বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Constitutional Law

মোট প্রশ্ন৭৩১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Constitutional Law

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৭৩১

২০১.
'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন' বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে এই বিধান বলা আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ১১০ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৩ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
 ⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা:
 প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।
-----------
⇒ Article 112. Action in aid of Supreme Court:
 All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.
২০২.
নিম্নের কোন রিটের জন্য যে কোনো ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন?
  1. Writ of Certiorari
  2. Writ of Prohibition 
  3. Writ of Mandamus
  4. Writ of Quo Warranto
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (২)(খ) ধারায় উল্লিখিত Writ of Quo Warranto (কারণ দর্শাও রিট) এবং Writ of Habeas Corpus-এর জন্য যে কোনো ব্যক্তি (কোনো সংক্ষুদ্ধতা ছাড়াই) আবেদন করতে পারেন। এটি পাবলিক অফিসারের অধিকার বা যোগ্যতার বৈধতা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যান্য বিকল্পগুলো (Certiorari, Prohibition, Mandamus) ১০২(২)(ক) ধারার অধীনে পড়ে, যেখানে শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ বা প্রভাবিত ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন।

• রিট [Writ]:
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল।

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-
⇒ ১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

⇒ ১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

২০৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লিখিত মূলনীতিগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সমাজতন্ত্র
  2. জাতীয়তাবাদ
  3. ধর্মনিরপেক্ষতা
  4. সাম্রাজ্যবাদ
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে বীর জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা মহান আদর্শগুলো হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। এই চারটি নীতি সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রস্তাবনায় এই নীতিগুলোর উপর জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, এগুলো বাংলাদেশের জনগণের মুক্তি সংগ্রামের প্রেরণার উৎস ছিল এবং এই সংবিধানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

→ কিন্তু সাম্রাজ্যবাদ এই প্রস্তাবনায় কোথাও মূলনীতি হিসেবে উল্লেখিত নয়। সাম্রাজ্যবাদ একটি রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক ধারণা, যা সাধারণত একটি দেশের অন্য দেশের উপর আধিপত্য বিস্তারের সাথে সম্পর্কিত। বাংলাদেশের সংবিধানে এটি কোনো ইতিবাচক আদর্শ বা মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি। বরং, সংবিধানে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাম্রাজ্যবাদের বিপরীত ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
→ অর্থাৎ সংবিধানের প্রস্তাবনায় জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, এবং ধর্মনিরপেক্ষতা মূলনীতি হিসেবে উল্লেখিত, কিন্তু সাম্রাজ্যবাদ এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সাম্রাজ্যবাদ।

২০৪.
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তৃত্বে প্রণীত চুক্তি ও দলিলকে কার কর্তৃক প্রণীত বলে প্রকাশ করা হবে?
  1. সংসদ
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫- চুক্তি ও দলিল:
(১) প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তত্বে প্রণীত সকল চুক্তি ও দলিল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বলিয়া প্রকাশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি যেরূপ নির্দেশ বা ক্ষমতা প্রদান করিবেন, তাঁহার পক্ষে সেইরূপ ব্যক্তি কর্তৃক ও সেইরূপ প্রণালীতে তাহা সম্পাদিত হইবে।

(২) প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তৃত্বে কোন চুক্তি বা দলিল প্রণয়ন বা সম্পাদন করা হইলে উক্ত কর্তৃত্বে অনুরূপ চুক্তি বা দলিল প্রণয়ন বা সম্পাদন করিবার জন্য রাষ্ট্রপতি কিংবা অন্য কোন ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হইবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদ সরকারের বিরুদ্ধে যথাযথ কার্যধারা আনয়নে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুণ্ণ করিবে না।
২০৫.
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any-
  1. court
  2. tribunal
  3. other authority
  4. all of above
ব্যাখ্যা
Article 49: Prerogative of mercy
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority.

অনুচ্ছেদ ৪৯: ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।
২০৬.
অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুসারে, বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধান করা হয়—
  1. শুধুমাত্র সুপ্রীম কোর্টের মাধ্যমে
  2. জাতীয় সংসদ কর্তৃক সরাসরি
  3. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক, প্রধান বিচারপতির পরামর্শে
  4. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক, সুপ্রীম কোর্টের পরামর্শে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৬: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

[Control and discipline of subordinate courts-
The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.]
২০৭.
According to the Interpretation clause of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh, The State doesn't include-
  1. the President
  2. the Government
  3. the Parliament
  4. statutory public authorities
ব্যাখ্যা
Article 152: Interpretation clause
“the State” includes Parliament, the Government and statutory public authorities;

অনুচ্ছেদ ১৫২:
"রাষ্ট্র" বলিতে সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ অন্তর্ভুক্ত;
২০৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র জাতীয় ভাষা, সাহিত্য ও শিল্পকলাসমূহের উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩ক
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৩
  4. অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি

রাষ্ট্র জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার রক্ষণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন এবং জাতীয় ভাষা, সাহিত্য ও শিল্পকলাসমূহের এমন পরিপোষণ ও উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন, যাহাতে সর্বস্তরের জনগণ জাতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধিতে অবদান রাখিবার ও অংশগ্রহণ করিবার সুযোগ লাভ করিতে পারেন৷

Article 23: National Culture
The State shall adopt measures to conserve the cultural traditions and heritage of the people, and so to foster and improve the national language, literature and the arts that all sections of the people are afforded the opportunity to contribute towards and to participate in the enrichment of the national culture.
২০৯.
'The Prime Minister shall keep the President informed on matters of domestic and foreign policy.' - বিধানটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে দেয়া আছে?
  1. ৫৬ অনুচ্ছেদে
  2. ৫৫ অনুচ্ছেদে
  3. ৪৮ অনুচ্ছেদে
  4. ৫৮ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
Article 48: The President-

(1) There shall be a President of Bangladesh who shall be elected by members of Parliament in accordance with law. 

(2) The President shall, as Head of State, take precedence over all other persons in the State, and shall exercise the powers and perform the duties conferred and imposed on him by this Constitution and by any other law. 

(3) In the exercise of all his functions, save only that of appointing the Prime Minister pursuant to clause (3) of article 56 and the Chief Justice pursuant to clause (1) of article 95, the President shall act in accordance with the advice of the Prime Minister: 
Provided that the question whether any, and if so what, advice has been tendered by the Prime Minister to the President shall not be enquired into in any court. 
 
(4) A person shall not be qualified for election as President if he – 
(a) is less than thirty five years of age; or  
(b) is not qualified for election as a member of Parliament; or 
(c) has been removed from the office of President by impeachment under this Constitution. 

(5) The Prime Minister shall keep the President informed on matters of domestic and foreign policy, and submit for the consideration of the Cabinet any matter which the President may request him to refer to it.

অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি-

(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না। 
 
(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 
 
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।
২১০.
আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রের নীতির কথা বলা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৫
  4. অনুচ্ছেদ ২৬
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন সংক্রান্ত রাষ্ট্রের নীতি অনুচ্ছেদ ২৫-এ উল্লেখ করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ সমাধান, শক্তিপ্রয়োগ পরিহার, এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে। এতে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম শান্তি এবং সমতার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন:
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র 
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন; 
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং 
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷
২১১.
সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্বের কথা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ১৫
  2. ১৬
  3. ১৭
  4. ১৮ক
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। ১৭ অনুচ্ছেদের (ক) উপ- অনুচ্ছেদে আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের কথা বলা হয়েছে। অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কোন নির্দিষ্ট স্তর উল্লেখ করা হয়নি বরং বিষয়টি আইন দ্বারা নির্ধারণ করার কথা বলা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি, ২০১০-এ বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা হবে সার্বজনীন, বাধ্যতামূলক, অবৈতনিক এবং সকলের জন্য একই মানের। সুতরাং, রাষ্ট্র নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে শুধুমাত্র প্রাথমিক শিক্ষা সার্বজনীন, বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক হিসাবে ঘোষণা করেছে। এছাড়া রাষ্ট্র নিরক্ষরতা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অনুচ্ছেদ: ১৭- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
রাষ্ট্র,
ক) একই পদ্ধতির প্রণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
খ) সমাজের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য; ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 17: Free and compulsory education

The State shall adopt effective measures for the purpose of –
(a) establishing a uniform, mass oriented and universal system of education and extending free and compulsory education to all children to such stage as may be determined by law;
(b) relating education to the needs of society and producing properly trained and motivated citizens to serve those needs; 
(c) removing illiteracy within such time as may be determined by law.
২১২.
"In Re" কথাটির দ্বারা কী বুঝায়?
  1. In reference to
  2. In the matter of
  3. In the whole
  4. It is begun
ব্যাখ্যা
Latin Term "In Re" - এর ইংরেজি অর্থ হলো- in the matter of.

'with regard to' সাধারণত কোনো case law refer করার সময় এটি ব্যবহার হয়। যেমন:

In Re: Berubari Case (1974);
In Re: Marbury vs James Madision Case (1803).
২১৩.
সংবিধান অনুযায়ী, “রাষ্ট্র” বলতে বোঝায়-
  1. সংসদ
  2. সরকার
  3. সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৫২-
"রাষ্ট্র" বলিতে সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ অন্তর্ভুক্ত;

“the State” includes Parliament, the Government and statutory public authorities;
২১৪.
হাইকোর্ট সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করে কবে?
  1. ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  3. ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  4. ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।

গুরত্বপূর্ণ কিছু সংশোধনী:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও গণভোট পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয় এই রায়ের মাধ্যমে।
২১৫.
আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া ____ মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি।
  1. জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের
  2. বাংলাদেশের মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের
  3. জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের
  4. প্রজাতন্ত্রের মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা:

- আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;
 
- আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল -জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে ;
 
- আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;
 
- আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;
 
- এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।
২১৬.
সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য কোন আদালতে মামলা করা যাবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা আদালত
  3. মহানগর আদালত
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
৪৪(১) অনুচ্ছেদ:
এই অনুচ্ছেদের অধীনে, সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করানোর জন্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট মামলা দায়ের করা যায়।
৪৪(২) অনুচ্ছেদ:
সংসদ যদি চায়, তাহলে আইনের মাধ্যমে অন্য কোনো আদালতকেও নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে এই ক্ষমতা প্রয়োগের অনুমতি দিতে পারে। তবে বর্তমানে শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগই মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের মামলার এখতিয়ারভুক্ত আদালত।

→ অর্থাৎ মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের প্রতিকার পেতে সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করতে হয়।
২১৭.
The General Clauses Act,1897 এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে কোন আইন বা বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. দণ্ডবিধি
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act,1897: ধারা ২৫: জরিমানা আদায়:
যে কোন আইন, বিধি (Regulation), নিয়ম বা উপ-নিয়ম (bye-law) অনুযায়ী আরোপিত জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে, যদি সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি বা নিয়মে এ বিষয়ে বিশেষভাবে অন্য কিছু বলা না থাকে, তবে তখন বর্তমানে প্রযোজ্য দণ্ডবিধি (Sections 63–70) এবং ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুযায়ী জারি ও কার্যকরীকরণের বিধান প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ, সাধারণ নিয়মে জরিমানা আদায়ে দণ্ডবিধি ও দণ্ডবিধি কার্যবিধির বিধানগুলো প্রযোজ্য থাকবে, যতক্ষণ না কোনো আইন বা নিয়মে এর বিপরীত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকে।

২১৮.
Kazi Mukhlesur Rahman vs. Bangladesh 26 DLR (SC) (Berubari Case) is also known as the-
  1. Second Amendment Case
  2. Third Amendment Case
  3. Fourth Amendment Case
  4. Fifth Amendment Case
ব্যাখ্যা
• মামলার পূর্ণ নাম: Kazi Mukhlesur Rahman vs Bangladesh and another, 1974, 26 DLR (SC) (1974) 44;
অন্য নাম: 'বেরুবাড়ী মামলা', 'Third Amendment Case'.

রায় ঘোষণা: ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪; আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেন।
রায় কার্যকর: ২৮ নভেম্বর, ১৯৭৪

Author Judge: ASM Sayem CJ.

মামলার বিচারক: এ মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি ছিলেন:
০১. ASM Sayeem CJ.
০২. Abdullah Jabir J.
০৩. AB Mahmud Hussain J.
0৪. Ahsanuddin Chowdhury J.

প্রেক্ষাপট:
১৬ মে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমানা চুক্তি/ছিটমহল বিনিময় চুক্তি দিল্লীতে স্বাক্ষরিত হলে বেরুবাড়ী ইউনিয়ন ভারতের মানচিত্রভুক্ত হয়; যা তৎকালীন সংবিধান-বহির্ভূত। ফলে বেরুবাড়ী ইউনিয়নবাসীর পক্ষে HCD-এ জনস্বার্থে আইনজীবী মোখলেছুর রহমান রিট করেন। ফলে HCD সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি বলবৎ করার আদেশ দিলে ৩য় সংশোধনী পাশ করে আর্টিকেল ২ সংশোধন করা হয় এবং চুক্তি কার্যকর করা হয়।

মামলাটির সাথে একাধিক নাম জড়িত বিধায় বেরুবাড়ী মামলা, ৩য় সংশোধনী মামলা ইত্যাদি একাধিক নামে পরিচিত।
২১৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৪(৩) অনুসারে অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে কী ধরনের অধিকার রয়েছে?
  1. রায় দেওয়ার অধিকার
  2. বক্তব্য পেশ করার অধিকার
  3. মামলা দায়ের করার অধিকার
  4. বিচারকদের নিয়োগ দেওয়ার অধিকার
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৪(৩)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।"
- এটি Right of Audience হিসেবে পরিচিত। অর্থাৎ, অ্যাটর্নি-জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে বাংলাদেশের যেকোনো আদালতে সরাসরি বক্তব্য পেশ করতে পারেন। এটি শুধুমাত্র বক্তব্য পেশের অধিকার—মামলা দায়ের করা বা রায় দেওয়ার ক্ষমতা নয়।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল: 
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

⇒ Article 64: The Attorney-General:
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.

২২০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে "কোর্ট অব রেকর্ড" ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ১০৭ অনুচ্ছেদ
  2. ১০৮ অনুচ্ছেদ
  3. ১০৯ অনুচ্ছেদ
  4. ১১১ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: "সুপ্রীম কোর্ট একটি 'কোর্ট অব রেকর্ড' হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।"
- অর্থাৎ, এই অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে "Court of Record" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

"Court of Record" অর্থ এমন একটি আদালত: যার রায়, আদেশ, ও কার্যক্রম লিখিতভাবে রেকর্ড হয় এবং ভবিষ্যতে উদাহরণ বা নজির হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- যার কাছে contempt of court (আদালত অবমাননা) সংক্রান্ত মামলায় বিচার ও শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা থাকে।
২২১.
According to Article 63(1) of constitution, when can the Republic declare war?
  1. Without any approval
  2. At the discretion of the President
  3. With the assent of Parliament
  4. At the discretion of the Prime Minister
ব্যাখ্যা

Article 63: War:
(1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.

​অনুচ্ছেদ ৬৩: যুদ্ধ:
(১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না।

২২২.
হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি এমন একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য কে ছিলেন?
  1. আব্দুর রউফ
  2. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  3. শাহ আজিজুর রহমান
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানে একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য যিনি স্বাক্ষর করেননি, তিনি হলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

→ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বাংলাদেশের গণপরিষদের সদস্য ছিলেন এবং সংবিধান প্রণয়নের সময় তিনি বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।
- তবে তিনি বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি, এবং তার এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক কারণে বিরোধিতা ছিল।
২২৩.
নিম্নের কোন কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করা যাবে?
  1. মানসিক অসামর্থ্যের কারণে
  2. গুরুতর অসদাচারণের অভিযোগে
  3. শারিরীকভাবে অক্ষম হলে
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের বিধান রাষ্ট্রপতির অভিশংসন:

(১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।
(২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন।
(৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।
(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।
(৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।
২২৪.
অ্যাটর্নি-জেনারেল কার কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করেন?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগ দান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন। 

The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh - Article 64. The Attorney-General:
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.

২২৫.
"One Thing a judge must never do. He must never lose his temper. However sorely tried" উক্তিটি কার?
  1. Lord Diplock
  2. Lord Denning
  3. Lord Kenyon
  4. Thomas Fuller
ব্যাখ্যা
• Baron Alfred Tom Denning, OM, PC, DL (23 January 1899 – 5 March 1999) was a British barrister and judge.

- Lord Denning always emphasised that a Judge must be cool, quiet and sober.

- He stated: "One thing a Judge must never do. He must never lose his temper."
২২৬.
What does Article 19(2) of constitution require the State to remove?
  1. Political differences
  2. Religious differences
  3. Foreign influences
  4. Social and economic inequality
ব্যাখ্যা

Article 19: Equality of opportunity:
(1) The State shall endeavour to ensure equality of opportunity to all citizens.

​(2) The State shall adopt effective measures to remove social and economic inequality between man and man and to ensure the equitable distribution of wealth among citizens, and of opportunities in order to attain a uniform level of economic development throughout the Republic.

​(3) The State Shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life.

​অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা:
(১) সকল নাগরিকের অন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে।
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
(৩) জাতীয় জীবনের সর্স্তররে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।।

২২৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৩৭ অনুচ্ছেদে
  2. ১৩৮ অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৯ অনুচ্ছেদে
  4. ১৪০ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

সংবিধানের -
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
-  ১৪১ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৩৯- পদের মেয়াদ:

(১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য তাঁহার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর বা তাঁহার পয়ষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে যাহা অগ্রে ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্টের কোন বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য অপসারিত হইবেন না।

(৩) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

(৪) কর্মাবসানের পর কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য প্রজাতন্ত্রের কর্মে পুনরায় নিযুক্ত হইবার যোগ্য থাকিবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদের (১) দফা-সাপেক্ষে
(ক) কর্মাবসানের পর কোন সভাপতি এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন; এবং
(খ) কর্মাবসানের পর কোন সদস্য (সভাপতি ব্যতীত) এক মেয়াদের জন্য কিংবা কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতিরূপে নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন।
২২৮.
'All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.' - বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে এই বিধান আছে?
  1. ১১০ অনুচ্ছেদে
  2. ১১১ অনুচ্ছেদে
  3. ১১২ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৪ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা:
 প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।

Article 112. Action in aid of Supreme Court:
All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.

২২৯.
The maxim 'Qui priorest tempore priorest jure' indicates-
  1. Doctrine of Double Jeopardy
  2. Doctrine of Supremacy of Law
  3. Doctrine of Guilty mind
  4. Doctrine of Priority
ব্যাখ্যা
• Qui priorest tempore priorest jure

- সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী হবেন আইনের দিক হতে তিনিই সুবিধা পাবেন।
- He who is prior in time is better in law.

১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর ৪৮ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। যখন কোন ব্যক্তি সম্পত্তির এমন স্বত্ত্ব বিভিন্ন সময়ে হস্তান্তর করে যা একত্র অবস্থানযোগ্য নয় তখন পরবর্তী হস্তান্তর পূর্ববর্তী হস্তান্তরের অধীন হবে। এই নীতি কেবলমাত্র তখনই প্রয়োগ করা যায় যখন হস্তান্তর সিদ্ধ ও সম্পূর্ণ হয়। দু'টি হস্তান্তরের মধ্যে যদি দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় এবং একটির আইনানুগ কার্যকারিতা নষ্ট না করে যদি অপরটি কার্যকর করা না যায় তখনই অগ্রাধিকারের এই নীতি প্রয়োগের প্রয়োজন হয়। এই প্রবচনের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে 'Doctrine of priority'-র উৎপত্তি হয়েছে।
২৩০.
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা নামে পরিচিত-
  1. Kesavanda Bharati v/s State of Kerala
  2. Secretary, Ministry of Finance v/s Md Masdar Hossain and others
  3. Anwar Hossain Chowdury v. Bangladesh
  4. Kazi Mukhlesur Rahman vs. Bangladesh
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা:

সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত 'নির্বাহী বিভাগ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ' সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়েছে Secretary, Ministry of Finance vs Md Masdar Hossain and others মামলায় যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা বা মাসদার হোসেন মামলা নামে পরিচিত। এই রিট দায়ের করে ২২৩ জন যারা ছিল জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ বা অধস্তন বিচারক বা নিম্ন আদালতের অন্যান্য বিচারক। ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে রীটটি দায়ের করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে। সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করলে, আপীল বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।

এই রায়ের প্রধান অংশ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল/ কর্তৃক লিখিত এবং পঠিত হয়েছিল। এবং এই কারণে তাকে এই মামলার Author Judge বলা হয়। ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হতে পৃথক হয়।

Kazi Mukhlesur Rahman vs. Bangladesh
এই মামলার আলোকে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সীমানা সংক্রান্ত চুক্তি বা দিল্লি চুক্তি বাস্তবায়ন করতে ১৯৭৪ সালের ২৮ শে নভেম্বর সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ২নং অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। এই মামলাটি বেরুবাড়ী কেস বা তৃতীয় সংশোধনী মামলা [Third Amendment Case] নামে পরিচিত।

Kesavanda Bharati v. State of Kerala
এই মামলায় বলা হয়েছে, আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার পৃথকীকরণ সংবিধানের একটি মৌল কাঠামো [Basic Features]।

• আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বনাম বাংলাদেশ
এটা ৮ম সংশোধনী মামলা বা মৌল কাঠামো মতবাদ সংক্রান্ত মামলা নামেও পরিচিত। ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের বৈধতা Anwar Hossain Chowdury v. Bangladesh মামলায় চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল। ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধানের মৌল কাঠামো ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান বর্হিভূত বা ultra vires of the Constitution এবং বাতিল বলে ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপীল বিভাগ রায় ঘোষণা করে।
২৩১.
সংবিধানের ৭৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদের প্রথম বৈঠকে কাকে নির্বাচন করা হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান: স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার:
(১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।

(২) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
(খ) তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
(গ) পদ হইতে তাঁহার অপসারণ দাবী করিয়া মোট সংসদ-সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত কোন প্রস্তাব (প্রস্তাবটি উত্থাপনের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া অন্যূন চৌদ্দ দিনের নোটিশ প্রদানের পর) সংসদে গৃহীত হয়;
(ঘ) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
(ঙ) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর অন্য কোন সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণ করেন; অথবা
(চ) ডেপুটি স্পীকারের ক্ষেত্রে, তিনি স্পীকারের পদে যোগদান করেন।

(৩) স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি [রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে] কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে স্পীকার (কিংবা ডেপুটি স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে ডেপুটি স্পীকার) উপস্থিত থাকিলেও সভাপতিত্ব করিবেন না এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিকালীন বৈঠক সম্পর্কে প্রযোজ্য বিধানাবলী অনুরূপ প্রত্যেক বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৫) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব সংসদে বিবেচিত হইবার কালে ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের কথা বলিবার ও সংসদের কার্যধারায় অন্যভাবে অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে এবং তিনি কেবল সদস্যরূপে ভোটদানের অধিকারী হইবেন।

(৬) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁহার উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
২৩২.
“Revival of repealed enactments” ধারা কার্যকর হতে হলে কী স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. আইন প্রণয়নের তারিখ
  2. পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্য
  3. সংসদের অনুমোদনের তারিখ
  4. রাষ্ট্রপতির অনুমোদন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্য।

​Section 7 of The General Clauses Act,1897: Revival of repealed enactments-

(1) In any Act of Parliament] or Regulation made after the commencement of this Act, it shall be necessary, for the purpose of reviving, either wholly or partially, any enactment wholly or partially repealed, expressly to state that purpose.

(2) This section applies also to all 72[Acts of Parliament] made after the third day of January, 1868, and to all Regulations made on or after the fourteenth day of January, 1887.

​ধারা ৭(১): এই আইন কার্যকর হওয়ার পর যে কোনও সংসদীয় আইন (Act of Parliament) বা বিধি/নিয়ম (Regulation) প্রণীত হবে, সেখানে যদি কোনো পূর্বে বাতিল বা অংশভাবে বাতিল করা আইনকে পুনরায় প্রযোজ্য (revive) করতে চাওয়া হয়, তবে সেটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে যে আইনটি পুনরায় প্রযোজ্য হচ্ছে, সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে।

৭(২): এই ধারা প্রযোজ্য হবে –
৩ জানুয়ারি, ১৮৬৮ এর পর প্রণীত সব সংসদীয় আইনে, এবং
১৪ জানুয়ারি, ১৮৮৭-এর পর প্রণীত সব বিধি/নিয়মে।

​সংক্ষেপে বলা যায়:
যে কোনো বাতিল বা অংশভাবে বাতিল আইনকে পুনরায় কার্যকর করতে চাইলে আইনটি স্পষ্টভাবে সেই উদ্দেশ্য উল্লেখ করতে হবে, এবং এই নিয়ম পুরনো কিছু আইন ও বিধিতেও প্রযোজ্য।

২৩৩.
'Computation of time (সময়ের গণনা)'- The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ১০
  4. ধারা ১২
ব্যাখ্যা
সময়ের গণনা (Section 10 of the General Clauses Act):
(১) যদি সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন বা বিধিমালার মাধ্যমে (যা এই আইনের প্রবর্তনের পরে গৃহীত হয়েছে) নির্দিষ্ট কোনো কার্য বা প্রক্রিয়া কোনো আদালত বা দপ্তরে একটি নির্দিষ্ট দিনে বা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা বা অনুমতি দেওয়া হয়, এবং সেই নির্দিষ্ট দিন বা নির্ধারিত সময়সীমার শেষ দিনে আদালত বা দপ্তর বন্ধ থাকে, তাহলে সেই কার্য বা প্রক্রিয়া যথাসময়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য করা হবে যদি তা পরবর্তী কার্যদিবসে সম্পন্ন করা হয় যেদিন আদালত বা দপ্তর খোলা থাকে।

শর্ত সাপেক্ষে:
এই ধারার কোনো কিছুই এমন কোনো কার্য বা প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না যার উপর Limitation Act, 1877 (সময়সীমা আইন, ১৮৭৭) প্রযোজ্য।

(২) এই ধারা ১৪ জানুয়ারি, ১৮৮৭ তারিখ বা তার পরে প্রণীত সকল সংসদীয় আইন ও বিধিমালার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
২৩৪.
আলোচিত Anwar Hossain Chowdhury v/s Bangladesh (1989) মামলায় 'Dissenting author judge' কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি মোস্তফা কামাল
  2. বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
  3. বিচারপতি এ টি এম আফজাল
  4. বিচারপতি এম এইচ রহমান
ব্যাখ্যা
৮ম সংশোধনী মামলা:

মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: ৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.
রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মামলার বিচারক: এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।
Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।
Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
২৩৫.
সংবিধানের প্রস্তাবনা অনুসারে বাংলাদেশের জনগণ কী অক্ষুণ্ন রাখার জন্য অঙ্গীকার করেছে?
  1. ধর্মীয় ঐতিহ্য
  2. রাষ্ট্রীয় সম্পদ
  3. সামরিক শক্তি
  4. সংবিধানের প্রাধান্য
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের জনগণ সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখার এবং এর রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য অঙ্গীকার করেছে। এটি তাদের পবিত্র কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

২৩৬.
বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হবে- সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৪৩(১) (ক)
  2. ধারা ১৪৩(১) (গ)
  3. ধারা ১৪৩(২)
  4. ধারা ১৪৩(১) (খ)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি

(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

Article 143: Property of the Republic

(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested – 

(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh; 
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and 
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner. 
 
(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.
২৩৭.
'Nullum crimen sine lege' নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)
ব্যাখ্যা

ল্যাটিন ম্যাক্সিম: Nullum crimen sine lege
English Meaning: No crime without a law.
বাংলা অর্থ: আইন ছাড়া কোনো অপরাধ নয়।

- এটি দণ্ডবিধি ও ফৌজদারি ন্যায়বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এই নীতির দ্বারা বোঝানো হয়, কোনো ব্যক্তিকে কোনো কাজের জন্য অপরাধী ঘোষণা করা যাবে না, যদি সেই কাজটি সেই সময় প্রচলিত আইনে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত না থাকে। এই নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-
অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 

অর্থাৎ,
- অপরাধের সংঘটনের সময় প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী দণ্ড প্রদান হবে।
- কোনো ব্যক্তিকে সেই সময়ে প্রচলিত আইনে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত না থাকা কাজের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।
- অপরাধ সংঘটনের সময় প্রযোজ্য আইনের তুলনায় বেশি বা ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাবে না।

২৩৮.
"Stare Decisis" - এর অর্থ কী?
  1. Indifinitely
  2. An indispensable requisite
  3. To stand by thing decided
  4. Without issue
ব্যাখ্যা
• "Stare Decisis" অর্থ হচ্ছে-

> কোনো একটি নিষ্পত্তিকৃত বিষয়ে অটুট থাকা।
> নির্ণীত বিষয়াদির প্রতি অনুগত থাকা।

'To stand by the decision'
> পূর্ব-নির্ধারিত বিষয়ের উপর অটল থাকা/সে অনুযায়ী চলা।

Doctrine of Stare Decisis-ই হলো Precedent বা নজিরের মূল ভিত্তি। এই নীতি থেকে Doctrine of Precedent বা নজিরের উদ্ভব হয়।
২৩৯.
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান কে করতে পারে?
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রিপরিষদ
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ:
(১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারিবেনঃ
(ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;

(খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;

(গ) যে আইনের উপর এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (৩) দফা প্রযোজ্য হয়, সেইরূপ কোন আইন।

(২) কোন ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত হইলে অনুরূপ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের অন্তর্গত কোন বিষয়ে অন্য কোন আদালত কোনরূপ কার্যধারা গ্রহণ করিবেন না বা কোন আদেশ প্রদান করিবেন না;

তবে শর্ত থাকে যে, সংসদ আইনের দ্বারা কোন ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা বা অনুরূপ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান করিতে পারিবেন।
২৪০.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারা সাথে "Doctrine of Locus poenitentiae” নীতিটি সম্পর্কিত?
  1. ১৯ ধারা
  2. ২১ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারায় 'Doctrine of Locus poenitentiae' আলোচনা করা হয়েছে। এর অর্থ- কোন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা।
⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
--------------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
২৪১.
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) নির্বাচনী ব্যবস্থায় আসন বণ্টন কিভাবে হয়?
  1. প্রতিটি দলের মোট ভোট অনুযায়ী
  2. প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে
  3. একক আসনভিত্তিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অনুযায়ী
  4. বৃহত্তম দলের একক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা:
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর হচ্ছে নির্বাচনি ব্যবস্থার এমন একটি পদ্ধতি যেখানে আসন বণ্টন হয় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কোন দল মোট প্রদত্ত ভোটের শতকরা ১০ শতাংশ পায়, তাহলে সেই দল আনুপাতিক হারে সংসদের ১০ শতাংশ বা ৩০টি আসন পাবেন।

পিআর বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে মুক্ত, গোপন ও মিশ্র তিনটি আনুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থা রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, এ পদ্ধতিতে একটি নির্বাচনে দেওয়া প্রত্যেকটি ভোট কাজে লাগে এবং প্রতিটি ভোট সংসদে সমানভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। তাছাড়া একটি নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ও হারের ভিত্তিতে সংসদে আসন বণ্টন হয়।

প্রচলিত নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে পার্থক্য:
বাংলাদেশসহ অনেক দেশে বর্তমানে প্রচলিত ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ (FPTP) পদ্ধতিতে যে দল বেশি আসনে জয় পায়, তারা সরকার গঠন করে, ভোটের মোট শতাংশ নয়। আর আনুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতিতে ভোটের আগে প্রতিটি দল ক্রম ভিত্তিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল তার প্রাপ্ত ভোটের হার অনুসারে আসন সংখ্যা পাবে।

২৪২.
What does the term "Doli Capax" mean in a legal context?
  1. Incapable of wrong
  2. Capable of wrong
  3. Among other things
  4. Presumption of innocence
ব্যাখ্যা
→ The correct answer is: খ) Capable of wrong.
- "Doli Capax" (ডলি ক্যাপাক্স) is a Latin legal term meaning "capable of wrong" or capable of forming criminal intent.
- It is used to determine whether a child (usually above a certain age, such as 9 years under the Penal Code Section 82) can be held criminally liable for their actions.
- The opposite term, "Doli Incapax", means incapable of wrong and applies to very young children (typically under 9) who are presumed unable to understand the consequences of their actions.

Other options:
ক) Incapable of wrong → Doli Incapax
গ) Among other things → Inter Alia
ঘ) Presumption of innocence → Not related to Doli Capax

- Thus, the correct choice is খ) Capable of wrong.

→ Doli Capax একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হলো "অপরাধ করার সক্ষমতা রয়েছে"। আইনগত প্রেক্ষাপটে এটি এমন শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যাদের বয়স এমন স্তরে পৌঁছেছে যেখানে ধরে নেওয়া যায় তারা অপরাধ এবং তার প্রকৃতি বুঝতে সক্ষম।
- উদাহরণস্বরূপ,দণ্ডবিধির ধারা ৮৩ অনুযায়ী, ৯ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুরা Doli Capax হতে পারে, যদি প্রমাণ হয় যে তারা অপরাধের প্রকৃতি বুঝতে সক্ষম ছিল।
২৪৩.
বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া কত পৃষ্ঠা?
  1. ৯১ পৃষ্ঠা
  2. ৯৩ পৃষ্ঠা
  3. ১০৭ পৃষ্ঠা
  4. ১০৯ পৃষ্ঠা
ব্যাখ্যা
⇒ ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।


⇒ বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান প্রথমে স্বাক্ষর ছাড়াই ছিল ৯৩ পৃষ্ঠা।
স্বাক্ষরের পর এটি মোট ১০৯ পৃষ্ঠায় পরিণত হয়।
- হস্তলিখিত সংবিধান তৈরি করা হয়েছিল ১৯৭২ সালে এবং এতে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
→ স্বাক্ষর ছাড়া: ৯৩ পৃষ্ঠা। 
→ স্বাক্ষর সহ: ১০৯ পৃষ্ঠা।

সুতরাং, হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
২৪৪.
যুদ্ধ চলাকালীন সংসদের মেয়াদ কত দিন পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ১ বছর।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের অধিবেশন:

(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।

(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহবান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।

২৪৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(২) অনুসারে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এগুলি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য
  2. এগুলি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়
  3. এগুলি শুধুমাত্র সংবিধান ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
  4. এগুলি শুধুমাত্র আইন প্রণয়নের সময় প্রয়োগ করতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(২) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ "আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না"।
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধান: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।
------------------
The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-8. Fundamental principles
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.

২৪৬.
সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে "যথাসম্ভব শীঘ্র" দ্বারা কোন প্রেক্ষাপট বোঝানো হয়েছে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে হাজির হওয়া
  2. আটকাদেশ বাতিল করা
  3. গ্রেপ্তারের কারণ জানানো
  4. আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার দেওয়া
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ – "গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ":

(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
 
(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।

২৪৭.
সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন কী হবে?
  1. স্থগিত হবে
  2. বাতিল হবে
  3. সংশোধিত হবে
  4. কার্যকর থাকবে
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলীর সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোন প্রচলিত আইন সংবিধান-প্রবর্তন হতে ততখানি বাতিল হয়ে যাবে।
- অর্থাৎ, যদি কোন আইন মৌলিক অধিকারসমূহের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তবে সেই আইনটি বাতিল হয়ে যাবে এবং রাষ্ট্র কোন নতুন আইন প্রণয়ন করতে পারবে না যা মৌলিক অধিকারগুলোর সাথে অসমঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৬ মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল:
(১) এই ভাগের বিধানাবলীর সহিত অসমঞ্জস সকল প্রচলিত আইন যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, এই সংবিধান-প্রবর্তন হইতে সেই সকল আইনের ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে।
(২) রাষ্ট্র এই ভাগের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস কোন আইন প্রণয়ন করিবেন না এবং অনুরূপ কোন আইন প্রণীত হইলে তাহা এই ভাগের কোন বিধানের সহিত যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে। 
(৩) সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত সংশোধনের ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।
২৪৮.
Who has the authority to issue an ordinance in Bangladesh?
  1. Prime Minister
  2. President
  3. Supreme Court
  4. Council of Advisors
ব্যাখ্যা
• সাধারণত যখন সংসদ অকার্যকর থাকে অথবা যখন সংসদের অধিবেশন বন্ধ থাকে তখন রাষ্ট্রের জরুরী প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি নিজের একক ক্ষমতাবলে যে আইন জারী করে তাকে অধ্যাদেশ/Ordinance বলে।

সংবিধানের ৯৩(১) উপ - অনুচ্ছেদ অনুসারে 'রাষ্ট্রপতি' অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:

(১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।

Article 93: Ordinance making power

(1) At any time when Parliament stands dissolved or is not in session, if the President is satisfied that circumstances exist which render immediate action necessary, he may make and promulgate such Ordinances as the circumstances appear to him to require, and any Ordinance so made shall, as from its promulgation have the like force of law as an Act of Parliament: 
Provided that no Ordinance under this clause shall make any provision – 
 
(i) which could not lawfully be made under this Constitution by Act of Parliament; 
(ii) for altering or repealing any provision of this Constitution; or 
iii) continuing in force any provision of an Ordinance previously made. 
 
(2) An Ordinance made under clause (1) shall be laid before Parliament at its first meeting following the promulgation of the Ordinance and shall, unless it is earlier repealed, cease to have effect at the expiration of thirty days after it is so laid or, if a resolution disapproving of the Ordinance is passed by Parliament before such expiration, upon the passing of the resolution. 

(3) At any time when Parliament stands dissolved, the President may, if he is satisfied that circumstances exist which render such action necessary, make and promulgate an Ordinance authorising expenditure from the Consolidated Fund, whether the expenditure is charged by the Constitution upon that fund or not, and any Ordinance so made shall, as from its promulgation, have the like force of law as an Act of Parliament. 
 
(4) Every Ordinance promulgated under clause (3) shall be laid before Parliament as soon as may be, and the provisions of articles 87, 89 and 90 shall, with necessary adaptations, be complied with in respect thereof within thirty days of the reconstitution of Parliament.
২৪৯.
সংসদের গৃহীত হওয়ার পর 'সংবিধানের বিধান সংশোধনের বিল' রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত করার পর কত দিনের মধ্যে সম্মতিদানে অসমর্থ উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে?
  1. ১৫
  2. ১০
  3. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের বিধান:  সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা: 
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ণ শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;
(খ) উপরিউক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
২৫০.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করতে হবে, তা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ৪(১)
  2. ৪ক
  3. ৪(২)
  4. ৪(৩)
ব্যাখ্যা
• পূর্বে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পীকারের কার্যালয় এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক ছিল। পরবর্তীতে সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানের ৪ক অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়। ফলে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি বাধ্যতামূলক প্রদর্শন বাতিল হয়।

অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি; রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সকল সরকারী ও আধা-সরকারী অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের প্রধান ও শাখা কার্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করিতে হইবে।

Article 4A: Portrait of the Father of the Nation
The Portrait of the Father of the Nation, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman shall be preserved and displayed at the offices of the President, the Prime Minister, the Speaker and the Chief Justice and in head and branch offices of all government and semi-government offices, autonomous bodies, statutory public authorities, government and non-government educational institutions, embassies and missions of Bangladesh abroad.
২৫১.
'Freedom of press' কোন সাংবিধানিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত?
  1. Freedom of thought & conscience
  2. Freedom of profession
  3. Right to democratic culture
  4. Right to information
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের বিধান চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার,
নিশ্চয়তা দান করা হইল।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 39. Freedom of thought and conscience, and of speech:
(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed. 
(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and 
(b) freedom of the press, 
are guaranteed.
২৫২.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ১৬ অনুসারে, যদি কোনো কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা প্রদান করা হয়, তবে-
  1. সে কেবল নিয়োগ দিতে পারবে
  2. সে কোনোভাবেই বরখাস্ত করতে পারবে না
  3. সে সাময়িক বরখাস্ত ও বরখাস্ত—উভয়ই করতে পারবে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।
 
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ১৬ ধারার প্রয়োগ প্রসঙ্গে S. Pratap Singh v State of Punjab মামলায় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট বলেন যে, একজন সরকারি কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আছে। একই নীতি অনুসরণ করে R.P. Kapur v. Union of India মামলায় ঐ আদালত আবারও মন্তব্য করেন, কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু হলে ঐ কর্মচারীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার অধিকারী।
 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ নিয়ম মোতাবেক রিসিভার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য। ফলে রিসিভার নিয়োগাদেশ বাতিল করলে উহার বিরুদ্ধে ৪৩ আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যায় না।
২৫৩.
'Legislative procedure' বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে দেওয়া আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
 (১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

 (৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
-------------------
⇒ Article 80. Legislative procedure:
 (1) Every proposal in Parliament for making a law shall be made in the form of a Bill.

(2) When a Bill is passed by Parliament it shall be presented to the President for assent.

(3) The President within fifteen days after a Bill is presented to him, shall assent to the Bill or, in the case of a Bill other than a Money Bill, may return it to Parliament with a message requesting that the Bill or any particular provisions thereof be reconsidered, and that any amendments specified by him in the message be considered ; and if he fails so to do he shall be deemed to have assented to the Bill at the expiration of that period.

(4) If the President so returns the Bill Parliament shall consider it together with the President's message, and if the Bill is again passed by Parliament with or without amendments, it shall be presented to the President for his assent, whereupon the President shall assent to the Bill within the period of seven days after it has been presented to him, and if he fails to do so he shall be deemed to have assented to the Bill on the expiration of that period.

(5) When the President has assented or is deemed to have assented to a Bill passed by Parliament it shall become law and shall be called an Act of Parliament.
২৫৪.
প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির কী বিবেচনা করা বাধ্যতামূলক?
  1. জনগণের ভোট
  2. মন্ত্রিসভার সম্মতি
  3. সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশ
  4. সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান হবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন।
- অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল ভিত্তি হলো সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন।

সুতরাং রাষ্ট্রপতির প্রধান বিবেচ্য বিষয় হলো সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা, যা প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের জন্য সংবিধানে বাধ্যতামূলকভাবে নির্ধারিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ- মন্ত্রিগণ:
(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 
(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।
(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 
(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
২৫৫.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হন?
  1. জনগণের সরাসরি ভোটে 
  2. সংসদ-সদস্যদের দ্বারা
  3. প্রধান বিচারপতির দ্বারা
  4. মন্ত্রিসভার সদস্যদের দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে:“বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।”
অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সদস্যদের (সংসদ সদস্য) দ্বারা নির্বাচিত হন। এটি একটি পরোক্ষ নির্বাচন (indirect election) প্রক্রিয়া।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ রাষ্ট্রপতি: 
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

২৫৬.
Which legal doctrine is closely related to "Vis Major"?
  1. Strict Liability
  2. Force Majeure
  3. Res Ipsa Loquitur
  4. Habeas Corpus
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: খ) Force Majeure.
⇒ "Vis Major" (Act of God) এবং "Force Majeure" দুটি আইনি ধারণা যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনিয়ন্ত্রণযোগ্য ঘটনাবলির কারণে দায়মুক্তির সাথে সম্পর্কিত। এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে:
১. Vis Major (Act of God): 
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন: বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, বজ্রপাত ইত্যাদি।
- মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনা।
- দায়মুক্তির শর্ত: ঘটনাটি অনিবার্য এবং যেকোনো রকম সতর্কতা অবলম্বন করলেও এড়ানো সম্ভব ছিল না।
২. Force Majeure:
- Vis Major-এর চেয়ে বিস্তৃত ধারণা।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ (Vis Major) + মানবসৃষ্ট দুর্যোগ যেমন: যুদ্ধ, দাঙ্গা, সরকারি নিষেধাজ্ঞা, শ্রমিক ধর্মঘট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয় (যেমন: "Force Majeure Clause")।
৩. সম্পর্ক: Vis Major, Force Majeure-এর একটি উপসেট। সব Act of God, Force Majeure-এর অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সব Force Majeure ঘটনা Act of God নয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) Strict Liability: নিরপেক্ষ দায় (যেমন: বিপজ্জনক বস্তুর সংরক্ষণ), যেখানে অভিযুক্ত কোনো প্রমাণ ছাড়াই দায়ী। এমন একটি আইনি নীতি যা কোনো অবহেলা বা দোষ ছাড়াই একটি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতির জন্য দায়ী করে।
গ) Res Ipsa Loquitur: "ঘটনাই কথা বলে"—যে কিছু ঘটনার জন্য অবহেলা প্রমাণ করতে হয় না কারণ ঘটনা নিজেই তা প্রমাণ করে।
ঘ) Habeas Corpus: "দেহ উপস্থাপনের আদেশ"—আটক ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থাপনের জন্য রিট। একটি আইনি আদেশ যা অবৈধ আটক বা গ্রেপ্তার প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

- অর্থাৎ Vis Major এবং Force Majeure উভয়ই অপ্রত্যাশিত বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যুদ্ধের পরিস্থিতিকে বোঝায় যা কোনো পক্ষের জন্য চুক্তির শর্ত পূরণ করতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
২৫৭.
সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ‘Doctrine of Pleasure’ বলতে কী বোঝায়?
  1. সংসদের ইচ্ছানুযায়ী পদে বহাল থাকা
  2. নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পদে বহাল থাকা
  3. রাষ্ট্রপতির ইচ্ছানুযায়ী পদে বহাল থাকা
  4. বিচার বিভাগের নির্দেশনায় পদে বহাল থাকা
ব্যাখ্যা
• ‘Doctrine of Pleasure’ বলতে বোঝায় যে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তির পদে বহাল থাকার মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে, যা ১৩৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
"এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।"

এই নীতি অনুসারে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের (যেমন, সরকারি কর্মচারী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বা অন্যান্য পদে নিযুক্ত ব্যক্তি) পদে বহাল থাকার মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা বা সন্তোষের উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি যতদিন পর্যন্ত চান, ততদিন পর্যন্ত ওই ব্যক্তি তাদের পদে থাকতে পারেন, যদি না সংবিধানে অন্য কোনো বিধান থাকে। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রপতিকে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের উপর নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব প্রদান করা, যাতে প্রশাসনিক দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।
২৫৮.
সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে উল্লিখিত মূলনীতিগুলি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়—এই বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ–১৫
  2. অনুচ্ছেদ–২২ 
  3. অনুচ্ছেদ–৮
  4. অনুচ্ছেদ–১৮
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, দ্বিতীয় ভাগে বর্ণিত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয় (“shall not be judicially enforceable”).
- তাই সঠিক অপশন হলো: অনুচ্ছেদ–৮।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধান: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।
------------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-8. Fundamental principles
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.

২৫৯.
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর কত দিনের মধ্যে শপথগ্রহণ করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭(১)(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম সংসদ অধিবেশনের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে তাকে শপথ নিতে হবে।
→ যদি কোনো সংসদ সদস্য ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নেন, তবে তার আসন শূন্য হয়ে যাবে।
→ তবে স্পীকার যথার্থ কারণে এই সময়সীমা বাড়াতে পারেন।

সংবিধানের ভাষ্য:
“কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন।”
২৬০.
নিম্নের কোন শর্তে রাষ্ট্র সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অধিকার সীমিত করতে পারে?
  1. জনশৃঙ্খলা
  2. জনস্বাস্থ্য
  3. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৩ নাগরিকদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করে:
- গৃহে নিরাপত্তার অধিকার (তল্লাশি বা আটক হতে নিরাপদ থাকা);
- যোগাযোগের গোপনতা রক্ষা (চিঠিপত্র ও অন্যান্য মাধ্যমের গোপনীয়তা);

- তবে এই অধিকারগুলো আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা বা জনস্বার্থে যুক্তিসঙ্গতভাবে সীমিত করা যেতে পারে।
২৬১.
কোন ধরনের বিল রাষ্ট্রপতি সংসদে পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠাতে পারেন না?
  1. প্রশাসনিক বিল
  2. অর্থ বিল
  3. জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিল
  4. সাংবিধানিক সংশোধনী বিল
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদ- আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনের দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।

২৬২.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৪১
  2. ১৪২
  3. ১৪৩
  4. ১৪৩ক
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩- প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি:
(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 
 
(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।
২৬৩.
বাংলাদেশে অর্থবছর শুরু হয়-
  1. জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকে
  2. জুন মাসের ১ তারিখ থেকে
  3. জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে
  4. জুন মাসের ৩০ তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৫২:
"অর্থ-বৎসর" অর্থ জুলাই মাসের প্রথম দিবসে যে বৎসরের আরম্ভ;

Article 152: Interpretation clause
“financial year” means a year commencing on the first day of July;
২৬৪.
কোন আইনকে "Law of all laws” বলা হয়ে থাকে?
  1. The Evidence Act, 1872
  2. The Special Powers Act, 1974
  3. The General Clauses Act, 1897
  4. The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 কে "Law of all laws" বলা হয়:
- আইনসভা থেকে পাশকৃত সকল আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য। তবে কোনো আইনে এ বিষয়ে পরিষ্কার বিধান থাকলে সেক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য হবে না।
- The General Clauses Act, 1897 এমন একটি আইন যা অন্যান্য যেকোনো আইন ব্যাখ্যার জন্য প্রযোজ্য তো বটেই বরং প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
- এ বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ এর (২) নং দফা উল্লেযোগ্য। 

- এজন্য, The General Clauses Act, 1897 আইনটিকে "Law of all laws” বলা হয়ে থাকে।
২৬৫.
Under which Article of the Constitution does the Appellate Division have the power to review its judgments or orders?
  1. Article 102
  2. Article 104
  3. Article 105
  4. Article 106
ব্যাখ্যা
Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.

[আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।]
২৬৬.
“De minimis non curat lex” নীতির প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. আদালতের সময় সাশ্রয় করা
  2. অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া
  3. সকল ধরনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা
  4. নাগরিকের সম্পত্তি রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
De minimis non curat lex
অর্থ: আইন ক্ষুদ্র বা তুচ্ছ বিষয়ে বিবেচনা করে না।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এই লাতিন প্রবাদটি মূলত আদালতের সময় ও সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। “De minimis” অর্থ হলো খুব ক্ষুদ্র বা অতি নগণ্য, যা আইনগতভাবে গুরুতর নয়। আদালত এমন মামলায় হস্তক্ষেপ করে না যা বাস্তবে ক্ষতি বা বিরূপ প্রভাব তৈরি করে না বা যা প্রায় নগণ্য।

উদাহরণ: যদি কেউ খুব সামান্য মাত্রার সম্পত্তি লঙ্ঘন করে এবং সেই কারণে গুরুতর ক্ষতি হয় না, আদালত সেই বিষয়ে বিচার করবে না।
- এই নীতি মূলত আইনের কার্যকারিতা এবং সংস্থান সংরক্ষণের দিকটি নিশ্চিত করে।
- এটি “triviality rule” বা “trivial cases” নীতির সমতুল্য।
২৬৭.
'Value judgement' means-
  1. valuable judgement
  2. judgement about price
  3. famous judgement
  4. judgement based on personal views
ব্যাখ্যা
'Value Judgement' এর অর্থ হলো- Judgement based on personal views.

অর্থাৎ, তথ্য-উপাত্তের উপর ভিত্তি না করে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে যে রায় দেওয়া হয়, তাকেই 'Value Judgement' বলা হয়।
২৬৮.
সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলার রায় দেয়া হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৭
  3. ১৯৯৮
  4. ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা:
 
সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত 'নির্বাহী বিভাগ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ' সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়েছে Secretary, Ministry of Finance vs Md Masdar Hossain and others মামলায় যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা বা মাসদার হোসেন মামলা নামে পরিচিত। এই রিট দায়ের করে ২২৩ জন যারা ছিল জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ বা অধস্তন বিচারক বা নিম্ন আদালতের অন্যান্য বিচারক। ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে রীটটি দায়ের করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে। সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করলে, সর্বোচ্চ আদালত আপীল বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।
 
এই রায়ের প্রধান অংশ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল/ কর্তৃক লিখিত এবং পঠিত হয়েছিল। এবং এই কারণে তাকে এই মামলার Author Judge বলা হয়। ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হতে পৃথক হয়।
২৬৯.
একজন সংসদ সদস্য স্পিকারের অনুমতি ছাড়া কত দিনের বেশি সংসদের বাইরে থাকতে পারবেন না?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদের বিধান: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:

(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি,
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
----------
⇒ Article 67. Vacation of seats of members:
(1) A member of Parliament shall vacate his seat – 
(a) if fails, within the period of ninety days from the date of the first meeting of Parliament after his election, to make and subscribe 42[* * *] the oath or affirmation prescribed for a member of Parliament in the Third Schedule: 
Provided that the Speaker may, before the expiration of that period, for good cause extend it; 

(b) if he is absent from Parliament, without the leave of Parliament, for ninety consecutive sitting days; 
(c) upon a dissolution of Parliament; 
(d) if he has incurred a disqualification under clause (2) of article 66; or 
(e) in the circumstances specified in article 70. 

(2) A member of Parliament may resign his seat by writing under his hand addressed to the Speaker, and the seat shall become vacant when the writing is received by the Speaker or, if the office of Speaker is vacant or the Speaker is for any reason unable to perform his functions, by the Deputy Speaker.
২৭০.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জরুরী অবস্থা ঘোষণার সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ৩৬৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জরুরী অবস্থা ঘোষণার সর্বোচ্চ সময়সীমা ১২০ দিন।
- এটি সংবিধানের ১৪১(ক) ধারা অনুযায়ী উল্লেখিত, যেখানে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি জরুরী অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন অনধিক একশত কুড়ি (১২০) দিনের জন্য। এই সময়সীমার মধ্যে সংসদে প্রস্তাব পেশ করা এবং সংসদ অনুমোদন লাভ করা জরুরি, অন্যথায় সেই ঘোষণা কার্যকর থাকবে না।
- অতএব, সঠিক উত্তর হবে: খ) ১২০ দিন।
২৭১.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে 'জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা' নিশ্চিতের বিধান রয়েছে?
  1. ১৯(৩) অনুচ্ছেদে
  2. ২৮(২) অনুচ্ছেদে
  3. ১৯(১) অনুচ্ছেদে
  4. ২৮(৪) অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৯ (৩) অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা [equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life] নিশ্চিতের বিধান করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা

(১) সকল নাগরিকের অন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে।
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে ধুলের সানী বেন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
(৩) জাতীয় জীবনের সর্স্তররে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।

Article 19: Equality of opportunity

(1) The State shall endeavour to ensure equality of opportunity to all citizens. 
(2) The State shall adopt effective measures to remove social and economic inequality between man and man and to ensure the equitable distribution of wealth among citizens, and of opportunities in order to attain a uniform level of economic development throughout the Republic. 
(3) The State Shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life.

• অপরদিকে, সংবিধানের ২৮ (২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার এবং ২৮ (৪) অনুচ্ছেদে নারী, শিশু এবং নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান নিশ্চিত হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য

(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না। 
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না। 
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

Article 28: Discrimination on grounds of religion, etc.

(1) The State shall not discriminate against any citizen on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth. 
(2) Women shall have equal rights with men in all spheres of the State and of public life. 
(3) No citizen shall, on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth be subjected to any disability, liability, restriction or condition with regard to access to any place of public entertainment or resort, or admission to any educational institution. 
(4) Nothing in this article shall prevent the State from making special provision in favour of women or children or for the advancement of any backward section of citizens.
২৭২.
The General Clauses Act, 1897 এর ১৮ ধারার বিধান কী?
  1. Gender and number
  2. Substitution of functionaries
  3. Successors
  4. Computation of time
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ১৮ ধারার বিধান ১৮ ধারার বিধান: উত্তরাধিকারী (Successors):
- সংসদের কোন আইন বা প্রবিধিতে, কোন কর্মভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গের বা স্থায়ী ধারাবাহিকতা সম্পন্ন কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে, কোন আইনের সম্পর্ক প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে, কর্মভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ বা কর্পোরেশনের সম্পর্ক ব্যক্ত করতে হবে।
--------------------
- Section 18. Successors:
(1) In any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, it shall be sufficient, for the purpose of indicating the relation of a law to the successors of any functionaries or of corporations having perpetual succession, to express its relation to the functionaries or corporations.
(2) This section applies also to all Acts of Parliament made after the third day of January, 1868, and to all Regulations made on or after the fourteenth day of January, 1887.
২৭৩.
কোন ধরনের রিট যেকোনো নাগরিক করতে পারে?
  1. Prohibition, Mandamus
  2. Certiorari, Prohibition
  3. Mandamus, Certiorari
  4. Habeas Corpus, Quo-Warranto
ব্যাখ্যা

• রিট [Writ]
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

২৭৪.
অর্থবিল রাষ্ট্রপতির কাছে উপস্থাপিত বা পেশ করার সময় কোনটি অপরিহার্য?
  1. প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর
  2. স্পিকারের সম্মতি
  3. প্রধানমন্ত্রীর সার্টিফিকেট
  4. স্পিকারের সার্টিফিকেট
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদের বিধান: অর্থবিল: (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে: 
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টি দান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
-----------
⇒ Article 81 Money Bills: (1) In this Part “Money Bill” means a Bill containing only provisions dealing with all or any of the following matters –
(a) the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax; 
(b) the borrowing of money or the giving of any guarantee by the Government, or the amendment of any law relating to the financial obligations of the Government; 
(c) the custody of the Consolidated Fund, the payment of money into, or the issue or appropriation of moneys from, that Fund; 
(d) the imposition of a charge upon the Consolidated Fund or the alteration or abolition of any such charge; 
(e) the receipt of moneys on account of the Consolidated Fund or the Public Account of the Republic, or the custody or issue of such moneys, or the audit of the accounts of the Government; 
(f) any subordinate matter incidental to any of the matters specified in the foregoing sub clauses.
(2) A Bill shall not be deemed to be a Money Bill by reason only that it provides for the imposition or alteration of any fine or other pecuniary penalty, or for the levy or payment of a licence fee or a fee or charge for any service rendered, or by reason only that it provides for the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax by a local authority or body for local purposes.
(3) Every Money Bill shall, when it is presented to the President for his assent, bear a certificate under the hand of the Speaker that it is a Money Bill, and such certificate shall be conclusive for all purposes and shall not be questioned in any court.

২৭৫.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক ক্ষমতা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১০৭
  2. ১০৮
  3. ১১০
  4. ১১১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা: 
- আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।
২৭৬.
হাইকোর্ট বিভাগ কোন আইনের অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদি এখতিয়ারসম্পন্ন নয়?
  1. এডমিরালটি কোর্ট আইন, ২০০০
  2. কোম্পানী আইন, ১৯৯৪
  3. ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১
  4. The Contract Act, 1872
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১০১ অনুচ্ছেদের বিধান: হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার:
-এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর যেরূপ আদি, আপীল ও অন্যপ্রকার এখতিয়ার ও ক্ষমতা অর্পিত হইয়াছে, উক্ত বিভাগের সেইরূপ এখতিয়ার ও ক্ষমতা থাকিবে।

হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার:
বাংলাদেশ সংবিধান এবং অন্য কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর আদি, আপিল ও অন্য প্রকার এখতিয়ার, ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে-
ক) আদি এখতিয়ার- রিট, কোম্পানি অ্যাডমিরালটি ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়াদি,
খ) আপিল ও রিভিশনালএখতিয়ার- জেলা ও দায়রা জজ আদালত,অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, বিশেষ জজ, অর্থঋণ আদালত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি আদালতের রায় ও আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আপিল অথবা বিভিশন দায়ের করা যায়।
গ) আদালত অবমাননা সংক্রান্ত বিষয়াদি

- 'The Contract Act, 1872'  এই আইনটি চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে। যা দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ারের সাথে সম্পর্কিত। 
⇒ হাইকোর্টের বিভাগ The Contract Act, 1872 এর অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদি এখতিয়ারসম্পন্ন নয়। The Contract Act, 1872 এর আইনের অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদি রয়েছে দেওয়ানী আদালতের।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় বলা হয়েছে, বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকার দেওয়ানী মামলার বিচার করবে। যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা।
-এখানে দেওয়ানী আদালতের সাধারণ এখতিয়ার বলতে দেওয়ানী আদালতসমূহের দেওয়ানী মামলার বিচার করার এখতিয়ার কে বোঝানো হয়েছে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়। ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it" অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
উল্লিখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর 'ঘ' The Contract Act, 1872।
২৭৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “No one should be condemned unheard” নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৩৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ১৩৫(৪)
ব্যাখ্যা

⇒ "No one should be condemned unheard" নীতিটি Natural Justice এর একটি মৌলিক বিধান, যা Audi alteram partem (অন্য পক্ষকে শোনার সুযোগ দান) নামেও পরিচিত। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)-এ এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে, যা সিভিল সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত, অপসারণ বা পদাবনমনের ক্ষেত্রে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদানের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করে।
- অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)–এ অসামরিক সরকারি কর্মচারীকে বরখাস্ত বা অপসারণ করার আগে কারণ দেখানোর সুযোগ দেওয়ার বিধান রয়েছে, যা এই নীতির সরাসরি প্রতিফলন।

অনুচ্ছেদ ১৩৫-এর অন্যান্য দফার বিষয়:
ক) ১৩৫(১): নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের চেয়ে অধস্তন কর্তৃপক্ষ দ্বারা শাস্তি প্রদান নিষিদ্ধ।
গ) ১৩৫(৩): কারণ দর্শানো সুযোগ দেয়া যুক্তিসঙ্গত কিনা, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
ঘ) ১৩৫(৪): চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে নোটিশ দিয়ে চুক্তি সমাপ্তির বিধান।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান হলো: অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি:
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে অসামরিক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তাঁহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ-অপেক্ষা অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষের দ্বারা বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত হইবেন না।
(২) অনুরূপ পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে তাঁহার সম্পর্কে প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগ্রহণের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার যুক্তিসঙ্গত সুযোগদান না করা পর্যন্ত তাঁহাকে বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফা সেই সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(অ) কোন ব্যক্তি যে আচরণের ফলে ফৌজদারী অপরাধে দণ্ডিত হইয়াছেন, সেই আচরণের জন্য তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করা হইয়াছে; অথবা
(আ) কোন ব্যক্তিকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, কোন কারণে- যাহা উক্ত কর্তৃপক্ষ লিপিবদ্ধ করিবেন- উক্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব নহে; অথবা
(ই) রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ সুযোগদান সমীচীন নহে।
(৩) অনুরূপ কোন ব্যক্তিকে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব কি না, এইরূপ প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে সেই সম্পর্কে তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।
(৪) যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন লিখিত চুক্তির অধীন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত হইয়াছেন এবং উক্ত চুক্তির শর্তাবলী-অনুযায়ী যথাযথ নোটিশের দ্বারা চুক্তিটির অবসান ঘটান হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তিটির অনুরূপ অবসানের জন্য তিনি এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে পদ হইতে অপসারিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে না

২৭৮.
'Obiter Dictum' means-
  1. a thing decided
  2. a thing said by the way
  3. a thing to be corrected
  4. a thing to be beyed
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Ratio decidendi-
যেসব Legal Basis বা Legal Principles উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে এবং নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

Obiter Dictum- "A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।
২৭৯.
The principles of nationalism, __________ together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
  1. socialism, secularism and democracy
  2. secularism, democracy and socialism
  3. socialism, democracy and secularism
  4. secularism, socialism and democracy
ব্যাখ্যা
• Article 8: Fundamental principles

(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.

অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ

(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷

• সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
১. জাতীয়তাবাদ [Nationalism]
২. সমাজতন্ত্র [Socialism]
৩. গণতন্ত্র [Democracy]
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা [Secularism]
২৮০.
The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় অর্থ-বছর (financial year) এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ২(২১)
  2. ২(১৭)
  3. ২(১৯)
  4. ২(২৬)
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ৩(১৯) ধারার বিধান: অর্থ-বছর (financial year): জুলাই মাসের ১ম দিবসে আরম্ভ এবং জুন মাসের ৩০ তম দিবসে সমাপ্ত বছরকে বুঝাবে।
- সংবিধান অনুসারে জুলাই মাসের ১ম দিবসে যে বছরে আরম্ভ হয়, তা অর্থবছর নামে পরিচিত।
-------------------
The General Clauses Act, 1897, Section-3(19) "financial year" shall mean the year commencing 
on the first day of July and ending on the 30th day of June:
২৮১.
সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী গৃহীত হয় -
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয় এবং সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।
২৮২.
'Actus dei neminem gravabit' এর অর্থ কী?
  1. দৈব দুর্বিপাক মানুষের অধিকার ক্ষুন্ন করে
  2. দৈব দুর্বিপাক মানুষের প্রতিকার রহিত করে
  3. দৈব দুর্বিপাক মানুষের কোন অধিকার ক্ষুন্ন করে না
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
Actus dei neminem gravabit - দৈব দুর্বিপাক মানুষের কোন অধিকার ক্ষুন্ন করে না।
 
ব্যাখ্যা:
প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দৈব ঘটনা ইত্যাদি মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। তাই যদি কখনও অনুরূপ কারণে কোন ব্যক্তি আইন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে হাজির হতে না পারে বা তদবীর গ্রহণ করতে না পারে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ দুর্যোগ শেষ হওয়ার অব্যবহিত পরে আদালতে আসলেই ঐ ব্যক্তি প্রতিকার পেয়ে থাকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন- ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প, সুনামি, সিডর ইত্যাদি 'পর্যাপ্ত কারণ' বা 'sufficient cause' হিসেবে বিবেচিত হয়।

মামলার তদবীরের দিনে যদি বাদী আদালতে আসতে ব্যর্থ হয় এবং সে কারণে যদি মামলা খারিজ হয় তাহলে বাদী বর্ণিত কারণে ছানি মামলা করতে পারে। আদালত অনুরূপ পরিস্থিতিকে পর্যাপ্ত কারণ বিবেচনায় ছানি মামলা মঞ্জুর করে মূল মামলার বিচারের সুযোগ দিয়ে থাকেন।
২৮৩.
"Caveat emptor" ম্যাক্সিমটি কাদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. সাক্ষীর জন্য
  2. ক্রেতার জন্য
  3. বিক্রেতার জন্য
  4. বিচারকের জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ "Caveat Emptor" একটি ল্যাটিন আইনি সংকীর্ণ, যার অর্থ "ক্রেতা সাবধান" (Let the buyer beware)। এই ম্যাক্সিমটি বোঝায় যে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতার দায়িত্ব হলো পণ্যের গুণমান, উপযোগিতা এবং প্রকৃতি যাচাই করা। বিক্রেতা যদি পণ্য সম্পর্কে কোনো তথ্য গোপন না করে বা প্রতারণা না করে, তবে পণ্যের ত্রুটির জন্য ক্রেতা দায়ী থাকেন। এই নীতি বিশেষত বাণিজ্যিক লেনদেনে ক্রেতার সতর্কতার উপর জোর দেয়।
অর্থাৎ "Caveat Emptor" ম্যাক্সিমটি ক্রেতার জন্য প্রযোজ্য। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ক্রেতার জন্য।

২৮৪.
রাষ্ট্রপতির কাছে সংবিধান সংশোধনী বিল উপস্থাপনের জন্য সংসদের অন্যূন কত ভোট প্রয়োজন?
  1. মোট সদস্য-সংখ্যার অর্ধেক
  2. মোট সদস্য-সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ
  3. উপস্থিত সদস্য-সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ
  4. উপস্থিত সদস্য-সংখ্যার এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা-
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

২৮৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯(২) অনুসারে, বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার উপর আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধের ক্ষেত্রে নিচের কোন বিষয়টি উল্লেখ নেই?
  1. জনশৃঙ্খলা
  2. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  3. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা
  4. আদালত-অবমাননা
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯(২) এ বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার উপর নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপের বিধান রয়েছে: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতা, আদালত-অবমাননা, মানহানি, অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা। 
তবে ধর্মীয় স্বাধীনতা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। ধর্মীয় স্বাধীনতা সংবিধানের অন্য অনুচ্ছেদে (৪১ নং অনুচ্ছেদ) স্বতন্ত্রভাবে স্বীকৃত।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।
(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

⇒ The Constitution of Bangladesh, Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech:
(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed.
(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, are guaranteed.

২৮৬.
জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ৩(৩৯) অনুসারে, "ব্যক্তি" এর সংজ্ঞায় কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সমিতি
  2. কোম্পানি
  3. ব্যক্তি সমষ্টি
  4. মাতৃগর্ভস্থ শিশু
ব্যাখ্যা

⇒ জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ৩(৩৯) অনুসারে, "ব্যক্তি" (Person) বলিতে নিগমিত হউক বা না হউক, কোনো কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে (body of individuals) অন্তর্ভুক্ত করিবে। অর্থাৎ, সমিতি, কোম্পানি এবং ব্যক্তি সমষ্টি এই সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত।
- কিন্তু "মাতৃগর্ভস্থ শিশু" (unborn child) এই ধারায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত নয়; এটি দণ্ডবিধির ১১ ধারা বা অন্যান্য বিশেষ আইনে (যেমন: ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট) স্বীকৃতি পায়, কিন্তু জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট-এর এই সাধারণ সংজ্ঞায় পড়ে না।

২৮৭.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ২১-এ কোন নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. Delegation of power
  2. Doctrine of Severability
  3. Doctrine of Locus Poenitentiae
  4. Res Ipsa Loquitur
ব্যাখ্যা

⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।

⇒জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

২৮৮.
'Nemo est supra leges' নীতিটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ ধারণ করে?
  1. ২৭
  2. ২৯
  3. ৩১
  4. ১৮
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

Article 27: Equality before law
All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

• সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে, আইনের দৃষ্টিতে সমান এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে- প্রচলিত আইন কোন ব্যক্তি বিশেষের অনুকূলে কোন বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে না। দেশের প্রচলিত আইনের শর্ত সাপেক্ষে সকলে সমভাবে সমান এবং কোন ব্যক্তি তার মর্যাদা বা অবস্থা যা হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে না এই মর্মে ২৭ অনুচ্ছেদ ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ 'Nemo est supra leges' নীতিটি প্রতিফলন করে।

আইনের সমান আশ্রয় লাভ বলতে বোঝায়, একই অবস্থায় বিদ্যমান সকল ব্যক্তির জন্য একই আইন অভিন্নভাবে এবং কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতীত প্রয়োগ করা। অর্থাৎ সমান প্রেক্ষাপটে সমান আচরণ বা সমভাবে বিবেচনা করা। সমানদের মধ্যে আইনও সমান হবে এবং সমভাবে প্রয়োগ হবে।
২৮৯.
Marbury vs Madison (1803) মামলায় প্রধান বিচারপতি জন মার্শাল কোন তত্ত্বের জন্ম দেন যা আইনের শাসনের ভিত্তি হয়ে ওঠে?
  1. Habeas Corpus
  2. Due Process
  3. Judicial Review
  4. Separation of Powers
ব্যাখ্যা

⇒ Marbury v. Madison (1803) মামলাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এই মামলার রায়ের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতি জন মার্শাল Judicial Review বা বিচার পর্যালোচনা তত্ত্বের জন্ম দেন।

 Judicial Review কী?

- এটি এমন একটি নীতি যার অধীনে আদালতের ক্ষমতা থাকে কোনো আইন, নির্বাহী আদেশ বা সরকারি কার্যকলাপ দেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক কিনা পরীক্ষা করার। যদি কোনো আইন বা কার্যকলাপ সাংবিধান-পরিপন্থী বলে প্রমাণিত হয়, তবে আদালত তা বাতিল ঘোষণা করতে পারে।

⇒ Marbury v. Madison মামলায় কী ঘটেছিল? 

- এই মামলায়, প্রধান বিচারপতি মার্শাল রায় দেন যে, কংগ্রেস কর্তৃক প্রণীত ১৭৮৯ সালের Judiciary Act-এর একটি ধারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিত। সংবিধান সুপ্রিম আইন হওয়ায়, সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিত কোনো সাধারণ আইন বাতিল হবে। এই রায়ের মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্ট কংগ্রেসের প্রণীত আইন বাতিল করে এবং Judicial Review-এর ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করে।

⇒ Judicial Review তত্ত্বটি আইনের শাসনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, কারণ এটি নিশ্চিত করে যে:
- সরকারের তিনটি শাখা—আইন প্রণেতা (কংগ্রেস), নির্বাহী (রাষ্ট্রপতি) এবং বিচার বিভাগ—সবাইকে সংবিধানের অধীনে থাকতে হবে।
- কোনো আইন বা সরকারি সিদ্ধান্তই সংবিধানের ঊর্ধ্বে নয়।
- বিচার বিভাগ সংবিধান রক্ষার প্রহরী হিসেবে কাজ করে এবং সংবিধান লঙ্ঘনকারী যেকোনো কাজ বন্ধ করতে পারে।
 
অন্যান্য অপশন:
Habeas Corpus: এটি একটি প্রাচীন আইনি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছে কিনা তা আদালতের কাছে প্রশ্ন করা যায়। এটি Marbury মামলায় প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
Due Process: এই ধারণাটি মার্কিন সংবিধানের ৫ম ও ১৪তম সংশোধনীতে রয়েছে, কিন্তু Marbury মামলার মূল অবদান ছিল আদালতের ক্ষমতা নির্ধারণ করা, Due Process নয়।
Separation of Powers: ক্ষমতার বিভাজনের তত্ত্বটি Montesquieu-এর মতো চিন্তাবিদদের থেকে এসেছে এবং মার্কিন সংবিধান এটি বাস্তবায়ন করেছে। Marbury মামলা এই তত্ত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে, কিন্তু এর জন্ম দেয়নি।

২৯০.
It shall be the duty of all ______ authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions.
  1. judiciary
  2. legislative
  3. executive
  4. all of mentioned
ব্যাখ্যা
Article 126: Executive authorities to assist Election Commission

It shall be the duty of all executive authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions.

অনুচ্ছেদ ১২৬: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।
২৯১.
রাষ্ট্রপতি কোন ধরনের দণ্ড কমাতে বা মওকুফ করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড
  2. কেবল কারাদণ্ড
  3. যে কোনো দণ্ড
  4. প্রশাসনিক শাস্তি ছাড়া অন্য কিছু নয়
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) যে কোনো দণ্ড।

​অনুচ্ছেদ ৪৯: ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার:
কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।

​Article 49: Prerogative of mercy-
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority.

২৯২.
বাংলাদেশ গণপরিষদে প্রথম স্পীকার কে ছিলেন?
  1. মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ
  2. মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  3. শাহ্ আব্দুল হামিদ
  4. আব্দুল মালেক উকিল
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।

• কাজের মেয়াদ ১০ এপ্রিল ১৯৭২ – ১ মে ১৯৭২।
• ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ। 
• গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।
২৯৩.
Mischief Rule কোন মামলার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. Fowler v. Padget
  2. Heydon's Case
  3. Conforce's Case
  4. Farzana Moazzem v. SEC
ব্যাখ্যা
The Mischief Rule of Interpretation of Statutes-
Mischief Rule বিধি ব্যাখ্যার একটি পদ্ধতি, যা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য নির্ধারণের উপর গুরুত্ব দেয়। এটি যুক্তরাজ্যে ১৬ শতকে উদ্ভূত এবং Heydon's Case এ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে বলা হয় যে, কোনো আইন ব্যাখ্যা করার প্রধান উদ্দেশ্য হল “অপরাধ এবং ত্রুটি” সনাক্ত করা, যেগুলি আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ সংশোধন করতে চেয়েছিল এবং একটি কার্যকরী প্রতিকার প্রদান করা। এই রুলটি মূলত এ প্রশ্নের উত্তর দেয়: পূর্ববর্তী আইন কী সমস্যা সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছিল, যার কারণে এই নতুন আইন প্রণীত হয়েছে।

Heydon's Case (1584) 3 CO REP এর মধ্যে আইন ব্যাখ্যা করার জন্য চারটি বিষয় উল্লেখ করা হয়:
- আইন প্রণীত হওয়ার পূর্বে সাধারণ আইন (Common Law) কী ছিল?
- "অপরাধ এবং ত্রুটি" কী ছিল, যা সাধারণ আইন সমাধান করেনি?
- সংসদ কী প্রতিকার প্রদান করার উদ্দেশ্যে আইন প্রণয়ন করেছিল?
- প্রতিকারটির পেছনে আসল কারণ কী ছিল?

এই রুলের ব্যবহার বিচারকদের জন্য অধিক নমনীয়তা প্রদান করে, যাতে তারা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেন, বর্ননামূলক এবং স্বর্ণিম রুলের মতো কঠোরভাবে বাধ্য না হয়ে। তবে, এই রুলের বিরুদ্ধে সমালোচনা রয়েছে, কারণ এটি আইনের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে এবং নির্বাচনহীন বিচারকদের কাছে অস্বাভাবিকভাবে অধিক ক্ষমতা দিতে পারে, যা গণতান্ত্রিকভাবে ভুল বলে মনে করা হয়। তদুপরি, এটি পুরনো বলে মনে করা হয় কারণ বর্তমানে সাধারণ আইন আর আইনের প্রধান উৎস নয়।
২৯৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জনগুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের উপদেষ্টামূলক মতামতের জন্য পাঠাতে পারেন?
  1. অনুচ্ছেদ ১০২
  2. অনুচ্ছেদ ১০৩
  3. অনুচ্ছেদ ১০৫
  4. অনুচ্ছেদ ১০৬ 
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬ এ সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার এর বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যে কোনো আইনি প্রশ্ন জনগুরুত্বপূর্ণ, তাহলে তিনি সেই প্রশ্নটি সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করতে পারেন। আপীল বিভাগ শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে তার মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬- সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

২৯৫.
কোন ক্ষেত্রে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে?
  1. দল থেকে পদত্যাগ করলে
  2. দলের বিপক্ষে ভোট দিলে
  3. উভয় ক্ষেত্রেই আসন শূন্য হবে
  4. উল্লিখিত কোনোটিতেই আসন শূন্য হবে না
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭০- রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
২৯৬.
সংসদ কোন আইনের দ্বারা আপীল বিভাগের এখতিয়ার অন্যান্য আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করতে পারে— এটা বলা হয়েছে সংবিধানের:
  1. ১০১ অনুচ্ছেদে
  2. ১০২(২) অনুচ্ছেদে
  3. ১০৩(৪) অনুচ্ছেদে
  4. ১০৪ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৩: আপীল বিভাগের এখতিয়ার:
(১) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানীর ও তাহা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের থাকিবে। 
 
(২) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগের নিকট সেই ক্ষেত্রে অধিকারবলে আপীল করা যাইবে, যে ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ-
(ক) এই মর্মে সার্টিফিকেট দান করিবেন যে, মামলাটির সহিত এই সংবিধান-ব্যাখ্যার বিষয়ে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত রহিয়াছে; অথবা 
(খ) কোন মৃত্যুদণ্ড বহাল করিয়াছেন কিংবা কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিয়াছেন ; অথবা] 
(গ) উক্ত বিভাগের অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডদান করিয়াছেন; এবং সংসদে আইন-দ্বারা যেরূপ বিধান করা হইবে, সেইরূপ অন্যান্য ক্ষেত্রে। 
 
(৩) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে যে মামলায় এই অনুচ্ছেদের (২) দফা প্রযোজ্য নহে, কেবল আপীল বিভাগ আপীলের অনুমতিদান করিলে সেই মামলায় আপীল চলিবে। 
 
(৪) সংসদ আইনের দ্বারা ঘোষণা করিতে পারিবেন যে, এই অনুচ্ছেদের বিধানসমূহ হাইকোর্ট বিভাগের প্রসঙ্গে যেরূপ প্রযোজ্য, অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও তাহা সেইরূপ প্রযোজ্য হইবে।
২৯৭.
প্রজাতন্ত্রে মোট যতো সংখ্যক মন্ত্রিগণ থাকবে তার মধ্যে __________ সংসদ-সদস্যেগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবে।
  1. অন্যূন ১/১০ অংশ
  2. ন্যূন ৯/১০ অংশ
  3. অন্যূন ৯/১০ অংশ
  4. ন্যূন ১/৯ অংশ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ

(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 
(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।
(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 
(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

• ৫৬ অনুচ্ছেদে মন্ত্রিগণ বলতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী বোঝানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীসহ অন্যান্য সকল মন্ত্রীর সমন্বয়ে মন্ত্রিপরিষদ (Council of Ministers) গঠিত হয় এবং মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের নিয়ে মন্ত্রিসভা [Cabinet] গঠিত হয়। ৫৬(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করবে, সেইরুপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকবে। ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীগণকে নিয়োগ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, তাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবে এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হতে মনোনীত হতে পারবে।।

অর্থাৎ মন্ত্রীগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবে এবং মন্ত্রীর সংখ্যা কত হবে তা প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণ করবে। মোট যত সংখ্যক মন্ত্রিগণ থাকবে তার মধ্যে সর্বনিম্ন (অন্যূন) নয়-দশমাংশ (৯/১০) সংসদ-সদস্যেগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবে এবং অনধিক ১/১০ অংশ (এক-দশমাংশ) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য হতে মনোনীত হতে পারবে। সংসদ সদস্যেদের বাইরে থেকে অন্য কোন ব্যক্তি যে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য তাকে মন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দেয়া হলে, তিনি [Technocrat] মন্ত্রী বলে পরিচিত।

Article 56: Ministers

(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister. 
(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President: 
Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament. 
 
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament. 
 
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.
২৯৮.
রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের প্রস্তাবের নোটিশ সংসদ অধিবেশনে কখন আলোচিত হবে?
  1. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ৭ দিনের মধ্যে
  2. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ৭-১০ দিনের মধ্যে
  3. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ১৪-৩০ দিনের মধ্যে
  4. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারে ২টি কারণে-
ক) সংবিধান লংঘনের জন্য [For Violating Constitution]
খ) গুরুতর অসদারচরণের জন্য [Of grave misconduct] 

অভিশংসনের পদ্ধতি:

রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুক্ষণ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে। স্পীকারের নিকট অনুরুপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ (১৪) দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে না এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহ্বান করবে। অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকার এবং প্রতিনিধি প্রেরণের অধিকার থাকবে। অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলে ঘোষণা করে সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে, প্রস্তাব গ্রহণ হওয়ার তারিখ হতে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।

অনুচ্ছেদ ৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন-

(১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন।

(৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।

(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।

(৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।

Article 52: Impeachment of the President-
(1) The President may be impeached on a charge of violating this Constitution or of grave misconduct, preferred by a notice of motion signed by a majority of the total number of members of Parliament and delivered to the Speaker, setting out the particulars of the charge, and the motion shall not be debated earlier than fourteen nor later than thirty days after the notice is so delivered; and the Speaker shall forthwith summon Parliament if it is not in session. 

(2) The conduct of the President may be referred by Parliament to any court, tribunal or body appointed or designated by Parliament for the investigation of charge under this article. 
 
(3) The President shall have the right to appear and to be represented during the consideration of the charge. 
 
(4) If after the consideration of the charge a resolution is passed by Parliament by the votes of not less than two thirds of the total number of members declaring that the charge has been substantiated, the President shall vacate his office on the date on which the resolution is passed. 
 
(5) Where the Speaker is exercising the functions of the President under article 54 the provisions of this article shall apply subject to the modifications that the reference to the Speaker in clause (1) shall be construed as a reference to the Deputy Speaker, and that the reference in clause (4) to the vacation by the President of his office shall be construed as a reference to the vacation by the Speaker of his office as Speaker; and on the passing of a resolution such as is referred to in clause (4) the Speaker shall cease to exercise the functions of President.
২৯৯.
According to Article 115, who appoints magistrates with judicial functions in subordinate courts?
  1. President
  2. Chief Justice
  3. Law Ministry
  4. Speaker of the Parliament
ব্যাখ্যা
Article 115. Appointments to subordinate courts:
Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:
বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।
৩০০.
'Binding effect of Supreme Court judgments' সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১১১ অনুচ্ছেদের
  2. ১১২ অনুচ্ছেদের
  3. ১১৩ অনুচ্ছেদের
  4. ১১৪ অনুচ্ছেদের
ব্যাখ্যা
⇒ Article 111. Binding effect of Supreme Court judgments:
 The law declared by the Appellate Division shall be binding on the High Court Division and the law declared by either division of the Supreme Court shall be binding on all courts subordinate to it.

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা:
 আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।