বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১১৬ / ১৫৫ · ১১,৫০১১১,৬০০ / ১৫,৪৭০

১১,৫০১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI rule 90 অনুযায়ী নিলাম রদের জন্য আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে-
  1. Dispossession by auction purchaser
  2. Bonafide claim of possession
  3. Saleable interest in the property sold
  4. Material irregularity or fraud in publishing or conducting auction
ব্যাখ্যা
Order XXI Rule 90-

Where any immovable property has been sold in Execution of a decree, the decree - holder, or any person entitled to share in a rateable distribution of assets, or whose interests are affected by the sale, may apply to the court to set aside the sale on the ground of a material irregularity or fraud in publishing or conducting it.

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯০- অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:

যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিজারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারে-
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
১১,৫০২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১২ অনুযায়ী স্বীকারোক্তী কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১২ অনুযায়ী স্বীকারোক্তী ৩ প্রকার-
১) আরজি/জবাবের মাধ্যমে স্বীকারোক্তী [বিধি-১];
২) দলিল স্বীকারের নোটিশ [বিধি-২];
৩) ঘটনা স্বীকার করতে নোটিশ [বিধি ৪]
⇒ আদেশ ১২ বিধি ২ অনুযায়ী দলিল স্বীকারের জন্য নোটিশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করার জন্য আহবান করা যায়।
⇒ আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-
⇒ মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
অর্থাৎ বিধি ৪ অনুযায়ী শুনানীর ৯ দিন পূর্বে ঘটনার স্বীকারের নোটিশ দিবেন।
-----------------------------
⇒CPC Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.
⇒CPC Order-12 Rule-2:Notice to admit documents:
Either party may call upon the other party to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.
⇒CPC Order-12 Rule-4: Notice to admit facts:
Any party may, by notice in writing, at any time not later than nine days before the day fixed for the hearing, call on any other party to admit, for the purposes of the suit only, any specific fact or facts mentioned in such notice. And in case of refusal or neglect to admit the same within six days after service of such notice, or within such further time as may be allowed by the Court, the costs of proving such fact or facts shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs: Provided that any admission made in pursuance of such notice is to be deemed to be made only for the purposes of the particular suit, and not as an admission to be used against the party on any other occasion or in favour of any person other than the party giving the notice: Provided also that the Court may at any time allow any party to amend or withdraw any admission so made on such terms as may be just.
১১,৫০৩.
পক্ষগণের মধ্যে আইন বা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৫ বিধি ১ অনুসারে আদালত কখন রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন
  2. মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির দিন
  3. মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার ৭ দিন পর
  4. মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
১১,৫০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪ বিধি ১ অনুসারে দেওয়ানি মোকদ্দমা কীভাবে শুরু করতে হয়?
  1. পুলিশ রিপোর্টের মাধ্যমে
  2. মৌখিক অভিযোগের মাধ্যমে
  3. সাধারণ আবেদনের মাধ্যমে
  4. লিখিত আরজি দাখিলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪ এর বিধি-১ অনুযায়ী “প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হবে plaint (আরজি) দাখিলের মাধ্যমে।”
- এখানে "plaint" বলতে বোঝায় লিখিত অভিযোগপত্র বা আরজি, যা আদালতে দাখিল করে মামলার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
- অতএব, মৌখিক অভিযোগ, সাক্ষ্যের জবানবন্দি বা সাধারণ আবেদন দ্বারা নয়, দেওয়ানি মামলা শুরু করতে হয় লিখিত আরজি (plaint) দাখিল করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪, বিধি-১ অনুযায়ী, প্রতিটি দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু করার জন্য আদালতে একটি লিখিত আরজি (প্লেন্ট) দাখিল করতে হয়। এটি মৌখিক অভিযোগ বা সাধারণ আবেদনের মাধ্যমে করা যায় না। বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে,  "Every suit shall be instituted by presenting a plaint to the Court..."
আরজির সাথে বিবাদী সংখ্যা অনুযায়ী অতিরিক্ত কপি এবং সমন জারির জন্য প্রি-পেইড রেজিস্টার্ড ডাক কভার জমা দিতে হয়।

আদেশ-৪, বিধি-১(১খ) অনুসারে, সমন জারির ফি আরজি দাখিলের সময় পরিশোধ করতে হয়।
আদালত সিভিল স্যুট রেজিস্টারে মোকদ্দমার বিবরণ নথিভুক্ত করে (বিধি-২)।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order- IV INSTITUTION OF SUITS:
1.1 Every suit shall be instituted by presenting a plaint to the Court or such officer as it appoints in this behalf a plaint together with as many true copies of the plaint as there are defendants for service of summons upon such defendants. Suit to be commenced by plaint.
(1a) The Court fees chargeable for service of summons shall be paid in the case of suits when the plaint is filed, and in the case of all other proceedings when process is applied for.
(1b) A plaintiff shall file, along with the plaint, for each defendant a copy of the summons along with a pre-paid registered acknowledgment due cover with complete and correct address of the defendant written on it.
(2) Every plaint shall comply with the rules contained in Orders VI and VII, so far as they are applicable.

2. The Court shall cause the particulars of every suit to be entered in a book to be kept for the purpose and called the register of civil suits. Such entries shall be numbered in every year according to the order in which the plaints are admitted. Register of suits

১১,৫০৫.
শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে না?
  1. জীবন্ত শিশু যার বয়স ৭ দিনের কম।
  2. মাতৃগর্ভস্থ শিশুর।
  3. জীবিত শিশু যার কোন অংশ প্রসূত হয়ে থাকে কিন্তু কান্না করেনাই।
  4. উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-৩ মতে মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না। তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
১১,৫০৬.
Test Identification Parade conducted during investigation is relevant under Section _______ of Evidence Act, 1872.
  1. 6
  2. 8
  3. 9
  4. Both (a) and (b)
ব্যাখ্যা
⇒ T.I.P অর্থ Test Identification Parade. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়, Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts):
যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
১১,৫০৭.
'Effect of fraud’ - এটি তামাদি আইনের কত ধারার শিরোনাম?
  1. ১৭ ধারা
  2. ১৮ ধারা
  3. ১৯ ধারা
  4. ২০ ধারা
ব্যাখ্যা
Section 18: Effect of fraud
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application- 
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,  

shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

• ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল:
 যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।
১১,৫০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২ (১৫) ধারায় কাদের সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. বিচারক
  2. আইনজীবী
  3. ডিক্রিদার
  4. সরকারি কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(১৫)- আইনজীবী:
"আইনজীবী হলো এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আদালতে অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং সেই ব্যক্তির পক্ষে বক্তব্য রাখার অধিকারী।"

Section 2(15)-
"pleader" means any person entitled to appear and plead for another in Court.
১১,৫০৯.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারামতে বিচারক নিজ গোচরে আসা কোনো বিষয়ে উর্দ্ধতন আদালতের আদেশ ব্যতীত উত্তর দিতে বাধ্য নন?
  1. ১২১ ধারা
  2. ১২২ ধারা
  3. ১২৩ ধারা
  4. ১২৪ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১২১: বিচারক ও ম্যাজিস্ট্রেট-
কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটকে তার আদালতের কার্যকালীন আচরণ সম্পর্কে বা তিনি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আদালতে যা জেনেছেন তার বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করার জন্য বাধ্য করা যাবে না, যদি না তিনি যে আদালতের অধীনস্থ, সেই আদালত বিশেষ আদেশ প্রদান করে।

তবে, তিনি যখন বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, তখন তার সামনে যা ঘটেছে, সে বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A, একটি মামলায় অভিযোগ করে যে, B ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে একটি জবানবন্দি ভুলভাবে নিয়েছেন। এই অবস্থায়, B-কে প্রশ্ন করা যাবে না, যদি না কোনো উচ্চতর আদালত বিশেষভাবে আদেশ দেয়।
(খ) A-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে B ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে। A কী বলেছিল, তা জানার জন্য B-কে জিজ্ঞাসা করা যাবে না উচ্চ আদালতের বিশেষ আদেশ ছাড়া।
(গ) A অভিযুক্ত যে, সে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় B নামে এক সেশন জজের সামনে এক পুলিশ অফিসারকে হত্যার চেষ্টা করেছে। এই ক্ষেত্রে B সাক্ষ্য দিতে পারবেন, কারণ ঘটনাটি তার সামনে ঘটেছে।
১১,৫১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XVI, Rule-17 অনুসারে, কোন Rules-এর বিধানগুলি সাক্ষীর বেআইনিভাবে প্রস্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. Rules 1-5
  2. Rules 6-9
  3. Rules 10-13
  4. Rules 14-16
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XVI, Rule 17-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: Application of rules 10 to 13: "The provisions of rules 10 to 13 shall, so far as they are applicable, be deemed to apply to any person who having attended in compliance with a summons departs, without lawful excuse, in contravention of rule 16."
- Rules 10 থেকে 13-এর বিধানাবলী, যতদূর applicable, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে, যে তলব মোতাবেক উপস্থিত হওয়ার পর বেআইনিভাবে Rule 16-এর লঙ্ঘন করে প্রস্থান করে।

- অর্থাৎ যে সাক্ষী সমন মেনে আদালতে এসেছে, কিন্তু Rule 16 ভঙ্গ করে (অর্থাৎ আদালতের অনুমতি ছাড়া বা বেআইনিভাবে) চলে গেলে তার বিরুদ্ধে Rule 10 থেকে Rule 13 পর্যন্ত যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আছে (প্রক্লামেশন, ওয়ারেন্ট, সম্পত্তি অ্যাটাচমেন্ট, জরিমানা ইত্যাদি)—সেগুলোই প্রযোজ্য হবে।
- সুতরাং, Order XVI, Rule 17 অনুসারে সাক্ষীর বেআইনিভাবে প্রস্থানের ক্ষেত্রে Rules 10-13-এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।

১১,৫১১.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় সরকার নিম্নলিখিত কোন অপরাধটি যেকোন দণ্ডে হ্রাস করতে পারে-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. কারাবাস
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন। 

----------------------------
Commutation of sentence of death
Section  54. In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
১১,৫১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ এর তালিকায় কতটি আপিলযোগ্য আদেশ উল্লেখ আছে?
  1. ১৫ টি
  2. ২৫ টি
  3. ৫১ টি
  4. ৪৩ টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১-এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ উল্লেখ আছে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।
⇒ আদেশ ৪৩ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ উভয়ই আপীলযোগ্য আদেশগুলোর বর্ণনা দিয়েছে।

⇒ আদেশ ৪৩: আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মামলা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।
⇒ ধারা ১০৪: অন্যদিকে দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যেতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪ একে অপরকে পরিপূরক করে। আদেশ ৪৩ তে ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা রয়েছে, যেমন অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মামলা বাতিল, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি। অন্যদিকে, ধারা ১০৪ আপিলযোগ্য আদেশের সামগ্রিক বর্ণনা দেয় এবং বলে যে, যদি কোনো আদেশ চূড়ান্ত না হলেও মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিষ্পত্তি করে, তাহলে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যেতে পারে। অর্থাৎ, আদেশ ৪৩ নির্দিষ্ট আদেশগুলোর তালিকা দেয়, আর ধারা ১০৪ আপিলযোগ্য আদেশের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করে।
১১,৫১৩.
ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি কার্যক্রম শুরু হতে পারে যদি ডিক্রিটি হয়-
  1. অগ্রক্রয়ের;
  2. অর্থের;
  3. বন্ধকের;
  4. বন্টনের;
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ১১ এর বিধান মৌখিক আবেদন (Oral application): অর্থ পরিশোধের ডিক্রি হলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে ডিক্রি দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত আদালত তাকে গ্রেফতারের মাধ্যমে তৎক্ষনাৎ ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারবেন। ডিক্রি জারির জন্য প্রত্যেকটি আবেদনপত্র লিখিত হতে হবে এবং আবেদনকারী বা মোকদ্দমার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে।
১১,৫১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৩, বিধি-৮ অনুসারে, যদি আদালত একটি দলিল আটক করার নির্দেশ দেয়, সেই দলিল কার হেফাজতে রাখা হবে?
  1. স্থানীয় পুলিশের হেফাজতে
  2. মামলার বিবাদীর হেফাজতে
  3. মামলার বাদীর হেফাজতে
  4. আদালতের অফিসারের হেফাজতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১৩, বিধি ৮ অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো দলিল আটক (Impound) করার নির্দেশ দেয়, তাহলে সেই দলিল আদালতের কোনো অফিসারের হেফাজতে রাখা হবে। এই বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"the Court may... direct any document... to be impounded and kept in the custody of an officer of the Court."
অর্থাৎ, দলিলটি পুলিশ, বাদী বা বিবাদীর কাছে নয়, বরং আদালতের নিজস্ব অফিসারের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়। এটি দলিলের সুরক্ষা ও অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৩, বিধি ৮ অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো দলিল বা বই আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে সেই দলিল বা বই আদালতের অফিসারের হেফাজতে রাখা হবে। আদালত এ বিষয়ে সময় ও শর্ত নির্ধারণ করতে পারে, এবং যদি কোনো দলিল বা বই আদালতে উপস্থাপিত হয় এবং তা আটক করার প্রয়োজন হয়, তবে তা আদালতের অফিসারের হেফাজতে রাখা হবে।
১১,৫১৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ভিক্ষাবৃত্তির উদ্দেশ্যে শিশুর অঙ্গহানী করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১২ ধারার বিধান: ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি: 
 - যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অঙ্গ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনোভাবে বিকলাঙ্গ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
১১,৫১৬.
A রাতে বাসায় আসার পথে Z পিস্তল দেখিয়ে A এর টাকার ব্যাগ দাবী করে। ফলে A ব্যাগটি Z কে দিতে বাধ্য হয়। Z কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. প্রতারণা
  4. ডাকাতি
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা মতে, চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
- দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়।
- কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
- দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।
১১,৫১৭.
অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে?
  1. মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন
  2. সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন
  3. উক্ত ব্যক্তিকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন
  4. উল্লিখিত সব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে অর্থাৎ উক্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ থেকে ৪৭৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামী মানসিকভাবে অসুস্থ বা উন্মাদ(পাগল) হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করবেন। যথা-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন এবং মানসিকভাবে অসুস্থ আসামীকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন এবং
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 464- Procedure in case of accused being lunatic:
(1) When a Magistrate holding an inquiry or a trial has reason to believe that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defense, the Magistrate shall inquire into the fact of such unsoundness, and shall cause such person to be examined by the Civil Surgeon of the district or such other medical officer as the Government directs, and thereupon shall examine such Surgeon or other officer as a witness, and shall reduce the examination to writing.
(1A) Pending such examination and inquiry the Magistrate may deal with the accused in accordance with the provisions of section 466.
(2) If such Magistrate is of opinion that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defence, he shall record a finding to that effect and shall postpone further proceedings in the case.
১১,৫১৮.
নিবন্ধন অফিসে থাকা কত সময়ের বেশি অদাবিকৃত নথি ধ্বংস করা যেতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908 ধারা ৮৫-:
"নিবন্ধন অফিসে দুই বছরের বেশি সময় ধরে অদাবিকৃত অবস্থায় পড়ে থাকা নথিপত্র (উইল ব্যতীত) ধ্বংস করা যেতে পারে।"
[Documents (other than wills) remaining unclaimed in any registration office for a period exceeding two years may be destroyed.]
১১,৫১৯.
ফৌজদারি অভিযােগ(Charge) কোন ভাষায় লিখতে হয়?
  1. বাংলা
  2. ইংরেজি
  3. অভিযুক্তের ভাষায়
  4. ফরিয়াদির ভাষায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছেচার্জের বিষয়বস্তু ধারা ২২১ এ উল্লেখ করা আছে। একটি চার্জে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো থাকবে-

> অপরাধের নাম;
> অপরাধের নির্দিষ্ট নাম না থাকলে,উক্ত অপরাধের সংজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে প্রদান করতে হবে;
> উক্ত অপরাধ যে আইনে এবং যে ধারার আওতায় পড়ে তা উল্লেখ করতে হবে;
> অভিযােগ গঠন হলে ধরে নেয়া হবে অপরাধটি সংঘটিত করার সকল উপাদান বিদ্যমান বা শর্ত পূরণ হয়েছে;
> অভিযােগ ইংরেজি বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয়;
>পরবর্তী অপরাধের শাস্তি বৃদ্ধি বা ভিন্নধরনের শাস্তি প্রদানের দরকার হলে,অভিযােগে বা চার্জে পূর্ববর্তী দন্ডের ঘটনা,তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে;
> চার্জে আদালত শাস্তিদানের পূর্বে যে কোন সময় পূর্ববর্তী দন্ডের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন।

Section 221:
(1) Charge to state offence-
Every charge under this Code shall state the offence with which the accused is charged.

(2 )Specific name of offence sufficient description-
If the law which creates the offence gives it any specific name, the offence may be described in the charge by that name only.

(3) How stated where offence has no specific name-
If the law which creates the offence does not give it any specific name, so much of the definition of the offence must be stated as to give the accused notice of the matter with which he is charged.
(4) The law and section of the law against which the offence is said to have been committed shall be mentioned in the charge.

(5) What implied in charge-
The fact that the charge is made is equivalent to a statement that every legal condition required by law to constitute the offence charged was fulfilled in the particular case.

(6) Language of charge-
The charge shall be written either in English or in the language of the Court.

(7) Previous conviction when to be set out-
If the accused having been previously convicted of any offence is liable, by reason of such previous conviction, to enhanced punishment, or to punishment of a different kind, for a subsequent offence, and it is intended to prove such previous conviction for the purpose of affecting the punishment which the Court may think fit to award for the subsequent offence, the fact, date and place of the previous conviction shall be stated in the charge. If such statement has been omitted, the Court may add it at any time before sentence is passed.
১১,৫২০.
আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির পর কতদিনের মধ্যে যেকোনো একটি বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হতে হবে?
  1. ১ মাস 
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ বার কাউন্সিল আদেশের ৬৬ নং বিধিমতে অ্যাডভোকেট হিসেবে অন্তর্ভুক্তির পর ছয় মাসের মধ্যে প্রত্যেককে একটি বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হতে হবে।
⇒ নতুন তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট (enrolled advocate) ৬ মাসের মধ্যে বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য না হলে তালিকাভুক্তির ছয় মাস পর আপনা-আপনি তার তালিকাভুক্তিকরণ সনদ বাতিল হয়ে যাবে।
-------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972. Rule-66:
(1) No person shall practise as an Advocate unless he is a member of a Bar Association of the place at which he ordinarily practises, which Association has been recognized under the rules next following.
(2) The certificate of enrolment of a person who has not become a member of a Bar Association within six months of his enrolment shall stand automatically suspended.

১১,৫২১.
কোনো ফৌজদারি আদালত পুলিশ ডায়রি মূলত কী উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারে?
  1. আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য
  2. সাজার একমাত্র ভিত্তি হিসেবে
  3. তদন্ত বা বিচারকাজে সাহায্য করার জন্য
  4. আসামির বিরুদ্ধে সরাসরি প্রমাণ হিসেবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭২(২) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: কোনো ফৌজদারি আদালত তদন্ত বা বিচারাধীন মামলার পুলিশ ডায়রি তলব করতে পারবেন এবং এইরূপ ডায়রি মামলার সাক্ষ্য হিসেবে নয়, বরং এইরূপ তদন্ত বা বিচারে সাহায্য করার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
- সুতরাং, পুলিশ ডায়রি সরাসরি সাক্ষ্য বা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না, বরং তা আদালতের তদন্ত বা বিচারকার্যকে সাহায্য করার জন্য ব্যবহার করা হয়, যেমন—তদন্তের ধারাবাহিকতা বোঝা, সময়রেখা নির্ণয় করা, বা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা করার সময় অসামঞ্জস্যতা চিহ্নিত করা।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮, ১৭২ ধারা: তদন্ত কার্যক্রমের ডায়েরি
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্তকারী প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা প্রতিদিনের তদন্ত কার্যক্রম একটি ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করিবেন, যেখানে তথ্য প্রাপ্তির সময়, তদন্ত শুরু ও শেষ করার সময়, পরিদর্শিত স্থানসমূহ এবং তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া পরিস্থিতি বা ঘটনার বিবরণ উল্লেখ থাকিবে।
(২) যেকোনো ফৌজদারী আদালত তদন্তাধীন বা বিচারাধীন কোনো মামলার পুলিশ ডায়েরি তলব করিতে পারেন এবং উক্ত ডায়েরিসমূহ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার না করিয়া, বরং তদন্ত বা বিচারে সহায়তার জন্য ব্যবহার করিতে পারেন। আসামী বা তাহার প্রতিনিধিগণ এই ডায়েরি তলব করার অধিকারী হইবেন না, বা শুধুমাত্র আদালত কর্তৃক ডায়েরিগুলি উল্লেখিত হওয়ার কারণে সেগুলি দেখারও অধিকারী হইবেন না; কিন্তু, যদি ডায়েরি প্রস্তুতকারী পুলিশ কর্মকর্তা তাহার স্মৃতি সতেজ করার জন্য সেগুলি ব্যবহার করেন অথবা আদালত যদি উক্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে জেরা করার উদ্দেশ্যে সেগুলি ব্যবহার করেন, তবে ক্ষেত্রমত সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৬১ ধারা বা ১৪৫ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation.

(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.

১১,৫২২.
বড় ক্ষতি ঠেকাতে ছোট ক্ষতির ঝুঁকি নিয়ে সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করলে অপরাধ নয়। এটি দণ্ডবিধির কোন ধারা দ্বারা স্বীকৃত?
  1. ধারা ৭৯
  2. ধারা ৮১
  3. ধারা ৮৫
  4. ধারা ৮৭
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৮১ অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ছাড়া ও সদিচ্ছায় যদি কেউ বৃহত্তর ক্ষতি এড়াতে কোনো কাজ করে, তবে সেই কাজ ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলেও অপরাধ নয়।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ৮১: ক্ষতি ঘটার সম্ভাবনা থাকলেও অপর ক্ষতি প্রতিরোধে ও অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ব্যতীত কাজ করলে তা অপরাধ নয়:

যদি কোনো কাজ এমন জেনে-বুঝেই করা হয় যে, তাতে ক্ষতি ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে, তবুও সেই কাজটি কারো প্রতি ক্ষতি সাধনের অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ব্যতীত এবং সদাশয়ভাবে (good faith) করা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সম্পত্তির প্রতি অন্য একটি ক্ষতি প্রতিরোধ বা পরিহারের উদ্দেশ্যে, তাহলে তা মাত্ৰ এই কারণে অপরাধ বলে গণ্য হবে না যে, সেটি ক্ষতির সম্ভাবনা রাখে।
ব্যাখ্যা: এই ধরনের ক্ষেত্রে, যেই ক্ষতি প্রতিরোধ বা পরিহার করা হচ্ছিল, সেটি কতটা প্রকৃত ও তাৎক্ষণিক ছিল, এবং সেই কারণে ক্ষতি ঘটার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও কাজটি করা যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য ছিল কি না, তা বাস্তব প্রশ্ন (question of fact) হিসেবে বিবেচিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 81: Act likely to cause harm, but done without criminal intent and to prevent other harm:
Nothing is an offence merely by reason of its being done with the knowledge that it is likely to cause harm, if it be done without any criminal intention to cause harm, and in good faith for the purpose of preventing or avoiding other harm to person or property.
Explanation:-It is a question of fact in such a case whether the harm to be prevented or avoided was of such a nature and so imminent as to justify or excuse the risk of doing the act with the knowledge that it was likely to cause harm.

১১,৫২৩.
হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখে কত ধারা অনুযায়ী?
  1. S. 373 of CrPC
  2. S. 375 of CrPC
  3. S. 376 of CrPC
  4. S. 377 of CrPC
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে। দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে, কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। অর্থাৎ, মৃতুদণ্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এর ৩৭৪ ধারার অধীন অনুমোদন নিতে হবে। ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড বিষয়ে বা তার নির্দোষিতা বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করতে পারবেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দন্ড দিতে পারেন,বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত,অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।
১১,৫২৪.
According to Order 20 Rule 5A, within how many days must a decree be drawn up from the date of pronouncement of the judgment?
  1. 7 days
  2. 10 days
  3. 14 days
  4. 30 days
ব্যাখ্যা
Order 20 Rule 5A- Time for drawn up a decree:
The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.

আদেশ ২০ বিধি ৫ক: ডিক্রি প্রণয়নের সময়:
রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।
১১,৫২৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮(২) এর বিষয়বস্তু কি?
  1. সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত
  2. সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  3. সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার
  4. নাগরিকদের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য-

(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না। 

(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।

(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না। 

(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

Article 28: Discrimination on grounds of religion, etc.

(1) The State shall not discriminate against any citizen on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth. 
(2) Women shall have equal rights with men in all spheres of the State and of public life. 
(3) No citizen shall, on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth be subjected to any disability, liability, restriction or condition with regard to access to any place of public entertainment or resort, or admission to any educational institution. 
(4) Nothing in this article shall prevent the State from making special provision in favour of women or children or for the advancement of any backward section of citizens.
১১,৫২৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারায় দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৯ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ১৭ ধারায়
  4. ২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।
 
ধারা ১৭- কমিশনের কার্যাবলী:
 
কমিশন নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
 
(ক) তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা; 
(খ) অনুচ্ছেদ (ক) এর অধীন অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনার ভিত্তিতে এই আইনের অধীন মামলা দায়ের ও পরিচালনা; 
(গ) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগ স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান; 
(ঘ) দুর্নীতি দমন বিষয়ে আইন দ্বারা কমিশনকে অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করা; 
 
(ঙ) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য কোন আইনের অধীন স্বীকৃত ব্যবস্থাদি পর্যালোচনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(চ) দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে করণীয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ছ) দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়িয়া তোলার ব্যবস্থা করা;
(জ) কমিশনের কার্যাবলী বা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এমন সকল বিষয়ের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা; 
 
(ঝ) আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করা এবং তদ্‌নুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ঞ) দুর্নীতির অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়ের এবং উক্তরূপ অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন পদ্ধতি নির্ধারণ করা; এবং 
(ট) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় বিবেচিত অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন করা৷
১১,৫২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সার্চ ওয়ারেন্ট জারীর বিধান আছে?
  1. ৯৫ ধারায়
  2. ৯৬ ধারায়
  3. ৯৭ ধারায়
  4. ৯৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা [Search-warrant] ইস্যুর বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ⅱ) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান:
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 96: When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
১১,৫২৮.
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু _________ হলে আদালত অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা থাকে।
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল
  3. অস্থাবর সম্পত্তি
  4. স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale):
- কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।

তাই উল্লিখিত প্রশ্নে 'দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল' অপশনটি অধিক গ্রহণযোগ্য।

--------------------
CPC Order-39 Rule-6. Power to order interim sale:
- The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
১১,৫২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৪ ধারা অনুযায়ী, কোন শর্ত পূরণ না হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনো সমন বা ওয়ারেন্ট জারি করা যাবে না?
  1. অভিযোগকারী আদালতে উপস্থিত না হলে
  2. অভিযুক্ত নির্দিষ্ট সময়ে হাজির না হলে
  3. অভিযুক্তর সাক্ষীদের তালিকা দাখিল না করা হলে
  4. অভিযোগকারীর সাক্ষীদের তালিকা দাখিল না করা হলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৪ ধারা:
(১) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অপরাধের বিষয়ে বিচারাধীন হয়ে মনে করেন যে মামলাটি চালানোর জন্য যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে এবং দ্বিতীয় তফসিলের চতুর্থ কলামের মতে এটি এমন একটি মামলা যেখানে প্রথমে সমন জারি করা উচিত, তাহলে তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করবেন। যদি মামলাটি এমন হয় যেখানে প্রথমেই ওয়ারেন্ট জারি করা প্রয়োজন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন অথবা প্রয়োজনে সমন জারি করে অভিযুক্তকে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিতে পারেন। যদি তার নিজস্ব এখতিয়ার না থাকে, তবে তিনি অন্য কোনো যোগ্য ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানোর জন্য নির্দেশ দিতে পারেন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর অধীনে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সমন বা ওয়ারেন্ট জারি করা যাবে না, যতক্ষণ না অভিযোগকারী পক্ষ সাক্ষীদের তালিকা দাখিল করে।

(খ) কোনো লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত মামলায়, উপ-ধারা (১)-এর অধীনে জারি করা প্রতিটি সমন বা ওয়ারেন্টের সাথে অভিযোগের একটি অনুলিপি সংযুক্ত থাকবে।

(২) এই ধারার কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৯০ ধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

(৩) যদি কোনো প্রচলিত আইনে প্রক্রিয়া ফি বা অন্যান্য ফি প্রদান করতে হয়, তবে ফি প্রদান না করা পর্যন্ত কোনো প্রক্রিয়া জারি করা হবে না। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি প্রদান করা না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগটি খারিজ করতে পারেন।
১১,৫৩০.
A জমির দখল পাওয়ার জন্য B-এর বিরুদ্ধে ডিক্রি পায়। C (B-এর ছেলে) রাগ করে A-কে হত্যা করে। সাক্ষ্য আইনের ৪৩ ধারা অনুযায়ী, এখানে ডিক্রির অস্তিত্ব-
  1. প্রাসঙ্গিক
  2. অপ্রাসঙ্গিক
  3. চূড়ান্ত প্রমাণ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩- ৪০ থেকে ৪২ ধারায় উল্লিখিত নয় এমন রায়, আদেশ বা ডিক্রির প্রাসঙ্গিকতা:
যে রায় (judgment), আদেশ (order) বা ডিক্রি (decree) ধারা ৪০, ৪১ ও ৪২–এ বর্ণিত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়, সেগুলো সাধারণভাবে অপ্রাসঙ্গিক (irrelevant)- যদি না সেই রায়, আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব (existence) নিজেই কোনো মূল বিষয় (fact in issue) হয়, অথবা এই আইন (সাক্ষ্য আইন)-এর অন্য কোনো ধারায় প্রাসঙ্গিক হিসেবে ঘোষিত হয়।

উদাহরণসমূহ (Illustrations):
(a) A ও B আলাদাভাবে C-এর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করে। A মামলায় জয়ী হয়, কিন্তু সেটি B-এর মামলায় অপ্রাসঙ্গিক,
কারণ দুটি মামলা আলাদা পক্ষের মধ্যে। রায় প্রাসঙ্গিক নয়, কারণ এটি অন্য মামলার জন্য binding নয়।

(b) A, B-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে যে সে C-এর (A-এর স্ত্রী) সঙ্গে ব্যভিচার করেছে। B-কে ব্যভিচারের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরে C-কে বিগ্যামির অভিযোগে বিচার করা হলে, সে বলে — “আমি কখনও A-এর স্ত্রী ছিলাম না।” B-এর দণ্ডপ্রাপ্তি এখানে C-এর বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক নয়। পূর্বের রায় অন্য অভিযুক্তের জন্য binding নয়।

(c) A, B-এর বিরুদ্ধে গরু চুরির অভিযোগ আনে। B দোষী সাব্যস্ত হয়। পরে A, C-এর বিরুদ্ধে গরু উদ্ধারের মামলা করে (C সেই গরু B-এর কাছ থেকে কিনেছিল)। এক্ষেত্রে B-এর দণ্ডপ্রাপ্তি A ও C-এর মধ্যে মামলায় অপ্রাসঙ্গিক।

(d) A জমির দখল পাওয়ার জন্য B-এর বিরুদ্ধে ডিক্রি পায়। C (B-এর ছেলে) রাগ করে A-কে হত্যা করে। এখানে ডিক্রির অস্তিত্ব প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি হত্যার উদ্দেশ্য (motive) দেখায়।

(e) A চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত এবং বলা হয়েছে যে সে পূর্বে চুরির দণ্ড পেয়েছে। তাহলে পূর্বের দণ্ডাদেশ এখন fact in issue, তাই প্রাসঙ্গিক।

(f) A, B-কে হত্যা করেছে। আগে B, A-এর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিল এবং তাতে A দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছিল। এ তথ্য ধারা ৮ অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি হত্যার উদ্দেশ্য (motive) ব্যাখ্যা করে।

১১,৫৩১.
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় কোন বিষয় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. পূর্ববর্তী মামলার সাক্ষ্য
  2. পূর্ববর্তী মামলার অভিযোগপত্র
  3. পূর্ববর্তী মামলার রায়
  4. পূর্ববর্তী মামলার এজহার
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০- দ্বিতীয় মোকদ্দমার বিচার নিষিদ্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী মামলার রায় (Previous Judgment) যখন প্রাসঙ্গিক:

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় দেওয়ানী কার্যবিধির দোবারা দোষ [Res judicata) এবং ফৌজদারী কার্যবিধির দোবারা সাজা (double jeopardy) নীতির প্রতিফলন হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারার দোবারা দোষ [Res judicata) অনুযায়ী চূড়ান্তভাবে সমাপ্ত মামলা পুনরায় একই বিষয়ে এবং একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আদালতে শুরু করা যাবে না। যদি কোন ব্যক্তি এমন মামলা দায়ের করে তাহলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দিবে। আবার ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা double jeopardy নীতি অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য দুইবার বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না।

আপনি যদি দেওয়ানী কার্যবিধির দোবারা দোষ [Res judicata] এবং ফৌজদারী কার্যবিধির দোবারা সাজা [double jeopardy] নীতি অনুযায়ী কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলা খারিজ করাতে চান তাহলে আদালতকে দেখতে হবে উক্ত মামলার উপর পূর্ববর্তী কোন রায় আছে কিনা। অর্থাৎ একই বিষয়ের উপর দ্বিতীয় মোকদ্দমা খারিজ করতে পূর্ববর্তী মোকাদ্দমার রায় কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে দাখিল করতে হবে এবং এই কারণে ৪০ ধারায় পূর্ববর্তী মামলার রায়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানী এবং ফৌজদারী উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
১১,৫৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ১৩ক এর অধীন দরখাস্তের সাথে অনধিক কত টাকা খরচ প্রদান করতে হয়?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-

বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
১১,৫৩৩.
The Specific Relief Act, 1877-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী, আদালত চুক্তির সংশোধনের জন্য কী বিবেচনা করবেন?
  1. পক্ষসমূহের পূর্ববর্তী কর্মপরিকল্পনা
  2. পক্ষসমূহের পারস্পারিক আর্থিক সম্পর্ক
  3. পক্ষসমূহের মধ্যে চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের মাত্রা
  4. পক্ষসমূহের অভিপ্রায় ও ন্যায়সংগত চুক্তির ইচ্ছা
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: (ঘ) পক্ষসমূহের অভিপ্রায় ও ন্যায়সংগত চুক্তির ইচ্ছা।
⇒ The Specific Relief Act, 1877-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী, আদালত যখন একটি লিখিত চুক্তির সংশোধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন, তখন তিনি পক্ষসমূহের অভিপ্রায় বিবেচনা করবেন।
- আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে, চুক্তির সকল পক্ষ একটি সুবিচারপূর্ণ ও ন্যায্য চুক্তি করতে চেয়েছিলেন।
- "Presumption as to intent of parties" বলতে বোঝানো হয়েছে, সংশোধনের জন্য সকল পক্ষের সদিচ্ছা ও চুক্তির ন্যায্যতা থাকা প্রয়োজন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:

-লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties:
-For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
১১,৫৩৪.
নিচের কোনটি দস্যুতার উপাদান নয়?
  1. এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে
  2. আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়
  3. সম্মতি ব্যতিত গোপনে কারো অস্থাবর সম্পদ অপসারণ করে
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে
ব্যাখ্যা
• ৩৯০ ধারা মতে দস্যুতার মধ্যে যেসব উপাদান বিদ্যমান-
(i) এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
(ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
(iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
(iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
১১,৫৩৫.
নিম্নের কোন আচরণ একজন আইনজীবীর পেশাগত সদাচরণের লংঘন?
  1. পেশার প্রসারের উদ্দেশ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্ৰকাশ
  2. পেশার প্রসারের উদ্দেশ্যে বেতনভূক্ত সহকারী রাখা
  3. নিজের পরিচালনাধীন মামলা সংশ্লিষ্ট বিচারিক নিলামে ক্রেতা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦আইনজীবীদের জন্য অনুসৃত পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তীতা (Canons of professional conduct and etiquettel এর অধ্যায় ১ এর ২ বিধি অনুসারে, কোন আইনজীবী তার পেশার প্রসারের উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপন কিংবা অন্য কোন উপায়ে পেশাগত নিয়োগ কিংবা দায়িত্ব লাভের চেষ্টা করতে পারবেনা। তবে প্রকাশনা, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচালিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার করতে পারবে।
♦অন্যদিকে, অধ্যায় ০২ এর বিধি ৫ অনুসারে, একজন আইনজীবী কোন উইল কিংবা ঋণের জন্য বন্ধককৃত কিংবা বিচারিক রায়ে নিলামকৃত সম্পত্তি নিজ নামে কিংবা বেনামে ক্রয় কিংবা পারিশ্রমিকের পরিবর্তে উক্ত সমুদয় সম্পত্তি কিংবা আংশিক সম্পত্তি গ্রহন করতে পারবেনা, যদি তিনি উক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলার কোন পক্ষের আইনজীবী হিসাবে মামলা পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে থাকে।
১১,৫৩৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, আপিল আদালতের ক্ষমতা নয় কোনটি?
  1. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা
  2. মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ
  3. চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি
  4. মামলা ফৌজদারি আদালতে প্রেরণ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঘ) মামলা ফৌজদারি আদালতে প্রেরণ।

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১০৭: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।

১১,৫৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী কে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. অভিযোগকারী
  2. বিচারকারী আদালত
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল:
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

১১,৫৩৮.
কোন পরিস্থিতিতে পূর্বে দেওয়া সাক্ষ্য পরবর্তী মামলা প্রমাণে প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. সাক্ষীর মৃত্যু
  2. সাক্ষী নিখোঁজ
  3. সাক্ষী অসুস্থ বা অসমর্থ
  4. উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারার বিধান: যখন পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তীতে মামলায় প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে:
কোন মামলায় কেউ আইন অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার পর যদি তার-
ক) মৃত্যু হয়; বা
খ) সন্ধান পাওয়া না যায়; বা
গ) যে পরে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হয়ে পড়ে; বা
ঘ) প্রতিপক্ষ তাকে আটকিয়ে রাখে;
ঙ) যুক্তিসংগত কারণে তাকে আদালতে উপস্থিত করা সময় এবং ব্যয়সাপেক্ষ;

তাহলে এই ধরনের সাক্ষীর পূর্বে দেওয়া প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য পরবর্তী পর্যায়ে প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক হবে। তবে নিম্নে বর্ণিত ৩টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
১। পরবর্তী মামলা একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে অথবা তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
২। পূর্বে সাক্ষ্য দেওয়া সাক্ষীকে প্রতিপক্ষ জেরা করার সুযােগ পেতে হবে; এবং
৩। উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই ধরনের হতে হবে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 33.Relevancy of certain evidence for proving, in subsequent proceeding, the truth of facts therein stated:
 Evidence given by a witness in a judicial proceeding, or before any person authorized by law to take it, is relevant for the purpose of proving, in a subsequent judicial proceeding, or in a later stage of the same judicial proceeding, the truth of the facts which it states, when the witness is dead or cannot be found, or is incapable of giving evidence, or is kept out of the way by the adverse party, or if his presence cannot be obtained without an amount of delay or expense which, under the circumstances of the case, the Court considers unreasonable:

Provided- 
that the proceeding was between the same parties or their representatives in interest; 
that the adverse party in the first proceeding had the right and opportunity to cross-examine; 
that the questions in issue were substantially the same in the first as in the second proceeding. 

Explanation.–A criminal trial or inquiry shall be deemed to be a proceeding between the prosecutor and the accused within the meaning of this section.
১১,৫৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. অভিযুক্তের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির বিধান
  2. সন্দেহযুক্ত চোরাই মাল বাজেয়াপ্তির বিধান
  3. অভিযুক্তের জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান
  4. সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগ-
 - ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহন করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
 
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to 488[a Metropolitan Magistrate], 489[a Chief Judicial Magistrate], a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, 490[Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate], within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness. 
 
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette. 
 
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the 491[Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate], he, or 492[any other Magistrate] as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.
১১,৫৪০.
বিগত কত বছর যাবত খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।
--------------------------
⇒ Section 108: Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
১১,৫৪১.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন মঞ্জুর করা যায়?
  1. বাদীর আবেদন সাপেক্ষে
  2. আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতায়
  3. মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে
  4. শুনানি শেষে মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয় যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Section 53: Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
১১,৫৪২.
Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 অনুসারে, ধারা ৪১৪-এ জরিমানার পরিমাণ কত টাকা পর্যন্ত হলে আপিল করা যায় না?
  1. ২০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৫,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 অনুসারে, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪-এর সংশোধনের মাধ্যমে পূর্বে উল্লিখিত "two hundred taka" (২০০ টাকা) শব্দগুলির পরিবর্তে "five thousand taka" (৫,০০০ টাকা) শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ হলো, ধারা ২৬০-এর অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট যদি সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করেন, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোনো আপিল করতে পারবেন না। তবে, জরিমানার পরিমাণ ৫,০০০ টাকার বেশি হলে বা কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে।

অর্থাৎ সংশোধিত ধারা ৪১৪ অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচারে সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না। অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) ৫,০০০ টাকা। 

১১,৫৪৩.
আঘাতের (Hurt) সংজ্ঞা সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৩১৮ ধারা
  2. ৩১৯ ধারা
  3. ৩২৩ ধারা
  4. ৩২৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারার বিধান: আঘাত:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।
--------
⇒ Section 319. Hurt:- Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
১১,৫৪৪.
The Penal Code, 1860 এর বিধান অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে একটি কাজ 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না?
  1. যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করা হলে
  2. ভালো উদ্দেশ্য থাকলে
  3. যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে
  4. পর্যাপ্ত মনোযোগ দেওয়া হলে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে-
যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

Section 52- “Good faith”:
Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.
১১,৫৪৫.
তামাদি আইনের ১১৪ ধারা অনুসারে চুক্তি রদের মামলা দায়েরের তামাদি কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর 
  3. ২ বছর 
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা (For recession of a contract) দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে। চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।

১১,৫৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী কোন আদালত মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সব আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল বা পরিবর্তন করে অন্য কোনো দণ্ড, এমনকি তা বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ:
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন, অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামীকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নূতন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামীকে খালাস দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আপীলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপীল পেশ করা হলে উহ নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
----------------------------
⇒ CrPC Section-376: Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
In any case submitted under section 374 the High Court Division- 
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
১১,৫৪৭.
'ক' এক ফৌজদারি মামলায় দণ্ডবিধির অধীন ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে কত সময়ের মধ্যে উক্ত অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে?
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. ৬ বছরের মধ্যে
  3. ৭ বছরের মধ্যে
  4. ১০ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়;
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে;
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

প্রশ্নে উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, এক্ষেত্রে কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে অর্থাৎ ১০ বছরের মধ্যে আদায় করা যাবে।

দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য:
মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

Section 70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.
১১,৫৪৮.
'Affray' এর বিধান আছে দণ্ডবিধির কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৬০ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:

যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒  দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
⇒ Section 159.  Affray
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

⇒  Punishment for committing affray
Section 160. Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১১,৫৪৯.
দলিল সংশোধনের সময় আদালত কোন বিষয়টি নিশ্চিত করবে?
  1. দলিল সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হওয়া
  2. পক্ষগণের নতুন শর্ত যুক্ত করা
  3. তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ না হওয়া
  4. পক্ষগণের অনুমোদন নেওয়া
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩১: কখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:
যদি প্রতারণা বা উভয় পক্ষের পারস্পরিক ভুলবশত কোনো চুক্তি বা অন্য কোনো লিখিত দলিল প্রকৃতপক্ষে তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য সঠিকভাবে প্রকাশ না করে, তবে যেকোনো পক্ষ বা তার স্বার্থের প্রতিনিধি আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে দলিলটি সংশোধনের জন্য।

এবং যদি আদালত স্পষ্টভাবে প্রমাণিত মনে করে যে দলিল প্রণয়নে প্রতারণা বা ভুল হয়েছে এবং দলিলটি সম্পাদনের সময় পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়, তবে আদালত তার বিবেচনায় দলিলটি সংশোধন করতে পারে যাতে সেটি সেই প্রকৃত উদ্দেশ্যকে প্রকাশ করে — তবে শর্ত থাকে যে এতে সৎ বিশ্বাসে এবং যথাযথ মূল্যে তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক অর্জিত অধিকার ক্ষুণ্ণ না হয়।

⇒ Section 31- When instrument may be rectified:
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

১১,৫৫০.
কোন ধারায় অপরাধমূলক নরহত্যার সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ১৯৯ ধারা
  2. ২৯২ ধারা
  3. ২৯৯ ধারা
  4. ৩০০ ধারা
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে প্রত্যক্ষভাবে হত্যা না করে এমন কাজ করা যা তার মৃত্যু ঘটায় তাই হলো নিন্দনীয় নরহত্যা।
• দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা মতে ৩ ক্ষেত্রে কোন কাজ নিন্দনীয় নরহত্যা বলে গণ্য হবে।
(i)  মৃত্যু ঘটানের উদ্দেশ্যে
(ii)  দৈহিক জখমের উদ্দেশ্যে
(iii) মৃত্যু ঘটাতে পারে এরকম জ্ঞান নিয়ে কোন কাজ করার ফলে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে।
১১,৫৫১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারাটি কোন চুক্তির সাথে সম্পর্কিত?
  1. বিক্রয় চুক্তি
  2. লিজ চুক্তি
  3. উপহার চুক্তি
  4. উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: খ) লিজ চুক্তি। 
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি একটি লিজ চুক্তি লিখিতভাবে এবং পক্ষদ্বয়ের স্বাক্ষরিত হয়, তবে নিবন্ধন না হলেও চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে এক পক্ষ অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দাবি করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা বিধান স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান:
এই অধ্যায়ের বিধানাবলির অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজ গ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।

তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:
Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and

(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.
১১,৫৫২.
নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত দাখিলের তামাদি________ দিন।
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৪৫
  4. ৬০
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে নিঃসম্বল হিসাবে আপীল করার অনুমতির দরখাস্ত (for leave to appeal as pauper) দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন
১১,৫৫৩.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারা অনুযায়ী, উভয়পক্ষের অনুরোধে আদালত কি করবে?
  1. রুদ্ধদ্বার কক্ষে শুনানি করবে
  2. শুনানি স্থগিত রাখবে
  3. উন্মুক্ত কক্ষে শুনানি করবে
  4. মোকদ্দমার কার্যধারা বাতিল করবে
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারা: রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।

(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।
১১,৫৫৪.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এ মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রধান বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ২০
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৫ম পরিচ্ছেদ (বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি) এর অধীনে ধারা ২২-এ মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রধান ও বিস্তারিত বিধান প্রদান করা হয়েছে। এই ধারার বিভিন্ন উপ-ধারায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নির্ধারিত হয়েছে:
- মামলা মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণের সময় (লিখিত জবাব দাখিলের পর)
- মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের পদ্ধতি
- মধ্যস্থতার সময়সীমা (৬০ দিন + সর্বোচ্চ ৩০ দিন বর্ধিত)
- গোপনীয়তা রক্ষা
- সফল নিষ্পত্তিতে কোর্ট ফি ফেরত
- নিষ্পত্তির আদেশের চূড়ান্ততা ইত্যাদি।

অন্য অপশনগুলো:
ক) ধারা ২০ → এই ধারায় সাধারণত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি সংক্রান্ত অন্য বিধান রয়েছে (প্রধান মধ্যস্থতার বিধান নয়)।
গ) ধারা ২৪ → আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মধ্যস্থতায় ক্ষমতা অর্পণ সংক্রান্ত।
ঘ) ধারা ২৫ → ৫ কোটি টাকার অধিক দাবির মধ্যস্থতা প্রতিবেদনের অনুমোদন সংক্রান্ত।

- সুতরাং মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রধান বিধান ধারা ২২-এ রয়েছে।

১১,৫৫৫.
যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা আছে, একটি পক্ষকে তেমন কাজ করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে যে প্রতিকার দেওয়া হয়,তা হল _______।
  1. নিরোধমূলক প্রতিকার
  2. প্রতিরোধমূলক প্রতিকার
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার
  4. উপরের সবগলো
ব্যাখ্যা
♦নিরোধমূলক প্রতিকার [Preventive Relief] বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা নিষেধাত্মক প্রতিকার একই অর্থ বহন করে। সাধারাণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে নিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়া হয়। বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হল নিরোধমূলক প্রতিকার। যেমন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি। নিরোধমূলক প্রতিকার নিজেই হলো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার। 
১১,৫৫৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক(২) অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কার কাছে পাঠাতে হবে?
  1. পুলিশের কাছে
  2. আদালতের কাছে
  3. অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে
  4. যে পক্ষ তাকে নিয়োগ করেছে তার কাছে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক(২) অনুসারে – বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন সরাসরি আদালতের কাছে পাঠাতে হবে, যেকোনো পক্ষের কাছে নয়। এর উদ্দেশ্য হলো বিশেষজ্ঞের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা। তিনি আদালতের সহায়ক হিসাবে কাজ করেন।
- সুতরাং, সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক(২) অনুযায়ী বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন অবশ্যই আদালতের কাছে পাঠাতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.

১১,৫৫৭.
The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৭ ধারা অনুযায়ী বিভাগীয় কমিশনারের [Commissioner of Division] নিকট আপিলের তামাদির মেয়াদ-
  1. ত্রিশ দিন
  2. ষাট দিন
  3. নব্বই দিন
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৭ ধারার বিধান আপিল:
- এই ভাগ বা এই আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালাতে আপিলের বিশেষ বিধানসাপেক্ষে, এই ভাগের অধীন রাজস্ব কর্মকর্তার প্রত্যেক মূল বা আপিল আদেশের বিরুদ্ধে নিম্নরূপভাবে আপিল করা যাইবে, যথা:
(ক) কালেক্টরের অধস্তন রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, কালেক্টরের নিকট;
(কক) বিভাগের মধ্যে জেলার কালেক্টর কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, বিভাগীয় কমিশনারের নিকট; এবং
(গ) বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, ভূমি প্রশাসন বোর্ডএর নিকট

The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৮ ধারার বিধান আপিল: আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ:
- ধারা ১৪৭ অনুযায়ী আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয় সেই আদেশের তারিখ হইতে চলিতে থাকিবে এবং উহা নিম্নরূপ হইবে, অর্থাৎ-
       (ক) কালেক্টরের নিকট আপিল__________ত্রিশ দিন।
       (খ) বিভাগীয় কমিশনারের নিকট আপিল________ষাট দিন। 
       (খখ)ভূমি প্রশাসন বোর্ড এর নিকট আপিল___________নব্বই দিন।

-----------
- Section 147. Appeals:
-Subject to any special provisions for appeal made in this Part or in any rules made under this Act, an appeal shall lie from every original or appellate order made under any of the provisions of this Part by a Revenue-officer as follows, namely:- 
(a) to the Collector, when the order is made by a Revenue-officer subordinate to the Collector; 
(aa) to the Commissioner of the division, when the order is made by the Collector of a district within the division; and
(c) to the Board of Land Administration, when the order is made by the Commissioner of a division.

- Section 148. Limitation for appeals:

- The period of limitation for an appeal under section 147 shall run from the date of the order appealed against and shall be as follows, that is to say- 
 (a) when the appeal lies to the Collector .............................. thirty days. 
(b) when the appeal lies to the Commissioner of a division ............ sixty days.
(bb) when the appeal lies to the Board of Land Administration ........................ ninety days.
১১,৫৫৮.
সাক্ষ্য আইনের কোথাও আদালতকে কোন বিষয়কে (May Presume) করতে বললে, আদালত বিষয়টিকে কি বলে অনুমান করতে পারে?
  1. প্রমাণিত
  2. অপ্রমাণিত
  3. অবশ্যই প্রমাণিত
  4. প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
১১,৫৫৯.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর অধীন বিচারের স্থান হতে পারে-
  1. যে স্থানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল
  2. যে স্থানে অভিযোগকারী বাস করে
  3. যে স্থানে আসামী বাস করে
  4. উল্লিখিত সকল স্থান
ব্যাখ্যা
• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১

ধারা ১১ক- বিচারের স্থান
সাময়িকভাবে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও এই অধ্যাদেশের অধীনে সংঘটিত কোন অপরাধ ঐ আদালত কর্তৃকই বিচার্য হইবে যাহার স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে-
ক) অপরাধটি সংঘটিত হইয়াছিল,
খ) অভিযোগকারী বা আসামী বাস করে বা সর্বশেষ বাস করিয়াছিল।

Section 11A- Place of trial
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, an offence under this Ordinance shall be tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction- 
(a) the offence was committed; or 
(b) the complainant or the accused resides or last resided.
১১,৫৬০.
কখন অবৈধ বাধা হইবে?
  1. কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছানুসারে নির্দিষ্ট কোন পথ গমনের ক্ষেত্রে বাধা দিলে 
  2. কোন ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধ এলাকার বাহিরে গমনের ক্ষেত্রে বাধা দিলে
  3. যথার্থ কারণ ছাড়া বন্দী করিয়া রাখিলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒ Wrongful restraint:
Section 339. Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
⇒ Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
⇒ Illustration 
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১১,৫৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারা অনুযায়ী কে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুসারে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট তখনই সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারযোগ্য হয়, যখন রিপোর্ট প্রস্তুতকারী সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসার, মারা গেছেন,সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম,বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছেন,এবং তাকে হাজির করতে গেলে অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা সৃষ্টি হবে।এই পরিস্থিতিতে রিপোর্টকে সাক্ষ্য হিসেবে কে গ্রহণ করবে বা সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট আদালতই সেই কর্তৃত্ব রাখে।
অর্থাৎ, আদালত বিবেচনা করে যদি মনে করে যে রিপোর্ট গ্রহণ করা ন্যায়সঙ্গত হবে, তাহলে সে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, এমনকি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসককে তলব না করেই।
সঠিক উত্তর: ঘ) মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
১১,৫৬২.
আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর অধীন মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে মোকদ্দমা খারিজের কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ বিধি-৯ক: বাতিল বা খারিজ সরাসরি রহিতকরণ:
বিধি ৯ বা অন্য কোন কোন আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, বাতিল বা খারিজের ষাট দিনের মধ্যে যদি কোন মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বা স্বত্বনিয়োগী বা কোন দেউলিয়া বাদীর রিসিভার এই আইনের অধীন বাতিল বা খারিজের কোন আদেশকে রহিতকরণের নিমিত্তে আবেদন করে থাকেন, তাহলে আদালতে বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে, বিধি ৯ এর অধীন বর্ণিত বাদীকে যথেষ্ট কারণ বিষয়ে প্রমাণ করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না প্রদান করে এরূপ বাতিল বা খারিজ সরাসরি রহিত করতে পারেন, তবে আদালত উপযুক্ত মনে করলে তাকে অনধিক তিন (৩) হাজার টাকার খরচা প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারেন।

১১,৫৬৩.
The Special Powers Act, 1974 এর ১৩ ধারার বিধান কী?
  1. Sabotage
  2. Revocation of detention orders
  3. Temporary release of persons detained
  4. Detention orders not to be invalid or inoperative on certain grounds
ব্যাখ্যা
⇒ Section 13 of The Special Powers Act, 1974- Revocation of detention orders:
A detention order may, at any time, be revoked or modified by the Government.
-------------------------
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ১৩ ধারার বিধান: আটক আদেশ প্রত্যাহার: সরকার যেকোন সময় আটক আদেশ প্রত্যাহার বা সংশোধন করতে পারবেন।
১১,৫৬৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কোন ধারায় রিসিভার/তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ বিষয় বলা হয়েছে?
  1. ৪৪ ধারা
  2. ৪২ ধারা
  3. ৪৩ ধারা
  4. ৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী রিসিভার/ তত্ত্বাবধায়ক হলো বিচারাধীন কোন মামলায় বিরোধপূর্ণ বিষয়টির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া।
• এটি আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।
• CPC এর ৪০ ধারা অনুসারে রিসিভার/তত্বাবধায়ক নিয়োগ দেওয়া হয়।
• রিসিভার/ তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের বিরুদ্ধে কোন পক্ষ চাইলে আপিল করতে পারবে।
১১,৫৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৭ম কলামে কোন বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  2. আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
  3. অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
  4. দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

- দ্বিতীয় তফশিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ
২য় কলাম- অপরাধ
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১১,৫৬৬.
হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা বলে কি করতে পারে
  1. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে
  2. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না
  3. দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারে
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৯(৪) মতে- হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা বলে দণ্ডবৃদ্ধি করতে পারে কিন্তু খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না।
১১,৫৬৭.
যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য বন্ড সম্পাদিত হয়েছে, সেই ব্যক্তিকে-
  1. খালাস দিতে হবে
  2. মুক্তি দিতে হবে
  3. অব্যাহতি দিতে হবে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০০- হেফাজত হতে মুক্তি দান

(১) বন্ড সম্পাদিত হওয়ার সাথে সাথে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য উহা সম্পাদন করা হল তাকে মুক্তি দিতে হবে এবং সে জেলে থাকলে জামিন মঞ্জুরকারী আদালত উক্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন এবং উক্ত অফিসার এই আদেশ পাবার পর তাকে মুক্তি দিবেন। 

(২) যে মামলায় বন্ড সম্পাদন করা হলো কোন ব্যক্তি সেই মামলা ব্যতীত অন্য কোন মামলায় আটক থাকতে বাধ্য হলে এই ধারা, ৪৯৬ ধারা বা ৪৯৭ ধারার কোন বিধানে তার মুক্তি দাবী করা যাবে মর্মে গণ্য করা যাবে না।

Section 500- Discharge from custody
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him.
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
১১,৫৬৮.
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোন ভুল হইলে আদালত তাহা সংশোধন (Corrected by the Court) করিতে পারে- 
  1. মোকদ্দমার শুরুতে,
  2. যে কোন সময়,
  3. শুনানি কালে,
  4. সংশোধন করিতে পারে না,
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন। রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders: Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১১,৫৬৯.
The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ৭১ মূলত কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. বন্ধক মুক্তকরণ
  2. বন্ধকীকৃত সম্পত্তির বিক্রয়
  3. বন্ধকীকৃত ইজারার নবায়ন
  4. বন্ধকীকৃত সম্পত্তির দখল
ব্যাখ্যা

The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ৭১: বন্ধকীকৃত ইজারা নবায়ন:
যখন বন্ধকীকৃত সম্পত্তি একটি ইজারা হয় এবং বন্ধকদাতা উক্ত ইজারার নবায়ন গ্রহণ করেন, তখন বিপরীত কোনো চুক্তি না থাকিলে, বন্ধকগ্রহীতা নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত নতুন ইজারার অধিকারী হইবেন।

Renewal of mortgaged lease:
When the mortgaged property is a lease, and the mortgagor obtains a renewal of the lease, the mortgagee, in the absence of a contract to the contrary, shall, for the purposes of the security, be entitled to the new lease.

১১,৫৭০.
দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার অধীনে নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দান বা অবৈধ প্রভাব বিস্তারের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭১চ (Section 171F) ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দান বা অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে, তাহলে তার সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

- দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার বিধান নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 171F. Punishment for undue influence or personation at an election:- Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১১,৫৭১.
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান কী?
  1. Consent of insane person
  2. Act causing slight harm
  3. Act of a person of unsound mind
  4. Act of a child under nine years of age
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায় মতে অপরাধ করার সময় অপরাধী ব্যাক্তি অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। তবে অপরাধ করার সময় উক্ত পাগল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকতে হবে যে সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান: অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্য:
-এমন কোন ব্যক্তির কোন কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় তার মনে অসুস্থতা (Unsoundness) বশত কাজটি যে অন্যায় অথবা আইনবিরুদ্ধ, তা বুঝতে অসমর্থ ছিল।
--------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 84: Act of a person of unsound mind:
-Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
১১,৫৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. দায়রা আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  3. দায়রা আদালতে রিভিশন
  4. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
-অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশীট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশী কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
 
-ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিলে ফরিয়াদীর প্রতিকার- উক্ত অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের।

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ৩ ক্ষেত্রে আপিলের বিধান রয়েছে-
- দণ্ডাদেশ (ধারা ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০);
- অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশ (ধারা ৪১৭ক); এবং
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭)।

যেহেতু অব্যাহতির ক্ষেত্রে আপিলের বিধান নেই এবং যেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না সেক্ষেত্রে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে, সেহেতু উক্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।
১১,৫৭৩.
তামাদি আইনের কোন ধারায় জবরদখলের মাধ্যমে মালিকানা বিলুপ্তি বিষয়ের উল্লেখ আছে?
  1. ২০ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ২৮ ধারায়
  4. ২৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৮ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিজের স্থাবর সম্পত্তি (যেমন—ভূমি, ঘর) থেকে জবরদখলকারীকে উচ্ছেদ করার জন্য আদালতে মামলা না করে, তবে তার মালিকানা বিলুপ্ত হয়ে যায়।
অন্যভাবে বললে, যিনি দীর্ঘ সময় (যেমন ১২ বছর) ধরে কোনো প্রতিবাদ বা মামলা ছাড়া ভূমির উপর শান্তিপূর্ণ, উন্মুক্ত ও নিরবচ্ছিন্ন দখল বজায় রাখেন, তিনি "দখলের ভিত্তিতে অধিকার" (adverse possession) লাভ করেন। তখন প্রকৃত মালিকের আইনগত অধিকার তামাদি হয়ে যায় এবং জবরদখলকারী মালিক হিসেবে স্বীকৃত হন।

⇒ ধারা ২৮-এর মূল পয়েন্ট: এই ধারায় দাবি তামাদি হয়ে গেলে কেবল মামলা করার অধিকারই হারায় না, বরং সম্পত্তির উপর মালিকানার স্বত্বও বিলুপ্ত হয়ে যায়। এ ধারা মূলত Adverse Possession বা প্রতিকূল দখলের মাধ্যমে অধিকার লাভ সম্পর্কিত।
অর্থাৎ, তামাদি আইন অনুযায়ী জবরদখলের মাধ্যমে মালিকানা বিলুপ্তির বিধান ২৮ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
১১,৫৭৪.
আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলে, কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ করার অজুহাতে-
  1. পুনর্বিচার করা যাবে
  2. নতুন করে বিচার হবে না
  3. মামলা বাতিল হবে
  4. সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা যাবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।

Section 167⇒ No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
১১,৫৭৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় খুনের শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ২৯৯ ধারায়
  2. ৩০০ ধারায়
  3. ৩০২ ধারায়
  4. ৩০৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা- খুনের সাজা: কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
----------------- 
⇒ The Penal Code Section 302- Punishment for murder:
Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine. 
১১,৫৭৬.
Which section of the Code of Civil Procedure, 1908 preserves the inherent powers of the Court?
  1. Section 150
  2. Section 151
  3. Section 152
  4. Section 153
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮- ধারা ১৫১: আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা সংরক্ষণ-
- এই বিধিতে এমন কিছু নেই যা আদালতের অন্তর্নিহিত (inherent) ক্ষমতা সীমিত করে বা অন্য কোনোভাবে প্রভাবিত করে, যে ক্ষমতার মাধ্যমে আদালত:
- ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারে, অথবা
- আদালতের কার্যপ্রণালীর অপব্যবহার রোধ করতে পারে।
১১,৫৭৭.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০: আপিল এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।

(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।
১১,৫৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখতে পারেন?
  1. অপরাধ খুব গুরুতর হলে
  2. মামলার খরচাদি আদায়ের জন্য
  3. নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য
  4. মামলার অভিযোগকারী উপস্থিত না থাকলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর : নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোনও অপরাধের বিষয়ে অভিযোগ (নালিশ) পান, তাহলে তিনি অভিযোগটি গ্রহণ করার আগেই সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে পারেন। এজন্য তিনি প্রথমেই সমন বা পরোয়ানা ইস্যু করা স্থগিত রাখতে পারেন এবং নিজে তদন্ত করতে পারেন, অথবা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ অফিসার বা তার মতে উপযুক্ত অন্য কাউকে সেই ঘটনার অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারেন। তবে, এই অনুসন্ধানের পূর্বে ২০০ ধারা অনুসারে অভিযোগকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা আবশ্যক, যদি না মামলাটি আদালতের নিজস্ব করা হয়।

⇒ যদি মামলাটি এমন কোনো অপরাধ সংক্রান্ত হয় যা শুধু দায়রা আদালতে বিচার্য, তাহলে অভিযুক্তকে ডাকার আগেই ম্যাজিস্ট্রেট অনুসন্ধান করতে পারেন এবং প্রাথমিক সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন। অভিযুক্তকে ডাকার পরে ফরিয়াদীকে তার সব সাক্ষী হাজির করতে বলা হয় এবং তাদের শপথ করিয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

⇒ যদি অনুসন্ধানকারী ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ না হন, তাহলে তিনিও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মতো তদন্তের ক্ষমতা রাখেন—তবে গ্রেপ্তারের পরোয়ানা ছাড়া।

⇒ পুলিশ যদি চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট সেই রিপোর্ট গ্রহণ করে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
১১,৫৭৯.
Which two main sects exist among Muslims?
  1. Hanafi and Shafi
  2. Sunni and Shia
  3. Maliki and Hanbali
  4. None of them
ব্যাখ্যা
ইসলামী আইনের স্কুলসমূহ:
মুসলিমদের মধ্যে দুটি প্রধান মতবাদ রয়েছে। তারা হলো সুন্নি এবং শিয়া। বিশ্বের বেশিরভাগ মুসলিম সুন্নি সম্প্রদায়ের অনুসারী।
সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে চারটি প্রধান ইমাম আছেন, যাদের মাধ্যমে চারটি ভিন্ন চিন্তাধারার সৃষ্টি হয়েছে। সেগুলি হলো:
১. হানাফি ২. শাফি ৩. মালিকি ৪. হানবালি

সুন্নি এবং শিয়া মুসলিমদের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল, তারা বিশ্বাস করেন কি না যে, নবী মুহাম্মদ (সাঃ) তার উত্তরাধিকারী হিসাবে কাউকে নির্ধারণ করেছিলেন।
সুন্নি মুসলিমরা বিশ্বাস করেন যে, নবী মুহাম্মদ (সাঃ) কোন উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করেননি, তবে শিয়া মুসলিমরা বিশ্বাস করেন যে, নবী মুহাম্মদ (সাঃ) তার চাচাতো ভাই এবং জামাই হজরত আলী (রাঃ) কে তার উত্তরাধিকারী হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন।
১১,৫৮০.
সম্প্রতি, হাইকোর্টের পঞ্চদশ সংশোধনী সংক্রান্ত রায়ে কোন অনুচ্ছেদের গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করা হয়?
  1. ১৪১ অনুচ্ছেদ
  2. ১৪২ অনুচ্ছেদ
  3. ১৪৩ অনুচ্ছেদ
  4. ১৪৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।

গুরত্বপূর্ণ কিছু সংশোধনী:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত ১৪২ অনুচ্ছেদের গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করে।
১১,৫৮১.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয়?
  1. চুক্তি ট্রাস্টি কর্তৃক সম্পাদিত হলে
  2. চুক্তিটি ৩ মাস চলমান থাকলে
  3. চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে
  4. চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট না হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে, নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
১১,৫৮২.
'A Contract is an agreement creating and defining obligations between the parties.' চুক্তি সম্পর্কিত এই মতবাদটি কার?
  1. Frederik Pollock
  2. Rousseau
  3. Salmond
  4. John Locke
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি (Contract): সম্মতি থেকেই চুক্তির উৎপত্তি হয়ে থাকে। দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন কার্য করা বা করা থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে একমত বা সম্মত হতে পারে, আইনের সাহায্যে বলবৎযোগ্য এরূপ সম্মতিই চুক্তি।
 চুক্তির ক'টি উল্লেখযোগ্য সংজ্ঞা হলো:
১. বাংলাদেশে বলবৎযোগ্য চুক্তি আইনের ২ (জ) ধারায় বলা হয়েছে আইনের সাহায্যে বলবৎযোগ্য সম্মতিকে চুক্তি বলে। ('An agreement enforceable by law is a contract' (Sec 2(H), Contract Act. 1872)
২. Frederik Pollock এর মতে আইনের সাহায্যে বলবৎযোগ্য প্রত্যেকটি সম্মতি ও প্রতিশ্রুতিকে চুক্তি বলে। ('Every agreement and promise enforceable at law is a contract'.)
৩. Salmond এর মতে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে দায় সৃষ্টি এবং নির্দিষ্ট করে যে সম্মতি সাধিত হয় তাকে চুক্তি বলে। ('A Contract is an agreement creating and defining obligations between the parties.")

উপরের সংজ্ঞাগুলো আলোচনা করে বলা যায় যে চুক্তির মৌলিক বৈশিষ্ট্য ২টি :-
১. একটি সম্মতি থাকবে (One agreement); এবং
২. সম্মতিটি আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য হবে (It is enforceable by law).
১১,৫৮৩.
তামাদির মেয়াদ শেষে দায়ের কৃত দেওয়ানী মােকদ্দমা _____ হবে।
  1. স্থগিত
  2. খারিজ
  3. অবৈধ
  4. প্রশ্ন উত্থাপন সাপেক্ষে খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩- তামাদি মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত মামলা ইত্যাদি খারিজ 

তামাদির মেয়াদ শেষে দায়ের কৃত দেওয়ানী মােকদ্দমা খারিজ হবে। বিবাদী পক্ষ প্রশ্ন উত্থাপন না করলেও খারিজ হবে।
এই ধারা অনুযায়ী তামাদির বিষয়বস্তু ৩ টি। যথা-
১) মামলা;
২) আপিল; ও
৩) আবেদনপত্র।

[নােট- এই ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক]।

Section 3- Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation

Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence. 
 
Explanation.-A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.
১১,৫৮৪.
কোনো আইনজীবী পেশাগত বা অন্যান্য অসদাচরণের জন্য নিচের কোন শাস্তি পেতে পারেন?
  1. তিরস্কার
  2. সাময়িক বরখাস্ত
  3. চূড়ান্তভাবে প্র্যাকটিস থেকে অপসারণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩২ :
(১) রোলে তালিকাভুক্ত কোনো আইনজীবী যদি পেশাগত বা অন্যান্য অসদাচরণের (misconduct) জন্য দোষী সাব্যস্ত হন, তবে এই বিধিমালায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী তাকে তিরস্কার (reprimand) করা, সাময়িকভাবে বরখাস্ত (suspended) করা অথবা প্র্যাকটিস থেকে অপসারণ (removed from practice) করা যেতে পারে।

(২) যদি কোনো আদালত বা অন্য কোনো ব্যক্তি বার কাউন্সিলের কাছে কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ দাখিল করে, এবং বার কাউন্সিল যদি সেই অভিযোগ তাৎক্ষণিকভাবে খারিজ না করে, তাহলে বার কাউন্সিল উক্ত অভিযোগটি নিষ্পত্তির জন্য ধারা ৩৩ অনুযায়ী গঠিত ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করবে (এই ট্রাইব্যুনালকে পরবর্তীতে “ট্রাইব্যুনাল” বলা হবে)। এছাড়াও, বার কাউন্সিল নিজের উদ্যোগেও কোনো অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে পাঠাতে পারে, যদি তাদের কাছে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে বিশ্বাস করার যে উক্ত আইনজীবী আসলেই দোষী।
১১,৫৮৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে পারে মোকদ্দমা দায়েরের পর-
  1. রায় ঘোষণার পূর্বে
  2. যে কোন সময়
  3. চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের পূর্বে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
-----------
⇒ Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim. 
১১,৫৮৬.
আসামির রিমান্ডের ধারা কত?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩
  2. পেনাল কোড ১৫৩
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭০
ব্যাখ্যা
♦সাধারণত তদন্তের স্বার্থে এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য আদালত কর্তৃক আসামীকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণকে Remand বলে। আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারামতে রিমান্ডের আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦যদিও রিমান্ড বলতে আমরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারাকে বুঝি, কিন্তু ১৬৭ ধারায় রিমান্ড শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারানুযায়ী ২৪ ঘন্টার মধ্যে তদন্ত শেষ না হলে, পুলিশ কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত যেকোন ধরনের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের স্বার্থে রিমান্ড মঞ্জুর করতে পারেন। সাধারণত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতা প্রাপ্ত ২য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট রিমান্ডের আদেশ দিতে পারে। তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিষ্ট্রেট রিমান্ডের আদেশ প্রদান করতে পারে না।
১১,৫৮৭.
'A', 'B'-কে 'Z'-কে হত্যা করতে প্ররোচিত করে। কিন্তু অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। এক্ষেত্রে 'A'-
  1. কোনো শাস্তি পাবে না
  2. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  3. সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  4. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১১৫ ধারা- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ, অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলে:
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।

সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে:
এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

A, B-কে Z-কে হত্যা করতে প্ররোচিত করে। অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। যদি B, Z-কে হত্যা করত, তাহলে তার মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হত। সুতরাং, A সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার যোগ্য; এবং, যদি প্ররোচনার ফলে Z-এর কোনো ক্ষতি হতো, তাহলে A সর্বোচ্চ চৌদ্দ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার যোগ্য হতো।

Section 115- Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or imprisonment for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.

Illustration-
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 3[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.
১১,৫৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ অনুযায়ী, কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের স্থানে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র তদন্তের পর্যায়ে
  2. শুধুমাত্র বিচার পর্যায়ে
  3. মামলার শেষ পর্যায়ে
  4. তদন্ত, বিচার, বা কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost.
১১,৫৮৯.
ক একজন সাক্ষী হিসেবে ম্যাজিস্ট্রেট খ এর সামনে উপস্থিত হয়। খ বলেন যে, তিনি ক এর সাক্ষ্যের এক শব্দও বিশ্বাস করেন না এবং ক মিথ্যা শপথ করেছে। এসব কথায় ক আকস্মিক ক্রোধে উদ্দীপ্ত হয়ে খ কে হত্যা করে। ক এর অপরাধ-
  1. হত্যা
  2. খুন
  3. নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. নরহত্যা
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১ অনুযায়ী আকস্মিক উত্তেজনায় কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে সেটা নিন্দনীয় নরহত্যা না হয়ে খুন হবে যদি উক্ত উত্তেজনার দ্বারা যে হত্যাটি করা হয়েছে তা আইনানুগ সরকারি কর্মচারীর আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। যেহেতু এখানে খ (ম্যাজিস্ট্রেট) কে হত্যা করা হয়েছে , তাই এটা খুন বলে গণ্য হবে।
১১,৫৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ১১ অনুসারে আদালত হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়ের জন্য কাকে কমিশন নিযুক্ত করতে পারেন?
  1. মামলার বাদীকে
  2. মামলার বিবাদীকে
  3. যাকে আদালত উপযুক্ত মনে করেন
  4. শুধুমাত্র একজন সরকারি হিসাবরক্ষককে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১১: হিসাব পরীক্ষা কিংবা সমন্বয় করার জন্য কমিশন:
কোন মোকদ্দমায় হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়নের প্রয়োজন হলে আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার নিকট কমিশন প্রেরণ করে উক্ত পরীক্ষা বা সমন্বয়নের নির্দেশ প্রদান করতে পারে।

Rule.-11: Commission to examine or adjust accounts:
In any suit in which an examination or adjustment of accounts is necessary, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such examination or adjustment.
১১,৫৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৬১ক ধারার অধীনে, হাইকোর্ট বিভাগ কোন উদ্দেশ্যে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে কোনো আদেশ কার্যকর করা
  2. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
  3. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে। 

⇒ একটি মামলার বিচার পরিচালনার জন্য প্রযোজ্য পদ্ধতিগুলি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা রয়েছে। তবে বাস্তব জীবনে এমন কিছু পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে, যেখানে আদালতের করণীয় সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন বিধান নেই। এই ধরনের ক্ষেত্রে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকে আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, sections-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
-Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
১১,৫৯২.
দণ্ডবিধির ধারা ২৭৫-এর অধীন ভেজালযুক্ত ঔষধের বিক্রয় বা প্রদর্শনের শাস্তির সর্বোচ্চ কত?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ২ মাস কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒দণ্ডবিধির ধারা ২৭৫ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জেনেশুনে ভেজালযুক্ত ঔষধ: বিক্রি করে, বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, ডিসপেনসারি থেকে অশোধিত/ভেজালমুক্ত বলে ইস্যু করে, অজ্ঞাতসারে কোনো ব্যক্তিকে ব্যবহার করতে দেয়, তাহলে তার শাস্তি হবে: সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড (সাধারণ বা কঠোর) অথবা  ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি। 

⇒দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৭৫ অনুযায়ী যদি কেউ জানে যে কোনো ঔষধ বা চিকিৎসা সামগ্রী ভেজালযুক্ত, এবং তারপরও তা: বিক্রি করে, বিক্রির জন্য অফার করে বা প্রদর্শন করে, কোনো ডিসপেনসারি থেকে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে, বা এমন কাউকে ব্যবহারের জন্য দেয় যে ভেজালের বিষয়টি জানে না তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি: ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), বা ১,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড।

⇒The Penal Code, 1860 – Section 275. Sale of adulterated drugs:
Whoever, knowing any drug or medical preparation to have been adulterated in such a manner as to lessen its efficacy, to change its operation, or to render it noxious, sells the same, or offers or exposes it for sale, or issues it from any dispensary for medicinal purposes as unadulterated, or causes it to be used for medicinal purposes by any person not knowing of the adulteration, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

১১,৫৯৩.
অবিরাম চুক্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে কিভাবে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে?
  1. প্রথম বার চুক্তি ভঙ্গের পর থেকে গণনা শুরু হবে
  2. যতবার চুক্তি ভঙ্গ করা হবে ততবার নতুন করে গণনা শুরু হবে
  3. বাদী যখন থেকে মামলা দায়ের করবে তখন থেকে গণনা শুরু হবে
  4. শেষ বার চুক্তি ভঙ্গের পর থেকে গণনা শুরু হবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৩ ধারায় অবিরাম চুক্তি ভঙ্গের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে। যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় বা অন্যায় করা হয় সেক্ষেত্রে যতবার চুক্তি ভঙ্গ করা হবে বা অন্যায় করা হবে ততবার নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

Section: 23- Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
১১,৫৯৪.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে।

- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
-------------------------------
-CPC Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, 61[or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
১১,৫৯৫.
"বার কাউন্সিলের সচিব (সেক্রেটারী) পদাধিকার বলে ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন" এটি বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস , ১৯৭২ এর কত বিধির বিধান?
  1. ৪৫
  2. ৪৯
  3. ৫০
  4. ৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি-৪৯: ট্রাইব্যুনালের সচিব- বার কাউন্সিলের সচিব (সেক্রেটারী) পদাধিকার বলে ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন।
- বিধি-৪৯: পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের সচিব ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন এবং ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি নোটিশ জারি করবেন।
----------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules,1972: Rule-49: "The Secretary of the Bar Council shall be ex-officio Secretary of the Tribunal and shall be responsible for service of notices issued by the Tribunal and for compliance with the rules in this Chapter."
১১,৫৯৬.
কোন ক্ষেত্রে পুলিশ ওয়ারেন্ট ব্যতীত কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না?
  1. কেউ আমলযোগ্য অপরাধ করলে
  2. কারও কাছে ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পাওয়া গেলে
  3. কেউ প্রতারণা করলে
  4. পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে গেলে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।
♦পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence).
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking).
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender).
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property).
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs).
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces).
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed).
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict).
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest).
♦অর্থাৎ ক,খ ও ঘ নং অপশন ৫৪ ধারার বিধান মোতাবেক গ্রেফতার করতে পারে। তবে কেউ প্রতারণা করলে পুলিশ ওয়ারেন্ট ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারে না।
১১,৫৯৭.
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by the-
  1. The Specific Relief Act, 1877
  2. The Code of Criminal Procedure, 1898
  3. The Code of Civil Procedure, 1908
  4. The Constitution of Bangladesh
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877

Section 8- Recovery of specific immoveable property
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।

অর্থাৎ ৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার বিধান অনুসারে সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা করা যায়। কিন্তু দখল উদ্ধারের নিয়ম কানুন বলা আছে- The Code of Civil Procedure এর আদেশ ২১ এ।
১১,৫৯৮.
কোন ফৌজদারি আদালত আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. সকল দায়রা আদালত
  3. সকল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. সকল ফৌজদারি আদালত
ব্যাখ্যা
• ৩১ ধারা- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31- Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
১১,৫৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৩৯ অনুসারে, কয় ধরনের ব্যক্তি হলফনামা (Affidavit) পরিচালনা করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৩৯ অনুসারে, হলফনামা (অ্যাফিডেভিট) পরিচালনার ক্ষমতা তিন ধরনের ব্যক্তি বা সত্তাকে দেওয়া হয়েছে: (ক) যেকোনো আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট; (খ) সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিয়োগকৃত যেকোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি; (গ) সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত ব্যক্তি।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৯ ধারামতে তিন ধরনের ব্যক্তিগণ হলফনামা পরিচালনা করতে পারে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান: এই কোডের অধীনে কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে—
ক) যে কোন আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা
খ) যে কোন কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রীম কোর্ট এই কাজের জন্য নিয়োগ করতে পারেন, অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণভাবে বা বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন আদালত যে ব্যক্তিকে এই কাজের জন্য নিয়োগ করতে পারেন তারা সাক্ষ্যদাতার শপথ পরিচালনা করেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-139: Oath on affidavit by whom to be administered:
In the case of any affidavit under this Code- 
(a) any Court or Magistrate, or 
(b) any officer or other person whom the Supreme Court may appoint in this behalf, or 
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf, 
may administer the oath to the deponent.

১১,৬০০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর কত ধারায় কালেক্টরের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২(৩) ধারায়
  2. ২(৫) ধারায়
  3. ২(৭) ধারায়
  4. ২(৯) ধারায়
ব্যাখ্যা
কালেক্টর [Collector]

রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(৩) ধারায় কালেক্টরের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কালেক্টর বলতে জেলার কালেক্টর এবং ডেপুটি কমিশনার এবং এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কেন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত হবে।

সুতরাং, কালেক্টর বলতে-
i. জেলার কালেক্টর; এবং
ii. ডেপুটি কমিশনার; এবং
III. এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা; অন্তর্ভুক্ত হবে।