বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ২৮ / ১৫৫ · ২,৭০১২,৮০০ / ১৫,৪৭০

২,৭০১.
X এবং Y’র মধ্যে ধান কেনাবেচার অংশীদারিত্ব ব্যবসা ছিল। Y অভিযোগ করে যে, সে ৫০০ মন ধান নিজ টাকায় কিনে X’কে ওই ধান বিক্রি করার জন্য দেয় কিন্তু X বিক্রির টাকা Y’কে না দিয়ে আত্মসাৎ করে। X কে কোন ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা যায়?
  1. ৪০৩
  2. ৪০৬
  3. ৪০৭
  4. ৪১৫
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪০৫ মতে অপরাধমুলক বিশ্বাসভঙ্গ হল কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ করেছে।
♦The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪০৬ মতে অপরাধমূল বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তিঃ কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 
♦অর্থাৎ X কে ৪০৬ ধারার অধীন অপরাধমুলক বিশ্বাসভঙ্গ জন্য দোষী সাব্যস্ত করা যায়।
২,৭০২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯ অনুসারে মামলা দায়েরের স্থান নির্বাচনের অধিকার কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. বাদীকে
  2. উকিলকে
  3. বিবাদীকে
  4. আদালতকে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯-এর মাঝে বলা হয়েছে, "বাদী তার ইচ্ছা অনুসারে দুই আদালতের যেকোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে"।
সুতরাং, এই ধারা অনুযায়ী মামলা দায়েরের স্থান নির্বাচনের একক অধিকার বা option দেওয়া হয়েছে বাদী-কে। বাদীই সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি কোন আদালতে মামলা দায়ের করবেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান- ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
কোনো ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে অনিষ্ট সাধন করা হলে এবং বিবাদী অপর আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করলে, বাদী তার ইচ্ছা অনুসারে দুই আদালতের যেকোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) ক-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে ‘খ’-কে ঢাকায় মারধর করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'ক’, এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
(খ) 'ক' চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং ঢাকায় ‘খ’ সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে “ক” এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-19. Suits for compensation for wrongs to person or movables:
- Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts.

Illustrations:
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka. B may sue A either in Dhaka or in Chittagong.
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.

২,৭০৩.
Under Section 344 of The Penal Code, wrongful confinement for how many days or more is punishable?
  1. 5 days
  2. 7 days
  3. 10 days
  4. 15 days
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
২,৭০৪.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules 1972-এর ২৮ বিধি অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের প্রথম সভা আহ্বান করবেন কে?
  1. বার কাউন্সিলের সদস্য
  2. বার কাউন্সিলের সভাপতি
  3. বার কাউন্সিলের সম্পাদক
  4. বার কাউন্সিলের নির্বাচিত চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-এর ২৮ বিধি অনুযায়ী:
- বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে।
- এই সভা আহ্বানের দায়িত্ব বার কাউন্সিলের সম্পাদক-এর উপর বর্তায়।
- সভাটি পরিচালনা করবেন একজন সদস্য, যিনি সভার চেয়ারম্যান হিসেবে ভোটে নির্বাচিত হবেন।
অতএব, বার কাউন্সিলের প্রথম সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সম্পাদক।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.
২,৭০৫.
মক্কেল একাধিক আইনজীবী নিয়োগ করতে চাইলে কী করা উচিত?
  1. বাধা দেওয়া
  2. তাকে নিরুৎসাহিত করা
  3. স্বাধীনভাবে নিয়োগ করতে দেওয়া
  4. বিচারকের কাছে অভিযোগ করা
ব্যাখ্যা

• "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে। অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য;
২য় অধ্যায়- মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব।

অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ:
১. আইনজীবী হিসেবে নিজের ব্যক্তিগত মর্যাদা এবং পেশার মর্যাদা সমুন্নত রাখা আইনজীবীর কর্তব্য।

২. নিজের পেশাগত কোনো বিজ্ঞাপণ প্রচার করতে পারবে না; তবে, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা ডাইরেক্টরিতে নাম তালিকাভুক্তিতে বাধা নিন।

৩. পেশাগত কাজের যোগান দেয়ার জন্য কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ বা বেতন দিতে পারবে না।

৪. আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে প্রতিপক্ষের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে না।

৫. প্রতিপক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে বা মামলার বিচারাধীন বিষয়ের কপি বা নথি প্রদান করে তা আদালতের সামনে উপস্থাপন করবে না।

৬. মক্কেল একটি মামলার ক্ষেত্রে একাধিক আইনজীবী নিয়োগ করতে চাইলে, আইনজীবী নিয়োগের ক্ষেত্রে মক্কেলকে বাধা দেওয়া যাবে না।

৭. আইনজীবীগণ নিজেদের মধ্যে বিবাদ পরিহার করে চলবে।

৮. আইনজীবীগণ কাজের বিষয়ে সম্পাদিত সুস্পষ্ট চুক্তির নীতিমালা অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে ফিস বণ্টন করবেন।

৯. এটর্নি জেনারেলের কার্যাবলী সমুন্নত রাখা প্রত্যেক আইনজীবীর কর্তব্য।

১০. জুনিয়র আইনজীবীগণ সিনিয়র আইনজীবীদের সম্মান করবে এবং সিনিয়র আইনজীবীগণ জুনিয়র আইনজীবীদের কাজের ক্ষেত্রে সহায়তা করবে।

১১. একটি মামলায় একাধিক আইনজীবী থাকলে জৈষ্ঠ্য আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবে।

২,৭০৬.
যে সকল আদালত এবং ব্যক্তির সম্মুখে হলফনামা করা যেতে পারে তা ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৪০
  2. ধারা ৫৪২
  3. ধারা ৫৩৯
  4. ধারা ৫৪৫
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯- যেসব আদালত ও ব্যক্তির সম্মুখে হলফনামা করা যায়

হাইকোর্ট ডিভিশন বা হাইকোর্ট ডিভিশনের কোন অফিসারের নিকট ব্যবহার্য এফিডেভিট ও প্রতিজ্ঞা সম্পর্কে উক্ত হাইকোট বিভাগে বা রাষ্ট্রের করণিকের সামনে কিংবা উক্ত আদালতের দ্বারা এ উদ্দেশ্যে নিযুক্ত কোন কমিশনার বা অন কোন ব্যক্তির সামনে কিংবা কোন জজের সামনে বা বাংলাদেশে কোন কোট অব রেকর্ডে এফিডেভিট গ্রহণকারী কোন কমিশনারের সামনে শপথ করা যাবে এবং এর সত্যতা ঘোষণা করা যাবে।

Section 539- Courts and persons before whom affidavits may be sworn
Affidavits and affirmations to be used before High Court Division or any officer of such Court may be swom and affirmed before such Court or the Clerk of the State or any Commissioner or other person appointed by such Court for that purpose, or any Judge, or any Commissioner for taking affidavits in any Court of Record in Bangladesh.
২,৭০৭.
According to Order 22 Rule 9, what happens if a suit abates or is dismissed under this order?
  1. A fresh suit can be filed on the same cause of action
  2. A fresh suit cannot be filed on the same cause of action
  3. The plaintiff can automatically continue the suit
  4. The defendant can refile the case with modifications
ব্যাখ্যা
Order 22 Rule 9: Effect of abatement or dismissal:
1) Where a suit abates or is dismissed under this Order, no fresh suit shall be brought on the same cause of action.

2) The plaintiff or the person claiming to be the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver in the case of an insolvent plaintiff may apply for an order to set aside the abatement or dismissal; and if it is that he was prevented by any sufficient cause from continuing the suit, the Court shall set aside the abatement or dismissal upon such terms as to costs or otherwise as it thinks fit.

3) The provisions of sections 4 and 5 of the Limitation Act, 1908 shall apply to application under sub-rule (2).

আদেশ ২২ বিধি ৯- বিলুপ্তি কিংবা খারিজের ফলাফল:
১) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমা এই আদেশের অধীনে বিলুপ্তি বা খারিজ হয় সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার একই কার্যকারণে নতুন কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

২) বাদি কিংবা মৃত বাদির বৈধ প্রতিনিধি হিসাবে দাবীদার ব্যক্তি বা অসচ্ছলতা বাদির ক্ষেত্রে বা রিসিভার বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করার আদেশের জন্য আবেদন করতে পারে এবং যদি এটি প্রমাণিত হয় যে, সে মোকদ্দমা পরিচালনা পর্যাপ্ত কারণে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল তবে আদালত মোকদ্দমার খরচাদি সম্পর্কে তার বিবেচনায় এরূপ শর্তাধীনে বা অন্য কোনভাবে বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করবে।

৩) উপবিধি (২) এর অধীনে আবেদন পত্রের ক্ষেত্রে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৪ এবং ৫ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।
২,৭০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫২৫ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে বিচারক পচনশীল সম্পত্তি বিক্রি করার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. যখন সম্পত্তির মূল্য দশ টাকার বেশি হয়
  2. যখন সম্পত্তি কোন অপরাধে ব্যবহার হয়েছে
  3. যখন সম্পত্তির মালিককে খুঁজে পাওয়া না যায়
  4. যখন সম্পত্তি বিক্রির জন্য মালিকের অনুমতি থাকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যখন সম্পত্তির মালিককে খুঁজে পাওয়া না যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- বিচারক নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে পচনশীল সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিতে পারেন—
যখন সম্পত্তির মালিক অজ্ঞাত বা অনুপস্থিত থাকেন: যদি সম্পত্তির প্রকৃত মালিক কে, তা জানা না যায় বা তিনি উপস্থিত না থাকেন, তাহলে বিচারক বিক্রির অনুমতি দিতে পারেন।
যখন সম্পত্তি দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে: যদি সম্পত্তিটি পচনশীল (perishable) বা দ্রুত নষ্ট হওয়ার উপযোগী হয়, তাহলে বিচারক সেটি বিক্রি করার নির্দেশ দিতে পারেন।
যখন সম্পত্তির মূল্য দশ টাকার কম হয়: বিচারক যদি মনে করেন যে সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম, তাহলে সেটি বিক্রি করা হলে মালিকেরই সুবিধা হবে।
এছাড়া, বিক্রির পর ৫২৩ ও ৫২৪ ধারার বিধান অনুযায়ী ওই অর্থ ব্যবস্থাপনা করা হবে, যা পরবর্তীতে মালিক চিহ্নিত হলে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে।

→ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-ধারা ৫২৫- পচনশীল সম্পত্তি বিক্রি করার ক্ষমতা:
যদি এমন সম্পত্তির অধিকারী ব্যক্তি অজ্ঞাত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তিটি দ্রুত পচনশীল বা প্রাকৃতিকভাবে বিক্রি হয়ে যায়, অথবা যদি বিচারক যার কাছে সম্পত্তির বাজেয়াপ্তি রিপোর্ট করা হয়েছে, তিনি মনে করেন যে, এর বিক্রি মালিকের জন্য উপকারী হবে, অথবা যদি এমন সম্পত্তির মূল্য দশ টাকা অপেক্ষা কম হয়, তবে বিচারক যে কোনো সময় এটি বিক্রি করার নির্দেশ দিতে পারেন; এবং ধারা ৫২৩ ও ৫২৪-এর বিধানগুলি, যতটা সম্ভব, এই বিক্রির নিট আয় এর সাথে প্রযোজ্য হবে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
২,৭০৯.
দখলকারীকে মালিক নয় বলে দাবী করলে প্রমাণ‑দায়িত্ব (burden of proof) কার উপর বর্তায়?
  1. দখলকারীর
  2. আদালতের
  3. যে ব্যক্তি মালিকানা অস্বীকার করছে
  4. উল্লিখিত সকলের
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার মালিক কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।

Section-110- Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
২,৭১০.
দণ্ডবিধির ______ ধারার বিধান অনুযায়ী আইনবলে বাধ্য বিশ্বাসকারী ব্যক্তি কর্তৃক সরল মনে সম্পাদিত কার্য অপরাধ হিসেবে গন্য হবে না।
  1. ৭৬
  2. ৮৬
  3. ৯৬
  4. ৭৯
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত: বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনত: বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।
(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।

Section 76: Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.

Illustrations:
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence.
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.
২,৭১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ অনুযায়ী তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পুলিশ কর্মকর্তার দাখিলকৃত প্রতিবেদনটির নাম কী?
  1. Complaint
  2. Policy Diary 
  3. Case Diary 
  4. Charge Sheet
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ অনুযায়ী, তদন্ত শেষে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক আদালতে দাখিলকৃত প্রতিবেদনকে পুলিশ রিপোর্ট বলা হয়। এই রিপোর্ট দুই ধরনের হতে পারে:
১. চার্জশিট (Charge Sheet) – যখন তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার সুপারিশ করা হয়।
২. ফাইনাল রিপোর্ট (Final Report) – যখন তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হয় না বা মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়।
- প্রশ্নে উল্লেখ আছে “অভিযোগ প্রমাণিত হলে” – সেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা চার্জশিট দাখিল করবেন, যা অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উপস্থাপন করে এবং বিচারের সূত্রপাত ঘটায়।
অর্থাৎ অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্ত শেষে পুলিশ কর্মকর্তার দাখিলকৃত প্রতিবেদনকে চার্জশিট (Charge Sheet) বলা হয়।

২,৭১২.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার , ১৯৭২ এর ৩২ আদেশ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল পেশাগত বা অন্য কোন অসদাচরণের জন্য দোষী অ্যাডভোকেটকে কী শাস্তি দিতে পারে না?
  1. তিরস্কার
  2. সাময়িক অপসারণ
  3. ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড
  4. আইন পেশা হতে অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
ট্রাইব্যুনাল দোষী অ্যাডভোকেটকে কী কী শাস্তি দিতে পারেন

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972:- ৩২ আদেশ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল পেশাগত বা অন্য কোন অসদাচরণের জন্য সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেটকে তিরস্কার (Reprimand), সাময়িক অপসারণ (Suspend) এবং আইন পেশা হতে অব্যাহতি (Remove) প্রদান সংক্রান্ত শাস্তি প্রদান করতে পারবে।
- ট্রাইব্যুনালে মামলা চলাকালীন সময়ে ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেটকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করতে পারবে।
উল্লিখিত প্রশ্নেমতে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার , ১৯৭২ এর ৩২ আদেশ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল পেশাগত বা অন্য কোন অসদাচরণের জন্য দোষী অ্যাডভোকেটকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দিতে পারে না।
অর্থাৎ ট্রাইব্যুনাল দোষী অ্যাডভোকেটকে অর্থদণ্ড দিতে পারেন না।
----------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972, Order-32. (1) An advocate on the roll may, in the manner hereinafter provided, be reprimanded, suspended or removed from practice if he is found guilty of professional or other misconduct.
(2) Upon receipt of a complaint made to it by any Court or by other person that any such advocate has been guilty of misconduct, the Bar Council shall, if it does not summarily reject the complaint, refer the case for disposal to a Tribunal constituted under Article 33 (hereinafter referred to as the Tribunal) and may of its own motion so refer any case in which it has otherwise reason to believe that any such advocate has been so guilty.
২,৭১৩.
'ক' একটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমান করতে চায়। 'ক' কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে-
  1. দলিলটি নিবন্ধিত
  2. দলিলের বিবরন
  3. দলিলটি হারিয়ে গিয়েছে
  4. দলিলটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হয়ে গেছে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে (Cases in which secondary evidence relating to documents may be given): মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যাবে যদি-
i) দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে তার আয়ত্তে আছে বা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা সেই ব্যক্তির দখলে আছে যে ব্যক্তি দলিলটি পেশ করতে বাধ্য কিন্তু নোটিশ পাওয়া সত্ত্বেও দাখিল করছে না।
ii) দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে সে ব্যক্তি দলিলটির অস্তিত্ব লিখিত ভাবে স্বীকার করে নিয়েছে।
iii) মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে বা নষ্ট হয়ে গেছে।
iv) দলিলটি সহজে স্থানান্তরযোগ্য না হলে।
v) মূল দলিলটি সরকারী দলিল হলে।
vi) দলিলটির জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের নিয়ম থাকলে।
vii) মূল দলিলের পরীক্ষা আদালতের জন্য সুবিধাজনক না হলে।

⇒ অর্থাৎ 'ক' একটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমান করতে চায়। এই ক্ষেত্রে ক' কে অবশ্যই প্রমন করতে হবে দলিলটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
২,৭১৪.
যখন একজন ব্যক্তি অন্য একজন ব্যক্তিকে কোনো কিছু করতে বা না করতে তার ইচ্ছা জানান, তার উদ্দেশ্য হলো সেই ব্যক্তির সম্মতি আদায় করা - একে বলা হয়:
  1. চুক্তি (Contract)
  2. প্রস্তাব (Proposal)
  3. প্রতিশ্রুতি (Promise)
  4. বিবেচনা (Consideration)
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872 এর ধারা 2(a) অনুযায়ী “যখন একজন ব্যক্তি অন্যজনকে জানায় যে তিনি কিছু করবেন বা করবেন না, এবং এর উদ্দেশ্য থাকে অন্যজনের সম্মতি অর্জন করা—তখন একে প্রস্তাব (Proposal) বলা হয়।”
- যদি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়, তবে প্রস্তাবটি প্রতিশ্রুতি (Promise) তে পরিণত হয়।
- আর প্রতিশ্রুতি ও বিবেচনা মিলে গেলে সেটি হয় চুক্তি (Contract)।
----------
⇒ The Contract Act, 1872 section 2(a) When one person signifies to another his willingness to do or to abstain from doing anything, with a view to obtaining the assent of that other to such act or abstinence, he is said to make a proposal:

২,৭১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় "Personal bars to the relief" সংক্রান্ত বিধান আছে?
  1. ১৮
  2. ২৪
  3. ২৩
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী চুক্তি পালনে ৪টি ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বাধার কথা বলা হয়েছে। যথা-
- ক্ষতিপূরণ আদায় অসম্ভব,
- পূর্বে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে,
- চুক্তি পালনে অক্ষম,
- পূর্বেই বিষয় বস্তু নিষ্পত্তি হয়েছে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান: প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
-চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না:
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেচে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
-----------------
⇒ SR Act Section-24.Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favour of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject-matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
২,৭১৬.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কত ধারায় ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতার বিধান আছে?
  1. ধারা ১১
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৪
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১৪- ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা ইত্যাদির সাক্ষ্যমূল্য:
কোন পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত কোন অপরাধ সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোন ঘটনার চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোন কথাবার্তা বা আলাপ আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র বা টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধের বিচারে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে৷
২,৭১৭.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী সালিসি পরিষদের চেয়ারম্যান কে হতে পারেন?
  1. পৌরসভার চেয়ারম্যান
  2. সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
  3. ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
  4. উপরের সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ২ অনুযায়ী, সালিসি পরিষদের চেয়ারম্যান হতে পারেন-
- ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,
- পৌরসভার চেয়ারম্যান, অথবা
- সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।
অর্থাৎ, উপরের তিনটির মধ্যে যেকোন একজন সালিসি পরিষদের চেয়ারম্যান হতে পারেন।
- তাই সঠিক উত্তর হলো “উপরের সবাই”।

⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ২-এ "Arbitration Council" বা সালিশি পরিষদের সংজ্ঞা ও গঠন পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে সালিশি পরিষদ তিনজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে:-
- একজন চেয়ারম্যান (যিনি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান/মেয়র হবেন)।
- প্রত্যেক পক্ষের ১ জন করে প্রতিনিধি, অর্থাৎ দুই পক্ষের সম্মতিতে ২ জন প্রতিনিধি থাকবেন।

তাছাড়া, ধারা ২-এ আরও বলা হয়েছে:
- যদি কোনো পক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিনিধি মনোনীত করতে ব্যর্থ হয়, তবে সে পক্ষের প্রতিনিধি ছাড়া সালিশি পরিষদ গঠিত হবে।
- যদি চেয়ারম্যান অমুসলিম হন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে সালিশি পরিষদের একজন মুসলিম সদস্যকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হবে।

২,৭১৮.
‘ক’ এর প্ররোচনায় সরকারি কর্মচারী ‘খ’ তার জিম্মায় থাকা সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেছে। ‘ক’ এর কি শান্তি হতে পারে?
  1. কোন শাস্তি হবে না
  2. ‘খ’ এর সমান শাস্তি
  3. ‘খ’ এর অর্ধেক শাস্তি
  4. ‘খ’ এর দ্বিগুণ শাস্তি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ধারা ১০৯ অনুযায়ী ভিন্ন কোন শাস্তির বিধান উল্লেখ না থাকলে প্ররোচনাকারী এবং অপরাধকারী সমান শাস্তি পাবে। 
২,৭১৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৪০ অনুযায়ী, একটি দলিল দ্বারা যদি বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং তার একটি অংশ বাতিলযোগ্য হয়, তবে কী হবে?
  1. পুরো দলিল বাতিল হবে
  2. শুধু বাতিলযোগ্য অংশ বাতিল হবে
  3. পুরো দলিল বলবৎ থাকবে
  4. আদালত কোনো প্রতিকার দিতে পারবে না
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।

অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।

২,৭২০.
সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় কোন নীতির প্রতিফলন হয়েছে?
  1. Test Identification Parade
  2. Res-judicata
  3. Double Jeopardy
  4. Non Res Gestae
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ এজাহারে অনেক সময় আসামির নাম উল্লেখ না করে অভিযোগকারী আসামিকে দেখলে চিনবেন এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন। তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা এই আসামি সনাক্তকরণ মহড়ার জন্য আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেন।

⇒ P.R.B-282 অনুযায়ী TI Parade বলতে বুঝায় যে, “কোন সন্দেহভাজন আটককৃত অপরাধের সাথে জড়িত অভিযুক্ত আসামিকে জেলখানার  ভিতরে বাদী এবং সাক্ষী কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে  নির্ধারিত দিন ও তারিখে সনাক্তকরণের জন্য যে মহড়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয় তাহাকেই টি আই প্যারেড বা টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন প্যারেড বা সনাক্তকরণ মহড়া বলে।”

⇒ নির্ধারিত তারিখে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারীকে হাজির করার এবং সেই সাথে যারা সন্দেহজনক ভাবে অভিযুক্ত (একাধিক ব্যক্তি) তাদের হাজির করার নির্দেশ দেন আদালত। তখন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জেলহাজতে রাখার আদেশ প্রদান পূর্বক সনাক্তকরণ মহড়ার তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করে আদেশ দেন। লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এখানে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারী যেন টিআই প্যারেড এরপূর্বে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কে কোনক্রমে দেখার সুযোগ না পায়। শুধুমাত্র এই টি আই প্যারেড চলাকালীন সময়ে তাদেরকে দেখবেন। তারপর সাক্ষী বা ভিকটিম বা অভিযোগকারী শনাক্ত করবেন আসল অপরাধী কে? এই মহড়াকে টি আই প্যারেড বলে।
২,৭২১.
‘ক’ একজন নাবালক ব্যক্তি। ‘ক’ এর অভিভাবক হিসাবে কোন ব্যক্তি উপযুক্ত না হলে বা অভিভাবক হিসাবে কোন কাজ করতে ইচ্ছুক না হলে, আদালত কাকে ‘ক’ এর অভিভাবক নিয়োগ করবে?
  1. যে কোন ব্যক্তিকে
  2. রাষ্ট্র পক্ষের উকিলকে
  3. আদালতের কোন কর্মচারীকে
  4. সরকারী উকিলকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩২ অনুযায়ী নাবালকের পক্ষে মোকদ্দমা পরিচালনার বিষয়ে বলা আছে।
⇒ আদেশ ৩২ এর বিধি ৪ (৪) অনুযায়ী নাবালক যদি বিবাদী হয় এবং তার পক্ষে কোন অভিভাবক পাওয়া না গেলে আদালতের কোন কর্মচারীকে অভিভাবক হিসেবে নিয়োগ করবেন।
⇒ আদেশ ৩২ এর বিধি ৪ (৪) তে বলা হয়েছে , যেক্ষেত্রে অন্য কোন ব্যক্তি মামলার অভিভাবক হিসাবে কাজ করার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক নাই, সেক্ষেত্রে আদালত তার কোন কর্মচারীকে অনুরূপ অভিভাবক নিযুক্ত করতে পারেন এবং নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত কর্মচারীকে বা কোন এক বা একাধিক পক্ষ কর্তৃক বহন করতে হবে, অথবা নাবালকের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন তহবিল আদালতে থাকলে তা হতে খরচ হবে এবং ন্যায় বিচার ও অবস্থার পয়োজনে অনুরূপ খরচার পরিশোধ বা মেনে নেয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারেন।
----------------------------
⇒ (4) Where there is no other person fit and willing to act as guardian for the suit, the Court may appoint any of its officers to be such guardian, and may direct that the costs to be incurred by such officer in the performance of his duties as such guardian shall be borne either by the parties or by any one or more of the parties to the suit, or out of any fund in Court in which the minor is interested, and may give directions for the repayment or allowance of such costs as justice and the circumstances of the case may require.
২,৭২২.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের তৃতীয় বিভাগে কোন অনুচ্ছেদগুলো অন্তর্ভুক্ত?
  1. ১ থেকে ১৪৯
  2. ১৫০ থেকে ১৫৭
  3. ১৪৭ থেকে ১৪৯
  4. ১৫৮ থেকে ১৮৩
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিল (The First Schedule)-এ মোট তিনটি বিভাগ রয়েছে, প্রতিটি বিভাগে বিভিন্ন ধরণের আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
- এই বিভাগে বিভিন্ন দরখাস্ত ও আবেদন (applications and petitions) দায়েরের তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এটি অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিস্তৃত।
উদাহরণ: আদালতে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন, কার্যক্রম পুনরুজ্জীবনের আবেদন, রায় কার্যকর করার আবেদন ইত্যাদির তামাদি মেয়াদ এই বিভাগে নির্ধারিত।

অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের তৃতীয় বিভাগ মূলত দরখাস্ত ও আবেদন দাখিলের তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করে এবং এটি অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- তাই সঠিক উত্তর: ঘ) ১৫৮ থেকে ১৮৩।
২,৭২৩.
The Civil Courts Act, 1887 অনুসারে দেওয়ানী আদালতসমূহ কত প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালতের প্রকারভেদ:
দেওয়ানী আদালতসমূহের গঠন সম্পর্কে সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ সালের ৩ ধারায় বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ The Civil Courts Act, 1887 অনুযায়ী দেওয়ানী আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ সালের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, ৫ প্রকারের দেওয়ানী আদালত থাকবে;
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge];
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge];
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge];
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge];
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]।
২,৭২৪.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৩ ধারার বিধান কী?
  1. Ground for eviction of raiyats
  2. Rights of raiyat in respect of use of land
  3. Limitation of transfer of holding
  4. Devolution of holding on the death of a raiyat
ব্যাখ্যা
⇒ Section 83.Rights of raiyat in respect of use of land: A raiyat shall have the right to occupy and use the land comprised in his holding in any manner he likes.
-------
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৩ ধারার বিধান রায়তের ভূমি ব্যবহার সম্পর্কিত অধিকার: কোনো রায়তের তাহার জোতের অন্তর্ভুক্ত ভূমি তাহার ইচ্ছামাফিক ভোগ-দখল করার অধিকার থাকিবে।
২,৭২৫.
What is the Expert’s duty according to Section 45A(2) of The Evidence Act, 1872?
  1. To assist the Court
  2. To submit the report to all the parties
  3. To assist the party requesting the expert’s testimony
  4. To submit the report to the party on whose behalf the expert is examined
ব্যাখ্যা
Section 45A- Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.

(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.

সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান: শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।

(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
২,৭২৬.
মিথ্যা বা তুচ্ছ অভিযােগ এর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়াও,ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তিকে অনধিক কত দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারেন?
  1. অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে
  2. অনধিক ৩ মাসের কারাদণ্ডে
  3. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ডে
  4. অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতি পূরনের আদেশ দেওয়া হবে না।

ফরিয়াদি / সংবাদ দাতা/ অভিযােগকারীর কারন দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্যা তুচ্ছ ও বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ আসামিকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

• ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
২,৭২৭.
নিচের কোনটি চুক্তির বৈশিষ্ট্য নয়-
  1. আইনগত প্রতিদান
  2. চুক্তি সম্পাদন যোগ্যতা
  3. বলপূর্বক সম্মতি
  4. উদ্দেশ্যের বৈধতা
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত প্রশ্নে বলপূর্বক সম্মতি চুক্তির বৈশিষ্ট্য নয়।

একটি বৈধ চুক্তির কিছু বৈশিষ্ট্য হলো:
- স্বাধীন সম্মতি (Free Consent) : চুক্তির জন্য প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অবশ্যই স্বাধীন হবে। চুক্তি আইনে ১৪ ধারা মতে - কোন সম্মতি বল প্রয়োগ, অনুচিত প্রভাব, মিথ্যা বর্ণনা, প্রতারণা বা ভুলের বশবর্তী না হয়ে প্রদত্ত হলে তাকে স্বাধীন সম্মতি বলে। স্বাধীন সম্মতি না থাকলে চুক্তি বাতিলযোগ্য হবে।

- আইনগত সম্পর্ক (Legal Relationship) : চুক্তি দ্বারা উভয় পক্ষের মধ্যে আইনগত সম্পর্ক সৃষ্টির ইচ্ছে থাকতে হবে। নিমন্ত্রণ, ভ্রমণ, সিনেমা দেখার সম্মতিতে আইনগত সম্পর্ক সৃষ্টি হয় না এবং এরূপ সম্মতি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হয় না। কিন্তু পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের সম্মতি বা বিবাহের সম্মতি হলো বৈধ চুক্তি এবং এর দ্বারা আইনগত সম্পর্কের সৃষ্টি হয়। যেমন- ক্রেতা-বিক্রেতা, স্বামী-স্ত্রী। এক্ষেত্রে কোন পক্ষ সম্মতি ভঙ্গ করলে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়।

- আইনগত প্রতিদান (Lawful Consideration): চুক্তি দ্বারা উভয় পক্ষকে পরস্পরের নিকট থেকে কিছু পেতে এবং কিছু দিতে হবে। কিছু পেতে গিয়ে কিছু দেয়াকে বা কিছু দিয়ে কিছু পাওয়াকে প্রতিদান বলে। প্রতিদান ছাড়া চুক্তি হয় না। প্রতিদান আইনসঙ্গত হওয়া চাই। ইহা বর্তমান, অতীত, ভবিষ্যত হতে পারে।

- চুক্তি সম্পাদন যোগ্যতা (Capacity to Contract) : চুক্তিবদ্ধ পক্ষসমূহের তা সম্পাদনের যোগ্যতা থাকতে হবে। চুক্তি আইনের ১১ ধারা মতে সাবালক ও সুস্থ এবং আইন কর্তৃক অযোগ্য বিবেচিত নয় এমন সকলেই চুক্তি সম্পাদনের যোগ্য। নাবালক, পাগল এবং দেউলিয়া ব্যক্তি চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য।

- উদ্দেশ্যের বৈধতা (Legality of the object) : চুক্তির উদ্দেশ্য অবশ্যই বৈধ হবে। অবৈধ, নীতি ও জনস্বার্থ বিরোধী উদ্দেশ্যে প্রদত্ত সম্মতি দ্বারা চুক্তি হবে না। উদ্দেশ্য অবৈধ চুক্তি বাতিল বলে গণ্য। যেমন- অবৈধ, নীতি ও জনস্বার্থ বিরোধী কাজের জন্য প্রদত্ত সম্মতি বৈধ নয়। তাই অবৈধ বলে প্রদত্ত সম্মতি চুক্তি হিসেবে গণ্য হবে না।
২,৭২৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা মতে সম্পত্তি বা দলিল বাজেয়াপ্ত করা হয়?
  1. ৫৪৭ ধারা
  2. ৫২৭ ধারা
  3. ৫০৭ ধারা
  4. ৫১৭ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী-
কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।
 
ধারা ৫১৭- যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ:
 
(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধাজনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।
 
(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপিল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
 
(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এ মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
২,৭২৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর অধীনে কোন ক্রোক সর্বোচ্চ কতদিন বলবৎ থাকবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. যতদিন আদালত চায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-
১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
২,৭৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন জরিমানা ব্যতীত অন্য কোন অর্থ কিভাবে আদায় করতে হবে?
  1. ক্ষতিপূরণ হিসেবে
  2. জরিমানা হিসেবে
  3. ক অথবা খ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৭- টাকা প্রদানের আদেশ প্রদত্ত হলে তা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য

এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ অনুসারে কোন অর্থ জরিমানা ছাড়া দেয়া হলে এবং তা আদায়ের পন্থা সম্পর্কে অন্য কোন বিধান না থাকলে উক্ত অর্থ জরিমানা বলে ধরে নিয়ে আদায় করতে হবে।

Section 547- Moneys ordered to be paid recoverable as fines
Any money ( other than a fine) payable by virtue of any order made under this code, and the method of recovery of which is not otherwise expressly provided for shall be recoverable as if it were a fine.
২,৭৩১.
৪৯৭ ধারায় ব্যভিচারের ক্ষেত্রে নারী-
  1. প্রধান অপরাধী
  2. সহ-অপরাধী
  3. দুষ্কর্মের সহায়তাকারী 
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান- ব্যভিচার:
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা (ব্যভিচার) অনুযায়ী-
ব্যভিচারের অপরাধে শুধুমাত্র পুরুষটি দণ্ডনীয়।
যে নারীর সঙ্গে ব্যভিচার সংঘটিত হয়েছে, তিনি কোনোভাবেই দণ্ডিত হবেন না।
স্পষ্টভাবে বলেছে যে, নারীটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবেও গণ্য হবেন না।

সঠিক উত্তর: ঘ) কোনটিই নয়।

Section 497- Adultery:
Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.

২,৭৩২.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে এবং তার জন্য স্বতন্ত্র কোনো দণ্ড না থাকলে, লঙ্ঘনকারী কোন দণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. কারাদণ্ডে
  2. অর্থ দণ্ডে
  3. ক বা খ
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
২,৭৩৩.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি অপরাধে সহায়তা বলে গণ্য হবে না?
  1. প্রচেষ্টা করা
  2. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করা
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করা
  4. প্ররোচিত করা
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৭ অনুযায়ী যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে। 

♦ ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।

(i) কাউকে প্ররোচিত করে 
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে
♦ প্রচেষ্টা করলে অপরাধে সহায়তা বলে গণ্য হবে না।

---------------
♦ Abetment of a thing:
Section 107. A person abets the doing of a thing, who 
 Firstly.-
Instigates any person to do that thing; or 
 Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or 
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
২,৭৩৪.
যদি মামলা করার অধিকার ১ জানুয়ারি, ২০১০-এ প্রাপ্ত হয়, তবে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মামলাটি কোন তারিখের মধ্যে দায়ের করতে হবে?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২১
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২২
  3. ১ জানুয়ারি, ২০১৬
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২০
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।

Article 120-
Suit for which no period of limitation is provided elsewhere in this schedule- Six years from when the right to sue accrues.

অর্থাৎ '১ জানুয়ারি, ২০১৬' তারিখের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
২,৭৩৫.
কোড অব সিভিল প্রসিডিউর, ১৯০৮ এর ১০৭ ধারার বিধান অনুযায়ী নিচের কোনটি আপিল আদালতের ক্ষমতায় অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মামলা পুনঃবিচারে প্রেরণ
  2. পুনঃবিচারে প্রেরণের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন
  3. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ
  4. আরজি গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় আপিল আদালতকে চারটি ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে-

১)  আপিলে মোকদ্দমাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা [To determine a case finally];

২) পুনঃবিচারের নিমিত্তে নিম্ন আদালতে মোকদ্দমা প্রেরণ করা [To remand a case]; অর্থাৎ- মোকদ্দমাটি পুনঃবিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করা/ফেরত পাঠানো;

৩) পুনঃবিচারে প্রেরণের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন [To frame issues and refer them for trial]; অর্থাৎ, শুনানির পর্যায়ে যদি প্রতীয়মান হয় যে, যেসব ইস্যুর উপর মূল মামলাটি নিষ্পত্তি করা হয়েছে তার অতিরিক্ত আরও বিচার্য বিষয় (issues) প্রণয়ন করা প্রয়োজন, তখন বিচার্য বিষয় গঠন/প্রণয়ন করা এবং সেইগুলো বিচারের জন্য প্রেরণ করা।

8) প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ করা বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করা [To take additional evidence or to require such evidence to be taken]।

উল্লেখ্য যে, আরজি গ্রহণ-এর মাধ্যমে দেওয়ানি আদালত মোকদ্দমা গ্রহণ করে। 
২,৭৩৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন প্রতারণা বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে-
  1. দণ্ডবিধিতে উল্লিখিত প্রতারণা
  2. চুক্তি আইনের ১৭ ধারায় বর্ণিত প্রতারণা
  3. তামাদি আইনের ১৮ ধারায় উল্লিখিত প্রতারণা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২(১১) অনুসারে,

‘‘প্রতারণা’’ (fraud) অর্থ ঘটনা বা আইন লইয়া ইচ্ছাকৃত বা দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে কথা বা আচরণ বা লিখিত কোন চুক্তি বা দলিল দ্বারা-
⇒  অন্যকে প্রতারিত (to defraud) করা, বা
⇒ প্রলুদ্ধ (to induce) বা
⇒ ভুল পথে পরিচালিত করা এবং প্রতারণাকারী ব্যক্তি বা
⇒ অন্য কোন ব্যক্তির অভিপ্রায়কে কেন্দ্র করিয়া সংঘটিত প্রবঞ্চনা (deception) এবং
চুক্তি আইন, ১৮৭২ (১৮৭২ সনের ৯নং আইন) এর ধারা ১৭ এ যেই অর্থে ”Fraud” অভিধাটি ব্যবহৃত হইয়াছে তাহাও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
২,৭৩৭.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৫৭ এর আওতায় জুডিশিয়াল নোটিশ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. সংসদের কার্যক্রম
  2. ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
  3. সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে- আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন [Facts of which Court must take judicial notice].
 
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ;
iii) সংসদের কার্যসমূহ;
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা;
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

⇒ 'ব্যক্তিগত চিঠিপত্র'- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৫৭ এর আওতায় জুডিশিয়াল নোটিশ হিসেবে গণ্য হবে না।
২,৭৩৮.
নিচের কোন নীতিটি ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. Res judicata
  2. Actus reus
  3. Audi alteram partem
  4. Nemo judex in causa sua
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো মামলায় ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট থাকেন বা মামলার একজন পক্ষ হন, তবে তিনি সেই মামলার বিচার করতে পারবেন না। এটি "Nemo judex in causa sua" নীতির প্রতিফলন, যার অর্থ "কেউ নিজের মামলায় বিচারক হতে পারে না।" এটি প্রাকৃতিক বিচারনীতির (Principles of Natural Justice) অন্যতম একটি মূল নীতি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো মামলায় ব্যক্তিগত স্বার্থে জড়িত থাকেন বা নিজেই মামলার এক পক্ষ হন, তবে তিনি সেই মামলার বিচার করতে পারবেন না।
- এই নীতি “Nemo judex in causa sua” — এর অর্থ হলো: "কেউ নিজের মামলায় বিচারক হতে পারে না।"
- এটি Natural Justice (প্রাকৃতিক বিচারনীতি)-এর অন্যতম প্রধান নীতি। এই নীতি নিশ্চিত করে যে, বিচারপ্রার্থী কেউ পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বার্থযুক্ত বিচারকের সামনে বিচার পাবে না। এতে বিচারপ্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় থাকে।

অপশন গুলোর ব্যাখ্যা:
→ Res judicata: এটি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য একটি নীতি, যেখানে পূর্বে নিষ্পত্তি হওয়া মামলাকে পুনরায় গ্রহণ করা যায় না।
→ Actus reus: এটি একটি অপরাধের শারীরিক উপাদান বোঝায়, এই প্রশ্নের প্রাসঙ্গিক নয়।
→ Audi alteram partem: এটি Natural Justice-এর নীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যার মানে  “অপর পক্ষকে শুনতে হবে”। তবে এটি ৫৫৬ ধারার প্রাসঙ্গিক নয়, বরং ফৌজদারি বিচারপদ্ধতির অন্যান্য অংশে গুরুত্বপূর্ণ।

২,৭৩৯.
কোনো পক্ষের মৃত্যুর কারণে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২, বিধি ৯(ক) অনুসারে, কোনো পক্ষের মৃত্যুর কারণে মোকদ্দমা অ্যাবেট (খারিজ) হয়ে গেলে বাতিল/খারিজ সরাসরি রহিতের দরখাস্ত করে প্রতিকার পেতে পারে।

বাতিল/খারিজ সরাসরি রহিতকরণ:
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ আদেশের ৯ক বিধিতে, বাদীকে কোনো প্রকার সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়েই মামলার অ্যাবেটমেন্ট আদেশ সরাসরি খারিজ/ বাতিলের [Directly setting-aside abatement of dismissal] বিধান রয়েছে।

খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিল/রদের শর্ত: ৯ক বিধি মোতাবেক-
আদেশদানের ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে;
⇒ আদালতের নির্দেশনানুযায়ী সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা খরচ পরিশোধ করতে হবে।
২,৭৪০.
লিখিত দায় স্বীকারের ফলে তামাদি মেয়াদ নতুন করে গণনা শুরু হয় কোন ধারার অধীনে?
  1. ধারা ১৭
  2. ধারা ১৮
  3. ধারা ১৯
  4. ধারা ২০
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৯ অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে লিখিতভাবে দায় স্বীকার করে, তাহলে সেই দায় স্বীকারের দিন থেকে নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়। এই ধারা নিশ্চিত করে যে, লিখিত দায় স্বীকারের মাধ্যমে নতুন সময়সীমা শুরু হবে, যা পাওনাদারকে আবারো মামলা করার সুযোগ দেয়।

⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয় সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
- লিখিত হতে হবে
- উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
- অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে
- উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 19: Effect of acknowledgement in writing-
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed.
(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received.
Explanation I- For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right.
Explanation II- For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf.
Explanation III- For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
২,৭৪১.
কোন একটা সম্পত্তি 'A' এর দখলে আছে কিন্তু 'A' তার প্রকৃত মালিক না। 'A' প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিতে চায় কিন্তু 'B' ও 'C' নামের দুইজন ব্যক্তি ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে। এই ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য হবে-
  1. 'A' স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits দায়ের করবেন
  2. 'B' বা 'C' স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits দায়ের করবেন
  3. 'A' সম্পত্তি সরকারের কাছে জমা দিবেন
  4. 'A' সম্পত্তি আদালতে জমা দিবেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

- দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
- তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
-অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

- উল্লেখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'A'  স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits করে প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিবেন।  এই মামলায় 'A' এর শুধু মাত্র মামলার খরচ ব্যতীত অন্য কোনো স্বার্থ থাকে না।
২,৭৪২.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারা মতে মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ করার বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ৫৭ ধারা
  2. ৫৮ ধারা
  3. ৫৯ ধারা
  4. ৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত অন্য সকল কিছু মৌখিক সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হবে।অর্থাৎ দলিলের বিষয় বস্তু মৌখিক সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করা যাবে না।
- তবে ৬০ ধারা অনুযায়ী মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হতে হবে।
২,৭৪৩.
একজন ব্যক্তি জীবিত মর্মে যে দাবী করে তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে, যদি ঐ ব্যক্তির কোন সংবাদ পাওয়া না যায়-
  1. ০৭ বছর যাবৎ
  2. ১২ বছর যাবৎ
  3. ১৫ বছর যাবৎ
  4. ৩০ বছর যাবৎ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারামতে বিগত ৩০ বছর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে যে মৃত বলে দাবি করবে, তার উপরই প্রমানের ভার বর্তাবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারামতে বিগত ৭ বছর যাবৎ নিখোজ ব্যক্তিকে যে জীবিত বলে দাবি করবে, তার উপরই প্রমানের ভার বর্তাবে।

⇒ ১০৭ ও ১০৮ ধারার মধ্যে পার্থক্য- সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।

⇒ অন্যদিকে ১০৮ ধারা অনুযায়ী ৭ বৎসর যাবৎ খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবী করে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে।

অর্থাৎ একজন ব্যক্তি জীবিত মর্মে যে দাবী করে তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে, যদি ঐ ব্যক্তির কোন সংবাদ পাওয়া না যায় ৭ বছর যাবৎ।
২,৭৪৪.
'In the preamble contain the basic structure of the constitution and that cannot be amended' ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট কোন মামলায় এই সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন?
  1. Keasavananda Bharati vs State of Kerala
  2. Goloknath vs State of Panjab
  3. Indira Neheru Gandhi vs Raj Narayan
  4. Minerva Mills Case
ব্যাখ্যা
Kesavananda Bharati vs State of Kerala Case

পূর্ণনাম: Kesavananda Bharati vs State of Kerala AIR 1973 SC 1461
Author Judge: Sarav Mittra Sikri CJ.
বিচারক ছিলেন: ১৩ জন: ৭: ৬ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় রায় দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণা: ২৪ এপ্রিল ১৯৭৩.

রায়ে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পয়েন্ট হলো:
> Preamble is operative part of the constitution.
> Preamble হচ্ছে Basic Structure of The Constitution.
> পার্লামেন্ট মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights) সংশোধন করতে পারবে কিন্তু সংবিধানের Basic Structure সংশোধন করতে পারবে না।
২,৭৪৫.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসার জন্য আদালত কোন মোকদ্দমা মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে বা মধ্যস্থতা করতে পারে?
  1. লিখিত জবাব দাখিলের আগে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
  3. আরজি দাখিলের সময়
  4. মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার পর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৯ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে / আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয় তাহলে আদালত শুনানী মুলতবী রেখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
⇒ মধ্যস্থতার ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হইলে আদালত পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করিবেন।
⇒ মধ্যস্থতার সময় হবে ৬০ দিন তবে সর্বাধিক ৯০ দিনের বেশি নয়।

⇒ মধ্যস্থতার সংজ্ঞা (Definition of Mediation)- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতার সংজ্ঞা রয়েছে। ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতা বলতে প্রসারিত অনানুষ্ঠানিক, অবাধ্যতামূলক, গোপনীয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং সমঝোতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী মীমাংসার কোন শর্তে নির্দেশ না করে কিংবা তৎসম্পর্কে কোন আদেশ না দিয়ে পক্ষগণের মধ্যকার বিরোধগুলো নিষ্পত্তির সুযোগ করে দেন।

⇒ কখন মধ্যস্থতার কার্যক্রম শুরু হয়- লিখিত জবাব দাখিলের পর আদালত শুনানী মুলতবি রেখে মোকদ্দমার বিরোধটি আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা উক্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একজন মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে। সুতরাং লিখিত জবাব দাখিলের পরই মধ্যস্থতার কার্যক্রম শুরু হয়।

⇒ বর্তমানে মধ্যস্থতার (Mediation) জন্য মামলার বিরোধীয় বিষয়টি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে পাঠানো আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
⇒ বিচারক নিজেই অথবা পক্ষগণ বা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী (mediator) মধ্যস্থতা করতে পারে।
২,৭৪৬.
মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সর্বোচ্চ কত কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১২০ কার্যদিবস
  4. ১৩৫ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৫১: বিচার সমাপ্তির মেয়াদ:
(১) বিচারের জন্য মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্ত করিতে হইবে।]

(২) কোনো অনিবার্য কারণে উক্ত মেয়াদের মধ্যে কোনো বিচার সমাপ্ত করা সম্ভব না হইলে, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে বিচার সমাপ্ত করিতে পারিবে এবং তৎসম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে ৷

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত বর্ধিত সময়ের মধ্যেও যদি যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণে কোনো বিচার কার্য সমাপ্ত করা সম্ভব না হয়, তাহা হইলে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিচার কার্য সমাপ্তির জন্য সর্বশেষ আরও ১৫ (পনেরো) কার্যদিবস সময় বর্ধিত করিতে পারিবে এবং এইরূপ সময় বর্ধিতকরণ সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বর্ধিত সময়ের মধ্যে আবশ্যিকভাবে বিচার কার্য সমাপ্ত করিতে হইবে।

সারাংশ:
মূল বিচারকাল – ৯০ কার্যদিবস।
শর্তসাপেক্ষে প্রথম সময় বর্ধন – +৩০ কার্যদিবস (কারণ লিখিতভাবে ব্যাখ্যা সহ সুপ্রিম কোর্ট ও সরকারের অবহিত করা প্রয়োজন)।
দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত সময় বর্ধন – +১৫ কার্যদিবস (এবং একইভাবে অবহিতকরণ বাধ্য)।
এভাবে সর্বোচ্চ ১৩৫ কার্যদিবস–এ মধ্যে বিচার অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে।
২,৭৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দায়রা আদালতের বিচারকের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫২৬
  2. ধারা ৫২৬ক
  3. ধারা ৫২৬খ
  4. ধারা ৫২৮
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫২৬খ-এর অধীন, দায়রা আদালতের বিচারক (Sessions Judge) ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় বলে মনে করলে তার সেশন বিভাগের এক ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য ফৌজদারি আদালতে কোনো নির্দিষ্ট মামলা স্থানান্তরের আদেশ দিতে পারেন। এই আদেশ নিম্ন আদালতের প্রতিবেদন, পক্ষের আবেদন বা নিজের উদ্যোগে প্রদান করা যায়। ধারা ৫২৬-এর উপধারা (৪) থেকে (১০) এই প্রক্রিয়ায় প্রযোজ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫২৬খ: দায়রা আদালতের বিচারকের মামলার স্থানান্তরের ক্ষমতা:
(১) যখন সেশন আদালতের বিচারকের কাছে এটি প্রতিস্থাপিত হয় যে, এই ধারা অনুসারে একটি আদেশ ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয়, তখন তিনি তার সেশন বিভাগের একটি ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য ফৌজদারি আদালতে কোনো নির্দিষ্ট মামলা স্থানান্তরের আদেশ দিতে পারেন।
(২) সেশন আদালতের বিচারক নিম্ন আদালতের প্রতিবেদন, একটি পক্ষের আবেদনের উপর অথবা তার নিজস্ব উদ্যোগে এই আদেশ দিতে পারেন।
(৩) ধারা ৫২৬ এর উপধারা (৪) থেকে (১০) (উভয়সহ) সেশন আদালতের বিচারকের কাছে ধারা ৫২৬বির অধীনে একটি আদেশের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যেমনটি উচ্চ আদালতের বিভাগে ধারা ৫২৬ এর উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 526B. Power of Sessions Judge to transfer cases:
(1) Whenever it is made to appear to a Sessions Judge that an order under this section is expedient for the ends of justice, he may order that any particular case be transferred from one Criminal Court to another Criminal Court in his sessions division.
(2) The Sessions Judge may act either on the report of the lower Court, or on the Application of a party interested, or on his own initiative.
(3) The provisions of sub-sections (4) to (10) (both inclusive) of section 526 shall apply in relation to an application to the Sessions Judge for an order under sub-section (1) as they apply in relation to an application to the High Court Division for an order sub-section (1) of section 526.

২,৭৪৮.
ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কয় জন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করা যায়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৫ জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা
ডাকাতি [Dacoity]:
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারায় ডাকাতির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রে দস্যুতা করে, তখন উক্ত দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে। প্রত্যেক ডাকাতি দস্যুতা কিন্তু প্রত্যেক দস্যুতা ডাকাতি না। অপরাধীর সংখ্যা ছাড়া ডাকাতি ও দস্যুতার উপাদানসমূহ অভিন্ন।

৩৯১ ধারা অনুযায়ী দস্যুতা ডাকাতি হিসেবে গণ্য হবে যদি দস্যুতার ক্ষেত্রে-
১. ৫ বা ততোধিক সদস্য থাকে;
২. তারা অবশ্যই দস্যুতা সংঘটন করবে বা দস্যুতা সংঘটনের প্রচেষ্টা করে; এবং
৩. তারা অবশ্যই মিলিতভাবে কার্যটি করেছে।

ডাকাতি ও দস্যুতার মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো সংখ্যাগত । প্রত্যেক দস্যুতার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১ জন এবং সর্বোচ্চ ৪ জন ব্যক্তি থাকতে পারে। কিন্তু ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৫ জন ব্যক্তি থাকতে হবে। দস্যুতা ৫ এর কম (১ থেকে ৪) সদস্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হলে সেটা শুধুমাত্র দস্যুতা কিন্তু দস্যুতা ৫ বা ৫ এর অধিক সদস্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে। ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৫ জন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করতে হবে। দস্যুতার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১ জন এবং সর্বোচ্চ ৪ জন দণ্ডিত করা যেতে পারে। যেক্ষেত্রে আদালত ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির চার্জ গঠন করেছে কিন্তু পরবর্তীতে ৫ এর কম সংখ্যক ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে আদালত ডাকাতির শাস্তি দিতে পারে না কিন্তু তাদেরকে দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে।
২,৭৪৯.
'বাংলাদেশে সরকারিভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ 'সরকারি দলিল' হিসেবে গণ্য হবে।'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৭৩ ধারায়
  2. ৭৪ ধারায়
  3. ৭৫ ধারায়
  4. ৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ৭৪- সরকারি দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলি সরকারি দলিল:
(১) যে সকল দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের বা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

Section 74: Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 

(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
২,৭৫০.
'ক' একটি গুদামের রক্ষক। 'চ' বিদেশ যাত্রাকালে তার আসবাবপত্র 'ক'-এর কাছে গচ্ছিত রাখে এই শর্তে যে, গুদামের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থপ্রদানের পর গুদাম হতে 'চ'-এর আসবাবপত্র প্রত্যপণ করা হবে। 'ক' অসাধুভাবে এই গচ্ছিত আসবাবপত্র বিক্রয় করে । 'ক' কোন অপরাধ করেছে?
  1. প্রতারণা
  2. দস্যুতা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি ‘অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের’ অপরাধ করেছে।

উদাহরণ:
(ক) ক কোন মৃত ব্যক্তির দানপত্রের নির্বাহক। দানপত্রে তাকে যেভাবে সম্পত্তি বন্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা ভঙ্গ করে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে । ক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।

(খ) ক একটি গুদামের রক্ষক। চ বিদেশ যাত্রাকালে তার আসবাবপত্র ক-এর কাছে গচ্ছিত রাখে এই শর্তে যে, গুদামের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থপ্রদানের পর গুদাম হতে চ-এর আসবাবপত্র প্রত্যপণ করা হবে। ক অসাধুভাবে এই গচ্ছিত আসবাবপত্র বিক্রয় করে । ক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।

(গ) ঢাকার বাসিন্দা ক চট্টগ্রামের বাসিন্দা চ-এর এজেন্ট। ক ও চ-এর মধ্যে একটি স্পষ্ট বা অব্যক্ত চুক্তি এই মর্মে বিদ্যমান আছে যে, চ-এর প্রেক্ষিতে সকল টাকা ক, চ-এর নির্দেশ মত বিনিয়োগ করবে। চ ক-এর কাছে এক লক্ষ টাকা প্রেরণ করে এই টাকা কোম্পানির কাগজে লগ্নি করার নির্দেশ দেয়। ক অসাধুভাবে নির্দেশটি অমান্য করে টাকাটা নিজের ব্যবসায় খাটায়। ক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।

২,৭৫১.
‘A’ একজন ব্যক্তি ‘Z’-কে হুমকি দেয় যে, যদি ‘Z’ তাকে ১০,০০০ টাকা না দেয়, তবে সে ‘Z’-এর সন্তানকে আঘাত করবে। ভয়ের কারণে ‘Z’ টাকা দেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘A’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৩৬
  2. ধারা ৩৮৩
  3. ধারা ৩৮৬
  4. ধারা ৩৮৮
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৮৬ অনুসারে, যে কেউ কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের (grievous hurt) ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে এবং তার ফলে সম্পত্তি বা মূল্যবান নিরাপত্তা হস্তান্তর করায়, সে দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার জন্য দায়ী হবে। এই ক্ষেত্রে, ‘A’ ‘Z’-এর সন্তানকে আঘাত করার ভয় দেখিয়ে ১০,০০০ টাকা হস্তান্তর করিয়েছে। যদিও প্রশ্নে "আঘাত" শব্দটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে এটি গুরুতর আঘাতের ভয় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, কারণ সন্তানের প্রতি হুমকি গুরুতর প্রকৃতির। অতএব, এই ঘটনা ধারা ৩৮৬-এর অধীনে চাঁদাবাজি হিসেবে বিবেচিত হবে।
অর্থাৎ ‘A’-এর কাজটি গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা ধারা ৩৮৬-এর অধীনে অপরাধ। অতএব, সঠিক উত্তর হলো ধারা ৩৮৬।
--------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section-386. Extortion by putting a person in fear of death or grievous hurt:
Whoever commits extortion by putting any person in fear of death or of grievous hurt to that person or to any other, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

২,৭৫২.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কী শাস্তি দিতে পারে?
  1. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  2. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  3. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  4. ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮: বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কর্তৃক দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা

কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ নিয়ে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাবস্ত্য কোন ব্যক্তিকে এইরূপ যে কোন দণ্ডদান করতে পারবে যা উক্ত ব্যক্তির অপরাধের ক্ষেত্রে আইনে অনুমোদন করেছে। অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারবে।
কিন্তু কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ৭ বৎসরে বেশি কারাদণ্ডে এবং ১০ হাজার টাকার বেশি জরিমানা করতে পারবে না।

Section 28: Powers of Special Tribunals


Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force,- 
(a) a Special Tribunal consisting of a Sessions Judge, an Additional Sessions Judge or an Assistant Sessions Judge may pass upon any person convicted by it any sentence authorised by law for the punishment of the offence of which such person is convicted; 

(b) a Special Tribunal consisting of a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class may pass upon any person convicted by it any sentence authorised by law for the punishment of the offence of which such person is convicted except death, 26[imprisonment for life] or imprisonment for a term exceeding seven years and fine exceeding ten thousand taka.
২,৭৫৩.
একজন হানাফি মুসলিম ব্যক্তি আব্দুল করিম মারা গেছেন। তার কোনো সন্তান নেই কিন্তু তার স্ত্রী এবং বাবা আছেন। এক্ষেত্রে সম্পত্তির বণ্টন কীভাবে হবে?
  1. স্ত্রী ১/২ অংশ এবং বাবা ১/২ অংশ
  2. স্ত্রী ১/৩ অংশ এবং বাবা ২/৩ অংশ
  3. স্ত্রী ১/৪ অংশ এবং বাবা ৩/৪ অংশ
  4. স্ত্রী ৩/৪ অংশ এবং বাবা ১/৪ অংশ
ব্যাখ্যা
ইসলামে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে দুটি শ্রেণি রয়েছে। যার মধ্যে প্রথম শ্রেণি হচ্ছে- শেয়ারার বা অংশীদার। এ শ্রেণিতে রয়েছে ১২ জন ওয়ারিশ, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে যাদের অংশ নির্ধারিত। এ শ্রেণির ওয়ারিশরা হচ্ছেন- স্বামী, স্ত্রী, বাবা, মা, দাদা, দাদী, বোন, কন্যা, ছেলের কন্যা, বৈমাত্রেয় বোন, বৈপিত্রেয় ভাই ও বৈপিত্রেয় বোন। 
অপরদিকে, দ্বিতীয় শ্রেণিতে আছেন রেসিডুয়ারি, আসাবা বা অবশিষ্টভোগী। অবশিষ্টভোগী হয়ে থাকে, প্রথমত, মৃত ব্যক্তির নিজের সন্তান তথা ছেলে ও কন্যা। দ্বিতীয়ত, পূর্ববর্তী বংশধর যথা বাবা, দাদা। তৃতীয়ত, বাবার বংশধর। মুসলিম আইন অনুযায়ী,

স্ত্রী:
বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রী রেখে মারা গেলে তার স্ত্রী নির্ধারিত হারে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে তবে স্ত্রী পাবেন (১/৮) এক অষ্টমাংশ। আর সন্তান না থাকলে স্ত্রী পাবেন (১/৪) এক চতুর্থাংশ। একাধিক স্ত্রী থাকলেও এ অংশ বাড়বে না বরং স্ত্রীরা সবাই মিলে তাদের অংশ সমভাবে ভাগ করে নেবেন।

বাবা:
মৃত ব্যক্তির বাবা সর্বদাই ওয়ারিশ হবেন। তবে অবস্থাভেদে এর পরিমাণে তারতম্য হবে। যদি মৃত ব্যক্তির ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে তবে বাবা পাবে ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ। যদি মৃত ব্যক্তির শুধু কন্যা বা ছেলের কন্যা এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে তবে বাবা ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ পাবেন, তবে সেক্ষেত্রে অন্য ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের পর কিছু অবশিষ্ট থাকলে বাবা সেই অংশও অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোনো ছেলে-কন্যা বা ছেলের সন্তান কিছুই না থাকে তবে বাকি ওয়ারিশদের মধ্যে বিতরণ শেষে যা থাকবে তা সম্পূর্ণ পাবেন বাবা।

এক্ষেত্রে,
আব্দুল করিমের স্ত্রী পাবেন ১/৪ অংশ, কারণ কোনো সন্তান নেই। তার বাবা বাকি ৩/৪ অংশ পাবেন, যেহেতু অন্য ওয়ারিশদের মধ্যে কোনো সন্তান বা সন্তানদের বংশধর নেই।
২,৭৫৪.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী হলে, তার নিয়োগ অনধিক কত বছরের জন্য স্থগিত বা বাতিল করা যায়?
  1. তিন বছরের
  2. দুই বছরের
  3. চার বছরের
  4. পাঁচ বছরের
ব্যাখ্যা
• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২

ধারা ১৪- নিয়োগ স্থগিত বা বাতিলকরণ


সরকারের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তাহার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী অথবা তাহার কর্তব্য পালনে অসমর্থ বা শারীরিকভাবে অক্ষম, তাহা হইলে, সরকার লিখিত আদেশ দ্বারা, তাহার নিয়োগ অনধিক দুই বৎসরের জন্য স্থগিত বা বাতিল করিতে পারিবে: 
তবে শর্ত থাকে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধককে যথাযথ কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান না করিয়া অনুরুপ কোন আদেশ প্রদান করা যাইবে না।
২,৭৫৫.
দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী, নিচের কোনটি মুদ্রা (Coin) নয়?
  1. কড়ি
  2. ফরুখাবাদ টাকা
  3. সরকারি স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতবদ্রব্য
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারায় "মুদ্রা" বলতে এমন ধাতব বস্তু বোঝানো হয় যা সরকার কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত, এবং যেটি অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়।
→ কড়ি: এটি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত বা স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতব বস্তু নয়, তাই এটি মুদ্রা নয়।
→ ফারুকাবাদী টাকা: এটি একসময় ভারত সরকারের অধীনে অর্থরূপে ব্যবহৃত হত এবং এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" হিসেবে গণ্য হয়, যদিও এটি বর্তমানে প্রচলিত নয়।
→ সরকারি স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতবদ্রব্য: এটি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, তাই এটি মুদ্রা।
অতএব, সঠিক উত্তর: ক) কড়ি।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
- বাংলাদেশি মুদ্রা:- বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) কড়ি (কাউরি) মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তামার টুকরো, যদিও তা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়, মুদ্রা নয়।
(গ) মেডেল মুদ্রা নয়, কারণ সেগুলো অর্থরূপে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় না।
(ঘ) কোম্পানির টাকা নামে পরিচিত মুদ্রা রানির মুদ্রা।
(ঙ) "ফরুখাবাদ" টাকা, যা পূর্বে ভারত সরকারের কর্তৃত্বে অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো, তা বাংলাদেশি মুদ্রা হিসেবেই গণ্য হবে, যদিও তা এখন আর ব্যবহৃত হয় না।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 230. “Coin” defined Bangladesh coin:
- Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used.
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money.

Illustrations:
(a) Cowries are not coin.
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin.
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money.
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin.
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
২,৭৫৬.
দণ্ড কার্যকর করার পর পরোয়ানাটি কোন আদালতে ফেরত দিতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালতে
  4. চিফ জুডিসিয়াল/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারা: দণ্ড কার্যকর করার পর ফেরত:
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন

Section 400- Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
২,৭৫৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫১
  2. ধারা ৫৩
  3. ধারা ৫৫
  4. ধারা ৫৭
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
⇒ ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)
- দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
 - যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
---------------------------------------------------
⇒ Section 53. Punishments
 The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted by the Criminal Law (Extinction of Discriminatory Privileges) Act 1949 (Act No. II of 1950]. 
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 
(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine.
- Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.

২,৭৫৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ অনুযায়ী, কোনো দলিলে স্বাক্ষর বা হস্তাক্ষর প্রমাণ করতে কী প্রয়োজন?
  1. একজন সাক্ষীকে ডাকা
  2. দলিলের অনুলিপি জমা দেওয়া
  3. দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা
  4. স্বাক্ষর বা হস্তাক্ষরটি সেই ব্যক্তির বলে প্রমাণ করা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৭ অনুযায়ী:
যদি কোনো দলিলের ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয় যে সেটি কোনো ব্যক্তি স্বাক্ষর করেছেন বা নিজের হাতে লিখেছেন (পুরোপুরি বা আংশিক), তাহলে সেই অংশের স্বাক্ষর বা হস্তাক্ষর তাঁর বলে প্রমাণ করতে হবে।
অর্থাৎ, শুধু দলিল উপস্থাপন করলেই হবে না।  প্রমাণ করতে হবে যে স্বাক্ষর বা লেখাটি প্রকৃতপক্ষে ঐ ব্যক্তির।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ অনুযায়ী, কোনো দলিলে স্বাক্ষর বা হস্তাক্ষর প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট বিধান দেওয়া আছে। ধারায় বলা হয়েছে:
"If a document is alleged to be signed or to have been written wholly or in part by any person, the signature or the handwriting of so much of the document as is alleged to be in that person’s handwriting must be proved to be in his handwriting."
- অর্থাৎ, যদি কোনো দলিলে দাবি করা হয় যে এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি স্বাক্ষর করেছেন বা লিখেছেন (পুরোটা বা আংশিকভাবে), তবে সেই স্বাক্ষর বা হস্তাক্ষর যে সত্যিই সেই ব্যক্তির তা প্রমাণ করতে হবে।
২,৭৫৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের সর্বনিম্ন পদমর্যাদা কী?
  1. কনস্টেবল
  2. এএসআই
  3. এসআই
  4. ইন্সপেক্টর
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার পদমর্যাদা থাকা কর্মকর্তাদের প্রদান করা হয়েছে।
- অর্থাৎ পুলিশের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন পদমর্যাদা হলো উপ-পরিদর্শক (SI)। কনস্টেবল, এএসআই (সহকারী উপ-পরিদর্শক)-এর এই ক্ষমতা নেই।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) এসআই।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩- পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, ইত্যাদির ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার, অথবা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা অথবা সমমানসম্পন্ন অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ল্যান্স নায়ক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কোস্ট গার্ড বাহিনীর পেটি অফিসার অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কোনো কারণ থাকে যে, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ কোনো স্থানে সংঘটিত হইয়াছে, হইতেছে অথবা হইবার আশংকা রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া লাইসেন্স প্রিমিজেস ব্যতীত, যে কোনো সময়:-
(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি করিতে পারিবেন এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে, বাধা অপসারণের জন্য দরজা-জানালা ভাঙ্গাসহ যে-কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন;
(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য মাদকদ্রব্য অথবা বস্তু এই আইনের অধীন আটক অথবা বাজেয়াপ্তযোগ্য বস্তু এবং কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল, দস্তাবেজ অথবা জিনিসপত্র আটক করিতে পারিবেন;
(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে-কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করিতে পারিবে; এবং
(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তিকে কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ করিয়াছেন অথবা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সূর্যাস্ত হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি পরিচালনা না করিলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কীয় কোনো বস্তু নষ্ট অথবা লুপ্ত হইবার অথবা অপরাধী পালাইয়া যাইবার আশংকা রহিয়াছে বলিয়া উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত কোনো অফিসারের বিশ্বাস করিবার সংগত কারণ থাকিলে অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি উক্ত সময়ের মধ্যে উক্ত স্থানে প্রবেশ ও তল্লাশি করিতে পারিবে।

২,৭৬০.
কার পূর্ব অনুমোদন নিয়ে বার কাউন্সিল বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ- ৪০ মতে,
এই আইনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সরকারের পূর্বানুমতি নিয়ে বার কাউন্সিল সরকারী গেজেট নোটিফিকেশন দ্বারা বিধি (Rules) প্রণয়ন করতে পারে। বার কাউন্সিল এরূপ বিধি প্রণয়ন না করা পর্যন্ত অনুচ্ছেদ ৪০ (৩) এর অধীন বার কাউন্সিলের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক প্রয়োগ করা হবে। এ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সরকার The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 প্রণয়ন করে।

অর্থাৎ, বার কাউন্সিল সরকারের পূর্ব অনুমতি নিয়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারে।
২,৭৬১.
“Restoration of position” বা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার ধারণাটি The Specific Relief Act, 1877–এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ৩৬
  4. ধারা ৩৯
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ধারা ৩৬।

The Specific Relief Act, 1877–এর ধারা ৩৬–এ ভুলের জন্য চুক্তি রদ (Rescission for mistake)–এর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা হলো “Restoration of position”।

এই ধারার মূল বক্তব্য হলো-
কেবল সাধারণ ভুলের কারণে কোনো লিখিত চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে এমন অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তিটি কখনো করা হয়নি।

অর্থাৎ, চুক্তি বাতিলের পূর্বশর্ত হলো- পক্ষদ্বয়কে পূর্বের অবস্থায় (status quo ante) ফিরিয়ে আনার সক্ষমতা। এই কারণেই “Restoration of position” ধারণাটি সরাসরি ধারা ৩৬–এর সাথে সম্পর্কিত।

২,৭৬২.
সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারানুসারে, An admission is a statement, oral or documentary or contained _____________ which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact.
  1. in digital record
  2. in forensic evidence
  3. in physical evidence
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
Section-17. Admission defined:
An admission is a statement, oral or documentary or contained in digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারার বিধান: স্বীকৃতির সংজ্ঞা: 
স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা ঐ দালিলিক বিবৃতি অথবা ডিজিটাল রেকর্ড যা বিচার্য বিষয় - বা প্রাসঙ্গিক ঘটনা প্রসঙ্গে কোনো অনুমানের ইঙ্গিত দেয়, এবং যা এ আইনের পরবর্তীতে বর্ণিত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যে কেউ কর্তৃক প্রদত্ত হয়।
২,৭৬৩.
সাধারণত অপরাধের বিচার বা অনুসন্ধান কোন আদালতে হয়?
  1. যেখানে অভিযোগকারী বসবাস করে
  2. যেখানে অভিযুক্ত বসবাস করে
  3. যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয়
  4. উপরের যে কোনো টি তে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধিতে ১৭৭ ধারার বিধান মোতাবেক সাধারণত অপরাধ সংঘটন যে স্থানে হবে সেই স্থানের আদালতেই তার অনুসন্ধান ও বিচার হবে

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৯ ধারার  বিধান মোতাবেক অপরাধ সংঘটন একস্থানে এবং অপরাধের পরিণাম অন্যস্থানে হয় তাইলে ২ স্থানের যেকোন একটিতে বিচার করা যাবে। 

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারার বিধান মোতাবেক অপরাধ সংঘটন স্থান অনিশ্চিত হলে যে কোন আদালতে বিচার বা অনুসন্ধান করতে পারবে।
২,৭৬৪.
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২১০(৬) অনুসারে, সালিসের (Conciliator) কাছে অনুরোধ প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে তিনি সালিসী কার্যক্রম (Conciliation) শুরু করবেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২১০(৬) অনুসারে, সালিস (Conciliator) এর কাছে সালিসীর জন্য অনুরোধ প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে তাকে সালিসী কার্যক্রম (Conciliation) শুরু করতে হবে এবং বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষের একটি সভা আহ্বান করতে হবে।

⇒ বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২১০(৬) উক্তরূপ অনুরোধ প্রাপ্ত হইবার দশ দিনের মধ্যে সালিস (Conciliator) তাহার সালিসী কার্যক্রম (Conciliation) শুরু করিবেন, এবং বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষের সভা আহ্বান করিবেন৷

২,৭৬৫.
একই ধরনের কয়টি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. কোন ক্ষেত্রেই একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-

যখন কোন ব্যক্তি একই ধরণের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক,তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে,এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা,একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।
২,৭৬৬.
আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, উক্ত সাজা শুধুমাত্র সে কারণে-
  1. বাতিল হবে
  2. বেআইনী হবে
  3. বেআইনী হবে না
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:

আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।

Section 133- Accomplice:

An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
২,৭৬৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বেসরকারি দলিল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭৪ ধারা
  2. ৭৫ ধারা
  3. ৭৬ ধারা
  4. ৭৭ ধারা
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৫ ধারায় বেসরকারি দলিল (Private Document) সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে।
৭৫ ধারার মূল বক্তব্য:
বেসরকারি দলিল হলো সরকারি দলিল ছাড়া যে সকল দলিল থাকে, যেমন ব্যক্তিগত চিঠিপত্র, বিক্রয় চুক্তি, উইল, দানপত্র, কবলা দলিল ইত্যাদি। এগুলি সাধারণত ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয় এবং এগুলি সরকারি সংস্থার কার্যক্রমের অংশ নয়।

অর্থাৎ বেসরকারি দলিল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারায়। 
২,৭৬৮.
সরকারের পক্ষে সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ বছর
  2. ৬০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ২০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাদী সরকার হলে সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মামলা করার তামাদি মেয়াদ ৬০ বছর।

- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৯ এর বিধান সুপ্রীম কোর্টের মূল এখতিয়ারাধীন মামলা ব্যতীত সরকার কর্তৃক সরকারের পক্ষে দায়েরকৃত কোন মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৬০ বৎসর।
২,৭৬৯.
কোন এলাকার ক্ষেত্রে গণউৎপাত [PUBLIC NUISANCES] সংক্রান্ত বিধানসমূহ প্রযোজ্য নয়?
  1. জেলা এলাকায়
  2. বিভাগীয় এলাকায়
  3. মেট্রোপলিটন এলাকায়
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ম অধ্যায়ের বিধান- গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES].

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ক ধারার বিধান- প্রয়োগ:
এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

[ধারা ১৩২ক তে এই অধ্যায়ের বলতে গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES] অধ্যায়কে বুঝানো হয়ছে।]

CHAPTER X - PUBLIC NUISANCES:
Section 132A. Application: The provisions of this Chapter shall not apply to a Metropolitan Area.
২,৭৭০.
'ক' ৫,০০০ টাকা 'খ' কে ৭ দিনের জন্য রাখতে দেয়। 'খ' আকস্মিক প্রয়োজনে তা খরচ করে ফেলে এবং ১৫ দিন পরে তা 'ক' এর নিকট ফেরত দেয়। এটি নিম্নের কোন অপরাধ?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:

কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' কে ৭ দিনের জন্য টাকা রাখতে দেয়া হয় কিন্তু 'ক' নিজের প্রয়োজনে খরচ করে এবং নির্ধারিত দিনের পর ফেরত দেয়। এখানে 'ক' অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এর অপরাধ করেছে এবং দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অনুযায়ী তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 405- Criminal breach of trust:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
২,৭৭১.
আদালত ৮ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ গঠন করে। কিন্তু মামলার শুনানী শেষে আদালত ৪ জনকে খালাস প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে আদালত বাকী ৪ জনকে-
  1. ডাকাতির জন্য দণ্ডিত করতে পারে 
  2. দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  3. ডাকাতি বা দস্যুতা উভয়ের জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  4. চুরির জন্য দণ্ডিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ম ৫ জনকে দণ্ডিত করতে হয়। যেহেতু ৪ জন দোষী প্রমাণিত হয়েছে তাই আদালত তাদেরকে ডাকাতির জন্য দণ্ডিত করতে পারে না কিন্তু দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান: দস্যুতার সংজ্ঞা (Robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When extortion is robbery)- বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী স্বয়ং ভিকটিমের নিকটে বা আশেপাশে উপস্থিত থেকে তাৎক্ষনিক ভয়ের সৃষ্টি করলে বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতা বলে গণ্য হবে।
⇒ চুরি কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When theft is robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা চুরি করার সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা অবৈধ আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন চুরি দস্যুতা বলে গণ্য হবে।

⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারা মতে প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

⇒ যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।

⇒ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে  দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ অর্থাৎ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
--------
Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
২,৭৭২.
তামাদি আইনের ধারা ৯ অনুসারে, একবার সময় চালু হলে, পরবর্তী অক্ষমতা কী করে?
  1. সময় বন্ধ করে
  2. সময় চালু রাখে
  3. সময় রিসেট করে
  4. সময় বাড়িয়ে দেয়
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৯-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, "যেখানে একবার সময় চলা শুরু হয়েছে, কোন পরবর্তী অক্ষমতা বা মামলা দায়ের করতে অক্ষমতা এটিকে থামায় না।"
অর্থাৎ, মামলা দায়েরের অধিকার সৃষ্টির তারিখ থেকে সময় গণনা শুরু হয়ে গেলে, পরবর্তীতে যদি কোনও ব্যক্তি নাবালক বা পাগল হয়ে যান কিংবা অন্য কোনও অক্ষমতার সৃষ্টি হয়, তবুও সময়ের গণনা বন্ধ হবে না।

⇒ তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান অবিরাম সময়ের গণনা:
- একবার সময় শুরু হলে, পরে কোন অক্ষমতা বা মোকদ্দমা দায়েরের অক্ষমতা সময়ের গণনাকে থামায় না:
যেহেতু, যদি কোন ক্রেডিটরের সম্পত্তির জন্য প্রশাসনের পত্র তার ঋণগ্রহীতার হাতে দেওয়া হয়, তাহলে ঋণ পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা দায়েরের জন্য নির্ধারিত সময়ের গণনা প্রশাসন চালু থাকা কালীন স্থগিত থাকবে।
-------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 9: Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

২,৭৭৩.
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালত (Court of Small Causes) এর এখতিয়ার সম্পর্কিত সন্দেহ তৈরি হলে, আদেশ ৪৬ বিধি-৬ অনুসারে আদালত কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে?
  1. নিজেই সিদ্ধান্ত নেবে
  2. জেলা জজ আদালতে নথি দাখিল করবে
  3. মামলা বাতিল করবে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে নথি দাখিল করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-৬: ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার ক্ষমতা:
১) যেক্ষেত্রে রায় প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় যে আদালতে মোকদ্দমা রুজু হয়েছে, সে আদালত, মোকদ্দমা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সন্দেহ করে, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে

২) হাইকোর্ট বিভাগ নথি এবং বিবৃতি গ্রহণ করার পর উক্ত আদালতকে মোকদ্দমায় অগ্রসর হতে অথবা উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণের উপযুক্ত ঘোষিত কোন আদালতে উহার আদেশ মতে পেশ করার জন্য আরজি ফেরত পাঠানোর আদেশ দিতে পারে।

Rule 6: Power to refer to High Court division questions as to jurisdiction in small causes:
1) Where at any time before judgment a Court in a suit has been instituted doubts whether the suit is cognizable by a Court of Small Causes or is not so cognizable, it may submit the record to the High Court Division with a statement of its reasons for the doubt as to the nature of the suit.

2) On receiving the record and statement, the High Court Division may order the Court either to proceed with the suit or to return the plaint for presentation to such other Court as it may in its order declare to be competent to take cognizance of the suit.
২,৭৭৪.
বিশেষ আইনের অধীন কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে তামাদি আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৪ ধারা
  2. ৯-১৮ ধারা
  3. ২২ ধারা
  4. উল্লিখিত সকল ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন

-বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872.
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law-
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply.
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act.
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
২,৭৭৫.
গ্রাম আদালত আইন,২০০৬ এর অধীন আপোস বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি হলে উক্ত আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. ক এবং খ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• গ্রাম আদালত আইন প্রণীত হয় ২০০৬ সালে। গ্রাম আদালত আইনটি মধ্যস্থতার মাধ্যমে গ্রাম আদালতের দ্বারা কতিপয় দেওয়ানি এবং ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির বিধান আলোচনা করা হয়েছে। কোন নির্দিষ্ট মামলার জন্য গ্রাম আদালত গঠন করা যেতে পারে এবং উক্ত মামলা নিষ্পত্তি হলে বা না হওয়ার কারণে মেয়াদ শেষে গ্রাম আদালতটি বিলুপ্ত হয়।

ধারা ৩ (গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য মামলা)-
উল্লিখিত ফৌজদারি এবং দেওয়ানি মামলাসমূহের বিচার গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে এবং এই ক্ষেত্রে দেওয়ানী এবং ফৌজদারী কোন আদালতের বিচারের এখতিয়ার থাকবে না। যে সকল মামলার বিচার গ্রাম আদালত করতে পারবে তা তফসিলে ২টি অংশে উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪ (গ্রাম আদালত গঠনের আবেদন)-
গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য কোন মামলার যেকোন পক্ষ উক্ত মামলা বিচার করার নিমিত্তে গ্রাম আদালত গঠনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করবে। চেয়ারম্যান এমন আদেশ নাকচ না করলে, একটি গ্রাম আদালত গঠন করার উদ্যোগ নিবে। চেয়ারম্যান এমন আবেদন নাকচ করলে, সংক্ষুদ্ধ পক্ষ উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে সহকারী জজের নিকট রিভিশন করতে পারবে।

ধারা ৫ (গ্রাম আদালত গঠন)-
একজন চেয়ারম্যান এবং উভয়পক্ষ কর্তৃক মনোনীত ২ জন করে মোট ৪ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম আদালত গঠিত হবে। চেয়ারম্যানসহ মোট ৫ সদস্য বিশিষ্ট হবে।

• গ্রাম আদালত গঠিত হবার পরে  উভয় পক্ষকে শুনানী শেষে আদালত উভয় পক্ষের মধ্যকার বিচার্য বিষয় নির্ধারন করবে এবং উভয় পক্ষের  বিরোধ আপোষে মীমাংসার চেষ্টা করবে। আপোষে বিরোধ নিষ্পত্তি করা সম্ভবপর হলে তা চুক্তিতে লিপিবদ্ধ করে উভয় পক্ষ এবং তাদের মনোনীত সদস্য কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে। অতঃপর গ্রাম আদালত তদানুযায়ী ডিক্রি অথবা আদেশ প্রদান করবে। 

ফৌজদারী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হবার ৩০ দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে; এবং দেওয়ানী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে মামলার কারণ উদ্ভব হবার ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করতে হবে।

৬খ ধারায় প্রাক বিচার (Pre-trial) এর বিধান আছে। প্রাক বিচার হলো বিচার্য বিষয় নির্ধারণ এবং আপোস বা মীমাংসার মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করা। এই আপোসনামা গ্রাম আদালতের আদেশ বা ডিক্রি বলে গণ্য হবে। গ্রাম আদালত আপোসনামার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি করলে উক্ত আপোষনামার (আদেশ বা ডিক্রির ) বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।
২,৭৭৬.
যদি কোনো চুক্তি অবিরাম ভঙ্গ করা হয়, তবে তামাদির মেয়াদ গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. চুক্তি স্বাক্ষরের দিন থেকে
  2. প্রথম চুক্তি ভঙ্গের দিন থেকে
  3. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  4. সর্বশেষ চুক্তি ভঙ্গের দিন থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী, যদি কোনো চুক্তি অবিরাম বা বারংবার ভঙ্গ করা হয়, তবে: প্রতিবার চুক্তি ভঙ্গের মাধ্যমে নতুন করে cause of action (আইনগত অভিযোগের ভিত্তি) সৃষ্টি হয়। এর ফলে প্রতিবারই নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
- অর্থাৎ বারংবার চুক্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে, সর্বশেষ চুক্তি ভঙ্গের তারিখ থেকেই তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) সর্বশেষ চুক্তি ভঙ্গের দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করা:
-যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
- এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-23.Continuing breaches and wrongs:
-In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
২,৭৭৭.
নিম্নলিখিত কোনটি নির্ধারণ করতে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময় পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে-
  1. পক্ষগণ তাদের মধ্যেকার অভিযোগগুলো স্বীকার করে কিনা
  2. পক্ষগণ বিরোধ সম্পর্কে অবগত কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য
  3. পক্ষগণ তাদের মধ্যেকার অভিযোগগুলো স্বীকার বা অস্বীকার করে কিনা
  4. উল্লেখিত সব
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। 

• বিধি-১ আরজি জবাবের অভিযোগাদি স্বীকৃত না অস্বীকৃত তা নিশ্চিতকরণ :-
আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে প্রত্যেক পক্ষ কিংবা পক্ষের উকিল হতে নিশ্চিত করবে যে, সেই পক্ষ অপর পক্ষের আরজিতে কিংবা লিখিত বিবৃতিতে (যদি থাকে) রচিত তথ্যগত উক্তি সমূহ স্বীকার না কি অস্বীকার করে, এবং যা সংশ্লিষ্ট পক্ষ দ্বারা প্রকাশ্য কিংবা প্রয়োজনীয় অর্থে স্বীকৃত বা অস্বীকৃত হয়নি-আদালত একই ধরণের স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতিসমূহ রেকর্ড করবে।

[Rule.-1: Ascertainment whether allegations in pleadings are admitted or denied-
At the first hearing of the suit the Court shall ascertain from each party or his pleader whether he admits or denies such allegations of fact as are made in the plaint or written statement (if any) of the opposite party, and as are not expressly or by necessary implication admitted or denied by the party against whom they are made. The Court shall record such admissions and denials]
২,৭৭৮.
দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বাধিক কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারবেন?
  1. ১ লক্ষ টাকা
  2. ২ লক্ষ টাকা
  3. ৩ লক্ষ টাকা
  4. ৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২ (সংশোধিত): ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত সাজা:
(১) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিম্নলিখিত সাজা প্রদান করতে পারবেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড;
- দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড

(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো সাজার সমন্বয়ে একটি বৈধ সাজা প্রদান করতে পারবেন।

২,৭৭৯.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ধারা ৮১খ এর বিধান কোন ধরনের জমির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. জমিদারি জমি
  2. চাষযোগ্য জমি
  3. সরকারি খাসজমি
  4. ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ৮১খ (Section 81B) এর বিধান অনুযায়ী, এই ধারা স্পষ্টভাবে সরকারি খাসজমি (Government Khas Land) সম্পর্কিত ইজারা দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই ধারা বলে যে, সরকারি খাসজমির ইজারা প্রদানের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সম্পাদিত ইজারা দলিল নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) অনুসারে নিবন্ধিত না হলে, কৃষি বা অকৃষি কোনো প্রজাস্বত্ব সৃষ্টি হবে না। অর্থাৎ, এই বিধান শুধুমাত্র সরকারি খাসজমির ইজারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১খ ধারার বিধান ইজারা দলিল নিবন্ধন: ধারা ৮১ বা ৮১ক অথবা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি সরকারি খাসজমি ইজারা প্রদানের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক ইজারা দলিল সম্পাদিত এবং নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর বিধানানুসারে নিবন্ধিত না হয়, তাহা হইলে এমনকি ইজারা-গ্রহীতার নিকট হইতে সেলামি বা খাজনা গ্রহণ করা হইলেও, কৃষি অথবা অকৃষি কোনো প্রকার প্রজাস্বত্বই সৃষ্টি হইবে না বা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
----------
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950, Section 81B. Registration of lease deed:
 - Notwithstanding anything contained in sections 81 and 81A or any other law for the time being in force, no agricultural or non-agricultural tenancy shall in law be created or deemed to have been created, even after acceptance of salami and/or rent from the lessee, till a deed of lease has been executed in favour of the lessee by an authority competent to grant lease of Government khas land or any other gazetted officer duly authorised in this behalf and the said lease has been duly registered under the provision of clause (d) of sub-section (1) of section 17 of the Registration Act, 1908.

২,৭৮০.
তামাদি আইন,১৯০৮ এর ১ম তফসিলে মোট কয়টি অনুচ্ছেদ আছে?
  1. ১৩৮ টি
  2. ১১৩ টি
  3. ১৮৩ টি
  4. ১৯৩ টি
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন পাশ করা হয়। এই আইনটি ১৮৬২ সালে কার্যকর করা হয়। সর্বশেষ ১৯০৮ সালে পুনরায় তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয় যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এটা ১৯০৮ সালের ৯নং আইন। আইনটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী হতে কার্যকর হয়। বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল বলবৎ আছে। 

• তফসিলে মোকদ্দমা, আপীল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
২,৭৮১.
অপরাধ করার সময় মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল কিন্তু বিচার চলাকালে মানসিকভাবে সুস্থ বলে মনে হলে,আদালত-
  1. মামলা স্থগিত রাখবেন
  2. মামলা বাতিল করবেন
  3. মামলা চালিয়ে যাবেন
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৬৯- আসামীকে যখন বিচার চলাকালে মানসিকভাবে সুস্থ বলে মনে হয় কিন্তু অপরাধ করার সময় মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল বলে প্রতীয়মান হয় সেক্ষেত্রে করণীয়

অনুসন্ধান বা বিচারের সময় আসামী যখন মানসিক সুস্থ বলে প্রতীয়মান হয় এবং আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আসামী যখন অপরাধমূলক কাজটি করেছিল তখন মানসিক অসুস্থতার দরুন অপরাধমূলক কাজটির প্রকৃতি জানতে অসমর্থ ছিল, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত মামলার কাজ চালিয়ে যাবেন।

Section 469- When accused appears to have been insane
When the accused appears to be of sound mind at the time of inquiry or trial, and the Magistrate or, as the case may be, the Court is satisfied from the evidence given before him or it that there is reason to believe that the accused committed an act which, if he had been of sound mind, would have been an offence, and that he was, at the time when the act was committed, by reason of unsoundness of mind, incapable of knowing the nature of the act or that it was wrong or contrary to law, the Magistrate or, as the case may be, the Court shall proceed with the case.
২,৭৮২.
যুগ্ম জেলা জজ নিম্নের কত মূল্যের মোকদ্দমা বিচার করতে পারেন?
  1. সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকা
  2. ১৫–২৫ লক্ষ টাকা
  3. সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) কোনটিই নয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার- সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা;
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক- এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা;
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ, যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে। তাই “সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ” বা “১৫–২৫ লক্ষ” বা “সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ” সঠিক নয়।

২,৭৮৩.
According to Section 82, a warrant of arrest can be executed at which location?
  1. Only in the capital city
  2. Only in the district where it was issued
  3. Anywhere in Bangladesh
  4. Only in the division where it was issued
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারা-
গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যেকোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।
 
Section 82- Where warrant may be executed:
A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
২,৭৮৪.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৩-এ কোন অপরাধের বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. ডাকাতি সংঘটন করা
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৪০৩–এ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ (Dishonest misappropriation of property) অপরাধের বিধান দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে,  যদি কোনো ব্যক্তি অসাধুভাবে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে সে অপরাধী হবে।
- শাস্তি: সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
ব্যাখ্যা ১: কিছু সময়ের জন্য হলেও অসাধু আত্মসাৎ এই ধারার আওতায় পড়বে।
ব্যাখ্যা ২: যদি কেউ কোনো সম্পত্তি খুঁজে পেয়ে মালিককে ফেরত দেওয়ার উদ্দেশ্যে নেয়, তবে তা অপরাধ নয়। কিন্তু মালিককে জানা সত্ত্বেও বা খুঁজে বের করার উপায় থাকা সত্ত্বেও যদি সে সম্পত্তি নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে তা অসাধু আত্মসাৎ হিসেবে গণ্য হবে।
-  তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
--------
⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.

২,৭৮৫.
'পুলিশ হেফাজতে করা স্বীকারোক্তি অপরাধীর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।'- এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ২৮
  4. উল্লিখিত কোন ধারায় নয়
ব্যাখ্যা

The Evidence Act, 1872 এর ধারা ২৬: পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় অপরাধীর স্বীকারোক্তি:
যে কোনো ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন স্বীকারোক্তি (confession) করে, তা কেবল তখনই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে, যদি সেই স্বীকারোক্তি সরাসরি একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে করা হয়।
অন্যথায়, পুলিশ হেফাজতে করা স্বীকারোক্তি অপরাধীর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):
এখানে "ম্যাজিস্ট্রেট" বলতে কেবল সেই ম্যাজিস্ট্রেটকেই বোঝায়, গ্রামের প্রধান বা অন্য কোনো ব্যক্তি, যদিও তিনি কিছু ম্যাজিস্ট্রেটি কার্য সম্পাদন করেন, তাকে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে ধরা হবে না, যদি না তিনি Code of Criminal Procedure, 1898 অনুযায়ী বৈধ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।

২,৭৮৬.
'A' is charged with traveling on a railway without a ticket. The burden of proving that 'A' had a ticket is on-
  1. 'A'
  2. Ticket Checker
  3. Railway authority
  4. Railway Police
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। অর্থাৎ, কোনো একটি ঘটনা বা বিষয় যখন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জানার কথা বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা জানার কথা নয়, তখন ঐ ব্যক্তির উপরই প্রমাণ করার দায়িত্ব বর্তাবে। এই ধারা অনুসারে, 'A'-কেই প্রমাণ দিতে হবে যে, তার কাছে টিকেট ছিল।

Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge
When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.

Illustrations-
(a) When a person does an act with some intention other than that which the character and circumstances of the act suggest, the burden of proving that intention is upon him.
(b) 'A' is charged with traveling on a railway without a ticket. The burden of proving that he had a ticket is on him.
২,৭৮৭.
যদি আদালত রিভিউ আবেদন অনুমোদন করে, তবে তার বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রেফারেন্স
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭, বিধি ৪ অনুসারে, আদালত যদি একটি রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে (অর্থাৎ, রিভিউ অনুমোদন করে) এবং সেই অনুসারে কোনো আদেশ পাস করে, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যায়। এটি আদেশ ৪৩, বিধি ১ দ্বারা স্বীকৃত, যা সরাসরি এই ধরনের আদেশকে আপিলযোগ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুযায়ী ৪৭ আদেশের ৪ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। 
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫টি আদেশ রয়েছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় ও ৪৩ আদেশে  "আদেশ হতে আপীল" এর বিধান আছে । এইখানে বলা আছে ৪৭ আদেশের ৪ বিধির আধিনে রিভিউ আবেদন বা দরখাস্ত মনঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। 
- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ এবং ধারা ১১৪ তে রিভিউর বিধান আছে ।
আদালত রিভিউ আবেদন মনঞ্জুর করলে এর বিরুদ্ধে আপীল চলে , তবে রিভিউ না-মনঞ্জুর করলে তার বিরদ্ধে রিভিশন চলবে।

২,৭৮৮.
The Civil Courts Act, 1887 অনুসারে সহকারী জজ আদালত ______ নির্দেশিত সিলমোহর ব্যবহার করেন।
  1. সরকার
  2. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ১৬ ধারার বিধান: আদালতসমূহের সীলমোহর: সকল দেওয়ানি আদালত সরকার দ্বারা নির্ধারিত আকার ও প্রকৃতির সীলমোহর ব্যবহার করবেন।

⇒ Section-16. Seals of Courts: Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.
২,৭৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৫, বিধি-৩(১) অনুসারে, আপিল বিভাগে আপিল করার জন্য আবেদনপত্রে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. আপিলের ফি
  2. বিচারকের মতামত
  3. আইনজীবীর নাম
  4. আপিলের ভিত্তি বা কারণ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৫, বিধি ৩(১)-এ বলা হয়েছে: প্রত্যেকটি আবেদনপত্রে আপিলের ভিত্তি বা কারণ (grounds of appeal) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
- এছাড়া, এই উপবিধিতে আরও বলা হয়েছে যে আবেদনপত্রে একটি certificate-এর জন্য প্রার্থনাও থাকতে হবে—যা নিশ্চিত করে যে মামলা section 110 অনুযায়ী আপিলযোগ্য অথবা "otherwise a fit one"।
⇒ আপিলের ভিত্তি বা কারণ (grounds of appeal) উল্লেখ করাটাই হলো আদেশ ৪৫, বিধি ৩(১) অনুসারে বাধ্যতামূলক। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ)

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৫, বিধি ৩: মামলার মূল্য বা উপযুক্ততা সম্পর্কিত সনদ (Certificate as to value or fitness)
(১) আপিলের অনুমতির জন্য দাখিলকৃত প্রতিটি দরখাস্তে  আপিলের কারণসমূহ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে, এবং এর সাথে একটি সনদের প্রার্থনা থাকতে হবে,  হয় এই মর্মে যে, মামলার অর্থমূল্য বা প্রকৃতি অনুযায়ী, এটি ধারা ১১০-এর শর্ত পূরণ করে, অথবা, এই মর্মে যে, মামলাটি উপরোক্ত শর্ত পূরণ না করলেও, এটি আপিল বিভাগে আপিলের জন্য উপযুক্ত একটি মামলা।
(২) এমন দরখাস্ত প্রাপ্তির পর আদালত, বিপক্ষ পক্ষকে নোটিশ ইস্যু করবে, যাতে তারা আদালতকে কারণ দর্শাতে পারে , কেন উক্ত সনদ প্রদান করা উচিত নয়।

⇒ Order XLV, Rule 3 – Code of Civil Procedure, 1908: Certificate as to value or fitness for appeal to the Appellate Division:
(1) Every petition for leave to appeal shall Clearly state the grounds of appeal, and Be accompanied by a prayer for a certificate — either:
that, based on the amount or value and the nature of the case, it meets the requirements of section 110,
or that, even if it does not meet those requirements, it is otherwise a fit case for appeal to the Appellate Division.
(2) Upon receiving such a petition, the Court shall Direct notice to be served on the opposite party,
So that they may have an opportunity to show cause why the certificate should not be granted.

২,৭৯০.
কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য তার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হতে ৫ বছর বা তার ________ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া, এর মধ্যে যা আগে ঘটে, সেই সময় পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
  1. ৫৯
  2. ৬০
  3. ৬৫
  4. ৬৭
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩৯- পদের মেয়াদ:
(১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য তাঁহার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর বা তাঁহার পয়ষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে যাহা অগ্রে ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্টের কোন বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য অপসারিত হইবেন না।

(৩) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

(৪) কর্মাবসানের পর কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য প্রজাতন্ত্রের কর্মে পুনরায় নিযুক্ত হইবার যোগ্য থাকিবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদের (১) দফা-সাপেক্ষে
(ক) কর্মাবসানের পর কোন সভাপতি এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন; এবং
(খ) কর্মাবসানের পর কোন সদস্য (সভাপতি ব্যতীত) এক মেয়াদের জন্য কিংবা কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতিরূপে নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন।
২,৭৯১.
"Complete Justice" বিষয়টি কোন কর্তৃপক্ষের সাথে জড়িত?
  1. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আপিল বিভাগ
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১০৪: আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ-
কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।

Article 104: Issue and execution of processes of Appellate Division-
The Appellate Division shall have power to issue such directions, orders, decrees or writs as may be necessary for doing complete justice in any cause or matter pending before it, including orders for the purpose of securing the attendance of any person or the discovery or production of any document.
২,৭৯২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় মোকদ্দমায় দায়ের করা যায় না-
  1. সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়
  2. দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল করলে
  3. বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করলে
  4. ক্ষতির পরিমাণ সহজেই নির্ণয়যোগ্য হলে 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি ৪টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে। যথা-
১। যে ক্ষেত্রে বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে;
২। বাদীর অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়;
৩। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন হলে;
৪। দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল/ হস্তান্তর করলে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১১,তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট দখল অর্পণের বিষয়ে মালিক ব্যতীত অন্য দখলকারী
ব্যক্তির দায়-দায়িত্ব। কোনো অস্থাবর সম্পত্তির অংশবিশেষ দখলকারী অথবা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে, যাহার তিনি মালিক নহেন, নিম্নবর্ণিত যে কোনো ক্ষেত্রে, তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সুনির্দিষ্টভাবে অর্পণ করিবার জন্য বাধ্য করা যাইবে:-
(ক) যখন দাবিকৃত বস্তু বিবাদির নিকট দাবিদারের ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসাবে রাখা হয়;
(খ) যখন আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে দাবিদারের দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতির পর্যাপ্ত প্রতিকার বিধান করা যায় না;
(গ) যখন অনিষ্টের ফলে সাধিত ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টকর;
(ঘ) যখন দাবিকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হইতে ভুলভাবে হস্তান্তরিত হইয়াছে।
-----------------------
The Specific Relief Act,1877, Section11, Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
 Any person having the possession or control of a particular article of movable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.

২,৭৯৩.
আদালত কখন বাদীকে মোকদ্দমার খরচা বাবদ জামানত প্রদানের আদেশ দিবেন?
  1. বাদী বা বাদীগণ বাংলাদেশের বাহিরে বাস করিলে,
  2. মোকদ্দমায় জড়িত সম্পত্তি ছাড়া বাদী বা বাদীগণ বাংলাদেশের ভিতরে যথেষ্ট স্থাবর সম্পত্তি দখল না করিলে,
  3. বাদী বা বাদীগণ বাংলাদেশের ভিতরে বাস করিলে
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়,
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৫ বিধি ১ এর বিধান হলো মামলা খরচের জন্য জামানত জমা দেওয়া বা মোকদ্দমার খরচের জন্য জামানত।

⇒ বাদী দেশের বাহিরে অবস্থান করলে এবং বাদীর যদি মোকদ্দমার সম্পত্তি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন স্থাবর সম্পত্তি না থাকে সেই ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীর আবেদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মোকদ্দমার দায়েরের বা ব্যয়ের যাবতীয় খরচ এবং বিবাদীর সম্ভাব্য খরচের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ আদেশ ২৫ বিধি-১। বাদীর নিকট হতে কখন খরচা বাবদ জামানত প্রদানের আদেশ দেয়া হয় (When security for costs may be required from plaintiff): যেক্ষেত্রে একমাত্র বাদী বা সকল বাদী বাংলাদেশের বাইরে বাস করছে; এবং মোকদ্দমার সম্পত্তি ব্যতীত বাংলাদেশের ভিতরে কোন যথেষ্ট স্থাবর সম্পত্তি দখল করে না, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার যাবতীয় খরচ এবং কোন বিবাদীর সম্ভাব্য খরচের জন্য জামানত প্রদানের জন্য বাদী বা বাদীগণকে নির্দেশ দিতে পারেন। অর্থ পরিশোধের মোকদ্দমায় বাদী স্ত্রীলোক হলে কোন বিবাদীর আবেদন ক্রমে আদালত অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ আদেশ ২৫  বিধি-২। জামানত প্রদানের ব্যর্থতার ফল (Effect of failure to furnish security): নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করা না হলে মোকদ্দমা খারিজ করে আদালত একটি আদেশ দিবেন। মোকদ্দমা খারিজ হলে উক্ত খারিজের আদেশ রদের জন্য বাদী আবেদন করতে পারে এবং শর্তসাপেক্ষে আদালত খারিজের আদেশ রদ করবেন এবং মোকদ্দমা চালানোর জন্য অপর একটি দিন ধার্য করবেন। বিবাদীর উপর বিজ্ঞপ্তি জারি না করে খারিজের আদেশ রদ করা যাবে না।
২,৭৯৪.
কত সালে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক তে 'may' এর পরিবর্তে 'shall' শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে প্রথম বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান সংযোজন করা হয় এবং ধারা ৮৯ ক, ৮৯খ,৮৯গ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্বে তা ঐচ্ছিক ছিল কিন্তু ২০১২ সালে দেওয়ানি কার্যবিধিতে মধ্যস্থতা (Mediation) বাধ্যতামূলক করা হয়। ধারা ৮৯ক তে 'may' এর পরিবর্তে 'shall' শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়।
 
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে-
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration)।
 
মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে। মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
 
মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বইচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপীল বা রিভিশন চলবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
 
Section: 89A(1)-
Except in a suit under the Artha Rin Adalat Ain, 2003 (Act No. 8 of 2003), after filing of written statement, if all the contesting parties are in attendance in the Court in person or by their respective pleaders, the Court shall, by adjourning the hearing, mediate in order to settle the dispute or disputes in the suit, or refer the dispute or disputes in the suit to the concerned Legal Aid Officer appointed under the Legal Aid Act, 2000 (Act No. 6 of 2000), or to the engaged pleaders of the parties, or to the party or parties, where no pleader or pleaders have been engaged, or to a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), for undertaking efforts for settlement through mediation.
২,৭৯৫.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারা অনুযায়ী দখল ফেরত পাওয়ার জন্য কত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হয়?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে হয় দখলচ্যুত হওয়ার তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে।
২,৭৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. গ্রেফতারি পরোয়ানা
  2. গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সমন
  3. উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ
  4. 'খ' এবং 'গ' উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ আদালতকে ক্ষমতা দেয় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে সমন করা এবং উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার জন্য।
- অতএব, সঠিক উত্তর হলো — ঘ) 'খ' এবং 'গ' উভয়ই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার ক্ষমতা:
এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোনোো ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোনো ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দি গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন। 

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, -Section 540: Power to summon material witness or examine person present:
Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
২,৭৯৭.
‘ক’ দোকানে ঢুকে মালিক ‘খ’ কে ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি দিতে বাধ্য করে। ‘ক’ কোন অপরাধ করেছে?
  1. Theft
  2. Dacoity
  3. Extortion
  4. Robbery
ব্যাখ্যা

• সাধারণ ভাষায় বলা যায়, ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তিকে ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে সম্পত্তি গ্রহণ করাকে জোরপূর্বক গ্রহণ (Extortion) বলা হয়।

দণ্ডবিধির ৩৮৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির ইচ্ছাকৃতভাবে তাহার বা অন্য কারও ক্ষতির ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত বা সাক্ষরিত বা সীলমোহরকৃত যা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরিত হয় তাহা হস্তান্তরে বাধ্য করে, সেই ব্যক্তি বলপূর্বক গ্রহণ বা আদায় (Extorion) করে। এখানে ‘ক’ ইচ্ছাকৃতভাবে ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি গ্রহণ করেছে → Extortion.

বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি :
দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারা মোতাবেক যে ব্যক্তি জোরপূর্বক গ্রহণের অপরাধ করে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অন্যান্য ক্ষেত্রে-
Theft (চুরি): সম্পত্তি নেওয়া হয় কিন্তু কোনো ভয় বা বল প্রয়োগ হয় না।
Robbery (দস্যুতা): সরাসরি ভয় দেখিয়ে বা বল প্রয়োগ করে সম্পত্তি নেওয়া।
Dacoity (ডাকাতি): ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি দস্যুতা সংঘটন করা বা সংঘটনের চেষ্টা করা

২,৭৯৮.
মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহনীয় _____________ ?
  1. কেবল ফৌজদারি কার্যধারায়
  2. কেবল দেওয়ানি কার্যধারায়
  3. দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যধারায়
  4. কেবল ঘোষণাকারীর মৃত্যুর কারণ সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি কার্যধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

১) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);

২) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

৩) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);

৪) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

৫) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);

৬) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

৭) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা

৮) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

♦ অর্থাৎ দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যধারায় মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহনীয়।
২,৭৯৯.
ক কে একটি আদালত ১০০ টাকা দণ্ড প্রদান করে এবং অনাদায়ে ৪ মাসের কারাদণ্ড ভোগের আদেশ দেয়। ক টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁকে জেলে নেওয়া হলো। পরে ক ৭৫ টাকা পরিশোধ করলো। এই ক্ষেত্রে ______।
  1. ক শুরুতে জরিমানার টাকা না দেওয়ায় ৪ মাস পর মুক্তি পাবে
  2. ক ১ মাস পর মুক্তি পাবে
  3. ক ২ মাস পর মুক্তি পাবে
  4. ৩ মাস পর মুক্তি পাবে।
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ৬৯ ধারার বিধান জরিমানার আনুপাতিক অংশ আদায়ে কারামুক্তি (Termination of imprisonment on payment of proportional part of fine): অর্থদণ্ড যতটুকু পরিশোধ করা হবে কারাদণ্ড সেই অনুপাতে বাতিল হবে। আংশিক অর্থদণ্ড পরিশোধে আংশিক কারাদণ্ড বাতিল হবে।
♦অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে যদি অর্থদণ্ডের একটি অংশ প্রদান করা হয় তবে বাকি কারাদণ্ডের মেয়াদ আদায়কৃত অর্থদণ্ডের অনুপাত কমে যাবে। আদায়কৃত অর্থদণ্ড বাকি থাকা কারাদণ্ডের আনুপাতিক হারে বেশী হলে আসামী সাথে সাথে মুক্তি পাবে।
♦পেনাল কোডের ৬৫-৬৯ নং ধারা একসাথে পড়তে হবে। যেক্ষেত্রে শুধু জরিমানার দণ্ড দেওয়া হয় সেই ক্ষেত্রে জরিমানার টাকা শোধ করলে দণ্ডিত ব্যক্তিকে সাথে সাথে মুক্তি দিতে হবে। যদি অর্ধেক বা এক তৃতীয়াংশ টাকা জমা দেয় তাহলে অর্ধেক বা এক-তৃতীয়াংশ কারাদণ্ডের মেয়াদ থাকতেই তাঁকে মুক্তি দিতে হবে। উল্লেখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তি যদি ৫০ টাকা জমা দিতো তাহলে ২ মাস পর মুক্তি দেওয়া হতো।
২,৮০০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে তত্ত্বাবধায়ক (receiver) নিয়োগের ক্ষমতা কার?
  1. বাদীর
  2. আদালতের
  3. মোকদ্দমার পক্ষসমূহের
  4. চুক্তির পক্ষসমূহের
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।

তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section- 44. Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure.

The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.