বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১০৩ / ১৫৫ · ১০,২০১১০,৩০০ / ১৫,৪৭০

১০,২০১.
সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হলে, স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস-
  1. সাতশত টাকা
  2. এক হাজার দুইশত টাকা
  3. এক হাজার আটশত টাকা
  4. দুই হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭৮খ এর বিধান বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:- ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:

(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাক হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা:
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা:
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা:
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।

অর্থাৎ সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হলে, স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস- এক হাজার দুইশত টাকা।
১০,২০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফশিলের কোন কলামে অপরাধটি আমলযোগ্য না আমল-অযোগ্য তা উল্লেখ থাকে?
  1. প্রথম কলাম
  2. তৃতীয় কলাম
  3. চতুর্থ কলাম
  4. পঞ্চম কলাম
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফশিলের তৃতীয় কলামে উল্লেখ থাকে যে অপরাধটি আমলযোগ্য (Cognizable) নাকি আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)। আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই সরাসরি গ্রেফতার করতে পারে এবং তদন্ত শুরু করতে পারে, যেখানে আমল-অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের কাছ থেকে পূর্বানুমতি নেওয়া প্রয়োজন। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফশিলে বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একটি সারণীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে মোট ৮টি কলাম রয়েছে। এই কলামগুলো বিচার প্রক্রিয়া, পুলিশি ক্ষমতা, জামিন, শাস্তি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়।
- ১ম কলামে উল্লেখ থাকে দণ্ডবিধির (Penal Code) কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধটি হয়েছে।
- ২য় কলামে লেখা থাকে সেই ধারার অধীনে অপরাধটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
- ৩য় কলামে বলা হয়, পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না, অর্থাৎ এটি আমলযোগ্য (Cognizable) না আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)।
- ৪র্থ কলামে বলা থাকে, প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে না ওয়ারেন্ট, তা নির্ধারণ করা হয়।
- ৫ম কলামে উল্লেখ থাকে অপরাধটি জামিনযোগ্য (Bailable) না জামিন-অযোগ্য (Non-bailable)।
- ৬ষ্ঠ কলামে বলা হয় অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কি না — অর্থাৎ ভুক্তভোগী চাইলেই কি সেটি মিটমাট করে নিতে পারে।
- ৭ম কলামে উল্লেখ থাকে সংশ্লিষ্ট ধারায় নির্ধারিত শাস্তির পরিমাণ।
- ৮ম তথা শেষ কলামে বলা হয়, সেই অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের আছে।

১০,২০৩.
বিচারিক দোষ স্বীকার [Judicial Confession] অর্থ হলো-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  2. অভিযোগকারীর নিকট দোষ স্বীকার
  3. তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার: কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-

i) Inculpatory Confessional Statement; ও

ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ আসামি নিজেকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Inculpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ আর আসামী নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বীকারোক্তিকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়, যথা-

i) বিচারিক (Judicial) স্বীকারোক্তি;

ii) বিচার বহির্ভূত (Extra-judicial) স্বীকারোক্তি; ও

iii) প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।

⇒ আসামী তার দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি যদি কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করে, তবে তাকে বলা হয় বিচারিক স্বীকারোক্তি।

⇒ আর তা যদি অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রদান করা হয়, তবে তাকে বলা হয় বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি।

⇒ এছাড়া দেখা যায়, আসামী প্রথমে বিচারিক বা বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি করার পর পরবর্তীতে তার ঐ পূর্বের স্বীকারোক্তি আদালতে অস্বীকার করছে। এটাকে বলা হয় প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।
১০,২০৪.
কোন স্বাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে-
  1. তার মর্যাদা পরীক্ষা
  2. তার ব্যক্তিত্বের ধরার পরীক্ষা
  3. ভিন্ন দাবী প্রতিষ্ঠা করা
  4. তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
ব্যাখ্যা
⇒ জেরার সংজ্ঞা (Cross- Examination)- আহবানকারী পক্ষের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে তাকে বলা হয় জেরা। অন্যভাবে বলা যায়, কোন সাক্ষী যে পক্ষের সাক্ষ্য দিতে আদালতে আসে, সে পক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের পর বিপরীত পক্ষ যে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাই জেরা বা Cross- Examination হিসেবে পরিচিত।
সাক্ষ্য আইনের ১৩৯, ১৪০, ১৪৩, ১৪৫, ১৪৬ ও ১৪৭ ধারায় জেরার বিধান রয়েছে।

সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে নিম্নলিখিত উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
i) আসামীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদ্ঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা;
ii) বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা;
iii) সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা; এবং
iv) সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খন্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়।
v) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দ্যেশ্যে।
১০,২০৫.
তামাদি আইনের কত ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন' নীতির কথা বলা হয়েছে?
  1. ৫ ধারায়
  2. ৬ ধারায়
  3. ৮ ধারায়
  4. ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৯ ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন' নীতির কথা বলা হয়েছে। এর অর্থ হলো, একবার কোন দাবির জন্য তামাদির মেয়াদ (Limitation Period) গণনা শুরু হয়ে গেলে, পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা বা প্রতিবন্ধকতার কারণে মামলা দায়ের করতে না পারলেও সেই মেয়াদ থেমে যাবে না। অর্থাৎ মামলা দায়েরে অক্ষমতা দেখা দিলেও সময় অবিরাম চলতে থাকবে এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আর মামলা করা যাবে না।
তবে একটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে- যদি পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের উপর ন্যস্ত হয়, তখন ঐ দায়িত্ব পালনের সময়কালে দেনা আদায়ের মামলা দায়েরের সময়সীমা স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
১০,২০৬.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলটি কোথায় দাখিল করতে হয়?
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. বার কাউন্সিল আপিল বোর্ডে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩৬-এ ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হন, তাহলে তিনি ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে পারেন। এবং এই আপিলটি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে এবং ডিভিশন বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
(1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
১০,২০৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৬ ধারা অনুযায়ী, কোন ধরনের ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে মহিলাকে গ্রেফতার বা আটক করা নিষিদ্ধ?
  1. অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
  2. সম্পত্তি হস্তান্তরের ডিক্রি
  3. নিষেধাজ্ঞা আরোপের ডিক্রি
  4. দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৬ অনুযায়ী: “The Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.”
- অর্থাৎ, অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকর করতে গিয়ে কোনো মহিলাকে গ্রেফতার বা দেওয়ানি জেলে আটক করা যাবে না। এটি নারীদের সুরক্ষার জন্য একটি বিশেষ বিধান।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৫৬ হল- অর্থের ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
- আদালত অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেফতার বা আটক রাখার কোন আদেশ প্রদান করবেন না।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 56. Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
 Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.

১০,২০৮.
কতিপয় বিবাদীর মধ্যে একজন সম্পর্কে কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত তার মামলা-
  1. ফেরত দিবেন
  2. খারিজ করবেন
  3. সমস্ত মামলা স্থগিত করবেন
  4. তার বিষয়ে রায় ঘোষণা করবেন
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ আদেশের ১ বিধি মোতাবেক- পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আইন বা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত শুনানীর প্রথম দিনেই রায় ঘোষণা করতে পারে।

♦  দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ আদেশের ২ বিধি মোতাবেক- কতিপয় বিবাদীর মধ্যে একজন সম্পর্কে কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত তার পক্ষে বা বিরুদ্ধে রায় প্রদান করবেন ও বাকিদের বিরুদ্ধে মামলা চলবে।
১০,২০৯.
সরকারি কর্মচারীর দায়িত্বপালনে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারার বিধান:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, এমনকি উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty:
Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১০,২১০.
মুসলিম হানাফী আইন অনুসারে সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক কোন শ্রেণীর অগ্রক্রয়ের অধিকারী?
  1. শাফি-ই-শরিক
  2. শাফি-ই-খালিত
  3. শাফি-ই-জার
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের (শুফা) তিন শ্রেণির অধিকারী হলেন:
১. শাফি-ই-শরিক → সহ-মালিক (co-sharer)
২. শাফি-ই-খালিত → রাস্তা/নালা/সেচ ইত্যাদি সুবিধার অংশীদার
৩. শাফি-ই-জার → সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী জমির মালিক (vicinal owner / neighbouring owner) 

অর্থাৎ পাশের জমির মালিক হলেন শাফি-ই-জার। তিন শ্রেণির মধ্যে এই শ্রেণিটির অগ্রাধিকার সবচেয়ে কম।

⇒  Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

- অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তর কে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে।

১০,২১১.
দলিল যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে তার কাছেই যদি মূল দলিলটি থাকে এবং নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও তা সে দাখিল না করে, সেক্ষেত্রে কোনো দলিল প্রমাণের পদ্ধতি কী?
  1.  প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  3. দলিল অফিসের রেজিস্ট্রার পরীক্ষা দ্বারা
  4. দলিল প্রমাণ করা যাবে না
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ৬৫ - যে সমস্ত ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:

(ক) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে, মূল দলিলটি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে, অথবা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা এখতিয়ারের বাইরে কোন ব্যক্তির দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে বলে যদি দেখানো হয় বা প্রতীয়মান হয়, অথবা যদি এমন ব্যক্তির দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে তা থাকে, যে ব্যক্তি তা হাজির করতে আইনত বাধ্য, কিন্তু ৬৬ ধারায় উল্লেখিত নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও সে ব্যক্তি যদি তা হাজির না করে।

(খ) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা হবে, সে ব্যক্তি বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে স্বীকার করেছে বলে যখন প্রমাণ করা হয়।

(গ) মূল দলিল যেক্ষেত্রে বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে, অথবা যেক্ষেত্রে মূল দলিলে বিষয়বস্তু সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তি তার নিজের ত্রুটি বা অবহেলা ছাড়া অপর কোন কারণে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে তা হাজির করতে পারে না।

(ঘ) মূল দলিলটির প্রকৃতি যেক্ষেত্রে এরূপ যে সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।

(ঙ) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারায় বর্ণিত সর্বসাধারণের দলিলের আওতাভুক্ত।

(চ) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, এ আইন বা বাংলাদেশে কার্যকরী অন্য কোন আইনে তার জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করার বিধান আছে।

(ছ) কোন মূল দলিলে যখন অপরাপর এমন বহু সংখ্যক দলিলের বিবরণ থাকে যেগুলি আদালতের পরীক্ষা করে দেখা সুবিধাজনক নয়, এবং যে ঘটনা প্রমাণ করতে হবে, তা ঐ সকল দলিলের সাধারণ ফলস্বরূপ।

উপরোক্ত (ক), (গ) ও (ঘ) উদাহরণের ক্ষেত্রে দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে যে কোন মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে।
উপরোক্ত (খ) উদাহরণের ক্ষেত্রে উল্লিখিত স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হবে।
(ঙ) অথবা (চ) উদাহরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দলিলের জাবেদা নকল মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, কিন্তু অন্য কোন মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
(ছ) উদাহরণের ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দলিলগুলি পরীক্ষা করে দেখেছে এবং অনুরূপ দলিল পরীক্ষা করে দেখার ব্যাপারে যে পারদর্শী, দলিলগুলির সাধারণ ফল সম্পর্কে তার দ্বারা সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে।
১০,২১২.
সাক্ষ্য আইন এর ধারা ৮৪ অনুযায়ী, কোন ধরনের গ্রন্থ বা গেজেট সম্পর্কে আদালত অবশ্যই অনুমান করবে?
  1. যে গ্রন্থে বিদেশি আইনের আলোচনা করা হয়েছে
  2. যে গ্রন্থে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে
  3. যে গ্রন্থে শুধু ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করা হয়েছে
  4. যে গ্রন্থে কেবল ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ৮৪- আইন ও আদালতের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট সংকলন সম্পর্কে অনুমান:
কোন দেশের সরকারের কর্তৃত্বাধীনে যে গ্রন্থ মুদ্রিত বা প্রকাশিত এবং যাতে সে দেশের কোন আইন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে বুঝতে দেওয়া হয় এরূপ প্রত্যেকটি পুস্তকের বা গেজেটের যথার্থ ও আদালত অবশ্যই অনুমান করবেন এবং সংশ্লিষ্ট দেশের আদালতসমূহের সিদ্ধান্তের বিবরণ যে পুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে বুঝতে দেওয়া হয় তার যথার্থতাও আদালত অবশ্যই অনুমান করবেন।

[The Court shall presume the genuineness of every book or Gazette purporting to be printed or published under the authority of the Government of any country, and to contain any of the laws of that country, and of every book or Gazette purporting to contain reports of decisions of the Courts of such country.]
১০,২১৩.
ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ১৮২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত বা আবেদন করার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর। তবে উক্ত ডিক্রি বা আদেশের সইমোহুরি নকল (Certified Copy) যদি রেজিস্টার্ড হয় সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৬ বছর।
১০,২১৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা ডিজিটাল স্বাক্ষর (Digital Signature) এর সত্যতা যাচাইয়ের বিধান করে?
  1. ধারা ৭২ক 
  2. ধারা ৭৩ক 
  3. ধারা ৭৪ক 
  4. ধারা ৭৬ক 
ব্যাখ্যা

⇒ The Evidence Act, 1872-এর ৭৩এ (Section 73A) ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ের বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালত নির্ধারণ করতে পারে কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে কি না। এর জন্য আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, কন্ট্রোলার বা সার্টিফাইং অথরিটিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারে অথবা পাবলিক কি (Public Key) প্রয়োগ করে যাচাই করতে পারে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872- section-73A. Proof as to verification of digital signature:
- In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).]

১০,২১৫.
'Doctrine of Pleasure' has been reflected in ______ of the Constitution.
  1. Article 94
  2. Article 104
  3. Article 124
  4. Article 134
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ-
এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

Article 134: Tenure of office-
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

কিছু কিছু পদের মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে থাকে। রাষ্ট্রপতি যতদিন চাইবেন কোন ব্যক্তি উক্ত পদে ততদিন বহাল থাকতে পারবেন। সংবিধানের ভাষায় একে 'Doctrine of Pleasure'. সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবে। তাই বলা যায়, অপশন গুলোর মধ্যে ১৩৪ অনুচ্ছেদেই 'Doctrine of pleasure' নীতিটি বর্ণিত হয়েছে।

১০,২১৬.
ধারা ৬৩ এর অধীনে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে কখন অব্যাহতি দেয়া যেতে পারে
  1. কোনো শর্ত ছাড়াই
  2. পুলিশের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ দ্বারা
  4. মামলার তদন্ত শেষ হওয়ার পর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি:-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.

১০,২১৭.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২ অনুযায়ী, শিশু-আদালতের বিচারকার্য সম্পন্ন করার জন্য নির্ধারিত মূল সময়সীমা কত?
  1. ১৮০ দিন
  2. ২৪০ দিন
  3. ৩৬০ দিন
  4. ৪২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২(১) অনুযায়ী, শিশু-আদালত শিশুর প্রথম উপস্থিতির তারিখ থেকে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে বাধ্য। যদি বিশেষ কারণে সময় বাড়ানোর প্রয়োজন হয়, তবে ধারা ৩২(২) অনুযায়ী আরও ৬০ দিন বাড়ানো যেতে পারে, কিন্তু মূল সময়সীমা ৩৬০ দিন।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২: বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে।
(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

১০,২১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী কার বিরুদ্ধে  মোকদ্দমা দায়ের করা যায়?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির মালিকের বিরুদ্ধে
  2. সম্পত্তিটি যার বেআইনী দখলে আছে তার বিরুদ্ধে
  3. অস্থাবর সম্পত্তির তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ১১,তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট দখল অর্পণের বিষয়ে মালিক ব্যতীত অন্য দখলকারী ব্যক্তির দায়-দায়িত্ব: কোনো অস্থাবর সম্পত্তির অংশবিশেষ দখলকারী অথবা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে, যাহার তিনি মালিক নহেন, নিম্নবর্ণিত যে কোনো ক্ষেত্রে, তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সুনির্দিষ্টভাবে অর্পণ করিবার জন্য বাধ্য করা যাইবে:-
(ক) যখন দাবিকৃত বস্তু বিবাদির নিকট দাবিদারের ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসাবে রাখা হয়;
(খ) যখন আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে দাবিদারের দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতির পর্যাপ্ত প্রতিকার বিধান করা যায় না;
(গ) যখন অনিষ্টের ফলে সাধিত ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টকর;
(ঘ) যখন দাবিকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হইতে ভুলভাবে হস্তান্তরিত হইয়াছে।
------------------------
The Specific Relief Act,1877, Section 11: Liability of person in possession, not as owner, to deliver, to person entitled to immediate possession: Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.

১০,২১৯.
আরজির কোন অংশে সত্যায়ন (verification) করতে হয়?
  1. একেবারে শুরুতে
  2. একেবারে শেষে
  3. সুবিধাজনক যে কোনো স্থানে
  4. কোনোটি নয়।
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৬, বিধি ১৫ তে এই বিষয়ে বলা আছে। …every pleading shall be verified at the foot by the party or one of the parties….”

♦ আদেশ ৬ বিধি-১৫ তে আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন (Verification of pleadings) বিধান রয়েছে :
যেসব ব্যক্তিদের দ্বারা আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে-
প্রত্যেক আরজি জবাবের পক্ষ বা পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মোকদ্দমার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত।

♦ আরজির সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি তাতে একেবারে শেষে স্বাক্ষর দিবেন এবং স্বাক্ষরে তারিখ ও স্থান উল্লেখ করবেন ।
১০,২২০.
"Exclusion of time during which proceedings are suspended"- এটি তামাদি আইনের নিম্নের কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১৩ ধারা
  2. ১৫ ধারা
  3. ১৭ ধারা
  4. ১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• Section 15: Exclusion of time during which proceedings are suspended-
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.

তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী, কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হইবে-
(১) যেই মামলা বা ডিক্রি জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন উক্ত নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেদিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেদিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।
(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।
১০,২২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সরেজমিনে পরিদর্শন(Local inspection) এর বিধান দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫৪০ক
  2. ধারা ৫৩৯খ
  3. ধারা ৫৪৪
  4. ধারা ৫৪০
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন

১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Section 539B: Local inspection
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
১০,২২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৪ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে হবে কোন ধারার নিয়মে?
  1. ধারা ৩৬১
  2. ধারা ৩৬২
  3. ধারা ৩৬৪
  4. ধারা ৩৭২
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ১৬৪ - জবানবন্দী ও স্বীকারোক্তি গ্রহণের ক্ষমতা:
(১) যে কোনো মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (যিনি পুলিশ কর্মকর্তা নন) – তিনি তদন্ত চলাকালীন বা তদন্ত শেষ হওয়ার পরে কিন্তু বিচার শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত জবানবন্দী বা স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারবেন।

(২) জবানবন্দী গ্রহণ করার সময়, সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য যেসব পদ্ধতি নির্ধারিত আছে, তার মধ্য থেকে যে পদ্ধতিটি মামলার প্রেক্ষিতে সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে হবে, সে অনুযায়ী জবানবন্দী রেকর্ড করা হবে। স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে হবে এবং অভিযুক্তকে স্বাক্ষর করতে হবে ধারা ৩৬৪-এ যে নিয়ম বলা আছে তার ভিত্তিতে। এরপর সেই জবানবন্দী বা স্বীকারোক্তি তদন্ত বা বিচার করবেন এমন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।

(৩) কোনো স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার আগে ম্যাজিস্ট্রেটকে অবশ্যই ব্যক্তিটিকে বুঝিয়ে বলতে হবে—
- সে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নয়,
- যদি সে স্বীকারোক্তি দেয়, তবে সেটি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।
- এবং, ম্যাজিস্ট্রেট কেবল তখনই স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারবেন, যখন তিনি প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে নিশ্চিত হবেন যে স্বীকারোক্তিটি স্বেচ্ছায় (জোরপূর্বক নয়) প্রদান করা হয়েছে।
- যখন স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হবে, তখন ম্যাজিস্ট্রেটকে নথির নিচে একটি লিখিত স্মারক রাখতে হবে যে স্বীকারোক্তিটি তার বিশ্বাস অনুযায়ী স্বেচ্ছায় করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা (Explanation):
যে ম্যাজিস্ট্রেট জবানবন্দী বা স্বীকারোক্তি গ্রহণ করবেন, তার মামলাটির উপর বিচারিক এখতিয়ার (jurisdiction) থাকা আবশ্যক নয়।

১০,২২৩.
দণ্ডবিধির ২০১ ধারার অধীনে, ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য নষ্ট করলে অপরাধীর জন্য শাস্তির পরিমাণ হবে:
  1. মূল কারাদণ্ডের এক তৃতীয়াংশ
  2. মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
  3. মূল কারাদণ্ডের দুই চতুর্থাংশ
  4. কোন শাস্তি হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে, অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-
(i)  মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে- অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(ii)  যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে- অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে- মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
১০,২২৪.
What is the primary legal consequence of committing murder as per Section 302?
  1. Mandatory counseling
  2. Death or life imprisonment and fine
  3. Imprisonment for a maximum of 10 years
  4. Financial restitution to the victim's family
ব্যাখ্যা
Section 302- Punishment for murder:
Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.

দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা- খুনের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
১০,২২৫.
The Limitation Act, 1908 এর তফসিলে কোনো মামলা দায়েরের সময়সীমা বিষয়ে তামাদি আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান না থাকলে তার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর;
  2. ৩ বছর;
  3. ৬ বছর;
  4. ১২ বছর;
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর  অনুচ্ছেদ ১২০ অনুযায়ী তফসিলে তামাদির মেয়াদ উল্লেখ না থাকলে উক্ত মামলার তামাদির মেয়াদ ঘটনার তারিখ থেকে ৬ বছর
১০,২২৬.
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে এটি প্রমাণ করার জন্য 'ক' তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে-
  1. খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক নয়
  2. খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক
  3. কিন্তু প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারার বিধান হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ অথবা ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয় যখন প্রাসঙ্গিক - সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা বা ডিজিটাল রেকর্ড রাখা হয় , উক্ত খাতায় লিখিত বা ডিজিটাল রেকর্ড কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ অথবা ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

⇒  যেমন- ক ১০০০ টাকার দাবিতে খ এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। খ এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে তবে খ এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারামতে ব্যবসার স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিতভাবে কোন হিসাবের খাতা বা ডিজিটাল রেকর্ড রাখা হয় এবং তাতে যদি এমন কিছু থাকে যে বিষয়ে আদালত বিচার্য বিষয় হিসেবে অনুসন্ধান করে তাহলে তা প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। কিন্তু এরূপ বিবৃতি কোন ব্যক্তির উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।
১০,২২৭.
A, being entitled to an estate for the life of B, agrees to sell it to C. B was dead at the time of the agreement, but both parties were ignorant of the fact. The agreement is _________.
  1. valid
  2. void
  3. voidable
  4. legal
ব্যাখ্যা
(ধারা ২০)
যখন কোনো চুক্তির উভয় পক্ষই এমন কোনো সত্যিকার বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণায় থাকে যা চুক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তখন সেই চুক্তি বাতিল (Void) হবে।

ব্যাখ্যা: কোনো বস্তুর মূল্য সম্পর্কে ভুল ধারণা থাকাকে সত্যিকার বিষয়ে ভুল (mistake as to matter of fact) ধরা হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A ও B চুক্তি করে, A ইংল্যান্ড থেকে চট্টগ্রামগামী নির্দিষ্ট পণ্যবাহী জাহাজের মালামাল B-কে বিক্রি করবে বলে। কিন্তু চুক্তির আগে জাহাজটি ডুবেযাওয়া ও মালামাল হারিয়ে যাওয়ার খবর উভয় পক্ষের অজানা। তাই চুক্তিটি বাতিল।
(খ) A চুক্তি করে B থেকে একটি ঘোড়া কিনবে। কিন্তু চুক্তির সময় ঘোড়াটি মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানে না। তাই চুক্তিটি বাতিল।
(গ) A চুক্তি করে B-এর জীবদ্দশায় তার একটি সম্পত্তি C-কে বিক্রি করবে। কিন্তু চুক্তির সময় B মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানত না। তাই চুক্তিটি বাতিল।
১০,২২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক অনুসারে, যদি কোনো আবেদনপত্রে কোনো সরকারি কর্মচারীর আচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, তবে প্রমাণ হিসাবে কী উপস্থাপন করা যেতে পারে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. অ্যাফিডেভিট
  3. পুলিশের প্রতিবেদন
  4. সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক (৫৩৯A) অনুযায়ী যখন কোনো আদালতে কোনো বিচার, তদন্ত বা কার্যধারার সময় এমন কোনো আবেদন দাখিল করা হয়, যেখানে কোনো সরকারি কর্মচারীর আচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়, তখন আবেদনকারী তার অভিযোগের প্রমাণ হিসাবে হলফনামা (Affidavit) দ্বারা সেই অভিযোগে উল্লিখিত তথ্য উপস্থাপন করতে পারেন। আদালত যদি মনে করে, তবে সে আদেশ দিতে পারে যে, উক্ত বিষয়ে প্রমাণ হলফনামার মাধ্যমেই প্রদান করতে হবে।
- এছাড়াও অ্যাফিডেভিটে যে তথ্য উল্লেখ করা হবে, তা আবেদনকারীর নিজস্ব জ্ঞান থেকে প্রমাণযোগ্য তথ্য, এবং যা সে যুক্তিসঙ্গতভাবে সত্য বলে বিশ্বাস করে, সেই তথ্য আলাদাভাবে এবং যুক্তিসহ উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক - সরকারি কর্মচারীর আচরণের প্রমাণে অ্যাফিডেভিট:
(১) এই আইনের অধীনে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যধারা প্রসঙ্গে কোন আদালতে যদি দরখাস্ত করা হয় এবং উহাতে কোন সরকারি কর্মচারী সম্পর্কে অভিযোগ করা হয় তাহলে দরখাস্তকারী দরখাস্তে বর্ণিত ঘটনাবলি সম্পর্কে উক্তরূপে সাক্ষ্য দেওয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
এই ধারার অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালত ব্যবহার্য অ্যাফিডেভিট সম্পর্কে ৫৩০ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে বা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে শপথ করা যাবে বা উহার সত্যতা ঘোষণা করা যাবে।
এই ধারা অনুসারে অ্যাফিডেভিট সেই সকল ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে ও সেই সকল ঘটনা পৃথকভাবে বর্ণনা করবে যে সকল ঘটনা তার সত্য বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ আছে এবং শেষোক্ত ক্ষেত্রে সাক্ষীকে সেরূপ বিশ্বাসের কারণ স্পষ্টরূপে উল্লেখ করতে হবে।
(২) আদালত অ্যাফিডেভিটের কোন কুৎসাজনক ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয় কেটে দেওয়ার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 539A. Affidavit in proof of conduct of public servant:
(1) When any application is made to any Court in the course of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, and allegations are made therein respecting any public servant, the applicant may give evidence of the facts alleged in the application by affidavit, and the Court may, if it thinks fit, order that evidence relating to such facts be so given.
An affidavit to be used before any Court other than High Court Division under this section may be sworn or affirmed in the manner prescribed in section 539, or before any Magistrate. 
Affidavits under this section shall be confined to, and shall state separately, such facts as the deponent is able to prove from his own knowledge and such facts as he has reasonable ground to believe to be true, and, in the latter case, the deponent shall clearly state the grounds of such belief. 
(2) The Court may order any scandalous and irrelevant matter in an affidavit to be struck out or amended.
১০,২২৯.
সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় নিম্নলিখিত কোন নীতিটি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. Principal of Res gestae
  2. Doctrine of Alibi
  3. Doctrine of Estoppel
  4. Dying Declaration
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় Principal of Res gestae নীতিটি আলোচনা করা হয়েছে।

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৬,যে সকল ঘটনা একই কার্যের অংশ সেইগুলির প্রাসঙ্গিকতা: যে ঘটনা বিচার্য নয়, তাহা যদি কোনো
বিচার্য ঘটনার সহিত এরূপভাবে সংশ্লিষ্ট হয় যে, উহারা একই কার্যের অংশরূপে বিবেচিত হইতে পারে [as to form part of the same transaction), তবে উক্ত ঘটনা দুইটি একই সময়ে ও একই স্থানে সংঘটিত হইয়া থাকুক, কিংবা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ও স্থানে সংঘটিত হইয়া থাকুক, প্রথমোক্ত ঘটনা প্রাসঙ্গিক।
উদাহরণসমূহ:
(ক) খ-কে পিটাইয়া হত্যা করিবার অপরাধে ক অভিযুক্ত হইয়াছে। পিটাইবার সময় কিংবা পিটাইবার অব্যবহিত পূর্বে বা পরে ক, খ কিংবা ঘটনাস্থলে অপেক্ষমান লোকেরা [the by-standers at the beating) যাহাই করিয়া থাকুক বা বলিয়া থাকুক, সেইগুলিকে যদি উক্ত পিটাইবার ঘটনার সহিত একই কার্যের অংশরূপে বিবেচনা করা যায়, তাহা হইলে সেইগুলি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
(খ) ক- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হইবার অপরাধে অভিযুক্ত হইয়াছে। সে একটি সশস্ত্র গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে। উক্ত অভ্যুত্থানে সম্পত্তি ধ্বংস হয়, সৈন্যবাহিনী আক্রান্ত হয় এবং জেলখানা ভাঙ্গা হয়। ক উক্ত ঘটনাগুলির সবগুলিতে উপস্থিত না থাকিলেও একটি সাধারণ কার্যের অংশ হিসেবে সকল ঘটনাই প্রাসঙ্গিক।
-------------------------
The Evidence Act 1872, Section 6,Relevancy of facts forming part of same transaction: Facts which, though not in issue, are so connected with a fact in issue as to form part of the same transaction, are relevant, whether they occurred at the same time and place or at different times and places.
Illustrations:
(a) A is accused of the murder of B by beating him. Whatever was said or done by A or B or the by-standers at the beating, or so shortly before or after it as to form part of the transaction, is a relevant fact.
(b) A is accused of waging war against Bangladesh by taking part in an armed insurrection in which property is destroyed, troops are attacked, and goals are broken open. The occurrence of these facts is relevant, as forming part of the general transaction, though A may not have been present at all of them.

১০,২৩০.
দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারা অনুসারে বেশ্যাবৃত্তি, প্রভৃতির উদ্দেশ্যে কোন বয়সের নিচের ব্যক্তির বিক্রয় বা বিলিব্যবস্থা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারা অনুযায়ী, আঠারো (১৮) বছরের কম বয়সী কোনও ব্যক্তিকে যদি কেউ বিক্রি করে, ভাড়া দেয় বা অন্য কোনোভাবে বিলিব্যবস্থা করে, এবং এর উদ্দেশ্য হয় বা জানা সত্ত্বেও এ বিষয়ে সম্মত হয় যে সেই ব্যক্তি বেশ্যাবৃত্তি, অবৈধ সহবাস বা অন্য কোনো বেআইনী ও নীতিবিগর্হিত কাজে ব্যবহৃত হবে, তাহলে সেটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারার বিধান বেশ্যাবৃত্তি, প্রভৃতির উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন ব্যক্তিকে বিক্রয় করে, ভাড়া দেয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করে এই উদ্দেশ্যে যে অথবা এটা জানা সত্ত্বেও যে, অনুরূপ ব্যক্তিকে কোন বিশেষ বয়সে বেশ্যাবৃত্তিতে বা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে কিংবা কোন বেআইনী ও নীতিবিগর্হিত কাজে ব্যবহৃত বা নিয়োজিত করা হবে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন নারীকে কোন বেশ্যার কাছে অথবা এমন কোন ব্যক্তি, যে কোন পতিতালয় রাখে বা পরিচালনা করে, তার কাছে বিক্রয় করা হয় বা ভাড়া দেওয়া হয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করা হয়, তবে যে পর্যন্ত না বিপরীত প্রমাণিত হয় সে পর্যন্ত যে ব্যক্তি অনুরূপ নারীর বিলিব্যবস্থা করেছে। সে ব্যক্তি যাতে সে নারী পতিতাবৃত্তিতে ব্যবহৃত হয় সে উদ্দেশ্যেই তাকে বিলিব্যবস্থা করেছে বলে ধরে নেয়া হবে।
ব্যাখ্যা ২:- এই ধারার উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে "অবৈধ সহবাস” বলতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্যে যৌনসঙ্গম বুঝাবে; কিন্তু নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ইহার ব্যতিক্রম হবে যথা: এমন কোন মিলন বা বন্ধন যা ঠিক বিবাহ নয় কিন্তু ব্যক্তিগত আইন অথবা তারা যে সম্প্রদায়ভুক্ত বা যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ভুক্ত সে সব সম্প্রদায়ের রীতি অনুসারে বিবাতূল্য সম্পর্ক বলে স্বীকৃত।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 372.  Selling minor for purposes of prostitution, etc.
- Whoever sells, lets to hire, or otherwise disposes of any person under the age of eighteen years with intent that such person shall at any age be employed or used for the purpose of prostitution of illicit intercourse with any person or for any unlawful and immoral purpose, or knowing it to be likely that such person will at any age be employed or used for any such purpose, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. Selling minor for purposes on prostitution, etc. 
Explanation I.- When a female under the age of eighteen years is sold, let for hire, or otherwise disposed of to a prostitute or to any person who keeps or manages a brothel, the person so disposing of such female shall, until the contrary is proved, be presumed to have disposed of her with the intent that she shall be used for the purpose of prostitution. 
Explanation II.- For the purposes of this section "illicit intercourse" means sexual intercourse between person not united by marriage or by any union or tie which, though not amounting to a marriage, is recognized by the personal law or custom of the community to which they belong or, where they belong  to different communities, of both such communities, as constituting between them a quasi-marital relation.
১০,২৩১.
দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী, বেআইনীভাবে কাউকে শ্রমে বাধ্য করা অপরাধ?
  1. ৩৭২ ধারা
  2. ৩৭৩ ধারা
  3. ৩৭৪ ধারা
  4. ৩৭৬ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
১০,২৩২.
A, B কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং B সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। B কে চুক্তি লঙ্ঘন মূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে A নিম্ন লিখিত কোন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. বালি বা নুড়ি পাথর দখলের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
  4. বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলনের কোন অধিকার নেই মর্মে ঘোষনামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
ব্যাখ্যা
• A এবং B এর মধ্যকার সম্পাদিত চুক্তি অনুসারে B এর বালি বা নুড়িপাথর উত্তোলন না করার বাধ্যবাধকতা আছে ।
• B এই ধরনের বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করে যেন নুড়ি পাথর তুলতে না পারে, A সেই কাজ থেকে বিরত রাখতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-, ১৮৭৭-এর ৫৪ ধারা অনুসারে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা মঞ্জুর করতে পারে।
১০,২৩৩.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর বিধান অনুসারে Maintenance বা তালাক সংক্রান্ত Arbitration Council-এর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা যায়—
  1. পারিবারিক আদালতের কাছে
  2. সিনিয়র সহকারী জজের কাছে
  3. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে
  4. সহকারী জজের কাছে
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর বিধান অনুসারে, Arbitration Council-এর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার (revision) জন্য আবেদন সংশ্লিষ্ট সহকারী জজ (Assistant Judge)-এর কাছে করা যায়। এটি নিম্নলিখিত ধারাগুলোর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়:
- Maintenance (ভরণপোষণ) সংক্রান্ত: ধারা ৯(২)-এ উল্লেখ আছে যে, Arbitration Council কর্তৃক ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণের সার্টিফিকেট জারির পর, স্বামী বা স্ত্রী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং নির্ধারিত ফি প্রদান করে সহকারী জজের কাছে পুনর্বিবেচনার (revision) জন্য আবেদন করতে পারেন। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয় এবং কোনো আদালতে এর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা যায় না।
- তালাক সংক্রান্ত: ধারা ৭(৪)-এ তালাকের ক্ষেত্রে Arbitration Council-এর সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনার (revision) জন্যও সহকারী জজের কাছে আবেদন করার বিধান রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বহুবিবাহের অনুমতি (ধারা ৬) বা তালাকের প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে Arbitration Council-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময় ও ফি প্রদান করে সহকারী জজের কাছে আবেদন করা যায়, এবং তাঁর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

অর্থাৎ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৬(৪) এবং ৯(২) অনুসারে, Maintenance বা তালাক সংক্রান্ত Arbitration Council-এর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার (revision) জন্য আবেদন সহকারী জজের কাছে করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সহকারী জজের কাছে।

১০,২৩৪.
The Penal Code, 1860 এর ধারায় সরকারি কর্মচারী কর্তৃক যথাযতভাবে জারিকৃত আদেশ অমান্যকরণের শাস্তির বিষয়ে উল্লেখ আছে?
  1. ১৮৮
  2. ১৯১
  3. ২০০
  4. ২১৩
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায় সরকারি কর্মচারী দ্বারা বিধিসঙ্গতভাবে জারিকৃত আদেশ অমান্য করার শাস্তি- ১৮৮ ধারায় ২ ধরণের শাস্তি রয়েছে।
♦i) উক্ত আদেশ অমান্যের ফলে কোন ব্যক্তির বিঘ্ন সৃষ্টি, বিরক্তি বা ক্ষতি সাধিত হলে বা সম্ভাবনা দেখা দিলে শাস্তি- অনধিক এক মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক দুইশত টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড ।
♦ii) উক্ত আদেশ অমান্যের ফলে মানবদেহ, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ সংঘটিত হলে কিংবা দাঙ্গা বা কলহ সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিলে শাস্তি- অনধিক ৬ মাস কারাদন্ড বা অনধিক এক হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
১০,২৩৫.
‘C’ একজন রাজস্ব কর্মকর্তাকে তার দায়িত্ব পালনের সময় আঘাত করে, যার ফলে কর্মকর্তার একটি চোখের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘C’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৩২
  2. ধারা ৩৩৩
  3. ধারা ৩৩৪
  4. ধারা ৩৩৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বিরত করার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত (যেমন চোখের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি নষ্ট) করলে শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৩ ধারা: সরকারি কর্মচারীকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত:
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনকালে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দেয়, অথবা তাকে তার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত করে, অথবা সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনকালে কিছু করার পরিণামে গুরুতর আঘাত করে, তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 333- Voluntarily causing grievous hurt to deter public servant from his duty:
Whoever voluntarily causes grievous hurt to any person being a public servant in the discharge of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person or any other public servant from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by that person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১০,২৩৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন একটি ________________ কমিশন।
  1. সাংবিধানিক ও সরকারি
  2. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ
  3. সাংবিধানিক ও নিরপেক্ষ
  4. সরকারি ও বিধিবদ্ধ
ব্যাখ্যা
• দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি

(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।

(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 

(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
১০,২৩৭.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৩ মতে, 'দলিল' বা 'Document' বলতে কী বোঝায়?
  1. লিখিত কোন বিষয়
  2. ধাতু খন্ডে খোদাইকৃত বিষয়
  3. মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত বিষয়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৩ অনুযায়ী, 'দলিল' বা 'Document' বলতে লিখিত কোন বিষয়, ধাতু খন্ডে খোদাইকৃত বিষয়, এবং মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত বিষয় সবগুলোই বোঝায়। সুতরাং, এই সবগুলোই দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী-
- যে কোন লিখনই দলিল বলে গণ্য হয়;
- মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত যে কোন কথাও দলিল বলে গণ্য হবে (Words printed, lithographed or photographed are documents);
- কোন মানচিত্র বা নকশা, কোন ধাতু খন্ড বা প্রস্তর খন্ডের উপর খোদাইকৃত কোন বিষয় অথবা কোন ব্যঙ্গচিত্র (caricature) দলিল বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ অপশনে উল্লিখিত সবগুলো দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Evidence Act,1872 এর ধারা ৩ মতে-
'দলিল বা Document' বলতে কোন পদার্থের উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের (letters, figures or marks) সাহায্যে প্রকাশিত বা বর্ণিত কোন বিষয়কে বোঝায়।
"Document" means any matter expressed or described upon any substance by means of letters, figures or marks, or by more than one of those means, intended to be used, or which may be used, for the purpose of recording that matter.
১০,২৩৮.
জেলে থাকা অবস্থায় কোন ধারা অনুযায়ী আপিলকারী তার আপিল পিটিশন দাখিল করতে পারে?
  1. ধারা ৪১০
  2. ধারা ৪২০
  3. ধারা ৪২৫
  4. ধারা ৪৩০
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২০ অনুসারে,
 যদি আপিলকারী জেলে থাকে, তাহলে সে তার আপিলের পিটিশন এবং পিটিশনের সাথে দাখিলকৃত রায় ও আদেশের কপি জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে পারে এবং উক্ত কর্মকর্তা পিটিশনটি সঠিক আপিল আদালতে পাঠাবে।
 
Section 420- Procedure when appellant in jail:
If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
১০,২৩৯.
Criminal trespass এর সর্বোচ্চ শাস্তি কোনটি?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  4. ২ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫৪৭ ধারা মতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি (Punishment for criminal trespass) হলো অনধিক ৩ মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১০,২৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারা অনুসারে, সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হলে বাদীর কোন অধিকার বিলুপ্ত হয়?
  1. চুক্তির পুনরায় স্বীকৃতির অধিকার
  2. চুক্তির পরিবর্তনের অধিকার
  3. চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবির অধিকার
  4. কোনো অধিকারই বাধাগ্রস্ত হয় না
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে, যদি একটি চুক্তি বা তার অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে যায়, তাহলে বাদী ওই একই চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে আলাদা কোনো মামলা দায়ের করতে পারবে না।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারার সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ করার ফলাফল বা 'The effect of dismissing a Suit for Specific Performance' এর বিধান আছে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
-----------------------------
• The Specific Relief Act, 1877- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal: The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.

১০,২৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুযায়ী আপিলের উদ্দেশ্যে একাধিক ধারাবাহিক দণ্ডাদেশকে কীভাবে গণ্য করা হয়?
  1. পৃথক দণ্ডাদেশ হিসেবে
  2. দুইটি দণ্ডাদেশ হিসেবে
  3. একটি দণ্ডাদেশ হিসেবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন;
এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-35: Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate, the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.
১০,২৪২.
নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে এবং________বছর অতিক্রম না হলে কোন ব্যক্তি আইনজীবী হতে অযোগ্য হবে?
  1. ৫ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ ২৭(৩) অনুযায়ী  কোন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার অযোগ্য হবে যদি নৈতিক স্থলনজনিত অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং দণ্ডিত হওয়ার তারিখ হতে ৫ বছর বা সরকার কতৃক অফিশিয়াল গেজেটে নোটিফিকেশন দ্বারা সরকার যেমন কম মেয়াদ উল্লেখ করে এমন সময় অতিবাহিত না হলে।
১০,২৪৩.
নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো-
  1. নালিশকারীকে থানায় পাঠানো
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দেয়া
  3. নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
• নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা। 

• ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।২০০ বিধান অনুযায়ী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি নিতে বাধ্য।২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে-

১. নালিশকারীকে বা
২. উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবে এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবে এবং নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবে।

• যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-

ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই।
খ. যেকোন মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে।
গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।
১০,২৪৪.
কোন দেওয়ানী মামলা চলাকালীন উহার বাদী বা বিবাদী মারা গেলে তার মৃত্যুর কত দিনের মধ্যে তার ওয়ারিশদের স্থলাভিষিক্ত না করলে মামলা (Abate) বাতিল হবে?
  1. ত্রিশ দিন
  2. ষাট দিন
  3. নব্বই দিন
  4. একশত বিশ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৭ অনুযায়ী-

মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
১০,২৪৫.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে বোবা সাক্ষীর ইশারা বা লেখা কোথায় দিতে হবে?
  1. বন্ধ কক্ষে
  2. পুলিশ স্টেশনে
  3. প্রকাশ্য আদালতে
  4. বিচারকের খাস কামরায়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১৯ অনুসারে, যদি কোনো সাক্ষী কথা বলতে না পারেন (যেমন বোবা ব্যক্তি), তিনি তার সাক্ষ্য লিখে বা ইশারার মাধ্যমে দিতে পারেন।
→ তবে: এই লেখা বা ইশারা অবশ্যই “প্রকাশ্য আদালতে” (Open Court) হতে হবে।
- কারণ এতে আদালত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো তাঁর বক্তব্য যাচাই ও পর্যবেক্ষণ করতে পারে, যা ন্যায়বিচারের মৌলিক শর্ত।
- বোবা সাক্ষীর সাক্ষ্য—লেখা বা ইশারা যাই হোক না কেন, তা প্রকাশ্য আদালতে প্রদর্শিত হতে হবে, যাতে তা সঠিকভাবে বিচার ও মূল্যায়ন করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

১০,২৪৬.
Which of the following women can be lawfully detained for execution of a money decree under Section 56 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. Pregnant women
  2. Infirm women
  3. Breast-feeding women
  4. None of the above
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো- (ঘ) None of the above

The Code of Civil Procedure, 1908- Section 56: Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money.
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of an old, infirm, pregnant or breast-feeding woman in execution of a decree for the payment of money.

ধারা ৫৬- অর্থ প্রদানের ডিক্রি কার্যকর করার জন্য নারীকে গ্রেফতার বা আটক করার নিষেধাজ্ঞা:
এই অংশে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বৃদ্ধা, অসুস্থ, গর্ভবতী অথবা স্তন্যপান করানো নারীকে অর্থ প্রদানের জন্য প্রদত্ত কোনো ডিক্রি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সিভিল কারাগারে গ্রেফতার বা আটক করার আদেশ প্রদান করতে পারবে না।

অর্থাৎ, আদালত বৃদ্ধা, অসুস্থ, গর্ভবতী বা স্তন্যপান করানো নারীদের কোনো অর্থ প্রদানের ডিক্রি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সিভিল কারাগারে আটক বা গ্রেফতার করতে পারবে না।

তাই, এখানে সঠিক উত্তর হলো (ঘ) None of the above (কেউকে নয়)।

১০,২৪৭.
আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে কী প্রতিকার পাওয়া যায়?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. আপিল ও রিভিশন উভয়
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা

• Order 23, Rule 3 -তে আপোষমূলক ডিক্রি (Compromise of Suit) বা সোলে ডিক্রি (Compromise of Decree)-এর বিধান আছে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬(৩) ধারা অনুযায়ী-
আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় বলা আছে-
যেসব ডিক্রি বা অর্ডারের বিরুদ্ধে আপিল চলে না (no appeal lies), সেসব ডিক্রি বা অর্ডারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন করা যায়।
অর্থাৎ, আপোষমূলক ডিক্রি যেহেতু আপিল-অযোগ্য, তাই এর বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।

১০,২৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল আদালতের জজদের মতামত সমানভাবে বিভক্ত হলে করণীয় সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৪০৯
  2. ধারা ৪২৯
  3. ধারা ৪৩২
  4. ধারা ৪৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৯ (Section 429, CrPC) অনুযায়ী, যদি আপিল আদালতের বিচারকগণ সমসংখ্যায় বিভক্ত হয়ে যান (i.e., equally divided in opinion), তাহলে মামলাটি তাদের মতামতসহ একই আদালতের আরেকজন বিচারকের নিকট উপস্থাপন করতে হবে। সেই বিচারক, প্রয়োজন মনে করলে শুনানি গ্রহণ করে, নিজের মতামত প্রদান করবেন, এবং সেই মতামতের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত আদেশ বা রায় ঘোষণা করা হবে।
এটি আদালতের মধ্যে মতবিরোধের সমাধান এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি প্রক্রিয়া।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৯- আপিল আদালতের জজগণ সম-সংখ্যায় বিভক্ত হলে তখনকার পদ্ধতি:
আপিল আদালতের জজগণ যেক্ষেত্রে তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, সেক্ষেত্রে তাদের অভিমতসহ মামলাটি একই আদালতের অন্য একজন জজ বরাবর পেশ করতে হবে এবং তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শুনানীর পর (যদি থাকে) তার আদেশ প্রদান করবেন এবং রায় বা অভিমত তার অভিমত অনুসারে প্রদত্ত হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 429- Procedure where Judges of Court of Appeal are equally divided:
When the Judges composing the Court of Appeal are equally devided in opinion, the case, with their opinions thereon, shall be laid before another Judge of the same Court, and such Judge, after such hearing (if any) as he thinks fit, shall deliver his opinion, and the judgment or order shall follow such opinion.
১০,২৪৯.
ফৌজদারী কার্যবিধি আনুসারে কোন আদালত রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. আতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. ওপরের সবায়
ব্যাখ্যা
♦ রিভিশনের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ সকলের রয়েছে ।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক(৩) ধারায় অতিরিক্তি দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা রয়েছে। দায়রা জজ সাধারন বা বিশেষ আদেশ বলে তার নিকট দায়েরকৃত কোন রিভিশন অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করতে পারে; এক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।  রিভিশনে প্রদত্ত দায়রা জজের আদেশই চূড়ান্ত কেননা, ফৌজদারি কার্যবিধিতে ২য় ব্রিভিশনের বিধান নাই।
♦ অর্থাৎ দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবেনা।
১০,২৫০.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন কখন করা যায়?
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. বিচার্য বিষয় গঠনের আগে যে কোন পর্যায়ে
  3. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  4. লিখিত জবাব দাখিলের আগে যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ প্লিডিংসের সংজ্ঞা (Definition of Pleadings)- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]
⇒ বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। 
⇒প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of pleadings)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃতি নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।
-প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হয় বিচারিক আদালতে। তবে বিচার শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনীর আবেদন করা যায়। এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন সত্ত্বেও বিচার শুরুর আগে আবেদন না করার কারণ দেখিয়ে, আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।
১০,২৫১.
'সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনকালে অশ্লীল বা কুৎসাজনক প্রশ্ন করিতে আদালত নিষেধ করিতে পারে' এই কথা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ১৫১ ধারায়
  2. ১৫২ ধারায়
  3. ১৫৪ ধারায়
  4. ১৫০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্নঃ-যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন, প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।

-----------------
⇒ Section-151. Indecent and scandalous questions: The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
১০,২৫২.
‘X’ একটি মামলায় তার লিখিত জবাব (Written Statement) সংশোধন করতে চায়। The Code of Civil Procedure, 1908-এর কোন আদেশ ও বিধি অনুসারে লিখিত জবাব সংশোধনের অনুমতি দেওয়া হয়?
  1. আদেশ ৭, বিধি ১১
  2. আদেশ ৬, বিধি ১৭
  3. আদেশ ৮, বিধি ৬
  4. আদেশ ১৬, বিধি ৫
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ৬, বিধি ১৭ (Order 6, Rule 17) প্লিডিংস (Pleadings) সংশোধনের বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। প্লিডিংস বলতে আরজি (Plaint) এবং লিখিত জবাব (Written Statement) উভয়ই বোঝায়। এই বিধি অনুসারে, কোনো পক্ষ মামলার যেকোনো পর্যায়ে আদালতের অনুমতি নিয়ে তাদের প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে, যদি এই সংশোধন মামলার ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় হয় এবং অন্য পক্ষের উপর অযৌক্তিক ক্ষতি না করে।

- অর্থাৎ ‘X’ যদি তার লিখিত জবাব সংশোধন করতে চায়, তবে তাকে আদেশ ৬, বিধি ১৭ অনুসারে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। এই বিধি প্লিডিংস সংশোধনের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে প্রযোজ্য, এবং আদালত এই সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা ও ন্যায়বিচারের বিষয় বিবেচনা করে অনুমতি প্রদান করে।

১০,২৫৩.
'A' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'B' দাবি করে যে 'B' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'A' উক্ত সম্পত্তি 'B'-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এই ক্ষেত্রে 'A' এর প্রতিকার-
  1. দখল উদ্ধারের মামলা
  2. ঘোষণামূলক মামলা
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  4. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
- সুতরাং শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।
- ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ) বলে।

-উল্লিখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'A' এর  প্রতিকার হল ঘোষণামূলক মামলা দায়ের। 
১০,২৫৪.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে, 'গৃহ' বলতে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. তাঁবু
  2. গাড়ি
  3. দালান
  4. জাহাজ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে, 'গৃহ' বলতে বোঝায়—
- দালান (Building)
- তাঁবু (Tent)
- জাহাজ বা নৌকা (Vessel) → যদি এটি মানুষের বসবাস, উপাসনা বা সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
তবে, গাড়ি (Car) বা অন্যান্য যানবাহন এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ, গাড়িকে সাধারণত মানুষের স্থায়ী বসবাস বা সম্পত্তি সংরক্ষণের নির্দিষ্ট স্থান হিসেবে গণ্য করা হয় না।
সুতরাং, ‘গাড়ি’ ৪৪২ ধারায় বর্ণিত ‘গৃহ’-এর সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না, তাই সঠিক উত্তর হলো ‘ঘ) গাড়ি’।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 442- House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house trespass.
১০,২৫৫.
আসামীর অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত (Discharge Petition) বিবেচনার সময় নিম্নের কোন দলিল বিবেচনায় নেয়া যায় না?
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী
  2. আসামীর দাখিলকৃত দলিলপত্র
  3. ডাক্তারের সার্টিফিকেট
  4. প্রাথমিক তথ্য বিবরণী
ব্যাখ্যা
অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিলপত্র তার অব্যাহতি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনাযোগ্য হবে না।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রতীয়মাণ হলে,  আদালত চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-

> অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র
> প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে); এবং
> প্রসিকিউশন এবং অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা, মেডিকেল রিপোর্ট ইত্যাদি।
১০,২৫৬.
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে Complaint আপীল করবে ________ আদালতে।
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৭ ধারার বিধান- খালাসের ক্ষেত্রে আপীল:
(১) উপধারা ৪ এর বিধান সাপেক্ষে সরকার যেকোন ক্ষেত্রে আপীল দায়েরের জন্য পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দিতে পারেন-
(ক) কোন আদালত কর্তৃক মূল মামলায় বা আপীলে প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে;
(খ) মূল মামলায় বা আপীলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে।

(২) ধারা-৪১৮ এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, উক্তরূপ খালাসের আদেশ যদি ফরিয়াদি কর্তৃক আনীত মামলায় প্রদত্ত হয়ে থাকে এবং আদেশে আইনের ভুল ব্যাখ্যার জন্য ন্যায় বিচারে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ফরিয়াদি উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে এরূপ যে কোন হেতুবাদে আপীল দায়ের করতে পারবে-
(ক) দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে;
(খ) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে।

(৩) খালাসের আদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর ফরিয়াদী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল দায়ের করলে হাইকোর্ট ডিভিশনে তা গ্রাহ্য হবে না।

(৪) যদি কোন ক্ষেত্রে খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল গৃহীত না হয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলবে না।
১০,২৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১ক কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. আদালতের ভাষা নির্ধারণ
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা নির্ধারণ
  3. পুলিশের তদন্তের নিয়ম নির্ধারণ
  4. হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১ক হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ সম্পর্কিত। অর্থাৎ, এই ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি কার্যবিধির অন্যান্য বিধান হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ বা ক্ষুণ্ন করতে পারবে না।
হাইকোর্ট বিভাগ যেসব আদেশ দেয়, যেমন কোনো আদেশ কার্যকর করা, আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধ করা বা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করা, সে ক্ষেত্রে তার সহজাত ক্ষমতা অব্যাহত থাকবে।
- সুতরাং, এই ধারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক ক্ষমতা এবং তার কার্যকারিতাকে সুরক্ষিত রাখে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারার বিধান হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ: এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য, বা কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য বা অন্য কোন ভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন আদেশ প্রদানের নিমিত্ত হাইকোর্ট বিভাগের যে সহজাত ক্ষমতা আছে এই বিধির কোন কিছু তা সীমাবদ্ধ বা ক্ষুণ্ন বা প্রভাবিত করবে বলে অভিহিত করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- section 561A. Saving of inherent power of High Court Division: Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
১০,২৫৮.
আদালত পুলিশ ডায়েরী কিসের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারে?
  1. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করার জন্য
  2. অভিযুক্তের দোষ নির্ধারণের জন্য
  3. তদন্তের মান যাচাই করার জন্য
  4. পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের জন্য
ব্যাখ্যা
• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী । ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

• ১৭২ ধারায় বলা হয়েছে,
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবে এবং কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

• পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।
১০,২৫৯.
বিচারকালে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট উচ্চতর দণ্ড প্রদানের প্রয়োজন দেখলে, ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৩৪২ ধারার
  2. ৩৪৬ ধারার
  3. ৩৪৭ ধারার
  4. ৩৪৯ ধারার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৭- যেক্ষেত্রে আসামীকে যখন উচ্চতর দণ্ড প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
এই কার্যবিধিতে যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন যখন কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর এ মর্মে অভিমত পোষণ করেন যে, আসামীকে অথবা যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর একসাথে বিচার করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেকোন একজনকে দোষী মর্মে সাব্যস্ত করে ঐ ম্যাজিট্রেট যে দণ্ড দিতে পারেন তদাপেক্ষা অধিক দণ্ড দিতে হবে, সেক্ষেত্রে তিনি তার এরূপ অভিমতের কারণ লিপিবদ্ধ করে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনন্ত সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করতে এবং আসামীকে বা সকল আসামীকে অগ্রবর্তী করতে পারবেন এবং তার ফলে সেই দায়রা আদালতও এমনভাবে মামলার বিচার করবেন যাতে মামলাটি এই কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্রই তৎকর্তৃক বিচার্য।
১০,২৬০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসন সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৯
  2. অনুচ্ছেদ ৬০
  3. অনুচ্ছেদ ৬১
  4. অনুচ্ছেদ ৫৮
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে স্থানীয় শাসন সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে অনুচ্ছেদ ৬০-এ।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে তিনটি প্রধান ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে—
১. কর আরোপের ক্ষমতা
২. বাজেট প্রণয়নের ক্ষমতা
৩. নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা
- এইসব ক্ষমতা প্রদান করা হবে সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে, এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের এলাকায় স্বশাসন ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে।

→ অনুচ্ছেদ ৬০ এর মূল বক্তব্য: "এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের বিধানাবলীকে পূর্ণ কার্যকরতাদানের উদ্দেশ্যে সংসদ আইনের দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লিখিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ, বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করিবেন।"

→ তাই, স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬০-এ উল্লেখ রয়েছে।
১০,২৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ(২) ধারা অনুযায়ী,  যদি অভিযুক্ত আদালতে হাজির হওয়ার পর পলায়ন করে বা হাজির না হয়, তাহলে কী করা হবে?
  1. অভিযুক্তের পরিবারকে জরিমানা করা হবে
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা বাতিল করা হবে
  3. অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা হবে
  4. অভিযুক্তের আইনজীবীকে জরিমানা করা হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা হবে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ(২) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত আদালতে হাজির হওয়ার পর পলায়ন করে বা নির্ধারিত তারিখে হাজির না হয়, তাহলে (৩৩৯-খ(১) উপধারার মতো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার প্রয়োজন নেই)। বরং, সংশ্লিষ্ট আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
তবে, যদি অভিযুক্ত প্রথম থেকেই অনুপস্থিত থাকে, তাহলে ৩৩৯-খ(১) ধারা অনুসারে তার বিরুদ্ধে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান প্রয়োগ করতে হবে এবং জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশি অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.

(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
১০,২৬২.
কোন পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা ২২৭ কার্যকর হয়?
  1. দণ্ডের মেয়াদ শেষ হলে
  2. দণ্ড হ্রাসের শর্ত ভঙ্গ করলে
  3. মামলার নিষ্পত্তি হলে
  4. নতুন দণ্ডের আদেশ প্রদান করলে
ব্যাখ্যা
ধারা ২২৭- দণ্ড হ্রাসের শর্ত অমান্য করা:
যে লােক, কোন শর্তাধীনে দণ্ড হ্রাসের সুবিধা গ্রহণ করার পর, যে শর্তের উপর ভিত্তি করে এরূপ দণ্ড হ্রাসের সুবিধা মঞ্জুর করা হয়েছিল, জ্ঞাতসারে সেই শর্ত অমান্য করে, সেই লােক, সে ইতিমধ্যেই ঐ দণ্ডের কোন অংশ ভােগ না করে থাকলে, তাকে মূলত যে দণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়েছিল সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে ও সে ঐ দণ্ডের কোন অংশ ভােগ করে থাকলে সে ইতিমধ্যেই দণ্ডের যেই অংশ ভােগ করে নি, সেই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 227- Violation of condition of remission of punishment:
Whoever, having accepted any conditional remission of punishment, knowingly violates any condition on which such remission was granted, shall be punished with the punishment to which he was originally sentenced, if he has already suffered no part of that punishment, and if he has suffered any part of that punishment, then with so much of that punishment as he has not already suffered.
১০,২৬৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে লিখিত চুক্তি সংশোধনের মোকদ্দমায় আদালত চুক্তির সকল পক্ষের অভিপ্রায় কী ছিলো, এ সম্পর্কে আদালত কী অনুমান করবে?
  1. সুবিচারমূলক
  2. প্রতারণামূলক
  3. সহানুভূতিমূলক 
  4. সহযোগিতামূলক 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান: লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
----------
→ The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties: -For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

১০,২৬৪.
সাধারণ অভিপ্রায়ের বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় রয়েছে?
  1. ৩২
  2. ৩৪
  3. ৩৫
  4. ৩৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।
- উক্ত ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।
 অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায়ের বিধান রয়েছে।

-দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 34: Acts done by several persons in furtherance of common intention:
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.
১০,২৬৫.
কোন ব্যক্তি সূর্যাস্তের পরে ও সূর্যোদয়ের পূর্বে সিঁদ কেটে বা দরজা-জানালা ভেঙ্গে গৃহে প্রবেশ করলে সে ব্যক্তির অপরাধ হবে-
  1. গৃহে অনধিকার প্রবেশ
  2. রাত্রিকালে গৃহে সিঁদ কেটে বা দরজা জানালা ভেঙ্গে অনধিকার প্রবেশ
  3. সঙ্গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ
  4. সিঁদ কেটে বা দরজা জানালা ভেঙ্গে গৃহে প্রবেশ
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ৪৪৬ ধারার বিধান রাত্রিকালে সিঁধ কাটিয়া বা দরজা- জানালা ভাঙ্গিয়া গৃহে প্রবেশ:

কোন ব্যক্তি যদি সূর্যাস্তের পরে ও সূর্যোদয়ের পূর্বে সিধ কেটে বা দরজা-জানালা ভেঙ্গে গৃহে প্রবেশ করে তবে উক্ত ব্যক্তি রাত্রিকালে অপথে গৃহে প্রবেশ করেছে বলে গণ্য হয়।

♦পেনাল কোডের ৪৪৭ ধারার বিধান অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১০,২৬৬.
চুরির অপরাধের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা হয়
  2. সম্মতি ছাড়া সম্পত্তি গ্রহণ করা হয়
  3. চুরির অপরাধ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হতে পারে
  4. অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নেয়া হয়
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। 

চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্য কোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা।
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন- টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।
১০,২৬৭.
দণ্ডবিধি আইনের ২৯৫ক ধারা অনুযায়ী ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ১ বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ২ বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ২৯৫ক ধারায় বলা হয়েছে,
যদি কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিকের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অসদুদ্দেশ্যে লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য দ্বারা কিংবা দৃশ্যমান অঙ্গভঙ্গি দ্বারা সংশ্লিষ্ট ধর্মটিকে বা কারো ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি অবমাননা করে বা অবমাননার চেষ্টা করে, সে ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তিকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড কিংবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

উল্লেখ্য, ১৮৬০ সালের মূল আইনে এ ধারাটি ছিল না। পরবর্তীতে ১৯২৭ সালে এক সংশোধনীর মাধ্যমে এ ধারাটি যুক্ত করা হয়।
এই ধারার অভিযোগ প্রমাণ করতে হলে:
ক. অভিযুক্ত ব্যক্তি কিছু বলেছিলেন বা কোনো শব্দ লিখেছিলেন বা কোন ভাবভঙ্গি করেছিলেন।
খ. অভিযুক্ত ব্যক্তি ওইরকম কাজ করে কোনো ধর্মকে বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে অবমাননা করেছিলেন।
গ. অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত শ্রেণির ধর্মীয় অনুভূতিতে কঠোর আঘাত আনার অভিপ্রায়ে ইচ্ছাকৃত এবং বিদ্বেষাত্মকভাবে  করেছিলেন।
১০,২৬৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৪ ধারার বিধান মতে কয়টি কারণে পুলিশ একজন ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। যথা-
(i) কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেছে বা জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ (reasonable suspicion) থাকলে।
(ii) আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত কোন ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম (Implement of house breaking) থাকলে।
(iii) কোন ব্যক্তিকে অপরাধী ঘোষণা করা হলে (proclaimed as an offender)।
(iv) কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (stolen property) পাওয়া গেলে বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে সন্দেহ হলে।
(v) কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে অথবা আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে (escape from lawful custody) অথবা পলায়নের চেষ্টা করলে।
(vi) সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী (deserter)।
(vii) বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে।
(viii) মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী (released convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে; অথবা
(ix) যে ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
১০,২৬৯.
Cannons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩ অধ্যায়ের ৪নং বিধি অনুযায়ী, আইনজীবী কোন আচরণটি পরিহার করবেন?
  1. বিচারকের সাথে পেশাগত সম্পর্ক স্থাপন করা
  2. বিচারকের সাথে দুর্ব্যবহার করা
  3. প্রতিপক্ষের আইনজীবীর সাথে গোপনে যোগাযোগ করা
  4. আদালতের কর্ম-সময়ের পর বিচারকের সাথে গোপনে যোগাযোগ করা
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ৩ অধ্যায়ে ‘আদালতের প্রতি দায়িত্ব' শিরোনামে ৯টি বিধি আছে।

৪নং বিধির বিধান-
একজন আইনজীবী ব্যক্তিগত সম্পর্ক ব্যতিরেকে কোন বিচারক কিংবা কোন বিচারিক কর্মকর্তার প্রতি লক্ষণীয় আগ্রহ ও আতিথেয়তা পরিহার করবে অন্যথায় উক্ত আগ্রহ ও আতিথেয়তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে। কোন বিচারাধীন মামলার বিষয়ে কোন আইনজীবী বিচারকের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ কিংবা মামলার গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে যুক্তি প্রদর্শন করতে পারবে না। উক্তরূপ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোন বিচারকের বিশেষ অনুগ্রহ পাওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত আইনজীবী ভর্ৎসনা ও ঘৃণা লাভের যোগ্য।
বিচারকের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্ব নিজের স্বীয় মর্যাদা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই আইনজীবী ও বিচারকের মধ্যে ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুসম্পর্ক যথাযথভাবে স্থাপন করা যেতে পারে।
 
- ৪নং বিধিতে যা বলা হয়েছে যে, তার সারসংক্ষেপ হলো:
আদালতের কর্ম-সময়ের পর যেকোনো জরুরি বিরোধীর বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে সংশ্লিষ্ট মামলার অ্যাডভোকেট যোগাযোগ করা থেকে বিরত থাকবে।
১০,২৭০.
ক্ষতি (Mischief) অপরাধ সংঘটনের জন্য কোনটি অপরিহার্য?
  1. বলপ্রয়োগ
  2. সম্পত্তির মূল্য বেশি হওয়া
  3. অন্যায় ক্ষতি করার উদ্দেশ্য বা জ্ঞান
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান- ক্ষতি বা অনিষ্ট:
 কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।

১০,২৭১.
যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং কোনো এক অপরাধে দণ্ড দেয়া হয়,তখন অবশিষ্ট অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করা হলে অভিযুক্ত উক্ত অভিযোগসমূহ থেকে-
  1. মুক্তি বলে গণ্য হবে
  2. খালাস বলে গণ্য হবে
  3. অব্যাহতি বলে গণ্য হবে
  4. শাস্তি পেয়েছে বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-
যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়,তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে;
যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়,সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।
-------------------------
⇒CrPC Section-240.Withdrawal of remaining charges on conviction on one of several charges:
 When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges.
Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.
১০,২৭২.
'একজন নারীর দেহ তল্লাশি সংক্রান্ত বিধান'- ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আছে?
  1. ৫০ ধারা
  2. ৫১ ধার
  3. ৫২ ধারা
  4. ৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী-
কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

Section 52- Mode of searching women:
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১০,২৭৩.
'Feeding the grant by estoppel' নীতিটি the Evidence Act, 1872 এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ১১৪
  2. ১১৫
  3. ১১৮
  4. ১১৭
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-১১৫: স্বকার্যজনিত বাধা বা প্রতিবন্ধক (Estoppel) - সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

♦আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

♦ কোন আইনের বিধান বা আইন বলে পাওয়া অধিকারকে Estoppel নীতি প্রভাবিত করে না।


এছাড়া সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারার এ নীতিটি Transfer of Property Act এর ৪৩ ধারায় Feeding the grant by estoppel হিসেবে রয়েছে।
১০,২৭৪.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী একজন শিশু সাক্ষীর যোগ্যতা নির্ভর করে তার-
  1. লিঙ্গের উপর
  2. ধর্মের উপর
  3. বোধশক্তির উপর
  4. বয়সের উপর
ব্যাখ্যা
⇒ কে সাক্ষ্য দিতে পারে (Who may testify)- আদালতের বিচার কার্যক্রমে কারা সাক্ষ্য দিতে পারবে সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।

⇒ সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না; তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা।

⇒ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী একজন শিশু সাক্ষীর যোগ্যতা নির্ভর করে তার বোধশক্তির উপর।
১০,২৭৫.
আলম ও হাসানের মধ্যে একটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তি হয় ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে। চুক্তি ভঙ্গ হয় ১ মার্চ, ২০২১ তারিখে। চুক্তি ভঙ্গের জন্য সর্বোচ্চ কোন তারিখ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করা যাবে?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২১
  2. ১ মার্চ, ২০২২
  3. ১ মার্চ, ২০২৭
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হলে, উক্ত চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৬ বছর হবে।

সময়সীমার হিসাব:
চুক্তি ভঙ্গের তারিখ: ১ মার্চ ২০২১।
তামাদি সময়সীমা: ৬ বছর।
গণনা শুরু হবে: চুক্তি ভঙ্গের দিন থেকে।
শেষ সময়: ১ মার্চ ২০২১ + ৬ বছর = ১ মার্চ, ২০২৭।
১০,২৭৬.
দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারালো অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাতের
  2. যেকোনো উপায়ে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের
  3. ধারালো অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের
  4. এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারাতে 'ধারালো অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে কাউকে গুরুতর আঘাতের' শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এই ধারানুযায়ী,
স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানকারী ব্যক্তির শাস্তি হবে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

নোটঃ
ধারালো অস্ত্র দ্বারা কাউকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করলে,তার বিরুদ্ধে ৩২৪ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হবে। আর ধারালো অস্ত্র দ্বারা কাউকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক আঘাত করলে,তার বিরুদ্ধে ৩২৬ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হবে।

Section 326- Voluntarily causing grievous hurt by dangerous weapons or means:
Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt by means of any instrument for shooting, stabbing or cutting, or any instrument which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, or by means of fire or any heated substance, or by means of any poison or any corrosive substance, or by means of any explosive substance, or by means of any substance which it is deleterious to the human body to inhale, to swallow, or to receive into the blood, or by means of any animal, shall be punished with 107[imprisonment] for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১০,২৭৭.
কখন জাতীয় সদস্যদের আসন শূন্য হবে?
  1. সংসদ ভাঙ্গিয়া গেলে,
  2. সদস্যদের অনুমতি ছাড়া একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকলে,
  3. শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হলে,
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদের বিধান: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:

(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি,
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;

(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
----------
⇒ Article 67. Vacation of seats of members:
(1) A member of Parliament shall vacate his seat – 
(a) if fails, within the period of ninety days from the date of the first meeting of Parliament after his election, to make and subscribe 42[* * *] the oath or affirmation prescribed for a member of Parliament in the Third Schedule: 
Provided that the Speaker may, before the expiration of that period, for good cause extend it; 

(b) if he is absent from Parliament, without the leave of Parliament, for ninety consecutive sitting days; 
(c) upon a dissolution of Parliament; 
(d) if he has incurred a disqualification under clause (2) of article 66; or 
(e) in the circumstances specified in article 70. 

(2) A member of Parliament may resign his seat by writing under his hand addressed to the Speaker, and the seat shall become vacant when the writing is received by the Speaker or, if the office of Speaker is vacant or the Speaker is for any reason unable to perform his functions, by the Deputy Speaker.
১০,২৭৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১ অনুযায়ী, সমন প্রেরণের সময়সীমা কত দিন?
  1. মোকদ্দমা রুজুর ৩ কার্যদিবসের মধ্যে
  2. মোকদ্দমা রুজুর ৫ কার্যদিবসের মধ্যে
  3. মোকদ্দমা রুজুর ৭ কার্যদিবসের মধ্যে
  4. মোকদ্দমা রুজুর ১০ কার্যদিবসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদির দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদির উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদি হাজিরা দিতে পারবে-
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদি হাজিরা দিতে পারে।
১০,২৭৯.
রাষ্ট্রপতির কাছে আপীল বিভাগের মতামত প্রদানের এখতিয়ারকে কী বলা হয়?
  1. বিশেষ এখতিয়ার
  2. বিচারিক এখতিয়ার
  3. উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার
  4. পুনর্বিবেচনা এখতিয়ার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (গ) উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬ অনুযায়ী-
যদি রাষ্ট্রপতির মনে হয় যে, কোনো আইনি প্রশ্ন (question of law) জনগুরুত্বপূর্ণ এবং এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের মতামত প্রয়োজন,
তাহলে তিনি সেই প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করতে পারেন।

আপীল বিভাগ তখন শুনানি করে রাষ্ট্রপতিকে তার মতামত (opinion) প্রদান করতে পারে। এই এখতিয়ারকে বলা হয় - “উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার” (Advisory Jurisdiction)।

১০,২৮০.
আদেশ ২৬ বিধি-১৭ এর উদ্দেশ্যে কমিশনার কী হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. ফৌজদারি আদালত
  3. দেওয়ানি আদালত
  4. সরকারি নোটারি
ব্যাখ্যা

আদেশ ২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের উপস্থিতি ও জবানবন্দি প্রদান:
১) সমন, হাজিরা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর আরোপিত জরিমানাদি সংক্রান্ত এই আইনের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক না কেন উক্ত কমিশন কর্তৃক এ আদেশের অধীনে সাক্ষ্য প্রদান করার নিমিত্তে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানি আদালত বলে বিবেচিত হবে।

২) যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোন সাক্ষী বসবাস করে তিনি প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলে সে সাক্ষী বরাবর বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট ডিভিশন নয়) কমিশনার আবেদন করতে পারেন এবং উক্ত আদালতের ঐচ্ছিক ক্ষমতায় যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে।

১০,২৮১.
'Rule of Harmonious Construction' দ্বারা বোঝায় আইনের দুইটি ধারা পরস্পর সাংঘর্ষিক হলে-
  1. নতুন ভাবে ব্যাখ্যা করা করতে হবে যেন উভয় ধারা অকার্যকর হয়
  2. পূর্বের ধারাটি কার্যকর হবে,পরের ধারাটি বাতিল হবে
  3. পূর্বের ধারাটি বাতিল হবে, পরের ধারাটি কার্যকর হবে
  4. এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়
ব্যাখ্যা
একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায় এবং এতে বিদ্যমান পরস্পর বৈরিতা প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব হয়। আইন ব্যাখ্যার এই নীতিই 'Rule of Harmonious Construction' (আইন ব্যাখ্যার বৈরিতামুক্ত নীতি/সামঞ্জস্যমূলক নীতি) নামে পরিচিত।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট 'Rule of Harmonious Construction' নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:

(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।

(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
১০,২৮২.
ক ঢাকাতে আহত হয় এবং উক্ত আঘাতের কারণে চট্টগ্রামে মারা যায়। ক-এর মৃত্যুর অপরাধের তদন্ত বা বিচার হতে পারে-
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রামে
  3. উক্ত দুই স্থানের যে কোন এক স্থানের আদালতে
  4. উভয় স্থানে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৯ ধারা অনুযায়ী যে আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ারের ভিতর অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বা যে আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ারের ভিতর অপরাধের ফলাফল দেখা দিয়েছে এর যে কোন একটি আদালতে উক্ত অপরাধের বিচার করা যাবে ।

যেমন- রফিক ঢাকায় আহত হল এবং এর ফলে কুমিল্লায় মারা গেল। রফিকের হত্যার অনুসন্ধান বা বিচার ঢাকা বা কুমিল্লার যে কোন একটি আদালতে হতে পারবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৯ ধারার বিধান যে জেলায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যেখানে উহার পরিণাম ঘটেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার সেখানে হবেঃ যে কার্য সংঘটিত করা হয়েছে ও উহার যে প্রতিক্রিয়া হয়েছে উহার প্রেক্ষিতে কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটন করার দায়ে অভিযুক্ত হলে এরূপ অপরাধের তদন্ত বা বিচার যে আদালতের ক্ষেত্রাধিকারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত কার্য করা হয়েছে সেই আদালতের ক্ষেত্রাধিকারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উহার প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, সেই আদালতে হতে পারে।
যে কাজ করা হয়েছে বা উহার পরিণাম দেখা দিয়াছে ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হলে এরূপ অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত কাজ করা হয়েছে সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উহার পরিণাম দেখা দিয়াছে সেই আদালতে হতে পারবে।
উদাহরণঃ
ক) ক নামক এক ব্যক্তি ভ নামক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে আহত হলো এবং ঘ নামক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারমধ্যে মৃত্যু মুখে পতিত হলো। ক-এর প্রাণ নাশ করার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার ভ বা ঘ আদালতে হতে পারবে।
১০,২৮৩.
একজন বিচারাধীন আসামি কোন ধারার বিধান অনুযায়ী তার defence এর সমর্থনে সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. ৩৪০ ধারার
  2. ৩৪১ ধারার
  3. ৩৪২ ধারার
  4. ৩৪৪ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪০ ধারার বিধান: 

(১) ফৌজদারী আদালতে কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির অথবা এরূপ কোন আদালতে এই আইনানুসারে যার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে কৌসুলীর দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার তার থাকবেত
(২) এরূপ কোন আদালতে যার বিরুদ্ধে ১০৭ ধারা অথবা দশম অধ্যায়, একাদশ অধ্যায়, দ্বাদশ অধ্যায়, ষষ্ঠ বিংশ অধ্যায় বা ৫৫২ ধারা অনুসারে মামলা রুজু করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি নিম্নে উক্ত মামলার সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে পারবে্থ
(৩) কোন অপরাধের দায়ে ফৌজদারী আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আসামী পক্ষে সাক্ষী হবার যোগ্য বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে প্রণীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক সাক্ষ্য দিতে পারবেঃ

তবে শর্ত এই যে,

ক) সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবেনা; অথা
খ) সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সাথে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না।


♦ অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় ২টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে:

      (i) উকিলের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার দেওয়া হয়েছে।
      (ii) অভিযুক্ত ব্যক্তির সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা

      শর্ত হলো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে আহ্বান করা যাবে না তার লিখিত অনুরোধ ছাড়া। অর্থাৎ সাক্ষী শুধুমাত্র লিখিত অনুরোধ করলে, আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আহ্বান করতে পারে।
১০,২৮৪.
দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়েরের প্রথম ধাপ কোনটি?
  1. সমন জারি করা
  2. আদালতে শুনানি
  3. আরজি দাখিল করা
  4. সাক্ষ্য গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়েরের ধাপ:
প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে আরজি দাখিলের মাধ্যমে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারায় বিধান করা হয়েছে, প্রত্যেকটি মোকদ্দমা আরজি পেশ করে বা নির্ধারিত অন্য কোন পদ্ধতিতে দায়ের করতে হবে। ৪ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত বা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে এবং মোকদ্দমায় যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলি আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর সমন জারীর জন্য আরজির সাথে দাখিল করতে হবে।

সুতরাং, নিম্নলিখিতভাবে আরজি দাখিলের মাধ্যমে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়:
⇒ আদালত বা আরজি গ্রহণের জন্য নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট আরজি উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
⇒ মোকদ্দমায় যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলি আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর সমন জারির জন্য দাখিল করতে হবে।
⇒ আরজি দাখিলের সময় সমন জারীর জন্য প্রদেয় কোর্ট ফি পরিশোধ করতে হবে।
⇒ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সমনের একটি নকলসহ বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানাযুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সাথে বাদীকে দাখিল করতে হবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ ও ৭ আদেশে উল্লিখিত বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য ততদূর প্রতিপালন করে আরজি দাখিল করতে হবে। অর্থাৎ, ৬ ও ৭ আদেশের বিধান প্রতিপালন করে আরজি মুসাবিদা করতে হবে।
১০,২৮৫.
‘E’ একজন ব্যক্তিকে তার আইনি অধিকার অনুযায়ী একটি পাবলিক পথে যাওয়া থেকে বাধা দেয়, যদিও ‘E’ জানে যে তার এই পথ বন্ধ করার কোনো অধিকার নেই। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৪১ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ অপর কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধা প্রদান করে—অর্থাৎ, সেই ব্যক্তি যে দিক দিয়ে চলাচল করার অধিকার রাখে, সে পথে চলতে বাধা দেয়—তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে: সর্বোচ্চ এক মাস মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধা প্রদান করে, তাকে এক মাস পর্যন্ত মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 341. Punishment for wrongful restraint:
Whoever wrongfully restrains any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.

১০,২৮৬.
'ক' এবং তার তিন বন্ধু মিলে 'গ' কে গুরুতর জখম করে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় 'গ' মারা যায়। মৃত্যুর পূর্বে 'গ' তার মৃত্যুর কারণ হিসাবে 'ক' কে দায়ী করে পুলিশের নিকট বিবৃতি দেয়। 'গ' এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা সম্পর্কে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. ' গ' এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা ৩২ ধারা অনুযায়ী সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণা পুলিশের নিকট দিলেও তা ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক
  3. 'গ' যেহেতু পুলিশের নিকট মৃত্যুকালীন ঘোষণা দিয়েছে তাই তা অপ্রাসঙ্গিক ।
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী- যদিও মৃত্যুর পূর্বে 'গ' তার মৃত্যুর কারণ হিসাবে 'ক' কে দায়ী করে পুলিশের নিকট বিবৃতি দেয়। 'গ' এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য।
১০,২৮৭.
ক একজন সরকারি অফিসার। তিনি একটি দস্যুতা অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করে কিন্তু অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। এখানে ক কী ধরনের শাস্তি পাবে?
  1. দস্যুতার জন্য নির্ধারিত দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. উপরের যে কোন একটি
ব্যাখ্যা
• ধারা ১১৬ মতে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ব্যতীত অন্য যে কোন কারাদন্ডে দন্ডিত অপরাধে সহায়তার করার পরও অপরাধটি সংঘটিত না হলে-
(i) সহায়তাকারী সরকারি কর্মচারী হলে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ মেয়াদের অর্ধেক কারাদণ্ড অথবা    অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
(ii) সহায়তাকারী সাধারণ ব্যক্তি হলে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ মেয়াদের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১০,২৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মামলার বিবদাী থাকবে কমপক্ষে-
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।
⇒ স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
⇒ বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

⇒ Example: কোন একটা সম্পত্তি কামাল সাহেবের দখলে আছে কিন্তু কামাল সাহেব তার প্রকৃত মালিক না। তিনি প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিতে চায় কিন্তু রফিক ও সফিক নামের দুইজন ব্যক্তি ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে। 
⇒ এক্ষেত্রে কামাল সাহেব স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits করে প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিবেন।
⇒ এই মামলায় শুধু মাত্র মামলার খরচ ব্যতীত অন্য কোনো স্বার্থ থাকে না কামাল সাহেবের।
১০,২৮৯.
'ক' এর বিরুদ্ধে এক ফৌজদারি মামলায় তার ৫ বছরের কারাদণ্ড হয়। অভিযোগকারী অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের অভিযোগ এনে আপিল করে। আপিলের কার্যধারা চলাকালীন 'ক' মারা যায়। এক্ষেত্রে আপিল-
  1. বাতিল হবে না
  2. বাতিল হবে
  3. স্থগিত থাকবে
  4. কার্যক্রম 'ক' এর প্রতিনিধির বিরুদ্ধে চলবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল বাতিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। ৪৩১ ধারায় বলা হয়েছে,

৪১৭ বা ৪১৭ক ধারার অধীন প্রত্যেকটি আপিল অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে, এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল ব্যতীত) আপিলকারীর মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে।

সুতরাং কে মারা গেলে আপিল বাতিল হবে, তা নির্ধারণ করতে হলে দেখতে হবে আপিল চলাকালীন সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেছে কিনা। এটা নির্ধারণ করতে দেখতে হবে আপিলটি কে করেছে।

৪১৭ ধারার অধীন খালাসের বিরুদ্ধে আপিল এবং ৪১৭ক ধারার অধীন অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে না। কারণ খালাস এবং অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে স্বাভাবিকভাবে আপিল করবে পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী।

অন্যদিকে ৪০৭, ৪০৮ বা ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যাওয়া মানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় এবং এই কারণে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিলটি বাতিল হয়।
১০,২৯০.
A, একজন অ্যাডভোকেট, তার মক্কেল B (একজন হিন্দু বিধবা)-কে প্ররোচিত করে যাতে B তার সম্পত্তি A-এর কাছে হস্তান্তর করে তার ঋণদাতাদের প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে। এক্ষেত্রে-
  1. উভয় পক্ষ সমানভাবে দোষী
  2. B সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী
  3. A সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী
  4. A এবং B উভয়ে সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫: কখন চুক্তি বাতিল (Rescission) করা যেতে পারে:
যে কোনো ব্যক্তি যিনি কোনো লিখিত চুক্তিতে স্বার্থবান (interested), তিনি আদালতে মামলা করতে পারেন সেই চুক্তি বাতিল (rescinded) করার জন্য।
আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন—

(ক) যখন চুক্তিটি বাদী (plaintiff)-এর দ্বারা বাতিলযোগ্য (voidable) বা সমাপ্তিযোগ্য (terminable) হয়;

(খ) যখন চুক্তিটি অবৈধ (unlawful), যদিও দলিলের উপরে তা স্পষ্ট নয়, এবং যেখানে বিবাদী (defendant) বাদীর তুলনায় বেশি দোষী;

(গ) যখন কোনো বিক্রয়চুক্তি (contract of sale) বা ইজারার চুক্তি (contract to take a lease)-এর নির্দিষ্ট কর্মসম্পাদনের (specific performance) জন্য আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, কিন্তু ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা আদালতের আদেশ অনুযায়ী ক্রয়মূল্য বা অন্যান্য নির্ধারিত অর্থ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে।

যদি ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা (purchaser or lessee) সম্পত্তির দখলে থাকে এবং আদালত মনে করে যে তার সেই দখল অবৈধ (wrongful), তাহলে আদালত বিক্রেতা বা ইজাদাতার (vendor or lessor) পক্ষে রায় দিতে পারে যে,
ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা উক্ত সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া বা মুনাফা (rents and profits) পরিশোধ করবে।

একই মামলায়, যদি আদালতের পূর্ববর্তী ডিক্রি পালিত না হয়, তবে আদালত সেই চুক্তিটি  দোষী পক্ষের ক্ষেত্রে আংশিকভাবে বা প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে বাতিল (rescind) করতে পারে।

উদাহরণ (Illustrations):

(ক) ধারা (a)-এর উদাহরণ:
A, তার একটি জমি B-কে বিক্রি করে। জমিটির উপর একটি চলাচলের অধিকার (right of way) আছে, যা সম্পর্কে A ব্যক্তিগতভাবে জানে, কিন্তু সে বিষয়টি B-এর কাছ থেকে গোপন রাখে।
→ এই অবস্থায় B চুক্তি বাতিলের অধিকারী।

(খ) ধারা (b)-এর উদাহরণ:
A, একজন অ্যাডভোকেট, তার মক্কেল B (একজন হিন্দু বিধবা)-কে প্ররোচিত করে যাতে B তার সম্পত্তি A-এর কাছে হস্তান্তর করে তার ঋণদাতাদের প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে।
→ এখানে উভয় পক্ষ সমানভাবে দোষী নয়; A বেশি দোষী, তাই B সেই সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী।

১০,২৯১.
মহানগর এলাকায় কত প্রকার দায়রা জজ আদালত বিদ্যমান?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি আদালত:
ক) দায়রা আদালত: প্রত্যেক বিভাগে নিম্নবর্ণিত দায়রা আদালত থাকবে-
১) দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম দায়রা জজ আদালত।

⇒ মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য: (৩ প্রকার)
১) মহানগর দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত।

অন্যদিকে,
⇒  খ) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
১) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
২) অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৩) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৪) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৫) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

⇒ মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য:
১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
৩) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
১০,২৯২.
ক” একটি জমির উপরিভাগের এবং খ” ভূ-গর্ভের মালিক। খ” উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভু-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে ক” কর্তৃক খ” এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  2. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
  3. ক” যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ২৪ ধারায় এই বিধানের কথা বলা আছে; যে কাজের দ্বারা কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভব হয় না, সে রকম ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যেহেতু তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে, কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে ক্ষতি হওয়ায় জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ার তারিখ থেকে তামাদি গণনা শুরু হবে।
১০,২৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির পঞ্চম তফসিলে কী উল্লেখ আছে?
  1. হাইকোর্টের ক্ষমতা
  2. ফরম সমূহ
  3. দণ্ডবিধির অপরাধসমূহ
  4. ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির পঞ্চম তফসিল (Fifth Schedule)-এ বিভিন্ন ফরম (Forms) সংক্রান্ত বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ফরমগুলো বিভিন্ন ফৌজদারি কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়, যেমন: সমন (Summons), ওয়ারেন্ট (Warrant), জামিন বন্ড (Bail Bond), হাজিরা আদেশ, তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণের ফরম ইত্যাদি।
- এগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রমকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামো ও মান অনুসরণে সহায়তা করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল থাকলেও ১ম তফসিল বাতিল হয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
- ২য় তফসিল: আমলযোগ্যতা, জামিনযোগ্যতা, আদালতের বিচারিক ক্ষমতা ইত্যাদি।
- ৩য় তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা।
- ৪র্থ তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা।
- ৫ম তফসিল: ফরমসমূহ।

→ তাই, পঞ্চম তফসিলের বিষয়বস্তু হলো- ফরমসমূহ।
১০,২৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, “complaint” বলতে কী বোঝায়?
  1. পুলিশের নিকট এজাহার
  2. থানায় দেওয়া সাধারণ অভিযোগ
  3. কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুলিশের প্রতিবেদন
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure), 1898 এর ধারা ৪(১)(h) অনুযায়ী—
“Complaint” অর্থ এমন মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ যা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট করা হয়, যাতে ম্যাজিস্ট্রেট এই বিধি অনুযায়ী কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এই উদ্দেশ্যে যে,
কোনো ব্যক্তি (পরিচিত বা অজ্ঞাত) অপরাধ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে “Complaint” এর মধ্যে পুলিশের প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ, পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট কখনো “complaint” হিসেবে গণ্য হয় না।

- (h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
১০,২৯৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো অথবা আটক করার প্রস্তুতি নিয়ে চুরির শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩৩৮১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারার বিধান চুরির উদ্দেশ্যে মৃত্যু ঘটানো, আঘাত করা বা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি:-
কোন ব্যক্তি যদি চুরি করার পূর্বে চুরি করার জন্য, অথবা চুরি করে পলায়নের জন্য অথবা অনুরূপ চুরি কর্তৃক লব্ধ সম্পত্তি রক্ষণের জন্য মৃত্যু ঘটানোর, অথবা আঘাত করার, অথবা আটকানোর অথবা মৃত্যুর ভয় সৃষ্টি করার, অথবা আঘাত করার, ভয় সৃষ্টি করার অথবা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদেণ্ডও দণ্ডিত হবে।

⇒ উদাহরণসমূহ
(ক) ক, গ এর দখলভুক্ত সম্পত্তি চুরি করে। চুরি করার সময় সে পোশাকের নীচে একটি গুলি ভর্তি পিস্তল লুকিয়ে রাখে। গ বাধা দিলে তাকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ক গুলি ভর্তি পিস্তলটি রাখে। 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।

(খ) ক গ-এর পকেট মারে। পকেট মারার পূর্বে সে তার কয়েকটি সঙ্গীকে আশেপাশে মোতায়েন করে। গ যদি টের পায় যে, তার পকেট মারা হচ্ছে এবং টের পেয়ে যদি সে তা রোধ করতে চায় অথবা যদি সেককে আটক করার চেষ্টা করে, তবে তাকে রাখার উদ্দেশ্যে ক তার সঙ্গীদের মোতায়েন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারার অপরাধ দস্যুতার অপরাধের কাছাকাছি। কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর বা কাউকে আঘাত করার বা আটকে রাখার প্রস্তুতি নিয়ে চুরি করা ৩৮২ ধারার অপরাধ, আর চুরি করার সময় এই সকল কাজ করলে অর্থাৎ কারো মৃত্যু ঘটালে বা কাউকে আঘাত করলে অথবা আটকে রাখলে তা দস্যুতা হয়ে যায়।

 ⇒ অর্থাৎ পরিস্থিতি অনুযায়ী দন্ডবিধির ৩৮২ ধারার অপরাধ দস্যুতায় রূপান্তরিত হতে পারে।
----------------
 ⇒ Theft after preparation made for causing death, hurt or restraint, in order to the committing of the theft:
Section 382. Whoever commits theft, having made preparation for causing death, or hurt, or restraint, or fear of death, or of hurt, or of restraint, to any person, in order to the committing of such theft, or in order to the effecting of his escape after the committing of such theft, or in order to the retaining of property taken by such theft, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

 ⇒ Illustrations:
(a) A commits theft on property in Z's possession; and, while committing this theft, he has a loaded pistol under his garment having provided this pistol for the purpose of hunting Z in case Z should resist. A has committed the offence defined in this section. 
(b) A picks Z's pocket, having posted several of his companions near him, in order that they may restrain Z, if Z should perceive what is passing and should resist, or should attempt to apprehend A. A has committed the offence defined in this section.
১০,২৯৬.
সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান মতে সকল দেওয়ানী কার্যক্রমে কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী গণ্য হবে-
  1. সাক্ষী সংশ্লিষ্ট
  2. যোগ্য সাক্ষী
  3. অযোগ্য সাক্ষী
  4. অতিরিক্ত সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী:
- সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।
-----------------------------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section 120: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
 In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
১০,২৯৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪ ধারায় মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম স্থানান্তরের আদেশ দিতে পারে-
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারি জজ আদালত
  3. সিনিয়র সহকারি জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪ ধারায় মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম স্থানান্তরের [transfer] এবং প্রত্যাহারের [Withdrawal] সাধারণ ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• যে আদালত স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে-
⇒ হাইকোর্ট বিভাগ; এবং
জেলা জজ আদালত

• আদালত যে আদেশ দিতে পারে-
হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ কোন পক্ষের (বাদী বা বিবাদীর) আবেদনক্রমে বা স্বপ্রণোদিত হয়ে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে [at any stage of the suit]-
⇒ কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্য কার্যক্রম স্থানান্তরের [transfer] আদেশ দিতে পারে, বা
⇒ কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্য কার্যক্রম প্রত্যাহারের [withdrawal] আদেশ দিতে পারে।

• যে কারণে স্থানান্তরের বা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে-
⇒ যদি মামলাকারীর মনে যুক্তিযুক্ত আশঙ্কা থাকে যে, যে আদালতে মোকদ্দমাটি বিচারাধীন আছে সেই আদালতে সে ন্যায় বিচার নাও পেতে পারে;
⇒ যে ক্ষেত্রে বিচারক কোন একপক্ষের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়;
⇒ মামলার বহুত্ব কমানোর জন্য;
⇒ আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করতে;
⇒ পক্ষদ্বয়ের সুবিধার জন্য ইত্যাদি।
১০,২৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় "Service of foreign summonses" এর বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩১
  2. ধারা ২৯
  3. ধারা ৩০
  4. ধারা ২৮
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারায় "Service of foreign summonses" উল্লেখ আছে।বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত আদালতের সমন কোন পদ্ধতিতে দেশের ভেতর জারি করা হবে, সেই পদ্ধতি দেয়া হয়েছে। এ পদ্ধতি শুধুমাত্র দেওয়ানি সমনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ধারা ২৯ (বিদেশি সমন জারি)-
বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোন দেওয়ানি অথবা রাজস্ব আদালতের সমন এবং অন্যান্য ওয়ারেন্ট বাংলাদেশের আদালতসমূহে প্রেরণ করা যেতে পারে এবং
উক্ত সমন অনুরূপ আদালত মারফত প্রদত্ত সমন হিসাবে জারি করা যেতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে অনুরূপ আদালত সমূহে এই ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে ঘোষণা করবে।

Section 29: Service of foreign summons-
Summons and other processes issued by any Civil or Revenue Court situate outside Bangladesh may be sent to the Courts in Bangladesh and served as if they were summonses issued by such Courts:
Provided that the Government has by notification in the official Gazette declared the provisions of this section to apply to such Courts.
১০,২৯৯.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর অধীনে অগ্রক্রয়ের মামলা দাখিলের সময় নোটিশে উল্লিখিত মূল্যের উপর শতকরা কতভাগ হারে ক্ষতিপূরণ আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ২%
  2. ৫%
  3. ৬.২৫%
  4. ২৫%
ব্যাখ্যা
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় যে সকল বিষয় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে তার বিধান আছে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]। 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ।
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
-----------
⇒ Section 24. Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
- (1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be.

- (2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.

-(3) If such deposit is made, the Court shall give notice to the transferee to appear within such period as it may fix and to state what other sums he has paid in respect of rent for the period after the date of transfer or in annulling encumbrances on the property and also what other amounts, if any, have been spent by him, between the date of the transfer and the date of service of the notice of the application, in erecting any building or structure or in making any other improvement in the portion or share of the property transferred. The Court shall then direct the applicant, including any person whose application under sub-section (4) is granted, to deposit within such period as the Court thinks reasonable such amount as the transferee has paid or spent on these accounts together with interest at the rate of six and a quarter per centum per annum with effect from the date on which the transferee made such payments or spent such amounts.
১০,৩০০.
তামাদি আইনে বিভিন্ন দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫১ থেকে ১৮৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৮৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৫ থেকে ১৮৩
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits] 
অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]
অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]
অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।