বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১২৯ / ১৫৫ · ১২,৮০১১২,৯০০ / ১৫,৪৭০

১২,৮০১.
বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১) অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটি হিসেবে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. এনরোলমেন্ট কমিটি
  4. আইন শিক্ষা কমিটি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: গ) এনরোলমেন্ট কমিটি।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১) অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটিগুলো হলো:
ক) নির্বাহী কমিটি
খ) আর্থিক কমিটি
ঘ) আইন শিক্ষা কমিটি
এই অনুচ্ছেদে এনরোলমেন্ট কমিটি-এর কোনো উল্লেখ নেই। তাই এটি বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ - অনুচ্ছেদ ১১:
(১) বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠন করবে:
(ক) একটি নির্বাহী কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(খ) একটি অর্থ কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(গ) একটি আইন শিক্ষা কমিটি, যা নয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে—যার মধ্যে পাঁচজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং চারজন কাউন্সিল কর্তৃক কো-অপ্টেড (co-opted) হবেন, যারা কাউন্সিলের সদস্য নন। এই চারজনের মধ্যে কমপক্ষে দুজন বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক হবেন।
(২) উল্লিখিত কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যাবলী যেরূপ নির্ধারণ করা হবে, সেরূপ হবে।
(৩) বার কাউন্সিল এই আদেশের অধীনে তার কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে তার সদস্যদের মধ্য থেকে অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারবে।
---------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.
১২,৮০২.
আদেশ ২৬ বিধি ১৭ অনুযায়ী, কমিশনারের অধীনে সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে কমিশনারকে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. আইনজীবী
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকারি কর্মচারী
  4. দেওয়ানি আদালত
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের উপস্থিতি ও জবানবন্দি প্রদান:
১) সমন, হাজিরা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর আরোপিত জরিমানাদি সংক্রান্ত এই আইনের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক না কেন উক্ত কমিশন কর্তৃক এ আদেশের অধীনে সাক্ষ্য প্রদান করার নিমিত্তে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানি আদালত বলে বিবেচিত হবে

২) যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোন সাক্ষী বসবাস করে তিনি প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলে সে সাক্ষী বরাবর বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট ডিভিশন নয়) কমিশনার আবেদন করতে পারেন এবং উক্ত আদালতের ঐচ্ছিক ক্ষমতায় যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে।
১২,৮০৩.
বার কাউন্সিল নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী তফশিল কতদিন পূর্বে চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রকাশ করতে হবে? 
  1. ২১ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর বিধি ৩ অনুসারে, বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে নির্বাচনের তারিখের সর্বনিম্ন ৪৫ দিন পূর্বে নির্বাচনী তফশিল সরকারি গেজেটে প্রকাশ করতে হবে। এই তফশিলে নির্বাচন প্রস্তাব জমার শেষ তারিখ, প্রস্তাব যাচাই-বাছাইয়ের তারিখ, ভোটগ্রহণের তারিখ, নির্বাচনে আপত্তি দায়েরের তারিখ এবং আপত্তি নিষ্পত্তির তারিখ উল্লেখ করতে হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর ৩ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের নির্বাচনের সর্বনিম্ন ৪৫ দিন পূর্বে, বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান নির্বাচনের তফশিল প্রকাশ করবে।

--------------
Election of Members of the Bar Council
- Rules-3. The Chairman shall [at least 45 days before the election of the Bar Council], publish a programme of the election of members of the Bar Council in the official Gazett specifying -
(a) the date not being a day within ten days of th Notification by which proposals for election are to be delivered at the office of the Bar Council;
(b) the date for the scrutiny of such proposals;
(c) the date or dates on which voting shall take place;
(d) the date by which objections to election shall be filed;
(e) the date on which objection shall be taken up for the time by the Election Petition Committee at the office the Bar Council;

১২,৮০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে কোন ধরণের মামলার ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে কোনো মহিলাকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না?
  1. অর্থ মামলা
  2. বাটোয়ারার মামলা
  3. অগ্রক্রয়ের মামলা
  4. স্বত্ত্বের ঘোষণার মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৬ ধারা- টাকার ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
এই খণ্ডে অন্য কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও আদালত টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেপ্তার বা আটক রাখার আদেশ প্রদান করবে না।
---------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
১২,৮০৫.
যে উদ্দেশ্য সম্পত্তি ব্যবহারে অধিকারী তা ভিন্ন অন্য উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ব্যবহার করা হলে, উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরে তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী,
যদি কেউ এমন কোনো সম্পত্তি নির্দিষ্ট একটি উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অধিকার পায়, কিন্তু সে সেই উদ্দেশ্য ভঙ্গ করে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করে, তাহলে এটি "misuse of property" বা "অধিকার লঙ্ঘন" হিসেবে গণ্য হয়।

এই ধরনের পরিস্থিতিতে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি ক্ষতির বিষয়টি যেদিন জানতে পারেন, সেদিন থেকেই ২ বছরের মধ্যে আদালতে মামলা (Suit) দায়ের করতে পারবেন।

১২,৮০৬.
কোন আদালত এক তরফা অন্তবর্তীকালীন আদেশ প্রদান করবে না-
  1. যে-সরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে
  2. সরকারের বিরুদ্ধে
  3. বে-সরকারী বিবাদীর বিরুদ্ধে
  4. কারও বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক বিধান অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim or temporary injunction without hearing the opposite party):

কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।
১২,৮০৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, কোন শর্তের অধীনে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ হতে পারে?
  1. জনশৃঙ্খলা
  2. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা
  3. আদালত-অবমাননা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা সরাসরি কোনো শর্তের অধীনে সীমাবদ্ধ করার কথা উল্লেখ করা হয়নি। অনুচ্ছেদ ৩৯(১)-এ বলা হয়েছে যে, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, এবং এটি একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, অনুচ্ছেদ ৩৯(২)-এ বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপ করা যেতে পারে।

১২,৮০৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৭ অনুসারে, শাস্তির মেয়াদের ভগ্নাংশ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৫০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, শাস্তির মেয়াদ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর কারাদণ্ডের সমান বলে গণ্য হবে।
- সুতরাং দণ্ডবিধির ধারা ৫৭ অনুযায়ী, শাস্তির মেয়াদের ভগ্নাংশ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছরের কঠোর কারাদণ্ড হিসেবে ধরা হয়।
---------
 ⇒ The Penal Code,1860- Section 57: Fractions of terms of punishment:
- In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.

১২,৮০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা কোন তফসিলে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২য় তফসিল
  2. ৩য় তফসিল
  3. ৪র্থ তফসিল
  4. ৫ম তফসিল
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতার বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে। এই তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণ কী ধরনের আদেশ দিতে পারেন বা কতটুকু ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তা নির্ধারিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল। 
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে। 
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। 
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। 
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

১২,৮১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারা অনুযায়ী আদালত যদি মনে করে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি চার্জের ভুলের কারণে বিভ্রান্ত হয়েছে, তবে আদালত কী করতে পারেন?
  1. দণ্ডাদেশ বহাল রাখবেন
  2. নতুন বিচার নির্দেশ দেবেন
  3. আসামিকে অব্যাহতি দেবেন
  4. চার্জ সংশোধন করে পুনরায় তদন্ত করবেন
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) নতুন বিচার নির্দেশ দেবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার বিধান চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেওয়া হয়েছে-
১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তাহলে উক্ত আদালত যে-রূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।
২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলি এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলির ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।
-----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 232: Effect of material error:
(1) If any Appellate Court, or the High Court Division in the exercise of its powers of revision or of its powers under Chapter XXVII, is of opinion that any person convicted of an offence was misled in his defence by the absence of a charge or by an error in the charge, it shall direct a new trial to be had upon a charge framed in whatever manner it thinks fit.
(2) If the Court is of opinion that the facts of the case are such that no valid charge could be preferred against the accused in respect of the facts proved, it shall quash the conviction.
১২,৮১১.
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য 'ক' তার হিসাবের খাতা দেখালো। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই হিসাবের খাতা প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪৭ ধারা
  4. ৪৯ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, ব্যবসায়িক কারণে হিসেবের খাতায় যা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য।

৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা রাখা হয়, উক্ত খাতায় লিখিত কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

যেমন-
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে, তবে 'খ' এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।

Section 34⇒ Entries in books of account or digital record when relevant:
Entries in books of account or digital record, regularly kept in the course of business, are relevant whenever they refer to a matter into which the Court has to inquire, but such statements shall not alone be sufficient evidence to charge any person with liability.

Illustration-
A sues B for Taka 1,000, and shows entries in his account books showing B to be indebted to him to this amount. The entries are relevant, but are not sufficient, without other evidence, to prove the debt.
১২,৮১২.
তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুসারে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
  3. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
 ⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
 
⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
-------------
The Limitation Act, 1908 Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
১২,৮১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় বিকল্প/লটকাইয়া সমন জারির বিধান আছে?
  1. আদেশ ৫ বিধি ১৫
  2. আদেশ ৫ বিধি ১৬
  3. আদেশ ৫ বিধি ২০
  4. আদেশ ৫ বিধি ২৬
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৫ এর বিধি ২০ অনুযায়ী বিকল্প বা লটকাইয়া সমন জারির বিষয়ে বিধান আছে।
⇒ আদালত যদি যুক্তি সঙ্গত কারনে বিশ্বাস করে যে, বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে আছে বা অন্য কোন কারনে সমন জারি করা যাচ্ছে না তাহলে আদালত সমন লটকাইয়া /বিকল্প জারির আদেশ দিতে পারেন।
⇒ বিবাদীর বাসগৃহে বা সর্বশেষ বসবাস স্থানে/ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে লটকাইয়া সমন জারি করা যায়।
⇒ যখন আদালত উপ-বিধি (১) অনুযায়ী সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমন জারির আদেশ দান করে, তখন উক্ত সংবাদপত্রটি হতে হবে দৈনিক সংবাদপত্র, যার প্রচার অনুরূপ স্থানে থাকতে হবে সেখানে বিবাদি সর্বশেষ জ্ঞাত ঠিকানায় প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে বা ব্যবসা পরিচালনা করে বা ব্যক্তিগত লাভের নিমিত্তে কাজ করে বলে জানা যায়।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে তা বিবাদির উপর ব্যক্তিগতভাবে জারি করার মতই কার্যকরী হবে।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে সেক্ষেত্রে আদালত ক্ষেত্রবিশেষে বিবাদির হাজিরার জন্য আদালত যথোপযুক্ত সময় নির্ধারিত করবে।
---------------
⇒ Order-5 Rule-20: Substituted service:
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit. 
(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.
⇒Effect of substituted service:
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.

⇒Where service substituted, time for appearance to be fixed:
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require.
১২,৮১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-১৮৭৭-এর কোন ধারায় চুক্তি বাতিল/রদ বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩৩ ধারা
  3. ৩৫ ধারা
  4. ৩৬ ধারা
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-১৮৭৭-এর ৩৫ ধারায় লিখিত চুক্তি বাতিল/রদ বিষয়ে বলা হয়েছে।
- তামাদি আইনের ১১৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ১ বছরের মধ্যে চুক্তি বাতিলের আবেদন করতে হয়।
- চুক্তিতে স্বার্থ আছে এমন যে কোন ব্যক্তি চুক্তি বাতিলের জন্য মোকদ্দমা করতে পারে।
১২,৮১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কখন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারবেন না?
  1. দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা
  2. জনসাধারণের শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা
  3. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
  4. মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোনো ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশঙ্কা,
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারণের শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা ;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা ; এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে

-  স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
অর্থাৎ ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ করতে ১৪৪ ধারা জারি করতে হয় না তখন ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলি অনুসরণ করা হয় । যথা-
i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরি পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।
⇒ ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
১২,৮১৬.
নিচের কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. সালিশী আদালতে
  2. স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে
  3. আপীল বিভাগীয় বিচারে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন যে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না:

⇒ সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army (সেনাবাহিনী) Act, 1962 অথবা The Naval Discipline (নৌ-শৃঙ্খলা) Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act (বিমান বাহিনী আইন), 1953 এর ক্ষেত্রে;

ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;

iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে;

iv) তদন্ত বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে; এবং

ⅳ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়।

---------------------------
⇒ Extent
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the [Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953] but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator;
১২,৮১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারে অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, অভিযুক্তের জিজ্ঞাসাবাদ ও রায় ঘোষণা একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে?
  1. ধারা ২৬০
  2. ধারা ২৬২
  3. ধারা ২৬৪
  4. ধারা ২৬৪ক 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ (Act No. V of 1898)-এর দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২৬৪ক (Section 264A) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, সংক্ষিপ্ত বিচারে (summary trials) নিম্নলিখিত প্রক্রিয়াগুলো, যদি সম্ভব হয়, একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে:
- অভিযোগ গঠন (framing of charges),
- সাক্ষ্যগ্রহণ (recording of evidence),
- ধারা ৩৪২-এর অধীনে অভিযুক্তের জিজ্ঞাসাবাদ (examination of the accused),
- এবং রায় ঘোষণা (pronouncement of judgment)।
এই বিধান ধারা ২৬২-এর বিপরীতে প্রযোজ্য এবং আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে যেকোনো স্থানে এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করার অনুমতি দেয়।
------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-264A. Special procedure for summary trials.- Notwithstanding anything contained in section 262, the framing of charges, recording of evidence, examination of the accused under section 342, and pronouncement of judgment may, if practicable, be completed in the same session at any place within the jurisdiction of the Court.

১২,৮১৮.
কোনো মোকদ্দমায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হলে-
  1. জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন
  2. আদালত নির্ধারন করে দিবে কে মামলা পরিচালনা করবে
  3. কনিষ্ঠ আইনজীবী পুরো মামলা পরিচালনা করবেন
  4. ৩য় কোনো আইনজীবীর নিকট মামলা পাঠানো হবে
ব্যাখ্যা
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর প্রথম অধ্যায়: আইনজীবীদের প্রতি আচরণ:

১. পেশার সম্মান ও মান:
সকল আইনজীবীর পেশার সম্মান ও উচ্চ মান বজায় রাখা এবং নিজের মর্যাদা রক্ষা করা কর্তব্য।

২. বিজ্ঞাপন নিষেধ:
বিজ্ঞাপন বা অন্য কোন উপায়ে কাজ পাওয়ার চেষ্টা নিষেধ। তবে ভিজিটিং কার্ড, নেইমপ্লেট বা ডিরেক্টরীতে নাম ও পেশাদারী পরিচয় প্রকাশ করা যেতে পারে।

৩. বেতনাদির বিনিময় নিষেধ:
কাজ যোগাড়ের জন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া বা বেতন দেয়া নিষেধ। লাইসেন্সবিহীন ব্যক্তির সাহায্য বা বিনিময় গ্রহন নিষেধ।

৪. বির্তকিত বিষয় আলোচনা:
কোনো পক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে বা অনুমতি ছাড়া বির্তকিত বিষয় আলোচনা করা নিষেধ।

৫. প্রকাশ্য আদালতের বাইরে আলোচনা নিষেধ:
প্রকাশ্য আদালতের বাইরে বিরোধী পক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে মামলার বিষয়বস্তু আলোচনা নিষেধ।

৬. মক্কেলের অধিকার:
মক্কেল একাধিক আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারেন। তবে বর্তমান আইনজীবীর ফি পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত অন্য আইনজীবী মামলা গ্রহণ করবেন না।

৭. ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব:
মামলার পক্ষভুক্তদের মধ্যে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব আইনজীবীদের আচরণে প্রভাবিত করা উচিত নয়।

৮. ফি ভাগাভাগি:
আইনী সেবার বিনিময়ে অর্জিত ফি ভাগাভাগি অনুচিত। তবে চুক্তি অনুযায়ী ফি বিভাজন করা যেতে পারে।

৯. অগ্রাধিকার ও সৌজন্য:
আদালতের কর্মকান্ডে এটর্নী জেনারেল ও এডভোকেট জেনারেলের অগ্রাধিকার রক্ষা করতে হবে। সিনিয়ার এডভোকেটদের অগ্রাধিকার ও ঐতিহ্য বজায় রাখা উচিত।

১০. নবীনদের সম্মান:
শিক্ষানবীশ ও নবীন আইনজীবীদের প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। প্রবীণ আইনজীবীরা নবীনদের সহযোগিতা করবেন।

১১. জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ আইনজীবীর ভূমিকা:
একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হলে, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলার পরিচালনা করবেন এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী সহযোগিতা করবেন।
১২,৮১৯.
আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর বার্ষিক কত % হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. অনধিক ৫%
  2. অনধিক ৬%
  3. অনধিক ৮%
  4. অনধিক ৪%
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

ধারা ৩৫ (মোকদ্দমার খরচ)-

১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলী ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।

২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।

৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
১২,৮২০.
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি _________ নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
  1. চুক্তি আইনে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধিতে
  3. ব্যক্তিগত আইনে
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
১২,৮২১.
What does Section 7 of the Specific Relief Act state regarding penal laws?
  1. Penal laws must be enforced through specific relief.
  2. Penal laws cannot be enforced through specific relief.
  3. Penal laws are always enforceable through the courts.
  4. Penal laws are only enforceable with monetary damages.
ব্যাখ্যা
• Section 7- Relief not granted to enforce penal law:
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে-
দণ্ডমূলক আইন বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
১২,৮২২.
যদি মনুষ্য বসবাসের স্থান, দালান বা তাঁবুতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ (criminal trespass) হয় তাহলে তাকে কি বলে?
  1. রাত্রি বেলায় অপথে গৃহপ্রবেশ
  2. সূর্যাস্তের পরে এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে অপথে গৃহপ্রবেশ
  3. অপথে গৃহপ্রবেশ
  4. অনধিকার গৃহপ্রবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান  অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।

⇒ অনধিকার গৃহ-প্রবেশ (House-trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
⇒ ৪৪২ ধারায় গৃহ বলতে দালান (building), তাঁবু (tent), জাহাজ (vessel) বা নৌকাকে বোঝায় যা মানুষের বসবাস, সম্পত্তি সংরক্ষণ অথবা উপাসনার (place for custody of property or for worship) জন্য ব্যবহৃত হতে হবে।
⇒ অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।
-------------
Section 442. House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".

Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
১২,৮২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯ ধারা অনুযায়ী জবানবন্দি বা দলিল পেশ করা হলে,উক্ত বিষয়ে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কে কমিশন নিয়োগ করতে পারে?
  1. তদন্ত বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত
  2. তদন্তকারী আদালত
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার
  4. বিচারিক আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮৯(জবানবন্দীর নকল ও পেশকৃত দলিলসমূহ সাক্ষ্য রূপে গ্রহণ করতে নির্দেশ দেবার ক্ষমতা)-

যেক্ষেত্রে ধারা-১৮৮(দেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে) এ বর্ণিত কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচার হয়,সেক্ষেত্রে সরকার সঠিক মনে করলে নির্দেশ দিতে পারবেন যে,যেই স্থানে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে মর্মে অভিযোগ করা হয়েছে,সেই এলাকায় বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা বরাবর যে সাক্ষ্য প্রদান করা হয়েছে,উহার প্রতিলিপি অথবা যেসব দলিলাদি পেশ করা হয়েছে তা তদন্ত বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত কর্তৃক সেসব ক্ষেত্রে প্রমাণ রূপে গৃহীত হবে,যেসব ক্ষেত্রে উক্ত আদালত উক্ত জবানবন্দি বা দাখিল সম্বন্ধীয় বিষয়ে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন নিযুক্ত করতে পারেন।

[Whenever any such offence as is referred to in section 188 is being inquired into or tried,the Government may,if it thinks fit,direct that copies of depositions made or exhibits produced before a judicial officer in or for the territory in which such offence is alleged to have been committed shall be received as evidence by the Court holding such inquiry or trial in any case in which such Court might issue a commission for taking evidence as to the matters to which such depositions or exhibits relate.]
১২,৮২৪.
তামাদি আইনের ১৯ ধারা অনুসারে, নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনার জন্য কী শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. প্রাপ্তি স্বীকার লিখিত হতে হবে
  2. প্রাপ্তি স্বীকার স্বাক্ষরিত হতে হবে
  3. প্রাপ্তি স্বীকার তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে হতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয়, সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
- লিখিত হতে হবে,
- উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে,
- অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে,
- উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।
-------------------------
⇒ The Limitation Act:- Section-19. Effect of acknowledgement in writing:

(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed. 

(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received. 

Explanation I - For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time 
for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right. 
Explanation II - For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf. 
Explanation III - For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
১২,৮২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় কোন বিষয়ের ওপর আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন?
  1. দলিলের ভাষার সৌন্দর্য
  2. দলিলটি কে প্রস্তুত করেছেন
  3. দলিলের উদ্দেশ্য ও আইনি ফলাফল
  4. দলিলের স্বাক্ষরকারীদের পরিচয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী, আদালত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে দুটি প্রধান বিষয় অনুসন্ধান করতে পারেন—
১) দলিলের উদ্দেশ্য (Intended Meaning): দলিলটি রচনার সময় পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তা বিচার করা হয়।
২) দলিলের আইনি ফলাফল (Legal Consequences): দলিল অনুযায়ী কী ধরনের আইনি অধিকার বা বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল, সেটিও আদালত বিবেচনায় নেন।
- এই অনুসন্ধান শুধুমাত্র দলিলের ভাষার উপর সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রকৃত উদ্দেশ্য ও আইনি পরিণতির ওপর ভিত্তি করে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
- In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
১২,৮২৬.
কোন ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ অপরিহার্য উপাদান নয়?
  1. চুরি
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. ডাকাতি
  4. দস্যুতা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:

(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা।
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।

 অর্থাৎ চুরির ক্ষেত্রে বলপ্রয়োেগ অপরিহার্য উপাদান নয়। 
অন্যদিকে বলপূর্বক গ্রহণ, দস্যুতা, ডাকাতির ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ অপরিহার্য উপাদান। 
----------------
Theft:

Section 378. Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
 
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
 
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
 
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
 
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
 
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১২,৮২৭.
নিম্নোক্ত দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় মোকদ্দমার খরচ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৩
  2. ধারা ৩৫
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৪০
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে।খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

ধারা-৩৫ (মোকদ্দমার খরচ)

১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলী ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে।এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।

২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না,তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।

৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
১২,৮২৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪-এর অধীনে নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. আদালতের রায়
  2. ব্যবসায়িক চুক্তি
  3. সরকারের আদেশ
  4. ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪-এর অধীনে সরকারি দলিল (Public Documents) বলতে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা, ট্রাইব্যুনাল বা আইন প্রণয়নকারী/বিচার বিভাগীয়/শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার কার্যাবলি বা রেকর্ডকে বোঝায়। আদালতের রায় (ক), সরকারের আদেশ (গ) এবং ট্রাইব্যুনালের রেকর্ড (ঘ) সরকারি দলিলের অন্তর্গত। কিন্তু ব্যবসায়িক চুক্তি (খ) একটি ব্যক্তিগত দলিল, যা সরকারিভাবে সংরক্ষিত না হলে সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

১২,৮২৯.
প্রশ্নের মধ্যেই তার উত্তর দেওয়া হলে তাকে কী বলে?
  1. প্রমানিত প্রশ্ন
  2. ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন
  3. পুনঃজবানবন্দী
  4. জেরার
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তাহার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাহাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয় ৷

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাইবে নাঃ বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।

যেসকল বিষয় ভুমিকামূলক অথবা অবিসংবাদিত অথবা পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হইয়াছে বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই সকল বিষয় সম্পর্কে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করিবার অনুমতি আদালত অবশ্যই দিবেন।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন যখন করা যাইতে পারেঃ জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।

♦ অর্থাৎ প্রশ্নের মধ্যেই তাহার উত্তর দেওয়া হলে তাহাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলে।
১২,৮৩০.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কিভাবে মঞ্জুর করা যায়?
  1. ডিক্রির মাধ্যমে
  2. মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোন সময়ে
  3.  মোকদ্দমার শুরুতে
  4. মোকদ্দমার শেষে আদেশের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
-----------------------
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

১২,৮৩১.
খুনের শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন
  2. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন
  3. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন ও তদুপরি অর্থদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন এবং তদুপরি অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৩০২ ধারার বিধান অনুসারে খুনের অপরাধে অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন এবং উভয়ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান আছে।অপশন ক ও খ অসম্পূর্ণ, কারণ অর্থদণ্ডের কথা উল্লেখ নাই। ঘ নং অপশনে মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবন লেখা আছে যা সম্ভব নয়। কারণ একজন ব্যক্তিকে একসাথে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের দণ্ডে দন্ডিত করা সম্ভব নয়।
১২,৮৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২ অনুযায়ী, কোন ম্যাজিস্ট্রেট অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২ অনুযায়ী, যদি কোনো নারী বা ১৬ বছরের নিচে কোনো বালিকাকে অপহরণ বা অবৈধভাবে আটক করার অভিযোগ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট শপথপূর্বক অভিযোগ আকারে আনা হয়, তাহলে তারা ঐ নারীকে তার স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে অথবা ঐ বালিকাকে তার স্বামী, মাতা-পিতা বা আইনগত অভিভাবকের নিকট ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
এছাড়া, প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আদেশ কার্যকর করার ক্ষমতাও এই ম্যাজিস্ট্রেটদের রয়েছে।
- সুতরাং, ধারা ৫৫২ অনুযায়ী উল্লিখিত সকল ম্যাজিস্ট্রেট (জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট) এই আদেশ প্রদানের ক্ষমতা রাখেন। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বে-আইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section 552- Power to compel restoration of abducted females
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
১২,৮৩৩.
ডিক্রি তৈরির ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন বিষয়গুলো উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. মোকদ্দমার ব্যয়ের বিবরণ
  2. মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ
  3. দাবির বিবরণ এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।

২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।

৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।

Order 20 Rule 6: Contents of decree:
1) The decree shall agree with the judgment; it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.
2) The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.
3) The Court may direct that the costs payable to one party by the other set-off against any sum which is admitted or found to be due from the shall be set-off former to the latter.
১২,৮৩৪.
নিচের কোনটি পদ্ধতিগত আইন নয়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি
  2. সাক্ষ্য আইন
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  4. তামাদি আইন
ব্যাখ্যা
♦যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন।

♦ কিন্তু এই অপরাধের বিচার পদ্ধতি দণ্ডবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের বিচার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধিতে। এই কারণে ফৌজদারী কার্যবিধি হলো পদ্ধতিগত আইন।
১২,৮৩৫.
A promises to superintend, on behalf of B, a legal manufacture of indigo, and an illegal traffic in other articles. B promises to pay A a salary of 10,000 Taka per year. What is the legal status of this agreement?
  1. Valid agreement
  2. Void agreement
  3. Voidable agreement
  4. Enforceable with modifications
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৪ অনুযায়ী— "If any part of a single consideration for one or more objects, or any one or any part of any one of several considerations for a single object is unlawful, the agreement is void."

⇒ The Contract Act, 1872 Section 24: Agreements void, if considerations and objects unlawful in part:
-If any part of a single consideration for one or more objects, or any one or any part of any one of several considerations for a single object is unlawful, the agreement is void. 

Illustration
A promises to superintend, on behalf of B, a legal manufacture of indigo, and an illegal traffic in other articles. B promises to pay to A a salary of 10,000 Taka a year. The agreement is void, the object of A's promise and the considerations B's promise being in part unlawful.

১২,৮৩৬.
ক্রেতা বরাবর বিক্রিত ভূমির দখল হস্তান্তর না করিবার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৫ বছর
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৯ ধারার বিধান ক্রেতা বরাবর বিক্রিত ভূমির দখল হস্তান্তর না করিবার দণ্ড:
 - বিক্রয়ের জন্য নির্ধারিত মূল্যের সম্পূর্ণ অর্থ বিক্রেতা বরাবর পরিশোধ করা সত্ত্বেও যদি তিনি, যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত, ক্রেতা বরাবর উক্ত ভূমির দখল হস্তান্তর না করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
১২,৮৩৭.
শিশু আদালতে বিশেষ কোন ধরনের সুবিধার বিধান নেই?
  1. বিচার প্রক্রিয়ায় অভিভাবকের নিকট শিশুকে বসার সুযোগ
  2. প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিশেষ ধরনের আসন
  3. আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের দূরবর্তী আসন
  4. আদালতের কোন কর্মচারী ইউনিফরম পরিধান করবেন না
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- শিশু আদালতের পরিবেশ ও সুবিধাসমূহ:

(১) আদালতকক্ষের ধরন, সাজসজ্জা ও আসন বিন্যাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(২) শিশু-আদালতের আসন বিন্যাস এমনভাবে করিতে হইবে যেন সকল শিশু বিচার প্রক্রিয়ায় তাহার মাতা-পিতা বা তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ বা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য এবং প্রবেশন কর্মকর্তা ও আইনজীবীর, যতদূর সম্ভব, সন্নিকটে বসিতে পারে। 
 
(৩) উপ-বিধি (১) এর সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ করিয়া আদালতকক্ষে শিশুর জন্য উপযুক্ত আসনসহ প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য, প্রয়োজনে, বিশেষ ধরনের আসন প্রদানের বিষয়টি শিশু-আদালত নিশ্চিত করিবে। 
 
(৪) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত কর্তৃক শিশুর বিচার চলাকালীন, আইনজীবী, পুলিশ বা আদালতের কোন কর্মচারী আদালতকক্ষে তাহাদের পেশাগত বা দাপ্তরিক ইউনিফরম পরিধান করিতে পারিবেন না।
১২,৮৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারায় কে আটককৃত মালামাল বিক্রির আদেশ দিতে পারে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. জব্দকারী পুলিশ অফিসার
  4. সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী-
আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
১২,৮৩৯.
একাধিক ব্যক্তিকে কখন মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করা যায়?
  1. দাবি করা প্রতিকার একই না হলে
  2. দাবি করা প্রতিকার একই কার্য থেকে সৃষ্টি হলে
  3. ন্যায় বিচার বিঘ্ন হলে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ
২. বিবাদী পক্ষ 

• মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-

১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। [বিধি ১-৩]

উদহারণ-'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে । এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
১২,৮৪০.
দেওয়ানী মামলার আরজি বাতিল (rejection of plaint) হবে কোন ক্ষেত্রে?
  1. তামাদি বারিত হলে
  2. পর্যাপ্ত কোর্ট ফি প্রদত্ত না দেয়া হলে
  3. Res judicata বারিত হলে
  4. এখতিয়ারবিহীন আদালতে মামলা করা হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখানের কারণগুলো দেয়া রয়েছে। দেওয়ানী আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে;
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে;
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে;
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।

উল্লেখ্য,
পর্যাপ্ত কোর্ট ফি প্রদত্ত না হলে আদালত নির্ধারিত সময় দিবে এর মধ্যে জমা দিতে, Res judicata দ্বারা বারিত হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে এবং এখতিয়ারবিহীন আদালতে মামলা করা হলে আরজি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া হবে। তাই অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে অপশন 'ক' উত্তর নেয়া হয়েছে।
১২,৮৪১.
The Limitation Act, 1908 এর কত ধারায় “আবেদনকারী” (Applicant)- কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ২(৪)
  2. ধারা ২(৩)
  3. ধারা ২(২)
  4. ধারা ২(১)
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908 এর সংজ্ঞাসমূহ (ধারা ২):
এই আইনে, যদি প্রেক্ষাপট বা বিষয়বস্তুর সাথে অসামঞ্জস্য না থাকে, তাহলে—

১. “আবেদনকারী” (Applicant): আবেদনকারীর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে আবেদনকারী তার আবেদন করার অধিকার লাভ করেছে।

২. “বিল অব এক্সচেঞ্জ” (Bill of Exchange): এর মধ্যে হুন্ডি ও চেক অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

৩. “বন্ড” (Bond): এমন কোনো দলিল, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যজনকে টাকা পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে, এই শর্তে যে, নির্দিষ্ট কোনো কাজ সম্পাদিত হলে বা না হলে (যথাযথ ক্ষেত্রে), সেই অঙ্গীকার অকার্যকর হবে।

৪. “বিবাদী” (Defendant): এর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে কোনো বিবাদী তার দায়-দায়িত্ব অর্জন করেছে, অর্থাৎ যার কারণে তাকে মামলা করা যেতে পারে।

৫. “সুখাধিকার” (Easement): এমন একটি অধিকার যা চুক্তি থেকে উদ্ভূত নয়, কিন্তু যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যের জমি থেকে নিজের স্বার্থে মাটি, গাছপালা বা অন্য কোনো জিনিস অপসারণ করে ব্যবহার করতে পারেন।

৬. “বিদেশি দেশ” (Foreign Country): বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য যেকোনো দেশ।

৭. “সদ্ভাব” (Good Faith): কোনো কাজ যদি যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া সম্পাদিত হয়, তবে সেটি সদ্ভাবে (good faith) সম্পাদিত বলে গণ্য হবে না।

৮. “বাদী” (Plaintiff): এর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে মামলাকারী তার মামলা করার অধিকার অর্জন করেছে।

৯. “প্রমিসরি নোট” (Promissory Note): এমন একটি দলিল, যার মাধ্যমে নির্মাতা (maker) নিঃশর্তভাবে প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নির্দিষ্ট সময়ে, অথবা দাবির ভিত্তিতে, অথবা দর্শনের ভিত্তিতে অপর পক্ষকে পরিশোধ করবেন।

১০. “মোকদ্দমা” (Suit): এর মধ্যে আপিল বা আবেদন অন্তর্ভুক্ত নয়।

১১. “ট্রাস্টি” (Trustee): এর মধ্যে বেনামি মালিক (benamider), ঋণ পরিশোধের পরও দখলে থাকা বন্ধকগ্রহীতা (mortgagee), বা অবৈধভাবে দখলকারী (wrong-doer) অন্তর্ভুক্ত নয়।

১২,৮৪২.
চুক্তি আইনের কত ধারায় "Continuing guarantee" এর বিধান আছে?
  1. ১২৭
  2. ১২৮
  3. ১২৯
  4. ১৩০
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ১২৯ ধারার বিধান: "ধারাবাহিক জামিন" (Continuing guarantee):
-যে জামিন ধারাবাহিক লেনদেনে কার্যকর হয় তাকে ধারাবাহিক জামিন বলে।
---------------------
⇒ The Contract Act, 1872 Section 129. "Continuing guarantee"
 A guarantee which extends to a series of transactions is called a "continuing guarantee".

Illustrations:
 (a) A, in consideration that B will employ C in collecting the rent of B's zamindari, promises B to be responsible, to the amount of 5,000 Taka, for the due collection and payment by C of those rents. This is a continuing guarantee.
১২,৮৪৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী প্রতিটি সমনে __________ স্বাক্ষর করবেন।
  1. আদালত
  2. বিচারক
  3. জারিকারক
  4. জেলা নাজির
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৫ বিধি ৩ অনুযায়ী " Every such summons shall be signed by the Judge or such officer as he appoints, and shall be sealed with the seal of the court" উপরোক্ত প্রত্যেকটি সমনে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকবে এবং উক্ত আদালতের সীলমোহরে মোহরাঙ্কিত থাকতে হবে।

♦ অর্থাৎ সমনে আদালতের সীল থাকবে এবং বিচারক বা নিযুক্ত অফিসারের কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
১২,৮৪৪.
আদেশ-৩৫, বিধি-২ এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. বাদীকে মামলার খরচ পরিশোধে বাধ্য করা
  2. বিবাদীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা
  3. আদালতের হেফাজতে দাবিকৃত বস্তুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা
  4. বাদীকে মামলার বিষয়ে সতর্ক করা
ব্যাখ্যা
আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান-
যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে।

Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.

⇒ আদেশ-৩৫, বিধি-২ এর মূল লক্ষ্য হল আদালতের হেফাজতে দাবিকৃত বস্তুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা, যাতে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি পর্যন্ত সেটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং পরবর্তীতে সুষ্ঠুভাবে নিষ্পত্তি করা যায়।
১২,৮৪৫.
'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে?
  1. ১৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৬ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৭- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা:
রাষ্ট্র,
ক) একই পদ্ধতির প্রণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
খ) সমাজের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য; ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 17: Free and compulsory education-
The State shall adopt effective measures for the purpose of –
(a) establishing a uniform, mass oriented and universal system of education and extending free and compulsory education to all children to such stage as may be determined by law;
(b) relating education to the needs of society and producing properly trained and motivated citizens to serve those needs; 
(c) removing illiteracy within such time as may be determined by law.
১২,৮৪৬.
স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন সর্বনিম্ন ফিস হতে পারে-
  1. দুইশত টাকা
  2. পাঁচশত টাকা
  3. এক হাজার টাকা
  4. দুই হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭৮খ এর বিধান বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:- ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:

(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা:
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা:
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা:
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।

অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন সর্বনিম্ন ফিস হতে পারে পাঁচশত টাকা। 
১২,৮৪৭.
দেওয়ানী আদালত কয়টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

⇒  ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
⇒  ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
১২,৮৪৮.
স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন প্রেরণের ক্ষেত্রে কমিশনারের প্রধান কাজ কী?
  1. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করা
  2. সম্পত্তির তালিকা তৈরি করা
  3. সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করা
  4. সম্পত্তি বিভক্ত করে পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, Order 26, Rule 13 ও 14-এ স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা বিষয়ক বিধান দেওয়া হয়েছে।
-যেখানে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদান করা হয়, সেখানে আদালত একজন কমিশনার নিয়োগ করেন।
- কমিশনারের প্রধান দায়িত্ব হলো—আদালতের আদেশ অনুযায়ী সম্পত্তি বিভক্ত করে তা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করা।

বাটোয়ারার জন্য কমিশন:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৩: স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন:
যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে, বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, তার নিকট উক্ত ডিক্রিতে ঘোষিত অধিকার অনুসারে বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৪: কমিশনের কার্যপদ্ধতি:
(১) কমিশনার পয়োজনীয় তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশমূলে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সেই আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি বিভক্ত করবেন, এবং উক্ত অংশগুলি পক্ষগণের মধ্যে বন্টন করবেন এবং যদি উপরোক্ত আদেশমূলে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে থাকে, তবে বিভিন্ন অংশের মূল্যেল সমতা সাধনের জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারেন।
(২) কমিশনার তখন একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর করবেন অথবা কমিশনারগণ (যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেতি হয়ে থাকে এবং তাকে একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষেরে অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উপরোক্ত আদেশের এরূপ নির্দেশিত হয়ে থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি পৃথক করে আলাদা প্রতিবেদনসমূহ প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর করবেন। উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনগুলি কমিশনের সাথে সংযুক্ত করে আদালত কর্তক নির্ধারিত অনুর্ধ তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনগুলি কমিশনের সাথে সংযুক্ত করে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনুর্ধ তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি প্রদান করলে তা শুনানির পরে আদলত উহা অনুমোদন পরিবর্তন বা বাতিল করবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদন ক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হলে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
১২,৮৪৯.
নিম্নের কোন বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রি দেওয়া যায় না?
  1. আইনগত মর্যাদা
  2. পদের অধিকার
  3. সম্পত্তির অধিকার
  4. চুক্তি উদ্ভূত আইনগত অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
 
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ কিন্তু চুক্তি উদ্ভূত আইনগত অধিকারে বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রি দেওয়া যায় না।
 
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
১২,৮৫০.
_________ may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা অনুসারে শুণ্যস্থানে কী বসবে?
  1. The High Court Division
  2. Any Sessions Judge
  3. The High Court Division or any Sessions Judge
  4. Any Sessions Judge or Additional Sessions Judge
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:
1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান- নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারী আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
১২,৮৫১.
দেওয়ানী কার্যবিধির এর কত ধারায় "আইনজীবী" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২ (৮) ধারায়
  2. ২ (১০) ধারায়
  3. ২ (১৫) ধারায়
  4. ২ (১৮) ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(১৫)- আইনজীবী:
"আইনজীবী হলো এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আদালতে অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং সেই ব্যক্তির পক্ষে বক্তব্য রাখার অধিকারী।"

Section 2(15)-
"pleader" means any person entitled to appear and plead for another in Court.
১২,৮৫২.
"Power of superior officers of police"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ধারা ৫৫০
  2. ধারা ৫৫১
  3. ধারা ৫৪৭
  4. ধারা ৫৫৯
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫১- ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের ক্ষমতা

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাঁর থানার এলাকার মধ্যে যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন পদের পুলিশ কর্মকর্তাগণও তারা যে স্থানীয় এলাকায় নিযুক্ত সেই এলাকার সর্বত্র সেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

Section 551- Power of superior officers of police

Police officers superior in rank to an officer in charge of a police-station may exercise the same powers, throughout the local area to which they are appointed, as may be exercised by such officer within the limits of his station.
১২,৮৫৩.
"Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people." এটি বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১৮
  2. ২১
  3. ২৩
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
 (১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ Article 21. Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 

(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
১২,৮৫৪.
সাক্ষ্য আইনে কয়টি বিষয়কে জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice) হিসেবে তালিকায় অন্তর্গত করা হয়ছে?
  1. ৩ টি
  2. ৭ টি
  3. ৯ টি
  4. ১১ টি
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে।

৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
------------------------
Facts of which Court must take judicial notice:
Section 57. The Court shall take judicial notice of the following facts:- 
(1) All Bangladesh Laws:
(2) Articles of War for the Armed Forces: 
(3) The course of proceeding of Parliament and of any Legislature which had Power to legislate in respect of territories now comprised in Bangladesh. 
(4) The seals of all the Courts in Bangladesh: the seals of Courts of Admiralty and Maritime Jurisdiction and of Notaries Public, and all seals which any person is authorized to use by any law in force in Bangladesh:
(5) The accession to office, names, titles, functions and signatures of the persons filling for the time being any public office in Bangladesh, if the fact of their appointment to such office is notified in any official Gazette: 
(6) The existence, title and national flag of every State or Sovereign recognized by the Government: 
(7) The divisions of time, the geographical divisions of the world, and public festivals, fasts and holidays notified in the official Gazette: 
(8) The territories of Bangladesh: 
(9) The commencement, continuance and termination of hostilities between Bangladesh and any other State or body of persons: 
(10) The names of the members and officers of the Court and of their deputies and subordinate officers and assistants, and also of all officers acting in execution of its process, and of all advocates  and other persons authorized by law to appear or act before it: 
(11) The rule of the road on land or at sea. 

In all these cases and also on all matters of public history, literature, science or art, the Court may resort for its aid to appropriate books or documents of reference. 
If the Court is called upon by any person to take judicial notice of any fact, it may refuse to do so unless and until such person produces any such book or document as it may consider necessary to enable it to do so.
১২,৮৫৫.
Z, B-কে আঘাত করে। B রাগে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। A (একজন দর্শক), সুযোগ নিয়ে B-এর হাতে ছুরি দেয় যাতে B, Z-কে হত্যা করে। B সেই ছুরি দিয়ে Z–কে হত্যা করে। এক্ষেত্রে-
  1. B কোনো অপরাধ করে নি
  2. B খুন করেছে
  3. A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে
  4. A খুন করেছে
ব্যাখ্যা

B-এর কাজ:
- ‘Z’-এর প্ররোচনায় ‘B’ হঠাৎ রাগে আত্মনিয়ন্ত্রণ হারায়।
- হত্যাটি পরিকল্পিত নয়, বরং “grave and sudden provocation”-এর ফল।
- তাই ‘B’–এর অপরাধ নিন্দনীয় নরহত্যা (Culpable Homicide not amounting to Murder)।

A-এর কাজ:
- ‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘B’–এর রাগের সুযোগ নিয়ে তাকে ছুরি দেয় যাতে সে ‘Z’–কে মেরে ফেলে।
- তাই ‘A’–এর কাজ পরিকল্পিত খুন (Murder)।

The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১:
যদি কোনো ব্যক্তি গুরুতর ও হঠাৎ প্ররোচনার (grave and sudden provocation) ফলে আত্মনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে (deprived of self-control) প্ররোচনাদাতা ব্যক্তিকে হত্যা করে, অথবা ভুলক্রমে (by mistake) বা দুর্ঘটনাক্রমে (by accident) অন্য কাউকে হত্যা করে, তাহলে সেই হত্যা “খুন (Murder)” নয়, বরং “নিন্দনীয় নরহত্যা (Culpable Homicide not amounting to Murder)” বলে গণ্য হবে।

শর্তাবলী (Provisos):
এই ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে না, যদি-
প্রথমত: অপরাধী নিজেই প্ররোচনা সৃষ্টি করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটায়, যাতে হত্যার অজুহাত তৈরি হয়।
দ্বিতীয়ত: প্ররোচনাটি আসে এমন কোনো কাজ থেকে, যা আইনের অধীনে বৈধভাবে সম্পাদিত, অথবা কোনো সরকারি কর্মচারী বৈধ দায়িত্ব পালনের সময় করেছেন।
তৃতীয়ত: প্ররোচনাটি আসে এমন কোনো কাজ থেকে, যা আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার (right of private defence) প্রয়োগের সময় করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা (Explanation):
“প্ররোচনা কতটা গুরুতর ও হঠাৎ ছিল, যা অপরাধকে হত্যা (murder) না করে দোষজনক হত্যাকাণ্ডে নামিয়ে আনে”— এটি সম্পূর্ণ Question of Fact, যা আদালত প্রমাণ ও পরিস্থিতির ভিত্তিতে নির্ধারণ করবে।

Illustrations (উদাহরণসহ ব্যাখ্যা):
(a) A, Z-এর দেওয়া প্ররোচনায় রাগের মাথায় Z-এর সন্তান Y-কে হত্যা করে। এটি Murder, কারণ প্ররোচনাটি শিশুটি দেয়নি এবং শিশুর মৃত্যু ছিল না দুর্ঘটনাক্রমে।

(b) Y, A-কে হঠাৎ ও গুরুতরভাবে প্ররোচিত করে। A, রাগে Y-এর দিকে গুলি চালায়, কিন্তু ভুলবশত Z নামের আরেকজনকে হত্যা করে।  এটি Culpable Homicide not amounting to Murder, কারণ হত্যা ভুলক্রমে হয়েছে।

(c) A-কে বৈধভাবে গ্রেপ্তার করে সরকারি কর্মচারী Z। A, রাগে Z-কে হত্যা করে। এটি Murder, কারণ প্ররোচনাটি বৈধ সরকারি কাজ থেকে এসেছে।

(d) A সাক্ষী হিসেবে আদালতে হাজির হয়। বিচারক Z বলে যে, “তুমি মিথ্যা বলছ।” A রাগে Z-কে হত্যা করে। এটি Murder, কারণ কথাগুলি আইনের আওতায় বলা হয়েছে।

(e) A, Z-এর নাক টানতে যায়। Z আত্মরক্ষায় A-কে ধরে ফেলে। A রাগে Z-কে হত্যা করে। এটি Murder, কারণ Z বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেছিল।

(f) Z, B-কে আঘাত করে। B রাগে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। A (একজন দর্শক), সুযোগ নিয়ে B-এর হাতে ছুরি দেয় যাতে B, Z-কে হত্যা করে। এখানে B culpable homicide করেছে, কিন্তু A guilty of murder।

১২,৮৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা জনসাধারণকে অপরাধ দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সাহায্যের বাধ্যবাধকতা প্রদান করে?
  1. ৪০ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৪৩ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে, জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
১: গ্রেফতার বা পলায়ন প্রতিরোধ-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২(ক) মোতাবেক পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

২: অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষা-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২(খ) তে বলা আছে যে, কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের  চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
১২,৮৫৭.
'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের মোকদ্দমা কুমিল্লার এক যুগ্ম জেলা জজ আদালত দায়ের করেছে। বিবাদী 'খ', মোকদ্দমাটি কুমিল্লার অন্য যুগ্ম জেলা জজ আদালতে স্থানান্তর করতে চায়। এক্ষেত্রে 'খ' কোথায় স্থানান্তরের আবেদন করবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. কুমিল্লা জেলা জজের নিকট
  3. মোকদ্দমা দায়েরকারী আদালতে
  4. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর করা হবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারার ক্ষেত্রে বিবাদী কোথায় আবেদন করবে তা ২৩ ধারায় বলা হয়েছে-

১. যদি মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়ের করা যায়, এবং উক্ত আদালতগুলো একই আপীল আদালতের এখতিয়ারাধীন হয়, সেই ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন সেই আপীল আদালতে দায়ের করতে হবে, যে আপীল আদালতের অধীন উক্ত আদালতগুলো অবস্থিত।

২. যখন অনুরুপ আদালতসমূহ ভিন্ন ভিন্ন আপীল আদালতের আওতাধীন হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হয়। অর্থাৎ যে আদালত হতে মোকদ্দমা টি অন্য যে আদালতে স্থানান্তর করতে হবে, সেই দুইটি আদালত ভিন্ন ভিন্ন আপীল আদালতের এখতিয়ারাধীন হলে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে।

সহজে বলা যায়, একই জেলার অধীন এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর করতে হলে জেলা জজের নিকট আবেদন করতে হবে। কারণ জেলার মধ্যে দেওয়ানী আদালতসমূহ জেলা জজের আপীল এখতিয়ারাধীন থাকে । অন্যদিকে, এক জেলার দেওয়ানী আদালত হতে অন্য জেলার দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। কারণ ভিন্ন জেলায় অবস্থিত দেওয়ানী আদালতসমূহ হাইকোর্টের আপীল এখতিয়ারাধীন।

যেহেতু, প্রশ্নে উল্লিখিত দুইটি আদালত একই আপীল আদালত অর্থাৎ কুমিল্লা জেলা জজের অধীন, তাই ২২ ধারা অনুযায়ী কুমিল্লা জেলা জজের নিকট আবেদন করতে হবে।
১২,৮৫৮.
সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত কয়টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে?
  1. ৫ টি
  2. ৮ টি
  3. ১১ টি
  4. ১৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে।

৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
------------------------
Facts of which Court must take judicial notice:
Section 57. The Court shall take judicial notice of the following facts:- 
(1) All Bangladesh Laws:
(2) Articles of War for the Armed Forces: 
(3) The course of proceeding of Parliament and of any Legislature which had Power to legislate in respect of territories now comprised in Bangladesh. 
(4) The seals of all the Courts in Bangladesh: the seals of Courts of Admiralty and Maritime Jurisdiction and of Notaries Public, and all seals which any person is authorized to use by any law in force in Bangladesh:
(5) The accession to office, names, titles, functions and signatures of the persons filling for the time being any public office in Bangladesh, if the fact of their appointment to such office is notified in any official Gazette:
(6) The existence, title and national flag of every State or Sovereign recognized by the Government:
(7) The divisions of time, the geographical divisions of the world, and public festivals, fasts and holidays notified in the official Gazette:
(8) The territories of Bangladesh:
(9) The commencement, continuance and termination of hostilities between Bangladesh and any other State or body of persons: 
(10) The names of the members and officers of the Court and of their deputies and subordinate officers and assistants, and also of all officers acting in execution of its process, and of all advocates  and other persons authorized by law to appear or act before it: 
(11) The rule of the road on land or at sea. 

In all these cases and also on all matters of public history, literature, science or art, the Court may resort for its aid to appropriate books or documents of reference. 
If the Court is called upon by any person to take judicial notice of any fact, it may refuse to do so unless and until such person produces any such book or document as it may consider necessary to enable it to do so.
১২,৮৫৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বাংলাদেশের জাল মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানি করা শাস্তির বিধান আছে?
  1. ২৩৯
  2. ২৩৬
  3. ২৩৭
  4. ২৩৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারার বিধান জাল বলিয়া জানা সত্ত্বেও জাল বাংলাদেশের মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানি করা:
-কোন জাল মুদ্রা বাংলাদেশের মুদ্রার জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা বাংলাদেশের মুদ্রার জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহ্য রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অধবা দশ বৎসর পস্থত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------------------
⇒The Penal Code,1860: Section-238. Import or export of counterfeits of Bangladesh coin:
-Whoever imports into Bangladesh, or exports therefrom, any counterfeit coin which he knows or has reason to believe to be a counterfeit of Bangladesh coin, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১২,৮৬০.
প্রত্যয়িত করার বাধ্যতা আছে এমন প্রত্যয়িত দলিল প্রমাণ করতে হলে অবশ্যই কার উপস্থিতি না থাকলে সেটি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না?
  1. দলিলটির সুবিধাভোগী
  2. দলিলটির দাবিদার
  3. দলিলটির প্রত্যয়নকারী সাক্ষী
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
১২,৮৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কত ধারা মোতাবেক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা হয়?
  1. ৭০
  2. ৬১
  3. ৮১
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ৬১ ধারায় ও পরোয়ানাসমেত গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ৮১ ধারায় আদালতে হাজির করা হয়।
[ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬১ ও ৮১]
১২,৮৬২.
'Rejection of Plaint' মূলত একটি-
  1. ডিক্রি
  2. আদেশ
  3. প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
  4. চূড়ান্ত আদেশ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখান (Rejection of Plaint) এর সিদ্ধান্ত মূলত একটি ডিক্রি।
 
• ধারাঃ ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144, but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default. 
১২,৮৬৩.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুযায়ী, বিবাহ নিবন্ধনের জন্য ন্যূনতম বয়স কত?
  1. পুরুষ ও নারীর উভয়ের জন্য ১৮ বছর
  2. পুরুষ ও নারীর উভয়ের জন্য ২১ বছর
  3. পুরুষের জন্য ১৮ বছর, নারীর জন্য ১৬ বছর
  4. পুরুষের জন্য ২১ বছর, নারীর জন্য ১৮ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) পুরুষের জন্য ২১ বছর, নারীর জন্য ১৮ বছর।

হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ-
অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ২১ (একুশ) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু পুরুষ বা ১৮ (আঠার) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু নারী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইলে উহা এই আইনের অধীন নিবন্ধনযোগ্য হইবে না।

১২,৮৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের কোন বিষয় নিয়ে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে?
  1. কার্যপদ্ধতি
  2. এখতিয়ার
  3. বিচারক
  4. উপরের কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে। নিম্নে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার সাধারণ নিয়মগুলো দেয়া হলো-

⇒ ২১ ধারায় আদালতের আর্থিক (pecuniary) এবং আঞ্চলিক (territorial) উভয় এখতিয়ার (jurisdiction) সমন্ধে আপত্তি তোলা যায়।
⇒ আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে পক্ষদের কোন আপত্তি থাকলে, উক্ত আপত্তি প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।
⇒ যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতেই এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি উত্থাপন করতে হয়।
⇒ সাধারণত আপিল বা রিভিশনে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলা যায় না, তবে শুধুমাত্র ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্যে আপিল বা রিভিশনের সময়ও এই দাবি উত্থাপন করা যায়। এছাড়া যদি আরজি উপস্থাপনের সময় আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা থাকে, তবে সেই অনিশ্চয়তা আপিল বা রিভিশন আদালতের নিকট যৌক্তিক মনে হলে এরকম প্রশ্ন আপিল বা রিভিশন আদালত গ্রহণ করতে পারে।
১২,৮৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮নং বিধিতে ________________ মোকদ্দমার বিধান রয়েছে।
  1. ছানী
  2. প্রতিনিধিত্বমূলক
  3. স্বার্থবিহীন
  4. নাবালক কর্তৃক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit এর বিধান রয়েছে।

সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ ১নং আদেশের ৮ নং বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা 'Representative suit' বলা হয়।

• Order 1 Rule-8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Court sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such persons either b personin service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct.

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১২,৮৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) অনুসারে, মামলা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) অনুসারে, যদি মোকদ্দমা মুলতবি (স্থগিতকরণ) সংক্রান্ত খরচ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে খারিজ বা একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হয়, তবে সেই মোকদ্দমা পুনরুজ্জীবনের জন্য দায়ী পক্ষকে ৩০ দিনের মধ্যে ২,০০০ টাকা খরচ সহ আদালতে আবেদন করতে হবে। আবেদন মঞ্জুর হলে মোকদ্দমা কোনো অতিরিক্ত প্রক্রিয়া ছাড়াই পুনরুজ্জীবিত হবে, এবং জমাকৃত খরচ অন্য পক্ষকে প্রদান করা হবে।
অর্থাৎ, মুলতবি সংক্রান্ত খরচ না দেওয়ায় মামলা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে ২,০০০ টাকা খরচ জমা দিতে হবে।
--------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 17 Rule-1. Court may grant time and adjourn hearing:
(7) A suit dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (3) or (4) shall not be revived for hearing unless the party, for whose noncompliance the suit was dismissed or disposed of ex parte, makes within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application together with cost of two thousand taka into Court for such revival; and upon such application being made, the suit shall be revived for hearing without any further proceeding; and cost deposited into Court shall be paid to the other party.

১২,৮৬৭.
আদালত বেইল বন্ডের জন্য অধিক পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ করলে উক্ত অর্থ যুক্তি সঙ্গত হারে কমানোর জন্য আবেদন করতে হয়-
  1. ৪৯৮ ধারায়
  2. ৪৯৯ ধারায়
  3. ৫০০ ধারায়
  4. ৫০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতাঃ (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

♦জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।
♦ অর্থাৎ ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের আবেদন করা যায়। এ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা জজ।
১২,৮৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের অপরাধ পুনরাবৃত্তি না করার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. গণ-উপদ্রব
  2. অস্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত যেকোনো অপরাধ
  3. বিশেষ আইনের অধীন যেকোনো অপরাধ
  4. যেকোনো ফৌজদারি অপরাধ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৩ ধারা- ম্যাজিস্ট্রেট গণ-উপদ্রব পুনরাবৃত্তি করা বা অব্যাহত রাখা নিষিদ্ধ করতে পারবেন:
কোনো জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রাপ্ত ক্ষমতায় ক্ষমতাবলে অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তির প্রতি দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনে উল্লেখিত গণ-উপদ্রবের পুনরাবৃত্তি না করার বা উহা অব্যাহত না রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 143- Magistrate may prohibit repetition or continuance of public nuisance:
A District Magistrate or any other Executive Magistrate] empowered by the Government or the District Magistrate in this behalf, may order any person not to repeat or continue a public nuisance, as defined in the Penal Code or any special law.
১২,৮৬৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা অনুসারে, যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিবে
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি দিবে
  3. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিবে
  4. কোনো আদেশ দিবে না
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
১২,৮৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ থাকবেন?
  1. ধারা ১৬
  2. ধারা ১৭
  3. ধারা ১৮
  4. ধারা ১৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারা অনুযায়ী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ (Executive Magistrates) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (District Magistrate) অধীনস্থ থাকবেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের কার্যভার বণ্টন করতে পারেন এবং সময় সময় বিশেষ নির্দেশ প্রদান করতে পারেন, তবে তা ফৌজদারি কার্যবিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা:
"সকল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, যাদের ১০ ও ১২(১) ধারা অনুসারে নিয়োগ করা হয়, তারা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ থাকবেন, এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে এই ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে কার্যভার বণ্টন সংক্রান্ত বিশেষ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।"

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ থাকেন এবং তিনি প্রয়োজন অনুসারে তাদের কাজের বণ্টন করতে পারেন।
১২,৮৭১.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদে কোন আদালত কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার বিধান রয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. অধস্তন আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ- আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।

Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.
১২,৮৭২.
কোন বয়সসীমার নিচের নাবালিকাকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে হরণ করলে তা মনুষ্যহরণ বলে গণ্য হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩৬১ ধারা অনুযায়ী, “যে ব্যক্তি ষোল (১৬) বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে (মেয়ে) তার আইনসম্মত অভিভাবকের সম্মতি ব্যতীত অভিভাবকের হেফাজত থেকে নিয়ে যায়, সে ব্যক্তি উক্ত নাবালিকাকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ (kidnapping) করেছে বলে গণ্য হবে।”
এই ধারা অনুযায়ী:
- ছেলে শিশুর ক্ষেত্রে বয়সসীমা: ১৪ বছর।
- মেয়ে শিশুর ক্ষেত্রে বয়সসীমা: ১৬ বছর।
অতএব, কোনো মেয়েশিশু যদি ১৬ বছরের কম বয়সী হয় এবং তাকে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে এটি আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person.
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
১২,৮৭৩.
What is the maximum imprisonment term for dishonest misappropriation of property under Section 403?
  1. 6 months
  2. 1 year
  3. 2 years
  4. 3 years
ব্যাখ্যা
Section 403: Dishonestly misappropriation of property:
Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

ধারা ৪০৩ অনুসারে,
যদি কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে তাকে দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
১২,৮৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এ কীসের তালিকা দেয়া হয়েছে?
  1. আপিলঅযোগ্য আদেশের
  2. আপিলযোগ্য ডিক্রির
  3. আপিলযোগ্য আদেশের
  4. হাইকোর্ট প্রদত্ত বিশেষ আদেশের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।
১২,৮৭৫.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী, তিনি 'খ'-এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'খ' হাজির থাকলেও, 'ক' হাজির হন নি। উক্ত মামলার ফলাফল হতে পারে-
  1. 'খ' খালাস বা অব্যাহতি পাবে
  2. ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে,নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে(শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন; তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।

তবে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও
⇒ মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

Section 247: Non-appearance of complainant-
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 

Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
১২,৮৭৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুসারে কেবলমাত্র ভুলের কারনে- 
  1. চুক্তি রদ করা যায়
  2. চুক্তি রদ করা যায় না
  3. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য না 
  4. উপরের কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা,ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।
--------------
Section 36: Rescission for mistake
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

১২,৮৭৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণার শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪১৯
  2. ধারা ৪১৮
  3. ধারা ৪১৭
  4. ধারা ৪১৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪১৯ এ বলা হয়েছে: "যে ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, সে ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।"
- এর অর্থ— যখন কেউ নিজেকে অন্য ব্যক্তি হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে (বাস্তব বা কাল্পনিক) কাউকে প্রতারণা করে, তখন এটি “cheating by personation” হিসেবে গণ্য হয়।
- এই অপরাধটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে ধারা ৪১৬-এ, কিন্তু এই অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে ধারা ৪১৯-এ।
 - অতএব, "অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা" করার শাস্তির বিধান রয়েছে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ – ধারা ৪১৯-এ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১২,৮৭৮.
দস্যুতার সদস্য সংখ্যা কত জন?
  1. পাঁচজন
  2. তিনজন
  3. নির্দিষ্টতা নেই, তবে পাঁচ জনের কম
  4. নির্দিষ্টতা নেই, তবে পাঁচ জনের বেশি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান: দস্যুতার সংজ্ঞা (Robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তাদস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When extortion is robbery)- বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী স্বয়ং ভিকটিমের নিকটে বা আশেপাশে উপস্থিত থেকে তাৎক্ষনিক ভয়ের সৃষ্টি করলে বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতা বলে গণ্য হবে।
⇒ চুরি কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When theft is robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা চুরি করার সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা অবৈধ আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন চুরি দস্যুতা বলে গণ্য হবে।

⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারা মতে প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

⇒ যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।

⇒ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে  দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ অর্থাৎ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
১২,৮৭৯.
A causes cattle to enter upon a field belonging to Z, intending to cause and knowing that he is likely to cause damage to Z's crop. A has committed _________.
  1. mischief
  2. tresspass
  3. Criminal force
  4. misappropriation of property
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান- ক্ষতি বা অনিষ্ট:
 কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।

উদাহরণ:
- A, Z-এর ক্ষেতের মধ্যে গবাদি পশু প্রবেশ করায়, উদ্দেশ্য করে এবং জানে যে সে Z-এর ফসলের ক্ষতি ঘটাবে। A এই কাজটি করার মাধ্যমে অনিষ্ট ঘটিয়েছে।
[A causes cattle to enter upon a field belonging to Z, intending to cause and knowing that he is likely to cause damage to Z's crop. A has committed mischief.]
১২,৮৮০.
আরজি- জবাব কর্তনের আদেশ আদালত কখন দিতে পারেন?
  1. শুনানির শুরুতে
  2. সাক্ষ্যগ্রহণের পরে
  3. কেবল রায় ঘোষণার পরে
  4. মামলার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬: আরজি জবাবে কর্তন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।

Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
১২,৮৮১.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিষয়বস্তু স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করিবেন?
  1. Prohibitory Injunction,
  2. Temporary Injunction,
  3. Mandatory Injunction,
  4. Perpetual Injunction,
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে –
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই (Prima facie case) প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable loss) হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত (The balance of convenience and inconvenience of the Parties) বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ (Public interest) বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
১২,৮৮২.
নিচের কোনটি অননুমোদিত হিন্দু বিবাহের প্রকার?
  1. আর্য
  2. দৈব
  3. অসুর
  4. প্রজাপত্য
ব্যাখ্যা

• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।

১২,৮৮৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ কখন থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১ মার্চ, ২০০০
  2. ৮ এপ্রিল, ২০০০
  3. ১ জানুয়ারি, ২০০০
  4. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৮ নং আইন) ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০ তারিখে কার্যকর হয়েছে। এটি নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, নির্যাতন (যেমন ধর্ষণ, অপহরণ, যৌতুক, দহন ইত্যাদি) দমনের জন্য প্রণীত, এবং কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। আইনটির সর্বশেষ সংশোধনী ২০২৫ সালে (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫) হলেও কার্যকর তারিখ পরিবর্তিত হয়নি।

১২,৮৮৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা "পক্ষ ও তাদের অধিকারী ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে" তা নির্ধারণ করে?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২২
  4. ধারা ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২৭-এর শিরোনামই হলো "Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title" অর্থাৎ "পক্ষ ও তাদের অধিকারী ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে"।
- এই ধারা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেয় যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা যেতে পারে:
- চুক্তির যেকোনো পক্ষ
- চুক্তির পরবর্তী সময়ে অধিকারী দাবিদার
- নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে কোম্পানি ইত্যাদি।
অতএব, সঠিক উত্তর ঘ) ধারা ২৭।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭- ধারা ২৭: পক্ষ ও তাদের অধিকারী ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে:
এই অধ্যায়ে অন্যথায় নির্ধারিত না থাকলে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন নিম্নলিখিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে করা যেতে পারে:
(ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
(খ) যে কোনো ব্যক্তি যে পক্ষের অধিকারী হয়ে, চুক্তির পরবর্তী সময়ে যে অধিকার দাবি করে, তবে এমন একজন ট্রান্সফারি যিনি সদ্ভাবে এবং মূল চুক্তি সম্পর্কে অবগত না হয়ে মূল্য পরিশোধ করেছেন, তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যাবে না;
(গ) যে কোনো ব্যক্তি যে চুক্তির আগে কোনো অধিকার দাবি করে, যা বাদী জানতেন এবং যার বিরুদ্ধে বিবাদী সেটি বাতিল করতে সক্ষম ছিল;
(ঘ) যখন একটি পাবলিক কোম্পানি একটি চুক্তি সম্পাদন করে এবং পরে অন্য একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে একত্রীভূত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠন হয়, তখন সেই নতুন কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রথম চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে;
(ঙ) যখন পাবলিক কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতারা কোম্পানি প্রতিষ্ঠার আগেই একটি চুক্তি সম্পাদন করেন, তখন সেই কোম্পানির বিরুদ্ধে সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে, তবে শর্ত হলো কোম্পানি চুক্তিটি অনুমোদন ও গৃহীত করেছে এবং প্রতিষ্ঠার শর্তাবলীর সাথে তা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 27.Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title
 Except as otherwise provided by this Chapter, specific performance of a contract may be enforced against- 
(a) either party thereto; 
(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract; 
(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant; 
(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 
(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation. 

১২,৮৮৫.
শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার বিষয়টি কিভাবে বিবেচনা করা হবে?
  1. প্রথম পন্থা
  2. অপরিহার্য পন্থা
  3. সর্বশেষ পন্থা
  4. সর্বোত্তম পন্থা
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ২৬: শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা:
(১) শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার বিষয়টি সর্বশেষ পন্থা হিসাবে বিবেচনা করিতে হইবে, যাহার মেয়াদ হইবে যথাসম্ভব স্বল্পতম সময়ের জন্য। 
 
(২) সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরাপদ হেফাজতে রক্ষিত শিশুকে বিকল্পপন্থায় পরিচালনার জন্য প্রেরণ করিতে হইবে। 
 
(৩) শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা একান্ত প্রয়োজন হইলে শিশু-আদালত, সংশ্লিষ্ট শিশুকে উক্ত আদালত হইতে যুক্তিসঙ্গত দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করিবার জন্য আদেশ প্রদান করিবে : 
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার অধীন কোন শিশুকে প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা হইলে উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকারী অধিক বয়স্ক শিশুদের হইতে প্রেরিত শিশুকে পৃথক করিয়া রাখিতে হইবে।
১২,৮৮৬.
যারা মামলায় পক্ষ নয় সাধারণত তাদের বিবৃতি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হয় না। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম?
  1. ১৭, ১৮
  2. ১৮, ১৯
  3. ১৯, ২০
  4. ২০, ২১
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৯ মোতাবেক মামলার বিরুদ্ধে পক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠাযোগ্য লোকের বিবৃতি স্বীকৃতি। এই ধারা অনুসারে আগন্তুক বা Stranger এর সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক বলে ঘোষণা করা হয়।

♦আবার সাক্ষ্য আইন এর ২০ ধারায় বলা হয়েছে মামলার কোন পক্ষ কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করা হলে উক্ত ব্যক্তির বিবৃতি প্রাসঙ্গিক।

♦ অর্থাৎ যারা মামলায় পক্ষ নয় সাধারণত তাদের বিবৃতি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হয় না। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৯ ধারা ও ২০ ধারা  এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম।
১২,৮৮৭.
জারী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে The Limitation Act, 1908 এর নিম্নোক্ত কোন Article অনুসারে তামাদীর মেয়াদ গণনা করতে হয়?
  1. ১৪৮
  2. ১৮৪
  3. ১৮২
  4. ১২৮
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৮২

ডিক্রি বাস্তবায়নের দরখাস্তটিকে প্রথমত তামাদি আইনের ১৮২ অনুচ্ছেদের শর্ত পূরণ করতে হবে, যেখানে প্রাথমিক সময়সীমা অর্থাৎ ডিক্রি জারির প্রথম আবেদন (First petition for execution of decree) ডিক্রি প্রদানের তারিখ হতে ৩ বছর নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

এর পরে দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার শর্ত, যেখানে তামাদির সর্বোচ্চ সময়সীমা ১২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটা পূরণ করতে হবে। ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি জারির নতুন আবেদন (fresh application) দাখিল করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ১২ বছর।
১২,৮৮৮.
তামাদি আইনের কত ধার‍ায় তামাদির মেয়াদ গণনায় প্রতারনার ফলাফল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ১৯
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ২২
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১৮ ধার‍ায় তামাদির মেয়াদ গণনায় প্রতারনার ফলাফল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রতারণার ফলাফল (Effect of Fraud): তামাদি আইনের ১৮ ধার‍া অনুসারে যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হয়, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাহাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করিবার জন্য যেই দলিল প্রয়োজনীয়, তাহা প্রতারণা করিয়া তাহার নিকট হইতে গোপন রাখা হইয়াছে, সেই সকল ক্ষেত্রে-
(ক) প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তাহার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যেই ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্য প্রকারে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে, তাহার বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন প্রতারণার কথা জানিতে পারে, সেইদিন হইতে অথবা দলিল গোপন করা হইয়া থাকিলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন হইতে অথবা দলিল গোপন করা হইয়া থাকিলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন দলিলটি উপস্থাপন করিতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উহা উপস্থাপন করিবার জন্য বাধ্য করিতে পারে, সেইদিন হইতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।
--------------------
The limitation Act 1908, Section 18, Effect of Fraud: Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded,
or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him,
the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

১২,৮৮৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক এই বিধান রয়েছে?
  1. ৪৫ক ধারার
  2. ৪৬ক ধারার
  3. ৪৭ক ধারার
  4. ৪৮ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
⇒ ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে।
-----------
⇒ Section 47A: Opinion as to digital signature where relevant:
-When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
১২,৮৯০.
কোন তফসিলে দণ্ডবিধির অপরাধসমূহের বিচারব্যবস্থা, আমলযোগ্যতা এবং জামিনযোগ্যতার উল্লেখ আছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. পঞ্চম তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে বলা আছে কোন অপরাধ আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য, জামিনযোগ্য বা জামিন-অযোগ্য, এবং দণ্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালতে বিচারযোগ্য – এসব বিষয়ের বিস্তারিত শ্রেণিবিন্যাস।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮:
প্রণয়ন সাল: আইনটি সর্বপ্রথম ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬১ সালে পাস করা হয়।
বলবৎ হওয়ার তারিখ: কার্যকর হয় ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে।
বর্তমান সংস্করণ: ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই থেকে বর্তমান সংস্করণ কার্যকর রয়েছে।
মোট ভাগ (Part): ৯টি, মোট অধ্যায় (Chapter): ৪৬টি, মোট ধারা (Section): ৫৬৫টি। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মূল বিষয়বস্তু:
- অপরাধ সংঘটনের পর তদন্ত কীভাবে হবে।
- আসামি গ্রেফতার এবং জামিন সংক্রান্ত বিধান।
- বিচার কার্যক্রম পরিচালনা, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়দান, খালাস ও সাজা।
- কিছু কিছু ধারা অপরাধ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথাও বলে, যাতে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তা ঠেকানো যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল (Schedule) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে বর্তমানে বলবৎ রয়েছে ৪টি।
→ প্রথম তফসিল (First Schedule): এটি বর্তমানে বাতিল করা হয়েছে এবং আর কার্যকর নয়।
→ দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule): কোন অপরাধ আমলযোগ্য / আমল-অযোগ্য, জামিনযোগ্য / জামিন-অযোগ্য, কোন আদালতে বিচার হবে, এই তফসিলটি বিচারিক শ্রেণিবিন্যাস নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
→ তৃতীয় তফসিল (Third Schedule): ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary Powers) বর্ণিত।
→ চতুর্থ তফসিল (Fourth Schedule): ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
→ পঞ্চম তফসিল (Fifth Schedule): বিভিন্ন ধরণের ফরম (Forms) সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
১২,৮৯১.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না?
  1. আপিল
  2. দরখাস্ত দাখিল
  3. ডিক্রি জারি
  4. মোকদ্দমা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা শুধু মোকদ্দমা, কার্যক্রম, দরখাস্ত দাখিল কিংবা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
১২,৮৯২.
খ একটি ভূমির দখলে আছে। খ কে বাদ দিয়ে ক অন্যান্য ব্যক্তিকে বিবাদী শ্রেনীভুক্তকরে স্বত্ব ঘোষনার ডিক্রী ও খাস দখল প্রাপ্তির মামলা করে। খ এর প্রতিকার কি?
  1. খ কর্তৃক আলাদা মামলা করা
  2. আদেশ ১ বিধি ৯ মতে পক্ষভুক্ত হওয়া
  3. আদেশ ১ বিধি ১০ মোতাবেক পক্ষভুক্ত হওয়া
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১ এর ১০ (২) বিধি অনুযায়ী মামলা দায়েরের পর আদালত অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন করে প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ সংযুক্ত করার আদেশ দিতে পারে। মূলত এই বিধি আদালতকে মোকদ্দমার যেকোনো সময় পক্ষ সংশোধন করার ক্ষমতা দিয়েছে এবং এই ক্ষমতা আদালতের বিবেচনামূলক।
১২,৮৯৩.
তামাদি আইনের কোন ধারায় ‘‘Acquisition of right to easements’’ রয়েছে?
  1. ২৪ ধারায়
  2. ২৬ ধারায়
  3. ২৮ ধারায়
  4. ২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জনের (Acquisition of right to easements)  বিধান রয়েছে। ২৬ ধারা অনুযায়ী কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অথবা যে কোন সুখাধিকার অব্যাহতভাবে ২০ বছর (সরকারী সম্পত্তিতে ৬০ বছর) ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে উক্ত সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অনঙ্গনীয় অধিকারে পরিণত হবে।
♦অর্থাৎ ২৬ ধারামতে কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অব্যাহতভাবে ২০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে সুখাধিকার অর্জন করা যায়। সুখাধিকার দাবি করতে হলে উক্ত অধিকার ২০ বছর ধরে অব্যাহতভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করতে হবে। সরকারী সম্পত্তির উপর সুখাধিকার দাবি করতে হলে ৬০ বছর ধরে ভোগ করতে হবে।
১২,৮৯৪.
নারী সপিণ্ডের মধ্যে কে অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. কন্যা
  2. পিতার মাতা
  3. বোন
  4. পিতার পিতার মাতা
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) বোন।

হিন্দু উত্তরাধিকার আইন:

বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে।
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:
১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা ও
৫. পিতার পিতার মাতা। 

১২,৮৯৫.
একতরফা ডিক্রী হলে তা সরাসরি বাতিলের জন্য বিবাদী কত দিনের মধ্যে আবেদন করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
♦  শুনানীর ধার্য তারিখে বাদী উপস্থিত এবং বিবাদী অনুপস্থিত থাকলে বাদীর পক্ষে এক তরফা ডিক্রী প্রদান করেন। একতরফা ডিক্রী রদের আবেদন করে বিবাদী; ডিক্রী প্রদানের তারিখ বা জ্ঞাত হবার ৩০ দিনের মধ্যে এই আবেদন করতে হয়। 

আদেশ ৯ বিধি ১৩ক অনুযায়ীয় একতরফা ডিক্রী  সরাসরি বাতিলের জন্য  বিবাদী  আবেদন করতে পারবেন।
১২,৮৯৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, আদালতে কোনো পক্ষের পক্ষ থেকে উপস্থিতি, আবেদন বা কার্যক্রম কীভাবে করা যেতে পারে?
  1. ব্যক্তিগতভাবে
  2. আইনজীবীর মাধ্যমে
  3. স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে
  4. উল্লিখিত সকল ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩, বিধি-১.  উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত এজেন্ট বা আইনজীবীর মাধ্যমে হতে পারে:
→ আদালতে কোনো পক্ষের পক্ষ থেকে যে কোনো উপস্থিতি, আবেদন বা কার্যক্রম, যা আইনের দ্বারা অনুমোদিত বা প্রয়োজনীয়, তা করা যেতে পারে—
- সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
- তার স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে, অথবা
- আইনজীবীর মাধ্যমে, যিনি তার পক্ষে উপস্থিত থাকবেন, আবেদন করবেন বা কার্য পরিচালনা করবেন।
তবে আদালত যদি নির্দেশ দেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার-৩, রুল-১ অনুযায়ী, কোনো পক্ষ আদালতে—
- নিজে (ব্যক্তিগতভাবে) উপস্থিত হতে পারেন,
- আইনজীবীর মাধ্যমে মামলা পরিচালনা করতে পারেন, এবং
- স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে আদালতে কার্য সম্পাদন করতে পারেন।
তবে, আদালত চাইলে ব্যক্তিগত উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করতে পারে।
- তাই সঠিক উত্তর "ঘ"।
১২,৮৯৭.
বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির উপর তামাদি আইনের প্রভাব কী?
  1. দুই দেশের তামাদির বিধান গ্রহণযোগ্য হবে
  2. পক্ষদ্বয়ের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো এক দেশের বিধান গ্রহণযোগ্য হবে
  3. বাংলাদেশের আদালতে মামলা হলে, উক্ত তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে
  4. সকল ক্ষেত্রে বিদেশের আদালতের তামাদির বিধান বিধান প্রযোজ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লিখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।
---------------------
⇒The Limitation Act, 1908: Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.
১২,৮৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুসারে, দৈনিক মামলার তালিকায় চূড়ান্ত শুনানির জন্য সর্বোচ্চ কতটি মামলা নির্ধারণ করা যাবে?
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১৫টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুসারে, দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে নির্ধারিত বিধানে বলা হয়েছে যে, আদালত দৈনিক মামলার তালিকায় চূড়ান্ত শুনানি (Peremptory hearing) এর জন্য সর্বোচ্চ ১০টি মামলা নির্ধারণ করতে পারে, যার মধ্যে ৪টি অংশবিশিষ্ট (Part-heard) মামলা থাকতে পারে। এছাড়া, চূড়ান্ত পর্যায়ে মোট ২০০টি মামলার বেশি থাকবে না, এবং যখন মামলার সংখ্যা ১৪০টির নিচে নামবে, তখন মামলা দাখিলের তারিখের ক্রমানুসারে আরও মামলা চূড়ান্ত পর্যায়ে আনা হবে।
অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ২০ (Order XVIII Rule 20) অনুসারে, দৈনিক মামলার তালিকায় (daily cause list) চূড়ান্ত শুনানির (peremptory hearing) জন্য সর্বোচ্চ ১০ (দশ) টি মামলা নির্ধারণ করা যাবে। এই ১০টি মামলার মধ্যে আংশিক শুনানিকৃত (part-heard) মামলা সর্বোচ্চ ৪টি থাকতে পারে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-20.Fixation of suits in the daily cause list, etc:
Court shall not fix, more than ten suits, including four part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing, and more than two hundred suits in the peremptory stage; and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than one hundred forty, the Court shall then bring in more suits in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
Explanation.In this rule the word "peremptory" shall have the meaning with reference to the word used in Civil Rules and Orders.

১২,৮৯৯.
একজন জুনিয়র অ্যাডভোকেট যদি সিনিয়রের সাথে মামলা পরিচালনা করেন, তাহলে কাকে মামলা পরিচালনার নেতৃত্ব দিতে হবে?
  1. জুনিয়র অ্যাডভোকেট
  2. সিনিয়র অ্যাডভোকেট
  3. মক্কেল যাকে অনুমতি দেয়
  4. আদালত যাকে অনুমতি দেয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) সিনিয়র অ্যাডভোকেট।

⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের Canons of Professional Conduct and Etiquette, 1969 অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত থাকেন, তাহলে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলার নেতৃত্ব প্রদান করবেন, আর জুনিয়র অ্যাডভোকেট তাকে সহায়তা করবেন।

এটি বার কাউন্সিলের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জুনিয়র অ্যাডভোকেটরা সিনিয়রের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারেন এবং সময়ের সঙ্গে তারা নিজেরাও সিনিয়র হয়ে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হন।

তাই, মক্কেল বা আদালতের অনুমতির বিষয়টি এখানে প্রযোজ্য নয়; সিনিয়র অ্যাডভোকেটই নেতৃত্ব দেবেন।
১২,৯০০.
মামলার বিচারিক আদালত কোনো গুরুত্বপূর্ণ দলিল গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে, যেটি আপিলকারী পক্ষ দিতে চেয়েছিল। এক্ষেত্রে, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ২৭ অনুসারে আপিল আদালত কী করতে পারে?
  1. আপিল খারিজ করে দেবে
  2. আপিল স্থগিত রাখবে
  3. উক্ত দলিল গ্রহণ করতে পারে
  4. নতুন মামলা শুরু করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা
খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করার অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।