক কোন সাক্ষ্যই উপস্থাপন করতে পারে না
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৪১ বিধি-২৭ এর বিধান আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান। ১) । আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি

ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা

খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করার অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।

♦ অর্থাৎ বিশেষ প্রেক্ষাপটে যেমন রায়ের সুবিধার্থে বা আদালতের অনুমতি নিয়ে আপীল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।
২,৮৯৮.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীন 'শিশু'র বয়স অনূর্ধ্ব কত বছর?
  1. ১৬ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪ ধারা-
 
বিদ্যমান অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অনুর্ধ্ব ১৮ (আঠার) বৎসর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গণ্য হইবে।
২,৮৯৯.
 A, B-কে তার জমি নিলামে বিক্রির জন্য প্রতিনিধি নিযুক্ত করে এবং একজন নিলামকারী নিয়োগ করতে বলে। B, C-কে নিলামকারী হিসেবে নিয়োগ করে। C-এর অবস্থা কী?
  1. C তৃতীয় পক্ষ
  2. C, A-এর প্রতিনিধি
  3. C উপ-প্রতিনিধি
  4. C স্বাধীন ঠিকাদার
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৯৪ খুব স্পষ্টভাবে বলে যে— যখন কোনো এজেন্ট (B) মূল কর্তৃপক্ষ (A) থেকে স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (express বা implied authority) পায় যে সে অন্য কাউকে (C) দিয়ে নির্দিষ্ট কাজ করাতে পারবে, তখন সেই ব্যক্তি (C) উপ-প্রতিনিধি (Sub-agent) নয়, বরং সরাসরি মূল কর্তৃপক্ষের (A) প্রতিনিধি (Agent) হয়।

Illustration (a) —
যদি A, B-কে বলে যে— “তুমি আমার জমি নিলামে বিক্রি করবে এবং এজন্য তুমি একজন নিলামকারী নিয়োগ করবে।”
 তখন B, C-কে নিলামকারী নিয়োগ করলে C হয় A-এর প্রতিনিধি।
C কখনোই B-এর অধীনস্থ উপ-প্রতিনিধি নয়।
- তাই প্রশ্নে সঠিক উত্তর হচ্ছে: খ) C A-এর প্রতিনিধি (উপ-প্রতিনিধি নয়)
--------
⇒ The Contract Act, 1872 section-194. Relation between principal and person duly appointed by agent to act in business of agency:
 Where an agent, holding an express or implied authority to name another person to act for the principal in the business of the agency, has named another person accordingly, such person is not a sub-agent, but an agent of the principal for such part of the business of the agency as is entrusted to him. 

Illustrations
(a) A directs B, his solicitor, to sell his estate by auction, and to employ an auctioneer for the purpose. B names C, an auctioneer, to conduct the sale. C is not a sub-agent, but is A's agent for the conduct of the sale. 
 
(b) A authorizes B, a merchant in Chittagong, to recover the moneys due to A from C & Co. B instructs D, a solicitor, to take legal proceedings against C & Co. for the recovery of the money. D is not a sub-agent, but is solicitor for A.

২,৯০০.
'ক' এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়। আদালত কার নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী উক্ত মামলা আমলে নিতে পারে?
  1. সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের
  2. হাইকোর্ট বিভাগের
  3. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃক্ষের
  4. দায়রা আদালতের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৯৬ ধারা অনুযায়ী-
রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে।

• ১৯৭ ধারা অনুযায়ী-
বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবেনা।

• ১৯৮ ধারা অনুযায়ী-
দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।

• ১৯৯ ধারা অনুযায়ী-
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার অধীন ব্যভিচার [Adultery] বা ৪৯৮ ধারায় অপরাধজনক উদ্দেশ্যে বিবাহিত নারীকে প্ররোচিত করে নিয়ে যাওয়া অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীর স্বামী কর্তৃক বা স্বামীর অনুপস্থিতিতে উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় যে সকল লোকজন উক্ত মহিলাকে দেখাশোনা করতো, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমলে নেয়া যাবে।