বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১৩ / ১৫৫ · ১,২০১১,৩০০ / ১৫,৪৭০

১,২০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৪ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কখন বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারেন?
  1. তদন্তের আগে বা পরে যেকোনো সময়
  2. তদন্তের পরে বা চলাকালীন
  3. অনুসন্ধান বা বিচার শুরুর পরে
  4. আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের পর
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত চলাকালীন বা তদন্তের পরে কিন্তু অনুসন্ধান বা বিচার শুরুর পূর্বে বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় উল্লেখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ যেকোনো বিবৃতি(Statement) বা দোষস্বীকারোক্তি(Confession) লিপিবদ্ধ করতে পারেন।দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট স্বীকারকারীকে অবশ্যই বুঝিয়ে দিবেন যে; তিনি স্বীকারোক্তি করতে বাধ্য নয় এবং তিনি যদি স্বীকারোক্তি করে তাহলে উহা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।

যে সকল ম্যাজিস্ট্রেট দোষস্বীকারোক্তি(Confession) রেকর্ড করতে পারে-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
৩. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট

ধারা ১৬৪(২) অনুযায়ী তদন্ত চলাকালীন বা তদন্তের পরে কিন্তু অনুসন্ধান বা বিচার শুরুর পূর্বে বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারে এবং এইরূপ স্বীকারোক্তি ৩৬৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী লিপিবদ্ধ বা স্বাক্ষরিত হতে হবে।
১,২০২.
নিম্নের কোনটি Cognizable অপরাধ?
  1. দাঙ্গা-হাঙ্গামা
  2. ভয় দেখানো
  3. স্বেচ্ছায় আঘাত করা
  4. স্বামী কর্তৃক যৌতুক দাবি
ব্যাখ্যা
• Cognizable অপরাধ অর্থ হলো ধরণের অপরাধ যে ক্ষেত্রে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া (বিনা পরোয়ানায়) অপরাধীকে আটক করতে পারে।

ফৌজদারী কার্যবিধির তফসিল নং-২ অনুযায়ী পুলিশ দণ্ডবিধির অধীন ১৪৭ ধারার দাঙ্গা-হাঙ্গামা অপরাধ সংঘটনকারী অপরাধীদেরকে বিনা পরোয়ানায় আটক করতে পারে। তাই দাঙ্গা-হাঙ্গামা হলো একটি Cognizable অপরাধ।
১,২০৩.
মিতাক্ষরা ও দায়ভাগ মতবাদ কোন উৎসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. শ্রুতি
  2. স্মৃতি
  3. প্রথা
  4. ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইনের মূল উৎস চারটি। এগুলো হলো—
১) শ্রুতি (Shruti) – এটি হিন্দু ধর্মের মৌলিক ভিত্তি। বেদসমূহ (ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ, সামবেদ, অথর্ববেদ) শ্রুতি শাস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত।
২) স্মৃতি (Smriti) – প্রাচীন ঋষিদের লিপিবদ্ধ করা সামাজিক ও ধর্মীয় বিধি-নিষেধ, যেমন মনুস্মৃতি, যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি, নারদ স্মৃতি, পরাশর স্মৃতি ইত্যাদি।
৩) ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ (Commentaries and Digests) – বিভিন্ন স্মৃতি ও শাস্ত্রের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ। এর দুটি প্রধান মতবাদ হলো মিতাক্ষরা মতবাদ ও দায়ভাগ মতবাদ।
৪) প্রথা (Custom) – দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রীতিনীতি, যা আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি তিন ধরনের— স্থানীয় প্রথা, শ্রেণি প্রথা ও পারিবারিক প্রথা।

এছাড়া, আধুনিক সময়ে আদালতের রায়, বিধিবদ্ধ আইন ও সুবিচার হিন্দু আইনের আধুনিক উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
১,২০৪.
ফৌজদারী মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোড-এর ৩৪২ ধারা অনুসারে-
  1. পুনরায় সাক্ষীদের পরীক্ষা করবে
  2. আসামীদের পরীক্ষা করবে
  3. আসামীদের আইনজীবীদের পরীক্ষা করবে
  4. পুনরায় তদন্ত কর্মকর্তাকে পরীক্ষা করবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। 

আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীর নিকট যে প্রশ্ন করে, আসামী এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো শপথ গ্রহণ করা হয় না।

Section 342: Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused.
১,২০৫.
'ক' অবৈধভাবে 'গ' এর অবৈধ ক্ষতি সাধন করার ইচ্ছায় স্বেচ্ছাকৃতভাবে 'গ' এর মালিকানাধীন একটি মূল্যবান জামানত পুড়িয়ে ফেলে। 'ক' এর অপরাধ-
  1. বিশ্বাসভঙ্গ
  2. অনিষ্টসাধন
  3. অবৈধভাবে ক্ষতি করা
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্টসাধন বা ক্ষতি (mischief) বলে।
♦ Penal Code, 1860-এর ধারা ৪২৫ তে অনিষ্টসাধন এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। ক ইচ্ছাকৃতভাবে খ এর ক্ষতিসাধনের জন্য তার  জামানত পুড়িয়ে ফেলে যা ৪২৫ ধারার অপরাধ।
♦ দণ্ডবিধি ৪২৬ ধারা অনুযায়ী অনিষ্টসাধনের শাস্তি  রয়ছে।
১,২০৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী কতটি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হবে না?
  1. ৯ টি
  2. ১০ টি
  3. ১১ টি
  4. ১২ টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা-তে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোন কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
- এই ধারা অনুযায়ী ১১টি নির্দিষ্ট পরিস্থিতি বর্ণিত হয়েছে, যেখানে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হবে না।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় নিষেধাজ্ঞা না মঞ্জুর করার ক্ষেত্রে যে ১১টি নির্দিষ্ট অবস্থার উল্লেখ করা হয়েছে, তা হলো:
১. যখন বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে হবে না।
২. যখন কোনো অধীনস্থ আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না।
৩. যখন কোনো ব্যক্তি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে চায়।
৪. যখন সরকারের কোনো সরকারি কার্যক্রম বা বিদেশি সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করতে হবে না।
৫. যখন কোনো ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না।
৬. যখন কোনো চুক্তি ভঙ্গের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৭. যখন উৎপাত নয় এমন কাজ নিষেধ করতে হবে না।
৮. যখন বাদী সম্মতি দিয়েছে এমন ক্রমাগত লঙ্ঘন নিষেধ করতে হবে না।
৯. যখন জিম্মা ভঙ্গের প্রতিকার অন্য কোনো সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারীর আবেদন এমন যে তাকে আদালতের সাহায্য থেকে বঞ্চিত করবে।
১১. যখন মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 56. Injunction when refused:
An injunction cannot be granted- 
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings; 
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; 
(c) to restraint persons from applying to any legislative body; 
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government; 
(e) to stay proceedings in any criminal matter; 
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced; 
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; 
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; 
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust; 
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; 
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
১,২০৭.
The Court's discretion in granting specific performance:
  1. Is absolute and arbitrary
  2. Must always be exercised in favor of the plaintiff
  3. Cannot be reviewed by a Court of appeal
  4. Should be based on sound and reasonable judicial principles
ব্যাখ্যা

Section: 22. Discretion as to decreeing specific performance:
The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal. 

The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:- 
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.

II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.

III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানে এখতিয়ার হচ্ছে বিবেচনামূলক এবং কেবলমাত্র তা করা আইনসম্মত, এ কারণেই আদালত এমন প্রতিকার মঞ্জুর করতে বাধ্য না। আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন হবেনা বরং নিখুঁত এবং যুক্তিযুক্ত, বিচার বিভাগীয় নীতি দ্বারা নিযন্ত্রিত এবং আপিল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে হবে। ২২ ধারায় ২টি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। ১টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি দিতে যথাযথভাবে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

i. বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে;
যেখানে এমন পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে যে, তা বাদীকে বিবাদির উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করছে, যদিও সেখানে বাদীর পক্ষ হতে কোন জালিয়াতি বা ভুল বিবরণ নাও থাকতে পারে।

ii. বিবাদির প্রতি কঠোরতা;
যেখানে চুক্তির কাজ সম্পাদন বিবাদীকে কোন কঠোরতায় বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলবে যা বিবাদী বুঝতে পারেনা, অপরদিকে উহা না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না। এই দুটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
১,২০৮.
নিচের কোন কাজটি দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ এর অধীনে শাস্তিযোগ্য হবে?
  1. নারীকে উপহার দেওয়া
  2. নারীর সাথে কথা বলা
  3. নারীর কাছে টাকা চাওয়া
  4. নারীর শাড়ি টেনে শালীনতায় আঘাত
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, কোনো নারীর শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে বা জ্ঞানসহকারে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করলে তা এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য। নারীর শাড়ি টেনে ধরা বা টান দেয়া তার শালীনতায় আঘাত করার একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা এই ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য।
অন্যদিকে, উপহার দেওয়া, কথা বলা বা টাকা চাওয়া—এগুলো শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্য বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই সেগুলো ধারা ৩৫৪ এর অধীনে শাস্তিযোগ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,২০৯.
যদি কোনো হিন্দু ব্যক্তি একটি প্রমিসরি নোট তৈরি করে যাতে শুধুমাত্র নেটিভ তারিখ উল্লেখ থাকে, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা করা হবে-
  1. নেটিভ তারিখ অনুসারে
  2. গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে
  3. বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে
  4. হিজরি ক্যালেন্ডার অনুসারে
ব্যাখ্যা
উত্তর: (খ) গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে।
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ২৫ ধারা অনুযায়ী, তামাদির মেয়াদ গণনার জন্য সকল দলিল (instrument) গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে বিবেচিত হবে।

উদাহরণ:
- একজন হিন্দু ব্যক্তি একটি প্রমিসরি নোট তৈরি করলেন, যেখানে শুধুমাত্র নেটিভ (দেশীয়) তারিখ উল্লেখ আছে এবং বলা হলো চার মাস পরে পরিশোধ করতে হবে।
- এই ক্ষেত্রে, চার মাসের সময় গণনার জন্য গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী হিসাব করা হবে, নেটিভ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নয়।

অর্থাৎ যদি কোনো দলিল বা চুক্তিপত্রে দেশীয় তারিখ (যেমন বাংলা, হিজরি বা অন্য কোনো স্থানীয় ক্যালেন্ডার) ব্যবহার করা হয়, তবুও তামাদির মেয়াদ নির্ধারণের জন্য শুধুমাত্র গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারই প্রযোজ্য হবে।
----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar. 

Illustrations:

(a) A Hindu makes a promissory note bearing a Native date only, and payable four months after date. The period of limitation applicable to a suit on the note runs from the expiration of four months after date computed according to the Gregorian calendar. 
 
(b) A Hindu makes a bond, bearing a Native date only, for the repayment of money within one year. The period of limitation applicable to a suit on the bond runs from the expiration of one year after date computed according to the Gregorian Calendar.
১,২১০.
What is the subject matter of Section 152 of the Evidence Act?
  1. Regarding indecent or scandalous questions
  2. Regarding questions intended for insult or annoy
  3. Regarding question by party to his own witness
  4. Court procedure when questions are asked without reasonable cause
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
--------------------
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো প্রশ্ন সাক্ষীকে অপমানিত বা উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে আদালত সেই প্রশ্নকে অগ্রাহ্য করতে পারে। অর্থাৎ এরকম প্রশ্নের প্রয়োজন নেই এবং আদালত এই ধরনের প্রশ্ন প্রসঙ্গে বর্জন করতে পারে।

সাক্ষ্য আইনের ১৫২ ধারা মূল কথা: আদালত যেকোনো প্রশ্নকে নিষিদ্ধ করতে পারে, যদি প্রশ্নটি কাউকে অপমানিত বা উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়, বা যদিও প্রশ্নটি সঠিক, তবে আদালত মনে করে যে তা অযথা আক্রমণাত্মক। এই বিধি সাক্ষ্য গ্রহণের সময় সম্মানজনকতা ও নৈতিকতার রক্ষা করে, যা ন্যায়বিচারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১,২১১.
তামাদি আইনের কত ধারায় 'মোকদ্দমা করিবার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল'- এটি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১৭ ধারায়
  2. ১৯ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ১৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৭ ধারার বিধান মামলা করার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:-
- কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

-এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।
---------------------
⇒ Section 17- Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.ঃ

(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
১,২১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১০ অনুসারে, কোন ধরনের রিপোর্ট সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়?
  1. আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট
  2. হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট
  3. কেমিক্যাল এক্সামিনার বা সেরোলজিস্টের রিপোর্ট
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১০ অনুসারে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কেমিক্যাল এক্সামিনার, সহকারী কেমিক্যাল এক্সামিনার, সেরোলজিস্ট, হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ, আঙুলের ছাপ বিশেষজ্ঞ বা আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট, যদি তা যথাযথভাবে পরীক্ষা বা বিশ্লেষণের জন্য তাদের কাছে পাঠানো হয় এবং ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রস্তুত করা হয়, তবে সেই রিপোর্টগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

- ধারা ৫১০-এর বিধান অনুযায়ী, এই রিপোর্টগুলোর গ্রহণযোগ্যতার জন্য শর্ত হলো যে, রিপোর্টটি অবশ্যই সরকার কর্তৃক নিযুক্ত বিশেষজ্ঞের স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং যথাযথভাবে পরীক্ষা বা বিশ্লেষণের জন্য তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এই ধরনের রিপোর্টগুলোর সুবিধা হলো এটি আদালতের সময় এবং খরচ বাঁচায়, কারণ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞকে সাক্ষী হিসেবে ডাকার প্রয়োজন হয় না।
- অতএব, ধারা ৫১০ অনুসারে, উপরের সব ধরনের রিপোর্ট (আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞ, হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ, এবং কেমিক্যাল এক্সামিনার বা সেরোলজিস্টের) সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 510. Report of Chemical Examiner, serologist, etc.
- Any document purporting to be a report under the hand of any Chemical Examiner or Assistant Chemical Examiner to Government or any serologist, handwriting expert, finger print expert or fire-arm expert appointed by the Government, upon any matter or thing duly submitted to him for examination or analysis and report in the course of any proceeding under this Code, may, without calling him as a witness, be used as evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code.

১,২১৩.
According to Order 14 Rule 8, how many days does the court have to fix a date for the final hearing of the suit after the issues are framed?
  1. 60 days
  2. 90 days
  3. 120 days
  4. 150 days
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৪ বিধি ৮: চূড়ান্ত শুনানীর তারিখ স্থিরীকরণ:
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ স্থিরীকৃত করবে।

Order 14 Rule 8: Fixing date for final hearing:
After the issues are framed, the Court shall within one hundred and twenty days thereof, fix a date for final hearing of the suit.
১,২১৪.
কোনো আরজিতে উল্লিখিত বক্তব্য যদি লিখিতভাবে অস্বীকার না করা হয়, তবে তা –
  1. বিবাদীর স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
  2. বিবাদীর অস্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হবে
  3. বাদীর সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-
ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেয়া হবে।

Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
১,২১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান নিয়ে বলা হয়েছে? 
  1. ৩১ ধারা 
  2. ৩২ ধারা
  3. ৩৩ ধারা
  4. ৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।
--------------
Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

১,২১৬.
পদাধিকারবলে (ex-officio) বার কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হন কে?
  1. আইনমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৫:
(১) বার কাউন্সিল গঠিত হবে মোট পনেরো (১৫) জন সদস্য নিয়ে, যাঁদের মধ্যে–
(ক) একজন হবেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল, যিনি পদাধিকারবলে (ex-officio) সদস্য হবেন;
(খ) সাতজন সদস্য নির্বাচিত হবেন তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্য থেকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে;
(গ) সাতজন নির্বাচিত হবেন স্থানীয় বার অ্যাসোসিয়েশনসমূহের সদস্য আইনজীবীদের মধ্য থেকে, যারা উপ-ধারা (২)-এর অধীনে প্রতিটি গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত; এবং এই নির্বাচন হবে সংশ্লিষ্ট গ্রুপের আইনজীবীদের মধ্য থেকেই।

(২) উপ-ধারা (১)-এর (গ) উপ-ধারার উদ্দেশ্যে, বার অ্যাসোসিয়নসমূহকে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে সাতটি গ্রুপে বিভক্ত করবে।
১,২১৭.
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় কখন কোনো ব্যক্তি প্ররোচনা দানের শাস্তি পাবে?
  1. কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যার পরিকল্পনা করে
  2. কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে
  3. কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যার চেষ্টা করে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান: আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান-
কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306: Abetment of suicide-
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,২১৮.
সাক্ষ্য আইনের পূর্ণ নাম কী?
  1. The Law of Evidence, 1872
  2. The Evidence Act, 1872
  3. The Evidence Ordinance, 1872
  4. The Bangladesh Evidence Act, 1872
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) The Evidence Act, 1872.
- সাক্ষ্য আইনের পূর্ণ নাম হচ্ছে: “The Evidence Act, 1872 (Act No. I of 1872)”
- এই আইনটি ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ প্রণীত হয় এবং ১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২ তারিখে কার্যকর হয়।
- এটি ব্রিটিশ শাসনামলে প্রণীত হয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশের আইনি কাঠামোতেও এটি প্রয়োগযোগ্য।
- আইনের খসড়ায় ও সরকারি কাগজপত্রে যেভাবে লেখা থাকে — সেটিই তার পূর্ণ নাম।
- সেই অনুযায়ী, এটি হচ্ছে → The Evidence Act, 1872.
১,২১৯.
অপরাধমুলক ভীতি প্রদর্শন করে স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল করা হলে, আদালত বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে কত দিনের মধ্যে উক্ত সম্পত্তির দখল দেয়ার আদেশ প্রদান করতে পারবেন?
  1. অভিযুক্তের দণ্ডের তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে
  2. বেদখলের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
  3. অভিযোগ দায়েরের তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে
  4. অভিযুক্তের দণ্ডের তারিখ হতে ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২২: স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা-

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরুপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমুলক ভীতি প্রদর্শন কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখল করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানকালে বা উক্ত দণ্ডের তারিখ হতে ১ (এক) মাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেবার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে উক্ত আদেশ কর্তৃক তাহা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

(৩) যেকোন আপিল, সাজা অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 522: Power to restore possession of immovable property

(1) Whenever a person is convicted of an offence attended by criminal force or show of force or by criminal intimidation and it appears to the Court that by such force or show of force or by criminal intimidation any person has been dispossessed of immovable property, the Court may, if it thinks fit, when convicting such person or at any time within one month from the date of the conviction order any the person dispossessed to be restored to the possession of the same.
(2) No such order shall prejudice any right or interest to or in such immovable property which any person may be able to establish in a civil suit.
(3) An order under this section may be made by any Court of appeal, confirmation, reference or revision.
১,২২০.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র-
  1. প্রাসঙ্গিক হবে
  2. অপ্রাসঙ্গিক হবে
  3. চূড়ান্ত প্রমাণ হবে
  4. স্বীকারোক্তি হিসেবে প্রমাণিত হবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারা অনুসারে,
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।
 
Section 55⇒ Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
১,২২১.
কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে কোন ব্যক্তির অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার প্রতিকার পাওয়া সম্ভব?
  1. ৯ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৩২ ধারা
  4. ৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦আইনসংগত পরিচয়, পদ, অবস্থান বা সম্পত্তিতে স্বত্ত্বের অধিকা অন্য কেউ অস্বীকার করলে ৪২ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়। ঠিক এ কারণেই ৪২ ধারা ঘোষণামূলক মোকদ্দমার ধারা নামে পরিচিত। 
♦ঘোষণামূলক মোকদ্দমা। 'কোনো ব্যক্তির আইনগত পদ/পরিচিতি [Legal Characterj বা সম্পত্তিতে স্বত্ত্বের অধিকার Right to Property) প্রার্থনা করে যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তাকেই ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (Declaratory Suit] বলে”। 
♦ ঘোষণামূলক ডিক্রি: ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে যে ডিক্রি দেয় তাকেই ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ] বলে।
বিষয়বস্তু/কারণ: ২টি; ১, আইনগত পরিচয় নির্ধারণ করা। ২. সম্পত্তিতে অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
♦ মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
♦মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী রিট দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়।  
♦আনুষাঙ্গিক প্রতিকার মূল মোকদ্দমার সাথে চাইতে হয়, চাইলে পাবে, না চাইলে পাবে না। মনে রাখবেন, আনুষাঙ্গিক প্রতিকার দাবি করার থাকলে তা দাবি করা বাদীর জন্য বাধ্যতামূলক।   ঘোষণামূলক ডিক্রি বলবৎ করার জন্য জারি মামলা করার প্রয়োজন নেই। ঘোষণামূলক ডিক্রি অবমাননার জন্য অবমাননার মামলা করার দরকার নেই ।
১,২২২.
Land Survey Tribunal ______ নির্ধারিত তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে।
  1. অভিযোগ দায়েরের
  2. চূড়ান্ত শুনানির জন্য
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের
  4. প্রাথমিক শুনানির জন্য
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারার ১৪৫ক উপধারা (৭ক) এর বিধান-

চূড়ান্ত শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
 
(7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing.
১,২২৩.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে স্ত্রীর অংশ কত হবে যদি স্বামীর সন্তান না থাকে?
  1. ১/২
  2. ১/৩
  3. ১/৪
  4. ১/৮
ব্যাখ্যা
স্ত্রী (Wife):
- স্ত্রীও স্বামীর মতো কুরআনের প্রাথমিক উত্তরাধিকারী। স্ত্রীর ক্ষেত্রে দুটি অবস্থা রয়েছে, এবং স্ত্রীর অংশ কখনোই সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত হয় না।
- ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বে, স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি থেকে কিছুই পেতেন না। তবে ইসলামী আইন অনুযায়ী, স্ত্রীর উত্তরাধিকার নির্ধারিত হয়েছে।

স্ত্রীর দুটি অবস্থা:
(ক) ১/৪ (১/৪ অংশ):
- অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্র সন্তান না রেখে মারা যান, তবে স্ত্রীর অংশ হবে ১/৪।
- শর্ত: মৃত ব্যক্তি যদি কোনো সন্তান বা পুত্র সন্তান না রেখে মারা যান, তবে স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবেন।

(খ) ১/৮ (১/৮ অংশ):
- অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্র সন্তান রেখে যান, তবে স্ত্রীর অংশ হবে ১/৮।
- শর্ত: মৃত ব্যক্তি যদি সন্তান বা পুত্র সন্তান রেখে মারা যান (যত নিচের স্তরের সন্তানই হোক), তবে স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবেন।

একাধিক স্ত্রী থাকলে বণ্টনের নিয়ম:
- যদি একাধিক স্ত্রী থাকে, তবে তারা সমানভাবে ভাগ পাবেন।
- সংখ্যার ভিত্তিতে ভাগ বাড়বে না। অর্থাৎ, একাধিক স্ত্রীর মধ্যে তাদের অংশ সমান হবে, কোনো স্ত্রীর ভাগ বাড়বে না।

অর্থাৎ স্ত্রী কখনোই সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত হন না। যদি মৃত ব্যক্তি সন্তান না রেখে মারা যান, স্ত্রীর অংশ হবে ১/৪, এবং যদি সন্তান বা পুত্র সন্তান থাকে, স্ত্রীর অংশ হবে ১/৮। একাধিক স্ত্রীর ক্ষেত্রে, তারা সমানভাবে ভাগ পাবেন।
১,২২৪.
কোন পরিস্থিতিতে ধর্ষণ বলে গণ্য হবে?
  1. যদি স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌনসঙ্গম করা হয়
  2. যদি স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনসঙ্গম করা হয়
  3. যদি পুরুষটি মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে যৌনসঙ্গমের সম্মতি আদায় করে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা- ধর্ষণ:
কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত: স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে;
দ্বিতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে;
তৃতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে;
চতুর্থত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে;
পঞ্চমত: স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা: ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।
ব্যতিক্রম: কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।

Section 375- Rape:
A man is said to commit "rape" who except in the case hereinafter excepted, has sexual intercourse with a woman under circumstances falling under any of the five following descriptions:
Firstly- Against her will;
Secondly- Without her consent;
Thirdly- With her consent, when her consent has been obtained by putting her in fear of death, or of hurt;
Fourthly- With her consent, when the man knows that he is not her husband, and that her consent is given because she believes that he is another man to whom she is or believes herself to be lawfully married;
Fifthly- With or without her consent, when she is under fourteen years of age. 
 
Explanation- Penetration is sufficient to constitute the sexual intercourse necessary to the offence of rape. 
Exception- Sexual intercourse by a man with his own wife, the wife not being under thirteen years of age, is not rape.
১,২২৫.
প্রথাকে আইনের মর্যাদা পেতে হলে কোন শর্তগুলি পূর্ণ করতে হবে?
  1. অবশ্যই সুপ্রাচীন, সুনিশ্চিত, যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে
  2. নৈতিকতা বিরোধী অথবা সাধারণ নিয়মের পরিপন্থি হতে পারবে না
  3. আইনসভা কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হবেনা
  4. সবগুলো উপাদানই থাকতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ প্রথাকে আইনের মর্যাদা পেতে হলে তা অবশ্যই সুপ্রাচীন, সুনিশ্চিত, যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে, এটি নৈতিকতা বিরোধী অথবা সাধারণ নিয়মের পরিপন্থি হতে পারবে না, এবং এটি আইনসভা কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হবেনা।
অর্থাৎ সঠিক উত্তর: ঘ) সবগুলো উপাদানই থাকতে হবে।


⇒ প্রথা (Customs):
প্রথা হলো এমন একটি নিয়ম বা রীতি যা একটি বিশেষ পরিবার, শ্রেণী, বা অঞ্চলে অনেক দিন ধরে প্রচলিত এবং আইনের মর্যাদা অর্জন করেছে। প্রথা এবং লিখিত আইনের মধ্যে বিরোধ হলে, প্রথা বেশি শক্তিশালী হতে পারে। একটি বিখ্যাত মামলায় বলা হয়েছে, "প্রথার প্রমাণ আইন থেকে বেশি শক্তিশালী হতে পারে।"
কিছু পণ্ডিত ব্যক্তির মতে, প্রথা একসময় হিন্দু ধর্মশাস্ত্রের অংশ ছিল, কিন্তু পরে লিখিত আকারে স্মৃতিশাস্ত্রে তা রাখা হয়নি, তবে তা সমাজে চালু রয়েছে।

⇒ প্রথা তিন প্রকার:
স্থানীয় প্রথা: যা কোনো নির্দিষ্ট স্থানে বা অঞ্চলে প্রচলিত।
শ্রেণি প্রথা: যা হিন্দু সমাজের কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণি বা সম্প্রদায়ে প্রচলিত।
পারিবারিক প্রথা: যা কোনো বিশেষ পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে চালু রয়েছে।

⇒ আইনের মর্যাদা পেতে প্রথার শর্ত:
সুপ্রাচীন, সুনিশ্চিত, যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে: প্রথাটি অনেক পুরনো এবং প্রমাণিত হতে হবে।
নৈতিকতা বিরোধী বা সাধারণ নিয়মের পরিপন্থি না হওয়া: প্রথাটি সমাজের নৈতিকতার বিরুদ্ধে বা আইন বিরোধী হতে পারবে না।
আইনসভা কর্তৃক নিষিদ্ধ না হওয়া: প্রথাটি যদি কোনো আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়, তবে তা আইনের মর্যাদা পাবে না।
অব্যাহতভাবে চালু থাকতে হবে: প্রথাটি দীর্ঘকাল ধরে চালু থাকতে হবে এবং হঠাৎ বন্ধ হওয়া উচিত নয়।
১,২২৬.
কোন শ্রেণির বিচারক মৃত্যুদণ্ড প্রদান করতে পারেন না?
  1. দায়রা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারা- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

অর্থাৎ, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ড প্রদানের সীমা আছে। তিনি কেবল ১০ বছরের মধ্যে যেকোনো কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ইত্যাদি দিতে পারেন — কিন্তু মৃত্যুদণ্ড প্রদানের এখতিয়ার নেই।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
১,২২৭.
সরকারী কর্মচারীকে তার কর্তব্য পালনে বাধাদান করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করা The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় শাস্তিযোগ্য?
  1. ৩৩৩ ধারা
  2. ৩৩২ ধারা
  3. ৩৩১ ধারা
  4. ৩৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৩২ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীকে তাহার কর্তব্য পালনে বাধাদান করিবার জন্য স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দান করাঃ যে ব্যক্তি কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার কর্তব্যকর্ম সম্পাদনরত অবস্থায়, অথবা সে সরকারী কর্মচারীকে বা অন্য কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার কর্তব্যকর্ম সম্পাদন হতে নিরস্ত, বা ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আহত করে, অথবা উক্ত সরকারী কর্মচারী অনুরূপ সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার দায়িত্ব আইনানুগভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করেছেন ১০ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১,২২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৯৯
  2. ধারা ৯৯ক
  3. ধারা ৯৯খ
  4. ধারা ৯৯গ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা অনুযায়ী, সরকার বা আদালত যখন মনে করেন যে কোন সংবাদপত্র, গ্রন্থ, বা দলিলে এমন কিছু বিষয়বস্তু রয়েছে যা দণ্ডনীয় বা মানহানিকর, অথবা যা অশ্লীল বা উত্তেজক, তখন সেই প্রকাশনাগুলো বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে পারেন। এর জন্য তারা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন, যাতে পুলিশ সেই প্রকাশনাগুলো খুঁজে এবং বাজেয়াপ্ত করতে পারে। এই ধারায় মূলত গণমাধ্যম বা প্রকাশনা সম্পর্কিত বিষয়গুলোর নিয়ন্ত্রণ এবং তল্লাশি পরোয়ানার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার বিধান: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা দিবার ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে-
(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩এ অথবা ১২৪এ অথবা ১৫৩এ অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫এ অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫এ মতে দণ্ডনীয়,
(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা
(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা
(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারি গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গণে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোনো সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সংগত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
১,২২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারা অনুসারে, হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির দণ্ড বিষয়ে কী করতে পারে?
  1. নতুন বিচার শুরু করতে পারে
  2. মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করতে পারে
  3. অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৫ (Section 375, CrPC) অনুযায়ী: যখন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামির কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে উপস্থাপিত হয় (ধারা ৩৭৪ অনুসারে), তখন হাইকোর্টের এখতিয়ার থাকে:
দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষতা নির্ধারণে অধিকতর তদন্ত করার বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করার, এবং চাহিদা অনুযায়ী এই তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ নিজে করতে পারে অথবা দায়রা আদালতকে নির্দেশ দিতে পারে।

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির দণ্ড বিষয়ে অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে।

⇒  ধারা ৩৭৫- কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session.
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
১,২৩০.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী, কতজন ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা করলে তা ডাকাতি (Dacoity) হিসেবে গণ্য হবে?
  1. দুই বা ততোধিক ব্যক্তি
  2. তিন বা ততোধিক ব্যক্তি
  3. চার বা ততোধিক ব্যক্তি
  4. পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯১ অনুসারে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা (robbery) করলে বা তার চেষ্টা করলে তা ডাকাতি (Dacoity) হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-391: Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".

১,২৩১.
সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকদ্দমার ডিক্রি দায়িক কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে মান্য করতে অপারগ হলে তা জারির ক্ষেত্রে কোন ব্যবস্থা অবলম্বন করা যাবে?
  1. শুধু দেওয়ানী কারাগারে আটক
  2. দেওয়ানী কারাগারে আটক ও সম্পত্তি ক্রোক
  3. শুধু সম্পত্তি ক্রোক
  4. দেওয়ানী কারাগারে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট সম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি।) যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের বিরুদ্ধে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য বা দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য কিংবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এবং সে পক্ষ উক্ত ডিক্রি মান্য করার সুযোগ পেয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তার মান্য করতে অবহেলা করেছে, সেক্ষেত্রে দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোক করে কিংবা কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের দ্বারা কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারে ডিক্রি বলবৎ করা যেতে পারে।
------------------
⇒  Order 21 Rule.-32: Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction.-
1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree for the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
১,২৩২.
সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য কয়টি সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে?
  1. একটি
  2. একাধিক
  3. এই সংক্রান্ত বিধান নেই
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
Article 137: Establishment of commissions
Provision shall be made by law for establishing one or more public service commissions for Bangladesh, each of which shall consist of a chairman and such other members as shall be prescribed by law.

অনুচ্ছেদ ১৩৭: কমিশন-প্রতিষ্ঠা
আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরুপ নির্ধারিত হবে, সেইরুপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।

• সরকারী কর্ম কমিশন

প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদিগকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা-পরিচালনার জন্য সংবিধানে সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা হয়েছে। ১৩৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরুপ নির্ধারিত হবে, সেইরুপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।

কর্ম কমিশনের সভাপতি এবং সদস্যরা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত হবে কিন্তু প্রত্যেক কমিশনের যতদূর সম্ভব অর্ধেক (তবে অর্ধেকের কম নাহে) সংখ্যক সদস্য এমন ব্যক্তিগণ হবে, যারা ২০ বৎসর বা ততোধিককাল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন সময়ে কার্যরত কোন সরকারের কর্মে কোন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরুপ নির্ধারণ করবে, সেইরুপ হবে।
১,২৩৩.
শিশু আদালত শিশুর _______ ব্যতীত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করবে না। 
  1. বৈধ অভিভাবক
  2. আইনানুগ অভিভাবক
  3. মাতা-পিতা
  4. আইনগত প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫- আইনগত প্রতিনিধিত্ব, ইত্যাদি

(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু এবং আইনের সংস্পর্শে আসা শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব ব্যতীত কোন আদালত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করিবে না। 
 
(২) শিশু তাহার আইনগত প্রতিনিধিকে নিজের ভাষায় এবং, ক্ষেত্রমত, ব্যাখ্যাকারীর সাহায্যে প্রয়োজনীয় মতামত প্রদান করিবার অধিকার সংরক্ষণ করিবে। 
 
(৩) শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য কর্তৃক কোন আইনজীবী নিয়োগ করা না হইলে অথবা মাতা-পিতা অথবা তাহাদের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য না থাকিলে অথবা আইনজীবী নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্য না থাকিলে, শিশু-আদালত জেলা আইনগত সহায়তা প্রদান কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, সুপ্রিম কোর্ট’ এর তালিকাভুক্ত বা প্যানেলভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একজন উপযুক্ত আইনজীবীকে মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রদান করিবার লক্ষ্যে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এবং উহার অধীন প্রণীত বিধিমালা, প্রবিধানমালা ও নীতিমালা অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
১,২৩৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৫
  2. অনুচ্ছেদ ৩৪
  3. অনুচ্ছেদ ৩৩
  4. অনুচ্ছেদ ৩২
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৪-এ জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ এবং যদি এই বিধান লঙ্ঘিত হয়, তবে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
- এটি মানবাধিকার সুরক্ষার উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৪ জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ:
(১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারী অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনতঃ দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে।
১,২৩৫.
তামাদি আইনের ধারা ১৪ প্রযোজ্য হওয়ার শর্ত কী?
  1. মামলাটি একই কারণে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে
  2. মামলাটি সৎ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হতে হবে
  3. আদালতের এখতিয়ার না থাকতে হবে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৪ অনুযায়ী, যদি একজন বাদী বা আবেদনকারী ভুলবশত এমন একটি আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে মামলা করেন—
যে আদালতের এখতিয়ার নেই বা অনুরূপ কোনো কারণে সেটি মামলাটি গ্রহণ করতে অক্ষম—
তাহলে সেই সময় তামাদির গণনা থেকে বাদ যাবে।

তবে, এই ধারা প্রযোজ্য হতে হলে নিম্নলিখিত তিনটি শর্ত পূরণ হতে হবে:
১. মামলাটি একই কারণে (same cause of action) প্রতিষ্ঠিত হতে হবে – অর্থাৎ, মূল দাবি বা ঘটনা এক থাকতে হবে।
২. মামলাটি সৎ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হতে হবে (good faith) – মানে, প্রতারণা বা চাতুরীর উদ্দেশ্যে নয়, বরং প্রকৃতভাবে বিচার পাওয়ার উদ্দেশ্যে মামলা করা হতে হবে।
৩. আদালতের এখতিয়ার না থাকতে হবে বা অনুরূপ কোনো কারণ থাকতে হবে (defect of jurisdiction or other cause of like nature) – আদালত যদি এখতিয়ার না-রাখে, তাহলে সেই কারণে মামলা গ্রহণ না করতে পারলে ধারা ১৪ কার্যকর হবে।

তাই ধারা ১৪ প্রযোজ্য হওয়ার জন্য উপরোক্ত সবকটি শর্ত পূরণ করতে হয়, এজন্য সঠিক উত্তর হলো: ঘ) উপরের সবকটি।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৪: এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে কার্যক্রমের সময় বাদ দেওয়া:
(১) যেকোনো মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ গণনা করতে গেলে, বাদী যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যক্রমে যথাযথ যত্নসহকারে অন্য একজন বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে থাকেন—এটি প্রথম আদালতে হোক বা আপিল আদালতে—তাহলে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে, যদি উক্ত কার্যক্রমটি একই কারণে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এবং সৎ উদ্দেশ্যে সেই আদালতে পরিচালিত হয়ে থাকে, যা এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ অন্য কারণে মামলা গ্রহণ করতে অক্ষম।
(২) কোনো আবেদনটির জন্য নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ গণনা করতে গেলে, আবেদনকারী যদি একই পক্ষের বিরুদ্ধে একই ক্ষতিপূরণের জন্য অন্য একটি দেওয়ানি কার্যক্রমে যথাযথ যত্নসহকারে মামলা চালিয়ে থাকেন—এটি প্রথম আদালতে হোক বা আপিল আদালতে—তাহলে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে, যদি উক্ত কার্যক্রমটি সৎ উদ্দেশ্যে এমন একটি আদালতে পরিচালিত হয়ে থাকে, যা এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ অন্য কারণে মামলা গ্রহণ করতে অক্ষম।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section-14: Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.
(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.
Explanation I - In excluding the time during which a former suit or application was pending, the day on which that suit or application was instituted or made, and the day on which the proceedings therein ended, shall both be counted.
Explanation II - For the purposes of this section, a plaintiff or an applicant resisting an appeal shall be deemed to be prosecuting a proceeding.
Explanation III - For the purposes of this section misjoinder of parties or of causes of action shall be deemed to be a cause of a like nature with defect of jurisdiction.
১,২৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬৫(৩) অনুসারে, এই ধারার বিধান কার্যকর করার জন্য কে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন?
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. জেলা প্রশাসক
  4. কারা মহাপরিদর্শক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬৫(৩) অনুযায়ী, এই ধারার অধীনে অপরাধীর ঠিকানা জানানোর আদেশ কার্যকর করার জন্য সরকার বিধি প্রণয়ন করতে পারে। আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর ঠিকানা জানানোর আদেশ দিতে পারেন। কিন্তু সেই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন (rules) প্রণয়ন করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সরকারকে।
অর্থাৎ, সরকারই নির্ধারণ করবে কীভাবে অপরাধী তার বাসস্থান, পরিবর্তন বা অনুপস্থিতি বিজ্ঞাপিত করবে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: সরকার (খ)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬৫(৩) এর বিধান: "সরকার এই ধারার মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদীদের আবাস বা আবাসের পরিবর্তন কিংবা আবাসস্থল থেকে অনুপস্থিতি সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিষয়ে বিধান কার্যকর করার উদ্দেশ্যে বিধি প্রণয়ন করতে পারিবেন।"
"সরকার" বলতে এখানে বাংলাদেশ সরকার/গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার-কে বোঝায়।
এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য হলো, মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদী কীভাবে তার ঠিকানা, ঠিকানা পরিবর্তন বা অনুপস্থিতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত জানাবে তা বাস্তবায়নের জন্য একটি প্রক্রিয়া বা বিধিমালা প্রণয়ন করা।

১,২৩৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে 'What instruments may be partially cancelled' এর বিধান কত ধারায় আছে?
  1. ৩৭ ধারায়
  2. ৪১ ধারায়
  3. ৩১ ধারায়
  4. ৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪০ ধারা অনুযায়ী কোন দলিল যদি বিভিন্ন অধিকার/বাধ্যবাধকতার সাক্ষী হয় তাহলে আদালত সংশ্লিষ্ট মামলায় তা আংশিক ভাবে বিলোপ করতে পারেন এবং বাকী অংশ বহাল রাখতে পারেন।
-----------------
SR Act Section-40. What instruments may be partially cancelled:
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.

Illustration
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.
১,২৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে নিচের কোনটি “ডিক্রি” হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
  2. ১৪৪ ধারার অধীনে কোন প্রশ্ন নির্ধারণ
  3. মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
  4. ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

১,২৩৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের কত বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধের বিধান রয়েছে?
  1. ১নং বিধিতে
  2. ৪নং বিধিতে
  3. ৬নং বিধিতে
  4. ৮নং বিধিতে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে, তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
 
৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে—

১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদির নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।
 
২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ
কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।
 
৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
১,২৪০.
'ক' নদীর পাশের জমি 'খ'- এর নিকট রেহেন দিল এবং জমি প্রাকৃতিকভাবে বৃদ্ধি পেল। উক্ত বর্ধিত অংশের অধিকারী হবে-
  1. 'ক'
  2. 'খ'
  3. রাষ্ট্র
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা

The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ৭০: রেহেনকৃত সম্পত্তি বৃদ্ধি বা সংযোজন-
রেহেনের তারিখের পর যদি রেহেন সম্পত্তিতে কোনো বৃদ্ধি ঘটিয়া থাকে, তাহা হইলে ভিন্নরূপ কোনো চুক্তি না থাকিলে, জামানতের দরুন রেহেনগ্রহীতা উক্ত বৃদ্ধির অধিকারী হইবেন।

উদাহরণ-
(ক) 'ক', 'খ' এর নিকট নদীর পাশের এক খণ্ড জমি রেহেন দিল। পয়স্থিজনিত কারণে, উক্ত জমি বৃদ্ধি পাইল। জামানতের দরুন 'খ' উক্ত বর্ধিত অংশের অধিকারী হইবে।

(খ) 'ক' 'খ' এর নিকট এক খণ্ড দালান করিবার যোগ্য জমি রেহেন দিল এবং পরবর্তীতে তাহাতে একটি বাড়ি নির্মাণ করিল। 'খ' জামানতের দরুন জমি ও বাড়ির অধিকারী হইবে।

১,২৪১.
'Exclusion Of Time In legal Proceedings' সম্পর্কিত বিধান The Limitation Act, 1908 এর কত ধারায় রয়েছে?
  1. ১০ ধারায়
  2. ১২ ধারায়
  3. ১৪ ধারায়
  4. ১৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১২ ধারার বিধান- আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে(Exclusion of time in legal proceedings)-
(১) কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন হতে উক্ত মেয়াদ গণনা করতে হবে সেই দিন বাদ দিতে হবে।

(২) কোনো আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যে রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হবে, তা যেদিন ঘোষণা করা হয়েছে, সেইদিন এবং যে ডিক্রি, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপিল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যেই সময় আবশ্যক, তা বাদ দিতে হবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি সম্পর্কে আপিল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি যেই রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেই রায়ের নকল পেতে যে সময় লাগে, তাও বাদ দিতে হবে।

(৪) কোনো রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, রোয়েদাদের নকল পেতে যে সময় লাগে, তা বাদ দিতে হবে।
১,২৪২.
যদি একজন ব্যক্তি তার সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করেন এবং চুক্তির পরদিন সেটি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে:
  1. চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে
  2. ক্রেতা সম্পত্তির মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হবে
  3. বিক্রেতা চুক্তি পালনের বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত হবে
  4. সম্পত্তি পুনঃনির্মাণ না করা পর্যন্ত চুক্তি কার্যকর হবে না
ব্যাখ্যা
Section 13- Contract of which the subject has partially ceased to exist:
Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject-matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance.
[চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।]

Illustrations:
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform his part of the contract by paying the purchase-money.
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে 'খ'-কে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(b) In consideration of a sum of money payable by B, A contracts to grant an annuity to B for B's life. The day after the contract has been made, B is thrown from his horse and killed. B's representative may be compelled to pay the purchase-money.
(খ) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন 'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
১,২৪৩.
১১৮ ধারার অধীনে মুচলেকার অর্থের পরিমাণ কেমন হবে?
  1. অত্যধিক
  2. আদালতের চাহিদা অনুযায়ী
  3. পারিপার্শ্বিক অবস্থা অনুযায়ী যথাযথ
  4. অভিযোগকারীর চাহিদা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারা- মুচলেকা প্রদানের আদেশ:
এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও সদাচারণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যেরকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;

দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;

তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবলমাত্র তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
১,২৪৪.
কোনো ধর্ষণ মামলার ভুক্তভোগীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে চাইলে, নিচে বর্ণিত কোন ধরনের প্রশ্ন করা থেকে সাক্ষ্য আইনে বারিত করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্যের অসামঞ্জস্যতা
  2. সাধারণ অনৈতিক চরিত্র
  3. পূর্ববর্তী একই ধরণের মামলার রায় আছে কি না
  4. উল্লিখিত সকল ধরনের
ব্যাখ্যা

Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৪৬ – জেরা (Cross-examination)-এর সময় বৈধ প্রশ্নসমূহ:
যখন কোনো সাক্ষীকে জেরা করা হয়, তখন পূর্বে উল্লিখিত প্রশ্নগুলোর পাশাপাশি তাকে এমন প্রশ্নও করা যেতে পারে, যা—
১/ তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে, 
২/ তার পরিচয় ও সামাজিক অবস্থান বা জীবনের অবস্থান জানতে, অথবা 
৩/ তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য, অর্থাৎ তার চরিত্র ক্ষুণ্ণ করার মাধ্যমে, যদিও এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সাক্ষীকে অপরাধে অভিযুক্ত করতে পারে, অথবা তাকে কোনো শাস্তি বা সম্পত্তি হানির ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

তবে শর্তসাপেক্ষে:
প্রথমত, যদি কোনো মামলায় ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ থাকে, তাহলে উপধারা (৩)-এর অধীনে ভুক্তভোগীর সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন জেরা করার সময় করা যাবে না।

দ্বিতীয়ত, তবে আদালত যদি মনে করে যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে এমন প্রশ্ন করা অত্যাবশ্যক, তাহলে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সে ধরনের প্রশ্ন করা যেতে পারে।

১,২৪৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিচের কোন বিধানের অধীনে প্রদত্ত আদেশটি আপিলযোগ্য নয়?
  1. আদেশ-৩৯ বিধি-২
  2. আদেশ-৮ বিধি-১০
  3. আদেশ-১০ বিধি-৭
  4. আদেশ-১৬ বিধি-২০
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী আদেশ-১০ বিধি-৭ এর অধীনে প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ নয়।

⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ নং ৪৩ এ আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়া হয়েছে, আদেশ ১০ বিধি-৭ উক্ত তালিকায় নাই। কিন্তু আদেশ-৮ বিধি-১০, আদেশ-১৬ বিধি-২০, আদেশ-৩৯ বিধি-২উক্ত তালিকায় আছে।
- আদেশ ৪৩-এ মোট ২৫ টি আদেশকে আপিলযোগ্য আদেশ মর্মে বলা হয়েছে। এই ২৫ প্রকারের আদেশ ব্যতীত দেওয়ানী আদালতের অপরাপর আদেশ-এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই, সেখানে রিভিশন করার বিধান আছে।
১,২৪৬.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে সম্পত্তি কী ধরনের হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র নগদ অর্থ
  2. শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তি
  3. শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি
  4. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
উত্তর: স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি।

⇒ যদি কোনো ব্যক্তি বিশ্বাসের ভিত্তিতে অর্পিত সম্পত্তি আইন বা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেন, ব্যক্তিগত ব্যবহারে পরিণত করেন, অন্যকে হস্তান্তর করেন বা কাউকে তা করতে অনুমতি দেন, তবে এটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ।
উপাদান:
- বিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পত্তির দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়া
- স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
- অসাধুভাবে আত্মসাৎ বা অন্যভাবে ব্যবহার করা
- নিজস্ব ব্যবহারে পরিণত করা, হস্তান্তর করা বা অনুমতি দেওয়া

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনোভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
-----------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১,২৪৭.
আদালত কোন ধরনের বিষয় থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারে?
  1. সাক্ষীদের মৌখিক সাক্ষ্য
  2. আদালতের পর্যবেক্ষণ
  3. বিরোধী পক্ষের মন্তব্য
  4. পক্ষগণ কর্তৃক উত্থাপিত শপথের অভিযোগসমূহ
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৩: যে সকল বিষয় হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করা যায়:
আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন-
ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উক্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ;
খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূহ;
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু।

Rule-3: Materials from which issues may be framed:
The Court may frame the issues from all or any of the following materials:-
a) allegations made on oath by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties;
b) allegations made in the pleadings or in answers to interrogatoriesdelivered in the suit:c) the contents of documents produced by either party.
১,২৪৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজুর অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪২
  2. অনুচ্ছেদ ৪৩
  3. অনুচ্ছেদ ৪৪
  4. অনুচ্ছেদ ৪৫
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৪(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, তৃতীয় ভাগে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করার জন্য সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজু করার অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। এই বিধান নাগরিকদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আইনি প্রতিকার পাওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করে। অনুচ্ছেদ ৪৪(২)-এ আরও বলা হয়েছে যে, সংসদ আইনের মাধ্যমে অন্য কোনো আদালতকে এই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে, তবে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ থাকবে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৪-এ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজুর অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) অনুচ্ছেদ ৪৪।

১,২৪৯.
নিচের কোনটি তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)-
  1. দণ্ডবিধি-1860
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি 1898
  3. সাক্ষ্য আইন- 1872
  4. তামাদি আইন-1908
ব্যাখ্যা
♦যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটি একটি তত্ত্বগত আইন।
১,২৫০.
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণকারীদের কোন প্রাসঙ্গিক কাজ সাক্ষ্য হিসেবে কত ধারা অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য?
  1. ৮ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ৬ ধারা
  4. ৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণকারীদের কোন কাজ প্রাসঙ্গিক হবে সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী। উল্লেখ্য, কোন ঘটনার উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক হবে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী।
 
♦ অর্থাৎ
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অপরাধ সংগঠনের জন্য ষড়যন্ত্র করে এবং সেই (Common design) অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষে, (Conspirator) ষড়যন্ত্রকারীদের দ্বারা কোন কিছু করা, বলা বা লেখা হলে সেগুলো ষড়যন্ত্র এবং অভিন্ন অভিপ্রায় প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।
১,২৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় _________ বিধান রয়েছে।
  1. রিভিউর
  2. আপিলের
  3. ২য় রিভিশনের
  4. ২য় আপিলের
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।

গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭ক] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
১,২৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারায় রায়ের কপির জন্য আসামি পক্ষ আবেদন করলে তা দিতে হবে-
  1. খরচসহ ৭ দিনের মধ্যে
  2. খরচবাদে ১৫ দিনের মধ্যে
  3. খরচসহ ১৫ দিনের মধ্যে
  4. খরচবাদে কোনো বিলম্ব ছাড়া
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: আসামীর আবেদনে রায় প্রভৃতির অনুলিপি তাহাকে দিতে হইবে:
(১) আসামী আবেদন করলে রায়ের একটি নকল অথবা সে ইচ্ছা করলে ও সম্ভব হলে তার নিজের ভাষায় বা আদালতের ভাষায় উহার একটি অনুবাদ তাকে অবিলম্বে দিতে হবে। ২০ অধ্যায়ের মামলা ব্যতিত অন্য যেকোন মামলায় এরূপ নকল বিনা মূল্যে দিতে হবে

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়:
(৩) যখন কোন দায়রা জজ কোন আসামীকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তখন উক্ত দায়রা জজ তাকে আরও জানাইবেন যে সে আপীল করতে চাইলে কতদিনে মধ্যে আপীল করতে পারবে।
১,২৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে, যদি কোনো অপরাধ একমাত্র দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. নিজেই বিচার করবেন
  2. আসামিকে মুক্তি দেবেন
  3. মামলা দায়রা আদালতে পাঠাবেন
  4. মামলার তদন্ত পুনরায় শুরু করবেন
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫গ ধারা অনুসারে, যদি কোনো অপরাধ একমাত্র দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলা দায়রা আদালতে পাঠাবেন। 
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ তে যে মামলাসমূহ একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য,সেই সকল মামলার স্থানান্তর সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে যদি ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তাহলে তিনি-
- মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
- জামিন সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানসমূহের শর্ত সাপেক্ষে আসামিকে হেফাজতে রাখার জন্য প্রেরণ করবেন;
- সাক্ষ্যের জন্য উপস্থাপন করতে হবে এরূপ দলিলাদি এবং জিনিসপত্র(যদি থাকে) তা সহ আদালতে প্রেরণ করবেন;
- পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ দিবেন।
-------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 205C. Transfer of case of Court of Session when offence is trial exclusively by it:
When in a case instituted on a police report or otherwise, the accused appears or is brought before the Magistrate and it appears to the Magistrate that the offence is triable exclusively by the Court of Session, he shall- 
(a) send the case to the Court of Session; 
(b) subject to the provisions of this Code relating to bail, remand the accused to custody during, and until the conclusion of, the trial; 
(c) send to that Court the record of the case and the documents and articles, if any, which are to be produced in evidence; 
(d) notify the Public Prosecutor of the transfer of the case to the Court of Session. 
১,২৫৪.
Who has the authority to declare that certain provisions of the CPC shall not apply to Revenue Courts?
  1. High Court
  2. Government
  3. District Judge
  4. Revenue Court
ব্যাখ্যা
CPC-Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।

২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।
১,২৫৫.
সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
  2. মামলার বিষয় বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
  3. পক্ষগণের প্রতিনিধির স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
  4. দলিলের বিষয় সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
ধারা ২৩: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যাঃ কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
১. স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
২. সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।

Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.
Explanation.– Nothing in this section shall be taken to exempt any 17[Advocate] from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
১,২৫৬.
ডাকাতি সংঘটনে প্রস্তুতির সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩৯৯ ধারা মতে ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতির শাস্তি হলো অনধিক ১০ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। প্রস্তুতি বলতে ডাকাতির দল সংগঠন করা, পরিকল্পনা করা, প্রভৃতি বোঝায়।
১,২৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট অফিসার উক্ত সম্পত্তি-
  1. ক্রয় করবেন না
  2. নিলাম ডাকবেন না
  3. নিলাম ডাকতে পারেন
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬০- সম্পত্তি বিক্রয়ের সহিত সংশ্লিষ্ট অফিসারগণ উহা ক্রয় করতে বা নিলাম ডাকতে পারবেন না

এই কার্যবিধির অধীন কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের ব্যাপারে যে সরকারী কর্মচারীকে কোন কর্তব্য সম্পাদনের দায়িত্ব দেয়া হয় তিনি উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করবেন না বা উহার নিলাম ডাকবেন না। 

Section 560- Officers concerned in sales not to purchase or bid for property
A public servant having any duty to perform in connection with the sale of any property under this Code shall not purchase or bid for the property.
১,২৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণা না করে কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন না?
  1. জিআর মামলা
  2. নালিশী মামলা
  3. নন-জিআর মামলা
  4. এফআইআর দ্বারা দায়েরকৃত মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
-অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট নালিশী মামলার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণা না করে কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন না।

উল্লেখ আছে, নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
-----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-249: Power to stop proceedings when no complainant: 
-In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
১,২৫৯.
প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটনের ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় প্রনয়নের কত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-
প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং 
দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

• প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।
১,২৬০.
ধারা ১২৬ অনুযায়ী, নিম্নের কোন তথ্য ব্যারিস্টার/অ্যাটর্নি/উকিল প্রকাশ করতে পারবে?
  1. মক্কেলের সাধারণ তথ্য
  2. বেআইনি উদ্দেশ্যে প্রেরিত বার্তা
  3. মক্কেলের ব্যক্তিগত অভিমত
  4. মক্কেলের দলিলের বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান- পেশা সম্পর্কিত বার্তা:
ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদনকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহতি দিবেন না-
(১) বেআইনি উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

১,২৬১.
'ক' জনৈক জমিদার। সে জানে যে, তার জমিদারির এলাকার মধ্যে একটি খুনের অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে ইচ্ছাপূর্বক এইরূপ ভ্রান্ত খবর দেয় যে, সাপে কামড়ের ফলে দুর্ঘটনা-ক্রমেই মৃত্যুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 'ক' দণ্ডবিধির কোন ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে?
  1. ১৭৬ ধারা
  2. ১৭৭ ধারা
  3. ১৮১ ধারা
  4. ১৭৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারার বিধান মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
-অথবা উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ-
(ক) ক জনৈক জমিদার। সে জানে যে, তার জমিদারীর এলাকার মধ্যে একটি খুনের অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে ইচ্ছাপূর্বক এইরূপ ভ্রান্ত খবর দেয় যে, সৰ্প দংশনের ফলে দুর্ঘটনা-ক্রমেই মৃত্যুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।
অর্থাৎ 'ক' দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।


ব্যাখ্যা (Explanation): ১৭৬ ধারায় ও এই ধারায় অপরাধ’ কথাটি বলতে বাংলাদেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হলে যে কাজ নিম্নোক্ত ধারাসমূহে যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, দেশের বাইরে যে কোন স্থানে অনুরূপ কোন কাজ অনুষ্ঠিত হলে তার বুঝাবে যথাঃ ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ ও ৪৬০ ধারা; এবং অপরাধী বলতে অনুরূপ যে কোন কার্যের জন্য অপরাধী বলে অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
------------------
⇒ Section 177: Furnishing false information:
-Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both;
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,২৬২.
নিচের কোনটি পাবলিক ডকুমেন্ট না?
  1. আরজি
  2. গেজেট নোটিফিকেশন
  3. আদালতের আদেশ
  4. রেজিস্ট্রিকৃত কবলা দলিলের আসল
ব্যাখ্যা
♦ খতিয়ান, গেজেট নোটিফিকেশন ও আদালতের আদেশ ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ এগুলো সরকারের বিভিন্ন অঙ্গের কাজের অংশ। রেজিস্টার্ড কবলা দলিলের আসল পাবলিক দলিল নয়
♦ ৭৪(২) ধারা অনুসারে বেসরকারী যে সকল দলিল সরকার নিজের কাছে সংরক্ষণ রাখে সেগুলোও সরকারী দলিল। কবলার আসল সরকার সংরক্ষণ করে না, বরং এর লেখা সরকার কপি করে বালামে সংরক্ষণ করে। সেই বালাম হতে সার্টিফাইড দিলে সেটি সরকারি দলিল হবে, মূল কবলা দলিল সরকারি দলিল হবে না, কারণ এটি ব্যক্তির হেফাজতে থাকে।
১,২৬৩.
দেওয়ানী মামলায় বিচারক কোন মানদণ্ড অনুযায়ী প্রমাণ মূল্যায়ন করেন?
  1. যুক্তিসংগত সন্দেহের বাইরে
  2. স্বীকারোক্তির ওপর নির্ভর করে
  3. ভারসাম্যপূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে
  4. প্রত্যক্ষ প্রমাণ দ্বারা বিচারককে বুঝানো
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী মামলায় বিচারক ভারসাম্যপূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে প্রমাণ মূল্যায়ন করেন।

প্রমাণের মান (Standard of Proof) ও তার ধরন:

- প্রমাণের মান হলো মামলায় জয়ী হওয়ার জন্য কতটুকু প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে, তার নির্দিষ্ট মানদণ্ড। এটি মামলার ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
১. দেওয়ানি মামলার প্রমাণের মান:
- দেওয়ানি মামলায় Balance of Probability বা Preponderance of Evidence নীতি অনুসরণ করা হয়।
- যে পক্ষের সাক্ষ্য ও প্রমাণ বেশি গ্রহণযোগ্য, সেই পক্ষ মামলায় জয়ী হয়।
- সত্যের সম্ভাবনা মিথ্যার চেয়ে বেশি (more probably true than false) হলেই প্রমাণ যথেষ্ট।
- সাধারণভাবে, ৫১% সত্যতা প্রমাণ করাই যথেষ্ট।

২. ফৌজদারি মামলার প্রমাণের মান:
- ফৌজদারি মামলায় Beyond Reasonable Doubt নীতি অনুসরণ করা হয়।
- অপরাধীকে দোষী প্রমাণ করতে হলে এমনভাবে প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে, যাতে কোনো যৌক্তিক সন্দেহ অবশিষ্ট না থাকে।
- সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণ না হলে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।
- এভাবে, দেওয়ানি মামলায় সম্ভাবনার ভারসাম্য এবং ফৌজদারি মামলায় সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ নীতি অনুসরণ করা হয়।
১,২৬৪.
'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনা চুরির চেষ্টা করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় তাতে কোনো গহনা নেই। 'ক' The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. 411
  2. 379
  3. 380
  4. 511
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ৫১১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration)-এও উল্লেখ আছে।
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫১১ অনুসারে, যাবজ্জীবন বা কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উদ্যোগ (attempt) করলে এবং সেই উদ্যোগে কোনো কাজ করলে (যদি এর জন্য আলাদা বিধান না থাকে), তাহলে অপরাধটির শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দ্বারা শাস্তিযোগ্য। এখানে ‘ক’-এর বাক্স ভাঙ্গা চুরির উদ্যোগের কাজ (act towards commission), যা ধারা ৫১১-এর উদাহরণ (ক)-এর মতোই। চুরি সংঘটিত না হলেও উদ্যোগ শাস্তিযোগ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

১,২৬৫.
কোনটি অপথে গৃহপ্রবেশ (House breaking) বলিয়া গণ্য হইবে?
  1. সিঁধ কাটিয়া প্রবেশ
  2. তালা ভাঙ্গিয়া প্রবেশ
  3. আক্রমণ বা ভয় দেখাইয়া প্রবেশ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);

iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);

v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
----------------
Section 445 House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
 
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
১,২৬৬.
'ক', 'খ' এর ক্লাবে গান গাওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েও ইচ্ছাকৃত অনুপস্থিত থাকায় 'খ', 'গ' কে দিয়ে গান গাওয়ান। এক্ষেত্রে The Contract Act, 1872 অনুসারে কোনটি সঠিক?
  1. 'ক' চুক্তি পালনে বাধ্য নন
  2. 'খ' চুক্তি বাতিল করতে পারেন
  3. 'ক', 'খ' কে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য নন
  4. 'ক' ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ এই প্রসঙ্গে 'ক' যেহেতু ইচ্ছাকৃতভাবে গান গাওয়া থেকে বিরত থেকেছেন, সেহেতু তিনি চুক্তিভঙ্গ করেছেন। এটি চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্র। এই ক্ষেত্রে, 'খ' আদালতে গিয়ে 'ক' এর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবেন।
The Contract Act, 1872 এর ৭৩ ধারায় উল্লেখ আছে, যখন একটি চুক্তি ভঙ্গ করা হয়, তখন যে পক্ষ চুক্তিটি ভঙ্গ করলেন, সেই পক্ষের নিকট থেকে-
- যে পক্ষ এরূপ ভঙ্গের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হলেন সেই পক্ষ তা দ্বারা তার লোকসান বা ক্ষতি হলে এবং
- ভঙ্গের ফলে স্বাভাবিকভাবে উদ্ধৃত বা ভঙ্গের ফলে তার যেরূপ ফলাফল হবে বলে জেনেছিল সেরূপ লোকসান বা ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী।
- চুক্তিভঙ্গের কারণে দূরবর্তী ও পরোক্ষ কোন লোকসান বা ক্ষতির জন্য এরূপ ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে না।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার অনুযায়ী, 'ক' চুক্তি পালনে বাধ্য নন। সেই সাথে, 'ক' এর ক্ষতিপূরণ দেয়ার বাধ্যবাধকতা নেই এবং 'ক' ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারে না।
সুতরাং, The Contract Act অনুযায়ী, ‘খ’, 'ক' থেকে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ আদায় করার অধিকার রাখেন। কিন্তু অপশনে এরকম কোনো প্রতিকার না থাকায় উত্তর বাতিল করা হলো।
১,২৬৭.
কোনটি সরকারি দলিলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারি নথি
  2. বিক্রয় চুক্তি
  3. আদালতের রায়
  4. সংসদের আইন
ব্যাখ্যা
⇒ সরকারি দলিল (Public Document) হলো সেই সকল দলিল যা সরকারি সংস্থা, বিচার বিভাগীয় সংস্থা, ট্রাইব্যুনাল, অথবা সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক তৈরি ও সংরক্ষিত হয়। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি নথি, আদালতের রায়, সংসদের আইন ইত্যাদি।
→ বিক্রয় চুক্তি একটি বেসরকারি দলিল (Private Document), কারণ এটি সাধারণত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে লেনদেনের দলিল, যা সরকারের দ্বারা সংরক্ষিত বা প্রণীত হয় না।

অন্য অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
(ক) সরকারি নথি:
- সরকারি সংস্থা বা অফিসের তৈরি করা নথি সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।
(গ) আদালতের রায়:
- আদালতের রায় সরকারি দলিল, কারণ এটি আদালতের কার্যক্রমের অংশ।
(ঘ) সংসদের আইন:
- সংসদের আইনও একটি সরকারি দলিল, কারণ এটি দেশের আইন প্রণয়নকারী সংস্থার কার্যক্রমের অংশ।

→ অর্থাৎ বিক্রয় চুক্তি সরকারি দলিলের অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি একটি ব্যক্তিগত দলিল।
তাই সঠিক উত্তর: (খ) বিক্রয় চুক্তি।
১,২৬৮.
সুপ্রিম কোর্ট লিগাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান কে হবেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি
  3. আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি
  4. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০- ধারা  ৮ক- সুপ্রীম কোর্ট কমিটি:

(১) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি নামে একটি কমিটি থাকিবে এবং উহা নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা: — 
 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন; 
(খ) সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক এবং উক্ত সমিতি কর্তৃক মনোনীত সমিতির অন্য একজন সদস্য; 
(গ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত মানবাধিকার ও সমাজকল্যাণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী দুইজন আইনজীবী, যাহাদের মধ্যে একজন মহিলা থাকিবেন; 
(ঘ) বোর্ড কর্তৃক মনোনীত জাতীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত আইন ও মানবাধিকার ইস্যুতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি সংস্থার দুইজন প্রতিনিধি; 
(ঙ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল কর্তৃক মনোনীত একজন অন্যূন ডেপুটি অ্যাটর্নি-জেনারেল; 
(চ) বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত সংস্থার অন্যূন উপ-পরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা;
(ছ) অ্যাটর্নি-জেনারেল এর সহিত পরামর্শক্রমে কমিটির চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত একজন সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল, যিনি ইহার সাচিবিক দায়িত্বও পালন করবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এবং (ঘ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
১,২৬৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুসারে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. 540
  2. 539
  3. 539B
  4. 538
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 (ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮) এর গ) 539B ধারা অনুসারে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন। 
ধারা ৫৩৯খ (Section 539B) অনুযায়ী, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো মামলার বিচার বা তদন্ত চলাকালীন মামলার সঠিক নিষ্পত্তির জন্য যদি প্রয়োজন মনে করেন, তবে তিনি মামলার ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন এবং পরিদর্শনের একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন। এই স্মারকলিপিটি মামলার নথির অংশ হবে এবং পক্ষগণকে তা দেখার সুযোগ দেওয়া হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 ------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:

১,২৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারায় কোন আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. The Contract Act, 1872
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Limitation Act, 1908
  4. The Registration Act, 1908
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ৪ ধারা এই আইনের প্রয়োগসীমা নির্ধারণ করছে। এর প্রধান বিষয়গুলি হল:
(a) এই আইন যে সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে, চুক্তি ব্যতীত অন্য কোনো সমঝোতা/আইনিদৃষ্টিতে বাধ্যবাধকতা না থাকলে তার বিষয়ে কোনো প্রতিকারের অধিকার প্রদান করবে না।
(b) এই আইন কাউকে নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ব্যতীত অন্য কোনো চুক্তিজনিত প্রতিকারের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে না।
(c) এই আইন 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন এবং নথিপত্রের উপর তার প্রভাব রাখবে না।
 
সংক্ষেপে,এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো যে, যদি কোনো চুক্তি বৈধ না হয়, তাহলে এ আইনে তার জন্য কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
-তবে, বৈধ চুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ছাড়াও অন্যান্য প্রতিকার পাওয়ার অধিকার অক্ষুণ্ন থাকবে এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর বিধানাবলী এ আইনের মাধ্যমে প্রভাবিত হবে না।
-----------
⇒ Section 4- Savings: Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.
১,২৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুসারে, বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে কতদিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করা যায়?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুসারে, বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করার সময়সীমা হলো ২ মাস।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারি আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 99B. Application to High Court Division to set aside order of forfeiture:
-Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.

১,২৭২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ এর কোন বিধি অনুযায়ী সরকারী উন্নয়ন প্রকল্পে হস্তক্ষেপের সামিল এমন একতরফা নিষেধাজ্ঞার আদেশ বারিত?
  1. Rule 3
  2. Rule 3A
  3. Rule 5
  4. Rule 5A
ব্যাখ্যা
 • দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান- অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒ যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
১,২৭৩.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে সমন পরিবেশনের পর প্রমাণ হিসেবে সমনপ্রাপককে কোথায় স্বাক্ষর করতে হয়?
  1. সমনের সামনের অংশে
  2. একটি পৃথক কাগজে
  3. অপর কপির পেছনের দিকে
  4. স্বাক্ষর করার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৯(২) অনুসারে সমন পরিবেশনের পর প্রমাণ হিসেবে সমনপ্রাপককে অপর কপির পেছনের দিকে স্বাক্ষর করতে হয়।
সুতরাং, সমন পরিবেশনের পর প্রমাণ হিসেবে সমনপ্রাপককে অপর কপির পেছনের দিকে স্বাক্ষর করতে হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ - ধারা ৬৯: সমন কীভাবে জারি করতে হবে: 
(১) সমনটি, যদি কার্যকরভাবে সম্ভব হয়, সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে জারি করতে হবে, তার নিকট সমনের দুটি কপির একটি বিতরণ বা অর্পণের মাধ্যমে।
- সমনের রসিদে স্বাক্ষর: 
(২) সমনপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তি, যদি সমন জারিকারী কর্মকর্তা তাহাকে অনুরোধ করেন, তবে অপর কপিটির পশ্চাতে উহার রসিদ স্বাক্ষর করিবেন।
(৩) নিগমিত কোম্পানি বা অন্য কোন নিগমিত সংস্থার নিকট সমন জারি করা যেতে পারে কর্পোরেশনের সচিব, স্থানীয় ব্যবস্থাপক বা অন্য কোন প্রধান কর্মকর্তার নিকট জারি করার মাধ্যমে অথবা বাংলাদেশে কর্পোরেশনের প্রধান কর্মকর্তার নামে রেজিস্ট্রিকৃত ডাকযোগে চিঠি পাঠানোর মাধ্যমে। এই ক্ষেত্রে, চিঠিটি সাধারণ ডাকযোগে যখন পৌঁছানোর কথা তখনই সমন জারি হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(৪) আদালত, পূর্ববর্তী উপ-ধারাসমূহে প্রদত্ত জারির পদ্ধতিসমূহ ছাড়াও, এই মর্মে নির্দেশ দিতে পারবেন যে, সমনটি স্বল্প বার্তা পরিসেবা (এসএমএস), ভয়েস কল, তাৎক্ষণিক বার্তাপ্রেরণ পরিসেবা বা ইলেকট্রনিক মেইলের মত ইলেকট্রনিক মাধ্যমের মাধ্যমে জারি করতে হবে এবং এইরূপ জারির প্রমাণ রেকর্ডের সাথে সংরক্ষণ করতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-69. Summons how served:
(1) The summons shall, if practicable, be served personally on the person summoned, by delivering or tendering to him one of the duplicates of the summons.

Signature of receipt for summons:
(2) Every person on whom a summons is so served shall if so required by the serving officer, sign a receipt therefor on the back of the other duplicate.
(3) Service of a summons on an incorporated company or other body corporate may be effected by serving it on the secretary, local manager or other principal officer of the corporation or by registered post letter addressed to the chief officer of the corporation in Bangladesh. In such case the service shall be deemed to have been effected when the letter would arrive in ordinary course of post.
(4) The Court may, in addition to the modes of service provided in the foregoing sections, direct that the summons be served through electronic means such as Short Message Service (SMS), voice call, instant messaging service, or electronic mail, and the proof of such service shall be preserved with the record.

১,২৭৪.
একজন ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত দণ্ডাদেশ অপর্যাপ্ত হলে, রাষ্ট্রপক্ষ দণ্ড বৃদ্ধির জন্য কোথায় আপিল করতে পারে?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. দায়রা জজ আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪১৭ক- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:

(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে (রাষ্ট্রপক্ষকে) নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Section 417A- Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
১,২৭৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১(২) ধারায় সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. ফরিয়াদিকে
  2. অভিযুক্তকে
  3. পুলিশ অফিসারকে
  4. মামলার পক্ষগণকে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।
ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না: অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।
অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে: শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।

(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,

- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:

- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
১,২৭৬.
রেজিস্ট্রেশন আইনের ধারা ৯০ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোনটি নিবন্ধন থেকে অব্যাহতি পায়??
  1. ব্যাংক ঋণের চুক্তিপত্র
  2. ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির দানপত্র
  3. ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের চুক্তি
  4. সরকারের নিযুক্ত কর্মকর্তা কর্তৃক প্রেরিত জরিপ নকশা
ব্যাখ্যা
ধারা ৯০- সরকার কর্তৃক বা সরকারের অনুকূলে সম্পাদিত কতিপয় দলিলের নিবন্ধন অব্যাহতি পাইবে-
(১) এই আইনের কোন কিছুই নিম্নবর্ণিত কোন দলিল বা নকশার নিবন্ধনকে আবশ্যক করিবে না, বা কোন সময় আবশ্যক ছিল বলিয়া গণ্য করিবে না, যথা:

(ক) ভূমি-রাজস্ব সম্পর্কিত বন্দোবস্তের নিষ্পত্তি বা পুনর্বিবেচনার জন্য নিয়োগকৃত কোন কর্মকর্তা কর্তৃক প্রেরিত, প্রাপ্ত, বা সত্যায়িত দলিল যাহা উক্তরূপ বন্দোবস্ত সম্পর্কিত রেকর্ডের অংশ গঠন করে; বা
(খ) ভূমি জরিপ প্রস্তুতকরণ বা পুনর্বিবেচনাকরণের জন্য সরকারের পক্ষে নিয়োগকৃত কোন কর্মকর্তা কর্তৃক প্রেরিত, প্রাপ্ত, বা প্রমাণীকৃত দলিলপত্র বা নকশাসমূহ যাহা উক্তরূপ জরিপের অংশ গঠন করে; বা
(গ) আপাতত বলবৎ কোন আইনের অধীন, গ্রামাঞ্চলের রেকর্ড প্রস্তুতকরণের নিমিত্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত পাটোয়ারি বা অন্যান্য কর্মকর্তা কর্তৃক যে সকল দলিল নির্ধারিত সময় অন্তর কোন রাজস্ব কার্যালয়ে নথিভুক্ত হয়; বা
(ঘ) সরকার কর্তৃক ভূমি সম্পর্কিত বা ভূমিতে নিহিত কোন স্বার্থের মঞ্জুরি বা স্বত্ব নিয়োগ সৃষ্টির প্রমাণস্বরূপ সনদ, ইনাম, স্বত্বের দলিল বা অন্যান্য দলিল;

(২) এই আইনের বিধানাবলি অনুযায়ী, উক্তরূপ সকল দলিল এবং নকশাসমূহ ধারা ৪৮ এবং ৪৯ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধিত হইয়াছে বা হইবে বলিয়া গণ্য হইবে।
১,২৭৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Recovery of specific moveable property' সংক্রান্ত বিধান আছে?
  1. ১০
  2. ১১
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা করতে হয় ১০ ধারার বিধান অনুসারে।
অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় 'Recovery of specific moveable property' সংক্রান্ত বিধান আছে।

⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
ব্যখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
 
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
১,২৭৮.
দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা প্রযোজ্য হতে হলে অবরোধ বা আটক সর্বনিম্ন কতদিন হতে হবে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ১০ দিন।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:
Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
১,২৭৯.
A, B এর পকেট মারার উদ্দেশ্যে তার পকেটে হাত দেয়। কিন্তু B এর পকেট শূণ্য থাকায় A পকেট মারতে পারেনি। A শাস্তি হতে পারে অপরাধের সর্বোচ্চ সাজার মেয়াদের -
  1. অর্ধেক
  2. এক চতুর্থাংশ
  3. এক তৃতীয়াংশ
  4. এক পঞ্চমাংশ
ব্যাখ্যা
♦৫১১ ধারা অনুসারে যে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধসমূহ সংঘটনের উদ্যোগ গ্রহণ করে বা সেটা অনুযায়ী কোন কাজ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের শাস্তির ব্যাপারে দণ্ডবিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থাকলে উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে যার মেয়াদ উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক মেয়াদ পর্যন্ত বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার হতে পারে।
A, B এর পকেট মারার উদ্দেশ্যে তার পকেটে হাত দেয়। কিন্তু B এর পকেট শূন্য থাকায় A পকেট মারতে ব্যর্থ হয়। এটা মূলত চুরির উদ্যোগ। দণ্ডবিধিতে চুরির শাস্তি ৩৭৯ ধারায় উল্লেখ আছে। কিন্তু চুরির উদ্যোগ যেমন পকেট মারার উদ্যোগ গ্রহণের কোন শাস্তির বিধান দণ্ডবিধিতে নেই। সেহেতু A এর শান্তি নির্ধারিত হবে ৫১১ ধারা অনুসারে এবং ৫১১ ধারা অনুসারে, ৩৭৯ ধারায় চুরির জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাবাসের অর্ধেক দণ্ডে A দণ্ডিত হতে পারে।
১,২৮০.
Z-নাবালক থাকাবস্থায় তার মামলা করার অধিকার জন্মে। গণনা শুরু হবে যখন-
  1. Z-এর সাবালকত্বের অবসান হবে
  2. Z-নাবালক থাকবে
  3. Z-এর নাবালকত্বের অবসান হবে
  4. উপরের কোনটাই নয়
ব্যাখ্যা
♦ আইনগত অক্ষমতা/বৈধ অপারগতা (Legal Disability)- নাবালকত্ব, পাগল বা উম্মাদ অবস্থা অথবা নিবুদ্ধিতার কারণে মামলা দায়ের করতে অসমর্থ হওয়াকে আইনগত অক্ষমতা বা বৈধ অপারগতা (legal disability) বলে। কোন মামলা বা প্রসিডিংস দায়ের করার অধিকারী ব্যক্তি অথবা ডিক্রিজারির দরখাস্ত পেশ করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যদি উক্ত মামলা, প্রসিডিংস বা দরখাস্ত পেশ করার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ যেদিন হতে গণনা শুরু হবে সেদিন নাবালক, পাগল বা উম্মাদ থাকেন তাহলে তিনি তার নাবালকত্ব, পাগলামি বা উম্মত্ততা শেষ হওয়ার পর ঐ একই মেয়াদের মধ্যে উক্ত মামলা, প্রসিডিংস বা দরখাস্ত দায়ের বা পেশ করতে পারবেন।

♦ মামলা করার কারণ সৃষ্টির সময় (cause of action) মামলা করার অধিকারী ব্যক্তি আইনগতভাবে মামলা করতে অপারগ হলে উক্ত ব্যক্তির তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬-৯ ধারা কার্যকর হবে। কোন ব্যক্তি যতদিন নাবালক, উম্মাদ বা জড়বুদ্ধ/নির্বোধ থাকে ততদিন তার তামাদির মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। অর্থাৎ নাবালকত্ব, উম্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ শুরু হবে। অন্যভাবে বলা যায়, আইনগত সক্ষমতা অর্জন না করা পর্যন্ত তামাদি সময়সীমা গণনা করা হয় না অর্থাৎ কোন ব্যক্তি আইনগতভবে সক্ষম হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী মামলা করতে পারবে।

♦ তামাদি আইনের ৬ ধারামতে আইনগত অপারগতা বা Legal Disability বলতে ৩টি বিষয়কে বুঝায়। যথা- ১) নাবালকত্ব (minor); ২) উন্মাদ (insane); এবং ৩) জড়বুদ্ধ/নির্বোধ (idiot)।
আইনগত অক্ষমতার বিধানসমূহ কেবলমাত্র বাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়, বিবাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রে নয় । 
কেবলমাত্র মূল মামলা ও ডিক্রি জারির দরখাস্তের ক্ষেত্রেই আইনগত অক্ষমতা প্রযোজ্য হয়- অন্য কোন ক্ষেত্রে নয় । 

♦ তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপরাগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হবে।
১,২৮১.
Where once _____ has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it.
  1. suit
  2. case
  3. time
  4. proceeding
ব্যাখ্যা
Section 9: Continuous running of time

Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

ধারা ৯- সময়ের অবিরাম চলন
তামাদির সময় একবার চলতে শুরু করলে কোন অক্ষমতা একে থামাতে পারে না। তবে কোন পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কোন দেনাদারের উপর ন্যস্ত থাকলে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
১,২৮২.
The Code of Civil Procedure, 1908 came into force on:
  1. 21st March, 1908
  2. 1st July, 1909
  3. 1st January, 1909
  4. 1st January, 1908
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ আইনটি পাস হয় ২১শে মার্চ, ১৯০৮ তারিখে, কিন্তু এটি কার্যকর হয় ১লা জানুয়ারি, ১৯০৯ থেকে।
- আইনের ধারা ১(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "(2) It shall come into force on the first day of January, 1909."
অর্থাৎ, আইনটি পাস হওয়ার তারিখ এবং কার্যকর হওয়ার তারিখ ভিন্ন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।
- The Code of Civil Procedure, 1908 (ACT NO. V OF 1908)
- সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়।
- বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code) একটি পদ্ধতিগত আইন, যা দেওয়ানি মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে।
- এই আইনে দেওয়ানি আদালত এবং মামলার পক্ষগুলোর জন্য যেসব নিয়ম মানতে হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে জানা যায়:
- কিভাবে মামলা দায়ের করতে হয়।
- মামলার আবেদন বা জবাব কিভাবে দিতে হয়।
- কিভাবে সমন (জবানবন্দি বা উপস্থিতির আদেশ) জারি করতে হয়।
- কিভাবে আদালতে শুনানি হয়।
- রায় এবং ডিক্রি (আদালতের আদেশ) কিভাবে ঘোষণা এবং কার্যকর করা হয়।
- আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম।
- অর্থাৎ এটি মামলার প্রতিটি ধাপে আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়।

১,২৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ কে বিচার করতে পারে?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুসারে, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ (যদি তা মৃত্যুদণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য।

- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ২৯খ (Section 29B, CrPC) অনুযায়ী বলা হয়েছে,  যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী,  এবং তিনি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোনো অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তার বিচার করতে পারেন, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM), চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM), অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি শিশু অপরাধ সংক্রান্ত আইনের অধীনে বিচার করার ক্ষমতা রাখেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 29B. Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate] or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law] providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
১,২৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করার বৈধ কারণ (গ্রাউন্ড) মোট কতটি?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৪ অনুসারে, একজন ব্যক্তি যদি সংক্ষুব্ধ (aggrieved) হন, তাহলে তিনি ৩টি নির্দিষ্ট কারণে রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করতে পারেন।
- সেই ৩টি গ্রাউন্ড হলো:
১. যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই আইনমতে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি।
২. যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই আইনমতে কোনো আপিল করা যায় না।
৩. স্বল্প-এখতিয়ার আদালতের রেফারেন্স অনুযায়ী গৃহীত আদালতের প্রদত্ত সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে।
তবে, উক্ত ব্যক্তি ডিক্রি বা আদেশদানকারী আদালতের নিকট এর রায় পুনর্বিচারের জন্য আবেদন করতে পারবে এবং আদালত তৎসম্পর্কে যথোপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী এই ৩টি গ্রাউন্ডে রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করা যায়। 
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 114. Review:
- Subject as aforesaid, any person considering himself aggrieved:
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed by this Code, but from which no appeal has been preferred, 
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed by this Code, or 
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes 
may apply for a view of judgment to the Court which passed the decree or made the order, and the Court may make such order thereon as it thinks fit.
১,২৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত কয়টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে।
- ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section96. When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, 117[Chief Judicial Magistrate, as the case may be] [or Chief Metropolitan Magistrate] to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
১,২৮৬.
আদেশ ৮ বিধি ৩ অনুসারে, বিবাদী কোন বিষয়ে তার লিখিত বিবৃতিতে নির্দিষ্টভাবে জবাব দিতে বাধ্য নয়?
  1. আইনি ব্যাখ্যা
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. সম্পত্তির বিবরণ
  4. আদালতের আদেশ
ব্যাখ্যা
 আদেশ ৮ বিধি-৩: অস্বীকার সুনির্দিষ্ট হবে:
বিবাদীকে তার লিখিত বিবৃতিতে বাদীর অভিযোগের কারণসমূহ সাধারণভাবে অস্বীকার করলেই যথেষ্ট হবে না, বরং যে সকল তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা বিবাদী স্বীকার করে না, সেগুলোর প্রত্যেকটি বিবাদীকে অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ক্ষতিপূরণের বিষয় ব্যতীত।

Order 8 Rule 3- Denial to be specific:
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
১,২৮৭.
নিচের কোনটি ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির 'দোষযুক্ত মন' নির্দেশ করে?
  1. Actus Rea
  2. Mens Rea
  3. Lex Fori
  4. Plea of Alibi
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]
- 'Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind)।

- অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
অর্থাৎ “Mens rea' ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির 'দোষযুক্ত মন' নির্দেশ করে।
১,২৮৮.
অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণার বিধান আছে কত ধারায়?
  1. ধারা ৪০৬
  2. ধারা ৪১৯
  3. ধারা ৪১৬
  4. ধারা ৪২৬
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণাঃ কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):-

যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণসমূহঃ
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
১,২৮৯.
কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে-
  1. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ নিয়ে পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  2. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  3. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  4. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারা মতে কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতার: কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
---------------------------------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 151: Arrest to prevent such offences:
-A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.
১,২৯০.
জবানবন্দি অথবা পুনঃজবানবন্দির সময় আদালত কোন ক্ষেত্রে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করার অনুমতি দেবেন?
  1. প্রমাণিত তথ্যের ক্ষেত্রে
  2. অবিসংবাদিত তথ্যের প্রশ্নের ক্ষেত্রে
  3. পরিচয়মূলক তথ্যের প্রশ্নের ক্ষেত্রে
  4. বর্ণিত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

জবানবন্দি (examination-in-chief) বা পুনঃজবানবন্দি (re-examination)-এর সময় সাধারণত ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন (leading question) করা যায় না। তবে আদালত নিম্নলিখিত অবস্থায় অনুমতি দিতে পারেন-
• প্রমাণিত তথ্যের ক্ষেত্রে – অর্থাৎ ইতিমধ্যে প্রমাণিত বা গৃহীত তথ্যের বিষয়ে।
• অবিসংবাদিত তথ্যের প্রশ্নের ক্ষেত্রে – যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।
• পরিচয়মূলক তথ্যের প্রশ্নের ক্ষেত্রে – যেমন সাক্ষীর নাম, পেশা, ঠিকানা ইত্যাদি।

সুতরাং, এই তিনটি ক্ষেত্রেই আদালত ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্নের অনুমতি দিতে পারেন।  
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) বর্ণিত সবগুলো ক্ষেত্রে।

সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা- ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) :
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।

১,২৯১.
একটি মামলায় A বিগত ৩০ বছর যাবৎ জীবিত আছে বলে দেখানো হচ্ছে। B দাবি করে যে, A মৃত। A যে মৃত তাহা প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর বর্তায়?
  1. A - এর উপর
  2. A - এর আত্মীয়ের উপর
  3. B - এর উপর
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১০৭ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি ৩০ বছর জীবিত আছে বলে জ্ঞাত থাকা কালে কেউ উক্ত জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দাবি করলে, উক্ত ব্যক্তি যে মৃত তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে।
- এখানে A মৃত বলে B দাবি করায় তা প্রমাণের দায়িত্ব B এর উপর বর্তায়।
১,২৯২.
Penal Code 1860 এর কত ধারায় Private defence (আত্মরক্ষা বা প্রতিরক্ষার) কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৯০ ধারা
  2. ৯৭ ধারা
  3. ৩ ধারা
  4. ৯৬ ধারা
ব্যাখ্যা
• ৯৬ ধারায় আত্মরক্ষার অধিকার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
• কোন ব্যক্তি তার নিজের জানমাল ও অপরের জানমাল এবং সরকারি সম্পত্তিকে যে কোন প্রকার ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার বলে।
১,২৯৩.
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে, দায়ী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বা ক্রোক এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না হলে, জামিননামার অর্থ পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে।
 
• ধারা ৫১৪: জামিননামা বাজেয়াপ্তি পদ্ধতি-
 
(১) যে আদালত এই আইন অনুসারে জামিননামা গ্রহণ করেছেন সেই আদালত অথবা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে,অথবা জামিননামাটি কোন আদালতে হাজির হবার জন্য প্রদত্ত হলে সেই আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে যখন প্রমানীত হয় যে, জামিননামাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে তখন আদালত এরূপ প্রমাণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এরূপ মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তিকে উহাতে উল্লেখিত অর্থ প্রদান করতে, অথবা কেন উহা প্রদান করা হবে না তার কারণ দশাতে বলতে পারবেন ।
 
(২) যদি পর্যাপ্ত কারণ প্রদর্শন করা না হয় এবং জরিমানার টাকা প্রদান করা না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা তিনি মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্য হতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের নিমিত্তে পরোয়ানা জারী করে অর্থ আদায়ের জন্য অগ্রসর হতে পারবেন।
 
(৩) এরূপ পরোয়ানা যে আদালত ইস্যু করেন সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে কার্যকর করা যাবে; এবং এই আদালত উক্ত সীমার বাইরে উক্ত ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের ক্ষমতা দিতে পারবেন; যদি উক্ত সম্পত্তি যে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত তার দ্বারা উহা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়।
 
(৪) যদি উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হয় এবং উক্ত ক্রোক ও বিক্রয় দ্বারা যদি আদায় করা না যায়, তাহলে যে আদালত পরোয়ানা ইস্যু করেছেন সেই আদালতের আদেশক্রমে মুচেলেকাবদ্ধ ব্যক্তি দেওয়ানি জেলে ছয় মাস পর্যন্ত আবদ্ধ থাকবেন।
 
(৫) আদালত ইহার বিবেচনামূলক ক্ষমতার দ্বারা উল্লেখিত অর্থের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে এবং অংশ বিশেষ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন।
 
(৬) কোন জামিননামা বাজেয়াপ্ত হবার পূর্বে উহার জামিনদার মারা গেলে তার সম্পত্তি উক্ত জরিমানা সম্পর্কিত সমস্ত দায় হতে মুক্ত হয়ে যাবে।
 
(৭) যে ব্যক্তি ১০৬ বা ১১৮ বা ৫৬২ ধারা অনুসারে জামানত দিয়াছে সেই ব্যক্তি যদি এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় যে অপরাধ করা তার জামিননামার শর্ত লংঘন' বলে পরিগনিত হয়, অথবা তার ৫১৪খ ধারার জামিননামার শর্ত লংঘন বলে পরিগণিত হয়, তাহলে যে আদালত তাকে উক্ত অপরাধে দণ্ডিত করেছেন, সেই আদালতের রায়ের একটি সইমোহর সকল এই ধারা অনুসারে তার জামিনদার বা জামিনদারগণের বিরুদ্ধে আনীত প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে, এবং এই নকল এভাবে ব্যবহৃত হলে বিপরীত সত্য প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিবেন যে, সে উক্ত অপরাধ করেছে।
১,২৯৪.
ফৌজদারি মামলায় বিচারক কখন সম্পূর্ণ রায় পড়ে শুনাবেন?
  1. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
  2. আসামীপক্ষ অনুরােধ করলে
  3. ফরিয়াদি পক্ষ অনুরােধ করলে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৬- রায় ঘােষণার পদ্ধতি:
১) মূল এখতিয়ারবান ফৌজদারি আদালতের প্রত্যেকটি বিচারের রায় ঘােষণা করতে হবে বা রায়ের সারাংশ ব্যাখ্যা করতে হবে-
ক) প্রকাশ্য আদালতে বিচার সমাপ্ত হওয়ার অব্যাহতির পরই বা পরবর্তী কোন সময়ে, যে সময় সম্পর্কে পক্ষগণকে কিংবা তাদের কৌসুলীগণকে নােটিশ দিতে হবে, এবং
খ) আদালতের ভাষায়, বা আসামি বা তার কৌসুলীর বােধগম্য কোন ভাষায়। তবে শর্ত থাকে যে, বাদীপক্ষ বা আসামীপক্ষ অনুরােধ করলে জজ সম্পূর্ণ রায় পড়িয়া শুনাইবেন।

২) আসামি কারাগারে থাকলে রায় শুনাইবার জন্য তাকে আনয়ন করতে হবে বা কারাগারে না থাকলে তাকে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে হবে, তবে বিচারের সময় তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দেওয়া হলে এবং তাকে শুধুমাত্র জরিমানা করা হলে বা খালাস দেওয়া হলে তার কৌসুলীর উপস্থিতিতে রায় ঘােষণা করা যাবে।

৩) রায় ঘােষণার জন্য বিজ্ঞাপিত দিনে বা স্থানে কোন পক্ষ বা তার কৌসুলী হাজির না থাকলে কিংবা উক্ত দিন ও স্থান সম্পর্কে পক্ষসমূহ ও তাদের কৌসুলীগণ বা তাদের কাহাকেও নােটিশ প্রদান করা না হলে বা নােটিশ জারিতে ভুল থাকলে শুধু সেই কারণে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায় অসিদ্ধ বলে বিবেচিত হবে না।

৪) এই ধারার কোন বিধান কোনভাবে ধারা ৫৩৭ এর বিধানসমূহের আওতা সীমিত করবে বলে ব্যাখ্যা করা যাবে না।
১,২৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী, কোনো জেলার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইন ব্যবসা করা কোনো আইনজীবী সেই আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. ধারা ৫৫৫
  2. ধারা ৫৫৬
  3. ধারা ৫৫৭
  4. ধারা ৫৫৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৫৭-এ বলা হয়েছে: "যে আইনজীবী (pleader) কোনো জেলার কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে প্র্যাকটিস করেন, তিনি উক্ত আদালতে কিংবা সেই আদালতের এখতিয়ারভুক্ত অন্য কোনো আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না।"
- এই ধারাটির উদ্দেশ্য হলো বিচারকার্য পরিচালনায় স্বার্থের সংঘাত (conflict of interest) এড়ানো।
- এতে ন্যায্য বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হয়, যাতে বিচারক ব্যক্তিগতভাবে বা পেশাগতভাবে সংশ্লিষ্ট না থাকেন।
- এটি natural justice বা প্রাকৃতিক ন্যায়বিচার নীতির অন্তর্গত — যেখানে নিরপেক্ষতা একটি প্রধান শর্ত।
-  অতএব, ধারা ৫৫৭ এই বিধানটি সরাসরি প্রদান করে এবং এই কারণে উত্তর (গ) ধারা ৫৫৭ সঠিক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না
যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts:
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.
১,২৯৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৮ অনুযায়ী, কোন ধরণের ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই?
  1. গোপন ঘটনা
  2. স্বীকৃত ঘটনা
  3. সন্দেহজনক ঘটনা
  4. প্রত্যক্ষদর্শী দ্বারা প্রত্যক্ষ ঘটনা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৮ অনুযায়ী, যে ঘটনা পক্ষগণ আদালতে স্বীকার করে নেয় বা লিখিতভাবে স্বীকার করে, সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এটি "স্বীকৃত ঘটনা" হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণস্বরূপ, যদি পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ আদালতে শুনানির সময় কোন ঘটনা স্বীকার করেন, অথবা শুনানির পূর্বে নিজে লিখিতভাবে সে ঘটনা স্বীকার করেন, তবে সেটি প্রমাণ করার দরকার নেই। আদালত তাদের স্বীকৃত ঘটনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তবে আদালত চাইলে সেই ঘটনার অতিরিক্ত প্রমাণও দাবি করতে পারে।
এছাড়া, "গোপন ঘটনা", "সন্দেহজনক ঘটনা" অথবা "প্রত্যক্ষদর্শী দ্বারা প্রত্যক্ষ ঘটনা" প্রমাণের ক্ষেত্রে পৃথক বিধান রয়েছে, এবং সেগুলির প্রমাণ আদালতে হতে হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:
- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:
Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.

১,২৯৭.
রায় ঘোষণার তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৫ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে।
• কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে।
রায় হল ডিক্রির ভিত্তি, তাই রায় আগে প্রদান করা হয় এবং ডিক্রি পরে দেয়া হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৫ক তে ডিক্রি প্রণয়নের সময় দেয়া হয়েছে। এ বিধিমতে-

''রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।''
[The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.]
১,২৯৮.
কোন ক্ষেত্রে ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি কার্যক্রম শুরু হতে পারে?
  1. অর্থের পরিশোধের ক্ষেত্রে
  2. বন্টনের ক্ষেত্রে
  3. বন্ধকের ক্ষেত্রে
  4. অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন:
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।
-----------
⇒ Order-21 Rule-11  Oral application: (1) Where a decree is for the payment of money the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant if he is within the precincts of the Court. 
১,২৯৯.
দলিল সম্পাদন অস্বীকারের কারণে সাব- রেজিস্ট্রার কর্তৃক নিবন্ধন প্রত্যাখ্যাত হলে তার বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রারের নিকট_______ করতে হবে।
  1. আপিল
  2. আপত্তি
  3. দরখাস্ত
  4. আপিলের অনুমতির প্রার্থনা
ব্যাখ্যা
রেজিষ্ট্রেশন আইনের ৭৩ ধারার বিধান সম্পাদন অস্বীকারের কারণে সাব-রেজিস্ট্রার নিবন্ধন করিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিলে রেজিস্ট্রারের নিকট আবেদন।-
(১) যেক্ষেত্রে কোন সাব রেজিস্ট্রার দলিলের সম্পাদনকারী বলিয়া কথিত ব্যক্তি, বা তাহার প্রতিনিধি বা স্বত্বনিয়োগী কর্তৃক দলিল সম্পাদন অস্বীকারের কারণে দলিল নিবন্ধন করিতে অস্বীকৃতিজ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে এইরূপ দলিলের অধীন দাবিদার, বা পূর্বোক্তমতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি, স্বত্বনিয়োগী বা এজেন্ট, অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, দলিল নিবন্ধন করাইবার অধিকার বহাল করিবার নিমিত্ত উক্ত সাব-রেজিস্ট্রার যে রেজিস্ট্রারের অধস্তন সেই রেজিস্ট্রারের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন।
(২) এইরূপ আবেদন লিখিত হইতে হইবে এবং ধারা ৭১ এর অর্ধস লিপিবদ্ধ কারণসমূহের একটি নকল উহার সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে, এবং আরজির সত্যপাঠের অনুরূপ আইনানুগ পদ্ধতি অনুসরনে আবেদনে বর্ণিত বক্তব্যসমূহ আবেদনকারী কর্তৃক প্রতিপাদিত হইবে।
১,৩০০.
ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধানমতে মিথ্যা সাক্ষ্যের জন্য বিচার করতে পারে?
  1. ধারা ৩৩৮
  2. ধারা ৩৩৭
  3. ধারা ৩৩৯
  4. ধারা ৩৪০
ব্যাখ্যা
• ৩৩৭ এবং ৩৩৮ ধারার অধীন থাকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছে সে যদি ক্ষমা মঞ্জুরের শর্ত লঙ্ঘণ করে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অত্যাবশ্যক কোন কিছু গোপন করে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় তাহলে যে অপরাধের জন্য তাকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছে সে অপরাধের জন্য অথবা একই বিষয় সম্পর্কে সে যে অপরাধে দোষী বলে প্রতীয়মান হয়, সে অপরাধের জন্য তার বিচার ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯ ধারায় করা যাবে।
 
৩৩৯ ধারা- যাকে ক্ষমা প্রদান করা হয়েছে তার বিচার
(১) যেক্ষেত্রে ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ ধারা এর আলোকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছে, এবং পাবলিক প্রসিকিউটর সার্টিফাই করেন যে, তাঁর মতে ক্ষমা গ্রহণকারী কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অত্যাবশ্যক কোন কিছু গোপন করে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে তাকে যে শর্তে ক্ষমা করা হয়েছে তা পালন করেনি, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে উক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয় সে অপরাধের জন্য অথবা একই বিষয় সম্পর্কে সে যে অপরাধে দোষী রূপে প্রতীয়মান হয়, সেই অপরাধের জন্য তার বিচার করা যাবেঃ
শর্ত থাকে যে, এরূপ ব্যক্তিকে অন্যান্য আসামীদের কারোও সাথে একত্রে বিচার করা যাবে না, এবং এরূপ বিচারে সে বলতে পারবে যে, যে শর্তে তাকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছিল, তা সে পালন করেছে, এরূপ ক্ষেত্রে উক্ত শর্ত যে পালন করা হয়নি তা প্রমাণ করার দায়িত্ব বাদী পক্ষের।

(২) ক্ষমা গ্রহণকারী কোন ব্যক্তির বিবৃতি এরূপ বিচারে তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য রূপে দাখিল করা যাবে।

(৩) হাইকোর্ট ডিভিশনের বিনা অনুমোদনে এরূপ কোন বিবৃত্তি সম্পর্কে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের অপরাধের নালিশ গ্রহণ করা যাবে না।

Section 339 (Trial of person to whom pardon has been tendered)-
(1) Where a pardon has been tendered under section 337 or section 338, and the Public Prosecutor certifies that in his opinion any person who has accepted such tender has, either by wilfully concealing anything essential or by giving false evidence, not complied with the condition on which the tender was made such person may be tried for the offence in respect of which the pardon was so tendered, or for any other offence of which he appears to have been guilty in connection with the same matter:
Provided that such person shall not be tried jointly with any of the other accused, and that he shall be entitled to plead at such trial that he has complied with the conditions upon which such tender was made; in which case it shall be for the prosecution to prove that such conditions have not been complied with.

(2) The statement made by a person who has accepted a tender of pardon may be given in evidence against him at such trial.

(3) No prosecution for the offence of giving false evidence in respect of such statement shall be entertained without the sanction of the High Court Division.