বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১২৩ / ১৫৫ · ১২,২০১১২,৩০০ / ১৫,৪৭০

১২,২০১.
আরজি দাখিলের সময় বিবাদী যদি বাদীর দাবি স্বীকার করেন, তখন আদালত-
  1. সমন প্রেরণ করবে
  2. মোকদ্দমাটি খারিজ করবে
  3. সমন প্রেরণ করবে না
  4. মোকদ্দমার শুনানি স্থগিত করবে
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-
১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদীর নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদী আরজি দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদীর উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদী হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।
১২,২০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮১(৪) অনুযায়ী, অপহরণ বা কিডন্যাপিং মামলার বিচার কোথায় হতে পারে?
  1. যেখানে অপহরণ সংঘটিত হয়েছে
  2. যেখানে ভুক্তভোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে
  3. যেখানে ভুক্তভোগীকে লুকিয়ে রাখা বা আটক করা হয়েছে
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮১(৪) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "অপহরণ বা abduction অপরাধের তদন্ত বা বিচার সেই আদালতের এখতিয়ার সীমার মধ্যে করা যেতে পারে, যার এখতিয়ার সীমার মধ্যে ব্যক্তিকে অপহরণ বা abduction করা হয়েছে অথবা নিয়ে যাওয়া হয়েছে বা লুকিয়ে রাখা হয়েছে বা আটক রাখা হয়েছে।"
- সুতরাং, অপহরণের মামলা নিম্নলিখিত যেকোনো স্থানের আদালতে বিচারযোগ্য:
ক) যেখানে অপহরণ সংঘটিত হয়েছে (যেখানে ব্যক্তিকে অপহরণ করা হয়েছে)
খ) যেখানে ভুক্তভোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে (যেখানে তাকে conveyance করা হয়েছে)
গ) যেখানে ভুক্তভোগীকে লুকিয়ে রাখা বা আটক করা হয়েছে (যেখানে তাকে conceal বা detain করা হয়েছে)
এজন্য সঠিক উত্তর হল ঘ) উপরোক্ত সবগুলো।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-181.Being a thug or belonging to a gang of dacoits, escape from custody, etc.
(1) The offence of being a thug, of being a thug and committing murder, of dacoity, of dacoity with murder, of having belonged to a gang of dacoits, or of having escaped from custody, may be inquired into or tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction the person charged is.
- Criminal misappropriation and criminal breach of trust:
(2) The offence of Criminal misappropriation or of criminal breach of trust may be inquired into or tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction any part of the property which is the subject of the offence was received or retained by the accused person, or the offence was committed.
- Theft:
(3) The offence of theft, or any offence which includes theft or the possession of stolen property, may be inquired into or tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction such offence was committed or the property stolen was possessed by the thief or by any person who received or retained the same knowing or having reason to believe it to be stolen.
- Kidnapping and abduction:
(4) The offence of kidnapping or abduction may be inquired into or tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction the person kidnapped or abducted was kidnapped or abducted or was conveyed or concealed or detained.

১২,২০৩.
কোন জেলার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন মামলা অন্য কোন জেলায় অবস্থিত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থানান্তর করার দরখাস্ত কোন আদালতে করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. দায়রা আদালত
  4. চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী মামলা এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারী আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারী মামলা বা আপীল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারী মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-

১. আপীল বিভাগের (ধারা-৫২৫ক);
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা-৫২৬);
৩. দায়রা জজের (ধারা-৫২৬খ)।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারার বিধান অনুযায়ী- ফৌজদারি মামলা এক জেলার দায়রা আদালত থেকে অন্য জেলার দায়রা আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য সরাসরি হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। একই জেলার মধ্যে একই দায়রা জজ আদালতের এক ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য ফৌজদারি আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে দায়রা জজ আদালতে আবেদন করতে হবে, উক্ত দায়রা জজ আদালত আবেদন নাকচ করলে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে।
১২,২০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩ ধারামতে শান্তি রক্ষার জামানত না দেওয়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের শাস্তি হবে?
  1. জরিমানা
  2. সশ্রম কারাদণ্ড
  3. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড যেকোন একটি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩ ধারামতে কারাদণ্ডের ধরণ:
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩(৫) শান্তি রক্ষার জন্য নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে কারাবাস সাধারণ (বিনাশ্রম কারাদণ্ড) হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩(৬) শৃঙ্খলার জন্য নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে কারাবাস ১০৮ ধারার অধীনে হলে সাধারণ হবে এবং ১০৯ বা ১১০ ধারার অধীনে হলে, আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ অনুসারে কঠোর বা সাধারণ হতে পারে।
------------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section:-123: Kind of imprisonment:
-Section:-123(5) Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple. 
-Section:-123(6) Imprisonment for failure to give security for good behaviour shall, where the proceedings have been taken under section 108 be simple and, where the proceedings have been taken under section 109 or section 110, be rigorous or simple as the Court or Magistrate in each case directs.
১২,২০৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় দেওয়ানী মোকদ্দমায় হাইকোর্ট বিভাগের রেফারেন্সের ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. ৯৬
  2. ১১৩
  3. ১১৪
  4. ১১৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে।
-১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী-
যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 113- Reference of High Court Division:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, any Court may state a case and refer the same for the opinion of the High Court Division, and the High Court Division may make such order thereon as it thinks fit.
১২,২০৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ-
  1. সমন জারির তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবস
  2. আরজি দাখিলের তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস
  3. সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস
  4. আরজি দাখিলের তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ১ বিধির অধীন লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস

• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ৮ বিধি (১)-৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যাতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।

আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।
১২,২০৭.
বিলম্বিত মোহরের তামাদির সময় গণনা শুরু হবে কখন?
  1. বিয়ের দিন থেকে
  2. পরিশোধ অস্বীকার করার তারিখ থেকে
  3. মৃত্যু বা তালাকের সময় থেকে
  4. মোহর তলব করার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১০৪:
বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য (deferred dower) একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে 
তামাদির মেয়াদকাল
- ৩ বছর;
সময় গণনা শুরু- মৃত্যু অথবা তালাক দ্বারা যখন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

১২,২০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে "Complaint" এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে
  2. জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে সম্পর্কিত হতে হবে
  3. অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”
"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:

• উপাদান:
- অভিযোগটি [Allegation] অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে;
- জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে;
- অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে।

⇒ নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে। সুতরাং নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

⇒ নালিশ (Complaint) বলতে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে না।
১২,২০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির _______ অনুসারে, মোকদ্দমার কোনো পক্ষ আরজি বা জবাবের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো লিখিত উপায়ে অপর পক্ষের মোকদ্দমার সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে।
  1. আদেশ ৮, বিধি ৩
  2. আদেশ ১০, বিধি ২ 
  3. আদেশ ১২, বিধি ১
  4. আদেশ ১৪, বিধি ৪
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ১ অনুসারে, মোকদ্দমার কোনো পক্ষ আরজি বা জবাবের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো লিখিত উপায়ে (যেমন চিঠি, নোটিশ ইত্যাদি) অন্য পক্ষের মোকদ্দমার সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ-
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.

১২,২১০.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ মূলত কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. প্রথাগত আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. আন্তর্জাতিক আইন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)। এটি অপরাধের সংজ্ঞা বা শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ না করে বরং ফৌজদারি মামলা পরিচালনার পদ্ধতি নির্ধারণ করে। যেমন: অভিযোগ দায়ের, গ্রেপ্তার, তদন্ত, জামিন, বিচার, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায় প্রদান ও আপিলের নিয়মাবলী এই আইনে উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে,
- মৌলিক আইন (Substantive Law): অপরাধ ও শাস্তির সংজ্ঞা দেয় (যেমন: দণ্ডবিধি)।
- প্রথাগত আইন: সমাজের রীতিনীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আইন।
- আন্তর্জাতিক আইন: রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

১২,২১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩ বিধি-১ অনুসারে আদালতে হাজিরা দেওয়ার কয়টি পদ্ধতি রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩, বিধি ১ (Order III, Rule 1 of the Code of Civil Procedure, 1908) অনুযায়ী,
- একটি পক্ষ আদালতে হাজিরা দিতে পারে তিনটি উপায়ে:
১. ব্যক্তিগতভাবে (In person)
২. স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে (By recognized agent)
৩. আইনজীবীর মাধ্যমে (By pleader)
তবে আদালত চাইলে পক্ষকে নিজে (personally) হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে।

- অতএব: মোট পদ্ধতি: ৩টি → সঠিক অপশন: গ) ৩টি।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ বিধি ১ (উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে)-
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।
------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 3 Rule 1: Appearances, etc. may be in person, by recognized agent or by pleader-
Any appearance, application or act in or to any Court, required or authorised by law to be made or done by a party in such Court, may, except where otherwise expressly provided by any law for the time being in force, be made or done by the party in person, or by his recognized agent, or by a pleader appearing, applying or acting, as the case may be, on his behalf:
Provided that any such appearance shall, if the Court so directs, be made by the in person.
১২,২১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৪ ধারা অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোন শর্তে আপিল করা যাবে না?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট ৫০,০০০ টাকার বেশি জরিমানা করলে।
  2. ম্যাজিস্ট্রেট ২০,০০০ টাকার বেশি জরিমানা করলে।
  3. ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
  4. ম্যাজিস্ট্রেট ১০,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
ব্যাখ্যা
 সঠিক উত্তর: গ) ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী, ধারা ২৬০ এর অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট যদি সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা জরিমানা করেন, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction]:
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫,০০০ টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 414. No appeal from certain summary convictions:
 Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding five thousand Taka only.
১২,২১৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অধীনে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন গঠনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ১১৪
  2. ১১৫
  3. ১১৬
  4. ১১৬ক
ব্যাখ্যা
অধস্তন আদালত:
অনুচ্ছেদ ১১৪ এর বিধান অধস্তন আদালত-সমূহ প্রতিষ্ঠা:
- আইনের দ্বারা যেরূপ প্রতিষ্ঠিত হইবে, সুপ্রীম কোর্ট ব্যতীত সেইরূপ অন্যান্য অধস্তন আদালত থাকিবে।

অনুচ্ছেদ ১১৫ এর বিধান অধস্তন আদালতে নিয়োগ:

- বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।

অনুচ্ছেদ ১১৬ এর বিধানঅধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
- বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

অনুচ্ছেদ ১১৬ক এর বিধান বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন:
 - এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।

অনুচ্ছেদ ১১৫ : অধস্তন আদালতে নিয়োগ  'বিচার বিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন।' 
সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা বলেই 'বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন' গঠনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
BJSC'র রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি: বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন বিধিমালা, ২০০৭।
১২,২১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ ধারা দেওয়ানি আদালতের কোন এখতিয়ারের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আর্থিক এখতিয়ার
  2. স্থানীয় এখতিয়ার
  3. বিষয়ভিত্তিক এখতিয়ার
  4. বিশেষ এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে ১৫ ধারায় আদালতের বিবেচ্য বিষয় আদালতের আর্থিক এখতিয়ার।
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা- ১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"
অর্থাৎ, প্রত্যেকটি দেওয়ানী মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
এখানে, এখতিয়ার বলতে আর্থিক এখতিয়ার বুঝানো হয়েছে।
সুতরাং, কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 15. Court in which suits to be instituted.
 Every suit shall be instituted in the Court of the lowest grade competent to try it.
১২,২১৫.
দণ্ডবিধির ১২১ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে,
- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
Section 121- Waging or attempting to wage war, or abeting waging of war, against Bangladesh:
- Whoever wages war against Bangladesh, or attempts to wage such war, or abets the waging of such war, shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
১২,২১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৮ অনুসারে একজন next friend বা guardian for the suit হিসেবে কাজ করতে হলে কোন শর্তটি অপরিহার্য?
  1. তিনি অবশ্যই আসামি হতে হবে
  2. তিনি minor-এর ভাইবোন হতে হবে
  3. তিনি অবশ্যই মামলার বাদী হতে হবে
  4. তিনি সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(১) অনুসারে একজন Next Friend বা Guardian for the suit হওয়ার জন্য নিম্নলিখিত শর্তগুলি অপরিহার্য:
- সুস্থ মস্তিষ্কের (sound mind) হতে হবে
- প্রাপ্তবয়স্ক (attained majority) হতে হবে
- নাবালকের স্বার্থের বিরোধী কোন স্বার্থ তার থাকা চলবে না
- Next Friend-এর ক্ষেত্রে তিনি মামলার বিবাদী হতে পারবেন না
- Guardian for the suit-এর ক্ষেত্রে তিনি মামলার বাদী হতে পারবেন না
অতএব, "সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া" এই শর্তটি অপরিহার্য।

অন্য অপশনগুলো ভুল:
ক) তিনি অবশ্যই আসামি হতে হবে → next friend হলে বিবাদী হওয়া যায় না, আর guardian for the suit হলে বাদী হওয়া যায় না।
খ) তিনি minor-এর ভাইবোন হতে হবে → কোথাও এমন শর্ত নেই।
গ) তিনি অবশ্যই মামলার বাদী হতে হবে → guardian for the suit হলে বাদী হওয়া যায় না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-4: Who may act as next friend or be appointed guardian for the suit. 
(1) Any person who is of sound mind and has attained majority may act as next friend of a minor or as his guardian for the suit: Provided that the interest of such person is not adverse to that of the minor and that he is not, in the case of a next friend, a defendant, or, in the case of a guardian for the suit, a plaintiff.
(2) Where a minor has a guardian appointed or declared by competent authority, no person other than such guardian shall act as the next friend of the minor or be appointed his guardian for the suit unless the Court considers for reasons to be recorded, that it is for the minor's welfare that another person be permitted to act or be appointed, as the case may be.
(3) No person shall without his consent be appointed guardian for the suit.
(4) Where there is no other person fit and willing to act as guardian for the suit, the Court may appoint any of its officers to be such guardian, and may direct that the costs to be incurred by such officer in the performance of his duties as such guardian shall be borne either by the parties or by any one or more of the parties to the suit, or out of any fund in Court in which the minor is interested, and may give directions for the repayment or allowance of such costs as justice and the circumstances of the case may require.

১২,২১৭.
দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে নিম্নের কে নারী সপিণ্ড নয়?
  1. কন্যা
  2. মাতা
  3. বোন
  4. পিতার মাতা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

• মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ— তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:

১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা;
৫. পিতার পিতার মাতা।
১২,২১৮.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৯৫ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তি বর্ণিত হয়েছে?
  1. কবরস্থানে অবৈধ প্রবেশ
  2. ধর্মীয় উপাসনা চলাকালে বিরক্তি সৃষ্টি
  3. ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তু নষ্ট বা অপবিত্র করা
  4. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য শব্দ উচ্চারণ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৯৫ ধারায় যে অপরাধের বিধান রয়েছে তা হলো: কোন উপাসনালয় ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করা।
- কোন শ্রেণির ব্যক্তিদের কাছে পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করা। এই কাজটি করতে হবে কোন শ্রেণির ধর্মকে insult করার উদ্দেশ্যে অথবা এই জ্ঞান সত্ত্বেও যে, এই কাজটি উক্ত শ্রেণির ধর্মের প্রতি একটি insult হিসেবে গণ্য হবে।
অন্যদিকে,
ক) কবরস্থানে অবৈধ প্রবেশ → এটি ধারা ২৯৭ তে বর্ণিত।
খ) ধর্মীয় উপাসনা চলাকালে বিরক্তি সৃষ্টি → এটি ধারা ২৯৬ তে বর্ণিত।
ঘ) ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য শব্দ উচ্চারণ → এটি ধারা ২৯৮ তে বর্ণিত।
সুতরাং, ২৯৫ ধারার মূল বিষয় হলো ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তুকে নষ্ট বা অপবিত্র করা।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা- কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 295, Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:
Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১২,২১৯.
নিম্নের কোনটি অর্থবিলের বিষয় নয়?
  1. কোনো কর আরোপ
  2. স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
  3. সরকারের হিসাব নিরীক্ষা
  4. সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ কোন কোন বিল 'অর্থ বিল' বলে গণ্য হয় সেটা সংবিধানের ৮১ (১) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, যে সকল বিল 'অর্থ বিল' না সেগুলো সংবিধানের ৮১ (২) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। সংবিধানের ৮১ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ সংক্রান্ত বিল, অর্থ বিল না।


⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদের বিধান: অর্থবিল:
 (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে: 

(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
 
(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
 
(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
-----------
⇒ Article 81 Money Bills:
 (1) In this Part “Money Bill” means a Bill containing only provisions dealing with all or any of the following matters – 

(a) the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax; 
(b) the borrowing of money or the giving of any guarantee by the Government, or the amendment of any law relating to the financial obligations of the Government; 
(c) the custody of the Consolidated Fund, the payment of money into, or the issue or appropriation of moneys from, that Fund; 
(d) the imposition of a charge upon the Consolidated Fund or the alteration or abolition of any such charge; 
(e) the receipt of moneys on account of the Consolidated Fund or the Public Account of the Republic, or the custody or issue of such moneys, or the audit of the accounts of the Government; 
(f) any subordinate matter incidental to any of the matters specified in the foregoing sub clauses. 

(2) A Bill shall not be deemed to be a Money Bill by reason only that it provides for the imposition or alteration of any fine or other pecuniary penalty, or for the levy or payment of a licence fee or a fee or charge for any service rendered, or by reason only that it provides for the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax by a local authority or body for local purposes. 

(3) Every Money Bill shall, when it is presented to the President for his assent, bear a certificate under the hand of the Speaker that it is a Money Bill, and such certificate shall be conclusive for all purposes and shall not be questioned in any court.
১২,২২০.
According to Section 152 of The Evidence Act, 1872: The Court ______ any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which appears to the Court needlessly offensive in form.
  1. may allow
  2. shall forbid
  3. may forbid
  4. can allow
ব্যাখ্যা
• Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো প্রশ্ন সাক্ষীকে অপমানিত বা উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে আদালত সেই প্রশ্নকে অগ্রাহ্য করতে পারে। অর্থাৎ এরকম প্রশ্নের প্রয়োজন নেই এবং আদালত এই ধরনের প্রশ্ন প্রসঙ্গে বর্জন করতে পারে।
১২,২২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) কোন ধরনের আইনের অন্তর্গত?
  1. তত্ত্বগত আইন
  2. শাস্তিমূলক আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. প্রশাসনিক আইন
ব্যাখ্যা

⇒  তত্ত্বগত আইন ব্যক্তির অধিকার, কর্তব্য ও দায়িত্ব নির্ধারণ করে এবং প্রতিকারের বিধান দেয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন দেওয়ানি মামলায় বিশেষ প্রতিকার (যেমন: সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া বা চুক্তি বাস্তবায়ন) প্রদান করে, যা অধিকার সংরক্ষণের জন্য তত্ত্বগত। পদ্ধতিগত আইন মামলার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে, যা এর থেকে ভিন্ন।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) হলো তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)।
- তত্ত্বগত আইন এমন আইন, যা কোনো ব্যক্তির অধিকার, কর্তব্য বা দায়িত্ব নির্ধারণ করে এবং শাস্তির বিধান দেয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে দেওয়ানি মামলায় বিশেষ ধরণের প্রতিকার (যেমন: সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া, চুক্তি বাস্তবায়ন) প্রদানের জন্য বিধান রয়েছে, যা ব্যক্তির অধিকার সংরক্ষণ করে।

অন্যদিকে, পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law) হলো আইন, যা মামলার বিচারপ্রক্রিয়া বা পদ্ধতি নির্ধারণ করে (যেমন: দেওয়ানী কার্যবিধি বা ফৌজদারি কার্যবিধি)।

অতএব, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন হলো তত্ত্বগত আইন, কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে এবং প্রতিকার দেয়।

১২,২২২.
দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী একজন ব্যক্তি ৫০ টাকা জরিমানা দিতে অস্বীকার করলে, আদালত সর্বোচ্চ কত দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
ব্যাখ্যা

→দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী, অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:-
- অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না,
- যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; 
- অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনূর্ধ্ব  চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং
- এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।

অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড:
যদি কোনো অপরাধ শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য হয় এবং অপরাধী অর্থদণ্ড প্রদান করতে না পারে, তাহলে আদালত তার পরিবর্তে কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারে। কারাদণ্ড হবে বিনাশ্রম কারাদণ্ড। আদালত অর্থদণ্ডের পরিমাণ অনুযায়ী কারাদণ্ডের মেয়াদ নির্ধারণ করবেন।
পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক দুই মাস।
একশত টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক চার মাস।
অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক ছয় মাস।
উদাহরণ:
ক) একজন ব্যক্তি ৫০ টাকা জরিমানা দিতে অস্বীকার করলে, আদালত সর্বোচ্চ ২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে।
খ) যদি জরিমানার পরিমাণ ১০০ টাকা হয়, তাহলে কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৪ মাস হতে পারে।
গ) যদি জরিমানা ১০০ টাকার বেশি হয়, তাহলে সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড দেওয়া যাবে।
-------------
→ The Penal Code,1860- Section 67: Imprisonment for non-payment of fine, when offence punishable with fine only:
 If the offence be punishable with fine only, the imprisonment which the Court imposes in default of payment of the fine shall be simple, and the term for which the Court directs the offender to be imprisoned, in default of payment of fine, shall not exceed the following scale, that is to say, for any term not exceeding two months when the amount of the fine shall not exceed fifty taka, and for any term not exceeding four months when the amount shall not exceed one hundred taka, and for any term not exceeding six months in any other case.

১২,২২৩.
দোষ স্বীকার করার পেক্ষিতে প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে আসমি কোন প্রশ্নে আপিল করতে পারেন?
  1. দণ্ড
  2. আইন
  3. এখতিয়ার
  4. কেবল আইন
ব্যাখ্যা
♦দোষস্বীকারের ভিত্তিতে প্রদত্ত দণ্ডের ক্ষেত্রে ৪১২ ধারা অনুসারে কোন আপীল করা যায় না। কিন্তু ৪১২ ধারা অনুসারে দণ্ডের মাত্র বা বৈধতার বিষয়ে আপীল করা যায়।
♦অর্থাৎ দোষ স্বীকার করার পেক্ষিতে প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে আসমি দণ্ডের মাত্র বা বৈধতার প্রশ্নে আপিল করতে পারেন।
১২,২২৪.
সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রতিপালনের ক্ষেত্রে যদি আদালত সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করে, তবে রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে উক্ত ডিক্রি কার্যকর করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা-৮২: ডিক্রি জারি:
১) সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।

Sec.-82: Execution of decree-
1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.

2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
১২,২২৫.
কোনো কাজের Motive সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৮ ধারায়
  3. ১০ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮-উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ:
বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সংঘটনে অভিপ্রায় বা উদ্যোগ যে বিষয়ের দ্বারা সৃষ্টি হয় বা যে বিষয় হইতে দৃষ্ট হয়, তাহা প্রাসঙ্গিক বিষয়।কোন মামলা বা বিচার কার্যক্রম সম্পর্কে অথবা উহাতে বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক কোন বিষয় সম্পর্কে উক্ত মামলা বিচার যা কার্যক্রমের কোন পক্ষ বা কোন পক্ষের প্রতিনিধির আচরণ এবং যে ব্যাক্তির বিরুদ্ধে সংঘটিত কোন অপরাধ কোন ফৌজদারী কার্যক্রমের বিষয়বস্তু, তাহার আচরণ যদি কোন বিচাৰ্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে প্রভাবিত করে বা তদ্দারা প্রভাবিত হয় তরে সেই আচরণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পূর্ববর্তী হউক বা পরবর্তীই হউক, তাহা প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় ৩টি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-
(i) অভিপ্রায় (Motive);
(ii) প্রস্তুতি (Preparation);
(iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct).
১২,২২৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কোন ধারা অনুযায়ী আংশিক দলিল বাতিল করা যায়?
  1. ৩২ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৯ ধারা
  4. ৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪০ ধারা অনুযায়ী কোন দলিল যদি বিভিন্ন অধিকার/বাধ্যবাধকতার সাক্ষী হয় তাহলে আদালত সংশ্লিষ্ট মামলায় তা আংশিক ভাবে বিলোপ করতে পারেন এবং বাকী অংশ বহাল রাখতে পারেন।
১২,২২৭.
'An appellate court shall have power to take additional evidence or require such evidence to be taken'- বিধানটি The Code of Civil Procedure,1908 এর কোথায় বর্ণিত আছে?
  1. Order XLI rule 27
  2. Order XLI rule 17
  3. Section 107
  4. Section 96
ব্যাখ্যা
Section 107- Powers of Appellate Court:

(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
১২,২২৮.
১৮৩৪ সালে গঠিত প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন-
  1. G.W. Anderson
  2. F. Millet
  3. J.M. Macleod
  4. Lord Macaulay
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে।
⇒ প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)
⇒ প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod।

এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।
১২,২২৯.
সংবিধানের___________অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিয়োগ দিয়ে থাকে?
  1. ১১৬ অনুচ্ছেদে
  2. ১১৭ অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৩ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
♦সংবিধানের  ১১৫ অনুচ্ছদের বিধান অধস্তন আদালতে নিয়োগঃ বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।
♦যেহেতু দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ হলো বিচার বিভাগীয় পদ। তাই রাষ্ট্রপতি তাদের নিয়োগ ১১৫ অনুচ্ছদের অধীন দিয়ে থাকে।
১২,২৩০.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের অধীন অপরাধসমূহ কোন ধরনের অপরাধ?
  1. Bailable
  2. Cognizable
  3. Non-cognizable
  4. Compoundable
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৬: অপরাধের আমলযোগ্যতা, আপোষযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা:
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) , অ-জামিনযোগ্য(non-bailable) এবং অ-আপোসযোগ্য (non-compoundable) হইবে।
১২,২৩১.
আদালত কর্তৃক কোনো সম্পত্তি বা বস্তু পরিদর্শনের ক্ষমতা বিষয়ে The Code of Civil Procedure, 1908 এর বিধান কোনটি?
  1. Order 26 rule 6
  2. Section 151
  3. Order 18 rule 18
  4. Order 49 rule 1
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

- আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:  
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন। 
-------------
Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
১২,২৩২.
দণ্ডবিধির অনুসারে wrongful confinement এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ তিন দিনের বেশি সময় ধরে অন্য কোনো ব্যক্তিকে wrongful confinement (অবৈধ অবরোধ) করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, অথবা জরিমানা বা উভয়টাই হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১২,২৩৩.
'ক' একটা ফার্মের নিকট দেনাগ্রস্ত। চ, ছ এবং জ সেই ফার্মের অংশীদার। চ ও ছ উম্মাদ এবং জ নাবালক। এক্ষেত্রে-
  1. শুধুমাত্র 'চ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  2. শুধুমাত্র 'ছ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে
  3. শুধুমাত্র 'জ" এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে
  4. 'চ', 'ছ', 'জ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন ১৯০৭ এর ৭ ধারা অনুসারে 'চ', 'ছ', 'জ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে

ধারা-৭ (কতিপয় বাদী অথবা দরখাস্তকারীর একজনের অপারগতা: যেইক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার অথবা ডিক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী এবং তাহাদের একজন উপরোক্ত প্রকারের অপারগতা এবং তাহার সম্মতি ছাড়াই দায়মুক্ত করা চলে, সেই ক্ষেত্রে তাহাদের সকলের প্রতিকূলেই তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে থাকিবে। কিন্তু যেইক্ষেত্রে অনুরূপভাবে দায়মুক্ত করিবার যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত অথবা উপরোক্ত অপারগতার অবসান না হওয়া পর্যন্ত তাহাদের কাহারও প্রতিকূলে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইবে না।
----------
Section 7: Disability of one of several plaintiffs or applicants: Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all: but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.

১২,২৩৪.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর কোন ধারায় 'মুদ্রা'র সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২৫০
  2. ধারা ২৪০
  3. ধারা ২৩০
  4. ধারা ২২০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
- বাংলাদেশি মুদ্রা:- বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) কড়ি (কাউরি) মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তামার টুকরো, যদিও তা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়, মুদ্রা নয়।
(গ) মেডেল মুদ্রা নয়, কারণ সেগুলো অর্থরূপে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় না।
(ঘ) কোম্পানির টাকা নামে পরিচিত মুদ্রা রানির মুদ্রা।
(ঙ) "ফরুখাবাদ" টাকা, যা পূর্বে ভারত সরকারের কর্তৃত্বে অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো, তা বাংলাদেশি মুদ্রা হিসেবেই গণ্য হবে, যদিও তা এখন আর ব্যবহৃত হয় না।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 230. “Coin” defined Bangladesh coin:
- Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used.
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money.

Illustrations:
(a) Cowries are not coin.
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin.
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money.
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin.
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.

১২,২৩৫.
''An accomplice shall be a competent witness against an accused person''. বিধানটি The Evidence Act,1872 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৩২ ধারা 
  2. ১৩৩ ধারা 
  3. ১১৪ ধারা 
  4. ১২০ ধারা 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনে ১৮৭২,ধারা ১৩৩, সহযোগী: দুষ্কর্মের সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবার উপযুক্ত লোক বলিয়া বিবেচিত হইবে; সহযোগীর সমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে শান্তি দেওয়া হইলে কেবলমাত্র সেই কারণেই উক্ত শাস্তি বেআইনি হইবে না।
---------------------------------
The Evidence Act 1872, Section133, Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

১২,২৩৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারার অধীনে নির্বাহী কর্তৃপক্ষকে 'compliance report' জমা দেয়ার আদেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৯০
  2. ধারা ৯১
  3. ধারা ৯৪
  4. ধারা ৯৪ক
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯৪ক: আদেশ বা ডিক্রি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে:
 আদালত যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য নির্বাহী কর্তৃপক্ষ, যার মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অন্তর্ভুক্ত, তাদের নির্দেশ দিতে পারে যাতে তারা আদালত কর্তৃক মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সহায়তা করে এবং আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্মতি প্রতিবেদন (compliance report) জমা দেয়।

[For the purpose of execution of any decree or order, the Court may direct the executive authorities, including law enforcement agencies, to assist any person designated by it and to submit compliance report within the time specified by it.]

১২,২৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাটি 'BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363)' মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ১৪৪ ধারা
  2. ১৫৪ ধারা
  3. ১৬৭ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত।
এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:
পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
১২,২৩৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে কোনো ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে, সাধারণত কতদিনের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে হয়?
  1. ৬ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৪ দিনের মধ্যে
  4. ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

• আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-
মোকদ্দমার কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
১২,২৩৯.
৩৪ ধারার অধীনে কোন পরিস্থিতিতে যৌথ দায় বা Joint Liability প্রযোজ্য হয়?
  1. যদি অপরাধের পরিকল্পনা শুধুমাত্র এক ব্যক্তি দ্বারা করা হয়
  2. যদি অপরাধের কোন পূর্ব পরিকল্পনা না থাকে
  3. যদি অপরাধ দুই বা ততোধিক ব্যক্তি দ্বারা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সংঘটিত হয়
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান- কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলী:

যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।

সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি। এটির মাধ্যমে যৌথ দায় বা Joint Liability নির্ধারন হয়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে উক্ত ব্যক্তিগণের অপরাধ করার সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention ছিল বলে মনে করতে হবে। ৩৪ ধারার অধীন সাধারণ উদ্দেশ্য (Common Intention) এর জন্য কোন ব্যক্তিকে যৌথভাবে দায়ী করতে হলে অপরাধটি অবশ্যই সংগঠিত হতে হবে এবং সেখানে সর্বনিম্ন ২ জন ব্যক্তি থাকতে হবে। কারণ দুইয়ের অধিক না থাকলে সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention) গঠিত হয় না।
১২,২৪০.
কোন রিভিউ দরখাস্ত না-মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. রেফারেন্স
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারায় এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ধারা ১১৪ এবং ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন করা যায় যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান নেই বা যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান আছে কিন্তু আপীল করে নাই।

♦যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। অর্থাৎ রিভিউযোগ্য কোন ডিক্রি যে আদালত উক্ত ডিক্রিটি প্রদান করে সে আদালতে রিভিউ এর জন্য দায়ের করতে হবে এবং সেই ক্ষেত্রে উক্ত আদালত (ডিক্রি প্রদানকারী আদালত যার নিকট ডিক্রিটি রিভিউ এর জন্য বিবেচনা করার জন্য দাখিল করা হয়েছে) সেই আদালত উক্ত রিভিউ এর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারে।

♦ ৪৭ আদেশ ৪ বিধি এর বিধান যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র অগ্রাহ্য হয় (Application where rejected): আদালত যদি মনে করেন রিভিউ এর যথেষ্ট কারণ আছে তাহলে তা মঞ্জুর করতে এবং যদি মনে করেন যথেষ্ট কারণ নেই তাহলে তা না মঞ্জুর করতে পারেন।

♦ ৪৭ আদেশ ৭ বিধি এর বিধান প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য নয় ; আবেদন মঞ্জুর করার আদেশে আপত্তি (Order of rejection not appealable Objection to order granting application): রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে তবে রিভিউ আবেদন না মঞ্জুর করলে রিভিশন চলবে।

♦ অর্থাৎ রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে কিন্তু রিভিউ আবেদন না-মঞ্জুর করলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রিভিশন দায়ের করতে পারে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ আদেশের ৪(১) বিধি অনুযায়ী আদালত রিভিউ আবেদন অগ্রাহ্য (না-মঞ্জুর) করতে পারে এবং ৪(২) বিধি অনুযায়ী আদালত রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করতে পারে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ আদেশে বলা হয়েছে, ৪৭ আদেশের ৪ বিধি অনুযায়ী রিভিউর আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে উক্ত আদেশ হবে আপীলযোগ্য আদেশ। অর্থাৎ উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। কিন্তু রিভিউ আবেদন না মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তা আপীলযোগ্য আদেশ নয়। তাই এর বিরুদ্ধে আপীল (আপত্তি) করা যায় না।দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল আদেশ এবং ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল চলে না তার বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে। সুতরাং যেহেতু রিভিউ আবেদন না-মঞ্জুর কোন আপীলযোগ্য আদেশ নয়, তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন দায়ের করা যাবে। 

 রিভিউ সংক্রান্ত অন্যান্য বিধানাবলী-
♦আদালত রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে, তবে রিভিউর আবেদন না মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে রিভিশন চলবে।

♦কোন পক্ষ যদি কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল না করে, তবে সে পক্ষ অন্য পক্ষের আপিল বিচারাধীন থাকা সত্বেও রায় পুনঃনিরীক্ষণ করার জন্য দরখাস্ত করতে পারবে। কিন্তু যেক্ষেত্রে আপিলের কার্যক্রমের শর্তসমূহ দরখাস্তকারী ও আপিলকারীর জন্য একই বা যেক্ষেত্রে উত্তরদায়ক হিসেবে আদালতে হাজির হয়ে উক্ত ব্যক্তি স্বীয় বক্তব্য পেশ করতে পারবে, সেক্ষেত্রে রিভিউয়ের দরখাস্ত করা চলবে না।

♦সাধারণত রিভিউ শুধু দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রেও তার রায় বা আদেশ রিভিউ করতে পারবে।

♦৪৭ নং আদেশের ৭(২) বিধিমতে রিভিউ আবেদনকারী রিভিউ শুনানীর সময় আদালতে অনুপস্থিত থাকলে বা হাজির না হলে, আদালত রিভিউ আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
১২,২৪১.
'mutatis mutandis' means-
  1. without changes
  2. with necessary changes
  3. mutual relationship
  4. mediation in appeal
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ ধারা ৮৯গ (আপিলে মধ্যস্থতা)-

১- আপিল আদালত আপিলের মধ্যস্থতা করবেন বা কোন আপিলের তর্কিত বিষয় বা বিষয়সমূহের নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে আপিলটিকে মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করতে পারেন, যদি আপিলটি আদেশ ৪১ (XLI) এর অধীন এবং আদি মোকদ্দমায় প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন এমন পক্ষসমূহের মধ্যে অথবা এরূপ আদি প্রতিদ্বন্দিতাকারী পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত কোন পক্ষের মধ্যকার আদি আপিল হয়ে থাকে।

২- উপধারা (১) এর অধীন মধ্যস্থতাকরণের ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (mutatis mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।

Section: 89C- Mediation in Appeal
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
১২,২৪২.
বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে হিসাব করে ১ম সভা অনুষ্ঠিত হবে-
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ৩ মাসের মধ্যে
  3. ২ মাসের মধ্যে
  4. ১ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহব্বান করবেন।
১২,২৪৩.
পেনাল কোড এ বর্ণিত দ্বীপান্তর এর শক্তি স্থলাভিষিক্ত করা হয় যে প্রকারের কারাদন্ড দিয়ে তা হলো-
  1. ১৪ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
♦ধারা ৫৩ক মতে কারাবাস উল্লেখের ব্যাখ্যা:- (১) (২) উপধারার শর্তাবলী সাপেক্ষে, সাময়িকভাবে প্রচলিত অপর যেকোন আইনে যেখানে যাবজ্জীবন ‘দ্বীপান্তর'-এর উল্লেখ রয়েছে, সেখানে উহা যাবজ্জীবন কারাবাস' ধরতে হবে।
(২) বর্তমানে প্রচলিত যেকোন আইনে কোন মেয়াদের বা স্বল্প মেয়াদের জন্য যেকোনভাবে হোক না কেন, দ্বীপান্তরের উল্লেখ থাকলে উহা রদ বলে পরিগণিত হবে।
(৩) বর্তমানে প্রচলিত অপর যেকোন আইনে, যেখানে দ্বীপান্তর উলেখ রয়েছে:
(ক) সেখানে উহা যদি যাবজ্জীবন দ্বীপান্তর বুঝায়, তবে উহাকে যাবজ্জীবন কারাবাস ধরতে
(খ) সেখানে উহা যদি স্বল্পতর মেয়াদের দ্বীপান্তর বুঝায়, তবে উহা রদ হিসেবে গণ্য হবে।

♦অর্থাৎ পেনাল কোড এর ৫৩ক ধারায় বলা হয়েছে যাবজ্জীবন দীপান্তর (Transportation for Life) কে যাবজ্জীবন কারাবাস (Imprisonment for Life ) বলে গণ্য করতে হবে।
১২,২৪৪.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৭৭ অনুযায়ী রেজিস্ট্রারের অগ্রাহ্যের আদেশের পর কত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৭৭(১) অনুসারে, রেজিস্ট্রার কর্তৃক দলিল নিবন্ধন অগ্রাহ্য করার আদেশ প্রদানের পর ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। এই মামলার মাধ্যমে আদালতের কাছে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য ডিক্রি চাওয়া যায়।

⇒ The Registration Act, 1908 এর ৭৭ ধারা: রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশের ক্ষেত্রে মামলা:
(১) যেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার ধারা ৭২ বা ধারা ৭৬ এর অধীন দলিল নিবন্ধনের জন্য আদেশ প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত দলিলের কোন গ্রহীতা, তাহার প্রতিনিধি, মনোনীত ব্যক্তি বা এজেন্ট উক্ত অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যে দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে অবস্থিত কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছিল, সেই কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধিত হওয়ার নির্দেশ-সংবলিত ডিক্রি লাভের উদ্দেশ্যে উক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন, যদি এইরূপ ডিক্রি প্রদানের পর ত্রিশ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দলিলটি যথাযথরূপে দাখিল করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, মামলা দায়ের করিতে ব্যর্থতা বা এই ধারার অধীন দায়েরকৃত মামলার খারিজ হইয়া যাওয়া, পক্ষকে অন্য কোন প্রতিকার পাওয়ার অধিকার হইতে বঞ্চিত করিবে না, যাহা তিনি অনিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতে পাইতে পারিতেন।

(২) প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিধানাবলি এইরূপ কোন ডিক্রি অনুসারে নিবন্ধনের জন্য দাখিলকৃত সকল দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, এবং, এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দলিলটি উক্তরূপ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
----------
⇒ Section 77- Suit in case of order of refusal by Registrar: 
(1) Where the Registrar refuses to order the document to be registered, under section 72 or section 76, any person claiming under such document, or his representative, assign or agent, may, within thirty days after the making of the order of refusal, institute in the Civil Court, within the local limits of whose original jurisdiction is situate the office in which the document is sought to be registered, a suit far a decree directing the document to be registered in such office if it be duly presented for registration within thirty days after the passing of such decree: 
Provided that failure to file a suit or the dismissal of a suit filed under this section shall not disentitle a party to any other remedy to which he may be entitled, on the basis of the unregistered document. 

(2) The provisions contained in sub-sections (2) and (3) of section 75 shall, mutatis mutandis, apply to all documents presented for registration in accordance with any such decree, and, notwithstanding anything contained in this Act, the document shall be receivable in evidence in such suit.

১২,২৪৫.
এস, এ খতিয়ান কোন আইনের অধীনে তৈরি?
  1. Bengal Tenancy Act, 1885
  2. The Survey Act, 1875
  3. State Acquisition and Tenancy Act, 1950
  4. Cadastral Survey Act, 1888
ব্যাখ্যা

এস.এ (SA) খতিয়ান:
- SA খতিয়ান বলতে বোঝায় State Acquisition খতিয়ান, অথবা Settlement Attestation খতিয়ান।
- এটি অনেক সময় PS খতিয়ান বা Pakistan Survey খতিয়ান নামেও পরিচিত।
- এই খতিয়ান State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর অধীনে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
- এটি বাস্তব/মাঠ জরিপের ভিত্তিতে তৈরি নয়, বরং জমিদার বা মালিকের দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই খতিয়ান খুব একটা নির্ভরযোগ্য নয়।

১২,২৪৬.
নিবন্ধনের অবৈধতা সম্পর্কে সর্বপ্রথম অবগত হওয়ার পর পুনঃনিবন্ধনের জন্য দলিল দাখিল করতে হবে কত মাসের মধ্যে?
  1. ৩ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান মতে: দলিল নিবন্ধন করার ক্ষমতাসম্পন্ন নয় এমন ব্যক্তি রেজিস্ট্রার বা সাব রেজিস্ট্রারের নিকট কোন দলিল দাখিল করে নিবন্ধন করলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে।
- উক্ত দলিলের নিবন্ধন অবৈধ হয়েছে জানার দিন থেকে ৪ মাসের মধ্যে পুনরায় রেজিস্ট্রারের নিকট নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।

⇒ নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান: কতিপয় দলিলের পুনঃনিবন্ধন (Re-registration of certain documents):
- যদি কোন ক্ষেত্রে দলিল দাখিল করার ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক নিবন্ধনযোগ্য কোন দলিল নিবন্ধনের জন্য রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট পেশ করে এবং উক্ত দলিল নিবন্ধিত হয়, তবে উক্ত দলিলের দাবিদার এমন কোন ব্যক্তি উক্ত দলিল নিবন্ধনের অবৈধতা সম্পর্কে সর্বপ্রথম অবগত হওয়ার পর ৪ মাসের মধ্যে জেলার যেই রেজিস্ট্রারের অফিসে দলিলটি প্রথম নিবন্ধিত হয়েছিল ঐ রেজিস্ট্রারের অফিসে পুনরায় নিবন্ধনের জন্যে দাখিল করতে বা দাখিল করাতে পারেন এবং রেজিস্ট্রার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে-
- দলিলটি দাখিল করার প্রকৃত ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির নিকট হতে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হয়েছিল, তবে তিনি দলিলটি পুনঃনিবন্ধনের বিষয়ে এরূপভাবে অগ্রসর হবেন যেন তা পূর্বে কোন সময় নিবন্ধিত হয়নি এবং যেন পুনঃনিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন প্রদত্ত সময়ের মধ্যে দলিল নিবন্ধনের জন্য দাখিল করার অনুমোদিত সময়ের মধ্যেই হয়েছে;
- দলিল নিবন্ধন বিষয়ক এই আইনের সকল শর্ত উক্ত পুনঃনিবন্ধনে প্রযোজ্য হবে;
- উক্ত দলিল যদি এই ধারার শর্তাবলি অনুযায়ী যথেষ্টরূপে পুনরায় নিবন্ধিত হয় সেক্ষেত্রে তার প্রথম নিবন্ধনের তারিখেই সঠিকরূপে নিবন্ধিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
----------------------
Section-23A. Re-registration of certain documents:
-Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act, if in any case a document requiring registration has been accepted for registration by a Registrar or Sub-Registrar from a person not duly empowered to present the same, and has been registered, any person claiming under such document may, within four months from this first becoming aware that the registration of such document is invalid, present such document or cause the same to be presented, in accordance with the provisions of Part VI for re-registration in the office of the Registrar of the district in which the document was originally registered; and upon the Registrar being satisfied that the document was so accepted for registration from a person not duly empowered to present the same, he shall proceed to the re-registration of the document as if it had not been previously registered, and as if such presentation for re-registration was a presentation for registration made within the time allowed therefor under Part IV, and all the provisions of this Act, as to registration of documents, shall apply to such re-registration; and such document, if duly re-registered in accordance with the provisions of this section, shall be deemed to have been duly registered for all purposes from the date of its original registration:
 
Provided that, within three months from the twelfth day of September, 1917, any person claiming under a document to which this section applies may present the same or cause the same to be presented for re-registration in accordance with this section, whatever may have been the time when he first became aware that the registration of the document was invalid.

১২,২৪৭.
No election to the office of President or to Parliament shall be called in question except by _______ presented to such authority and in such manner as may be provided for by or under any law made by Parliament. 
  1. a writ petition
  2. an election petition
  3. public petition
  4. none of above
ব্যাখ্যা
Article 125: Validity of election law and elections

Notwithstanding anything in this Constitution – 
(a) the validity of any law relating to the delimitation of constituencies, or the allotment of seats to such constituencies, made or purporting to be made under article 124, shall not be called in question in any court; 
 
(b) no election to the office of President or to Parliament shall be called in question except by an election petition presented to such authority and in such manner as may be provided for by or under any law made by Parliament. 
 
(c) A court shall not pass any order or direction, ad interim or otherwise, in relation to an election for which schedule has been announced, unless the Election Commission has been given reasonable notice and an opportunity of being heard.

অনুচ্ছেদ ১২৫: নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা

এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-

(ক) এই সংবিধানের ১২৪ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বা প্রণীত বলিয়া বিবেচিত নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ, কিংবা অনুরূপ নির্বাচনী এলাকার জন্য আসন-বণ্টন সম্পর্কিত যে কোন আইনের বৈধতা সম্পর্কে আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না;

(খ) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনের দ্বারা বা অধীন বিধান-অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের নিকট এবং অনুরূপভাবে নির্ধারিত প্রণালীতে নির্বাচনী দরখাস্ত ব্যতীত রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন বা সংসদের কোন নির্বাচন সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

(গ) কোন আদালত, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হইয়াছে এইরূপ কোন নির্বাচনের বিষয়ে, নির্বাচন কমিশনকে যুক্তিসংগত নোটিশ ও শুনানির সুযোগ প্রদান না করিয়া, অন্তর্বর্তী বা অন্য কোনরূপে কোন আদেশ বা নির্দেশ প্রদান করিবেন না।
১২,২৪৮.
চুক্তি গঠনের প্রথম ধাপ কোনটি?
  1. সম্মতি
  2. প্রস্তাব
  3. প্রতিশ্রুতি
  4. নিবন্ধন
ব্যাখ্যা
চুক্তি (Contract) গঠনের জন্য সাধারণত নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করা হয়:ণ

১. প্রস্তাব (Proposal / Offer):
- এটাই চুক্তি গঠনের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
- যখন একজন ব্যক্তি অন্যকে কিছু করার বা না করার ইচ্ছা প্রকাশ করে এবং সেই কাজের জন্য অপর পক্ষের সম্মতি চায়, তখন তাকে প্রস্তাব বলা হয়।

উদাহরণ:
রাহুল একজন গাড়ি বিক্রেতা। সে জয়নালকে বলে, “আপনাকে আমি আমার গাড়িটি ৫ লক্ষ টাকায় দিতে চাই।”- এটি একটি প্রস্তাব।

২. সম্মতি (Acceptance):
যদি প্রস্তাবপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রস্তাবে সম্মতি দেয়, তাহলে সেটি প্রস্তাব গ্রহণ হিসেবে গণ্য হয় এবং তখন প্রস্তাবটি প্রতিশ্রুতি (Promise)-তে রূপ নেয়।

৩. প্রতিশ্রুতি (Promise) ও চুক্তি:
যখন সম্মতির সাথে কোনো বিনিময়মূল্য বা consideration জড়িত থাকে, তখন সেটা আইনত চুক্তি (Contract) হিসেবে গণ্য হয়।
১২,২৪৯.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান কী?
  1. Opinion as to handwriting, when relevant
  2. Facts bearing upon opinions of experts
  3. Opinion of experts on physical or forensic evidence
  4. Opinion as to digital signature where relevant
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: -
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষী দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------
⇒ Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.- ( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১২,২৫০.
কোনো বেসরকারি ব্যবসা সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ The Contract Act, 1908 এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী কিরূপ ক্ষতিপূরণ পাবে?
  1. চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণ
  2. চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের ২/৩ ভাগ
  3. চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণসহ ৬.৫% সুদ
  4. চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের সীমার মধ্যে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ৭৪ ধারার বিধান জরিমানার শর্তযুক্ত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ:
- যখন কোন চুক্তিভঙ্গ হয় তখন চুক্তিতে যদি এরূপ ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে অথবা
- জরিমানাস্বরূপ অন্য কোন শর্ত যদি চুক্তিতে সংযুক্ত থাকে তাহলে-
চুক্তিভঙ্গের অভিযোগকারী পক্ষ উক্ত ভঙ্গের কারনে তার প্রকৃত কোন ক্ষতি বা লোকসান প্রমাণিত হোক বা না হোক চুক্তিভঙ্গকারী পক্ষের নিকট হতে এভাবে উল্লিখিত পরিমাণের অনধিক যুক্তিসঙ্গত ক্ষতিপূরণ অথবা জরিমানা গ্রহণ করার অধিকারী।

ব্যাখ্যা- পরিশোধে অক্ষমতার তারিখ হতে বর্ধিত সুদের কোন শর্ত জরিমানার শর্ত হতে পারে।

- কোনো বেসরকারি ব্যবসা সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ The Contract Act, 1908 এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের সীমার মধ্যে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ পাবে।
---------------
Section 74. Compensation for breach of contract where penalty stipulated for: 
When a contract has been broken, if a sum is named in the contract as the amount to be paid in case of such breach, or if the contract contains any other stipulation by way of penalty, the party complaining of the breach is entitled, whether or not actual damage or loss is proved to have been caused thereby, to receive from the party who has broken the contract reasonable compensation not exceeding the amount so named or, as the case may be, the penalty stipulated for. 
Explanation – A stipulation for increased interest from the date of default may be stipulation by way of penalty.

Exception.–When any person enters into any bail-bond, recognizance or other instrument of the same nature, or, under the provisions of any law, or under the orders of the 2[Government], gives any bond for the performance of any public duty or act in which the public are interested, he shall be liable, upon breach of the condition of any such instrument, to pay the whole sum mentioned therein. 

Explanation -A person who enters into a contract with Government does not necessarily thereby undertake any public duty, or promise to do an act in which the public are interested.
১২,২৫১.
দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার অপরাধের সাথে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর কোন ধারার অপরাধের মিল রয়েছে?
  1. ২২
  2. ২৩
  3. ২৪
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার অপরাধের সাথে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২৪ ধারার অপরাধের মিল রয়েছে। এই দুই জায়গাতে পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশে প্রতারণার অপরাধের বিধান রয়েছে।
- এগুলো অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণার
অপরাধ বলে বিবেচিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারায় অপরের রূপধারণ পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে। যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে।

সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২৪ ধারার বিধান: পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ:
 (১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোনো ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করিয়াে
(ক) প্রতারণা করিবার বা ঠকাবার উদ্দেশ্যে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া প্রদর্শন করেন; বা
(খ) উদ্দেশ্যমূলকভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির ব্যক্তিসত্তা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যে নিজের বলিয়া ধারণ করেন,-
(অ) নিজের বা অপর কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভ করা বা করাইয়া দেওয়া;
(আ) কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির স্বার্থ প্রাপ্তি;
(ই) কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার ক্ষতিসাধন,
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা: কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation):-
যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১২,২৫২.
লিমিটেশন এ্যাক্ট, ১৯০৮ এর কোন কিছুই প্রযোজ্য হবে না-
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১১৪ ধারার ক্ষেত্রে
  3. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১০৭ ধারার ক্ষেত্রে
  4. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১১৫(২) ধারার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ২৯ ধারার বিধান সংরক্ষণ:

(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের (১৮৭২ সালের ৯নং আইনে) ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করিবে না।

(২) যেইক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রহিয়াছে, সেইক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হইবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের বিধান অনুসারে কোনো মামলা, আপিলে বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-

(ক) এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হইতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হইবে, যেই পরিমাণ উহা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নহে, এবং
(খ) এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।

(৩) এই আইনের কোনো বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন (১৮৬৯ সালের ৪ নং আইন) অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।

(৪) যেই সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতা আপাতত সম্প্রসারিত করা হইবে, সেই সকল এলাকা হইতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত ‘সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হইবে না।
১২,২৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ বিধি-২ অনুযায়ী, আদালত মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণের সময় কী বিবেচনা করে?
  1. সাক্ষীর সুপারিশ
  2. উকিলের সুপারিশ
  3. পক্ষগণের সুপারিশ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০, বিধি ২ অনুযায়ী, আদালত যখন কোনো পক্ষ বা তার সঙ্গী ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করবে, তখন আদালত চাইলে পক্ষগণের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
এটি মানে, পক্ষগণ চাইলে আদালতের কাছে নির্দিষ্ট প্রশ্ন করার প্রস্তাব দিতে পারে, তবে আদালত সেটি গ্রহণ করবে কিনা তা তার নিজস্ব বিবেচনার ওপর নির্ভর করবে। তবে সাক্ষী বা কেবলমাত্র উকিলের সুপারিশের ভিত্তিতে আদালত বাধ্য নয় কোনো প্রশ্ন করতে। 

-অর্থাৎ আদালত মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী যে কোনো শুনানিতে। পক্ষগণ আদালতকে নির্দিষ্ট প্রশ্ন করার সুপারিশ করতে পারে।
আদালত চাইলে সেই সুপারিশকৃত প্রশ্ন করতে পারে, তবে এটি আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।

Order 10 Rule 2 (Oral examination or party of companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
১২,২৫৪.
যদি একজন ব্যক্তি চুক্তি অনুযায়ী তার অংশের কাজ সম্পন্ন না করে, তবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার অধীনে কী ঘটবে?
  1. তাকে চুক্তি থেকে বাদ দেয়া হবে
  2. তাকে চুক্তি পুনরায় করতে হবে
  3. তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে
  4. তার পক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী চুক্তি পালনে ৪টি ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে। যথা-
⇒ যার পক্ষে ক্ষতিপূরণ আদায় অসম্ভব;
⇒ যে পূর্বে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে;
⇒ যে চুক্তি পালনে অক্ষম;
⇒ যে চুক্তির বিষয়বস্তু পূর্বেই নিষ্পত্তি হয়েছে।

অর্থাৎ, এই সকল ব্যক্তির পক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করা যায় না।

Section 24- Personal bars to the relief: Specific performance of a contract cannot be enforced in favour of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject-matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
১২,২৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় আপিল আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ১০৭
  2. ১১৪
  3. ১১৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৭ ধারায় আপিল আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা রয়েছে। ১০৭ ধারা  অনুযায়ী আপিল আদালতের ৪টি ক্ষমতা। 
১। মোকদ্দমা চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি করতে পারে
২। মোকদ্দমা পুনঃ বিচারের জন্য পাঠাতে পরে
৩। বিচার্য বিষয় গঠন এবং তা বিচারের জন্য প্রেরণ
৪। অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ ধারার বিধান-
(১) যে-রূপ শর্তাদি ও সীমানা নির্ধারণ করা হয়, সাপেক্ষে কোন আপিল আদালতের নিম্নোক্ত ক্ষমতাগুলি থাকবে:
ক) কোন মামলা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মামলা পুনর্বিচারের জন্য পাঠানো;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলি বিচারের জন্য প্রেরণ এবং
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্যগ্রহণ বা এরূপ সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দেয়ার ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যে-রূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লিখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
১২,২৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট কতটি কলাম আছে?
  1. ৫ টি
  2. ৬ টি
  3. ৭ টি
  4. ৮ টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।
১২,২৫৭.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৪ অনুসারে, অভিযোগ শুনানির তারিখ নির্ধারণের পর ট্রাইব্যুনাল কাকে নোটিশ প্রদান করবে?
  1. শুধু অ্যাডভোকেটকে
  2. শুধু অ্যাটর্নি জেনারেলকে
  3. বার কাউন্সিলের সকল সদস্যকে
  4. সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেট এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৪:
(১) অ্যাডভোকেটদের আচরণ সংক্রান্ত যেকোনো তদন্তে ট্রাইব্যুনাল নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করবে।

(২) ট্রাইব্যুনাল মামলার শুনানির একটি তারিখ নির্ধারণ করবে এবং উক্ত নির্ধারিত দিনের নোটিশ সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেট এবং বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রদান করবে। ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেট এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রমাণ উপস্থাপনের (যদি থাকে) ও শুনানিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দেবে, তারপরে আদেশ প্রদান করবে।

(৩) এই আদেশ বা বলবৎ অন্য কোনো আইনে যা-ই বলা থাকুক না কেন, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ট্রাইব্যুনালের কোনো একজন সদস্যকে প্রাথমিক বিষয়গুলো বিবেচনা ও সিদ্ধান্ত প্রদান এবং সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(৪) তদন্ত শেষ হলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ খারিজ করতে পারে অথবা যদি ট্রাইব্যুনালে রেফারেন্স বার কাউন্সিলের প্রস্তাবে করা হয়ে থাকে, তবে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিতে পারে যে মামলাটি ফাইল করে রাখা হবে। অথবা, ট্রাইব্যুনাল অনুচ্ছেদ ৩২ (১) এ বর্ণিত যেকোনো শাস্তির আদেশ দিতে পারে।

(৫) যদি ট্রাইব্যুনাল কোনো অ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার আদেশ দেয়, তবে বরখাস্তের মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেবে, এবং উক্ত সময়ের জন্য সেই অ্যাডভোকেট বাংলাদেশের কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের সামনে আইন পেশা পরিচালনা করতে পারবেন না।

(৬) ট্রাইব্যুনাল তার সামনে চলমান মামলার খরচ সম্পর্কে যে কোনো আদেশ দিতে পারে। যদি ট্রাইব্যুনাল মনে করে যে অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ মিথ্যা এবং হয়রানিমূলক, তাহলে ট্রাইব্যুনাল ওই অভিযোগকারীর উপর সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ (deterrent cost) আরোপ করতে পারে, যা সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেটকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে। এই আদেশ অ্যাডভোকেটের অন্য আইনি প্রতিকার ব্যতিরেকেও দেওয়া যেতে পারে।

(৭) ট্রাইব্যুনালের খরচ বা শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত প্রতিটি আদেশ উচ্চ আদালতের আদেশ হিসেবে কার্যকরযোগ্য হবে।

(৮) ট্রাইব্যুনাল নিজে থেকেই অথবা এই মর্মে করা কোনো আবেদনের ভিত্তিতে, ধারা (৪) বা (৬) অনুসারে প্রদত্ত যেকোনো আদেশ পর্যালোচনা করতে পারে এবং যেভাবে উপযুক্ত মনে করে তা বহাল, সংশোধন বা বাতিল করতে পারে।

(৯) কোনো অ্যাডভোকেটকে এই আদেশ অনুসারে তিরস্কার (reprimand) বা সাময়িক বরখাস্ত করা হলে, তার নামের পাশে রোলে শাস্তির তথ্য সংযুক্ত করা হবে। আর যদি তাকে আইন পেশা থেকে সম্পূর্ণরূপে অপসারণ করা হয়, তবে তার নাম রোল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বাদ দেওয়া হবে এবং তার সনদপত্র (certificate) ফিরিয়ে নিতে হবে।
১২,২৫৮.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন শ্রেণীর ব্যক্তির সাক্ষ্য, সাক্ষ্য হিসেবে অপ্রাসঙ্গিক?
  1. মৃত বা খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তি
  2. সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে গেছে এমন ব্যক্তি
  3. অযৌক্তিক বিলম্ব বা ব্যয় ছাড়া যে ব্যক্তিকে হাজির করা যায় না
  4. বিপক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে সরিয়ে রাখা ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী ৪ শ্রেণীর ব্যক্তির সাক্ষ্য, সাক্ষ হিসেবে প্রাসঙ্গিক যদিও তাদেরকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে আহ্বান করা যায় না। যথা:-
(i) মৃত ব্যক্তি;
(ii) খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তি;
(iii) সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে গেছে এমন ব্যক্তি; বা
(iv) অযৌক্তিক বিলম্ব বা ব্যয় ছাড়া যে ব্যক্তিকে হাজির করা যায় না।
১২,২৫৯.
সাক্ষ্য আইনের ৯৯ ধারায় কে দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ দিতে পারে?
  1. আদালত
  2. দলিলের পক্ষগণ
  3. দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯৯- দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ কে দিতে পারবে:
যে ব্যক্তিরা দলিলের পক্ষ নন বা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিরা, তারা এমন যে কোনো তথ্যের প্রমাণ দিতে পারেন যা দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী সমসাময়িক চুক্তির অস্তিত্ব প্রদর্শন করে।

[Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.]
১২,২৬০.
তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি বাদ যাবে?
  1. বিবাদীর প্রতি সমন জারির সময়
  2. আরজি প্রস্তুতের জন্য ব্যয়িত সময়
  3. রায়ের নকল সংগ্রহের সময় 
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১২ ধারামতে, তামাদির মেয়াদ গণনার সময় নিম্নলিখিত দিনগুলো বাদ দিয়ে তামাদি গণনা করতে হবে। যথা-
i) তামাদির মেয়াদ আরম্ভের দিন বা যে তারিখ হতে তামাদি গণনা শুরু হবে (the day from which such period is to be reckoned shall be excluded);

ii) রায় ঘোষণার দিন (the day on which the judgment complained of was pronounced);

iii) রায় বা ডিক্রির নকল (certified copy) পেতে ব্যয়িত সময় (the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded);

iv) রোয়েদাদ নামঞ্জুর করার দরখাস্তের জন্য রোয়েদাদের নকল পেতে ব্যয় হওয়া সময় (for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded)।

১২,২৬১.
৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য কোন বিষয়গুলি প্রমাণ করতে হবে?
  1. স্বত্ব ও দখল
  2. সীমানা
  3. দখল ও বেদখল
  4. স্বত্ব
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত সম্পত্তিতে দখল এবং বিগত ৬ মাসের মধ্যে বেদখল হওয়া প্রমাণ করতে হবে, তবে স্বত্ব প্রমাণ করার কোন প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য যে, ৮ ধারায় দখল প্রমাণের প্রয়োজন নেই তবে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
১২,২৬২.
দণ্ডবিধির ৫৫ ধারায় কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর সাজা হ্রাস করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. বিচারিক আদালত
  4. আপিল আদালত
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
১২,২৬৩.
কোনটি নির্ধারণের জন্য চুক্তিনামার পক্ষদের 'পারস্পরিক সম্পর্ক' বিবেচনা করতে হয়?
  1. Fraud
  2. Mistake
  3. Coercion
  4. Undue Influence
ব্যাখ্যা
• চুক্তিনামার পক্ষদের 'পারস্পরিক সম্পর্ক' বিবেচনা করতে হয় Undue Influence (অযৌক্তিক প্রভাব) নির্ধারণের জন্য। Undue Influence তখন ঘটে, যখন চুক্তির এক পক্ষ অন্য পক্ষের উপর তার প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি করতে বাধ্য করে। আদালত এই সম্পর্কের ভিত্তিতে বিচার করে যে চুক্তিটি অযৌক্তিক প্রভাব দ্বারা হয়েছে কিনা।

• চুক্তি আইনের ১৬ ধারায় অনুচিত প্রভাব-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ১৬ ধারায় বলা হয়েছে-
 যখন চুক্তির পক্ষবৃন্দের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কে এ রকম হয় যে, এক পক্ষ অপর পক্ষের ইচ্ছার ওপর কর্তৃত্ব বা অমন চুক্তি করতে সক্ষম থাকে এবং অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অন্যায় সুযোগ গ্রহণ করতে সে উক্ত কর্তৃত্বময় অবস্থা ব্যবহার করে, তখন এমন চুক্তি "অসঙ্গত প্রভাব' দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
শুধুমাত্র কর্তৃত্বময় অবস্থান থাকলেই হবে না বরং এটাও প্রমাণ করতে হবে যে, অন্যায্য সুবিধা আদায় করার জন্য এমন কর্তৃত্বময় অবস্থান ব্যবহার করা হয়েছে।
১২,২৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের-
  1. এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  3. অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  4. ক এবং খ ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। যদি স্মল কজ কোর্ট বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ও বিধি ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতে প্রযোজ্য হবে না তা ৭ ধারায় বলা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
⇒ ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমা;
⇒ এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রি জারি; এবং
⇒ স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারি।

তবে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা; ৯১ ও ৯২ ধারা; ২৪ ও ৯৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইনজাংশন, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান এবং ৯৬ থেকে ১১২ ও ১১৫ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
১২,২৬৫.
সাক্ষ্য আইনে ধারা ২৪ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হতে হবে
  2. স্বীকারোক্তি পুলিশের কাছে করা হতে হবে
  3. স্বীকারোক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে করা হতে হবে
  4. স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ উত্তর: ঘ) স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে।

- সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৪ অনুযায়ী, যদি কোনো স্বীকারোক্তি ভীতি প্রদর্শন, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার মাধ্যমে আদায় করা হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না। অর্থাৎ, যদি স্বীকারোক্তি কোনো ধরনের চাপ বা প্রতারণা দ্বারা নেওয়া হয়, তবে তা প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করা হবে না। তবে, যদি স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলকভাবে এবং কোনো প্রলোভন বা ভীতি ছাড়া করা হয় এবং তা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বা পুলিশের উপস্থিতিতে হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা - প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট স্বীকারোক্তি, যখন ফৌজদারি কার্যবিধিতে অপ্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো আসামী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন এবং আদালত মনে করেন যে, এই স্বীকারোক্তি কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আসামীকে লাভ বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানোর জন্য প্রদান করা হয়েছে, তবে সেই স্বীকারোক্তি ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রাসঙ্গিক হবে না।
--------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding:
A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.
১২,২৬৬.
সাক্ষ্য আইনের অধীন T.I.P অর্থ কি?
  1. Test Identification by Police
  2. Test Identification Parade
  3. Identification Test for Parade
  4. Police Identification Test
ব্যাখ্যা
 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

 ⇒ সাক্ষ্য আইনের অধীন T.I.P অর্থ Test Identification Parade.


⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,

২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
১২,২৬৭.
বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনির্বাহী সরকার পরিচালনা করিবার জন্য আইন বলে ক্ষমতা প্রদত্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বলা হয়-
  1. প্রশাসন
  2. জাতীয় সংসদ
  3. সরকার
  4. মন্ত্রীপরিষদ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭ ধারার বিধান 'সরকার' বলতে বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনিবাহী সরকার পরিচালনা করবার জন্য আইনবলে ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝাইবে।

- The Penal Code, 1860 Section 17: “Government”:  The word “Government” denotes the person or persons authorized by law to administer executive Government in Bangladesh, or in any part thereof.
১২,২৬৮.
একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সরাসরি আপিল পুনঃশুনানির জন্য সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিলে পুনঃশুনানি:
১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন। বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে কা পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
১২,২৬৯.
বাংলাদেশী মুদ্রা জাল বলিয়া জানিয়া দখল করিবার পর উহা হস্তান্তরকরণ সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ২৪০ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২৩৪ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২৪৩ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৪০ ধারার বিধান বাংলাদেশের মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও দখলের পর উহা হস্তান্তর করা:- কোন ব্যক্তি যদি তার কাছে বাংলাদেশের যে জাল মুদ্রা রয়েছে, তা লাভের পর উহা যে বাংলাদেশের মুদ্রার জাল তা জানা সত্ত্বেও, প্রতারণামূলকভাবে বা তদ্বারা প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে উহা কোন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে বা কোন ব্যক্তিকে উহা গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

------------------------
♦ Section 240. Delivery of Bangladesh coin possessed with knowledge that it is counterfeit:- Whoever, having and counterfeit coin, which is a counterfeit of Bangladesh coin, and which at the time when he became possessed of it, he knew to be a counterfeit of Bangladesh coin, fraudulently or with intent that fraud may be committed, delivers the same to any person, or attempts to induce any person to receive it, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১২,২৭০.
যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুুমাত্র অর্থদণ্ড, সেক্ষেত্রে ৫০ টাকার কম অর্থদণ্ড প্রদানে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ কত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড দেয়া যাবে?
  1. ২ মাস সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩ মাস সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৭- অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড:
যদি কোনো অপরাধ শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য হয় এবং অপরাধী অর্থদণ্ড প্রদান করতে না পারে, তাহলে আদালত তার পরিবর্তে কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারে। কারাদণ্ড হবে বিনাশ্রম কারাদণ্ড। আদালত অর্থদণ্ডের পরিমাণ অনুযায়ী কারাদণ্ডের মেয়াদ নির্ধারণ করবেন।
পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক দুই মাস।
একশত টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক চার মাস।
অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক ছয় মাস।
১২,২৭১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৬(৪) অনুযায়ী, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য কার আদেশক্রমে ধ্বংস করা হবে?
  1. জব্দকারী অফিসারের
  2. থানার অফিসার ইন চার্জের
  3. তদন্তকারী অফিসারের
  4. এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৬: বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্য, বস্তু, ইত্যাদি:

(১) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হইলে মাদকদ্রব্য, মাদকদ্রব্যের সহিত জব্দকৃত অর্থ, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন অথবা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে অথবা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সহিত যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা জব্দযোগ্য হইবে এবং মামলা রুজুকারী অফিসার সরকারি কার্যের স্বার্থে উক্ত যানবাহন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের জিম্মায় প্রদান করিতে পারিবেন, তবে বিষয়টি এজাহারে উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আদেশক্রমে উহা ধ্বংস করিতে হইবে।

১২,২৭২.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান অনুসারে, দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য যদি অসমর্থিত (un-corroborated) হয়, তবে-
  1. তার সাক্ষ্য বাতিল
  2. তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেয়া বেআইনি হবে
  3. তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেয়া বেআইনি হবে না
  4. তার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।

Section-133- Accomplice: 

An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
১২,২৭৩.
নিচের কোনটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীনে নিয়ন্ত্রিত বিলির অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তির কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ট্র্যাকিং ডিভাইস স্থাপন
  2. বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা ত্যাগ করতে দেওয়া
  3. বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করতে দেওয়া
  4. উপরোক্ত সব
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৫: গোপন অভিযোগ ও নিয়ন্ত্রিত বিলি:
(৪) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্ত উপ-ধারার অধীন অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রিত বিলি ও গোপন অভিযান চলাকালে এবং তদুদ্দেশ্যে, নিম্নরূপ কার্যাবলি সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
(ক) কোনো বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া; 
(খ) কোনো বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করিতে দেওয়া; 
(গ) কোনো বাহনে প্রবেশ ও তল্লাশির জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তিসংগত শক্তি প্রয়োগ করা; 
(ঘ) কোনো বাহনে গোপন সংকেত প্রদানকারী যন্ত্র (Tracking Device) স্থাপন করা; এবং 
(ঙ) যে ব্যক্তির অধিকারে অথবা হেফাজতে মাদকদ্রব্য রহিয়াছে তাহাকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া। 
(৫) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো গোপন অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণকারী কোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, উক্ত অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের দায়ে দায়ী হইবে না।
১২,২৭৪.
‘ক’ নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। ‘খ’ ঐ সম্পত্তির প্রকৃত মালিক এবং ‘ক’ কর্তৃক উক্ত সম্পত্তিটি তার কাছে অর্পণ করা আবশ্যক মর্মে দাবী করেন। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারামতে মোকদ্দমাটি করতে হবে?
  1. শুধু ৮ ধারা অনুসারে
  2. শুধু ৯ ধারা অনুসারে
  3. শুধু ৪২ ধারা অনুসারে
  4. ৪২ ও ৮ ধারা অনুসারে 
ব্যাখ্যা

উত্তর: ঘ) ৪২ ও ৮ ধারা অনুসারে।

প্রশ্নে বলা হয়েছে - ‘ক’ নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে, ‘খ’ প্রকৃত মালিক, এবং ‘খ’ দাবি করছে যে ‘ক’ উক্ত সম্পত্তি তার কাছে অর্পণ করুক। এখানে দুই ধরনের অধিকার জড়িত:
মালিকানা অধিকার (ownership right) — যেটা ঘোষণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করতে হবে (ধারা ৪২ অনুসারে),
দখল পুনরুদ্ধার বা অর্পণ (possession or delivery of property) — যেটা দাবি করা হবে (ধারা ৮ অনুসারে)।

ধারা ৮-
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তার দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারেন।
(এটি “specific movable property”–এর জন্য প্রযোজ্য হলেও, স্থাবর সম্পত্তিতেও প্রযোজ্য হয় যদি দখল পুনরুদ্ধার চাওয়া হয়।)

ধারা ৪২-
যে কেউ তার আইনি চরিত্র বা কোনো অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকারের আশঙ্কা রয়েছে, সে ঘোষণামূলক ডিক্রি (declaratory decree) চেয়ে মামলা করতে পারেন।

 এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিশ্লেষণঃ
‘খ’ তার মালিকানা ঘোষণা চাচ্ছে → ধারা ৪২ প্রযোজ্য
একই সঙ্গে সম্পত্তি হস্তান্তর বা দখল চাচ্ছে → ধারা ৮ প্রযোজ্য

অতএব, মামলাটি করতে হবে-
নির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪২ ও ৮ উভয়ের অধীনে।

১২,২৭৫.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে-
  1. চুক্তি ভঙ্গের প্রথম দিন থেকে
  2. চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার দিন থেকে
  3. চুক্তি ভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন করে
  4. চুক্তি ভঙ্গ প্রমাণিত হওয়ার পর
ব্যাখ্যা

• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

১২,২৭৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪ক এর অধীনে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়, তাকে শাস্তি দেওয়া হয়। এই ধারার শাস্তির সর্বোচ্চ মেয়াদ হলো ৫ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই।
- তবে, এটি নরহত্যা বা শক্তিশালী শাস্তির অপরাধের মধ্যে পড়ে না, কারণ এটি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে ঘটে, যা কৃতকর্মের পরিণতির ওপর নির্ভর করে।
- এই ধারায়, মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য থাকা না থাকলেও যদি কোনো ব্যক্তির অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের ফলে মৃত্যু ঘটে, তবে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
তাহলে, সঠিক উত্তর হল: ক) ৫ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৪ক (Section 304A) অনুযায়ী: “যে ব্যক্তি, কোনো বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত কাজ করে, যার ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, এবং যা দণ্ডনীয় নরহত্যা নয়, সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।”
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 304A. Causing death by negligence
Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১২,২৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিধানবলে পুলিশ গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়া কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ১৫৪ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ১৬০ ধারা
  4. ১৬৭ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।
♦ পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
১২,২৭৮.
তামাদি আইন আনুসারে 'বিনিময় পত্র' বলতে বুঝায়-
  1. চেক ও ব্যংক ড্রাফ্‌ট
  2. ব্যংক ড্রাফ্‌ট ও পে অর্ডার 
  3. চেক ও হুন্ডি
  4.  হুন্ডি ও নগদ অর্থ 
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন আনুসারে 'বিনিময় পত্র' বলতে -চেক ও হুন্ডী বুঝায়।

⇒The Limitation Act,1908: ধারা ২ সংজ্ঞা (Definitions):
(২) 'বিনিময় পত্র' (Bill of Exchange) বলতে- হুন্ডি এবং চেককেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 
- "bill of exchange" includes- a hundi and a cheque।

১২,২৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে 'যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির আবেদন' এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ২১, বিধি ৭
  2. আদেশ ২১, বিধি ১০
  3. আদেশ ২১, বিধি ১৩
  4. আদেশ ২১, বিধি ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ১৫-এর শিরোনামই হল "Application for execution by joint decree-holder" বা "যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির আবেদন"।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১৫: যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির জন্য আবেদন:
(১) যখন একাধিক ব্যক্তির অনুকূলে যৌথভাবে একটি ডিক্রি পাস করা হয়, তখন তাদের মধ্যে যেকোনো একজন বা একাধিক ব্যক্তি, যদি ডিক্রিতে বিপরীত কোনো শর্ত আরোপ করা না থাকে, তবে সকলের সুবিধার জন্য সম্পূর্ণ ডিক্রিটি জারির (execution) জন্য আবেদন করতে পারেন। অথবা, যদি তাদের মধ্যে কেউ মারা যান, তবে জীবিতদের এবং মৃত ব্যক্তির আইনি প্রতিনিধিদের সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারেন।
(২) যখন আদালত এই বিধির অধীনে করা কোনো আবেদন মঞ্জুর করার জন্য পর্যাপ্ত কারণ দেখতে পান, তখন আবেদন প্রক্রিয়ায় যারা যোগদান করেননি তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য আদালত যেরূপ প্রয়োজন মনে করবেন, সেরূপ আদেশ প্রদান করবেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-15. Application for execution by joint decree-holder:
(1) Where a decree has been passed jointly in favour of more persons than one, any one or more of such persons may, unless the decree imposes any condition to the contrary, apply for the execution of the whole decree for the benefit of them all, or, where any of them has died, for the benefit of the survivors and the legal representatives of the deceased.
(2) Where the Court sees sufficient cause for allowing the decree to be executed on an application made under this rule, it shall make such order as it deems necessary for protecting the interests of the persons who have not joined in the application.

১২,২৮০.
ধারা ২৬৫ক অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটরের ভূমিকা কী?
  1. অভিযুক্তের পক্ষে মামলা পরিচালনা করা
  2. বিচারকের সহায়ক হিসেবে কাজ করা
  3. অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করা
  4. পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া সহজ করা
ব্যাখ্যা

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫ক অনুসারে,
দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

265A- Trial to be conducted by Public Prosecutor:
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

১২,২৮১.
The second important source of Islamic law is-
  1. Quran
  2. Qiyas
  3. Hadith.
  4. Ijma
ব্যাখ্যা
⇒ Sunnah/Hadith as a source of law: Hadith is the second source of Islamic law. In some cases, it interprets the Qur'an, complements the Qur'an and lays down new principles and laws as well. There are mainly three types of Hadith, which include the words spoken by Prophet (sm), the works done by Prophet (sm) and the works to which the Prophet (sm) consented as valid.

⇒ Hadith has come to us through the chains of narration (sanad). Depending on the number and personal qualities of the narrators at different stages, hadith also have been graded in different categories like, mashhur, mutawatir, wahid, etc. Hadith, the narration of which could not be proved as completely reliable is known as 'weak' or 'dhaif Hadith.
১২,২৮২.
কে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার অধীন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারে?
  1. দখলের অধিকারী ব্যক্তি
  2. জবর-দখলের অধিকারী ব্যক্তি
  3. তাৎক্ষণিক দখলে রাখার অধিকারী ব্যক্তি
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি ৪টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে।
যথা-
১। যে ক্ষেত্রে বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে
২। বাদীর অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়
৩। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন হলে
৪। দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল/ হস্তান্তর করলে।
 
১১ ধারায় বাদীকে  প্রমাণ করতে হবে যে বাদী সম্পত্তি বা পণ্যটি তাৎক্ষণিক দখলে রাখার অধিকারী।
তবে ১১ ধারায় সম্পত্তির মূল মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
-যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
 
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে।
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না।
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে।
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।
--------------------
⇒ SR Act, Section-11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
-Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
১২,২৮৩.
আদালত কখন মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারেন?
  1. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের পূর্বে
  3. মোকদ্দমার শেষে
  4. বাদীপক্ষ যখনই আবেদন করেন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মূলতবীর আবেদন।

• ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

> আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে

> চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে।

> অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মূলতবি মঞ্জুর করেনা।

> মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

> মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১২,২৮৪.
কোন দেওয়ানী আদালতের আদি এখতিয়ার নেই?
  1. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালতের আদি বা মূল এখতিয়ার [Original Jurisdiction]:
যে সকল দেওয়ানী আদালতের আদি এখতিয়ার আছে, সে সকল আদালত প্রাথমিকভাবে দেওয়ানী মামলা আমলে নিয়ে বিচার করে এবং রায় দেয়। সকল দেওয়ানী আদালতের দেওয়ানী মোকদ্দমা বিচারার্থে আমলে গ্রহণ করার আদি এখতিয়ার নেই। অর্থাৎ প্রাথমিকভাবে দেওয়ানী মোকদ্দমা বিচারের জন্য আমলে নিতে পারে না।

Civil Courts Act, 1887 এর ১৮ এবং ১৯ ধারা অনুসারে নিম্নলিখিত দেওয়ানী আদালতগুলোর আদি এখতিয়ার আছে-
১. জেলা জজ আদালত;
২. যুগ্ম জেলা জজ আদালত;
৩. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত;
৪. সহকারী জজ আদালত।

Civil Courts Act, 1887 এর ১৮ ধারা অনুসারে জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা জজ এবং ১৯ ধারা অনুসারে সিনিয়র সহকারী জজ ও সহকারী জজের এখতিয়ার মূল মামলা বিচারার্থে যেকোন দেওয়ানী মূল মোকদ্দমা আমলে নিতে পারে। কিন্তু অতিরিক্ত জেলা জজের কোন আদি এখতিয়ার নেই। বিশেষ ক্ষেত্রে এবং আইনে উল্লেখ থাকলে জেলা জজ আদি এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে এবং প্রাথমিকভাবে মোকদ্দমা বিচার করতে পারে। যেমন- ট্রেডমার্ক আইন, কপিরাইট আইন বিষয়ে জেলা জজের আদি এখতিয়ার আছে। কিন্তু অতিরিক্ত জেলা জজের কোন আদি এখতিয়ার কোন আইনে দেওয়া হয় নি। অর্থাৎ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে মূল মামলা দায়ের করা যায় না।
১২,২৮৫.
"শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত" সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪৬ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: -
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।

(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষী দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------
⇒ Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.- ( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১২,২৮৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৪ বিধি ১- এ কার আপিলের বিধান আছে?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তির
  2. নাবালক ব্যক্তির
  3. অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তির
  4. উল্লিখিত সকলের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-১: কে নিঃস্বভাবে আপিল করতে পারে:
যে ব্যক্তি আপিল করার অধিকার রাখেন, কিন্তু আপিলের স্মারকলিপির জন্য প্রযোজ্য কোর্ট ফি প্রদানে অক্ষম, তিনি একটি স্মারকলিপি-সহ একটি আবেদনপত্র দাখিল করে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে আপিল করার অনুমতি চাইতে পারেন। এই ধরনের আবেদনপত্র এবং প্রক্রিয়ার সব বিষয়ে, যতটুকু প্রযোজ্য হয়, নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়ের সংক্রান্ত বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে।

আপিল গ্রহণের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া:
তবে শর্ত থাকে যে- আদালত আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট রায় ও ডিক্রি পর্যবেক্ষণের পর যদি মনে করে যে:
- ডিক্রি আইনবিরুদ্ধ, অথবা
- আইনের বলবৎ কোনো রীতির পরিপন্থী, অথবা
- অন্যান্য কোনো কারণে অন্যায় বা ত্রুটিপূর্ণ - তবেই আবেদনটি গ্রহণ করবে, অন্যথায় আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
১২,২৮৭.
কম মূল্যমানের স্ট্যাম্পে আরজি লেখার কারণে আদালত আরজিটি প্রত্যাখ্যান বা খারিজ করে দেয়। বাদীপক্ষ আরজি খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেনি। এ ক্ষেত্রে বাদীপক্ষ অন্য কি প্রতিকার পেতে পারে?
  1. রিভিউ দায়ের করতে পারে
  2. রিভিশন দায়ের করতে পারে
  3. আপিল দায়ের করতে পারে
  4. রেফারেন্স এর আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারায় এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ধারা ১১৪ এবং ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন করা যায় যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান নেই বা যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান আছে কিন্তু আপীল করে নাই।
১২,২৮৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৪ অনুসারে কমিশনার আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে কত সময় পাবেন?
  1. অনূর্ধ্ব ১ মাস
  2. অনূর্ধ্ব ২ মাস
  3. অনূর্ধ্ব ৩ মাস
  4. অনূর্ধ্ব ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি সংহিতা (CPC) ১৯০৮-এর আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুসারে, কমিশনারের প্রতিবেদন (বা প্রতিবেদনসমূহ) কমিশনের সাথে সংযুক্ত করে আদালত নির্ধারিত অনূর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে। তবে, কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দেখানো হলে আদালত সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪- কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত রে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনূর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Order 26 Rule 14- Procedure of Commissioner:
(1) The Commissioner shall, after such inquiry as may be necessary, divide the property into as many shares as may be directed by the order under which the commission was issued, and shall allot such shares to the parties, and may, if authorized thereto by the said order, award sums to be paid for the purpose of equalizing the value of the shares.

(2) The Commissioner shall then prepare and sign a report or the Commissioners (where the commission was issued to more than one person and they cannot agree) shall prepare and sign separate reports appointing the share of each party and distinguishing each share (if so directed by the said order) by metes and bounds. Such report or reports shall be annexed to the commission and transmitted to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court; and the Court, after hearing any objections which the parties may make to the report or reports, shall confirm, vary or set aside the same:
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.

(3) Where the Court confirms or varies the report or reports it shall pass a decree in accordance with the same as confirmed or varied; but where the Court sets aside the report or reports it shall either issue a new commission or make such other order as it shall think fit.

১২,২৮৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) সংজ্ঞায়িত করে?
  1. ধারা 2(9)
  2. ধারা 2(10)
  3. ধারা 2(12)
  4. ধারা 2(14)
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা 2(12)-এ "Mesne Profits" বা মধ্যবর্তী মুনাফা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এটি সেই মুনাফাকে বোঝায় যা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সম্পত্তি থেকে প্রকৃতপক্ষে অর্জন করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অর্জন করতে পারতো, তবে বেআইনীভাবে দখলদারের উন্নয়নের ফলে হওয়া মুনাফা এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession:

১২,২৯০.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারাগুলোতে রয়েছে?
  1. ধারা ৮-১১
  2. ধারা ১২-৩০
  3. ধারা ৩১-৩৫
  4. ধারা ৩৬-৪২
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ থেকে ধারা ৩০ পর্যন্ত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (Specific Performance of Contract) সংক্রান্ত বিধানসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণিত আছে।

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এ মোট ৮ ধরনের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
 এই প্রতিকারগুলো হলো:
১. স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৮-১১):
- এই ধারাগুলোতে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের বিধান রয়েছে।
২. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২-৩০):
- এই ধারাগুলোতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (Specific Performance of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৩. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১-৩৪):
- এই ধারাগুলোতে দলিল সংশোধন (Rectification of Instruments) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৪. চুক্তি বাতিল (ধারা ৩৫-৩৮):
- এই ধারাগুলোতে চুক্তি বাতিল (Rescission of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৫. দলিল বাতিল (ধারা ৩৯-৪১):
- এই ধারাগুলোতে দলিল বাতিল (Cancellation of Instruments) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৬. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২-৪৩):
- এই ধারাগুলোতে ঘোষণামূলক প্রতিকার (Declaratory Relief) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৭. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪):
- এই ধারায় রিসিভার নিয়োগ (Appointment of Receiver) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৮. নিষেধাজ্ঞা/প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা ৫২-৫৭):
- এই ধারাগুলোতে নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Injunctions) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

১২,২৯১.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে "Compromise of suit" এর বিধান রয়েছে-
  1. আদেশ-২৩ বিধি-১
  2. আদেশ-২৩ বিধি-২
  3. আদেশ-২৩ বিধি-৩
  4. আদেশ-২৩ বিধি-৪
ব্যাখ্যা
 ⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-৩ এর বিধান: মোকদ্দমার আপস:
যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসঙ্গত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।
---------------
 ⇒ CPC Order-23 Rule-3.Compromise Suit:
Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the plaintiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
১২,২৯২.
বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকলে তার অনুপস্থিতির সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে – এই বিধান তামাদি আইনের কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৩ অনুযায়ী, কোনো মামলা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ গণনা করার সময় বিবাদী যদি বাংলাদেশের বাইরে এবং সরকার-শাসিত অঞ্চলের বাইরে অনুপস্থিত থাকে, তাহলে তার সেই পুরো অনুপস্থিতির সময়টুকু তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে। ফলে বিবাদী ফিরে আসার পর বাদী আবার পূর্ণ তামাদি মেয়াদ পাবেন। এই বিধান শুধুমাত্র মামলা (Suit)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, আপিল বা দরখাস্তের ক্ষেত্রে নয়।
-  সুতরাং, বিবাদীর বিদেশ অবস্থানকালীন সময় বাদ দেওয়ার বিধানটি ধারা ১৩-তে বর্ণিত।

⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী, যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকে, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনার সময় তার অনুপস্থিতির সময় বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, বিবাদী যতদিন অনুপস্থিত থাকবে, সেই সময় তামাদি গণনার মধ্যে পড়বে না, বরং সে ফিরে আসার পর তামাদি গণনা চলবে।
- এই বিধান বাদীর স্বার্থ রক্ষার জন্য রাখা হয়েছে, যাতে বিবাদির বিদেশে থাকার কারণে বাদী মামলা দায়েরের সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।
--------
⇒ The Limitation Act:- Section 13. Exclusion of the time of the defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories:
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.

১২,২৯৩.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949, ধারা ৮৭ এর অধীনে কোন কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন?
  1. যেকোন ব্যক্তি
  2. শুধুমাত্র জমির মালিক
  3. শুধুমাত্র অ-কৃষি ভূমির প্রজা
  4. জমিদার ও অ-কৃষি ভূমির প্রজা উভয়েই
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949, ধারা ৮৭: এই আইনের অধীন কার্যধারায় বিচারব্যবস্থার এখতিয়ার:
যখন এই আইনের অধীনে কোনো আদালতকে কোনো আদেশ প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়, যেটি কোনো জমিদার বা অ-কৃষি ভূমির প্রজা (non-agricultural tenant) আবেদনক্রমে দেওয়া হবে, তখন উক্ত আবেদন সেই দেওয়ানি আদালতে (Civil Court) দাখিল করতে হবে, যে আদালত উক্ত ভাড়াকৃত অ-কৃষি ভূমির দখল সংক্রান্ত মামলা গ্রহণের এখতিয়ার রাখে, যার প্রেক্ষিতে উক্ত আবেদনটি করা হয়েছে।

সারাংশ:
যে দেওয়ানি আদালত অ-কৃষি জমির দখল সংক্রান্ত মামলা গ্রহণ করতে পারে, সেই আদালতেই এই আইনের অধীনে landlord বা tenant আবেদন করতে পারবেন।
১২,২৯৪.
FIR দায়ের করা যায় ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারার বিধান মোতাবেক?
  1. ১৫৪
  2. ১৫৫
  3. ১৫৬
  4. ১৫৭
ব্যাখ্যা
♦ ১৫৪ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধ আমলে নিয়ে এফআইআর (FIR) রেকর্ড করার বিধান আছে।

♦ আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা ১৫৪ ধারানুযায়ী বি.পি. ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় যা FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত।

♦ অর্থাৎ আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভবে কিংবা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা নির্ধারিত বইতে লিপিবদ্ধ করাকে FIR বা এজাহার বলে।
১২,২৯৫.
খসড়া রেকর্ড অব রাইটস প্রকাশের উদ্দেশ্য কী?
  1. ভূমি কর নির্ধারণ
  2. কৃষকদের তালিকা তৈরি
  3. জমি বিক্রির অনুমোদন
  4. আপত্তি গ্রহণ ও বিবেচনা করা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯: Draft and final publication of the record-of-rights (রেকর্ড অব রাইটস-এর খসড়া ও চূড়ান্ত প্রকাশনা)-
(১) যখন কোনো রেকর্ড অব রাইটস (খতিয়ান) প্রস্তুত বা সংশোধিত হয়ে ধারা ১৮-এ উল্লেখিত তথ্যসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে তখন রাজস্ব কর্মকর্তা নির্ধারিত পদ্ধতি ও নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী উক্ত রেকর্ড অব রাইটস-এর একটি খসড়া প্রকাশ করবেন এবং প্রকাশনার সময়সীমার মধ্যে উক্ত রেকর্ডের কোনো তথ্যের বিরুদ্ধে বা কোনো তথ্য বাদ পড়ার বিষয়ে আপত্তি জানালে তা গ্রহণ ও বিবেচনা করবেন।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী করা আপত্তির ওপর রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা প্রদত্ত আদেশে কেউ যদি অসন্তুষ্ট হন, তাহলে তিনি নির্ধারিত নিয়ম ও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার-সমমর্যাদার বা তদূর্ধ্ব কোনো নির্ধারিত রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করতে পারবেন।

(৩) উপর্যুক্ত সকল আপত্তি ও আপিল সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি অনুসারে বিবেচনা ও নিষ্পত্তি করার পর, রাজস্ব কর্মকর্তা রেকর্ডটি চূড়ান্তভাবে প্রণয়ন করবেন এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে তা চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করবেন। এই চূড়ান্ত প্রকাশনা একটি চূড়ান্ত প্রমাণ হিসাবে গণ্য হবে যে রেকর্ডটি এই অধ্যায় অনুযায়ী সঠিকভাবে প্রস্তুত বা সংশোধিত হয়েছে।

(৪) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী যখন রেকর্ড অব রাইটস চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হবে, তখন রাজস্ব কর্মকর্তা রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এই চূড়ান্ত প্রকাশনা ও তার তারিখ উল্লেখ করে একটি সনদ প্রস্তুত করবেন এবং উক্ত সনদে তার নাম ও পদবিসহ তারিখ লিখে স্বাক্ষর করবেন।
১২,২৯৬.
নিম্নবর্ণিত কোন বক্তব্যটি সঠিক?
  1. যাবজ্জীবন কারাদন্ড বিনাশ্রম হতে পারে
  2. যাবজ্জীবন কারাদন্ড সশ্রম হতে পারে
  3. যাবজ্জীবন কারাদন্ড সর্বদাই সশ্রম
  4. যাবজ্জীবন কারাদন্ড সর্বদাই বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

♦দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
♦ ব্যাখ্যাঃ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
১২,২৯৭.
"Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, _____________ , legally authorized to take evidence.
  1. except Village Court members
  2. except Arbitrators
  3. except Court Martial Judges
  4. None of them
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত (Court): বলতে সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশ ব্যতীত  সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভূক্ত করবে।

⇒ Interpretation-clause:


⇒ Section 3. In this Act the following words and expressions are used in the following senses, unless a contrary intention appears from the context:-

⇒ "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.

⇒ "Fact" means and includes-

(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;
(2) any mental condition of which any person is conscious.
১২,২৯৮.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৪৮ অনুসারে সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি হারিয়ে যাওয়া বা অসাধুভাবে আত্মসাৎ করার ক্ষেত্রে মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৪৮ অনুযায়ী, যদি কোনো সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি হারিয়ে যায়, বা চুরি হয়, বা অসাধুভাবে আত্মসাৎ (dishonest misappropriation) করা হয়, বা পরিবর্তন করা হয়, বা অন্যায়ভাবে নেওয়া বা আটক রাখা হয় তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন।
- তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর। 
- গণনার শুরু: যেদিন দাবিদার প্রথম জানতে পারেন যে, ঐ সম্পত্তি কার কাছে আছে।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) ৩ বছর।
১২,২৯৯.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১৯ ধারা অনুযায়ী, দেনমোহরের ক্ষেত্রে আপিল দায়েরের জন্য ন্যূনতম কত টাকার ডিক্রি থাকা প্রয়োজন?
  1. ৪০ হাজার
  2. ৫০ হাজার
  3. ৭৫ হাজার
  4. ১ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১৯ ধারার বিধান: আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি: 
(১) পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাইবে না, যথা:-
(ক) Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 (Act No. VIII of 1939) এর section 2 এর clause (viii) এর sub-clause (d) তে বর্ণিত কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো বিবাহ বিচ্ছেদ; এবং
(খ) দেনমোহরের ক্ষেত্রে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকার ডিক্রি ।
(২) কোনো আপিল সংশ্লিষ্ট রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে উহার নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দিয়া অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আপিল আদালত উপযুক্ত কারণে উক্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
(৩) যেকোনো আপিল-
(ক) লিখিত আকারে হইবে;
(খ) আপিলকারী যে কারণে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরোধিতা করিতেছেন তাহার কারণ উল্লেখ করিতে হইবে;
(গ) পক্ষগণের নাম, বর্ণনা ও ঠিকানা উল্লেখ করিতে হইবে; এবং
(ঘ) আপিলকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইতে হইবে।
(৪) আদালতের যে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হইয়াছে উহার একটি প্রত্যয়িত অনুলিপি আপিলের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।
(৫) পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ, যথাশীঘ্র সম্ভব, পারিবারিক আদালতকে অবহিত করিতে হইবে এবং উক্ত আদালত তদনুসারে রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন বা সংশোধন করিবে এবং ডিক্রি রেজিস্টারের যথাযথ কলামে সেই মর্মে প্রয়োজনীয় অন্তর্ভুক্তির কার্য সম্পাদন করিবে।
(৬) ধারা ১৮ অধীন জেলা জজ আদালত পারিবারিক আপিল আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালনকালীন কোনো আপিল অতিরিক্ত জেলা জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিতে পারিবে এবং উক্তরূপ আদালত হইতে স্থানান্তরকৃত কোনো আপিল প্রত্যাহার করিতে পারিবে।

১২,৩০০.
The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ অনুযায়ী, আদালতের আসনস্থল (place of sitting) পরিবর্তন করতে পারে-
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. সরকার
  3. জেলা জজ
  4. স্থানীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।

(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।