বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১০১ / ১৫৫ · ১০,০০১১০,১০০ / ১৫,৪৭০

১০,০০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮৭৭-এর ২৬ ধারা অনুসারে, কোন ক্ষেত্রে চুক্তির পরিবর্তন ছাড়া সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন সম্ভব নয়?
  1. বাদী শর্ত পালন করলে
  2. চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি হলে
  3. চুক্তির শর্ত সঠিক হলে
  4. প্রতারণার কারণে শর্ত ভুল হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২৬ নং ধারা অনুসারে, যখন কোন বাদী লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য মামলা করে, এবং প্রতিরোধকারী (defendant) দাবি করে যে চুক্তির শর্তাবলীতে ভুল বা পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে, তখন সেই বাদী শুধুমাত্র ওই পরিবর্তনসহ চুক্তির কার্যকর দাবি করতে পারেন।
- এই ধারা বিশেষভাবে উল্লেখ করে যে, যদি প্রতারণা বা সত্যের ভুলের কারণে চুক্তির শর্ত এমনভাবে নির্ধারিত হয় যা প্রতিরোধকারী যখন চুক্তি করেন, তখন যা ভাবছিলেন তার থেকে ভিন্ন হয়, তাহলে চুক্তির সেই পরিবর্তন ছাড়া সুনির্দিষ্ট কার্যকর সম্ভব নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮৭৭-এর ধারা ২৬: পরিবর্তন ছাড়া কার্যকরী করা যাবে না:
যখন কোনো বাদী লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চায় এবং প্রতিরোধকারী তা পরিবর্তনের দাবি জানায়, তখন বাদী সেই কার্যসম্পাদন লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না সেই পরিবর্তনটি কার্যকর করা হয়, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে:
(ক) যেখানে প্রতারণা বা সত্যের ভুলের কারণে চুক্তির শর্তগুলো এমনভাবে তৈরি হয়েছে যা প্রতিরোধকারী যখন চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন তখন তিনি যেভাবে এটি ভাবছিলেন তেমন ছিল না;
(খ) যেখানে প্রতারণা, সত্যের ভুল বা বিস্ময়ের কারণে প্রতিরোধকারী চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন, যখন তিনি সঠিকভাবে চুক্তির ফলাফল বোঝেননি এবং বাদীর সঙ্গে চুক্তির সম্পর্কেও ভুল ধারণা করেছিলেন;
(গ) যেখানে প্রতিরোধকারী চুক্তির শর্তগুলো জানতেন এবং তার প্রভাব বুঝতেন, এবং চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন বাদীর কিছু ভুল বিবৃতি বা বাদীর শর্তের ভিত্তিতে যা চুক্তিতে সংযোজন ছিল, কিন্তু বাদী সেই শর্ত পূর্ণ করতে অস্বীকার করেছিলেন;
(ঘ) যেখানে পক্ষদের উদ্দেশ্য ছিল একটি নির্দিষ্ট আইনি ফলাফল অর্জন করা, কিন্তু চুক্তির বর্তমান শর্তগুলো সেই ফলাফল অর্জন করার জন্য উপযুক্ত নয়;
(ঙ) যেখানে পক্ষরা চুক্তি সম্পাদনের পরে চুক্তির শর্তাবলী পরিবর্তন করতে চুক্তি করেছেন।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 26. Non-enforcement except with variation:
Where a plaintiff seeks specific performance of a contract in writing, to which the defendant sets up a variation, the plaintiff cannot obtain the performance sought, except with the variation so set up, in the following cases (namely):- 
(a) where by fraud or mistake of fact the contract of which performance is sought is in terms different from that which the defendant supposed it to be when he entered into it; 
(b) where by fraud, mistake of fact, or surprise the defendant entered into the contract under a reasonable misapprehension as to its effect as between himself and the plaintiff; 
(c) where the defendant, knowing the terms of the contract and understanding its effect, has entered into it relying upon some misrepresentation by the plaintiff, or upon some stipulation on the plaintiff's part, which adds to the contract, but which he refuses to fulfil; 
(d) where the object of the parties was to produce a certain legal result, which the contract as framed is not calculated to produce; 
(e) where the parties have, subsequently to the execution of the contract, contracted to vary it.
১০,০০২.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির নির্ধারিত সময়-
  1. সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট করা হবে
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. আদালত নির্দিষ্ট করে দিবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮২ ধারার বিধান: ডিক্রি জারি: সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না। 

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধর ৮২ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে। আদালত কোন মোকদ্দমায় সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারী অফিসারের বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করলে উক্ত ডিক্রি জারি করা যায়-
- সরকার কত সময়ের মধ্যে ডিক্রিটি নিষ্পত্তি করবে তা আদালত ডিক্রিতে নির্দিষ্ট করে দিবে, সরকার যদি আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিক্রিটি নিষ্পত্তি না করে, সেক্ষেত্রে আদালত সরকারকে রিপোর্ট করবে।
- আদালত সরকারকে রিপোর্ট করার ৩ মাস পরও ডিক্রিটি নিষ্পত্তি করা না হলে, এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।
-----------
CPC Section 82. Execution of decree:
(1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.
(2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
১০,০০৩.
'The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.' -This provision is mentioned in:
  1. Section 36 of The Civil Courts Act, 1887
  2. Section 38 of The Code of Civil Procedure, 1908
  3. Section 38 of The Civil Courts Act, 1887
  4. Section 39 The Code of Civil Procedure, 1908
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887- Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.

(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.

(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.

(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.

The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

১০,০০৪.
নিচের কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা প্রযোজ্য হবে না?
  1. উন্মাদ ব্যক্তি
  2. ১৫ বছর বয়সী ব্যক্তি
  3. নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে,
নিম্নোক্ত ব্যক্তিরা যদি আত্মহত্যা করে এবং কেউ তাদেরকে প্ররোচনা বা সহায়তা করে, তবে সেই প্ররোচনাকারী বা সহায়তাকারীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা যেতে পারে।

এই ব্যক্তিরা হলেন:
- ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু/কিশোর
- উন্মাদ (insane) ব্যক্তি
- প্রলাপগ্রস্ত (delirious) ব্যক্তি
- নির্বোধ (idiot/simpleton) ব্যক্তি
- নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি (intoxicated)

অর্থাৎ:
প্রশ্নে উল্লিখিত ক) উন্মাদ, খ) ১৫ বছর বয়সী, গ) নেশাগ্রস্ত — সবাই এই ধারার আওতায় পড়ে। তাদের আত্মহত্যার ক্ষেত্রে সহায়তা বা প্ররোচনা দিলে ধারা ৩০৫ অনুযায়ী শাস্তি হবে।
১০,০০৫.
দণ্ডবিধির ধারা ৪২৬ অনুযায়ী, "অনিৎসাধন" (Mischief) এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৬ অনুযায়ী, যে কেউ অনিষ্টসাধন করলে তাকে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধন (Mischief) এর শাস্তি হতে পারে ৩ মাস পর্যন্ত যেকোনো বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 426. Punishment for mischief:
- Whoever commits mischief shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine, or with both.
১০,০০৬.
'ক' জনৈক জমিদার। সে জানে যে, তার জমিদারীর এলাকার মধ্যে একটি খুনের অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে ইচ্ছাপূর্বক এইরূপ ভ্রান্ত খবর দেয় যে, সর্প দংশনের ফলে দুর্ঘটনা-ক্রমেই মৃত্যুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী 'ক' এর শাস্তি হবে?
  1. দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৮১ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৭৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারার বিধান মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

-অথবা উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারার উদারনণ: (ক) ক জনৈক জমিদার। সে জানে যে, তার জমিদারীর এলাকার মধ্যে একটি খুনের অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে ইচ্ছাপূর্বক এইরূপ ভ্রান্ত খবর দেয় যে, সর্প দংশনের ফলে দুর্ঘটনা-ক্রমেই মৃত্যুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।

------------------
♦ Furnishing false information 
Section 177. Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both; 
 
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

(b) A, a landholder, knowing of the commission of a murder within the limits of his estate, wilfully misinforms the Magistrate of the district that the death has occurred by accident in consequence of the bite of a snake. A is guilty of the offence defined in this section.
১০,০০৭.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় মুসলিম আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৪ ধারায়
  3. ৫ ধারায়
  4. ৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২ ধারায় মুসলিম আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। মুসলিম আইন অনুযায়ী- কোন মুসলিম সম্পত্তি হস্তান্তর করলে, সেই হস্তান্তরকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২য় অধ্যায়ের বিধানাবলী প্রভাবিত করবে না। অন্যদিকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৮ম অধ্যায়ে ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে, ৮ম অধ্যায়ে দান সম্পর্কিত কোন বিধান মুসলিম আইনের অধীন দানকে প্রভাবিত করবে না।

Section 2: Repeal of Acts Saving of certain enactments, incidents, rights, liabilities, etc.- Nothing herein contained shall be deemed to affect- 

(a) the provisions of any enactment not hereby expressly repealed: 

(b) any terms or incidents of any contract or constitution of property which are consistent with the provisions of this Act, and are allowed by the law for the time being in force: 

(c) any right or liability arising out of a legal relation constituted before this Act comes into force, or any relief in respect of any such right or liability: or 

(d) save as provided by section 57 and Chapter IV of this Act, any transfer by operation of law or by, or in execution of, a decree or order of a Court of competent jurisdiction: and nothing in the second chapter of this Act shall be deemed to affect any rule of Muslim law.
১০,০০৮.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সাইবার ট্রাইব্যুনাল সময় বৃদ্ধি করলে বিচারকার্য সমাপ্তির কত দিনের মধ্যে রায় প্রদান করবেন?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২১
ব্যাখ্যা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২(ঝ) ধারার বিধান “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল;

⇒ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৬৮ ধারা অনুযায়ী সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন: সরকার এক বা একাধিক সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করবে। সরকার সুপ্রিমকোর্টের সাথে পরামর্শ করে দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজকে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিবেন।

⇒ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৬৯ ধারা অনুযায়ী বিচার পদ্ধতি: CrPC'র পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার চলবে।

⇒ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৭২ ধারা অনুযায়ী রায় প্রদানের সময়সীমা: (১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাক্ষ্য অথবা যুক্তিতর্ক সমাপ্ত হইবার তারিখ হইতে, যাহা পরে ঘটে, দশ দিনের মধ্যে রায় প্রদান করিবেন, যদি না তিনি লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা অনধিক দশ দিন বৃদ্ধি করেন৷।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক রায় প্রদান করা হইলে বা উক্ত রায়ের অধীন সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনালে কোন আপীল দায়ের হইলে উক্ত আপীলের রায়ের কপি ধারা ১৮(৭) এর অধীন গঠিত ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড সংরক্ষণ কক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনাল বা সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল উহার রায়ের কপি নিয়ন্ত্রকের নিকট প্রেরণ করিবে; উক্তরূপে কোন রায়ের কপি প্রেরণ করা হইলে, নিয়ন্ত্রক উহা উক্ত কক্ষে সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
১০,০০৯.
'Right to be defended by a pleader'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় এই অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. ৩৪২ ধারায়
  2. ৩৪০ ধারায়
  3. ৩৪১ ধারায়
  4. ৩৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
 
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
 
তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।
 
Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
 
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 
 
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
১০,০১০.
রাহুল মিতুকে অপহরণ করে শহরে নিয়ে আসে। রাহুলের উদ্দেশ্য হচ্ছে মিতুকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে (রাহুলকে) বিয়ে করতে বাধ্য করা হবে। রাহুলের এই কাজ দণ্ডবিধির কত ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ৩৭৬ ধারার
  2. ৩৬৬ ধারার
  3. ৩৫৬ ধারার
  4. ৩৮৬ ধারার
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬৬ ধারা- কোন নারীকে বিবাহ ইত্যাদিতে বাধ্য করার অভিপ্রায়ে অপহরণ বা হরণ বা প্রলুব্ধকরণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীকে অপহরণ করে এবং অপহরণ করার উদ্দেশ্য হয় অথবা অপহরণ করার ফলে এইরূপ হবে জানে যে, সে নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তিকে বিবাহ করতে বাধ্য করা অথবা তাকে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা অথবা তাকে জোরপূর্বক, বা ফুসলিয়ে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি তাকে অপহরণ করা হয়, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে;

এবং কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিতে বর্ণিত অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন দ্বারা অথবা ক্ষমতার অপব্যবহার দ্বারা অথবা বাধ্যতা সাধনের অপর কোন পদ্ধতি দ্বারা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে অথবা সে নারীকে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে অন্য কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তিও পূর্বোক্তরূপে দণ্ডিত হবে।

Kidnapping or abducting or inducing woman to compel her marriage, etc.

Section 366. Whoever kidnaps or abducts any woman with intent that she may be compelled, or knowing it to be likely that she will be compelled, to marry any person against her will, or in order that she may be forced or seduced to illicit intercourse, or knowing it to be likely that she will be forced or seduced to illicit intercourse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and whoever, by means of criminal intimidation as defined in this Code or of abuse of authority or any other method of compulsion, induces any woman to go from any place with intent that she may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall also be punishable as aforesaid.
১০,০১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৫খ অনুযায়ী:
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত পেশ না করলে, পরবর্তীতে আদালত কী শর্তে উক্ত দরখাস্ত শুনানির জন্য গ্রহণ করবে?
  1. শুনানির দিন দরখাস্তকারী উপস্থিত থাকলে
  2. উভয় পক্ষের সম্মতি থাকলে
  3. সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত খরচা প্রদানের সাপেক্ষে
  4. সর্বনিম্ন তিন হাজার টাকা পর্যন্ত খরচা প্রদানের সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
• ধারা-৩৫খ: অন্তর্বর্তী বিষয়গুলো সম্পর্কে আনীত দরখাস্ত, প্রভৃতিতে বিলম্বের নিমিত্তে খরচা:

১) কোন মোকদ্দমা বা কার্যপ্রক্রিয়ার যে কোন স্তরে আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত কিংবা লিখিতভাবে কোন আপত্তি যদি পেশ করা না হয়, তাহলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত উক্ত পক্ষ অন্য পক্ষকে খরচা প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা লিখিত আপত্তি শুনানির নিমিত্তে গ্রহণকৃত হবে না।

২) লিখিত জবাব পেশের পর মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি এমন কোন বিষয়ে দরখাস্ত পেশ করেন, যা আদালতের মতানুযায়ী পূর্বেই পেশ করতে পারতেন বা পেশ করা সমীচীন ছিল এবং তাতে মূল মোকদ্দমার কার্যক্রমে দেরী হওয়ার সম্ভাবনা আছে তদকারণে আদালত দরখাস্ত নিবে কিন্তু তা শুনানি এবং নিষ্পত্তি করবে না, যদি না ঐ পক্ষ আদালত যেরূপে নির্দিষ্ট এবং নির্দেশ করবে এবং সেরূপে অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচা দিবে এবং উক্ত খরচা দিতে না পারলে দরখাস্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

Section 35B: Cost for delay in making applications, etc., in respect of interlocutory matters:
1) If at any stage of a suit or proceeding an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka.

2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which in the opinion of the Court could and ought to have been made earlier and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit but shall not hear and dispose of the application without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.
১০,০১২.
কোন অপরাধটি পেনাল কোডে শাস্তিযোগ্য নয়?
  1. Assault
  2. Fight
  3. Affray
  4. Criminal Intimidation
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ধারা ১৫৯ এর বিধান মারামারিঃ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা “মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
♦ পেনাল কোডের ধারা ৩৫১ এর বিধান আক্রমণঃ কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation):-
কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে ।
♦ পেনাল কোডের ধারা ৫০৩ এর বিধান অপরাধ ভীতিপ্রদর্শনঃ কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্ৰদৰ্শন করে।
ব্যাখ্যা (Explanation):-
ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।
♦ তবে Fight পেনাল কোডে শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়।
১০,০১৩.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুসারে শিশুকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হবে না?
  1. শিশুর নিরাপত্তা
  2. অপরাধের প্রকৃতি
  3. শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ
  4. অপরাধ জামিনযোগ্য কি না
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৫২(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, শিশুকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধটি জামিনযোগ্য বা অজামিনযোগ্য কি না, তা বিবেচনা করবেন না। এটি শিশু আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা ফৌজদারি কার্যবিধি বা অন্যান্য আইনের সাধারণ বিধান থেকে ভিন্ন। এর উদ্দেশ্য হলো শিশুদের সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করা এবং তাদের গ্রেফতার বা আটকের পর দ্রুত মুক্তির সুযোগ দেওয়া।
যদি অপরাধটি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হয়, জামিন দেওয়া শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হয়, শিশু কুখ্যাত অপরাধীর সান্নিধ্যে যেতে পারে, নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হতে পারে, বা ন্যায়বিচার ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে জামিন দেওয়া হবে না। এই ক্ষেত্রে শিশুকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশু-আদালতে হাজির করতে হবে।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
শিশুর নিরাপত্তা (ক): ধারা ৫২(৩) অনুযায়ী, শিশুর নিরাপত্তা জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা। যদি জামিন দেওয়া শিশুর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয় বা তাকে কুখ্যাত অপরাধীর সান্নিধ্যে নিয়ে যায়, তবে জামিন দেওয়া হবে না।
অপরাধের প্রকৃতি (খ): ধারা ৫২(৩)-এ বলা হয়েছে, যদি অপরাধ গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হয়, তবে জামিন দেওয়া থেকে বিরত থাকা যেতে পারে। অর্থাৎ, অপরাধের প্রকৃতি জামিনের সিদ্ধান্তে বিবেচিত হয়।
শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ (গ): শিশু আইনের মূলনীতি হলো শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করা। ধারা ৫২(৩)-এ উল্লেখ আছে যে, জামিন দেওয়া শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হলে তা দেওয়া হবে না। সুতরাং, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৫২ জামিন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না।
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না।
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে।

১০,০১৪.
সাক্ষ্য আইনকে কী ধরনের আইন বলা হয়?
  1. Civil Law
  2. Criminal Law
  3. Substantive Law
  4. Procedural Law
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law), যাকে Adjective Law বলেও উল্লেখ করা হয়।
- Procedural Law হলো সেই আইন যা আদালতে মামলা পরিচালনার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।
- এটি বলে দেয় কোন তথ্য, কিভাবে ও কখন আদালতে উপস্থাপন করা যাবে, এবং কীভাবে বিচারক বা আদালত সেই তথ্য গ্রহণ ও বিচার করবেন।

→ সাক্ষ্য আইন কোন অধিকার সৃষ্টি করে না, বরং
- আদালতে সত্য প্রমাণ করার নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
- এটি বলে দেয় প্রমাণ কীভাবে উপস্থাপন করতে হবে, কোন সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য, এবং কোনটি অগ্রহণযোগ্য।
- তাই, এটি মূল অধিকারের (Substantive Rights) প্রয়োগে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

অন্যদিকে,
→ Substantive Law (সাবস্ট্যানটিভ আইন) হলো সেই আইন যা ব্যক্তির অধিকার ও দায়িত্ব নির্ধারণ করে, যেমন—দণ্ডবিধি (Penal Code), চুক্তি আইন ইত্যাদি।
- কিন্তু সাক্ষ্য আইন কোনো অধিকার সৃষ্টি করে না, শুধু সত্য উদঘাটনের পথ দেখায়।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইন = Procedural Law, কারণ এটি কেবল আইনি প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণের নিয়ম নির্ধারণ করে, নতুন কোনো অধিকার সৃষ্টি করে না।
১০,০১৫.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে না?
  1. ধারা ৭, ১৮, ১৯, ২০ এ বর্ণিত অপরাধ
  2. ধারা ৩, ৬, ৭, ৮ এ বর্ণিত অপরাধ
  3. ধারা ৬, ১০, ১১, ১২ এ বর্ণিত অপরাধ
  4. ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারা অনুযায়ী, এই আইনের ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে না।
- এই ধারাগুলোতে উল্লিখিত অপরাধগুলো হলো:
ধারা ৪: ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ (যেমন, অন্যের ভূমিকে নিজের বলে প্রচার করা, মিথ্যা তথ্য প্রদান করা ইত্যাদি), যা অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।
ধারা ৫: ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ (যেমন, মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করা, দলিলে পরিবর্তন করা ইত্যাদি), যা অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।
ধারা ১৫: ধারা ৮ এর অধীন প্রদত্ত আদেশ অমান্য বা লঙ্ঘন করা, যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।
ধারা ১৭: একই অপরাধ পুনঃসংঘটনের ক্ষেত্রে দ্বিগুণ দণ্ড।
এই অপরাধগুলো সাধারণত গুরুতর প্রকৃতির বা জটিল বিচার প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হওয়ায় মোবাইল কোর্টের এখতিয়ারের বাইরে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, এই আইনের অন্যান্য অপরাধগুলো (যেমন ধারা ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৬, ১৮, ২০) মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হতে পারে।
সুতরাং, ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে না।

১০,০১৬.
কোন ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত করার জন্য আদালত নিষেধাজ্ঞা___________।
  1. মঞ্জুর করতে পারে;
  2. মঞ্জুর করতে পারে না;
  3. ক ও খ;
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর  ৫৬ ধারামতে আদালত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
 নিম্নেবর্ণিত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না-
১. বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য
২. অধীনস্থ আদালত ছাড়া অন্য কোন আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য
৩. কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য 
৪. সরকারের কোন বিভাগের সরকারি কর্তব্যে বা বিদেশী সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য।
৫. কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য।
৬. যে চুক্তির কার্য সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যায় না এমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্য।
৭. উৎপাত নয় এমন কাজ নিরোধ করার জন্য ।
৮. এমন একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করার জন্য যেটাতে বাদী মৌন সম্মতি প্রাদান করেছে
৯. ট্রাস্ট ভঙ্গের মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোন সাধারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমপরিমাণ যথার্থ প্রতিকার নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারী বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন যে, যা তাকে আদালতের সাহায্য হতে বঞ্চিত করে ।
১১. যেখানে আবেদনকারীর মামলার বিষয়বস্তুতে কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
১০,০১৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় 'Plea of Alibi' কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ২৪
ব্যাখ্যা
⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে।
 ⇒ নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১০,০১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী জামিনের পরিমাণ কী হওয়া উচিত?
  1. পুলিশের প্রয়োজন অনুযায়ী
  2. অপরাধীর আর্থিক অবস্থার উপর নির্ভর করে
  3. অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণে হতে পারে
  4. মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী এবং অত্যধিক না হওয়া উচিত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
১০,০১৯.
Which one of the following sections of the Criminal Procedure Code, 1898 provides that "no appeal to lie unless otherwise provided"? 
  1. Section 404
  2. Section 405
  3. Section 406
  4. Section 407
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৪-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force."
অর্থাৎ, এই আইনে বা অন্য কোনো প্রচলিত আইনে সরাসরি বিধান না থাকলে, ফৌজদারি আদালতের কোনো রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
- এটি আপিলের সাধারণ নিষেধাজ্ঞা (general bar on appeals) হিসেবে কাজ করে এবং ধারা ৪০৪-কে "no appeal to lie unless otherwise provided" ধারা হিসেবেই উদ্ধৃত করা হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 404. Unless otherwise provided, no appeal to lie:
- No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.

১০,০২০.
নিম্নের কোনটি The Special Powers Act, 1974 এর তফসিলভুক্ত আইন-
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  2. মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮
  3. The Arms Acts, 1878
  4. The Explosive Act, 1884
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 এর তফসিলভুক্ত আইনসমূহ:
- এই আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ।
- Arms Act, 1878 (XI of 1878) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অর্থাৎ, অস্ত্র আইন, ১৮৭৮-এর অধীনে যেসব অপরাধ শাস্তিযোগ্য, সেগুলোও অন্তর্ভুক্ত।
- Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অর্থাৎ, বিস্ফোরক পদার্থ আইন, ১৯০৮-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- Emergency Powers Act, 1975 (I of 1975) এর অধীনে বা সেই আইন অনুযায়ী গঠিত যে কোনো নিয়ম/আদেশের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ।
- উপরোক্ত যে কোনো অপরাধ করার চেষ্টা, ষড়যন্ত্র বা প্ররোচনা/সহায়তা। 
অর্থাৎ, যদি কেউ এই অপরাধগুলোর প্রস্তুতি নেয়, সাহায্য করে বা ষড়যন্ত্র করে, তাহলে সেটিও শাস্তিযোগ্য হবে।

১০,০২১.
১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে কয় ধরনের হস্তান্তরের বিধান রয়েছে?
  1. ৬ ধরনের
  2. ৫ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৭ ধরনের
ব্যাখ্যা
• ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫ ধারায় বলা হয়েছে যে-
”সম্পত্তি হস্তান্তর বলতে সেই কাজকে বুঝায়, যা দ্বারা একজন জীবিত ব্যক্তি বর্তমানে বা ভবিষ্যত কোন সম্পত্তি এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে বা নিজেকে বা তার নিজের এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিগনের কাছে অর্পন করেন এবং এরুপ কাজকে সম্পত্তি হস্তান্তর বলা হয়।

এই ধারানুসারে সম্পত্তি হস্তান্তর শুধুমাত্র জীবিত ব্যক্তিগনের মাঝে সম্পন্ন হবে। তাছাড়া, হস্তন্তরের জন্য সম্পত্তির অস্তিত্ব থাকা প্রয়োজন। অস্তিত্ববিহীন সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায না।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুসারে সম্পত্তি হস্তান্তর বলতে পক্ষগনের কার্যদ্বারা সম্পত্তি হস্তান্তরের কতিপয় অংশকে বুঝায়। আইনের কার্যকারিতা দ্বারা সম্পত্তি হস্তান্তর বুঝায় না।

• ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের আওতায় পাঁচটি পদ্ধতির মাধ্যমে এক ব্যক্তি তার স্থাবর সম্পত্তি অপর কোন জীবিত ব্যক্তির অনুকূলে হস্তান্তর করতে পারে। এগুলি হচ্ছে-

১/ বিক্রয়,
২/ রেহেন, 
৩/ ইজারা, 
৪/ দান ও
৫/ বিনিময়।

অন্য কোন পদ্ধতিতে সম্পত্তি হস্তান্তর এই আইনের আওতাভূক্ত নয়।
১০,০২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করা যায়?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮-এ স্থাবর সম্পত্তির স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করার বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি তার স্থাবর সম্পত্তি (জমি, বাড়ি ইত্যাদি) থেকে বেদখল হয়, তাহলে সে দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আদালতে মামলা করে তার স্বত্ব ও দখল উভয়ই পুনরুদ্ধার করতে পারে।

এক্ষেত্রে:
- বাদীকে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
- মামলা বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে (তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৪২ অনুসারে)।
অতএব, সঠিক উত্তর খ) ধারা ৮।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, শুধু মালিকই নয়, যে কেউ যার স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ব ও দখলের অধিকার রয়েছে, সে আদালতে মামলা করতে পারে। অর্থাৎ, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে তার সম্পত্তিতে স্বত্ব রয়েছে—তা চুক্তি, উত্তরাধিকার বা দখল সূত্রে হোক—তাহলে সে এই ধারায় মামলা করতে পারবে।
এই ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা করা যায়। তবে, দখল উদ্ধারের নিয়ম-কানুন The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ২১-এ উল্লেখ করা আছে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.

১০,০২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, কবর থেকে লাশ তোলার ক্ষমতা কার আছে?
  1. পুলিশ সুপারের
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. তদন্তকারী অফিসারের
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১০,০২৪.
সাক্ষ্য আইনের ২৪ ও ২৮ ধারায় বর্ণিত বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে
  3. দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে
  4. উপরের কোনোটিই সঠিক নয়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ২৪ ও ২৮ ধারা মূলত ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এগুলো স্বীকারোক্তির গ্রহণযোগ্যতা সংক্রান্ত বিধান নির্ধারণ করে, যা সাধারণত অপরাধমূলক কার্যকলাপের স্বীকারোক্তি সংক্রান্ত।

সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা:
এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো স্বীকারোক্তি প্ররোচনা, ভয় বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হয় এবং তা যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা (পুলিশ বা বিচারক) দ্বারা প্রভাবিত হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

মূল পয়েন্ট:
- যদি আসামি ভয় পান যে স্বীকারোক্তি দিলে ক্ষতি হবে বা না দিলে সুবিধা পাবে, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
- শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য, কারণ দেওয়ানি মামলায় সাধারণত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দণ্ড দেওয়া হয় না।

সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারা:
এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো স্বীকারোক্তি প্ররোচনা, ভয় বা প্রতিশ্রুতির ফলে দেওয়া হয় এবং পরে তা স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়, তবে আদালত তা গ্রহণ করতে পারে।

মূল পয়েন্ট:
- যদি কোনো ব্যক্তি প্রথমে ভয় বা প্রতিশ্রুতির কারণে স্বীকারোক্তি দেন, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
- কিন্তু পরে যদি তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বীকারোক্তি দেন, তবে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
- এটি শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার জন্য প্রযোজ্য, কারণ দেওয়ানি মামলায় সাধারণত অপরাধমূলক স্বীকারোক্তির প্রশ্ন আসে না।
১০,০২৫.
নিষেধাজ্ঞায় আদেশ কত প্রকারের হতে পারে?
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
১০,০২৬.
A, B-এর পকেটে এই উদ্দেশ্যে কিছু অলংকার রাখে যে উক্ত অলংকার উক্ত পকেটে পাওয়া যেতে পারে এবং এই ঘটনার জন্য B চুরির অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে। দণ্ডবিধি অনুসারে A এর অপরাধ কী?
  1. সত্য লুকিয়েছে
  2. মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে
  3. মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করেছে
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।
-------------- 
-Section 192. Fabricating false evidence:
Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations:
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. 
(b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence. 
(c) A, with the intention of causing Z to be convicted of a criminal conspiracy, writes a letter in imitation of Z's handwriting purporting to be addressed to an accomplice in such criminal conspiracy, and puts the letter in a place which he knows that the officers of the Police are likely to search. A has fabricated false evidence.
১০,০২৭.
একজন হানাফি মুসলিম মা, বাবা ও দুই বোনকে রেখে মৃত্যুবরণ করেন। এই পরিস্থিতিতে কে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবে?
  1. মা
  2. বাবা
  3. দুই বোন
  4. কেউ বঞ্চিত হবে না
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে উল্লিখিত ক্ষেত্রে,
⇒ দুই বোন কোনো অংশ পাবে না; (বাবা জীবিত থাকায়, বোনেরা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবে)।
⇒ মা ১/৬ অংশ পাবে ( যেহেতু দুই বা ততোধিক বোন রয়েছে); এবং
⇒ বাবা বাকি ৫/৬ অংশ পাবে (আসাবা হিসেবে)।

• মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে বোনের অংশ :
মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান না থাকলে এবং পিতা, দাদা বা ভাই না থাকলে,
⇒ বোন একজন হলে ১/২ অংশ এবং একাধিক হলে ২/৩ অংশ পায়।
⇒ আপন ভাই থাকলে বোনেরা অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবে ২:১ আনুপাতিক হারে।
⇒ মৃত ব্যক্তির কন্যা অথবা পুত্রর কন্যা থাকলে বোন অবশিষ্টভোগী হিসেবে অংশ পাবে।
১০,০২৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় সরকারের সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ১৭
  2. ৩৪
  3. ৪১
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ১৭ ধারার বিধান 'সরকার' বলতে বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনিবাহী সরকার পরিচালনা করবার জন্য আইনবলে ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝাইবে।

- The Penal Code, 1860 Section 17: “Government”: The word “Government” denotes the person or persons authorized by law to administer executive Government in Bangladesh, or in any part thereof.
১০,০২৯.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী ধারা ৬ অনুসারে, নিচের কোনটি হস্তান্তরযোগ্য নয়?
  1. একটি গাড়ির মালিকানা
  2. কোনো ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ
  3. একটি কারখানার মালিকানা
  4. ভবিষ্যৎ ভরণ-পোষণের অধিকার
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী, সাধারণভাবে যেকোনো সম্পত্তি হস্তান্তরযোগ্য। তবে কিছু সম্পত্তি হস্তান্তরযোগ্য নয়, যেমন:
- সম্ভাব্য উত্তরাধিকার (Spes Successionis)
- ব্যক্তিগত ভোগ-দখলের অধিকার
- ভবিষ্যৎ ভরণ-পোষণের অধিকার
- শুধুমাত্র মামলা করার অধিকার (Right to Sue)
- সরকারি বেতন, পেনশন ইত্যাদি।
ভবিষ্যৎ ভরণ-পোষণের অধিকার হলো ব্যক্তিগত অধিকার যা নির্দিষ্ট ব্যক্তির জীবনের ওপর নির্ভরশীল। তাই আইন এটিকে হস্তান্তরযোগ্য বলে বিবেচনা করে না।
অন্যদিকে, গাড়ি, ব্যাংক জমা বা কারখানার মালিকানা সাধারণভাবে হস্তান্তরযোগ্য।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: ঘ) ভবিষ্যৎ ভরণ-পোষণের অধিকার।

১০,০৩০.
কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে ________ কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
  1. যে-কোনো
  2. যাবজ্জীবন
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।

♦ গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।

অর্থাৎ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
১০,০৩১.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার কয়টি পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়-
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে;
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে;
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন।
 
Section 155⇒ Impeaching credit of witness:
The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;
 
Explanation.– A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
১০,০৩২.
কোন ক্ষেত্রে আদালত অ-জামিনযোগ্য অপরাধের অভিযুক্তকে বিশেষভাবে জামিন দিতে পারে?
  1. অভিযুক্ত আর্থিকভাবে দেউলিয়া হলে
  2. অভিযুক্ত নারী হলে
  3. অভিযুক্ত দীর্ঘদিন কারাগারে থাকলে
  4. অভিযুক্ত ১৬ বছরের বেশি বয়সী হলে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৯৭ - অ-জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন:
১. সাধারণ বিধান (উপধারা ১):
যে কোনো ব্যক্তি যাকে অ-জামিনযোগ্য অপরাধের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে বা পুলিশি ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়েছে, অথবা আদালতে উপস্থিত করা হয়েছে, তাকে জামিন দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু যদি মনে হয় যে সে এমন অপরাধে যুক্ত যা মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সাজা যোগ্য, তবে জামিন দেওয়া যাবে না।

আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে, যদি অভিযুক্ত ১৬ বছরের কম বয়সী, নারী, বা অসুস্থ/দুর্বল ব্যক্তি হয়, তবে জামিন দেওয়া যেতে পারে, এমনকি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সাজা যোগ্য গুরুতর অপরাধ হলেও।

২. তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচার চলাকালীন জামিন (উপধারা ২):
যদি পুলিশের অফিসার বা আদালত মনে করে না যে অভিযুক্ত নন-জামিনযোগ্য অপরাধ করেছে, কিন্তু অভিযুক্তের দোষ সম্পর্কে আরও অনুসন্ধানের পর্যাপ্ত কারণ আছে, তখন সেই ব্যক্তি অপেক্ষমাণ অবস্থায় জামিন পাবেন, অথবা বন্ডের মাধ্যমে (কোনো গ্যারান্টি ছাড়া) আদালতে হাজির থাকার শর্তে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে।
 
৩. কারণ লিখিতভাবে নথিভুক্ত করা (উপধারা ৩):
যে কোনো পুলিশ অফিসার বা আদালত জামিন দেওয়ার সময় অবশ্যই লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করবেন।
 
৪. বিচারের শেষ পর্যায়ে জামিন (উপধারা ৪):
যদি বিচার শেষের আগে আদালত মনে করে যে অভিযুক্তের অপরাধে যুক্তি নেই (নিষ্ক্রিয় বা অব্যাহত প্রমাণ নেই), তাহলে অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া হবে, কোনো গ্যারান্টি ছাড়া আদালতে হাজির থাকার শর্তে।
 
৫. উচ্চ আদালত বা সেশন কোর্টের ক্ষমতা (উপধারা ৫):
High Court Division বা Sessions Court, বা যে কোনো আদালত যে কাউকে ধারা ৪৯৭ অনুযায়ী জামিন দিয়েছে, তাকে আবার গ্রেফতার করার ও কারাগারে পাঠানোর ক্ষমতা রাখে।

১০,০৩৩.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ বর্ণিত আছে?
  1. ১০৩
  2. ১১৩
  3. ১১৫
  4. ১২৩
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১ বৎসর।

অর্থাৎ চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত।
১০,০৩৪.
A চুক্তি করে B-এর জীবদ্দশায় তার একটি সম্পত্তি C-কে বিক্রি করবে। কিন্তু চুক্তির সময় B মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানত না। এক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. B-এর উত্তরাধিকার পালন করবে
ব্যাখ্যা
The Contract Act, 1872 (ধারা ২০):
যখন কোনো চুক্তির উভয় পক্ষই এমন কোনো সত্যিকার বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণায় থাকে যা চুক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তখন সেই চুক্তি বাতিল (Void) হবে।

ব্যাখ্যা: কোনো বস্তুর মূল্য সম্পর্কে ভুল ধারণা থাকাকে সত্যিকার বিষয়ে ভুল (mistake as to matter of fact) ধরা হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A ও B চুক্তি করে, A ইংল্যান্ড থেকে চট্টগ্রামগামী নির্দিষ্ট পণ্যবাহী জাহাজের মালামাল B-কে বিক্রি করবে বলে। কিন্তু চুক্তির আগে জাহাজটি ডুবেযাওয়া ও মালামাল হারিয়ে যাওয়ার খবর উভয় পক্ষের অজানা। তাই চুক্তিটি বাতিল।
(খ) A চুক্তি করে B থেকে একটি ঘোড়া কিনবে। কিন্তু চুক্তির সময় ঘোড়াটি মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানে না। তাই চুক্তিটি বাতিল।
(গ) A চুক্তি করে B-এর জীবদ্দশায় তার একটি সম্পত্তি C-কে বিক্রি করবে। কিন্তু চুক্তির সময় B মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানত না। তাই চুক্তিটি বাতিল।
১০,০৩৫.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তুর সম্পর্কে মৌখিক স্বীকারোক্তি কখন সাক্ষ্য আইনে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য হয়?
  1. যখন আদালত তা লিখিত আকারে চায়
  2. যখন উক্ত ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা বিতর্কিত হয়
  3. যখন স্বীকারোক্তি প্রত্যক্ষদর্শীর কাছ থেকে আসে
  4. যখন মৌখিক স্বীকারোক্তি কোনো পুলিশ অফিসার গ্রহণ করেন
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক(Section 22A) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question."
অর্থাৎ, সাধারণভাবে ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। তবে, যদি সেই ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা নিয়ে আদালতে প্রশ্ন ওঠে বা তা বিতর্কিত হয়, তখন সেই মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক বা গ্রহণযোগ্য হয়ে যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২২ক অনুযায়ী,

"Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question."
অর্থাৎ, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু নিয়ে মৌখিক স্বীকারোক্তি সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়, যতক্ষণ না সেই রেকর্ডের সত্যতা বা প্রামাণ্যতা চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।
১০,০৩৬.
'ক' 'খ' কে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে, কিন্তু গুলিটি 'খ' এর পরিবর্তে পাশে দাঁড়ানো 'গ' এর উপর লাগে এবং 'গ' মারা যায়। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' এর এই কাজটি কোন ধারার আওতায় অপরাধ?
  1. ধারা ২৯৯
  2. ধারা ৩০০
  3. ধারা ৩০১
  4. ধারা ৩০২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০১ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহ কোনো কাজ করে এবং তাতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, তাহলে অপরাধের ধরন এবং শাস্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে যা হতো তাই হবে। এখানে ‘ক’ ‘খ’-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গুলি করে, কিন্তু ‘গ’-এর মৃত্যু ঘটেছে, তাই এটি ‘খ’-এর হত্যার মতোই অপরাধ (যেমন: যদি উদ্দেশ্য হত্যা হয়, তাহলে এটিও হত্যা হিসেবে গণ্য)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ধারা ৩০১।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

১০,০৩৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর কোন ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে ট্রাইব্যুনাল বিচার করতে পারে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২৩
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২১ ধারার বিধান অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা করতে পারে। এই ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি ট্রাইব্যুনালের বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক বা আত্মগোপন করেছেন এবং তাঁর আশু গ্রেফতারের সম্ভাবনা না থাকে, তবে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া (যেমন, দুইটি বাংলা দৈনিক পত্রিকায় প্রজ্ঞাপন জারি) অনুসরণ করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির না হলে, ট্রাইব্যুনাল তাঁর অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পারে। এছাড়াও, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি হাজির হওয়ার পর বা জামিনে মুক্তির পর পলাতক হন, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে ট্রাইব্যুনাল বিচার সম্পন্ন করতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ধারা ২১।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং
(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।

১০,০৩৮.
কখন আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করা যাবে না?
  1. জেরা-এর সময়
  2. জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দীর সময়
  3. লিখিত সাক্ষ্যগ্রহণের সময়
  4. উল্লিখিত যেকোনো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা- ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) :
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।

১০,০৩৯.
আদেশ ১৩ বিধি-৩ এর অধীন আদালত একটি দলিল অগ্রাহ্য করার সিদ্ধান্ত কোন পর্যায়ে নিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মোকদ্দমার শুরুতে
  2. শুধুমাত্র চূড়ান্ত রায়ের পরে
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
  4. শুধুমাত্র চূড়ান্ত যুক্তিতর্কের সময়
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।

Order 13 Rule 3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.
১০,০৪০.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হবে বাঙালি জাতির-
  1. মতৈক্য ও সমঝোতা
  2. ঐক্য ও সংহতি
  3. ভাষা ও সংস্কৃতি
  4. ভাষা ও আচার-অনুষ্ঠান
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ

ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

Article 9: Nationalism
The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.
১০,০৪১.
মুসলিম আইনে, বিবাহ হলো -
  1. একটি পবিত্র চুক্তি
  2. একটি দেওয়ানি চুক্তি
  3. ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান
  4. একটি স্বর্গীয় কার্য
ব্যাখ্যা
⇒ ইসলামি আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। ইসলামী আইনে বিয়ে হলো একজন নারী ও পুরুষের মধ্যে পবিত্র বন্ধন। ধর্মীয় ও সামাজিক উদ্দেশ্য ছাড়াও এ বন্ধন সৃষ্টি হয় একটা আইনগত চুক্তির মাধ্যমে। বিয়ের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও বৈধ সন্তান জন্মদানের অধিকার লাভ করে। এ ছাড়াও বিয়ের মাধ্যমে তাদের একে অন্যের ওপর যাবতীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য জন্মায়।

Abdul Kadir Vs. Salima মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহকে দেওয়ানি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে। অপর পক্ষে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট Khurshid Bibi মামলায় বলেন- বিবাহ যদিও দেওয়ানি চুক্তির ন্যায় একটি চুক্তি, এটি পুরোপুরি দেওয়নি চুক্তি নয়। কিন্তু Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।
১০,০৪২.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি অনধিকার গৃহপ্রবেশের উদাহরণ?
  1. কোনো ব্যক্তির বাড়ির সামনে হাঁটা
  2. কোনো ব্যক্তির বাড়ির দরজায় দাঁড়ানো
  3. কোনো ব্যক্তির বাড়ির বাইরে কথা বলা
  4. কোনো ব্যক্তির বাড়ির জানালা দিয়ে হাত ঢোকানো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে, অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলতে বোঝায় অন্যের গৃহ, তাঁবু বা জলযানে অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে প্রবেশ করা বা সেখানে অবস্থান করা।
- ব্যাখ্যা অনুসারে, যদি কেউ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে অন্যের গৃহের দরজা, জানালা বা অন্য কোনো পথ দিয়ে তার দেহের কোনো অংশ প্রবেশ করায়, তবে সেটিও অনধিকার গৃহপ্রবেশের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ সুতরাং, "জানালা দিয়ে হাত ঢোকানো" অনধিকার গৃহপ্রবেশের উপযুক্ত উদাহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 442- House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house trespass.
১০,০৪৩.
হানাফী মতবাদ অনুসারে কোন ব্যক্তি কখনও অবশিষ্টভোগী হতে পারে না?
  1. পিতা
  2. স্বামী
  3. ভ্রাতা
  4. পুত্র বা কন্যা
ব্যাখ্যা
অবশিষ্টাংশ ভোগীগণ (Residuaries):
মৃত ব্যক্তির যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে এবং যারা অংশীদারদের নির্দিষ্ট অংশ নেবার পর কোন সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকলে তা অথবা কোন অংশীদার না থাকলে সমস্ত সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে, এমন সমস্ত নিকটবর্তী আত্নীয়রা তালিকায় উল্লেখিত ক্রমানুসারে লাভ করে থাকে। মৃত ব্যক্তির এ সকল নিকটত্নীয়দেরকে অবশিষ্টাংশভোগী বলা হয়। এই অবশিষ্টংশ ভোগীদের কোন নির্দিষ্ট অংশ নাই। অংশীদারদের দেওয়ার পরেই কেবল অবশিষ্ট সম্পত্তি তারা পাবেন, কিন্তু এই অবশিষ্টাংশের পরিমাণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যদি কোন অংশীদার না থাকেন, তবে সমস্ত সম্পত্তিই আসাবা বা অংশীদারগণ পাবেন। এ সকল আসাবা বা অবশিষ্টাংশ ভোগীগণকে এগনেটিক ওয়ারিশ ও বলা হয়। কারণ এরা পুরুষ আত্নীয়ের মাধ্যমেই ওয়ারিশ হয়ে থাকে।

অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে পিতা-
যদি মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান বা তাঁর পুত্রের কন্যা সন্তান থাকলে তবে পিতা সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ পায় এবং কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর অবশিষ্ট যে সম্পত্তি থাকবে তাও পিতা পাবেন। 
আর যদি মৃত সন্তানের কোন পুত্র-কন্যা বা পুত্রের সন্তান কিছুই না থাকে তাবে বাকী অংশীদারদের তাঁদের অংশ অনুযায়ী দেয়ার পর অবশিষ্ট যা থাকবে তার সবটুকুই পিতা পাবেন।
অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে পুত্র-কন্যা-
যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ছেলে ও মেয়ে রয়েছে সেই ক্ষেত্রে ছেলে বা ছেলেরা, মেয়ে বা মেয়েদের চেয়ে দ্বিগুন সম্পত্তি পাবে। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে মাতাপিতা ও স্বামী-স্ত্রী নির্দিষ্ট সম্পত্তি পাওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ছেলে মেয়ের মধ্যে বন্টন করা হবে। তবে মেয়ে না থাকলে অংশীদারদের অংশ দেয়ার পর অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে বাকী সম্পূর্ণ সম্পত্তি ছেলে বা ছেলেরাই পাবে।

অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে ভাই-
যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে যত নিচেই হোক কেউ থাকলে অথবা বাবা, দাদা বা এভাবে ঊর্ধ্ব পুরুষ কেউ থাকলে তখন ভাই-বোন কেউ অংশ পাবেন না। তবে যদি স্বামী/স্ত্রী, কন্যা বা মা থাকে তবে তাদের অংশ দেওয়ার পর বাকি অংশ ভাই-বোন নিজেদের অংশ (১/২) হিসেবে পাবে। ঊর্ধ্ব পুরুষ বা উত্তর পুরুষে কেউ না থাকলে সহোদর ভাই-বোন ছেলে-মেয়ের মতো হারে অংশ পাবে।

অপর দিকে, স্বামীর অংশ : স্বামী ২ ভাবে মৃত স্ত্রীর সম্পত্তির ভাগ পেয়ে থাকে।
- মৃত স্ত্রীর কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকলে, স্বামী স্ত্রীর সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে। 
- মৃত স্ত্রীর কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তান কেউই না থাকলে স্বামী স্ত্রীর সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবে।

অর্থাৎ পিতা, ভাই/ ভ্রাতা এবং পুত্র বা কন্যা অবশিষ্টভোগী হিসেবে পেতে পারে কিন্তু স্বামী পায় না।
১০,০৪৪.
আদালত কোন ক্ষেত্রে পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগকে মূল অভিযোগ হিসাবে গণ্য করে বিচার শুরু করতে পারেন?
  1. যখন অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থন বা সরকার পক্ষের মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই
  2. যখন সরকার পক্ষ আবেদন করে
  3. যখন সরকার এবং অভিযুক্ত উভয়পক্ষ এই মর্মে আবেদন করে
  4. সকল ক্ষেত্রেই মূল অভিযোগ হিসেবে গণ্য করা যাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী- চার্জ বা অভিযোগ (Charge) ফৌজদারী বিচার কার্যক্রমে একটি  গুরুত্বপূর্ণ স্তর যা অনুসন্ধান (inquiry) এবং বিচার (trial) কে পৃথক করে।একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 

অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৮ ধারাতে কখন থেকে পরিবর্তিত চার্জ অনুযায়ী বিচার শুরু হবে সেই সম্পর্কে বলা আছে।
এই ধারা অনুসারে, ২২৭ ধারা অধীন প্রণীত বা পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগ (চার্জ) যদি এরূপ হয় যে, আদালতের অভিমত অনুসারে সঙ্গে সঙ্গে বিচার শুরু করার ফলে অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থন বা সরকার পক্ষের মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তাহলে আদালত ইচ্ছা করলে অভিযোগ গঠন, পরিবর্তন বা সংযোজনের পর নতুন বা পরিবর্তিত অভিযোগকে মূল অভিযোগ হিসাবে গণ্য করে বিচার শুরু করতে পারেন ।
১০,০৪৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির বিধান অনুসারে সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হলে কত দিনের লিখিত নোটিশ দিতে হয়?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮০ ধারার বিধান নোটিশ (Notice)-
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮০ ধারা অনুযায়ী লিখিত নোটিশ জারির ২ মাস পর সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হয়।
- যদি ২ মাসের নোটিশ দিয়ে মামলা করা হয় তাহলে সরকার বা সরকারী কর্মচারীও (বিবাদী হিসেবে) লিখিত জবাবের জন্য ৬০ দিনের বেশি সময় পাবে না,
- কিন্তু উক্ত নোটিশ না দিয়ে মামলা করলে সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অন্যূন ৩ মাস সময় পাবে।

 - সরকারের বিরুদ্ধে (রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত) মামলা করতে হলে সরকারের কোন সচিবের অফিসে অথবা জেলার কালেক্টরের অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারের অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- কোন সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে তাকে বা তার অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- রেল-সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে মামলার নোটিশে মামলার কারণ, বাদীর নাম-ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করে, তা উল্লেখ করতে হবে; এবং নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।
------------------
CPC Saction 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,- 
 
(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and 
 
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left. 
 
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit: 
 
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
১০,০৪৬.
দণ্ডবিধিতে শাস্তি হিসেবে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. জরিমানা
  3. দেশান্তর
  4. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ (Chapter III, Section 53) অনুযায়ী শাস্তির ধরনগুলো হলো—
১) মৃত্যুদণ্ড
২) আজীবন কারাদণ্ড (rigorous)
৩) কারাদণ্ড – কঠোর শ্রমসহ বা সহজ
৪) সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ (forfeiture of property)
৫) জরিমানা (fine)
-  কিন্তু দেশান্তর (transportation) শাস্তি ১৯৫০ সালের আইন দ্বারা বাতিল (omitted) করা হয়েছে।
- সুতরাং, বর্তমানে "দেশান্তর" শাস্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।
সঠিক উত্তর: গ) দেশান্তর

১০,০৪৭.
তালাক-ই-হাসানের ক্ষেত্রে মোট কয় বার 'তালাক' উচ্চারণ করতে হয়?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
তালাক-উস-সুন্নাহ (অনুমোদিত তালাক):
তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] হলো হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নত বা হাদিসে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী তালাক। তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] দুই প্রকার হতে পারে;

ক. তালাক আহসান [Ahsan] (সর্বাধিক অনুমোদিত তালাক)
খ. তালাক হাসান [Hasan] (অনুমোদিত তালাক)

- তালাক-ই-আহসান (Ahsan): স্ত্রীর তুহরে (পবিত্র সময়) একবার তালাক উচ্চারণ করা হলে এবং স্ত্রীর ইদ্দতকাল (৩টি ঋতুকাল পর্যন্ত) তার সাথে যৌন সম্পর্ক (Consummation) না রাখলে, ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার সাথে সাথে তালাক কার্যকর হবে এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হবে। এটি সর্বাপেক্ষা অনুমোদিত তালাক।

- তালাক-ই-হাসান (Hasan): স্বামী তার স্ত্রীর পরপর ৩টি তুহরের প্রত্যেক তুহরেই ১ বার করে তালাক উচ্চারণ করবে এবং তুহর কালে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হতে বিরত থাকবে। তৃতীয় উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গেই তালাক কার্যকর হবে। এই ক্ষেত্রে তালাক অপ্রত্যাহারযোগ্য।
১০,০৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে, সমন গ্রহণের পর কুরিয়ার সার্ভিস কত দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে তা পাঠাবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯ (জারির জন্য সমন অর্জন অথবা প্রেরণ) -
(১) যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে, বিবাদী সেটির এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাস করে বা সমন গ্রহণ করার ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি বিবাদীর পক্ষে যদি এরূপ এলাকার ভিতর বসবাস করে, তবে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ না দিলে হয় উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট স্বয়ং জারি করার লক্ষ্যে বা তাদের অধঃস্তন কোন ব্যক্তি দ্বারা অথবা উপ-ধারা(৪) এর বিধান অনুযায়ী জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভুক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সমন অর্পিত বা প্রেরিত হবে।
(২) উপযুক্ত কর্মকর্তা যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে সেখানকার না হয়ে অন্য কোন আদালতের কর্মকর্তাও হতে পারেন, এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তার নিকট ডাকযোগে বা আদালত যেভাবে নির্দেশ দিতে পারে অনুরূপ অন্য যে কোন উপায়ে প্রেরণ করা যাবে।
(৩) আদালত উপ-বিধি (১) তে বর্ণিত বিধানের অতিরিক্ত হিসেবে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারে এবং একইসঙ্গে ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে বা ইলেক্ট্রনিক মেইল সার্ভিস এর মাধ্যমে নিজ খরচে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিবেন।
(৪) জেলা জজ উপ-বিধি(১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কুরিয়ার সার্ভিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় হালনাগাদসহ) এবং তার প্রশাসনিক অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতসমূহকে তা অবহিত করবেন।
(৫) যখন সমন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস এর নিকট প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত সমন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সার্ভিস বা প্রেরণ করবেন এবং আদালতকে এতদবিষয়ে অবহিত করবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যদি উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং কুরিয়ারের ক্ষেত্রে,জেলা জজ প্রস্তুতকৃত তালিকা হতে তা বাদ দিবেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-9 Delivery or transmission of summons for service.⎯
(1) Where the defendant resides within the jurisdiction of the Court in which the suit is instituted, or has an agent resident within that jurisdiction who is empowered to accept the service of the summons, the summons shall, unless the Court otherwise directs, be delivered or sent either to the proper officer to be served by him or one of his subordinates or through courier service enlisted by the District Judge under sub-rule (4).
(2) The proper officer may be an officer of a Court other than that in which the suit is instituted, and, where he is such an officer, the summons may be sent to him by post or in such manner as the Court may direct.
(3) The Court may, in addition to the service of summons under sub-rule (1), on the application of the plaintiff for the issue of a summons for the appearance of the defendant, also direct the summons to be served by means of transmission of documents through fax massage or electronic mail service by the plaintiff at his own cost.
(4) The District Judge shall prepare a list of courier services (to be updated from time to time) for the purposes of sub-rule (1), and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the list.
(5) When a summons is sent to the proper officer or the courier service, he or it shall serve the summons within thirty days from the date of receipt of summons and shall inform the Court in this regard : Provided that, if the proper officer or the courier service fails to serve the summons within the said period of time, that officer shall be liable for misconduct and in the case of courier service, the District Judge shall exclude it from the list prepared under sub-rule (4).
১০,০৪৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় যখন-
  1. চুক্তিভঙ্গের ফলে অর্থ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
  2. যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন একটি ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত
  3. যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করলে যে ক্ষতি হবে তা নির্ণয়ের কোন মানদণ্ড নাই
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২, যে সকল ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন কার্যকরযোগ্য: এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, যে কোনো চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কার্যকর করা যাইবে-
(ক) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে একটি ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করিলে প্রকৃতপক্ষে যে ক্ষতি সাধিত হইবে উহা নির্ণয় করিবার কোনো মানদণ্ড নাই;
(গ) যখন চুক্তিভুক্ত কাজটি এইরূপ হয় যে, উহা সম্পাদন না করিয়া আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া যায় না;
(ঘ) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করিবার জন্য কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা নাই।
----------------------------
The Specific Relief Act.1877, Section: 12. Cases in which specific performance enforceable: Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief;
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

১০,০৫০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাটি ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞা প্রদান করে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act (Amendment), 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত যে কোন লেখা, সিসিটিভির ভিডিও বা মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও বা ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি ডিজিটাল রেকর্ড মর্মে গণ্য হবে এবং এগুলো সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের অন্তর্ভুক্ত হবে।

ধারা ৩: The Evidence Act (Amendment), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
১০,০৫১.
পলাতক আসামীর উপস্থিতির জন্য বিজ্ঞাপন দিতে হয় ________।
  1. আদালতের নির্দেশ মোতাবেক
  2. দুইটি সাপ্তাহিক পত্রিকায়
  3. একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়
  4. দুইটি বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ ধারার বিধান- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশি অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
১০,০৫২.
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কে নিয়োগ দেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. সুপ্রীম কোর্ট কমিটি
  4. জাতীয় পরিচালনা বোর্ড
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১- নির্বাহী পরিচালক:
(১) সংস্থার একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবেন এবং তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন৷

(২) নির্বাহী পরিচালক, সংস্থার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবেন এবং বোর্ডের নির্দেশ মোতাবেক সংস্থার কার্য সম্পাদন করিবেন।

(৩) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ না হওয়া অবধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্য হইতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কর্মকর্তা নির্বাহী পরিচালক]রূপে কাজ করিবেন৷

(৫) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ না হওয়া অবধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় উহার বিদ্যমান কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্য হইতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত কার্য সম্পাদনে 52[নির্বাহী পরিচালক]কে সহায়তা প্রদান করিবে।

১০,০৫৩.
যদি কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য হওয়ার যোগ্য নন বা অযোগ্য হয়েছেন জেনেও সংসদে সদস্যরূপে আসন গ্রহণ করেন, তবে প্রতিদিন সংসদে যোগদানের জন্য তিনি কত টাকার অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন?
  1. পাঁচশত টাকা
  2. এক হাজার টাকা
  3. দুই হাজার টাকা
  4. তিন হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৯ অনুচ্ছেদের বিধান: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড:

কোন ব্যক্তি এই সংবিধানের বিধান অনুযায়ী শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করিবার এবং শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবার পূর্বে কিংবা তিনি সংসদ-সদস্য হইবার যোগ্য নহেন বা অযোগ্য হইয়াছেন জানিয়া সংসদ-সদস্যরূপে আসনগ্রহণ বা ভোটদান করিলে তিনি প্রতি দিনের অনুরূপ কার্যের জন্য প্রজাতন্ত্রের নিকট দেনা হিসাবে উসুলযোগ্য এক হাজার টাকা করিয়া অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

Article 69: Penalty for member sitting or voting before taking oath:

If a person sits or votes as a member of Parliament before he makes or subscribes the oath or affirmation in accordance with this Constitution, or when he knows that he is not qualified or is disqualified for membership thereof, he shall be liable in respect of each day on which he so sits or votes to a penalty of one thousand taka to be recovered as a debt due to the Republic.
১০,০৫৪.
বিচারিক আদালত একজন দন্ডিতকে জামিন দিতে পারে যদি তার কারাদন্ডের মেয়াদ হয় অনধিক-
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারার বিধান আপিল পেন্ডিং থাকলে দণ্ড স্থগিতঃ দণ্ডিত ব্যক্তির আপিল সাপেক্ষে আপিল আদালত আপিলকৃত দণ্ড বা আদেশ কার্যকর স্থগিত রাখবে এবং আসামি আটক থাকলে মুক্তি দিবে। [৪২৬(১)]

♦ এই ধারায় প্রদত্ত আপিল আদালতের ক্ষমতা হাইকোর্টও প্রয়োগ করতে পারবেন। [৪২৬(২)]

♦ কোন ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলে, আপিল পেশ ও আপিল আদালতের আদেশ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে যতদিন সে জামিনে মুক্ত থাকবে ততদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড স্থগিত রয়েছে বলে গণ্য হবে। [ ৪২৬(২)]

♦ আপীলকারী যখন শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তখন যে সময়ের জন্য সে মুক্ত ছিল দণ্ডের মেয়াদ হিসাবের সময় তা বাদ দিতে হবে। [৪২৬(৩)]

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৬(২ক) মতে কোন ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলে, আপিল পেশ ও আপিল আদালতের আদেশ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে যতদিন সে জামিনে মুক্ত থাকবে ততদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড স্থগিত রয়েছে বলে গণ্য হবে।
১০,০৫৫.
অপরাধীর সংখ্যা ছাড়া নিম্নবর্ণিত কোন দুটি অপরাধের উপাদানসমূহ অভিন্ন?
  1. চুরি ও বলপূর্বক আদায়
  2. বলপূর্বক আদায় ও ডাকাতি
  3. বলপূর্বক আদায় ও দস্যুতা
  4. ডাকাতি ও দস্যুতা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
♦দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
♦দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
♦দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

♦ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
♦ ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
১০,০৫৬.
কে সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন করবার ব্যবস্থা করবেন?
  1. মহা হিসাব-নিরীক্ষক
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. অর্থমন্ত্রী
  4. প্রধান মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন:
 - প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্টসমূহ রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেন।
-----------------------------
⇒ Article 132. Reports of Auditor General to be laid before Parliament:
- The reports of the Auditor General relating to the public accounts of the Republic shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament.
১০,০৫৭.
যখন ম্যাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করেন, তখন আসামী-
  1. অব্যাহতি পেতে পারে
  2. খালাস পেতে পারে
  3. দন্ড পেতে পারে
  4. মুক্তি পেতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ তদন্তে আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে প্রমান পাওয়া না গেলে আসামীকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য তদন্ত কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন জমা দেন তাকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা Final Report বলে।

♦ম্যাজিষ্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করতে বাধ্য নয় ; ম্যাজিষ্ট্রেট Final Report গ্রহণ বা প্রত্যাখান করতে পারে।

♦ম্যাজিষ্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করলে আসামীকে ২০২(২খ) ধারায় অব্যাহতি দিতে পারেন। 

♦কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ না করলে অথবা নারাজী পিটিশন দাখিল করা হলে ম্যাজিষ্ট্রেট পুনরায় তদন্তের আদেশ দিতে পারেন অথবা ১৯০খ ধারায় মামলাটি আমলে নিতে পারেন।
১০,০৫৮.
'মুশাহ' (Musha) হলো কোনো সম্পত্তির ________ অংশ।
  1. অর্ধেক
  2. বিভক্ত
  3. অবিভাজ্য
  4. পরিত্যক্ত
ব্যাখ্যা
⇒ 'মুশাহ' বা 'Musha' হলো কোনো সম্পত্তির অবিভাজ্য বা অবিভক্ত অংশ।
-হানাফি আইন অনুসারে অবিভক্ত যৌথ সম্পত্তি যা বিভক্ত করা যায় এমন সম্পত্তি দান করলে দানটি বৈধ হবে না।
-কিন্তু পরবর্তীতে এটি বিভক্ত করা হলে দানটি বৈধ হয়ে যাবে।

কিন্তু চারটি বিশেষ ক্ষেত্র আছে যেসব ক্ষেত্রে দানের বিষয়বস্তু বিভক্ত করা না হলেও দানটি বৈধ হবে।
- যদি সম্পত্তিটি অবিভাজ্য হয় অথবা যদি সম্পত্তিটি এমন হয় যে, অবিভক্ত অবস্থায় সম্পত্তিটি ব্যবহারের জন্য বেশি উপযোগী;
- যদি দুই বা ততোধিক অংশীদারদের যেকোনো একজন তার অংশটি অপর কোনো অংশীদারকে দান করে;
- কোনো অবিভক্ত ভূমির ভাড়ার কোনো নির্দিষ্ট অংশ আলাদাভাবে গ্রহণ এবং উত্তোলন করার অধিকার থাকলে সেটিকে অবিভক্ত জমি ধরা হবে না এবং এটি দান করলে দানটি অবৈধ হবে না;
- দানকারী যদি কোনো হোল্ডিংয়ে দান গ্রহীতাকে যৌথ মালকানার স্বীকৃতি দেয় এবং সেরকম দখলের 'স্বীকৃতি দিলে সেটি বৈধ দান হবে।
১০,০৫৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ক-এর উদ্দেশ্য প্রধানত কী?
  1. মামলার সময়সীমা বৃদ্ধি করা
  2. নির্বাহী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা সীমিত করা
  3. ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা
  4. আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (গ) ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ক অনুসারে,
আদালত এক্সিকিউটিভ কর্তৃপক্ষ, যেমন পুলিশ বা অন্যান্য সরকারি সংস্থাকে নির্দেশ দিতে পারে যাতে আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।
এছাড়াও, আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে কতটুকু সহায়তা বা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে তার রিপোর্ট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ক- আদেশ/ডিক্রি কার্যকর করার নির্দেশ:

যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার উদ্দেশ্যে, আদালত নিম্নলিখিত নির্দেশ দিতে পারবে— যে কোনো নির্বাহী কর্তৃপক্ষ, যার মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অন্তর্ভুক্ত, তাকে আদালতের নির্ধারিত ব্যক্তিকে সহায়তা করতে নির্দেশ দিতে পারবে এবং আদালত সেই সহায়তা প্রদানের অনুপালনের প্রতিবেদন আদালতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দাখিল করতে বলতে পারবে।

১০,০৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালতে অভিযােগকারীর পক্ষে কে মামলা পরিচালনা করে থাকেন?
  1. সরকারি উকিল
  2. এটর্নি জেনারেল
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত উকিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
⇒ কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial)
-ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
- ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভযোেগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265A.Trial to be conducted by Public Prosecutor:
 -In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265B.Opening case for prosecution:
-When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.
১০,০৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে কারা অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারেন না?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) সুপ্রিম কোর্ট।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে অপরাধের সহযোগীকে (Accomplice) শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করার ক্ষমতা রয়েছে—
১) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট,
২) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, এবং
৩) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের।
এরা মামলার তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচার চলাকালীন সময়ে অপরাধের সত্য তথ্য সংগ্রহের স্বার্থে কোনো অভিযুক্তকে ক্ষমা করতে পারেন, যদি সে অপরাধ সম্পর্কিত সম্পূর্ণ সত্য প্রকাশ করতে রাজি হয়।
কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
সুপ্রিম কোর্ট মূলত আপিল ও রিভিশনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে, কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো অভিযুক্তকে ক্ষমা করার এখতিয়ার তার নেই।
- তাই সুপ্রিম কোর্টের এই ক্ষমতা না থাকার কারণে "ক" অপশনটি সঠিক উত্তর।
১০,০৬২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপীলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ২০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫২ অনুযায়ী,  ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপীল করার তামাদির মেয়াদ হলো ৩০ দিন, গণনা করা হয় যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫২ জেলা জজ আদালতের দেওয়ানি ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৩০ দিন।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় ডিক্রি বা আদেশের তারিখ থেকে।
১০,০৬৩.
According to Article 31 of the Constitution of Bangladesh, Right to protection of law is the _________ of every citizen.
  1. alienable right
  2. inalienable right
  3. alienable privilege
  4. inalienable freedom
ব্যাখ্যা

Article 31: Right to protection of law:
To enjoy the protection of the law, and to be treated in accordance with law, and only in accordance with law, is the inalienable right of every citizen, wherever he may be, and of every other person for the time being within Bangladesh, and in particular no action detrimental to the life, liberty, body, reputation or property of any person shall be taken except in accordance with law.

অনুচ্ছেদ ৩১: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার:
আইনের আশ্রয়লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইনানুযায়ী ব্যবহারলাভ যে কোন স্থানে অবস্থানরত প্রত্যেক নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং বিশেষতঃ আইনানুযায়ী ব্যতীত এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না, যাহাতে কোন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে।

১০,০৬৪.
যেক্ষেত্রে বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিতের আদেশ
  2. বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ
  3. মোকদ্দমা খারিজের আদেশ
  4. বিবাদীকে হাজিরা থেকে অব্যাহতির আদেশ
ব্যাখ্যা
বাদী খরচ প্রদান না করার দরুন সমন জারি না হলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে।

• আদেশ ৯ বিধি-২ঃ
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে,বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমন জারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদীর উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে, যেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা দেয়া যায় সেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হলে, অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Order 9 Rule 2: Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
১০,০৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নিঃস্ব ব্যক্তির সম্পত্তি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি বাদ দেওয়া হয়?
  1. ব্যাংক আমানত
  2. মামলার বিষয়বস্তু
  3. ব্যবসায়িক সরঞ্জাম
  4. ব্যক্তিগত যানবাহন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ১ এর Explanation অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একজন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র (necessary wearing-apparel) এবং মামলার বিষয়বস্তু (subject-matter of the suit)-কে সম্পত্তি হিসাবে গণনা থেকে বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, নিঃস্ব (Pauper) হিসাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য শর্ত হলো—প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ও মামলার বিষয়বস্তু বাদ দিয়ে অন্যান্য সম্পত্তির মূল্য ৫,০০০ টাকার বেশি না হওয়া।
- অন্য অপশনগুলো—ব্যাংক আমানত, ব্যবসায়িক সরঞ্জাম ও ব্যক্তিগত যানবাহন সম্পত্তির আওতায় পড়ে এবং সেগুলো গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান অনুসারে নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-33 Rule-1. Suits may be instituted in forma pauperis: Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation−A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth five thousand Taka other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.

১০,০৬৬.
গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা রুজুর জন্য কার অনুমতি লাগে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধান বিচারপতির
  3. জেলা জজের
  4. এটর্নি জেনারেলের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে যে, এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন
⇒ বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
--------------------
⇒ CPC Section-91.Public nuisances:
(1) In the case of a public nuisance the Attorney General, or two or more persons having obtained the consent in writing of the Attorney General, may institute a suit, though no special damage has been caused, for a declaration and injunction or for such other relief as may be appropriate to the circumstances of the case. 
(2) Nothing in this section shall be deemed to limit or otherwise affect any right of suit which may exist independently of its provisions.
১০,০৬৭.
ফৌজদারি মামলায় আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি __________ পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. জামিন
  4. অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস (acquittal) পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
 
• প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
১০,০৬৮.
দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান অনুযায়ী, ৩ মাসের বেশি কারাদণ্ড হলে, এক মাসে নির্জন কারাবাস সর্বোচ্চ কত দিন হতে পারে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না।
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-----------
The Penal Code, 1860 Section 74.Limit of solitary confinement:
 In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
১০,০৬৯.
Under Order 39 Rule 6, who can apply for an interim sale of movable property in a suit?
  1. Only the plaintiff
  2. Only the defendant
  3. Only third party
  4. Any party to the suit
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-৬: অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে বা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকে তবে যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায়সঙ্গত এবং পর্যাপ্ত কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়ে, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের উপর এর বিবেচনামত উপযুক্ত পদ্ধতি এবং শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কর্তৃক বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে।

Rule 6: Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movbale property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
১০,০৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪০ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জামিন
  2. আপিল
  3. তদন্ত
  4. রিভিশন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) রিভিশন।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ 

শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

১০,০৭১.
নিম্নে সাক্ষ্য গ্রহণের কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. জেরা, জবানবন্দি, পুনঃজবানবন্দি
  2. জবানবন্দি, পুনঃজবানবন্দি, জেরা
  3. জেরা, পুনঃজবানবন্দি, জবানবন্দি
  4. জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ মতে- প্রথমে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হবে। তারপর (বিরুদ্ধপক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করবে, তারপর (সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করাতে পারবে। সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক সম্পর্কে হতে হবে। কিন্তু সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে সকল বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন, কেবল সেই সকল বিষয়েই জেরা করা চলবে, এমন নয়। জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দীতে সেইগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে, পুনঃজবানবন্দী গ্রহণের সময় যদি আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন নতুন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে বিরুদ্ধপক্ষ সেই সকল বিষয়ে আরও জেরা করতে পারবে।
♦অর্থাৎ সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে ক্রমটি হল জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি।
১০,০৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের নিরোধমূলক প্রতিকার কীভাবে মঞ্জুর করা হয়?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা জারি
  4. ক ও খ উভয় ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

⇒ প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।
----------------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
১০,০৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী কোন আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার (১) উপ-ধারা শুরুই হয়েছে এই বাক্য দিয়ে: "হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন..."।
সুতরাং, এই বিশেষ ক্ষমতা শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের (High Court Division) এখতিয়ারভুক্ত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:-
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law;
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty;
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court;
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively;
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and
(2) The [Supreme Court] may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.

১০,০৭৪.
সাক্ষ্য আইনে সাক্ষ্য গ্রহণের কয়টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৬ ধরনের
ব্যাখ্যা
♦তিনটি ক্রম হলো জবানবন্দি, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি।
১০,০৭৫.
যখন কোন আসামীকে কেবল মাত্র জরিমানা করা হয় এবং জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধের জন্য কত দিন সময় দিতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• যখন কোন অপরাধীকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হলে, অর্থদণ্ড প্রদানকারী আদালত নিম্নলিখিত ২টি উপায়ে অর্থদণ্ড আদায় করতে পারে :

১. অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য আদালত পরোয়ানা জারি করতে পারে ।
২. অনাদায়ী অপরাধীর অস্থাবর এবং স্থাবর বা উভয় সম্পত্তি দেওয়ানী কার্যপদ্ধতি অনুসারে পরোয়ানা কার্যকর করে পাওনা আদায়ে জেলা কালেক্টরকে ক্ষমতা দিয়ে ।

তবে যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, তবে আদালত উক্তরুপ পরোয়ানা জারি করতে পারবে না।

• ধারা- ৩৮৮ অনুসারে,
যখন কোন আসামীকে কেবল মাত্র জরিমানা করা হয়, এবং জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধের জন্য ৩০ দিন সময় দিতে পারে বা ২ এবং ৩ কিস্তিতে এবং উক্ত ক্ষেত্রে প্রথম কিস্তি আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে এবং অন্যান্য কিস্তিগুলো ৩০ দিনের বেশি বিরতিতে পরিশোধ করা যাবে না।
১০,০৭৬.
হিন্দু আইনে অজাত ব্যক্তি বরাবর-
  1. সরাসরি দান করা যায়
  2. শর্ত সাপেক্ষে দান করা যায়
  3. কোনো শর্তেই দান করা যায় না
  4. দান স্বত্ব ছাড়া দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• একজন নিজস্ব সম্পত্তিতে তার স্বত্ব দখল যদি বিনা পণে অন্যের বরাবরে পরিত্যাগ করে এবং শেষোক্ত ব্যক্তি যদি তা গ্রহণ করে, তবে ঐ সম্পত্তিতে দাতার স্বত্ব লোপ পায় এবং গ্রহীতার স্বত্ব অর্জিত হয়। এইভাবে স্বত্ব দখলের হস্তান্তরকে দান বলা হয়।

দানের উপাদান (essentials):

(ক) দান কার্যে একজন দাতা থাকতে হবে এবং তাকে দানকৃত সম্পত্তির মালিক হতে হবে। যেহেতু দান এক প্রকার হস্তান্তর সেই হেতু যে দান করবে তার সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষমতা থাকতে হবে। চুক্তি আইন অনুযায়ী কোন নাবালক বা অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তি আইনতঃ কোন চুক্তি করতে এবং তদনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না। অতএব এই প্রকার ব্যক্তি কোন দানও করতে পারবে না।

(খ) দান কার্যে একজন গ্রহীতা থাকতে হবে। গ্রহীতা নাবালক হলে, তার অভিভাবক তার পক্ষে দান গ্রহণ করতে পারবে। দান গ্রহণের পূর্বে দাতার মৃত্যু হলে দান বাতিল গণ্য হবে।

(গ) স্থাবর অথবা অস্থাবর এই উভয় প্রকার সম্পত্তি দান করা যেতে পারে কিন্তু দানের সময় দানকৃত সম্পত্তির অস্তিত্ব এবং এতে দাতার মালিকানা অবশ্যই থাকতে হবে। (দানের সময় যে সম্পত্তির অস্তিত্ব থাকে না বা দাতা ভবিষ্যতে মালিক হইতে পারে এই রকম সম্পত্তি দান করা যাবে না।)

(ঘ) দান পণ বিহীন হতে হবে। অবৈধ বা কেউকে প্রতারণার উদ্দেশ্যে দান পণ বিহীন হলেও বে-আইনী হবে।

• পূর্বে অজাত ব্যক্তির বরাবরে হিন্দু আইন অনুযায়ী কোন দান করা যেতো না, কিন্তু ১৯১৬ সনের Hindu Disposition of Property Act পাশ হওয়ার পর হতে কতিপয় শর্ত সাপেক্ষে অজাত ব্যক্তির বরাবরে দান করা যায়। অজাত ব্যক্তির বরাবরে সরাসরি কোন দান করা যায় না। এইরূপ ব্যক্তির বরাবরে দান করতে হলে দানের সময় জীবিত এক বা একাধিক ব্যক্তির বরাবরে জীবনস্বত্ব অথবা অন্য কোন প্রকার সীমিত স্বত্ব সৃষ্টি করে তাদের মাধ্যমে কোন নির্দিষ্ট অজাত ব্যক্তির বরাবরে দান করা চলে।

তবে, অজাত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ স্বত্ব দিতে হবে এবং এমন কোন শর্ত আরোপ করা যাবে না যাতে অজাত ব্যক্তির নাবালক অবস্থা অর্থাৎ ১৮ বৎসর অতিবাহিত হওয়ার পর তার উপর দানকৃত সম্পত্তি বর্তিবে। এই শর্তগুলি হস্তান্তর আইনের ১৩, ১৪, ১৬ ও ২০ ধারা অনুযায়ী এবং হস্তান্তর আইনের এই ধারাগুলি ১৯২৯ সনের হস্তান্তর আইনের একটি সংশোধনীর পর হতে হিন্দু আইনেও প্রযোজ্য হবে।
১০,০৭৭.
রাষ্ট্রপতি সরকারি চাকরিজীবীদের কোন কোন ক্ষেত্রে সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ নিতে পারেন?
  1. পদোন্নতি ও বদলি সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ
  2. সরকারি চাকরির জন্য যোগ্যতা ও নিয়োগ পদ্ধতি নির্ধারণ
  3. সরকারি চাকরিজীবীদের শৃঙ্খলামূলক বিষয়াদি নির্ধারণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪০ : কমিশনের দায়িত্ব:
(১) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের দায়িত্ব হইবে;
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদিগকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা-পরিচালনা;
(খ) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক কোন বিষয় সম্পর্কে কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হইলে কিংবা কমিশনের দায়িত্ব-সংক্রান্ত কোন বিষয় কমিশনের নিকট প্রেরণ করা হইলে সেই সম্বন্ধে রাষ্ট্রপতিকে উপদেশদান; এবং
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্বপালন।

(২) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইন এবং কোন কমিশনের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কোন প্রবিধানের (যাহা অনুরূপ আইনের সহিত অসমঞ্জস নহে) বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমূহে কোন কমিশনের সহিত পরামর্শ করিবেন:
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মের জন্য যোগ্যতা ও তাহাতে নিয়োগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিষয়াদি;
(খ) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদান, উক্ত কর্মের এক শাখা হইতে অন্য শাখায় পদোন্নতিদান ও বদলিকরণ এবং অনুরূপ নিয়োগদান, পদোন্নতিদান বা বদলিকরণের জন্য প্রার্থীর উপযোগিতা-নির্ণয় সম্পর্কে অনুসরণীয় নীতিসমূহ;
(গ) অবসর-ভাতার অধিকারসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মের শর্তাবলীকে প্রভাবিত করে, এইরূপ বিষয়াদি; এবং
(ঘ) প্রজাতন্ত্রের কর্মের শৃঙ্খলামূলক বিষয়াদি।
১০,০৭৮.
এক ব্যক্তি মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে কারাদণ্ড ভোগ করেন। তিনি এই অন্যায় কারাদণ্ডের কারণে ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করতে চান। তামাদি আইন অনুযায়ী, তিনি কতদিনের মধ্যে মামলা করতে পারবেন?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৯- মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড [False Imprisonment] ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা।
তামাদি- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- কারাদণ্ড যখন সমাপ্ত হয়।
১০,০৭৯.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ১৬ অনুসারে, নিয়োগের ক্ষমতা থাকলে সাধারণত কী কী ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. বরখাস্ত করার ক্ষমতা
  2. সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা
  3. পদোন্নতি দেওয়ার ক্ষমতা
  4. ক এবং খ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

⇒ General Clauses Act, 1897-এর Section 16 অনুযায়ী, যেখানে কোনো আইনের দ্বারা নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়, সেখানে যদি ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য না থাকে, তবে সেই নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতার মধ্যে সাময়িক বরখাস্ত (suspend) ও বরখাস্ত (dismiss) করাও অন্তর্ভুক্ত।

•জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।
------------ 
- Section 16 of The General Clauses Act,1897: Power to appoint to include power to suspend or dismiss-
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.

১০,০৮০.
প্লিডিংস বলতে কী বোঝায়?
  1. সাক্ষীর সাক্ষ্য
  2. আদালতের আদেশ
  3. শুধুমাত্র বাদীর আরজি
  4. বাদীর আরজি অথবা বিবাদীর লিখিত জবাব
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে।

প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]

• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।
১০,০৮১.
খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণের শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কমপক্ষে ১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোড-এর ৩৬৪ ধারায় এই অপরাধের শাস্তি বর্ণনা করা হয়েছে যা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
১০,০৮২.
কোনো ভবন মেরামতের কাজে অবহেলাজনিত কারণে কারো ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকলে, দণ্ডবিধির ২৮৮ ধারা অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৯ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ১২ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভবন ভাঙা বা মেরামতের ক্ষেত্রে অবহেলাজনিত আচরণ (ধারা ২৮৮):
যে কেউ কোনো ভবন ভাঙা বা মেরামত করার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার মাধ্যমে এমন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়, যা ভবন বা এর কোনো অংশের পতনের ফলে মানুষের জীবনের সম্ভাব্য ঝুঁকি প্রতিরোধে যথেষ্ট ছিল, সে ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হবে।

এ ধরনের অপরাধের শাস্তি হবে—
- সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, অথবা
- সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানা, অথবা
- উভয় দণ্ড।
১০,০৮৩.
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এক ব্যক্তিকে প্রহৃত হতে দেখলেন এবং তার কান্নাও শুনলেন, কিন্তু উক্ত কাজে তিনি বাধা দিলেন না। The Penal Code, 1860 অনুযায়ী তিনি -
  1. পেশাগত অসদাচরণ করেছেন
  2. দুষ্কর্মে সহায়তাকারী
  3. মূল অপরাধী
  4. কোনো অপরাধ করেননি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার বিধান: কোন ব্যাপারে সহায়তা প্রদান:- 
-কোন ব্যক্তি কোন ব্যাপারে সহায়তা দান করেছে বলে পরিগণিত হয়, যদি সে ব্যক্তি-
প্রথমত :- কোন ব্যক্তিকে উক্ত ব্যাপারে প্ররোচনা দেয়;
দ্বিতীয়ত :- উক্ত কাজটি করার জন্য কোন ব্যক্তির বা ব্যক্তিদের সাথে কোন চক্রান্তে লিপ্ত হয়, যার ফলে চক্রান্ত অনুযায়ী কোন কাজ করা হয় অথবা কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকা হয় এবং উক্ত কাজ করার জন্য তা করা হয়;
তৃতীয়ত :- কোন কাজ করে অথবা বেআইনীভাবে কোন কাজ করা হতে বিরত থেকে উপযুক্ত কার্যে ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক কোন বাস্তব গুরুত্বসম্পন্ন ঘটনার, যা প্রকাশ করতে সে বাধ্য-ভ্রান্ত বিবরণ প্রকাশ করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক উহা গোপন করে কোন কাজ করে বা করায় অথবা কোন কাজ করার বা করানোর চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সংঘটনে প্ররোচনা দেয় বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদনের সময় বা তার পূর্বে উক্ত কাজ সম্পাদন সুগমকল্পে কোন কিছু করে, এবং তদ্বারা উহার সম্পাদন সুগম করে, সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সম্পাদনের সহায়তা করে বলে অভিহিত হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এক ব্যক্তিকে প্রহৃত হতে দেখলেন এবং তার কান্নাও শুনলেন, কিন্তু উক্ত কাজে তিনি বাধা দিলেন না। The Penal Code, 1860 এর ১০৭ ধারা অনুযায়ী তিনি -দুষ্কর্মে সহায়তাকারী।
-----------------------
The Penal Code: Section-107: Abetment of a thing: 
A person abets the doing of a thing, who

Firstly.-Instigates any person to do that thing; or
Secondl:-Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly:-Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.-A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.

Explanation-2.-Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
১০,০৮৪.
অনিবার্য কারণবশত দলিল দাখিলে বিলম্ব হলে, নিবন্ধন ফিসের কত গুণ পর্যন্ত জরিমানা দিয়ে দলিল নিবন্ধন করা যেতে পারে?
  1. অনধিক ৩ গুণ
  2. অনধিক ৫ গুণ
  3. অনধিক ১০ গুণ
  4. অনধিক ২০ গুণ
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫- অনিবার্য কারণবশত দলিল দাখিলে বিলম্ব হলে বিধান

১) দেশে সম্পাদিত কোন দলিল বা প্রদর কোন ডিক্রি বা আদেশের নবদল যদি কোন জরুরি প্রয়োজন বা কোন অনিবার্য ঘিটনার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম হওয়ার পূর্বে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা না হয়, এবং দাখিল করতে যদি ৪ মাসের অধিক বিলম্ব না হয়, নিবন্ধন ফিসের অনুর্ধ্ব দশ গুণ টাকা জরিমানাস্বরূপ প্রদান করলে রেজিস্ট্রার উক্ত জলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন।

২) এরূপ নির্দেশ প্রাপ্তির জন্য আবেদন সাব-রেজিস্ট্রারের অফিসে দাখিল করা যেতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গেই সাব-রেজিস্ট্রার তার উর্ধ্বতন রেজিস্ট্রারের নিকট দরখাস্ত প্রেরণ করবে।

Section 25- Provision where delay in presentation is unavoidable
(1) If, owing to urgent necessity or unavoidable accident, any document executed, or copy of a decree or order made, in Bangladesh is not presented for registration till after the expiration of the time hereinbefore prescribed in that behalf, the Registrar, in cases where the delay in presentation does not exceed four months, may direct that, on payment of a fine not exceeding ten times the amount of the proper registration-fee, such document shall be accepted for registration. 
 
(2) Any application for such direction may be lodged with a Sub-Registrar, who shall forthwith forward it to the Registrar to whom he is subordinate.
১০,০৮৫.
রিসিভার নিয়োগ দেওয়া হয় The Code of Civil Procedure, 1908 এর________ অনুযায়ী।
  1. Order XL, rule 1
  2. Order XLI, rule 1
  3. Order XLII, rule 1
  4. Order XLIII, rule 1
ব্যাখ্যা
• তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।  রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ [ORDER - XL] এর উপধারা (১) অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ দেয়া হয়-

(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া-

ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;

খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;

গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং

ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরোপভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।
১০,০৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী কে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন?
  1. ডাক্তার
  2. পুলিশ
  3. আদালত
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ মতে, কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-
- আত্মহত্যা করেছে, অথবা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা  এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে।
- তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা সুরতহাল তদন্তের জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন এবং মৃত ব্যক্তির লাশ যেখানে রয়েছে সেই স্থানে গিয়ে দুই বা ততোধিক স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত চালাবেন।

-তখন পুলিশ উক্ত মৃত ব্যক্তির দেহের জখম, অস্থিভঙ্গ বা থেতলে যাওয়া এবং অন্যান্য জখমের চিহ্ন সম্পর্কে বর্ণনা করবে এবং যে উপায়ে বা অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা উক্ত জখমের চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয় তার উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report).
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন।
------------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-174: Police to inquire and report on suicide, etc.
(1) The officer in charge of a police-station or some other police-officer specially empowered by the Government in that behalf, on receiving information that a person- 
(a) has committed suicide, or 
(b) has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident, or 
(c) has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence, 
shall immediately give intimation thereof to the 204[nearest Executive Magistrate] empowered to hold inquests, and, unless otherwise directed by any rule prescribed by the Government, or by any general or special order 205[of the District Magistrate], shall proceed to the place where the body of such deceased person is, and there, in the presence of two or more respectable inhabitants of the neighborhood, shall make an investigation, and draw up a report of the apparent cause of death, describing such wounds, fractures, bruises and other marks of injury as may be found on the body, and stating in what manner, or by what weapon or instrument (if any), such marks appear to have been inflicted: 
 
Provided that, unless the Government otherwise directs, it shall not be necessary under this sub-section, in any case where the death or any person has been caused by enemy action, to make any investigation or to draw up any report or to send any intimation to a Magistrate empowered to hold inquests. 
(2) The report shall be signed by such police-officer and other persons, or by so many of them as concur therein, and shall be forthwith forwarded to the District Magistrate. 
(3) When there is any doubt regarding the cause of death, or when for any other reason the police-officer considers it expedient so to do, he shall, subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, forward the body, with a view to its being examined, to the nearest Civil Surgeon, or other qualified medical man appointed in this behalf by the Government, if the state of the weather and the distance admit of its being so forwarded without risk of such putrefaction on the road as would render such examination useless. 
 
(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government or the District Magistrate.
১০,০৮৭.
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ শেষ হলে, মামলার আবেদন কখন জমা দেওয়া যাবে?
  1. আদালত খোলার এক সপ্তাহ পর
  2. আদালত পুনরায় খোলার দিন
  3. তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন
  4. আদালত খোলার এক মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৪ ধারা: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়:
যেইক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয় সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।

Section 4- Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
১০,০৮৮.
‘C’ একটি চেক পায়, যা ‘Z’ স্বাক্ষর করেছে কিন্তু পরিমাণ উল্লেখ নেই। ‘C’ প্রতারণামূলকভাবে চেকে ১০,০০০ টাকা লিখে পূরণ করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে বা ক্ষতি করার, সম্পত্তি হস্তান্তর করানোর, বা চুক্তিতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা দলিল তৈরি করে, তবে তা জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য। ধারা ৪৬৪ অনুসারে, প্রতারণামূলকভাবে কোনো দলিলে পরিবর্তন করা বা তথ্য যোগ করা জালিয়াতির সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এখানে, ‘C’ একটি চেকে প্রতারণামূলকভাবে ১০,০০০ টাকার পরিমাণ লিখে পূরণ করেছে, যা ‘Z’-এর স্বাক্ষরিত দলিলে অসাধুভাবে পরিবর্তন। এটি ধারা ৪৬৪-এর প্রথম উপায়ে জালিয়াতি।

অর্থাৎ ‘C’-এর কাজ ধারা ৪৬৩ এবং ৪৬৪-এর অধীনে জালিয়াতি হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) জালিয়াতি।
---------
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারার বিধান মিথ্যা দলিল তৈয়ার করা:- নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈয়ার করেছে বলে পরিগণিত হয়-প্রথমত:- যদি কোন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দ্বারা যার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কোন দলিল কিংবা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বা যে সময়ে উক্ত দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে সে জানে, অথবা সে দলিলটি বা উহার অংশবিশেষ সে ব্যক্তি দ্বারা বা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতা বলে কিংবা সে সময়ে প্রণীত স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাইবার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ দলিল বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বুঝাবার জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে; অথবা
দ্বিতীয়ত:- কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হওয়ার পরে কোনরূপ আইনসম্মত ছাড়াই অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলক ভাবে, বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অপর কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে; দলিলটি যদি অপরাধী দ্বারা সম্পাদিত না হয়ে অপর কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তবে এইরূপ পরিবর্তনের সময়ে সে ব্যক্তি জীবিত থাকুক অথবা পরলোকগত হোক তাতে অপরাধের কোনরূপ তারতম্য হবে না; অথবা
তৃতীয়ত:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা কিংবা প্রমত্ততার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন অথবা কোন মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় সম্পাদিত করেছিল বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে সে মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন জালিয়াতি বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ
(ক) ক চ-কে দিয়ে খ-এর প্রতিপক্ষে ১০,০০০ টাকার জন্য একটি লেটার অব ক্রেডিট লিখে নিয়ে পরে ক খ-কে ঠকাবার উদ্দেশ্যে, ১০,০০০-টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে উহাকে ১,০০,০০০ টাকা করে নেয়, এই অভিপ্রায়ে যে, খ বিশ্বাস করবে যে, চ ঐরূপ লিখেছে। ক জালিয়াতি করেছে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery:
- Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.

⇒ The Penal Code, 1860-Section 464. Making a false document:
 A person is said to make a false document:
Firstly.-Who dishonesty or fraudulently makes, signs, seals or executes a document or part of a document, or makes any mark denoting the execution of a document, with the intention of causing it to be believed that such document or part of a document was made, signed, sealed or executed by or by the authority of a person by whom or by whose authority he knows that it was not made, signed, sealed or executed, or at a time at which he knows that it was not made, signed, sealed or executed; or 
Secondly.-Who, without lawful authority, dishonestly or fraudulently, by cancellation or otherwise, alters a document in any material part thereof, after it has been made or executed either by himself or by any other person, whether such person be living or dead at the time of such alteration; or 
Thirdly.-Who dishonestly or fraudulently causes any person to sign, seal, execute or alter a document, knowing that such person by reason of unsoundness of mind or intoxication cannot, or that by reason of deception practiced upon him he does not know the contents of the document or the nature of the alteration.
Explanation 1.-A man's signature of his own name may amount to forgery.
Explanation 2.- The making of a false document in the name of a fictitious person, intending it to be believed that the document was made by a real person, or in the name of a deceased person, intending it to be believed that the document was made by the person in his lifetime, may amount to forgery.

১০,০৮৯.
কোন কাজটি প্রতারণা হিসেবে গণ্য হইবে?
  1. কোন ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে ফাঁকি দিলে,
  2. ফাঁকি প্রদত্ত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির নিকট সম্পত্তি সমার্পণ করিতে প্ররোচিত করিলে,
  3. কোন ব্যক্তি এমন কাজ করিতে বা করা হইতে বিরত প্রবৃত্ত করে,
  4. উপরে বর্ণিত সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
------------
Cheating
Section 415. Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
১০,০৯০.
রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীন অপরাধ কোন আদালত বিচার করতে পারে?
  1. যেকোনো দেওয়ানি আদালত
  2. যেকোনো ফৌজদারি আদালত
  3. শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা তার ঊর্ধ্বতন
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908 - ধারা ৮৩: রেজিস্টারিং অফিসার মামলা দায়ের করতে পারেন
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোনো অপরাধ সম্পর্কে যদি কোনো রেজিস্টারিং অফিসার তার দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনকালে জানতে পারেন, তবে সেই অপরাধের বিচারের জন্য মামলা দায়ের করা যেতে পারে,
রেজিস্টার জেনারেল (Inspector-General), রেজিস্ট্রার (Registrar) বা সাব-রেজিস্ট্রার (Sub-Registrar) তাঁদের নিজ নিজ এলাকা, জেলা বা উপ-জেলায় সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে, তাঁদের নিজে অথবা তাঁদের অনুমতি নিয়ে।

(২) ধারা ৮০চ-এ যা বলা আছে তা ব্যতীত, এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ বিচার করতে পারবেন— দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা তদূর্ধ্ব ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত বা কর্মকর্তা।
১০,০৯১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২৬ অনুসারে, মিতাক্ষরা আইনের আওতাধীন কোন হিন্দু কর্তৃক পিতার বিক্রিত পৈতৃক সম্পত্তি হস্তান্তর রদ করার মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১২৬ অনুযায়ী: "মিতাক্ষরা আইনের আওতাধীন কোনো হিন্দু যদি তাঁর পিতার বিক্রিত পৈতৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং হস্তান্তর রদ করার মামলা করতে চায়, তাহলে তিনি করতে পারবেন ১২ বছরের মধ্যে এবং এই সময় গণনা শুরু হবে যেদিন হস্তান্তর গ্রহীতা সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে।"
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২৬ মিতাক্ষরা আইনের অধীন পৈতৃক সম্পত্তির অবৈধ হস্তান্তর রদ করার মামলার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় হস্তান্তর গ্রহীতা যখন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে সেই তারিখ থেকে।
১০,০৯২.
বায়নানামা চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য নিচের কোন কাজটি আবশ্যক নয়?
  1. চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়া
  2. চুক্তি টি লিখিত হওয়া
  3. চুক্তির অবশিষ্ট টাকা আদালতে জমা প্রদান করা
  4. অস্থাবর সম্পত্তি বিষয়ে চুক্তি হওয়া
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ২১ক অনুসারে বায়নানামা চুক্তি প্রবলের মোকদ্দমায় দলিল টি লিখিত, নিবন্ধিত হওয়া ও অবশিষ্ট টাকা আদালতে জমা দেওয়া কথা বলা হয়েছে।
১০,০৯৩.
মোকদ্দমার শুনানির দিন সমন যথাযথভাবে জারি না করার ফলে, বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারেনি এবং আদালত এক তরফা ডিক্রি দেয়। এক্ষেত্রে বিবাদী আদেশ ৯ বিধি-১৩ এর অধীন কী প্রতিকার পেতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিতের
  2. মোকদ্দমা খারিজের
  3. একতরফা ডিক্রি রদের
  4. একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের
ব্যাখ্যা
একতরফা ডিক্রি:
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী বিবাদীর অনুপস্থিতিতে যে ডিক্রি প্রদান করা হয় তাহলো এক তরফা ডিক্রি। যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী হাজির হয় কিন্তু বিবাদী হাজির হয়না, সেই ক্ষেত্রে যদি এটা প্রমাণ করা যায় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথাযথভাবে জারি করা হয়েছিল, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা বিচার করতে পারবে বা আদালত একতরফা ডিক্রি দিতে পারবে। আর যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথারীতি জারি করা হয়নি, তাহলে আদালত বিবাদী বরাবর দ্বিতীয় বার সমন জারির আদেশ দিতে পারে।

আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী, বিবাদীর হাজির না হওয়ার কারণে, আদালত একতরফা ডিক্রি দিলে, বিবাদী নিম্ন লিখিত প্রতিকার পেতে পারে-
১. বিধি ১৩ এর অধীন একতরফা ডিক্রি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
২. বিধি ১৩ক এর অধীন এবতরফা ডিক্রি সরাসরি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
৩. যেহেতু একতরফা ডিক্রি একটি ডিক্রি তাই ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল করা যেতে পারে ;
৪. ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারে।

আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী,
কোন মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি প্রদান করা হলে, তা রদ করার জন্য বিবাদী ৯ আদেশের ১৩ বিধির অধীন ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে আবেদন করতে পারবে। তবে এই ক্ষেত্রে বিবাদী কে প্রমাণ করতে হবে যে-
১. তার বরাবর যথাযথভাবে সমন জারি করা হয়নি;
২. শুনানীর দিন উপযুক্ত কোন কারণে, সে হাজির হতে পারে নি।

অপর দিকে, একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য, আদালতকে উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলোকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে। একতরফা ডিক্রি বাতিলের জন্য বা একতরফা ডিক্রি সরাসরি বাতিলের জন্য ৩০ দিনের মধ্যে বিবাদীকে আবেদন করতে হবে।
১০,০৯৪.
A, B-কে ৫ বছরের জন্য একটি বাড়ি ভাড়া দিলেন। B আবার মাসিক একশত টাকা ভাড়ায় বাড়িটি C-কে ভাড়া দিলেন। পাঁচ বছর কেটে গেল কিন্তু C বাড়িটি তার দখলে রেখে দিলেন এবং A-কে ভাড়া দিতে লাগলেন। C- এর ইজারা মাস হতে মাসে নবায়িত হলো। এক্ষেত্রে কোন নীতি কার্যকর হয়েছে?
  1. Doctrine of Holding out
  2. Doctrine of Holding over
  3. Doctrine of Holding in
  4. Doctrine of Holding off
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৬: মেয়াদ পরবর্তী দখলের প্রতিক্রিয়া-
 
যদি কোন সম্পত্তির ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারগ্রহীতা ইজারার মেয়াদ পরিসমাপ্তির পরও ইজারা সম্পত্তিতে দখল বজায় রাখে এবং ইজারাদাতা বা তার আইনগত প্রতিনিধি ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতার নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে বা দখল বহাল রাখবার জন্য অন্য কোন ভাবে সম্মতি প্রদান করে, তাহলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে যে উদ্দেশ্যে ঐ সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে সেই উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ১০৬ ধারা অনুযায়ী এই ইজারা বছর হতে বছরে বা মাস হতে মাসে নবায়িত হবে।
 
উদাহরণ
• পাঁচ বছরের জন্য A, B-কে একটি বাড়ি ভাড়া দিলেন। B আবার মাসিক একশত টাকা ভাড়ায় বাড়িটি C-কে ভাড়া দিলেন। পাঁচ বছর কেটে গেল কিন্তু C বাড়িটি তার দখলে রেখে দিলেন এবং A-কে ভাড়া দিতে লাগলেন। C-এর ইজারা মাস হতে মাসে নবায়িত হলো।
• A, C-এর জীবন কালের জন্য B-কে একটি খামার ইজারা দিলেন। C মারা গেলেন, কিন্তু B, A-এর সম্মতিতে দখল বজায় রাখলেন। B-এর ইজারা বছর হতে বছরে নবায়িত হলো। 
 
এই ধারানুযায়ী কোন ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি কোন ইজারাগ্রহীতা ইজারাদাতার সম্মতিতে ইজারা সম্পত্তির দখল বজায় রাখে তা (Holding over) বা মেয়াদ উত্তীর্ণ দখল বলে পরিগণিত হবে। একেই 'Doctrine of Holding over' বলে। এই রকম দখলের অনুমতি দেওয়া হলে তা বছর হতে বছর বা মাস হতে মাস ভিত্তিতে নবায়িত হবে। এরূপ ইজারাগ্রহীতাকে Tenant at will, Tenant holding over বলে।
১০,০৯৫.
কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭৩(২) ধারা
  2. ১৭৪(২) ধারা
  3. ১৭৫(২) ধারা
  4. ১৭৬(২) ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:

(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।

Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.

(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১০,০৯৬.
শিশু আইনের অধীন কোন ধরনের শিশুকে গ্রেফতার করা বা আটক রাখা যাবে না?
  1. ১৬ বছরের নিম্নের
  2. ৯ বছরের নিম্নের
  3. ১২ বছরের নিম্নের
  4. ১১ বছরের নিম্নের
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৪- গ্রেফতার, ইত্যাদি

(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না। 
 
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না। 
 
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্তু, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে। 
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
১০,০৯৭.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৮ অনুযায়ী, দাবীকৃত কোনো পোষ্য বা দত্তক গ্রহণ অবৈধ ঘোষণা মামলা করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১২ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুযায়ী: "দাবীকৃত কোনো পোষ্য বা দত্তক গ্রহণ (alleged adoption) অবৈধ অথবা অনুরূপ কোন পোষ্য কখনও গ্রহণ করা হয়নি—এই মর্মে ঘোষণার দাবীতে মামলা করতে হবে ৬ বছরের মধ্যে, এবং এই সময় গণনা শুরু হবে যখন বাদী কথিত দত্তক গ্রহণ সম্পর্কে জানতে পারে।"
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৮ অনুসারে, কোনো দাবীকৃত দত্তক গ্রহণ অবৈধ বা কখনও হয়নি এমন ঘোষণার মামলা করার তামাদি মেয়াদ ৬ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় যখন বাদী দত্তক গ্রহণের বিষয়ে জানতে পারে।
১০,০৯৮.
মি. X এবং মিসেস Y দম্পতি। Y এক পর্যায়ে আদালতে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করেন। আদালত Y এর পক্ষে রায় দিয়ে X এর বিরুদ্ধে একটি ডিক্রি জারি করেন। কিন্তু যদি X এই ডিক্রিটি অমান্য করেন এবং স্ত্রীর দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার না করেন, তাহলে ডিক্রি জারির জন্য Y আদালতে আবেদন করতে পারেন যে-
  1. X কে গ্রেফতার করা হোক
  2. X এর সম্পত্তি ক্রোক করা হোক
  3. X এর সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করা হোক
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের (restitution of conjugal rights) ডিক্রিজারি শুধুমাত্র সম্পত্তি ক্রোকের (attachment of property) মাধ্যমে করা যায়। এক্ষেত্রে মিসেস Y আদালতে মি. X এর সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করতে পারবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

উল্লেখ্য,
আদালত যদি এই আবেদন গ্রহণ করেন, তাহলে মিঃ X এর সম্পত্তি (যেমন জমি, বাড়ি, গাড়ি ইত্যাদি) আটক করা হবে। এভাবে সম্পত্তি আটকের মাধ্যমে মিঃ X এর উপর চাপ সৃষ্টি করা হবে যাতে তিনি আদালতের ডিক্রি মেনে নিয়ে স্ত্রীর দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার করেন। সুতরাং দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি বাস্তবায়নের এটাই একমাত্র পদ্ধতি - অমান্যকারীর সম্পত্তি আটক করা।
১০,০৯৯.
মোকদ্দমা শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখ বাদী এবং বিবাদী কেউ হাজির না হলে, আদালত মোকদ্দমা ______ করে দিতে পারে।
  1. দো-তরফা শুনানী
  2. খারিজ
  3. স্থগিত
  4. এক-তরফা শুনানী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ আদেশে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীতে পক্ষগণের উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতির সম্পর্কিত পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে মোকদ্দমার কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে-
মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হলে,আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে
[Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed]

• প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার (আদেশ ৯ বিধি ৪)-

১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে,উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে [May bring fresh suit]।
২-খারিজ আদেশ রদ করতে আবেদন করতে পারে [apply for an order to set the dismissal aside]।তবে, এমন আবেদন খারিজ আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে দায়ের হবে।
১০,১০০.
আদালতের অনুমতি ব্যতীত কখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না?
  1. জেরায়
  2. পুনঃজবানবন্দীকালে
  3. পুনঃজেরাকালে
  4. পূর্বে প্রমাণিত বিষয়ে জবানবন্দীতে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না: বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।
যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে: জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
-------------
Section 141. Leading questions:

- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
Section 142.When they must not be asked:
- Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 
- The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
Section 143. When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.