বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ২৬ / ১৫৫ · ২,৫০১২,৬০০ / ১৫,৪৭০

২,৫০১.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাতের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পুরুষত্বহীন করণ
  2. চোখের স্থায়ী অন্ধত্ব
  3. মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  4. যেকোনো অঙ্গের অস্থায়ী চোট
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাতের মধ্যে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ৮টি ধরনের আঘাত অন্তর্ভুক্ত, যেমন পুরুষত্বহীন করণ (প্রথম দৃষ্টান্ত), চোখের স্থায়ী অন্ধত্ব (দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত) এবং মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি (ষষ্ঠ দৃষ্টান্ত)। কিন্তু যেকোনো অঙ্গের অস্থায়ী চোট গুরুতর আঘাতের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি স্থায়ী ক্ষতি বা গুরুতর প্রভাব (যেমন ২০ দিনের যন্ত্রণা বা অপারগতা) সৃষ্টি করে না; এটি সাধারণ আঘাতের (ধারা ৩১৯) আওতায় পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:
- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:

প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

২,৫০২.
কোন ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট মোকদ্দমায় এক বা একাধিক ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা যায়?
  1. পৃথক মোকদ্দমায় তথ্য সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হলে
  2. পৃথক মোকদ্দমা ব্যয়সাপেক্ষ হলে
  3. পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করা সময়সাপেক্ষ হলে
  4. পৃথক মোকদ্দমায় আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ;
২. বিবাদী পক্ষ।

• [বিধি ১ থেকে ৩] মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে।একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে।

উদাহরণ-
'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে । এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
২,৫০৩.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী সম্পত্তির সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অধিকার লঙ্ঘনের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ব্যবহারের অধিকার আছে এমন ব্যক্তির দ্বারা সম্পত্তি অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির মামলার তামাদি মেয়াদ হলো ২ বছর। এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় যখন সম্পত্তির অপব্যবহার ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি প্রথম জানতে পারে।

- অর্থাৎ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ব্যবহারের অধিকার লঙ্ঘনের মামলার তামাদি মেয়াদ হলো ২ বছর, যা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি অপব্যবহার সম্পর্কে জানার সময় থেকে গণনা করা হয়।


২,৫০৪.
নিঃস্ব ব্যক্তির আপিলের ক্ষেত্রে নিঃস্বতা সম্পর্কে তদন্ত কে করবে?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  2. আপিল শ্রবণকারী আদালত
  3. সংশ্লিষ্ট বার এসোসিয়েশন
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-২ঃ নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত-

আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সে আদালত তদন্ত করতে পারবে-

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।

Inquiry into pauperism:
The inquiry into the pauperism of the applicant may be made either by the Appellate Court or under the order of the Appellate Court by the Court from whose decision the appeal is preferred:

Provided that, if the applicant was allowed to sue or appeal as a pauper in the Court from whose decree the appeal is preferred, no further inquiry in respect of his pauperism shall be necessary, unless the Appellate Court sees cause to direct such inquiry.
২,৫০৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ (Compensatory cost) দেয়া যায়-
  1. সর্বনিম্ন ২০,০০০ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা
  3. সর্বনিম্ন ১০,০০০ টাকা
  4. সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-

 i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ;  এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ। 

ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
২,৫০৬.
দণ্ডবিধির ১৭১ঙ ধারা অনুযায়ী, আপ্যায়নের (treating) মাধ্যমে ঘুষ দেওয়ার শাস্তি কী?
  1. কেবল জরিমানা
  2. সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড
  4. কারাদণ্ড ও জরিমানা উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঙ (১৭১E) ধারায় ঘুষ (bribery) অপরাধের সাধারণ শাস্তি সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়। কিন্তু এই ধারার প্রভিশ্রুতি (Proviso) অনুসারে, "আপ্যায়ন" (treating) এর মাধ্যমে ঘুষ দেওয়ার ক্ষেত্রে শাস্তি কেবল জরিমানা হবে। আপ্যায়ন বলতে খাবার, পানীয়, বিনোদন বা সরবরাহের মাধ্যমে সন্তুষ্টি প্রদানকে বোঝায়। অন্য অপশনগুলো সাধারণ ঘুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কিন্তু treating-এর জন্য নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঙ ধারা: ঘুষের শাস্তি:
যে কেউ ঘুষের অপরাধ করবে, তাকে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আপ্যায়নের মাধ্যমে ঘুষ দেওয়া হলে শুধুমাত্র অর্থদণ্ড দ্বারা দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা- আপ্যায়ন বলতে ঘুষের সেই রূপকে বোঝায় যেখানে অনুগ্রহ বা সুবিধা খাদ্য, পানীয়, বিনোদন, বা আতিথেয়তার আকারে প্রদান করা হয়।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 171E- Punishment of bribery:
Whoever commits the offence of bribery shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both:
Provided that bribery by treating shall be punished with fine only. 

Explanation- Treating means that form of bribery where the gratification consists in food, drink, entertainment, or provision.

২,৫০৭.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এ “পারিবারিক আদালত” কোন ধারার অধীন প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৮
  4. ধারা ৫
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২(১)(ঘ) অনুসারে, “পারিবারিক আদালত” ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২(১)(ঘ) এবং ধারা ৪ অনুসারে, “পারিবারিক আদালত” ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত হয়। ধারা ৪(১) এ উল্লেখ আছে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা প্রত্যেক জেলায় এক বা একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৪ পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রত্যেক জেলায় এক বা একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলায় একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হইলে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ করিবে।
(২) সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ পদমর্যাদার ১ (এক) জন বিচারক সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হইবে।
(৩) উপধারা (১) এর অধীন পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত স্বীয় অধিক্ষেত্রভুক্ত সহকারী জজ আদালত বা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।

২,৫০৮.
কয়টি ক্ষেত্রে শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার মৃত্যু ঘটানোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য?
ব্যাখ্যা
♦  দন্ডবিধির ১০০ ধারামতে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য ৬টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) এমন আক্রমন যা মৃত্যু ঘটাতে পারে
ii) এমন আক্রমন যা গুরুতর আঘাত তৈরী করতে পারে 
iii) ধর্ষণের ক্ষেত্রে 
iv) অপ্রকৃত কাম লালসার ক্ষেত্রে 
v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টা করলে 
vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক করলে
২,৫০৯.
সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ইলেকট্রনিক রেকর্ডের তৈরি
  2. মৌখিক সাক্ষ্যের গ্রহণ
  3. হাতের লেখা স্বাক্ষর যাচাই
  4. ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩ক সরাসরি ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণ (Proof as to verification of digital signature)-এর সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুসারে, আদালত কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষরটি প্রকৃতপক্ষে সেই ব্যক্তির কিনা, যার নামে এটি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা যাচাই করার জন্য নিম্নলিখিত নির্দেশ দিতে পারেন:
- সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ (Digital Signature Certificate) জমা দিতে বলতে পারেন।
- অন্য কোনো ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকা (Public Key) ব্যবহার করে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি যাচাই করতে বলতে পারেন।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
----------
⇒The Evidence Act  1872, Section-73A. Proof as to verification of digital signature:
- In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).

২,৫১০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় কয়টি ক্ষেত্রে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।
- পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
------------------------------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54.When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest- 
firstly , any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned; 
secondly , any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking; 
thirdly , any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government; 
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing; 
fifthly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody; 
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh; 
seventhly , any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh; 
eighthly , any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3); 
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.
২,৫১১.
মুসলিম আইন অনুসারে একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে-
  1. কেউ পাবেন না
  2. মূল মালিকের সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পাবে
  3. প্রয়োজন বিবেচনায় বণ্টন করা হবে
  4. প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
- একই শ্রেণীভুক্তি অগ্রক্রয়াধিকারীদের মধ্যে অগ্রক্রয়:

- মুসলিম আইনানুসারে একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে, প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবে।
- কারণ অগ্রক্রয়াধিকারীদের একই শ্রেণীর মধ্যে নৈকট্যের ক্রমকে মুসলিম আইন স্বীকৃতি প্রদান করেনা।
- যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন পথাধিকারের fright to way! অংশ গ্রহণের যুক্তিতে অগ্রক্রয়ের দাবি করে তখন তাদের সকলেই সমান অধিকার লাভ করবে,
- যদিও তাদের মধ্যে কোন একজন পার্শ্ববর্তী বা সংলগ্ন প্রতিবেশী।
২,৫১২.
'Doctrine of Survivorship' কোন মতবাদে প্রযোজ্য?
  1. দায়ভাগ মতবাদে
  2. মিতাক্ষরা মতবাদে
  3. ক ও খ উভয় মতবাদে
  4. কোনো মতবাদেই নয়
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ উত্তরাধিকাররূপে সম্পত্তি প্রাপ্তির শুধু একটাই নিয়ম স্বীকার করে আর তা হলো উত্তরাধিকার সূত্র। যেমন, 'ক' এবং 'খ' দুই ভাই এবং তাহারা এজমালী পরিবারভুক্ত। অতএব তাদের পারিবারিক সম্পত্তিতে 'ক' এর আট আনা অংশ এবং 'খ' এর বাকী আট আনা অংশ। তদবস্থায় বাংলাদেশে 'ক' একটি পুত্র সন্তান রেখে মারা গেলে তার আট আনা অংশ তার পুত্র উত্তরাধিকার সূত্রে পাবে। ভাই 'খ' 'ক' এর ত্যাজ্যবিত্তের কোন অংশ পাইবে না। পিতার মৃত্যুতে এইভাবে পুত্রের সম্পত্তি পাওয়াকে বলা যায় উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পাওয়া। একে বলে 'Doctrine of successionship'

অপরপক্ষে মিতাক্ষরা সম্পত্তি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে দুইটি নিয়ম মেনে চলে। যেমন মিতাক্ষরা শাসিত অঞ্চলে 'ক' এবং 'খ' দুই ভাই এবং তাহারা যৌথ পরিবারভুক্ত। তাদের পূর্বপুরুষের নিকট হতে প্রাপ্ত সম্পত্তি আছে ২০ বিঘা। পরে 'ক' ওকালতি করে নিজ নামে আরও ৩০ বিঘা জমি অর্জন করে এক পুত্র রেখে মারা গেলেন। এই অবস্থায় 'ক' এর স্বোপার্জিত ৩০ বিঘা জমি তার পুত্র উত্তরাধিকার সূত্রে পাবে আর পূর্ব পুরুষাগত ২০ বিঘা জমিতে 'ক' এর অংশ যৌথ পরিবারের উত্তরজীবী (Surviving members) 'ক' এর পুত্র এবং ভাই 'খ' এর উপর সমান অংশে বর্তাইবে। এই নিয়মকেই বলা হয় উত্তরজীবী সূত্রে সম্পত্তি পাওয়া বা Doctrine of Survivorship
২,৫১৩.
'ক' একজন মৃত ব্যক্তির দানপত্রের নির্বাহক। দানপত্রে তাকে যেভাবে সম্পত্তি বন্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা ভঙ্গ করে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে । 'ক' __________ করেছে।
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি ‘অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের’ অপরাধ করেছে।

উদাহরণ:
(ক) ক কোন মৃত ব্যক্তির দানপত্রের নির্বাহক। দানপত্রে তাকে যেভাবে সম্পত্তি বন্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা ভঙ্গ করে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে । ক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।

(খ) ক একটি গুদামের রক্ষক। চ বিদেশ যাত্রাকালে তার আসবাবপত্র ক-এর কাছে গচ্ছিত রাখে এই শর্তে যে, গুদামের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থপ্রদানের পর গুদাম হতে চ-এর আসবাবপত্র প্রত্যপণ করা হবে। ক অসাধুভাবে এই গচ্ছিত আসবাবপত্র বিক্রয় করে । ক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।

(গ) ঢাকার বাসিন্দা ক চট্টগ্রামের বাসিন্দা চ-এর এজেন্ট। ক ও চ-এর মধ্যে একটি স্পষ্ট বা অব্যক্ত চুক্তি এই মর্মে বিদ্যমান আছে যে, চ-এর প্রেক্ষিতে সকল টাকা ক, চ-এর নির্দেশ মত বিনিয়োগ করবে। চ ক-এর কাছে এক লক্ষ টাকা প্রেরণ করে এই টাকা কোম্পানির কাগজে লগ্নি করার নির্দেশ দেয়। ক অসাধুভাবে নির্দেশটি অমান্য করে টাকাটা নিজের ব্যবসায় খাটায়। ক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।
২,৫১৪.
দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ সংক্রান্ত কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে, হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ-
  1. বহাল রাখতে পারেন
  2. বাতিল করতে পারেন
  3. পরিবর্তন করে অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারেন
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দণ্ড দিতে পারেন, বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত, অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।

Section 376- Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
In any case submitted under section 374, 405 the High Court Division-
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 

Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
২,৫১৫.
বেসরকারি ব্যক্তি কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করা হলে, পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারামতে পুনরায় গ্রেফতার দেখাতে পারে?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৪৬ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
২,৫১৬.
ফরিয়াদী 'ক' মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক কত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
২,৫১৭.
বাদীর অনুপস্থিতির, কারণে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত মোকদ্দমা খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly setting aside the order of the dismissal of the suit] আবেদন করা যায়?
  1. আদেশ ৯ এর ৯ বিধি
  2. আদেশ ৯ এট ১০ বিধি
  3. আাদেশ ৯ এর ৯ক বিধি
  4. আদেশ ৯ এর ১৩ বিধি
ব্যাখ্যা
♦ বাদীর অনুপস্থিতির, কারণে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত মোকদ্দমা খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের আবেদন করা যায় দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৯ক বিধি অনুসারে এই ক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ১ হাজার খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
২,৫১৮.
'ম' একজন ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে, কিন্তু সে তা সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয়। এই অপরাধের জন্য 'ম' এর সর্বনিম্ন কোন দণ্ড হতে পারে?
  1. কেবল অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ৯(৪)- যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি 16[মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে] দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২,৫১৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'জরুরী অবস্থা' জারি করা হলে তা সর্বোচ্চ কত দিন মেয়াদের হতে পারে?
  1. ১০০
  2. ১২০
  3. ৩৬৫
  4. ১৭০
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা

(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা- 
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

Article 141A: Proclamation of emergency
(1) If the President is satisfied that a grave emergency exists in which the security or economic life of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or internal disturbance, he may issue a Proclamation of Emergency for one hundred twenty days: Provided that such Proclamation shall require for its validity the prior counter signature of the Prime Minister.
 
(2) A Proclamation of Emergency – 
(a) may be revoked by a subsequent Proclamation; 
(b) shall be laid before Parliament; 
(c) shall cease to operate at the expiration of one hundred and twenty days, unless before the expiration of that period it has been approved by a resolution of Parliament: 

Provided that if any such Proclamation is issued at a time when Parliament stands dissolved or the dissolution of Parliament takes place during the period of one hundred and twenty days referred to in sub clause (c), the Proclamation shall cease to operate at the expiration of thirty days from the date on which Parliament first meets after its re constitution, unless before that expiration of the said period of thirty days a resolution approving the Proclamation has been passed by Parliament or at the expiration of one hundred and twenty days, whichever occurs first.
 
(3) A Proclamation of Emergency declaring that the security of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or by internal disturbance may be made before the actual occurrence of war or any such aggression or disturbance if the President is satisfied that there is imminent danger thereof.
২,৫২০.
Order XVIII এর Rule 20 অনুসারে, দৈনিক কার্যতালিকায় চূড়ান্ত শুনানির জন্য কতটির বেশি মামলা নির্ধারণ করা যাবে না?
  1. পাঁচটির বেশি
  2. সাতটির বেশি
  3. দশটির বেশি
  4. পনেরোটির বেশি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার XVIII, বিধি-২০ (সংশোধিত) অনুসারে, আদালত দৈনিক কার্যতালিকার চূড়ান্ত শুনানির জন্য মুলতবি শুনানিতে থাকা চারটি মামলাসহ দশটির বেশি মামলা নির্ধারণ করবে না। এটি সংশোধনের পরবর্তী পরিবর্তনে "পাঁচ" থেকে "দশ"-এ বাড়ানো হয়েছে, যাতে আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার XVIII, বিধি-২০: আদালত দৈনিক কার্যতালিকার চূড়ান্ত শুনানির জন্য মুলতবি শুনানিতে থাকা চারটি মামলাসহ দশটির বেশি মামলা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে দুইশ'র বেশি মামলা নির্ধারণ করবে না; এবং যখন নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ে মামলার মোট সংখ্যা একশ' চল্লিশটির নিচে নেমে আসবে, তখন আদালত সাধারণত মামলা দায়েরের তারিখের ক্রমানুসারে আরও মামলা চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে আসবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোনো আদালতে উপরোক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণের জন্য শুনানির জন্য প্রস্তুত মামলার সংখ্যা যথেষ্ট না হয়, তবে আদালত যুক্তিসঙ্গতভাবে মামলা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে নিজস্ব বিবেচনা প্রয়োগ করতে পারবে। 

ব্যাখ্যা: এই বিধিতে "চূড়ান্ত" ("peremptory") শব্দটি সিভিল রুলস অ্যান্ড অর্ডারসে ব্যবহৃত শব্দের অনুষঙ্গ হিসাবে অর্থ বহন করবে। 

২,৫২১.
According to the Penal Code, the words "______" denote any testamentary document.
  1. a deed
  2. a will
  3. a contract
  4. a document
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 31.“A will” The words "a will" denote any testamentary document.

⇒ The Penal Code, 1860-এর ধারা ৩১ অনুযায়ী, "A will" শব্দটি যেকোনো টেস্টামেন্টারি ডকুমেন্ট বা ইচ্ছাপত্র নির্দেশ করে।
- ধারা ৩১ অনুযায়ী, "A will" বলতে যে কোনো টেস্টামেন্টারি ডকুমেন্ট বোঝানো হয়, যা একজন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি বা অধিকার সৃষ্টির জন্য তার ইচ্ছাকে প্রকাশ করে।
- এটি এক ধরনের আইনগত দলিল যা মৃত্যুর পর একজন ব্যক্তির সম্পত্তি কিভাবে বিতরণ হবে, তা নির্ধারণ করে।
২,৫২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারায় নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কার অধীনস্থ হবেন?
  1. দায়রা আদালতের
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান- নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণ:

(১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন।
 
(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
 
(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
 
(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।
২,৫২৩.
যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কার নিকট সমন প্রেরণ করবেন?
  1. জেনারেল ম্যানেজার
  2. তার পরিবারের নিকট
  3. অফিসের প্রধান কর্মকর্তা
  4. যে কোন একজনকে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে। যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারার বিধান: প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি বরাবর সমন জারিঃ
(১) যে ব্যক্তির উপর সমন জারী করতে হবে, তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন তাহলে সমন প্রদানকারী আদালত সাধারণ অবস্থায় উক্ত ব্যক্তি যে অফিসে কার্যরত আছে উহার প্রধান কর্মকর্তার নিকট দুই কপি সমন প্রেরণ করবেন এবং উক্ত কর্মকর্তা অতঃপর ৬৯ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুসারে সমন জারী করবেন এবং উক্ত ধারার প্রয়োজনানুসারে পৃষ্ঠাঙ্কন করবেন এবং তার স্বাক্ষরসহ আদালতে প্রত্যাপণ করবেন।
(২) এরূপ স্বাক্ষর যথাযথভাবে সমন জারীর  প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে।
২,৫২৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারা অনুসারে, যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩১(৩) অনুসারে যুগ্ম দায়রা জজ এর দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা সীমিত।ধারা ৩১(৩) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, একজন যুগ্ম দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারবেন, তবে মৃত্যুদণ্ড বা দশ বছরের অধিক মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড বা দশ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ড ব্যতীত।
অতএব, যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন: 
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-31. Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.

২,৫২৫.
যুদ্ধ ঘোষণার জন্য সম্মতি প্রয়োজন ______ এর।
  1. জাতীয় সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. মন্ত্রী পরিষদ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৩ অনুচ্ছেদের বিধান: যুদ্ধ-
(১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না।
-------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 63. War -
 (1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.
২,৫২৬.
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by ____________________.
  1. a government pleader
  2. a Public Prosecutor
  3. a police officer
  4. a court officer
ব্যাখ্যা
⇒ In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
⇒ দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির

-ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
-কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial)
ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-265A: Trial to be conducted by Public Prosecutor:
-In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভযোেগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
[When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.]
২,৫২৭.
কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক অফিসারকে জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।
 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারার বিধান জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার ক্ষমতা এধরণের কোন সমাবেশ কর্তৃক যেক্ষেত্রে জননিরাপত্তা দৃশ্যত বিপদগ্রস্ত হয় এবং যেক্ষেত্রে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় না, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামরিক শক্তি প্রয়োগপূর্বক এ ধরনের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং এ ধরনের ছত্রভঙ্গ করার অথবা আইন অনুসারে শাস্তি প্রদানের জন্য উক্ত সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও আটক করতে পারবেন; তবে এই ধারার বিধানমতে কার্য চলাকালীন সময় তাঁর পক্ষ কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হলে তিনি যোগাযোগ স্থাপন করবেন এবং অতঃপর কার্য চালিয়ে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে তাঁর নির্দেশ পালন করবেন।
-----------------
Section 131: Power of commissioned military officers to disperse assembly:
-When the public security is manifestly endangered by any such assembly, and when no Executive Magistrate can be communi-cated with, any commissioned officer of the Bangladesh Army may disperse such assembly by military force, and may arrest and confine any persons forming part of it, in order to disperse such assembly or that they may be punished according to law; but if, while he is acting under this section, it becomes practicable for him to communicate with an Executive Magistrate, he shall do so, and shall thenceforward obey the instructions of the Magistrate as to whether he shall or shall not continue such action.
২,৫২৮.
স্থাবর সম্পত্তি সংশ্লিষ্ট কোনো স্বার্থ যার সম্পর্কে এই আইনে কোন বিশেষ বিধান নেই, সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কত হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৬০ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৪৪

স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য বা তৎসংশ্লিষ্ট কোনো স্বার্থ যার সম্পর্কে এই আইনে কোন বিশেষ বিধান না থাকলে,
তামাদি - ১২ বছর;
সময় গণনা শুরু - বিবাদীর দখল যখন বাদীর জন্য প্রতিকূল হয়।
২,৫২৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারানুসারে স্থাবর সম্পত্তির অনিবন্ধিত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবতযোগ্য নয়?
  1. 17
  2. 12
  3. 15
  4. 21A
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, এর ধারা ২১ক হচ্ছে অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-

(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিষ্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং

(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
২,৫৩০.
Imprisonment, which is of _________ descriptions.
  1. 2
  2. 3
  3. 5
  4. 6
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:

      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)

      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)

      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)

      (v) অর্থদণ্ড (fine)

♦দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম।
     
♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
২,৫৩১.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে ১ লক্ষ টাকার একটি ডিক্রী পেলো। ডিক্রী জারীর মাধ্যমে ‘ক’ অর্থ আদায় করলো। উক্ত ডিক্রীর বিরুদ্ধে ‘খ’ আপীল করায় আপীলের রায় ‘খ’ এর পক্ষে আসে। রায় পরিবর্তন হওয়ায় ‘খ’ উক্ত টাকা পরিশোধের তারিখ হতে সুদ সহ উক্ত টাকা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে। উক্ত নীতিটি হলো ?
  1. প্রত্যর্পন বা পুনরুদ্ধার
  2. বিশেষ ক্ষমতা
  3. জরিমানা
  4. খ ও গ উভয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৪৪ ধারায় প্রত্যর্পন বা পুনরুদ্ধার বিষয়ে বলা হয়েছে অর্থাৎ ১ম ডিক্রী কার্যকরে পরে আপীলের রায় পরিবর্তন হলে সম্পত্তি বা সম্পদ পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।
• এখানে প্রথমে ‘খ’ অর্থ পরিশোধ করে পরে ‘খ’ এর আপীলের প্রেক্ষিতে রায় পরিবর্তন হওয়ায় ‘খ’ এর সম্পদ ‘ক’ পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দিবে।
২,৫৩২.
নিম্নের কোনটি সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনের বিষয়বস্তু নয়?
  1. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল
  2. সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বিলুপ্তি
  3. সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ বৃদ্ধিকরণ
  4. জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিনকরণ
ব্যাখ্যা
• সংবিধান পঞ্চদশ সংশোধন আইন, ২০১১ সালে পাশ হয়।
 
পঞ্চদশ (১৫তম) সংশোধনী এর বিষয়বস্তু:
⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
⇒ দলীয় সরকারের অধীন মেয়াদ শেষ হবার আগের ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান;
⇒ সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
⇒ ৪৭ এর ৩ অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধ বা মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য "অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তিসমষ্টি বা সংগঠন" এর বিচার করার বিধান সংযুক্ত করা;
⇒ জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
⇒ সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

 • সংবিধান ষোড়শ সংশোধন আইন ২০১৪ দ্বারা সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বিলুপ্ত করা হয় এবং বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়। এর বৈধতা নিয়ে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।
হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। একই বছরে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতিতে আপিল খারিজ করে রায় দেন। ২০১৭ সালের ১ আগস্ট আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।

বর্তমানে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা বহালের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি কার্যক্রম চলছে।
২,৫৩৩.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৮ অনুযায়ী, জলপ্রবাহের পথ পরিবর্তনের মামলায় তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় কখন থেকে?
  1. ক্ষতি দেখা দেওয়ার তারিখ থেকে
  2. পরিবর্তন সম্পূর্ণ হওয়ার তারিখ থেকে
  3. পরিবর্তনের কাজ শুরু করার তারিখ থেকে
  4. পরিবর্তনের পরিকল্পনা করার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) পরিবর্তন সম্পূর্ণ হওয়ার তারিখ থেকে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩৮-এ বলা হয়েছে:
- "For compensation for diverting a water-course"
- Limitation: 3 years
- When: The date of the diversion

- অর্থাৎ, যদি কেউ কোনো জলপ্রবাহের পথ পরিবর্তন করে এবং এর ফলে অন্য কারো ক্ষতি হয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি জলপ্রবাহ পরিবর্তনের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারবেন।
- এখানে "the date of the diversion" বলতে বোঝানো হয়েছে— যখন পানি প্রবাহের পথ বাস্তবিকভাবে পরিবর্তন সম্পন্ন হয়, অর্থাৎ পরিবর্তন সম্পূর্ণ হয়।

 অতএব, তামাদি মেয়াদ শুরু হয় সেই তারিখ থেকে যেদিন জলপ্রবাহের পরিবর্তন বাস্তবায়িত হয় বা সম্পূর্ণ হয়, শুধুমাত্র পরিকল্পনা বা কাজ শুরুর তারিখ থেকে নয়।
২,৫৩৪.
The Evidence Act,1872 এর কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করার বিধান রয়েছে?
  1. ৮৫গ ধারা
  2. ৭৩ক ধারা
  3. ৭৩খ ধারা
  4. ৮৫ক ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ The Evidence Act, 1872-এর ৭৩এ (Section 73A) ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ের বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালত নির্ধারণ করতে পারে কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে কি না। এর জন্য আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, কন্ট্রোলার বা সার্টিফাইং অথরিটিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারে অথবা পাবলিক কি (Public Key) প্রয়োগ করে যাচাই করতে পারে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872- section-73A. Proof as to verification of digital signature:
- In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).]

২,৫৩৫.
"ক" একজন ব্যক্তিকে খুনের ষড়যন্ত্র করে এবং খুনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে, এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ১১৪ ধারা অনুযায়ী 'ক' এর বিচার কী হবে?
  1. শুধুমাত্র ষড়যন্ত্রের জন্য
  2. শুধুমাত্র সহায়তার জন্য
  3. খুনের অপরাধী হিসেবে
  4. কোন অপরাধে নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধে সহায়তা করে (abetment), যাতে সে অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, তাহলে তাকে আর শুধু সহায়তাকারী হিসেবে নয়, প্রধান অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে।
- অর্থাৎ, উস্কানিদাতা (Abettor) যদি অপরাধ সংঘটনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে, তাহলে আইন তাকে সহায়তাকারী না ভেবে মুল অপরাধী হিসেবে দেখবে এবং তদনুসারে শাস্তি প্রদান করবে।

⇒The Penal Code, 1860- Section- 114: Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed, he shall be deemed to have committed such act or offence.

→ যেহেতু "ক" খুনের ষড়যন্ত্র করেছে এবং খুনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল, তাই দণ্ডবিধির ১১৪ ধারা অনুযায়ী তাকে খুনের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে।
সঠিক উত্তর: গ) খুনের অপরাধী হিসেবে।
২,৫৩৬.
মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট ফৌজদারী মামলার সর্বশেষ অবস্থা সম্বন্ধে অবগত করতে হবে-
  1. প্রতি সপ্তাহে একবার
  2. ৬ মাসে একবার
  3. প্রতি মাসে একবার
  4. ১৫ দিনে একবার
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৩৪- ভিকটিম বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গ এবং জনসাধারণকে সাধারণভাবে তথ্য সরবরাহ

(১) মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি সরকার বা পুলিশ বা ক্ষেত্রমত, বেসরকারি সংস্থাসমূহের নিকট হইতে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গৃহীত ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট ফৌজদারী মামলার সর্বশেষ অবস্থা সম্বন্ধে মাসে অন্তত একবার অবগত হইবার অধিকারী হইবে। 
 
(২) তদন্তকারী কর্মকর্তা বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে চিহ্নিত ও উদ্ধারকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উক্ত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণের অধিকার, আইনি সহায়তার সুযোগ এবং এই আইনের অধীন অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে অবগত করিবে। 
 
(৩) মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের গোপনীয়তার অধিকারের প্রতি যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক উক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণ, উদ্ধার, স্থানান্তর, প্রত্যাবর্তন, প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত দায়িত্বসমূহ কার্যকরভাবে সম্পাদনে সরকারের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী, সাংবাদিক বা জনসাধারণকে সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যসমেত একটি ব্যাপক ভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার পরিচালনা করিবে।
২,৫৩৭.
কারাদণ্ড ৬ মাসের বেশি তবে একবছরের কম হলে নির্জন কারাবাস সর্বোচ্চ কত দিনের হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:
- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে:
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
-----------------
→ The Penal Code,1860- Section 73. Solitary confinement:
-Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months: 
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year: 
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.
২,৫৩৮.
৭ বছর বা তদূর্ধ্ব দণ্ডযোগ্য অপরাধ সম্পর্কিত মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হলে, দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

২,৫৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩৩৯
  2. ধারা ৩৪০
  3. ধারা ৩৪১
  4. ধারা ৩৪২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪০-এ অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ধারার মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

- আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষার অধিকার: প্রতিটি অভিযুক্ত ব্যক্তি ফৌজদারি আদালতে নিজেকে আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা করার অধিকার রাখে (ধারা ৩৪০(১))।
- সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা: অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের বা সহ-অভিযুক্তের পক্ষে শপথ নিয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন (ধারা ৩৪০(৩))।
- সুরক্ষা বিধান: তাকে শুধুমাত্র নিজের লিখিত অনুরোধে সাক্ষী হিসেবে ডাকা যাবে। সাক্ষ্য না দিলে তা তার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অনুমানের কারণ হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
তবে শর্ত এই যে-
- সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
- সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial:
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.

২,৫৪০.
"A raiyat shall have the right to occupy and use the land comprised in his holding in any manner he likes." এটি SAT Act এর কোন ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৮১
  2. ৮৩
  3. ৮৪
  4. ৮৭
ব্যাখ্যা
⇒ Section 83.Rights of raiyat in respect of use of land: A raiyat shall have the right to occupy and use the land comprised in his holding in any manner he likes.
-------
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৩ ধারার বিধান রায়তের ভূমি ব্যবহার সম্পর্কিত অধিকার: কোনো রায়তের তাহার জোতের অন্তর্ভুক্ত ভূমি তাহার ইচ্ছামাফিক ভোগ-দখল করার অধিকার থাকিবে।
২,৫৪১.
কোন ব্যক্তি তার দখলে থাকা দলিল হাজির করতে অস্বীকার করলে, তাহলে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে কি দণ্ড দিতে পারে?
  1. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অর্থদণ্ড
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮৫- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ

কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন, যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
২,৫৪২.
“Oral evidence must, in all cases whatever, be direct” – এই বিধান কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৫৬
  2. ধারা ৫৯
  3. ধারা ৬০
  4. ধারা ৬২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬০-এর শিরোনামই হলো “Oral evidence must be direct”। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে: “Oral evidence must, in all cases whatever, be direct” অর্থাৎ মৌখিক সাক্ষ্য সব ক্ষেত্রেই অবশ্যই প্রত্যক্ষ (Direct) হতে হবে – দেখলে “দেখেছি”, শুনলে “শুনেছি”, অনুভব করলে “অনুভব করেছি” বলতে হবে। পরোক্ষ বা শোনা-কথা (hearsay) গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে: মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি অন্য কোন ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে সে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা বা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত অথবা অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
তবে শর্ত এই যে, বিশেষজ্ঞের অভিমত পোষকতার কোন গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজাবে বিক্রিয় হয়, সেক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর উহা প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাহাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন।
ইহা ছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলেই সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say-
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it;
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner;
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds:
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable:
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.

২,৫৪৩.
শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করানো বা পরিবহন করানোর অপরাধের জন্য শিশু আইন, ২০১৩ তে শাস্তির বিধান করা হয়েছে-
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৯- শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড

(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২,৫৪৪.
আপিলকারী যদি আপিল শুনানির দিনে উপস্থিত না থাকে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি মুলতবি রাখতে পারে
  2. পুনঃশুনানির নির্দেশ দিতে পারে
  3. আপিল খারিজ করে দিতে পারে
  4. রায় ঘোষণা স্থগিত রাখতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১৭(১) অনুসারে, যদি আপিলকারী নির্ধারিত দিনে বা পরবর্তী শুনানির দিনে উপস্থিত না থাকে, তাহলে আদালত আপিল খারিজ করে দিতে পারে। এটি "Dismissal of appeal for appellant's default" নামে পরিচিত।

⇒ আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।
২) একতরফা ভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।

অর্থাৎ আদেশ-৪১ বিধি-১৭(১) অনুযায়ী, যদি আপিলকারী শুনানির নির্ধারিত দিনে বা মুলতবি হওয়া অন্য কোনো দিনে উপস্থিত না থাকেন, তবে আদালত আপিলটি খারিজ করে দিতে পারে।
- সঠিক উত্তর: গ) আপিল খারিজ করে দিতে পারে।
২,৫৪৫.
বিচার্য বিষয় কখন তৈরি হয়?
  1. যখন আদালত মামলা গ্রহণ করে
  2. যখন বাদী আদালতে অভিযোগ দায়ের করে
  3. যখন মামলার শুনানি শেষ হয়
  4. যখন এক পক্ষ ঘোষণা করে আর অন্য পক্ষ তা অস্বীকার করে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৪ বিধি ১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-

১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
২,৫৪৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বাদী সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে অথবা সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনসহ অতিরিক্ত হিসেবে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. ১৭ ধারা
  2. ১৮ ধারা
  3. ১৯ ধারা
  4. ২০ ধারা
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা: কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases: Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such a manner as the court may direct.

২,৫৪৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২৬ অনুসারে, একজন উকিল কী প্রকাশ করতে বাধ্য নন?
  1. আদালতের রায়
  2. নিজের আয়ের বিবরণ
  3. মক্কেলের দেওয়া সকল তথ্য
  4. পেশাগত সম্পর্কের সময় প্রাপ্ত গোপনীয় তথ্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) পেশাগত সম্পর্কের সময় প্রাপ্ত গোপনীয় তথ্য।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৬ অনুযায়ী:
একজন ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল তাঁর মক্কেলের পক্ষে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময়: মক্কেলের পক্ষ থেকে বা উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত বার্তা, মক্কেলকে দেওয়া পরামর্শ, অথবা যে দলিলসমূহের সঙ্গে তিনি পরিচিত হয়েছেন, এসব গোপনীয় তথ্য তিনি মক্কেলের স্পষ্ট সম্মতি ছাড়া প্রকাশ করতে পারেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদনকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহতি দিবেন না।
(১) বেআইনি উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 126 Professional communications:
- No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment:

Provided that nothing in this section shall protect from disclosure–
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose:
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment.
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client.

Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.
২,৫৪৮.
'প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে৷'- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৮
  2. অনুচ্ছেদ ১১
  3. অনুচ্ছেদ ১৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৯
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১- গণতন্ত্র ও মানবাধিকার:
প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে৷
২,৫৪৯.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুসারে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি তার মনোনীত আইনজীবীর সাথে পরামর্শের অধিকার পায়?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৩(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৩(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ:
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।
 
(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।]
২,৫৫০.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ক ধারা অনুযায়ী, চেক ডিজঅনারের মামলায় শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য কী করা বাধ্যতামূলক?
  1. আপিল আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
  2. শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের সম্পূর্ণ অর্থ জমা দিতে হবে।
  3. শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
  4. আপিল দায়েরের পর যেকোনো এক সময় চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
ব্যাখ্যা

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

⇒ আপিল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লিখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
----------
⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881, Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

২,৫৫১.
অভিযোগকারী কতদিনের মধ্যে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে;
২- দায়রা জজের নিকট।

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর;
২. অভিযোগকারী।

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, 
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
২,৫৫২.
In view of Section 164 of the Code of Criminal Procedure,1898, which is the correct statement?
  1. Any Metropolitan or Judicial Magistrate may, whether jurisdiction has or not in the case, can record confession or statement made in the course of an investigation
  2. Confession can also be recorded by a Police Officer on whom any power of a Magistrate has been conferred
  3. The recording of statement can only be done by the Magistrate who has the jurisdiction
  4. None of above
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচার করার এখতিয়ার থাকুক বা না থাকুক, যেকোনো বিবৃতি (Statement) বা দোষ স্বীকারোক্তি (Confession) লিপিবদ্ধ করতে পারেন।

Section 164: Power to record statements and confessions-

(1) Any Metropolitan Magistrate, any Magistrate of the first class and any Magistrate of the second class specially empowered in this behalf by the Government may, if he is not a police-officer record any statement or confession made to him in the course of an investigation under this Chapter or at any time afterwards before the commencement of the inquiry or trial. 
 
(2) Such statements shall be recorded in such of the manners hereinafter prescribed for recording evidence as is, in his opinion best fitted for the circumstances of the case. Such confessions shall be recorded and signed in the manner provided in section 364, and such statements or confessions shall then be forwarded to the Magistrate by whom the case is to be inquired into or tried. 
 
(3) A Magistrate shall, before recording any such confession, explain to the person making it that he is not bound to make a confession and that if he does so it may be used as evidence against him and no Magistrate shall record any such confession unless, upon questioning the person making it, he has reason to believe that it was made voluntarily; and, when he records any confession, he shall make a memorandum at the foot of such record to the effect.

Explanation- It is not necessary that the Magistrate receiving and recording a confession or statement should be a Magistrate having jurisdiction in the case.
২,৫৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সার্চ-ওয়ারেন্ট কার্যকর করার সময় কোনটি মানতে হবে?
  1. অভিযুক্তের উপস্থিতি
  2. স্থানীয় নেতাদের অনুমতি
  3. ওয়ারেন্টে উল্লেখিত নির্দেশনা
  4. বিচারিক আদালতের সামনে অনুসন্ধান করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুসারে, যখন কোনো আদালত মনে করে যে, কোনো দলিল, বস্তু বা প্রমাণ জব্দের জন্য সার্চ ওয়ারেন্ট জারির প্রয়োজন রয়েছে, তখন আদালত তল্লাশি পরোয়ানা (search warrant) ইস্যু করতে পারে।
-  এই ওয়ারেন্ট যাকে নির্দেশ করা হয় (অর্থাৎ পুলিশ বা তদন্তকারী কর্মকর্তা), সে ওয়ারেন্টে যা বলা আছে, সেটি অনুযায়ী এবং আইন অনুযায়ী তল্লাশি পরিচালনা করবে।
 অর্থাৎ, সার্চ-ওয়ারেন্ট কার্যকর করার সময়: অভিযুক্তের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়, স্থানীয় নেতার অনুমতি প্রয়োজন নয়, বিচারিক আদালতের সামনেই অনুসন্ধান করতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই।
-  শুধু ওয়ারেন্টে যা বলা আছে, এবং ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী অনুসরণ করাই বাধ্যতামূলক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-96: When search-warrant may be issued:
-(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition,
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person,
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection,
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
২,৫৫৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় আক্রমণ (Assault)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা-৩৬১
  2. ধারা-৩৫১
  3. ধারা-৩৫০
  4. ধারা-৩৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫১-এ আক্রমণ (Assault)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি নেয়, যার ফলে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি ভয় পায় যে তাকে অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করা হতে পারে, তবে তা আক্রমণ বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 351. Assault:
- Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.
২,৫৫৫.
Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum (1995) মামলার মূল বিষয় কী ছিল?
  1. বিবাহ রেজিস্ট্রেশন
  2. তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর ভরণপোষণের অধিকার
  3. সন্তানদের হেফাজতের অধিকার
  4. বিবাহিতা স্ত্রীর দেনমোহরের অধিকার
ব্যাখ্যা

'Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum 47 DLR (1995) 34':
মুহাম্মদ হেফজুর রহমান বনাম শামসুন নাহার বেগম মামলাটি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় যা ১৫ বিডিএল(৩৪) রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অধীনে রয়েছে। এই মামলার মূল বিষয় ছিল তালাকপ্রাপ্ত মহিলার Post-divorce Maintenance এর অধিকার সম্পর্কিত।

মামলার পটভূমি:
শামসুন নাহার বেগম তার স্বামী মুহাম্মদ হেফজুর রহমানের বিরুদ্ধে Maintenance-এর দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তালাক দেওয়ার পরও তাকে Maintenance প্রদান করা হচ্ছে না।

আইনি প্রশ্ন:
মামলার মূল আইনি প্রশ্ন ছিল, তালাকের পর একজন মহিলার Maintenance দেওয়ার অধিকার কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বিশেষভাবে, ইদ্দতকাল (তালাকের পর নির্দিষ্ট সময়কাল) ছাড়াও কি Maintenance প্রদান করা হবে?

আদালতের সিদ্ধান্ত:
হাই কোর্ট ডিভিশন রায় দিয়েছে যে, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর Maintenance ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পরও চলমান থাকবে, যতক্ষণ না তিনি পুনরায় বিয়ে করেন এবং তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।
আদালত বলেছে, “একজন পুরুষ তার স্ত্রীর তালাক দেওয়ার পর তাকে ইদ্দতকাল পেরিয়ে একটি যুক্তিসঙ্গত পরিমাণে Maintenance প্রদান করতে বাধ্য। এই Maintenance প্রদান অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না স্ত্রী পুনরায় বিয়ে করে তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।”

২,৫৫৬.
আদালত কর্তৃক গৃহীত জবানবন্দী-
  1. বিচারক কর্তৃক সারমর্ম লিখিত হবে
  2. মোকদ্দমার নথির অংশে পরিণত হবে
  3. পক্ষগণকে প্রদান করা হবে
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

বিধি-৩ঃ জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত হতে হবে-
জবানবন্দির সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে এবং তা নথির অংশে পরিণত হবে।

Rule.-3: Substance of examination to be written-
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record
২,৫৫৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিধান অনুযায়ী, সমন ফেরত আসলে বাদীকে কত দিনের মধ্যে নতুন সমন জারির আবেদন করতে হবে?
  1. ২ মাসের মধ্যে
  2. ১ মাসের মধ্যে
  3. ১০ দিনের মধ্যে
  4. ৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 5(1) অনুযায়ী, যদি সমন ফেরত আসে (returned unserved), তবে বাদীকে ১ মাসের মধ্যে নতুন সমন জারির জন্য আবেদন করতে হবে।
- যদি বাদী এই নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন না করে, তবে আদালত মামলাটি খারিজ করতে পারেন।
- তবে Rule 5(2) অনুযায়ী, বাদী চাইলে তামাদি আইনের সীমার মধ্যে নতুন করে মামলা দায়ের করতে পারে।
- আদালত যথাযথ কারণ দেখালে সময়সীমা বাড়াতেও পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 5 অনুসারে, যদি সমন ফেরত আসে এবং বাদী ১ মাসের মধ্যে নতুন সমন জারির জন্য আবেদন না করে, তবে আদালত সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজের আদেশ দিতে পারে। তবে বাদী যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে তার যথাসাধ্য চেষ্টা সত্ত্বেও সমন জারি করা সম্ভব হয়নি, অথবা অন্য কোনো বৈধ কারণ ছিল, তবে আদালত সময় বৃদ্ধি করতে পারে।
২,৫৫৮.
The Transfer of Property Act, 1882 এর বিধান অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির বাৎসরিক ইজারা হলে ইজারা দাতা বা ইজারা গ্রহীতা কত দিনের নোটিশে, ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটাতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারার বিধান লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
- কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
- অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।
- এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।
২,৫৫৯.
The Penal Code-এর ৫২ ধারা অনুযায়ী "Good faith" অর্থ কী?
  1. অন্যের কথায় বিশ্বাস করে কোনো কাজ করা
  2. যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া কোনো কাজ করা
  3. যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ সহকারে কোনো কাজ করা
  4. দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জন্য কোনো কাজ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫২ অনুসারে, "good faith"-এ কোনো কাজ বা বিশ্বাস করা হয় যথাযথ যত্ন এবং মনোযোগ (due care and attention) সহকারে। যদি এই যত্ন এবং মনোযোগের অভাব থাকে, তাহলে তা good faith হিসেবে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে।
- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
---------
⇒ The Penal Code,1860- Section 52:
- “Good faith”: Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

২,৫৬০.
বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা কে ইস্যু করতে পারেন?
  1. জেলা জজ
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির বিধান রয়েছে। ১০০ ধারা অনুযায়ী বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারার বিধান-
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।

Section 100: Search for persons wrongfully confined:
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
২,৫৬১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮ অনুযায়ী, কোন বিষয়ে অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. আত্মীয়তার সম্পর্ক
  2. অপরাধের প্রমাণ
  3. আদালতের সিদ্ধান্ত
  4. সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৪৮ ধারার বিধান অনুযায়ী, যখন আদালত সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব নির্ধারণ করতে চায়, তখন যেসব ব্যক্তির পক্ষে এই প্রথা বা অধিকার সম্পর্কে জানা স্বাভাবিক, তাদের অভিমত প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়।
এই ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, "সাধারণ প্রথা বা অধিকার" বলতে এমন প্রথা বা অধিকার বোঝানো হয়েছে যা যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর মধ্যে প্রচলিত।
→ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮ অনুযায়ী, সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের অভিমত আদালতের কাছে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।ঃ
ব্যাখ্যা: "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।
উদাহরণ:
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
----------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation- The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.
Illustration:
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
২,৫৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১২, বিধি-৪ অনুসারে স্বীকারোক্তির জন্য নোটিশ দিতে হবে শুনানির কতদিন আগে?
  1. ৬ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৯ দিন
  4. ১৪ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ৪ অনুসারে, স্বীকারোক্তির জন্য নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে প্রদান করতে হবে।
এবং কোনো পক্ষ ঘটনা স্বীকারের জন্য লিখিত নোটিশ পেলে, তাকে ৬ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে। এই সময়সীমা নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে গণনা করা হয়। আদালত প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময় দিতে পারে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 4 অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ লিখিতভাবে অপর পক্ষকে নির্দিষ্ট ঘটনা বা ঘটনাবলি স্বীকার করার জন্য নোটিশ দিতে পারে। এই নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে দিতে হবে।
- এ ধরনের নোটিশ পাওয়ার পর ছয় (৬) দিনের মধ্যে বা আদালতের অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে উত্তর প্রদান করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বীকারোক্তি না করা হয় বা উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঘটনা প্রমাণ করার জন্য যে ব্যয় হবে, তা সেই পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোনো নির্দেশ দেন।
- এছাড়া, এই স্বীকারোক্তি কেবল সংশ্লিষ্ট মামলার জন্যই প্রযোজ্য হবে এবং এটি অন্য কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। আদালত উপযুক্ত মনে করলে, শর্তসাপেক্ষে স্বীকারোক্তি সংশোধন বা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-4: Notice to Admit Facts:
- Any party may, by notice in writing, at any time not later than nine days before the day fixed for the hearing, call on any other party to admit, for the purposes of the suit only, any specific fact or facts mentioned in such notice.
- In case of refusal or neglect to admit the same within six days after service of such notice, or within such further time as may be allowed by the Court, the costs of proving such fact or facts shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs.
Provided that any admission made in pursuance of such notice shall be deemed to be made only for the purposes of the particular suit and not as an admission to be used against the party on any other occasion or in favor of any person other than the party giving the notice.
Provided also that the Court may, at any time, allow any party to amend or withdraw any admission so made on such terms as may be just.

২,৫৬৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারায় কোনটি বর্ণিত আছে?
  1. Rectification of instrument
  2. Rescission of Contract
  3. Cancellation of instrument
  4. Declaratory Decree
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:- যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যেকোন পক্ষ বা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং যদি আদালত এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা বা ভুল কার হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
--------------------------
⇒ Section 31 When instrument may be rectified: When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
২,৫৬৪.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান কী?
  1. House-breaking
  2. House-trespass
  3. Criminal trespass
  4. Lurking house-trespass
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান  অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
⇒ অনধিকার গৃহ-প্রবেশ (House-trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
⇒ ৪৪২ ধারায় গৃহ বলতে দালান (building), তাঁবু (tent), জাহাজ (vessel) বা নৌকাকে বোঝায় যা মানুষের বসবাস, সম্পত্তি সংরক্ষণ অথবা উপাসনার (place for custody of property or for worship) জন্য ব্যবহৃত হতে হবে।
⇒ অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 442. House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
২,৫৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারামতে নিম্নলিখিত কোন পদ্ধতিতে সম্পত্তি ক্রোক করা যায়?
  1. তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগ করে
  2. খাজনা প্রদান বন্ধ করে
  3. সম্পত্তি হস্তান্তর নিষিদ্ধ করে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারামতে নিম্নলিখিত উপায়ে পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা যায়। যথা-

i) অস্থাবর সম্পত্তি হলে আটক করে কিন্তু স্থাবর সম্পত্তি হলে দখল নিয়ে;

ii) তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগ করে:

iii) খাজনা প্রদান বন্ধ করে;

iv) সম্পত্তি হস্তান্তর নিষিদ্ধ করে; অথবা

v) উপর্যুক্ত সকল পদ্ধতি বা যে কোন দুটি ব্যবস্থার মাধ্যমে পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা যায়।
২,৫৬৬.
মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে?
  1. ১০
  2. ১৭
  3. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে।
- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
২,৫৬৭.
নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দী ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় রেকর্ড করেন?
  1. ১৯০ ধারা
  2. ২০০ ধারা
  3. ২০১ ধারা
  4. ২০২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ আমলযোগ্য ও আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পর্কে লিখিত বা মৌখিকভাবে অভিযোগ করলে মেট্রোপলিটন বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারেন।

ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ প্রাপ্তির পর ২০০ ধারায় শপথ পূর্বক বাদী বা ফরিয়াদীকে ও উপস্থিত সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারেন ।
২,৫৬৮.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দাখিল করতে পারেন। এছাড়া, উপ-ধারা (৬) অনুযায়ী, যদি তিন মাসের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়, তবে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হতে পারে, যদি আপিলকারী বিলম্বের কারণ সম্পর্কে ট্রাইব্যুনালকে সন্তুষ্ট করতে পারেন।

সুতরাং, প্রাথমিক সময়সীমা হলো তিন মাস, যা সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার বিধান: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।
(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত, অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে চলিবে না।
(৫) উপ-ধারা (৬) এর বিধান সাপেক্ষে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্তরূপ রায়, ডিক্রি বা আদেশের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করিতে পারিবেন।
(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরেও পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হইতে পারে, যদি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিলকারী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট হন।
----------
⇒ Section 145B. Land Survey Appellate Tribunal:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Appellate Tribunals as may be required to hear the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunals.
(2) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the territorial limits of the jurisdiction of any Land Survey Appellate Tribunal.
(3) The Government shall appoint the judge of the Land Survey Appellate Tribunal from among the persons who are District judges.
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower the District Judge as the judge of the Land Survey Appellate Tribunal of the district.
(3B) The District Judge, empowered under sub-section (3A), shall be deemed to be the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Additional District Judges as a judge of the Land Survey Appellate Tribunal to hear appeals transferred by the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed or empowered under this section.
(4) No appeal other than the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal shall lie in the Land Survey Appellate Tribunal.
(5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.
(6) An appeal may be admitted within next three months even after the expiry of the period specified in sub-section (5), if the Land Survey Appellate Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the appellant.

২,৫৬৯.
রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন-
  1. সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
  2. প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
  3. প্রধান বিচারপতির উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
  4. স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ:
(১) এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁহার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। 
(২) একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না। 
(৩) স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন। 
(৪) রাষ্ট্রপতি তাঁহার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে।
-------------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh - Article 50. Term of office of President: 
(1) Subject to the provisions of this Constitution, the President shall hold office for a term of five years form the date on which he enters upon his office: 
Provided that notwithstanding the expiration of his term the President shall continue to hold office until his successor enters upon office. 
(2) No person shall hold office as President for more than two terms, whether or not the terms are consecutive. 
(3) The President may resign his office by writing under his hand addressed to the Speaker. 
(4) The President during his term of office shall not be qualified for election as a member of Parliament, and if a member of Parliament is elected as President he shall vacate his seat in Parliament on the day on which he enters upon his office as President.
২,৫৭০.
'ক', 'খ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, 'খ' কর্তৃক ১,০০০/- টাকা প্রদানের বিনিময়ে সে 'খ'-এর জন্য একটি ছবি আঁকবে; উক্ত চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  3. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
যথা- 
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব। 
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল ; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে  সম্পাদন করা যায় না। 
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য। 
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত। 
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত। 
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা। 
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়। 
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে। 
 
উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক', 'খ'-কে বিয়ে করার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়; উক্ত চুক্তিটি-সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। কারণ ২১ ধারায় বলা আছে কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে; তা আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
 
-যেহেতু  চুক্তিটি ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল তাই সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। 
-------------------
SR Act: Section-21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
২,৫৭১.
জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদসমূহ স্থগিত হতে পারে?
  1. ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫
  2. ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫
  3. ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭
  4. ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ-১৪১খ: জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ:
এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্গত বিধানাবলীর কারণে রাষ্ট্র যে আইন প্রণয়ন করিতে ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে সক্ষম নহেন, জরুরী-অবস্থা ঘোষণার কার্যকরতা-কালে এই সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদসমূহের কোন কিছুই সেইরূপ আইন-প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কিত রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করিবে না; তবে অনুরূপভাবে প্রণীত কোন আইনের কর্তৃত্বে যাহা করা হইয়াছে বা করা হয় নাই, তাহা ব্যতীত অনুরূপ আইন যে পরিমাণে কর্তৃত্বহীন, জরুরী-অবস্থার ঘোষণা অকার্যকর হইবার অব্যবহিত পরে তাহা সেই পরিমাণে অকার্যকর হইবে।
২,৫৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুসারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. সরাসরি সাজা দেবেন
  2. অব্যাহতি দেবেন
  3. সাক্ষী ডাকবেন না
  4. অভিযোগ গঠন করবেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা (ground for presuming) দেখেন, তবে তিনি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (চার্জ) গঠন করবেন। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার ধারার বিধান চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-242. Charge to be framed:
If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.

২,৫৭৩.
Who has the authority to determine the language of each Court for the purposes of the Code?
  1. The High Court
  2. The Government
  3. The Supreme Court
  4. The Chief Justice
ব্যাখ্যা
• Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.

ধারা ৫৫৮ (আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা)-
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
২,৫৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের প্রকৃতি কী?
  1. সশ্রম কারাদণ্ড
  2. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতের সম্মুখে বা আদালতের উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা ১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ অনুযায়ী আদালত অবমাননার (Contempt of Court) মতো অপরাধ করেন, তাহলে—
- আদালত ঐ ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক রাখতে পারে এবং
- সেই দিনের আদালত অধিবেশন শেষ হওয়ার পূর্বে (before the rising of the court) অপরাধটি আমলে নিয়ে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দিতে পারে এবং
- জরিমানা প্রদান না করলে, তাকে সর্বোচ্চ এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম (Simple) কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারে।
→  “Simple imprisonment” মানেই হলো বিনাশ্রম কারাদণ্ড — যেখানে আসামিকে কোনো ধরনের শ্রম বা কাজ করতে হয় না, এটি একটি কম কঠিন ধরনের শাস্তি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.

২,৫৭৫.
দণ্ডবিধিতে “Judge” শব্দের অর্থ কোন ধারা অনুযায়ী ব্যাখ্যা করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ১৯
  3. ধারা ২০
  4. ধারা ২১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধিতে “Judge” শব্দের অর্থ ধারা ১৯ অনুযায়ী ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ধারা ১৯-এ "Judge" শব্দটিকে একটি বিস্তৃত অর্থে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যা শুধুমাত্র দাপ্তরিকভাবে নিযুক্ত বিচারকই নন, বরং আইন দ্বারা যেকোনো ধরনের চূড়ান্ত বা কার্যত চূড়ান্ত রায় দেওয়ার ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোনো ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করে। 

⇒ দণ্ডবিধির ১৯ ধারার বিধান- জজ:
বিচারক অর্থ শুধু সরকারিভাবে বিচারক বলে আখ্যাত বা নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকেই বোঝায় না, বরং যেকোন আইনগত কার্যব্যবস্থা, কোন দেওয়ানি বা ফৌজদারি যা হোক, চূড়ান্ত রায়দান বা আপিল না করা না হলে চূড়ান্ত গণ্য হবে এইরূপ বায়দান বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সমর্থিত হলে চূড়ান্ত গণ্য হবে এমন কোন রায়দান করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রদত্ত প্রত্যেক ব্যক্তি, অথবা অনুরূপ রায়দান করার জন্য আইনবলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন ব্যক্তি সংস্থাভুক্ত ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
উদাহরণ:
(ক) ১৮৫৯ সালের ১০নং আইন মোতাবেক কোন মোকদ্দমায় বিচার-ক্ষমতা প্রয়োগে একজন কালেক্টরই বিচারক।
(খ) যে অভিযোগের বিচারে ম্যাজিস্ট্রেটের অর্থ বা কারাদণ্ডদানের ক্ষমতা রয়েছে-তার দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাক বা না যাক- সে অভিযোগে বিচার ক্ষমতা প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিচারক।
(ঘ) যে অভিযোগে ম্যাজিস্ট্রেট কেবলমাত্র কোন আদালতে বিচারের জন্য সোপর্দ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত, সে অভিযোগের ব্যাপারে এখতিয়ার প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিচারক নয়।
----------
⇒ The penal Code,1860: Section-19. “Judge”:
The word “Judge” denotes not only every person who is officially designed as a Judge, but also every person,- 
-who is empowered by law to give, in any legal proceeding, civil or criminal, a definitive judgment, or a judgment which, if not appealed against, would be definitive, or a judgment -which, if confirmed by some other authority, would be definitive, or 
-who is one of a body of persons, which body of persons is empowered by law to give such a judgment. 
Illustration:
(a) A Collector exercising jurisdiction in a suit under Act X of 1859, is a Judge. 
(b) A Magistrate exercising jurisdiction in respect of a charge on which he has power to sentence to fine or imprisonment with or without appeal, is a Judge. 
(d) A Magistrate exercising jurisdiction in respect of a charge on which he has power only to commit for trial to another Court, is not a Judge.

২,৫৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় কালেক্টরকে বিচারক হিসাবে কাজ করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. ৬৫ ধারায়
  2. ৬৯ ধারায়
  3. ৭১ ধারায়
  4. ৭৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭১ ধারার বিধান- কালেক্টরের বিচারক হিসাবে কার্য:
উপরিল্লিখিত ৬৮ ধারা অধীনে কালেক্টরের নিকট হস্তান্তরিত ডিক্রি জারি করার প্রাক্কালে কালেক্টর এবং তার অধঃস্তনগণ বিচারক হিসাবে কার্য করতেছে বলে মনে করতে হবে।

Section 71: Collector deemed to be acting judicially:
In executing a decree transferred to the Collector under section 68 the Collector and his subordinates shall be deemed to be acting judicially.
২,৫৭৭.
'চ' ও 'ছ' মুসলিম নরনারী পরস্পরের সম্মতিতে কোন সাক্ষী ব্যতীত বিয়ে করলে তাদের বিয়ের আইনগত ফলাফল হবে-
  1. অবৈধ
  2. বাতিলযোগ্য
  3. নিয়মিত
  4. অনিয়মিত
ব্যাখ্যা
সাক্ষী ব্যতীত বিবাহ একটি অনিয়মিত বিবাহ।

⇒ মুসলিম আইনে বিবাহ তিন প্রকার:
১) বৈধ (Valid or Sahih);
২) বাতিল (Void or Batil);
৩) অনিয়মিত (Irregular or fasid).

বৈধ (Valid or Sahih):
মুসলিম আইনের সকল নিয়ম মেনে যে বিবাহ সেটা বৈধ বিবাহ। একজন মুসলিম পুরুষ শুধুমাত্র একজন মুসলিম নারী ছাড়াও একজন কিতাবীয়া যেমন জিউস বা খ্রিষ্টান নারীর সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারে। কোন মুসলিম নারী শুধুমাত্র মুসলিম পুরুষ ছাড়া অন্যকোন পুরুষের সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারেনা। একটি বৈধ বিবাহ কোন মুসলিম নারীকে দেনমোহরের অধিকার, ভরণপোষণের অধিকার প্রদান করে এবং একই সাথে স্বামীর প্রতি বিশ্বাসী থাকার, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে এবং ইদ্দত পালনের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। এটা উত্তরাধিকারের পারস্পরিক অধিকার সৃষ্টি করে।

বাতিল (Void or Batil):
যে বিবাহটি বৈধ না সেটা বাতিল বা অনিয়মিত হতে পারে। বাতিল হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং রক্তের সম্পর্কে, বৈবাহিক সম্পর্কে বা প্রতিপালনের সম্পর্কের কারণে স্থায়ী এবং চূড়ান্তভাবে অবৈধ। এমন বিবাহ আইনের চোখে কোন বিবাহ না এবং এমন বিবাহের কোন আইনগত ফলাফল নেই। এই বিবাহ পক্ষগণের মধ্যে কোন পারস্পরিক আইনগত অধিকার বা দায়-দায়িত্ব সৃষ্টি করে না এবং এমন বিবাহের ফলে জন্মগ্রহণ করেছে এমন সন্তান অবৈধ। যেমন Blood relationship, Consanguinity or affinity এর কারণে নিষিদ্ধ বিবাহ হলো বাতিল বিবাহ। বাতিল বিবাহের ক্ষেত্রে কারণগুলো স্থায়ী প্রকৃতির এবং এমন কারণ অপসারিত করে বিবাহ বৈধ করার কোন সুযোগ নেই।

অনিয়মিত বিবাহ (Irregular or fasid):
অনিয়মিত বিবাহ অর্থ হলো যে বিবাহের কিছু আইনগত ত্রুটি থাকে এবং যেখানে সংশোধনের মাধ্যমে বিবাহের বৈধতা দেওয়া যায়। অনিয়মিত বিবাহ হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং অবৈধ না কিন্তু অন্যকোন কারণে অবৈধ এবং যেখানে নিষিদ্ধ কারণগুলো অস্থায়ী বা যেক্ষেত্রে অবৈধতা কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট যেমন সাক্ষীর অনুপস্থিতি। যে কারণে বিবাহটি অবৈধ বা অনিয়মিত উক্ত কারণ অপসারণ করার মাধ্যমে বিবাহটি বৈধ করা যায়।
২,৫৭৮.
অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোনো তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন, অথবা দায় পরিশোধের চুক্তিকে The Contract Act, 1872 অনুসারে কী বলা হয়?
  1. ঘটনা নির্ভর চুক্তি
  2. জামিনের চুক্তি
  3. খেসারতের চুক্তি
  4. জিম্মা
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২৬-এ "জামিনের চুক্তি" (Contract of guarantee), "জামিনদার" (surety), "প্রধান দেনাদার" (principal debtor) এবং "পাওনাদার" (creditor)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, জামিনের চুক্তি হলো তৃতীয় ব্যক্তির অনাদায়ের ক্ষেত্রে তার অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি, এবং এটি মৌখিক বা লিখিত হতে পারে।

- অর্থাৎ, The Contract Act, 1872 অনুসারে অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোনো তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন, অথবা দায় পরিশোধের চুক্তিকে খ) জামিনের চুক্তি (The Contract of Guarantee) বলা হয়।

⇒ চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।
-----------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default.
The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.

২,৫৭৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "Nemo est supra leges" নীতিটির প্রতিফলন হয়েছে?
  1. ২২ অনুচ্ছেদে
  2. ২৭ অনুচ্ছেদে
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদে
  4. ১৩৩ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ Nemo est supra leges: - 'No man is above the law' (কেহই আইনের ঊর্ধ্বে নয়)
 
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত এই নীতিটি এটাই প্রমাণ করে যে, কোন ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে নয়। 'No man is above the law.'
 
বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা:- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
---------------
- Article 27. Equality before law:
 All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.
২,৫৮০.
১৫ বছরের নিচের কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতিত অন্য কোন অপরাধ করলে, সেই অপরাধের বিচার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবে- ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২৯খ
  3. ধারা ৩৯৯
  4. ধারা ১৯৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

Section-29B:Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
২,৫৮১.
তামাদি আইন, ১৯০৮ সর্বশেষ সংশোধন হয় কত সালে?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা

'তামাদি’:
‘তামাদি’ একটি আরবি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ “বিলুপ্ত হওয়া” বা “অতিক্রান্ত হওয়া”। আইনি পরিভাষায় ‘তামাদি’ বলতে বোঝায়— যখন কোনো দাবির নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ দাবিটি করার বা মামলা দায়েরের আইনানুগ সময় শেষ হয়ে যায়।অতএব, নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করা এবং আদালত কর্তৃক তা বাধ্যতামূলকভাবে খারিজ হওয়ার প্রক্রিয়াকেই সংক্ষেপে ‘তামাদি’ বলা হয়।

তামাদি আইনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
১৭৯৩ সাল - উপমহাদেশে প্রথম তামাদি আইন প্রণীত হয়। ইংরেজ শাসক লর্ড চার্লস কর্নওয়ালিস এটি প্রবর্তন করেন। তবে সে সময়ের আইনটি সঠিকভাবে বিধিবদ্ধ ছিল না।
১৮৫৯ সাল - তামাদি আইন প্রথমবারের মতো সুনির্দিষ্টভাবে বিধিবদ্ধ হয়।
১৮৬২ সাল - ১৮৫৯ সালের বিধিবদ্ধ আইন কার্যকর হয়।
১৯০৮ সালের ৭ আগস্ট - আইনটি ব্যাপক সংস্কার ও পরিমার্জন করে পুনরায় প্রকাশ করা হয়।
১৯০৯ সালের ১ জানুয়ারি - নবপ্রণীত আইন কার্যকর হয়, যা বর্তমানে “১৯০৮ সালের ৯ নং আইন” নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৪ সালের ২৮ নং আইন দ্বারা তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। সংশোধনীতে ১১৩ এবং ১১৪ অনুচ্ছেদের তামাদি সময় ৩ বছর থেকে কমিয়ে ১ বছর করা হয়।

বর্তমানে এতে ২৯টি ধারা ও ১টি তফসিল কার্যকর রয়েছে। ১ম তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে, যা ৩টি খণ্ডে বিভক্ত-
প্রথম খণ্ড (১–১৪৯)- মামলা দায়েরের সময় সম্পর্কিত;  
দ্বিতীয় খণ্ড (১৫০–১৫৭)- আপিল দায়েরের সময় সম্পর্কিত;
তৃতীয় খণ্ড (১৫৮–১৮৩)-  আবেদন বা দরখাস্ত দায়েরের সময় সম্পর্কিত।

২,৫৮২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের কোন ধরনের এখতিয়ার (jurisdiction) সমন্ধে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে?
  1. territorial jurisdiction
  2. pecuniary jurisdiction
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে। নিম্নে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার সাধারণ নিয়মগুলো দেয়া হলো-

২১ ধারায় আদালতের আর্থিক (pecuniary) এবং আঞ্চলিক (territorial) উভয় এখতিয়ার (jurisdiction) সমন্ধে আপত্তি তোলা যায়।
⇒ আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে পক্ষদের কোন আপত্তি থাকলে, উক্ত আপত্তি প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।
⇒ যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতেই এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি উত্থাপন করতে হয়।
⇒ সাধারণত আপিল বা রিভিশনে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলা যায় না, তবে শুধুমাত্র ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্যে আপিল বা রিভিশনের সময়ও এই দাবি উত্থাপন করা যায়। এছাড়া যদি আরজি উপস্থাপনের সময় আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা থাকে, তবে সেই অনিশ্চয়তা আপিল বা রিভিশন আদালতের নিকট যৌক্তিক মনে হলে এরকম প্রশ্ন আপিল বা রিভিশন আদালত গ্রহণ করতে পারে।

Sec 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
২,৫৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী কোন শর্তে রায় মহিলা বিবাদীর স্বামীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. স্বামী যদি মামলায় সরাসরি পক্ষ হন
  2. স্বামী যদি মামলায় সাক্ষী হন
  3. স্বামী যদি আইন অনুসারে স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী হন
  4. কোনো শর্ত ছাড়াই 
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির, আদেশ-২২, বিধি-৭: মহিলা পক্ষের বিবাহের ফলে মামলা স্থগিত হবে না:
(১) কোনো মহিলা বাদী বা বিবাদীর বিবাহ হলেও মামলাটি স্থগিত হবে না, বরং মামলা অগ্রসর হয়ে রায় প্রদান করা যাবে; এবং যেখানে রায় মহিলা বিবাদীর বিরুদ্ধে থাকে, সেখানে রায় শুধুমাত্র তার বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে।

(২) যেখানে স্বামী আইন অনুসারে তার স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী, সেখানে আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় স্বামীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে; এবং স্ত্রীর পক্ষে রায় হলে, স্বামীর আবেদনপত্রে, যেখানে স্বামী আইন অনুযায়ী রায়ের বিষয়ভিত্তিক অধিকারী, সেখানে রায় কার্যকর করার জন্য অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

২,৫৮৪.
একজন দায়ভাগ মতবাদের অনুসারী হিন্দু ব্যক্তি পিতা, ভাই, ভাইয়ের পুত্র এবং কন্যার পুত্র কে রেখে মারা যায়। এক্ষেত্রে সমুদয় সম্পত্তি কে পাবে?
  1. পিতা
  2. ভাই
  3. কন্যার পুত্র
  4. ভাই এবং ভাইয়ের পুত্র অর্ধেক করে পাবে
ব্যাখ্যা
• নিম্নে প্রথম ১০ জন সপিণ্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ
১) পুত্র;
২) পুত্রের পুত্র;
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র;
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা);
৫) কন্যা;
৬) কন্যার পুত্র;
৭) পিতা;
8) মাতা;
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই;
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র।

তালিকা অনুযায়ী, কন্যার পুত্রের অবস্থান ৬ষ্ঠ এবং পিতা, ভাই ও ভাইয়ের পুত্র যথাক্রমে ৭ম, ৯ম এবং ১০ অবস্থানে আছে। এক্ষেত্রে কন্যার পুত্র অগ্রগণ্য হবে এবং সমুদয় সম্পত্তি পাবে এবং বাকিরা বঞ্চিত হবে।
২,৫৮৫.
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে, উক্ত পদে কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. অ্যাটর্নি-জেনারেল
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৪: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।

Article 54: Speaker to act as President during absence, etc.

If a vacancy occurs in the office of President or if the President is unable to discharge the functions of his office on account of absence, illness or any other cause the Speaker shall discharge those functions until a President is elected or until the President resumes the functions of his office, as the case may be.
২,৫৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৫ অনুযায়ী, নিচের কোন ক্ষেত্রে মামলার কোনো পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষীকে জেরা করতে পারবে না?
  1. যদি সে জামিনে থাকে
  2. যদি সে কারাগারে থাকে
  3. যদি সে হেফাজতে না থাকে
  4. যদি সে এডভোকেট নিয়োগ করে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৫ ধারা অনুযায়ী, মামলার কোনো পক্ষ এডভোকেটের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগতভাবে (যদি হেফাজতে না থাকেন) সাক্ষীকে জেরা, পুনঃজেরা বা জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারেন। অর্থাৎ, যদি কোনো পক্ষ কারাগারে বা হেফাজতে থাকে, তবে তারা ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষীকে জেরা করতে পারবে না। তবে, তারা এডভোকেটের মাধ্যমে এই কাজ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৫ অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তাহলে মামলার পক্ষসমূহ (যথা, অভিযুক্ত ও রাষ্ট্রপক্ষ) সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে জমা দিতে পারে।
সেই প্রশ্নমালা যদি আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট প্রাসঙ্গিক মনে করেন, তবে তা অনুসারে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও, মামলার পক্ষসমূহ এডভোকেটের মাধ্যমে বা ব্যক্তি হিসেবে (যদি হেফাজতে না থাকেন) উপস্থিত থেকে সাক্ষীকে জেরা (cross-examine) ও পুনঃজেরা (re-examine) করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার বিধান: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন:-
(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী, জেরা ও পুনঃজবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 505: Parties may examine witnesses:-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.

২,৫৮৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) এর বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৫২ ধারায়
  3. ৫৫ ধারায়
  4. ৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৫ অনুসারে, যদি কোনো বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধে আদালত নির্দিষ্ট কাজ করানোর ক্ষমতা রাখে, তাহলে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়। অর্থাৎ, আদালত পক্ষকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যে ক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে এবং এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সে ক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযােগ করা হয়েছে তা রােধ করা এবং সে সঙ্গে‌ প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 55- Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
২,৫৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
  1. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. দায়রা আদালতকে
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,
দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

এই ধারার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ ও অপরাধ আমলে নিতে পারেন।নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারে । যথা-
i) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে; অথবা
ii) দায়রা জজ বিচারের জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজকে অর্পণ করলে
২,৫৮৯.
'Summary dismissal of appeal'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালত এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ৪২০ ধারায়
  2. ৪১৯ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)-
৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।

ধারা ৪২১- আপিল খারিজের সারবস্তু-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
২,৫৯০.
বর্তমান সংসদের নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা কত?
  1. ৩০
  2. ৪০
  3. ৪৫
  4. ৫০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী, ২০১১ এর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ এর পরিবর্তে ৫০ টি করা হয়েছে।
 
সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ: সংসদ-প্রতিষ্ঠা:

(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।
 
(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।
 
(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।
 
(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।
 
(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
২,৫৯১.
The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা কোন বিষয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম হিসেবে কাজ করে?
  1. ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে
  2. সরকারি আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে
  3. তামাদি আইনের সাধারণ সকল ক্ষেত্রে
  4. অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা একটি বিশেষ ব্যতিক্রম হিসেবে কাজ করে এবং এটি শুধুমাত্র অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই ধারা অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎ করার মামলায় তামাদি আইনের ৬ ও ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়।
- অর্থাৎ, সাধারণভাবে, ৬ ও ৭ ধারার বিধান অনুযায়ী যদি কেউ নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি হয়, তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি গণনা শুরু হবে তখনই, যখন সে এই অপারগতা থেকে মুক্ত হবে। কিন্তু ৮ ধারা অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে এই সুবিধা দেয় না।

- অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি গণনার জন্য ৬ বা ৭ ধারার কোনো সুবিধা পাওয়া যাবে না।
- যদি কেউ অপারগ হয় (যেমন, নাবালক বা উন্মাদ), তাহলেও সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত সময় বাড়ানো যেতে পারে, এর বেশি নয়।

অন্য ক্ষেত্র যেমন ফৌজদারি মামলা, সরকারি আদেশ কার্যকর করা বা তামাদি আইনের সাধারণ ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ঘ) অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে।
২,৫৯২.
রিনা তার ভাইকে যাবজ্জীবন দণ্ডযোগ্য একটি অপরাধ থেকে বাঁচাতে চায়, তাই তিনি মিথ্যা তথ্য দেন ও অপরাধের আলামত সরান। রিনার জন্য প্রযোজ্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর + অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর + অর্থদণ্ড
  3. ৩ বছর + অর্থদণ্ড
  4. ১ বছর + অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
 দণ্ডবিধির ২০১ ধারা- অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া:
কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়: 
যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
২,৫৯৩.
সরকার The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারাবলে অশ্লীলতার অভিযোগে কোনো পুস্তক বাজেয়াপ্ত করে?
  1. 99
  2. 99A
  3. 99B
  4. 99C
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 99A তে কতিপয় প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির ক্ষমতা:
সংবাদপত্র বা পুস্তক বা দলিলসমূহে নিম্নোক্ত বিষয়বস্তু বিদ্যমান থাকলে তা সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে পারে এবং তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে:
১) রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর।
২) মারাত্মক শিষ্টাচারহীন বা গালিগালাজপূর্ণ বা অশ্লীল।
৩) আমলযোগ্য অপরাধ করতে উত্তেজিত করে এমন শব্দ বা তিরস্কার।
৪) যা প্রকাশ করা পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ধারা ১২৩৩, ১২৪এ, ১৫৩৩, ১৯২,২৯৫এ, ৫০৫, ৫০৫এ অনুযায়ী দণ্ডণীয়।

♦৯৯বি ধারা অনুযায়ী- উপরিউক্ত উপাদানযুক্ত সংবাদপত্র, পুস্তক, দলিল বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হলে, স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দুই মাসের মধ্যে HCD এর নিকট ঘোষণা বাতিলের আবেদন করতে পারে।
৯৯সি ধারা অনুযায়ী ৩ জন বিচারক নিয়ে গঠিত HCD এর স্পেশাল বেঞ্চ আবেদন শ্রবণ করে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন।
২,৫৯৪.
Section 26 of the Specific Relief Act deals with-
  1. Personal bars to the relief.
  2. Non-enforcement except with variation.
  3. What parties cannot be compelled to perform.
  4. The contracts which may specifically be enforced.
ব্যাখ্যা
SR Act, Section-26. Non-enforcement except with variation:
Where a plaintiff seeks specific performance of a contract in writing, to which the defendant sets up a variation, the plaintiff cannot obtain the performance sought, except with the variation so set up, in the following cases (namely):-
(a) where by fraud or mistake of fact the contract of which performance is sought is in terms different from that which the defendant supposed it to be when he entered into it;
(b) where by fraud, mistake of fact, or surprise the defendant entered into the contract under a reasonable misapprehension as to its effect as between himself and the plaintiff;
(c) where the defendant, knowing the terms of the contract and understanding its effect, has entered into it relying upon some misrepresentation by the plaintiff, or upon some stipulation on the plaintiff's part, which adds to the contract, but which he refuses to fulfil;
(d) where the object of the parties was to produce a certain legal result, which the contract as framed is not calculated to produce;
(e) where the parties have, subsequently to the execution of the contract, contracted to vary it.
-------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ২৬ ধারার বিধান: পরিবর্তন ব্যতীত কার্যকরীকরণ না করা:
-যেক্ষেত্রে বাদী লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন দাবি করে এবং প্রতিবাদী সে ব্যাপারে একটি পরিবর্তন খাড়া করে সেখানে বাদী নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে তেমন পরিবর্তন ব্যতীত সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে পারবে না:
(ক) যেখানে প্রতারণার দ্বারা বা তথ্যের ভুলের কারণে যে চুক্তির কাজ সম্পাদন দাবি করা হল তার শর্ত প্রতিবাদী চুক্তিবদ্ধ হবার সময় যেমন ভেবেছিল, তা হতে ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করেছে;
(খ) যেখানে প্রতারণার দ্বারা বা তথ্যগত ভুলের কারণে যা অত্যন্ত অপ্রত্যাশিতভাবে প্রতিবাদী তার এবং বাদীর মাধ্যমে চুক্তির ফলাফল সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে;
(গ) যেখানে প্রতিবাদী চুক্তির শর্তাবলী অবগত হয়ে এবং তার ফলাফল উপলব্ধি করেও বাদীর কতিপয় ভুল বিবরণের উপর বিশ্বাস করে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে অথবা বাদীর তরফ হতে এমন শর্তের প্রেক্ষিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, যা চুক্তিতে যুক্ত করা হয়েছে কিন্তু তা সে পালন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে; (ঘ) যেখানে পক্ষসমূহের লক্ষ্য নির্দিষ্ট আইনগত ফলাফল লাভ করা, কিন্তু চুক্তি যেভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে, তা তেমন ফলদায়ী হয় না;
(ঙ) যেখানে পক্ষসমূহ চুক্তিনামা সম্পাদনের সঙ্গে সঙ্গেই, তা পরিবর্তন করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়।
২,৫৯৫.
একজন বিচারক যখন বিচারিক দায়িত্ব পালনকালে কোন কাজ করেন, সেটি অপরাধ নয় - এটি দণ্ডবিধির কত নং ধারার বিধান?
  1. ধারা ৭৬
  2. ধারা ৭৭
  3. ধারা ৭৮
  4. ধারা ৭৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির (Penal Code, 1860) অধ্যায় IV-এর "সাধারণ ব্যতিক্রম" (General Exceptions) বিভাগে ধারা ৭৭ বিশেষভাবে বিচারকের (Judge) বিচারিক কাজের (judicial acts) সুরক্ষা প্রদান করে।
অর্থাৎ: একজন বিচারক যখন তাঁর বিচারিক দায়িত্ব পালনকালে (acting judicially) কোনো কাজ করেন, যা আইন দ্বারা প্রদত্ত ক্ষমতার ব্যবহারে (exercise of power) বা সৎবাবে (good faith) আইন দ্বারা প্রদত্ত মনে করে করেন, তখন সেই কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। এটি বিচারকদের স্বাধীনভাবে এবং ভয়হীনভাবে বিচারকাজ করার জন্য একটি সুরক্ষা প্রদান করে, যাতে তারা আইনের মধ্যে থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারার বিধান বিচার সংক্রান্ত কাজ সম্পাদনকালে বিচারক দ্বারা কৃতকার্য:
-বিচার কাজ পরিচালনাকালে অর্থাৎ বিচারক হিসেবে কাজ পরিচালনাকালে বিচারক দ্বারা তাকে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা বা যে ক্ষমতা তাঁকে আইনে প্রদত্ত হয়েছে তিনি সরল মনে বিশ্বাস করেন সে ক্ষমতানুসারে কৃত কোন কাজ অপরাধ হবে না।
--------------------------------
⇒ The Penal Code,1860- Section 77: Act of Judge when acting judicially:-
- Nothing is an offence which is done by a Judge when acting judicially in the exercise of any power which is, or which in good faith he believes to be, given to him by law.

২,৫৯৬.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর কত অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন?
  1. ২১ অনুচ্ছেদ
  2. ২২ অনুচ্ছেদ
  3. ২৩ অনুচ্ছেদ
  4. ২৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর ২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন।
----------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 23. (1) Entries in the roll shall be made in the order of seniority and such seniority shall be determined as follows, namely:-
(a) all such persons as are referred to in clause (a) of Article 20 shall be entered first in the order in which they were respectively entitled to seniority immediately before the commencement of this Order; and
(b) the seniority of any other person admitted to be an advocate under this Order after the commencement of this Order shall be determined by the date of his admission.
(2) Where the date of seniority of two or more persons is the same, the one senior in age shall rank as senior to the other.

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 24. The Bar Council shall issue a certificate of enrolment in the prescribed form to every person enrolled under Article 23.

২,৫৯৭.
একজন ব্যক্তি আঘাত পেয়ে "X আমাকে আঘাত করেছে" বলে কিছুক্ষণ পরেই মারা গেলে, এই বক্তব্যটি ______ হিসাবে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হবে।
  1. Res integra
  2. Res Gestae
  3. double jeopardy
  4. None of above
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে 'Res Gestae' একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। যখন একাধিক ঘটনা অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত এবং একই ঘটনার ধারাবাহিক অংশ হয়, তখন তাদের বক্তব্য বা আচরণকে Res Gestae সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। অর্থাৎ Res Gestae এর মাধ্যমে এমন কথা বা আচরণকে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করা হয় যা কোনো ঘটনার সময় বা ঘটনার পূর্বে বা পরবর্তীতে বলা বা করা হয়েছিল এবং যা সেই ঘটনার প্রকৃতি ও কারণ বুঝতে সাহায্য করে।

উদাহরণস্বরূপ:
⇒ একজন ব্যক্তি আঘাত পেয়ে "X আমাকে আঘাত করেছে" বলে কিছুক্ষণ পরেই মারা গেলে, এই বক্তব্যটি Res Gestae হিসাবে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হবে।
⇒ অপরাধের পর দ্রুত পালিয়ে যাওয়া অপরাধীর বক্তব্য বা আচরণ Res Gestae হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
⇒ দুর্ঘটনার পর অবিলম্বে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের আতঙ্কিত বা উদ্বিগ্ন বক্তব্য Res Gestae হিসেবে গৃহীত হতে পারে।

Res Gestae সাক্ষ্যগুলো ঘটনার সঙ্গে এতটাই নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থাকে যে, তা স্বাভাবিক ও আকস্মিক হয়ে পড়ে এবং মিথ্যা বলার সম্ভাবনা থাকে না। এজন্য আদালত Res Gestae সাক্ষ্যগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেয়। অন্যদিকে, যদি একাধিক ঘটনা পরস্পর খুব অতিরিক্ত পৃথক হয়, তাহলে তাদের বক্তব্য বা আচরণকে Res Gestae সাক্ষ্য বলে গণ্য করা যায় না। একইভাবে, কোনো ঘটনার স্বাতন্ত্র্য বা অপ্রাসঙ্গিকতাও Res Gestae সাক্ষ্য গঠনে সাহায্য করে না।
২,৫৯৮.
মামলার অ্যাবেইটমেন্ট আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য আদালত একজন দরখাস্তকারীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কত Cost পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২, বিধি ৯(ক) অনুসারে, কোনো পক্ষের মৃত্যুর কারণে মোকদ্দমা অ্যাবেট (খারিজ) হয়ে গেলে বাতিল/খারিজ সরাসরি রহিতের দরখাস্ত করে প্রতিকার পেতে পারে।

বাতিল/খারিজ সরাসরি রহিতকরণ:
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ আদেশের ৯ক বিধিতে, বাদীকে কোনো প্রকার সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়েই মামলার অ্যাবেটমেন্ট আদেশ সরাসরি খারিজ/ বাতিলের [Directly setting-aside abatement of dismissal] বিধান রয়েছে।

খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিল/রদের শর্ত: ৯ক বিধি মোতাবেক-
⇒ আদেশদানের ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে;
আদালতের নির্দেশনানুযায়ী সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা খরচ পরিশোধ করতে হবে।
২,৫৯৯.
সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারেন-
  1. অপরাধীর সম্মতি সাপেক্ষে
  2. অপরাধীর সম্মতি ব্যতীত
  3. অপরাধীর আবেদন সাপেক্ষে
  4. বিচারিক আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
২,৬০০.
ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করার বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৩৬৮ ধারায়
  2. ৩৬৯ ধারায়
  3. ৩৭০ ধারায়
  4. ৩৭২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

Section-368: Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.