বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ২৪ / ১৫৫ · ২,৩০১২,৪০০ / ১৫,৪৭০

২,৩০১.
তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী ঋণের সুদ পরিশোধ করলে তামাদি মেয়াদ গণনা কীভাবে পরিবর্তিত হয়?
  1. মেয়াদ স্থগিত হয়
  2. মেয়াদ বাতিল হয়
  3. পূর্বের মেয়াদ বহাল থাকে
  4. নতুন করে মেয়াদ গণনা শুরু হয়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ২০ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো ঋণ বা দায়ের বিপরীতে সুদ পরিশোধ করে (বা আংশিক টাকা পরিশোধ করে), তবে উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এটি একটি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হয় এবং আইন অনুযায়ী এটি তামাদি মেয়াদ পুনরারম্ভের জন্য যথেষ্ট।

⇒ তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী, ঋণ বা লিগ্যাসির সুদ পরিশোধ করার ফলে তামাদির মেয়াদ নবায়ন হবে।
অর্থাৎ, যখন ঋণগ্রহীতা বা তার প্রতিনিধি সুদ পরিশোধ করেন, তখন তামাদির মেয়াদ পুনরায় শুরু হবে এবং নতুন মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
তবে, এটা শর্তসাপেক্ষ যে, পরিশোধের জন্য লিখিত স্বীকৃতি বা সাক্ষর থাকা উচিত, যাতে পরিশোধের প্রমাণ থাকে।
এটি ঋণগ্রহীতা বা লিগ্যাসির অধিকারী ব্যক্তির জন্য সুবিধাজনক, কারণ তারা পরিশোধের মাধ্যমে নতুন সময় শুরু করতে পারেন।

⇒ The Limitation Act:- Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made:
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
২,৩০২.
B একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। A, B এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। এখানে A- কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে-
  1. B এর জীবনকাল
  2. B এর মৃত্যু
  3. B এর অসুস্থতা
  4. B এর হাসপাতাল ত্যাগ
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান হচ্ছে: সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য যে ঘটনা প্রমাণ করতে হবে, যিনি সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক; তা প্রমাণের দায়িত্ব তার উপর। যেমন: মৃত্যুকালীন ঘোষণা।
♦  সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা অনুযায়ী সাক্ষ্য গ্রহনযোগ্য করার জন্য যে ঘটনা আগে প্রমাণ করা প্রয়োজন, তা অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে । এখানে A, B এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য, আগে A অবশ্যই Bএর মৃত্যু প্রমাণ করবে।
২,৩০৩.
‘E’ একজন মহিলার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে, যিনি বিশ্বাস করেন যে ‘E’ তার স্বামী, কিন্তু ‘E’ জানে যে সে তার স্বামী নয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৬ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৫ অনুসারে, কোনো পুরুষ যদি জেনে যে সে মহিলার স্বামী নয়, এবং মহিলা তাকে স্বামী মনে করে সম্মতি দেয়, তবে তা ধর্ষণ হিসেবে গণ্য (চতুর্থ শর্ত)। এখানে, ‘E’ জেনে যে সে মহিলার স্বামী নয়, তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছে, যা ধারা ৩৭৫-এর অধীনে ধর্ষণ। ধারা ৩৭৬ অনুসারে, ধর্ষণের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
- সুতরাং, ‘E’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৩৭৬ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারার বিধান ধর্ষণ (Rape):- কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত:- স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে।
তৃতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে।
চতুর্থত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে।
পঞ্চমত:- স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।
ব্যাখ্যা:- ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।
ব্যতিক্রম:- কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 375.Rape:
 A man is said to commit "rape" who except in the case hereinafter excepted, has sexual intercourse with a woman under circumstances falling under any of the five following descriptions: 
Firstly. Against her will. 
Secondly. Without her consent. 
Thirdly. With her consent, when her consent has been obtained by putting her in fear of death, or of hurt. 
Fourthly. With her consent, when the man knows that he is not her husband, and that her consent is given because she believes that he is another man to whom she is or believes herself to be lawfully married. 
Fifthly. With or without her consent, when she is under fourteen years of age. 
Explanation. Penetration is sufficient to constitute the sexual intercourse necessary to the offence of rape. 
Exception. Sexual intercourse by a man with his own wife, the wife not being under thirteen years of age, is not rape.

২,৩০৪.
তামাদি আইনের কোন কোন অনুচ্ছেদে দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. ১৫৪ এবং ১৫৫ অনুচ্ছেদ
  2. ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদ
  3. ১৫০ এবং ১৫৭ অনুচ্ছেদ
  4. ১৫৪ এবং ১৫৮ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে আপিল তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদের তামাদির বিধান অনুযায়ী করতে হয়।

অনুচ্ছেদ- ১৫২
১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপিল
তামাদি- ৩০ দিন
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।

অনুচ্ছেদ- ১৫৬
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন, ১৫১ ও ১৫৩ অনুচ্ছেদে যে সকল মোকদ্দমা সম্পর্কে বিধান আছে সেগুলি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
তামাদি- ৯০ দিন
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে।
২,৩০৫.
চূড়ান্ত শুনানীকালে মোকদ্দমা মুলতবী করা যায় কোন কারণে?
  1. আদালতের বিবেচনায় যে কোনো কারণে
  2. যথোপযুক্ত কারণে
  3. ন্যায়বিচারের স্বার্থে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ মূলতবী সংক্রান্ত বিধিবিধান আদেশ ১৭ তে বলা আছে। বিধি ১-এর উপবিধি ৪-এর বিধান মতে চূড়ান্ত শুনানীকালে কোনো মুলতবী মনজুর করা যায় না। তবে proviso তে বলা আছে-if for ends of justice any adjournment is granted to a party…” অর্থাৎ, ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত চাইলে চূড়ান্ত শুনানীকালেও সর্বোচ্চ ৩ বার ২০০-১০০০ টাকার খরচের আদেশ সহ বিচার মুলতবি করা যায়।
২,৩০৬.
Where once _____ has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it.
  1. suit
  2. time
  3. case
  4. proceeding
ব্যাখ্যা
⇒ Section: 9 of The Limitation Act,1908-
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
--------------------
⇒ তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান: সময়ের অবিরাম চলন:
তামাদির সময় একবার চলতে শুরু করলে কোন অক্ষমতা একে থামাতে পারে না। তবে কোন পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কোন দেনাদারের উপর ন্যস্ত থাকলে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
২,৩০৭.
নিচের কোন শ্রেণিটি দায়ভাগ পদ্ধতির প্রথম শ্রেণির উত্তরাধিকার?
  1. সহদেব
  2. সাকুল্য
  3. সপিণ্ড
  4. সমানোদক
ব্যাখ্যা
⇒ দায়ভাগ পদ্ধতিতে উত্তরাধিকার তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত:
১) সপিণ্ড (প্রথম ও নিকটতম শ্রেণি),
২) সাকুল্য (দ্বিতীয় শ্রেণি),
৩) সমানোদক (তৃতীয় ও দূরবর্তী শ্রেণি)।
→  দায়ভাগ পদ্ধতি (Dayabhaga School) অনুসারে, হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তির জন্য পিণ্ডদান করতে পারে, তাকে সপিণ্ড বলা হয়। সপিণ্ডগণই হলেন এই পদ্ধতির প্রথম শ্রেণির উত্তরাধিকারী।
→  দায়ভাগ পদ্ধতিতে উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করা হয় মূলত ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের ভিত্তিতে। মৃত ব্যক্তিকে যে আত্মীয় পিণ্ড দিতে পারেন, তিনিই প্রথম উত্তরাধিকারী। এই জন্যই সপিণ্ডগণ প্রথম শ্রেণির উত্তরাধিকারী।
→  সপিণ্ড হলো প্রথম শ্রেণির উত্তরাধিকার, যারা মৃত ব্যক্তির সরাসরি রক্তের সম্পর্কে আবদ্ধ (যেমন: পুত্র, কন্যা, স্ত্রী, পিতা, মাতা ইত্যাদি)। এরা মৃতের শ্রাদ্ধে পিণ্ডদানের অধিকারী এবং সম্পত্তির প্রধান দাবিদার।
→  সাকুল্য (দ্বিতীয় শ্রেণি) ও সমানোদক (তৃতীয় শ্রেণি) তুলনামূলকভাবে দূরবর্তী আত্মীয়দের অন্তর্ভুক্ত।
→  সহদেব একটি ব্যক্তিগত নাম বা বিভ্রান্তিকর অপশন (এই প্রসঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) সপিণ্ড।
২,৩০৮.
হাইকোর্ট বিভাগ-এর Inherent power বা সহজাত ক্ষমতা সংরক্ষণের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আছে? 
  1. ৫৬১
  2. ৫৬১ক
  3. ৫৬৫
  4. ৫৬ক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারা বিশেষভাবে হাইকোর্ট বিভাগ-এর সহজাত (inherent) ক্ষমতা সংরক্ষণ করে। এই ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, আদালতের আদেশ কার্যকর করা এবং আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য প্রযোজনীয় আদেশ দিতে পারে। এটি অন্যান্য আদালতের জন্য প্রযোজ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা;
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা; এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

২,৩০৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৩০ ধারা অনুসারে প্রদত্ত সমন অমান্য করলে আদালত তাকে অনধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারেন?
  1. ৫০০
  2. ২০০
  3. ১০০
  4. ১০০০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
২,৩১০.
Nudum Pactum বলতে কী বোঝায়?
  1. বিনিময়যুক্ত চুক্তি
  2. প্রতিদানবিহীন চুক্তি
  3. আদালতে নথিভুক্ত চুক্তি
  4. রেজিস্ট্রেশনবিহীন চুক্তি
ব্যাখ্যা

'Nudum Pactum' হলো সেই চুক্তি, যা কোনো consideration (বিবেচ্য বা বিনিময়) ছাড়া করা হয়। এজন্য এটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। 

আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো:
"No consideration, no contract" – কোনো চুক্তি বৈধ হতে হলে উভয় পক্ষের মধ্যে কিছু মূল্য বা বিনিময় থাকা আবশ্যক।

 চুক্তি আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, প্রতিদান ব্যতীত সম্মতি বাতিল।

২,৩১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ধারা ৫৬০
  2. ধারা ৫৫৭
  3. ধারা ৫৬৮
  4. ধারা ৫৫৬
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে, যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

Section 556- Case in which Judge or Magistrate is personally interested
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
২,৩১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার কোন সংবাদপত্র বা পুস্তক বা কোন দলিল বা কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন?
  1. ৯৯ক ধারা
  2. ৯৯খ ধারা
  3. ৯৯গ ধারা
  4. ৯৯ঘ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা অনুসারে সরকার কোন সংবাদপত্র বা পুস্তক বা কোন দলিল বা কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
♦  এছাড়া ৯৯ক ধারা অনুসারে যে সকল প্রকাশনা সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেছেন তা উদ্ধারের জন্য আদালত তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।ঃ

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার বিধান: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিবার ক্ষমতাঃ

(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে-

(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩এ অথবা ১২৪এ অথবা ১৫৩এ অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫এ অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫এ মতে দণ্ডনীয়,

(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা

(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা

(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারী গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গনে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোন সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সঙ্গত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপ-ধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধিকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
২,৩১৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় Double Jeopardy' মতবাদ আলোচিত হয়েছে?
  1. ২০৩
  2. ৩০৩
  3. ৪০৩
  4. ৫০৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-

১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না। অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
২,৩১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯ বিধি-১ অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন মঞ্জুর করা হয়?
  1. মামলা নিষ্পত্তি হয়ে গেলে
  2. শুধুমাত্র জমি সংক্রান্ত বিরোধে
  3. বিবাদী ঋণ পরিশোধ করলে
  4. নালিশী সম্পত্তি নষ্ট বা হস্তান্তরের ঝুঁকি থাকলে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। বিধি ১ অনুযায়ী যখন নালিশী সম্পত্তি কোন পক্ষ কর্তৃক ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিমূলে অন্যায়ভাবে বিক্রি হতে পারে, অথবা বিবাদী যখন পাওনাদারকে বঞ্চিত, প্রতারিত করার জন্য তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার হুমকি প্রদান করে বা ইচ্ছা পোষণ করে, তখন আদালত উক্ত নালিশী সম্পত্তি ধ্বংসকরণ, ক্ষতিগ্রস্থকরণ, হস্তান্তর, নিলাম, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ স্থগিত করার উদ্দেশ্যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে বা আদালত কর্তৃক যেরূপ উপযুক্ত বিবেচিত হবে সেরূপ আদেশ দিতে পারেন।

- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ১ অনুযায়ী, আদালত তখন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন যখন প্রমাণ হয় যে নালিশী সম্পত্তি নষ্ট, ক্ষতিগ্রস্ত, হস্তান্তরিত, বা ভুলভাবে বিক্রি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, অথবা বিবাদী তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলছে বা বিক্রি করে পাওনাদারকে প্রতারিত করতে চাচ্ছে। এইরূপ পরিস্থিতিতে আদালত সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন, যা মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯ বিধি-২:
১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।
৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।
৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

২,৩১৫.
'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। এটির ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' কোন অপরাধটি করেছে?
  1. Affray
  2. Assault
  3. criminal force
  4. Assault with intent to outrage modesty
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।

(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।

(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
২,৩১৬.
কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার আদেশের অধীন টাউটকে গ্রেফতার করা হলে, তাৎক্ষনিক তাকে কার নিকট উপস্থিত করা হবে?
  1. নিকটস্থ থানায়
  2. দেওয়ানি আদালতে
  3. নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার-
(১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।
(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে।
উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।
 ----------------
The Registration Act, 1908, Section 80F- Arrest and trial of touts:
(1) Any registering officer may, by an order in writing, direct any person named in the order to arrest any such tout found within the precincts of the registration office. Such tout may be arrested accordingly and shall be forthwith produced before the registering officer. 
(2) If the tout admits his offence the provisions of section 480 and 481 of the Code of Criminal Procedure, 1898, shall be applicable, so far as may be, to his detention, trial and punishment. 
If the tout does not admit his offence the provisions of section 480 of the said Code shall be similarly applicable to his detention, trial and punishment. 
(3) A registering officer shall be deemed to be a Civil Court for the purposes of sections 480, 481 and 482 of the said Code.
২,৩১৭.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি কী?
  1. ধর্মীয় ঐক্য
  2. রাজনৈতিক সংহতি
  3. অর্থনৈতিক সমতা
  4. ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হলো ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তা।
- এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯-এ বর্ণিত, যেখানে বলা হয়েছে যে, ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছে, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

- এটি বোঝায় যে, বাঙালী জাতীয়তা শুধুমাত্র ধর্ম বা রাজনৈতিক সংহতির উপর ভিত্তি করে নয়, বরং ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত্তিতেও প্রতিষ্ঠিত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ ছিল এই একক সত্তা প্রতিষ্ঠার পক্ষে, যেখানে বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতির মাধ্যমে দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে।
২,৩১৮.
'একটি চুক্তির যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৩
  2. ২৪
  3. ২৭
  4. ২৮
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারামতে- 
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে [specific performance of a contract may be enforced against]-

(a) either party thereto;
ব্যাখ্যা: একটি চুক্তির যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract;
ব্যাখ্যা: চুক্তির পরবর্তীতে যদি কেউ চুক্তির পক্ষের অধিকার দাবি করে, তাহলে তার বিরুদ্ধেও এই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তবে যদি কেউ সদ্ভাবে এবং মূল চুক্তির বিষয়ে অবগত না থেকে মূল্য প্রদান করে সেই অধিকার অর্জন করে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না।

(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant;
ব্যাখ্যা: কখনও কখনও কোনো ব্যক্তি চুক্তির আগে থেকেই কোনো অধিকার দাবি করতে পারেন। যদি এই অধিকার বাদীর জ্ঞাতসারে থাকে এবং বিবাদীর মাধ্যমে এই অধিকার বাতিল করার সুযোগ থাকে তাহলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
ব্যাখ্যা: প্রথম পাবলিক কোম্পানিটি যদি কোনো চুক্তি করে এবং পরবর্তীতে অন্য কোনো পাবলিক কোম্পানির সাথে এক্রীভূত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠিত হয়, তাহলে সেই নতুন কোম্পানির বিরুদ্ধেও প্রথম চুক্তিটির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation.
ব্যাখ্যা: যদি কোনো প্রতিষ্ঠাতারা একটি প্রস্তাবিত পাবলিক কোম্পানির গঠনের আগেই কোনো চুক্তিতে আবদ্ধ হন, তাহলে পরবর্তীতে সেই কোম্পানি গঠিত হলে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তবে এর জন্য সেই কোম্পানির দ্বারা সেই চুক্তি অনুমোদন এবং গৃহীত হতে হবে।
২,৩১৯.
চেক ডিজঅনারের মামলার রায়ে ক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
আপিল
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  
চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

রিভিউ
দেওয়ানী মোকদ্দমায় রিভিউ (Review) করার বিধান রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ করার বিধান আছে। ক্রিমিনাল মামলায় রিভিউ করার কোন বিধান নেই। ফৌজদারী কার্যবিধিতে রিভিউ সংক্রান্ত কোন বিধান রাখা হয়নি। তাই ক্রিমিনাল মামলায় রিভিউ করার কোন সুযোগ নেই। তবে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন মামলার সিদ্ধান্ত থেকে দেখা যায়, ১৩৮ ধারার চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা ফৌজদারী এবং কিছুটা দেওয়ানী প্রকৃতির। তার আলোকে চেক ডিজঅনারের মামলায় রিভিউ করা যেতে পারে।

Nizam Uddin Mahmood v. Abdul Hamid Bhuiyan and another[24 BLD (2004)(AD)239] মামলায় সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ চেক ডিসঅনার সংক্রান্ত মামলায় রিভিউ সংক্রান্ত বিধানের অনুমতি দিয়েছেন।

রিভিশন 
চেক ডিজঅনারের মামলায় রিভিশন দায়ের করা যায়। শুধুমাত্র আইনগত প্রশ্নে রিভিশন দায়ের করা যায়। এখানেও ফৌজদারী কার্যবিধির রিভিশনের বিধান প্রযোজ্য হবে। 
১৩৮ ধারার মামলা থেকে আইনগত বিষয় উদ্ভূত হলে ফৌজধারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগে অথবা একই আইনের ৪৩৯ক ধারা মতে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। আগে একমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতেন। ১৯৭৮ সালে Law Reforms Ordinance দ্বারা ফৌজদারী কার্যবিধিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
২,৩২০.
যদি এজেন্টের নিজস্ব স্বার্থ থাকে চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর, তবে-
  1. মালিকের মৃত্যুতে এজেন্সি বাতিল হবে
  2. এজেন্সি স্বাভাবিক নিয়মে শেষ হয়ে যাবে
  3. মালিক যে কোনো সময় এজেন্সি বাতিল করতে পারবে
  4. মালিক তা বাতিল করতে পারবে না, যদি স্পষ্ট চুক্তি না থাকে
ব্যাখ্যা
ধারা ২০২: যেক্ষেত্রে এজেন্টের বিষয়বস্তুর উপর স্বার্থ থাকে, সেই ক্ষেত্রে এজেন্সির সমাপ্তি-
যদি কোনো এজেন্টের নিজস্ব স্বার্থ থাকে সেই সম্পত্তিতে, যেটি এজেন্সির বিষয়বস্তু (subject-matter), তাহলে স্পষ্ট চুক্তি না থাকলে সেই এজেন্সি তাঁর স্বার্থের ক্ষতিতে বাতিল করা যাবে না। অর্থাৎ, এজেন্টের স্বার্থ থাকলে মালিক বা প্রিন্সিপাল চাইলে সেই এজেন্সি বাতিল করতে পারেন না, এমনকি মালিক মারা গেলেও বা পাগল হলেও এজেন্সি বাতিল হবে না।

উদাহরণ (Illustrations):
(a) A, B-কে তার জমি বিক্রি করতে বলে এবং বলে বিক্রির অর্থ থেকে B যেন নিজের পাওনা টাকা রেখে দেয়। এক্ষেত্রে A এই ক্ষমতা বাতিল করতে পারবে না — A পাগল হলেও বা মারা গেলেও B-এর ক্ষমতা থাকবে।

(b) A, ১,০০০ বেল তুলা B-কে পাঠায়। B এর উপর অগ্রিম টাকা দিয়েছে এবং A-কে বলে তুলা বিক্রি করে নিজের অগ্রিম টাকা ফেরত নিতে। এই অবস্থায় A এই ক্ষমতা বাতিল করতে পারবে না, এমনকি মারা গেলেও বা পাগল হলেও নয়।
২,৩২১.
সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন _____।
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. সংসদ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদের বিধান: দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা:
এই ভাগের পূর্ববর্ণিত বিধানাবলীতে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি বা অন্য কোন ব্যক্তি জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের প্রয়োজনে কিংবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন অঞ্চলে শৃঙ্খলা-রক্ষা বা পুনর্বহালের প্রয়োজনে কোন কার্য করিয়া থাকিলে সংসদ আইনের দ্বারা সেই ব্যক্তিকে দায়মুক্ত করিতে পারিবেন কিংবা ঐ অঞ্চলে প্রদত্ত কোন দণ্ডাদেশ, দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির আদেশকে কিংবা অন্য কোন কার্যকে বৈধ করিয়া লইতে পারিবেন।
২,৩২২.
আইজীবী হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য ১০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীর অধীনে কাজ করতে হয়-
  1. ৩ মাস 
  2. ৬ মাস 
  3. ১ বছর 
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা

উত্তর: ৬ মাস

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি-৬০:
- শিক্ষানবিশ অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
- আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা     দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
  এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।

২,৩২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ৭ অনুসারে, প্রশ্নমালা (Interrogatories) রদ বা কর্তনের আবেদন কত দিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ৭ অনুসারে, যদি কোনো প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, বিরক্তিকর, অনাবশ্যকীয় বা কুৎসামূলক হয়, তবে তা রদ বা কর্তনের জন্য আবেদন করা যেতে পারে, তবে এই দরখাস্ত প্রশ্নমালা জারির ৭ দিনের মধ্যে করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির  আদেশ ১১ বিধি ৭- প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন:
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে-এই অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, বা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অনাবশ্যকীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন দরখাস্ত করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের ভিতর পেশ করা যেতে পারে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 11 Rule 7: Setting aside and striking out interrogatories:
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.

২,৩২৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২১, বিধি-৩৭ অনুযায়ী, অর্থ আদায়ের ডিক্রি কার্যকর করতে গ্রেফতারের জন্য আবেদন করা হলে আদালত প্রথমে কী করে?
  1. ডিক্রি বাতিল করে
  2. জরিমানা আরোপ করে
  3. রায়সিদ্ধ দেনাদারকে নোটিশ পাঠায়
  4. সরাসরি গ্রেফতার পরোয়ানা জারি করে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে নোটিশ পাঠায়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২১, বিধি-৩৭ অনুযায়ী: যখন অর্থ আদায়ের ডিক্রি (decree for payment of money) জারির জন্য ডিক্রিদার (decree-holder) আদালতে আবেদন করেন যে, রায়সিদ্ধ দেনাদার (judgment-debtor)-কে গ্রেপ্তার করে দেওয়ানি জেলে (civil prison) আটক রাখা হোক, তখন আদালত সাধারণত সরাসরি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন না।
বরং, আদালত প্রথমে একটি নোটিশ জারি করেন, যাতে রায়সিদ্ধ দেনাদার নির্ধারিত দিনে আদালতে উপস্থিত হয়ে “কারণ দেখাতে পারেন যে কেন তাকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হবে না”।
- এটি একটি ন্যায়বিচারমূলক সুযোগ (principle of natural justice), যাতে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়।
তবে যদি আদালত সন্তুষ্ট হন যে judgment-debtor পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে (যেমন: শপথনামা বা অন্য প্রমাণ উপস্থাপিত হয়), তাহলে সরাসরি পরোয়ানা জারি করাও সম্ভব, কিন্তু সাধারণ নিয়ম হিসেবে আগে নোটিশ পাঠানোই বাধ্যতামূলক।
 - অতএব, প্রশ্ন অনুযায়ী:“আদালত প্রথমে কী করে?” এর সঠিক ও আইনসম্মত উত্তর হলো “রায়সিদ্ধ দেনাদারকে নোটিশ পাঠায়”

Arrest and Detention in the Civil Prison:
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-37. Discretionary power to permit judgment-debtor to show cause against detention in prison.
(1) Notwithstanding anything in these rules, where an application is for the execution of a decree for the payment of money by arrest and detention in the civil prison of a judgment-debtor who is liable to be arrested in pursuance of the application, the Court shall, instead of issuing a warrant for his arrest, issue a notice calling upon him to appear before the Court on a day to be specified in the notice and show cause why he should not be committed to the civil prison:
Provided that such notice shall not be necessary if the Court is satisfied, by affidavit, or otherwise, that, with the object or effect of delaying the execution of the decree, the judgment-debtor is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court.
(2) Where appearance is not made in obedience to the notice, the Court shall, if the decree-holder so requires, issue a warrant for the arrest of the judgment-debtor.
২,৩২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় "Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits do to so". এর বিধান আছে?
  1. ৩৫ ধারা
  2. ৪০ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ "Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits do to so". সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের  ৪২ ধারায় বলা আছে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে, যেখানে বাদী শুধু স্বত্বের ঘোষণা [Mere Declaration of Title ] ছাড়া আরও প্রতিকার [further relief] দাবি করতে পারতো, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা দিবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার বিধান: মর্যাদা কিংবা অধিকার ঘোষণা সম্পর্কে আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা:
আইনানুগ পরিচয় অথবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি এমন যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে যে, তেমন মর্যাদা বা অধিকারের ব্যাপারে তার স্বত্ব অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করেছে বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করতে পারেন যে, তার তেমন অধিকার রয়েছে এবং তেমন মামলায় আরও কোন প্রতিকার দাবি করা বাদীর জন্য আবশ্যক নয়।
 
- এরূপ ঘোষণার পথে প্রতিবদ্ধকতা: শর্ত থাকে যে, যেখানে দাবি কেবলমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ব্যতীত আরও প্রতিকার দাবি করতে সমর্থ, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা প্রদান করবেন না।
 
ব্যাখ্যা: একটি সম্পত্তির জিম্মাদার এমন একটি স্বত্ব "অস্বীকার করিতে আগ্রহী ব্যক্তি”, যে জীবিত নয় এমন এক ব্যক্তির স্বত্বের প্রতিকূল এবং যদি সে বেঁচে থাকত, তবে সে তার জন্য একজন জিম্মাদার হত।
-----------------
SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
 
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
২,৩২৬.
দায়রা আদালতে কয় শ্রেণির বিচারক থাকে?
  1. ২ শ্রেণির
  2. ৩ শ্রেণির
  3. ৪ শ্রেণির
  4. ৫ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণিবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরনের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
- অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।
 
- ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১১৫ এবং ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
-------------------------------------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
২,৩২৭.
'ক', 'খ' এর নিকট ১,০০,০০০ টাকায় একটি বাড়ী বিক্রি করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' ক্রয়মূল্য প্রদান করলেও 'ক' বাড়ী বিক্রয় করতে অস্বীকার করে। 'খ' এ প্রতিকার কি?
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  3. চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন এবং আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে।
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে।
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে।
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।

⇒  খ.গ, এবং ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা যায় চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ণয়ের কোন মানদণ্ড না থাকলে বা পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ না থাকলে বা আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া না গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে। বিপরীতভাবে বলা যায়, আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হলে বা নির্ণয় করা গেলে বা পাওয়া গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার দিবেনা বরং ক্ষতিপূরণ প্রতিকার দিবে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১২ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যদিনা এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ভিন্ন কিছু প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না, এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার এভাবে করা যায়।

যদি চুক্তির বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি যেমন জমি বিক্রয়ের চুক্তি বা জমি লিজের বা বন্ধকের চুক্তি হয়, তাহলে আদালত ধরে নিবে চুক্তি ভঙ্গের প্রতিকার পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না এবং এই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে ।

কিন্তু যদি চুক্তির বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের হয় যেমন গম বিক্রয়ের চুক্তি হয়, তাহলে আদালত ধরে নিবে চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া যায় এবং এই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিবে না বরং আর্থিক ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে যদি বাদী প্রার্থনা করে।

⇒  সুতরাং বলা যায়, আইনের সাধারণ নীতি হলো স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য কিন্তু অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য না। শুধুমাত্র কতিপয় ব্যতিক্রম প্রেক্ষাপটে অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিও সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য হতে পারে।
২,৩২৮.
দণ্ডবিধিতে অনুমোদিত নয় এমন শাস্তি-
  1. বেত্রাঘাত
  2. ব্রাস্ট ফায়ারে মৃত্যু
  3. দ্বীপান্তর
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫৩ ধারায় ৫ টি শাস্তির অনুমোদিত বিধান রয়েছে।
(i) মৃত্যুদণ্ড
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
(iii) কারাদণ্ড
(iv) সম্পত্তির বাজেয়াপ্তি
(v) অর্থদণ্ড
• এগুলো ছাড়া বাকি সব অনুমোদিত নয়।
• একমাত্র বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ৩৪ক ধারায় নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে গুলি করিয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধান রয়েছে।
২,৩২৯.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করার শাস্তির বিধান আছে কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ১৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা:- কোন ব্যক্তি যদি বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় নয়, কিন্তু যাবজ্জীবন কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে অথবা উক্ত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি পূর্বোলিখিত অপরাধে কোন ব্যক্তি অপরাধী সাব্যস্ত হলে তাকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেত, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

♦ উদাহরণ
মিথ্যা সাক্ষ্য কর্তৃক চ-কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার মানসে ক আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। ডাকাতির সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডসহ বা অর্থদণ্ড ছাড়া দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড। সুতরাং ক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ বা ছাড়া কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------------------------------

♦ Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of offence punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Section 195. Whoever gives or fabricates false evidence intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which by any law for the time being in force is not capital, but punishable with imprisonment for life, or imprisonment for a term of seven years or upwards, shall be punished as a person convicted of that offence would be liable to be punished.

♦ Illustration 
A gives false evidence before a Court of Justice, intending thereby to cause Z to be convicted of a dacoity. The punishment of dacoity is imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, with or without fine. A, therefore, is liable to such imprisonment for life or imprisonment, with or without fine.
২,৩৩০.
রাষ্ট্রপক্ষ কর্তৃক খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।
- খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

⇒ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
- The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
২,৩৩১.
'res ipsa loquitur' means-
  1. The thing speaks for itself
  2. The man speaks for itself
  3. The property speaks for itself
  4. The circumstance speaks for itself
ব্যাখ্যা
Res ipsa loquitur অর্থ হলো স্বব্যক্ত ঘটনা, - The thing speaks for itself.

এই নীতির মূল কথা হলো-
যে সকল দূর্ঘটনা সাধারণত বিবাদীর অবহেলা ছাড়া ঘটে না, এরকম কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে আদালত Circumstantial Evidence-এর ভিত্তিতে অনুমান করে নেবে যে, বিবাদীর অবহেলার [negligence] কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

এই নীতিটি Tort Law -তে প্রয়োগ হয়ে থাকে।
২,৩৩২.
ইন্টারপ্লিডার মামলার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে কোন বিরোধ থাকে না
  2. শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
  3. বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ থাকে না
  4. বিবাদীগণের মধ্যে বিরোধ থাকে
ব্যাখ্যা
• প্রকৃত অর্থে ইন্টারপ্লিডার মামলা কোন দাবী আদায়ের মামলা নয় বরং প্রকৃত দাবীদার সাব্যস্ত করার জন্য মামলা। যখন একাধিক ব্যক্তি কোন অর্থ বা সম্পত্তি বাদীর নিকট দাবী করে এবং বাদীও তা প্রদান করতে প্রস্তুত থাকে। কিন্তু প্রকৃত দাবিদার সাব্যস্ত করা যায় না বিধায় বাদী তাদের বিরুদ্ধে এরূপ মামলা করে। এক্ষেত্রে বিবাদ সম্পর্কে বাদীর কোন আগ্রহ থাকে না। বিবাদীরা পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে প্লিড করে এবং আদালত যাকে প্রকৃত দাবিদার সাব্যস্ত করেন বাদী তার নিকট সে অর্থ বা সম্পত্তি অর্পন করে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৮ ধারায় এ সম্পর্কে বিধান রয়েছে। এখানে বলা হয়েছে যে,
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবী করে এবং যার নিকট দাবী করা হয় তার যদি উক্ত সম্পত্তির উপর খরচের দাবী ব্যতীত অন্য কোন দাবী দাওয়া না থাকে এবং সে যদি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকে তবে সেই সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য উক্ত রূপ দাবীদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মামলা দায়ের করতে পারবে। তবে উক্ত দাবীদারগণের অধিকার যদ্বারা নির্ধারিত হবে এমন কোন মামলা যদি বিচারাধীন থেকে থাকে সেক্ষেত্রে এরূপ ইন্টারপ্লিডার মামলা দায়ের করা যাবে না।

ইন্টারপ্লিডার মামলার ক্ষেত্রে যে সকল শর্ত থাকতে হবে তা দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ নম্বর আদেশে বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই আদেশের ১ নম্বর বিধি অনুযায়ী অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে নিম্নোক্তগুলি আরজিতে উল্লেখ করতে হবে-
ক. মামলাটির বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নিহিত নেই।
খ. বিবাদীগণ (দুই বা ততোধিক) পৃথকভাবে তাদের দাবী উত্থাপন করেছে এবং এ দাবীগুলি পরস্পর বিরোধী বলে গণ্য হয়।
গ. বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোন যোগসাজস নেই।
ঘ. বাদীর নিকট পাওনা অর্থ বা সম্পত্তি আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্দিষ্ট বিবাদীর নিকট প্রদান করার ইচ্ছা থাকতে হবে।

অর্থাৎ 'শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য'- উক্তি সঠিক নয়।
২,৩৩৩.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারায় সরকারী দলিল সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ৭২ ধারা
  2. ৭৩ ধারা
  3. ৭৪ ধারা
  4. ৭৫ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ৭৪ ধারা অনুযায়ী সরকারী দলিল বিষয়ে বলা হয়েছে (সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের কার্য্য, ট্রাইবুনালের কার্য্য, ভোটার তালিকা, চার্জ শিট ইত্যাদি)। সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারায় বেসরকারী দলিল বিষয়ে বলা হয়েছে।
২,৩৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, অভিযোগকারী যদি তার নালিশ প্রত্যাহার করেন, তাহলে মামলার ফলাফল কী হবে?
  1. মামলার শুনানি বন্ধ হয়ে যাবে এবং আদালত অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারেন।
  2. মামলার নথি বাতিল হয়ে যাবে এবং কোনো কার্যক্রম হবে না।
  3. অভিযোগ প্রত্যাহারের পরও আদালত মামলাটি শুনানির মাধ্যমে রায় প্রদান করবেন।
  4. মামলার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে এবং আদালত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী, অভিযোগকারী যদি তার নালিশ প্রত্যাহার করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস দিয়ে মামলার শুনানি বন্ধ করতে পারেন।
- অর্থাৎ ফৌজদারি চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে খালাস [Acquittal] দিবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

-অপরদিকে,ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
২,৩৩৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 9, rule 4 অনুযায়ী কোনো মামলা খারিজ হলে বাদী -
  1. নতুন মামলা দায়ের করতে পারবেন
  2. নতুন মামলা দায়েরে বারিত হবেন।
  3. রিভিউ চাইতে পারবেন
  4. ষাট দিনের মধ্যে খারিজাদেশ সরাসরি বাতিল চাইতে পারবেন
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৯ বিধি-৪ মতে বাদী নতুন মোকদ্দমা করতে পারে বা আদালত মোকদ্দমাটি নথিতে পুনর্বহাল করতে পারেন (Plaintiff may bring fresh suit or Court may restore suit to file): কোন মোকদ্দমা ২ বা ৩ বিধির অধীনে খারিজ করা হলে,
বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে, অথব
খারিজের আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারে,
(তামাদি মেয়াদ ৩০দিন, অনুচ্ছেদ: ১৬৩)এবং
 ♦ সে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, কোর্ট ফি বা ডাক মাশুল (Postal charge) দিতে না পারার অথবা উপস্থিত হতে না পারার জন্য যথেষ্ট কারণ ছিল তবে আদালত মোকদ্দমার খারিজ আদেশ রদের আদেশ দান করবেন এবং মোকদ্দমার কার্যধারা পরিচালনার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।
২,৩৩৬.
The Limitation Act, 1908 এর কত ধারায় সুখাধিকার [Easement] সম্পর্কে উল্লেখ আছে?
  1. ২২ ধারায়
  2. ২৪ ধারায়
  3. ২৬ ধারায়
  4. ২৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জন (Acquisition of right to easements) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সুখাধিকার [Easement] এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে। যেমন- আলো বাতাসের অধিকার, চলাচলের অধিকার ইত্যাদি।

তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।

(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।

(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।
২,৩৩৭.
কোন আইনের মাধ্যমে দ্যা এ্যাভিডেন্স এ্যাক্ট, ১৮৭২ কে চট্টগ্রামের পার্বত্য জেলাসমূহে বলবৎ করা হয়েছে?
  1. পার্বত্য জেলাসমূহ আইন রহিত ও প্রয়োগ এবং বিশেষ বিধান আইন ১৯৮৯
  2. চিটাগাং হিল ট্রাক্টস রেগুলেশন, ১৯০০
  3. পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন, ১৮৯৮
  4. General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৫
ব্যাখ্যা
'চিটাগাং হিল ট্রাক্টস রেগুলেশন, ১৯০০' নামক আইনের ৪ ধারা ও তফসীল অনুযায়ী 'দ্যা এ্যাভিডেন্স এ্যাক্ট, ১৮৭২'-কে পার্বত্য জেলাসমূহে বলবৎ করা হয়েছে।

বি.দ্র.: আইনটি BJS পরীক্ষার সিলেবাসে নেই, তাই 'The Evidence Act, 1872'-কে কেন্দ্র করেই আলোচ্য প্রশ্নটি করা হয়েছে বলা যায়।
২,৩৩৮.
হিন্দু আইনে কোন বিবাহ পদ্ধতিকে সর্বোত্তম বিবাহ বলা হয়?
  1. দৈব
  2. ব্রাহ্ম
  3. আর্য
  4. গন্ধর্ব
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
২,৩৩৯.
তামাদি আইনের ধারা ১৮ অনুযায়ী, প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হয়?
  1. প্রতারণার ঘটনার দিন থেকে
  2. প্রতারণা জানার দিন থেকে
  3. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৮ অনুযায়ী: প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ শুরু হয় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি যখন প্রথমবার প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারে সেই দিন থেকে।
দলিল গোপন করা হলে: যদি প্রতারণার মাধ্যমে কোনো দলিল গোপন করা হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ শুরু হবে দলিলটি প্রথমবার উপস্থাপন করা বা আদালতে জমা দেওয়ার সুযোগ পাওয়ার দিন থেকে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) প্রতারণা জানার দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
২,৩৪০.
‘ক’ এর দায়ের করা মোকদ্দমায় ‘খ’ এর বিরুদ্ধে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করে। পরবর্তীতে প্রমানিত হয় ‘খ’ এর বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত কারনে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। বিবাদী ক্ষতিপূরন বাবদ পাবে?
  1. অনধিক ২০০০ টাকা
  2. অনধিক ১০০০০ টাকা
  3. অনধিক ৫০০০ টাকা
  4. অনধিক ২০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯৫ ধারা অনুযায়ী বিবাদীকে যদি অপর্যাপ্ত কারনে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়, তাহলে যদি প্রমাণিত হয় যে বিবাদীকে অপর্যাপ্ত কারনে এই গুলোর আদেশ দেওয়া হয়েছে তাহালে আবেদনের প্রেক্ষিতে বাদীর বিরুদ্ধে অনধিক ১০০০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিবেন।
২,৩৪১.
তামাদি আইনে উল্লেখ নেই এমন দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা করা হয়?
  1. আদালতের নির্দেশনা থেকে
  2. দরখাস্ত দাখিলের তারিখ থেকে
  3. অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
  4. মামলা নিষ্পত্তির তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী, যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়। এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে। অর্থাৎ, যখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বা দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত দাখিল করতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির জমি দখল বা সম্পত্তি সম্পর্কিত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে। যদি এই সময়সীমা অতিক্রম করে যায়, তাহলে দরখাস্তটি তামাদির কারণে বাতিল হয়ে যেতে পারে।

→ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে।
২,৩৪২.
ধারা ৬৬ অনুযায়ী, আদালত অর্থদণ্ড না পরিশোধ করার কারণে যে কারাদণ্ড প্রদান করবে তা কিভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. আদালতের পছন্দ অনুযায়ী
  2. মামলার দীর্ঘায়িত সময় অনুযায়ী
  3. দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির আচরণ অনুযায়ী
  4. অপরাধের জন্য পূর্বে নির্ধারিত কারাদণ্ডের ধরন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।

Section 66- Description of imprisonment for non-payment of fine:
The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.
২,৩৪৩.
একজন ব্যবসায়ী প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা ওজনের যন্ত্র ব্যবহার করে অতিরিক্ত পরিমাণে পণ্য বিক্রি করছে। তার বিরুদ্ধে কোন ধারার অধীনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
  1. ধারা ২৫৪
  2. ধারা ২৬৪
  3. ধারা ২৭৪
  4. ধারা ২৮৪
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা- ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা:
কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 264- Fraudulent use of false instrument for weighing:
Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
২,৩৪৪.
১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক একই বিচারে 'ক' চারটি অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়েছে এবং উক্ত আদালত আদেশ দিয়েছে- প্রদত্ত কারাদণ্ড একটির পর অপরটি চলবে। এক্ষেত্রে আদালত 'ক' কে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড দিতে পারে?
  1. ১৪ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ১০ বছর
  4. চারটি অপরাধের মোট শাস্তি যত বছর হয় ততো
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা (একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ)-

(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ রকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।

ধারা ৩২ অনুসারে, ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড দিতে পারে। উক্ত ক্ষেত্রে বিচারক ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ায় আদালত উক্ত শাস্তির দ্বিগুণ অর্থাৎ ১০ বছরের বেশি দিতে পারবেন না।
২,৩৪৫.
স্বত্বের দাবী উত্থাপন ব্যতিরেকে দখল পুনরুদ্ধারের মামলার কোন আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. শুধু আপিল
  2. শুধু রিভউ
  3. শুধু রিভিশন
  4. আপিল ও রিভিউ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed. যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ এ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ধারার অধীন কোন পক্ষ ডিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি তার প্রতিকার চেয়ে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মামলা করতে পারেন কিংবা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে হাইকোর্ট পুনর্বিচারের প্রার্থনা করতে পারেন।
⇒ যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
২,৩৪৬.
কোনটি 'mesne profits' এর সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. বেআইনি দখলদার
  2. মামলার খরচ
  3. সুদসহ মুনাফা
  4. স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ২(১২) “অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা” (mesne profits):
সম্পত্তির “অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা” বলতে বেআইনি দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তি হতে প্রকৃতপক্ষে যে মুনাফা লাভ করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে মুনাফা লাভ করতে পারত সুদসহ সেই মুনাফা বুঝায়, কিন্তু বেআইনি দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তির কোন উন্নতি সাধন করে থাকলে এর ফলে সৃষ্ট মুনাফা অন্তর্ভুক্ত হবে না

("mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession)

অর্থাৎ, মামলার খরচ 'mesne profits' এর সাথে সম্পর্কিত নয়।
২,৩৪৭.
'A', 'B'- এর নিকট ২৫ শতক জমি বিক্রি করার চুক্তি করে, কিন্তু 'A' ২ শতক জমি হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. উভয় পক্ষকে চুক্তি রদের
  2. সম্পূর্ন চুক্তি সম্পাদনের
  3. 'A' কে চুক্তি সংশোধনের
  4. 'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

অর্থাৎ ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করা যাবে। উক্ত ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

এখানে, চুক্তির সম্পাদিত অংশ ২৩ শতক তথা বড় এবং অসম্পাদিত অংশ ২ শতক তথা ছোট, তাই চুক্তিটি সম্পাদন করা যাবে এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য B-কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিবে।

Section 14- Specific performance of part of contract where part unperformed is small: 
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
২,৩৪৮.
কোন আদালত একটি ডিক্রি জারি করতে পারে?
  1. একই শ্রেণীর অন্য যে কোন আদালত
  2. আপিল আদালত
  3. রিভিশন আদালত
  4. যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
• জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।

• ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

• আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

• ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।

• ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
------
• Section 38. Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
২,৩৪৯.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ক্ষেত্রে আদালত কোন বিষয়কে মিথ্যা প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য দিতে দিবেন না?
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন। 

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত। করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:-
১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত।

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত।

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
২,৩৫০.
বোবা সাক্ষীর সাক্ষ্যের আইনগত গ্রহণযোগ্যতা কী?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হবে
  2. দালিলিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হবে
  3. কেবল দেওয়ানি মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হবে
  4. কেবল গৌণ সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্য দিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

২,৩৫১.
"Jurisprudence was the first of the social science to be born" - উক্তিটি কার?
  1. Wurzel
  2. Holland
  3. Dias
  4. Gray
ব্যাখ্যা
এটি Wurzel এর বিখ্যাত উক্তি।

তার পুরো নাম Benjamin Disraeli. He was a British politician, writer, and Prime Minister.

তার কয়েকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
- When men are pure, laws are useless; when men are corrupt, laws are broken.
- The fool wonders, the wise man asks.
- never explain and never complain.
- Man is not the creature of circumstances, circumstances are the creatures of men.
২,৩৫২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৫ বিধি-১ অনুযায়ী, স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. বিবাদীদের পৃথক দাবি
  2. বাদীর বিতর্কিত বিষয়ে কোনো স্বার্থ নেই
  3. বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৫ বিধি ১ অনুযায়ী, স্বার্থবিহীন মোকদ্দমার আরজিতে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক—
১. বাদীর বিতর্কিত বিষয়ে কোনো স্বার্থ নেই, ব্যয় ব্যতীত,
২. বিবাদীগণ পৃথকভাবে দাবি করছেন, এবং
৩. বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:
স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-35 Rule-1: Plaint in interpleader-suits-
In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs;
b) the claims made by the defendants severally; and
c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants.
২,৩৫৩.
হিন্দু ধর্মের প্রাচীনতম উৎস বেদ কত ভাগে বিভক্ত?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. ছয়
ব্যাখ্যা
বেদ বা শ্রুতি:
- বেদ হল হিন্দু ধর্মের প্রাচীনতম এবং মৌলিক ধর্মগ্রন্থ।
- এটি ঐশ্বরিক জ্ঞানের উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
- প্রাচীনকালে দেবতাদের প্রদত্ত জ্ঞান, যা ঋষিগণ শুনেছিলেন এবং পরবর্তীকালে মহর্ষি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন সংকলন করেন, তাই বেদ নামে পরিচিত।
- বেদ চার ভাগে বিভক্ত—
১) ঋগ্বেদ
২) যজুর্বেদ
৩) সামবেদ
৪) অথর্ববেদ
- এই চারটি বেদ একত্রে "শ্রুতি শাস্ত্র" নামে পরিচিত এবং এগুলো হিন্দু আইনের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
২,৩৫৪.
Final Report কখন পেশ করা হয়?
  1. যখন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাক্ষী পাওয়া যায়
  2. যখন প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায়
  3. যখন প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায় না
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
পুলিশ রিপোর্ট:
পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

-সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
১. Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): 
প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

২. Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): 
প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
২,৩৫৫.
"When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner."- This provision is laid in ___________ of The Evidence Act, 1872
  1. Section 106
  2. Section 108
  3. Section 110
  4. Section 111
ব্যাখ্যা
Section-110. Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার মালিক কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
২,৩৫৬.
আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত কোন ক্ষেত্রে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মূল এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে
  3. আপিল বিভাগের নিকট কোনো মোকদ্দমা আপিলযোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে, উক্ত মোকদ্দমার রায়ের বিরুদ্ধে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৯ ধারা: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধান সাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে, তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

Section: 109- When appeals lie to the Supreme Court:
Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division-
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction;
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
২,৩৫৭.
In civil cases, character to prove conduct imputed, irrelevant- এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৫০ ধারা
  2. ৫২ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা

ধারা ৫২: দেওয়ানী মামলায় আচরণ প্রমাণের জন্য চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক (In civil cases, character to prove conduct imputed, irrelevant):
দেওয়ানী মামলায় সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন যে তার প্রতি আরোপিত কোনো আচরণকে সম্ভাব্য বা অসম্ভাব্য বলে মনে হয়, এই বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিক, তবে ততটুকু ব্যতীত যতটুকু এই চরিত্র অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য থেকে প্রকাশিত হয়।

সহজ ভাষায়:
দেওয়ানী মামলায় কোনো ব্যক্তির চরিত্র কেমন তা দিয়ে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য কিনা তা প্রমাণ করা যাবে না। তবে যদি মামলার অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য থেকে তার চরিত্র সম্পর্কে কিছু জানা যায়, তাহলে সেটি বিবেচনা করা যাবে।

২,৩৫৮.
কোন বিষয়ে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া যায়?
  1. Fact in issue and relevant fact
  2. Admitted Facts
  3. Important facts only
  4. All facts
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন-এর ৫ ধারায় বলা হয়েছে বিচার্য বিষয় ও এর সাথে সম্পর্কিত বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে। এই দুই ব্যতীত অন্য কোনো বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়া যাবে না।
২,৩৫৯.
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে অপরের ক্ষতি সাধনের জন্য মিথ্যা ফৌজদারি অভিযোগ করেন, তবে এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীন দণ্ডনীয়?
  1. ধারা ২০১
  2. ধারা ২১০
  3. ধারা ২১১
  4. ধারা ২২১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
২,৩৬০.
'ক' কে গুরুতর জখম করার অপরাধে 'খ' এর সাজা হয়। উক্ত জখমের ফলে কিছুদিন পর ‘ক’ মারা যায়। এই প্রসঙ্গে কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. 'খ' এর পুনঃবিচার করা যাবে না
  2. 'ক' কে হত্যার জন্য 'খ'-এর পুনঃবিচার হবে
  3. 'খ' 'ক' এর মৃত্যুর জন্য দায়ী হবে না
  4. 'খ' এর ফাঁসির আদেশ বা যাবজ্জীবন সাজা হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে হবে;
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে;
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়; বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়; বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।

যেহেতু 'খ'-কে গুরুতর আঘাতের জন্য 'ক' এর একবার বিচার হয়েছে, তাই একই অপরাধে 'ক' কে পুনরায় গুরুতর আঘাতের অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না কারণ এই ক্ষেত্রে Double Jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে। তবে অন্য অপরাধে বিচার করা যাবে। এক্ষেত্রে আদালত 'খ' এর নরহত্যার অপরাধে 'ক' এর বিচার করতে পারে।
২,৩৬১.
যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য _______ নিকট সমন পাঠাতে হবে।
  1. সরাসরি বিবাদীর
  2. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
  3. বিবাদীর প্রতিনিধির
  4. বিবাদীর পরিবারের সদস্যের
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষেত্রে সমন জারির পদ্ধতি:

⇒ যেক্ষেত্রে বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী যে এলাকায় বসবাস করে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন যেকোন সমন জারিকারী আদালত সমনটি পাঠাতে পারে এবং উক্ত আদালত তখন সমন জারি করবে [আদেশ ৫, বিধি ২১]।

⇒ যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট সমন পাঠাতে হবে। [আদেশ ৫, বিধি ২৪]

⇒ যেক্ষেত্রে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোন এজেন্ট নেই, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী দেশের বাইরে যেখানে বসবাস করে সেখানে পাঠাতে হবে [আদেশ ৫ বিধি ২৫]। এই ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা এমন সমন জারির জন্য প্রতিষ্ঠিত কোন আদালত কর্তৃক সমনটি জারি করা যেতে পারে [আদেশ ৫ বিধি ২৬]।

⇒ সরকারী কর্মকর্তা বা রেলওয়ে বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার প্রতি সমন জারির জন্য উক্ত অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে (আদেশ ৫ বিধি ২৭]।

⇒ যেক্ষেত্রে বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক, বা বৈমানিক, সেই ক্ষেত্রে সমন জারি করতে উক্ত বাহিনীর কমাণ্ডিং অফিসারের নিকট সমন পাঠাতে হবে [আদেশ ৫ বিধি ২৮]।
২,৩৬২.
'A' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'B' দাবি করে যে 'B' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'A' উক্ত সম্পত্তি 'B'-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এই ক্ষেত্রে 'A' এর প্রতিকার-
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  2. দখল উদ্ধারের মামলা
  3. ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
- সুতরাং শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।

- অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ) বলে।

-উল্লিখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'A' এর  প্রতিকার হল ঘোষণামূলক মামলা দায়ের।
২,৩৬৩.
প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) কোন ধারার অধীনে প্রদান করা হয়?
  1. ধারা ৫(ক)
  2. ধারা ৫(খ)
  3. ধারা ৫(গ)
  4. ধারা ৫(ঘ)
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫(গ) ধারার অধীনে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) প্রদান করা হয়।
⇒ ৫(গ) ধারা অনুযায়ী:
- “কোনো পক্ষকে এমন কিছু করা থেকে বিরত রাখা, যা করা তার জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতার পরিপন্থী।”
⇒ ধারা ৬ অনুযায়ী:
- এই প্রতিরোধমূলক প্রতিকার-কে "Preventive Relief" বলা হয়। এটি সাধারণত আদালতের আদেশের (Injunction) মাধ্যমে প্রদান করা হয় যাতে কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ অন্যের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে।

⇒ উদাহরণ:
- কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধভাবে অন্যের জমিতে প্রবেশ করতে চায়, আদালত প্রতিরোধমূলক আদেশ জারি করে তাকে তা করতে নিষেধ করতে পারে।
- কোনো সংস্থা যদি অবৈধভাবে কপিরাইট লঙ্ঘন করে, আদালত প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হিসাবে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করতে পারে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
 Specific relief is given- 
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.

⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-6. Preventive relief:
- Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
২,৩৬৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধানমতে, আদালত কয় ভাবে নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ১ ভাবে
  2. ২ ভাবে
  3. ৩ ভাবে
  4. ৪ ভাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

⇒ Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. 

আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
২,৩৬৫.
“He who asserts must prove-  এই নীতিটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ৯৯
  2. ধারা ১০০
  3. ধারা ১০১
  4. ধারা ১১৪
ব্যাখ্যা

“He who asserts must prove” অর্থাৎ যে দাবি করে, সেই প্রমাণ করবে — এই নীতিটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১০১ (Section 101: Burden of Proof) এর মূল ভিত্তি।

এই ধারায় বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি আদালতের নিকট কোনো আইনি অধিকার বা দায়বদ্ধতার বিষয়ে রায় প্রত্যাশা করে, তাকে সেই ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করতে হবে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২- ধারা ১০১: প্রমাণের দায়ভার (Burden of Proof):
যে ব্যক্তি আদালতের নিকট এমন কোনো আইনি অধিকার (legal right) বা দায়বদ্ধতা (liability)-এর বিষয়ে রায় প্রত্যাশা করে, যার ভিত্তি কিছু নির্দিষ্ট ঘটনার (facts) অস্তিত্বের ওপর নির্ভরশীল,
তাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে সেই ঘটনাগুলি সত্য।

যখন কোনো ব্যক্তি কোনো ঘটনার অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য, তখন বলা হয় যে প্রমাণের দায়ভার (burden of proof) তার উপর বর্তায়।

উদাহরণ (Illustrations):
(a) ‘A’ আদালতের নিকট রায় চায় যে ‘B’ অপরাধ করেছে এবং তাকে শাস্তি দেওয়া হোক। এখানে ‘A’-এর ওপর দায়ভার যে সে প্রমাণ করবে ‘B’ অপরাধ করেছে।

(b) ‘A’ আদালতের নিকট দাবি করে যে সে একটি জমির মালিক, যা বর্তমানে ‘B’-এর দখলে আছে, এবং সেই জমির ওপর তার অধিকারের পক্ষে কিছু ঘটনা সত্য বলে দাবি করে, যা ‘B’ অস্বীকার করে।  এখানে ‘A’-এর ওপর দায়ভার যে সে তার দাবিকৃত ঘটনাগুলি সত্য প্রমাণ করবে।

২,৩৬৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫৬ অনুযায়ী, অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক করা যায় না?
  1. শিশু
  2. পুরুষ
  3. মহিলা
  4. সরকারি কর্মচারী
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৬ অনুযায়ী: "The Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money."
অর্থাৎ, যদি কারও বিরুদ্ধে অর্থ পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারি হয়, তবে আদালত কোনো মহিলাকে গ্রেফতার বা দেওয়ানি জেলে আটক করতে পারবে না। এই বিধান নারীদের প্রতি একটি বিশেষ সুরক্ষা প্রদান করে, যাতে অর্থবিষয়ক মামলায় তাদের গ্রেফতার বা আটক না করা হয়।

⇒দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫৬ হল- অর্থের ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
- আদালত অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেফতার বা আটক রাখার কোন আদেশ প্রদান করবেন না।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 56. Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
 Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
২,৩৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ-৫, বিধি-১
  2. আদেশ-১০, বিধি-২
  3. আদেশ-১৬, বিধি-৬
  4. আদেশ-১৮, বিধি-৪
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) আদেশ-১৮, বিধি-৪।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ৪-এ বলা হয়েছে, আদালতে উপস্থিত সাক্ষীদের জবানবন্দি বিচারকের উপস্থিতিতে, তাঁর ব্যক্তিগত নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৮, বিধি-৪: প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি-
- হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-4: Witnesses to be examined in open Court- 
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.

২,৩৬৮.
মোকদ্দমার আপস সংক্রান্ত আদেশ-২৩, বিধি-৩ অনুসারে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি খারিজ করতে পারে
  2. মামলাটি পুনরায় শুনানি করতে পারে
  3. আপস বা চুক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারে এবং ডিক্রি দিতে পারে
  4. মামলাটি অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ-২৩ বিধি-৩: মোকদ্দমার আপস:
যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসঙ্গত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।

Order-23 Rule-3- Compromise Suit:
Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the plaintiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
২,৩৬৯.
What does a decree under Order 20 Rule 10 provide for?
  1. Only Delivery of immovable property
  2. Only Delivery of movable property
  3. Only monetary compensation
  4. Both the delivery of property and alternative compensation amount
ব্যাখ্যা
Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.

আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।
২,৩৭০.
দেওয়ানি কার্যবিধির সংজ্ঞা অনুসারে "Judgment" means the statement given by the Judge of the grounds of a __________.
  1. decree
  2. order
  3. decree or order
  4. civil suit
ব্যাখ্যা
⇒ CPC-Section-2(9) "Judgment" means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order:
- 'রায়" (Judgment): বলতে ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসেবে বিচারক যে বিবৃতি দেন, তা বুঝায়।

⇒ রায় বলতে বুঝায় কোন দেওয়ানী মামলায় প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসেবে বিচারক যে বর্ণনা দেন। সাধারণত, দেওয়ানী মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষণা করেন এবং রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করেন।
অর্থাৎ রায় (Judgment)- ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসেবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তাকে রায় বলে।
২,৩৭১.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে, তাহলে পিতা কত অংশ পাবেন?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৪ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. ১/৮ অংশ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, পিতা-এর উত্তরাধিকার অংশ নির্ভর করে মৃত ব্যক্তির (মুরিথের) অবশিষ্ট উত্তরাধিকারীদের উপর।
- যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান (পুত্র বা কন্যা) থাকে, তবে পিতা ১/৬ (ছয় ভাগের এক ভাগ) অংশ পাবেন।
- এক্ষেত্রে পিতা একজন "কুরআনিক শরিক" (Quranic heir) হিসেবে ১/৬ অংশ পান, কারণ সন্তান থাকার কারণে তিনি অবশিষ্টাংশের অধিকারী (আসাবা) হন না।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মৃত ব্যক্তির পিতা (বাবা) একজন নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud)। 
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে পিতা (Father) হলেন একজন প্রাথমিক উত্তরাধিকারী, যার অংশ কোরআনে নির্ধারিত রয়েছে এবং তাকে কখনই সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত করা যায় না।
পিতা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সম্পত্তির অংশ পেতে পারেন।

⇒ পিতার তিনটি অবস্থা:
(ক) ১/৬ অংশ:
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে, তাহলে পিতা ১/৬ অংশ পাবেন।

(খ) ১/৬ + অবশিষ্টাংশ:
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান না থাকে, তবে পিতা প্রথমে ১/৬ অংশ পাবেন এবং বাকি অবশিষ্ট সম্পত্তি তিনি আসাবা (Asaba) হিসেবে পাবেন।
কারণ: পিতা আংশিক অংশীদার হলেও, বাকি সম্পত্তি আসাবা হিসেবে পাওয়ার অধিকারী হন। অর্থাৎ, তিনি সম্পত্তির বাকী অংশ ভোগ করবেন।

(গ) অবশিষ্টাংশ:
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান ও অন্য কোনো আসাবা না থাকে, তবে পিতা সম্পূর্ণ সম্পত্তি পাবেন।
কারণ: কোনো অংশীদার বা আসাবা না থাকলে, পিতা আসাবা হিসেবে পুরো সম্পত্তি পেয়ে যাবেন।

২,৩৭২.
বিচার চলাকালীন সময়ে আসামি যে মেয়াদের কারাবাস ভোগ করেছে তা যদি সে যে দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে তার মেয়াদ অপেক্ষা বেশী হয়, তাহলে আসামির-
  1. অর্থদণ্ড যদি থাকে মওকুফ হবে
  2. তাকে কারাবাস থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে
  3. নতুন করে কারাবাস শুরু হবে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
♦ ধারা-৩৫ক(১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

♦ ধারা-৩৫ক(২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
অর্থাৎ বিচার চলাকালীন সময়ে আসামি যে মেয়াদের কারাবাস ভোগ করেছে তা যদি সে যে দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে তার মেয়াদ অপেক্ষা বেশী হয়, তাহলে আসামিকে কারাবাস থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে এবং অর্থদণ্ড যদি থাকে মওকুফ হবে।
২,৩৭৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪ এর ব্যাখ্যা-২ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ (conviction)-
  1. কখনো প্রাসঙ্গিক নয়
  2. সৎ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক
  3. খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক
  4. শুধুমাত্র দেওয়ানি মামলায় প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারার বিধান: পূর্ববর্তী অসৎ উত্তর প্রদান প্রসঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়:
ফৌজদারি মোকদ্দমায় আসামীর চরিত্র যে খারাপ, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। তবে তার চরিত্র ভাল এ মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করা হলে তার চরিত্র মন্দ এটা প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।

ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।


⇒ The Evidence Act, 1872, Section-54. Previous bad character not relevant, except in reply:
In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1– This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2– A previous conviction is relevant as evidence of bad character.

২,৩৭৪.
সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে কোন নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. বাক স্বাধীনতা
  2. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  3. আইনের দৃষ্টিতে সমতা
  4. সম্পত্তির অধিকার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা-
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

• ২৭ অনুচ্ছেদে, আইনের দৃষ্টিতে সমান এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে- প্রচলিত আইন কোন ব্যক্তি বিশেষের অনুকূলে কোন বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে না। দেশের প্রচলিত আইনের শর্ত সাপেক্ষে সকলে সমভাবে সমান এবং কোন ব্যক্তি তার মর্যাদা বা অবস্থা যা হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে না এই মর্মে ২৭ অনুচ্ছেদ ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ আইনের শাসন [Rule of Law] নীতি প্রতিফলন করে।

আইনের সমান আশ্রয় লাভ বলতে বোঝায়, একই অবস্থায় বিদ্যমান সকল ব্যক্তির জন্য একই আইন অভিন্নভাবে এবং কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতীত প্রয়োগ করা। অর্থাৎ সমান প্রেক্ষাপটে সমান আচরণ বা সমভাবে বিবেচনা করা। সমানদের মধ্যে আইনও সমান হবে এবং সমভাবে প্রয়োগ হবে।
২,৩৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৪৫ অনুসারে, আদেশ প্রদান করতে পারেন-
  1. কেবল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. কেবল পুলিশ কমিশনার
  3. কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure), ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে করণীয়:

ধারা ১৪৫(১):
যখন কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোনো তথ্যের মাধ্যমে এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, তার এখতিয়ারের আওতাধীন এলাকায় কোনো ভূমি, পানি বা তার সীমানা নিয়ে এমন একটি বিরোধ রয়েছে যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে, তখন তিনি লিখিত আদেশ প্রদান করবেন, যেখানে তিনি তার সন্তুষ্টির কারণসমূহ উল্লেখ করবেন এবং বিরোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে বা আইনজীবীর মাধ্যমে তার আদালতে উপস্থিত হতে এবং বিরোধের বিষয়বস্তুতে আসল দখল সম্পর্কিত তাদের নিজ নিজ দাবি লিখিতভাবে উপস্থাপন করতে নির্দেশ দেবেন।

ধারা ১৪৫(২):
এই ধারার উদ্দেশ্যে, “ভূমি বা পানি” শব্দের অন্তর্ভুক্ত হবে-ভবন, বাজার, মাছের ঘের বা মৎস্যচাষ, জমির ফসল বা উৎপাদিত দ্রব্যাদি, এবং উক্ত সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া বা মুনাফা।

ধারা ১৪৫(৩):
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের একটি অনুলিপি- যাদের প্রতি ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দেন, তাদের নিকট সমন জারির বিধান অনুযায়ী প্রদান করতে হবে; এবং অন্তত একটি অনুলিপি বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির উপর বা নিকটবর্তী কোনো প্রকাশ্য স্থানে টানিয়ে রাখতে হবে,
যাতে তা সাধারণভাবে প্রকাশ পায়।

২,৩৭৬.
রায়তের হোল্ডিং-এর বিক্রয় সম্পর্কে জানার কত দিনের মধ্যে অগ্রক্রয়ের আবেদন করা যাবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৬- অগ্রক্রয়ের অধিকার:
(১) যদি কোনো রায়তের হোল্ডিং-এর কোনো অংশ বা অংশীদারিত্ব এমন একজন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়, যিনি ওই হোল্ডিং-এর সহ-প্রজা (co-sharer tenant) নন, তবে ঐ হোল্ডিং-এর একজন বা একাধিক সহ-প্রজাভোগী, ধারা ৮৯ অনুযায়ী নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, অথবা যদি এমন কোনো নোটিশ না দেওয়া হয়ে থাকে, তবে বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, আদালতে আবেদন করতে পারবেন- যাতে উক্ত অংশ বা অংশীদারিত্ব তাদের নামে বিক্রয় করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না যদি না আবেদনকারী—
(ক) উত্তরাধিকারের মাধ্যমে উক্ত হোল্ডিং-এর একজন সহ-প্রজাভোগী হন; এবং
(খ) এমন ব্যক্তি হন, যিনি ধারা ৯০ অনুযায়ী হোল্ডিং বা তার কোনো অংশ/শেয়ার ক্রয় করতে পারেন।

আরও শর্ত থাকে যে, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর এই ধারা অনুযায়ী কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
২,৩৭৭.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা আছে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒  দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় ৩ টি ব্যাখ্যা (Explanation) আছে।
২,৩৭৮.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০(১) অনুসারে, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ২০ দিনের মধ্যে
  2. ৩০ দিনের মধ্যে
  3. ৬০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ড আরোপ বা প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪- ধারা ৩০- আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দন্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।
(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।

⇒ The Special Powers Act, 1974 - Section 30: Appeals and confirmation of death sentences:
(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof.
(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.

২,৩৭৯.
তামাদি আইনের ২৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য হয় কোন প্রেক্ষিতে?
  1. দলিলের বৈধতা প্রমাণ করতে
  2. দলিলের মূল্যের হিসাব করতে
  3. দলিলে উল্লেখিত সময় গণনা করতে
  4. দলিলের পক্ষসমূহ নির্ধারণ করতে
ব্যাখ্যা
⇒ দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে।
- তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-----------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
- All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.
২,৩৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুসারে সংশোধিত Order-V, Rule-9 অনুযায়ী, এখন কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে সমন পাঠানো যাবে?
  1. Voice Calls
  2. Short Message Service
  3. Instant Messaging Services
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী Order V, Rule 9, Sub-rule (3)-এ “transmission of documents through” শব্দগুচ্ছের পরিবর্তে যুক্ত হয়েছে:
"Short Message Service, Voice Calls, Instant Messaging Services,"
অর্থাৎ, এখন সমন বা কাগজপত্র পাঠানোর জন্য নিম্নলিখিত প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করা যাবে:
- Short Message Service (SMS)
- Voice Calls
- Instant Messaging Services (যেমন WhatsApp, Messenger ইত্যাদি)

এছাড়াও, উক্ত বিধানে আরও বলা হয়েছে:
“Provided that the proof of such service shall be kept in record.”
অর্থাৎ, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠানো সমনের প্রমাণ অবশ্যই রেকর্ডে রাখতে হবে।

তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: ঘ) উল্লিখিত সবগুলো। 
২,৩৮১.
আদেশ ৯ বিধি-২ এর অধীন কোন কারণে আদালত মোকদ্দমা খারিজ করতে পারেন?
  1. বিবাদী সময়মতো লিখিত জবাব না দিলে
  2. বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করলে
  3. বিবাদী আদালতে উপস্থিত না হলে
  4. বাদী সাক্ষী হাজির করতে ব্যর্থ হলে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি-২:
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed: 
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
২,৩৮২.
খুনের উদ্যোগ (প্রচেষ্টা) সম্পর্কিত শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩০৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা অনুযায়ী খুনের উদ্যোগ বা চেষ্টা | Attempt to murder। শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ৩০৭ ধারা অনুসারে খুনের উদ্যোগের শাস্তি অর্থদণ্ডসহ যেকোনো বর্ণনার ১০ বৎসর কারাদণ্ড। কিন্তু খুনের উদ্যোগের কার্যের ফলে যদি জখম হয়, তাহলে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ যেকোনো বর্ণনার ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তি খুনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে এবং উক্ত কার্যের ফলে কোন ব্যক্তি আহত হলে অপরাধী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবে।
⇒ অর্থাৎ, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি আঘাত দিয়ে খুনের চেষ্টা করলে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
-------------
⇒ Attempt to murder Attempts by life-convicts:
Section 307. Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
২,৩৮৩.
Who has the authority to revoke or modify a detention order under The Special Powers Act, 1974?
  1. The Supreme Court
  2. The Government
  3. The District Magistrate
  4. The Police Officer-in-Charge
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 - ধারা ১৩: আটকাদেশ বাতিল সংক্রান্ত বিধান-
সরকার যে কোন সময় আটকাদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে।
[A detention order may, at any time, be revoked or modified by the Government.]
২,৩৮৪.
সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারায় "নিয়ন্ত্রক" বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
  1. আদালতের কোন প্রযুক্তিবিদ
  2. ডাটাবেজ পরিচালনা কমিটি
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক
  4. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ:
যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।
 
ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

Section  73A⇒ Proof as to verification of digital signature:
In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.
 
Explanation- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
২,৩৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩১ ধারা অনুযায়ী, ভুল স্থানে বিচার হলে সাধারণত কী হয়?
  1. মামলাটি নতুন করে শুরু করতে হবে
  2. আসামিকে খালাস দেওয়া হবে
  3. আদালতের রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে
  4. আদালতের রায় বা আদেশ বাতিল হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫৩১ অনুযায়ী, যদি কোন তদন্ত, বিচার বা কার্যধারা ভুল স্থানে (ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা অন্য স্থানীয় এলাকা) অনুষ্ঠিত হয়, তবুও সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে রায় বা আদেশ বাতিল করবে না, শুধুমাত্র তখনই বাতিল হবে যদি ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়।
অর্থাৎ ৫৩১ ধারার মূল বিধান হলো, কোনো বিচার কার্যধারা ভুল স্থানে (যেমন ভুল জেলায় বা দায়রা বিভাগে) অনুষ্ঠিত হলেও শুধুমাত্র এই কারণে আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ বাতিল করা হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা:
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 531: Proceedings in wrong place:
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.

২,৩৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কার ক্ষমতা প্রয়োগ করেন?
  1. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে;
যথা: (ক) দায়রা আদালত; এবং (খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা: (ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।ঃ
(৩) চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথা:
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 6. Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
 
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
২,৩৮৭.
যদি অভিযোগকারী বা নালিশকারী মারা যায়, তাহলে নিম্মলিখিত কোন বিষয়টি সত্য-?
  1. ফৌজদারি মামলাটি বাতিল হবে
  2. নতুন করে অভিযোগ দায়ের করতে হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি বাতিল করতে পারে
  4. অভিযোগটি বিচারাধীন আছে বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু অভিযোগকারী মারা গেলে ফৌজদারী মামলা বাতিল হওয়ার কোন নিয়ম নেই, সেহেতু নতুন করে কোন অভিযোগ দায়ের করার প্রয়োজন নেই কিন্তু দায়েরকৃত অভিযোগটি বিচারাধীন আছে বলে গণ্য হবে এবং নিষ্পত্তি হওয়ার আগ পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে।
♦অর্থাৎ যদি অভিযোগকারী বা নালিশকারী মারা যায় অভিযোগটি বিচারাধীন থাকবে।
২,৩৮৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১২ অনুযায়ী, কৃষকের দখলে থাকা কৃষিজ দ্রব্য সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
  1. রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য
  2. রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়
  3. শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে ক্রোকযোগ্য
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১২ অনুযায়ী, কৃষকের দখলে থাকা কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যাবে না। এই বিধান অনুযায়ী, কৃষিজ দ্রব্যের প্রতি কোনো ক্রোক বা জব্দের আবেদন করা বা আদালতের আদেশে কৃষিজ দ্রব্য ক্রোক করা যাবে না যতক্ষণ না রায় ঘোষণা করা হয়।

⇒ আদেশ ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদিকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-38 Rule-12- Agricultural produce not attachable before judgment:
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.
২,৩৮৯.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোন শাস্তিটি বৈধ নয়?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. নির্জন কারাবাস
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)
 ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

-দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
 Section-53 Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
 অর্থাৎ দণ্ডবিধি অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম বৈধ শাস্তি নয়।
২,৩৯০.
'Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum 47 DLR (1995) 34' মামলাটি কোন বিষয় সম্পর্কিত?
  1. দত্তক গ্রহণ
  2. দেনমোহর
  3. তালাক-পরবর্তী ভরণ-পোষণ
  4. দাম্পত্য জীবন পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
'Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum 47 DLR (1995) 34':
মুহাম্মদ হেফজুর রহমান বনাম শামসুন নাহার বেগম মামলাটি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় যা ১৫ বিডিএল(৩৪) রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অধীনে রয়েছে। এই মামলার মূল বিষয় ছিল তালাকপ্রাপ্ত মহিলার Post-divorce Maintenance এর অধিকার সম্পর্কিত।

মামলার পটভূমি:
শামসুন নাহার বেগম তার স্বামী মুহাম্মদ হেফজুর রহমানের বিরুদ্ধে Maintenance-এর দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তালাক দেওয়ার পরও তাকে Maintenance প্রদান করা হচ্ছে না।

আইনি প্রশ্ন:
মামলার মূল আইনি প্রশ্ন ছিল, তালাকের পর একজন মহিলার Maintenance দেওয়ার অধিকার কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বিশেষভাবে, ইদ্দতকাল (তালাকের পর নির্দিষ্ট সময়কাল) ছাড়াও কি Maintenance প্রদান করা হবে?

আদালতের সিদ্ধান্ত:
হাই কোর্ট ডিভিশন রায় দিয়েছে যে, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর Maintenance ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পরও চলমান থাকবে, যতক্ষণ না তিনি পুনরায় বিয়ে করেন এবং তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।
আদালত বলেছে, “একজন পুরুষ তার স্ত্রীর তালাক দেওয়ার পর তাকে ইদ্দতকাল পেরিয়ে একটি যুক্তিসঙ্গত পরিমাণে Maintenance প্রদান করতে বাধ্য। এই Maintenance প্রদান অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না স্ত্রী পুনরায় বিয়ে করে তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।”
২,৩৯১.
স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ধর্ষণের অপরাধ কে আমলে গ্রহণ করতে পারে?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান

(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

Section 561- Special provisions with respect to offence of rape by a husband

(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall-
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or
(b) send the man for trial for the offence.

(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
২,৩৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২ অনুসারে, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারেন? 
  1. ২ লাখ
  2. ৩ লাখ
  3. ৫ লাখ
  4. ১০ লাখ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩২(১)(ক) অনুসারে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩২ অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটদের দণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জরিমানার সীমা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। আইনে অনুমোদিত নির্জন কারাবাস দিতে পারেন। সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা পর্যন্ত।

(২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা যেই সকল দণ্ডদানের ক্ষমতা লাভ করিয়াছেন, সেই সকল দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত অপরটি যুক্ত যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড দিতে পারেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-32.Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:-
(a) Courts [of Metropolitan Magistrates and] of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding [five years], including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding [five lac taka];.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding [three years], including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding [three lac taka];
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding [two year]; Fine not exceeding [two lac taka].
(2)The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.

২,৩৯৩.
"Transfer by ostensible owner" সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৩৯
  2. ৪০
  3. ৪১
  4. ৪২
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
---------------- 
- The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
 - Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.
২,৩৯৪.
'অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না।'- আদেশ ৩৯ এর কোন বিধিতে বলা হয়েছে?
  1. বিধি ৩ক
  2. বিধি ৪
  3. বিধি ৫ক
  4. বিধি ১০
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান- অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

⇒ কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒ যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
২,৩৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৮ অনুসারে, যখন কোনো অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত সম্পন্ন করেন, তখন তিনি তদন্তের ফলাফল কাকে রিপোর্ট করবেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. সরাসরি আদালতকে
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
  4. পুলিশ বিভাগের প্রধানকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৮-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:"যখন কোন অধস্তন পুলিশ-কর্মকর্তা এই অধ্যায়ের অধীন কোন তদন্ত করিয়াছেন, তিনি তদন্তের ফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে রিপোর্ট করিবেন।"
- অর্থাৎ, একজন অধস্তন তদন্তকারী কর্মকর্তা (যেমন: এসআই বা এএসআই) তার তদন্ত শেষে সরাসরি রিপোর্ট জমা দেবেন নিজ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর কাছে। এরপর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মামলাটি কীভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-168. Report of investigation by subordinate police-officer:
When any subordinate police-officer has made any investigation under this Chapter, he shall report the result of such investigation to the officer in charge of the police-station.

২,৩৯৬.
যখন কোনো আদালতকে জনস্বার্থ সম্পর্কিত কোনো ঘটনার অস্তিত্ব সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন নিচের কোনটি সাক্ষ্য হিসেবে অপ্রাসঙ্গিক?
  1. সরকারী গেজেটে প্রকাশিত কোন বিজ্ঞপ্তি
  2. যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট কর্তৃক প্রণীত কোনো আইনে বর্ণিত বিবৃতি
  3. সংসদ কতৃর্ক পাশ হওয়া কোন আইনের বিধান
  4. উল্লিখিত সব প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (ঘ) উল্লিখিত সব প্রাসঙ্গিক।

Evidence Act, 1872-এর ধারা ৩৭ অনুসারে-
যখন আদালতকে জনস্বার্থ বা গণ-প্রকৃতিমূলক (public nature) কোনো ঘটনার অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমত গঠন করতে হয়, তখন নিম্নলিখিত উৎসে থাকা বিবৃতিগুলো প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য (relevant evidence) হিসেবে গণ্য হয়-
- যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট কর্তৃক প্রণীত কোনো আইনে (Act of Parliament of the United Kingdom) বর্ণিত বিবৃতি।
- বাংলাদেশের সংসদ কর্তৃক পাশকৃত কোনো আইনে (Act of Parliament) থাকা বিবৃতি।
- সরকারি গেজেট বা বিজ্ঞপ্তিতে (Government Notification) থাকা বিবৃতি।

অতএব, এগুলোর কোনোটিই অপ্রাসঙ্গিক নয়, বরং সবকটিই প্রাসঙ্গিক (relevant)।

২,৩৯৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১১, বিধি-১ অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ কত দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নমালা (Interrogatories) পাঠাতে পারে?
  1. ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে
  2. ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে
  3. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে
  4. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার পক্ষরা আদালতের অনুমতি নিয়ে ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারে। এর ফলে তথ্য দ্রুত আদান-প্রদান হয় এবং মামলা সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতের অনুমতি নিয়ে, ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিপক্ষের কাছে লিখিত প্রশ্নমালা (Interrogatories) পাঠাতে পারে।

- এর উদ্দেশ্য হলো, পক্ষগুলো পরস্পরকে প্রাসঙ্গিক তথ্য জানতে বাধ্য করতে পারে এবং মামলার বিচার কার্যক্রম সহজতর হয়।
প্রয়োগের মূল শর্ত:
- ১০ দিনের সময়সীমা গণনা শুরু হবে ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে।
- আদালতের অনুমতি ছাড়া কেউ একাধিকবার প্রশ্নমালা পাঠাতে পারবে না।
- প্রশ্নমালা মামলার প্রাসঙ্গিক বিষয়ের মধ্যে থাকতে হবে, তা না হলে তা অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-1: Discovery by Interrogatories:
- In any suit, the plaintiff or defendant, by leave of the Court, may, within ten days from the date of framing of issues, deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories, when delivered, shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer:
Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose:
Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.
২,৩৯৮.
'B' একটি বেআইনী সমাবেশে যোগ দেয়, যেখানে সমাবেশের সদস্যরা তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য রাস্তায় উগ্রতা প্রদর্শন করে এবং দোকান ভাঙচুর করে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, 'B'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ 'B' একটি বেআইনী সমাবেশে (unlawful assembly) যোগ দিয়েছে।
- এই সমাবেশের সদস্যরা তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য উগ্রতা প্রদর্শন করে এবং দোকান ভাঙচুর করেছে (বলপ্রয়োগ/সহিংসতা)।
- দণ্ডবিধির ধারা ১৪৬ অনুযায়ী, এমন সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার (rioting) অপরাধে অপরাধী।
- ধারা ১৪৭ অনুযায়ী, দাঙ্গার অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- সুতরাং, 'B'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান দাঙ্গা:- কোন বেআইনী সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে উক্ত বেআইনী সমাবেশ দ্বারা বা উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তি কর্তৃক বল বা উগ্রতা প্রয়োগ করা হলে, উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারার বিধান দাঙ্গা করার সাজা :- কোন ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-146. Rioting:- Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.
⇒ The Penal Code, 1860- Section-147:- Punishment for rioting:
Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

২,৩৯৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১১৯ ধারায় অভিযোগকৃত ব্যক্তির __________ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
  1. গ্রেপ্তার
  2. জরিমানা
  3. অব্যাহতি
  4. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৯: অভিযোগকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যদি ধারা ১১৭ অনুযায়ী তদন্তে প্রমাণ না হয় যে শান্তি রক্ষা করা বা ভালো আচরণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বন্ডে স্বাক্ষর করানো জরুরি, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট এই বিষয়ে নথিতে উল্লেখ করবেন। যদি সেই ব্যক্তি শুধুমাত্র তদন্তের উদ্দেশ্যে হেফাজতে থাকেন, তাহলে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে। যদি ওই ব্যক্তি হেফাজতে না থাকেন, তবে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

Discharge of person informed against-
If, on an inquiry under section 117, it is not proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made, should execute a bond, the Magistrate shall make an entry on the record to that effect, and if such person is in custody only for the purposes of the inquiry, shall release him, or, if such person is not in custody, shall discharge him. 
২,৪০০.
তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী তামাদি আইন প্রযোজ্য হয়-
  1. মামলা 
  2. আপীল 
  3. আবেদনপত্র 
  4. উপরের সবকটি 
ব্যাখ্যা

⇒তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী তামাদির বিষয়বস্তু হলো ৩ টি।যথা:মামলা, আপীল  এবং আবেদনপত্র।

তামাদি আইন ১৯০৮ এর ৩ ধারা, তামাদির মেয়াদ অন্তে দায়েরকৃত মামলা ইত্যাদি খারিজ: আইনের ৪ হইতে ২৫ ধারার উভয় ধারাসহ সাপেক্ষে প্রথম তফসিলে এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু, দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদীপক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে, তারপরও উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

ব্যাখ্যা: সাধারণত উপযুক্ত কর্মচারির নিকট আরজি উপস্থিত করলে বা নিঃস্ব হলে, নিঃস্বভাবে মামলা করিবার অনুমতির জন্য দরখাস্ত করলে এবং আদালত যেখানে কোম্পানি গুটিয়ে ফেলছে; সেখানে কোম্পানির বিরুদ্ধে দাবির ক্ষেত্রে দাবিদার সরকারী অবসায়কের নিকট দাবি প্রেরণ করলে মামলা দায়ের করা হয়।

⇒তামাদি আইনের ৩ ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।তাই পক্ষগণ একমত হয়েও তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি
করতে পারে না। ধারা ৩ অনুযায়ী,নির্ধারিত তামাদির  মেয়াদ শেষ হবার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করা হলে খারিজ হবে।
------------
The Limitation Act, 1908 section- 3. Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation: 
Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence.
 
Explanation.- A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.