বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১১৭ / ১৫৫ · ১১,৬০১১১,৭০০ / ১৫,৪৭০

১১,৬০১.
যদি কেউ তার আইনানুগ গ্রেফতারে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা দেয়, তাহলে তাকে কোন ধরনের কারাদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ড
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি হবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ২২৪- কোন লােক দ্বারা তার আইনানুগ গ্রেফতারে বাধা দান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি:
যে লােক, যে অপরাধ সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে বা দণ্ডিত হয়েছে, সে অপরাধ সংঘটনের জন্য তার নিজের আইনানুগ গ্রেফতারে ইচ্ছাকৃতভাবে কোন বাধা দেয় বা অবৈধভাবে বিঘ্নের উদ্রেক করে, বা এরূপ অপরাধ সংঘটনের জন্য সে যে হাজতে আইনগতভাবে আটক হয়, সে হাজত হতে পলায়ন করে বা পলায়ন করার চেষ্টা করে, সে লােক যে কোন বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে যার মেয়াদ দুই বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানা দণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 224- Resistance or obstruction by a person to his lawful apprehension:
Whoever intentionally offers any resistance or illegal obstruction to the lawful apprehension of himself for any offence with which he is charged or of which he has been convicted, or escapes or attempts to escape from any custody in which he is lawfully detained for any such offence, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both. 
 
Explanation.-The punishment in this section is in addition to the punishment for which the person to be apprehended or detained in custody was liable for the offence with which he was charged, or of which he was convicted.
১১,৬০২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার অধীনে, কোন পরিস্থিতিতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যাবে না?
  1. যে ব্যক্তি চুক্তির শর্ত পূর্ণ করেছে
  2. যে ব্যক্তি চুক্তির শর্ত পূরণে অক্ষম
  3. যে ব্যক্তি চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেতে পারে
  4. যে ব্যক্তি চুক্তির শর্তের সমস্ত অংশ সম্পন্ন করেছে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) যে ব্যক্তি চুক্তির শর্ত পূরণে অক্ষম।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারায়, যদি কোনো ব্যক্তি চুক্তির কোনো গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে অক্ষম হন বা সেই শর্ত ভঙ্গ করেন, তবে তার পক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান:
প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 24-
Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favor of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
১১,৬০৩.
‘ক’ ‘খ’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়ে যায়, ‘খ’-এর সম্মতি ছাড়া। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে 'ক' এর এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর ব্যাখ্যা ৪ অনুসারে, পশুকে প্রলোভন দিয়ে নিয়ে যাওয়া চুরি। এখানে, ‘ক’ ‘খ’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়েছে, যা চুরি। ধারা ৩৭৯ অনুসারে, চুরির শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

১১,৬০৪.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখিত তামাদির মেয়াদগুলোর মধ্যে নিম্নলিখিত কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ৯০ দিন
  2. ৬ মাস
  3. ১৫ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলে বিভিন্ন ধরণের মামলা, আপীল ও দরখাস্ত দায়েরের জন্য বিভিন্ন মেয়াদের তামাদি সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সাধারণত উল্লেখিত মেয়াদগুলো হলো: ৯০ দিন, ৬ মাস, ১ বছর, ২ বছর, ৩ বছর, ৬ বছর, ১২ বছর, ৩০ বছর, ৬০ বছর (যেমন: বন্ধক সম্পত্তি পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত মামলা)
- তবে, “১৫ বছর” মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই। এটি কোনো suit, appeal বা application এর নির্ধারিত তামাদির সময়সীমা নয়।

অন্যান্য অপশন কেন সঠিক নয়:
ক) ৯০ দিন: সাধারণত আপীলের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হয়, যেমন নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে।
খ) ৬ মাস: নির্দিষ্ট কিছু আবেদন বা আবেদন সাপেক্ষ কাজের জন্য এই মেয়াদ ব্যবহৃত হয়।
ঘ) ৩০ বছর: জমি বা অন্যান্য সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলা প্রভৃতিতে এ মেয়াদ প্রযোজ্য।

অর্থাৎ ১৫ বছর তামাদি মেয়াদ হিসেবে তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখ নেই, তাই এটি অন্তর্ভুক্ত নয়।
সঠিক উত্তর: গ) ১৫ বছর।
১১,৬০৫.
ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন সাক্ষী হাজির হতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাক্ষীকে-
  1. জরিমানা করতে পারেন
  2. গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠাতে পারেন
  3. মৌখিকভাবে সতর্ক করতে পারেন
  4. হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।

ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না:
অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।

অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে:
শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।

(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
১১,৬০৬.
Under Section 306 of The Penal Code, 1860, who can be held liable for punishment?
  1. The person who commits suicide
  2. The witnesses of the suicide
  3. The person who abets the commission of suicide
  4. The person who survives a suicide attempt.
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান- আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306- Abetment of suicide:
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১১,৬০৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগের বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৬
  2. অনুচ্ছেদ ৯৭
  3. অনুচ্ছেদ ৯৮
  4. অনুচ্ছেদ ৯৯
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৯৮- সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ:
সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের বিধানাবলী সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতির নিকট সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের বিচারক-সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি করা উচিত বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসরের জন্য অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবেন, কিংবা তিনি উপযুক্ত বিবেচনা করিলে হাইকোর্ট বিভাগের কোন বিচারককে যে কোন অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আপীল বিভাগের আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের অধীন বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে কিংবা বর্তমান অনুচ্ছেদের অধীন আরও এক মেয়াদের জন্য অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে বর্তমান অনুচ্ছেদের কোন কিছুই নিবৃত্ত করিবে না।

১১,৬০৮.
অকৃষি প্রজাকে কোর্ফা পত্তন থেকে কোন ধারা নিষিদ্ধ করে?
  1. NAT Act, 1949 এর ৯৩ ধারা
  2. SAT Act, 1950 এর ২৬ ধারা
  3. NAT Act, 1949 এর ২৬ক ধারা
  4. SAT Act, 1950 এর ৯৩ ধারা
ব্যাখ্যা
NAT Act, 1949 ধারা ২৬ক: কোর্ফা পত্তন নিষিদ্ধ (Bar to Sub-let):
(১) এই আইন, বা প্রচলিত অন্য কোনো আইন, কিংবা কোনো চুক্তিতে ভিন্ন কিছু থাকলেও, কোনো অকৃষি প্রজা (non-agricultural tenant) তার ভাড়া নেওয়া জমির পুরোটা বা কোনো অংশ অন্য কাউকে কোর্ফা পত্তন দিতে পারবে না- যে কোনো শর্তেই হোক না কেন।

(২) যদি কেউ এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে তার ভাড়াকৃত জমি বা তার কোনো অংশ কোর্ফা পত্তন করে, তাহলে-
- সেই প্রজার জমির ওপর অধিকার বাতিল (extinguished) হয়ে যাবে।
- এবং সেই জমি বা তার অংশ সকল দায়-দেনা মুক্তভাবে সরকার (প্রাদেশিক সরকার)-এর অধীনে চলে যাবে।
১১,৬০৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে আদালত বৈরী সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দিতে পারেন?
  1. ধারা ১১৯
  2. ধারা ১৫৪
  3. ধারা ১৩২
  4. ধারা ১১২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৪ অনুসারে, যদি কোনো সাক্ষী (বৈরী সাক্ষী) সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের স্বার্থের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয় বা সত্য বলতে অনিচ্ছুক হয়, তাহলে আদালতের অনুমতি নিয়ে সেই পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা (cross-examination) করতে পারে। এটি সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা এবং সত্য বের করার উদ্দেশ্যে। আইনের সাধারণ নিয়ম অনুসারে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না, কিন্তু ধারা ১৫৪-এর অধীনে এই ব্যতিক্রম অনুমোদিত।

⇒ ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।

১১,৬১০.
'পরিবর্তন ব্যতীত অকার্যকরকরণ' বিধানটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ২৫
  2. ধারা ২৬
  3. ধারা ২৭
  4. ধারা ২৮
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৬,পরিবর্তন ছাড়া অকার্যকরকরণ: যেক্ষেত্রে বাদি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন দাবি করেন যাহাতে বিবাদি একটি পরিবর্তন করেন, সেইক্ষেত্রে বাদি নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে উক্তরূপ পরিবর্তন ব্যতীত প্রার্থিত কার্য সম্পাদন পাইবেন না (যেমন):-
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতারণার মাধ্যমে বা তথ্যগত ভুলের কারণে যে চুক্তির কার্য সম্পাদন দাবি করা হইতেছে, উহার শর্তাবলি, বিবাদি চুক্তিবদ্ধ হইবার সময় যেরূপ ভাবিয়া ছিলেন উহা হইতে ভিন্নরূপ পরিগ্রহ হইয়াছে;
(খ) যেক্ষেত্রে প্রতারণা, তথ্যগত ভুল অথবা আকস্মিকতার কারণে বিবাদি তাহার এবং বাদির মধ্যে চুক্তির ফলাফল সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত ভুল ধারণার বশবর্তী হইয়া চুক্তিবদ্ধ হইয়াছেন;
(গ) যেক্ষেত্রে বিবাদি চুক্তির শর্তাবলি জানিয়া এবং এর ফলাফল উপলব্ধি করিয়া বাদির কতিপয় ভুল বিবরণের উপর বিশ্বাস করিয়া চুক্তিবদ্ধ হইয়াছেন অথবা বাদি পক্ষের এমন কিছু শর্তের পরিপ্রেক্ষিতে চুক্তিবদ্ধ হইয়াছেন যাহা চুক্তিতে যুক্ত করা হইয়াছে, কিন্তু যাহা তিনি পালন করিতে অস্বীকার করেন;
(ঘ) যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের লক্ষ্য ছিল নির্দিষ্ট আইনগত ফলাফল লাভ করা কিন্তু চুক্তি যেভাবে তৈরি করা হইয়াছে, উহা তেমন ফলদায়ী হইবে বলিয়া বিবেচিত হয় না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে পক্ষগণ চুক্তিপত্র সম্পাদনের পর উহা পরিবর্তন করিবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন।

১১,৬১১.
Civil Courts কোন ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. রিসিভার নিয়োগ
  2. দলিল সংশোধন
  3. ঘোষণামূলক প্রতিকার
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুতরাং বলা যায় যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারা ছাড়া সকল ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
১১,৬১২.
কোনটি পদ্ধতি বিষয়ক আইন নয়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি
  2. সাক্ষ্য আইন
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার
  4. তামাদি আইন
ব্যাখ্যা
♦ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি। Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
♦ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন।
১১,৬১৩.
দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার বিধান হিসেবে কোনটি সঠিক?
  1. Criminal breach of trust by carrier, etc.
  2. Criminal breach of trust by clerk or servant
  3. Criminal breach of trust by public servant, or by banker etc
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
Section 409- Criminal breach of trust by public servant, or by banker, merchant or agent:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property in his capacity of a public servant or in the way of his business as a banker, merchant, factor, broker, attorney or agent, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা অনুযায়ী,
‘যে ব্যক্তি তার সরকারি কর্মচারীজনিত ক্ষমতার বা একজন ব্যাংকার, বণিক, আড়তদার, দালাল, অ্যাটর্নি বা প্রতিভূ হিসাবে তাহার ব্যবসায় ব্যাপদেশে যে কোনও প্রকারে কোনও সম্পত্তি বা কোনও সম্পত্তির ওপর আধিপত্যের ভারপ্রাপ্ত হইয়া সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেন, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।’
১১,৬১৪.
এ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান-
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
  3. আপিল বিভাগের বিচারক
  4. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ১১খ অনুচ্ছেদে অ্যাডভোকেট নিবন্ধন কমিরি উল্লেখ আছে। উক্ত কমিটির সদস্য হলো ৫ জন। প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপীল বিভাগের বিচারক হবে নিবন্ধন কমিটির সভাপতি।

♦ অনুচ্ছেদ-১১খ: নিবন্ধন কমিটির সদস্য সংখ্যা ৫ জন। ১ জন চেয়ারম্যান ও ৪ জন সদস্য।
চেয়ারম্যান হবেন প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনিত আপিল বিভাগের বিচারক,
প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনিত হাইকোর্ট বিভাগের ২জন বিচারক,
অ্যাটর্নি জেনারেল এবং
বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে ১ জন।

♦ নিবন্ধন কমিটির কাজ: নিম্ন আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবীদের নিবন্ধন সংক্রান্ত কার্যাবলী সম্পাদন করা।
১১,৬১৫.
সাক্ষ্য গ্রহণের সঠিক ক্রম কোনটি?
  1. জবানবন্দি, পুন:জবানবন্দি এবং জেরা
  2. জেরা, জবানবন্দি এবং পুন:জবানবন্দি
  3. জবানবন্দি, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।

ধারা ১৩৮: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
১১,৬১৬.
কিভাবে একটি অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমান করা যায়?
  1. দলিলটি যে লিখেছে তার সাক্ষ্য দ্বারা
  2. বিশেষজ্ঞের মতামত দ্বারা
  3. তর্কিত হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির সাক্ষ্য দ্বারা
  4. 'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের বিধান মতে: অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমানের পদ্ধতি (Method of Proof of Execution of documents not requiring attestation)- কোন অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন নিম্নলিখিতভাবে প্রমান করা যায়। যথা-

ⅰ) দলিলটি যে লিখেছে তার সাক্ষ্য দ্বারা;

ii) দলিল লেখক ও স্বাক্ষরকারীর হস্তলিপির সাথে প্রমানিত বা স্বীকৃত হস্তলিপির তুলনা করে ঐ তর্কিত হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির সাক্ষ্য কিংবা বিশেষজ্ঞের মতামত দ্বারা অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমান করা যায়।
১১,৬১৭.
According to Section 9 of the Transfer of Property Act, property can be transferred orally when:
  1. Both parties agree
  2. The value is below tk 100
  3. The property is movable
  4. The law does not require it to be in writing
ব্যাখ্যা
• Section 9: Oral transfer-
A transfer of property may be made without writing in every case in which a writing is not expressly required by law.

ধারা ৯: মৌখিক হস্তান্তর-
যে সকল ক্ষেত্রে লিখিত হওয়ার আবশ্যকতা আইন দ্বারা প্রত্যক্ষ ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সে সকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে।

মৌখিক হস্তান্তর (Oral transfer):
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, যেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে। রেজিস্ট্রেশন আইন সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের পরিপূরক। সুতরাং যে সকল হস্তান্তরে রেজিস্ট্রেশনের বিধান রয়েছে, তা মৌখিক ভাবে হস্তান্তর করা যায় না। এক্ষেত্রে বলা যায়, যে সকল সম্পত্তির হস্তান্তর লিখিত দলিলের মাধ্যমে হওয়ার প্রয়োজন নেই এবং যে সকল হস্তান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই সে সকল হস্তান্তর মৌখিক ভাবে করা যায়।
১১,৬১৮.
‘জ’ একজন বিচারক হয়ে তার ভাই ‘ভ’ কে ‘ক’ এর ব্যাংকে চাকরি দেওয়ার শর্তে ‘ভ’ এর অনুকূলে রায় ঘোষণা করে। ‘জ’-এর অপরাধ কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য?
  1. ১৬১ ধারায়
  2. ১৬২ ধারায়
  3. ১৬৩ ধারায়
  4. ১৬৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ১৬১ ধারায় পাবলিক সার্ভেন্ট ঘুষ বা আনুকূল্য গ্রহণ করলে তার শাস্তির বর্ণনা দেওয়া আছে যা ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
♦পেনাল কোড এর ধারা ১৬১ মতে সরকারী কর্মচারী হইয়া বা হওয়ার আশা করিয়া কোন সরকারী কার্যের জন্য ঘুষ গ্রহণঃ কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারী হবে বলে আশা করে কোন সরকারী কাজ করার অথবা করা হতে বিরত থাকার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারী দায়িত্ব সম্পাদনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করার জন্য বা করা হতে বিরত থাকার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা কোন ব্যক্তির উপকার বা অপকার করার জন্য বা তা করার চেষ্টায় নিজের অথবা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে আইনসম্মত পারিশ্রমিক ছাড়াই অপর যে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে বা লাভ বা গ্রহণ করতে সম্মত হয় বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১১,৬১৯.
জারিতে বাধাদানের ক্ষেত্রে ডিক্রিদারের আবেদনে আদালত দেনাদার বা অপর কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত মেয়াদে দেওয়ানী কয়েদে আটকের আদেশ দিতে পারিবেন?
  1. ২০ দিন,
  2. ৩০ দিন,
  3. ৪৫ দিন,
  4. ৬০ দিন,
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান: যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন। 
১১,৬২০.
Who was not a poet from the Romantic Period?
  1. William Blake
  2. Thomas Gray
  3. John Keats
  4. William Wordsworth
ব্যাখ্যা
Thomas Gray is a poet from the Age of sensibility.

• Poets of the Romantic Period are:
- William Blake
- Lord Byron
- John Keats
- William Wordsworth
- Samuel Taylor Coleridge
- Jane Austane
- Charles Lamb
- Percy Bysshe Shelley
- William Hazlitt.
----------------------------
The Neo-classical period (1660-1798) comprises three shorter ages:
1. The Restoration Period (1660-1700),
2. The Augustan Age or the Age of Pope (1700-1745) and
3. The Age of Sensibility or The Age of Johnson (1745-1798).

Source- An ABC of english Literature, Dr. M Mofizur Rahman.
১১,৬২১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৫ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. গণ-উৎপাত
  2. রাজনৈতিক অসন্তোষ
  3. পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা
  4. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা (Dispute concerning land, etc. is likely to cause breach of peace)- স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
♦ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।

(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।
১১,৬২২.
মিনস প্রফিট (Means Profit) এর শর্ত হচ্ছে কি?
  1. যেকোনো দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তি হতে মুনাফা লাভ করতে হবে
  2. বেআইনী দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তির উন্নতি লাভ করতে হবে
  3. বেআইনী দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তি হতে মুনাফা লাভ করতে হবে
  4. কোনটিই না
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুযায়ী সম্পত্তির ওয়াশিলাত(mesne profit) বলতে: বে-আইনী দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তি হতে প্রকৃতপক্ষে যে মুনাফা লাভ করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে মুনাফা লাভ করতে পারত সুদসহ সেই মুনাফা বুঝায়, কিন্তু বে-আইনী দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তির কোন উন্নতি সাধন করে থাকলে ইহার ফলে সৃষ্ট মুনাফা অন্তর্ভুক্ত হবে না।
১১,৬২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারা অনুসারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে বিচারক কী সম্পর্কে অবহিত করবেন?
  1. সাক্ষীর বিবরণ
  2. জামিনের শর্ত
  3. আপিলের সময়সীমা
  4. দণ্ড কার্যকরের তারিখ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৭১ অনুসারে, যখন কোনো দায়রা বিচারক (Sessions Judge) মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন, তখন তিনি আসামিকে অবশ্যই অবহিত করবেন যে, সে যদি আপিল করতে চায়, তাহলে কত দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুসারে, বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: আসামীর আবেদনে রায় প্রভৃতির অনুলিপি তাহাকে দিতে হইবে:
(১) আসামি আবেদন করলে রায়ের একটি নকল অথবা সে ইচ্ছা করলে ও সম্ভব হলে তার নিজের ভাষায় বা আদালতের ভাষায় উহার একটি অনুবাদ তাকে অবিলম্বে দিতে হবে। ২০ অধ্যায়ের মামলা ব্যতীত অন্য যেকোনো মামলায় এরূপ নকল বিনা মূল্যে দিতে হবে।
-মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়:
(৩) যখন কোন দায়রা জজ কোন আসামিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তখন উক্ত দায়রা জজ তাকে আরও জানাইবেন যে সে আপিল করতে চাইলে কতদিনে মধ্যে আপিল করতে পারবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-371.
- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application:
(1) On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a 402[case under Chapter XX], be given free of cost.
-Case of person sentenced to death:
(3) When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
১১,৬২৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ কোন আদালতে বিচারযোগ্য হবে?
  1. দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে
  2. শুধুমাত্র হাইকোর্টে
  3. যেকোন দায়রা আদালতে
  4. আইনের অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২১: মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ পদমর্যাদার বিচারকের সমন্বয়ে যেকোন জেলায় মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত, সরকার প্রত্যেক জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকে উক্ত জেলার মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল হিসাবে নিয়োগ (assign) বা ক্ষমতায়িত করিতে পারিবে। 

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার কেবল এই আইনের অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য হইবে। 

(৪) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে কোন অপরাধ বা উহার অংশবিশেষ সংঘটিত হইয়াছে অথবা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে যে অঞ্চল হইতে উদ্ধার করা হইয়াছে বা তিনি যে অঞ্চলের অধিবাসী সেই আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে। 

(৫) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার বাহিরে বাংলাদেশী কোন নাগরিক বা কোম্পানী অথবা স্বভাবতঃ বাংলাদেশে আবাসী (habitually resident in Bangladesh) এমন কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে, তিনি যেই ট্রাইব্যুনালে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের অধিবাসী ছিলেন অথবা কোম্পানীর ক্ষেত্রে উক্ত কোম্পানীর নিবন্ধিত অফিস (registered office) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে ছিল, সেই ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে।
১১,৬২৫.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গের ফল কি হতে পারে ?
  1. ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
  2. জরিমানা
  3. দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস আটকাবস্থা
  4. কোনটিই না
ব্যাখ্যা
♦অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করা যায় এবং নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করলে, আদালত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারে এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের দেওয়ানী কারাবাসে আটকের আদেশ দিতে পারে অথবা উভয়
১১,৬২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ অনুযায়ী, আদালত কী কারণে আলাদা বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারে?
  1. যদি মামলার খরচ বেশি হয়
  2. যদি বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে চায়
  3. যদি বিবাদী মামলা পরিচালনা করতে অক্ষম
  4. যদি বাদীদের একত্রিত করা মামলার বিচারকে জটিল বা বিলম্বিত করে
ব্যাখ্যা
→ সংযুক্তি মোকদ্দমায় যদি বাদীদের একত্রিত করা মামলার বিচারকে জটিল বা বিলম্বিত করে,  সেক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ অনুযায়ী কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন।
- সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে- ভিন্ন উপায়ে বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা। যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদিদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ আলাদা বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা:
- যে ক্ষেত্রে আদালতের নিকট ইহা প্রতীয়মান হয় যে বাদীদের একত্রীকরণ মামলার বিচার অনুষ্ঠানে অসুবিধায় ফেলতে বা বিলম্ব ঘটাতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদীগণকে তাদের স্বাধীন ইচ্ছায় রাখতে পারেন বা আলাদা বিচারানুষ্ঠানের আদেশ, প্রদান করতে পারেন অথবা এরূপ আদেশ যা সুবিধাজনক মনে হয়, প্রদান করতে পারেন।
----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-1, Rule-2: Power of Court to order separate trials-
- Where it appears to the Court that any joinder of plaintiffs may embarrass or delay the trial of the suit, the Court may put the plaintiffs to their election or order separate trials or make such other order as may be expedient. 
১১,৬২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXI এর rule 30A অনুসারে, ডিক্রিদায়িক ডিক্রির অন্তত কত শতাংশ টাকা জমা দিয়ে বন্ড প্রদান করলে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হবে?
  1. ১০%
  2. ১৫%
  3. ২৫%
  4. ৫০%
ব্যাখ্যা

Order XXI এর rule 30A: অর্থ প্রদানের ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিশেষ বিধান-

(১) এই বিধিতে অন্য কিছু বলা থাকলেও, আদালত ডিক্রিধারীর আবেদনের ভিত্তিতে, যে পরিমাণ টাকা এখনো পরিশোধ হয়নি তার সম্পূর্ণ বা আংশিক আদায়ের জন্য ডিক্রিদায়িককে (Judgment-debtor) দেওয়ানি কারাগারে আটক করতে পারে; তবে মেয়াদ ছয় মাসের বেশি হবে না বা টাকা পরিশোধের দিন পর্যন্ত—যেটি আগে ঘটে।

(২) এই বিধির অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকা ব্যক্তির জীবিকার ব্যয় সরকার বহন করবে।

(৩) নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখার বিধান প্রযোজ্য হবে না— যে নাবালক (অপ্রাপ্তবয়স্ক), মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি, যাকে যোগ্য আদালত দেউলিয়া (insolvent) ঘোষণা করেছে, যিনি মূল ডিক্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তির উত্তরাধিকারসূত্রে প্রতিস্থাপিত হয়েছেন।

(৪) যদি দেওয়ানি কারাগারে আটককৃত ব্যক্তি মোট ডিক্রির অন্তত ২৫% টাকা জমা দেয় এবং অবশিষ্ট টাকা ৬০ দিনের মধ্যে দেওয়ার জন্য একটি বন্ড প্রদান করে, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দেবে। কিন্তু যদি সেই ব্যক্তি বন্ডে উল্লেখিত শর্ত অনুযায়ী অবশিষ্ট টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে।

(৫) কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) বা (৪)-এর অধীনে দেওয়ানি কারাগারে সর্বোচ্চ মেয়াদ পর্যন্ত আটক থাকলে, সেই একই ডিক্রির একই কার্যকরী প্রক্রিয়ায় বা একই ডিক্রি থেকে উদ্ভূত অন্য কোনো কার্যকরী প্রক্রিয়ায় তাকে পুনরায় গ্রেফতার বা আটক করা যাবে না।

(৬) কোনো ব্যক্তি এই বিধির অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আংশিক বা সম্পূর্ণ মেয়াদ ভোগ করলেও, তার ওপর ডিক্রির বাকি টাকা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে এবং তিনি সেই অর্থ পরিশোধ থেকে অব্যাহতি পাবেন না।

১১,৬২৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৪১ বিধি ১৭(২) অনুযায়ী, আপিলকারী হাজির থাকলেও রেসপন্ডেন্ট অনুপস্থিত থাকলে কী হবে?
  1. শুনানি বন্ধ থাকবে
  2. আপিল খারিজ হয়ে যাবে
  3. একতরফাভাবে শুনানি চলবে
  4. মামলাটি পুনরায় নোটিশ দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
১১,৬২৯.
'X' একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করার জন্য স্বাক্ষর করে যা আইনের দিক থেকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। সে জানত সার্টিফিকেটে থাকা তথ্য মিথ্যা। দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী, 'X'-এর শাস্তি হবে?
  1. ধারা ১৯৫
  2. ধারা ১৯৬
  3. ধারা ১৯৭
  4. ধারা ১৯৮
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত প্রয়োজনীয় কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা স্বাক্ষর করে, অথবা এমন কোনো বিষয়ে সার্টিফিকেট দেয় বা স্বাক্ষর করে যা আইনত সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, এবং সেই সার্টিফিকেটটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ (material) বিষয়ে মিথ্যা বলে জানে বা বিশ্বাস করে, তবে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার (ধারা ১৯৩) অনুরূপ শাস্তি প্রদান করা হবে।
প্রশ্নে উল্লিখিত 'X'-এর কাজটি (মিথ্যা সার্টিফিকেট স্বাক্ষর করা) সরাসরি ধারা ১৯৭-এর অধীনে পড়ে।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) ধারা ১৯৫: এটি প্রযোজ্য যখন কেউ মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা তৈরি করে যাতে কোনো ব্যক্তি কারাদণ্ড (৭ বছর বা তার বেশি) বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়। এখানে সার্টিফিকেট ইস্যু করার বিষয় নেই।
খ) ধারা ১৯৬: এটি প্রযোজ্য যখন কেউ জেনেশুনে মিথ্যা সাক্ষ্য বা দলিল ব্যবহার করে (ইস্যু বা স্বাক্ষর নয়)।
ঘ) ধারা ১৯৮: এটি প্রযোজ্য যখন কেউ জেনেশুনে মিথ্যা সার্টিফিকেট ব্যবহার করে (ইস্যু বা স্বাক্ষর নয়)।
সুতরাং, 'X' এর কাজটি ধারা ১৯৭-এর সাথে মেলে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

১১,৬৩০.
আইনত প্রত্যায়িত হতে হয় এমন দলিলের সম্পাদন প্রমানের জন্য-
  1. অন্তত একজন প্রত্যয়কারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
  2. কোন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন নেই।
  3. প্রত্যেক প্রত্যয়কারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
  4. কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ (Proof of execution of document required by law to be attested): 

⇒  যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

⇒  রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

-----------------
⇒ Proof of execution of document required by law to be attested:
Section 68. If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
⇒ Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
১১,৬৩১.
মুসলিম আইন অনুযায়ী, স্বামী কি স্ত্রীর জন্য নাফাকা প্রদান করতে বাধ্য?
  1. না, এটি ইচ্ছাধীন
  2. হ্যাঁ, তবে শুধু ধর্মীয় দায়িত্ব
  3. না, তবে স্ত্রীর ইচ্ছা হলে দিতে হবে
  4. হ্যাঁ, এটি তার ধর্মীয় ও আইনগত দায়িত্ব
ব্যাখ্যা
নাফাকা (Nafaqa) মুসলিম আইন অনুসারে:
নাফাকা (Nafaqa) শব্দটি আরবি "نفقہ" থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো জীবিকা বা ভরণপোষণ, বিশেষ করে প্রয়োজনীয় খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ইত্যাদি প্রদান। মুসলিম আইন অনুসারে, নাফাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য যা পরিবারিক জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য স্বামী, বাবা বা অভিভাবককে প্রদান করতে হয়। খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা নাফাকায় অন্তর্ভুক্ত।

মুসলিম আইনে নাফাকার বিবরণ:
মুসলিম শরিয়াহ অনুসারে, স্বামীর প্রধান দায়িত্ব হলো তার স্ত্রীর জন্য নাফাকা প্রদান। এটি স্বামীর আইনি ও ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত। স্বামী তার স্ত্রীর খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণে দায়িত্বশীল। নাফাকার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় সাধারণত স্বামী ও স্ত্রীর আর্থিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে। স্বামী যদি ধনী হয়, তবে স্ত্রীর জন্য তার ভরণপোষণও বেশি হতে পারে। যদি স্বামী দরিদ্র হয়, তবে স্ত্রীর নাফাকা তার আর্থিক সামর্থ্য অনুসারে নির্ধারিত হবে। সাধারণভাবে, নাফাকা এমনভাবে নির্ধারিত হবে যেন স্ত্রীর জীবনযাত্রা স্বাভাবিক থাকে, এবং তার মৌলিক প্রয়োজনগুলো পূর্ণ হয়।

স্ত্রীর অধিকার:
যদি কোনো স্ত্রীর কাছে স্বামীর অর্থনৈতিক সহায়তা বা নাফাকা প্রদান না করা হয়, তবে সে আদালতে নাফাকা চেয়ে মামলা করতে পারে। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, স্ত্রীর জন্য নাফাকা একটি মৌলিক অধিকার এবং এটি নিশ্চিত করার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। তালাকের পর, ইদ্দতকালে স্ত্রীর জন্য নাফাকা প্রদান করাটা স্বামীর কর্তব্য।
১১,৬৩২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কত ধারায় দলিল আংশিক বাতিলের এবং আংশিক বহালের বিধান আছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৭ ধারা
  4. ৪০ ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪০: যখন দলিল আংশিকভাবে বাতিল করা যাইবে: যেক্ষেত্রে একটি দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত, যথাযথ মামলায়, উহা আংশিকভাবে বাতিল করিতে পারিবে এবং অবশিষ্ট অংশকে বহাল রাখিতে পারিবে।
ক, খ-এর নামে একটি বিল প্রণয়ন করেন, যিনি পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে গ-কে প্রদান করেন, যাহার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে উহা ঘ-কে প্রদান করা হইয়াছে বলিয়া প্রতীয়মান হয়, ঘ পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে উহা ঙ-কে প্রদান করেন। গ-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। গ বিলটির অন্যান্য বিষয়ে বহাল রাখিয়া এইরূপ পৃষ্ঠাঙ্কন বাতিল করাইবার অধিকারী।
-------------
Specific Relief Act, Section 40: What instrument may be partially cancelled: Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.
Illustration: A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.

১১,৬৩৩.
কোনো ক্ষতি যদি সাথে সাথে না ঘটে বরং পরে ঘটে, তবে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে—
  1. কাজ করার দিন থেকে
  2. সমন ইস্যুর দিন থেকে
  3. ক্ষতি হওয়ার দিন থেকে
  4. আদালতের আদেশের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৪ অনুসারে, যে ক্ষতিপূরণ মামলাগুলো বিশেষ ক্ষতি প্রকাশ না পাওয়া পর্যন্ত কার্যকর হয় না, সেগুলোর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয় যখন ক্ষতি প্রকাশ পায় বা ক্ষতি হয়। এই ধারার দৃষ্টান্তে উল্লেখ আছে: যদি ভূ-পৃষ্ঠের নিচে কয়লা খননের ফলে তাৎক্ষণিক ক্ষতি না হয় কিন্তু পরে ভূ-পৃষ্ঠ ধসে পড়ে, তবে তামাদির মেয়াদ ধসের তারিখ (অর্থাৎ ক্ষতি হওয়ার দিন) থেকে শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।
---------
⇒ The limitation Act-1908, Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage:-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

Illustration:
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.

১১,৬৩৪.
হিন্দু আইনে দানের বৈধতা সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মৃত্যুর আশঙ্কায় কৃত দান অবৈধ
  2. দানের বিষয়বস্তুর দখল গ্রহীতার কাছে হস্তান্তরিত হতে হবে
  3. দান একবার করা হলে তা প্রত্যাহারযোগ্য
  4. উল্লিখিত সবগুলাই সঠিক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর:খ) দানের বিষয়বস্তুর দখল গ্রহীতার কাছে হস্তান্তরিত হতে হবে। 

→ হিন্দু আইনে, দানের মাধ্যমে সম্পত্তির মালিকানা স্বত্ব গ্রহীতার কাছে হস্তান্তরিত হওয়ার আগে, দানগ্রহীতা সেই সম্পত্তির দখল পেতে হবে। দানের বিষয়বস্তুর দখল দেওয়া ছাড়া দান কার্যকর হয় না।
- হিন্দু আইনে, দান সম্পন্ন হওয়ার জন্য দানগ্রহীতাকে সম্পত্তির দখল নিতে হবে। দান কেবল তখনই কার্যকর হয়, যখন দানগ্রহীতা সেই সম্পত্তির দখল গ্রহণ করেন। দানের মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তর ঘটে, তবে দানের বিষয়বস্তুর দখল নিলে তবেই সেটি আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে পূর্ণ হয়।

বাকি অপশনগুলির ব্যাখ্যা:
ক) মৃত্যুর আশঙ্কায় কৃত দান অবৈধ: এটি সঠিক নয়, কারণ মৃত্যুর আশঙ্কায় করা দান হিন্দু আইনে বৈধ হিসেবে গণ্য হয়।
গ) দান একবার করা হলে তা প্রত্যাহারযোগ্য: এটি সঠিক নয়, কারণ একবার দান করার পর তা প্রত্যাহার করা যায় না।

১১,৬৩৫.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ১৪ ধারায় কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. জামিন সংক্রান্ত বিধান
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ
  3. আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার
  4. ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১৪- ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা ইত্যাদির সাক্ষ্যমূল্য:
কোন পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত কোন অপরাধ সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোন ঘটনার চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোন কথাবার্তা বা আলাপ আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র বা টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধের বিচারে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
১১,৬৩৬.
দন্ডবিধি অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায়ের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১বছর
  2. ৬বছর
  3. ৬মাস
  4. ৩বছর
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৭০ ধারামতে সাধারনত অর্থদন্ড প্রদানের ৬ বছরের মধ্যে অর্থদন্ড আদায় করতে হবে, কিন্তু যদি অপরাধী ৬ বৎসরের বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত হয়, তাহলে উক্ত দন্ডের মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পূর্বে যে কোন সময়ে অর্থদন্ড আদায়যোগ্য হবে। অপরাধীর মৃত্যু হলে তার সম্পত্তি থেকে অর্থদন্ড আদায় করা যাবে।

♦ কারাদন্ডের আদেশ হওয়ার ৬ বছরের মধ্যে জরিমানার টাকা আদায় করা না হলে, উক্ত টাকা আর কখনও আদায় করা যাবে না। উহা তামাদি দোষে বারিত হবে।
১১,৬৩৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের বিধান আছে?
  1. ২১(৪) ধারায়
  2. ২২(৪)  ধারায়
  3. ২৩(৪)  ধারায়
  4. ২৪(৪)  ধারায়
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৪: সাক্ষীর উপস্থিতি:
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারের জন্য সাক্ষীর সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সাক্ষীর সর্বশেষ বসবাসের ঠিকানা যে থানায় অবস্থিত, সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত সাক্ষীকে উক্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করিবার দায়িত্ব উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার থাকিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সাক্ষীর সমনের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সাক্ষীকে এবং সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার বা, ক্ষেত্রমত, পুলিশ কমিশনারকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সমেত নিবন্ধিত ডাকযোগে প্রেরণ করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন কোন সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃত গাফিলতি করিলে ট্রাইব্যুনাল উহাকে অদক্ষতা হিসাবে চিহ্নিত করিয়া সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) কোন ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে কিংবা ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করিলে যে কোন দূরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য, এ সম্পর্কিত বলবৎ আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রহণ করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সরকার এবং অন্যান্য কর্তৃপক্ষ ট্রাইব্যুনালকে তথ্যপ্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করিবে।

১১,৬৩৮.
জাল মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানির শাস্তি কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. পাঁচ বছর
  2. সাত বছর
  3. দুই বছর
  4. তিন বছর
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩৭ ধারার বিধান: জাল মুদ্রা আমদানি কিংবা রপ্তানি:- মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহা রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

-----------------------
♦ Section 237. Import or export of counterfeit coin:- Whoever imports into Bangladesh, or exports there from, any counterfeit coin, knowingly or having reason to believe that the same is counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall be liable to fine.
১১,৬৩৯.
দণ্ডবিধিতে 'Affray' এর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
- যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
- কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
__________________________________
⇒ The Penal Code,1860: Section-159: Affray:
- When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section-160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১১,৬৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিতে বলা হয়েছে যে বিদেশে অবস্থানরত সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন হলে আদালত কমিশন বা ‘Letter of Request’ ইস্যু করতে পারে?
  1. আদেশ ২৬, বিধি ৪
  2. আদেশ ২৬, বিধি ৫
  3. আদেশ ২৬, বিধি ৬
  4. আদেশ ২৬, বিধি ৭
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬-এর বিধি ৫-এ স্পষ্টভাবে লেখা আছে: যদি কোনো সাক্ষী বাংলাদেশের বাইরে (অর্থাৎ বিদেশে) থাকেন এবং তার সাক্ষ্য মামলার জন্য খুব দরকারি হয়, তাহলে বাংলাদেশের আদালত দুটি জিনিসের যেকোনো একটা করতে পারে:
১) কমিশন জারি করতে পারে (যেমন অন্য দেশের আদালতে পাঠানো), অথবা
২) Letter of Request (অর্থাৎ আনুষ্ঠানিক চিঠি) পাঠাতে পারে।
- এই চিঠি বা কমিশন পেয়ে বিদেশের আদালত সেই সাক্ষীকে ডেকে তার জবানবন্দি নেবে এবং বাংলাদেশের আদালতে পাঠিয়ে দেবে।

অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬-এর বিধি ৫ অনুসারে বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রয়োজন হলে আদালত কমিশন (commission) বা অনুরোধপত্র (letter of request) জারি করতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-26 Rule-5.Commission or Request to examine witness not within Bangladesh:
- Where any Court to which application is made for the issue of commission for the examination of a person residing at any place not within Bangladesh is satisfied that the evidence of such person is necessary, the Court may issue such commission or a letter of request. 

১১,৬৪১.
বাদী কর্তৃক সমন জারির খরচা প্রদানের ব্যর্থতার জন্য বিবাদির উপর সমন জারি করা না হলে, উক্ত দেওয়ানি মোকদ্দমা কী করা যেতে পারে?
  1. খারিজ
  2. স্থগিত
  3. মুলতবি
  4. একতরফা নিষ্পত্তি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-২:
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।
১১,৬৪২.
Under Explanation 1 to Section 10 of The Specific Relief Act, 1877, who may sue for possession of property?
  1. A bailee
  2. A trustee
  3. A beneficiary
  4. A receiver
ব্যাখ্যা

Section 10 of The Specific Relief Act, 1877- Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.

Explanation 1-
A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.

Explanation 2-
A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

ধারা ১০ : সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা-১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে, এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা-২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

১১,৬৪৩.
ধারা ৬০ অনুযায়ী, যদি মৌখিক সাক্ষ্য পরোক্ষ হয়, তবে তা আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে কিনা?
  1. হ্যাঁ, তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে
  2. না, পরোক্ষ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়
  3. এটি সাক্ষীর উপর নির্ভর করে
  4. শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক তথ্য থাকলে গ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৫৯ এবং ৬০ ধারায় মৌখিক সাক্ষ্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

৫৯ ধারায় বলা হয়েছে:
"All facts, except the contents of documents or electronic records, may be proved by oral evidence."
অর্থাৎ, দলিল বা ইলেকট্রনিক রেকর্ডের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য সব তথ্য মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণ করা যাবে।

৬০ ধারায় বলা হয়েছে:
"Oral evidence must, in all cases whatsoever, be direct."
অর্থাৎ, যেকোনো ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।

সুতরাং, উপরোক্ত এই দুই ধারায় মৌখিক সাক্ষ্যকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং তার প্রকৃতি ও পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। কিছু বিষয় যেমন দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য যেকোনো ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণযোগ্য। এছাড়াও মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই সরাসরি হতে হবে। এসব নিয়মাবলী ৫৯ এবং ৬০ ধারায় বর্ণিত হয়েছে।
১১,৬৪৪.
তামাদি আইনে বিভিন্ন দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫১ থেকে ১৮৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৮৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৫ থেকে ১৮৩
ব্যাখ্যা
⇒তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]
অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]
অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]
অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।
১১,৬৪৫.
একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রােগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না, এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসক নিচের কোন ধারার অপরাধ করেছেন?
  1. খুন
  2. নরহত্যা
  3. হত্যার প্রচেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেন নাই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা- বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

উদাহরণ
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। ক এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

Section 93- Communication made in good faith:
No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 

Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
১১,৬৪৬.
The Penal Code extends to:
  1. The whole of Bangladesh except Rangmati, khagrachari, Bandarban.
  2. The whole of Bangladesh except Chittagong Tract.
  3. The whole of Bangladesh.
  4. None of the above.
ব্যাখ্যা
♦ প্রস্তাবনা:- যেহেতু বাংলাদেশের জন্য একটি সাধারণ দণ্ডবিধি প্রণয়ন করা আবশ্যক সেহেতু নিম্নোক্ত আইন প্রণয়ন করা হল:

♦ দণ্ডবিধির ধারা ১ এর বিধান শিরোনাম ও আইনের কার্যকারিতার সীমা:- এই আইন 'দণ্ডবিধি' নামে অভিহিত হবে এবং ইহা বাংলাদেশের সর্বত্র কার্যকর হবে।

-----------------------
♦ Preamble: WHEREAS it is expedient to provide a general Penal Code for Bangladesh; It is enacted as follows:-
Section 1. Title and extent of operation of the Code:- This Act shall be called the Penal Code and shall take effect throughout Bangladesh.

♦ So The Penal Code extends to The whole of Bangladesh.
১১,৬৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৭
  3. ৬১
  4. ৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
--------------------------------
⇒CrPC Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station. 
(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him. 
(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.
১১,৬৪৮.
'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি উত্তোলন না করার বিষয়ে 'ক' এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু 'খ' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করে। এক্ষেত্রে 'ক', 'খ' কে খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে -
  1. 'ক' এর কোনো প্রতিকার নেই
  2. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  3. নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  4. চুক্তি বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাধীন, আবেদনকারীর পক্ষে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা, সুস্পষ্ট বা গোপনীয়ভাবে ভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এমন বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালতকে এই আইনের অধ্যায় ২-এ অন্তর্ভুক্ত নিয়ম ও বিধানগুলিই অনুসরণ করতে হবে।
যখন বিবাদী পক্ষ বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা উপভোগ আক্রমণ করে বা আক্রমণের হুমকি দেয়, তখন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে আদালত একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যথাঃ
ক) যদি বিবাদী বাদীর জন্য সেই সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
খ) যদি আক্রমণের ফলে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান না থাকে;
গ) যদি আক্রমণটি এমন হয় যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে কাজ না করে;
ঘ) যদি আক্রমণের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে;
ঙ) যদি বহু আদালতি কার্যক্রম এড়াতে নিষেধাজ্ঞাটি প্রয়োজন হয়।

এখানে, 'খ' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং 'ক' আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে 'খ'কে এই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারবেন। আদালত যথাযথ বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
১১,৬৪৯.
জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক চুক্তি কীভাবে পেশ করা হয়?
  1. গেজেট আকারে
  2. সংসদের গোপন বৈঠকে
  3. প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে
  4. মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়ে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি:
বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে, এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সহিত সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হইবে।
১১,৬৫০.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ২৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মানহানির দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ কত দিন?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ২৪:

লিখিত কুৎসা (Libel) দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা;
তামাদি মেয়াদ - ১ বছর;
গণনা শুরু - মানহানিকর বিষয় যখন প্রকাশিত হয় তখন থেকে। 
১১,৬৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিতে আরজি/জবাবের অপ্রয়োজনীয় অংশ কর্তনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. আদেশ ৬, বিধি ১৫
  2. আদেশ ৬, বিধি ১৬
  3. আদেশ ৬, বিধি ১৭
  4. আদেশ ৬, বিধি ১৮
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬: আরজি জবাবে কর্তন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।

Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.

১১,৬৫২.
তিন বা তার অধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে কাউকে অবরোধ করলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ১ বছর ৬ মাস
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১১,৬৫৩.
যেক্ষেত্রে বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয়, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. আসামিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবে
  2. অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
  3. ফরিয়াদিকে জরিমানার আদেশ দিবে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে, যা নিম্নরূপ:
 
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদেণ্ডর  মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
 
(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
 
Section 35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody-
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
১১,৬৫৪.
'Res Gestae' সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে-
  1. অপরাধের পর দ্রুত পালিয়ে যাওয়া অপরাধীর বক্তব্য
  2. অপরাধের পর দ্রুত পালিয়ে যাওয়া অপরাধীর আচরণ
  3. দুর্ঘটনার পর অবিলম্বে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের আতঙ্কিত বা উদ্বিগ্ন বক্তব্য
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে 'Res Gestae' একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। যখন একাধিক ঘটনা অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত এবং একই ঘটনার ধারাবাহিক অংশ হয়, তখন তাদের বক্তব্য বা আচরণকে Res Gestae সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। অর্থাৎ Res Gestae এর মাধ্যমে এমন কথা বা আচরণকে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করা হয় যা কোনো ঘটনার সময় বা ঘটনার পূর্বে বা পরবর্তীতে বলা বা করা হয়েছিল এবং যা সেই ঘটনার প্রকৃতি ও কারণ বুঝতে সাহায্য করে।

উদাহরণস্বরূপ:
⇒ একজন ব্যক্তি আঘাত পেয়ে "X আমাকে আঘাত করেছে" বলে কিছুক্ষণ পরেই মারা গেলে, এই বক্তব্যটি Res Gestae হিসাবে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হবে।
⇒ অপরাধের পর দ্রুত পালিয়ে যাওয়া অপরাধীর বক্তব্য বা আচরণ Res Gestae হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
⇒ দুর্ঘটনার পর অবিলম্বে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের আতঙ্কিত বা উদ্বিগ্ন বক্তব্য Res Gestae হিসেবে গৃহীত হতে পারে।

Res Gestae সাক্ষ্যগুলো ঘটনার সঙ্গে এতটাই নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থাকে যে, তা স্বাভাবিক ও আকস্মিক হয়ে পড়ে এবং মিথ্যা বলার সম্ভাবনা থাকে না। এজন্য আদালত Res Gestae সাক্ষ্যগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেয়। অন্যদিকে, যদি একাধিক ঘটনা পরস্পর খুব অতিরিক্ত পৃথক হয়, তাহলে তাদের বক্তব্য বা আচরণকে Res Gestae সাক্ষ্য বলে গণ্য করা যায় না। একইভাবে, কোনো ঘটনার স্বাতন্ত্র্য বা অপ্রাসঙ্গিকতাও Res Gestae সাক্ষ্য গঠনে সাহায্য করে না।
১১,৬৫৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারায় কোন আইনের প্রয়োগকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ঊর্ধ্বে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  2. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
  3. রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮
  4. উল্লিখিত সকল আইনকে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারা মতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে।
১১,৬৫৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে অনুযায়ী চুক্তি থেকে উদ্ভূত বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্রে আদালত কোন অধ্যায়ের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. প্রথম অধ্যায়
  2. দ্বিতীয় অধ্যায়
  3. তৃতীয় অধ্যায়
  4. চতুর্থ অধ্যায়
ব্যাখ্যা

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, তবে আদালত দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধান ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.
Explanation- For the purpose of this section a trademark is property.

১১,৬৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারা অনুসারে বন্ড স্বাক্ষরের পর কী ঘটে?
  1. মামলা খারিজ করা হয়
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়
  3. অভিযুক্তকে শাস্তি দেওয়া হয়
  4. অভিযুক্তকে আরও তদন্তের জন্য আটক রাখা হয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারা অনুযায়ী, যখন জামিননামা (বন্ড) স্বাক্ষরিত হয়, তখন সেই বন্ডের জন্য জামিন দেওয়া ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়।
যদি সে জেলে থাকে, আদালত মুক্তির আদেশ জেলখানার অফিসারের কাছে পাঠায়, আর সেই অফিসার আদেশ পাওয়ার পর তাকে মুক্তি দেয়।
তবে, যদি অন্য কোনো কারণে অভিযুক্তকে আটক রাখা প্রয়োজন হয়, তাহলে মুক্তি বাধ্যতামূলক নয়।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
১১,৬৫৮.
আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের অভিজ্ঞতা ন্যূনতম কত বছর হতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ এবং আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ন্যূনতম অভিজ্ঞতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দিষ্টভাবে:
- ধারা ১৫(১): সুপ্রিম কোর্ট কমিটি সুপ্রিম কোর্টের মামলার জন্য এবং জেলা কমিটি জেলা আদালতের মামলার জন্য আইনজীবীদের তালিকা তৈরি করবে। এই তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ন্যূনতম ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজদের ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিলযোগ্য।
- ধারা ১৫(২): বিশেষ কমিটি (যেমন শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতের জন্য) তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের জন্যও ন্যূনতম ৫ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
- আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং প্রবিধানমালা, ২০১৫ এও এই শর্ত অপরিবর্তিত রয়েছে।

- তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়, যদি উপযুক্ত মহিলা আইনজীবী পাওয়া যায় (ধারা ১৫(৩))।
- আইনজীবী নিয়োগের ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দকেও বিবেচনা করা হয়।
- অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজদের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিল করা যেতে পারে, যা আইনের একটি বিশেষ বিধান।

অর্থাৎ আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ন্যূনতম ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, যা ধারা ১৫ এবং সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখিত। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ৫ বছর।

১১,৬৫৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ 'গৃহে নিরাপত্তা লাভের' অধিকার নিশ্চিত করে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪০
  2. অনুচ্ছেদ ৪১
  3. অনুচ্ছেদ ৪২
  4. অনুচ্ছেদ ৪৩
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৩ নাগরিকদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করে:
- গৃহে নিরাপত্তার অধিকার (তল্লাশি বা আটক হতে নিরাপদ থাকা);
- যোগাযোগের গোপনীয়তা রক্ষা (চিঠিপত্র ও অন্যান্য মাধ্যমের গোপনীয়তা);

অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ:
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের-
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হইতে স্বীয় গৃহে নিরাপত্তালাভের অধিকার থাকিবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনতারক্ষার অধিকার থাকিবে।

১১,৬৬০.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে বেআইনি সমাবেশ গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির প্রয়োজন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ বেআইনি সমাবেশ গঠনের ন্যূনতম শর্ত। তাই ৫ জনের কম হলে তা এই ধারার অধীনে বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়া কালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

১১,৬৬১.
তামাদি আইনের কোন ধারায় Adverse Possession বা জবর দখলের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ২৮
  4. ধারা ২৯
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
১১,৬৬২.
দেহের আত্মরক্ষার অধিকার কতক্ষন পর্যন্ত বজায় থাকে?
  1. যতক্ষণ আঘাতের আশঙ্কা থাকে
  2. পুলিশ আসা পর্যন্ত
  3. আঘাত বা আক্রমণ শেষ হওয়ার পরেও
  4. অপরাধীকে শনাক্ত করা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব-
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের আশঙ্কা যুক্তিসঙ্গতভাবে সৃষ্টি হয় এবং কোনো অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে আসে, যদিও সেই অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না-ও হতে পারে; এবং এই অধিকার তখন পর্যন্ত বজায় থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে

Section 102- Commencement and continuance of the right of private defence of the body:
The right of private defence of the body commences as soon as a reasonable apprehension of danger to the body arises from an attempt or threat to commit the offence though the offence may not have been committed; and it continues as long as such, apprehension of danger to the body continues.
১১,৬৬৩.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন প্রতিরোধমূলক তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনার কত ঘন্টার মধ্যে তল্লাশির কারণ ও ফলাফল সম্বলিত বিবরণ প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হয়?
  1. ৪৫ ঘন্টা
  2. ৭২ ঘন্টা
  3. ৬০ ঘন্টা
  4. ১২ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২০(৪) অনুসারে: "তল্লাশী সম্পাদনের ৭২ (বাহাত্তর) ঘন্টার মধ্যে তল্লাশী কার্যে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা তল্লাশীর কারণ এবং ফলাফলের বিবরণ সম্বলিত প্রতিবেদন তৈরী করিবেন..."
অর্থাৎ, প্রতিরোধমূলক তল্লাশি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর ৭২ ঘন্টার (৩ দিনের) মধ্যে তল্লাশির কারণ ও ফলাফল সম্বলিত বিবরণ প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হয়।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২০: প্রতিরোধমূলক তল্লাশী এবং আটক:
(১) কোন মানব পাচার অপরাধ প্রতিরোধকল্পে, উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন, এমন কোন পুলিশ কর্মকর্তা তাহার ঊর্ধ্বতন নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে বা নির্দেশে এই আইনের অধীন প্রতিরোধমূলক তল্লাশী করিবার, যে কোন আঙ্গিনায় প্রবেশ করিবার এবং এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে এমন সরঞ্জামাদি বা তথ্য-প্রমাণ বা দলিল আটক করিবার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইবেন।
(২) কোন ব্যক্তির সহিত অথবা কোন স্থানে এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের উপযোগী সরঞ্জাম বা উপাদান উপস্থিত আছে এবং তল্লাশী পরোয়ানা সংগ্রহে বিলম্বের কারণে অপরাধটি প্রকৃতই সংঘটিত হইবার বা কোন সাক্ষ্য প্রমাণ নষ্ট হইবার যুক্তিসঙ্গত কারণ বিদ্যমান থাকিলে উপ-ধারা (১) এর অধীন বিনা পরোয়ানায় তল্লাশী করা যাইবে এবং তল্লাশী চালাইবার পূর্বে তল্লাশীর জন্য প্রস্ত্তত অফিসার যেই স্থানে তল্লাশী চালাইবেন উক্ত স্থানটি যেই এলাকায় অবস্থিত সেই এলাকার দুই বা ততোধিক সম্মানিত অধিবাসীকে তল্লাশীতে হাজির থাকিতে ও উহার সাক্ষী হইতে আহবান জানাইবেন এবং উক্ত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশী চালাইতে হইবে এবং উক্ত অফিসার তল্লাশীর সময় জব্দকৃত সমস্ত সামগ্রী এবং যেই সকল স্থানে উক্ত সামগ্রীসমূহ পাওয়া গিয়াছে তাহাদের একটি তালিকা প্রস্ত্তত করিবেন এবং উহাতে সাক্ষীগণের স্বাক্ষর গ্রহণ করিবেন।
(৩) ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৩ এর বিধানের আলোকে এবং যেই ব্যক্তির শরীর বা সম্পত্তিতে তল্লাশী চালানো হইবে তাহার মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশী সম্পাদন করিতে হইবে এবং, বিশেষতঃ, কোন নারীর বিরুদ্ধে তল্লাশী পরিচালনা করা হইলে তল্লাশী দলের সহিত অবশ্যই একজন নারী কর্মকর্তা বা নারী প্রবেশন কর্মকর্তা থাকিবেন।
(৪) তল্লাশী সম্পাদনের ৭২ (বাহাত্তর) ঘন্টার মধ্যে তল্লাশী কার্যে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা তল্লাশীর কারণ এবং ফলাফলের বিবরণ সম্বলিত প্রতিবেদন তৈরী করিবেন এবং তাহার অনুলিপি ইলেকট্রনিক বা অন্য কোনো উপায়ে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট এবং একই সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচারের এখতিয়ারসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করিবে, যাহা ট্রাইব্যুনালের হেফাজতে রক্ষিত থাকিবে এবং উক্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং যাহার বিরুদ্ধে তল্লাশী পরিচালিত হইয়াছে তাহাকে প্রতিবেদনের একটি করিয়া অনুলিপি প্রদান করিতে হইবে।

১১,৬৬৪.
FIR এর পূর্ণরূপ কী?
  1. First Investigation Report
  2. First Information Report
  3. Final Information Report
  4. Formal Investigation Report
ব্যাখ্যা
⇒ FIR এর পূর্ণরূপ হল "First Information Report" (ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট)। এটি পুলিশে একটি লিখিত বা মৌখিকভাবে প্রাপ্ত প্রথম তথ্য, যা পুলিশের কাছে একটি অপরাধ ঘটানোর সংবাদ প্রদান করা হয়। FIR একটি অপরাধের সূত্রপাত এবং সেটি সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য প্রদান করে। এই রিপোর্টে সাধারণত অভিযুক্তের নাম, অপরাধের বিবরণ এবং ঘটনার সময় বা স্থান সম্পর্কিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- এটি অপরাধের প্রাথমিক চিহ্ন হিসেবে কাজ করে এবং তদন্ত শুরু করার জন্য একটি আইনগত ভিত্তি প্রদান করে। FIR প্রাথমিকভাবে থানায় পুলিশের দায়িত্বে জমা পড়ে এবং এটি ভবিষ্যতে তদন্তের জন্য অপরিহার্য দলিল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তবে, অন্য যে অপশনগুলো দেওয়া হয়েছে যেমন First Investigation Report, Final Information Report, এবং Formal Investigation Report, এগুলো ভুল। FIR মূলত "First Information Report" নামেই পরিচিত।
১১,৬৬৫.
মুসলিম উত্তরাধিকার সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিমের ওয়ারিশ হবে না
  2. হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিশ হবে না।
  3. জারজ সন্তান ওয়ারিশ হবে না।
  4. তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর সন্তান ওয়ারিশ হবে না।
ব্যাখ্যা
- মুসলিম উত্তরাধিকার অনুযায়ী 'তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর সন্তান ওয়ারিশ হবে না' এই কথাটি সত্য নয়।
অর্থাৎ স্ত্রীকে তালাক দিলেও ঐ স্ত্রীর সন্তানগুলো উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না।

⇒ যারা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে:
(১) কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিমের ওয়ারিশ হবে না এবং কোনো অমুসলিম কোনো মুসলিমের ওয়ারিশ হবে না।
(২) হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিশ হবে না। (এ বিধির উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়, কেউ তাড়াতাড়ি উত্তরাধিকার পাওয়ার জন্য যেন কাউকে হত্যা করতে উদ্যত না হয় সেজন্যই এ বিধি প্রণীত হয়েছে।)
(৩) জারজ সন্তান ওয়ারিশ হবে না।
১১,৬৬৬.
‘Y’, ‘Z’ কে খুন করেছে জ্ঞাত থেকে 'X', 'Y' কে শাস্তি থেকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে মৃত দেহটি গোপন করার জন্য 'Y' কে সাহায্য করে। 'X' এর শাস্তি হতে পারে ___________।
  1. ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  2. অনধিক ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  3. ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড
  4. যেকোনো বর্ণনার অনধিক ৫ বছরের কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ২০১ অনুযায়ী- যেহেতু সংঘটিত অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ এবং Y কে শাস্তি থেকে বাঁচানোর জন্য X মৃত দেহটি গোপন করতে Y কে সহায়তা করেছে, তাই X, ২০১ ধারায় সাক্ষ্য অদৃশ্য করে ফেলার জন্য ৭ বছর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

♦ অর্থাৎ X যে কোন বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড যার মেয়াদ সাত বৎসর পর্যন্ত হতে পারে এবং  অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১১,৬৬৭.
ডিক্রির তারিখ থেকে কত বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে নোটিশ দিতে হয়?
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।

• The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases):

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i) ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।

তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
১১,৬৬৮.
The examination of a witness by the adverse party shall be called-
  1. Examination in Chief
  2. Re-examination
  3. Cross Examination
  4. Further examination
ব্যাখ্যা

ধারা ১৩৭: জবানবন্দি [Examination-in-chief]: যে পক্ষ
কোনো সাক্ষীকে হাজির করিয়াছে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে, তখন তাহাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা বলা হয় [The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.]

জেরা [Cross-examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে, তখন তাহাকে জেরা করা বলা হয় [The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.]

পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি পুনরায় তাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করে,
তবে তাহাকে পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা বলা হয় [The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.]

১১,৬৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XLI, Rule 21 অনুযায়ী আপিল কতবার পুনর্বিচার করা যাবে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. অসংখ্যবার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XLI, Rule 21 এ সংশোধনের পর যুক্ত করা হয়েছে একটি নতুন proviso যা নির্দেশ করে যে, একই আপিল বিষয়ে পুনর্বিচার (re-hearing) শুধুমাত্র একবারই করা যাবে।
অর্থাৎ, একই বিষয়ে দ্বিতীয়বার বা তার বেশি পুনর্বিচার করার সুযোগ নেই। এর মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রিতা ও অপচয় রোধ করা হয় এবং দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৪১ বিধি-২১ আনুযায়ী আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি করা হলে এবং রায় ঘোষণা করা হলে আপিলটি পুনঃশুনানির জন্য প্রতিবাদী (Respondent) যদি আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করে যে নোটিশটি যথারীতি জারি হয়নি বা যথেষ্ট কারণে উপস্থিত হতে পারেনি তাহলে আদালত আপিলটি পুনরায় শ্রবণ করবেন। 
- তবে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 দ্বারা এই বিধির সংশোধন এনে বলা হয়েছে:
"Provided that no Appeal shall be re-heard more than once under this rule."
অর্থাৎ, একবারের বেশি আপিল পুনর্বিচার করা যাবে না। পূর্বে একাধিকবার পুনর্বিচারের সুযোগ থাকলেও এই সংশোধনীর মাধ্যমে তা সীমিত করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: ক) ১ বার।
১১,৬৭০.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় কোন ধারার বিধান অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত সংশোধনের আবেদন করতে হয়?
  1. ১৫২ ধারা
  2. ১৫৩ ধারা
  3. ১৪৪ ধারা
  4. ১৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী মোকদ্দমায় ১৫৩ ধারার বিধান অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত সংশোধনের আবেদন করতে হয়।

⇒ ১৫৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের সংশোধনের সাধারণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আদেশ ৬ রুল ১৭ অনুসারে আরজি ও লিখিত বর্ণনা সংশোধনের বিধান আছে। অন্যান্য দরখাস্ত ১৫৩ ধারার ক্ষমতাবলে সংশোধন করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে - কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।

অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
----------------
⇒ CPC Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
১১,৬৭১.
রেজিস্ট্রেশন অফিসে উইল ছাড়া অন্য ডকুমেন্ট সংরক্ষণের সর্বোচ্চ মেয়াদ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী কত বছর? 
  1. ৭ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর 
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮৫ (Section 85) অনুযায়ী:
“Documents (other than wills) remaining unclaimed in any registration office for a period exceeding two years may be destroyed.”
অর্থাৎ, উইল ব্যতীত অন্য যেকোনো দলিল যদি ২ বছরের বেশি সময় ধরে রেজিস্ট্রেশন অফিসে অনাদায়ী (unclaimed) অবস্থায় থাকে, তাহলে তা ধ্বংস (destroy) করা যেতে পারে।
তবে এর মানে এই নয় যে ২ বছর পরই সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংস করা হবে—এটা হলো সর্বনিম্ন সংরক্ষণকাল, এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে তা নষ্ট করতে পারেন।

→ অতএব, ধারা ৮৫ অনুযায়ী, উইল ছাড়া অন্য ডকুমেন্ট ২ বছরের বেশি অদাবিকৃত থাকলে ধ্বংস করা যেতে পারে।

১১,৬৭২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ XXIII, বিধি ১ অনুযাযী, বাদী কখন মামলা প্রত্যাহার করতে বা তার দাবির অংশ পরিত্যাগ করতে পারবেন?
  1. শুধুমাত্র মামলা দায়ের সময়
  2. বিবাদীর সম্মতি নিয়ে
  3. মামলা দায়ের পর যেকোনো সময়
  4. 'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ১ অনুসারে:“মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারেন।”
- অর্থাৎ, মামলা দায়েরের পর যেকোনো সময় বাদী তার মামলা প্রত্যাহার করতে বা দাবির অংশ পরিত্যাগ করতে পারেন।
- তবে যদি বাদী পরবর্তীতে একই বিষয় নিয়ে নতুন মামলা করতে চান, তাহলে আদেশ-২৩, বিধি-১ অনুসারে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
--------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.

১১,৬৭৩.
কমপক্ষে কয় জন সাক্ষী দ্বারা স্থাবর সম্পত্তির দান প্রত্যায়িত হতে হবে?
  1. এক জন
  2. দুই জন
  3. তিন জন
  4. নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই
ব্যাখ্যা
⇒সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৩ ধারার বিধান: দান হস্তান্তর পদ্ধতি:
- স্থাবর সম্পত্তির দান অবশ্যই দাতা কর্তৃক বা তার পক্ষে স্বাক্ষরিত, কমপক্ষে দুই জন সাক্ষী দ্বারা প্রত্যায়িত এবং নিবন্ধন করতে হবে। মুসলিম আইনের অধীন হেবা স্থাবর সম্পত্তির দান বলে গণ্য হবে এবং নিবন্ধন করতে হবে। অস্থাবর সম্পত্তির দান নিবন্ধন অথবা শুধু দখল অর্পনের মাধ্যমে কার্যকর করা যায়।
------------------------------
⇒Transfer of Property Act, Section 123: Transfer how effected:
-For the purpose of making a gift of immoveable property, the transfer must be effected by a registered instrument signed by or on behalf of the donor, and attested by at least two witnesses.
- Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a heba under Muhammadan law shall be deemed to be a gift of immoveable property for the aforesaid purpose.For the purpose of making a gift of moveable property, the transfer may be effected either by a registered instrument signed as aforesaid or by delivery. Such delivery may be made in the same way as goods sold may be delivered.
১১,৬৭৪.
যাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে, যদি সে পুনরায় খুনের উদ্যোগ নেয় এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. অতিরিক্ত ২০ বছরের কারাদণ্ড
  4. অতিরিক্ত ১৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা- খুনের উদ্যোগ:
কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
১১,৬৭৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বেপরোয়াভাবে নৌযান চালানোর শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ২৭৫ ধারায়
  2. ২৭৬ ধারায়
  3. ২৮০ ধারায়
  4. ২৮১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারায় বেপরোয়া নৌযান চালানোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

- দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা:- কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবেহলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

- Section 280. Rash navigation of vessel:- Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১১,৬৭৬.
হিন্দু আইনে দত্তক গ্রহণের প্রধান কারণ কী?
  1. ধর্মীয় ও পার্থিব
  2. সামাজিক ও আইনি
  3. পার্থিব ও অর্থনৈতিক
  4. ধর্মীয় ও আইনি
ব্যাখ্যা
• অন্যের পুত্রকে হিন্দু আইনের বিধান অনুযায়ী নিজ পুত্ররূণে গ্রহণ করাকে দত্তক গ্রহণ বলা যাইতে পারে। সুপ্রাচীন রোমান আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান প্রচলিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে হিন্দু আইন ব্যতীত অন্য কোন আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান চালু নাই।

দত্তক গ্রহণের উদ্দেশ্য:
প্রধান দুইটি কারণে হিন্দু আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান প্রচলিত। একটি ধর্মীয় কারণ আর অপরটি বলা যেতে পারে পার্থিব কারণ। মুনিবর বশিষ্ট সাবধান বাণী উচ্চারণ করিয়া গিয়াছেন "পুত্রহীনদের স্বর্গে কোন স্থান নাই।" একজন মৃত ব্যক্তি তার নিম্নতন তিন পুরুষ অর্থাৎ পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র হইতে সরাসরি পিণ্ড পাওয়ার অধিকারী। যার পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র নাই মৃত্যুর পর তার আত্মা এইভাবে পিণ্ড পাওয়ার আশা করতে পারে না। এসব বিবেচনাকে ধর্মীয় কারণ হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে।

পক্ষান্তরে প্রত্যেক মানুষই নিজ বংশের ধারাবাহিকতা চালু রাখতে চায়। প্রায় সকল মানুষই চায় যে মৃত্যুর পরও তার পুত্র পৌত্রাদির মাধ্যমে তার নাম এই পৃথিবীতে আরও কিছুদিন থাকুক। এইসব বিবেচনাকে পার্থিব কারণ হিসাবে গণ্য করা যেতে পারে।
১১,৬৭৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ এর বিধান অনুযায়ী বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়?
  1. ১০ দিনের
  2. ৩০ দিনের
  3. ৭ দিনের
  4. ১৫ দিনের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ এর বিধান মতে বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-
প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং 
দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

- প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-11 Rule-1: Discovery by interrogatories:
In any suit the plaintiff or defendant by leave of the Court may [, within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories when delivered shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons in required to answer: Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose: Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral crossexamination of a witness.
১১,৬৭৮.
The obligation of true interpretation under section 543 applies when interpreting:
  1. Evidence only
  2. Statements only
  3. Foreign documents
  4. Both evidence and statements
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৩ ধারার বিধান- অনুসারে দোভাষী অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন-
কোন সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখা করার জন্য যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক একজন দোভাষীর সেবা দেয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে দোভাষী উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন।
--------------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 543- Interpreter to be bound to interpret truthfully:
When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
১১,৬৭৯.
"Amicus Curiae" এর অর্থ কী?
  1. আদালতের বন্ধু
  2. বাদী পক্ষের বন্ধু
  3. আদালতের বিচারক
  4. বিবাদীর আইনজীবী
ব্যাখ্যা
Amicus Curiae হল ''friend of the court'' আদালতের বন্ধু।
- যিনি আইন বা বাস্তবতার প্রশ্ন সম্পর্কিত তথ্য বা পরামর্শ প্রদান করে আদালতকে সহায়তা করেন।
- অনেক সময় দেখা যায় বিজ্ঞ আদালত কোন জটিল মামলার রায়ের ব্যাপারে আইন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়েন।
- সে ক্ষেত্রে উক্ত বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালত এক বা একাধিক অভিজ্ঞ এ্যাডভোকেট মহোদয়কে নিয়োগ প্রদান করতে পারেন। উক্ত ব্যক্তিগণ ঐ সমস্যার সমাধান তাদের নিজের অভিজ্ঞতা ও আইনের মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করেন অতঃপর তাদের সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত বিজ্ঞ আদালতের নিকট অবহিত করেন।
১১,৬৮০.
ফৌজদারি মামলায় G.R Case এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. নালিশের মাধ্যমে দায়ের করা মামলা
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দায়েরকৃত মামলা
  3. সরাসরি আদালতে দায়েরকৃত মামলা
  4. এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে, বাংলাদেশে অপরাধমূলক মামলাগুলোর দুটি প্রধান ধারা রয়েছে – জি.আর (General Register Case) ও সি.আর (Complaint Register Case)।

জি.আর মামলা:
থানায় দায়ের করা সাধারণ মামলা, যা পুলিশের মাধ্যমে তদন্ত করা হয়।

জি.আর মামলার প্রক্রিয়া:
১৫৪ ধারায় এফআইআর দায়ের: কোনো ব্যক্তি থানায় অভিযোগ জানালে তা FIR (First Information Report) হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
১৫৬ ধারার অধীনে তদন্ত: পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে। অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারে (প্রয়োজনে)।
চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা চার্জশিট দাখিল: তদন্ত শেষে পুলিশ চার্জশিট বা চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে।
বিচার শুরু: আদালত চার্জ গঠন করে ও সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সি.আর মামলা:
সি.আর মামলা হলো কমপ্লেইন্ট রেজিস্ট্রার (Complaint Register) কেস বা নালিশী মামলা। আদালতে সরাসরি দায়ের করা মামলা, যেখানে ম্যাজিস্ট্রেট সরাসরি অভিযোগ গ্রহণ করেন ও তদন্তের নির্দেশ দেন।

সি.আর মামলার প্রক্রিয়া:
অভিযোগ দাখিল: বাদী আদালতে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। ম্যাজিস্ট্রেট এটি পর্যালোচনা করেন।
২০০ ধারামতে জবানবন্দী গ্রহণ: অভিযোগকারীকে হলফনামার মাধ্যমে তার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে হয়।
২০২ ধারার অধীনে তদন্তের নির্দেশ: যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে তদন্ত প্রয়োজন, তবে পুলিশ বা অন্য কোনো সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
১৭৩ ধারার অধীনে তদন্ত রিপোর্ট: তদন্ত সংস্থা তাদের রিপোর্ট দাখিল করে।
২০৩ ধারায় মামলা খারিজ বা স্বীকৃতি: ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে অভিযোগের ভিত্তি নেই, তবে মামলা খারিজ হতে পারে।
অন্যথায়, আদালত চার্জ গঠন করেন ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেন।

১১,৬৮১.
গ্রেফতারকারী অফিসার যদি সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা না হন, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬খ অনুযায়ী তিনি কী করতে বাধ্য?
  1. অভিযুক্তকে সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দিতে
  2.  থানায় মৌখিকভাবে তথ্য জানাতে
  3. গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের কপি ওসি-কে দিতে
  4. আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬খ: গ্রেফতারের রেকর্ড, সাধারণ ডায়েরিতে নথিভুক্তি এবং তথ্য প্রদান:
(১) গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে একটি এন্ট্রি করতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকবে—
- গ্রেফতারের কারণ,
- তথ্যদাতা বা অভিযোগকারী ব্যক্তির নাম ও বিবরণ,
- সেই আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও বিবরণ, যাকে গ্রেফতারের তথ্য জানানো হয়েছে, এবং
- গ্রেফতার ব্যক্তিকে আটক করার দায়িত্বে থাকা অফিসারের নাম ও বিবরণ।

(২) প্রতিটি গ্রেফতারীর ঘটনা সেই থানার সাধারণ ডায়েরিতে সঙ্গে সঙ্গেই নথিভুক্ত করা হবে। যদি গ্রেফতারকারী অফিসার সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা না হন, তবে গ্রেফতার সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের একটি কপি সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার-ইন-চার্জকে প্রদান করতে হবে, যিনি এরপর তা সাধারণ ডায়েরিতে এন্ট্রি করবেন।

(৩) যারা অফিসিয়াল রেজিস্টার বা সাধারণ ডায়েরি রক্ষা করার দায়িত্বে আছেন, তারা চাইলে গ্রেফতার সম্পর্কিত তথ্য গ্রেফতার ব্যক্তির যে কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীকে দিতে বাধ্য থাকবেন।

১১,৬৮২.
'Y' এর কর্মচারী 'X' জনসাধারণের চলাচলের রাস্তায় একটি আংটি কুড়িয়ে পেয়ে নিয়ে যায়। 'X' এর অপরাধ-
  1. চুরি
  2. অসাধুভাবে সম্পত্তি অপসারণ
  3. চাকর বা কেরানী কর্তৃক চুরি
  4. অপরাধমূলক তসরূপ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ বা অপরাধমূলক তসরূপ করেছে বলে গণ্য হবে। 

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।

⇒ ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না;
কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৩ মতে- এখানে 'X’ আংটি ঘটনাক্রমে পেয়েছে। 'X'সেটার মালিককে আবিষ্কার না করে সে অসাধুভাবে আংটিটি নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে। তাই 'X' অসাধুভাবে আংটিটি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে।
‘X’ 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের জন্য দোষী হতো যদি সে আংটি অন্যকোন ব্যক্তির নিকট হতে বিশ্বাসভরে গ্রহণ করতো এবং উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া বিক্রি করে দিতো।
১১,৬৮৩.
নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দানের বিধান রয়েছে-
  1. ১৭১ক
  2. ১৭১খ
  3. ১৭১গ
  4. ১৭১ঘ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১৭১(ঘ) ধারায় নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দানের বিধান রয়েছে। নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় প্রদান বলে গণ্য হবে-
(i) যদি কোন লোক কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত লোকের নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে;
(ii) অন্য কোন জীবিত বা মৃত লোকের নামে ভোটদান করে;
(iii) কোন কল্পিত নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে; অথবা
(iv) কোন নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায়, সেক্ষেত্রে সেই লোক নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।
১১,৬৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ২২ অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক?
  1. ডিক্রি জারির আবেদন দাখিলের ৬ মাস পর
  2. ডিক্রি জারির আবেদন দাখিলের ১ বছর পর
  3. ডিক্রির তারিখ থেকে ১ বছর পর ডিক্রি জারি করা হলে
  4. ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে
ব্যাখ্যা
উত্তর: ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases): নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i) ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।
তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।

⇒ আদেশ-২১, বিধি-২২: ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথা- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়। ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-22: Notice to show cause against execution in certain cases:
(1) Where an application for execution is made−
(a) more than two years after the date of the decree, or
(b) against the legal representative of a party to the decree,
or where an application is made for execution of a decree filed under the provisions of section 44A, the Court executing the decree shall issue a notice to the person against whom execution is applied for requiring him to show cause, on a date to be fixed, why the decree should not be executed against him:
Provided that no such notice shall be necessary in consequence of more than two years having elapsed between the date of the decree and the application for execution if the application is made within two years] from the date of the last order against the party against whom execution is applied for, made on any previous application for execution, or in consequence of the application being made against the legal representative of the judgment-debtor, if upon a previous application for execution against the same person the Court has ordered execution to issue against him.
(2) Nothing in the foregoing sub-rule shall be deemed to preclude the Court from issuing any process in execution of a decree without issuing the notice thereby prescribed, if, for reasons to be recorded, it considers that the issue of such notice would cause unreasonable delay or would defeat the ends of justice.
(3) No order of execution of the decree shall be invalid by reason of the omission to issue a notice under sub-rule (1) or to record reasons in a case where notice is dispensed with under sub-rule (2) unless the judgment-debtor has sustained substantial injury by reason of such omission.
১১,৬৮৫.
যদি একজন ব্যক্তি তামাদি মেয়াদ শুরু হওয়ার আগেই উন্মাদ হন, তবে সময় গণনা কবে থেকে শুরু হবে?
  1. আদালত আদেশ দিলে
  2. উন্মাদ হওয়ার তারিখ থেকে
  3. যখন উন্মাদতা অবসান হবে
  4. যখন সেই ব্যক্তি মৃত্যু বরণ করবেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) যখন উন্মাদতা অবসান হবে।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৬(১) অনুযায়ী:
- যদি তামাদি মেয়াদ শুরু হওয়ার সময় (Cause of Action সৃষ্টির সময়) কোনো ব্যক্তি উন্মাদ, নাবালক বা চরম বুদ্ধিহীন অবস্থায় থাকেন, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।
- তার অপারগতা অবসানের তারিখ (উন্মাদতা কাটলে/নাবালক প্রাপ্তবয়স্ক হলে) থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইনের ৬,৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে।
তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে।
যেখানে বলা আছে, যে ক্ষেত্রে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।
- যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি আক্রান্ত হন তবে দুটি শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এর মাঝে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধির উপর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। তার আইনগত প্রতিনিধি যদি বৈধ অপারগতায় আক্রান্ত থাকেন তবে প্রতিনিধির আইনগত অপারগতা অবসান হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।
- তামাদি আইনের ৬ ধারার এই বিধান আপীল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বৈধ অপারগতার বিধান শুধুমাত্র বাদী’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিবাদী’র জন্য তামাদি আইনে বৈধ অপারগতার বিধান গ্রহণযোগ্য না।
---------
⇒ The Limitation Act:- Section 6. Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
১১,৬৮৬.
'Misconduct in public by a drunken person' দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৫০১
  2. ৫১০
  3. ৫১১
  4. ৪৯৭
ব্যাখ্যা
⇒ Section of Penal Code- 510. Misconduct in public by a drunken person:
- Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
----------------
⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘণ্টা পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১১,৬৮৭.
দণ্ডবিধির কত ধারার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড?
  1. দণ্ডবিধি ৩০২ ধারার
  2. দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার
  3. দণ্ডবিধি ৩০৭ ধারার
  4. দণ্ডবিধি ৩৭৬ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। 
------------
⇒ Section 303. Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of 95[imprisonment] for life, commits murder, shall be punished with death.
১১,৬৮৮.
আদেশ ৯ বিধি ১৩ এর অধীন- এক তরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে ডিক্রি রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল দায়ের করতে পারে
  2. নতুন আবেদন দাখিল করতে হবে
  3. নতুন মামলার আবেদন করতে হবে
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

আদেশ ৯, বিধি ১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১০নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি;
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারে নি।

⇒ আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী,
একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে, আপিল করা যাবে (বিধি-১, আদেশ-৪৩); আবেদন মঞ্জুর হলে রিভিশন করা যায়।
১১,৬৮৯.
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত অধ্যাদেশ কত দিনের মধ্যে সংসদের মাধ্যমে আইনে পরিণত করা না হলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে? অধ্যাদেশ জারীর-
  1. তারিখ থেকে নব্বই দিন
  2. তারিখ থেকে ছয় মাস
  3. পর প্রথম সংসদের অধিবেশনের প্রথম দিন হতে ত্রিশ দিন
  4. পর প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ত্রিশ দিন
ব্যাখ্যা
• সাধারণত যখন সংসদ অকার্যকর থাকে অথবা যখন সংসদের অধিবেশন বন্ধ থাকে তখন রাষ্ট্রের জরুরী প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি নিজের একক ক্ষমতাবলে যে আইন জারী করে তাকে অধ্যাদেশ বলে।

• সংবিধানের ৯৩(১) উপ - অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি দু' অবস্থায় অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
প্রথমত, সংসদের কোন অধিবেশন না থাকলে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য তিনি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
দ্বিতীয়ত, সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন

কোনো অধ্যাদেশ জারির পূর্বে যদি তা ইতঃপূর্বে বাতিল না হয় তাহলে সংসদের পরবর্তী প্রথম অধিবেশনে সেটি উপস্থাপিত হতে হবে এবং উপস্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অনুমোদন না দিলে অধ্যাদেশটি বাতিল হয়ে যাবে।

অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:

 (১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত] কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
১১,৬৯০.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে কয় শ্রেণির উত্তরাধিকারীরা কখনো বঞ্চিত হয় না?
  1. ৪ শ্রেণির
  2. ৩ শ্রেণির
  3. ৫ শ্রেণির
  4. ৬ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
উত্তরাধিকার [Inheritance]:

মুসলিম আইনে সম্পদ বণ্টন একমাত্র মৃত্যুর পরেই কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারীগণের অধিকার সৃষ্টি হয়, মৃত্যুর পূর্বে নয়। একজন সুন্নি মুসলমানের বৈধ ওয়ারিশগন মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:

১) প্রধান শ্রেণি (Principal Hairs);
২) অপ্রধান শ্রেণি (Secondary Hairs)।

⇒ প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নিম্নে বর্ণিত ব্যক্তিরা কখনো উত্তরাধিকার বঞ্চিত হয় না:

১/ স্বামী
২/ স্ত্রী
৩/ পিতা
৪/ মাতা
৫/ পুত্র ও
৬/ কন্যা- এই ৬ শ্রেনীর উত্তরাধিকারী কখনো বঞ্চিত হয় না।
১১,৬৯১.
'দোবারা সাজা নীতি'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ২৬ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪৩ ধারায়
  4. ৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata;
ii) Double Jeopardy (দোবারা সাজা নীতি)।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক:
যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
১১,৬৯২.
ধারা ২৩৪ অনুযায়ী, একই ধরনের একাধিক অপরাধ কত সময়ের মধ্যে সংঘটিত হলে একত্রে বিচার করা যাবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে,
যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয়

আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে, এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা, একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।

১১,৬৯৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩ অনুসারে কোনটি সঠিক?
  1. স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না
  2. স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  3. স্মল কজ আদালত অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Order-38 Rule-13: Small Cause Court not to attach immovable property.
Nothing in this Order shall be deemed to empower any Court of Small Causes to make an order for the attachment of immovable property.

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই স্মল কজ আদালতকে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য আদেশ প্রদানের কোন ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
১১,৬৯৪.
“Obiter Dictum” হচ্ছে-
  1. রায়ের ভিত্তি
  2. আদালতের উপর বাধ্য
  3. Precedent হিসেবে কাজ করে
  4. বিচারকের প্রসঙ্গক্রমে বলা কথা
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Ratio decidendi-
সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

Obiter Dictum-
"A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।
১১,৬৯৫.
বেআইনি শ্রমে বাধ্য করা বা জবরদস্তিমূলক শ্রমের শাস্তি-
  1. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভদণ্ড
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• ৩৭৪ ধারা মতে বেআইনি শ্রমে বাধ্য করা বা জবরদস্তিমূলক শ্রমের ২ ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে।
(i) কোন ব্যক্তির ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রমদান করতে বাধ্য করার শাস্তি- অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভদণ্ড।
(ii) কোন যুদ্ধবন্ধী বা অন্য কোন আশ্রিত লোককে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করতে বাধ্য করার শাস্তি- অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড।
১১,৬৯৬.
প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক হলে তা জারির কত দিনের মধ্যে কর্তনের (striking out) আবেদন করতে হয়?
  1. ১৪ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক হলে প্রশ্নমালা জারির ৭ দিনের মধ্যে কর্তনের (striking out) আবেদন করতে হয়।

• আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১নং আদেশে এই সংক্রান্ত বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১১ বিধি-৭ঃ প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন-
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে—এ অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, কিংবা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন আবেদন করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের মধ্যে পেশ করা যেতে পারে।

Order 11 Rule 7: Setting aside and striking out interrogatories-
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.
১১,৬৯৭.
অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা হলে, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ৫০০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
-----------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-34:
(6) The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.

(7) Every order of the Tribunal as to costs or deterrent costs shall be executable as an order of the High Court.
১১,৬৯৮.
Z কে খুন করার জন্য C কে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্য A,B কে প্ররোচিত করে। সেই অনুসারে Z কে খুন করার জন্য B,C কে প্ররোচিত করে এবং B এর প্ররোচনার ফলে C উক্ত অপরাধ অনুষ্ঠান করে। এখানে A,B এবং C এর শাস্তি কি?
  1. তারা সবাই সমানভাবে দায়ী হবে
  2. B ও C খুনের জন্য দায়ী হবে
  3. শুধুমাত্র A দায়ী হবে
  4. B ও C, A-এর অর্ধেক শাস্তি পাবে
ব্যাখ্যা
♦অপরাধে সহায়তা অপরাধরূপে গণ্য। সুতরাং অনুরূপ দুষ্কর্মের সহায়তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। সুতরাং সবাই সমানভাবে দায়ী হবে।
১১,৬৯৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৪১৫ ধারা
  2. ৪৪১ ধারা
  3. ৪২০ ধারা
  4. ৪২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
------------------------------ 
⇒ The Penal Code, 1860- Section-441: Criminal trespass:- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
১১,৭০০.
ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে অব্যাহতি দিলে তার বিরুদ্ধে ফরিয়াদি কী ব্যবস্থা নিতে পারেন?
  1. রিভিশন
  2. আপীল
  3. রিভিউ
  4. উচ্চতর আদালতে মামলা দায়ের।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ২৪১ক মোতাবেক আসামী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট  মামলার নথি ও তৎসহ দাখিলকৃত যাবতীয় কাগজপত্র বিবেচনা করে যদি ম্যাজিস্ট্রেট  প্রয়োজন মনে করেন সেই মোতাবেক আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ করে এবং ফরিয়াদী ও আসামীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দান করে যদি মনে করেন যে, অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে তিনি আসামীকে অব্যাহতি দিবেন এবং এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন। ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে অব্যাহতি দিলে তার বিরুদ্ধে ফরিয়াদি রিভিশন দায়ের করতে পারেন।