বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১৮ / ১৫৫ · ১,৭০১১,৮০০ / ১৫,৪৭০

১,৭০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার আওতায়, বাদী যদি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলা করে এবং তা কার্যকর না হয়, তবে বিকল্পভাবে কী প্রার্থনা করতে পারেন?
  1. নিষেধাজ্ঞা
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. চুক্তি রদ
  4. চুক্তি সংশোধন
ব্যাখ্যা

→ সঠিক উত্তর: গ) চুক্তি রদ।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কেউ লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য মামলা করেন, তাহলে তিনি বিকল্পভাবে আদালতের কাছে প্রার্থনা করতে পারেন যে:
"যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হয়, তবে সেটিকে রদ (rescission) করে দেওয়া হোক এবং বিলুপ্ত হিসেবে গণ্য করা হোক।"
-এই ধারার উদ্দেশ্য হলো বাদী যাতে বিকল্প প্রতিকার হিসেবে চুক্তি বাতিল বা রদ করতে পারেন—যাতে ভবিষ্যতে সেই চুক্তি নিয়ে আর কোনো দাব বা সমস্যা না থাকে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

১,৭০২.
আত্মহত্যার প্রচেষ্টার শাস্তি পেনাল কোড-এর কোন ধারায় বর্ণিত?
  1. ৩০৮
  2. ৩০৯
  3. ৩১০
  4. ৩১১
ব্যাখ্যা
♦ আত্মহত্যার প্রচেষ্টার অপরাধের শাস্তি পেনাল কোড-এর ৩০৯ ধারায় উল্লেখ আছে। যার শাস্তি ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। 
১,৭০৩.
একজন হানাফি মুসলিম নারী তার স্বামী, দুই কন্যা, পিতা এবং মাতাকে রেখে মারা গেল। তার মাতার অংশ কত হবে?
  1. ১/৩ অংশ
  2. ১/৬ অংশ
  3. ১/৬ + অবশিষ্টাংশ
  4. কোনো অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা

• ইসলামে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে মায়ের অংশ তিন ধরনের হয়ে থাকে-
- ১/৬,
- ১/৩ এবং
- অবশিষ্টাংশের ১/৩ (1/3 of residue)।

যখন ১/৬ অংশ পায়:
- যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান-সন্ততি থাকে, কন্যা, পুত্রের পুত্র-এভাবে নিচের দিকে কেউ না থাকলে;
- যদি মৃত ব্যক্তির দুইয়ের অধিক ভাই বা বোন থাকে। ভাই বা বোন আপন, বৈপিত্রেয় বা বৈমাত্রেয় হতে পারে।

যখন ১/৩ অংশ পায়:
-  যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান না থাকে;
- যদি মৃত ব্যক্তির একের অধিক ভাই বা বোন না থাকে

যখন অবশিষ্টাংশের ১/৩ অংশ পাবে: এই ব্যতিক্রম অংশ শুধু দুটি ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যেগুলো হলো–
- যদি উত্তরাধিকারী হিসেবে স্বামী, বাবা ও মা কে রেখে কোন মহিলা মারা যান এবং
- যদি উত্তরাধিকারী হিসেবে স্ত্রী, বাবা ও মা কে রেখে কোনো পুরুষ মারা যান।
- এই নীতি Umriyatin Rule হিসেবে পরিচিত।

⇒ হানাফি আইন অনুযায়ী, স্ত্রী মারা গেলে সন্তান থাকলে স্বামী ১/৪ ভাগ পাবেন।
- দুটি কন্যা  মিলিয়ে ২/৩ ভাগ পাবে।
- মায়ের অংশ ১/৬ ভাগ।
- শরিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, পিতা জীবিত থাকলে তার অংশ নির্ধারণের জন্য অনেক বিষয় থাকতে পারে, তবে সাধারণভাবে, দুটি কন্যা এবং স্বামী থাকলে পিতা ১/৬ অংশ পাবে এবং আসাবা হিসেবে অবশিষ্টাংশও পাবেন। সুতরাং, পিতা পাবে ১/৬ + অবশিষ্টাংশ।

১,৭০৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898- কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. তত্ত্বগত আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law]:
⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law] বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।

মৌলিক আইন [Substantive Law]:
⇒ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
১,৭০৫.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ১০ অনুযায়ী, প্রজা কত বছরের অধিক সময় ধর্মীয় উদ্দেশ্যে জমি ব্যবহার না করলে উচ্ছেদযোগ্য হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছ
  4. ৫ বছ
ব্যাখ্যা

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ১০- সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় উদ্দেশ্যের প্রজাস্বত্ব সমূহের প্রতি প্রযোজ্য বিশেষ বিধানাবলি- 
এই আইনের অন্য কোথাও অথবা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোনো আইনে অথবা কোনো চুক্তিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো প্রজাস্বত্বের অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমি লিখিত ইজারা চুক্তির অধীন কোনো সময়ের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ধর্মীয় উদ্দেশ্যে, যাহার উল্লেখ উক্ত ইজারা চুক্তিতে রহিয়াছে, অধিকৃত থাকে, তাহা হইলে উক্ত প্রজাস্বত্ব ধারা ৭ এ বর্ণিত শ্রেণীর প্রজাস্বত্ব বলিয়া গণ্য হইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজা কর্তৃক উক্ত জমি উক্ত ধর্মীয় উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার, অথবা তিন বৎসরের অধিক সময়ের জন্য উক্ত ধর্মীয় উদ্দেশ্যে উক্ত জমি ব্যবহার না করার, কারণ ব্যতীত উক্ত প্রজাকে তাহার ভূমি মালিক কর্তৃক উচ্ছেদ করা যাইবে না।

১,৭০৬.
বার কাউন্সিলের নির্বাচনের জন্য যদি সাধারণ আসনের জন্য বৈধ প্রস্তাব যদি _________ এর অধিক না হয় তাহলে চেয়ারম্যান প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত ঘোষণা করতে পারে।
ব্যাখ্যা

THE BANGLADESH LEGAL PRACTITIONERS AND BAR COUNCIL RULES, 1972 এর বিধি ৯ :
(১) সাধারণ আসনের ক্ষেত্রে যদি বৈধ প্রস্তাবের সংখ্যা ৭ (সাত) এবং দলীয় আসনের ক্ষেত্রে ১ (এক) অতিক্রম না করে তবে চেয়ারম্যান উক্ত প্রস্তাবকৃত প্রার্থীদের নির্বাচিত ঘোষণা দিতে পারেন।

(২) বৈধ প্রস্তাবসমূহের একটি তালিকা এবং সমীক্ষার ফলাফল যেমন, ব্যক্তিগণের নির্বাচিত ঘোষণা এবং কোনো আসনের জন্য নির্বাচিত ঘোষণা করা হয় তাহা যত দ্রুত সম্ভব বার কাউন্সিলের নোটিশ বোর্ডে টানাইতে হইবে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২ (দুই) দিনের মধ্যে টানাইতে হইবে।

১,৭০৭.
তামাদি আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি নিচের কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. মূল মামলা
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকৃষ্ণের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত বিলম্ব মওকুফের বিষয়টির আইনগত মূল্য অপরিসীম। এই ধারা মতে কোন আপীলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমান করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপীল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তোষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবরমাত্র আপীল এবং রিভিউ ,রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লেখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারী মামলার আপীলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
♦মূল মামলার ক্ষেত্রে এ তামাদি আইনের ৫ ধারাটি প্রযোজ্য হবে না। কারণ অধিকাংশ দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর হতে ১২ বৎসর পর্যন্ত সম্প্রসারিত কিন্তু এই ধারার বিধান মতে আপীল এবং আবেদনের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন হতে ৬ মাস। যেহেতু আপীরের সময়সীমা কম সেহেতু যুক্তিসংগত কারনে আপীল দাযের করতে কিংবা রিভিশন সহ অন্যান্য দরখাস্ত দাখিল করতে বিলম্ব হলে এই ধারা মতে উপযুক্ত কারণ সাপেক্ষে সেই বিলম্ব মওকুফ করা যাইতে পারে। তাই মূল মামলায় অনেক সময় পাওয়া যায় বিধায় মূল মামলা ৫ ধারা ব্যবহার যোগ্য নহে।
১,৭০৮.
‘B’ জেনেশুনে ‘Z’-এর ফসলের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে তার মাঠে গবাদি পশু ঢুকিয়ে দেয়। যা ‘Z’-এর সম্পত্তির ক্ষতি করে, এই ক্ষতির পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার বেশি। দণ্ডবিধি অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪২৫ অনুসারে, ক্ষতিসাধন (Mischief) বলতে এমন কাজকে বোঝায় যেখানে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বা জেনে যে তার কাজে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে, জনসাধারণ বা কোনো ব্যক্তির জন্য অন্যায় ক্ষতি বা ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে কোনো সম্পত্তি ধ্বংস করে, বা এমন পরিবর্তন করে যাতে সম্পত্তির মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাস পায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখানে, ‘B’ জেনে যে তার কাজে ‘Z’-এর ফসলের ক্ষতি হবে, তার মাঠে গবাদি পশু ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা ধারা ৪২৫-এর উদাহরণ (h)-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য।

ধারা ৪২৭ অনুসারে, যদি ক্ষতিসাধনের ফলে ক্ষতির পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার বেশি হয়, তবে শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। তাই, এই অপরাধের নাম ক্ষতিসাধন এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড।
-‘B’-এর কাজ ধারা ৪২৫-এর অধীনে ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪২৭ অনুসারে ক্ষতির পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার বেশি হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৭ - পঞ্চাশ টাকা পরিমাণ ক্ষতি করিয়া অনিষ্ট সাধন:
- কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে এবং তদ্বারা পঞ্চাশ টাকা বা তদূৰ্ব্ব পরিমাণ অর্থের অনিষ্ট করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 427. Mischief causing damage to the amount of fifty taka:
 Whoever commits mischief and thereby causes loss or damage to the amount of fifty taka or upwards, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,৭০৯.
অভিযোগ পরিবর্তন হলে,কোন পক্ষের সাক্ষীদের পুনরায় ডাকা যাবে?
  1. ফরিয়াদী পক্ষের
  2. অভিযুক্ত পক্ষের
  3. উভয় পক্ষের
  4. পুনরায় ডাকা যাবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে। অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।

• অভিযোগ পরিবর্তন হলে সরকার পক্ষ ও অভিযুক্ত পক্ষের যে সকল সাক্ষীর জবানবন্দী ইতোপূর্বে গ্রহণ করা হয়েছে,এরূপ পরিবর্তন ও সংযোজনের ভিত্তিতে তাদের ধারা ২৩১ এর অধীন পুনঃতলব,পুনঃসমন এবং পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করার অনুমতি দিতে হবে এবং আদালত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করলে অতিরিক্ত সাক্ষীকেও তলবের অনুমতি দিবেন।
১,৭১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক জারিকৃত সমন লিখিতভাবে, দুই প্রতিলিপিতে, আদালতের প্রধান কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিলসহ হতে হবে?
  1. ধারা ৬৬
  2. ধারা ৬৭
  3. ধারা ৬৮
  4. ধারা ৬৯
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮(১) ধারা অনুসারে: প্রতিটি সমন লিখিত আকারে প্রদান করতে হবে, সমন দুই কপিতে প্রস্তুত করতে হবে, আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক নির্দেশিত অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হতে হবে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারার বিধান সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
(২) সমন জারিকারক : এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।
---------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 68.
-Form of summons:
1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.
- Summons by whom served:
2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.

১,৭১১.
আদেশ-১১ বিধি-১২ অনুসারে, দলিল আবিষ্কারের আবেদন করতে কী প্রয়োজন?
  1. শপথনামা
  2. উকিলের স্বাক্ষর
  3. আদালতের পূর্বানুমতি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) কোনটিই নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১১ বিধি-১২ অনুসারে:
কোন মামলার কোন পক্ষ শপথনামা ব্যতিরেকেই আদালতে আবেদন করতে পারেন যে, অপর পক্ষকে তাদের নিকট গচ্ছিত বা আয়ত্তাধীন প্রাসঙ্গিক দলিল আবিষ্কার (discovery) করার নির্দেশ দেয়া হোক।
আদালত শুনানি করে প্রয়োজনীয় মনে করলে আবিষ্কেরের আদেশ দিতে পারেন, অন্যথা আদেশ দানে অস্বীকার করতে পারেন বা স্থগিত রাখতে পারেন।
প্রাসঙ্গিক বিধান:
"অপর পক্ষ শপথনামা ব্যতিতই আদালতে এই মর্মে আবেদন করতে পারেন যে, অপর পক্ষকে শপথের মাধ্যমে উক্ত দলিল আবিষ্কার করার নির্দেশ দেয়া হোক।"

অপশন গুলির বিশ্লেষণ:
ক) শপথনামা → ভুল, কারণ আবেদনের জন্য শপথনামা প্রয়োজন নেই (শুধু আদেশ পাওয়ার পর দলিল দাখিলের সময় শপথনামা দিতে হবে)।
খ) উকিলের স্বাক্ষর → ভুল, উকিলের স্বাক্ষর আবেদনের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।
গ) আদালতের পূর্বানুমতি → ভুল, আবেদন করার জন্য পূর্বানুমতি লাগে না, তবে আদেশ পেতে আদালতের সন্তুষ্টি প্রয়োজন।
ঘ) কোনটিই নয় → সঠিক, কারণ উপরের কোনটিই আবেদনের জন্য আবশ্যক নয়।

সুতরাং, স্পষ্ট যে শপথনামা বা অন্য কোন পূর্বশর্ত ছাড়াই আবেদন করা যায়, তবে আদালতের বিবেচনায় আবিষ্কারের আদেশ পাওয়া যায়।

অর্থাৎ আদেশ-১১ বিধি-১২ অনুযায়ী, দলিল আবিষ্কারের আবেদন করতে কোনো শপথনামা বা উকিলের স্বাক্ষরের প্রয়োজন নেই। আবেদনটি আদালতে সরাসরি করা যেতে পারে, এবং আদালত প্রয়োজনে আবেদনের শুনানি করে আদেশ দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 rule-12: Application for Discovery of Documents:
Any party may, without filing any affidavit, apply to the Court for an order directing any other party to any suit to make discovery on oath of the documents which are or had been in his possession or power, relating to any matter in question therein. On the hearing of such application the Court may either refuse or adjourn the same, if satisfied that such discovery is not necessary, or not necessary at that stage of the suit, or make such order, either generally or limited to certain classes of documents, as may, in its discretion, be thought fit:
Provided that discovery shall not be ordered when and so far as the Court shall be of opinion that it is not necessary either for disposing fairly of the suit or for saving costs.
১,৭১২.
আপিল বিভাগে আপিল করতে হলে প্রথমে কোথায় আবেদন করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে
  3. আপিল বিভাগে সরাসরি
  4. সরকারি আইন কর্মকর্তার কাছে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৫ বিধি-২: যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় সে আদালতে আবেদন:
যে কেউ আপিল বিভাগে আপিল করার ইচ্ছা পোষণ করলে, যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সেই আদালতেই তাকে আবেদনপত্র দ্বারা আবেদন করতে হবে।

Rule.-2:
Whoever desires to appeal to the Appellate Division shall apply by petition to the Court whose decree is complained of.
১,৭১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় পুলিশ কর্মকর্তাকে চোরাই সম্পত্তি জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫১
  2. ধারা ৫৪৮
  3. ধারা ৫৫০
  4. ধারা ৫৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫০ পুলিশ কর্মকর্তাকে নিম্নোক্ত পরিস্থিতিতে চোরাই বা অপরাধ সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন সম্পত্তি জব্দ করার আইনি ক্ষমতা প্রদান করে।
- কোনো পুলিশ কর্মকর্তা যদি সন্দেহ করেন যে কোনো সম্পত্তি চুরি হয়েছে বা কোনো অপরাধের সাথে যুক্ত, তাহলে তিনি সেই সম্পত্তি জব্দ করতে পারেন।
- তবে যদি তিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধীনস্থ হন, তাহলে জব্দের বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে রিপোর্ট করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫০: সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্দ করার ব্যাপারে পুলিশের ক্ষমতা:
চোরাই মর্মে কথিত বা সন্দেহযুক্ত কিংবা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত কোন সম্পত্তি কোন পুলিশ কর্মকর্তা আটক করতে পারবেন। এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধস্তন হলে তিনি সাথে সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জব্দ করার ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 550: Powers to police to seize property suspected to be stolen:
Any police officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.
১,৭১৪.
"A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death." এখানে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।

⇒ যেমন- 'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এখানে 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে; কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে যদি ঘোষণাকারী মৃত হয়। অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণাটির গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করছে ঘোষণাকারী মৃত কিনা সেই তথ্যের উপর। আর ঘোষণাকারী মৃত কিনা তা প্রমাণের ভার সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে যে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ হিসাবে দিতে চায়। যেহেতু এখানে 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় সুতরাং মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ করার জন্য, 'B'-এর মৃত্যু সংক্রান্ত প্রমাণ দাখিলের দায়ভার 'A',-এর উপর বর্তাবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্বঃ- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ উদাহরণ:

(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

--------------------
Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death. 

(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
১,৭১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলার তামাদি-
  1. ৩ বছর
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী,
 
চুক্তি প্রবলের মামলা করার তামাদির মেয়াদ হচ্ছে এক বছর, অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলা করতে হবে এক বছরের মধ্যে।
১,৭১৬.
ডিক্রি জারিমূলে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রি হলে বিক্রির তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে ক্রেতা কর্তৃক ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হয়?
  1. ২১
  2. ১৫
  3. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২১ বিধি ৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮২ এর বিধান কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে (What Courts may order sales): খুল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে। সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনঃবিক্রয় (Deposit by purchaser and re-sale on default): স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
১,৭১৭.
সমন অমান্যের জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ ধারানুযায়ী আদালত সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. সম্পত্তি ক্রোক
  2. গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি
  3. সম্পত্তি বিক্রয়
  4. অনধিক ১০০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-

ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
১,৭১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৩ বিধি-৫ অনুযায়ী নিচের কোন কারণে নিঃসম্বল হিসাবে মামলা করার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা যাবে না?
  1. আবেদনকারী প্রকৃতপক্ষে ধনী হলে
  2. আবেদন সঠিকভাবে দাখিল না হলে
  3. আবেদনকারীর বিরুদ্ধে পূর্বে মামলা থাকলে
  4. আবেদনকারী সম্পত্তি প্রতারণামূলকভাবে হস্তান্তর করলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৩৩, বিধি ৫ (Order XXXIII, Rule 5) অনুযায়ী, নিঃসম্বল ব্যক্তি (pauper) হিসাবে মামলা করার অনুমতি চাওয়া হলে আদালত কিছু নির্দিষ্ট কারণে আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এই কারণগুলো হলো:
১. আবেদনটি বিধি ২ ও ৩ অনুযায়ী গঠিত ও দাখিল না হলে।
২. আবেদনকারী প্রকৃতপক্ষে নিঃসম্বল না হলে।
৩. আবেদনকারী আবেদন দাখিলের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে।
৪. অভিযোগে কোনো কার্যকারণ (cause of action) না থাকলে।
৫. মামলার বিষয়ে আবেদনকারী এমন কোনো চুক্তিতে উপনীত হলে যার ফলে অন্য কেউ স্বার্থবান হয়।
 কিন্তু, “আবেদনকারীর বিরুদ্ধে পূর্বে মামলা থাকলে” — এটি আদেশ ৩৩ বিধি ৫ অনুযায়ী আবেদন প্রত্যাখ্যান করার বৈধ কারণ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।


⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৩৩, বিধি ৫ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কারণগুলোর যেকোন একটি বিদ্যমান থাকলে আদালত নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি প্রত্যাখ্যান করতে পারে:
১. আবেদনটি বিধি অনুযায়ী গঠিত না হলে বা সঠিকভাবে দাখিল না হলে।
২. আবেদনকারী প্রকৃতপক্ষে নিঃসম্বল ব্যক্তি না হলে।
৩. আবেদনকারী প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে থাকলে।
৪. আবেদনকারীর অভিযোগ কোনো নালিশের কারণ না দর্শালে।
৫. আবেদনকারী মামলার বিষয়বস্তুর উপর এমন কোনো চুক্তিতে পৌঁছে থাকলে, যার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তি সেই বিষয়ে স্বার্থবান হয়।
- এই সবগুলো ক্ষেত্রই আদালতের পক্ষ থেকে আবেদন প্রত্যাখ্যান করার যথাযথ ভিত্তি।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33 Rule-5.Rejection of application:
The Court shall reject an application for permission to sue as a pauper-
(a) where it is not framed and presented in the manner prescribed by rules 2 and 3, or
(b) where the applicant is not a pauper, or
(c) where he has, within two months next before the presentation of the application, disposed of any property fraudulently or in order to be able to apply for permission to sue as a pauper, or
(d) where his allegations do not show a cause of action, or
(e) where he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the proposed suit under which any other person has obtained an interest in such subject-matter.
১,৭১৯.
'ক' কোনো মহিলাকে ভীতিগ্রস্থ বা আহত করার উদ্দেশ্যে যদি তার ঘোমটা খুলে ফেলে, তবে তা দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচে বর্ণিত কোন অপরাধটি হবে?
  1. আক্রমণ
  2. শ্লীলতাহানী
  3. ব্যভিচার
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ: 
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

Section-350. Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

Illustration:
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.

১,৭২০.
কোন বিষয়ে নিজের সাক্ষীকে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন (Leading Question) করা যায়?
  1. তর্কিত বিষয়ে
  2. স্বীকৃত বিষয়ে
  3. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
  4. যে কোন বিষয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
⇒ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) : বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।

⇒ যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
--------------------------
Section-142: When they must not be asked:
 -Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 

The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
১,৭২১.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, নিচের কোনটি বিবাহ বিচ্ছেদের ভিত্তি নয়?
  1. স্ত্রীর অন্য ধর্মে ধর্মান্তর
  2. বিবাহের সময় স্বামী পুরুষত্বহীন
  3. স্বামীর ২ বছর ধরে ভরণপোষণ প্রদানে ব্যর্থতা
  4. স্বামীর ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর ধারা ২ অনুযায়ী, একজন মুসলিম মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য উক্ত ধারায় লিখিত ভিত্তিগুলোর যেকোনো একটির উপর আবেদন করতে পারেন। তবে, স্ত্রীর অন্য ধর্মে ধর্মান্তর এই আইনে বিবাহ বিচ্ছেদের সরাসরি ভিত্তি নয়। 

স্ত্রীর অন্য ধর্মে ধর্মান্তর:
এই আইনের ধারা ৪ অনুযায়ী, একজন মুসলিম মহিলার ইসলাম ত্যাগ বা অন্য ধর্মে ধর্মান্তর স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার বিবাহ বিচ্ছেদ করে না।
তবে, ধর্মান্তরের পর তিনি এই আইনের ধারা ২ এর অন্যান্য ভিত্তিতে (যেমন নিষ্ঠুরতা, ভরণপোষণে ব্যর্থতা ইত্যাদি) বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করতে পারেন।
তাই, ধর্মান্তর সরাসরি বিবাহ বিচ্ছেদের ভিত্তি নয়।

অন্য অপশন গুলার মধ্যে: 
 খ) বিবাহের সময় স্বামী পুরুষত্বহীন:
এই আইনের ধারা ২(৫) অনুযায়ী, যদি স্বামী বিবাহের সময় পুরুষত্বহীন থাকে এবং বিয়ের পরেও পুরুষত্বহীন অব্যাহত থাকে, তাহলে এটি বিবাহ বিচ্ছেদের একটি বৈধ ভিত্তি।
গ) স্বামীর ২ বছর ধরে ভরণপোষণ প্রদানে ব্যর্থতা:
এই আইনের ধারা ২(২) অনুযায়ী, যদি স্বামী ২ বছর ধরে স্ত্রীর ভরণপোষণ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে এটি বিবাহ বিচ্ছেদের একটি বৈধ ভিত্তি।
ঘ) স্বামীর ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ড :
এই আইনের ধারা ২(৩) অনুযায়ী, যদি স্বামী ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে এটি বিবাহ বিচ্ছেদের একটি বৈধ ভিত্তি।

সঠিক উত্তর:
ক) স্ত্রীর অন্য ধর্মে ধর্মান্তর - কারণ, ধর্মান্তর সরাসরি বিবাহ বিচ্ছেদের ভিত্তি নয়, তবে এটি অন্যান্য ভিত্তিতে আবেদন করার সুযোগ দেয়।
১,৭২২.
একজন ম্যাজিস্ট্রেট একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেওয়ার সময়, তার সাধারণ এখতিয়ারের সীমার সর্বোচ্চ-
  1. তিনগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
  2. দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
  3. চারগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
  4. সমান দণ্ড দিতে পারবেন
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা (একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ)-
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ রকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।

১,৭২৩.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৩(২৬) অনুযায়ী "কারাদণ্ড" _________ সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
  1. সংবিধানে
  2. ফৌজদারি কার্যবিধিতে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধিতে
  4. দণ্ডবিধিতে
ব্যাখ্যা
• The General Clauses Act,1897- ধারা ৩(২৬): কারাদণ্ড-
"কারাদণ্ড” অর্থে দণ্ডবিধি (সনের ৪৫ নং আইন) তে সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
"Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in the Penal Code:
১,৭২৪.
কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে কোন ব্যক্তির অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকার পাওয়া সম্ভব?
  1. ৮ ধারায়
  2. ৪২ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষনামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:
i) ঘোষনামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষনা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষনামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষনামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষনা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে। 
১,৭২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৫, বিধি-৬ অনুযায়ী, ইন্টারপ্লিডার মামলায় বাদীর মামলার খরচ কীভাবে ব্যবস্থা করা যায়?
  1. দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে
  2. বিবাদীদের কাছ থেকে সরাসরি আদায় করে
  3. সরকারের কাছ থেকে সহায়তা নিয়ে
  4. কোনো খরচ ব্যবস্থা করা যায় না
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XXXV, Rule-6 অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে মামলাটি যথারীতি দায়ের করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত মূল বাদীকে তার দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে বা অন্য কার্যকর পন্থায় তার খরচের ব্যবস্থা করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৫ বিধি-৬ বাদীর মামলার খরচের জন্য দায়: যেক্ষেত্রে মামলাটি যথারীতি দায়ের করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত মূল বাদীকে তার দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে অথবা অন্য কোন কার্যকর পথে মামলার খরচার ব্যবস্থা করতে পারেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-35 Rule-6. Charge for plaintiff's costs:
Where the suit is properly instituted the Court may provide for the costs of the original plaintiff by giving him a charge on the thing claimed or in some other effectual way.

১,৭২৬.
The Penal Code, 1860 অনুসারে বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৬ মাস কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------
- Section-142: Being member of unlawful assembly: Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.
- Section-143: Punishment: Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
১,৭২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী একজন অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে
২- দায়রা জজের নিকট 
খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর
২. অভিযোগকারী 
৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
------------------------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417- Appeal in case of acquittal:
(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal. 
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
১,৭২৮.
ডিক্রিতে বাদীর জমির মোট পরিমাণ ভুল লেখা হলে The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারানুযায়ী প্রতিকার আছে?
  1. ১৫২
  2. ১৫১
  3. ১৫৪
  4. ১৫৩
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৫২ ধারা মতে রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক [Clerical] বা গাণিতিক (Arithmetical) ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি [Accidental slip] বা বিচ্যুতির [Omission] কারণে কোন ভুল হলে যে কোন সময় আদালত নিজ উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ বা সংশোধন করতে পারে।
১,৭২৯.
কোনো জিনিস ভাড়ার ভিত্তিতে জিম্মা দেওয়ার ক্ষেত্রে জিম্মাদাতার দায় সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. ত্রুটি সম্পর্কে জানলে দায়ী
  2. ত্রুটি সম্পর্কে না জানলেও দায়ী
  3. শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি থাকলে দায়ী
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা

The Contract Act, 1872 এর ধারা ১৫০- জিম্মায় প্রদত্ত পণ্যের ত্রুটি প্রকাশ করা জিম্মাদারের দায়িত্ব- 
জিম্মাদাতা জিম্মার পণ্যের যে সকল ত্রুটিসম্পর্কে জানেন সেইগুলি, এবং সেইগুলি উহাদের ব্যবহারের ক্ষেত্র গুরুতর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সেইগুলি, বা জিম্মাদারকে বিশেষ ঝুঁকির মধ্যে ফেলিয়া দেয় সেইগুলি জিম্মাদারের নিকট প্রকাশ করিতে বাধ্য; এবং যদি তিনি এইরূপ ত্রুটিসমূহ প্রকাশ না করেন, তাহা হইলে তিনি এইরূপ ত্রুটিসমূহ হইতে প্রত্যক্ষভাবে উদ্ভূত জিম্মাদারের ক্ষতির জন্য দায়ী থাকিবেন। যদি কোনো জিনিস ভাড়ায় জিম্মা প্রদান করা হয়, তাহা হইলে জিম্মাদাতা এইরূপ ক্ষতির জন্য দায়ী থাকিবেন, তিনি জিম্মাকৃত জিনিসের ত্রুটির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানেন বা না জানেন।

উদাহরণ-
(ক) ক, খ-কে একটি ঘোড়া ধার দেন, যাহাকে তিনি বদমেজাজী বলিয়া জানেন। ঘোড়াটি যে বদমেজাজী উহা তিনি প্রকাশ করেন নাই। ঘোড়াটি দৌড়াইয়া পালাইয়া যায়। খ ছিটকাইয়া পড়িয়া আহত হন। সংঘটিত ক্ষতির জন্য ক খ এর নিকট দায়ী হইবেন।

(খ) ক, খ এর গাড়ি ভাড়া করেন। গাড়িটি অনিরাপদ, যদিও খ ইহা সম্পর্কে অবগত নন, এবং ক আহত হন। খ, ক-এর নিকট আহত হইবার জন্য দায়ী হইবেন।

১,৭৩০.
'ক' অসৎ উদ্দেশ্যে জনৈক মহিলার সম্মতি ছাড়া এবং মহিলা বিরক্ত হবেন জেনেও তার ঘোমটা খুলে ফেলেন। 'ক' কোন অপরাধ করেছেন?
  1. আক্রমণ
  2. সাধারন আঘাত
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. মর্যাদা লঙ্ঘনের উদ্দেশ্যে আক্রমণ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ: 
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

Section-350. Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

Illustration:
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.
১,৭৩১.
নাবালকের অভিভাবক মোকদ্দমা পরিচালনার দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে নিম্নলিখিত কোন কাজটি করতে পারেনা?
  1. মামলা প্রত্যাহার করতে পারেনা।
  2. আদালতে হাজির হতে
  3. মোকদ্দমা নতুন করে দায়ের করতে
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা আপোষ মীমাংসা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXXII, Rule 7 এর বিধান মামলার নেকষ্ট ফেণ্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপোষঃ (১) মামলার কোন নেকষ্ট ফ্ৰেণ্ড বা অভিভাবক, আদালতের কার্যক্রমে স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ছাড়া যে মামলায় যে নেকষ্ট ফ্ৰেণ্ড বা অভিভাবক হিসাবে কাজ করে, সেই মামলা প্রসংগে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপোষ পৌছতে পারবে না ।
(২) আদালতের উক্তরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ছাড়া অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপোষ পৌছানো হলে উক্ত নাবালক ব্যতিত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে উহা বাতিলযোগ্য হবে। 
১,৭৩২.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনে “উন্নয়ন” (Improvement) বলতে কী বোঝায়?
  1. জমিতে নতুন দখল প্রতিষ্ঠা
  2. কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি
  3. জমির উপযোগিতা হ্রাস করে এমন কাজ
  4. জমির মূল্য বৃদ্ধি করে এমন কাজ
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৪: "Improvement" (উন্নয়ন)-
এই আইনের উদ্দেশ্যে "উন্নয়ন" (Improvement) বলতে এমন কোনো কাজকে বোঝায়- যা কোনো অকৃষি জমির মূল্য বৃদ্ধি করে, যা সেই জমির জন্য উপযোগী, এবং ধারা ৪-এ উল্লিখিত যেকোনো নির্ধারিত ব্যবহার অনুযায়ী কাজটি উপযুক্ত, এবং কাজটি যদি সরাসরি সেই জমির ওপর করা না হয়, তবুও তা যদি সেই জমির উপকারে আসে, তাহলে সেটি "উন্নয়ন" হিসেবে গণ্য হবে।

এইরূপ উন্নয়নমূলক কাজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে, যথা-
(ক) পথ বা রাস্তা তৈরি করা,
(খ) বায়ু চলাচলের জন্য খোলা স্থান রাখা,
(গ) পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা,
(ঘ) ড্রেনেজ (পয়নিষ্কাশন) সংযোগ স্থাপন করা।

তবে, কোনো অকৃষি প্রজার দ্বারা সম্পাদিত এমন কোনো কাজ, যা বাড়িওয়ালার (জমিদারের) সম্পত্তির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে, তা "উন্নয়ন" হিসেবে গণ্য হবে না।
১,৭৩৩.
দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারা অনুসারে, "Rioting" এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. এক বছরের কারাদণ্ড
  2. দুই বছরের কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছর কারাদণ্ড
  4. সাত বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১৪৭ অনুযায়ী: "যে কেউ দাঙ্গার (Rioting) জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে, তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।"
→ দাঙ্গা (Rioting) হলো একটি বেআইনি সমাবেশ (Unlawful Assembly) যেটি বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা করে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section,147. Punishment for rioting:
- Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৭৩৪.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন নামঞ্জুর করে আদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. নতুন মোকদ্দমা করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ১ ও ২ অনুসারে, যদি আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার (Temporary Injunction) আবেদন নামঞ্জুর করেন, তবে সেই আদেশটি "আদেশ" (Order) হিসেবে গণ্য হয় এবং এটি আপীলযোগ্য (appealable order)।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। যদি আদালত নিষেধাজ্ঞার আবেদন নামঞ্জুর করে তাহলে আপীল করা যাবে। কেননা দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুসারে এটি একটি আপীল যোগ্য আদেশ।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে–
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।
১,৭৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২-এর বিধি-৫ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি deceased plaintiff বা defendant-এর legal representative কি না—এটি কে নির্ধারণ করবে?
  1. সরকারি প্রশাসন
  2. সংশ্লিষ্ট আদালত
  3. স্থানীয় সরকার
  4. উত্তরাধিকার আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২, বিধি ৫ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে: "Where a question arises as to whether any person is or is not the legal representative of a deceased plaintiff or a deceased defendant, such question shall be determined by the Court."

- অর্থাৎ, মৃত বাদী বা বিবাদীর আইনগত প্রতিনিধি (legal representative) কে বা কিনা—এই প্রশ্নটি সংশ্লিষ্ট আদালতই (the Court) নির্ধারণ করবে। এটি একটি বিচারিক সিদ্ধান্ত, যা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের উপর অর্পিত নয়।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-22 Rule-5.Determination of question as to legal representative:
- Where a question arises as to whether any person is or is not the legal representative of a deceased plaintiff or a deceased defendant, such question shall be determined by the Court. 

১,৭৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারা অনুসারে, অপরাধী অজানা হলে কে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা জজ 
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫১২(২) অনুযায়ী, যদি প্রতীয়মান হয় যে কোনও অজানা ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, হাইকোর্ট বিভাগ নির্দেশ দিতে পারেন যে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এই অপরাধ সম্পর্কিত তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ করবেন।
- অন্যান্য কর্মকর্তা (জেলা জজ, দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) এই ক্ষেত্রে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:-
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।

(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-512: Record of evidence in absence of accused:
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown:-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.

১,৭৩৭.
দন্ডবিধির কোন ধারায় Volentinon fit injuria মতবাদের প্রকাশ ঘটেছে?
  1. ২৮৩
  2. ৩০৪ খ
  3. ৮৭
  4. ৩০৪ ক
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৮৭ ধারা অনুযায়ী, মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটানোর জন্য অভিপ্রেত নহে, তবে অনুরূপ সম্ভাবনাপূর্ণ কোন কার্য কারোর সম্মতিতে করলে তা অপরাধ নয়; তবে যে সম্মতি দান করেছে তার বয়স নূন্যতম ১৮ বছর হতে হবে। Volenti non fit injuria অর্থ হলো-সম্মতিতে কৃত কোন ক্ষতিকারক কার্য অপরাধ নয়।
১,৭৩৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করা হলে তা কখন কার্যকর হবে?
  1. তৎক্ষণাত কার্যকর হবে
  2. দায়রা আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে
  3. হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৯: মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন

এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল, মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র অবিলম্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪ এর বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃতুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।

Section 29: Confirmation of death penalty

When any Tribunal under this Act passes the sentence of death, the proceeding shall immediately be sent to the High Court Division according to the provision of section 374 of the Code of Criminal Procedure and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
১,৭৩৯.
What is the punishment for issuing or signing a false certificate under Section 197?
  1. Only a fine
  2. Warning only
  3. Life imprisonment
  4. Same as the punishment for giving false evidence
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
----------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
১,৭৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য ফৌজদারী আদালতের নির্দেশে বিক্রি করার বিধান আছে?
  1. ৫২১
  2. ৫২৩
  3. ৫২৫
  4. ৫২২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারার বিধান:-ধ্বংসশীল সম্পপত্তি বিক্রয়ের ক্ষমতা: 
উক্ত সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত হয় বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ধ্বংসশীল হয়, অথবা যে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট উহা জদের খরব দেয়া হয়েছে তিনি যদি মনে করেন যে, ইহা বিক্রয় করা মালিকের পক্ষে মঙ্গলজনক হবে অথবা উহার মূল্য দশ এবং ৫২৩ ও ৫২৪ ধারার বিধানসমূহ যথাসম্ভব উক্ত বিক্রয় লব্ধ অর্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 525. Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if theMagistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
১,৭৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. ১২০
  2. ১২২
  3. ১২৩
  4. ১২৪
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি। কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন।
১,৭৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XXVI অনুযায়ী যদি আদালত কমিশনারের কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট হন, তবে কী করতে পারেন?
  1. মামলা স্থগিত করতে পারেন
  2. কমিশন বাতিল করতে পারেন
  3. অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন
  4. কমিশনারকে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXVI, Rule 10(3) অনুযায়ী,“যে ক্ষেত্রে আদালত কমিশনারের কার্যক্রম সম্পর্কে কোন কারণে অসন্তুষ্ট হন, সেক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।”
- এখানে “অতিরিক্ত তদন্ত” বলতে বোঝানো হয়েছে যে আদালত কমিশনের কার্যক্রম যথাযথ না মনে করলে নতুন করে বা সম্পূরকভাবে তদন্ত করানোর নির্দেশ দিতে পারেন।
- কমিশন বাতিল বা মামলা স্থগিত করার উল্লেখ নেই। এছাড়া, আদালত কমিশনারকে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে না, তবে পক্ষগণ আবেদনের মাধ্যমে তাকে সাক্ষ্য দিতে ডাকতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১০: কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
(১) কমিশনার যেরূপ পয়োজন মনে করেন, সেরূপ স্থানীয় পরিদর্শনের পর এব তার গৃহীত প্রমাণাদিকে লিখিত রূপ দেয়ার পর উক্ত প্রমাণাদির সাথে তার স্বাক্ষরিত একটি লিখিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবেন।
(২) প্রতিবেদন এবং জবানবন্দী মামলায় প্রমাণ হিসাবে থাকবেঃ কমিশনারের প্রতিবেদন এবং তার র্গহীত প্রমাণাদি (কিনউ প্রতিবেদন ব্যতিত প্রমাণ নহে) মামলার প্রমাণ এবং নথির অংশরূপে গণ্য হবে, কিন্তু আদালত বা আদলতের অনুমতি ক্রমে মামলার কোন পক্ষ কমিশনারকে প্রকাশ্য আদালতে ব্যক্তিগতভাবে তাহার নিকট অর্পণ করা হয়েছিল বা তার প্রতিবেদনে উল্লেখিত হয়েছে, এমন সব বিষয় সম্পর্কে বা তার প্রতিবেদন সম্পর্কে অথবা যে পদ্ধতিতে তিনি তদন্ত করেছেন সেই সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।
(৩) যে ক্ষেত্রে আদলত কমিশনারের কার্যক্রম সম্পর্কে কোন কারণে অসন্তষ্ট হন, সেক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
১,৭৪৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এ ব্যবহৃত শব্দগুলোর সংজ্ঞা কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  2. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: চুক্তি আইন, ১৮৭২।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩ (ব্যাখ্যা ধারা) অনুযায়ী, এই আইনে ব্যবহৃত শব্দগুলোর সংজ্ঞা চুক্তি আইন, ১৮৭২ (Contract Act, 1872) থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, যদি এই আইনে কোনো শব্দ ব্যবহৃত হয় এবং সেই শব্দের সংজ্ঞা চুক্তি আইন, ১৮৭২-এ নির্ধারিত থাকে, তাহলে সেই শব্দকে চুক্তি আইনে উল্লিখিত সংজ্ঞার ভিত্তিতেই ব্যাখ্যা করতে হবে।
এটি করা হয়েছে আইনি ধারাবাহিকতা ও সুস্পষ্টতা বজায় রাখার জন্য, যাতে বিভিন্ন আইনের মধ্যে সংজ্ঞাগত পার্থক্যের কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-3: Words defined in Contract Act:
and all words occurring in this Act, which are defined in the Contract Act, 1872, shall be deemed to have the meanings respectively assigned to them by that Act.
১,৭৪৪.
এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবেনা [shall not be judicially enforceable]। শব্দগুলো সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১১
  2. ১০
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৮- মূলনীতিসমূহ:

(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
 
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।

Article 8: Fundamental principles:

(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.

(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.
১,৭৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধরার অধীন মধ্যস্থতার[Mediation]মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. আপীল করা যাবে না কিন্তু রিভিশন করা যাবে
  4. আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিসন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।
১,৭৪৬.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোনটি ফরেনসিক সাক্ষ্যের অংশ নয়? 
  1. রক্ত, বীর্য, চুল
  2. ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক
  3. ডিএনএ, আঙুলের ছাপ
  4. আইরিস ইমপ্রেশন, পায়ের ছাপ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য" (Physical or Forensic Evidence) বলতে এমন উপাদান বা বস্তু বোঝায় যা রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, আইরিস ইমপ্রেশন, শরীরের উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ ইত্যাদি, যা কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ করে।
- ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (ডিভিডি) একটি ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ধারা ৩-এর অধীনে "দলিলি সাক্ষ্য" (Documentary Evidence) হিসেবে গণ্য, কিন্তু ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।

- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) রক্ত, বীর্য, চুল → এগুলো সরাসরি ফরেনসিক সাক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত।
খ) ডিএনএ, আঙুলের ছাপ → এগুলো ফরেনসিক সাক্ষ্যের সুস্পষ্ট উদাহরণ।
ঘ) আইরিস ইমপ্রেশন, পায়ের ছাপ → এগুলোও সরাসরি ফরেনসিক সাক্ষ্যের অংশ।
---------
⇒ The Evidence Act,1872, Section-3(3) all materials or objects relating to blood, semen, hair, all body material, organ or part of organ, Deoxyribo Nucleic Acid (DNA), finger impression, palm impression, iris impression and foot print or any other similar material or object which may- (i) establish that an offence has been committed or establish a link or relation between an offence and its victim or an offence and its offender; and
(ii) prove or disprove a fact:
such materials or objects are called physical or forensic evidence.]

⇒ [“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)]

১,৭৪৭.
দণ্ডবিধি অনুসারে অর্থদণ্ড ছাড়া খুনের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০২-এর অধীন, খুনের (murder) অপরাধের শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। অর্থাৎ, অর্থদণ্ড ছাড়া সর্বনিম্ন শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.

১,৭৪৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদে ভোটার হওয়ার কয়টি শর্ত উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৪ টি
  2. ৬ টি
  3. ৫ টি
  4. ৩ টি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা

(১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি-
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

Article 122: Qualifications for registration as voter

(1) The elections to Parliament shall be on the basis of adult franchise.

(2) A person shall be entitled to be enrolled on the electoral roll for a constituency delimited for the purpose of election to the Parliament, if he- 
(a) is a citizen of Bangladesh; 
(b) is not less than eighteen years of age; 
(c) does not stand declared by a competent court to be of unsound mind; 
(d) is or is deemed by law to be a resident of that constituency; and 
(e) has not been convicted of any offence under the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.
১,৭৪৯.
Which of the following sentences is correct?
  1. Why you have been doing this?
  2. Why you have done this?
  3. Why have you done this?
  4. Why have you do this?
ব্যাখ্যা
• Interrogative sentence basic structure: Why + auxiliary verb + subject + principal verb + object or others + question mark. 

সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে - Why have you done this?

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain
১,৭৫০.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০৪
  2. অনুচ্ছেদ ১০৬
  3. অনুচ্ছেদ ১০৭
  4. অনুচ্ছেদ ১০৮
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৭: সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা

(১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।
 
(২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

(৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।
১,৭৫১.
রিভিশন দায়েরের শর্ত কি?
  1. আপিলঅযোগ্য ডিক্রি বা আদেশ
  2. গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে
  3. আপিলযোগ্য আদেশ বা ডিক্রি কিন্তু আপিল করা হয় নি
  4. সবগুলাই
ব্যাখ্যা
♦ রিভিশন বলতে বুঝায়, নিম্নে আদালত কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশ উচ্চ আদালত কর্তৃক বিচারিক প্রতিকার সংশোধন করা।দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশন সম্পর্কিত বিধান আছে।

ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ যে কোন পক্ষ আবেদন করতে পারে।নিম্ন আদালতের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিভিশন দায়ের করতে হয়। রিভিশনের এখতিয়ার হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজ আদালতকে দেয়া আছে।

রিভিশন দায়েরে শর্তসমূহ:

♦২০০৩ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি পরিবর্তনের মাধ্যমে দেওয়ানী রিভিশনের বিধানে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করা হয়। বর্তমানে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে রিভিশন করা যায়-

♦ কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।

♦ কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে একবার আপিল করা হলে উক্ত আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিশন করা যায়, কেননা দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২য় আপিলের বিধান নেই।

♦ ১১৫ ধারার বর্তমান বিধান অনুযায়ী কেবলমাত্র ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ যে কোন পক্ষ রিভিশন দায়ের করতে পারে, কিন্তু আগের মত আদালত কর্তৃক স্বেচ্ছাপ্রণোদিত (suo moto) হওয়ার বিধান নেই।

♦ সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে ।

♦ রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না ।
১,৭৫২.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির প্রয়োজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (Criminal Conspiracy) গঠনের জন্য ন্যূনতম দুইজন ব্যক্তির প্রয়োজন। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে বা বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে সম্মত হন, তখন তাদের সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হবে।
অর্থাৎ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা কমপক্ষে দুইজন হতে হবে, এবং তারা একসাথে ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে যদি কোনও অবৈধ কাজ সংঘটিত করার জন্য সম্মত হন, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section, 120A. Definition of criminal conspiracy.
When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof. 
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

১,৭৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার বিধান রয়েছে?
  1. ১৬০
  2. ১৬১
  3. ১৬২
  4. ১৬৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা, ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ধারার বিধান পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা:
(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।
(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।
(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case. 
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture. 
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
১,৭৫৪.
দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকারী কয় প্রকার?
  1. ৫৩ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৮ প্রকার
ব্যাখ্যা
দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকারী ৩ প্রকার:

ক- সপিণ্ড,
খ- সকুল্য ও
গ- সমানোদক।

সপিণ্ড:
যে সকল ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির আত্নার কল্যাণের জন্য পিণ্ডদান করেন এবং মৃত ব্যক্তি জীবিত থাকলে যাদের মৃত্যুতে তিনি পিণ্ডদানের যোগ্য ছিলেন তারা সবাই পরস্পরের সপিণ্ড। পুরুষ সপিণ্ডর সংখ্যা ৪৮জন এবং মহিলা সপিণ্ডর সংখ্যা ৫ জন মিলে সর্বমোট ৫৩ জন সপিণ্ড হবে।

সকুল্য:
প্রপিতামহের উর্ধ্বতন ৩ পুরুষ সকুল্য নামে পরিচিত। সপিণ্ড-র ৫৩ জনের কেউ বিদ্যমান না থাকলে সকুল্যগন সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করে। সকুল্যেও মোট সংখ্যা ৩৩ জন সকলেই পুরুষ।

সমানোদক:
সকুল্যের উর্ধ্বতন ৭ পুরুষকে সমানোদক বলে। সপিণ্ড ও সকুল্যের কেউ বিদ্যমান না থাকলে সমানোদকগন উত্তরাধিকার লাভ করে। সমানোদকদের সংখ্যা ১৪৭ জন। এরা সকলেই পুরুষ।
১,৭৫৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৮ বিধি ১২ এর অধীন, আদালত কার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে?
  1. বিবাদীর
  2. বাদীর
  3. সাক্ষীর
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবীর
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালত কোন সাক্ষীর জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
বলা হয়েছে যে, জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। অর্থাৎ যদি কোনো সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।
১,৭৫৬.
মূল্যমান শুদ্ধ করার জন্য বা প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প দাখিল করার জন্য আদালত কতদিন সময় নির্ধারণ করতে পারবেন?মূল্যমান শুদ্ধ করার জন্য বা প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প দাখিল করার জন্য আদালত কতদিন সময় নির্ধারণ করতে পারবেন?
  1. সর্বোচ্চ ৭ দিন
  2. সর্বোচ্চ ১৪ দিন
  3. সর্বোচ্চ ২১ দিন
  4. সর্বোচ্চ ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৭ বিধি ১১ তে কি কি কারণে আরজি প্রত্যাখান (Reject) করা যায় তা বলা হয়েছে:
   (i)  কারণ উল্লেখ না থাকলে
   (ii) দাবীকৃত প্রতিকার কম উল্লেখ করলে
   (iii) অপর্যাপ্ত অর্থাৎ কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লিখলে
   (iv) আইন দ্বারা বারিত হলে
♦শর্ত থাকে যে, আদালত মোকদ্দমা মূল্যায়ন শুদ্ধ করার জন্য  কিংবা প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প দাখিল করার জন্য যে সময় নির্ধারণ করবেন, তা ২১ (একুশ) দিনের অধিক সময় বাড়াতে পারবেন না।
১,৭৫৭.
কয়টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয় (Savings)?
  1. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ৩টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
যেমন-
চুক্তি নয় এমন অঙ্গীকার,
রেজিষ্ট্রেশন আইন,
কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট কার্য্য সম্পাদন ছাড়া যা সে চুক্তির অধীন পেতে পারতো।
১,৭৫৮.
ইসতিহসান প্রধানত কোন মাজহাবের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. হানাফী
  2. মালিকী
  3. শাফেয়ী
  4. হাম্বলী
ব্যাখ্যা

⇒ ইসতিহসান (Juristic Preference) ইসলামী আইনের (ফিকহ) একটি অপ্রধান উৎস, যা প্রধানত হানাফী মাযহাবের সাথে সংশ্লিষ্ট। এটি কিয়াসের (analogical reasoning) কঠোর প্রয়োগের পরিবর্তে শক্তিশালী দলিল (নস, যেমন কোরআন বা হাদিস), ইজমা, প্রয়োজন (দরূরা/হাজা), রেওয়াজ (‘উর্‌ফ), মাসলাহা (জনস্বার্থ), বা গোপন/শক্তিশালী কিয়াসের ভিত্তিতে ব্যতিক্রমী রায় প্রদানের একটি পদ্ধতি।

মূল কারণগুলো হলো হানাফী মাযহাবে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি:
- ইমাম আবু হানিফা (রহ.) ও তাঁর শিষ্যগণ (ইমাম আবু ইউসুফ, ইমাম মুহাম্মদ) ইসতিহসানকে ইজতিহাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- তারা কিয়াস (অ্যানালজি) এর কঠোরতা থেকে সরে ন্যায়সংগত ও বাস্তবসম্মত সমাধান দিতে এ পদ্ধতি প্রয়োগ করেন।

অন্যান্য মাযহাবের অবস্থান:
মালিকী: মাসলাহা (জনস্বার্থ) কে প্রাধান্য দেয়, ইসতিহসানের সাথে আংশিক মিল আছে।
শাফেয়ী: ইমাম শাফেয়ী (রহ.) ইসতিহসানকে "من استحسن فقد شرع" (যে ইসতিহসান করে, সে শরীয়াহ তৈরি করে) বলে সমালোচনা করেন। তবে তিনি নস (কোরআন/হাদিস), ইজমা বা প্রয়োজনে কিয়াস থেকে সরে আসাকে স্বীকার করেন।
হাম্বলী: ইবনে তাইমিয়্যা (রহ.) এর মতো আলিমরা সীমিত অর্থে ইসতিহসানের অনুরূপ নীতিমালা মেনেছেন।

হানাফীদের ব্যবহারিক উদাহরণ:
সালাম চুক্তি (অগ্রিম পণ্য কেনা): সাধারণ কিয়াসে নিষিদ্ধ, কিন্তু হাদিসের ভিত্তিতে ইসতিহসানে বৈধ।

উল্লেখ্য, ইসতিহসান "দুর্বল কিয়াস ত্যাগ করে শক্তিশালী দলিলের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া" (আল-কারখির সংজ্ঞা)।
- এটি ইসলামী আইনের নমনীয়তা ও সামাজিক প্রয়োজনের প্রতিফলন।

১,৭৫৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় জীবনের সংজ্ঞা বর্ণিত আছে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৭ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৪৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৫ ধারার বিধান জীবন:- প্রসঙ্গে ভিন্নতর কিছু না বুঝালে 'জীবন' কথাটি কর্তৃক মানুষের জীবন বুঝাবে। 

⇒ Section 45: 'Life': The word "life" denotes the life of a human being, unless the contrary appears from the context.
১,৭৬০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আরোপিত অর্থদণ্ড আদায়ের ক্ষেত্রে কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে গণ্য করা যাবে
  2. শুধুমাত্র বিদ্যমান সম্পদ হতে আদায় করা যাবে
  3. সম্পদের উপর অন্যান্য দাবী অপেক্ষা উক্ত অর্থদণ্ড এর দাবী প্রাধান্য পাবে
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫- ভবিষ্যত সম্পত্তি হইতে অর্থদণ্ড আদায়:

এই আইনের ধারা ৪ হইতে ১৪ পর্যন্ত ধারাসমূহে উল্লিখিত অপরাধের জন্য ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আরোপিত অর্থদণ্ডকে, প্রয়োজনবোধে, ট্রাইব্যুনাল অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে গণ্য করিতে পারিবে এবং অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণের অর্থ দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ হইতে আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে আদায়যোগ্য হইবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে উক্ত সম্পদের উপর অন্যান্য দাবী অপেক্ষা উক্ত অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণের দাবী প্রাধান্য পাইবে।
১,৭৬১.
কোন মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে?
  1. অর্থ মামলায়
  2. বাটোয়ারা মামলায়
  3. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
  4. ফোর ক্লোজারের মামলায়
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ আদেশের ১ হতে ৪ বিধিতে রায়ের পূর্বে গ্রেপ্তারের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন।

- রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ কোন স্থাবর সম্পত্তি বা ভূমি সংক্রান্ত মোকদ্দমায়, যেমন- বাটোয়ারা, নিষেধাজ্ঞার মামলা, ফোর ক্লোজার বা বন্ধকী সম্পত্তির জামানত ফেরত পাওয়ার মামলায় মঞ্জুর করা যায় না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮নং আদেশের ১ থেকে ৪ বিধিতে রায় ঘোষণার পূর্বে বিবাদীকে কতিপয় ক্ষেত্রে গ্রেফতার এবং আদালতে হাজিরার জন্য কেন তাকে জামানত দিতে হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে।
- তবে বিবাদী যদি বাদীর দাবিযোগ্য অর্থ জামানত হিসেবে আদালতে জমা দেয় তবে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না।

- শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।

আদেশ-৩৮ বিধি-১: বিবাদীকে হাজিরার জন্য জামানত প্রদান-
বিবাদী আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানো বা তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রিজারি বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি-
ⅰ) আত্মগোপন বা আদালতের আঞ্চলিক সীমানা ত্যাগ করে বা এর উদ্যেগ গ্রহণ করে: অথবা
ii) তার সম্পত্তি বা এর অংশ হস্তান্তর করে বা আদালতের স্থানীয় সীমা থেকে অপসারন করে; অথবা
iii) বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করে; তাহলে এসব ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বেই আটক বা আদালতে হাজির হয়ে কেন জামানত দেয়া হবে না এই মর্মে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে পারেন। তবে পর্যাপ্ত জামানত দিতে চাইলে আদালত আটকের আদেশ দিবেন না।

 আদেশ-৩৮ বিধি-২: কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে জামানত:- ১ বিধি অনুযায়ী বিবাদী উপযুক্ত কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে, আদালত বিবাদীকে প্রয়োজনীয় অর্থ বা সম্পদ জামানত হিসাবে আদালতে জমা প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
১,৭৬২.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুযায়ী কোথায় আপিল আদালতের রায় ঘোষণার বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৪১, বিধি ২৭
  2. আদেশ ৪১, বিধি ৩০
  3. আদেশ ৪১, বিধি ৩২
  4. আদেশ ৪১, বিধি ৩১
ব্যাখ্যা
⇒ আপিলে রায়:
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩০ এর বিধান রায় কখন এবং কোথায় ঘোষিত হয়:
আপিল আদালত পক্ষগণ বা তাদের উকিলদের শুনানির পর এবং আপিলের বা যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে সে আদালতের কার্যধারার কোন অংশ রেফারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হলে সেটা উল্লেখ করে তৎক্ষণাৎ বা পরবর্তী তারিখ সম্পর্কে যার নোটিশে পক্ষগণকে বা উকিলগণকে প্রদান করতে হবে, প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষিত হবে।
-------------
⇒ Judgment in appeal:
Order 41 Rule.-30: Judgment. When and where pronounced.- The Appellate Court after hearing the parties or their pleaders and referring to any part of the proceedings, whether on appeal or in the Court from whose decree the appeal is preferred, to which reference may be considered necessary, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day of which notice shall be given to the parties or their pleaders.
১,৭৬৩.
সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ কত বছর?
  1. উক্ত কমিশনারের বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত
  2. কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে ৫ বছর পর্যন্ত
  3. উক্ত কমিশনারের বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত
  4. ক বা খ এর মধ্যে যেটা আগে হবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা

(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
১,৭৬৪.
বলপূর্বক গ্রহণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৩৮৪ ধারা অনুযায়ী বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের শান্তি (Punishment for extortion) হলো অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,৭৬৫.
যদি কেউ অন্য কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রমে বাধ্য করে, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৪ অনুযায়ী, "যদি কোন ব্যক্তি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রমে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।"
অতএব, সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারার বিধান বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:-
(১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 374. Unlawful compulsory labour.
(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year.
Explanation. In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949.
১,৭৬৬.
কোনো দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে বলা না থাকলে কোন অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে?
  1. ১৮১
  2. ১৮২
  3. ১৭৩
  4. ১৮৩
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ বিধান: তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অন্য কোথাও বা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে কোন বিধান নাই সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে ৩ বছর।
১,৭৬৭.
পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডটি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে যদি-
  1. রেকর্ডটি সম্প্রতি সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে
  2. এটি অভিযুক্তের কাছ থেকে সংগৃহীত হয়
  3. এটি কোনো সরকারি নথি হিসাবে বিবেচিত হয়
  4. এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯০ক: পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান:
যেখানে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড, পাঁচ বছরের পুরানো বলে প্রমাণিত এবং যে হেফাজত থেকে দাখিল করা হয় তা বিশেষ ক্ষেত্রে আদালত যথাযথ বিবেচনা করে, আদালত অনুমান করতে পারে যে, ডিজিটাল স্বাক্ষর কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর হতে পারে যা এই জন্য তার দ্বারা বা তার দ্বারা অনুমোদিত যে কোন ব্যক্তি দ্বারা সংযুক্ত।

ব্যাখ্যা- ডিজিটাল রেকর্ডগুলিকে যথাযথ হেফাজতে আছে বলা হয় যদি সেগুলি সেই জায়গায় থাকে সেখানে, এবং যার তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিকভাবেই থাকে; কিন্তু কোন হেফাজত অনুপযুক্ত নয় যদি এটি প্রমাণিত হয় যে এটির একটি বৈধ উৎস ছিল, বা বিশেষ মামলার পরিস্থিতি এমন হয় যে এই জাতীয় উৎসকে সম্ভাব্য গণ্য করা যায়।

অর্থাৎ,
⇒ পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন।
⇒ ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে।
⇒ ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
১,৭৬৮.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি নয় কে?
  1. বোবা 
  2. অল্প বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক 
  3. বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম 
  4. বার্ধ্যকের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।
অর্থাৎ, জিজ্ঞাসাকৃত প্রশ্ন বুঝতে বা তার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হলে, কোনো ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হবে না।
ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।
--------------------------------------
The Evidence Act 1872, Section118, Who may testify: 
All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind.
Explanation.-A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.

১,৭৬৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারা অনুযায়ী, আপিল বিভাগের নিকট আপিল করার জন্য দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সর্বনিম্ন মূল্য কত টাকা হতে হবে?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ১৫,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ২৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারা অনুযায়ী,ধারা ১০৯ এর (ক) ও (খ) দফার অধীনে আপিল বিভাগের নিকট আপিল করতে হলে:
- প্রথম আদালতে (Court of First Instance) মামলার বিষয়বস্তুর মূল্য কমপক্ষে ২০,০০০ টাকা হতে হবে;
- এবং আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য ২০,০০০ টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে;
- অথবা আপিলযোগ্য রায়, ডিক্রি বা আদেশের সাথে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে ২০,০০০ টাকার দাবি বা সম্পত্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন জড়িত থাকতে হবে।
যদি আপিলযোগ্য আদেশ নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে, তাহলে আপিলে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্ন (substantial question of law) থাকতে হবে।

অর্থাৎ আপিল বিভাগের নিকট দেওয়ানী আপিল করার জন্য ২০,০০০ টাকা বা তদূর্ধ্ব মূল্য সংবলিত বিষয়বস্তু থাকা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: গ) ২০,০০০ টাকা। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারার বিধান: বিষয়বস্তুর মূল্য:
- ১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে;
অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে;
এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে। 
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-110. Value of subject-matter:
 In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards, 
or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value, 
and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substantial question of law.
১,৭৭০.
আইন, গ্রেফতার, বিচার ও দণ্ড সম্পর্কিত মৌলিক অধিকার উল্লেখ আছে-
  1. অনুচ্ছেদ ৩৩
  2. অনুচ্ছেদ ৩১
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫
  4. ক, খ এবং গ
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার [Fundamental Rights]:

মৌলিক অধিকার হলো বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে স্বীকৃত এবং সুরক্ষিত অধিকারসমূহ এবং যে সকল অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে যেমন হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিকার পাওয়া যায়। সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৬ থেকে ৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ২৭ থেকে ৪৪ পর্যন্ত মোট ১৮টি অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করার অধিকার ৪৪ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে এবং এই কারণে ৪৪ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত মৌলিক অধিকার বলবৎ সংক্রান্ত বিধানটিও মৌলিক অধিকার হিসাবে গণ্য হবে। উল্লেখিত মৌলিক অধিকারসমূহ হলো-

আইন, গ্রেফতার, বিচার ও দণ্ড সম্পর্কিত মৌলিক অধিকার: 

অনুচ্ছেদ ৩১- আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার [Right to protection of law]
অনুচ্ছেদ ৩২- জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ [Protection of right to life and personal liberty]
অনুচ্ছেদ ৩৩- গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ [Safeguards as to arrest and detention] 
অনুচ্ছেদ ৩৫- বিচার ও দন্ড সম্পর্কিত রক্ষণ [Protection in respect of trial and punishment]
১,৭৭১.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৮৯ক ধারার বিধান অনুযায়ী, মধ্যস্থতা কার্যক্রম কত দিনের মধ্যে শেষ করতে হয়?
  1. ৩০ দিন, সর্বোচ্চ ৬০ দিন
  2. ৬০ দিন, সর্বোচ্চ ৯০ দিন
  3. ৭৫ দিন, সর্বোচ্চ ১০০ দিন
  4. ৯০ দিন, সর্বোচ্চ ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮৯(ক) অনুসারে মধ্যস্থতা (Mediation) সংক্রান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে স্পষ্টভাবে।
- মূল সময়সীমা: মধ্যস্থতা কার্যক্রম শুরুর দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।
- বর্ধিত সময়সীমা: যদি উপযুক্ত কারণ থাকে, তাহলে আদালতের অনুমতিক্রমে সময়সীমা আরও ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
- মধ্যস্থতা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ৬০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে এবং প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে তা শেষ করা বাধ্যতামূলক।
- সঠিক উত্তর: খ) ৬০ দিন, সর্বোচ্চ ৯০ দিন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section: 89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
১,৭৭২.
দন্ডবিধি (Penal Code) প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ১৮৯৮
  2. ১৮৬০
  3. ১৮৭০
  4. ১৮৮০
ব্যাখ্যা
♦ প্রথম আইন কমিশন গঠিত হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন লর্ড থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে। ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয় যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ‘Indian Penal Code’ নামে কার্যকর হয়।
♦ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনটি বাংলাদেশে ফৌজদারী অপরাধ সংক্রান্তীয় দণ্ড দান করার জন্য প্রধান আইন।
১,৭৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন বা পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে?
  1. ধারা ৩৮০
  2. ধারা ৩৭৬
  3. ধারা ৩৭৫
  4. ধারা ৩৭৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৬ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ দায়রা আদালতের প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন, বাতিল, পরিবর্তন, কিংবা আসামিকে খালাস দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। তবে এই অনুমোদন আপিলের সময়সীমা পার না হওয়া পর্যন্ত বা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দেওয়া যাবে না।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ:
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন, অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামিকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নূতন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামিকে খালাস দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আপিলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপিল পেশ করা হলে উহ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-376: Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
- In any case submitted under section 374, the High Court Division-
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or
(c) may acquit the accused person:
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
১,৭৭৪.
মৃত্যুদন্ডে দন্ডনীয় কোন অপরাধের তদন্ত যদি ১২০ দিনের মধ্যে সমাপ্ত না হয়, তবে আসামী
  1. অব্যাহতি পেতে পারে
  2. শাস্তি ভোগ করতে পারে
  3. দন্ডিত হতে পারে
  4. জামিনে মুক্ত হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধানঃ
(১) যখন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং ইহা প্রতীয়মান হয় যে, ৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করা যাবে না এবং এরূপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে, অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢ় ভিত্তিক, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা তিনি যদি সাব-ইনসপেকটর পদের নিম্ন পর্যায়ের না হন তাহলে সঙ্গে সঙ্গে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরীতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত নকল নিকটবতী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, এবং একই সময়ে আসামীকে উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারার অধীন আসামীকে যে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করা হয়, সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার এখতিয়ার থাকুক বা না থাকুক, তিনি উপযুক্ত মনে করলে আসামীকে হেফাজতে আটক রাখার জন্য সময়ে সময়ে ক্ষমতা প্রদান করবেন, তবে এরূপ আইনের মেয়াদ সর্বসাকুল্যে পনেরো দিনের অধিক হবে না। তার যদি মামলাটি বিচার করার বা বিচারের জন্য পাঠাবার এখতিয়ার না থাকে এবং তিনি যদি আরও আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন তাহলে তিনি আসামীকে এরূপ এখতিয়ারবান ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন, তবে শর্ত এই যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত নহেন এরূপ কোন দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট আসামীকে পুলিশ হেফাজতে আটক রাখার আদেশ দিবেন না।

(৩) এই ধারার অধীন আসামীকে পুলিশহেফাজতে আটক রাখার ক্ষমতাদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট তার এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এরূপ আদেশ দিলে তিনি আদেশ দিবার কারণসহ আদেশের একটি নকল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, তিনি যার অব্যবহিত অধস্তন।

(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,

ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং
খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিকা মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,

তবে শর্ত এই যে, আসামীকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেনঃ

আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।

ব্যাখ্যাঃ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের বিবেচনার জন্য প্রয়োজনীয় দলিলপত্রসহ মামলাটি যে দিন তার নিকট পেশ করা হবে, অনুমোদন গ্রহণের সময় সেই দিন হতে গণণনা শুরু হবে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের আদেশ পাবার তারিখে উহা সমাপ্ত বলে গণ্য হবে।
১,৭৭৫.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুযায়ী আক্রমণের জন্য কোনটি অপরিহার্য?
  1. সম্পত্তি ধ্বংস
  2. শুধুমাত্র মুখের কথা
  3. শারীরিক বল প্রয়োগ
  4. অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি দ্বারা ভয় সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
উত্তর: অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি দ্বারা ভয় সৃষ্টি। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।
(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।
(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 351. Assault:
- Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.

Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z.
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
১,৭৭৬.
পেনাল কোডের অধীনে কোনটি অনুমোদিত সাজা নয়?
  1. কারাদন্ড
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ
  3. বেত্রাঘাত
  4. জরিমানা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
♦ অর্থাৎ পেনাল কোডের অধীনে অনুমোদিত সাজা পাঁচটি। যথা:

      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

♦ দণ্ডবিধির ৫৩ ধারা অনুযায়ী বেত্রাঘাত  অনুমোদিত সাজা নয়।
১,৭৭৭.
লিখিত জবাব দাখিলের পর পারিবারিক আদালত বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে তারিখ নির্ধারণ করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১১: বিচার-পূর্ব কার্যক্রম:
(১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।

(২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে।

(৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।

(৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
১,৭৭৮.
দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা অনুসারে অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে কারও মৃত্যু ঘটালে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়, তাকে শাস্তি দেওয়া হয়। এই ধারার শাস্তির সর্বোচ্চ মেয়াদ হলো ৫ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই।
- তবে, এটি নরহত্যা বা শক্তিশালী শাস্তির অপরাধের মধ্যে পড়ে না, কারণ এটি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে ঘটে, যা কৃতকর্মের পরিণতির ওপর নির্ভর করে।
এই ধারায়, মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য থাকা না থাকলেও যদি কোনো ব্যক্তির অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের ফলে মৃত্যু ঘটে, তবে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
তাহলে, সঠিক উত্তর হল: ক) ৫ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 304A. Causing death by negligence
Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১,৭৭৯.
সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রমের সঠিক ধাপ কোনটি?
  1. Cross-examination → Examination-in-chief → Re-examination
  2. Examination-in-chief → Re-examination → Cross-examination
  3. Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
  4. Re-examination → Cross-examination → Examination-in-chief
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ. Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়। জবানবন্দি গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে, তবে জেরা কেবল মূল সাক্ষ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।

১,৭৮০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় কোন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. দলিল বাতিল
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ
  4. সম্পত্তি পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary, Reference to Code of Civil Procedure:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
১,৭৮১.
নিম্নলিখিত কোন কাজটি করলে দণ্ডবিধির ২২৮ ধারার অধীনে শাস্তি হতে পারে?
  1. বিচারকের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা
  2. আদালতে বিচারককে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা-বিচার কার্যক্রমের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়ার শাস্তি:
কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 228- Intentional insult or interruption to public servant sitting in judicial proceeding:
Whoever intentionally offers any insult, or causes any interruption to any public servant, while such public servant is sitting in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১,৭৮২.
আপিল শুনানির জন্য কোন পক্ষের অনুরোধে (খরচ ছাড়া) সর্বোচ্চ কতবার মুলতবি আদেশ দেওয়া যাবে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. ৬ বার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৪১, বিধি ১২ক: আপিলে মুলতবি (Adjournment in Appeal):
(১) আপিল শুনানির জন্য কোনো পক্ষের অনুরোধে তিনবারের বেশি মুলতবি (adjournment) আদালত দিতে পারবে না। তিনবারের বেশি মুলতবি চাইলে, যে পক্ষ তা চাইবে, তাকে অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, যা কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে — আদালত যা উপযুক্ত মনে করবে।
- যদি আপিলকারী (Appellant) টাকা না দেয়, তাহলে আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- যদি প্রতিবাদী (Respondent) টাকা না দেয়, তাহলে একতরফা শুনানিতে আপিল নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী যেকোনো আপিল যদি খারিজ হয় বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তাহলে যার কারণে তা হয়েছে, সে পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করলে শুনানির জন্য আপিল পুনরুজ্জীবিত (revive) করা যাবে।
- এই আবেদনের সাথে আদালত কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ ধার্য করবে।
- খরচ আদালতে জমা দিলে, কোনো অতিরিক্ত প্রক্রিয়া ছাড়াই আপিল পুনরায় শুনানির জন্য গ্রহণ করা হবে।
- আদালত জমাকৃত অর্থ অপর পক্ষকে পরিশোধ করবে।
- একই পক্ষ একবারের বেশি এই নিয়মে আপিল পুনরুজ্জীবন করাতে পারবে না।

(৩) আপিল শুনানির সময় আদালত নিজে থেকে মুলতবি আদেশ দিতে পারবে না, যদি না আদালত উপযুক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে।
১,৭৮৩.
ধারা ৫২ অনুসারে, 'সদবিশ্বাসে' কাজ করার মূল শর্ত কী?
  1. পেশাদারিত্ব
  2. আইনি পরামর্শ
  3. সতর্কতা ও মনোযোগ
  4. যে কোনো তৎপরতা ও পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
Section 52- “Good faith”
Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে-
যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
১,৭৮৪.
যদি একই ভূমি নিয়ে নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত উভয় দলিল থাকে, তাহলে উক্ত অনিবন্ধিত দলিলটির চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ এর জন্য মামলা করতে হবে-
  1. জমির মালিকের বিরুদ্ধে
  2. জমির অংশীদারদের বিরুদ্ধে
  3. রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে
  4. পরবর্তীতে নিবন্ধিত দলিলের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারার বিধান ভূমি সম্পর্কিত কতিপয় নিবন্ধিত দলিল অ-নিবন্ধিত দলিলের বিপরীতে কার্যকর হইবে:-(১) এই আইনের ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) এ উল্লিখিত প্রত্যেক প্রকারের দলিল এবং ধারা ১৮ এর অধীন নিবন্ধনযোগ্য প্রত্যেক দলিল, যে পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত করে বা স্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে কোন লেনদেন সংক্রান্ত কোনরূপ পণ গ্রহণ বা প্রদানের প্রাপ্তিস্বীকার করে, যদি যথাযথভাবে নিবন্ধিত হয় তাহা হইলে, আদালতের ডিক্রি বা আদেশ ব্যতীত, সেই একই পরিমাণ সম্পত্তি সংক্রান্ত অ-নিবন্ধিত দলিলের প্রতিকূলে কার্যকর হইবে, উক্ত অ-নিবন্ধিত দলিল নিবন্ধিত দলিলের মত একই প্রকৃতির হউক বা না হউক:

তবে শর্ত থাকে যে, পূর্বের তারিখের অনিবন্ধিত দলিলের অধীন যে ব্যক্তি সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তিনি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ (১৮৮২ সনের ৪নং আইন) এর ধারা ৫৩ক এর অধীন সকল প্রকার অধিকারপ্রাপ্ত হইবেন, যদি উক্ত ধারার সকল শর্ত পূরণ করা হয়:

আরও শর্ত থাকে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (১৮৭৭ সনের ১নং আইন) এর ধারা ২৭ এর দফা (খ) এর বিধান সাপেক্ষে, যে ব্যক্তির অনুকূলে অনিবন্ধিত দলিল সম্পাদিত হইয়াছে, তিনি উক্ত অনিবন্ধিত দলিলের চুক্তি, পরবর্তীতে নিবন্ধিত দলিলের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে বলবৎ করিবার জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা দায়ের করিবার অধিকারী হইবেন।

(২) এই ধারার উপ-ধারা (১) এর কোন কিছুই ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশের অধীন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ইজারার ক্ষেত্রে বা একই ধারার উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ফোম দলিলের ক্ষেত্রে, বা এই আইন প্রবর্তনকালে বলবৎ আইনের অধীন প্রাধান্য ছিল না এইরূপ ফোন মিবর্ধিত দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
--------------
Section 50. Certain registered documents relating to land to take effect against unregistered documents:
(1) Every document of the kinds mentioned in clauses (a), (b), (c) and (d) of section 17, sub-section (1), and every document registrable under section 18, in so far as such document affects immoveable property or acknowledges the receipt or payment of any consideration in respect of any transaction relating to immoveable property, shall, if duly registered, take effect as regards the property comprised therein, against every unregistered document relating to the same property, and not being a decree or order, whether such unregistered document be of the same nature as the registered document or not: 
 
Provided that the person in possession of the property under an unregistered document prior in date, would be entitled to the rights under section 53A of the Transfer of Property Act, 1882 if the conditions of that section are fulfilled: 
 
Provided further that the person in whose favour an unregistered document is executed shall be entitled to enforce the contract under the unregistered document in suit for specific performance against a person claiming under a subsequent registered document, subject to the provisions of clause (b) of section 27 of the Specific Relief Act, 1877. 
 
(2) Nothing in sub-section (1) applies to leases exempted under the proviso to sub-section (1) of section 17 or to any document mentioned in sub-section (2) of the same section, or to any registered document which had not priority under the law in force at the commencement of this Act.
১,৭৮৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় 'আইনানুগ প্রতিনিধি (Legal Representative)' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(৯)
  2. ধারা ২(১১)
  3. ধারা ২(৮)
  4. ধারা ২(১৩)
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১১) এ আইনানুগ প্রতিনিধি (Legal Representative) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

• ধারা ২(১১) অনুসারে আইনানুগ প্রতিনিধি হলো সেই ব্যক্তি-
⇒ যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করে;
⇒ যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করে; এবং
⇒ যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি হিসেবে মোকদ্দমা করতে পারে বা যার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায়।

Section 2(11)-
"legal representative" means a person who in law represents the estate of a deceased person, and includes any person who intermeddles with the estate of the deceased and where a party sues or is sued in a representative character the person on whom the estate devolves on the death of the party so suing or sued.
১,৭৮৬.
'ক' ও 'খ' এর মধ্যে ০১/০১/২০১০ তারিখে একটি লিখিত চুক্তি সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হয়েছে, যার শর্ত ছিল ০১/০৩/২০১০ তারিখের মধ্যে 'খ' কর্তৃক 'ক' কে ১ লক্ষ টাকা প্রদানের। কিন্তু 'খ' উক্ত চুক্তি ভঙ্গ করে এবং টাকাও প্রদান করেনি। 'ক' কে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য চুক্তিভঙ্গের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. ২ বছরের মধ্যে
  2. ৩ বছরের মধ্যে
  3. ৬ বছরের মধ্যে
  4. ১২ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬ এর বিধান:
লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা ৬ বছর বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

এক্ষেত্রে, 'ক' ও 'খ' এর মধ্যে ০১/০১/২০১০ তারিখে একটি লিখিত চুক্তি সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হয়েছে যার শর্ত ছিল ০১/০৩/২০১০ তারিখের মধ্যে 'খ' কর্তৃক 'ক' কে ১ লক্ষ টাকা প্রদানের। কিন্তু 'খ' উক্ত চুক্তি ভঙ্গ করে এবং টাকাও প্রদান করেনি। এখন ১১৬ ধারা অনুসারে, 'ক' এর উক্ত টাকা আদায়ের জন্য বা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য চুক্তিভঙ্গের তারিখ থেকে ৬ বছরের মধ্যে অর্থাৎ ০১/০৩/২০১৬ তারিখের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। অন্যথায় মোকদ্দমা তামাদি আইনের ১১৬ ধারায় বাধাগ্রস্ত হবে এবং খারিজ হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, চুক্তি অনিবন্ধিত হলে ১১৫ ধারা প্রযোজ্য হবে এবং সময়সীমা হবে ৩ বছর।
১,৭৮৭.
'ক’ ও ‘খ’ আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে পরস্পরের সাথে তরবারি খেলা খেলতে সম্মত হয়। খেলার এক পর্যায়ে অজান্তে 'ক' কর্তৃক 'খ' মারাত্মক আহত হয়। এখানে 'ক' কোন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে?
  1. অসাধুতার দায়ে
  2. অবহেলামূলকভাবে আঘাত করার দায়ে
  3. গুরুতর জখমের দায়ে
  4. কোনো অপরাধ বলে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা:
যদি কোনো কাজ মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের উদ্দেশ্যে করা না হয় এবং কর্তার জানা না থাকে যে এটি মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের কারণ হতে পারে, তাহলে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি সেই ক্ষতি বা আঘাত গ্রহণ করতে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের ব্যক্তি সম্মতি দিয়ে থাকে (স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে)। এছাড়াও, যদি সেই ব্যক্তি সম্ভাব্য ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের জন্য সম্মতি দেয়, তাতেও এটি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে না।

উদাহরণ:
A এবং Z নিজেদের বিনোদনের জন্য পরস্পরের সঙ্গে ফেন্সিং (তলোয়ার খেলা) করতে সম্মত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে প্রত্যেকে সম্মতি দেয় যে, খেলায় নির্দোষভাবে যদি কোনো আঘাত লাগে, তাহলে তারা তা মেনে নেবে। ফলে, যদি A ন্যায্য খেলার মধ্যে Z-কে আঘাত করে, তাহলে A কোনো অপরাধ করবে না।
১,৭৮৮.
দণ্ডবিধির ৪০০ ধারায় কোন অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. অস্ত্রসহ চুরি
  2. খুনসহ ডাকাতি
  3. ডাকাত দলভুক্ত হওয়া
  4. ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ডাকাত দলভুক্ত হওয়া। 
⇒ দণ্ডবিধির ৪০০ ধারা অনুযায়ী যদি কেউ এমন একটি দলে অন্তর্ভুক্ত থাকে যেটি অভ্যাসগতভাবে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ, তবে তাকে দণ্ডিত করা হবে।
- এখানে অপরাধ হলো – ডাকাতির উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘবদ্ধ দলে সদস্য হওয়া, অর্থাৎ ডাকাত দলভুক্ত হওয়া, যদিও সে নিজে ডাকাতি না-ও করে থাকে।
- এই অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০০ ধারার বিধান ডাকাত দলভুক্ত হইবার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাসের পরবর্তী যে কোন সময়ে কোন ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে যারা পরস্পর সংঘবদ্ধ আছে, এইরূপ কোন দলে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 400. Punishment for belonging to gang of dacoits:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall belong to a gang of persons associated for the purpose of habitually committing dacoity, shall be punished with 134[imprisonment] for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৭৮৯.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ২ অনুসারে সালিশি পরিষদ কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ২ অনুযায়ী সালিশি পরিষদ ৩ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন:
১. চেয়ারম্যান: সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান/মেয়র।
২. পক্ষগণের প্রতিনিধি: বিবাদী ও বাদী পক্ষের মনোনীত ১ জন করে মোট ২ জন প্রতিনিধি।

⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ২-এ "Arbitration Council" বা সালিশি পরিষদের সংজ্ঞা ও গঠন পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে সালিশি পরিষদ তিনজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে:-
- একজন চেয়ারম্যান (যিনি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান/মেয়র হবেন)।
- প্রত্যেক পক্ষের ১ জন করে প্রতিনিধি, অর্থাৎ দুই পক্ষের সম্মতিতে ২ জন প্রতিনিধি থাকবেন।

তাছাড়া, ধারা ২-এ আরও বলা হয়েছে:
- যদি কোনো পক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিনিধি মনোনীত করতে ব্যর্থ হয়, তবে সে পক্ষের প্রতিনিধি ছাড়া সালিশি পরিষদ গঠিত হবে।
- যদি চেয়ারম্যান অমুসলিম হন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে সালিশি পরিষদের একজন মুসলিম সদস্যকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হবে।

১,৭৯০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের রিপোর্টে কোনটি থাকা উচিত নয়?
  1. পরীক্ষার তারিখ
  2. বিশেষজ্ঞের স্বাক্ষর
  3. ব্যবহৃত প্রযুক্তির বিবরণ
  4. বিশেষজ্ঞের ব্যক্তিগত মত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) বিশেষজ্ঞের ব্যক্তিগত মত।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, একজন ফরেনসিক বা শারীরিক বিশেষজ্ঞের কাজ হলো আদালতকে সহায়তা করা নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক তথ্য দিয়ে। তাই তার রিপোর্টে থাকা উচিত: কোন পরীক্ষাগুলো করা হয়েছে (ব্যবহৃত প্রযুক্তির বিবরণ), সেগুলোর ফলাফল, পরীক্ষার তারিখ ও সময়, নিজস্ব স্বাক্ষর।

কিন্তু ব্যক্তিগত মতামত বা পক্ষপাতদুষ্ট মত রাখা সম্পূর্ণ অনুচিত, কারণ এটি রিপোর্টের নিরপেক্ষতা নষ্ট করে। বিশেষজ্ঞ কেবল তথ্য-ভিত্তিক ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ দিতে পারেন, পক্ষপাতহীনভাবে।


⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.

১,৭৯১.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এ অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে ধৃত না হলে, অভিযোগ/রিপোর্ট অপরাধ সংঘটনের কত কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে?
  1. ৩ কার্যদিবস
  2. ৫ কার্যদিবস
  3. ৭ কার্যদিবস
  4. ১০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৭ কার্যদিবস।

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:

(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।

১,৭৯২.
যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৩, ৫০১ বা ৫০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২১ ধারার অধীনে আদালত আদেশ দিতে পারে যে উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সকল অনুলিপি-
  1. ধ্বংস করা হবে
  2. আদালতে জমা দিতে হবে
  3. অভিযুক্ত পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে
  4. আদালতে সংরক্ষণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২১- মানহানিকর ও অন্যান্য বস্তু ধ্বংস করার আদেশ:
(১) যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৩, ৫০১ বা ৫০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত আদেশ দিতে পারে যে, উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সকল অনুলিপি (যা আদালতের হেফাজতে রয়েছে বা দোষী ব্যক্তির দখলে রয়েছে) ধ্বংস করা হবে।

(২) একইভাবে, যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৭২, ২৭৩, ২৭৪ বা ২৭৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত খাদ্য, পানীয়, ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী ধ্বংস করার নির্দেশ দিতে পারে।
১,৭৯৩.
আদেশ ৪১-এর বিধি ১৯ক অনুযায়ী, পুনঃগ্রহণ এর নোটিশ জারির খরচ কে বহন করবে?
  1. আদালত
  2. বিবাদী
  3. আপিলকারী
  4. উভয় পক্ষ
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮: আদেশ ৪১, বিধি ১৯ক: আপিলের সরাসরি পুনঃগ্রহণ:
(১) বিধি ১৯ বা অন্য কোনো আইনে যা কিছু থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়াতে এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করতে, বিধি ১৯-এর অধীনে প্রয়োজনীয় যথেষ্ট কারণ প্রমাণের জন্য আপিলকারীকে প্রমাণ পেশ করতে না দিয়ে সরাসরি আপিল পুনঃগ্রহণ করাতে পারে:

তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীনে আপিল পুনঃগ্রহণ করানো হবে না যদি না আপিল ডিফল্টে খারিজ হওয়ার তারিখ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে আদালতে পুনঃগ্রহণ এর জন্য শপথপত্রসহ একটি আবেদন দাখিল করা হয়:
আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীনে কোনো আপিল একবারের বেশি পুনঃগ্রহণ করানো যাবে না।

(২) উপ-বিধি (১)-এর অধীনে আপিল পুনঃগ্রহণ এরআদেশ দেওয়া হলে, আদালত আপিলকারীর খরচে আপিলে উপস্থিত থাকা বিবাদীর উপর এই আদেশের নোটিশ জারি করবে।

১,৭৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান কোন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. দেওয়ানি আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  2. বেআইনীভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের
  3. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  4. সরকারী হেফাজতে অযৌক্তিকভাবে আটক ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট পিটিশন দায়ের করা যায়। হাজির রিটের ক্ষেত্রে আদালত বেআইনীভাবে আটককৃত কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে তার নিজের সন্তুষ্টির জন্য যে উক্ত ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। 

ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-

(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-

(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 

(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
১,৭৯৫.
দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হলে এর খোরপোষ কে দিবে?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  2. সরকার
  3. মোকদ্দমার বাদী
  4. দায়িক নিজেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩৯ এর বিধান জীবন নির্বাহ দাতা (Subsistence-allowance): দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হলে তার খোরপোষ বাদীকে দিতে হবে।

⇒ আদেশ ২১ বিধি-৩৯ জীবন নির্বাহ ভাতা:
১) কোন দায়িককেই ডিক্রি জারিতে গ্রেফতার করা যাবে না, যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ডিক্রিদার দায়িককে গ্রেফতার করার তারিখ হতে তাকে আদালতে হাজিরের তারিখ পর্যন্ত তার খোরাকীর জন্য বিচারক কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণ টাকা ডিক্রিদার আদালতে জমা দেয়।
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে কোন দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার খোরাকীর জন্য ৫৭ ধারার অধীনে নির্ধারিত হার অনুসারে যেরকম অধিকারী সেরকম মাসিক ভাতা নির্ধারণ করবে কিংবা যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোন হার নির্ধারিত না হয়, সেক্ষেত্রে তার শ্রেণীর সূত্রে আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করে করে।
৩) যে পক্ষের আবেদনক্রমে দায়িককে গ্রেফতার করা হয়, আদালত কর্তৃক নির্ধারিত মাসিক ভাতা সে পক্ষ মাসিক পরিশোধের দ্বারা প্রতি মাসের প্রথম দিনের পূর্বে অগ্রিম সরবরাহ করবে।
৪) দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোর্পদ করার পূর্বে চলতি মাসের অবশিষ্ট অসমাপ্ত অংশের জন্য আদালতের সঠিক কর্মকর্তার নিকট প্রথম প্রদেয় টাকা প্রদান করতে হবে এবং তৎপরবর্তীকালে দেয় (যদি কোন) টাকা দেওয়ানি জেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রদান করা হবে।
৫) দেওয়ানি জেলে আটক দায়িকের খোরাকী বাবদ ডিক্রিদারের খরচ মোকদ্দমার খরচ হিসাবে বিবেচিত হবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ঐ অর্থ ব্যয়ের নিমিত্তে দায়িককে গ্রেফতার বা দেওয়ানি জেলে আটক করা যাবে না।
---------------
Order-21 Rule-39. Subsistence allowance:
(1) No judgment-debtor shall be arrested in execution of a decree unless and until the decree-holder pays into Court such sum as the Judge thinks sufficient for the subsistence of the judgment-debtor from the time of his arrest until he can be brought before the Court.  (2) Where a judgment-debtor is committed to the civil prison in execution of a decree, the Court shall fix for his subsistence such monthly allowance as he may be entitled to according to the scales fixed under section 57, or, where no such scales have been fixed, as it considers sufficient with reference to the class to which he belongs.  (3) The monthly allowance fixed by the Court shall be supplied by the party on whose application the judgmentdebtor has been arrested by monthly payments in advance before the first day of each month. .  (4) The first payment shall be made to the proper officer of the Court for such portion of the current month as remains unexpired before the judgment-debtor is committed to the civil prison, and the subsequent payments (if any) shall be made to the officer in charge of the civil prison.  (5) Sums disbursed by the decree-holder for the subsistence of the judgment-debtor in the civil prison shall be deemed to be costs in the suit:  Provided that the judgment-debtor shall not be detained in the civil prison or arrested on account of any sum so disbursed.
১,৭৯৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীন কার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না?
  1. সরকারের
  2. সরকারি কর্মচারীর
  3. সম্পত্তির সহ-দখলদারের
  4. উল্লিখিত সবার
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ৯ ধারা- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

Section 9- Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
১,৭৯৭.
সাক্ষ্য আইনের ১৩ ধারার শিরোনাম হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. Facts relevant when right or custom is in question
  2. Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue
  3. Motive, preparation and previous or subsequent conduct
  4. Things said or done by conspirator in reference to common design
ব্যাখ্যা
Section 13- Facts relevant when right or custom is in question:
Where the question is as to the existence of any right of custom, the following facts are relevant:–
(a) any transaction by which the right or custom in question was created, claimed, modified, recognized, asserted or denied, or which was inconsistent with its existence;
(b) particular instances in which the right or custom was claimed, recognized or exercised, or in which its exercise was disputed, asserted or departed from.

Illustration-
The question is whether A has a right to a fishery. A deed conferring the fishery on A's ancestors, a mortgage of the fishery by A's father, a subsequent grant of the fishery by A's father, irreconcilable with the mortgage, particular instances in which A's father exercised the right, or in which the exercise of the right was stopped by A's neighbours, are relevant facts.

সাক্ষ্য আইন (ধারা ১৩): অধিকার বা প্রথা সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যখন কোনো অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তখন নিম্নলিখিত তথ্যসমূহ প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে—
(ক) যে কোনো লেনদেন যার মাধ্যমে উক্ত অধিকার বা প্রথা সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তিত, স্বীকৃত, প্রতিষ্ঠিত বা অস্বীকৃত হয়েছে, অথবা যা এর অস্তিত্বের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
(খ) নির্দিষ্ট ঘটনা যেখানে উক্ত অধিকার বা প্রথা দাবি, স্বীকৃত বা প্রয়োগ করা হয়েছিল, অথবা যেখানে এর প্রয়োগ বিতর্কিত, প্রতিষ্ঠিত বা পরিত্যাগ করা হয়েছিল।
১,৭৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪(ক) ধারা অনুযায়ী আবেদন ব্যতীত যদি দেওয়ানি মামলা স্থানান্তরিত হয়, তাহলে পক্ষগণকে কী করতে হবে?
  1. মামলা প্রত্যাহার করতে হবে
  2. নতুন মামলা দায়ের করতে হবে
  3. হাজির না হলেও চলবে
  4. স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে হাজির হতে হবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪(ক)-
১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে, বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred.

(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.
১,৭৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে, মধ্যবর্তী মুনাফা কোন ধরনের দখলের সাথে সম্পর্কিত?
  1. অস্থায়ী দখল
  2. বেআইনী দখল
  3. আইনসম্মত দখল
  4. সকল ধরনের দখল
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে, "মধ্যবর্তী মুনাফা" (Mesne Profits) বলতে বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তি থেকে যে লাভ (স্বাভাবিক নিয়মে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তায়) তৈরি হয় বা হতে পারতো, তা বোঝায়। এখানে স্পষ্টভাবে "wrongful possession" (বেআইনী দখল) উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই সংজ্ঞার মূল ভিত্তি।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা 2(12)-এ "Mesne Profits" বা মধ্যবর্তী মুনাফা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এটি সেই মুনাফাকে বোঝায় যা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সম্পত্তি থেকে প্রকৃতপক্ষে অর্জন করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অর্জন করতে পারতো, তবে বেআইনীভাবে দখলদারের উন্নয়নের ফলে হওয়া মুনাফা এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ ধারা ২(১২) অনুসারে, বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম- বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.

১,৮০০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার অধীনে আদালত কখন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে?
  1. যদি বাদী জালিয়াতির শিকার হয়
  2. যদি বাদী চুক্তির মাধ্যমে অন্যায় সুবিধা পায়
  3. যদি উভয় পক্ষ ক্ষতিপূরণে সম্মত হয়
  4. যদি বিবাদী ক্ষতিপূরণ দিতে সক্ষম না হয়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানে এখতিয়ার হচ্ছে বিবেচনামূলক এবং কেবলমাত্র তা করা আইনসম্মত, এ কারণেই আদালত এমন প্রতিকার মঞ্জুর করতে বাধ্য না। আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন হবেনা বরং নিখুত এবং যুক্তিযুক্ত, বিচার বিভাগীয় নীতি দ্বারা নিযন্ত্রিত এবং আপীল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে হবে। ২২ ধারায় ২টি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। ১টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি দিতে যথাযথভাবে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
i. বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে;
যেখানে এমন পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে যে, তা বাদীকে বিবাদীর উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করছে, যদিও সেখানে বাদীর পক্ষ হতে কোন জালিয়াতি বা ভুল বিবরণ নাও থাকতে পারে।

ii. বিবাদীর প্রতি কঠোরতা;
যেখানে চুক্তির কাজ সম্পাদন বিবাদীকে কোন কঠোরতায় বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলবে যা বিবাদী বুঝতে পারেনা, অপরদিকে উহা না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না। এই দুটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।