বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১০৯ / ১৫৫ · ১০,৮০১১০,৯০০ / ১৫,৪৭০

১০,৮০১.
চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. রেফারেন্স
ব্যাখ্যা
• CPC'র ৯৭ ধারানুযায়ী প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান: প্রাথমিক ডিক্রিতে যে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হলে তখন উক্ত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রির যথার্থতা/বৈধতা অস্বীকার করা যাবে না।

অর্থাৎ প্রাথমিক ডিক্রি দেওয়া হলে, প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে- যখন চূড়ান্ত ডিক্রি দেওয়া হবে তখন প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না অথবা চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হলেও প্রাথমিক ডিক্রির বৈধতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

এ ধারার সারমর্ম হচ্ছে-
প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রি উভয় ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
১০,৮০২.
'A', for the purpose of inducing 'B' to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn 'B's house. 'A' is guilty of ________.
  1. Mischief
  2. criminal trespass
  3. criminal intimidation
  4. criminal breach of trust
ব্যাখ্যা
Section 503- Criminal Intimidation:
Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.

Illustration:
'A', for the purpose of inducing 'B' to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn 'B's house. 'A' is guilty of criminal intimidation.

দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারা- অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা:
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।

ব্যাখ্যা: ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।  

উদাহরণ:
'ক', 'খ'-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য 'খ'-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, 'ক' অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।
১০,৮০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩০ ধারা অনুযায়ী, নতুন বা পরিবর্তিত অভিযোগের বিচার করতে যদি পূর্ববর্তী অনুমোদনের প্রয়োজন হয়, তাহলে কী করতে হবে?
  1. মামলা বাতিল করতে হবে
  2. মামলা অবিলম্বে এগিয়ে নিতে হবে
  3. অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত মামলা স্থগিত রাখতে হবে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি নতুন বা পরিবর্তিত অভিযোগের বিচার করতে পূর্বানুমোদন প্রয়োজন হয়, তাহলে অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত মামলা চালানো যাবে না। তবে, যদি আগেই একই ঘটনার জন্য অনুমোদন নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে নতুন করে অনুমোদনের দরকার নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩০ ধারার বিধান: বিচার স্থগিতকরণ যদি পরিবর্তিত অভিযোগে অপরাধের বিচারের জন্য পূর্বানুমোদন প্রয়োজন হয়: 
- যদি নতুন, পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগে উল্লিখিত অপরাধটি এমন হয়, যার বিচারের জন্য পূর্বানুমোদন প্রয়োজন, তাহলে সেই অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত মামলা পরিচালনা করা যাবে না, যদি না একই তথ্যের ভিত্তিতে পূর্ব থেকেই অনুমোদন নেওয়া হয়ে থাকে, যার ওপর নতুন বা পরিবর্তিত অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত।
----------
→ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 230. Stay of proceedings if prosecution of offence in altered charge require previous sanction:
If the offence stated in the new or altered or added charge is one for the prosecution of which previous sanction is necessary, the case shall not be proceeded with until such sanction is obtained, unless sanction has been already obtained for a prosecution on the same facts as those on which the new or altered charge is founded.

১০,৮০৪.
প্লিডিংস কর্তন (Strike out) করা যেতে পারে, যদি প্লিডিংস এ উল্লিখিত কোনো বিষয়-
  1. কুৎসাজনক হয় (Scandalous)
  2. অপ্রয়োজনীয় হয় (Unnecessary matter)
  3. বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice,embarrass or delay fair trial of the suit)
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের বিধানসমূহ রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে।লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

আদেশ-৬,বিধি-১৬: প্লিডিংস কর্তন (Strike out of pleadings)-

দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৬ নং বিধিতে প্লিডিংস কর্তনের(Strike out) বিধান রয়েছে। ১৬ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য আদালত যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস-এ উল্লেখিত কতিপয় বিষয় কর্তন করার (Strike out) আদেশ নিতে পারেন।
আদালত প্লিডিংস কর্তন করাতে পারে যদি প্লিডিংস এ উল্লেখিত কোন বিষয়-
> অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary matter) বা
> কুৎসাজনক (Scandalous) হলে অথবা
> বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice,embarrass or delay fair trial of the suit)।
১০,৮০৫.
"আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা" কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ২০০০
  2. ২০১৪
  3. ২০১৫
  4. ২০১১
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৬ নং আইন) এর ধারা ২২ক তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার "আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিক্রোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫" প্রণয়ন করেন।

- আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিক্রোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর প্রথম অধ্যায়ের প্রথম বিধিতে শিরোনাম দেওয়া আছে।

-বিধি-১ শিরোনাম: -এই বিধিমালা আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিক্রোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ নামে অভিহিত হইবে।
১০,৮০৬.
চেক ডিজঅনার মামলার ক্ষেত্রে বর্তমানে কোন আদালতকে বিচার করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. দায়রা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা

• ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৪১(গ) ধারা অনুযায়ী, চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারে দায়রা আদালত। অর্থাৎ Sessions Judge, Additional Sessions Judge & Joint Sessions Judge উনারা সবাই এরূপ মামলার বিচার করতে পারেন এবং এতদিন পর্যন্ত করে আসছেন। তবে সম্প্রতি হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে বলা হয়েছে- এখন থেকে চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারবে শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ [Joint Sessions Judge]।

উচ্চ আদালত এ রায়ে উল্লেখ করেন-

''চেক ডিজঅনার মামলা শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে শুনানি হবে এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতেই আপীল করতে হবে। আগে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালত শুনানি করতো। এক্ষেত্রে দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ বিচার করলে বিচারপ্রার্থীকে চেকের মামলায় আপীল করতে আসতে হতো হাইকোর্টে বিভাগে।

এই বিধানটি বৈষম্যমূলক যাহা বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ এবং ৩১ এর সাথে সাংঘর্ষিক। রায়ের নির্দেশনা মতে ১৩৮ ধারার চেকের মামলার বিচার কেবলমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালত করতে পারবে। দায়রা জজ অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজ চেকের মামলার বিচার করতে পারবে না।''

১০,৮০৭.
রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক করা হলে, আদেশ ৩৮ বিধি-১০ এর অধীন কার স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না?
  1. সাক্ষীর
  2. আদালতের
  3. বিবাদীর
  4. মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত নয় এমন ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-১০: রায়ের পূর্বে ক্রোক আগন্তুকের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে না বা ডিক্রিদারকে বিক্রয়ের আবেদন করতে বারিত করে না:
রায়ের পূর্বে ক্রোক দ্বারা মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের ক্রোকের পূর্বে বিদ্যমান স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে না, বা ডিক্রির অধিকারী কোন ব্যক্তির বিবাদীর বিরুদ্ধে উক্ত ডিক্রি জারিতে ক্রোকের অধীন সম্পত্তি বিক্রয়ে আবেদন করতে বারিত করবে না।

Order 38 Rule 10: Attachment before judgment not to affect rights of strangers not bar decree-holder from applying for sale:
Attachment before judgment shall not affect the rights, existing prior to the attachment, of persons not parties to the suit, nor bar any person holding a decree against the defendant from applying for the sale of the property under attachment in execution of such decree.
১০,৮০৮.
দণ্ডবিধির ৮০ ধারায়, কোন পরিস্থিতিতে একজন ব্যক্তি আইনানুগ কাজ করার সময় দুর্ঘটনার জন্য অপরাধী হতে পারেন?
  1. যদি দুর্ঘটনাটি ইচ্ছাকৃতভাবে না ঘটে
  2. যদি তার উদ্দেশ্য অপরাধমূলক না হয়
  3. যদি তার কাজটি অবহেলায় হয়ে থাকে
  4. যদি সে কাজটি আইনানুগভাবে এবং সতর্কতা সহকারে করে
ব্যাখ্যা
→দণ্ডবিধির ৮০ ধারায়,  একজন ব্যক্তি আইনানুগ কাজ করার সময় দুর্ঘটনার জন্য অপরাধী হতে পারেন- যদি তার কাজটি অবহেলায় হয়ে থাকে।

→ দণ্ডবিধির ৮০ ধারার বিধান আইনানুগ কাজ সম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা:
- কোন আইনানুগ কাজ আইনানুগ পদ্ধতিতে আইনানুগ উপায়ে যথোপযুক্ত সতর্কতা ও যত্নসহকারে সম্পাদন করাকালে কোন অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা অবগতি ছাড়া দুর্ঘটনা বা দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠিত কোন কিছুই অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

- কিন্তু যদি তার কাজটি অবহেলায় হয়ে থাকে তাইলে সে দুর্ঘটনার জন্য অপরাধী হতে পারেন।
--------------
→ The Penal Code,1860- Section 80: Accident in doing a lawful act:
- Nothing is an offence which is done by accident or misfortune, and without any criminal intention or knowledge in the doing of a lawful act in a lawful manner by lawful means and with proper care and caution. 

Illustration:
- A is at work with a hatchet; the head flies off and kills a man who is standing by. Here if there was no want of proper caution on the part of A, his act is excusable and not an offence.
১০,৮০৯.
"ক্ষতিকর কার্যকলাপ" (prejudicial act) এর সংজ্ঞায় নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জনশৃঙ্খলা ব্যাহত করা
  2. সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ সৃষ্টি
  3. ব্যক্তিগত ঋণ না পরিশোধ
  4. বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ক্ষতি
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২(চ) অনুসারে "ক্ষতিকর কার্যকলাপ" (prejudicial act) এর সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত:
- বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষার ক্ষতি করা
- বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করা
- বাংলাদেশের নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলা বিপন্ন করা
- বিভিন্ন সম্প্রদায়, শ্রেণি বা গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করা
- আইনের প্রশাসন বা জনশৃঙ্খলায় হস্তক্ষেপ করা
- জনগণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সরবরাহ ও সেবা বিঘ্নিত করা
- জনগণের মধ্যে ভয় বা উদ্বেগ সৃষ্টি করা
- রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বা আর্থিক স্বার্থের ক্ষতি করা
→ ব্যক্তিগত ঋণ না পরিশোধ এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি ব্যক্তিগত দেওয়ানি বিরোধ যা ক্ষতিকর কার্যকলাপের আওতায় পড়ে না। সুতরাং, সঠিক উত্তর গ।
 ------ 
⇒ The Special Powers Act, 1974, Section-2(f) “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh;  
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State; 
(h) “prescribed” means prescribed by rules made under this Act.

১০,৮১০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী Special Magistrate বা বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট কত ধরণের?
  1. ১ ধরণের
  2. ২ ধরণের
  3. ৩ ধরণের
  4. ৪ ধরণের
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-

ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);

ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);

iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।

------------------------------------------------------
♦ Special Magistrate
[12. (1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.]
১০,৮১১.
বিচার চলাকালে ১ বছর হাজতে থাকা একজন আসামীর ৫ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ হয়, দণ্ডিত আসামীকে কত দিন কারাগারে সাজা ভোগ করতে হবে?
  1. ৬ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।

অর্থ্যাৎ, দণ্ডিত আসামীকে ৪ বছর কারাগারে সাজা ভোগ করতে হবে।
১০,৮১২.
ইভ টিজিং এর অপরাধ দণ্ডবিধির কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৫০৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৫০৯ ধারা অনুযায়ী কোন নারীর শ্লীলতাহানী বা অমর্যাদা করার উদ্দেশ্যে কোন কথা, অঙ্গভঙ্গি, বস্তু প্রদর্শন বা কোন কাজ করার শাস্তি হলো অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।
⇒ ইভ-টিজিং করার শাস্তি ৫০৯ ধারায় প্রদান করা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারার বিধান কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্যঃ কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
অর্থাৎ পেনাল কোড এর ৫০৯ ধারায় ইভটিজিং এর শাস্তির বিধান আছে।

⇒ Eve Teasing এর শাব্দিক অর্থ : Eve অর্থ প্রাক্কাল, প্রাথমিক অবস্থা আর Teas অর্থ উক্ত্যক্ত করা, ক্ষেপানো।
⇒ সুতরাং Eve Teasing অর্থ পরিচিত, অপিরিত, কোন মেয়ে কোন ছেলেকে/কোন ছেলে কোন মেয়েকে প্রাথমিকভাবে উক্ত্যক্ত করাকেই Eve Teasing বলে।
⇒  ইভটিজিং এর সংজ্ঞাঃ- কোন ছেলে রাস্তায়, স্কুলে, কলেজে বা যে কোন অলিতে গলিতে কোন মেয়েকে দেখার পর মুখ দিয়ে শিষ দেয়া, এমন কোন বাজে মন্তব্য করা যা শুনলে মেয়েটির খুব খারাপ লাগবে, হাসি ঠাট্টা করা অর্থ্যাৎ তাকে উক্ত্যক্ত করার নামই হল ইভটিজিং।
----------------
Section 509- Word, gesture or act intended to insult the modesty of a woman: Whoever, intending to insult the modesty of any woman, utters any word, makes any sound or gesture, or exhibits any object, intending that such word or sound shall be heard, or that such gesture or object shall be seen, by such woman, or intrudes upon the privacy of such woman, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১০,৮১৩.
“The Court may presume that a man who is in possession of stolen goods after the he can account for his possession”. বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কোন Section এ উল্লেখ আছে?
  1. 114 (a)
  2. 114 (b)
  3. 114 (c)
  4. 114 (e)
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান আদালত কিছু ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন: (Court may presume existence of certain facts): একটি বিশেষ মামলার ঘটনা বিবেচনা করে যা ঘটে থাকা সম্ভব বলে মনে করেন, সেই ঘটনার অস্তিত্ব আদালত অনুমান করে নিতে পারেন।
আদালত অনুমান করতে পারেন যে (May Presume)
114 (a) চুরির পর পরই চোরাইমাল যে ব্যক্তির দখলে থাকে সে যদি তার দখলের কারণ দর্শাতে না পারে তবে সেই ব্যক্তি চোর অথবা চোরাইমাল বলে জানা সত্ত্বেও সে তা গ্রহণ করেছে।
____________________________________________________________________________________
Court may presume existence of certain facts
114. The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case. 
Illustrations 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; 
(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 
(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 
(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 
(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 
(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 
(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; 
(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 
(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it.
১০,৮১৪.
দণ্ডবিধির কত নং অধ্যায়ে সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহের বিষয় উল্লেখিত আছে?
  1. ১ম অধ্যায়
  2. ২য় অধ্যায়
  3. ৪র্থ অধ্যায়
  4. ৫ম অধ্যায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং মোট ধারা ৫১১ টি। গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়: দ্বিতীয় অধ্যায় সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ, তৃতীয় অধ্যায় শাস্তি, চতুর্থ অধ্যায় সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ, পঞ্চম অধ্যায়ী অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা, পঞ্চম (ক) অধ্যায়ে অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র, ষষ্ঠ অধ্যায়ের রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, নবম অধ্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, নবম (ক) অধ্যায় নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ, ১৬ তম অধ্যায়ে মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ, ১৭ তম অধ্যায়ে সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ, ২০ তম অধ্যায়ে বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, ২১তম অধ্যায়ে মানহানি, ২২তম অধ্যায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন, অপমান ও বিরক্তিকরণ, ২৩ তম অধ্যায় অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
♦  দণ্ডবিধির ৪র্থ অধ্যায়ে ফৌজদারী দায়ের সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু কার্য এবং কার্যবিরতিকে [Acts and omission] ফৌজদারী দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ সকল কার্য বা কার্যবিরতি গুলোকে ফৌজদারী দায়ের সাধারণ ব্যতিক্রম [General Exceptions) বলে।
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১০,৮১৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- “সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না”?
  1. ৮১ অনুচ্ছেদে
  2. ৮২ অনুচ্ছেদে
  3. ৮৩ অনুচ্ছেদে
  4. ৮৪ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা:
 সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না।

⇒ Article 83. No taxation except by or under Act of Parliament:

 No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.

১০,৮১৬.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত খুনের সর্বনিম্ন শাস্তি কি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ২০ বছর মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। 

ধারা ৩০৩- যাবজ্জীবন কারাবাসে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of 95[imprisonment] for life, commits murder, shall be punished with death.
১০,৮১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারায় আদালত দলিল সংশোধন করতে পারেন, কিন্তু কোন শর্তে?
  1. পক্ষগণ সম্মত হলে
  2. আদালতের নিজস্ব ইচ্ছার ভিত্তিতে
  3. তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ না হয়
  4. যদি সংশোধিত দলিল শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য প্রকাশ করে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী, আদালত প্রতারণা বা পারস্পরিক ভুলের কারণে ত্রুটিপূর্ণ দলিল সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন, তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো—এতে তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়া যাবে না।
- যদি তৃতীয় পক্ষ দলিলের ওপর সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অধিকার অর্জন করে থাকেন, তবে আদালত তাদের অধিকার লঙ্ঘন করে দলিল সংশোধন করতে পারবেন না।
- তবে যদি তৃতীয় পক্ষের অধিকার বাধাগ্রস্ত না হয়, তাহলে আদালত স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে দলিল সংশোধন করতে পারেন।
অর্থাৎ আদালত দলিল সংশোধন করতে পারেন, তবে শর্ত হলো— এতে কোনো তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়া যাবে না।

⇒ The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে:
-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
১০,৮১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার ৪০, বিধি ৫ অনুসারে কোন ক্ষেত্রে কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করা যায়?
  1. যে ভূমির জন্য সরকারকে রাজস্ব দেওয়া হয়
  2. যে ভূমির রাজস্ব মুক্ত করা হয়েছে
  3. যে ভূমির রাজস্ব বরাদ্দ করা হয়েছে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার-৪০, বিধি-৫ অনুসারে, কালেক্টরকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করা যায় এমন ভূমির ক্ষেত্রে যেগুলো নিম্নলিখিত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত:
- যে ভূমির জন্য সরকারকে রাজস্ব দেওয়া হয় (Revenue-paying land to the Government)।
- যে ভূমির রাজস্ব বরাদ্দ করা হয়েছে (Land of which the revenue has been assigned)।
- যে ভূমির রাজস্ব মুক্ত করা হয়েছে (Land of which the revenue has been redeemed)।
এছাড়া, আদালতকে অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে যে কালেক্টরের ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের স্বার্থ রক্ষিত হবে। তবে, কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগের জন্য কালেক্টরের সম্মতি প্রয়োজন।

⇒ অর্ডার-৪০, বিধি-৫ অনুযায়ী, যদি ভূমিটি সরকারের কাছে রাজস্ব প্রদান করে অথবা যার রাজস্ব রিডিম (মুক্ত) বা বরাদ্দ (অ্যাসাইন) করা হয়ে থাকে, এবং আদালত মনে করে যে সংশ্লিষ্ট পক্ষদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য কালেক্টরের ব্যবস্থাপনা দরকার, তখন আদালত কালেক্টরকে সেই ভূমির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারে। তাই রাজস্ব প্রদেয়, রাজস্ব মুক্ত বা বরাদ্দকৃত যে কোনো ভূমির ক্ষেত্রে কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করা যায়। এজন্য সঠিক উত্তর “উপরের সবগুলো”।

⇒ Order-40 Rule-5.When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
১০,৮১৯.
দণ্ডবিধির ৭৪ ধারা অনুযায়ী, নির্জন কারাবাসের সর্বাধিক মেয়াদ কতদিন?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারা- নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:-
নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।

Section 74: Limit of solitary confinement:
In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
১০,৮২০.
সকল ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য হবে-
  1. লিখিত
  2. দালিলিক
  3. পরোক্ষ
  4. প্ৰত্যক্ষ
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে [Oral evidence must be direct]। অর্থাৎ যে বিষয় দেখা যায়, সেই বিষয়ে কোন সাক্ষ্য দিতে হলে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারবে যে বিষয়টি দেখেছে বলে দাবি করে।
১০,৮২১.
নির্বাচনে অযৌক্তিক প্রভাব প্রয়োগ করলে এটি দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধ?
  1. ১৭১ক ধারা
  2. ১৭১খ ধারা
  3. ১৭১গ ধারা
  4. ১৭১ঘ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭১গ ধারা (Section-171C) অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ব্যক্তির নির্বাচনী অধিকার প্রয়োগের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করে বা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে, তবে এটি "নির্বাচনে অযৌক্তিক প্রভাব" (Undue Influence at Elections) হিসাবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ - ধারা ১৭১C: নির্বাচনে অযৌক্তিক প্রভাব:
(১) যে কেউ স্বেচ্ছায় কোনো ব্যক্তির নির্বাচনী অধিকার প্রয়োগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে, সে নির্বাচনে অযৌক্তিক প্রভাবের (Undue Influence) অপরাধ করবে।
(২) উপধারা (১)-এর সাধারণ বিধানের প্রতি অব্যাহত রেখে, নিম্নলিখিত যে কেউ নির্বাচনী অধিকার প্রয়োগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেছে বলে গণ্য হবে—
(ক) কোনো প্রার্থী বা ভোটারকে বা তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কোনো প্রকার ক্ষতির হুমকি প্রদান করা; অথবা
(খ) কোনো প্রার্থী বা ভোটারকে এই বিশ্বাসে প্ররোচিত করা বা প্ররোচিত করার চেষ্টা করা যে তিনি বা তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
ঐশ্বরিক অসন্তোষ (Divine displeasure) বা আধ্যাত্মিক শাস্তির (spiritual censure) সম্মুখীন হবেন বা হতে পারেন।
(৩) কোনো নীতিগত ঘোষণা বা জনস্বার্থে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি, অথবা কোনো আইনগত অধিকার প্রয়োগ করা, যদি তা নির্বাচনী অধিকারে হস্তক্ষেপের উদ্দেশ্যে না করা হয়, তবে তা এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 171C. Undue influence at elections:
(1) Whoever voluntarily interferes or attempts to interfere with the free exercise of any electoral right commits the offence of undue influence at an election. 
(2) Without prejudice to the generality of the provisions of sub-section (1), whoever
(a) threatens any candidate or voter, or any person in whom a candidate or voter is interested, with injury of any kind, or 
(b) induces or attempts to induce a candidate or voter to believe that he or any person in whom he is interested will become or will be rendered an object of Divine displeasure or of spiritual censure, 
shall be deemed to interfere with the free exercise of the electoral right of such candidate or voter, within the meaning of sub-section (1). 
(3) A declaration of public policy or a promise of public action, or the mere exercise of a legal right without intent to interfere with an electoral right, shall not be deemed to be interference within the meaning of this section.
১০,৮২২.
নিম্নের কোনটি "Conclusive Proof" এর বৈশিষ্ট্য?
  1. আদালত অনুমান করবে না
  2. আদালত অনুমানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবেন
  3. আদালত অনুমিত বিষয় যাচাই করার অনুমতি দেবেন
  4. আদালত অনুমানকৃত বিষয়কে মিথ্যা প্রমাণের সুযোগ দেবেন না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে- অনুমান (Presumption) ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume);
২) অনুমান করবে (Shall presume);
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof)।

অনুমান করতে পারে (May presume):
যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

অনুমান করবে (Shall presume):
যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
১০,৮২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী, যদি পক্ষরা চুক্তি সম্পাদনের পর তা পরিবর্তন করেন, তাহলে কী হবে?
  1. চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে
  2. চুক্তি অপরিবর্তিত থাকবে
  3. চুক্তি আর কার্যকর হবে না
  4. চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর হবে
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঘ) চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর হবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৬ ধারার অধীনে, যদি পক্ষরা চুক্তি সম্পাদনের পর তা পরিবর্তন করেন, তাহলে সেই চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ, চুক্তির শর্তাবলীতে পরিবর্তন করা হলে, চুক্তিটি আগের শর্তাবলীর সাথে তুলনা না করে, নতুন পরিবর্তিত শর্ত অনুযায়ী কার্যকর হবে।
এতে বোঝানো হচ্ছে যে, কোনো চুক্তি যদি পরে পরিবর্তন করা হয়, তবে সেই পরিবর্তিত চুক্তি নতুন চুক্তি হিসেবে প্রযোজ্য হবে, এবং আগের চুক্তি বাতিল হবে না বা কার্যকর হওয়া বন্ধ হবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮৭৭-এর ধারা ২৬: পরিবর্তন ছাড়া কার্যকরী করা যাবে না:
যখন কোনো বাদী লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চায় এবং প্রতিরোধকারী তা পরিবর্তনের দাবি জানায়, তখন বাদী সেই কার্যসম্পাদন লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না সেই পরিবর্তনটি কার্যকর করা হয়, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে:
(ক) যেখানে প্রতারণা বা সত্যের ভুলের কারণে চুক্তির শর্তগুলো এমনভাবে তৈরি হয়েছে যা প্রতিরোধকারী যখন চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন তখন তিনি যেভাবে এটি ভাবছিলেন তেমন ছিল না;
(খ) যেখানে প্রতারণা, সত্যের ভুল বা বিস্ময়ের কারণে প্রতিরোধকারী চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন, যখন তিনি সঠিকভাবে চুক্তির ফলাফল বোঝেননি এবং বাদীর সঙ্গে চুক্তির সম্পর্কেও ভুল ধারণা করেছিলেন;
(গ) যেখানে প্রতিরোধকারী চুক্তির শর্তগুলো জানতেন এবং তার প্রভাব বুঝতেন, এবং চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন বাদীর কিছু ভুল বিবৃতি বা বাদীর শর্তের ভিত্তিতে যা চুক্তিতে সংযোজন ছিল, কিন্তু বাদী সেই শর্ত পূর্ণ করতে অস্বীকার করেছিলেন;
(ঘ) যেখানে পক্ষদের উদ্দেশ্য ছিল একটি নির্দিষ্ট আইনি ফলাফল অর্জন করা, কিন্তু চুক্তির বর্তমান শর্তগুলো সেই ফলাফল অর্জন করার জন্য উপযুক্ত নয়;
(ঙ) যেখানে পক্ষরা চুক্তি সম্পাদনের পরে চুক্তির শর্তাবলী পরিবর্তন করতে চুক্তি করেছেন।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 26. Non-enforcement except with variation:
Where a plaintiff seeks specific performance of a contract in writing, to which the defendant sets up a variation, the plaintiff cannot obtain the performance sought, except with the variation so set up, in the following cases (namely):- 
(a) where by fraud or mistake of fact the contract of which performance is sought is in terms different from that which the defendant supposed it to be when he entered into it; 
(b) where by fraud, mistake of fact, or surprise the defendant entered into the contract under a reasonable misapprehension as to its effect as between himself and the plaintiff; 
(c) where the defendant, knowing the terms of the contract and understanding its effect, has entered into it relying upon some misrepresentation by the plaintiff, or upon some stipulation on the plaintiff's part, which adds to the contract, but which he refuses to fulfil; 
(d) where the object of the parties was to produce a certain legal result, which the contract as framed is not calculated to produce; 
(e) where the parties have, subsequently to the execution of the contract, contracted to vary it.
১০,৮২৪.
আদালতের সমন জারিতে বাধা দিলে শাস্তি হতে পারে-
  1. ৬ মাস পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড
  3. ৩ মাস পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড
  4. ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
দন্ডবিধির ১৭৩ ধারা অনুযায়ী, সমন জারিতে বাধা সৃষ্টি করলে তার শাস্তি হতে পারে ১ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দন্ড এবং উক্তরূপ সমনে বা বিজ্ঞপ্তিতে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়া বা কোন দলিল উপস্থাপনের নির্দেশ থাকলে তার শাস্তি হতে পারে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা ১০০০ টাকা।
১০,৮২৫.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ২৮ অনুযায়ী প্রতিশ্রুতি, ভীতি ও প্রলোভনজনিত ধারণা অপসারণের পর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি _________।
  1. অপ্রাসঙ্গিক
  2. বেআইনী
  3. অগ্রহণযোগ্য
  4. প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
ধারা: ২৮ মতে প্রলোভন ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতিজনিত ধারণা অপসারণের পর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক।

যেরূপ দোষ স্বীকারের বিষয় ২৪ ধারায় উল্লেখ করা হইয়াছে তদ্রুপ দোষস্বীকার যদি প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতিদানের ফলে সৃষ্ট ধারণা আদালতের মতে পূর্ণভাবে অপসারিত হইবার পর করা হয়, তবে তাহা প্রাসঙ্গিক।
১০,৮২৬.
'ম' এক দৈনিক বহুল প্রচারিত পত্রিকায় একটি কলাম লেখেন, যা সরকারের প্রতি ঘৃণা উসকে দেয়। তার কাজটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য হবে?
  1. ১২১ ধারায়
  2. ১২১(ক) ধারায়
  3. ১২৪ ধারায়
  4. ১২৪(ক) ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতার সংজ্ঞা দেওয়া আছে। এই ধারায় বলা হয়েছে,

‘যদি কোন ব্যক্তি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, কিংবা চিহ্নাদি দ্বারা, কিংবা দৃশ্যমান প্রতীকের সাহায্যে কিংবা অন্য কোনভাবে বাংলাদেশ বা আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে কিংবা বৈরিতা উদ্রেগ করে বা করার চেষ্টা করে, তাহলে সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কিংবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সঙ্গে জরিমানা যুক্ত করা যাবে, কিংবা ৩ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তৎসহ তাকে জরিমানায়ও দণ্ডিত করা যাবে।’

প্রশ্নে উল্লিখিত ব্যক্তির কাজটি ১২৪ক ধারা অনুসারে 'রাষ্ট্রদ্রোহ' অপরাধের অধীনে পড়বে এবং শাস্তিযোগ্য হবে।
১০,৮২৭.
‘D’, একজন ম্যাজিস্ট্রেট, সরল বিশ্বাসে Z-এর বিরুদ্ধে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে মানহানিকর অভিযোগ দায়ের করে, যা জনসাধারণের কল্যাণের জন্য। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এটি-
  1. প্রতারণা
  2. মানহানি
  3. মিথ্যা ষড়যন্ত্র
  4. কোনো অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৯ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে মুখে, লিখিতভাবে, চিহ্নের মাধ্যমে, বা দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে অভিযোগ করা মানহানি হিসেবে গণ্য। তবে, ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রম (Ninth Exception) অনুসারে, সরল বিশ্বাসে (good faith) নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষার জন্য বা জনসাধারণের কল্যাণের জন্য কোনো অভিযোগ করা মানহানি নয়। এখানে, ‘D’, একজন ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে, সরল বিশ্বাসে এবং জনসাধারণের কল্যাণের জন্য তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে Z-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। এটি ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে, তাই এটি কোনো অপরাধ নয়।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) প্রতারণা: প্রতারণা (ধারা ৪১৫) হলো প্রতারণামূলকভাবে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর বা কাজ করতে প্ররোচিত করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
খ) মানহানি: যদিও অভিযোগটি মানহানিকর হতে পারে, তবে সরল বিশ্বাসে এবং জনসাধারণের কল্যাণের জন্য করা হয়েছে, তাই ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রমের কারণে এটি মানহানি নয়।
গ) মিথ্যা ষড়যন্ত্র: দণ্ডবিধিতে “মিথ্যা ষড়যন্ত্র” নামে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধ নেই, এবং এই ঘটনা ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
- অর্থাৎ ‘D’-এর কাজ ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে, তাই এটি কোনো অপরাধ নয়। সঠিক উত্তর হলো ঘ) কোনো অপরাধ নয়।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 499-Defamation:
Imputation made in good faith by person for protection of his or other’s interests
Ninth Exception.-It is not defamation to make an imputation on the character of another, provided that the imputation be made in good faith for the protection of the interest of the person making it, or of any other person, or for the public good.
Illustrations:
(a) A, a shopkeeper, says to B, who manages his business-"Sell nothing to Z unless he pays you ready money, for I have no opinion of his honesty.” A is within the exception, if he has made this imputation on Z in good faith for the protection of his own interests. 
(b) A, a Magistrate, in making a report to his own superior officer, casts an imputation on the character of Z. Here, if the imputation is made in good faith, and for the public good, A is within the exception.

১০,৮২৮.
দণ্ডবিধি অনুসারে দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখলে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে-
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 344: Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
১০,৮২৯.
কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ দেওয়া হলে, তিনি কী করবেন?
  1. অপরাধীকে তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার করবেন
  2. অপরাধীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবেন
  3. সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যেতে বলবেন
  4. সংবাদের সারাংশ লিখে তৎক্ষণাৎ তদন্ত শুরু করবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫৫- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্তঃ আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।

(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
১০,৮৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীনে আদালত কী নির্ধারণ করে?
  1. মালিকানা
  2. বিক্রয়মূল্য
  3. দখলের তারিখ
  4. প্রকৃত দখলদার
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
⇒ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
১০,৮৩১.
'অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ' এর ক্ষেত্রে সঠিক বিবৃতি কোনটি?
  1. শুধুমাত্র চূড়ান্ত ডিক্রির সময় এই আদেশ দেয়া হয়
  2. মোকদ্দমার চূড়ান্ত রায় হওয়ার পর এই আদেশ জারি করা হয়
  3. এই আদেশ চূড়ান্তভাবে পক্ষদ্বয়ের অধিকার নির্ধারণ করে
  4. মোকদ্দমা দায়ের এবং চূড়ান্ত রায় হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে এই আদেশ দেয়া যায়
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ [Ad-inerim Orders]:
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ হলো মোকদ্দমার কার্যক্রম চলমান থাকার সময়, আদালত কর্তৃক জারিকৃত আদেশ যে গুলো চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে পক্ষদ্বয়ের অধিকার এবং দায় নির্ধারণ করে না। মোকদ্দমা দায়ের পর এবং চূড়ান্ত রায়ের আগে, আদালত প্রয়োজনীয় অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিতে পারে। মোকদ্দমা দায়ের এবং চূড়ান্ত রায় হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে, আদালত মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের অধিকার রক্ষা করার জন্য, অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিতে পারে।

দেওয়ানী আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশসমূহ:
- আদালতে জমাদানের আদেশ;
- ব্যয়ের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ;
- কমিশন জারির আদেশ;
- রায়ের পূর্বে আটক আদেশ;
- রায়ের পূর্বে ক্রোক আদেশ;
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশ;
- অন্তবর্তীকালীন আদেশ;
- রিসিভার নিয়োগের আদেশ।
১০,৮৩২.
কোনটি এস্টোপেলের উপাদান নয়?
  1. এক ব্যক্তি কোন ঘোষণা, কর্ম অথবা কর্মবিরতি দ্বারা আপন কোন ব্যক্তিকে কোন কিছু বিশ্বাস করায়াছেন,
  2. এরূপ ঘোষণা, কর্ম অথবা কর্মবিরতি দ্বারা প্রভাবিত হইয়া অপরপক্ষ কোন কাজ করিয়াছেন,
  3. এরূপ ঘোষণা, কর্ম অথবা অথবা কর্মবিরতি দ্বারা প্রভাবিত ব্যক্তি প্রকৃত ঘটনা জানিতেন না, 
  4. ঘোষণা টি কোন আইন সম্পর্কে হতে পারে।
ব্যাখ্যা
⇒ প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর উপাদান: এস্টপেল কার্যকরী হতে হলে নিম্নলিখিত উপাদান থাকতে হবে-
ⅰ) যার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক কার্যকরী করতে চাওয়া হচ্ছে তিনি বা তার প্রতিনিধি কোন ঘোষনা বা কর্ম বিরতি করেছিলেন।
ii) কিন্তু পরে ঐ ব্যক্তি কিংবা তার প্রতিনিধি এমন কোন দাবী উত্থাপন করলেন যা তার পূর্ব বর্ণিত ঘোষনা বা কর্ম বিরতি প্রভৃতির পরিপন্থি।
iii) মূল ঘোষনা প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন।
iv) মূল ঘোষণা প্রভৃতির দ্বারা প্রতিবন্ধক উত্থাপনকারী পক্ষ কিছু করতে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
ⅳ) মূল ঘোষনা প্রভৃতি দ্বিতীয় ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধির নিকট করা হয়েছিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
⇒ এস্টপেল আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়। এস্টপেল সুস্পষ্ট হতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

⇒ আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

⇒ অর্থাৎ ঘোষণা টি কোন আইন সম্পর্কে হতে পারে না।
১০,৮৩৩.
'দোবারা সাজা মতবাদ' (Doctrine of Double Jeopardy) যে ল্যাটিন ম্যাক্সিমের উপর প্রতিষ্ঠিত, তা হলো:
  1. Nemo debet bis vexari pro uno delicto
  2. Nemo debet bis puniri pro uno delicto
  3. Nemo debet bis vexari pro duo delicto
  4. Nemo debet bis puniri pro duo delicto
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
⇒ 'দোবারা সাজা মতবাদ' (Doctrine of Double Jeopardy) এই ল্যাটিন ম্যাক্সিমের উপর প্রতিষ্ঠিত, যার অর্থ 'একই অপরাধের জন্য কাউকে দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না'। 
অর্থাৎ "Doctrine of Double Jeopardy" বা "দ্বিবার দণ্ড/দোবারা সাজা মতবাদ" যে ল্যাটিন নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো: "Nemo debet bis puniri pro uno delicto"
- এর অর্থ: "কেউ একই অপরাধের জন্য দুবার শাস্তি পাবে না" (No one shall be punished twice for one offence)
-এই নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদে এবং জেনারেল ক্লজ অ্যাক্টের ২৬ ধারায় প্রতিফলিত।

⇒ "Puniri" শব্দটি 'শাস্তি' বোঝায়, এবং "uno delicto" অর্থ 'একটি অপরাধ'।
- অন্যান্য অপশনগুলোতে "vexari" (যাতনা বা বিরক্তি) বা "duo" (দুটি) শব্দের ব্যবহার ভুল, যা মতবাদের মূল অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।অন্যান্য অপশনগুলির বিশ্লেষণ:
ক) Nemo debet bis vexari pro uno delicto - "কেউ একই অপরাধের জন্য দুবার উত্পীড়িত হবে না" (এটি সংশ্লিষ্ট কিন্তু সঠিক নয়)।
গ) Nemo debet bis vexari pro duo delicto - "কেউ দুইটি অপরাধের জন্য দুবার উত্পীড়িত হবে না" (ভুল)।
ঘ) Nemo debet bis puniri pro duo delicto - "কেউ দুইটি অপরাধের জন্য দুবার শাস্তি পাবে না" (ভুল)।

১০,৮৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানমতে নিঃসম্বল ব্যক্তি মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ২১ আদেশ মতে
  2. ২৫ আদেশ মতে
  3. ৩৩ আদেশ মতে
  4. ৩৪ আদেশ মতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৩ আদেশের বিধান মতে নিঃসম্বল ব্যক্তি মামলা দায়ের (Suit by Paupers] করতে পারে। যে ব্যক্তি মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারণ থাকে না, সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য হবে।
১০,৮৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় কী বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অপরাধ তদন্তের পদ্ধতি
  2. সাক্ষ্যগ্রহণের নিয়ম
  3. ফৌজদারি আপীল আদালতের প্রকারভেদ
  4. ফৌজদারি আপীল আদালতের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপীল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. আপীল খারিজ করতে পারে যদি আপীলের কোন কারণ না থাকে বা

২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে-
⇒ খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
⇒ অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
⇒ অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শান্তি দিতে পারে।

৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা পুনরায় আসামীকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তি কমাতে পারে ইত্যাদি

৪. দণ্ডবৃদ্ধির আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে বা আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে। 

৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
১০,৮৩৬.
যদি পক্ষগণ কোন ঘটনা মোকদ্দমার শুনানির সময়কালে স্বীকার করে নেয়, তবে তাদের সেই ঘটনাটি কি প্রমাণ করতে হবে?
  1. হ্যাঁ, প্রমাণ করতে হবে
  2. না, প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
  3. আদালত যদি মনে করে তবে প্রমাণ করতে হবে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
 
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।

Section-58- Facts admitted need not be proved:
No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:
Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
১০,৮৩৭.
ক্ষতিকর কাজ [Prejudicial Acts] হতে বিরত রাখার জন্য সরকার 'খ' কে বাংলাদেশ হতে অপসারিত হবার নির্দেশ দেয়। কিন্তু 'খ' এই আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে 'খ' কোন দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে
  2. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
  3. ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
  4. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩(১) ধারায় সরকার কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখার জন্য আটক করার এবং অপসারিত হওয়ার আদেশ উভয় ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং ৩(২) ধারায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র কোন ব্যক্তিকে আটক আদেশ দিতে পারে।

সরকার ২(চ) ধারায় উল্লেখিত যে কোন ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখার জন্য সরকার কোন ব্যক্তিকে আটক বা অপসারিত হওয়ার আদেশ দিতে পারে কিন্তু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ২(চ) ধারার (৩), (৪), (৫); (৬), (৭) বা (৮) দফায় উল্লেখিত ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখার জন্য শুধুমাত্র আটক আদেশ দিতে পারে।

৩(৫) ধারায় উল্লেখ আছে যে, ক্ষতিকর কাজ [Prejudicial Acts] হতে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখার জন্য সরকার বাংলাদেশ হতে সেই ব্যক্তিকে স্বয়ং অপসারিত হবার নির্দেশ দিলে এবং উক্ত ব্যক্তি এই আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে, তিনি ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
১০,৮৩৮.
একজন ব্যক্তি আদালতের তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক পরিচালিত জমির সীমানা নির্ধারণের তদন্তে মিথ্যা শপথ নেয়। এটি দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী কী অপরাধ?
  1. প্রতারণা
  2. অন্যায় প্ররোচনা
  3. আদালত অবমাননা
  4. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৯৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত তদন্ত কর্মকর্তার সামনে মিথ্যা শপথ গ্রহণ করেন, তাহলে এটি "মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান" (False Evidence) হিসেবে গণ্য হবে। কারণ, এই তদন্ত বিচারিক কার্যধারার একটি পর্যায় এবং এর অংশ হিসেবে দেওয়া মিথ্যা সাক্ষ্য আদালতে উপস্থাপনযোগ্য হতে পারে।

ধারা ১৯৩-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী
→ আদালতের নির্দেশে পরিচালিত কোনো তদন্ত বিচারিক কার্যধারার (Judicial Proceeding) অংশ হিসেবে গণ্য হবে, যদিও সেটি সরাসরি আদালতের সামনে না হয়।
→ যদি কেউ এই তদন্ত চলাকালীন মিথ্যা শপথ গ্রহণ করে, তবে তিনি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের সম্মুখীন হতে পারেন।
→ এটি প্রতারণা (ধারা ৪১৫) বা আদালত অবমাননা (Contempt of Court) নয়, বরং এটি বিচারিক কার্যধারায় মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করার অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

উদাহরণ:
→ একজন ব্যক্তি আদালত-নিযুক্ত তদন্ত কর্মকর্তার সামনে জমির সীমানা সম্পর্কে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে, তিনি ১৯৩ ধারার অধীনে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-193: Punishment for false evidence:
-Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation-1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation-2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation-3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.

Illustration:
A, in an enquiry before an officer deputed by a Court of Justice to ascertain on the spot the boundaries of land, makes on oath a statement which he knows to be false. As this enquiry is a stage of a judicial proceeding, A has given false evidence.
১০,৮৩৯.
পুলিশের তদন্ত ক্ষমতা সম্পর্কে নিচের কোন বাক্যটি সত্য?
  1. পুলিশ আমলঅযোগ্য মামলার তদন্ত ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই করতে পারবেন
  2. পুলিশ আমলযোগ্য মামলার তদন্ত করলে প্রদত্ত ক্ষমতার অধীন কৃত কাজ নিয়ে প্রশ্ন করা যাবে না 
  3. পুলিশ আমলযোগ্য মামলার সংবাদ পেলেই ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি নিয়ে তদন্ত করবেন
  4. বর্ণিত সবগুলো বাক্যই সত্য
ব্যাখ্যা
• যেকোন ব্যক্তি ২ টি উপায়ে ফৌজদারী মামলা দায়ের করতে পারে। তিনি কোন অপরাধ সংঘটন বিষয়ে থানায় পুলিশের নিকট সংবাদ প্রদান করতে পারে বা তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট গিয়ে নালিশ দায়ের করতে পারে। থানায় পুলিশের নিকট আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে পুলিশ ১৫৪ ধারার পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করা হলে ১৫৫ ধারা অনুসরণ করে।

• ১৫৪ ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেইস (FIR case) বা পুলিশ কেইস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত।আমলযোগ্য মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে। এ ধারার অধীন পুলিশ আমলযোগ্য মামলার তদন্ত করলে সেটির প্রসিডিংয়ে তার তদন্ত ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন করা যাবে না,যদি না তার ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কিছু করে। 

• অপরদিকে, ১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য অপরাধের ভিত্তিতে যে মামলা শুরু হয় তা  Non-Gr (Non-Registered) Case বা Non-FIR Case বা Non-Cognizable Case নামে পরিচিত।আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ১৫৫(২) ধারায় প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের নির্দেশ দিলে শুধুমাত্র তখনই পুলিশ তদন্ত করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারেনা।
১০,৮৪০.
Canons of Professional Conduct & Etiquette- এর চতুর্থ অধ্যায়ের বিষয়বস্তু কী?
  1. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  2. মক্কেলদের প্রতি আচরণ
  3. জনসাধারণের প্রতি আচরণ
  4. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
ব্যাখ্যা

Canons of Professional Conduct & Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় আছে। যথা-
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ।
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ।
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য।
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ।

১০,৮৪১.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায় বলপ্রয়োগের জন্য গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধকরণের পদ্ধতি কত উপায়ে করা যায়?
  1. দুটি উপায়ে
  2. তিনটি উপায়ে
  3. চারটি উপায়ে
  4. একটি উপায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায় বলপ্রয়োগের জন্য গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধকরণের তিনটি নির্দিষ্ট উপায় বর্ণনা করা হয়েছে:
১. নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে – সরাসরি শারীরিক শক্তি ব্যবহার করে।
২. কোনো বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে যাতে তার বা অন্য কারো অতিরিক্ত কাজ ছাড়াই গতি বা পরিবর্তন ঘটে।
৩. পশুকে চালিত করে গতি, গতির পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করা।
সুতরাং, বলপ্রয়োগের পদ্ধতি তিনটি উপায়ে করা যায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
---------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.

১০,৮৪২.
একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। এক্ষেত্রে, 'খ'-
  1. সম্পত্তি দখলে নিতে পারে
  2. ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে
  3. বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে
  4. বীমা পলিসি সংশোধন করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৯: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

(ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।

(খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বাতিলের আদেশ পেতে পারে।

(গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
 
(ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
১০,৮৪৩.
যদি 'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা, কিন্তু পরে দেখা যায় সে চোরাইমাল গ্রহণ করেছে, তাহলে ধারা ২৩৭ অনুযায়ী 'ক' কে-
  1. শুধু চুরির অভিযোগে দণ্ডিত করা হবে
  2. উভয় অপরাধের দণ্ড দেওয়া হবে
  3. চোরাইমাল গ্রহণের অভিযোগে চার্জ ছাড়া দণ্ডিত করা যাবে
  4. কোনো দণ্ড দেওয়া যাবে না
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে, অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে। ধারা ২৩৭ এ বলা আছে-
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য- প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবং এই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো, তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।

উদহারণ-
'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল। কিন্তু দেখা গেল যে, সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে। উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।

Section 237: When a person is charged with one offence, he can be convicted of another-
If, in the case mentioned in section 236, the accused is charged with one offence, and it appears in evidence that he committed a different offence for which he might have been charged under the provisions of that section, he may be convicted of the offence which he is shown to have committed, although he was not charged with it.

Illustration-
A is charged with theft. It appears that he committed the offence of criminal breach of trust, or that of receiving stolen goods. He may be convicted of criminal breach of trust or of receiving stolen goods (as the case may be) though he was not charged with such offence.

১০,৮৪৪.
আদেশ-৯ বিধি-৪ অনুযায়ী, মোকদ্দমা খারিজ হলে বাদী কী করতে পারেন?
  1. আপিল করতে পারেন
  2. মামলাটি স্থগিত করতে পারেন
  3. নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ৪: বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে কিংবা আদালত কোন মোকদ্দমা পুনরায় চালু করতে পারবে:
উপরোক্ত ২ অথবা ৩ বিধি অনুযায়ী মোকদ্দমা খারিজ হলে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে; কিংবা খারিজের আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারবে; উক্ত ক্ষেত্রে বাদী যদি আদালতের সন্তুষ্টিক্রমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোর্ট ফি কিংবা সমন জারির ডাক মাশুল (যদি লাগে) দিতে না পারার বা উপস্থিত হতে না পারার যথেষ্ট কারণ দর্শাতে পারে, তবে আদালত মোকদ্দমার খারিজ রদের আদেশ দান করবে এবং মোকদ্দমার কার্যপদ্ধতি পরিচালনার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবে।

⇒ যদি আদেশ-৯ বিধি-২ বা বিধি-৩ অনুযায়ী কোনো মোকদ্দমা খারিজ হয়ে যায়, তবে বাদী তামাদি আইনের শর্তসাপেক্ষে নিম্নলিখিত দুটি পদক্ষেপ নিতে পারেন—
- নতুন মোকদ্দমা দায়ের করা;
- মোকদ্দমা খারিজের আদেশ রদের আবেদন করা।

বাদী যদি যথাযথ কারণ দেখাতে পারেন যে-
- নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোর্ট ফি বা সমন জারির ফি দিতে পারেননি, অথবা
- আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি,

এবং আদালত যদি এই কারণগুলো যথেষ্ট বলে মনে করে, তাহলে-
- আদালত মোকদ্দমা পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন;
- নতুন শুনানির জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন।
১০,৮৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটকে অতিরিক্ত ক্ষমতা (Additional powers) কে প্রদান করতে পারেন? 
  1. সরকার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরোক্ত সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৭-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে তার সাধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত (Additional powers) চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ:
১. সরকার (Government) - যেকোনো বিচারিক (Judicial) বা নির্বাহী (Executive) ম্যাজিস্ট্রেটকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দিতে পারেন।
২. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate) - বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদের (Judicial Magistrate) ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
৩. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (District Magistrate) - নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের (Executive Magistrate) ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
- প্রথম প্রভিসো: সরকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমতা দিতে পারেন যে, তিনি তার অধীনস্থ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সরকারের পক্ষ থেকে চতুর্থ তফসিলের যেকোনো ক্ষমতা প্রদান করতে পারবেন।
- দ্বিতীয় প্রভিসো: কোনো বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটকে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ বাধ্যতামূলক।

যেহেতু সরকার, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট—এই তিন কর্তৃপক্ষই নির্দিষ্ট শর্তে এবং ক্ষেত্রমতো ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন, তাই সঠিক উত্তর "উপরোক্ত সবাই"।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 37. Additional powers conferrable on Magistrates.
In addition to his ordinary powers, any Judicial or Executive Magistrate may be invested by the Government or the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate, as the case may be, with any powers specified in the schedule IV: 
Provided that, the Government may authorize a District Magistrate to invest any Executive Magistrate subordinate to him with any of its powers specified in the schedule IV: 
Provided further that any Judicial Magistrate may be invested with such additional powers in consultation with the High Court Division.

১০,৮৪৬.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারানুযায়ী, নিচের কোনটি আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. কারো গায়ে ধাক্কা দেওয়া
  2. শুধুমাত্র মৌখিক গালিগালাজ করা
  3. কারো দিকে মুষ্টি উত্তোলন করে তাকানো
  4. হঠাৎ করে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান- আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:
কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না।
কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার ব্যাখ্যায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—
"কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না।"
অর্থাৎ, যদি কেউ শুধুমাত্র গালিগালাজ করে বা মৌখিকভাবে হুমকি দেয় কিন্তু কোনো শারীরিক অঙ্গভঙ্গি বা আক্রমণাত্মক প্রস্তুতি না নেয়, তবে তা "আক্রমণ" হিসাবে গণ্য হবে না। তবে যদি ঐ কথাগুলোর সাথে এমন অঙ্গভঙ্গি থাকে যা অপরের মনে ভয় সৃষ্টি করে (যেমন: ঘুষি মারার ভঙ্গি, অস্ত্র প্রদর্শন), তাহলে সেটি আক্রমণ হিসেবে পরিগণিত হতে পারে।
১০,৮৪৭.
ফৌজদারী কার্যবিধি এর ৩৩ক ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট এর সর্বোচ্চ ক্ষমতা কী?
  1. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ন্যূনতম ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন
১০,৮৪৮.
যেসকল দলিলাদি লিখিত জবাব দাখিলের সময় বিবাদীর দাখিল করার প্রয়োজন ছিল কিন্তু দাখিল করেনি, উক্ত দলিলসমূহ বিবাদী-
  1. পরবর্তীতে দাখিল করতে পারবে না
  2. পরবর্তীতে দাখিল করতে পারবে
  3. ব্যতিক্রম প্রেক্ষাপটে আদালতে অনুমতি নিয়ে দাখিল করতে পারবে
  4. ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৮ বিধি (১)-
যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
১০,৮৪৯.
নিম্নের কোন আইনে 'Doctrine of Representation' এর বিধান রয়েছে?
  1. পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩
  2. পারিবারিক আদালত বিধিমালা,২০২৩
  3. মুসলিম পরিবারিক আইন অধ্যাদেশ,১৯৬১
  4. মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন,১৯৩৯
ব্যাখ্যা
• মুসলিম পরিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ উত্তরাধিকার, বিবাহ রেজিস্ট্রি, বহুবিবাহ, তালাক, দেনমোহর ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত আইন।

এ আইনের ৪নং ধারায় উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী সংশোধন আনা হয়। মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে লা-ওয়ারিশ প্রথাকে বাতিল করা হয়। এ আইনে বলা হয়-
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার পূর্বে মৃত ব্যক্তির কোন পুত্র বা কন্যার মৃত্যু হলে, উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার সময় ঐ পুত্র বা কন্যার সন্তানাদি যদি জীবিত থাকে, তাহলে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা বণ্টনের সময় জীবিত থাকলে সে যে অংশ পেতো, তার সন্তানাদি সমষ্টিগতভাবে অনুরূপ অংশ পাবে।
যা 'Doctrine of Representation' নীতি নামে পরিচিত।

Section 4: Succession
In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.
১০,৮৫০.
১৪৪ ধারা কখন জারি করা হয়?
  1. নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশঙ্কা থাকলে
  2. দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা দেখা দিলে
  3. জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
(i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা।
(ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা।
(iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা।
(iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা।
(v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।
১০,৮৫১.
হানাফি আইন অনুযায়ী সর্বনিম্ন দেনমোহর কত হতে পারে?
  1. ৩ দিরহাম
  2. ১০ দিরহাম
  3. ২০ দিরহাম
  4. কোন সর্বনিম্ন পরিমাণ নেই
ব্যাখ্যা
- Fixed dower বা নির্ধারিত দেনমোহরের ক্ষেত্রে দেনমোহর নির্ধারিত থাকে। অন্য দিকে proper dower বা যথার্থ দেনমোহরের ক্ষেত্রে দেনমোহর নির্ধারিত থাকে না।
- কুরআনে দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি। দেনমোহরের পরিমাণ কত হবে তা নিয়ে বিভিন্ন মাযহাবে মতানৈক্য রয়েছে।
- হানাফি আইন অনুসারে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমান ১০ দিরহাম বা সাত মিসকাল পরিমাণ রৌপ্য।
- মালিকি মতবাদ অনুসারে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণ ৩ দিরহাম।
- শাফেয়ি এবং শিয়া আইনে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণের উল্লেখ নেই। তবে কোনো মাযহাবে। দেনমোহরের সর্বোচ্চ পরিমাণ নিয়ে কিছু বলা নেই।
- বিবাহের চুক্তিতে যদি এমন কোনো শর্ত থাকে যে, দেনমোহর পরিশোধ করা হবে না, তাহলে সেক্ষেত্রে সে শর্তটি বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে সে কারণে বিবাহটি অবৈধ হবে না।
১০,৮৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৫ (৮) অনুযায়ী, যদি উভয় পক্ষ আপসযোগ্য মামলায় আপসের জন্য একমত হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি স্থগিত করবে
  2. আপসের প্রক্রিয়া সহজতর করবে
  3. মামলাটি বাতিল করবে
  4. অভিযুক্তকে জামিন দিবে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৪৫ (৮):
এই ধারায় যা কিছু উল্লেখ আছে তা সত্ত্বেও, যদি উভয় পক্ষ কোনো আপসযোগ্য মামলায় আপসের জন্য একমত হয়, তবে আদালত পক্ষগুলোর মধ্যে আপসের প্রক্রিয়া সহজতর করতে পারে বা বিষয়টি আইনি সহায়তা আইন, ২০০০ (২০০০ সালের আইন) এর অধীনে নিযুক্ত সংশ্লিষ্ট আইনি সহায়তা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে পারে, অথবা পক্ষগুলোর নিযুক্ত উকিলদের কাছে, অথবা যদি কোনো উকিল নিযুক্ত না থাকে, তবে পক্ষ বা পক্ষগুলোর নিজেদের কাছে আপসের জন্য পাঠাতে পারে। যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় যে পক্ষগুলোর মধ্যে এই আপসের জন্য একটি বৈধ চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে, তবে আদালত সেই চুক্তিটি রেকর্ডে সংরক্ষণ করতে পারে এবং চুক্তির শর্তাবলী বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করতে পারে, তবে এই বাস্তবায়ন যেন কোনো তৃতীয় পক্ষের অধিকার বা স্বার্থের ক্ষতি না করে।

ব্যাখ্যা: এই উপ-ধারার উদ্দেশ্যে, “পক্ষ” বলতে সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের বোঝায় যারা আইনানুগভাবে অপরাধের আপস করতে পারে এবং অভিযুক্ত।

১০,৮৫৩.
'ক'-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। 'ক' যদি ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে, তাহলে তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মচারীর আদেশ অনুযায়ী হাজির হতে আইনত বাধ্য হন এবং তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে গরহাজির থাকেন, তবে তার জন্য নির্ধারিত শাস্তি নির্ভর করে আদেশের ধরন ও উৎসের ওপর।
→ সাধারণ ক্ষেত্রে (অর্থাৎ, আদালত ব্যতীত অন্য কোনো সরকারি কর্মচারীর আদেশ লঙ্ঘন করলে):
- সর্বোচ্চ ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড।
→ কিন্তু যদি আদেশটি কোনো আদালতে হাজির হওয়ার জন্য হয়:
- অর্থাৎ, যদি সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ পেয়ে গরহাজির থাকেন, তবে শাস্তি হবে—
-  ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা উভয় দণ্ড।

→ এখানে প্রশ্নে উল্লেখ আছে যে, ‘ক’-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য সমন দিয়েছেন, কিন্তু সে ইচ্ছাকৃতভাবে গরহাজির থাকে।
- যেহেতু এটি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ সংক্রান্ত, তাই ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রযোজ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত: কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১০,৮৫৪.
ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল মামলার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে বাধ্য থাকবে?
  1. ৬০ দিনের মধ্যে
  2. ৯০ দিনের মধ্যে
  3. ১৮০ দিনের মধ্যে
  4. ৩৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 ধারা ১৪৫ক: ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল (Land Survey Tribunal) – 
(১) সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এমন সংখ্যক ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে যা ধারা ১৪৪ অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ সংশোধিত রেকর্ড অব রাইটসের চূড়ান্ত প্রকাশনার ভিত্তিতে উদ্ভূত মামলাসমূহ নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজন হবে।

(২) সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা যেকোনো ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন এলাকার সীমা নির্ধারণ বা পরিবর্তন করতে পারবে।

(৩) সরকার, সুপ্রীম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে যুগ্ম জেলা জজদের মধ্য থেকে নিয়োগ প্রদান করবে।

(৩ক) যতক্ষণ না (৩) উপধারার অধীনে কোনো বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত সরকার প্রত্যেক জেলায় একজন যৌথ জেলা জজকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত করতে পারবে।

(৩খ) (৩ক) উপধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত যৌথ জেলা জজকে এই ধারার অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক বলে গণ্য করা হবে।

(৩গ) প্রয়োজনে, সরকার এক বা একাধিক সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ-কে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে, যারা ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারক কর্তৃক স্থানান্তরিত মামলা নিষ্পত্তি করবেন।

(৪) ধারা ১৪৪ অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত রেকর্ড অব রাইটসের চূড়ান্ত প্রকাশনার ভিত্তিতে উদ্ভূত মামলাসমূহ ছাড়া অন্য কোনো মামলা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে গ্রহণযোগ্য হবে না।

(৫) যদি ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট মামলা কোনো দেওয়ানি আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে, তাহলে ট্রাইব্যুনাল স্থাপিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলাটি ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হবে।

(৬) যে কেউ চূড়ান্ত রেকর্ড অব রাইটস দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি প্রকাশের তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে অথবা ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে (যেটি পরবর্তীতে ঘটে) মামলা দায়ের করতে পারবেন।

(৭) যথাযথ কারণ দেখাতে পারলে, ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী এক বছর পর্যন্ত বিলম্ব মঞ্জুর করতে পারে।

(৭ক) ট্রাইব্যুনাল মামলার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে বাধ্য থাকবে।

(৮) ট্রাইব্যুনাল রেকর্ড অব রাইটস ভুল ঘোষণা করতে পারবে, সংশ্লিষ্ট অফিসকে সংশোধন করার নির্দেশ দিতে পারবে, এবং প্রয়োজনীয় অন্য যে কোনো আদেশ দিতে পারবে।
১০,৮৫৫.
‘A’ তার ঋণদাতাদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টন রোধ করার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে তার সম্পত্তি একজন ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করে, পর্যাপ্ত মূল্য ছাড়াই। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪২১ অনুসারে, যে কেউ অসাধুভাবে বা জালিয়াতিমূলকভাবে তার সম্পত্তি কোনো ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করে, গোপন করে, বা অপসারণ করে, পর্যাপ্ত মূল্য ছাড়াই, এবং এর মাধ্যমে তার ঋণদাতাদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টন রোধ করার উদ্দেশ্যে বা এমন সম্ভাবনা জেনে কাজ করে, সে এই অপরাধের জন্য দায়ী। এই অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। এখানে, ‘A’ অসাধুভাবে তার সম্পত্তি পর্যাপ্ত মূল্য ছাড়াই হস্তান্তর করেছে, যাতে ঋণদাতাদের মধ্যে বণ্টন রোধ করা যায়, যা ধারা ৪২১-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড।
- ‘A’-এর কাজ ধারা ৪২১-এর অধীনে জালিয়াতিমূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন হিসেবে গণ্য, এবং এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ২ বছরের কারাদণ্ড। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒The Penal Code, 1860- Section-421.Dishonest or fraudulent removal or concealment of property to prevent distribution among creditors:
- Whoever dishonestly or fraudulently removes, conceals or delivers to any person, or transfers or causes to be transferred to any person, without adequate consideration, any property, intending thereby to prevent, or knowing it to be likely that he will thereby prevent, the distribution of that property according to law among his creditors or the creditors of any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১০,৮৫৬.
একজন অ্যাডভোকেট সরকারি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করার সময় কী বাধ্যতামূলকভাবে জানাতে হবে?
  1. তিনি কেন মামলা পরিচালনা করছেন
  2. তিনি কোন পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করছেন
  3. তিনি কোন বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য
  4. কোন কিছু জানাতে বাধ্য নন
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, অধ্যায়-৪, বিধি-৬ অনুযায়ী, 
একজন অ্যাডভোকেট সরকারি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের সময় অবশ্যই তার পেশাগত পরিচয় প্রকাশ করতে বাধ্য। বিশেষত, তাকে অবশ্যই এটি জানাতে হবে যে, তিনি কোন পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
- অর্থাৎ, অ্যাডভোকেটকে তার পেশাগত অবস্থান পরিষ্কারভাবে জানাতে হবে, যাতে সরকারি কর্মকর্তা বা সংস্থা তার পক্ষের সম্পর্ক এবং প্রভাব সম্পর্কে অবগত থাকে।

বিধি-৬:
“An Advocate shall not communicate with, nor appear before, a public officer, board, committee or body, in his professional capacity, without first disclosing that he is an Advocate representing interests that may be affected by the action of such officer, board, committee or body.”
১০,৮৫৭.
পুলিশী তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-
  1. রিলিজ রিপোর্ট
  2. চার্জ শীট
  3. ফাইনাল রিপোর্ট
  4. ডিসচার্জ রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারায় অনুযায় ফাইনাল রিপোর্ট (Final Report): পুলিশ বা তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা খুঁজে না পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে (Discharge) অব্যাহতি করার সুপারিশ করে যে রিপোর্ট দেয়া হয় তা-ই হলো ফাইনাল রিপোর্ট চূড়ান্ত প্রতিবেদন। চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা ফাইনাল রিপোর্ট জমা দিলে ম্যাজিস্ট্রেট এটাকে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে। গ্রহণ করলে আসামিকে অব্যাহতি দিতে পারে অথবা প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় তদন্ত বা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে।
১০,৮৫৮.
অভিযোগকারীকে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুসারে পরীক্ষা করা হয়?
  1. ১৯০
  2. ১৯৯
  3. ২০০
  4. ২০৩
ব্যাখ্যা
♦ আদালতে অভিযোগ দায়ের করলে আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীকে ২০০ ধারার অধীনে অবশ্যই অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করবেন। এটি বাধ্যতামূলক।
১০,৮৫৯.
মৃত বাদী বা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার দরখাস্ত কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হয়?
  1. মৃত্যুর তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  2. পক্ষ সংক্রান্ত অভিযোগের তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  3. মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
  4. পক্ষ সংক্রান্ত অভিযোগের তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭৬
 
মৃত বাদী বা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত;
তামাদি- ৯০ দিন;
সময় গণনা শুরু- মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে।
১০,৮৬০.
'যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে'- সাক্ষ্য আইনে তাদেরকে বলা হয়?
  1. Factual question
  2. Common question
  3. Leading question
  4. Informative question
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারা- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
 
অর্থাৎ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
 
যেমন- প্রশ্ন: আপনার নাম কি 'ক'?
উত্তর: হ্যা, আমার নাম 'ক'। এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত রয়েছে। এটাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question.
১০,৮৬১.
মোকদ্দমার শুনানি মুলতুবি করে আদালত পরবর্তীতে যে দিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করে, সেই দিন পক্ষগণ হাজির হতে ব্যর্থ হলে, আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশের বিধান অনুসরণ করবে?
  1. আদেশ ৫
  2. আদেশ ৯
  3. আদেশ ১১
  4. আদেশ ১৩
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি-২ অনুযায়ী,
মোকদ্দমার শুনানি মুলতুবি করে আদালত পরবর্তীতে যে দিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করে, সেই দিন পক্ষগণ বা তাদের কোন এক পক্ষ হাজির হতে ব্যর্থ হলে, আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশ অনুযায়ী আদেশ দিতে পারে।

অর্থাৎ, যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় হাজির না হয় বা যদি শুধুমাত্র বাদী হাজির না হয় তাহলে মোকদ্দমা খারিজ করবে এবং বিবাদী হাজির না হলে একতরফা ডিক্রি দিবে বা আদালত যেমন মনে করে তেমন আদেশ দিতে পারবে। এই ক্ষেত্রে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ৯ আদেশে যে রকম প্রতিকার আছে তেমন প্রতিকার পাবে। অর্থাৎ বাদী হলে মোকদ্দমা খারিজ আদেশ বাতিলে আবেদন করতে পারবে বা বিবাদী হলে একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করবে বা আপীল করতে পারবে।
১০,৮৬২.
কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকলে কী হবে?
  1. অভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ
  2. ভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন কিন্তু অপরাধ একই সাথে আমলে গ্রহণ
  3. অভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ একইসাথে আমলে গ্রহণ
  4. ভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৫- পুলিশ রিপোর্ট (investigation report) বা অনুসন্ধান প্রতিবেদন (inquiry report) বা তদন্ত প্রতিবেদন (enquiry report) পৃথকভাবে প্রস্তুত ও আমলে গ্রহণ

(১) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকিলে, পুলিশ রিপোর্ট (জি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা ক্ষেত্রমত, অনুসন্ধান প্রতিবেদন (সি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুত করিয়া দাখিল করিতে হইবে। 

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু কর্তৃক একত্রে সংঘটিত কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে তাহাদের অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ করিতে হইবে
১০,৮৬৩.
'The seat of Parliament shall be in _________.'
  1. Dhaka
  2. the capital
  3. the middle of Bangladesh
  4. the capital of Bangladesh
ব্যাখ্যা
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh - Article 65. Establishment of Parliament:
(1) There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic:
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect. 
(2) Parliament shall consist of three hundred members to be elected in accordance with law from single territorial constituencies by direct election and, for so long as clause (3) is effective, the members provided for in that clause; the members shall be designated as Members of Parliament. 
 (3) Until the dissolution of Parliament occurring next after the expiration of the period of twenty five years beginning from the date of the first meeting of the Parliament next after the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Seventeenth Amendment) Act, 2018, there shall be reserved fifty seats exclusively for women members and they will be elected by the aforesaid members in accordance with law on the basis of procedure of proportional representation in the Parliament through single transferable vote : 
Provided that nothing in this clause shall be deemed to prevent a woman from being elected to any of the seats provided for in clause (2) of this article.
(3A) For the remaining period of the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Fifteenth Amendment) Act, 2011, Parliament shall consist of three hundred members elected by direct election provided for in clause (2) and fifty women members provided for in clause (3).
(4) The seat of Parliament shall be in the capital.
১০,৮৬৪.
অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য নূন্যতম বয়স সীমা-
  1. ১৮ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অন্যূন বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।
 
⇒ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করতে হবে:
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যারিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
-----------------
⇒ Qualifications to become a lawyer of the Subordinate Court:
-According to article 27 of The Bangladesh Legal Practitioner’s and Bar Council Order, 1972, a person shall be qualified to be admitted as an advocate if he fulfills the following conditions, namely:-
 
-The Person must be a citizen of Bangladesh;
- He must complete the age of twenty-one years;
- (i) He had obtained a degree in law from any university situated within the territory which forms part of Bangladesh; or
[Note: 4-years LL. B (Hon’s) or 2 years LL.B pass the course (must have completed before 2018 because now these 2 years pass the course is not allowed anymore) from any approved university of Bangladesh]
- (ii) Any similar foreign course can be accepted with the clear permission given by the Bangladesh Bar Council; or
- (iii) A bachelor’s degree in law from any university outside Bangladesh recognized by the Bar Council;
-The applicant has to undergo pupilage for a period of 6 (six) months under a practicing Advocate of at least 10 years standing in the profession;
- He has passed such examination as may be prescribed by the Bar Council;
- He has paid such enrolment fee and fulfills such other conditions as may be specified in the rules made by the bar council.
১০,৮৬৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর অধীনে অনূর্ধ্ব কত দিনের জন্য লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস সাময়িকভাবে স্থগিত করা যেতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ধারা ১৭- লাইসেন্স, ইত্যাদি সাময়িকভাবে স্থগিতকরণ:
(১) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস প্রদানকারী কোনো অফিসারের নিকট যদি ইহা প্রতীয়মান হয় যে তৎকর্তৃক প্রদত্ত কোনো লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের শর্তাবলি যথাযথভাবে পালন করা হইতেছে না, তাহা হইলে উক্ত অফিসার লিখিত আদেশ দ্বারা এই আইনের অধীন অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ সাপেক্ষে লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস অনূর্ধ্ব ৬০ (ষাট) দিনের জন্য সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে পারিবে। 

(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশের দ্বারা সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে- 
(ক) আদেশটি যদি মহাপরিচালকের অধস্তন কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে মহাপরিচালকের নিকট আপিল করিতে পারিবে; এবং 
(খ) আদেশটি যদি মহাপরিচালক কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে সরকারের নিকট আপিল করিতে পারিবে। 

(৩) উপ-ধারা (২)-এ উল্লিখিত আপিল কর্তৃপক্ষের রায় চূড়ান্ত হইবে এবং উহার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে মামলা দায়ের করা যাইবে না।
১০,৮৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৩ অনুযায়ী, যখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতায় থাকে, তখন মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন কোথায় করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  2. উক্ত আপিল আদালতে
  3. আপিল বিভাগে
  4. জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা

 দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

১০,৮৬৭.
অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে-
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. অভিযোগকারী
  3. অভিযুক্ত
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১৭ক(১) ও ৪১৭ক(২) অনুসারে অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে পাবলিক প্রসিকিউটর এবং অভিযোগকারী উভয়ই আপীল দায়ের করতে পারে।
১০,৮৬৮.
নির্বাচনে ঘুষখোরীর শাস্তি কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ১৭১ক
  2. ১৭১ঙ
  3. ১৭১জ
  4. ১৭১
ব্যাখ্যা
• ১৭১ঙ ধারা মতে নির্বাচনে ঘুষখোরীর শাস্তি অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। তবে আপ্যায়ন কর্তৃক ঘুষখোরীর অপরাধ হলে কেবল অর্থদণ্ড দণ্ডিত করা হবে।
১০,৮৬৯.
'A' sells a field to 'B'. There is a right of way over the field of which 'A' has direct personal knowledge, but which he conceals from 'B'. In this case-
  1. 'A' is entitled to have the contract specifically enforced
  2. 'B' is entitled to have the contract rescinded
  3. 'B' is entitled to have the contract specifically enforced
  4. None of above
ব্যাখ্যা
• 'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার ছিল যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তিটি রদ করার অধিকারী

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়-

লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
 
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়; 
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।
 
যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
 
একই ক্ষেত্রে, আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।
 
Section 35- When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 
 
When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 
 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 
 
Illustrations 
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.
১০,৮৭০.
নিম্নের কোন মোকদ্দমাটি দেওয়ানি প্রকৃতির?
  1. ঋণ উদ্ধারের অধিকার
  2. স্বত্ব ঘোষণার
  3. সরকারী কর্মকর্তার বকেয়া বেতন উদ্ধারের অধিকার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৯ অনুযায়ী নিষেধ না থাকলে আদালত সকল প্রকার দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করবেন।
এই আইনে বর্ণিত বিধান সাপেক্ষে এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ না থাকলে সকল প্রকার দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আদালতের থাকবে।
একই ধারার ব্যাখায় বলা হয়েছে- যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সেই মোকদ্দমা দেওয়ানি প্রকৃতির।

• সুতরাং ৯ ধারায় নিম্নলিখিত ২ ধরনের অধিকার বিষয়ক মোকদ্দমাকে দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে-

১. সম্পত্তির অধিকার (right to property)- এই সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্পত্তি উদ্ধারের অধিকার বা ঋণ উদ্ধারের অধিকার বা সরকারী কর্মকর্তার বকেয়া বেতন উদ্ধারের অধিকার ইত্যাদি দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা বা হয় এমন মোকদ্দমা। 

২.
পদের অধিকার (right to office)- এই সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় এমন মোকদ্দমা ।
১০,৮৭১.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৪ ধারা কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. আবেদনের ক্ষেত্রে
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী-
এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় ব্যয়িত সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে।

শর্তসমূহ-
১. পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী উভয় মোকদ্দমার কার্যক্রম একই পক্ষগণ কর্তৃক দায়েরকৃত দেওয়ানী কার্যক্রম [Civil Proceedings] হতে হবে।
২. বাদী পূর্ববর্তী মামলার কার্যক্রমটি যথাবিহিত যত্নের সাথে (With due diligence) এবং সরল বিশ্বাসে (good faith) পরিচালনা করেছে।
৩. আদালতের এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরুপ কারণে আদালত পূর্ববর্তী কার্যক্রমটি পরিচালনা করতে ক্ষমতাসম্পন্ন ছিল না, তখন এখতিয়ারবিহীন আদালতে উক্ত ব্যয়িত সময় তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে বাদ দিতে হবে।

১৪ ধারা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে-
১. মূল মোকদ্দমার (Suit) মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে;
২. যেকোন আবেদনের (Any application) মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে।
১০,৮৭২.
সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে সর্বাধিক বিরতির সীমা কতদিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের অধিবেশন:
(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।

(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহবান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
১০,৮৭৩.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে কেবল দলিল দাখিল করলেই কাউকে জেরা করা যাবে না?
  1. ১৪১ ধারায়
  2. ১৩৯ ধারায়
  3. ১৩৮ ধারায়
  4. ১৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ১৩৯ ধারায়
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৯ (Section 139) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
- “A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.”
- অর্থাৎ যদি কাউকে শুধু দলিল (document) আদালতে জমা দেওয়ার জন্য তলব করা হয়, এবং তিনি শুধু সেই দলিল উপস্থাপন করেন, তাহলে তিনি "সাক্ষী" হিসেবে গণ্য হবেন না।
- তাই, তাকে জেরা (cross-examination) করা যাবে না, যতক্ষণ না তাকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে ডাকা হয় এবং শপথ নিয়ে জবানবন্দি নেওয়া হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ – ধারা ১৩৯: দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তির জেরা:
কোনো ব্যক্তি যদি কেবলমাত্র একটি দলিল উপস্থাপন করার জন্য তলব করা হয়, তাহলে শুধুমাত্র সেই দলিল উপস্থাপনের মাধ্যমে তিনি সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবেন না এবং তাকে জেরা করা যাবে না, যতক্ষণ না তাকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে ডাকা হয় এবং সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

⇒ The Evidence Act, 1872-Section-139. Cross-examination of person called to produce a document:
- A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.
১০,৮৭৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারা অনুসারে কোন ধারাগুলোর অধীনে চুক্তির আংশিক কার্যসম্পাদন সম্ভব?
  1. ধারা ১০, ১১, ১২
  2. ধারা ১৪, ১৫, ১৬
  3. ধারা  ১৭, ১৮, ১৯
  4. ধারা ২০,২১, ২২
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৭, অন্যান্য ক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা: পূর্ববর্তী তিনটি ধারার (১৪,১৫,১৬) যে কোনোটির আওতাধীন ক্ষেত্রসমূহ ব্যতীত অন্য কোনো ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিবে না।
সুতরাং, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র ১৪, ১৫, ১৬ ধারার অধীন চুক্তির আংশিক কার্য সম্পাদন সম্ভব।
--------------
The specific Relief Act, Section 17, Bar in other cases of specific performance of part of contract: The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.

১০,৮৭৫.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ অনুযায়ী, যদি কোন আইন বা বিধিতে জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান না থাকে, তবে কোন পদ্ধতিতে জরিমানা আদায় হবে?
  1. নতুন নিয়ম অনুযায়ী স্বতন্ত্রভাবে
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী 
  4. সংশ্লিষ্ট আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act,1897: ধারা ২৫: জরিমানা আদায়:
যে কোন আইন, বিধি (Regulation), নিয়ম বা উপ-নিয়ম (bye-law) অনুযায়ী আরোপিত জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে, যদি সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি বা নিয়মে এ বিষয়ে বিশেষভাবে অন্য কিছু বলা না থাকে, তবে তখন বর্তমানে প্রযোজ্য দণ্ডবিধি (Sections 63–70) এবং ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুযায়ী জারি ও কার্যকরীকরণের বিধান প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ, সাধারণ নিয়মে জরিমানা আদায়ে দণ্ডবিধি ও দণ্ডবিধি কার্যবিধির বিধানগুলো প্রযোজ্য থাকবে, যতক্ষণ না কোনো আইন বা নিয়মে এর বিপরীত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকে।

১০,৮৭৬.
Evidence(amendment) Act, 2022 দ্বারা সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় নিম্নলিখিত কোন সাক্ষ্যটি নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য 
  2. দালিলিক সাক্ষ্য 
  3. ফরেনসিক সাক্ষ্য 
  4. পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য 
ব্যাখ্যা

Evidence(amendment) Act, 2022 দ্বারা সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় ফরেনসিক সাক্ষ্যকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য" (Physical or Forensic Evidence) বলতে এমন উপাদান বা বস্তু বোঝায় যা রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, আইরিস ইমপ্রেশন, শরীরের উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ ইত্যাদি, যা (i) প্রতিষ্ঠা করে যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা অপরাধ এবং ভুক্তভোগীর মধ্যে অথবা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
এবং (ii) কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ করে।
----------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section-3(3): All materials or objects relating to blood, semen, hair, all body material, organ or part of organ, Deoxyribo Nucleic Acid (DNA), finger impression, palm impression, iris impression and foot print or any other similar material or object which may- (i) establish that an offence has been committed or establish a link or relation between an offence and its victim or an offence and its offender; and
(ii) prove or disprove a fact.

১০,৮৭৭.
দেওয়ানী আদালত The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন বিধান অনুযায়ী একটি দলিল impound করতে পারেন?
  1. Order XI, rule 18
  2. Order XII, rule 8
  3. Order XIII, rule 8
  4. Order VII, rule 17
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৩ বিধি-৮ এর বিধান: আদালত কোন দলিল আটক করার আদেশ দিতে পারে: এই আদেশের ৫ কিংবা ৭ বিধি অথবা ৭ম আদেশের ১৭ বিধিতে কোন বিধান নিহিত থাকা সত্ত্বেও আদালত যদি পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে বলে মনে করেন, তবে আদালত যথার্থ মনে করে এরূপ সময়ের জন্য এবং শর্ত সাপেক্ষে মোকদ্দমায় ইহার সম্মুখে পেশকৃত কোন দলিল বা বহি আটক করার এবং আদালতের কোন অফিসারের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারে।
------------------
Rule.-8: Court may order any document to be impounded.- Notwithstanding anything contained in rule 5 or rule 7 of this Order or in rule 17 of Order VII, the Court may, if it sees sufficient cause, direct any document or book produced before it in any suit to be impounded and kept in the custody of an officer of the Court, for such period and subject to such conditions as the Court thinks fit. 
১০,৮৭৮.
আদালতের অনুমতি ব্যতীত বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে, উক্ত বাদী আদেশ ২৩ বিধি-১ অনুসারে -
  1. দণ্ডিত হবে
  2. মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে
  3. মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে না
  4. মামলা পুনরায় রুজু করতে পারবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৩ বিধি-১: মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট এটি সন্তোষজনক হয় যে,-
ক) কিছু রীতিসিদ্ধ ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে; অথবা
খ) মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর জন্য বা কোন দাবীর অংশের জন্য নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজুর জন্য বাদীকে অনুমতি প্রদান করার অন্যান্য যথেষ্ট অজুহাত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বাদীকে উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা কোন বাদীর উক্ত অংশ সম্পর্কে নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজু করার স্বাধীনতাসহ উক্ত মোকদ্দমা থেকে প্রত্যাহার করার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে উপবিধি (২) এ দায়েরে অনুমতি ব্যতীত বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করে সেক্ষেত্রে সে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা আংশিক দাবী সম্পর্কে নতুনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করতে বারিত হবে।

৪) এই বিধির কোন কিছুই আদালতকে কতিপয় বাদীর মধ্যে থেকে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতীত মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
১০,৮৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী, নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না?
  1. দায়রা আদালত কর্তৃক ২ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হলে
  2. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ৬০০০ টাকা জরিমানা করা হলে
  3. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ৪০০০ টাকা জরিমানা করা হলে
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী দায়রা আদালত যদি সর্বোচ্চ ১ মাস কারাদণ্ড দেয়, অথবা দায়রা আদালত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট যদি সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকা জরিমানা করে, তাহলে সেই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
- এক্ষেত্রে ৪০০০ টাকা জরিমানা ৫০০০ টাকার নিচে, তাই আপিল অযোগ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০০০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding five thousand Taka only. 
Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
১০,৮৮০.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জনগণের পক্ষে ক্ষমতার প্রয়োগ কীভাবে কার্যকর হবে?
  1. সংসদের সিদ্ধান্তে
  2. রাষ্ট্রপতির নির্দেশে
  3. প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনে
  4. সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৭ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে। অর্থাৎ, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি হিসেবে সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তবে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
-----------
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ বিধানের প্রাধান্য:
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে।
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।
১০,৮৮১.
মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল কি?
  1. অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal)
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি (Release)
  3. অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge)
  4. অভিযোগকারীকে শাস্তি (Punishment)
ব্যাখ্যা
• চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস [Acquittal] দিবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।
[If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.]

• অপরদিকে, ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি  (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।
১০,৮৮২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের বিধান প্রযোজ্য হবে-
  1. লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে
  2. লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রে
  3. অলিখিত চুক্তির ক্ষেত্রে
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল ও
ii) লিখিত চুক্তি।
 
⇒ ৩ কারণে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হইলে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
--------------
SR Act-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
১০,৮৮৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতকে মামলা শুনানির যে কোন পর্যায়ে সাক্ষীকে তলব করার ক্ষমতা দেওয়া আছে?
  1. ৫৪০ ধারায়
  2. ৫৬০ ধারায়
  3. ৫৬৪ ধারায়
  4. ৪৯৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ ধারায় বলা হয়েছে যে, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে কোন আদালত যে কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে সমন করতে পারবেন, বা সাক্ষী হিসেবে সমন করা না হলেও উপস্থিত যে কোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন বা পূর্বে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে, তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারেন।
-----------
CrPC Section- 540. Power to summon material witness or examine person present:

- Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
১০,৮৮৪.
The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় 'Advocate' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৩(২ক)
  2. ৩(২)
  3. ৩(৩ক)
  4. ৩(৪)
ব্যাখ্যা
• Section 3(2a) of The General Clauses Act,1897-

"Advocate" means a person enrolled as such under the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972.
১০,৮৮৫.
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (inherent power) আছে কত ধারায়?
  1. ৫৬০ ধারায়
  2. ৫৬১এ ধারায়
  3. ৪৯৮ ধারায়
  4. ৫৬৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১এ ধারার বিধান হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণঃ এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য, বা কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য বা অন্য কোন ভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন আদেশ প্রদানের নিমিত্ত হাইকোর্ট বিভাগের যে সহজাত ক্ষমতা আছে এই বিধির কোন কিছু তা সীমাবদ্ধ বা ক্ষুণ্ন বা প্রভাবিত করবে বলে অভিহিত করা যাবে না।

♦CrPC section 561A. Saving of inherent power of High Court Division: Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
১০,৮৮৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে-
  1. দণ্ডমূলক আইনের অধীন প্রতিকারে
  2. নিষেধাত্মক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকারে
  3. চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকারে
  4. ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন প্রতিকারে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারামতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
i) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকারে, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন প্রতিকারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
 ⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

 ⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)
 ⇒ অর্থাৎ নিষেধাত্মক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে।
 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ঘ) ধারার বিধান অনুযায়ী আদলত ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্য কোনভাবে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ এবং ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দিতে পারে।
অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেনা। সুতরাং আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়।
 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে।
অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

 ⇒  সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার। অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
১০,৮৮৭.
দেওয়ানী মোকদ্দমা মিথ্যা ও বানোয়াট প্রমাণ হলে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচা আরোপ করতে পারে?
  1. ৫০,০০০/- টাকা
  2. ৫০০০/-টাকা
  3. ২০,০০০/-টাকা
  4. ১০,০০০/- টাকা
ব্যাখ্যা

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারা অনুযায়ী, কোনো পক্ষ যদি মিথ্যা বা উৎপীড়নমূলক মামলা দায়ের করে, তাহলে আদালত প্রতিপক্ষকে ক্ষতিপূরণ বাবদ নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।
- আগে এই সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল “twenty” অর্থাৎ ২০ হাজার টাকা, কিন্তু— দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী, ৩৫A ধারার উপ-ধারা (১)-এ “twenty” শব্দের পরিবর্তে “fifty” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
অর্থাৎ এখন সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত ধার্য করা যেতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান: মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি বা আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
১) যদি কোন মোকদ্দমা অথবা জারির কর্মপদ্ধতিসহ অন্য কার্যক্রমে, কিন্তু আপিলে নয়, কোন পক্ষ দাবিতে অথবা জবাবে এই জন্য আপত্তি প্রদান করে যে, দাবি কিংবা জবাব, অথবা উহার কোন পার্ট, মিথ্যা বা বিরক্তিকর, এবং তৎপরবর্তীতে ঐরূপ দাবি কিংবা জবাবকে মিথ্যা অথবা বিরক্তিকর হিসাবে ধারণা প্রদান করার কারণ লিপিবদ্ধ করার পর ক্ষতিপূরণ হিসাবে আপত্তিকারীকে খরচা প্রদান করার আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এতিয়ারের পরিসীমা অতিক্রান্ত না করে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।

২) এই ধারার অধীন তাতে বর্ণিত কারণে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে ঐ দাবি কিংবা জবাব সম্পর্কে তাকে ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হবে না।

৩) মিথ্যা কিংবা বিরক্তিকর দাবি অথবা জবাবের নিমিত্তে উক্ত ধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত খরচার পরিমাণ পরবর্তী খেসারত অথবা ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ঐরূপ দাবি অথবা জবাব সম্পর্কে বিবেচনায় রাখতে হবে।

⇒ আগে মামলা-মোকদ্দমা অপ্রয়োজনে দায়ের করে হয়রানি করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারত। বর্তমানে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে আদালত ৫০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 35A. Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences.
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto fifty thousand taka.
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him.
(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.

১০,৮৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৫-এর অধীনে তল্লাশী কার উপস্থিতিতে পরিচালিত হবে?
  1. সাক্ষীদের
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. অভিযোগকারীর
  4. পুলিশ কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৫ অনুসারে তল্লাশী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পরিচালিত হতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৫ ধারা- ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারেন:
যে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী অথবা বিচারিক, তিনি যে স্থানটির তল্লাশী করার জন্য উপযুক্ত, সেসব স্থানে তল্লাশী করার জন্য তিনি নিজের উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনা করার নির্দেশ দিতে পারেন।
-------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 105- Magistrate may direct search in his presence:
Any Magistrate, whether Executive or Judicial may direct a search to be made in his presence of any place for the search of which he is competent to issue a search-warrant.

১০,৮৮৯.
প্রত্যেকটি আপিল মেমোতে উল্লেখ থাকবে_____।
  1. ডিক্রির আপিলের প্রয়োজনীয়তা;
  2. ডিক্রির যুক্তিতর্ক এবং বর্ণনা;
  3. যুক্তিতর্ক এবং বর্ণনা ব্যতীত আপিলকৃত ডিক্রির আপত্তির কারণসমূহ;
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, এর আদেশ ৪১ বিধি ১ মতে:
-প্রত্যেকটি আপিল স্মারকলিপির আকারে আদালতে দাখিল করতে হবে। যে ডিক্রি বা রায় হতে আপিল করা হচ্ছে তার একটি নকল স্মারকলিপির সঙ্গে প্রদান করতে হবে।
- প্রত্যেক আপিল আপিলকারী বা তার উকিল দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে।
- যে ডিক্রি হতে আপিল করা হচ্ছে, সেই ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির কারণগুলি সংক্ষেপে এবং স্পষ্ট শিরোনামে ব্যাখ্যা করতে হবে এবং কারণগুলি ধারাবাহিক নম্বর যুক্ত হতে হবে।
- অর্থাৎ আপিল মেমোতে আপীলকৃত ডিক্রির আপত্তির কারণসমূহ যুক্তিতর্ক এবং বর্ণনা ব্যতীত সংক্ষেপে এবং স্বতন্ত্র শিরোণামে উল্লেখ থাকতে হবে।
--------------
CPC Order-41 Rule-1.Form of appeal. What to accompany memorandum:
(1) Every appeal shall be preferred in the form of a memorandum signed by the appellant or his pleader and presented to the Court or to such officer as it appoints in this behalf. The memorandum shall be accompanied by a copy of the decree appealed from and (unless the Appellate Court dispenses therewith) of the Judgment on which it is founded. 

- Contents of memorandum:
(2) The memorandum shall set forth, concisely and under distinct heads, the grounds of objection to the decree appealed from without any argument or narrative; and such grounds shall be numbered consecutively. 
১০,৮৯০.
দণ্ডবিধির ১৮০ ধারার অধীনে, কে বিবৃতি স্বাক্ষর করতে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. যেকোনো নাগরিক
  2. কোন আইনজীবী
  3. শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তা
  4. আইনানুগভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন সরকারী কর্মচারী
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৮০ ধারা: বিবৃতি স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি:
যদি কোন ব্যক্তি কোনও সরকারি কর্মচারীর দ্বারা আইনগতভাবে স্বাক্ষর করার জন্য বলা হয় এবং সে ব্যক্তি সেই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে তাকে তিন মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সরল কারাদণ্ড, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ড প্রদান করা হতে পারে।
১০,৮৯১.
"The Code of Criminal Procedure, 1898" কবে কার্যকরী হয়?
  1. ১ জুলাই, ১৮৯৮
  2. ১ জানুয়ারি, ১৮৯৮
  3. ১ অক্টোবর, ১৮৯৮
  4. ১ ডিসেম্বর, ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১(১) অনুসারে এটি ১ জুলাই, ১৮৯৮ থেকে কার্যকর হয়।
- সঠিক উত্তর: ক) ১ জুলাই, ১৮৯৮
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই আইনটি "The Code of Criminal Procedure, 1898" নামে পরিচিত হবে এবং এটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই থেকে কার্যকর হবে।
- "This Act may be called the Code of Criminal Procedure, 1898; and it shall come into force on the first day of July, 1898."

ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) (সংক্ষেপে বলা হয় CrPC)
- প্রস্তাবনা – ১টি
- খন্ড /ভাগ (Part) – ৯টি
- অধ্যায় (Chapter) – ৪৬টি
- ধারা (Section) – ৫৬৫ টি
- তফসিল (Schedule) – ৫ টি
- আইন নং – ৫ নং আইন (১৮৯৮ সালের)
- প্রকাশিত হয় (Published) – ২২ মার্চ ১৮৯৮ সালে
- কার্যকর হয় (Effected from) – ১ লা জুলাই ১৮৯৮ থেকে
- আইনের ধরণ – ফৌজদারী কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন।
- তবে ইহা নিছক/কেবলমাত্র পদ্ধতিগত আইন নহে, বরং ইহা মূল আইন ও পদ্ধতিগত আইনের সংমিশ্রন।
১০,৮৯২.
"Doctrine of Locus poenitentiae” এর সাথে জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর কোন ধারা সম্পর্কিত?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২১
  3. ধারা ২২
  4. ধারা ২৩
ব্যাখ্যা
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারায় 'Doctrine of Locus poenitentiae' আলোচনা করা হয়েছে। এর অর্থ- কোন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা।

ধারা-২১: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।

Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
১০,৮৯৩.
হানাফী মতবাদ অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে কয় শ্রেণির ব্যক্তি? 
  1. ৫ শ্রেণির
  2. ৪ শ্রেণির
  3. ২ শ্রেণির
  4. ৩ শ্রেণির
ব্যাখ্যা

⇒ হানাফী আইন অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) প্রয়োগের অধিকার মোট ৩ শ্রেণির ব্যক্তির আছে। এরা হলো: (১) শাফি-ই-শরিক (সহ-অংশীদার বা যৌথ মালিক), (২) শাফি-ই-খালিত (সুবিধাসমূহের অংশগ্রহণকারী, যেমন পথ চলাচলের অধিকারী), এবং (৩) শাফি-ই-জার (সংলগ্ন বা পার্শ্বর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক)। এই শ্রেণিগুলো অগ্রক্রয়ের অধিকারের ক্রমানুসারে প্রয়োগ হয়।

⇒ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
হানাফী আইন অনুযায়ী ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে।
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]

- শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik | হলো সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার। যেমন; 'ক' এবং 'খ' হলো 'ম' এর সন্তান। সুতরাং 'ম' এর সম্পত্তির যৌথ মালিক হলো 'ক' এবং 'খ'। যদি 'ক' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করে তাহলে 'খ' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আবার 'খ' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করলে, 'ক' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

- শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit] অর্থ হলো সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী (Participator in immunities]। এটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোন সুখাধিকার যেমন পথে চলাচলের অধিকার ইত্যাদিতে অধিকারী।

- শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar) অর্থ হলো সংলগ্ন বা পার্শবর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক (owners of adjoining immovable property)। হানাফী আইন অনুযায়ী যে ভূমি বিক্রয় হবে তার সংলগ্ন জমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

১০,৮৯৪.
সংবিধান অনুযায়ী শপথগ্রহণের পূর্বে কোনো নির্বাচিত ব্যক্তি সংসদ-সদস্যরূপে আসনগ্রহণ করলে প্রতি দিনের জন্য _____ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।
  1. ২০০
  2. ৫০০০
  3. ১০০০
  4. ৫০০
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৯ অনুচ্ছেদের বিধান: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড:
কোন ব্যক্তি এই সংবিধানের বিধান অনুযায়ী শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করিবার এবং শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবার পূর্বে কিংবা তিনি সংসদ-সদস্য হইবার যোগ্য নহেন বা অযোগ্য হইয়াছেন জানিয়া সংসদ-সদস্যরূপে আসনগ্রহণ বা ভোটদান করিলে তিনি প্রতি দিনের অনুরূপ কার্যের জন্য প্রজাতন্ত্রের নিকট দেনা হিসাবে উসুলযোগ্য এক হাজার টাকা করিয়া অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
---------------
⇒ Article 69 of The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: Penalty for member sitting or voting before taking oath:
 If a person sits or votes as a member of Parliament before he makes or subscribes the oath or affirmation in accordance with this Constitution, or when he knows that he is not qualified or is disqualified for membership thereof, he shall be liable in respect of each day on which he so sits or votes to a penalty of one thousand taka to be recovered as a debt due to the Republic.
১০,৮৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৪ কোন ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. দেওয়ানি অপরাধ
  2. আমলযোগ্য অপরাধ
  3. অ-আমলযোগ্য অপরাধ
  4. শৃঙ্খলাভঙ্গ সংক্রান্ত অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৪ প্রধানত আমলযোগ্য অপরাধ সম্পর্কিত। আমলযোগ্য অপরাধ হলো সেই ধরনের অপরাধ যার তদন্ত ও বিচার শুরু করার জন্য পুলিশ কর্তৃপক্ষের স্বাধীন ক্ষমতা থাকে এবং যেগুলোতে পুলিশ সরাসরি তদন্ত চালাতে পারে।
- এই ধারা অনুযায়ী, কোনো আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ (তথ্য) যদি পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিক বা লিখিতভাবে দেওয়া হয়, তাহলে তাকে তা লিপিবদ্ধ করতে হবে, সংবাদদাতাকে পড়ে শুনাতে হবে এবং তার স্বাক্ষর নিতে হবে। এই প্রক্রিয়া অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- অন্যদিকে, অ-আমলযোগ্য অপরাধ (Non-cognizable offences) বা দেওয়ানি অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ সাধারণত তদন্ত শুরু করতে পারে না পুলিশ সুপার বা উচ্চতর কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া, তাই ধারা ১৫৪ সরাসরি সেখানে প্রযোজ্য হয় না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
-Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
১০,৮৯৬.
কোনটি বার কাউন্সিলের কাজ নয় ?
  1. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
  2.  বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
  3. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা
  4. আইনগত সহায়তা প্রদান করা
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০ অনুসারে আইনগত সহায়তা প্রদান করা বার কাউন্সিলের কাজ নয়।

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০.অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
১১.উপরিউক্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় যাবতীয় অন্য সকল কার্যাবলী সম্পাদন করা

১০,৮৯৭.
কীভাবে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সংঘটিত হতে পারে?
  1. কোন অবৈধ কাজ করার সম্মতির মাধ্যমে
  2. কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার সম্মতির মাধ্যমে
  3. ক ও খ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ তথা কোন অবৈধ কাজ করার জন্য অথবা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার জন্য দুই বা ততোধিক ব্যক্তির সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বা Criminal Conspiracy বলে।
• ১২০ক ধারামতে ২ ভাবে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অপরাধ হতে পারে।
যথা:
(i) কোন অবৈধ কাজ করার জন্য সম্মতির মাধ্যমে
(ii) কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার সম্মতির মাধ্যমে
১০,৮৯৮.
ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সদাচরণের মুচলেকা দিতে পারেন কে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
  2. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
  3. ক অথবা খ।
  4. পুলিশ কর্মকর্তা।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১০৯ ধারা মোতাবেক ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সদাচরণের মুচলেকা দিতে পারেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
১০,৮৯৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারায় কয় ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ১ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ২ ধরণের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১। যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে, সেই আদালত;
২। যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালত।
 
Section 38- Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
১০,৯০০.
নিম্নে উল্লিখিত The Code of Criminal Procedure,1898 এর কোন ধারা মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. ধারা ৫৩৮
  2. ধারা ৫৩৯ক
  3. ধারা ৫৩৯খ
  4. ধারা ৫৩১
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ (সরেজমিনে পরিদর্শন)-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Sec 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost: