বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি ও সম্মেলন

মোট প্রশ্ন৯২০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি ও সম্মেলন

PrepBank · পাতা / ১০ · ৩০১৪০০ / ৯২০

৩০১.
ওজোনস্তর বিষয়ক মন্ট্রিল প্রটোকলের সর্বশেষ সংশোধনী নিচের কোনটি?
  1. কোপেনহেগেন সংশোধনী
  2. মন্ট্রিল সংশোধনী
  3. কিগালি সংশোধনী
  4. লন্ডন সংশোধনী
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- এই প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

⇒ ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোনস্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ODS (Ozone Depleting Substances) হলো এমন পদার্থ যা সাধারণত রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র এবং অ্যারোসলের মতো পণ্যগুলিতে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও,
⇒ ১৯৮৯ সাল থেকে মন্ট্রিল প্রটোকল ৬ বার সংশোধন করা হয়।এগুলো হলো:
- London amendment 1990,
- Copenhagen amendment 1992,
- Vienna amendment 1995,
- Montreal amendment 1997,
- Beijing amendment 1999,
- Kigali amendment 2016.

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat.
৩০২.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের প্রথম সম্মেলন কবে কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. স্টকহোম, ১৯৭২ সালে
  2. নাইরোবি, ১৯৯২ সালে
  3. বার্লিন, ১৯৯৫ সালে
  4. বেইজং ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা UNFCCC Conference of Parties (CoP-1) ১৯৯৫ সালের ২৮ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল জার্মানির বার্লিন শহরে অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ ২৬তম UNFCCC Conference of Parties ২০২১ সালের ৩১ অক্টো-১৩ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়।

পরবর্তী ২৭তম UNFCCC Conference of Parties ২০২২ সালের ৭-১৮ নভেম্বর মিশরের অবকাশযাপন কেন্দ্র শারম আল শেখে অনুষ্ঠিত হবে।

১৯৯২ সালে গৃহীত United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) ১৯৯৪ সালের ২১ মার্চ কার্যকর হয়। এটিতে ১৯৭টি দেশ ও সংস্থা স্বাক্ষর করেছে।

এই চুক্তির বাস্তবায়ন ও পর্যালোচনার জন্যে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর UNFCCC তার উদ্যোগে Conference of Parties (CoP) এর আয়োজন করে আসছে।

(তথ্যসূত্র: UNFCCC এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৩০৩.
ওজোন স্তর রক্ষার জন্য প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্রেমওয়ার্ক হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. কিগালি সংশোধনী
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. ভিয়েনা কনভেনশন
  4. নাগোয় প্রটোকল
ব্যাখ্যা

- ওজোন স্তর রক্ষার জন্য প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্রেমওয়ার্ক বা চুক্তি হলো ভিয়েনা কনভেনশন।
- ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থগুলো পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতাসম্পন্ন প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তি হলো মন্ট্রিল প্রটোকল,যা ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়।

ভিয়েনা কনভেনশন:
- ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ এটি স্বাক্ষরিত হয়,
- যা ওজোনস্তর গবেষণা, পর্যবেক্ষণ এবং তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কাঠামো তৈরি করে।
- এটি কার্যকর হওয়ার পর ১৯৮৭ সালে আইনগত বাধ্যবাধকতামূলক ‘মন্ট্রিল প্রোটোকল’ স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

৩০৪.
Green New Deal for Europe-এর আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০৩০ সালের মধ্যে কত শতাংশ কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে?
  1. ৩৫ শতাংশ
  2. ২৫ শতাংশ
  3. ৫৫ শতাংশ
  4. ৭৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

Green New Deal for Europe:

- দ্য গ্রিন নিউ ডিল ফর ইউরোপ (The Green New Deal for Europe) হলো একটি উদ্যোগ যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) পক্ষ থেকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং সাসটেইনেবল অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য প্রস্তাবিত হয়েছে।
- এটি বিশেষভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০১৯ সালের কপ-২৫ (COP-25) সম্মেলনে আলোচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এর লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে শূন্যে নামানো।

উল্লেখ্য,
- এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইউরোপ একটি টেকসই, পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- এর মাধ্যমে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রথম জলবায়ু-নিরপেক্ষ মহাদেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
- ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ৫৫ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করবে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৩ বিলিয়ন অতিরিক্ত গাছ লাগানো হবে।

উৎস: i) Green European Foundation ওয়েবসাইট।
ii) European Commission.
৩০৫.
'ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM)' কোন প্রোটোকলের অংশ?
  1. নাগোয়া প্রোটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রোটোকল
  3. কিয়োটো প্রোটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM):
- ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম বা Clean Development Mechanism কিয়োটো প্রটোকল-এর অংশ।
- প্রোটোকলের ১২ অনুচ্ছেদে অনুসারে, ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (সিডিএম) এর আওতায় কোন উন্নত দেশ অন্য উন্নয়নশীলদেশে গ্রীনহাউস গ্যাসের নি:সরণ কমানোর জন্য কোন প্রকল্প নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বা বিনিয়োগের মাধ্যমে চুক্তি খেলাপের হাত থেকে বাঁচতে পারে।

⇒ কিয়োটো প্রোটোকলের উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন দেশের তালিকা (Annex) ভিত্তিক কাঠামো অনুসরণ করে গ্রিনহাউস গ্যাস (GHG) নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা।
- এই প্রোটোকল শুধুমাত্র উন্নত দেশগুলিকে উদ্দেশ্য করে গ্রহন করা হয়েছে যা “common but differentiated responsibility and respective capabilities” নীতির অধীনে পরিচালিত।
- এখানে শিল্পোন্নোত দেশগুলিকে উপর অধিক দায়িত্ব আরোপ হয়েছে, কারণ এই দেশগুলি বায়ুমণ্ডলে উচ্চ মাত্রায় GHG নির্গমনের জন্য দায়ী।
- UNFCCC তার কনভেনশানে সারা বিশ্বের সব দেশগুলিকে ৩টি তালিকা বা Annex এ বিভক্ত করেছে।

• Annex-I: শিল্পোন্নত ৪৩টি দেশ।
- অ্যানেক্স I হলো UNFCCC-এর একটি তালিকা, যাতে শিল্পোন্নত দেশ ও অর্থনৈতিকভাবে পরিবর্তনশীল রাষ্ট্রসমূহ অন্তর্ভুক্ত।
- এদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর আইনগত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৩০৬.
রামসার কনভেনশন কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. ফ্রান্স
  3. ইরান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- চুক্তির স্থান: রামসার, ইরান।
- গৃহীত হয়: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫।
- এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৭২টি দেশ (২০২৪ সাল পর্যন্ত)।
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে টেকসই উন্নয়ন প্রচারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি।

উৎস: Ramsar Convention Official Website
৩০৭.
২০২৫ সালের কপ-৩০ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ফ্রান্স
  2. ব্রাজিল
  3. কেনিয়া
  4. আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
- ২০২৫ সালের কপ-৩০, ব্রাজিল আয়োজন করবে। 

COP:

- COP এর পূর্ণরূপ হলো Conference of the Parties.
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে এবং
- ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- 'কপ-২৯' আগামীতে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়াও,
- ২০২৫ সালের কপ-৩০, ব্রাজিল আয়োজন করবে এবং আমাজনীয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট, জাতিসংঘ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট এবং সময়নিউজ, ব্রাজিলের সরকারি ওয়েবসাইট।
৩০৮.
প্রথম 'জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন' অনুষ্ঠিত হয় কোন দেশে?
  1. ব্রাজিল
  2. সুইডেন
  3. ফিনল্যান্ড
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন :
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
- জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন (United Nations Conference on the Human Environment) স্টকহোম সম্মেলন নামে পরিচিত।
- স্টকহোম সম্মেলনে জাতিসংঘ পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী বা United Nations Environment Programme (UNEP) গঠিত হয়।
- এই সম্মেলনটি পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রথম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ছিল এবং এতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপনের সূচনা হয়েছিল।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট
৩০৯.
কিয়োটো প্রটোকলে Annex 1–এ কোন দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত?
  1. শিল্পোন্নত দেশ
  2. পরিবেশ দূষণকারী ৩০টি দেশ
  3. উন্নয়নশীল দেশ
  4. শুধুমাত্র ইউরোপীয় দেশসমূহ
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

⇒ কিয়োটো প্রোটোকলের উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন দেশের তালিকা (Annex) ভিত্তিক কাঠামো অনুসরণ করে গ্রিনহাউস গ্যাস (GHG) নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা।
- এই প্রোটোকল শুধুমাত্র উন্নত দেশগুলিকে উদ্দেশ্য করে গ্রহন করা হয়েছে যা “common but differentiated responsibility and respective capabilities” নীতির অধীনে পরিচালিত।
- এখানে শিল্পোন্নোত দেশগুলিকে উপর অধিক দায়িত্ব আরোপ হয়েছে, কারণ এই দেশগুলি বায়ুমণ্ডলে উচ্চ মাত্রায় GHG নির্গমনের জন্য দায়ী।
- UNFCCC তার কনভেনশানে সারা বিশ্বের সব দেশগুলিকে ৩টি তালিকা বা Annex এ বিভক্ত করেছে।

• Annex-I: শিল্পোন্নত ৪৩টি দেশ।
- অ্যানেক্স I হলো UNFCCC-এর একটি তালিকা, যাতে শিল্পোন্নত দেশ ও অর্থনৈতিকভাবে পরিবর্তনশীল রাষ্ট্রসমূহ অন্তর্ভুক্ত।
- এদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর আইনগত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট। [link]

৩১০.
২০২১ সালে কোন দেশে জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ইতালি
  2. সৌদি আরব
  3. ভারত
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
২০২১ সালের ৩০-৩১ অক্টোবর ইতালির রোমে ১৬তম জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
১৫তম জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় চলতি বছরের ২১-২২ নভেম্বর সৌদি আরবের রিয়াদে।
অন্যদিকে ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়ায় এবং ২০২৩ সালে ভারতে জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
(সূত্র: জি-২০ ওয়েবসাইট)
৩১১.
UNCCD এর পূর্ণরূপ কী?
  1. United Nations Convention on Climate Development
  2. United Nations Conference on Desert Control
  3. The United Nations Convention to Combat Desertification
  4. United Nations Council for Desert Conservation
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ চুক্তি (UNCCD):
- UNCCD এর পূর্ণরূপ- The United Nations Convention to Combat Desertification.
- জাতিসংঘের কনভেনশন টু কমব্যাট ডেজার্টিফিকেশন (UNCCD) 1994 সালে গৃহীত হয়।
- এটি মরুকরণ, খরা এবং ভূমি অবক্ষয়ের সমস্যা সমাধানে একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ।
- এর লক্ষ্য হচ্ছে টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করা।
- ১৯৯৪ সালে গৃহীত।
- ১৯৯৬ সালে কার্যকর হয়।
- ১৯৭টি পক্ষ (১৯৬টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।

উৎস: UNCCD.

৩১২.
কিয়োটো প্রটোকল কততম জলবায়ু (COP) সম্মেলনে গৃহীত হয়েছিল?
  1. কপ-৩
  2. কপ-৮
  3. কপ-১১
  4. কপ-১৫
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য প্রথম আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরি করে কিয়োটো প্রোটোকল। এই প্রোটোকলটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (UNFCCC) অধীনে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা। কিয়োটো প্রোটোকল শিল্পোন্নত দেশগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়। 
- কিয়োটো প্রটোকল গৃহীত হয়েছিল ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটোতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ৩য় জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে।

উল্লেখ্য,
- গৃহীত হয়েছিল: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ (কপ-৩)।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।
- ২০২০ সালের ৩১শে ডিসেম্বর কিয়োটা প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৩১৩.
প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল কোন সালে?
  1. ২০০২ সাল
  2. ১৯৯৮ সাল
  3. ১৯৯৬ সাল
  4. ১৯৯২ সাল
ব্যাখ্যা
• প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit):
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ৩ - ১৪ জুন ১৯৯২ ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে পরিবেশ ও উন্নয়বিষয়ক প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এই বিশ্বব্যাপী সম্মেলনে ১৭৯টি দেশের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, বিজ্ঞানী, মিডিয়ার প্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) একত্রিত হয়েছিল।
- এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন (Climate Change Convention) বিষয়ক চুক্তি হয়, যা পরবর্তীতে কিয়েটো প্রোটোকল (Kyoto-Protocol) নামে পরিচিত হয়।
- রিও ডি জেনিরোতে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ব পরিবেশ ও উন্নয়নের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য ২৭ টি নীতিমালা অনুমোদিত হয়।
- এই সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য একটি নীতি হচ্ছে- 'Polluter pays principle'.
- অন্যদিকে, বিশ্ব টেকসই উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলন বা দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন ২০০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানসবার্গে অনুষ্ঠিত হয়। 
 
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৩১৪.
কার্টাগেনা প্রোটোকলের মূল বিষয়বস্তু কী?
  1. স্থলমাইন নিষিদ্ধ
  2. ওজোন ক্ষয় হ্রাস
  3. জৈব নিরাপত্তা
  4. জলাভূমি সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

• কার্টাগেনা প্রোটোকল মূলত জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তৈরি। এটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও জৈবপ্রযুক্তি থেকে উদ্ভূত ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দেয়। প্রোটোকলটি জীবাণু ও জৈবপ্রযুক্তি পণ্য আন্তর্জাতিক পরিবহন ও ব্যবহার নিরাপদ করার নিয়মকানুন স্থাপন করে। এটি পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য বাধ্যতামূলক নির্দেশনা প্রদান করে। তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) জৈব নিরাপত্তা।
 
কার্টাগেনা প্রোটোকল:
- কার্টাগেনা প্রোটোকল হচ্ছে জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি।
- কার্টাগেনা প্রোটোকল এর পুরো নাম Cartagena Protocol in Biosafety to the Convention on Biologcal Diversity.
- কার্টাগেনা প্রোটোকল গৃহীত হয় ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি।
- কার্টাগেনা প্রোটোকল চুক্তিটি ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৩ সালে কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রোটোকল চুক্তি স্বাক্ষর করে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩১৫.
মন্ট্রিল প্রটোকল কোন বিষয়ে বৈশ্বিক চুক্তি?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন রোধ
  2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  3. আন্তর্জাতিক পানি ব্যবস্থাপনা
  4. ওজোনস্তরকে সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে।
- ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হয়।
- স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯ সালে।

উল্লেখ্য:
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩১৬.
কোন চুক্তিটি নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ বন্ধ করা সংক্রান্ত?
  1. ক) লন্ডন কনভেনশন
  2. খ) রটারড্যাম কনভেনশন
  3. গ) বামাকো কনভেনশন
  4. ঘ) মিনামাতা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
লন্ডন কনভেনশন (London Convention)
• লন্ডন কনভেনশনের পূর্ণনাম - London Convention on the Prevention of Marine Pollution by Dumping of Wastes and Other Matter।
• নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই আন্তর্জাতিক চুক্তিটি করা হয়।
• আন্তর্জাতিক উপকূলীয় সংস্থা (IMO) - এর সহায়তায় এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
• চুক্তি অনুমোদন - ১৯৭২ সাল।
• চুক্তি কার্যকর - ১৯৭৫ সাল।
• চুক্তিবদ্ধ পক্ষ - ৮৭টি দেশ।

অন্যদিকে,
• মিনামাতা কনভেনশন - পারদের বিপজ্জনক ব্যবহার রোধ করার জন্য UNEP - এর তত্ত্ববধানে মিনামাতা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।
• রটারড্যাম কনভেনশন - মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কয়েকটি রাসায়নিক দ্রব্যের বাণিজ্য (কেনাকাটা ও আমদানি-রপ্তানি) নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি।
• বামাকো কনভেনশন - আফ্রিকায় বিপদজনক ও তেজস্ক্রিয় রাসায়নিক আমদানি নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি হচ্ছে - বামাকো কনভেনশন।

তথ্যসূত্র: IMO Website ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩১৭.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তির প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?
  1. বিলুপ্তপ্রায় বাঘ সংরক্ষণ করা
  2. মহাসাগরীয় প্লাস্টিক বর্জ্য দূর করা
  3. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ করা
  4. বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রির নিচে রাখা
ব্যাখ্যা

 প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে ১৯৫টি দেশ।

• প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম অর্থাৎ ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৩১৮.
কপ ২৮ সম্মেলনটি কী সম্পর্কিত?
  1. শরণার্থীর অধিকার
  2. জ্বালানি নিরাপত্তা
  3. সমুদ্র সীমানা
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
'কপ -২৮' জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত।

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উল্লেখ্য,
- কপ-২৮ জলবায়ু সম্মেলন ২০২৩ সালে ৩০ নভেম্বর-১২ ডিসেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়াও,
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো। ৩০০ বিলিয়ন ডলারের (২৩৮ বিলিয়ন পাউন্ড) প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি, দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধের জন্য ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে বলে সম্মত হয়েছে।
- কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে। আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৩১৯.
কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল কত সালে?
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা

• কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- গৃহীত হয়েছিল: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত ছিল: ১৬ মার্চ, ১৯৯৮- ১৫ মার্চ, ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত।

- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস উদিগরণ কমানো।
- ২০১২ সালে কিয়োটো প্রটোকল কানাডা প্রত্যাহার করে।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- কিয়োটো  প্রটোকল থেকে সরে যাওয়া প্রথম দেশ ছিল কানাডা।
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর প্রটোকলে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর এটি কার‌্যকর করে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।

৩২০.
উন্নত দেশগুলো বিশ্বের মোট hydrofluorocarbons (HFCs - যা প্রধান গ্রীণহাউস গ্যাস হিসাবে বিবেচিত) উৎপাদনের কত শতাংশ উৎপাদন করে?
  1. ক) ৭৫
  2. খ) ৮০
  3. গ) ৮৫
  4. ঘ) ৯০
ব্যাখ্যা
Developed countries eliminate 90 per cent of their HCFC production and consumption. Source: unep.org
৩২১.
পরিবেশ বিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশন কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন)- হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
- স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- কার্যকর ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ২৮টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

৩২২.
'Minsk II' চুক্তিতে নিম্নের কোন দুইটি দেশ স্বাক্ষর করে?
  1. ক) আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া
  2. খ) রাশিয়া ও ইউক্রেন
  3. গ) তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান
  4. ঘ) রাশিয়া ও আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
Minsk II
Representatives of Russia, Ukraine, the Organisation for Security and Cooperation in Europe (OSCE) and the leaders of separatist-held regions Donetsk and Luhansk signed a 13-point agreement in February 2015.
The leaders of France, Germany, Russia, and Ukraine gathered in Minsk to mark the occasion and issued a declaration of support.

Minsk I
Ukraine and the Russia-backed separatists agreed on a 12-point ceasefire deal in September 2014.
Its provisions included prisoner exchanges, deliveries of humanitarian aid and the withdrawal of heavy weapons.
However, the agreement quickly broke down, with violations by both sides.

Source: www.aljazeera.com
৩২৩.
ভূমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও আবহাওয়ার পরিবর্তন রোধ বিষয়ক প্রটোকল কোনটি?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. কিয়োটো প্রটোকল
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রোটোকল
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি ভূমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও আবহাওয়ার পরিবর্তন রোধ বিষয়ক প্রটোকল।
- কিয়োটো প্রটোকল প্রথম কার্যকর হয় ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি।
- কিয়োটো প্রটোকল প্রথম স্বাক্ষরিত হয় হয় ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর।
- বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল অনুমোদন করে ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর।
- কিয়োটো প্রোটোকলের লক্ষ্য বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের উপস্থিতি হ্রাস করা।

উৎস: UNFCCC & Kyoto Protocol অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩২৪.
প্রথম Earth Summit কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. রিও ডি জেনিরিও
  2. মেক্সিকো সিটি
  3. কায়রো
  4. জেনেভা
ব্যাখ্যা

• Earth Summit:
- ১৯৯২ সালে, ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরিওতে পরিবেশ সুরক্ষা এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জরুরি সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য আয়োজিত প্রথম আন্তর্জাতিক আর্থ  বা ধরিত্রী  সম্মেলনে।
- সমবেত নেতারা জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কনভেনশন এবং জৈবিক বৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশনে স্বাক্ষর করেন,
-  রিও ঘোষণাপত্র এবং বন নীতিমালা অনুমোদন করেন 
- একবিংশ শতাব্দীতে টেকসই উন্নয়ন অর্জনের জন্য ৩০০ পৃষ্ঠার পরিকল্পনা, এজেন্ডা ২১ গ্রহণ করেন।

- টেকসই উন্নয়ন কমিশন ( CSD) তৈরি করা হয়েছিল আর্থ সামিট চুক্তির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ এবং প্রতিবেদন করার জন্য।
- ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে আর্থ সামিটের অগ্রগতির পাঁচ বছরের পর্যালোচনা করার বিষয়ে একমত হয়েছিল।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এই বিশেষ অধিবেশনে দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের ক্ষেত্রগুলি আর্থ সামিটের চ্যালেঞ্জের প্রতি কতটা ভালোভাবে সাড়া দিয়েছে তা পর্যালোচনা করা হয়েছিল।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৩২৫.
পরবর্তী UNFCCC CoP-26 সম্মেলন কবে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. নভেম্বর, ২০২১
  2. ডিসেম্বর, ২০২১
  3. মার্চ, ২০২২
  4. সেপ্টেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের পরবর্তী UNFCCC CoP-26 সম্মেলন ২০২১ সালের ১-১২ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত হবে।
যুক্তরাজ্য ও ইতালির যৌথ আয়োজনে এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে।
এটি ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে এর তারিখ পেছানো হয়।
সূত্রঃ UNFCCC ওয়েবসাইট।

৩২৬.
পরিবেশ সংরক্ষণে "Champion of the Earth" পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থা কোনটি?
  1. UNESCO
  2. UNEP
  3. Greenpeace
  4. WWF
ব্যাখ্যা
UNEP:
- UNEP এর পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme 
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী (UNEP) হলো পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করা একটি বৈশ্বিক সংস্থা।
- UNEP-এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
- এটি ৫ জুন, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে UNEP-এর সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৯৩. [জুলাই - ২০২৫] 
- পরিবেশ সংরক্ষণে অসামান্য অবদানের জন্য UNEP প্রতি বছর "চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ" পুরস্কার প্রদান করে।

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।
৩২৭.
আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত COP-29 জলবায়ু সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন কে?
  1. মুখতার বাবায়েভ
  2. আন্তোনিও গুতেরেস
  3. ক্রিশ্চিয়ানা ফিগারেস
  4. উপরের কেউ নন
ব্যাখ্যা
- আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত ২০২৪ সালের COP-29 জলবায়ু সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন মুখতার বাবায়েভ (Mukhtar Babayev)।

• কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP -এর পূর্ণরূপ Conferences of the Parties.
- জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘ রূপরেখা সম্মেলন কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে।
- প্রথম কপ-১ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- জার্মানির বার্লিন শহরে ১৯৯৫ সালে।
- UNFCC ভুক্ত সদস্য দেসসমূহ জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- COP-29 জলবায়ু সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন মুখতার বাবায়েভ।

উল্লেখ্য,
- কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং ইউএনবি।
৩২৮.
UNCCD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. United Nations Convention on Climate Development
  2. United Nations Convention to Combat Desertification
  3. United Nations Council on Desert Control
  4. United Nations Committee on Drylands
ব্যাখ্যা

UNCCD:
- UNCCD-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention to Combat Desertification.
- UNCCD হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা মরুকরণ, ভূমি অবক্ষয় এবং খরার প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।
- এটি গৃহীত হয়: ১৭ জুন, ১৯৯৪ সালে, প্যারিস।
- কার্যকর হয়: ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৬ সালে।
- সদস্য: ১৯৭টি (১৯৬টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- UNCCD একমাত্র আইনি বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পরিবেশ ও উন্নয়নকে টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- UNCCD-এর মূল উদ্দেশ্য: মরুকরণ প্রতিরোধ এবং খরার প্রভাব হ্রাস করা।

উৎস: UNCCD ওয়েবসাইট।

৩২৯.
নিম্নের কোন দেশটি ২০২০ সালে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বের হয়ে যায়?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র এর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৭ সালে এক ঘোষণার মাধ্যমে প্যারিস চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।
২০২০ সালের ৩ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৩৩০.
প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (COP-1) কোথায় গৃহীত হয়েছিল?
  1. বেলেম ডো প্যারা, ব্রাজিল
  2. বার্লিন, জার্মানি
  3. স্টকহোম, সুইডেন
  4. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

⇒ প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-১):
- প্রথম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২ মার্চ - ৭ এপ্রিল জার্মানির বার্লিনে প্রথম কপ-১ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ওই সম্মেলনে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- কপ- ৩০ (COP-30) সম্মেলন ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম ডো প্যারাকে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৩৩১.
বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণে 'বাসেল কনভেনশন' গৃহীত হয় কবে? 
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯২ সালে 
  3. ১৯৯৭ সালে 
  4. ২০০০ সালে 
ব্যাখ্যা

• বাসেল কনভেনশন: 
- বাসেল কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি ।
- যা বিপজ্জনক বর্জ্য এবং অন্যান্য ধরনের বর্জ্যের এক দেশ থেকে অন্য দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশে, স্থানান্তর ও ব্যবস্থাপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- সম্পূর্ণ নাম: Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and Their Disposal
- গৃহীত হয়: ২২ মার্চ ১৯৮৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ৫ মে ১৯৯২ সালে। 
- স্থান: বাসেল, সুইজারল্যান্ড ।

• উদ্দেশ্য: 
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করা।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
- পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে বাসেল কনভেনশনে যোগ দেয়।

তথ্যসূত্র: Basel Convention ওয়েবসাইট। 

৩৩২.
কার্টাগেনা প্রোটোকল কী উদ্দেশ্যে গৃহিত হয়েছে?
  1. জলাভূমি সংরক্ষণ
  2. জৈব নিরাপত্তা
  3. ওজোনস্তরের ক্ষয়সাধন রোধ
  4. বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধ
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রোটোকল:
- কার্টাগেনা প্রোটোকল হচ্ছে জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি।
- কার্টাগেনা প্রোটোকল এর পুরো নাম Cartagena Protocol in Biosafety to the Convention on Biologcal Diversity.
- কার্টাগেনা প্রোটোকল গৃহীত হয় ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি।
- কার্টাগেনা প্রোটোকল চুক্তিটি ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৩ সালে কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রোটোকল চুক্তি স্বাক্ষর করে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৩৩.
কপ-৩০ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে কোথায়?
  1. ব্রাজিল 
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা 
  3. অস্ট্রিয়া
  4. কেনিয়া
ব্যাখ্যা
কপ (COP) সম্মেলন:
- পূর্ণ নাম: Conference of the Parties.
- বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নীতি ও পদক্ষেপ নির্ধারণ।
- জলবায়ু পরিবর্তন রোধ, কার্বন নির্গমন হ্রাস এবং অভিযোজন কৌশল নির্ধারণ।
- প্রথম COP সম্মেলন: ১৯৫৫ সালে বার্লিন, জার্মানি।
- কপ-৩০ তম সম্মেলন হবে বেলেম, ব্রাজিল।
- সময়: 10-21 নভেম্বর 2025 তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য,
- কপ-২৯ তম সম্মেলন হয় আজারবাইজান।
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: UN Habitat. [লিঙ্ক]
৩৩৪.
Climate Refugee সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন কে?
  1. সুভনটে আরহেনিয়াস
  2. লেস্টার ব্রাউন
  3. আর্নেস্ট হেকেল
  4. হিপোক্রেটিস
ব্যাখ্যা
Climate Refugee বা Environmental Refugee সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন মার্কিন পরিবেশবাদী বিজ্ঞানী লেস্টার ব্রাউন। তিনি ১৯৭৬ সালে প্রথম এটি ব্যবহার করেন।
(উৎসঃ অ্যাকাডেমিয়া)
৩৩৫.
Biosafety Clearing-House (BCH) কোন প্রটোকলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. কার্টাগোনা প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. নাগোয়া প্রটোকল
  4. কিয়েটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity বা জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।

⇒ কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে।
- গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- Biosafety Clearing-House (BCH) প্রতিষ্ঠিত হয় Cartagena Protocol on Biosafety-এর অধীনে।
- Biosafety Clearing-House (BCH) হলো একটি অনলাইন তথ্য কেন্দ্র, যার মাধ্যমে জীবিত পরিবর্তিত জীব (LMOs) সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করা যায়, দেশগুলো তাদের বায়োসেফটি আইন-কানুন, নীতিমালা, সিদ্ধান্ত ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে,
- এটি Cartagena Protocol বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
৩৩৬.
রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তি হয়—
  1. ১৮৭৪ সালে
  2. ১৬৭৫ সালে
  3. ১৯০৭ সালে
  4. ১৯২৫ সালে
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC): 
• কনভেনশনটি ১৯৯৩ সালে প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
• কার্যকর হওয়ার তারিখ ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭
- এটি প্রথম আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ শ্রেণির গণবিধ্বংসী অস্ত্র নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করে

উল্লেখ্য,
• রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সীমিত করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তিটি ১৬৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন ফ্রান্স এবং জার্মানি স্ট্রাসবার্গে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যেখানে বিষ বুলেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: opcw website.
৩৩৭.
কিয়াটো প্রটোকলের বিষয়বস্তু কী?
  1. ওজোনস্তরের ক্ষয় হ্রাস
  2. ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণ কমিয়ে আনা
  3. গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাস
  4. জীববৈচিত্র সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

• কিয়াটো প্রটোকলের বিষয়বস্তু গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাস।

• কিয়াটো প্রটোকল:
- প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয় ২০০৫ সালে।
- লক্ষ্য - ১৯৯০ সালের তুলনায় গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন অন্তত ৫% হ্রাস করা।

অন্যদিকে, 
- ওজোনস্তরের ক্ষয় হ্রাস সংক্রান্ত - ভিয়েনা কনভেনশন।
- জীববৈচিত্র সুরক্ষা বিষয়ক চুক্তি  - কার্টাগেনা প্রটোকল।
- ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণ কমিয়ে আনার জন্য স্বাক্ষরিত হয় মন্ট্রিল প্রটোকল।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

৩৩৮.
কিয়োটো প্রটোকলে Annex 1–এ কোন দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত?
  1. পরিবেশ দূষণকারী ৩০টি দেশ
  2. উন্নয়নশীল ২৪টি দেশ
  3. পরিবেশ দূষণকারী ৪২টি দেশ
  4. শিল্পোন্নত ৪৩টি দেশ
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

⇒ কিয়োটো প্রোটোকলের উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন দেশের তালিকা (Annex) ভিত্তিক কাঠামো অনুসরণ করে গ্রিনহাউস গ্যাস (GHG) নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা।
- এই প্রোটোকল শুধুমাত্র উন্নত দেশগুলিকে উদ্দেশ্য করে গ্রহন করা হয়েছে যা “common but differentiated responsibility and respective capabilities” নীতির অধীনে পরিচালিত।
- এখানে শিল্পোন্নোত দেশগুলিকে উপর অধিক দায়িত্ব আরোপ হয়েছে, কারণ এই দেশগুলি বায়ুমণ্ডলে উচ্চ মাত্রায় GHG নির্গমনের জন্য দায়ী।
- UNFCCC তার কনভেনশানে সারা বিশ্বের সব দেশগুলিকে ৩টি তালিকা বা Annex এ বিভক্ত করেছে।

• Annex-I: শিল্পোন্নত ৪৩টি দেশ।
- অ্যানেক্স I হলো UNFCCC-এর একটি তালিকা, যাতে শিল্পোন্নত দেশ ও অর্থনৈতিকভাবে পরিবর্তনশীল রাষ্ট্রসমূহ অন্তর্ভুক্ত।
- এদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর আইনগত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৩৩৯.
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ১৯৬৭ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

- জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি হচ্ছে UNEP (United Nations Environment Programme)।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে স্টকহোম সামিটের মাধ্যমে।
- এর সদরদপ্তর অবস্থিত কেনিয়ার নাইরোবিতে।

উৎসঃ UNEP এর ওয়েবসাইট।

৩৪০.
২০২৫ সালের UN Ocean Conference কততম সম্মেলন ছিল?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা

2025 UN Ocean Conference:
- UN Ocean Conference 2025 (তৃতীয় সম্মেলন) অনুষ্ঠিত হয় ৯–১৩ জুন ২০২৫।
- স্থান: নিস (Nice), ফ্রান্স।
- সহ-আয়োজক দেশ: ফ্রান্স ও কোস্টারিকা।
- প্রথম সম্মেলন হয়: ২০১৭ সালে নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে।

• UN Ocean Conference  এর মূল থিম ও লক্ষ্য:
- SDG ১৪: Life Below Water
- সামুদ্রিক দূষণ হ্রাস।
- অতিরিক্ত মাছ শিকার বন্ধ।
- সমুদ্র-সম্পদের টেকসই ব্যবহার।
- সমুদ্রের ৩০% এলাকা ২০৩০ সালের মধ্যে সংরক্ষণ (৩০×৩০ লক্ষ্য)।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা।
- Deep-sea mining ও bottom trawling-এর মতো ক্ষতিকর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: এস ডি জি ওয়েবসাইট।

৩৪১.
২০১৫ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত কপ-২১ এ কত সংখ্যক জাতি অংশগ্রহণ করেছিল?
  1. ক) ১৯৩
  2. খ) ১৬৮
  3. গ) ১৯৯
  4. ঘ) ১৯৬
ব্যাখ্যা
- ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২১তম UNFCCC Conference of Parties (CoP-21) এ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর।
- বর্তমানে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ/সংস্থার সংখ্যা ১৯৫টি এবং অংশীদার ১৯১টি। তবে সম্মেলনে ১৯৬টি জাতি অংশ নিয়েছিলো।
- চুক্তিটিতে একুশ শতকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্পযুগের তুলানয় ১.৫ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্য স্থির করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ UNFCCC ওয়েবসাইট)
৩৪২.
ভিয়েনা কনভেনশন অনুমোদনকারী পক্ষ -
  1. ১৯৫টি
  2. ১৯৬টি
  3. ১৯৭টি
  4. ১৯৮টি
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন)- হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
- স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- কার্যকর ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ২৮টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৩৪৩.
বাসেল কনভেনশন কোথায় গৃহীত হয়েছিল?
  1. জার্মানি
  2. ব্রাজিল
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

• বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয়েছিল সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।

• বাসেল কনভেনশন:
- জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) বিপজ্জনক বা বিষাক্ত বর্জ্য এবং এটির আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য বাসেল কনভেনশন নামে একটি কনভেনশন গ্রহণ করে।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- এটি গৃহীত হয়: ২২শে মার্চ, ১৯৮৯, বাসেল, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যকরী হয়: ৫ মে, ১৯৯২।
- সদস্য: ১৯১টি।
- স্বাক্ষরকারী: ৫৩টি।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক চুক্তিকে বাসেল কনভেনশন বলে।
- বাসেল কনভেনশন এর উদ্দেশ্য: উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত দেশে বিপজ্জনক বর্জ্য স্থানান্তর রোধ করা।

উল্লেখ্য,
-  বাংলাদেশ বাসেল কনভেনশন কার্যকর করে ১৯৯৩ সালের ৩০ জুন।

উৎস: UN Basel Convention  ওয়েবসাইট।

৩৪৪.
'প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন' কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল? 
  1. জোহানেসবার্গ
  2. নাইরোবি
  3. রিও ডি জেনেইরো
  4. আমস্টারডাম
ব্যাখ্যা

ধরিত্রী সম্মেলন: 
- পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Environment and Development (UNCED).
- প্রথম ধরিত্রি সম্মেলন: রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল।
- তারিখ: ৩-১৪ জুন, ১৯৯২। 
- উদ্দেশ্য: টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি।
- গুরুত্বপূর্ণ অর্জন: UNFCCC, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন (CBD), অ্যাজেন্ডা ২১ স্বাক্ষর।

উল্লেখ্য,
- 'রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন+ ৫' অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।
- এটি ১৯৯৭ সালে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশেষ ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।

•'রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন ১০' অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ২০০২ সালে।
- এটি দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।

•রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন ২০' অনুষ্ঠিত হয় ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও-তে ২০১২ সালে।
- এটি তৃতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।

৩৪৫.
২৯তম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. নামিবিয়া
  2. ব্রাজিল
  3. আজারবাইজান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উল্লেখ্য,
- কপ- ২৯, ২০২৪ সালে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে -
- কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।
- আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৩৪৬.
সাফটা চুক্তি স্বাক্ষর হয় –
  1. ক) ১১ এপ্রিল ১৯৯৩
  2. খ) ৮ ডিসেম্বর ১৯৯৫
  3. গ) ৬ জানুয়ারী ২০০৪
  4. ঘ) ১ জানুয়ারী ২০০৬
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (South Asian Free Trade Area) বা সাফটা ২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারী সাক্ষরিত হয়। এটি কার্যকর হয় ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারী। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে শুল্কহার শূন্যে নামিয়ে আনা। সার্কভুক্ত আটটি দেশ এতে স্বাক্ষর করে।(South Asian Preferential Trading Arrangement-SAPTA) স্বাক্ষরিত হয় ১১ এপ্রিল ১৯৯৩ এবং কার্যকর হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৯৫।(সূত্রঃ সার্ক ওয়েবসাইট)
৩৪৭.
'United Nations Framework Convention on Climate Change' স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮৮ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ১৯৯১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন হচ্ছে- UNFCCC।
- UNFCCC- এর পূর্ণরূপ- United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯২ সালে এবং কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে।
- UNFCCC এর সদরদপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- UNFCCC ওয়েবসাইট।
৩৪৮.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে বৈশ্বিক উষ্ণতা কত ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ স্থির করা হয়?
  1. ১.২ ডিগ্রি
  2. ২.৫ ডিগ্রি
  3. ১.৩ ডিগ্রি
  4. ১.৫ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
• গৃহীত: ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২১তম UNFCCC Conference of Parties (COP-21) সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয়।
• বর্তমান পর্যন্ত ১৯৫টি দেশ প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
• ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় 
•  কার্যকর: ৪ নভেম্বর ২০১৬ থেকে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কার্যকর হয়।
• প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে একুশ শতকে বৈশ্বিক  বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ স্থির করেন।
• চুক্তিটিতে মোট ১৯৪টি দেশ স্বাক্ষর করেছে। তবে এটির অংশীদার ১৮৯টি দেশ।
• বাংলাদেশ ২২ এপ্রিল ২০১৬ এতে স্বাক্ষর করে এবং ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ এটি অনুমোদন করে।
• চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর।
• যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিটিতে স্বাক্ষর ও অনুমোদন করলেও ৪ নভেম্বর ২০২০ চুক্তি থেকে নিজেদের আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট। 

৩৪৯.
কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন পায় কত সালে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

• কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity।
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন হয় ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয় ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।
- বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে কার্টাগেনা প্রটোকলে স্বাক্ষর করে এবং ২০০৪ সালের ৫ মে এটি অনুমোদন করে।

উৎস: কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।

৩৫০.
কিয়োটো প্রোটোকল থেকে প্রত্যাহারকারী প্রথম দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
⇒ কিয়োটো প্রোটোকল থেকে প্রত্যাহারকারী প্রথম দেশ কানাডা।

কিয়োটো প্রোটোকল:
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি কার্যকরী হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩৫১.
৩১তম কপ জলবায়ু সম্মেলন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে? 
  1. তুরস্ক
  2. অষ্ট্রেলিয়া 
  3. যুক্তরাষ্ট্র 
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

• COP: 
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties. 
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা। 
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করেছে ব্রাজিল।
- ২০২৬ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ আয়োজন করতে যাচ্ছে তুরস্ক।
- তুরস্কের পর্যটননগরী অ্যান্টালিয়া কপ-৩১-এর আয়োজক শহর হবে এবং তুরস্কই আনুষ্ঠানিকভাবে কপ-৩১-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।

তথ্যসূত্র: UN-Habitat অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, বনিক বার্তা ও UNFCCC

৩৫২.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৪ সালে
  2. খ) ১৯৮৬ সালে
  3. গ) ১৯৯১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৗড়া ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে নির্ধারিত হয় যে, উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে গৃহীত ফর্মুলা মোতাবেক ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সময়ে দু’দেশের মধ্যে গঙ্গার পানি ভাগাভাগি হবে, এবং ভারত নদীটির জলপ্রবাহের মাত্রা গত ৪০ বছরের গড় মাত্রায় বজায় রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।
- যেকোন সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানির নিশ্চয়তা পাবে।
- দীর্ঘ মেয়াদে গঙ্গার পানি প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে উভয় দেশ পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনে এবং দুদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত অন্যান্য নদীর পানি বণ্টনের ক্ষেত্রেও অনুরূপ চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে একমত হয়।


উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৫৩.
বাসেল কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ৪৮টি
  2. ৫১টি
  3. ৫৩টি
  4. ৫৮টি
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) বিপজ্জনক বা বিষাক্ত বর্জ্য এবং এটির আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য বাসেল কনভেনশন নামে একটি কনভেনশন গ্রহণ করে।
- এটি গৃহীত হয়: ২২শে মার্চ, ১৯৮৯, বাসেল, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যকর হয়: ৫ মে, ১৯৯২।
- সদস্য: ১৯১টি।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৫৩টি।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক চুক্তিকে বাসেল কনভেনশন বলে।
- বাসেল কনভেনশন এর উদ্দেশ্য: উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত দেশে বিপজ্জনক বর্জ্য স্থানান্তর রোধ করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বাসেল কনভেনশন কার্যকর করে ১৯৯৩ সালের ৩০ জুন।

উৎস: UN Basel Convention ওয়েবসাইট।
৩৫৪.
নাগোয়া প্রটোকলের বিষয়বস্তু-
  1. ক) জলবায়ু পরিবর্তন
  2. খ) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  3. গ) বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
  4. ঘ) পরিবেশ বিপর্যয়
ব্যাখ্যা

- 'নাগোয়া প্রটোকল' বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য স্বাক্ষরিত প্রটোকল।
- 'কিয়োটো প্রটোকল' বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে গ্রীনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাসে স্বাক্ষরিত প্রটোকল।
- 'মন্ট্রিল প্রটোকল' ওজোনস্তর ক্ষয়কারী বস্তু-সামগ্রীর উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার বন্ধ করার লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত প্রটোকল।
- 'কার্টাগেনা প্রটোকল' জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।

৩৫৫.
গুড ফ্রাইডে চুক্তির সাথে কোন দুটি দেশ জড়িত?
  1. ক) ব্রিটেন ও ফ্রান্স
  2. খ) আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ড
  3. গ) স্পেন ও পর্তুগাল
  4. ঘ) ফ্রান্স ও জার্মানি
ব্যাখ্যা
১৯৯৮ সালের ১০ এপ্রিল উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে সম্পাদিত চুক্তিটিকে গুড ফ্রাইডে চুক্তি নামে ডাকা হয়। আয়ারল্যান্ডে চলে আসা গৃহযুদ্ধের অবসান তথা শান্তি স্থাপনে এ চুক্তি সম্পাদিত হয়। ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড সরকার এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের মধ্যে এই চুক্তি সম্পাদিত হয়। এটি কার্যকর হয় ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর। এই চুক্তির ভিত্তিতেই বর্তমানে আয়ারল্যান্ড ভূখন্ডে সরকার পরিচালিত হয়ে আসছে। (সূত্র: বিবিসি)
৩৫৬.
বাসেল কনভেনশন কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

৩৫৭.
কোন প্রটোকলের অধীনে অভিযোজন তহবিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. বাসেল কনভেশন
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. কিয়োটো প্রটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা
• কিয়োটো প্রটোকল:
- পূর্ণরূপ: Kyoto Protocol to the United Nations Framework Convention on Climate Change.
- কিয়োটো প্রোটোকলটি ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর গৃহীত হয়।
- এটি ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে, কিয়োটো প্রোটোকলের ১৯২টি পক্ষ রয়েছে।
- স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- উদ্দেশ্য: গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ১৯৯০ সালের স্তরের তুলনায় ৫.২% কমানো।
- বৈশিষ্ট্য: ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) এবং ইমিশন ট্রেডিং অন্তর্ভুক্ত।
- চ্যালেঞ্জ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটি অনুমোদন করেনি এবং চীন বাধ্যতামূলক লক্ষ্য থেকে অব্যাহতি পেয়েছে।
- দ্য অভিযোজন তহবিল কিয়োটো প্রোটোকলের পক্ষভুক্ত উন্নয়নশীল দেশগুলিতে অভিযোজন প্রকল্প এবং কর্মসূচির অর্থায়নের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রথম প্রতিশ্রুতিকালীন সময়ে, তহবিলটি মূলত সিডিএম প্রকল্প কার্যক্রম থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটি অংশ দিয়ে অর্থায়ন করা হয়েছিল।
- ২০১২ সালে দোহায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতিকালীন সময়ে, আন্তর্জাতিক নির্গমন বাণিজ্য এবং যৌথ বাস্তবায়নও অভিযোজন তহবিলকে আয়ের ২ শতাংশ অংশ প্রদান করবে।

 উৎস: UNFCCC.
৩৫৮.
প্রথম আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন ছিল কোনটি?
  1. স্টকহোম সম্মেলন
  2. সাও পাওলো সম্মেলন
  3. রিও সম্মেলন
  4. জেনেভা সম্মেলন
ব্যাখ্যা
স্টকহোম সম্মেলন:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোমে প্রথম আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিবেশগত সমস্যার ওপর বিশ্বজনীন আলোচনা শুরু করে।
- স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশের সম্মেলন, জুন ৫-১৬, ১৯৭২ অনুষ্ঠিত হয়। 
- জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়নের সম্মেলন (UNCED) রিও ডি জেনিরোতে, জুন ৩-১৪, ১৯৯২ অনুষ্ঠিত হয়। 
- স্টকহোম সম্মেলন জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠনে ভূমিকা রাখে। 

উৎস: UN Environment Programme (UNEP)
United Nations
৩৫৯.
‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত কে করেন?
  1. গ্রেটা থুনবার্গ
  2. মালালা ইউসুফজাই
  3. ডেভিড অ্যাটেনবরো
  4. লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও
ব্যাখ্যা

- 'Friday For Future' একটি পরিবেশবাদী আন্দোলন। 
- গ্রেটা থুনবার্গ ২০১৮ সালে এই আন্দোলনের সূত্রপাত করে।

Fridays for future:
- ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত করেন সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ।
- তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে ২০১৮ সালে স্কুলে না গিয়ে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতামূলক অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
- তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও এতে অনুপ্রাণিত হয়ে অংশ নেয়।
- ফলে এটি একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী আন্দোলনে রূপ নেয়।
- আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করা।
- এভাবেই ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূচনা ঘটে এবং এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।

৩৬০.
নিম্নের কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধরিত্রী দিবসের সূচনা হয়?
  1. ব্যাপক বায়ু দূষণ
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. ব্যাপক তেল নিঃসরণ
  4. ব্যাপক পানি দূষণ
ব্যাখ্যা

- ধরিত্রী দিবস বা Earth Day-এর সূচনা হয় ১৯৬৯ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারা উপকূলে সংঘটিত একটি ভয়াবহ তেল নিঃসরণের ঘটনা থেকে। ঐ সময় ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানির একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে তেল সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়ে। 

ধরিত্রী দিবস:
- পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছর ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালন করা হয়।
- এটি জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত একটি দিবস।
- সর্বপ্রথম ১৯৭০ সালে দিবসটি পালিত হয়।
- বর্তমানে আর্থ ডে নেটওয়ার্ক কর্তৃক বিশ্বব্যাপি এ দিবসটি পালন করা হয়।
- ১৯৯০ সালে বাৎসরিক পঞ্জিকায় দিবসটিকে স্থান দেয় জাতিসংঘ।
- জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহকে তা পালনের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়।
- এরপর দিবসটি ‘বিশ্ব ধরিত্রী দিবস’ নামে আন্তর্জাতিক ভাবে পালিত হচ্ছে।
- বর্তমানে ১৯৩টি দেশে প্রতি বছর ধরিত্রী দিবস পালিত হয়।

উৎস: United Nations Foundation ও Earth Day 2025 ওয়েবসাইট। 

৩৬১.
কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনে উন্নত বিশ্ব বার্ষিক কী পরিমাণ অর্থায়ন দিতে রাজি হয়?
  1. ১০০ বিলিয়ন
  2. ২০০ বিলিয়ন
  3. ২৫০ বিলিয়ন
  4. ৩০০ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29):
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশনের (UNFCCC) আওতায় ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর Conference of Parties (COP) অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’।
- কপ-২৯–এর সভাপতিত্ব করেন মুখতার বাবায়েভ (Mukhtar Babayev)।
- এই সম্মেলনে রাষ্ট্রপ্রধান, বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তারা অংশ নেন যদিও যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ফ্রান্সের মতো বড় কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানরা অনুপস্থিত ছিলেন।

⇒ এ জলবায়ু চুক্তিতে ঐকমত্যে আসে প্রায় ২০০টি সদস্য দেশ।
- কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনে উন্নত বিশ্ব ২০৩৫ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলির জলবায়ু কর্মকাণ্ডের জন্য বার্ষিক কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলার প্রদানের লক্ষ্য পূরণে নেতৃত্ব দিতে সম্মত হয়েছে, যা মূলত "বাকু জলবায়ু ঐক্য চুক্তি" নামে পরিচিত। এই নতুন বৈশ্বিক অর্থায়ন লক্ষ্যমাত্রা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে রূপান্তরে সহায়তা করবে। 
- পাশাপাশি, দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধের জন্য ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে বলে সম্মত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- কপ- ৩০ (COP-30) সম্মেলন ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম ডো প্যারাকে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৩৬২.
রামসার কনভেনশন কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জলাভূমি
  2. মরুভূমি
  3. জলবায়ু
  4. ওজোনস্তর সুরক্ষা
  5. বন নিধন
ব্যাখ্যা

রামসার কনভেনশন (Convention on Wetlands):
- রামসার কনভেনশনের পূর্ণ নাম: Convention on Wetlands of International Importance especially as Waterfowl Habitat.
- রামসার কনভেনশন হলো জলাভূমি (যেমন, বিল, হ্রদ, নদী, ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- স্বাক্ষর: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- স্বাক্ষরের স্থান: রামসার, ইরান।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- বর্তমানে চুক্তিবদ্ধ দেশ: ১৭২টি।
- উদ্দেশ্য: আর্দ্রভূমির অবক্ষয় রোধ ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন (১৯৯২), টাঙ্গুয়ার হাওর (২০০০)।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

৩৬৩.
বর্তমানে Paris Agreement - কতটি দেশ অনুমোদন করেছে?
  1. ক) ১৯৭
  2. খ) ১৮৪
  3. গ) ১৮৭
  4. ঘ) ১৭৪
ব্যাখ্যা
Paris Agreement - Status of Ratification: To this date, 187 Parties have ratified of 197 Parties to the Convention. On 5 October 2016, the threshold for the entry into force of the Paris Agreement was achieved. The Paris Agreement entered into force on 4 November 2016, thirty days after the date on which at least 55 Parties to the Convention accounting in total for at least an estimated 55 % of the total global greenhouse gas emissions have deposited their instruments of ratification, acceptance, approval or accession with the Depositary. Source: unfccc.int
৩৬৪.
কত সালে প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়?
  1. ক) ১৯৬৫
  2. খ) ১৯৭০
  3. গ) ১৯৭২
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়।

• বিশ্ব পরিবেশ দিবস:
- ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়।
- এর নাম UN Conference on the Human Environment.
- ১৯৭২ সালে এই সম্মেলন থেকে UNEP (United Nations Environment Program) গঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে।
- এই সম্মেলন থেকে ৫ই জুন কে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৭৩ সালে প্রথম বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়।

উৎস: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট UNEP
৩৬৫.
বাসেল কনভেনশন কোন সংস্থার অধীনে গৃহীত হয়?
  1. WHO
  2. UNEP
  3. IAEA
  4. IMO
ব্যাখ্যা

⇒ বাসেল কনভেনশন UNEP এর অধীনে গৃহীত হয়।

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হওয়ার স্থান: বাসেল, সুইজারল্যান্ড।
- এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- জাতিসংঘের অধীনে বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন ও নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণকারী চুক্তি বাসেল কনভেনশন।

⇒ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

৩৬৬.
ধরিত্রী সম্মেলনের ফলাফল হিসেবে কোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেওয়া হয়?
  1. ভিয়েনা ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১
  2. মন্ট্রিল ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১
  3. রিও ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১
  4. লন্ডন ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১
ব্যাখ্যা
Earth Summit: 
- ১৯৯২ সালের ৩ - ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে প্রথম পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন (Earth Summit) অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন (Climate Change Convention) বিষয়ক চুক্তি হয়।

উল্লেখ্য,
- এর উল্লেখযোগ্য একটি নীতি হচ্ছে Polluter pays principle.
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ১৭৯টি দেশের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, বিজ্ঞানী, মিডিয়া প্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) একত্রিত হয়ে পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল।

⇒ ধরিত্রী সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য সাফল্য:
- রিও ঘোষণা: ২৭টি সার্বজনীন নীতিসহ পরিবেশ ও উন্নয়নের কাঠামো।
- এজেন্ডা ২১: ২১শ শতাব্দীর জন্য টেকসই উন্নয়নের কর্মপরিকল্পনা।
- UNFCCC: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার কনভেনশন যা পরে কিয়োটো প্রোটোকল নামে পরিচিত।
- জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশন: জৈব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।
- বন ব্যবস্থাপনা নীতিমালা: বন সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার ঘোষণা।
- ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র সম্মেলন: ১৯৯৪ সালে টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রথম সম্মেলন।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৩৬৭.
৩১তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-31) কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. বেলেম, ব্রাজিল
  2. ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া
  3. আন্তালিয়া, তুরস্ক
  4. নাইরোবি, কেনিয়া
ব্যাখ্যা

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।সার্চ

⇒ ৩০তম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-30):
- কপ- ৩০ জলবায়ু সম্মেলন ১০ - ২১ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ব্রাজিলের আমাজনের রেইনফরেস্ট এলাকায় বেলেমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- কপ৩০-এর মূল লক্ষ্য ছিল গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ রোধ এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট ক্ষতি মোকাবিলায় জাতিসংঘের বিদ্যমান কাঠামোকে শক্তিশালী করা।
- এই সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন ব্রাজিলীয় কূটনীতিক আন্দ্রে কোরেয়া দো লাগো।
- জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে স্পষ্ট রূপরেখা না থাকলেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য তহবিল বাড়ানোর ঘোষণা কপ-৩০–এর সবচেয়ে বড় অর্জন। জলবায়ু সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তা ধনী দেশগুলোকে ২০৩৫ সালের মধ্যে তিন গুণ বাড়াতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সালে ৩১তম জলবায়ু সম্মেলন তুরস্কের আন্তালিয়া শহরে অনুষ্ঠিত হবে। তবে সভাপতিত্ব করবেন অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ু মন্ত্রী ক্রিস বোয়েন আলোচনার।
- জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালের কপ আয়োজনের অধিকার পশ্চিমা ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও অন্য দেশ নিয়ে গঠিত একটি গ্রুপের প্রাপ্য ছিল। ব্রাজিলে চলমান কপ-৩০ সম্মেলনে আলোচনার পর অস্ট্রেলিয়া তুরস্ককে সমর্থন করতে সম্মত হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৩৬৮.
মন্ট্রিল প্রটোকল কী সম্পর্কিত?
  1. ওজোনস্তর রক্ষা
  2. জীববৈচিত্র্য রক্ষা
  3. জলাভূমি রক্ষা
  4. জৈব নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- বায়ুমন্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারের ওজোন স্তরকে রক্ষা বিষয়ক প্রটোকল।
- গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে।
- কার্যকর হয়: ১৯৮৯ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৬টি + ইউরোপীয় ইউনিয়ন
- ১৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ওজোনস্তর দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- বাংলাদেশ অনুসমর্থন করে ১৯৯০ সালে।

উৎস: UNEP Website.

৩৬৯.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনের (Cop) আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. IPCC
  2. WMO
  3. IUCN
  4. UNFCCC
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) হলো একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা প্রতি বছর জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন চুক্তি (UNFCCC) দ্বারা আয়োজিত হয়।
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এই সম্মেলনটি জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধ, প্রভাব কমানো এবং অভিযোজনের জন্য বিভিন্ন কৌশল ও উদ্যোগ নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।

⇒ UNFCCC:
- UNFCCC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- সাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুন থেকে ১৪ জুন তারিখে তে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন (UNCED) শীর্ষক সম্মেলনে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার এমন অবস্থায় স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য তা বিপত্তিকর না হয়।

⤇ Conference of the Parties (COP) হচ্ছে UNFCCC-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ।
- প্রতিবছর COP সম্মেলনের মাধ্যমে UNFCCC-এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও জলবায়ু সম্পর্কিত নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
⤇ কার্যক্রম শুরুর পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুতে এই চুক্তির দপ্তর মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এই চুক্তির সেক্রেটারিয়েটের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় ১৯৯৭ সালে কিয়েটো প্রটোকল ও ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
⤇ ১৯৯২ সালে UNFCCC-এর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯৫ সাল থেকে সদরদপ্তর জার্মানির বনে অবস্থিত।
- তার আগে দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় (১৯৯২ - ৯৫) ছিলো।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৩৭০.
কার্বন নিঃসরণ কমাতে ‘কার্বন বাণিজ্য’ ধারণাটি প্রবর্তিত হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. নাগোয়া প্রোটোকল
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রোটোকল
  4. কার্টাগেনা প্রোটোকল
ব্যাখ্যা

কার্বন বাণিজ্য:
- কার্বন নিঃসরণ কমাতে ‘কার্বন বাণিজ্য’ (Carbon Trading) বা কার্বন ক্রেডিট ধারণাটি মূলত ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকল (Kyoto Protocol)-এর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়।
- এই চুক্তিতেই গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) এবং কার্বন ট্রেডিংয়ের মতো বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।
- পরবর্তী সময়ে প্যারিস চুক্তির আওতাতেও এটি জোরদার করা হয়েছে। 

- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- গৃহীত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।

- বিশ্বের উষ্ণতা রোধে কিয়েটো প্রটোকলকে কার্বন সনদ হিসেবে মনে করা হতো।
- কিয়োটো প্রটোকল কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের নির্গমন কমানোর জন্য 'কার্বন ক্রেডিট' ব্যবস্থাও চালু করেছিল, যার মাধ্যমে এক দেশ অন্য দেশের নির্গমন কমানোর প্রচেষ্টা কিনতে পারে বা বিক্রি করতে পারে। এর মাধ্যমে একটি বৈশ্বিক বাজার তৈরি হয়েছিল, যা 'কার্বন সনদ' বা 'কার্বন ক্রেডিট' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ১৮০টি দেশের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে পৃথিবীর শিল্পোন্নত ৩৮টি দেশকে ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে তাদের কার্বন নিঃসরণের মাত্রা পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে (১৯৯০) ৫.২% কমানোর জন্য সীমা বেধে দেওয়া হয় এবং বলা হয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ বিষয়ে বাণিজ্য বা যৌথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে (আর্টিকেল-১৭, কিয়োটো প্রটোকল)।
- মূলত এখান থেকে কার্বন বাণিজ্যের সূত্রপাত।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৩৭১.
কপ -২৬ শীর্ষ জলবায়ু সম্মেলনে বিশ্বের প্রথম বহুজাতিক সৌর প্রকল্প ‘এক সূর্য এক পৃথিবী এক গ্রিড; - এর উদ্বোধন করেছে কোন দুটি দেশ?
  1. ভারত ও যুক্তরাজ্য
  2. চীন ও রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য ও নরওয়ে
  4. অস্ট্রেলিয়া ও সুইডেন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

কপ -২৬ শীর্ষ জলবায়ু সম্মেলনে বিশ্বের প্রথম বহুজাতিক সৌর প্রকল্প ‘এক সূর্য এক পৃথিবী এক গ্রিড; - এর উদ্বোধন করেছে ভারত ও যুক্তরাজ্য।

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

এছাড়াও,
- কপ- ২৯, ২০২৪ সালে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে। আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৩৭২.
মন্ট্রিল প্রোটোকলে HFCs-এর ব্যবহার হ্রাসের জন্য কোন সংশোধনী গৃহীত হয়েছিল?
  1. বেইজিং সংশোধন
  2. কিগালি সংশোধন
  3. লন্ডন সংশোধন
  4. কোপেনহেগেন সংশোধন
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- এই প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

⇒ ১৯৮৯ সাল থেকে মন্ট্রিল প্রটোকল ৬ বার সংশোধন করা হয়। এগুলো হলো:
- London amendment 1990,
- Copenhagen amendment 1992,
- Vienna amendment 1995,
- Montreal amendment 1997,
- Beijing amendment 1999,
- Kigali amendment 2016.

উল্লেখ্য,
• কিগালি সংশোধনী:
- মন্ট্রিল প্রোটোকলের কিগালি সংশোধনী হলো হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs)-এর ব্যবহার এবং উৎপাদন ধীরে ধীরে হ্রাস করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর রুয়ান্ডার কিগালিতে মন্ট্রিল প্রটোকলের ২৮তম সভায় শক্তিশালী গ্রিন হাউজ গ্যাস-হাইড্রোফ্লোরো কার্বনের ব্যবহার পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনতে মন্ট্রিল প্রটোকল সংশোধিত হয়।
- সংশোধনীটি বাস্তবায়িত হলে এই শতাব্দীর শেষে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রায় শূন্য দশমিক ৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড কমানো সম্ভব হবে।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।
৩৭৩.
'মন্ট্রিল প্রটোকল' কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জলাশয়
  2. বায়ু দূষণ
  3. পানি দূষণ
  4. ওজোন স্তর
ব্যাখ্যা

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
-  এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।
 
উৎস: UNEP ওয়েবসাইট এবং Britannica.

৩৭৪.
Vulnerable Twenty গ্রুপ কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. বিনিয়োগ
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. কৃষি উন্নয়ন
  4. জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
Vulnerable 20 (V20):
- Vulnerable 20 (V20) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশ গুলোকে নিয়ে একটি ফোরাম।
- V20 বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য সংলাপ এবং পদক্ষেপের মাধ্যমে কাজ করে।
- ২০১৫ সালের অক্টোবরে পেরুর রাজধানী লিমায় এটি গঠিত হয়।
- ভি-২০ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের একটি প্লাটফর্ম।
- বাংলাদেশ ২০২০-২০২২ গ্রুপটির সভাপতির হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
- এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি UNDP এর climate vulnerable forum এর সাথে সরাসরি জড়িত।

উৎস: Vulnerable 20 ওয়েবসাইট।
৩৭৫.
ওজোন স্তর সুরক্ষায় গৃহীত প্রটোকল কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. কিয়েটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তর সুরক্ষা।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
- এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

​অন্যদিকে,
- কিয়োটো প্রোটোকল হলো ১৯৯৭ সালে গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা শিল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।​
​- জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি কার্টাগেনা প্রটোকল।
​- প্যারিস চুক্তি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট এবং Britannica.

৩৭৬.
মন্ট্রিল প্রটোকলের ৫ম সংশোধনী কোথায় গৃহীত হয়?
  1. ক) কিগালি, রুয়ান্ডা
  2. খ) লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. গ) বেইজিং, চীন
  4. ঘ) মন্ট্রিল, কানাডা
ব্যাখ্যা
The Kigali Amendment (2016): The amendment to the Montreal Protocol agreed by the Twenty-Eighth Meeting of the Parties (Kigali, 10-15 October 2016) রেফারেন্সঃ ozone.unep.org/treaties/montreal-protocol/amendments
৩৭৭.
রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
• রামসার কনভেনশন 
- ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- রামসারের ডকুমেন্ট অনুসারে - Number of Contracting Parties: 172. 
 
• বাংলাদেশ ও রামসার:
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
 
উৎস-  রামসার ওয়েবসাইট।
৩৭৮.
["তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়। সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য ব্যাখ্যা, সাম্প্রতিক সমাচার ও ডাইনামিক প্যানেল দেখুন।'']
২০২১ সালে COP-26 সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. প্যারিস
  2. লন্ডন
  3. গ্লাসগো
  4. জেনেভা
ব্যাখ্যা
কপ-২৬:
- ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর - ১২ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো শহরে ২৬তম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- কপ-২৬ সম্মেলনে বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে রাখার কথা বলা হয়েছে।
- কপ ২৬ সম্মেলন থেকে তারা বলেছে যে ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তিতে নির্ধারিত ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য অর্জনে একসাথে কাজ করবে।
- বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমনকারী দেশ হলো চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হয় মিশরের শারম আল শেখ, ২০২২ সালে।
- কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ২০২৩ সালে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৩৭৯.
কিয়োটো প্রটোকল কোন আন্তর্জাতিক চুক্তির অংশ হিসেবে গৃহীত হয়?
  1. UNFCCC
  2. Montreal Protocol
  3. Paris Agreement
  4. CDC Agreement
ব্যাখ্যা

• কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস উদ্গিরণ কমানো।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৩৮০.
জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ কোন শহরে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. সিডনি
  2. অ্যান্টালিয়া
  3. ইস্তাম্বুল
  4. জুরিখ
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১:
- ২০২৬ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ আয়োজন করতে যাচ্ছে তুরস্ক।
- মেডিটেরেনিয়ান উপকূলে অবস্থিত তুরস্কের পর্যটননগরী অ্যান্টালিয়া কপ-৩১-এর আয়োজক শহর হবে এবং তুরস্কই আনুষ্ঠানিকভাবে কপ-৩১-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।
- অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে এ সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তুরস্ক এ দায়িত্ব পেয়েছে।
- তবে এ সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে দর–কষাকষির নেতৃত্ব দেবে অস্ট্রেলিয়া।
- ব্রাজিলে আয়োজিত কপ৩০-এ সমঝোতার মধ্য দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- ২০২২ সালে দুই দেশই সম্মেলনটি আয়োজনের আবেদন করেছিল।

উল্লেখ্য,
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties. 
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা। 
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করেছে ব্রাজিল।

উৎস: UN-Habitat অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।

৩৮১.
UNCBD-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  2. গ্ল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. মন্ট্রিল, কানাডা
ব্যাখ্যা
UNCBD:
- UNCBD-এর পূর্ণরূপ: United Nation Convention on Biological Diversity.
- এটি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি ১৯৯২ সালে ব্রাজিলে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত 'আর্থ সামিট' বা ধরিত্রী সম্মেলনে গৃহীত হয়েছিল।
- ১৯৯৪ সালে কপ-১ নামে জীববৈচিত্র্য বিষয়ক প্রথম সম্মেলন বাহামাসের রাজধানী নাসাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- সদরদপ্তর: মন্ট্রিল, কানাডা।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৩৮২.
নিচের কোনটি ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ বিষয়ক প্রটোকল?
  1. কিয়েটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
-  এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

অন্যদিকে,
- কিয়েটো প্রটোকল - গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন - ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
- জৈব নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রোটকল- কার্টাগেনা প্রোটোকল।
 
উৎস: UNEP ওয়েবসাইট এবং Britannica.

৩৮৩.
কার্টাগেনা প্রটোকল কী সম্পর্কিত?
  1. ইরাক পুনর্গঠন
  2. যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো বৈধ চুক্তি
  3. জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা
  4. জাতিসংঘের শিশু অধিকার
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।

⇒ কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে।
- তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

৩৮৪.
বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল এবং নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাক্ষরিত কনভেনশন কোনটি?
  1. রামসার কনভেনশন
  2. স্টকহোম কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. রটারডাম কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

অন্যদিকে,
- ভিয়েনা কনভেনশন: ১৯৮৫ সালে স্বাক্ষরিত, অজোন লেয়ার ধ্বংসকারী পদার্থ (যেমন CFC) নিয়ন্ত্রণের জন্য; বর্জ্য চলাচলের সাথে যোগ নেই।
- স্টকহোম কনভেনশন: ২০০১ সালে স্বাক্ষরিত, স্থায়ী জৈব দূষণকারী পদার্থ (POPs যেমন DDT) উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য; বর্জ্য পরিবহন নয়।
- রামসার কনভেনশন: ১৯৭১ সালে স্বাক্ষরিত, জলাভূমি (ওয়েটল্যান্ডস) সংরক্ষণ ও বৈচিত্র্য রক্ষার জন্য; বর্জ্য-সম্পর্কিত নয়।

উৎস: বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

৩৮৫.
ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ সম্পর্কিত প্রটোকল কোনটি? 
  1. কিয়েটো প্রটোকল
  2. বাসেল কনভেনশন
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল হচ্ছে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ সম্পর্কিত প্রটোকল।
- এটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে।
- কার্যকর হয়: ১৯৮৯ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৬টি ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
- বাংলাদেশ অনুসমর্থন করে ১৯৯০ সালে।

অন্যদিকে,
- কিয়েটো প্রটোকল-গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
- জৈব নিরাপত্তা সংক্রান্ত কার্টাগেনা প্রোটোকল ।
- নাগোয়া প্রটোকল বন্য প্রাণী সংরক্ষণ প্রটোকল ।

উৎস: UNEP Website. [লিঙ্ক]
৩৮৬.
পরিবেশ বিষয়ক "কার্টাগেনা প্রটোকল" কোন বিষয়ের উপর স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তি?
  1. ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত
  2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত
  3. গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ
  4. ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ কমানো
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল হলো জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে অনুষ্ঠিত জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক কনভেনশনে চুক্তিটি গৃহীত হয়। কার্যকর হয় ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে।
- বর্তমানে ১৭৩টি দেশ চুক্তিটির অংশীদার।
- বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে কার্টাগেনা প্রটোকলে স্বাক্ষর করে এবং ২০০৪ সালের ৫ মে এটি অনুমোদন করে।

(তথ্যসূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)

- বাসেল কনভেনশন --  ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি
- কিয়েটো প্রটোকল --  গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ বিষয়ক চুক্তি
- মন্ট্রিল প্রটোকল -- ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ কমানো সংক্রান্ত চুক্তি
৩৮৭.
জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলন (কপ-২৯)-এর মূল ফোকাস -
  1. জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কমাতে অর্থায়ন
  2. জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
  3. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক
  4. মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

কপ–২৯:
- ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) ১১-২২ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- আয়োজকদের মতে, কপ-২৯ এর মূল ফোকাস অর্থায়নের দিকে থাকবে, কারণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব থেকে জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে দেশগুলোর জন্য ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।
- প্যারিস চুক্তির অধীনে তাদের হালনাগাদ জাতীয় জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনের জন্য এই সম্মেলন ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এ কর্মপরিকল্পনা ২০২৫ সালের প্রথম দিকে নির্ধারিত হবে।

উল্লেখ্য,
- কপ–২৯ সম্মেলনে আলোচনার মূল বিষয় হলো অর্থ।
- কপ-২৯ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য, জলবায়ু সংকটের ভুক্তভোগী দরিদ্র দেশগুলোকে আরও অর্থসহায়তা দেওয়ার পথ খুঁজে বের করা।
- ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির অনুযায়ী বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২০৩০ সালের মধ্যে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিশ্বনেতারা।
- এ লক্ষ্যে কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি সামলাতে ২০২৫ সাল নাগাদ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থসহায়তা দিতে রাজি হলেও এখন পর্যন্ত সেই সহায়তার পরিমাণ সন্তোষজনক নয়।

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
৩৮৮.
বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হলে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ কী পরিমাণ কমাতে হবে?
  1. ২৫%
  2. ৩৭%
  3. ৪৩%
  4. ৫১%
ব্যাখ্যা

পারিস চুক্তি (Paris Agreement): 
- প্যারিস চুক্তি হলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি আইনত বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি । 
- ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে ২১তম কপ সম্মেলনে 'পারিস চুক্তি' গ্রহণ করা হয়।
- এটি বিশ্বের ১৯৫টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি।
- এটি কার্যকর হয়: ৪ নভেম্বর, ২০১৬।
- পারিস চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে চেষ্টা করা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমানোর দিকে পদক্ষেপ নেয়া

⇒ পারিস চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্প স্তরের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর নিচে রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা চালানো।
- তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিশ্ব নেতারা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমার মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা রাখার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন।

⇒ ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমাবদ্ধ রাখতে হলে, ২০২৫ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৪৩% হ্রাস করতে হবে।
- পারিস চুক্তির উদ্দেশ্য মূল্যায়ন করার জন্য এবং দেশগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করার জন্য, প্রতি ৫ বছর অন্তর একটি বিশ্বব্যাপী পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত হবে। 

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৩৮৯.
মন্ট্রিল প্রটোকলের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা
  2. সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণ কমানো
  3. ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করা
  4. বন উজাড় রোধ করা
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩৯০.
রামসার কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় কোন দেশে?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. ইরান
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

Ramsar Convention:
- এর পূর্ণনাম: Convention on Wetlands of International Importance especially as Waterfowl Habitat.
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী জলাভূমির সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- স্বাক্ষর: ১৯৭১ সালে, ইরানের রামসার শহরে।
- কার্যকর হয়: ২১ ডিসেম্বর ১৯৭৫।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- 'কনভেনশন অন ওয়েটল্যান্ডস' নামে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসমূহ স্বাক্ষর করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ রামসার কনভেনশনে যোগ দেয়: ২০ এপ্রিল ১৯৮২।
- বাংলাদেশের রামসার সাইট: ২টি।
১. সুন্দরবন (১৯৯২ সালে অন্তর্ভুক্ত)।
২. টাঙ্গুয়ার হাওর (২০০০ সালে অন্তর্ভুক্ত)।

উৎস: রামসার কনভেনশন ওয়েবসাইট

৩৯১.
Green Climate Fund - থেকে বাংলাদেশের ন্যায্য অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করনে সরকার কোন প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছে?
  1. ক) Bangladesh Climate Change Ttust
  2. খ) Economic Relation Authority
  3. গ) National Designated Authority
  4. ঘ) ‘Damage and Need Assessment (DNA) Cell
ব্যাখ্যা
GCF - থেকে জলবায়ু অর্থায়ন প্রাপ্তির লক্ষ্যে বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রনালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে “National Designated Authority” সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ২০১৮ সালের মে মাস পর্যন্ত, ৮৫.৮২ মিলিয়ন ডলার প্রক্কলিত ব্যয়ে বাংলাদেশের ৩টি প্রকল্প GCF অনুমোদন করেছে। উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
৩৯২.
উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় COP-29 সম্মেলনে কত অর্থায়নের অঙ্গীকার করা হয়েছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ১০০ বিলিয়ন ডলার
  2. ২০০ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩০০ বিলিয়ন ডলার 
  4. ৪০০ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

• কপ-২৯ সম্মেলন: 
- আয়োজক: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- স্থান: বাকু, আজারবাইজান।
- সময়কাল: ১১-২২ নভেম্বর, ২০২৪।
- এই সম্মেলনে রাষ্ট্রপ্রধান, বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তারা অংশ নেন।
- যদিও যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ফ্রান্সের মতো বড় কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানরা অনুপস্থিত ছিলেন, তাদের উপস্থিতি এই আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করতো।
- এই জলবায়ু সম্মেলনে ধনী দেশগুলো দীর্ঘ তেত্রিশ ঘণ্টার আলোচনার পর উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার অঙ্গীকার করেছে।
- ক্ষতিগ্রস্ত ছোট দ্বীপ রাষ্ট্রগুলো ৩০০ বিলিয়ন ডলারের এই অঙ্গীকারকে দুর্বল পদক্ষেপ মনে করে হতাশা প্রকাশ করে; তাদের দাবি, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
- এবারের কপকে ‘ক্লাইমেট ফাইন্যান্স কপ’ নামে অভিহিত করা হলেও উন্নত দেশগুলো ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল নিয়ে একমত হয়নি।

তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট ও Dhaka Post. Link 

৩৯৩.
নাগোয়া প্রটোকল কোথায় গৃহীত হয়?
  1. কানাডা
  2. জাপান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. কাতার
ব্যাখ্যা

 নাগোয়া প্রটোকল:
- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি। 
- ABS সংক্রান্ত নাগোয়া প্রোটোকলটি ২৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়।
- প্রটোকলটি ১২ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কার্যকর হয়।
- এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।

৩৯৪.
Cartagena Protocol-এর আলোচ্য বিষয় কী?
  1. ওজোন স্তরের সুরক্ষা
  2. জীববৈচিত্র্য ও জৈব নিরাপত্তা
  3. বিশ্বের উষ্ণতা হ্রাস
  4. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রটোকল-এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর আলোচ্য বিষয় হলো জীববৈচিত্র্য ও জৈব নিরাপত্তা।

⇒ কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে।
- তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

অন্যদিকে -
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- কিয়েটো প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: বিশ্বের উষ্ণতা হ্রাস।
- নাগোয়া প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

৩৯৫.
কোন চুক্তির মাধ্যমে Biosafety Clearing-House (BCH) প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. নাগোয়া প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• Biosafety Clearing-House (BCH):
- Biosafety Clearing-House (BCH) প্রতিষ্ঠিত হয় কার্টাগেনা প্রটোকলের অধীনে
- Biosafety Clearing-House (BCH) হলো একটি অনলাইন তথ্য কেন্দ্র, যার মাধ্যমে জীবিত পরিবর্তিত জীব (LMOs) সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করা যায়, দেশগুলো তাদের বায়োসেফটি আইন-কানুন, নীতিমালা, সিদ্ধান্ত ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে,
- এটি Cartagena Protocol বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity। এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল। এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে।
- তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

তথ্যসূত্র: UNTC ওয়েবসাইট।

৩৯৬.
১৯৯৫ সালের পূর্বে UNFCCC-এর সদরদপ্তর কোথায় ছিল?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল
  3. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  4. বার্লিন, জার্মানি
ব্যাখ্যা
UNFCCC:
- UNFCCC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- সাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- সদরদপ্তর: বন, জার্মানি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুন থেকে ১৪ জুন তারিখে তে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন (UNCED) শীর্ষক সম্মেলনে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার এমন অবস্থায় স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য তা বিপত্তিকর না হয়।

⤇ ১৯৯২ সালে UNFCCC-এর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯৫ সাল থেকে সদরদপ্তর জার্মানির বনে অবস্থিত।
- তার আগে দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় (১৯৯২ - ৯৫) ছিলো।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৩৯৭.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী দেশগুলোকে কত বছর পর পর তাদের নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিতে হয়?
  1. প্রতি এক বছর
  2. প্রতি দুই বছর
  3. প্রতি তিন বছর
  4. প্রতি পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement):
- প্যারিস চুক্তি মূলত জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে। 
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি পাঁচ বছর পর পর তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিতে হয়। প্যারিস চুক্তির অধীনে, দেশগুলো প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন করে জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জমা দেয়।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৩৯৮.
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) তৈরি হয় কোন সম্মেলন থেকে?
  1. আর্থ সামিট
  2. জোহানেসবার্গ সম্মেলন-২০২২
  3. স্টকহোম সামিট-১৯৭২
  4. রিও সম্মেলন-২০১২
ব্যাখ্যা
• পরিবেশ বিষয়ক প্রথম বিশ্ব সম্মেলন:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোমে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মানব পরিবেশ বিষয়ক প্রথম বিশ্ব সম্মেলন।
- অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য বেশ কয়েকটি নীতি গ্রহণ করে, যার মধ্যে রয়েছে স্টকহোম ঘোষণাপত্র এবং মানব পরিবেশের জন্য কর্মপরিকল্পনা এবং বেশ কয়েকটি প্রস্তাব।

- স্টকহোম ঘোষণাপত্র, যার মধ্যে ২৬টি নীতি ছিল, আন্তর্জাতিক উদ্বেগের শীর্ষে পরিবেশগত বিষয়গুলিকে স্থান দেয়।
- এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বায়ু, জল এবং মহাসাগরের দূষণ এবং বিশ্বজুড়ে মানুষের কল্যাণের মধ্যে যোগসূত্র নিয়ে শিল্পোন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে একটি সংলাপের সূচনা করে। 

- কর্মপরিকল্পনাটিতে  তিনটি প্রধান বিভাগ ছিল:
ক) বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত মূল্যায়ন কর্মসূচি (পর্যবেক্ষণ পরিকল্পনা);
খ) পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম;
(গ) জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচালিত মূল্যায়ন ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা। 

- স্টকহোম-১৯৭২ সম্মেলনের অন্যতম প্রধান ফলাফল ছিল জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) তৈরি করা।

উৎস: United Nations website.
৩৯৯.
গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF) কোন সম্মেলনে গৃহীত হয়?
  1. COP9
  2. COP10
  3. COP15
  4. COP21
ব্যাখ্যা
গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF):
- গৃহীত হয়: ২০০৯ সালে, কোপেনহেগেন সম্মেলনে (COP15 সম্মেলনে)। 
- আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর ২০১০ সাল।
- উদ্দেশ্য: উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমন প্রকল্প অর্থায়ন।
- সদর দপ্তর: ইনচন, দক্ষিণ কোরিয়া।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৪০০.
Tropical Forest Forever Facility (TFFF) কোন জলবায়ু সম্মেলনে চালু হয়েছে?
  1. COP-25
  2. COP-27
  3. COP-28
  4. COP-30
ব্যাখ্যা

Tropical Forest Forever Facility (TFFF):
- Tropical Forest Forever Facility (TFFF) ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিত COP-30 সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। 
- এর প্রধান প্রস্তাবক দেশ হলো ব্রাজিল।
- এর লক্ষ্য হলো গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনভূমি সংরক্ষণ এবং এর মূল্য বৃদ্ধি করা। 
- সহযোগী দেশ: ব্রাজিল ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, নরওয়ে, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, কঙ্গো (DRC), ঘানা, মালয়েশিয়া, কলম্বিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো এর সাথে যুক্ত রয়েছে।
- উদ্দেশ্য: এই সুবিধাটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনভূমিকে সংরক্ষিত রাখতে দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়ন প্রদান করবে, যা বন কেটে ফেলার চেয়ে সংরক্ষণকে বেশি লাভজনক করে তুলবে। 

⇒ এটি বন রক্ষায় এক দীর্ঘস্থায়ী ‘প্যাঁয় ফর পেরফরমান্স’ ফান্ড হিসেবে কাজ করবে, যেখানে দেশগুলো বন সংরক্ষণ করলে সরাসরি অর্থ সহায়তা পাবে।
- এই ফ্যাসিলিটিটি ১২৫ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) Tropical Forest Forever Facility (TFFF) ওয়েবসাইট।