বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Constitutional Law

মোট প্রশ্ন৭৩১এই পাতা৩১প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Constitutional Law

PrepBank · পাতা / · ৭০১৭৩১ / ৭৩১

৭০১.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্তকে দুইবার শাস্তি না দেওয়ার নীতি কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. দুটি ভিন্ন অপরাধের ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে
  3. একাধিক কাজ যখন একই আইনের ভিন্ন ভিন্ন ধারায় অপরাধ হিসেবে ধরা হয়
  4. একই কাজ যেটি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে অপরাধ হিসেবে ধরা হয়
ব্যাখ্যা

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারায় বলা আছে-
Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same. 

- “যখন কোনো কার্য বা কার্যবিচ্যুতি দুই বা একাধিক আইনের অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়, তখন অভিযুক্তকে সেই কোনো এক বা একাধিক আইনের অধীনে বিচার এবং শাস্তির আওতায় আনা যেতে পারে, তবে একই অপরাধের জন্য দু’বার শাস্তি দেয়া যাবে না।”

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারার উপর বিশদ আলোচনাকালে বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল করিম আরও উল্লেখ করেন যে, বর্ণিত অপরাধের কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ আইনে (general law) এবং বিশেষ আইনে (special law) দু'টি মামলা চলমান থাকলে আইন ব্যাখ্যার সূত্র এবং বিশেষ আইনে 'non-obstante clause' থাকার কারণে সাধারণ আইনের অধীনে দায়েরকৃত মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং বিশেষ আইনের অধীনে রুজুকৃত মামলাটির বিচার কার্যক্রম চালু থাকবে।

৭০২.
বাংলাদেশে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন প্রণয়ন করে থাকে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বিচার বিভাগ
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রশাসন বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদ-প্রতিষ্ঠা: (১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।]

 (৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
৭০৩.
অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে, তা পূর্ণ করার জন্য পদটি শূন্য হওয়ার _________ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
  1. পূর্ববর্তী ষাট দিনের মধ্যে
  2. পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে
  3. পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে
  4. পরবর্তী ষাট দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হইলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হইতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হইয়াছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার পর নব্বই দিনের মধ্যে, তাহা পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নববই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নববই দিনের মধ্যে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করিবেন না।

(৪) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোন দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
৭০৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্বাধীনতা ঘোষণার তারিখ কোনটি?
  1. ২৫ মার্চ ১৯৭১
  2. ৭ মার্চ ১৯৭১
  3. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে। এই তারিখটিই বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে স্বীকৃত।

অন্যদিকে,
২৫ মার্চ ১৯৭১: এই রাতে পাকিস্তানি বাহিনী "অপারেশন সার্চলাইট" পরিচালনা করে, যার মাধ্যমে নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর গণহত্যা চালানো হয়। তবে এ দিন স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়নি।
৭ মার্চ ১৯৭১: বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, যেখানে তিনি স্বাধীনতার প্রস্তুতির নির্দেশ দেন, তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি।
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: এদিন পাকিস্তানি বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে, তবে স্বাধীনতা ঘোষণার দিন নয়।

সংবিধানের ভাষ্যে স্পষ্ট উল্লেখ:
"আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া…"
অতএব, সংবিধানের ভিত্তিতে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, ২৬ মার্চ ১৯৭১-ই স্বাধীনতা ঘোষণার তারিখ।
৭০৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে?
  1. ৪র্থ ভাগে
  2. ২য় ভাগে
  3. ৩য় ভাগে
  4. ৫ম ভাগে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
১. জাতীয়তাবাদ [Nationalism];
২. সমাজতন্ত্র [Socialism];
৩. গণতন্ত্র [Democracy];
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা [Secularism]।

সেই সাথে উল্লেখ আছে, ২য় ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ-
⇒ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হবে;
⇒ আইনের ব্যাখ্যাদানের নির্দেশক হবে;
⇒ রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে।

অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ

(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷

(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷
 
Article 8: Fundamental principles-
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.

(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.
৭০৬.
Bangladesh Italian Marble Works Limited Vs Government of the People's Republic of Bangladesh (2010) is popularly known as the -
  1. Second Amendment Case
  2. Third Amendment Case
  3. Fourth Amendment Case
  4. Fifth Amendment Case
ব্যাখ্যা
- Fifth Amendment: The Constitution Act was accepted by the Jatiya Sangsad on 6 April 1979.
⇒ Bangladesh Italian Marble Works Limited Vs Government of the People's Republic of Bangladesh (2010) is popularly known as the -Fifth Amendment Case.
- Bangladesh Italian Marble Works Limited VS Government of the People's Republic of Bangladesh মামলায় ২০০৫ সালের ২৯ আগষ্ট হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০১০ সালের ১লা ফেব্রুযারী সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ৫ম সংশোধনী বাতিল করে রায় প্রদান করে। এই মামলাটি পঞ্চম সংশোধনী মামলা [Fifth Amendment Case] নামে পরিচিত।
৭০৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ৯৪ অনুচ্ছেদে
  2. ৯৭ অনুচ্ছেদে
  3. ১০৮ অনুচ্ছেদে
  4. ১১০ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের বিধান: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট:
সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

[The Supreme Court shall be a court of record and shall have all the powers of such a court including the power subject to law to make an order for the investigation of or punishment for any contempt of itself.]
৭০৮.
সংবিধানের ৪৭ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে সংবিধানের ৩১, ৩৫(১) ও (৩), এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ প্রযোজ্য হবে না?
  1. যুদ্ধাপরাধের অভিযুক্ত
  2. গণহত্যাজনিত অপরাধের অভিযুক্ত
  3. মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযুক্ত
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭ক অনুচ্ছেদ বিশেষ কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মৌলিক অধিকার অপ্রযোজ্য ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৪৭(৩) অনুচ্ছেদে উল্লেখিত অপরাধসমূহের জন্য আইন প্রযোজ্য হয়, তার ক্ষেত্রে সংবিধানের ৩১, ৩৫(১) ও (৩), এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধিকার প্রযোজ্য হবে না।
→  এই অপরাধগুলো হলো:
১) যুদ্ধাপরাধ (War Crimes)
২) গণহত্যা (Genocide)
৩) মানবতাবিরোধী অপরাধ (Crimes Against Humanity)
৪) আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধ

এর ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তির কিছু অধিকার খর্ব হয়:
- ৩১ অনুচ্ছেদ: আইনের সমান সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার।
- ৩৫(১) অনুচ্ছেদ: আইনের ব্যতিরেকে কাউকে শাস্তি না দেওয়া।
- ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ: সুবিচারের জন্য প্রাসঙ্গিক আইনি সুবিধা পাওয়া।
- ৪৪ অনুচ্ছেদ: মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হলে হাইকোর্টে রিট করার অধিকার।
এছাড়াও, ৪৭ক(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কোনো প্রতিকার চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার অধিকার থাকবে না।

অর্থাৎ যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংবিধানের নির্দিষ্ট মৌলিক অধিকার প্রযোজ্য হবে না।
তাই, সঠিক উত্তর: "ঘ) উপরের সবগুলো"।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭ক অনুচ্ছেদ: সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা:
- (১) যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ প্রযোজ্য হইবে না। 
- (২) এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, এই সংবিধানের অধীন কোন প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করিবার কোন অধিকার সেই ব্যক্তির থাকিবে না।
৭০৯.
সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণের ক্ষমতা কার?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৯- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব:
(১) রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণের তত্ত্বাবধান, নির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং নির্বাচন কমিশন এই সংবিধান ও আইনানুযায়ী 
 
(ক) রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
 
(খ) সংসদ-সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
 
(গ) সংসদে নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ করিবেন; এবং 
 
(ঘ) রাষ্ট্রপতির পদের এবং সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুত করিবেন।] 
 
(২) উপরি-উক্ত দফাসমূহে নির্ধারিত দায়িত্বসমূহের অতিরিক্ত যেরূপ দায়িত্ব এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে, নির্বাচন কমিশন সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন।
৭১০.
সংসদের অধিবেশন ব্যতীত কোন সময়ে অধ্যাদেশ জারী হলে, সংসদের প্রথম বৈঠকে উক্ত অধ্যাদেশ উপস্থাপন করার কত দিন অতিবাহিত হওয়ার পর উহার কার্যকারিতা লোপ পাবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৪৫
  4. ৬০
ব্যাখ্যা
• সাধারণত যখন সংসদ অকার্যকর থাকে অথবা যখন সংসদের অধিবেশন বন্ধ থাকে তখন রাষ্ট্রের জরুরী প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি নিজের একক ক্ষমতাবলে যে আইন জারী করে তাকে অধ্যাদেশ বলে।

• সংবিধানের ৯৩(১) উপ - অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি দু' অবস্থায় অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
প্রথমত, সংসদের কোন অধিবেশন না থাকলে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য তিনি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
দ্বিতীয়ত, সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন

কোনো অধ্যাদেশ জারির পূর্বে যদি তা ইতঃপূর্বে বাতিল না হয় তাহলে সংসদের পরবর্তী প্রথম অধিবেশনে সেটি উপস্থাপিত হতে হবে এবং উপস্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অনুমোদন না দিলে অধ্যাদেশটি বাতিল হয়ে যাবে।
৭১১.
রাষ্ট্রপতি কোন ধরনের বিল পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠাতে পারেন?
  1. সকল প্রকার বিল
  2. শুধুমাত্র অর্থবিল
  3. অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোনো বিল
  4. কোনো বিলই নয়
ব্যাখ্যা
উত্তর: অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোনো বিল।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদ- আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
৭১২.
'Res nullius' অর্থ কী?
  1. Nobody's thing
  2. A matter judged
  3. A matter not yet decided
  4. The thing speaks for itself
ব্যাখ্যা
Res nullius : শাব্দিক অর্থ- Nobody's thing.

- আইনি প্রসঙ্গে 'res nullius' শব্দটি ব্যবহৃত হয় যখন কোনো ভূখণ্ড, সম্পত্তি বা জিনিসের সুনিদিষ্ট মালিক নেই। এমন কিছু যা কেউ দখল করতে পারে বা মালিকানা করতে পারে।

অর্থাৎ, 'res nullius' হল এমন কিছু যার কোনও নির্দিষ্ট মালিক নেই এবং যা যেকোনও ব্যক্তি বা সরকার দখল করতে পারে।
৭১৩.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কী রয়েছে?
  1. পাটগাছ , শাপলা, তারকা ও চাঁদ
  2. ধান্যশীর্ষ, শাপলা, বটগাছ ও তারকা
  3. ধান্যশীর্ষ, শাপলা, পাটগাছ ও তারকা
  4. পাটগাছ , ধান্যশীর্ষ, শাপলা ও সূর্য
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) ধান্যশীর্ষ, শাপলা, পাটগাছ ও তারকা। 

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকটি একটি সজীব ও প্রাকৃতিক চিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে। এতে দুটি প্রধান উপাদান রয়েছে:
- ধান্যশীর্ষ (ধানগাছের শীর্ষ), যা বাংলাদেশের কৃষি ও জীবিকার প্রতীক।
- শাপলা (জলকুমুদিনী ফুল), যা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল।
- পাটগাছের তিনটি পরস্পর সংযুক্ত পত্র, যা বাংলাদেশের ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নির্দেশ করে।
- দুইটি তারকা, যা বাংলাদেশে সাধারণভাবে প্রতিনিধিত্ব করে।
এই প্রতীকটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় চেতনা এবং ঐতিহ্যকে ব্যক্ত করে।
-------
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক:
 (১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা”র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলি আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

             
৭১৪.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারকগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে-
  1. সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে স্বাধীন থাকবেন
  2. সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষে রায় দেবেন
  3. সরকারের নির্দেশে পরিচালিত হবেন
  4. রাষ্ট্রপতির পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৪- সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা:
(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে।

(২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হইবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হইবে।

(৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করিবেন।

(৪) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
৭১৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ নিবর্তনমূলক আইনের অধীন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৩(২)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৩(৫)
  4. উল্লিখিত সকল অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ-
 
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
 
(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।
 
(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান- সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।
 
(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।
 
(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
 
Article 33: Safeguards as to arrest and detention-
 
(1) No person who is arrested shall be detained in custody without being informed, as soon as may be, of the grounds for such arrest, nor shall he be denied the right to consult and be defended by a legal practitioner of his choice. 
 
(2) Every person who is arrested and detained in custody shall be produced before the nearest magistrate within a period of twenty four hours of such arrest, excluding the time necessary for the journey from the place of arrest to the Court of the magistrate, and no such person shall be detained in custody beyond the said period without the authority of a magistrate. 
 
(3) Nothing in clauses (1) and (2) shall apply to any person– 
(a) who for the time being is an enemy alien; or 
(b) who is arrested or detained under any law providing for preventive detention. 
 
(4) No law providing for preventive detention shall authorise the detention of a person for a period exceeding six months unless an Advisory Board consisting of three persons, of whom two shall be persons who are, or have been, or are qualified to be appointed as, Judges of the Supreme Court and the other shall be a person who is a senior officer in the service of the Republic, has, after affording him an opportunity of being heard in person, reported before the expiration of the said period of six months that there is, in its opinion, sufficient cause for such detention. 
 
(5) When any person is detained in pursuance of an order made under any law providing for preventive detention, the authority making the order shall, as soon as may be, communicate to such person the grounds on which the order has been made, and shall afford him the earliest opportunity of making a representation against the order: 
Provided that the authority making any such order may refuse to disclose facts which such authority considers to be against the public interest to disclose.  
 
(6) Parliament may by law prescribe the procedure to be followed by an Advisory Board in an inquiry under clause (4).
৭১৬.
প্রধানমন্ত্রী যদি কোন মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে অনুরোধ করেন এবং মন্ত্রী তা পালনে অসমর্থ হন, তাহলে প্রধানমন্ত্রী কী করতে পারেন?
  1. মন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন
  2. মন্ত্রীর বেতন বন্ধ করতে পারেন
  3. মন্ত্রীকে সংসদে উপস্থিত হতে নির্দেশ দিতে পারেন
  4. রাষ্ট্রপতিকে মন্ত্রীর নিয়োগ অবসানের পরামর্শ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৮(২) অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী যে কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে অনুরোধ করতে পারেন। যদি সেই মন্ত্রী পদত্যাগ করতে অসম্মত হন, তাহলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে উক্ত মন্ত্রীর নিয়োগের অবসান ঘটানোর পরামর্শ দিতে পারেন। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর করতে পারেন।
- প্রধানমন্ত্রী সরাসরি কোনো মন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন না, কারণ মন্ত্রীদের নিয়োগ ও অপসারণের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে থাকে। তবে, এটি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শের ভিত্তিতেই করা হয়, কারণ সংবিধানে মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে।
- এটি সংসদীয় শাসনব্যবস্থার একটি স্বাভাবিক অংশ, যেখানে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের কার্যক্রম তদারকি করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৫৮ অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ:
(১) প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন মন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন;
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন, তবে ৫৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার শর্তাংশের অধীনে মনোনীত মন্ত্রীর ক্ষেত্রে ইহা প্রযোজ্য হইবে না;
(গ) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুসারে রাষ্ট্রপতি অনুরূপ নির্দেশ দান করেন; অথবা
(ঘ) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফায় যেরূপ বিধান করা হইয়াছে তাহা কার্যকর হয়।
(২) প্রধানমন্ত্রী যে-কোন সময়ে কোন মন্ত্রীকে পদত্যাগ করিতে অনুরোধ করিতে পারিবেন এবং উক্ত মন্ত্রী অনুরূপ অনুরোধ পালনে অসমর্থ হইলে তিনি রাষ্ট্রপতিকে উক্ত মন্ত্রীর নিয়োগের অবসান ঘটাইবার পরামর্শ দান করিতে পারিবেন।
(৩) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া অবস্থায় যে-কোন সময়ে কোন মন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের (১) দফার (ক), (খ) ও (ঘ) উপ-দফার কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।
(৪) প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিলে বা স্বীয় পদে বহাল না থাকিলে মন্ত্রীদের প্রত্যেকে পদত্যাগ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে; তবে এই পরিচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে তাঁহাদের উত্তরাধিকারীগণ কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তাঁহারা স্ব স্ব পদে বহাল থাকিবেন।
(৫) এই অনুচ্ছেদে "মন্ত্রী" বলিতে প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী  অন্তর্ভুক্ত।
৭১৭.
Who determines the number of Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers?
  1. The President
  2. The Prime Minister
  3. The Constitution
  4. The Speaker of Parliament
ব্যাখ্যা
Article 56: Ministers-
(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister. 

(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President: 
Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament. 
 
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament. 
 
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.

অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ-
(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন।

(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।

(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।

(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
৭১৮.
সরকারী কর্ম কমিশন তাদের বার্ষিক কখন প্রস্তুত করে?
  1. জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বা তার পূর্বে
  2. ফেব্রুয়ারির প্রথম দিবসে
  3. মার্চের প্রথম দিবসে বা তার পূর্বে
  4. ডিসেম্বরের শেষ দিনে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১- বার্ষিক রিপোর্ট:
(১) প্রত্যেক কমিশন প্রতি বৎসর মার্চ মাসের প্রথম দিবসে বা তাহার পূর্বে পূর্ববর্তী একত্রিশে ডিসেম্বরে সমাপ্ত এক বৎসরে স্বীয় কার্যাবলী সম্বন্ধে রিপোর্ট প্রস্তুত করিবেন এবং তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবেন। 
 
(২) রিপোর্টের সহিত একটি স্মারকলিপি থাকিবে, যাহাতে 
(ক) কোন ক্ষেত্রে কমিশনের কোন পরামর্শ গৃহীত না হইয়া থাকিলে সেই ক্ষেত্র এবং পরামর্শ গৃহীত না হইবার কারণ; এবং 
(খ) যে সকল ক্ষেত্রে কমিশনের সহিত পরামর্শ করা উচিত ছিল অথচ পরামর্শ করা হয় নাই, সেই সকল ক্ষেত্র এবং পরামর্শ না করিবার কারণ; সম্বন্ধে কমিশন যতদূর অবগত, ততদূর লিপিবদ্ধ করিবেন। 
 
(৩) যে বৎসর রিপোর্ট পেশ করা হইয়াছে, সেই বৎসর একত্রিশে মার্চের পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতি উক্ত রিপোর্ট ও স্মারকলিপি সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন।
৭১৯.
The fundamental rights of the citizens as provided in the Bangladesh Constitution do not include:
  1. Rights to property
  2. Protection of home and correspondence
  3. Freedom of association
  4. Right to health
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার [Fundamental Rights]:

মৌলিক অধিকার হলো বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে স্বীকৃত এবং সুরক্ষিত অধিকারসমূহ এবং যে সকল অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে যেমন হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিকার পাওয়া যায়। সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৬ থেকে ৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ২৭ থেকে ৪৪ পর্যন্ত মোট ১৮টি অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করার অধিকার ৪৪ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে এবং এই কারণে ৪৪ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত মৌলিক অধিকার বলবৎ সংক্রান্ত বিধানটিও মৌলিক অধিকার হিসাবে গণ্য হবে। উল্লেখিত মৌলিক অধিকারসমূহ হলো-

সমতা সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার: 

অনুচ্ছেদ ২৭- আইনের দৃষ্টিতে সমতা [Equality before law]
অনুচ্ছেদ ২৮- ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য [Discrimination on grounds of religion etc.]
অনুচ্ছেদ ২৯- সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা [Equality of opportunity in public employment]

আইন, গ্রেফতার, বিচার ও দণ্ড সম্পর্কিত মৌলিক অধিকার: 


অনুচ্ছেদ ৩১- আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার [Right to protection of law]
অনুচ্ছেদ ৩২- জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ [Protection of right to life and personal liberty]
অনুচ্ছেদ ৩৩- গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ [Safeguards as to arrest and detention] 
অনুচ্ছেদ ৩৫- বিচার ও দন্ড সম্পর্কিত রক্ষণ [Protection in respect of trial and punishment]

জবরদস্তির বিরুদ্ধে অধিকার: 
অনুচ্ছেদ ৩১- জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ [Prohibition of forced labour)

স্বাধীনতা সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার: 

অনুচ্ছেদ ৩৬- চলাফেরার স্বাধীনতা [Freedom of movement] 
অনুচ্ছেদ ৩৭- সমাবেশের স্বাধীনতা [Freedom of assembly]
অনুচ্ছেদ ৩৮- সংগঠনের স্বাধীনতা [Freedom of association]
অনুচ্ছেদ ৩৯- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা [Freedom of thought and conscience, and of speech]
অনুচ্ছেদ ৪০- পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা [Freedom of profession or occupation]
অনুচ্ছেদ ৪১- ধর্মীয় স্বাধীনতা [Freedom of religion] 

সম্পত্তি সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার:

অনুচ্ছেদ ৩০- বিদেশী খেতাব প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ [Prohibition of foreign titles, etc.]
অনুচ্ছেদ ৪২- সম্পত্তির অধিকার [Right to property]
অনুচ্ছেদ ৪৩- গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ [Protection of home and correspondence]

সাংবিধানিক প্রতিকার প্রাপ্তির অধিকার:
অনুচ্ছেদ ৪৪- মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ [Enforcement of fundamental rights]
৭২০.
'Freedom of religion' is enshrined in the ________ of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh.
  1. Articles 12, 40
  2. Articles 13, 41
  3. Articles 12, 41
  4. Articles 11,40
ব্যাখ্যা
• Article 12: Secularism and freedom of religion

The principle of secularism shall be realised by the elimination of- 
(a) communalism in all its forms;
(b) the granting by the State of political status in favour of any religion; 
(c) the abuse of religion for political purposes; 
(d) any discrimination against, or persecution of, persons practicing a particular religion.

অনুচ্ছেদ ১২: ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা

ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য-
  (ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা, 
  (খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান, 
  (গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার, 
  (ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন, বিলোপ করা হইবে।

Article 41: Freedom of religion

(1) Subject to law, public order and morality – 
(a) every citizen has the right to profess, practise or propagate any religion; 
(b) every religious community or denomination has the right to establish,maintain and manage its religious institutions. 

(2) No person attending any educational institution shall be required to receive religious instruction, or to take part in or to attend any religious ceremony or worship, if that instruction, ceremony or worship relates to a religion other than his own.

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা

(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে 
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে; 
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে। 
 
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হইলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না।
৭২১.
"Actori incumbit probatio"- কোন ধরনের আইনি নীতির সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাজা প্রদান
  2. আদালতের সিদ্ধান্ত
  3. প্রমাণের দায়িত্ব
  4. বিচারকাজের সময়সীমা
ব্যাখ্যা
প্রবচন: "Actori incumbit probatio"
অর্থ: অভিযোগকারীকে প্রমাণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।

এই ল্যাটিন প্রবচনটির মানে হচ্ছে, যে ব্যক্তি কোন বিষয় দাবি করে, তাকে সেই দাবির সমর্থনে প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়। এটি সাধারণত আইনের একটি মৌলিক নীতি যা প্রমাণের বোঝা বা দায়ভার অভিযোগকারীর উপর আরোপ করে। অপরাধের ক্ষেত্রে, যেমন একটি অপরাধমূলক মামলা, অভিযোগকারী বা প্রসিকিউটরের উপর থাকে প্রমাণের দায়িত্ব। অপরাধী না হওয়ার দৃষ্টিকোণ থেকে আসামীর প্রতি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করার দায়িত্ব থাকে না, তবে তার পক্ষে সঠিক বা নির্দোষ হওয়ার কিছু প্রমাণ থাকতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন ব্যক্তি অন্য একজনের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করেন, তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি চুরি করেননি এমন প্রমাণ উপস্থাপন না করলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হতে পারে।
এই নীতিটি বিভিন্ন আইনি পদ্ধতিতে, বিশেষ করে বিচার ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে অভিযোগকারীর উপর প্রমাণ দাখিল করার দায়িত্ব থাকে।
এটি কীভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে:
৭২২.
According to Article 57(1), the Prime Minister's office becomes vacant if-
  1. The Prime Minister resigns to the President
  2. The Prime Minister is not a Member of Parliament
  3. Both A and B
  4. None of the above
ব্যাখ্যা

Article 57: Tenure of office of Prime Minister:
(1) The office of the Prime Minister shall become vacant–
(a) if he resigns from office at any time by placing his resignation in the hands of the President; or
(b) if he ceases to be a member of Parliament.

(2) If the Prime Minister ceases to retain the support of a majority of the members of Parliament, he shall either resign his office or advise the President in writing to dissolve Parliament, and if he so advises the President shall, if he is satisfied that no other member of Parliament commands the support of the majority of the members of Parliament, dissolve Parliament accordingly.

(3) Nothing in this article shall disqualify Prime Minister for holding office until his successor has entered upon office.

​অনুচ্ছেদ: ৫৭ প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ:
(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন।

(২) সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন কিংবা সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নহেন এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন।

​(৩) প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।

৭২৩.
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের নিম্নবর্ণিত কোন দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগে অধিকারবলে আপীল করা যাবে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সংবিধান আপীল বিভাগকে নিম্নলিখিত এখতিয়ার প্রদান করেছে:

১) আপীলের এখতিয়ার:
সংবিধানের ১০৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানী ও তা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের থাকবে। আপীল বিভাগের নিকট সেক্ষেত্রে অধিকার বলে আপীল করা যাবে যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ-
(ক) এই মর্মে সার্টিফিকেট প্রদান করেন যে, মামলাটির সাথে সংবিধান ব্যাখ্যার বিষয় আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত; বা
(খ) কোন মৃত্যুদণ্ড বহাল করেছেন কিংবা কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করেছেন; বা
(গ) উক্ত বিভাগের অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তিকে দন্ড প্রদান করেছেন; এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, যদি আপীল বিভাগ আপীল করার অনুমতি দেয় এবং যদি সংসদে আইন দ্বারা এরূপ কোনো বিধান প্রণয়ন করা হয়ে থাকে।

২) আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ:
সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের অধীন কোন ব্যক্তির হাজিরা বা দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হতে পারে, আপীল বিভাগ সেরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করতে পারে।

৩) পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা:
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি সাপেক্ষে আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত কোন রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকবে। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট (আপীল বিভাগ) বিধিমালা, ১৯৮৮ এর ৪র্থ অধ্যায় এর ২৬ আদেশে আপীল বিভাগের পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা ও পদ্ধতিগত বিষয় বর্ণিত হয়েছে।

৪) উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, যদি কোন সময় রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বপূর্ণ যে, সে সর্ম্পকে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা হলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করতে পারবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সর্ম্পকে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করতে পারবে।
৭২৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের বিধান আছে?
  1. ৮০
  2. ৯৩
  3. ১৪২
  4. ১৫০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের দশম ভাগের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
 
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৭২৫.
বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান কোনটি? 
  1. বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান আদেশ, ১৯৭২
  2. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  3. বাংলাদেশের সংবিধান, ১৯৭২
  4. প্রজাতন্ত্রের অস্থায়ী সংবিধান
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে দেশের প্রথম আইনি ভিত্তি হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কাজ করে। এটিকে বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে গণ্য করা হয়।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে মুজিবনগর সরকার (বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার) এই ঘোষণাপত্র জারি করে।
- এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করে এবং স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করে।
- তাই, এটিকে বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান বলা হয়।
সুতরাং, বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হলো স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, ১০ এপ্রিল ১৯৭১।

৭২৬.
সংসদে কোন সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পদ্ধতি কী?
  1. ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
  2. উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
  3. মোট সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
  4. উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:

(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।

Article 75- Rules of procedure, quorum, etc-:

(1) Subject to this Constitution –
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President;

(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
৭২৭.
মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট কার মাধ্যমে সংসদে উপস্থাপন করা হয়?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩২- সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন:
প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্টসমূহ রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেন।

[The reports of the Auditor General relating to the public accounts of the Republic shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament.]
৭২৮.
নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদের আওতাভুক্ত নন?
  1. স্পীকার
  2. মহা হিসাব-নিরীক্ষক
  3. তথ্য কমিশনার
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৭- কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি:
(১) এই অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত ব্যক্তির পারিশ্রমিক, বিশেষ-অধিকার ও কর্মের অন্যান্য শর্ত সংসদের আইনের দ্বারা বা অধীন নির্ধারিত হইবে, তবে অনুরূপভাবে নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত
(ক) এই সংবিধান প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে ক্ষেত্রমত সংশ্লিষ্ট পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাহা যেরূপ প্রযোজ্য ছিল, সেইরূপ হইবে; অথবা
(খ) অব্যবহিত পূর্ববর্তী উপ-দফা প্রযোজ্য না হইলে রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ণয় করিবেন, সেইরূপ হইবে।

(২) এই অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত ব্যক্তির কার্যভারকালে তাঁহার পারিশ্রমিক, বিশেষ অধিকার ও কর্মের অন্যান্য শর্তের এমন তারতম্য করা যাইবে না, যাহা তাঁহার পক্ষে অসুবিধাজনক হইতে পারে।

(৩) এই অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন পদে নিযুক্ত বা কর্মরত ব্যক্তি কোন লাভজনক পদ কিংবা বেতনাদিযুক্ত পদ বা মর্যাদায় বহাল হইবেন না কিংবা মুনাফালাভের উদ্দেশ্যযুক্ত কোন কোম্পানী, সমিতি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় বা পরিচালনায় কোনরূপ অংশগ্রহণ করিবেন না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে উপরের প্রথমোল্লিখিত পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত রহিয়াছেন, কেবল এই কারণে কোন ব্যক্তি অনুরূপ লাভজনক পদ বা বেতনাদিযুক্ত পদ বা মর্যাদায় অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।

(৪) এই অনুচ্ছেদ নিম্নলিখিত পদসমূহে প্রযোজ্য হইবে:
(ক) রাষ্ট্রপতি,
(খ) প্রধানমন্ত্রী;
(গ) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার,
(ঘ) মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী;
(ঙ) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক,
(চ) মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
(ছ) নির্বাচন কমিশনার,
(জ) সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য।

⇒ 'তথ্য কমিশনার' এখানে উল্লেখিত নয়।
৭২৯.
Doctrine of Judicial Review was first evolved in the case of-
  1. Anwar Hossain Chowdhury v/s Bangladesh
  2. Kesavananda Bharati V. Union of India
  3. R v/s Cock
  4. Marbury vs James Madison
ব্যাখ্যা
Marbury vs. James Madison মামলার মাধ্যমে ১৮০৩ সালের USA'র সুপ্রিম কোর্ট সর্বপ্রথম "Doctrine of Judicial Review" নীতিটি প্রতিষ্ঠা করেন।

Marbury vs. James Madison মামলা:

> Full Case Name: William Marbury v. James Madison, Secretary of State of the United States (1803).
> Authour Judge: Chief Justice John Marshall
> Argued: February 11, 1803 
> Decided: February 24, 1803
> মামলাটি 'Doctrine of Judicial Review' নামে অধিক পরিচিত।
> এ মামলার মাধ্যমে ১৮০৩ সালে USA Supreme Court সর্বপ্রথম 'Doctrine of Judicial Review' মূলনীতি প্রতিষ্ঠা করেন।

বাংলাদেশে: 'Doctrine of Judicial Review' মূলনীতি অনুযায়ী নির্বাহী বা সংসদীয় কার্যক্রমের উপর বিচারবিভাগীয় তত্ত্বাবধান থাকবে। অর্থাৎ, কোনো কাজ সংবিধান- বিরোধী/অসংবিধানিক কি না- তা পরীক্ষা করার দায়িত্ব বিচার বিভাগের। যা ৭ ও ২৬ অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে। এ ক্ষমতা অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী প্রয়োগ হয়ে থাকে।
৭৩০.
According to Article 152 of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh, Law means _________ having the force of law in Bangladesh;
  1. any act, ordinance, order, rule
  2. any notification or other legal instrument
  3. any custom or usage
  4. all of above
ব্যাখ্যা
Article 152:
“law” means any Act, ordinance, order, rule, regulation, bye law, notification or other legal instrument, and any custom or usage, having the force of law in Bangladesh;

সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে,
"আইন" অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি;
৭৩১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'Doctrine of Self-Incrimination' প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৫(৫)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)
ব্যাখ্যা
Doctrine of Self-Incrimination:
Self-incrimination is a legal principle under which a person cannot be compelled to provide information or testify against themselves in a criminal case. In various jurisdictions, including the US and India, the right against self-incrimination is enshrined as a constitutional or legal protection. The doctrine is based upon the following legal maxim:Nemo teneteur prodre accussare seipsum – It states that a man cannot be compelled to state any self-incriminating statement.
Self-Incrimination as a Fundamental Right
The makers of the Constitution have borrowed several features from other constitutions of the world and the model for Fundamental Rights in India is adopted from the Constitution of the US.

⇒ Doctrine of Self-Incrimination হল একটি আইনগত সিদ্ধান্ত যা বলে, কোনও ব্যক্তিকে তার নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না। এই নির্দেশিকার মূল উদ্দেশ্য হল ব্যক্তির মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখা এবং তাকে নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ দিতে বাধ্য না করা।

অর্থাৎ, কোনও ব্যক্তিকে তার নিজের অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করা যাবে না। এই অধিকার সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়।
আইনি প্রক্রিয়ায় এই নির্দেশিকা প্রয়োগের ফলে ব্যক্তির অন্তঃকরণ ও মনস্তাত্ত্বিক স্বাধীনতা সুরক্ষিত হয়। এতে অনৈতিক উপায়ে ব্যক্তিকে তার নিজের বিপক্ষে প্রমাণ দেয়ার জন্য বাধ্য করা যায় না।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(৪) অনুচ্ছেদে 'Doctrine of Self-Incrimination' প্রতিফলিত হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বিধান বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।