বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Constitutional Law

মোট প্রশ্ন৭৩১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Constitutional Law

PrepBank · পাতা / · ৫০১৬০০ / ৭৩১

৫০১.
পরিবেশে ও জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ১৮
  2. ১৮ক
  3. ১৯
  4. ২০
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৮ক: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।

Article 18A: Protection and improvement of environment and biodiversity
The State shall endeavour to protect and improve the environment and to preserve and safeguard the natural resources, bio-diversity, wetlands, forests and wild life for the present and future citizens.
৫০২.
রাষ্ট্রের সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টকে সহায়তা করতে বাধ্য---
  1. ১০৯
  2. ১১০
  3. ১১১
  4. ১১২
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুচ্ছেদ ১১২- সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা

প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।
৫০৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের বিধান অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনারের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
সঠিক উত্তর: ঘ) প্রধান বিচারপতি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-
স্পীকার কর্তৃক:
- রাষ্ট্রপতি,
- সংসদ-সদস্য;
 
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক:
- প্রধানমন্ত্রী,
- অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী,
- স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার,
- প্রধান বিচারপতি;
 
প্রধান বিচারপতি কর্তৃক:
- সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক,
- সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য,
- মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

৫০৪.
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করতে পারে-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ

(১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারিবেনঃ

(ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;
(খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;
(গ) যে আইনের উপর এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (৩) দফা প্রযোজ্য হয়, সেইরূপ কোন আইন।
 
(২) কোন ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত হইলে অনুরূপ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের অন্তর্গত কোন বিষয়ে অন্য কোন আদালত কোনরূপ কার্যধারা গ্রহণ করিবেন না বা কোন আদেশ প্রদান করিবেন না;
 
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদ আইনের দ্বারা কোন ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা বা অনুরূপ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান করিতে পারিবেন।
৫০৫.
সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারী হিসাব কমিটি
  2. নির্বাচন কমিটি
  3. বিশেষ-অধিকার কমিটি
  4. সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৬(১) অনুযায়ী, সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহের মধ্যে নিম্নলিখিত কমিটিগুলো অন্তর্ভুক্ত:
১. সরকারী হিসাব কমিটি (ক),
২. বিশেষ-অধিকার কমিটি (গ), এবং
৩. সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি (ঘ)।

এই অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিটি (খ) এর উল্লেখ নেই। তাই, নির্বাচন কমিটি সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো: খ) নির্বাচন কমিটি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ- সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ
(১) সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সদস্য লইয়া সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবেন:
(ক) সরকারী হিসাব কমিটি;
(খ) বিশেষ-অধিকার কমিটি; এবং
(গ) সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।
(২) সংসদ এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত কমিটিসমূহের অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করিবেন এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত কোন কমিটি এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে
(ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করিতে পারিবেন;
(খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করিতে পারিবেন;
(গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলিয়া সংসদ কোন বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিলে সেই বিষয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের কার্য বা প্রশাসন সম্বন্ধে অনুসন্ধান বা তদন্ত করিতে পারিবেন এবং কোন মন্ত্রণালয়ের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহের এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তরলাভের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;
(ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।
(৩) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের অধীন নিযুক্ত কমিটিসমূহকে
(ক) সাক্ষীদের হাজিরা বলবৎ করিবার এবং শপথ, ঘোষণা বা অন্য কোন উপায়ের অধীন করিয়া তাঁহাদের সাক্ষ্যগ্রহণের,
(খ) দলিলপত্র দাখিল করিতে বাধ্য করিবার
ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।
৫০৬.
নিম্নলিখিত কোন পরিস্থিতিতে অধিকারবলে আপীল বিভাগে আপীল করা যায়?
  1. যখন হাইকোর্ট বিভাগ কোন ব্যক্তিকে যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে
  2. যখন হাইকোর্ট বিভাগ কোন ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে
  3. যখন হাইকোর্ট বিভাগ কোন মামলার শুনানি করতে অস্বীকৃতি জানায়
  4. যখন হাইকোর্ট বিভাগ কোন ব্যক্তিকে ১০ বছরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৩- আপীল বিভাগের এখতিয়ার:
(১) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানীর ও তাহা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের থাকিবে। 
 
(২) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগের নিকট সেই ক্ষেত্রে অধিকারবলে আপীল করা যাইবে, যে ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ-
(ক) এই মর্মে সার্টিফিকেট দান করিবেন যে, মামলাটির সহিত এই সংবিধান-ব্যাখ্যার বিষয়ে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত রহিয়াছে; অথবা 
(খ) কোন মৃত্যুদণ্ড বহাল করিয়াছেন কিংবা কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিয়াছেন; অথবা
(গ) উক্ত বিভাগের অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডদান করিয়াছেন; 
 
এবং সংসদে আইন-দ্বারা যেরূপ বিধান করা হইবে, সেইরূপ অন্যান্য ক্ষেত্রে। 
 
(৩) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে যে মামলায় এই অনুচ্ছেদের (২) দফা প্রযোজ্য নহে, কেবল আপীল বিভাগ আপীলের অনুমতিদান করিলে সেই মামলায় আপীল চলিবে। 
 
(৪) সংসদ আইনের দ্বারা ঘোষণা করিতে পারিবেন যে, এই অনুচ্ছেদের বিধানসমূহ হাইকোর্ট বিভাগের প্রসঙ্গে যেরূপ প্রযোজ্য, অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও তাহা সেইরূপ প্রযোজ্য হইবে।
৫০৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের বিধি প্রণয়ন ক্ষমতা বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০৫
  2. অনুচ্ছেদ ১০৬
  3. অনুচ্ছেদ ১০৭
  4. অনুচ্ছেদ ১০৮
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১০৭- সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

(৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।

৫০৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ১১৫ অনুচ্ছেদ
  2. ১১৭ অনুচ্ছেদ
  3. ১১৮ অনুচ্ছেদ
  4. ১১৯ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদটি সংবিধানের তৃতীয় পরিচ্ছেদ (প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল) এর অধীনে পড়ে।
→ ১১৭ অনুচ্ছেদের মূল বিষয়বস্তু:
১. প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত – সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
২. এই ট্রাইব্যুনালগুলো নিম্নলিখিত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে:
- নবম ভাগে বর্ণিত সরকারি কর্মচারীদের চাকরির শর্তাদি।
- রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বা সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম।
১০২(৩) দফার আওতাভুক্ত আইনসংক্রান্ত বিষয়।
৩. ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়ে অন্য আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, তবে সংসদ চাইলে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার বিধান করতে পারে।

অতএব, সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদ-এ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এটি প্রশাসনিক বিচারব্যবস্থা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ব্যবস্থা, যা বিচারব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করে।
৫০৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের প্রধান কর্তব্যের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. আইন মান্য করা
  2. শৃঙ্খলা বজায় রাখা
  3. জনগণের সেবা করা
  4. রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের প্রধান কর্তব্যের মধ্যে "জনগণের সেবা করা" অন্তর্ভুক্ত।
→ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ বলে যে, "সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।" এর মানে হলো, সরকারি কর্মচারীদের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের সেবা করা এবং তাদের সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বদা সৎ ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করা।
- এছাড়া, ২১ অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যের মধ্যে আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রক্ষা করাও অন্তর্ভুক্ত, তবে মূলত "জনগণের সেবা করা" তাদের প্রধান কর্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

→ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
৫১০.
"Ipse Dixit"- শব্দমালা দ্বারা কী বোঝায়?
  1. By the very fact itself
  2. A bare assertion resting on one's own authority
  3. By the law, itself
  4. Among other things
ব্যাখ্যা
• Latin Phrase "Ipse Dixit" means- A person's own assertion without relying on any authority of proof.

Or, A bare assertion resting on one's own authority.

For example:
An expert's simple "Ipse Dixit" is insuffiuent to establish a matter, rather the expert must explain the basis of his statement to link his conclusions to the facts.

বাংলায় Latin Phrase টির অর্থ হচ্ছে- এমন বক্তব্য যার আইনগত বা যৌক্তিক প্রমাণ নাও থাকতে পারে এবং যে বক্তব্যের দায়দায়িত্ব পুরোপুরি বক্তার নিজের।
৫১১.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২২ অনুযায়ী, বিধি বা উপ-আইন কখন কার্যকর হবে না?
  1. সংসদ অনুমোদন ছাড়া
  2. আইনের প্রবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত
  3. আইনের প্রবর্তনের পরপর
  4. আদালত অনুমোদন ছাড়া
ব্যাখ্যা
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২২- আইন গৃহীত ও কার্যকর হইবার মধ্যবর্তী সময়ে বিধি বা উপ-আইন প্রণয়ন এবং আদেশ জারী:
যে ক্ষেত্রে, গৃহীত হইবার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় না এইরূপ সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রয়োগ সম্পর্কে, বা তদধীন কোন আদালত বা দপ্তর প্রতিষ্ঠা, বা কোন বিচারক বা কর্মকর্তার নিয়োগ সম্পর্কে করণীয় বিষয়ে বিধি বা উপ- আইন প্রণয়ন, বা আদেশ জারী করিবার ক্ষমতা প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উল্লিখিত ক্ষমতা উক্ত আইন বা প্রবিধি গৃহীত হইবার পরবর্তীতে যে কোন সময়ে প্রয়োগ করা যাইবে; কিন্তু উক্তরূপে প্রণীত বা জারীকৃত বিধি, উপ-আইন বা আদেশ, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রবর্তন হইবার পূর্ব পর্যন্ত কার্যকর হইবে না।
৫১২.
অ্যাটর্নি-জেনারেলের পারিশ্রমিক কে নির্ধারণ করবে?
  1. সরকার
  2. সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান-অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন। 
৫১৩.
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে কোন ধরনের শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছিল?
  1. বহুদলীয় সরকার
  2. পার্লামেন্টারি সরকার
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার
  4. সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
ব্যাখ্যা

চতুর্থ সংশোধনী:
​- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রথম সবচেয়ে বড় ও বিতর্কিত সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি।
​- এদিন সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনী এনে সংসদীয় গণতন্ত্র বাতিল করে রাষ্ট্রপতিশাসিত এবং একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করা হয়। 

​- বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল বা একটি নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালুর মধ্য দিয়ে দেশের সব রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়। 
​- এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে একচ্ছত্র ক্ষমতাবান করা হয়।

৫১৪.
What is the meaning of the Latin maxim “Actus Dei Nemini Facit Injuriam”?
  1. God always supports justice
  2. The act of God causes injury to no one
  3. Human error is punishable by law
  4. Every injury must have a remedy
ব্যাখ্যা
⇒ "Actus Dei Nemini Facit Injuriam"
- The act of God causes injury to no one.
- ঈশ্বরের কার্য কারো প্রতি অবিচার করে না।

আইনের ভাষায় "Actus Dei Nemini Facit Injuriam" একটি ল্যাটিন প্রবাদ, যার অর্থ- "ঈশ্বরের কার্য কারো প্রতি অন্যায় করে না"। অর্থাৎ, প্রকৃতি বা সৃষ্টিকর্তার হাতে ঘটিত এমন কোনো ঘটনা, যা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, তার জন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প বা বজ্রপাত -এসবই ‘Act of God’ বা ‘ঈশ্বরের কাজ’ হিসেবে বিবেচিত হয়। যেহেতু এই ঘটনাগুলো অবশ্যম্ভাবী ও অনিয়ন্ত্রিত, তাই এদের ফলে যদি কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়, তা কারো বিরুদ্ধে আইনগত অভিযোগের ভিত্তি হতে পারে না।

এই প্রবাদটির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ দেখা যায় Sahib Transport Service, Sankarankoil বনাম K. Balasubramaniam and Ors. (1967) মামলায়। মামলার বিষয়বস্তু ছিল, একজন পরিবহন পারমিটধারীর মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরসূরির পারমিট নবায়নের অধিকারকে কেন্দ্র করে। আপিলকারীর বক্তব্য ছিল, পারমিটধারীর মৃত্যুর ফলে নবায়নের অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং উত্তরসূরির পক্ষে নবায়ন চাওয়া আইনত অগ্রহণযোগ্য।

কিন্তু আদালত এই যুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে—
“Actus Dei Nemini Facit Injuriam — ঈশ্বরের কাজ কারো প্রতি অবিচার করে না।”
পারমিটধারীর মৃত্যু একটি দুর্ঘটনাজনিত প্রাকৃতিক ঘটনা, যা তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এমন এক ‘অঘটন’ (mischance) যেটা কয়েক ঘণ্টা আগে বা পরে ঘটে, তা উত্তরাধিকারের স্বীকৃত অধিকার নস্যাৎ করতে পারে না। ফলে, পারমিট নবায়নের অধিকারও মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যায় না। যেহেতু এই মৃত্যুর ফলে আইনি প্রক্রিয়া স্থগিত হয়নি এবং অধিকার বিলুপ্ত হয়নি, তাই উত্তরসূরির আবেদন বৈধ বলেই গণ্য হবে।

এই রায়ের মাধ্যমে আদালত স্পষ্ট করেছে যে, কোনো ব্যক্তির প্রাকৃতিক বা অনিবার্য কারণে সৃষ্ট ক্ষতির জন্য আইনি অধিকার খর্ব করা উচিত নয়। বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে আইনকে মানবিক, বাস্তবধর্মী ও প্রেক্ষাপটভিত্তিক হতে হবে।
৫১৫.
সংবিধানের কোন ভাগে মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলী উল্লেখ আছে?
  1. প্রথম ভাগ
  2. দ্বিতীয় ভাগ
  3. তৃতীয় ভাগ
  4. চতুর্থ ভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলী তৃতীয় ভাগে (Articles 26 to 47A) উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার যেমন জীবন, স্বাধীনতা, সমতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, শিক্ষা, কর্মের অধিকার ইত্যাদি সংক্রান্ত বিধান আছে।
- তৃতীয় ভাগের আওতায় নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রয়েছে এবং রাষ্ট্রের প্রতি সেই অধিকার বাস্তবায়ন ও রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা আছে।
৫১৬.
Which rights are guaranteed in Article 11 of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh?
  1. Fundamental human rights
  2. Freedoms
  3. Respect for the dignity and worth of the human person
  4. All of above
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদের শুরুতে সুস্পষ্ট করা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্র হিসাবে বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে। সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি গণতন্ত্র। ১১ অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র' বিধান করার মাধ্যমে গণতন্ত্র যে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সেটারই প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে। সেই সাথে, ১১ অনুচ্ছেদে কতিপয় বিষয়ের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে-

⇒ মৌলিক মানবাধিকার;
⇒ স্বাধীনতা; এবং
⇒ মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ।

অন্যদিকে, ১১ অনুচ্ছেদে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসনে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

• Article 11: Democracy and human rights
The Republic shall be a democracy in which fundamental human rights and freedoms and respect for the dignity and worth of the human person shall be guaranteed, and in which effective participation by the people through their elected representatives in administration at all levels shall be ensured.

অনুচ্ছেদ ১১: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মুল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
৫১৭.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে কাস্টিং ভোট প্রদানের ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন:-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. বিরোধীদলীয় নেতা
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা
⇒ সংসদের সভাপতি: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার। অর্থাৎ স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

⇒ অনুচ্ছেদ ৭৫:- কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:

(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করবেন না কিন্তু সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন।
অন্যদিকে, 
• অনুচ্ছেদ  ৭৬:- সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
• অনুচ্ছেদ ৭৭ : ন্যায়পাল।
• অনুচ্ছেদ  ৭৮ : সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
 (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।
(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
------------
⇒ Article 75 Rules of procedure, quorum, etc-:
 (1) Subject to this Constitution –
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President;
(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
৫১৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- “সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না”?
  1. ৮১ অনুচ্ছেদে
  2. ৮২ অনুচ্ছেদে
  3. ৮৩ অনুচ্ছেদে
  4. ৮৪ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা:
 সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না।

⇒ Article 83. No taxation except by or under Act of Parliament:

 No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.

৫১৯.
'দোবারা সাজা মতবাদ' (Doctrine of Double Jeopardy) যে ল্যাটিন ম্যাক্সিমের উপর প্রতিষ্ঠিত, তা হলো:
  1. Nemo debet bis vexari pro uno delicto
  2. Nemo debet bis puniri pro uno delicto
  3. Nemo debet bis vexari pro duo delicto
  4. Nemo debet bis puniri pro duo delicto
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
⇒ 'দোবারা সাজা মতবাদ' (Doctrine of Double Jeopardy) এই ল্যাটিন ম্যাক্সিমের উপর প্রতিষ্ঠিত, যার অর্থ 'একই অপরাধের জন্য কাউকে দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না'। 
অর্থাৎ "Doctrine of Double Jeopardy" বা "দ্বিবার দণ্ড/দোবারা সাজা মতবাদ" যে ল্যাটিন নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো: "Nemo debet bis puniri pro uno delicto"
- এর অর্থ: "কেউ একই অপরাধের জন্য দুবার শাস্তি পাবে না" (No one shall be punished twice for one offence)
-এই নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদে এবং জেনারেল ক্লজ অ্যাক্টের ২৬ ধারায় প্রতিফলিত।

⇒ "Puniri" শব্দটি 'শাস্তি' বোঝায়, এবং "uno delicto" অর্থ 'একটি অপরাধ'।
- অন্যান্য অপশনগুলোতে "vexari" (যাতনা বা বিরক্তি) বা "duo" (দুটি) শব্দের ব্যবহার ভুল, যা মতবাদের মূল অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।অন্যান্য অপশনগুলির বিশ্লেষণ:
ক) Nemo debet bis vexari pro uno delicto - "কেউ একই অপরাধের জন্য দুবার উত্পীড়িত হবে না" (এটি সংশ্লিষ্ট কিন্তু সঠিক নয়)।
গ) Nemo debet bis vexari pro duo delicto - "কেউ দুইটি অপরাধের জন্য দুবার উত্পীড়িত হবে না" (ভুল)।
ঘ) Nemo debet bis puniri pro duo delicto - "কেউ দুইটি অপরাধের জন্য দুবার শাস্তি পাবে না" (ভুল)।

৫২০.
'The seat of Parliament shall be in _________.'
  1. Dhaka
  2. the capital
  3. the middle of Bangladesh
  4. the capital of Bangladesh
ব্যাখ্যা
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh - Article 65. Establishment of Parliament:
(1) There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic:
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect. 
(2) Parliament shall consist of three hundred members to be elected in accordance with law from single territorial constituencies by direct election and, for so long as clause (3) is effective, the members provided for in that clause; the members shall be designated as Members of Parliament. 
 (3) Until the dissolution of Parliament occurring next after the expiration of the period of twenty five years beginning from the date of the first meeting of the Parliament next after the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Seventeenth Amendment) Act, 2018, there shall be reserved fifty seats exclusively for women members and they will be elected by the aforesaid members in accordance with law on the basis of procedure of proportional representation in the Parliament through single transferable vote : 
Provided that nothing in this clause shall be deemed to prevent a woman from being elected to any of the seats provided for in clause (2) of this article.
(3A) For the remaining period of the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Fifteenth Amendment) Act, 2011, Parliament shall consist of three hundred members elected by direct election provided for in clause (2) and fifty women members provided for in clause (3).
(4) The seat of Parliament shall be in the capital.
৫২১.
সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে সর্বাধিক বিরতির সীমা কতদিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের অধিবেশন:
(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।

(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহবান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
৫২২.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ অনুযায়ী, যদি কোন আইন বা বিধিতে জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান না থাকে, তবে কোন পদ্ধতিতে জরিমানা আদায় হবে?
  1. নতুন নিয়ম অনুযায়ী স্বতন্ত্রভাবে
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী 
  4. সংশ্লিষ্ট আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act,1897: ধারা ২৫: জরিমানা আদায়:
যে কোন আইন, বিধি (Regulation), নিয়ম বা উপ-নিয়ম (bye-law) অনুযায়ী আরোপিত জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে, যদি সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি বা নিয়মে এ বিষয়ে বিশেষভাবে অন্য কিছু বলা না থাকে, তবে তখন বর্তমানে প্রযোজ্য দণ্ডবিধি (Sections 63–70) এবং ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুযায়ী জারি ও কার্যকরীকরণের বিধান প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ, সাধারণ নিয়মে জরিমানা আদায়ে দণ্ডবিধি ও দণ্ডবিধি কার্যবিধির বিধানগুলো প্রযোজ্য থাকবে, যতক্ষণ না কোনো আইন বা নিয়মে এর বিপরীত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকে।

৫২৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জনগণের পক্ষে ক্ষমতার প্রয়োগ কীভাবে কার্যকর হবে?
  1. সংসদের সিদ্ধান্তে
  2. রাষ্ট্রপতির নির্দেশে
  3. প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনে
  4. সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৭ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে। অর্থাৎ, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি হিসেবে সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তবে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
-----------
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ বিধানের প্রাধান্য:
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে।
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।
৫২৪.
The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় 'Advocate' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৩(২ক)
  2. ৩(২)
  3. ৩(৩ক)
  4. ৩(৪)
ব্যাখ্যা
• Section 3(2a) of The General Clauses Act,1897-

"Advocate" means a person enrolled as such under the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972.
৫২৫.
"Doctrine of Locus poenitentiae” এর সাথে জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর কোন ধারা সম্পর্কিত?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২১
  3. ধারা ২২
  4. ধারা ২৩
ব্যাখ্যা
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারায় 'Doctrine of Locus poenitentiae' আলোচনা করা হয়েছে। এর অর্থ- কোন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা।

ধারা-২১: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।

Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
৫২৬.
সংবিধান অনুযায়ী শপথগ্রহণের পূর্বে কোনো নির্বাচিত ব্যক্তি সংসদ-সদস্যরূপে আসনগ্রহণ করলে প্রতি দিনের জন্য _____ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।
  1. ২০০
  2. ৫০০০
  3. ১০০০
  4. ৫০০
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৯ অনুচ্ছেদের বিধান: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড:
কোন ব্যক্তি এই সংবিধানের বিধান অনুযায়ী শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করিবার এবং শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবার পূর্বে কিংবা তিনি সংসদ-সদস্য হইবার যোগ্য নহেন বা অযোগ্য হইয়াছেন জানিয়া সংসদ-সদস্যরূপে আসনগ্রহণ বা ভোটদান করিলে তিনি প্রতি দিনের অনুরূপ কার্যের জন্য প্রজাতন্ত্রের নিকট দেনা হিসাবে উসুলযোগ্য এক হাজার টাকা করিয়া অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
---------------
⇒ Article 69 of The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: Penalty for member sitting or voting before taking oath:
 If a person sits or votes as a member of Parliament before he makes or subscribes the oath or affirmation in accordance with this Constitution, or when he knows that he is not qualified or is disqualified for membership thereof, he shall be liable in respect of each day on which he so sits or votes to a penalty of one thousand taka to be recovered as a debt due to the Republic.
৫২৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি নাগরিকের কর্তব্য নয় ?
  1. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
  2. দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা
  3. সংবিধান ও আইন মান্য করা
  4. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে ২ শ্রেণীর ব্যক্তিদের কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করেছে, যথাঃ
ক) নাগরিকের কর্তব্য এবং
খ) অনুচ্ছেদে সরকারী কর্মচারীর কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

২১(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, একজন নাগরিকের কর্তব্য হলো-
i. সংবিধান ও আইন মান্য করা;
ii. শৃঙ্খলা রক্ষা করা;
iii. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং
iv. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা।

২১(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, সরকারী কর্মকর্তার কর্তব্য হলো-
সরকারী কর্মকর্তা বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে উল্লেখিত কর্তব্য পালন করবে। শুধুমাত্র সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে, জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

অনুচ্ছেদ ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

Article 21: Duties of citizens and of public servants
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
৫২৮.
Every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of _______.
  1. The Prime Minister
  2. The President
  3. The Parliament
  4. The authority of department
ব্যাখ্যা
Article 134: Tenure of office
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ
এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
৫২৯.
বাংলাদেশের সংবিধানে কীভাবে সংসদ-সদস্যদের পারিশ্রমিক নির্ধারণের কথা বলা আছে?
  1. সংসদের আইন-দ্বারা
  2. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আদেশের দ্বারা
  3. সরকারের পে-স্কেল দ্বারা
  4. 'ক' কিংবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৮ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদ-সদস্যদের পারিশ্রমিক প্রভৃতি:
সংসদের আইন-দ্বারা কিংবা অনুরূপভাবে নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সংসদ-সদস্যগণ সেইরূপ পারিশ্রমিক, ভাতা ও বিশেষ-অধিকার লাভ করিবেন।
--------------
⇒ Article 68. Remuneration, etc., of members of Parliament:
 Members of Parliament shall be entitled to such remuneration, allowances and privileges as may be determined by Act of Parliament or, until so determined, by order made by the President.
৫৩০.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য কী হিসাবে বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধর্মীয় শাসন প্রতিষ্ঠা
  2. সামন্ততান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা কায়েম
  3. শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
  4. জাতীয় সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে "গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা" করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এই সমাজব্যবস্থায় আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার, এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত করা হবে।

সংবিধানের ভাষ্যে স্পষ্ট উল্লেখ:
"আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;"

অতএব, সংবিধানের ভিত্তিতে "শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা" রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য।

অন্যদিকে, বাকি অপশন গুলো: 
ক) ধর্মীয় শাসন প্রতিষ্ঠা: সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলোর মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ধর্মীয় শাসনের ধারণার বিপরীত।
খ) সামন্ততান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা কায়েম: সংবিধানে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে, যা সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরোধী।
ঘ) জাতীয় সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা নিশ্চিত করা: সংবিধানে ব্যক্তিগত মালিকানার স্বীকৃতি থাকলেও রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
৫৩১.
কোন আইন পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল করে প্রণীত হলে পূর্ববর্তী বাতিলকৃত আইনের কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ কোনো সুবিধা ভোগ করলে সেই সুবিধা-
  1. অকার্যকর হয়ে যাবে
  2. যথাযথভাবে ফেরত দিতে হবে
  3. ক্ষুণ্ণ হবে না
  4. যথাযথভাবে ফেরত দিতে হবে না, কিন্তু চলমান থাকবে না
ব্যাখ্যা
⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।
------------
-The General Clauses Act, 1897 Section 6: Effect of repeal:
Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not- 
(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or 
(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or 
(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or 
(d) after any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid; 
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
৫৩২.
“The Power Under the Constitution Will Always Be in the People”- কে বলেছেন?
  1. Benjamin Franklin
  2. George Washington
  3. Abraham Lincoln
  4. Ronald Reagan
ব্যাখ্যা

“The power under the Constitution will always be in the people” — এই বিখ্যাত উক্তিটি বলেছেন George Washington (জর্জ ওয়াশিংটন), যিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং মার্কিন সংবিধানের অন্যতম প্রধান রক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতা। এটি George Washington-এর ১৭৮৭ সালের ১০ নভেম্বর Bushrod Washington-কে লেখা এক ঐতিহাসিক চিঠি থেকে নেওয়া।

⇒ এই উক্তির মাধ্যমে জর্জ ওয়াশিংটন বোঝাতে চেয়েছিলেন যে-

• জনগণই রাষ্ট্রের মূল উৎস-
সংবিধান জনগণের সম্মতিতে গঠিত, তাই সরকার জনগণের ইচ্ছার বাইরে কিছু করতে পারে না।

• সরকার জনগণের প্রতিনিধি মাত্র-
তারা জনগণের হয়ে প্রশাসন চালায়, কিন্তু জনগণই ক্ষমতার উৎস ও নিয়ন্ত্রক।

• সংবিধান জনগণের অধিকার রক্ষা করে-
সরকার সংবিধানের অধীনে চলে, আর সংবিধান জনগণের ইচ্ছা ও স্বাধীনতার প্রতিফলন।

⇒ এই ধারণাটি এসেছে American Constitution (1787) প্রণয়নের সময়কার ভাবনা থেকে। তখন আমেরিকার জনগণ ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন করতে চেয়েছিল যেখানে রাজা নয়, জনগণই হবে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানেও একই মূলনীতি প্রকাশিত হয়েছে-
“The Republic shall be a democracy in which all powers belong to the people.” (বাংলাদেশ সংবিধান, অনুচ্ছেদ ৭)

অর্থাৎ, রাষ্ট্রের সব ক্ষমতা জনগণের এবং সংবিধান জনগণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার বৈধতা প্রদান করে।

৫৩৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২০
  2. অনুচ্ছেদ ২১
  3. অনুচ্ছেদ ২৩
  4. অনুচ্ছেদ ২৪
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১–এ নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নাগরিকদের জন্য—আইন মানা ও জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা, সরকারি কর্মচারীদের জন্য—সর্বদা জনগণের সেবা করা। তাই সঠিক উত্তর অনুচ্ছেদ ২১।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-21: Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.

৫৩৪.
রহিতকরণ আইনের [Repealing Act] অধীনে কোন অধিকার বা দায় ক্ষুণ্ণ হবে?
  1. পূর্বের আইন অনুযায়ী প্রাপ্ত অধিকার
  2. পূর্বের আইনের অধীনে চলমান আইনগত কার্যক্রম
  3. ক এবং খ উভয়
  4. উপরোক্ত কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কার্যক্রম কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।

৫৩৫.
'No man is above the law and no man is below it.' Who said that?
  1. Franklin
  2. Dickens
  3. W. Douglas
  4. Roosevelt
ব্যাখ্যা
• হোয়াইট হাউজের নামকরণকারী যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম ছিলেন Theodore Roosevelt.
 
প্রেসিডেন্ট Theodore Roosevelt -এর এ উক্তিটি সংক্ষেপে প্রশ্নে দেওয়া হয়েছিল, পুরো উক্তিটি হচ্ছে-
'No man is above the law and no man is below it; nor do we ask any man's permission when we ask him to obey it. Obedience to the law is demanded as a right; not asked as a favor.'
 
ন্যায়বিচার সম্পর্কিত উনার আরেকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
Justice consists not in being neutral between right and wrong, but in finding out the right and upholding it, wherever found, against the wrong.
৫৩৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. কোর্ট অব আপিল
  2. কোর্ট অব রেকর্ড
  3. কোর্ট অব রিভিউ
  4. কোর্ট অব জাজমেন্ট
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) কোর্ট অব রেকর্ড।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের বিধান: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট:
সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

[The Supreme Court shall be a court of record and shall have all the powers of such a court including the power subject to law to make an order for the investigation of or punishment for any contempt of itself.]
৫৩৭.
সরকারী কর্ম কমিশনের কোন সদস্যের স্বীয় পদে বহাল থাকার মেয়াদ-
  1. দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর
  2. ৬৫ বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত
  3. ৬৭ বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত
  4. ক বা খ এর মধ্যে যা আগে ঘটে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।

সংবিধানের ১৩৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
(প্রত্যেক সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন: তবে শর্ত থাকে যে, প্রত্যেক কমিশনের যতদূর সম্ভব অর্ধেক (তবে অর্ধেকের কম নহে) সংখ্যক সদস্য এমন ব্যক্তিগণ হইবেন, যাঁহারা কুড়ি বৎসর বা ততোধিককাল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন সময়ে কার্যরত কোন সরকারের কর্মে কোন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে।


• অনুচ্ছেদ ১৩৯: পদের মেয়াদ

(১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য তাঁহার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর বা তাঁহার পয়ষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে যাহা অগ্রে ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্টের কোন বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য অপসারিত হইবেন না।

(৩) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

(৪) কর্মাবসানের পর কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য প্রজাতন্ত্রের কর্মে পুনরায় নিযুক্ত হইবার যোগ্য থাকিবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদের (১) দফা-সাপেক্ষে
(ক) কর্মাবসানের পর কোন সভাপতি এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন; এবং
(খ) কর্মাবসানের পর কোন সদস্য (সভাপতি ব্যতীত) এক মেয়াদের জন্য কিংবা কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতিরূপে নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন।

Article 139: Term of office

(1) The term of office of the chairman and other members of a public service commission shall, subject to the provisions of this article, expire five years after the date on which he entered upon his office, or when he attains the age of sixty five years, whichever is earlier. 

(2) The chairman and other members of such a commission shall not be removed from office except in like manner and on the like grounds as a Judge of the Supreme Court.

(3) A chairman or other member of a public service commission may resign his office by writing under his hand addressed to the President. 

(4) On ceasing to hold office a member of a public service commission shall not be eligible for further employment in the service of the Republic, but, subject to the provisions of clause (1)- 
(a) a chairman so ceasing shall be eligible for re appointment for one further term; and 
(b) a member (other than the chairman) so ceasing shall be eligible for re appointment for one further term or for appointment as chairman of a public service commission.
৫৩৮.
বিচার বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্ম সংক্রান্ত বিধি-বিধান-
  1. সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
  2. সংসদের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
  3. রাষ্ট্রপতির পরামর্শক্রমে সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
  4. সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৬: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা-

বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
৫৩৯.
'Nemo est supra leges' প্রবচনের সমার্থক বাক্য কোনটি?
  1. কেউ দোষ স্বীকারে বাধ্য নয়
  2. ক্ষতিকর কর্মের আইনী প্রতিকার নেই
  3. কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়
  4. কেউ সার্বভৌমত্বের ঊর্ধ্বে নয়
ব্যাখ্যা
- Nemo est supra leges:
“No one is above the laws.”A maxim meaning that no person is exempt from the binding force of the law.

- Nemo est supra leges: ল্যাটিন ম্যাক্সিম 'Nemo est supra leges'-এর অর্থ 'No man is above the law- কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়' প্রবচন সংশ্লিষ্ট বিধান সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে।
- ধনী-দরিদ্র, এমপি-মন্ত্রী নির্বিশেষে যে কেউ অপরাধ করলে প্রত্যককেই বিচারের সম্মুখীন হতে হয়।
- অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন কাউকে ক্ষমা করে না।
- কারণ, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- 'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।' আলোচিত Rule of law নীতির ভাষ্যও একই।
⇒ Article 27. Equality before law:
 All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা: 
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
৫৪০.
প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কার সুপারিশ গ্রহণ করে থাকেন?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. মন্ত্রিসভা
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর বিধান রাষ্ট্রপতি:
 (১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 

তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫ এর বিধান  বিচারক-নিয়োগ:
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫(১) নং অনুচ্ছেদ অনুয়ায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসরণ করেন না।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসারে কর্মসম্পাদন করেন না। অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুসারে কর্ম সম্পাদন করতে হয়।
৫৪১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষের কাজ কোনটি?
  1. জনশৃংখলা রক্ষা করা
  2. রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অংশগ্রহণ করা
  3. স্থানীয় সরকারের বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি প্রকাশ করা
  4. স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষের নির্বাচনের ব্যবস্থা করা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন
 
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।

(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

Article 59: Local government

(1) Local government in every administrative unit of the Republic shall be entrusted to bodies, composed of persons elected in accordance with law. 

(2) Everybody such as is referred to in clause (1) shall, subject to this Constitution and any other law, perform within the appropriate administrative unit such functions as shall be prescribed by Act of Parliament, which may include functions relating to – 
(a) administration and the work of public officers; 
(b) the maintenance of public order; 
(c) the preparation and implementation of plans relating to public services and economic development.
৫৪২.
সুপ্রীম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য অধস্তন আদালত কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে?
  1. আইনের দ্বারা
  2. রাষ্ট্রপতির আদেশে
  3. সংসদের সিদ্ধান্তে
  4. সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৪ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “আইনের দ্বারা যেরূপ প্রতিষ্ঠিত হইবে, সুপ্রীম কোর্ট ব্যতীত সেইরূপ অন্যান্য অধস্তন আদালত থাকিবে।”
অর্থাৎ, সুপ্রীম কোর্ট ছাড়া বাকি সকল অধস্তন আদালত (যেমন: জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বিশেষ আদালত ইত্যাদি) সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হবে।
- সুতরাং, অধস্তন আদালতসমূহ আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হবে।

৫৪৩.
জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট কোন চুক্তি-
  1. রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে না
  2. সংসদের নিকট পেশ করা হবে না
  3. সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি-

বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে, এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সহিত সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হইবে।

Article 145A: International treaties-
All treaties with foreign countries shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament:

Provided that any such treaty connected with national security shall be laid in a secret session of Parliament
৫৪৪.
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যে নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়, তা কীভাবে পরিচালিত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশে
  2. সংবিধান অনুসারে
  3. সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শে
  4. প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয় এবং এটি সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
- অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রী তাঁর ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু তা অবশ্যই সংবিধানের বিধানসমূহের মধ্যে থাকতে হবে।
→ সুতরাং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচালিত নির্বাহী ক্ষমতা সরাসরি সংবিধান দ্বারা পরিচালিত হয়, এবং তা রাষ্ট্রপতির আদেশ বা প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় না।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদ- মন্ত্রিসভা:
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।
৫৪৫.
একটি আইনের দুইটি ধারা পরস্পর সাংঘর্ষিক হলে আইনটি কিভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে?
  1. অবস্থাভেদে একটি ধারা কার্যকর হবে
  2. পূর্বের ধারাটি কার্যকর হবে পরের ধারাটি বাতিল হবে
  3. পূর্বের ধারাটি বাতিল হবে পরের ধারাটি কার্যকর হবে
  4. এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়
ব্যাখ্যা
- Rule of Harmonious Construction:
যখন একই আইনের মধ্যে পরস্পর বিরোধী এক বা একাধিক বিধান থাকে। একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যাতে ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায় এবং এতে বিদ্যমান পরস্পর বৈরিতা প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব হয়।

- Rule of Harmonious Construction নীতির বিধান হল:
(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। 
অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।
(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
৫৪৬.
স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের দায়িত্বের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জনশৃংখলা রক্ষা
  2. জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
  3. প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য
  4. অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯(২) অনুযায়ী, স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের দায়িত্বের মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে—
১) প্রশাসন ও সরকারি কর্মচারীদের কার্য পরিচালনা
২) জনশৃঙ্খলা রক্ষা
৩)জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন

তবে, "জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা" স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। এটি মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর দায়িত্ব।
→ অতএব, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা স্থানীয় শাসনের দায়িত্ব নয়, তাই 'খ' অপশনটি সঠিক উত্তর।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯ স্থানীয় শাসন:
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।
(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ স্থানীয় শাসন- ৬০ সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা:
- এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের বিধানাবলীকে পূর্ণ কার্যকরতাদানের উদ্দেশ্যে সংসদ আইনের দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লিখিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করিবার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করিবেন।
৫৪৭.
The Latin maxim “Nemo debet esse judex in propria causa” means –
  1. The act speaks for itself
  2. Everyone is equal before the law
  3. No one should be a judge in his own cause
  4. Ignorance of law is not an excuse
ব্যাখ্যা

Nemo debet esse judex in propria causa — একটি ল্যাটিন term, যার অর্থ হলো:
- “No one should be a judge in his own cause.”
- “কেউ নিজের মামলার বিচারক হতে পারে না”

এটি ন্যায়বিচারের একটি মৌলিক নীতি, যা “Natural Justice” (প্রাকৃতিক ন্যায়নীতি)-এর একটি প্রধান স্তম্ভ।

নীতির প্রয়োগের দুটি দিক রয়েছে:
যখন বিচারক সরাসরি মামলার পক্ষভুক্ত (Party):
যদি কোনো বিচারক কোনো মামলার সরাসরি পক্ষ হয়ে থাকেন, তবে তিনি সে মামলার বিচার করতে পারবেন না।
উদাহরণ: বিচারক যদি অভিযুক্ত বা মামলার বাদী হন, তাহলে তিনি নিজেই নিজের বিষয়ে নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন না।

যখন বিচারকের মামলায় ব্যক্তিগত স্বার্থ রয়েছে (Interest):
যদি বিচারকের আর্থিক, পারিবারিক, রাজনৈতিক বা অন্য কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ মামলার ফলাফলের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে, তাহলেও তিনি সে মামলার বিচার করতে পারবেন না।
উদাহরণ: বিচারক যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের শেয়ারহোল্ডার হন, আর সেই প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে মামলা চলে, তবে তিনি সেই মামলায় বিচারক হতে পারেন না।

৫৪৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে কয়টি নীতি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি কি সেটা আলোচনা করা হয়েছে। ২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, নিম্নলিখিত ৪টি নীতি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে-
১. জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
২. অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
৩. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং
8. আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা।

আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন করতে উপরে উল্লেখিত নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র-
ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে;
খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে; এবং
গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে

Article 25: Promotion of international peace, security and solidarity
The State shall base its international relations on the principles of respect for national sovereignty and equality, non interference in the internal affairs of other countries, peaceful settlement of international disputes, and respect for international law and the principles enunciated in the United Nations Charter, and on the basis of those principles shall – 
(a) strive for the renunciation of the use of force in international relations and for general and complete disarmament; 
(b) uphold the right of every people freely to determine and build up its own social, economic and political system by ways and means of its own free choice; and 
(c) support oppressed peoples throughout the world waging a just struggle against imperialism, colonialism or racialism.
৫৪৯.
The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the–
  1. Prime Minister
  2. Chief Justice
  3. Parliament
  4. President
ব্যাখ্যা

Article 64: The Attorney-General-
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.

​অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

৫৫০.
'No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.' বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে দেওয়া আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮২ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা:
 সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না।

⇒ Article 83. No taxation except by or under Act of Parliament:

 No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.
৫৫১.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভা কোন ব্যক্তির নেতৃত্বে গঠিত হয়?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫(১)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।"
মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত হয় এবং প্রধানমন্ত্রী তার পছন্দ অনুযায়ী অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রী নিয়োগ দেন।
মন্ত্রিসভা সরকার পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল এবং এটি সংসদের কাছে দায়ী থাকে।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং রাষ্ট্রপতির নামে সরকারী কার্যাবলী প্রকাশিত হয়।
৫৫২.
The General Clauses Act, 1897-এর কোন ধারায় Doctrine of Locus Poenitentiae-এর বিধান আছে?
  1. ধারা ৯ 
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।

⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

৫৫৩.
বাংলাদেশের নাগরিকত্ব কীসের দ্বারা নির্ধারিত হয়?
  1. আইন
  2. সংবিধান
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশ
  4. প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইন দ্বারা নির্ধারিত হয়। সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশে নাগরিকত্ব অর্জন বা হারানোর বিষয়টি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইন দ্বারা নির্ধারিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়।
- এটি একটি বৈধ আইনি প্রক্রিয়া, যা নাগরিকদের অধিকার এবং দায়িত্বকে স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে।
- নাগরিকত্বের নিয়মনীতির জন্য নির্দিষ্ট আইন প্রণীত হয়েছে যা নাগরিকত্বের বিভিন্ন শর্ত, প্রক্রিয়া ও নিয়মাবলী স্পষ্ট করে।

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬ নাগরিকত্ব:
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে। 
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।
৫৫৪.
আদালত ও ট্রাইব্যুনাল সমূহের উপর হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগে নিম্নের কোন বিধানটি অতিরিক্ত বলে বিবেচিত?
  1. সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা
  3. সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ আদালত ও ট্রাইব্যুনাল সমূহের উপর হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অতিরিক্ত বলে বিবেচিত হয়। অতএব, সঠিক উত্তর গ) সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ।

ক) সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ (মূল বিধান):
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "হাইকোর্ট বিভাগ দেশের সকল অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করবে।"
- এটি হাইকোর্টের মৌলিক ও সরাসরি ক্ষমতা প্রদান করে। এই বিধান অধস্তন আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, নির্দেশ প্রদান এবং আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ভিত্তি।
 
খ) দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা (প্রয়োগমূলক বিধান):
- এই ধারায় হাইকোর্টকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, সে যেকোনো অধস্তন আদালতের কাছ থেকে রেকর্ড তলব করতে পারে এবং সেই রেকর্ড পরীক্ষা করে দেখতে পারে যে অধস্তন আদালত আইন অনুযায়ী কাজ করছে কিনা। অর্থাৎ এটি হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধান ক্ষমতা প্রয়োগের একটি প্রক্রিয়াগত পদ্ধতি নির্ধারণ করে।

ঘ) ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা (নির্দিষ্ট ক্ষমতা):
- এটিও হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন ক্ষমতা, যার মাধ্যমে নিম্ন আদালতের ফৌজদারী মামলার রেকর্ড তলব করে আদেশ সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায়। অর্থাৎ এটি ফৌজদারী বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন ক্ষমতা নির্ধারণ করে।
 
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ (অতিরিক্ত বিধান):
- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ হাইকোর্ট বিভাগকে রিট জারি করার ক্ষমতা দেয়, যার মাধ্যমে অধস্তন আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত বা বেআইনি কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা যায়। যা নিম্ন আদালতের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। ১০২ অনুচ্ছেদ একটি সাধারণ এখতিয়ার বিধান, যা তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের নির্দিষ্ট ক্ষমতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
অর্থাৎ এটি হাইকোর্টের সাধারণ এখতিয়ার নির্ধারণ করে, কিন্তু এটি সরাসরি অধস্তন আদালতের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রদান করে না।
অতএব, হাইকোর্টের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে এই বিধানটি অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
সঠিক উত্তর: গ) সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ।

৫৫৫.
"সংসদের কার্যধারার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।"- এই বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৭২ অনুচ্ছেদে
  2. ৭৬ অনুচ্ছেদে
  3. ৭৮ অনুচ্ছেদে
  4. ৭৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭৮: সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি:

(১) সংসদের কার্যধারার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
(২) সংসদের যে সদস্য বা কর্মচারীর উপর সংসদের কার্যপ্রণালীনিয়ন্ত্রণ, কার্যপরিচালনা বা শৃঙ্খলারক্ষার ক্ষমতা ন্যস্ত থাকিবে, তিনি এই সকল ক্ষমতাপ্রয়োগ সম্পর্কিত কোন ব্যাপারে কোন আদালতের এখতিয়ারের অধীন হইবেন না।
(৩) সংসদে বা সংসদের কোন কমিটিতে কিছু বলা বা ভোটদানের জন্য কোন সংসদ-সদস্যের বিরুদ্ধে কোন আদালতে কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না।
(৪) সংসদ কর্তৃক বা সংসদের কর্তৃত্বে কোন রিপোর্ট, কাগজপত্র, ভোট বা কার্যধারা প্রকাশের জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না।
(৫) এই অনুচ্ছেদ-সাপেক্ষে সংসদের আইন-দ্বারা সংসদের, সংসদের কমিটিসমূহের এবং সংসদ-সদস্যদের বিশেষ-অধিকার নির্ধারণ করা যাইতে পারিবে।

Article 78. Privileges and immunities of Parliament and members:

(1) The validity of the proceedings in Parliament shall not be questioned in any court.
(2) A member or officer of Parliament in whom powers are vested for the regulation of procedure, the conduct of business or the maintenance of order in Parliament, shall not in relation to the exercise by him of any such powers be subject to the jurisdiction of any court.
(3) A member of Parliament shall not be liable to proceedings in any court in respect of anything said, or any vote given, by him in Parliament or in any committee thereof.
(4) A person shall not be liable to proceedings in any court in respect of the publication by or under the authority of Parliament of any report, paper, vote or proceeding.
(5) Subject to this article, the privileges of Parliament and of its committees and member may be determined by Act of Parliament.
৫৫৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, প্রধান বিচারপতি ছাড়া সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ কীভাবে দেওয়া হয়?
  1. সংসদ কর্তৃক নির্বাচনের মাধ্যমে
  2. প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
  3. প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
  4. বিচার বিভাগীয় কমিশনের সুপারিশে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা আছে: "প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।"

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারক-নিয়োগ:
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।
(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।

⇒ Article 95: Appointment of Judges: 
(1) The Chief Justice shall be appointed by the President, and the other Judges shall be appointed by the President after consultation with the Chief Justice.
(2) A person shall not be qualified for appointment as a Judge unless he is a citizen of Bangladesh and –
(a) has, for not less than ten years, been an advocate of the Supreme Court ; or
(b) has, for not less than ten years, held judicial office in the territory of Bangladesh ; or
(c) has such qualifications as may be prescribed by law for appointment as a Judge of the Supreme Court.
(3) In this article, “Supreme Court” includes a court which at any time before the commencement of this Constitution exercised jurisdiction as a High Court in the territory of Bangladesh.

৫৫৭.
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি প্রথমে কার নিকট পেশ করতে হবে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) অনুযায়ী,
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল আন্তর্জাতিক চুক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করতে হবে এবং তিনি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন।

বিশেষ শর্ত:
যদি কোনো চুক্তি জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত হয়, তাহলে তা সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করতে হবে।
৫৫৮.
বাংলাদেশের সকল আদালতে কার বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেলের
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. প্রধানমন্ত্রীর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল

(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

Article 64: The Attorney-General

(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.
৫৫৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮(২) এর বিষয়বস্তু কি?
  1. সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত
  2. সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  3. সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার
  4. নাগরিকদের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য-

(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না। 

(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।

(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না। 

(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

Article 28: Discrimination on grounds of religion, etc.

(1) The State shall not discriminate against any citizen on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth. 
(2) Women shall have equal rights with men in all spheres of the State and of public life. 
(3) No citizen shall, on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth be subjected to any disability, liability, restriction or condition with regard to access to any place of public entertainment or resort, or admission to any educational institution. 
(4) Nothing in this article shall prevent the State from making special provision in favour of women or children or for the advancement of any backward section of citizens.
৫৬০.
Why was the first amendment to Bangladesh’s Constitution made?
  1. For political changes
  2. To ensure the trial of war criminals of the 1971 Liberation War
  3. To increase Parliament seats
  4. To extend the tenure of the President
ব্যাখ্যা

প্রথম সংশোধনী:
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- সংসদে উত্তাপিত হয় ১২ জুলাই ১৯৭৩ সালে।
- সংবিধান কার্যকরের ৭ মাস পর ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই প্রথম সংশোধনী বিল পাস হয়।
- এই সংশোধন অনুযায়ী গণহত্যা কিংবা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য আইন প্রণয়নের বিধান রাখা হয়।
- প্রথম সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল 'গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধীদের আন্তর্জাতিক আইনে এর বিচার ও শাস্তি অনুমোদন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৫৬১.
সম্প্রতি, হাইকোর্টের পঞ্চদশ সংশোধনী সংক্রান্ত রায়ে কোন অনুচ্ছেদের গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করা হয়?
  1. ১৪১ অনুচ্ছেদ
  2. ১৪২ অনুচ্ছেদ
  3. ১৪৩ অনুচ্ছেদ
  4. ১৪৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।

গুরত্বপূর্ণ কিছু সংশোধনী:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত ১৪২ অনুচ্ছেদের গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করে।
৫৬২.
Which Part of the Constitution of Bangladesh discusses the "Fundamental Principles of State Policy"?
  1. Fifth Part 
  2. Third Part
  3. Second Part
  4. Fourth Part
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

৫৬৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগের বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৬
  2. অনুচ্ছেদ ৯৭
  3. অনুচ্ছেদ ৯৮
  4. অনুচ্ছেদ ৯৯
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৯৮- সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ:
সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের বিধানাবলী সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতির নিকট সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের বিচারক-সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি করা উচিত বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসরের জন্য অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবেন, কিংবা তিনি উপযুক্ত বিবেচনা করিলে হাইকোর্ট বিভাগের কোন বিচারককে যে কোন অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আপীল বিভাগের আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের অধীন বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে কিংবা বর্তমান অনুচ্ছেদের অধীন আরও এক মেয়াদের জন্য অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে বর্তমান অনুচ্ছেদের কোন কিছুই নিবৃত্ত করিবে না।

৫৬৪.
জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক চুক্তি কীভাবে পেশ করা হয়?
  1. গেজেট আকারে
  2. সংসদের গোপন বৈঠকে
  3. প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে
  4. মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়ে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি:
বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে, এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সহিত সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হইবে।
৫৬৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ 'গৃহে নিরাপত্তা লাভের' অধিকার নিশ্চিত করে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪০
  2. অনুচ্ছেদ ৪১
  3. অনুচ্ছেদ ৪২
  4. অনুচ্ছেদ ৪৩
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৩ নাগরিকদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করে:
- গৃহে নিরাপত্তার অধিকার (তল্লাশি বা আটক হতে নিরাপদ থাকা);
- যোগাযোগের গোপনীয়তা রক্ষা (চিঠিপত্র ও অন্যান্য মাধ্যমের গোপনীয়তা);

অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ:
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের-
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হইতে স্বীয় গৃহে নিরাপত্তালাভের অধিকার থাকিবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনতারক্ষার অধিকার থাকিবে।

৫৬৬.
"Amicus Curiae" এর অর্থ কী?
  1. আদালতের বন্ধু
  2. বাদী পক্ষের বন্ধু
  3. আদালতের বিচারক
  4. বিবাদীর আইনজীবী
ব্যাখ্যা
Amicus Curiae হল ''friend of the court'' আদালতের বন্ধু।
- যিনি আইন বা বাস্তবতার প্রশ্ন সম্পর্কিত তথ্য বা পরামর্শ প্রদান করে আদালতকে সহায়তা করেন।
- অনেক সময় দেখা যায় বিজ্ঞ আদালত কোন জটিল মামলার রায়ের ব্যাপারে আইন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়েন।
- সে ক্ষেত্রে উক্ত বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালত এক বা একাধিক অভিজ্ঞ এ্যাডভোকেট মহোদয়কে নিয়োগ প্রদান করতে পারেন। উক্ত ব্যক্তিগণ ঐ সমস্যার সমাধান তাদের নিজের অভিজ্ঞতা ও আইনের মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করেন অতঃপর তাদের সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত বিজ্ঞ আদালতের নিকট অবহিত করেন।
৫৬৭.
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত অধ্যাদেশ কত দিনের মধ্যে সংসদের মাধ্যমে আইনে পরিণত করা না হলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে? অধ্যাদেশ জারীর-
  1. তারিখ থেকে নব্বই দিন
  2. তারিখ থেকে ছয় মাস
  3. পর প্রথম সংসদের অধিবেশনের প্রথম দিন হতে ত্রিশ দিন
  4. পর প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ত্রিশ দিন
ব্যাখ্যা
• সাধারণত যখন সংসদ অকার্যকর থাকে অথবা যখন সংসদের অধিবেশন বন্ধ থাকে তখন রাষ্ট্রের জরুরী প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি নিজের একক ক্ষমতাবলে যে আইন জারী করে তাকে অধ্যাদেশ বলে।

• সংবিধানের ৯৩(১) উপ - অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি দু' অবস্থায় অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
প্রথমত, সংসদের কোন অধিবেশন না থাকলে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য তিনি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
দ্বিতীয়ত, সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন

কোনো অধ্যাদেশ জারির পূর্বে যদি তা ইতঃপূর্বে বাতিল না হয় তাহলে সংসদের পরবর্তী প্রথম অধিবেশনে সেটি উপস্থাপিত হতে হবে এবং উপস্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অনুমোদন না দিলে অধ্যাদেশটি বাতিল হয়ে যাবে।

অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:

 (১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত] কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
৫৬৮.
“Obiter Dictum” হচ্ছে-
  1. রায়ের ভিত্তি
  2. আদালতের উপর বাধ্য
  3. Precedent হিসেবে কাজ করে
  4. বিচারকের প্রসঙ্গক্রমে বলা কথা
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Ratio decidendi-
সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

Obiter Dictum-
"A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।
৫৬৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারী করতে পারেন?
  1. ৪৮
  2. ৬৫
  3. ৯৩
  4. ১৪১
ব্যাখ্যা
• সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় এবং সংসদ অধিবেশনকাল ব্যতীত সময়ে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি আইনের ন্যায় কার্যকর যে আদেশ জারি করেন তা ‘অধ্যাদেশ’ নামে পরিচিত। সংবিধানের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুাযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:

 (১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত] কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
৫৭০.
বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতিগুলো কীভাবে প্রয়োগ হয়?
  1. আদালতের মাধ্যমে
  2. আইনের ব্যাখ্যার নির্দেশক হিসেবে
  3. রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে
  4. নির্বাহী বিভাগের নির্দেশ অনুসারে
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷

(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।

৫৭১.
যখন কোনো নতুন আইন পূর্ববর্তী আইনকে রহিত বা পুনঃপ্রবর্তন করে এবং যদি স্পষ্ট কোনো ভিন্ন উদ্দেশ্য প্রকাশ না করা থাকে তখন পুরানো আইনের বরাত (reference) কীভাবে গণ্য হবে?
  1. বৈধ হবে না
  2. শুধুমাত্র পুরানো আইনের বরাত হিসেবে গণ্য হবে
  3. নতুন বা পুনঃপ্রবর্তিত আইনের বরাত হিসেবে গণ্য হবে
  4. আদালত সিদ্ধান্ত নিবে
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৮: রহিত আইনের ক্ষেত্রে বরাতের ব্যাখ্যা:
১) যদি এই আইন, বা এই আইনের কার্যকর হওয়ার পরে সংসদে প্রণীত কোনো আইন বা প্রবিধি, কোনো পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল ও পুনঃপ্রবর্তন (re-enact) করে, তা পরিবর্তনসহ বা পরিবর্তনবিহীনভাবে হোক, তবে, অন্য কোনো আইন বা কোনো দলিলে যদি সেই বাতিলকৃত ধারা বা বিধানের কথা উল্লেখ থাকে, এবং যদি স্পষ্ট কোনো ভিন্ন উদ্দেশ্য প্রকাশ না করা থাকে, তাহলে সেই উল্লেখ পুনঃপ্রবর্তিত ধারা বা বিধানের বরাত (reference) হিসেবে গণ্য হবে।

৫৭২.
মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রিট দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৭ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী রিট দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়। 

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের বিধান:- কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা: 

(১) কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের দ্বারা অর্পিত অধিকারসমূহের যে কোন একটি বলবৎ করিবার জন্য প্রজাতন্ত্রের বিষয়াবলীর সহিত সম্পর্কিত কোন দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিসহ যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে হাইকোর্ট বিভাগ উপযুক্ত নির্দেশাবলী বা আদেশাবলী দান করিতে পারিবেন।

(২) হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তাহা হইলে
(ক) যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(অ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তিকে আইনের দ্বারা অনুমোদিত নয়, এমন কোন কার্য করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য কিংবা আইনের দ্বারা তাঁহার করণীয় কার্য করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা
(আ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তির কৃত কোন কার্য বা গৃহীত কোন কার্যধারা আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে করা হইয়াছে বা গৃহীত হইয়াছে ও তাঁহার কোন আইনগত কার্যকরতা নাই বলিয়া ঘোষণা করিয়া
উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন; অথবা

(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(অ) আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে বা বেআইনী উপায়ে কোন ব্যক্তিকে প্রহরায় আটক রাখা হয় নাই বলিয়া যাহাতে উক্ত বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইতে পারে, সেইজন্য প্রহরায় আটক উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত বিভাগের সম্মুখে আনয়নের নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা
(আ) কোন সরকারি পদে আসীন বা আসীন বলিয়া বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন্ কর্তৃত্ববলে অনুরূপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করিতেছেন, তাহা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করিয়া
উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন।

(৩) উপরি-উক্ত দফাসমূহে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও এই সংবিধানের ৪৭ অনুচেছদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন আইনের ক্ষেত্রে বর্তমান অনুচ্ছেদের অধীন অন্তর্বর্তীকালীন বা অন্য কোন আদেশ দানের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের থাকিবে না।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (১) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (ক) উপ-দফার অধীন কোন আবেদনক্রমে যে ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী আদেশ প্রার্থনা করা হইয়াছে এবং অনুরূপ অর্ন্তবর্তী আদেশ
(ক) যেখানে উন্নয়ন কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য কোন ব্যবস্থা কিংবা কোন উন্নয়নমূলক কার্যের প্রতিকূলতা বা বাধা সৃষ্টি করিতে পারে; অথবা
(খ) যেখানে অন্য কোনভাবে জনস্বার্থের পক্ষে ক্ষতিকর হইতে পারে সেইখানে অ্যাটর্নি-জেনারেলকে উক্ত আবেদন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত নোটিশদান এবং অ্যাটর্নি-জেনারেলের (কিংবা এই বিষয়ে তাহার দ্বারা ভারপ্রাপ্ত অন্য কোন এ্যাডভোকেটের) বক্তব্য শ্রবণ না করা পর্যন্ত এবং এই দফার (ক) বা (খ) উপ-দফায় উল্লিখিত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করিবে না বলিয়া হাইকোর্ট বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান না হওয়া পর্যন্ত উক্ত বিভাগ কোন অন্তর্বর্তী আদেশদান করিবেন না।

(৫) প্রসংগের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই অনুচ্ছেদে ‘‘ব্যক্তি’’ বলিতে সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ অথবা কোন শৃংখলা-বাহিনী সংক্রান্ত আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল ব্যতীত কিংবা এই সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন ট্রাইব্যুনাল ব্যতীত যে কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৫৭৩.
রাষ্ট্রপতি নিয়োগ সংক্রান্ত কোন বিষয়টি কেবলমাত্র তাঁর নিজস্ব বিবেচনায় সম্পন্ন করেন?
  1. সেনাপ্রধানের নিয়োগ
  2. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  3. স্পীকার নিয়োগ
  4. মহা হিসাব নিরীক্ষক নিয়োগ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁর সব কার্যাবলি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী সম্পন্ন করেন, তবে ব্যতিক্রম রয়েছে প্রধান বিচারপতির নিয়োগের ক্ষেত্রে।
- এই ব্যতিক্রম অনুচ্ছেদ ৯৫(১)-এ বর্ণিত আছে, যেখানে বলা হয়েছে যে:
-  “Chief Justice shall be appointed by the President.”
- এখানে কোথাও বলা হয়নি যে প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কারো পরামর্শে এটি করতে হবে। 
অতএব, সঠিক উত্তর: খ) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ রাষ্ট্রপতি: 
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।
৫৭৪.
কোন সংসদ-সদস্য তার নির্বাচনের পর ৬৬ (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হয়েছে কিনা এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে কিনা, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী এবং নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি প্রেরণ করতে হবে-
  1. রাষ্ট্রপতির নিকট
  2. নির্বাচন কমিশনের নিকট
  3. স্পীকারের নিকট
  4. প্রধান বিচারপতির নিকট
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:

(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইলে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি

(ক) কোন উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;
(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন;
(গ) তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;
(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইয়া থাকেন;
(চ) আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করিতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা
(ছ) তিনি কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন।

(২ক) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (গ) উপ-দফা তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হইয়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিলে এবং পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তি-
(ক) দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে, বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করিলে; কিংবা
(খ) অন্য ক্ষেত্রে, পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করিলে-
এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তিনি বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচেছদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন ব্যক্তি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী হইবার কারণে প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।

(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না কিংবা এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।
৫৭৫.
The General Clauses Act, 1897 এ কোন পঞ্জিকা অনুসারে বৎসর সংজ্ঞায়িত?
  1. British
  2. Arabic
  3. Bengali
  4. Not mentioned in Act
ব্যাখ্যা
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ধারা ৩(৫৯) এর বিধান- বছর (year):
ব্রিটিশ পঞ্জিকা অনুযায়ী বর্ণিত বছরকে বুঝাবে।

The General Clauses Act, 1897 Section 3(59)-
"year" shall mean a year reckoned according to the British calendar.
৫৭৬.
কোন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন?
  1. যখন সংসদ চলমান থাকে
  2. যখন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়
  3. যখন সংসদ ভেঙে যায় বা অধিবেশন থাকে না
  4. যখন প্রধান বিচারপতির পদ শূণ্য থাকে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৩- অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
৫৭৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার বিধানটি বলা হয়েছে?
  1. ১০৩
  2. ১০৪
  3. ১০৫
  4. ১০৬
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদের বিধান আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
- সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।
-----------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 105. Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.
৫৭৮.
"A Judge should be sans per et sans reproche" এর অর্থ কী?
  1. একজন বিচারককে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকা উচিত।
  2. একজন বিচারককে বিচারের ক্ষেত্রে কঠিন অবস্থানে থাকা উচিত।
  3. একজন বিচারককে সকল প্রকার সন্দেহের উর্ধ্বে থাকা উচিত।
  4. একজন বিচারককে সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।
ব্যাখ্যা
Sans peur et sans reproche
- একটি French Phrase.
- যার বাংলা অর্থ হচ্ছে- Without fear and without reproach বা সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করা।
 
বিশিষ্ট আইনজ্ঞ Lord Denning এর মতে-
A judge should be sans peur et sans reproche. অর্থাৎ- একজন বিচারককে সকল তিরস্কার/নিন্দা/ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।

অন্য অপশন:
ক) একটা অংশ সত্য হলেও এটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না।
৫৭৯.
অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি হিসেবে কে দায়িত্ব পালন করবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক
  2. আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক
  3. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আপিল বিভাগের বিচারক
  4. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হাইকোর্ট বিভাগের প্রবীণতম বিচারক
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদের বিধান: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
 প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে প্রধান বিচারপতি তাঁহার দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে ক্ষেত্রমত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ পদে যোগদান না করা পর্যন্ত কিংবা প্রধান বিচারপতি স্বীয় কার্যভার পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম, তিনি অনুরূপ কার্যভার পালন করিবেন।

The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 97: Temporary appointment of Chief Justice:
If the office of the Chief Justice becomes vacant, or if the President is satisfied that the Chief Justice is, on account of absence, illness, or any other cause, unable to perform the functions of his office, those functions shall, until some other person has entered upon that office, or until the Chief Justice has resumed his duties, as the case may be, be performed by the next most senior Judge of the Appellate Division.

৫৮০.
According to The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: "The Chief Justice shall be appointed by _________."
  1. The Prime Minister
  2. The President
  3. The Chief Whip
  4. The Speaker
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারক-নিয়োগ: 
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।
-----------------
⇒ Article 95. Appointment of Judges:
 (1) The Chief Justice shall be appointed by the President, and the other Judges shall be appointed by the President after consultation with the Chief Justice.
(2) A person shall not be qualified for appointment as a Judge unless he is a citizen of Bangladesh and –
(a) has, for not less than ten years, been an advocate of the Supreme Court ; or
(b) has, for not less than ten years, held judicial office in the territory of Bangladesh ; or
(c) has such qualifications as may be prescribed by law for appointment as a Judge of the Supreme Court.
 
(3) In this article, “Supreme Court” includes a court which at any time before the commencement of this Constitution exercised jurisdiction as a High Court in the territory of Bangladesh.
৫৮১.
অনুচ্ছেদ ১৪১গ অনুযায়ী, জরুরী অবস্থার সময় কোন সংবিধানিক অংশের অধিকার স্থগিত করা হতে পারে?
  1. দ্বিতীয় ভাগ
  2. তৃতীয় ভাগ
  3. চতুর্থ ভাগ
  4. পঞ্চম ভাগ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১গ- জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ:
(১) জরুরী-অবস্থা ঘোষণার কার্যকরতা-কালে প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি] আদেশের দ্বারা ঘোষণা করিতে পারিবেন যে, আদেশে উল্লেখিত এবং সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্গত মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎকরণের জন্য আদালতে মামলা রুজু করিবার অধিকার এবং আদেশে অনুরূপভাবে উল্লেখিত কোন অধিকার বলবৎকরণের জন্য কোন আদালতে বিবেচনাধীন সকল মামলা জরুরী-অবস্থা ঘোষণার কার্যকরতা-কালে কিংবা উক্ত আদেশের দ্বারা নির্ধারিত স্বল্পতর কালের জন্য স্থগিত থাকিবে। 
 
(২) সমগ্র বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশে এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত আদেশ প্রযোজ্য হইতে পারিবে। 
 
(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত প্রত্যেক আদেশ যথাসম্ভব শীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
৫৮২.
আইনশাস্ত্রে “onus probandi” এর অর্থ কোনটির সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. Burden of proof
  2. Res judicata
  3. Habeas Corpus
  4. Presumption of innocence
ব্যাখ্যা

⇒ "Onus probandi" একটি ল্যাটিন আইনি পরিভাষা যার সরাসরি অর্থ হলো "প্রমাণের ভার" বা "Burden of Proof"। এটি দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় প্রকার মামলার একটি মৌলিক নীতি, যা নির্ধারণ করে কোন পক্ষকে তার দাবি বা বক্তব্য প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে।
অর্থাৎ  আইনি পরিভাষায় এটি বোঝায় যে একটি দাবি বা অভিযোগ প্রমাণ করার দায়িত্ব কার উপর বর্তায়। যিনি কোনো বিষয়ে দাবি করেন, সাধারণত তার উপরই প্রমাণের ভার থাকে।
- Burden of proof (প্রমাণের ভার): "Onus probandi" এর সরাসরি ইংরেজি অনুবাদ।
- Res judicata: একটি ভিন্ন নীতি, যার অর্থ "বিষয়টি Already নিষ্পত্তি হয়েছে"।
- Habeas Corpus: একটি রিট, যার মাধ্যমে বেআইনি আটকদানের বিরুদ্ধে remedies নেওয়া হয়।
- Presumption of innocence: "নির্দোষতার অনুমান", যা ফৌজদারি মামলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি।
সুতরাং, "Onus Probandi" সরাসরি Burden of Proof-এর সাথেই সম্পর্কিত।

৫৮৩.
According to the Constitution, which of the following is not one of the four fundamental principles of state policy?
  1. Nationalism
  2. Socialism
  3. Democracy
  4. Capitalism
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ ৮ এ মূলনীতিসমূহ সম্পর্কে বলা আছে।

• মূলনীতিসমূহ-
- ৮৷ [(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।] 
- (২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷
- পুঁজিবাদ (Capitalism) এই চারটি মূলনীতির মধ্যে নেই।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫৮৪.
“রাজধানী” বলতে কোন অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অর্থ বোঝায়?
  1. ৩ অনুচ্ছেদ
  2. ৫ অনুচ্ছেদ
  3. ১৫১ অনুচ্ছেদ
  4. ১৫২ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৫২-
(১) বিষয় বা প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই সংবিধানে-

"রাজধানী" অর্থ এই সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদের রাজধানী বলিতে যে অর্থ করা হইয়াছে;
“the capital” has the meaning assigned to that expression in article 5;
৫৮৫.
'De facto' অর্থ কী?
  1. In Law
  2. In deed
  3. In action
  4. In fact
ব্যাখ্যা
De facto: শাব্দিক অর্থ- In fact বা According to fact. 'প্রকৃতপক্ষে' বা 'বাস্তবতায়'।
এই শব্দটি আইনি ও রাজনৈতিক প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয় এবং কোনও পরিস্থিতি, অবস্থা বা অবস্থান যা আইনগতভাবে স্বীকৃত নয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বিদ্যমান সেটিকে 'de facto' অবস্থা বলা হয়।

কূটনৈতিক (Diplomacy) ক্ষেত্রে: রাষ্ট্র হিসেবে জনসমষ্টি, সরকার, ভূ-খণ্ড, সম্পদের উপর কর্তৃত্ব, চলাচলের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের সকল আনুষ্ঠানিকতা সবই আছে, কিন্তু সার্বভৌমত্ব নেই। এককথায় সার্বভৌমত্বহীন হচ্ছে De facto. উদাহরণ- তাইওয়ান, হংকং ও গ্রিনল্যান্ড।

উদাহরণস্বরূপ:
- কোনও দেশে সামরিক বিদ্রোহের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হলে, নতুন সরকার 'de facto' ক্ষমতায় থাকতে পারে, যদিও আইনগতভাবে তারা স্বীকৃত না হন।
- কোনও ব্যক্তি একটি পদে কাজ করতে থাকলে, তিনি 'de facto' সেই পদে কর্মরত বলে গণ্য হতে পারেন, যদিও আইনগতভাবে তিনি সেই পদে নিযুক্ত না হন।

অর্থাৎ, 'de facto' শব্দটি আইনগত স্বীকৃতি না থাকলেও বাস্তবতায় বিদ্যমান অবস্থা কিংবা পরিস্থিতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
৫৮৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে নিম্নলিখিত কার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক?
  1. প্রধানমন্ত্রীর
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• পূর্বে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পীকারের কার্যালয় এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক ছিল। পরবর্তীতে সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানের ৪ক অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়। ফলে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি বাধ্যতামূলক প্রদর্শন বাতিল হয়।

অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি; রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সকল সরকারী ও আধা-সরকারী অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের প্রধান ও শাখা কার্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করিতে হইবে।

Article 4A: Portrait of the Father of the Nation
The Portrait of the Father of the Nation, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman shall be preserved and displayed at the offices of the President, the Prime Minister, the Speaker and the Chief Justice and in head and branch offices of all government and semi-government offices, autonomous bodies, statutory public authorities, government and non-government educational institutions, embassies and missions of Bangladesh abroad.
৫৮৭.
বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে নিয়োগদান করেন-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
  3. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
  4. জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:

বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।

Article 115- Appointments to subordinate courts:
Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.
৫৮৮.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সভাপতি কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. চীফ হুইপ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা
⇒ সংসদে সভাপতিত্বকারী ব্যক্তি হলেন স্পিকার। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো স্পিকারের সভাপতিত্ব। স্পিকার শুধু সভাপতিত্বকারী নন, তিনি পার্লামেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও। তাঁর কর্তৃত্ব সবাই মেনে চলেন ও শ্রদ্ধা করেন। স্পিকারকে পার্লামেন্টের অভিভাবক বলা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান: স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার:
 (১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।
(২) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-

(ক) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
(খ) তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
(গ) পদ হইতে তাঁহার অপসারণ দাবী করিয়া মোট সংসদ-সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত কোন প্রস্তাব (প্রস্তাবটি উত্থাপনের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া অন্যূন চৌদ্দ দিনের নোটিশ প্রদানের পর) সংসদে গৃহীত হয়;
(ঘ) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
(ঙ) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর অন্য কোন সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণ করেন; অথবা
(চ) ডেপুটি স্পীকারের ক্ষেত্রে, তিনি স্পীকারের পদে যোগদান করেন।

(৩) স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি [রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে] কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে স্পীকার (কিংবা ডেপুটি স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে ডেপুটি স্পীকার) উপস্থিত থাকিলেও সভাপতিত্ব করিবেন না এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিকালীন বৈঠক সম্পর্কে প্রযোজ্য বিধানাবলী অনুরূপ প্রত্যেক বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৫) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব সংসদে বিবেচিত হইবার কালে ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের কথা বলিবার ও সংসদের কার্যধারায় অন্যভাবে অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে এবং তিনি কেবল সদস্যরূপে ভোটদানের অধিকারী হইবেন।

(৬) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁহার উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৫৮৯.
সংসদে অধ্যাদেশ উপস্থাপনের পর কতদিনের মধ্যে তা অনুমোদন না হলে কার্যকারিতা লোপ পায়?
  1. ১৪ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, অনুচ্ছেদ ৯৩(১)-এর অধীনে প্রণীত কোনো অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপনের পর, ইতঃপূর্বে বাতিল না হলে, উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হলে অথবা ত্রিশ দিনের মধ্যে সংসদ কর্তৃক অননুমোদনের প্রস্তাব গৃহীত হলে অধ্যাদেশটির কার্যকারিতা লোপ পাবে।

অর্থাৎ সংসদে অধ্যাদেশ উপস্থাপনের পর ৩০ দিনের মধ্যে তা অনুমোদন না হলে তার কার্যকারিতা লোপ পায়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ৩০ দিন।

৫৯০.
"Ex injuria jus non oritur" শব্দগুচ্ছ দ্বারা কী বোঝায়?
  1. ক্ষমতাই আইন
  2. ন্যায় বিচারই শেষ কথা
  3. অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম নেয় না
  4. আইনের চোখে সবাই সমান
ব্যাখ্যা
• Ex injuria jus non oritur
- একটি গুরুত্বপূর্ণ ল্যাটিন আইনগত প্রবচন (legal maxim),
- যার অর্থ হলো: “অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম হয় না।”

এটি আন্তর্জাতিক আইনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিচারব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোনো অবৈধ বা অন্যায় কাজ করে কেউ তার পক্ষে আইনি অধিকার দাবি করতে পারে না।
৫৯১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সংসদের স্থায়ী কমিটির বিধান আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ:

(১) সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সদস্য লইয়া সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবেন:
(ক) সরকারী হিসাব কমিটি;
(খ) বিশেষ-অধিকার কমিটি; এবং
(গ) সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।

(২) সংসদ এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত কমিটিসমূহের অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করিবেন এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত কোন কমিটি এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে
(ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করিতে পারিবেন;
(খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করিতে পারিবেন;
(গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলিয়া সংসদ কোন বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিলে সেই বিষয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের কার্য বা প্রশাসন সম্বন্ধে অনুসন্ধান বা তদন্ত করিতে পারিবেন এবং কোন মন্ত্রণালয়ের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহের এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তরলাভের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;
(ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।

(৩) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের অধীন নিযুক্ত কমিটিসমূহকে
(ক) সাক্ষীদের হাজিরা বলবৎ করিবার এবং শপথ, ঘোষণা বা অন্য কোন উপায়ের অধীন করিয়া তাঁহাদের সাক্ষ্যগ্রহণের,
(খ) দলিলপত্র দাখিল করিতে বাধ্য করিবার ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।
৫৯২.
The Maxim 'Ignorantia facti excusat' means-
  1. Ignorance of fact is an excuse
  2. Ignorance of law is an excuse
  3. Ignorance of fact is no excuse
  4. Ignorance of law is no excuse
ব্যাখ্যা
• Ignorantia facti excusat : Ignorance of fact is an excuse.

Definition: This means that if someone does something wrong because they didn't know all the facts, they might not be punished for it.

ঘটনাগত ভুল (Mistake of Fact)

ঘটনাগত ভুল বা Mistake of Fact হলো অঘটনজনিত কোন ভুল এটা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কোন ভুল না। দণ্ডবিধির ৭৬ ধারায় বলা হয়েছে-
'কোন কিছু অপরাধ না যা সম্পাদিত হয় এমন ব্যক্তি দ্বারা যে আইনগত ভুলের কারণে নয় বরং ঘটনাগত ভুলের কারণে সরল বিশ্বাসে নিজেকে কাজটি করতে আইনবলে বাধ্যবলে বিশ্বাস করে।'

যেমন- পুলিশ 'A'- কে 'B' মনে করে সরল বিশ্বাসে 'B' কে গ্রেফতার করে। এটা Mistake of Fact বা ঘটনাগত ভুল এবং এটা কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না। ঘটনার অজ্ঞতা বা ঘটনা জানি না ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতির অজুহাত হতে পারে (ignorance of fact is excusable)।

উল্লেখ্য,
আইনগত ভুল বা Mistake of Law অর্থ হলো কোন প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে বিদ্যমান আইন বা অন্যভাবে কোন আইন সম্পর্কে ভুল ধারণা এবং একই সাথে আইন কি সেই সম্পর্কে ভুল ধারণা। আইন জানিনা এই কারণে কোন ব্যক্তি ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতি পেতে পারে না কারণ আইন জানিনা এটা ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতি পাওয়ার কোন অজুহাত হতে পারে না (Ignorance of law is no excuse)।
৫৯৩.
De jure শব্দের অর্থ কী?
  1. In fact
  2. In law
  3. indeed
  4. in action
ব্যাখ্যা
De Jure: শাব্দিক অর্থ হচ্ছে In law বা According to law.

- 'de jure' একটি ল্যাটিন phrase. 
- যার বাংলা অর্থ আইনগত ভাবে বিদ্যমান।
- এটার বিপরীত De facto বা in action.
৫৯৪.
সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন নাগরিক রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ছাড়া কী গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব
  2. বিদেশী রাষ্ট্রের সম্মান
  3. বিদেশী রাষ্ট্রের পুরস্কার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩০ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ছাড়া কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করতে পারবেন না।
- এই বিধান নাগরিকদের জন্য বিদেশী রাষ্ট্র থেকে সম্মান বা পুরস্কার গ্রহণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে।
- এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা রক্ষা করা এবং বিদেশী রাষ্ট্রের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা।

⇒ প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলো হলো:
ক) বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব: যেমন নাইটহুড, স্যার, ডেম ইত্যাদি।
খ) বিদেশী রাষ্ট্রের সম্মান: কোনো বিশেষ সম্মাননা বা পদক।
গ) বিদেশী রাষ্ট্রের পুরস্কার: কোনো আন্তর্জাতিক পুরস্কার বা স্বীকৃতি।
ঘ) উপরের সবগুলো: অর্থাৎ খেতাব, সম্মান ও পুরস্কার সবই।
⇒ যেহেতু সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদে খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ সবই উল্লেখ আছে, তাই সঠিক উত্তর হবে ঘ) উপরের সবগুলো।

সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদের মূল উদ্দেশ্য:
এই বিধানটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বিদেশী রাষ্ট্রের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি নিশ্চিত করে যে, কোনো নাগরিক বিদেশী রাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো ধরনের সম্মান বা পুরস্কার গ্রহণ করলে তা যেন রাষ্ট্রের মর্যাদা বা নিরাপত্তাকে প্রভাবিত না করে।

সুতরাং, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো নাগরিক বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব, সম্মান বা পুরস্কার গ্রহণ করতে পারবেন না।
৫৯৫.
No person shall be deprived of life or personal liberty ____ in accordance with law.
  1. except
  2. save
  3. save & except
  4. provided
ব্যাখ্যা
Article 32: Protection of right to life and personal liberty

No person shall be deprived of life or personal liberty save in accordance with law.

অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ

আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।
৫৯৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অধীনে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন গঠনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ১১৪
  2. ১১৫
  3. ১১৬
  4. ১১৬ক
ব্যাখ্যা
অধস্তন আদালত:
অনুচ্ছেদ ১১৪ এর বিধান অধস্তন আদালত-সমূহ প্রতিষ্ঠা:
- আইনের দ্বারা যেরূপ প্রতিষ্ঠিত হইবে, সুপ্রীম কোর্ট ব্যতীত সেইরূপ অন্যান্য অধস্তন আদালত থাকিবে।

অনুচ্ছেদ ১১৫ এর বিধান অধস্তন আদালতে নিয়োগ:

- বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।

অনুচ্ছেদ ১১৬ এর বিধানঅধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
- বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

অনুচ্ছেদ ১১৬ক এর বিধান বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন:
 - এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।

অনুচ্ছেদ ১১৫ : অধস্তন আদালতে নিয়োগ  'বিচার বিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন।' 
সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা বলেই 'বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন' গঠনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
BJSC'র রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি: বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন বিধিমালা, ২০০৭।
৫৯৭.
নিম্নের কোনটি অর্থবিলের বিষয় নয়?
  1. কোনো কর আরোপ
  2. স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
  3. সরকারের হিসাব নিরীক্ষা
  4. সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ কোন কোন বিল 'অর্থ বিল' বলে গণ্য হয় সেটা সংবিধানের ৮১ (১) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, যে সকল বিল 'অর্থ বিল' না সেগুলো সংবিধানের ৮১ (২) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। সংবিধানের ৮১ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ সংক্রান্ত বিল, অর্থ বিল না।


⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদের বিধান: অর্থবিল:
 (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে: 

(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
 
(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
 
(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
-----------
⇒ Article 81 Money Bills:
 (1) In this Part “Money Bill” means a Bill containing only provisions dealing with all or any of the following matters – 

(a) the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax; 
(b) the borrowing of money or the giving of any guarantee by the Government, or the amendment of any law relating to the financial obligations of the Government; 
(c) the custody of the Consolidated Fund, the payment of money into, or the issue or appropriation of moneys from, that Fund; 
(d) the imposition of a charge upon the Consolidated Fund or the alteration or abolition of any such charge; 
(e) the receipt of moneys on account of the Consolidated Fund or the Public Account of the Republic, or the custody or issue of such moneys, or the audit of the accounts of the Government; 
(f) any subordinate matter incidental to any of the matters specified in the foregoing sub clauses. 

(2) A Bill shall not be deemed to be a Money Bill by reason only that it provides for the imposition or alteration of any fine or other pecuniary penalty, or for the levy or payment of a licence fee or a fee or charge for any service rendered, or by reason only that it provides for the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax by a local authority or body for local purposes. 

(3) Every Money Bill shall, when it is presented to the President for his assent, bear a certificate under the hand of the Speaker that it is a Money Bill, and such certificate shall be conclusive for all purposes and shall not be questioned in any court.
৫৯৮.
No election to the office of President or to Parliament shall be called in question except by _______ presented to such authority and in such manner as may be provided for by or under any law made by Parliament. 
  1. a writ petition
  2. an election petition
  3. public petition
  4. none of above
ব্যাখ্যা
Article 125: Validity of election law and elections

Notwithstanding anything in this Constitution – 
(a) the validity of any law relating to the delimitation of constituencies, or the allotment of seats to such constituencies, made or purporting to be made under article 124, shall not be called in question in any court; 
 
(b) no election to the office of President or to Parliament shall be called in question except by an election petition presented to such authority and in such manner as may be provided for by or under any law made by Parliament. 
 
(c) A court shall not pass any order or direction, ad interim or otherwise, in relation to an election for which schedule has been announced, unless the Election Commission has been given reasonable notice and an opportunity of being heard.

অনুচ্ছেদ ১২৫: নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা

এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-

(ক) এই সংবিধানের ১২৪ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বা প্রণীত বলিয়া বিবেচিত নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ, কিংবা অনুরূপ নির্বাচনী এলাকার জন্য আসন-বণ্টন সম্পর্কিত যে কোন আইনের বৈধতা সম্পর্কে আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না;

(খ) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনের দ্বারা বা অধীন বিধান-অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের নিকট এবং অনুরূপভাবে নির্ধারিত প্রণালীতে নির্বাচনী দরখাস্ত ব্যতীত রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন বা সংসদের কোন নির্বাচন সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

(গ) কোন আদালত, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হইয়াছে এইরূপ কোন নির্বাচনের বিষয়ে, নির্বাচন কমিশনকে যুক্তিসংগত নোটিশ ও শুনানির সুযোগ প্রদান না করিয়া, অন্তর্বর্তী বা অন্য কোনরূপে কোন আদেশ বা নির্দেশ প্রদান করিবেন না।
৫৯৯.
কোন বিচারপতি 'Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989)' মামলার মূল রায় লিখেছেন?
  1. বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ
  2. বিচারপতি এম.এইচ রহমান
  3. এ.টি.এম আফজাল
  4. বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
৮ম সংশোধনী মামলা:
 
মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: '৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.
রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
 
মামলার বিচারক: এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।
Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।

Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
 
Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
৬০০.
“Due Process of Law” ধারণাটি সর্বপ্রথম কোন সনদে স্পষ্টভাবে উল্লেখিত হয়?
  1. Bill of Rights 1689
  2. Magna Carta 1215
  3. US Constitution 1787
  4. French Declaration 1789
ব্যাখ্যা

⇒ "Due Process of Law" বা "যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া" ধারণাটির মূল উৎস হলো ম্যাগনা কার্টা (Magna Carta), ১২১৫। এটি ইংল্যান্ডের রাজা জনের সাথে বিদ্রোহী ব্যারনদের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক সনদ। ইংল্যান্ডের রাজা জন কর্তৃক স্বাক্ষরিত এই সনদ ম্যাগনা কার্টার ধারা ৩৯ (Clause 39) এ বলা হয়েছে:
"No free man shall be seized or imprisoned, or stripped of his rights or possessions, or outlawed or exiled, or deprived of his standing in any other way, nor will we proceed with force against him, or send others to do so, except by the lawful judgment of his equals or by the law of the land."
- এখানে "by the law of the land" (ভূমির আইন অনুযায়ী) বাক্যাংশটিই হলো "Due Process of Law" ধারণার প্রাথমিক রূপ। এর অর্থ হলো, রাজা বা সরকার কোনো ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাচারীভাবে গ্রেপ্তার, কারাদণ্ড বা তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারবে না; এর জন্য দেশের প্রতিষ্ঠিত আইন অনুসরণ করা আবশ্যক।
- ১৭শ শতকে বিখ্যাত ইংরেজ আইনবিদ স্যার এডওয়ার্ড কোক (Sir Edward Coke) "law of the land" শব্দটিকে "Due Process of Law" হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তার এই ব্যাখ্যা ইংরেজ আইনে এবং পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনি ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব ফেলে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ৫ম ও ১৪তম সংশোধনীতে এই ধারণাটি সরাসরি "Due Process of Law" শব্দে স্থান পায়।

অন্যান্য  অপশনগুলোর:
ক) Bill of Rights 1689: এটি ইংল্যান্ডের রাজতন্ত্রের ক্ষমতা সীমিত করে এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রতি গুরুত্বারোপ করলেও "Due Process" ধারণার উৎস নয়। এটি ম্যাগনা কার্টার দেওয়া অধিকারগুলোকে আরও শক্তিশালী করে।
গ) US Constitution 1787: মার্কিন সংবিধানে "Due Process of Law" ধারণাটি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, কিন্তু এটি সর্বপ্রথম উল্লেখিত হয়নি। এটি ম্যাগনা কার্টা থেকে ধারণাটি গ্রহণ করেছে।
ঘ) French Declaration 1789: এটি মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল, তবে এটি অ্যাংলো-আমেরিকান আইনি ঐতিহ্যের "Due Process of Law" ধারণার বাইরে।
সুতরাং, "Due Process of Law" ধারণার সর্বপ্রথম এবং মৌলিক উল্লেখ পাওয়া যায় ম্যাগনা কার্টা, ১২১৫-এ (Magna Carta 1215)।