PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি
বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি
PrepBank · পাতা ১১ / ১৫৫ · ১,০০১–১,১০০ / ১৫,৪৭০
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২০ ধারা মতে ঋণের আংশিক অর্থ পরিশোধ/ সুদ প্রদান করা হলে সম্পূর্ণ ঋণকে স্বীকার করে নেয়া বোঝায়।
• তাই সে ক্ষেত্র ঋণ পরিশোধ করার জন্য ঐ তারিখ থেকে নতুন করে পুনরায় তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
ব্যাখ্যা
(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।
(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।
(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
--------------
⇒ Article 96. Tenure of office of Judges:
(1) Subject to the other provisions of this article, a Judge shall hold office until he attains the age of sixty-seven years.
(2) A Judge shall not be removed from his office except by an order of the President passed pursuant to a resolution of Parliament supported by a majority of not less than two-thirds of the total number of members of Parliament, on the ground of proved misbehaviour or incapacity.
(3) Parliament may by law regulate the procedure in relation to a resolution under clause (2) and for investigation and proof of the misbehaviour or incapacity of a Judge.
(4) A Judge may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
ব্যাখ্যা
(1) For the purposes of section 32, the following powers-of-attorney shall alone be recognized, namely:-
(a) if the principal at the time of executing the power-of-attorney resides in any part of Bangladesh in which this Act is for the time being in force, a power-of-attorney executed before and authenticated by the Registrar or Sub-Registrar within whose district or sub-district the principal resides;
(b) if the principal at the time aforesaid resides in any other part of Bangladesh, a power-of-attorney executed before and authenticated by any Magistrate;
(c) if the principal at the time aforesaid does not reside in Bangladesh a power-of-attorney executed before and authenticated by a Notary Public, or any Court, Judge, Magistrate, Bangladesh Consul or Vice-Consul or representative of the Government:
Provided that the following persons shall not be required to attend at any registration-office or Court for the purpose executing any such power-of-attorney as is mentioned in clauses (a) and (b) of this section, namely:-
(i) persons who by reason of bodily infirmity are unable without risk or serious inconvenience so to attend;
(ii) persons who are in jail under civil or criminal process; and
(iii) persons exempt by law from personal appearance in Court.
(2) In the case of every such person the Registrar or Sub-Registrar or Magistrate, as the case may be, if satisfied that the power-of-attorney has been voluntarily executed by the person purporting to be the principal, may attest the same without requiring his personal attendance at the office or Court aforesaid.
(3) To obtain evidence as to the voluntary nature of the execution, the Registrar or Sub-Registrar or Magistrate may either himself go to the house of the person purporting to be the principal, or to the jail in which he is confined, and examine him, or issue a commission for his examination.
(4) Any power-of-attorney mentioned in this section may be proved by the production of it without further proof when it purports on the face of it to have been executed before and authenticated by the person or Court hereinbefore mentioned in that behalf.
ব্যাখ্যা
Non-Agricultural Tenancy Act, 1949: ধারা ২৪ – সহ-অংশীদার বা হস্তান্তরকারীর সোজাসুজি জমির মালিকের ক্রয় অধিকার:
(১) যদি কোনো অকৃষি জমির অংশ বা শেয়ার, যা একজন অকৃষি ভাড়াটিয়ার অধীনে থাকে, হস্তান্তর করা হয়, তবে সেই জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার:
- ধারা ২৩ অনুযায়ী নোটিশ জারি ও প্রদান হওয়ার চার মাসের মধ্যে, অথবা
- যদি কোনো নোটিশ জারি বা প্রদান না করা হয়, তবে হস্তান্তরের খবর জানার চার মাসের মধ্যে,
আদালতের কাছে আবেদন করতে পারেন যাতে উক্ত অংশ বা শেয়ার তাদের বা তাদের মধ্যে যে কোন একজনের নামে হস্তান্তর করা হয়।
Section 24- Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
(1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be.
ব্যাখ্যা
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের বিরুদ্ধে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য বা দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য কিংবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এবং সে পক্ষ উক্ত ডিক্রি মান্য করার সুযোগ পেয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তার মান্য করতে অবহেলা করেছে, সেক্ষেত্রে দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোক করে কিংবা কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের দ্বারা কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারে ডিক্রি বলবৎ করা যেতে পারে।
Order 21 Rule.-32: Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction.-
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায়-
-যে দায়রা আদালত মামলার বিচার করছে সেই দায়রা আদালত অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে বা ক্ষমা করার নির্দেশ দিতে পারে; বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে । এই ধারা অনুসারে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে রায় প্রদানের পূর্বে যেকোন সময়।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 338. Power to direct tender of pardon:
-At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
ব্যাখ্যা
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।
⇒ Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ৪৫ ধারায় বলা হয়েছে বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, কলা বিজ্ঞান, হস্তরেখা, আঙ্গুলের ছাপ ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষ ব্যক্তিদের সাক্ষ্য মোকদ্দমায় প্রাসঙ্গিক হবে। কিন্তু বাংলাদেশী আইনের কথা সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারায় বলা হয়নি।
ব্যাখ্যা
যে ব্যক্তি কাউকে গুরুতর এবং হঠাৎ প্ররোচনা ছাড়া আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করবে, তাকে তিন মাস পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয়ই আরোপ করা হবে।
ব্যাখ্যা:
গুরুতর এবং হঠাৎ প্ররোচনা, যদি অপরাধী প্ররোচনাটি নিজের থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বা স্বেচ্ছায় তৈরি করে এবং সেটিকে অপরাধের জন্য অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে, তবে ওই প্ররোচনা অপরাধের শাস্তি কমানোর কারণ হবে না।
এছাড়া, যদি প্ররোচনা আইন মেনে কিছু করা হয়, বা কোনো সরকারি কর্মচারী তার বৈধ ক্ষমতা প্রয়োগ করে প্ররোচনা প্রদান করে, অথবা ব্যক্তি নিজেকে বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে প্ররোচনা দেয়, তবে সেক্ষেত্রে প্ররোচনাটি শাস্তি কমানোর কারণ হবে না।
যে প্ররোচনাটি গুরুতর এবং হঠাৎ ছিল, তা অপরাধ কমানোর জন্য যথেষ্ট কিনা, তা একটি প্রকৃত ঘটনা হিসেবে বিচার করা হবে।
ব্যাখ্যা
১) যেক্ষেত্রে কোন ডিক্রি জারির দরুণ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হয়, সেক্ষেত্রে সে ডিক্রির ধারক আদালতের প্রকাশ্য অনুমতি ব্যতীত নিলাম ডাকতে বা সম্পত্তি খরিদ করতে পারবে না।
২) ডিক্রিদার খরিদ করলে ডিক্রির টাকা পরিশোধিত বলে গ্রহণ করা যেতে পারেঃ যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার আদালতের অনুমতিতে নিলাম খরিদ করবে সেক্ষেত্রে ৭৩ ধারার বিধানাবলী সাপেক্ষে ডিক্রির টাকার সাথে নিলামের খরিদ মূল্য একটি অন্যটির সঙ্গে দাবী-সমন্বয় করা যাবে এবং ডিক্রি নির্বাহী আদালত তদানুসারে সামগ্রিক বা আংশিকভাবে ডিক্রি মিটানো সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করবে।
৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার নিজে কিংবা অপর ব্যক্তির দ্বারা অনুরূপ অনুমতি ব্যতীত খরিদ করে, সেক্ষেত্রে আদালত যদি দায়িক বা নিলাম বিক্রয়ের ফলে স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়া অপর কোন ব্যক্তির আবেদনে উপযুক্ত মনে করেন, তবে আদেশ দিয়ে উক্ত নিলাম রদ করতে পারবেন, এবং উক্ত আবেদন ও আদেশের খরচা এবং পুনঃবিক্রয়ের ফলে কোন মূল্য হ্রাস হয়, সেটা এবং সেটির যাবতীয় খরচ ডিক্রিদারকে পরিশোধ করতে হবে।
ব্যাখ্যা
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
ব্যাখ্যা
(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।
(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
ব্যাখ্যা
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। অর্থাৎ মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
ব্যাখ্যা
- তবে আদালত তিনটি ক্ষেত্রে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিতে পারে
- পরিচয়মূলক বিষয়ে, স্বীকৃত বিষয়ে, যে বিষয়ে যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে।
- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দেওয়া আদালতের জন্য বিবেচনা মূলক।
ব্যাখ্যা
(১) যেহেতু প্রতিটি সাক্ষীর সাক্ষ্য ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গ্রহণ করা হয়, সেগুলো শেষ হলে, তা আসামির সামনে, যদি সে আদালতে উপস্থিত থাকে, অথবা তার পক্ষে আইনজীবী থাকলে তার আইনজীবীর সামনে পড়ে শোনানো হবে। যদি প্রয়োজন হয়, তবে সাক্ষ্য সংশোধন করা হবে।
(২) যদি সাক্ষী কোনো অংশের সঠিকতা অস্বীকার করেন, যখন তার সাক্ষ্য পড়ে শোনানো হয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা সেশন জজ সেই অংশ সংশোধন না করে, সাক্ষীর আপত্তির একটি মেমোরেন্ডাম (নথিপত্র) তৈরি করবেন এবং যেকোনো প্রয়োজনীয় মন্তব্য যোগ করবেন।
(৩) যদি সাক্ষ্য কোনো ভাষায় গ্রহণ করা হয় যা সাক্ষী বুঝতে পারেন না এবং সাক্ষ্যটি যে ভাষায় নেওয়া হয়েছে, সেই ভাষায় সাক্ষীকে তা বুঝিয়ে পড়ে শোনানো হবে অথবা এমন ভাষায় তা ব্যাখ্যা করা হবে যা সাক্ষী বুঝতে পারেন।
ব্যাখ্যা
অর্থাৎ The Penal Code, 1860 অনুসারে দস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান দস্যুতার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
--------------
⇒ Section 392. Punishment for robbery:- Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
ব্যাখ্যা
- অর্থাৎ কমিশনারের প্রতিবেদন এবং তিনি যে প্রমাণাদি গ্রহণ করেছেন (কিন্তু শুধুমাত্র প্রতিবেদন নয়), সেগুলো মামলার প্রমাণ ও নথির অংশ হিসেবে গণ্য হবে। তবে, আদালত বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে কমিশনারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে (যেমন: তার তদন্ত পদ্ধতি, প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয় ইত্যাদি সম্পর্কে)।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১০: কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
(১) কমিশনার যেরূপ পয়োজন মনে করেন, সেরূপ স্থানীয় পরিদর্শনের পর এব তার গৃহীত প্রমাণাদিকে লিখিত রূপ দেয়ার পর উক্ত প্রমাণাদির সাথে তার স্বাক্ষরিত একটি লিখিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবেন।
(২) প্রতিবেদন এবং জবানবন্দী মামলায় প্রমাণ হিসাবে থাকবেঃ কমিশনারের প্রতিবেদন এবং তার র্গহীত প্রমাণাদি (কিনউ প্রতিবেদন ব্যতিত প্রমাণ নহে) মামলার প্রমাণ এবং নথির অংশরূপে গণ্য হবে, কিন্তু আদালত বা আদলতের অনুমতি ক্রমে মামলার কোন পক্ষ কমিশনারকে প্রকাশ্য আদালতে ব্যক্তিগতভাবে তাহার নিকট অর্পণ করা হয়েছিল বা তার প্রতিবেদনে উল্লেখিত হয়েছে, এমন সব বিষয় সম্পর্কে বা তার প্রতিবেদন সম্পর্কে অথবা যে পদ্ধতিতে তিনি তদন্ত করেছেন সেই সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।
(৩) যে ক্ষেত্রে আদলত কমিশনারের কার্যক্রম সম্পর্কে কোন কারণে অসন্তষ্ট হন, সেক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]।
বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। বাদীর দাবী অস্বীকার করে বিবাদী যে লিখিত দলিল পেশ করে, তা হচ্ছে লিখিত জবাব।
• Order 6 rule 2: Pleading to state material facts and not evidence-
Every pleading shall contain, and contain only, a statement in a concise form of the material facts on which the party pleading relies for his claim or defence, as the case may be, but not the evidence by which they are to be proved, and shall, when necessary, be divided into paragraphs, numbered consecutively. Dates, sums and numbers shall be expressed in figures.
অর্থাৎ প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) উল্লেখ করতে হবে, আইন বা সাক্ষ্য উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) হচ্ছে সেসব ঘটনাবলী যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে।
ব্যাখ্যা
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।
ব্যাখ্যা
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।
Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১৫ (Section 115) শিরোনামই হলো “Revision”।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন।
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।
৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার:
১. কমপ্লেইন্ট রেজিস্ট্রার (সিআর);
২. জেনারেল রেজিস্ট্রার (জিআর) মামলা।
জিআর মামলা সাধারণত থানায় করা হয় এবং সিআর মামলা করতে হয় ফৌজদারি আদালতে। ২৪৮ ধারায় বলা হয়েছে যে,
কোনো মামলার চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার আগে পর্যন্ত বিচারপ্রার্থী যদি ম্যাজিস্ট্রেটের সন্তোষ অর্জন করতে পারেন যে তাঁকে নালিশ প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়ার পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে সেই নালিশ প্রত্যাহারের অনুমতি দেবেন এবং আসামিকে খালাস দেবেন।
ব্যাখ্যা
♦ অভিন্ন অভিপ্রায় ফৌজদারি আইনের একটা নীতি, যেটা দিয়ে যৌথভাবে অভিযুক্ত করা যায়। অভিন্ন অভিপ্রায় মৌলিক/স্বতন্ত্র অপরাধ নয়।
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।
♦ কোনো ব্যক্তিকে ৩৪ ধারায় দায়ী করতে হলে এ ধারার যেকোনো একটি উপাদান থাকতে হবে। ৩৪ ধারার শাস্তি: মূল অপরাধের শাস্তি।
♦ ৩৪ ধারার মূলনীতি প্রয়োগ করে ৩০২ ধারার অধীনে Common Intention এর জন্য দায়ী করে শাস্তি দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, ৩০২ ধারার সাথে ৩৪ ধারাটি প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২ – পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
লিখিত চুক্তি সংশোধন (rectification) করার জন্য আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে, চুক্তিতে অংশ নেওয়া সকল পক্ষই ন্যায়সঙ্গত ও বিবেকপূর্ণ (equitable and conscientious) চুক্তি করতে ইচ্ছুক ছিলেন।
সহজভাবে বলা যায়:
যদি আদালত কোনো লিখিত চুক্তি সংশোধন করতে চায়, তাকে প্রথমে দেখতে হবে যে চুক্তির সব পক্ষই চুক্তি করার সময় ন্যায়সঙ্গত ও সতর্কতার সাথে (বিবেকপূর্ণভাবে) কাজ করার অভিপ্রায় রাখতেন।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
(২) যে সকল দলিল আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপিত করা হয়, এ ধরণের দলিলপত্রকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে।
♦অর্থাৎ সাধারনত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের ধরন হয় বর্ণনামূলক।
ব্যাখ্যা
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার মতে,
একজন ফরেনসিক বা শারীরিক বিশেষজ্ঞ কেবল তখনই সাক্ষ্য দিতে পারেন, যদি আদালতের অনুমতি থাকে এবং তার রিপোর্টের কপি সব পক্ষকে সরবরাহ করা হয়।
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ৪-এর সরাসরি বিধান হলো: যদি তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকে, তাহলে মামলা/আপিল/দরখাস্ত আদালত যেদিন পুনরায় খুলবে, সেদিন দায়ের করা যাবে।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) আদালত পুনরায় খোলার দিন।
⇒ তামাদি আইনের ৪ ধারা: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়:
যেইক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয় সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।
⇒ The Limitation Act,1908, Section 4- Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে —
একবার তামাদির সময় গণনা শুরু হলে, কোনো পরবর্তী অক্ষমতা বা আইনি বাধা সেটি বন্ধ করতে পারবে না।
তবে একটি ব্যতিক্রম রয়েছে:
যদি কোনো ঋণগ্রহীতাকে ঋণদাতার সম্পত্তির প্রশাসক নিযুক্ত করা হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ স্থগিত থাকবে যতক্ষণ প্রশাসন কার্যক্রম চলবে।
এই বিধান ঋণদাতা এবং ঋণগ্রহীতার মধ্যে স্বার্থের দ্বন্দ্ব এড়ানোর জন্য রাখা হয়েছে, কারণ একজন ঋণগ্রহীতা যদি একইসঙ্গে ঋণদাতার সম্পত্তির প্রশাসক হন, তাহলে তিনি কার্যত নিজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন না। তাই এই অবস্থায় তামাদির সময় গণনা স্থগিত থাকে।
অন্যঅপশন বিশ্লেষণ:
(খ) তামাদির মেয়াদ বন্ধ হবে – এটি ভুল, কারণ তামাদির মেয়াদ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয় না, বরং সাময়িকভাবে স্থগিত থাকে এবং প্রশাসন শেষ হলে পুনরায় গণনা শুরু হয়।
(গ) তামাদির মেয়াদ বাড়বে – এটি ভুল, কারণ সময় বৃদ্ধি পায় না, বরং প্রশাসনের সময়সীমা বাদ দিয়ে বাকি সময় গণনা করা হয়।
(ঘ) তামাদির মেয়াদ প্রভাবিত হবে না – এটি ভুল, কারণ ঋণগ্রহীতার প্রশাসক হওয়ার ফলে তামাদির সময় গণনা স্থগিত থাকে।
অর্থাৎ তামাদি আইনের ৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ঋণগ্রহীতাকে ঋণদাতার সম্পত্তির প্রশাসক নিযুক্ত করা হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ প্রশাসন চলাকালীন স্থগিত থাকবে।
------------
⇒ The Limitation Act:- Section- 9. Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
ব্যাখ্যা
যে ব্যক্তিরা দলিলের পক্ষ নন বা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধি নন, তারা এমন যে কোনো তথ্যের প্রমাণ দিতে পারেন যা দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী সমসাময়িক চুক্তির অস্তিত্ব প্রদর্শন করে।
[Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.]
ব্যাখ্যা
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
(a) issue a warrant for his arrest;
(b) attach and sell his property;
(c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
(d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.
দেওয়ানী কার্যবিধি ৩২ ধারার বিধান- হাজির না হলে দণ্ড:
যার প্রতি ৩০ ধারা অনুসারে সমন দেয়া হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) তাকে অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ দিতে পারেন; এবং জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানী কারাগারে প্রেরণ করতে পারেন।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য-প্রতীক বলে।
এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে 'পণ্য-প্রতীক' কথাটির কর্তৃক ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইন মোতাবেক রক্ষিত পণ্য-প্রতীক রেজিস্টারে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন পণ্য-প্রতীক বুঝাবে এবং রেজিষ্ট্রেশনসহ বা রেজিষ্ট্রেশন ব্যতীত বর্তমানে রাষ্ট্র প্রধানের আদেশ বলে ব্রিটিশ সাম্রাজের কোন অংশে বা বৈদেশিক রাষ্ট্রে যেখানে ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইনের ১০৩ ধারা প্রয়োগযোগ্য, সেখানে আইনে সংরক্ষিত যে কোন পণ্য-প্রতীকও বুঝাবে।
Section 478- Trade mark:
A mark used for denoting that goods are the manufacture or merchandise of a particular person is called a trade mark, and for the purposes of this Code the expression "trade mark" includes any trade mark which is registered in the register of trade marks kept under the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, and any trade mark which, either with or without registration, is protected by law in any British possession or Foreign State to which the provisions of the one hundred and third section of the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, are, under Order-in-Council, for the time being applicable.
ব্যাখ্যা
ধারা-১৭: মামলা করিবার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:
(১) যেই ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হইতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি উক্ত মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার যোগ্যতাসম্পন্ন হইবার সময় হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।
(২) যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে তাহার বিরুদ্ধে কেহ একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকার লাভ করিতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে যখন মৃত ব্যক্তির এইরূপ কোনো আইনানুগ প্রতিনিধি থাকিবে, যাহার বিরুদ্ধে বাদী মামলা দায়ের বা দরক্ষাস্ত দাখিল করিতে পারিবে, তখন হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।
(৩) সম্পত্তি প্রয়োগের অগ্রাধিকার প্রয়োগের মামলা অথবা স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দখল বা বংশগত কোনো পদলাভ সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে উপরোক্ত (১) ও (২) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য নহে।
ব্যাখ্যা
• এই ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারে-
মহানগর এলাকায়-
১. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
মহানগর এলাকার বাইরে-
১. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট
• ধারা ১৯০(২) অনুসারে-
সরকার এবং এই আদেশ হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক প্রদেয় কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশের প্রেক্ষিতে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেসব অপরাধ বিচার করতে বা বিচারার্থে পাঠাতে পারেন, সেসব অপরাধ যেকোন দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারার্থ গ্রহণ করতে ক্ষমতায়ন করতে পারেন।
[the Government may, and subject to any general or special order issued in this behalf by the High Court Division, the Chief Judicial Magistrate may empower any Magistrate of the second or third class to take cognizance under sub-section (1) clause (a) or clause (b) of offences which he may try or send for trial]
ব্যাখ্যা
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপীলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমান করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপীল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তোষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
♦অর্থাৎ ৫ ধারায় দরখাস্তকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে যথাসময়ে আদালতে আপিল বা দরখাস্ত দাখিল করতে না পারার পেছনে যথোপযুক্ত কারণ (sufficient cause) ছিলো।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবরমাত্র আপীল এবং রিভিউ ,রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লেখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারী মামলার আপীলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
ব্যাখ্যা
১) কোন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।
২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।
৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।
Section: 135- Exemption from arrest under civil process:
(1) No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court.
(2) Where any matter is pending before a tribunal having jurisdiction therein, or believing in good faith that it has such jurisdiction, the parties thereto, their pleaders, mukhtars, revenue-agents and recognised agents, and their witnesses acting in obedience to a summons, shall be exempt from arrest under civil process other than process issued by such tribunal for contempt of Court while going to or attending such tribunal for the purpose of such matter, and while returning from such tribunal.
(3) Nothing in sub-section (2) shall enable a judgment-debtor to claim exemption from arrest under an order for immediate execution or where such judgment-debtor attends to show cause why he should not be committed to prison in execution of a decree.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
♦ সম্মতি বা ভলেনটি নন্ ফিট ইনজুরিয়া (Consent or Volante non-fit injuria): কারো সম্মতিক্রমে কোন কার্য সম্পাদিত হলে এবং এর ফলে কোন ক্ষতি হলে সম্মতিদানকারী কোন অভিযোগ করতে পারে না। এটা যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তাকে বলে ভলেন্টি নন্ ফিট্ ইনজুরিয়া। বাদী যে অধিকার স্বেচ্ছা প্রণোদিত ভাবে পরিত্যাগ করেছে সে অধিকার আর সে বলবৎ করতে পারে না। তাই মুষ্ঠিযুদ্ধে আহত হলে বা ডাক্তার অস্ত্রোপচার করলে টর্ট আইনে কাউকে দায়ী করা যায় না। এ মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বাদীর অবগতি ও সম্মতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
ব্যাখ্যা
♦ ৪৯৫ ধারা অনুযায়ী পূর্বের বিবাহ গোপন করে বিয়ে করলে শাস্তি ১০ বৎসরের কারাদন্ড।
♦ ৪৯৬ ধারা অনুযায়ী যে বিবাহ আইন সম্মত নয় সে বিবাহ করলে শাস্তি ৭ বৎসর এবং ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী ব্যভিচারের শাস্তি ৫ বৎসর।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-202:Postponement for issue of process:
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant.
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath.
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
ব্যাখ্যা
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।
(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত, অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে চলিবে না।
(৫) উপ-ধারা (৬) এর বিধান সাপেক্ষে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্তরূপ রায়, ডিক্রি বা আদেশের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করিতে পারিবেন।
(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরেও পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হইতে পারে, যদি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিলকারী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট হন।
----------
Section 145B. Land Survey Appellate Tribunal:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Appellate Tribunals as may be required to hear the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunals.
(2) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the territorial limits of the jurisdiction of any Land Survey Appellate Tribunal.
(3) The Government shall appoint the judge of the Land Survey Appellate Tribunal from among the persons who are District judges.]
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower the District Judge as the judge of the Land Survey Appellate Tribunal of the district.
(3B) The District Judge, empowered under sub-section (3A), shall be deemed to be the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Additional District Judges as a judge of the Land Survey Appellate Tribunal to hear appeals transferred by the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed or empowered under this section.]
(4) No appeal other than the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal shall lie in the Land Survey Appellate Tribunal.
(5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.
(6) An appeal may be admitted within next three months even after the expiry of the period specified in sub-section (5), if the Land Survey Appellate Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the appellant.
ব্যাখ্যা
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেই ক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।
Section 122⇒ Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
ব্যাখ্যা
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
(i) বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
(ii) বয়স ন্যূনতম ২১ বৎসর হতে হবে।
(iii) আইন বিষয়ে ডিগ্রি থাকতে হবে (বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অথবা বার কাউন্সিল স্বীকৃত বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অথবা ব্যারিষ্টার হলে)।
(iv) বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত কোনো কোর্স (যদি থাকে) সম্পন্ন করতে হবে।
(v) নিবন্ধন ফি, পরীক্ষার ফি প্রদান করতে হবে।
(vi) এ্যাডভোকেট তালিকাভূক্তি পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারা মোতাবেক জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে:
মামলায় বা কার্যবিবরণীতে যদি কোনো পক্ষের সাক্ষ্য উপস্থাপন না করা হয়, তাহলে যে পক্ষ মামলায় হারবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করার দায়িত্ব (Burden of Proof) সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত থাকবে।
⇒ উদাহরণঃ
(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে। এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে। সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে। যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারার বিধান: প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি বরাবর সমন জারি:
(১) যে ব্যক্তির উপর সমন জারী করতে হবে, তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন তাহলে সমন প্রদানকারী আদালত সাধারণ অবস্থায় উক্ত ব্যক্তি যে অফিসে কার্যরত আছে উহার প্রধান কর্মকর্তার নিকট দুই কপি সমন প্রেরণ করবেন এবং উক্ত কর্মকর্তা অতঃপর ৬৯ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুসারে সমন জারী করবেন এবং উক্ত ধারার প্রয়োজনানুসারে পৃষ্ঠাঙ্কন করবেন এবং তার স্বাক্ষরসহ আদালতে প্রত্যাপণ করবেন।
(২) এরূপ স্বাক্ষর যথাযথভাবে সমন জারীর প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-72: Service on servant of Republic:
(1) Where the person summoned is in the active service of the Republic, the Court issuing the summons shall ordinarily send it in duplicate to the head of the office in which such person is employed; and such head shall thereupon cause the summons to be served in manner provided by section 69, and shall return it to the Court under his signature with the endorsement required by that section.
(2) Such signature shall be evidence of due service.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) অসাধুভাবে সম্পত্তি গোপন করা।
⇒ মিজান ইচ্ছাকৃতভাবে তার সম্পত্তি (মোটরসাইকেল) গোপন করেছে, যাতে আদালত তা বাজেয়াপ্ত করতে না পারে। এটি দণ্ডবিধি ধারা ৪২৪–এর অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি গোপন করা বা অপসারণ করা— অপরাধের মধ্যে পড়ে।
দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারার বিধান- বৈধ অপারগতা-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।
(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।
(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।
(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১২ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণের মামলায় যে তথ্য আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করে, তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এখানে ‘C’-এর পেশ করা ব্যবসায়িক লেনদেনের নথি আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে সহায়ক, তাই এটি ধারা ১২-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।
- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ধারা ৮: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, বা আচরণ সম্পর্কিত তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে।
ধারা ৯: পরিচয়, সময়, বা স্থান নির্ধারণে সহায়ক তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করে।
ধারা ১৪: মানসিক অবস্থা, উদ্দেশ্য, বা জ্ঞান সম্পর্কিত তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
------------
⇒The Evidence Act,1872, Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ধারা ১৩০ অনুযায়ী, যদি হস্তান্তরের দলিল সম্পাদিত হলেও দেনাদার বা তৃতীয় ব্যক্তি (যিনি হস্তান্তরের ব্যাপারে অবগত নয়) নোটিশ না পেয়ে ঋণ পরিশোধ করে, তবে সেই পরিশোধ হস্তান্তরের বিরুদ্ধে বৈধ গণ্য হবে।
উদাহরণে, ‘ক’ হস্তান্তরের নোটিশ না পাওয়ায় ‘খ’ কে টাকা পরিশোধ করেছে। তাই এই পরিশোধ বৈধ, এবং ‘গ’ ‘ক’-এর বিরুদ্ধে টাকা আদায় করতে পারবে না।
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ধারা ১৩০- নালিশযোগ্য দাবির হস্তান্তর:
(১) নালিশযোগ্য দাবির হস্তান্তর, পণসহ বা ব্যতিরেকে, তাহা শুধু হস্তান্তরকারী বা তাহার যথাযথ এজেন্ট দ্বারা স্বাক্ষরিত দলিল দ্বারা করা যাইবে এবং এইরূপ হস্তান্তর উক্ত দলিল সম্পাদনের মাধ্যমেই কার্যকর হইবে এবং ইহার দ্বারা হস্তান্তরকারীর ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে হউক না কেন, তাহার সকল অধিকার ও প্রতিকার হস্তান্তরগ্রহীতার উপর বর্তাইবে এবং কোনো নোটিশ দেওয়া হউক বা না হউক উক্ত হস্তান্তর কার্যকর থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উপরোক্ত দলিল সম্পাদিত না হইলে যে ঋণ বা দাবি হস্তান্তরকারী, দেনাদার বা অন্য কাহারও নিকট হইতে আদায় করা হইত, সেই ঋণ বা দাবি সম্পর্কিত দেনাদার বা অন্য কেহ (যে হস্তান্তরের পক্ষ নহে এবং তৎসম্পর্কে জানে না) কোনো আদান-প্রদান করিলে তাহা হস্তান্তরের বিরুদ্ধে বৈধ হইবে।
(২) কোনো নালিশযোগ্য দাবির হস্তান্তরগ্রহীতা, হস্তান্তরের ব্যাপারে উপরে বর্ণিত দলিল করিয়া উক্ত দাবি আদায়ের নিমিত্ত তাহার নিজ নামে মামলা শুরু বা কার্য করিতে পারিবেন এবং হস্তান্তরকারীর নিকট হইতে এই মামলা বা কাজের সম্মতি না নিয়া বা তাহাকে পক্ষ না করিয়াই তাহা করিতে পারিবেন।
ব্যতিক্রম- এই ধারার কোনো কিছুই জাহাজি বিমা বা অগ্নিবিমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না এবং বিমা আইন, ১৯৩৮ এর ধারা ৩৮ এর বিধানকে ক্ষুণ্ণ করিবে না।
উদাহরণ-
(ক) 'ক', 'খ' এর নিকট ঋণী এবং 'খ' উক্ত ঋণ 'গ' কে দিল। পরবর্তীতে 'খ' 'ক' এর নিকট টাকা চাহিলে 'ক' ১৩১ ধারায় 'গ' এর নিকট জারিকৃত হস্তান্তরের নোটিশ না পাইয়া 'খ' কে টাকা পরিশোধ করিল। এইক্ষেত্রে এই দেওয়া বৈধ হইবে এবং 'গ' টাকার জন্য মামলা করিতে পারিবে না।
(খ) 'ক' একটি জীবনবিমা করিল ও তাহার বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কোনো ঋণ সংগ্রহের জন্য উক্ত বিমা এক ব্যাংকের নামে ট্রান্সফার করিল। 'ক' মৃত্যুবরণ করিলে উক্ত ব্যাংক, ধারা ১৩০ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশ ও ধারা ১৩২ এর বিধান সাপেক্ষে, বিমার সব টাকা পাইবে এবং 'ক' এর কোনো নির্বাহক থাকিলে তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে মামলা করিতে পারিবে।
ব্যাখ্যা
- যখন কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে কোনো দলিল উপস্থাপন করতে বলে, এবং অপর পক্ষ সে দলিল আদালতে উপস্থাপন করে, তখন যে পক্ষ সেই দলিল চেয়েছিল, সে দলিলটি পরিদর্শনের পর যদি অপর পক্ষ তা সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করতে চায়, তাহলে সেই পক্ষ বাধ্য থাকে দলিলটি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে।
⇒The Evidence Act, 1872, Section- 163. Giving, as evidence, of document called for and produced on notice:
When a party calls for a document which he has given the other party notice to produce, and such document is produced and inspected by the party calling for its production, he is bound to give it as evidence if the party producing it requires him to do so.
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৩- তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি:
(১) প্রত্যেক হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা রেজিস্ট্রারের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে থাকিয়া তাহার দাপ্তরিক ও অর্পিত দায়িত্ব সম্পন্ন করিবেন।
(২) হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকগণের উপর মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন এর সাধারণ তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকিবে।
(৩) জেলা রেজিস্ট্রার তাহার স্থানীয় অধিক্ষেত্র এলাকায় যে কোন সময় যে কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের কার্যালয় পরিদর্শন করিতে পারিবেন।
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “মহাপরিদর্শক” অর্থ Registration Act, 1908 এর অধীন নিযুক্ত মহাপরিদর্শক নিবন্ধন, বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা।
ব্যাখ্যা
১) চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ণীত হওয়ার একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
২) এই বিধি অনুযায়ী সময় নির্দিষ্টকরণের নিমিত্তে শুধুমাত্র কার্য দিবসগুলো গণনায় করতে হবে।
Order 18 Rule 19: Time for completion of hearing:
1) The Court shall complete the hearing of a suit within one hundred and twenty days from the date fixed for its final hearing.
2) In this rule, in determining the time, only the workings days shall be counted.
ব্যাখ্যা
"আইনজীবী হলো এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আদালতে অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং সেই ব্যক্তির পক্ষে বক্তব্য রাখার অধিকারী।"
Section 2(15)-
"pleader" means any person entitled to appear and plead for another in Court.
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপীল বাতিল সম্পর্কে বিধান আছে। খালাসের এবং অপর্যাপ্ত দন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলাকালীন অবস্থায় আসামীর মৃত্যু হলে আপীলটি চূড়ান্তভাবে পন্ড বা বাতিল বা এবেট হয়ে যাবে। কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে আপীলকারী মারা গেলে আপীলটি পন্ড হবে। যেমন দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামী আপীল করলো অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে আসামী হলো আপীলকারী এবং সে মারা গেলে উক্ত আপীল বাতিল বা এবেট হবে। কিন্তু জরিমানার বা অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপিল হলে আপিলকারী বা আসামী মারা গেলেও, আপীলটি পন্ড হবেনা এবং আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলাভিষিক্ত হবে।
♦দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না। অর্থাৎ মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি হতে জরিমানা বা অর্থদন্ড আদায়যোগ্য হবে।
ব্যাখ্যা
- মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত দেবতার নিত্য পূজা- অর্চনার কাজে যিনি নিয়োজিত থাকেন তিনিই সেবায়েত। একজন সেবায়েত দেবতা বা বিগ্রহের যাবতীয় বিষয়ের কার্যনির্বাহীও বটে।দেবতা সম্পত্তির মালিক হলেও কার্যত সম্পত্তি পরিচালনায় সম্পূর্ণ অক্ষম। সেজন্য দেবতার পক্ষে তদীয় সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একজন উপযুক্ত পরিচালকের প্রয়োজন। আর সে দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে সেবায়েতের উপর।
- দেবোত্তর সম্পত্তির সেবায়েত কে হবেন আর তার উত্তরাধিকার কারা হবেন, কোন নিয়মে হবেন তা সাধারণত অর্পণনামা বা উৎসর্গপত্রে লেখা থকে। সেবায়েত দেবতার বিরুদ্ধে কাজ করলে বা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাকে প্রয়োজনে আদালত কর্তৃক অপসারণ করে অন্য সেবায়েত নিয়োগ করা যায়।
ব্যাখ্যা
এ ধারায় তিনটি মূল বিষয় আছে:
১. আইনটি কার্যকর হওয়ার সময় অধস্তন আদালতের ভাষা যেটা ছিল, সরকার অন্য নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই চলবে।
২. সরকার যে কোনো অধস্তন আদালতের ভাষা এবং সেখানে দরখাস্ত ও কার্যধারা কিভাবে লিখিত হবে তা ঘোষণা করতে পারবে।
৩. যদি আদালতে কোনো কার্যধারা লিখিতভাবে ইংরেজীতে হয়, আর পক্ষ বা তার আইনজীবী ইংরেজীতে অপরিচিত হয়, তখন তার অনুরোধে সেই ইংরেজি লেখার আদালতের ভাষায় অনুবাদ সরবরাহ করতে হবে এবং এর খরচের বিষয়ে আদালত যথাযথ আদেশ দিতে পারে।
- এই বিধানের ফলে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অধস্তন আদালতের ভাষাগত বৈচিত্র্য বজায় রাখা যায় এবং পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় কার্যধারা হলে পক্ষের সুবিধার জন্য অনুবাদ দেওয়ার বন্দোবস্ত থাকে।
- সুতরাং, ১৩৭ ধারাই অধস্তন আদালতের ভাষা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিধান বহন করে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারার বিধান: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।
২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।
৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section: 137. Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs.
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written.
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.
ব্যাখ্যা
নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-
(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;
(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;
(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;
(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।
ব্যাখ্যা
(১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন।
(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।
(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।
-অর্থাৎ প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত হলো দায়রা আদালত এবং দায়রা আদালতের বিচারক হলো দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ। অন্যদিকে মহানগর এলাকায় মহানগর দায়রা আদালত হলো সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত এবং মহানগর দায়রা জজ হলো বিচারক।
ব্যাখ্যা
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
----------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 96- Appeal from original decree:
(1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court.
(2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte.
(3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের সকল নির্বাহী কার্যক্রম রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হবে। [অনুচ্ছেদ: ৫৫(৪)]
- তিনি সরকারি কার্যাদি বণ্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ বা নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৫(৬)]
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদেরকে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৬ (২)]
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৬(৩)]
- সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে তিনি সামরিক কর্মকর্তাদেরকে নিয়োগ করবেন এবং প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ পরিচালনা করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৬১]
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কের্টের প্রধান বিচারপতি, কর্ম-কমিশনের সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনার, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল,মহা-হিসাবরক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং বিদেশে রাষ্ট্রদূতদেরকে নিয়োগ করবেন।
• অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ
(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন।
(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।
(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।
(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
Article 56: Ministers
(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister.
(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President:
Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament.
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament.
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.
ব্যাখ্যা
বিবাদী তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে, মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয় অথবা বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ঐ সমস্ত হেতু উত্থাপন করবেন, যা উত্থাপন না করলে অপর পক্ষ বিস্মিত হত কিংবা আরজিতে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ বিষয়াবলী উপস্থাপন করবেন যথা- প্রতারণা, তামাদি, মুক্তি, পরিশোধ, কার্য সম্পাদন কিংবা আইনবিরুদ্ধ প্রমাণকারী তথ্যসমূহ।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
বিবাদী তার জবাবে এমন বিষয়গুলো উল্লেখ করবে যা দেখাবে যে, মামলা টিকসই নয় বা আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ বা বাতিলযোগ্য। এছাড়াও, এমন কারণগুলো তুলে ধরবেন, যা আগে উল্লেখ করা হয়নি এবং না বললে অপর পক্ষ আশ্চর্য হতে পারত। যেমন: প্রতারণা, মামলা দায়েরের সময়সীমা (তামাদি) পেরিয়ে যাওয়া, ঋণ পরিশোধ, চুক্তি পালন, বা অন্য কোন আইনগত প্রতিবন্ধকতা। এগুলো মামলা খারিজ করার বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বিবাদীর প্রধান কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।.]
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ৩ অনুসারে, যদি আপিলের স্মারকলিপি নির্ধারিত বা নির্দিষ্ট আইনি পদ্ধতি অনুযায়ী তৈরি না হয়, তবে আদালতের কাছে দুইটি বিকল্প থাকে:
১) স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করা, বা
২) সংশোধনের জন্য তা আপিলকারীর কাছে ফেরত দেওয়া, যাতে তা সংশোধন করে আবার জমা দেওয়া যায়।
- এই বিধানের লক্ষ্য হলো, আদালতে দাখিল করা স্মারকলিপি যেন সঠিক ও বিধিসম্মত হয়, এবং প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণে মামলার অগ্রগতি ব্যাহত না হয়।
- অতএব, নির্ধারিত ফরম্যাট বা নিয়ম লঙ্ঘন করে করা স্মারকলিপি আদালত গ্রহণ নাও করতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে তা প্রত্যাখ্যানযোগ্য হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer)
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।
নোটঃ
• রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অরেজিস্ট্রিকৃত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
• একই তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত দুটি দলিলের মধ্যে যার নম্বর আগে সেটি অগ্রাধিকার পাবে।
------------------
⇒ Section 48: Priority of rights created by transfer
Where a person purports to create by transfer at different times rights in or over the same immoveable property, and such rights cannot all exist or be exercised to their full extent together, each later created right shall, in the absence of a special contract or reservation binding the earlier transferees, be subject to the rights previously created.
ব্যাখ্যা
অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধারের মামলার ক্ষেত্রে সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে না।
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদীর প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়। এই ধারাতে আইনের ‘Equity aids the vigilant not the indolent’ নীতির প্রকাশ পেয়েছে অর্থাৎ যিনি সতর্ক আছেন তার জন্যই ইকুইটি প্রাপ্য; যিনি তার অধিকার আদায়ে উদাসীন তার জন্য ইকুইটি নয়।
20 DLR (West Pakistan) 133 মামলায় আদালত তামাদি আইনের ৩ ধারা সম্পর্কে বলেন যে, মামলা করার সময় অতিবাহিত হয়ে গেলে উক্ত মামলা খারিজ হয়ে যাবে আর এইক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক আরজি প্রত্যাহারের আদেশও মামলা খারিজ বলে গন্য হবে। আর অনুরূপ মামলার বিষয়বস্তু বা কারণের উপর পরবর্তীতে আনীত একই পক্ষগণের মধ্যে রেসজুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে।
সহজ ভাষায় বলা যায়, তামাদি আইনের ৩ ধারায় কোন মামলা বাধ্যতামূলক খারিজ হলে সে ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১১ ধারার রেস জুডিকাটার বিধার প্রযোজ্য হবে।
ব্যাখ্যা
(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপিল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।
(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরি না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।
Section 535- Effect of omission to prepare charge:
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby.
(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
ব্যাখ্যা
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint:
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant.
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath:
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।
আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
ব্যাখ্যা
দেবোত্তর দুই রকমের হয়। যখন কোনো পরিবারের কোনো ব্যক্তি পারিবারিক গৃহদেবতার পূজা-অর্চনার জন্য কোনো সম্পত্তি দান করে যান, তখন তাকে 'ব্যক্তিগত বা পারিবারিক দেবোত্তর' বলা হয়। কারণ তখন বিগ্রহের সেবা ও পূজার দায়িত্ব তার বংশধরদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
অপরদিকে, সর্বসাধারণের জন্য অনুরূপ দান সম্পন্ন হলে এটি 'সর্বজনীন দেবোত্তর' সম্পত্তি হিসেবে পরিগণিত হয়। কারণ এতে কোনো একক ব্যক্তি বা পরিবারের স্বার্থ বা দায়দায়িত্ব থাকে না। সে অবস্থায় এটি সাধারণের সম্পত্তি হিসেবে পরিগণিত হয়। যেমন, রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির।
মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত দেবতার নিত্য পূজা- অর্চনার কাজে যিনি নিয়োজিত থাকেন তিনিই সেবায়েত। একজন সেবায়েত দেবতা বা বিগ্রহের যাবতীয় বিষয়ের কার্যনির্বাহীও বটে। দেবতা সম্পত্তির মালিক হলেও কার্যত সম্পত্তি পরিচালনায় সম্পূর্ণ অক্ষম। সেজন্য দেবতার পক্ষে তদীয় সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একজন উপযুক্ত পরিচালকের প্রয়োজন। আর সে দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে সেবায়েতের উপর।
দেবোত্তর সম্পত্তির সেবায়েত কে হবেন আর তার উত্তরাধিকার কারা হবেন, কোন নিয়মে হবেন তা সাধারণত অর্পণনামা বা উৎসর্গপত্রে লেখা থকে। সেবায়েত দেবতার বিরুদ্ধে কাজ করলে বা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাকে প্রয়োজনে আদালত কর্তৃক অপসারণ করে অন্য সেবায়েত নিয়োগ করা যায়।
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার শেষ অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।"
সুতরাং, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণের পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে আদালতের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এটি সরকারি হার, পক্ষগুলোর সম্মতি বা চুক্তিতে উল্লিখিত হার দ্বারা সীমাবদ্ধ নয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- যখন পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধি কোনো ঘটনা শুনানির সময় মৌখিকভাবে বা শুনানির পূর্বে লিখিতভাবে স্বীকার করে, তখন সেই ঘটনা আলাদাভাবে প্রমাণ করার প্রয়োজন হয় না।
উদাহরণ: যদি বিবাদী মামলার শুনানিতে মৌখিকভাবে বা লিখিত জবাবে কোনো দাবি স্বীকার করে, তাহলে বাদীকে তা প্রমাণ করতে হবে না।
- এ ধারা অপ্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন এড়িয়ে মামলার প্রক্রিয়াকে সহজ করে।
- আদালতের সময় ও পক্ষগুলোর অর্থব্যয় কমাতে সাহায্য করে।
- যদিও স্বীকৃত ঘটনা সাধারণত প্রমাণের প্রয়োজন হয় না, তবুও আদালত প্রয়োজনে অতিরিক্ত প্রমাণ চাইতে পারে।
ধারা ৫৮-এর উদ্দেশ্য হলো—
"যেসব ঘটনা স্বীকৃত (admitted), সেগুলোর জন্য আলাদা করে প্রমাণ না নিয়ে, মামলার মূল বিতর্কিত বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া।"
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।
--------------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:
- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:
Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
ব্যাখ্যা
⇒ স্বামী তার স্ত্রীকে যথাােপযুক্ত কারণ ছাড়া ভরণপোষণ দিতে অস্বীকার করলে স্ত্রী তার ভরণপোষণ উদ্ধারের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারে।
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারায় পারিবারিক আদালতসমূহকে ভরণপোষণ সংক্রান্ত মামলার বিচার করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে।
⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৯ ধারা অনুসারে একজন স্ত্রী তার ভরণপোষণের যথার্থ পরিমাণ নির্ধারণের জন্য চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করতে পারে।
⇒ The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 এর ২ ধারায় বলা হয়েছে- কোনো স্বামী ২ বছর যাবৎ স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের ডিক্রির জন্য আবেদন করতে পারবে।
ব্যাখ্যা
অর্থাৎ নির্ধারিত বয়স সাপেক্ষে সকল নাগরিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদে এই নীতির কথা উল্লেখ আছে।
অনুচ্ছেদ ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
(১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি-
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।
Article 122: Qualifications for registration as voter
(1) The elections to Parliament shall be on the basis of adult franchise.
(2) A person shall be entitled to be enrolled on the electoral roll for a constituency delimited for the purpose of election to the Parliament, if he-
(a) is a citizen of Bangladesh;
(b) is not less than eighteen years of age;
(c) does not stand declared by a competent court to be of unsound mind ;
(d) is or is deemed by law to be a resident of that constituency ; and
(e) has not been convicted of any offence under the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.
ব্যাখ্যা
- সিভিল মামলায়, যদি কোনো ব্যক্তি তার চরিত্রের কারণে ক্ষতির পরিমাণে প্রভাব ফেলে, তাহলে সেই চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির খ্যাতি বা disposition (আচরণ) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে প্রভাবিত করে, তাহলে এটি প্রমাণ হিসেবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে।
→ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান ক্ষতির পরিমাণে চরিত্রের প্রভাব:
সিভিল মামলায় কোনো ব্যক্তির চরিত্র যদি তার প্রাপ্য ক্ষতির পরিমাণকে প্রভাবিত করে, তবে তা প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যা:– ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ এবং ৫৫-এ "চরিত্র" শব্দটি রূপে ও disposition বা মনোভাব, উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে; তবে, ধারা ৫৪ ছাড়া, প্রমাণ দেওয়ার সময় সাধারণ খ্যাতি এবং সাধারণ disposition ছাড়া বিশেষ কোনো কাজের প্রমাণ দেওয়া যাবে না, যা দ্বারা খ্যাতি বা disposition প্রদর্শিত হয়েছে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 55. Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant.
Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
ব্যাখ্যা
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেনঃ
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass-
(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতার বিধান রয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যেকোনো বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হবে। এটি আইনের অভিন্নতা এবং বিচার ব্যবস্থার হায়ারার্কিকাল স্ট্রাকচার নিশ্চিত করে।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা:
আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।
---------
⇒ Article 111. Binding effect of Supreme Court judgments:
The law declared by the Appellate Division shall be binding on the High Court Division and the law declared by either division of the Supreme Court shall be binding on all courts subordinate to it.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
(১) কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন হতে উক্ত মেয়াদ গণনা করতে হবে সেই দিন বাদ দিতে হবে।
(২) কোনো আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যে রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হবে, তা যেদিন ঘোষণা করা হয়েছে, সেইদিন এবং যে ডিক্রি, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপিল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যেই সময় আবশ্যক, তা বাদ দিতে হবে।
(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি সম্পর্কে আপিল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি যেই রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেই রায়ের নকল পেতে যে সময় লাগে, তাও বাদ দিতে হবে।
(৪) কোনো রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, রোয়েদাদের নকল পেতে যে সময় লাগে, তা বাদ দিতে হবে।
♦ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন উক্ত রায় ঘোষণা করা হয়েছে, সেদিনটি এবং যে ডিক্রি, আদেশ বা দণ্ডাদেশ সম্পর্কে আপীল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যে সময় ব্যয় হবে, তা বাদ দিতে হবে।
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877: Section 6. Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ Section 362. Abduction:- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
ব্যাখ্যা
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা; এবং
v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।
♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।
♦১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।
♦১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
♦ ১৪৪ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যাবে।
ব্যাখ্যা
❝যখন কোনো চুক্তিতে সম্মতি প্রদান জোরপূর্বক (coercion), প্রতারণা (fraud), অথবা মিথ্যাপ্রতিনিধিত্ব (misrepresentation) দ্বারা প্রভাবিত হয়, তখন সেই চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (voidable) হয় ঐ পক্ষের কাছে যার সম্মতি এইভাবে আদায় করা হয়েছে।❞
কর্তব্য এবং বিকল্প:
যার সম্মতি প্রতারণা বা মিথ্যাপ্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে, সে চাইলে চুক্তি বলবৎ রাখতে পারে এবং দাবি করতে পারে যে তাকে সেই অবস্থানে ফিরিয়ে দেওয়া হোক, যেন মিথ্যা বক্তব্যগুলো সত্য হতো।
ব্যতিক্রম: যদি সম্মতি মিথ্যাপ্রতিনিধিত্ব বা এমন একটি নীরবতার মাধ্যমে আদায় হয়, যা Section 17 অনুযায়ী প্রতারণামূলক, তাহলে: চুক্তি বাতিলযোগ্য হবে না, যদি ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ সাধারণ সতর্কতার মাধ্যমে সত্য জানতে পারত।
ব্যাখ্যা: যে প্রতারণা বা মিথ্যাপ্রতিনিধিত্বে প্রভাবিত হয়ে সম্মতি দেওয়া হয়নি, তা চুক্তিকে বাতিলযোগ্য করে না।
উদাহরণ:
(ক) A, B-কে প্রতারণার উদ্দেশ্যে মিথ্যা বলে যে তার কারখানায় প্রতিবছর ৫০০ মণ নীল উৎপাদিত হয়, এবং এই মিথ্যা তথ্য দিয়ে B-কে কারখানাটি কিনতে প্ররোচিত করে।
- এই ক্ষেত্রে, চুক্তিটি B-এর ইচ্ছানুসারে বাতিলযোগ্য।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১০ অনুসারে, চুরি, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, অপরাধমূলক অপচয়, বা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে স্থানান্তরিত সম্পত্তি "চুরি হওয়া সম্পত্তি" হিসেবে গণ্য। ধারা ৪১১ অনুসারে, যে কেউ জেনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও চুরি হওয়া সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ বা ধরে রাখে, তার শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘A’ জেনে যে আংটি চুরি হয়েছে, তা ‘Z’-এর কাছ থেকে কিনে নিয়েছে, যা ধারা ৪১১-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘A’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪১১ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪১১ ধারার বিধান অসাধুভাবে চোরাইমাল গ্রহণ করা: কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানা সত্ত্বেও, বা উহা চোরাই সম্পত্তি বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অসাধুভাবে অনুরূপ চোরাই সম্পত্তি গ্রহণ করে বা রেখে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 411.Dishonestly receiving stolen property:
Whoever dishonestly receives or retains any stolen property, knowing or having reason to believe the same to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১০৭: শান্তি রক্ষার জন্য জামানত আদায় (Security for keeping the peace in other cases):
১। যখন একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয় যে কোনো ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা জনশান্তি বিঘ্নিত করার সম্ভাবনা রাখে, অথবা কোনো অন্যায় কাজ করতে পারে যার ফলে শান্তি ভঙ্গ বা জনশান্তি বিঘ্নিত হতে পারে, তখন ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে, তাহলে তিনি নিচের বিধি অনুযায়ী সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করতে পারেন যে, সে একটি জামিনপত্র (bond) দেবে, যেখানে জামিনদারসহ বা জামিনদারবিহীন হতে পারে, এবং যেটি শান্তি রক্ষার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় (সর্বোচ্চ এক বছর) পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
২। এই ধারা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবশ্যই নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করতে হবে:
- অভিযোগ করা ব্যক্তি অথবা যেই স্থান থেকে শান্তি ভঙ্গ বা বিঘ্নের আশঙ্কা করা হচ্ছে, তারা ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের মধ্যে হতে হবে।
- এছাড়া, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তি এবং স্থান উভয়ই তার এখতিয়ার এলাকার মধ্যে থাকে। এই ক্ষেত্রে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কেউ এ কাজ করতে পারবে না।
ব্যাখ্যা
হত্যা এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত, কোনো ব্যক্তি যদি হুমকির কারণে এমন কোনো কাজ করতে বাধ্য হয়, যা তার কাছে তখন এমনভাবে উপলব্ধি হয় যে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে, তবে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
শর্ত: যদি কাজটি করা ব্যক্তি তার ইচ্ছায় বা তাৎক্ষণিক মৃত্যুর আশঙ্কা ছাড়া অন্য ক্ষতির কারণে এমন অবস্থানে নিজেকে না নিয়ে থাকে, যে কারণে তাকে এমন হুমকির অধীন হতে হয়েছে।
ব্যাখ্যা ১: কোনো ব্যক্তি যদি তার নিজের ইচ্ছায় বা মার খাওয়ার ভয়ে দস্যুদের একটি গ্যাং-এ যোগ দেয় এবং গ্যাংয়ের প্রকৃতি সম্পর্কে জানে, তাহলে তার সহযোগীদের দ্বারা তাকে বাধ্য করা হলে, আইনত যা অপরাধ, সেই কাজ করার ক্ষেত্রে এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকার তার থাকবে না।
ব্যাখ্যা ২: কোনো ব্যক্তি যদি দস্যুদের একটি গ্যাং-এর দ্বারা ধরে নিয়ে গিয়ে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর হুমকির মাধ্যমে বাধ্য হয় কোনো অপরাধমূলক কাজ করতে, যেমন একজন লৌহশিল্পীকে তার সরঞ্জাম ব্যবহার করে বাড়ির দরজা খুলতে বাধ্য করা হয় যাতে দস্যুরা বাড়িতে প্রবেশ করে লুটপাট করতে পারে, তাহলে সেই ব্যক্তি এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবে।
Section 94- Act to which a person is compelled by threats:
Except murder, and offences against the State punishable with death, nothing is an offence which is done by a person who is compelled to do it by threats, which, at the time of doing it, reasonably cause the apprehension that instant death to that person will otherwise be the consequence: Provided the person doing the act did not of his own accord, or from a reasonable apprehension of harm to himself short of instant death, place himself in the situation by which he became subject to such constraint.
Explanation 1.-A person who, of his own accord, or by reason of a threat of being beaten, joins a gang of dacoits, knowing their character, is not entitled to the benefit of this exception on the ground of his having been compelled by his associates to do anything that is an offence by law.
Explanation 2.-A person seized by a gang of dacoits, and forced by threat of instant death, to do a thing which is an offence by law; for example, a smith compelled to take his tools and to force the door of a house for the dacoits to enter and plunder it, is entitled to the benefit of this exception.
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৭(১)(ক) অনুযায়ী, কোনো সংসদ-সদস্য যদি তার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে শপথগ্রহণ না করেন, তাহলে তার আসন শূন্য হয়ে যায় (যদি না স্পীকার যথার্থ কারণে সময় বাড়ান)।
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৭- সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।
(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে। এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে- তাহলো:
i) Res-judicata (দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ১১)
ii) Double Jeopardy (ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৪০৩)
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
------------
Section 40 Previous judgments relevant to bar a second suit or trial: The existence of any judgment, order or decree which by law prevents any Court from taking cognizance of a suit or holding a trial, is a relevant fact when the question is whether such Court ought to take cognizance of such suit or to hold such trial.
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
- Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
ব্যাখ্যা
ধারা ২(৯): “Judgment” (রায়):
“রায়” বলতে বোঝায় বিচারকের প্রদত্ত সেই বিবৃতি, যেখানে ডিক্রি (decree) বা আদেশের (order) ভিত্তি বা কারণসমূহ উল্লেখ থাকে।
“Judgment” means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order.
রায় হলো সেই লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য, যেখানে বিচারক ব্যাখ্যা করেন কেন এবং কোন কারণে তিনি একটি নির্দিষ্ট ডিক্রি বা আদেশ দিয়েছেন। অর্থাৎ, রায় হলো আদালতের সিদ্ধান্তের যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা।
ব্যাখ্যা
২৬ ধারার মূল কথা হল,
কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে যদি বিবাদী একটি লিখিত চুক্তিতে পরিবর্তন দেখায়, তাহলে বাদী সেই মূল চুক্তির নির্দিষ্ট পালন পাবেন না, তবে বিবাদী প্রদত্ত পরিবর্তনসহ পালন পাবেন। এগুলি হল সেই বিশেষ পরিস্থিতিগুলি:
১. প্রতারণা বা ভুলের কারণে চুক্তির শর্তাবলী বিবাদীর ধারণার চেয়ে আলাদা হলে।
২. প্রতারণা, ভুল বা আকস্মিকতার কারণে বিবাদী চুক্তির প্রভাব সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করলে।
৩. বিবাদী বাদীর মিথ্যা বক্তব্য বা অতিরিক্ত শর্তের উপর নির্ভর করে চুক্তিতে প্রবেশ করলে।
৪. পক্ষদ্বয়ের উদ্দেশ্য এবং চুক্তির মধ্যে বিসংগতি থাকলে।
৫. পক্ষদ্বয় পরবর্তীকালে চুক্তি পরিবর্তন করার সম্মত হলে।
এই ধারা বাদীকে মূল চুক্তি অনুযায়ী নয়, বরং বিবাদী দেখানো পরিবর্তনসহ নির্দিষ্ট পালন দাবি করার সুযোগ দেয়। তাই এক্ষেত্রে, আদালত 'খ' এর পরিবর্তন ব্যতীত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করবেন।
ব্যাখ্যা
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।
Rule 21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
সুতরাং, প্রশ্নে আদালত মোকদ্দমার বাদীকে দলিল প্রকাশ করতে আদেশ দিয়েছিল কিন্তু বাদী তা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে ।
ব্যাখ্যা
♦বিবাদী যদি এরপরও দাখিল করতে ব্যর্থ হয় তাহলে, মোকদ্দমাটি একতরফা (Ex-parte) নিষ্পত্তি হবে। এরূপ একতরফা আদেশের বিরুদ্ধে বিবাদী রিভিশন দায়ের করতে পারবে।
♦ ধারা ৮০ মতে সরকার বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন মোকদ্দমা করতে হলে লিখিত নোটিশ প্রদানের ২ মাস পর মোকদ্দমা করা যাবে। যদি নোটিশ ছাড়া সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তাহলে আদালত সরকারকে লিখিত বিবৃতি পেশ করার জন্য কমপক্ষে ৩ মাস সময় মঞ্জুর করবে।
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৯ ও ১০ নং বিধিতে অতিরিক্ত লিখিত জবাবের বিধান রয়েছে।
♦ ৯ নং বিধিমতে আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় বিবাদীকে সময় নির্ধারণ করে দিয়ে লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিলের আদেশ দিতে পারে।
♦ ১০ নং বিধিমতে বিবাদী আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে,আদালত বিবাদীর বিরূদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে (pronounce judgement) অথবা মোকদ্দমা সম্পর্কিত যে কোন আদেশ দিতে পারে।
♦ অর্থাৎ বিবাদীর প্রতি সমন জারির তারিখ হতে ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে, বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল করবে। উক্ত ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, পরবর্তী ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে পারবে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৬০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি করতে পারে।
ব্যাখ্যা
i) সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কেস ডায়েরী দেখতে পারবেন। এভাবে ১৫৯ ধারার অধীন একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।
ii) সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার তার মামলা তদন্তকালে কেস ডায়েরীতে লিপিবদ্ধকৃত বিষয়াবলী সম্পর্কে আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।
iii) সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় বিবাদী পক্ষ জেরা করতে পারবেন। অর্থাৎ স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোন সাক্ষী কর্তৃক যে লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করা হয়েছে, বিরোধী পক্ষ উক্ত লিখিত বিবৃতি দেখতে চাইতে পারে, উক্ত সাক্ষীকে জেরা করতে পারে বা উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে।