বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১৫ / ১৫৫ · ১,৪০১১,৫০০ / ১৫,৪৭০

১,৪০১.
"Witnesses to be examined in open Court"-কোন আদেশে দেয়া আছে?
  1. আদেশ ১৮ বিধি ৬
  2. আদেশ ১৮ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৮ বিধি ২
  4. আদেশ ১৮ বিধি ৩
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি ৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

[Witnesses to be examined in open Court-
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.]
১,৪০২.
এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলিয়া উল্লেখ করা হইবে- সংবিধানের কোথায় বলা হয়েছে?
  1. প্রস্তাবনায়
  2. অনুচ্ছেদ ১৫২
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৮
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৫৩: প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ

(১) এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলিয়া উল্লেখ করা হইবে এবং ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে ইহা বলবৎ হইবে, যাহাকে এই সংবিধানে "সংবিধান-প্রবর্তন" বলিয়া অভিহিত করা হইয়াছে।

(২) বাংলায় এই সংবিধানের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরাজীতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য অনুমোদিত পাঠ থাকিবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলিয়া গণপরিষদের স্পীকার সার্টিফিকেট প্রদান করিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা-অনুযায়ী সার্টিফিকেটযুক্ত কোন পাঠ এই সংবিধানের বিধানাবলীর চূড়ান্ত প্রমাণ বলিয়া গণ্য হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরাজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

Article 153: Commencement, citation and authenticity

(1) This Constitution may be cited as the Constitution of the People's Republic of Bangladesh and shall come into force on the sixteenth day of December, 1972, in this Constitution referred to as the commencement of this Constitution.

(2) There shall be an authentic text of this Constitution in Bengali, and an authentic text of an authorised translation in English, both of which shall be certified as such by the Speaker of the Constituent Assembly. 

(3) A text certified in accordance which clause (2) shall be conclusive evidence of the provisions of this Constitution: Provided that in the event of conflict between the Bengali and the English text, the Bengali text shall prevail.
১,৪০৩.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতা সম্পর্কে কোন ধরনের অনুমানের কথা উল্লেখ আছে?
  1. চূড়ান্ত প্রমান (Conclusive proof)
  2. অনুমান করবে(May presume)
  3. অনুমান করতে পারে( Shall presume)
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ১১২: বিবাহ স্থির থাকাকালে সন্তানের জন্মই তাহার বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ: কোনো লোকের মাতার সহিত এক লোকের আইনত সিদ্ধ বিবাহ কায়েম থাকাকালে, কিংবা বিবাহ বিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের মধ্যে তাহার মাতা অবিবাহিতা থাকাকালে যদি তাহার জন্ম হইয়া থাকে, এবং যদি না প্রমাণিত হয় যে, ঐ লোক যখন মাতৃগর্ভে আসিয়া থাকিতে পারে, অনুরূপ কোনো সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের পরস্পরের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিলো না, তবে জন্মের ঘটনা দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হইবে যে, সে তাহার মাতার সহিত বিবাহিত উক্ত লোকের বৈধ সন্তান।
------------------------------
The Evidence Act 1872,Section112,Birth during marriage conclusive proof of legitimacy: The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.

১,৪০৪.
‘A’ একজন প্রতিনিধি হিসেবে ‘B’-এর জন্য কাজ করে। ‘A’ অবহেলার কারণে ‘B’-এর সম্পত্তির ক্ষতি করে। ‘B’ এই অবহেলার বিষয়টি ১ জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে জানতে পারে। তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯০ অনুসারে, ‘B’ মামলা দায়ের করতে পারে কত তারিখ পর্যন্ত?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২৪
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২৫
  3. ১ জানুয়ারি, ২০২৬
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২৮
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ৯০ অনুসারে, মালিক কর্তৃক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে অবহেলা বা অসদাচরণের মামলার সময়সীমা হলো ৩ বছর, এবং এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় যখন বাদী অবহেলা বা অসদাচরণের বিষয়টি জানতে পারে। প্রশ্নে বলা হয়েছে, ‘B’ অবহেলার বিষয়টি ১ জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে জানতে পারে। সুতরাং, ৩ বছরের সময়সীমা গণনা করে, ‘B’ মামলা দায়ের করতে পারে ১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত।

 

১,৪০৫.
According to Order-21, Rule-82 of the Code of Civil Procedure, Which court cannot order sale of immovable property in execution of decrees?
  1. High Court
  2. District Court
  3. Civil Judge's Court
  4. Court of Small Causes
ব্যাখ্যা

⇒ According to Order-21, Rule-82 of the Code of Civil Procedure, 1908,
“Sales of immoveable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.”
This means all courts — except the Court of Small Causes — have the authority to order the sale of immovable property when executing a decree.

Sale of Immoveable Property:
⇒ Order XXI, Rule 82 – Code of Civil Procedure, 1908- What Courts may order sales:
- Sales of immoveable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.

অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৮২ – যে আদালত বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে:
ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ Court of Small Causes আদালত ব্যতীত যেকোনো আদালত দিতে পারে।

১,৪০৬.
According to Section 60 of The Evidence Act, 1872, 'Oral evidence must be ______.'
  1. direct
  2. indirect
  3. proved
  4. disproved
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে-
মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct)।

অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
-------------
⇒The Evidence Act, 1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
-Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
১,৪০৭.
‘D’ Z-এর সম্পত্তি ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে, কিন্তু বৃষ্টির কারণে আগুন জ্বলে না। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুসারে 'D' এর কাজটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ধারা ১১৭
  2. ধারা ১২৩
  3. ধারা ৫০৬
  4. ধারা ৫১১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫১১ অনুসারে, যে কেউ এমন কোনো অপরাধ করার চেষ্টা করে, যা দণ্ডবিধিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য, এবং সেই চেষ্টায় অপরাধ সংঘটনের দিকে কোনো কাজ করে, তবে তা শাস্তিযোগ্য। যদি অপরাধের চেষ্টার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে, তবে শাস্তি হবে মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘D’ Z-এর সম্পত্তি ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করেছে, যা ধারা ৪৩৫ (অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে ক্ষতিকর কাজ) এর অধীনে অপরাধ। ধারা ৪৩৫ অনুসারে, এই অপরাধের শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। যেহেতু ‘D’ অপরাধটি সম্পূর্ণ করেনি, বরং চেষ্টা করেছে, তাই এটি ধারা ৫১১-এর অধীনে সম্পত্তি ধ্বংসের চেষ্টা হিসেবে শাস্তিযোগ্য, এবং সর্বোচ্চ শাস্তি হবে ৩ বছর ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

- অর্থাৎ ‘D’-এর কাজ, অর্থাৎ সম্পত্তি ধ্বংসের জন্য অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, ধারা ৫১১ (এবং ধারা ৪৩৫-এর সাথে সম্পর্কিত) অনুসারে শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ধারা ৫১১।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

১,৪০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান মতে আপিল আদালত পুনর্বিচারের নিমিত্তে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারেন?
  1. ১০৪
  2. ১০৭
  3. ১৪০
  4. ১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় আপিল আদালতকে চারটি ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে- 
১)  আপিলে মোকদ্দমাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা [To determine a case finally];
২) পুনঃবিচারের নিমিত্তে নিম্ন আদালতে মোকদ্দমা প্রেরণ করা [To remand a case]; অর্থাৎ- মোকদ্দমাটি পুনঃবিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করা/ফেরত পাঠানো;
৩) পুনঃবিচারে প্রেরণের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন [To frame issues and refer them for trial]; অর্থাৎ, শুনানির পর্যায়ে যদি প্রতীয়মান হয় যে, যেসব ইস্যুর উপর মূল মামলাটি নিষ্পত্তি করা হয়েছে তার অতিরিক্ত আরও বিচার্য বিষয় (issues) প্রণয়ন করা প্রয়োজন, তখন বিচার্য বিষয় গঠন/প্রণয়ন করা এবং সেইগুলো বিচারের জন্য প্রেরণ করা।
8) প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ করা বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করা [To take additional evidence or to require such evidence to be taken]।

------------------------------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার বিধান: আপিল আদালতের ক্ষমতা:-
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
-------------------------
⇒ CPC Section 107. Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
১,৪০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক আসামী নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারে?
  1. ৩৩৮
  2. ৩৩৯
  3. ৩৪০
  4. ৩৪১
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ১৪০ অনুযায়ী-
- যার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করার অধিকার ও সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা আছে।
- তবে শর্ত এই যে, সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না অথবা সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সাথে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না।
১,৪১০.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেতে একজন এ্যাডভোকেটকে সর্বনিম্ন কত বছর প্র্যাকটিস করতে হয়?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ২০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫(২)(ক) অনুযায়ী:
“(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; ...
তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।”
অর্থাৎ, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য একজন ব্যক্তিকে কমপক্ষে ১০ বছরকাল সুপ্রীম কোর্টে এ্যাডভোকেট হিসেবে প্র্যাকটিস করতে হবে।
এটি যোগ্যতার একটি প্রধান শর্ত।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫ বিচারক-নিয়োগ
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন। 
(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং 
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা 
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; 
তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না। 
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।
১,৪১১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এ “স্পেশাল জজ” বলতে কোন আইনের অধীনে নিযুক্ত জজকে বোঝায়?
  1. The Anti-Corruption Act, 1957
  2. The Criminal Law Amendment Act, 1958
  3. The Code of Criminal Procedure, 1898
  4. The Anti-Corruption (Tribunal) Ordinance, 1960
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২(ঠ):
“স্পেশাল জজ” অর্থ the Criminal Law Amendment Act, 1958 (Act No. XL of 1958) এর section 3 এর অধীন নিযুক্ত Special Judge৷
১,৪১২.
তামাদি আইনের কোন ধারা বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ধারা ১১
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৭
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১১ বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির উপর মামলার ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে। এই ধারা অনুযায়ী: ধারা ১১(১): বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলা, যদি তা বিদেশে অনুষ্ঠিত কোনো চুক্তির উপর ভিত্তি করে হয়, তবে তামাদি আইন, ১৯০৮-এর নিয়ম অনুসারে তামাদি মেয়াদ প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, বিদেশি চুক্তির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে।
ধারা ১১(২): কোনো বিদেশি তামাদি নিয়ম (foreign rule of limitation) বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলায় প্রতিরক্ষা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না সেই নিয়ম চুক্তিটিকে বিলুপ্ত করে দেয় এবং উভয় পক্ষ সেই বিদেশি দেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেখানে বসবাস করে থাকে।

অর্থাৎ তামাদি আইনের ধারা ১১ স্পষ্টভাবে বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির উপর মামলার ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে, এবং এটি নিশ্চিত করে যে বাংলাদেশে দায়েরকৃত এই ধরনের মামলায় তামাদি আইন, ১৯০৮-এর বিধান প্রযোজ্য হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লিখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।
---------
⇒The Limitation Act, 1908: Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.

১,৪১৩.
ডিক্রি জারির আবেদনটি স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদন হবে-
  1. আবেদনকারী কর্তৃক
  2. উক্ত বিষয়ের সাথে পরিচিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক
  3. আইনজীবী কর্তৃক
  4. 'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন:
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।

২) লিখিত আবেদনঃ উপরোক্ত (১) উপ-বিধিতে বর্ণিত ভিন্নরূপ কোন বিধান ব্যতিরেকে ডিক্রিজারির প্রত্যেক আবেদন আবেদনকারী কর্তৃক বা আদালতের পরিতৃষ্টি মোতাবেক মোকদ্দমার ঘটনার সাথে পরিচিত বলে প্রমাণিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে, এবং সারণীবদ্ধভাবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে, যথা-

ক) মোকদ্দমার নম্বর:
খ) পক্ষদের নাম:
গ) ডিক্রির তারিখ:
ঘ) ডিক্রিটি হতে কোন আপিল দায়ের করা হয়েছে কিনা;
ঙ) ডিক্রির পরবর্তীতে পক্ষদের ভিতর বিতর্কিত বিষয়ে কোন পরিশোধ বা অন্যরূপ সমন্বয় সাধন হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) হয়ে থাকে তবে এর পরিমাণ;
চ) ডিক্রি জারির জন্য পূর্বে কোন আবেদন করা হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) করা হয়ে থাকে কিরূপ আবেদন করা হয়েছে ঐরূপ আবেদনের তারিখ ও ফলাফল;
ছ) ডিক্রির উপর প্রাপ্য সুদসহ (যদি কোন) টাকার পরিমাণ বা এটির দ্বারা মঞ্জুরীকৃত অন্য কোন প্রতিকার, জারি হওয়ার জন্য প্রার্থিত ডিক্রির তারিখের পূর্বে বা পরে কোন পাল্টা ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে তার বিবরণ;
জ) মঞ্জুরীকৃত ব্যায়াদি (যদি কোন) পরিমাণ;
ঝ) যার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি প্রার্থনা করা হয় তার নাম; এবং
ঞ) নিম্নোক্ত যে পদ্ধতিতে আদালতে সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তা-

নিন্মলিখিত ভাবে আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে:
১. সুস্পষ্টভাবে ডিক্রিপ্রাপ্ত কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা,
২. কোন সম্পত্তির ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা বা ক্রোক ব্যতীত নিলাম বিক্রয় দ্বারা,
৩. কোন ব্যক্তির গ্রেফতার এবং জেলে আটক,
৪. তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্তির দ্বারা,
৫. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকারের ধরণে প্রয়োজন হতে পারে এ রকম অন্য কোনভাবে হতে পারে।

৩) উপরোক্ত (২) উপ-বিধির অধীনে যে আদালতে আবেদন করা হবে, ঐ আদালত আবেদনকারীকে ডিক্রির একটি প্রত্যায়িত নকল দাখিল করতে তলব করতে পারে।
১,৪১৪.
নিচের কোনটি রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যায় না?
  1. জমির ফসল
  2. জমি
  3. ব্যাংকের টাকা
  4. কোম্পানীর শেয়ার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ নং আদেশের এর ১২ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত কৃষি পণ্য আটকের আদেশ দিতে পারে না যদি উক্ত কৃষি পণ্য কৃষকের দখলে থাকে।

- দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদিকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

অর্থাৎ জমির ফসল রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যায় না।
------------------
⇒ CPC Order-38 Rule-12.Agricultural produce not attachable before judgment: 
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.
১,৪১৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমার শুনানির সময় বাদী অনুপস্থিত এবং বিবাদী উপস্থিত থাকলে, মোকদ্দমার ফলাফল কী হবে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. একতরফা ডিক্রি
  4. নতুন মোকদ্দমা দায়ের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।

Order 9 Rule 8: Procedure where defendant only appears:
Where thedefendant appears and the plaintiff does not appear when the suit is called on for hearing, the Court shall make an order that the suit be dismissed, unless the defendant admits the claim, or part thereof, in which case the Court shall pass a decree against the defendant upon such admission, and, where part only of the claim has been admitted, shall dismiss the suit so far as it relates to the remainder.

• ৮ বিধির অধীন খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদীর প্রতিকার:
বাদী হাজির না হওয়ার কারণে ৮ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদী নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে পারে-
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের [For setting aside the order of dismissal] জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly Setting aside dismissal] জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।

⇒ ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজ হলে, বাদী উক্ত একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
১,৪১৬.
কোন ব্যাক্তি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পরে কত বছর পর সংসদে নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন?
  1. ২ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:

(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইলে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি

(ক) কোন উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;
(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন;
(গ) তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;
(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইয়া থাকেন;
(চ) আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করিতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা
(ছ) তিনি কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন।

(২ক) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (গ) উপ-দফা তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হইয়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিলে এবং পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তি-
(ক) দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে, বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করিলে; কিংবা
(খ) অন্য ক্ষেত্রে, পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করিলে-
এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তিনি বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচেছদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন ব্যক্তি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী হইবার কারণে প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।

(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না কিংবা এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।
১,৪১৭.
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারায়, কোন পরিস্থিতিতে বল প্রয়োগকে 'অপরাধমূলক' বলা হবে?
  1. যখন এটি শান্তিপূর্ণ হয়
  2. যখন এটি সম্মতির ভিত্তিতে হয়
  3. যখন এটি কোনো প্রভাব সৃষ্টি না করে
  4. যখন এটি জখম বা ভয় সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান- অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section 350- Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
১,৪১৮.
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার আওতাধীন দস্যুতার অপরাধের জন্য মূল শাস্তি কী?
  1. সশ্রম কারাদণ্ড
  2. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ Section 392- Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
১,৪১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৮ কোন বিষয়ে সরকারকে ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. আইনজীবী নিয়োগের ক্ষমতা
  2. আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা
  3. আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণের ক্ষমতা
  4. মামলার বিচারের নিয়ম নির্ধারণের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৮ অনুযায়ী, সরকারকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে আদালতের ভাষা নির্ধারণ করার জন্য। অর্থাৎ, যে অঞ্চলে এই বিধি প্রযোজ্য, সেই অঞ্চলের প্রতিটি আদালতে কোন ভাষা ব্যবহার হবে তা সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা:-
- এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 558- Power to decide language of Courts:
- The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
১,৪২০.
What is the provision of Section 36 of the Specific Relief Act,1877?
  1. Effect of declaration
  2. Rescission for mistake
  3. When rescission may be adjudged
  4. Principles of rectification
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
----------------------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
-কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
১,৪২১.
ধারা ৬৮ অনুযায়ী সত্যায়িত দলিল প্রমাণ করার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. অন্তত একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী
  3. অন্তত দুইজন সত্যায়নকারী সাক্ষী
  4. শুধুমাত্র দলিলের মূল কপি
ব্যাখ্যা

উত্তর: অন্তত একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী।

• সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।
তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি- রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

১,৪২২.
অবিরাম চুক্তির ফলাফল কি?
  1. তামাদির মেয়াদ অপরিবর্তিত থাকে
  2. চুক্তিভঙ্গের পর তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকে
  3. চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হতে থাকে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করাঃ
 ♦যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
 ♦এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
১,৪২৩.
A তার ব্যবসায়ের অংশীদার B কে অংশীদারি দেনা ও লাভ গ্রহণ থেকে বিরত রাখতে একটি নিষেধাজ্ঞা প্রার্থনা করলো। দেখা গেল A অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠানের হিসাব বই দখল করে রেখেছে এবং B কে তা দেখতে দিচ্ছেনা। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে।
  2. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
  3. শর্তসাপেক্ষে জরিমানা করবে।
  4. কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৫৬ অনুযায়ী নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যেতে পারে নাঃ

(ক) মামলায় নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হচ্ছে, সে মামলা রুজুর প্রেক্ষিতে একটি বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার উদ্দেশ্যে, যদি না কার্যধারার পৌনঃপুনিকতা রোধের জন্য তেমন নিবৃত্তি আবশ্যক হয়;

(খ) যে আদালতে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হচ্ছে, সে আদালতের অধীনস্থ নয় এমন কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;

(গ) কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হতে বিরত রাখার জন্য;

(ঘ) সরকারের কোন বিভাগের সরকারী কর্তব্যের বা বিদেশী সরকারের কোন সার্বভৌম কাজের হস্তক্ষেপের জন্য;

(ঙ) কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;

(চ) যে চুক্তির কাজ সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না, তেমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের লক্ষ্যে;

(ছ) উৎপাতের অজুহাতে এমন কোন কাজ নিরোধকের জন্য যা যুক্তিসঙ্গতভাবে সুস্পষ্ট হয় যে, তা উৎখাতের পর্যায়ে পড়বে;

(জ) এমন একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করার জন্য যাতে বাদী মৌন সম্মতি প্রদান করেছে:

(ঝ) যখন জিম্মা ভঙ্গের মামলা ব্যতীত সমপরিমাণ ফলোৎপাদক প্রতিকার নিশ্চিতভাবেই অন্য কোন সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়;

(ঞ) যখন আবেদনকারী বা তার এজেন্টের আচরণ এমন হয় যে, তা তাকে আদালতের সাহায্য হতে বঞ্চিত করে;

(ট) যেখানে মামলার সারবস্তুতে আবেদনকারীর কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
১,৪২৪.
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে C.R Case এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. থানায় সরাসরি অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে
  2. সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দায়েরকৃত মামলা
  3. এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জি.আর ও সি.আর মামলা:
বাংলাদেশে ফৌজদারি মামলা সাধারণত দুইভাবে রুজু হয়—জি.আর (জেনারেল রেজিস্ট্রার) মামলা ও সি.আর (কমপ্লেইন্ট রেজিস্ট্রার) মামলা।

জি.আর মামলা:
যে মামলা থানায় সরাসরি অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে শুরু হয়, তাকে জি.আর মামলা বলা হয়। এটি সাধারণত আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী থানায় দায়ের করা হয়।
⇒ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৫৬ ধারা অনুযায়ী তদন্ত সম্পন্ন করেন।
⇒ অভিযোগের সত্যতা না পেলে ১৬৯ ধারার বিধান অনুসারে ১৭৩ ধারায় আদালতে রিপোর্ট পেশ করেন।
⇒ অভিযোগ সত্য হলে ১৭০ ধারার বিধান অনুসারে ১৭৩ ধারায় রিপোর্ট পেশ করে চার্জশিট দাখিল করা হয়।
⇒ পুলিশ কাউকে অব্যাহতির সুপারিশ করলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের হাতে থাকে।

সি.আর মামলা (নালিশী মামলা):
যদি থানায় মামলা গ্রহণ না করা হয়, তবে সরাসরি আদালতে গিয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(জ) ধারায় সি.আর মামলা বা নালিশী মামলা দায়ের করা যায়।
⇒ আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
⇒ আমলি ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের জন্য পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিতে পারেন।
⇒ অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।
১,৪২৫.
“Good faith”: nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with due care and attention - এই সংজ্ঞাটি তামাদি আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ২(৩) ধারায়
  2. ২(৪) ধারায়
  3. ২(৬) ধারায়
  4. ২(৭) ধারায়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় Good faith এর বিধান রয়েছে।

ধারা ২(৭)-
‘সরল বিশ্বাস' অর্থে যথার্থ যত্ন কিংবা সাবধানতা ও মনোযোগের সহিত করা হয়নি-এমন কোন কিছুই সরল বিশ্বাসে করা হয়েছে বলে পরিগণিত হবে না।

Section 2(7)-
“good faith”: nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with due care and attention.
১,৪২৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় ‘‘de minimus non corat lex’’ মতবাদটি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৮৫ ধারায়
  2. ১০৫ ধারায়
  3. ৭৫ ধারায়
  4. ৯৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা অনুযায়ী সামান্য, উপেক্ষাযোগ্য এবং তুচ্ছ ঘটনা অপরাধমূলক হলেও দণ্ড দেয়া যাবে না।
♦দণ্ডবিধির ৯৫ ধারায় 'de minimus non curat lex' মতবাদটির প্রতিফলন ঘটেছে। 'de minimus non curat lex' means law would not take action on small & trifling matter.
১,৪২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারা অনুযায়ী, স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করতে হলে কাকে নোটিশ দিতে হবে?
  1. মামলার বাদীকে
  2. মামলার বিবাদীকে
  3. মামলার সকল পক্ষকে
  4. মামলার সাক্ষীকে
ব্যাখ্যা

→ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারা- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:
 (১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন স্তরে
ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা
খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
২) কোন মামলা (১) উপধারা অনুসারে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে পরে যে আদালতে ইহার বিচার হয়, সেই আদালত স্থানান্তরের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশ সাপেক্ষে পূর্ণ বিচার করতে পারেন, অথবা যে পর্যায় হতে উহা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।
(৩) এই ধারার উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত ও সহকারী জজের আদালতকে জেলা কোর্টের অধীন বলে গণ্য করতে হবে।
(৪) স্মলকজ কোর্ট হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মামলার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মামলার ব্যাপারে স্মলকজ কোর্ট বলে গণ্য করতে হবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-24. General power of transfer and withdrawal:
(1) On the application of any of the parties and after notice to the parties and after hearing such of them as desire to be heard, or of its own motion without such notice, the High Court Division or the District Court may at any stage-
(a) transfer any suit, appeal or other proceeding pending before it for trial or disposal to any Court subordinate to it and competent to try or dispose of the same, or 
(b) withdraw any suit, appeal or other proceeding pending in any Court subordinate to it, and 
(i) try or dispose of the same; or 
(ii) transfer the same for trial or disposal to any Court subordinate to it and competent to try or dispose of the same; or 
(iii) retransfer the same for trial or disposal to the Court from which it was withdrawn. 
(2) Where any suit or proceeding has been transferred or withdrawn under sub-section (1), the Court which thereafter tries such suit may, subject to any special directions in the case of any order of transfer, either retry it or proceed from the point at which it was transferred or withdrawn. 
(3) For the purposes of this section, Courts of Additional and Assistant Judges shall be deemed to be subordinate to the District Court. 
(4) The Court trying any suit transferred or withdrawn under this section from a Court of Small Causes shall, for the purposes of such suit, be deemed to be a Court of Small Causes.

১,৪২৮.
'ক' একটি জমির উপরিভাগের এবং 'খ' ভূ-গর্ভের মালিক। 'খ' উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  2. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  3. 'খ' যেদিন মামলা দায়েরের কথা জানবে সেদিন থেকে
  4. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা জমি ধসে পড়ার সময় থেকে শুরু হবে।

⇒  তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
------------------------ 
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
 
Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
১,৪২৯.
A, B-এর সম্মতি ছাড়াই একটি কুকুরকে B-এর প্রতি ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য লেলিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে যদি A, B-কে ক্ষতি, ভীতিপ্রদর্শন ও বিরক্ত করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে A এর অপরাধ হলো-
  1. বলপ্রয়োগ করা
  2. অপরাধমূলক কুকুর লেলিয়ে দেওয়া
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা
  4. অপরাধমূলক ক্ষতি করা
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩৫০ মতে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ: কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

♦অর্থাৎ A, B-এর সম্মতি ছাড়াই একটি কুকুরকে B-এর প্রতি ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য লেলিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে যদি A, B-কে ক্ষতি, ভীতিপ্রদর্শন ও বিরক্ত করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে A এর অপরাধ হলো- অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।
----------
Criminal force

Section 350. Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
১,৪৩০.
কোনো আইন পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল করে প্রণীত হলে, বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] বাতিলকৃত আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম-
  1. অকার্যকর করবে
  2. স্থগিত রাখবে
  3. ক্ষুন্ন করবে না
  4. বাতিল করবে
ব্যাখ্যা
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।

Section 6: Effect of repeal

Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not- 
(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or 
(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or 
(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or 
(d) after any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid; 
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
১,৪৩১.
একজন কর্মচারী তার জিম্মায় থাকা প্রতিষ্ঠানের অর্থ বিনা অনুমতিতে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে। এই কাজ নিম্নের দণ্ডবিধির কোন ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ৩৭৮ ধারা
  2. ৩০৩ ধারা
  3. ৪০৫ ধারা
  4. ৫০৬ ধারা
ব্যাখ্যা
• এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার অধীন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

• দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:

কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
১,৪৩২.
রাষ্ট্রদ্রোহিতা সংক্রান্ত অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে-
  1. আদালতের স্বপ্রণোদিত আদেশে
  2. ব্যক্তিগত অভিযোগের ভিত্তিতে
  3. পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে
  4. সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৯৬ ধারা অনুযায়ী- রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে

• ১৯৭ ধারা অনুযায়ী- বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবে না।

• ১৯৮ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।

• ১৯৯ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার অধীন ব্যভিচার [Adultery] বা ৪৯৮ ধারায় অপরাধজনক উদ্দেশ্যে বিবাহিত নারীকে প্ররোচিত করে নিয়ে যাওয়া অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীর স্বামী কর্তৃক বা স্বামীর অনুপস্থিতিতে উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় যে সকল লোকজন উক্ত মহিলাকে দেখাশোনা করতো, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমলে নেয়া যাবে।
১,৪৩৩.
এডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনপত্রে কোনো প্রার্থী মিথ্যা তথ্য দাখিল করলে, তিনি কত সময়ের জন্য তালিকাভুক্তি হওয়ার অযোগ্য ঘোষিত হবেন?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:

- শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
- আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
১,৪৩৪.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ৫০২ ধারার আওতায় পড়বে?
  1. মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া
  2. অজ্ঞাতে মানহানিকর বই বিক্রি করা
  3. জেনেশুনে মানহানিকর পুস্তিকা বিক্রয়ের জন্য দোকানে রাখা
  4. ব্যক্তিগত চিঠিতে মানহানিকর কথা লেখা
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৫০২ ধারা – মানহানিকর বিষয়সম্বলিত মুদ্রিত বা খোদিত বস্তু বিক্রয়:
যে ব্যক্তি জানে যে কোনো মুদ্রিত বা খোদিত বস্তুতে মানহানিকর বিষয় রয়েছে এবং সে সেই বস্তু বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, তাকে দুই বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever sells or offers for sale any printed or engraved substance containing defamatory matter, knowing that it contains such matter, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]

১,৪৩৫.
হিন্দু আইনের দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে নারী সপিণ্ড কয়জন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৭ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

⇒ মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ— তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন।
-তাঁরা হলেন:
১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা ও
৫. পিতার পিতার মাতা।
১,৪৩৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর কোন ধারায় “ডিক্রী জারীতে সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের” বিধান রয়েছে?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬১ ধারা
  3. ৫৬ ধারা
  4. ৬৮ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৬০ ধারায় বলা হয়েছে যে,ডিক্রী জারী করার জন্য দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে।
 • ডিক্রী জারী করার জন্য কিছু সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যায় না।
• পরিধেয় বস্ত্রাদি, বিছানা, রান্না বাসন, চাষির বাসগৃহ, হিসাবের খাতাপত্র ইত্যাদি।
১,৪৩৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৯ অনুসারে, নিম্নের কোনটি মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় না?
  1. মৌখিক চুক্তির শর্তাবলী
  2. ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু
  3. বিশেষজ্ঞের মতামত
  4. একজন সাক্ষীর দ্বারা দেখা ঘটনা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা অনুযায়ী, ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় না। ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য সেই ডকুমেন্টের নিজস্ব প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়।
- এছাড়া, চুক্তির শর্তাবলী (যদি সেটা মৌখিক চুক্তি হয়) এবং বিশেষজ্ঞের মতামত বা একজন সাক্ষীর দ্বারা দেখা ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণ করা যেতে পারে।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৯ অনুযায়ী, "All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence."
অর্থাৎ, সমস্ত তথ্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে, কিন্তু দলিল বা ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু (contents of documents) এর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে হলে সাধারণত সেই ডকুমেন্টটি নিজেই উপস্থাপন করতে হয়, যা লিখিত সাক্ষ্যের (documentary evidence) আওতায় পড়ে।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৯ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে: "All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence."
অর্থাৎ, "ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু ছাড়া সকল সত্যতা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায়।"
১,৪৩৮.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা তৈরি মানচিত্র বা পরিকল্পনা সম্পর্কে আদালত কী অনুমান করবে?
  1. তা সঠিকভাবে তৈরি হয়েছে
  2. তা বেসরকারি সংস্থার জন্য প্রযোজ্য
  3. তা কর্তৃপক্ষের দ্বারা যাচাই করা হয়নি
  4. তা আদালতে প্রমাণ হিসেবে অগ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৩ অনুসারে, আদালত এই মর্মে প্রাকধারণা (presumption) করবে যে সরকারি কর্তৃপক্ষ দ্বারা তৈরি মানচিত্র বা পরিকল্পনা সঠিকভাবে প্রণীত হয়েছে এবং তা নির্ভুল। তবে, কোনো মামলার জন্য বিশেষভাবে তৈরি মানচিত্র বা পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এর সঠিকতা প্রমাণ করতে হবে।

⇒ বাংলাদেশের সাক্ষ্য আইন (Evidence Act) এর ধারা ৮৩ (Section 83) অনুযায়ী:
“The Court shall presume that maps or plans purporting to be made by the authority of the Government were so made, and are accurate; but maps or plans made for the purposes of any cause must be proved to be accurate.”
- অর্থাৎ, যদি কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষের তৈরি মানচিত্র বা পরিকল্পনা আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তাহলে আদালত ধরে নেবে যে —
- তা যথাযথভাবে তৈরি করা হয়েছে এবং তা সঠিক।
- তবে, যদি এটি কোনো মামলার উদ্দেশ্যে তৈরি মানচিত্র হয়, তখন সেটির সঠিকতা প্রমাণ করতে হবে।
১,৪৩৯.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে "কোর্ট" (Court) হিসেবে গণ্য করা হবে না?
  1. বিচারক (Judge)
  2. সালিশকারী (Arbitrator)
  3. ম্যাজিস্ট্রেট (Magistrate)
  4. আইনত অনুমোদিত সাক্ষ্য গ্রহণকারী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: সালিশকারী (Arbitrator)।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, "কোর্ট" বলতে বোঝায়:
১) বিচারক (Judge)
২) ম্যাজিস্ট্রেট (Magistrate)
৩) যে কেউ, যিনি আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা সম্পন্ন
তবে, সালিশকারী (Arbitrator) "কোর্ট" এর সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ সালিশকারী আদালতের মতো কার্যক্রম পরিচালনা করলেও, তিনি আইনত সাক্ষ্য গ্রহণ বা বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত নন।
⇒ অতএব, সালিশকারী "কোর্ট" নয়, তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর "খ) সালিশকারী (Arbitrator)"।

⇒ "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.
১,৪৪০.
চুক্তি আইনের কত ধারায় "ক্ষতিপূরণের চুক্তি" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ১১০
  2. ধারা ১২০
  3. ধারা ১২৪
  4. ধারা ১৩০
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১২৪ ধারা- "ক্ষতিপূরণের চুক্তি”-এর সংজ্ঞা:
- যে চুক্তির মাধ্যমে এক পক্ষ অপর পক্ষকে স্বয়ং অঙ্গীকারকারীর আচরণ বা অন্য কোন ব্যক্তির আচরণ হতে সৃষ্ট ক্ষতি হতে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেন, তাকে ক্ষতিপূরণের চুক্তি বলে।

উদাহরণ:
'ক' কোন বিশেষ ২০০ টাকা সম্পর্কে 'খ'-এর বিরুদ্ধে 'গ'-এর সম্ভাব্য আইনগত কার্যধারা পরিচালনার বিরুদ্ধে 'খ'-কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য চুক্তি করেন। তা একটি ক্ষতিপূরণের চুক্তি।

Section 124- "Contract of indemnity" defined:
A contract by which one party promises to save the other from loss caused to him by the conduct of the promisor himself, or by the conduct of any other person, is called a "contract of indemnity".

Illustration-
A contracts to indemnify B against the consequences of any proceedings which C may take against B in respect of a certain sum of 200 Taka. This is a contract of indemnity.
১,৪৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী শুনানির দিন কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে আদালত কী করবে?
  1. মামলা স্থগিত রাখবে
  2. মামলা খারিজ করবে
  3. একতরফা রায় দেবে
  4. নতুন সমন জারি করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 3 অনুযায়ী, যদি শুনানির দিন বাদী এবং বিবাদী উভয়ই আদালতে উপস্থিত না থাকে, তবে আদালত মামলা খারিজ করার আদেশ দিতে পারে।
- Order IX, Rule 4-এ বলা হয়েছে, মামলাটি খারিজ হওয়ার পর বাদী নতুন মামলা দায়ের করতে পারে বা খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারে, তবে এটি তামাদি আইন সাপেক্ষে।
১,৪৪২.
ইসলামী পরিভাষায় ‘ফারায়েয’ কী বোঝায়?
  1. মৃত ব্যক্তির ওসিয়ত
  2. মৃত ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ
  3. মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজ
  4. মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টনের বিধান
ব্যাখ্যা
⇒ 'ফারায়েয' (فرائض) শব্দটি আরবি 'ফরীযাহ' (فريضة) এর বহুবচন, যার অর্থ হলো ফরযকৃত বা নির্ধারিত বিষয়।
- ইসলামী শরীয়তে ‘ফারায়েয’ বলতে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী বণ্টনের বিধানকে বোঝায়।
একজন ব্যক্তি মারা গেলে তার সম্পত্তি কয়েকটি পর্যায়ে ব্যবস্থাপনা করা হয়:
১. প্রথমে তার দাফন-কাফনের খরচ মেটানো হয়।
২. এরপর তার ঋণ (যদি থাকে) পরিশোধ করা হয়।
৩. তারপর যদি সে কোনো বৈধ ওসিয়ত করে থাকে (এক-তৃতীয়াংশ সীমার মধ্যে), তা বাস্তবায়ন করা হয়।
৪. সবশেষে বাকি সম্পত্তি শরীয়তের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়, যাকে ‘ফারায়েয’ বলা হয়। 

অর্থাৎ , 'ফারায়েয' ওসিয়ত, ঋণ পরিশোধ বা জানাজার নামাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়; বরং এটি উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টনের শরীয়ত নির্ধারিত বিধানকে বোঝায়।
১,৪৪৩.
তামাদি আইনের কত ধারায় ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করা যায়?
  1. ২২ ধারায়
  2. ২৪ ধারায়
  3. ২৫ ধারায়
  4. ২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না, তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের [compensation] মামলা

যখন কোন কাজ দ্বারা তাৎক্ষনিক কোন ক্ষতি হয় না তবে পরবর্তীতে কোন ক্ষতি হয়, তখন ক্ষতি সংঘটিত হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ শুরু হবে।

ব্যাখ্যা: যে কাজের দ্বারা কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভব হয় না, সে রকম ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয় তখন থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

Section 24- Suit for compensation for act not actionable without special damage
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
 
Illustration 
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
১,৪৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারা অনুসারে, কোন ব্যক্তিদের একসঙ্গে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে?
  1. যারা একই অপরাধে অভিযুক্ত
  2. যারা সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত
  3. যারা একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত, যেগুলি একসঙ্গে ঘটেছে
  4. উপরের সব
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারার বিধান নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের একসঙ্গে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে:
(ক) যারা একই অপরাধে অভিযুক্ত এবং সেই অপরাধ একই লেনদেনের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
(খ) যারা এক অপরাধে অভিযুক্ত এবং যারা সেই অপরাধে সহায়তা করার জন্য বা সেই অপরাধ করার চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
(গ) যারা একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত, যেগুলি ধারা ২৩৪ অনুযায়ী একসঙ্গে এক বছর সময়সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
(ঘ) যারা বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত, যা একই লেনদেনের মধ্যে ঘটেছে।
(ঙ) যারা চুরি, দখলদারি, বা অপরাধমূলকভাবে সম্পত্তি দখলের জন্য অভিযুক্ত, এবং যারা সেই অপরাধের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি গ্রহণ, সংরক্ষণ, বা রক্ষা করার জন্য অভিযুক্ত, অথবা সেই অপরাধের সহায়তা বা চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
(চ) যারা দণ্ডবিধির ধারা ৪১১ এবং ৪১৪ অনুযায়ী চুরির সম্পত্তি গ্রহণের জন্য অভিযুক্ত, যেখানে সেই সম্পত্তির মালিকানা এক অপরাধে স্থানান্তরিত হয়েছে।
(ছ) যারা দণ্ডবিধির অধ্যায় ১২-এর আওতায় ভুয়া মুদ্রার সম্পর্কিত অপরাধে অভিযুক্ত এবং যারা একই মুদ্রার সাথে সম্পর্কিত অন্য অপরাধে অভিযুক্ত, অথবা সেই অপরাধের সহায়তা বা চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
এই শর্তগুলি পূর্বের অংশের বিধি অনুসারে প্রযোজ্য হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section- 239. What persons may be charged jointly:
The following persons may be charged and tried together, namely:- 
(a) persons accused of the same offence committed in the course of the same transaction; 
(b) persons accused of an offence and persons accused of abetment, or of an attempt to commit such offence; 
(c) persons accused of more than one offence of the same kind, within the meaning of section 234 committed by them jointly within the period of twelve months; 
(d) persons accused of different offences committed in the course of the same transaction; 
(e) persons accused of an offence which includes theft, extortion, or criminal misappropriation, and persons accused of receiving or retaining, or assisting in the disposal or concealment of, property possession of which is alleged to have been transferred by any such offence committed by the first-named persons, or of abetment of or attempting to commit any such last named offence; 
(f) persons accused of any offence under sections 411 and 414 of the Penal Code or either of those sections in respect of stolen property the possession of which has been transferred by one offence; and 
(g) persons accused of any offence under Chapter XII of the Penal Code relating to counterfeit coin, and persons accused of any other offence under the said Chapter relating to the same coin, or of abetment of or attempting to commit any such offence; 
and the provisions contained in the former part of this Chapter shall, so far as may be, apply to all such charges.
১,৪৪৫.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে অপরাধী প্রাথমিকভাবে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে-
  1. অসাধুভাবে
  2. বিশ্বাসভরে
  3. সরল বিশ্বাসে
  4. প্রতারণামূলকভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
অর্থাৎ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে অপরাধী প্রাথমিকভাবে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে বিশ্বাসভরে তার পর অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজে ব্যবহার করে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
- Section 405 Criminal breach of trust: Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১,৪৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির অনুসারে "পাবলিক অফিসার" (public officer) এর সংজ্ঞায় নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. একজন বিচারক
  2. একজন আইনজীবী
  3. বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসের সদস্য
  4. একজন ব্যক্তি যিনি সরকারী খরচ করতে পারেন
ব্যাখ্যা

⇒  দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১৭) অনুযায়ী, "পাবলিক অফিসার" এর সংজ্ঞায় বিচারক, সিভিল সার্ভিসের সদস্য এবং সরকারি খরচ করতে পারেন এমন ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু আইনজীবী অন্তর্ভুক্ত নন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) একজন আইনজীবী।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১৭) অনুযায়ী, "পাবলিক অফিসার" এর সংজ্ঞায় নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সংজ্ঞায় যারা অন্তর্ভুক্ত তাদের মধ্যে রয়েছে:
(ক) প্রত্যেক বিচারক (Judge)।
(খ) বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসের সদস্য।
(গ) বাংলাদেশের সামরিক, নৌ, বা বিমান বাহিনীর কমিশন্ড বা গেজেটেড অফিসার।
(ঘ) আদালতের এমন কর্মকর্তা যারা আইন বা তথ্য তদন্ত, নথি প্রস্তুত, সম্পত্তি হেফাজত বা বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পাদনের দায়িত্ব পালন করেন।
(ঙ) যে ব্যক্তি কাউকে বন্দি রাখার ক্ষমতা রাখেন।
(চ) অপরাধ প্রতিরোধ, তথ্য সংগ্রহ, অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা বা জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সুবিধা রক্ষার দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা।
(ছ) সরকারের পক্ষে সম্পত্তি গ্রহণ, ব্যয়, জরিপ, চুক্তি, রাজস্ব প্রক্রিয়া সম্পাদন, তদন্ত বা নথি প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা।
(জ) সরকারের বেতনে বা ফি/কমিশনের মাধ্যমে জনসেবায় নিয়োজিত কর্মকর্তা।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 2(17) "public officer" means a person falling under any of the following descriptions, namely:-
(a) every Judge;
(b) every member of the Civil Service of The Republic;
(c) every commissioned or gazetted officer in the military, naval or air forces of Bangladesh while in the service of the Republic;
(d) every officer of a Court of Justice whose duty it is, as such officer, to investigate or report on any matter of law or fact, or to make, authenticate or keep any document, or to take charge or dispose of any property, or to execute any judicial process, or to administer any oath, or to interpret, or to preserve order, in the Court, and every person especially authorised by a Court of Justice to perform any of such duties;
(e) every person who holds any office by virtue of which he is empowered to place or keep any person in confinement;
(f) every officer of the Government whose duty it is, as such officer, to prevent offences, to give information of offences, to bring offenders to justice, or to protect the public health, safety or convenience;
(g) every officer whose duty it is, as such officer, to take, receive, keep or expend any property on behalf of the Government, or to make any survey, assessment or contract on behalf of the Government, or to execute any revenue-process, or to investigate, or to report on, any matter affecting the pecuniary interest of the Government, or to make, authenticate or keep any document relating to the pecuniary interests of the Government, or to prevent the infraction of any law for the protection of the pecuniary interests of the Government; and
(h) every officer in the service or pay of the Republic, or remunerated by fees or commission for the performance of any public duty.

১,৪৪৭.
Section 32(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898 allows Magistrates to:
  1. Refer sentencing to a higher court
  2. Impose only one type of sentence at a time
  3. Combine any lawful sentences authorized by law
  4. Increase the punishment beyond authorized limits
ব্যাখ্যা
Section 32- Sentences which Magistrates may pass:
1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন, যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
১,৪৪৮.
'Doctrine of Double Jeopardy' কোন ল্যাটিন নীতির উপর ভিত্তি করে গঠিত?
  1. Audi alteram partem
  2. Volenti non fit injuria
  3. Actus non facit reum nisi mens sit rea
  4. Nemo debet bis puniri pro uno delicto
ব্যাখ্যা
• 'Doctrine of double jeopardy' বা 'দোবারা সাজা মতবাদ' যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
যার অর্থ- 'No one shall be punished twice for one fault. অর্থাৎ 'একই অপরাধের জন্য দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না।'

The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২৬ এর মধ্যে দোবারা সাজা নীতি বা ‘Doctrine of Double Jeopardy' প্রতিফলিত হয়েছে।

২৬ ধারার বিধান: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:
যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শান্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শান্তি প্রদান করা যাবে না।

দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
১,৪৪৯.
কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগের জন্য কার সম্মতি প্রয়োজন?
  1. বাদীর
  2. মোকদ্দমার উভয় পক্ষের
  3. সরকারের
  4. কালেক্টরের নিজস্ব
ব্যাখ্যা

Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৪০ বিধি ৫: কখন কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করা যায়:
যেখানে সম্পত্তি এমন ভূমি যা সরকারকে রাজস্ব প্রদান করে, বা এমন ভূমি যার রাজস্ব হস্তান্তরিত বা খালাসকৃত হয়েছে, এবং আদালত বিবেচনা করে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের স্বার্থ কালেক্টরের ব্যবস্থাপনায় উন্নীত হবে, তাহলে আদালত কালেক্টরের সম্মতিতে তাকে উক্ত সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারে।

১,৪৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৩ ধারার অধীন জবানবন্দি গ্রহণ করার সময় কোন প্রকার প্রলোভন দেখাবেন না-
  1. পুলিশ অফিসার
  2. কর্তৃত্বসম্পন্ন অন্য ব্যক্তি
  3. ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৩ অনুযায়ী পুলিশ অফিসার অথবা কর্তৃত্বসম্পন্ন অন্য ব্যক্তি ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রকার প্রলোভন, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দিবেন না।

• তাছাড়া তদন্ত চলার সময় কোন ব্যক্তি তাহার স্বাধীন ইচ্ছায় কোন বিবৃতি দিতে চাইলে অফিসার বা অপর কেউ তাকে হুঁশিয়ারি দ্বারা বা অন্য কোনভাবে বারণ করবেন না।
১,৪৫১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে-
  1. অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন
  2. অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারেন
  3. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন
  4. অভিযুক্তকে জামিন দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০),
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

If after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.
১,৪৫২.
দত্তক গ্রহণের পর যদি দত্তকী পিতার স্বাভাবিক পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তবে হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে দত্তকী পুত্র সম্পত্তির কত ভাগ পান?
  1. অর্ধেক
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/৬ অংশ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে দত্তকী পুত্র (Adopted Son) সাধারণত দত্তক গ্রহণকারী পিতার স্বাভাবিক পুত্রের মতোই সম্পত্তির অধিকারী হন। তবে এই অধিকারে কিছু বিশেষ ব্যতিক্রম ও মতপার্থক্য রয়েছে:

১. স্বাভাবিক পুত্র থাকলে:

যদি দত্তক গ্রহণের পর দত্তকী পিতার নিজস্ব (স্বাভাবিক) পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তাহলে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) উত্তরাধিকার সূত্রে পান। তবে, শুদ্র শ্রেণির দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার সম্পত্তিতে সমান অংশ পাওয়ার অধিকারী হন।

২. স্বাভাবিক পুত্র না থাকলে:
যদি দত্তকী পুত্র ছাড়া দত্তকী পিতার আর কোনো পুত্র না থাকে, তাহলে দত্তকী পুত্রই সম্পত্তির পূর্ণ উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হন।

১,৪৫৩.
রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় আদালত কোন শর্তে পক্ষকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিতে পারে?
  1. যখন মামলাটি গুরুতর হয়
  2. যখন অভিযুক্ত আবেদন করে
  3. যখন আদালত উপযুক্ত মনে করে
  4. যখন উকিল উপস্থিত থাকে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
 
Section 440: Optional with Court to hear parties-
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).

১,৪৫৪.
মুসলিম আইনানুসারে একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে-
  1. কেউ পাবেন না
  2. মূল মালিকের সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পাবে
  3. প্রয়োজন বিবেচনায় বণ্টন করা হবে
  4. প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
- Sharif Sharik, Sharif Khalit Ges Sharif Jar এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগ্যগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। 
- বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তরকে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে।
- একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে। 
- যদি এমন হয় যে, অগ্রক্রয়ের অধিকার দাবিকারীরা একই স্তরের হলেও তাদের কেউ একজন অন্যকোনো যুক্তিতে অধিকতর যোগ্য দাবিদার হলে সে ব্যক্তি অগ্রাধিকার পাবে।
- বিক্রি সম্পন্ন হবার পরই অগ্রক্রয়ের অধিকারের প্রশ্ন আসে। তাই অপরিচিত কোনো ব্যক্তি বরাবর বিক্রি সম্পন্ন হবার পূর্বে এই তিন শ্রেণির কোনো ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের কোনো অধিকার দাবি করতে পারে না।
- অগ্রক্রয়ের অধিকারের মামলা তখনই করা যাবে যখন কোনো অগ্রক্রয়ের অধিকারধারী ব্যক্তি ব্যতিরেকে তৃতীয় কোনো ব্যক্তির নিকট সম্পত্তিটি বিক্রি করা হয়।

- একই শ্রেণীভুক্তি অগ্রক্রয়াধিকারীদের মধ্যে অগ্রক্রয়:
- মুসলিম আইনানুসারে একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে, প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবে।
- কারণ অগ্রক্রয়াধিকারীদের একই শ্রেণীর মধ্যে নৈকট্যের ক্রমকে মুসলিম আইন স্বীকৃতি প্রদান করেনা।
- যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন পথাধিকারের অংশ গ্রহণের যুক্তিতে অগ্রক্রয়ের দাবি করে তখন তাদের সকলেই সমান অধিকার লাভ করবে,
- যদিও তাদের মধ্যে কোন একজন পার্শ্ববর্তী বা সংলগ্ন প্রতিবেশী।
১,৪৫৫.
যদি একই ভূমি নিয়ে নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত উভয় দলিল থাকে, তাহলে উক্ত অনিবন্ধিত দলিলটির চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ এর জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় মামলা করা যায়?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারার বিধান ভূমি সম্পর্কিত কতিপয় নিবন্ধিত দলিল অ-নিবন্ধিত দলিলের বিপরীতে কার্যকর হইবে:-(১) এই আইনের ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) এ উল্লিখিত প্রত্যেক প্রকারের দলিল এবং ধারা ১৮ এর অধীন নিবন্ধনযোগ্য প্রত্যেক দলিল, যে পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত করে বা স্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে কোন লেনদেন সংক্রান্ত কোনরূপ পণ গ্রহণ বা প্রদানের প্রাপ্তিস্বীকার করে, যদি যথাযথভাবে নিবন্ধিত হয় তাহা হইলে, আদালতের ডিক্রি বা আদেশ ব্যতীত, সেই একই পরিমাণ সম্পত্তি সংক্রান্ত অ-নিবন্ধিত দলিলের প্রতিকূলে কার্যকর হইবে, উক্ত অ-নিবন্ধিত দলিল নিবন্ধিত দলিলের মত একই প্রকৃতির হউক বা না হউক:

তবে শর্ত থাকে যে, পূর্বের তারিখের অনিবন্ধিত দলিলের অধীন যে ব্যক্তি সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তিনি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ (১৮৮২ সনের ৪নং আইন) এর ধারা ৫৩ক এর অধীন সকল প্রকার অধিকারপ্রাপ্ত হইবেন, যদি উক্ত ধারার সকল শর্ত পূরণ করা হয়:

আরও শর্ত থাকে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (১৮৭৭ সনের ১নং আইন) এর ধারা ২৭ এর দফা (খ) এর বিধান সাপেক্ষে, যে ব্যক্তির অনুকূলে অনিবন্ধিত দলিল সম্পাদিত হইয়াছে, তিনি উক্ত অনিবন্ধিত দলিলের চুক্তি, পরবর্তীতে নিবন্ধিত দলিলের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে বলবৎ করিবার জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা দায়ের করিবার অধিকারী হইবেন।

(২) এই ধারার উপ-ধারা (১) এর কোন কিছুই ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশের অধীন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ইজারার ক্ষেত্রে বা একই ধারার উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ফোম দলিলের ক্ষেত্রে, বা এই আইন প্রবর্তনকালে বলবৎ আইনের অধীন প্রাধান্য ছিল না এইরূপ ফোন মিবর্ধিত দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
--------------
Section 50. Certain registered documents relating to land to take effect against unregistered documents:
(1) Every document of the kinds mentioned in clauses (a), (b), (c) and (d) of section 17, sub-section (1), and every document registrable under section 18, in so far as such document affects immoveable property or acknowledges the receipt or payment of any consideration in respect of any transaction relating to immoveable property, shall, if duly registered, take effect as regards the property comprised therein, against every unregistered document relating to the same property, and not being a decree or order, whether such unregistered document be of the same nature as the registered document or not: 
 
Provided that the person in possession of the property under an unregistered document prior in date, would be entitled to the rights under section 53A of the Transfer of Property Act, 1882 if the conditions of that section are fulfilled: 
 
Provided further that the person in whose favour an unregistered document is executed shall be entitled to enforce the contract under the unregistered document in suit for specific performance against a person claiming under a subsequent registered document, subject to the provisions of clause (b) of section 27 of the Specific Relief Act, 1877. 
 
(2) Nothing in sub-section (1) applies to leases exempted under the proviso to sub-section (1) of section 17 or to any document mentioned in sub-section (2) of the same section, or to any registered document which had not priority under the law in force at the commencement of this Act. 
১,৪৫৬.
কোনো আইন পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল করে প্রবর্তিত হলে, ঐ আইন পূর্ববর্তী বাতিলকৃত আইনের অধীনে যথাযথভাবে কৃত বা ব্যাহত কোনো কার্যক্রম-
  1. সরাসরি বাতিল করবে
  2. অসাঞ্জস্যপূর্ণ হলে বাতিল করবে
  3. প্রাপ্ত অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে না
  4. এর কোনোটি প্রযোজ্য হবে না
ব্যাখ্যা
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কার্যক্রম কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।

Section 6: Effect of repeal

Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not- 
(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or 
(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or 
(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or 
(d) after any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid; 
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
১,৪৫৭.
মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর বাদি কখন তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র রায় ঘোষণার পর
  2. শুধুমাত্র বিচার শুরুর আগে
  3. শুধুমাত্র সাক্ষ্য গ্রহণের আগে
  4. মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ১ অনুসারে:“মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারেন।”
- অর্থাৎ, এই বিধানে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি, বরং বলা হয়েছে "মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়", তাই বাদী মামলার যেকোনো স্তরে, এমনকি রায় ঘোষণার আগমুহূর্তেও, তার মামলা বা দাবির একটি অংশ প্রত্যাহার করতে পারেন।
- তবে যদি বাদী পরবর্তীতে একই বিষয় নিয়ে নতুন মামলা করতে চান, তাহলে আদেশ-২৩, বিধি-১ অনুসারে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
--------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.
১,৪৫৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৭ ধারা অনুযায়ী,  আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. ধ্বংস করার
  2. বিক্রি করার
  3. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  4. স্থানীয় থানার অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
ব্যাখ্যা

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি:
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।

১,৪৫৯.
যে ফৌজদারি মামলায় দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত থাকে এবং এক বা একাধিক অভিযুক্ত অনুপস্থিত থাকে, এক্ষেত্রে আদালত-
  1. অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে, অভিযুক্তকে হাজিরা থেকে মুক্তি দিতে পারে
  2. মামলার অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন
  3. মামলার পরবর্তী পর্যায়ে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান

(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
১,৪৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধরার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. আপীল করা যাবে না কিন্তু রিভিশন করা যাবে
  4. আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিশন করা যায়।
কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।
-----------
CPC- Section 89A(12) No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
১,৪৬১.
সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৮ম
  2. ৯ম
  3. ১১ম
  4. ১২ম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্টের এ সংশোধনী হয়।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর দেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয়।
- সংশোধনীটি উত্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
- ৩০৭-০ ভোটে বিলটি পাস হয়।
- একাদশের মত এ বিলটিও সরকারি ও বিরোধী দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে পাস হয়।

অন্যদিকে -
- অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বলে ঘোষণা করা হয়।
- নবম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি যতবার ইচ্ছা রাষ্ট্রপতি পদের জন্য নির্বাচন করতে পারতেন।
- একাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ কর্তৃক প্ৰয়োগকৃত সকল কার্যক্রম বৈধ করা হয় এবং পুনরায় তাঁর প্রধান বিচারপতি পদে ফিরে যাবার বিধান করা হয়।
১,৪৬২.
সিভিল প্রসিডিউর কোডের কোন ধারায় রেস সাব-জুডিস এর নীতি বর্ণিত আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
ব্যাখ্যা
♦ রেস সাব-জুডিস- দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারার বিধান অনুযায়ী একই বিষয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে একই সময়ে একাধিক মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না।

ল্যাটিন শব্দ রেস (Res) এবং সাবজুডিস (Subjudice) থেকে রেস সাবজুডিস শব্দটির উৎপত্তি। ল্যাটিন রেস (Res) অর্থ বিষয় এবং সাবজুডিস (Subjudice) অর্থ আদালতে বিচারাধীন অর্থাৎ Res subjudice অর্থ আদালতের বিচারাধীন বিষয়।

পক্ষগণ যাতে একই বিষয়ে অধিক মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং বিচার বিভ্রান্তি না ঘটে সে উদ্দেশ্যে রেস সাবজুডিস নীতিটি প্রয়োগ করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতিটির প্রতিফলন ঘটেছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় যদিও Res-subjudice শব্দটি একবারও ব্যবহার হয়নি তবে ১০ ধারায় Res-subjudice শব্দটির পরিবর্তে Stay of suit শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। 

সাবজুডিস নীতি অনুযায়ী একই বিচার্য বিষয়ে পক্ষগণের মধ্যে দুইটি পৃথক মামলার বিচার একই সময়ে চলতে পারে না। সে ক্ষেত্রে পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটির বিচার সাপেক্ষে পরবর্তী মামলার বিচার কার্য স্থগিত রাখতে হবে। কোন দেওয়ানী মামলায় রেস সাবজুডিস নীতি প্রয়োগ করতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়-
i) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে;

ii) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা অবশ্যই সেই আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে, যেখানে পরবর্তী মামলা দায়ের করা হয়েছে;

iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার পক্ষসমূহ একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন (Under same title) হতে হবে;

iv) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার বিচার্য বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষভাবে না হয় মূলত (directly or substantially) একই হতে হবে অর্থাৎ উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন হতে হবে।
১,৪৬৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৪ ধারার বিধান কি?
  1. ডিক্রী জারী করা
  2. অনুরোধ পত্র
  3. কালেক্টর
  4. ডিক্রী জারী কার্যে বাধা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৪ ধারায় ডিক্রী জারী কার্যে বাধা দান করার বিষয়ে বলা হয়েছে।
• ডিক্রী জারী কার্যে বাধা দিলে বাধাদানকারীকে
• অনধিক ৩০ দিন দেওয়ানী কারাগারে আটক 
• সম্পত্তির দাবীদারকে সম্পত্তি স্থানান্তরের আদেশ দিবেন।
১,৪৬৪.
আদি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার হতে পারে-
  1. রিভিশন
  2. রিভিউ
  3. রেফারেন্স
  4. আপিল
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।
♦আপিল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে। আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।

♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল: (১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত [Court exercising original jurisdiction] অর্থ হলো কোন মোকদ্দমা প্রথমে বা আদিতে যে আদলতে শুনানী এবং বিচারপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এটা হলো এমন আদালত যে আদলত  সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর বিষয়টি আপীল বা রিভিশন আদালতে দায়ের করতে হয়। যেমন দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ হলো আদি এখতিয়ারকারী আদালত। এই সকল আদালতে মোকদ্দমা প্রথমে দায়ের করতে হয় এবং এই আদালত সিদ্ধান্ত দিলে তার বিরূদ্ধে আপীল বা রিভিশন আদালতে দায়ের করতে হবে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদি (মূল) এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত ( সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, এবং যুগ্ম জেলা জজ) প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল শ্রবণের জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত আদালতে ( জেলা জজ বা হাইকোর্টে) আপীল দায়ের করা যাবে। আপীলে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যায়না। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের কোন বিধান নেই।
১,৪৬৫.
ছদ্মবেশী প্রতারণার সংজ্ঞা রয়েছ-
  1. ৪০৮ ধারায়
  2. ৪২৫ ধারায়
  3. ৪১৬ ধারায়
  4. ৩৮৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা মতে অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে।
- প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।
- যে ব্যক্তির রূপ ধারন করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে।
১,৪৬৬.
Whoever commits offence of manufactures, converts or sells or keeps, offers or exposes for sale any arms, ammunition or military stores in contravention of the provisions of section 5 of the Arms Act, 1878 এর সর্ব নিম্ন শাস্তি কত বছর?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
Section 5- Unlicensed manufacture, conversion and sale prohibited

No persons shall manufacture, convert or sell, or keep, offer or expose for sale, any arms, ammunition or military stores, except under a license and in the manner and to the extent permitted thereby. 

Nothing herein contained shall prevent any person from selling any arms or ammunition which he lawfully possesses for his own private use to any person who is not by any enactment for the time being in force prohibited from possessing the same; but every person so selling arms or ammunition to any person other than a person entitled to possess the same by reason of an exemption under section 27 of this Act shall, without unnecessary delay, give to the Magistrate of the district, or to the officer in charge of the nearest police-station, notice of the sale and of the purchaser's name and address.

Section 20- For secret breaches of sections 5, 6, 10, 14 and 15

Whoever does any act mentioned in clause (a), (c), (d) or (f) of section 19, in such manner as to indicate an intention that such act may not be known to any public servant as defined in the Penal Code, or to any person employed upon a railway or to the servant of any public carrier, and whoever, on any search being made under section 25 conceals or attempts to conceal any arms, ammunition or military stores, shall be punished with imprisonment for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both: 
 
Provided that if an offence committed under this section is in respect of a pistol, revolver, rifle or 17[shot gun or other fire-arm], the offender shall be punished with transportation for life on any shorter term, or with imprisonment for a term which may extend to fourteen years, or with fine.
১,৪৬৭.
মৃত বাদী অথবা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার তামাদি সময় গণনা শুরু হয় কখন?
  1.  ডিক্রি ঘোষণার দিন থেকে
  2. মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে
  3. নতুন পক্ষের আবেদনের দিন থেকে
  4. আদালতের নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

মৃত বাদী অথবা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার তামাদি সময় গণনা শুরু হয়- মৃত বাদী আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে।

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৭৬:
দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure) মৃত বাদী অথবা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার
করার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন আবেদন করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন। এমন সময় গণনার শুরু হয় যেদিন বিবাদী বা আপিলকারী মারা যান, সেদিন থেকে।
---------------
The Limitation Act 1908, Article 176: Under the same Code to have the legal representative of a deceased plaintiff or of a deceased appellant made a party the period of limitation is 90 days. The period begins from the date of the death of the deceased plaintiff or appellant.

১,৪৬৮.
Code of Criminal Procedure এর ১৪৫ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
  2. ভূমি বিরোধজনিত দাঙ্গার শায়েস্তা
  3. হরতালজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
  4. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
ব্যাখ্যা
• ধারা-১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা (Dispute concerning land, etc. is likely to cause breach of peace)-

স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
> ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
> ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
> ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে।

অন্যথায়, ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
১,৪৬৯.
বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কতদিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে?
  1. ৩০ দিন 
  2. ৬০ দিন 
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শাস্তি বিধানের বিরুদ্ধে প্রতিকারের বিধান:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিলে এবং উক্ত আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, অনুরূপ আদেশ প্রাপ্তির দিন হতে নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে উক্ত সংক্ষুব্ধ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
- অনুরূপ আপিল হাই কোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃক শ্রবণ করতে হবে এবং ঐ বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.

১,৪৭০.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৬(১) অনুযায়ী, অ-কৃষি জমি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে প্রজার প্রধান শর্ত কী?
  1. জমি বিক্রি করা যাবে না
  2. জমির মূল্যের ক্ষতি না করা
  3. আবাসিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হবে
  4. মালিকের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে
ব্যাখ্যা

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৬: অ- কৃষি জমির ব্যবহার পদ্ধতি:
(১) অ-কৃষি জমি অধিকারে আছে এমন কোনো প্রজা উক্ত জমি যেকোনোভাবে ব্যবহার করিতে পারিবেন, তবে এই আইনের অধীন যে সকল উদ্দেশ্যে অ- কৃষি জমি অধিকারে রাখা যায় উহাদের কোনোটির সহিত যেন উক্ত ব্যবহার অসংগতিপূর্ণ না হয় এবং বাস্তবে উক্ত জমির মূল্যের যেন কোনো ক্ষতি না হয়।

(২) যে প্রজাস্বত্বের প্রতি ধারা ৭ বা ধারা ৮ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য উহার অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজার নিম্নবর্ণিত কাজ করিবার অধিকার থাকিবে, যথাঃ-
(ক) পাকা কাঠামোসহ যে কোনো কাঠামো নির্মাণ করা;
(খ) মসজিদ, মন্দির বা অন্য কোনো উপাসনালয় নির্মাণ করা;
(গ) পুকুর খনন করা; এবং
(ঘ) বৃক্ষ রোপণ করা এবং উক্ত জমির উপরস্থ গাছের ফুল, ফল ও অন্যান্য জিনিস ভোগ করা এবং কাঠ আহরণ ও ব্যবহার বা হস্তান্তর করা।

(৩) যে প্রজাস্বত্বের প্রতি ধারা ৯ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য উহার অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজার নিম্নবর্ণিত কাজসমূহ করিবার অধিকার থাকিবে, যথা:-
(ক) পাকা কাঠামো ব্যতীত অন্য যে কোনো কাঠামো নির্মাণ করা;
(খ) বৃক্ষ রোপণ করা, এবং গাছের ফুল, ফল ও অন্যান্য জিনিস ভোগ করা; এবং
(গ) উক্ত জমিতে তাহার রোপিত গাছের কাঠ আহরণ ও ব্যবহার বা হস্তান্তর করা।

১,৪৭১.
Who has the authority to fix the remuneration of a receiver under Order 40 Rule 2?
  1. The Court
  2. The Plaintiff
  3. The Defendant
  4. Both Plaintiff & Defendant
ব্যাখ্যা
Order 40 Rule-2: Remuneration:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.

আদেশ ৪০ বিধি-২: পারিশ্রমিক:
আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কার্যের জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারবে।
১,৪৭২.
SAT Act, 1950 এর ৯২ ধারা অনুসারে, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি কত বছর ধারাবাহিক চাষাবাদ না করলে জমির উপর রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ৯২ অনুসারে কোনো জোত বা হোল্ডিং-এ একজন রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে-
(ক) যখন তিনি কোনো উইল না রেখে (অতীবাহিত মৃত্যু) মারা যান এবং তাঁর উত্তরাধিকারী আইন অনুসারে উত্তরাধিকার লাভের যোগ্য না থাকেন;

(খ) যখন তিনি কোনো কৃষি বর্ষের শেষে রাজস্ব কর্মকর্তাকে নির্ধারিত ফরম, নিয়ম এবং সময়ে নোটিশ দিয়ে নিজের হোল্ডিং বা জমি স্বেচ্ছায় হস্তান্তর করেন;

(গ) যখন তিনি বকেয়া খাজনা পরিশোধের কোনো ব্যবস্থা না করে নিজের বাসস্থান স্বেচ্ছায় ত্যাগ করেন এবং নিজে অথবা তাঁর পরিবারের সদস্য বা কর্মচারী, শ্রমিক, অংশীদার বা বর্গাদারের সাহায্যে ধারাবাহিকভাবে ৩ বছর পর্যন্ত নিজের হোল্ডিং বা জমি চাষাবাদ বন্ধ রাখেন;

(ঘ) যখন রায়তের জমি উত্তরাধিকার সূত্রে এমন একজন ব্যক্তির কাছে যায়, যিনি প্রকৃত চাষী নন এবং তিনি নিজে বা তাঁর পরিবারের সদস্য, কর্মচারী, শ্রমিক, অংশীদার বা বর্গাদারের সাহায্যে ধারাবাহিকভাবে ৫ বছর জমি চাষাবাদ করতে ব্যর্থ হন এবং চাষ না করার যথেষ্ট কারণও নেই।
১,৪৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ডিক্রি বলতে বুঝায়-
  1. চূড়ান্ত ডিক্রি
  2. প্রাথমিক ডিক্রি
  3. আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারার বিধানমতে ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক রীতিসিদ্ধভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মামলার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই ডিক্রি" প্রাথমিক বা চুড়ান্তও হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে, তবে নিম্নলিখিত বিষয় ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে না
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের মত আপীল করা যায়; অথবা
খ) কোন ক্রটির জন্য খারিজের আদেশ।
ব্যাখ্যা: ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে, মামলা যখন চূড়ান্তরূপে নিস্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারাতে ৩ ধরনের ডিক্রির কথা বলা হয়েছে।
১। প্রাথমিক ডিক্রি
২। চূড়ান্ত ডিক্রি
৩। আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি
ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরো ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন থাকে। মামলা যখন চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি হয় তখন তাকে চূড়ান্ত ডিক্রি বলে।
১,৪৭৪.
ক রেজিস্টার্ড দলিলমূলে খ-এর নিকট একটি জমি বিক্রি করলো। বিক্রির পরে খ দেখলো যে এই জমির উপর গ এর চলাচলের অধিকার (easement) আছে যা শুধু ক জানতো। খ-এর প্রতিকার কী?
  1. দলিল সংশোধনের মামলা করা
  2. ক্ষতিপূরণের মামলা করা
  3. চুক্তি অবসানের মামলা করা
  4. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করা
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়ঃ লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যে কোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেনঃ
ক. যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
খ. যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ, এবং বাদীর চাইতে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি।
গ, যেখানে একটি বিক্রয় চুক্তি অথবা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা, ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে। যা আদালত তাকে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিসেবে গৃহীত খাজনা এবং লাভ বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদান করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন। একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায় আদেশের মাধ্যমে যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদানুযায়ী কাজ করা হয়নি , হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় অথবা সম্পূর্ণ চুক্তিই মামলায় ন্যায়বিচারের আবশ্যক অনুযায়ী রদ করে দিতে পারেন।
♦ অর্থাৎ ধারা ৩৫-এর বিধান মোতাবেক চুক্তি অবসানের মামলা করতে পারেন। ৩৫ ধারার উদাহরণ দ্রষ্টব্য।
১,৪৭৫.
পাবলিক জায়গায় দুজন বা ততোধিক ব্যক্তি লড়াই করে জনশান্তি বিঘ্নিত করলে তাকে কী বলা হয়?
  1. Rioting
  2. Affray
  3. Public nuisance
  4. Unlawful assembly
ব্যাখ্যা

⇒ দুজন বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো পাবলিক জায়গায় পরস্পরের সাথে লড়াই করে এবং তা দেখে সাধারণ মানুষ ভীত-সন্ত্রস্ত হয়, তখন সেই অপরাধটি Affray (আফ্রে) বা "জনসমক্ষে হুল্লোড় বা মারামারি" নামে পরিচিত। এটি দণ্ডবিধির Section 159 এ সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

- Rioting (দাঙ্গা) হলো পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির unlawful assembly (বেআইনি জমায়েত) দ্বারা সহিংসতা বা disturbance সৃষ্টি করা (Section 146)।
- Public nuisance (জনউপদ্রব) হলো এমন কোনো কাজ যা সাধারণ জনগণের inconvenient বা harmful (Section 268)।
- Unlawful assembly (বেআইনি জমায়েত) হলো পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির এমন সমাবেশ যাদের সাধারণ অবৈই লক্ষ্য থাকে (Section 141)।
- যেহেতু প্রশ্নে শুধু দুজন বা ততোধিক ব্যক্তির লড়াই এবং জনশান্তি বিঘ্নিত করার কথা উল্লেখ আছে, তাই এটি Affray এর সংজ্ঞার সাথে মেলে।

- "Affray" বা সড়ক মারামারি সংঘটিত হওয়ার জন্য জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া অপরিহার্য। এটি দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায় উল্লেখিত যে, দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করলে জনশান্তি বিঘ্নিত হয় এবং এটি "Affray" হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-159. Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ The Penal Code, 1860- Section-160. Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

১,৪৭৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব সম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকারের কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৭ ধারায়
  2. ১৮ ধারায়
  3. ১৯ ধারায়
  4. ২০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮ – বিক্রেতার অসম্পূর্ণ মালিকানা থাকলে ক্রেতার অধিকার (Specific Relief Act):
যদি কেউ কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি করে এবং তার মালিকানা সম্পূর্ণ না থাকে (অর্থাৎ অসম্পূর্ণ মালিকানা থাকে), তাহলে ক্রেতা বা ভাড়াটে নিম্নোক্ত অধিকার ভোগ করবেন (যদি এই অধ্যায়ে অন্যথা কিছু না বলা থাকে):

(ক) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াদাতা বিক্রয় বা ভাড়ার পর সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব অর্জন করেন, তাহলে ক্রেতা বা ভাড়াটে তাকে সেই স্বত্ব ব্যবহার করে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারেন।

(খ) যদি সম্পত্তির বৈধ মালিকানা নিশ্চিত করতে অন্য কারো সম্মতির প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতার অনুরোধে সম্মতি দিতে বাধ্য থাকে, তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।

(গ) যদি বিক্রেতা সম্পত্তিকে মুক্ত বলে দাবি করেন, কিন্তু তা বন্ধক থাকে (এবং বন্ধকের পরিমাণ ক্রয়মূল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে), তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই বন্ধক মুক্ত করতে এবং বন্ধকদাতার কাছ থেকে দলিল গ্রহণ করতে বাধ্য করতে পারেন।

(ঘ) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াদাতা specific performance মামলা করেন এবং সেই মামলা তার অসম্পূর্ণ মালিকানার কারণে খারিজ হয়ে যায়, তাহলে ক্রেতার অধিকার আছে—
- তার জমা দেওয়া টাকার ফেরত পাওয়ার,
- উক্ত টাকায় সুদ পাওয়ার,
- মামলার খরচ ফেরত পাওয়ার, এবং
- উপরোক্ত অর্থের জন্য বিক্রেতার সম্পত্তিতে লিয়েন (lien) বা দাবী প্রতিষ্ঠা করার।
১,৪৭৭.
______________ পদমর্যাদার বিচারকের সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হবে।
  1. জেলা জজ
  2. সহকারী জজ
  3. সিনিয়র সহকারী জজ
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩- ধারা ৪: পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রত্যেক জেলায় এক বা একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলায় একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হইলে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ করিবে।

(২) সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ পদমর্যাদার ১ (এক) জন বিচারক সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হইবে।

(৩) উপধারা (১) এর অধীন পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত স্বীয় অধিক্ষেত্রভুক্ত সহকারী জজ আদালত বা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।
১,৪৭৮.
নোটিশ জারির মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মোকদ্দমা করা হলে, সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য সর্বোচ্চ কত দিন সময় পাবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮০ ধারা অনুযায়ী লিখিত নোটিশ জারির ২ মাস পর সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হয়। যদি ২ মাসের নোটিশ দিয়ে মামলা করা হয় তাহলে সরকার বা সরকারী কর্মচারীও (বিবাদী হিসেবে) লিখিত জবাবের জন্য ৬০ দিনের বেশি সময় পাবে না, কিন্তু উক্ত নোটিশ না দিয়ে মামলা করলে সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অন্যূন ৩ মাস সময় পাবে।

সরকারের বিরুদ্ধে (রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত) মামলা করতে হলে সরকারের কোন সচিবের অফিসে অথবা জেলার কালেক্টরের অফিসে নোটিশ দিতে হবে। রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারের অফিসে নোটিশ দিতে হবে। কোন সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে তাকে বা তার অফিসে নোটিশ দিতে হবে। রেল-সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে মামলার নোটিশে মামলার কারণ, বাদীর নাম-ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করে, তা উল্লেখ করতে হবে; এবং নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।

Section 80- Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-

(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and

(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.

(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
১,৪৭৯.
Continuing breaches and wrongs বিধানটি তামাদি আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ২১ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ২৪ ধারায়
  4. ২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♠ তামাদি আইনের  ২৩ ধারা মতে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ/ অন্যায় করা হলে যতদিন/ যতবার  তা করা হবে তার প্রতিদিন/ প্রতিবার হতেই তামাদির মেয়াদ নতুন করে শুরু হবে।
১,৪৮০.
A, B-এর মুখমণ্ডলে স্থায়ী বিকৃতি করার উদ্দেশ্যে তাকে আঘাত করে। কিন্তু সেই আঘাতে B-এর মুখে স্থায়ী বিকৃতি না হলেও সে ২০ দিন ধরে গুরুতর শারীরিক ব্যথায় ভোগে। A-এর অপরাধ কী?
  1. স্বেচ্ছায় সাধারণ আঘাত
  2. গুরুতর আঘাত করার চেষ্টা
  3. স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত
  4. কোনো অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩২২ অনুযায়ী, কেউ যদি গুরুতর আঘাত (grievous hurt) করার ইচ্ছা বা জ্ঞান রেখে কাউকে আঘাত করে, এবং প্রকৃতপক্ষে আঘাত গুরুতর হয়, তাকে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাতকারী বলা হয়।
দণ্ডবিধির ধারা ৩২২ অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতেও A স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাতকারী হিসেবে দণ্ডনীয়।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ধারা-৩২২: স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা:
যে কেউ স্বেচ্ছায় আঘাত করে, যদি সে যে আঘাত করার ইচ্ছা করে বা জানে যে সে করতে পারে তা গুরুতর আঘাত হয়, এবং যদি সে যে আঘাত করে তা গুরুতর আঘাত হয়, তাহলে তাকে বলা হয় "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা"।

ব্যাখ্যা: একজন ব্যক্তিকে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা বলা হয় না যদি না সে গুরুতর আঘাত করে এবং গুরুতর আঘাত করার ইচ্ছা রাখে বা জানে যে সে সম্ভবত গুরুতর আঘাত করবে। কিন্তু তাকে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা বলা হয়, যদি একধরনের গুরুতর আঘাত করার ইচ্ছা রেখে বা জেনেশুনে, সে প্রকৃতপক্ষে অন্য ধরনের গুরুতর আঘাত করে।

উদাহরণ:
'ক', 'খ' এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত করার ইচ্ছা রেখে বা জেনেশুনে, 'খ' কে একটি আঘাত করে যা 'খ' এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত করে না, কিন্তু যা 'খ' কে বিশ দিন ধরে তীব্র শারীরিক ব্যথা ভোগ করায়। 'ক' স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করেছে।

⇒ The Penal Code,1860, Section-322: Voluntarily causing grievous hurt:
Whoever voluntarily causes hurt, if the hurt which he intends to cause or knows himself to be likely to cause is grievous hurt, and if the hurt which he causes is grievous hurt, is said “voluntarily to cause grievous hurt". 
Explanation.-A person is not said voluntarily to cause grievous hurt except when he both causes grievous hurt and intends or knows himself to be likely to cause grievous hurt. But he is said voluntarily to cause grievous hurt, if intending or knowing himself to be likely to cause grievous hurt of one kind, he actually causes grievous hurt of another kind. 
 
Illustration:
A, intending or knowing himself to be likely permanently to disfigure Z's face, gives Z a blow which does not permanently disfigure Z's face, but which causes Z to suffer severe bodily pain for the space of twenty days. A has voluntarily caused grievous hurt.

১,৪৮১.
অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া যথাযথ যত্ন ও সতর্কতার সহিত আইনানুগ কার্য সম্পাদনকালে দুর্ঘটনা অপরাধ হিসাবে গণ্য হইবে না- বিধানটি দণ্ডবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৭৯ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৮০ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৮১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৮০ ধারার বিধান আইনানুগ কাজ সম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা:- কোন আইনানুগ কাজ আইনানুগ পদ্ধতিতে আইনানুগ উপায়ে যথোপযুক্ত সতর্কতা ও যত্নসহকারে সম্পাদন করাকালে কোন অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা অবগতি ছাড়া দুর্ঘটনা বা দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠিত কোন কিছুই অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

--------------
♦ Accident in doing a lawful act:
- Section 80. Nothing is an offence which is done by accident or misfortune, and without any criminal intention or knowledge in the doing of a lawful act in a lawful manner by lawful means and with proper care and caution. 
 
♦ Illustration-
- A is at work with a hatchet; the head flies off and kills a man who is standing by. Here if there was no want of proper caution on the part of A, his act is excusable and not an offence.
১,৪৮২.
এক পক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
  1. ঐতিহাসিক সত্য
  2. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
  3. অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
  4. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
১,৪৮৩.
ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অভিযুক্তকে একসাথে সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেন।

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এমর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

Section 344: Power to postpone or adjourn proceedings

(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
১,৪৮৪.
রাষ্ট্রপতির অভিশংসন প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার জন্য সংসদের কত শতাংশ সদস্যের ভোট প্রয়োজন?
  1. অর্ধেক
  2. এক-তৃতীয়াংশ
  3. দুই-তৃতীয়াংশ
  4. চার-পঞ্চমাংশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে অভিশংসন প্রস্তাব উত্থাপন করা যেতে পারে।

অভিশংসন প্রক্রিয়া:
১) অভিযোগ উত্থাপন:
- সংসদের মোট সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ (৫০%+ বা অর্ধেকের বেশি) সদস্যদের স্বাক্ষরযুক্ত অভিযোগ স্পিকারের কাছে দাখিল করতে হয়।
২) তদন্ত ও বিবেচনা:
- অভিযোগের তদন্তের জন্য সংসদ কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির নিজেকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকবে।
৩) অভিশংসন প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার শর্ত:
- অভিযোগ বিবেচনার পর, সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬.৬৭%) ভোটে যদি অভিযোগ যথার্থ বলে ঘোষণা করা হয়, তাহলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়ে যাবে।

অর্থাৎ
→ অভিযোগ উত্থাপনের জন্য: সংসদের অর্ধেক (৫০%+ সদস্য) স্বাক্ষর লাগবে।
→ অভিশংসনের জন্য: সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬.৬৭%) ভোট প্রয়োজন।

→ তাই সঠিক উত্তর: গ) দুই-তৃতীয়াংশ।
১,৪৮৫.
কোন ধারায় চুক্তি ভঙ্গের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসাবে বা অতিরিক্ত হিসাবে ক্ষতিপূরণও চাওয়া যায়?
  1. ১৮ ধারা
  2. ২২ ধারা
  3. ২৭ ধারা
  4. ১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ১৯ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা করেছে সে উক্ত চুক্তি ভঙ্গের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসাবে বা অতিরিক্ত হিসাবে ক্ষতিপূরণও চাইতে পারে।
১,৪৮৬.
বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির উপর তামাদি আইনের প্রভাব কী?
  1. দুই দেশের তামাদির বিধান গ্রহণযোগ্য হবে
  2. পক্ষদ্বয়ের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো এক দেশের বিধান গ্রহণযোগ্য হবে
  3. সকল ক্ষেত্রে বিদেশের আদালতের তামাদির বিধান বিধান প্রযোজ্য হবে
  4. বাংলাদেশের আদালতে মামলা হলে, উক্ত তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,

- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লিখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।

- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

⇒The Limitation Act, 1908: Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.
১,৪৮৭.
'A' একটি বই 'Z'-এর লাইব্রেরি থেকে 'Z'-এর অনুপস্থিতিতে নিয়ে যায়, এই ভেবে যে 'Z' তাকে বইটি নিতে দিতেন। পরে 'A' বইটি বিক্রি করে। এই ক্ষেত্রে 'A' দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে দোষী হবে?
  1. ৩৭৮ ধারা
  2. ৩৮৩ ধারা
  3. ৪০৩ ধারা
  4. ৪০৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ এই প্রশ্নে যে পরিস্থিতি বর্ণনা করা হয়েছে তা সরাসরি দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪০৩ ধারা (Dishonest misappropriation of property)-এর অধীন পড়ে।

ঘটনার বিশ্লেষণ:
‘A’ বন্ধুত্বের কারণে ‘Z’-এর লাইব্রেরি থেকে একটি বই নিয়ে যায়, তখন তার বিশ্বাস ছিল যে Z হয়তো সম্মতি দিতেন (অর্থাৎ, ইচ্ছাকৃত চুরি নয় — তাই ৩৭৮ ধারা [চুরি] প্রযোজ্য নয়),
কিন্তু পরে ‘A’ বইটি নিজের লাভের জন্য বিক্রি করে, অর্থাৎ নিজের জন্য আত্মসাৎ করে নেয়, যা অসৎ উদ্দেশ্যে মোচড়যোগ্য সম্পত্তি আত্মসাৎ এর মধ্যে পড়ে।
-  এই আচরণটি ধারা ৪০৩ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য।
অর্থাৎ ‘A’ যেহেতু বইটি পরবর্তীতে নিজের লাভের জন্য বিক্রি করেছে, এটি অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সে দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারা অনুযায়ী দোষী হবে।
সঠিক উত্তর: গ) ৪০৩ ধারা।

Illustration(b)
- A, being on friendly terms with Z, goes into Z's library in Z's absence, and takes away a book without Z's express consent. Here, if A was under the impression that he had Z's implied consent to take the 
book for the purpose of reading it, A has not committed theft. But if A afterwards sells the book for his own benefit, he is guilty of an offence under this section.

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.
১,৪৮৮.
ধারা ৬৪ অনুযায়ী, বন্ধকগ্রহীতা ইজারা নবায়ন করলে-
  1. আগের ইজারা বাতিল হয়ে যায়
  2. বন্ধকদাতাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়
  3. বন্ধক সম্পত্তি খারিজ হয়ে যায়
  4. বন্ধকদাতা নতুন ইজারার সুবিধা পায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৪- বন্ধক রাখা ইজারা নবায়ন:
যদি বন্ধক রাখা সম্পত্তিটি কোনো ইজারাভিত্তিক (leasehold) সম্পত্তি হয়, এবং বন্ধকগ্রহীতা সেই ইজারার নবায়ন করে, তাহলে বন্ধকদাতা যখন সম্পত্তি মুক্ত করবেন (redeem), তখন- যদি ভিন্ন কোনো চুক্তি না থাকে- তাহলে তিনি নতুন ইজারার সুবিধা ভোগ করবেন।

Section 64. Renewal of mortgaged lease-
Where the mortgaged property is a lease, and the mortgagee obtains a renewal of the lease, the mortgagor, upon redemption, shall, in the absence of a contract by him to the contrary, have the benefit of the new lease.
১,৪৮৯.
'চুরি' দস্যুতার শামিল হইবে, যদি চুরির উদ্দ্যেশ্যে চোরাইমাল লইয়া যাইবার সময় অপরাধী ইচ্ছাপূর্বক-
  1. কোন ব্যক্তির মৃত্যু, আঘাত বা অন্যায় নিয়ন্ত্রণ ঘটাইলে বা ঘটাইবার চেষ্টা করিলে,
  2. আশু মৃত্যুর বা আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয় সৃষ্টি করিলে বা ভয় সৃষ্টির চেষ্টা করিলে,
  3. 'ক' বা 'খ'
  4. কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান: দস্যুতার সংজ্ঞা (Robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তাদস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When extortion is robbery)- বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী স্বয়ং ভিকটিমের নিকটে বা আশেপাশে উপস্থিত থেকে তাৎক্ষনিক ভয়ের সৃষ্টি করলে বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতা বলে গণ্য হবে।
⇒ চুরি কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When theft is robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা চুরি করার সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা অবৈধ আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন চুরি দস্যুতা বলে গণ্য হবে।

⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারা মতে প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

⇒ যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।

⇒ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে  দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ অর্থাৎ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
১,৪৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অধিকতর অনুসন্ধান বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দানের ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ৩৭৪
  2. ৩৭৫
  3. ৩৭৬
  4. ৩৭৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা:
হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
-হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।
 -------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken:
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
১,৪৯১.
বাংলাদেশের কোন নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে তাকে বাংলাদেশের আইনের অধীনে বিচার করা যেতে পারে যদি —
  1. সে সরকারকে নিজে থেকে জানায়
  2. অন্য দেশ থেকে অভিযোগ আনে
  3. সে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বা পাওয়া যায়
  4. বাংলাদেশি কূটনীতিক অনুমোদন দেয়
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশের কোন নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে তাকে বাংলাদেশের আইনের অধীনে বিচার করা যেতে পারে যদি সে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বা পাওয়া যায়।

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ তে বাংলাদেশের বাইরে কৃত অপরাধের দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বলা আছে।
- এই ধারা অনুসারে, যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমানার বাইরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে;অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে টা যেখানেই থাকুক না কেন, কোন অপরাধ করে ;তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে পাওয়া যাবে সেই স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধরে নিয়ে সেই মোতাবেক বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- এই সকল অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৮ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪ ধারা একত্রে মিলিয়ে পড়তে হয়। দণ্ডবিধির ৪ ধারায় রাষ্ট্রীয় অধিক্ষেত্রের বাইরে দণ্ডবিধির ব্যাপ্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
---------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-188. Liability for offences committed outside Bangladesh:
 When a citizen of Bangladesh commits an offence at any place without and beyond the limits of Bangladesh, or 
When any person commits an offence on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be, 
he may be dealt with in respect of such offence as if it had been committed at any place within Bangladesh at which he may be found:
Political Agents to certify fitness of inquiry into charge
Provided that notwithstanding anything in any of the preceding sections of this Chapter no charge as to any such offence shall be inquired into in Bangladesh except with the sanction of the Government: 
Provided, also, that any proceedings taken against any person under this section which would be a bar to subsequent proceedings against such person for the same offence if such offence had been committed in Bangladesh shall be a bar to further proceedings against him under the Extradition Act, 1974, in respect of the same offence in any territory beyond the limits of Bangladesh.
১,৪৯২.
ক” নাবালক থাকাকালে উইলবলে প্রাপ্ত সম্পত্তি বা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি বা মিরাস[Legacy] আদায়ের জন্য মামলা করার অধিকার অর্জন করে। এর ১১ বৎসর পর ক” সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক” মামলা দায়ের করার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। প্রকৃতপক্ষে ক” সর্বোচ্চ কত বছর এর মধ্যে মামলা করলে মামলা খারিজ হবে না?
  1. ১ বছরের মধ্যে
  2. ২ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৪ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৃতের সম্পত্তির জন্য অথবা উইল করা সম্পত্তির অবশিষ্টাংশের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ হলো ১২ বৎসর। এই প্রশ্নে ক আইনগতভাবে অপারগ বা নাবালক ছিল ১১ বৎসর। সুতরাং তার মামলা করার অবশিষ্ট মেয়াদ ছিল ১ বৎসর। যেহেতু অবশিষ্ট মেয়াদ ৩ বৎসরের কম আছে, তাই ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপরাগতার সুবিধা দাবী করা যেতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে আদালত ৮ ধারা অনুযায়ী অতিরিক্ত ২ বৎসর সময় বাড়ায়ে ৩ বৎসর করতে পারে। অর্থাৎ ক সর্বোচ্চ ৩ বৎসরের মধ্যে মামলা করতে পারবে।
১,৪৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতার করার সময় স্পর্শ করার প্রয়োজন নেই যদি-
  1. কোর্ট থেকে অনুমতি না আসে।
  2. আসামি পালানোর চেষ্টা করে।
  3. পুলিশ কর্মকর্তার ইচ্ছা না থাকে।
  4. আসামি স্বেচ্ছায় হেফাজতে যাওয়ার জন্য সম্মতি দেয়।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
 গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।
⇒ পুলিশ বা অন্য যিনি গ্রেফতার করবেন, তাকে সরাসরি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শরীরে স্পর্শ করতে হবে বা তাকে আটক করতে হবে। তবে, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি নিজের ইচ্ছায় কথা বা কাজের মাধ্যমে হেফাজতে যেতে সম্মতি দেয়, তাহলে স্পর্শ করা প্রয়োজন নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান গ্রেফতারের পদ্ধতি:
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধ: এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46. Arrest how made:
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- Resisting endeavour to arrest:
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest. 
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with 71[transportation for life].
১,৪৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কয়টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে?
  1. ৫ টি
  2. ৪ টি
  3. ২ টি
  4. ৩ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২টি অংশ-

প্রথম অংশ- ধারা [Sections] 
দ্বিতীয় অংশ- তফসিল [Schedules]। মোট ৩ টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে

• তফসিলসমূহ (Schedules]-

১ম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ
২য় তফসিল: বাতিল
৩য় তফসিল: কালেক্টর কর্তৃক ডিক্রি জারি
৪র্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ
৫ম তফসিল: বাতিল
১,৪৯৫.
কত বয়সের নিচে কোনো নাবালককে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া তার অভিভাবকের কাছ থেকে নিয়ে গেলে, সেটি অপহরণ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম: যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
১,৪৯৬.
গুদামরক্ষক 'A'-এর দায়িত্ব ছিল 'Z'-এর নিকট কিছু মাল অর্পন করা যা 'A'-এর দখল থেকে 'B' নিয়ে গেছে। এখানে 'A', 'B'-এর বিরুদ্ধে কী মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের
  2. মালামাল পুনরুদ্ধারের
  3. ক্ষতিপূরণের
  4. 'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। 'খ', 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
(খ) 'ক' কিছু ঋণের জন্য 'খ'-এর নিকট কিছু অলংকার বন্ধক রাখে। 'খ' সেগুলি বিক্রয় করার অধিকারী হওয়ার আগেই বিক্রয় করে। 'ক' ঋণের অর্থ পরিশোধ না করেই অলঙ্কারাদির দখলের জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলা অবশ্যই খারিজ হবে। কারণ 'ক' সেগুলির দখলের অধিকারী নয়, তার যতটুকু অধিকার তা হচ্ছে অলঙ্কারসমূহের নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।
(গ) 'ক', 'খ' কর্তৃক তার নিকট লিখিত একটি চিঠি পেল। 'খ', 'ক'-এর সম্মতি ছাড়াই উক্ত চিঠি ফিরিয়ে দিল। উক্ত চিঠিতে 'ক'-এর এমন এক স্বত্ব রয়েছে, যা তাকে 'খ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করার অধিকারী করে।
(ঘ) 'ক', 'খ'-এর নিকট নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য বই এবং কাগজপত্র জমা রাখে। 'খ' সেগুলি হারিয়ে ফেলল এবং 'গ' সেগুলি পেল, কিন্তু 'খ' যখন আইনের ১৬৮ ধারা অনুসারে 'গ'-এর যদি কোন অধিকার জন্মে থাকে তবে তৎসাপেক্ষে 'গ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করতে পারে।
(ঙ) গুদামরক্ষক 'ক'-এর দায়িত্ব ছিল 'খ'-এর নিকট কিছু মাল অর্পণ করায় যা 'ক'- এর দখল হতে 'খ' নিয়ে গেছে। 'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত মালামালের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation-1: A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation-2: A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
Illustration:
(a) A bequeaths land to B for his life, with remainder to C. A dies. B enters on the land, but C, without B's consent, obtained possession of the title-deeds. B may recover them from C.
(b) A pledges certain jewels to B to secure a loan. B disposes of them before he is entitled to do so. A, without having paid or tendered the amount of the loan, sues B for possession of the jewels. The suit should be dismissed, as A is not entitled to their possession, whatever right he may have to secure their safe custody.
(c) A receives a letter addressed to him by B. B gets back the letter without A's consent. A has such a property therein as entitles him to recover it from B.
(d) A deposits books and papers for safe custody with B. B losses them, and C finds them but refuses to deliver them to B when demanded. B may recover them from C, subject to C's right, if any, under section 168 of the Contract Act, 1872.
(e) A, warehouse-keeper, is charged with the delivery of certain goods to Z, which B takes out of A's possession. A may sue B for the goods.
১,৪৯৭.
হাইকোর্ট বিভাগের হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ কোন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অপ্রযোজ্য?
  1. বেআইনীভাবে আটককৃত
  2. বিনা পরোয়ানায় আটককৃত
  3. সরকারী হেফাজতে অযৌক্তিকভাবে আটককৃত
  4. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটককৃত
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট পিটিশন দায়ের করা যায়। হাজির রিটের ক্ষেত্রে আদালত বেআইনীভাবে আটককৃত কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে তার নিজের সন্তুষ্টির জন্য যে উক্ত ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। 
 
• ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
 
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
 
(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
 
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
১,৪৯৮.
নিম্নের কোন পরিস্থিতিতে বিবাহিতা হিন্দু নারী পৃথক বাস করেও স্বামীর নিকট ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী হবেন?
  1. স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়
  2. স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে
  3. স্বামী যদি দুরারোগ্য সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হন
  4. উল্লিখিত সকল কারণে
ব্যাখ্যা

• ১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন এর ধারা ২ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণ পাওয়ার অধিকারিণী-

⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে; এবং
⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
১,৪৯৯.
আসামী পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে প্রদত্ত স্বীকারোক্তি-
  1. প্রাসঙ্গিক হবে
  2. অপ্রাসঙ্গিক হবে
  3. চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে প্রাসঙ্গিক
  4. আংশিক প্রাসঙ্গিক ও আংশিক অপ্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৬ ধারামতে পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামীর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না (Confession by accused while in custody of police not to be proved against him): পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকাকালে কোন ব্যক্তি দোষ স্বীকার করলে, তা যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেটের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে না হয়, তাহলেতা ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় 'ম্যাজিস্ট্রেট' বলতে ম্যাজিস্ট্রেটের কার্য সম্পাদনকারী গ্রামপ্রধানকে বুঝাবে না। তবে গ্রামপ্রধান যদি ১৮৯৮ সালে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকেন, তবে তাকে বুঝাবে।
------------------------------
⇒ Section 26: Confession by accused while in custody of police not to be proved against him:
-No confession made by any person whilst he is in the custody of a police-officer, unless it be made in the immediate presence of a Magistrate, shall be proved as against such person. 
⇒ Explanation:– In this section "Magistrate" does not include the head of a village discharging magisterial functions unless such headman is a Magistrate exercising the powers of a Magistrate under the Code of Criminal Procedure,1898.
১,৫০০.
একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী চাকরি দেয়ার নামে গরীব কর্মীদের বিদেশে পাচার করে এবং এতে বিপুল আর্থিক মুনাফা অর্জন করছে। উক্ত ঘটনায়, গোষ্ঠীর সদস্যদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭: সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্তুগত বা অবস্তুগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

⇒ সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্যূন ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে। তাই সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।