বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১৪ / ১৫৫ · ১,৩০১১,৪০০ / ১৫,৪৭০

১,৩০১.
কোন ধরণের রিট আবেদন শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি করতে পারেন?
  1. Writ of Habeas Corpus
  2. Writ of Quo Warranto
  3. Writ of Mandamus
  4. (ক) ও (খ) উভয়
ব্যাখ্যা
রিট [Writ]
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।
১,৩০২.
যে রাস্তা দিয়ে 'Y' নিয়মিত যাতায়াত করে, সেখানে 'X' ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা সৃষ্টি করে 'Y' এর চলাচল ব্যাহত করে। এই কার্যটি কী ধরনের অপরাধ?
  1. Criminal force
  2. Wrongful restraint
  3. Wrongful confinement
  4. Kidnapping
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৯ অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমনভাবে বাধা সৃষ্টি করে যার ফলে কোনো ব্যক্তি যে পথে যাবার অধিকার রাখে, সেই পথে যেতে না পারে, তবে এটি “অবৈধ বাধা” (Wrongful Restraint) হিসেবে গণ্য হবে।
- এই ক্ষেত্রে ‘X’ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি পথ রুদ্ধ করেছে যেটি ‘Y’-এর চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ছিল। ফলে, ‘Y’ তার আইনসম্মত পথে চলাচল করতে না পারায় ‘X’ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা অনুযায়ী “Wrongful restraint” অপরাধে দোষী।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।ঃ
ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।
⇒ উদাহরণ: যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 339. Wrongful restraint:
 Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১,৩০৩.
আপীল বা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ গণনায় কোন সময় বাদ দিতে হবে?
  1. মামলা দায়েরের দিন
  2. শুধু রায় ঘোষণার দিন
  3. শুধু নকল গ্রহণের সময়
  4. রায় ঘোষণার দিন এবং নকল গ্রহণের সময়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
১,৩০৪.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ২১ কোন আইনি নীতির প্রতিফলন ঘটায়? 
  1. Doctrine of Estoppel
  2. Doctrine of Ultra Vires
  3. Doctrine of Locus Poenitentiae
  4. All prior acts become invalid
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।

⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

১,৩০৫.
আদেশ ৮ বিধি ২ অনুযায়ী বিবাদী তার লিখিত জবাবে সেই বিষয়গুলো উত্থাপন করবে, যা থেকে দেখা যাবে যে-
  1. মোকদ্দমাটি রক্ষণীয়
  2. মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল
  3. মোকদ্দমা দায়েরের যথেষ্ট কারণ আছে
  4. মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বৈধ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি ২-
বিবাদী তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে, মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয় অথবা বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ঐ সমস্ত হেতু উত্থাপন করবেন, যা উত্থাপন না করলে অপর পক্ষ বিস্মিত হত কিংবা আরজিতে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ বিষয়াবলী উপস্থাপন করবেন যথা- তক্ষকতা, তামাদি, মুক্তি, পরিশোধ, কার্য সম্পাদন কিংবা আইনবিরুদ্ধ প্রমাণকারী তথ্যসমূহ।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
বিবাদী তার জবাবে এমন বিষয়গুলো উল্লেখ করবে যা দেখাবে যে, মামলা টিকসই নয় বা আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ বা বাতিলযোগ্য। এছাড়াও, এমন কারণগুলো তুলে ধরবেন, যা আগে উল্লেখ করা হয়নি এবং না বললে অপর পক্ষ আশ্চর্য হতে পারত। যেমন: প্রতারণা, মামলা দায়েরের সময়সীমা (তামাদি) পেরিয়ে যাওয়া, ঋণ পরিশোধ, চুক্তি পালন, বা অন্য কোন আইনগত প্রতিবন্ধকতা। এগুলো মামলা খারিজ করার বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বিবাদীর প্রধান কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।

[The defendant must raise by his pleading all matters which show the suit not to be maintainable or that transaction is either void or voidable in point of law and all such grounds of defence as if not raised, would be likely to take the opposite party by surprise or would raise issues of fact not arising out of the plaint as for instance, fraud, limitation, release, payment, performance, or facts showing illegality.]
১,৩০৬.
সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের কোন কোন ধারা প্রযোজ্য হবে না?
  1. ২০ ও ২১ ধারা
  2. ২২ ও ২৩ ধারা
  3. ২৪ ও ২৫ ধারা
  4. ২৬ ও ২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে;
⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা;
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে;
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

Section 29- Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
১,৩০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় একতরফা মূল ডিক্রির আপিলের ক্ষেত্রে কী বিধান রয়েছে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যায়
  2. একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না
  3. একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায়
  4. নিম্ন আদালতে একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না
ব্যাখ্যা
মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল: দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারায় বলা হয়েছে,
১. আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপীল শ্রবণের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালতে আপীল দায়ের করতে হবে।
২. একতরফা মূল ডিক্রি হতেও আপীল দায়ের করা যায়।
৩. পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তা হতে কোন আপীল চলবে না।

সুতরাং আইনে অন্য কিছু বলা না থাকলে, প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
১,৩০৮.
তামাদি আইনের প্রথম বিভাগে কোন বিষয়ের তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. আপীল দায়ের
  2. দরখাস্ত দায়ের
  3. মোকদ্দমা দায়ের
  4. রিভিশন দায়ের
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।

১,৩০৯.
মৃত্যুদণ্ড যোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহে অনাধিকার প্রবেশের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অর্থদণ্ড
  4. সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৪৯ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশের শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
১,৩১০.
সাক্ষ্য প্রদানের সময় সাক্ষী সব প্রশ্নের উত্তর করতে বাধ্য - এই বিধান সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ১১৮ ধারা
  2. ১২৬ ধারা
  3. ১৩২ ধারা
  4. ১৩৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩২ অনুসারে,
একজন সাক্ষীকে কোনো মামলার বা ফৌজদারি বা দেওয়ানি কার্যক্রমের বিষয় সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে অব্যাহতি পাবে না, যদিও সেই উত্তর দেওয়ার ফলে সাক্ষী নিজেকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে অথবা তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা হতে পারে। কিন্তু, যে উত্তর তাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে, সেই উত্তর তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তার বা মামলা দায়েরের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে যদি সে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য মামলা করা যেতে পারে।

Section-132: Witness not excused from answering on ground that answer will criminate:
A witness shall not be excused from answering any question as to any matter relevant to the matter in issue in any suit or in any civil or criminal proceeding, upon the ground that the answer to such question will criminate, or may tend directly or indirectly to criminate, such witness, or that it will expose, or tend directly or indirectly to expose, such witness to a penalty or forfeiture of any kind: 
 
Provided that no such answer, which a witness shall be compelled to give, shall subject him to any arrest or prosecution, or be proved against him in any criminal proceeding, except a prosecution for giving false evidence by such answer.
১,৩১১.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় কতগুলো ব্যতিক্রমের উল্লেখ আছে?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯ টি
  4. ১০ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
১,৩১২.
'যদু' নামক একজন হিন্দু মৃতা বড় কন্যার এক দৌহিত্র এবং ছোট মৃতা কন্যার দিকের দুই দোহিত্র এবং পিতাকে রেখে মারা গেল। এক্ষেত্রে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে পিতা সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/৪ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/২ অংশ
  4. কোনো অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা

⇒ এক্ষেত্রে পিতা কিছু পাবে না, কারণ পিতার স্থান সপিন্ডদের তালিকায় দৌহিত্রের পরে।  তাই তিন দৌহিত্র মাথাপিছু নিয়মে প্রত্যেকে সমান অংশ পাবে। অর্থাৎ ১/৩ অংশ করে পাবে। উল্লেখ্য, হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, বিধবা স্ত্রী, কন্যা ও দৌহিত্র কেউই জীবিত না থাকেন, তাহলে মৃত ব্যক্তির পিতা সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন।

হিন্দু উত্তরাধিকার আইন:
বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে। ১. পিণ্ডদান; ২. পিণ্ডলেপ ও ৩. জলদান।

সপিণ্ড:
মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন: ১. বিধবা স্ত্রী; ২. কন্যা; ৩. মাতা; ৪. পিতার মাতা ও ৫. পিতার পিতার মাতা। পিতৃকুলের সপিণ্ডরা জীবিত থাকলে মাতৃকুলের সপিণ্ডরা সম্পত্তি পান না।

নিম্ন তালিকা অনুসারে সপিণ্ডগণ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন (প্রথম ২০ জন):
১. পুত্র, ২. পুত্রের পুত্র, ৩, পুত্রের পুত্রের পুত্র, ৪. স্ত্রী (পুত্রের স্ত্রী/পুত্রের পুত্রের স্ত্রী/পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী) ৫. কন্যা, ৬. কন্যার পুত্র, ৭. পিতা, ৮, মাতা, ৯, ভ্রাতা, সহোদর ভ্রাতা না থাকলে বৈমাত্রেয় ভ্রাতা, ১০ ভ্রাতুস্পুত্র, সহোদর না থাকলে বৈমাত্রেয় ভ্রাতার পুত্র, ১১. ভ্রাতুষ্পুত্রের পুত্র, সহোদর ভ্রাতা না থাকলে বৈমাত্রেয় ভ্রাতার পুত্রের পুত্র, ১২. বোনের পুত্র, ১৩. পিতার পিতা, ১৪. পিতার মাতা, ১৫, পিতার ভ্রাতা, ১৬ পিতার ভ্রাতার পুত্র, ১৭. পিতার ভ্রাতা পুত্রের পুত্র, ১৮. পিতার ভগ্নীয় পুত্র, ১৯, পিতার পিতার পিতা, ২০ পিতার পিতার মাতা।

১,৩১৩.
Who may suggest questions during the oral examination under Order 10, Rule 2?
  1. Only the Judge
  2. Either party to the suit
  3. Only the plaintiff’s lawyer
  4. Only the defendant’s lawyer
ব্যাখ্যা
• Order 10 Rule 2- Oral examination or party of companion of party:
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.

আদেশ ১০ বিধি ২- পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি:

মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
১,৩১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান কোথায় আছে?
  1. ধারা ৮৯ক
  2. ধারা ৮৯খ
  3. ধারা ৮৯গ
  4. সবগুলোতে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা মোতাবেক mediation বা মধ্যস্ততার বিধান ও ৮৯খ ধারা মোতাবেক সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।
♦তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।
♦সর্বশেষ ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ সংক্রান্ত বিধানগুলো (ধারা-৮৯ক থেকে ৮৯৫) সংশোধন করা হয়। এছাড়া ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কোনো দেওয়ানী মামলায় একজন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
১,৩১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোন ব্যক্তি তার দখলে থাকা দলিল হাজির করতে অস্বীকার করলে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে কী ধরণের শাস্তি দিতে পারে?
  1. অর্থদণ্ড
  2. সশ্রম কারাদণ্ড
  3. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. উল্লিখিত সব ধরণের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারার বিধান- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ:
-কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন,
-যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-485: Imprisonment or committal of person refusing to answer or produce document:
-If any witness or person called to produce a document or thing before a Criminal Court refuses to answer such questions as are put to him or to produce any document or thing in his possession or power which the Court requires him to produce, and does not offer any reasonable excuse for such refusal, such Court may, for reasons to be recorded in writing, sentence him to simple imprisonment, or by warrant under the hand of the presiding Magistrate or Judge commit him to the custody of an officer of the Court for any term not exceeding seven days, unless in the meantime such person consents to be examined and to answer, or to produce the document or thing. In the event of his persisting in his refusal, he may be dealt with according to the provisions of section 480 or section 482, and in the case of High Court Division shall be deemed guilty of a contempt.
১,৩১৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ ফেরত [return of complaint] দিতে পারেন?
  1. ২০৩ ধারা
  2. ২০১ ধারা
  3. ২০৪ ধারা
  4. ২০২ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে-

• লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে- আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

• মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে- যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে মালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
১,৩১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বিদেশী রাষ্ট্রের বাংলাদেশের আদালতে মামলা করার অধিকার বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৮৬
  2. ধারা ৮৪
  3. ধারা ৮২
  4. ধারা ৮০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৪-এ বিদেশী রাষ্ট্রের বাংলাদেশের আদালতে মামলা করার অধিকার সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ধারা ৮৪ এর মূল বিষয়বস্তু: কোন বিদেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের আদালতে মামলা করতে পারবে, যদি সরকার তাকে স্বীকৃতি প্রদান করে, এবং মামলার উদ্দেশ্য হয় সেই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বা কোনো কর্মকর্তার সরকারি ক্ষমতার অধীনে ব্যক্তিগত অধিকার কার্যকর করা।
- আদালতকে অবশ্যই বিচার বিভাগীয় নজরে (judicial notice) রাখতে হবে যে উক্ত বিদেশী রাষ্ট্র সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হয়েছে কি না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৪ - কখন বিদেশী রাষ্ট্র মামলা করতে পারে:
(১) কোন বিদেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের যে কোন আদালতে মামলা করতে পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ রাষ্ট্র, সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হতে হবে:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এরূপ রাষ্ট্রের রাষ্ট্র প্রধানের বা এরূপ রাষ্ট্রের কোন কর্মকর্তার হাতে সরকারী ক্ষমতায় নিহিত কোন ব্যক্তিগত অধিকার কার্যকর করাই মামলার উদ্দেশ্য হতে হবে।
(২) কোন বিদেশী রাষ্ট্র, সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হয়েছে কিনা তা প্রত্যেক আদালত বিচার বিভাগীয় নজরে নিবেন।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 84.When foreign States may sue.
(1) A foreign State may sue in any Court in Bangladesh:
Provided that such State has been recognized by the Government: 
Provided, also, that the object of the suit is to enforce a private right vested in the head of such State or in any officer of such State in his public capacity. 
(2) Every Court shall take judicial notice of the fact that a foreign State has or has not been recognized by the Government.
১,৩১৮.
বিচারিক আদালত যদি কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমা কোনো প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে ডিক্রি দিয়ে থাকে এবং আপিলে উক্ত ডিক্রি রদ হয়, তাহলে আপিল আদালত এক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নিবে?
  1. নিজেই মোকদ্দমাটি পুনরায় বিচার করবে
  2. মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের আদেশ দিবে না
  3. মোকদ্দমাটি নতুন করে গ্রহণ করবে
  4. মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩- বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রি রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

Order 41 Rule 23- Remand of case by Appellate Court:
Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand.
১,৩১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ডাদেশ বহাল রাখার আদেশ দিলে, তা স্বাক্ষর করবে সর্বনিম্ন কত জন বিচারক?
  1. ২ জন
  2. ৪ জন
  3. ৩ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৭- দণ্ডাদেশ বহাল ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে

৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ডাদেশ বহাল রেখে বা নতুন যে শাস্তি বা অন্য যে আদেশ দিবে তা সর্বনিম্ন ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।

Section 377- Confirmation of new sentence to be signed by two Judges
In every case so submitted, the confirmation of the sentence, or any new sentence or order passed by the High Court Division, shall, when such Court consists of two or more judges, be made, passed and signed by at least two of them.
১,৩২০.
Which Article of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh has the provision 'The seat of Parliament shall be in the capital.'?
  1. Article 65(4)
  2. Article 65(3A)
  3. Article 65(3)
  4. Article 67
ব্যাখ্যা
⇒ Article 65. Establishment of Parliament:
 (1) There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic: 
 
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect. 
 
(2) Parliament shall consist of three hundred members to be elected in accordance with law from single territorial constituencies by direct election and, for so long as clause (3) is effective, the members provided for in that clause; the members shall be designated as Members of Parliament. 

(3) Until the dissolution of Parliament occurring next after the expiration of the period of twenty five years beginning from the date of the first meeting of the Parliament next after the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Seventeenth Amendment) Act, 2018, there shall be reserved fifty seats exclusively for women members and they will be elected by the aforesaid members in accordance with law on the basis of procedure of proportional representation in the Parliament through single transferable vote : 
Provided that nothing in this clause shall be deemed to prevent a woman from being elected to any of the seats provided for in clause (2) of this article.

(3A) For the remaining period of the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Fifteenth Amendment) Act, 2011, Parliament shall consist of three hundred members elected by direct election provided for in clause (2) and fifty women members provided for in clause (3).

(4) The seat of Parliament shall be in the capital.
১,৩২১.
ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি কার্যক্রম শুরু হতে পারে যদি ডিক্রিটি হয়-
  1. অগ্রক্রয়ের
  2. বন্টনের
  3. অর্থের
  4. বন্ধকের
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন:
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।
-----------
⇒ Order-21 Rule-11  Oral application: (1) Where a decree is for the payment of money the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant if he is within the precincts of the Court. 
১,৩২২.
Which of the following statements is true regarding Section 303?
  1. It mandates a life sentence for all murderers.
  2. It applies only to those with a prior murder conviction.
  3. It imposes the death penalty for murder committed by life convicts.
  4. It allows for parole for life convicts who commit murder.
ব্যাখ্যা
Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.

ধারা ৩০৩- যাবজ্জীবন কারাবাসে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১,৩২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারা অনুসারে, অস্থাবর সম্পত্তি বা ব্যক্তিগত ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলা কোথায় দায়ের করা যায়?
  1. যেখানে ক্ষতি হয়েছে
  2. যেখানে বিবাদী বাস করেন
  3. যেখানে বিবাদী কাজ করেন
  4. উল্লিখিত যে কোনো একটি আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারায় বলা হয়েছে,
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে, এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারবে।

অন্যদিকে, 
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়ে দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পর্কে ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা দায়েরের  দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারা অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে ও মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 19. Suits for compensation for wrongs to person or movables:
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts. 
 
Illustrations:
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka.  B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
১,৩২৪.
একজন যুগ্ম দায়রা জজ সমন্বয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে-
  1. দায়রা আদালতে
  2. সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৬(২) ধারা অনুসারে প্রত্যেক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ তার নিজস্ব দায়রা বিভাগের মধ্যে এই আইন অনুসারে বিচারযোগ্য অপরাধসমূহের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বলে গণ্য হবে।
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩০ ধারা অনুসারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল যে দণ্ডই প্রদান করুক না কেন আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে ৩০ দিনের মধ্যে।
--------------
⇒ Section 26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:
(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2). 

(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21: 

Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.

(3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.

⇒ Section 30. Appeals and confirmation of death sentences:

(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof. 
(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.
১,৩২৫.
Under Section 151, the Court can forbid questions that are:
  1. Unimportant
  2. Relevant to the case
  3. Indecent or scandalous
  4. Provided by the defense
ব্যাখ্যা
Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন, প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
১,৩২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার হলে পুলিশ কর্মকর্তার করণীয় কী?
  1. তাকে আদালতে পাঠানো
  2. তাকে জামিন দেওয়া
  3. তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া 
  4. তাকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ কর্মকর্তাকে অবশ্যই গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে। এটি অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার এবং বেআইনি আটক প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা। গ্রেফতারের সময়ই কারণ জানানো বাধ্যতামূলক, যা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করা:
- পরোয়ানা ছাড়া যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারকারী প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের সময়, যে কারণে তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে সেই কারণসমূহ তাকে জানাতে বাধ্য থাকবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54A. Person arrested to be informed of reason of arrest:
- Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

১,৩২৭.
তামাদি আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, কোন ধারা বা ধারাগুলি অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নয়?
  1. ৬ ধারা
  2. ৭ ধারা
  3. ৬ এবং ৭ ধারা
  4. ৯ এবং ১০ ধারা
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রম-

৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

Section 8- Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
১,৩২৮.
নাবালকের মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের অনুমতি ছাড়া চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে, উক্ত চুক্তি বা আপস-
  1. নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে বৈধ হবে
  2. চুক্তি বা আপস পুনঃমূল্যায়ন করা হবে
  3. নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য হবে
  4. চুক্তি বা আপসে আইনগত প্রভাব ফেলবে না
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৭: মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপস:
১) মোকদ্দমার কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের কার্যধারায় স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে যে মোকদ্দমায় যে নেক্সট ফ্রেন্ড কিংবা অভিভাবক হিসাবে কার্য করে সে মোকদ্দমা প্রসঙ্গে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হতে পারবে না।

২) আদালতের অনুরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে উক্ত নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে তা বাতিলযোগ্য হবে।

Rule.-7: Agreement or compromise by next friend or guar-dian for the suit-
1) No next friend or guardian for the suit shall, without the leave of the Court, expressly recorded in the proceedings, enter into any agreement or compromise on behalf of a minor with reference to the suit in which he acts as next friend or guardian.

2) Any such agreement or compromise entered into without the leave of the Court so recorded shall be võidable against all parties other than the minor.
১,৩২৯.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর অনুচ্ছেদ ৩৪(৬) অনুসারে, মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণিত হলে কে জরিমানা দিতে বাধ্য থাকবে?
  1. আদালত
  2. অভিযোগকারী
  3. বার কাউন্সিল
  4. অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।

Article- 34(6):
The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.
১,৩৩০.
তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুসারে, ঋণের সুদ পরিশোধ করা হলে তামাদির মেয়াদ গণনা কখন থেকে নতুন করে শুরু হবে?
  1. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  2. ঋণ নেওয়ার দিন থেকে
  3. সুদ পরিশোধের দিন থেকে
  4. ঋণ পরিশোধের নির্ধারিত সময় অতিক্রমের দিন থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন দায়ের (ঋণের) সুদ বা আংশিক অর্থ প্রদান করা হয়, তবে সেই অর্থ পরিশোধের তারিখ থেকে তামাদি মেয়াদ নতুন করে গণনা শুরু হবে।
- অর্থাৎ সুদের অর্থ পরিশোধের দিন থেকেই তামাদি মেয়াদ পুনরায় শুরু হয় — এইটাই ২০ ধারার মূল কথা। তাই সঠিক উত্তর: গ) সুদ পরিশোধের দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী, ঋণ বা লিগ্যাসির সুদ পরিশোধ করার ফলে তামাদির মেয়াদ নবায়ন হবে।
অর্থাৎ, যখন ঋণগ্রহীতা বা তার প্রতিনিধি সুদ পরিশোধ করেন, তখন তামাদির মেয়াদ পুনরায় শুরু হবে এবং নতুন মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
তবে, এটা শর্তসাপেক্ষ যে, পরিশোধের জন্য লিখিত স্বীকৃতি বা সাক্ষর থাকা উচিত, যাতে পরিশোধের প্রমাণ থাকে।
এটি ঋণগ্রহীতা বা লিগ্যাসির অধিকারী ব্যক্তির জন্য সুবিধাজনক, কারণ তারা পরিশোধের মাধ্যমে নতুন সময় শুরু করতে পারেন।

⇒ The Limitation Act:- Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made:
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
১,৩৩১.
পুলিশ রিপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের পর পুলিশ নিম্মলিখিত কোন কাজটি করতে পারে-
  1. অধিকতর [Further investigation] করতে পারে
  2. অধিকতর তদন্ত করে সম্পূরক চার্জশীট জমা দিতে পারে
  3. অধিকতর তদন্ত করে সম্পূরক ফাইনাল রিপোর্ট জমা দিতে পারে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে [do further investigation]। অধিকতর তদন্ত করে অধিকতর সাক্ষ্য পেলে পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক সার্জশীট [supplementary charge sheet] দাখিল করতে পারে। যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে একবার চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে, তাকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করে অধিকতর তদন্ত করে পুলিশ ফাইনাল রিপোর্ট দিতে পারে না।
১,৩৩২.
নিম্নলিখিত কোন অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন ৫ জন সদস্য থাকার প্রয়োজন নেই?
  1. দাঙ্গা
  2. ডাকাতি
  3. বেআইনী সমাবেশ
  4. দস্যুতা
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।

♦ দন্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা  হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।

♦দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।

♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

♦দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

---------------------------------
♦ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।

♦ সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-

১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

♦দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।

♦ ডাকাতির উপাদান:

(i) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;

(ii) উক্ত দলের এক বা একাধিক ব্যক্তি দস্যুতা করেছিল বা করার চেষ্টা করেছিল;

(iii) ডাকাত দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিল এবং এ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছিল।

♦দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-

i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত।
১,৩৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন প্রেরণের বিধান আছে?
  1. আদেশ-১৭ বিধি-৩
  2. আদেশ-২৫ বিধি-৫
  3. আদেশ-২৪ বিধি-১
  4. আদেশ-২৬ বিধি-৯
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য ।
- আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

আদেশ-২৬ বিধি-৯: স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন: যেকোনো মামলায় বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা কোন পরিমাণ বা কোন অন্তবর্তীকালীন মুনাফা বা খেসারত বা বাৎসরিক খাটি মুনাফা নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে আদলত স্থানীয় তদন্ত আবশ্যক বা উপযুক্ত মনে করলে আদলত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, সেই ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরণ করে বিষয়টি সম্পর্কে অনুরূপ তদন্ত করতে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক তিন মাস সময়ের মধ্যে উহার উপর প্রতিবেদন প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারেন।

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনের আবেদনক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হয়ে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
-------------
CPC Order-26 Rule-9.Commissions to make local investigations:
- In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.

Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
১,৩৩৪.
According to Article 112, which authorities must assist the Supreme Court?
  1. Only the judicial branch
  2. Only the executive branch
  3. Both executive and legislative branch
  4. Both executive and judicial authorities
ব্যাখ্যা
Article 112- Action in aid of Supreme Court:
All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.

সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা:
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।
১,৩৩৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ যোগাযোগের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪১
  2. অনুচ্ছেদ ৪২
  3. অনুচ্ছেদ ৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪৪
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ:
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হইতে স্বীয় গৃহে নিরাপত্তা লাভের অধিকার থাকিবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার থাকিবে।

Article 43: Protection of home and correspondence
Every citizen shall have the right, subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, public order, public morality or public health –
(a) to be secured in his home against entry, search and seizure; and
(b) to the privacy of his correspondence and other means of communication.

১,৩৩৬.
সরকার কতৃর্ক বেআইনিভাবে বেদখল হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার অধীনে দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়?
  1. ৮ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ৩১ ধারা
  4. ৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮ অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে। 

এক্ষেত্রে,
⇒ বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে;
⇒ বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে;
⇒ সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে। (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

উল্লেখ্য,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে কেননা এই ধারায় স্বত্ব সহ দখল পুনরুদ্ধারের কথা বলা হয়েছে। যেহেতু সরকার কারো স্বত্ব দখল করার অধিকার রাখে না তাই সরকার কারো স্বত্ব দখল করলে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে।
১,৩৩৭.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে কোনটি ইলেকট্রনিক রেকর্ড নয়?
  1. ডিএনএ ডাটা
  2. ড্রোন ডাটা
  3. সিসিটিভি ফুটেজ
  4. সফট ডাটা
ব্যাখ্যা
The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-

• ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি); সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।

• রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের সমস্ত উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ), আঙ্গুলের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরূপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু, শরীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদান বা বস্তুসমূহ-

• প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এবং কোন ঘটনা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত করতে পারে।
১,৩৩৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৮৫ অনুযায়ী, কারো উপর আঘাতের ভয় দেখিয়ে Extortion করার উদ্দেশ্যে ভীতি প্রদর্শনের সর্বনিম্ন শাস্তি কত?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৮৫ অনুসারে, যে কেউ চাঁদাবাজি (Extortion) করার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে আঘাতের ভয় দেখায় বা ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করে, তার শাস্তি হলো ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যা ৫ বছরের কম হবে না, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। সুতরাং, এই অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি হলো ৫ বছর কারাদণ্ড।
------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-385. Putting person in fear of injury in order to commit extortion:
Whoever, in order to the committing of extortion, puts any person in fear, or attempts to put any person in fear, of any injury, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years and shall not be less than five years, or with fine, or with both.

১,৩৩৯.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে না?
  1. মাতৃগর্ভস্থ শিশুর
  2. শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে
  3. জীবন্ত শিশু যার বয়স ৩ দিনের কম
  4. জীবিত শিশু যার কোন অংশ প্রসূত হয়ে থাকে কিন্তু কান্না করেনাই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-৩ মতে মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না। তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
------------
⇒  Section 299. Culpable homicide
 Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
 
⇒  Illustrations 
(a) A lays sticks and turf over a pit, with the intention of thereby causing death, or with the knowledge that death is likely to be thereby caused. Z, believing the ground to be firm, treads on it, falls in and is killed. A has committed the offence of culpable homicide. 
(b) A knows Z to be behind a bush. B does not know it. A, intending to cause, or knowing it to be likely to cause Z's death induces B to fire at the bush. B fires and kills Z. Here B may be guilty of no offence; but A has committed the offence of culpable homicide. 
(c) A, by shooting at a fowl with intent to kill and steal it, kills B, who is behind a bush; A not knowing that he was there. Here, although A was doing an unlawful act, he was not guilty of culpable homicide, as he did not intend to kill B or cause death by doing an act that he knew was likely to cause death. 
 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
 
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
১,৩৪০.
আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেখালে আদালত তা সংশোধনের জন্য অনধিক ______ দিন সময় দিতে পারে।
  1. ১০
  2. ১৪
  3. ৩০
  4. ২১
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান:  নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-

ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;

খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে;

গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে;

ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;
 
তবে শর্ত থাকে যে,
মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
১,৩৪১.
সরকার কর্তৃক কোনো প্রকাশনা বাজেয়াপ্তির ঘোষণা বাতিল করার জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনের কত জন বিচারক নিয়ে স্পেশাল বেঞ্চ গঠিত হবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানী: 
তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

Section 99C: Hearing by Special Bench: Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges.  
১,৩৪২.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অনুযায়ী দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যক্তির চরিত্র ও খ্যাতি প্রাসঙ্গিক?
  1. ৫৫
  2. ৬৫
  3. ৭৫
  4. ৬৩
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে (Character as affecting damages)- সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারামতে দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারায় অনুযায়ী দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যক্তির চরিত্র ও খ্যাতি প্রাসঙ্গিক।
-------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 55. Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant.
Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
১,৩৪৩.
"দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য সকল বিষয় মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে" সাক্ষ্য আইনের কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ৫৫ ধারায়
  2. ৫৬ ধারায়
  3. ৫৮ ধারায়
  4. ৫৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।


⇒ Section-59. Proof of facts by oral evidence:
All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
১,৩৪৪.
'Rule of Marshalling' অনুযায়ী রেহেন টাকা পরিশোধের ক্ষেত্রে পরবর্তী ক্রেতা কী দাবি করতে পারে?
  1. রেহেন চুক্তি বাতিল করা হোক
  2. সমস্ত সম্পত্তির মালিকানা তাকে দেওয়া হোক
  3. ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধ হোক
  4. যে সম্পত্তি ক্রয়কৃত নয়, তা থেকে টাকা পরিশোধ হোক
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৬ ধারা- পরবর্তী ক্রেতা কর্তৃক বিন্যাস (Marshalling by subsequent purchaser):
যদি দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সকল সম্পত্তি প্রথমে একজনের নিকট রেহেন দেয় এবং তারপর এর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্য জনের নিকট বিক্রয় করে, তাহলে ক্রেতা যে সম্পত্তি ক্রয় করে নাই, তা হতে রেহেনের টাকা যতদূর সম্ভব, পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে; কিন্তু এরূপ দাবি রেহেনগ্রহীতা বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি অথবা মূল্যের বিনিময়ে এই সম্পত্তির কোন একটি স্বত্ব অর্জন করেছে তেমন কোন ব্যক্তির স্বার্থ ক্ষুন্ন করবে না।

সহজ ভাষায়-
যদি কোনো ব্যক্তি তার মালিকানাধীন একাধিক সম্পত্তি একসাথে বন্ধক (রেহেন) দেয় এবং পরে এই সম্পত্তিগুলোর মধ্য থেকে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্য কাউকে বিক্রি করে, তাহলে যে ক্রেতা সম্পত্তি কিনেছে, সে চাইতে পারে- বন্ধকী টাকা যেন প্রথমে অন্য যেসব সম্পত্তি সে কিনেনি, সেগুলো বিক্রি করে পরিশোধ করা হয়।

তবে শর্ত হলো:
এ দাবির মাধ্যমে বন্ধকগ্রহীতা বা যারা টাকার বিনিময়ে ঐ সম্পত্তিতে অধিকার পেয়েছে, তাদের স্বার্থ যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
১,৩৪৫.
X তার স্ত্রী Y কে হত্যার জন্য অভিযুক্ত। Y কিভাবে মৃত্যূবরণ করেছে তা প্রমাণের বাধ্যবাধকতা কার?
  1. X - এর
  2. অভিযোগকারী পক্ষের
  3. রাষ্ট্রের
  4. ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
- সাধারণত প্রমাণের দায়িত্ব মামলা দায়ের যে করে তার/ রাষ্ট্রপক্ষের তবে এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হলো স্ত্রী কিভাবে মারা গেল তা তার স্বামীর বিশেষ অবগতির মধ্যে থাকে তাই X - এর স্ত্রী কিভাবে মারা গেল তা X কেই  প্রমাণ করতে হবে।
- কারণ The Evidence Act 1872 এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী যে ঘটনা বিশেষ ভাবে কারো জানা থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব তারই।
১,৩৪৬.
রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে,তা সংশোধন করা যাবে-
  1. পুনঃরীক্ষণের মাধ্যমে
  2. আপিলের মাধ্যমে
  3. রিভিশনের মাধ্যমে
  4. উল্লিখিত যেকোনো মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২০ নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনঃরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

• আদেশ ২০ বিধি-৩ঃ 
রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।
[The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and when once signed, shall not afterwards be altered or added to,save as provided by section 152 or on review.]

• উল্লেখ্য যে,দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
> করণিক বা গাণিতিক ভুল(clerical or arithmetical mistakes) অথবা
> আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির(accidental slip or omission); কারণে রায়,ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
১,৩৪৭.
স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের কোন ধরনের নিয়ন্ত্রন থাকবে?
  1. বিচারিক
  2. প্রশাসনিক
  3. প্রশাসনিক ও বিচারিক
  4. বিচারিক ও দাপ্তরিক
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
১,৩৪৮.
শিশু আইনে বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি কখন প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা যায়?
  1. শিশুকে গ্রেফতারের আগে
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
  4. বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- বিকল্প পন্থা (diversion)
 
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে গ্রেফতার বা আটকের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রমের পরিবর্তে, শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, নৃতাত্ত্বিক, মনস্তাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত পটভূমি বিবেচনাপূর্বক, বিরোধীয় বিষয় মীমাংসাসহ তাহার সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকল্পে বিকল্প পন্থা (diversion) গ্রহণ করা যাইবে। 
 
(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশুর গ্রেফতারের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালত আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়ার পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে পারিবে। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিকল্প পন্থা গ্রহণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন করিতেছে কি না প্রবেশন কর্মকর্তা তাহা লক্ষ্য রাখিবেন এবং বিষয়টি, সময় সময়, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৪) শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে প্রবেশন কর্মকর্তা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত আকারে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৫) বিকল্প পন্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(৬) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধিদপ্তর বিকল্প পন্থা বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ যুগোপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।
১,৩৪৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ৩ অনুসারে, আদালত বিচার্য বিষয় (Issues) প্রণয়ন করতে পারেন কোনটি থেকে?
  1. শপথে প্রদত্ত অভিযোগ থেকে
  2. দাখিলকৃত দলিলের বিষয়বস্তু থেকে
  3. প্লিডিংস বা ইন্টারোগেটরির উত্তর থেকে
  4. উল্লিখিত সবগুলো থেকে 
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১৪, বিধি-৩-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারবেন নিম্নলিখিত সকল অথবা যে কোনো একটি উপাদান থেকে:
- শপথে প্রদত্ত অভিযোগ (পক্ষগণ/তাদের প্রতিনিধি/উকিল কর্তৃক)
- আরজি-জবাব বা প্রশ্নমালার উত্তরে উল্লেখিত অভিযোগ (প্লিডিংস/ইন্টারোগেটরি)
- যে কোনো পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলের বিষয়বস্তু থেকে
তাই তিনটি উপাদানই (ক, খ, গ) সঠিক, এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর হবে ঘ) উল্লিখিত সবগুলো থেকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি-৩: যে সকল বিষয় হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করা যায়:
আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন-
ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উক্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ;
খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূহ;
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-3: Materials from which issues may be framed:
The Court may frame the issues from all or any of the following materials:-
a) allegations made on oath by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties;
b) allegations made in the pleadings or in answers to interrogatories delivered in the suit:
c) the contents of documents produced by either party.

১,৩৫০.
কোন মুসলিম পুরুষ সালিসি পরিষদের অনুমতি ব্যতীত পুনরায় বিবাহ করলে, অনধিক কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৩ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১  উত্তরাধিকার, বিবাহ রেজিস্ট্রি, বহুবিবাহ, তালাক, দেনমোহর ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত আইন। এ অধ্যাদেশে পারিবারিক বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি সালিসী কাউন্সিল গঠনের কথা বলা হয়। স্থানীয় ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং প্রতিযোগী পক্ষগণের মধ্য থেকে একজন করে প্রাপ্তবয়স্ক প্রতিনিধি সমন্বয়ে এই কাউন্সিল গঠিত হবে। পৌর এলাকায় পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং মিউনিসিপাল কর্পোরেশন এলাকায় কর্পোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক সালিসী কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন।

৬ ধারায় বলা হয়-
 কোন ব্যক্তির একটি বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সালিস পরিষদের পূর্বানুমতি ছাড়া পুনরায় বিবাহ করতে পারবে না এবং এরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ সম্পন্ন হলে তা রেজিস্ট্রি করা যাবে না। বিবাহ করতে হলে সালিস পরিষদের অনুমতির জন্য নির্ধারিত ফি দিয়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করতে হবে এবং আবেদনপত্রে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণ, প্রয়োজনীয়তা এবং এ বিবাহে বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সম্মতি আছে কিনা তা উল্লেখ করতে হবে।

কোন পুরুষ সালিস পরিষদের অনুমতি ব্যতীত যদি আরও একটি বিবাহ করে, তাহলে তাকে-
(ক) অবিলম্বে তার বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সমস্ত দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করতে হবে। পরিশোধ করা না হলে তা বকেয়া রাজস্বের ন্যায় আদায় করা যাবে;
(খ) অভিযোগক্রমে দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে এক বৎসর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হবে
১,৩৫১.
ধারা ১৫২ অনুযায়ী, কোন ধরনের সম্পত্তি রক্ষায় পুলিশ অফিসার হস্তক্ষেপ করতে পারবেন?
  1. ব্যক্তিগত সম্পত্তি
  2. সরকারী সম্পত্তি
  3. ব্যবসায়িক সম্পত্তি
  4. সব ধরনের সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.
১,৩৫২.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৪২৩ ধারায়
  2. ৪২৭ ধারায়
  3. ৪৩১ ধারায়
  4. ৪২৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপীল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. আপীল খারিজ করতে পারে যদি আপীলের কোন কারণ না থাকে বা

২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে-
⇒ খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
⇒ অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
⇒ অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শান্তি দিতে পারে।

৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা পুনরায় আসামীকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তি কমাতে পারে ইত্যাদি

৪. দণ্ডবৃদ্ধির আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে বা আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে। 

৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
১,৩৫৩.
ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।

- প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়। দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
- দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power)
- চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
১,৩৫৪.
'ক’ একজন বিবাদী। তাকে আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ২ এর অধীন ৪০ টাকা জামানত জমা দিতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু ‘ক’ এই জামানত দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত ‘ক’ কে সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য আটক রাখার আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৬ সপ্তাহ
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৪ অনুযায়ী আদালত বিবাদীকে জামানত দিতে ব্যর্থ হলে ৫০ টাকার বেশি হলে ৬ মাস এবং ৫০ টাকার কম হলে সর্বোচ্চ ৬ সপ্তাহের জন্য দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখার আদেশ দিতে পারেন।
⇒ এই আটক হলো আপিলযোগ্য আদেশ।
⇒ যেহেতু ‘ক’ আদালতের নির্দেশে ৪০ টাকা জামানত জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে তাই ৬ সপ্তাহের জন্য আটক হতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক:- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-
- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমাণ ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং
- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমাণ ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।
-অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।
- শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
⇒ CPC Order-38 Rule-4.Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security:
- Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied:

Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months, nor for a longer period than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka:
Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
১,৩৫৫.
যদি কোন দলিল দাখিল করতে ক্ষমতাবান নন এমন কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল নিবন্ধন হয়, তাহলে উক্ত দলিল পুন:নিবন্ধনের জন্য দলিল গ্রহীতা আবেদন করতে পারবে দলিল নিবন্ধন যে অবৈধ হয়েছে তা অবগত হওয়ার-
  1. ২ মাসের মধ্যে
  2. ৩ মাসের মধ্যে
  3. ৪ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান মতে: দলিল নিবন্ধন করার ক্ষমতাসম্পন্ন নয় এমন ব্যক্তি রেজিস্ট্রার বা সাব রেজিস্ট্রারের নিকট কোন দলিল দাখিল করে নিবন্ধন করলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে।

- উক্ত দলিলের নিবন্ধন অবৈধ হয়েছে জানার দিন থেকে ৪ মাসের মধ্যে পুনরায় রেজিস্ট্রারের নিকট নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।
১,৩৫৬.
প্রদত্ত কোন রায়টি 'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক?
  1. 'ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় খালাস পেয়েছে
  2. 'ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
  3. 'ক' অন্য একটি চুরির মামলায় খালাস পেয়েছে
  4. 'ক' অন্য একটি চুরির মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।চার্জের বিষয়বস্তু ধারা ২২১ এ উল্লেখ করা আছে।একটি চার্জে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো থাকবে-

> অপরাধের নাম।
> অপরাধের নির্দিষ্ট নাম না থাকলে উক্ত অপরাধের সংজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে প্রদান করতে হবে।
> উক্ত অপরাধ যে আইনে এবং যে ধারার আওতায় পড়ে তা উল্লেখ করতে হবে।
> অভিযােগ গঠন হলে ধরে নেওয়া হবে অপরাধটি সংঘটিত করার সকল উপাদান বিদ্যমান বা শর্ত পূরণ হয়েছে।
> অভিযােগ ইংরেজি বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয়।
> পরবর্তী অপরাধের শাস্তি বৃদ্ধি বা ভিন্নধরনের শাস্তি প্রদানের দরকার হলে,অভিযােগে বা চার্জে পূর্ববর্তী দন্ডের ঘটনা তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে।শাস্তিদানের পূর্বে যে কোন সময় পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন।

ধারা ২২১ (৭) অনুসারে,পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় যখন উল্লেখ করতে হবেঃ

আসামি পূর্বে কোন অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হওয়ার কারণে পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ড বা ভিন্ন প্রকৃতির সঙ্গে দণ্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার প্রয়ােজন হলে,অভিযােগে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা,তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে।যদি উক্তরূপ উল্লেখ না করা হয়ে থাকে,তবে আদালত দণ্ড দানের পূর্বে যে কোন সময়ে তা যুক্ত করতে পারেন।
১,৩৫৭.
একজন ব্যক্তি কোন পরিস্থিতিতে মিথ্যা সাক্ষ্যদানের জন্য অপরাধী হবে না?
  1. সত্য না জানলে
  2. যা জানে না, তা জানার দাবি করলে
  3. যা বিশ্বাস করে না, তা বিশ্বাস করার দাবি করলে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯১ ধারা- মিথ্যা সাক্ষ্যদান:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শপথক্রমে বা আইনে কোন প্রকাশ্য বিধান অনুযায়ী সত্য বলতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, অথবা কোন বিষয়ে একটি ঘোষণা প্রদান করতে আইনানুসারে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, এমন কোন উক্তি করে বা বিবৃতি দান করে যা মিথ্যা, এবং যা হয় সে মিথ্যা বলে জানে, না হয় সে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করে অথবা যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করে না, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:
কোন উক্তি বা বিবৃতি মৌখিকভাবে অথবা অপর যেভাবেই করা হোক না কেন, এই ধারার অর্থানুসারে তা উক্তি বা বিবৃতি বলে বিবেচিত।

ব্যাখ্যা ২:
সত্যতা নিরূপণকারী ব্যক্তির বিশ্বাস বিষয়ক মিথ্যা উক্তি এই ধারার অর্থে অন্তর্ভুক্ত। কোন ব্যক্তি যা বিশ্বাস করে না, তা সে বিশ্বাস করে বলে এবং যা জানে না, তা জানার দাবি করলে সে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দানের জন্য অপরাধী হবে।

Section 191- Giving false evidence:
Whoever being legally bound by an oath or by an express provision of law to state the truth, or being bound by law to make a declaration upon any subject, makes any statement which is false, and which he either knows or believes to be false or does not believe to be true, is said to give false evidence.

Explanation 1.-
A statement is within the meaning of this section, whether it is made verbally or otherwise. 
 
Explanation 2.-
A false statement as to the belief of the person attesting is within the meaning of this section, and a person may be guilty of giving false evidence by stating that he believes a thing which he does not believe, as well as by stating that he knows a thing which he does not know.
১,৩৫৮.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় 'অভিন্ন অভিপ্রায়' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. একক ব্যক্তির উদ্দেশ্য
  2. সাক্ষীর মতামত
  3. একাধিক ব্যক্তির যৌথ উদ্দেশ্য
  4. আদালতের সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
• 'অভিন্ন অভিপ্রায়' বলতে বুঝানো হয় যে, একাধিক ব্যক্তি একসঙ্গে কোনো উদ্দেশ্যে বা লক্ষ্যে কাজ করছে।

ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ:

যখন যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে বিশ্বাস করার যে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রে একটি অপরাধ বা একটি নালিশযোগ্য অন্যায় কার্য করতে ষড়যন্ত্র করেছে, তখন তাদের মধ্যে যেকোনো একজনের দ্বারা উক্ত সময়ের পর যেকোনো কিছু বলা, করা বা লেখা, যা তাদের সাধারণ উদ্দেশ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, তা প্রতিটি ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক সত্য হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য এবং দেখানোর জন্য যে ঐ ব্যক্তিগণ ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিল, উভয়ের উদ্দেশ্যে প্রযোজ্য।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

Section 10- Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
১,৩৫৯.
'The Election Commission shall be independent in the exercise of its functions'.Which article of the Constitution contains the provision?
  1. Article 118 (2)
  2. Article 118 (1)
  3. Article 118 (3)
  4. Article 118 (4)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা

(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

Article 118: Establishment of Election Commission

(1) There shall be an Election Commission for Bangladesh consisting of 67[the Chief Election Commissioner and not more than four Election Commissioners] and the appointment of the Chief Election Commissioner and other Election Commissioners (if any) shall, subject to the provisions of any law made in that behalf, be made by the President. 
 
(2) When the Election Commission consists of more than one person, the Chief Election Commissioner shall act as the chairman thereof. 

(3) Subject to the provisions of this Constitution the term of office of an Election Commissioner shall be five years from the date on which he enters upon his office, and – 
(a) a person who has held office as Chief Election Commissioner shall not be eligible for appointment in the service of the Republic; 
(b) any other Election Commissioner shall, on ceasing to hold office as such, be eligible for appointment as Chief Election Commissioner but shall not be otherwise eligible for appointment in the service of the Republic. 
 
(4) The Election Commission shall be independent in the exercise of its functions and subject only to this Constitution and any other law. 

(5) Subject to the provisions of any law made by Parliament, the conditions of service of Election Commissioners shall be such as the President may, by order, determine: 
Provided that an Election Commissioner shall not be removed from his office except in like manner and on the like grounds as a Judge of the Supreme Court. 

(6) An Election Commissioner may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
১,৩৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৪, বিধি-২(১) অনুসারে, ফোরক্লোজার মামলায় প্রাথমিক ডিক্রিতে কত মাসের মধ্যে টাকা পরিশোধের সময় দেওয়া হয়?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৪, বিধি-২(১) অনুসারে, ফোরক্লোজার মামলায় প্রাথমিক ডিক্রিতে আদালত বন্ধকদাতাকে সর্বোচ্চ ৬ মাস সময় দেয়। এই সময়ের মধ্যে পুরো টাকা পরিশোধ করলে সম্পত্তি ফেরত পাবে, না দিলে রিডেম্পশনের অধিকার চিরতরে বন্ধ (foreclosed) হয়ে যাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৪, বিধি ২(১)(গ) অনুসারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "if the defendant pays into Court the amount so found or declared due on or before such date as the Court may fix within six months from the date on which the Court confirms and countersigns the account taken under clause (a), or from the date on which such amount is declared in Court under clause (b)"

- অর্থাৎ, ফোরক্লোজার মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি পাওয়ার পর ৬ মাসের মধ্যে বিবাদীকে (বন্ধকদাতা) বকেয়া টাকা আদালতে জমা দিতে হবে। এই সময়সীমার মধ্যে টাকা জমা দিতে ব্যর্থ হলে বাদী (বন্ধকগ্রহীতা) চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য আবেদন করতে পারবেন, যা বিবাদীর প্রতিপূরণ অধিকার (right of redemption) বাতিল করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-34 Rule-2. Preliminary decree in foreclosure suit:
(1) In a suit for foreclosure, if the plaintiff succeeds, the Court shall pass a preliminary decree -
(a) ordering that an account be taken of what was due to the plaintiff at the date of such decree for-
(i) principal and interest on the mortgage,
(ii) the costs of suit, if any, awarded to him, and
(iii) other costs, charges and expenses properly incurred by him up to that date in respect of his mortgagesecurity, together with interest thereon; or
(b) declaring the amount so due at that date; and
(c) directing
(i) that, if the defendant pays into Court the amount so found or declared due on or before such date as the Court may fix within six months from the date on which the Court confirms and countersigns the account taken under clause (a), or from the date on which such amount is declared in Court under clause (b), as the case may be, and thereafter pays such amount as may be adjudged due in respect of subsequent costs, charges and expenses as provided in rule 10, together with subsequent interest on such sums respectively as provided in rule 11, the plaintiff shall deliver up to the defendant, or to such person as the defendant appoints, all documents in his possession or power relating to the mortgaged . property, and shall, if so required, retransfer the property to the defendant at his costs free from the mortgage and from all encumbrances created by the plaintiff or any person claiming under him, or, where the plaintiff claims by derived title, by those under whom he claims, and shall also, if necessary, put the defendant in possession of the property; and
(ii) that, if payment of the amount found or declared due under or by the preliminary decree is not made on or before the date so fixed, or the defendant fails to pay, within such time as the Court may fix, the amount adjudged due in respect of subsequent costs, charges, expenses and interest, the plaintiff shall be entitled to apply for a final decree debarring the defendant from all right to redeem the property.
(2) The Court may, on good cause shown and upon terms to be fixed by the Court, from time to time, at any time before a final decree is passed, extend the time fixed for the payment of the amount found or declared due under sub-rule (1) or of the amount adjudged due in respect of subsequent costs, charges, expenses and interest.
(3) Where, in a suit for foreclosure, subsequent mortgagees or persons deriving title from, or subrogated to the rights of, any such mortgagees are joined as parties, the preliminary decree shall provide for the adjudication of the respective rights and liabilities of the parties to the suit in the manner and form set forth in Form No. 9 or Form No. 10, as the case may be, of Appendix D with such variations as the circumstances of the case may require. 

১,৩৬১.
ধারা ১২৪ অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা কখন তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য হবেন না?
  1. সবসময়
  2. তথ্য সাধারণ জনগণের জন্য জরুরি হলে
  3. আদালতের নির্দেশে
  4. তথ্য প্রকাশের ফলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হলে
ব্যাখ্যা

The Evidence Act, 1872- ধারা ১২৪: সরকারি যোগাযোগ:
কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে তাঁর কাছে সরকারি গোপনীয়তায় করা যোগাযোগ প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না, যখন তিনি মনে করেন যে এই প্রকাশের ফলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

[No public officer shall be compelled to disclose communications made to him in official confidence, when he considers that the public interests would suffer by the disclosure.]

১,৩৬২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীনে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হলে, ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করতে হবে?
  1. ধারা ২৭৪
  2. ধারা ৩৭৪
  3. ধারা ১৭৪
  4. ধারা ৪৭৪
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯: মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন-
 
এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল, মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র অবিলম্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪ এর বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃতুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।
 
Section 29: Confirmation of death penalty-
 
When any Tribunal under this Act passes the sentence of death, the proceeding shall immediately be sent to the High Court Division according to the provision of section 374 of the Code of Criminal Procedure and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
১,৩৬৩.
অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা হলে, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ৫০০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
--------
---------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-34:
(6) The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.

(7) Every order of the Tribunal as to costs or deterrent costs shall be executable as an order of the High Court.
১,৩৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোন অভিযোগকে নালিশ (Complaint) হিসেবে গণ্য করা হবে না?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অভিযোগ
  3. পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অভিযোগ
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)-
"নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।

অর্থাৎ, অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h)-
"complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person, whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police officer:

১,৩৬৫.
The Penal Code, 1860 অনুসারে মনুষ্যহরণ কত প্রকার?
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।
১,৩৬৬.
'A' আদালতের কাছে বলছে যে, 'B' এই অপরাধটি করেছে এবং তার জন্য তাকে শাস্তি দেওয়া হোক। এক্ষেত্রে-
  1. আদালত শাস্তি দিবে
  2. 'A' কে প্রমাণ করতে হবে 'B' অপরাধী
  3. 'B' কে প্রমাণ করতে হবে সে নির্দোষ
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর প্রমাণ করতে হবে 'B' অপরাধী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা অনুযায়ী প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায়- যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। অর্থাৎ, যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো আইনগত অধিকার বা দায়িত্বের বিষয়ে আদালতের রায় চান, যা তার দাবীকৃত কিছু ঘটনার উপর নির্ভরশীল, তাহলে তাকেই সেই ঘটনাগুলির অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হবে।

এই ধারা অনুযায়ী,
যে ব্যক্তি অভিযোগ করেছে, তারই দায়িত্ব সেই অভিযোগের প্রমাণ পেশ করা। অর্থাৎ 'A' যদি বলে যে 'B' অপরাধী, তাহলে তা 'A' এর দায়িত্ব প্রমাণ করার যে 'B' সত্যিই ওই অপরাধটি করেছে। তাহলেই আদালত 'B'-কে সেই অপরাধের জন্য শাস্তি দিতে পারবে।
-------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 101- Burden of proof:
Whoever desires any Court to give judgment as to any legal right or liability dependent on the existence of facts which he asserts, must prove that those facts exist. When a person is bound to prove the existence of any fact, it is said that the burden of proof lies on that person.

Illustrations
(a) A desires a Court to give judgment that B shall be punished for a crime which A says B has committed. A must prove that B has committed the crime.
১,৩৬৭.
ফৌজদারি আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. হাইকোটের নিকট রিভিশন
  2. দায়রা জজের নিকট রিভিশন
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট রিভিশন
  4. দায়রা জজের নিকট আপীল
ব্যাখ্যা
♦ আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৯৪ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে পারে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন জারির বিধান রয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারামতে আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করতে পারেন।
১,৩৬৮.
Every promise and every set of promises, forming the consideration for each other, is ___________.
  1. proposal
  2. contract
  3. agreement
  4. reciprocal promise
ব্যাখ্যা
Contract Act, 1872 এর  (Section 2(e)-
“Every promise and every set of promises, forming the consideration for each other, is an agreement.”

বাংলা:
“প্রত্যেক প্রতিশ্রুতি এবং প্রতিশ্রুতিগুচ্ছ, যেগুলি একে অপরের প্রতিদান বা বিবেচনা (consideration) হিসেবে গৃহীত হয়, তা একটি  'agreement' গঠন করে।”
১,৩৬৯.
নির্দিষ্ট সময় বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত চলবে, এমন নিষেধাজ্ঞাকে কী বলা হয়?
  1. বিশেষ নিষেধাজ্ঞা
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারায়, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এমন নিষেধাজ্ঞা যা নির্দিষ্ট সময় বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। এটি আদালতের আদেশের ভিত্তিতে মামলার যেকোনো পর্যায়ে দেওয়া যেতে পারে এবং মূলত সেই সময় পর্যন্ত কার্যকর থাকে যতক্ষণ না পরবর্তী আদেশ আসবে।
অন্যদিকে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা তখনই দেওয়া হয় যখন আদালত মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তিতে পক্ষগুলোর অধিকারের বিরোধিতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।

অর্থাৎ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এমন একটি নিষেধাজ্ঞা, যা আদালত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। এটি সাধারণত একটি জরুরি বা প্রাথমিক আদেশ হিসেবে দেওয়া হয়, যাতে কোনো পক্ষ কোনো কাজ করতে না পারে বা কোনো ক্ষতি না করতে পারে, যতক্ষণ না মূল মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হয়। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদালত প্রদান করে, যাতে মামলা চলাকালীন সময়ে পক্ষগুলোর মধ্যে কোনো বড় ধরনের ক্ষতি না হয়, এবং পরবর্তী সময়ে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অথবা অন্য কোনো আদেশ দেওয়া হতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি জমি দখল করার চেষ্টা করে, তবে আদালত প্রথমে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে, যাতে সে ওই জমি দখল করতে না পারে, যতক্ষণ না মামলা শেষ হয়।
১,৩৭০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৬, বিধি ১৪ অনুযায়ী, আদালত কখন তৃতীয় পক্ষকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে?
  1. যখন বাদী বা বিবাদী আবেদন করে
  2. যখন তৃতীয় পক্ষ কোন দলিল দাখিল করতে চায়
  3. যখন সাক্ষী পক্ষের কেউ উপস্থিত না থাকে
  4. যখন আদালত নিজে মনে করে যে ওই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৬, বিধি ১৪ অনুযায়ী, যখন আদালত নিজে মনে করে যে ওই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে প্রয়োজন তখন তৃতীয় পক্ষকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে।

⇒ আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে।
⇒ আদেশ ১৬ বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে।
- হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলি এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-16 Rule-14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document.
১,৩৭১.
হিন্দু আইনে পিতার মাতা এবং পিতার পিতার মাতা কী হিসেবে গণ্য হন?
  1. ট্রাস্টি
  2. নারী সপিণ্ড
  3. পুরুষ সপিণ্ড
  4. দূর সম্পর্কের আত্মীয়
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে হয়ে থাকে। এই মতবাদ অনুযায়ী, উত্তরাধিকার নির্ধারণের সময় মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণের জন্য আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ) অনুসরণ করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বী একজন ব্যক্তি মারা গেলে, তার আত্মার সদ্‌গতি কামনা করে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। শেষকৃত্যের তিনটি প্রধান ধাপ রয়েছে:
১. পিণ্ডদান
২. পিণ্ডলেপ
৩. জলদান

⇒ মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদান করতে পারেন, তাকে ‘সপিণ্ড’ বলা হয়। সপিণ্ডরা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধান অধিকারী হিসেবে গণ্য হন। সপিণ্ডের মধ্যে মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—এরা পুরুষ সপিণ্ড হিসেবে পরিচিত। নারী সপিণ্ডের মধ্যে পাঁচটি ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত হন, যাঁরা হলেন:
১. বিধবা স্ত্রী
২. কন্যা
৩. মাতা
৪. পিতার মাতা
৫. পিতার পিতার মাতা।

⇒ পিতার মাতা এবং পিতার পিতার মাতা নারী সপিণ্ড হিসেবে গণ্য হন। সপিণ্ডরা মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদান প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, এবং এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, তারা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধান অধিকারীও হয়ে থাকেন। নারী সপিণ্ডের মধ্যে এই দুইজন অন্তর্ভুক্ত হন।
১,৩৭২.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এ লাইসেন্স বা পারমিট একাদিক্রমে কত বছর নবায়ন না করলে পুনরায় নবায়নের যোগ্য হবে না?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৩(২)-এর শর্তাংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।"
অর্থাৎ, যদি কোনো লাইসেন্স বা পারমিট ধারাবাহিকভাবে তিন বছর নবায়ন না করা হয়, তবে তা আর নবায়নের যোগ্য থাকবে না। এরপর নতুন করে আবেদন করতে হতে পারে।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১৩ ধারার বিধান লাইসেন্স, ইত্যাদি: 
(১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে।
(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।

১,৩৭৩.
আগাম জামিনের দরখাস্ত দায়ের করা হয় কোন ধারার বিধান অনুসারে?
  1. ৪৯৬
  2. ৪৯৭
  3. ৪৯৮
  4. ৪৯৯
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান অনুসারে আগাম জামিন বা Anticipatory Bail এর দরখাস্ত বিবেচনা করা যায়। এই ধারায় in any case শব্দমালাকে ব্যাখ্যা করে আগাম জামিন দেওয়া হয়।
♦জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।
১,৩৭৪.
ডিক্রি জারি মূলে কোন সম্পত্তির নিলাম বিক্রি হলে বিক্রির কত দিনের মধ্যে ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় :
- ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
-----------
Order-21 Rule-85.Time for payment in full of purchase-money:
The full amount of purchase-money payable shall be paid by the purchaser into Court before the Court closes on the fifteenth day from the sale of the property:
Provided that, in calculating the amount to be so paid into Court, the purchaser shall have the advantage of any setoff to which he may be entitled under rule 72.
১,৩৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ২০ অনুসারে আদালত প্রতিদিন সর্বাধিক কতটি মোকদ্দমা peremptory hearing এর জন্য দৈনিক cause list-এ নির্ধারণ করতে পারবে?
  1. পাঁচটি
  2. সাতটি
  3. দশটি
  4. পনেরটি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুসারে, দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে নির্ধারিত বিধানে বলা হয়েছে যে, আদালত দৈনিক মামলার তালিকায় চূড়ান্ত শুনানি (Peremptory hearing) এর জন্য সর্বোচ্চ ১০টি মামলা নির্ধারণ করতে পারে, যার মধ্যে ৪টি অংশবিশিষ্ট (Part-heard) মামলা থাকতে পারে। এছাড়া, চূড়ান্ত পর্যায়ে মোট ২০০টি মামলার বেশি থাকবে না, এবং যখন মামলার সংখ্যা ১৪০টির নিচে নামবে, তখন মামলা দাখিলের তারিখের ক্রমানুসারে আরও মামলা চূড়ান্ত পর্যায়ে আনা হবে।
অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ২০ (Order XVIII Rule 20) অনুসারে, দৈনিক মামলার তালিকায় (daily cause list) চূড়ান্ত শুনানির (peremptory hearing) জন্য সর্বোচ্চ ১০ (দশ) টি মামলা নির্ধারণ করা যাবে। এই ১০টি মামলার মধ্যে আংশিক শুনানিকৃত (part-heard) মামলা সর্বোচ্চ ৪টি থাকতে পারে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-20.Fixation of suits in the daily cause list, etc:
Court shall not fix, more than ten suits, including four part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing, and more than two hundred suits in the peremptory stage; and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than one hundred forty, the Court shall then bring in more suits in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
Explanation.In this rule the word "peremptory" shall have the meaning with reference to the word used in Civil Rules and Orders.

১,৩৭৬.
দণ্ডবিধির অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি কি?
  1. ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ৩ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।

-দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,৩৭৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় দায়রা আদালতকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪৩৬ ধারায়
  2. ৪৩৯ ধারায়
  3. ৪৩৯ক ধারায়
  4. ৪৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ
- ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।
- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 439A: Sessions Judge's powers of revision:
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final. 
(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
১,৩৭৮.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধি অনুযায়ী, অভিযুক্ত অ্যাডভোকেটের জবাব দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. শুনানীর ২ দিন আগে
  2. শুনানীর ৫ দিন আগে
  3. শুনানীর ৭ দিন আগে
  4. শুনানীর ১০ দিন আগে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধি অনুযায়ী, অভিযুক্ত অ্যাডভোকেটকে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব শুনানীর তারিখের কমপক্ষে ৭ দিন আগে বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করতে হবে। এই জবাবের সাথে ২ কপি জমা দিতে হবে, যার একটি কপি অভিযোগকারী এবং অপরটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরবরাহ করা হবে।
- এই বিধির উদ্দেশ্য হলো অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেটের জবাব পর্যালোচনা করার পর্যাপ্ত সময় দেওয়া, যাতে শুনানী সুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গতভাবে সম্পন্ন হতে পারে।

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব দিতে পারবেন এবং উহার ২ কপি শুনানীর সময়ের কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন। সচিব শুনানীর কমপক্ষে দুই দিন পূর্বে তা অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরবরাহ করবেন।
-------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules, 1972. Rule- 46: The advocate concerned shall be entitled to file a reply to the allegations against him whether or not he has already filed a reply before the Bar Council.
-He shall deliver such reply along with two copies to the Secretary at least seven days before the date of hearing fixed by the Tribunal and the Secretary shall deliver the copies to the Attorney General and the complainant at least two days before such d hearing.
১,৩৭৯.
নিচের কোনটি Private Document?
  1. খতিয়ান
  2. আরজি
  3. ঋণ চুক্তিপত্র
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত বক্তব্য
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর:  (গ) ঋণ চুক্তিপত্র।

প্রাইভেট ডকুমেন্ট (Private Document) হলো সেই দলিল যা ব্যক্তিগত বা স্বতন্ত্র ব্যক্তিগত চুক্তি/লেনদেন প্রমাণ করে এবং যা সরকারি বা সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা তৈরি নয়।
(ক) খতিয়ান → সরকারি দলিল, জমির রেকর্ড; প্রাইভেট নয়।
(খ) আরজি → সরকারি দফতরে দাখিলকৃত আবেদন বা অভিযোগ; প্রাইভেট নয়।
(গ) ঋণ চুক্তিপত্র → ব্যক্তি বা সংস্থার মধ্যে স্বতন্ত্র চুক্তি; প্রাইভেট দলিল।
(ঘ) ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার বক্তব্য → আদালত/ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে রেকর্ড করা; সরকারি দলিল; প্রাইভেট নয়।

১,৩৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. দ্বিতীয় তফসিলে
  2. চতুর্থ অধ্যায়
  3. দ্বিতীয় অধ্যায়
  4. চতুর্থ তফসিলে
ব্যাখ্যা
♦ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ৪৬টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ৫৬৫টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৫টি তফসিল (Schedule) এবং ৯টি ভাগ (Part) রয়েছে। কিভাবে অপরাধের তদন্ত করতে হবে, গ্রেফতার-জমিনের বিধান এবং বিচারকার্য কিভাবে পরিচালনা করা হবে সেটা ফৌজদারী কার্যবিধি থেকে জানা যায়।  ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ফৌজদারী কার্যবিধি বলবৎ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়, আবার কিছু ধারা আবার বিভিন্ন সময়ে বাতিলও করা হয়।ফৌজদারী কার্যবিধিতে আরো কিছু বিষয় আছে, অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা ফৌজদারী আইনে পাওয়া যায়।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।

i) ১ম তফসিল (First Schedule) - বাতিল।

ii)  ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।

iv) ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

v) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

♦ অর্থাৎ চতুর্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিধান আছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
১,৩৮১.
মুসলিম শরীয়াহ অনুযায়ী, কোরআনিক অংশীদারদের মধ্যে কতজন পুরুষ ও কতজন মহিলা?
  1. ৬ পুরুষ, ৬ মহিলা
  2. ৪ পুরুষ, ৮ মহিলা
  3. ৫ পুরুষ, ৭ মহিলা
  4. ৩ পুরুষ, ৯ মহিলা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম শরীয়া আইন অনুযায়ী মোট ১২ জন কোরানিক অংশীদার রয়েছে।
যথা- অংশীদার বলতে কোরানিক অংশীদারদেরকে বুঝানো হয়।
- কোরআনিক অংশীদারদের মোট ১২ জনের মধ্যে পুরুষ ৪ জন এবং মহিলা ৮ জন রয়েছেন।
- পুরুষ (৪ জন):
১. স্বামী (Husband)
২. বাবা (Father)
৩. দাদা (True Grandfather)
৪. বৈপিত্রেয় ভাই (Uterine Brother)

- মহিলা (৮ জন):
১. স্ত্রী (Wife)
২. মা (Mother)
৩. কন্যা (Daughter)
৪. পুত্রের কন্যা (Son's Daughter)
৫. দাদী (True Grandmother)
৬. আপন বোন (Full Sister)
৭. বৈমাত্রেয় বোন (Consanguine Sister)
৮. বৈপিত্রেয় বোন (Uterine Sister)

সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ৪ পুরুষ, ৮ মহিলা।

১,৩৮২.
A জানে যে B, Z-কে হত্যা করেছে। A, B,-কে শাস্তি হতে বাঁচাতে মৃত লাশটি গুম করতে B কে সহায়তা করেছে। A দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ১৯৩ ধারা
  2. ১৯৬ ধারা
  3. ১৯৭ ধারা
  4. ২০১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-

(i)  মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

(ii)  যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

---------------------------------------- 
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১,৩৮৩.
সংসদ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার ক্ষমতা অন্য আদালতকে দিতে পারে-
  1. রাষ্ট্রপতির নির্দেশে
  2. সুপ্রীম কোর্টের অনুমোদনে
  3. আইন প্রণয়নের মাধ্যমে
  4. প্রধান বিচারপতির পরামর্শে
ব্যাখ্যা
উত্তর: আইন প্রণয়নের মাধ্যমে।

অনুচ্ছেদ ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
(১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

(২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।

Article 44: Enforcement of fundamental rights
(1) The right to move the High Court Division in accordance with clause (1) of article 102, for the enforcement of the rights conferred by this Part is guaranteed. 

(2) Without prejudice to the powers of the High Court Division under article 102, Parliament may by law empower any other court, within the local limits of its jurisdiction, to exercise all or any of those powers.
১,৩৮৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের ৮গ ধারা অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কার্যপদ্ধতি কী দ্বারা নির্ধারণ করা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশে দ্বারা
  2. মন্ত্রণালয়ের আদেশে দ্বারা
  3. সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা
  4. সরকারি প্রজ্ঞাপন দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার (১) উপ-ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নিজেই নির্ধারণ করিতে পারিবে। এর অর্থ হলো, কমিটি নিজের বিবেচনায় সভা পরিচালনার নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করতে পারে, এবং এই ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির আদেশ, মন্ত্রণালয়ের আদেশ বা সরকারি প্রজ্ঞাপনের কোনো ভূমিকা নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার বিধান সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:
 তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি দুইমাস অন্তর অন্তর কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান উক্ত কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদের শূন্যতা বা কমিটি গঠনে ক্রটি থাকার কারণে কমিটির কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

১,৩৮৫.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য যোগ্যতা কিভাবে নির্ধারিত হবে?
  1. বিধি দ্বারা
  2. আদালত দ্বারা
  3. সরকারি গেজেট দ্বারা
  4. জেলা রেজিস্ট্রার দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ৪(৩) অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য যোগ্যতা, অধিক্ষেত্র এবং অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে।
- অর্থাৎ, সরকারের প্রণীত বিধির মাধ্যমে এই যোগ্যতা এবং অন্যান্য শর্তাবলী নির্ধারিত হবে, যা হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক নিয়োগের জন্য প্রযোজ্য।

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ ধারা ৪ বিবাহ নিবন্ধক নিয়োগ: 
 (১) এই আইনের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে, সরকার, সিটি কর্পোরেশন এলাকার ক্ষেত্রে তদ্কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত এলাকা, এবং সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত এলাকার ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা এলাকায় একজন ব্যক্তিকে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করিবে। 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে অভিহিত হইবেন। 
(৩) হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির যোগ্যতা, অধিক্ষেত্র, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক কর্তৃক আদায়যোগ্য ফিস এবং তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
১,৩৮৬.
সংক্ষিপ্ত বিচারের যে সকল মামলা আপিলযোগ্য নয়,সেই সকল মামলায় কোনটির প্রয়োজন নাই?
  1. সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নাই
  2. আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করার প্রয়োজন নাই
  3. ক ও খ
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৩ অনুসারে,সংক্ষিপ্ত বিচারের যে সকল মামলা আপিলযোগ্য নয়,সেই সকল মামলায় ম্যাজিস্ট্রেটের বা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার বা আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করার প্রয়োজন নাই,তবে তিনি বা তারা সরকার কর্তৃক নির্দেশিত ফরমে নিম্নলিখিত তথ্য লিপিবদ্ধ করবেনঃ

(ক) ক্রমিক নম্বর;
(খ) অপরাধ সংঘটনের তারিখ; 
(গ) এজহার বা নালিশের তারিখ:
(ঘ) ফরিয়াদীর (যদি থাকে) নাম:
(ঙ) নাম, পিতার নাম ও বাসস্থান;
(চ) নালিশী অপরাধ এবং প্রমাণিত অপরাধ (যদি থাকে) এবং ২৬০ ধারার (১) উপধারার (ঘ), (ঙ) বা (ছ) শাখার অন্তর্ভুক্ত ক্ষেত্রে যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ করা হইয়াছে, তার মূল্য;
(ছ) অভিযুক্তের বক্তব্য ও তার জবানবন্দি (যদি থাকে);
(জ) যা সাব্যস্ত করা হল তা এবং দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কারণসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ;
(ঝ) দণ্ড বা অন্য চূড়ান্ত আদেশ; এবং
(ঞ) বিচার শেষ হবার তারিখ।
১,৩৮৭.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৮১ অনুযায়ী, তামাদি সময়সীমা কখন থেকে গণনা করা হবে?
  1. আবেদন গ্রহণের দিন থেকে
  2. আবেদনকারীর জ্ঞাত হওয়ার দিন থেকে
  3. মামলার রায় ঘোষণার দিন থেকে
  4. অধিকার উদ্ভবের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১-
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।

১,৩৮৮.
The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে, সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি _______ পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. জামিন
  4. অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস (acquittal) পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
 
প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
১,৩৮৯.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখার কাজে স্বেচ্ছায় সহায়তা করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখার কাজে সহায়তা করা:- কোন ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 414. Assisting in concealment of stolen property:
-Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১,৩৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন-
  1. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
  2. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৮, ১০৯ এবং ১১০ ধারার অধীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন ব্যক্তি যেমন অভ্যাসগত দস্যু বা ভবঘুরে ব্যক্তিকে সদাচরনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
১,৩৯১.
সামরিক অফিসারকে জনসমাবেশ ভাঙার ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দেয়া হয়েছে?
  1. ১৩০ ধারায়
  2. ১৩১ ধারায়
  3. ১৩২ ধারায়
  4. ১৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারার বিধান জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার ক্ষমতা ধারণের কোন সমাবেশ কর্তৃক যেক্ষেত্রে জননিরাপত্তা দৃশ্যত বিপদগ্রস্ত হয় এবং যেক্ষেত্রে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় না, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামরিক শক্তি প্রয়োগপূর্বক ধরনের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং ধরনের ছত্রভঙ্গ করার অথবা আইন অনুসারে শাস্তি প্রদানের জন্য উক্ত সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও আটক করতে পারবেন; তবে এই ধারার বিধানমতে কার্য চলাকালীন সময় তাঁর পক্ষ কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হলে তিনি যোগাযোগ স্থাপন করবেন এবং অতঃপর কার্য চালিয়ে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে তাঁর নির্দেশ পালন করবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 131. Power of commissioned military officers to disperse assembly: 
- When the public security is manifestly endangered by any such assembly, and when no Executive Magistrate can be communi-cated with, any commissioned officer of the Bangladesh Army may disperse such assembly by military force, and may arrest and confine any persons forming part of it, in order to disperse such assembly or that they may be punished according to law; but if, while he is acting under this section, it becomes practicable for him to communicate with an Executive Magistrate, he shall do so, and shall thenceforward obey the instructions of the Magistrate as to whether he shall or shall not continue such action.
১,৩৯২.
দণ্ডবিধি,১৮৬০ কোথায় কার্যকর হয়?
  1. সমগ্র বাংলাদেশে
  2. পার্বত্য চট্রগ্রাম ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে
  3. নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে
  4. খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি এবং বান্দরবান জেলা ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ধারা ১- শিরোনাম ও আইনের কার্যকারিতার সীমা:
এই আইন 'দণ্ডবিধি' নামে অভিহিত হবে এবং ইহা বাংলাদেশের সর্বত্র কার্যকর হবে।

Section 1- Title and extent of operation of the Code:
This Act shall be called the Penal Code and shall take effect throughout Bangladesh.
১,৩৯৩.
কে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মহানগর দায়রা জজ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৬ ধারার বিধান ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগঃ (১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথাঃ

(অ) দায়রা আদালত; এবং (আ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(অ) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (আ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(অ) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;

(আ) মহানগর এলাকায় প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;

(আ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;

(ঈ)তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

♦ ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” শব্দ দুটিকে যথাক্রমে “অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” বুঝাবে।

♦ মেট্রোপলিটন এলাকায় ২য়/৩য় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাই।

♦ মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করে। অর্থাৎ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

♦ অর্থাৎ ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নামে পরিচিত। তাই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
১,৩৯৪.
According to the definition given in Section 63, who can give oral accounts of the contents of a document?
  1. Only legal professionals
  2. The document's author only
  3. Anyone who knows about the document
  4. A person who has personally perceived document
ব্যাখ্যা
Section-63: Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it.

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলী রয়েছে। এই ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, যেমন:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. একটি দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ যা সেই ব্যক্তির দ্বারা দেওয়া হয়েছে যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
১,৩৯৫.
দালিলিক সাক্ষ্যের প্রকারভেদ দেওয়া আছে কত ধারায়?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary evidence)- আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দালিলিক সাক্ষ্য আবার দুই প্রকার- ১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং ২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।

--------------
⇒ Proof of contents of documents:
Section 61. The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
১,৩৯৬.
পারিবারিক আদালত বিবাদীর প্রার্থনামতে লিখিত বর্ণনা দাখিলের জন্য সর্বোচ্চ সময় দিতে পারে-
  1. অন্যূন ২১ দিন
  2. ২১ কর্মদিবস
  3. অনধিক ২১ দিন
  4. অন্যূন ২১ কর্মদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮ লিখিত জবাব:
(১) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য নির্ধারিত তারিখে, বাদী ও বিবাদী পারিবারিক আদালতে হাজির হইবে এবং বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিল করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনপূর্বক সময় প্রার্থনা করিলে আদালত তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অনধিক ২১(একুশ) দিনের মধ্যে অপর একটি তারিখ ধার্য করিতে পারিবে।
(২) লিখিত জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে উপস্থিত করিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানার তফসিল থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, পরবর্তী যেকোনো পর্যায়ে সাক্ষী আহ্বান করিতে পারিবে, যদি আদালত মনে করে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ প্রয়োজন।
(৩) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে রহিয়াছে এইরূপ কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাব দাখিলের সময় আদালতে উহা উপস্থাপন করিবেন এবং একই সময় উক্ত দলিল বা উহার কোনো অবিকল নকল বা ছায়ালিপি বা অন্য যেকোনো কপি লিখিত জবাবের সহিত নথিভুক্ত করিবার জন্য দাখিল করিবেন এবং উক্ত দলিল একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিয়া উহা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবেন।
(৪) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার লিখিত জবাবের সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে এমন কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন যাহা তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন নাই, সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় এইরূপ দলিল অন্তর্ভুক্ত করিবেন এবং যাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন উহা রহিয়াছে তাহা উল্লেখ করিবেন।
(৫) উপধারা (২), (৩) ও (৪) এ বর্ণিত তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ মোকদ্দমাতে যতসংখ্যক বাদী রহিয়াছে তাহার দ্বিগুণসংখ্যক লিখিত জবাবের অবিকল নকল লিখিত জবাবের সহিত প্রদান করিতে হইবে।
(৬) উপধারা (৫) এ বর্ণিত তপশিল, দলিল এবং দলিলসমূহের তালিকাসহ লিখিত জবাবের অনুলিপি বাদী, ক্ষেত্রমত, আদালতে উপস্থিত তাহার প্রতিনিধি বা আইনজীবীকে প্রদান করিতে হইবে।
(৭) যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করিবার সময় বিবাদী কর্তৃক কোনো দলিল আদালতে দাখিল করিবার প্রয়োজন ছিল অথবা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিবার প্রয়োজন ছিল তবে উহা দাখিল বা অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত, মোকদ্দমার শুনানিতে উক্ত দলিল তাহার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে না।
(৮) আদালত কোনো ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ব্যতীত উপধারা (৭) এর অধীন কোনো দলিল অন্তর্ভুক্তির অনুমতি প্রদান করিবে না।

১,৩৯৭.
Section 32 (5) of the Evidence Act applies when the statement relates to the existence of any relationship by________.
  1. Blood
  2. Marriage
  3. Adoption
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦যদি বিবৃতিটা কোন বিদ্যমান রক্তের, বৈবাহিক বা দক্তকগ্রহণ সূত্রে কোন সম্বন্ধের সাথে সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটা ৩২(৫) অনুসারে প্রাসঙ্গিক হবে।
১,৩৯৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হতে আহত ব্যক্তির কমপক্ষে কতদিন প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করা লাগবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩২০–এ গুরুতর আঘাতের সংজ্ঞায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন একটি আঘাতে আহত হন “যাতে আহত ব্যক্তি ২০ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করেন অথবা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হন, তাহলে তা ‘গুরুতর আঘাত’ হিসেবে গণ্য হবে।”
অর্থাৎ, কমপক্ষে ২০ দিন যদি কেউ তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা ভোগ করেন, সেটি গুরুতর আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

১,৩৯৯.
আদেশ ২৬ বিধি ১ অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে আদালত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে?
  1. সাক্ষী স্বেচ্ছায় সাক্ষ্য প্রদান করতে না চাইলে
  2. সাক্ষী মামলার বিবাদী হলে
  3. অসুস্থতার কারণে সাক্ষী উপস্থিত হতে অক্ষম হলে
  4. সাক্ষী আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকার বাইরে বাস করলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি ১: যে সকল ক্ষেত্রে আদালত সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে:
আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাসকারী কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীনে আদালতে উপস্থিত হওয়া থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত হয়ে থাকলে বা অসুস্থতা বা দুর্বলতার কারণে এতে উপস্থিত হতে অক্ষম হলে আদালত প্রশ্নাবলীর মাধ্যমে বা অন্যভাবে উক্ত ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য যে কোন আদালত যে কোন মোকদ্দমায় কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

Order 26 Rule 1: Cases in which Court may issue commission to examine witness:
Any Court may in any suit issue a commission for the examination on interrogatories or otherwise of any person resident within the local limits of its jurisdiction who is exempted under this Code from attending the Court or who is from sickness or infirmity unable to attend it.
১,৪০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দণ্ড স্থগিত বা পরিবর্তনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. ধারা ৪০১
  2. ধারা ৪০২
  3. ধারা ৪০২ক
  4. ধারা ৪০৩
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ধারা ৪০২ক।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২ক-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে ধারা ৪০১ (দণ্ড স্থগিত/মওকুফ) ও ৪০২ (দণ্ড রূপান্তর)-এর অধীনে সরকারের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিও প্রয়োগ করতে পারেন।


⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২ক: মৃত্যুদণ্ড: সরকারকে ৪০১ ও ৪০২ ধারায় যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে তা মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টও প্রয়োগ করতে পারবেন।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 402A. Sentences of death:
- The powers conferred by sections 401 and 402 upon the Government may, in the case of sentences of death, also be exercised by the President.