বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১০০ / ১৫৫ · ৯,৯০১১০,০০০ / ১৫,৪৭০

৯,৯০১.
নিম্নের কোনটি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত নয়?
  1. দেনমোহর
  2. সম্পত্তি বিরোধ
  3. বিবাহ বিচ্ছেদ
  4. শিশুর তত্ত্বাবধান
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫- পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা :-
(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

কিন্তু "সম্পত্তি বিরোধ" একটি দেওয়ানি বিষয়, যা সাধারণ দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন হয়, পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত নয়।
৯,৯০২.
প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. জনগণ
  4. সংসদ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য:
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 

​(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷

Article 7: Supremacy of the Constitution:
(1) All powers in the Republic belong to the people, and their exercise on behalf of the people shall be effected only under, and by the authority of, this Constitution.

​(2) This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the supreme law of the Republic, and if any other law is inconsistent with this Constitution that other law shall, to the extent of the inconsistency, be void.

৯,৯০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ১৭ অনুসারে, দলিল পরিদর্শনের নোটিশ পাওয়ার পর উত্তরদাতাকে কত দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ১৭ অনুসারে, দলিল পরিদর্শনের নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে উত্তরদাতাকে নোটিশ প্রদানকারী পক্ষকে জবাব দিতে হবে। এই জবাবে তাকে পরিদর্শনের সময় ও স্থান নির্ধারণ করে দিতে হবে এবং কোন দলিলগুলি উপস্থাপনে আপত্তি রয়েছে তা উল্লেখ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১১ বিধি ১৭: পরিদর্শনের সময় যখন নোটিশ দেওয়া হয়: যে পক্ষকে এরূপ নোটিশ দেওয়া হয়েছে, সে নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে নোটিশ প্রদানকারী পক্ষকে একটি নোটিশ প্রদান করবে। এই নোটিশে একটি সময় উল্লেখ করতে হবে (নোটিশ প্রদানের তারিখ থেকে তিন দিনের মধ্যে), যে সময়ে দলিলগুলি তার উকিলের অফিসে পরিদর্শনের জন্য উপলব্ধ হবে। তবে ব্যাংকের বই, হিসাবের অন্যান্য বই বা ব্যবসায়িক কাজে নিয়মিত ব্যবহার্য বইগুলির ক্ষেত্রে সেগুলি তাদের সাধারণ সংরক্ষণস্থলে পরিদর্শন করতে হবে। এছাড়া, নোটিশে উল্লেখ করতে হবে যে কোন দলিলগুলি (যদি থাকে) উপস্থাপনে তিনি আপত্তি করছেন এবং কী কারণে আপত্তি করছেন। এই নোটিশ Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮ অনুযায়ী হবে, তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 11 Rule-17. Time for inspection when notice given: 
The party to whom such notice is given shall, within ten days from the receipt of such notice, deliver to the party giving the same a notice stating a time within three days from the delivery thereof at which the documents, or such of them as he does not object to produce, may be inspected at the office of his pleader, or in the case of bankers' books or other books of account or books in constant use for the purposes of any trade or business, at their usual place of custody, and stating which (if any) of the documents he objects to produce, and on what ground. Such notice shall be in Form No. 8 in Appendix C, with such variations as circumstances may require.

৯,৯০৪.
নিম্নের কোনটি চুরির অপরিহার্য উপাদান নয়?
  1. সম্পত্তি অস্থাবর হওয়া
  2. অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্য
  3. মালিকের উপস্থিতি
  4. সম্পত্তি স্থানান্তর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) মালিকের উপস্থিতি।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান- চুরি:
কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

দণ্ডবিধির ধারা ৩৭৮ অনুযায়ী চুরি (Theft) সম্পন্ন হতে ৪টি অপরিহার্য উপাদান থাকতে হয়-
- অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে;
- মালিক বা দখলদারের সম্মতি ছাড়া হতে হবে;
- অসাধু উদ্দেশ্যে গ্রহণের অভিপ্রায় থাকতে হবে;
- সম্পত্তি স্থানান্তর করতে হবে।

কিন্তু মালিকের উপস্থিতি- চুরির অপরিহার্য উপাদান নয়। মালিক উপস্থিত থাকুক বা না থাকুক—চুরি হতে পারে।

৯,৯০৫.
পক্ষগণের উপর নোটিশ জারি হওয়ার কত দিনের মধ্যে ফৌজদারি আদালত রিভিশন নিষ্পত্তি করবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান: আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।

(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।


(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

৯,৯০৬.
'ক' তার প্রতিবেশী 'খ' এর বাগানে প্রবেশ করে একটি ফুল তুলে নেয়। দণ্ডবিধি অনুসারে এটি কী অপরাধ গঠন করে?
  1. চুরি
  2. ক্ষতি
  3. বলপূর্বক সম্পত্তি গ্রহণ
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, চুরি হলো অসাধুভাবে এবং সম্মতি ছাড়া অস্থাবর সম্পত্তি (movable property) দখল থেকে স্থানান্তর করা। এখানে ‘ক’-এর কাজ (বাগান থেকে ফুল তুলে নেওয়া) মাটির সাথে যুক্ত ফুলকে বিচ্ছিন্ন করে (ব্যাখ্যা ১ অনুসারে) অস্থাবর করে স্থানান্তর করা, যা চুরি গঠন করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

৯,৯০৭.
কোন বিষয় নির্ধারণের জন্য মোকদ্দমায় মূল্যমান উল্লেখ করতে হয়?
  1. আদালতের এখতিয়ার
  2. প্রতিকার
  3. সম্পদের পরিমাণ
  4. প্রদেয় আয়কর
ব্যাখ্যা
আদালতের এখতিয়ার ও কোর্ট ফি নির্ধারণের জন্য আরজিতে মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হয়।

• আরজি হল মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১ নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আরজিতে যে যে বিষয়গুলো সাধারণত উল্লেখ থাকে-

⇒ যে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার নাম
⇒ বাদী ও বিবাদীর নাম, পরিচয়, বাসস্থান
⇒ বাদী বা বিবাদী নাবালক অথবা মানসিক বিকারগ্রস্ত হলে সেই মর্মে বিবৃতি
⇒ মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হবে
⇒ কারণ (Cause of action) এবং কারণ উদ্ভবের সময়।
⇒ প্রার্থিত প্রতিকার (relief claimed) ও দাবির কোন অংশ বর্জন করা হলে সেই মর্মে বিবৃতি ইত্যাদি।
৯,৯০৮.
কোনো ব্যক্তিকে আদালত সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য সমন পাঠালে সাক্ষ্য দিতে না আসলে আদালত তার উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি
  2. তার সম্পত্তি ক্রোক করে বিক্রি করা
  3. জরিমানা আরোপ করা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৩০ ধারায় সমন দেওয়ার পর কোনো ব্যক্তি সমনের আদেশ অনুসারে হাজির না হলে ৩২ ধারা মোতাবেক এই আদেশ প্রচার করতে পারেন।
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৩২ ধারা মতে যার প্রতি ৩০ ধারা অনুসারে সমন দেয়া হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করতে পারেন,
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) তাকে অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ দিতে পারেন; এবং জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানী কারাগারে প্রেরণ করতে পারেন।
৯,৯০৯.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
----------------
⇒The Penal Code,1860-Section: 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
৯,৯১০.
২০ বছর বয়সী A, ১৭ বছর বয়সী B-কে প্ররোচনা দিয়ে আত্মহত্যা করালে, দণ্ডবিধি অনুসারে A-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছরের কারাদণ্ড
  4. দশ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে B-এর বয়স ১৭ বছর (১৮ বছরের কম), অর্থাৎ এটি একটি শিশুর আত্মহত্যায় প্ররোচনা-এর ঘটনা। দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫ অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি-এর আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দানকারী মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড-এ দণ্ডিত হতে পারেন, এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডও হতে পারে।
সুতরাং, দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫ অনুযায়ী A-এর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
 যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন  ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860: Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

৯,৯১১.
'ক' নিজেকে 'খ' বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; 'খ' জনৈক মৃত ব্যক্তি। এক্ষেত্রে, 'ক'-
  1. কোনো অপরাধ করে নি
  2. সাধারণ প্রতারণা করেছে
  3. অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে
  4. অপরাধমূলকে বিশ্বাসভঙ্গ করেছে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
৯,৯১২.
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে কত জন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. নিদিষ্ট কোন সংখ্যা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ (Proof of execution of document required by law to be attested):

 যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

⇒  রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
----------------------------
Proof of execution of document required by law to be attested
Section 68. If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৯,৯১৩.
সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম
  2. ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্নের সংজ্ঞা
  3. ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন কখন করা যাবে
  4. কখন ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারা- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।

⇒ ১৪২ ধারা- ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না:
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।

⇒ ১৪৩ ধারা- যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে:
জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
৯,৯১৪.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination] এর বিধান আছে?
  1. ১৩৭ ধারায়
  2. ১৩৮ ধারায়
  3. ১৩৯ ধারায়
  4. ১৩৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
-------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137: 
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

⇒ The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations: 
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৯,৯১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৫ অনুযায়ী, যদি অযথা কারণে গ্রেপ্তার, জব্দ বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয় এবং মামলাটি ব্যর্থ হয়, তাহলে বিবাদী সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারেন?
  1. ৩,০০০ টাকা
  2. ৫,০০০ টাকা
  3. ২,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৫ অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় অযথা বা অপর্যাপ্ত কারণ দেখিয়ে গ্রেপ্তার (arrest), সম্পত্তি জব্দ (attachment), অথবা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (temporary injunction) চাওয়া হয়, এবং মামলাটি পরবর্তীতে ব্যর্থ হয়, তাহলে বিবাদী (defendant) আদালতের নিকট ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারেন।
- ধারা ৯৫(১) অনুসারে যদি আদালত মনে করে যে গ্রেপ্তার, জব্দ বা নিষেধাজ্ঞার আবেদন অযৌক্তিক ছিল, এবং মামলার পেছনে যুক্তিসঙ্গত বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না, তাহলে আদালত বিবাদীর আবেদনের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আদেশ দিতে পারে।
- শর্ত: আদালতের আর্থিক এখতিয়ার (pecuniary jurisdiction) অনুযায়ী এই পরিমাণ সীমিত থাকতে হবে।
- ধারা ৯৫(২) অনুসারে: একবার যদি আদালত ক্ষতিপূরণের বিষয়ে আদেশ প্রদান করে, তাহলে একই বিষয়ে আর কোনো নতুন মামলা দায়ের করা যাবে না। অর্থাৎ, এটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ অর্থাৎ আদালতের কাছে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করা যেতে পারে, যদি প্রমাণ হয় যে মামলাটি বা তাতে চাওয়া অন্তর্বর্তী আদেশগুলো (যেমন গ্রেপ্তার বা নিষেধাজ্ঞা) অযথা কারণে করা হয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Section- 95.Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds.
(1) Where, in any suit in which an arrest or attachment has been effected or a temporary injunction granted under the last proceeding section,- 
(a) it appears to the Court that such arrest, attachment or injunction was applied for on insufficient grounds, or 
(b) the suit of the plaintiff fails and it appears to the Court that there was no reasonable or probable ground for instituting the same, 
the defendant may apply to the Court, and the Court may, upon such application, award against the plaintiff by its order such amount, not exceeding ten thousand Taka, as it deems a reasonable compensation to the defendant for the expense or injury caused to him: 
Provided that a Court shall not award, under this section, an amount exceeding the limits of its pecuniary jurisdiction. 
(2) An order determining any such application shall bar any suit for compensation in respect of such arrest, attachment or injunction.

৯,৯১৬.
Who has the final authority to grant a special order for the discharge of an arrested person under Section 63 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. High Court
  2. The Magistrate
  3. Sessions Judge
  4. The arresting police officer
ব্যাখ্যা
Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.

ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-

যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
৯,৯১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পুলিশ ডায়েরী কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে?
  1. মামলায় সাক্ষ্য হিসেবে
  2. মামলার বিচার্য বিষয় গঠন করতে
  3. পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে
  4. অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থন করতে
ব্যাখ্যা
⇒ পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন। কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

- পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার [ধারা ১৭২(২)]-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।
-তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
-------------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation. 
 
(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.
৯,৯১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারায় আদালত কোন চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে?
  1. যেকোনো চুক্তি
  2. ইতিবাচক চুক্তি
  3. নেতিবাচক চুক্তি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারা- নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞাঃ
ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।
 
Section 57- Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement:
provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.
৯,৯১৯.
সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায় ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়ে মৌখিক স্বীকারোক্তি কখন প্রাসঙ্গিক ?
  1. যখন উত্থাপিত রেকর্ডটি নতুন হয়
  2. যখন রেকর্ডটি আইনিভাবে স্বীকৃত হবে
  3. যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে
  4. যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব সন্দেহাতীতভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

⇒ মৌখিক স্বীকারোক্তি শুধুমাত্র তখন প্রাসঙ্গিক হবে যখন ডিজিটাল রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে, অন্যথায় তা প্রাসঙ্গিক নয়।
- সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায় বলা হয়েছে যে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি কেবল তখনই প্রাসঙ্গিক হবে, যখন উক্ত ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা বা প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়। অন্যথায়, মৌখিক স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। ২২ক ধারায় বলা হয়েছে, উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিচারের বিষয়ীভূত না হওয়া পর্যন্ত ডিজিটাল রেকর্ডের বিবৃতি বিষয়ে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক না।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হবে না, যতক্ষণ না প্রদর্শিত ডিজিটাল রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
-----------------
⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 sections 22A. When oral admissions as to contents of digital records are relevant:
Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant unless the genuineness of the digital record produced is in question.
৯,৯২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১-এর প্রধান বিষয় কী?
  1. সাক্ষী সুরক্ষা
  2. জামিনের শর্ত
  3. ফৌজদারি আপিলের বিধান
  4. কারাদণ্ডের স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ মূলত কারাবাসের স্থান নির্ধারণ সংক্রান্ত। এতে বলা হয়েছে যে, সরকার ঠিক করবে কোন স্থানে একজন দণ্ডপ্রাপ্ত বা হেফাজতে থাকা ব্যক্তিকে রাখা হবে। এছাড়া, যদি কেউ সিভিল জেলে আটক থাকে, তবে আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে তাকে ফৌজদারি জেলে পাঠানো যেতে পারে। পরবর্তীতে ফৌজদারি জেল থেকে মুক্তি পেলে, বিশেষ শর্তে (যেমন ৩ বছর পার হলে বা আদালতের ছাড়পত্র থাকলে) তাকে আবার সিভিল জেলে পাঠানো হবে না।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ মূলত কারাবাস সংক্রান্ত নির্দেশ এবং স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করে। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) কারাদণ্ডের স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ - কারাবাসের স্থান নির্ণয়ের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী অথবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তন:
এই বিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতে রাখার আদেশপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি যদি দেওয়ানী জেলে আটক থাকেন, তবে যিনি তার কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশ দিয়েছেন সেই আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারেন যে, তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত করা হবে।
(৩) কোন ব্যক্তি (২) উপধারার অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা হতে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না
ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে দেওয়ানী জেল হতে অব্যাহতি পেয়েছে বলে গণ্য করতে হবে, অথবা
খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়াছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে অব্যাতি পাবার অধিকারী।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 541.Power to appoint place of imprisonment:
(1) Unless when otherwise provided by any law for the time being in force, the Government may direct in what place any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code shall be confined.
Removal to criminal jail of accused or convicted persons who are in confinement in civil jail, and their return to the civil jail:
(2) If any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code is in confinement in a civil jail, the Court or Magistrate ordering the imprisonment or committal may direct that the person be removed to a criminal jail. 
(3) When a person is removed to a criminal jail under sub-section (2), he shall, on being released therefrom, be sent back to the civil jail, unless either– 
(a) three years have lapsed since he was removed to the criminal jail, in which case he shall be deemed to have been discharged from the civil jail under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908; or
(b) the Court which ordered his imprisonment in the civil jail has certified to the officer in charge of the criminal jail that he is entitled to be discharged under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908.
৯,৯২১.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৯৯খ অনুযায়ী, বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করার সময়সীমা কত?
  1. একমাস 
  2. দুইমাস 
  3. তিনমাস
  4. ছয়মাস 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুসারে, বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করার সময়সীমা হলো ২ মাস।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারি আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 99B. Application to High Court Division to set aside order of forfeiture:
-Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.

৯,৯২২.
যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার উদ্দেশ্যে নিজের দখলে কোনো জাল মুদ্রা রাখে, তবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ২৪২: জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখা, যখন সে জানত যে এটি জাল:
যে কেউ প্রতারণার উদ্দেশ্যে বা প্রতারণা সংঘটিত হওয়ার অভিপ্রায়ে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে, এবং যখন সে এই মুদ্রা নিজের কাছে গ্রহণ করে তখন জানত যে এটি জাল, তবে সে ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও প্রদান করতে হবে।

Possession of counterfeit coin by person who knew it to be counterfeit when he became possessed thereof:
[Whoever, fraudulently or with intent that fraud may be committed, is in possession of counterfeit coin, having known at the time when he became possessed thereof that such coin was counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.]

৯,৯২৩.
ফৌজদারি আপিল সংক্ষিপ্ত খারিজের ক্ষেত্রে কাকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না?
  1. আপিলকারীকে
  2. আপিলকারীর উকিলকে
  3. প্রতিবাদকারীকে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:
(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন- শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।

Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
৯,৯২৪.
The Penal Code is a/an _______________ law.
  1. Adjective Law
  2. Substantive Law
  3. Preventive Law
  4. Procedural Law
ব্যাখ্যা
♦ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দন্তবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।

♦ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

♦ দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন। কিন্তু এই অপরাধের বিচার পদ্ধতি দণ্ডবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের বিচার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধিতে। এই কারণে ফৌজদারী কার্যবিধি হলো পদ্ধতিগত আইন।

♦ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি। Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
৯,৯২৫.
সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারায় কত বছরের পুরোনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত অনুমানের বিধান দেওয়া আছে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার বিধান:পাঁচ বছর পুরোনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত অনুমান:
-যখন কোনও ডিজিটাল রেকর্ড, যা পাঁচ বছর পুরোনো বলে প্রমাণিত বা দাবী করা হয়, এমন কোনও হেফাজত থেকে উপস্থাপিত হয় যা আদালত সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে উপযুক্ত বলে মনে করে, তখন আদালত ধারণা করতে পারে যে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি যেই ব্যক্তির বলে দাবি করা হয়েছে, তিনি নিজে বা তার দ্বারা অনুমোদিত কোনও ব্যক্তি সেই স্বাক্ষরটি করেছেন।

ব্যাখ্যা:-ডিজিটাল রেকর্ডগুলোকে সঠিক হেফাজতে বলা হয় যদি সেগুলো সেই জায়গায় থাকে যেখানে স্বাভাবিকভাবে থাকার কথা, এবং সেই ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে থাকে যার সাথে থাকা স্বাভাবিক। তবে যদি দেখা যায় যে হেফাজতের উৎস বৈধ ছিল বা সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি এমন যে বৈধ উৎস থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সেই হেফাজতকে অযৌক্তিক বলা যাবে না।

অর্থাৎ,
⇒ পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন।
⇒ ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে।
⇒ ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
--------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section: 90A: Presumption as to digital records five years old:
-Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.]
৯,৯২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার অধীন আদালত সরকারি তহবিল থেকে কাকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারেন?
  1. ফরিয়াদিকে
  2. সাক্ষীকে
  3. অভিযুক্তকে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৪- ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়

সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারি আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে সরকারি তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।

Section 544- Expenses of complainants and witnesses
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
৯,৯২৭.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী প্ররোচনার (Abetment) কয়টি উপায় আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৭ অনুযায়ী "Abetment" বা প্ররোচনা/সহায়তা মূলত ৩টি উপায়ে হয়ে থাকে:
১) প্ররোচনা (Instigation) – কাউকে কোন কাজ করতে উৎসাহ বা প্ররোচনা দেওয়া।
২) ষড়যন্ত্র (Conspiracy) – একজন বা একাধিক ব্যক্তির সাথে মিলে ষড়যন্ত্র করা এবং সে অনুসারে কাজ বা অবৈধ অবহেলা ঘটানো।
৩) ইচ্ছাকৃত সহায়তা (Intentional aid) – কোন কাজ করতে ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করা, যেমন: কাজের সুবিধার্থে কিছু করা বা না করা।

⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
-দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
৯,৯২৮.
কেবল দলিল উপস্থাপনের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি কখন জেরার সম্মুখীন হতে পারে?
  1. উচ্চ আদালতের অনুমতি পেলে
  2. শুধুমাত্র মামলার রায়ের পর
  3. আদালত চাইলে যেকোন সময়
  4. সাক্ষী হিসেবে ডাকা হলে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৯: দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তির জেরা:
কেবলমাত্র দলিল উপস্থাপনের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বয়ং সাক্ষী হয়ে যান না। তিনি তখনই জেরার (cross-examination) সম্মুখীন হতে পারেন, যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়।

[A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.]
৯,৯২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, জনসাধারণের জন্য বিপজ্জনক বা অসুবিধাজনক হতে পারে, এমন ব্যক্তি বা শ্রেণীর গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিশেষ পদ্ধতি নির্ধারণ করার ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. সরকারের
  2. আদালতের
  3. ডিক্রি-প্রাপকের
  4. গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৫(২) [Section 55(2)] এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: (2) The Government may, by notification in the official Gazette, declare that any person or class of persons whose arrest might be attended with danger or inconvenience to the public shall not be liable to arrest in execution of a decree otherwise than in accordance with such procedure as may be prescribed by the Government in this behalf.“
- অর্থাৎ, যে ব্যক্তি বা শ্রেণীর ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করলে জনসাধারণের জন্য বিপদ বা অসুবিধা হতে পারে বলে মনে হয়, তাদের ডিক্রি এক্সিকিউশনে গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি দেওয়া বা বিশেষ পদ্ধতি নির্ধারণ করার ক্ষমতা শুধুমাত্র সরকারের (Government) রয়েছে। সরকার অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) সরকারের। 

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-55.- Arrest and detention:
(1) A judgment-debtor may be arrested in execution of a decree at any hour and on any day, and shall, as soon as practicable, be brought before the Court, and his detention may be in the civil prison of the district in which the Court ordering the detention is situate, or, where such civil prison does not afford suitable accommodation, in any other place which the Government may appoint for the detention of persons ordered by the Courts of such district to be detained:
Provided, firstly, that, for the purpose of making an arrest under this section, no dwelling-house shall be entered after sunset and before sunrise:
Provided, secondly, that no outer door of a dwelling-house shall be broken open unless such dwelling-house is in the occupancy of the judgment-debtor and he refuses or in any way prevents access thereto, but when the officer authorised to make the arrest has duly gained access to any dwelling-house, he may break open the door of any room in which he has reason to believe the judgment-debtor is to be found:
Provided, thirdly, that, if the room is in the actual occupancy of a woman who is not the judgement-debtor and who according to the customs of the country does not appear in public, the officer authorised to make the arrest shall give notice to her that she is at liberty to withdraw, and, after allowing a reasonable time for her to withdraw and giving her reasonable facility for withdrawing, may enter the room for the purpose of making the arrest:

Provided, fourthly, that, where the decree in execution of which a judgment-debtor is arrested, is a decree for the payment of money and the judgment-debtor pays the amount of the decree and the costs of the arrest to the officer arresting him, such officer shall at once release him.

(2) The Government may, by notification in the official Gazette, declare that any person or class of persons whose arrest might be attended with danger or inconvenience to the public shall not be liable to arrest in execution of a decree otherwise than in accordance with such procedure as may be prescribed by the Government in this behalf.
(3) Where a judgment-debtor is arrested in execution of a decree for the payment of money and brought before the Court, the Court shall inform him that he may apply to be declared an insolvent, and that he may be discharged if he has not committed any act of bad faith regarding the subject of the application and if he complies with the provisions of the law of insolvency for the time being in force.
(4) Where a judgment-debtor expresses his intention to apply to be declared an insolvent and furnishes security, to the satisfaction of the Court, that he will within one month so apply, and that he will appear, when called upon, in any proceeding upon the application or upon the decree in execution of which he was arrested, the Court may release him from arrest, and, if he fails so to apply and to appear, the Court may either direct the security to be realized or commit him to the civil prison in execution of the decree.

৯,৯৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন ধারায় 'ডিক্রি দানকারী আদালত'-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৬
  2. ধারা ৩৭
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৩৯
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৩৭-এর শিরোনামই হল "Definition of Court which passed a decree" বা "ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা"।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ ধারার বিধান: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:- “যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-
ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908- Section 37. Definition of Court which passed a decree:
- The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,- 
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and 
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.

৯,৯৩১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর 342 ধারা মতে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করার সময় কোনটি সঠিক?
  1. তাকে শপথ করাতে হবে
  2. তাকে শপথ করাতে হবে না
  3. সে উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা- আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষমতা:
(১) কোনো তদন্ত বা বিচারকার্যের যেকোনো পর্যায়ে, যদি কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণে আসামির বিরুদ্ধে কোনো পরিস্থিতি উঠে আসে, তবে আদালত আসামিকে তা ব্যাখ্যা করার সুযোগ দিতে পারে। এজন্য আদালত পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে পারবে এবং প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দি শেষ হওয়ার পর ও আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের আগে তাকে সাধারণভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।

(২) আসামি যদি এই প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা মিথ্যা উত্তর দেয়, তবে শুধু এই কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। তবে আদালত তার এই আচরণ থেকে যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত টানতে পারবে।

(৩) আসামির দেওয়া উত্তর বিচার বা তদন্তে বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে এবং সেই উত্তর অন্য কোনো তদন্ত বা বিচারে তার পক্ষে বা বিপক্ষে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যদি তা অন্য কোনো অপরাধে জড়িত থাকার ইঙ্গিত দেয়।

(৪) আসামির জবানবন্দি গ্রহণের সময় তাকে কোনো শপথ (Oath) করানো যাবে না।
৯,৯৩২.
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন-
  1. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক ছিলেন এমন কোন ব্যক্তিকে
  2. জাতীয় সংসদ-সদস্য হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে
  4. প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে কোন ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
৯,৯৩৩.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় কোন অপরাধ সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. চুরি
  2. ডাকাতি
  3. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ।
  4. অ্যাবেটমেন্ট ।
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ ক অনুযায়ী- দুই বা ততোধিক ব্যক্তি যদি -একটি বেআইনী কাজ; অথবা যে কার্যটি বেআইনী নয় এমন একটি কার্য বেআইনী উপায়ে করার জন্য কিংবা কার্যটি যাতে সম্পন্ন হয় তজ্জন্য সম্মত বা একমত হয় তবে- অনুরূপ সম্মতি বা ঐকমত্যকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলে।

♦ তবে শর্ত থাকে যে, একটি অপরাধ সংঘটনের জন্য উপনীত সম্মতি ছাড়াই অপর কোনরূপ সম্মতি অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলে পরিগণিত হবে না, যদি না উপযুক্ত সম্মতি অনুযায়ী সম্মতিটির সাথে জড়িত এক বা একাধিক ব্যক্তি দ্বারা সম্মতিটির বহির্ভূত কোন কার্য সম্পন্ন হয়।
৯,৯৩৪.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের বিধান মতে চেক ডিজঅনার হলে ১৩৮ ধারা অনুসারে নোটিশ দেয়ার পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করেন
  2. ব্যক্তিগত ই-মেইলে নোটিশ দিয়ে
  3. বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে
  4. উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে
ব্যাখ্যা
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের বিধান মতে চেক ডিজঅনার হলে ১৩৮ ধারা অনুসারে নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি:-
১৩৮ (১ক): ৩টি উপায়ে নোটিশ দেয়া যায়-
i) ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করে;
ii) উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে;
iii) বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে।

 উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের বিধান মতে চেক ডিজঅনার হলে ১৩৮ ধারায় 'ব্যক্তিগত ই-মেইলে নোটিশ দিয়ে' নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি নয়।
---------------------
NI Act Section-138(1A) The notice required to be served under clasue (b) of sub-section (1) shall be served in the following manner-
(a) by delivering it to the person on whom it is to be served; or
(b) by sending it by registered post with acknowledgement due to that person at his usual or last known place of abode or business in Bangladesh; or
(c) by publication in a daily Bangla national newspaper having wide circulation.
৯,৯৩৫.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের শাস্তিমূলক আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় দায়ের করতে হয়?
  1. বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের কাছে
  4. সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে
ব্যাখ্যা

⇒ শাস্তি বিধানের বিরুদ্ধে প্রতিকারের বিধান:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিলে এবং উক্ত আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, অনুরূপ আদেশ প্রাপ্তির দিন হতে নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে উক্ত সংক্ষুব্ধ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
- অনুরূপ আপিল হাই কোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃক শ্রবণ করতে হবে এবং ঐ বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.

৯,৯৩৬.
দণ্ডবিধি অনুসারে একাধারে সর্বোচ্চ কত দিন নির্জন কারাবাসে রাখা যায়?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ১ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:-
-নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
--------------------------
⇒ Section 74: Limit of solitary confinement:
-In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
৯,৯৩৭.
ক এর অনুকূলে মোকদ্দমা করার অধিকার সৃষ্টি হওয়ার কিছুদিন পর ক পাগল হয়ে যায় এবং ২ বছর যাবত পাগল থাকে এবং ইতোমধ্যে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদকাল অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। এই ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক যতদিন পাগল থাকবে ততোদিন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ থাকবে।
  2. তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ থাকবে না
  3. ক সর্বোচ্চ ৩ বছর তামাদির সুযোগ পাবে
  4. বিলম্ব মওকুফের দরখাস্ত দিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।
ব্যাখ্যা
♦ ৯ ধারার বিধান মোতাবেক তামাদির মেয়াদ গণনা একবার শুরু হুলে তা পরবর্তী অপারগতার কারণে তামাদির গণনা বন্ধ থাকবে না। আইনগত অপারগতা প্রযোজ্য হবে যদি তা শুরু হওয়ার কালে মামলার অধিকার সৃষ্টি হয়।
৯,৯৩৮.
নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের অপসারণ করা যাবে:
  1. রাষ্ট্রপতির একক সিদ্ধান্তে
  2. প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশের মাধ্যমে
  3. সংসদীয় কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে
  4. সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের মতো একই প্রক্রিয়ায়
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮ : নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক ৪ জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে এবং রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করবেন ।

(২) প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন ।

(৩) নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে ৫ বৎসর হবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হবেন না;
(খ) অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার অবসরের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন । 

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারণ হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হবেন না

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
৯,৯৩৯.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি ( injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 503.Criminal intimidation:
Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause to alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation. 
 
Explanation.-A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this section.

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 506.Punishment for criminal intimidation:
 Whoever commits the offence of criminal intimidation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both;
৯,৯৪০.
মোকদ্দমা দায়েরের সময় আরজির সাথে কতটি আরজির অবিকল নকল (true copies) পেশ করতে হয়?
  1. বাদীর ইচ্ছানুযায়ী সংখ্যক
  2. যতজন বাদী থাকে ততো সংখ্যক
  3. যতজন বিবাদী থাকে ততো সংখ্যক
  4. পেশ না করলেও হয়
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা দায়েরের সময় আরজির সাথে যতজন বিবাদী থাকে ততো সংখ্যক আরজির অবিকল নকল (true copies) পেশ করতে হয়।

আদেশ ৪ বিধি ১ঃ মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে-
১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।

Order 4 Rule 1: Suit to be commenced by plaint-
(1) Every suit shall be instituted by presenting a plaint to the Court or such officer as it appoints in this behalf a plaint together with as many true copies of the plaint as there are defendants for service of summons upon such defendants.
(1a) The Court fees chargeable for service of summons shall be paid in the case of suits when the plaint is filed, and in the case of all other proceedings when process is applied for.
(1b) A plaintiff shall file, along with the plaint, for each defendant a copy of the summons along with a pre-paid registered acknowledgement due cover with complete and correct address of the defendant written on it.

(2) Every plaint shall comply with the rules contained in Orders VI and VII, so far as they are applicable.
৯,৯৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ৩ অনুসারে, আদালত যদি আপিলের স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করেন, তাহলে তাঁকে-
  1. আপিল বাতিল করতে হবে
  2. মামলাটি পুনরায় শুনানি করতে হবে
  3. প্রত্যাখ্যানের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
  4. আপিলকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
৯,৯৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বাংলাদেশের বাইরে কৃত অপরাধের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ধারা ১৮৭
  2. ধারা ১৮৯
  3. ধারা ১৮৮
  4. ধারা ১৮১
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ তে বাংলাদেশের বাইরে কৃত অপরাধের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে বলা আছে

• এই ধারা অনুসারে, যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমানার বাইরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে;অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে টা যেখানেই থাকুক না কেন, কোন অপরাধ করে ;তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে পাওয়া যাবে সেই স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধরে নিয়ে সেই মোতাবেক বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

• এই সকল অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৮ ধারা এবং দন্ডবিধির ৪ ধারা একত্রে মিলিয়ে পড়তে হয়। দন্ডবিধির ৪ ধারায় রাষ্ট্রীয় অধিক্ষেত্রের বাইরে দন্ডবিধির ব্যপ্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
৯,৯৪৩.
নিচের কোন উপায়ে প্ররোচনা (Abetment) এর অপরাধ হতে পারে?
  1. কাউকে প্ররোচিত করে  (instigation)
  2. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে  (engagement)
  3. কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে  (aiding)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।

⇒ দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে

⇒ (i) কাউকে প্ররোচিত করে  (instigation)
⇒ (ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে  (engagement)
⇒ (iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে  (aiding)
--------------------
Section 107. Abetment of a thing:
 A person abets the doing of a thing, who
Firstly.-Instigates any person to do that thing; or 
Secondly.-Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or 
Thirdly.-Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing. 
 
Explanation 1.-A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing. 
 
Illustration 
A, a public officer, is authorized by a warrant from a Court of Justice to apprehend Z. B, knowing that fact and also that C is not Z, wilfully represents to A that C is Z, and thereby intentionally causes A to apprehend C. Here B abets by instigation the apprehension of C. 
 
Explanation 2.-Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
৯,৯৪৪.
হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতাবলে-
  1. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে
  2. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না
  3. দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারে না
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মামলার নথি রিভাইজ করে বিভিশনের সময় হাইকোর্ট আসামীর শাস্তি বাড়াতে পারে তবে হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা বলে-

১. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারবে না এবং
২. ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজের আদেশের ক্ষেত্রে রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে না [ধারা ৪৩৯ (৪)]। কারণ দায়রা জজ কর্তৃক রিভিশনে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশনে খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না কারণ খালাসের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করার সুযোগ নেই বরং আপীল করতে হয়।
৯,৯৪৫.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ‘আঘাত’ (Hurt) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. 305
  2. 319
  3. 320
  4. 321
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩১৯ অনুযায়ী: "যে ব্যক্তি অন্য কোনও ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, সে ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে গণ্য হবে।"
⇒ এখানে তিনটি মূল উপাদানকে “আঘাত” হিসেবে গণ্য করা হয়:
- দৈহিক যন্ত্রণা (bodily pain)
- ব্যাধি (disease)
- অপারগতা (infirmity)
অতএব, ধারা ৩১৯-ই ‘Hurt’ বা ‘আঘাত’-এর মূল ও প্রাথমিক সংজ্ঞা প্রদান করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারার বিধান: আঘাত:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।
⇒ The Penal Code, 1860, Section 319. Hurt:- Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
৯,৯৪৬.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৫২ অনুযায়ী আদালত কোন ধরনের প্রশ্ন নিষিদ্ধ করবে?
  1. আইনগত প্রশ্ন
  2. চরিত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন
  3. অশ্লীল বা কুৎসাজনক প্রশ্ন
  4. অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত এমন কোনো প্রশ্ন করতে নিষেধ করবে, যা তার দৃষ্টিতে কাউকে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, অথবা যা প্রশ্ন হিসাবে যথাযথ হলেও, তার ভাষা বা উপস্থাপন অপ্রয়োজনীয়ভাবে আক্রমণাত্মক বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.

৯,৯৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় একজন অভিযুক্তকে আদালত কখন জিজ্ঞাসা করে যে, সে অপরাধটি করেছে কিনা?
  1. তদন্তের সময়
  2. চার্জ গঠনের সময়
  3. সাক্ষ্য শোনার সময়
  4. রায় দেয়ার ঠিক আগে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: চার্জ গঠনের সময়। 

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার বিধান- চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা।

Section-242. Charge to be framed:
If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.
৯,৯৪৮.
চেক ডিজঅনার মামলায় কোন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  4. অতিরিক্ত দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
• হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  

চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দেয়, সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে, আপিল আদালতে নয়।
৯,৯৪৯.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০০-এর ব্যতিক্রম ১ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে নরহত্যা খুন হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. যদি ভুক্তভোগী স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণে সম্মতি প্রদান করে
  2. যদি হত্যাকারী প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে হত্যা করে
  3. যদি হত্যাকারী আকস্মিক প্ররোচনার ফলে আত্ম-সংযম হারিয়ে ফেলে
  4. যদি হত্যাকারী একজন সরকারী কর্মচারী হন এবং আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান- খুন:

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ-

শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:-
 শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
৯,৯৫০.
লিমিটেশন এ্যাক্ট-১৯০৮ এর ধারা ১৪ প্রযোজ্য হয়-
  1. স্যুটের ক্ষেত্রে
  2. রেফারেন্সের ক্ষেত্রে
  3. রিভিশনের ক্ষেত্রে
  4. রিভিউ-র ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১৪ ধারার বিধান  এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় যেই সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে-

(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, বাদী মূল বা আপিল আদালতে বিবাদীর বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানি কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যে আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয়, সেই আদালতে যদি সৎবিশ্বাসে তা দায়ের করা হয়ে থাকে, তবে কার্যক্রমে যে সময় ব্যয়িত হয়, মামলার মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।

(২) কোন দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে দরখাস্তকারী মূল বা আপিল আদালতে একই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যধারা যথোপযুক্ত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে এবং তাতে একই প্রতিকার দাবি করা হয়ে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে এখতিয়ার নিয়ে ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে যে আদালতে শেষোক্ত কার্যধারার বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয় সেই আদালতে সৎবিশ্বাসে উপরোক্ত কার্যধারা দায়ের করা হয়ে থাকলে শেষোক্ত কার্যধারায় যে সময় ব্যয়িত হয়, উপরোক্ত দরখাস্তের মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।

ব্যাখ্যা ১- যে সময়ের জন্য পূর্ববর্তী মামলা বা দরখাস্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল তা বাদ দিতে, যে ঐ মামলা বা দরখাস্ত রুজু বা দাখিল করা হয়েছিল এবং যে দিন তাদের কার্যধারা শেষ হয়েছিল, উভয় দিনই গণনা করতে হবে।

ব্যাখ্যা ২- এ ধারার উদ্দেশ্যে যে বাদী বা দরখাস্তকারী আপিলে বিরোধিতা করছে, সে কার্যধারা চালাচ্ছে বলে গণ্য হবে ।

ব্যাখ্যা ৩- এ ধারার উদ্দেশ্যে ভুল পক্ষভুক্তি বা মামলার কারণভুক্তি, এখতিয়ারগত ত্রুটির ন্যায় একই প্রকৃতির কারণ বলে পরিগণিত হবে।

♦অর্থাৎ তামাদি আইনের ১৪ ধারা অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় ব্যয়িত সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দিতে হবে। ১৪ ধারা শুধুমাত্র মূল মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। আপীল বা রিভিশ বা রিভিউ এর ক্ষেত্রে ১৪ ধারা প্রযোজ্য না। 
৯,৯৫১.
দেওয়ানী কার্যবিধির প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ ও বিধি সমূহ সংশোধন করতে পারে কে?
  1. পার্লামেন্ট
  2. সুপ্রীম কোর্ট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. পার্লামেন্ট ও সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে।
⇒ প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয় সংশোধন করতে পারে।
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সকল আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।
⇒ অন্যদিকে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১২২ ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়নসহ বিধিসমূহ বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে।
⇒১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হলেও, সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি।
⇒কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন। জাতীয় সংসদ যে দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদেশ ও বিধিসমূহ সংশোধন করতে পারে তার বড় উদাহরণ হলো ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির সংশোধন।
⇒ The Code of Civil Procedure (Amendment) Act, 2012 এর মাধ্যমে জাতীয় সংসদ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ এর ১(১) বিধি, ৯ বিধি ও ৯ক বিধি প্রতিস্থাপন করে।
⇒আবার আদেশ ৮ এর ১(১) বিধি সংশোধন করে লিখিত জবাব দাখিলের মেয়াদ সমন জারি হতে ৩০ কার্যদিবস নির্ধারণ করে।
⇒ আবার ৯ আদেশের ৫ বিধি সংশোধন করে ৩ মাসের পরিবর্তে ১ মাস নির্ধারণ করে।
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর প্রথম তফসীলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সুপ্রিম কোর্ট সংশোধন করতে পারলেও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট কখনো এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেনি।
----------
CPC-Section-122. Power of the Supreme Court to make rules:
The Supreme Court may, from time to time after previous publication, make rules regulating the procedure of each Division of the Supreme Court and the procedure of Civil Courts subject to its Superintendence and may by such rules annul, alter or add to all or any of the rules in the First Schedule.
৯,৯৫২.
`No new trial for improper admission or rejection of evidence'- এই বিধানটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?   
  1. ১৬৪ ধারা
  2. ১৬৫ ধারা
  3. ১৬৬ ধারা
  4. ১৬৭ ধারা 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২, ধারা ১৬৭: অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রাহ্য কিংবা অগ্রাহ্য করা হইলে তজ্জন্য নতুন করিয়া বিচার হইবে না: অন্যায়ভাবে কোনো সাক্ষ্য গ্রাহ্য কিংবা অগ্রাহ্য করা হইয়া থাকিলে যে আদালতে উহার বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়, সেই আদালত যদি মনে করেন যে, যে সাক্ষ্য গ্রাহ্য করা হইয়াছে, এবং তাহার বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হইয়াছে, সেই সাক্ষ্য ব্যতীতও এমন সাক্ষ্য প্রমাণ আছে যদ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, কিংবা, যে সাক্ষ্য অগ্রাহ্য করা হইয়াছে, তাহা গ্রাহ্য করা হইলেও আদালতের সিদ্ধান্তের কোনো তারতম্য হইত না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোনো সাক্ষ্য গ্রাহ্য বা অগ্রাহ্য করিবার অজুহাতেই কোনো মোকদ্দমার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা যাইবে না।
-------------------------------------------
The Evidence Act 1872,Section167: No new trial for improper admission or rejection of evidence: The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

৯,৯৫৩.
A, B এবং C একটি ডাকাতির ঘটনায় যৌথভাবে অভিযুক্ত এবং তাদের একসাথে বিচার করা হচ্ছে। বিচারের সময় A তার স্বীকারোক্তিতে নিজের দোষ স্বীকার করার পাশাপাশি বলে যে, B ও C ও ডাকাতিতে অংশগ্রহণ করেছে। A এর এই স্বীকারোক্তি-
  1. শুধুমাত্র A এর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
  2. B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
  3. B ও C এর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩০ ধারা:
"When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the court may take into consideration such confession as against such other person as well as against the person who makes such confession."

অর্থাৎ, যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য একসাথে বিচার করা হয় এবং তাদের একজন যে স্বীকারোক্তি দেয়, সেখানে তিনি নিজের সাথে অন্য কাউকে যদি জড়িয়ে ফেলেন, তাহলে আদালত সেই স্বীকারোক্তিকে সেই অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে। যেমন, স্বীকারোক্তিটিকে অন্য প্রমাণাদি দ্বারা সমর্থন করতে হবে ইত্যাদি।

A, B এবং C একটি ডাকাতির ঘটনায় যৌথভাবে অভিযুক্ত এবং তাদের একসাথে বিচার করা হচ্ছে। বিচারের সময় A তার স্বীকারোক্তিতে নিজের দোষ স্বীকার করার পাশাপাশি বলে যে, B ও C ও ডাকাতিতে অংশগ্রহণ করেছে। A এর এই স্বীকারোক্তিতে B ও C এর নাম উল্লেখ থাকায়, সেটি B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে। তবে B বা C এর বিরুদ্ধে শুধুমাত্র A এর স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না। A এর স্বীকারোক্তির সত্যতা যাচাই করতে আরও অন্যান্য প্রমাণাদির সমর্থন প্রয়োজন।
যেমন, ডাকাতির স্থান থেকে B ও C এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া, B ও C এর কাছ থেকে চুরিকৃত মালামাল উদ্ধার ইত্যাদি। এরকম অতিরিক্ত প্রমাণের ভিত্তিতেই A এর স্বীকারোক্তিকে সমর্থন করে B ও C এর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা সম্ভব।
৯,৯৫৪.
যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর ইচ্ছা ছিল তার মৃত্যু না ঘটিয়ে, অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর মাধ্যমে অপরাধজনক নরহত্যা ঘটালে তার শাস্তি বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ২৯৯
  2. ৩০০
  3. ৩০১
  4. ৩০৪খ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৯,৯৫৫.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী জোরপূর্বক বা প্রতারণামূলকভাবে কাউকে স্থানান্তর করাকে "অপহরণ" (Abduction) বলা হয়?
  1. ধারা ৩৬০
  2. ধারা ৩৬১
  3. ধারা ৩৬২
  4. ধারা ৩৬৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৬২ অনুযায়ী, "অপহরণ" (Abduction)-এর সংজ্ঞা হলো: "যদি কোনো ব্যক্তি জোরপ্রয়োগ করে বা প্রতারণামূলক উপায়ে কোনো ব্যক্তিকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে বাধ্য করে, তাহলে তাকে অপহরণ বলে গণ্য করা হবে।"

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 362. Abduction:- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
৯,৯৫৬.
'ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮' কবে কার্যকর হয়েছিল?
  1. ১৮৯৮ সালের ১লা জানুয়ারি
  2. ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই
  3. ১৮৯৮ সালের ২২শে মার্চ
  4. ১৮৯৮ সালের ১লা এপ্রিল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই।
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) ১৮৯৮ সালের ২২শে মার্চ প্রণীত হয়,
- তবে এটি কার্যকর (effective) হয় ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই থেকে।
- ফৌজদারি কার্যবিধি একটি আইনি পদ্ধতি যা ফৌজদারি মামলা প্রক্রিয়া এবং বিচার সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধি-বিধান নির্ধারণ করে, যেমন তদন্ত, বিচার, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, এবং রায় প্রদান ইত্যাদি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের আইন। ফৌজদারি কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন।
- ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারি কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারি কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়।
- ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।
- অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধিটি প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) ১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ এবং কার্যকর হয় ১৮৯৮ সালের ১ জুলাই।
৯,৯৫৭.
জামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে জামিনের আবেদন করে। এই পরিস্থিতিতে, আদালত কী করতে বাধ্য?
  1. জামিন দিবে
  2. কারাগারে প্রেরণ করবে
  3. খালাস দিবে
  4. জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৬- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:

৪৯৬ ধারায় বলা হয়েছে,
যদি কোন ব্যক্তি জামিনযোগ্য অপরাধে আটক হয় অথবা তাকে ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়, তাহলে তাকে পুলিশ বা যে আদালতে হাজির করা হবে সেই পুলিশ বা আদালত উক্ত আটক ব্যক্তিকে জামিন দিবে (Shall be released on bail)

৪৯৬ ধারায় Shall শব্দটি ব্যবহার করায়, এই ধারার অধীন জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার এবং জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের জন্য আদেশসূচক (Imperative)। জামিনযোগ্য মামলায় জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির অধিকার।
৯,৯৫৮.
এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি-
  1. খারিজ করবে
  2. স্থগিত রাখবে
  3. ফেরত পাঠাবে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।

আদেশ ৭ বিধি ১০-
যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩নং আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
৯,৯৫৯.
কোন অপরাধ সংঘটনের প্ররোচনার জন্য কোন শাস্তির উল্লেখ না থাকলে, অপরাধমূলক কাজে সহায়তাকারীর শান্তি দিবে-
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. যে অপরাধটি হয়েছে তার জন্য নির্ধারিত শাস্তি
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ধারা ১০৯ অনুযায়ী ভিন্ন কোন শাস্তির বিধান উল্লেখ না থাকলে প্ররোচনাকারী এবং অপরাধকারী সমান শাস্তি পাবে।
♦দণ্ডবিধির ১০৯ ধারার বিধান দুষ্কর্মে সহায়তার ফলে সহায়তাকৃত কাজটি সম্পাদিত হইবার ক্ষেত্রে এবং উহার শাস্তি বিধানার্থে কোন স্পষ্ট বিধান না থাকিবার ক্ষেত্রে দুষ্কর্মে সহায়তার শাস্তিঃ
♦যে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করা হয়েছে। সহায়তার দরুণ যদি সে অপরাধ অনুষ্ঠিত হয় এবং এই আইনে অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য যদি কোন স্পষ্ট বিধান না করা হয়ে থাকে, তবে অনুরূপ সহায়তাকারী যে অপরাধটি সংঘটনে সহায়তা করেছে সে অপরাধের জন্য যে দণ্ডের বিধান করা হয়েছে, অপরাধটি সংঘটনে সহায়তার জন্য তাকেও সে দণ্ডেই দণ্ডিত করা হবে।
♦ব্যাখ্যা (Explanation):-
কোন কাজ বা অপরাধ সহায়তার ফলে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তখনই বলা হয় যখন কাজটি বা অপরাধটি যে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা সাহায্য কর্তৃক সহায়তা করা হয়েছে সে প্ররোচনার ফলে বা সে ষড়যন্ত্র অনুযায়ী বা সে সহায়তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত হয়।
৯,৯৬০.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৪ ধারা অনুসারে-
  1. খতিয়ান সংশোধন করা যায়
  2. খতিয়ান সংশোধন ও প্রস্তুত উভয়টিই করা যায়
  3. খতিয়ান প্রস্তুত করা যায়
  4. কোনোটিই করা যায় না
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৪ ধারার অধীন সরকার কোন জেলা, জেলার অংশ বা স্থানীয় এলাকার জন্য রাজস্ব কর্মকর্তা [Revenue Officer] দ্বারা খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারে।
- অর্থাৎ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৪ ধারা অনুসারে খতিয়ান সংশোধন ও প্রস্তুত উভয়টিই করা যায়।
৯,৯৬১.
ধারা ৪৮-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, "সাধারণ প্রথা বা অধিকার" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অধিকারের বিষয়
  2. শুধুমাত্র ঐতিহাসিক অধিকার
  3. শুধুমাত্র আদালতের দ্বারা স্বীকৃত অধিকার
  4. যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ-
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation. The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration-
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
৯,৯৬২.
দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা অনুসারে, অসাধুভাবে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচনার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় বলা আছে, যে কেউ প্রতারণা করে কাউকে অসাধুভাবে সম্পত্তি দিতে বাধ্য করলে বা মূল্যবান দলিল তৈরি বা ধ্বংস করতে প্ররোচিত করলে, তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২০ অনুযায়ী,
যদি কেউ প্রতারণা করে এবং এর ফলে প্রতারিত ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করে, অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোনো মূল্যবান দলিল (যেমন চেক, চুক্তি ইত্যাদি) তৈরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে প্ররোচিত করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং এর পাশাপাশি তাকে অর্থদণ্ডও দেয়া যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-420: Cheating and dishonestly inducing deliver of property:
- Whoever cheats and thereby dishonestly induces the person deceived to deliver any property to any person, or to make, alter or destroy the whole or any part of a valuable security, or anything which is signed or sealed, and which is capable to being converted into a valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৯,৯৬৩.
একটি দলিলে কিছু ফাঁকা ঘর বা শূন্যস্থান (blanks) রয়েছে। এই ফাঁকা স্থানগুলো কীভাবে পূরণ করার উদ্দেশ্যে ছিল, তা বোঝার জন্য-
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য দেওয়া যাবে
  2. লিখিত সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে শুধু
  3. দলিলের পক্ষের মৌখিকভাবে সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে
  4. কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না
ব্যাখ্যা

Evidence Act, 1872 এর ধারা ৯৩-অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ দলিলের অর্থ ব্যাখ্যা বা সংশোধনের জন্য সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়:
যখন কোনো দলিলের ভাষা নিজেই অস্পষ্ট (ambiguous) বা ত্রুটিপূর্ণ (defective) হয়, তখন এমন কোনো তথ্যের সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না, যা সেই অস্পষ্টতার অর্থ স্পষ্ট করে বা ত্রুটি পূরণ করে দিতে পারে।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A লিখিতভাবে সম্মত হয়েছে যে, সে একটি ঘোড়া বিক্রি করবে B-কে, মূল্য ১০০০ টাকা বা ১৫০০ টাকা।
→ এখানে দলিলের ভাষাই অস্পষ্ট (দুটি দাম উল্লেখ আছে)। তাই কোন দামে ঘোড়া বিক্রি হবে তা প্রমাণ করার জন্য সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।

(খ) একটি দলিলে কিছু ফাঁকা ঘর বা শূন্যস্থান (blanks) রয়েছে। 
→ এই ফাঁকা স্থানগুলো কীভাবে পূরণ করার উদ্দেশ্যে ছিল, তা বোঝানোর জন্য কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।

৯,৯৬৪.
মুসলিম আইনের কোন মতবাদে মদিনার অধিবাসীদের প্রথা ও রীতিনীতিকে আইনের ভিত্তি হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়?
  1. হানাফি মতবাদ
  2. মালিকি মতবাদ
  3. শাফেয়ি মতবাদ
  4. হাম্বলি মতবাদ
ব্যাখ্যা

⇒ ইমাম মালিক ইবনে আনাস (রহ.) প্রতিষ্ঠিত মালিকি মতবাদ-এর একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো মদিনার অধিবাসীদের প্রথা ও রীতিনীতি (‘আমলু আহলিল মদীনা)-কে ইসলামী আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচনা করা। ইমাম মালিক (রহ.)-এর মতে, মদিনাবাসীদের ঐকমত্য্যপূর্ণ চর্চা নবী করিম (সা.)-এর সুন্নাহর ধারাবাহিক প্রকাশ, তাই এটি কুরআন ও হাদিসের পরই প্রামাণ্য। অন্যান্য মাযহাব এই বিশেষ উৎসকে এতটা গুরুত্ব দেয়নি।
অর্থাৎ মালিকি মতবাদে কুরআন ও হাদিসের পাশাপাশি মদিনার মানুষের প্রথা এবং প্রাথমিক মুসলিম সমাজের রীতিনীতি আইনের মূল উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

⇒ মুসলিম আইনের চার প্রধান মতবাদ (Schools of Islamic Law):
মুসলিম আইনকে চারটি প্রধান সুন্নি মতবাদে বিভক্ত করা হয়েছে। এই মতবাদগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইসলামের প্রাথমিক যুগে, এবং প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট ইমামের অনুসৃত পদ্ধতি ও ব্যাখ্যার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে।

হানাফি মতবাদ (Hanafi School)
- প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম আবু হানিফা (৭০২–৭৭২ খ্রিস্টাব্দ)।
- কুরআন ও হাদিসের পাশাপাশি ইজতিহাদ (ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ) এবং রায় ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেয়।
- হানাফি মতবাদ মুসলিম আইনের সবচেয়ে উদার ও সহনশীল।
- স্থানীয় প্রথা ও রীতিনীতি গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।

মালিকি মতবাদ (Maliki School)
- প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম মালিক ইবনে আনাস (৭১১–৭৯৫ খ্রিস্টাব্দ)।
- মদিনার মানুষের প্রথা এবং প্রাথমিক মুসলিম সমাজের রীতিনীতিকে আইনের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- কুরআন ও হাদিস প্রধান উৎস, তবে মদিনার ঐতিহ্য এবং ইজমাও বিবেচ্য।

শাফেয়ি মতবাদ (Shafi'i School)
- ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আশ-শাফেয়ি (৭৬৭–৮২০ খ্রিস্টাব্দ)।
- কুরআন ও হাদিসকে প্রধান উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- ইজমা (মুসলিম সমাজের ঐক্যমত) এবং কিয়াস (যুক্তিগত বিশ্লেষণ) ব্যবহারের উপর জোর দেয়।

হাম্বলি মতবাদ (Hanbali School)
- ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (৭৮০–৮৫৫ খ্রিস্টাব্দ)।
- এটি সবচেয়ে রক্ষণশীল সুন্নি মতবাদ।
- কুরআন ও হাদিস ছাড়া অন্য কোনো উৎসকে খুব কম গ্রহণ করে।

৯,৯৬৫.
একজন হিন্দু ব্যক্তি কতটুকু সম্পত্তি উইল করতে পারেন?
  1. সমুদয় সম্পত্তি
  2. অর্ধেক সম্পত্তি
  3. এক-তৃতীয়াংশ সম্পত্তি
  4. এক-চতুর্থাংশ সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ক) সমুদয় সম্পত্তি

- একজন হিন্দু ব্যক্তি তার সম্পত্তির সমুদয় অংশ উইল করতে পারেন। হিন্দুদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা নেই, যেমন মুসলমানদের ক্ষেত্রে এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করা নিষিদ্ধ। তাই হিন্দু ব্যক্তি তার সমস্ত সম্পত্তি উইল করতে পারবেন। উইল করার ক্ষেত্রে আদালত থেকে উইল প্রবেট করতে হয়, যা আদালতের মাধ্যমে উইলের বৈধতা নিশ্চিত করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- একজন মুসলিম তার সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত উইল করতে পারেন। এর মানে হলো, মৃত্যুর পর তাঁর দাফন-কাফন এবং দেনা পরিশোধের পর, তিনি তার সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি কাউকে উইল করতে পারবেন না। তবে, যদি অন্য ওয়ারিশদের সম্মতি থাকে, তাহলে সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করা সম্ভব। উইল কার্যকর হয় মৃত্যুর পর, তবে নাবালক সন্তানের ক্ষেত্রে, সেই দান সন্তান সাবালক হওয়ার পর হস্তান্তর করতে হবে।
৯,৯৬৬.
স্বামীর দ্বারা স্ত্রীর প্রতি ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণ করার ক্ষমতা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নেই?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরে উল্লিখিত সবার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
 
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।
 
(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।
৯,৯৬৭.
Which section of the Code of Criminal Procedure is 'further investigation' conducted?
  1. 273(3B)
  2. 173(3A)
  3. 173(3B)
  4. 173(3AA)
ব্যাখ্যা
-অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

- তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

-১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173: Report of police-officer:
-(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
৯,৯৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় কীসের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. সম্পত্তি ক্রোকের পদ্ধতি
  2. সমন প্রদানের পদ্ধতি
  3. গ্রেফতারের পদ্ধতি
  4. অভিযোগ দায়েরের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান- গ্রেফতারের পদ্ধতি:

(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধঃ এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।

Section 46: Arrest how made-
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest. 
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with transportation for life.
৯,৯৬৯.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির কয়টি ব্যতিক্রম দেওয়া আছে?
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় (মানহানি) ৪টি ব্যাখ্যা আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
৯,৯৭০.
'শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়'- এই বিধান নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটানোর যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে
  2. ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ
  3. অপ্রকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০০: দণ্ডবিধির ধারা ১০০ অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬ (ছয়টি) ক্ষেত্রে শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়। যথা;

১. এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটানোর যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে;

২. এমন আক্রমণ যা গুরুতর জখমের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে;

৩. ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;

৪. অপ্রকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;

৫. মনুষ্যহরণ বা অপহরণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;

৬. অবৈধভাবে আটকের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ, যেক্ষেত্রে তিনি মনে করে সরকারী কর্তৃপক্ষের সহায়তা পাবে না।
৯,৯৭১.
মেট্রোপলিটন এলাকায় কোন ধরণের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকে?
  1. ১ম শ্রেণীর
  2. ২য় শ্রেণীর
  3. ৩য় শ্রেণীর
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬(৩) ধারার বিধান: চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথাঃ
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।

(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;

(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;

(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

♦ মেট্রোপলিটন এলাকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকে না। 
---------------------
Classes of Criminal Courts
Section 6 (3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 

(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
 
(c) Magistrate of the second class; and 
 
(d) Magistrate of the third class.
৯,৯৭২.
আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) এর অধীন মোকদ্দমা পুনর্বহালের আবেদনের ক্ষেত্রে কত টাকা খরচ প্রদান করতে হয়?
  1. ৩০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৭ বিধি ১(৭):
উপ-বিধি (৩) কিংবা (৪) এর অধীন মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে তা শুনানির নিমিত্তে পুনর্বহাল করা হবে না, যদি না যার অমান্যের কারণে মোকদ্দমাটি খারিজ হয় কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তিনি খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে তা পুনর্বহালের আবেদনের সঙ্গে আদালতে দুই হাজার টাকা ব্যায়াদির খরচা জমা প্রদান করেন; এবং অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কার্যধারা ছাড়িয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করা হবে এবং জমাকৃত খরচা অন্য পক্ষকে দিতে হবে।

⇒ Order-17 Rule-1(7)- A suit dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (3) or (4) shall not be revived for hearing unless the party, for whose noncompliance the suit was dismissed or dispossed of ex parte, makes within thirty days of such dismissal or ex parte, disposal, an application fogether with cost of two thousand taka into Court for such revival; and upon such application being made, the suit shall be revived for bearing without any further proceeding, and cost deposited into Court shall be paid to the other party.
৯,৯৭৩.
Which one of the following sections of Criminal Procedure Code,1898 has defined the word 'offence'?
  1. Section 2(1)(f)
  2. Section 4(1)(o)
  3. Section 4(1)(n)
  4. Section 2(1)(p)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Criminal Procedure Code, 1898)-এর Section 4(1)-এ সংজ্ঞা (Definitions) দেওয়া আছে। এখানে "offence" শব্দের সংজ্ঞা clause (o)-এ দেওয়া হয়েছে: (o) "offence" means any act or omission made punishable by any law for the time being in force; it also includes any act in respect of which a complaint may be made under section 20 of the Cattle-trespass Act, 1871:

অর্থাৎ, কোনো কাজ বা অবহেলা যা বিদ্যমান আইনে শাস্তিযোগ্য, সেটিই ‘অপরাধ’ বা ‘Offence’। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Criminal Procedure Code, 1898)-এর Section 4(1)(o)-এ ‘Offence’ শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

৯,৯৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার উপধারা (১২) অনুযায়ী, পক্ষগণের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে আদালত যে আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করে, তার বিরুদ্ধে -
  1. আপিল ও রিভিশন উভয়ই করা যাবে
  2. আপিল করা যাবে কিন্তু রিভিশন করা যাবে না
  3. রিভিশন করা যাবে কিন্তু আপিল করা যাবে না
  4. আপিল বা রিভিশন কোনোটিই করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ(১২) (Section 89C(12)) অনুযায়ী, যদি পক্ষগণের মধ্যে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিস্পত্তি হয় এবং সেই ভিত্তিতে আদালত কোনো আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করে, তাহলে সেই আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান: উপধারার-১২: এই ধারা অনুসারে নিস্পত্তির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
--------------
 The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89A(12): No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
৯,৯৭৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী বিচারের উদ্দেশ্যে দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে পলাতক আসামীকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া যায়?
  1. ৯০
  2. ৬০
  3. ৩০
  4. ১৫
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-

(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং
(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
৯,৯৭৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় আদেশের বিরূদ্ধে আপিল দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ১০০ ধারায়
  2. ১০৭ ধারায়
  3. ১০৪ ধারায়
  4. ১০৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে সেই ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন আদেশ হতে আপীল চলবেনা।
♦ কোন্ কোন্ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে তার বর্ণনা আছে আদেশ ৪৩।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৪ ধারায় এবং ৪৩ আদেশে আপীলযোগ্য আদেশ  এর তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ যদি ১০৪ ধারায় বা ৪৩ আদেশে উল্লেখিত কোন আপীলযোগ্য আদেশ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
৯,৯৭৭.
According to which Order, no decree to be set aside without notice to opposite party under which of the in the CPC?
  1. Order 9, Rule 10
  2. Order 9, Rule 11
  3. Order 9, Rule 13
  4. Order 9, Rule 14
ব্যাখ্যা

Order 9, Rule 14:
No decree shall be set aside on any such application as aforesaid unless notice thereof has been served on the opposite party.

বাংলা অর্থ:
যে কোনো আবেদন অনুযায়ী (যেমন উপরোক্ত প্রসঙ্গে) ফলাফল বাতিল করা হবে না, যতক্ষণ না সেই বিষয়ে নোটিশ/বিজ্ঞপ্তি বিপরীত পক্ষকে দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ, আদালত কোনো ডিক্রি (decree) বাতিল করতে পারবেন না যদি বিপরীত পক্ষকে আগে জানানো না হয়।

৯,৯৭৮.
দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করে 
  2. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তি বিশ্বাসভরে দখলে পেয়ে থাকে 
  3. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধের বিষয়বস্তু স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি
  4. উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ। অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোন ভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

অর্থাৎ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাঙ্করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় না।
- তাই উল্লিখিত প্রশ্নে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় তথ্যটি সঠিক নয়।
৯,৯৭৯.
'ক' একজন সাক্ষী, 'খ' একজন ম্যাজিষ্ট্রেট। 'খ' এর সম্মুখে 'ক' সাক্ষ্যদান কালে 'খ' বলেন যে, তিনি 'ক' এর একটি কথাও বিশ্বাস করেন না। তিনি আরও বলেন যে, 'ক' মিথ্যা শপথ ও সাক্ষ্যদান করিতেছে। ইহাতে 'ক' হঠাৎ উত্তেজিত হইয়া উঠে ও 'খ' কে হত্যা করে। 'ক' Penal Code এর কোন ধারায় অপরাধ করিয়াছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায়
ব্যাখ্যা
 ⇒ 'ক' Penal Code এর ৩০০ ধারায় খুনের অপরাধ করিয়াছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১ এর ২য় শর্ত সাপেক্ষে ক খুনের অপরাধ করিয়াছে।

---------------
Exception 1.-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident. 

The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant. 
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence. 
 
Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.
৯,৯৮০.
মানব পাচারে সহযোগীর শাস্তি অন্যূন কত বৎসর কারাদণ্ড?
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৮ ধারার বিধান অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড: 
(১) কোন ব্যক্তি মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিয়া, ষড়যন্ত্র করিয়া এবং প্রচেষ্টা চালাইয়া অথবা সজ্ঞানে কোন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন বা সংঘটিত করিবার সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিয়া অথবা কোন দলিল-দস্তাবেজ গ্রহণ, বাতিল, গোপন, অপসারণ, ধ্বংস বা তাহার স্বত্ত্ব গ্রহণ করিয়া নিজেকে উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত করিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) হইলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ধার্যকৃত দণ্ডের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

অর্থাৎ মানব পাচারে সহযোগীর শাস্তি অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড।
৯,৯৮১.
দেওয়ানী কার্যবিধির নিচের কোন বিধান অনুযায়ী দায়িক কর্তৃক ডিক্রিদারকে বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করা যায়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯৬
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯৮
  3. আদেশ ২১ বিধি ৯৪
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
-------------------------
⇒ CPC Order-21 Rule-97.Resistance or obstruction to possession of immovable property:
(1) Where the holder of a decree for the possession of immovable property or the purchaser of any such property sold in execution of a decree is resisted or obstructed by any person in obtaining possession of the property, he may make an application to the Court complaining of such resistance or obstruction. 
(2) The Court shall fix a day for investigating the matter and shall summon the party against whom the application is made to appear and answer the same.

⇒ CPC Order-21 Rule-98.Resistance or obstruction by Judgmentdebtor:
Where the Court is satisfied that the resistance or obstruction was occasioned without any just cause by the judgment-debtor or by some other person at his instigation, it shall direct that the applicant be put into possession of the property, and where the applicant is still resisted or obstructed in obtaining possession, the Court may also, at the instance of the applicant, order the judgment-debtor, or any person acting at his instigation, to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days.
৯,৯৮২.
আত্মহত্যা প্রচেষ্টার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. অর্থদণ্ডসহ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের সশ্রম করাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৯ মতে- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৯,৯৮৩.
প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যাবে না কখন?
  1. প্রস্তাব দেওয়ার সময়
  2. প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে
  3. শর্ত পূরণ না হলে
  4. প্রস্তাবকের মৃত্যু বা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে
ব্যাখ্যা
• প্রস্তাব প্রত্যাহার বা বাতিল (Revocation of an Offer):
উল্লেখ্য যে, স্বীকৃত হবার পূর্বে প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যায় (৫ ধারা)। স্বীকৃত হবার পরে তা করা যায় না। প্রস্তাব মূলত স্বীকৃতির আশায় করা হয়। তবে কখনো প্রস্তাব দেয়ার পর তা প্রত্যাহার প্রয়োজন দেখা দেয়।
- প্রস্তাব গ্রহণ সম্পূর্ণ হবার পূর্বে যে কোন সময়ে প্রস্তাবদাতার প্রতিকূলে একটি প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যেতে পারে, কিন্তু পরে নয়।
- প্রস্তাবগ্রহীতার প্রতিকূলে প্রস্তাব গ্রহণ সম্পূর্ণ হওয়ার পূর্বে যে কোন সময়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণ প্রত্যাহার করা যেতে পারে, কিন্তু পরে নয়।
- অর্থাৎ প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বে তা প্রত্যাহার করা যায়। কোন প্রস্তাব একবার গ্রহণ করা হলে তা আর প্রত্যাহার করা যায় না।

• চুক্তি আইনের ৬ ধারা মতে নিম্নলিখিত অবস্থায় প্রস্তাব প্রত্যাহার বা বাতিল হয়ে যায়:-
(১) বিজ্ঞপ্তি দ্বারা (By notice)
(২) সময় উত্তীর্ণ হলে (After lapse ot time)
(৩) যুক্তিসঙ্গত সময় উত্তীর্ণ হলে (After lapse of reasonable time)
(৪) শর্ত পূরণ না হলে (If terms are not fulfilled)
(৫) প্রস্তাবকের মৃত্যু বা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে (In case of offerers death or mental upset)
৯,৯৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০ এর ৩ নম্বর বিধি অনুযায়ী, আদালত যদি পক্ষের জবানবন্দী গ্রহণ করে, তবে তা কোথায় লেখা হবে?
  1. আদালতের রেজিস্টারে
  2. মামলার নথিতে
  3. বিচারকের কেস ডায়েরিতে
  4. কোনো স্থানে লেখা হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০ এর ৩ নম্বর বিধি অনুসারে, যদি আদালত পক্ষের জবানবন্দী গ্রহণ করে, তবে সেই জবানবন্দীর সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত অবস্থায় আনতে হবে এবং তা মামলার নথিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। অর্থাৎ, আদালতের রেকর্ড হিসাবে জবানবন্দীটি মামলা সংক্রান্ত নথির অংশ হয়ে যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-10 rule-3 - Substance of examination to be written.
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record.
৯,৯৮৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত কে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য যোগ্য নয়?
  1. পরিবারভুক্ত পক্ষ
  2. পাবলিক কোম্পানির প্রতিনিধি
  3. উত্তরাধিকারী যার চুক্তিতে স্বার্থ আছে
  4. ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী "ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল প্রতিনিধি" সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে:
এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
খ) চুক্তির যেকোনো পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, সচ্ছলতা বা কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযােগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়ােগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতঃপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।
গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপােষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোনো ব্যক্তি;
ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়ােগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;
ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকার সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভ উত্তরাধিকারী পাওয়ার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভােগের উত্তরাধিকারী;
চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভােগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;
ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নূতন কোম্পানি;
জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়োজনবশত: চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলিতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 23. Who may obtain specific performance:
Except as otherwise provided by this Chapter, the specific performance of a contract may be obtained by- 
(a) any party thereto; 
(b) the representative in interest, or the principal, of any party thereto: provided that, where the learning, skill, solvency or any personal quality of such party is a material ingredient in the contract, or where the contract provides that his interest shall not be assigned, his representative in interest or his principal shall not be entitled to specific performance of the contract, unless where his part thereof has already been performed; 
(c) where the contract is a settlement on marriage, or a compromise of doubtful rights between members of the same family, any person beneficially entitled thereunder; 
(d) where the contract has been entered into by a tenant for life in due exercise of a power, the remainderman; 
(e) a reversioner in possession, where the agreement is a covenant entered into with his predecessor in title and the reversioner is entitled to the benefit of such covenant; 
(f) a reversioner in remainder, where the agreement is such a covenant, and the reversioner is entitled to the benefit thereof and will sustain material injury by reason of its breach; 
(g) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 
(h) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract for the purposes of the company, and such contract is warranted by the terms of the incorporation, the company.
৯,৯৮৬.
কোন বিষয় সংক্রান্ত মোকদ্দমায় বৈধ অপারগ ব্যক্তির ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ গণনা বন্ধ হয় না?
  1. অগ্রক্রয়
  2. চুক্তি প্রবল
  3. স্বত্ব ঘোষণা
  4. দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু তামাদি আইনে ৮ ধারায় বলা আছে এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম:
৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।

Section 8: Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
৯,৯৮৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় অবলবৎযোগ্য চুক্তির কথা বলা হয়েছে?
  1. ১২
  2. ২১
  3. ১৪
  4. ২১ক
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-

১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে 

৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪)চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 

৫)চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬)বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি

৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮)যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
৯,৯৮৮.
আদেশ ৩৫ বিধি ৩- এ কার বিরুদ্ধের মোকদ্দমা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. সাক্ষী
  4. ৩য় কোনো পক্ষ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-৩: বিবাদী বাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করলে কার্যধারা:
যেক্ষেত্রে কোন স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় কোন একজন বিবাদী উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে বস্তুত বাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করে, সেক্ষেত্রে যে আদালতে বাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা বিচারাধীন আছে, স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত কর্তৃক উল্লেখিত আদালতে বিষয়টি অবগত হয়ে, তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমার কার্যধারা স্থগিত রাখবে এবং স্থগিত মোকদ্দমায় তার যে খরচাদি হয়েছে, অনুরূপ মোকদ্দমায় সেটি অন্তর্ভুক্ত করা যাবে; কিন্তু যদি এবং যতদূর সেটি ঐ মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত করা না হয়, স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় তার যে খরচাদি হয়েছে, সেটি তাতে যোগ করা যাবে।
৯,৯৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে কয়টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
v) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে।
----------
⇒ Section 51. Powers of Court to enforce execution.
-Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, on the application of the decree-holder, order execution of the decree- 
(a) by delivery of any property specifically decreed; 
(b) by attachment and sale or by sale without attachment of any property; 
(c) by arrest and detention in prison; 
(d) by appointing a receiver; or 
(e) in such other manner as the nature of the relief granted may require:
৯,৯৯০.
ঘোষণামূলক মামলায় কত টাকা কোর্ট ফী দিতে হয়?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• The Specific Relief Act, 1877 ধারা ৪২- ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit)  

মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায় যেকোন ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।

এই মোকদ্দমার জন্য নির্দিষ্ট ৩০০ টাকা কোর্ট ফী দিতে হবে।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।
৯,৯৯১.
"Culpae Poena Par Esto" দ্বারা কী বোঝায়?
  1. The practice of the court is the law of the court.
  2. Let punishment be in proportion to the crime.
  3. The law pays no regard to trifling thing.
  4. One may waive a legal right existing in his favour.
ব্যাখ্যা
"Culpae Poena Par Esto"

- আইনের মূল ভিত্তিসমূহের মধ্যে "Culpae Poena Par Esto" অন্যতম।
- "Culpae Poena Par Esto" একটি Roman maxim; যার অর্থ হলো: Let the punishment fit the crime.

অর্থাৎ, অপরাধের শাস্তি অপরাধের অনুপাতেই হওয়া উচিত/অপরাধ অনুযায়ীই শাস্তি হবে।
৯,৯৯২.
কোন অপরাধের ক্ষেত্রে ৫ জনের কম সদস্য থাকে?
  1. দাঙ্গা
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. বেআইনি সমাবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।
⇒ দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
-দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে সঠিক উত্তর (খ)। দস্যুতার ক্ষেত্রে ৫ জনের কম সদস্য থাকে।
৯,৯৯৩.
সরকারি চাকরি হতে নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্তকৃত একজন ব্যক্তি কত দিন অতিবাহিত না হলে, অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972এর ২৭ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারি চাকরি হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে।
-নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
-------------------------------------------
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.
৯,৯৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭, বিধি ২-এর বিধান কোন আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত
  3. সহকারী জজ আদালত
  4. যুগ্ম-জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭, বিধি-২ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, “হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ” পুনর্বিবেচনার জন্য ডিক্রি বা আদেশ প্রদানকারী বিচারকের কাছেই আবেদন করতে হবে।
অর্থাৎ, এই বিধান হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। হাইকোর্ট বিভাগের পুনর্বিবেচনার পদ্ধতি ও এখতিয়ার সংবিধান এবং নিজস্ব বিধিমালার মাধ্যমে আলাদাভাবে নির্ধারিত।
অন্যদিকে, জেলা জজ, যুগ্ম-জেলা জজ, সহকারী জজ আদালত—এসব নিম্ন আদালতের ক্ষেত্রে আদেশ ৪৭, বিধি ২ প্রযোজ্য হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি-১ এ উল্লিখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 47, Rule 2: To Whom Applications for Review May Be Made: 
An application for review of a decree or order of a Court (other than the High Court Division) may be made on grounds other than the discovery of new and important matter or evidence, or the existence of a clerical or arithmetical mistake or an error apparent on the face of the decree. Such an application must be made to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed. However, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to be issued under Rule 4, Sub-rule (2), proviso (a), the application may be disposed of by his successor.
৯,৯৯৫.
যেক্ষেত্রে স্বামী আইনত স্ত্রীর ঋণের জন্য দায়ী, সেক্ষেত্রে কার অনুমতিক্রমে স্বামীর বিরুদ্ধেও ডিক্রি জারি হতে পারে?
  1. স্ত্রী
  2. নারী
  3. আদালত
  4. মোকদ্দমার প্রতিপক্ষ
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ বিধি-৭: মহিলা পক্ষের বিবাহের ফলে কোন মোকদ্দমায় বিলুপ্ত হয় না-
১) কোন মহিলা বাদী বা বিবাদীর বিবাহ কোন মোকদ্দমাকে বিলুপ্ত করাবে না, কিন্তু মোকদ্দমাটি এতসত্ত্বেও রায় পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে এবং মহিলা বিবাদীর বিরুদ্ধে জারি করা যাবে।

২) যেখানে স্বামী আইনত স্ত্রীর ঋণের জন্য দায়ী, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে ডিক্রি স্বামীর বিরুদ্ধেও কার্যকর করা যেতে পারে; এবং যেখানে রায় স্ত্রীর পক্ষে, সেই ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে স্বামীর আবেদনের ভিত্তিতে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে, যদি আইন অনুসারে স্বামী ডিক্রির বিষয়বস্তুতে অধিকারী হয়।

৯,৯৯৬.
"কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার না হয়ে বা সমন ছাড়া ফৌজদারি আদালতে উপস্থিত হলেও, সেই আদালত তাকে আটক করতে পারে।" উক্ত বিধান-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫১ ধারায় আছে
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় আছে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫০ক ধারায় আছে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫১:

(১) কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার না হয়ে বা সমন ছাড়াই ফৌজদারি আদালতে উপস্থিত হলেও, সেই আদালত তাকে আটক করতে পারে। এটি সেই আদালতের এখতিয়ারভুক্ত যেকোনো অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে করা যেতে পারে, যদি প্রমাণাদি থেকে মনে হয় যে সেই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এই ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমনভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে যেন তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বা সমন দেওয়া হয়েছে।

(২) যখন বিচার শুরু হওয়ার পর এই ধরনের আটক করা হয়, তখন সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে কার্যক্রম নতুন করে শুরু করতে হবে এবং সাক্ষীদের পুনরায় শুনতে হবে।

Section 351- Detention of offenders attending Court:
(1) Any person attending a Criminal Court, although not under arrest or upon a summons, may be detained by such Court for the purpose of inquiry into or trial of any offence of which such Court can take cognizance and which, from the evidence, may appear to have been committed, and may be proceeded against as though he had been arrested or summoned.
(2) When the detention takes place after a trial has been begun the proceedings in respect of such person shall be commenced afresh, and the witnesses re-heard.
৯,৯৯৭.
দণ্ডবিধিতে কয়টি ব্যতিক্রমের উল্লেখ আছে যখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ২য় অংশ বা ব্যতিক্রম (Exception) অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।
⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।
⇒ ব্যতিক্রম ৪:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।
⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধিতে ৫টি ব্যতিক্রমের উল্লেখ আছে যখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না।
৯,৯৯৮.
নিম্নের কোনটি হেবার শর্ত নয়?
  1. দাতা কর্তৃক দানের প্রস্তাব দিতে হবে
  2. হেবা গ্রহীতা মুসলিম হতে হবে
  3. মরজ-উল-মউত এর ক্ষেত্রে এক-তৃতীয়াংশের বেশি দান অকার্যকর
  4. দানের বিষয়বস্তুর দখল প্রদান করতে হবে
ব্যাখ্যা
দান বা হেবা:
আইনের সরল ভাষায়, এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তির কাছে স্বেচ্ছায় এবং বিনা প্রতিদানে কতিপয় বিদ্যমান স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তরকে দান বলে। মুসলিম আইনে একে 'হেবা' বলা হয়।

কোনো হেবা আইনানুগ হতে হলে অবশ্যই সেখানে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। সেগুলো হলো-
(১) দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা বা প্রস্তাব (Offer);
(২) দানগ্রহীতা কর্তৃক উহা গ্রহণ (Acceptance);
(৩) দাতা কর্তৃক দানগ্রহীতাকে দানের বিষয়বস্তুর দখল প্রদান করতে হবে। এই শর্তগুলো যদি পালন করা হয়, তাহলে হেবাটি আইনানুগভাবে সিদ্ধ হবে ।

হেবা করার যোগ্যতা-
নাবালক নয় এমন সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলমান হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।
 
কে হেবা গ্রহণ করতে পারে-
একজন মুসলিম তার সমগ্র ভূ-সম্পত্তি যেকোনো ব্যক্তি, হোক সে অমুসলিম বরাবর দান করতে পারেন। অর্থাৎ গ্রহীতার ক্ষেত্রে সাবালক, নাবালক, পুত্র, অপুত্র, স্বামী কিংবা স্ত্রী, ধনী-নির্ধন বালাই নেই, যে কাউকে দান করা যায় এবং তিনি বা তারা নির্বিবাদে দান গ্রহণ করতে পারেন।
 
সীমারেখা-
মুসলিম আইন মোতাবেক একজন মুসলমান জীবদ্দশায় তার সমগ্র সম্পত্তি দান করে দিতে পারে। এমনকি তার উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করলেও এই দান অবৈধ হবে না। তবে শুধু মরজ-উল-মউতের ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে। মরজ-উল-মউত হলো মরণ অসুখ যাতে মৃত্যুর খুবই সম্ভাবনা থাকে এবং যার ফলে শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে। মুসলিম আইন অনুযায়ী হেবা বা দানের বৈধতার জন্য দখল দানসহ যেসব শর্ত আছে, মরজ-উল-মউতের জন্যও একই শর্তাবলি প্রযোজ্য।
 
মরজ-উল-মউত বা মরণ অসুখের সময় একজন মুসলমানের প্রদত্ত দানটি দাতার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা সম্মতি প্রদান না করলে দাফন-কাফন ও অন্যান্য দেনা পরিশোধের পর মোট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের অধিক কার্যকর হবে না। প্রাসঙ্গিক বিধায় উল্লেখ্য যে দাতার ক্ষমতার এই সীমারেখাটি উইল বা ওসিয়তের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমারেখার অনুরূপ।
৯,৯৯৯.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায়, মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি পরিবর্তন করার ক্ষমতা কোন কর্তৃপক্ষের?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. আদালত
  3. সরকার
  4. পুলিশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, মৃত্যুদণ্ড এর শাস্তি পরিবর্তন করার ক্ষমতা সরকার এর কাছে রয়েছে। সরকার, কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি প্রদান হলে, তার সম্মতি ছাড়া ঐ শাস্তি অন্য কোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোনো স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
----------------------------
⇒The Penal Code, 1860-Section 54: Commutation of sentence of death:
- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
১০,০০০.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর কত ধারায় জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. ৩৯ ধারায়
  2. ৪১ ধারায়
  3. ৩৮ ধারায়
  4. ৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা
১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে;
২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে।

• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। অন্যদিকে আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে।
অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।

আবার, ৩৮ ধারা অনুসারে জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়। অন্যদিকে ৪৪ক ধারায় আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।